ব্যাখ্যা
Storage Capacity of CD-ROM = 650 Megabytes (Approx.).
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৪৮ / ৮২ · ৪,৭০১–৪,৮০০ / ৮,১৪১
হার্ডডিস্ক (Hard Disk)
১৯৮০ সালের দিকে হার্ডডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি। গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে। পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দন্ড। উক্ত দন্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে। কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিকসের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে। একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ডিস্কের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য, প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
প্রতিটি ডিস্কের পৃষ্ঠদেশ অসংখ্য বৃত্ত দ্বারা বিভক্ত থাকে। এসব বৃত্তকে ট্র্যাক (Track) বলে। প্রতিটি বৃত্ত কয়েকটি সমান ভাগে ভাগ করা থাকে। এ ধরনের একেকটি ভাগকে সেক্টর (Sector) বলে। প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান। ডিস্কের পৃষ্ঠদেশের ট্র্যাক অদৃশ্য ক্ষুদ্র চুম্বকীয় বিন্দু আকারে তথ্য লিখিত হয় বাইনারি পদ্ধতিতে।
উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)
র্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারণ এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না।
র্যামের আধুনিক দুটো প্রধান প্রকার হল স্ট্যাটিক র্যাম এবং ডাইনামিক র্যাম।
স্ট্যাটিক এবং ডাইনামিক র্যাম উভয়ই ভোলাটাইল (বিদ্যুত চলে গেলে স্মৃতি মুছে যায়)। অন্যদিকে রম তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে যেটা কোন অবস্থাতেই পরিবর্তন করা যায় না।
• 2’s Complement পদ্ধতি কম্পিউটারে প্রধানত ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশ করতে ব্যবহার করা হয়। এটি একটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি যা ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যাকে একই ধরণের বাইনারি রূপে উপস্থাপন করতে সক্ষম। 2’s Complement ব্যবহার করলে বিটের সর্বোচ্চ মানকে চিহ্নবিট হিসেবে ধরে ঋণাত্মক সংখ্যা সহজভাবে গণনা করা যায় এবং ধনাত্মক সংখ্যার সঙ্গে যোগ-বিয়োগ করা যায় কোনো অতিরিক্ত জটিল প্রক্রিয়া ছাড়াই। এতে কম্পিউটার arithmetic operations যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ অনেক সহজ এবং দ্রুত হয়। এছাড়া, এই পদ্ধতি overflow নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং hardware design-এ সুবিধাজনক।
- তাই এটি character বা floating point প্রকাশের জন্য নয়, বরং ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।
উদাহরণ:
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100
সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• (0.46)10 এর বাইনারি রূপ (0.01110...)2
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
◉ ফার্মওয়্যার (Firmware) হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের (যেমন রাউটার, স্মার্টফোন, IoT ডিভাইস, মাইক্রোকন্ট্রোলার ইত্যাদি) মধ্যে স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। এটি ডিভাইসের বেসিক ফাংশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং সাধারণত ব্যবহারকারী দ্বারা পরিবর্তন করা যায় না।
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
◉ Ctrl + X নির্বাচিত টেক্সট বা বিষয়বস্তু কাট (Cut) করার শর্টকাট। এটি ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষণ করে এবং মূল অবস্থান থেকে সরিয়ে দেয়।
এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।
উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
• অন্যের লেখা, ভাবনা, বা কাজ নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এটি এক ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক চুরি, যেখানে লেখক বা সৃষ্টিকর্তার সম্মতি ছাড়া তার চিন্তা বা লেখা ব্যবহার করা হয়। একাডেমিক, সাহিত্যিক বা অনলাইন পরিবেশে এটি গুরুতর অনৈতিক আচরণ হিসেবে গণ্য হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, প্রকাশক এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো প্লেজিয়ারিজমকে প্রতিহত করার জন্য কঠোর নীতি গ্রহণ করে। এটি কেবল লেখার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়; চিত্র, গান, গবেষণা প্রবন্ধ বা অন্য কোনও সৃজনশীল কন্টেন্টকেও অন্তর্ভুক্ত করে। সতর্কতা ও যথাযথ উদ্ধৃতি ব্যবহার করলে প্লেজিয়ারিজম এড়ানো যায়।
- সঠিক উত্তর: গ) প্লেজিয়ারিজম।
সাইবার ক্রাইম:
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
- বাংলাদেশে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল করে ২০২৩ সালে সাইবার নিরাপত্তা আইন তৈরি করা হয়।
- ভারতে তথ্যপ্রযুক্তি আইন তৈরি করা হয় ২০০০ সালে।
- উল্লেখযোগ্য কিছু সাইবার অপরাধ হলো- হ্যাকিং, স্প্যামিং, স্ফুফিং, ফিশিং (Phishing), ভিশিং, স্নিকিং, প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) প্রভৃতি।
প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism):
- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করাকে প্লেজিয়ারিজম বলে।
- কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোনো সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করাই প্লেজিয়ারিজম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে প্লেজিয়ারিজমের প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
- বিশেষ করে অন্যের ধ্যান-ধারণা, গবেষণা, কৌশল, প্রোগ্রামিং কোড, গ্রাফিক্স, লেখা, ডেটা, ছবি, গান ইত্যাদির উৎস অনেক ক্ষেত্রেই উল্লেখ না করে নিজের নামে চালিয়ে দেয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
ডিজিটাইজার (Digitizer) : এটিকে ড্রয়িং বাের্ডও বলা হয়, এর মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়। এখানে একটি আয়তাকার চ্যাপ্টা ব্লক (Block) থাকে যাকে বলে ডিজিটাইজার বাের্ড (Board ), ডিজিটাইজিং টেবিল (Digitizing table) বা গ্রাফিক টেবিল (Graphic table) এর আকার ৯"x ১২" থেকে ৪৮ x ৭২" পর্যন্ত হতে পারে। বাের্ডের ভিতরে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে। একটি স্টাইলাসের (Stylus কলমের মতাে) সাহায্যে বাের্ডে যা কিছু লেখা বা আঁকা যায় তাই মনিটরের পর্দায় ভেসে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্টাইলাসের অবস্থানের x ও y স্থানাঙ্ক (Co- ordinates) কম্পিউটার মেমােরিতে চলে যায়। কাগজে কোনাে গ্রাফ বা ছবি এঁকে তা ডিজিটাইজার বাের্ডে রেখে সেই গ্রাফ বা ছবির উপর স্টাইলাস বুলিয়ে তাকে VDU এর পদায় দেখানাে যায় এবং তার স্থানাঙ্ক কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এভাবে ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদি প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির বেস - ১৬ যেখানে দশমিক পদ্ধতির বেস - ১০।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A,B,C,D,E,F।
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
দশমিক - 20 এর হেক্সাডেসিমাল মান - 14; অক্টাল মান - 24 এবং বাইনারি মান - 10100
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
Embedded processor, a class of computer, or computer chip, embedded in various machines. These are small computers that use simple microprocessors to control electrical and mechanical functions.
They generally do not have to do elaborate computations or be extremely fast, nor do they have to have great input/output capability, and so they can be inexpensive.
Embedded processors help to control aircraft and industrial automation, and they are common in automobiles and in both large and small household appliances.
Source: britannica.com
• আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM (Dynamic RAM) ব্যবহার করা হয়। DRAM-এ প্রতিটি ডেটা বিট একেকটি ক্যাপাসিটরে সংরক্ষিত থাকে এবং সময়ে সময়ে রিফ্রেশ করতে হয়, তাই একে “ডাইনামিক” বলা হয়। এর নির্মাণ খরচ তুলনামূলকভাবে কম এবং ঘনত্ব বেশি হওয়ায় অল্প স্থানে বিপুল পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ সম্ভব। যদিও এর গতি SRAM-এর তুলনায় ধীর, তবুও দাম কম এবং স্টোরেজ ক্ষমতা বেশি হওয়ার কারণে DRAM-ই RAM হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) DRAM.
• র্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র্যাম এলাকা গঠিত।
- র্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভাবে থাকে।
- এজন্য র্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র্যাম ক্যাশ (RAM Cache) ব্যবহার করা হয়।
- র্যাম ক্যাশ র্যামের অংশ বিশেষ।
• র্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ DBMS (Database Management System) হলো সফটওয়্যার যা ডাটাবেস তৈরি, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে। Oracle Database একটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় DBMS সফটওয়্যার।
DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।
কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.
অন্যান্য অপশনসমূহ,
Microsoft Word → Word Processing Software.
Photoshop → Graphics/Image Editing Software.
AutoCAD → Computer-Aided Design (CAD) Software.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
• প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারকে Mark-I নামে পরিচিত। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি হয়েছিল ১৯৪৪ সালে। Mark-I মূলত একটি যান্ত্রিক এবং বৈদ্যুতিক সংমিশ্রণ দ্বারা কাজ করত, তাই এটিকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়। এটি বড় আকারের ছিল এবং ঘন্টায় কয়েকশো অঙ্কের হিসাব করতে সক্ষম ছিল। Mark-I প্রোগ্রামিংর জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করত এবং বিজ্ঞান ও সামরিক হিসাবের জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হত। এই কম্পিউটার আধুনিক ডিজিটাল কম্পিউটারের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত এবং কম্পিউটার বিজ্ঞান ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান করে।
- সঠিক উত্তর: ক) Mark-I
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
অপশন আলোচনা:
- Manchester Baby:
- এটি ১৯৪৮ সালে তৈরি হওয়া প্রথম stored-program কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল ছিল না; এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDVAC:
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) তৈরি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল, ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল নয়।
- Mark-I:
- Harvard Mark-I (অথবা IBM Automatic Sequence Controlled Calculator - ASCC) ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার, যা ১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছিল।
- এটি গণনার জন্য ইলেকট্রনিক সার্কিটের পাশাপাশি মেকানিক্যাল অংশও ব্যবহার করত।
- সুতরাং, এই অপশনটি সঠিক উত্তর।
- IBM 701:
- এটি ১৯৫২ সালে IBM কোম্পানি দ্বারা তৈরি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- এটি ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
রিলেশনাল ডাটাবেজ হচ্ছে একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টি।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয় ।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
• বায়োমেট্রিক্সে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখমণ্ডল অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।
• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যথা—
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমণ্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
সঠিক উত্তর - খ) ০ বা ১ বাইনারি বিট
• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।
ক. RAM (Random Access Memory):
- র্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে।
খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।
- ROM এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে, CD ROM, Hard Disk, SSD, Pen Drive ইত্যাদি।
উৎস:
১। Geeksforgeeks [Link]
২। Computer & ICT Cloud
RCA-501 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত যে সমস্ত কম্পিউটার গুলি ব্যবহার করা হতো সেগুলির দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের মধ্যে পড়ে এই দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান উপাদান গুলি হল ট্রানজিস্টার ট্রানজিস্টার আবিষ্কার করেন লাইব্রেরীতে ১৯৪৭ সালে ওয়ান্টেড ব্রিটেন ও উয়িলিয়াম ও জন বারদী।
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য
-ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার।
-কাজের গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
-প্রক্রিয়াকরণের গতি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের থেকে দ্রুততর।
-আকারে ছোট (৫১ বর্গফুট)
-ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইসগুলো দ্রুত ছিল৷
-টেলিফোন লাইনের মধ্যদিয়ে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
উদাহরণ- IBM-400, RCA-501, GE-200 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১ গিগাবাইট = ১০৩ মেগাবাইট = ১০৬ কিলোবাইট = ১০৯ বাইট
◉ বিট (Bit) হল বাইনারি ডিজিট (0 বা 1)।
2 বিট দিয়ে তৈরি সম্ভাব্য সংখ্যা:
00 (দশমিকে 0)
01 (দশমিকে 1)
10 (দশমিকে 2)
11 (দশমিকে 3)
মোট 4টি ভিন্ন সংখ্যা (0 থেকে 3 পর্যন্ত) প্রকাশ করা যায়।
বিট ও বাইট:
- ১ বাইট =৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
• কম্পিউটার যেকোনো সমস্যা সমাধানে মূলত Input → Processing → Output ধাপ অনুসরণ করে, যেখানে ডাটা গ্রহণ করে প্রক্রিয়া শেষে ফলাফল প্রদান করা হয়।
• কম্পিউটার:
- কম্পিউটার একটি প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রিত ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
- এটি ডাটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে, ফলাফল সংরক্ষণ ও প্রয়োজনে প্রদান করে।
- দ্রুতগতি, নির্ভুলতা, স্বয়ংক্রিয়তা, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা ইত্যাদি এর বৈশিষ্ট্য।
- আধুনিক সভ্যতায় কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
• কম্পিউটারের কাজের ধাপ:
- ইনপুট গ্রহণ: ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডাটা ও নির্দেশ গ্রহণ করা।
- প্রক্রিয়াকরণ: কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে (CPU) ডাটার উপর গণনা বা যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করা।
- আউটপুট প্রদান: প্রক্রিয়াকৃত ফলাফল প্রদর্শন বা সরবরাহ করা।
- এই তিনটি ধাপের মাধ্যমেই সাধারণত কম্পিউটার যেকোনো সমস্যা সমাধান করে।
• কম্পিউটার শব্দের উৎপত্তি:
- ‘Computer’ শব্দটি ল্যাটিন ‘Computare’ শব্দ থেকে এসেছে।
- ‘Compute’ শব্দের অর্থ গণনা করা।
- আভিধানিক অর্থে কম্পিউটার হলো গণনাকারী বা হিসাবকারী যন্ত্র।
• কম্পিউটারের সংজ্ঞা:
- এটি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে ডাটা গ্রহণ করে।
- কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাহায্যে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ করে।
- আউটপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে।
• অন্যান্য অপশন:
- ডাটা সংগ্রহ, বিশ্লেষণ, সংরক্ষণ → ডাটা প্রক্রিয়ার অংশ হলেও মূল তিন ধাপ নয়।
- সংরক্ষণ, প্রিন্ট, প্রদর্শন → আউটপুটের অংশ, পূর্ণ প্রক্রিয়া নয়।
- গণনা, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা → আংশিক কাজ, পূর্ণ সমস্যা সমাধান ধাপ নয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস বা GUI হলো এমন একটি কম্পিউটার ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে ছবি, আইকন, মেনু এবং পয়েন্টার মাধ্যমে ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করতে সাহায্য করে। এটি কমান্ড মুখস্থ রাখার জটিলতা দূর করে কম্পিউটার ব্যবহারকে সাধারণ মানুষের জন্য সহজ ও আনন্দদায়ক করে তুলেছে।
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিটের সমান। কম্পিউটার সিস্টেমে বিট (Bit) হলো সর্বনিম্ন তথ্যের একক, যা কেবল ০ বা ১ হতে পারে। ৮ বিট এক বাইটের সমান এবং ৪ বিট এক নিবলের সমান। তাই, যদি ২ নিবলকে বিটে রূপান্তর করি, তাহলে ২ × ৪ = ৮ বিট হয়। অর্থাৎ, ২ নিবল ৮ বিট সমান। সুতরাং প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হবে গ) ৮ বিট। এই ধারণাটি ডেটা স্টোরেজ এবং প্রসেসিং এর মূল ভিত্তি হিসেবে কম্পিউটার আর্কিটেকচারে ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তর: গ) ৮ বিট।
• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
◉ Android অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে মূলত Java ভাষা ব্যবহার করে। Android SDK এবং API-গুলো Java-ভিত্তিক।
Android OS:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
উৎস: গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর - ঘ) কিন্ডল
• ই-বুক (Ebook):
- ই-বুক এর পূর্ণাঙ্গ অর্থ হলো 'ইলেকট্রনিক বুক'।
- প্রিন্টকৃত বইয়ের ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ভার্সনকে ই-বুক বলা হয়।
- যা কম্পিউটার, মোবাইল বা বিশেষভাবে ডিজাইনকৃত কোনো বহনযোগ্য ডিভাইসে পাঠ করা যায়।
- এটি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা যায়, যা বিভিন্ন ধরনের ই-রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত রিডারের মধ্যে অ্যামাজন ডটকমের কিন্ডল (kindle) সবচেয়ে জনপ্রিয়।
- ই-বুকের জনক হলেন মাইকেল এস হার্ট (Michael S Hart)।
- তাঁকে ই-বুকের আবিষ্কারক বা জনক বলা হয়, কেননা তিনি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিনামূল্যে ই-বুক বিতরণের প্রথম প্রজেক্ট গুটেনবার্গ- এর উদ্যোক্তা ছিলেন।
• বাকি অপশনগুলো-
সাফারি এবং ক্রোম: এগুলো ইন্টারনেট ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট অ্যাক্সেস করতে পারে, তবে এগুলো ই-বুক রিডার হিসেবে পরিচিত নয়।
কিউরিও: এটি একটি ব্রাউজার এক্সটেনশন, যা ওয়েব ব্রাউজারের সাথে ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
• ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়।
- এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।
• ভিবিএস/হেল্পার:
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।
• Computer Virus:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
• কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• MIPS হলো “Million Instructions Per Second” বা প্রতি সেকেন্ডে মিলিয়ন নির্দেশ কার্যকর করার ক্ষমতা। এটি মূলত প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বা গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। একটি কম্পিউটার বা মাইক্রোপ্রসেসর কত দ্রুত প্রোগ্রামের নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারে তা MIPS দিয়ে প্রকাশ করা হয়। এটি নেটওয়ার্ক ব্যান্ডউইথ, ডিস্কের কর্মক্ষমতা বা মেমোরির ধারণক্ষমতার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একটি প্রসেসর ৫০০ MIPS হয়, তবে তা প্রতি সেকেন্ডে ৫০০ মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সক্ষম। তাই, প্রসেসরের গতি মাপার ক্ষেত্রে MIPS একটি প্রচলিত একক।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রসেসরের গতি।
• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।
উৎস: IEEE & ACM Digital Library.
• 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়।
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।
এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39
অতএব, 100111 (base 2) কে base 10-এ রূপান্তর করলে 39 পাওয়া যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• ‘নেটওয়ার্ক সার্ভার’ নামকরণটি সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মেইনফ্রেম কম্পিউটার হলো বড় আকারের এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা অনেক ব্যবহারকারী একসাথে ডেটা ও অ্যাপ্লিকেশন শেয়ার করতে পারে।
• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
In computer architecture, instructions per cycle (IPC), commonly called instructions per clock is one aspect of a processor's performance: the average number of instructions executed for each clock cycle. It is the multiplicative inverse of cycles per instruction.
Source:
Computer Architecture: A Quantitative Approach
By - John L. Hennessy, David A. Patterson
• CPU-তে রেজিস্টারের মূল কাজ হল ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা। রেজিস্টারগুলো হলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত মেমরি ইউনিট যা প্রসেসরের ভিতরে থাকে। যখন CPU কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন তা চলাকালীন তথ্য এবং নির্দেশাবলী রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়, যাতে প্রসেসর সেগুলো খুব দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। এটি ডেটা প্রক্রিয়াকরণকে দ্রুততর করে, কারণ RAM-এর তুলনায় রেজিস্টারে তথ্য পড়া এবং লেখা অনেক দ্রুত হয়। রেজিস্টার CPU-এর অস্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে, এবং এটি মূলত সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য তথ্য ধারণ করে, স্থায়ীভাবে নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা ও ইনস্ট্রাকশন সাময়িকভাবে রাখা।
রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।