বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭৩ / ৮২ · ৭,২০১৭,৩০০ / ৮,১৪১

৭,২০১.
বর্তমানে ফুটবল খেলায় কোন ধরনের কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) DRS
  2. খ) Hot Spot
  3. গ) VAR
  4. ঘ) NHL
ব্যাখ্যা
VAR
- VAR এর পূর্ণরূপ Video Assistant Referee.
- বর্তমানে ফুটবল খেলায় VAR প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়।
৭,২০২.
জাভাস্ক্রিপ্ট প্রধানত কোন উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. ওয়েব পেজের নকশা করা
  2. ডাটাবেসের কাঠামো তৈরি করা
  3. ওয়েব পেজকে ইন্টারেকটিভ করা
  4. সার্ভার হার্ডওয়্যার ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

• জাভাস্ক্রিপ্ট প্রধানত ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে চলে এবং ওয়েব পেজের বিভিন্ন উপাদান যেমন বোতাম, ফর্ম, মেনু, স্লাইডার ইত্যাদির সাথে ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকে সাড়া দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বাটনে ক্লিক করলে তথ্য দেখানো বা লুকানো, রিয়েল-টাইম ভ্যালিডেশন, অ্যানিমেশন, ড্রপডাউন মেনু ইত্যাদি জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে সহজে করা যায়। এটি HTML এবং CSS-এর সাথে মিলিত হয়ে ওয়েব পেজকে কেবল স্থির নয়, বরং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগশীল ও প্রাণবন্ত করে তোলে। তাই জাভাস্ক্রিপ্টের মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।

- সঠিক উত্তর: গ) ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করা।

জাভাস্ক্রিপ্ট:
- JavaScript একটি লাইটওয়েট প্রোগ্রামিং ভাষা (স্ক্রিপ্টিং ভাষা) এবং ওয়েব পেজকে ইন্টারেক্টিভ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি HTML-এ ডাইনামিক টেক্সট সন্নিবেশ করতে পারে।
- জাভাস্ক্রিপ্ট ব্রাউজার ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবেও পরিচিত।
- ১৯৯৫ সালে নেটস্কেপের প্রকৌশলী ব্রেন্ডন আইক জাভাস্ক্রিপ্ট তৈরি করেন।

JavaScript এর ব্যবহার: 
- ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিং: JavaScript ব্রাউজারে সরাসরি চলে, যা ওয়েব পেজের কন্টেন্টকে ডায়নামিকভাবে পরিবর্তন করতে পারে।
- সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্ট: Node.js এর মাধ্যমে JavaScript সার্ভার-সাইড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রন্টএন্ড ফ্রেমওয়ার্ক: React, Angular, এবং Vue.js এর মতো জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্কগুলি JavaScript ভিত্তিক।
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্ট: Express.js এর মাধ্যমে JavaScript ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টেও ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারেক্টিভ ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন: AJAX এবং API কলের মাধ্যমে ডেটা লোড এবং আপডেট করা যায়।

সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২। ব্রিটানিকা। 

৭,২০৩.
প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়। 

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে — অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- HP Support: What is Printer Resolution? DPI Explained.
৭,২০৪.
Which gates are called basic logic gates?
  1. OR, AND, NOT
  2. NAND, NOR, XOR
  3. XOR, XNOR, NOT
  4. AND, OR, NAND
ব্যাখ্যা

• OR, AND ও NOT—এই তিনটিকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য যে গেইটগুলো ভিত্তি হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল সিস্টেমের মূল কাঠামো এই গেইটগুলোর ওপর নির্ভরশীল।

• কেন OR, AND ও NOT মৌলিক:
- OR Gate ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফল নির্ণয় করে।
- AND Gate ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফল নির্ণয় করে।
- NOT Gate ইনপুটের বিপরীত মান (Complement) প্রদান করে।
- এই তিনটি গেইট দিয়েই ডিজিটাল যুক্তির মৌলিক সব ধারণা প্রকাশ করা যায়।

• ডিজিটাল সিস্টেমে ভূমিকা:
- মৌলিক গেইটগুলো ব্যবহার করে জটিল লজিক সার্কিট তৈরি করা হয়।
- অন্যান্য গেইট (যেমন NAND, NOR, XOR) এই মৌলিক গেইটগুলোর ধারণার ওপর ভিত্তি করেই গঠিত।

• অন্যান্য অপশন:
- NAND, NOR, XOR বিশেষ বা ডেরাইভড লজিক গেইট।
- এগুলো মৌলিক নয়, বরং মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে তৈরি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২০৫.
কোন DML কমান্ডটি একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. CREATE
  2. SELECT
  3. UPDATE 
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

• DML (Data Manipulation Language) কমান্ডের মধ্যে UPDATE কমান্ডটি ব্যবহার করা হয় একটি টেবিলের বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের জন্য। যখন কোনো টেবিলের নির্দিষ্ট রেকর্ডের মান পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের সাহায্য নেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো কর্মচারীর বেতন বাড়ানো বা নাম পরিবর্তন করতে হয়, তখন UPDATE কমান্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট রেকর্ড পরিবর্তন করা হয়। অন্যদিকে, CREATE টেবিল তৈরি করার জন্য, SELECT ডেটা পড়ার জন্য এবং DELETE ডেটা মুছার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সঠিক DML কমান্ড হলো UPDATE.

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২০৬.
নিচের কোন পদ্ধতিটি আচরণগত বায়োমেট্রিক শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. হাতের রেখা শনাক্তকরণ
  3. আইরিশ শনাক্তকরণ
  4. মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

• বায়োমেট্রিক্স:

- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা:
১. শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- আইরিশ শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ।

২. আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ,
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৭,২০৭.
Serial Port -এ পিন সংখ্যা কত?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
পোর্ট (Port): 
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ। 
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। 

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port): 
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়। 
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়। 
- মডেম, মাউস, কি বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে। 
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২০৮.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ নয়?
  1. QBE
  2. ALGOL
  3. QUEL
  4. SQL
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ:
- ডেটাবেজে কোনো প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
• QUEL - QUEery Language
• QBE - Query By Example 
• SQL - Structured Query Language

- ALGOL উচ্চতর বা তৃতীয় প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,২০৯.
'Unicode' এর আবিষ্কারক কে?
  1. Steve Jobs
  2. Ken Thompson
  3. Joe Becker
  4. Linus Torvalds
ব্যাখ্যা
Unicode:
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হলো কম্পিউটার পরিমণ্ডলে যে কোন ভাষার প্রতিটি বর্ণ বা কোন সঙ্কেত-চিহ্নের জন্য নির্ধারিত অদ্বিতীয় সংখ্যা।
- ইউনিকোড ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড ফলে ৬৫৫৩৬ টি চিহ্নকে কম্পিউটার সিস্টেমে অদ্বিতীয়ভাবে বুঝানো যায়।
- ইউনিকোড পৃথিবীর প্রতিটি ভাষার প্রতিটি অক্ষরের জন্য একটি একক সংখ্যা বরাদ্দ করছে, সেটা যে প্লাটফর্মের জন্যই হোক, যে প্রোগ্রামের জন্যই হোক, আর যে ভাষার জন্যই হোক।
- ইউনিকোডের এই বৈশিষ্ট্য প্রযুক্তিশিল্পে নেতৃত্ব দিচ্ছে এরকম কোম্পানিগুলি যেমন, Apple, HP, IBM, JustSystem, Microsoft, Oracle, SAP, Sun, Sybase, Unisys সহ অনেকেই গ্রহণ করেছে।
- মার্ক ডেভিস এবং জো বেকার 'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক।
- 'ইউনিকোড' আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৭ সালে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,২১০.
অপারেটিং সিস্টেম সর্বপ্রথম কোন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রো কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
- এটি ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়্যারও বলা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার সর্বপ্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২১১.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কি তৈরি করা হয়?
  1. ২D ছবি
  2. GIF ছবি
  3. ৩D ছবি
  4. ১D ছবি
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করা যায়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৭,২১২.
বিশ্বব্যাপী বিপর্যয় সৃষ্টিকারী 'CIH' ভাইরাস কত তারিখে কম্পিউটার আক্রমণ করে?
  1. ২৬ এপ্রিল ’৯৮
  2. ২৬ মে ’৯৮
  3. ২৬ এপ্রিল ’৯৯
  4. ঘ২৬ মে ’৯৯
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,২১৩.
নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত?
  1. স্প্রেডশিট
  2. ওয়ার্ড প্রসেসর
  3. ডেটাবেজ
  4. কম্পাইলার
ব্যাখ্যা

কম্পাইলার (Compiler) হলো অনুবাদক প্রোগ্রামের একটি প্রকার, যা উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী করে।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- অনুবাদক প্রোগ্রাম হলো এমন সফটওয়্যার যা এক প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা নির্দেশকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করে।
- উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পিউটারের বোঝার জন্য মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি উচ্চস্তরের ভাষা বুঝতে পারে না, তাই অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয়।

অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রকারভেদ:
- কম্পাইলার (Compiler) → পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে।
- ইন্টারপ্রেটার (Interpreter) → প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে।
- অ্যাসেম্বলার (Assembler) → অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে।

উচ্চস্তরের ভাষা:
- উচ্চস্তরের ভাষা মানুষের জন্য সহজবোধ্য প্রোগ্রামিং ভাষা।
- উদাহরণ: Java, C, C++, Python।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম সরাসরি কম্পিউটার বুঝতে পারে না, তাই অনুবাদক প্রোগ্রামের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Compiler → উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন ভাষায় অনুবাদকারী অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- Spreadsheet → টেবিল আকারে তথ্য সংরক্ষণ, গণনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- Word Processor → টেক্সট টাইপ, সম্পাদনা ও ফরম্যাটিং করার জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- Database → সংগঠিতভাবে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ ব্যবস্থা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Encyclopaedia Britannica।
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭,২১৪.
কোনটি ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. রেজিস্টার
  2. রম
  3. ক্যাশ মেমোরি
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ALU-এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয় "রেজিস্টার"।

• রেজিস্টার:

- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

• ক্যাশ মেমোরি:
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।

• রম (ROM):
- ROM এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাটাইল মেমোরি (Non-Volatile Memory)। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২১৫.
প্রচলিত সংখ্যা ১২ এর ১ এর পরিপূরক কত ?
  1. ক) 0011
  2. খ) 1100
  3. গ) 1010
  4. ঘ) 1110
ব্যাখ্যা
12 এর বাইনারি ১১০০
আমরা জানি ১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১  এবং ১ এর স্থলে ০
সুতরাং ১২ এর ১ এর পরিপূরক ০০১১ 

বিঃদ্রঃ - যেহেতু অপশনে ৪ বিট তাই, ৪ বিট করলেই হবে।
৭,২১৬.
ট্রোজান এ্যাটাক কী কাজ করে?
  1. সিস্টেমের তথ্য চুরি করে
  2. সিস্টেমের কন্ট্রোল পরোক্ষভাবে গ্রহণ করে
  3. সিস্টেমের নিরাপত্তা বাড়ে
  4. ডেটা মুছে ফেলে
ব্যাখ্যা
ট্রোজান এ্যাটাকের যে কেউ কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করতে পারে।

সাইবার অপরাধ:

কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
১. কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
২. ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
৩. ই-মেইল বম্বিং।
৪. বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা।
৫. Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
৬. Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
৭. Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
৮. ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
৯. লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।
১০. ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)।
১১. ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
১২. ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
৭,২১৭.
১ টেরা বাইট সমান-
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ ন্যানোবাইট
  4. ১০২৪ কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই - প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,২১৮.
কোন NoSQL ডাটাবেজ ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড?
  1. MongoDB
  2. Neo4j
  3. Cassandra 
  4. Redis
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড NoSQL ডাটাবেজ হলো এমন একটি ডাটাবেজ যা ডেটাকে ডকুমেন্ট আকারে সংরক্ষণ করে, সাধারণত JSON বা BSON ফরম্যাটে। এই ধরনের ডাটাবেজে প্রতিটি ডকুমেন্ট একটি স্বতন্ত্র ইউনিট হিসেবে থাকে এবং বিভিন্ন ধরনের ডেটা একটি ডকুমেন্টে সহজে রাখা যায়। তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে, MongoDB একটি ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ। এটি ফ্লেক্সিবল স্কিমা সমর্থন করে এবং ডকুমেন্টগুলোকে সংগ্রহ (collection) আকারে সংরক্ষণ করে। অন্যদিকে Neo4j হলো গ্রাফ-ডাটাবেজ, Cassandra হলো কলাম-অরিয়েন্টেড ডাটাবেজ, আর Redis হলো কী-ভ্যালু স্টোর। তাই MongoDB একমাত্র ডকুমেন্ট-অরিয়েন্টেড।

ডাটাবেজ প্রোগ্রাম: 
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।

NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি। 

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Amazon ওয়েবসাইট। 

৭,২১৯.
One million bytes of information is abbreviated as
  1. ক) Bit
  2. খ) MB
  3. গ) KB
  4. ঘ) GB
ব্যাখ্যা

1 byte = 8 bit,
1 kilobit = 125 byte,
1 Megabit = 125,000 byte,
1 Megabyte = 1,000,000 byte. (106 byte)

.
৭,২২০.
আউটপুট ডিভাইস কোনটি?
  1. OMR
  2. OCR
  3. Joystick
  4. Plotter
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে। 
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ইনপুট ডিভাইস: 
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি। 

২. আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি। 

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২২১.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. হেক্সাডেসিমেল
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৭,২২২.
(53)10 এর সমতুল্য বাইনারি কত?
  1. ক) 110100
  2. খ) 110101
  3. গ) 111010
  4. ঘ) 110110
ব্যাখ্যা


∴ (53)10 এর সমতুল্য বাইনারি হলো (110101)2
৭,২২৩.
একটি ডেটাবেজে, প্রাইমারি কী-এর মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে
  2. এটির ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে
  3. এটি সবসময় NULL হতে হবে
  4. এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হতে পারে
ব্যাখ্যা
• একটি ডেটাবেজে প্রাইমারি কী হল এমন একটি কলাম বা ক্ষেত্র যা প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে সনাক্ত করে। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক বা অনন্য মান থাকতে হবে, অর্থাৎ কোন দুইটি রেকর্ডের প্রাইমারি কী একই হতে পারে না। এছাড়া, প্রাইমারি কী কখনো NULL মান নিতে পারে না, কারণ NULL মান থাকলে রেকর্ড সনাক্তকরণে সমস্যা হয়। প্রাইমারি কী সাধারণত স্থায়ী হয়, তাই এটি প্রায়ই পরিবর্তিত হয় না। সুতরাং, প্রাইমারি কী রেকর্ড সঠিকভাবে এবং দ্রুত সনাক্ত করার জন্য অপরিহার্য একটি ইউনিক ও অবিচলিত উপাদান।

উত্তর: ক) এটি প্রতিটি রেকর্ডের জন্য অবশ্যই ইউনিক হতে হবে।

• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর,  একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২২৪.
ইন্টেল পেন্টিয়াম একটি-
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিডি রম
  3. প্রসেসর
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা

- ইন্টেল পেন্টিয়াম একটি প্রসেসর।
- অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়।
- আইসি তৈরি হয় ট্রানজিস্টর দিয়ে।
- একটি প্রসেসরে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা যত বেশি হবে প্রসেসরের গতি তত বেশি হবে।
- প্রসেসরের গতি সাধারণত হার্জ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে প্রসেসর জগতে ইন্টেল কোর i7 এবং i5 বহুল ব্যবহৃত হয়।

৭,২২৫.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. C
  2. C#
  3. Java
  4. C++
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২২৬.
চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) OCR
  2. খ) OMR
  3. গ) MICR
  4. ঘ) OICR
ব্যাখ্যা
OCR হল Optical Character Recognition.
চিঠির পিনকোড, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহার করা হয়। এটি শুধু দাগই বোঝেনা বিভিন্ন রঙের পার্থক্যও বোঝে।
৭,২২৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে "পারফরম্যান্স টেস্ট" করার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Benchmark
  2. VLC Media Player
  3. MS Word
  4. WinZip
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে "পারফরম্যান্স টেস্ট" করার জন্য সাধারণত Benchmark ব্যবহার করা হয়। Benchmark হলো একটি সফটওয়্যার বা টুল যা কম্পিউটারের প্রসেসর, গ্রাফিক্স কার্ড, র‍্যাম, স্টোরেজ এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানের কার্যক্ষমতা নির্ধারণ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের টেস্ট চালিয়ে সিস্টেমের দ্রুততা, স্থায়িত্ব এবং দক্ষতার মান মাপতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, VLC Media Player শুধুমাত্র মিডিয়া প্লেয়ার হিসেবে ভিডিও ও অডিও চালাতে ব্যবহৃত হয়, MS Word হলো ডকুমেন্ট তৈরির সফটওয়্যার এবং WinZip হলো ফাইল কম্প্রেশন টুল। তাই পারফরম্যান্স নিরীক্ষার ক্ষেত্রে Benchmark ছাড়া অন্য কোনো সফটওয়্যার সরাসরি কার্যকর নয়।
 
• Benchmark:
- Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।

- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench
- Geekbench
- 3DMark
- PassMark

• অপশন আলোচনা:
- WinZip: ফাইল compress ও decompress করার সফটওয়্যার।

- MS Word: মাইক্রোসফটের ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।

- VLC Media Player: ভিডিও ও অডিও প্লে করার সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৭,২২৮.
সমপ্রকৃতির ডাটার সমাবেশকে বলা হয় -
  1. ক) স্ট্রাকচার
  2. খ) ফাংশন
  3. গ) অ্যারে
  4. ঘ) সেট
ব্যাখ্যা
অ্যারে (Array)
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে। 
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৭,২২৯.
Cathode-ray tube কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত এক ধরনের -
  1. মেমরি
  2. ইনপুট যন্ত্র
  3. আউটপুট যন্ত্র
  4. প্রসেসিং যন্ত্র
ব্যাখ্যা
CRT এর পূর্ণরূপ হলাে Cathode Ray Tube।
- ক্যাথোড রে টিউবযুক্ত মনিটরকে সিআরটি মনিটর বলা হয়। অর্থ্যাৎ এটি একটি আউটপুট ডিভাইস।
- এলসিডি মনিটরের তুলনায় এ ধরনের মনিটরে বেশি বিদ্যুৎ খরচ হয়।
- LED মনিটর LCD মনিটরের উন্নত ভার্সন। LCD মনিটর অপেক্ষা LED মনিটরে বিদ্যুৎ খরচ ৪০% কম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
৭,২৩০.
দশমিক সংখ্যা ১২১ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে সেটি কত হবে?
  1. ক) ১০০১১১১
  2. খ) ১১১১০১১
  3. গ) ১০১০১১১
  4. ঘ) ১১১১০০১
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়।
অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
১২১/২ = ৬০, ভাগশেষ ১
৬০/২ = ৩০, ভাগশেষ ০
৩০/২ = ১৫, ভাগশেষ ০
১৫/২ = ৭, ভাগশেষ ১
৭/২ = ৩, ভাগশেষ ১
৩/২ = ১, ভাগশেষ ১
১/২ = ০, ভাগশেষ ১↑

∴ (১২১)১০ = (১১১১০০১)

৭,২৩১.
সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে বলে-
  1. ব্রাউন আউট
  2. ব্লাক আউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. নয়েজ
ব্যাখ্যা
• বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ একটি সাধারণ ব্যাপার। বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট (Brown Out)
২. ব্লাক আউট (Black Out)
৩. ট্রানসিয়েন্ট (Transient) ও
৪. নয়েজ (Noise)

ব্রাউন আউট (Brown Out):
পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়। সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ব্লাক আউট (Black Out):
হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে। সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে। ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

ট্রানসিয়েন্ট (Transient):
বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়। অনেক ট্রানসিয়েন্ট পাওয়ার সাপ্লাই দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে নিঃশ্বেষ হয় কিন্তু অনেক ট্রানসিয়েন্ট এ বাধা অতিক্রম করে কম্পিউটারের ভেতরের অনেক বর্তনীসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নষ্ট করে দিতে পারে।

নয়েজ (Noise):
সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে। প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়। এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৩২.
কম্পিউটার বন্ধ করলে কোন ধরনের মেমোরির তথ্য রয়ে যায়?
  1. RAM
  2. Cache
  3. VRAM
  4. PROM
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বন্ধ করলে PROM (Programmable Read-Only Memory)-এর তথ্য রয়ে যায়। PROM একটি non-volatile মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও এর ভেতরের ডেটা মুছে যায় না। এটি তৈরির সময় একবার প্রোগ্রাম করা হয় এবং তারপর পরিবর্তন করা যায় না। বিপরীতে, RAM, Cache ও VRAM সবই volatile মেমোরি, যা কম্পিউটার বন্ধ হলে তাদের সংরক্ষিত তথ্য হারিয়ে ফেলে। RAM মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়, Cache ডেটার দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়, আর VRAM গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, কম্পিউটার বন্ধ করলে PROM-এ থাকা তথ্যই অক্ষত থাকে।

• ভোলাটাইল মেমোরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM.

• নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে। যেমন- ROM.

• পিরম (PROM):
- PROM-এর পূর্ণরূপ হলো Programmable Read Only Memory.
- সাধারণত বাজারে যে সমস্ত প্রোগ্রাম করা রম পাওয়া যায় তাতে ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী সমস্ত কাজ হয় না। এসব ক্ষেত্রে PROM ব্যবহার করা হয়।
- PROM কে একবার প্রোগ্রাম করা হলে পুনঃ প্রোগ্রামের কোনো সুযোগ থাকে না।
- এ ধরনের রমে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য নষ্ট হয় না।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM):
- SRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Static Random Access Memory.
- এ ধরনের মেমোরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারনকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।

• ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৩৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১০
  2. ১৬
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা:

- হেক্সাডেসিমেলের ভিত্তি হচ্ছে ১৬
- কাজেই এটাকে প্রকাশ করার জন্য ১৬ টি অঙ্ক প্রয়োজন।
- ডেসিমেল দশমিক সংখ্যা ০ থেকে ৯ পর্যন্ত, এর পরের ৬ টি অঙ্কের জন্য A, B, C, D, E এবং F এই ইংরেজি বর্ণকে ব্যবহার করা হয়।


উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৭,২৩৪.
কোনটি ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়?
  1. ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  2. ডেটাবেজ রেকর্ড
  3. ডেটাবেজ তৈরি
  4. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রেকর্ড ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ নয়

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৭,২৩৫.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Cache Memory
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি।
- যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (LI / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2 / External Cache)।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৩৬.
নীচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২৩৭.
Spreadsheet এ নিচের কোনটি দ্বারা worksheet content সম্পর্কে ধারনা করা সম্ভব?
  1. ক) Formula
  2. খ) Values
  3. গ) Labels
  4. ঘ) Cell format
  5. ঙ) Cursor
ব্যাখ্যা
In a spreadsheet program, such as Microsoft Excel, a label is text in a cell, usually describing data in the rows or columns surrounding it, which helps to get an idea about the worksheet content.
৭,২৩৮.
কোনটি ডাটাবেজের একটি উপাদান?
  1. পাওয়ার কেবল
  2. ডিস্ক
  3. রেকর্ড
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
রেকর্ড ডাটাবেজের একটি উপাদান।

• ডাটাবেজ (Database):
'ডাটা' অর্থ উপাত্ত এবং 'বেজ' অর্থ ঘাঁটি বা সমাবেশ।
সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল, ফাইল, ফর্ম, রিপোর্ট ইত্যাদির সমষ্টি হলো ডাটাবেজ।

• ডাটাবেজ এর উপাদান:
১. ডাটা (Data),
২. তথ্য (Information),
৩. রেকর্ড (Record),
৪. ফিল্ড (Field),
৫. রো (Row),
৬. কলাম (Column),
৭. ডাটা টেবিল (Data Table),
৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS),
৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS),
১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model).

১. ডাটা (Data)
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম একক।
- ডাটা হলো তথ্যের উপাদান বা কাঁচা উপাত্ত।
- সাধারণত নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি এক একটি ডাটা।
- উদাহরণ: "Jabbar" → Name ফিল্ডে, "Dhaka" → Address ফিল্ডে।

২. তথ্য (Information)
- প্রক্রিয়াকরণকৃত ডাটাই হলো তথ্য।
- কম্পিউটার ডাটাকে প্রসেস করে ব্যবহারযোগ্য তথ্যে রূপ দেয়।
- উদাহরণ: কর্মচারীদের নাম ও বেতন মিলিয়ে বেতনশীট তৈরি = তথ্য।

৩. রেকর্ড (Record)
- অনেকগুলো ফিল্ড মিলে একটি রেকর্ড তৈরি করে।
- সাধারণভাবে টেবিলের একটি সারি (Row) = একটি রেকর্ড।
- উদাহরণ: কোনো গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর সব মিলে একটি রেকর্ড।

৪. ফিল্ড (Field)
- রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- প্রতিটি ফিল্ড একটি তথ্যের ধরন বোঝায় (যেমন: নাম, ঠিকানা)।
- টেবিলের কলামের নামই সাধারণত ফিল্ড হিসেবে থাকে।

৫. রো (Row)
- টেবিলের একটি সারি যা একটি রেকর্ড ধারণ করে।
- প্রতিটি রো ভিন্ন ব্যক্তির বা বস্তুর তথ্য বহন করে।

৬. কলাম (Column)
- প্রতিটি কলাম হলো একই ধরণের ডাটার সংরক্ষণ ক্ষেত্র।
- উদাহরণ: Name, Age, Address → প্রতিটি কলাম একটি আলাদা ফিল্ড।

৭. ডাটা টেবিল (Data Table)
- এক ধরনের ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত টেবিল।
- যেমন, অফিসের প্রশাসন, হিসাব ও বিক্রয় বিভাগের আলাদা টেবিল।

৮. ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)
- এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ডাটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, এবং ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে।
- উদাহরণ: Microsoft Access, MySQL, Oracle DB.

৯. রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)
- একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করে কাজ করা যায়।
- উদাহরণ: SQL Server, MySQL, informix.

১০. ডিস্ট্রিবিউটেড ডাটাবেজ মডেল (Distributed Database Model)
- একটি ব্যবস্থা যেখানে ডাটাবেজ একাধিক স্থানে বিভক্ত থাকে এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে সংযোগযুক্ত থাকে।
- একাধিক ব্যবহারকারী বিভিন্ন জায়গা থেকে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৭,২৩৯.
কম্পিউটারের Virtual Memory বলতে কী বোঝায়?
  1. Cache Memory-এর অংশ যা দ্রুত ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. গ্রাফিক্স কার্ডের ভেতরে থাকা Video RAM
  3. বাহ্যিক স্টোরেজ ডিভাইস (CD/DVD)-এ থাকা মেমরি
  4. হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশ, যা অতিরিক্ত RAM-এর মতো ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

◉ Virtual Memory হলো এমন একটি প্রযুক্তি, যেখানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক বা SSD-এর একটি অংশকে সাময়িকভাবে RAM-এর সম্প্রসারণ (extension) হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন অপারেটিং সিস্টেম কম ব্যবহৃত ডেটা RAM থেকে ডিস্কে সরিয়ে রাখে এবং প্রয়োজনে আবার ফিরিয়ে আনে।

ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৭,২৪০.
কোন ধরনের মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টর সবচেয়ে ছোট?
  1. Extended ATX
  2. Micro-ATX
  3. ATX
  4. Mini-ITX
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত মাদারবোর্ড ফর্ম ফ্যাক্টরগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ছোট হলো Mini-ITX (ঘ)। মাদারবোর্ডের ফর্ম ফ্যাক্টর মূলত এর আকার, ডিজাইন এবং কেসের সঙ্গে সামঞ্জস্য বোঝায়। Extended ATX এবং ATX তুলনামূলকভাবে বড় আকারের, যা বেশি এক্সপ্যানশন স্লট ও হার্ডওয়্যার সাপোর্ট দেয়। Micro-ATX আকারে ছোট হলেও এটি এখনও Mini-ITX-এর চেয়ে বড়। Mini-ITX সাধারণত মাত্র ১৭×১৭ সেন্টিমিটার আকারের হয়, তাই এটি ছোট কেস, কম জায়গা নেওয়া কম্পিউটার এবং হোম থিয়েটার পিসির জন্য খুবই উপযোগী। ছোট আকারের কারণে এতে এক্সপ্যানশন সীমিত হলেও এটি শক্তি সাশ্রয়ী ও বহনযোগ্য সমাধান দেয়।
 
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Lenovo. [link]

৭,২৪১.
What does the function "VLOOKUP" stand for in Excel?
  1. Vertical Lookup
  2. Value Lookup
  3. Variable Lookup
  4. Verified Lookup
ব্যাখ্যা

VLOOKUP ফাংশনটি Excel-এ Vertical Lookup (ভার্টিক্যাল লুকআপ)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।

• VLOOKUP (Vertical Lookup):
- • VLOOKUP (Vertical Lookup) হলো Excel-এর একটি function, যা একটি টেবিলের প্রথম কলামে (first column) নির্দিষ্ট একটি মান খোঁজে এবং সেই মানের সাথে মিল থাকা সারির অন্য একটি কলাম থেকে তথ্য ফেরত দেয়।
- এটি বৃহৎ ডেটা সেটে দ্রুত তথ্য খুঁজে বের করার জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।

উৎস:
1. Microsoft Support Website.
2. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।

৭,২৪২.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) McAfee
  2. খ) Panda
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Fujitsu
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়।

কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus, ESET NOD32, Panda ইত্যাদি।

Fujitsu একটি জাপানি বহুজাতিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সরঞ্জাম ও সেবা কর্পোরেশন, যা 1935 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর টোকিওতে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭,২৪৩.
"McAfee" কী ধরনের সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষতিকর কম্পিউটার প্রোগ্রাম
  2. ভাইরাস তৈরি করার টুল
  3. অফিস প্রোডাক্টিভিটি সফটওয়্যার
  4. সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ "McAfee" হচ্ছে একটি সাইবার নিরাপত্তা সফটওয়্যার বা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

​উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৭,২৪৪.
এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হচ্ছে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়।
• ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির।
উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,২৪৫.
Which of the following is a task performed by a DBMS?
  1. Designing websites
  2. Database creation
  3. Network design
  4. Image editing
ব্যাখ্যা
Database creation is a task performed by a DBMS.

• Database Management System (DBMS):

যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৭,২৪৬.
Which technology underpins the first generation of computers?
  1. ক) VVLSI
  2. খ) LSI
  3. গ) Transisitor
  4. ঘ) Vaccum Tube
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো
বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
- চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৪৭.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + A = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. A‘
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান উপপাদ্য বা Boolean algebra একটি গাণিতিক কাঠামো যা লজিক্যাল অপারেশন যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে প্রতিটি ভেরিয়েবল শুধুমাত্র দুইটি মান নিতে পারে: 0 বা 1। বুলিয়ান সংযুক্তি (OR) নির্দেশ করে দুটি ভেরিয়েবলের মধ্যে যেকোনো একটি সত্য হলে ফলাফল সত্য হবে। উপপাদ্য অনুযায়ী, যখন আমরা একই ভেরিয়েবলকে OR অপারেশনে নিজের সঙ্গে যোগ করি, অর্থাৎ, A + A = A তখন ফলাফল একই ভেরিয়েবলের সমান হয়। এটি একটি মৌলিক নিয়ম যা বলে যে কোন ভেরিয়েবলকে নিজের সাথে যুক্ত করলে তার মান অপরিবর্তিত থাকে।

বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২৪৮.
মাউস কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) কম্পিউটারের দিক নির্দেশনায়
  2. খ) ডেটা সংরক্ষণে
  3. গ) ডেটা ব্যাকআপে
  4. ঘ) গাণিতিক যুক্তি সমাধানে
ব্যাখ্যা

মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়। এর জন্যে এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে।
যথা- Mechanical এবং Optical Mouse.

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল

৭,২৪৯.
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে কোন ধরনের ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. স্ক্যাজি (SCSI)
  2. সাস (SAS)
  3. সাটা (SATA)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়। এজন্য আইডিই (IDE- Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়ােজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৭,২৫০.
কোনটি অপটিক্যাল মেশিনের মাধ্যমে পড়া হয়?
  1. ক) কিউআর কোড
  2. খ) সিক্রেট কোড
  3. গ) সোর্স কোড
  4. ঘ) HTML কোড
ব্যাখ্যা

কিউআর কোড, (কুইক রেসপন্স কোড থেকে সংক্ষিপ্ত) হচ্ছে এক ধরণের ম্যাট্রিক্স বারকোড (বা দ্বিমাত্রিক বারকোড) ধরনের একটি ট্রেডমার্ক। বারকোড হল মেশিনে পাঠযোগ্য অপটিক্যাল লেবেল যা এতে সংযুক্ত উপাত্ত সম্পর্কে তথ্য ধারণ করে থাকে।
A quick response (QR) code is a type of barcode that can be read easily by a digital device and which stores information as a series of pixels in a square-shaped grid. QR codes are frequently used to track information about products in a supply chain and often used in marketing and advertising campaigns.
Source: Investopedia.

৭,২৫১.
রিকোনির যন্ত্র আবিষ্কার করেন কে?
  1. ক) চার্লস ব্যাবেজ
  2. খ) গডফ্রাইট ভন লিবানিজ
  3. গ) ড. হারম্যান হলিরিথ
  4. ঘ) ব্লেইজ প্যাসকেল
ব্যাখ্যা
• রিকোনির যন্ত্র:
১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র।

• ১৮৮০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ড. হারম্যান হলিরিথ (Dr. Herman Hollerith) নামের একজন পরিসংখ্যানবিদ সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

• ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Differenc Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন। 

• ১৬৪২ সালে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৫২.
দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনে কোন কী (Key) ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেইন কী
  3. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২৫৩.
কম্পিউটার পদ্ধতিতে ১ মেগাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১০০০×১০০০ বাইট
  3. গ) ১০২৪×১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১০২৪×১০২৪ বাইট
ব্যাখ্যা
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট, ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।
[সুত্রঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি]
৭,২৫৪.
ফায়ারওয়্যার কী?
  1. কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সুরক্ষা ব্যবস্থা
  2. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  3. দ্রুতগতির কম্পিউটার বাস
  4. সাবমেরিন ক্যাবল
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়্যার:
- ফায়ারওয়‍্যার হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস।
- এ বাসের আরেকটি নাম হচ্ছে IEEE 1394।
- এ ধরনের বাসের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১. অত্যন্ত দ্রুতগতির বাস যা প্রতি সেকেন্ডে 100, 200 বা 400 মেগাবাইট ডেটা স্থানান্তর করতে সক্ষম।
২. প্রখ্যাত ডিজিটাল ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের নির্মাতারা একে সমর্থন করায় ফায়ারওয়‍্যার একটি আদর্শ উচ্চগতির বাসের আদর্শ হয়ে পড়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৫৫.
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে সিপিইউ কোন অংশে সংযুক্ত থাকে?
  1. RAM স্লট
  2. সকেট
  3. SMPS
  4. গ্রাফিক্স কার্ড স্লট
ব্যাখ্যা

◉ সকেট হলো মাদারবোর্ডের বিশেষ অংশ যেখানে সিপিইউ (প্রসেসর) সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ধরন অনুযায়ী ডিজাইন করা হয় (যেমন: Intel-এর LGA বা AMD-এর PGA সকেট)।

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২৫৬.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম?
  1. এমএস অফিস
  2. পেজ মেকার
  3. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  4. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program)।

• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো এমএস অফিস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, ইলেকট্রনিক মেইল, পেজ মেকার, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন- ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৫৭.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. সিআইএইচ
  2. নরটন
  3. ট্রোজান হর্স
  4. বুট সেক্টর
ব্যাখ্যা
♦ অপশনে উল্লেখিত নরটন একটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস এবং বাকিগুলো কম্পিউটার ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে। 
- যেমন: এভিজি, এভিরা, অ্যাভাস্ট, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৫৮.
সাধারণত: কোনটি নষ্ট হলে Beep sound দেয়?
  1. COMS
  2. CPU
  3. ROM
  4. RAM
ব্যাখ্যা
RAM: 
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ (Beep sound) শোনা যায়। 
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে। 
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে। 
- বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলোর জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। 
- এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে। 
যেমন: 
ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM: 
- কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‍্যাম মডিউলগুলো পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। 

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: 
- যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

ব্যর্থ RAM মডিউল: 
- যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে। 
- বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭,২৫৯.
কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ
  2. খ) ইনপুট ইউনিট
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) আউটপুট ইউনিট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ তিনটি- ইনপুট ইউনিট, সিপিইউ এবং আউটপুট ইউনিট। প্রিন্টার কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ নয় এটি আউটপুট ডিভাইস।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৭,২৬০.
১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. ২১
  2. ১৮
  3. ২৩
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১১০১০ বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

সমাধান:
এখানে,
(১১০১০)
= (১ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২)
= ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ০
= ২৬

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,২৬১.
ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
  1. ক) FAT16
  2. খ) FAT8
  3. গ) FAT32
  4. ঘ) HPFS
ব্যাখ্যা
ফাইল ম্যানেজমেন্ট: 

- FAT8 ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।

- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16.
FAT32.
HPFS.
• NTFS.

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৬২.
নেটওয়ার্ক বা কম্পিউটারে ডেটা প্রবাহ ফিল্টারিংয়ের কাজ করে -
  1. ক) ফার্মওয়্যার
  2. খ) সফটওয়্যার
  3. গ) ফায়ারওয়াল
  4. ঘ) এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস।
- এটি নেটওয়ার্ককে হ্যাকিং কিংবা অনাদিষ্ট প্রবেশ থেকে রক্ষা করে।
- এটির মাধ্যমে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
[উৎস: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট]
৭,২৬৩.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ-
  1. MS Word
  2. Oracle
  3. SQLite
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা
Oracle ও SQLite এই দুইটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) এর উদাহরণ।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite)ইত্যাদি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৭,২৬৪.
হুয়াওয়ে কোম্পানি নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) অ্যান্ড্রয়েড
  2. খ) আইওএস
  3. গ) হারমনি
  4. ঘ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত নতুন অপারেটিং সিস্টেম হলো হারমনি। এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়। এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়। ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযোগী।
অ্যান্ড্রয়েড, আইওএস ও উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম যথাক্রমে গুগল, অ্যাপল ও মাইক্রোসফট নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম।
(সূত্রঃ হুয়াওয়ে)
৭,২৬৫.
বাইনারি ভগ্নাংশে বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে প্রথম অঙ্কের স্থানীয় মান কোনটি?
  1. 21
  2. 20
  3. 2-1
  4. 2-2
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর ডান পাশে স্থানীয় মান কমতে থাকে— 2⁻¹, 2⁻², 2⁻³ …

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।




উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৭,২৬৬.
EDSAC কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণের জন্য কি ধরনের মেমোরি ব্যবহার হতো ?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Mercury Delay Lines
  4. ঘ) Registers
ব্যাখ্যা

১৯৪৯ সালে ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলকিস এর নেতৃত্বধীন একদল বিজ্ঞানী নিউম্যানের ধারণা কে কাজে লাগিয়ে EDSAC তৈরি করেন ।
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা

৭,২৬৭.
নিম্নোক্ত কোনটি কী-বোর্ডে একটি 'নেভিগেশন কী' হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. Page Up
  2. Ctrl
  3. Alt
  4. Windows logo key
ব্যাখ্যা

• Navigation Keys হলো এমন কী, যা মূলত কার্সর বা স্ক্রল নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এগুলোর মাধ্যমে টেক্সট বা ডকুমেন্টে দ্রুত চলাফেরা করা যায়। উদাহরণ: Arrow Keys (↑ ↓ → ←), Home, End, Page Up, Page Down.
- End কী কার্সরকে লাইনের শেষে অথবা ডকুমেন্টের শেষ প্রান্তে নিয়ে যায়। এজন্য একে নেভিগেশন কী ধরা হয়।

কী-বোর্ড (Key-board):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.

৭,২৬৮.
MICR এ C এর অর্থ কী?
  1. ক) Code
  2. খ) Communication
  3. গ) Character
  4. ঘ) Computer
ব্যাখ্যা
MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition। MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী। মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
৭,২৬৯.
IBM Pentium ও TRS80 হলো-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মাইক্রোকম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY - I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer): 
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।
- PDP-II, IBM S/34, IBMS / 36, NCR S / 9290, NOVA3 ইত্যাদি মিনি কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৭০.
প্যারালাল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ২৫টি
ব্যাখ্যা
প্যারালাল পোর্ট:
প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৭,২৭১.
MS Excel- এ সঠিকভাবে লেখার ফর্মুলা কোনটি?
  1. ক) Sum(C9:C12)
  2. খ) Sum(C9+C12)
  3. গ) Sum=(C9:C12)
  4. ঘ) =Sum(C9:C12)
ব্যাখ্যা
= sum (C9,C12) and = sum (C9:C12) দুইটাই sum এর সঠিক ফর্মুলা।
= sum (C9,C12) -- এটা শুধু C9 এবং C12 সেল দুটির যোগ করবে।
= sum (C9:C12) -- এভাবে লিখলে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সকল সেলকে যোগ করবে।
৭,২৭২.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. দুই ধরণের
  2. তিন ধরণের
  3. চার ধরণের
  4. পাঁচ ধরণের
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার বা ডেস্কটপ কম্পিউটার, নোটবুক এবং ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা ও ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইনস্টল এবং আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-

১. হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারসমূহ রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতিকেই বলা হয় হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ।
- কম্পিউটারের স্পিড অনেকাংশে নির্ভর করে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের ওপর।
- অধিকাংশ মাইক্রোকম্পিউটার সিস্টেমকেই নিয়ন্ত্রিত ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারকে দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচিয়ে রাখা যায়।
- প্রতিনিয়ত নিয়ন্ত্রিত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবহার ব্যবস্থাটি কম্পিউটারের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা যেমন হার্ডওয়‍্যারকে ডেটা নষ্ট বা হারিয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
- একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে-
১। তাপমাত্রা,
২। কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা,
৩। বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা,
৪। ময়লা ও দূষণ,
৫। নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ ইত্যাদি।

২. সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- একটি কম্পিউটারের সফটওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করা উচিত-
১। আপডেটেড সিস্টেম সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে। অথবা বিদ্যমান সিস্টেম সফটওয়‍্যারকে নির্দিষ্ট সময় পর পর আপডেট করতে হবে।
২। মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফটওয়‍্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩। নিয়মিত টেম্পোরারি ফাইল বা অস্থায়ী ফাইলসমূহ ডিলিট বা মুছে ফেলতে হবে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার করার কারণে ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। তাই নিয়মিত সফটওয়‍্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।
৫। নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাস ও অ্যান্টিস্পাইওয়্যার রান করতে হবে।
৬। সিস্টেম সফটওয়‍্যারের ইউটিলিটি প্রোগ্রামসমূহ নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর ব্যবহার করতে হবে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৭৩.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে নতুন স্লাইড চালু করার জন্য কোন শর্টকাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl + N
  2. Ctrl + M
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + P
ব্যাখ্যা

Source: support.microsoft.com

৭,২৭৪.
কম্পিউটার সিস্টেম এ Scanner একটি কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. ক) Input device
  2. খ) Output device
  3. গ) Input-Output device
  4. ঘ) Memory device
ব্যাখ্যা
যে সব যন্ত্রাংশের মাধ্যমে এক জন ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য ঢোকাতে পারেন ও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিতে পারেন, সেগুলিকে বলে ইনপুট ডিভাইস। যেমন, কি বোর্ড, মাউস, অপটিকাল ক্যারেকটার রিডার (ও সি আর), ম্যাগনেটিক ইঙ্ক ক্যারেকটার রিডার (এম আই সি আর), স্কানার ইত্যাদি।
৭,২৭৫.
স্লাইডের মাধ্যমে প্রোজেক্টর ব্যবহার করে ক্লাস নেয়ার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Power PSD
  2. খ) Photoshop
  3. গ) Powerpoint
  4. ঘ) MS Excel
ব্যাখ্যা
MS Access ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, MS WORD ডকুমেন্ট এবং রাইটিং সফটওয়্যার, MS POWERPOINT প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, MS EXCEL স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
Source: Microsoft
৭,২৭৬.
নিচের কোনটি এমবেডেড কম্পিউটারে থাকেনা?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. মনিটর
  3. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
  4. মেমরি
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope ওয়েবসাইট।
৭,২৭৭.
সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে কি বলে?
  1. ক) Library function
  2. খ) User-defined function
  3. গ) Linear function
  4. ঘ) Recursive function
ব্যাখ্যা
• সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে Recursive function বলে।

রিকার্সিভ ফাংশন (Recursive function): সি প্রোগ্রামে কোনো ফাংশন যখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে নিজে Call করে, তখন সে ফাংশনকে রিকার্সিভ ফাংশন এবং এই প্রক্রিয়াকে রিকার্সিভ বলে।
- গণিতশাস্ত্রের সিরিজকে রিকার্সিভ ফাংশনের মাধ্যমে সহজে সমাধান করা যায়।
- প্রতিটি রিকার্সিভ ফাংশনের একটি টার্মিনেটিং কন্ডিশন থাকতে হয়। 
- কোনো একটা প্রবলেমকে যদি ভেঙে ছোট ছোট প্রবলেমে ভাগ করা যায়, আর ছোট ছোট প্রবলেমের সলিউশনের উপর ভিত্তি করে মূল সলিউশন বের করা যায়, তাহলে সেটাকে রিকার্শন দিয়ে সলভ করা বলা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,২৭৮.
এমএস ওয়ার্ডে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + B
  2. খ) Ctrl + C
  3. গ) Ctrl + A
  4. ঘ) Ctrl + D
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে নিজের কোন লেখাকে 'BOLD' করবার জন্য কীবোর্ডের Ctrl + B ব্যবহৃত হয়। 

- Ctrl + C কী দিয়ে কোন লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- Ctrl + A কী দিয়ে কোন লেখার সমস্ত লেখাকে কপি করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ- 
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
F4: এই বাটন ব্যবহার করে অবস্থায় ঘুরে যাওয়া যাবে। 
F5: ওয়ার্ড এ কাজ করার সময়, ডকুমেন্টের আলাদা আলাদা পেজে যাওয়ার জন্য। 
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL  web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
 Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ  বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L  : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S :  একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

সূত্র: Computer Hope [লিঙ্ক]
৭,২৭৯.
কোনটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট নয়?
  1. রেজিস্টার
  2. ডিকোডার
  3. মাল্টিপ্লেক্সার
  4. NAND গেট
ব্যাখ্যা

• কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট হলো এমন সার্কিট যেটির আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে এবং এর কোনো মেমরি বা স্টোরেজ এলিমেন্ট থাকে না। ডিকোডার ও মাল্টিপ্লেক্সার এই ধরনের সার্কিটের উদাহরণ, কারণ এগুলোর আউটপুট শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়। NAND গেটও একটি বেসিক কম্বিনেশনাল গেট। কিন্তু রেজিস্টার হলো একটি সিকুয়েনশিয়াল লজিক সার্কিট, যা ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে এবং এর আউটপুট পূর্ববর্তী ইনপুট বা স্টেটের উপরও নির্ভর করে।
- তাই, এই চারটির মধ্যে শুধুমাত্র রেজিস্টার কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট নয়।

 
 • রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট যা ডেটা সংরক্ষণ করে।
- এটি তথ্য বা বিটের একটি গ্রুপ সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- রেজিস্টার প্রায়ই ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এটি কম্বিনেশনাল লজিক নয়, কারণ এর আউটপুট শুধুমাত্র ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, পূর্ববর্তী অবস্থানও প্রভাবিত করে।
- সুতরাং, রেজিস্টার হলো - সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিট।

• ডিকোডার (Decoder):
- ডিকোডার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একটি n-বিট ইনপুটকে 2n আউটপুট লাইনে রূপান্তর করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে আউটপুট তৈরি করে।
- ডিকোডার কোনো মেমরি বা স্টোরেজ ব্যবহার করে না।
- তাই এটি একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

• মাল্টিপ্লেক্সার (Multiplexer):
- মাল্টিপ্লেক্সার হলো একটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা একাধিক ইনপুট থেকে একটি নির্দিষ্ট ইনপুটকে সিলেকশন লাইন অনুযায়ী আউটপুটে প্রেরণ করে।
- এটি শুধুমাত্র বর্তমান ইনপুট এবং সিলেকশন সিগন্যালের উপর নির্ভর করে।
- মাল্টিপ্লেক্সার কোনো মেমরি বা পূর্ববর্তী অবস্থার উপর নির্ভরশীল নয়।
- সুতরাং এটি কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

• NAND গেট:
- NAND গেট হলো একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক গেট।
- এটি ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সরাসরি আউটপুট দেয়।
- NAND গেটের আউটপুট কোনো পূর্ববর্তী অবস্থা বা মেমরির উপর নির্ভর করে না।
- তাই এটি সম্পূর্ণভাবে কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট।

সূত্র:
- Imperial College London. [link]
- lowa State University. [link]

৭,২৮০.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি থেকে অক্টাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করতে কয়টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

◉ একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮।
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়।
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,২৮১.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Linux
  3. গ) Photoshop
  4. ঘ) MS Word
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। 
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৮২.
2 এর পরিপূরক করলে কততম বিটকে সাইন বিট বলা হয়?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৫ম
  4. ঘ) ৮ম
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অষ্টম বিটকে সাইন বিট বলে।
সুতরাং সঠিক উত্তর - ঘ) ৮ম।
৭,২৮৩.
কোন কোম্পানির ক্যালকুলেটরের জন্য Intel 4004 চিপটি তৈরি করা হয়েছিল?
  1. Hewlett-Packard
  2. Texas Instruments
  3. Busicom
  4. Casio
ব্যাখ্যা
• Intel 4004 চিপটি মূলত Busicom কোম্পানির ক্যালকুলেটরের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালে Intel 4004 ছিল বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর, যা একটি একক চিপে সম্পূর্ণ সিপিইউ ফাংশনালিটি নিয়ে আসে। Busicom, যা একটি জাপানি ক্যালকুলেটর প্রস্তুতকারী কোম্পানি ছিল, তারা তাদের ক্যালকুলেটরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের চিপের প্রয়োজন অনুভব করেছিল। Intel তাদের জন্য এই চিপটি ডিজাইন করে, যা পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়। তাই, Intel 4004 চিপের উৎপত্তি এবং প্রথম ব্যবহার Busicom কোম্পানির ক্যালকুলেটরে হয়েছিল।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৮৪.
What is the main purpose of CAPTCHA?
  1. To make internet safer for users
  2. To speed up internet connections
  3. To encrypt user data
  4. To distinguish human users from bots
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) To distinguish human users from bots.

CAPTCHA:
- পূর্ণরূপ: Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart
- এটি একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী ও স্বয়ংক্রিয় বটের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণে ব্যবহার করা হয়।
- CAPTCHA এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে বটকে ক্ষতিকারক বা অপ্রয়োজনীয় কাজ যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং, বা সাইবার আক্রমণ করতে না পারে।
- এই সিস্টেমটি মানুষের পক্ষে সহজ কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটের জন্য কঠিন কাজ প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ:
  - বিকৃত লেখা বা অক্ষর চিহ্নিত করা,
  - নির্দিষ্ট ছবি নির্বাচন করা,
  - ধাঁধা বা সাধারণ গণিত সমাধান করা। 
- সফলভাবে CAPTCHA সম্পন্ন করে ব্যবহারকারী প্রমাণ করে যে তিনি একজন মানব, স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষা করা, যাতে বটগুলো অপব্যবহার করতে না পারে।
- CAPTCHA প্রযুক্তি ভিজ্যুয়াল রিকগনিশন (visual recognition) এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) গবেষণাকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং, রিমোট সেন্সিং, এবং রোবোটিক্সে।

• ক্যাপচাগুলির জন্য কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৭,২৮৫.
প্রথম গণনাকারী যন্ত্রের নাম কী?
  1. ক) Osborne
  2. খ) Abacus
  3. গ) Analog Calculator
  4. ঘ) Difference engine
ব্যাখ্যা
অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৮৬.
কোনটি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়?
  1. হায়ারোগ্লিফিক্স
  2. মেয়ান সংখ্যা পদ্ধতি
  3. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি নয়। 
এটি একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৮৭.
প্রথম ব্লগার স্বীকৃতি দেওয়া হয় কাকে?
  1. ক) জাস্টিন হল
  2. খ) জর্ন বার্জার
  3. গ) পিটার মারহোলজ
  4. ঘ) মাইকেল অল্ডরিচ
ব্যাখ্যা
মূলত ব্লগ (Blog) একটি ইংরেজি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ হলো ভার্চুয়াল ডায়েরি অথবা ইন্টারনেটে ব্যক্তিগত দিনলিপি।

ইংরেজি ”Blog” শব্দটি আবার ”Weblog” এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ১৯৯৭ সালে জর্ন বার্জার নামে একজন মার্কিন নাগরিক সর্বপ্রথম ”Weblog” শব্দটি উদ্ভাবন করেন।

পরবর্তীতে, ১৯৯৯ এর এপ্রিল বা মার্চের দিকে ‘পিটার মারহোলজ’ তার নিজস্ব ব্লগ পিটার্ম ডট কমে কৌতুক করে ‘weblog’ শব্দটিকে ভাগ করে 'We' - ‘blog’ বলে সম্বোধন করেন। তারপর থেকে ‘blog’ শব্দটির ব্যবহার প্রসার ঘটতে থাকে।

যারা ব্লগে লেখে তারাই ব্লগার।
জাস্টিন হল কে প্রথম ব্লগারের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। তিনি ১৯৯৪ সালে link.net নামে সর্বপ্রথম ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট চালু করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,২৮৮.
“ওয়ার্ম (Worm)” এর বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ফাইল সংযুক্ত হয়ে ছড়ায়
  2. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
  3. ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য নেয়
  4. হার্ডওয়্যার ড্রাইভার বদলায়
ব্যাখ্যা

Worm হলো এক ধরনের Self-Replicating Malware, যা ব্যবহারকারীর কোনো কাজ ছাড়াই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি ভাইরাসের মতো ফাইলের সাথে যুক্ত হয়ে ছড়ায় না।

ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৭,২৮৯.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার: যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৯০.
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ১ দ্বারা
  2. খ) ২ দ্বারা
  3. গ) ৪ দ্বারা
  4. ঘ) ৮ দ্বারা
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের সময় প্রত্যেক অঙ্ককে দুই দ্বারা ভাগ দিতে হবে। 

- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
যেমন- প্রথম অংকটিকে ২ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২` দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২° দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

সূত্র:  ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৭,২৯১.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কী ছিল?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) আইসি
  3. গ) ভিএলএসআই
  4. ঘ) ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হলো ১৯৫১ থেকে ১৯৫৯ সাল। তখন ভ্যাকুয়াম টিউব বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক বর্তনী ব্যবহৃত হতো এবং আকারে বড় হতো৷ দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যাপ্তিকাল ১৯৫৯-১৯৬৫। এ সময় ট্রানজিস্টরের ব্যবহার শুরু হয়। দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে কম্পিউটারের আকার ছোটো হতে শুরু করে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,২৯২.
কোনটি সহায়ক মেমোরি নয়?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. সিডি
  4. রম
ব্যাখ্যা
রম সহায়ক স্মৃতি নয়।
এটি একটি প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
i. RAM,
ii. ROM.
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৯৩.
দশমিক সংখ্যা (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101100
  2. 101101
  3. 101111
  4. 101001
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit- MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit- LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। 


সুতরাং, (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা = 101101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৯৪.
GUI ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1.  MS-DOS
  2. UNIX
  3. Linux
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা

GUI ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে Mac OS। 

• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ -
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৭,২৯৫.
কম্পিউটার ব্যবহার করে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ম্যাগনেটিকসেন্সর
  2. ইলেক্ট্রোসেন্সর
  3. বায়োসেন্সর
  4. টেকসেন্সর
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ব্যবহার করে ডায়াবেটিস নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয় বায়োসেন্সর।
- বায়োসেন্সর হলো এক ধরনের Analytical device বা বিশ্লেষণধর্মী যন্ত্র।
- এই যন্ত্রে রয়েছে একটি জৈবিক উপাদান।
- আর এর সাথে রয়েছে একটি পিজিকোডিটেক্টর।
- IUPAC বায়োসেন্সরকে সংজ্ঞায়িত করেছে integrated receptor–transducer হিসেবে, যা biological recognition element ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পরিমাণগত বা অর্ধ-পরিমাণগত বিশ্লেষণমূলক তথ্য সরবরাহ করতে সক্ষম।

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. প্রথম আলো।
৭,২৯৬.
ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর অন্তর্ভুক্ত-
  1. ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
  2. লিংকার প্রোগ্রাম
  3. অনুবাদক সফটওয়্যার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
♦ ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে।
- যেমন এন্টিভাইরাস কম্পিউটারকে ক্ষতিকার প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে তাই যেকোনো এন্টিভাইরাস হলো ইউটিলিটি সফটওয়্যার।

• কাজ:
-ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু ডিলিট করা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি।

• ব্যবহার:
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

• যে ধরনের সফটওয়্যারসমূহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার তা হলো:
- এন্টিভাইরাস, অনুবাদক সফটওয়্যার, ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার, ব্যাক আপ/ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার, ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার, ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন, সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম, লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,২৯৭.
0xA কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 9
  2. 10
  3. 11
  4. 12 
ব্যাখ্যা

• “0xA” হলো হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা, যা ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে লেখা হয়। এখানে 0x একটি উপসর্গ বা প্রেফিক্স, যা নির্দেশ করে যে সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল বা ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতিতে আছে। হেক্সাডেসিমালে সংখ্যা 0–9 এবং অক্ষর A–F ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, C মানে ১২, D মানে ১৩, E মানে ১৪, এবং F মানে ১৫। তাই 0xA-তে “A” অংশটি ১০ নির্দেশ করছে। যখন এটি দশমিক (Decimal) সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়, তখন 0xA মানে সরাসরি ১০। সুতরাং, 0xA এর দশমিক মান হলো ১০। উত্তর হবে খ) 10
 
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. 

৭,২৯৮.
১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ৪৬
  2. ১৬
  3. ২৪
  4. ৫৪
ব্যাখ্যা
• ১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার ৪৬.

• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

101110
= 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 0 × 20
= 32 + 0 + 8 + 4 + 2
= 46
৭,২৯৯.
মাউস কয় ধরণের হয়ে থাকে?
  1. ২ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৪ ধরণের
  4. ৫ ধরণের
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।
৭,৩০০.
আইপি অ্যাড্রেস IPv4 এর সাইজ কত?
  1. 4 Bit
  2. 32 Byte
  3. 16 Byte
  4. 4 Byte
ব্যাখ্যা
(1st Octet) (2nd Octet) (3rd Octet) (4th Octet) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
IPv4 এই অ্যাড্রেস হলাে 4 X ৪ বা 32 বিট বা 4 বাইট যার সাহায্যে 232 বা 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।
 
An IPv4 address is 32 bits. 
An IP Address is shown as 4 decimal numbers representing 4 bytes: d.d.d.d where d = decimal number (0 - 255).
 
উৎস: আইবিএম ওয়েবসাইট।