বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৬১ / ৮২ · ৬,০০১৬,১০০ / ৮,১৪১

৬,০০১.
মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবক -
  1. ক) Microsoft
  2. খ) IBM
  3. গ) Intel
  4. ঘ) ASUS
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানী ইন্টেল  ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করেন।

- মাইক্রোপ্রসেসরকে, মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়। 
- ১৯৭১ সালে আমেরিকার ইন্টেল নামক কোম্পানি সর্বপ্রথম ইন্টেল ৪০৪০ নামের মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) তৈরি করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকেই আধুনিক মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটার বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর (Microprocessor) হল একক ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিলিকন চিপ।

সূত্র: ৯১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০২.
Fuchsia অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করেছে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. গুগল
  2. মাইক্রোসফট
  3. অ্যাপল
  4. ইনটেল
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নেক্সট জেনারেশন অপারেটিং সিস্টেম Fuchsia ডেভেলপ করেছে গুগল কোম্পানি। 
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০২১ সালের মে মাসে এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে। 

উৎস:
১. গুগলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৬,০০৩.
Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ৭৬৫৪৩২১
  2. ৮৪২১
  3. ৪৩২১
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৬,০০৪.
ডেসিমেল সংখ্যা (928.375) এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 1574.24
  2. 1640.3
  3. 1726.271
  4. 1756.6
৬,০০৫.
CPU ডিজাইনের সাথে সম্পৃক্ত - 
  1. ক) CPRS এবং CPMS
  2. খ) CISC এবং RISC
  3. গ) MCP এবং ICP
  4. ঘ) SSL এবং DMV
ব্যাখ্যা
CISC এবং RISC হল CPU ডিজাইনের দুটি রূপ। 
CISC এর পূর্ণরূপ - Complex Instruction Set Computer.
RISC  এর পূর্ণরূপ - Reduced Instruction Set Computer.

CISC জটিল মেশিন ভাষার নির্দেশাবলীর একটি বিশাল সেট ব্যবহার করে, যেখানে RISC সহজ নির্দেশাবলীর একটি রিডিউসড সেট ব্যবহার করে।

উৎস : সায়েন্স ডাইরেক্ট ওয়েবসাইট
৬,০০৬.
৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর সর্বাধিক কতটুকু মেমোরি অ্যাড্রেস করতে সক্ষম?
  1. 1 KB
  2. 64 KB
  3. 16 KB
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে সর্বাধিক 64 KB (65536 বাইট) পর্যন্ত মেমোরি অ্যাড্রেস করতে পারে। একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাসের কারণে এটি 216 = 65536টি আলাদা মেমোরি লোকেশন অ্যাড্রেস করতে পারে। প্রতিটি মেমোরি লোকেশন ১ বাইট ধারণ করতে পারে, তাই মোট 64 KB মেমোরি ব্যবহার সম্ভব। এটি ৮-বিটের ডেটা বাস সমর্থন করে, অর্থাৎ একসাথে ৮-বিট ডেটা প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। ৮০৮০ ছিল প্রথম দিককার জনপ্রিয় মাইক্রোপ্রসেসরগুলোর একটি, যা ছোট কম্পিউটার ও এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হতো।
- সঠিক উত্তর: খ) 64 KB 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
 ৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮, 
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৭.
অসংখ্য তথ্য থেকে সহজে কোনো তথ্য খুঁজে পেতে কোন সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা হয়?
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
  3. রিলেশনাল ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০০৮.
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার-
  1. ক) PDP-8
  2. খ) CDC-6600
  3. গ) TX-O
  4. ঘ) Altair-880
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার- TX-O (Transistor Experimental Computer)। ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন ১৯৬৫ সালে উপস্থাপন করে পিডিপি-৮ নামক ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার। মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম- Altair-8800 এবং বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম সুপার কম্পিউটার CDC-6600।
৬,০০৯.
নিম্নলিখিত মেমোরিগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত এক্সেস করা যায়?
  1. Main Memory (RAM)
  2. Register
  3. Cache Memory
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

• সবচেয়ে দ্রুত এক্সেসযোগ্য মেমোরি হলো Register। Register হলো প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি যা সরাসরি CPU দ্বারা ব্যবহার করা হয়। এটি সাধারণত অল্প সংখ্যক ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে এবং Nano-সেকেন্ডেরও কম সময়ে অ্যাক্সেস করা যায়। Cache Memory কিছুটা ধীরে, কিন্তু RAM-এর তুলনায় দ্রুত। Main Memory বা RAM মূলত প্রোগ্রাম এবং ডেটা সংরক্ষণ করে, কিন্তু এটি প্রসেসরের তুলনায় অনেক ধীর। Virtual Memory আসলে হার্ড ড্রাইভের অংশ ব্যবহার করে RAM সম্প্রসারণ করে, তাই সবচেয়ে ধীর। তাই গতি অনুযায়ী ক্রম হলো: Register > Cache Memory > RAM > Virtual Memory.

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।


উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০১০.
লিনাক্স কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. মাল্টি টাস্কিং ও ওপেন সোর্স
  2. একক টাস্কিং ও প্রাইভেট সোর্স
  3. মাল্টি টাস্কিং ও ক্লোজ সোর্স
  4. একক টাস্কিং ও ওপেন সোর্স
ব্যাখ্যা
লিনাক্স এক ধরনের মাল্টি টাস্কিং ও ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১১.
Regarding a VDU, which statement is more correct?
  1. ক) It is an output device
  2. খ) It is an input device
  3. গ) It is a peripheral device
  4. ঘ) It is a hardware item
ব্যাখ্যা

Visual display unit (VDU) or video display terminal (VDT): any device used with computers to display images.
It typically consists of a computer monitor or similar display device and a keyboard, and could also include a mouse.
For example, a flat panel display and a projector are both examples of VDUs.
So, it is a peripheral device.

৬,০১২.
Which of the following is classified as a special logic gate?
  1. AND gate
  2. OR gate
  3. NAND gate
  4. XNOR gate
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে Logic Gate হলো এমন একটি electronic circuit, যা এক বা একাধিক input নিয়ে একটি নির্দিষ্ট logical rule অনুসারে output প্রদান করে।
- কম্পিউটার, মাইক্রোপ্রসেসর এবং ডিজিটাল ডিভাইসের ভিত্তি হলো এই logic gates.

• Logic gate সাধারণত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়—

1. Basic Logic Gates (মৌলিক লজিক গেইট): এগুলো ডিজিটাল সার্কিটের সবচেয়ে প্রাথমিক ও ভিত্তিমূলক গেইট।

- AND Gate: সব input যদি 1 হয়, তবেই output 1 হয়।
- অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে output 0.

- OR Gate: যেকোনো একটি input 1 হলেই output 1.
- সব input 0 হলে output 0.

- NOT Gate: এটি single-input gate.
- Input-এর বিপরীত output দেয়.
- Input 1 হলে output 0, input 0 হলে output 1.

2. Universal Logic Gates (সার্বজনীন গেইট): যে গেইট ব্যবহার করে সব ধরনের logic gate বা logic circuit বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে Universal Gate বলে।

- NAND Gate এবং NOR Gate কে Universal Gate বলা হয় কারণ—
- শুধুমাত্র NAND gate ব্যবহার করে AND, OR, NOT সহ যেকোনো gate তৈরি করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR gate দিয়েও সব logic gate বাস্তবায়ন সম্ভব।

 
3. Special Logic Gates (বিশেষ লজিক গেইট): এগুলো বিশেষ ধরনের logical operation সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং সাধারণত basic gate থেকে তৈরি।

- XOR (Exclusive OR) Gate:
- Input দুটি ভিন্ন হলে output 1.
- Input দুটি একই হলে output 0.

- XNOR (Exclusive NOR) Gate:
- Input দুটি একই হলে output 1.
- Input দুটি ভিন্ন হলে output 0.

- XOR ও XNOR–কে বলা হয় Special Logic Gates, কারণ এদের কাজ সাধারণ AND/OR-এর মতো নয়, বরং condition-based logic অনুসরণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০১৩.
মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত কয়টি অংশে বিভক্ত?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরের সংগঠন:
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০১৪.
Palmtop এক ধরনের-
  1. ক) কম্পিউটার
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) অ্যান্টিভাইরাস
  4. ঘ) প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
Palmtop হলো এক ধরনের ছোট বা মাইক্রোকম্পিউটার যা হাতের তালুতে রেখে কাজ করা যায় । আগে পামটপ শব্দটি ব্যবহার করা হলেও এখন তা প্রচলিত নয়। কারণ এখন পামটপ অপেক্ষাও ছোট আকারের ডিভাইস তথা স্মার্টফোন প্রচলিত। অতীতে সুপার ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারের ক্ষেত্রে পামটপ শব্দ ব্যবহার করা হতো।
৬,০১৫.
The area of computer science which is concerned with the display of pictures is
  1. ক) Networks
  2. খ) Graphics
  3. গ) Designing
  4. ঘ) Architecture
ব্যাখ্যা
The area of computer science which is concerned with the display of pictures is Graphics.
৬,০১৬.
UNIVAC-এর পূর্ণ রূপ কোনটি?
  1. Universal Array Computer
  2. Unique Automatic Computer
  3. Universal Automatic Computer
  4. United Vacuum Computer
ব্যাখ্যা

UNIVAC-এর পূর্ণ রূপ Universal Automatic Computer।
- একই বছরে ENIAC-এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

 উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০১৭.
A 32 bit microprocessor has the word length equal to
  1. ক) 2 bytes
  2. খ) 32 bytes
  3. গ) 4 bytes
  4. ঘ) 8 bytes
ব্যাখ্যা

32 bits = (4x8) bits.
8 bits equals a byte.
Therefore 32 bits = 4 multiples of byte.= 4bytes.

৬,০১৮.
ইংরেজিতে সব অক্ষর ক্যাপিটাল লেটারে লেখার জন্য কোন বাটন চাপতে হবে?
  1. ক) Ctrl
  2. খ) Alt
  3. গ) Caps lock
  4. ঘ) Enter
ব্যাখ্যা
• Caps Lock: Caps Lock কী ব্যবহার করে ইংরেজিতে সব অক্ষর ক্যাপিটাল লেটারে লেখা বা টাইপ করা হয়।
- Shift: একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় অক্ষর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Computerhope Website.
৬,০১৯.
MS Word কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Database Package
  2. Spreadsheet Package
  3. Word Processing Package
  4. Graphic Design Package
ব্যাখ্যা

MS Word একটি Word Processing Package।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

• Word Processing Package Program: 
- Word Star, 
- Word Perfect, 
- Ms-Word, 
- Word Note, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro ইত্যাদি।
Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০২০.
কোন Function Key ব্যবহার করে কম্পিউটারে Help Menu দেখা যায়?
  1. F1
  2. F2
  3. F3
  4. F4
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের প্রায় সব সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমে F1 চাপলে Help Menu বা সাহায্য ডকুমেন্টেশন খোলা হয়। উদাহরণ: Microsoft Word, Excel, Browser (Chrome/Firefox) — সবগুলোতেই F1 হলো Help এর শর্টকাট কী।

ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৬,০২১.
কম্পিউটারের সাংগঠনিক অংশ নয় কোনটি?
  1. মেমোরি ইউনিট
  2. রিপেয়ারিং ইউনিট
  3. কন্ট্রোল ইউনিট
  4. আউটপুট ইউনিট
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটারের সংগঠন:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়।
- কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ পাঁচটি। যথা-
১। ইনপুট অংশ (Input Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
৩। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
৪। স্মৃতি অংশ (Memory Unit) ও
৫। আউটপুট অংশ (Output Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২২.
কোন অপারেটিং সিস্টেম ওপেন সোর্স?
  1. Windows 10
  2. macOS
  3. Linux
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

◉ Linux হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড উন্মুক্ত এবং যে কেউ এটি ব্যবহার, পরিবর্তন এবং বিতরণ করতে পারে। এটি GNU জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স (GPL) এর অধীনে প্রকাশিত হয়।

লিনাক্স (LINUX) অপারেটিং সিস্টেম:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।

লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
১। লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
২। লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
৩। ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
৪। নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
৫। এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
৬। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০২৩.
CPU এর অংশ নয় কোনটি? 
  1. Control Unit
  2. Memory Unit
  3. Power Supply Unit
  4. Arithmetic Logic Unit
ব্যাখ্যা
সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ: 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- সিপিউ কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে। 
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল। 
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা- 
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) এবং 
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

অন্যদিকে, 
- পাওয়ার ব্যাক আপ পদ্ধতি বা ইনভার্টার হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যাটারির সাহায্যে ডিসি সাপ্লাইকে ইলেকট্রিক্যাল বা ইলেকট্রনিক্স লোডের উপযোগী এসি পাওয়ার সাপ্লাই এ রূপান্তর করতে পারে। 
- কার্য ও স্থানভেদে এ ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ পদ্ধতিকে IPS (Instant Power Supply), UPS (Uninterrupted Power Supply), EPS (Emergency Power Supply), QPS (Quick Power Supply) বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা(বিবিএ প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
৬,০২৪.
কোন কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করা সম্ভব?
  1. রেজিস্টার
  2. এনকোডার
  3. অ্যাডার
  4. ডিকোডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার কাজটি যে কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে করা হয়, সেটি হলো অ্যাডার। অ্যাডার সার্কিট বাইনারি সংখ্যার যোগফল নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ইনপুট বিটগুলোর ওপর ভিত্তি করে আউটপুট হিসেবে সম ও ক্যারি প্রদান করে। হাফ অ্যাডার ও ফুল অ্যাডার হলো অ্যাডারের দুটি প্রধান ধরন, যা ছোট ও বড় সংখ্যার যোগে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণে, এনকোডার তথ্য রূপান্তরে এবং ডিকোডার সংকেত বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

- এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

- ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬,০২৫.
What is the primary function of the F11 key on a keyboard?
  1. Rename a selected item
  2. Switch to full-screen view
  3. Print the webpage
  4. Close current tab
ব্যাখ্যা

• F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কীবোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কীবোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৬,০২৬.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. লিনিয়ার প্রোগ্রামিং
  2. পলিমারফিজম
  3. অবজেক্ট
  4. এনক্যাপসুলেশন
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, Simula ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট,
২. ক্লাস,
৩. মেসেজ,
৪. পলিমারফিজম,
৫. ইনহেরিটেন্স এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০২৭.
ডিজিটাল পদ্ধতিতে সবচেয়ে ছোট একক কোনটি?
  1. Bit
  2. Byte
  3. Character
  4. Kilobyte
ব্যাখ্যা
• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

১ বাইট = ৮ বিট 
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট 
= ১০২৪ × ৮ বিট 
= ৮১৯২ বিট 

ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 
১ ASCII-code = ১ বাইট 
১ UTF-16 character = ২ বাইট 

উৎস: ব্রিটানিকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
৬,০২৮.
জাপানের প্রথম গণনা যন্ত্রের নাম কি?
  1. ক) স্কোটিয়া
  2. খ) অ্যাবাকাস
  3. গ) মার্ক-১
  4. ঘ) সরোবান
ব্যাখ্যা

জাপানের প্রথম গণনা যন্ত্র সরোবান (Soroban)।

- অ্যাবাকাস বিশ্বের প্রথম গণনাযন্ত্র যা চীনে উদ্ভাবিত হয়েছিলো।
- আইবিএম ASCC (Automatic Sequence Controlled Calculator) কে মার্ক ১ কম্পিউটার বলা হয়।
- মার্ক ১ এর প্রধান সুবিধা ছিল এ মেশিনটি ছিল সম্পূর্ণ অটোমেটিক। একবার চালু করা হলে কাজ করার জন্য এতে কোন মানুষের সাহায্য দরকার হতাে না। এর কাজ-কর্ম ইতােপূর্বে তৈরি কম্পিউটারগুলাের চেয়ে অনেক উন্নত ধরনের ছিল।

সূত্র: নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল) বই ও ব্রিটানিকা।

৬,০২৯.
(1100101)2 + (1010101)2 = (?)2
  1. ক) 10111010
  2. খ) 10111011
  3. গ) 11111010
  4. ঘ) 10111110
ব্যাখ্যা

(1100101)2 + (1010101)2 = (10111010)2
৬,০৩০.
নিচের কোনটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. ক) Ms Word
  2. খ) Ms Excel
  3. গ) Lotus
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার(Application Software): 
অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন: 
- Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program:: Lotus 1-2-3, Ms Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩১.
দশমিক সংখ্যায় 288 এর অক্টাল মান কত?
  1. 444
  2. 440
  3. 645
  4. 635
ব্যাখ্যা
(288)10 = (440)8

দশমিক সংখ্যাকে পর্যায়ক্রমে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলোকে একত্র করে দশমিক সংখ্যাটির অকট্যাল সমকক্ষ সংখ্যা পাওয়া যায়।
আর দশমিক ভগ্ন্যাংশ অকটালে রূপান্তর করার জন্য গুণফল ০ না হওয়া পর্যন্ত সংখ্যাটিকে অনবরত ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে।
৬,০৩২.
উইন্ডোজ কোন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অপারেটিং সিস্টেম? 
  1. অ্যাপল
  2. লিনাক্স
  3. মাইক্রোসফট
  4. গুগল
ব্যাখ্যা

Windows: 
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। 
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। 
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়। 
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়। 
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না। 
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮। 
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং geeksforgeeks ওয়েবসাইট ।

৬,০৩৩.
81 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 1101001
  2. 00110101
  3. 10000001
  4. 10111001
ব্যাখ্যা

• 81 এর বিসিডি কোড  হচ্ছে : 10000001

• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
1 এর বিসিডি 0001
∴ 46 এর বিসিডি 10000001

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩৪.
কোন ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্টটি একটি টেবিলের ডেটাকে অন্য টেবিলের নির্দিষ্ট কলামের সাথে সংযুক্ত রেখে ডাটা ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে?
  1. প্রাইমারি কী (Primary Key)
  2. ফরেন কী (Foreign Key)
  3. ইনডেক্সিং (Indexing)
  4. ট্রিগার (Trigger)
ব্যাখ্যা

ফরেন কী (Foreign Key) হল একটি ডাটাবেজ কনস্ট্রেন্ট, যা একটি টেবিলের নির্দিষ্ট কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী (Primary Key) এর সাথে সংযুক্ত রাখে এবং ডাটা ইন্টিগ্রিটি বজায় রাখে। এটি দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করতে সাহায্য করে।

কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৩৫.
নিচের কোনটি ১০০১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?
  1. ক) ১০০০১১
  2. খ) ০১১০১১
  3. গ) ০০১০০১
  4. ঘ) ০১১১১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
অতএব, ১০০১০০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হলো ০১১০১১
৬,০৩৬.
710(10) = ?(8)
  1. 1306
  2. 1403
  3. 1725
  4. 1434
৬,০৩৭.
In most web browsers, what does the F5 key do?
  1. Opens the developer tools
  2. Opens a new tab
  3. Refreshes the page
  4. Closes the current tab
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ব্রাউজারে F5 কি সাধারণত পৃষ্ঠাটি রিফ্রেশ বা পুনরায় লোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন কোনো ব্যবহারকারী কোনো ওয়েবপেজে F5 কী চাপেন, তখন ব্রাউজার সার্ভার থেকে সেই পৃষ্ঠার সর্বশেষ তথ্য নিয়ে আসে এবং স্ক্রিনে আপডেট করে। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন কোনো ওয়েবসাইটের সামগ্রী পরিবর্তিত হয়েছে বা নতুন তথ্য এসেছে, কারণ কেবল ব্রাউজারকে পুনরায় লোড করতে হবে। F5 কীটি ব্যবহার করার মাধ্যমে ব্যবহারকারী পুরানো ক্যাশড কপি বাদ দিয়ে সর্বশেষ ডেটা দেখতে পারে।

- তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো: গ) Refreshes the page.


• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়। 

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,০৩৮.
ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর কাজ-
  1. ওয়েব ব্রাউজিং সেবা প্রদান করা
  2. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম তৈরি করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা
  4. ডিস্ক ফরম্যাট করা
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর কাজ হচ্ছে "ডিস্ক ফরম্যাট করা"।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:

- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus, 
- File Management System, 
- Disk Management tools, 
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের  কাজ:
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে:
⇒ ফাইল তৈরি করা,
⇒ সংরক্ষণ করা,
⇒ কোনো কিছু ডিলিট করা,
⇒ ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৩৯.
What is the primary function of a compiler?
  1. Execute the program.
  2. Debug the program.
  3. Translate high-level programming language code into machine code.
  4. Optimize the program for performance.
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলারের প্রাথমিক এবং প্রধান কাজ উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে একসাথে অনুবাদ করা।


figure: Compiler (image source: codeforwin.org)

• কম্পাইলার (Compiler):
→ কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 
→ এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
→ ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
→ কারণ, কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
→ কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা। সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪০.
ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবস্থায় তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কোন দুটি উপাদানের সমন্বয় ঘটে?
  1. RAM ও CPU
  2. CPU ও হার্ডডিস্ক
  3. RAM ও ডিস্ক স্টোরেজ
  4. মনিটর ও কীবোর্ড
ব্যাখ্যা

ভার্চুয়াল মেমোরি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।

ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
 - ভার্চুয়াল মেমোরি হলো একটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, যা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশনগুলোকে এমনভাবে দেখানো হয় যেন তারা একটি বড় ও ধারাবাহিক মেমোরি ব্লক ব্যবহার করছে, যদিও বাস্তবে শারীরিক মেমোরি (RAM) সীমিত এবং সবসময় ধারাবাহিকভাবে বরাদ্দ করা থাকে না।

- এর মূল ধারণা হলো—একটি প্রোগ্রামকে ছোট ছোট অংশে (যাকে পেজ বা Page বলা হয়) ভাগ করা।
- যখন প্রধান মেমোরি (RAM)-তে জায়গা প্রয়োজন হয়, তখন কিছু পেজ ডিস্কে সরিয়ে রাখা হয় এবং প্রয়োজন হলে সেগুলো আবার RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়।

ভার্চুয়াল মেমোরির উদ্দেশ্য:
১. একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমোরিতে লোড করার প্রয়োজন হয় না। শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় অংশগুলো লোড করা হয়।
২. প্রোগ্রামের আকার সিস্টেমে থাকা শারীরিক মেমোরির চেয়ে বড় হতে পারে।
৩. ভার্চুয়াল মেমোরি এমন একটি বড় মেমোরির ধারণা তৈরি করে, যদিও প্রকৃত RAM ছোট হতে পারে।
৪. এটি RAM এবং ডিস্ক স্টোরেজ উভয়ই ব্যবহার করে মেমোরি পরিচালনা করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্রোগ্রামের অংশগুলো RAM-এ লোড করে।
৫. এর ফলে সিস্টেম একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালাতে পারে এবং মেমোরি আরও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সক্ষম হয়।

উৎস: geeksforgeeks.

৬,০৪১.
45 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101001
  2. 101010
  3. 110001
  4. 101101
ব্যাখ্যা
- ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। 
- তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 43 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×1) + (4×1) + (2×0) + (1×1)
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= 45
৬,০৪২.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Inferno
  2. Minix
  3. Redox
  4. Hermes
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে। Inferno, Minix, এবং Redox - এ তিনটি প্রকৃত অপারেটিং সিস্টেম। Inferno একটি বিতরণকৃত (distributed) অপারেটিং সিস্টেম, Minix হলো একটি ইউনিক্স-ভিত্তিক শিক্ষামূলক অপারেটিং সিস্টেম, আর Redox একটি আধুনিক, রাস্ট ভাষায় তৈরি মাইক্রোকার্নেল ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- কিন্তু Hermes কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়; এটি সাধারণত একটি মেসেজিং সিস্টেম বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রজেক্টের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই, Hermes অপারেটিং সিস্টেম নয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) Hermes

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৩.
Which of the following is a valid hexadecimal number?
  1. 3F9A
  2. 5K2E
  3. 7M8D
  4. 2Q5F
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) 3F9A
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা যা ১৬ টি অক্ষর বা ডিজিট দিয়ে গঠিত হয়।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত ১৬টি প্রতীক (Symbols) ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
- এখানে, A = 10, B = 11, C = 12, D = 13, E = 14, এবং F = 15.

এখন, দেওয়া সংখ্যাগুলোতে দেখা যাক,
ক) 3F9A: এই সংখ্যাটির সমস্ত প্রতীক (3, F, 9, A) হেক্সাডেসিমেল সেটের (0-9, A-F) মধ্যে রয়েছে। তাই এটি একটি বৈধ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
খ) 5K2E: তে K আছে যা বৈধ নয়।
গ) 7M8D: তে M আছে, যা বৈধ নয়।
ঘ) 2Q5F: তে Q আছে, যা বৈধ নয়।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৪৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান হিসেবে পরিচিত?
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. ডাটা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ: 
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়। 
- ডাটাবেজ হচ্ছে সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। 
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি ডাটাবেজ ফাইলে সংরক্ষণ করা যায়।
অর্থাৎ ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি। 
- ডাটাবেজ এর ব্যবহার বর্তমানে কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলনের ফলে ব্যক্তিগত তথ্যাবলি থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় তথ্যাবলি, হিসাব-নিকাশ ইত্যাদি কম্পিউটারে ডাটাবেজ আকারে সংরক্ষণ করে রাখা হয় এবং সমস্ত ডাটাবেজ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- 
১. ফিল্ড (Field), 
২. ডাটা (Data), 
৩. রেকর্ড (Record) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৪৫.
(110110)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. 48
  2. 54
  3. 44
  4. 50
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (110110)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কোনটি?

সমাধান: 
110110 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 32 + 16 + 4 + 2
= 54
৬,০৪৬.
অ্যাসেম্বলি বা উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কী বলা হয়?
  1. সোর্স প্রোগ্রাম
  2. অবজেক্ট প্রোগ্রাম
  3. এক্সিকিউটেবল প্রোগ্রাম
  4. মেশিন প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• সোর্স প্রোগ্রাম—মানুষের বোধগম্য ভাষায় লেখা মূল প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম বলা হয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম(Translator Program):
- অ্যাসেম্বলি ভাষা বা উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম(Source Program) বলা হয়।
- মেশিন ভাষায় অনূদিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম(Object Program) বলা হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি অ্যাসেম্বলি বা উচ্চস্তরের ভাষা বুঝতে পারে না।
- কম্পিউটার কেবল মেশিন ভাষা বুঝতে সক্ষম।
 
• অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয়তা:
- সোর্স প্রোগ্রাম চালানোর পূর্বে সেটিকে অবশ্যই মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে হয়।
- এই অনুবাদের কাজ সম্পাদনের জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে।
 
• মেশিন ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- মেশিন ভাষা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- এতে কেবল ০ এবং ১ এই দুইটি বাইনারি ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি নির্বিঘ্নে চালাতে পারে।
 
• অনুবাদক প্রোগ্রামের ভূমিকা:
- মানুষের বোধগম্য ভাষা ও কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহযোগ্য করার জন্য এটি অপরিহার্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৪৭.
শিক্ষাক্ষেত্রে “Adaptive Learning” এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. সকল ছাত্রকে একই কনটেন্ট দেওয়া
  2. ছাত্রের গতিবিধি অনুযায়ী কনটেন্ট পরিবর্তন
  3. শুধুমাত্র মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার
  4. সময় নির্ধারণ করে প্রশ্নপত্র দেওয়া
ব্যাখ্যা
•  Adaptive Learning হল একটি আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা যেখানে প্রতিটি শিক্ষার্থীর শেখার ধরণ, গতি এবং সক্ষমতার উপর ভিত্তি করে পাঠ্যবস্তু (Content) নিজে থেকেই পরিবর্তন হয় বা মানিয়ে নেয়।
এটি সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং বিশ্লেষণাত্মক অ্যালগরিদম ব্যবহার করে শেখার অভিজ্ঞতাকে আরও কার্যকর করে তোলে। 

•  বৈশিষ্ট্য:
-  ছাত্রের প্রদর্শন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পাঠ পরিবর্তন হয়
-  দুর্বল জায়গা চিহ্নিত করে পুনরায় অনুশীলনের সুযোগ দেয়
-  রিয়েল-টাইম ফিডব্যাক প্রদান করে
-  শিক্ষক ও ছাত্র উভয়ের জন্য পারফরম্যান্স ডেটা বিশ্লেষণ করে

অন্যদিকে, 
সকল ছাত্রকে একই কনটেন্ট দেওয়া: এটি প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থা, Adaptive Learning-এ ঠিক এর বিপরীত ঘটে।

শুধুমাত্র মাল্টিমিডিয়া ব্যবহার: মাল্টিমিডিয়া হয়তো ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি মূল বৈশিষ্ট্য নয়।

সময় নির্ধারণ করে প্রশ্নপত্র দেওয়া: এটি পরীক্ষার একটি দিক, তবে Adaptive Learning-এর মূল বিষয় নয়।

তথ্যসূত্র:
-  UNESCO Glossary.
-  World Bank edTech Notes.
-  Brookings Institute: "Adaptive learning and the future of personalized education".
৬,০৪৮.
নগদ টাকার বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরণের প্লাস্টিক কার্ডকে বলে-
  1. ক) পোস্ট পেইড কার্ড
  2. খ) রেডি ক্যাশ কার্ড
  3. গ) প্রিপেইড কার্ড
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নগদ অর্থের বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরনের প্লাস্টিক কার্ড ক্রেডিট বলে। বাংলাদেশে জনতা ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম এই ব্যবস্থা চালু করে। নগদ টাকার বিপরীতে ব্যাংক হতে সরবরাহকৃত এক ধরণের প্লাস্টিক কার্ডকে রেডি ক্যাশ কার্ড বলে। এই স্মার্ট কার্ডটি তৈরি করা হয়েছে সর্বাধুনিক মাইক্রো প্রসেসর প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে। নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি কার্ডে রয়েছে চার সংখ্যার একটি গোপন ব্যক্তিগত নম্বর, এর ফলে কেবল গ্রাহকই পারবেন কার্ডটি ব্যবহার করতে।
৬,০৪৯.
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা কে?
  1. ক) অ্যাপল
  2. খ) গুগল
  3. গ) হুয়াওয়ে
  4. ঘ) মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নির্মাতা গুগুল। ২০০৮ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর এন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম রিলিজ করা হয়। এটি মূলত স্মার্টফোন উপযোগী একটি অপারেটিং সিস্টেম। টাচস্ক্রিন মোবাইল এবং ট্যাবে এটি ব্যবহৃত হয়।
লিনাক্স কার্নেল এবং অন্যান্য ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের উপর ভিত্তি করে এটি তৈরি করা হয়। বর্তমান বিশ্বের প্রায় ২৫০ কোটির অধিক মোবাইল সেট এবং ট্যাবলেটে এন্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম সক্রিয় রয়েছে।
(সূত্রঃ এন্ড্রয়েড ওয়েবসাইট)
৬,০৫০.
The book 'How to Avoid a climate Disaster' is written by
  1. Jeff Bezos
  2. Larry page
  3. Bill Gates
  4. Mark Zuckerberg
ব্যাখ্যা
- 'How to Avoid a Climate Disaster'-এর রচয়িতা বিল গেটস। 
- বইটি হচ্ছে -জলবায়ু বিপর্যয় এড়ানোর উপায় সম্পর্কে। 
- বইটিতে বিল গেটস জলবায়ু বিপর্যয় এড়াতে কীভাবে পৃথিবী শূন্য গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমনে যেতে পারে তার জন্য একটি বিস্তৃত, ব্যবহারিক-এবং অ্যাক্সেসযোগ্য-পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছেন৷
- তিনি তার বইতে বলেন আমাদের প্রয়োজন প্রতি বছর বায়ুমণ্ডল থেকে ৫১ বিলিয়ন টন গ্রিনহাউস গ্যাস অপসারণ করতে হবে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৫১.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ডেটা বাস (Data Bus)-এর কাজ?
  1. গাণিতিক কাজ করা।
  2. তথ্য আদান প্রদান।
  3. প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ।
  4. মেমোরি সংরক্ষণ।
ব্যাখ্যা
• ডেটা বাস (Data Bus) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা তথ্য বা ডেটা এক অংশ থেকে অন্য অংশে বহন করে। এর কাজ হচ্ছে বিভিন্ন চিপের মধ্যে তথ্য আদান প্রদান করা।

- এই বাসের মাধ্যমে ডাটা উভয় দিকেই যাতায়াত করতে পারে তাই ইহাকে Bi-directional বাস বলে। 
- একটি বাসের মধ্যে যে কয়টি তার এই আদান প্রদান করতে পারে তাকে তত বিটের বাস বলা হয়। 
- ডাটা বাস ৮ বিট , ১৬বিট, ৩২ বিট ও ৬৪ বিটের হতে পারে। বলা বাহুল্য বেশি বিটের ডাটা বাস দ্রূত ও বেশি পরিমাণ ডাটা ট্রান্সফার করতে পারবে।
- এটি CPU, RAM, মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
উদাহরণ: যখন CPU RAM থেকে কিছু তথ্য চায়, তখন ডেটা বাস সেই তথ্য এনে CPU-তে পৌঁছে দেয়।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- "Computer Organization and Architecture" by William Stallings.
৬,০৫২.
কোনটি Input Device?
  1. ক) OMR
  2. খ) COM
  3. গ) Plotter
  4. ঘ) Monitor
ব্যাখ্যা
OMR হলো একটি ইনপুট ডিভাইস। OMR এর পূর্ণরূপ Optical Mark Recognition.
 
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা। 
৬,০৫৩.
ডেসিমেল সংখ্যা 15.25 এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1001.01
  2. 1010.10
  3. 1111.01
  4. 1011.11
৬,০৫৪.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. IBM PS/2
  2. IBM 360
  3. ENIAC
  4. Apple Macintosh
ব্যাখ্যা

- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) ছিল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের একটি প্রধান উদাহরণ। 

কম্পিউটারের প্রজন্ম: 

- সময়ের সাথে সাথে কম্পিউটারের গতি, তথ্য ধারণ ক্ষমতা, হিসাব করার ক্ষমতা ইত্যাদির দ্রুত পরিবর্তন ঘটতে থাকে এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হতে থাকে। 
- পরিবর্তন ও বিকাশের এক একটি পর্যায় বা ধাপকে প্রজন্ম (Generation) হিসাবে চিহ্নিত করা হয়। 
- প্রতিটি প্রজন্মে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফট্ওয়্যারে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। 
- প্রজন্ম হিসাবে কম্পিউটারকে পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়। 
যথা- প্রথম প্রজন্ম, দ্বিতীয় প্রজন্ম, তৃতীয় প্রজন্ম, চতুর্থ প্রজন্ম এবং পঞ্চম প্রজন্ম। 

প্রথম প্রজন্ম (First Generation 1942-1959): 
- ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে সাধারণত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়। 
- এই সময়ে কম্পিউটারের মূল যন্ত্রাংশ ছিল বায়ুশূন্য ভালব, ভালবগুলো আকারে অনেক বড় ছিল এবং এগুলোর ব্যবহারের ফলে বিদ্যুৎ খরচ হতো অত্যন্ত বেশি। এগুলো ব্যবহারের ফলে তাপমাত্রা এত বেশি বেড়ে যেত যে কম্পিউটার পরিচালনার সময় কম্পিউটার ও পার্শ্ববর্তী এলাকার তাপমাত্রা অসহনীয় হয়ে যেত। 
- এই সমস্ত কম্পিউটারে তথ্য ধারণ ক্ষমতা ছিল সীমিত এবং উপাত্ত সমস্যাও ছিল। 
- এর পর ধীরে ধীরে তথ্য ধারণ ক্ষমতার ক্ষেত্রে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে চৌম্বক ধর্মী বস্তু আসতে শুরু করলো। 
যেমন- এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), এডসেক (EDSAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) প্রভৃতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

অন্যদিকে, 
- IBM 360 তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- IBM PS/2 চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 
- Apple Macintosh অনেক পরবর্তী প্রজন্মের (সাধারণত চতুর্থ বা পঞ্চম প্রজন্ম) কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৫৫.
110 একটি -
  1. দ্বিমিক সংখ্যা
  2. দশমিক সংখ্যা
  3. অক্টাল সংখ্যা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। তাই ১১০ Octal number। 
Binary number system এ দুইটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১। তাই ১১০ Binary number। 
Decimal number system এ দশটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬, ৭, ৮, ৯। তাই ১১০ Decimal number। 
Hexa decimal number system এ ষোলটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F। তাই ১১০ Hexa Decimal number।
৬,০৫৬.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়?
  1. ওরাকল
  2. মাইক্রোসফট এক্সেস
  3. মাইক্রোসফট এক্সেল
  4. মাই এসকিউএল
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলোঃ
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
মাইক্রোসফট এক্সেল হলো স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৬,০৫৭.
কোনটি "প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার"?
  1. Microsoft Powerpoint
  2. Adobe Photoshop
  3. Microsoft Excel
  4. MS Word
ব্যাখ্যা
• সফটওয়‍্যারের প্রকারভেদ:
কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:

১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।

• উদাহরণ:
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৫৮.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. রেকর্ড > ফিল্ড > বর্ণ > ডেটাবেজ
  2. রেকর্ড > ফিল্ড > তথ্য > ডেটাবেজ
  3. ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
  4. বর্ণ > ফিল্ড > রেকর্ড > ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম- ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ।

ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

রেকর্ড:
সম্পর্কযযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়। অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

ডেটাবেজ:
ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০৫৯.
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় কি বলে?
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) পাইরেসি
  3. গ) চুরি
  4. ঘ) প্লেজিয়ারিজম
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কারও তৈরি করা কাজ বা চিন্তাধারা নিজের বলে উপস্থাপন করাকে আইসিটির ভাষায় প্লেজিয়ারিজম বলে।এটি এক ধরনের সাইবার ক্রাইম।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৬,০৬০.
কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান কাজ কয়টি ?
  1. ক) তিনটি
  2. খ) চারটি
  3. গ) পাঁচটি
  4. ঘ) সাতটি
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান কাজ চারটি ।
এগুলোকে একসাথে IPOS চক্র বলে ।
IPOS মানে Input, Processing, Output & Storage বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

৬,০৬১.
CIH ভাইরাসে আক্রান্ত ফাইলগুলোতে সাধারণত কোন এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়?
  1. .exe
  2. .doc
  3. .txt
  4. .jpg
ব্যাখ্যা
⚪ CIH (যেটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত) একটি মারাত্মক কম্পিউটার ভাইরাস যা মূলত .exe ফাইলের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এই ধরণের ফাইল হচ্ছে এক্সিকিউটেবল ফাইল, যা কোনো প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়। ভাইরাসটি এই ফাইলগুলোর ভেতরে নিজেকে লুকিয়ে রাখে এবং যখন ফাইলটি চালু করা হয়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়।

⚪ অপশন আলোচনা:

.doc: মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট ফাইল।

.txt: সাধারণ টেক্সট ফাইল।

.jpg: ইমেজ ফাইল।

এই ফাইলগুলো সাধারণত এক্সিকিউটেবল না হওয়ায় ভাইরাস ছড়ানোর জন্য সরাসরি ব্যবহার হয় না, যদিও কিছু ক্ষেত্রে বিশেষভাবে ডিজাইন করা ম্যালওয়্যারের মাধ্যমে এসব ফাইলেও বিপদ থাকতে পারে।

⚪ কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

⚪ কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬২.
কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা কোন ধরনের বেঞ্চমার্ক দ্বারা মাপা হয়?
  1. GPU benchmark
  2. CPU benchmark
  3. Memory benchmark
  4. Disk benchmark
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের কার্যক্ষমতা মূলত GPU benchmark দ্বারা মাপা হয়, কারণ গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU) জটিল ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, থ্রিডি রেন্ডারিং এবং উচ্চ রেজোলিউশনের ইমেজ প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিশেষভাবে তৈরি। GPU benchmark পরীক্ষায় নির্দিষ্ট গ্রাফিক্যাল টাস্ক যেমন ফ্রেম রেট, রেজোলিউশন হ্যান্ডলিং, শেডার পারফরম্যান্স এবং রেন্ডারিং স্পিড যাচাই করা হয়। CPU, মেমরি বা ডিস্ক বেঞ্চমার্ক মূলত সিস্টেমের অন্যান্য দিক যেমন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সঞ্চয় ও মেমরি ম্যানেজমেন্ট মূল্যায়ন করে, যা সরাসরি গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স নির্ধারণ করে না। তাই কম্পিউটার গ্রাফিক্সের গুণগত ও কার্যকর মূল্যায়নে GPU benchmark সবচেয়ে উপযুক্ত।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
- sciencedirect [link]

৬,০৬৩.
IDE/PATA হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের 'PATA'-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Parallel Advanced Terminator Architecture
  2. Parallel Advanced Technology Attachment
  3. Parallel Advanced Technology Architecture
  4. Parallel Advanced Terminology Attachment
ব্যাখ্যা
• IDE/PATA হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ:
- আইডিই হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের পুরো অর্থ হলো 'ইন্টিগ্রেটেড ড্রাইভ ইলেকট্রনিক্স।
- একে পাটা বা প্যারালাল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট (PATA- Parallel Advanced Technology Attachment) নামেও ডাকা হয়।

• এর বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- IDE/PATA ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৪০টি পিন থাকে।
- IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভ একই সময়ে ৮ বিট ডেটা প্রেরণ করতে পারে।
- PATA হার্ড ডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য PATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়। একটি একক PATA ক্যাবলে দুইটি ড্রাইভকে যুক্ত করা যায়। ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলীম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৬৪.
নিচের কোনটি output device নয়?
  1. ক) হেডফোন
  2. খ) জয়স্টিক
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৬,০৬৫.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং এর ভাষা?
  1. ক) Power point
  2. খ) MS Excel
  3. গ) COBOL
  4. ঘ) Windows
ব্যাখ্যা
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ, ভেরি হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ, নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ এবং একেট্রাল ল্যাংগুয়েজ এর সমন্বয়ে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা গঠিত। এই ভাষার স্বপ্নদ্রষ্টা হলো বিল গেটস। এই ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করবে ইন্টেলিজেন্ট কম্পাইলার। বর্তমানে এই ভাষা উন্নয়নাধীন রয়েছে। QBE, SQL, ADF, CSP ইত্যাদি কিছু চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। ADA, C এবং COBOL তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাহজাহান সজীব
৬,০৬৬.
নিচের কোনটির মাধ্যমে ভিডিও কনফারেন্সিং সম্ভব নয়?
  1. ক) Google Meet
  2. খ) Pinterest
  3. গ) Messenger
  4. ঘ) Viber
ব্যাখ্যা
পিন্টারেস্ট (ইংরেজি: Pinterest) একটি ওয়েব এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন কোম্পানি, যা ফটো শেয়ারিং ওয়েবসাইট হিসেবে কাজ করে থাকে। এটি ব্যবহারের জন্য নিবন্ধন করার প্রয়োজন পড়ে। সাইটটি পল শিয়ারা, ইভান শার্প এবং বেন সিলবারমান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত। এটি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের মধ্যে একটি ক্ষুদ্র দলের অর্থায়নে কোল্ড ব্রিউ ল্যাবস কর্তৃক পরিচালিত।
৬,০৬৭.
অক্টাল সংখ্যা ১৬ এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত? 
  1. ১১০১
  2. ১০১০
  3. ১০০১
  4. ১১১০
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারি: 
- অক্টাল সংখ্যার অঙ্কগুলাে হচ্ছে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এবং এই প্রত্যেকটি সংখ্যাকে তিন বিট বাইনারি সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা যায়। 
Octal → Binary 
0 → 000 
1 → 001 
2 → 010 
3 → 011 
4 → 100 
5 → 101 
6 → 110 
7 → 111 
- এই রূপান্তরটি ব্যবহার করে যে কোনাে অক্টাল সংখ্যাকে তার জন্য প্রযােজ্য তিনটি বাইনারি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করলেই পুরাে অক্টাল সংখ্যার বাইনারি রূপ বের হয়ে যাবে। 
যেমন:
(16)8 = (001110)2 = (1110)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
৬,০৬৮.
যে ধরনের কম্পিউটার গণনার ক্ষেত্রে একই সাথে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতি ব্যবহার করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. সুপারকম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা এনালগ কম্পিউটারের ধারাবাহিক ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের যথার্থ গাণিতিক গণনার সুবিধা—দুটোই একসাথে ব্যবহার করে।

​হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।
- মিসাইল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- ​কোয়ান্টাম কম্পিউটার কিউবিট ব্যবহার করে অতিদ্রুত গণনা করতে পারে, কিন্তু এটি এনালগ+ডিজিটাল মিশ্রণ নয়।
- সুপারকম্পিউটার অত্যন্ত উচ্চ গতির গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু তা পুরোপুরি ডিজিটাল।
- মাইক্রোকম্পিউটার সাধারণ ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য তৈরি (যেমন পিসি, ল্যাপটপ)।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৬৯.
Which one of the following techniques, is used to hide information inside a picture?
  1. ক) Bitmapping
  2. খ) Image rendering
  3. গ) Rootkits
  4. ঘ) Steganography
ব্যাখ্যা
স্টেগনোগ্রাফি
- অডিও, ভিডিও, চিত্র বা পাঠ্য ফাইলে তথ্য গোপন করার পদ্ধতিকে স্টেগনোগ্রাফি বলে।
- এর মাধ্যমে তথ্যকে সুরক্ষিত রাখা যায়।

স্টেগনোগ্রাফির প্রকারভেদ:
স্টেগনোগ্রাফি প্রধানত ৫ ধরনের। সেগুলো হল-
- Text steganography
- Image steganography
- Video steganography
- Audio steganography
- Network steganography

সূত্র: 
১. ক্যাস্পারস্কি অ্যান্টিভাইরাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
২. https://www.researchgate.net
৬,০৭০.
সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Megapixels
  4. Kilograms
ব্যাখ্যা

• সাধারণত সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স নির্ধারণে যে এককটি ব্যবহৃত হয় তা হলো Gigahertz (GHz)। গিগাহার্টজ মূলত সিপিইউ-এর ক্লক স্পিড নির্দেশ করে, অর্থাৎ প্রসেসর এক সেকেন্ডে কত বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, সাধারণভাবে সিপিইউ তত দ্রুত নির্দেশনা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজের পরিমাপ বোঝায়, Megapixels ক্যামেরার রেজোলিউশন নির্দেশ করে এবং Kilograms ওজন পরিমাপের একক। তাই সিপিইউ-এর পারফরম্যান্স বোঝাতে সঠিক উত্তর হলো গিগাহার্টজ।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৭১.
A terminal having local processing capability is-
  1. ক) KIPS
  2. খ) AI
  3. গ) Intelligent terminal
  4. ঘ) Optical terminal
ব্যাখ্যা
A terminal (monitor and keyboard) that contains processing power. Intelligent terminals include memory and a processor to perform special display operations. In contrast, a dumb terminal has no processing capabilities; it must rely entirely on the central computer. A smart terminal has some processing capabilities, but not as much as an intelligent terminal.
Source: encyclopedia.com
৬,০৭২.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি ইনপুট যন্ত্র?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) বারকোড রিডার
  4. ঘ) প্লটার
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইসঃ
• মনিটর
• প্লটার
• স্পিকার
• প্রিন্টার
• প্রজেক্টর ইত্যাদি।
- কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইসঃ
• পাঞ্চকার্ড,
• বারকোড রিডার,
• ওয়েবক্যাম,
• মাউস,
• ওএমআর,
• ওসিআর,
• স্ক্যানার,
• জয়স্টিক,
• ট্র্যাকবল,
• লাইটপেন,
• ডিজিটাইজার ইত্যাদি

৬,০৭৩.
(930.375)10 = (?)8
  1. 1232.3
  2. 1642.3
  3. 1872.3
  4. 1562.3
ব্যাখ্যা

এখানে, (930)10 =(1642)8
এবং (.375)10 = (.3)8
∴ (930.375)10 = (1642.3)8
৬,০৭৪.
কোনটি র‍্যামের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) র‍্যামের তথ্য পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষন করা যায়
  2. খ) র‍্যাম ক্যাশ মেমোরির চেয়ে দ্রুতগতির
  3. গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়
  4. ঘ) র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাক্সেস সময় সমান
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম ক্যাশ মেমোরির চেয়ে দ্রুতগতির- এটি র‍্যামের বৈশিষ্ট্য নয়। কারন ক্যাশ মেমোরি র‍্যাম এর থেকে আরও দ্রুতগতির, সাইজে তুলনামূলক ছোট এবং দামে কম।
• র‍্যাম: RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory।
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
 - উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমৃহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি ।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাক্সেস সময় সমান।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৭৫.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কয় ধরনের ব্যাকআপ ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে পাঁচ ধরনের ব্যাকআপ ব্যবহার করা যায়।

যথা-
1. Normal Backup
2. Incremental Backup
3. Differential Backup
4. Copy Backup
5. Timeframe Backup

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৬,০৭৬.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. রাউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
  4. মাইক্রোকন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা

• প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় মাইক্রোকন্ট্রোলার-এ। এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্য সম্পন্ন কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। মাইক্রোকন্ট্রোলার সাধারণত ছোট আকারের এবং একক চিপে প্রসেসর, মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট পেরিফেরাল থাকে। এটি ঘড়ি, টেলিভিশন, ওয়াশিং মেশিন, সিকিউরিটি ডিভাইস এবং অন্যান্য ছোট ইলেকট্রনিক ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, রাউটার, সুপার কম্পিউটার বা হাই-এন্ড সার্ভার সাধারণত জেনেরাল-পারপাস কম্পিউটিং বা নেটওয়ার্কিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এগুলো এম্বেডেড সিস্টেম হিসেবে বিবেচিত হয় না। তাই এম্বেডেড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য মাইক্রোকন্ট্রোলারই সঠিক উত্তর।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Auburn University Samuel Ginn College of Engineering [link]

৬,০৭৭.
হেক্সাডেসিমেলের 'C' দশমিক সংখ্যার কত এর সমান?
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- অর্থাৎ, এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E এবং F.
- বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
- (151)16 , (1B)16 , (ABC. B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,০৭৮.
Which generation of programming language is Machine Language?
  1. First generation
  2. Second generation
  3. Third generation
  4. Fourth generation
ব্যাখ্যা

• Machine Language হলো প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা (First Generation Language), কারণ এটি সরাসরি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার দ্বারা বোঝা ও নির্বাহ করা যায়।
 
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো এমন কিছু শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলোর বিন্যাসের নিয়ম, যার মাধ্যমে কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য প্রোগ্রাম রচনা করা হয়।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
 
• প্রথম প্রজন্মের ভাষা (First Generation Language):
- প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো Machine Language।
- এটি শুধুমাত্র 0 এবং 1 (binary code) ব্যবহার করে লেখা হয়।
- কম্পিউটার এই ভাষা অনুবাদ ছাড়াই সরাসরি বুঝতে পারে।
- এই প্রজন্মের ভাষার সময়কাল ধরা হয় প্রায় ১৯৪৫ সাল।
 
• Machine Language-এর বৈশিষ্ট্য:
- হার্ডওয়্যার-নির্ভর ভাষা।
- দ্রুত নির্বাহযোগ্য (execution fast)।
- মানুষের জন্য লেখা ও বোঝা কঠিন।
- প্রোগ্রাম লেখা জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
 
• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মভিত্তিক শ্রেণিবিভাগ:
- First Generation (1945) → Machine Language.
- Second Generation (1950) → Assembly Language.
- Third Generation (1960) → High Level Language.
- Fourth Generation (1970) → Very High Level Language.
- Fifth Generation (1980) → Natural Language.

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬,০৭৯.
ডেটাবেইজে একই কাজ বারবার করার জন্য কী তৈরি করতে হয়?
  1. ক) মেইলিং লেভেল
  2. খ) রিলেশন
  3. গ) ইনডেক্স
  4. ঘ) ম্যাক্রো
ব্যাখ্যা
ম্যাক্রো হলো কতগুলো নির্দেশাবলী যা একটি নির্দেশ হিসেবে সংরক্ষিত করে রাখা যায়। এবং পরবর্তীতে এই একটি নির্দেশ দিয়ে অনেক নির্দেশাবলীর কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করা যায়।
৬,০৮০.
কোনটি স্টোরেজ হার্ডওয়্যার নয়?
  1. অপটিক্যাল ডিস্ক
  2. ম্যাগনেটিভ টেইপ
  3. হাব
  4. সলিড স্টেড ডিভাইস
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ হার্ডওয়্যার: 
- মূলত কম্পিউটার ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে গ্রহণকৃত ডেটাসমূহকে প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে।
- তবে কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের পর প্রক্রিয়াজাতকৃত ফলাফল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো স্টোরেজ হার্ডওয়্যার। - হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, সলিড স্টেড ডিভাইস, পেনড্রাইভ, ম্যাগনেটিভ টেইপ, চৌম্বক ড্রাম, জিপ ড্রাইভ ইত্যাদি হলো উল্লেখযোগ্য স্টোরেজ হার্ডওয়্যার।

অন্যদিকে, হাব একটি কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,০৮১.
কোনটি ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না?
  1. ক) মাউস
  2. খ) কীবোর্ড
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার চালনা করা অসম্ভব। 

- অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেম কাজ শুরু হয়ে যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম একটি কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহার উপযোগী করে রাখে।
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ বা ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা–
১. টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text based Interface)
২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphical User Interface)

উদাহরণ- উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি হলো অপারেটিং সিস্টেম।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
৬,০৮২.
MS PowerPoint এ Slide Show করার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F3
  2. F5
  3. F7
  4. F9
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী: কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
• F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F1 দিয়ে আমরা কম্পিউটার রানিং করতে পারি।
- এক্সেল এবং ওয়ার্ডে রিবন মেনু লুকিয়ে ডাটা প্রদর্শন করে।
  
• F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা। 
- Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ (print preview) দেখা।

• F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের ক্যাপিটাল ওয়ার্ড থেকে স্মল ওয়ার্ডে লেখা। 
- প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ করা যায়। 
- MS-DOS এ ব্যবহার করে লাস্ট কম্যান্ড লাইন রিপিট করা যায়।
- ফায়ারফক্স এবং গুগল ক্রোমে অনুসন্ধান করার অপশন খোলে।

• F4 last action performed repeat করা যায়।
- Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

• F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- Ctrl + F5 একটি ওয়েব পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে রিফ্রেশ করবে, ক্যাশে ক্লিন করবে এবং পুনরায় ডাউনলোড করবে।

• F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

• F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- মজিলা ফায়ার ফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। 
- Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান (Dictionary) চালু করা যায়।
 
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]

• F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে রিফ্রেশ (Refresh) করতে ব্যবহার করা হয়।
- Microsoft Outlook এ ইমেল পাঠায় এবং গ্রহণ করে।

• F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- Shift + F10 = রাইট-ক্লিক। অর্থাৎ (Shift + F10) রাইট ক্লিকের মতো কাজ করে।

• F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- Shift + F11 এক্সেলে একটি নতুন স্প্রেডশীট যোগ করে। 
- সমস্ত খোলা উইন্ডো লুকিয়ে রাখে

• F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F12 কী চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। 
- Ctrl + F12 কী চেপে MS Word এর নতুন ফাইল খলার জন্য ব্যাবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড (Microsoft Word) ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা
৬,০৮৩.
ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত ATM হলো একটি-
  1. হার্ডওয়্যার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. সফটওয়্যার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computer Hope website.
৬,০৮৪.
পিডিপি-৮ একটি-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) পার্সোনার কম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পিডিপি-৮ হলো একটি মিনি কম্পিউটার। ১৯৬৫ সালে ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন এই কম্পিউটারটি তৈরি করে। এটি ১৯৭৩ সালের দিকে সর্বাধিক বিক্রিত কম্পিউটারগুলোর একটি। এটি ১২ বিটের এবং ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার। (সূত্র: পিডিপি-৮ ডটনেট)
৬,০৮৫.
বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটারের নাম কী?
  1. AGC
  2. Intel 4004
  3. IBM System/360
  4. ENIAC
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত AGC (Apollo Guidance Computer)। এটি ১৯৬০-এর দশকে নাসার অ্যাপোলো মহাকাশ অভিযানের জন্য তৈরি করা হয়। AGC-এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মহাকাশযানকে সঠিকভাবে নেভিগেট করা এবং অভিযান পরিচালনা করা। এটি ছোট আকারের এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা একটি কম্পিউটার, যা এম্বেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য বহন করে। অন্যান্য অপশন যেমন Intel 4004, IBM System/360, এবং ENIAC সাধারণ কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে পরিচিত, কিন্তু বিশেষভাবে একটি যন্ত্রে সংযুক্ত হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য AGC-কে প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৮৬.
নিচের কোনটি 'output device' নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা

• microphone - 'output device' নয়। 

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,০৮৭.
"কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা" শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
  1. ক) Charles Bachman
  2. খ) John McCarthy
  3. গ) Donald Ervin Knuth
  4. ঘ) Herbert A. Simon
ব্যাখ্যা
- "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা" শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন John McCarthy.
- তিনি ১৯৫৮ সালে LISP নামক প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেন। 
 
McCarthy coined the term artificial intelligence in 1955, and he created the computer programming language LISP in 1958. 
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৬,০৮৮.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কার্যাবলি নয়?
  1. ক) ইউটিলিটিস
  2. খ) সিকিউরিটি
  3. গ) নেটওয়ার্কিং
  4. ঘ) ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেমের কার্যাবলি- ইউজার ইন্টারফেস, রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, সিকিউরিটি, টাস্ক ম্যানেজমেন্ট, ফাইল ম্যানেজমেন্ট, নেটওয়ার্কিং, ইউটিলিটিস।
৬,০৮৯.
নিচের কোনটির Stack এর সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. FIFO
  2. Pop
  3. LIFO
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
- এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO I
- প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে।
- যথা Push এবং Pop.
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out) I
- FIFO- Queue এর সাথে সম্পর্কিত।

উৎস: Computerhope Website.
৬,০৯০.
নিচের কোনটি E-Banking এর প্রডাক্ট নয়?
  1. ক) ATM
  2. খ) SMS banking
  3. গ) Plastic money
  4. ঘ) School banking
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৬,০৯১.
প্রথম কোন ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. Ethereum
  2. Ripple
  3. Litecoin
  4. Bitcoin
ব্যাখ্যা

• প্রথম যে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ব্লকচেইন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছিল তা হলো Bitcoin। ২০০৮ সালে একজন রহস্যময় ব্যক্তি বা গোষ্ঠী Satoshi Nakamoto বিটকয়েনের ধারণা প্রকাশ করেন এবং ২০০৯ সালে এর নেটওয়ার্ক চালু হয়। বিটকয়েনের মূল ভিত্তি হলো ব্লকচেইন প্রযুক্তি, যেখানে লেনদেনগুলো ব্লকের মধ্যে সংরক্ষিত হয়ে একটির সাথে আরেকটি ক্রমানুসারে যুক্ত থাকে। এই প্রযুক্তি বিকেন্দ্রীকৃত হওয়ায় কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ থাকে না। নিরাপত্তা, স্বচ্ছতা এবং পরিবর্তন-অযোগ্য ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্লকচেইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই ব্লকচেইন প্রযুক্তির প্রথম বাস্তব প্রয়োগ দেখা যায় বিটকয়েনের মাধ্যমে।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন। 

৬,০৯২.
লজিক ফাংশন ____ দিকে সরল করতে হয়।
  1. ক) বাম থেকে ডান
  2. খ) ডান হতে বামে
  3. গ) ডান হতে ডান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান রাশিমালাকে সরলীকরণের ফলে লজিক গেটের সংখ্যা কমে বলে সময় ও খরচ দুটোই কমে যায়। মূলত বুলিয়ান রাশিমালাকে সরল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বুলিয়ান উপপাদ্যসমূহ ব্যবহৃত হয়। তবে সরলীকরণের ক্ষেত্রে কতকগুলো নিয়ম মেনে সরল করতে হয়। যেমন-
- লজিক ফাংশন বাম হতে ডান দিকে সরল করতে হয়।
- প্রথম বন্ধনীর কাজ আগে করতে হয়।
- পূরক অপারেশনের কাজ শুরুতে করতে হয়।
- এরপর সকল অ্যান্ড (.) অপারেশনের কাজ করতে হয়।
- এরপর সকল অর (+) অপারেশনের কাজ করতে হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৬,০৯৩.
Flash Memory কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে?
  1. Magnetic
  2. Optical
  3. EEPROM
  4. Punch Card
ব্যাখ্যা

◉ Flash Memory হলো Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory-এর একধরনের রূপ।

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৬,০৯৪.
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতি -
  1. ফাইন্ড
  2. সার্চ
  3. সর্ট
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা

কুয়েরিঃ
কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমান ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত ও সহজ উপায়ে যে কোন ডাটা খুঁজে বের করার পদ্ধতিকে কুয়েরি বলে। কুয়েরির মাধ্যমে ডাটাবেজে ডাটা প্রবেশ করা, ডিলিট করা অথবা ডাটা মডিফাই করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোও করা যায়।
শর্তযুক্ত তথ্য সংরক্ষণ এবং মুদ্রণের জন্য প্রদর্শিত তথ্য কুয়েরি আকারে সংরক্ষণ করতে হয়। কুয়েরি আকারে সংরক্ষিত তথ্য সরাসরি মুদ্রণ করা যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৬,০৯৫.
Java কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• বিভিন্ন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা:
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা।
- এই প্রোগ্রাম ভাষা কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের উর্ধ্বে, এই জন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।
কিছু উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো:
- C
- C++
- Basic
- Java
- ALGOL
- Fortran
- Python; ইত্যাদি।

৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। 
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০৯৬.
Intel Itanium কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর?
  1. ৩২ বিট
  2. ৬৪ বিট
  3. ১৬বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর হলো ইন্টেল 4004, যা ১৯৭১ সালে উদ্ভাবিত হয়। 
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,০৯৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস?
  1. CodeRed
  2. Melissa
  3. CryptoLocker
  4. Dr. Web
ব্যাখ্যা
- Dr. Web হলো একটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 
- Melissa মূলত কোম্পানিগুলোকে বিগ ডেটা ব্যবহার করতে সাহায্য করে থাকে। আবার এই নামে একটি কম্পিউটার ভাইরাসও রয়েছে।
- CryptoLocker হল এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা ফাইল এনক্রিপ্ট করে থাকে। 
- CodeRed হলো একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক লার্নিং প্ল্যাটফর্ম। 

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট। 
৬,০৯৮.
'উচ্চতর ভাষা' কোন প্রজন্মের ভাষা? 
  1. চতুর্থ প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. পঞ্চম প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৫ সাল থেকে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত অনেক প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভব  হয়েছে। 
১. প্রথম প্রজন্মের ভাষা: মেশিন ভাষা, 
২. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা: অ্যাসেম্বলি ভাষা, 
৩. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা: উচ্চতর ভাষা
৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা: অতি উচ্চতর  ভাষা এবং 
৫. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা: স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৬,০৯৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের নিচু স্তরের ভাষা?
  1. ক) FORTRAN
  2. খ) Assembly Language
  3. গ) COBOL
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
মেশিন ল্যাংগুয়েজ ও এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে Low level Language যা যথাক্রমে প্রথম ও দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা। তৃতীয় প্রজন্ম থেকে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার হয়ে আসছে। যেমন- Python, Java, C, C++, ALGOL, Fortran ইত্যাদি।
৬,১০০.
কোনটি নট গেইটের বিপরীত আচরণ?
  1. ক) বাফার গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) ন্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।