বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭৫ / ৮২ · ৭,৪০১৭,৫০০ / ৮,১৪১

৭,৪০১.
কোন ভাইরাসকে 'মাদার অফ অল ভাইরাস' বলা হয়?
  1. জেরুজালেম ভাইরাস
  2. সিআইএইচ ভাইরাস
  3. বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ভিবিএস/হেল্পার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা ‘CIH’ ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। CIH ভাইরাস বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ করে ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪০২.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়?
  1. Registers
  2. ALU
  3. Control Unit
  4. GPU
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট যা কম্পিউটারের সকল প্রধান কার্য সম্পাদন করে। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান অংশগুলো হলো রেজিস্টারস, যা তথ্য সংরক্ষণ করে; ALU (Arithmetic Logic Unit), যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশন করে; এবং কন্ট্রোল ইউনিট, যা মাইক্রোপ্রসেসরের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দেশনা অনুসরণ করে। তবে GPU (Graphics Processing Unit) মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ নয়। GPU হলো একটি পৃথক প্রসেসর যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ হিসেবে GPU অন্তর্ভুক্ত নয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪০৩.
একটি রেকর্ড গঠনের মূল উপাদান কী?
  1. একাধিক ফিল্ড
  2. একাধিক ফাইল
  3. একাধিক বিট
  4. একাধিক বাইট
ব্যাখ্যা
একটি রেকর্ড গঠনের মূল উপাদান একাধিক ফিল্ড।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৭,৪০৪.
ফ্লপি ডিস্ককে আজকাল অচল বা পুরনো প্রযুক্তি হিসেবে কেন ধরা হয়?
  1. এগুলো অনেক দামি
  2. এগুলো অনেক বড় এবং বহন করতে অসুবিধা হয়
  3. আধুনিক স্টোরেজের চেয়ে এগুলোর ক্যাপাসিটি কম
  4. এগুলোতে নতুন তথ্য রাইট করা যায় না
ব্যাখ্যা
• আজকের দিনে ফ্লপি ডিস্কের স্টোরেজ খুবই সীমিত, তাই আধুনিক ডিভাইস ও স্টোরেজ মিডিয়ার পরিবর্তে এগুলো ব্যবহৃত হয় না।
বর্তমান যুগে:
- একটি পেনড্রাইভে ১৬ জিবি, ৩২ জিবি বা তার চেয়েও বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- একটি মেমোরি কার্ড বা হার্ডড্রাইভ হাজার হাজার গুণ বেশি তথ্য রাখতে পারে।
- এমনকি একটি HD ছবি-ও ফ্লপি ডিস্কে রাখা যায় না, কারণ ছবির সাইজ ২-৫ মেগাবাইট হতে পারে।
- তুলনামূলকভাবে, ফ্লপি ডিস্কে আপনি মাত্র কিছু টেক্সট ডকুমেন্ট রাখতে পারবেন।

• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪০৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. Blu-ray
  2. CIH
  3. ILOVEYOU
  4. boot sector
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- ILOVEYOU ভাইরাসটিকে লাভ লেটার ফর ইউ বা লাভ বাগও বলা হয়।

• Blueray হচ্ছে অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [লিঙ্ক]
৭,৪০৬.
LINUX কী? 
  1. Malware
  2. Operating System
  3. Firmware
  4. Application Program
ব্যাখ্যা

লিনাক্স একটি অপারেটিং সিস্টেম। 

- লিনাক্সের কোনাে একক মালিক নেই।
- একে ওপেন সাের্স অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম নিয়ে কাজ করার সময় ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারবােন্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটির উদ্ভাবন  করেন যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয় । 
- উন্মুক্ত সাের্স কোর্ড ভিত্তিক এ অপারেটিং সিস্টেমের বিভিন্ন সংস্করণ ব্যক্তিগত ও বাণিজ্যিকভাবে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
- এগুলাের মধ্যে রেডহ্যাট লিনাক্স, ক্যালডেরা, ফেডােরা, উবুন্টু সর্বাধিক জনপ্রিয়।


- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের চিত্রভিত্তিক ও বর্ণভিত্তিক দুটো ভার্সনই বাজারে পাওয়া যায়।

উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)

৭,৪০৭.
মাইক্রোপ্রসেসর মূলত কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসর হল কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা মূলত কম্পিউটারের বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে সেই তথ্য প্রক্রিয়া করে এবং প্রয়োজনীয় আউটপুট তৈরি করে। মাইক্রোপ্রসেসর নিজে কোনো ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না এবং এটি RAM-এর ক্ষমতা বাড়ায় না। এছাড়া এটি সরাসরি সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কাজও করে না। মূলত, এটি সফটওয়্যার দ্বারা দেওয়া কম্পিউটারের সব ধরণের নির্দেশনা পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করে, যেমন গণনা করা, তথ্য প্রক্রিয়া করা, এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া। তাই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৭,৪০৮.
নিচের কোনটি DML কমান্ড নয়?
  1. Insert
  2. Delete
  3. Alter
  4. Update
ব্যাখ্যা

• 'Alter', DML কমান্ড নয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪০৯.
(1101101)2 এর সমতুল্য অক্ট্যাল সংখ্যা কত?
  1. 126
  2. 155
  3. 120
  4. 86
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর:
- কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৩ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- তবে কখনো এমন হতে পারে যে, সর্ব বামের গ্রুপ তৈরির জন্য ৩ বিট নেই।
- সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দু'টি, শূন্য (০) বসিয়ে ৩ বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
- এভাবে গ্রুপ সম্পন্ন হওয়ার পরে প্রতিটি গ্রুপকে এর সমতুল্য অক্ট্যাল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি সমতুল্য অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।
৭,৪১০.
নিচের কোনটি মাইক্রোকম্পিউটার নয়?
  1. ক) Apple Macintosh
  2. খ) IBM Pentium
  3. গ) IBM PC
  4. ঘ) CYBER-205
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER-205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪১১.
Naphier’s Bones কত সালে আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) ১৯৪১
  2. খ) ১৬১৪
  3. গ) ১৬৪১
  4. ঘ) ১৯১৪
ব্যাখ্যা
স্কটল্যান্ডের গনিতবিদ জন নেপিয়ার ১৬১৪ সালে লগারিদম এর উদ্ভাবন করেন ৷
এই আবিষ্কার গুন, ভাগ, বর্গ, বর্গমূল, ঘনমূল নিরুপনের কাজ অনেক সহজ করে দেয়৷
লগারিদমভিত্তিক হিসাবকার্যের জন্য যে সংখ্যাচিহ্নিত দন্ডগুলো ব্যাবহার করেছিলেন সেগুলো নেপিয়ার অস্থি বা দন্ড নামে পরিচিত ৷

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (HSC, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,৪১২.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. কম্পিউটার হার্ডওয়্যার
  3. ম্যালওয়্যার
  4. ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

◉ ট্রোজান হর্স একটি ধরনের ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে নিজেকে একটি নিরীহ বা উপকারী প্রোগ্রাম হিসেবে উপস্থাপন করে। ট্রোজান হর্সের নামকরণ করা হয়েছে গ্রিক পুরাণের ট্রোজান যুদ্ধের কাহিনী থেকে, যেখানে একটি কাঠের ঘোড়ার ভিতরে সৈন্যরা লুকিয়ে ছিল।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৭,৪১৩.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার?
  1. মাইক্রোসফট এক্সেল
  2. মাল্টিপ্ল্যান
  3. সুপার ক্যাল্ক
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

অ্যাপ্লিকেশন সফটোয়ারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার।
Spread Sheet: শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা। গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্প্রেডশিট বলা হয়।
উল্লেখযোগ্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রামসমূহ হলো - মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রো প্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপার ক্যাল্ক ইত্যাদি।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৪১৪.
একটি প্রিন্টারের আউটপুট এর মান পরিমাপ করা হয়-
  1. Dot per inch
  2. Dots per square inch
  3. Dots printed per unit
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো যায় তাকে প্রিন্টার বলা হয়।
- অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক - ডিপিআই (DPI)।
- DPI এর পূর্ণরূপ হল- Dots Per Inch.
- PPM - Pages Per Minute এর মাধ্যমে প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৭,৪১৫.
কোনটি ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. ইয়াহু 
  2. বিং 
  3. ওপেরা
  4. গুগল 
ব্যাখ্যা

- ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন নয়- ওপেরা।
- ওপেরা একটি ওয়েব ব্রাউজার ।

- আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়।
- যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

⇒ জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলোঃ
- Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome ইত্যাদি৷


উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৭,৪১৬.
স্পাইডার সফটওয়্যার কীভাবে কাজ করে?
  1. ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতিত ওয়েবসাইট পরিবর্তন করে
  2. নতুন ওয়েব পেইজ খুঁজে ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে
  3. ওয়েবসাইট ব্লক করে
  4. শুধুমাত্র বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software):
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যার এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে (Indexing) রাখে।
- গুগলের ক্রোলার (Crawler) সফটওয়্যারটি “Google Bot” নামে পরিচিত।
- Google Bot নির্বিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়বেসাইট বা নতুন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে।
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যারকে অনেকে “সার্চ বট” বা “ইন্টারনেট বট”ও বলে থাকে।
- স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েবে ভেসে বেড়ায় এবং নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে এবং তা তার নির্দিষ্ট ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি,প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৪১৭.
What is the function of Alt + F4?
  1. The current window closes
  2. Microsoft Word opens
  3. The computer restarts
  4. The desktop refreshes
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) The current window closes 

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪১৮.
ট্রানজিস্ট্রর আবিষ্কার হয়-
  1. ক) ১৯৪৪ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সঙ্গে বেল ল্যাবরেটরির তিনজন উদ্ভাবকের নাম জড়িত উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন এবং ওয়াল্টার ব্ৰাটেইন।

From Bell Laboratory Official Site:
December 16, 1947, Bardeen, Brattain and Shockley managed to make the first working transistor, now known as the point-contact transistor.

যেহেতু, এই বেল ল্যাবেই ট্রানজিস্টরের উদ্ভাবন হয়েছে। তাই, ট্রানজিস্টর সম্পর্কিত তথ্যের ক্ষেত্রে রেফারেন্স হিসেবে এর থেকে যথাযথ রেফারেন্স আর হয় না।

তাই, ট্রানজিস্টর কত সালে আবিস্কার হয়?
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর, নিঃসন্দেহে ১৯৪৭ সাল হবে।

এছাড়াও, পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণী, কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) বইয়ে ১৯৪৭ এর কথাই বলা আছে।

তবে, অপশনে ১৯৪৭ না থাকলে ১৯৪৮ কে উত্তর হিসেবে নিতে হবে।

বিস্তারিতঃ Live MCQ Premium Section -> তথ্যকলদ্রুম অপশনের পোস্ট-০০৫ দেখুন।

৭,৪১৯.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলা হয়?
  1. Latency time
  2. Seek Time
  3. Write Operation
  4. Access Time
ব্যাখ্যা
• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪২০.
'Lollipop' কোন অপারেটিং সিস্টেমের একটি ভার্সন?
  1. Windows
  2. Linux
  3. Android
  4. IOS
ব্যাখ্যা
• 'Lollipop' হলো Android অপারেটিং সিস্টেমের একটি ভার্সন।

- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়‍্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে।

উৎস: Android website.
৭,৪২১.
1101.1101 এবং 1001.0011 এর যোগফল কত?
  1. 11011.1111
  2. 1111.1111
  3. 10111.0000
  4. 1101.1110
৭,৪২২.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. The Apollo Guidance Computer
  2. UNIVAC
  3. IBM 1620
  4. Summit
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট।
২. [Link]
৭,৪২৩.
Which part of the operating system stays in memory at all times?
  1. Process Scheduler
  2. File System
  3. Shell
  4. Kernel
ব্যাখ্যা
⚪ কোনো কম্পিউটার চালু হলে অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সর্বদা মেমোরিতে লোড হয়ে থাকে, যেটিকে বলা হয় Kernel (কার্নেল)।

⚪ কার্নেল কী?
কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ। এটি হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ রক্ষা করে। অর্থাৎ, ইউজার বা প্রোগ্রাম যখন কোনো কাজ করতে চায় (যেমন: ফাইল পড়া, মেমোরি বরাদ্দ, ইনপুট/আউটপুট, প্রসেস চালানো), তখন সেটা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে না গিয়ে প্রথমে কার্নেলের কাছে যায়। তারপর কার্নেল সেই কাজটি করে দেয়।

⚪ কেন কার্নেল সবসময় মেমোরিতে থাকে?
কার্নেলকে সবসময় মেমোরিতে রাখা হয় যেন এটি যেকোনো সময় কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাঝে যোগাযোগ করতে পারে। যদি কার্নেল মেমোরিতে না থাকে, তাহলে অপারেটিং সিস্টেম কার্যকর হতো না।

⚪ অপশন আলোচনা:

A) Shell – শেল ইউজারের কমান্ড নেয়, তবে এটি সবসময় মেমোরিতে থাকে না।

C) File System – এটি ডিস্কে সংরক্ষিত থাকে এবং প্রয়োজনে লোড হয়।

D) Process Scheduler – এটি কার্নেলের একটি অংশ হলেও নিজে আলাদা কোনো স্বাধীন সিস্টেম নয়।

- Kernel সবসময় RAM-এ থাকে কারণ এটি পুরো সিস্টেম চালানোর জন্য দায়ী।
- তাই উত্তর: B) Kernel.

উৎস: Techtarget website.
৭,৪২৪.
Virtual Memory কোন সমস্যার সমাধান করে?
  1. RAM এর সীমিত আকার
  2. CPU এর ধীর গতি
  3. Hard Disk এর কম স্পেস
  4. Network এর Speed
ব্যাখ্যা

◉ Virtual Memory হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে হার্ড ডিস্কের কিছু অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন Virtual Memory সেই সীমাবদ্ধতাকে অস্থায়ীভাবে কাটিয়ে ওঠে।
- এতে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন Windows, Linux) paging / swapping ব্যবহার করে কম ব্যবহৃত ডেটাকে হার্ড ডিস্কে সরিয়ে রাখে এবং প্রয়োজন হলে আবার RAM-এ নিয়ে আসে।

​ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৭,৪২৫.
নিচের কোন প্রবাহটি সঠিক?
  1. ক) ফিল্ড → টেবিল → রেকর্ড
  2. খ) রেকর্ড → টেবিল → ফিল্ড
  3. গ) টেবিল → ফিল্ড → রেকর্ড
  4. ঘ) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। অন্যভাবে বলা যায় যে, ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

সুতরাং বলা যায়, প্রথমে ফিল্ড তারপর রেকর্ড এবং তারপর টেবিল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৪২৬.
কম্পিউটারের পরিভাষায় তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. ক) bit
  2. খ) byte
  3. গ) pixel
  4. ঘ) data
ব্যাখ্যা
ডাটা:
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum -এর বহুবচন । Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান । তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
- ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা। 

বিট:
(Bit) এর পূর্ণরুপ হল "বাইনারী ডিজিট (Binary Digit) "।  এটি ডেটার ক্ষুদ্রতম এককের নাম।
- আধুনিক কম্পিউটার ০ এবং ১ দিয়ে তৈরি একটি বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করে তার যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করে।কম্পিউটারের পরিভাষায় bit (Binary Digit) হল তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক। এটি কেবল দুটি মান গ্রহণ করতে পারে: 0 বা 1।

বাইট:
৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। কম্পিউটারের মেমােরিকে বাইট দ্বারা পরিমাপ করা হয়।

পিক্সেল: 
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হলো পিক্সেল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪২৭.
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার কী হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) অ্যাডাপ্টার
  2. খ) হাব
  3. গ) রিসোর্স
  4. ঘ) সার্ভার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের সঙ্গে লাগানো প্রিন্টার রিসোর্স হিসেবে কাজ করে। 
A resource is any hardware or software that's accessible by a computer, network, or another object connected to a computer. 
For example, a printer connected to a network is an example of a shared resource. 
Another example of a resource may be a network server farm or cluster that allows users to have access to multiple computers to perform complicated tasks.
 
উৎস: Computerhope.com
৭,৪২৮.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড কোন ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে?
  1. ক) ইনহেরিটেন্স
  2. খ) পলিমারফিজম
  3. গ) এনক্যাপসুলেশন
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড পলিমারফিজম ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রাম অনেক ফর্মে অবজেক্ট তৈরি করে।
পলিমারফিজম: পলিমারফিজম মানে হলো অনেক ফর্মস।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।
• এনক্যাপসুলেশন: অবজেক্ট এর  Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।
• ইনহেরিটেন্স: অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪২৯.
কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) এটি নির্ভূলভাবে কাজ করতে পারে
  2. খ) এটি অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারে
  3. গ) নিজস্ব বুদ্ধি বা চিন্তা ক্ষমতা আছে
  4. ঘ) বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করতে পারে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা(আইকিউ- Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই
- মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল-
• বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা,
• নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং
• অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩০.
১৭৮৬ সালে কে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন?
  1. জন নেপিয়ার
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. মুলার
  4. ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন:
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩১.
VIRUS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Vital Information Reserves Under Seize
  2. Various Information Resources Under Seize
  3. Vital Information Resources Under Seize
  4. Various Information Resources Under System
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার ভাইরাস:
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize.
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো- 
• ভিবিএস/হেল্পার, 
• ওয়ার্ম,
•  ভিবিএস/আকুই, 
• ট্রোজান হর্স, 
• এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
• মাইক্রো ভাইরাস, 
• বুট সেক্টর ভাইরাস, 
• জেরুজালেম, 
• স্টোন, 
• ঢাকা ভাইরাস, 
• ভিয়েনা, 
• সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩২.
মাইক্রোকম্পিউটারের গতি কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. ক) র‌্যামের ক্লক স্পিড
  2. খ) প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  3. গ) ক্যাশ মেমোরির ক্লক স্পিড
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটার তার সিস্টেম ক্লকের মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে।
- সিস্টেম ক্লকের কাজের গতি বেশি হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও বৃদ্ধি পায়।
- অন্যদিকে সিস্টেম ক্লকের গতি কম হলে কম্পিউটারের কাজের গতিও কম হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে। প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্ৰদান করতে পারবে। এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।


উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৪৩৩.
ডাটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয়  কোনটি?
  1. Quattro Pro
  2. Informix
  3. Access
  4.  Oracle
ব্যাখ্যা
Quattro Pro হচ্ছে স্প্রেডশীট প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

• Database Package Program: 
- dBase, 
- Foxpro, 
- Oracle, 
- Informix, 
- Access.

অন্যদিকে, Quattro Pro হচ্ছে স্প্রেডশীট প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩৪.
প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Testing
  3. Compiling
  4. Coding
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।

• প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন(Program Implementation):
- পরিকল্পনা অনুযায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের সকল কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন ধাপ শুরু হয়।
- এই ধাপে প্রোগ্রাম কোডিং করার পর প্রোগ্রাম রান করা হয়।
- প্রোগ্রাম রান করার মাধ্যমে ভুল বা ত্রুটি আছে কি না তা যাচাই করা হয়।
- এই পর্যায়ে মূলত প্রোগ্রাম টেস্টিং ও ডিবাগিং করা হয়।
 
• প্রোগ্রাম বাস্তবায়নের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ:
- প্রোগ্রাম টেস্টিং(Program Testing)
- প্রোগ্রাম ডিবাগিং(Program Debugging)
 
• বাগ ও ডিবাগিং:
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটিকে বাগ(Bug) বলা হয়।
- প্রোগ্রামের ভুল বা ত্রুটি খুঁজে বের করে সংশোধনের প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং(Debugging) বলা হয়।
 
• লজিক্যাল ভুল(Logical Error):
- যুক্তিগত বা লজিক্যাল ভুল সংশোধন করা তুলনামূলকভাবে কঠিন।
- কারণ লজিক্যাল ভুল হলে কম্পিউটার সাধারণত কোনো ত্রুটি বার্তা প্রদর্শন করে না।
- লজিক্যাল ভুল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে কিছু নির্দিষ্ট ইনপুট ডেটা নিয়ে হাতে-কলমে ফলাফল বের করা হয়।
- এরপর একই ডেটা প্রোগ্রামে ইনপুট দিয়ে আউটপুট মিলিয়ে দেখা হয়।
- এ পদ্ধতিকে প্রোগ্রাম টেস্টিং বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Coding: প্রোগ্রামের নির্দেশনা লেখার প্রক্রিয়া।
- Testing: প্রোগ্রামে ভুল আছে কি না তা যাচাই করার প্রক্রিয়া।
- Compiling: সোর্স প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করার প্রক্রিয়া।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৭,৪৩৫.
দুই বা ততোধিক ইনপুট এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় কোন গেইটে?
  1. ক) অ্যান্ড
  2. খ) অর
  3. গ) নট
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড গেইট:
এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১ হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:


৭,৪৩৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা?
  1. গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  2. নির্ভুলভাবে কাজ করার ক্ষমতা
  3. অতি দ্রুত কাজ করার ক্ষমতা
  4. বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী। 
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র। 
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়। 
- তাছাড়াও গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্তমূলক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভরতার সাথে কম্পিউটার সম্পন্ন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই, মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে। 
- কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে। 
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩৭.
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি কোন সার্ভারের অন্তর্ভুক্ত?
  1. File Server
  2. Print Server
  3. Application Server
  4. Message Server
ব্যাখ্যা
Workgroup Application নামক সার্ভিসটি Message Server এর অন্তর্ভুক্ত।
File Server এ ধরনের সার্ভার ফাইল ট্রান্সফার করার সুজগ দেয়।
Print Server এই সার্ভার একটি বা একাধিক প্রিন্টারকে নিয়ন্ত্রণ করে।
৭,৪৩৮.
কম্পাইলারের প্রধান কাজ কী?
  1. সোর্স কোড সম্পাদনা করা
  2. প্রোগ্রাম ডিবাগ করা
  3. লাইন বাই লাইন কোড চালানো
  4. সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা 
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ হলো সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা। প্রোগ্রামাররা যে উচ্চস্তরের ভাষায় (যেমন C, C++, Java) কোড লেখেন, কম্পাইলার সেই কোডকে কম্পিউটারের বোধগম্য নিচু স্তরের ভাষা বা মেশিন কোডে রূপান্তর করে। এটি একটি পূর্ণ প্রক্রিয়া যেখানে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করা হয়, তারপর তা এক্সিকিউটযোগ্য ফাইলে রূপ নেয়। কম্পাইলার সোর্স কোড বিশ্লেষণ করে ত্রুটি শনাক্ত করতেও সাহায্য করে, তবে এটি ডিবাগার নয়। এটি লাইন বাই লাইন কোড চালায় না—সে কাজ ইন্টারপ্রেটারের। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সোর্স কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করা।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার
২. ইন্টারপ্রেটার
৩. অ্যাসেম্বলার

• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৩৯.
কোনটি মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার?
  1. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  2. মাইক্রোসফট এক্সেল
  3. মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
  4. মাইক্রোসফট এক্সেস
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো —  গ) মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট। 
- মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো এমন সফটওয়্যার যা টেক্সট, ছবি, অডিও, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন একসাথে ব্যবহার করে তথ্য উপস্থাপন করতে পারে।

- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট মূলত প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যেখানে ব্যবহারকারী ছবি, ভিডিও, অডিও, অ্যানিমেশন যুক্ত করে মাল্টিমিডিয়া উপস্থাপন তৈরি করতে পারেন।

অন্যদিকে, 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড: ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, মূলত টেক্সটের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেল: স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, ডেটা বিশ্লেষণ ও হিসাবের জন্য।
- মাইক্রোসফট এক্সেস: ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
- তাই মাল্টিমিডিয়া সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট (গ)।

• মাল্টিমিডিয়া:
- মাল্টিমিডিয়া হচ্ছে একটি যোগাযোগ এর মাধ্যম। যেখানে বিভিন্ন প্রকার বিষয় বস্তু গুলো যেমন- টেক্সট, অডিও, ইমেজ, অ্যানিমেশন কিংবা ভিডিও ইত্যাদি গুলোকে একত্রিত করে বা একসাথে করে একক ইন্টারেক্টিভ প্রেজেন্টেশন তৈরি করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৪০.
DRAM-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Data Random Access Memory
  2. খ) Double Random Access Memory
  3. গ) Dynamic Random Access Memory
  4. ঘ) Decimal Random Access Memory
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা:
১. SDRAM (Synchronous DRAM) ও
২. ASDRAM (Asynchronous DRAM).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৪১.
(49)10 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর কত?
  1. 33
  2. 31
  3. 29
  4. 35
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (49)10 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর কত?

সমাধান: 


49 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর (31)16
৭,৪৪২.
ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ সহজ হয়েছে কিসের ব্যবহারের মাধ্যমে?
  1. ক) মডেম
  2. খ) কম্পিউটার
  3. গ) ইন্টারনেট
  4. ঘ) হাব
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারেরর মাধ্যমে ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।
৭,৪৪৩.
ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার এর গতি পরিমাপক একক কি?
  1. DPI (Dots per inch)
  2. CPS (Character per second)
  3. PPI (Pixel per inch)
  4. IPM
ব্যাখ্যা

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।

আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে। এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।

এর গতি পরিমাপক একক CPS - Character per second.

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা থেকে-

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার (Dot matrix Printer)

এটি একটি সংস্পর্শ বা ধাক্কা প্রিন্টার। এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে। পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।

প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়। একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়। 

বিভিন্ন ধরনের ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার পাওয়া যায়। যেমন ৭ × ৫, ৯ × ৭ ইত্যাদি। একটি ৭ × ৫ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ৭টি সারি ও ৫টি স্তম্ভে মোট ৩৫টি পিন আটকানো থাকে। একটি বর্ণ প্রিন্ট করতে ৭টি ডট দিয়ে মোট ৫ বার ধাক্কা লাগে। এটাই হলো ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের মুলনীতি।

ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ৫০০টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।

৭,৪৪৪.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. প্রিন্টার
  2. কীবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৪৫.
নিচের কোন কাজটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে সম্ভব নয়?
  1. উপাত্ত সম্পাদনা
  2. ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা
  3. স্বয়ংক্রিয় হিসাব করা 
  4. প্রতিবেদন তৈরি করা
ব্যাখ্যা

- স্প্রেডশীট প্রোগ্রামের মাধ্যমে ভার্চুয়াল বাস্তবতা তৈরি করা সম্ভব নয়; এটি ডেটা সম্পাদনা, স্বয়ংক্রিয় হিসাব এবং প্রতিবেদন তৈরির মতো কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন- অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৭,৪৪৬.
কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়:
  1. নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. তথ্যের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. নির্দেশাবলী ডিকোড করা
  4. অ্যারিথমেটিক কাজ করা
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) হলো সিপিইউ-এর (CPU) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যার কাজ হলো নির্দেশনা ডিকোড করা, প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা এবং তথ্যের সঠিক প্রবাহ নিশ্চিত করা। এটি মেমরি, ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস এবং সিপিইউ-এর অন্যান্য অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে। তবে কন্ট্রোল ইউনিট সরাসরি কোনো গণিত বা লজিক্যাল কাজ সম্পন্ন করে না। এসব কাজ করার দায়িত্ব অ্যারিথমেটিক অ্যান্ড লজিক ইউনিটের (ALU) ওপর। অর্থাৎ, কন্ট্রোল ইউনিট অ্যারিথমেটিক কাজ করে না, বরং ALU-কে সেই কাজের নির্দেশনা দেয়। তাই "অ্যারিথমেটিক কাজ করা" কন্ট্রোল ইউনিটের কাজ নয়।
 
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার  সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়। 

• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট। 

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।

• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)। 
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৪৭.
নিচের কোনটি হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. FORTRAN
  2. BASIC
  3. PROLOG
  4. UBUNTU
ব্যাখ্যা
• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এটি ইংরেজি ভাষার মতোই।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে-
• BASIC,
• COBOL,
• FORTRAN,
• PASCAL,
• C++,
• JAVA,
• PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• UBUNTU হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা Linux এর একটা ভার্সনের নাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৪৮.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Adobe Photoshop
  2. খ) MAC OS
  3. গ) Google Chrome
  4. ঘ) MS Word
ব্যাখ্যা
MAC OS হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি কম্পিউটারের বিভিন্ন  হার্ডওয়্যার পার্ট গুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- এটি কম্পিউটারের সাধারণ কার্যকারিতা প্রদান করে। 
- Operating system হলো সব থেকে জরুরি system software, যেটাকে প্রথমেই কম্পিউটারে ইনস্টল করতে হয়।  
- এপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কোন কাজে ব্যবহৃত হয়। 
- Application সফটওয়্যার হলো বিশেষ ধরণের কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, তবে কম্পিউটারের জন্য আবশ্যক নয়। 

৭,৪৪৯.
কোনটি ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার নয়
  1. ক) এম এস ওয়ার্ড
  2. খ) উইন্ডোজ
  3. গ) এম এস এক্সেল
  4. ঘ) অটোক্যাড
ব্যাখ্যা

এম এস ওয়ার্ড - ওয়ার্ড প্রসেসসিং সফটওয়্যার
উইন্ডোজ - অপারেটিং সিস্টেম
এম এস এক্সেল - স্প্রেডশিট
অটোক্যাড - নকশা ও ডিজাইন তৈরির সফটওয়্যার

৭,৪৫০.
কম্পিউটারের ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বলে-
  1. অক্টাল
  2. ডেসিমেল
  3. বাইনারী
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে ডিজিটাল পদ্ধতির অভ্যন্তরে সাধারণত যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারী বলা হয়। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৫১.
(20)10 = (?)16
  1. ক) 10F
  2. খ) 14
  3. গ) 20
  4. ঘ) 25
ব্যাখ্যা

16 | 20
16 | 1 - 4
     | 0 - 1

∴ (20)10 = (14)16

৭,৪৫২.
৫টি আউটপুট লাইন বিশিষ্ট একটি এনকোডারে ইনপুট লাইন কয়টি?
  1. ৮ টি
  2. ১৬ টি
  3. ৩২ টি
  4. ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাঙ্ক্ষিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
- একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
- সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট পাওয়া যায়।
- এখানে, ইনপুট 32 = 25 টি তাহলে, আউটপুট 5 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৪৫৩.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়?
  1. ফাইল ডিলিট করা
  2. ফাইল কপি করা
  3. ফাইল এনক্রিপশন করা
  4. ফাইল তৈরি করা
ব্যাখ্যা
ফাইল এনক্রিপশন করা অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
অপারেটিং সিস্টেম হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামসমষ্টি।

• অপারেটিং সিস্টেমের কাজ-
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৫৪.
নিচের কোন মেমোরির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) রেজিস্টার
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) র‍্যাম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৭,৪৫৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) ক্যামেরা
  2. খ) কার্ড রিডার
  3. গ) কীবোর্ড
  4. ঘ) হেডফোন
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা

৭,৪৫৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) Code Red
  2. খ) Norton
  3. গ) Avira
  4. ঘ) AVG
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি। 

• অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৫৭.
র‍্যাম কয় প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

র‌্যাম দুই ধরনের।
- DRAM (Dynamic RAM) ও
- SRAM (Static RAM)।
প্রথম দিকে পিসিতে DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকার RAM-ই ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৪৫৮.
কোনটি নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার?
  1. Browser
  2. Worm
  3. Firewall
  4. Antivirus
ব্যাখ্যা

• Worm হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজে থেকে অনুকরণ করতে এবং সংক্রমণ ছড়াতে সক্ষম। এটি কোনো হোস্ট প্রোগ্রামের সঙ্গে যুক্ত না থেকেও স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারে। Worm সাধারণত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দ্রুত বিস্তার লাভ করে এবং কম্পিউটারের ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতি করতে পারে। Browser বা Antivirus নিজে থেকে ম্যালওয়্যার নয়; Browser হলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার সফটওয়্যার, আর Antivirus হলো সিস্টেমকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার প্রোগ্রাম। Firewall হলো সিস্টেমের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে। তাই নিজে থেকে অনুকরণ করতে সক্ষম ম্যালওয়্যার হলো Worm.

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৫৯.
কোন কোম্পানি ১৯৭২ সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উদ্ভাবন করে?
  1. Eastman Kodak Company
  2. Sony Corporation
  3. Texas Instruments Incorporated
  4. Apple Incorporated
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল ক্যামেরা:
- সনাতনী ফিল্ম এর পরিবর্তে মেমরী চিপের মধ্যে ছবি ধারণ করে রাখার ব্যবস্থা।
- ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় মেগা পিক্সেল দিয়ে।
- টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড (Texas Instruments Incorporated) 1972 সালে প্রথম ফিল্মলেস ইলেকট্রনিক ক্যামেরা প্রকাশ্যে আনে।
- 1981 সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বের করে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে ধারণ করা তথ্য সংরক্ষণ করতে একটি "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করে।
- ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি (Eastman Kodak Company) 1991 সালে পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরা বিক্রি শুরু করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৪৬০.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics pad
  3. Speaker
  4. Image setter
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬১.
কোন প্রোগ্রাম ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় করে কম্পিউটারকে সক্রিয় রাখে?
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. গ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারকে সক্রিয় রেখে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম পরিচালনা করে থাকে।
৭,৪৬২.
নিচের কোনটি নন-ভোলাটাইল মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. বাবল মেমরি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
-  Bubble Memory হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- Cache Memory এবং RAM হলো ভোলাটাইল মেমোরি। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,৪৬৩.
এক মেগাবাইটে কত বাইট?
  1. 210
  2. 220
  3. 230
  4. 215
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) : বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট। মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
 ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপঃ

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,৪৬৪.
ফরমেডেট রিপোর্টে কী থাকে?
  1. Report Header
  2. Details
  3. Report Footer
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- Report Header, Details, Report Footer সবগুলোই ফরমেডেট রিপোর্টে থাকে।


উৎস: Microsoft Support [Link]
৭,৪৬৫.
নিচের কোনটি ‍Application package?
  1. LOTUS
  2. UBUNTU
  3. LINUS
  4. DOS
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।


সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।


অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬৬.
একটি ডাটাবেজ টেবিলের সারিগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. কুয়েরি
  4. মডিউল
ব্যাখ্যা
ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন, Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান। 
- প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য কম্পিউটারে ডাটা ইনপুট নেয়া হয়, তাই প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
যেমন- কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা: 
- ডাটাবেজ ব্যবহারের সুবিধা অনেক। 
যেমন: 
১। অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়। 
২। অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়। 
৩। সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়। 
৪। অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস করা যায়। 
৫। বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬৭.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস? 
  1. হার্ডডিস্ক
  2. জয়স্টিক
  3. পেনড্রাইভ
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৬৮.
কিবোর্ডের F6 ফাংশন কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Help মেনু ওপেন করা
  2. ব্রাউজার বা ফোল্ডার ফুলস্ক্রিন করা
  3. ফাইল রিনেম করা
  4. ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বার সিলেক্ট করা
ব্যাখ্যা

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।

৭,৪৬৯.
কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. ইংকজেট প্রিন্টার
  3. থার্মাল প্রিন্টার
  4. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।

• লেজার প্রিন্টার:

- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।
-  এ ধরনের প্রিন্টারের গতি সাধারণত 10,000 lpm (Line per Minute) ।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার ধীর গতি সম্পূর্ণ।
- ইংকজেট প্রিন্টারের ছাপানোর গতি ধীর গতি সম্পূর্ণ হয়ে থাকে।
- থার্মাল প্রিন্টারের ছাপানোর গতি সাধারণত 5,000 lpm হয়ে থাকে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৭০.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভে ডেটা কোথায় মূলত সংরক্ষিত হয়?
  1. Platters
  2. Read/Write Head
  3. Cache Buffer
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• Hard Disk Drive (HDD) হলো একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা কম্পিউটারে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। এতে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যবহারকারীর সব ফাইল সংরক্ষিত থাকে।
হার্ডডিস্কে ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে রাইট ও রিড করা হয়।

• একটি হার্ডডিস্কের অভ্যন্তরে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান থাকে,
যেমন: 
-  Platters (প্লাটার): মেটাল বা গ্লাসের চাকতি যেগুলোর ওপর ডেটা মেগনেটিক পদ্ধতিতে লেখা ও পড়া হয়।
-  Read/Write Head: প্রতিটি প্লাটারের জন্য একটি হেড থাকে, যা ডেটা রিড ও রাইট করে।
-  Spindle: প্লাটারগুলোকে ধরে রাখে এবং উচ্চ গতিতে ঘোরায়।
-  Actuator Arm: হেডগুলোকে সঠিক অবস্থানে চালিত করে।
-  Controller Board: হার্ডডিস্কের সার্কিট বোর্ড, যা ডেটা পরিচালনা করে।
-  Platters: Platter হলো একটি গোলাকার ডিস্ক, যা হার্ডডিস্কের প্রধান অংশ। এই প্লাটারে ডেটা সংরক্ষন করা হয়। প্রতিটি প্লাটার দুটি পৃষ্ঠে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

Platters-এর বৈশিষ্ট্য:
-  প্রতিটি প্লাটারকে ট্র্যাক, সেক্টর, ও সারফেস-এ ভাগ করা হয়।
- একাধিক প্লাটার হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয় স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়াতে।
- প্লাটার গ্লাস বা অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি এবং উপরে মেগনেটিক লেয়ারে আবৃত থাকে।

অন্যদিকে,
Read/Write Head: এটি প্ল্যাটারের উপর ঘুরে ঘুরে ডেটা পড়ে ও লেখে, কিন্তু নিজে ডেটা সংরক্ষণ করে না।

Cache Buffer: এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যেটি দ্রুত ডেটা অ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এটি মূল সংরক্ষণ স্থান নয়।

BIOS: BIOS মূলত মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার, এটি হার্ড ডিস্কের অংশ নয় এবং ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

তথ্যসূত্র:
-  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ৯ম-১০ম শ্রেণি
-  School of computer science, Carleton University.
-  “Computer Architecture: A Quantitative Approach” by Hennessy & Patterson.
৭,৪৭১.
(1100)2 থেকে (101)2 বিয়োগ করুন -
  1. ক) 1010
  2. খ) 0111
  3. গ) 1001
  4. ঘ) 0101
ব্যাখ্যা
1100 - 101 = 0111
৭,৪৭২.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মান কত?
  1. D
  2. 10
  3. E
  4. F
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত দশটি সংখ্যার সঙ্গে অতিরিক্ত ছয়টি অক্ষর A, B, C, D, E, এবং F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪ এবং F মানে ১৫ বোঝায়। অর্থাৎ, একক অঙ্কের মধ্যে সর্বোচ্চ মান হচ্ছে F, যা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৫ এর সমান। তাই প্রশ্ন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে ‘ঘ) F’, কারণ এটি হেক্সাডেসিমেল একক অঙ্কের সর্বোচ্চ মানকে উপস্থাপন করে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
- (151)16, (1B)16, (ABC.B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৭৩.
কোনটি একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে?
  1. Microsoft Word
  2. Google Maps
  3. PayPal
  4. Dropbox
ব্যাখ্যা

• জনপ্রিয় ই-কমার্স পেমেন্ট গেটওয়ে হলো PayPal. এটি বিশ্বজুড়ে বহুল ব্যবহৃত একটি অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম, যা ক্রেতা ও বিক্রেতার মধ্যে নিরাপদ লেনদেন নিশ্চিত করে। ই-কমার্স সাইটে PayPal যুক্ত থাকলে ক্রেতারা সহজে তাদের ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অর্থ প্রদান করতে পারেন।
- Microsoft Word হলো একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, Google Maps মূলত মানচিত্র ও অবস্থান নির্ণয়ের সেবা দেয় এবং Dropbox হলো একটি ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম। এগুলো পেমেন্ট গেটওয়ে নয়। তাই ই-কমার্সের ক্ষেত্রে PayPal-ই একটি কার্যকর ও জনপ্রিয় সমাধান।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ: 
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

৭,৪৭৪.
স্প্রেডশিট, MS- ওয়ার্ড ও পাওয়ারপয়েন্ট কোন সফটওয়্যার কোম্পানির পণ্য?
  1. ক) Microsoft
  2. খ) IBM
  3. গ) Apple
  4. ঘ) Dell
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট কোম্পনির বিভিন্ন পণ্য- 
- Microsoft Access
- Ms Word
- Ms Excel
- Spreadsheet
- Ms Office
- Microsoft AI
- Microsoft Edge ইত্যাদি। 

উৎস: Microsoft
৭,৪৭৫.
BCD শব্দের পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Bit Coded Decimal
  2. Binary Coded Digital
  3. Binary Coded Decimal
  4. Binary Computer Decimal
ব্যাখ্যা

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব। এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
- বিসিডি কোড (BCD – Binary Coded Decimal) হলো একটি পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা (0–9)কে 4 বিটের বাইনারি সংখ্যা দিয়ে দেখানো হয়। উদাহরণস্বরূপ:

0 → 0000
1 → 0001
2 → 0010
3 → 0011
4 → 0100
5 → 0101
6 → 0110
7 → 0111
8 → 1000
9 → 1001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৭৬.
স্কাইপি বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) ইলেকট্রনিক্স গুডস
  2. খ) ভিডিও চ্যাটিং ব্যবস্থার মাধ্যম
  3. গ) রেডিও স্টেশন
  4. ঘ) স্পেইস স্টেশন
ব্যাখ্যা
স্কাইপ একটি অনলাইন ফ্রি “সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম” যার মাধ্যমে এর ব্যবহারকারী নিজের স্কাইপ আইডি থেকে অন্য যেকোনো স্কাইপ ইউজারের সাথে ফ্রি কল, ভিডিও কল,মেসেজ পাঠানো সহ চ্যাটিং করতে পারবে তাও আবার সব সময়ের জন্য সম্পূর্ণ ফ্রী। এর কোন লিমিটেশন নেই, আপনি যত খুশী তত কথা বলতে পারবেন সম্পূর্ণ ফ্রী। স্কাইপ মোবাইল ও কম্পিউটার দুইটাতে ব্যবহার করা যায়। যেমন আপনি মোবাইল দিয়ে যে কোন কম্পিউটার বা মোবাইলের স্কাইপে কল দিতে পারবেন, আবার কম্পিউটার দিয়েও যে কোন মোবাইল বা কম্পিউটারের স্কাইপে কল দিতে পারবেন তবে স্কাইপ ব্যবহার করার জন্য আপনার কম্পিউটার ও মোবাইলে ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।

Source: techtune
৭,৪৭৭.
On older PCs, which key combination was traditionally used to force a reboot?
  1. Ctrl + Alt + Delete
  2. Alt + Shift + F1
  3. Ctrl + Shift + Delete
  4. Ctrl + Alt + Esc
ব্যাখ্যা
⚪ পুরনো কম্পিউটারগুলোতে, Ctrl + Alt + Delete কী কম্বিনেশনটি ব্যবহার করা হতো একটি ফোর্স রিবুট বা জোরপূর্বক রিবুট করার জন্য।
যখন কম্পিউটার হ্যাং করে যেত বা কোনো কারণে সাড়া দিত না, তখন ব্যবহারকারীরা Ctrl + Alt + Delete চেপে কম্পিউটারকে রিস্টার্ট করত। এই কম্বিনেশনটি BIOS লেভেলে কাজ করত, মানে অপারেটিং সিস্টেম চালু হবার আগেও এটি কাজ করত। বিশেষ করে পুরনো MS-DOS বা Windows 95/98 সিস্টেমে এটি খুবই প্রচলিত ছিল।

এই কম্বিনেশনটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল যেন ব্যবহারকারী ভুলবশত চেপে না ফেলে — কারণ তিনটি কী একসাথে চাপা সহজ নয়। এতে করে রিস্টার্ট দেওয়ার সিদ্ধান্তটা ইচ্ছাকৃতভাবে নেওয়া হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
-  Ctrl + Alt + Esc
এই কম্বিনেশনটি কিছু সিস্টেমে Task Manager খোলার জন্য ব্যবহৃত হত (বিশেষ করে Windows এর কিছু সংস্করণে)।

তবে এটি ফোর্স রিবুট বা রিস্টার্ট করার জন্য ব্যবহৃত হত না।

- Ctrl + Shift + Delete
এটি সাধারণত ইন্টারনেট ব্রাউজারে (যেমন Chrome, Firefox) ব্যবহৃত হয় Browsing Data মুছতে (Clear Cache, Cookies ইত্যাদি)।

সিস্টেম রিস্টার্টের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

- Alt + Shift + F1
এটি একটি সাধারণ কী কম্বিনেশন নয় এবং বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমে এর নির্দিষ্ট কোনো কাজ নেই।

কিছু বিশেষ সফটওয়্যার বা কাস্টম কনফিগারেশনে এটি কিছু কাজ করতে পারে, তবে রিস্টার্ট বা রিবুট করার জন্য এটি প্রচলিত নয়।

- সঠিক উত্তর: C) Ctrl + Alt + Delete
এই কম্বিনেশনটি পুরনো এবং নতুন উভয় ধরনের Windows অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় বিশেষ করে সিস্টেম হ্যাং করলে রিস্টার্ট বা Task Manager অ্যাক্সেস করতে।

উৎস: Microsoft website.
৭,৪৭৮.
ভার্চুয়াল মেমরি একটি কম্পিউটারকে সক্ষম করে:
  1. ফিজিক্যাল RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে
  2. CPU-এর গতি বাড়াতে
  3. মনিটরের রেজোলিউশন বাড়াতে
  4. ইন্টারনেটের গতি উন্নত করতে
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি কম্পিউটার প্রযুক্তি যা ফিজিক্যাল RAM-এর সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করতে সাহায্য করে। যখন কোনো প্রোগ্রাম বা ডেটা RAM-এ পুরোপুরি রাখতে পারা যায় না, তখন অপারেটিং সিস্টেম হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অতিরিক্ত স্মৃতির মতো ব্যবহার করে। ফলে, কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও কার্যকরভাবে চালাতে পারে। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামগুলো ধাপে ধাপে RAM এবং হার্ড ড্রাইভের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়, যা সিস্টেমকে স্থিতিশীল রাখে এবং প্রোগ্রাম ক্র্যাশ কমায়। এটি CPU-এর গতি বা ইন্টারনেটের গতি বাড়ায় না, এবং মনিটরের রেজোলিউশন উন্নত করে না। তাই ভার্চুয়াল মেমরির মূল সুবিধা হলো বড় প্রোগ্রাম চালানোর সক্ষমতা।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- IEEE.

৭,৪৭৯.
নিচের কোনটি প্রিন্টিং এর গুণগত মানের পরিমাপক?
  1. PPM
  2. DPI
  3. CPI
  4. CPS
ব্যাখ্যা
Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমানকে বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।

DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।

অন্যদিকে,
PPM (pages per minute) প্রিন্টারের প্রিন্টিং স্পীডকে বুঝায়।
CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ।
CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।

উৎস: www.techopedia.com.
৭,৪৮০.
ইনপুট মানের বিপরীত মান পাওয়া যায় কোন গেটের মাধ্যমে?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. NAND gate
  4. NOT gate
ব্যাখ্যা

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

• নট গেইট (NOT Gate):
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য যে লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে NOT গেইট বলা হয়।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। আউটপুট ইনপুটের বিপরীত বিধায়, এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। 
- এ গেইটে ইনপুট 1 (সত্য) হলে আউটপুট ০ (মিথ্যা), আর ইনপুট ০ (মিথ্যা) হলে আউটপুট 1 (সত্য) হয়। ইনপুট যদি A হয়, তাহলে আউটপুট X = A' (A এর উল্টো)।
- অন্যদিকে, AND গেট সাধারণত গুণের জন্য, OR গেট যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য এবং NAND গেট কম্বিনেশন বা অন্যান্য জটিল লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭,৪৮১.
TRS-40 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ৪র্থ প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large-Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিলো।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM 4341, TRS-40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৮২.
নিচের কোনটি Compiler-এর কাজ নয়?
  1. Source Code কে Machine Code এ রূপান্তর
  2. Syntax Error খুঁজে বের করা
  3. Program Runtime এ Execute করা
  4. Code Optimization করা
ব্যাখ্যা
Compiler সরাসরি Runtime এ Program Execute করে না। এটি কেবল Executable File (.exe, .out) তৈরি করে। Execution-এর কাজ করে Loader/Operating System.
অন্যদিকে, Interpreter হলো সেই প্রোগ্রাম, যা কোডকে এক লাইন করে পড়ে এবং সরাসরি Runtime এ Execute করে।

কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা । রুটিন হলো প্রোথামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার
জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪. প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৮৩.
হাফ-অ্যাডার সার্কিট ব্যবহার করে একটি ফুল-অ্যাডার তৈরি করতে অতিরিক্ত কোন লজিক গেইট প্রয়োজন?
  1. OR গেইট
  2. XOR গেইট
  3. NOT গেইট
  4. AND গেইট
ব্যাখ্যা

◉ হাফ-অ্যাডার ব্যবহার করে ফুল-অ্যাডার বাস্তবায়নের জন্য মূলত দুটি হাফ-অ্যাডার এবং একটি OR Gate প্রয়োজন।

অর্ধযোগের বর্তনী দ্বারা পূর্ণযোগের বর্তনী বাস্তবায়ন:
- হাফ অ্যাডারের সাহায্যে ফুল এডার তৈরীর জন্য ২টি Half-adder এবং Carry যোগের জন্য ১টি অতিরিক্ত অর গেইটের প্রয়োজন হয়।

ধরি, একটি পূর্ণযোগের বর্তনীর ইনপুট সংকেত ও ক্যারি যথাক্রমে A, B ও Ci এবং আউটপুট বা যোগফল S এবং ক্যারি Co।
- নিম্নে হাফ এডার দ্বারা ফুল এডার বাস্তবায়নের ব্লক ডায়াগ্রাম দেয়া হলো-

প্রথম হাফ-অ্যাডারের ইনপুট A ও B থেকে যোগফল S ও ক্যারি C পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ-অ্যাডারে ইনপুট হিসেবে ১ম অ্যাডারের যোগফল ST ও ক্যারি C দেয়া হয়, যার থেকে যোগফল S2 ও ক্যারি C2 পাওয়া যায়।
- দ্বিতীয় হাফ অ্যাডারের যোগফলই হবে ফুল অ্যাডারের যোগফল।
- ১ম ও ২য় হাফ অ্যাডারের ক্যারি যোগ করে পাওয়া যাবে ফুল অ্যাডারের ক্যারি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮৪.
কী-ফিল্ড সাধারণত কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই
  2. খ) তিন
  3. গ) চার
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
- কী-ফিল্ড সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • কী-ফিল্ড:
- সাধারনত কোনো ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে রেকর্ড সনাক্তকরণ, ,অনুসন্ধান ,সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়।
- ডেটাবেজের কোনো ঘটনা/ অবস্থান বর্ণনা করারব জন্যে কী ফিল্ড ব্যবহৃত হয়।

• কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা-
১/ প্রাইমারি কী,
২/ কম্পোজিট কী এবং
৩/ ফরেন কী।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,৪৮৫.
ক্রায়োসার্জারির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
  2.  টিস্যু গরম করে পুড়ানো 
  3.  ক্যান্সার কোষে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা 
  4. টিস্যু সরানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারির প্রধান উদ্দেশ্য হলো অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর টিস্যুকে খুব নিম্ন তাপমাত্রায় জমিয়ে ধ্বংস করা। এটি একটি বিশেষ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে লিকুইড নাইট্রোজেন বা অন্য কোনো ঠান্ডা পদার্থ ব্যবহার করে ত্বক বা অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত কোষের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় টিস্যু গরম করা, রেডিয়েশন ব্যবহার করা বা রাসায়নিক প্রয়োগের পরিবর্তে, কেবল তাপমাত্রা হ্রাসের মাধ্যমে কোষ ধ্বংস করা হয়। ক্রায়োসার্জারি সাধারণত ছোট স্কিন লেজন, পলিপ, ব্রণজনিত টিস্যু বা কিছু ধরনের ক্যান্সার কোষের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ, কম ব্যথাযুক্ত এবং পুনরুদ্ধারে দ্রুত। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,৪৮৬.
Which programming language is commonly executed using an interpreter?
  1. Fortran
  2. C
  3. Assembly
  4. Python
ব্যাখ্যা

• Python হলো সেই প্রোগ্রামিং ভাষা যা সাধারণত ইন্টারপ্রেটার ব্যবহার করে এক্সিকিউট করা হয়।
Fortran, C, এবং Assembly: এই ভাষাগুলো প্রধানত কম্পাইল্ড ভাষা (Compiled Languages)।
- এই ভাষাগুলোতে কোড চালানোর আগে সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একবারেই মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য একটি কম্পাইলার (বা অ্যাসেম্বলির ক্ষেত্রে অ্যাসেম্বলার) ব্যবহার করা হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস (সোর্স) প্রোগ্রামকে বস্তু (অবজেক্ট) প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।

১। কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++, Erlang, Haskell, Rust, Go ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়।
- একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- PHP, Ruby, Python, and JavaScript.

৩। অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
-এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। freeCodeCamp website (link). 

৭,৪৮৭.
ফার্মওয়্যার বলতে কী বুঝায়?
  1. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  2. একটি ড্রাইভ
  3. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  4. একটি হার্ডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি প্রোগ্রাম যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে এবং সেটিকে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। এটি সাধারণত স্থায়ীভাবে (ROM বা Flash memory-তে) সংরক্ষিত থাকে এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে পরিবর্তন করতে পারে না। ফার্মওয়্যার হার্ডওয়্যারের কার্যকারিতা ঠিকমতো সম্পন্ন করতে সাহায্য করে, যেমন প্রিন্টার, রাউটার বা মোবাইল ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ। এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম বা ড্রাইভের মতো সফটওয়্যার নয়, বরং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যবর্তী সংযোগের ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা। 

ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮৮.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digitizer
  2. Lightpen
  3. Trackball
  4. Headphone
ব্যাখ্যা

◉ হেডফোন (Headphone) আউটপুট ডিভাইস (কম্পিউটার থেকে শব্দ শোনার জন্য)। এটি কোনো ডেটা ইনপুট করে না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮৯.
কোনটি ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে?
  1. গেটওয়ে
  2. সুইচ
  3. মডেম
  4. হাব
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে মডেম।

• মডেম:

- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
• মডেমের দুটি অংশ। যথা-
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

• মডুলেটর:
- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।

• ডি-মডুলেটর:
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়।
- যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

• সুইচ:
- সুইচ একধনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে।

• হাব:
- সুইচ এর ন্যায় হাব একধনের নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা এর আওতাধীন ডিভাইসগুলোকে একত্রে সংযুক্ত করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,৪৯০.
কম্পিউটার সরাসরি কোন ভাষা বুঝতে পারে? 
  1. C
  2. Java
  3. Python
  4. Machine Language
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার কেবলমাত্র মেশিন ভাষার বাইনারি নির্দেশনাই সরাসরি বুঝে ও কার্যনির্বাহ করতে পারে।

- C একটি উচ্চস্তরের ভাষা; কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে না।
-  জাভা ভার্চুয়াল মেশিন ও অনুবাদকের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়।
- পাইথন ইন্টারপ্রেটেড উচ্চস্তরের ভাষা; সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্নস্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের মৌলিক ও প্রাথমিক ভাষা।

• লেখার পদ্ধতি:
- মেশিন ভাষায় সকল নির্দেশনা বাইনারি সংখ্যা (০, ১), অথবা কখনো হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি, ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয়।

• বোঝার সক্ষমতা:
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই সরাসরি বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হলে, কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদক (Translator), এর মাধ্যমে সেটিকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়।

• অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহ:
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

• জটিলতা ও বৈশিষ্ট্য:
- শুধুমাত্র ০ ও ১ ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও শ্রমসাধ্য, হওয়ায় এই ভাষাকে লো-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ (Low-level Language) বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

৭,৪৯১.
কোনটির জন্য এমবেডেড কম্পিউটার প্রযোজ্য নয়?
  1. স্লাইড রুল
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. স্মার্টফোন
  4. এসি
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ ধরনের কম্পিউটার যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা ডিভাইসের কার্যক্ষমতা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো সব কাজ করতে পারে না; বরং নির্দিষ্ট ফাংশনের জন্য ডিজাইন করা। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোওয়েভ ও স্মার্টফোনে এমবেডেড কম্পিউটার থাকে যা রানটাইম নিয়ন্ত্রণ, সেন্সর পড়া এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করে। স্লাইড রুলের মতো সরল যন্ত্রে কোনো প্রক্রিয়াকরণ বা স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হয় না, তাই এখানে এমবেডেড কম্পিউটার থাকে না। এছাড়া, এসি (এয়ার কন্ডিশনার) সাধারণত এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করে তাপমাত্রা ও ফ্যান নিয়ন্ত্রণের জন্য।
- তাই এমবেডেড কম্পিউটার প্রযোজ্য নয়- স্লাইড রুলের ক্ষেত্রে।


এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো: গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৯২.
দুই ইনপুটবিশিষ্ট অর (OR) গেইট-এর আউটপুট শূন্য হয় যখন ____হয়।
  1. উভয় ইনপুট শূন্য
  2. যে কোনো একটি ইনপুট শূন্য
  3. উভয় ইনপুট '1'
  4. যে কোনো একটি ইনপুট '1
ব্যাখ্যা
OR গেইট হচ্ছে যৌক্তিক যোগের গেইট। অর্থাৎ বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যৌক্তিক যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য যে গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে OR গেইট বলা হয়।
OR গেইটে দুই বা ততোধিক ইনপুট লাইন থাকে এবং একটিমাত্র আউটপুট লাইন থাকে।
যেহেতু OR গেইট যৌক্তিক যোগের গেইট তাই এটি যৌক্তিক যোগের নিয়ম মেনে চলে।
অর্থাৎ এই গেইটের ক্ষেত্রে যেকোনো একটি ইনপুটের মান ১ হলে আউটপুট ১ হয়, অন্যথায় ০ হয়।
(রেফারেন্সঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেনীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)
৭,৪৯৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের পারঙ্গমতা নয়?
  1. Incredibility
  2. High intelligence quotient
  3. Diligence
  4. Versatility
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটারের পারঙ্গমতাসমূহ:
Incredibility (অসম্ভবকে সম্ভব করা):
- এয়ারলাইন- রেললাইন বুকিং, ক্রেডিট কার্ড বা স্মার্ট কার্ড ব্যবহার, আবহাওয়া বার্তা, মহাকাশ গবেষণা ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার ছাড়া সুষ্ঠুভাবে কাজ সম্পাদন করা সম্ভব না।

• Versatility (বহুমুখিতা):
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেমের মাধ্যমে কম্পিউটার একই সাথে অনেকগুলো কাজ করতে পারে এবং একই সাথে বহু ব্যবহারকারী ভিন্ন ভিন্ন কাজ করতে পারে।

• Diligence (২৪ ঘন্টা কাজ করা):
-কম্পিউটারের কোনো ব্রেক দরকার হয় না, একটানা ২৪ ঘন্টা কাজ করতে পারে এমনকি বছরে ৩৬৫ দিনই নিরবিচ্ছিন্নভাবে কম্পিউটার কাজ করতে পারে। কোনো মানুষের পক্ষে এভাবে একটনা কাজ করা সম্ভব না।

- কম্পিউটারের আইকিউ(intelligence quotient) হচ্ছে শূন্য। অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধিমত্তা নেই। কম্পিউটার নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে কোন কাজ করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)- শিক্ষক প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল [bcc.portal.gov.bd]।
৭,৪৯৪.
কম্পিউটার বন্ধ করতে হয়-
  1. ক) শাটডাউন কমান্ডের মাধ্যমে
  2. খ) সিপিইউ এর সুইচ বন্ধ করে
  3. গ) পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সুইচ বন্ধ করে
  4. ঘ) উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৭,৪৯৫.
মডুলেটরের কাজ কী?
  1. ক) ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
  2. খ) অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  3. গ) ডিজিটাল সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরিত করা।
  4. ঘ) অ্যানালগ সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা।
ব্যাখ্যা
মডুলেটরের কাজ হচ্ছে ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রুপান্তরিত করা। 

- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
মডেমের দুটি অংশ। যথা- 
১। মডুলেটর (Modulator) ও
২। ডি-মডুলেটর (De-modulator)

- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে, এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন ।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

সূত্র: ৭০ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৪৯৬.
Apple Macintosh কোন প্রজন্মের কম্পিউটার
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. প্রথম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্ম:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হলো ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
- এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়।
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে।
- এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হল বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার, অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা। 
- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯৭.
Which device grants or rejects network access to traffic flows between an untrusted zone and trusted zone?
  1. ক) Router
  2. খ) Bridge
  3. গ) hub
  4. ঘ) Firewall
ব্যাখ্যা
- নেটওয়ার্ক তৈরিতে একটি কম্পিউটার ছাড়াও আরো অনেক ডিভাইসের প্রয়োজন হয়। যেমন: নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড, মডেম, হাব, সুইচ, রাউটার, গেটওয়ে ইত্যাদি।
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে। হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।

- কার্যকারিতার দিক থেকে হাব দুই প্রকার। যথা: 

১। সক্রিয় হাব
২। নিষ্ক্রিয় হাব

রাউটার একটি নেটওয়ার্কিং ডিভাইস যা নেটওয়ার্কের অন্তর্গত উৎস কম্পিউটার থেকে গন্তব্য কম্পিউটারে ডেটা প্যাকেট পৌঁছে দেয়। রাউটারকে পোস্টম্যানের সাথে তুলনা করা যেতে পারে।

ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অনাদিষ্ট প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। ফায়ারওয়াল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার (যেমনঃ উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল) এবং হার্ডওয়্যার রাউটার, কম্পিউটার, প্রক্সিসার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা। 
৭,৪৯৮.
চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিং কোনটি?
  1. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  2. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  3. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ডিজাইন মডেল:
- প্রোগ্রামের গঠন রীতিনীতিকে প্রোগ্রাম মডেল বলে।
- সঠিকভাবে প্রোগ্রাম লেখা এবং প্রোগ্রামকে সহজভাবে বুঝার জন্য প্রোগ্রাম রচনার ক্ষেত্রে কয়েকটি মডেল অনুসরণ করা হয়।
- জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ডিজাইন মডেলসমূহ হলো:

১. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে।

২. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং:
- যে প্রোগ্রামিং সিস্টেমে মেন্যু বা চিত্রের সাহায্যে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করা হয় তাকে ভিজ্যুয়াল বা দৃশ্যমান প্রোগ্রামিং বলে। অর্থাৎ এটা একটি চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিং মডেল।
- উইন্ডোজ (Windows) অপারেটিং সিস্টেম এ মডেলটি সমর্থন করে। ডস (DOS) অপারেটিং সিস্টেমে এ মডেলের প্রোগ্রাম রচনা সম্ভব নয়।
- গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস তৈরির জন্য ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং টুল ব্যবহৃত হয়, যা সকল GUI ডিজাইনার গ্রাফিকাল ইন্টারঅ্যাকশনের মাধ্যমে ইন্টারেক্টিভ, গ্রাফিকাল এবং সরাসরি ম্যানিপুলেটেড ইউজার ইন্টারফেস তৈরি করতে সক্ষম হয়।
- উদাহরণ: Visual Basic, Visual C, Visual Foxpro ইত্যাদি।

৩. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

৪. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং:
- যে প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন নির্দেশ চিত্রের মাধ্যমে দেয়া হয় তাকে ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং বলে।
- অর্থাৎ চিত্রভিত্তিক প্রোগ্রামিংগুলোই হলো ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯৯.
কম্পিউটারের Heart বলা হয় কোনটিকে?
  1. Memory
  2. Monitor
  3. CPU
  4. Disks
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরুপ Central Processing Unit
- কম্পিউটার ব্রেইন বা হার্ট বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- এটিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 
 তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU গঠিত -
- ALU (Arithmetic Logic Unit),
- Control Unit এবং
- Memory/Register

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,৫০০.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 1 = 1
  2. খ) A + A' = 1
  3. গ) A + 0 = A
  4. ঘ) A + A = 1
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্যঃ
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।