বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৫২ / ৮২ · ৫,১০১৫,২০০ / ৮,১৪১

৫,১০১.
ফায়ারওয়ালের প্রধান কাজ কী?
  1. ডেটা কম্প্রেশন করা
  2. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  3. পাসওয়ার্ড রিকভারি করা
  4. অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ডিভাইস বা সফটওয়্যার, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটর করে এবং পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১০২.
CPU ______ অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট ____ অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
  1. Physical, Logical
  2. Logical, Virtual
  3. Virtual, Logical
  4. Logical, Physical
ব্যাখ্যা
The address generated by the CPU is referred to as Logical Address.

সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।

অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা এবং এটি ডেটা বাসকে প্রধান মেমরিটি একটি বিশেষ মেমরি সেল ব্যবহার করতে দেয়।

কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম গুলো Physical Adress দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।
 
৫,১০৩.
প্রোগ্রামের ত্রুটি সনাক্ত ও সমাধানের প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. ডিকোডিং
  2. এনকোডিং
  3. ডিবাগিং
  4. কম্পাইলিং
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে ত্রুটি (Bug) দেখা দিতে পারে, যা প্রোগ্রামের সঠিক কার্যকারিতাকে বাধাগ্রস্ত করে।
- ডিবাগিং (Debugging) হলো প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি চিহ্নিত করা এবং সেগুলো সংশোধন করার প্রক্রিয়া।
- যতক্ষণ পর্যন্ত সব ত্রুটি দূর না হয়, ততক্ষণ কোনো প্রোগ্রাম নির্ভরযোগ্যভাবে ব্যবহার করা যায় না।

- প্রোগ্রামে সাধারণত তিন ধরনের ভুল দেখা যায়:
• ডেটা-সংক্রান্ত ভুল (Data Error):
– ভুল ডাটা ইনপুট বা প্রসেসিংজনিত ত্রুটি।

• যুক্তিগত ভুল (Logical Error):
– ভুল লজিক বা অ্যালগরিদম ব্যবহারের কারণে ফলাফল ভুল আসা।

• সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error):
– প্রোগ্রামিং ভাষার নিয়ম লঙ্ঘনের ফলে প্রোগ্রাম কম্পাইল না হওয়া।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৫,১০৪.
A = 0 এবং B =1 হলে, XNOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট কী হবে?
  1. 11
  2. 1
  3. 0
  4. 10
ব্যাখ্যা
• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ, এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ, দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- A = 0 এবং B =1 হলে, XNOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট 0 হবে।

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১০৫.
(1101010)2 = (?)10
  1. 102
  2. 105
  3. 106
  4. 108
ব্যাখ্যা
ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। তারপর যোগ করলে দশমিক সংখ্যা পাওয়া যাবে।
64-32-16-8-4-2-1
(64×1) + (32×1) + (16×0) + (8×1) + (4×0) + (2×1) + (1×0)
= 64+32+0+8+0+2+0
= 106
৫,১০৬.
অপটিক্যাল মাউস কীভাবে কাজ করে?
  1. বলের সাহায্যে
  2. রশ্মির সাহায্যে
  3. স্ক্যানার দিয়ে
  4. ভাইব্রেশনের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল মাউস রশ্মির সাহায্যে কাজ করে।

• মাউস (Mouse):
- Mouse হচ্ছে কীবোর্ডের পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস।
- মাউস দিয়ে কীবোর্ডের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করা যায়।

• মাউস দুই ধরনের হয়।
- যেমনঃ Mechanical ও Optical.
- মেকানিক্যাল (Mechanical): মাউসের নিচের দিকে একটি বল থাকে এজন্য মাউস মুভ করলে ডেস্কটপে কার্সরও উপর/নিচ/ডান/বাম মুভ করে। এ ধরণের মাউসের ব্যবহার এখন আর নেই।
- অপটিক্যাল (Optical): মাউসের নিচের দিকে বলের পরিবর্তে একটি Ray ব্যবহৃত হয় যারা মুভ হয়। এই মাউস ক্যাবলসহ হতে পারে আবার Wireless ও হতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,১০৭.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়? 
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ওয়ার্ম
  3. স্টেন
  4. এভিজি
ব্যাখ্যা

- এভিজি একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
-  কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি থেকে নিরাপদ রাখে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম, স্টোন হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৫,১০৮.
MS PowerPoint কোন ধরনের কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন হিসেবে পরিচিত?
  1. Presentation Software
  2. System Utility Software
  3. Word Processing Software
  4. Database Management Software
ব্যাখ্যা

• MS PowerPoint একটি Presentation Software বা উপস্থাপন সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের তথ্য, ছবি, গ্রাফ, চার্ট এবং ভিডিও সংযোজন করে সুন্দর ও আকর্ষণীয় স্লাইড তৈরি করার সুযোগ দেয়। PowerPoint-এর মাধ্যমে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসায়ী বা যে কোনো ব্যবহারকারী তাদের ধারণা সহজ ও কার্যকরভাবে শ্রোতার সামনে উপস্থাপন করতে পারে। এটি সাধারণত প্রেজেন্টেশন, রিপোর্ট, সেমিনার বা মিটিং-এ তথ্য উপস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্য সফটওয়্যারের মতো এটি সিস্টেম পরিচালনা করে না, ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে না বা লেখা সম্পাদনার জন্য নয়। তাই MS PowerPoint Presentation Software এর অন্তর্ভুক্ত।

- উত্তর: ক) Presentation Software.
 
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note, Mac write, ইত্যাদি।
২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro,ইত্যাদি।
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access, ইত্যাদি।
৪। Internet browser: Google chrome, Firefox, Opera mini, ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
Utility Software → সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ (যেমন Antivirus, Disk Cleanup) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।

৫,১০৯.
EEPROM সম্পর্কে নিচের কোন বিবৃতি সঠিক?
  1. বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব 
  2. পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারায়
  3. একবার প্রোগ্রাম করা ছাড়া আর কিছু করা যায় না
  4. এটি ভলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: ক) বৈদ্যুতিকভাবে মুছে পুনরায় প্রোগ্রাম করা সম্ভব।

EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি নন-ভলাটাইল মেমরি, যার অর্থ পাওয়ার বন্ধ হলেও এতে থাকা তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এটি বিশেষভাবে ডিজাইন করা যাতে ব্যবহারকারী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে নতুন ডেটা লিখতে পারে, তাই এটি পুনরায় প্রোগ্রামযোগ্য। অন্য অপশন গুলো ভুল কারণ, খ) পাওয়ার বন্ধে তথ্য হারায়—এটি কেবল ভলাটাইল মেমরির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। গ) একবার প্রোগ্রাম করা যায়, কিন্তু পরে আর কিছু করা যায় না—এটি শুধুমাত্র সাধারণ PROM-এর বৈশিষ্ট্য। ঘ) ভলাটাইল মেমরি—EEPROM ভলাটাইল নয়।

• ইইপিরম (EEPROM):
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- অবশ্য সংরক্ষিত তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১১০.
কোন কম্পিউটার প্রজন্মে প্রথমবার ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রথমবার ব্যবহৃত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের (২য়) কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা ছিল আকারে বড়, অনেক তাপ উৎপন্ন করত এবং অধিক বিদ্যুৎ খরচ করত। ১৯৫৬ সালে ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের পর দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। ট্রানজিস্টর তুলনামূলক ছোট, শক্তি সাশ্রয়ী এবং নির্ভরযোগ্য ছিল, যার ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত ও কার্যকর হয়। এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো ছিল ছোট আকৃতির, কম তাপ উৎপাদনকারী এবং রক্ষণাবেক্ষণে সহজ। ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তির এক গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধিত হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
- কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
- প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
- আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
- ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
- টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
- উদাহরণ: IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৫,১১১.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Quick Heal
  2. GIMP
  3. Sophos
  4. Comodo
ব্যাখ্যা
• GIMP এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Quick Heal, Sophos, এবং Comodo তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসের সুরক্ষার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, যা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে ডিভাইসকে রক্ষা করে। তবে GIMP হলো একটি গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার, যা ছবি তৈরি ও সম্পাদনার কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি এন্টিভাইরাসের মতো সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই GIMP কে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা যায় না। 

• এন্টিভাইরাস:
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায় যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে।
- এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের এবং সাথে সাথে মূল্যবান ডাটার দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষার ব্যবস্থা করে থাকে।
- একজন সতর্ক কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরও এন্টিভাইরাস প্রোগাম ব্যবহারের প্রয়োজন আছে।
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন।
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে।

• কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম নিচে দেয়া হলো:
- কাসপারস্কি,
- ম্যাকফি,
- নরটন,
- পিসিসিলিন,
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট, 
- ই-সেট,
- ই-স্ক্যান,
- কোবরা ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৫,১১২.
(159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 531.244
  2. 525.232
  3. 547.314
  4. 533.422
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান কত?

সমাধান:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১১৩.
কাজের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কতটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. ক) ২ ভাগে 
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে 
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়। যথা:

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device) যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি।
২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device) যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি এবং
৩। স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, সিডি, ডিভিডি ইত্যাদি।
এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১১৪.
কত সালে ডিজিটাল বাংলাদেশের পরিকল্পনা করা হয়?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১৪ সাল
  3. ২০০৬ সাল
  4. ২০০৮ সাল
ব্যাখ্যা

বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তােলার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করে।
অর্থাৎ, স্বাধীনতার ৫০ বছরে ২০২১ সালে বাংলাদেশ ডিজিটাল বাংলাদেশে পরিণত হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্যই হলাে বাংলাদেশ বিশ্বের একটি উন্নত দেশ হিসেবে ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে জনগণের জীবনযাত্রার মান সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া এবং ডিজিটাল প্রযুক্তি নির্ভর জীবনধারা গড়ে তুলে পুরাে জাতির জন্য একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। এটি একাত্তরের স্বাধীনতার স্বপ্ন বাস্তবায়নের রূপকল্প।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।

৫,১১৫.
বারকোড সাধারণত কোথায় দেখা যায়?
  1. কম্পিউটারের স্ক্রিনে
  2. বিভিন্ন পণ্যের গায়ে
  3. ইন্টারনেট ব্রাউজারে
  4. টেলিফোন কল করতে
ব্যাখ্যা
বারকোড সাধারণত বিভিন্ন পণ্যের গায়ে দেখা যায়।

• বারকোড (Barcode): 
- বারকোড হলো মেশিনে তৈরি এক প্রকারের সাংকেতিক কোড। 
- বারকোডকে সোর্স কোডও বলা হয়।
- বিভিন্ন পণ্যের গায়ে কালো কালো কিছু দাগ দেয়া থাকে। এটাই হলো বারকোড। 
- একটি ছোট্ট যন্ত্র কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করা থাকে, যার মধ্য থেকে লাল আলো বের হয়; সেই আলোকে কালো কালো দাগগুলোর উপরে ধরলেই কম্পিউটারে জিনিসটির নাম ও মূল্য চলে আসে। 
- মূলত যাতে বড় কোনো হিসাব করতে ভুল না হয়, সেজন্য বারকোড ব্যবহার করা হয়। 
- বারকোড রিডার নামক যন্ত্র দিয়ে বারকোড পড়া যায়। 
- বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যাদের মাধ্যমে বারকোড তৈরি করা যায় এবং রিড করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,১১৬.
এনালগ কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মুদ্রণ শিল্প
  2. রাসায়নিক শিল্প
  3. পেট্রোলিয়াম শিল্প
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
• এনালগ কম্পিউটার (Analog computer),
• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• এনালগ কম্পিউটার:
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকতের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ফল প্রদর্শিত করে।
- সাধারণত চাপ, তাপ, রোধ, উপাত্তের জন্য সৃষ্ট বৈদ্যুতিক তরঙ্গকে এনালগ কম্পিউটার ইনপুট হিসাবে ব্যবহার করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদর্শনের কাটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় অথবা প্লুটার (Plotter) যন্ত্রের সাহায্যে কাগজে গ্রাফ আকারেও পাওয়া যেতে পারে।
- মোটর গাড়ির গতিবেগ প্রদর্শনের মিটার এনালগ কম্পিউটারের একটি উদাহরণ।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, মান নিয়ন্ত্রণ, চাপ, তাপ পরিমাপনের জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- স্লাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- এনালগ কম্পিউটার খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। কারণ খাদ্য শিল্পে একাধিক পর্যায়ে ডিজিটাল তথ্য সংশোধন এবং ডেটা জরিপের প্রয়োজন হয়, যা এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে করা কঠিন।
- এনালগ কম্পিউটার প্রায়শই রাসায়নিক শিল্প, পেট্রোলিয়াম শিল্প, এবং মুদ্রণ শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
৫,১১৭.
বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 45
  2. 53
  3. 65
  4. 60
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাইনারি 110101 কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?

সমাধান:
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ থেকে শুরু করে বাম দিকে বাড়াতে হয়।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়া যায়।

(110101)2 = 1 × 25 + 1 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 32 + 16 + 0 + 4 + 0 + 1
= 53

∴ (110101)2 = 53

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫,১১৮.
প্রোগ্রামিংয়ে ইন্টারপ্রেটার কী?
  1. একটি টুল যা উচ্চ স্তরের কোড সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  2. একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়
  3. একটি সফটওয়্যার যা কার্যকর করার আগে কোড কম্পাইল করে
  4. একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিংয়ে ইন্টারপ্রেটার হলো এমন একটি সফটওয়্যার টুল যা উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং কোডকে সরাসরি কম্পাইল না করে লাইন বাই লাইন পড়ে এবং তৎক্ষণাৎ চালায়। এটি কোডের প্রতিটি লাইনকে পর্যায়ক্রমে বিশ্লেষণ করে এবং মেশিন কোডে অনুবাদ করে কার্যকর করে, ফলে প্রোগ্রামটি দ্রুত পরীক্ষা ও ডিবাগ করা যায়। অন্যদিকে, কম্পাইলার সম্পূর্ণ কোডকে একবারে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি দ্রুত পরিবর্তন দেখে কাজ করতে পারে এবং ছোট ছোট প্রোগ্রাম বা স্ক্রিপ্টের জন্য উপযুক্ত। তাই সঠিক উত্তর হলো - খ) একটি টুল যা কম্পাইল না করে কোড লাইন বাই লাইন চালায়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১১৯.
কোন গেট ব্যবহার করে যে কোনো Boolean ফাংশন বাস্তবায়ন করা যায়?
  1. XOR
  2. NOR
  3. NAND
  4. খ ও গ উভয়ই 
ব্যাখ্যা

◉ NAND এবং NOR উভয়কেই বলা হয় Universal Gate. কারণ শুধু NAND অথবা শুধু NOR দিয়েই যেকোনো Boolean ফাংশন (AND, OR, NOT, XOR ইত্যাদি) তৈরি করা যায়।

লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১২০.
IBM Pentium এক ধরণের-
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইন ফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) মিনি কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
সুপার কম্পিউটার: সবচেয়ে শক্তিশালী ও অত্যান্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার হচ্ছে সুপার কম্পিউটার। এ ধরনের কম্পিউটার হলো CRAY-1, CYBER - 250, Supper XII।

মেইন ফ্রেম কম্পিউটার : ক্ষমতা ও আকার বিচারে মেইন ফ্রেম কম্পিউটার সুপার কম্পিউটার তুলনায় ছোট কিন্তু প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা এবং মেমরি ধারণ ক্ষমতা অত্যান্ত বেশি। IBM4341, NCR, N8370, IBM Amdah1580, UNIVAC 1100, CYBER 170 উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়।

মিনি কম্পিউটার: আকার ছোট ও কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার। NOVA-3 PDP11, IBM-S/400, NCR S / 9290, IBM S / 36, IBM S/34 উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায় ।

মাইক্রোকম্পিউটার: আকার ও ক্ষমতা বিচারে সুপার কম্পিউটার তুলনায় ছোট কম্পিউটার। কিন্তু একীভূত বর্তনীর মাইক্রোপ্রোসেসর সংযুক্ত। এ কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি বলা হয়। IBM386, MACINTOSH, IBM Pentium উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা যায়। বর্তমানে দেশে আমরা যে সব কম্পিউটার ব্যবহার করি তা সবই প্রায় মাইক্রোকম্পিউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৫,১২১.
FAT এর কয়টি সংস্করণ আছে?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা

- FAT (File Allocation Table) হল একটি ফাইল সিস্টেম যা মূলত MS-DOS এবং Windows-এর প্রাথমিক সংস্করণে ব্যবহৃত হয়।
- FAT-এর তিনটি মূল সংস্করণ:
- FAT12:
- এটি সবচেয়ে প্রাথমিক সংস্করণ।
- সাধারণত floppy disk বা ছোট স্টোরেজ মিডিয়ার জন্য ব্যবহৃত।
- 12-bit cluster address ব্যবহার করে।

- FAT16: 
- বড় ড্রাইভ সমর্থনের জন্য।
- 16-bit cluster address ব্যবহার করে।
- MS-DOS 3.x এবং Windows 95-এ জনপ্রিয়।

- FAT32:
- 32-bit cluster address ব্যবহার করে।
- FAT16-এর তুলনায় অনেক বড় ড্রাইভ সমর্থন করে (সর্বাধিক 2 TB)।
- Windows 95 OSR2 থেকে শুরু করে Windows 10 পর্যন্ত ব্যবহার করা হয়।

উৎস: Microsoft. [লিংক]

৫,১২২.
11101 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01110
  2. খ) 00010
  3. গ) 00111
  4. ঘ) 00110
ব্যাখ্যা
• ১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়। অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
11101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 00010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,১২৩.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা এ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহার করা হয় -
  1. ক) Data Query Language
  2. খ) Data Definition Language
  3. গ) Data Manipulation Language
  4. ঘ) Structured Query Language
ব্যাখ্যা
একটি ডেটাবেজে পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলাে বর্ণনার মাধ্যমে। এ বর্ণনাগুলাে লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার হয়, যাকে ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ ও ডেটা এ্যাকসেস করার জন্য ডেটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- যে ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডেটাবেজ টেবিলে ডেটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৫,১২৪.
Natural Language is considered as—
  1. Second generation language
  2. Third generation language
  3. Fourth generation language
  4. Fifth generation language
ব্যাখ্যা

• Natural Language পঞ্চম প্রজন্মের (Fifth Generation) প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে বিবেচিত।

• Natural Language:
- Natural Language বলতে মানুষের স্বাভাবিক ভাষার মতো ভাষাকে বোঝায়।
- এই ভাষা মানুষের কথ্য বা লিখিত ভাষার সঙ্গে সবচেয়ে বেশি সাদৃশ্যপূর্ণ।

• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম অনুযায়ী অবস্থান:
- প্রোগ্রামিং ভাষার ইতিহাসে বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে ভাষাগুলোকে পাঁচটি প্রজন্মে ভাগ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980) হিসেবে Natural Language অন্তর্ভুক্ত।

• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্মসমূহ:
1. প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1945): মেশিন ভাষা (Machine Language)
2. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (1950): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
3. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (1960): উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
4. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (1970): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
5. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (1980): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)

• পঞ্চম প্রজন্মের ভাষার বৈশিষ্ট্য:
- এই প্রজন্মের ভাষা মানুষের ভাষার খুব কাছাকাছি।
- ব্যবহারকারীর জন্য প্রোগ্রাম লেখা তুলনামূলকভাবে সহজ হয়।

• লো-লেভেল ও হাই-লেভেল ভাষার সাথে পার্থক্য:
- Machine Language ও Assembly Language হলো লো-লেভেল ভাষা।
- High-level Language মানুষের ভাষার কাছাকাছি হলেও Natural Language আরও স্বাভাবিক রূপে প্রকাশিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১২৫.
নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কোনটি?
  1. মেয়ান
  2. হায়ারোগ্লিফিক্স
  3. ট্যালি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১২৬.
কম্পিউটারের কোন যন্ত্রাংশের ক্ষমতার উপর মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে?
  1. ভিজিএ কার্ড
  2. মডেম
  3. এনআইসি কার্ড
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
- মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে ভিজিএ কার্ডের উপর।
- VGA( video graphics array), ভিডিও গ্রাফিক্স অ্যারে ভিডিও ডিভাইস যেমন মনিটর এবং প্রজেক্টরগুলির জন্য এক প্রকারের সংযোগ।
- সাধারনত, ভিজিএ ভয়েস ক্যাবল, পোর্ট, এবং সংযোগকারীগুলিকে ভিডিও কার্ড গুলিতে মনিটরের সাথে সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- ভিজিএ বিভাগে ভিডিও আউটপুট সংক্রান্ত কাজ হয়ে থাকে।
- এজন্য ভিজিএ এর জন্য আলাদা স্লট থাকে কম্পিউটার ব্যবহারকারী তাদের ইচ্ছামত গ্রাফিক্স আপডেট করতে পারে।
- বর্তমানে মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন ভিজিএ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,১২৭.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোন কমান্ড ব্যবহার করার পর তা আবার বাতিল করতে যে শর্টকার্ট কমান্ড ব্যবহৃত হয়-
  1. Ctrl+X
  2. Ctrl+V
  3. Ctrl+Z
  4. Ctrl+Y
ব্যাখ্যা
Undo an action

To undo an action press Ctrl+Z. 

If you prefer your mouse, click Undo on the Quick Access Toolbar. You can press Undo (or CTRL+Z) repeatedly if you want to undo multiple steps.
Source: support.microsoft.com

৫,১২৮.
ব্যটারিরি ক্যাপাসিটি পরিমাপ করা হয় কোন এককের মাধ্যমে?
  1. mVA
  2. Volt
  3. Watt
  4. mAH
ব্যাখ্যা
• মোবাইল ফোন:
- ১৯৪০ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রথম মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রে সর্বপ্রথম Motorola Dyna TACS (Total Access Communication System) নামে হ্যান্ড মোবাইল সেট চালু করে।
- মোবাইল ফোনের প্রজন্মকে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- Battery capacity is measured in milliamps × hours (mAH).
- For example, if a battery has 250 mAH capacity and provides 2 mA average current to a load, in theory, the battery will last 125 hours. In reality, however, the way the battery is discharged has an impact on the actual battery life.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. [sciencedirect.com]
৫,১২৯.
নিচের কোনটি ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর নয়?
  1. ৮০৮৬
  2. ৮০৮৮
  3. ৮০১৮৬
  4. ৮০৮০
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩০.
কোনটি BIOS-এর মূল কার্যাবলী?
  1. ইন্টারনেট সংযোগ পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
  4. অ্যাপ্লিকেশন চালানো
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর মূল কার্যাবলী হলো অপারেটিং সিস্টেম বুট করা, তাই সঠিক উত্তর হলো গ)। BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে হার্ডওয়্যার উপাদানগুলো পরীক্ষা করে, যাকে POST বলা হয়। এরপর এটি স্টোরেজ ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে বের করে মেমোরিতে লোড করে এবং সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ অপারেটিং সিস্টেমের কাছে হস্তান্তর করে। BIOS ইন্টারনেট সংযোগ পরিচালনা করে না, ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করে না এবং অ্যাপ্লিকেশনও চালায় না। এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,১৩১.
রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলের ধারণা প্রথম কে উপস্থাপন করেন?
  1. ডেনিস রিচি
  2. ল্যারি এলিসন
  3. ই. এফ. কড
  4. কেন থম্পসন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১৩২.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. রোবটিক্স
  3. পাইড রুল
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে।
আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ - মোটর গাড়ির স্পিডোমিটার, পাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি।
৫,১৩৩.
2 গিগা হার্জ এর একটি প্রসেসর ১ টি কার্য সম্পাদনে কত সময় নেয়?
  1. ক) ১ ন্যানো সেকেন্ড
  2. খ) ০.৫ ন্যানো সেকেন্ড
  3. গ) ২ ন্যানো সেকেন্ড
  4. ঘ) ৫ ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
এখানে, 
প্রসেসর এর কম্পাঙ্ক f = 2GHz = 2×109Hz

তাহলে একটি কার্য সম্পাদনে সময় লাগবে = 1/f 
= 1/(2 × 109)s
= 0.5 × 10-9
= 0.5 ন্যানো সেকেন্ড।
৫,১৩৪.
কোন ধরণের ই-কমার্সে একজন ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে?
  1. C2B
  2. B2B
  3. B2C
  4. C2C
ব্যাখ্যা
ই-কমার্সের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণ এবং সঞ্চারণের মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায় সংক্রান্ত আদান-প্রদানকে ই-কমার্স বলে।
- ই-কমার্স সিস্টেমে ইন্টারনেট, এক্সট্রানেট এবং ইন্ট্রানেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে ব্যবসা, ভোক্তা এবং অন্যান্য সহযোগী সংস্থার মধ্যে সংযোগ সাধন করা হয়।
- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়।
যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business- B2B):
- দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাইকারি কেনাবেচাকে বিজনেস টু বিজনেস (B2B) বলা হয়।
- B2B ই-কমার্সের উদাহরণ: alibaba.com, sindabad.com ইত্যাদি।

২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer- B2C):
- এক বা একাধিক ক্রেতা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের মধ্য খুচরা বা পাইকারি লেনদেনসমূহ বিজনেস টু কনজিউমার (B2C)-এর অন্তর্গত।
- B2C ই-কমার্সের উদাহরণ: amazon.com, rokomari.com, othoba.com ইত্যাদি।

৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business- C2B):
- যখন কোনো ভোক্তা এককভাবে অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের সাথে সরাসরি লেনদেন করে তখন তাকে ভোক্তা থেকে ব্যবসায় বা কনজিউমার টু বিজনেস বলা হয়।
- এ ধরনের সিস্টেমে ভোক্তারা বা গ্রাহকরা সাধারণত কোনো বিজনেস সাইট থেকে পণ্য ক্রয়ের পরিবর্তে পণ্য ও সেবা বিক্রয় করে থাকে।
- C2B ই-কমার্সের উদাহরণ: monster.com, ajkerdeal.com, daraz.com ইত্যাদি।

৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer- C2C):
- অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়।
- এ জাতীয় ব্যবসা কোনো বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
- C2C ই-কমার্সের উদাহরণ: ebay.com, taobao.com ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৩৫.
Which of the following is a non-volatile memory?
  1. RAM
  2. Cache
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) ROM

ROM (Read Only Memory)
- ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory।
- ROM হলো একটি ধরনের নন-ভলাটাইল সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি, যার অর্থ হলো পাওয়ার বন্ধ থাকলেও এটি তার তথ্য সংরক্ষণ করে।
- একবার তৈরি বা লেখা হলে, ROM এ সাধারণত পুনরায় লেখা যায় না।
- ROM চিপের প্রতিটি মেমোরি সেলে একটি ট্রানজিস্টর ১ বিটের জন্য থাকে, আর ০ বিটের জন্য কোনো ট্রানজিস্টর থাকে না।
- কম্পিউটারের কার্যক্রমের অপরিহার্য অংশ হিসেবে ROM ব্যবহার করা হয়। 

উদাহরণস্বরূপ:
- বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং তার অপারেটিং সিস্টেম লোড করে।
- BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) যা পার্সোনাল কম্পিউটারের বাইরের ডিভাইসগুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- কিছু পুনঃলিখনযোগ্য নন-ভলাটাইল মেমোরিও আছে, যেমন:

১। EPROM (ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল ROM)
২। EAROM (ইলেকট্রিক্যালি অ্যালটারেবল ROM)
৩। ফ্ল্যাশ মেমোরি

- তবে, এই ধরনের মেমোরি পুনরায় লেখা পড়ার তুলনায় অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ।
- সুতরাং, এগুলো সাধারণত বিশেষ উদ্দেশ্যের মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে লেখা খুব কম প্রয়োজন হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি এগুলো BIOS-এর জন্য ব্যবহার করা হয়, তবে ত্রুটি সংশোধন বা ফিচার আপডেটের জন্য পরিবর্তন করা যেতে পারে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

৫,১৩৬.
প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম যেখানে সংরক্ষণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) Cache Memory
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
• প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম যেখানে সংরক্ষণ করে তাকে Register বলে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ। 
- রেজিস্টার ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম। 
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৫,১৩৭.
UNIX অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন-
  1. ক) ডেনিস রিচি
  2. খ) কিন টমসন
  3. গ) স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
সর্বাপেক্ষা পুরাতন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত। ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে কিন টমসন এবং ডেনিস রিচি প্রথম ইউনিট অপারেটিং সিস্টেম রচনা করেন। সুপার কম্পিউটার থেকে শুরু করে পিসি পর্যন্ত সকল কম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়। মাল্টিটাস্কিং এবং মাল্টিইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য এটি খুবই উপযোগী। ইউনিক্স একটি সিঙ্গেল সিপিইউ এর সাথে একাধিক কী-বোর্ড এবং মনিটর সংযোগ করে অনেক ব্যবহারকারীকে একত্রে কাজ করার সুযোগ করে দেয়।
৫,১৩৮.
কম্পিউটার সিস্টেমে ক্যাশ মেমোরি হিসেবে সাধারণত কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Synchronous DRAM
  2. Static RAM
  3. Programmable ROM
  4. Dynamic RAM
ব্যাখ্যা

◉ ক্যাশ মেমোরি তৈরি হয় SRAM (Static RAM) দিয়ে। এটি দ্রুতগতির হলেও ব্যয়বহুল এবং বেশি জায়গা নেয়। এর মধ্যে সংরক্ষিত তথ্য রিফ্রেশ ছাড়াই স্থায়ীভাবে থাকে (যতক্ষণ বিদ্যুৎ থাকে)। এজন্য প্রসেসরের L1, L2, L3 ক্যাশ হিসেবে SRAM ব্যবহৃত হয়। 

​ক্যাশ মেমরি:
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।

​স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM- Static Random Access Memory):
- এ ধরনের মেমরি ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, যা বাইনারি বিট (0 বা 1) ধারণ করে এবং ধারণকৃত ডেটা ততক্ষণ পর্যন্ত মেমোরিতে থাকে, যতক্ষণ পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকে। SRAM অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন হওয়ায় ভিডিও র‍্যাম, ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫,১৩৯.
BIOS এর মাধ্যমে কোনটি নির্ধারণ করা হয়?
  1. সফটওয়্যার আপডেট
  2. সিস্টেম কনফিগারেশন
  3. নেটওয়ার্ক স্পিড
  4. ডেটা স্টোরেজ
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১৪০.
XOR গেইটে আউটপুট 0 হবে, যখন ইনপুট -
  1. A = 0, B = 1
  2. A = 1, B = 11
  3. A = 1, B = 0
  4. A = 1, B = 1
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৪১.
ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা সিঙ্ক্রোনাইজ করার জন্য কোন ধরনের ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়?
  1. T Flip Flop
  2. JK Flip Flop
  3. SR Flip Flop
  4. D Flip Flop
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সিস্টেমে ডেটা সিঙ্ক্রোনাইজ করার জন্য "D Flip Flop" ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৫,১৪২.
Analytical & Differential Engine আবিষ্কার করেন কে?
  1. জন নেপিয়ার
  2. ব্লেইজ প্যাসকেল
  3. লেডি অ্যাডা লাভলেস
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা

• জন নেপিয়ার:
- জন নেপিয়ার (১৫৫০ - ১৬১৭) ছিলেন একজন বিখ্যাত স্কটিশ গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং জ্যোতির্বিদ, যিনি মূলত লগারিদম (Logarithms) আবিষ্কারের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- নেপিয়ারের হাড় (Napier's Bones) এটি একটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত গণনা যন্ত্র বা ক্যালকুলেটর, যা গুণ ও ভাগ করার কাজে ব্যবহৃত হতো।

• ব্লেইজ প্যাসকেল:
- ব্লেইজ প্যাসকেল (১৬২৩ - ১৬৬২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ফরাসি গণিতবিদ, পদার্থবিদ এবং দার্শনিক।
-  তিনি বিশ্বের অন্যতম প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন, যা প্যাসকেলাইন (Pascaline) নামে পরিচিত

• লেডি অ্যাডা লাভলেস:
- লেডি অ্যাডা লাভলেস (১৮১৫-১৮৫২) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও লেখিকা, যাকে বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে গণ্য করা হয়। তিনি চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রাম বা অ্যালগরিদম লেখেন।
- সর্বপ্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন। 

• চার্লস ব্যাবেজ:
- চার্লস ব্যাবেজ (১৭৯১–১৮৭১) ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ গণিতবিদ, দার্শনিক ও যন্ত্র প্রকৌশলী, যাকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তিনি প্রথম ডিজিটাল প্রোগ্রামযোগ্য কম্পিউটারের ধারণা তৈরি করেছিলেন।
- তিনি ১৮২২ সালে 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' এবং ১৮৩৩ সালে 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' তৈরির পরিকল্পনা করেন যা আধুনিক কম্পিউটারের ভিত্তি।

উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Britannica [Link]

৫,১৪৩.
XOR গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট A = 1 এবং B = 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 2
  4. অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) 0

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি আ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট A = 0 এবং B = 1 হয়, আউটপুট হবে 1; একইভাবে A = 1 এবং B = 0 হলে আউটপুট হবে 1। কিন্তু যদি ইনপুট দুটো সমান হয়, যেমন A = 0, B = 0 অথবা A = 1, B = 1, তখন আউটপুট হবে 0।

এছাড়া,
- XNOR গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুট ভিন্ন মানের হলে আউটপুট 0 হয়।
- OR গেইটে যে কোনো একটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়। দুটি ইনপুটই 0 হলে আউটপুট 0 হয়।
- AND গেইটে দুটি ইনপুটই 1 হলে আউটপুট 1 হয়। যে কোনো একটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 0 হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৪৪.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়?
  1. Java
  2. Python
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়।
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং,
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি। 
৫,১৪৫.
বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার কোনটি?
  1. IBM-AS/400
  2. IBM Amdah 1580
  3. Apollo Guidance
  4. CYBER 205
ব্যাখ্যা
Apollo Guidance হচ্ছে বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এমবেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

বাকি অপশনগুলো:
- CYBER 205 একটি অতিবৃহৎ কম্পিউটার,
- IBM Amdah 1580 একটি বৃহৎ কম্পিউটার,
- IBM-AS/400 একটি ছোট কম্পিউটার।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১৪৬.
কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কী বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) হার্ডওয়্যার
  4. ঘ) সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অন্যদিকে DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,১৪৭.
কোনটি Database Transaction Property- এর অন্তর্গত?
  1. Atomicity
  2. Durability
  3. Isolation
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই Database Transaction Property- এর অন্তর্গত।

• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।
- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID।
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

• ACID এর acronym হল:

- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

উৎস: techtarget.com
৫,১৪৮.
Recycle Bin-এ না পাঠিয়ে কোনো ফাইল সরাসরি Delete করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Delete
  2. খ) Alt+Delete+Enter
  3. গ) Delete+Enter
  4. ঘ) Shift+Delete+Enter
ব্যাখ্যা
Basically, we use SHIFT + DELETE to permanently delete the file or folder from the system so that it won’t move to the Recycle Bin or no one can restore that particular file or folder from the trash or recycle bin.
রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer.
৫,১৪৯.
কম্পিউটারে ক্যাশ মেমোরি ব্যবহারের উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. ডেটা ব্যাকআপ সংরক্ষণ করা
  3. ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা
  4. প্রসেসরের কাজের গতি বাড়ানো
ব্যাখ্যা

• Cache Memory হলো একটি অতি দ্রুতগতির মেমোরি, যা সাধারণত CPU এবং প্রধান মেমোরি (RAM)-এর মধ্যে অবস্থান করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা এবং নির্দেশনা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। এর ফলে প্রসেসরের গতি বাড়ে এবং সিস্টেম পারফরম্যান্স উন্নত হয়।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫,১৫০.
Notebook LM-এ 'LM' বলতে কী বোঝায়?
  1. Learning Module
  2. Linear Mapping
  3. Language Model
  4. Logic Manager
ব্যাখ্যা

• Notebook-এ "LM" বলতে সাধারণত Language Model বোঝায়। এটি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) বা মেশিন লার্নিং সিস্টেম, যা ভাষা বোঝার, তৈরি করার ও প্রক্রিয়াজাত করার ক্ষমতা রাখে। Language Model টেক্সটের প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে এবং ভবিষ্যতের শব্দ বা বাক্য অনুমান করতে পারে। এটি বিভিন্ন কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়, যেমন: লেখার সহায়তা, অনুবাদ, প্রশ্নোত্তর, সংলাপ সিস্টেম এবং টেক্সট জেনারেশন। Notebook-এর প্রেক্ষাপটে LM নির্দেশ করে সেই ফিচার বা মডেল যা ব্যবহারকারীর লিখিত বা প্রশ্ন করা ভাষা অনুযায়ী কার্যকর আউটপুট প্রদান করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) Language Model.

Artificial intelligence (AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
- এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।
 
Source: Britannica.

৫,১৫১.
Convert the binary number (1011101)2  into hexadecimal.
  1. (4D)16
  2. (4E)16
  3. (5D)16
  4. (4F)16
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ক্রমান্বয়ে বাম দিকে 4 বিটবিশিষ্ট একেকটি গ্রুপে ভাগ করতে হবে।
২। যদি সর্ব বামের গ্রুপ তৈরিতে 4 বিট না থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দুটি বা তিনটি, শূন্য (0) বসিয়ে 4 বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩। প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত হবে।
৪। এই পদ্ধতিতে 0-9 পর্যন্ত অংক এবং 10-15 পর্যন্ত মানের জন্য A-F বর্ণমালা ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ-১: (1011101)2 কে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর।
(1011101)2= 101 1101
= 0101 1101 [4-বিট গ্রুপ তৈরির জন্য বামে 1টি অতিরিক্ত শূন্য যোগ করা হয়েছে।]
= (5D)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৫২.
চেরনোবিল ভাইরাস কী নামে পরিচিত? 
  1. সিআইএইচ
  2. ট্রোজান হর্স
  3. ভিবিএস
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,১৫৩.
কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে কী বলে?
  1. ক) সিফটিং
  2. খ) নিগেশন
  3. গ) পুশ
  4. ঘ) কমিট
ব্যাখ্যা
কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে নিগেশন বা বিপরীতকরণ বলে।
৫,১৫৪.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড উপস্থাপনের জন্যে কীবোর্ডের কোন বোতাম চাপতে হয়?
  1. ক) F5
  2. খ) F7
  3. গ) F2
  4. ঘ) F4
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড উপস্থাপনের জন্যে কীবোর্ডের F5 বোতাম চাপতে হয়।
এক স্লাইড থেকে অন্য স্লাইডে যাওয়ার জন্যে ডান অথবা বাম পাশের তীর চিহ্নিত বোতাম চাপতে হয়।
স্লাইড শো বন্ধ করে সম্পাদনা উইন্ডোতে ফিরে আসার জন্যে Esc বোতাম চাপতে হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী
৫,১৫৫.
নিচের কোনটি কম্পিউটার পেরিফেরাল?
  1. ক) মাদারবোর্ড
  2. খ) প্রসেসর
  3. গ) মনিটর
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার পেরিফেরাল বলতে ঐ সকল হার্ডওয়্যারকে বোঝায় যেগুলো কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থেকে কম্পিউটারের কার্যপরিধি ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
কম্পিউটার পেরিফেরালকে তিনভাগে ভাগ করা হয়-
১. কম্পিউটার স্টোরেজ
২. ইনপুট যন্ত্রপাতি
৩. আউটপুট যন্ত্রপাতি
মনিটর হচ্ছে আউটপুট ডিভাইস। তাই মনিটর কম্পিউটার পেরিফেরাল।

সূত্র - Computer & ICT - 2, SSC Vocational, Board Book
৫,১৫৬.
কোনটি কম্পিউটারের ডেটা বাসের মূল কাজ?
  1. বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. মেমোরি পরিচালনা করা
  3. ডেটা স্থানান্তর করা
  4. প্রোগ্রাম চালানো
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের ডেটা বাসের মূল কাজ হলো ডেটা স্থানান্তর করা।

• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- বাস মূলত কম্পিউটারের সাংগঠনিক বিভিন্ন অংশ যেমন- ইনপুট অংশ, আউটপুট অংশ, মাইক্রোপ্রসেসর, মেমরি বা রেজিস্টার, মাদারবোর্ডে অবস্থানরত অন্য চিপসমূহের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের কার্যাবলি সম্পাদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।
- তবে একই সময়ে কম্পিউটারের বাসের মধ্যে দিয়ে যতগুলো বিট চলাচল করে তাকে বলা হয় বাসের উইডথ বা প্রশস্ততা।
- যেমন- কোনো বাসের উইডথ ৩২ বিট বলতে বাসের মধ্যে দিয়ে একই সাথে ৩২টি বিট চলাচল করতে পারে।
- বাসের গতি মাপা হয় মেগাহার্টজে।
- তবে এই গতি গিগাহার্টজও হতে পারে। যেমন- ১৩৩ মেগাহার্টজ, ২০০ মেগাহার্টজ, ৪০০ মেগাহার্টজ ইত্যাদি।
- বাসের প্রশস্ততা যত বেশি হবে, কম্পিউটার ডেটা তত বেশি দ্রুতগতিতে চলাচল করতে পারবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৫৭.
এমবেডেড সিস্টেমে কোনটি উপস্থিত থাকে?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. মেমরি
  3. ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।

উৎস:
Computer Hope ওয়েবসাইট।
৫,১৫৮.
সত্য ও মিথ্যার উপর নির্ভর করে যে অ্যালজেবরা -
  1. ক) Boolean algebra
  2. খ) Albert algebra
  3. গ) Azumaya algebra.
  4. ঘ) Banach algebra
ব্যাখ্যা

সত্য ও মিথ্যার উপর নির্ভর করে যে অ্যালজেবরার তৈরি হয়েছে তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলা হয়। সাধারণত এই সত্যকে বাইনারি অংক ১ এবং মিথ্যাকে ০ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
মূলত ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগ লক্ষ্য করা যায়।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৫,১৫৯.
(1011) কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করুন-
  1. ক) 10
  2. খ) 11
  3. গ) 12
  4. ঘ) 13
ব্যাখ্যা
1011 = 1 × 2 + 0 × 2+ 1 × 21  + 1 × 2° 
         = 8 + 0 + 2 + 1 
         = 11

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি দুই।
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি : প্রাচীন ভারতে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন প্রথম শুরু হয় বলে একে হিন্দু সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।

সূত্র: ৯৬ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬০.
কোন ফাংশন কী এর সাহায্যে বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়?
  1. F7
  2. F8
  3. F10
  4. F9
ব্যাখ্যা
 কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৫,১৬১.
বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. গুগলিয়েলমো মার্কনি
  3. রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
• জগদীশ চন্দ্র বসু:
- জগদীশ চন্দ্র বসু ছিলেন একজন বাঙালি পদার্থবিদ, উদ্ভিদবিদ ও জীববিজ্ঞানী। তাঁর গবেষণা উদ্ভিদবিজ্ঞানকে সমৃদ্ধ করে তোলে এবং ভারতীয় উপমহাদেশে ব্যবহারিক ও গবেষণাধর্মী বিজ্ঞানের সূচনা করে।
- বিনা তারে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বার্তা প্রেরণে প্রথম সফল হন তিনি।
- ১৮৯৫ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন।
- ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করেন।

• গুগলিয়েলমো মার্কনি:
- একই সময় বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে একই কাজে প্রথম সফলতা লাভ করে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি।
- এজন্য তাকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

• রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন:
- ষাট-সত্তরের দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের (ARPANET) জন্ম হয়।
- ১৯৭১ সালে আমেরিকান প্রোগ্রামার রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন আরপানেট (ARPANET) সিস্টেম ব্যবহার করে প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন।
- এজন্য তিনি চিহ্ন ব্যবহার করেন যা এখন পর্যন্ত ই-মেইল অ্যাড্রেসে ব্যবহার হয়ে আসছে।

• চার্লস ব্যাবেজ:
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- তবে ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬২.
ই-কমার্স সাইট amazon.com কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯০ সালে
  2. খ) ১৯৮৮ সালে
  3. গ) ১৯৯৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৮ সালে
ব্যাখ্যা
In 1994 Jeff Bezos, a former Wall Street hedge fund executive, incorporated Amazon.com. Currently Jeff Bezos holds the position of world’s richest man.
Source: Encyclopaedia Britannica and WSJ
৫,১৬৩.
নিচের কোনটি অপ্টিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ?
  1. ক) CD-ROM
  2. খ) Magnetic Tape
  3. গ) Floppy disk
  4. ঘ) Hard disk
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

সিডি-রম (CD-ROM - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 

• Magnetic Tape, Floppy disk এবং Hard disk এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬৪.
নিচের কোনটি Antivirus program?
  1. Malwarebytes
  2. Malware
  3. WINRAR
  4. Adware
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো ক) Malwarebytes.

Antivirus program হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম সনাক্ত ও নির্মূল করতে সাহায্য করে। Malwarebytes একটি জনপ্রিয় Antivirus প্রোগ্রাম, যা বিশেষভাবে ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য অনাকাঙ্ক্ষিত সফটওয়্যার শনাক্ত ও অপসারণের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Malware হল ক্ষতিকর সফটওয়্যার নিজেই, যা কম্পিউটারকে ক্ষতি করতে পারে। WINRAR একটি ফাইল কম্প্রেশন এবং আর্কাইভিং টুল, Antivirus নয়। Adware হলো এমন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া বিজ্ঞাপন দেখায়, কিন্তু সরাসরি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। তাই Antivirus হিসেবে Malwarebytes সঠিক।

• Antivirus Programs:
- Avast,
- Kaspersky,
- Avira,
- Microsoft windows Defender,
- Bitdefender Antivirus,
- Malwarebytes,
- Norton 360,
- McAfee Total Protection,
- ESET NOD32 Antivirus, etc.

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম:
- Spyware,
- Malware,
- Ransomware,
- Spam,
- Worms,
- Trojan Horse,
- Adware,
- Phising, etc.

• Malware,Adware হচ্ছে কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।
• WINRAR হচ্ছে একটি File compression tool.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫,১৬৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. Keyboard
  2. Mouse
  3. Touch Screen
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
- Speaker (স্পিকার) হলো একটি আউটপুট ডিভাইস (শব্দ আউটপুট দেয়), কিন্তু ইনপুট ডিভাইস নয়। 
- অপরদিকে Touch Screen একটি ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবেই ব্যবহৃত হয়, তবে কিছু ক্ষেত্রে ইনপুট ফাংশন হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। যেহেতু এটি জব জল্যুশন প্রশ্ন তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে Speaker (স্পিকার) উত্তর নেয়া হলো। 

পেরিফেরাল ডিভাইস: 

- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে। 
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১. ইনপুট ডিভাইস: 
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি। 

২. আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি। 

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,১৬৬.
Block Chain - এর Genesis Block - এ নিচের কোনটি থাকে না?
  1. Timestamp
  2. Block hashCode
  3. A hash pointer to the previous block
  4. Genesis Block এ সবগুলোই থাকে
ব্যাখ্যা
ব্লকচেইন: এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়। প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।

সহজ ভাষায় বললে, ব্লকচেইন হচ্ছে ব্লকের চেইন।
এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।

একটি সাধারণ Block এ-
ক) A hash pointer to the previous block
খ) Timestamp এবং
গ) List of transactions এই ৩টি অংশই থাকে।

তবে, একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই ক) A hash pointer to the previous block থাকে। জেনেসিস ব্লক হচ্ছে ব্লকচেইনের প্রথম ব্লক। 
---------------
The Genesis Block:

- The first block in the blockchain is called the genesis block and was created in 2009.
- It is the common ancestor of all the blocks in the blockchain, meaning that if you start at any block and follow the chain backward in time, you will eventually arrive at the genesis block.

জেনেসিস ব্লক হচ্ছে ব্লকচেইনের প্রথম ব্লক। 
Genesis Block - এর গঠনে,
- hash pointer to the previous block থাকে না।
- Timestamp ও Block hashCode থাকে।

Source:
Chapter 7. The Blockchain [Link]
Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos.
৫,১৬৭.
অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার কোনটি?
  1. মাইক্রোসফট অফিস
  2. ওপেন অফিস অর্গ
  3. অ্যাক্রোবেট রিডার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির একটি প্রায়োগিক টুল হলো অফিস অটোমেশন সিস্টেম।
- অফিস অটোমেশন হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, যার মাধ্যমে কম্পিউটার, নেটওয়ার্কিংসহ তথ্য প্রযুক্তির আরও অন্যান্য ডিভাইস ও সিস্টেম দ্বারা অফিসের সকল পেপার ওয়ার্ক ও যোগাযোগের কাজ পরিচালনা করা যায়।
- অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলো হলো মাইক্রোসফট অফিস, ওপেন অফিস অর্গ, অ্যাক্রোবেট রিডার ইত্যাদি।
- এছাড়াও অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, স্ক্যানার, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি, পিএবিএক্স, কর্মীদের হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক্স ডিভাইস ইত্যাদি।
- বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষতার কারণে ঘরে বসেও অফিসের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস পরিচালনার সব ধরনের নির্দেশ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা সম্ভব।
- চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকে এ ধরনের অফিসকে ভার্চুয়াল অফিস এবং প্রদত্ত সার্ভিসকে 24/7 সার্ভিস বলা হয়ে থাকে।

উৎস:
১.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৫,১৬৮.
কম্পিউটার বুটিংয়ের সময় POST পরিচালনা করে কোনটি? 
  1. BIOS
  2. Hard Disk
  3. Boot Loader
  4. Kernel
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার পাওয়ার অন করার সাথে সাথে মাদারবোর্ডের ROM-এ থাকা BIOS (Basic Input/Output System) সক্রিয় হয়। এটি POST (Power On Self Test) পরিচালনার মাধ্যমে মাদারবোর্ড, র‍্যাম, কীবোর্ড এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে দেখে।
- সব ঠিক থাকলে এটি বুট লোডারকে পরবর্তী কাজ বুঝিয়ে দেয়।

• POST এবং BIOS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন করে।
- POST নিশ্চিত করে যে মেমোরি, প্রসেসর এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলো কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
- POST প্রক্রিয়ার সময় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের শব্দ বা 'Beep Code' প্রদান করে। এটি কম্পিউটারের পাওয়ার অন হওয়ার ঠিক পরের এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগের ধাপ।
- আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে আরও উন্নত UEFI ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Hard Disk: এটি তথ্য জমা রাখার মাধ্যম, এটি বুটিং বা টেস্টিং প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করে না।
- Boot Loader: এর কাজ হলো হার্ড ডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেমকে খুঁজে বের করে র‍্যামে লোড করা।
- Kernel: এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ যা বুটিং প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পর সক্রিয় হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,১৬৯.
ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ভিডিও বা অডিও ফাইল চালানো
  2. লেখা ডকুমেন্ট এডিট করা
  3. ফাইল বড় করা
  4. ফাইল ছোট করা
ব্যাখ্যা

• ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ফাইল ছোট করা। যখন কোনো বড় আকারের ফাইল কম্প্রেশন করা হয়, তখন তার স্টোরেজ স্পেস কমে যায় এবং ইন্টারনেট বা যেকোনো ডিভাইসের মাধ্যমে দ্রুত শেয়ার করা সম্ভব হয়। কম্প্রেশন মূলত ডেটার পুনরাবৃত্তি ও অপ্রয়োজনীয় অংশ কমিয়ে আনা হয়, যাতে ফাইলের মূল তথ্য ঠিক থাকে কিন্তু আকার ছোট হয়। এটি বিশেষভাবে ভিডিও, অডিও, ছবি ও ডকুমেন্ট ফাইলের ক্ষেত্রে কার্যকর। তাই ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ফাইল সংরক্ষণ ও স্থান সাশ্রয়ের মাধ্যমে সুবিধা বৃদ্ধি করা। সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ফাইল ছোট করা।

ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৫,১৭০.
Which key is used to establish a relationship between two tables?
  1. Super key
  2. Candidate key
  3. Primary key
  4. Primary key and foreign key
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের জন্য Primary Key ও Foreign Key ব্যবহৃত হয়।

• Primary Key:
- Primary Key হলো এমন একটি কী, যা একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে স্বতন্ত্রভাবে শনাক্ত করে।
- একটি টেবিলে Primary Key একটিই থাকে এবং এর মান কখনো পুনরাবৃত্ত হয় না।

• Foreign Key:
- Foreign Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড, যা অন্য টেবিলের Primary Key–এর সাথে সম্পর্কযুক্ত থাকে।
- এটি দুটি টেবিলের মধ্যে লজিক্যাল সম্পর্ক তৈরি করে।

• টেবিলের মধ্যে রিলেশন কীভাবে গড়ে ওঠে:
- একটি টেবিলের Primary Key যখন অন্য টেবিলে Foreign Key হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাদের মধ্যে রিলেশন তৈরি হয়।
- বিশেষ করে One to Many Relation এই পদ্ধতিতেই গঠিত হয়।

• ডেটাবেজ ডিজাইনে এর গুরুত্ব:
- Primary Key ও Foreign Key ব্যবহারের মাধ্যমে ডেটা সুশৃঙ্খল ও নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা যায়।
- এতে ডেটার পুনরাবৃত্তি কমে এবং ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা সহজ হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Super Key একটি রেকর্ড শনাক্ত করতে পারে, তবে রিলেশন তৈরিতে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
- Candidate Key সম্ভাব্য Primary Key হলেও একা রিলেশন স্থাপন করে না।
- শুধু Primary Key ব্যবহার করে দুটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক গঠন সম্ভব নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৭১.
অক্টাল সংখ্যা নয় কোনটি?
  1. ক) ৬৪৫
  2. খ) ৭৩১
  3. গ) ১২৩
  4. ঘ) ১২B
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
(১০১), (৭৩১), (৬৪৫.১০৩), ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।
৫,১৭২.
অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির উদ্ভাবক কে?
  1. জন উইলিয়াম নাইস্ট্রম
  2. গটফ্রিড লিবনিজ
  3. রবার্ট উইলিয়াম বিমার
  4. রাজা ৭ম চার্লস
ব্যাখ্যা
♦ অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- এ পদ্ধতিতে মোট ৮টি অংক বা ডিজিট ব্যবহৃত হয়।
- অংক বা ডিজিটগুলো হলো ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ ও ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে  MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক)  এবং পরের অঙ্কগুলোকে  LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান। 
৫,১৭৩.
JSON-এর প্রধান ব্যবহার:
  1. ওয়েব পেজ ডিজাইন করার জন্য
  2. অ্যানিমেশন বানানোর জন্য
  3. ডেটা আদানপ্রদানের জন্য কাঠামো তৈরি করা
  4. ডেটাবেসের প্রশ্ন প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• JSON (JavaScript Object Notation) মূলত একটি হালকা ও সহজ ফরম্যাট যা ডেটা সংরক্ষণ এবং আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। ওয়েব পেজ ডিজাইন বা অ্যানিমেশন তৈরি করার জন্য এটি সরাসরি ব্যবহার করা হয় না। বরং, JSON ডেটাকে কাঠামোবদ্ধভাবে উপস্থাপন করে, যাতে বিভিন্ন সিস্টেম বা সার্ভার ও ক্লায়েন্ট সহজে ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য JSON ফরম্যাটে পাঠাতে পারে এবং ব্রাউজার এটি গ্রহণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রদর্শন করে। এছাড়া, API এবং মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে JSON ডেটা বিনিময়ের প্রধান মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। তাই JSON-এর প্রধান ব্যবহার হলো ডেটা আদানপ্রদানের জন্য কাঠামো তৈরি করা।

• JSON:
- JSON এর পূর্ণরূপ হলো JavaScript Object Notation.
- একটি হালকা ডেটা-ইন্টারচেঞ্জ ফরম্যাট। এটি মানুষের কাছে সহজে পাঠযোগ্য এবং লেখার উপযোগী, এবং কম্পিউটারের কাছে সহজে পার্স ও জেনারেট করার উপযোগী।
- এটি মূলত ডেটার কাঠামো বজায় রাখার জন্য একটি টেক্সট বেইজড ডেটা বিনিময় বিন্যাস।
- JSON হলো JSON-এ XML ডেটা এক্সচেঞ্জ ফরম্যাটের প্রতিস্থাপন।
- JSON একটি ল্যাঙ্গুয়েজ ইনডিপেন্ডেন্ট ফরম্যাট যা জাভাস্ক্রিপ্ট থেকে উদ্ভূত।
- JSON-এর অফিসিয়াল মিডিয়া টাইপ হল application/json এবং .json এক্সটেনশনে ফাইল সংরক্ষণ করে।
- JSON প্রাথমিকভাবে 2000 এর দশকের গোড়ার দিকে ডগলাস ক্রকফোর্ড দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫,১৭৪.
(95)10 সংখ্যাটির বাইনারি সংখ্যা কোনটি?
  1. 1011111
  2. 1110111
  3. 1101111
  4. 1010111
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:
১। দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSB-Most Significant Bit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSB-Least Significant Bit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
৫,১৭৫.
নিচের কোনটি নেভিগেশন কী?
  1. ক) F12
  2. খ) Ctrl
  3. গ) Arrow keys
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 

• মডিফায়ার কী:
- এই কী-গুলো একা বা অন্য কোনো কী-এর সাথে মিলে কাজ সম্পাদন করতে পারে। যেমন: Shift, Ctrl, Alt, Esc.

• নিউমেরিক কী প্যাড:
- 0-9 এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত ১৭টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
৫,১৭৬.
সাধারণত হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নির্দেশ করা হয়-
  1. C বর্ণ দ্বারা
  2. B বর্ণ দ্বারা
  3. C++ বর্ণ দ্বারা
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সাধারণত হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নির্দেশ করা হয় C বর্ণ দ্বারা। 
- Windows এবং UNIX/Linux সিস্টেমে হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে নির্দেশ করা হয় প্রায়শই C দ্বারা। 
যেমন- C:/dev/sda ইত্যাদি। 
- এ ছাড়াও বর্ণ নির্দেশ করে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ নিরূপণ করা হয় সেগুলোর মধ্যে C বর্ণটি সবচেয়ে সাধারণ।
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪. [লিঙ্ক]। 
৫,১৭৭.
নিচের কোনটি NAND Gate এর ইনপুট - আউটপুট সম্পর্ক নয়? (এখানে প্রথম দুটি বিট ইনপুট এবং তৃতীয় বিট আউটপুট নির্দেশ করছে)
  1. ক) 0, 0, 1
  2. খ) 0, 1, 1
  3. গ) 1, 0, 1
  4. ঘ) 1, 1, 1
ব্যাখ্যা
AND + NOT = NAND গেট
NAND গেট AND গেটের বিপরীত।
NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হয়।
৫,১৭৮.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগের জন্য প্রয়োজনীয় লজিক গেট কোনটি?
  1. NOR gate
  2. NOT gate
  3. AND gate
  4. OR gate
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ (Addition) অপারেশন বোঝাতে OR Gate ব্যবহৃত হয়। কারণ OR Gate–এর আউটপুট তখনই ১ হয়, যখন এর যেকোনো একটি বা একাধিক ইনপুট ১ হয়। অর্থাৎ, এটি ঠিক বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের নিয়মের সাথে মিলে যায়। যেমন, A + B = 1 হবে যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়। অন্যদিকে AND Gate গুণ (Multiplication) নির্দেশ করে, আর NOT Gate একটি মানের বিপরীত নির্দেশ করে। NOR Gate হলো OR Gate–এর বিপরীত। তাই বুলিয়ান যোগের ক্ষেত্রে সঠিক লজিক গেট হলো OR Gate.

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

• OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৫,১৭৯.
FORTRAN প্রোগ্রামিং ভাষায় TRAN-এর সম্পূর্ণ রূপ কী?
  1. Transaction
  2. Transition
  3. Translation
  4. Transfer
ব্যাখ্যা

• FORTRAN প্রোগ্রামিং ভাষায় TRAN-এর পূর্ণরূপ হলো “Translation”। FORTRAN (Formula Translation) মূলত একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা যা বৈজ্ঞানিক ও সংখ্যাত্মক গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এখানে TRAN অংশটি নির্দেশ করে যে, প্রোগ্রামারের লেখা সূত্র বা কোডকে মেশিন-রিডেবল ভাষায় “অনুবাদ” (Translation) করা হয়, যাতে কম্পিউটার এটি কার্যকরভাবে চালাতে পারে। অর্থাৎ, FORTRAN-এর কোড সরাসরি কম্পিউটার বোঝে না, বরং TRAN প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এটি মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত হয়। 

• ফোরট্রান (FORTRAN):
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।

- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে:
- ফোরট্রান I,
- ফোরট্রান II,
- ফোরট্রান iv,
- ফোরট্রান ৭৭, এবং
- ফোরট্রান ৯০।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৮০.
লিনাক্স একটি _____ অপারেটিং সিস্টেম।
  1. ক) গুগল
  2. খ) এপল
  3. গ) মাইক্রোসফট
  4. ঘ) ওপেন সোর্স
ব্যাখ্যা
লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যার ভিত্তি হলো লিনাক্স কার্নেল। এই ওপেন সৌর্স অপারেটিং সিস্টেম এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম।
৫,১৮১.
কোনটি সিঙ্গেল-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Palm OS
  2. Windows 10
  3. Linux
  4. Android
ব্যাখ্যা

• "Palm OS" সিঙ্গেল-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।

• ডস (DOS):
- DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Disk Operating System যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- DOS কে PC-DOS বা MS-DOSও বলা হয়।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডস অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি single-user অপারেটিং সিস্টেম যা একবারে একাধিক প্রোগ্রাম সমর্থন করে না।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

১. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

২. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৮২.
ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হল-
  1. ক) রম এবং র‍্যাম উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে
  2. খ) বিদ্যুৎ ছাড়াই তথ্য ধরে রাখে
  3. গ) বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার ছাড়া হালনাগাদ হয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
যেসব রমগুলো রাইটেবল বা লিখন উপযোগী যেমন ইইপিরম এবং ফ্লাশ মেমোরি সেগুলো রম এবং র‍্যাম উভয়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে যা বিদ্যুৎ ছাড়াই তথ্য ধরে রাখে এবং কোন বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার না করেই হালনাগাদ হতে পারে।
- এই ধরনের রম হল ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, মেমোরি কার্ডগুলো ইত্যাদি।
৫,১৮৩.
ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট করার জন্য কোন শর্টকাট কী ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + X
  4. Ctrl + Y
ব্যাখ্যা
MS Powerpoint Shortcut Keys:
- Ctrl + A ফাইলের সব কিছু সিলেক্ট করা (All Select)
- Ctrl + B সিলেক্ট করা টেক্সটকে বোল্ড করা (Bold)
- Ctrl + C সিলেক্ট করা যে কোনো কিছু কপি করা (Copy)
- Ctrl + D ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা (Open Font preferences panel)
- Ctrl + E সিলেক্ট করা টেক্সকে পৃষ্ঠার মাঝে নেওয়া (Center alignment)
- Ctrl + F কোনো শব্দ খোঁজা (Find Word)
- Ctrl + G নির্দিষ্ট পৃষ্ঠায় যাবার জন্য ব্যবহৃত হয় (Go to Command)
- Ctrl + H রিপ্লেস ডায়লগবক্স বের করা (Replace)
- Ctrl + I সিলেক্ট করা টেক্সকে ইটালিক/বাঁকা করা (Italic)
- Ctrl + J টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা (Justify)
- Ctrl + K হাইপারলিংক তৈরী করা (Hyperlink)
- Ctrl + L টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা (Left align)
- Ctrl + M টেক্সট ডান দিকে নেওয়া (Indent the paragraph to right)
- Ctrl + N নতুন ডকুমেন্ট ফাইল খোলা (New File)
- Ctrl + O পুরাতন বা সেভ করা ফাইল খোলা (File Open)
- Ctrl + P ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা (Print)
- Ctrl + Q প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য (Remove paragraph formatting)
- Ctrl + R টেক্স পৃষ্ঠার/টেক্স বক্সের ডান দিকে নিতে (Right align)
- Ctrl + S নতুন/পুরাতন ফাইল সেভ করা (Save)
- Ctrl + T ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য/বাম দিকের দ্বিতীয় লাইন থেকে নির্দিষ্ট স্থান দূরে সরানো (Create a hanging indent)
- Ctrl + U টেক্সের নিচে আন্ডারলইন করা (Underline)
- Ctrl + V কপি করা যে কোনো কিছু পেষ্ট করা (Paste)
- Ctrl + W ফাইল বন্ধ করার জন্য (Close File)
- Ctrl + X ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট করার জন্য (Cut)
- Ctrl + Y রিপিট করার জন্য (Redo)
- Ctrl + Z পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা (Undo)

উৎস: Microsoft Support.
৫,১৮৪.
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. সার্ভার পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর তথ্য এনক্রিপ্ট করা
  3. ডেটা ব্যাকআপ নেওয়া
  4. কম্পিউটারের সব অংশ সংযুক্ত করা
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ডের প্রধান কাজ হচ্ছে কম্পিউটারের সব অংশ সংযুক্ত করা।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা। 
৫,১৮৫.
কোনটি ওপেন সোর্স DBMS নয়?
  1. Oracle Database
  2. Cubrid
  3. MongoDB
  4. Altibase
ব্যাখ্যা
• "Oracle Database" ওপেন সোর্স DBMS নয়।

• DBMS:

- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Cassandra
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cubrid
- SQLite

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,১৮৬.
হেক্সাডেসিমেল হতে অক্টাল-এ রূপান্তর করার জন্য নিচের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক) Hexadecimal-Binary-Octal
  2. খ) Hexadecimal-Decimal-Binary-Octal
  3. গ) Hexadecimal-Octal
  4. ঘ) Hexadecimal-Binary-Decimal-Octal
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল হতে অক্টাল-এ রূপান্তর করার জন্য Hexadecimal-Binary-Octal এই পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৫,১৮৭.
কম্পিউটার ও প্রিন্টারের এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) হাফ-ডুপ্লেক্স
  2. খ) সিমপ্লেক্স
  3. গ) ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. ঘ) ট্রিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৫,১৮৮.
নিচের কোনটি ডিজিটাল সিগন্যাল ও অ্যানালগ সিগন্যাল এর মধ্যে রুপান্তর ঘটাতে পারে?
  1. ক) রাউটার
  2. খ) মডেম
  3. গ) হাব
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।

মডুলেটর -ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে
ডিমডুলেটর - অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে।

মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে। প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে। এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে। গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারের উপযোগী করে। করে। এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
৫,১৮৯.
রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরি কোন ধরণের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) প্রধান মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) ইন্টারনাল মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরিকে বোঝায়। 

রেজিস্টার (Register) : মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

ক্যাশ মেমরি (Cache Memory) : এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরিব্যবস্থা। মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়। কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়। এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি। যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়। এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ধরনের পদ্ধতিতে সিপিইউয়ের কোনো নির্দেশ প্রয়োজন হলে প্রথমে ক্যাশ মেমরি পরীক্ষা করে, সেখানে না পেলে পরে প্রধান মেমরিতে খোঁজ করে। সেখানেও না পেলে সহায়ক মেমরিতে খোঁজ করে। 

সূত্র: ১২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,১৯০.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি মার্কআপ ভাষা?
  1. ক) HTML
  2. খ) PHP
  3. গ) JAVA
  4. ঘ) PYTHON
ব্যাখ্যা

Html একটি মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এইচটিএমএল এর মার্ক আপ ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে ওয়েবপেজ এর বেসিক কাঠামো তৈরি করা হয়।
প্রকৃত অর্থে এটি কোনো প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নয় বরং একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা একসারি মার্কআপ ট্যাগ এর সমন্বয় গঠিত।

৫,১৯১.
Zipping a file means
  1. ক) Encrypting the message
  2. খ) Compressing the message
  3. গ) Transfer the message
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
A file that contains one or more files that have been compressed into the ZIP format. Also called a ''ZIP archive,'' ''zipped file'' or ''zipped archive,'' the ZIP algorithm is the most popular compression method in use.
Source: computerlanguage.com
৫,১৯২.
Data সংগ্রহেরর পদ্বতি-
  1. ক) সাক্ষাৎকার
  2. খ) টেবিল (Table)
  3. গ) Bar Diagram
  4. ঘ) Map Diagram
ব্যাখ্যা
Data সংগ্রহের পদ্ধতি হলোঃ সাক্ষাৎকার পদ্ধতি, প্রশ্নমালা পদ্ধতি, জরিপ পদ্ধতি, পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি ইত্যাদি।
৫,১৯৩.
দশমিক সংখ্যার ১২ এর বাইনারি মান কত?
  1. ১০০১
  2. ১০১০
  3. ১০১১
  4. ১১০০
৫,১৯৪.
এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. সর্টিং
  2. ইনডেক্সিং
  3. ক্রিপটোগ্রাফি
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
• কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।

• কম্পিউটার বিজ্ঞানের যে শাখায় ডেটা এনক্রিপশন নিয়ে কাজ ও গবেষণা করা হয় থাকে ক্রিপটোগ্রাফি বলে।

• ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৫,১৯৫.
নিচের কোনটি Database Package Program?
  1. MS Excel
  2. MS Word
  3. Oracle
  4. Quattro Pro
ব্যাখ্যা

Oracle একটি Database Package Program। 

• Application Software:
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
• Database Package Program: 
- dBase, 
- Foxpro, 
- Oracle, 
- Informix, 
- Access.

অন্যদিকে,
Quattro Pro, MS Excel হচ্ছে Spreadsheet Package Program.
MS Word হচ্ছে Word Processing Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,১৯৬.
ক্যাশ মেমোরির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা করা
  2. ব্যবহারকারীর ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা
  4. স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমোরি হল একটি ছোট, দ্রুত স্টোরেজ যা সিপিইউর সাথে সংযুক্ত থাকে। এর মূল লক্ষ্য হলো সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা। যখন সিপিইউ কোনো তথ্য বা নির্দেশনা বারবার ব্যবহার করে, ক্যাশ মেমোরি সেই তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫,১৯৭.
কম্পিউটার ভাইরাস কী?
  1. ক) জীবাণু
  2. খ) হার্ডওয়্যার
  3. গ) সফটওয়্যার
  4. ঘ) ফ্রিওয়্যার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ, নিজস্ব সংখ্যাবৃদ্ধি করে। এই প্রোগ্রাম কিছু নির্দেশ বহন করে যা কম্পিউটারের সিপিইউ কর্তৃক গ্রহণ করে কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এই প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
৫,১৯৮.
কার্নেলের কাজ কোনটি?
  1. ক) সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করা
  2. খ) মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করা
  3. গ) ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
৫,১৯৯.
হেডফোন ও মনিটর যথাক্রমে-
  1. ইনপুট ডিভাইস, আউটপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস, ইনপুট ডিভাইস
  3. দুইটিই ইনপুট ডিভাইস
  4. দুইটিই আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোকে পেরিফেরাল ডিভাইস বলা হয়।
- এই ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের বাইরের অংশে থাকে এবং ব্যবহারকারীর সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিনটি ভাগে বিভক্ত করা যায়।যেমন-

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ:
- কী-বোর্ড, মাউস, ট্র্যাকবল, জয়স্টিক, টাচস্ক্রিন, বারকোড রিডার, পয়েন্ট-অফ-সেল (POS), ওএমআর, ওসিআর, স্ক্যানার, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, গ্রাফিক্স প্যাড, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকৃত ডেটা বা ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে, সেগুলো আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইসসমূহ:
- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ইমেজ সেটার, ফিল্ম রেকর্ডার, হেডফোন ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- যে ডিভাইসগুলো একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজেই ব্যবহৃত হয়, সেগুলো ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসসমূহ:
- হার্ডডিস্ক, সিডি/ডিভিডি, টাচস্ক্রিন, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,২০০.
কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি কোনটি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. Cache
  4. Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি ROM.

ROM:
- ROM-এর পূর্ণরূপ: Read Only Memory.
- কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি (Permanent Memory বা Non-Volatile Memory) বলতে এমন মেমোরি বোঝায় যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলেও ডেটা হারিয়ে যায় না।
- এর সবচেয়ে সাধারণ ও মৌলিক উদাহরণ হলো ROM.
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: i) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) Britannica.