বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৫৯ / ৮২ · ৫,৮০১৫,৯০০ / ৮,১৪১

৫,৮০১.
SQL কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা:
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ যদিও 4GL এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার।
- 4GL এর সাহায্যে সহজেই অ্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- অধিকাংশ চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষাসমূহ (যেমন: SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। 
- SQL, NOMAD, RPG III, FOCUS, Intellect BPM ইত্যাদি কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০২.
মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য কোন অপারেটিং সিস্টেমটি খুবই উপযোগী?
  1. ক) ম্যাকিনটোশ
  2. খ) ইউনিক্স
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সর্বাপেক্ষা পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে ইউনিক্স পরিচিত। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কিন টমসন এবং ডেনিস রিচি প্রথম ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন। মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটি খুবই উপযোগী। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮০৩.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. 1 kilobyte = 1000 bytes
  2. 1 megabyte = 1024 bytes
  3. 1 kilobyte = 1024 bytes
  4. 1 megabyte = 1000 bytes
ব্যাখ্যা
• 1 byte (B) = 8 bits
• 1 kilobyte (KB) = 1024 bytes
• 1 megabyte (MB) = 1024 kilobytes
• 1 gigabyte (GB) = 1024 megabytes
• 1 terabyte (TB) = 1024 gigabytes
• 1 petabyte (PB) = 1024 terabytes
• 1 exabyte (EB) = 1024 petabytes
• 1 zettabyte (ZB) = 1024 exabytes
• 1 yottabyte (YB) = 1024 zettabytes


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,৮০৪.
ROM-এ স্থায়ীভাবে যে সফটওয়্যার রাখা থাকে তাকে কী বলে?
  1. ম্যালওয়্যার
  2. ফার্মওয়্যার
  3. ভাইরাস
  4. ফ্লিপ-ফ্লপ
ব্যাখ্যা

ফার্মওয়্যার হলো সেই সফটওয়্যার যা ROM-এ থাকে এবং হার্ডওয়্যার চালাতে সাহায্য করে।

ROM এবং Firmware:
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory. 
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না। 
- ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম Firmware. 
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তা কে ফার্মওয়্যার বলে। 
- এ জাতীয় প্রোগ্রাম কেবলমাত্র কম্পিউটারের পর্দায় দেখা যায়। 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী কর্তৃক এ জাতীয় প্রোগ্রামকে কোন পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকে না। 
যেমন: কম্পিউটার রান করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের মনিটরে বেশ কিছু তথ্য দেখা যায়। এগুলো ফার্মওয়্যারের আউটপুট।
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১সংস্করণ)।

৫,৮০৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. SQL
  2. Blu Ray
  3. CIH
  4. SPSS
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো: ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
-সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল (Chernobyl) ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাইরাসের নাম হলো: - ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

• SQL হলো ডেটাবেজ মেনেজমেন্ট প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• Blueray হচ্ছে অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম।
• SPSS হলো Statistical software.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার পেরিফেরাল?
  1. ক) অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) প্রসেসর
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার পেরিফেরাল বলতে ঐ সকল হার্ডওয়্যারকে বোঝায় যেগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যপরিধি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কম্পিউটার পেরিফেরালকে তিনভাগে ভাগ করা হয়-
১. কম্পিউটার স্টোরেজ
২. ইনপুট যন্ত্রপাতি
৩. আউটপুট যন্ত্রপাতি

৫,৮০৭.
যে বর্তনীতে দুটি ইনপুট যোগ করলে ১টি সাম ও ১টি ক্যারি থাকে তাকে বলে-
  1. ক) হাফ অ্যাডার
  2. খ) ফুল অ্যাডার
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
হাফ অ্যাডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে হাফ অ্যাডার বলা হয়।
- দুইটি বিট A ও B যোগ করে এই বর্তনী হতে যোগফল (S) এবং হাতের সংখ্যা বা ক্যারি (C) পাওয়া যায়।
- ক্যারি যোগের ব্যবস্থা থাকে না বলে এই বর্তনীকে অর্ধযোগের বর্তনী বলে। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮০৮.
কোন গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নট গেইট
  4. ঘ) নর গেইট
ব্যাখ্যা
অর গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

অ্যান্ড গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

নট গেইট
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।

নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫,৮০৯.
ইউনিকোডে মোট কতগুলো ভিন্ন অক্ষরকে কোডের অন্তর্ভুক্ত করা যায়?
  1. 22
  2. 24
  3. 28
  4. 216
ব্যাখ্যা

ইউনিকোডে প্রতিটি ভাষার জন্য চারটি বাইট পর্যন্ত 216 বা ৬৫৫৩৬ স্থান সংরক্ষণ করা আছে।

৫,৮১০.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছিল?
  1. Intel
  2. AMD 
  3. IBM
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল (Intel) নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮১১.
নিচের কোনটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরির উপাদান?
  1. ইফেক্টর
  2. জিওমেট্রি
  3. রিয়েলিটি সিমুলেটর
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তৈরির উপাদানসমূহ:
• ইফেক্টর:
- ইফেক্টর হলো ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের ইন্টারফেস ডিভাইস।
- এটি ব্যবহারকারীকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির পরিবেশের সাথে সংযুক্ত করে।
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে বা HMD, ডেটা গ্লোভ (Data Glove), পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) ইত্যাদি এর উদাহরণ।

• রিয়েলিটি সিমুলেটর:
- এটি এক ধরনের হার্ডওয়্যার, যা ইফেক্টরকে সংবেদনশীল তথ্য সরবরাহ করে। যেমন: বিভিন্ন ধরনের সেন্সর, ট্রান্সসিউডার, উচ্চ মানের অডিও ও ভিডিও ব্যবস্থা, রিয়েলিটি ইঞ্জিন ইত্যাদি।

• অ্যাপ্লিকেশন:
- ভার্চুয়াল পরিবেশ ও প্রাসঙ্গিকতা তৈরিতে বিভিন্ন সিমুলেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- অটোডেস্কের তৈরি ডিভিশন (Division), যা সাধারণত ইন্টেল প্রসেসর সংবলিত পিসিতে ব্যবহৃত হয়।

• জিওমেট্রি:
- জিওমেট্রি হলো ভার্চুয়াল পরিবেশের বিভিন্ন বস্তুর বাহ্যিক বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত তথ্যাবলি। যেমন- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত ত্রিমাত্রিক মডেলসমূহকে অটোডেস্ক, থ্রিডি স্টুডিও ম্যাক্স বা মায়া প্রভৃতি সফটওয়্যার ব্যবহার করে তৈরির পর এই ফাইলগুলোকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে রেন্ডারিং ও অথোরিং-এর জন্য এক্সপোর্ট করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,৮১২.
ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারকে কী বলা হয়? 
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মিনিকম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): 
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো। 
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে। 
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়। 
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়। 
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন। 
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়। 
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৩.
নিচের কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) Prolog
  2. খ) Mercury
  3. গ) Assembly
  4. ঘ) SQL
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:

১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। 
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl.
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৮১৪.
পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. XOR
  2. NOT
  3. OR
  4. AND
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
 
OR gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
AND gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
NOT gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
 
অন্যদিকে,
- XOR গেইট একটি বিশেষ গেইট।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৮১৫.
হাফ-ডুপ্লেক্স মোডে ডেটা ট্রান্সফার করে কোনটি?
  1. পেজার
  2. ওয়াকিটকি
  3. মাউস
  4. কী বোর্ড
ব্যাখ্যা
• ডেটা ট্রান্সমিশন মোড:
- দুটি ডিভাইসের মধ্যে ডেটা প্রবাহের দিক নির্দেশককে ডেটা ট্রান্সমিশন বা ডেটা কমিউনিকেশন মোড বলে।
- ডেটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
১. সিমপ্লেক্স মোড:
- এই পদ্ধতিতে শুধু একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যায়। প্রেরক শুধু ডেটা প্রেরণ করে এবং গ্রাহক শুধু ডেটা গ্রহণ করে। যেমন- কী বোর্ড, মাউস, পেজার ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়, তবে একইসাথে প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায় না। যেমন- ওয়াকিটকি, ফ্যাক্স, এসএমএস ইত্যাদি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স:
এই পদ্ধতিতে দুইদিকে একইসাথে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণ করা যায়। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
৫,৮১৬.
Spreadsheet Package Program এর উদাহরণ কোনটি?
  1. Word Note
  2. Ms-Excel
  3. Ms-Word
  4. Word Perfect
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৭.
In MS PowerPoint, what is the shortcut key to go to the Insert tab?
  1. shift+S
  2. Ctrl+0
  3. Alt+H
  4. Ctrl+W
  5. Alt+N
ব্যাখ্যা
This table lists the most frequently used shortcuts in Excel:
• Close a workbook - Ctrl+W
• Open a workbook - Ctrl+O
• Go to the Home tab - Alt+H
• Save a workbook - Ctrl+S
• Copy selection - Ctrl+C
• Paste selection - Ctrl+V
• Undo recent action - Ctrl+Z
• Remove cell contents - Delete
• Choose a fill color - Alt+H, H
• Cut selection - Ctrl+X
• Go to the Insert tab - Alt+N
• Apply bold formatting - Ctrl+B
• Center align cell contents - Alt+H, A, C
• Go to the Page Layout tab - Alt+P
• Go to the Data tab - Alt+A
• Go to the View tab - Alt+W
• Open the context menu - Shift+F10 or Windows Menu key
• Add borders - Alt+H, B
• Delete column - Alt+H, D, C
• Go to the Formula tab - Alt+M
• Hide the selected rows - Ctrl+9
• Hide the selected columns - Ctrl+0

উৎস: Microsoft Support. [Link]
৫,৮১৮.
নিচের কোনটি কী ফিল্ডের ধরন নয়?
  1. প্রাইমারি কী
  2. সেকেন্ডারি কী
  3. ফরেন কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) সেকেন্ডারি কী।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮১৯.
নিচের কোনটি CPU এর অংশ নয়?
  1. গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
  2. নিয়ন্ত্রণ/কন্ট্রোল ইউনিট
  3. হার্ডডিস্ক
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

Hard Disk হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU-এর বাইরের অংশ।

• CPU (Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেনস্টর্ম হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর উপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit),
৩। রেজিস্টার বা মেমোরি ইউনিট।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৫,৮২০.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে কোন ড্রাইভটি অধিক গতি এবং উপযুক্ত সামঞ্জস্য প্রদান করে?
  1. F Drive
  2. E Drive
  3. D Drive
  4. C Drive
ব্যাখ্যা
⚪ Windows OS সাধারণত ইনস্টল করার জন্য C ড্রাইভ ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি ডিফল্ট সিস্টেম ড্রাইভ এবং সিস্টেম ফাইলগুলোর জন্য অপটিমাইজড থাকে। অধিকাংশ কম্পিউটার বা ল্যাপটপে C ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল থাকে, যা উন্নত গতি এবং কম্প্যাটিবিলিটি নিশ্চিত করে।

⚪ অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।

- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।

- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: lenovo [লিংক]
৫,৮২১.
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবক-
  1. অ্যাপল
  2. আইবিএম
  3. গুগল
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবক মাইক্রোসফট।

উইন্ডোজ:
- এটি ১৯৮৫ সালে প্রথম তৈরি হয়।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল এলেন।
- এটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI)।
-মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং পল এলেন। 
- উইন্ডোজের বিভিন্ন সংস্করণ, যেমন Windows 95, Windows XP, Windows 7, Windows 10, ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
৫,৮২২.
Booting বলতে কী বুঝায়?
  1. To scan
  2. Restarting computer
  3. To turn off
  4. Install the program
ব্যাখ্যা
- The process of starting or restarting a computer system by loading instructions from a secondary storage device into the computer memory is called booting.
- In computing, booting is the process of starting a computer.
- The booting process refers to starting a computer by pushing the power button or opening a laptop lid.

• বুটিং:
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮২৩.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. প্রজেক্টর
  2. প্রিন্টার
  3. লাইটপেন
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব পেরিফেরালস বা যন্ত্রপাতিসমূহ ব্যবহার করে কম্পিউটারকে ডেটা প্রদান ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য কাজের নির্দেশ প্রদান করা হয়, তাদেরকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়। 
- কয়েকটি ইনপুট ডিভাইস হলো- কীবোর্ড (Keyboard), মাউস (Mouse), মাইক্রোফোন (Micropkone), স্ক্যানার (Scanner), মডেম (Modem), গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet), ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), লাইটপেন (Light Pen), টাচস্ক্রিন (Touch Screen), ট্র্যাকবল (Trackball) এবং ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, 
- প্রিন্টার, স্পিকার, প্রজেক্টর হলো আউটপুট ডিভাইস যা দিয়ে সংরক্ষিত বা প্রক্রিয়াজাত তথ্য কম্পিউটার ব্যবহারির কাছে প্রদর্শন করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮২৪.
Fifth generation computers are likely to exhibit
  1. ক) artificial intelligence
  2. খ) heuristic behaviour
  3. গ) advanced parallel processing
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
No explanation added
৫,৮২৫.
যে লজিক গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ইনপুটকেই 1 হতে হয়। সেটি হল-
  1. ক) XOR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
NOT গেট একটি ইনপুটের বিপরীত অবস্থান তৈরি করে। AND গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম এবং দ্বিতীয় দুটি ইনপুটকেই 1 হতে হয়। OR গেটের আউটপুট 1 হওয়ার জন্য প্রথম অথবা দ্বিতীয় যে কোনােটি অথবা দুটিই 1 হতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
৫,৮২৬.
সিপিইউ-এর স্পিড সাধারণত কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Megapixels
  3. Gigahertz
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। 

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮২৭.
গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নির্দেশ প্রদান করে কে?
  1. ক) ALU
  2. খ) Control Unit
  3. গ) Register
  4. ঘ) BIOS
ব্যাখ্যা
সিপিইউ-এর সংগঠন
সিপিইউ তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ 
৩. স্মৃতি অংশ

নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)

- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি
করা।
- যেমন: গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৮২৮.
Who developed Python Programming Language?
  1. Guido van Rossum
  2. Wick van Rossum
  3. Rasmus Lerdorf
  4. Niene Stom
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High-Level Language and
5. Natural Language.

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৮২৯.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজ করার জন্য কোন সফটওয়্যার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Blender
  2. Audacity
  3. VLC Media Player
  4. MATLAB
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজ করার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Blender। Blender মূলত একটি ওপেন-সোর্স ৩ডি গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, যা মডেলিং, অ্যানিমেশন, রেন্ডারিং এবং ইন্টারেক্টিভ সিমুলেশন তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। VR সিমুলেশন তৈরিতে ৩ডি অবজেক্ট তৈরি, পরিবেশ ডিজাইন এবং অ্যানিমেশন সংযুক্ত করার কাজগুলো Blender দিয়ে করা যায়। অন্যদিকে, Audacity হলো অডিও এডিটিং সফটওয়্যার, VLC Media Player হলো ভিডিও প্লেয়ার, এবং MATLAB মূলত গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পিউটেশন-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই VR সিমুলেশন ডিজাইন এবং ম্যানেজমেন্টে Blender সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: ক) Blender.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৫,৮৩০.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কি দিয়ে?
  1. ক) অ্যালুমিনিয়াম
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
সিলিকন সাশ্রয়ী, সহজলভ্য ও অন্যান্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটার চিপ, সিলিকন ডায়োড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিকস সার্কিট তৈরীতে ব্যবহৃত হয়।
৫,৮৩১.
মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. Mouse
  2. Control Unit
  3. Keyboard
  4. RAM
ব্যাখ্যা
• মেমোরি এবং ALU (Arithmetic Logic Unit)-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে খ) Control Unit. কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মেমোরি এবং ALU-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। এটি নির্দেশাবলী গ্রহণ করে সেগুলো বিশ্লেষণ করে এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা অনুযায়ী ALU এবং মেমোরির মধ্যে তথ্যের আদান-প্রদান পরিচালনা করে। কন্ট্রোল ইউনিট প্রসেসরের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে, যাতে সঠিক সময়ে সঠিক কাজ সম্পন্ন হয়। অন্যদিকে, মাউস ও কীবোর্ড ইনপুট ডিভাইস, আর RAM হলো মেমোরির ধরন, তাই এরা সরাসরি ALU ও মেমোরির সংযোগ স্থাপন করে না। তাই মেমোরি ও ALU-এর মধ্যে সংযোগের কাজ কন্ট্রোল ইউনিটের।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে তথ্যের প্রয়োজনীয়তা, সহায়ক মেমরি হতে প্রধান মেমরিতে তথ্য নেয়া, ইনপুট হতে উপাত্ত নেয়া, ফলাফল প্রদর্শন এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। 
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্ট্রাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩২.
কোন ফিল্ডটি ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. টেবিল ফিল্ড
  2. রিলেশন ফিল্ড
  3. কী ফিল্ড 
  4. ডাটা ফিল্ড
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেজে রেকর্ড সনাক্তকরণ ও বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য কী ফিল্ড (Key Field) ব্যবহার করা হয়। কী ফিল্ড হলো একটি বিশেষ ধরনের ফিল্ড যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে সাহায্য করে, যাতে একই টেবিলে কোনো রেকর্ড পুনরাবৃত্তি না হয়। এছাড়া, কী ফিল্ড ব্যবহার করে এক টেবিলকে অন্য টেবিলের সাথে যুক্ত করা যায়, যা রিলেশনাল ডাটাবেজের মূল ভিত্তি। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি ছাত্রদের টেবিল এবং তাদের রেজিস্ট্রেশন তথ্যের টেবিল থাকে, তাহলে ছাত্রদের ইউনিক আইডি ফিল্ডকে কী হিসেবে ব্যবহার করে দুইটি টেবিলের রেকর্ড সংযোগ করা যায়। তাই রেকর্ড সনাক্তকরণ এবং টেবিলের মধ্যে সম্পর্কের জন্য সঠিক উত্তর হলো গ) কী ফিল্ড।
 
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৩৩.
প্রোগ্রামিং-এর সময়ে ডেটার ফরম্যাট ঠিক না থাকলে কোন ভুল সংঘটিত হয়?
  1. Logical error
  2. Syntax error
  3. Coding error
  4. Run time and Execution error
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের ভুলকে তিনভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
- সিনট্যাক্স ভুল (Syntax error) -- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- লজিক ভুল (Logical error) -- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল।
- রান টাইম ও এক্সিকিউশন ভুল (Run time and Execution error) -- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরম্যাট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরর দেখায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৮৩৪.
(111011)2, (101011)2 সংখ্যা দুটি যোগ করুন।
  1. 1100110
  2. 010000
  3. 111011
  4. 101011
ব্যাখ্যা
• বাইনারি যোগ (Binary Addition):
- বাইনারি যোগ দশমিক সংখ্যার যোগের মত বাইনারি সংখ্যায় বিটগুলো যোগের পর হাতে যে সংখ্যা থাকে, তা বামের বিটের সাথে যোগ হয়।
- দুটি বাইনারি অংক বা বিটের যোগের সময় চারটি ভিন্ন ভিন্ন অবস্থা দেখা যায়। যেমন:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1), যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।
আবার 1 + 1 + 1 = 1 বসে এবং হাতে থাকে 1 (ক্যারি 1)।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৫,৮৩৫.
আধুনিক এম এস ডসের ভিত্তি কোনটি?
  1. PC DOS
  2. P DOS
  3. Q DOS
  4. CP/QM
ব্যাখ্যা
• এমএস ডস (MS DOS):
- আমরা বর্তমানে যে ডস ব্যবহার করি তার উদ্ভব সত্তর দশকের একবারে শেষের দিকে।
- সেই সময়ে টিম প্যাটার্সন কিউ ডস (Q DOS) নমে একটি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেন।
- Q DOS-ই আধুনিক এম এস ডসের ভিত্তি।
- সিপি/এম (CP/M) নামে আর একটি অপারেটিং সিস্টেম কিউ এস ডসের ভিত্তি।
- আইবিএম কোম্পানি ১৯৮০ সালে একটি চুক্তির মাধ্যমে ঠিক করেন তাদের মাইক্রোকম্পিউটারগুলোর অপারেটিং সিস্টেম হবে ডস।
- আইবিএম এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব দেয় মাইক্রোসফট কর্পোরেশনকে।
- মাইক্রোসফট তখন সিপি/এম অপারেটিং সিস্টেমকে ভিত্তি করে এমএস ডসের উন্নয়নের কাজ করে।
- ১৯৮১ সালে ডসের প্রথম ভার্সন বাজারে আসে।
- এমএস ডস খুব কম স্মৃতি সম্পন্ন কম্পিউটারে চলানোর উপযোগি করে তৈরি করা হয়।
- বর্তমানে এমএস ডস সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৮১ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এমএস ডসের বারটি ভার্সন বরে হয়েছে।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৩৬.
(100101)2   = (?)10
  1. 37
  2. 25
  3. 39
  4. 41
ব্যাখ্যা
(100101)₂ = (1 × 2⁵) + (0 × 2⁴) + (0 × 2³) + (1 × 2²) + (0 × 2¹) + (1 × 2⁰) = (37)₁₀
৫,৮৩৭.
মিনি কম্পিউটারের জনক-
  1. কেনেথ ওলসেন
  2. এডওয়ার্ড রবার্ট
  3. রবার্ট নাইসি
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
• কেনেথ ওলসেন:
- তিনি ১৯৫৯ সালে শিল্পের প্রথম পণ্য, ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট PDP-8 তৈরি করে মিনিকম্পিউটার বিপ্লবের পথপ্রদর্শক করেছিলেন।
- PDP-8 একটি সম্পূর্ণ ট্রানজিস্টরাইজড, 12-বিট, কম্পিউটার ছিল।
- তিনি ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশনের প্রেসিডেন্ট এবং সিইও ছিলেন।
- কেনেথ ওলসেন হলেন মিনি কম্পিউটারের জনক।

• মিনি কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এস এসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
৫,৮৩৮.
কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফটওয়্যার থাকে তাকে কী বলে?
  1. ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  2. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
  3. হাই ডেনসিটি ডিস্ক
  4. স্টার্ট আপ ডিস্ক
ব্যাখ্যা
একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য একটি স্টার্টআপ ডিস্ক ব্যবহৃত হয়।
আপনার যদি কম্পিউটার ব্যবহার করতে হয় তবে আপনাকে এটিতে একটি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে হবে।
অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে আপনার একটি বুটেবল মিডিয়া প্রয়োজন।
এই বুটেবল মিডিয়াটি ডিভিডি বা ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হতে পারে যার মধ্যে অপারেটিং সিস্টেমের সেটআপ ফাইল যেমন লিনাক্স, উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি থাকবে।
৫,৮৩৯.
Compound Gate এর সকল ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত হয়?
  1. ক) ১
  2. খ) -১
  3. গ) ২
  4. ঘ) ০
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
Compound Gate-এর সকল ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ হয় এবং অন্য যেকোন অবস্থায় আউটপুট ১ হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৫,৮৪০.
A stand-alone system which produces one page of printed output at a time is
  1. ক) Page printer
  2. খ) Line printer
  3. গ) Laser printer
  4. ঘ) Dot matrix printer
ব্যাখ্যা
A page printer is a computer printer which processes and prints a whole page at a time, as opposed to printers which print one line or character at a time such as line printers and dot-matrix printers.
Source: Rudiments of Computer Science
৫,৮৪১.
প্রচলিতভাবে কোনটি দ্রুত কার্যকর হয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার 
  2. কম্পাইলার
  3. দুটিই সমানভাবে দ্রুত
  4. IDE-এর উপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সাধারণত ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় দ্রুত কার্যকর হয়। কারণ কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একবারে মেশিন কোডে অনুবাদ করে, ফলে প্রোগ্রাম চালানোর সময় সরাসরি কম্পিউটার প্রসেসর সেই কোডটি কার্যকর করে। অন্যদিকে ইন্টারপ্রেটার কোডকে প্রতি লাইনে পড়ে এবং অনুশীলনের সময়ই অনুবাদ করে, যা সময়সাপেক্ষ। তাই বড় এবং জটিল প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কম্পাইলার বেশি দ্রুততার সুবিধা দেয়। যদিও IDE বা অন্যান্য টুল ব্যবহারের ক্ষেত্রে কিছু পার্থক্য দেখা যেতে পারে, সাধারণভাবে, কার্যকরতার দিক থেকে কম্পাইলার ইন্টারপ্রেটারের চেয়ে এগিয়ে।
- সুতরাং দ্রুত কার্যকর হওয়ার দিক থেকে উত্তর হবে কম্পাইলার।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর কেবল বাইনারি ভাষা অর্থাৎ 0 ও 1-এর সংকেত বুঝে।
- তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়।
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।

• নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

২। কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে ভাষার গঠনগত নিয়ম (Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৪২.
কোন প্রোগ্রামটি প্রধানত ডেটা বিশ্লেষণ, ফর্মুলা এবং চার্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Windows Media Player
  2. Microsoft Paint
  3. Outlook
  4. Microsoft Excel
ব্যাখ্যা
• ডেটা বিশ্লেষণ, ফর্মুলা হিসাব এবং চার্ট তৈরির জন্য প্রধানত Microsoft Excel ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম যা সংখ্যাগত তথ্য সুশৃঙ্খলভাবে সংরক্ষণ এবং বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারী এখানে বিভিন্ন ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করে জটিল গণনা সহজভাবে করতে পারে। এছাড়াও, ডেটাকে গ্রাফ, চার্ট বা পিভট টেবিল আকারে উপস্থাপন করা যায়, যা তথ্যের ধারা ও প্রবণতা বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। ব্যবসা, শিক্ষা, গবেষণা বা দৈনন্দিন হিসাব-নিকাশে Excel এর ব্যবহার ব্যাপক, কারণ এটি ডেটা বিশ্লেষণকে সহজ, দ্রুত এবং কার্যকর করে তোলে। তাই তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য Excel সবচেয়ে জনপ্রিয়।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি। 
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি। 
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি। 

• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।

• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো: 
- এমএস অফিস, 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, 
- নেটস্কেপ নেভিগেটর, 
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল, 
- পেজ মেকার, 
- ফটোশপ, 
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি। 

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।

- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 

• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার, 
- ইলেকট্রনিস কমার্স, 
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৩.
সেলুলার টেলিফোনের মূল অংশ কয়টি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
সেলুলার টেলিফোনের তিনটি মূল অংশ আছে৷ যথাঃ কন্ট্রোল ইউনিট, ট্রান্সিভার এবং এন্টেনা সিস্টেম৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৫,৮৪৪.
NOVA 3 কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
NOVA 3 হচ্ছে Mini Computer.

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৫.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপশনের অংশ নয়?
  1. এনক্রিপশন এলগরিদম
  2. সাইফার টেক্সট
  3. প্যারিটি বিট
  4. প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৪৬.
নিচের কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. জেরুজালেম
  2. মেলিসা
  3. হেল্পার
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম: 
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- মেলিসা,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ (CIH) ইত্যাদি।

কয়েকটি এন্টিভাইরাসের নাম:
- Norton,
- McAfee, 
- Bitdefender,
- Kaspersky,
- AVG,
- Avast,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- Panda, 
- Avira,
- Comodo,
- BullGuard.

সূত্র:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
৫,৮৪৭.
WMA কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Video
  2. খ) Audio
  3. গ) Flash
  4. ঘ) Image
ব্যাখ্যা
WMA হচ্ছে Audio ধরনের ফাইল এক্সটেনশন। 

- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।

- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- 
Picture files- 
.bmp
.gif
.jpg
.png

Music and sound files- 
.mp3
.wav
Operating system files
.dll
.exe

Text and word processing documents- 
.doc
.docx
.rtf
.txt

Spreadsheet files- 
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

Web Page files- 
.htm
.html

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
৫,৮৪৮.
EDSAC কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
ব্যাখ্যা
- EDSAC -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Electronic Delay Storage Automatic Calculator। 
- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক Maurice Wilkes এর নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে EDSAC কম্পিউটারটির নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে এতে প্রথম প্রোগ্রাম run করে।
- ইনপুট যন্ত্র হিসাবে punched tape ব্যবহৃত হতো।
- এই কম্পিউটারের মেমরি হিসাবে Mercury Delay Line tubes ব্যবহৃত হতো।
- EDSAC একটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার

উৎসঃ ব্রিটানিকা.কম
৫,৮৪৯.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম প্রতিটি লাইনের ভুল দেখিয়ে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. লিঙ্কার
  4. লোডার
ব্যাখ্যা

• ইন্টারপ্রেটার লাইন ধরে অনুবাদ করে এবং কোনো লাইনে ভুল পেলেই সঙ্গে সঙ্গে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়।

• ইন্টারপ্রেটার(Interpreter):
- প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।
- আকারে ছোট ধরনের প্রোগ্রাম।
- প্রোগ্রাম নির্বাহের গতি তুলনামূলক ধীর।
- কাজ করার জন্য প্রধান মেমরিতে কম জায়গা প্রয়োজন।
- ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধনের ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- প্রতিটি লাইনের ভুল দেখিয়ে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ করে দেয়।

• অন্যান্য অপশন:
- কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে এবং সব ভুল শেষে দেখায়।
- লিঙ্কার আলাদা অবজেক্ট প্রোগ্রাম যুক্ত করে, অনুবাদ করে না।
- লোডার প্রোগ্রাম মেমরিতে লোড করে, ত্রুটি শনাক্তের কাজ করে না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৫০.
বাইনারি ডিজিটকে সংক্ষেপে কী বলা হয়?
  1. বিট
  2. বিসিডি
  3. কিলোবাইট
  4. বাইট
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- যেমন: (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1 কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫১.
এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য কোন প্রসেসর বেশি উপযোগী?
  1. ক) CISC Processor
  2. খ) RISC Processor
  3. গ) DISC Processor
  4. ঘ) none
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর কে সাধারন ভাবে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়: 

১)  CISC Processor: Complex Instruction Set Computing. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন:  Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।

২) RISC Processor: Reduced Instruction Set Computing. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC- 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।

৩) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৮৫২.
(962)10 = (?)16
  1. 4B1
  2. 2E5
  3. 3C2
  4. 5A2
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০→A, ১১→B, ১২→C, ১৩→D, ১৪→E ও ১৫→F সংখ্যা লিখতে হবে।
৫,৮৫৩.
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত বাস্তবভিত্তিক কৃত্রিম পরিবেশকে কি বলে?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,৮৫৪.
নিচের কোনটি বি 2 বি ওয়েবসাইট?
  1. ক) Ebay
  2. খ) Alibaba
  3. গ) Amazon
  4. ঘ) Walmart
ব্যাখ্যা

বিজনেস-টু বিজনেস (বি 2 বি): এই মডেলের একটি ব্যবসা অন্য ব্যবসায় পণ্য বা পরিষেবা বিক্রয় করে।
আলিবাবা একটি শীর্ষস্থানীয় গ্লোবাল বি 2 বি মার্কেটপ্লেস, যা বিশ্বব্যাপী প্রস্তুতকারক ও বিক্রেতার সাথে তাত্ক্ষণিকভাবে সংযুক্ত করতে সহায়তা করে।

Alibaba.com is a leading global B2B marketplace, helping to instantly connect business buyers with manufacturers and wholesalers around the world.
Source: Alibaba.com 

৫,৮৫৫.
হার্ড ডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের সংযোগের জন্য কোন ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. SATA
  2. USB
  3. HDMI
  4. VGA
ব্যাখ্যা
SATA হলো হার্ড ডিস্কের সাথে মাদারবোর্ডের সংযোগের জন্য ব্যবহৃত একটি ইন্টারফেস। HDMI ভিডিও ও অডিও সিগনাল প্রেরণের জন্য, VGA মনিটরের সাথে সংযোগের জন্য, USB বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৮৫৬.
অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তবের সাথে কোন প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটায়?
  1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  2. ব্লকচেইন প্রযুক্তি
  3. কম্পিউটার সিমুলেশন
  4. ডিএনএস সার্ভার
ব্যাখ্যা
অগমেন্টেড রিয়েলিটি বাস্তবের সাথে কম্পিউটার সিমুলেশন প্রযুক্তির সংমিশ্রণ ঘটায়।

• অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality)
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি হলো এমন একটি অবস্থা, যেখানে চারপাশের জগতেই ভার্চুয়ালি কোন বস্তু যোগ করা হয়ে থাকে।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি (Augmented Reality) মূলত বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের কোনকিছুর সাথে আমাদের মস্তিষ্কের স্নায়বিক অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর কম্পিউটার সিমুলেশন ব্যবহার করে দুটি ভিন্ন ঘটনাকে মিলিয়ে দেবার একটি উপায়।
- উদাহরণস্বরূপ, বিদেশের কোন নতুন শহরে গিয়ে সে শহরের কোন কিছুই যদি ভাষার কারণে পড়তে পারা না যায়, তখন অগমেন্টেড রিয়েলিটির স্মার্টফোনটি ওপেন করে বিভিন্ন বিল্ডিং বা হেডলাইনগুলোর দিকে তাক করলেই তা ত্রিমাত্রিকভাবে জানিয়ে দেবে কোন দোকান কীসের এবং রাস্তাটি কোনদিকে গেছে।
- ইদানীং স্মার্টফোনে ভিডিও কলিং-এর সময় আমাদের ফেস-এ যে বিভিন্ন ধরনের মাস্ক বা ইফেক্ট যুক্ত হয়, সেটিও অগমেন্টেড রিয়েলিটির একটি ক্ষুদ্র উদাহরণ।
- অগমেন্টেড রিয়েলিটি কাজ করে মূলত ক্যামেরার মাধ্যমে।
- বিশেষ ধরনের ক্যামেরার সেন্সরের মাধ্যমে চারপাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব ত্রিমাত্রিকভাবে নির্ণয় করা হয়। তারপর সে দূরত্ব প্রসেস করে সেখানে ত্রিমাত্রিক অগমেন্টেড এলিমেন্ট যুক্ত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৫,৮৫৭.
কোন কাজটি একটি রেসিডেন্ট ভাইরাসকে অন্য ফাইল সংক্রমিত করতে সক্রিয় করতে পারে?
  1. প্রোগ্রাম ওপেন করা বা এক্সিকিউট করা
  2. মনিটর বন্ধ করা
  3. ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা
  4. ডেস্কটপের ওয়ালপেপার পরিবর্তন করা
ব্যাখ্যা

• একটি রেসিডেন্ট ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার যা একবার সিস্টেমে প্রবেশ করলে মেমোরিতে থাকে এবং পরে নিজেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে সংক্রমিত করতে পারে। সাধারণত, এই ধরনের ভাইরাস সক্রিয় হতে প্রয়োজন ব্যবহারকারীর কোনো নির্দিষ্ট কাজ, যা ভাইরাসের কোড চালু করে। প্রোগ্রাম ওপেন করা বা এক্সিকিউট করা (ক) হলো সেই কাজ যা ভাইরাসকে সক্রিয় করে। যখন ব্যবহারকারী সংক্রমিত প্রোগ্রামটি চালায়, তখন ভাইরাস মেমোরিতে লোড হয় এবং অন্যান্য ফাইল বা প্রোগ্রামে নিজেকে সংক্রমিত করতে পারে। মনিটর বন্ধ করা, ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা বা ডেস্কটপের ওয়ালপেপার পরিবর্তন করা ভাইরাস সংক্রমণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং ভাইরাসের কার্যক্রম শুরু করার জন্য প্রোগ্রাম চালানো মূল কারণ।
 
রেসিডেন্ট ভাইরাসের কাজের প্রক্রিয়া (Working Mechanism):
- যখন ব্যবহারকারী কোনো সংক্রমিত ফাইল চালায়, তখন ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে মেমোরিতে নিজের কোড কপি করে রাখে।
- এরপর ব্যবহারকারী যখন অন্য কোনো ফাইল খুলে, ভাইরাসটি সেই ফাইলগুলোর কোডে নিজের কপি সংযোজন করে।
- এভাবে এটি সিস্টেম ফাইল, এক্সিকিউটেবল ফাইল (.exe, .com), এমনকি বুট সেক্টরেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
- কিছু রেসিডেন্ট ভাইরাস অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামকেও প্রতারিত করে, কারণ তারা মেমোরিতে লুকিয়ে থেকে নিজেদের অস্তিত্ব গোপন রাখে।

রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রকারভেদ (Types of Resident Virus):
- Fast Resident Virus:
- খুব দ্রুত ছড়ায়।
- প্রতিটি ফাইল খোলার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমিত করে।
- উদাহরণ: CMOS-RAM Virus.
- Slow Resident Virus:
- ধীরে ধীরে সংক্রমিত করে যাতে ব্যবহারকারী বুঝতে না পারে।
- সাধারণত তখনই ছড়ায় যখন কোনো নির্দিষ্ট কাজ হয় (যেমন: কোনো নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম খোলা)।

রেসিডেন্ট ভাইরাসের প্রভাব (Effects on System):
- কম্পিউটার ধীরগতি হয়ে যায় কারণ মেমোরির অংশ ভাইরাস দখল করে।
- ফাইল নষ্ট বা করাপ্টেড হয়ে যেতে পারে।
- ডেটা হারানো বা বিকৃত হওয়া ঘটতে পারে।
- কখনও অ্যান্টিভাইরাস বা সিকিউরিটি প্রোগ্রাম নিষ্ক্রিয় করে দেয়।
- সিস্টেম ক্র্যাশ বা বুট ফেইলিউর হতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৫,৮৫৮.
ডাটাবেজে একাধিক রেকর্ডকে একটি রেকর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত করার প্রক্রিয়াটি কী?
  1. Many to One
  2. Many to Many
  3. One to Many
  4. One to One
ব্যাখ্যা

⚪ ডাটাবেজ রিলেশন:

- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

⚪ রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

⚪ Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

⚪ One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

⚪ One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

⚪ Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৫৯.
66C কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. বাইনারি
  2. হেক্সাডেসিমেল
  3. অক্টাল
  4. ডেসিমেল
ব্যাখ্যা
-  66C একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা।

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি:

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (1209A)16
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট 16 টি প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 16.
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 16 টি  (0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
........... 20   21   22   23   24   25   26   27  28  29  2A  2B   2C  2D  2E  2F..........

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬০.
DDL কমান্ড কোনটি?
  1. Select
  2. Alter
  3. Internet
  4. Update
ব্যাখ্যা
- DDL-এর পূর্ণরূপ Data Definition Language ।
- প্রয়োজনীয় তথ্যের সাহায্যে ডেটাবেজ তৈরি, সংশোধন, বাতিল ইত্যাদি ডেটাবেজ ব্যবস্থামূলক কাজে ব্যবহৃত ভাষাকে DDL বা ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- DDL এর কয়েকটি কমান্ড-
• CREATE- নতুন ডেটাবেজ তৈরি করা।
• ALTER- ডেটাবেজ স্ট্রাকচারকে পরিবর্তন করা।
• DROP- ডেটাবেজ ডিলিট করা।
• TRUNCATE- টেবিল থেকে সব রেকর্ডসমূহ মুছে দেয়া।
• RENAME- ডেটাবেজ নাম পরিবর্তন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,৮৬১.
বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ফোন চালু হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৩ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৯৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোবাইল ফোন প্রথম চালু হয় ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে। হাচিসন বাংলাদেশ টেলিকম লিমিটেড (এইচবিটিএল) ঢাকা শহরে AMPS মোবাইল প্রযুক্তি ব্যবহার করে মোবাইল ফোন সেবা শুরু করে।
৫,৮৬২.
কোন ধরনের ফ্লিপ-ফ্লপকে "ডিলে ফ্লিপ-ফ্লপ" বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. SR Flip-Flop
  3. D Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - D Flip-Flop.

ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

৬.৯.২ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৬৩.
ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবক কে?
  1. Ken Thompson
  2. James Gosling
  3. Bjarne Stroustrup
  4. Alan Turing
ব্যাখ্যা
• UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.

- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৮৬৪.
কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করে কাজ করে?
  1. PROM
  2. DRAM
  3. SRAM
  4. SDRAM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের ক্যাশ মেমোরি SRAM (Static Random Access Memory) ব্যবহার করে কাজ করে, অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো গ) SRAM। ক্যাশ মেমোরি প্রসেসরের খুব কাছাকাছি অবস্থান করে এবং অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডেটা আদান-প্রদান করে। এই উচ্চগতির জন্য SRAM ব্যবহার করা হয়, কারণ এতে রিফ্রেশ করার প্রয়োজন নেই এবং DRAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। যদিও SRAM ব্যয়বহুল ও ধারণক্ষমতা কম, তবুও প্রসেসরের কর্মদক্ষতা বাড়াতে এটি সবচেয়ে উপযোগী। PROM, DRAM বা SDRAM ক্যাশ মেমোরির মতো দ্রুত ও স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম নয়।

ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।

• স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫,৮৬৫.
নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. ক) কম্পাইলার
  2. খ) ইন্টারপ্রেটার
  3. গ) অ্যাসেম্বলার
  4. ঘ) ট্রান্সলেটর
ব্যাখ্যা
অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অ্যাসেম্বলি বা উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম এবং মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলা হয়।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করার জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- মেশিনের ভাষায় প্রোগ্রাম অনুবাদ করার জন্য 0 এবং 1 এই দু'টি বাইনারি ডিজিট ব্যবহার করা হয়। সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যেমন:
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. অ্যাসেম্বলার (Assembler) ও
৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)

১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 

২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম। 

৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৬.
ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত কীভাবে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রবেশ করে?
  1. কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
  4. হার্ডওয়্যার থেকে নিজে থেকেই
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।

ট্রোজান ভাইরাস মূলত ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে প্রবেশ করার জন্য প্রলোভনমূলক পদ্ধতি ব্যবহার করে। এটি সাধারণত নিজে থেকেই কম্পিউটারের সাথে সংযোগ করে না বা হার্ডওয়্যার থেকে প্রবেশ করে না। ট্রোজান ভাইরাস প্রায়শই ইমেইল, মেসেজ বা অনলাইন ডাউনলোডের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী যখন একটি ইমেইলের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহজনক ফাইল বা লিঙ্ক খুলে, তখন ভাইরাসটি সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারে। কখনও কখনও এটি বিনোদনমূলক বা দরকারি সফটওয়্যার মনে করে ব্যবহারকারীকে মিথ্যা তথ্য দেখায়। একবার ইনস্টল হলে, ট্রোজান ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি করতে, সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা অন্যান্য ম্যালওয়্যার ইনস্টল করতে সক্ষম হয়।

 • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৬৭.
কৃষিক্ষেত্রে “Precision Farming” সম্ভব হয় কোন প্রযুক্তির মাধ্যমে?
  1. Social Media
  2. Geographic Information System (GIS)
  3. Audio Compression
  4. QR Code
ব্যাখ্যা
• Precision Farming হলো একটি আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি, যেখানে উন্নত প্রযুক্তির মাধ্যমে জমির প্রতিটি অংশের জন্য আলাদা যত্ন নেওয়া হয়। এতে কম খরচে বেশি ফলন পাওয়া যায় এবং সম্পদ (সার, পানি, কীটনাশক) সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

• মূল বৈশিষ্ট্য:
- জমির বিভিন্ন অংশের ডেটা সংগ্রহ করে চাষাবাদে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল প্রয়োগ।
- GPS ও GIS প্রযুক্তির সহায়তায় জমি নিরীক্ষণ ।
- রিমোট সেন্সিং এবং ড্রোনের মাধ্যমে ফসলের অবস্থা বিশ্লেষণ।
- স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে নির্ভুলভাবে সার/বীজ প্রয়োগ। 

লক্ষ্য:
- সর্বোচ্চ উৎপাদন এবং পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা।

আবার,
• GIS একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য ডিজিটালভাবে সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করা হয়। 

 GIS যেভাবে কাজ করে:
- ম্যাপ বা মানচিত্রের মাধ্যমে ডেটা উপস্থাপন করে।
- স্যাটেলাইট ইমেজ ব্যবহার করে ভূ-পৃষ্ঠের বিশ্লেষণ করে।
- জমির উর্বরতা, পানি প্রবাহ, তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাতের ইতিহাস ইত্যাদি বিশ্লেষণ করে।

Precision Farming-এ GIS-এর ব্যবহার:
- জমির মাটি ও পানি সম্পর্কিত ম্যাপ তৈরি।
- কোন অংশে কোন ফসল ভালো হবে তা পূর্বাভাস দেওয়া।
- সার, পানি এবং কীটনাশক কতটুকু লাগবে তা নির্ধারণ।
- পরিবেশবান্ধব চাষাবাদের পরিকল্পনা তৈরি।

অর্থাৎ GIS প্রযুক্তি ব্যবহার না করলে Precision Farming সফল হয় না। এটি কৃষকের জন্য এক ধরনের ডিজিটাল সহকারী যা জমির মানচিত্র, আবহাওয়া তথ্য ও ফসলের অবস্থা বুঝিয়ে দেয়।

অন্যদিকে, 
Social Media: কৃষি তথ্য ছড়াতে সহায়ক, তবে Precision Farming এর সরাসরি প্রযুক্তি নয়।

Audio Compression: সাউন্ড কম্প্রেশন টেকনোলজি, কৃষিতে প্রযোজ্য নয়।

QR Code: তথ্য স্টোর ও স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত, কৃষিক্ষেত্রে তেমন উপযোগী নয় Precision Farming-এর ক্ষেত্রে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), নবম-দশম শ্রেণি
- "Precision Agriculture Technology for Crop Farming" by Qin Zhang.
৫,৮৬৮.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Oracle
  2. FoxPro
  3. Solaris
  4. Paint
ব্যাখ্যা
• Solaris হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৬৯.
ডেটাবেজে একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহণ করলে তা -
  1. ক) ইউনারি রিলেশনশিপ
  2. খ) বাইনারি রিলেশনশিপ
  3. গ) টারনারি রিলেশনশিপ
  4. ঘ) মাল্টিনারি রিলেশনশিপ
ব্যাখ্যা
রিলেশনশিপ (Relationship)
- ডেটাবেজের মধ্যে একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্কই হলো রিলেশনশিপ।
- রিলেশনশিপের ডিগ্রি (Degree of Relationship) ডেটাবেজে রিলেশনশিপ তৈরি করার জন্য যে কয়টি এনটিটি বা টেবিল অংশগ্রহন করে তার সংখ্যাকেই রিলেশনশিপের ডিগ্রি বলা হয়। রিলেশনশিপের ডিগ্রি সাধারণত তিন ধরনের হতে পারে। যথা-

- ডিগ্রি ১ বা ইউনারি (Unary) রিলেশনশিপ: ইউনারি রিলেশনশিপে শুধুমাত্র একটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- মানুষ একটি এনটিটি। 

- ডিগ্রি ২ বা বাইনারি (Binary) রিলেশনশিপ: বাইনারি রিলেশনশিপে দু'টি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- ছাত্র ও শিক্ষক দু'টি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

- ডিগ্রি ৩ বা টারনারি (Ternary) রিলেশনশিপ: টারনারি রিলেশনশিপে তিনটি এনটিটি/টেবিল অংশগ্রহন করে। যেমন- বিক্রেতা, পণ্য ও ওয়্যারহাউজ তিনটি পৃথক এনটিটি বা টেবিল।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৮৭০.
CDC 1604 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ 
ব্যাখ্যা

• CDC 1604 দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ হতে ১৯৫৯):
- প্রথম প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৪২ হতে ১৯৫৯ পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে বায়ুশুন্য টিউব ব্যবহৃত হত।
- ভারী, সীমিত তথ্যধারণ ক্ষমতা, উত্তাপ সমস্যা ইত্যাদি ছিল এই বায়ুশুন্য টিউবগুলোর বৈশিষ্ট্য।
- এরপর ধীরে ধীরে তথ্যধারণ করার ক্ষেত্রে বায়ুশুন্য টিউব এর পরিবর্তে চৌম্বকধর্মী বস্তু আসতে লাগলো।
- উদাহরণস্বরূপ, এবিসি (ABC), এনিয়াক (ENIAC), ইউনিভ্যাক (UNIVAC) ইত্যাদি এই পর্যায়ভুক্ত।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ হতে ১৯৬৫):
- দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৫৯ হতে ১৯৬৫ পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে বায়ুশুন্য টিউব এর পরিবর্তে ট্রানজিস্টার ব্যবহার শুরু হয়।
- ট্রানজিস্টারের কাজ সুইচের মতো এবং এতে কোন চলমান অংশ নেই। ফলে কম্পিউটার অতি দ্রুত গতি পেল।
- একই সাথে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়ে আসলো এবং তথ্যধারণ ক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেল।
- এই সময় তাপ সমস্যার অবসান হয় ও নির্ভরশীলতার উন্নতি ঘটে।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চগতি সম্পন্ন প্রবেশমুখ ও বহির্মুখ সরঞ্জাম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- এই পর্যায়ে অ্যাসেম্বলী ভাষার উদ্ভব হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ ইত্যাদি।

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ হতে ১৯৭১):
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭১ পর্যন্ত।
- একীভূত বর্তনীর ব্যাপক প্রচলন, অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারীতা ও নির্ভরশীলতা এইসব কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ন্যানো সেকেন্ড  সময়ে কোন একটি নির্দেশ পালন করতে পারতো।
- উদাহরণ: IBM 360, PDP 11 ইত্যাদি।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ হতে বর্তমান):
- চতুর্থ প্রজন্মের ব্যপ্তিকাল ১৯৭১ হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত।
- বৃহদাকার একীভূত বর্তনীর ব্যবহার, তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত নির্ভরশীলতা এইসব কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য 'কম্প্যাক্ট ডিস্ক' (Compact Disk) বা সিডি (CD) এর অধিক ব্যবহার হয়।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ হতে বর্তমান):
- প্রকৃতপক্ষে পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার বলতে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কম্পিউটারকেই বোঝানো হয়েছে।
- কম্পিউটারগুলোর নিজস্ব বিচার বুদ্ধি থাকবে, শিক্ষা গ্রহণ করার ক্ষমতা থাকবে, কন্ঠস্বর বোঝতে পারবে এবং সেই নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে পারবে।
- এসব কম্পিউটারগুলোর মেমোরির তথ্য ধারণ ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি হবে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা খুবই বেশি হবে।
- অত্যাধুনিক সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারসমূহ পরামর্শকের (যেমন- ডাক্তার, আইনবিধ, শিক্ষক) ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭১.
গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। 

কম্পিউটার: 
- Computer হলো একটি বহুমুখি সফ্টওয়্যার চালিত একটি ইলেকট্রিক মেশিন যা অন্যান্য ইলেকট্রিক যন্ত্র থেকে
আলাদা। 
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা তথ্য গ্রহণ করে এবং বিভিন্ন ক্রিয়ার মাধ্যমে তা বিশ্লেষণ ও উপস্থাপন করে। 
- এটির আভিধানিক অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। 

গঠন এবং ক্রিয়া নীতির উপর ভিত্তি করেকম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার।
২। ডিজিটাল কম্পিউটার।
৩। হাইব্রিড কম্পিউট।

[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৫,৮৭২.
Which component is commonly used to speed up the microprocessor in modern computer systems?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Cache memory
  4. Hard Disc
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
→ এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা।
→ মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
→ কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
→ এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পন্ন ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
→ এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট করে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
→ এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৭৩.
নিচের কোনটি 90(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. ক) 01110011(2)
  2. খ) 00001100(2)
  3. গ) 10010001(2)
  4. ঘ) 10010000(2)
ব্যাখ্যা
Convert every hex digit (start lowest digit) to 4 binary digits, with this table:
Hex    Binary
0    0000
1    0001
2    0010
3    0011
4    0100
5    0101
6    0110
7    0111
8    1000
9    1001
A    1010
B    1011
C    1100
D    1101
E    1110
F    1111
 
Convert each hex digit to 4 binary digits (see conversion table below):
90
= 9 0
= 1001 0000
= 10010000
৫,৮৭৪.
১ নিবল সমান -
  1. ক) ০.৫ বিট
  2. খ) ০.৫ বাইট
  3. গ) ৮ বিট
  4. ঘ) ৪ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ নিবল সমান অর্ধ বাইট বা ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ১ ক্যারেক্টার বা ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ১০২৪ গিগাবাইট।

উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
৫,৮৭৫.
WWW স্ট্যান্ডার্ড ঠিক করে দেয়-
  1. ক) World Wide Consortium
  2. খ) World Wide Web Standard
  3. গ) Worldwide corporation
  4. ঘ) W3C
ব্যাখ্যা
The World Wide Web Consortium is the main international standards organization for the World Wide Web. It was founded by Tim Berners Lee.
Source: w3.org
৫,৮৭৬.
EDSAC কম্পিউটারের ইনপুট দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হতো-
  1. পাঞ্চড টেপ
  2. ভ্যকুয়াম টিউব
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. ইনপুট দেওয়া যেতো না
ব্যাখ্যা
• EDSAC:
- EDSAC-এর পূর্ণরূপ হলো "Electronic Delay Storage Automatic Calculator"।
- এটি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক মরিস উইলকসের (Maurice Wilkes) নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালে নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- ১৯৪৯ সালে EDSAC-এ প্রথম সফলভাবে প্রোগ্রাম চালানো হয়।
- এই কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়ার জন্য পাঞ্চড টেপ ব্যবহার করা হতো।
- মেমরি হিসেবে এতে মার্কারি ডিলে লাইন টিউব ব্যবহৃত হয়েছিল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৫,৮৭৭.
বেশিরভাগ ব্রাউজার এবং কিছু সফটওয়্যারে ফুলস্ক্রিন মোডে যেতে কোন ফাংশন কী প্রেস করবেন?
  1. F2
  2. F8
  3. F11
  4. F12
ব্যাখ্যা
• বেশিরভাগ ব্রাউজার এবং কিছু সফটওয়্যারে ফুলস্ক্রিন মোডে যেতে সাধারণত F11 কী প্রেস করতে হয়। ফুলস্ক্রিন মোডে গেলে ব্রাউজারের টুলবার, মেনু, এবং অন্যান্য অতিরিক্ত উপাদান গোপন থাকে, ফলে পুরো স্ক্রিনটি ব্যবহার করা যায় কনটেন্ট দেখানোর জন্য। এটি বিশেষ করে ভিডিও দেখা, প্রেজেন্টেশন দেওয়া, বা ওয়েব পেজ সম্পূর্ণ আকারে দেখতে সুবিধাজনক।
- F2, F8, এবং F12 কী সাধারণত অন্য কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন F12 ডেভেলপার টুলস খুলতে ব্যবহৃত হয়। তাই, ব্রাউজারে ফুলস্ক্রিন মোডে যাওয়ার জন্য সবচেয়ে প্রচলিত এবং সঠিক কী হল F11.


• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৫,৮৭৮.
5 লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইন হবে:
  1. 16 টি 
  2. 32 টি 
  3. 64 টি 
  4. 88 টি 
ব্যাখ্যা

• 5-লাইন ডিকোডারের জন্য আউটপুট লাইনের সংখ্যা নির্ধারণ করা যায় বিন্যাস অনুযায়ী। সাধারণত, একটি লিনিয়ার ডিকোডার n-লাইন ইনপুট পেলে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হয় 2n
- এখানে ইনপুট লাইনের সংখ্যা 5, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 25, অর্থাৎ 32 


• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 5 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 25 = 32 টি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৭৯.
IBM-709 কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) প্রথম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
IBM-709 হচ্ছে তৃতীয় প্রজন্মের একটি কম্পিউটার।

প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. কম নির্ভর যোগ্যতাসম্পন্ন একটি যন্ত্র। 
২. পাগ বোর্ড দিয়ে প্রোগ্রাম চালনা করা হতো। 
৩. এটি সীমিত পরিমাণে তথ্য ধারণ করতে পারতো। 
৪. এই প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করতো। 

সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।  
৫,৮৮০.
নিম্নলিখিত কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Windows
  2. খ) Linux
  3. গ) Safari
  4. ঘ) Mac OS
ব্যাখ্যা
• উইন্ডোজ (Windows):
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন। 

• ম্যাক ওএস (Mac OS):
- Mac OS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন। 

• Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।  

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৮১.
বাইনারি ১০১১১০ হেক্সাডেসিমাল-এ কত?
  1. ক) 2D
  2. খ) 2E
  3. গ) 2F
  4. ঘ) 2B
৫,৮৮২.
পরীক্ষামূলক অপারেটিং সিস্টেম Fuchsia OS কে উদ্ভাবন করেছে?
  1. Huawei
  2. Google
  3. Intel
  4. Dell
ব্যাখ্যা
• পরীক্ষামূলক অপারেটিং সিস্টেম Fuchsia OS উদ্ভাবন করেছে Google. এটি একটি আধুনিক, মডুলার এবং নিরাপদ অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত IoT (Internet of Things), মোবাইল এবং কম্পিউটিং ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। Fuchsia OS এর কাঠামো সম্পূর্ণ ভিন্ন কারণ এটি Linux kernel এর বদলে Zircon নামে একটি নতুন মাইক্রোকার্নেল ব্যবহার করে। এর উদ্দেশ্য হলো ভবিষ্যতের ডিভাইসগুলোর জন্য একটি দ্রুত, নিরাপদ এবং স্কেলেবল প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। Google এর এই অপারেটিং সিস্টেমটি বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার এবং ডিভাইসে কাজ করার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে, যা তাদের প্রযুক্তি ভবিষ্যতকে আরও উন্নত করবে।
- সঠিক উত্তর: খ) Google.

• ফুসিয়া অপারেটিং সিস্টেম (Fuchsia OS):
- ফুসিয়া (Fuchsia) হলো একটি নতুন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা গুগল দ্বারা উন্নত করা হচ্ছে।
- এটি বিশেষভাবে মোবাইল ডিভাইস, স্মার্ট ডিভাইস, এবং অন্যান্য ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) ডিভাইসের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ফুসিয়া অপারেটিং সিস্টেম গুগলের বর্তমান অপারেটিং সিস্টেম, অ্যান্ড্রয়েড এবং ক্রোমওএস-এর বিকল্প হিসেবে আসতে পারে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নেক্সট জেনারেশন অপারেটিং সিস্টেম Fuchsia ডেভেলপ করেছে গুগল কোম্পানি।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০২১ সালের মে মাসে এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস:
১. গুগলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৫,৮৮৩.
মাইক্রোপ্রসেসর এর সংগঠন কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা

মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।

১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,৮৮৪.
ফায়ারওয়াল সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. একটি নেটওয়ার্ক ট্রাফিক ফিল্টার করে
  2. এটি হার্ডওয়ার অথবা সফটওয়্যার ডিভাইস হতে পারে
  3. এটি নির্দিষ্ট নিয়ম নীতি অনুসরণ করে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল মূলত অথরাইজড অ্যাকসেস কে প্রোটেকশন দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয় ।
- ফায়ারওয়াল হচ্ছে এক সেট নিয়ম-নীতির রুলস যার সাহায্যে পিসিতে ইনকামিং এবং আউটগোয়িং ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ ও প্রয়োজনে ফিল্টার করা যায় ।

- ফায়ারওয়াল হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার দুই ধরনের হতে পারে ।
- ফায়ারওয়াল ব্যবহারের মাধ্যমে কম্পিউটারকে হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে সহজেই আড়াল করা যায় ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ (মাহবুবুর রহমান)
৫,৮৮৫.
GIGO - দ্বারা বুঝায়:
  1. ক) Garbage In Garbage Out
  2. খ) Garbage Insert Garbage Output
  3. গ) Graphics Insert, Graphics Output
  4. ঘ) Graphics In, Graphics Out
ব্যাখ্যা
GIGO - দ্বারা বুঝায়: Garbage In Garbage Out.

কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
কম্পিউটারে ভুল তথ্য প্রদান করা হলে কম্পিউটার ভুল ফলাফল প্রকাশ করে থাকে। কম্পিউটারকে যা করতে বলা হবে, কম্পিউটার তাই করে দেখাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
৫,৮৮৬.
Which is the first successful high-level computer programming language?
  1. Assembly
  2. FORTRAN
  3. C
  4. COBOL
ব্যাখ্যা

• FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল computer programming language, যা বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক হিসাবের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে সফলতা অর্জন করে।

• FORTRAN:
- FORTRAN শব্দটির পূর্ণরূপ Formula Translation।
- এটি একটি উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক (High-level procedural) প্রোগ্রামিং ভাষা।
- FORTRAN মূলত scientific computation ও numerical calculation-এর জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

• FORTRAN-এর গুরুত্ব:
- FORTRAN-কে বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা বলা হয়।
- এটি ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে তৈরি হয়।
- FORTRAN প্রমাণ করে যে উচ্চস্তরের ভাষা ব্যবহার করে কার্যকর ও দক্ষ প্রোগ্রাম লেখা সম্ভব।
 
• FORTRAN-এর উদ্ভাবক:
- John Backus এবং তাঁর সহযোগীরা IBM-এ কর্মরত অবস্থায় FORTRAN তৈরি করেন।
- এই ভাষা পরবর্তীতে অন্যান্য উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা উন্নয়নে অনুপ্রেরণা দেয়।
 
• FORTRAN-এর উল্লেখযোগ্য সংস্করণসমূহ:
- FORTRAN I
- FORTRAN II
- FORTRAN IV
- FORTRAN 77
- FORTRAN 90
 
• অন্যান্য অপশন:
- C → এটি পরবর্তীতে তৈরি একটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- COBOL → এটি ব্যবসায়িক ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত।
- Assembly → এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের নিম্নস্তরের ভাষা, প্রথম সফল উচ্চস্তরের ভাষা নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৮৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যার?
  1. Printer
  2. Scanner
  3. Motherboard
  4. USB thumb drive
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের একটি অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যার হলো Motherboard

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive

উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৮৮৮.
কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য কোন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F3
  2. F4
  3. F5
  4. F6
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৮৮৯.
Which of the following is not an example of a Non-Positional Number System?
  1. Tally System
  2. Hexadecimal System
  3. Hieroglyphics System
  4. Mayan System
ব্যাখ্যা
Hexadecimal System একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯০.
The rectangular area of the screen that displays a program, data and/ or information is a
  1. ক) Title bar
  2. খ) Button
  3. গ) Dialog box
  4. ঘ) Window
ব্যাখ্যা
Window - a framed area on a display screen for viewing information.
• Window - A rectangular section of the computer's display in a GUI that shows the program currently being used.
• For example, the browser window that you are using to view this web page is a window. Windows allows a user to work with multiple programs or view multiple programs at once.

Source: www.britannica.com
৫,৮৯১.
০ এবং ১, বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি ____ বলা হয়।
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) Kb
  4. ঘ) KB
ব্যাখ্যা
ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়।
৫,৮৯২.
কোন ধরনের কম্পিউটারের ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির?
  1. মেইনফ্রেম
  2. হাইব্রিড
  3. ল্যাপটপ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার হচ্ছে এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় পদ্ধতির সমন্বয়।
• ইনপুট এনালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল প্রকৃতির।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৮৯৩.
Which function key selects the address bar in a browser?
  1. F5
  2. F6
  3. F7
  4. F8
ব্যাখ্যা

Function key F6 selects the address bar in a browser.

ফাংশন কী (Function Keys):
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডের বিশেষ কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- একটি কিবোর্ডে মোট ১২টি ফাংশন কী এবং ১০৫টি কী থাকে।

F1 থেকে F12 এর কাজ:
- F1: সাধারণত Help মেনু খোলে।
- F2: নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে সাহায্য করে।
- F3: দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4: Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5: ব্রাউজার বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহার হয়।
- F6: ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7: Microsoft Word-এ Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8: Windows চালুর সময় Safe Mode চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- F9: QuarkXPress-এর Measurement Toolbar চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10: মেনু বার চালু করে।
- F11: Fullscreen মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12: ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি কনভার্সন করতে ব্যবহার করা হয়।

সোর্স: 
1. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
2. ব্রিটানিকা। 

৫,৮৯৪.
(3E.1A)16 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 59.027
  2. 76.064
  3. 73.172
  4. 37.421
ব্যাখ্যা
- হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল এ প্রকাশ করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারি তে প্রকাশ করতে হয়।
- তারপর বাইনারি থেকে অক্টালে নিতে হয়।
- হেক্সাডেসিমেল এর 1 বিটকে বাইনারি 4 বিটে রুপান্তরিত করা হয়।
- অক্টাল এর 1 বিটকে বাইনারির 3 বিটে রুপান্তরিত করতে হয়।

∴ (3E.1A)16 = (76.064)8
৫,৮৯৫.
স্ট্যাটাস রেজিস্টার অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. মেমোরি ডেটা রেজিস্টার
  2. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
  3. ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
  4. মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register): 
- ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। 
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়। 
- যেমন: শূন্য Flag. গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়। 
- অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি। 

মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register): 
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে। 
অর্থাৎ, মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে। 

ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register): 
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। 
- নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়। 

মেমোরি ডেটা রেজিস্টার (Memory Data Register): 
- এ ধরনের রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়। 
- মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৮৯৬.

এর মান কত?
  1. ক) X
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) X + Z
৫,৮৯৭.
ROM কী ধরনের মেমোরি হিসেবে পরিচিত?
  1. কন্ট্রোল মেমোরি
  2. প্রসেসিং মেমোরি
  3. ভোলাটাইল মেমোরি
  4. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ROM (Read-Only Memory) হলো একটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি। এটি এমন ধরনের মেমোরি যেখানে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য হারায় না। ROM মূলত সিস্টেমের বেসিক নির্দেশাবলী, যেমন বুটিং প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়। ব্যবহারকারী সাধারণত এটি পরিবর্তন করতে পারে না বা খুব সীমিতভাবে পরিবর্তন করতে পারে। অন্যদিকে, র‌্যাম বা ভোলাটাইল মেমোরি শক্তি চলে গেলে তথ্য হারায়, কিন্তু ROM-এ এমন কিছু ঘটে না। তাই, ROM কম্পিউটার ও ডিভাইসের গুরুত্বপূর্ণ সফ্টওয়্যার স্থায়ীভাবে রাখার জন্য অত্যন্ত জরুরি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
 
ROM (Read-Only Memory):
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৮৯৮.
A digital device that processes data is known as
  1. ক) Data processor
  2. খ) Data entry
  3. গ) DBMS
  4. ঘ) Database
ব্যাখ্যা
Data processing is, generally, 'the collection and manipulation of items of data to produce meaningful information'. In this sense it can be considered a subset of information processing, the change (processing) of information in any manner detectable by an observer.
৫,৮৯৯.
বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমোরির ধারণকৃত উপাত্ত হারিয়ে যায় তাকে বলা হয়-
  1. ক) Non volatile
  2. খ) Volatile
  3. গ) Non-destructive
  4. ঘ) Destructive
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। এটি একটি অস্থায়ী (volatile) মেমোরি। কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী (volatile) মেমোরিও বলা হয়।
৫,৯০০.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?
  1. 5
  2. 11
  3. 21
  4. 16
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?

সমাধান:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- এগুলোর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- A, B, C, D, E, F গুলোকে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15 দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

এখানে, (1F4)16 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করি:
(1F4)16 = 1 × 162 + 15 × 161 + 4 × 160
= 1 × 256 + 15 × 16 + 4 × 1
= 256 + 240 + 4
= 500

∴ "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল = 5 + 0 + 0 = 5