বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৬৪ / ৮২ · ৬,৩০১৬,৪০০ / ৮,১৪১

৬,৩০১.
নিচের কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. স্ক্যানার
  2. টাচস্ক্রিন
  3. ওয়েবক্যাম
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা

• টাচস্ক্রিন হলো ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস। 
- এটি ব্যবহারকারীর স্পর্শের মাধ্যমে ইনপুট গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে তথ্য প্রদর্শন করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ:
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩০২.
কোনটি CPU-এর অংশ নয়?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. রেজিস্টার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট
ব্যাখ্যা
ইন্টারপ্রেটার CPU-এর অংশ নয়।
ইন্টারপ্রেটার হল একটি প্রোগ্রামিং ভাষা অনুবাদক, যা একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (যেমন পাইথন) থেকে লেখা কোডকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে, যা CPU বুঝতে পারে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩০৩.
মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে কোনটি? 
  1. Barcode
  2. OMR
  3. OCR
  4. QR Code
ব্যাখ্যা

OCR মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে থাকে। 

OCR (Optical Character Recognition)
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
ক) Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
খ) OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
ঘ) QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৬,৩০৪.
দূর থেকে ঘরের টিভি, ফ্রিজ বা লাইট নিয়ন্ত্রণ করার জন্য কোন প্রযুক্তিটি সবচেয়ে কার্যকর?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. রোবোটিক্স
  3. IoT (Internet of Things)
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) IoT (Internet of Things)

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়

অন্যদিকে,
বায়োমেট্রিক্স: বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

রোবোটিক্স: রোবোটিক্স হলো ইঞ্জিনিয়ারিং এবং বিজ্ঞানের এমন একটি শাখা যা রোবট তৈরি, ডিজাইন এবং পরিচালনা নিয়ে কাজ করে। বর্তমান যুগে এটি আমাদের জীবনযাত্রা এবং শিল্পখাতকে আমূল বদলে দিচ্ছে।
 
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি: ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি একটি কৃত্রিম বা কাল্পনিক পরিবেশ। এটি ব্যবহারকারীকে এমন এক অভিজ্ঞতায় নিমজ্জিত করে, যেখানে তার মনে হয় সে বাস্তব জগতের বাইরে অন্য কোনো জগতে আছে। 


উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৬,৩০৫.
12A কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) অক্টাল
  2. খ) বাইনারী
  3. গ) দশমিক
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা লিখতে 0-9এবং A-F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয় তাই 12A একটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা যার দশমিকের মান ২৯৮।
৬,৩০৬.
অনুবাদকৃত উৎস প্রোগ্রামকে কী বলে?
  1. বস্তু প্রোগ্রাম
  2. সাইফার প্রোগ্রাম
  3. লজিক্যাল প্রোগ্রাম
  4. ট্রান্সলেটেড প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
• আনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১) কম্পাইলার,
২) ইন্টারপ্রেটার ও
৩) অ্যাসেম্বলার

• উৎস প্রোগ্রাম:
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারনত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না।

• বস্তু প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহন উপযোগী প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়। এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম বলা হয়।
- বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না।
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩০৭.
নিম্নের কোনটি সুপার কম্পিউটার?
  1. ক) মিনিক্স
  2. খ) আলবাইসিন
  3. গ) ইউনিভ্যাক
  4. ঘ) এএসসিসি
ব্যাখ্যা
- ২৫ বছরের কাজ ২৪ ঘণ্টায় করে দেবে আলবাইসিন নামের এই নতুন সুপার কম্পিউটার। 
- নতুন এই সুপার কম্পিউটার নির্মাণে ব্যয়িত হয়েছে ১.৩৬ মিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থ। 

উৎস: www.tbsnews.net
৬,৩০৮.
নিচের তালিকার কোনটি অ্যান্টিভাইরাস হিসেবে ব্যবহার হয় না?
  1. AVG
  2. Kaspersky
  3. Bitdefender
  4. Chrome
ব্যাখ্যা

• Chrome এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা Google দ্বারা তৈরি। এটি ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিজিট করতে সাহায্য করে। তবে এটি কোনো ভাইরাস শনাক্ত বা দূর করতে পারে না। অন্যদিকে, Bitdefender, Kaspersky এবং AVG - এই তিনটি হলো জনপ্রিয় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যেগুলো কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। তাই, তালিকাভুক্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Chrome এন্টিভাইরাস নয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩০৯.
Why is RAM called volatile memory?
  1. Because it stores data permanently
  2. Because it loses data without power
  3. Because it is very stable
  4. Because it stores ROM data
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) Because it loses data without power।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩১০.
(159.69)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 371.644
  2. 454.511
  3. 494.533
  4. 531.322
৬,৩১১.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. ওয়ার্কস্টেশন
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।

মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।
 
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।

ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।

সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।
৬,৩১২.
রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসনের বিখ্যাত অবদান-
  1. ক) প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন
  2. খ) WWW এর জনক
  3. গ) হাই লেভেল মেশিন ল্যাংগুয়েজ উদ্ভাবন করেন
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করেন
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই
৬,৩১৩.
কম্পিউটারে BIOS কী ভূমিকা পালন করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  3. ভাইরাস স্ক্যানিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে BIOS (Basic Input Output System) মূলত হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি সেতুর মতো কাজ করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে সক্রিয় হয় এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে। BIOS এর প্রধান ভূমিকা হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড করা, অর্থাৎ স্টোরেজ থেকে OS কে মেমরিতে নিয়ে আসা, যাতে ব্যবহারকারী কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারে। এটি ডাটা ম্যানেজমেন্ট বা ভাইরাস স্ক্যানিং নয়, বরং হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে শনাক্ত ও পরিচালনার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।


• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৩১৪.
কোন কম্পিউটারের "RAM এবং CPU" - এর ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) সুপার কম্পিউটার।

কম্পিউটারের RAM (মেমোরি) এবং CPU (প্রসেসর) ক্ষমতা তার কাজের ক্ষমতা নির্ধারণ করে। সুপার কম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা বিশাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং জটিল গণনা করার জন্য ডিজাইন করা। এতে প্রচুর সংখ্যক উচ্চগতির CPU এবং বিপুল পরিমাণ RAM থাকে, যা একসাথে অত্যন্ত দ্রুত ও বড় পরিসরের গণনা করতে সক্ষম। অন্যদিকে, ট্যাবলেট কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, এবং মাইক্রো কম্পিউটার তুলনামূলকভাবে ছোট মেমোরি এবং কম প্রসেসিং ক্ষমতা রাখে, তাই তারা বিশাল বা জটিল কাজ করতে পারবে না। তাই RAM ও CPU ক্ষমতার দিক থেকে সুপার কম্পিউটার সর্বোচ্চ।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১৫.
১ বাইট সমান কত বিট?
  1. ১৬
  2. ১০২৪
ব্যাখ্যা

১ বাইট সমান ৮ বিট।

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬,৩১৬.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে কে ইতিহাসে প্রথম পরিচিত হন?
  1. স্টিভ জবস
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অ্যাডা লাভলেস
  4. স্যামুয়েল টমলিনসন
ব্যাখ্যা
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির আজকের বিকাশের পেছনে রয়েছে অনেক বিজ্ঞানী, স্বপ্নদ্রষ্টা, প্রকৌশলী এবং নির্মাতাদের অবদান। 
- তার এবং তারহীন যোগাযোগ ব্যবস্থা, কম্পিউটারের গণনা ক্ষমতা বৃদ্ধি এবং মাইক্রোইলেকট্রনিক্সের বিকাশে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। 
চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage): 
- আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ বা প্রচলন শুরু হয় চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) নামে একজন ইংরেজ প্রকৌশলী ও গণিতবিদের হাতে। 
- অনেকে তাঁকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলে থাকেন। 
- তিনি তৈরি করেন ডিফারেন্স ইঞ্জিন। 
- ১৯৯১ সালে লন্ডনের বিজ্ঞান জাদুঘরে চার্লস ব্যাবেজের বর্ণনা অনুসারে একটি ইঞ্জিন তৈরি করা হয়। 
- পরবর্তীতে তিনি এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে আরোও একটি গণনা যন্ত্রের পরিকল্পনা করেন। 

অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace): 
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)। 
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়। 
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন। 
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৩১৭.
একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা ব্যবহৃত হলে, সেই কম্পিউটারকে কী বলা হয়?
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. সুপারকম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• একই কম্পিউটারে এনালগ এবং ডিজিটাল গণনা উভয়ই ব্যবহার করা হয় তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ কম্পিউটারের দ্রুত এবং ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়করণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের সঠিক এবং নির্ভুল গণনা ক্ষমতা একত্রিত করে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত বিজ্ঞান, চিকিৎসা এবং শিল্পে ব্যবহৃত হয় যেখানে সেন্সর থেকে আসা ধারাবাহিক তথ্যকে দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ এবং ডিজিটাল আকারে বিশ্লেষণ করতে হয়। উদাহরণ হিসেবে হৃদস্পন্দন মনিটর বা জ্যোতির্বিজ্ঞান ও আবহাওয়া পূর্বাভাসে ব্যবহৃত কম্পিউটার উল্লেখ করা যায়।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩১৮.
নিচের কোনটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, সেটা চিহ্নিত করুন।
  1. Zoom
  2. Pinterest
  3. AIX
  4. Google Maps
ব্যাখ্যা
• AIX কোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়। এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম।

• মোবাইল অ্যাপ (মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন):
- একটি মোবাইল অ্যাপ (বা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন) হল একটি সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা বিশেষভাবে ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটারের পরিবর্তে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের মতো ছোট, ওয়্যারলেস কম্পিউটিং ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

- মোবাইল অ্যাপ্লিকেশানগুলি বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা এবং ফ্রেমওয়ার্ক ব্যবহার করে তৈরি করা হয় এবং সেগুলি অ্যাপ স্টোর যেমন: অ্যাপল অ্যাপ স্টোর বা Google Play থেকে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা যেতে পারে।

- মোবাইল অ্যাপগুলি আইওএস , অ্যান্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোনের মতো নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে । যখন একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন একটি ডিভাইসে ডাউনলোড এবং ইনস্টল করা হয়, তখন এটি ডিভাইসের মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে চালু করা হয়।

- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি মোবাইল অ্যাপ খোলে, অ্যাপটি ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য অন্তর্নির্মিত সফ্টওয়্যার উপাদানগুলির সাথে ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং পরিষেবা যেমন ক্যামেরা, জিপিএস এবং ইন্টারনেট সংযোগ অ্যাক্সেস করতে যোগাযোগ করে। অ্যাপটি তারপর ব্যবহারকারীকে তার নির্দিষ্ট ফাংশন এবং পরিষেবা প্রদান করতে এই তথ্য ব্যবহার করে।

কিছু মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন এর উদাহরণ লক্ষ্য করি
• Social Media Apps:
- Facebook,
- Instagram,
- LinkedIn,
- WhatsApp.

• Utility Apps:
- Camera,
- Calculator,
- Flashlight,
- Calendars.

• Lifestyle Apps:
- Fitness- Fitbit, Google Fit,
- Dating- Tinder, Bumble,
- Food- Zomato, Swiggy,
- Shopping- Amazon, eBay.

• Productivity Apps:
- Google Docs,
- Mail,
- Google Sheet,
- Evernote,
- Zoho Docs.

• Gaming & Entertainment Apps:
- Netflix,
- Subway Surfers,
- Hulu,
- Hotstar,
- COC.

অপশন আলোচনা:
- Zoom (ক):
- Zoom একটি জনপ্রিয় ভিডিও কনফারেন্সিং অ্যাপ্লিকেশন, যা মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মেই উপলব্ধ।
- এটি ব্যবহারকারীদের ভিডিও কল, মিটিং, এবং ওয়েবিনার আয়োজন করার সুবিধা প্রদান করে।

- Pinterest (খ):
- Pinterest একটি সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছবি এবং ভিডিও শেয়ার করতে পারে এবং তাদের পছন্দ অনুযায়ী "পিন" করতে পারে।
- এটি মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মে কাজ করে।

- AIX (গ):
- AIX একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা IBM দ্বারা তৈরি করা হয়েছে এবং এটি মূলত বড় সার্ভার এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারগুলিতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, বরং একটি সার্ভার ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- Google Maps (ঘ):
- Google Maps একটি জনপ্রিয় নেভিগেশন অ্যাপ্লিকেশন, যা মোবাইল এবং ডেস্কটপ উভয় প্ল্যাটফর্মে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের সঠিক পথ নির্দেশনা, ট্রাফিক তথ্য এবং মানচিত্র প্রদর্শন করে।

- সঠিক উত্তর: গ) AIX
- কারণ: AIX একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়, অন্যদিকে Zoom, Pinterest, এবং Google Maps সবই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন।

উৎস: www.techjockey.com, www.techtarget.com.
৬,৩১৯.
একটি ফ্লিপ-ফ্লপ-এর আউটপুট অন্যটির ক্লক-পালস হিসেবে ব্যবহৃত হয় কোন ধরনের কাউন্টারে?
  1. সিনক্রোনাস কাউন্টার
  2. রিং কাউন্টার
  3. অ্যাসিনক্রোনাস কাউন্টার
  4. আইসোক্রোনাস কাউন্টার
ব্যাখ্যা
• কাউন্টারের প্রকারভেদ:
- ইনপুট ক্লক পালসের ওপর ভিত্তি করে কাউন্টার প্রধানত দু'প্রকার। যথা-
১. সিনক্রোনাস (Synchronous) কাউন্টার:
- যে কাউন্টারে একটিমাত্র ক্লক পাল্স কাউন্টারে ব্যবহৃত সবগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ-এর অবস্থার (State) পরিবর্তন ঘটায়, তাকে সিনক্রোনাস কাউন্টার বলা হয়।
- এই কাউন্টারে সকল ফ্লিপ-ফ্লপের ক্লক ইনপুট একসাথে যুক্ত থাকে এবং ফ্লিপ-ফ্লপগুলো ইনপুট পাল্স দ্বারা ট্রিগারড হয়।
- উদাহরণ: রিং কাউন্টার (Ring Counter), মোড-10 (MOD-10) কাউন্টার ইত্যাদি।

২. অ্যাসিনক্রোনাস (Asynchronous) কাউন্টার:
- অ্যাসিনক্রোনাস কাউন্টার হলো এমন ধরনের কাউন্টার, যেখানে একটি ফ্লিপ-ফ্লপ-এর আউটপুট অন্যটির ক্লক-পালস  হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: রিপল কাউন্টার (Ripple Counter)।
- অ্যাসিনক্রোনাস রিপল কাউন্টার আবার দু'প্রকার। যথা-
i. রিপল আপ (Up) কাউন্টার: ছোট নম্বর থেকে বড় নম্বরের দিকে পর্যায়ক্রমিক গণনা করে।
ii. রিপল ডাউন (Down) কাউন্টার: বড় থেকে পর্যায়ক্রমিকভাবে নিচের দিকে গণনা করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩২০.
ট্রোজান হর্স কী?
  1. একটি ভাইরাস যা শুধুমাত্র হার্ডওয়্যারের ক্ষতি করে
  2. একটি ভাইরাস যা আপনার কম্পিউটারকে রক্ষা করে
  3. একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশে থাকে
  4. একটি ভাইরাস যা চালানোর পর নিজেই মুছে যায়
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা সরাসরি ক্ষতি করার পরিবর্তে বৈধ সফটওয়্যারের আকারে কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এটি ব্যবহারকারীর জ্ঞাত ছাড়া ইনস্টল হয় এবং সাধারণত পেছনের দরজা (backdoor) তৈরি করে, যা হ্যাকারদের কম্পিউটারের তথ্য চুরি, ফাইল মুছে ফেলা বা অন্যান্য ক্ষতিকর কাজ করার সুযোগ দেয়। ট্রোজান হর্স সাধারণ ভাইরাসের মতো নিজে নিজে ছড়ায় না; এটি ব্যবহারকারীর ভুলে বা কোনো ভুয়া সফটওয়্যার ডাউনলোডের মাধ্যমে সংক্রমিত হয়। তাই এটি “গোপন হামলা” হিসেবে পরিচিত, কারণ এটি প্রথমে নিরাপদ সফটওয়্যারের আভাস দেয়, কিন্তু একবার চালু হলে কম্পিউটারের জন্য বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

সঠিক উত্তর: গ) একটি ভাইরাস যা বৈধ সফটওয়্যারের ছদ্মবেশে থাকে।


• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।

- যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 

- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৬,৩২১.
আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক
  2. খ) প্লটার
  3. গ) ইমেজ সেটার
  4. ঘ) স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতই কাজ করে৷ মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়৷
সোর্সঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম
৬,৩২২.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. C
  2. HTML
  3. Java
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৩.
-23 এর বাইনারি কোনটি?
  1. ক) 11101101
  2. খ) 11101011
  3. গ) 11101001
  4. ঘ) 10111101
ব্যাখ্যা
আমরা জানি +23  এর ২ এর পরিপূরক -23 
এখানে +23 একটি ধনাত্নক চিহ্নযুক্ত সংখ্যা তাই তার পরিবির্তের 8 বিট বাইনারি হবে।


+ 23 এর বাইনারি =   00010111
১ এর পরিপূরক    =   11101000
                                            +1
২ এর পরিপূরক    =  11101001

অর্থাৎ -23 = 11101001
৬,৩২৪.
বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপুরক (2's Complement) কত?
  1. 010111
  2. 010101
  3. 010100
  4. 001011
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপূরক হলো 010100.

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

• ধাপ ১: ১ এর পরিপূরক (1's Complement) নির্ণয়:
প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যা: 101100
১ এর পরিপূরক (বিট উল্টিয়ে): 010011

ধাপ ২: ২ এর পরিপূরক (2's Complement) নির্ণয়:
১ এর পরিপূরকের সাথে 1 যোগ করতে হবে:
    010011 (১ এর পরিপূরক)
  +         1
  ––––––––
    010100

অতএব, বাইনারি সংখ্যা 101100 এর ২ এর পরিপূরক হলো 010100।
∴ সঠিক উত্তর: গ) 010100

৬,৩২৫.
মাদারবোর্ডে নিচের কোনটি স্থাপিত থাকে?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. সিপিইউ
  3. পেনড্রাইভ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৬.
C2B এর উদাহরণ কোনটি?
  1. ebay.com
  2. sindabad.com
  3. alibaba.com
  4. daraz.com
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত নিমোক্ত ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-

১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ : alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ : amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ : monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের  উদাহরণ : ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

৫। এম-কমার্স (M-commerce):
- এম কমার্স বা মোবাইল কমার্স (Mobile-Commerce) হলো এমন একটি ব্যবসায়িক সিস্টেম যা তারবিহীন বা ওয়ারলেস (Wireless) পরিবেশে সংঘটিত হয়।
- অর্থাৎ আধুনিকায়নের যুগে মোবাইল, ট্যাবলেট ইত্যাদি ডিভাইসের মাধ্যমে তারবিহীন প্রযুক্তির ব্যবহার করে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় সিস্টেমকেই এম-কমার্স বলে অভিহিত করা হয়।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩২৭.
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে
  2. খ) তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়
  3. গ) ধারণক্ষমতা অত্যাধিক
  4. ঘ) বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না
ব্যাখ্যা
সহায়ক মেমরির বৈশিষ্ট্য: 
- সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে না।
- তথ্য স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- ধারণক্ষমতা অত্যাধিক।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও তথ্য মুছে যায় না।
- সহজে পরিবহন করা যায়।
- কোনো তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৬,৩২৮.
ENIAC কোন কাজে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল?
  1. সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা
  2. তথ্য এনক্রিপশন
  3. কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা
  4. আবহাওয়ার পূর্বাভাস
ব্যাখ্যা

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল বিশ্বের প্রথম পূর্ণ বৈদ্যুতিন সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার। এটি মূলত সামরিক হিসাব-নিকাশ সমাধানের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, বিশেষ করে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সেনারা “অ্যাটমিক বোমার গোলকীয় গতিবিদ্যা” সম্পর্কিত জটিল গণনা দ্রুত সম্পন্ন করতে চাইছিলেন। ENIAC ছিল তৎকালীন সময়ের অন্যান্য যন্ত্রের তুলনায় দ্রুত এবং স্বয়ংক্রিয়, যা গণনার কাজকে ঘণ্টার পরিবর্তে মিনিটে করতে সক্ষম। এটি সংখ্যা সংক্রান্ত বড় বড় সমীকরণ এবং বিস্ফোরক শক্তি ও ধ্বংসাবশেষ সম্পর্কিত মডেলিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হতো। তাই ENIAC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা, অন্য কোনো অপশন যেমন তথ্য এনক্রিপশন, কারখানার উৎপাদন স্বয়ংক্রিয় করা বা আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করা ততটা ছিল না।

- উত্তর: ক) সামরিক হিসাব নিকাশ সমাধান করা।
 
• ENIAC:
 - ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Computer) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি ৩০ টন এবং ১৯ হাজার ইলেকট্রনিক টিউব দিয়ে নির্মিত।
- এটি চালানোর জন্য ১৩০ হতে ১৪০ কিলোওয়াট বিদ্যুতের প্রয়োজন হতো।
- প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজারটি যোগ এবং ৫ শতটি গুণ করতে পারত।
- দশ অংকের দুটি সংখ্যা গুণ করতে তিন মিলি সেকেন্ড সময় লাগত।
- প্রোগ্রামের জন্য এ কম্পিউটারের তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হয়েছিল।

উৎস: উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩২৯.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. SDRAM
  3. DRAM
  4. PROM
ব্যাখ্যা

ক্যাশ মেমোরি হিসেবে SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দ্রুতগতির এবং CPU-এর কাছে ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬,৩৩০.
IBM-1620 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ : ENIAC, UNIVAC, EDSAC, EDVAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 1401, IBM 1620, CDC 1604, RCA 301
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: PDP 8, IBM 360, 370, ICL 2900, PDP II
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ: IBM 3033, IBM 4341, TRS 40

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৩৩১.
Microsoft Disk Operating System হলো এক ধরণের -
  1. ডেডিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম
  2. ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম
  3. টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- যে অপারেটিং সিস্টেম একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং সিস্টেম বলে।
- ব্যাচ প্রসেসিং-এর বৈশিষ্ট্য হলাে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারে।
- এখানে মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা টাইমশেয়ারিং-এর কোনাে সুযােগ নেই।
- এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো একটি প্রােগ্রাম যখন পরিচালনা করা শুরু হয়, তখন সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য প্রােগ্রাম তার কার্যক্রম শুরু করতে পারে না।
- এই অপারেটিং সিস্টেমটি মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম ছিল।
- মাইক্রোকম্পিটারে ব্যবহৃত CP/M, MS-DOS এবং PC-DOS গুলোও ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৬,৩৩২.
একটি সক্রিয় মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা কোনটি? 
  1. ৪০-৬০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  2. ২০-৩০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  3. ৫০-৭০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
  4. ৬০-৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটার সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে- 
(১) তাপমাত্রা (Temperature), 
(২) কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On/Off), 
(৩) বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System) এবং 
(৪) ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollutants) ইত্যাদি। 

তাপমাত্রা (Temperature): 
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার মধ্যে রাখার চেষ্টা করতে হয়। 
- শীতপ্রধান অঞ্চলে যেখানে অফিসে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে দিনের বেলা উষ্ণ রাখা হয় এবং রাতের বেলা অনেক ঠাণ্ডা হয়ে যায়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার সে পরিবেশে বেশি সিস্টেম নষ্টের সম্মুখীন হয়। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম তাপমাত্রা হল ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট। 
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য অতিমাত্রায় তাপমাত্রার ওঠা নামা অত্যন্ত বিপদজনক। 
- এই কারণে কম্পিউটার কখনও কোন উত্তপ্ত বা অধিক ঠান্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৩৩.
নিচের কোন উক্তিটি ভুল?
  1. ১ বাইট = ৮ বিট
  2. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১ টেরাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৬,৩৩৪.
বিজনেস সফ্টওয়্যার এ্যালায়েন্স কেন প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. সাইবার সিকিউরিটি
  2. মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ
  3. প্রাইভেসি রক্ষা
  4. সফটওয়্যার সেবা
ব্যাখ্যা

বড় বড় সফ্টওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বিশ্বব্যাপি পাইরেসি নজরদারী করার জন্য ‘বিজনেস সফ্টওয়্যার এ্যালায়েন্স’ নামে একটি সংস্থা তৈরি করেছে।
সংস্থাটির ২০১১ সালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে-পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের প্রতি দশ জনের মধ্যে সাতজনই পাইরেসি মুক্ত। যেহেতু সফ্টওয়্যার পাইরেসি খুবই সহজ, তাই এর হিসাব করাটা কঠিনই বটে।
বাংলাদেশেও সফ্টওয়্যার পাইরেসি নিষিদ্ধ।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৩৩৫.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক কে?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. Guido van Rossum
  3. James Gosling
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
⚪ পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক হলেন গুইডো ভ্যান রসুম (Guido van Rossum)।

তিনি ১৯৮০-এর দশকে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষাটি তৈরি করেছিলেন এবং ১৯৯১ সালে প্রথম এটি প্রকাশিত হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:
ক) Bjarne Stroustrup:
- Bjarne Stroustrup হলেন C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৭৯ সালে C++ এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন, যা C ভাষার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল। C++ একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং সমর্থন করে এবং সিস্টেম সফটওয়্যার, গেম ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স, এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

গ) James Gosling:
- James Gosling হলেন Java প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক। তিনি ১৯৯০ এর দশকে Sun Microsystems-এ কাজ করার সময় Java ভাষার উন্নয়ন করেন। Java একটি জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যা প্ল্যাটফর্ম-স্বাধীন (platform-independent) এবং "Write Once, Run Anywhere" নীতির ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, এন্টারপ্রাইজ সিস্টেম, এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।

ঘ) Dennis Ritchie:
- Dennis Ritchie ছিলেন C প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক এবং তিনি Unix অপারেটিং সিস্টেমের এক সহ-উদ্ভাবক। ১৯৭২ সালে C ভাষা তৈরি করেন, যা কম্পিউটার সিস্টেম সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট এবং সিস্টেম প্রোগ্রামিংয়ের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। C ভাষা আজও অনেক আধুনিক ভাষার ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৩৬.
কোন প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে? 
  1. a2i
  2. a3i
  3. i2a
  4. i3a
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সেবা জনগণের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় তথ্য অফিসের মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যোগাযোগ স্থাপনের কাজ চালু হয়েছে
- এতে করে তৃণমূল পর্যায়ের প্রশাসনিক ও স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি সরকারি সবধরনের পরিষেবার তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ অফিস, সাব-পোস্ট অফিসে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র চালু করে সরকারি সবধরনের ডিজিটাল সার্ভিস সেবা প্রদান অব্যাহত রয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৬,৩৩৭.
বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F6
  2. F7
  3. F8
  4. F9
ব্যাখ্যা
• বানান ও ব্যকরণ ঠিক করতে 'F7' ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:

- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৬,৩৩৮.
RAM এর পূর্ণ রূপ কী?
  1. Read Access Memory
  2. Random Access Memory
  3. Rapid Access Machine
  4. Real Access Memory
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Random Access Memory.

Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

র‍্যামের শ্রেণিবিভাগ
অপারেটিং মোড অনুসারে র‍্যামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
- স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM) ও
- ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)

স্ট্যাটিক র‍্যাম (Static RAM)
- স্ট্যাটিক র‍্যাম ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত যা বাইনারি বিট ০ ও ১ ধারণ করে।
- এ ধারণকৃত ডাটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে মেমোরিতে রক্ষিত ডাটা মুছে যায়।
- স্ট্যাটিক র‍্যাম অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হয় বলে এটা ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

ডাইনামিক র‍্যাম (Dynamic RAM)
- ডাইনামিক র‍্যাম-এ বাইনারি বিট ০ ও ১ বৈদ্যুতিক চার্জ আকারে ক্যাপাসিটরে জমা থাকে।
- ক্যাপাসিটর চার্জ থাকলে ১ অবস্থা, না থাকলে ০ অবস্থা বোঝায়।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকা অবস্থায়ও ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
- তাই কয়েক মিলিসেকেন্ড পর পর র‍্যাম কন্ট্রোলারের সাহায্যে প্রত্যেক মেমোরি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।
- ক্যাপাসিটরের পরিভাষায় একে মেমোরি রিফ্রেশিং বলা হয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমোরি হিসেবে সাধারণত ডাইনামিক র‍্যাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩৩৯.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়েছিলো?
  1. ক) IC
  2. খ) VLSI
  3. গ) Vacuum Tube
  4. ঘ) Transistor
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৪০.
ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. রেজিস্টারের সংখ্যা
  2. ক্যাশের আকার
  3. অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ
  4. প্রসেসরের গতি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরির পরিমাণ অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থের উপর নির্ভরশীল। কারণ ভার্চুয়াল মেমরি মূলত প্রসেসরের ব্যবহারযোগ্য অ্যাড্রেস স্পেস দ্বারা সীমাবদ্ধ। অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ যত বেশি, তত বেশি সংখ্যা প্রদর্শন করা যায় এবং প্রসেসর তত বড় মেমরি ঠিকানা করতে সক্ষম হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩২‑বিট অ্যাড্রেস বাস দিয়ে ২ⁿ মেমরি ঠিকানা করা যায়, যেখানে n হলো অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা। অন্যদিকে রেজিস্টারের সংখ্যা, ক্যাশের আকার বা প্রসেসরের গতি সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির সীমা নির্ধারণ করে না, যদিও এগুলো পারফরম্যান্সে প্রভাব ফেলে। তাই ভার্চুয়াল মেমরির সম্ভাব্য সর্বোচ্চ আকার অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উত্তর: গ) অ্যাড্রেস বাসের প্রস্থ।

 • ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- geeksforgeeks [link]

৬,৩৪১.
কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য সাধারণত কী ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ব্যাকআপ সিস্টেম
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, ফায়ারওয়াল ও ব্যাকআপ সিস্টেম সবগুলোই ব্যবহৃত হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৪২.
নিচের কোনটি ইন্টিগ্রেশন স্কেল অনুযায়ী IC-এর ধরণের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. SSI (Small-Scale Integration)
  2. MSI (Medium-Scale Integration)
  3. LSI (Large-Scale Integration)
  4. DSI (Deep-Scale Integration)
ব্যাখ্যা

• ইন্টিগ্রেশন স্কেল অনুযায়ী IC বা Integrated Circuit সাধারণত কতগুলো লজিক গেট বা কম্পোনেন্ট একটি চিপে সংযুক্ত আছে তার উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগে প্রচলিত ও স্বীকৃত ধরণগুলো হলো SSI (Small-Scale Integration), যেখানে অল্প সংখ্যক গেট থাকে; MSI (Medium-Scale Integration), যেখানে মাঝারি সংখ্যক গেট ব্যবহৃত হয়; এবং LSI (Large-Scale Integration), যেখানে অনেক বেশি গেট সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু DSI (Deep-Scale Integration) নামে কোনো ইন্টিগ্রেশন স্কেল ইলেকট্রনিক্সে স্বীকৃত বা প্রচলিত নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) DSI (Deep-Scale Integration).
 
• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট: 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট। 
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে। 
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়। 
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: 
- কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৩৪৩.
What is a Register in the CPU?
  1. A permanent storage area within the CPU
  2. A temporary storage area within the CPU
  3. An arithmetic operator
  4. A network device
ব্যাখ্যা
Register is a temporary storage area within the CPU.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩৪৪.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট' কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) জটিল বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধান
  2. খ) কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফলের সুক্ষ্মতা যাচাই
  3. গ) ভুল ফলাফল দেয়া
  4. ঘ) কম্পিউটার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নির্ভুলভাবে কাজ করে।
- উন্নত প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটার সর্বদা নির্দিষ্ট প্রোগ্রামদিয়ে নির্দিষ্ট কাজ পুরোপুরি নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে প্রোগ্রাম ও ডেটাকে অবশ্যই ১০০% শুদ্ধ হতে হবে ।
- ভুল ফলাফল দেয়াকে গার্বেজ ইন গার্বেজ আউট (Garbage in garbage out) বলা হয়।
- আধুনিক কম্পিউটার প্রমাণ করছে যে মানুষ ভুল করে, কিন্তু কম্পিউটার ভুল করে না ।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৩৪৫.
নিচের কোনটি উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ?
  1. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  2. ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
  3. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
  4. বিনামূল্যে পাওয়া যায়
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ এর গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

• উইন্ডোজ:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফট এখন পর্যন্ত Windows 7, Windows Vista, Windows XP, Windows 8, Windows 10, Windows 11 প্রভৃতি অপারেটিং সিস্টেম বাজারে এনেছে।

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য সুবিধাসমূহ হলো:
১. উইন্ডোজ একটি স্বতন্ত্র অপারেটিং সিস্টেম।
২. উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখার প্রয়োজন হয় না।
৩. পুল ডাউন বা মেন্যু বা আইকন ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায়।
৪. অধিকাংশ কমান্ড মাউস ব্যবহার করে দেওয়া যায়।
৫. নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থার সুবিধা পাওয়া যায়।
৬. ইউএসবি সাপোর্ট, ডিভিডি সাপোর্ট ইত্যাদি প্রযুক্তির সুবিধা পাওয়া যায়।
৭. মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের সুবিধা পাওয়া যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৪৬.
কোনটি ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার?
  1. Stuffit
  2. IBM Db2
  3. Redis
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Stuffit ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার।

• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):

- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- IBM Db2,
- Redis,
- Amazon DynamoDB,
- Microsoft Access.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৬,৩৪৭.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ফাইল বা ডকুমেন্ট ক্লোজ করতে কোনটি চাপতে হয়?
  1. ক) Ctrl + S
  2. খ) Ctrl + O
  3. গ) Alt + F4
  4. ঘ) Ctrl + W
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের কিছু শর্টকার্ট কী (Key):
১. Ctrl+O = ডকুমেন্ট ওপেন করা
২. Ctrl+N = নতুন ডকুমেন্ট খোলা
৩. Ctrl+S = ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করা
৪. Ctrl+W = ডকুমেন্ট ক্লোজ করা
৫. Ctrl+A = ডকুমেন্টের সব কন্টেন্ট সিলেক্ট করা।



উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট।
৬,৩৪৮.
ডিভিডি কোন ধরনের স্মৃতি?
  1. ক) প্রধান স্মৃতি
  2. খ) সহায়ক স্মৃতি
  3. গ) অস্থায়ী স্মৃতি
  4. ঘ) স্থায়ী স্মৃতি
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমরি দুই প্রকার। যথা- ১। প্রধান মেমরি ও ২। সহায়ক মেমরি।
RAM ও ROM প্রধান মেমরির অন্তর্ভুক্ত। হার্ড ডিক্স, ফ্লাস ডিক্স, ফ্লপি ডিক্স, চৌম্বক ড্রাম, ক্যাম্প্যাক্ট ডিক্স, ডিভিডি হলো সহায়ক মেমরি।

৬,৩৪৯.
কোন অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কমান্ড লাইন ইন্টারফেসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. iOS
  2. UNIX/Linux
  3. Android
  4. Windows GUI
ব্যাখ্যা

• কমান্ড লাইন ইন্টারফেস (CLI) সাধারণত UNIX/Linux অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) UNIX/Linux। UNIX এবং Linux মূলত মাল্টি-ইউজার ও মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম, যেখানে টার্মিনাল বা শেলের মাধ্যমে কমান্ড লিখে কাজ করা হয়। প্রোগ্রামিং, সার্ভার পরিচালনা, নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন এবং সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের জন্য CLI খুবই কার্যকর। iOS ও Android মূলত গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেসভিত্তিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম, আর Windows GUI সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য গ্রাফিক্যাল পরিবেশে কাজ করার সুবিধা দেয়। তাই কমান্ড লাইনের ক্ষেত্রে UNIX/Linux সবচেয়ে প্রচলিত।

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৬,৩৫০.
কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে কোন অপারেশনটি করা যায়?
  1. ডাটা অনুসন্ধান
  2. ডাটা প্রবেশ
  3. ডাটা ডিলিট
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা অনুসন্ধান, ডাটা প্রবেশ এবং ডাটা ডিলিট—সবগুলো অপারেশন করা যায়।

• কুয়েরির ধারণা:
- কুয়েরি হলো ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডাটা থেকে নির্দিষ্ট শর্তে প্রয়োজনীয় ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি।
- কুয়েরির মাধ্যমে বিভিন্ন শর্ত প্রয়োগ করে ডাটা আলাদা করা সম্ভব।

• কুয়েরির মাধ্যমে সম্পাদনযোগ্য অপারেশন:
- কুয়েরির সাহায্যে ডাটাবেজে সংরক্ষিত নির্দিষ্ট ডাটা অনুসন্ধান করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে নতুন ডাটা প্রবেশ করানো যায়।
- কুয়েরির সাহায্যে প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটা ডিলিট করা যায়।
- কুয়েরির মাধ্যমে ডাটা মডিফাই বা আপডেট করাও সম্ভব।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় কুয়েরির ভূমিকা:
- বিপুল পরিমাণ ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা খুব দ্রুত ও সহজে পাওয়া যায়।
- ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনাকে কার্যকর ও সময় সাশ্রয়ী করে তোলে।
- শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ ও পরবর্তী ব্যবহারের জন্য কুয়েরি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫১.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম-
  1. ক) ডিবেজ (dBASE)
  2. খ) ফক্স প্রাে (Foxpro)
  3. গ) এম এস এক্সিস (MS Access)
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
বিভিন্ন ধরনের ডাটাবেজ প্রােগ্রাম সমূহ হচ্ছে-
-ডিবেজ (dBASE),
-ফক্স প্রাে (Foxpro),
-ডিবেজ ৩+ (dBASE Ill+),
-ফক্সবেজ (FoxBASE),
-ফাইলমেকার প্রাে (Filemaker Pro),
-এম এস এক্সিস (MS Access) ইত্যাদি।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৬,৩৫২.
কোন বৈশিষ্ট্যটি সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে?
  1. বিল্ট-ইন কীবোর্ড
  2. বেশি স্টোরেজ স্পেস
  3. উচ্চতর প্রসেসিং গতি
  4. বড় স্ক্রিন সাইজ
ব্যাখ্যা
• সুপারকম্পিউটারকে সাধারণ কম্পিউটার থেকে আলাদা করে যে বৈশিষ্ট্যটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তা হলো উচ্চতর প্রসেসিং গতি। সুপারকম্পিউটারগুলি বিপুল পরিমাণ তথ্য অত্যন্ত দ্রুত বিশ্লেষণ ও প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম, যা সাধারণ কম্পিউটারের পক্ষে সম্ভব নয়। এই ধরনের কম্পিউটার একসাথে লাখো কোর ব্যবহার করে জটিল গাণিতিক হিসাব, জলবায়ু মডেলিং, পারমাণবিক গবেষণা বা মহাকাশ গবেষণার মতো কাজ সম্পাদন করে থাকে। যেখানে সাধারণ কম্পিউটার দৈনন্দিন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেখানে সুপারকম্পিউটার বিশাল ডেটা সেট নিয়ে কাজ করার জন্য ডিজাইন করা। তাই, গ) উচ্চতর প্রসেসিং গতি-ই সুপারকম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও পার্থক্যসূচক বৈশিষ্ট্য।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৫৩.
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা কোনটি?
  1. স্বাভাবিক/ন্যাচারাল ভাষা
  2. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  3. মেশিন ভাষা
  4. উচ্চস্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

মেশিন ভাষা (Machine Language) হলো কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা।

প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষাকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা
২. হাই-লেভেল ভাষা বা উচ্চ স্তরের ভাষা

• নিম্ন স্তরের ভাষাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- মেশিন ভাষা
- অ্যাসেম্বলি ভাষা

• মেশিন ভাষা:
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা।
- এটিকে কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা বা সবচেয়ে মৌলিক ভাষা বলা হয়।
- এই ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (০ এবং ১) বা হেক্সাডেসিমাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধু এই মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হলে, কম্পিউটার তা কাজে লাগানোর আগে একটি উপযুক্ত অনুবাদকের (ট্রান্সলেটর) সাহায্যে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে নেয়।
-  এই ভাষায় শুধু ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়, যা অত্যন্ত জটিল এবং বোঝা কঠিন। এজন্য মেশিন ভাষাকে প্রায়ই "লো-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজ" বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- সরাসরি মেমরি অ্যাড্রেসের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করা যায়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম খুব কম লজিক এবং অল্প মেমরি ব্যবহার করে চলে।
- প্রোগ্রাম চালানোর জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষার তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬,৩৫৪.
নিচের কোনটি মনিটরের প্রকারভেদ নয়?
  1. LCD Monitor
  2. LED Monitor
  3. AMOLED Monitor
  4. CTR Monitor
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
৬,৩৫৫.
কীবোর্ড এর ‘Alt’ কোন ধরনের কী?
  1. ক) নিউমেরিক কী
  2. খ) মডিফায়ার কী
  3. গ) ফাংশন কী
  4. ঘ) স্পেশাল কী
ব্যাখ্যা
Ctrl, Shift, Alt মডিফায়ার কী এর উদাহরণ। অপরদিকে F1 - F12 হলো ফাংশন কী।
৬,৩৫৬.
(13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 472
  2. 482
  3. 452
  4. 488
ব্যাখ্যা

• (13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় : 472

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৫৭.
নিচের কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে দুইটি ইনপুটই 1 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. XOR
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড গেইট:
- অ্যান্ড গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- নিচে দুই ইনপুট বিশিষ্ট অ্যান্ড গেইটের বর্তনী এবং সত্যক সারণি দেখানো হলো:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৫৮.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এর উদ্ভাবক কে?
  1. Van Rossum
  2. Dennis Ritchie
  3. BAL Laboratory
  4. EF Codd
ব্যাখ্যা
পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৫৯.
IOT ব্যবহারের সুবিধা কী?
  1. ওয়েব পেজ লোডিং দ্রুত হয়
  2. যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে
  3. সফটওয়্যার আপডেট সহজ হয়
  4. ফাইল কম্প্রেশন হয়
ব্যাখ্যা
IOT ব্যবহারের সুবিধা হচ্ছে যন্ত্রপাতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করে এবং দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• IOT (Internet of Things):
- IOT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৬০.
ওয়েব ডিজাইনের জন্য কোন ভাষাটি প্রযোজ্য নয়?
  1. JavaScript
  2. HTML
  3. Perl
  4. CSS
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ডিজাইনের জন্য সাধারণত HTML, CSS, এবং JavaScript প্রধান ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। HTML ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করে, CSS দিয়ে পেজের ডিজাইন ও স্টাইল নির্ধারণ করা হয়, আর JavaScript দিয়ে ওয়েব পেজে ইন্টারেক্টিভ ফাংশন যোগ করা হয়। তবে Perl একটি সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রোগ্রামিং ভাষা, যা মূলত সার্ভার-সাইড স্ক্রিপ্টিং, ডেটা প্রক্রিয়াকরণ এবং সিস্টেম প্রশাসন কাজে ব্যবহৃত হয়। Perl সরাসরি ওয়েব ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় না, কারণ এটি পেজের ভিজ্যুয়াল বা ডিজাইন অংশ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। তাই ওয়েব ডিজাইনের জন্য Perl প্রযোজ্য নয়। HTML, CSS, ও JavaScript ছাড়া Perl ওয়েব ডিজাইনের জন্য উপযুক্ত ভাষা নয়।

• HTML (HyperText Markup Language):
- ওয়েব পৃষ্ঠার মূল কাঠামো গঠন করে
- সমস্ত ওয়েবসাইটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

• CSS (Cascading Style Sheets):
- ওয়েব পৃষ্ঠার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে
- রেস্পন্সিভ ডিজাইনের জন্য অপরিহার্য

• JavaScript:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি প্রদান করে
- আধুনিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকাশক্তি

• JavaScript- এর ব্যবহার:
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে,
- ডেটা সায়েন্সে,
- মেশিন লার্নিং,
- অটোমেশন ইত্যাদিতে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান।
- "Web Design with HTML, CSS, JavaScript and jQuery" by Jon Duckett.
৬,৩৬১.
হার্ডডিস্ক কী?
  1. একটি ইনপুট ডিভাইস
  2. একটি আউটপুট ডিভাইস
  3. একটি স্টোরেজ ডিভাইস
  4. একটি প্রসেসর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি স্টোরেজ ডিভাইস।

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩৬২.
Crosstab Query-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. শর্তের উপর ভিত্তি করে ডেটা ফিল্টার করা
  2. ডেটা সংক্ষিপ্ত করা এবং এটিকে একটি ম্যাট্রিক্স ফরম্যাটে প্রদর্শন করা
  3. একটি টেবিলের মান আপডেট করা
  4. রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
⚪ ক্রসট্যাব কোয়েরি সাধারণত ডেটা সংক্ষেপ করতে এবং সেটিকে একটি সারণি (ম্যাট্রিক্স) আকারে উপস্থাপন করতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক্স এবং ওয়াই অ্যাক্সিসে ভিন্ন ভিন্ন মান দেখানো হয়।

⚪ কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

⚪ কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,৩৬৩.
Informix is an example of -
  1. Graphics software
  2. Database software
  3. Spreadsheet software
  4. Word processing software
ব্যাখ্যা
Informix হচ্ছে কর্পোরেট পর্যায়ের জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যার।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য। এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যারগুলো মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬৪.
ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. ডাটা গ্রহণ সম্ভব নয়
  2. একবার শুধু এক দিকে ডাটা পাঠানো যায়
  3. কেবল ডাটা প্রেরণ করা যায়
  4. একই সময়ে দুই দিক থেকে ডাটা পাঠানো যায়
ব্যাখ্যা
ডেটা ট্রান্সমিশন মোড: 
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডেটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডেটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। সিমপ্লেক্স: 
- শুধুমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডেটা পাঠাতে পারে না। 
উদাহরণ- রেডিও, টিভি। 

২। হাফ-ডুপ্লেক্স: 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
উদাহরণ- ওয়াকিটকি। 

৩। ফুল-ডুপ্লেক্স: 
- এক্ষেত্রে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডেটা প্রেরণ করার সময় ডেটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
উদাহরণ- টেলিফোন, মোবাইল। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৬৫.
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?
  1. ক) পিপীলিকা
  2. খ) দোয়েল
  3. গ) পদ্মা
  4. ঘ) অনুসন্ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন এর নাম হচ্ছে পিপীলিকা। 

- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'। 
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। 
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল। 
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি। 

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা।
৬,৩৬৬.
155 দশমিক সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি কত?
  1. ক) 10101011
  2. খ) 10011011
  3. গ) 10000111
  4. ঘ) 00101010
ব্যাখ্যা


∴ 155 এর সমতুল্য বাইনারি 10011011
৬,৩৬৭.
ই-মেইল ঠিকানায় কয়টি অংশ থাকে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২ টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
ব্যাখ্যা

ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি৷
ই-মেইল ঠিকানায় দুটি অংশ থাকে। প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং দ্বিতীয় অংশটি হলো ডোমেইন নেইম।
যেমনঃ robithakur@gmail.com
এখানে robithakur হলো ইউজারনেম এবং gmail হলো ডোমেইন নেইম। 

ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

৬,৩৬৮.
10001 - 111 বাইনারি সংখ্যার বিয়োগফল কত?
  1. ক) 101
  2. খ) 1100
  3. গ) 01010
  4. ঘ) 1100
ব্যাখ্যা
0 - 0 = 0
0 - 1 = 1 
1 - 0 = 1 
1 - 1 = 0 

বিয়োগ করা না গেলে ধার করব ২ এবং ফেরত দিব ১ (এই ১ নিচের অংকের সাথে যোগ হবে অর্থাৎ ছোটবেলার যোগ অংকের মত) 

10001 - 111
= 01010
৬,৩৬৯.
হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1010
  2. 1100
  3. 1110
  4. 1111
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতিতে 'C' হলো একটি সংখ্যা, যার দশমিক মান হচ্ছে 12.
এখন 12 কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 1100

- শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।

• বাকি অপশনগুলো-
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান 1010 (ক)।
- হেক্সাডেসিমেলে E এর সমুতল্য বাইনারি মান 1110 (গ)।
- হেক্সাডেসিমেলে F এর সমুতল্য বাইনারি মান 1111(ঘ)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩৭০.
Which one is a behavioral biometric?
  1. Iris recognition
  2. Face recognition
  3. Voice verification
  4. Fingerprint scanning
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Voice verification

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মাহবুবুর রহমান।

৬,৩৭১.
বায়োমেট্রিক্স শব্দটির উৎপত্তি কোন ভাষা থেকে?
  1. স্লাভিক
  2. গ্রিক
  3. ল্যাটিন
  4. ইংরেজি
ব্যাখ্যা
♦ বায়োমেট্রিক্স:
- গ্রিক শব্দ 'metric' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথা-
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৬,৩৭২.
দশমিক পদ্ধতিতে মোট কয়টি অংক ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ৯
  2. খ) ১০
  3. গ) ১১
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতিঃ
মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১০।
কারণ এই পদ্ধতিতে মোট ১০ টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যথাঃ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ এবং ৯। (১০১)১০ , (১২৩)১০, (৯৮.৭৩)১০ ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৩৭৩.
নিচের কোনটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) OS X 10.9
  2. খ) PCLinuxOS
  3. গ) Windows Server 2016
  4. ঘ) OS X 10.10
ব্যাখ্যা

PCLinuxOS একটি লিনাক্সভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- লিনাক্সভিত্তিক অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমগুলো হল- Ubuntu, Linux Mint, Debian, Manjaro, Arch, Puppy ইত্যাদি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত এক ধরণের সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- যে সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে কম্পিউটারের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলো পরিচালনা করে থাকে। 
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশনকে নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কিছু অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 7, Windows XP, Linux ইত্যাদি। 

অপারেটিং সিস্টেমের সুবিধাবলী- 
১. কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহার করবার উপযোগী করে তোলে।
২. প্রসেসর পরিচালনা ম্যানেজমেন্ট করে। 
৩. মেমোরি পরিচালনা করে। 
৪. কম্পিউটারের ইনপুট এবং আউটপুট যন্ত্রগুলো পরিচালনা করে। 
৫. ফাইল পরিচালনা করে। 
৬. অপারেটিং সিস্টেমই নির্ধারণ করে কম্পিউটারের কোন কাজটি আগে কার্যকর হবে ইত্যাদি। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬,৩৭৪.
Flash memory is-
  1. ক) Non-removable
  2. খ) Non-volatile
  3. গ) Non-portable
  4. ঘ) Volatile
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না তাকে Non-Volitile মেমোরি বলে। যেমন হার্ডডিস্ক, রম, ফ্লাশ মেমোরি ইত্যাদি।
৬,৩৭৫.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) ওয়ার্কস্টেশন
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।
ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।
মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।
সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।
৬,৩৭৬.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) F-Macro
  2. খ) Central Point
  3. গ) Irina
  4. ঘ) Red Alert
ব্যাখ্যা
Irina একটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম। 

কম্পিউটার ভাইরাস হচ্ছে এমন এক বস্তু যা কোনো প্রকার ইউজার অনুমতি ছাড়াই একজনের কম্পিউটারে প্রবেশ করে অনেক বড় ক্ষতি সাধন করে থাকে এবং নিজেই নিজের প্রতিরূপ তৈরি করে ফেলতে পারে এবং সহজেই অন্য কম্পিউটারে প্রবেশ করে ফেলতে পারে।

কম্পিউটার ভাইরাস যে সকল ক্ষতিসাধন করে থাকে- 
১. কম্পিউটারে ভাইরাস সংক্রমণ হলে নিজে থেকেই স্লো কাজ করা শুরু করে দেয় যার ফলে নিজের কাজের অনেক অংশে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। 
২. ভাইরাস নিজে থেকেই কম্পিউটার হার্ডড্রাইভের ফাইল গুলোকে ডিলিট করে দেয় অথবা ক্রাপ্টেড করে দেয় যার ফলে নিজের দরকারি ডেটা গুলো আর কাজ করেনা এতে প্রচুর পরিমাণে ক্ষতি হয়ে যায়।
৩. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার জনিত বিভিন্ন সমস্যার তৈরি করে থাকে যার ফলে হার্ডওয়ার নষ্ট হয়ে যেতে পারে। 
৪. কম্পিউটার নিজে নিজে কাজ করছে এবং কিছু ডাটা নিজের চোখের সামনে অন্য কারো কাছে চলে যাচ্ছে কিন্তু কিছুই করার থাকেনা তখন।
৫. কম্পিউটারের গতিকে অনেক বেশী ধীর গতি করে ফেলে যার কারণে কোন ধরণের কাজ করা হয়ে উঠেনা।
৬. ব্যাক্তিগত ডাটা চুরি করে কম্পিউটারের মালিকের কাছে থেকে মুক্তিপন চেয়ে ব্ল্যাকমেইল করার মত অনেক ঘটনা রয়েছে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৬,৩৭৭.
কম্পিউটারে কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য নিচের কোন প্রক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) ডিস্ক ক্লিন আপ
  2. খ) অ্যান্টি ভাইরাস ব্যবহার
  3. গ) ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার যেহেতু সফ্টওয়্যার চালিত যন্ত্র তাই সফ্টওয়্যার হালনাগাদ ও আপডেটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে সংরক্ষণ ও কাজের গতি ঠিক রাখা যায়। যেমনঃ
১। কেউ যদি তার কম্পিউটারে মাইক্রোসফ্ট উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে তবে তা সব সময় হালনাগাদ করতে হবে।
২। কম্পিউটারকে সচল ও গতিশীল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
৩। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য আমাদের উচিত, সফ্টওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের
বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। এতেও কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।
৫। এন্টিভাইরাস, এন্টি স্পাইওয়্যার ছাড়া আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে ক¤িপউটার ব্যবহারকারীগণ তাদের যন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে। এদের মধ্যে অনেক এন্টিভাইরাস, এন্টি ¯পাইওয়্যার ইন্টারনেট হতে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।
এছাড়াও কাজ করার গতি বজায় রাখার জন্য প্রায় সব ব্যবহারকারী ডিস্ক ক্লিনআপ ও ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করে থাকে। এ প্রোগ্রামগুলো সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের সাথে দেয়া থাকে। এ দুটো প্রোগ্রাম হার্ডডিস্কের জায়গা খালি করে এবং ফাইলগুলো এমনভাবে সাজায় যাতে কম্পিউটার এর গতি বজায় থাকে।

সুত্রঃ কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে সফ্টওয়্যারের গুরুত্ব, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৭৮.
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ওয়ার্কবুক
  2. ওয়ার্কশীট
  3. ফিল্ড
  4. ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

ওয়ার্কশীটঃ
একটি এক্সেলে ফাইলের যে অংশে কাজ করা হয় তাকে ওয়ার্কশীট বলে। ওয়ার্কশীটে গ্রাফ কাগজের ন্যায় অনেক সেল থাকে।
ওয়ার্কবুকঃ
এক্সেল শিটে কাজ করার পর এটিকে ভবিষ্যতের ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করা হয়। সংরক্ষিত এই ফাইলকে ওয়ার্ক বুক বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৬,৩৭৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) ফক্সপ্রো
  2. খ) লিনাক্স
  3. গ) ফোরট্রান
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এ তথ্যকে বলা হয় ডাটাবেজ।
বর্তমানে অনেক ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয় ।

এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
- Informix
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার ফাইল
- মেকার
- ওরাকল
- Firebird
- মাই এসকিইএল
- SQL Server Express
- সাইবেজ
- InterBase
- ডিবেজ
- DATACOM/DB
- ফক্সপ্রো
- বেজ ইত্যাদি
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ , এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)
৬,৩৮০.
DHCP এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Dynamic Host Communication Protocol
  2. Dynamic Host Computer Protocol
  3. Dynamic Host Configuration Protocol
  4. Dynamic Hosting Cable Protocol
ব্যাখ্যা
- DHCP এর পূর্ণরূপ Dynamic Host Configuration Protocol.
- ডায়নামিক হোস্ট কনফিগারেশন প্রোটোকল (DHCP) হল একটি ক্লায়েন্ট/সার্ভার প্রোটোকল যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে একটি ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) হোস্টকে তার IP ঠিকানা এবং অন্যান্য সম্পর্কিত কনফিগারেশন তথ্য যেমন সাবনেট মাস্ক এবং ডিফল্ট গেটওয়ে প্রদান করে।
- DHCP কনফিগার করা হয় যেখানে ম্যানুয়ালি আইপি এসাইন করা কঠিন অর্থাৎ যেখানে নেটওয়ার্ক টি অনেক বড়।
- একটি TCP/IP-ভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রতিটি ডিভাইসের নেটওয়ার্ক এবং এর সংস্থানগুলি অ্যাক্সেস করার জন্য একটি ইউনিক ইউনিকাস্ট IP ঠিকানা থাকতে হবে।
- DHCP ব্যতীত, নতুন কম্পিউটার বা কম্পিউটারের আইপি ঠিকানা যা এক সাবনেট থেকে অন্য সাবনেটে স্থানান্তরিত হয় সেগুলি ম্যানুয়ালি কনফিগার করা আবশ্যক, নেটওয়ার্ক থেকে সরানো কম্পিউটারগুলির জন্য IP অ্যাড্রেসগুলি ম্যানুয়ালি পুনরুদ্ধার করা আবশ্যক৷

উৎস: [Microsoft]
৬,৩৮১.
নিচের কোনটি ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. IBM 1620
  2. IBM 360
  3. Mark IV
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

IBM 1620 হচ্ছে ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার।

২য় প্রজন্ম:
-দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকারে ছোট, দ্রুতগতির এবং বেশি নির্ভরযোগ্য ছিল।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, IBM1600, IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৪. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৫. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।।

উল্লেখ্য,
- Mark IV : প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।
- IBM 360 : তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৬,৩৮২.
নিচের কোনটি অ্যালগরিদমের সঠিক বিবরণ?
  1. সবসময় সঠিক সমাধান দেয়
  2. এগুলো কেবল কম্পিউটারে ব্যবহার হয়
  3. এগুলো শুধু সংখ্যার জন্যই
  4. সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা 
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ঘ) সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।

অ্যালগরিদম হলো একটি সুসংগঠিত এবং ধাপে ধাপে প্রণীত নির্দেশনার সেট, যা কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি করা হয়। এটি কেবল কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য নয়, বরং যেকোনো ধরনের সমস্যা সমাধানে প্রয়োগ করা যেতে পারে। অ্যালগরিদমকে সংখ্যার সমস্যার সীমানায় সীমাবদ্ধ করা যায় না, কারণ এটি যেকোনো ধরণের ইনপুট বা ডেটার উপর প্রয়োগ করা যেতে পারে। মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি পরিষ্কারভাবে সংজ্ঞায়িত ধাপের মাধ্যমে কাজ করে এবং ফলাফল পাওয়ার একটি নির্দিষ্ট পদ্ধতি নির্দেশ করে। সুতরাং, অ্যালগরিদম মানে ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধানের নিয়মিত পদ্ধতি।
 
 • অ্যালগরিদম (Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।  
- এটি যেকোনো ধরণের সমস্যা সমাধানের জন্য ব্যবহার করা যায়, শুধুমাত্র সংখ্যার জন্য নয়।  
- অ্যালগরিদম সবসময় সঠিক সমাধান দিতে পারে, তবে নির্ভর করে নির্দেশনার সঠিকতার উপর।  
- এটি কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়, কিন্তু কম্পিউটারের জন্যই সীমাবদ্ধ নয়।  
- মূলত অ্যালগরিদম হলো ধাপে ধাপে পরিকল্পিত সমাধান প্রক্রিয়া।  

সুতরাং, অ্যালগরিদমের সঠিক সংজ্ঞা হল সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।  
- সঠিক উত্তর: ঘ) সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে নির্দেশনা।

সূত্র:
- Cormen, Leiserson, Rivest, and Stein – Introduction to Algorithms (CLRS).

৬,৩৮৩.
(5DF)16 সংখ্যাটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. 1503
  2. 1519
  3. 1488
  4. 1610
ব্যাখ্যা

(5DF)16 সংখ্যাটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে 1503 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অঙ্ককে 16-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় D = 13 এবং F = 15।

• এখানে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটি হলো (5DF)16
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
 = (5 × 162) + (D × 161) + (F × 160)
 = (5 × 256) + (13 × 16) + (15 × 1)
 = 1280 + 208 + 15
 = 1503

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৮৪.
কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল কত?
  1. ১৯২১ থেকে ১৯৬৪ সাল
  2. ১৯৬৫ থেকে ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ থেকে ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৬ থেকে ২০০৫ সাল
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্ৰজন্ম কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ থেকে  ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৫.
প্রোগ্রামিং ভাষায় কী ধরনের ভুল ঠিক করা সহজ?
  1. Syntax Error
  2. Data Error
  3. Logical Error
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ডাটা ভুল (Data Error):
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা। এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• লজিক্যাল ভুল (Logical Error):
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল ।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় ।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩৮৬.
বিভিন্ন ধরনের Object & Symbol সংযোগে কোন কমান্ড গ্রুপটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Link
  2. খ) Filter
  3. গ) Arrange Size
  4. ঘ) Text
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ধরনের Object & Symbol সংযোগে টেক্সট কমান্ড গ্রুপটি ব্যবহার করা হয়। 

- Text কমান্ড গ্রুপ থেকে ওয়ার্কশিট এ Text Box, Header and Footer, WordArt, Signature বিভিন্ন ধরনের Obejct & Symbol সংযোগ করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৬,৩৮৭.
ডিস্ক ফরম্যাট করার কাজটি কোন ধরনের সফটওয়্যার দ্বারা করা হয়?
  1. প্রোগ্রামিং সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus,
- File Management System,
- Disk Management tools,
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- ফাইল তৈরি করা,
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৮.
কোন গেইটের ক্ষেত্রে কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে?
  1. OR
  2. AND
  3. NOT
  4. NOR
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৮৯.
ALU কোন ধরনের অপারেশন সম্পন্ন করে?
  1. তুলনা এবং সত্য-মিথ্যা যাচাই
  2. ব্রাউজিং এবং ডাউনলোডিং
  3. মিউজিক প্লে করা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯০.
ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য কোনটি?
  1. A+0=A
  2. A+A=A
  3. A⋅1=1
  4. .
ব্যাখ্যা
হচ্ছে ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য।

ডি-মরগ্যান উপপাদ্য:


উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯১.
গ্রাফিক্স কার্ড বা সাউন্ড কার্ডের মতো অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য কোন বাস ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনাল বাস
  2. এক্সপানশন বাস
  3. অ্যাড্রেস বাস
  4. ডেটা বাস
ব্যাখ্যা

 সঠিক উত্তর: খ) এক্সপানশন বাস।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 
- এক্সপানশন বাস হলো এমন বাস যা মূল মাদারবোর্ডের প্রসেসর বা মেমরির বাইরে থাকা অতিরিক্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, পিসিতে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা নেটওয়ার্ক কার্ড যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত আইও পোর্ট সাধারণত এক্সপানশন বাসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB),
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus),
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৩৯২.
কোন প্রকার প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীর ডিভাইস আটকে দেয় এবং মুক্তিপণ চায়?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ওয়ার্ম 
  4. র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস লক করে ফেলে এবং মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ইমেল অ্যাটাচমেন্ট, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ডাউনলোড করা ফাইলের মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে। 

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৬,৩৯৩.
What type of software is BIOS?
  1. Application software
  2. Firmware 
  3. Operating system
  4. Driver software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Firmware 
BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা EPROM-এ সংরক্ষিত থাকে এবং CPU ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু করার সময় স্টার্ট-আপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে। এটি পেরিফেরাল ডিভাইসগুলো চিহ্নিত করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে প্রধান মেমোরিতে লোড করে। স্টার্ট-আপের পর, BIOS অপারেটিং সিস্টেম এবং পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোর মধ্যে ডেটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো মাদারবোর্ডে থাকা একটি ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারকে “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করার ক্ষমতা প্রদান করে।
- যখন ব্যবহারকারী কম্পিউটার চালু করেন, তখন BIOS ইনিশিয়ালাইজেশন প্রক্রিয়া শুরু করে এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট (POST) সম্পাদন করে।
- হার্ডওয়্যার ঠিক থাকলে, BIOS মাস্টার বুট রেকর্ড (MBR) খুঁজে বের করে, যা নির্দেশ দেয় সিস্টেম কীভাবে বুট (শুরু) করবে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং সমস্ত বাহ্যিক ডিভাইসের মধ্যে ডেটা পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর পরিবর্তে UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) এসেছে, যা বড় স্টোরেজ ড্রাইভ পরিচালনা করতে সক্ষম এবং BIOS-এর তুলনায় দ্রুত কাজ করে।

BIOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারী করতে পারেন:
- হার্ডওয়্যারের তথ্য অ্যাক্সেস করা,
- কম্পিউটার বুটের ক্রম পরিবর্তন করা,
- মাস্টার পাসওয়ার্ড সেট করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৩৯৪.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. সিস্টেম বোর্ড
  3. মেইনবোর্ড
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৫.
অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি কত?
  1. ১৬
  2. ১০
ব্যাখ্যা
• অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

অন্যদিকে,
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,৩৯৬.
suriv - 01 কী?
  1. ভাইরাস
  2. এন্টিভাইরাস
  3. ২য় প্রজন্মের কম্পিউটার
  4. আপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইজরাইলের তেল আবিবে এক প্রোগ্রামার suriv - 01 ভাইরাস তৈরি করেন। 
এটি ছিল মেমরি রেসিডেন্ট ভাইরাস কিন্তু এটি com ফাইলকে আক্রমন করত। 

সূত্র - কম্পিউটার ও ICT - 2, ভোকেশনাল, বোর্ড বই
৬,৩৯৭.
AND গেইটে A ও B দুটি ইনপুটি 0 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 10
  4. 11
ব্যাখ্যা
• AND গেইট:
- বুলিয়ান আলজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য যে লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়, তাকে AND গেইট বলে।
- এ গেইটে দুই বা দুই এর অধিক ইনপুট এবং একটিমাত্র আউটপুট থাকে।
- যে কোনো একটি ইনপুট মিথ্যা (0) হলে আউটপুট মিথ্যা (0) হবে।
- সবগুলো ইনপুট সত্য (1) হলে আউটপুট সত্য (1) হবে।
- যদি দুটি ইনপুট A ও B হয়, তাহলে এর আউটপুট হবে, Y= A.B
- এক্ষেত্রে ইনপুট A=1 এবং B=1 হলে কেবল আউটপুট X=1 হবে।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৩৯৮.
VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দের অর্থ কোনটি?
  1. ক্লান্তি অনুভব করা
  2. ঠাণ্ডা অনুভব করা
  3. মনে হওয়া যেন  আমরা গেমের মধ্যে
  4. ক্ষুধার অনুভূতি
ব্যাখ্যা

• VR গেমিং-এ “ইমারশন” শব্দটি বোঝায় এমন একটি অভিজ্ঞতা যেখানে খেলোয়াড় মনে করে যে সে আসলেই গেমের মধ্যে রয়েছে। অর্থাৎ, ভার্চুয়াল বাস্তবতা পরিবেশ এতটাই বাস্তবসম্মত ও সংহতভাবে উপস্থাপিত হয় যে খেলোয়াড়ের মন ও ইন্দ্রিয় পুরোপুরি সেই পরিবেশে নিমগ্ন হয়। এই অবস্থায় খেলোয়াড় বাস্তব পৃথিবীর কিছুটা অংশকে অল্প সময়ের জন্য ভুলে যেতে পারে এবং গেমের দৃশ্য, চরিত্র বা গল্পের সঙ্গে সম্পূর্ণভাবে যুক্ত থাকে। ইমারশন গেমিং-এর মূল লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতাকে যতটা সম্ভব বাস্তবসম্মত ও প্রায় “প্রাণবন্ত” করে তোলা। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) মনে হওয়া যেন আমরা গেমের মধ্যে।

ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬,৩৯৯.
NOT গেটের অপর নাম কী?
  1. OR gate
  2. AND gate
  3. Universal gate
  4. Inverter
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে NOT গেট একটি মৌলিক গেট হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি তার ইনপুট সিগন্যালকে সম্পূর্ণ উল্টে বা বিপরীত করে আউটপুটে প্রকাশ করে। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে প্রযুক্তিগতভাবে একে ইনভার্টার নামেও অভিহিত করা হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. Science Direct [link]

৬,৪০০.
নিচের কোনটি সবচেয়ে বড় তথ্য সংরক্ষনের একক?
  1. ক) পেটা বাইট
  2. খ) গিগা বাইট
  3. গ) মেগা বাইট
  4. ঘ) টেরা বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ পেটা বাইট = ১০০০ টেরা বাইট
- ১ টেরা বাইট = ১০০০ গিগা বাইট
- ১ গিগা বাইট = ১০০০ মেগা বাইট
- ১ মেগা বাইট = ১০০০ কিলোবাইট

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।