বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা / ৮২ · ৫০১৬০০ / ৮,১৪১

৫০১.
Which shortcut allows you to show your password on the sign-in screen? [On windows operating systems]
  1. Alt + A
  2. Alt + Esc
  3. Alt + F4
  4. Alt + F8
ব্যাখ্যা
• Alt + A: Set focus to the first icon in the Suggested actions menu.
• Alt + Esc: Cycle through windows in the order in which they were opened.
• Alt + F4: Close the active window. If no windows are open, prompt to shutdown.
• Alt + F8: Show your password on the sign-in screen.

উৎস: Microsoft Support website.
৫০২.
ফার্মওয়্যার হচ্ছে-
  1. একটি হার্ডওয়্যার
  2. কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা
  3. একটি ড্রাইভ
  4. একটি অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত নির্দেশনা।

ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরির সময় তাকে পরিচালনা করার জন্য স্থায়ীভাবে রাখা দরকার এমন সব নির্দেশ কম্পিউটার প্রস্তুতকারক কোম্পানি স্থায়ীভাবে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে দেয় যাকে ফার্মওয়‍্যার বলে।
- এটি একটি স্থায়ী সফটওয়্যার।
- ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রামসমূহ ব্যবহার করা যায় তবে মুছে ফেলা যায় না বা কোন রকম পরিবর্তন করা যায় না।
- কম্পিউটারে বিদ্যুৎ সংযাগ দেয়ার পর ফার্মওয়‍্যার প্রোগ্রাম সর্বাগ্রে সক্রিয় হয়ে অন্যান্য সফটওয়্যারকে কার্যপোযোগী করার জন্য প্রধান মেমোরিতে লোড করে।
যেমন: ROM, BIOS একটি ফার্মওয়‍্যার। 

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫০৩.
Machine language is also known as—
  1. Low-level language
  2. Middle-level language
  3. High-level language
  4. Object-oriented language
ব্যাখ্যা

• মেশিন ভাষাকে Low-level Language বলা হয়।

• মেশিন ভাষা:
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি কম্পিউটারের নিজস্ব ও মৌলিক ভাষা, যা কম্পিউটার সরাসরি বুঝতে পারে।
- মেশিন ভাষা সরাসরি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
- এতে নির্দেশনা লেখা হয় শুধুমাত্র Binary সংখ্যা (0 ও 1) ব্যবহার করে।
- কম্পিউটারের ভেতরের বিদ্যুৎ তরঙ্গের অন–অফ অবস্থার সাথে এই ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• লেখার পদ্ধতি ও জটিলতা:
- 0 ও 1 ব্যবহার করে প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও শ্রমসাধ্য।
- মানুষের জন্য এই ভাষা পড়া, লেখা ও ডিবাগ করা কঠিন।
- এই জটিলতার কারণেই একে Low-level Language বলা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- High-level language মানুষের বোঝার উপযোগী ভাষা, যেমন C, Java ইত্যাদি।
- Middle-level language সাধারণত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাঝামাঝি কাজ করে।
- Object-oriented language একটি প্রোগ্রামিং প্যারাডাইম, ভাষার স্তর নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫০৪.
অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায় কোনটি?
  1. ক) উইন্ডোজ রিইনস্টল করা
  2. খ) বাড়তি Ram লাগানো
  3. গ) অ্যান্টিভাইরাস আপডেট করা
  4. ঘ) ভিজুয়াল এফেক্ট চালু করা
ব্যাখ্যা
অল্প খরচে কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর একটি উপায় হলো বাড়তি Ram যোগ করা।
এতে প্রায় সব কম্পিউটারের গতিই বেড়ে যায় ।

উৎস : স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫০৫.
ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড কোন কোডের অনুরূপ?
  1. অ্যাসকি
  2. বিসিডি
  3. আলফানিউমেরিক
  4. ইবিসিডিক
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫০৬.
ইউনিকোডের মাধ্যমে সম্ভাব্য কতগুলো চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ২৫৬টি
  2. ৪০৯৬টি
  3. ৬৫৫৩৬টি
  4. ৪২৯৪৯৬৭২৯৬টি
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোডের মাধ্যমে ৬৫৫৩৬টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোডের Standard এ প্রত্যেকটা বর্ণের জন্য 000016 থেকে শুরু করে 10FFFF16 এর ভেতর একটি সংখ্যা নির্দিষ্ট করে দেওয়া আছে।
- ফলে ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- অর্থাৎ, এখানে প্রতিটি ভাষার জন্য 4 বাইট পর্যন্ত স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫০৭.
DVD এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Digital Version Disc
  2. খ) Distance Version Disc
  3. গ) Digital Versatile Disc
  4. ঘ) Digital Video-audio Disc
ব্যাখ্যা
DVD এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Digital Versatile Disc অর্থাৎ বহুমুখী ডিজিটাল ডিস্ক বা Digital Video Disc। ডিভিডি এর ধারন ক্ষমতা ৪.৭ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত।
৫০৮.
একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তাহলে কোনটি ব্যবহার করবেন?
  1. ক) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট পোগ্রাম
  2. খ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. গ) ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) এমবেডেড কম্পিউটার সিস্টেম
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজের মুল উদ্দেশ্য হলো, দ্রুত গতিতে ডাটার খোঁজ করা, সবচেয়ে নিরাপদ উপায়ে ডাটা সংরক্ষণ করা ইত্যাদি। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সেই সমস্ত ক্ষেত্রে অপরিহার্য যেখানে একই সময় একাধিক ব্যবহারকারী একই ডাটা ব্যবহার করে থাকেন।
যেমন, একটি ব্যাংকের একাধিক শাখায় অবস্থিত কর্মকর্তারা যদি একই তথ্য, একই সময়ে হালনাগাদ করতে চান, তখন বিভিন্ন সমস্যার তৈরী হতে পারে।
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, এই সমস্যাগুলোকে খুবই দক্ষতার সাথে সামাল দেয়।

৫০৯.
(101101)2 = (?)10
  1. 31
  2. 42
  3. 45
  4. 52
ব্যাখ্যা
(101101)2
= 1 × 25 + 0 × 24 + 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= (45)10
৫১০.
নিচের কোনটি গ্রাফিক্স বেজড অপারেটিং সিস্টেম?
  1. CP/M
  2. PC DOS
  3. MS DOS
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• PC DOS, CP/M এবং  MS DOS হলো টেক্সড বেজড অপারেটিং সিস্টেম।

•  অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Text-Based Operating System:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি।

২. Graphics Based Operating System:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১১.
ক্লক স্পিডের একক কী?
  1. Byte
  2. Watt
  3. GHz
  4. RPM
ব্যাখ্যা
ক্লক স্পিড : 
- ক্লক স্পিড হলো একটি কম্পিউটারের প্রসেসর (CPU) প্রতি সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে, তার একটি পরিমাপ।

ক্লক স্পিডের একক হলো হার্টজ (Hz)
 1 GHz = 1,000,000,000 Hz
 অর্থাৎ ১ গিগাহার্টজ মানে সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন সাইকেল।

উদাহরণস্বরূপ,
যদি কোনো প্রসেসরের স্পিড হয় 3.2 GHz, তাহলে এটি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩.২ বিলিয়ন অপারেশন সম্পাদন করতে পারে।

অন্যদিকে, 
Byte: মেমোরির একক (তথ্য ধারণ করার একক)।

Watt: শক্তি (Power) মাপার একক।

RPM: ঘূর্ণনের গতি বোঝায়, সাধারণত হার্ডডিস্কে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Intel Website.
৫১২.
রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির প্রবক্তা কে?
  1. ক) E.F.Codd
  2. খ) David Axmark
  3. গ) Allan Larsson
  4. ঘ) Swede Michael
ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালে রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপন করেন E.F.Codd  

- ১৯৮৫ সালে তিনি তার বক্তব্যকে আরও বেশি পরিষ্কার ও জোরালো করবার জন্য একটি প্রবন্ধ লিখেন যা 'Codd's Twelve Rules' নামে পরিচিত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৫১৩.
কম্পিউটারে 2's Complement প্রধানত কীসের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ধনাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  2. ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  3. ডেটা এনক্রিপ্ট করতে
  4. মেমরি অ্যাড্রেস গণনা করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যায় কাজ করে। ধনাত্মক সংখ্যা সরাসরি বাইনারি আকারে প্রকাশ করা যায়। কিন্তু ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে 2’s Complement পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫১৪.
Which of the following technologies is most closely associated with the Metaverse?
  1. E-mail communication system
  2. Virtual Reality
  3. File Transfer Protocol
  4. Spreadsheet software
ব্যাখ্যা
Correct Answer: b) Virtual Reality

মেটাভার্স (Metaverse)
- মেটাভার্স হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality), অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) এবং ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রযুক্তির সংমিশ্রণ, যেখানে ব্যবহারকারীরা পুরোপুরি বাস্তবের মতো একটি ডিজিটাল দুনিয়ায় বাস করার অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ,
কোনো এক ব্যক্তি অনলাইন শপিং করার সময় একটি জামা পছন্দ করলে,সে জামাটির ডিজিটাল সংস্করণ গায়ে পরে দেখে নিতে পারে, তারপর জামাটি কেনার জন্য অর্ডার দিতে পারে।
- মেটাভার্স হলো এমন একটি ‘ভার্চুয়াল পরিবেশ’, যেখানে ব্যবহারকারী সরাসরি প্রবেশ করতে পারবে।
- এককথায় মেটাভার্স হলো ইন্টারনেটের ভবিষ্যৎ প্রযুক্তি, যা ডিজিটাল বিশ্বকে বানাবে বাস্তব জগতের মতো। 
- সম্প্রতি ফেসবুক ইনকর্পোরেশন নাম পরিবর্তন করে মেটা প্ল্যাটফরমস ইনকর্পোরেশন বা সংক্ষেপে মেটা নামকরণ হয়েছে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য তারা তৈরি করেছে অকুলাস হেডসেট, যা প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোর সেটের তুলনায় দামে কম।
- মাইক্রোসফট, অ্যাপল, গুগল, রোবলক্স ও ফোর্টনাইট নির্মাতা এপিক গেইমস কোম্পানিও মেটাভার্স তৈরিতে কাজ করছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৫১৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের Active রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি নয়?
  1. আনুষাঙ্গিক যন্ত্রপাতি পরিস্কার করা
  2. সিস্টেমকে পরিস্কার করা
  3. তাপানুকূল কক্ষের ব্যবস্থা
  4. সমান্তরাল বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণ দুই ধরনের। যথা-
১. Active ও
২. Passive.

• Active ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার নির্ভুলভাবে কার্যক্ষম ও দীর্ঘায়ু হয় আর Passive ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের ফলে কম্পিউটার পরিবেশের সাথে খাপ খাওয়াতে পারে। যেমন- উচ্চ বিদ্যুৎ প্রতিরোধক ডিভাইস, তাপানুকূল কক্ষের ব্যবস্থা, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন যন্ত্রপাতির সাথে কম্পিউটারকে না রাখা, ইত্যাদি। অর্থাৎ প্রথম পদ্ধতিতে কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখাকে বোঝাচ্ছে আর দ্বিতীয় পদ্ধতিতে কম্পিউটারকে নিরাপদ পরিবেশ দেয়া বোঝাচ্ছে।

• Active রক্ষণাবেক্ষণের কয়েকটি পদ্ধতি:
- সিস্টেমকে পরিস্কার করা কম্পিউটার সিস্টেমকে নিয়মিতভাবে পরিস্কার করা একটা ভাল রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি।
- সিস্টেমের আনুসাঙ্গিক যন্ত্রপাতিসমূহ নিরাপদ কালীন সময়ের জন্য নিয়মিতভাবে পরিস্কার করা। 
- হার্ডডিস্ক-কে বিভিন্ন প্রকার উন্নতমানের ডায়াগনষ্টিক সফটওয়‍্যার চালিয়ে পরিপাটি রাখা।
- এমনকি হার্ডডিস্ককে রিফর্মাট করা কম্পিউটারের সমস্ত তথ্যাদি অন্য কোথাও সরিয়ে রেখে ত্রুটিপূর্ণ হার্ডডিস্ককে রিফর্মাট করে কম্পিউটারকে পুনঃকার্যক্ষম করা যায়। 

- সমান্তরাল বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা কম্পিউটারের Passive ভাঙ্গনপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণের অন্তর্গত।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৬.
এক্স-অর গেইটের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) ইনপুট ০, ০ হলে আউটপুট ০ হবে।
  2. খ) ইনপুট ১, ০ হলে আউটপুট ১ হবে।
  3. গ) ইনপুট ০, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
  4. ঘ) ইনপুট ১, ১ হলে আউটপুট ১ হবে।
ব্যাখ্যা
এক্স-অর গেইট [Exclusive OR (XOR) Gate]:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- XOR গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট ০ এবং ভিন্ন মানের জন্য আউটপুট ১ হয়।। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৭.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 1231
  2. 764
  3. 382
  4. 637
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৫১৮.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে কী বলে?
  1. ক) Encapsulation
  2. খ) Polymorphism
  3. গ) Inheritance
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation): অবজেক্ট এর  Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

পলিমরফিজম (Polymorphism): অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।

ইনহেরিটেন্স (Inheritance): অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫১৯.
XNOR গেইটে ইনপুট দুইটি সমান হলে, আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. 3
ব্যাখ্যা
• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ, এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ, দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২০.
কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত MIPS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mega Integrated Processing System
  2. Multiple Instruction Processing Standard
  3. Million Instructions Per Second
  4. Microprocessor Integrated Program System
ব্যাখ্যা

MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Million Instructions Per Second.

MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৫২১.
CSS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে -
  1. Compound Style Sheets
  2. Collaborative Style Sheets
  3. Computed Style Sheets
  4. Cascading Style Sheets
ব্যাখ্যা
CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

HTML:
- HTMLএর পূর্ণরূপ হচ্ছে Hypertext Markup Language.
- HTML ওয়েবসাইট এবং ওয়েবপেজ তৈরি করার জন্য ব্যবহার হয়।
- এর মাধ্যমে আমরা টেক্সট, ইমেজ, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি কনটেন্ট সুন্দরভাবে বিন্যাস করতে পারি।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৫২২.
কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর সংযোগ স্থাপন সহজ করতে, অপারেটিং সিস্টেম যখন চিত্র, প্রতীক বা ভিজ্যুয়াল উপমা ব্যবহার করে— তখন এই পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস
  2. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস
  3. ব্লক ইউজার ইন্টারফেস
  4. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা

◉ Graphical User Interface (GUI) ব্যবহারকারীর জন্য একটি ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করে, যেখানে icons, windows, buttons এর মাধ্যমে কম্পিউটার পরিচালনা করা যায় — কোন প্রোগ্রাম চালু করতে টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫২৩.
Take the odd one out-
  1. ক) Android
  2. খ) Windows
  3. গ) iOS
  4. ঘ) App
ব্যাখ্যা

Android, Windows, iOS সবগুলোই অপারেটিং সিস্টেম |
কিন্তু App অপারেটিং সিস্টেম নয় |

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

৫২৪.
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. আইসি
  4. VLSI
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার প্রজন্ম বলতে বোঝানো হয় কম্পিউটার প্রযুক্তির ধাপে ধাপে উন্নয়ন, পরিবর্তন ও উৎকর্ষতার সময়কালকে, যেখানে প্রতিটি প্রজন্মে নতুন প্রযুক্তি, যন্ত্রাংশ ও কার্যক্ষমতার অভাবনীয় পরিবর্তন ঘটে।

কম্পিউটার প্রজন্ম বিভাগ করা হয় এর যান্ত্রিক পরিবর্তন এবং উন্নয়নের ভিত্তিতে।  

প্রথম প্রজন্ম – এসময় ভ্যাকুয়াম টিউব এর ব্যবহার শুরু হয়।
দ্বিতীয় প্রজন্ম – এসময় ভ্যাকুয়ামের পরিবর্তে  ট্রানজিস্টর  এর ব্যবহার শুরু হয়। ফলে যন্ত্রপাতির আকার তুলনামূলক ভাবে ছোট হয়ে যায়।
তৃতীয় প্রজন্ম – এসময় আইসি(IC: Integrated Circuit) বা সমন্বিত সার্কিটের ব্যবহার  শুরু হয়। 
চতুর্থ প্রজন্ম – এসময় VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের ব্যাপক ব্যবহার ও অভাবনীয় উন্নয়ন এবং বিকাশ সাধন হয়। 
পঞ্চম প্রজন্ম-  এসময়  Artificial Intelligence (AI), ULSI, Robotics ইত্যাদির ব্যাপক উন্নয়ন ঘটে। 

তথ্যসূত্র: 
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি -১ ; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
৫২৫.
ABC এবং DEF-কে যোগ করলে নিচের কোনটি হবে?
  1. ক) 12AB
  2. খ) 18AB
  3. গ) 16AB
  4. ঘ) 10AB
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫২৬.
কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. পেন ড্রাইভ
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. র‍্যাম
  4. ম্যাগনেটিক টেপ
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ হার্ডওয়্যারে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।

• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।

• প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
- অ্যাকসেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস : মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২৭.
What is PKZip?
  1. A data transfer service
  2. A data compression software
  3. A data management software
  4. A data storage browser
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) A data compression software

PKZip
- PKZip হলো ডেটা কমপ্রেশন সফটওয়্যার, যা সকল ধরনের ডিজিটাল ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আমেরিকান প্রোগ্রামার ফিলিপ ক্যাটজ (Phillip Katz) ১৯৮০-এর দশকে PKARC তৈরি করেন, যা System Enhancement Associates Inc. (SEA)-এর ARC প্রোডাক্টের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল।
- Katz-এর প্রোগ্রাম ARC-এর চেয়ে দ্রুত এবং দক্ষ ছিল।
- ১৯৮৬ সালে Katz PKWARE, Inc. প্রতিষ্ঠা করেন এই প্রোডাক্টকে প্রচারের জন্য।
- SEA-এর ট্রেডমার্ক লঙ্ঘনের মামলার পরে Katz নতুন কমপ্রেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে নতুন প্রোডাক্ট তৈরি করেন।

PKZip এর প্রথম সংস্করণ:
- MS-DOS-এর জন্য লেখা প্রথম PKZip 1989 সালে প্রকাশিত হয়।
- পরে Windows OS-এর জন্যও সংস্করণ আসে।
- Katz-এর উন্নত কমপ্রেশন পদ্ধতি এবং নতুন ফাইল ফরম্যাটের মাধ্যমে ফাইলগুলোকে একটি "zip file"-এ সংকুচিত করা যায়।
- Zip ফাইলগুলো দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে PKZip-এর জনপ্রিয়তা WinZip এবং WinRAR-এর মতো অন্যান্য প্রোগ্রামের দ্বারা কমে যায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৫২৮.
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম-
  1. ক) Fuchsia
  2. খ) Harmony
  3. গ) Symbian
  4. ঘ) Andromeda
ব্যাখ্যা
চীনা টেক জায়ান্ট হুয়াওয়ে উদ্ভাবিত অপারেটিং সিস্টেম হলাে হারমনি।
- এটি ২০১৯ সালের ৯ আগস্ট প্রথম অবমুক্ত করা হয়।
- এটি মাইক্রোকার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মাণ করা হয়।
- ইন্টারনেট অব থিংস বা সকল স্মার্ট ডিভাইসে এই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার উপযােগী।
[উৎসঃ হুয়াওয়ে ওয়েবসাইট]
৫২৯.
আর্টিফিসিয়াল ইনটেলিজেন্সের জনক কে?
  1. অ্যালান টুরিং
  2. চার্লস ব্যবেজ
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার
ব্যাখ্যা
রোবটিক্সের জনক - ফেড্রিক এঙ্গেলবার্গার
বিশ্বগ্রাম এর প্রবক্তা - মার্শাল ম্যাকলুহান
ফেসবুক এর প্রতিষ্ঠাতা - মার্ক জুকারবার্গ
WWW এর জনক - টিম বার্নারস লি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক - অ্যালান টুরিং
কম্পিউটারের জনক - চার্লস ব্যবেজ 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
৫৩০.
DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Data Development Language
  2. Data Definition Language
  3. Data Distribution Language
  4. Data Description Language
ব্যাখ্যা

• DDL-এর সম্পূর্ণ রূপ হলো Data Definition Language। এটি একটি বিশেষ ধরণের SQL ভাষা যা ডাটাবেসের কাঠামো বা স্ট্রাকচার তৈরি, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, নতুন টেবিল তৈরি করতে CREATE TABLE, বিদ্যমান টেবিল পরিবর্তন করতে ALTER TABLE, এবং টেবিল মুছে ফেলার জন্য DROP TABLE কমান্ড ব্যবহার করা হয়। DDL ডাটাবেসের স্কিমা বা কাঠামো সংজ্ঞায়িত করে, কিন্তু ডাটার উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি ডাটাবেস ডিজাইন এবং রক্ষণাবেক্ষণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ডেভেলপার এবং ডাটাবেস প্রশাসকদের জন্য অপরিহার্য। তাই DDL ডাটাবেস ম্যানেজমেন্টের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ল্যাঙ্গুয়েেজের মাধ্যমে ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি ও ডাটা মডিফিকেশন করা হয় থাকে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ ২ ধরনের -

১. Data Definition Language (DDL):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য সংরক্ষণ ও তথ্য অ্যাক্সেস করার জন্য DDL ব্যবহার করা হয়।

২. Data Manipulation Language (DML):
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে তথ্য যোগ (ইনসার্ট), মুছে ফেলা (ডিলিট), আপডেট এবং পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য DML ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩১.
এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের স্থান কোনটি?
  1. RAM
  2. SSD
  3. CPU register
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের প্রধান স্থান হলো ROM (Read-Only Memory)। ROM একটি স্থায়ী মেমরি যা পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ রাখতে সক্ষম। এম্বেডেড ডিভাইসের ফার্মওয়্যার হল সেই প্রোগ্রাম যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে এবং ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয়। RAM হলো অস্থায়ী মেমরি, যা শুধুমাত্র ডিভাইস চালু থাকা অবস্থায় তথ্য ধরে রাখে এবং পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারায়। SSD হলো স্টোরেজ ডিভাইস, যা সাধারণত ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যারের জন্য নয়। CPU register খুব সীমিত মেমরি যা দ্রুত হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়, ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ROM।

• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৫৩২.
12 এর 2's Complement কোনটি?
  1. ক) 11110100
  2. খ) 11110101
  3. গ) 11110000
  4. ঘ) 11111100
ব্যাখ্যা
২-এর পরিপূরক (2's Complement): 
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। 
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়। 

12 এর 2's Complement:
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100   

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৩৩.
কোনটি কম্পিউটারের ভাইরাস?
  1. ভিয়েনা
  2. ওয়ার্ম
  3. স্টোন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ভিয়েনা, ওয়ার্ম এবং স্টোন এই তিনটিই কম্পিউটার ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৪.
কত মেগাবাইটে ১ গিগাবাইট হয়?
  1. ১০২৮ মেগাবাইট
  2. ১০০০ মেগাবাইট
  3. ১০২৪ মেগাবাইট
  4. ১০৫০ মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
• বিট ও বাইট:
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

•  ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৫৩৫.
নিচের কোনটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস?
  1. বারকোড রিডার
  2. ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার
  3. ওসিআর
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে কোন ব্যাক্তির দেহের গঠন, জৈবিক বৈশিষ্ট্য (যেমন: আঙ্গুলের ছাপ, চোখের আইরিশ, মুখের গঠন ইত্যাদি) এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা হয়। 

• বায়োমেট্রিক ডিভাইস:
- বায়োমেট্রিক ডিভাইস এমন ইনপুট ডিভাইস যা বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে পরিচালিত হয়। 

• ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার হলো একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস
- এটি ব্যবহারকারীর আঙ্গুলের ছাপকে ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে এবং পূর্বে থেকে ডাটাবেজে সংরক্ষিত আঙ্গুলের ছাপের সাথে মিলিয়ে আইডেন্টিটি ভেরিফিকেশন করতে পারে। 
- এটি মূলত ত্বকের টিস্যু এবং ত্বকের নিচের রক্ত সঞ্চালনের উপর ভিত্তি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পদ্ধতিতে কাজ করে থাকে। 

অন্যদিকে,
• বারকোড রিডার → এটি পণ্য শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
• OCR (Optical Character Recognition) → এটি কাগজে মুদ্রিত লেখা শনাক্ত করে এবং তা ডিজিটাল টেক্সটে রুপান্তর করে। 
• স্ক্যানার → এটি কাগজের তথ্য ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৩৬.
n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা কত?
  1. n - 1 সংখ্যক
  2. n +1 সংখ্যক
  3. 2n সংখ্যক
  4. n সংখ্যক
ব্যাখ্যা
• n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা হয় n সংখ্যক।

কারণ, একটি n-বিট রেজিস্টার তৈরির জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ 1 বিট তথ্য ধরে রাখে।


• রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৩৭.
মনিটর কোন ধরনের হার্ডওয়্যার?
  1. স্টোরেজ হার্ডওয়্যার
  2. আউটপুট হার্ডওয়্যার
  3. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার
  4. ইনপুট হার্ডওয়্যার
ব্যাখ্যা

• মনিটর:

- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।

- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।

• প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—

১। ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube – CRT).
২। ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor).
 
• ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT – Cathode Ray Tube Monitor):

- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপাদান হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি—এই তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরের আবরণ থাকে।
- ফসফরের আবরণটি অসংখ্য ছোট ছোট বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত।
- এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজ্যুলশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪,০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেল বিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য, CRT মনিটর এখন অপ্রচলিত, কারণ এটি বেশি জায়গা নেয়, বেশি বিদ্যুৎ খরচ করে এবং LCD/LED/OLED ডিসপ্লের তুলনায় কম এনার্জি এফিসিয়েন্ট।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৩৮.
Cryosurgery কী?
  1. ক) অধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগে রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা
  2. খ) অধিক গরম তাপমাত্রায় নতুন টিস্যু সংযোজন করা
  3. গ) অধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগে নতুন টিস্যু সংযোজন করা
  4. ঘ) হৃদপিণ্ডে নতুন পেশীর সংযোজন 
ব্যাখ্যা

Cryosurgery এমন একটি পদ্ধতি যেখানে একটি অত্যন্ত ঠান্ডা তরল বা ক্রায়োপ্রোব নামক একটি যন্ত্র ব্যবহার করা হয় অস্বাভাবিক টিস্যু হিমায়িত এবং ধ্বংস করতে।
একটি ক্রায়োপ্রোবকে তরল নাইট্রোজেন, তরল নাইট্রাস অক্সাইড বা সংকুচিত আর্গন গ্যাসের মতো পদার্থ দিয়ে ঠান্ডা করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি

৫৩৯.
একটি NOT গেইটে ইনপুট high হলে আউটপুট কত?
  1. ক) Low
  2. খ) high
  3. গ) low-high
  4. ঘ) high low
ব্যাখ্যা
NOT গেইটে ইনপুট Low হলে আউটপুট high (1) হয়।
৫৪০.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) OMR
  2. খ) Scanner
  3. গ) MICR
  4. ঘ) OCR
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

• এমআইসিআর (MICR): 
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৪১.
Java প্রোগ্রামের জনক কে?
  1. ক) ডার্ট মাউথ
  2. খ) মার্শাল
  3. গ) জেমস গসলিং
  4. ঘ) ব্রায়ান কারনিহান
  5. ঙ) প্লেটো
ব্যাখ্যা
জেমস গসলিং ১৯৪৮ সালে সান মাইক্রোসিস্টেমে কর্মরত অবস্থায় জাভা (Java) প্রোগ্রাম উদ্ভাবন করেন।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৫৪২.
মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. অ্যাডার
  2. রেজিস্টার
  3. ডিকোডার
  4. এনকোডার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা- হাফ-অ্যাডার ও ফুল-অ্যাডার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৪৩.
(15.8125)10 = (?)8
  1. 15.97
  2. 17.64
  3. 21.42
  4. 25.73
৫৪৪.
নিচের অপশনগুলোর মধ্যে কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার?
  1. McAfee
  2. MS Word
  3. Photoshop
  4. Minecraft
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার কী:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হল এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও অপটিমাইজেশনের জন্য ব্যবহার করা হয়।
- এটি অপারেটিং সিস্টেমকে সহায়তা করে এবং কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা উন্নত করে।

উদাহরণ:
- অ্যান্টিভাইরাস (যেমন: McAfee, Avast),
- ডিস্ক ক্লিনআপ টুল,
- ব্যাকআপ সফটওয়্যার,
- ডিফ্র্যাগমেন্টেশন টুল।

- McAfee একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং সাইবার আক্রমণ থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে। তাই এটি একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
• MS Word:
- এটি একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা মূলত ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়।

• Photoshop:
- গ্রাফিক্স ডিজাইন সফটওয়্যার এটি একটি ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার, যা ফটো এডিটিং, ডিজাইন এবং রিটাচিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়।

• McAfee:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম, যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার থেকে কম্পিউটারকে সুরক্ষিত রাখে।
- এটি কম্পিউটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
- এটি ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং স্পাইওয়্যার দূর করতে সাহায্য করে।
- এটি অপারেটিং সিস্টেমের সুরক্ষার জন্য অপরিহার্য।

• Minecraft:
- ভিডিও গেম সফটওয়্যার এটি একটি স্যান্ডবক্স ভিডিও গেম, যা গেমিং ও বিনোদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়।

∴ McAfee একটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার, কারণ এটি কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৫৪৫.
হার্ড ডিস্কে ডেটা সংরক্ষণের একক কী?
  1. বাইট (Byte)
  2. হার্টজ (Hz)
  3. ভোল্ট (Volt)
  4. ওয়াট (Watt)
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোনো স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণের মৌলিক একক হলো "বাইট (Byte)"।
কম্পিউটারে ১ বাইট = ৮ বিট (Bit), যেখানে বিট (Bit) হলো ডেটার ক্ষুদ্রতম একক।

মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) হার্টজ (Hz) – এটি ফ্রিকোয়েন্সি বা প্রসেসরের স্পিড পরিমাপের একক।
গ) ভোল্ট (Volt) – এটি বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ পরিমাপের একক।
ঘ) ওয়াট (Watt) – এটি বিদ্যুতের ক্ষমতা (Power) পরিমাপের একক।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪৬.
A hard disk has the storage capacity of 500 GB. How many bytes of information it can store?
  1. 500 × 236 bytes
  2. 500 × 228 bytes
  3. 500 × 232 bytes
  4. 500 × 230 bytes
ব্যাখ্যা
⇒ ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
⇒ ২১০ বাইট = ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB),
⇒ ২১০ কিলােবাইট = ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB),
⇒ ২১০ মেগাবাইট  = ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB),

১ গিগাবাইট (GB) = ২১০ মেগাবাইট
= ২১০ × ২১০ কিলোবাইট 
= ২২০ × ২১০ বাইট 
= ২৩০ বাইট 

৫০০ গিগাবাইট (GB) = ৫০০ × ২৩০ বাইট 


উৎস: ব্রিটানিকা। 
৫৪৭.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে RAM স্থায়ী স্মৃতি স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার অনুপযোগী?
  1. Too slow
  2. Unreliable
  3. Volatility
  4. Too Bulky
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM. 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে র‍্যামের তথ্য মুছে যায় বিধায় এটি স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৪৮.
মডেম কী রূপে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. ক ও খ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেম ইনপুট আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
কতিপয় কিছু ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হলো টাচ স্ক্রিন, পাঞ্চকার্ড, প্রিন্টার-স্ক্যানার ইত্যাদি।
৫৪৯.
ওর্য়াকশীটে কী-বোর্ড হতে ডাটা কাট (Cut) করার প্রক্রিয়া কোনটি?
  1. ক) Ctrl + C
  2. খ) Ctrl + V
  3. গ) Ctrl + N
  4. ঘ) Ctrl + X
ব্যাখ্যা
- Ctrl + X দ্বারা কীবোর্ড হতে ডাটা কাট করা হয়।
- Ctrl + V দ্বারা ডাটা পেস্ট করা হয়।
- Ctrl + C  দ্বারা ডাটা কপি করা হয়।
- Ctrl + N দ্বারা ওর্য়াকশীটে নতুন ফাইল খোলা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি- ১, এসএসসি ও দাখিল ভোকেশনাল।
৫৫০.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল সিস্টেম নয়?
  1. FAT16
  2. HTTP
  3. NTFS
  4. HPFS
ব্যাখ্যা
HTTP কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নয়।
- এটি একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল, যা ওয়েব পেজ ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়, কোনো ফাইল সিস্টেম নয়।

• ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
- বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।
- ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
FAT16,
FAT32,
HPFS,
NTFS.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৫১.
পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়ে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশেষ করে পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, মহাকাশ গবেষণা এবং জটিল রাসায়নিক প্রক্রিয়ার বিশ্লেষণে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার হলো অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের একটি সমন্বিত রূপ, যেখানে অ্যানালগ অংশ ডেটা সংগ্রহ করে এবং ডিজিটাল অংশ সেই ডেটা বিশ্লেষণ করে ফলাফল প্রদান করে।

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫২.
কোন প্রজন্মে 'মডেম সংযোজনের' মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয়?
  1. ক) ৫ম প্রজন্মে
  2. খ) ২য় প্রজন্মে
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্মে
  4. ঘ) ৩য় প্রজন্মে
ব্যাখ্যা
• প্রজন্ম:
 - ২০০১ সালে জাপানের NTT DoCoMo প্রথম পরীক্ষামূলক ভাবে প্রথম তৃতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন ব্যবহার শুরু করে।
- তৃতীয় প্রজন্ম মোবাইল ফোনের ধারনা শুরু হয় ১৯৯২ সালে।
- তৃতীয় প্রজন্মে ইন্টারনেট সংযোগের ব্যবস্থা এবং মডেম সংযোজনের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে ইন্টারনেটের ব্যবহার করা হয়।
- এই প্রজন্মে মোবাইল ব্যাংকিং, ই-কমার্স সেবা কার্যক্রম, আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা, উচ্চগতিসম্পন্ন ডেটা স্থানান্তর চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৫৩.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত কোন সফটওয়্যার আনইন্সটল (Uninstall) করার জন্য কোন অপশনটি প্রয়োজন?
  1. User Account
  2. System and Security
  3. Ease of Access
  4. Control Panel
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার আনইনস্টলেশন এর জন্য কন্ট্রোল প্যানেল (Control Panel) এ গিয়ে আনইন্সটল সম্পন্ন করতে হয়।
৫৫৪.
অপ্রয়োজনীয় ও অপরিচিত অ্যাড্রেস থেকে আসা মেইলকে কী বলা হয়?
  1. ক) স্পুফিং
  2. খ) স্প্যাম
  3. গ) ফিশিং
  4. ঘ) হ্যাকিং
ব্যাখ্যা
স্প্যাম এর সংজ্ঞা হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে আগত কোন  অনাকাঙ্ক্ষিত, অপ্রাসঙ্গিক বা যুক্তিহীন  কোন তথ্য।

স্প্যাম হলো আমরা যখন ইন্টারনেট এর মাধ্যমে মোবাইল বা কম্পিউটার ব্যবহার করি তখন অনেক সময় দেখতে পাই বিভিন্ন মাধ্যমে আমাদের কাছে কিছু মেসেজ আসে। কিন্তু এই মেসেজগুলো আমরা জানিনা কে, কেন আমাদেরকে পাঠিয়েছেন। এ কাজগুলো হল স্প্যাম। আর যখন এ কাজগুলো করা হয় তাকে স্প্যামিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৫৫.
কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত রেজিস্টার কোন উপাদান বা প্রযুক্তির মাধ্যমে গঠিত হয়
  1. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. ট্রানজিস্টর
  3. হার্ডডিস্ক প্লেটার
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

◉ রেজিস্টার হলো ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের একটি মৌলিক উপাদান, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ফ্লিপ-ফ্লপ দিয়ে তৈরি হয়, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপগুলি বাইনারি ডেটা (0 এবং 1) সংরক্ষণ করতে সক্ষম।

রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৫৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ কী?
  1. অদৃশ্য জগৎ
  2. কৃত্রিম বাস্তবতা
  3. রোবটিক্স দ্বারা নিয়ন্ত্রণ
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা এমন একটি বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনা, যা বাস্তবে না হলেও বাস্তবের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- এতে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার হলো Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ত্রিমাত্রিক চিত্র তৈরির মাধ্যমে এমন কাজও সম্ভব করে, যা বাস্তবে করা প্রায় অসম্ভব।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়, এবং এটি ব্যবহারকারীদের কাছে বাস্তব পরিবেশের মতো মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫৫৭.
HTML-এর মূল ব্যবহার কী?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৫৫৮.
বুলিয়ান উপপাদ্য A + AB = ?
  1. ক) A
  2. খ) 0
  3. গ) 1
  4. ঘ) B
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য,
A + AB
= A . 1 + AB
= A (1 + B)
= A (B + 1)
= A . 1   [যেহেতু B + 1 = 1]
= A        [যেহেতু A . 1 = A]
৫৫৯.
নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?
  1. 1, 1
  2. 1, 0
  3. 0, 1
  4. 0, 0
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোন ইনপুট জোড়ের জন্য NAND গেইটে আউটপুট মিথ্যা হবে?

সমাধান: 


অর্থাৎ দুইটি সংকেত সত্যি হলেই আউটপুট মিথ্যা হবে।
৫৬০.
কোন প্রতিষ্ঠানে SQL তৈরি করা হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. Apple
  4. Google
ব্যাখ্যা
SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬১.
ALU এর গাণিতিক কাজের ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে কোথায় জমা থাকে?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Register
  4. Cache
ব্যাখ্যা

• ALU যখন কোনো অপারেশন (যেমন যোগ বা তুলনা) সম্পন্ন করে, তখন সেই ফলাফলটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে প্রসেস করার জন্য মেমোরি হিসেবে সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা 'অ্যাকিউমুলেটর' (Accumulator) নামক একটি বিশেষ রেজিস্টারে জমা রাখা হয়।
- এখান থেকেই কন্ট্রোল ইউনিট সিদ্ধান্ত নেয় ফলাফলটি পরবর্তী কোন ধাপে পাঠানো হবে।

• ALU (গাণিতিক যুক্তি অংশ):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- RAM: এটি একটি মেইন মেমোরি যা সিপিইউ-এর বাইরে থাকে এবং ALU সেখানে সরাসরি তাৎক্ষণিক আউটপুট জমা করে না।
- ROM: এটি একটি রিড-অনলি মেমোরি যেখানে স্থায়ী নির্দেশনা থাকে এবং এতে প্রসেসিংয়ের কাজ চলে না।
- Cache: এটি মূলত র‍্যাম ও প্রসেসরের মধ্যে গতির ভারসাম্য রক্ষা করে, সরাসরি ALU-এর আউটপুট রেজিস্টারের মতো গ্রহণ করে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৬২.
আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি তৈরিতে প্রধান উপাদান হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. তামা (Copper)
  2. সিলিকন (Silicon)
  3. লোহা (Iron)
  4. অ্যালুমিনিয়াম (Aluminium)
ব্যাখ্যা

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান উপাদান হলো সিলিকন
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।


উৎস: 
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Computer & ICT Cloud

৫৬৩.
সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত কোথায় ইনস্টল করা হয়?
  1. B ড্রাইভে
  2. C ড্রাইভে
  3. D ড্রাইভে
  4. E ড্রাইভে
ব্যাখ্যা
• সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রথম দিকের অপারেটিং সিস্টেমগুলো ছিল বর্ণভিত্তিক, যা নিয়ন্ত্রণ করা হতো বিভিন্ন মুখস্থকৃত কমান্ডের সাহায্যে।
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত C ড্রাইভে থাকে।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্সের জন্য সাধারণত C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের মেমোরির এমন একটি অংশ যেখানে কম্পিউটার চালনাকারী সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন গুলো অবস্থান করে।
- ফার্মওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস যা কম্পিউটার চালনার জন্য অত্যাবশ্যক।
- হার্ডডিস্ক বা SSD পার্টিশনের মাধ্যমে C ড্রাইভ, D ড্রাইভ, E ড্রাইভ সহ বিভিন্ন নামে বিভক্ত করা হয়।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

• উল্লেখযোগ্য অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলো:
- MS-DOS
- PC-DOS,
- WINDOWS 95/98/2000/XP/7,
- OS/2,
- UNIX,
- LINUX,
- MAC OS,
- Solaris,
- XENIX,
- WINDOWS NT ইত্যাদি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫৬৪.
নিচের কোনটি ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. লেজার প্রিন্টার
  2. থার্মাল প্রিন্টার
  3. লাইন প্রিন্টার
  4. ইংকজেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লাইন প্রিন্টার হচ্ছে একটি ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• প্রিন্টার
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৬৫.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. খ) অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. গ) সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।

৫৬৬.
১০১০১১০ সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক কোনটি?
  1. ক) ০১০১০১০
  2. খ) ০১০১০০১
  3. গ) ০১১১০০১
  4. ঘ) ০১০১০১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলােকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) গঠন পাওয়া যায়।
৫৬৭.
নিচের কোনটি ম্যালওয়্যার?
  1. নরটন
  2. ডার্কগেট
  3. এবিজি
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা
ডার্কগেট, ইমোটেট ও লোকিবট রাশিয়ান বহুজাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সেবাদাতা ক্যাসপারস্কি প্রকাশিত রিপোর্টে বিশেষ তিনটি সুপার ম্যালওয়্যারের কথা বলেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য (ডেটা) চুরি করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫৬৮.
A ও B দুটি রিলেশনাল টেবিল। একটি কী B টেবিলের জন্য ফরেন কী হলে, A টেবিলের জন্য কোন ধরনের কী হবে?
  1. ক) কম্পোজিট কী
  2. খ) ফরেন কী
  3. গ) প্রাইমারি কী
  4. ঘ) অলটারনেট কী
ব্যাখ্যা
কী ফিল্ড (Key):
সাধারণত কোন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় । এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

১। প্রাইমারি কী (Primary Key)
২। কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) 
৩। ফরেন কী (Foreign Key) 

প্রাইমারি কী: যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে ।

কম্পোজিট প্রাইমারি কী: অনেক ক্ষেত্রে দু'টি ফিল্ডের সমন্বয়ে প্রাইমারি কী গঠন করা হয়ে থাকে যার সাহায্যে ঐ টেবিলের যে কোন রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) সনাক্ত করা যায়। এ ধরনের প্রাইমারি কী কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary key) নামে পরিচিত।

ফরেন কী: রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

অলটারনেট কী :
কোন টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যতিত অন্য কী গুলোকে অলটারনেট কী বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫৬৯.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ভাষার ধরন?
  1. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. DDL ও DML
  3. মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. UI/UX ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL) ও ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML) এই দুইটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। 
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭০.
Natural Language Processing কোন প্রযুক্তির অংশ?
  1. Artificial intelligence 
  2. Networking
  3. Database
  4. Cyber Security
ব্যাখ্যা

Natural Language Processing হচ্ছে Artificial intelligence প্রযুক্তির অংশ। 

Natural Language Processing (NLP)
- Natural Language Processing (NLP) হল কম্পিউটারের মাধ্যমে প্রাকৃতিক ভাষার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
- NLP র অধ্যয়ন, কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি সাবফিল্ড, সাধারণত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে যুক্ত। 
- NLP মডেল তৈরি করার জন্য কম্পিউটেশনাল লিঙ্গুইস্টিকস, স্ট্যাটিস্টিকস, মেশিন লার্নিং এবং ডিপ-লার্নিং মডেল ব্যবহার করা হয়।
- আধুনিক NLP সিস্টেমে ডিপ-লার্নিং মডেল ও টেকনিক ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে "শিখতে" পারে।
- ভয়েস-অপারেটেড জিপিএস সিস্টেম, কাস্টমার সার্ভিস চ্যাটবট এবং ভাষা অনুবাদ প্রোগ্রামগুলোতে NLP ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও, ব্যবসায়ে গ্রাহকদের অনুসন্ধান আরও ভালোভাবে বুঝতে এবং গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করতে NLP ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৫৭১.
নিচের কোনটি ম্যাগনেটিক মেমরি?
  1. Hard Disk
  2. ROM
  3. RAM
  4. DVD
ব্যাখ্যা
উপাদান ভিত্তিক বিভিন্ন স্টোরেজ মিডিয়া:
অর্ধপরিবাহী মেমরি: ROM, RAM, Flash disk, Pendrive.
ম্যাগনেটিক মেমরি: Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape, Megnatic Stripes, Tape Drive.
অপটিক্যাল মেমরি: CD, DVD, Blue-ray Disk, Versatile Digital Disk, WORM.

উৎস: ব্রিটানিকা, geeksforgeeks.
৫৭২.
ডিকোডারের ইনপুট সংখ্যা 4 হলে আউটপুট হবে-
  1. ক) 4
  2. খ) 8
  3. গ) 16
  4. ঘ) 32
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন, 4টি বিট দিয়ে 24 = 16 টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৩.
রোবটের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে রোবোটিক্সে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. আইসি
  2. অ্যাকচুয়েটর
  3. প্রসেসর
  4. সেন্সর
ব্যাখ্যা

• রোবটের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে রোবোটিক্সে সাধারণত অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়। অ্যাকচুয়েটর হল এমন একটি যন্ত্রাংশ যা সিগন্যাল বা কমান্ড অনুযায়ী যান্ত্রিক আন্দোলন তৈরি করে। এটি বৈদ্যুতিক, হাইড্রোলিক বা পনোম্যাটিক শক্তি ব্যবহার করে রোবটের হাত, চাকা বা অন্যান্য অংশকে চলাচল করায় সক্ষম করে। প্রসেসর বা আইসি সাধারণত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও নির্দেশনা দেয়, আর সেন্সর পরিবেশ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, কিন্তু সরাসরি গতি তৈরি করে না।
- তাই, রোবটের সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত গতি অর্জনের জন্য অ্যাকচুয়েটরের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

• রোবট:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৭৪.
সাধারণ কম্পিউটারের র‍্যাম এর ধারণ ক্ষমতা কত হতে পারে?
  1. ক) 2 MB
  2. খ) 2 GB
  3. গ) 2 TB
  4. ঘ) NONE
ব্যাখ্যা
- RAM যার পুরো নাম Random Access Memory.
- এটি হলো এক ধরণের physical hardware যেটা কম্পিউটারের motherboard এ লাগানো থাকে। 
- এটির সাইজ কয়েক জিবি (,৪,৬,৮,১৬) হয়ে থাকে।

৫৭৫.
ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 2
  4. ঘ) 5
ব্যাখ্যা

ফাইল সংখ্যার উপর নির্ভর করে ডাটাবেজ দু'ধরনের হয়ে থাকে। যেমন, সাধারণ ডাটাবেজ এবং সম্পর্ক যুক্ত ডাটাবেজ।
(ক) সাধারণ ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একটি ফাইল থাকে।
(খ) সম্পর্কযুক্ত (Relational) ডাটাবেজ - এই ধরনের ডাটাবেজে একাধিক ফাইল থাকে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৫৭৬.
অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে কোন ঘটনাটি ঘটে?
  1. নয়েজ
  2. ব্লাকআউট
  3. ট্রানসিয়েন্ট
  4. ব্রাউন আউট
ব্যাখ্যা
- বিদ্যুৎ পাওয়ার লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। যথা-
১. ব্রাউন আউট:
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কোনো কারণে সরবরাহ লাইনে বিদ্যুতের ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলা হয়।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটানোর অক্ষমতার কারণে এ ঘটনা ঘটে। এক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

২. ব্লাকআউট:
- হঠাৎ বিদ্যুৎ চলে যাওয়াকে ব্লাক আউট বলে।
- সাধারণত প্রচণ্ড ঝড়, তুফান, বজ্রপাত প্রভৃতি কারণে ব্লাক আউট হতে পারে।
- ব্লাক আউটের কারণে কম্পিউটারের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে তাই ঝড়, তুফান ও বজ্রপাতের সময় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।

৩. ট্রানসিয়েন্ট:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন সৃষ্ট ভোল্টেজ বা কারেন্টের অপেক্ষাকৃত বড় ধরনের স্পাইককে ট্রানসিয়েন্ট বলা হয়।

৪. নয়েজ:
- সাধারণত প্রিন্টারের শব্দ, স্পিকারের উচ্চমাত্রার শব্দ, পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদি থেকে নয়েজ সৃষ্টি হয়ে থাকে।
- প্রিন্টার, ডিস্ক ড্রাইভ, স্পিকার ইত্যাদির নয়েজকে শাব্দিক নয়েজ এবং পাওয়ার সাপ্লাই, কুলিং ফ্যান ইত্যাদির নয়েজকে সিস্টেম নয়েজ বলা হয়।
- এ ধরনের নয়েজ কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যারের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৭৭.
কোন পদ্ধতিতে 2’s complement নির্ণয় করা হয়?
  1. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 2 যোগ করা
  2. প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা
  3. শুধু বাম দিকের বিট উল্টানো
  4. সংখ্যার সাথে সরাসরি 1 যোগ করা
ব্যাখ্যা

- প্রতিটি বিট উল্টিয়ে 1 যোগ করা পদ্ধতিতেই 2’s complement নির্ণয় করা হয়, কারণ প্রথমে 1’s complement নিয়ে পরে 1 যোগ করলে 2’s complement পাওয়া যায়।

• 2-এর পরিপূরক (2’s Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে, অর্থাৎ 0 এর স্থানে 1 এবং 1 এর স্থানে 0 বসিয়ে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে 1-এর পরিপূরক (1’s Complement) বলে।
- বাইনারি সংখ্যার 1-এর পরিপূরক বের করে তার সাথে 1 যোগ করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক (2’s Complement) বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের জন্য 2-এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

• 2’s Complement নির্ণয়ের ধাপ:
- প্রথম ধাপ: প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিট উল্টানো।
- দ্বিতীয় ধাপ: প্রাপ্ত 1’s complement সংখ্যার সাথে 1 যোগ করা।
- ফলাফলই হবে 2’s complement।

• উদাহরণ:
- 12 এর বাইনারি মান = 1100.
- 8-bit রেজিস্টারে মান = 00001100.
- 1’s complement = 11110011.
- 1’s complement + 1 = 11110100.
- সুতরাং, 12 এর 2’s complement = 11110100.
- এই পদ্ধতি কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৭৮.
লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য কোন html tag ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) < b >
  2. খ) < br >
  3. গ) < u >
  4. ঘ) < ul >
ব্যাখ্যা
< b >  - লাইন বোল্ড করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
< br > - লাইন ব্রেকের জন্য ব্যবহার করা হয়।
< u > - লেখাকে আন্ডারলাইন করার জন্য ব্যবহৃত।
< ul >  - কোন তালিকাকে আন অর্ডার লিস্ট আকারে প্রকাশ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫৭৯.
(10110)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করুন -
  1. ক) 21
  2. খ) 22
  3. গ) 27
  4. ঘ) 31
ব্যাখ্যা
(10110)2
= (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (0 × 20)
= 16 + 0 + 4 + 2 + 0
= (22)10
৫৮০.
কম্পিউটারে কোনটি নেই?
  1. ক) দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  2. খ) নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা
  3. গ) স্মৃতি
  4. ঘ) আইকিউ
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভূলভাবে করা যায়।
কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা (আইকিউ-Intelligence Quotient) করার ক্ষমতা নেই। মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুসারে এই যন্ত্র কাজ করে।
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে।
কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভূলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]

৫৮১.
00011001 এর 1's complement কোনটি?
  1. 1100 0011
  2. 001011000
  3. 11100111
  4. 11100110
ব্যাখ্যা

• ​একটি বাইনারি সংখ্যার 1’s complement বের করার জন্য প্রতিটি বিটকে উল্টাতে হয়, অর্থাৎ 0 কে 1 এবং 1 কে 0 করতে হয়। 
00011001 এর 1's complement হল 11100110


• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
00011001 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 11100110 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৮২.
কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) ইন্টারপ্রেটার
  2. খ) এসেম্বলার
  3. গ) ওরাকল
  4. ঘ) কম্পাইলার
ব্যাখ্যা
- উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক সফটওয়্যার।
- অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার। যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার
- এসেম্বলার ও কম্পাইলার উভয়েই গৌণ মেমোরিতে থাকে। প্রয়োজনের সময় তাদেরকে র‍্যামে আনা হয়।
- কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে পড়ে এবং অনুবাদ করে।
-অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার বস্তু প্রোগ্রামে অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয় ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫৮৩.
টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ কোথায় জমা হয়?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) রম
ব্যাখ্যা
ক্যাশ মেমোরিতে টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ কোথায় জমা হয়। 

-  ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়। 

সোর্স: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।
৫৮৪.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
  1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. খ) ব্যবহারিক সফটওয়্যার
  3. গ) প্রকাশনা সফটওয়্যার
  4. ঘ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হচ্ছে এক ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ, বিশ্লেষণ, বিভিন্ন প্রকার ভাইরাস থেকে সুরক্ষা, ডেটা ও প্রোগ্রামের ব্যাক-আপ, ডিজাস্টার রিকভারিসহ বিভিন্ন প্রকার কাজের সুবিধা প্রদান করে।

অ্যান্টিভাইরাস (ইংরেজি: Antivirus) বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরন, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
৫৮৫.
কোনটি DBMS সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. HTML
  2. Python
  3. Oracle
  4. Java
ব্যাখ্যা

• DBMS বা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধারের কাজ সহজ করে। প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলো মধ্যে Oracle হলো পরিচিত DBMS সফটওয়্যার। Oracle ব্যবহার করে বড় এবং জটিল ডেটাবেস সহজভাবে তৈরি, সংরক্ষণ এবং ম্যানেজ করা যায়। অন্যদিকে, HTML হলো একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েবপেজ তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, Python হলো একটি প্রোগ্রামিং ভাষা, এবং Java হলো আরও একটি প্রোগ্রামিং ভাষা। এই তিনটি সফটওয়্যার DBMS নয়, বরং প্রোগ্রামিং বা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের কাজে আসে। তাই DBMS হিসেবে শুধুমাত্র Oracle সঠিক উত্তর।
 
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৫৮৬.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় প্রধানত কোন প্রোগ্রামিং ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. Prolog
  2. JAVA
  3. J2EE
  4. C
ব্যাখ্যা
• Prolog programming language is used for Artificial Intelligence.
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, CLISP, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫৮৭.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই?
  1. বাইনারি
  2. ডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করার জন্য ২টি অঙ্ক বা প্রতীক ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
যেমন-(১০১০)।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে যেহেতু ০ এবং ১ এই দুইটি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি হচ্ছে ২ (দুই) । 
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ মোট ২টি মৌলিক অঙ্ক আছে। 
- বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে কম্পিউটারের সমস্ত যোগ বিয়োগ ও অন্যান্য কার্যাদি সম্পন্ন করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫৮৮.
একটি কাউন্টার সার্কিট প্রধানত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য সংরক্ষণ
  2. সংকেত বৃদ্ধি
  3. ক্লক পালস গণনা
  4. তথ্য এনকোডিং
ব্যাখ্যা

• একটি কাউন্টার সার্কিট মূলত ক্লক পালস গণনা করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ধরণের ডিজিটাল লজিক সার্কিট, যা এক বা একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে ক্রমান্বয়ে ইনক্রীমেন্ট বা ডিক্রিমেন্ট করতে পারে। কাউন্টার সার্কিট সময়ের সাথে পালসের সংখ্যা নির্ধারণে, নির্দিষ্ট ইভেন্ট গণনা করতে, টাইমার, ডিভিশন এবং সিকোয়েন্সিয়াল লজিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ডিজিটাল ঘড়ি বা মাইক্রোপ্রসেসর সিস্টেমে কাউন্টার পালসের সংখ্যা গণনা করে সময় মাপতে সাহায্য করে। তাই, এটি কোনো তথ্য সংরক্ষণ, সংকেত বৃদ্ধি বা এনকোডিং-এর জন্য নয়, বরং ক্লক বা ইভেন্টের গণনা করার জন্য ডিজাইন করা হয়।

- সঠিক উত্তর: গ) ক্লক পালস গণনা।
 
কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৮৯.
"DarkHotel" মূলত কী?
  1. স্পাইওয়ার
  2. র‍্যামসমওয়্যার
  3. এন্টিভাইরাস
  4. অ্যাডওয়‍্যার
ব্যাখ্যা
• DarkHotel হল একটি স্পাইওয়ার প্রকারের ম্যালওয়্যার। এটি মূলত হোটেল বা পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে গোপন তথ্য চুরি করার জন্য ডিজাইন করা হয়। DarkHotel হ্যাকারেরা সাধারণত ব্যবসায়িক যাত্রীদের লক্ষ্য করে এবং তাদের ডিভাইসে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে। এটি খুবই ছলনাময় এবং ব্যবহারকারীদের সচেতন না থাকার সুযোগ নিয়ে কাজ করে। DarkHotel স্পাইওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে নজরদারি করা হয় এবং ডাটা লিক বা ক্ষতি করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ক) স্পাইওয়ার।

অন্যদিকে,
• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়‍্যার (Adware).

• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-

- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
৫৯০.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) সাইবেজ
  3. গ) বেজ
  4. ঘ) পাওয়ারপয়েন্ট
ব্যাখ্যা

পাওয়ার পয়েন্টকে উপস্থাপনা তৈরির অ্যাপ্লিকেশন বা প্রেজেন্টেশন ডেভেলপমেন্ট অ্যাপ্লিকেশন বলা হয়।
ডাটাবেজ হলো একটি তথ্য সংরক্ষণের ব্যবস্থা, যেখানে প্রয়োজনীয় তথ্য প্রথমে সংগ্রহ করা হয়, সেগুলিকে জমা রাখা হয়, এবং প্রয়োজন বিশেষে সেখান থেকে এক্সসেস করা যায়।
ডাটাবেজ গুলিকে বিভিন্ন হিসেব-নিকেশ, বার্ষিক রিপোর্ট, বিভিন্ন স্কুল কলেজের পরীক্ষার ফলাফল তৈরি ও সংরক্ষণ প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৯১.
কম্পিউটারের প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) ADA
  2. খ) C++
  3. গ) FORTRAN
  4. ঘ) PASCAL
ব্যাখ্যা

ADA - 1980
C++ - 1985
FORTRAN - 1957
PASCAL - 1970

৫৯২.
বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার (আইবিএম - ১৬২০ সিস্টেম) কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. ক) বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল
  2. খ) জাতীয় যাদুঘর
  3. গ) জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরএ ২০০১ সালের ১৭ জুলাই তথ্যপ্রযুক্তি গ্যালারী চালু হয়।
- এই গ্যালারী চালুর মাধ্যমে কম্পিউটারের বিবর্তন তুলে ধরা ও আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির সাথে স্কুল কলেজের ছাত্র/ছাত্রীদের পরিচয় করিয়ে দেয়া সম্ভব হচ্ছে।
- এটি মূলত বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার থেকে শুরু করে আধুনিক কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক সংগ্রহশালা।
- এই গ্যালারীতে আ্যানালগ কম্পিউটার, আইবিএম ১৬২০, আইবিএম ১৪০১, আইবিএম ৩৭০, আইবিএম ৪৩৩১, হানিওয়েল ডি পি এস ৬, আইবিএম পিসি সহ কম্পিউটার সম্পর্কিত বিভিন্ন চার্ট প্রদর্শীত হচ্ছে।।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৫৯৩.
নিচের কোনটিতে এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. এলইডি লাইট
  3. মাউস
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
♦ এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস:  Computerhope Website.
৫৯৪.
স্লাইড রুল কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. Digital computer
  2. Analog Computer
  3. Quantum computer
  4. Hybrid computer
ব্যাখ্যা
• স্লাইড রুল হচ্ছে "Analog Computer"।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):

- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৫.
কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
  1. পেটাবাইট
  2. গিগাবাইট
  3. এক্সাবাইট
  4. টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
৮ বিট = ১ বাইট
১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট
১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট
১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট
১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট
১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট
১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট
[সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)]
৫৯৬.
কোন ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়ে
  2. বৈজ্ঞানিক গবেষণায়
  3. পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়
  4. উপরের সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• উপরের  সকল ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• গঠন ও কাজের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

২. ডিজিটাল কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বাইনারি পদ্ধতিতে অর্থাৎ ডিজিটাল পদ্ধতিতে ক্রিয়া সম্পন্ন করে, সেসব কম্পিউটারকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য ডিজিটাল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সিগন্যালের পরিবর্তে ডিজিট (0/1) ব্যবহার করে।
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

৩. হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
• হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো-
- মিসাইল,
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা,
- নভোযান,
- রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়,
- পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়,
- পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ।
- বর্তমানে হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫৯৭.
নিচের কোনটি দিয়ে কম্পিউটার কমান্ড বা নির্দেশ দেয়?
  1. ক) সিপিইউ
  2. খ) কী-বোর্ড
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড একটি কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  
- ইহা কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস।
- কী-বোর্ড দিয়ে কম্পিউটারকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয়। 
- ব্যবহারকারী কিবোর্ডে সংখ্যা, অক্ষর টাইপ করে থাকে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৫৯৮.
"বুট সেক্টর" হলো একটি-
  1. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  2. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা
৫৯৯.
নট গেইটের ইনপুট ০ হলে আউটপুট কত? 
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬০০.
ছবিকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে কম্পিউটারে নেয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওএমআর
  2. ওয়েব ক্যামেরা
  3. জয়স্টিক
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
• স্ক্যানার:
- কোন ছবিকে ডিজিটাল সিগন্যালে রুপান্তর করে কম্পিউটারে নেয়ার জন্য স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়।
- মডেলভেদে স্ক্যানারের আকৃতি বিভিন্ন রকম হয়।

• বর্তমান সময়ে বিচিত্র ধরনের স্ক্যানার বাজারে প্রচলিত রয়েছে তবে স্ক্যানিংয়ের প্রকৃতি অনুসারে একে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. ফ্লাটবেড স্ক্যানার (Flatbed Scanner)
2. ড্রাম স্ক্যানার (Drum Scanner)
3. হ্যান্ড হেল্ড স্ক্যানার (Hand held Scanner)

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।