বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৮১ / ৮২ · ৮,০০১৮,১০০ / ৮,১৪১

৮,০০১.
কোন প্রযুক্তি সাধারণত হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য OCR-এর সাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. CAPTCHA
  2. QR Codes
  3. ICR
  4. RFID
ব্যাখ্যা
• হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য সাধারণত OCR-এর সাথে ব্যবহার করা হয় ICR প্রযুক্তি। ICR এর পুরো নাম Intelligent Character Recognition, যা OCR-এর একটি উন্নত সংস্করণ। OCR সাধারণত মুদ্রিত বা প্রিন্ট করা অক্ষর চিনতে সক্ষম হলেও, হাতে লেখা অক্ষর সঠিকভাবে চিনতে ICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। ICR স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ধরনের হাতে লেখা অক্ষর, সংখ্যা এবং চিহ্নকে শনাক্ত করে এবং ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে। এটি ব্যাংকিং, ডাক ব্যবস্থা, এবং অন্যান্য ক্ষেত্র যেখানে হাতে লেখা তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, সেখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বাকী অপশন যেমন CAPTCHA, QR Codes, এবং RFID সাধারণত সনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হলেও, হাতে লেখা সনাক্তকরণের জন্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো - গ) ICR.

• Optical Character Recognition:
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস।
- এটি শুধু ছাপার লেখার না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্ম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যাকে বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৮,০০২.
নিচের কোনটি OCR এর একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য?
  1. এটি শুধুমাত্র গোল দাগ পড়তে পারে
  2. এটি চুম্বকীয় কালি শনাক্ত করে
  3. এটি শুধুমাত্র ছবি এডিট করতে পারে
  4. এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) এটি মুদ্রিত লেখার পাশাপাশি হাতের লেখাও পড়তে পারে।

• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০০৩.
নিচের DBMS গুলোর মধ্যে কোনটি প্রোপ্রাইটারি?
  1. Firebird
  2. CouchDB
  3. Redis
  4. IBM Db2
ব্যাখ্যা
• অপশনের DBMS গুলোর মধ্যে IBM Db2 একটি প্রোপ্রাইটারি (স্বত্বাধিকারী) - (ওপেন সোর্স নয়) ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি IBM কোম্পানি দ্বারা উন্নত ও ব্যবস্থাপিত হয় এবং সাধারণত লাইসেন্স ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
- অন্যদিকে, Firebird, CouchDB এবং Redis হলো ওপেন সোর্স ডাটাবেস, অর্থাৎ এগুলোকে বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করা যায়। প্রোপ্রাইটারি DBMS গুলো সাধারণত উন্নত সাপোর্ট, নিরাপত্তা ও ফিচার দিয়ে থাকে, যা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে উপযোগী। তাই, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রোপ্রাইটারি DBMS ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM Db2

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,০০৪.
রমের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় রম কোনটি?
  1. EEPROM
  2. EPROM
  3. PROM
  4. EAPROM
ব্যাখ্যা
• ইপিরম (EPROM):
- EPROM হলো রমের জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় রম।
- EPROM এর পূর্ণরূপ হলো Erasable Programmable Read Only Memory.
- PROM-এ একবার সংরক্ষণ করা তথ্য আর পরিবর্তন করা যায় না।
- এ ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য EPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমে প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারী নিজেই ডেটা সংরক্ষণ করতে পারেন এবং সংরক্ষিত ডেটা মুছে পুনঃ প্রোগ্রাম করা সম্ভব।
- EPROM-এর সংরক্ষিত তথ্য মুছে ফেলার জন্য একে আল্ট্রাভায়োলেটের অতিবেগুনি রশ্মিতে কিছুক্ষণ রাখতে হয় তাহলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।
- সাধারণত ফেট (FET-Field Effect Transistor) ব্যবহার করে এ ধরনের রম তৈরি করা হয়। এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০০৫.
'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক কে?
  1. মার্ক ডেভিস
  2. রবার্ট উইলিয়াম বিমার
  3. ফ্রাংক গ্রে
  4. রাজা ৭ম চার্লস
ব্যাখ্যা
- রবার্ট উইলিয়াম বিমার ১৯৬৫ সালে ASCII-7 আবিষ্কার করেন।
- ASCII Code বিভিন্ন ধরণের বর্ণ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রাংক গ্রে ১৯৪৭ সালে 'গ্রে কোড' আবিষ্কার করেন।
- মার্ক ডেভিস এবং জো বেকার 'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক।
- 'ইউনিকোড' আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৭ সালে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮,০০৬.
CPU এর সাথে মনিটর যুক্ত করতে কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) PCI bus
  2. খ) STE bus
  3. গ) SCSI bus
  4. ঘ) Address bus
ব্যাখ্যা
Peripheral Component Interconnect Bus (PCI bus) সিপিইউ এবং এক্সপানশন বোর্ড যেমন মডেম কার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড এবং সাউন্ড কার্ডকে সংযুক্ত করে। এই এক্সপানশন বোর্ডগুলো সাধারণত মাদারবোর্ডের এক্সপানশন স্লটে প্লাগ করা হয়।
PCI local bus হলো একটি পিসি এক্সপেনশন বাসের সাধারণ মান, এটি Video Electronics Standards Association (VESA) লোকাল বাস এবং Industry Standard Architecture (ISA) বাস প্রতিস্থাপন করেছে। পিসিআই বেশিরভাগ ইউএসবি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
Source: techopedia.com
৮,০০৭.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Unix
  2. Solaris
  3. VMware
  4. Windows 10
ব্যাখ্যা
• "VMware" অপারেটিং সিস্টেম নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:

- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০০৮.
(4D)16 = (?)10
  1. 62
  2. 65
  3. 70
  4. 77
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল 4D এর সমতুল্য দশমিক মান 77 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে। 

এখানে, 
(4D)16
= 13 × 160 + 4 × 161
= 13 × 1 + 4 × 16
= 13 + 64
= 77
সুতরাং, (4D)16 = (77)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০০৯.
কোন ধরনের গণনার জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. গ্রাফিক ডিজাইন
  2. শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব
  3. শুধু পাঠ্যভিত্তিক গণনা
  4. রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় প্রযুক্তির সুবিধা একসাথে ব্যবহার করে। এটি অ্যানালগ কম্পিউটারের দ্রুততা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিকতা একত্রিত করে। তাই হাইব্রিড কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় এমন গণনার ক্ষেত্রে যেখানে দ্রুত রিয়েল-টাইম প্রসেসিং এবং জটিল বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সমস্যার সমাধান একসাথে প্রয়োজন। উদাহরণস্বরূপ, আবহাওয়া পূর্বাভাস, সামরিক রাডার সিস্টেম, শিল্প প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার খুব কার্যকর। এটি শুধু সহজ গাণিতিক হিসাব বা পাঠ্যভিত্তিক গণনার জন্য নয়, বরং উচ্চগতির ও জটিল গণনার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ঘ) রিয়েল-টাইম বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনা।
 
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- হাইব্রিড কম্পিউটার এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে। এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০১০.
কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য কোন কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Ctrl + Shift + Tab
  2. খ) Ctrl + Tab
  3. গ) Shift + Alt + Tab
  4. ঘ) Ctrl + Alt + Tab
ব্যাখ্যা
- Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজার এর হিস্টোরি পেইজ দখার জন্য এই কমান্ড দেয়া হয় ৷

উৎস: Microsoft.
৮,০১১.
(537.275)8 in hexadecimal is -
  1. 15F.5E8
  2. 157.F28
  3. 1AF.5C8
  4. 14F.5E2
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 15F.5E8

অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে নিম্নলিখিত ধাপগুলো অনুসরণ করতে হয়:

ধাপ-১: অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংকের জন্য সমতুল্য ৩-বিটের বাইনারি সংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।
ধাপ-২: প্রাপ্ত সমস্ত বাইনারি বিটগুলোকে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করতে হবে (প্রয়োজনে শূন্য (0) যুক্ত করতে হবে যাতে পূর্ণ ৪-বিট হয়)।
ধাপ-৩: প্রত্যেক ৪-বিট বাইনারি গ্রুপকে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দিয়ে প্রতিস্থাপন করুন।

(537.275)8  = (101011111.010111101)2


সুতরাং, (537.275)8  = (15F.5E8)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০১২.
কোন ফাংশন কী এর মাধ্যমে পেজ রিফ্রেশ করা যায়?
  1. F4
  2. F1
  3. F3
  4. F5
ব্যাখ্যা

​• ফাংশন কী:
​- কীবোর্ড এর একেবারে উপরের অর্থাৎ F1 থেকে F12 পর্যন্ত মোট 12 টি কী-কে একত্রে ফাংশন কী বলা হয়।
​• কম্পিউটার কীবোর্ড এর ফাংশন-কী সমূহের ব্যবহার:-
​F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
​F4 এর সাহায্যে last action performed repeat করা যায়। Alt + F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
F5 এর সাহায্যে পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
F6 এর সাহায্যে মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,০১৩.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স কোন এককে প্রকাশ করা হয়? 
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর পারফরম্যান্স সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০১৪.
কম্পিউটার প্রসেসরের প্রসেস করার ক্ষমতা কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. মাদার বোর্ড
  2. বায়োস
  3. ক্যাশ মেমোরী
  4. রম
ব্যাখ্যা
- প্রসেসরকে বলা হয় কম্পিউটারের মস্তিষ্ক । অর্থাৎ কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ক্রিয়াকলাপ এই প্রসেসরকেই করতে হয়। মস্তিষ্ক ছাড়া যেমন কোন মানুষ হয় না, প্রসেসর ছাড়াও তেমনি কোন কম্পিউটার হয় না।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি এই সিপিইউ বা প্রসেসর । আমরা অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে সিপিইউ নামে ডাকি। আসলে সিপিইউ হলো প্রসেসর, যে কেন্দ্রীয়ভাবে প্রসেস করে থাকে। বাহ্যিকভাবে দেখতে এটি ক্ষুদ্র হলেও এর কার্যক্ষমতা কল্পনাতীত।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক ক্রিয়াকলাপ প্রসেসরের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আমরা কম্পিউটারের মাধ্যমে যে কাজটাই করি না কেন, তার সবচেয়ে জটিল এবং প্রধান কাজটাই করে প্রসেসর। 
 
• কম্পিউটারটির কার্যক্ষমতা কিন্তু প্রসেসরের কার্যক্ষমতার উপরই বেশিরভাগ নির্ভর করে । কাজেই প্রসেসরটা হওয়া চাই ভালো ব্র্যান্ডের এবং হাই স্পীডের । 
 
• প্রসেসর কেনার সময় এর ক্যাশ মেমোরী কত দেখে নেয়া ভালো ।
কারণ ক্যাশ মেমোরী যত বেশী হবে প্রসেসরের প্রসেস করার ক্ষমতা এবং গতি ততো বেশী হবে ।
 

উৎস : শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০১৫.
উদ্বায়ী মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ROM
  2. খ) TAPE
  3. গ) RAM
  4. ঘ) DISK
ব্যাখ্যা

RAM একটি উদ্বায়ী মেমোরি, কারণ বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলে মেমোরির সঞ্চিত তথ্য মুছে যায়।
ভৌত বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মেমোরিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- পরিবর্তনযোগ্য, অপরিবর্তনযোগ্য, উদ্বায়ী, অনুদ্বায়ী, ধ্বংসাত্মক এবং অধ্বংসাত্মক।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৮,০১৬.
C Programming Language দ্বারা কোন অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করা হয়?
  1. ক) Unix
  2. খ) Linux
  3. গ) Mac
  4. ঘ) Android
ব্যাখ্যা
• C Programming Language দ্বারা Unix অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করা হয়।
• ইউনিক্স (Unix): মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও নমনীয় পরিচালনা পদ্ধতির অপারেটিং সিস্টেম, যা নোটবুক কম্পিউটার থেকে শুরু করে সুপার কম্পিউটার পর্যন্ত ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০১৭.
নিচের কোন উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
  4. আর্গন
ব্যাখ্যা
তরল হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড উপাদানটি ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮,০১৮.
ASCII টেবিলে "B" এর মান কত?
  1. 97
  2. 65
  3. 66
  4. 67
ব্যাখ্যা

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড কোডিং সিস্টেম যা কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিভাইসে অক্ষর, সংখ্যা এবং প্রতীককে বাইনারি ফরম্যাটে উপস্থাপন করে। প্রতিটি অক্ষরের একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা মান থাকে।
যেমন, বড় হাতের "B" অক্ষরের ASCII মান হলো 66। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 66। ASCII কোড ব্যবহার করে কম্পিউটার অক্ষরগুলিকে সনাক্ত করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সহজ হয়। বড় হাতের অক্ষরগুলো সাধারণত 65 থেকে 90 পর্যন্ত মানের মধ্যে থাকে।

 
 • অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যোগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরো কতকগুলো বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০১৯.
এমএস ওয়ার্ড Save Option কোন মেন্যুতে পাওয়া যায়?
  1. File
  2. Insert
  3. Format
  4. Design
ব্যাখ্যা
- এমএস ওয়ার্ড Save Option পাওয়া যায় File মেন্যুতে। 
- একটি ফাইল কোন Drive এ save করার জন্য Save as নির্বাচন করতে হয়। 
- ডকুমেন্টে লিখিত অনুচ্ছেদটি সংরক্ষণের জন্য Ctrl + S কী, কিংবা File মেনু থেকে Save as সাবমেনু নির্বাচন করতে হয়। 
- প্রাপ্ত Save as ডায়ালগ বক্সের Save in বক্সে My Documents ফোল্ডার নির্বাচন পূর্বক File name টেক্সট বক্সে ফাইলের নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে। 
- ফলে ডকুমেন্টটি C ড্রাইভের অধীনে My Documents ফোল্ডারে সংরক্ষিত হবে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২০.
IEEE 802.11 স্ট্যান্ডার্ড এর উপর ভিত্তি করে তৈরি নিচের কোন প্রযুক্তি?
  1. WiMAX
  2. Wi-Fi
  3. Bluetooth
  4. Ethernet
ব্যাখ্যা
- Wi-Fi এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.11
- Bluetooth এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.15
- WiMAXএর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.16
- Ethernet এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড IEEE 802.3

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
৮,০২১.
কম্পিউটার ভাইরাস এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) বুট সেক্টর ভাইরাস
  2. খ) ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. গ) ওভার রাইটিং ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল "Vital Information Resources Under Seize".
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস এর ধরন:
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
১. বুট সেক্টর ভাইরাস
২. ট্রোজান হর্স ভাইরাস
৫. ওভার রাইটিং ভাইরাস
৬. মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস
৭. ফাইল সংক্রামক ভাইরাস
৮. মিউটেটিং ভাইরাস
৯. ম্যাক্রো ভাইরাস
১০. স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২২.
১ গিগাবিট = ?
  1. ১০২৪ কিলোবিট
  2. ১০০০ কিলোবিট
  3. ১০০০ মেগাবিট
  4. ১০২৪ মেগাবিট
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ১০০০ মেগাবিট 

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,০২৩.
ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড কোনটি?
  1. সিজার কোড
  2. প্লেইন কোড
  3. টেলি কোড
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড হলো সিজার কোড।

• ডাটা এনক্রিপশন:

- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২৪.
যদি কয়েকটি ডেস্কটপ কম্পিউটার দিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তবে প্রধান কম্পিউটারটিকে বলে-
  1. ক) ওয়ার্কস্টেশন
  2. খ) সার্ভার
  3. গ) ডােমেইন
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
সাধারণত দুই ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। একটির নাম ডেস্কটপ (Desktop) এবং অন্যটির পাের্টেবল (Portable)। ডেস্কটপ টেবিলে রাখা হয় এবং স্থানান্তর যােগ্য নয়। যদি কয়েকটি ডেস্কটপ কম্পিউটার দিয়ে একটি নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়, তবে প্রধান কম্পিউটারটিকে সার্ভার বা ডােমেইন বলে এবং অন্যগুলোকে ওয়ার্কস্টেশন বলে।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৮,০২৫.
ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে বলে -
  1. Sorting
  2. Connecting
  3. Networking
  4. Compiling
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতিকে Sorting বলা হয়। যখন ডাটাবেজে অনেক তথ্য থাকে, তখন সেগুলোকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Sorting-এর মাধ্যমে ডাটাকে বড় থেকে ছোট বা ছোট থেকে বড়, অক্ষর অনুযায়ী বা তারিখ অনুযায়ী সহজভাবে বিন্যস্ত করা যায়। এটি তথ্য খুঁজে বের করা, রিপোর্ট তৈরি করা এবং বিশ্লেষণ করার ক্ষেত্রে সময় এবং শ্রম কমায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রদের তালিকা যদি নাম অনুসারে সাজানো হয়, তাহলে নির্দিষ্ট একজন ছাত্রকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়। Sorting ছাড়া ডাটাবেজ অগোছালো থাকে এবং কার্যকরভাবে ব্যবহার করা কঠিন হয়ে যায়। তাই ডাটাবেজে ডাটা সাজানোর পদ্ধতি Sorting.

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০২৬.
কোনটি সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিডি
  3. র‍্যাম
  4. ডিভিডি
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম(RAM) ও রম (ROM) সহায়ক বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি নয়, বরং এগুলো প্রধান মেমোরি। 

• মেমোরি:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমোরি বলা হয়। 

• মেমোরির শ্রেণিবিভাগ:
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
-  প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory,
-  সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory),
-   ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)।

• সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।

• উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

• সহায়ক মেমোরির বৈশিষ্ট্য:
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না, ফলে ধীরগতির হয়। 
- এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমোরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়।
- যেকোনো তথ্য বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যধিক।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- পুরাতন তথ্য মুছা যায় এবং নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্যসমূহ সাধারণত মুছে যায় না।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২৭.
নিচের কোনটি Modifier Key নয়?
  1. Shift
  2. Alt
  3. Ctrl
  4. Enter
ব্যাখ্যা
• কীবোর্ড:
- কীবোর্ড হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, যা অক্ষর, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্ন ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• মডিফায়ার কী:

- Modifier key হলো এমন একটি কীবোর্ড কী যা একা কোনো কাজ সম্পাদন করে না, বরং অন্য কী-এর সাথে মিলিয়ে চাপলে সেই কী-এর কাজকে পরিবর্তন বা মডিফাই করে।

• মডিফায়ার key এর উদাহারন:
- Shift → Upper Case অক্ষর টাইপ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Alt (Alternate) → শর্টকাট কমান্ডে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl (Control) → কীবোর্ড শর্টকাটের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন Ctrl+C, Ctrl+V)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সরকে পরিচালনা করা যায়। যেমন - Arrow keys, Home key, Delete, Insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংরক্ষণ বা ইনপুট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউম্যারিক কী:
- (0-9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি সম্বলিত কী সমূহকে নিউম্যারিক কী বলা হয়।
- QWERTY কীবোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে। 

অন্যদিকে,
Enter মডিফায়ার কী নয়। এটি কার্সর নিচে নামানো বা কমান্ড ইনপুট করতে ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র:
- Microsoft Support Website.
৮,০২৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার "SUM" বা যোগ নির্ণয়ে কোন গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOT gate
  2. NOR gate
  3. AND gate
  4. OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" বা যোগ নির্ণয়ের জন্য OR gate ব্যবহার করা হয়। কারণ OR gate এমনভাবে কাজ করে যে, ইনপুটের যেকোনো একটিতে যদি "১" থাকে তবে আউটপুট হবে "১"। এটি মূলত যোগ বা সমীকরণের ধারণার সঙ্গে মিলে যায়। যেমন, A+BA + BA+B বোঝাতে OR gate ব্যবহৃত হয়, যেখানে A অথবা B কিংবা উভয়ই সত্য হলে আউটপুট সত্য হয়। অন্যদিকে AND, NOT বা NOR গেইট যোগ নির্ণয়ের জন্য নয়, বরং ভিন্ন ভিন্ন যৌক্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বুলিয়ান অ্যালজেবরায় "SUM" অপারেশনের জন্য সঠিক গেইট হলো OR gate।
 
লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,০২৯.
কোন ধরনের মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউব?
  1. LED মনিটর
  2. LCD মনিটর
  3. CRT মনিটর
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- CRT মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।

• সিআরটি মনিটর(CRT):

- CRT এর পূর্ণরূপ হলো Cathod Ray Tube.
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৩০.
বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি-
  1. ক) বিডি-২৪ নিউজ
  2. খ) বিডি এজেন্সি
  3. গ) ক্যাম্পাস নিউজ
  4. ঘ) বিডি নিউজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট ভিত্তিক নিউজ এজেন্সি বিডিনিউজ।
৮,০৩১.
In MS Word, which key combination is used to undo?
  1. Ctrl + U
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + Y
  4. Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Ctrl + Z

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৮,০৩২.
‘হার্ডডিস্ক’ মাপার একক কোনটি?
  1. কিলোবাইট
  2. মেগাবাইট
  3. গিগাবাইট
  4. অস্কার বাইট
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক: 
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক মেমোরি। 
- ধাতব পাতের উভয়পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থের প্রলেপ থাকে। এজন্য এ ডিস্ককে চুম্বকীয় ডিস্কও বলা হয়। 
- হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় সাধারণত গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে। 
- তবে, 'গিগাবাইট' হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা মাপার বহুল প্রচলিত একটি একক। 
৮,০৩৩.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কয় ধরনের অ্যাডার আছে?
  1. এক ধরনের
  2. দুই ধরনের
  3. তিন ধরনের
  4. চার ধরনের
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,০৩৪.
প্রধান মেমরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা কোন রেজিস্টারে থাকে?
  1. ক) অ্যাকিউমুলেটর
  2. খ) প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
  3. গ) মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
  4. ঘ) ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার:
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার:
- প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে মেমোরি অ্যাড্রেসের পর্যায়ক্রম সংরক্ষিত থাকে।
- একটি নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর পরবর্তী নির্দেশ মেমোরির কোন অ্যাড্রেস থেকে গ্রহণ করতে হবে তা প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার নির্দেশ করে।
- অর্থাৎ প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টারে সব সময় পরবর্তী নির্দেশের অ্যাড্রেস থাকে।

• আ্যাকিউমুলেটর:
- আ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য আ্যাকিউমুলেটর ব্যবহৃত হয়। 

• ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার:
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৩৫.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম নয়?
  1. FAT16
  2. NTFS
  3. HPFS
  4. HTML
ব্যাখ্যা
HTML অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম নয়।
- HTML হলো HyperText Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16,
FAT32,
HPFS,
NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৩৬.
পৃথিবীতে ল্যাপটপ কম্পিউটার কোন সময় আবিষ্কৃত হয় এবং কোন কোম্পনি এটি তৈরি করে?
  1. ১৯৮০, অ্যাপল
  2. ১৯৭২, আইবিএম
  3. ১৯৮১, কমপ্যাক
  4. ১৯৮১, এপসন
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীতে প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার আবিষ্কৃত হয় ১৯৮১ সালে এবং এটি তৈরি করে জাপানি কোম্পানি এপসন (Epson)। এপসনের তৈরি "Epson HX-20" ছিল বিশ্বের প্রথম ব্যাটারি চালিত, পোর্টেবল কম্পিউটার যা ল্যাপটপের আদলে তৈরি হয়েছিল। এতে ছিল একটি ছোট LCD ডিসপ্লে, বিল্ট-ইন প্রিন্টার ও রিচার্জেবল ব্যাটারি, যা একে অন্যান্য ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে ভিন্ন করে তোলে। যদিও এটি আধুনিক ল্যাপটপের মতো শক্তিশালী ছিল না, তবুও এটি প্রযুক্তির এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং ভবিষ্যতের ল্যাপটপ উদ্ভাবনের পথ তৈরি করে। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) এপসন, ১৯৮১।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,০৩৭.
গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. স্ক্যানার
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা

• গেম খেলার ক্ষেত্রে সাধারণত জয়স্টিক ব্যবহার করা হয়। জয়স্টিক হলো একটি ইনপুট ডিভাইস যা খেলোয়াড়কে গেমের মধ্যে ক্যারেক্টার বা অবজেক্ট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণত হাতের মধ্যে ধরা যায় এবং বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে, বোতাম চাপার মাধ্যমে কমান্ড দেওয়া যায়। মনিটর, প্রিন্টার  মূলত আউটপুট বা ডকুমেন্ট পরিচালনার ডিভাইস, যা সরাসরি গেম খেলার নিয়ন্ত্রণের কাজে ব্যবহৃত হয় না এবং স্ক্যানার ডকুমেন্ট স্ক্যান করার ইনপুট ডিভাইস। জয়স্টিকের মাধ্যমে খেলোয়াড় সহজে গেমের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, যেমন একটি গাড়ি চালানো বা ফ্লাইট সিমুলেটরে বিমান পরিচালনা করা। তাই গেম খেলার জন্য সবচেয়ে কার্যকর ইনপুট ডিভাইস হলো জয়স্টিক।
 
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৩৮.
PCIe- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Peripheral Component Interconnect Express
  2. Peripheral Control Interface Express
  3. Primary Component Interconnect Express
  4. Personal Computer Interface Express
ব্যাখ্যা
• PCIe:
- এটি একটি উচ্চ গতির বাস ইন্টারফেস যা কম্পিউটার মাদারবোর্ডে বিভিন্ন উপাদান যেমন গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এবং স্টোরেজ ডিভাইস সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি আগের PCI (Peripheral Component Interconnect) ইন্টারফেসের একটি উন্নত সংস্করণ। 
- PCIe এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Peripheral Component Interconnect Express.

- উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত এ ধরনের সংযোগ ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ডেস্কটপ এবং মোবাইল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সার্ভার সিস্টেমেও PCIe এর ব্যবহার লক্ষণীয়।

- এছাড়াও, উচ্চ-গতির ডেটা স্থানান্তরের জন্য set-top boxes এবং gaming consoles- এও PCIe এর ব্যবহার দেখা যায়।
- PCIe স্লটগুলো মাদারবোর্ডে সংযুক্ত থাকে এবং বিভিন্ন প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- গ্রাফিক্স কার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এবং উচ্চ গতির SSD এর মতো ডিভাইসগুলো প্রধানত PCIe স্লটের মাধ্যমে সংযুক্ত করা হয়।

সূত্র: Lenovo Website [Link]
৮,০৩৯.
নিম্নলিখিত কোন নামে CIH ভাইরাস পরিচিত?
  1. WannaCry
  2. Melissa
  3. Chernobyl
  4. Stuxnet
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বাইরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে। এটি মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে এবং মূল্যবান প্রোগ্রাম ও তথ্য নষ্ট করার পাশাপাশি অনেক সময় কম্পিউটারকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে পারে।
- CIH ভাইরাস-এর রচয়িতা হলেন Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও), যিনি তাইওয়ানের Tatung University-এর ছাত্র ছিলেন। তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)।
- এই ভাইরাসটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত। এটিকে Chernobyl বা Spacefiller নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল, CIH বা চেরনোবিল ভাইরাসের আক্রমণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৪০.
কোন মেমোরি টাইপ পাওয়ার বন্ধ হলে তার তথ্য হারিয়ে যায়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমোরি
  2. ইইপ্রম
  3. র‍্যাম
  4. চুম্বকীয় টেপ
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM) হলো এমন একটি মেমোরি টাইপ যা পাওয়ার বন্ধ করলে তার মধ্যে থাকা সব তথ্য হারিয়ে যায়। র‍্যামকে ভলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এটি বিদ্যুৎ সরবরাহের উপর নির্ভরশীল। যখন কম্পিউটার চালু থাকে, তখন র‍্যাম ডেটা দ্রুত পড়া ও লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু পাওয়ার কেটে গেলে র‍্যামে থাকা সব তথ্য মুছে যায়। অন্যদিকে, ফ্ল্যাশ মেমোরি, ইইপ্রম, এবং চুম্বকীয় টেপ হল নন-ভলাটাইল মেমোরি, যা পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। তাই র‍্যাম পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারিয়ে যাওয়ার কারণে অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM।

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৪১.
ওরাকল কোন ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. ডেটাবেজ
  3. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

ওরাকল মূলত একটি রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)।

ডাটাবেস:
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- ১. ডাটা (Data) ২. রেকর্ড (Record) ৩. ফিল্ড (Field) ও ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস
- ওরাকল
- ফক্সপ্রো
- ডিবেজ
- ফক্সবেইজ
- প্যারাডক্স
- ফোর্থ ডাইমেনশন
- MySQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৪২.
'PDP II' কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির (সেমি কন্ডাক্টর মেমোরি) উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৪৩.
Which of the following keyboard commands is used to redo the last action that was undone using with Ctrl + Z?
  1. Alt + Z
  2. Shift + Z
  3. Alt + Y
  4. Ctrl + Y
  5. None
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z দিয়ে করা কাজ বাতিল হলে, সেই কাজটি আবার ফিরিয়ে আনতে Ctrl + Y ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর হলো ঘ) Ctrl + Y.

• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।

Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৮,০৪৪.
অক্টাল সংখ্যা 507 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 159
  2. 147
  3. 134
  4. 165
ব্যাখ্যা

• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল: 
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। 
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়। 

 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৪৫.
কম্পিউটার পারফরমেন্স পরিমাপের ক্ষেত্রে MIPS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Million Instructions Per Second
  2. Microprocessor Integrated Program System
  3. Manipulation of Information Per Session
  4. Multiple Instruction Processing System
ব্যাখ্যা

◉ MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে— Million Instructions Per Second. 

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৮,০৪৬.
ENIAC তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য কী ছিল?
  1. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
  2. কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা
  3. সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
  4. তথ্য এনক্রিপশন
ব্যাখ্যা
• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) তৈরি করার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা। এটি ১৯৪০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ নির্ণয়ের জন্য জটিল গাণিতিক হিসাব দ্রুত ও নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করা জরুরি হয়ে পড়ে। তখন মার্কিন সেনাবাহিনীর অনুরোধে John Presper Eckert ও John Mauchly এই কম্পিউটারটি তৈরি করেন। ENIAC প্রতি সেকেন্ডে হাজার হাজার হিসাব করতে পারত, যা আগের যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরের তুলনায় অনেক দ্রুত ছিল। ফলে ENIAC সামরিক ক্ষেত্রে বিপুল অবদান রাখে।

• ENIAC:
 - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৪৭.
কোন ধরনের গেইটে দুটি ভিন্ন মানের ইনপুটের জন্য আউটপুট ১ হয় এবং দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট ০ হয়?
  1. XOR Gate
  2. AND Gate
  3. XNOR Gate
  4. OR Gate
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি আ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- XOR গেইটে ভিন্ন মানের ইনপুটের জন্য আউটপুট ১ হয় এবং দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট ০ হয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৪৮.
NVMe এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Networked Volatile Memory Engine
  2. New Virtual Memory Extension
  3. Non-Volatile Memory Enhancement
  4. Non-Volatile Memory Express
ব্যাখ্যা
• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ Non-Volatile Memory Express.
- এটি SSD- র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: techtarget.com
৮,০৪৯.
কম্পিউটারে কয় ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) চার
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) দুই
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এ যে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সে গুলো হল:
- ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি
- অক্টাল (Octal) সংখ্যা পদ্ধতি
- হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি
ডেসিম্যাল, বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিম্যাল এই চারটি হচ্ছে সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি।

- বাইনারি কোডেড ডেসিমাল (বিসিডি) হল এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে বাইনারি কোডকে ৪ বিট করে 0 - 9 অক্ষরের দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
এই কোডের মান দেখতে দশমিক সংখ্যার মতো তাই একে Binary Coded Decimal ও বলা হয়; যদিও ডেসিমাল কোড ও বাইনারি কোডেড ডেসিমাল দেখতে একই রকম হলেও প্রকৃত মান ভিন্ন।

- অকটাল নাম্বার সিস্টেম বলতে ৮-ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি বা গণনা পদ্ধতি। অর্থাৎ প্রতিটি সংখ্যার জন্য শুধুমাত্র ৮টি সম্ভাব্য অঙ্ক নিয়ে অষ্টক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়। অঙ্কগুলি হল ০ থেকে ৭ পর্যন্ত।
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি হল ১৬-ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রতিটি সংখার জন্য ১৬টি সম্ভাব্য মান নিয়ে ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়।
ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতির অঙ্কগুলি হল 0 - 9 এবং A,B,C,D,E,F পর্যন্ত মোট ১৬টি বর্ণ।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৮,০৫০.
ইউনিপোলার মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. EPROM
  2. PROM
  3. SRAM
  4. All above
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১। বাইপোলার মেমরি ও
২। ইউনিপোলার মেমরি

• বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৫১.
ইউনিকোড কী?
  1. ক) Standard Font
  2. খ) Keyboard Layout
  3. গ) Software
  4. ঘ) Character Encoding system
ব্যাখ্যা
ইউনিকোডের মাধ্যমে বিশ্বের সকল ভাষাকে কোডভুক্ত করা হয়েছে।
অর্থাৎ বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটার যাতে বুঝতে পারে সেই কাজটি করে ইউনিকোড।
এই জন্য একে বলা হয় Character Encoding System.
৮,০৫২.
ডট মেট্রিক্স প্রিন্টারের গতি পরিমাপক একক-
  1. ক) cps
  2. খ) ppm
  3. গ) ipm
  4. ঘ) csp
ব্যাখ্যা
ডট মেট্রিক্স এক ধরনের প্রিন্টার । ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার এটি একধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়। এর গতি পরিমাপক একক CPS-character/second.
৮,০৫৩.
Hard Disk Drive এর ডিস্ক বা ডিস্ক প্যাকের ঘূর্ণন গতি কত?
  1. ক) মিনিটে ৭২,০০ বার
  2. খ) মিনিটে ১০,০০০ বার
  3. গ) মিনিটে ৭২,০০ বা ১০,০০০ বার
  4. ঘ) মিনিটে ৩২,০০ বা ৫,০০০ বার
ব্যাখ্যা


সূত্র - SSC Vocational, Computer & ICT, Board Book
৮,০৫৪.
মাইক্রো কম্পিউটারের আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ১০০ থেকে ১৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ২০ থেকে ৫০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়।
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রো কম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. নোটবুক কম্পিউটার,
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার।
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে।
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক।
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৫৫.
'SNMP' এর পূর্ণরূপ -
  1. ক) Simple Mail Network Protocol
  2. খ) System Network Management Protocol
  3. গ) Simple Network Management Protocol
  4. ঘ) Secure Network Management Protocol
ব্যাখ্যা
- SNMP হচ্ছে এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রোটোকল।
- SNMP এর পূর্ণরুপ Simple Network Management Protocol.
- এটি LAN বা WAN নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলোকে ( কন্ট্রোলার, সার্ভার, প্রিন্টার, রাউটার, মডেম ইত্যাদি) পর্যবেক্ষণ ও পরিচালনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন-লেয়ার প্রোটোকল।
৮,০৫৬.
NOT গেট একটি বাইনারি ইনপুটের উপর কোন অপারেশনটি সম্পাদন করে?
  1. ইনপুটে ১ যোগ করে
  2. একই ইনপুট ফেরত দেয়
  3. ইনপুটকে ২ দ্বারা গুণ করে
  4. ইনপুটকে উল্টে দেয়
ব্যাখ্যা
• NOT গেট একটি লজিক গেট যা বাইনারি ইনপুটের মানকে উল্টে দেয়। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, তাহলে আউটপুট হবে ০, আর যদি ইনপুট ০ হয়, তাহলে আউটপুট হবে ১। এটি ইনপুটের সম্পূর্ণ বিপরীত মান প্রদান করে। তাই, এটি ইনপুটকে “উল্টে দেয়” বা কমপ্লিমেন্ট করে। NOT গেট কোন সংখ্যা বৃদ্ধি করে না, একই ইনপুট ফেরত দেয় না, এবং ইনপুটকে গুণও করে না।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হবে - “ঘ) ইনপুটকে উল্টে দেয়।” এই গেট ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার সার্কিট ডিজাইনে মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৫৭.
নিম্নের কোনটি ডাটাবেজ অপারেশন নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. UPDATE
  4. COMPILE
ব্যাখ্যা

COMPILE — প্রোগ্রামিং-এ কোডকে মেশিন কোডে রূপান্তরের প্রক্রিয়া, ডাটাবেজ অপারেশন নয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
- ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।

SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে। যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language - DQL):
- ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা কুয়েরি করে ব্যবহার করা হয়।
- SELECT স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটা পুনরুদ্ধার করা হয়।

২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language - DDL):
- DDL এর সাহায্যে টেবিলের গঠন পরিবর্তন যেমন- টেবিল তৈরি, টেবিল আপডেট, টেবিল মুছে ফেলা ইত্যাদি পরিবর্তনগুলি করা হয়।
- CREATE স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজে নতুন টেবিল তৈরি করা হয়
- ALTER স্টেটমেন্টের সাহায্যে ডেটাবেজের স্ট্রাকচার পরিবর্তন যেমন- টেবিলে নতুন কোন ফিল্ড যোগ করা বা ডিলিট করা ইত্যাদি কাজ করা হয়।
- ডেটাবেজের টেবিল মুছে ফেলতে DROP স্টেটমেন্টেটি ব্যবহৃত হয়।

৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language - DML):
- এক বা একাধিক রেকর্ড মুছে ফেলার জন্য DELETE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড এন্ট্রি করার জন্য INSERT কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- এক বা একাধিক রেকর্ড হালনাগাদ বা আপডেট করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language - DCL):
- DCL এর সাহায্যে ডেটাবেস ব্যবহারকারীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৫৮.
‘MIPS’ এককটি ___ এর গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
  1. Disk drive
  2. Tape drive
  3. Processor
  4. Printer
ব্যাখ্যা

‘MIPS’ (Million Instructions Per Second) প্রতি সেকেন্ডে লক্ষ লক্ষ নির্দেশকে বোঝায় এবং প্রসেসরের গতি পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

৮,০৫৯.
সুপার কম্পিউটার ‘সামিট’ তৈরি করে নিচের কোন দেশ?
  1. ক) চীন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
• সামিট: যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি দপ্তরের ওক রিজ ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি  তৈরি  করেছে সামিট।
• চীনের সানওয়ে তাইহুয়ালাইট: ২০১৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুতগতির ও শক্তিশালী গণনাকারী কম্পিউটার যন্ত্র হিসেবে টপ ৫০০ তালিকায় শীর্ষে ছিল।
• পরম সুপার কম্পিউটার তৈরি করেছে ভারত।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
৮,০৬০.
নিচের কোনটি ৬৪ বিট প্রসেসর?
  1. ক) Xeon
  2. খ) Intel Itanium
  3. গ) Celeron
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium, Xeon, Celeron হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি ও intel.com
৮,০৬১.
প্রথম তৈরি পারসোনাল কম্পিউটার কোনটি? 
  1. Altair-8800
  2. Apple Lisa
  3. Osborne 1
  4. IBM-PC
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়। 
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার। 
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা। 
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে। 
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়। 
- A small firm named MITS made the first personal computer, the Altair. 
- This computer, which used Intel Corporation’s 8080 microprocessor, was developed in 1974. 
- Though the Altair was popular among computer hobbyists, its commercial appeal was limited. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,০৬২.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা অনুসারে (A + AB).(B+AB) এর মান নিচের কোনটি?
  1. ক) A
  2. খ) B
  3. গ) AB
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা

(A + AB).(B+AB)
=A(1+B).B(1+A) [1+A=1]
=A1.B1 [A.1 = A]
=AB

৮,০৬৩.
নিচের কোনটি আলফানিউমেরিক কোড নয়?
  1. ক) আসকি কোড
  2. খ) বিসিডি কোড
  3. গ) ইবিসিডিআইসি কোড
  4. ঘ) ইউনিকোড
ব্যাখ্যা
বর্ণ, অঙ্ক এবং বিভিন্ন গাণিতিক চিহ্নসহ আরও কতগুলো বিশেষ চিহ্নের জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে। কতগুলো জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোড হলো- আসকি কোড, ইবিসিডিআইসি কোড, ইউনিকোড। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,০৬৪.
কোনটি ব্যতীত কম্পিউটার চালু করা যায় না?
  1. ক) প্যাকেজ সফটওয়্যার
  2. খ) কাস্টমাইজ সফটওয়্যার
  3. গ) সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. ঘ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলাে পরিচালনা করে সিস্টেম সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলৰাবে ব্যবহৃত।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৮,০৬৫.
কম্পিউটার প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসের সরল ভাষায় প্রকাশই হলো-
  1. ক) অ্যালগরিদম
  2. খ) ফ্লোচার্ট
  3. গ) সুডো কোড
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুডো (Pseudo) অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়। প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে সাধারণ কথায় লেখাই হলো সুডো কোড। এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই। সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন।

Pseudocode is an artificial and informal language that helps programmers develop algorithms. Pseudocode is a "text-based" detail (algorithmic) design tool.
The rules of Pseudocode are reasonably straightforward. All statements showing "dependency" are to be indented. These include while, do, for, if, switch. The examples below will illustrate this notion.

Example:
If a student's grade is greater than or equal to 60
Print "passed"
else
Print "failed"

Source: University of Florida (You'll find plenty of reliable resources on this on the internet.)

৮,০৬৬.
OR গেটের চিহ্নটি সার্কিট ডায়াগ্রামে কেমন দেখায়?
  1. বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি
  2. ডানদিকে নির্দেশ করা ত্রিভুজ
  3. আয়তাকার
  4. বৃত্তাকার
ব্যাখ্যা

• OR গেটের সার্কিট চিহ্ন একটি বাঁকা ঢালের মতো আকৃতির যা সাধারণত ডানদিকে তীক্ষ্ণভাবে সংকুচিত হয়। এটি একটি ধনাত্মক লজিক গেট যা দুটি বা ততোধিক ইনপুট নেয় এবং আউটপুট দেয় যদি কোনো একটি ইনপুট “১” হয়। চিহ্নটি ত্রিভুজের মতো মনে হলেও এর সামনে অংশ বাঁকা এবং গোলাকার, যা এটিকে অন্য লজিক গেট যেমন AND বা NOT গেট থেকে আলাদা করে। ডানদিকে সংকুচিত অংশটি আউটপুট নির্দেশ করে এবং বামদিকে দুটি বা ততোধিক লাইনের মাধ্যমে ইনপুট সংযুক্ত হয়। সুতরাং OR গেটকে সহজে চিহ্নিত করার জন্য বাঁকা ঢালের আকৃতি মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর।

- সঠিক উত্তর: ক) বাঁকা ঢালের মতো আকৃতি।

• বুলিয়ান অ্যালজেব্রায়, যোগ অপারেশন (A + B) হলো লজিক্যাল OR অপারেশন।
- অর্থাৎ, বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ (Addition) অপারেশনে OR গেইট ব্যবহৃত হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ মানে হলো দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটিতে যদি ১ থাকে, তাহলে ফলাফল হবে ১।
- এটি ঠিক OR গেইটের কার্যপ্রণালীর মতো, যেখানে A অথবা B ইনপুটে যেকোনো একটি বা উভয়ই ১ হলে আউটপুট ১ হয়।
- যেমন, A = 0 এবং B = 1 হলে A + B = 1 ঠিক যেমন OR গেইটে ইনপুট দিলে ফলাফল 1 হয়। 

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর
লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮,০৬৭.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Microsoft Excel
  2. Red Hat
  3. iPadOS
  4. Mint
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, এবং ব্যবহারকারীকে ডিভাইসটি ব্যবহার করার সুবিধা দেয়।
- প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Microsoft Excel অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম যা ডেটা বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ এবং রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Red Hat, iPadOS, এবং Mint হলো অপারেটিং সিস্টেম। Red Hat হলো লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, iPadOS হলো অ্যাপলের মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি অপারেটিং সিস্টেম, আর Mint হলো উবুন্টু ভিত্তিক লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন।

- তাই, অপারেটিং সিস্টেম নয় Microsoft Excel.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন - CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৬৮.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. IDE
  2. Scratch
  3. C
  4. R
ব্যাখ্যা

• “IDE” প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। IDE-এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Development Environment, যা মূলত একটি সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রোগ্রামাররা কোড লিখতে, ডিবাগ করতে এবং এক্সিকিউট করতে পারে। এটি একটি টুল যা প্রোগ্রামিংকে সহজ এবং কার্যকর করে তোলে। অন্যদিকে, Scratch, C এবং R সবই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। Scratch হলো ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সহজভাবে কোড শেখার উপযোগী। C হলো একটি শক্তিশালী সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। R হলো ডেটা বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানিক কাজের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তাই IDE প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৮,০৬৯.
সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল তৈরি করে কোনটি?
  1. Assembler
  2. Compiler
  3. Interpreter
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।

২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে।

৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৭০.
Which key combination is used to permanently delete a file or folder?
  1. Alt + delete
  2. Ctrl + delete
  3. Shift + delete
  4. End + delete
ব্যাখ্যা
• Shift + delete key combination is used to permanently delete a file or folder.
- কম্পিউটারে কোনো ফাইল মুছে ফেলতে ডিলিট বোতামে চাপলেই সেটি মুছে যায়, তবে অস্থায়ীভাবে। ফাইলটি জমা হয় রিসাইকেল বিনে।
- স্থায়ীভাবে কিছু মুছে ফেলতে চাইলে একসঙ্গে SHIFT ও DEL বোতাম চাপলেই তা মুছে যাবে। 
- Pressing Ctrl + Del deletes the word to the right of the cursor in many programs, including OneNote, PowerPoint, Microsoft Word, and the Notepad text editor.

উৎস: Microsoft Support & Computerhope website.
৮,০৭১.
নিচের কোনটি DBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Oracle
  2. MySQL
  3. SPSS
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

SPSS (Statistical Package for the Social Sciences) একটি স্ট্যাটিস্টিক্যাল অ্যানালাইসিস সফটওয়্যার, ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি DBMS নয়।

DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,০৭২.
OCR দ্বারা সেকেন্ডে সর্বোচ্চ কয়টি ক্যারেক্টার পড়া যায়?
  1. ১২৮
  2. ২৫৬
  3. ২৪০০
  4. ৫৬০০
ব্যাখ্যা
OCR এর পূর্ণরূপ Optical Character Recognition
OCR দ্বারা সর্বোচ্চ ২৪০০ টি ক্যারেক্টার পড়া যায়।
ব্যাংক, ইনস্যুরেন্স কোম্পানি, এয়ার লাইন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে OCR  ব্যবহৃত হয়। 
Optical Character Recognition or OCR- একটি প্রযুক্তি যা আপনাকে বিভিন্ন ধরণের ডকুমেন্ট যেমন স্ক্যান করা কাগজ নথি, পিডিএফ ফাইল বা ডিজিটাল ক্যামেরায় বন্দী চিত্রগুলি সম্পাদনযোগ্য এবং অনুসন্ধানযোগ্য ডেটাতে রূপান্তর করে।

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই ও ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট
৮,০৭৩.
JSON প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়?
  1. ইমেজ তৈরি করা
  2. প্রোগ্রামিং অ্যালগরিদম লেখা
  3. ওয়েবসাইট সাজানো
  4. ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়।

JSON (JavaScript Object Notation) একটি হালকা ও সহজবোধ্য ফরম্যাট যা ডেটা সংরক্ষণ এবং বিনিময়ের জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত মানুষের পঠনযোগ্য এবং যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষা সহজে বুঝতে পারে। JSON-এর মাধ্যমে ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভার এবং ক্লায়েন্টের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়। যেমন, একটি ওয়েবসাইটে ব্যবহারকারীর তথ্য, সেটিংস বা অন্যান্য ডেটা সার্ভার থেকে ক্লায়েন্টে পাঠানোর জন্য JSON ব্যবহার করা হয়। এর সরল গঠন এবং সাধারণ সিনট্যাক্সের কারণে এটি XML-এর বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হয়েছে। JSON-এর ডেটা সাধারণত কী-মান (key-value) জোড়া আকারে থাকে।

• JSON:
- JSON (JavaScript Object Notation) হলো একটি হালকা-ওজনের ডাটা বিনিময় ফরম্যাট যা মানুষ ও মেশিন দ্বারা সহজে পড়া এবং লেখা যায়।
- এটি সাধারণত ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং সার্ভারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• JSON এর বৈশিষ্ট্য:
- সহজ পাঠযোগ্য: JSON ফরম্যাটটি সহজে পাঠযোগ্য এবং লেখার জন্য মানুষের পক্ষে সহজ।
- টেক্সট বেসড: JSON কাঁচা টেক্সট হিসেবে থাকে, যা যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
- ডাটা স্ট্রাকচার: JSON ডাটা স্ট্রাকচার সাধারণত কী: মান এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

JSON এর সাধারণ উদাহরণ:
    {
       "নাম": "আলম",
       "বয়স": ২৫,
       "শখ": ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]
    }
  
এখানে, "নাম", "বয়স", এবং "শখ" হল কী, এবং তাদের মান (value) হলো যথাক্রমে "আলম", ২৫ এবং একটি অ্যারে ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]।
এভাবে, JSON বিভিন্ন ধরনের ডাটা একত্রিত করতে এবং ওয়েব সার্ভিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,০৭৪.
CPU এর কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ কী?
  1. গণনা করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. নির্দেশনা ডিকোড করা
  4. আউটপুট প্রদান করা
ব্যাখ্যা

◉ Control Unit হলো CPU এর এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা কম্পিউটারের অন্যান্য ইউনিট যেমন ALU, মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস ইত্যাদিকে সমন্বয় করে কাজ করায়। এর প্রধান কাজ হলো প্রোগ্রামের নির্দেশনা ফেচ করা, ডিকোড করা এবং সংশ্লিষ্ট ইউনিটকে নির্দেশ পাঠানো।

প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৮,০৭৫.
মেডিকেলের কোন যন্ত্রগুলোতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ECG
  2. খ) CT Scan
  3. গ) MRI
  4. ঘ) সবগুলোতেই ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
মেডিকেলের বিভিন্ন যন্ত্রে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ ECG, CT Scan, MRI, ETT, X-Ray, Stethoscope ইত্যাদি।
৮,০৭৬.
ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. SQL
  2. CSS
  3. C++
  4. PHP
ব্যাখ্যা
• ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল এবং স্টাইলিংয়ের জন্য প্রধানত CSS (Cascading Style Sheets) ভাষা ব্যবহৃত হয়। এটি ওয়েবসাইটের রঙ, ফন্ট, মার্জিন, বর্ডার, লেআউট এবং অ্যানিমেশনসহ বিভিন্ন দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। HTML একটি ওয়েবপেজের মূল কাঠামো তৈরি করে, আর CSS সেই কাঠামোকে দৃষ্টিনন্দন ও ব্যবহারবান্ধব রূপে উপস্থাপন করে। CSS-এর সাহায্যে একাধিক ওয়েবপেজে একই রকম স্টাইল সহজেই প্রয়োগ করা যায়, ফলে ওয়েবসাইট ব্যবস্থাপনাও সহজ হয়। অন্যদিকে, SQL ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনায়, PHP সার্ভার-সাইড প্রোগ্রামিংয়ে এবং C++ সাধারণ প্রোগ্রামিংয়ে ব্যবহৃত হয়, তাই এরা ওয়েবস্টাইলিংয়ের জন্য উপযুক্ত নয়।

• HTML এবং CSS:
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৮,০৭৭.
Intel - 80186 __________ বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর।
  1. ৮ বিট
  2. ১৬ বিট
  3. ৩২ বিট
  4. ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  
৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮,
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৭৮.
EMTS-এর প্রাথমিক বৈশিষ্ট্য কোনটি? 
  1. ঋণ প্রদান
  2. বীমা সেবা দেওয়া
  3. ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর
  4. কাগজের নোট তৈরি করা
ব্যাখ্যা

• EMTS-এর অর্থ হলো Electronic Money Transfer System বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল মাধ্যমে সরল ও দ্রুত করা। অর্থাৎ, এটি সরাসরি কাগজের নোট ব্যবহার না করে ব্যাংক বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে। 

ইএমটিএস: 
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করা হয়। 
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৭৯.
কোনটিকে পয়েন্টিং ডিভাইস বলা হয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) প্রজেক্টর
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা

- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- ১৯৬৩ সালে ডগলাস এঞ্জেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৪ সালে ম্যাকিন্টোস কম্পিউটারে সর্বপ্রথম মাউস ব্যবহৃত হয়।

৮,০৮০.
কোন ধরনের মনিটরে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হয়?
  1. ক) সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
  2. খ) এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
  3. গ) এলইডি মনিটর (LED Monitor)
  4. ঘ) এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
ব্যাখ্যা
CRT এর পূর্ণরূপ হলাে Cathode Ray Tube। ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত মনিটরকে সিআরটি মনিটর বলা হয়।
এলসিডি মনিটরের তুলনায় এ ধরনের মনিটরে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
LED মনিটর LCD মনিটরের উন্নত ভার্সন। LCD মনিটর অপেক্ষা LED মনিটরে বিদ্যুৎ খরচ ৪০% কম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
৮,০৮১.
বাইনারি যোগ করুন: 1001110 + 110111 = কত?
  1. ক) 10001001
  2. খ) 10001101
  3. গ) 10000101
  4. ঘ) 10011001
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বাইনারি যোগ করুন: 1001110 + 110111 = কত?

সমাধান:

বাইনারি যোগের ক্ষেত্রে,
⇒ 0 + 0 = 0
⇒ 1 + 0 = 1
⇒ 1 + 1 = 10  [বসবে 0 আর হাতে থাকবে 1]
⇒ 1 + 1 + 1 = 11 [বসবে 1 আর হাতে থাকবে 1]
৮,০৮২.
Transmission and presentation of text and graphics is called
  1. ক) Tele-text
  2. খ) Network
  3. গ) Telematique
  4. ঘ) Video text
ব্যাখ্যা
Transmission and presentation of text and graphics is called Video text
৮,০৮৩.
কোন প্রজন্মে প্রথমবার IC ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথমবার ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করা হয়। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো, যা বড়, ভারী এবং অধিক তাপ উৎপাদনকারী ছিল। দ্বিতীয় প্রজন্মে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় ছোট, শক্তি খরচ কম এবং দ্রুত কাজ করত। তবে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে IC প্রযুক্তি প্রবেশের ফলে কম্পিউটার আরও ছোট, দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য হয়ে ওঠে। IC-এর ব্যবহার কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং একই সাথে দামও কমায়। পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার আরও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৮৪.
AC3 হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. ক) 2755
  2. খ) 2800
  3. গ) 2850
  4. ঘ) 2900
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

(AC3)16
= (10 x 162) + (12 x 161) + (3 x 160)
= 2755 
৮,০৮৫.
Measuring পদ্ধতিতে কাজ করে-
  1. ক) ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. খ) এনালগ কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটার কাজ করে পরিমাপন (Measuring) পদ্ধতিতে। যেমন- বিদ্যুতের তারের ভােল্টেজের ওঠা-নামা, কোন পাইপের ভেতরের বাতাস বা তরল পদার্থের চাপ কম-বেশি হওয়া, বাতাসের প্রবাহ ও চাপ পরিবর্তিত হওয়া ইত্যাদি পরিমাপনের ভিত্তিতে এনালগ কম্পিউটার কাজ করে।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৮,০৮৬.
মাদারবোর্ডের কোন উপাদান BIOS ফার্মওয়্যার সংরক্ষণ করে?
  1. GPU
  2. SSD
  3. RAM
  4. CMOS Chip
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডে BIOS ফার্মওয়্যার সংরক্ষণ করার কাজটি ঘ) CMOS Chip করে। CMOS চিপ হলো একটি ছোট ধরণের মেমোরি চিপ যা মাদারবোর্ডে সরাসরি স্থাপিত থাকে এবং এতে BIOS-এর গুরুত্বপূর্ণ সেটিংস, সিস্টেম কনফিগারেশন, তারিখ ও সময় সংরক্ষিত থাকে। এটি সাধারণত একটি ব্যাটারির মাধ্যমে শক্তি পায়, তাই কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও এতে তথ্য থাকে। অন্য দিকে, GPU মূলত গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ের কাজ করে, SSD ডাটা সংরক্ষণ করে এবং RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় কাজ করে। তাই BIOS সংরক্ষণের জন্য CMOS চিপই বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
 
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থলকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন—কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন, প্রতিটি অংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৮৭.
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমের মূল সুবিধা কী?
  1. একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো
  2. সিস্টেম ক্র্যাশ প্রতিরোধ করা
  3. হার্ডওয়্যার আপগ্রেডের প্রয়োজন কমানো
  4. দ্রুত বুটিং
ব্যাখ্যা

মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এমন এক ধরনের OS, যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা প্রসেস চালাতে পারে।

মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking):
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

৮,০৮৮.
বিশ্বের প্রথম মিনি কম্পিউটারের নাম কি?
  1. পিপিডি-১
  2. ডিটিপি-১
  3. পিডিপি-১
  4. ডিপিপি-১
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের প্রথম মিনি কম্পিউটার PDP-1 ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন (DEC) দ্বারা প্রকাশ করা হয়েছে। 
- DEC 1960 সালের নভেম্বরে PDP-1 প্রবর্তন করে। 
- এটি বিশ্বের প্রথম ছোট, ইন্টারএক্টিভ কম্পিউটার। 
- PDP-1 প্রায় 120,000 ডলারে বিক্রি হয়েছিল, যা এটিকে সেই সময়ের সবচেয়ে সস্তা কম্পিউটারগুলোর মধ্যে একটি করে তুলেছিল। 
- ট্রানজিস্টার ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার হলো পিডিপি - ৮। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮,০৮৯.
নিচের কোনটি অস্থায়ী মেমোরি?
  1. ক) রম
  2. খ) র‍্যাম
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে যতক্ষণ বিদ্যুৎ প্রবাহ চালু থাকে , ততক্ষণ র‍্যামে তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে র‍্যাম তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী (Volatile) মেমোরি বলে।
৮,০৯০.
প্রসেসর যা পাটিগণিত এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে তাকে বলা হয়-
  1. কন্ট্রোল
  2. এএলইউ
  3. রেজিস্টার
  4. ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে- এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

• রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৮,০৯১.
নিচের কোনটি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ নয়?
  1. ল্যাপটপ
  2. স্মার্টফোন
  3. নোটবুক
  4. সামিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।

• মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-
১. পামটপ কম্পিউটার 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার
৩. নোটবুক কম্পিউটার 
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার 
- এছাড়াও ট্যাবলেট পিসি, ফ্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

• যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট একটি সুপার কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৯২.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)-এর প্রধান কাজের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডেটাবেজ তৈরি
  2. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  3. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  4. ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম ডিজাইন
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রধান কাজ হলো ডেটাবেজ তৈরি, ইন্টারোগেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ; ডেটা কম্প্রেশন অ্যালগরিদম ডিজাইন এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ:
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন:
- ডেটাবেজ তৈরি → নতুন ডেটাবেজ কাঠামো নির্মাণের প্রক্রিয়া।
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন → সংরক্ষিত ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য অনুসন্ধান ও ব্যবহার।
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ → ডেটার হালনাগাদ, সুরক্ষা ও ত্রুটি সংশোধন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৮,০৯৩.
In data storage, SSDs are faster than HDDs becuse-
  1. They use magnetic storage 
  2. They have no moving parts 
  3. They are cheaper 
  4. They use optical disks 
ব্যাখ্যা

SSD (Solid State Drive), HDD (Hard Disk Drive) -এর চেয়ে দ্রুত কারণ SSD-তে ডেটা অ্যাক্সেস করার জন্য কোনো যান্ত্রিক বা চলন্ত অংশ (যেমন স্পিনিং ডিস্ক বা moving parts) থাকে না, ফলে এটি তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য স্থানান্তর করতে পারে।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

Hard Disk Drive (HDD):
- যাকে হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ বা হার্ড ড্রাইভও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের জন্য ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- এটি অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের তৈরি সমতল বৃত্তাকার প্লেট এবং প্লেটের উপর একটি চৌম্বকীয় উপাদান লেপা থাকে।
- ডাটাগুলো হার্ড ডিক্সের ম্যাগনেটিক প্যাটার্নে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগে একেকটি গেইন হিসেবে স্টোর থাকে। যেখানে প্রতিটি গেইন একেকটি চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে ডাটাগুলো স্টোর থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮,০৯৪.
সাধারণ উদ্দ্যেশ্য ব্যবহৃত প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. ENIAC
  2. UNIVAC
  3. Mark I
  4. EDSAC
ব্যাখ্যা

• UNIVAC (Universal Automatic Computer) হলো বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্যে নির্মিত বাণিজ্যিক কম্পিউটার।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এটি সর্বপ্রথম সেন্সাস ব্যুরোতে ব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হয়।
- এটি প্রথম কম্পিউটার যা তথ্য ও সংখ্যা- উভয়কেই প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম ছিল এবং এতে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহারের সুবিধা ছিল।

• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উল্লেখ্য:
- ENIAC: এটি প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার হলেও বাণিজ্যিকভাবে বাজারজাত করা হয়নি।
- Mark I: এটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষণামূলক ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার প্রজেক্ট ছিল।
- EDSAC: এটি প্রথম স্টোরড প্রোগ্রাম মেমোরি কম্পিউটার হলেও বাণিজ্যিকভাবে প্রথম ছিল না।

• কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
- ENIAC: Electronic Numerical Integrator and Computer.
- EDVAC: Electronic Discrete Variable Automatic Computer.
- ASSC (MARK-1): Automatic Sequence Control Calculator.
- ABC: Atanasoff-Berry Computer.
- EDSAC: Electronic Delay Storage Automatic Calculator.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৯৫.
পণ্যের তথ্য দ্রুত ও সঠিকভাবে শনাক্ত করতে ব্যবহৃত বারকোড রিডার কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. আউটপুট ডিভাইস
  2. ইনপুট ডিভাইস
  3. প্রসেসিং ডিভাইস
  4. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

বারকোড রিডার একটি ইনপুট ডিভাইস।

​• ইনপুট ডিভাইস:

যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট ও আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।

উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও 
​২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০৯৬.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবন “Write once, run anywhere” ধারণাকে সম্ভব করেছে?
  1. Java
  2. Swift
  3. Python
  4. C++
ব্যাখ্যা

• “Write once, run anywhere” ধারণাটি Java প্রোগ্রামিং ভাষার সাথে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত। Java ১৯৯৫ সালে Sun Microsystems দ্বারা উদ্ভাবিত হয়েছিল। এর মূল শক্তি হলো Java Virtual Machine (JVM), যা কোডকে প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষভাবে চালাতে সক্ষম করে। অর্থাৎ, একবার প্রোগ্রাম লেখা হলে তা যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পুনরায় কম্পাইল না করেও চলতে পারে। Java এর এই বৈশিষ্ট্য সফটওয়্যার ডেভেলপারদের জন্য সময় এবং শ্রম বাঁচায়, কারণ আলাদা-আলাদা প্ল্যাটফর্মের জন্য আলাদা কোড লিখতে হয় না। এর কারণে Java ওয়েব, মোবাইল এবং এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে খুব জনপ্রিয়। তাই “Write once, run anywhere” ধারণার উদ্ভাবক হলো Java।

- উত্তর: ক) Java.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৮,০৯৭.
নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড রিটার্ন করা প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. সেভিং
  2. সর্টিং
  3. কুয়েরি
  4. আপডেট
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড রিটার্ন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি (Query) বলা হয়। কুয়েরি হলো একটি কমান্ড বা অনুরোধ যা ব্যবহারকারী ডেটাবেজে পাঠায়, যাতে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী তথ্য বা রেকর্ড পাওয়া যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যবহারকারী একটি টেবিল থেকে নির্দিষ্ট নামের ছাত্রদের তথ্য দেখতে চায়, সে একটি কুয়েরি ব্যবহার করে তা পেতে পারে। কুয়েরি শুধুমাত্র ডেটা রিটার্ন করতেই ব্যবহৃত হয়; এটি ডেটা পরিবর্তন করে না। অন্যদিকে, সেভিং হলো ডেটা সংরক্ষণ, সর্টিং হলো ডেটা সাজানো, এবং আপডেট হলো ডেটা পরিবর্তন করা। সুতরাং, রেকর্ড রিটার্ন করার প্রক্রিয়া হলো কুয়েরি।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮,০৯৮.
মাইক্রোপ্রসেসরে ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় -
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ম্যাগনেটিক টেপ
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরে ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় - রেজিস্টার।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
• ক্যাশ মেমোরি - মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।
• ম্যাগনেটিক টেপ, হার্ডডিস্ক - এগুলো হচ্ছে কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি। এতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেইজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৯৯.
সিস্টেম সফটওয়্যার প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার
সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে এমন ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারগুলোকে ব্যবহারকারীর ব্যবহার উপযোগী করে তুলতে সহায়তা করে। এই সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ও ব্যবহারিক প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য কম্পিউটারের সামর্থ্যকে সার্থকভাবে নিয়োজিত রাখে। কম্পিউটারের কাজের প্রকৃতির উপযোগী করে সিস্টেম সফটওয়্যার তৈরি করা হয়। তাই বিভিন্ন প্রকারের কাজের জন্য সিস্টেম সফটওয়্যার বিভিন্ন রকমের হয়। এক ধরনের কম্পিউটারের উপযোগী করে তৈরি সফটওয়্যার পরিবর্তন করে না নিলে অন্য এক ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না৷

সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায় । যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,১০০.
ভাইরাসের নামকরণ করেন-
  1. অ্যালান টুরিং
  2. রবার্ট মরিস
  3. ফ্রেড কোহেন
  4. মার্শাল ম্যাকলুহান
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।