বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা / ৮২ · ৪০১৫০০ / ৮,১৪১

৪০১.
সিপিইউ এর গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. ক) Pulse
  2. খ) Hertz
  3. গ) Clock
  4. ঘ) Oscillation
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪০২.
হাসপাতালগুলোতে হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত পর্যবেক্ষণের জন্য সাধারণত কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. এনালগ কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• হাসপাতালে হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত পর্যবেক্ষণের জন্য সাধারণত হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি সিস্টেম যা এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরণের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য সমন্বিত করে। হার্টের বৈদ্যুতিক সংকেত খুব সূক্ষ্ম এবং ধারাবাহিক এনালগ সিগন্যাল হিসেবে আসে, যা সরাসরি পর্যবেক্ষণ এবং প্রাথমিক বিশ্লেষণের জন্য এনালগ কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণে সুবিধাজনক। তারপর এই সিগন্যালগুলোকে ডিজিটাল ফর্ম্যাটে রূপান্তরিত করে বিস্তারিত বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ এবং রোগীর ইতিহাসের সাথে তুলনা করা হয়। এই মিলিত প্রক্রিয়ার কারণে চিকিৎসকরা দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে রোগীর হার্টের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে পারেন। হাইব্রিড কম্পিউটার তাই মেডিকেল মনিটরিংয়ের ক্ষেত্রে অপরিহার্য।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০৩.
হার্ডডিস্ক ড্রাইভের কাজ কোনটি?
  1. ক) ভাইরাস নির্মূল করা।
  2. খ) কম্পিউটারে গতিশীলতা বৃদ্ধি করা।
  3. গ) তথ্য লিখন, পঠন ও নিয়ন্ত্রণ করা।
  4. ঘ) প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ কম্পিউটারে তথ্য লিখন, পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।

হার্ডডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের ডাটা, তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার যন্ত্র। যেখানে কম্পিউটারের তথ্য, ডাটা জমা রেখে পরবর্তী সময়ে আমরা সেটাকে আবার দেখতে বা পড়তে পারি।
হার্ডডিস্কে সমকেন্দ্রিক একাধিক চাকতি থাকে, যাকে প্লেটারস বলা হয়। এটাকে চৌম্বকীয় ধাতুর দিয়ে আচ্ছাদিত থাকে এবং প্লেটারস গুলো চৌম্বকীয় মাথার সাথে জোড়া দেওয়া থাকে। কম্পিউটারে হার্ড ড্রাইভ ছাড়াও সিডি ড্রাইভ ও অন্যান্য ড্রাইভ থাকতে পারে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪০৪.
VoIP সুবিধা প্রদানে ব্যাপক সহায়তা করে কোন প্রযুক্তি?
  1. ক) Bluetooth
  2. খ) InfraRed
  3. গ) Zigbee
  4. ঘ) WiMAX
ব্যাখ্যা
WiMAX IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত। এটি ডেটা আদান প্রদান, টেলিযোগাযোগ (Voice Over Internet Protocol - VoIP) এবং আইপি টিভি ইত্যাদি বিভিন্ন কাজে ব্যাপক সহায়তা প্রদান করে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৪০৫.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যাতে ০-৭ অঙ্ক ব্যবহার করা হয় তাই ৮ অক্টাল সংখ্যা নয়।
৪০৬.
কোনটি ম্যালওয়ার নয়?
  1. স্পাইওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা
Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

ফার্মওয়্যার (Farmware):
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমোরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল) এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৭.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে (AI) বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. COBOL
  2. Pascal
  3. FORTRAN
  4. Python
ব্যাখ্যা

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে (AI) বর্তমানে সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা হলো Python (পাইথন)।
- পাইথন তার সহজবোধ্য সিনট্যাক্স, বিশাল লাইব্রেরি (যেমন TensorFlow, Keras, PyTorch) এবং শক্তিশালী কমিউনিটি সাপোর্টের কারণে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI) ও মেশিন লার্নিংয়ের জন্য বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা:
- Python, LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• COBOL: এটি মূলত বাণিজ্যিক লেনদেন প্রক্রিয়াকরণের জন্য তৈরি।
• Pascal: এটি শিক্ষামূলক এবং সিস্টেম প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত একটি ভাষা, যা AI-এর জটিল অ্যালগরিদম বাস্তবায়নের জন্য উপযুক্ত নয়।
• FORTRAN: এটি মূলত বৈজ্ঞানিক ও গাণিতিক গণনার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং AI-এর জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তৃত লাইব্রেরি ও ফ্রেমওয়ার্কের অভাব রয়েছে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৪০৮.
নিচের কোনটি প্রকৃত মাল্টি-ইউজার সার্ভারভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. Unix
  2. PC-DOS
  3. CP/M
  4. Mac OS
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। 
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি। 

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম: 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
যেমন- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম: 
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০৯.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম কত সালে চালু হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৮ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৪১০.
What type of software is Netscape Communicator?
  1. Database software
  2. Antivirus
  3. Web browser
  4. Operating system
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) Web browser.

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser)
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পরে সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Browsing বলে। 
- Web Browsing করে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আসা যায়। Web Browsing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। 
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজা সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেজ (Web page) রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 

নিচে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হলো। যথা-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer),
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- গুগল ক্রোম  (Google chrome)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪১১.
"ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল কত?
  1. 31
  2. 25
  3. 21
  4. 18
ব্যাখ্যা
• "ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল হবে: 21.

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

∴ (ABC)16 = (10 × 162) + (11 × 161) + (12 × 160
= (10 × 256) + (11 × 16) + (12 × 1)
= 2560 + 176 + 12
= 2748

∴ "ABC" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক মানের অংকগুলোর যোগফল হচ্ছে =  2 + 7 + 4 + 8 = 21
৪১২.
একটি 8 বিট শিফট রেজিস্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা হবে-
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার: 
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। 
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- n ফ্লিপ-ফ্লপ সংযোগ করে একটি n-bit শিফট রেজিস্টার তৈরি করা যেতে পারে। 
- তাহলে, একটি ৪-বিট শিফট রেজিস্টার নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা ৪ হবে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৩.
স্ট্যাটাস রেজিস্টার বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
  2. মেমোরি ডেটা রেজিস্টার
  3. ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
  4. মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register/ Status Register):
- ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়।
- যেমন: শূন্য Flag. গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়।
- অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি।

• মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার (Memory Address Register):
- প্রধান মেমোরির কোন ঠিকানায় উপাত্ত বা নির্দেশ পাওয়া যাবে বা লিখতে হবে তার ঠিকানা মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারে থাকে।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর মেমোরি অ্যাড্রেস রেজিস্টারের সাহায্যে মেমোরি হতে ডেটা বা নির্দেশসমূহ পড়া ও লেখার কাজ সম্পন্ন করে।

• ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার (Instruction Register):
- Instruction বা নির্দেশ সংরক্ষণের জন্য ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- নির্বাহের প্রয়োজনে প্রসেসর কোনো ইনস্ট্রাকশন যখন মেমোরি থেকে তুলে আহরণ করে তখন তাৎক্ষণিকভাবে তা ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টারে রাখা হয়।

• মেমোরি ডেটা রেজিস্টার (Memory Data Register):
- এ ধরনের রেজিস্টারকে মেমোরি বাফার রেজিস্টারও বলা হয়।
- মূল ডেটা এ ধরনের রেজিস্টারে জমা থাকে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪১৪.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Avira
  2. ESET NOD32
  3. Quick Heal
  4. Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
• এখানে Adobe Illustrator হল অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন সফটওয়্যার যা ছবি এবং গ্রাফিক্স তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, Avira, ESET NOD32, এবং Quick Heal সকলই অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪১৫.
অপারেটিং সিস্টেমের কোন উপাদান ব্যবহারকারী এবং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের সুবিধা প্রদান করে?
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. শেল
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ শেল (Shell) হল অপারেটিং সিস্টেমের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী (User) এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যার/কার্নেল-এর মধ্যে ইন্টারফেস বা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে তা কার্নেলকে প্রসেস করার জন্য পাঠায় এবং ফলাফল ফিরিয়ে দেয়।

অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪১৬.
টেবিলে গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর হলো এক একটি -
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. রো
  4. কলাম
ব্যাখ্যা

রেকর্ড Record) : অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলাে রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
ফিল্ড (Field) : রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিন্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।
রাে (Row): সম্পর্কযুক্ত ডাটাবেজে রাে বা সারি হচ্ছে একটি টেবিলের ডাটা রেকর্ড | প্রত্যেক সারি একই গঠনের মধ্যে বিভিন্ন ডাটা ধারণ করে।
কলাম (Column): সম্পর্কযুক্ত ডাটাবেজে কলাম হচ্ছে একটি টেবিলের ডাটা ভ্যালুর একক ধরন। কলাম টেবিলের ডাটা সংজ্ঞায়িত করে।

৪১৭.
ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অ্যানালগ সিগন্যাল কনভার্শন
  2. ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং
  3. স্টেট স্টোরেজ
  4. ভোল্টেজ রেগুলেশন
ব্যাখ্যা

◉ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বেসিক ডিজিটাল সার্কিট যা ১-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি বাইনারি স্টেট (০ বা ১) ধরে রাখতে পারে যতক্ষণ না সেটিতে নতুন ইনপুট দেওয়া হয়। এজন্য এটি মেমোরি এলিমেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং রেজিস্টার, কাউন্টার ও অন্যান্য সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৪১৮.
নিচের কোনটি একটি বিশ্ববিখ্যাত আন্তর্জাতিক ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম?
  1. www.google.com
  2. www.facebook.com
  3. www.wikipedia.org
  4. www.amazon.com
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) www.amazon.com

• ই-কমার্স (E-Commerce):

- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

• ই-কমার্স এর ধরণ: 
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
২। Business to Business (B2B),
৩। Consumer to Business (C2B),
8। Consumer to Consumer (C2C),


উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। ব্রিটানিকা।

৪১৯.
কোনটি মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয়?
  1. ক) ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) স্মার্টফোন
  4. ঘ) ডেস্কটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রো কম্পিউটার
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার ।

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA)
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer)
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer)
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।

এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

মিনি কম্পিউটার: 
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয় ৷
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২০.
(10110011)2 এর 2 কমপ্লিমেন্ট(পরিপূরক) নিচের কোনটি?
  1. ক) 01001100
  2. খ) 10010010
  3. গ) 01011100
  4. ঘ) 01001101
ব্যাখ্যা

কোনাে বাইনারি সংখ্যার 1 কে 0 এবং 0 কে 1 দিয়ে পরিবর্তন করে (বা 1 এর পরিপূরক নিয়ে) যে সংখ্যা পাব তার সাথে 1 যােগ করে নেয়া হলে সেটি মূল বাইনারি সংখ্যার নেগেটিভ হিসেবে কাজ করবে। এই ধরণের সংখ্যাকে বলা হয় মূল সংখ্যাটির 2 -এর পরিপূরক।
10110011 সংখ্যার 2 -এর পরিপূরক: 01001101
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)

৪২১.
কম্পিউটারের কোন প্রজন্ম থেকে উইন্ডোজ ব্যবহার শুরু হয়?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ৫ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ৪র্থ প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large-Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিলো।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM -3033, IBM 4341, TRS-40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২২.
যে লজিক গেইটে যা ইনপুট দেওয়া হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে কী গেইট বলে? 
  1. বাফার গেইট
  2. নট গেইট
  3. এক্স-নর গেইট
  4. এক্স-অর গেইট
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট: 
- যে গেইটের মধ্যে দিয়ে যা ইনপুট করা হয় তাই আউটপুট পাওয়া যায় তাকে বাফার গেট বলে। 
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়। 
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে। 
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত। 
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪২৩.
নিচের তালিকার কোনটি ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. Access
  2. Foxpro
  3. Oracle
  4. Excel 
ব্যাখ্যা

• Access, FoxPro এবং Oracle সবই ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত। Access মাইক্রোসফটের একটি রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ছোট থেকে মাঝারি আকারের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। FoxPro একটি পুরনো কিন্তু শক্তিশালী ডেটাবেস সিস্টেম যা প্রোগ্রামিং ও ডেটা ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়। Oracle হলো একটি এন্টারপ্রাইজ লেভেলের রিলেশনাল ডেটাবেস যা বড় এবং জটিল ডেটা পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা সংখ্যার হিসাব, তালিকা তৈরি এবং সহজ ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি পূর্ণাঙ্গ ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়। তাই তালিকায় Excel ডেটাবেস সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয় না।


• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।

- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program and Graphics software: Adobe Photoshop, Harvard Graphics, Page Maker, Freelance Graphics.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২৪.
নিচের কোন কোম্পানি সিম্বিয়ান অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করেছিলো?
  1. ক) সনি এরিকসন
  2. খ) মটরোলা
  3. গ) নোকিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
In 1998, Sony Ericson, Nokia, and Motorola came together and formed Symbian Ltd. EPOC hence became Symbian OS.
Source: symbianos.org
৪২৫.
১ গিগাবাইট = ?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০০০ টেরাবাইট
  3. ১০২৪ কিলোবাইট
  4. ১০২৪ বাইট
ব্যাখ্যা

১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।

বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৪২৬.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটির ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে পরতে হয়
  2. ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে তার হাতে একটা ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পরতে হয়
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। 
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্তের উপর প্রতিষ্ঠিত।
কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে, হাতে একটা ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল
রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
[তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম, পৃষ্ঠা - ১৯]
৪২৭.
Which of the following is used to measure the quality of printing?
  1. dpi
  2. ppi
  3. cps
  4. cpi
ব্যাখ্যা

• প্রিন্টিংয়ের গুণমান পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয় DPI (Dots Per Inch)।
- Printing quality বলতে একটি প্রিন্টার দ্বারা উৎপাদিত হার্ড কপি বা প্রিন্ট আউটের গুণগতমান বোঝায়। Printing quality অনেকভাবে নির্ণয় করা যায়।
- DPI (dots per inch) হল একটি প্রিন্টারের মুদ্রণের মানের একটি পরিমাপ। এক ইঞ্চি আনুভূমিক রেখা পরিমাণ জায়গায় প্রিন্টার মোট কতটি বিন্দু প্রিন্ট আউট করতে পারে তাকে DPI (dots per inch) বলে।

অন্যদিকে,
- ppi (Pixels Per Inch): এটি ডিজিটাল স্ক্রিন (যেমন—মনিটর) বা স্ক্যান করা ছবির রেজোলিউশন পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টিংয়ের গুণমানের জন্য নয়।
- CPI (characters per inch) হলো প্রিন্টেড ডকুমেন্টের ফন্ট সাইজের পরিমাপ।
- CPS (characters per second) কী-বোর্ডের টাইপিং স্পীডের পরিমাপ।

৪২৮.
(101101)2 বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. 43
  2. 59
  3. 36
  4. 45
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (101101)2 বাইনারি সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

সমাধান:
(101101)2 = (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 0 + 8 + 4 + 0 + 1
= 45
∴ (101101)2 = (45)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪২৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) কীবোর্ড
  2. খ) মাউস
  3. গ) স্ক্যানার
  4. ঘ) স্পিকার
ব্যাখ্যা
স্পিকার একটি আউটপুট ডিভাইস। 

যে সমস্ত ডিভাইস, প্রসেসরের কাজ শেষ হলে তার ফলাফল প্রদর্শন করে তাদের আউটপুট ডিভাইস বলে। যেমনঃ প্রিন্টার, স্পিকার ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসসমূহ-
- মনিটর (Monitor)
- কম্পিউটার স্পিকার (computer speaker)
- প্রিন্টার (Printer)
- হেডফোন (headphone)
- প্রজেক্টর (projector)
- বক্তৃতা তৈরির যন্ত্র (Speech-Generating Device)
- জিপিএস (GPS)
- সাউন্ড কার্ড (Sound card)
- ভিডিও কার্ড (Video card)
- ব্রেইল রিডার (Braille Reader)

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪৩০.
৮ বিটস (bits) এ কি হয়?
  1. ক) Bit
  2. খ) Byte
  3. গ) kilobyte
  4. ঘ) Megabyte
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪৩১.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. নরটন
  2. অ্যাভাস্ট
  3. এভিজি
  4. এজাক্স
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• Ajax অর্থ হলো Asynchronous JavaScript and XML. তবে এটি কোন Prgraming Lanuage না বরং কোন একটি ওয়েবসাইটের কিছু content কে কোন প্রকার Page Load ছাড়াই web server এ আদান প্রদান করার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩২.
(127)8 সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল রূপ কী?
  1. 57
  2. 43
  3. 34
  4. 28
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) (127)8 = (57)16

• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেল:
- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যার সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (127)8 = (57)16

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩৩.
RDBMS-এ কোনো ডেটা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য কী প্রয়োগ করা হয়?
  1. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  2. কম্পোজিট কী
  3. ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা

• RDBMS-এ (Relational Database Management System) প্রতিটি ডেটা টেবিলের রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করার জন্য প্রাইমারি কী (Primary Key) প্রয়োগ করা হয়। এটি এমন একটি কলাম বা কলামের সমষ্টি যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করে এবং একই মান কোনো দুইটি রেকর্ডে থাকতে পারে না। প্রাইমারি কী সাধারণত ইউনিক এবং নাল (NULL) মান ধারণ করতে পারে না, যা ডেটার অখণ্ডতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি টেবিলের মধ্যে তথ্য অনুসন্ধান, আপডেট ও ডিলিট প্রক্রিয়াকে সহজ করে। অন্যদিকে, কম্পোজিট কী একাধিক কলামের সমন্বয়ে তৈরি হয়, ফরেন কী অন্য টেবিলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে, কিন্তু একক রেকর্ড শনাক্ত করার মূল উপায় প্রাইমারি কী।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
- যথা: প্রাইমারি কী, কম্পোজিট কী এবং ফরেন কী।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- যেমন, একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩৪.
Which of the following is not a primary function of BIOS?
  1. Detecting peripheral devices
  2. Loading the OS into main memory
  3. Rendering web pages
  4. Managing data flow between the OS and peripherals
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Rendering web pages

BIOS (Basic Input/Output System)
- BIOS হলো একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম, যা সাধারণত ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড-ওনলি মেমোরি (EPROM) তে সংরক্ষিত থাকে।
- CPU এটি ব্যবহার করে কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্টার্টআপ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য।

BIOS এর দুটি প্রধান কাজ:
1. উপলব্ধ পারিফেরাল ডিভাইস নির্ধারণ করা – যেমন কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, এবং ভিডিও কার্ড।
2. অপারেটিং সিস্টেম (OS) মেইন মেমোরিতে লোড করা।

- স্টার্টআপের পরে, BIOS প্রোগ্রাম OS এবং পেরিফেরালের মধ্যে ডেটা প্রবাহ পরিচালনা করে, যাতে OS বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো পারিফেরালের বিস্তারিত যেমন হার্ডওয়্যার ঠিকানা জানার প্রয়োজন না পড়ে।
- 21শ শতকের শুরুতে, BIOS এর স্থলাভিষিক্ত হলো UEFI (Unified Extensible Firmware Interface), যা বড় ড্রাইভ পরিচালনা করতে পারে এবং BIOS থেকে দ্রুত কাজ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৪৩৫.
বিখ্যাত টেক জায়েন্ট কোম্পানি 'অ্যাপেল' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
 অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড:
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেড একটি বিখ্যাত আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যেটি কনজুমার ইলেকট্রিক, কম্পিউটার সফটওয়্যার, এবং অনলাইন সেবা ডিজাইন, ডেভলপ ও বিক্রি করে।
- সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের কুপারটিনোতে অবস্থিত।
- ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল অ্যাপেল প্রতিষ্ঠিত হয়
- প্রতিষ্ঠাতা: Steve Jobs, Steve Wozniak, Ronald Wayne
- সদরদপ্তর: Cupertino, California, United States
- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: Tim Cook 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৩৬.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. Python
  2. Java
  3. BASIC
  4. C++
ব্যাখ্যা
• BASIC অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৩৭.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. সি হচ্ছে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
  2. সি++ এর রয়েছে বটম আপ অ্যাপ্রোচ
  3. সি ফাংশন ওভারলোডিং সমর্থন করে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সি এবং সি++ এর মধ্যে নিম্নলিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহ থেকে উপরোক্ত বিষয়টি সহজেই বুঝা যাবে-
- সি এর কোন শ্রেণী বা অবজেক্ট নেই। এটি পদ্ধতিগত এবং ফাংশনমূলকভাবে পরিচালিত হয়। অপরদিকে সি++ হচ্ছে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড।
- সি++ এর তুলনায় সি এর কাঠামো কিছুটা ভিন্ন। সি এর কাঠামো, ফাংশনসমূহকে তাদের অংশ হিসেবে গ্রহণ করে না।
- সি এর ইনপুট ও আউটপুট লাইব্রেরি ভিত্তিক এবং ফাংশনসমূহের অন্তর্ভূক্তির মাধ্যমে এর সামগ্রিক প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। সি++ এর ইনপুট এবং আউটপুট cin এবং cout কমান্ডের মাধ্যমে গঠিত। 1
- সি এর টপ-ডাউন অ্যাপ্রোচ (Top down approach) রয়েছে। অন্যদিকে সি++ এর রয়েছে বটম-আপ অ্যাপ্রোচ (Bottom up approach)।
- সি ফাংশন ওভারলোডিং সমর্থন করে না। অপারেটিং ওভারলোডিং হচ্ছে একটি প্রক্রিয়া যেখানে ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদেয় ডেটা ইনপুটের উপর ভিত্তি করে ফাংশনসমূহের দুই বা তধোধিক ভিন্ন আচরণ পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৩৮.
বিটম্যাপ ইমেজকে ASCII টেক্সটে রূপান্তর করে কোনটি?
  1. Modem
  2. OCR
  3. Printer
  4. Scanner
ব্যাখ্যা
OCR বিটম্যাপ ইমেজকে ASCII টেক্সটে রূপান্তর করে থাকে।

Optical Character Recognition:
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস।
- এটি শুধু ছাপার লেখার না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্ম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যাকে বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৪৩৯.
Sequence alignment in genomics is performed using -
  1. Mechanical tools
  2. Telecommunication systems
  3. Biometric scanners
  4. Bioinformatics software
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Bioinformatics software

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে:
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৪৪০.
সলিড-স্টেট ড্রাইভ এর মূল কাজ কী?
  1. ডেটা প্রসেস করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ডেটা প্রিন্ট করা
  4. ডেটা ট্রান্সফার করা
ব্যাখ্যা

◉ সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) হল একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস, যার মূল কাজ হলো কম্পিউটারের ডেটা (অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রাম, ফাইল ইত্যাদি) দ্রুতগতিতে এবং স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা। 

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.

৪৪১.
কম্পিউটার সিস্টেম তৈরির সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে কি বলে?
  1. হার্ডওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. সফটওয়্যার
  4. ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
- কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
- ROM BIOS-এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

 • হিউম্যানওয়্যার:
- ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রাম বা ডেটা সংরক্ষণ ও পরীক্ষাকরণ, কম্পিউটার চালনা, প্রোগ্রাম লেখা, সিস্টেমগুলো ডিজাইন ও রেকর্ড লিপিবদ্ধকরণ এবং সংরক্ষণ, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন ইত্যাদি কাজগুলোর সাথে যুক্ত সমস্ত মানুষকে একসাথে হিউম্যানওয়্যার বলে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪২.
 নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. পান্ডা
  2. নরটন
  3. এভাস্ট
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ম একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।


৪৪৩.
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস এর শর্ট টেক্সট ডেটা টাইপে কত ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়?
  1. ক) ৩২
  2. খ) ২৫৫
  3. গ) ৬৪০০০
  4. ঘ) ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা
ডেটা টাইপ
- আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়। এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে ।
- যথা: শর্ট টেক্টট, লং টেক্সটি, নাম্বার বা নিউমেরিক, ইয়েস/নো বা যুক্তিমুলক, তারিখ/সময়, কারেন্সী, হাইপারলিঙ্ক এবং এটাচমেন্ট ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অ্যাকসেস ডেটাবেজে নিম্নলিখিত ডেটা টাইপগুলো রয়েছে। যথা-

শর্ট টেক্সট (Short Text):
- ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই টেক্সট ফিল্ডের রেঞ্জ ১ থেকে ২৫৫ ক্যারেক্টারের মধ্যে। এর অধিক টেক্সট ফিল্ডের জন্য লং টেক্সট ডেটা টাইপ ব্যবহার করতে হবে। আলফানিউমেরিক ডেটা যেমন- নাম, টাইটেল ইত্যাদি ।

লং টেক্সট (Long Text):
- প্রায় ১ গিগা বাইট পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু একটি দীর্ঘ টেক্সট প্রদর্শন করার জন্য এটি প্রথম ৬৪,০০০ ক্যারেক্টারে সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, জ্ঞাত দৈর্ঘ্যের কোন পোস্টাল কোড সংরক্ষণ করতে হলে, ফিল্ড সাইজের দৈর্ঘ্য সুনির্দিষ্ট করা থাকতে হবে।

---------------------------
Text fields in desktop databases (.accdb)

Long Text
In .accdb files, the Long Text field works the same as the Memo field of old. That is, it can store up to about a gigabyte of text, even though controls on forms and reports can only display the first 64,000 characters. You can set Long Text fields to display Rich Text, which includes formatting like bold and underline.

Short Text

In .accdb files, the Short Text field works the same as the Text field in earlier versions. It stores up to 255 characters.

Text fields in Access web apps
Long Text
In Access web apps, the Long Text field can store up to 2^30-1 bytes and is equivalent to the SQL Server data type of nvarchar(max). If you want, you can set a character limit to prevent your users from using the full capacity of the field. You can’t store Rich Text in Access web apps.

Short Text
In Access web apps the Short Text field is set to store 255 characters by default, but you can adjust the Character Limit property all the way up to 4000 characters. Its SQL Server equivalent is nvarchar, with lengths from 1 to 4000.

Source:
১. miocrosoft.com এবং
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৪৪.
(5012)10 কে হেক্সাডেসিমেলে প্রকাশ করলে কত হবে? 
  1. (4931)16
  2. (1A34)16
  3. (1394)16
  4. (1934)16
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা (5012)10 কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে (1394)16 হবে।

• ডেসিমেল থেকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, ডেসিমেল সংখ্যাটিকে ধারাবাহিকভাবে 16 দিয়ে ভাগ করতে হয় এবং ভাগফলগুলোর অবশিষ্ট (remainder) উল্টো দিক থেকে সাজিয়ে লিখতে হয়।
• এখানে, দশমিক সংখ্যাটি হলো 5012।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৫.
কোন প্রক্রিয়ায় ডাটাবেজ থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা হয়?
  1. ডাটা এনালাইসিস
  2. সর্টিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা সেভিং
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।
- কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query: একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Parameter Query: প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Crosstab Query: ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Action Query: কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৪৬.
An IBM System/38 represents the computer class of:
  1. ক) small-scale computer
  2. খ) high-scale computer
  3. গ) large-scale computer
  4. ঘ) super computer
ব্যাখ্যা
The System/38 is a discontinued minicomputer and midrange computer server platform manufactured and sold by the IBM Corporation. IBM announced the System/38 in 1978.The System/38 has 48-bit addressing, which was unique for the time, and a novel integrated database system.
৪৪৭.
ইন্টেল পেন্টিয়াম একটি -
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) প্রসেসর
  3. গ) ফ্লপি ডিস্ক
  4. ঘ) সিডি রম
ব্যাখ্যা
অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে প্রসেসর তৈরি হয়।
- একটি প্রসেসরে ট্রানজিস্টরের সংখ্যা যত বেশি হবে প্রসেসরের গতি তত বেশি হবে।
- ইন্টেল পেন্টিয়াম একটি প্রসেসর।

- আইসি তৈরি হয় ট্রানজিস্টর দিয়ে।
- প্রসেসরের গতি সাধারণত হার্জ (Hz) এককে পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে প্রসেসর জগতে ইন্টেল কোর i7 এবং i5 বহুল ব্যবহৃত হয়।
৪৪৮.
কোনটি বর্ণভিত্তিক OS নয়?
  1. CP/M
  2. MS-DOS
  3. Windows 98
  4. PC DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Windows 98

অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার-এর সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে।
- ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায়, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন কাজ সম্পাদন করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text-Based OS)
- কেবল টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M। 

২. চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম (Graphics-Based OS)
- ছবি ও আইকন ব্যবহার করে সহজ ইন্টারফেসে কাজ সম্পন্ন করে।
- উদাহরণ: Windows 95 / 98 / XP / 2000 / 7, Mac OS।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৪৯.
সার্ভারে যেই সফটওয়্যার চলে, তার প্রোগামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) এইচটিএমএল
  2. খ) সিএসএস
  3. গ) পাইথন
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
সার্ভারে যেই সফটওয়্যার চলে, সেটি সাধারণত একটি প্রােগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে লেখা হয়। এসব কাজের জন্য জনপ্রিয় প্রােগ্রামিং ভাষা হচ্ছে পিএইচপি, পাইথন, জাভা, রুবি ইত্যাদি।

ব্রাউজারে যেই ওয়েব সাইট কিংবা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন চলে, সেখানে ব্যবহার করা হয় এইচটিএমএল (HTML) ও সিএসএস (CSS)। HTML-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে হাইপার টেক্সট মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ (Hyper Text Markup Language)।
এটি কোনাে প্রােগ্রামিং ভাষা নয়, বরং একে মার্কআপ ভাষা বলা যায়। এর কাজ হচ্ছে কোনাে তথ্য ব্রাউজারে প্রদর্শনের উপযােগী করা।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
৪৫০.
নেটওয়ার্ক কার্ড সংযোজনে কোন ধরনের স্লট ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ISA
  2. খ) PCI
  3. গ) AGP
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক কার্ড সংযোজনে পিসিআই স্লট ব্যবহৃত হয়। 

-পিসিআই কার্ডসমূহ সংযোজনের জন্য ব্যবহৃত হয় যেগুলো আইএসএ কার্ডগুলো বহুগুণ দ্রুতগতির এবং ৩২ বিটে চলে। এই স্লটে সাধারণত সাউন্ডকার্ড, নেটওয়ার্ক কার্ড, মডেম সংযোজন করা হয়। 

-আইএসএ স্লটসমূহ সংযোজনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সবচেয়ে কম গতিরগুলো ১৬ বিটের। 

-এজিপি স্লটটি গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য ব্যবহৃত হয়।  

সূত্র- ২৬১ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল। 
৪৫১.
কম্পিউটারের কোন ধরনের মেমোরি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে তার ডেটা ধরে রাখতে পারে না?
  1. ROM
  2. HDD
  3. SDD
  4. RAM
ব্যাখ্যা

বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে RAM তার ডেটা ধরে রাখতে পারে না, কারণ এটি একটি উদ্বায়ী (volatile) মেমরি। 

র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

অন্যদিকে,
- Read Only Memory (ROM): এটি একটি নন-ভোলাটাইল মেমরি। এখানে যে প্রোগ্রামগুলো (যেমন: বায়োস) স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়, সেগুলো কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও মুছে যায় না।
- Hard Disk Drive (HDD): এটি একটি নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার বন্ধ থাকলেও এর ডেটা সংরক্ষিত থাকে।
- Solid State Drive (SSD): এটিও একটি নন-ভোলাটাইল সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে দ্রুত এবং ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৫২.
কম্পিউটারের গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) গিগা-সেকেন্ডে
  2. খ) পিকো-সেকেন্ডে
  3. গ) মিরিয়া-সেকেন্ডে
  4. ঘ) ন্যানো-সেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের গতি:
কম্পিউটার খুব দ্রুত গণনার কাজ করতে পারে। এর গতি পরিমাপ করা হয় ন্যানো-সেকেন্ডে(10-9s)
অর্থাৎ, কম্পিউটার ১ সেকেন্ডে 1/10-9 = 109 = 1000000000 টি কাজ করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৩.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা-
  1. Ted Hoff
  2. Charles Babbage
  3. Alan Turing
  4. Wilhelm Leibniz
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.
৪৫৪.
কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখবার উপায় কোনটি?
  1. ক) সবসময় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের আপডেটেড ভার্সন ব্যবহার করা।
  2. খ) অযথা ফ্রি সফটওয়্যার ব্যবহার না করা।  
  3. গ) ইন্টারনেট ব্যবহারে সতর্ক হওয়া।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো।
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারকে ভাইরাসমুক্ত রাখবার উপায়-
১. এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা। 
২. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট রাখা। 
৩. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা। 
৪. অনলাইন থেকে সংরক্ষণ করা ফাইল দেখা। 
৫. অ্যাড ব্লক সফটওয়্যার ব্যবহার করা। 
৬. ভাইরাস স্ক্যানার ব্যবহার করা। 
৭. সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে যাওয়া। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৪৫৫.
কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে কী বলে?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. বায়োইনফরমেটিক্স
  3. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন (Gene) বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
-  ১৯৭০ সালে আণবিক কাঁচি নামে সমাদৃত রেস্ট্রিকশন এনজাইম আবিষ্কারের পর মূলত জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর যাত্রা শুরু হয়।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে। এসব জাতকে ট্রান্সজেনিক (Transgenic) উদ্ভিদ বলে।
- ১৯৭২ সালে Paul Borg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৫৬.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. Ruby
  2. CSS
  3. jQuery
  4. All of the above
ব্যাখ্যা
♦ Ruby (রুবি):
- ১৯৯০ সালে ইউকিহিরো ম্যাটসুমোটো নামক একজন জাপানি প্রোগ্রামার রুবি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন।
- 'রুবি অন রেইলস' ফ্রেমওয়ার্ক এর জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে।
- রুবি ল্যাঙ্গুয়েজ এর লাইব্রেরি ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে যায়।

• CSS (Cascading Style Sheets) এর মাধ্যমে কোন web page / website এর মধ্যে স্টাইল প্রয়োগ করা হয়।
• jQuery হলো একটি Javascript Library.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৫৭.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. এভিরা
  3. এভিজি
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫৮.
হেক্সাডেসিমেল 0xAB এর দশমিক মান কত?
  1. Ox171
  2. 171
  3. 17162
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা ব্যবস্থা ১৬ ভিত্তিক, যেখানে সংখ্যা 0 থেকে 9 এবং অক্ষর A থেকে F ব্যবহার করা হয়। এখানে A মানে ১০ এবং B মানে ১১। 0xAB কে দশমিক (Decimal) এ রূপান্তর করতে হলে, প্রথম অঙ্ক A (১০) কে ১৬ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং দ্বিতীয় অঙ্ক B (১১) যোগ করতে হবে। হেক্সাডেসিমেল 0xAB-এর দশমিক মান 171. সুতরাং প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 171. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা সাধারণত কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত হয়, যা বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষেপে প্রকাশ করার সুবিধা দেয়।

• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক রূপান্তর (Hexadecimal to Decimal):  
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 0xAB
- এখানে A হলো 10 এবং B হলো 11

- হেক্সাডেসিমেল 0xAB কে দশমিক রূপান্তরে রূপান্তর করার জন্য:  
  (A × 161) + (B × 160) = (10 × 16) + (11 × 1)  

10 × 16 = 160  
11 × 1 = 11  

- সব যোগ করলে: 160 + 11 = 171  

- সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল 0xAB এর দশমিক মান হলো 171
- সঠিক উত্তর: 171

• হেক্সাডেসিমেল নোটেশন (Hexadecimal Notation):  
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা বোঝানোর জন্য প্রিফিক্স 0x ব্যবহার করা হয়।  
- উদাহরণ: 0xAB  

- এখানে 0x মানে হলো "এই সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল (base 16)"।  
- AB হলো হেক্সাডেসিমেল ডিজিট।  

- কেন প্রয়োজন?  
  - কম্পিউটার বিভিন্ন বেসে সংখ্যা পড়তে পারে (binary, octal, decimal, hexadecimal)।  
  - প্রিফিক্স ছাড়া AB কে ভুল করে ভেরিয়েবল বা decimal হিসেবে মনে করা যেতে পারে।  
  - 0x ব্যবহার করলে স্পষ্ট হয় যে সংখ্যা হেক্সাডেসিমেল।  

- উদাহরণ:  
  - 0 x 10 → decimal-এ 16 (1 × 16 + 0 × 1 = 16)  
  - 10 → decimal-এ 10  

- সুতরাং, 0x হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত একটি সাধারণ নোটেশন।  

সূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect [link]

৪৫৯.
নিম্নলিখিত তালিকার কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার নয়?
  1. Oracle
  2. MS Excel
  3. Windows
  4. MS Word
ব্যাখ্যা

- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়- Windows.
- Windows হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং এটি মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৬০.
কোনটি কম্পিউটার হার্ডওয়ার নয়?
  1. সিপিইউ
  2. মাউস
  3. মনিটর
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬১.
সর্বপ্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে _________ কোম্পানি।
  1. এপসন
  2. ইন্টেল
  3. ইয়াহু
  4. মাইক্রোসফট
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৬২.
Which of the following translates the entire source code of a program into machine code?
  1. Compiler
  2. Interpreter
  3. Assembler
  4. Debugger
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে। 

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে। 
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

অন্যদিকে,
→ Debugger: কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখার সময় কোনো ভুল হলে তাকে bug বলে। এই ভুল গুলো সংশোধন করাকে debug বলে আর যে tool- এর দ্বারা debug করা হয়, তাকে Debugger বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৪৬৩.
কোন গেইট Inverter হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) AND
  2. খ) NOR
  3. গ) NAND
  4. ঘ) NOT
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে পূরকের কাজ (Complement) সম্পাদনের জন্য যে ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয় তাকে নট (NOT) গেইট বলে।

এই গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে।
এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয়।

এই গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪৬৪.
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) পিডিপি-৮
  2. খ) এডস্যাক
  3. গ) ইউনিভ্যাক-১
  4. ঘ) এনিয়াক-১
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার - পিডিপি-৮।
বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - ইউনিভ্যাক-১।
প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - এডস্যাক।
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার - এনিয়াক-১।
৪৬৫.
Which of the following is also known as VDU?
  1. ক) Bus
  2. খ) Keyboard
  3. গ) Printer
  4. ঘ) Monitor
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার মনিটর Visual display unit(VDU) নামেও পরিচিত।
- ইহা হলো এক ধরণের আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুনগত মান নির্ভর করে ভিজিএ কার্ডের উপর। 

মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
 
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)। 
৪৬৬.
Kotlin কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ক্লাউড সার্ভিস
  4. ওয়েব সার্ভার
ব্যাখ্যা
• Kotlin:
- Kotlin হলো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপস তৈরির জনপ্রিয় ও ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- রাশিয়ার দ্বীপের নামে এই ভাষাটির নামকরণ করা হয়।
- ২০১৬ সালে চেক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান জেটব্রেইন এই প্রোগ্রামিং ভাষাটির প্রবর্ত্ন করে।
- এটি জাভা ভার্চুয়াল মেশিন (JVM) এ চলতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৭.
নিচের কোনটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস নয়?
  1. ম্যাগনেটিক টেপ
  2. ডিভিডি
  3. জিপ ড্রাইভ
  4. রম
ব্যাখ্যা
• রম প্রাইমারী স্টোরেজের উদাহরণ।

♦ সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১। এ ধরনের স্টোরেজ সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে না।
২। ধারণক্ষমতা তুলনামূলভাবে অনেক বেশি।
৩। দাম তুলনামূলকভাবে অনেক কম ।
৪। অ্যাকসেস সময় প্রাইমারি স্টোরেজের চেয়ে অনেক বেশি।
৫। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না ইত্যাদি।
 
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৬৮.
যে সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে তার নাম কী?
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) এডার
  4. ঘ) এনকোডার
ব্যাখ্যা
কাউন্টার
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে। কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ ০ থেকে ২n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলে। কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস ২n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধিকরা যায়।
৪৬৯.
IC অর্থ কি?
  1. ক) International Communication
  2. খ) Internal Circuit
  3. গ) Integrated Circuit
  4. ঘ) কোনটিই নয়।
ব্যাখ্যা
IC অর্থ হল Integrated Circuit যেটি উদ্ভাবন করেন জ্যাক কেলবি ১৯৫৮ সালে।
এটির ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয়ে আসে এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
৪৭০.
অ্যাডার কত প্রকার?
  1. ক) দুই প্রকার
  2. খ) তিন প্রকার
  3. গ) চার প্রকার
  4. ঘ) পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
দুই প্রকার:
১.হাফ এডার, ও ২. ফুল এডার।
৪৭১.
কোনটি ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যায়?
  1. মাউস
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. ওএমআর 
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

টাচ স্ক্রিন ইনপুট এবং আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে ব্যবহার করা যায়। 

• ইনপুট ডিভাইস
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওসিআর (OCR),
- ট্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
- লাইটপেন (Lightpen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Ploter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭২.
Which of the following is an image file extension?
  1. .mp3
  2. .exe
  3. .bmp
  4. .doc
ব্যাখ্যা

• .bmp একটি ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন।
 
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হলো কোনো ফাইলের নামের শেষে যুক্ত হওয়া একটি suffix, যা দিয়ে ফাইলের ধরন বা ফরম্যাট শনাক্ত করা যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম ফাইল এক্সটেনশন দেখে বুঝতে পারে কোন সফটওয়্যার দিয়ে ফাইলটি খুলতে হবে।
- সাধারণত ফাইল এক্সটেনশন একটি ডট (.) দিয়ে শুরু হয়।
- উদাহরণ: image.jpg, photo.png, picture.bmp।
- ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন ছবি ও গ্রাফিক্স সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- JPG (Joint Photographic Group) ও JPEG (Joint Photographic Experts Group) ডিজিটাল ছবি সংরক্ষণের জন্য বহুল ব্যবহৃত।
- PNG (Portable Network Graphics) স্বচ্ছ (transparent) ব্যাকগ্রাউন্ডসহ ইমেজ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- BMP (Bitmap Image File) অপরিবর্তিত (uncompressed) ইমেজ সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়।
- ফাইল এক্সটেনশন পরিবর্তন করলে ফাইলের প্রকৃত ধরন পরিবর্তন হয় না।
 
• অন্যান্য অপশন:
- .mp3 অডিও ফাইল সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- .exe প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন ফাইল নির্দেশ করে।
- .doc টেক্সট ডকুমেন্ট সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

৪৭৩.
আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা কোনটি?
  1. ই-এমটিএস
  2. ই-পুর্জি
  3. ই-টিকেটিং
  4. ই-পর্চা
ব্যাখ্যা
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস):
- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪৭৪.
Which of the following operating systems uses a Graphical User Interface (GUI)?
  1. MS-DOS
  2. Windows 7
  3. CP/M
  4. FreeDOS
ব্যাখ্যা

• Windows 7 হলো একটি Graphical User Interface (GUI) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M,
- FreeDOS, ইত্যাদি।

২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
৩। ব্রিটানিকা।

৪৭৫.
Twitter কী ধরনের প্ল্যাটফর্ম?
  1. ভিডিও এডিটিং
  2. অনলাইন শিক্ষা
  3. মাইক্রোব্লগিং
  4. অনলাইন ব্যাংকিং
ব্যাখ্যা
Twitter অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।

♦ Twitter:
- এটি একটি অনলাইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম এবং মাইক্রোব্লগিং সেবা।
- এটি ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্ল্যাটফর্মে ২৮০ অক্ষরের বেশি নয় — এমন ছোট বার্তা বা টুইট পাঠানো হয়।
- ২১শ শতকের শুরুর দিকে রাজনীতি ও সংস্কৃতি গঠনে Twitter/X-এর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ছিল।
- Twitter-এর উত্তরসূরি X Corp.
- X Corp. এর মালিকানা রয়েছে X Holdings Corp.-এর কাছে।
- X Holdings Corp.-এর মালিক হলেন দক্ষিণ আফ্রিকায় জন্মগ্রহণকারী আমেরিকান উদ্যোক্তা Elon Musk.
- এটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে তাৎক্ষণিক তথ্য আদান-প্রদানে সহায়ক একটি মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৭৬.
Which one is not an Anti-virus software?
  1. Norton
  2. Cinderella 
  3. AVG
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

Cinderella একটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৪৭৭.
নিচের কোনটি অক্টাল নাম্বার?
  1. ৫৩৭
  2. ০১৯
  3. ৯৮১
  4. ১২৮
ব্যাখ্যা

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির আটটি অংক হল ০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭
তাই ৫৩৭ একটি অক্টাল সংখ্যা
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -১৯৪]

৪৭৮.
ডিজিট্যাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে ওঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. ক) এলইডি
  2. খ) আইসি
  3. গ) এলসিডি
  4. ঘ) সিলিকন চিপ
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে। বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।
তবে, প্রশ্নে ঝামেলা আছে,
সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয়। এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়। ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই। সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।

৪৭৯.
 নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের অংশ নয়?
  1. CPU সকেট
  2. RAM স্লট
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. পোর্ট
ব্যাখ্যা
হার্ড ডিস্ক মাদারবোর্ডের অংশ নয়।
- হার্ড ডিস্ক একটি আলাদা স্টোরেজ ডিভাইস যা মাদারবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে।

• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
৪৮০.
A এর NOR গেইট এবং AND গেইটের আউটপুট এর OR কত?
  1. ক) A
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) Ā
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে,
A + Ā = 1 ;
A + A = A ;
A. A = A ;

• A এর NOR গেইটের আউটপুট Ā ;
• A এর AND গেইটের আউটপুট A ;

তাহলে,
A এবং Ā এর OR হল A + Ā = 1
৪৮১.
কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. এটিএম
  2. এসি
  3. সিকিউরিটি ক্যামেরা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার এমন একটি বিশেষ-purpose কম্পিউটার যা কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। এটিএমে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় লেনদেন প্রক্রিয়া এবং নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণের জন্য। এসিতে এটি তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, ফ্যানের গতি ও এনার্জি ব্যবস্থাপনায় সহায়তা করে। সিকিউরিটি ক্যামেরায় এমবেডেড কম্পিউটার ভিডিও রেকর্ডিং, মোশন ডিটেকশন এবং রিমোট মনিটরিং নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এইভাবে, প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম নির্দিষ্ট কাজ দ্রুত, নির্ভুল এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম। তাই বলা যায়, এগুলো সব ক্ষেত্রেই এমবেডেড কম্পিউটারের ব্যবহার দেখা যায়।

সঠিক উত্তর: ঘ) সবগুলোই।


• এমবেডেড কম্পিউটার: 
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮২.
ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে কী বলে?
  1. ডাটা এনক্রিপশন
  2. ডাটা ডিক্রিপশন
  3. সাইফার টেক্সট
  4. প্লেইন টেক্সট
ব্যাখ্যা
ডাটা এনক্রিপশন: 
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়। 
- ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না। 
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে। 
- প্রেরক কম্পিউটারে এনক্রিপ্ট করার নিয়ম বা প্রাপক কম্পিউটারে ডিক্রিপ্ট করার নিয়ম দেয়া থাকে। 
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়। 
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিম্নে দেয়া হলো- 
১। সিজার কোড (Caesar Code) ও 
২। ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)। 

- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। 
যথা: 
প্লেইন টেক্সট: যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়। 
সাইফার টেক্সট: মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়। 
এনক্রিপশন এলগরিদম: গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
কী: গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়। সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৩.
১৯৬৯ সালে উদ্ভাবিত কোন অপারেটিং সিস্টেমটির সাথে বিখ্যাত "Bell Labs" সম্পর্কিত?
  1. Windows
  2. macOS
  3. Unix
  4. Linux
ব্যাখ্যা
• UNIX:
- UNIX হচ্ছে মাল্টি ইউজার কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০ শতকের শেষের দিকে ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ইন্টারনেট সার্ভার, ওয়ার্কস্টেশন এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটারের জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- Unix - একটি Open Source Operating System.

- UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে কেন থমসন ও ডেনিস রিচি প্রথম উদ্ভাবন করেন।
- তাঁরা একটি PDP-7 মিনিকম্পিউটারে জন্য UNIX- এর প্রথম সংস্করণ তৈরি করেছিলেন।
- কেন থমসন ও ডেনিস রিচি পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪৮৪.
C++, Java, Python কোন ধরণের প্রোগ্রামিং মডেল অনুসরণ করে?
  1. ভিজুয়াল প্রোগ্রামিং
  2. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
  3. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  4. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটাও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়, একে বলা হয় অবজেক্ট।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:

১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৫.
একটা 4-bit বাইনারি সিস্টেমে শূণ্য এর 2's complement এর ডেসিম্যাল মান কত হবে?
  1. ১৬
  2. ১৫
  3. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

• 4-bit বাইনারি সিস্টেমে শূন্য (0000) এর 2’s complement বের করতে হলে প্রথমে 1’s complement নেওয়া হয়,
অর্থাৎ সব বিট উল্টালে পাওয়া যায় 1111.
এরপর এর সাথে 1 যোগ করলে আবার ফলাফল হয় 0000। তাই শূন্যের 2’s complement আসলে শূন্যই থাকে।
যেহেতু 4-bit signed 2’s complement পদ্ধতিতে 0000 এর ডেসিম্যাল মান 0, সেহেতু শূন্যের 2’s complement এর ডেসিম্যাল মানও 0.
এই কারণে সঠিক উত্তর হলো খ) ০

• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন।

উদাহরণ: 
12 এর ২-এর পরিপূরক (2's Complement) বের করতে হলে, 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪৮৬.
Antivirus software is a type of
  1. ক) System software
  2. খ) Utility software
  3. গ) Application software
  4. ঘ) Publishing software
ব্যাখ্যা
• Antivirus software is a type of Utility software.
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্ন গুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাস গুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- তবে মনে রাখতে হবে যে এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৭.
Which device converts a battery’s DC supply into AC power?
  1. Transformer
  2. Surge protector
  3. Rectifier
  4. Inverter
ব্যাখ্যা

Inverter converts a battery’s DC supply into AC power.

পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই চলে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি চলমান রাখার জন্য ব্যাটারি ব্যাংক দ্বারা চার্জ ধরে রাখাকে পাওয়ার ব্যাকআপ বলা হয়।
- ইনভার্টার বা পাওয়ার ব্যাকআপ ডিভাইস ব্যাটারি থেকে পাওয়া ডিসি সাপ্লাইকে এসি পাওয়ার সাপ্লাই তে রূপান্তর করতে সক্ষম।
- কার্য ও প্রয়োগ অনুসারে, এই ধরনের পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমকে বিভিন্নভাবে ডাকা হয়:
  ১। IPS (Instant Power Supply),
  ২। UPS (Uninterrupted Power Supply),
  ৩। EPS (Emergency Power Supply),
  ৪। QPS (Quick Power Supply)। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪৮৮.
Compact Disk-এ কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. লেজার
  2. ম্যাগনেটিক
  3. ইলেকট্রিক্যাল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য লেজার বিম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উৎস :
১. ব্রিটানিকা।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৮৯.
কম্পিউটারের GPU প্রধানত কোন কাজটি করে?
  1. বিদ্যুৎ সরবরাহ
  2. তথ্য ইনপুট
  3. ডেটা স্টোরেজ
  4. গ্রাফিক্স প্রক্রিয়া করা
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের GPU প্রধানত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের কাজটি করে থাকে।
- GPU এর পূর্ণরূপ Graphics Processing Unit.
- GPU গ্রাফিক্স সম্পর্কিত কাজ যেমন: গ্রাফিক্স, ইফেক্ট এবং ভিডিও পরিচালনা করতে সাহায্য করে।
- বর্তমানে বেশিরভাগ কম্পিউটারে ভিডিও কার্ড ব্যবহার করা হয়না, এর পরিবর্তে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে একটি GPU তৈরি করা হয়েছে।
- GPU একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স এর কাজকে ত্বরান্বিত করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি একই সাথে অনেকগুলি ডেটা প্রক্রিয়া করতে পারে, এবং ডেটাগুলিকে মেশিন লার্নিং, ভিডিও এডিটিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলির জন্য উপযোগী করে তোলে৷
- GPU গুলি কম্পিউটারের CPU এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে অথবা আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট হিসাবেও থাকতে পারে।
- গেমিংয়ে GPU অনেক অপারেশন বা কাজ করে থাকে যে কারণে CPU এর চেয়ে বেশি তাপ উৎপন্ন করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমিংয়ের উত্থানের সাথে সাথে 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেটগুলির মতো উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তির সাথে গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণের চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। GPU গুলি 2D এবং 3D উভয় ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স রেন্ডার করতে সক্ষম। 

উৎস:
১. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. School of Science and Technology, Open University.
৪৯০.
RAM কোথায় থাকে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিপিউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. এক্সপানসন বোর্ড
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯১.
কোনটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাটের এক্সটেনশন?
  1. .avi
  2. .wav
  3. .xlsx
  4. .pptx
ব্যাখ্যা
কিছু কম্পিউটার ফাইল ও তাদের এক্সটেনশন:
Image ⇒ jpg, jpeg, jif, png
Document ⇒ doc, pdf, docx, html-hyper link markup language html Text
Spread Sheet ⇒ xls, xlsx
Audio ⇒ mp3, aac, wav
Video ⇒ mp4, avi, mov, mpeg, flv
Power point ⇒ ppt, pptx

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৪৯২.
NOT গেইটে কোনটি থাকে?
  1. ১টি ইনপুট ও ১টি আউটপুট।
  2. ২টি ইনপুট ও ২টি আউটপুট।
  3. ৩টি ইনপুট ও ৩টি আউটপুট।
  4. সবগুলো।
ব্যাখ্যা
নট গেইটঃ এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে। যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে।
৪৯৩.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়? 
  1. ক) মেমোরি ব্যবস্থাপনা 
  2. খ) প্রসেস ব্যবস্থাপনা
  3. গ) ফাইল ব্যবস্থাপনা
  4. ঘ) ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা ছাড়া বাকি তিনটি অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। 
৪৯৪.
Who did the earliest theoretical work on AI?
  1. Marvin Minsky
  2. John McCarthy
  3. Geoffrey Hinton
  4. Alan Turing
  5. Elon Musk
ব্যাখ্যা
Alan Turing is considered the earliest theoretical worker on AI.

Artificial intelligence (AI):

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো কম্পিউটারের এমন দক্ষতা, যা সাধারণত মানুষের বুদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- AI যুক্তিসঙ্গত সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অর্থ আবিষ্কার করতে পারে, সাধারণীকরণ করতে পারে এবং অতীত অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।
- ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ গণিতবিদ অ্যালান টিউরিং প্রথম AI-এর তাত্ত্বিক কাজ করেন; ১৯৫০-এর দশকে প্রথম AI প্রোগ্রাম তৈরি হয়।
- আজকের দিনে AI চিত্র শ্রেণিবিন্যাস করতে (যেমন: PReLU-net), গেমে পারদর্শিতা দেখাতে (যেমন: AlphaZero), কথা বলতে (যেমন: ChatGPT) এবং টেক্সট থেকে ছবি তৈরি করতে (যেমন: DALL-E) সক্ষম।
- চিকিৎসা নির্ণয়, সার্চ ইঞ্জিন, কণ্ঠস্বর বা হাতের লেখার স্বীকৃতি, এবং চ্যাটবটের মতো ক্ষেত্রে AI মানুষের দক্ষতার সমতুল্য হয়ে উঠেছে।
- এখনো কোনো AI প্রোগ্রাম মানুষের মতো সর্বাঙ্গীন নমনীয়তা বা দৈনন্দিন জ্ঞানের বিস্তৃত ক্ষেত্র অর্জন করতে পারেনি; একে বলা হয় কৃত্রিম সাধারণ বুদ্ধিমত্তা (AGI)।
 
Source: Britannica.
৪৯৫.
মডেম কম্পিউটারের একটি _____ ডিভাইস।
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) মেমোরিকার্ড
  3. গ) আউটপুট
  4. ঘ) ইনপুট-আউটপুট
ব্যাখ্যা
মডেম কম্পিউটারের একটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস। টাচস্ক্রিন, প্রিন্টার-স্ক্যানার, ক্যামেরা, ভিসিআর, টেপ রেকর্ডার, ভিসিপি ইত্যাদি কম্পিউটারের ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস।
৪৯৬.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে?
  1. Scanner
  2. Mouse
  3. Touch Screen
  4. Projector
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৪৯৭.
ডেটাবেস পরিচালনার জন্য প্রধানত কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Visual Studio
  2. Oracle
  3. Slack
  4. Canva
ব্যাখ্যা

• অপশন আলোচনা:
- Canva – এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন টুল, যার সাহায্যে পোস্টার, প্রেজেন্টেশন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা যায়। এটি ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

- Slack – এটি একটি টিম কমিউনিকেশন টুল, যেখানে টিম মেম্বাররা চ্যাট করতে পারে, ফাইল শেয়ার করতে পারে। এটি মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার জন্য নয়।

- Visual Studio – এটি একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE), যা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি ডেটাবেসের সাথে কাজ করতে পারেন এতে, এটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরি নয়।

- Oracle – এটি একটি শক্তিশালী এবং পেশাদার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯৮.
Data Manipulation Language কোন ক্ষেত্রে ব্যহৃত হয়?
  1. ক) ডেটা প্রবেশ করানো
  2. খ) ডেটা ‍মুছে ফেলা
  3. গ) ডেটা আপডেট করা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজে ডেটা মুছে ফেলা, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা আপডেট করা, পরিবর্তন করা, ইনডেক্সিং করা, ডেটা রিট্রিভ করা ইত্যাদি করার ক্ষেত্রে Data Manipulation Language ব্যবহার করা হয়।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৪৯৯.
MS-Word এ কোনো কিছু Copy করে সেটি Paste করার কমান্ড কী?
  1. ক) Ctrl + P
  2. খ) Ctrl + C
  3. গ) Ctrl + V
  4. ঘ) Ctrl + X
ব্যাখ্যা

MS-Word এর কিছু কমান্ড
Copy - Ctrl + C
Paste - Ctrl + V
Undo - Ctrl + Z
Print - Ctrl + P

৫০০.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে কিসের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়?
  1. এবিএস
  2. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  3. পেসমেকার
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.