বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭৯ / ৮২ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ৮,১৪১

৭,৮০১.
প্রোগ্রামিং ভাষা অনুবাদের জন্য ব্যবহৃত Compiler বা Interpreter কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. প্যাকেজ সফটওয়্যার
  4. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• সফটওয়‍্যার:
সফটওয়‍্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে। তবে বিভিন্ন ধরনের কাজের জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়‍্যার ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম সফটওয়‍্যার (System Software) ও
২। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার

• সিস্টেম সফটওয়‍্যার:
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল। তাই কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়‍্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ। আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়‍্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়‍্যার বলা হয়।
- MS WORD, MS EXCEL, ORACLE ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।

• প্যাকেজ সফটওয়্যার:
- প্যাকেজ সফটওয়্যার হলো বাণিজ্যিকভাবে তৈরি এমন রেডিমেড বা তৈরি-সফটওয়্যার, যা নির্দিষ্ট কিছু সাধারণ কাজ সম্পাদন করতে ব্যবহারকারীদের জন্য বাণিজ্যিকভাবে বিক্রি করা হয়। এগুলো পূর্বেই প্রস্তুত থাকে এবং সাধারণ ব্যবহারকারীদের ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়। 
- উদাহরণ: Microsoft Office, Adobe Photoshop, এবং বিভিন্ন অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

• ডেটাবেজ সফটওয়্যার:
- ডেটাবেজ সফটওয়্যার বা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন যা সুশৃঙ্খলভাবে ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা, নিয়ন্ত্রণ, আপডেট এবং পুনরুদ্ধারের (Retrieve) কাজ করে।
- এটি ব্যবহারকারী এবং ডেটাবেজের মধ্যে মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা ডেটার নিরাপত্তা ও তথ্যের অসামঞ্জস্যতা দূর করে।
- জনপ্রিয় উদাহরণ হলো MS Access, MySQL, Oracle, SQL Server ইত্যাদি।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Solarwinds [Link]

৭,৮০২.
'Quick Heal' হলো একটি-
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. কম্পিউটার অ্যান্টি ভাইরাস
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. কুইক অ্যাক্সেস টুলবার
ব্যাখ্যা
• অ্যান্টি ভাইরাস:
- অ্যান্টি-ভাইরাস হলো কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসে ইনস্টল করা একটি সুরক্ষা প্রোগ্রাম যেটি ম্যালওয়্যার দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার থেকে রক্ষা করে।
- যদি একটি কম্পিউটার ম্যালওয়্যার দ্বারা সংক্রামিত হয়ে পড়ে তবে একটি সাইবার আক্রমণকারী ব্যবহারকারীর সমস্ত কী-স্ট্রোক ক্যাপচার করতে পারে, নথিপত্র চুরি করতে পারে বা অন্যকে আক্রমণ করার জন্য তার কম্পিউটারটি ব্যবহার করতে পারে।
- এক্ষেত্রে যেকোনও অপারেটিং সিস্টেম সংক্রামিত হতে পারে।
- এর প্রতিকার হিসাবে অ্যান্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিদিন ম্যালওয়‍্যারের অনেকগুলি নতুন সংস্করণ প্রকাশিত হচ্ছে যা কোনও অ্যান্টি ভাইরাস প্রোগ্রাম তাদের সকলকে সনাক্ত করতে এবং সুরক্ষা দিতে পারে না।
- অ্যান্টি-ভাইরাসগুলি আমাদের কম্পিউটারকে সুরক্ষিত করতে সহায়তা করতে পারে, কিন্তু এটি সমস্ত ধরনের ম্যালওয়্যার সনাক্ত বা বন্ধ করতে পারে না।
- উদাহরণ: নরটন অ্যান্টিভাইরাস (Norton Antivirus), ম্যাকআফি অ্যান্টি ভাইরাস (McAfee Antivirus), বিটফাইন্ডার অ্যান্টিভাইরাস (Bitdefender), কুইক হিল অ্যান্টিভাইরাস (Quick Heal), এভিজি অ্যান্টিভাইরাস (AVG)।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৩.
নিচের কোনটি স্থায়ী মেমোরি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডের সাথে র‍্যাম সংযুক্ত থাকে।
- প্রসেসর প্রাথমিকভাবে র‍্যামে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে।
- প্রসেসর RAM থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে।
- প্রসেসর র‍্যামের যে কোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বলা হয়।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে র‍্যামের সকল তথ্য মুছে যায়।
- এটি অস্থায়ী মেমোরি।

• রম (ROM):
- ROM বা Read Only Memory মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- আইসিটি যন্ত্রপাতি বা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়।
- এ নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- তাই রম এ নির্দেশনাগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- এ মেমোরি শুধু পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read only Memory বলে।
- যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলে।

• ক্যাশ মেমোরি:
- কাজের গতি বৃদ্ধির জন্য প্রসেসর এবং প্রধান স্মৃতির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত বিশেষ ধরনের স্মৃতিকে ক্যাশ মেমোরি বা ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- কোনো এপ্লিকেশন প্রোগ্রামে কাজ করার জন্য যে তথ্যগুলো বারবার ব্যবহৃত হয় সেই তথ্যগুলোকে ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা হয়।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
৭,৮০৪.
Which one is a modifier key?
  1. ক) Alt
  2. খ) Ctrl
  3. গ) Shift
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী:
বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়। বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়। ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 

মডিফায়ার কী:
কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল  কীসমূহ ব্যবহৃত হয়। কন্ট্রোল কীসমূহের মধ্যে এন্টার কী, কন্ট্রোল কী, অল্টার কী, শিফ্‌ট কী, ইস্কেপ কী ইত্যাদি অন্যতম।
৭,৮০৫.
ফ্লোচার্ট কয় ধরণের হয়ে থাকে -
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ফ্লোচার্ট ২ ধরণের হয়ে থাকে। যথা
i) সিস্টেম ফ্লোচার্ট
ii) প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট

• সিস্টেম ফ্লোচার্ট: যে ফ্লোচার্টে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির বিভিন্ন অংশের  মধ্যে  প্রক্রিয়াকরণের মধ্যে প্রবাহ দেখানো হয়।  এখানে ডাটা গ্রহণ, সংরক্ষণ , প্রক্রিয়াকরণ ও ফলাফল প্রদর্শনের চিত্র দেখানো হয়। কোনো সিস্টেমের কার্যপ্রণালী বুঝতে কতগুলো সিস্টেমের মাধ্যমে ফ্লোচার্ট তৈরী হয়।

• প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট: কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার জন্য এই ফ্লোচার্ট ব্যবহার করা হয়। এর মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের ধাপসমূহ বিস্তরভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। মূলত সিস্টেম ফ্লোচার্টের চেয়ে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট ই বেশী ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৮০৬.
এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার নেই কোনটিতে?
  1. সেল ফোন
  2. এসি
  3. ওয়াশিং মেশিন
  4. এলইডি লাইট
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস: Computerhope website.
৭,৮০৭.
নিম্নের কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. জয়স্টিক
  2. ফ্লপিডিস্ক
  3. প্রিন্টার
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
ফ্লপিডিস্ক একটি স্টোরেজ ডিভাইস।

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

খ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৮০৮.
[এই প্রশ্নে বেশ কয়েকটা ভুল ছিল। আমরা দুঃখিত। প্রশ্নকর্তাকে সতর্ক করা হয়েছে।] ১) মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) ব্ল্যাকবেরি
  2. খ) অ্যান্ড্রয়েড
  3. গ) আইওএস
  4. ঘ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা
স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেম পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড, অ্যাপলের আইওএস, রিমের ব্ল্যাকবেরি, মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ, নকিয়ার সিমবিয়ান, স্যামসাংয়ের বাডা উল্লেখযোগ্য।
৭,৮০৯.
কেবল একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে -
  1. ক) অ্যান্ড গেইটে
  2. খ) অর গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কেবল একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট থাকে নট গেইটে।

• যে লজিক গেটে একটি মাত্র ইনপুট ও একটি মাত্র আউটপুট থাকে এবং ইনপুটে নিম্ন বিভব প্রয়ােগ করলে আউটপুটে উচ্চ বিভব এবং ইনপুটে উচ্চ বিভব প্রয়ােগ করলে আউটপুটে নিম্ন বিভব পাওয়া যায় তাকে NOT গেট বলে।

• যে লজিক গেট এর দুই বা দুই এর অধিক ইনপুট কিন্তু একটি মাত্র আউটপুট থাকে এবং এর যে কোনাে একটি ইনপুট উচ্চ বিভব হলেই আউটপুট উচ্চ বিভব হয়, তাছাড়া অন্য ক্ষেত্রে আউটপুট বিভব নিম্ন হয় তাকে OR গেট বলে।

• অ্যান্ড গেইট হচ্ছে যৌক্তিক গুণের গেইট। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক গুণের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলা হয়। AND গেইটের ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট লাইন থাকে।

সূত্র: ১২৭ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। [লিঙ্ক]
৭,৮১০.
NOR গেট সম্পর্কে কোনটি সত্য?
  1. এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট 
  2. এটি AND গেটের মতো
  3. এটি অন্যান্য গেট বাস্তবায়নে ব্যবহার করা যায় না
  4. এটি কেবল ১টি ইনপুটে কাজ করে
ব্যাখ্যা

• NOR গেট একটি ডিজিটাল লজিক গেট যা ইনপুটের লজিকাল OR-এর আউটপুটকে ইনভার্ট করে। অর্থাৎ, যদি সব ইনপুট ০ হয়, তখন আউটপুট ১ হয়, অন্য কোনো ক্ষেত্রে আউটপুট ০ হয়। এটি ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত, কারণ এর সাহায্যে AND, OR, NOT সহ সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা যায়। NOR গেটের তুলনা সরাসরি AND গেটের সাথে করা যায় না, কারণ AND গেট তখনই আউটপুট ১ দেয় যখন সব ইনপুট ১ হয়। এছাড়া, NOR গেট একাধিক ইনপুট নিয়ে কাজ করতে পারে, একটিমাত্র ইনপুটে সীমাবদ্ধ নয়। সুতরাং, এর সঠিক বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট।

সঠিক উত্তর: ক) এটি একটি ইউনিভার্সাল গেট।

• নর গেইট:
- NOR গেট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেট যা OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয়ে গঠিত। এটি প্রথমে ইনপুটগুলোর OR অপারেশন করে এবং তারপর ফলাফলটিকে উল্টে দেয়।
- অর (OR) গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
- NOR গেইটের আউটপুট 1 হবে যখন সবগুলো ইনপুট 0 হবে।
- NOR গেইটের আউটপুট 0 হবে যখন যে কোনো ইনপুট 0 হবে এবং দুইটি ইনপুট যখন 1 হবে।

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮১১.
LLM চালানোর জন্য নিম্নোক্ত কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশ সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ?
  1. RAM
  2. Processor
  3. Graphics Card
  4. Storage Device
ব্যাখ্যা

• LLM বা Large Language Model চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ হলো Graphics Card (GPU)। কারণ LLM-এর প্রশিক্ষণ ও ব্যবহার উভয় ক্ষেত্রেই বিপুল পরিমাণ ম্যাট্রিক্স গণনা ও প্যারালাল প্রসেসিং প্রয়োজন হয়, যা সাধারণ Processor (CPU) দিয়ে ধীরগতিতে সম্পন্ন হয়। শক্তিশালী GPU একসঙ্গে লক্ষাধিক অপারেশন দ্রুত সম্পাদন করতে সক্ষম, ফলে মডেল কার্যকরভাবে চালানো যায়। RAM, Storage Device এবং Processor অবশ্যই সহায়ক ভূমিকা রাখে, তবে মূলত GPU-এর ক্ষমতাই নির্ধারণ করে মডেল কতটা দক্ষতার সঙ্গে কাজ করবে। তাই LLM চালানোর ক্ষেত্রে Graphics Card-ই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

• LLM চালানোর জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ:
- LLM (Large Language Model) চালানোর ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল Graphics Card (GPU). 

• Graphics Card (GPU):
- GPU বিশাল পরিমাণ ডেটা সমান্তরালভাবে প্রসেস করতে পারে।  
- LLM মডেলগুলোর প্রশিক্ষণ ও কার্যকরভাবে চালানোর জন্য হাজার হাজার কোর বিশিষ্ট GPU ব্যবহৃত হয়।  
- CPU এর তুলনায় GPU অনেক দ্রুতগতিতে ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন করতে সক্ষম।  
- LLM ট্রেনিং ও ইনফারেন্স—দুটোর ক্ষেত্রেই GPU অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে।  
- বর্তমান সময়ে NVIDIA A100, H100 এর মতো GPU LLM এর জন্য সবচেয়ে ব্যবহৃত।  
- GPU এর ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত ও কার্যকরভাবে LLM চালানো সম্ভব হবে।  

অন্য যন্ত্রাংশগুলোর ভূমিকা:  
- RAM: ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে এবং GPU/CPU তে সরবরাহ করে।  
- Processor (CPU): সাধারণ কাজ, সিস্টেম কন্ট্রোল ও ডেটা হ্যান্ডলিং এ সহায়তা করে।  
- Storage Device: ডেটাসেট, মডেল ফাইল ও চেকপয়েন্ট সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।  

- যদিও RAM, Processor এবং Storage Device জরুরি, কিন্তু LLM চালানোর জন্য - সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল Graphics Card (GPU).

সূত্র: 
- ASUS [link]
- geeksforgeeks [link]

৭,৮১২.
'নেটওয়ার্ক সার্ভার' নামকরণটি সাধারণত কোন ধরণের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ নামকরণটি সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে।
- এই ধরণের কম্পিউটার সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানে বা ডেটা সেন্টারে ব্যবহৃত হয়, যেখানে উচ্চ মাত্রার প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং নির্ভরযোগ্যতা প্রয়োজন হয়।
- নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে মেইনফ্রেম কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযুক্ত অনেক ক্লায়েন্ট ডিভাইসের জন্য তথ্য ও সার্ভিস সরবরাহ করে থাকে।
- অন্যদিকে, মিনি কম্পিউটার, মাইক্রোকম্পিউটার ও সুপারকম্পিউটার বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হলেও নেটওয়ার্ক সার্ভার হিসেবে মেইনফ্রেম কম্পিউটার সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮১৩.
ই-বুক হচ্ছে-
  1. ইলেকট্রনিক স্টোর
  2. ইন্টারনেট বুক
  3. ইলেকট্রনিক বুক
  4. ইন্টারনেট স্টোর
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক বা ইলেকট্রনিক বুক বা ই-বই হলো মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক রূপ।
- প্রচলিত বইয়ের মতই ই-বুক টেক্সট ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি হয় যা আসলে মূল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ।
- ই-বুক কম্পিউটার, স্মার্টফোন বা বিশেষ ধরনের রিডার (ই-বুক রিডার) ব্যবহার করে পড়া যায়। প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের (amazon.com) কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- মুদ্রিত বইয়ের হুবহু প্রতিলিপি ই-বুকগুলো মূলত মুদ্রিত বইয়ের মতই হয়ে থাকে। সচরাচর এগুলো পিডিএফ (পোর্টেবল ডকুমেন্ট ফরম্যাট) ফরম্যাটে প্রকাশিত হয়ে থাকে।
- যে ই-বুকগুলো কেবল অনলাইনে তথা ইন্টারনেটে পড়া যায়, এগুলো সচরাচর এইচটিএমএল-এ প্রকাশিত হয়। এগুলোকে বই-এর ওয়েবসাইট বলা যায়।
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮১৪.
In a hybrid computer system, how are the collected data typically processed?
  1. Collected digitally and processed analogically
  2. Collected analogically and processed digitally
  3. Collected and processed only digitally
  4. Collected and processed only analogically
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত প্রথমে অ্যানালগ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয় এবং পরে তা সংখ্যায় রূপান্তর করে ডিজিটাল অংশে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠানো হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যেখানে অ্যানালগ কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একত্রে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটার অবিচ্ছিন্ন ডেটা বা সিগন্যাল প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং ডিজিটাল কম্পিউটার লজিক্যাল অপারেশন ও ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- এই দুই ধরনের সক্ষমতাকে একত্রিত করার কারণে একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের কার্যপদ্ধতি:
- সাধারণত উপাত্ত প্রথমে অ্যানালগ পদ্ধতিতে সংগ্রহ করা হয়।
- সংগৃহীত উপাত্ত পরে সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- এরপর সেই উপাত্ত ডিজিটাল অংশে পাঠানো হয়।
- ডিজিটাল অংশ উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ করে চূড়ান্ত ফলাফল প্রদান করে।

• ব্যবহার ক্ষেত্র:
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত ব্যয়বহুল হওয়ায় এটি সাধারণ কাজে ব্যবহৃত হয় না।
- বিশেষ বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত কাজে এর ব্যবহার বেশি দেখা যায়।

• উল্লেখযোগ্য ব্যবহার:
- মিসাইল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা,
- সমরাস্ত্র প্রযুক্তি,
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
- নভোযান পরিচালনা,
- রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
- পরমাণুর গঠন ও প্রকৃতি নির্ণয়,
- পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয়।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে ব্যবহার:
- হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (ICU),
- শরীরের তাপমাত্রা পরিমাপ,
- রোগীর রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ,
- হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ।

উৎস:
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম।

৭,৮১৫.
CPU তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় তথ্যকে ক্ষণস্থায়ীভাবে কোথায় জমা রাখে?
  1. রেজিস্টারে
  2. র‍্যামে
  3. হার্ডডিস্কে
  4. মনিটরে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এর প্রত্যেকটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি করে বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় উপাত্ত অস্থায়ীভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
৭,৮১৬.
ওসিআর ইমেজকে ট্রান্সলেট করতে কোন কোড ব্যবহার করে?
  1. বিসিডি কোড
  2. বাইনারি কোড
  3. অ্যাসকি কোড
  4. ইবিসিডি কোড
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,৮১৭.
নিচের কোন মাধ্যমটির তথ্য ধারন ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) ফ্লপি ডিস্ক
  2. খ) কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  3. গ) ডিজিটাল ভিডিও ডিস্ক
  4. ঘ) মডেম
ব্যাখ্যা
ডিভিডি যা ডিজিটাল ভার্সাটাইল ডিস্ক (Digital Versatile Disc) নামেও পরিচিত, এক ধরনের অপটিকাল ডিস্ক-ভিত্তিক উপাত্ত সংরক্ষণের ফরম্যাট। আধুনিক ডিজিটাল যুগের অনেক বেশি তথ্য রাখার চাহিদা থেকে এর সৃষ্টি।
৭,৮১৮.
নিচার কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষার প্রাথমিক ধারণার অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. Polymorphism
  2. Inheritance
  3. Recursion
  4. Encapsulation
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

• Recursion একটি প্রোগ্রামিং কৌশল যেখানে একটি ফাংশন নিজেই নিজেকে কল করে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১৯.
কত মেগা বাইটে ১ গিগাবাইট?
  1. ক) 29
  2. খ) 210
  3. গ) 211
  4. ঘ) 212
ব্যাখ্যা

১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৭,৮২০.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Fortran
  2. খ) Python
  3. গ) SQL
  4. ঘ) C
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে -
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

---------------------------
- Fortran, Python, C পোগ্রামিং ভাষা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৭,৮২১.
Front-end processor is a _____ designed specifically to handle the communications processing task.
  1. ক) ALU
  2. খ) Control unit
  3. গ) CPU
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
A central processing unit (CPU), also called a central processor, main processor or just processor, is the electronic circuitry within a computer that executes instructions that make up a computer program. The CPU performs basic arithmetic, logic, controlling, and input/output (I/O) operations specified by the instructions in the program.
৭,৮২২.
(592)10 এর BCD কোড কত?
  1. 010110010010
  2. 000101100110
  3. 001001010000
  4. 010010011010
ব্যাখ্যা
BCD এর পূর্ণ রূপ হলো Binary Coded Decimal.
ডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে (০ থেকে ৯ পর্যন্ত) সমতুল্য চার-বিট বাইনারি দ্বারা উপস্থাপন করার পর প্রাপ্ত কোডকে BCD কোড বলে।

(592)10 এর BCD কোড: 010110010010
৭,৮২৩.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি? 
  1. ক) IBM-704
  2. খ) RCA-501
  3. গ) GE-2000
  4. ঘ) NCR-300
ব্যাখ্যা
IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য
- প্রধান ইলেকট্রনিক উপাদান হিসাবে ভালভ বা ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করত।
- আকারে বড়, প্রক্রিয়াকরণে ধীর এবং কম সঞ্চয় ক্ষমতা ছিল৷
- প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ এবং তাপ উৎপন্ন করত।
- কম্পিউটিং ক্ষমতা সীমিত ছিল।
- সঠিক এবং নির্ভরযোগ্য ছিল না।
- প্রোগ্রামিং এর জন্য মেশিন-স্তরের ভাষা ব্যবহার করত।
- খুব ব্যয়বহুল ছিল। 

উদাহরণ: ENIAC, EDVAC, UNIVAC, IBM 650, Markk 1 ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৮২৪.
'ফানুক' কী?
  1. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. গুগলের পূর্বনাম
  3. একটি ভবনের নাম
  4. রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৮২৫.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. 276
  2. 188
  3. 591
  4. 823
ব্যাখ্যা
- 276 এটি অক্টাল নাম্বার। অক্টাল পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 ও 7 এই সংখ্যাগুলো ব্যবহার করা হয়।
- 188, 591 ও 823 এই সংখ্যাগুলো অক্টাল নাম্বার নয় কারণ অক্টাল পদ্ধতিতে 8 ও 9 ব্যবহার করা হয় না।
৭,৮২৬.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে কী ব্যবহৃত হতো?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা

◉ প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪০-এর দশকের মাঝামাঝি থেকে ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি) ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণের জন্য ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করত।

প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৮২৭.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল রিডার?
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) BCR
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader) :
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে। বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছে :
- Optical Mark Reader (OMR), 
- Optical Character Recognotion (OCR),
- Bar Code Recognition (BCR)।


উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২৮.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 756
  2. 111
  3. 839
  4. 517
ব্যাখ্যা

839 অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের (.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ৮৩৯ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

উল্লেখ্য,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৭,৮২৯.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. উপাত্ত পুরোপুরি কোনো অর্থ প্রকাশ করে না।
  2. তথ্যকে প্রসেস করে উপাত্তে রূপান্তর করা হয়।
  3. তথ্য সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
  4. তথ্য উপাত্তের উপর নির্ভর করে।
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৮৩০.
Boolean Algebra এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + A = 0
  2. খ) A + 1 = 1
  3. গ) A . A = A
  4. ঘ) A + A = A
৭,৮৩১.
হেক্সাডেসিমেল এ 3F এর পরবর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) 3F1
  2. খ) 4F
  3. গ) 41
  4. ঘ) 40
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেলে বেস বা ভিত্তি ১৬ টি 
1, 23, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F
তার পরবর্তি সংখ্যা 10, 11, . . . . . . . . . . . ,1F, 20

তাই 3F এর পরবর্তী সংখ্যা 40.
৭,৮৩২.
What is the size of an IPv6 address?
  1. 32 bits
  2. 48 bits
  3. 128 bits
  4. 256 bits
ব্যাখ্যা

• IPv6 অ্যাড্রেসের আকার হলো 128 বিট।

• আইপি এড্রেস:

- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো 'Internet Protocol'.
- (1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত হয়আইপি অ্যাড্রেস ।
- IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস 128 বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে 128 বিটের সাহায্যে 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লিখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৮৩৩.
নিচের কোনটি Anti-virus সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Kaspersky
  3. FoxPro
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
Kaspersky একটি Anti-virus সফটওয়্যার।

• Anti-virus সফটওয়্যার:

- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

• Anti-virus সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus etc.

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Informix, FoxPro, MySQL হলো ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,৮৩৪.
দ্রুত ফাইল খুঁজতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Norton Disk
  2. Defragmenter
  3. CD-ROM
  4. Taskkill
ব্যাখ্যা
দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান করতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩৫.
লিখিত বা মুদ্রিত অক্ষরকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়ে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. Digitizer
  2. OCR
  3. OMR
  4. Lightpen
ব্যাখ্যা

• OCR (Optical Character Recognition) মুদ্রিত বা লেখা অক্ষর শনাক্ত করে কম্পিউটারে ইনপুট দেয়। OMR শুধুমাত্র চিহ্নিত বৃত্ত/ঘর শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• ওসিআর (OCR):

- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপা লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুযায়ী লিখিত হওয়া দরকার।

- OCR-এর কার্যপ্রণালি মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেটাকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে।
- ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

- ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিএড প্রোগ্রাম)।

৭,৮৩৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার মেমোরি হিসেবে দ্রুততম?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা
◉ উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে Register সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

অন্যন্য অপশন সমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩৭.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এনটিটি সেট ও টেবিল
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  4. টেবিল ও কলাম
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৮৩৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কোনো মানের পূরক কী নির্দেশ করে?
  1. একই মান
  2. বিপরীত মান
  3. অপরিবর্তিত মান
  4. শূন্য মান
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় কোনো মানের পূরক তার বিপরীত মান নির্দেশ করে।

বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, দুইটি মান থাকে — ০ এবং ১।
কোনো মানের "পূরক" মানে হলো উল্টো মান।
পূরককে সাধারণত ¯ চিহ্ন (বার) বা ' (প্রাইম) চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ:

১-এর পূরক = ০
০-এর পূরক = ১
যদি A একটি মান হয়, তাহলে:

যদি A = ১ হয় → তাহলে A' = ০
যদি A = ০ হয় → তাহলে A' = ১

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩৯.
What is the primary function of BIOS?
  1. Manage peripheral devices.
  2. Control the boot process.
  3. Execute application software.
  4. Manage user accounts.
ব্যাখ্যা
• BIOS:
→ BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input Output System.
→ কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
→ অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
→ এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
→ কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
→ BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৮৪০.
PCIe চালু হওয়ার পূর্বে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য কোন স্লট ব্যবহার করা হতো?
  1. IDE
  2. FireWire
  3. SATA
  4. AGP
ব্যাখ্যা
• PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) চালু হওয়ার পূর্বে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগের জন্য AGP (Accelerated Graphics Port) স্লট ব্যবহার করা হতো। এটি ইন্টেল ১৯৯৭ সালে চালু করে এবং AGP বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ডের উচ্চ-গতির ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ডিজাইন করা হয়। AGP স্লট PCI-এর তুলনায় অধিক ব্যান্ডউইথ ও সরাসরি প্রসেসরের সঙ্গে যোগাযোগের সুবিধা প্রদান করত, যা গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স উন্নত করত। AGP 1x, 2x, 4x ও 8x গতির সংস্করণে পাওয়া যেত। পরে PCIe প্রযুক্তি আরও উন্নত ব্যান্ডউইথ ও মাল্টিপল লেন সমর্থনের মাধ্যমে AGP-কে প্রতিস্থাপন করে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) AGP.

• Motherboard:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান ও কেন্দ্রীয় উপাদান, যা সিস্টেম ইউনিটের ভিতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের মূল প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডে স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" নামে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা এটিকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের মর্যাদা দেয়।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI প্রভৃতি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বেশ জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪১.
ফিল্ড নেম এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক্রিয়েট
  2. ফিল্ড নেম
  3. ফিল্ড সাইজ
  4. ডিজাইন ভিউ
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — গ) ফিল্ড সাইজ। 
- ডেটাবেসে ফিল্ড নেমের আকার বা ফিল্ডে সংরক্ষিত ডেটার সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্য নির্ধারণ করার জন্য ফিল্ড সাইজ (Field Size) ব্যবহার করা হয়।

- উদাহরণ: একটি টেক্সট ফিল্ডের জন্য ৫০ অক্ষরের সীমা নির্ধারণ করা।
- এটি ডেটার স্টোরেজ অপটিমাইজ করতে ও ডেটা ইনপুট নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অপশন আলোচনা:
- ক্রিয়েট (Create): নতুন টেবিল বা ডেটাবেস তৈরি করা।
- ফিল্ড নেম (Field Name): ফিল্ডের নাম নির্ধারণ করে, আকার নয়।
- ডিজাইন ভিউ (Design View): টেবিলের কাঠামো ডিজাইন ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহার হয়, তবে ফিল্ড সাইজ সেট করতে “ফিল্ড সাইজ” অপশন ব্যবহার করতে হয়।
-  সুতরাং ফিল্ড নেমের আকার নির্ধারণ করতে ব্যবহার করতে হবে ফিল্ড সাইজ (গ)।

সূত্র: [link]

৭,৮৪২.
মাইক্রো কম্পিউটারকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) চার
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) ছয়
  4. ঘ) তিন
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র। 
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। 
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। 
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি। 

- মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার, 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার, 
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং 
৪. নোটবুক কম্পিউটার। 

উৎস
: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৮৪৩.
কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) IBM 650
  2. খ) IBM 704
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮৪৪.
অপারেটিং সিস্টেম নয় -
  1. Android
  2. MAC OS
  3. Symbian
  4. Python
ব্যাখ্যা
• Python - হচ্ছে একটি পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন ধরণ:
১. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- যখন একটি অপারেটিং সিস্টেমে এক সময়ে শুধুমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তখন তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমকে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

- উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98.

২. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী এক সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সে অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

- উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৫.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. মাইক্রো স্ট্যাট
  2. মাইক্রো ফাইবার
  3. মাইক্রো অপারেটর
  4. মাইক্রো কন্টোলার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
৭,৮৪৬.
Kernel কী?
  1. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ 
  3. একটি সফটওয়্যার অ্যাপ
  4. প্রিন্টারের অংশ
ব্যাখ্যা

- Kernel হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের (Operating System) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল অংশ।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ব্যবহারকারী যেসব প্রোগ্রাম চালায়, সেগুলোর হার্ডওয়্যার রিসোর্স ব্যবহারের সব কাজ Kernel পরিচালনা করে।

Kernel এর কাজ:
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: কোন প্রোগ্রাম কতটা RAM ব্যবহার করবে, তা নির্ধারণ করে।
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: বিভিন্ন প্রোগ্রামের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ করে।
- ডিভাইস কন্ট্রোল: ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, মাউস, প্রিন্টার ইত্যাদির সাথে যোগাযোগ করে।
- সিস্টেম কল হ্যান্ডলিং: ব্যবহারকারী প্রোগ্রাম থেকে আসা অনুরোধগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো হার্ডওয়্যারে প্রেরণ করে।

Kernel এর ধরন:
- Monolithic Kernel: পুরো সিস্টেমের সব কাজ Kernel-এর মধ্যেই হয় (যেমন Linux Kernel)।
- Microkernel: Kernel ছোট এবং শুধু মূল কাজ করে; বাকিগুলো আলাদা প্রোগ্রাম সামলায় (যেমন Minix, QNX)।
- Hybrid Kernel: Monolithic ও Microkernel-এর মিশ্র রূপ (যেমন Windows NT, macOS)।

উদাহরণ:
- Linux Kernel → Linux অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত।
- NT Kernel → Windows অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত।
- XNU Kernel → macOS ও iOS এ ব্যবহৃত।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

৭,৮৪৭.
নিচের কোন গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়?
  1. NOT gate
  2. OR gate
  3. AND gate
  4. None
ব্যাখ্যা
- AND gate এ দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং একটি মাত্র আউটপুট থাকে। 
- এখানে আউটপুট ইনপুট গুলোর যৌক্তিক গুগফলের সমান। 
- AND (অ্যান্ড) গেইটে যেকোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়। 
- অর্থাৎ সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়।
- অন্য সকল অবস্থায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮৪৮.
কোন ডিজিটাল সার্কিট বিট প্যাটার্ন সংরক্ষণ করে এবং একটি নির্দিষ্ট দিকে সরাতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিমাল্টিপ্লেক্সার
  2. কাউন্টার
  3. মাল্টিপ্লেক্সার
  4. শিফট রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

◉ শিফট রেজিস্টার হলো এক ধরনের সিকুয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা বিটগুলিকে স্টোর (সংরক্ষণ) করে এবং ক্লক সিগন্যালের সাহায্যে ডেটাকে লেফট বা রাইট দিকে শিফট (সরানো) করতে পারে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা একটি উচ্চগতির বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে দ্রুততর করে।
- রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- একটি n-বিট রেজিস্টার-এ n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং এটি n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে থাকা প্রথম মেমোরি ডিভাইস, যা প্রসেসিং-এর সময় দ্রুত ডেটা সঞ্চয় ও পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে।
- সরল এবং সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্লক পালস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

শিফট রেজিস্টার: 
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফট রেজিস্টার বলে।
- শিফট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফট সূচনা করে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৪৯.
ENIAC computer was the first  -
  1. electronic digital computer.
  2. personal computer.
  3. laptop computer.
  4. computer to use integrated circuits.
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) electronic digital computer.

- ENIAC হলো প্রথম প্রোগ্রামযোগ্য, সাধারণ-উদ্দেশ্যের, ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নির্মিত হয়।
- 1946 সালে এটি সম্পন্ন হয় এবং এতে প্রায় 18,000 ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হয়েছিল।
- ENIAC প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 5,000টি যোগফল করতে সক্ষম ছিল, যা তখনকার সময়ের সবচেয়ে শক্তিশালী হিসাব যন্ত্র হিসেবে বিবেচিত হত।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯)
- আকারে বিশাল এবং অত্যন্ত ভারী।
- কাজের সময় উচ্চ শব্দ এবং তাপ উৎপন্ন হতো।
- তথ্য সংরক্ষণের ক্ষমতা সীমিত।
- কার্যক্রমের গতি ধীর।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, পরে অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।

উদাহরণ:
- ABC,
- ENIAC,
- UNIVAC.

উৎস: ১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।  

৭,৮৫০.
প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্যকে কী বলা হয়?
  1. তথ্য
  2. ডাটা
  3. রেকর্ড
  4. ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• ডাটা(Data): প্রক্রিয়াকরণের আগে ইনপুট হিসেবে দেওয়া কাঁচা তথ্য।

• ডাটা(Data):
- ডাটা শব্দটি এসেছে ল্যাটিন শব্দ Datum থেকে।
- Datum শব্দের অর্থ হলো তথ্যের উপাদান।
- প্রক্রিয়াকরণের আগে কম্পিউটারে যে কাঁচা তথ্য ইনপুট হিসেবে দেওয়া হয়, তাকে ডাটা বলা হয়।
- উদাহরণ: কোনো প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীর নাম, বয়স, মূলবেতন ইত্যাদি প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা ডাটা।
 
• ডাটাবেজ(Database):
- ডাটাবেজ শব্দটি Data + Base থেকে এসেছে, যার অর্থ তথ্যের ভাণ্ডার।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটার সুশৃঙ্খল সংগ্রহকে ডাটাবেজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ সাধারণত টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ডাটাবেজে এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট থাকতে পারে।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যকে সাধারণভাবে অভ্যন্তরীণ ডাটা বলা হয়।
- সব তথ্য ডাটাবেজে থাকে না; যেসব তথ্যের সাথে পরস্পর সম্পর্ক ও সংগঠন থাকে, সেগুলোই ডাটাবেজে সংরক্ষণ করা হয়।
- উদাহরণ: ভোটার তালিকা, ব্যাংক হিসাবের তথ্য, প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের ব্যক্তিগত তথ্য।
 
• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটা টেবিল: ডাটাবেজের মূল কাঠামো, যেখানে ডাটা সারি ও কলামে সংরক্ষিত থাকে।
- রেকর্ড: টেবিলের একটি পূর্ণ সারি, যা একটি নির্দিষ্ট সত্তার সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- ফিল্ড: টেবিলের প্রতিটি কলাম, যা ডাটার নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য নির্দেশ করে।

• অন্যান্য অপশন:
- তথ্য(Information): প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত অর্থবহ ফলাফল।
- ডাটাবেজ(Database): পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটার সুশৃঙ্খল ভাণ্ডার।
- রেকর্ড(Record): টেবিলের একটি সম্পূর্ণ সারি যা নির্দিষ্ট সত্তার তথ্য বহন করে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৫১.
'1010' বাইনারি সংখ্যাকে ডেসিমেল সংখ্যায় পরিবর্তন করুন।
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 20
  4. ঘ) 21
ব্যাখ্যা
1010 = (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) +( 0 × 20)
= 8 + 0 + 2 + 0
= 10

∴ (1010)2 = (10)10
৭,৮৫২.
নিচের কোনটি বাইপােলার মেমােরি?
  1. গতিশীল র‍্যাম
  2. ইপ্রম (EPROM)
  3. ইএপ্রম (EAPROM)
  4. PROM
ব্যাখ্যা

বাইপােলার মেমােরি: সেমিকন্ডাক্টর পদার্থের তৈরি ট্রানজিস্টর হলাে বাইপােলার ডিভাইস। ট্রানজিস্টর বা ট্রাইজিস্টর লজিক বা টিটিএল ব্যবহার করে এ ধরনের মেমােরি তৈরি করা হয় । নিশ্চল র‍্যাম, ROM এবং PROM বাইপােলার মেমােরি ।
ইউনিপােলার মেমােরি: ইউনিপােলার মেমােরিকে মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর বা MOSFET দিয়ে তৈরি করা হয়। গতিশীল র‍্যাম, ইপ্রম (EPROM), ইএপ্রম (EAPROM) হলাে ইউনিপােলার র্যামের উদাহরণ।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৭,৮৫৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি?
i. রেজিস্টার
ii. ক্যাশ মেমোরি
iii. মাইক্রোপ্রসেসর
  1. i ও iii
  2. i ও ii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমোরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমোরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

২. ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৫৪.
GUI ডিজাইনে “widget” বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি ওয়েব সার্ভার
  2. প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. একটি ডেটাবেসের ধরন
  4. গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• GUI (Graphical User Interface) ডিজাইনে “widget” বলতে বোঝায় একটি গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট যা ব্যবহারকারীর সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল অংশের উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীকে তথ্য প্রদর্শন, ইনপুট নেওয়া, বা কিছু কার্য সম্পাদনের সুযোগ দেয়। উদাহরণ হিসেবে বাটন, টেক্সট ফিল্ড, চেকবক্স, রেডিও বাটন, স্লাইডার ইত্যাদি widget-এর মধ্যে পড়ে। প্রতিটি widget নিজস্ব কার্যকারিতা এবং ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ে আসে, যা GUI-কে ব্যবহারবান্ধব ও ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তোলে। তাই, GUI ডিজাইনে widget মূলত গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট। সঠিক উত্তর: ঘ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৫৫.
ডাটাবেজ সিস্টেমে কোনটি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৭,৮৫৬.
হারমনি অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) আইবিএম
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী। (সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
৭,৮৫৭.
Ctrl +B কী বোর্ড কমান্ড দিয়ে কী করা হয়?
  1. ক) Font সাইজ ছোট করা হয়
  2. খ) Font সাইজ বড় করা হয়
  3. গ) Bold করা হয়
  4. ঘ) Copy করা হয়
ব্যাখ্যা
Ctrl +B কী বোর্ড কমান্ড দিয়ে গুগল ডক এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে অক্ষর বোল্ড করা হয়।
৭,৮৫৮.
কোন বাস সিপিইউ এবং মেমরির মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে?
  1. ডাটা বাস
  2. এড্রেস বাস
  3. কন্ট্রোল বাস
  4. এক্সপানশন বাস
ব্যাখ্যা

◉ ডাটা বাস (Data Bus) হল CPU এবং মেমরির মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানের প্রধান মাধ্যম। এটি বাইডাইরেকশনাল (Bidirectional), অর্থাৎ এটি CPU থেকে মেমোরিতে এবং মেমোরি থেকে CPU-তে ডাটা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে।

কম্পিউটার বাস: 
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

সিস্টেম বাস: 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে। সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-

১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus)
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।

এড্রেস বাস: শুধু মেমোরি এড্রেস স্থানান্তর করে।
কন্ট্রোল বাস: শুধু কন্ট্রোল সিগনাল স্থানান্তর করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৮৫৯.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও কোন মেমরির তথ্য মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. SRAM
  3. ROM
  4. DRAM
ব্যাখ্যা
রম (ROM):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)। 
অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

অন্যদিকে,
- RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬০.
প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র অ্যাবাকাসকে সুয়ানপান বলা হয় কোন দেশে?
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬১.
কোনটি প্রথম বৃহৎ আকারের ইলেকট্রনিক কম্পিউটার?
  1. ক) Leo
  2. খ) Osborne1
  3. গ) Cray-1
  4. ঘ) Colossus
ব্যাখ্যা
Colossus হলো প্রথম বৃহৎ আকারের ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
 
Colossus was the first large-scale electronic computer, which went into operation in 1944 at Britain’s wartime code-breaking headquarters at Bletchley Park.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৭,৮৬২.
কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে কোনটিকে?
  1. C
  2. Python
  3. BASIC
  4. ALGOL
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৩.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. Oracle
  3. MongoDB
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করে। এর মাধ্যমে সহজেই ডেটা ম্যানিপুলেশন, অনুসন্ধান এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। PostgreSQL, Oracle, এবং MySQL হলো RDBMS-এর জনপ্রিয় উদাহরণ, কারণ এগুলো ডেটাকে রিলেশনাল টেবিল ফরম্যাটে সংরক্ষণ করে।
- অন্যদিকে, MongoDB একটি NoSQL ডেটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডেটা স্টোর করে এবং টেবিলের পরিবর্তে JSON-এর মত ফরম্যাট ব্যবহার করে।
- তাই MongoDB রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদাহরণ নয়।


• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৪.
রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. ফরেন কী
  4. ইউনিক কী
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। 

• কী ফিল্ড:

- সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী নামে পরিচিত।

৩. ফরেন কী:
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৫.
বিপুল পরিমাণ তথ্য থেকে সহজে তথ্য খুঁজে পেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  4. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ-
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
•অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৬.
নিচের কোনটি কার্নেলের কাজ নয়?
  1. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট
  2. ওয়েব ব্রাউজিং
  3. সিপিইউ শিডিউলিং
  4. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজিং করা কার্নেলের কাজ নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৭.
কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. SUN SOLARIS
  2. Symbian
  3. iOS
  4. Blackberry OS
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে SUN SOLARIS একটি পরিচিত অপারেটিং সিস্টেম। এটি ইউনিক্স-ভিত্তিক একটি সিস্টেম যা মূলত সার্ভার এবং কর্মক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- উদাহরণসমূহ:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS
- Ubuntu ইত্যাদি।

• মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়, যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এম্বেডেড মোবাইল OS।
- উদাহরণসমূহ:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৭,৮৬৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার কী-বোর্ডের মডিফায়ার কী হিসাবে কাজ করে?
  1. Delete
  2. Shift
  3. insert
  4. F9
ব্যাখ্যা
মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী।

নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা
৭,৮৬৯.
Which of the following is a high-level programming language commonly used for general-purpose programming and data science?
  1. Python
  2. Assembly Language
  3. Machine Code
  4. Binary Code 
ব্যাখ্যা

Python হলো একটি হাই-লেভেল এবং ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এর সিনট্যাক্স বা কোড লেখার নিয়ম ইংরেজি ভাষার মতো সহজ হওয়ায় এটি মানুষের জন্য বুঝতে এবং শিখতে খুব সহজ। বহুমুখী ব্যবহার এবং এর লাইব্রেরিগুলোর (যেমন: NumPy, Pandas) কারণে এটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এবং বিশেষ করে ডেটা সায়েন্স ও আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ক্ষেত্রে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
২। অ্যামাজন ওয়েবসাইট। [link]

৭,৮৭০.
78055 সংখ্যাটি কোন নম্বর সিস্টেমের অন্তর্গত?
  1. ক) বাইনারি, অক্টাল
  2. খ) ডেসিমেল, অক্টাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল, ডেসিমেল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল, অক্টাল
ব্যাখ্যা
সংখ্যাটি 78055
সংখ্যাটির একটি ডিজিট 8 যা বাইনারি ও অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতির ভিত্তির মধ্যে পরে না।

তাই সংখ্যাটি বাইনারি ও অক্টালের হতে পারে না।
৭,৮৭১.
Last In First Out (LIFO) নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) Array
  2. খ) Stack
  3. গ) Queue
  4. ঘ) Testa
ব্যাখ্যা
Stack- কে বলা হয় LIFO ডেটা স্ট্রাকচার। Stack এ দুই ধরনের Operation হয়; যথা- Push এবং Pop .

Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো। Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে। একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।

অ্যারে  (Array) - একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

উৎস: geeksforgeeks.org [Link]
৭,৮৭২.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. 76
  2. 85
  3. 58
  4. 9A
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি একটি 8-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। 76 হল একটি বৈধ অক্টাল সংখ্যা, কারণ এর উভয় অঙ্ক (7 এবং 6) 0-7 এর মধ্যে পড়ে।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
(২০৪), (৫১৫) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৮৭৩.
নিচের কোনটিতে পাঠ (Read) করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না?
  1. রম
  2. চৌম্বক টেপ
  3. ডিস্ক
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধ্বংসাত্মক মেমমারি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিক তথ্য মুছে যায় তাকে ধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- চৌম্বক কোর ।
অধ্বাংসাত্মক মেমােরি: যে মেমােরি পাঠ করার পর পরই এতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না তাকে অধ্বংসাত্মক মেমােরি বলা হয়।
যেমন- রম, চৌম্বক টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭,৮৭৪.
ই-কমার্সে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. অগমেন্টেড রিয়েলিটি
  2. আইপি এড্রেস
  3. বারকোড স্ক্যানার
  4. পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার
ব্যাখ্যা
ই-কমার্সে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পাবলিক কী ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

- E-Commerce এ নিরাপত্তার জন্য public key infrastructure (PKI) ব্যবহৃত হয়, যা ইলেকট্রনিক সার্টিফিকেট, এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন কী এবং সুরক্ষিত যোগাযোগের প্রোটোকল সরবরাহ করে।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ:
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।
৭,৮৭৫.
MIPS-এর "lw" কমান্ডের কাজ কী?
  1. দুটি রেজিস্টারের মান যোগ করা
  2. মেমোরি থেকে একটি বাইট রেজিস্টারে নেওয়া
  3. মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া
  4. রেজিস্টার থেকে একটি ওয়ার্ড মেমোরিতে রাখা
ব্যাখ্যা

• MIPS (Microprocessor without Interlocked Pipeline Stages) আর্কিটেকচারে “lw” (load word) কমান্ড মূলত মেমোরি থেকে একটি পূর্ণ ওয়ার্ড (৪ বাইট) রেজিস্টারে লোড করার কাজ করে। এটি সাধারণত একটি বেস রেজিস্টার এবং একটি অফসেট ব্যবহার করে মেমোরির ঠিকানা নির্ধারণ করে। কমান্ডটি নির্দিষ্ট ঠিকানার মেমোরি কন্টেন্টকে রেজিস্টারে স্থানান্তরিত করে, ফলে প্রোগ্রাম রেজিস্টারের মাধ্যমে ডেটা ব্যবহার করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, যদি lw $t0, 0($t1) লেখা থাকে, তাহলে $t1-এ থাকা ঠিকানার মেমোরি মান $t0 রেজিস্টারে লোড হবে। সুতরাং, এখানে সঠিক উত্তর হলো: গ) মেমোরি থেকে একটি ওয়ার্ড রেজিস্টারে নেওয়া।

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৭,৮৭৬.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Light-pen
  2. Digitizer
  3. Film Recorder
  4. OCR
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Film Recorder

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) 
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৭৭.
ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং করার জন্য প্রধানত কোন ইনপুট ডিভাইস ব্যবহার করে থাকেন?
  1. Keyboard
  2. Trackball
  3. Graphics tablet
  4. Scanner
ব্যাখ্যা

• ডিজাইনার এবং আর্টিস্টরা ডিজিটাল ড্রয়িং বা ইলেকট্রনিক আর্ট তৈরি করার জন্য প্রধানত গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics tablet) ব্যবহার করে থাকেন। এটি একটি স্পেশালাইজড ইনপুট ডিভাইস, যা হাতে ধরে রাখার পেন বা স্টাইলাসের মাধ্যমে কম্পিউটারের স্ক্রিনে সরাসরি আঁকার অনুভূতি দেয়। এর মাধ্যমে আকার, রেখার ঘনত্ব, চাপের মাত্রা এবং রঙের নিখুঁত নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়, যা মাউস বা কীবোর্ডের মাধ্যমে করা কঠিন। অন্যান্য ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, ট্র্যাকবল বা স্ক্যানার সরাসরি আঁকার জন্য নয়, বরং কমান্ড দেওয়া বা প্রাপ্ত কাজ ডিজিটাল আকারে ইনপুট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই ডিজিটাল আর্টে গ্রাফিক্স ট্যাবলেট সবচেয়ে কার্যকর।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard)
- ওএমআর (OMR)
- মাউস (Mouse)
- ওসিআর (OCR)
- ট্যাকবল (Trackball)
- স্ক্যানার (Scanner)
- জয়স্টিক (Joystick)
- ডিজিটাইজার (Digitizer)
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
- লাইটপেন (Lightpen)
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
- ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।

যেমন:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি বা ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৭৮.
কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ফাইল স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. সিস্টেম সেটিংস প্রদর্শন করা
  4. ইন্টারনেটে সংযোগ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ড মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি করি, তখন তা সরাসরি হার্ড ড্রাইভে নয়, ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়। এরপর ব্যবহারকারী চাইলে সেই তথ্য পেস্ট করতে পারে অন্য কোনো স্থানে। ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের মেমরির অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর কাজকে দ্রুত ও সহজ করে। এটি তথ্য স্থানান্তরের একটি মধ্যবর্তী ধাপ, যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না। তাই ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ হলো অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা, যাতে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা।
 
• Clipboard:
- প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা Clipboard এ থাকে।
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কম্পিউটার চালু করার সময় হার্ডডিস্ক থেকে অস্থায়ী মেমোরি র‌্যামে জমা হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলে তা মুছে যায়। 
- অন্যদিকে ক্লিপবোর্ড হলো কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের একটি সুবিধা যাতে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধু ঐ সফটওয়্যারে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করার জন্য।
- ক্লিপবোর্ড RAM এর একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোন স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি। যথা- cut, copy, paste।
- সাধারণত প্রোগ্রাম RAM এ লোড হয় কিন্তু প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৭,৮৭৯.
PNG কোন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) flash
  2. খ) audio
  3. গ) video
  4. ঘ) image
ব্যাখ্যা
PNG হচ্ছে Image এর ফাইল এক্সটেনশন। 

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে এক প্রকার ফাইলের ফরমেট নির্দেশকারী একটি সূচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে। 
- কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামে বিভিন্ন ধরণের ফাইল এক্সটেনশন থাকে। 
যেমন- doc, xls, mkv, txt ইত্যাদি।  

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
৭,৮৮০.
যে ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  2. মেশিন ভাষা
  3. মধ্যম স্তরের ভাষা
  4. উচ্চস্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

• যে প্রোগ্রামিং ভাষায় শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে নির্দেশ লেখা হয় তাকে মেশিন ভাষা বলা হয়।

• মেশিন ভাষা (Machine Language):
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা, যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে ও কার্যকর করতে পারে।
- এই ভাষায় নির্দেশগুলো বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়।
- বাইনারি সংখ্যা বলতে ০ এবং ১ এর সমন্বয়কে বোঝায়।
- মেশিন ভাষা ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা তুলনামূলকভাবে কঠিন, কারণ এতে শুধুমাত্র সংখ্যার মাধ্যমে নির্দেশ প্রকাশ করতে হয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর মেশিন ভাষার নির্দেশ সরাসরি কার্যকর করতে পারে।

• প্রোগ্রামিং ভাষার স্তর:
- প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাধারণত নিম্নস্তরের ভাষা ও উচ্চস্তরের ভাষায় ভাগ করা হয়।
- মেশিন ভাষা এবং অ্যাসেম্বলি ভাষা নিম্নস্তরের ভাষার অন্তর্ভুক্ত।
- উচ্চস্তরের ভাষা মানুষের জন্য তুলনামূলকভাবে সহজবোধ্য।

• মেশিন ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- এতে ০ এবং ১ ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে।
- দ্রুত কার্যকর হয়।
- মানুষের জন্য বোঝা কঠিন।

• অন্যান্য অপশন:
- অ্যাসেম্বলি ভাষা → নিম্নস্তরের ভাষা যেখানে নেমোনিক কোড ব্যবহার করা হয়।
- উচ্চস্তরের ভাষা → মানুষের জন্য সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ভাষা, যেমন Java, Python।
- মধ্যম স্তরের ভাষা → নিম্নস্তর ও উচ্চস্তরের ভাষার মধ্যবর্তী বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ভাষা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭,৮৮১.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি নয়?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. রেজিস্টার
  4. সবগুলোই ইন্টারনাল মেমরি
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

২. ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮২.
A program that translates the entire source code into machine code at once is known as a/an _______
  1. Interpreter
  2. Assembler
  3. Compiler
  4. Loader
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে (Source Code) একবারে পড়ে অবজেক্ট কোড বা মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি পুরো প্রোগ্রামের ভুলগুলো (Errors) একসাথে রিপোর্ট করে। সি (C) বা সি++ (C++) এর মতো ল্যাঙ্গুয়েজে কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।

• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে পুরোপুরি মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

• কম্পাইলারের কাজ:
- সোর্স (উৎস) প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট(বস্তু) প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
- প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- পুরো প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
- ডিবাগিং বা প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
- Interpreter: এটি সোর্স কোডকে একবারে অনুবাদ না করে লাইন বাই লাইন অনুবাদ এবং এক্সিকিউট করে।
- Assembler: শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- Loader: এটি কোনো অনুবাদক নয়, বরং এক্সিকিউটেবল ফাইলকে মেমরিতে লোড করে রান করার ব্যবস্থা করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৮৩.
২ থেকে -৩ বাদ দিলে থাকে -
  1. ক) ০০০১
  2. খ) ১১০১
  3. গ) ০১০১
  4. ঘ) ১০০১
ব্যাখ্যা

২ - (-৩)
= (৫)১০
= (০১০১)

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)

৭,৮৮৪.
এমবেডেড কম্পিউটারে সাধারণত নিচের কোনটি থাকে না?
  1. ROM
  2. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড (Embedded) কম্পিউটার সিস্টেম হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত কম্পিউটার, যা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সীমিত কাজের জন্য ডিজাইন করা হয়। এতে নিচের উপাদানগুলো সাধারণত থাকে:
ROM – প্রোগ্রাম সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়
মাইক্রোকন্ট্রোলার – সিস্টেমের মূল নিয়ন্ত্রণকারী
ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম – বাইরের যন্ত্রের সাথে যোগাযোগের জন্য

তবে, অপারেটিং সিস্টেম সব এমবেডেড সিস্টেমে থাকে না। অনেক এমবেডেড সিস্টেম Real-Time Operating System (RTOS) ব্যবহার করলেও ছোট ও সহজ ডিভাইসগুলোতে অপারেটিং সিস্টেম ছাড়াই সরাসরি কোড রান করে। অপারেটিং সিস্টেমের পরিবর্তে ROM এ নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য - ফার্মওয়্যার থাকে।

তাই, এখানে, সর্বোত্তম উত্তর হিসবে - "গ) অপারেটিং সিস্টেম" নেয়া হয়েছে। যেহেতু বেশীরভাগ এম্বেডেড কম্পিউটারেই অপারেটিং সিস্টেমের পরিবর্তে ফার্মওয়্যার থাকে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৮৮৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Panda
  2. খ) COBOL
  3. গ) Cobra
  4. ঘ) Symantec
ব্যাখ্যা
কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- AVIRA,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tool Anti-Virus ইত্যাদি।
 
অন্যদিকে, COBOL এর পূর্ণরূপ Common Business Oriented Language. অর্থাৎ  COBOL হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। 

[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) এবং কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
৭,৮৮৬.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কী বলে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. হার্ডওয়্যার
  4. সফ্‌টওয়্যার
ব্যাখ্যা
ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৮৭.
A computer program that instructs other programs to perform a particular type of operation is-
  1. ক) System software
  2. খ) Application program
  3. গ) Compiler
  4. ঘ) Interpreter
ব্যাখ্যা
System software is computer software designed to provide a platform to other software. Examples of system software include operating systems like macOS and Windows.
Source: techterms.com
৭,৮৮৮.
“Syntax error” কী?
  1. ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি
  2. প্রোগ্রামের লজিকে ত্রুটি
  3. প্রোগ্রামের আউটপুটে ত্রুটি
  4. রানটাইমের সময় ত্রুটি
ব্যাখ্যা
• “Syntax error” হলো প্রোগ্রামে ভাষার ব্যাকরণগত নিয়ম ভঙ্গ করার কারণে ঘটে যাওয়া ত্রুটি। অর্থাৎ, যখন কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নির্ধারিত গ্রামার বা কাঠামোর নিয়ম মেনে চলা হয় না, তখন এই ত্রুটি দেখা দেয়। যেমন, বন্ধনী না দেওয়া, ভুলভাবে কমা ব্যবহার, বা কীবোর্ডের ভুল কমান্ড ব্যবহার ইত্যাদি। এটি মূলত কোড কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করার সময় ধরা পড়ে এবং প্রোগ্রাম চলতে দেয় না যতক্ষণ না এই ত্রুটি ঠিক করা হয়। “Syntax error” লজিক বা রানটাইম ত্রুটির থেকে আলাদা, কারণ এটি শুধুমাত্র ভাষার নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি নির্দেশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ভাষার ব্যাকরণ নিয়ম সংক্রান্ত ত্রুটি।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার। 
যথা- 
১। কম্পাইলার, 
২। ইন্টারপ্রেটার এবং 
৩। অ্যাসেম্বলার। 

১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।

২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।

৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৮৮৯.
ডাটাবেজে 'Many-to-Many' রিলেশন বাস্তবায়নে কোনটির প্রয়োজন হয়?
  1. Composite Primary Key
  2. Junction Table
  3. Self-referencing Table
  4. Foreign Key
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সরাসরি 'Many-to-Many' রিলেশন তৈরি করা সম্ভব নয়। এই সম্পর্কটি বাস্তবায়নের জন্য মাঝখানে একটি তৃতীয় টেবিলের প্রয়োজন হয়, যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়। এটি মূল দুটি টেবিলের প্রাইমারি কি-গুলোকে ফরেন কি হিসেবে ধারণ করে দুটি 'One-to-Many' রিলেশন তৈরির মাধ্যমে many-to-many সম্পর্ক স্থাপন করে।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়। যাকে Junction Table বা Bridge Table বলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৯০.
AND গেইট এর আউটপুট হয় ইনপুটগুলোর যৌক্তিক _______ এর সমান।
  1. ক) যোগ
  2. খ) বিয়োগ
  3. গ) গুণ
  4. ঘ) ভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯১.
নিম্নলিখিত কোন সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য?
  1. G
  2. K
  3. 9
  4. X
ব্যাখ্যা

9 সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৯২.
ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ই-হেলথ
  2. টেলিমেডিসিন
  3. টেলিকনসালটেশন
  4. টেলিহেলথ
ব্যাখ্যা
ভিডিও কনফারেন্সিং এর মাধ্যমে ডাক্তারের কাছ থেকে রোগীর চিকিৎসা পাওয়ার পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে।

• টেলিমেডিসিন):

- টেলিমেডিসিন হলো তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানে অবস্থানরত রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা চিকিৎসাসেবা প্রদান করা।
- মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের উন্নত ব্যবহারের মাধ্যমে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে সহজেই চিকিৎসাসেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চিকিৎসকরা দূরবর্তী অবস্থান থেকেও রোগী পরামর্শ, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসার তথ্য সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে পারেন।
- ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে রোগীকে চাক্ষুষ দেখা এবং ই-মেইলের মাধ্যমে রিপোর্ট ও পরামর্শপত্র আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।
• এ ধরনের উল্লেখযোগ্য সেবাগুলোর মধ্যে:
- Teledoc,
- Maven,
- Clinic,
- iClinic, MDlive,
- Amwell, 
- Doctor on Demand ইত্যাদি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, NCTB.
৭,৮৯৩.
প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Installation
  2. Compiling
  3. Debugging
  4. Programming
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামের বাগ শনাক্তকরণ এবং সমাধানের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়। যখন কোনো সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম লেখা হয়, তখন তাতে অনেক সময় ত্রুটি বা “বাগ” থাকতে পারে। এই বাগগুলো প্রোগ্রামের সঠিক কাজকে বাধাগ্রস্ত করে। ডিবাগিং হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে প্রোগ্রামের কোড বিশ্লেষণ করে বাগগুলো খুঁজে বের করা এবং সেগুলো ঠিক করা হয়। ডিবাগিং প্রোগ্রামারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে প্রোগ্রামকে নির্ভরযোগ্য এবং সঠিকভাবে কাজ করার মতো তৈরি করা যায়। এটি প্রোগ্রামিং-এর একটি অপরিহার্য ধাপ। সঠিক উত্তর: গ) Debugging.

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৮৯৪.
যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে সমস্ত কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. পাওয়ার সাপ্লাই
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা

• যে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডে কম্পিউটারের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্ট যুক্ত থাকে তাকে মাদারবোর্ড বলা হয়। মাদারবোর্ড কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ড ডিস্ক, গ্রাফিক্স কার্ড, পাওয়ার সাপ্লাইসহ বিভিন্ন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত থাকে এবং একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এটি পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে সমন্বয় করে এবং ডেটা আদান-প্রদান সহজ করে। মাদারবোর্ডে বিভিন্ন স্লট, পোর্ট ও চিপসেট থাকে যা কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই কম্পিউটারের অন্যান্য সব অংশকে একত্রে কাজ করানোর জন্য মাদারবোর্ড অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান। প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) মাদারবোর্ড।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 
৩। বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

৭,৮৯৫.
যেসব সফটওয়্যারে পেরিফেরাল ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশনা থাকে, তাদের কী বলা হয়?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ ডিভাইস ড্রাইভার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার এবং পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে। এটি ডিভাইসকে সঠিকভাবে চালাতে সহায়তা করে।

ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৯৬.
মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র কোনটি?
  1. প্রধান মেমোরি
  2. সহায়ক মেমোরি
  3. কোর মেমোরি
  4. ম্যাগনেটিক মেমোরি
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও 
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম। 
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৯৭.
অক্টাল সংখ্যা 174 এর দশমিক মান কত হয়?
  1. 112
  2. 108
  3. 136
  4. 124
ব্যাখ্যা
• (174)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 124.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(174)8
= (1 × 82) + (7 × 81) + (4 × 80)
= 64 + 56 + 4
= 124

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৮৯৮.
ড. স্যামুয়েল হার্স্ট নিচের কোনটির জনক?
  1. রোবটিক্স
  2. ন্যানোটেকনোলজি
  3. মোবাইল
  4. টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
৭,৮৯৯.
ভাল পারফরম্যান্স এবং স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সাধারণত উইন্ডোজ কোন ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়?
  1. Pendrive
  2. H drive
  3. C drive
  4. G drive
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে ইনস্টল করা হয়। এর প্রধান কারণ হলো, কম্পিউটার প্রস্তুতকারকরা ডিফল্টভাবে প্রাইমারি পার্টিশনকে C ড্রাইভ হিসেবে নির্ধারণ করে, যেখানে সিস্টেম ফাইল, ড্রাইভার ও প্রয়োজনীয় কনফিগারেশন থাকে। C ড্রাইভকে প্রাইমারি করার ফলে হার্ডওয়্যারের সাথে দ্রুত যোগাযোগ হয়, ফলে পারফরম্যান্স ভালো থাকে। এছাড়া স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে উইন্ডোজ গুরুত্বপূর্ণ ফাইলগুলো আলাদা রেখে দেয়, যাতে অন্যান্য ড্রাইভে ডেটা থাকলেও সিস্টেম অক্ষত থাকে। Pendrive বা H, G ড্রাইভে ইনস্টল করলে তা স্থিতিশীল ও কার্যকর হয় না। তাই ভালো পারফরম্যান্স ও স্থায়িত্বের জন্য C ড্রাইভেই উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,৯০০.
আধুনিক কম্পিউটারের বেসিক ডিজাইন করেন-
  1. ক) এলান টুরিং
  2. খ) ল্যারি পেইজ
  3. গ) জন ভন নিউম্যান
  4. ঘ) রেমন্ড সামুয়েল টমলিসন
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের জনক বলা হয় চার্লস ব্যাবেজ। (কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এবং উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই অনুসারে)
- আধুনিক কম্পিউটারের জনক ভন নিউম্যান।
- কম্পিউটার আবিস্কার করেন হাওয়ার্ড এইকেন।
- প্রোগ্রমিং ধারণার প্রবর্তক অ্যাডা লাভলেস।