বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৫৪ / ৮২ · ৫,৩০১৫,৪০০ / ৮,১৪১

৫,৩০১.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে সম্পৃক্ত ব্যাক্তি নয় কে?
  1. জে. বার্ডিন
  2. উইলিয়াম অডরেট
  3. ডব্লিউ ব্রাটেন
  4. ডব্লিউ সক্লে
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
-  ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে  ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়। 
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।  
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে। 

 উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০২.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে F7 কী সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ফন্ট সাইজ বড় করা
  2. নতুন ডকুমেন্ট খোলা
  3. স্পেলিং ও গ্রামার চেক করা
  4. প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা
ব্যাখ্যা

•মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কাজ করার সময় বানান বা ব্যাকরণগত ভুল সংশোধন করার জন্য F7 ফাংশন কি (Function Key) ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

৫,৩০৩.
অটোমেটেড টেলার মেশিন-
  1. ক) টিকেট কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়
  2. খ) স্বল্প খরচে ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়
  3. গ) ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়
  4. ঘ) আবহাওয়ার পূর্বাভাস জানার জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
এটিএম (ATM) এর পূর্ণরূপ অটোমেটেড টেলার মেশিন (Automated Teller Machine)। বর্তমানে এটি একটি আধুনিক তহবিল স্থানান্তর যন্ত্র। এর মাধ্যমে দিনের যেকোনো সময় অর্থ জমা, উত্তোলন ও স্থানান্তর করা যায়। ব্যাংক তার গ্রাহককে একটি করে প্লাস্টিক কার্ড সরবরাহ করে। কার্ডের মাধ্যমে গোপন নম্বর ব্যবহার করে যেকোন দিন যেকোন সময় ব্যাংক হতে টাকা উত্তোলন, জমা বা স্থানান্তর করা যায়।
৫,৩০৪.
NVMe মূলত কোন ধরনের স্টোরেজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. ম্যাগনেটিক টেপ
  2. অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. ফ্ল্যাশ মেমরি / এসএসডি
  4. এইচডিডি
ব্যাখ্যা

• NVMe (Non-Volatile Memory Express) একটি উচ্চগতির স্টোরেজ ইন্টারফেস যা বিশেষভাবে ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সাধারণ হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের (HDD) তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম। NVMe প্রযুক্তি PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) বাসের উপর কাজ করে, যা কম ল্যাটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করে। এটি বিশেষ করে বড় ডেটা প্রসেসিং, গেমিং এবং সার্ভার ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। ম্যাগনেটিক টেপ বা অপটিক্যাল ডিস্কের জন্য এটি ব্যবহার হয় না, কারণ এই মাধ্যমগুলির গতি কম এবং NVMe-এর সুবিধা পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যায় না। সুতরাং, NVMe মূলত ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য উপযোগী।

• NVMe: 
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: techtarget.com

৫,৩০৫.
বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিনটির নাম কী?
  1. ক) Yahoo
  2. খ) Bing
  3. গ) Google
  4. ঘ) Baidu
ব্যাখ্যা
গুগল বিশ্বের সর্ববৃহৎ সার্চ ইঞ্জিন। 

- একটি সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন একটি ওয়েব অনসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্‌ওয়্যার প্রোগ্রাম যা ইন্টারনেটের সীমাহীন ডাটাবেস থেকে ব্যবহারকারীর প্রশ্ন (একটি কীওয়ার্ড বলা হয়) অনুসন্ধান করে এবং অনুসন্ধানে পাওয়া তথ্য ফলাফল পৃষ্ঠায় সার্চকারীদের দেখায়।
- সের্গেই ব্রিন এবং ল্যারি পেজ ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন। 
- গুগল একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি। 

সূত্র: গুগল অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৩০৬.
কোন যন্ত্র আবিষ্কারের জন্য চার্লস ব্যবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়?
  1. ক) এনালাইজিং ইঞ্জিন
  2. খ) এসেম্বলি লাইনার
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনিগমা ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
চার্লস ব্যাবেজ:

- ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গণিতবিদ অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। এজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮৩৩ সালে এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং নকশা করেন।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৩০৭.
From where we can change the name of a User Account?
  1. ক) Control Panel
  2. খ) Computer Name
  3. গ) Code Panel
  4. ঘ) Settings
ব্যাখ্যা
Control Panel এর  Under the ''User Accounts'' section গিয়ে click the 'Change account type option' হতে নাম পরিবর্তন করা যায়।
৫,৩০৮.
কোনটি ম্যালওয়্যার নয়?
  1. ক) Adware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Ransomware
  4. ঘ) Firmware
ব্যাখ্যা
• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

• ফার্মওয়্যার (Farmware):
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩০৯.
কী ফিল্ড প্রধানত কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
কী
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- যেমন: ক্লাশে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্রাইমারি কী 
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী ও
৩. ফরেন কী

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩১০.
প্রধানত কোন কাজে একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার তৈরি করা হয়েছে?
  1. ক্যালকুলেটরের মতো সাধারণ গণনার জন্য
  2. উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং
  3. গেমিং ও বিনোদন
  4. ব্যক্তিগত ডেস্কটপ ব্যবহারের জন্য
ব্যাখ্যা

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার মূলত উচ্চ ক্ষমতার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিংয়ের জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলো সাধারণত বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যাঙ্ক, বিমা কোম্পানি বা সরকারি সংস্থায় ব্যবহৃত হয়, যেখানে কোটি কোটি লেনদেনের হিসাব, ডেটা সংরক্ষণ এবং জটিল বিশ্লেষণ প্রয়োজন। মেইনফ্রেমের লক্ষ্য হলো নির্ভরযোগ্যতা, নিরাপত্তা এবং একসাথে অসংখ্য ব্যবহারকারীর কাজ সমর্থন করা। এটি ক্যালকুলেটরের মতো ছোট গণনা বা গেমিং-এর জন্য নয়, বরং উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ ও বড় ডেটা সেট পরিচালনার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ডেস্কটপের চেয়ে এর ক্ষমতা অনেক বেশি এবং ব্যয়ও যথেষ্ট বেশি।

- সঠিক উত্তর: খ) উচ্চ-মাত্রার লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ এবং বৃহৎ পরিসরের কম্পিউটিং।
 
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অপশন আলোচনা:
- সুপারকম্পিউটার: বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য, নেটওয়ার্ক সার্ভিংয়ের জন্য নয়। 
- মাইক্রোকম্পিউটার: পার্সোনাল কম্পিউটিং বা ছোট সার্ভারের জন্য। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১১.
What does RTOS stand for in embedded systems?
  1. Remote Terminal Operating System
  2. Real-Time Operating System
  3. Run-Time Optimization System
  4. Resource Task Operating Software
ব্যাখ্যা

• RTOS এর পূর্ণরূপ হলো Real-Time Operating System।
- RTOS হলো এমন একটি অপারেটিং সিস্টেম যা অত্যন্ত দ্রুত এবং সুনির্দিষ্ট সময়সীমার (Time-bound) মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম। সাধারণ অপারেটিং সিস্টেম (যেমন- Windows) যেখানে ইউজার ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিংকে গুরুত্ব দেয়, সেখানে RTOS ডেডলাইন এবং কাজের নিশ্চয়তাকে (Determinism) অগ্রাধিকার দেয়। এটি এমবেডেড ডিভাইসের মেমোরি এবং প্রসেসরকে এমনভাবে নিয়ন্ত্রণ করে যেন যেকোনো ইনপুটের বিপরীতে তাৎক্ষণিক আউটপুট পাওয়া যায়।

• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Real-Time Operating System): 
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুনির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

• কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম: 
- FreeRTOS, 
- VxWorks,
- QNX, 
- ThreadX,
- RTLinux ইত্যাদি।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)। 
২। আইবিএম ওয়েবসাইট। [link]

৫,৩১২.
প্রিন্টারের রেজোলিউশনের মান নির্ণয় করতে কোন একক ব্যবহৃত হয়?
  1. Bit
  2. Hertz
  3. Byte
  4. DPI
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) DPI

 • প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায় একটি প্রিন্টার কতটা সূক্ষ্মভাবে ছবি বা লেখা মুদ্রণ করতে পারে। এটি মূলত প্রতিটি ইঞ্চিতে কতটি বিন্দু (dots) প্রিন্ট করা যায় তা দ্বারা নির্ধারিত হয়। এই মান পরিমাপ করার জন্য ডিপিআই (DPI – Dots Per Inch) একক ব্যবহার করা হয়। ডিপিআই যত বেশি, প্রিন্টের মান তত উন্নত এবং ছবি বা টেক্সট তত বেশি স্পষ্ট হয়। উদাহরণস্বরূপ, ৩০০ ডিপিআই মানে প্রতি ইঞ্চিতে ৩০০টি ছোট ছোট বিন্দু প্রিন্ট হবে। অন্য একক যেমন বিট, হার্জ বা বাইট কম্পিউটারের তথ্য বা গতি মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টারের রেজোলিউশনের জন্য নয়। তাই প্রিন্টারের রেজোলিউশন নির্ধারণের একক হলো ডিপিআই।

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।
- প্রিন্টারের রেজোলিউশন বলতে বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১৩.
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত কয় ধরনের হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সকল ধরনের কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা ও ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইনস্টল এবং আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।

কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই ধরনের হয়ে থাকে।
১) হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ
২) সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩১৪.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মান কত? 
  1. 2748
  2. 3124
  3. 4096
  4. 5270
ব্যাখ্যা

◉ হেক্সাডেসিমেল "ABC" = দশমিক 2748

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

A = 10
B = 11
C = 12

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

৫,৩১৫.
নিচের কোনটিতে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. ক) এটিএম
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ
  3. গ) ভিডিও গেম
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হল একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ডিজিটাল ইন্টারফেস সম্বলিত ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ (যেমন- ঘড়ি, মাইক্রোওয়েভ, ভিসিআর, কার প্রভৃতি) তে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়। সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেম, ব্যাংকিং কার্যক্রমে ব্যবহৃত এটিএম ইত্যাদিতে এমবেডেড সিস্টেমের ব্যাপক ব্যবহার হচ্ছে।
৫,৩১৬.
কম্পিউটারের আর্কিটেকচার এর সাথে কার নাম জড়িত?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. অগাস্টা অ্যাডা
  4. টিম বার্নার্স-লি
ব্যাখ্যা

◉ জন ভন নিউম্যান আধুনিক কম্পিউটার আর্কিটেকচারের জনক হিসেবে পরিচিত। তিনি ১৯৪৫ সালে ভন নিউম্যান আর্কিটেকচার প্রস্তাব করেন। 

জন ভন নিউম্যান: 
- জন ভন নিউম্যান, আসল নাম জ্যানোস নিউম্যান, (জন্ম 28 ডিসেম্বর, 1903, বুদাপেস্ট, হাঙ্গেরি—মৃত্যু 8 ফেব্রুয়ারি, 1957, ওয়াশিংটন, ডিসি, ইউ.এস.), হাঙ্গেরিয়ান-বংশোদ্ভূত আমেরিকান গণিতবিদ।
- ফলিত গণিতের জন্য ভন নিউম্যানের উপহার কোয়ান্টাম তত্ত্ব, স্বয়ংক্রিয় তত্ত্ব, অর্থনীতি এবং প্রতিরক্ষা পরিকল্পনাকে প্রভাবিত করে এমন দিকগুলিতে তার কাজ নিয়েছিল।
- ভন নিউম্যান গেম তত্ত্বের পথপ্রদর্শক এবং অ্যালান টুরিং এবং ক্লড শ্যাননের সাথে সঞ্চিত-প্রোগ্রাম ডিজিটাল কম্পিউটারের ধারণাগত উদ্ভাবকদের একজন ছিলেন।
- ভন নিউম্যান মেশিন, আধুনিক, বা ক্লাসিক্যাল, কম্পিউটারের মৌলিক নকশা করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ENIAC-এর নির্মাণে জড়িত তিনজন প্রধান বিজ্ঞানী-আর্থার বার্কস, হারম্যান গোল্ডস্টাইন এবং জন ভন নিউম্যান-"ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটিং ইন্সট্রুমেন্টের লজিক্যাল ডিজাইনের প্রাথমিক আলোচনা" (1946)-এ ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করেছিলেন।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
চার্লস ব্যাবেজ: অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের ডিজাইনার (মেকানিক্যাল কম্পিউটার)।
অগাস্টা অ্যাডা: প্রথম প্রোগ্রামার হিসাবে পরিচিত।
টিম বার্নার্স-লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর উদ্ভাবক।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৫,৩১৭.
কম্পিউটারের বিকাশের কোন পর্যায়ে প্রথমবার ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বিকাশের দ্বিতীয় প্রজন্মে (Second Generation) প্রথম ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- এই সময়ে কম্পিউটারের তাপ সমস্যার সমাধান হয়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩১৮.
Which of the following is a type of computer virus?
  1. Norton
  2. Avast
  3. Melissa
  4. Avira
ব্যাখ্যা

• Vienna হলো একটি ঐতিহাসিক কম্পিউটার ভাইরাস যা DOS .COM এবং .EXE ফাইলগুলোকে সংক্রমিত করতো। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- Melissa (মেলিসা),
- WannaCry, ILOVEYOU, Conficker, 
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৫,৩১৯.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের কারণ কী?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,৩২০.
ENIAC কম্পিউটারটির উদ্ভাবক ছিলেন -
  1. Larry Page and Sergey Brin
  2. Steve Jobs and Steve Wozniak
  3. John Mauchly and J. Presper Eckert
  4. Bill Gates and Paul Allen
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি (John Mauchly) এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট (J. Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২১.
মাদারবোর্ড কী?
  1. কম্পিউটারের মনিটর
  2. প্রসেসর সংযোগের জন্য ব্যবহৃত কেবল
  3. র‍্যামের জন্য আলাদা বোর্ড
  4. কম্পিউটারের ভিতরে থাকা সার্কিট বোর্ড
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার

- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
৫,৩২২.
বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?
  1. RAM
  2. Secondary Storage
  3. ROM
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে RAM থেকে তথ্য চলে যায়। 
 
র‍্যাম (RAM): 
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। 
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়। 
 
র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য: 
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি। 
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়। 
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। 
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। 
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২৩.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা সর্বপ্রথম কোন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়েছিলো?
  1. MS-DOS
  2. Windows
  3. Linux
  4. Unix
ব্যাখ্যা

Unix অপারেটিং সিস্টেমে সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম প্রয়োগ করা হয়।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,৩২৪.
"কম্পিউটার ভাইরাস" শব্দটিকে সংজ্ঞায়িত করার এবং ১৯৮০-এর দশকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে এটি প্রদর্শনের জন্য কাকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়?
  1. Robert Morris
  2. Fred Cohen
  3. John von Neumann
  4. Vinton Cerf
ব্যাখ্যা
• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.

- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২৫.
১ কিলোবাইট = কত বিট?
  1. ক) ১০০০০ বিট
  2. খ) ১০২৪ বিট
  3. গ) ৮১৯২ বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
১ বাইট = ৮ বিট
১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
= (১০২৪ × ৮) বিট
= ৮১৯২ বিট

উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী। 
৫,৩২৬.
CRAY-1 কী ধরনের কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  2. বৃহৎ কম্পিউটার
  3. ছোট কম্পিউটার
  4. অতিবৃহৎ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ CRAY-1 হলো বিশ্বের প্রথম সফল সুপারকম্পিউটার (অতিবৃহৎ কম্পিউটার), যা ১৯৭৬ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
এটি বৈজ্ঞানিক গবেষণা, আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং জটিল গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত হতো। সুপারকম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটারের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন হয়।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- এ যাবৎ কাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে শক্তিশালী ও অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার।
উদাহরণ CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- ক্ষমতা ও আকার বিচারে মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কিন্তু মাইক্রো কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতা সম্পন্ন।
উদাহরণ IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম বা বৃহৎ কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট ও কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে মিনি কম্পিউটার।
- এর কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশটি সাধারণ টেবিলের উপর বসানো সম্ভব।
উদাহরণ NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্য বিচারে সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রো বা ছোট কম্পিউটার।
- উদাহরণ IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।
- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩২৭.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কী বলা হয়?
  1. শেল
  2. কার্নেল
  3. BIOS
  4. ইউটিলিটি
ব্যাখ্যা

অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,৩২৮.
কম্পিউটার সিস্টেমে 'মডেম' - কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ইনপুট
  2. আউটপুট
  3. ইনপুট-আউটপুট
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• কীবোর্ড, 
• মাউস, 
• স্ক্যানার, 
• OMR, 
• OCR ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন- 
• মনিটর, 
• প্রিন্টার, 
• প্রজেক্টর, 
• স্পিকার, 
• প্লটার ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন- 
• হেডফোন, 
• ডিজিটাল ক্যামেরা, 
• মডেম, 
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
২) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩২৯.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেছিলেন?
  1. অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন
  2. টাইপরাইটার
  3. ক্যালকুলেটর
  4. অ্যাবাকাস 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও কম্পিউটিং পথিকৃৎ, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি ১৮৩৭ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ডিজাইন করেছিলেন, যা ছিল একটি যান্ত্রিক জেনারেল-পারপাস কম্পিউটার।
- এটি প্রোগ্রামযোগ্য ছিল এবং আধুনিক কম্পিউটারের মূল নীতিগুলি (ইনপুট/আউটপুট, প্রসেসিং, মেমরি) ধারণ করত।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৩০.
A Quantum Computer mainly works on - 
  1. Byte
  2. Bit
  3. Qubit
  4. Register
ব্যাখ্যা

Quantum Computer মূলত Qubit-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

Quantum Computer
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার তথ্যের মৌলিক একক হিসেবে কিউবিট (Quantum bit) ব্যবহার করে।
- যেখানে সাধারণ বা ক্লাসিক্যাল বিট শুধুমাত্র 0 বা 1 হতে পারে, কিউবিট সুপারপজিশন (superposition) অবস্থায় থাকতে পারে, যার মানে এটি একসাথে 0, 1, বা উভয়ই উপস্থাপন করতে পারে।
- এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় একাধিক তথ্য একই সময়ে প্রসেস করতে সক্ষম, যা কিছু নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে তাদের অত্যন্ত দ্রুত করে তোলে।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার এখনও প্রায়শই পরীক্ষামূলক, তবে ভবিষ্যতে বড় ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, বড় সংখ্যার গাণিতিক বিভাজন এবং নিরাপদ যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৫,৩৩১.
কম্পিউটারের গাণিতিক কার্যক্রম সম্পাদন করে কোনটি?
  1. ক) এ.এল.ইউ
  2. খ) কন্ট্রোল ইউনিট
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) বায়োস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার সিপিইউ এর Arithmetic Logic Unit (ALU) গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে।

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩২.
কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে-
  1. ক) অসীম
  2. খ) বৃহৎ
  3. গ) সীমিত
  4. ঘ) শূন্য
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের আইকিউ হচ্ছে শূন্য।
- অর্থাৎ কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধিমত্তা নেই।
- কম্পিউটার নিজে বুদ্ধি খাটিয়ে কোন কাজ করতে পারে না।
- মানুষের তৈরি করে দেওয়া নির্দেশনা অনুসরণ করেই কম্পিউটার সব রকমের কাজ সম্পন্ন করে।

৫,৩৩৩.
কোন সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ২।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৫,৩৩৪.
কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের নকশা তৈরি করেছিলেন?
  1. Difference Engine
  2. Tabulating Machine
  3. Pascaline
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৩৫.
এমএস ওয়ার্ডে কোনো text ইটালিক (Italic) করতে হলে নিচের কোন কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl+I
  2. খ) Shift+I
  3. গ) Alt+I
  4. ঘ) Ctrl+B
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে কোনো text ইটালিক (Italic) করতে হলে Ctrl+I কমান্ড ব্যবহার করতে হয়।
৫,৩৩৬.
Abacus কী?
  1. ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. খ) ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  3. গ) প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
  4. ঘ) গণনাযন্ত্র
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- গণনার কাজে সহায়তার জন্য প্রাচীনকাল থেকে বিভিন্ন প্রকার যান্ত্রিক কৌশল প্রচলিত থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনার যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। অর্থাৎ বলা যায় অ্যাবাকাস থেকেই কম্পিউটারের ইতিহাসের শুভযাত্রা।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগানো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের। এভাবে প্রত্যেক তারে একটি করে মান থাকত। ফ্রেমের মাঝখান বাম, ডান কিংবা ওপর-নিচ বিভক্ত থাকত। গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৭.
একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করতে পারে কোন ডিভাইসটি?
  1. পেনড্রাইভ
  2. স্পিকার
  3. লাইটপেন
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
• পেনড্রাইভ একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করতে পারে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে, তাকে ইনপুট ডিভাইস বলা হয়।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে কীবোর্ড, মাউস, ট্র্যাকবল, জয়স্টিক, টাচ স্ক্রিন, বারকোড রিডার, পয়েন্ট-অফ-সেল, OMR, OCR, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, গ্রাফিক্স প্যাড, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার প্রক্রিয়াজাত ফলাফল দেখায়, তাকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেডফোন ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে, তাদের ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোর মধ্যে রয়েছে হার্ড ডিস্ক, CD/DVD, টাচ স্ক্রিন, পেনড্রাইভ, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৩৮.
রিলেশনাল ডাটাবেজে কোন সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেকগুলো চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হতে পারে?
  1. Self-referencing
  2. One-to-many
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৩৯.
প্রোগ্রামের স্থায়ী বিবরণী সংরক্ষণ করাকে কী বলে?
  1. রানিং
  2. ডকুমেন্টেশন
  3. ট্রান্সলেশন
  4. এক্সিকিউশন
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের স্থায়ী বিবরণী সংরক্ষণ করাকে ডকুমেন্টেশন বলে।

• প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন (Programme Documentation)
- ভুল সংশোধনের পর প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কাজ করলে তাকে Run programme বলা হয় এবং এ প্রোগ্রামকে ভবিষ্যতে এবং রক্ষণের জন্য লিপিবদ্ধ করতে হয়।
- এ লিপিবদ্ধ প্রোগ্রামকে ডকুমেন্টেশন বলে।
- আধুনিকীকরণ করার জন্য প্রোগ্রামের সঠিক ডকুমেন্টেশন তৈরি করতে হয় অর্থাৎ প্রোগ্রামের বিবরণী স্থায়ীভাবে লিপিবদ্ধ করতে হয়।
- সেক্ষেত্রে প্রোগ্রামকে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে না পারলে এর আধুনিকীকরণ কঠিন হয়ে পড়ে।
- পেপার, ম্যাগনেটিক ডিস্ক ইত্যাদির মাধ্যমে প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যেতে পারে।

• একটি Complete প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন যে সকল বিষয় থাকা দরকার তা হলো-
- প্রোগ্রামের বর্ণনা।
- প্রোগ্রামের ফ্লোচার্ট।
- কোডিং।
- প্রোগ্রাম নির্বাহকালীন সময়ে করণীয় কাজের তালিকা।
- পরীক্ষণ ও ফলাফল।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,৩৪০.
কোন উপাদানটি বিভিন্ন নির্দেশাবলী কার্যকর করে এবং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ পরিচালনা করে?
  1. USB Port
  2. Monitor
  3. Power Supply
  4. CPU
ব্যাখ্যা
⚪ CPU বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট হলো কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক"। এটি প্রোগ্রামের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করে এবং বিভিন্ন গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কাজ পরিচালনা করে। ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, যেমন যোগ, বিয়োগ, তুলনা করা ইত্যাদি- সব কিছুই CPU সম্পাদন করে।

⚪ অপশন আলোচনা:
- Power Supply: বিদ্যুৎ সরবরাহ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে না।
- Monitor: তথ্য প্রদর্শনের কাজ করে।
- USB Port: বাহ্যিক ডিভাইস সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ CPU ( Central Processing Unit):
CPU হলো কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা “ব্রেইন”। এটি ইনপুট ডিভাইস থেকে আসা তথ্য নিয়ে গণনা, বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে এবং আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।

CPU-এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে:
১। CU (Control Unit)- পুরো কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। নির্দেশ দেয় কে কখন কী করবে।
২। ALU (Arithmetic Logic Unit)- গাণিতিক ও যুক্তিগত কাজ করে। যেমন: যোগ, বিয়োগ, তুলনা ইত্যাদি।
৩️। Memory unit - সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে প্রসেসিংয়ের সময়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪১.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. Al
  2. Ga
  3. Si
  4. Plastics
ব্যাখ্যা
⚪ কম্পিউটারের মূল মেমোরি (যেমন RAM বা ROM) সাধারণত সিলিকন (Si) দিয়ে তৈরি করা হয়। সিলিকন আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, কারণ এটি একটি সেমিকন্ডাক্টর, যা ইলেকট্রিক্যাল সিগন্যালকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

- Al (অ্যালুমিনিয়াম): এটি এক ধরনের ধাতু, কিন্তু কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে ব্যবহার হয় না।

- Ga (গ্যালিয়াম): এটি কিছু বিশেষ ধরনের সেমিকন্ডাক্টর ডিভাইসে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরিতে এটি ব্যবহৃত হয় না।

- Si (সিলিকন): এটি সেমিকন্ডাক্টর হিসেবে কম্পিউটারের মেমোরি এবং প্রসেসরের মতো অংশ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

- Plastics (প্লাস্টিক): কম্পিউটারের মেমোরির মূল উপাদান হিসেবে প্লাস্টিক ব্যবহৃত হয় না, তবে এটি বাহ্যিক ক্ষেত্রে যেমন কেস বা কভার তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

⚪ কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৫,৩৪২.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ে একটি ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে কী বলে?
  1. পলিমরফিজম
  2. ক্লাস
  3. এনক্যাপসুলেশন
  4. ইনহেরিটেন্স
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) পদ্ধতিতে ডাটা ও কার্যক্রমের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, যাকে অবজেক্ট বলা হয়।
- অবজেক্টগুলো পরস্পরের মধ্যে মেসেজ পাঠানোর মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের কার্যক্রম বা ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, অর্থাৎ ডাটা ও ফাংশন একত্রে সংযুক্ত থাকে।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর কয়েকটি উদাহরণ:
 - C++,
- Java,
- Simula ইত্যাদি হলো।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

• অবজেক্ট:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোনো বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণ হলো অবজেক্ট।

• ক্লাস:
- ক্লাস হলো একই ধরনের অনেকগুলো বস্তু কিংবা ঘটনার Logical Representation এবং অবজেক্ট হলো প্রোগ্রামে তার Physical Representation.
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এ কোনো অবজেক্টকে প্রোগ্রামে উপস্থাপনের পূর্বে ক্লাস তৈরি করতে হয়।

• পলিমরফিজম:
- পলিমরফিজম মানে হলো অনেক ফর্মস।
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।

• ইনহেরিটেন্স:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।

• এনক্যাপসুলেশন:
- অবজেক্ট এর Attributes এবং Behaviors কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৩.
হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা কোনটির উপর নির্ভর করে না?
  1. প্ল্যাটারের ঘনত্ব
  2. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  3. প্রসেসরের ক্লক স্পিড
  4. ট্র্যাকের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• প্রসেসরের ক্লক স্পিডের উপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে না, বরং এটি CPU এর পারফরমেন্স নির্ধারণ করে। 

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক বা HDD হলো ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।

• HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়।
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- রিড/রাইট হেড এই ডেটা অ্যাক্সেস বা পরিবর্তন করে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা।
- ট্র্যাকের সংখ্যা।
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা।
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।
- প্ল্যাটারের ঘনত্ব।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৪.
হার্ড ডিস্ক কোন ধরনের স্টোরেজ মিডিয়াম?
  1. অপটিক্যাল
  2. ইলেকট্রিক
  3. লেজার
  4. ম্যাগনেটিক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) ম্যাগনেটিক
হার্ড ডিস্ক হলো একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম, যা কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের ফ্ল্যাট গোলাকার প্লেট দিয়ে তৈরি, যা ম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে কোট করা থাকে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk):
হার্ড ডিস্ক হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। এটি অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি সমতল গোলাকার পাতের ওপর ম্যাগনেটিক উপাদান দিয়ে আবৃত থাকে।

বৈশিষ্ট্য:
- হার্ড ডিস্ক মূলত চৌম্বকীয় উপাদানের প্রলেপযুক্ত কিছু চাকতি যা একটি কেন্দ্রীয় অক্ষের চারিদিকে ঘোরে। এই চাকতিগুলোর উপর ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি ছোট ইলেক্ট্রোম্যাগনেট, যাকে ম্যাগনেটিক হেড বলা হয়, তা স্পিনিং ডিস্কের উপর ক্ষুদ্র স্থানগুলোকে বিভিন্ন দিকে ম্যাগনেটাইজ করে বাইনারি ডিজিট (১ অথবা ০) লিখে এবং স্থানগুলোর ম্যাগনেটাইজেশন দিক সনাক্ত করে ডিজিট পড়ে।
- হার্ড ড্রাইভের মধ্যে বেশ কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘোরানোর জন্য একটি ড্রাইভ মোটর এবং কিছু ইলেকট্রনিক সার্কিট থাকে, যা ধুলো থেকে রক্ষার জন্য একটি ধাতব আবরণে আবদ্ধ থাকে।
- বর্তমানে কিছু কম্পিউটার এবং ল্যাপটপে সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার করা হয়, যা তথ্য সংরক্ষণের জন্য ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে, হার্ড ডিস্কের পরিবর্তে।
- হার্ড ড্রাইভগুলোতে সাধারণত একাধিক ডিস্ক থাকে, যেগুলোর প্রত্যেকটি পৃষ্ঠের জন্য একটি করে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রিড/রাইট হেড থাকে। এই পুরো কাঠামোকে "comb" বলা হয়।
- ড্রাইভের একটি মাইক্রোপ্রসেসর হেডের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডিস্ক থেকে ডেটা স্থানান্তরের জন্য RAM ব্যবহার করে। ড্রাইভগুলো বায়ুরোধীভাবে তৈরি করা হয়, ফলে হেডগুলো ডিস্কের খুব কাছে একটি পাতলা ফিল্মের উপর ভাসতে পারে।
- ডিস্কের উপর ডেটা খুব কাছাকাছি বৃত্তাকার ট্র্যাকে সংরক্ষণ করা হয়, যার জন্য রিড/রাইট হেডগুলোর খুব সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ প্রয়োজন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৫,৩৪৫.
হেক্সাডেসিমাল F এর মান বাইনারিতে-
  1. ক) ১০১০
  2. খ) ১১১১
  3. গ) ১১১০
  4. ঘ) ১১০১
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫,৩৪৬.
কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কিত কোন বিবরণটি সঠিক?
  1. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  2. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  3. ALU এর সমতুল্য
  4. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৫,৩৪৭.
একটি ২ GHz CPU-এর এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল আনুমানিক:
  1. ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড
  2. ২ ন্যানোসেকেন্ড
  3. ৫০০ ন্যানোসেকেন্ড
  4. ২ মিলিসেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• একটি ২ GHz CPU-এর অর্থ হলো এটি প্রতি সেকেন্ডে ২ বিলিয়ন (২ × ১০) ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে। তাই এক ক্লক সাইকেলের সময়কাল হবে ১ সেকেন্ড ÷ ২ × ১০= ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। অর্থাৎ, প্রতি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড সময় লাগে। GHz মানে হলো গিগাহার্টজ, যা একক সময়ের মধ্যে কতটি সাইকেল সম্পন্ন হয় তা বোঝায়। তাই ঘড়ির স্পিড যত বেশি, প্রতি সাইকেলের সময়কাল তত কম। এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হচ্ছে: ক) ০.৫ ন্যানোসেকেন্ড। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে বোঝা যায় ক্লক স্পিড ও সময়ের সম্পর্ক বিপরীতমুখী।

• কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৪৮.
নিচের Job Scheduling Policy সমূহের মধ্যে কোনটি Starvation থেকে মুক্ত?
  1. Shortest Job First
  2. Priority Scheduling
  3. Round-robin
  4. Youngest Job First
ব্যাখ্যা
A starvation-free job-scheduling policy guarantees that no job waits indefinitely for service. 
Here, Round Robin – this gives all processes equal access to the processor.
The other techniques each select some “types” of processes to others (e.g. short processes, high priority processes etc). 
প্রশ্নটি University of Liverpool এর একটি লেকচারের অনুশীলনী অংশের একটি প্রশ্নের সাথে অপশনসহ পুরোপুরি মিলে যাচ্ছে দেখে মনে হচ্ছে সেখান থেকেই নেয়া হয়েছে।
Round Robin পদ্ধতিতে প্রত্যেক প্রসেসের রেসপন্স টাইমের জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেয়া থাকে। তাই, কোন প্রসেসকে CPU টাইম পেতে অবান্তর অপেক্ষা করতে হয় না।
৫,৩৪৯.
8086 কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
• 8086 ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর।

বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে।
যেমন:
৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৪০০৪, ৪০৪০।
৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৮ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০০৮, ৮০৮০।
১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ১৬ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬,.৮০১৮৮, ৮০২৮৬, ৬৮০০০।
৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর। যেমন- ৮০৩৮৬, ৮০৩৭৬, ৮০৪৮৬।
৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর: ৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৬৪ বিট এককে তথ্য পরিবহন করে। যেমন- Intel core i3, core i5, core i7, xenon, Intel ITANIUM।

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- কালের বিবর্তনে বর্তমানে ইন্টেল কোর আই নাইন Intel Core i9th-10th (2nd GEN) বাজারে পাওয়ার যাচ্ছে।
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন, মটোরোলা ,আইবিএম, এএমডি, সাইরিক্স , এনভিডিয়া, কোয়ালকম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫০.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Confirmation
  2. Continuity
  3. Consistency
  4. Consultancy
ব্যাখ্যা
ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

উৎস: techtarget.com
৫,৩৫১.
নিচের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্সের আওতাভুক্ত নয়?
  1. ব্যক্তি শনাক্তকরণ
  2. জিন বিশ্লেষণ
  3. প্রোটিন গঠন বিশ্লেষণ
  4. ওষুধ আবিষ্কার
ব্যাখ্যা

• ব্যক্তি শনাক্তকরণ বায়োইনফরমেটিক্সের আওতাভুক্ত নয়, এটি  বায়োমেট্রিক্সের আওতায় পড়ে।

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
- প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
- নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
- জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
- রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
- প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কন্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,৩৫২.
6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন কত? 
  1. 52 টি
  2. 62 টি
  3. 64 টি
  4. 88 টি
ব্যাখ্যা

• ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত একটি ডিকোডার সাধারণত 2n আউটপুট লাইন তৈরি করে, যেখানে n হল ইনপুট লাইনের সংখ্যা। এখানে n = 6, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 26 = 64। ডিকোডারের মূল কাজ হল নির্দিষ্ট ইনপুট কম্বিনেশন অনুযায়ী একক আউটপুট সক্রিয় করা, বাকিগুলো বন্ধ রাখা। তাই ৬ লাইন ইনপুটযুক্ত ডিকোডার ৬৪টি ভিন্ন আউটপুট লাইন তৈরি করতে সক্ষম। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 64 টি।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 6 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 26
= 64 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৫৩.
টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শিডিউলিং অ্যালগরিদম কোনটি?
  1. Round Robin (RR)
  2. First-Come, First-Served (FCFS)
  3. Shortest Job Next (SJN)
  4. Priority Scheduling
ব্যাখ্যা

• টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শিডিউলিং অ্যালগরিদম হলো Round Robin (RR)। এই অ্যালগরিদমে প্রতিটি প্রক্রিয়াকে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বা time quantum দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হলে, যদি কোনো প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হয় তবে সেটিকে কিউ-এর শেষে পাঠানো হয় এবং পরবর্তী প্রক্রিয়া প্রসেসর পায়। ফলে সব প্রক্রিয়া সমান সুযোগ পায় এবং সিস্টেমের প্রতিক্রিয়াশীলতা (responsiveness) বজায় থাকে। এটি বিশেষভাবে ইন্টারেক্টিভ সিস্টেমে কার্যকর, কারণ ব্যবহারকারীরা দ্রুত প্রতিক্রিয়া পান। অন্যদিকে, FCFS, SJN বা Priority Scheduling টাইম-শেয়ার্ড সিস্টেমে সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পারে না, তাই RR-ই সবচেয়ে জনপ্রিয়।

Time-shared OS:
- টাইম শেয়ারিং হলো একটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম যার দ্বারা একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত কয়েকটি কম্পিউটার ব্যবহারকারী একই সাথে কাজ করতে পারে।
Round Robin scheduling policy:
- Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ।
- আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে।

উৎস: geeksforgeeks [লিংক]

৫,৩৫৪.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. এডিটর
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ ইন্টারপ্রেটার লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
→ অ্যাসেম্বলার শুধু অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
→ এডিটর কোড লেখার ও সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়। 

• অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে সব ভাষা সরাসরি মেশিন ভাষা নয়।
- যে প্রোগ্রামিং ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হয়, কম্পিউটার তা সরাসরি বুঝতে পারে না।

- এজন্য প্রোগ্রামকে কার্যনির্বাহের আগে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করা প্রয়োজন।
-যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উচ্চ স্তরের বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program) বলা হয়।
 
• অ্যাসেম্বলার (Assembler):

- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়, তাকে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি অ্যাসেম্বলি ভাষা ও মেশিন ভাষার মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার অনুবাদক:

- উচ্চ স্তরের ভাষাকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করার জন্য দুই ধরনের অনুবাদক ব্যবহৃত হয়।
- যথা— কম্পাইলার (Compiler) এবং ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার জন্য নির্দিষ্ট কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার প্রয়োজন হয়।
 
• কম্পাইলার (Compiler):

- কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটি একসাথে পরীক্ষা করে এবং মেশিন কোডে অনুবাদ করে।
- প্রোগ্রামে কোনো Syntax Error থাকলে, তা প্রোগ্রাম চালানোর আগেই শনাক্ত করে।
- একবার কম্পাইল সফল হলে, প্রোগ্রামটি পরবর্তীতে বারবার চালানো যায়।
তাই বড় ও জটিল প্রোগ্রামের ক্ষেত্রে কম্পাইলার ব্যবহার তুলনামূলকভাবে কার্যকর।
 
• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):

- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন বা স্টেটমেন্ট বাই স্টেটমেন্ট অনুবাদ করে।
- প্রতিটি লাইনের অনুবাদের পর সাথে সাথে সেই লাইনটি কার্যনির্বাহ করা হয়।
- প্রোগ্রামে কোনো ত্রুটি থাকলে, ত্রুটিযুক্ত লাইনে পৌঁছালে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়।
- ইন্টারপ্রেটারের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একবারে অনুবাদ না হওয়ায় গতি তুলনামূলকভাবে কম হয়, তবে ত্রুটি নির্ণয় সহজ হয়।
 
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৫,৩৫৫.
গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. প্লেইন টেক্সট
  2. এনক্রিপশন এলগরিদম
  3. সাইফার টেক্সট
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-

১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫৬.
কোনটি Spreadsheet Package Program?
  1. MS Excel
  2. MS Word
  3. dBase
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা
MS Excel হচ্ছে Spreadsheet Package Program.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

অন্যদিকে,
- dBase, Foxpro হচ্ছে Database Package Program.
- MS Word হচ্ছে Word Processing Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৫৭.
Spread Sheet প্রোগ্রাম দিয়ে কি কাজ করা হয়?
  1. ক) হিসাব নিকাশ
  2. খ) ডিজাইন
  3. গ) ওয়ার্ড প্রসেসিং
  4. ঘ) তথ্য ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
হিসাব নিকাশের জন্য যে প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয় তাকে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার বলে। ভিসিকেল পৃথিবীর প্রথম স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৫,৩৫৮.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Ms-Excel
  2. খ) Word Star
  3. গ) Windows
  4. ঘ) Foxpro
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন
প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের
আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে
DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও
সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা
সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়।যেমনঃ
1| Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2| Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3| Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৩৫৯.
ACID-এর কোন বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না?
  1.  Atomicity 
  2. Consistency
  3. Isolation
  4. Durability
ব্যাখ্যা

• ACID হলো ডাটাবেস লেনদেনের চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মধ্যে Atomicity বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না। অর্থাৎ, যদি লেনদেনের কোন ধাপ ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ লেনদেনটি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং আংশিক পরিবর্তন ডাটাবেসে থাকে না। এটি ডাটার অখণ্ডতা এবং নির্ভরযোগ্যতা রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাংক ট্রান্সফার লেনদেনে টাকা উত্তোলন হয় কিন্তু জমা হয় না, তাহলে Atomicity নিশ্চিত করে যে লেনদেনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো অর্ধেক পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রয়োগ হবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Atomicity।

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [

৫,৩৬০.
নিচের কোনটি Octal number নয়? 
  1. 19
  2. 77
  3. 15
  4. 101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 8। যেমন- 101, 367, 452 কিন্তু 19 অক্টাল সংখ্যা নয় কারণ 9 অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৫,৩৬১.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না?
  1. ক) মেশিন ভাষায় (Machine Language)
  2. খ) অ্যাসেম্বলি ভাষায় (Assembly Language)
  3. গ) মধ্যমস্তরের ভাষায় (Mid- Level Language)
  4. ঘ) উচ্চস্তরের ভাষায় (High Level Language)
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে। অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৫,৩৬২.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. CPU
  2. Monitor
  3. Mac OS
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬৩.
যদি একটি CPU-এর ৪টি কোরের বদলে ৮টি কোর থাকে, তবে তা তাত্ত্বিকভাবে কী করতে পারে?
  1. ঘড়ির গতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাড়ানো
  2. স্টোরেজ ক্ষমতা দ্বিগুণ করা
  3. একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো 
  4. সফটওয়্যার বাগ কমানো
ব্যাখ্যা

•  একটি CPU-এর কোর সংখ্যা বাড়ালে তা সরাসরি ঘড়ির গতি বা স্টোরেজ ক্ষমতা বাড়ায় না। কোর হলো CPU-এর স্বাধীন প্রসেসিং ইউনিট, যা একসাথে আলাদা কাজ (threads) সম্পন্ন করতে পারে। তাই ৪টির পরিবর্তে ৮টি কোর থাকলে তাত্ত্বিকভাবে CPU একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালাতে সক্ষম হবে। এটি মাল্টি-টাস্কিং এবং সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণকে উন্নত করে, যার ফলে বড় বড় প্রোগ্রাম বা একাধিক অ্যাপ্লিকেশন একই সময়ে দ্রুত কাজ করতে পারে। তবে কোর বাড়ানো সফটওয়্যার বাগ কমায় না; বাগ মূলত প্রোগ্রামিং বা লজিক ত্রুটির কারণে হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) একসাথে দ্বিগুণ সংখ্যক কাজ চালানো।

প্রসেসর: 
- প্রসেসরকে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়, কারণ কম্পিউটারের সব গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এর মাধ্যমেই সম্পন্ন হয়।
- কম্পিউটারের মূল চালিকাশক্তি হলো এই সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা প্রসেসর। 
- অনেক সময় সিস্টেম ইউনিটকে ভুলবশত CPU বলা হয়, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে CPU হলো সেই ছোট্ট চিপ, যা কেন্দ্রীয়ভাবে সমস্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। আকারে ছোট হলেও এর কর্মক্ষমতা অত্যন্ত শক্তিশালী।
- কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা অনেকাংশে প্রসেসরের গতি ও মানের উপর নির্ভরশীল।
- আধুনিক প্রসেসর একাধিক কোর-এর সমন্বয়ে তৈরি, যা মাল্টিটাস্কিং করতে সক্ষম। অর্থাৎ একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ একই সাথে দ্রুত সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৬৪.
প্রোগ্রামার ও কম্পিউটারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করার দায়িত্ব পালন করে-
  1. Service Programme
  2. Processing programme
  3. Control Programme
  4. Utility programme
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের সংগঠন:
- অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব একটি কর্মপদ্ধতি আছে।
- কর্মপদ্ধতির উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা যেতে পারে।
১. নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (Control Programme) ও
২. সেবামূলক প্রোগ্রাম (Service Programme)।

• নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম:
- অপারেটিং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম ইনপুট ও আউটপুট প্রক্রিয়ায় তথ্য ও উপাত্ত আদান প্রদানের কাজ নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চিত করে।
- প্রোগ্রামার ও কম্পিউটারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করার দায়িত্বও এই নিয়ন্ত্রণ অংশের।
- অনেক সময় বড় ফাইল বা প্রোগ্রাম নিয়ে কাজ করতে অসুবিধা দেখা দেয়।
- এরকম অসুবিধা দূর করার জন্য নিয়ন্ত্রণ অংশ বড় প্রোগ্রামগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে নির্বাহ করার দায়িত্ব পালন করে।
- নিয়ন্ত্রণ অংশ আরও অনেক ধরনের সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করে।
- নিয়ন্ত্রণ অংশের কয়েকটি সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রাম হচ্ছে- সুপাভাইজার প্রোগ্রাম, নির্দিষ্ট কাজ নিয়ন্ত্রনের প্রোগ্রাম, ইনপুট ও আউটপুট নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রম ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬৫.
রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) কুয়েরি করার জন্য কোন ভাষাটি ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. C++
  3. Java
  4. SQL
ব্যাখ্যা

• SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি ডিক্লারেটিভ ভাষা যা রিলেশনাল ডাটাবেস (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ডেটাবেসে টেবিল তৈরি করা, ডেটা ইনসার্ট করা এবং কুয়েরির মাধ্যমে নির্দিষ্ট তথ্য বের করে আনা হয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):

- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়‍্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।

• SQL:
- ১৯৭৪ সালে।BM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
ডেটা ডেফিনেশন ও ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ হিসেবে বিভিন্ন RDBMS (যেমন- DB2, SQL/DS ORACLE, INGRES, FOXPRO ইত্যাদি) এ ব্যবহৃত হয়।
- Tuple Calculas এর উপর ভিত্তি করে SQL তৈরি করা হয়েছে।
- SQL ব্যবহারকারীকে বিভিন্ন ধরনের সুবিধা প্রদান করে থাকে।
যেমন-
১. ডেটা কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Data Query Language DQL),
২. ডেটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Defination Language DDL),
৩. ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ (Data Manipulation Language -DML),
৪. ডেটা কন্ট্রোল ল্যাংগুয়েজ (Data Control Language DCL) I

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,৩৬৬.
অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. স্পিডোমিটার
ব্যাখ্যা

• মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

অন্যদিকে,
- মাইক্রোকম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, মেইনফ্রেম কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৫,৩৬৭.
ইমেইজ এক্সটেনশন ফাইলের ধরন নয় কোনটি?
  1. JPEG
  2. TCE
  3. BMP
  4. PNG
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।
• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.

• TCE ফাইল এক্সটেনশনটি ASCII টেক্সট ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
৫,৩৬৮.
অ্যানালগ কম্পিউটার সাধারণত কী পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  2. গ্রাফিক্স ডিজাইন
  3. চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ
  4. টেক্সট ফাইল ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে তাদেরকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৬৯.
____ is used to control all the parts of a manufacturing process.
  1. ক) ATM
  2. খ) CAM
  3. গ) CAD
  4. ঘ) MICL
ব্যাখ্যা
 Computer Aided Manufacturing (CAM) is the use of software and computer-controlled machinery to automate a manufacturing process.
৫,৩৭০.
ভিডিও ফাইল এক্সটেনশন ফরম্যাট কোনটি?
  1. .jpg
  2. .bmp
  3. .mpg
  4. .exe
ব্যাখ্যা
- .jpg, .jpeg, .bmp এগুলো image file।
- .exe হল windows platform এর executable file format।
- .mpg, .mpeg হচ্ছে ভিডিও ফাইল ফরমেটের এক্সটেনশন।
৫,৩৭১.
প্রোগ্রামিং এর জন্য শত শত তার বদলাতে কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত –--- এ সমস্যা দূর করার জন্য ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা কোন কম্পিউটার তৈরির উদ্যোগ নেয়?
  1. EDSAC
  2. ABC
  3. ENIAC
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• ABC (Atanasoff Berry Computer):
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানোসফ (Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasoff Berry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটির গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমোরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator): 

- ১৯৪৬ সালে ড. জন মডসাল এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একটি (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এনিয়াক (ENIAC) কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator):
- প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েক দিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।
- এ ধরনের অসুবিধার দূর করার লক্ষ্যে আমেরিকায় এডভ্যাক (EDVAC) তৈরির সময়েই কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।

- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

• UNIVAC (Universal Automatic Computer):
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতারা UNIVAC (Universal Automatic Computer) কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন। ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল। UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৭২.
কোনটি পারসোনাল কম্পিউটার নয়?
  1. ক) ল্যাপটপ
  2. খ) সারফেস ট্যাব
  3. গ) ডেস্কটপ
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫,৩৭৩.
নিচের কোন Octal সংখ্যাটি Decimal সংখ্যা ৫৫-এর সমতুল্য?
  1. ৫৫
  2. ৭৭
  3. ৬৭
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। অত:পর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit - MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit -LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্ট্যাল মান নির্ণয় করা যায়।

Division by 8   Quotient(ভাগফল)   Remainder (ভাগশেষ)  

(55)/8                 6                                    7                        

(6)/8                   0                                    6    

 (55)10 = (67)8
৫,৩৭৪.
প্রধান সার্কিট বোর্ড যেখানে সকল কম্পোনেন্ট সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. প্রসেসর
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাদারবোর্ড। 

মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভিতরে থাকা প্রধান সার্কিট বোর্ড, যেখানে সিস্টেমের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ডিভাইস সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযোজনের সুযোগ থাকে।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়শই কম্পিউটারের “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সব উপাদানকে একত্রিত করে সংযোগ প্রদান করে।
- ভালো ব্র্যান্ডের মধ্যে রয়েছে: Gigabyte, Intel, Foxconn, Asus ইত্যাদি।

অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের কেসের ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল। 
২। ব্রিটানিকা। 

৫,৩৭৫.
সাধারণত কোন অর্ধপরিবাহীটি IC তৈরিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সোডিয়াম
  2. সিলভার
  3. সিলিকন
  4. কার্বন
ব্যাখ্যা
IC(Integrated Circuit) :
- আই.সি. এর পূর্ণ নাম ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়।
- এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মাণ করে জোড়া লাগানো হয়।
- এটি দেখতে চ্যাপটা, ছোট, কালো বা ধুসর রঙের হয়।
- আই.সি. ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর, মোবাইল ফোন, কম্পিউটার ইত্যাদিতে ব্যবহার করা হয়।
- আই.সি. ব্যাবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৩৭৬.
নিচের কোনটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) গুগল ক্রোম
  2. খ) মাইক্রোসফট অ্যাকসেস
  3. গ) লিনাক্স
  4. ঘ) মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম
সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন
প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের
আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে। তন্মধ্যে
DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত। Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও
সিস্টেম সফট্ওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত
বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়। তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা
সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়।যেমনঃ
1| Word Processing Package Program : Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
2| Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
3| Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৩৭৭.
ARPANET কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে তৈরি হয়েছিল?
  1. DARPA
  2. ISO
  3. IEEE
  4. NASA
ব্যাখ্যা

• ARPANET হলো একটি নেটওয়ার্ক যা তৈরি করা হয় DARPA এর উদ্যোগে। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা সংস্থা। 

• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৭৮.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস এর লং টেক্সট ডেটা টাইপে কত ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়?
  1. ক) ২৫৫
  2. খ) ৪০০০
  3. গ) ৬৪০০০
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা
ডেটা টাইপ
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ।
- যথা: শর্ট টেক্টট, লং টেক্সটি, নাম্বার বা নিউমেরিক, ইয়েস/নো বা যুক্তিমুলক, তারিখ/সময়, কারেন্সী, হাইপারলিঙ্ক এবং এটাচমেন্ট ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অ্যাকসেস ডেটাবেজে নিম্নলিখিত ডেটা টাইপগুলো রয়েছে। যথা-

শর্ট টেক্সট (Short Text):
- ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেক্সট ফিল্ডের রেঞ্জ ১ থেকে ২৫৫ ক্যারেক্টারের মধ্যে। এর অধিক টেক্সট ফিল্ডের জন্য লং টেক্সট ডেটা টাইপ ব্যবহার করতে হবে। আলফানিউমেরিক ডেটা যেমন- নাম, টাইটেল ইত্যাদি ।

লং টেক্সট (Long Text):
প্রায় ১ গিগা বাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু একটি দীর্ঘ টেক্সট প্রদর্শন করার জন্য এটি প্রথম ৬৪,০০০ ক্যারেক্টারে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, জ্ঞাত দৈর্ঘ্যের কোন পোস্টাল কোড সংরক্ষণ করতে হলে, ফিল্ড সাইজের দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট করা থাকতে হবে।

---------------------------
Text fields in desktop databases (.accdb)
Long Text

In .accdb files, the Long Text field works the same as the Memo field of old. That is, it can store up to about a gigabyte of text, even though controls on forms and reports can only display the first 64,000 characters. You can set Long Text fields to display Rich Text, which includes formatting like bold and underline.

Short Text
In .accdb files, the Short Text field works the same as the Text field in earlier versions. It stores up to 255 characters.

Text fields in Access web apps
Long Text
In Access web apps, the Long Text field can store up to 2^30-1 bytes, and is equivalent to the SQL Server data type of nvarchar(max). If you want, you can set a character limit to prevent your users from using the full capacity of the field. You can’t store Rich Text in Access web apps.

Short Text
In Access web apps the Short Text field is set to store 255 characters by default, but you can adjust the Character Limit property all the way up to 4000 characters. Its SQL Server equivalent is nvarchar, with length from 1 to 4000.

Source:
১. miocrosoft.com
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৫,৩৭৯.
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN এর আবিষ্কারক কে?
  1. ক) John Backjar
  2. খ) Jack Kilby
  3. গ) Dr. GrassHopper
  4. ঘ) Alan Turing 
ব্যাখ্যা

John Backjar আবিষ্কার করেন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ FORTRAN (Formula Translation).
FORTRAN হচ্ছে FORmula TRANslator এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের জন্য লিখিত সর্বপ্রথম উচ্চস্তরের ভাষা।
Jack Kilby আবিষ্কার করেন Integrated Circuits.
Dr. Grass Hopper আবিষ্কার করেন বিজনেস এপ্লিকেশন ল্যাংগুয়েজ COBOL.
Alan Turing দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানদের কোড ভাঙ্গার সময় একটি ইলেকট্রিক কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫,৩৮০.
Unimodal biometric system কোন ধরনের ডেটা ব্যবহার করে?
  1. একাধিক শারীরিক বৈশিষ্ট্য 
  2. শুধুমাত্র একটি বৈশিষ্ট্য 
  3. কোনো বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে না
  4. ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন 
ব্যাখ্যা

Unimodal biometric system শুধুমাত্র একটি বৈশিষ্ট্য ভিত্তিক ডেটা ব্যবহার করে।

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

• বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৩৮১.
IoT কী ধরনের প্রযুক্তি?
  1. ম্যানুয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম
  2. বস্তু/যন্ত্রের ইন্টারনেট ভিত্তিক সংযুক্তি
  3. ক্লাউড কম্পিউটিং নির্ভর প্রযুক্তি
  4. ডেটা সেন্টার ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
IoT হচ্ছে বস্তু/যন্ত্রের ইন্টারনেট ভিত্তিক সংযুক্ত ব্যবস্থা।

• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
৫,৩৮২.
৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর কত?
  1. -২৫৫ থেকে +২৫৫
  2. -১২৭ থেকে +১২৮
  3. -১২৮ থেকে +১২৭
  4. -২৫৬ থেকে +২৫৫
ব্যাখ্যা

• ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাট ব্যবহার করে পূর্ণসংখ্যা প্রকাশের সময় একটি বিট চিহ্নের জন্য (sign bit) ব্যবহৃত হয়। বাকি ৭ বিট সংখ্যা প্রকাশের জন্য থাকে। ২’s কমপ্লিমেন্ট সিস্টেমে সর্বনিম্ন সংখ্যা হলো -2n-1 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা হলো 2n-1-1, যেখানে n হলো বিটের সংখ্যা। ৮-বিটের ক্ষেত্রে n = 8। তাই সর্বনিম্ন সংখ্যা -27 = -128 এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা 27-1 = 127। অর্থাৎ, ৮-বিট ২’s কমপ্লিমেন্ট ফরম্যাটে প্রকাশযোগ্য পূর্ণসংখ্যার পরিসর -128 থেকে +127। অতএব সঠিক উত্তর হলো গ) -১২৮ থেকে +১২৭

• ২-এর পরিপুরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

সূত্র - sciencedirect. [link]

৫,৩৮৩.
কোন ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে?
  1. Python
  2. PHP
  3. C
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি অন্যান্য উচ্চ স্তর ল্যাংগুয়েজগুলোর মধ্যে অনেক সমৃদ্ধ ও জনপ্রিয় ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ভাষাটির নাম 'C' রাখা হয়েছে কারণ, B নামের অপর একটি ভাষা আগেই তৈরি হয়েছে।
- C যাতে তার গুণাগুণ না হারায় সেজন্য ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান।
- ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- সিস্টেম প্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে এ ভাষা অধিক হারে ব্যবহৃত হয়।
- উপাত্ত সঞ্চালনের বর্ণনার জন্য এ ভাষার সুবিধা অনেক বেশি বলে ভাষাটি অন্যান্য ভাষার চেয়ে অনেক বেশি জনপ্রিয়।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।
- এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৪.
CPU এর ভিতরে থাকা প্রতিটি প্রসেসিং ইউনিটকে বলা হয় -
  1. ক) Clock speed
  2. খ) Cache
  3. গ) Core
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
- CPU-এর মধ্যে থাকা প্রতিটি প্রসেসিং ইউনিটকে বলা হয় কোর।
- প্রতিটি কোর তার নিজস্ব নির্দেশাবলী বাস্তবায়ন, ডিকোডিং এবং কার্যকর করতে সক্ষম।
- একটি সিপিইউতে যত বেশি কোর থাকবে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এটি তত বেশি নির্দেশাবলী প্রক্রিয়া করতে পারে।
- অনেক আধুনিক সিপিইউ দ্বৈত (দুই) বা কোয়াড (চার) কোর প্রসেসর থাকে।
- এই ধরণের প্রসেসর  একক কোর ভিত্তিক সিপিইউ এর তুলনায় ব্যাপকভাবে উচ্চতর প্রক্রিয়াকরণ শক্তি সরবরাহ করে থাকে।

উৎস: বিবিসি 
৫,৩৮৫.
নিচের কোনটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়?
  1. Uber
  2. Snapchat
  3. Adobe Acrobat Reader
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• Linux - হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম।

• মোবাইল অ্যাপ (মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন):
- Uber, Snapchat, এবং Adobe Acrobat Reader এই তিনটি অ্যাপ্লিকেশন মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এগুলি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে পরিচিত।

- Uber: রাইড শেয়ারিং অ্যাপ।
- Snapchat: একটি সামাজিক মিডিয়া অ্যাপ যা ছবি এবং ভিডিও শেয়ারিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Adobe Acrobat Reader: একটি পিডিএফ রিডার অ্যাপ, যা পিডিএফ ফাইল খুলতে ব্যবহৃত হয়।

- তবে, Linux একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত কম্পিউটার, সার্ভার এবং কিছু মোবাইল ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে কোন মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নয়।

উৎস: www.techjockey.com, www.techtarget.com.
৫,৩৮৬.
কোনটি বুলিয়ান বিভাজন উপপাদ্য?
  1. A(B + C) = AB + AC
  2. A + B = B + A
  3. A.B = B.A
  4. A + (B + C) = (A + B) + C
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনটি বুলিয়ান বিভাজন উপপাদ্য?


সমাধান: 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৭.
কোন সফটওয়্যারটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Google Chrome
  3. FileZilla
  4. Safari
ব্যাখ্যা
• উক্ত প্রশ্নে যেসব সফটওয়্যার দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে Mozilla Firefox, Google Chrome এবং Safari - এই তিনটি হলো ওয়েব ব্রাউজার, যেগুলো দিয়ে ইন্টারনেট ব্রাউজিং করা হয়। এগুলো ব্যবহার করে ওয়েবসাইট দেখা, তথ্য খোঁজা, ভিডিও দেখা, ইমেইল চেক করাসহ নানান অনলাইন কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। অন্যদিকে, FileZilla একটি FTP (File Transfer Protocol) ক্লায়েন্ট সফটওয়্যার, যা মূলত সার্ভার ও লোকাল কম্পিউটারে ফাইল আপলোড বা ডাউনলোড করার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও এটি ব্রাউজিংয়ের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর গ) FileZilla, কারণ এটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon,
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,৩৮৮.
অ্যাবাকাসকে জাপানে কী নামে ডাকা হয়?
  1. সরোবান
  2. সুয়ানপান
  3. স্কেটিয়া
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৮৯.
মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোসফট এক্সিস
  2. খ) মাইক্রোসফট এক্সেল
  3. গ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. ঘ) ভিজোয়েল বেসিক
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সিস হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
১৯৯৩ সলের গোড়ার দিকে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন এই সফটওয়্যারটি বাজারজাত করার অল্প দিনের মধ্যে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা রেকর্ড পরিমাণে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
এক্সিস উইন্ডোজ ভিত্তিক একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যার সাহায্যে ডাটাবেজের বিভিন্ন টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রির জন্য সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় ফর্ম ডিজাইন করা যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৫,৩৯০.
CPU এর কোন অংশটি নির্দেশাবলী পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুত করে?
  1. ALU
  2. Control Unit
  3. Register
  4. Cache Memory
ব্যাখ্যা

◉ Control Unit (CU), CPU-এর এমন একটি অংশ যা নির্দেশনা (instructions) fetch → decode → execute প্রক্রিয়ার মধ্যে সমন্বয় ঘটায়। এটি নির্দেশাবলী ডিকোড করে এবং CPU-এর অন্যান্য অংশ (ALU, Register, Memory)-কে কীভাবে কাজ করতে হবে তা নির্দেশ করে।

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৫,৩৯১.
মাদারবোর্ডে PCI Bus কত বিটে কাজ করে?
  1. ৩২ বিট
  2. ১২৮ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা

মাদারবোর্ডে PCI BUS ৩২ বিটে কাজ করে।

• কম্পিউটার বাস:
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার। যথা:

১. সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।

২. এক্সপানশনস বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – ১) ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
২) পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৯২.
কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. ইন্টিগ্রেটর
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. কম্পাইলার
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস (Source) প্রোগ্রামকে বস্তু (Object) প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন তাকে বলে অনুবাদক।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে
না।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম ৩ ধরণের। যথা-
১. কম্পাইলার
- হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

২. ইন্টারপ্রেটার
- হাই লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে

৩. অ্যাসেম্বলার
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,৩৯৩.
ফ্লপি ডিস্ক এক ধরনের-
  1. Register memory
  2. Auxiliary memory
  3. Primary memory
  4. Cache memory
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ডিসকেট নামেও পরিচিত।
- এটি এক ধরনের সহায়ক স্মৃতি।
- এটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম।
- এর ধারণ ক্ষমতা মাত্র ১.৪৪ মেগাবাইট।
- প্লাস্টিকের উপর চৌম্বকের প্রলেপ দিয়ে তৈরী করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৪.
মডেমের কোন কম্পোনেন্ট অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করে?
  1. গেটওয়ে
  2. মডুলেটর
  3. ডি-মডুলেটর
  4. এনকোডার
ব্যাখ্যা

• মডেমের যে কম্পোনেন্টটি অ্যানালগ সিগন্যালকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করে তা হলো ডি-মডুলেটর (গ)। মডেম মূলত দুটি কাজ করে-ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করা এবং অ্যানালগ সিগন্যালকে আবার ডিজিটালে ফিরিয়ে আনা। প্রেরণের সময় কম্পিউটার থেকে আসা ডিজিটাল ডেটাকে টেলিফোন লাইনে পাঠানোর উপযোগী অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে মডুলেটর। আর গ্রহণের সময় টেলিফোন লাইন দিয়ে আসা অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করে ডি-মডুলেটর। তাই সঠিক উত্তর হলো ডি-মডুলেটর।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।

• মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর (Modulator) ও
২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

• মডুলেটর:
- মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।

• ডি-মডুলেটর:
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
- বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

• গেটওয়ে:
- গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,৩৯৫.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) MS Excel
  2. খ) MS Word
  3. গ) Oracle
  4. ঘ) Windows Vista
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৫,৩৯৬.
নিচের কোনটি ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই ও ডিলিট করার পদ্ধতি?
  1. কুয়েরি
  2. ইনডেক্সিং
  3. ক্রিপটোগ্রাফি
  4. সর্টিং
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।

 কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
২. Parameter Query:
- প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Crosstab Query:
- ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
৩. Action Query:
- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:

- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি এবং ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৩৯৭.
কোন দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়?
  1. NAND ও NOR 
  2. NOT ও AND
  3. OR ও XOR
  4. AND ও OR
ব্যাখ্যা

• যে কোনো দুটি গেইটকে ‘ইউনিভার্সাল গেইট’ বলা হয়, তা এমন গেইট যা দিয়ে যে কোনো ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা সম্ভব। অর্থাৎ, শুধুমাত্র সেই গেইট ব্যবহার করেই আমরা AND, OR, NOT সহ সব ধরনের কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট ডিজাইন করতে পারি। এই দৃষ্টিকোণ থেকে NAND এবং NOR গেইটই ইউনিভার্সাল গেইট হিসেবে পরিচিত। উদাহরণস্বরূপ, শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেও NOT, AND ও OR ফাংশন তৈরি করা যায়। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR গেইট ব্যবহার করেও সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি সম্ভব। তাই, সঠিক উত্তর হলো: ক) NAND ও NOR.

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৩৯৮.
মাদারবোর্ড সম্পর্কে কোন বিবৃতিটি সঠিক?
  1. এটি সফটওয়্যার সংরক্ষণ করে
  2. এটি কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে কাজ করে
  3. এটি কম্পিউটারের ভলিউম নিয়ন্ত্রণ করে
  4. এটি ইন্টারনেট সংযোগ তৈরি করে
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৩৯৯.
How many bits of information can a flip-flop store?
  1. 2 bits
  2. 8 bits 

  3. 1 bit

  4. 16 bits
ব্যাখ্যা

একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ১ বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

ফ্লিপ-ফ্লপ
- ফ্লিপ-ফ্লপ একটি মৌলিক ডিজিটাল ইলেকট্রনিক সার্কিট যা বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর হিসেবেও পরিচিত। 
- এটি দুটি স্থিতিশীল অবস্থার মধ্যে সুইচ করতে পারে এবং একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত সিকোয়েন্সিয়াল লজিক সার্কিটে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এটি মেমরি এলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের বিভিন্ন প্রকার রয়েছে, যেমন SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপ, D (Data or Delay) ফ্লিপ-ফ্লপ, JK ফ্লিপ-ফ্লপ, এবং T (Toggle) ফ্লিপ-ফ্লপ। 
- প্রতিটি প্রকারের নিজস্ব অপারেশনাল বৈশিষ্ট্য এবং ব্যবহার আছে। 
- উদাহরণস্বরূপ, D ফ্লিপ-ফ্লপ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে নিয়ে আসে যখন ক্লক পালস প্রয়োগ করা হয়।
- JK ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের উপর ভিত্তি করে সেট, রিসেট বা টগল হতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপগুলি কম্পিউটার মেমরি, রেজিস্টার, কাউন্টার এবং অন্যান্য ডিজিটাল লজিক সার্কিটে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,৪০০.
হেক্সাডেসিমেল F এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 1111
  2. খ) 1110
  3. গ) 1010
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি। - হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.
এখানে, 
হেক্সাডেসিমেল F = 15
তাহলে, ডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 

 
আবার, বাইনারি থেকে ডেসিমেল রূপান্তর: 
1111
= 1×23 + 1×22 + 1×21 + 1×20 
= 8 + 4 + 2 + 1
= 15

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।