বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৭১ / ৮২ · ৭,০০১৭,১০০ / ৮,১৪১

৭,০০১.
ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত - 
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. ডাটা 
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা

◉ ফিল্ড, রেকর্ড ও ডাটা— তিনটিই ডাটাবাজের উপাদান হিসেবে পরিচিত। 

​ডাটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ফিল্ড (Field),
২. ডাটা (Data),
৩. রেকর্ড (Record)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০০২.
CAPTCHA ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. ভাইরাস স্ক্যান করা
  2. মানুষ ও রোবটের মধ্যে পার্থক্য করা
  3. কম্পিউটার ফায়ারওয়্যাল একটিভ করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

◉ CAPTCHA এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যাতে মানুষ সহজে বুঝতে পারে, কিন্তু রোবট বা অ্যালগরিদম না বুঝতে পারে।

CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart.
- CAPTCHA হচ্ছে ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ শুরু করা।
- ক্যাপচা-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতা নিশ্চিত করা যেনো বটগুলিকে অপব্যবহার করা থেকে বিরত রাখা যায়।

ক্যাপচাগুলি কিছু সাধারণ ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত:
যেমন -
- User Registration and Login,
- Form Submissions,
- Preventing DDoS Attacks,
- Online Polls and Surveys,
- Web Scraping Prevention.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,০০৩.
মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণের প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়োমেট্রিক্স
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

• মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকে শনাক্ত করার প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলা হয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে ব্যক্তিকে শনাক্ত বা যাচাই করা হয়।
- মানুষের শরীরের অনন্য বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে পরিচয় নিশ্চিত করা এই প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য।
- নিরাপত্তা ব্যবস্থা, প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচয় যাচাইয়ে বায়োমেট্রিক্স ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক্সের বৈশিষ্ট্য:
- প্রতিটি মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য আলাদা হওয়ায় এটি নির্ভরযোগ্য শনাক্তকরণ পদ্ধতি।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করা যায়।
- নিরাপত্তা ব্যবস্থায় এটি অত্যন্ত কার্যকর।

• বায়োমেট্রিক্সের উদাহরণ:
- আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ (Fingerprint Recognition)।
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ (Iris Recognition)।
- মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ (Face Recognition)।
- কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)।

• অন্যান্য অপশন:
- বায়োইনফরমেটিক্স → জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে জৈবিক ডেটা বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা → মানুষের বুদ্ধিমত্তাকে মেশিনে অনুকরণ করার প্রযুক্তি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি → কম্পিউটার সিমুলেশনের মাধ্যমে তৈরি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

৭,০০৪.
সফটওয়্যার কী?
  1. কম্পিউটারের ভৌত অংশ
  2. কম্পিউটারের নির্দেশনা ও ডেটার সমষ্টি
  3. কম্পিউটারের বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা
  4. কম্পিউটারের যান্ত্রিক অংশ
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার (Software) হলো—
- কম্পিউটারকে কী করতে হবে তা নির্দেশনা দেয় এমন program, instruction ও data–এর সমষ্টি।
- সফটওয়্যার স্পর্শযোগ্য নয় (intangible)।
- হার্ডওয়্যারকে কাজ করানোর জন্য সফটওয়্যার অপরিহার্য।

• হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার(Hardware & Software):
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের দেহ, আর সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের প্রাণ।
- কম্পিউটারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশনার সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলা হয়।
- সফটওয়্যার একটি অদৃশ্য শক্তি, যা দেখা বা স্পর্শ করা যায় না।
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত সকল ভৌত যন্ত্র, যন্ত্রাংশ ও ডিভাইসসমূহকে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- হার্ডওয়্যারকে দেখা ও স্পর্শ করা যায়।
- ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়ার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয়েরই প্রয়োজন।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একে অপরের পরিপূরক।
- সফটওয়্যার ছাড়া শুধুমাত্র হার্ডওয়্যার দিয়ে কম্পিউটার কোনো কাজ করতে পারে না।
- একইভাবে হার্ডওয়্যার ছাড়া শুধুমাত্র সফটওয়্যার দিয়েও কোনো কাজ সম্পাদন করা সম্ভব নয়।

 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৭,০০৫.
Who is known as the inventor of Virtual Reality?
  1. Alan Turing
  2. Joseph Engelberger
  3. Tim Berners-Lee
  4. Jaron Lanier
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার (Jaron Lanier), যিনি কম্পিউটারভিত্তিক কৃত্রিম পরিবেশকে বাস্তবের মতো করে অনুভব করার ধারণা প্রতিষ্ঠা করেন।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি একটি কম্পিউটার সিস্টেম।
- এর মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক (3D) চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ করা হয়।
- এটি প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের চেতনা সৃষ্টি করে।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ভিত্তি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে তা সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
 
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত উপকরণ ও অভিজ্ঞতা:
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় ব্যবহারকারী মাথায় Head Mounted Display (HMD) পরিধান করে।
- হাতে Data Glove বা কখনো Body Suit ব্যবহার করা হয়।
- এতে কোনো শারীরিক ঝুঁকি ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Alan Turing → কম্পিউটার সায়েন্সের জনক (Turing Machine, AI-এর ভিত্তি)।
- Joseph Engelberger → রোবোটিক্সের জনক হিসেবে পরিচিত।
- Tim Berners-Lee → World Wide Web-এর উদ্ভাবক।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০০৬.
প্রথম বাইনারি কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) EDVAC
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) DOEL
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ইতিহাসে:
- প্রথম পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার ENIAC.
- প্রথম বাইনারি কম্পিউটার - EDVAC.

1946 সালে মুর স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিজ্ঞানীরা এডভ্যাক EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic          Calculator) আবিষ্কার করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা
৭,০০৭.
বারবার একই ধরনের কাজ করে গেলেও কম্পিউটার ক্লান্ত হয় না৷ কম্পিউটারের এই গুণকে কী বলে?
  1. ক) বিশ্বাসযোগ্যতা
  2. খ) সূক্ষ্মতা
  3. গ) ক্লান্তিহীনতা
  4. ঘ) বহুমূখীতা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার একটি গুণ ক্লান্তিহীনতা। কারণ এটি বারবার একই ধরনের কাজ অক্লান্ত ও নিখুঁতভাবে একই গতিতে করে যেতে পারে৷ পুনরাবৃত্তিমূলক কাজ নির্ভুলভাবে সম্পন্ন করতে কম্পিউটারের উৎসাহ, মনযোগ ও সহিষ্ণুতার একটুও ঘাটতি হয় না।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,০০৮.
MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + Alt + R
  2. Ctrl + Shift + F
  3. Ctrl + Shift + C
  4. Ctrl + Shift + P
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
Shift + F10 Key: শর্টকাট মেনু পাওয়ার জন্য।
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের এড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
Ctrl + Shift + C : Copy formats এর জন্য।
Ctrl + Shift + D : যেকোনো টেক্সটে Double underline ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Shift + F : লেখনের ফন্ট স্টাইল (Font style) চেঞ্জ বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + H : কিছু লুকোনো (hidden) Text formatting এপলাই করার জন্য।
Ctrl + Shift + L : লেখনে list style apply করার জন্য।
Ctrl + Shift + P : টেক্সটের (text) ফন্ট সাইজ (size) বদলানোর জন্য।
Ctrl + Shift + S : একটি নতুন স্টাইল এপলাই করার জন্য। (Apply a style).
Ctrl + Home : ডকুমেন্টের একেবারে আরম্ভে (beginning) যাওয়ার জন্য।
Ctrl + Delete : লেখনের ডানদিকের একটি শব্দ ডিলিট (delete) করার জন্য।
Ctrl + Backspace : লেখনের বাঁদিক থেকে একটি শব্দ ডিলিট করার জন্য।
Ctrl + Alt + S : লেখনে Copyright symbol ব্যবহার করার জন্য।
Ctrl + Alt +R : MS Word ডকুমেন্টে Registered trademark symbol ব্যবহার করার জন্য।

উৎস: Computerhope website.
৭,০০৯.
ট্রানজিস্টর-ভিত্তিক কম্পিউটার কোন প্রজন্মের তুলনায় দ্রুততর, ছোট এবং আরও নির্ভরযোগ্য ছিল?
  1. 1G
  2. 2G
  3. 3G
  4. 4G
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর-ভিত্তিক কম্পিউটার প্রথম প্রজন্মের (1G) কম্পিউটারের তুলনায় দ্রুততর, ছোট এবং আরও নির্ভরযোগ্য ছিল। প্রথম প্রজন্মের (1G) কম্পিউটারগুলি ভ্যাকুম টিউব ব্যবহার করত, যা বড়, বেশি শক্তি খরচকারী এবং অতি তাপ উৎপাদনকারী ছিল। ট্রানজিস্টর ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো ছোট আকারের, কম শক্তি খরচকারী এবং কম ত্রুটিপূর্ণ হয়ে উন্নত হয়। ট্রানজিস্টর কম্পিউটারকে দ্রুতগতির গণনা, আরও নির্ভরযোগ্য তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং দীর্ঘমেয়াদি স্থায়িত্ব প্রদান করেছিল। ফলে, এটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোর তুলনায় অনেক বেশি কার্যক্ষম এবং ব্যবহারবান্ধব হয়ে ওঠে।

উত্তর: ক) 1G.

• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০১০.
কম্পিউটারের ভাইরাস-
  1. ট্রোজান হর্স
  2. জেরুজালেম
  3. ওয়ার্ম
  4. উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
• কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
• কাজ: কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার. আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১১.
কী-বোর্ডের কোন কমান্ড ব্যবহার করে ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করা যায়?
  1. Ctrl + Alt + Del
  2. Ctrl + Shift + Del
  3. Ctrl + Alt + Tab
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়।
যেমন - 
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.

উৎস: Microsoft.
৭,০১২.
53 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 01110011
  2. 01010011
  3. 10001100
  4. 00111010
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

5 এর বিসিডি 0101
3 এর বিসিডি 0011
∴ 53 এর বিসিডি 01010011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১৩.
কম্পিউটারের কোন অংশটি RAM এবং প্রসেসর থেকে ডেটা স্থানান্তর করে?
  1. ALU
  2. মাদারবোর্ড
  3. বাস
  4. পয়েন্টার
ব্যাখ্যা

◉ বাস (Bus) হলো কম্পিউটারের ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত যোগাযোগ মাধ্যম। এটি RAM, প্রসেসর, এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্টগুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করে।

কম্পিউটার বাস: 
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন-ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।

কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। সিস্টেম বাস (System Bus) বা প্রধান বাস ও
২। এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বা সম্প্রসারিত বাস। 

১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus).
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus).
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০১৪.
ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কী?
  1. Decimal Digit
  2. Binary Digit
  3. Octal Digit
  4. Hexadecimal Digit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল কম্পিউটার:
- এই ধরনের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ ও অংক ব্যবহার করা হয় এবং প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে প্রস্তুত করা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হল বাইনারী সংখ্যা (০ এবং ১)।
- এই কম্পিউটার যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিটের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল বর্ণ ও অংকের মাধ্যমে লিখিত আকারে প্রকাশ করে।
- এনালগ কম্পিউটারের চেয়ে ডিজিটাল কম্পিউটার প্রদত্ত ফলাফল অনেক বেশি নির্ভুল ও নির্ভরশীল।
- আমাদের চারপাশে আমরা যে সমস্ত কম্পিউটার দেখি সেগুলো ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, তথ্য সংরক্ষণ, তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজ একইসংগে করা যায়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারিক কর্মসূচি ব্যবহার করতে হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১৫.
কোনটি কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Illustrator
  3. PowerPoint
  4. Windows Media Player
ব্যাখ্যা
কর্পোরেট ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হচ্ছে Informix.

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান বলতে মূলত বড় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান যেমন-ব্যাংক, বীমা, মোবাইল কোম্পানি, সরকারি-বেসরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠান ইত্যাদিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেট ভিত্তিক ব্যবস্থায় বড় বড় প্রতিষ্ঠান তাদের কেন্দ্রিয় অফিসের সাথে শাখা অফিসসমূহের সমন্বয়, বিভিন্ন ব্যবসায়িক কাজকর্ম এবং ডাটা আদান প্রদানের জন্য যে বিশেষ ডাটাবেজ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তাকে কর্পোরেট ডাটাবেজ বলে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়্যারগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access,
- Informix, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১৬.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 63 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 01100011
  2. 11100010
  3. 10100011
  4. 010100101
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

এখানে,
6 = 0110 
3 = 0011
∴ (63)16 = (01100011)2

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০১৭.
নিচের কোন সালে কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা FORTRAN আবিষ্কার হয়?
  1. ক) ১৯৪৭
  2. খ) ১৯৫২
  3. গ) ১৯৫৭
  4. ঘ) ১৯৬২
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রামিং ভাষা তত্ত্ব কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা যা অঙ্কণ বা নকশা বাস্তবায়ন, বিশ্লেষণ, বৈশিষ্ট্য প্রদান, প্রোগ্রামিং ভাষা'র শ্রেণীবিভাগ এবং তাদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পর্কিত।
John Backjar 1957 সালে প্রথম আবিষ্কার করেন প্রোগ্রামিং ভাষা FORTRAN (Formula Translation).
সূত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।

৭,০১৮.
প্রোগ্রাম এর কম্পাইল-টাইমে কোন ধরনের ত্রুটির কারণে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়?
  1. Syntax Error
  2. Logical Error
  3. Data Error
  4. Runtime Error
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রামিংয়ে, কোড কম্পাইল করার সময় (কম্পাইল-টাইমে) কোনো সিনট্যাক্স ত্রুটি (Syntax Error) দেখা দিলে কম্পিউটার একটি ত্রুটি বার্তা প্রদর্শন করে।

Syntax Error:
- একটি সিনট্যাক্স ত্রুটি ঘটে যখন প্রোগ্রামের কোড লেখার সময় প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়মকানুন (ব্যাকরণ বা সিনট্যাক্স) সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয় না।
- প্রোগ্রামিং ভাষার নিজস্ব সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী থাকে, যেমন - কোথায় বন্ধনী () ব্যবহার করতে হবে, কোথায় সেমিকোলন ; দিতে হবে, অথবা কোনো কীওয়ার্ডের বানান সঠিক আছে কিনা।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার যখন এই ধরনের ভুল কোড পড়ে, তখন এটি বুঝতে পারে না এবং একটি ত্রুটি বার্তা (যেমন: "Syntax Error", "Parse Error", "Unexpected token") প্রদর্শন করে প্রোগ্রামটি চালানো বন্ধ করে দেয়। 
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।

Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি শর্তে A < B হওয়া উচিত, কিন্তু ভুল করে A > B লেখা হয়। অথবা গণনায় যদি X = A + B হওয়া দরকার, কিন্তু ভুলক্রমে X = A - B লেখা হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

Data Error:
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০১৯.
নিচের কোনটি Open Source Software?
  1. Google Chrome
  2. Microsoft Windows
  3. Zoom
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
সত্যি বলতে প্রশ্নে কিছুটা ভুল আছে। তবে, মূল পরীক্ষায় উত্তর খালি রাখার সুযোগ নেই তাই বেস্ট এন্সার নিতে হচ্ছে।

Microsoft Windows, Zoom, Adobe Photoshop এগুলো নিয়ে কারও কনফিউশন থাকার কথা নয়। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর ক) Google Chrome হয়ে যাচ্ছে।

তবে, জেনে রাখা উচিত যে, Google Chrome ব্রাউজারটি মোটেও ওপেন সোর্স নয়।

গুগুলের বিখ্যাত The Chromium Projects এর দুটি অংশ হচ্ছে Chromium and Chromium OS.

Chromium
Chromium is an open-source browser project that aims to build a safer, faster, and more stable way for all users to experience the web. 

Chromium OS
Chromium OS is an open-source project that aims to provide a fast, simple, and more secure computing experience for people who spend most of their time on the web. 

অর্থাৎ, Google Chromium একটি ওপেন সোর্স ব্রাউজার প্রোজেক্ট।

অন্যদিকে,

Google Chrome ব্রাউজারটি একটি Freeware, তবে এটা ওপেন সোর্স নয়।

এটা গুগুলের Proprietary Software. এটা ফ্রি। কিন্তু, যে কেউ এটার পরিবর্তন করে নিজের মতো অবাণিজ্যিক বা বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করতে পারবেন না। কপিরাইট Google LLC এর।



যে সকল সফটওয়্যার এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমতো পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে তাকে ওপেন সোর্স সফটওয়্যার বলে। 

Chrome এবং Chromium এক নয়। Freeware and Open Source ও এক নয়।

প্রশ্নকর্তা সম্ভবত ভুলে Chrome লিখেছেন।

যাইহোক, বেস্ট এন্সার হিসেবে ক) Google Chrome কে সঠিক ধরে নেয়া হচ্ছে।

তথ্যসূত্র:
উপরে Google Chrome এর কপিরাইটের এবং Term of Service পেজের স্ক্রিনশট দেয়া হয়েছে।
পাশাপাশি, https://www.chromium.org/Home/ লিঙ্ক ভিজিট করতে পারেন।
৭,০২০.
বাংলাদেশে প্রথম রেডিক্যাশ চালু করে কোন ব্যাংক?
  1. ক) বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. খ) অগ্রণী ব্যাংক
  3. গ) সোনালী ব্যাংক
  4. ঘ) জনতা ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নগদ অর্থের বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরনের প্লাস্টিক কার্ডকে রেডিক্যাশ বলে। বাংলাদেশে জনতা ব্যাংক লিমিটেড সর্ব প্রথম রেডিক্যাশ কার্ড ব্যবস্থা চালু করে।
৭,০২১.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. XML
  2. COBOL
  3. LISP
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে প্রয়োগ করার জন্য বিভিন্ন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়। যেমনঃ PROLOG, LISP, CLISP, Java, C/C++ ইত্যাদি।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০২২.
Which of the following is a Data manipulation language command?
  1. Create
  2. Rename
  3. Insert
  4. Alter
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Insert

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০২৩.

  1. - 3
  2. - 1
  3. 3
  4. 1
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

৭,০২৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের পেরিফেরাল ডিভাইস নয়?
  1. Monitor
  2. Hard Drive
  3. Motherboard
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যেসকল হার্ডওয়্যার কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে এর কর্মক্ষমতা ও কর্মপরিধি বৃদ্ধি করে - সেগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস্‌ বলে।
এই ডিভাইসগুলো ৩ ধরনের - ইনপুট, আউটপুট ও স্টোরেজ ডিভাইস।
যেমন - কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, কার্ড রিডার, মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই।

৭,০২৫.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. স্মৃতি
  2. বুদ্ধি বিবেচনা
  3. দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  4. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার শব্দের অর্থ গণনা বা হিসাবকারী। 
- এটি শুধু হিসাবকারী যন্ত্রই নয় মৌলিক অর্থে কম্পিউটার এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াকরণ করে মানুষের জন্য বিশ্লেষণ ও উপস্থাপণ করে। 
- কম্পিউটার ভুল শনাক্ত করতে পারে কিন্তু নিজে নিজে ভুল সংশোধন করতে পারে না। 
- কারণ কম্পিউটারের নিজস্ব কোনো বুদ্ধি বিবেচনা নাই। 
এছাড়াও 
- বাংলাদেশে প্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষার সূত্রপাত ঘটে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৯২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,০২৬.
NOT গেটকে আরও কী বলা যায়?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. Buffer
  4. Inverter
ব্যাখ্যা

•  NOT গেটকে সাধারণত Inverter বলা হয়। এটি একটি লজিক গেট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট “1” হয়, আউটপুট হবে “0”, এবং ইনপুট “0” হলে আউটপুট হবে “1”। NOT গেটের কাজ হলো ডিজিটাল সিগন্যালের লজিক মান উল্টে দেওয়া। অন্য লজিক গেট যেমন AND, OR বা Buffer-এর সঙ্গে এর কার্যকারিতা আলাদা, কারণ সেগুলি সরাসরি ইনপুটের যৌক্তিক সমন্বয় বা পুনঃপ্রচারণার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, Buffer কেবল ইনপুটকে অপরিবর্তিত আকারে আউটপুট দেয়। তাই NOT গেটের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত সমার্থক নাম হলো Inverter.

মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০২৭.
What is the primary function of the ALU in a CPU?
  1. Managing Input/Output operations.
  2. Performing arithmetic and logical operations.
  3. Storing temporary data during computation.
  4. None of these
ব্যাখ্যা
• সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- CPU-কে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত।
যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (ALU),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) এবং
৩. স্মৃতি অংশ (Register).

- গাণিতিক যুক্তি অংশ (অ্যারিথম্যাটিক লজিক ইউনিট - ALU) গাণিতিক ক্রিয়াকলাপ (যেমন, যোগ এবং বিয়োগ) এবং লজিক্যাল অপারেশন (যেমন, দুটি মানের মধ্যে তুলনা) সঞ্চালন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০২৮.
নিচের কোনটি প্যাকেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ওয়ার্ড পারফেক্ট
  2. খ) মাইক্রোসফট এক্সেস
  3. গ) অ্যাডবি ফটোশপ
  4. ঘ) ইউনিক্স
ব্যাখ্যা

ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)

ব্যবহারিক সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। এই ধরনের সফট্ওয়্যারকে Application Program বলা হয়।
ব্যবহারিক সফটওয়্যার মূলত দুই ধরনের। 

যথা-
১. প্যাকেজ প্রোগ্রাম (Package Program) ও ২. কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম (Customized Program)

প্যাকেজ সফট্ওয়্যার (Package Program)

মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের ব্যবহার দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ার সময় থেকে প্যাকেজ সফট্ওয়্যারের প্রচলন শুরু হয়। কম্পিউটার বিশেষজ্ঞরা ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন ও চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন প্যাকেজ প্রোগ্রাম তৈরি করেন।

প্যাকেজ প্রোগ্রামে ব্যবহারকারীর কাজের প্রয়োজনে সম্ভাব্য সকল প্রকার নির্দেশ তৈরি করে দেওয়া থাকে। ব্যবহারকারীকে নির্দেশ তৈরি করতে হয় না, তিনি শুধু ব্যবহার করে থাকেন। নিম্নে কিছু প্যাকেজ সফট্ওয়্যার সম্পর্কে আলোচনা করা হল।

উদাহরণঃ মাইক্রোসফট এক্সেস, অ্যাডব ফটোশপ, ওয়ার্ড পারফেক্ট এম.এস পাওয়ার পয়েন্ট ইত্যাদি।

উল্লেখ্য, UNIX একটি OS Family/Type.

রেফারেন্সঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

 
৭,০২৯.
উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine) উদ্ভাবন করেন কে?
  1. গটফ্রাইড ভন লিবনিজ
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. হারম্যান হলিরিথ
  4. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন
ব্যাখ্যা
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।

রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine):

- ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন - প্রথম ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার Mark-I উদ্ভাবন করেন।
ব্লেইজ প্যাসকেল - সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর (Pascalene) উদ্ভাবন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩০.
নিচের কোন ফরম্যাটটি ডেটা স্টোর করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. বিসিডি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড দশমিক (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 
- বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (BCD) ফরম্যাটটি তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,০৩১.
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থেকে ভিডিও ফাইল চালানোর ফলে কম্পিউটার হ্যাং করে। কারণ -
  1. ডিসপ্লে কার্ডে সমস্যা থাকতে পারে
  2. সাউন্ড কার্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিক ম্যাচ করছে না
  3. ক) ও খ) উভয়েই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক ড্রাইভ থেকে ভিডিও ফাইল চালানোর ফলে কম্পিউটার হ্যাং করে।
কারণ - (১) ডিসপ্লে কার্ডে সমস্যা থাকতে পারে 
            (২) সাউন্ড কার্ড মাদারবোর্ডের সাথে ঠিক ম্যাচ করছে না
গ্রাফিক্স কার্ডের ড্রাইভার আনইন্সটল করে পুনরায় ইন্সটল করে পরীক্ষা করা যেতে পারে। 

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই
৭,০৩২.
What is the binary equivalent of hexadecimal 'F'?
  1. 1111
  2. 1010
  3. 1011
  4. 1100
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল 'F' এর বাইনারি সমতুল্য হলো 1111

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'F' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 15.
- এখন 15 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1111
- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

•  বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে B এর সমুতল্য বাইনারি মান 1011
-হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান 1100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৩৩.
কোন কোম্পানি GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক?
  1.  AMD 
  2.  Intel 
  3. Cisco
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• GPU প্রস্তুতকারকদের মধ্যে AMD অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান। AMD (Advanced Micro Devices) দীর্ঘদিন ধরে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট উৎপাদন করছে, যা মূলত গেমিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং ডেটা সেন্টারের মতো জটিল কাজে ব্যবহৃত হয়। এ কোম্পানি তাদের Radeon সিরিজের GPU-এর জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে Intel মূলত CPU উৎপাদনে পরিচিত হলেও সম্প্রতি GPU বাজারে প্রবেশ করেছে, Cisco নেটওয়ার্কিং যন্ত্রপাতির জন্য বিখ্যাত এবং Oracle সফটওয়্যার ও ডাটাবেস সমাধানের জন্য পরিচিত। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো AMD, যারা GPU বাজারে একটি বড় ও প্রভাবশালী প্রতিষ্ঠান।

• GPU:
- GPU এর পূর্ণরূপ Graphics Processing Unit.
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন: গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে ভিডিও গেইমস খেলার জন্য GPU ব্যাপকহারে ব্যবহৃত হচ্ছে।

AMD (Advanced Micro Devices):
- AMD একটি আমেরিকান বহুজাতিক সেমিকন্ডাক্টর কোম্পানি।  
- এটি ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।  
- AMD এর সদরদপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারা, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।  
- বর্তমান নির্বাহী পরিচালক (CEO) হলেন লিসা সু। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)  
- AMD মূলত CPU, GPU, চিপসেট এবং সেমিকন্ডাক্টর প্রযুক্তি তৈরি করে।  
- Radeon গ্রাফিক্স কার্ড সিরিজ এর অন্যতম বিখ্যাত পণ্য।  
- AMD হল GPU এর অন্যতম শীর্ষ প্রস্তুতকারক।  

সূত্র: AMD [link]

৭,০৩৪.
'হায়ারোগ্লিফিক্স' কী ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  3. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৩৫.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে কত হবে?
  1. 4
  2. 500
  3. 14
  4. 5
ব্যাখ্যা

• "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল নির্ণয় করলে মান হবে: 5

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5

৭,০৩৬.
বিসিডি কোড কয় বিট বিশিষ্ট?
  1. ক) 2
  2. খ) 4
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
ব্যাখ্যা
- BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- 4টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- 4টি বিট দ্বারা  24 বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০৩৭.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে কতটি অঙ্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত সংখ্যা দুইটি 0 এবং 1।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system): যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে দুই। 
• সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৩৮.
অ্যালান টুরিং কীসের জনক?
  1. ক) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক
  2. খ) WWW এর জনক
  3. গ) লিঙ্কড-ইনের জনক
  4. ঘ) রোবটিক্সের জনক
ব্যাখ্যা
রোবটিক্সের জনক - ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার
বিশ্বগ্রাম এর প্রবক্তা - মার্শাল ম্যাকলুহান
ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতা - মার্ক জুকারবার্গ
WWW এর জনক - টিম বার্নারস লি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক - অ্যালান টুরিং

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং - ৩৮]
৭,০৩৯.
DNS Server এর কাজ কোনটি?
  1. ক) MAC Addres-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  2. খ) Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  3. গ) Email-কে IP Address-এ অনুবাদ করা।
  4. ঘ) Hostname-কে MAC Addres-এ অনুবাদ করা।
ব্যাখ্যা
DNS এর পূর্ণরূপ Domain Name System। 
ডোমেন নেইম হচ্ছে ইন্টারনেটে এক বা একাধিক আইপি অ্যাড্রেসকে সনাক্তকরণের জন্য একটি অদ্বিতীয়/ইউনিক আলফানিউমেরিক (ক্যারাক্টর বা নাম্বার সম্বলিত) ঠিকানা। 

Hostname হল একটি Host কম্পিউটারের জন্য বরাদ্দকৃত ডোমেন নেম। এর দ্বারা একটি কম্পিউটারকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। 
DNS Server মূলত Hostname-কে IP Address-এ অনুবাদ করে দেয়। 
একজন ব্যবহারকারী যখন একটি ওয়েবসাইটে ক্লিক করে, তখন এই নির্দেশ DNS Server এ গিয়ে পৌঁছায়। 
ইহা Hostname এর পরিবর্তে IP Address-এ রূপান্তর করে দেয়। 
তখনই কেবল ব্যবহারকারী ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে পারে। 
৭,০৪০.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) এমএস ডস
  2. খ) পিসি ডস
  3. গ) অ্যান্ড্রয়েড
  4. ঘ) লিনাক্স
ব্যাখ্যা
একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। সার্ভার কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। আবার একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
৭,০৪১.
ন্যানোটেকনোলজির জনক হিসেবে পরিচিত-
  1. John McCarthy
  2. Paul Berg
  3. Richard Feynman
  4. Marie Curie
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,০৪২.
নিচের কোনটি রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book) এর উদাহরণ?
  1. ipad
  2. Kindle
  3. B&N Nook
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)
রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
Amozon- এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে। এই ধরণের ই-বুকে ছবির ব্যবহার সাধারণত কম হয় এবং লেখার পরিমাণ থাকে বেশি। রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবর্তনের পর কন্টেন্ট তা ধারণ করে স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী সমন্বয় করে নেয়।
ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক এর উদাহরণ হচ্ছে - B&N Nook, Apple -এর ipad।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৭,০৪৩.
Mail merge কোন ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে করা যায়?
  1. ক) MS Excel
  2. খ) MS PowerPoint
  3. গ) MS Word
  4. ঘ) MS Outlook
ব্যাখ্যা
MS Word দিয়ে Mail merge করা যায়।একই চিঠিকে চাহিদামতো কয়েকটি ঠিকানায় একসাথে পাঠানোর উপযোগী করাকে মেইল মার্জ বলে।
৭,০৪৪.
Which one is an antivirus software?
  1. ক) AVG
  2. খ) Norton
  3. গ) Avast
  4. ঘ) All of them
ব্যাখ্যা
আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪। নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৪৫.
কোন নীতি কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয়?
  1. Interference
  2. Entanglement
  3. Superposition
  4. Decoherence
ব্যাখ্যা

•  কিউবিটকে একসাথে বিভিন্ন অবস্থায় থাকার সুযোগ দেয় Superposition নীতি। এটি কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যার একটি মূল বৈশিষ্ট্য, যা বলে যে একটি কিউবিট একই সময়ে একাধিক অবস্থা ধারণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি কিউবিট ০ বা ১ অবস্থার পরিবর্তে ০ এবং ১-এর সমন্বয় অবস্থায় থাকতে পারে। এই ক্ষমতার কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। Superposition কেবল কিউবিটকে একাধিক সম্ভাব্য ফলাফলের মধ্যে একসাথে থাকতে দেয়, যা পরে পরিমাপের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট ফলাফলে পরিবর্তিত হয়। এটি কোয়ান্টাম এলগরিদমের শক্তির মূল ভিত্তি।

সঠিক উত্তর: গ) Superposition.

- Interference হল বিভিন্ন স্টেটের মিলিত প্রভাব, Entanglement কিউবিটগুলোর পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অবস্থাকে বোঝায়, আর Decoherence কিউবিটের সুপারপজিশন ভেঙে সাধারণ স্টেটে পরিণত হওয়া।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:

- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।

• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।

- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।

- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।

উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) Microsoft [link]

৭,০৪৬.
10101D কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ডেসিমেল
  2. বাইনারি
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F। সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।

উপরে উল্লিখিত সংখ্যাটি একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা। 

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)
৭,০৪৭.
ওয়েবসাইটকে আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় কোনটি?
  1. HTTP
  2. HTML
  3. CSS
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
- ব্রাউজারে যেই ওয়েবসাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় HTML CSS I
- HTML এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hyper Text Markup Language।
- এটি কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়।
- এর কাজ হচ্ছে কোনো তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযোগী করা।
- এখানে যেসব ট্যাগ (tag) ব্যবহার করা হয়, ব্রাউজার সেগুলো বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী ওয়েবসাইটে ডেটা প্রদর্শন করে।
- শুধু এইচটিএমএল ব্যবহার করে ওয়েবসাইট তৈরি করা গেলেও, ওয়েবসাইটকে আরো আকর্ষণীয় ও সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয় CSS।
- যার পুর্ণরূপ হচ্ছে- Cascading Style Sheet। 
- আধুনিক সব ওয়েবসাইটেই HTML এর সঙ্গে CSS ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৭,০৪৮.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. প্লাস্টিক
  3. গ্যালিয়াম
  4. সিলিকন
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৭,০৪৯.
'Cortana' কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবিত পার্সনাল এসিস্টেন্ট সফটওয়্যার?
  1. Samsung
  2. Apple
  3. Microsoft
  4. Google
ব্যাখ্যা
- Cortana হলো মাইক্রোসফট উদ্ভাবিত  ব্যক্তিগত এসিস্টেন্ট সফটওয়্যার। 
- Siri হলো Apple উদ্ভাবিত ব্যক্তিগত এসিস্টেন্ট সফটওয়্যার। 
- Google Assistant হলো Google উদ্ভাবিত ব্যক্তিগত এসিস্টেন্ট সফটওয়্যার। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭,০৫০.
(1234)8 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 28B
  2. 27A
  3. 29C
  4. 26D
ব্যাখ্যা
(1234)8 
= 001 010 011 100
= 0010 1001 1100
= (29C)16 [12 = C]
৭,০৫১.
Encrypted and unreadable data is called—
  1. Plain text
  2. Source data
  3. Cipher text
  4. Open data
ব্যাখ্যা

• Cipher text হলো প্লেইন টেক্সটকে এনক্রিপশন করার পর যে দুর্বোধ্য বা unreadable ডাটা পাওয়া যায়।
- এই ডাটা সরাসরি পড়া বা বোঝা যায় না।

• ডাটা এনক্রিপশন (Data Encryption):
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য উৎস (প্রেরক) থেকে গন্তব্যে (প্রাপক) প্রেরণের পূর্বে ডাটাকে যে বিশেষ পদ্ধতিতে রূপান্তর করা হয়, তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- এর ফলে প্রেরিত ডাটা কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সহজে ব্যবহার করতে পারে না।
 
• এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশনের প্রক্রিয়া:
- প্রেরক কম্পিউটার ডাটাকে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে একটি মাধ্যমের (Transmission Medium) মাধ্যমে পাঠায়।
- প্রাপক কম্পিউটার ডাটাটি ব্যবহারের পূর্বে সেটিকে ডিক্রিপ্ট (Decrypt) করে।
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপশনের নিয়ম এবং প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপশনের নিয়ম নির্ধারিত থাকে।
- এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• ডাটা এনক্রিপশনের জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ড হলো—

১. সিজার কোড (Caesar Code),
২. ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (DES – Data Encryption Standard)।
 
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল উপাদানসমূহ:

- প্লেইন টেক্সট (Plain Text):
- যে ডাটা সাধারণভাবে পড়া ও বোঝা যায়।

- সাইফার টেক্সট (Cipher Text):
- মূল বার্তাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে দুর্বোধ্য টেক্সট পাওয়া যায়।

- এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (Encryption Algorithm):
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত গাণিতিক সূত্র বা নিয়মাবলি।

- কী (Key):
- একটি গোপন কোড, যা ডাটা এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- এই কী-এর সাহায্যে সাইফার টেক্সটকে পুনরায় প্লেইন টেক্সটে রূপান্তর করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৫২.
কোনটি SRAM-এর DRAM-এর তুলনায় একটি সুবিধা?
  1. বেশি ঘনত্ব
  2. প্রতি বিটের কম খরচ
  3. দ্রুততর অ্যাক্সেস সময়
  4. রিফ্রেশ চক্রের প্রয়োজন
ব্যাখ্যা

• SRAM (Static RAM) এবং DRAM (Dynamic RAM) হলো দুই ধরনের র‍্যাম, কিন্তু তাদের কাজের ধরন ভিন্ন। SRAM ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, তাই এটি DRAM-এর তুলনায় দ্রুততর অ্যাক্সেস সময় প্রদান করে। DRAM প্রতিটি সেলে ক্যাপাসিটার ব্যবহার করে, যা সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়। সেজন্য DRAM ধীর এবং অতিরিক্ত রিফ্রেশ চক্রের প্রয়োজন হয়। SRAM-এর প্রধান সুবিধা হলো ডেটা দ্রুত পড়া বা লেখা যায় এবং রিফ্রেশের প্রয়োজন নেই, যদিও এটি দামি এবং কম ঘনত্বের। সুতরাং, SRAM-এর DRAM-এর তুলনায় সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দ্রুততর অ্যাক্সেস সময়।

- সঠিক উত্তর: গ) দ্রুততর অ্যাক্সেস সময়।

স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM):
- স্ট্যাটিক র‍্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭,০৫৩.
415 দশমিক সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ক) 110011011
  2. খ) 110001111
  3. গ) 110011110
  4. ঘ) 110011111
ব্যাখ্যা
দশমিক থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।
- দশমিক 415 = বাইনারি 110011111 হবে।

সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৭,০৫৪.
নিচের কোনটি সিরিয়াল কমিউনিকেশন ডিভাইস এর উদাহরণ?
  1. মাউস
  2. মডেম
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. ইউএসবি পোর্ট
ব্যাখ্যা

পোর্টঃ
কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ। কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়ারের সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্নধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্টঃ
RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।

সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।

মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে। মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৫৫.
সর্বপ্রথম গণনার কাজে লিখিত সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. মেয়ান
  2. বাইনারি সংখ্যা
  3. হায়ারোগ্লিফিক্স
  4. নফর
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা আবিষ্কারের ইতিহাস:
- অনুমান করা হয় খৃস্টপূর্ব ৩২০০ সালে হায়ারোগ্লিফিক্স (Hieroglyphics) চিহ্ন বা সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে সর্বপ্রথম গণনার কাজে লিখিত সংখ্যা বা চিহ্নের প্রচলন শুরু হয়।
- এরপর শুরু হয় মেয়ান (Mayan) পদ্ধতি। তারা ব্যবহার করতো ২০ ভিত্তিক সংখ্যা এবং ৫ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- খৃস্টপূর্ব ৩৪০০ সালে রোমানরা তাদের নিজস্ব বর্ণমালা ব্যবহারের মাধ্যমে রোমান (Roman) সংখ্যা পদ্ধতি চালু করে।
- খৃষ্টপূর্ব ৪০০০ সালের দিকে ভারতবর্ষে দশভিত্তিক সংখ্যার প্রচলন হয় এবং আরবের পণ্ডিতেরা তাদের এ পদ্ধতির উপর ব্যাপক গবেষণা করে দশভিত্তিক সংখ্যা প্রকাশের কৌশল ও গণনার প্রবর্তন করেন।
- খৃষ্টপূর্ব ৪০০ সালে গ্রিসে ২৭টি গ্রিক আলফাবেট নিয়ে ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি চালু হয়।
- মিশরীয়রা হিসাবে ব্যালেন্স না থাকলে তাকে 'নফর' বা 'শূন্য' দিয়ে প্রকাশ করে।
- কোন কিছু নাই এরূপ বোঝাতে ভারতীয়রা সংস্কৃত শব্দ 'শূন্য' ব্যবহার করতো।
- ৬০০ সালের দিকে ঋণাত্বক সংখ্যা ব্যবহার করা হয় কারো ঋণ বোঝানোর জন্য।
- ভগ্নাংশ সংখ্যা প্রথম প্রবর্তন হয় মিশরে।
- গ্রিক ও ভারতীয় গণিতবিদরা খৃষ্টপূর্ব অর্ধশতাব্দীতে ভগ্নাংশ সংখ্যার তত্ত্ব ও উপপাদ্য আবিষ্কার করেন।
- দার্শনিক এরিস্টটল সর্বপ্রথম অসীম (∞) এর সংকেত প্রচলন করেন।
- প্রাচীন ভারতীয় গণিতবিদ পিংগালা ( Pingala) শূন্য ("০") আবিষ্কারের মাধ্যমে খ্রিস্টপূর্ব ৩য় শতাব্দীতে প্রথম বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ধারণা দেন।
- সতের শতাব্দীতে গটফ্রেইড লিবনিজ (Gottfried Leibiz) একটি আর্টিকেলে আধুনিক বাইনারি সংখ্যা সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দেন।
- তিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 ব্যবহার করেন।
- প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ জর্জ বুল (George Boole) ১৮৫৪ সালে সত্য এবং মিথ্যা এ দুই যুক্তি বা লজিকের উপর ভিত্তি করে বুলিয়ান বীজগণিত রচনা করেন।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি আবিষ্কৃত হওয়ার পর সত্য এবং মিথ্যাকে যথাক্রমে বাইনারি ১ ও ০ দিয়ে পরিবর্তন করার মাধ্যমে কম্পিউটারে সমস্ত গাণিতিক সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এ সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া সকল আধুনিক কম্পিউটারে বইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৫৬.
Bubble memory is a-
  1. ক) Sequential access device only
  2. খ) Direct access device only
  3. গ) Combination of sequential and direct access devices
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
Bubble memory is a type of non-volatile memory that makes use of a thin layer of magnetic material that holds small magnetized areas known as bubbles or domains, which are able to store one bit of data each. The magnetic material is arranged into parallel tracks where the bubbles can move along through the action of an external magnetic field.
Source: techopedia.com
৭,০৫৭.
নিচের কোনটি ১০২৪ গিগাবাইট এর সমতুল্য?
  1. ১ টেরাবাইট
  2. ১ পেটাবাইট
  3. ১ এক্সাবাইট
  4. ১ ইয়োট্ট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
৭,০৫৮.
কম্পিউটার একটি—
  1. ক) হিসাবকারী যন্ত্র
  2. খ) সমস্যা সমাধানের যন্ত্র
  3. গ) সিদ্ধান্ত গ্রহণের যন্ত্র
  4. ঘ) হিসাব পরীক্ষার যন্ত্র
ব্যাখ্যা
- Computer শব্দটি গ্রীক শব্দ থেকে উৎপত্তি। Compute শব্দ থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি। যার আভিধানিক অর্থ হলো গণনাকারী যন্ত্র।
- সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে আমরা গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করতে পারি।
-  কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,০৫৯.
Which key on keyboard sets to full screen mode in most browsers?
  1. ক) F1
  2. খ) F5
  3. গ) F9
  4. ঘ) F11
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী: কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

♦কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৭,০৬০.
মাদারবোর্ডের কোন স্লটটি গ্লাফিক্স কার্ডের জন্য ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) আইএসএ স্লট
  2. খ) পিসিআই স্লট
  3. গ) এজিপি স্লট
  4. ঘ) পিসিআই এক্সপ্রেস স্লট
ব্যাখ্যা
এজিপি স্লটটি  গ্লাফিক্স কার্ডের জন্য ব্যাবহার করা হয়। 

- মাদারবোর্ড হচ্ছে মুল সার্কিট বোর্ড যা সিপিইউ, স্টোরেজ ডিভাইস, গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড সহ কম্পিউটারের যাবতীয় হার্ডওয়ার গুলোর হোম বেইজ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।
- এর মুল কাজ হচ্ছে বিভিন্ন যন্ত্রত্রাংশের মধ্যে ইলেকট্রনিক যোগাযোগ স্থাপন করানো।
- AGP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Accelerated Graphics Port।
- উন্নতমানের গ্রাফিক্স, ভিডিও গেম ইত্যাদি প্রদর্শণের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৭,০৬১.
নিম্নের কোনটি জনপ্রিয় জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট?
  1. ক) Upwork
  2. খ) Freelancer
  3. গ) Belancer
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর বিরাট অংশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই দেশে এবং দেশের বাইরে চাকরির বাজারে আবেদন করে বেকারত্ব দূর করতে পারছে।

- আবার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ খন্ডকালীন বা চুক্তিভিত্তিক পদ্ধতিতে যে কেউ স্বাধীনভাবে নিজের দক্ষতা অনুযায়ী কাজ করতে পারেন। এই ধরনের চুক্তিভিত্তিক কাজকে ফ্রিল্যান্সিং (স্ব-উদ্যোগের কাজ) বলা হয়।

- বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন: Upwork, Freelancer, Belancer, Fiverr ইত্যাদিতে নানা ধরনের বৈচিত্র্যময় কাজ করা যায়।

- কাজের স্বাচ্ছন্দ্যের পাশাপাশি কাজের স্থান ও সময়ের কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম না থাকায় এ পেশার জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৬২.
কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির ধাপগুলোর মধ্যে সর্বশেষ ধাপ কোনটি?
  1. কোডিং
  2. বাস্তবায়ন
  3. রক্ষণাবেক্ষণ
  4. ডকুমেন্টেশন
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে- প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ।

কম্পিউটার প্রোগ্রাম:
কম্পিউটার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্যা সমাধান করা। কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়। এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে।

প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ:
১। সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
২। সমস্যা বিশ্লেষণ
৩। প্রোগ্রাম ডিজাইন
৪। প্রোগ্রাম উন্নয়ন
৫। প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
৬। প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন ও
৭। প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ।

প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ:
বিভিন্ন প্রয়োজনে ও প্রোগ্রামের উন্নতিকল্পে প্রোগ্রামের আধুনিকীকরণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ইত্যাদি প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারিক সুবিধা এবং আর্থিক বিষয় বিবেচনা করে অনেক সময় নতুন প্রোগ্রাম তৈরি না করে বিদ্যমান প্রোগ্রামকে আধুনিকীকরণ করা অধিক সুবিধাজনক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৭,০৬৩.
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN এর আবিষ্কারক কে?
  1. ডেনিস রিচি
  2. অ্যালান টুরিং
  3. জন বাকাস
  4. জ্যাক কিলবি
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
-  FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫৭ সালেএটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান I, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৭,০৬৪.
Creeper ভাইরাসের উৎপত্তি কোন নেটওয়ার্কে হয়েছিল?
  1. Google Server
  2. LAN Network
  3. Internet Explorer
  4. ARPANET
ব্যাখ্যা

• Creeper ভাইরাসটি ইতিহাসে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস হিসেবে পরিচিত এবং এটি ১৯৭০-এর দশকে উদ্ভাবিত হয়েছিল। এই ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য ছিল কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করা এবং “I’m the creeper, catch me if you can” বার্তাটি প্রদর্শন করা। Creeper ভাইরাসের উৎপত্তি হয়েছিল ARPANET-এ, যা তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি প্রাথমিক কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এবং ইন্টারনেটের পূর্বসূরী হিসেবে পরিচিত। এটি মূলত একটি পরীক্ষামূলক ভাইরাস যা নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা এবং সফটওয়্যার প্রবাহ পরীক্ষা করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। তাই Creeper ভাইরাস LAN বা Google সার্ভার বা Internet Explorer-এ সৃষ্টি হয়নি, বরং এটি ARPANET নেটওয়ার্কেই প্রথম চালু হয়েছিল।

- সঠিক উত্তর: ঘ) ARPANET.

Creeper Virus:
- Creeper Virus হলো বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস, যা ১৯৭১ সালে Bob Thomas তৈরি করেছিলেন।
- এটি ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)-এ চলত।
- ARPANET-ই পরে পরিণত হয় বর্তমানের ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে।

Creeper ভাইরাস কীভাবে কাজ করত:
- এটি Tenex operating system-এ চলত।
- Creeper এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ARPANET-এর মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতো।
- কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর এটি একটি বার্তা দেখাত:
- “I’m the creeper, catch me if you can!”
- ভাইরাসটি ক্ষতিকর কিছু করত না; বরং এটি একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম ছিল, যাতে দেখা যায় একটি প্রোগ্রাম কি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজে নিজে ছড়াতে পারে কি না।

- Creeper ভাইরাসের পরে একই প্রতিষ্ঠানে Reaper নামক আরেকটি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যা Creeper ভাইরাসকে খুঁজে বের করে মুছে ফেলত।
- তাই Reaper-কে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৭,০৬৫.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে DDL ব্যবহৃত হয় কোন কাজে?
  1. ডাটা সংরক্ষণ
  2. ডাটা ইনসার্ট
  3. ডাটা ডিলিট
  4. ডাটা মডিফাই
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:  
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট এবং মডিফাই করার জন্য DML ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৬৬.
F5 কী সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারে কী জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. পেজ রিফ্রেশ/রিলোড করা
  2. নতুন ট্যাব খোলা
  3. ব্রাউজার বন্ধ করা
  4. ডেভেলপার টুলস খোলা
ব্যাখ্যা

• F5 সাধারণত ওয়েব ব্রাউজারে পেজ রিফ্রেশ বা রিলোড করার জন্য ব্যবহার করা হয়। যখন আমরা কোনো ওয়েবসাইটে নতুন তথ্য দেখতে চাই বা যদি পেজে কোনো সমস্যা থাকে, তখন F5 চাপলে ব্রাউজার সার্ভার থেকে পুনরায় সর্বশেষ তথ্য নিয়ে পেজটি পুনরায় লোড করে। এটি নতুন ট্যাব খোলা, ব্রাউজার বন্ধ করা বা ডেভেলপার টুলস খোলার জন্য ব্যবহৃত হয় না। F5 শর্টকাটটি সময় বাঁচায় এবং ব্যবহারকারীদের পেজটি ম্যানুয়ালি রিফ্রেশ করার ঝামেলা কমায়। তাই ওয়েব ব্রাউজিংয়ের সময় এটি সবচেয়ে সাধারণ এবং জরুরি কিবোর্ড শর্টকাট হিসেবে বিবেচিত হয়।

উত্তর: ক) পেজ রিফ্রেশ/রিলোড করা।

• ফাংশন কী:

- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭,০৬৭.
কোন কম্পিউটারে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) EDSAC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) UNIVAC
  4. ঘ) EDVAC
ব্যাখ্যা
EDSAC: 
-  কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) আবিষ্কার করেন।
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।

ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

UNIVAC:
- ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer)  কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব ̈বহার করা হয়েছিল।

EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) এর নির্মাতা 
- EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC, EDVAC, BINAC, এবং UNIVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন। 

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৬৮.
ডেস্কটপের জন্য চীনের উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম এর নাম কী?
  1. DiRTiM
  2. OpenKylin
  3. VirTue
  4. MarLyn
ব্যাখ্যা
• Openkylin:
- কম্পিউটারের জন্য প্রথম ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম চালু করেছে চীন।
- চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্যানুযায়ী, অপারেটিং সিস্টেমটির নাম ওপেনকাইলিন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তির ওপর নির্ভরতা কমাতেই এ উদ্যোগ।
- ওপেন সোর্স এই অপারেটিং সিস্টেম মূলত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর।
- মহাকাশ গবেষণা থেকে শুরু অর্থনীতি ও জ্বালানি খাতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। 

উৎস: Openkylin website.
৭,০৬৯.
মানুষের চিন্তা-ভাবনাকে যন্ত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  4. বায়োইনফরমেটিক্স
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
- বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন তাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলা হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- অর্থাৎ বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৭,০৭০.
কোনটি লো-লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. জাভা
  2. ব্যাসিক
  3. প্যাসকেল
  4. অ্যাসেম্বলি
ব্যাখ্যা

প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য এসকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা
২. হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা

নিম্ন স্তরের ভাষাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় ।
যথা: মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭,০৭১.
What is the shortcut key for creating a new document?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
ব্যাখ্যা

Ctrl + N is the shortcut key for creating a new document.

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৭,০৭২.
প্যাসকেলেন হলো-
  1. যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. অনুবাদক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- ১৬৪২ সালে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। 
- ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। তবে যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার রিকোনির যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৭৩.
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ডিজিটাল কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার।
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
৭,০৭৪.
কোনটি কম্পিউটারের কার্যক্ষমতার উপর ভিত্তি করে বিভক্ত কম্পিউটারের শ্রেণি নয়?
  1. মেইনফ্রেম
  2. ডিজিটাল
  3. মাইক্রো
  4. সুপার
ব্যাখ্যা
- আকার, আয়তন, আকৃতি এবং ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: সুপার কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার এবং মাইক্রো কম্পিউটার। 

- আবার গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা: এনালগ কম্পিউটার, ডিজিটাল কম্পিউটার এবং হাইব্রিড কম্পিউটার।
৭,০৭৫.
অ্যাসকি কোডে 'b' এর ডেসিমাল সমতুল্য মান কত?
  1. 66
  2. 97
  3. 98
  4. 99
ব্যাখ্যা

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৭৬.
সক্রিয় উইন্ডো বন্ধ করতে কোন শর্ট-কাট কী ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl + F4
  2. Shift + F4
  3. Ctrl + F6
  4. Ctrl + Shift + F5
ব্যাখ্যা
Some important shortcut key:
- Shift+F4: repeats the last Find or Go To action.
- Ctrl + F4 to close an active window
- Alt + F4 to close a file
- Ctrl+Shift+F5: displays the Bookmark dialog.
- Ctrl+F6: switches to the next document window when more than one document is open.

Source: Microsoft Support.
৭,০৭৭.
কোনটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার?
  1. Word Perfect
  2. Android
  3. Linux OS
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার সফটওয়্যার:

• কাজের প্রকৃতি বা ফাংশন অনুযায়ী কম্পিউটার সফটওয়্যারকে দুই প্রকারে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)
২) ব্যবহারিক সফটওয়্যার (Application Software)

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের এমন একটি মূল প্রোগ্রাম যার মাধ্যমে কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং ব্যবহারকারী এর মধ্যে একটি ইন্টারফেস গঠন করে। যেমন: Windows OS, Mac OS, Linux OS, Android ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন: 
1. Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2 .Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3. Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,০৭৮.
হার্ড ডিস্ক সম্পর্কিত কোন তথ্যটি ভুল?
  1. ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে
  2. প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট
  3. কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়
  4. কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭,০৭৯.
কার্নেল কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ
  2. কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের একটি অংশ
  3. একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. একটি পেরিফেরাল ডিভাইস 
ব্যাখ্যা

◉ কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট।

৭,০৮০.
প্রধান মেমোরির মধ্যে থাকে- 
  1. সম্পূর্ণ সমাধান
  2. অন্তর্বর্তী ফল
  3. প্রয়োজনীয় তথ্য
  4. গাণিতিক তথ্য
ব্যাখ্যা
মেমোরির শ্রেণিবিভাগ: 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory), 
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) ও 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

প্রধান মেমোরি (Main Memory): 
- কম্পিউটারের কর্ম এরিয়া হিসেবে প্রধান মেমোরি পরিচিত। 
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। 
- এ ধরনের মেমোরিতে প্রয়োজনীয় তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। 
- এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- মূলত প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮১.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) লিনাক্স
  2. খ) এমএস ওয়ার্ড
  3. গ) লোটাস
  4. ঘ) সিরি
ব্যাখ্যা
উবুন্টু, এমএস উইন্ডোজ, এন্ড্রয়েড, রেডহ্যাট, লিনাক্স ইত্যাদি হচ্ছে সিস্টেম সফটওয়্যার।
এমএস ওয়ার্ড হচ্ছে ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
সিরি হচ্ছে এপলের এসিস্টেন্ট সফটওয়্যার।
উৎসঃ বিবিএস প্রোগ্রাম, কম্পিউটার মৌলিক শিক্ষা
৭,০৮২.
HPFS- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) High Performance File System
  2. খ) High Performance File Service
  3. গ) High Performance File Syntax
  4. ঘ) High Performance File Sharing
ব্যাখ্যা
• HPFS:
- HPFS এর পূর্ণরূপ High Performance File System.
- এটি শুধুমাত্র OS/2 অপারেটিং সিস্টেমের জন্য প্রযোজ্য।
- তাছাড়া এর Windows NT এর 3.51 ভার্সনটি এতে ইনস্টল করা হয়।
- HPFS পার্টিশনের ডেটা সংরক্ষণের সর্বোচ্চ ক্ষমতা 8GB।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮৩.
১ বাইট = কত বিট?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনো বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয় ।
- এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক -
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
(খ) ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল।
৭,০৮৪.
(০.৬২৫)১০ এর সমতুল্য বাইনারি রূপ -
  1. (০.১০১)
  2. (০.১১১)
  3. (০.০০১)
  4. (০.০১০)
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৭,০৮৫.
রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল সর্বপ্রথম প্রবর্তন করেন কে?
  1. এডগার কড
  2. বিল গেটস
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ডেনিস রিচি
ব্যাখ্যা

• এডগার কড — রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল ১৯৭০ সালে এডগার কড প্রবর্তন করেন, যা আধুনিক ডাটাবেস প্রযুক্তির ভিত্তি।

• রিলেশনাল ডাটাবেস মডেল:
- রিলেশনাল ডাটাবেস হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক টেবিলভিত্তিক ডাটাবেস মডেল।
- এটি আধুনিক ডাটাবেস প্রযুক্তির ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯৭০ সালে এডগার কড (Edgar Codd) সর্বপ্রথম রিলেশনাল ডাটাবেস পদ্ধতি প্রবর্তন করেন।
- তিনি গাণিতিক সূত্রের ভিত্তিতে এই মডেল প্রতিষ্ঠা করেন।
- রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে ডাটার তিনটি দিক রয়েছে—
- ডাটা স্ট্রাকচার (Data Structure),
- ডাটা ইন্টেগ্রিটি (Data Integrity),
- ডাটা ম্যানিপুলেশন (Data Manipulation)।

• রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশনাল ডাটাবেস পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- উল্লেখযোগ্য RDBMS সফটওয়্যারসমূহ হলো—
- Microsoft Access,
- Oracle,
- Dbase,
- Microsoft Visual Basic,
- Microsoft Visual FoxPro,
- Power Builder,
- Delphi,
- Informix.

• অন্যান্য অপশন:
- বিল গেটস → মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা, রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলের প্রবর্তক নন।
- চার্লস ব্যাবেজ → কম্পিউটারের জনক হিসেবে পরিচিত।
- ডেনিস রিচি → C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান।

৭,০৮৬.
সিডি-ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে কোনও সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে কোন প্রোগ্রাম প্রথমে চালু হয়?
  1. সেট আপ
  2. অটো রান
  3. রিড মি
  4. রিস্টার্ট
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার ইনস্টল: 
- সিডি, ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে প্রথমে Autorun চালু হয়। 
- তারপর Setup করার অনুমতি দিতে হয়। 
- অনুমতি প্রদান করা হলে পরবর্তী ধাপসমমূহ ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করা হলে সফটওয়্যার ইন্সটল হয়। 
- সব শেষে কম্পিউটার  Restart করলে ইন্সটলকৃত প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণি।
৭,০৮৭.
'সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে' -কোন গেইটের জন্য প্রযোজ্য?
  1. নট গেইট
  2. ন্যান্ড গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট
  4. অর গেইট
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৮৮.
যে সকল ওয়েব পেইজে কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় তাদেরকে বলে-
  1. ক) স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
  2. খ) ডায়নামিক ওয়েবসাইট
  3. গ) লিনিয়ার ওয়েবসাইট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

গঠন বৈচিত্র্যের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
- ডাইনামিক ওয়েবসাইট

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটঃ যে সকল ওয়েব পেইজ পূর্ব থেকে তৈরীকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে এবং কোড পরিবর্তন না করে কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় না সে সকল ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে। সাধারণত HTML এবং CSS ব্যবহার করে এসব ওয়েবসাইটের পেইজ তৈরী করা হয়।

ডাইনামিক ওয়েবসাইটঃ যে সকল ওয়েব পেইজে সবসময় আপডেটেড তথ্য প্রদর্শন করা হয় এবং কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় সে সকল ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে। যেমন- ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখানাের জন্য যে ওয়েবসাইট আছে সেটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট। সাধারণত পিএইচপি (PHP), এএসপি (ASP), জেএসপি(JSP) ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পেইজ তৈরী করা হয়ে থাকে।

সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৮৯.
সিরিয়াল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট ৯ পিনবিশিষ্ট।

• পোর্ট:

- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার- এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৯০.
SVGA এর পূর্ণরূপ হলো-
  1. ক) Screen Video Graphic Array
  2. খ) Super Video Graphic Array
  3. গ) Scan Video Graphic Array
  4. ঘ) Syber Video Graphic Array
ব্যাখ্যা
SVGA এর পূর্ণরূপ হলো Super Video Graphic Array। VGA এর চেয়ে বৃহত্তর রেজোলিউশন সরবরাহ করার জন্য ডিজাইন করা গ্রাফিক্স স্ট্যান্ডার্ডগুলির একটি সেট। এটি ৮০০ x ৬০০ রেজোলিউশন বা ৪৮০,০০০ পিক্সেল সমর্থন করে।
[সূত্রঃ উইবোপিডিয়া]
৭,০৯১.
What type of operating system is Windows XP?
  1. Text-based
  2. Graphical 
  3. Multiprocessing
  4. Disk-based
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Graphical 
 
অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)

- অপারেটিং সিস্টেম হলো সেই প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M। 

২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS

সূত্র: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।

৭,০৯২.
কম্পিউটারের পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
  2. সিস্টেম রিস্টোর
  3. টাস্ক ম্যানেজার
  4. ফাইল ব্যাকআপ
ব্যাখ্যা

সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

• সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য,
- ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার : হার্ড ডিস্কের ডেটা গুছিয়ে গতি বৃদ্ধি করে।
- টাস্ক ম্যানেজার : চলমান প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নিরীক্ষণ করে।
- ফাইল ব্যাকআপ : গুরুত্বপূর্ণ ডেটার কপি তৈরি করে ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়া।

উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

৭,০৯৩.
কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?
  1. ক) #
  2. খ) &
  3. গ) @
  4. ঘ) $
ব্যাখ্যা
- ইমেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার প্রোগ্রামার রোমান্ড স্যামুয়েল টমলিসন ই-মেইল এর সূচনা করেন।
- ১৯৭২ খ্রিস্টাব্দে তদানিন্তন আরপানেটে সর্বপ্রথম ইলেক্ট্রনিক মেইল প্রেরণ করা হয়।
- একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে @ চিহ্নটি।
- ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
৭,০৯৪.
কে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করেছেন?
  1. Guido Van Rossum
  2. Bjarne Stroustrup
  3. Dennis Ritchie
  4. James Gosling
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার সূচনা করেন গুইডো ভ্যান রসাম (Guido Van Rossum)। পাইথন মূলত সহজ, পাঠযোগ্য এবং ব্যবহারকারী বান্ধব কোড লেখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং প্যাটার্ন সমর্থন করে, যেমন অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, ইম্পেরেটিভ এবং ফাংশনাল প্রোগ্রামিং। গুইডো ভ্যান রসামের লক্ষ্য ছিল এমন একটি ভাষা তৈরি করা যা নতুন প্রোগ্রামারদের জন্য সহজ এবং অভিজ্ঞ প্রোগ্রামারদের জন্য শক্তিশালী হবে। তাই পাইথনের জনপ্রিয়তা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে।

- সঠিক উত্তর: ক) Guido Van Rossum.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
-ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
-১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
-সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
-যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
-এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Bjarne Stroustrup: (C++) প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৭,০৯৫.
কম্পাইলার কীভাবে প্রোগ্রাম অনুবাদ করে?
  1. এক লাইন এক লাইন করে
  2. ধাপে ধাপে
  3. একসাথে সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম
  4. আংশিকভাবে
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার পুরো সোর্স প্রোগ্রাম একবারে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।

• কম্পাইলার(Compiler):
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে।
- আকারে বড় ধরনের প্রোগ্রাম।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক দ্রুত।
- কাজ করার জন্য প্রধান মেমরিতে বেশি জায়গা প্রয়োজন।
- ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে সময় বেশি লাগে।
- প্রোগ্রামের সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করে।

• ইন্টারপ্রেটার(Interpreter):
- প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।
- আকারে ছোট ধরনের প্রোগ্রাম।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক ধীর।
- কাজ করার জন্য প্রধান মেমরিতে কম জায়গা প্রয়োজন।
- ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- প্রতিটি লাইনের ভুল দেখিয়ে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,০৯৬.
মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবক কোম্পানি কোনটি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. ইন্টেল
  4. ব্ল্যাকবেরি
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কোম্পানি ১৯৭১ সালে সর্বপ্রথম মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) বর্তনীর সাহায্যে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারের বহুমূখী ব্যবহার এবং পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- Intel 4004 ছিল বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,০৯৭.
কোন সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয়?
  1. ১৯৬৯ সালে
  2. ১৯৭০ সালে
  3. ১৯৭১ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail):
- ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic mail)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে ই-মেইল (E-mail)। 
- ই-মেইল বলতে বুঝায় কম্পিউটার, ট্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে একজন বা অনেক জনের সাথে ডিজিটাল তথ্য বিনিময় করা। 
- ১৯৭১ সালে প্রথম ই-মেইল পাঠানো শুরু হয় এবং মাত্র ২৫ বছরের ভেতরে পোস্ট অফিস ব্যবহার করে পাঠানো চিঠি থেকে ই-মেইলের সংখ্যা বেশি হয়ে গিয়েছিল। 
- ই-মেইল পাঠানোর জন্য প্রথমেই যিনি পাঠাবেন এবং যিনি পাবেন দুজনেরই ই-মেইলের ঠিকানার দরকার হয়। 
- ই-মেইল ঠিকানাটি @ বর্ণটি দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। 
- যদি abc@def.com একটি ই-মেইল ঠিকানা হয়ে থাকে তাহলে @ এর পরের অংশটুকু হচ্ছে ডোমেইন নেইম, যেটি দিয়ে বুঝানো হয় ব্যবহারকারী কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত। 
- প্রথম অংশটুকু হচ্ছে ব্যবহারকারীর কোনো ধরনের পরিচয়। 

- বর্তমানে ই-মেইল বিনিময় করার অনেক জনপ্রিয় উপায় হচ্ছে ইন্টারনেটের দেওয়া ই-মেইল সার্ভিস। 
যেমন- Gmail, Yahoo, Hotmail ইত্যাদি ই-মেইলের সেবা শুধু যে বিনামূল্যে দেওয়া হয় তা নয়, ব্যবহারকারীর ই-মেইল সংরক্ষণ করার দায়িত্বও গ্রহণ করে থাকে। 
- একটি ই-মেইল একাধিক গ্রাহকের কাছে পাঠানো যায়, প্রয়োজনে ই-মেইলকে অন্য একজনকে ‘কার্বন কপি’ (CC) হিসেবে পাঠানো যায়। 
- ই-মেইলের শুরুতে বিষয় হিসেবে ই-মেইলের বক্তব্যটি একটি শিরোনাম লিখা যায়। 
- শুধু তা-ই নয় ই-মেইলের বিষয়বস্তু লেখার পাশাপাশি তার সাথে অন্য কোনো ডকুমেন্ট, ছবি সংযুক্ত করে পাঠিয়ে দেওয়া যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,০৯৮.
হেক্সাডেসিমেল এ 19 এর পরবর্তি সংখ্যা কত?
  1. ক) 20
  2. খ) 21
  3. গ) 1A
  4. ঘ) 2A
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাপদ্ধতিতে ভিত্তি ১৬ টি।
0, 1, 2, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F

তাহলে হেক্সাডেসিমেলের ১৭তম সংখ্যাটি হবে 10
তারপর থেকে  11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 1A, 1B, 1C
৭,০৯৯.
কোন ফাংশন কী এর মাধ্যমে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়?
  1. ক) F3
  2. খ) F5
  3. গ) F7
  4. ঘ) F9
ব্যাখ্যা
কী বোর্ডে ফাংশন কী থাকে ১২ টি। F7 এর সাহায্যে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
৭,১০০.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয়?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. আঙুলের ছাপ
  3. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ
  4. কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
আঙুলের ছাপ আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি নয়।
এটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মাহবুবুর রহমান।