বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭৬ / ৮২ · ৭,৫০১৭,৬০০ / ৮,১৪১

৭,৫০১.
ইতিহাসে প্রথম যে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারটি তৈরি করা হয়েছিল, তার নাম কী?
  1. Manchester Baby
  2. EDVAC
  3. Mark-I
  4. IBM 701
ব্যাখ্যা
• পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম 'মার্ক -১'।

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

অপশন আলোচনা:
- Manchester Baby:
- এটি ১৯৪৮ সালে তৈরি হওয়া প্রথম stored-program কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ছিল না; এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

- EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) তৈরি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল নয়।

- Mark-I:
- Harvard Mark-I (অথবা IBM Automatic Sequence Controlled Calculator - ASCC) ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
- এটি গণনার জন্য ইলেকট্রনিক সার্কিটের পাশাপাশি মেকানিক্যাল অংশও ব্যবহার করত।
- সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক উত্তর।

- IBM 701:
- এটি ১৯৫২ সালে IBM কোম্পানি দ্বারা তৈরি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫০২.
হেক্সাডেসিমালে 'C' এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কী?
  1. 1111
  2. 1100
  3. 1110
  4. 1010
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'C' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 12.
এখন 12 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1100

- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে E এর সমুতল্য বাইনারি মান 1110 (গ)।
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (ঘ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৫০৩.
The ability of a computer system to remain operational despite various failures is
  1. ক) Relation
  2. খ) Schema
  3. গ) Resilience
  4. ঘ) Versatility
ব্যাখ্যা
Resilience is referred to as stability, recovery or failover testing. Assesses the behavior of the system in the event of crashes
৭,৫০৪.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার নয়?
  1. MS Excel
  2. Google Sheets
  3. iWork Numbers
  4. Illustrator
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারের উদাহরণ:

- Microsoft Excel,
- Google Sheets,
- iWork Numbers,
- LibreOffice Calc,
- Apache OpenOffice Calc,
- WPS Office Spreadsheets,
- Smartsheet,
- Calc (Calligra) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- Illustrator বা Adobe Illustrator হচ্ছে ভেক্টর গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭,৫০৫.
"Unipolar Memory" - এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. SRAM
  2. DRAM
  3. EPROM
  4. সবগুলোই Unipolar Memory
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১। বাইপোলার মেমরি ও
২। ইউনিপোলার মেমরি

• বাইপোলার মেমরি (Bipolar Memory):
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• ইউনিপোলার মেমরি (Unipolar Memory):
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর (Complementary Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫০৬.
কোনটি Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা?
  1. HTML
  2. Java
  3. SQL
  4. Python
ব্যাখ্যা

• Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা হলো SQL (Structured Query Language)। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা যা ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী SQL কমান্ডের মাধ্যমে ডাটাবেসের টেবিল, রেকর্ড এবং অন্যান্য ডাটাবেস অবজেক্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে। HTML এবং Python সাধারণত ওয়েব বা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, Java ডাটাবেস অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে সহায়ক হলেও সরাসরি ডাটাবেসের মূল ভাষা নয়। Oracle ডাটাবেসে তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী ভাষা। এটি ডাটাবেস প্রশাসক ও ডেভেলপারদের জন্য অপরিহার্য।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৫০৭.
মাদারবোর্ডের স্লট নয় কোনটি?
  1. AGP slot
  2. USB slot
  3. RAM slot
  4. PCI slot
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের স্লট নয় USB slot. 
-
USB পোর্ট মাদারবোর্ডের স্লট নয়। এটি একটি পোর্ট, যা সাধারণত বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• মাদারবোর্ড (Motherboard):

- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:

1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫০৮.
কোন সফটওয়্যারটি সাধারণত রিলেশনাল ডেটাবেস ব্যবস্থাপনা করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Oracle Database
  2. Elasticsearch
  3. Firebase
  4. Cassandra
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডেটাবেস বলতে বোঝায় এমন ডেটাবেস যেটি টেবিল ভিত্তিক এবং SQL ব্যবহার করে পরিচালনা করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি হলো Oracle Database। অন্য অপশনগুলো মূলত NoSQL বা সার্চ ইঞ্জিন টাইপের, তাই তারা এখানে সঠিক নয়।

• অপশন আলোচনা:
• Oracle Database:
- Oracle Database একটি শক্তিশালী এবং বহুল ব্যবহৃত রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)।
- এটি টেবিল আকারে ডেটা সংরক্ষণ করে।
- SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা কুয়েরি ও ম্যানিপুলেট করা যায়।
- বড় বড় কোম্পানি ও ব্যাংকিং সেক্টরে এটি বহুল ব্যবহৃত।

• Elasticsearch:
- Elasticsearch মূলত একটি সার্চ ইঞ্জিন যা নন-রিলেশনাল ডেটা ম্যানেজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি JSON ডেটা ফরম্যাটে কাজ করে।
- ফাস্ট সার্চ এবং লগ অ্যানালাইসিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি রিলেশনাল ডেটাবেস নয়।

• Firebase:
- Firebase হলো একটি BAAS (Backend-as-a-Service) প্ল্যাটফর্ম, যা গুগলের।
- এটি NoSQL ডেটাবেস (যেমন Firestore) ব্যবহার করে।
- মোবাইল ও ওয়েব অ্যাপের জন্য সহজ ইন্টিগ্রেশন দেয়।
- এটি রিলেশনাল নয়।

• Cassandra:
- Apache Cassandra একটি ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডেটাবেস।
- এটি স্কেলেবল এবং হাই পারফরম্যান্স ডেটা হ্যান্ডল করতে পারে।
- ডেটা টেবিল আকারে থাকে, কিন্তু এটি রিলেশনাল নয়।
- এটি RDBMS নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৫০৯.
Ctrl, Shift and Alt কে বলা হয় -
  1. Adjustment keys
  2. Function keys
  3. Alphanumeric keys
  4. Modifier keys
ব্যাখ্যা
• Keyboard:
- টাইপ রাইটার সদৃশ কী-বোর্ডের সাহায্যে কম্পিউটারে সবচেয়ে বেশি উপাত্ত প্রবেশ করানো হয়।
- টাইপ রাইটারের সাথে কী-বোর্ডের প্রধান পার্থক্য হল এর সাহায্যে শুধু অক্ষর বিন্যাস করা হয় না, প্রয়োজনীয় সকল নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়।
- এজন্য কী-বোর্ড হচ্ছে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস।

• মডিফায়ার কী:
- কী-বোর্ডের যে সমস্ত বোতামের সাহায্যে অক্ষর বিন্যাস ছাড়া অন্যান্য কাজ করা হয় তাদেরকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifire Key)।
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী।

- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত ১২টি Key কে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৭,৫১০.
(352)8 + (131)8 =?
  1. (483)8
  2. (403)8
  3. (503)8
  4. (513)8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (352)8 + (131)8 =?

সমাধান: 
 

∴ (352)8 + (131)8 = (503)8
৭,৫১১.
কম্পিউটারে safe mode চালু করতে কোন key ব্যবহার করা হয়?
  1. F6
  2. F7
  3. F8
  4. F9
ব্যাখ্যা
- F8 ফাংশন কী টি সাধারণত Windows Safe Mode চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।

ফাংশন কী :
কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত কীসমূহ ফাংশন কী নামে পরিচিত।
তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়।


F1: এটি সাহায্য বা হেল্প কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের হেল্প মেনু দেখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F3: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে আগের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে।
F4: এই কী দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর Last Action Preformed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl +F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।
F5: এটা চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, Replace, go to উইন্ডো খুলা হয়। তাছাড়া যেকোনো পেইজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এ বাটনটি ব্যবহার করা হয়।
F6: মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে চায়লে এ কী ব্যবহার করা হয়।
F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বানান ও ব্যাকরণ জনিত ভুল-ভ্রান্তির চেকিং চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়। F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।
F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
F10: এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।
F11: যেকোন সক্রিয় উইন্ডো ফুলস্ক্রিন জুড়ে দেখতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F12: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো চালু করা হয়। কম্পিউটার শুধু F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি থেকে বাংলা মুডে যাওয়া যাবে। ল্যাপটপে fn+f12 চাপতে হবে।

সূত্র: Microsoft Website
৭,৫১২.
ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে নিচের কোন ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্রটি আবিষ্কার করেন?
  1. ABC
  2. ENIAC
  3. EDSAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
• ABC:
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করে একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- এই ABC কম্পিউটারটি হলো প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটির গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫১৩.
হেক্সাডেসিমেল F0E এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 3854
  2. 3840
  3. 3852
  4. 3844
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এখানে,
(F0E)16
= 15 × 162 + 0 × 161 + 14 × 160
= 3840 + 0 + 14
= 3854

সুতরাং, (F0E)16 = (3854)10
৭,৫১৪.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক অংককে কি বলে?
  1. ক) বিট
  2. খ) বাইট
  3. গ) নিবল
  4. ঘ) পাল
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ০ এবং ১ এই দুটি মৌলিক অঙ্ককে বিট বলে। Binary Digit শব্দটির সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বিট (Bit)।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৫১৫.
ChatGPT কোন প্রযুক্তিগত কাঠামোর উপর নির্মিত?
  1. Recurrent Neural Network
  2. Generative Pre-trained Transformer
  3. Quantum Neural Network
  4. Random Forest Model
ব্যাখ্যা

• ChatGPT মডেলটি হলো OpenAI নির্মিত GPT আর্কিটেকচারের (Generative Pre-trained Transformer) ওপর ভিত্তি করে তৈরি একটি বৃহৎ ভাষা মডেল (LLM)।

ChatGPT:
- ChatGPT হলো একটি সফটওয়্যার যা স্বাভাবিক ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দেয়।
- এটি OpenAI নামে আমেরিকান প্রতিষ্ঠান ৩০ নভেম্বর ২০২২ সালে চালু করে।
- ChatGPT হচ্ছে GPT (Generative Pre-trained Transformer) আর্কিটেকচারে তৈরি একটি নিউরাল নেটওয়ার্ক।
- এর কাজ হলো মানুষের মতো স্বাভাবিক লেখা তৈরি করা, যেমন চ্যাটবট, কন্টেন্ট তৈরি, ভাষা অনুবাদে।
- ChatGPT শব্দের সম্ভাবনা হিসাব করে টেক্সট তৈরি করে, পূর্ববর্তী শব্দগুলোর ওপর নির্ভর করে।
- ChatGPT-র কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যেমন ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য তৈরি করা ("হ্যালুসিনেশন")।

GPT আর্কিটেকচার:
- GPT-এর পূর্ণরূপ হলো Generative Pre-trained Transformer। এটি এক ধরণের বৃহৎ নিউরাল নেটওয়ার্ক যা বিপুল পরিমাণ টেক্সচুয়াল ডেটার উপর প্রশিক্ষণ লাভ করে এবং মানুষের মতো বোধগম্য ভাষা তৈরি করতে সক্ষম।
- এই কাঠামোটি গুগল কর্তৃক উদ্ভাবিত ট্রান্সফরমার (Transformer) নামক বিশেষ নিউরাল নেটওয়ার্ক আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত, যা ডেটার মধ্যে জটিল সম্পর্ক বুঝতে সাহায্য করে।
- ChatGPT-এর নামটিও এই মডেলের নাম থেকেই এসেছে (Chat + GPT)।

অন্যান্য অপশন:
- Recurrent Neural Network: এটি ভাষা প্রক্রিয়াকরণের (NLP) একটি পুরোনো কাঠামো। GPT মডেলে এর পরিবর্তে উন্নত ট্রান্সফরমার আর্কিটেকচার ব্যবহার করা হয়েছে।
- Quantum Neural Network: এটি একটি তাত্ত্বিক এবং পরীক্ষামূলক কম্পিউটিং ধারণা। বর্তমানের ChatGPT এই কাঠামোর ওপর নির্মিত নয়।
- Random Forest Model: এটি ক্লাসিফিকেশন (Classification) ও রিগ্রেশনের (Regression) জন্য ব্যবহৃত একটি ঐতিহ্যবাহী মেশিন লার্নিং অ্যালগরিদম, যা বৃহৎ ভাষা মডেলিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় না।

উৎস: ব্রিটানিকা, IBM website (link)

৭,৫১৬.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট ইলেকট্রনিক্স বর্তনী হলো একটি-
  1. ক) অতি সাধারণ বর্তনী
  2. খ) অতি সস্তা দামের বর্তনী
  3. গ) অতি সহজ বর্তনী
  4. ঘ) অতি ছোট টুকরা সিলিকনের টুকরার উপর তৈরি অতি ক্ষুদ্র বর্তনী
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট হলো সে বর্তনী যাতে বর্তনীর উপাংশগুলো একটি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠন করা হয় যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ঐ চিপের অংশ। সাধারণভাবে মাইক্রো সার্কিট হলো ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশের ক্ষুদ্রতম সমাবেশ। আইসি হলো এক ধরনের মাইক্রো সার্কিট। ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।
৭,৫১৭.
কম্পিউটারের স্টার্টআপ (বুটিং) প্রক্রিয়ার জন্য কোনটি অপরিহার্য?
  1. Spreadsheet Application
  2. Word Processor
  3. Operating System
  4. Printer Driver
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার চালু হওয়ার পর প্রথমে BIOS বা ফার্মওয়্যার চালু হয়, যা অপারেটিং সিস্টেমকে খুঁজে বের করে এবং সেটিকে লোড করে। অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার তার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এটি পুরো সিস্টেমের জন্য একটি মেরুদণ্ডের মতো কাজ করে।

• অপশন আলোচনা:
- Printer Driver: এটি শুধুমাত্র প্রিন্টার ব্যবহারের জন্য দরকার, কম্পিউটার চালু করতে নয়।
- Word Processor: যেমন Microsoft Word – এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, যা অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নির্ভর করে।
- Spreadsheet Application: যেমন Microsoft Excel – এটি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার পর ব্যবহার হয়।

• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- অপারেটিং সিস্টেম হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী সফটওয়্যার।
- এটি অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার বুট করতে পারে না, তাই এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার চালু করা (বুটিং) থেকে বন্ধ করা পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রম অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।

- এটি কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ ও দক্ষ করে তোলে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- হার্ডওয়্যার থাকা সত্ত্বেও অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যকর হয় না।
- এটি ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থাপনা, এবং প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫১৮.
কপিউটারের বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে কোনটি?
  1. GPU
  2. Memory
  3. Control Unit
  4. ALU
ব্যাখ্যা
ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫১৯.
'JPG' extension refers usually to what kind of file?
  1. ক) System file
  2. খ) Animation/movie file
  3. গ) MS Encarta document
  4. ঘ) Image file
  5. ঙ) None of these
ব্যাখ্যা
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।

- কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- 
♦ Image files- 
.bmp
.gif
.jpg
.png

♦ Music and sound files- 
.mp3
.wav

♦ Operating system files
.dll
.exe

♦ Text and word processing documents- 
.doc
.docx
.rtf
.txt

♦ Spreadsheet files- 
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

♦ Web Page files- 
.htm
.html

সূত্র- Computer Hope Website.
৭,৫২০.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. WinRAR
  2. Trend Micro
  3. Windows Defender
  4. Norton
ব্যাখ্যা

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো সেই প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান ও অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এখানে প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Trend Micro, Windows Defender এবং Norton সবই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এগুলো ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু WinRAR হলো একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার, যা ফাইল কমপ্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস সনাক্তকরণ বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) WinRAR।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৭,৫২১.
'আইবিএম-৩০৩৩' কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
আইবিএম-পিসি, আইবিএম-৩০৩৩, এইচপি-৩০০০ ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।
৭,৫২২.
টাচ স্ক্রিন কী রূপে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ইনপুট ডিভাইস
  2. খ) আউটপুট ডিভাইস
  3. গ) ক ও খ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
টাচ স্ক্রীনে টাচ করা মাত্রই ইনপুট হিসাবে প্রসেসরকে নির্দেশনা দেয় এবং টাচ করার পর ডিসপ্লেতে যেটা প্রদর্শিত হয় সেটা আউটপুট ডিভাইস। তাই টাচ স্ক্রিন ইনপুট আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কতিপয় কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো মডেম, পাঞ্চকার্ড, প্রিন্টার-স্ক্যানার ইত্যাদি।
৭,৫২৩.
ডেটা টেবিলের ডেটাগুলােকে ছােট থেকে বড় বা বড় থেকে ছােট আকারে সাজানােকে বলে-
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) সার্চিং
  3. গ) ইনডেক্সিং
  4. ঘ) এনক্রিপ্টিং
ব্যাখ্যা
সার্চিংঃ যে প্রক্রিয়ায় ডেটাবেজ থেকে প্রয়ােজনীয় রেকর্ড বা তথ্য খুঁজে বের করা হয় তাকে সার্চিং বলে।
সর্টিংঃ ডেটা টেবিলের ডেটাগুলােকে ছােট থেকে বড় বা বড় থেকে ছােট আকারে সাজানাে যায়। এই সাজানাের প্রক্রিয়াকে বলা হয় সর্টিং।
ইনডেক্সিংঃ আবার ডেটাবেজ থেকে ব্যবহারকারী যাতে তাড়াতাড়ি ডাটা খুঁজে বের করতে পারে সেজন্য ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজিয়ে রাখা হয়। ডেটাবেজের টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকেই ইনডেক্সিং বলে।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৭,৫২৪.
মাইক্রোসফট এজ কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ব্রাউজার
  3. ইউলিটি সফটওয়্যার
  4. সিস্টেম সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এজ ( Microsoft Edge ) একটি ওয়েব ব্রাউজার ( web browser )।
এটি মাইক্রোসফট কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি ওয়েব ব্রাউজার। 
Microsoft Edge is a web browser developed by Microsoft.
It was first released for Windows 10 and Xbox One in 2015, then for Android and iOS in 2017, and macOS in 2019.
Edge includes integration with Cortana and has extensions hosted on the Microsoft Store.
৭,৫২৫.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Solaris
  2. Oracle
  3. Unix
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। 
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫২৬.
'1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক (2's Complement) কত? 
  1. 0010111
  2. 0011001
  3. 0010110
  4. 0011000
ব্যাখ্যা

'1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক (2's Complement) হচ্ছে: 0010111

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (০ এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় ০) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর -পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

'1101001'-এর ১-এর পরিপূরক = '0010110' (সব '0' কে '1' এবং সব '1' কে '0' দ্বারা প্রতিস্থাপন করা)

'0010110' + '1' = '0010111'

অতএব, '1101001' বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক হল '0010111'

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৭,৫২৭.
Which is an example of a computer virus?
  1. ক) Boot sector virus
  2. খ) Macro virus
  3. গ) Overwriting virus
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস এর ধরনঃ
কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমনঃ
১। বুট সেক্টর ভাইরাস
২। ট্রোজান হর্স ভাইরাস
৫। ওভার রাইটিং ভাইরাস
৬। মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস
৩। ফাইল সংক্রামক ভাইরাস
৭। মিউটেটিং ভাইরাস
৪ । ম্যাক্রো ভাইরাস
৮। স্টোন ভাইরাস; ইত্যাদি 
 
উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৫২৮.
নিচের কোন মেমােরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?
  1. ক) Registers
  2. খ) SSD
  3. গ) RAM
  4. ঘ) Cache memory
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)

৭,৫২৯.
অক্টাল সংখ্যা (5535)8 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - 
  1. A6D
  2. B5D
  3. C5E
  4. D4A
ব্যাখ্যা

◉ অক্টাল সংখ্যা (5535)8 কে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - B5D.

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (5535)₈ কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (২-ভিত্তিক) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়:
5 → 101
5 → 101
3 → 011
5 → 101

সুতরাং, (5535)8 = (101 101 011 101)2

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমাল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাকে ডান থেকে শুরু করে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর:
1011 0101 1101

প্রতিটি গ্রুপের হেক্সাডেসিমাল মান:
1011 → B
0101 → 5
1101 → D

সুতরাং, (101101011101)2 = (B5D)16

৭,৫৩০.
একটি সমস্যা সমাধানে ধারাবাহিক পদক্ষেপ অনুসরণ করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. কুয়েরি
  2. কম্পাইলিং
  3. অ্যালগরিদম
  4. কোডিং
ব্যাখ্যা

• একটি সমস্যা সমাধানের জন্য ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ অনুসরণের পদ্ধতিকে অ্যালগরিদম বলা হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট নিয়ম বা ধারা, যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যার সমাধান করার জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা দেয়। অ্যালগরিদম শুধু প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে নয়, দৈনন্দিন জীবনের সমস্যার সমাধানেও ব্যবহার করা যায়। যেমন, রেসিপি অনুযায়ী খাবার বানানো বা কোনো কাজ সম্পন্ন করার জন্য ধাপগুলো অনুসরণ করা—এগুলোও অ্যালগরিদমের উদাহরণ। অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি সুনির্দিষ্ট, সীমিত এবং কার্যকর হওয়া। সুতরাং, সমস্যার সমাধানে ধাপে ধাপে পরিকল্পিত এবং সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি হলো অ্যালগরিদম।

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যালগরিদম।

• অ্যালগরিদম:
- কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
- অ্যালগরিদম অর্থ ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান।
- যে পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হয় তাকে অ্যালগরিদম বলা হয়।
- অ্যালগরিদম হচ্ছে একটি প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও যৌক্তিক বিন্যাসের লিখিত বর্ণনা।

• অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যালগরিদমে শূন্য, এক বা একাধিক ইনপুট থাকে।
২. কমপক্ষে একটি আউটপুট থাকে।
৩. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট থাকে।
৪. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য।
৫. নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হয়।
৬. একে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৩১.
ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি কোন মেমোরির?
  1. ক) কোর মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) প্রধান মেমোরি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক মেমোরি
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য সমূহ হলো –
০১.  এ ধরণের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
০২.  প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম     প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
০৩. অ্যাকসেস সময় কম।
০৪. ধারণ ক্ষমতা তুলনামূলক কম থাকে।
০৫. ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
০৬.  বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরণের স্টোরেজ মিডিয়ায় সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
৭,৫৩২.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ট্যাকবল
  3. লাইটপেন
  4. পয়েন্ট অফ সেল
ব্যাখ্যা
• ফিল্ম রেকর্ডার একটি আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার,
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর,
- ইমেজ সেটার,
- হেড ফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো:
- টাচস্ক্রিন,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৩৩.
CPU-র রেজিস্টারের সংজ্ঞা কী?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
  3. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  4. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• উত্তর: CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৩৪.
'ANSI'- এর পূরণরূপ-
  1. ক) American National code of Standard Institute
  2. খ) American Nation Super Institute
  3. গ) American National Standard Institution
  4. ঘ) American National Standard Institute
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে ANSI (American National Standard Institute) কর্তৃক আসকি কোড উদ্ভাবিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে রবার্ট উইলিয়াম বীমার ৭ বিটের আসকি কোড উদ্ভাবন করেন। এ কোডের মাধ্যমে ২^৭ বা ১২৮ টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৫৩৫.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ডিভিডি
  2. পেনড্রাইভ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. বারকোড রিডার
ব্যাখ্যা
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বারকোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৩৬.
নিচের কোনটি RDBMS এর উদাহরণ?
  1. MySQL
  2. MongoDB
  3. Cassandra
  4. Redis
ব্যাখ্যা

• MySQL হলো একটি জনপ্রিয় রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা ডাটা সংরক্ষণের জন্য টেবিল ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি SQL ব্যবহার করে ডাটা কুয়েরি ও পরিচালনা করে এবং ডাটার মধ্যে লজিক্যাল রিলেশন বজায় রাখে।
- অন্যদিকে, MongoDB, Cassandra এবং Redis হলো NoSQL ডাটাবেজ।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি RDMS সফটওয়্যার হলো- Microsoft Access, Oracle, MySQL, SQL Server, PostgreSQL, MariaDB ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

৭,৫৩৭.
(561)8 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 101010010
  2. 101110001
  3. 110010100
  4. 110100001
ব্যাখ্যা
1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি= 101
অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 001
∴ (561)8 = (101110001)2
৭,৫৩৮.
মডেম একটি-
  1. ক) রিলে মেশিন
  2. খ) কনভারসন টুল
  3. গ) অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ঘ) পাওয়ার কানেকশন টুল
ব্যাখ্যা
মডেম (মড্যুলেটর-ডিম্যুলেটর) হল একটি যন্ত্র যা একটি প্রেরিত এনালগ সংকেতকে ডিজিটাল তথ্যে রূপান্তর করে এবং ডিজিটাল তথ্যকে পাঠানোর সময় এনকোড করে এনালগ সংকেত হিসেবে প্রেরণ করে।
৭,৫৩৯.
বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে কোন নিয়মটি সঠিক নয়?
  1. 1 + 0 = 1
  2. 0 + 0 = 0
  3. 1 + 1 = 2
  4. 0 + 1 = 1
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় তিনটি মৌলিক ক্রিয়া আছে। যথা-
১. বুলিয়ান যোগের ক্রিয়া (Logical OR Operation),
২. বুলিয়ান গুণের ক্রিয়া (Logical AND Operation) ও
৩. বুলিয়ান পূরকের ক্রিয়া (Logical NOT Operation)।

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 1

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা গুণের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ:
0 . 0 = 0
0 . 1 = 0
1 . 0 = 0
1 . 1 = 1

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪০.
Beep sound দেয় সাধারণত কোনটি নষ্ট হলে?
  1. COMS
  2. CUP
  3. ROM
  4. RAM
ব্যাখ্যা
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ শোনা যায়।
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উত্পাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে।
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে।

বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলির জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে, যেমন:

ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM:
কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‌্যাম মডিউলগুলি পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে।

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলি মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে।

ব্যর্থ RAM মডিউল: যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে।


 বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়,  নিম্নলিখিত সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপগুলি নেয়া যেতে পারে:

RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসানো:
কম্পিউটারটি বন্ধ করুন, এটিকে পাওয়ার উত্স থেকে আনপ্লাগ করুন এবং সাবধানে তাদের স্লটে RAM মডিউলগুলি পুনরায় বসান৷

পৃথক মডিউল দিয়ে পরীক্ষা করা:
আপনার যদি একাধিক র‌্যাম মডিউল থাকে, তবে একটি নির্দিষ্ট মডিউল সমস্যা সৃষ্টি করছে কিনা তা শনাক্ত করতে পৃথকভাবে প্রতিটি পরীক্ষা করে দেখুন।

সামঞ্জস্যের জন্য পরীক্ষা করুন:
নিশ্চিত করুন যে RAM মডিউলগুলি আপনার মাদারবোর্ডের সাথে টাইপ , গতি এবং ক্ষমতার ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

পরিচিত ভালো র‍্যাম দিয়ে পরীক্ষা করা সম্ভব হলে, মাদারবোর্ড বা অন্যান্য উপাদানের কোনো সমস্যা এড়াতে পরিচিত ভালো র‌্যাম মডিউল দিয়ে  কম্পিউটার পরীক্ষা করা যেতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৫৪১.
টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে কোন DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. UPDATE
  2. INSERT
  3. DELETE
  4. SELECT
ব্যাখ্যা
• টেবিলের মধ্যে ডেটা সন্নিবেশ করতে INSERT - DML কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML)

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement,
- Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪২.
শুধুমাত্র কোন গেইট ব্যবহার করে সমস্ত মৌলিক গেইট এবং সার্কিট তৈরি করা সম্ভব?
  1. NOT Gate
  2. OR বা XNOR Gate
  3. NAND বা NOR Gate
  4. AND বা OR Gate
ব্যাখ্যা

• মৌলিক লজিক গেইট: 
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়। 
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। 
যথা- 
১. অর গেইট (OR Gate), 
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং 
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

• সার্বজনীন গেইট: 
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে। 
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়। 

• বিশেষ লজিক গেইট: 
- XOR Gate, 
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৫৪৩.
মারশেল ম্যাকলুহান সর্বপ্রথম "বিশ্বগ্রাম" ধারণাটি কোন বইতে উল্লেখ করেন?
  1. Understanding Media
  2. The Medium is the Message
  3. The Gutenberg Galaxy
  4. War and Peace in the Global Village
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম: 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তাঁর রচিত 'The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, “ ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির 66 মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম। যার মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর যে কোন প্রান্তের মানুষের সাথে মুহূর্তের মধ্যে যোগাযোগ করা সম্ভব।"
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটকে বুঝানো হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪৪.
অনেক ধরণের অপশন থেকে পছন্দের বা সঠিক অপশন নির্বাচনের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সাবমিট বাটন
  2. রেডিও বাটন
  3. টেক্সট বাটন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• টেক্সট বাটন:
এটি টেক্সট ইনপুট নেয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়। 

• সাবমিট বাটন:
ফর্মের সকল ডাটা নির্ধারিত সার্ভারে পাঠানোর জন্য সাবমিট বাটন ব্যবহার করা হয়। 

• রেডিও বাটন:
অনেক ধরণের অপশন থেকে পছন্দের বা সঠিক অপশন নির্বাচনের জন্য রেডিও বাটন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৫৪৫.
নিচের কোন পদ্ধতিতে অনলাইনে পণ্যের মূল্য পরিশোধ করা যায়-
  1. ক) ডেবিট কার্ড দ্বারা
  2. খ) ভিসা কার্ড দিয়ে
  3. গ) ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড ছাড়াও ইন্টারনেট ও মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমেও ই-কর্মাসের পেমেন্ট করা যায়।
৭,৫৪৬.
80486 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. 64 বিট
  2. 32 বিট
  3. 16 বিট
  4. 8 বিট
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।

• 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর:  4004, 4040.
• 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
•16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
• 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
• 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৪৭.
(১০) + (১) = কত?
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ (Binary Addition): 
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়। 
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। 
যেমন- 
0 + 0 = 0 
0 + 1 = 1 
1 + 0 = 1 
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়। 
আবার, 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 । 

- (১০) + (১) এর বাইনারি যোগফল হলো (১১)। 
(১১) এর ডেসিমাল মান হলো ৩ । 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৪৮.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রধানত ব্যবহৃত হয় কোনটি ?
  1. ক) PYTHON
  2. খ) HTML
  3. গ) COBOL
  4. ঘ) PROLOG
ব্যাখ্যা

PYTHON একটি বস্তু-সংশ্লিষ্ট উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে গিডো ভান রসম এটি প্রথম প্রকাশ করেন।

HTML: Html একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ। এইচটিএমএল এর মার্ক আপ ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে ওয়েবপেজ এর বেসিক কাঠামো তৈরি করা হয়।
প্রকৃত অর্থে এটি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা একসারি মার্কআপ ট্যাগ এর সমন্বয় গঠিত।

COBOL: এটি একটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা এবং আজও প্রচলিত প্রাচীনতম প্রোগ্রামিং ভাষাগুলির একটি।
- এটির ইংরেজি নামটি Common Business-Oriented Language-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ।

PROLOG: প্রোলোগ হ'ল লজিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং গণ্য ভাষাতত্ত্বের সাথে যুক্ত. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
যেমন: PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।

উচ্চ: মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)

 

৭,৫৪৯.
বাংলাদেশের একজন মুমূর্ষু রোগী লন্ডনে না গিয়ে লন্ডনের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কর্তৃক সেবা নিলে, উক্ত পদ্ধতিকে বলে-
  1. ক) টেলিকনফারেন্সিং
  2. খ) ভিডিওকনফারেন্সিং
  3. গ) টেলিমেডিসিন
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দূরবর্তী স্থান থেকে কিংবা রোগী কে চাক্ষুষ না দেখেও চিকিৎসা সেবা প্রদানের পদ্ধতিকে টেলিমেডিসিন বলে।
এ পদ্ধতিতে চিকিৎসকরা স্বাস্থ্য সেবা সম্পর্কিত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সার্জারিতেও অংশ নিয়ে থাকে।
ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রসারের ফলে দূরবর্তী স্থানেও টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা সেবা প্রদান করা সম্ভব হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭,৫৫০.
Intel 486 কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. Mouse
  2. Hard Disk
  3. Microprocessor
  4. DVD
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। 
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে। 
- উদাহরণ: Intel 386, Intel 486, Pentium, Pentium Pro, Pentium II ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫১.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলে?
  1. মাদারবোর্ড
  2. মেইনবোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫২.
Which device is used as an input device?
  1. Monitor
  2. Speaker
  3. Joystick
  4. Projector
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৩.
ডিজিটাল কম্পিউটার কয় ধরনের?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 5
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:

 কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার:
১) এনালগ কম্পিউটার
২) ডিজিটাল কম্পিউটার 
৩) হাইব্রিড কম্পিউটার

ডিজিটাল কম্পিউটার আবার ৪ ধরনের:
১) সুপার কম্পিউটার
২) মাইনফ্রেম কম্পিউটার
৩) মিনি কম্পিউটার 
৪) মাইক্রো কম্পিউটার


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৪.
1 গিগা হার্জ এর একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতগুলো কাজ করতে পারে?
  1. ক) 107 টি
  2. খ) 106 টি
  3. গ) 109 টি
  4. ঘ) 1011 টি
ব্যাখ্যা
n কম্পাঙ্কের একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে n সংখ্যক কাজ করতে পারে।

আমরা জানি, 
1 গিগা হার্জ = 109 হার্জ
∴ 1 গিগা হার্জ এর এর একটি কম্পিউটার 1s এ 109 সংখ্যক কার্য সম্পাদন করতে পারে।
৭,৫৫৫.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত ট্রানজিস্টরে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর:  সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী একটি ডিভাইস যেটি দুর্বল বিদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রুপান্তরিত করে.

- ১৯৪৮ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
- সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী। যেমন- সিলিকন, জার্মেনিয়াম।
- ৩ টি অংশ থাকে। 
E - emitter 
B - base
C - collector

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,৫৫৬.
প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের ধারণা, নকশা, উৎপাদন, কার্যক্রম কিংবা ব্যবহার বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট তাকে কী বলে?
  1. ক) রোবটিক্স
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের যথাযথ পরিচালন, চলাচলের ক্ষমতা, শারীরিক মুভমেন্ট ইত্যাদি উদ্ভব হয়েছে। 
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয়', হোন্ডা কোম্পানির 'আসিমো', সনি কর্পোরেশনের 'আইবো' ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতই বিশেষ কোনো কাজ করতে পারে। 

বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স হলো বায়োলজিক্যাল ডেটা মাপা ও বিশ্লেষণ করার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি। 

বায়োইনফরমেটিক্স: 
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৫৫৭.
মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে কতটি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ১৪টি
  3. ১৮টি
  4. কোনটি সঠিক নয়
ব্যাখ্যা
পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার- এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৫৮.
Which of the following is an example of an Object-Oriented Programming language?
  1. Fortran
  2. Python
  3. C
  4. COBOL
ব্যাখ্যা

• Python:
- পাইথন একটি জনপ্রিয় হাই-লেভেল, অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, মেশিন লার্নিং, এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী গিডো ভ্যান রসাম (Guido van Rossum) এই ভাষাটি তৈরি করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সহজ ও সংক্ষিপ্ত, তবে এর সমৃদ্ধ স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি রয়েছে যা প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করে তোলে।
- দ্রুত সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য পাইথন বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- গুগল, নাসা, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো পাইথন ব্যবহার করে।
- পাইথন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমানভাবে কার্যকর, যেমন ক্লাউড-ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা সায়েন্স, অটোমেশন, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ:
- C++,
- Java,
- C#,
- Python ইত্যাদি।

• ডেটা টাইপ:
- int (ইন্টিজার): পূর্ণসংখ্যা বোঝায়, যেমন 5। এটি কোনো দশমিক বা ভগ্নাংশ ছাড়া সংখ্যা ধারণ করে।
- float (ফ্লোট): দশমিক সংখ্যা বোঝায়, যেমন 5.0।
- str (স্ট্রিং): টেক্সট বা অক্ষরের মান ধারণ করে, যেমন '5' বা "Hello"।
- bool (বুলিয়ান): সত্য (True) বা মিথ্যা (False) মান প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।

উল্লেখ্য-
-  Fortran: এটি একটি procedural programming ভাষা, OOP-নির্ভর নয়।
- C: এটি structure-based procedural ভাষা, object-oriented নয়।
- COBOL: এটি procedural business-oriented ভাষা, OOP বৈশিষ্ট্য নেই।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭,৫৫৯.
কোনটি অক্টাল সংখ্যা?
  1. 198
  2. 87
  3. 749
  4. 701
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে ভিত্তি (base) হলো 8 এবং কেবলমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহৃত হয়।
অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় 8 বা তার বেশি কোনো অঙ্ক (যেমন 8, 9) থাকা চলবে না।

এখন, 
198  → এখানে 9 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

87  → এখানে 8 আছে, তাই এটি অক্টাল নয়।

749  → এখানে 9 আছে যা অক্টাল অঙ্ক নয়। তাই 749  অক্টাল নয়।

701  → এতে 7, 0, 1 — সবই অক্টাল অঙ্ক, তাই এটি অক্টাল সংখ্যা।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- “Digital Logic and Computer Design” by M. Morris Mano.
৭,৫৬০.
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. ওরাকল
  2. ইনফরমিক্স
  3. এসকিউএল
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলেরম মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে।
যথা:- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাই এস কিউ এল(MySQL), এস কিউ এল(SQL) সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,৫৬১.
পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞানকে কী বলে?
  1. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ 'nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
ক. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

খ. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৫৬২.
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করে-
  1. ক) FDMA
  2. খ) PDMA
  3. গ) TDMA
  4. ঘ) None of them
ব্যাখ্যা
ট্রান্সমিটার থেকে সিগনাল পৃথক করার জন্য FDMA ( Frequency Division Multiple Access) এবং CDMA (Code Division Multiple Access) প্রযুক্তির উন্নয়ন করা হয়েছিলো৷ TDMA, PDMA এ এক সেল থেকে অন্য সেলে সিগনাল আলাদা করা যায় না৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৭,৫৬৩.
Which is the most powerful and high-speed type of computer?
  1. Mainframe Computer
  2. Mini Computer
  3. Micro Computer
  4. Super Computer
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে Super Computer.

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
81 ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৬৪.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা

১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

• বিট ও বাইট:
-বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ বাইট=৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।

৭,৫৬৫.
ফরেন কী কোন ধরনের ইন্টিগ্রিটি কনস্ট্রেইন্ট বাস্তবায়ন করে?
  1. ডোমেইন ইন্টিগ্রিটি
  2. রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি
  3. এনটিটি ইন্টিগ্রিটি
  4. ইউজার-ডিফাইন্ড ইন্টিগ্রিটি
ব্যাখ্যা

◉ ফরেন কী রেফারেনশিয়াল ইন্টিগ্রিটি বাস্তবায়ন করে, যা ডাটাবেজ টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বজায় রাখার একটি মৌলিক নীতি।
- এটি নিশ্চিত করে যে একটি টেবিলের (চাইল্ড টেবিল) ফরেন কী কলামের মানগুলো অন্য টেবিলের (প্যারেন্ট টেবিল) প্রাইমারি কী বা ইউনিক কীতে অবশ্যই বিদ্যমান থাকবে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key): 
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key): 
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key): 
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৫৬৬.
MICR প্রযুক্তির মাধ্যমে সম্ভব হয়:
  1. মোবাইল ব্যাংক ব্যবহার
  2. ক্লাউডে তথ্য সংরক্ষণ
  3. ইন্টারনেট ব্যবহার
  4. চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা

• MICR প্রযুক্তি (Magnetic Ink Character Recognition) মূলত চেক প্রক্রিয়াজাতকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। চেকের নীচে থাকা বিশেষ ধরনের চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া যায়। এটি ব্যাংকগুলিকে চেক দ্রুত এবং সঠিকভাবে যাচাই ও প্রক্রিয়াকরণে সাহায্য করে। MICR ব্যবহার করে চেকের সংখ্যা, শাখার কোড এবং অ্যাকাউন্ট নম্বর দ্রুত শনাক্ত করা যায়, ফলে মানু‌ষিক ত্রুটি কমে এবং সময় সাশ্রয় হয়। এই প্রযুক্তি মোবাইল ব্যাংক, ক্লাউড স্টোরেজ বা ইন্টারনেট ব্যবহারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই MICR-এর মূল কাজ হলো চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

উত্তর: ঘ) চেক দ্রুত প্রক্রিয়া করা।

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৫৬৭.
ভালো গতি এবং সামঞ্জস্যের জন্য উইন্ডোজ ওএস ইনস্টল করতে সাধারণত কোন ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়?
  1. C drive
  2. G drive
  3. H drive
  4. External drive
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।

- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৫৬৮.
কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. Shopify
  2. Etsy
  3. Alibaba
  4. Coursera
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের ওয়েবসাইট নয় - Coursera.
- Coursera একটি অনলাইন শিক্ষা প্ল্যাটফর্ম, যা বিভিন্ন কোর্স, সার্টিফিকেট প্রোগ্রাম, এবং ডিগ্রি প্রোগ্রামের অ্যাক্সেস প্রদান করে। এটি বিভিন্ন বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারিত্বের মাধ্যমে উচ্চমানের শিক্ষাগত কন্টেন্ট সরবরাহ করে।

• ব্যবসা-বাণিজ্য: 
- আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে। 
- ই-কমার্স ওয়েব সাইটে পণ্যের গুণগত মান, বর্ণনা, ছবি ও মূল্য সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ থাকে। 
- ই-কমার্সের পরিচিত কতকগুলো ওয়েব সাইট হলো- www.bikroy.com, www.daraz.com, www.alibaba.com, www.amazon.com ইত্যাদি। 
- এছাড়াও, Shopify, Etsy, Alibaba ই-কমার্স ওয়েবসাইট হিসেবে বিবেচিত।
- বিশ্বমানের ব্যবস্থায় উৎপাদিত পণ্য হবে আন্তর্জাতিক মানের। ফলে সম্প্রসারিত হবে বৈশ্বিক ব্যবসা- বাণিজ্যের। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনে ব্যবহৃত হয় ইএফটি (EFT: Electronic fund transfer) যেটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক লেনদেন যা সংঘটিত হয় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের সাহায্যে। 

- একই ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার অ্যাকাউন্টের মধ্যে অথবা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে, কিংবা বৈদেশিক ব্যাংকের মধ্যেও এ ধরনের লেনদেন করা যায়। 
- এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- অনলাইন ব্যাংকিং নামে পরিচিত এই পদ্ধতিটিকে বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম পরিসেবা হিসেবে গণ্য করা যায়। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে লেনদেনকে ইন্টারনেট ব্যাংকিংও বলা হয়। 
- এই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকগণকে লেনদেন সম্পন্নের জন্য সশরীরে কোনো ব্যাংক শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হয় না; বাড়িতে বা কর্মস্থলে কিংবা ভ্রমণরত অবস্থাতেও এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। 
- এজন্য শুধু কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭,৫৬৯.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে কোন ইন্টিগ্রেশন ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. SSI
  2. MSI
  3. VLSI
  4. ULSI
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (1971–1980) এ মাইক্রোপ্রসেসর এর আবিষ্কার ঘটে।
- এই সময়ের কম্পিউটারগুলোতে Large Scale Integration (LSI) এবং Very Large Scale Integration (VLSI) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল।

LSI (Large Scale Integration):
- একটি চিপে প্রায় ৩,০০০ থেকে ১০,০০০ ট্রানজিস্টর সংযোজিত করা হতো।
- এটি তৃতীয় প্রজন্মের MSI (Medium Scale Integration) থেকে অনেক উন্নত।
- ফলে সার্কিটগুলো ছোট, দ্রুত এবং কম বিদ্যুৎ খরচকারী হয়ে ওঠে।

• VLSI (Very Large Scale Integration):
- একটি চিপে ১০,০০০ এর বেশি ট্রানজিস্টর স্থাপন করা সম্ভব হয়।
- এই প্রযুক্তিই Microprocessor তৈরি সম্ভব করে তোলে।
- উদাহরণ: Intel 4004 (1971)- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের মূল মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে।
- CPU-র সব কার্য এক চিপেই সম্পন্ন হয়।
- উদাহরণ: Intel 8080, 8085, Zilog Z80।
- RAM, ROM, Cache Memory এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়।
- Storage ডিভাইস হিসেবে Hard Disk জনপ্রিয় হয়।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

৭,৫৭০.
UNIVAC-এর 'A' দ্বারা কী প্রকাশ করা হয়?
  1. Architecture
  2. Advanced
  3. Analytical
  4. Automatic
ব্যাখ্যা
• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৫৭১.
'অভ্র' কী-বোর্ডের মূল উদ্ভাবক কে?
  1. জাফর ইকবাল
  2. মুনীর চৌধুরী
  3. মেহেদি হাসান খান
  4. মোস্তাফা জব্বার
ব্যাখ্যা
• অভ্র: 
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- অভ্র এর আভিধানিক অর্থ ‘আকাশ’।
- ২৬ মার্চ ২০০৩ সালে প্রাথমিক সংস্করণের উদ্ভাবন করেন অভ্র-এর মূল উদ্ভাবক মেহেদি হাসান খান।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধুরী তৈরি করেন। 
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২. [omicronlab]
৭,৫৭২.
ডেটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ ও সাজিয়ে রাখতে ব্যবহৃত হয় কোনটি?
  1. ক) Robots.txt
  2. খ) Query Software
  3. গ) Index Software
  4. ঘ) Spider Software
ব্যাখ্যা
- Web Crawler বা Spider Software হলো একধরণের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে রাখে।
- গুগলের Crawler সফটওয়্যারটি Google Bot নামে পরিচিত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৭,৫৭৩.
নিচের কোনটি বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে সত্য নয়?
  1. ক) অ + ০ = ১
  2. খ) অ + ১ =  অ
  3. গ) অ + অ = ২অ
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার এবং যুক্তিবর্তনী (Logic circuit) নির্মাণের জন্য বুলিয়ান সমীকরণ ব্যবহার করা হয়।

এই সমীকরণ যত ছোট ও সরল হয় যুক্তিবর্তনীর আকৃতি ও নির্মান খরচ তত কম হয়। 
এই সমীকরণ সরলীকরণের জন্য যে উপপাদ্য ব্যবহার করা হয় তাকে বুলিয়ান-উপপাদ্য বলা হয়। 

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,৫৭৪.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. সিপিইউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৭৫.
ফ্ল্যাশ মেমোরি মূলত কোন ধরনের রমের (ROM) উদাহরণ?
  1. EEPROM
  2. PROM
  3. SRAM
  4. Mask ROM
ব্যাখ্যা

• ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory)-এর একটি বিশেষ ধরণ।
- সাধারণ EEPROM-এ ডেটা বাইট অনুযায়ী মুছতে হয়, কিন্তু ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটার বড় বড় ব্লক একসাথে বৈদ্যুতিক সিগন্যালের মাধ্যমে মোছা এবং পুনরায় লেখা যায়। এই দ্রুতগতির কারণেই একে "ফ্ল্যাশ" মেমোরি বলা হয়। 

• ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) হলো একটি নন ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বন্ধ থাকলেও এটি ডেটা ধরে রাখতে পারে। যেহেতু এর মাধ্যমে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়, তাই এটি সাধারণত সেকেন্ডারি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 

ফ্ল্যাশ মেমোরির ব্যাবহার:
- পেন ড্রাইভ (Pen Drive) -
- SSD (Solid State Drive)
- মেমোরি কার্ড (Memory Card)
- USB ডিভাইস ইত্যাদিতে।ট

উৎস: ব্রিটানিকা।[link]

৭,৫৭৬.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. FAT8
  2. FAT32
  3. FAT64
  4. HTFS
ব্যাখ্যা
• FAT32 একটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:

- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং তাদের ডেটার সংগঠন ও সংরক্ষণের পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম প্রধানত ফাইল তৈরি, অ্যাক্সেস, কপি, মুছা ইত্যাদি কার্যক্রম সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং সেগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করা, পাশাপাশি ফাইল ও নথির সঠিক ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে, কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের ফাইল সিস্টেমের মধ্যে থেকে যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারে।

• ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16.
• FAT32.
• HPFS.
• NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৭৭.
চার্লস ব্যাবেজ নিচের কোন যন্ত্রটি তৈরি করেন?
  1. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  2. এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ডিফারেন্স ইঞ্জিন নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।।
৭,৫৭৮.
নেটওয়ার্ক ট্রান্সমিশন রেট বোঝাতে ব্যবহৃত 'MbPS' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Megabytes per second
  2. Megabits per second
  3. Milibits per second
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।• bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)

• kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
• Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
• Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
• Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
• Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৫৭৯.
উৎপাদনের আগে কম্পিউটারে যে টুল ব্যবহার করে পণ্যের ড্রাফটিং, ডিজাইন, সিমুলেশন প্রভৃতি তৈরি করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. CAD
  2. GPS
  3. CAM
  4. RFID
ব্যাখ্যা
• CAD: উৎপাদনের আগে কম্পিউটারে যে টুল ব্যবহার করে পণ্যের ড্রাফটিং, ডিজাইন, সিমুলেশন প্রভৃতি তৈরি করা হয়, তাকে CAD (Computer Aided Design) বলে।
• GPS (Global Positioning System): জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যার মাধ্যমে ভূপৃষ্ঠের যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করা যায়।
• CAM: কম্পিউটারের যে টুলসমূহের সাহায্যে পণ্য প্রস্তুতের যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়, তাকে কম্পিউটার এইডেড ম্যানুফ্যাকচারিং বা CAM বলে।
• RFID: RFID এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification. এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,৫৮০.
নিচের কোনটি স্থায়ী মেমোরি?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) Cache memory
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM) : আইসিটি পণ্য তথা কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের মাদারবোর্ডের সাথে র‍্যাম সংযুক্ত থাকে। প্রসেসর প্রাথমিকভাবে র‍্যামে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা করে। প্রসেসর RAM থেকে তথ্য নিয়ে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে। প্রসেসর র‍্যামের যে কোনো জায়গা থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে বলে একে Random Access Memory বা সংক্ষেপে RAM বলা হয়। র‍্যামে তথ্য থাকা না থাকা বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ করে দিলে এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। অর্থাৎ কম্পিউটার চালু করলেই র‍্যাম প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করতে থাকে। আবার কম্পিউটার বন্ধ করলে র‍্যাম তথ্য-শূণ্য হয়ে যায়। তাই এটি অস্থায়ী মেমোরি।

রম (ROM): ROM বা Read Only Memory মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে। আইসিটি যন্ত্রপাতি বা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার সচল রাখার জন্য কিছু নির্দেশনা প্রয়োজন হয়। এ নির্দেশনাগুলো ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। তাই রম এ নির্দেশনাগুলো স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ থাকা না থাকার উপর এই মেমোরি নির্ভর করে না। ব্যবহারকারীও বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এটি মুছে ফেলতে পারে না। এ মেমোরি শুধু পাঠ করা যায় বলে একে ROM বা Read only Memory বলে। যেহেতু বিশেষ ব্যবস্থা ছাড়া এর তথ্য সংযোজন বা বিয়োজন করা যায় না তাই একে স্থায়ী মেমোরি বলে।

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
৭,৫৮১.
কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে- 
  1. সীমিত
  2. বৃহৎ
  3. শূন্য
  4. অসীম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে শূন্য। 
- অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধিমত্তা নেই। 
- কম্পিউটার নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে কোন কাজ করতে পারে না। 
- মানুষের তৈরি করে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করেই কম্পিউটার সব রকমের কাজ সম্পন্ন করে। 
৭,৫৮২.
হার্ডডিস্কে সংরক্ষিত রেকর্ড যখন মনিটরে দেখানো হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. ক) হার্ডকপি
  2. খ) ফটোকপি
  3. গ) সফটকপি
  4. ঘ) ফিজিক্যালকপি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে সম্পাদিত বিভিন্ন আউটপুটের রেকর্ড বিভিন্ন ধরণের মেমরি; যেমন-হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভ ইত্যাদিতে সংরক্ষণ করে যখন মনিটরে দেখানো হয় তাকে সফটকপি বলে। আর আউটপুট কাগজে ছাপানো হলে তাকে বলা হয় হার্ডকপি বা ফিজিক্যালকপি।
৭,৫৮৩.
(.F5D)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কোনটি? 
  1. (.7535)8
  2. (.7625)8
  3. (.7484)8
  4. (.7545)8
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 থেকে 9 পর্যন্ত অঙ্কের পর 10 থেকে 15 পর্যন্ত মানগুলোকে ইংরেজি বর্ণমালা দিয়ে প্রকাশ করা হয়। সেই হিসাব অনুযায়ী: A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, F = 15।
- সুতরাং, F = 15 এবং D = 13.

•  হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তরের জন্য প্রথমে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল ডিজিটকে 4-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করতে হয় এবং এরপর সেই বাইনারি মানকে 3-বিট করে সাজিয়ে অক্টাল মান বের করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৫৮৪.
নিচের কোনটি 52(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. 01010010(2)
  2. 01110011(2)
  3. 00001100(2)
  4. 11110000(2)
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এখানে,
5 =  0101
2 = 0010
∴ (52)16 = (01010010)2

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৮৫.
বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে কী বলা হয়?
  1. স্প্যামার
  2. হ্যাকার
  3. ম্যালওয়্যার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার হ্যাকিং: 
- হ্যাকিং বলতে বোঝানো হয় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বা ব্যবহারকারীর বিনা অনুমতিতে তার কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশ করা।
- যারা এই কাজ করে থাকে তাদেরকে বলা হয় কম্পিউটার হ্যাকার বা হ্যাকার।
- বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেম নেটওয়ার্ক বা ওয়েবসাইটে বিনা অনুমতিতে অনুপ্রবেশকারীকে সাধারণভাবে হ্যাকার বলা হয়ে থাকে।
- হ্যাকার সম্প্রদায় নিজেদেরকে নানান দলে ভাগ করে থাকে।
- এর মধ্যে রয়েছে হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার, ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার, গ্রে হ্যাট হ্যাকার ইত্যাদি।
- হোয়াইট হ্যাট হ্যাকাররা কোনো সিস্টেমের উন্নতির জন্য সেটির নিরাপত্তা ছিদ্রসমূহ খুঁজে বের করে।
- এদেরকে এথিক্যাল হ্যাকারও (ethical hacker) বলা হয়।
- অন্যদিকে ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারগণ অসৎ উদ্দেশ্যে অনুপ্রবেশ করে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৭,৫৮৬.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় -
  1. মনিটর
  2. র‍্যাম
  3. প্রসেসর
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইন বোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৮৭.
বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. মাল্টিপ্লেক্সার
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। যথা:
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৮৮.
কোন কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়?
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. এনালগ কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এনালগ কম্পিউটারে ফলাফল সাধারণত কাঁটা বা প্লটারের মাধ্যমে প্রদর্শন করা হয়।

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৮৯.
যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয়-
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সিরিজ কী
ব্যাখ্যা
• কম্পোজিট কী:
- যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী তৈরি হয়, তখন তাকে বলা হয় কম্পোজিট কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID, Phone No. হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না৷

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
৭,৫৯০.
কোন ধরনের ফায়ারওয়াল অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে?
  1. Application-layer firewall
  2. Packet-filtering firewall
  3. Circuit-level gateway
  4. Stateless firewall
ব্যাখ্যা
• Application-layer firewall হল এমন একটি ফায়ারওয়াল যা অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারে ট্রাফিক বিশ্লেষণ করে। এটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিকের ডেটা প্যাকেটের কন্টেন্ট পরীক্ষা করে এবং নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন প্রোটোকলের নিয়মাবলী অনুসারে ট্রাফিককে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করে। এটি ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফার ইত্যাদি সেবা বিশ্লেষণ করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Packet-filtering firewall শুধুমাত্র প্যাকেটের হেডার তথ্য যেমন সোর্স এবং ডেস্টিনেশন আইপি ঠিকানা, পোর্ট নম্বর দেখে সিদ্ধান্ত নেয়। Circuit-level gateway সেশন লেভেলে কাজ করে এবং Stateless firewall পূর্ববর্তী অবস্থা বিবেচনা না করে শুধুমাত্র প্যাকেটের তথ্য দেখে কাজ করে। তাই, অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের ট্রাফিক বিশ্লেষণ করার জন্য Application-layer firewall ব্যবহৃত হয়।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৯১.
1 nano second = ?
  1. 10 - 3 Second
  2. 10 - 6 Second
  3. 10 - 9 Second
  4. 10 - 12 Second
ব্যাখ্যা
1 Nano Second = 10-9 Second

১ সেকেন্ডের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে ১ ন্যানো সেকেন্ড বলে। অর্থাৎ ১ ন্যানো সেকেন্ড=১০-৯ সেকেন্ড|

- ১ মিলি সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ।
- ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ।
- ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
- ১ পিকো সেকেন্ড = ১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ।

উৎস: Britannica.com.
৭,৫৯২.
টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে কোন Key ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) PgUp
  2. খ) PgDn
  3. গ) Home
  4. ঘ) F2
ব্যাখ্যা
• টেক্সটের শুরুতে যাওয়ার জন্য কম্পিউটারে Home key ব্যবহার করা হয়।
- Home: কোন টেক্সট এর শুরুতে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgUp: কোন পেইজের উপর দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- PgDn: কোন পেইজের নিচের দিকে স্ক্রোল করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F2: কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Computerhope Website
৭,৫৯৩.
কম্পিউটার প্রসেসরে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়। আইসিগুলো তৈরি হয় ট্রানজিস্টার দিয়ে। এগুলো সব একটি ক্ষুদ্র চিপ (Chip) এর মধ্যে থাকে। প্রসেসরে আইসির সংখ্যা পূর্বের তুলনায় অনেক বাড়লেও চিপ-এর আকার ক্রমান্বয়ে ছোট হয়ে আসছে। আকার ছোট হলেও এর কাজ করার ক্ষমতা বেড়েই চলেছে। কম্পিউটারের সামগ্রিক প্রক্রিয়াকরণের কাজ সিপিইউ-এর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সফটওয়্যারের নির্দেশ বোঝা এবং সে অনুযায়ী তথ্য প্রক্রিয়া করা এর কাজ। অর্থাৎ ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে তথ্য আদান প্রদানের কাজটি সিপিইউ বা প্রসেসর নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। এক কথায় কম্পিউটার-সংশ্লিষ্ট সকল যন্ত্রপাতি ও সফটওয়্যারের নির্দেশনার মধ্যে সমন্বয় করে কাজ সমাধা করে প্রসেসর।
তিনটি অংশের সমন্বয়ে প্রসেসর গঠিত হয়।
১. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic and Logic Unit) : এ অংশে গাণিতিক ও যৌক্তিক সিদ্ধান্তমূলক কাজ সংগঠিত হয়।
২. নিয়ন্ত্রক অংশ (Control Unit) : এ অংশের মাধ্যমে সকল কাজ নিয়ন্ত্রিত হয়। অর্থাৎ কোন নির্দেশের পর কোন নির্দেশ পালিত হবে তা নির্ধারিত হয় এ অংশে। 
৩. রেজিস্টার স্মৃতি (Register Memory ) : এটি ছোট আকারের অত্যন্ত দ্রুতগতির অস্থায়ী মেমোরি বা স্মৃতি। এ স্মৃতি থেকে তথ্য নিয়ে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হয় ৷

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী
৭,৫৯৪.
কোনটি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Mac OS
  2. খ) WINDOWS 98
  3. গ) MS-DOS
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক ইউজার ইন্টারফেস অপারেটিং সিস্টেম বলে। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে বিভিন্ন কাজের জন্য নির্দেশের গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন (Icon) এবং পুলডাউন মেনু থাকে। মাউস বা কি-বোর্ড ব্যবহার করে কমান্ড প্রয়োগ করা যায়। এতে টেক্সট ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্ত করতে হয় না। মনিটরে প্রদর্শিত নির্দিষ্ট আইকনে ক্লিক করে কমেন্ট করা যায়। যার ফলে ব্যবহারকারী কি-বোর্ড ব্যবহার না করে শুধু মাউস ব্যবহার করেও কম্পিউটার পরিচালনা করতে পারে। উদাহরণ- উইন্ডোজ (৯৫/৯৮/এক্সপি/মিস্টার/৭), Mac OS, WINDOWS 98 ইত্যাদি। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৫৯৫.
নিচের কোনটি বিশেষ গেইট?
  1. NOR
  2. XNOR
  3. AND
  4. NAND
ব্যাখ্যা
• বিশেষ গেইট:
- XOR গেইট এবং XNOR গেইটকে বিশেষ গেইট বলা হয়।

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 
- মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়। 

• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
-  দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৯৬.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত সেবা কোনটি?
  1. ই-পুর্জি
  2. ইএমটিএস
  3. কুইক-উইন
  4. ই-পর্চা
ব্যাখ্যা
• ইএমটিএস:
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস সেবাটি ভারতে অনুষ্ঠিত দক্ষিণ এশিয়ার mBillionth Award ২০১২ অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়।
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৫৯৭.
আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনটি মৌলিক অংক নয়?
  1. 0
  2. 9
  3. F
  4. H
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F . বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,৫৯৮.
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ব্যবহৃত POST এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Power On System Test
  2. Power On Self Test
  3. Program Operating Software Test
  4. Primary OS Test
ব্যাখ্যা

POST (Power On Self Test) হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া, যা প্রতিবার কম্পিউটার চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।

বুটিং (Booting):
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) Power On → কম্পিউটার চালু হলে BIOS/UEFI লোড হয়।
2) POST (Power-On Self Test) → হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়।
3) Boot Loader Execution → অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Windows, Linux বা অন্য OS মেমোরিতে লোড হয়।
5) User Interface Ready → ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Lenovo Website.

৭,৫৯৯.
রোমান সংখ্যা MCCLXXXIV এর মান কত?
  1. ৭৮৪
  2. ১২৮৪
  3. ১২৩৪
  4. ২২৮৪
ব্যাখ্যা

• রোমান সংখ্যা MCCLXXXIV:
- রোমান সংখ্যার মূল অক্ষর ও মানগুলো হলো:
 - M = 1000
 - C = 100
 - L = 50
 - X = 10
 - V = 5
 - I = 1

- MCCLXXXIV কে ভাগ করা যায় এইভাবে:
- M (1000) + C (100) + C (100) + L (50) + X (10) + X (10) + X (10) + IV (4)
- এখন এগুলো যোগ করলে পাই:
- 1000 + 100 + 100 + 50 + 10 + 10 + 10 + 4 = 1284
- তাই MCCLXXXIV সংখ্যার মান হলো ১২৮৪

সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ১২৮৪

সূত্র- ব্রিটানিকা। 

৭,৬০০.
মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে?
  1. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  2. অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  3. স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
  4. প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
♦ ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন  মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।