বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪৮ / ৮২ · ৪,৭০১৪,৮০০ / ৮,১৪১

৪,৭০১.
Which storage device has the largest capacity in MB's?
  1. ক) A floppy disk
  2. খ) A CD-ROM
  3. গ) Magnetic tape storage
  4. ঘ) Equal Capacity
ব্যাখ্যা
Storage Capacity of Floppy Disc = 1.44 Megabytes.
Storage Capacity of CD-ROM = 650 Megabytes (Approx.).
৪,৭০২.
সি প্রোগ্রামের কোন ফাংশন আউটপুট দেখায়?
  1. ক) scanf
  2. খ) print
  3. গ) printall
  4. ঘ) printf
ব্যাখ্যা
#include<stdio.h>
int main()
{
printf("Hello World!");
return 0;
}

- <stdio.h> হল প্রোগ্রামের হেডার ফাইল। এই ফাইলে ইনপুট আউটপুট এর ফাংশনগুলো থাকে।
- প্রোগ্রামের সব কার্যাবলি সম্পাদন হয় main() ফাংশন এর মধ্যে।
- { } এর ভিতরেই মূল প্রোগ্রাম রচনা করতে হয়।
- { } এর ভিতরে যা থাকবে কম্পিউটার সেই কাজগুলোই করবে।
- কোন কিছু প্রিন্ট করার জন্য printf ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
- কোন কিছু ইনপুট নেওয়ার জন্য scanf ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
- প্রতিটি কমান্ডের পরে ; চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৭০৩.
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে 9 এর ডাটা টাইপ কোনটি?
  1. bool
  2. int
  3. float
  4. str
ব্যাখ্যা
• পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে ৯ সংখ্যাটির ডাটা টাইপ হলো int অর্থাৎ integer. Integer হলো এমন একটি ডাটা টাইপ যা পূর্ণসংখ্যা (যেমন ১, ৯, ১০০) সংরক্ষণ করে। পাইথনে যখন আমরা ৯ লিখি, এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে integer হিসেবে গণ্য হয়। অন্যদিকে, bool ডাটা টাইপ শুধু True অথবা False মান ধারণ করে, float ডাটা টাইপ দশমিক সংখ্যাগুলো যেমন ৯.০ বা ৩.১৪ ধারণ করে এবং str ডাটা টাইপ অক্ষর বা শব্দের সারি যেমন "বাংলাদেশ" ধারণ করে। তাই ৯ একটি পূর্ণসংখ্যা হওয়ায় এর ডাটা টাইপ হবে int.

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

• Python-এ 9 এর ডেটা টাইপ হলো int.

কারণ:
• int মানে ইন্টিজার বা পূর্ণসংখ্যা। 5 একটি পূর্ণসংখ্যা, যা দশমিকবিহীন এবং এতে কোনো ভগ্নাংশ নেই। Python সংখ্যাগুলোকে ডেটা টাইপ অনুযায়ী শ্রেণীবদ্ধ করে।

এছাড়াও,
- str (স্ট্রিং): এটি টেক্সট বা অক্ষরযুক্ত মানের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: '5' বা "Hello".
- float: এটি দশমিক সংখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: 5.0.
- bool: এটি বুলিয়ান মানের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন True বা False.
- তাই, 5 একটি পূর্ণসংখ্যা এবং এর ডেটা টাইপ int।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৪,৭০৪.
প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. অ্যাকসেস সময় কম।
  2. ডেটা স্থানান্তরের গতি কম।
  3. ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
  4. বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
ব্যাখ্যা
• স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়।
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)

প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম।
•  প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
৩। অ্যাকসেস সময় কম
81 ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০৫.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রথম ব্যবহার কীসের সাথে জড়িত?
  1. ATM
  2. Space missions
  3. Camera
  4. Satellite
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার: 
- একটি এমবেডেড সিস্টেম হলো একটি কম্পিউটারাইজড সিস্টেম যা কিছু নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি সাধারণত একটি বড় সিস্টেমের মধ্যে কাজ করে এবং হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার উভয় উপাদান নিয়ে গঠিত।
- মেডিক্যাল ডিভাইস, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, শিল্প নিয়ন্ত্রক, এমনকি কিছু ঘরোয়া যন্ত্রপাতি যেমন ওয়াশিং মেশিন এবং মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

''The first embedded system to be widely recognized was the Apollo Guidance Computer (AGC). Developed by MIT for NASA's Apollo Program in 1965, the AGC was used to control all onboard equipment used during space missions.''

উৎস:
১. Computerhope website
২. [Link]
৪,৭০৬.
ডেটাবেজ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ২ প্রকার - ১) সাধারণ ডেটাবেজ ২) সম্পর্ক যুক্ত ডেটাবেজ
৪,৭০৭.
হার্ডডিস্ক এর পাতগুলোর পৃষ্ঠে অনেকগুলো এককেন্দ্রিক বৃত্তে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়। প্রতিটি বৃত্ত সমান কয়েকটি ভাগে বিভক্ত থাকে। এরূপ একটি ভাগ কে কি বলে?
  1. Track
  2. Shaft
  3. Disk
  4. Sector
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্ক (Hard Disk)

১৯৮০ সালের দিকে হার্ডডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি। গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে। পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দন্ড। উক্ত দন্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে। কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।

হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিকসের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে। একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ডিস্কের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য, প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। 

প্রতিটি ডিস্কের পৃষ্ঠদেশ অসংখ্য বৃত্ত দ্বারা বিভক্ত থাকে। এসব বৃত্তকে ট্র্যাক (Track) বলে। প্রতিটি বৃত্ত কয়েকটি সমান ভাগে ভাগ করা থাকে। এ ধরনের একেকটি ভাগকে সেক্টর (Sector) বলে। প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান। ডিস্কের পৃষ্ঠদেশের ট্র্যাক অদৃশ্য ক্ষুদ্র চুম্বকীয় বিন্দু আকারে তথ্য লিখিত হয় বাইনারি পদ্ধতিতে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)

৪,৭০৮.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি প্রধানত কোনটির ওপর নির্ভরশীল?
  1. র‍্যাম
  2. সিপিইউ
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭০৯.
 অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয় কোনটি?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ
  2. সফটওয়্যার পরিচালনা
  3. ডাটা ব্যাকআপ নেওয়া
  4. ফাইল ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা
ডাটা ব্যাকআপ নেওয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়‍্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়‍্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের কাজ -
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা।
 
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
৪,৭১০.
তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে কোনটি?
  1. ক) স্ট্যাটিক র‍্যাম
  2. খ) ডাইনামিক র‍্যাম
  3. গ) রম
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

র‍্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না।
র‍্যামের আধুনিক দুটো প্রধান প্রকার হল স্ট্যাটিক র‍্যাম এবং ডাইনামিক র‍্যাম।
স্ট্যাটিক এবং ডাইনামিক র‍্যাম উভয়ই ভোলাটাইল (বিদ্যুত চলে গেলে স্মৃতি মুছে যায়)। অন্যদিকে রম তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে যেটা কোন অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না।

৪,৭১১.
2’s Complement পদ্ধতি কম্পিউটারে সাধারণত কোন ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. Character প্রকাশ করতে
  2. Floating Point প্রকাশ করতে
  3. ধনাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
  4. ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে
ব্যাখ্যা

• 2’s Complement পদ্ধতি কম্পিউটারে প্রধানত ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি যা ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যাকে একই ধরণের বাইনারি রূপে উপস্থাপন করতে সক্ষম। 2’s Complement ব্যবহার করলে বিটের সর্বোচ্চ মানকে চিহ্নবিট হিসেবে ধরে ঋণাত্মক সংখ্যা সহজভাবে গণনা করা যায় এবং ধনাত্মক সংখ্যার সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করা যায় কোনো অতিরিক্ত জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই। এতে কম্পিউটার arithmetic operations যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। এছাড়া, এই পদ্ধতি overflow নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং hardware design-এ সুবিধাজনক।
- তাই এটি character বা floating point প্রকাশের জন্য নয়, বরং ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৭১২.
কোন লজিক গেইটের ক্ষেত্রে সমস্ত ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হবে না?
  1. OR
  2. XNOR
  3. NAND
  4. AND
ব্যাখ্যা
⚪ অপশন আলোচনা:
ক) OR গেইট: OR গেইটে যদি সব ইনপুট 1 থাকে, তবে আউটপুট হবে 1। কারণ OR গেইটে কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 থাকলেই আউটপুট 1 হয়।

খ) XNOR গেইট: XNOR গেইটে ইনপুটগুলো একে অপরের সমান হলে আউটপুট 1 হয়। সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুট হবে 1, কারণ 1 এবং 1 একে অপরের সমান।

গ) NAND গেইট: NAND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0। NAND গেইটের আউটপুট হচ্ছে NOT-AND, অর্থাৎ AND গেইটের বিপরীত। AND গেইটের আউটপুট 1 হলে, NAND গেইটের আউটপুট 0 হয়।

ঘ) AND গেইট: AND গেইটে সব ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 1, কারণ AND গেইটে সব ইনপুট 1 থাকলে আউটপুটও 1 হয়।

• AND + NOT = NAND গেট।
• NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৩.
Face Recognition-এ নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. রোবটিক্স
ব্যাখ্যা
• Face Recognition-এ বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহৃত করা হয়।

• বায়োমেট্রিক্স:

- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• অন্যানা অপশন আলোচনা:
• রোবটিক্স:
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।

• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ সংযোজন কৌশল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৪.
(0.46)10 এর বাইনারি রূপ কোনটি?
  1. (0.01110...)2
  2. (0.01011...)2
  3. (0.10101...)2
  4. (0.11001...)2
ব্যাখ্যা

• (0.46)10 এর বাইনারি রূপ (0.01110...)2



উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৪,৭১৫.
Which base numbering system is commonly used in computer science?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. Octal
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বা দ্বিমিক সংখ্যা পদ্ধতি একটি সংখ্যা পদ্ধতি যাতে সকল সংখ্যাকে কেবলমাত্র ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়।
(১) ডেসিমেল নাম্বার সিস্টেম,
(২) বাইনারী নাম্বার সিস্টেম,
(৩) অক্টাল নাম্বার সিস্টেম ‍ও
(৪) হেক্সা ডেসিমেল নাম্বার সিস্টেম।

- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্য পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২। (১১০), (১১০১), (১০১.০১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে। আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৭১৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে বাঁধা দেয়?
  1. Firewall
  2. Protectionwall
  3. Shieldwall
  4. Boxerwall
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়াল 
- ফায়ারওয়াল হলো এক বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা যাতে এক নেটওয়ার্ক থেকে আরেক নেটওয়ার্কে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মিলিত প্রয়াস।
- কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল সুরক্ষা মূলত একটি কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক এর সুরক্ষার জন্য ব্যবহার করা হয় যার ফলে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারেনা। 
- ফায়ারওয়ালের প্রধান উদ্দেশ্য হল বিপজ্জনক ট্র্যাফিককে দূরে রাখা।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। অর্থাৎ ফায়ারওয়াল আগত এবং বহির্গত নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিরীক্ষা এবং নিয়ন্ত্রণ করে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭১৭.
এমবেডেড সিস্টেমে "ফার্মওয়্যার" কী?
  1. হার্ডওয়্যার কম্পোনেন্ট
  2. স্থায়ীভাবে ইনস্টল করা সফটওয়্যার
  3. নেটওয়ার্ক কানেকশন
  4. কৃষি সম্পর্কিত সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার (Firmware) হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের (যেমন রাউটার, স্মার্টফোন, IoT ডিভাইস, মাইক্রোকন্ট্রোলার ইত্যাদি) মধ্যে স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। এটি ডিভাইসের বেসিক ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং সাধারণত ব্যবহারকারী দ্বারা পরিবর্তন করা যায় না।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৪,৭১৮.
এমএস ওয়ার্ডে নির্বাচিত টেক্সট কাট করতে কোন কী-বোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করা হয়?
  1. Ctrl + X
  2. Ctrl + C
  3. Ctrl + V
  4. Ctrl + N
ব্যাখ্যা

◉ Ctrl + X নির্বাচিত টেক্সট বা বিষয়বস্তু কাট (Cut) করার শর্টকাট। এটি ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষণ করে এবং মূল অবস্থান থেকে সরিয়ে দেয়।

এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৪,৭১৯.
রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবটিক্সে কী ব্যাবহার করা হয়?
  1. সেন্সর
  2. অ্যাকচুয়েটর
  3. প্রসেসর
  4. আইসি
ব্যাখ্যা
• রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।

• রোবট:

- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।
- রোবটের মুভমেন্টের জন্য রোবোটিক্সে অ্যাকচুয়েটর ব্যবহার করা হয়।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
- স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
- হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
- সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।

• বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। যেমন-
- শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা।
- বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন।
- খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন।
- মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ।
- ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে।
- গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে।
- গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে।
- শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে; ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২০.
স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই প্রয়োজন মতো ডেটা ট্রান্সমিট করা যায় কোন পদ্ধতিতে?
  1. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  2. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন
  3. ক) ও খ) উভয়েই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Isochronous transmission) : অ্যাসিনক্রোনাস ও সিনক্রোনাস -এর একটি মিশ্র পদ্ধতি হচ্ছে আইসােক্রোনাস ট্রান্সমিশন। এ প্রক্রিয়ায় অ্যাসিনক্রোনাস পদ্ধতির স্টার্ট ও স্টপ বিটের মাঝখানে সিনক্রোনাস পদ্ধতিতে ব্লক আকারে ডেটা ট্রান্সফার করা হয়।
যেহেতু পুরােটা সিনক্রোনাস নয়, তাই স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ না করেই যখন প্রয়োজন তখন সেই ডেটা ট্রান্সমিট করা যায়। সাধারণত রিয়েল টাইম অ্যাপ্লিকেশনে এর প্রচলন বেশি।
বিভিন্ন মাল্টিমিডিয়া কমিউনিকেশন যেমন, অডিও বা ভিডিও কল -এর ক্ষেত্রে এই পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়ে থাকে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

উল্লেখ্য,
অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে (Asynchronous Transmission) ডাটা প্রাইমারি স্টোরেজে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয় না।
৪,৭২১.
ট্রোজান হর্স সাধারণত কীভাবে একটি কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে?
  1. নিজে নিজে প্রতিলিপি তৈরি করে এবং নেটওয়ার্ক জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে
  2. স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইমেইল সার্ভারের মাধ্যমে
  3. BIOS কনফিগারেশন পরিবর্তন করে
  4. ব্যবহারকারীদের প্রতারিত করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করায়
ব্যাখ্যা
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) হল একটি ক্ষতিকারক সফটওয়্যার যা সাধারণত একটি দরকারি প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকে। ব্যবহারকারী যখন সেই ফাইলটি ডাউনলোড করে এবং ইনস্টল করে, তখন ট্রোজান হর্সটি তাদের কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং ক্ষতিকারক কাজ শুরু করে - যেমন তথ্য চুরি, দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ নেওয়া ইত্যাদি।

ট্রোজান নিজে থেকে ছড়ায় না বা কপি হয় না (যেমন ভাইরাস বা ওয়ার্ম হয়)। এটি ব্যবহারকারীর ভুলে ইনস্টল করা হয় - সাধারণত ইমেইলের সংযুক্তি, ফ্রি সফটওয়্যারের লিংক, বা ভুয়া আপডেটের মাধ্যমে।

তাই ট্রোজান হর্স সংক্রমণের প্রধান উপায় হল: ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে এটি ডাউনলোড ও ইনস্টল করানো।

• ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৭২২.
অন্যের লেখা আত্মসাৎ করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে কী বলা হয়?
  1. ফিশিং 
  2. স্ফুফিং
  3. প্লেজিয়ারিজম
  4. স্প্যামিং
ব্যাখ্যা

• অন্যের লেখা, ভাবনা, বা কাজ নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি, যেখানে লেখক বা সৃষ্টিকর্তার সম্মতি ছাড়া তার চিন্তা বা লেখা ব্যবহার করা হয়। একাডেমিক, সাহিত্যিক বা অনলাইন পরিবেশে এটি গুরুতর অনৈতিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রকাশক এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো প্লেজিয়ারিজমকে প্রতিহত করার জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করে। এটি কেবল লেখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; চিত্র, গান, গবেষণা প্রবন্ধ বা অন্য কোনও সৃজনশীল কন্টেন্টকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সতর্কতা ও যথাযথ উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে প্লেজিয়ারিজম এড়ানো যায়।

- সঠিক উত্তর: গ) প্লেজিয়ারিজম।

সাইবার ক্রাইম: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে। 
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"। 
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে। 
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়। 
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে। 
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি। 

প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): 
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে। 
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম। 
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। 
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

৪,৭২৩.
ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য কী ব্যবহৃত হতো?
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. মেমরি কার্ড
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. তারযুক্ত প্লাগবোর্ড
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৪.
"জেমিনি একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে।" - কথাটি কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. তৃতীয় প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. পঞ্চম প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• গুগলের ডিপমাইন্ডের বিজ্ঞানীরা জেমিনি নামের এআই/আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মডেল তৈরি করেছেন।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন বা এআই পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য।
-  অতএব, "জেমিনি একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে।" - কথাটি পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রাম সামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
৬. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের ব্যাপক ক্রমোন্নতি।
৭. অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট ব্যবস্থা।
৮. বিপুল শক্তিসম্পন্ন সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন, ইত্যাদি।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) blog.google
৪,৭২৫.
মৌজা ম্যাপ তৈরিতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) গ্রাফিক্স ট্যাবলেট
  2. খ) ডিজিটাইজার
  3. গ) লাইট পেন
  4. ঘ) স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস যা দিয়ে গ্রাফিক্স, ড্রয়িং, ম্যাপিং এর কাজ করা যায়। বাংলাদেশ ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাইজার ব্যবহার করে মৌজাম্যাপগুলো সংরক্ষণ করে থাকে।

ডিজিটাইজার (Digitizer) : এটিকে ড্রয়িং বাের্ডও বলা হয়, এর মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়। এখানে একটি আয়তাকার চ্যাপ্টা ব্লক (Block) থাকে যাকে বলে ডিজিটাইজার বাের্ড (Board ), ডিজিটাইজিং টেবিল (Digitizing table) বা গ্রাফিক টেবিল (Graphic table) এর আকার ৯"x ১২" থেকে ৪৮ x ৭২" পর্যন্ত হতে পারে। বাের্ডের ভিতরে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে। একটি স্টাইলাসের (Stylus কলমের মতাে) সাহায্যে বাের্ডে যা কিছু লেখা বা আঁকা যায় তাই মনিটরের পর্দায় ভেসে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্টাইলাসের অবস্থানের x ও y স্থানাঙ্ক (Co- ordinates) কম্পিউটার মেমােরিতে চলে যায়। কাগজে কোনাে গ্রাফ বা ছবি এঁকে তা ডিজিটাইজার বাের্ডে রেখে সেই গ্রাফ বা ছবির উপর স্টাইলাস বুলিয়ে তাকে VDU এর পদায় দেখানাে যায় এবং তার স্থানাঙ্ক কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এভাবে ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদি প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

৪,৭২৬.
কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. অ্যাডার
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
-  যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
- n টি বিট দিয়ে 2n টি বাইনারি সংখ্যা লেখা যায়। যেমন- 3টি বিট দিয়ে 0000(0) থেকে 111(7) পর্যন্ত 2n = 8টি বাইনারি সংখ্যা লেখা সম্ভব।
- সুতরাং আউটপুট লাইনগুলোকে 0,1,2.... ইত্যাদি নম্বর দিলে ডিকোডারের সাহায্যে বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করা যা

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৭২৭.
RAM কোথায় থাকে?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিপিউ
  3. মাদারবোর্ড
  4. এক্সপানসন বোর্ড
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭২৮.
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির 20 - এর হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. F
  2. 20
  3. 24
  4. 14
ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬ যেখানে দশমিক পদ্ধতির বেস - ১০।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A,B,C,D,E,F।
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
দশমিক - 20 এর হেক্সাডেসিমাল মান - 14; অক্টাল মান - 24 এবং বাইনারি মান - 10100

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৪,৭২৯.
কোনটি তার বিহীন দ্রুত গতির ইন্টারনেট সংযোগের জন্য উপযোগী?
  1. ক) Wi-MAX
  2. খ) c-MOS
  3. গ) Bluetooth
  4. ঘ) Broadband
ব্যাখ্যা
- ওয়াইম্যাক্স এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (Worldwide Interoperability for Microwave Access) এবং এর IEEE নাম হলো 802.16।
- ওয়াইম্যাক্স (Wimax) এর মাধ্যমে মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক সৃষ্টি করা যায় স্ট্যান্ডার্ড বা IEEE নাম হলো 802.16।
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকা এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেরও ইন্টারনেট অ্যাকসেস সুবিধা পাওয়া যায়।
৪,৭৩০.
এটিএম মেশিন কোন ধরনের কম্পিউটার সিস্টেম এর উদাহরণ?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) এমবেডেড কম্পিউটার
  4. ঘ) পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

Embedded processor, a class of computer, or computer chip, embedded in various machines. These are small computers that use simple microprocessors to control electrical and mechanical functions.
They generally do not have to do elaborate computations or be extremely fast, nor do they have to have great input/output capability, and so they can be inexpensive.
Embedded processors help to control aircraft and industrial automation, and they are common in automobiles and in both large and small household appliances.

Source: britannica.com

৪,৭৩১.
Which protocol provides e-mail facility among different hosts?
  1. ক) FTP
  2. খ) SMTP
  3. গ) TELNET
  4. ঘ) SNMP
ব্যাখ্যা
SMTP (Simple Mail Transfer Protocol) is a TCP/IP protocol used in sending and receiving e-mail. However, since it is limited in its ability to queue messages at the receiving end, it is usually used with one of two other protocols, POP3 or IMAP that let the user save messages in a server mailbox and download them periodically from the server. SMTP usually is implemented to operate over Internet port 25.
Many mail servers now support Extended Simple Mail Transfer Protocol (ESMTP), which allows multimedia files to be delivered as e-mail.
Source: webopedia.com
৪,৭৩২.
একসাথে অনেক পরীক্ষার্থীর ফলাফল প্রস্তুতে সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম কোনটি?
  1. MS PowerPoint
  2. MS-DOS
  3. MS Excel
  4. MS Word
ব্যাখ্যা
পরীক্ষার ফলাফলের ডেটা পরিচালনার জন্য MS Excel হল সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন। কারণ এখানে নিম্নোক্ত সুবিধা পাওয়া যায় :

- Data Organization,

- Calculations,

- Data Validation,

- Sorting and Filtering,

- Data Export and Import.

 পাওয়ারপয়েন্ট হল একটি প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যার, যা প্রাথমিকভাবে স্লাইডশো তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, অন্যদিকে ওয়ার্ড হল একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম যা নথি তৈরি এবং ফর্ম্যাট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে  ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতার অভাব রয়েছে।

MS-DOS, অন্যদিকে, একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং ডেটা পরিচালনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৭৩৩.
একটি OR গেইটের একটি ইনপুট Low এবং অন্যটি High হলে আউটপুট কত ?
  1. ক) Low
  2. খ) high
  3. গ) low-high
  4. ঘ) high low
ব্যাখ্যা
Low মানে ০
High মানে ১
০ + ১ =১ (high) 
৪,৭৩৪.
আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত কোন ধরনের RAM ব্যবহার করা হয়?
  1. SRAM
  2. EEPROM
  3. DRAM
  4. Flash Memory
ব্যাখ্যা

• আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM (Dynamic RAM) ব্যবহার করা হয়। DRAM-এ প্রতিটি ডেটা বিট একেকটি ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত থাকে এবং সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়, তাই একে “ডাইনামিক” বলা হয়। এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম এবং ঘনত্ব বেশি হওয়ায় অল্প স্থানে বিপুল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ সম্ভব। যদিও এর গতি SRAM-এর তুলনায় ধীর, তবুও দাম কম এবং স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে DRAM-ই RAM হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) DRAM.
 
• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভাবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cache) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৩৫.
রেজিস্টার এবং ক্যাশ মেমোরি কোন ধরনের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) প্রধান মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) ইন্টারনাল মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইন্টারনাল মেমোরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমোরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমোরিকে বোঝানো হয়।

১.রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমোরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত। 

২. ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরিব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।

প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। 
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে।
- র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। 
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৬.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. প্লটার
  2. মনিটর
  3. স্পিকার
  4. ওএমআর
ব্যাখ্যা
• ওএমআর একটি ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:

- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:

- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট ডিভাইস নামে পরিচিত।

• আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

• ইনপুট ও আউটপুট উভয় হিসেবে ব্যবহৃত ডিভাইস হলো:
- টাচস্ক্রিন
- ডিজিটাল ক্যামেরা
- মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৭.
নিচের কোনটি জনপ্রিয় DBMS সফটওয়্যার?
  1. Photoshop
  2. AutoCAD
  3. Oracle
  4. Microsoft Word
ব্যাখ্যা

DBMS (Database Management System) হলো সফটওয়্যার যা ডাটাবেস তৈরি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। Oracle Database একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় DBMS সফটওয়্যার।

DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

অন্যান্য অপশনসমূহ,
Microsoft Word → Word Processing Software.
Photoshop → Graphics/Image Editing Software.
AutoCAD → Computer-Aided Design (CAD) Software.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৭৩৮.
00111+10101 এর বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 11000
  2. খ) 11101
  3. গ) 11100
  4. ঘ) 01100
ব্যাখ্যা
বাইনারি যোগ:
দুটি বাইনারি অংক যোগের জন্য চারটি নিম্নরূপ অবস্থা পাওয়া যায়:
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং এর সাথে হাতে 1 থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি (Carry) বলে)। 


সুতরাং, 00111+10101 = 11100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৩৯.
এক ন্যানোমিটার = কত মিটার?
  1. 10-6 মিটার
  2. 10-9 মিটার
  3. 10-3 মিটার
  4. 10-12 মিটার
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ 'nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- তবে ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- Merriam Webster অনলাইন ডিকশনারী অনুসারে ন্যানোটেকনোলজি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এক ন্যানোমিটার হচ্ছে এক মিটারের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ অর্থাৎ ১ ন্যানোমিটার (1nm) = 10-9 মিটার (m)।
- ন্যানোটেকনোলজির ক্ষেত্রে দুটি প্রক্রিয়া আছে। যথা-
ক. ক্ষুদ্র থেকে বৃহৎ (Bottom Up):
- এ পদ্ধতিতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র আকারের ছোট জিনিস দিয়ে বড় কোনো জিনিস তৈরি করা হয়।
- ন্যানো প্রযুক্তির সাহায্যে ন্যানোমিটার স্কেলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বস্তুর উপাদান দিয়ে কাঙ্ক্ষিত কোনো বস্তু তৈরি করা যায়।

খ. বৃহৎ থেকে ক্ষুদ্র (Top down):
- টপ ডাউন পদ্ধতিতে কোনো জিনিসকে কেটে ছোট করে, তাকে নির্দিষ্ট আকার দেয়া হয়।
- এক্ষেত্রে সাধারণত Etching প্রক্রিয়াটি সম্পর্কিত। আমাদের বর্তমান ইলেকট্রনিক্স হলো টপ ডাউন প্রযুক্তি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৭৪০.
OS-2 অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাৱন করে -
  1. মাইক্রোসফট
  2. আইবিএম
  3. গুগল
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা
IBM OS/2, in full International Business Machines Operating System/2, an operating system introduced in 1987 by IBM and the Microsoft Corporation to operate the second-generation line of IBM personal computers, the PS/2 (Personal System/2).

Source: Britannica
৪,৭৪১.
প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কী নামে পরিচিত?
  1. Mark-I
  2. IBM 701
  3. EDVAC
  4. Manchester Baby
ব্যাখ্যা

• প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারকে Mark-I নামে পরিচিত। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। Mark-I মূলত একটি যান্ত্রিক এবং বৈদ্যুতিক সংমিশ্রণ দ্বারা কাজ করত, তাই এটিকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। এটি বড় আকারের ছিল এবং ঘন্টায় কয়েকশো অঙ্কের হিসাব করতে সক্ষম ছিল। Mark-I প্রোগ্রামিংর জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করত এবং বিজ্ঞান ও সামরিক হিসাবের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটার আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করে।

- সঠিক উত্তর: ক) Mark-I

• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

অপশন আলোচনা:
- Manchester Baby:
- এটি ১৯৪৮ সালে তৈরি হওয়া প্রথম stored-program কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ছিল না; এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

- EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) তৈরি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল নয়।

- Mark-I:
- Harvard Mark-I (অথবা IBM Automatic Sequence Controlled Calculator - ASCC) ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
- এটি গণনার জন্য ইলেকট্রনিক সার্কিটের পাশাপাশি মেকানিক্যাল অংশও ব্যবহার করত।
- সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক উত্তর।

- IBM 701:
- এটি ১৯৫২ সালে IBM কোম্পানি দ্বারা তৈরি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৭৪২.
রিলেশনাল ডাটাবেজ কী?
  1. অনেকগুলো ইনডেক্স ফাইলের সমষ্টি
  2. ডেটা প্রিন্ট করার সফটওয়্যার
  3. শুধুমাত্র একটি ফাইলের সমষ্টি
  4. একাধিক সম্পর্কযুক্ত টেবিলের সমষ্টি
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৪,৭৪৩.
ফায়ারওয়াল কী ফিল্টার করে?
  1. ক) পকেট
  2. খ) ফাইল
  3. গ) পাসওয়ার্ড
  4. ঘ) প্যাকেট
ব্যাখ্যা
একটি কম্পিউটারকে হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করে ফায়ারওয়াল। এটা দিয়ে ইন্টারনেটের আইপি প্যাকেট ফিল্টার করা হয়। এটি প্রক্সি এপ্লিকেশন থেকেও নিরাপত্তা প্রদান করে।
৪,৭৪৪.
নিচের কোনটি ফাংশন কী নয়?
  1. ক) F9
  2. খ) F6
  3. গ) F12
  4. ঘ) Alt
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী: বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়। বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়। ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়। 

কন্ট্রোল কী: কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল ៖ কীসমূহ ব্যবহৃত হয়। কন্ট্রোল কীসমূহের মধ্যে এন্টার কী, কন্ট্রোল কী, অল্টার কী, শিফ্‌ট কী, ইস্কেপ কী ইত্যাদি অন্যতম ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৭৪৫.
ASCII কোডটি আবিষ্কার করে-
  1. Bell lab
  2. ANSI
  3. Xerox cor.
  4. Sony Cor.
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৪৬.
কম্পিউটারের আইকিউ (IQ) কত?
  1. 0
  2. 120+
  3. 120
  4. 200
ব্যাখ্যা
• আমরা অনেকেই জানি আই-কিউ (I.Q) হচ্ছে ইনটেলিজেন্স কোশেন্ট (Intelligence Quotient) এর সংক্ষিপ্তরুপ। আর এর বাংলা অর্থ হচ্ছে ‘বুদ্ধ্যঙ্ক’ বা বুদ্ধির পরিমাপ।
• বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করার পদ্ধতি হলো বুদ্ধাঙ্ক।
- ইংরেজিতে একে বলা হয় - Intelligence quotient বা IQ.
- কারো IQ নির্ণয় করা বেশ কষ্টসাধ্য একটা বিষয়। স্টানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এল. এম. টারম্যান সর্বপ্রথম ১৯১৬ সালে বুদ্ধাংক পরিমাপের গাণিতিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। যাকে তিনি নাম দেন IQ বা Intelligence Quotient.

• তার আবিস্কৃত গানিতিক সূত্রটি হলো - 
- বুদ্ধাংক (IQ) = (মানসিক বয়স / প্রকৃত বয়স ) × ১০০। 

• কম্পিউটার একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে ঠিক কী করতে হবে তা কল্পনা করতে বা চিন্তা করতে পারে না। যদি না তাকে সেই পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য প্রোগ্রাম বা নির্দেশনা দেয়া হয়। কম্পিউটারগুলিকে অবশ্যই প্রতিটি ক্রিয়া সম্পাদনের জন্য নির্দেশনা দিতে হয়। 
- নির্দেশনা ছাড়া কম্পিউটার একটি বোকা যন্ত্র ছাড়া আর কিছু নয়। তাই কম্পিউটারের IQ শূন্য। 
৪,৭৪৭.
ডিজিটাল সিস্টেমের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. Bit
  2. Byte
  3. Character
  4. Kilobyte
ব্যাখ্যা
• ১ বাইট = ৮ বিট 
• ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট 
= ১০২৪ × ৮ বিট 
= ৮১৯২ বিট 

ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 
১ ASCII-code = ১ বাইট = ৮ বিট 
১ UTF-16 character = ২ বাইট = ১৬ বিট

∴ সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম একক বিট (Bit)।

উৎস: ব্রিটানিকা 
৪,৭৪৮.
LIFO data structure কোনটি?
  1. ক) Queue
  2. খ) Stack
  3. গ) File
  4. ঘ) Testa
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Stack- কে বলা হয় LIFO ডেটা স্ট্রাকচার। Stack এ দুই ধরনের Operation হয়; যথা- Push এবং Pop .
৪,৭৪৯.
কোনটি ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার?
  1. Netflix
  2. Steam
  3. Skype
  4. 7-Zip
ব্যাখ্যা
• ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা বড় ফাইল বা ডাটাকে ছোট আকারে সংকুচিত করে, যাতে সেগুলো সহজে সংরক্ষণ এবং দ্রুত আদান-প্রদান করা যায়। উপরের অপশনগুলোর মধ্যে ৭-জিপ (7-Zip) একটি জনপ্রিয় ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার। এটি ফাইলগুলোকে জিপ, রার, এবং অন্যান্য ফরম্যাটে কমপ্রেস করতে সক্ষম, ফলে ফাইলের সাইজ কমে যায় এবং স্টোরেজ স্পেস বাঁচে। অন্যদিকে, Netflix হলো একটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, Steam একটি গেম ডিস্ট্রিবিউশন সার্ভিস, আর Skype একটি ভিডিও কলিং ও মেসেজিং অ্যাপ।
- তাই ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার হিসেবে 7-Zip সঠিক উত্তর।


• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৪,৭৫০.
UPS- এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Unportable power Source
  2. Uninterrupted Power Supply
  3. United Parcel Source
  4. United Power Supply
ব্যাখ্যা
ইউপিএস (UPS):
- UPS- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply. এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়।
- ইউপিএস যন্ত্রটি সরাসরি বিদ্যুৎ লাইনের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং এর আউটপুট লাইনের সাথে কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট সংযুক্ত থাকে। ফলে হঠাৎ করে বিদ্যুৎ চলে গেলে ইউপিএস (UPS) থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হয়।
- প্রকারভেদে UPS পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পর্যন্ত ক্রমাগত বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারে।
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ১০), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৫১.
নিচের কোনটি কী ফিল্ডের কাজ নয়?
  1. রেকর্ড শনাক্তকরণ
  2. রেকর্ড প্রিন্ট করা
  3. রেকর্ড অনুসন্ধান
  4. ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন
ব্যাখ্যা
রেকর্ড প্রিন্ট করা কী ফিল্ডের কাজ নয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে ভাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

• ফরেন কী:
- রিলেশন টেবিলের ক্ষেত্রে কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৫২.
কোনটি কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) কমপ্যাক্ট ডিস্ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৭৫৩.
যেসব দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে আট বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে কোন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৭৫৪.
Which shortcut is used to find a specific word or phrase in a document?
  1. Ctrl + E
  2. Ctrl + F
  3. Ctrl + D
  4. Ctrl + C
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
- Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
- Ctrl + D কী দিয়ে কোন ওয়েবপেজকে বুকমার্ক করবার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যেখানে আনার জন্য (center alignment)।
- Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খুজার জন্য।
- Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।

উৎস: Microsoft support.
৪,৭৫৫.
স্কাইপ (Skype) এক ধরনের -
  1. ক) সার্চ ইঞ্জিন
  2. খ) ভিডিয়ো যোগাযোগ মাধ্যম
  3. গ) ওয়েব ব্রাউজার
  4. ঘ) ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
স্কাইপ (Skype)
- স্কাইপ একটি ভিডিয়ো যোগাযোগ মাধ্যম, ভিওআইপি সেবা ও সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম।
- ২০০৩ সালে ডেনমার্কের ধমিজা, জানুজ ফ্রিজ ও সুইডেনের নিকোলাস জেনস্ট্রম সম্মিলিতভাবে স্কাইপ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে এটি মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন।

মাইক্রোসফট (Microsoft)
- ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং তাঁর বন্ধু পল অ্যালেন মিলে মাইক্রোসফট প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাইক্রোসফটের বর্তমান সিইও সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন শহরের রেডমন্ডে অবস্থিত।
- মাইক্রোসফটের সার্ভিসসমূহ: OneDrive, Skype, LinkedIn, Microsoft Word, Microsoft Excel, Microsoft PowerPoint, Microsoft Access, Microsoft Edge, Outlook, Hotmail প্রভৃতি।

সূত্র: মাইক্রোসফটের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৭৫৬.
নিচের কোনটি NAND গেইট?
    ব্যাখ্যা
    • NAND গেইট:
    → AND গেইট + NOT গেইট = NAND গেইট।
    → NAND গেইট AND গেইটের বিপরীত।
    → NAND গেইটে সবগুলো ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 হয়। অন্যথায় আউটপুট 1 হয়।
    → অর্থাৎ, NAND গেইটে দুটি ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে।
    → NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
    → কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

    figure: NAND গেইট।

    figure: NAND গেইটের সত্যক সারণি।

    অপশন আলোচনা:
    ..........................................................................................................
    অপশন (ক) → AND গেইট।

    ............................................................................................................
    অপশন (খ) → OR গেইট।

    ............................................................................................................
    অপশন (গ) → NOR গেইট।

    .............................................................................................................
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৪,৭৫৭.
    কী ছাড়া আইসিটি যন্ত্র ব্যবহার কল্পনা করা যায় না?
    1. ক) মোবাইল ফোন
    2. খ) রেডিও
    3. গ) টেলিভিশন
    4. ঘ) ইন্টারনেট
    ব্যাখ্যা
    কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
    ৪,৭৫৮.
    ভালো পারফরম্যান্স ও সামঞ্জস্য নিশ্চিত করতে সাধারণত কোন ড্রাইভে উইন্ডোজ ইনস্টল করা হয়?
    1. C drive
    2. G drive
    3. H drive
    4. Pendrive
    ব্যাখ্যা
    • ভালো পারফরম্যান্স ও সামঞ্জস্য নিশ্চিত করার জন্য সাধারণত উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমটি C drive-এ ইনস্টল করা হয়। কারণ C drive হল কম্পিউটারের প্রধান হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ, যেখানে সিস্টেম ফাইল, প্রোগ্রাম ফাইল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ডেটা রাখা হয়। এটি ডিফল্ট ড্রাইভ হিসেবে কাজ করে, যার মাধ্যমে উইন্ডোজ সহজে ও দ্রুত কাজ করতে পারে। অন্য ড্রাইভ যেমন G, H বা Pendrive সাধারণত ডাটা স্টোরেজ বা পোর্টেবল ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেগুলো থেকে উইন্ডোজ চালানো বা ইনস্টল করা কার্যকর হয় না। তাই সঠিক ও দক্ষ অপারেশনের জন্য C drive-এ উইন্ডোজ ইনস্টল করাই উত্তম।

    • অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
    - অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
    - সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
    - C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
    - ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
    - একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৪,৭৫৯.
    Firewall কেন ব্যবহৃত হয়?
    1. ডিভাইসকে আগুন থেকে রক্ষা করতে।
    2. ভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাঁচাতে।
    3. ডাটা-ড্রাইভেন আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে।
    4. অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা করতে।
    ব্যাখ্যা
    • ফায়ারওয়াল (Firewall):
    - অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
    - ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
    - কোনো কম্পিউটারের সফ্টওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
    - সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
    - ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gatekeeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
    - ফায়ারওয়াল পদ্ধতি ব্যবহার করে একইসাথে অবৈধ ব্যক্তির প্রবেশ রোধ করা যায় এবং ডেটা বা অন্যান্য সিস্টেমের সিকিউরিটি নিশ্চিত করা যায়।
    - ফায়ারওয়াল অথোরাইজ অ্যাক্সেসকে যাচাইয়ের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করার অনুমোদন দেয়। 


    উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৬০.
    লগারিদমের সারণী আবিষ্কার করেন -
    1. আইজ্যাক নিউটন
    2. ব্লেইজ প্যাসকেল
    3. উইলিয়াম অটরেড
    4. জন নেপিয়ার
    ব্যাখ্যা
    ♦ নেপিয়ারের অস্থি বা হাড়:
    - ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
    - তিনি ১৬১৭ সালে দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
    - এসব দণ্ড নেপিয়ারের অস্থি নামে পরিচিত।
    - নেপিয়ারের যন্ত্রে দশটি দণ্ড এবং প্রত্যেক দণ্ডে দশটি করে সংখ্যা ছিল।
    - ফলে গুণ ও ভাগের কাজ করা সহজ হয়ে যায় এবং যন্ত্রটি ব্যবহার করে, এমনকি বর্গমূল নির্ণয় করা সম্ভব ছিল।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৬১.
    Assembly Language is also known as-
    1. Machine Language
    2. Symbolic Language
    3. Human Language
    4. FORTRAN
    ব্যাখ্যা
    এ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক (Symbolic) ভাষাও বলা হয়।

    • কম্পিউটারে যে সব ভাষা ব্যবহার হয় তা তিন ধরনের হয়ে থাকে। যেমন-
    (ক) যান্ত্রিক ভাষা (Machine Language),
    (খ) এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
    (গ) উচ্চস্তরের ভাষা (High Level Language).

    • এ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
    - এ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক (Symbolic) ভাষাও বলা হয়।
    - এর প্রচলন শুরু হয় 1950 সাল থেকে।
    - যান্ত্রিক ভাষায় প্রোগ্রাম তৈরী, কঠিন কাজকে সহজ করে তুলা, সময়ের অপচয় দূর করা, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ও পরিবর্তনের কাজ সহজতর করে গতিশীল করার জন্যই এ্যাসেম্বলি ভাষার উন্নয়ন করা হয়েছে।
    - অনুবাদের কাজটি করে এ্যাসেম্বলার (Assembler) নামক একটি সফটওয়্যার।
    - এ্যাসেম্বলারের কাজ হচ্ছে এ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নির্দেশকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করা এবং কার্যকর করা।

    • এ্যাসেম্বলি ভাষার সুবিধা ও অসুবিধা:
    (১) যান্ত্রিক ভাষার চেয়ে এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা সহজ।
    (২) এই ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করতে কম সময় লাগে।
    (৩) সহজে ভুল সনাক্ত করা এবং সংশোধন ও পরিবর্তন করা যায়।

    উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৬২.
    নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়‍্যার নয়?
    1. Norton
    2. AVG
    3. McAfee
    4. Spotify
    ব্যাখ্যা
    Spotify:
    - Spotify একটি মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।
    - এটি ব্যবহারকারীদের গান শোনা এবং প্লেলিস্ট তৈরি করার সুযোগ দেয়, কিন্তু এটি কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য কোনও ফিচার বা সেবা প্রদান করে না।

    এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
    - ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
    - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
    - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
    - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

    কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
    - AVG, AVAST, Norton, Panda, AVG, AVAST, Norton, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৬৩.
    বায়োমেট্রিক্স কী?
    1. তথ্য এনক্রিপশন পদ্ধতি
    2. নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি
    3. পরিচয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি
    4. ডেটা সংরক্ষণ প্রযুক্তি
    ব্যাখ্যা

    • বায়োমেট্রিক্সে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

    • বায়োমেট্রিক্স:
    - বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।

    - এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখমণ্ডল অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

    • দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যথা—

    ১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
    - আঙুলের ছাপ,
    - হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
    - মুখমণ্ডলের অবয়ব,
    - চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

    ২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
    - কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
    - স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
    - কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

    ৪,৭৬৪.
    প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি 'ফ্লিপ-ফ্লপ' সার্কিট নিচের কোনটি সংরক্ষণ করতে সক্ষম?
    1. এনালগ সিগন্যাল
    2. ০ বা ১ বাইনারি বিট
    3. শুধুমাত্র অডিও ফাইল
    4. হাই ভোল্টেজ ইলেক্ট্রিসিটি
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর - খ) ০ বা ১ বাইনারি বিট  

    • প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
    - প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    - এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
    - আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
    - প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম
    - কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

    ক. RAM (Random Access Memory):
    - র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
    - সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
    - কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।

    খ. রম (ROM):
    - কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
    - কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
    - ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।


    উৎস: 
    ১। Geeksforgeeks [Link]
    ২। Computer & ICT Cloud

    ৪,৭৬৫.
    নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার?
    1. ক) IBM-370
    2. খ) PDP-8
    3. গ) GE-600
    4. ঘ) RCA-501
    ব্যাখ্যা

    RCA-501 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

    ১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো সেগুলির দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মধ্যে পড়ে এই দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান গুলি হল ট্রানজিস্টার ট্রানজিস্টার আবিষ্কার করেন লাইব্রেরীতে ১৯৪৭ সালে ওয়ান্টেড ব্রিটেন ও উয়িলিয়াম ও জন বারদী।

    দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য
    -ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
    -কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
    -প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
    -আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
    -ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
    -টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।

    উদাহরণ- IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

    ৪,৭৬৬.
    Which of the following is not an input device?
    1. Trackball
    2. OCR
    3. Plotter
    4. Light pen
    ব্যাখ্যা
    Plotter is not an input device.
    It is a output device.

    • ইনপুট ডিভাইস
    যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
    এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
    উদাহরণ:
    - কি-বোর্ড (Keyboard), 
    - ওএমআর (OMR),
    - মাউস (Mouse),
    - ওসিআর (OCR),
    - ট্র্যাকবল (trackball),
    - স্ক্যানার (Scanner),
    - জয়স্টিক (Joystick),
    - ডিজিটাইজার (Digitizer),
    - টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
    - লাইটপেন (Lightpen),
    - বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
    - গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
    - পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
    - ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera); ইত্যাদি।

    • আউটপুট ডিভাইস:
    কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
    আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
    - মনিটর (Monitor),
    - প্রিন্টার (Printer),
    - প্লটার (Ploter),
    - স্পিকার (Speaker),
    - মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
    - ইমেজ সেটার (Image Setter),
    - ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder),
    - হেডফোন (Headphone); ইত্যাদি।

    • ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
    কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়।
    যেমন:
    - হার্ডডিস্ক,
    - সিডি বা ডিভিডি,
    - পেনড্রাইভ,
    - টাচ স্ক্রিন; ইত্যাদি।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
    মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৬৭.
    নিচের কোনটি ১গিগাবাইট এর সমান?
    1. ক) ১০ বাইট
    2. খ) ১০ বাইট
    3. গ) ১০ বাইট
    4. ঘ) ১০ বাইট
    ব্যাখ্যা

    ১ গিগাবাইট = ১০ মেগাবাইট = ১০ কিলোবাইট = ১০ বাইট

    ৪,৭৬৮.
    নিচের কোনটি EDSAC-এর সঠিক পূর্ণরূপ?
    1. Electronic Delay Storage Automatic Calculator
    2. Electronic Delay System Analysis Computer
    3. Electronic Digital Storage and Calculator
    4. Enhanced Data Storage Automatic Computer
    ব্যাখ্যা
    • EDSAC:
    - EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
    - EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
    - EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
    - কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

    • কিছু গুরুত্বপূর্ণ পূর্ণরূপ:
    - EDSAC - Electronic Delay Storage Automatic Calculator,
    - CPU - Central Processing Unit,
    - RAM - Random Access Memory,
    - ROM - Read-Only Memory,
    - URL - Uniform Resource Locator,

    - HTTP - HyperText Transfer Protocol,
    - FTP - File Transfer Protocol,
    - BIOS - Basic Input/Output System,
    - USB - Universal Serial Bus,
    - SQL - Structured Query Language,
    - GPU - Graphics Processing Unit,

    - AI - Artificial Intelligence,
    - LAN - Local Area Network,
    - WAN - Wide Area Network,
    - JSON - JavaScript Object Notation,
    - SSH - Secure Shell,

    - DNS - Domain Name System,
    - IDE - Integrated Development Environment,
    - HTTPs - HyperText Transfer Protocol Secure,
    - XML - Extensible Markup Language.

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
    ৪,৭৬৯.
    2 বিটে সর্বোচ্চ কতটি ভিন্ন সংখ্যা প্রকাশ করা যায়?
    1. 2
    2. 3
    3. 4
    4. 8
    ব্যাখ্যা

    ◉ বিট (Bit) হল বাইনারি ডিজিট (0 বা 1)।
    2 বিট দিয়ে তৈরি সম্ভাব্য সংখ্যা: 
    00 (দশমিকে 0)
    01 (দশমিকে 1)
    10 (দশমিকে 2)
    11 (দশমিকে 3)

    মোট 4টি ভিন্ন সংখ্যা (0 থেকে 3 পর্যন্ত) প্রকাশ করা যায়।

    বিট ও বাইট:
    - ১ বাইট =৮ বিট।
    - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
    - বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
    - ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
    - ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
    - ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
    - ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
    - ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
    - ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
    - ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
    - ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
    - ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
    - ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
    - ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।

    ৪,৭৭০.
    কম্পিউটার সাধারণত কোন তিনটি ধাপের মাধ্যমে সমস্যা সমাধান করে?
    1. ডাটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ
    2. ইনপুট গ্রহণ, প্রক্রিয়াকরণ, আউটপুট প্রদান
    3. সংরক্ষণ, প্রিন্ট, প্রদর্শন
    4. গণনা, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা
    ব্যাখ্যা

    • কম্পিউটার যেকোনো সমস্যা সমাধানে মূলত Input → Processing → Output ধাপ অনুসরণ করে, যেখানে ডাটা গ্রহণ করে প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল প্রদান করা হয়।

    • কম্পিউটার:
    - কম্পিউটার একটি প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
    - এটি ডাটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে, ফলাফল সংরক্ষণ ও প্রয়োজনে প্রদান করে।
    - দ্রুতগতি, নির্ভুলতা, স্বয়ংক্রিয়তা, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা ইত্যাদি এর বৈশিষ্ট্য।
    - আধুনিক সভ্যতায় কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    • কম্পিউটারের কাজের ধাপ:
    - ইনপুট গ্রহণ: ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডাটা ও নির্দেশ গ্রহণ করা।
    - প্রক্রিয়াকরণ: কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে (CPU) ডাটার উপর গণনা বা যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করা।
    - আউটপুট প্রদান: প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল প্রদর্শন বা সরবরাহ করা।
    - এই তিনটি ধাপের মাধ্যমেই সাধারণত কম্পিউটার যেকোনো সমস্যা সমাধান করে।

    • কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি:
    - ‘Computer’ শব্দটি ল্যাটিন ‘Computare’ শব্দ থেকে এসেছে।
    - ‘Compute’ শব্দের অর্থ গণনা করা।
    - আভিধানিক অর্থে কম্পিউটার হলো গণনাকারী বা হিসাবকারী যন্ত্র।

    • কম্পিউটারের সংজ্ঞা:
    - এটি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে ডাটা গ্রহণ করে।
    - কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাহায্যে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ করে।
    - আউটপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।
     
    • অন্যান্য অপশন:
    - ডাটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ → ডাটা প্রক্রিয়ার অংশ হলেও মূল তিন ধাপ নয়।
    - সংরক্ষণ, প্রিন্ট, প্রদর্শন → আউটপুটের অংশ, পূর্ণ প্রক্রিয়া নয়।
    - গণনা, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা → আংশিক কাজ, পূর্ণ সমস্যা সমাধান ধাপ নয়।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪,৭৭১.
    নিচের কোনটি GUI (Graphical User Interface)-এর একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য?
    1. শুধুমাত্র টেক্সট কমান্ড ব্যবহার করা
    2. আইকন এবং মাউস পয়েন্টারের ব্যবহার
    3. ভয়েস রিকগনিশন বাধ্যতামূলক হওয়া
    4. শুধুমাত্র কী-বোর্ড দিয়ে ইনপুট প্রদান
    ব্যাখ্যা

    • গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা GUI হলো এমন একটি কম্পিউটার ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে ছবি, আইকন, মেনু এবং পয়েন্টার মাধ্যমে ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি কমান্ড মুখস্থ রাখার জটিলতা দূর করে কম্পিউটার ব্যবহারকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে তুলেছে।

    • অপারেটিং সিস্টেম:
    - কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

    • ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
    - অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

    • চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
    - চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
    - আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
    - চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
    - প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
    - চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

    • চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
    - Windows 95/98/Xp/2000/7,
    - Mac OS, ইত্যাদি।

    • বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
    - বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
    - ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

    • বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
    - MS-DOS,
    - PC DOS,
    - CP/M, ইত্যাদি।

    উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
    ২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

    ৪,৭৭২.
    নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
    1. ক) কম্পাইলার
    2. খ) ইন্টারপ্রেটার
    3. গ) সোর্স প্রোগ্রাম
    4. ঘ) অ্যাসেম্বলার
    ব্যাখ্যা
    কম্পাইলার: কম্পাইলার হল একধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম, যা হাই লেভেল ভাষার উৎস প্রােগ্রামকে বস্তু প্রােগ্রামে অনুবাদ করে।

    ইন্টারপ্রেটার: যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামের সোর্স কোডকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে, কোন ভুল থাকলে তা সংশোধন করে পরবর্তী লাইনে কাজ করে তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।

    অ্যাসেম্বলার: অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করার জন্য যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অ্যাসেম্বলার বলে।

    সোর্স প্রোগ্রাম: উৎস কোড বা সোর্স কোড হল এক বা একাধিক কমান্ডের লিখিত তালিকা যা কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম একজিকিউট হয়। হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের উৎস কোড মানুষের জন্য বোঝার সুবিধা হলেও কম্পিউটারের জন্য নয়। তাই তা একজিকিউট করতে কম্পিউটারকে তা কম্পাইল বা ইন্টারপ্রেট করতে হয়।
    ৪,৭৭৩.
    'UNIVAC' এর পূর্ণরূপ-
    1. ক) Universal Automatic Computer
    2. খ) Universe Automatic Calculator
    3. গ) Universial Automatic Computer
    4. ঘ) Universal Automatic Calculator
    ব্যাখ্যা
    জন মাউসলি ও প্রেসপার একার্ট ১৯৫১ সালে ইউনিভ্যাক (UNIVAC = Universal Automatic Computer) তৈরি করেন। এটা ছিল বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
    ৪,৭৭৪.
    ২ নিবল = কত বিট?
    1. ২ বিট
    2. ৪ বিট
    3. ৮ বিট
    4. ১৬ বিট
    ব্যাখ্যা

    • একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিটের সমান। কম্পিউটার সিস্টেমে বিট (Bit) হলো সর্বনিম্ন তথ্যের একক, যা কেবল ০ বা ১ হতে পারে। ৮ বিট এক বাইটের সমান এবং ৪ বিট এক নিবলের সমান। তাই, যদি ২ নিবলকে বিটে রূপান্তর করি, তাহলে ২ × ৪ = ৮ বিট হয়। অর্থাৎ, ২ নিবল ৮ বিট সমান। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে গ) ৮ বিট। এই ধারণাটি ডেটা স্টোরেজ এবং প্রসেসিং এর মূল ভিত্তি হিসেবে কম্পিউটার আর্কিটেকচারে ব্যবহার করা হয়।

    সঠিক উত্তর: গ) ৮ বিট।

    • বিট ও বাইট:
    - বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
    - বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
    - ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

    - ১ নিবল = ৪ বিট।
    - ১ বাইট = ৮ বিট।
    - ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
    - ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
    - ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
    - ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
    - ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
    - ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
    - ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
    - ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
    - ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

    উৎস:
    ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ৪,৭৭৫.
    সনি কর্পোরেশনের তৈরি রোবটের নাম কোনটি?
    1. ক) রোবোরো
    2. খ) আইবো
    3. গ) আসিমো
    4. ঘ) মুরাতা বয়
    ব্যাখ্যা
    - কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট।
    - প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
    - জাপানের মুরাতা কোম্পানির রোবট 'মুরাতা বয়'।
    - হোন্ডা কোম্পানির রোবট 'আসিমো'।
    - স্যামসাং কোম্পানির রোবট 'রোবোরো'।
    - হংকং ভিত্তিক হ্যানসন রোবটিক্স কোম্পানির রোবট 'সোফিয়া'।
    - সনি কর্পোরেশন কোম্পানির রোবট 'আইবো'

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৭৬.
    মডেমের কোন অংশ অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে থাকে?
    1. এনকোডার
    2. ডি-মডুলেটর
    3. মডুলেটর
    4. গেটওয়ে
    ব্যাখ্যা
    • মডেম:
    - মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
    - কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
    - মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।

    • মডেমের দুটি অংশ। যথা:
    ১. মডুলেটর (Modulator) ও
    ২. ডি-মডুলেটর (De-modulator)।

    • মডুলেটর:
    - মডেম মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ (Analog) সংকেতে রূপান্তর করে।
    - এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।

    • ডি-মডুলেটর:
    - ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
    - এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।
    - বাজারে বিভিন্ন গতি সম্পন্ন মডেম পাওয়া যায়। যেমন- 600 kbps, 1200 kbps, 2400 kbps ইত্যাদি।

    • অন্যান্য অপশন আলোচনা:
    • এনকোডার:
    - এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

    • গেটওয়ে:
    - গেটওয়ে একটি নেটওয়ার্ককে আরেকটি নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
    - ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করতে হয়।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ৪,৭৭৭.
    Android অপারেটিং সিস্টেম কোন ভাষায় তৈরি?
    1. C++
    2. Java
    3. Python
    4. JavaScript
    ব্যাখ্যা

    Android অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে মূলত Java ভাষা ব্যবহার করে। Android SDK এবং API-গুলো Java-ভিত্তিক।

    Android OS:
    - অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
    - এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
    - এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
    - অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
    - অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
    - APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
    - Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
    - Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।

    উৎস: গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

    ৪,৭৭৮.
    MAC address কোন ফরম্যাটে লেখা হয়?
    1. Binary format
    2. Octal format
    3. Decimal format
    4. Hexadecimal format
    ব্যাখ্যা
    - MAC address হল একটি 12-সংখ্যার হেক্সাডেসিমেল নাম্বার (6-বাইট বাইনারি নম্বর), যা বেশিরভাগ কোলন-হেক্সাডেসিমেল নোটেশন ব্যবহার করা হয়। 
    - ইহা একটি ৪৮ বিট বিশিষ্ট নাম্বার। 
    - MAC address মূলত এই ফরমেট অনুসরণ করে: XX:XX:XX:XX:XX:XX
    - ইহা একটি ইউনিক এড্রেস। দুটি ডিভাইসের একই MAC ঠিকানা থাকতে পারে না।
    ৪,৭৭৯.
    কোনটি ই-বুক রিডার হিসেবে ব্যবহৃত হয়? 
    1. সাফারি
    2. ক্রোম
    3. কিউরিও
    4. কিন্ডল 
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর - ঘ) কিন্ডল 

    • ই-বুক (Ebook):
    - ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'।
    - প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়।
    - যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়।
    - এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়।
    - প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
    - ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)।
    - তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।

    • বাকি অপশনগুলো-
    সাফারি এবং ক্রোম: এগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারে, তবে এগুলো ই-বুক রিডার হিসেবে পরিচিত নয়।  
    কিউরিও: এটি একটি ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা ওয়েব ব্রাউজারের সাথে ব্যবহার করা হয়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

    ৪,৭৮০.
    ভিবিএস/হেল্পার কী?
    1. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
    2. কম্পিউটার ভাইরাস
    3. ফায়ারওয়াল প্রোটেকশন
    4. অপারেটিং সিস্টেম
    ব্যাখ্যা

    • ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়।
    - এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

    • ভিবিএস/হেল্পার: 
    - এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
    - এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

    • Computer Virus: 
    - কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
    - কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।

    • কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
    - ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

    উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

    ৪,৭৮১.
    কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার নয়?
    1. Windows XP
    2. Linux
    3. DOS
    4. MS Word
    ব্যাখ্যা
    MS Word সিস্টেম সফটওয়্যার নয়। এটি একটি এপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

    • সিস্টেম সফটওয়্যার:
    - সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
    - এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
    - কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
    - সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
    - DOS, Windows XP, Linux, Unix, Mac OS ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ।
    - আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৮২.
    MIPS সাধারণত কোন বিষয়টি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়?
    1. নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ
    2. ডিস্কের কর্মক্ষমতা
    3. মেমোরির ধারণক্ষমতা
    4. প্রসেসরের গতি
    ব্যাখ্যা

    • MIPS হলো “Million Instructions Per Second” বা প্রতি সেকেন্ডে মিলিয়ন নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষমতা। এটি মূলত প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বা গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। একটি কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর কত দ্রুত প্রোগ্রামের নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারে তা MIPS দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এটি নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ, ডিস্কের কর্মক্ষমতা বা মেমোরির ধারণক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি প্রসেসর ৫০০ MIPS হয়, তবে তা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সক্ষম। তাই, প্রসেসরের গতি মাপার ক্ষেত্রে MIPS একটি প্রচলিত একক।

    - সঠিক উত্তর: ঘ) প্রসেসরের গতি। 

    • MIPS:
    - MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
    - এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
    - যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
    - এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
    - একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

    উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

    ৪,৭৮৩.
    আমরা কম্পিউটারে যে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করি এগুলো কী ধরনের সফটওয়্যার?
    1. Device driver software
    2. Utility software
    3. Operating system
    4. Software driver
    ব্যাখ্যা
    ইউটিলিটি সফটওয়্যারঃ
    সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।

    নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার; 
    ১। এন্টিভাইরাস 
    ২। অনুবাদক সফটওয়্যার 
    ৩। ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার  
    ৪। ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার  
    ৫। ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
    ৬। ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
    ৭। সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
    ৮। লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

    - সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
    - অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
    - ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
    ইত্যাদি।
    - উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
    - সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।

    সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৮৪.
    কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট না করে সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য কম্পিউটারের MAC অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যাল পাঠায় নিচের কোনটি?
    1. হাব
    2. রাউটার
    3. গেটওয়ে
    4. সুইচ
    ব্যাখ্যা
    নেটওয়ার্ক ডিভাইস:
    - কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য কম্পিউটারগুলো যুক্ত করতে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হয় সেগুলোকে নেটওয়ার্ক ডিভাইস বলা হয়।
    - এসব যন্ত্রপাতি মূলত নেটওয়ার্কে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সংকেত ও ডেটাকে তার সঠিক গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করে।
    - এসব যন্ত্রপাতির মধ্যে রয়েছে- মডেম, হাব, রাউটার, গেটওয়ে, সুইচ, নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড ইত্যাদি।

    • সুইচ:
    - নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
    - কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচেন্ন ৰুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
    - সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
    - শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
    - সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
    - এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
    - একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
    ৪,৭৮৫.
    What is a compiler?
    1. A device used to display computer code on a screen.
    2. A hardware component is responsible for executing instructions.
    3. Hardware used for debugging software programs.
    4. A software program that translates high-level programming languages into machine code.
    ব্যাখ্যা
    • অনুবাদক প্রোগ্রাম:
    - যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
    - তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

    ১. কম্পাইলার (Compiler):
    - যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
    - কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
    - যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে। 

    ২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
    - যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে। 
    - যেমন: জাভা, পাইথন।

    ৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
    - অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
    - যেমন: GAS, GNU Assembler.

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
    ৪,৭৮৬.
    কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত - 
    1. মিলিসেকেন্ডে
    2. ন্যানোসেকেন্ডে
    3. মাইক্রোসেকেন্ডে
    4. ম্যাক্রোসেকেন্ডে
    ব্যাখ্যা
    কম্পিউটার: 
    - Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
    - পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
    - কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
    - কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
    - কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
    - ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 

    - ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
    - মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
    - ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
    ৪,৭৮৭.
    নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
    1. ওয়ার্ম
    2. হপার
    3. নরটন
    4. ট্রোজান হর্স
    ব্যাখ্যা
    নরটন একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

    • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

    - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
    - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

    • উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
    - এভিজি,
    - অ্যাভাস্ট,
    - নরটন,
    - এভিরা,
    - পান্ডা, ইত্যাদি।

    • কম্পিউটার ভাইরাস:
    - বিখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
    - মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের সংক্রমণ বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

    • উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
    - ভিবিএস/হেল্পার,
    - ওয়ার্ম,
    - ভিবিএস/আকুই,
    - ট্রোজান হর্স,
    - এক্স ৯৭এম/হপার,
    - বুট সেক্টর ভাইরাস,
    - জেরুজালেম,
    - স্টোন,
    - ঢাকা ভাইরাস,
    - ভিয়েনা,
    - সিআইএইচ, ইত্যাদি।

    উৎস:
    ২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৩. ব্রিটানিকা।
    ৪,৭৮৮.
    নিচের কোনটি নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার নয়?
    1. থার্মাল প্রিন্টার
    2. লেজার প্রিন্টার
    3. লাইন প্রিন্টার
    4. ইংকজেট প্রিন্টার
    ব্যাখ্যা
    • প্রিন্টার:
    - প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
    - কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
    - কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
    - কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

    ১. ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
    - যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
    - এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
    - দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
    - ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

    ২. নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
    - যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
    - এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
    - দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
    - নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৮৯.
    কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার নয়?
    1. Android
    2. Windows 10
    3. Microsoft excel
    4. Disk cleaner
    ব্যাখ্যা
    Microsoft excel হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার।

    সফটওয়্যার
    সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে।
    সফটওয়‍্যারের উদাহরণগুলো হলো: DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, ইত্যাদি ।

    সফটওয়্যার ২ প্রকার:

    ১। সিস্টেম সফটওয়‍্যার,
    ২। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার।

    •সিস্টেম সফটওয়‍্যার:
    এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
    পাবেন:-
    - Windows OS (windows 8, 7, 10),
    - Mac OS,
    - Android,
    - Anti virus (Avast, quick heal, Kaspersky),
    - Computer language translators,
    - Linux OS, UNIX, SUN Solaris DCompiler,
    - Disk cleaner,
    - Disk compression/File compression,
    - Backup utility software,
    - Network management software.

    •অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যার:
    যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
    ১। Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note, ইত্যাদি।
    ২। Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro, ইত্যাদি।
    ৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access, ইত্যাদি।
    ৪। Internet browser: Google chrome, Firefox, Opera mini, ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
    বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৯০.
    OMR কোন ধরনের যন্ত্র?
    1. তাপ সংবেদনশীল স্ক্যানার
    2. মাইক্রোফোন স্ক্যানার
    3. আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার
    4. অডিও সংবেদনশীল স্ক্যানার
    ব্যাখ্যা
    • OMR:
    - OMR- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Optical Mark Recognition.
    - যে যন্ত্রের সাহায্যে পেন্সিল বা কালির দাগ পাঠ করার ব্যবস্থা করা হয় সে যন্ত্রকে অপটিক্যাল মার্ক রিকগনিশন বলে।
    - এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
    - কম্পিউটার উক্ত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল তৈরি করে।
    - সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।
    - ওসিআর, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ট্যাকবল, টাচ স্ক্রিন, ডিজিটাইজার, বার কোড রিডার, লাইটপেন, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
    ৪,৭৯১.
    100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
    1. 45
    2. 37
    3. 39
    4. 21
    ব্যাখ্যা

    • 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

    • বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
    - বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
    - গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
    - প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

    এখানে,
    100111
    = 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
    = 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
    = 39

    অতএব, 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

    ৪,৭৯২.
    কোন ধরনের কম্পিউটারের জন্য সাধারণত ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ টার্মটি ব্যবহৃত হয়?
    1. সুপারকম্পিউটার
    2. মাইক্রোকম্পিউটার
    3. মিনি কম্পিউটার
    4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
    ব্যাখ্যা

    • ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ নামকরণটি সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে। 

    • মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
    - মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
    - মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
    - এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
    - এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
    - UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪,৭৯৩.
    কম্পিউটার মনিটরকে কী বলা হয়?
    1. VDU
    2. BDU
    3. UVD
    4. DVD
    ব্যাখ্যা
    • মনিটর (Monitor):
    - টেলিভিশনের ন্যায় দেখতে কম্পিউটারে একটি যন্ত্র আছে, এটিকে মনিটর বলে।
    - মনিটরকে ভিজুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট (Visual display unit = VDU) বলা হয়।
    - মনিটরের সাহায্যে কম্পিউটারের উপাত্ত ও তথ্য আমরা দেখতে পারি।
    - গ্রাফ পেপারে যেমন ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ভাগ থাকে, মনিটরের পর্দাও তেমনি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অংশে বিভক্ত থাকে।
    - এই ক্ষুদ্র অংশকে পিক্সেল বলে।
    - মনিটরের পর্দায় ফসফরাস জাতীয় পদার্থের প্রলেপ দেয়া থাকে এবং উচ্চ ভোল্টেজের দ্বারা পর্দায় ইলেক্ট্রনের প্রতিফলনের ফলে পিক্সেল সমূহ প্রজ্জ্বলিত হয় এবং আমরা বিভিন্ন রকম চিহ্ন, অক্ষর ছবি ইত্যাদি দেখতে পাই।
    - যে মনিটরের পিক্সেল সংখ্যা যত বেশি সে মনিটরে তত ভাল ছবি পাওয়ার যায়।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৭৯৪.
    প্রসেসরের পারঙ্গমতা বুঝাতে ব্যবহৃত IPC বলতে কি বুঝায়?
    1. ক) Instructions per cycle
    2. খ) Instructions performance cycle
    3. গ) Instructions period cycle
    4. ঘ) Instructions perform cycle
    ব্যাখ্যা

    In computer architecture, instructions per cycle (IPC), commonly called instructions per clock is one aspect of a processor's performance: the average number of instructions executed for each clock cycle. It is the multiplicative inverse of cycles per instruction.

    Source:
    Computer Architecture: A Quantitative Approach
    By - John L. Hennessy, David A. Patterson

    ৪,৭৯৫.
    CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ কী?
    1. ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা
    2. CPU-কে I/O ডিভাইসের সাথে যুক্ত করা
    3. CPU-এর পাওয়ার নিয়ন্ত্রণ করা
    4. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখা
    ব্যাখ্যা

    • CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ হল ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা। রেজিস্টারগুলো হলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত মেমরি ইউনিট যা প্রসেসরের ভিতরে থাকে। যখন CPU কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন তা চলাকালীন তথ্য এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে প্রসেসর সেগুলো খুব দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুততর করে, কারণ RAM-এর তুলনায় রেজিস্টারে তথ্য পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। রেজিস্টার CPU-এর অস্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে, এবং এটি মূলত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তথ্য ধারণ করে, স্থায়ীভাবে নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা।

    রেজিস্টার (Register):
    - মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
    - রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
    - এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
    - মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

    মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:

    - পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
    - আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

    এছাড়াও, 
    - RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
    - RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
    - অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
    - হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
    - সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. ব্রিটানিকা।
    ৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ৪,৭৯৬.
    101B সংখ্যাটি কোন পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে? 
    1. ক) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
    2. খ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    3. গ) ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    4. ঘ) অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
    ব্যাখ্যা
    হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
    (Hexa Decimal)হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ ১৬।
    এই পদ্ধতিতে গণনার জন্য ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F এই ১৬টি চিহ্নব্যবহার হয়।
    ছোট-বড় প্রায় সকল কম্পিউটারে এই গণনা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

    101B সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা হয়েছে। 

    উৎস:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
    ৪,৭৯৭.
    OCR যন্ত্র প্রথমে ডকুমেন্টের কী তৈরি করে থাকে?
    1. ASCII টেক্সট
    2. বিটম্যাপ ইমেজ
    3. হার্ড কপি
    4. সফট কপি
    ব্যাখ্যা
    OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিট্র্যাপ ইমেজ তৈরি করে।

    • Optical Character Recognition
    - OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
    - এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস।
    - এটি শুধু ছাপার লেখার না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
    - OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
    - এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্র্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বাক বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

    উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২। ব্রিটানিকা
    ৪,৭৯৮.
    A groupware is a
    1. ক) Hardware
    2. খ) Software
    3. গ) Network
    4. ঘ) Film ware
    ব্যাখ্যা
    • A groupware is a Software.
    - Groupware software কে Collaborative software বলা হয়।
    - Groupware software এক ধরনের Application Software যা একই ধরনের কাজের ডেটা ভাগ করে নিয়ে কার্য সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
    - Groupware software এর উদাহরণ: Outlook, Office Suite, Gmail, Google Workspace।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ৪,৭৯৯.
    নিচের কোনটি ডেটাবেজের উপাদান নয়?
    1. রেকর্ড
    2. কুয়েরি
    3. ফিল্ড
    4. ডাটা
    ব্যাখ্যা
    - ডাটাবেজের উপাদানগুলো হলো ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল।
    - সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে।
    - প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত।
    - পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

    - Query ডাটাবেজের কোন উপাদান নয়।
    - ডেটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান বা প্রদর্শনের পদ্ধতি হলো কুয়েরি (Query)।
    - ডাটা অনুসন্ধানের জন্যে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহৃত হয়।
    - QUEL, QBE, SQL (Structured Query Language) ইত্যাদি হলো কয়েকটি বহুল ব্যবহৃত কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৪,৮০০.
    পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক-
    1. ভন নিউম্যান
    2. উইলিয়াম অডরেট
    3. চার্লস ব্যাবেজ
    4. হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট
    ব্যাখ্যা
    •পার্সোনাল কম্পিউটারের জনক হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
    - বাণিজ্যিকভাবে তৈরিকৃত প্রথম পার্সোনাল কম্পিউটার Altair 8800 আবিষ্কার করেন হেনরি এডওয়ার্ড রবার্ট।
    - আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ।
    - ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
    - ১৮৮০ সালে ড. হারম্যান হলিরিথ, সেন্সাস মেশিন বা টেবুলেটিং মেশিন নামে একটি গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং BBC.