ব্যাখ্যা
- VAR এর পূর্ণরূপ Video Assistant Referee.
- বর্তমানে ফুটবল খেলায় VAR প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৭৩ / ৮২ · ৭,২০১–৭,৩০০ / ৮,১৪১
• জাভাস্ক্রিপ্ট প্রধানত ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে চলে এবং ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদান যেমন বোতাম, ফর্ম, মেনু, স্লাইডার ইত্যাদির সাথে ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকে সাড়া দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বাটনে ক্লিক করলে তথ্য দেখানো বা লুকানো, রিয়েল-টাইম ভ্যালিডেশন, অ্যানিমেশন, ড্রপডাউন মেনু ইত্যাদি জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে সহজে করা যায়। এটি HTML এবং CSS-এর সাথে মিলিত হয়ে ওয়েব পেজকে কেবল স্থির নয়, বরং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগশীল ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই জাভাস্ক্রিপ্টের মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।
- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।
জাভাস্ক্রিপ্ট:
- JavaScript একটি লাইটওয়েট প্রোগ্রামিং ভাষা (স্ক্রিপ্টিং ভাষা) এবং ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি HTML-এ ডাইনামিক টেক্সট সন্নিবেশ করতে পারে।
- জাভাস্ক্রিপ্ট ব্রাউজার ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৯৫ সালে নেটস্কেপের প্রকৌশলী ব্রেন্ডন আইক জাভাস্ক্রিপ্ট তৈরি করেন।
JavaScript এর ব্যবহার:
- ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং: JavaScript ব্রাউজারে সরাসরি চলে, যা ওয়েব পেজের কন্টেন্টকে ডায়নামিকভাবে পরিবর্তন করতে পারে।
- সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্ট: Node.js এর মাধ্যমে JavaScript সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রন্টএন্ড ফ্রেমওয়ার্ক: React, Angular, এবং Vue.js এর মতো জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্কগুলি JavaScript ভিত্তিক।
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট: Express.js এর মাধ্যমে JavaScript ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারেক্টিভ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন: AJAX এবং API কলের মাধ্যমে ডেটা লোড এবং আপডেট করা যায়।
সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• OR, AND ও NOT—এই তিনটিকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য যে গেইটগুলো ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল সিস্টেমের মূল কাঠামো এই গেইটগুলোর ওপর নির্ভরশীল।
• কেন OR, AND ও NOT মৌলিক:
- OR Gate ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফল নির্ণয় করে।
- AND Gate ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফল নির্ণয় করে।
- NOT Gate ইনপুটের বিপরীত মান (Complement) প্রদান করে।
- এই তিনটি গেইট দিয়েই ডিজিটাল যুক্তির মৌলিক সব ধারণা প্রকাশ করা যায়।
• ডিজিটাল সিস্টেমে ভূমিকা:
- মৌলিক গেইটগুলো ব্যবহার করে জটিল লজিক সার্কিট তৈরি করা হয়।
- অন্যান্য গেইট (যেমন NAND, NOR, XOR) এই মৌলিক গেইটগুলোর ধারণার ওপর ভিত্তি করেই গঠিত।
• অন্যান্য অপশন:
- NAND, NOR, XOR বিশেষ বা ডেরাইভড লজিক গেইট।
- এগুলো মৌলিক নয়, বরং মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• DML (Data Manipulation Language) কমান্ডের মধ্যে UPDATE কমান্ডটি ব্যবহার করা হয় একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য। যখন কোনো টেবিলের নির্দিষ্ট রেকর্ডের মান পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের সাহায্য নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো কর্মচারীর বেতন বাড়ানো বা নাম পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পরিবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, CREATE টেবিল তৈরি করার জন্য, SELECT ডেটা পড়ার জন্য এবং DELETE ডেটা মুছার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঠিক DML কমান্ড হলো UPDATE.
• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).
• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.
• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- সঠিক উত্তর: ক) কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
• বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।
২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• কম্পাইলার (Compiler) হলো অনুবাদক প্রোগ্রামের একটি প্রকার, যা উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী করে।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- অনুবাদক প্রোগ্রাম হলো এমন সফটওয়্যার যা এক প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা নির্দেশকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করে।
- উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পিউটারের বোঝার জন্য মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি উচ্চস্তরের ভাষা বুঝতে পারে না, তাই অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয়।
• অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রকারভেদ:
- কম্পাইলার (Compiler) → পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে।
- ইন্টারপ্রেটার (Interpreter) → প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে।
- অ্যাসেম্বলার (Assembler) → অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে।
• উচ্চস্তরের ভাষা:
- উচ্চস্তরের ভাষা মানুষের জন্য সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ভাষা।
- উদাহরণ: Java, C, C++, Python।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম সরাসরি কম্পিউটার বুঝতে পারে না, তাই অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Compiler → উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন ভাষায় অনুবাদকারী অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- Spreadsheet → টেবিল আকারে তথ্য সংরক্ষণ, গণনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- Word Processor → টেক্সট টাইপ, সম্পাদনা ও ফরম্যাটিং করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- Database → সংগঠিতভাবে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica।
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.
• ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড NoSQL ডাটাবেজ হলো এমন একটি ডাটাবেজ যা ডেটাকে ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে, সাধারণত JSON বা BSON ফরম্যাটে। এই ধরনের ডাটাবেজে প্রতিটি ডকুমেন্ট একটি স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ডেটা একটি ডকুমেন্টে সহজে রাখা যায়। তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে, MongoDB একটি ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ। এটি ফ্লেক্সিবল স্কিমা সমর্থন করে এবং ডকুমেন্টগুলোকে সংগ্রহ (collection) আকারে সংরক্ষণ করে। অন্যদিকে Neo4j হলো গ্রাফ-ডাটাবেজ, Cassandra হলো কলাম-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ, আর Redis হলো কী-ভ্যালু স্টোর। তাই MongoDB একমাত্র ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড।
ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
1 byte = 8 bit,
1 kilobit = 125 byte,
1 Megabit = 125,000 byte,
1 Megabyte = 1,000,000 byte. (106 byte)
- ইন্টেল পেন্টিয়াম একটি প্রসেসর।
- অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়।
- আইসি তৈরি হয় ট্রানজিস্টর দিয়ে।
- একটি প্রসেসরে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা যত বেশি হবে প্রসেসরের গতি তত বেশি হবে।
- প্রসেসরের গতি সাধারণত হার্জ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে প্রসেসর জগতে ইন্টেল কোর i7 এবং i5 বহুল ব্যবহৃত হয়।
• কম্পিউটারে "পারফরম্যান্স টেস্ট" করার জন্য সাধারণত Benchmark ব্যবহার করা হয়। Benchmark হলো একটি সফটওয়্যার বা টুল যা কম্পিউটারের প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড, র্যাম, স্টোরেজ এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের কার্যক্ষমতা নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের টেস্ট চালিয়ে সিস্টেমের দ্রুততা, স্থায়িত্ব এবং দক্ষতার মান মাপতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, VLC Media Player শুধুমাত্র মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ভিডিও ও অডিও চালাতে ব্যবহৃত হয়, MS Word হলো ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার এবং WinZip হলো ফাইল কম্প্রেশন টুল। তাই পারফরম্যান্স নিরীক্ষার ক্ষেত্রে Benchmark ছাড়া অন্য কোনো সফটওয়্যার সরাসরি কার্যকর নয়।
• Benchmark:
- Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।
• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম:
- Cinebench
- Geekbench
- 3DMark
- PassMark
• অপশন আলোচনা:
- WinZip: ফাইল compress ও decompress করার সফটওয়্যার।
- MS Word: মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
- VLC Media Player: ভিডিও ও অডিও প্লে করার সফটওয়্যার।
তথ্যসূত্র:
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়।
অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
এখানে,
১২১/২ = ৬০, ভাগশেষ ১
৬০/২ = ৩০, ভাগশেষ ০
৩০/২ = ১৫, ভাগশেষ ০
১৫/২ = ৭, ভাগশেষ ১
৭/২ = ৩, ভাগশেষ ১
৩/২ = ১, ভাগশেষ ১
১/২ = ০, ভাগশেষ ১↑
∴ (১২১)১০ = (১১১১০০১)২
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমেলের ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- কাজেই এটাকে প্রকাশ করার জন্য ১৬ টি অঙ্ক প্রয়োজন।
- ডেসিমেল দশমিক সংখ্যা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত, এর পরের ৬ টি অঙ্কের জন্য A, B, C, D, E এবং F এই ইংরেজি বর্ণকে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
• microphone - 'output device' নয়।
ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Virtual Memory হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশকে সাময়িকভাবে RAM-এর সম্প্রসারণ (extension) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন অপারেটিং সিস্টেম কম ব্যবহৃত ডেটা RAM থেকে ডিস্কে সরিয়ে রাখে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরিয়ে আনে।
ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।
• উল্লিখিত মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো Mini-ITX (ঘ)। মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর মূলত এর আকার, ডিজাইন এবং কেসের সঙ্গে সামঞ্জস্য বোঝায়। Extended ATX এবং ATX তুলনামূলকভাবে বড় আকারের, যা বেশি এক্সপ্যানশন স্লট ও হার্ডওয়্যার সাপোর্ট দেয়। Micro-ATX আকারে ছোট হলেও এটি এখনও Mini-ITX-এর চেয়ে বড়। Mini-ITX সাধারণত মাত্র ১৭×১৭ সেন্টিমিটার আকারের হয়, তাই এটি ছোট কেস, কম জায়গা নেওয়া কম্পিউটার এবং হোম থিয়েটার পিসির জন্য খুবই উপযোগী। ছোট আকারের কারণে এতে এক্সপ্যানশন সীমিত হলেও এটি শক্তি সাশ্রয়ী ও বহনযোগ্য সমাধান দেয়।
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]
• VLOOKUP ফাংশনটি Excel-এ Vertical Lookup (ভার্টিক্যাল লুকআপ)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
• VLOOKUP (Vertical Lookup):
- • VLOOKUP (Vertical Lookup) হলো Excel-এর একটি function, যা একটি টেবিলের প্রথম কলামে (first column) নির্দিষ্ট একটি মান খোঁজে এবং সেই মানের সাথে মিল থাকা সারির অন্য একটি কলাম থেকে তথ্য ফেরত দেয়।
- এটি বৃহৎ ডেটা সেটে দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।
• মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।
উৎস:
1. Microsoft Support Website.
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
◉ "McAfee" হচ্ছে একটি সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার বা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
• হাইব্রিড কম্পিউটার হচ্ছে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়।
• ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির।
উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
• বুলিয়ান উপপাদ্য বা Boolean algebra একটি গাণিতিক কাঠামো যা লজিক্যাল অপারেশন যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে প্রতিটি ভেরিয়েবল শুধুমাত্র দুইটি মান নিতে পারে: 0 বা 1। বুলিয়ান সংযুক্তি (OR) নির্দেশ করে দুটি ভেরিয়েবলের মধ্যে যেকোনো একটি সত্য হলে ফলাফল সত্য হবে। উপপাদ্য অনুযায়ী, যখন আমরা একই ভেরিয়েবলকে OR অপারেশনে নিজের সঙ্গে যোগ করি, অর্থাৎ, A + A = A তখন ফলাফল একই ভেরিয়েবলের সমান হয়। এটি একটি মৌলিক নিয়ম যা বলে যে কোন ভেরিয়েবলকে নিজের সাথে যুক্ত করলে তার মান অপরিবর্তিত থাকে।
বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়। এর জন্যে এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।
মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে।
যথা- Mechanical এবং Optical Mouse.
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল
কিউআর কোড, (কুইক রেসপন্স কোড থেকে সংক্ষিপ্ত) হচ্ছে এক ধরণের ম্যাট্রিক্স বারকোড (বা দ্বিমাত্রিক বারকোড) ধরনের একটি ট্রেডমার্ক। বারকোড হল মেশিনে পাঠযোগ্য অপটিক্যাল লেবেল যা এতে সংযুক্ত উপাত্ত সম্পর্কে তথ্য ধারণ করে থাকে।
A quick response (QR) code is a type of barcode that can be read easily by a digital device and which stores information as a series of pixels in a square-shaped grid. QR codes are frequently used to track information about products in a supply chain and often used in marketing and advertising campaigns.
Source: Investopedia.
• ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।
• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ সকেট হলো মাদারবোর্ডের বিশেষ অংশ যেখানে সিপিইউ (প্রসেসর) সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ধরন অনুযায়ী ডিজাইন করা হয় (যেমন: Intel-এর LGA বা AMD-এর PGA সকেট)।
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রশ্ন: ১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
সমাধান:
এখানে,
(১১০১০)২
= (১ × ২৪) + (১ × ২৩) + (০ × ২২) + (১ × ২১) + (০ × ২০)
= ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ০
= ২৬
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে স্থানীয় মান কমতে থাকে— 2⁻¹, 2⁻², 2⁻³ …
• বাইনারি সংখ্যাঃ
- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলকিস এর নেতৃত্বধীন একদল বিজ্ঞানী নিউম্যানের ধারণা কে কাজে লাগিয়ে EDSAC তৈরি করেন ।
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
উৎস: ব্রিটানিকা
• Navigation Keys হলো এমন কী, যা মূলত কার্সর বা স্ক্রল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মাধ্যমে টেক্সট বা ডকুমেন্টে দ্রুত চলাফেরা করা যায়। উদাহরণ: Arrow Keys (↑ ↓ → ←), Home, End, Page Up, Page Down.
- End কী কার্সরকে লাইনের শেষে অথবা ডকুমেন্টের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। এজন্য একে নেভিগেশন কী ধরা হয়।
কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।
• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।
• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.
• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
Source: support.microsoft.com
• কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট হলো এমন সার্কিট যেটির আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে এবং এর কোনো মেমরি বা স্টোরেজ এলিমেন্ট থাকে না। ডিকোডার ও মাল্টিপ্লেক্সার এই ধরনের সার্কিটের উদাহরণ, কারণ এগুলোর আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। NAND গেটও একটি বেসিক কম্বিনেশনাল গেট। কিন্তু রেজিস্টার হলো একটি সিকুয়েনশিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে এবং এর আউটপুট পূর্ববর্তী ইনপুট বা স্টেটের উপরও নির্ভর করে।
- তাই, এই চারটির মধ্যে শুধুমাত্র রেজিস্টার কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট নয়।
• রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট যা ডেটা সংরক্ষণ করে।
- এটি তথ্য বা বিটের একটি গ্রুপ সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- রেজিস্টার প্রায়ই ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কম্বিনেশনাল লজিক নয়, কারণ এর আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, পূর্ববর্তী অবস্থানও প্রভাবিত করে।
- সুতরাং, রেজিস্টার হলো - সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট।
• ডিকোডার (Decoder):
- ডিকোডার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একটি n-বিট ইনপুটকে 2n আউটপুট লাইনে রূপান্তর করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে আউটপুট তৈরি করে।
- ডিকোডার কোনো মেমরি বা স্টোরেজ ব্যবহার করে না।
- তাই এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।
• মাল্টিপ্লেক্সার (Multiplexer):
- মাল্টিপ্লেক্সার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একাধিক ইনপুট থেকে একটি নির্দিষ্ট ইনপুটকে সিলেকশন লাইন অনুযায়ী আউটপুটে প্রেরণ করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুট এবং সিলেকশন সিগন্যালের উপর নির্ভর করে।
- মাল্টিপ্লেক্সার কোনো মেমরি বা পূর্ববর্তী অবস্থার উপর নির্ভরশীল নয়।
- সুতরাং এটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।
• NAND গেট:
- NAND গেট হলো একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক গেট।
- এটি ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সরাসরি আউটপুট দেয়।
- NAND গেটের আউটপুট কোনো পূর্ববর্তী অবস্থা বা মেমরির উপর নির্ভর করে না।
- তাই এটি সম্পূর্ণভাবে কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।
সূত্র:
- Imperial College London. [link]
- lowa State University. [link]
◉ একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101
সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।
বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর:
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮।
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়।
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
সঠিক উত্তর - ঘ) To distinguish human users from bots.
CAPTCHA:
- পূর্ণরূপ: Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart
- এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী ও স্বয়ংক্রিয় বটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
- CAPTCHA এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে বটকে ক্ষতিকারক বা অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং, বা সাইবার আক্রমণ করতে না পারে।
- এই সিস্টেমটি মানুষের পক্ষে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটের জন্য কঠিন কাজ প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:
- বিকৃত লেখা বা অক্ষর চিহ্নিত করা,
- নির্দিষ্ট ছবি নির্বাচন করা,
- ধাঁধা বা সাধারণ গণিত সমাধান করা।
- সফলভাবে CAPTCHA সম্পন্ন করে ব্যবহারকারী প্রমাণ করে যে তিনি একজন মানব, স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষা করা, যাতে বটগুলো অপব্যবহার করতে না পারে।
- CAPTCHA প্রযুক্তি ভিজ্যুয়াল রিকগনিশন (visual recognition) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্সে।
• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.
উৎস: ব্রিটানিকা।
◉ Worm হলো এক ধরনের Self-Replicating Malware, যা ব্যবহারকারীর কোনো কাজ ছাড়াই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ভাইরাসের মতো ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায় না।
ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।
বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
GUI ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Mac OS।
• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ -
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• “0xA” হলো হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা, যা ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে লেখা হয়। এখানে 0x একটি উপসর্গ বা প্রেফিক্স, যা নির্দেশ করে যে সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল বা ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে আছে। হেক্সাডেসিমালে সংখ্যা 0–9 এবং অক্ষর A–F ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪, এবং F মানে ১৫। তাই 0xA-তে “A” অংশটি ১০ নির্দেশ করছে। যখন এটি দশমিক (Decimal) সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়, তখন 0xA মানে সরাসরি ১০। সুতরাং, 0xA এর দশমিক মান হলো ১০। উত্তর হবে খ) 10
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect.