ব্যাখ্যা
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন।
সূত্র: Britannica.com
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬৫ / ৮২ · ৬,৪০১–৬,৫০০ / ৮,১৪১
• কম্পিউটার সংগঠন:
- কম্পিউটার সংগঠন বলতে মূলত হার্ডওয়্যার এর সংগঠনকেই বোঝায়।
• কম্পিউটার সংগঠনের ৫ টি অংশ রয়েছে। যথা-
- ইনপুট ইউনিট,
- কন্ট্রোল ইউনিট,
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- মেমোরি ইউনিট,
- আউটপুট ইউনিট।
• কন্ট্রোল ইউনিট:
- একটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের যে অংশ কম্পিউটারের কার্যাবলীর নির্দেশনা দেয় তাকে Control Unit বা নিয়ন্ত্রণ অংশ বলা হয়।
• কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি হতে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- মেমোরি ও গাণিতিক যুক্তি ইউনিটের (ALU) মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit)।
- কন্ট্রোল ইউনিট মেমোরি থেকে ডেটা সংগ্রহ করে এবং ALU কে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করে, যা ডেটার উপর গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজ করে থাকে।
- এরপর, ALU ফলাফল মেমরিতে সংরক্ষণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমোরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
User Visible Registers:
- General Purpose Register
- Data Register
- Address Register
- Condition Codes
• লাইটপেন একটি ইনপুট ডিভাইস। এটি ব্যবহারকারীকে সরাসরি স্ক্রিনের উপর পয়েন্ট বা নির্বাচন করতে সাহায্য করে। লাইটপেন একটি বিশেষ ধরনের পেন যা টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরের উপর আলোকে সংবেদন করে। যখন এটি স্ক্রিনের সঙ্গে স্পর্শ করা হয়, তখন স্ক্রিনের নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাইটপেন সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী সহজে প্রোগ্রাম বা গ্রাফিক্স নির্বাচন, আঁকা বা কমান্ড দেওয়ার কাজ করতে পারে। তাই এটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
- উত্তর: গ) ইনপুট ডিভাইস।
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।
২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
XOR gate এ বিজোড় সংখ্যাক ইনপুট ১ হলে আউটপুট ১, অন্যসময় ০ হয়।
তাহলে দুইটি ইনপুট ০ অথবা দুইটি ইনপুট ১ হলেও আউটপুট ০ হবে XOR এ।
বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে- ডিবেজ (dBASE), ফক্স প্রাে (Foxpro), ডিবেজ ৩+ (dBASE III+), ফক্সবেজ (FoxBASE), ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro), এম এস এক্সেস (MS Access) ইত্যাদি।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
- রিবন কার্টিজঃ ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে ব্যবহৃত একটি কালিমাখা ফিতার সরঞ্জাম।
- ইংক কার্টিজঃ সাধারণত বাবল জেট বা ইংকজেট প্রিন্টারে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- টোনার কার্টিজঃ লেজার প্রিন্টারে ব্যবহৃত পাউডার জাতীয় কালির আধার।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল), (২০২১ সংস্করণ)
• OCR (Optical Character Recognition) একটি প্রযুক্তি যা ইমেজ থেকে টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত স্ক্যান করা ডকুমেন্ট, ছবি বা স্ক্রিনশটের মধ্যে থাকা অক্ষর চিনে নিয়ে তা সম্পূর্ণ সম্পাদনযোগ্য টেক্সটে পরিণত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো স্ক্যান করা পেপার ডকুমেন্ট যদি PDF বা JPG ফরম্যাটে থাকে, OCR সফটওয়্যার সেই ছবির অক্ষরগুলো চিনে তা Word বা Text ফাইলের আকারে প্রদান করতে পারে। এটি ডেটা এন্ট্রি, ডিজিটাল আর্কাইভিং, স্বয়ংক্রিয় ফর্ম পূরণ এবং অগণিত প্রশাসনিক কাজকে সহজ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ইমেজ হতে টেক্সট, অর্থাৎ অপশন (খ)।
• OCR (Optical Character Reader/Recognition):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা নয়, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা এবং বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
উৎস:
1. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।
• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) E-13B ফন্ট মূলত ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রসেসিংয়ের জন্য। এই ফন্টে সব ASCII অক্ষর বা শুধুমাত্র বর্ণ ব্যবহৃত হয় না। আবার কেবল সংখ্যা দিয়েও সীমাবদ্ধ নয়। এতে সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত ব্যবহার করা হয় এবং এর সাথে কিছু নির্দিষ্ট বিশেষ চিহ্ন যেমন চারটি অনন্য সিম্বল থাকে—Transit (⑆), Amount (⑇), On-Us (⑈) এবং Dash (⑉)। এসব অক্ষর ও চিহ্ন একসাথে ব্যবহার করে ব্যাংক সহজে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চেক শনাক্ত, শ্রেণিবদ্ধ এবং প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ)।
⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ASCII কোড কম মেমোরির (১ বাইট) প্রয়োজন হয়।
- ASCII এর পূর্ণরূপ হলো American Standard Code for Information Interchange ।
- এটি বহুল প্রচলিত আলফানিউমেরিক কোড( Alphanumeric Code)।
- মাইক্রোকম্পিউটারে এ কোডের ব্যাপক প্রচলন রয়েছে ।এই কোড কম্পিউটার এবং ইনপুট/আউটপুটের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র (যেমনঃ কিবোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি) এর মধ্যে আলফানিউমেরিক তথ্য আদান প্রদানে ব্যবহৃত হয়।
- সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে ANSI(American National Standard Institute) কর্তৃক আসকি কোড উদ্ভাবিত হয়, পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে রবার্ট উইলিয়াম বিমার ৭ বিটের আসকি কোড উদ্ভাবন করেন।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
ইউটিউব ভিডিও শেয়ারিং মাধ্যম এবং বাকিগুলো ব্রাউজার
সঠিক উত্তর - খ) Firmware
BIOS (Basic Input Output System)
- BIOS হলো কম্পিউটারের একটি স্থায়ী সফ্টওয়্যার বা ফার্মওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে - এটি কম্পিউটারের সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করতে সহায়তা করে।
- কম্পিউটার চালুর সময় পাওয়ার বাটন চাপলে প্রথম যে নির্দেশগুলো কার্যকর হয়, সেগুলো BIOS চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- BIOS হার্ডওয়্যার এবং সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ড পরিচালনায় সহায়তা করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
Vigillant একটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা, ভাইরাস নির্মূল করে কম্পিউটারের ডেটাগুলোকে সুরক্ষিত রাখে।
- এন্টিভাইরাস হলো এমন একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারে থাকা ভাইরাস প্রতিরোধ করে অথবা কোনো কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে।
- এসব সফটওয়্যার কম্পিউটারে থাকা ভাইরাস সমূহ সহজেই খুজে বের করতে পারে স্ক্যানিং করার মাধ্যমে। তারপর এক এক করে সকল ফাইল, ফোল্ডার,সফটওয়্যার ভাইরাস মুক্ত করে থাকে।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
◉ এমবেডেড সিস্টেমে C ভাষার ব্যাপক ব্যবহারের মূল কারণ হলো এর হার্ডওয়্যার-নিয়ন্ত্রণ দক্ষতা, রিসোর্স দক্ষতা এবং রিয়েল-টাইম পারফরম্যান্স। C ভাষা সরাসরি মেমরি ও হার্ডওয়্যার রেজিস্টার অ্যাক্সেস করতে পারে, যা মাইক্রোকন্ট্রোলার-ভিত্তিক সিস্টেমের জন্য অপরিহার্য।
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.
উৎস:
১। Indian Institute of Embedded Systems.
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট।
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়াকে ই-কমার্স বলা হয়।
• ই-কমার্স (E-commerce):
- ই-কমার্স হলো ইন্টারনেট বা অনলাইন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়ের প্রক্রিয়া।
- এতে ক্রেতা ও বিক্রেতা সরাসরি সাক্ষাৎ ছাড়াই অনলাইনের মাধ্যমে লেনদেন সম্পন্ন করতে পারে।
- ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য নির্বাচন, অর্ডার প্রদান, অর্থ প্রদান এবং পণ্য সরবরাহের কার্যক্রম সম্পন্ন হয়।
• ই-কমার্সের বৈশিষ্ট্য:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে দ্রুত লেনদেন সম্পন্ন করা যায়।
- বিশ্বব্যাপী বাজারে পণ্য ও সেবা সহজে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব।
- সময় ও ভৌগোলিক দূরত্বের সীমাবদ্ধতা কমে যায়।
• ই-কমার্সের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- অনলাইন শপিং।
- অনলাইন ব্যাংকিং।
- ইলেকট্রনিক টিকিট বুকিং।
- ডিজিটাল পণ্য ও সেবা ক্রয়-বিক্রয়।
• অন্যান্য অপশন:
- আউটসোর্সিং → কোনো প্রতিষ্ঠানের কাজ অন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সম্পাদন করানোর প্রক্রিয়া।
- ফ্রিল্যান্সিং → স্বাধীনভাবে অনলাইনে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করার পদ্ধতি।
- অফিস অটোমেশন → কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনার ব্যবস্থা।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.
বিশ্বের প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটরের নাম Stepped Recknoer ।
Gottfried Von Leibnitz ১৬৭১ সালে সিলিন্ডার আকৃতিবিশিষ্ট গিয়ার ব্যবহার করে এই যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন ।
- তিনি একজন জার্মান গণিতবিদ ।
- এই হিসাব যন্ত্রটি দ্বারা পৌনঃপুনিক যোগ, গুন,, ভাগ করা যেত |
Blaise Pascal এর গণনা যন্ত্রের নাম Pascalene।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
• যদি কোনো এনকোডারের আউটপুট লাইনের সংখ্যা ৭টি হয়, তাহলে আমরা জানতে চাই ইনপুট লাইনের সংখ্যা কত। সাধারণভাবে, এনকোডারের ইনপুট এবং আউটপুট লাইনের সম্পর্ক নির্ভর করে বাইনারি এ্যাড্রেসিংয়ের সূত্রে। একটি এনকোডার n আউটপুট লাইন থেকে 2n ভিন্ন ইনপুট লাইন তৈরি করতে পারে। আউটপুট লাইন ৭টি হলে ইনপুট লাইন হবে ১২৮টি।
- এখানে, সঠিক উত্তর: ১২৮টি ।
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যদি 25 = 32টি ইনপুট হয় তাহলে 5টি আউটপুট হবে।
- যদি 26 = 64টি ইনপুট হয় তাহলে 6টি আউটপুট হবে।
- যদি 27 = 128টি ইনপুট হয় তাহলে 7টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Code Red ছিল একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম (virus ধরনের), যা প্রথম আবিষ্কৃত হয়েছিল ২০০১ সালে। এটি মূলত Microsoft IIS web server-এর নিরাপত্তা দুর্বলতা (buffer overflow vulnerability) কাজে লাগিয়ে ছড়িয়েছিল।
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার বাস মূলত ২ প্রকার ।
যথা -১. সিস্টেম বাস ও ২. এক্সপানশন বাস।
আবার তিন ধরনের System Bus হলো - Address Bus , Data Bus ও Control Bus.
বুলিয়ান এলজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যেসব নিয়ম মেনে চলেঃ
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ১
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
• Stored Program Concept (সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণা) হলো আধুনিক কম্পিউটারের একটি মৌলিক নীতি, যেখানে প্রোগ্রাম নির্দেশনা ও ডেটা একই মেমরিতে সংরক্ষিত থাকে।
- এই ধারণাটি ১৯৪৫ সালে হাঙ্গেরি-জন্ম মার্কিন গণিতবিদ ও বিজ্ঞানী জন ভন নিউম্যান (John von Neumann) প্রস্তাব করেন।
মূল ধারণা:
- ভন নিউম্যানের মতে, কম্পিউটারের উচিত নির্দেশনা (instructions) ও ডেটা (data) একই মেমরিতে রাখা।
- যাতে CPU ধারাবাহিকভাবে নির্দেশনা পড়তে, বিশ্লেষণ করতে এবং প্রয়োগ করতে পারে।
- এর ফলে কম্পিউটার নিজেই প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করতে সক্ষম হয়, আলাদা আলাদা নির্দেশনা ম্যানুয়ালি দিতে হয় না।
ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার (Von Neumann Architecture):
- এই ধারণার ওপর ভিত্তি করেই আধুনিক কম্পিউটারের আর্কিটেকচার তৈরি হয়, যার প্রধান উপাদানগুলো
⇒ ALU (Arithmetic Logic Unit).
⇒ Control Unit (CU).
⇒ Memory Unit.
⇒ Input/Output Unit.
- এই মডেল এখনও সব ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় পার্সোনাল কম্পিউটার, স্মার্টফোন, এমনকি সুপার-কম্পিউটারেও।
তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
- ব্রিটানিকা। [লিংক]
• CPU-এর দুইটি প্রধান কম্পোনেন্ট হলো ALU (Arithmetic Logic Unit) এবং CU (Control Unit)। ALU গণিত এবং লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং তুলনা। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মূল কেন্দ্র। অন্যদিকে, CU নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণ করে এবং CPU-এর বিভিন্ন অংশকে সমন্বয় করে কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে। CU মেমোরি, ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে তথ্য আদানপ্রদান নিয়ন্ত্রণ করে এবং নির্দেশাবলী অনুসারে ALU-কে সঠিক অপারেশন করার নির্দেশ দেয়। CPU-এর কার্যক্ষমতা মূলত এই দুটি কম্পোনেন্টের কার্যকর সমন্বয় এবং দ্রুত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের উপর নির্ভর করে। সুতরাং, ALU ও CU মিলেই CPU-এর মূল ক্ষমতা তৈরি করে।
- উত্তর: ঘ) ALU & CU.
১) ALU (Arithmetic Logic Unit):-
- এটি গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) ও যৌক্তিক (AND, OR, NOT) কাজ করে।
- কম্পিউটারের সকল ধরণের গণনা এখানেই সম্পন্ন হয়।
২) CU (Control Unit):-
- এটি কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোন কাজ কখন হবে, কোন তথ্য কোথা থেকে আসবে, কোথায় যাবে - এসব CU ঠিক করে দেয়।
• এ দুটির সম্মিলিত কার্যকলাপের মাধ্যমেই CPU কাজ করে এবং প্রোগ্রাম প্রসেস করে যার দুইটি প্রধান অংশ হলো ALU & CU.
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
◉ ইন্টারপ্রেটার একটি প্রোগ্রাম যা সোর্স কোডের প্রতিটি লাইন একে একে পড়ে, অনুবাদ করে এবং সাথে সাথে আউটপুট প্রদান করে।
- এটি পুরো কোড একবারে অনুবাদ করে রান করে না, বরং লাইন-বাই-লাইন এক্সিকিউশন করে।
অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
C++ ভাষা মধ্যমস্তরের ভাষা।
• প্রোগ্রামিং ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে একটি যন্ত্রকে নির্দেশনা দিয়ে কোন সমস্যা সমাধান করা যায় তাকে প্রোগ্রামিং ভাষা বলে।
সহজে বলা যায়, প্রোগ্রাম লিখতে বা নির্দেশাবলী সেট করতে যেসকল ভাষা ব্যবহৃত হয় তাদের "প্রোগ্রামিং ভাষা" বলা হয়।
• প্রোগ্রাম রচনার বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহকেবিভিন্ন স্তরে বিভক্ত করা হয়:
১। নিম্নস্তরের ভাষা (Low Level Language)
-Machine Language, Assembly Language।
২। মধ্যমস্তরের ভাষা (Mid Level Language)
-C, C++, JAVA, Forth, Dbase, WordStar.
৩। উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language-3GL)
-Fortran, Basic, Pascal, Cobol, C, C++, C#, Visual Basic, Java, ইত্যাদি।
৪। অতি উচ্চস্তরের ভাষা (Very High Level Languag)
- Perl, Python, Ruby, SQL, ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ওয়ার্ড প্রসেসিং (Word Processing):
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
- তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ Multitasking Operating System (যেমন Windows, Linux, macOS) এমন একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে একই সময়ে একাধিক কাজ (task) বা প্রোগ্রাম চালানোর সুযোগ দেয়। CPU দ্রুত টাস্কগুলোর মধ্যে সুইচ করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে মনে হয় যেন সবগুলো কাজ একসাথে চলছে।
মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking):
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
• উত্তর: পানি।
RFID (Radio Frequency Identification) সিস্টেমের সিগন্যালগুলি সাধারণত রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে কাজ করে। এই তরঙ্গগুলো বিভিন্ন পদার্থের মধ্যে ভিন্নভাবে চলাচল করে। পানি, উচ্চ-ডাইইইলেকট্রিক কনস্ট্যান্ট এবং আংশিক পরিবাহী হওয়ার কারণে, RFID তরঙ্গকে সবচেয়ে বেশি শোষণ এবং বিচ্যুত করতে পারে। ফলে সিগন্যাল দুর্বল বা সম্পূর্ণ ব্লক হয়ে যেতে পারে।
- অন্যদিকে, প্লাস্টিক, কাগজ, এবং বায়ু খুবই স্বল্প প্রভাব ফেলে; তারা RFID তরঙ্গকে প্রায় অক্ষত রাখে। তাই, যখন RFID ডিভাইসের কার্যকারিতা গুরুত্বপূর্ণ, পানি সবচেয়ে বড় বাধা হিসেবে বিবেচিত হয়।
RFID-এর পরিচিতি ও ব্যবহার:
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification।
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়; এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়।
- সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন গরু, ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।
RFID-এর ব্যবহার:
- কোনো প্রাণী ট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- স্ক্রু আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলে অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ক্যাশ (Cache) মেমোরি সর্বোচ্চ অ্যাক্সেস গতি সরবরাহ করে।
•ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
Cache Memory - SRAM দিয়ে গঠিত।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
Electronic-ink Paper
এক ধরণের ডিসপ্লে ডিভাইস যা কাগজে সাধারণ কালি যেরকম দেখা যায় সেরকম করেই প্রদর্শনের কাজ করে। একটি ই-পেপার ডিসপ্লে ক্ষুদ্র কালি ক্যাপসুল দিয়ে পূর্ণ থাকে, যাদের বৈদ্যুতিক চার্জ রয়েছে। প্রতিটি ক্যাপসুলের কিছু কালি সাদা, কিছু কালো থাকে। কালির ক্যাপসুলগুলো বিভিন্নভাবে সাজিয়ে তোলে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রগুলো ব্যবহার করে ডিসপ্লের পর্দায় বিভিন্ন জিনিস (টেক্সট, ছবি) দেখানো হয়।
সুত্রঃ Wired, Forbes etc.