বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৫৩ / ৮২ · ৫,২০১৫,৩০০ / ৮,১৪১

৫,২০১.
কোনটি ফায়ারওয়ালের কার্যক্রমের অংশ নয়?
  1. নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা
  2. ইনকামিং ও আউটগোয়িং পর্যবেক্ষণ করা
  3. ম্যালওয়্যার ব্লক করা
  4. ট্রাফিক ফিল্টার করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল মূলত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে অননুমোদিত অ্যাক্সেস বন্ধ করতে এবং নিরাপদ ট্রাফিক নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ইনকামিং ও আউটগোয়িং ডেটা পর্যবেক্ষণ করে, ট্রাফিক ফিল্টার করে এবং কখনও কখনও ম্যালওয়্যার শনাক্ত ও ব্লক করতে সক্ষম। তবে ফায়ারওয়ালের কাজের মধ্যে নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা অন্তর্ভুক্ত নয়, কারণ এটি হাড়-নির্মাণ বা ফিজিক্যাল হার্ডওয়্যার সংক্রান্ত একটি কাজ। ফায়ারওয়াল সফটওয়্যার বা হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা বজায় রাখে, কিন্তু তার মূল দায়িত্ব ফিজিক্যাল সংযোগ ঠিক করা নয়।
- সুতরাং, ফায়ারওয়ালের কার্যক্রমের অংশ নয় ক্যাবল নেটওয়ার্ক ক্যাবল ফিক্স করা।

 
 • ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২০২.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার কোনটি?
  1. Microsoft Defender
  2. Maya
  3. Adobe Photoshop
  4. Ms Excel
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির জন্য ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার হচ্ছে Maya।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- Vizard,
- VRToolkit,
- 3d Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Microsoft Defende অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
- Adobe Photoshop হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রামের নাম।
- Ms Excel হচ্ছে Application Software.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৩.
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত হয় -
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) টেবিল
  3. গ) ডাটা
  4. ঘ) কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল গঠিত হয়। 

টেবিল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে গঠিত।
- সাধারণত টেবিলের একটি নির্দিষ্ট নাম থাকে।

ফিল্ড: 
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি। 
- কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ফিল্ড। 
- ফিল্ড হচ্ছে ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। 
- যেমন: নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড ইত্যাদি। 

রেকর্ড: 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত এক একটি রেকর্ড।

ডাটা: 
- ডাটা শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datumn এর বহুবচন।
- Datumn শব্দটির অর্থ হল তথ্যের উপাদান।
- প্রাথমিকভাবে সংগৃহীত অগোছালো তথ্যকে ডাটা বলা হয়। 
- যেমন-কোন একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের নাম, পদবি, মুলবেতন ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ডাটা। 

সোর্স: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশল মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,২০৪.
আইবিএম - ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কম্পিউটার) কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

আইবিএম ৪৩৩১ (IBM-4331) কম্পিউটারটি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। ১৯৭৯ সালে আইবিএম প্রথম কম্পিউটারটি জন সম্মুখে উপস্থাপন করে।

- আইবিএম ৪৩৩১ সিস্টেম (মেইনফ্রেম কমপিউটার) - ১৯৮৬ সালে বুয়েটের কম্পিউটার সেন্টার তৃতীয় প্রজন্মের এই কম্পিউটারটি সংগ্রহ করে।
- বিভিন্ন সময়ে এটিতে নানা সংযোজন বিয়োজন ঘটে। এই সিস্টেমের অপারেটিং সিস্টেম ছিল VM/CMS ।
- এই সিস্টেমে একসংগে প্রায় শতাধিক ব্যাক্তির কাজ করার সুযোগ ছিল তবে এর সঙ্গে সর্বোচ্চ ৩০টি টারমিনাল লাগানো হয়েছিল অর্থাৎ ৩২ জন ব্যবহারকারী এক সঙ্গে এই কম্পিউটারে কাজ করার সুযোগ পেত। 

তথ্যসূত্র: আইবিএম ওয়েবসাইট ও জাতীয় বিজ্ঞান যাদুঘরের ওয়েবসাইট।

৫,২০৫.
নিচের কোনটি ই-কমার্সের সাইট নয়?
  1. www.ekhanei.com
  2. www.ebay.com
  3. www.olx.com
  4. www.google.com
ব্যাখ্যা
www.ekhanei.com, www.ebay.com, www.olx.com তিনটিই ই - কমার্স সাইট। 
www.google.com এটি একটি সার্চ ইঞ্জিন।
৫,২০৬.
নিচের কোনটিকে সার্বজনীন কোড বলা হয়?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) BCD
  4. ঘ) EBCDIC
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৭.
Which key uniquely identifies each record in a database table?
  1. Foreign Key
  2. Composite Key
  3. Primary Key
  4. Attribute
ব্যাখ্যা

• Primary Key এমন একটি Key field যা একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে (uniquely) শনাক্ত করে।

• ডাটাবেজে Key (কী):
- সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট Field-এর ভিত্তিতে Table-এর Record শনাক্ত, অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
- এই ধরনের Field-কে Key field বলা হয়।
- Database-এ সাধারণত তিন ধরনের Key ব্যবহৃত হয়: Primary Key, Composite Primary Key, Foreign Key।

• Primary Key:
- যে Field একটি Table-এর প্রতিটি Record-কে অনন্যভাবে শনাক্ত করে তাকে Primary Key বলা হয়।
- Primary Key field-এর প্রতিটি Data অবশ্যই ভিন্ন (unique) হতে হবে।
- একটি Table-এ সাধারণত একটি Primary Key থাকে।
- উদাহরণ: কোনো শ্রেণির শিক্ষার্থীদের Roll Number।
- কারণ প্রতিটি শিক্ষার্থীর Roll Number আলাদা, তাই এটি Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- Primary Key ব্যবহার করে একাধিক Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে Relational Database তৈরি করা যায়।

• Composite Primary Key:
- যখন একটি Table-এ কোনো একটি Field দিয়ে Record uniquely শনাক্ত করা সম্ভব হয় না, তখন একাধিক Field একত্রে Primary Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের Key-কে Composite Primary Key বলা হয়।
- উদাহরণ: Student Name ও Father Name একত্রে ব্যবহার করে কোনো Record uniquely শনাক্ত করা।

• Foreign Key:
- যখন একটি Table-এর Primary Key অন্য একটি Table-এ ব্যবহার করা হয়, তখন সেটিকে Foreign Key বলা হয়।
- Foreign Key-এর মাধ্যমে দুই বা ততোধিক Table-এর মধ্যে Relationship তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- Foreign Key → অন্য Table-এর Primary Key যা দুই Table-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে।
- Composite Key → একাধিক Field একত্রে ব্যবহৃত Primary Key।
- Attribute → Entity-এর বৈশিষ্ট্য বা Field, যেমন Name, Address, Age।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২০৮.
ডেস্কটপ এক ধরনের ___।
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার: 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রোকম্পিউটার বলে। 
- মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়। 
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার 
৩. নোটবুক কম্পিউটার
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 
-  ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। 
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০৯.
কে NAND গেইটে পাঠালে আউটপুট কোনটি আসবে
  1. ক) A + B
  2. খ) AB
  3. গ)
  4. ঘ)
৫,২১০.
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট করে না
  2. এটি একসাথে শুধুমাত্র একটি টাস্ক পরিচালনা করতে পারে
  3. এটি একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে
  4. এটি শুধুমাত্র মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা টাস্ক পরিচালনা করতে পারে। এটি CPU টাইম শেয়ারিং এবং মেমরি ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে একাধিক প্রক্রিয়া (Process) সমান্তরালভাবে চালানোর সুযোগ দেয়।
- উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করার পাশাপাশি মিউজিক প্লেয়ার চালানো এবং ফাইল ডাউনলোড করা।

• মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking): 
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

৫,২১১.
In computers, what is the smallest and basic unit of information storage?
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) Newton
  4. ঘ) Mega Byte
ব্যাখ্যা
The smallest unit of data in a computer is called Bit (Binary Digit). A bit has a single binary value, either 0 or 1. In most computer systems, there are eight bits in a byte. The value of a bit is usually stored as either above or below a designated level of electrical charge in a single capacitor within a memory device.
Source: Google Book
৫,২১২.
নিচের কোনটির ওপর হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে?
  1. ট্র্যাকের সংখ্যা
  2. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা
  3. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত করতে হয়।
- এজন্য আইডিই (IDE-Integrated Device Electronics) ইন্টারফেস এবং প্রয়োজনে দ্রুত গতির স্কাজি (SCSI-Small Computer System Interface) ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে সাটা (SATA-Serial Advanced Technology Attachment) এবং সাস (SAS-Serial Attached SCSI) ইন্টারফেসও ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে মোট ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার ওপর।
- ডিস্কের সংখ্যা যত বেশি হবে, ডেটাও তত বেশি সংরক্ষণ করা যাবে।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
১. ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা,
২. ট্র্যাকের সংখ্যা,
৩. ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা ও
৪. প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা।

- ডিস্কের ধারণক্ষমতা = পৃষ্ঠের সংখ্যা × ট্র্যাকের সংখ্যা × প্রতি ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা × প্রতি সেক্টরে ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ণয় করা হয় মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার সংখ্যা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২১৩.
এমএস ওয়ার্ডে আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য কোন শর্টকাট কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + K
  2. Ctrl + O
  3. Ctrl + N
  4. Ctrl + S
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৫,২১৪.
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম কী??
  1. মেশিন ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. কোডেড ভাষা
  4. সাংকেতিক ভাষা
ব্যাখ্যা
এ্যাসেম্বলি ভাষার অপর নাম সাংকেতিক ভাষা।

• কম্পিউটারে যে সব ভাষা ব্যবহার হয় তা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
(ক) যান্ত্রিক ভাষা (Machine Language),
(খ) এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
(গ) উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language).

• এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- এ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক (Symbolic) ভাষাও বলা হয়।
- এর প্রচলন শুরু হয় 1950 সাল থেকে।
- যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম তৈরী, কঠিন কাজকে সহজ করে তোলা, সময়ের অপচয় দূর করা, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ও পরিবর্তনের কাজ সহজতর করে গতিশীল করার জন্যই এ্যাসেম্বলি ভাষার উন্নয়ন করা হয়েছে।
- অনুবাদের কাজটি করে এ্যাসেম্বলার (Assembler) নামক একটি সফটওয়্যার।
- এ্যাসেম্বলারের কাজ হচ্ছে এ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নির্দেশকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা এবং কার্যকর করা।

• এ্যাসেম্বলি ভাষার সুবিধা :
(১) যান্ত্রিক ভাষার চেয়ে এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা সহজ।
(২) এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করতে কম সময় লাগে।
(৩) সহজে ভুল সনাক্ত করা এবং সংশোধন ও পরিবর্তন করা যায়।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২১৫.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করে, তবে সেটিকে বলা হয়:
  1. ১ জি‌ফ্লপস
  2. ১ টেরাফ্লপস
  3. ১ মেগাফ্লপস
  4. ১ পেটাফ্লপস
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন করতে পারে, তবে সেটিকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) বলা হয়। “ফ্লপস” মানে Floating Point Operations Per Second, অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো দশমিক ভিত্তিক গণনা করা হচ্ছে। এখানে “জি” মানে Giga, যা ১ বিলিয়নের সমান। তাই ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে ১,০০০,০০,০০০০ (১০) ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন। তুলনামূলকভাবে, মেগাফ্লপস (MFLOPS) প্রতি সেকেন্ডে ১ মিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে, টেরাফ্লপস (TFLOPS) ট্রিলিয়ন অপারেশন, আর পেটাফ্লপস (PFLOPS) কোয়াড্রিলিয়ন অপারেশন নির্দেশ করে। তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ১ জি‌ফ্লপস।
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৫,২১৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের মাধ্যমে শিক্ষা পদ্ধতি?
  1. ক) CAD
  2. খ) ICAL
  3. গ) MCAD
  4. ঘ) CAL
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের সহায়তায় ( Computer Assisted Learning-CAL) হচ্ছে মূলত অফ-লাইন ও অনলাইন উভয়ভাবে  ব্যবহারযোগ্য এক বিশেষ প্রকৃতির কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা করা স্বয়ংক্রিয় ও স্বয়ংসম্পূর্ণ  শিখন সামগ্রী হিসেবে কাজ করে।
- CAL এর মাধ্যমে জ্ঞান ও দক্ষতা অর্জন এবং শ্রেণি কার্যক্রমে তা ব্যবহারের উপর বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতিতেও বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। 
- CAL এর ক্ষেত্রে সিমুলেশন গুরুতবপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- CAL সুনির্দিষ্ট শ্রেণি ও বিষয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে থাকে।
- CAL ভিত্তিক শিখন-শিক্ষণ প্রক্রিয়ায় শিক্ষার্থীদের সাথে মিথস্ক্রিয়া খুব ভালো হয়।

সূত্র: স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২১৭.
এনক্রিপশন কী?
  1. ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া
  2. সফটওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতি
  3. ডেটা ফাইলের আকার ছোট করার একটি পদ্ধতি
  4. ডেটা ফাইল শেয়ার করার নিয়ম
ব্যাখ্যা

এনক্রিপশন হচ্ছে ডেটাকে কোডে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।

• এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,২১৮.
ASCII-7 কোডে কতটি অদ্বিতীয় চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ৬৪
  3. গ) ১২৮
  4. ঘ) ২৫৬
ব্যাখ্যা
ASCII-7 কোডে 27 বা 128 টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII শব্দটির পূর্ণ রূপ হচ্ছে American Standard Code for Information Interchange.
- ASCII-7 এর বাম দিকের ৩ বিটকে জোন  এবং ডান দিকের ৪ বিটকে সংখ্যা সূচক বিট হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,২১৯.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার
  3. IC এর ব্যবহার
  4. উচ্চতর ভাষার ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন। 

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো- 
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার। 

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (Artificial Intelligence) ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২২০.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ? 
  1. উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম
  2. তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম
  3. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
  4. রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বিভিন্ন কাজ যেমন- চিঠিপত্র টাইপ করা, বিল তৈরি করা, একাউন্টিং-এর হিসেব রাখা, গ্রাফিক্স ডিজাইন করা, অডিও-ভিডিও শোনা ইত্যাদি কাজের জন্য আলাদা আলাদা সফটওয়্যার আছে, যার সবগুলোই অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার দুই ভাগে বিভক্ত। 
যথা- 
১। ইউজার বা ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রাম এবং 
২। প্যাকেজ প্রোগ্রাম। 
- কম্পউটার দিয়ে যে কোনো জটিল সমস্যার সমাধান সম্ভব। 
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী তার চাহিদা অনুযায়ী যে কোনো জতিল সমস্যা সমাধানের জন্য নিজের মতো করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম  রচনা করতে পারেন। 
যেমন- তথ্যসহ পরীক্ষার ফলাফল তৈরির প্রোগ্রাম, রেলওয়ে বা বিমানের আসন সংরক্ষণের প্রোগ্রাম, উৎপন্ন দ্রব্যের অনুসূচীর প্রোগ্রাম ইত্যাদি ব্যবহারকারী লিখিত প্রোগ্রামের উদাহরণ। 

প্যাকেজ প্রোগ্রাম: 
- বাবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বেশ কিছু প্রোগ্রাম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে পাওয়া যায়। 
- এ ধরনের প্রোগ্রাম দিয়ে নির্দিষ্ট ধরনের কাজ করা যায়, এসব প্রোগ্রামকে প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
যেমন- 
১। ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার
২। স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, 
৩। ডেস্কটপ পাবলিশিং সফটওয়্যার, 
৪। ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, 
৫। গ্রাফিক্স, মাল্টিমিডিয়া, প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, 
৬।ইউটিলিটিস সফটওয়্যার এবং 
৭। কমিউনিকেশন সফটওয়্যার ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৫,২২১.
কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের আরেকটি সাধারণ নাম কী?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. CPU
  4. Motherboard
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডকে সাধারণত মাদারবোর্ড (Motherboard) বলা হয়। এটি হলো পুরো কম্পিউটারের মূল কাঠামো যেখানে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান যেমন প্রসেসর (CPU), র‌্যাম (RAM), স্টোরেজ ডিভাইস এবং অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযুক্ত থাকে। মাদারবোর্ড সমস্ত উপাদানকে একে অপরের সাথে সংযোগ স্থাপনের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সার্কিট এবং কনেক্টরের মাধ্যমে শক্তি সরবরাহ এবং ডেটা ট্রান্সফার নিশ্চিত করে। কম্পিউটারের কার্যকারিতা মাদারবোর্ডের ধরন ও মানের ওপর নির্ভর করে। তাই মাদারবোর্ডকে কম্পিউটারের ‘হৃৎপিণ্ড’ বা কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) Motherboard.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২২২.
বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয় কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হতে বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির ব্যবহার শুরু হয়।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নে তুলে ধরা হল:
১। ১৯৭১ এ টেড হফ মাইক্রোপ্রসেসরের উদ্ভাবন করেন।
২। তথ্য প্রযুক্তির সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন।
৩। মাইক্রোপ্রসেসরে সম্পূর্ণ একটি সি.পি.ইউ একটি চিপে আটকানো হয়।
৪। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে এ্যাপল কম্পিউটার এবং ১৯৮৩ তে এ্যাপল ম্যাকিনটোশ বাজারে আসে।
৫। ১৯৮১ তে আইবিএম পিসির আর্বিভাব হয়।
৬। সফটওয়্যারের অভূতপূর্ব উন্নয়ন সাধন হয়।
৭। বিষ্ময়কর আবিস্কার ইন্টারনেটের সংযোজন শুরু হয়।
৮। কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। আর দাম সাধারণের হাতের নাগালে চলে আসে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫,২২৩.
নিচের কোনটিকে সহায়ক মেমরি বলা হয়?
  1. ক) রম
  2. খ) র‌্যাম
  3. গ) ম্যাগনেটিক টেপ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
এ ধরনের মেমরিকে নন-ভোলাটাইল মেমরিও (Non-Volatile Memory) বলা হয়। 
এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
এতে বিপুল পরিমাণ তথ্য বা প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করা যায়।
বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমরির উদাহরণ। 


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম
৫,২২৪.
NOT গেটের ইনপুট সাধারণত কয়টি?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) অনির্দিষ্ট
ব্যাখ্যা
নট গেইট (NOT Gate)
এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়। এ গেইটে ইনপুট সত্য হলে আউটপুট মিথ্যা, আর যদি ইনপুট মিথ্যা হয় তাহলে আউটপুট সত্য হয়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৫,২২৫.
ব্যবহারকারী অপারেটিং সিস্টেমকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়ার জন্য যে ইন্টারফেস ব্যবহার করে তাকে কী বলা হয়?
  1. Scheduler
  2. API
  3. Shell
  4. Kernel
ব্যাখ্যা

Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার‌্যাক্ট করার সুযোগ দেয়। ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.

​অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​Scheduler: CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।
API: সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।
Kernel: এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।

​উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫,২২৬.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ভিত্তি কী?
  1. System Knowledge
  2. Programming
  3. Artificial Intelligence
  4. VVLS
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রামসামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২২৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবা?
  1. কৃষকের জানালা
  2. কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  3. কৃষি বাতায়ন
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ই-কৃষি সেবা:
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবাসমূহ:
- কৃষকের জানালা,
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা,
- কৃষি বাতায়ন ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
৫,২২৮.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = A
  2. A + 1 = 1
  3. A + A = A
  4. A . 1 = 0
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২২৯.
নিচের কোনটি একটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Digital Camera
  2. Light Pen
  3. Keyboard
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Light pen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• Speaker একটি আউটপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৩০.
CISC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Computer Instruction Set Computer
  2. Computer Integrated Sequential Compiler
  3. Complex Instruction Set Computer
  4. Complex Integrated Sequential Compiler
ব্যাখ্যা
• CISC:
- CISC এর পূর্ণরূপ হলো Complex Instruction Set Computer.
- CISC এবং RISC হলো CPU ডিজাইনের দুটি রূপ।
- একটি CISC হলো একটি কম্পিউটার আর্কিটেকচার যেখানে একক নির্দেশাবলী বিভিন্ন নিম্ন-স্তরের ক্রিয়াকলাপ সম্পাদন করতে পারে বা একক নির্দেশের মধ্যে বহু-পদক্ষেপ অপারেশন বা ঠিকানা মোড করতে সক্ষম।
- এটি তাদের RISC মাইক্রোপ্রসেসরের তুলনায় কম নির্দেশাবলী সহ আরও জটিল কাজ সম্পাদন করতে দেয়।
- CISC মাইক্রোপ্রসেসর বেশিরভাগ ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য এই প্রসেসর বেশি উপযোগী তবে উচ্চতর ভাষার জন্য RISC প্রসেসর বেশি উপযোগী।
- Intel Pentium, AMD K6 এই প্রসেসরের উদাহরণ।

উৎস:
1. sciencedirect [Link]
2 Brirannica [Link]
৫,২৩১.
এভিরা এক ধরনের -
  1. ক) ভাইরাস সফটওয়্যার
  2. খ) এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) এপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
- আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে।

কিছু এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
১। এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২। এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩। অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪। নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার; ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম
৫,২৩২.
ওয়ার্ম (Worm) কী ধরনের আচরণ বা বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে?
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়
  2. হার্ডওয়্যার ড্রাইভার বদলায়
  3. ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য নেয়
  4. ফাইল সংযুক্ত হয়ে ছড়ায়
ব্যাখ্যা

• ওয়ার্ম (Worm) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা প্রধানত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। এটি কোনো ফাইল বা ব্যবহারকারীর সক্রিয়তা ছাড়াই নিজে থেকেই সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ওয়ার্ম সাধারণত কম্পিউটার নেটওয়ার্কে প্রবেশ করে নিজেকে অনেকে কম্পিউটারে অনুলিপি করে ছড়ায় এবং প্রায়ই সিস্টেমের কর্মক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এটি ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি বা হার্ডওয়্যার ড্রাইভার পরিবর্তন করার চেষ্টায় থাকে না। অন্য ম্যালওয়্যার যেমন ভাইরাস বা ট্রোজান কিছু ক্ষেত্রে ফাইলের সঙ্গে যুক্ত হয় বা ব্যবহারকারীকে ফাঁদে ফেলে তথ্য চুরি করে, কিন্তু ওয়ার্ম নিজেই সক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে ছড়িয়ে পড়ে। তাই ওয়ার্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় সংক্রমণ।

- সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায়। 

- ম্যালওয়্যার (Malware) শব্দটি "Malicious Software" থেকে এসেছে, যার অর্থ ক্ষতিকর সফটওয়্যার।
- এটি এমন একটি প্রোগ্রাম বা কোড, যা কম্পিউটার, নেটওয়ার্ক বা ডিভাইসে ক্ষতি করতে, তথ্য চুরি করতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে ডিজাইন করা হয়।

বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
- ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
- স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
- অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৫,২৩৩.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Adobe Reader
  2. Trend Micro
  3. Sophos
  4. Avira
ব্যাখ্যা
⚪Adobe Reader একটি পিডিএফ (PDF) ফাইল দেখার সফটওয়্যার, এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।

অন্যদিকে, Trend Micro, Sophos, এবং Avira সবই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

⚪ এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

⚪ কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

⚪ উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৫,২৩৪.
কোনটির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ক্যাশ মেমোরি
  4. ঘ) ভার্চুয়াল মেমোরি
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টর, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামুলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)

৫,২৩৫.
HTTP 500 কি ধরনের সতর্কবার্তা?
  1. ক) সার্ভার প্রসেসিং
  2. খ) অভ্যন্তরীণ সার্ভার ত্রুটি
  3. গ) পেইজ পাওয়া যাচ্ছে না
  4. ঘ) সার্ভার ওকে
ব্যাখ্যা

100 Continue
101 Switching Protocols
102 Processing
200 OK
201 Created
202 Accepted
203 Non-authoritative Information
204 No Content
300 Multiple Choices
301 Moved Permanently
302 Found
303 See Other
304 Not Modified
305 Use Proxy
307 Temporary Redirect
308 Permanent Redirect
400 Bad Request
401 Unauthorized
402 Payment Required
403 Forbidden
404 Not Found
405 Method Not Allowed
406 Not Acceptable
407 Proxy Authentication Required
408 Request Timeout
409 Conflict
410 Gone
411 Length Required
412 Precondition Failed
413 Payload Too Large
414 Request-URI Too Long
415 Unsupported Media Type
416 Requested Range Not Satisfiable
417 Expectation Failed
418 I'm a teapot
421 Misdirected Request
422 Unprocessable Entity
423 Locked
500 Internal Server Error
501 Not Implemented
502 Bad Gateway
503 Service Unavailable
504 Gateway Timeout
505 HTTP Version Not Supported
506 Variant Also Negotiates
507 Insufficient Storage
508 Loop Detected
510 Not Extended
511 Network Authentication Required
599 Network Connect Timeout Error

৫,২৩৬.
সমস্যা সমাধানের জন্য বিশেষ অনুক্রমে সাজানো কম্পিউটার নির্দেশকে বলা হয়-
  1. ক) প্রক্রিয়াকরণ
  2. খ) প্রোগ্রাম
  3. গ) নিয়ন্ত্রণ
  4. ঘ) স্মৃতি
ব্যাখ্যা
- কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়।
এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম হলো ধারাবাহিকভাবে সাজানো কতকগুলো নির্দেশের সমষ্টি যা কম্পিউটারের কাজে সহায়তা করে। আর ভাষা হচ্ছে সেইসব নির্দেশাবলী লেখার সংকেত বা কোড।
- অর্থাৎ প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে সেই কোড যা দ্বারা কম্পিউটারের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করা যায়।

সূত্র:- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৩৭.
'11001 - 1110' বাইনারি বিয়োগফলের ডেসিমেল মান কত?
  1. ক) 1011
  2. খ) 111
  3. গ) 11
  4. ঘ) 1101
ব্যাখ্যা
• বাইনারি বিয়োগফল: 11001 - 1110 = 1011

• 1011 এর ডেসিমেল মান = 11
৫,২৩৮.
নিচের কোনটি CAPTCHA এর ব্যবহার নয়?
  1. ফর্ম সাবমিশন নিরাপদ করা
  2. অনলাইন ভোট ও জরিপ
  3. ফাইল জিপ করা
  4. DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

ফাইল জিপ করা CAPTCHA এর ব্যবহার নয়।

CAPTCHA:
- CAPTCHA এর পূর্ণরূপ হলো Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart
- CAPTCHA হলো ইন্টারনেটে মানব ব্যবহারকারী এবং স্বয়ংক্রিয় বটগুলির মধ্যে পার্থক্য করতে ব্যবহৃত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে বটগুলিকে ক্ষতিকারক বা বিঘ্নিত হতে পারে এমন কাজগুলি করা থেকে বিরত রাখতে, যেমন জাল অ্যাকাউন্ট তৈরি করা, স্প্যামিং ফর্ম বা সাইবার আক্রমণ।
- CAPTCHA ব্যবহারকারীদের এমন কাজ উপস্থাপন করে যা মানুষের পক্ষে সমাধান করা তুলনামূলকভাবে সহজ, কিন্তু স্বয়ংক্রিয় স্ক্রিপ্ট বা বটগুলির জন্য কঠিন।
- এই কাজগুলির মধ্যে থাকে বিকৃত পাঠ্য সনাক্ত করা, নির্দিষ্ট চিত্র নির্বাচন, ধাঁধা সমাধান বা সাধারণ গণিত সমস্যার সমাধান।
- CAPTCHA চ্যালেঞ্জ সফলভাবে সম্পন্ন করলে ব্যবহারকারী প্রমাণ করে যে তারা মানুষ এবং স্বয়ংক্রিয় প্রোগ্রাম নয়।
- CAPTCHA-এর মূল উদ্দেশ্য হলো অনলাইন সিস্টেমের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা নিশ্চিত করা।
- CAPTCHA প্রযুক্তি দৃষ্টি শনাক্তকরণ (visual recognition) নামে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) একটি শাখার উন্নয়নকে উৎসাহিত করেছে, যার ব্যবহার রয়েছে অপটিক্যাল স্ক্যানিং সফটওয়্যার, রিমোট সেন্সিং এবং রোবোটিক্সে।

CAPTCHA ব্যবহারের সাধারণ ক্ষেত্রে:
- ব্যবহারকারী নিবন্ধন এবং লগইন (User Registration and Login),
- ফর্ম জমা (Form Submissions),
- DDoS আক্রমণ প্রতিরোধ (Preventing DDoS Attacks),
- অনলাইন ভোট ও জরিপ (Online Polls and Surveys),
- ওয়েব স্ক্র্যাপিং প্রতিরোধ (Web Scraping Prevention)।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,২৩৯.
একটি প্রতিষ্ঠানে ডিভাইস ভাগাভাগি করে নেয়ার সুবিধা হলো ----
  1. ক) অর্থ সাশ্রয়
  2. খ) সময় সাশ্রয়
  3. গ) স্থানের সাশ্রয়
  4. ঘ) উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
একটি প্রতিষ্ঠানে সকল ডিভাইস সবাই সবসময় ব্যবহার করে না। ভাগাভাগি করে ব্যবহার করলে অর্থ,সময় এবং স্থানের সাশ্রয় হয়।
৫,২৪০.
নিচের কোন সাইটটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রসিদ্ধ?
  1. ক) zoom
  2. খ) ebay
  3. গ) odesk
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
জনপ্রিয় কেনাবেচার সাইট: alibaba.com, ebay.com, daraz.com, pickaboo.com bikroy.com, ekhanei.com, amazon.com, olx.com ইত্যাদি।
৫,২৪১.
CAD সফটওয়্যারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. AutoCAD
  2. FreeCAD
  3. OpenSCAD
  4. CloseCAD
ব্যাখ্যা
• CAD:
- CAD এর পূর্ণরূপ  হচ্ছে Computer Aided Design.
- CAD বলতে কম্পিউটারের সাহায্যে বিভিন্ন দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ডিজাইন তৈরি করা বা বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে বোঝায়।
- একজন স্থপতি রেখা বা লাইনের সাহায্যে যন্ত্রপাতি বা প্রয়োজনীয় উপকরণের সাহায্যে বিভিন্ন নক্সার কাজ করতে পারেন ক্যাড এর সাহায্যে। 
- CAD সাধারণত ব্যবহৃত হয় আর্কিটেকচার, আর্টস বা বিভিন্ন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রজেক্টস এর ক্ষেত্রে। 
- AutoCAD, CorelCAD, IronCAD, OpenSCAD, FreeCAD ইত্যাদি CAD সফটওয়্যারের উদাহরণ। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,২৪২.
কোন প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়?
  1. Java
  2. JavaScript 
  3. C
  4. Python
ব্যাখ্যা

• ওয়েব ডেভেলপমেন্টে মূলত ক্লায়েন্ট-সাইড প্রোগ্রামিংয়ের জন্য JavaScript ব্যবহার করা হয়। ক্লায়েন্ট-সাইড মানে হলো ব্রাউজারের মধ্যে সরাসরি কোড চালানো হয়, যা ওয়েবপেজের ইন্টারেকটিভ ফাংশনালিটি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, বোতামে ক্লিক করলে কিছু পরিবর্তন ঘটানো, ফর্ম ভ্যালিডেশন, এনিমেশন, বা ডায়নামিক কন্টেন্ট দেখানো- এসকল কাজ JavaScript দিয়ে করা হয়। অন্যদিকে Java, C, এবং Python সাধারণত সার্ভার-সাইড বা সাধারণ সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়। JavaScript-এর জনপ্রিয়তা তার সহজতা, ব্রাউজার কম্প্যাটিবিলিটি, এবং বিভিন্ন লাইব্রেরি ও ফ্রেমওয়ার্ক (যেমন React, Angular, Vue) সমর্থনের কারণে অনেক বেশি। তাই ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য সঠিক উত্তর হলো JavaScript.

- সঠিক উত্তর: খ) JavaScript.
 
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বলতে বোঝায় সেই প্রক্রিয়াকে যেখানে ব্যবহারকারীর ব্রাউজারে সরাসরি কোড চলে।  
- এটি সাধারণত ওয়েব পেজের ইন্টারঅ্যাকশন, ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট এবং ডাইনামিক কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ক্লায়েন্ট-সাইডে কোড রান করার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা ভাষা JavaScript।  
- Java, C বা Python সাধারণত সার্ভার-সাইড, অ্যাপ্লিকেশন বা ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।  
- ব্রাউজার সরাসরি Java বা C কোড রান করতে পারে না।  

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৫,২৪৩.
সিপিইউ (CPU)-এর কার্যক্ষমতা বা গতি পরিমাপের একক কোনটি?
  1. Gigahertz
  2. Gigabytes
  3. Kilobyte
  4. Watt
ব্যাখ্যা

সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়।
- এটি নির্দেশ করে যে সিপিইউ প্রতি সেকেন্ডে কতবার ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
- এক গিগাহার্টজ মানে হচ্ছে এক বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে।
- সিপিইউ-এর গতি যত বেশি হয়, এটি তত দ্রুত কমান্ড সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। এটি কম্পিউটারের কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

অন্যদিকে,
- Gigabytes মেমোরি বা স্টোরেজ পরিমাপে ব্যবহৃত হয়,
- কিলোবাইট হলো ডেটা স্টোরেজের একটি একক (1 KB = 1024 বাইট),
- ওয়াট (W) হল শক্তি বা পাওয়ার পরিমাপের একক।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৪৪.
নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ও মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইন্টারফেস?
  1. ক) IDE - Integrated Device Electronics
  2. খ) SCSI - Small Computer System Interface
  3. গ) SATA - Serial Advanced Technology Attachment
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটা আদান-প্রদানের জন্য হার্ডডিস্ককে মাদারবার্ডের সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য ইন্টারফেস ব্যবহার করতে হয়।
বিভিন্ন ইন্টারফেসের উদাহরণ হলো-
IDE - Integrated Device Electronics,
SCSI - Small Computer System Interface,
SATA - Serial Advanced Technology Attachment,
SAS - Serial Attached SCSI ইত্যাদি।
৫,২৪৫.
"X97M" হলো একটি-
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  3. এমবেডেড সিস্টেম
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
• কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৫,২৪৬.
ইমেজকে ট্রান্সলেট করতে OCR কোন কোড ব্যবহার করে?
  1. বিসিডি কোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বাইনারি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৫,২৪৭.
কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং করা হয় কী পরিমাপের জন্য?
  1. সিস্টেমের দাম
  2. সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)
  3. শুধু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ
  4. স্টোরেজের ধারণ ক্ষমতা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সিস্টেমের বেঞ্চমার্কিং মূলত সিস্টেমের কর্মক্ষমতা (Performance) পরিমাপের জন্য করা হয়। বেঞ্চমার্ক হল একটি মানক পরীক্ষা বা সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের প্রসেসর, মেমরি, গ্রাফিক্স, স্টোরেজ এবং অন্যান্য উপাদানের কার্যকারিতা যাচাই করে। এটি ব্যবহারকারীদের এবং নির্মাতাদের সিস্টেমের তুলনামূলক দক্ষতা বোঝার সুযোগ দেয়। বেঞ্চমার্কিংয়ের মাধ্যমে বোঝা যায়, একটি কম্পিউটার নির্দিষ্ট কাজ কত দ্রুত সম্পন্ন করতে পারে এবং বিভিন্ন সিস্টেমের মধ্যে পার্থক্য শনাক্ত করা যায়। তাই বেঞ্চমার্কিং সরাসরি দাম, বিদ্যুৎ শক্তি খরচ বা স্টোরেজ ক্ষমতা নয়, বরং কর্মক্ষমতা মূল্যায়নের উপায় হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) সিস্টেমের কর্ম ক্ষমতা (Performance)।

• কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা:
- কম্পিউটারের কর্মক্ষমতা বলতে বোঝায়, কম্পিউটার কত দ্রুত কাজ করতে পারে। এটিকে বিভিন্নভাবে পরিমাপ করা যায়, যেমন প্রসেসিং স্পিড, মেমোরি স্পিড, হার্ডডিস্কের গতি ইত্যাদি।

• Benchmark সফটওয়্যার হল এমন একটি বিশেষ ধরণের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের দক্ষতা (performance) যাচাই করতে সাহায্য করে।
- এটি CPU, GPU, RAM, ডিস্ক স্পিড ইত্যাদির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে।
- ফলাফল হিসেবে একটি স্কোর বা তুলনামূলক রিপোর্ট দেয় — যা অন্য কম্পিউটারের সাথে তুলনা করা যায়।

• কিছু জনপ্রিয় Benchmark সফটওয়্যারের নাম: 
- Cinebench, 
- Geekbench, 
- 3DMark, 
- PassMark.

তথ্যসূত্র: 
- "Computer Fundamentals" by P.K. Sinha.
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৫,২৪৮.
কোন লজিক গেটকে "ইনক্লুসিভ ডিসজংশন" (Inclusive Disjunction) বলা হয়?
  1. NAND
  2. XOR
  3. AND
  4. OR
ব্যাখ্যা

• ইনক্লুসিভ ডিসজংশন (Inclusive Disjunction) বা OR গেট হলো একটি মৌলিক লজিক গেট যা দুটি বা তার বেশি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটির মান ১ হলে আউটপুট ১ দেয়। অন্যভাবে বলতে গেলে, ইনপুটগুলির মধ্যে এক বা একাধিক “সত্য” হলে আউটপুট সত্য হয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B আছে। যদি A=0 এবং B=0 হয়, আউটপুট হবে 0। কিন্তু যদি A=1 এবং B=0 অথবা A=0 এবং B=1 অথবা A=1 এবং B=1 হয়, আউটপুট সব ক্ষেত্রেই 1 হবে। এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, এটি XOR-এর মতো নয় যেটি কেবল একটিমাত্র ইনপুট সত্য হলে ১ দেয়, তাই ইনক্লুসিভ ডিসজংশন OR গেটকে বোঝায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) OR.

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,২৪৯.
নিম্নলিখিত কোন উপায়ে সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার ছড়ায়?
  1. এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ
  2. ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইল
  3. নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ
  4. অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট
ব্যাখ্যা

• সাধারণত র‍্যানসমওয়্যার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর সংযুক্তিসহ ফিশিং ই-মেইলের (খ) মাধ্যমে ছড়ায়। এই ধরনের ই-মেইলে প্রায়শই কোনো আকর্ষণীয় বা জরুরি বার্তা থাকে, যেমন ব্যাংক সম্পর্কিত নোটিশ বা বিল পেমেন্টের তথ্য। ব্যবহারকারী যদি ই-মেইলের সংযুক্তি খোলে বা লিঙ্কে ক্লিক করে, তখন র‍্যানসমওয়্যার তার কম্পিউটারে ইনস্টল হয়ে ফাইল এনক্রিপ্ট করতে শুরু করে। অন্যদিকে, এনক্রিপ্টেড ভিপিএন সংযোগ বা নিরাপদ ক্লাউড স্টোরেজ সাধারণত র‍্যানসমওয়্যারের জন্য সরাসরি ঝুঁকি সৃষ্টি করে না, আর অফিসিয়াল সফটওয়্যার আপডেট নিরাপত্তা বাড়ায়। তাই সচেতন ব্যবহার এবং সন্দেহজনক ই-মেইল এড়ানো র‍্যানসমওয়্যার থেকে রক্ষা পাওয়ার মূল উপায়।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software. 
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে- 
- অ্যাডওয়্যার (Adware), 
- স্পাইওয়্যার (Spyware), 
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), 
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার: 
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware. 
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৫,২৫০.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) প্রতিনিধিত্বমূলক
  4. ঘ) কিলোবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে বাইনারি (০ এবং ১) ভাষাটি ব্যবহার করা হয়।

• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় ০ এবং ১ দুইটি সংখ্যা। যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 । 
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩) অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৫,২৫১.
নিম্নের কোনটি হার্ডওয়ার নয়? 
  1. সিপিইউ
  2. মনিটর
  3. মাউস
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫২.
কম্পিউটারের মেমোরী ভাগ করা হয়েছে -
  1. ক) দুই ভাগে
  2. খ) তিন ভাগে
  3. গ) চার ভাগে
  4. ঘ) পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা

• স্মৃতি বা মেমরি (Memory):
- কম্পিউটারের স্মৃতি অতি বিশাল, কোটি কোটি ডেটা ও নির্দেশ তাতে জমা রাখা যায়।
- কম্পিউটারের সঞ্চয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অতি সহজে একই ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় দ্রুতগতিতে করা সম্ভব।
- মেমরি থেকে কোনো ডেটা খুঁজে বের করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ১ ন্যানো সেকেন্ড

• কম্পিউটার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:

১. প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):

- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

২. সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরির উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৫৩.
DOS-এর প্রধান অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতা কোনটি?
  1. এটি অনেক দামী সফটওয়্যার
  2. এটি ব্যবহারের জন্য কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়
  3. এটি মাউস ছাড়া কাজ করে না
  4. এটি কোনো হার্ডডিস্কে চলে না
ব্যাখ্যা

DOS এর সাহায্যে কাজ করতে হলে ব্যবহারকারীকে ডসের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।

DOS :
- DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Disk Operating System।
- যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- DOS কে PC-DOS বা MS-DOS ও বলা হয়।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডসের প্রধান অসুবিধা হলো এর কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস বৈশিষ্ট্য, অর্থাৎ এর সাহায্যে কাজ করতে হলে ব্যবহারকারীকে ডসের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।
- কি-বোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ প্রদান করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৫৪.
নিচের কোন কাজটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার করে থাকে?
  1. কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ করা
  2. কম্পিউটার সিস্টেম কার্যকরভাবে পরিচালনা
  3. অপারেটিং সিস্টেমকে রক্ষণাবেক্ষণ করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ (optimize) এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে।
- Utility program সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা (delete) অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Antivirus Programs, Disk Defragmenter, File Manage ইত্যাদি।
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৫,২৫৫.
কোন ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে 'মার্ক-১' নির্মাণ করা হয়?
  1. Von Neumann ​
  2. Charles Babbage
  3. Howard Aiken
  4. Alan Turing
ব্যাখ্যা

• ‘মার্ক–১’ ছিল বিশ্বের প্রথম দিকের স্বয়ংক্রিয় ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়। এটি নির্মাণের প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হাওয়ার্ড আইকেন (Howard Aiken)। তিনি এই প্রকল্পের ধারণা দেন এবং IBM কোম্পানির সহযোগিতায় যন্ত্রটি নির্মিত হয়। মার্ক–১ বিশাল আকৃতির হলেও সে সময়ের জন্য অসাধারণ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ছিল। এর মাধ্যমে জটিল গাণিতিক সমাধান দ্রুত করা সম্ভব হয়েছিল, যা বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সামরিক প্রয়োজনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Howard Aiken, যিনি এই ঐতিহাসিক যন্ত্রটির নির্মাণে নেতৃত্ব দেন।

- মার্ক-১ নামে পরিচিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটারটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।

- মার্ক-১ কম্পিউটারের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো-
ক) মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
খ) কম্পিউটারটির মাধ্যমে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
গ) কম্পিউটারটির দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট ও উচ্চতা ৮ ফুট। বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ঘ) এর ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
এ কম্পিউটারটিতে সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্রাংশ সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল দীর্ঘ তারের প্রয়োজন হয়েছিল। মার্ক-১ কম্পিউটারটি প্রদর্শনের জন্য বর্তমানে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সযত্নে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: কম্পিউটারের ইতিহাস ও শ্রেণিবিভাগ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৫৬.
Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য কোন কী ব্যবহার করা হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F12
  4. F11
ব্যাখ্যা

• Full screen মোড অন বা অফ করার জন্য সাধারণত F11 কী ব্যবহার করা হয়। যখন কোনো ব্রাউজার বা সফটওয়্যার খুলে থাকেন, তখন F11 চাপলে স্ক্রিনটি পুরোপুরি পূর্ণ হয়ে যায়, মানে টাস্কবার, মেনু বা অন্যান্য ইন্টারফেস লুকিয়ে যায়। আবার একই F11 চাপলে পূর্ণ স্ক্রিন মোড বন্ধ হয়ে সাধারণ ভিউ ফিরে আসে। অন্য কোনো ফাংশন কী যেমন F9, F10 বা F12 সাধারণত এই কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় না; যেমন F12 ব্রাউজারে ডেভেলপার টুলস খুলতে ব্যবহার হয়। তাই ফ্লেক্সিবলি পূর্ণ স্ক্রিন মোডে কাজ করতে হলে F11 সবচেয়ে প্রচলিত এবং সুবিধাজনক। এটি ব্যবহার করলে মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করতে সহজ হয়।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

৫,২৫৭.
Which was the first digital computer made with an IC chip?
  1. IBM-306
  2. IBM-360
  3. IBM-036
  4. IBM-603
  5. IBM-630
ব্যাখ্যা
⇒ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হল IBM 360.

তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:

- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলিতে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) ব্যবহার করা শুরু হয়।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহারের কারণে কম্পিউটারের আকার ও বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং এর কার্যক্ষমতা ও গতি অনেক বৃদ্ধি পায়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৫৮.
ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ কোনটি?
  1. PostgreSQL
  2. SQLite
  3. MySQL
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
PostgreSQL, SQLite, MySQL, MS Access, Oracle এগুলো রিলেশনাল ডাটাবেজ। 
এদের মধ্যে PostgreSQL, SQLite ও MySQL ফ্রি ও ওপেন সোর্স ডাটাবেজ। 


সূত্র - ICT, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, বোর্ড বই
৫,২৫৯.
মানুষ এবং কম্পিউটারের মধ্যে মৌলিক পার্থক্যের ভিত্তিতে, কম্পিউটারের কোন বৈশিষ্ট্যটি উল্লেখ করা হয়?
  1. কম্পিউটার প্রাকৃতিক চিন্তা প্রক্রিয়া অনুসরণ করে
  2. মানুষের চিন্তা করার ক্ষমতা আছে, কিন্তু কম্পিউটারের নেই
  3. কম্পিউটার নিজস্ব মতামত তৈরি করতে সক্ষম
  4. কম্পিউটার মানবিক অনুভূতি অনুভব করে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউট (Compute) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনা করা এবং কম্পিউটার (Computer) শব্দের অর্থ হচ্ছে গণনাকারী।
- সুতরাং অভিধানিক দিক থেকে কম্পিউটারকে গণনাকারী যন্ত্র হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- কম্পিউটার হল বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- কম্পিউটারের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অতি দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করা যায়।
- কম্পিউটারের সাথে মানুষের মৌলিক পার্থক্য হল মানুষের মত কম্পিউটারের নিজস্ব কোন বুদ্ধি বা চিন্তা করার ক্ষমতা নেই।
- কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি থাকে। কম্পিউটার বিভিন্ন তথ্যকে স্মৃতিতে ধারণ করে রাখে এবং প্রয়োজনে নির্দেশ অনুযায়ী ধারণকৃত তথ্য নির্ভলভাবে এবং তড়িৎ গতিতে উপস্থাপন করতে পারে।
- কম্পিউটারের প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য হল- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে রাখা, নির্ভুলভাবে কাজ করা এবং অতি দ্রুত গতিতে কাজ সম্পন্ন করা।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬০.
(175)10 কে অক্টাল সংখ্যায় রুপান্তর করলে নিম্নের কোনটি পাওয়া যাবে?
  1. ক) 730
  2. খ) 120
  3. গ) 257
  4. ঘ) 175
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে প্রদত্ত সংখ্যাটি দশমিক সংখ্যা।
- দশমিক সংখ্যাকে অক্টালে নিতে হলে ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
- প্রথমে ভাগফল এবং একটি হাইফেন দিয়ে ভাগশষ লিখতে হয়।
- এভাবে প্রাপ্ত ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করতে হয়। ভাগফলের স্থানে ০ আসলে ভাগ করা বন্ধ করে ভাগশেষসমূহ নিচ থেকে উপরের দিকে লিখলেই অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
৫,২৬১.
ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামে ভুল হলে কী হয়?
  1. ইন্টারপ্রেটর ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং রিপোর্ট করে
  2. পুরো প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায়
  3. ভুল উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যায়
  4. ভুল ঠিক করতে প্রোগ্রাম কম্পাইল করা হয়
ব্যাখ্যা
• ইন্টারপ্রেটেড প্রোগ্রামে যদি কোনো ভুল ঘটে, তাহলে ইন্টারপ্রেটর সেই ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং ব্যবহারকারীকে ভুলের তথ্য রিপোর্ট করে। অর্থাৎ, ইন্টারপ্রেটর একবারে পুরো প্রোগ্রাম রান করে না, বরং এক লাইন বা কমান্ড করে কোড পড়ে এবং নির্বাহ করে। কোনো ভুল ধরা পড়লে, তা ঠিক করা ছাড়া প্রোগ্রাম এগোয় না। ফলে, ইন্টারপ্রেটর ভুল উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যায় না এবং পুরো প্রোগ্রাম বন্ধ হয়ে যায় না, বরং শুধুমাত্র ভুলের স্থানে থেমে যায়। কম্পাইলারের মতো পুরো প্রোগ্রাম কম্পাইল করা হয় না, কারণ ইন্টারপ্রেটর সরাসরি কোড লাইন বাই লাইন চালায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্টারপ্রেটর ভুলের স্থানে থেমে যায় এবং রিপোর্ট করে।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৬২.
Smart Home Technology কীভাবে কাজ করে? 
  1. কেবল সময়সূচি অনুযায়ী ডিভাইস চালায় 
  2. শুধুমাত্র মোবাইল অ্যাপ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় 
  3. নির্দেশ ও সেন্সর অনুযায়ী স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ
  4. শুধুমাত্র ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কাজ করে 
ব্যাখ্যা

• Smart Home Technology মূলত সেন্সর, ইন্টারনেট সংযোগ, কন্ট্রোল সিস্টেম এবং স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণের সমন্বয়ে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর জীবনকে সহজ, নিরাপদ এবং আরও শক্তি-সাশ্রয়ী করে তোলে।

• Smart Home Technology কী?
- Smart Home Technology হলো এমন প্রযুক্তি যা ঘরের বিভিন্ন ডিভাইস ও সিস্টেমকে সংযুক্ত করে এবং ব্যবহারকারীর সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে লাইট, থার্মোস্ট্যাট, সিকিউরিটি ক্যামেরা, দরজা, গ্যাস সনাক্তকরণ সিস্টেম, অডিও-ভিডিও ডিভাইস এবং অন্যান্য যন্ত্রকে দূর থেকে বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• কাজ করার পদ্ধতি:
- সেন্সর ব্যবহার: ঘরের তাপমাত্রা, আলো, গতি, ধোঁয়া, পানি বা গ্যাসের লেভেল সনাক্ত করতে সেন্সর ব্যবহার করা হয়।
- কন্ট্রোল সিস্টেম: সেন্সর থেকে আসা ডেটা বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হাব বা কেন্দ্রীয় কন্ট্রোলার ডিভাইসকে নির্দেশ দেয়।
- ক্লাউড ও ইন্টারনেট সংযোগ: অনেক Smart Home ডিভাইস ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউডে সংযুক্ত থাকে, যা দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য বিশ্লেষণ সহজ করে।
- স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ: উদাহরণস্বরূপ, যদি সেন্সর সনাক্ত করে যে ঘরে কেউ নেই, তাহলে লাইট বন্ধ হয়ে যায় এবং থার্মোস্ট্যাট শক্তি সংরক্ষণ মোডে চলে যায়।

• ব্যবহারকারীর সুবিধা:
- শক্তি এবং খরচ সাশ্রয়।
- বাড়ির নিরাপত্তা বৃদ্ধি।
- সুবিধা ও স্বাচ্ছন্দ্য, যেমন: স্বয়ংক্রিয় লাইট, টেম্পারেচার নিয়ন্ত্রণ, দরজা স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক/আনলক করা।
- দূর থেকে মোবাইল অ্যাপ বা ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৬৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. এজাক্স
  4. এভিরা
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৫,২৬৪.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
  2. দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
  3. এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
গেটওয়ে:
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে কিন্তু গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৫,২৬৫.
কার কৃতিত্বে কম্পিউটারে প্রথম বাংলা লেখা সম্ভব হয়?
  1. ক) মোস্তফা জব্বার
  2. খ) মেহেদী হাসান খান
  3. গ) মোঃ মাহবুব মোর্শেদ
  4. ঘ) মাইনুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রথম বাংলা লেখা সম্ভব হয় ১৯৮৭ সালে এবং এ সাফল্যের কৃতিত্ব মাইনুল ইসলাম নামক একজন প্রকৌশলির।
তিনি নিজের উদ্ভাবিত বাংলা ফন্ট ‘মাইনুলিপি’ ব্যবহার করে অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে বাংলা লেখার ব্যবস্থা করেন।
এ ক্ষেত্রে বাংলার জন্য আলাদা কোনো কি-বোর্ড (keyboard) ব্যবহার না করে ইংরেজি কি-বোর্ড দিয়েই কাজ চালানো হয়েছিল।
ইংরেজি ও বাংলার আলাদা ধরনের বর্ণক্রম এবং বাংলার যুক্তাক্ষরজনিত সমস্যা সমাধান করা হয়েছিল ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের চার স্তর কি-বোর্ড (4 layer keyboard) ব্যবহারের সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে।
মাইনুলিপির পর পরই ‘শহীদলিপি’ ও ‘জববারলিপি’ নামে আরও দুটো বাংলা ফন্ট উদ্ভাবিত হয় এবং একই পদ্ধতিতে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে ব্যবহূত হয়।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বহুল প্রচলিত 'অভ্র' কীবোর্ড লে-আউটের উদ্ভাবক মেহেদী হাসান খান।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো ও বিডি নিউজ আর্কাইভ।
৫,২৬৬.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. এভিরা
  2. ভিবিএস
  3. বুট সেক্টর
  4. স্টোন
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, britannica.
৫,২৬৭.
“সংরক্ষিত প্রোগ্রাম” (Stored program) ধারনাটি কে প্রদান করেন?
  1. ক) জর্জ আর স্টিবিজ
  2. খ) হাওয়ার্ড এইচ আইকেন
  3. গ) চার্লস ব্যবেজ
  4. ঘ) জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

সংরক্ষিত প্রোগ্রাম ধারণা হচ্ছে কম্পিউটার মেমোরিতে সঞ্চিত নির্দেশনাবলী যা ক্রমান্বয়ে বা অবিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করতে সক্ষম।
জন ভন নিউমান, ১৯৪০-এর দশকের শেষের দিকে এই ধারণাটি প্রবর্তন করেছিলেন। তিনি প্রস্তাব করেছিলেন যে, কোনও প্রোগ্রামকে বৈদ্যুতিক ভাবে একটি মেমরি ডিভাইসে বাইনারি-সংখ্যার ফরম্যাটে সংরক্ষণ করা উচিত যাতে গণনার ফলাফল কম্পিউটারের নির্দেশনার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সুত্রঃ ব্রিটানিকা।

৫,২৬৮.
পাইথন ভাষায় 10 কে কোন ডেটা টাইপ হিসেবে ধরা হয়?
  1. int
  2. str
  3. float
  4. bool
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষায় 10 একটি পূর্ণসংখ্যা বা Integer হিসেবে ধরা হয়, যা int ডেটা টাইপের অন্তর্ভুক্ত। int টাইপের ভেরিয়েবলগুলি দশমিক পূর্ণসংখ্যা হিসেবে কাজ করে এবং এগুলোর উপর যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি অঙ্কগত অপারেশন করা যায়। অন্যদিকে, যদি 10 কে উদ্ধৃতির মধ্যে লেখা হয় যেমন "10", তা তখন স্ট্রিং (str) হিসেবে গণ্য হবে, যা মূলত অক্ষর বা টেক্সট হিসেবে বিবেচিত হয়। 10.0 হলে তা ফ্লোট (float) এবং True বা False হলে তা বুলিয়ান (bool) হিসেবে বিবেচিত হয়। তাই সাধারণত কোডে লেখা 10 সরাসরি int টাইপের।

- সঠিক উত্তর: ক) int

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

কারণ:
• int মানে ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা। 5 একটি পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকবিহীন এবং এতে কোনো ভগ্নাংশ নেই। Python সংখ্যাগুলোকে ডেটা টাইপ অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করে।

এছাড়াও,
- str (স্ট্রিং): এটি টেক্সট বা অক্ষরযুক্ত মানের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: '5' বা "Hello".
- float: এটি দশমিক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: 5.0.
- bool: এটি বুলিয়ান মানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন True বা False.
- তাই, 5 একটি পূর্ণসংখ্যা এবং এর ডেটা টাইপ int।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।

৫,২৬৯.
A printer in which the characters are embossed on a band is
  1. ক) Dot-matrix
  2. খ) Laser
  3. গ) Golf-ball
  4. ঘ) Chain
ব্যাখ্যা
Chain printer : is a line printer which is like a continuous chain, used to print a computer output.
৫,২৭০.
1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 1010
  2. খ) 1100
  3. গ) 1101
  4. ঘ) 1110
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২, দ্বারা গুণ করতে হবে। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 1011 এর দশমিক সংখ্যা হলো 11.
1011
= 1 × 2+ 0 × 2+ 1 × 21 + 1 × 20 
= 8 + 0 + 2 + 1 
= 11 

1100 এর দশমিক সংখ্যা হলো 12.
1100
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 0 × 2
= 8 + 4 + 0 + 0 
= 12 

সুতরাং 1011 এর পরবর্তী বাইনারি সংখ্যা 1100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৭১.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 586 এর সমতূল্য ডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 1212
  2. 1313
  3. 1414
  4. 1515
ব্যাখ্যা
(586)₁₆ = (5 × 16²) + (8 × 16¹) + (6 × 16⁰)
= 1280 + 128 + 6
= (1414)₁₀
৫,২৭২.
প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষার নাম কী?
  1. High Level Language
  2. Assembly Language
  3. Natural Language
  4. Machine Language
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো Machine Language. এটি সরাসরি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে এবং বাইনারি কোড (0 ও 1) আকারে থাকে। কম্পিউটার শুধুমাত্র এই ভাষা বুঝতে পারে। High Level Language হলো উচ্চ স্তরের ভাষা যা মানুষের পঠনযোগ্য, কিন্তু এটি প্রথম প্রজন্মের ভাষা নয়। Assembly Language হলো দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা, যা মেশিন ভাষার সঙ্গে কিছুটা মিল রেখে লিখা হয়। Natural Language হলো মানুষের স্বাভাবিক ভাষা, যা প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। তাই, প্রথম প্রজন্মের ভাষা হিসেবে সঠিক উত্তর হলো ঘ) Machine Language.

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language)।
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)।
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)।
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)।
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,২৭৩.
(1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. 115
  2. 119
  3. 124
  4. 127
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1110111)2 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান:
(1110111)2 = (1 × 26) +  (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 32 + 16 + 0 + 4 + 2 + 1
= 119
৫,২৭৪.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগামিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অবজেক্ট
  2. পলিমরফিজম
  3. ইনহেরিটেন্স
  4. কোনোটিই না
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটা এবং ইনস্ট্রাকশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট। মেসেজ আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• মূলত ছয়টি প্রাথমিক ধারণার মাধ্যমে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object)
২. ক্লাস (Class)
৩. মেসেজ (Message)
৪. পলিমরফিজম (Polymorphism)
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance)
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৭৫.
The main two components of CPU are-
  1. ক) Control Unit & ALU
  2. খ) ALL & BUS
  3. গ) Control Unit & Register
  4. ঘ) Registers & Main Memory
ব্যাখ্যা
- CPU এর পূর্ণরুপ Central Processing Unit
- কম্পিউটার ব্রেইন বা মস্তিস্ক বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়।
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে।
- এটিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 

দুইটি প্রধান অংশ নিয়ে মূলত CPU গঠিত। যথা :
- ALU (Arithmetic Logic Unit),
- Control Unit 
 
There are 2 parts of the CPU: The ALU and Control Unit.
The Arithmetic Logic Unit (ALU) performs arithmetic operations (such as addition and subtraction) and logical operations (such as comparing two values).
The Control Unit deciphers and carries out instructions.

উৎস: ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
৫,২৭৬.
ASCII কোডের বিটের সংখ্যা কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 8
ব্যাখ্যা
ASCII (American Standard Code for Information Interchange) is the most common character encoding format for text data in computers and on the internet. Characters in ASCII encoding include upper- and lowercase letters A through Z, numerals 0 through 9 and basic punctuation symbols.
ASCII, stands for American Standard Code for Information Interchange. It's a 7-bit character code where every single bit represents a unique character.

Source - ICT, class XI-XII, NCTB
৫,২৭৭.
ফাংশন কী এর কাজ -
  1. ক) তথ্য সংযোজন করা
  2. খ) তথ্য মুছে ফেলা
  3. গ) বিশেষ ধরনের নির্দেশ প্রদান করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
৫,২৭৮.
নিচের কোনটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. চেরনোবিল
  3. পিংপং
  4. জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা পুনরুৎপাদনে সক্ষম এবং এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হতে পারে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটার সিস্টেমের নানা ধরনের ক্ষতি করে থাকে। 
যেমন- কম্পিউটারের গতি কমে যাওয়া, হ্যাং হয়ে যাওয়া, ঘন ঘন রিবুট (Reboot) হওয়া ইত্যাদি। 
- তবে বেশিরভাগ ভাইরাস ব্যবহারকারীর অজান্তে তার সিস্টেমের ক্ষতি করে থাকে। 
- আবার কিছু কিছু ভাইরাস সিস্টেমের ক্ষতি করে না, কেবল ব্যবহারকারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। 
যেমন- সিআইএইচ (CIH) নামে একটি সাড়াজাগানো ভাইরাস প্রতিবছর ২৬ এপ্রিল সক্রিয় হয়ে কম্পিউটার হার্ডডিস্ককে ফরম্যাট করে ফেলতো যা বর্তমানে নিষ্ক্রিয় রয়েছে। 
- সত্তর দশকে ইন্টারনেটের আদি অবস্থায় আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়, সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। 
- ১৯৮২ সালে এলক ক্লোনার (ELK CLONER) ফ্লপি ডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে। 
- তবে ভাইরাসের বিধ্বংসী আচরণ প্রথম প্রকাশিত হয় ব্রেইন ভাইরাসের মাধ্যমে, ১৯৮৬ সালে। পাকিস্তানি দুই ভাই লাহোরে এই ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি তৈরি করেন। 
- বিশ্বের ক্ষতিকারক ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- ব্রেইন, ভিয়েনা, জেরুজালেম, পিংপং, মাইকেল এঞ্জেলো, ডার্ক এভেঞ্জার, সিআইএইচ (চেরনোবিল), অ্যানাকুর্নিকোভা, কোড রেড ওয়ার্ম, নিমডা, ডাপরোসি ওয়ার্ম ইত্যাদি। 
- কাজের ধরনের ভিত্তিতে ভাইরাসকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন- নিবাসী ভাইরাস (resident virus) এবং অনিবাসী ভাইরাস (non-resident virus)। 

কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- বাজারে প্রচলিত প্রায় সকল এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার ভাইরাস ভিন্ন অন্যান্য ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী। 
- সকল ভাইরাস প্রোগ্রামের কিছু সুনির্দিষ্ট ধরন বা প্যাটার্ন রয়েছে, এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার এই সকল প্যাটার্নের একটি তালিকা সংরক্ষণ করে। সাধারণত গবেষণা করে এই তালিকা তৈরি করা হয়। 
- যখন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারকে কাজ করতে দেওয়া হয়, তখন সেটি কম্পিউটার সিস্টেমের বিভিন্ন ফাইলে বিশেষ নকশা খুঁজে বের করে এবং তা তার নিজস্ব তালিকার সঙ্গে তুলনা করে। যদি এটি মিলে যায় তাহলে এটিকে ভাইরাস হিসাবে শনাক্ত করে। যেহেতু বেশিরভাগ ভাইরাস কেবল কার্যকরী ফাইলকে সংক্রমিত করে, কাজেই সেগুলোকে পরীক্ষা করেই অনেকখানি আগানো যায়। 
- তবে এ পদ্ধতির একট বড় ত্রুটি হলো তালিকাটি নিয়মিত হালনাগাদ না হলে ভাইরাস শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। সেজন্য অনেক এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারের সকল প্রোগ্রামের আচরণ পরীক্ষা করে ভাইরাস শনাক্ত করার চেষ্টা করে। এতে সমস্যা হলো যে সফটওয়্যার সম্পর্কে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারটি আগে থেকে জানে না, সেটিকে ভাইরাস হিসাবে চিহ্নিত করে, যা ক্ষতিকর। এ কারণে বিশ্বের জনপ্রিয় এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারগুলো প্রথম পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকে। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৫,২৭৯.
কোনো সফ্টওয়্যার তার অক্ষমতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. বাগ
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়্যার (malware): 
- ম্যালওয়্যার হলো ইংরেজি Malicious Software এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো মোবাইল, কম্পিউটার, সার্ভার, ওয়েবসাইট অথবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের ক্ষতি করার জন্য ডিজাইন ও উন্নয়ন করা হয়েছে এমন সফ্টওয়‍্যারকে ম্যালওয়্যার বলে।
- এই সফটওয়্যার মোবাইল, কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহারকারী স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করে।
- যদি কোনো সফ্টওয়্যার তার অক্ষমতার কারণে অনিচ্ছাকৃতভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে সেক্ষেত্রে তাকে ম্যালওয়্যার বলা চলে না; একে সফটওয়্যার বাগ (bug) বলা হয়।
- ম্যালওয়্যার এমন এক জাতীয় ক্ষতিকর সফ্টওয়্যার যা কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য কোনো ডিজিটাল সিস্টেমের স্বাভাবিক কাজকে ব্যাহত করতে, গোপন তথ্য সংগ্রহ করতে, কোনো সংরক্ষিত কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে বা অবাঞ্ছিত বিজ্ঞাপন দেখাতে ব্যবহার করা হয়।

• ম্যালওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যথা-
- কম্পিউটার ভাইরাস (computer viruses),
- ওয়ার্ম (worms),
- ট্রোজান হর্স (trojan horses),
- স্পাইওয়‍্যার (spyware),
- র‍্যানসামওয়‍্যার (ransomware),
- অ্যাডওয়্যার (adware),
- রুটকিটস্ (rootkits) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,২৮০.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোওয়েভ
  2. খ) অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার
  3. গ) স্লাইড রুল
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, ওভেন, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন(এসি), ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
৫,২৮১.
RFID সাধারণত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনেট গতি পরিমাপ করে
  2. মোবাইল সংযোগ স্থাপন করতে
  3. বস্তু বা প্রাণী শনাক্ত করে
  4. তথ্য সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা
RFID সাধারণত বস্তু বা প্রাণী শনাক্ত করণ কাজে ব্যবহৃত হয়।

• RFID
- RFID-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification.
- এটি হলো ক্রেডিট কার্ডের মতো পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা কোনো বস্তু, ব্যক্তি বা প্রাণীকে শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- এতে খুব ছোট একটি চিপ, একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে।
- প্রাণীদেহের RFID ট্যাগগুলো সাধারণ RFID ট্যাগ থেকে একটু ভিন্ন হয়ে থাকে।
- এগুলো ক্যাপসুল আকৃতির হয়। সাধারণত পোষা প্রাণী যেমন, গরু-ছাগল ইত্যাদির পরিচয় নির্দিষ্ট করার জন্য RFID ট্যাগ তাদের দেহে সিরিঞ্জের মাধ্যমে ঢুকিয়ে দেয়া হয়।

• এর কিছু ব্যবহার নিম্নরূপ:
- কোনো প্রাণীট্র্যাক (track) করা বা প্রাণীটির অবস্থান নির্ণয় করা।
- সুক্ষ আকৃতির ট্যাগকে গাছে কিংবা কাঠের জিনিসে লাগানো, যা পরে আইডেন্টিফিকেশনের সুবিধা দেয়।
- ক্রেডিট কার্ড শেপের ট্যাগ ব্যবহার করে অফিস-বাসায় মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা।
- দোকানে পণ্যের মধ্যে RFID ট্যাগ লাগিয়ে চুরি প্রতিরোধ করা (ট্যাগ দোকানের বাইরে গেলেই অ্যালার্ম বেজে উঠবে)।
- শিপিং কন্টেইনার, ভারী যন্ত্রপাতি ইত্যাদি পরিবহণের সময় RFID ট্যাগ ব্যবহার করে পরিচয় নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৫,২৮২.
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে -
  1. ক) Tuple
  2. খ) Field
  3. গ) Record
  4. ঘ) Attribute
ব্যাখ্যা
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।সাধারণভাবে পুরো একটি রো বা সারিকে রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৫,২৮৩.
(১১০১০১) = ( ? )১০
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ৪১
  4. ৫৩
ব্যাখ্যা

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,২৮৪.
নিচের কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. dBase
  2. Oracle
  3. Informix
  4. Safari
ব্যাখ্যা
- অপশনে উল্লেখিত dBase, Oracle ও Informix হলো ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম এবং Safari হলো ওয়েব ব্রাউজার।

• সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- সিস্টেম সফটওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেমে হার্ডওয়্যার পরিচালনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।,
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। এর মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।

২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing  Program:  Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৫,২৮৫.
(233)10 এর অক্টাল মান কত?
  1. ক) (153)8
  2. খ) (315)8
  3. গ) (321)8
  4. ঘ) (351)8
ব্যাখ্যা
8 | 233
8 | 29 - 1
8 | 3 - 5
   | 0 - 3

∴ (233)10 = (351)8
৫,২৮৬.
ASCII কোড অনুযায়ী কম্পিউটারে ‘C’ অক্ষরকে উপস্থাপন করতে কোন সংখ্যা ব্যবহৃত হয়?
  1. 67
  2. 68
  3. 66
  4. 65
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের মধ্যে অক্ষরগুলোকে সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষণ করার জন্য ASCII (American Standard Code for Information Interchange) ব্যবহার করা হয়। ASCII কোড একটি মানক পদ্ধতি যা প্রতিটি অক্ষর ও নিয়ন্ত্রণ চিহ্নকে একটি নির্দিষ্ট পূর্ণসংখ্যার সঙ্গে যুক্ত করে। উদাহরণস্বরূপ, বড় হাতের অক্ষর ‘A’ থেকে ‘Z’ পর্যন্ত ৬৫ থেকে ৯০ পর্যন্ত সংখ্যা ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়। তাই ‘C’ অক্ষরটি ASCII অনুযায়ী উপস্থাপন করতে ৬৭ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটার যখন ‘C’ অক্ষরটি দেখতে বা প্রক্রিয়াকরণ করতে চায়, তখন এটি আসলে ৬৭ সংখ্যা হিসেবে সংরক্ষিত থাকে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) 67
 
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৮৭.
ফার্মওয়্যার আপডেট করার পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Compiling
  3. Formatting
  4. Flashing
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,২৮৮.
কম্পিউটারের বাহ্যিক (External) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. RAM
  2. Power supply
  3. Video card
  4. Joystick
ব্যাখ্যা

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 

উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৮৯.
কোয়ান্টাম কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট কী নামে পরিচিত?
  1. ফ্লপ
  2. বিট
  3. কিউবিট
  4. লজিক গেট
ব্যাখ্যা

কোয়ান্টাম কম্পিউটার: 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়। 
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে। 
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে। 
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন। 
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে, একে বলে Superposition
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে। 
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন। 
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে। 

• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি: 
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে। 
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়। 
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা এবং economist [লিঙ্ক]।

৫,২৯০.
API এর মূল কাজ কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইন করা এবং সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল ইন্টারফেস তৈরি করা।
  2. বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে ডাটা আদান-প্রদানে সাহায্য করা।
  3. কোড কম্পাইল করা এবং প্রোগ্রামকে নির্বাহযোগ্য (Executable) ফাইলে রূপান্তর করা।
  4. ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানো এবং নেটওয়ার্ক কর্মক্ষমতা উন্নত করা।
ব্যাখ্যা

◉ API (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস) এর মূল কাজ হল বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনকে পরস্পরের সাথে যোগাযোগ ও ডেটা আদান-প্রদান করতে সাহায্য করা।

API (Application Programming Interface) হলো একটি সফটওয়্যার ইন্টারফেস, যা বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস বা সিস্টেমের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান ও যোগাযোগ করতে সাহায্য করে।
- এটি মূলত একটি মাধ্যম, যা software applications, web services, এবং databases-এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- API এর পূর্ণরূপ Application Programming Interface.
- API এমন একটি প্রক্রিয়া যা বিভিন্ন কম্পিউটার প্রোগ্রামকে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।
- API একটি প্রোগ্রাম থেকে পরিষেবা পাওয়ার জন্য একজন ডেভেলপারকে সাহায্য করে।
- একটি API ছাড়া একটি প্রোগ্রাম খুব কার্যকরভাবে অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনের সাথে কাজ করতে পারেনা।
- API-এর উদাহরণ হলো remote procedure calls (RPCs)।
- তাছাড়া API, গ্রাফিক্স এবং সাউন্ড সহ অ্যাপ্লিকেশনগুলি সরবরাহ করে, নেটওয়ার্কিং এবিলিটি যুক্ত করে, সিকিউরিটি এবং ডেটা ট্রান্সলেশন পরিচালনা করে এবং মেমরি এবং হার্ডওয়্যার ডিভাইসের মতো সিস্টেম সংস্থানগুলিতে অ্যাক্সেস পরিচালনা করে।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Amazon Web Services Website.

৫,২৯১.
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি কোনটি?
  1. ভ্যাকুয়াম টিউব
  2. ট্রানজিস্টর
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI)।

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার(Fifth Generation Computer):
- সাধারণভাবে ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ব্যবহৃত কম্পিউটারকে পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার বলা হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষা বুঝতে ও অনুকরণ করতে সক্ষম।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এই প্রজন্মের মূল ভিত্তি।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তিগত ভিত্তি:
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার VLSI ও ULSI (Ultra Large Scale Integration) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে নির্মিত।
- একটি সিলিকন চিপে কয়েক কোটি থেকে কয়েকশ কোটি ট্রানজিস্টর সংযোজন করা সম্ভব হয়।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপক ব্যবহার।
- মানুষের ভাষা ও আচরণ অনুকরণ করার ক্ষমতা।
- ভয়েস কমান্ড ও স্বাভাবিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ(NLP) সুবিধা।
- প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাপক উন্নয়ন।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের গতি ও ক্ষমতা অত্যন্ত বেশি।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ব্যাপক সমন্বয়।
- অনলাইন ও বুদ্ধিমান ইন্টারনেটভিত্তিক ব্যবহার।
- বিপুল ক্ষমতাসম্পন্ন সুপার কম্পিউটার উন্নয়ন।
 
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যবহার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক সিস্টেম।
- রোবোটিক্স ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা।
- ভাষা শনাক্তকরণ ও অনুবাদ।
- বিশেষজ্ঞ সিস্টেম(Expert System)।
- আধুনিক গবেষণা ও ডেটা বিশ্লেষণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)। 

৫,২৯২.
একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর নির্ধারিত থাকে। এটি নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. Many-to-Many
  2. One-to-Many
  3. Many-to-One
  4. One-to-One
ব্যাখ্যা

• একটি হাসপাতালের ডাটাবেজে প্রতিটি রোগীর জন্য একটি অনন্য চিকিৎসা রেকর্ড নম্বর (Medical Record Number) নির্ধারিত থাকে। অর্থাৎ, প্রতিটি রোগীর সঙ্গে একটিমাত্র রেকর্ড নম্বর যুক্ত থাকে এবং প্রতিটি রেকর্ড নম্বর শুধুমাত্র এক রোগীর জন্য প্রযোজ্য। এটি হলো “One-to-One” সম্পর্কের উদাহরণ, কারণ এক রোগীর জন্য এক রেকর্ড এবং এক রেকর্ড শুধুমাত্র এক রোগীর সাথে সম্পর্কিত। এখানে কোন রোগীর একাধিক রেকর্ড নেই এবং কোন রেকর্ডও একাধিক রোগীর সঙ্গে ভাগাভাগি করা হয় না। তাই ডাটাবেজে রোগী এবং চিকিৎসা রেকর্ড নম্বরের সম্পর্ক এক-থেকে-এক (One-to-One) ধরণের।

- সঠিক উত্তর: ঘ) One-to-One.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৯৩.
'অভ্র ফোনেটিক' উদ্ভাবনে কোন ল্যাবের সদস্যরা কাজ করেছেন?
  1. ওমিক্রন ল্যাব
  2. বেল ল্যাবরেটরি
  3. মাইক্রোসাইন্স ল্যাব
  4. কী-বোর্ড ল্যাব
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে বাংলা কী-বোর্ড:
- বাংলা কি-বোর্ডর ধারণাটা প্রথম প্রয়োগ করেন শহিদ মুনীর চৌধুরী ১৯৬৫ সালে, তার 'মুনীর' কী-বোর্ডর মাধ্যমে। এটি ছিল টাইপ রাইটারের জন্য তৈরি করা একটি QWERTY কী-বোর্ড লেআউট। 

- ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ কৌশল বিভাগের ড. সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের তত্ত্বাবধানে কম্পিউটারে বাংলা ব্যবহারের ওপর গবেষণা শুরু হয়। এরপর চলমান গবেষণাগুলোর মধ্যে সাইফ উদ দোহা শহীদ সর্বপ্রথম বাংলা সফটওয়্যার আবিষ্কার করতে সক্ষম হোন। প্রথমে মুনীর লেআউট ও পরে QWERTY লেআউট ব্যবহার করে ২৫ জানুয়ারি সহকর্মীদের সহায়তায় বানিয়ে ফেলেন দুই বছরের পরিশ্রমের ফসল বাংলা লেখার সর্বপ্রথম সফটওয়্যার 'শহিদলিপি'। 

- ১৯৮৬ সালে মাইনুল ইসলাম তৈরি করেন 'মাইনুললিপি' নামক একটি বাংলা ফন্ট এর সুবিধা ছিল কোন ড্রাইভার কিংবা সফটওয়্যারের সাহায্য ছাড়াই এ ফন্ট দিয়ে ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারে খুব সহজেই বাংলা লেখা যেত। এরপর যুক্তাক্ষর সমস্যা সমাধানের জন্য মাইনুল ইসলাম চার স্তরবিশিষ্ট কী-বোর্ড ব্যবহার করেন।

- সাংবাদিকতায় জড়িত মোস্তাফা জব্বার কোন এক বিদেশির পরামর্শে একটি ইংরেজি ফন্টের অনুকরণে তৈরি করে ফেলেন বাংলা ফন্ট তন্বী সুনন্দা।
• ভারতীয় ইঞ্জিনিয়ার দেবেন্দ্র যোশী তাকে বানিয়ে দেন বাংলা লেখার জন্য একটি সফটওয়‍্যার।
 • ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বরে মোস্তাফা জব্বার ও গোলাম ফারুক আহমদ উন্মোচন করেন দেড় বছরের ফসল বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'বিজয়'। বাংলা সফটওয়্যার প্রবেশ করে উন্নত যুগে।
• ১৯৯৩ সালে সেইফ ওয়ার্কশ 'বর্ণ'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ 'বর্ণনা' তৈরি করে যার মূল আকর্ষণ ছিল, পাশাপাশি এটি বাংলা বানানের ভুল ধরিয়ে দিতে পারত।
• একই সালে বাংলাদেশ সরকার বাজারে আনে বাংলা লেখার সফটওয়্যার 'জাতীয়'। তবে 'জাতীয়' খুব বেশি জনপ্রিয় হয়নি। 
•  মোস্তাফা জব্বার পরবর্তীতে নিয়ে আসেন 'বিজয়'-এর উইন্ডোজ সংস্করণ।


- ২০০৬ সাল, নবজাগরণ যুগের শুরু। এ সালে ঘটে বাংলা কম্পিউটিং শিল্পে এক নতুন বিপ্লব। মেহেদী হাসান, রিফাত-উন-নবী আর ওমিক্রন ল্যাবের সদস্যরা পরিশ্রম করে তৈরি করেন বাংলা লেখার নতুন পদ্ধতি-অভ্র ফোনেটিক। এর মাধ্যমে ইংরেজি কী-বোর্ড ব্যবহার করেই খুব সহজেই বাংলা লেখা যায়। যেমন-কেউ ইংরেজিতে ami banglay gan gai লিখলে সেটা হয়ে যাবে-আমি বাংলায় গান গাই। 
মেহেদী হাসানের এ যুগান্তকারী আবিষ্কার বাংলার জগতে নিয়ে এলো নতুন এক বিপ্লব। দিনের পর দিন মেহেদী হাসান তার এ সফটওয়্যারে নতুন নতুন সুবিধা যুক্ত করেন।
♦ কম্পিউটারে ইন্টারনেট ব্রাউজারে বাংলা লেখাগুলো খুব ছোট দেখা যেত, যার কারণ উইন্ডোজের বৃন্দা (Vrinda) ফন্ট। ওমিক্রন ল্যাবের তানবীর ইসলাম সিয়াম সেজন্য বানান সিয়ামরূপালী (Siyamrupali) নামক ফন্ট, যা এ সমস্যার সমাধান করে।
♦ SutonnyMJ ফন্টের বিকল্প হিসাবে বানানো হয় কালপুরুষ (Kalpurush)। 
• মেহেদী হাসান তার এ মূল্যবান আবিষ্কারকে সবার কথা ভেবে বিনামূল্যে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করে দেন। তার মতে, ভাষা হওয়া উচিত সবার কাছে উন্মুক্ত।

উৎস: www.jugantor.com.
৫,২৯৪.
ফরেন কী'র কাজ কী?
  1. ডাটাবেজে নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
  2. দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা
  3. একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করা
  4. ইনডেক্স তৈরি করা
ব্যাখ্যা
ফরেন কী'র কাজ হচ্ছে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা।

• ফরেন কী (Foreign Key)
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২৯৫.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ইনপুট ইউনিট, কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট এবং আউটপুট ইউনিট।
- কম্পিউটারের মেকানিক্যাল ডিভাইসকে বলা হয় হার্ডওয়্যার।
- কম্পিউটারের সাংগঠনিক কাঠামোর যে সকল যন্ত্রপাতি আমরা দেখতে পারি, স্পর্শ করতে পারি, যার বস্তুগত আয়তন আছে, তার সমষ্টিকেই হার্ডওয়্যার বলে।
- হার্ডওয়্যার ছাড়া সফটওয়্যার অচল, এর কোন মূল্য নেই।
৫,২৯৬.
প্রথম কত সালে ল্যাপটপ কম্পিউটারের প্রচলন শুরু হয়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা
ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুৎ এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,২৯৭.
যদি একাধিক ফিল্ড একত্রে প্রাইমারি কী গঠন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. অল্টারনেট কী
  2. ফরেন কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হলে তাকে "কম্পোজিট প্রাইমারি কী" বলে।
 
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,২৯৮.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ২৩৫
  2. খ) ১২০০
  3. গ) ১০১০
  4. ঘ) ২৮০
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা এর জন্য ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ডিজিট ব্যবহার করা হয় তাই ২৮০ অক্টাল সংখ্যা নয়।
৫,২৯৯.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করা হয়?
  1. স্ক্যানার
  2. মাউস
  3. মডেম
  4. কি-বোর্ড
ব্যাখ্যা
• সিরিয়াল পোর্ট:
- সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়য়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট:
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসাথে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়। সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপট্যিকাল ডিভাইস ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,৩০০.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. James Gosling
  2. Guido Van Rossum
  3. Dennis Ritchie
  4. Brendan Eich
ব্যাখ্যা

• পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে Guido van Rossum পরিচিত।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Brendan Eich: JavaScript প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।