বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪৬ / ৮২ · ৪,৫০১৪,৬০০ / ৮,১৪১

৪,৫০১.
সারিতে এন্ট্রিকৃত গ্রাহকের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর মিলে গঠিত হয়
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. তথ্য
  4. ডাটা টেবিল
ব্যাখ্যা

রেকর্ড Record) : অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলাে রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
ফিল্ড (Field) : রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিন্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিন্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।

৪,৫০২.
নিচের কোন স্টোরেজ মিডিয়ার ধারণক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. গ) ROM
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা

- হার্ডডিস্ক বা হার্ড ড্রাইভ হলো কম্পিউটারের ডাটা, তথ্য সংরক্ষণ করে রাখার যন্ত্র।
- কম্পিউটারের অন্যান্য স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে হার্ডডিস্ক হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে মোট ব্যবহৃত ডিস্কের সংখ্যার উপর।
- ডিস্কের সংখ্যা যত বেশি হবে ডেটা ধারণের জন্য ততবেশি পৃষ্ঠ, Track ও Sector পাওয়া যাবে। 
- হার্ডডিস্ক ব্যবহার করে আমরা ১ টেরাবাইট পর্যন্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারি, যা অন্য কোন স্টোরেজ মিডিয়ার দ্বারা সম্ভব হয় না, বলে স্টোরেজ মিডিয়া হিসেবে হার্ডডিস্ক এর ধারণক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪,৫০৩.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ এবং পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য যথাক্রমে কোন মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. NOT এবং OR
  2. AND এবং OR
  3. OR এবং NOT
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।

OR gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

AND gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

NOT gate:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৫০৪.
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কী কাজ করে?
  1. ফাইন্ড ডায়ালগ বাক্স খোলা
  2. স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা
  3. প্রেজেন্টেশন সেভ করা
  4. নতুন স্লাইড যোগ করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টে F5 কীটি ব্যবহার করা হয় প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু থেকে চালানোর জন্য। অর্থাৎ, যখন আপনি F5 চাপেন, তখন আপনার পুরো স্লাইডশোটি প্রথম স্লাইড থেকে পুরো পর্দায় প্রদর্শিত হয়। এটি বিশেষভাবে উপকারী যখন আপনি একটি প্রস্তুত প্রেজেন্টেশন দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করতে চান এবং স্লাইডগুলো ধারাবাহিকভাবে দেখাতে চান। F5 কী চাপলে আপনি সম্পূর্ণ স্লাইডশো মোডে চলে যান, যা প্রেজেন্টেশনের সময় মনোযোগ ধরে রাখতে সাহায্য করে। তাই, F5 কী মূলত “স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা” কাজটি করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (খ) স্লাইডশো শুরু থেকে চালু করা।

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। (প্রেজেন্টেশন বা স্লাইডশো শুরু)।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫০৫.
কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে তাকে কি বলে?
  1. ক) রেজিসটার
  2. খ) মডিউলাস
  3. গ) অ্যাডার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
• কাউন্টার: কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট এবং যা ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা এটি তৈরি করা হয়।
- কোন কাউন্টার যতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হবে, এটিকে তত বিটের কাউন্টার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতগুলো সংখ্যা গুণতে পারে, তাকে মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৫০৬.
"হ্যাপটিক গ্লাভস" - কোন ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• “হ্যাপটিক গ্লাভস” হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর হাতের গতিবিধি শনাক্ত করে এবং একই সাথে স্পর্শ বা প্রতিক্রিয়ার অনুভূতি প্রদান করতে পারে। এগুলো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) বা অ্যাগমেন্টেড রিয়ালিটি (AR) পরিবেশে ব্যবহার করা হয়, যেখানে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল অবজেক্ট স্পর্শ করলে বাস্তবের মতো অনুভব করতে পারে। এই কারণে হ্যাপটিক গ্লাভস শুধুমাত্র ইনপুট ডিভাইস নয়, কারণ এটি হাতের অবস্থান ও আঙ্গুলের গতিবিধি সনাক্ত করে, বরং এটি আউটপুট ডিভাইস হিসেবেও কাজ করে কারণ এটি স্পর্শের অনুভূতি প্রদান করে। তাই এটি হলো ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর হাত এবং ভার্চুয়াল সিস্টেমের মধ্যে দুইমুখী যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

উত্তর: গ) ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস।


• পেরিফেরাল ডিভাইস:

- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: 
১) মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Cornell University [লিংক]

৪,৫০৭.
What does 'SSD' stand for?
  1. Static State Drive
  2. Solid State Drive
  3. Strong Steady Drive
  4. Static Steady Drive
ব্যাখ্যা

• SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। এটি একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ফ্ল্যাশ মেমোরি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। প্রথাগত হার্ডডিস্কের (HDD) মতো এতে কোনো চলন্ত বা ঘূর্ণায়মান যান্ত্রিক অংশ (যেমন—ডিস্ক বা রিড-রাইট হেড) থাকে না। এই কারণেই একে 'Solid State' বলা হয়। যান্ত্রিক অংশ না থাকায় এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করতে পারে এবং সহজে নষ্ট হয় না।

• SSD:
- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডেটা read ও write করে; ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে কাজ করে।
- SSD-এর ডেটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি; তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
-কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। [link]

৪,৫০৮.
বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর কোনটি?
  1. ক) ইনটেল ৪০০৪
  2. খ) ইনটেল ৪০৪০
  3. গ) ইনটেল ৮০৮০
  4. ঘ) ইনটেল ৮৮০০
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ছোট্ট চিপ যার মধ্যে প্রসেসরের সকল উপাদান একীভূত থাকে। ১৯৭১ সালে ইনটেল কর্পোরেশনের অধীনে টেড হফ প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেন যা ইনটেল ৪০০৪ নামে পরিচিত। এটি ৪ বিটের। বর্তমানের ৬৪ বিটের মাইক্রোপ্রসেসরের ডিজাইন ইনটেল ৪০০৪ এর উপর ভিত্তি করেই তৈরি হয়েছে।
(সূত্রঃ ইনটেল কর্পোরেশন এবং কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম-উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,৫০৯.
Intel Itanium এবং Core i7 যথাক্রমে কত বিটের প্রসেসর?
  1. ৩২ বিট, ৬৪ বিট
  2. ৬৪ বিট, ১২৮ বিট
  3. ৩২ বিট, ৩২ বিট
  4. ৬৪ বিট, ৬৪ বিট
ব্যাখ্যা
বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন:

৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৪ বিট এককে তথ্য পরিবহণ করে। যেমন,
৪০০৪, 
৪০৪০।

 ৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৮ বিট এককে তথ্য পরিবহণ করে। যেমন,
৮০০৮,
৮০৮০।

১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
১৬ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ১৬ বিট এককে তথ্য পরিবহণ করে। যেমন,
৮০৮৬,
৮০৮৮,
৮০১৮৬,
৮০১৮৮,
৮০২৮৬,
৬৮০০০।

৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
৩২ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৩২ বিট এককে তথ্য পরিবহণ করে। যেমন,
৮০৩৭৬,
৮০৩৮৬,
৮০৪৮৬।

৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর:
৬৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর ৬৪ বিট এককে তথ্য পরিবহণ করে। যেমন,
- Intel core i3,
- core i5,
- core i7,
- xenon,
- Intel ITANIUM.

- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিল Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন, মটোরোলা, আইবিএম, এএমডি, সাইরিক্স, এনভিডিয়া, কোয়ালকম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫১০.
ARPANET-এ সনাক্ত হওয়া প্রথম ভাইরাস কোনটি ছিল?
  1. Creeper
  2. ILoveYou
  3. Melissa
  4. Blaster
ব্যাখ্যা
• ARPANET-এ সনাক্ত হওয়া প্রথম ভাইরাস ছিল Creeper. এটি ১৯৭০-এর দশকে তৈরি হয়েছিল এবং এটি একটি পরীক্ষা ধরণের প্রোগ্রাম ছিল যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংক্রমণ ঘটাতো। Creeper ভাইরাসটি মূলত একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রোগ্রাম যা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ত এবং "I’m the creeper, catch me if you can!" বার্তা প্রদর্শন করত। এটি কোন ক্ষতিকর উদ্দেশ্যে তৈরি হয়নি, বরং নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির পরীক্ষার জন্য ছিল। এরপরের সময়ে ভাইরাসগুলো অনেক বেশি জটিল এবং ক্ষতিকর হয়ে উঠেছিল, তবে Creeper ছিল প্রথম ভাইরাস যা ARPANET নেটওয়ার্কে সনাক্ত হয়। তাই এর গুরুত্ব প্রযুক্তি ইতিহাসে অনেক বেশি।
 
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।

- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- সত্তর দশকেই, ইন্টারনেটের আদি অবস্থা, আরপানেট (ARPANET)-এ ক্রিপার ভাইরাস নামে একটি ভাইরাস চিহ্নিত করা হয়।
- সে সময় রিপার (Reaper) নামে আর একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়, যা ক্রিপার ভাইরাসকে মুছে ফেলতে পারত। সে সময় যেখানে ভাইরাসের জন্ম হতো সেখানেই সেটি সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস:
১. কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৫১১.
Where are instructions decoded in the CPU?
  1. ALU
  2. RAM
  3. Control Unit
  4. Register
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Control Unit

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,৫১২.
স্লাইড রুল কোন শ্রেণির কম্পিউটার?
  1. Digital computer
  2. Quantum computer
  3. Analog Computer
  4. Hybrid computer
ব্যাখ্যা
• স্লাইড রুল একটি Analog Computer-এর উদাহরণ। এটি এমন একটি যন্ত্র যা পরিমিত মান বা অবিচ্ছিন্ন ডেটা দিয়ে কাজ করে। স্লাইড রুল ব্যবহার করে গুণ, ভাগ, লগারিদম, বর্গমূল ইত্যাদি গাণিতিক হিসাব করা যায়। এটি মূলত ১৭শ শতকে উদ্ভাবিত হয়েছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে বিজ্ঞানী, প্রকৌশলী ও ছাত্ররা এটি ব্যবহার করেছে। স্লাইড রুলে চলমান স্কেল থাকে, যা সংখ্যা ও গাণিতিক অনুপাতের ভিত্তিতে মান নির্ধারণ করে। যেহেতু এটি ডিজিটাল বা কোয়ান্টাম ভিত্তিক নয় এবং অবিচ্ছিন্ন মানের উপর নির্ভর করে কাজ করে, তাই এটি গ) Analog Computer শ্রেণির অন্তর্গত।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

• স্লাইড রুল (Slide Rule):
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫১৩.
নিচের কোনটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার?
  1. ক) Word note
  2. খ) Notepad
  3. গ) Paradox
  4. ঘ) MS-Excel
ব্যাখ্যা
DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। 
DBMS-এর অন্তর্গত প্রোগ্রামসমূহ ডেটাবেজ তৈরি, ডেটা প্রবেশ করানো, ডাটার আধুনিকীকরণ, ডাটা এডিটিং ইত্যাদি কাজ করার জন্য DBMS ব্যবহার করা হয়।বর্তমানে বিভিন্ন ধরনের ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
যেমন-
মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
মাইক্রোসফট ভিজুয়াল বেসিক (Microsoft Visual Basic),
মাইক্রোসফট ফক্সপ্রো (Microsoft Foxpro),
এসকিউএল (SQL),
জাভা (Java),
প্যারাডক্স (Paradox),
ডিবেজ (Dbase),
পাওয়ার বিল্ডার (Power Builder),
ডেলফি (Delphi),
ইনফরমিক্স (Informix),
ওরাকল (Oracle) ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৫১৪.
প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU কোন ধরণের অ্যাড্রেস তৈরি করে?
  1.  Logical address 
  2. Physical address
  3. MAC address
  4. IP address
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রাম চালানোর সময় CPU মূলত Logical Address তৈরি করে। ব্যবহারকারী যখন কোনো প্রোগ্রাম রান করে, তখন CPU নির্দেশনা এবং ডেটার জন্য ঠিকানা তৈরি করে, যা সরাসরি হার্ডওয়্যার মেমরিতে নয় বরং একটি ভার্চুয়াল বা লজিক্যাল স্পেসে নির্দেশ করে। এই লজিক্যাল অ্যাড্রেসকে পরে Memory Management Unit (MMU) রূপান্তর করে Physical Address-এ, যা আসলে RAM-এ অবস্থিত। MAC বা IP Address নেটওয়ার্ক যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, CPU দ্বারা নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো Logical Address, কারণ এটি প্রোগ্রাম এক্সিকিউশনের সময় CPU উৎপন্ন করে।

• Logical Address:
- সিপিইউ দ্বারা প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় সর্বদা Logical Address generate করে।
- অন্যদিকে, ভৌত ঠিকানা (Physical Address) হচ্ছে, মেমরি ইউনিট দ্বারা প্রদর্শিত ঠিকানা।
- অর্থাৎ, CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারে চলমান এপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো Physical Address দেখতে পায় না। তারা সবসময় Logical Adress ব্যবহার করে কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৪,৫১৫.
কোনটি ছবির/ ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল হিসেবে ব্যবহার হয় না?
  1. .odt
  2. .jpeg
  3. .gif
  4. .bmp
ব্যাখ্যা
.odt (Open Document text document) হল Text file extension.

.jpeg, .gif, .bmp এরা ছবি বা ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল।
.jpeg means - Joint Photographic Experts Group Image.
.gif means - Graphical Interchange Format File.
.bmp means - Bitmap Image File .

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ (মাহবুবুর রহমান)
৪,৫১৬.
What will be the result of the formula = MAX (Average (A1, A2), Product (A3 : A4)) where value of A1 = 20, A2 = 24, A3 = 15, A4 = 20?
  1. 24
  2. 300
  3. 240
  4. None of these
ব্যাখ্যা
Question: What will be the result of the formula =MAX (Average (A1, A2), Product (A3 : A4)) where value of A1 = 20, A2 = 24, A3 = 15, A4 = 20?

Solution:
দেওয়া আছে,
A1 = 20
A2 = 24
A3 = 15
A4 = 20

→ Average (A1, A2) দ্বারা বুঝায় A1 ও A2 এর গড় বের করতে হবে,
→ Average (A1, A2) = (20 + 24)/2 = 22

→ Product (A3 : A4) দ্বারা বুঝায় A3 ও A4 এর গুণফল বের করতে হবে,
→ Product (A3 : A4) = 15 × 20 = 300

MAX (Average (A1, A2), Product (A3 : A4)) দ্বারা বুঝায় Average (A1, A2) ও Product (A3 : A4) এর মাঝে কে বড় তা বের করতে হবে
MAX (22, 300) = 300

সুতরাং, ফর্মুলাটির ফল হবে 300
৪,৫১৭.
কম্পিউটার পদ্ধতির দুটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে-
  1. ক) কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ ও স্মৃতি অংশ
  2. খ) হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম অংশ
  3. গ) সফটওয়্যার ও কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ
  4. ঘ) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অংশ
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারকে কাজের উপযোগী করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশগুলো সঠিক অবস্থানে স্থাপন করতে হয়। কম্পিউটারের যন্ত্রাংশগুলো সঠিকভাবে স্থাপন করে যন্ত্রাংশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ স্থাপনকেই কম্পিউটার সংগঠন বলে। কম্পিউটার সংগঠন দুই প্রকার। যথা- হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার।
৪,৫১৮.
MS WORD - এ নিচের কোনটি Copy করার কমান্ড?
  1. Ctrl + C
  2. Ctrl + A
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + Z
ব্যাখ্যা
MS WORD-এ,
- কোনো লেখা Copy করার কমান্ড Ctrl + C
- কোনো লেখা Cut করার কমান্ড Ctrl + X
- কোনো লেখা save করার কমান্ড Ctrl + S
- কোনো লেখা select করার কমান্ড Ctrl + A
- কোনো লেখা ফিরিয়ে আনার কমান্ড Ctrl + Z
৪,৫১৯.
What is the primary function of the F5 key?
  1. Close the current tab
  2. Save the webpage
  3. Rename file/folder
  4. Refresh/Reload page
ব্যাখ্যা

• F5 কী সাধারণত ওয়েব ব্রাউজার এবং অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে বর্তমান পেজ বা উইন্ডোকে রিফ্রেশ বা পুনরায় লোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়।  

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়‍্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1 - F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৫২০.
যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে তাত্ত্বিকভাবে আপনি 1 সেকেন্ডে কত মেগাবিট ডাউনলোড করতে পারবেন?
  1. 500 Mb
  2. 5 Mb
  3. 50 Mb
  4. 0.5 Mb
ব্যাখ্যা

• যদি আপনার ইন্টারনেট স্পিড 50 Mbps হয়, তাহলে “Mbps” মানে হলো মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড। এটি নির্দেশ করে যে এক সেকেন্ডে আপনার ডিভাইস কত মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে সক্ষম। এখানে স্পিড 50 Mbps, অর্থাৎ তাত্ত্বিকভাবে 1 সেকেন্ডে আপনি 50 মেগাবিট ডেটা ডাউনলোড করতে পারবেন। এটি একটি সরাসরি সম্পর্ক: স্পিড যত বেশি, ডাউনলোড ক্ষমতাও তত বেশি। অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) 50 Mb। বাস্তব জীবনে কিছুটা কম হতে পারে কারণ নেটওয়ার্ক ল্যাটেন্সি বা সার্ভার পারফরম্যান্স ডাউনলোড স্পিডকে প্রভাবিত করতে পারে, তবে তাত্ত্বিক হিসাব অনুযায়ী এটি সঠিক।

- 'MbPS' এর পূর্ণরূপ Megabits per second.
- এক স্থান হতে অন্য স্থানে অথবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে।
- এই ট্রান্সমিশন স্পীডকে অনেক সময় ব্যান্ডউইডথও বলা হয়।
- এই ব্যান্ডউইডথ সাধারণত bit per second (bps) এ হিসাব করা হয়।
- অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ বিট ট্রান্সমিট করা হয় তাকে bit per second (bps) বা ব্যান্ডউইডথ বলে।

• bps অর্থ হলো bit per second (1) বিট = 1 বা 0)
- kbps হলো kilobits per second (1000 বিট =1 কিলোবিট)
- Mbps হলো megabits per second (1000 কিলোবিট = 1 মেগাবিট)
- Gbps হলো gigabits per second (1000 মেগাবিট = 1 গিগাবিট)
- Tbps হলো Terabits per second (1000 গিগাবিট =1 টেরাবিট)
- Pbps হলো Petabits per second (1000 টেরাবিট=1 পেটাবিট

• MBps vs Mbps:
- নোট: এখানে MBps দ্বারা মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং Mbps দ্বারা মেগা বিট পার সেকেন্ড বোঝানো হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ বড় হাতের B থাকলে সেটি হবে মেগা বাইট পার সেকেন্ড এবং ছোটো হাতের b থাকলে সেটি হবে মেগা বিট পার সেকেন্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৫২১.
'Ryzen' প্রসেসর প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান -
  1. ক) Intel
  2. খ) TSMC
  3. গ) AMD
  4. ঘ) Qualcomm
ব্যাখ্যা
AMD
- AMD এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Advanced Micro Devices.
- AMD বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রসেসর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান।
- Ryzen হচ্ছে AMD'র তৈরি জনপ্রিয় প্রসেসর।

সূত্র: AMD এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [Link]
৪,৫২২.
Which of the following is a measure of computer performance?
  1. Bytes
  2. MIPS
  3. Volts
  4. Amperes
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) MIPS

MIPS:
- MIPS এর পূর্ণরূপ হলো Million Instructions Per Second,
- যা কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা পরিমাপের একটি একক।

অন্যদিকে,
- Bytes হলো কম্পিউটার স্টোরেজ এবং প্রক্রিয়াকরণের তথ্যের একক।
- Volts বৈদ্যুতিক বিভবের একক।
- Amperes হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহের একক।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,৫২৩.
A typical modern computer uses
  1. ক) LSI chips
  2. খ) Vacuum tubes
  3. গ) Valves
  4. ঘ) All the above
ব্যাখ্যা
LSI chips: Large-scale integration (LSI) is the process of integrating or embedding thousands of transistors on a single silicon semiconductor microchip. LSI technology was conceived in the mid-1970s when computer processor microchips were under development.
Source: Google Books
৪,৫২৪.
Operating System কোন শ্রেণির সফটওয়্যার?
  1. Application Software
  2. Utility Software
  3. System Software
  4. Virus
ব্যাখ্যা

- Operating System (OS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ইউজারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- যেমন: Windows, Linux, macOS, Android, ইত্যাদি।
- এটি System Software শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত কারণ এটি কম্পিউটারের মূল কাজগুলো নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে, যেমন:
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট
- ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট
- ডিভাইস কন্ট্রোল

- Application Software ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন MS Word, Excel, Photoshop ইত্যাদি।
- Utility Software হলো সিস্টেম রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত সহায়ক সফটওয়্যার, যেমন Antivirus, Disk Cleaner, ইত্যাদি।
- Virus কোনো সফটওয়্যার শ্রেণি নয়; এটি একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম (Malicious Software)।

উৎস: Tutorialspoint. [লিংক] 

৪,৫২৫.
Which part interprets program instructions and initiate control operations.
  1. ক) Input
  2. খ) storage unit
  3. গ) Logic unit
  4. ঘ) Control unit
ব্যাখ্যা
Control unit is resposible for interpert the program instruction and its lead to execution in sequential manner.
৪,৫২৬.
নিচের কোনটি অকটাল সংখ্যা নয়?
  1. ক) ৭১৪
  2. খ) ৭৬৫
  3. গ) ৫৬৭
  4. ঘ) ৪৮৫
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৮৫ অকটাল সংখ্যা নয় কারণ ৮ অকটাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
৪,৫২৭.
বর্তমানে বিশ্বের দ্রুততম কম্পিউটারটি কোন দেশের?
  1. ক) চীন
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) জাপান
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর (শক্তিশালী) সুপার কম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষস্থানে ফিরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। চীনকে পেছনে ফেলে এই অবস্থানে উঠে এসেছে তারা। বিবিসি এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, সম্প্রতি বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ৫০০ সুপার কম্পিউটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দুটি কম্পিউটার। এই দুটি সুপারকম্পিউটারের নাম সামিট ও সিয়েরা। চীন তালিকায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। সুপার কম্পিউটারের তালিকার শীর্ষে থাকা সামিট প্রতি সেকেন্ডে ২ লাখ ট্রিলিয়ন গণনা কাজ করতে পারে। সামিট ও সিয়েরা দুটি সুপার কম্পিউটারই তৈরি করেছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইবিএম। গত বছর ক্ষমতাধর সুপারকম্পিউটারের তালিকায় শীর্ষে ছিল চীনের তৈরি সানওয়ে তাইহুলাইট। এটাই বর্তমান তালিকায় তিন নম্বরে অবস্থা করছে। উৎস: বিবিসি।
৪,৫২৮.
নিচের কোন মেমোরিটি আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি ব্যবহার করে তথ্য মুছে পুনরায় লিখতে পারে?
  1. PROM
  2. EPROM
  3. RAM
  4. Mask ROM
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) EPROM 

• রম (ROM):

- রম (ROM) হল রিড-ওনলি মেমোরি (Read-Only Memory) এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি। 

• ROM (Read-Only Memory) এর প্রকারভেদ:
PROM (Programmable ROM):
- একবার প্রোগ্রাম করা যায়। 
- একবার প্রোগ্রাম করার পর ডাটা পরিবর্তন করা যায় না। 

EPROM (Erasable Programmable ROM):
- UV (আল্ট্রাভায়োলেট) আলো দিয়ে ডাটা মুছে আবার নতুন ডাটা লেখা যায়। 
- ২০-৩০ মিনিট UV আলোতে রাখলে সম্পূর্ণ ডাটা মুছে যায়। 

EEPROM/EAPROM (Electrically Erasable Programmable ROM):
- বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে ডাটা মুছে আবার লেখা যায়। 
- নির্দিষ্ট অংশের ডাটা আলাদাভাবে মুছে নতুন ডাটা লেখা সম্ভব। 
- এটি Flash memory এর ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। 

Mask ROM:
- ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। 
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন অসম্ভব। 

• ROM এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার বন্ধ হলেও ডাটা থেকে যায়। অর্থাৎ বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তথ্য নষ্ট হয় না। 
- সাধারণত ডাটা পড়া যায়, কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। 
- BIOS, অপারেটিং সিস্টেমের প্রাথমিক অংশ সংরক্ষিত থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫২৯.
(9F23)16 = (?)2
  1. 1001111101100011
  2. 1001101100100011
  3. 1001111100100011
  4. 1001111100000011
ব্যাখ্যা
(9F23)16 = (?)2
প্রদত্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি ডিজিটের জন্য চার বিটের বাইনারি নিয়ে পাই:
9 = 1001 
F = 1111
2 = 0010
3 = 0011


(9F23)16 = (1001111100100011)2
৪,৫৩০.
কীবোর্ডের Shift, Ctrl, Alt কী গুলোকে বলা হয়-
  1. ক) Function key
  2. খ) Modifier key
  3. গ) Numeric key
  4. ঘ) Space key
ব্যাখ্যা
কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বা বর্ণ টাইপ করা হয় না কিন্তু অক্ষর বা বর্ণ বিন্যাসের কাজ এবং অন্যান্য ধরনের কাজ করা হয় সে সব বোতামকে বলা হয় মডিফাইয়ার কী। যেমন- Shift, Ctrl, Alt, Option, Command ইত্যাদি।
৪,৫৩১.
সাধারণভাবে, হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর কত বাইট ধারণ করতে পারে?
  1. 1 byte
  2. 2048 bytes
  3. 4 kilobytes
  4. 512 bytes
ব্যাখ্যা
• সাধারণভাবে হার্ড ডিস্কের এক সেক্টর ৫১২ বাইট তথ্য ধারণ করতে পারে। হার্ড ডিস্কের তথ্য সংরক্ষণ ইউনিটকে সেক্টর বলা হয়, যা একটি ছোট অংশ। প্রতিটি সেক্টরে নির্দিষ্ট পরিমাণ ডেটা থাকে এবং হার্ড ডিস্কের ডেটা পড়া বা লেখা হয় সেক্টর ভিত্তিতে। যদিও আধুনিক প্রযুক্তিতে সেক্টরের আকার বৃদ্ধি পেয়েছে, কিন্তু ঐতিহ্যবাহী হার্ড ডিস্কে এক সেক্টর সাধারণত ৫১২ বাইটের সমান। এটি ডেটা স্টোরেজ এবং রিড-রাইট অপারেশনের জন্য এক মৌলিক ইউনিট হিসেবে কাজ করে। তাই, এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হচ্ছে ঘ) ৫১২ বাইট।

• হার্ডডিস্ক: 
- হার্ডডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। 
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ডডিস্ক। 
- হার্ডডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়। 
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ডডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়। 
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট। 
- হার্ডডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয় IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়। 
- তবে তখনকার সময়ে হার্ডডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ডডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়। 
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৫৩২.
নিচের কোনটি সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের উদাহরণ?
  1. পেরোল সিস্টেম
  2. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  3. এমএস অফিস
  4. ইলেকট্রনিক কমার্স
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
• ইলেকট্রনিস কমার্স,
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৩.
সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ব্যাংকিং সফটওয়্যার
  2. এমএস অফিস
  3. ইলেকট্রনিক মেইল
  4. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
ব্যাংকিং সফটওয়্যার
• ইলেকট্রনিস কমার্স, 
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৪.
কোনটি নন-পজিশনাল নাম্বার সিস্টেম?
  1. ক) Octal Number System
  2. খ) Binary Number System
  3. গ) Roman Number System
  4. ঘ) Hexadecimal Number System
ব্যাখ্যা

সূত্র - একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, ICT, বোর্ড বই
৪,৫৩৫.
37 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 11001000
  2. 00110111
  3. 11001100
  4. 00011010
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

7 এর বিসিডি 0111
3 এর বিসিডি 0011
∴ 37 এর বিসিডি 00110111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৩৬.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) রাউটার
  2. খ) এটিএম
  3. গ) স্পিডোমিটার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে।
আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
এনালগ কম্পিউটারের উদাহরণ- মোটর গাড়ির স্পিডোমিটার, পাইড রুল, অপারেশনাল এমপ্লিফায়ার ইত্যাদি।
৪,৫৩৭.
Which of the following is a disadvantage of an interpreter?
  1. It translates the program line by line
  2. It produces object code
  3. It is slow paced
  4. It translates the entire program at once
ব্যাখ্যা

• Interpreter সোর্স প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ ও নির্বাহ করে। প্রতিবার প্রোগ্রাম চালানোর সময় প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে অনুবাদ করতে হয়, ফলে execution speed কম হয়।
- তাই interpreter-এর প্রধান অসুবিধা হলো এটি ধীরগতিসম্পন্ন (slow paced)।

ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)

- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে। ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- তবে ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হচ্ছে অনুবাদের ক্ষেত্রে এটি ধীর গতি সম্পন্ন এবং প্রতিবার প্রোগ্রাম নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) It translates the program line by line → এটি বৈশিষ্ট্য, অসুবিধা নয়। 

খ) It produces object code → এটি compiler-এর কাজ, interpreter নয়। 

ঘ) It translates the entire program at once → এটিও compiler-এর বৈশিষ্ট্য। 

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৫৩৮.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের অন্তর্গত নয়?
  1. MsOutlook
  2. PostgreSQL
  3. MongoDB
  4. Cubrid
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ডেটার নিরাপত্তা, সংহতি ও একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য সমন্বয় নিশ্চিত করে। প্রদত্ত চারটি বিকল্পের মধ্যে PostgreSQL, MongoDB এবং Cubrid স্পষ্টভাবে DBMS-এর উদাহরণ। PostgreSQL একটি রিলেশনাল DBMS, MongoDB একটি নন-রিলেশনাল বা NoSQL DBMS, আর Cubridও একটি রিলেশনাল DBMS।
- অন্যদিকে, Microsoft Outlook (MsOutlook) মূলত একটি ইমেইল ক্লায়েন্ট এবং ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার, যা ডেটাবেজ পরিচালনার জন্য তৈরি নয়।

- তাই MsOutlook DBMS-এর অন্তর্ভুক্ত নয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৪,৫৩৯.
124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে কী মান পাওয়া যায়? 
  1. 84
  2. 86
  3. 88
  4. 92
ব্যাখ্যা

• 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 4 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 4 × 1
= 64 + 16 + 4
= 84

অতএব, 124 (বেস-৮) কে দশমিক সিস্টেমে লিখলে 84 পাওয়া যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,৫৪০.
ডেটাবেজে Query হলো -
  1. একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ
  2. তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত একটি ডাটা স্ট্রাকচার
  3. একটি ডাটাবেজের সাথে যোগাযোগ করার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. ডাটাবেজ থেকে তথ্য মুছে ফেলার একটি পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে Query হলো - একটি ডাটাবেজ থেকে তথ্য বা তথ্যের জন্য অনুরোধ।

• কুয়েরি (Query):

- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়। যেমন-
- Select Query,
- Parameter Query,
- Crosstab Query, 
- Action Query.

- কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, এনসিটিবি।
৪,৫৪১.
নিম্নের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম?
  1. AVG
  2. Panda
  3. Trojan Horse
  4. Avira
ব্যাখ্যা
Trojan Horse একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪২.
কোন স্টোরেজ ইউনিট কম্পিউটারে সর্বোচ্চ গতিতে ডেটা অ্যাক্সেস করতে সক্ষম?
  1. Hard Disk
  2. Register
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
⚪ কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের স্টোরেজ ইউনিট থাকে যেগুলোর অ্যাক্সেস স্পিড (ডেটা পড়া বা লেখার গতি) ভিন্ন ভিন্ন। 
⚪ অপশন আলোচনা:

ক) Hard Disk: এটি একটি সেকেন্ডারি স্টোরেজ, যা অনেক বেশি পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে, কিন্তু এর অ্যাক্সেস স্পিড তুলনামূলকভাবে ধীর।

খ) Register: এটি CPU-র ভিতরের একটি ক্ষুদ্র কিন্তু অতিদ্রুত স্টোরেজ ইউনিট। রেজিস্টার-এ CPU সরাসরি কাজ করে এবং এটি সবচেয়ে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

গ) RAM (Random Access Memory): এটি একটি প্রাইমারি মেমোরি, রেজিস্টারের চেয়ে ধীর হলেও হার্ডডিস্কের চেয়ে অনেক গতি সম্পন্ন।

ঘ) ROM (Read Only Memory): এটি একটি স্থায়ী মেমোরি, যেখানে অ্যাক্সেস স্পিড RAM-এর চেয়ে ধীর হতে পারে এবং এটি শুধুমাত্র ডেটা পড়তে পারে।

⚪ রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

⚪ মেমরির ধারণক্ষমতা ও গতির ক্রম:


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

⚪ এছাড়াও, জেনে রাখা ভালো -
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৪৩.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি কত প্রকার?
  1. ৪ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ১ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা

সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিতের উপর নির্ভর করে।
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি ৪ প্রকার -
- দশমিক বা ১০ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- বাইনারি বা ২ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- অক্টাল বা ৮ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
- হেক্সাডেসিমেল বা ১৬ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -১৯১]

৪,৫৪৪.
এক word কত বিট বিশিষ্ট হয়?
  1. 8
  2. 16
  3. 4
  4. 2
ব্যাখ্যা
বিট (Bit):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে।
- ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)।
- এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte):
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়।
- এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।

৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।

অপরদিকে,
- কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৫৪৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Symantec
  2. MacAfee
  3. Adobe
  4. AVG
ব্যাখ্যা
- আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে।

- কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus, Symantec antivirus ইত্যাদি। 

অন্যদিকে, Adobe হলো ডিজিটাল মিডিয়া কোম্পানি

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, HSC প্রোগ্রাম (বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪,৫৪৬.
কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহারে ডেটা বিদ্যুৎ চলে গেলেও মুছে যায় না?
  1. RAM
  2. Cache Memory
  3. ROM
  4. Virtual Memory
ব্যাখ্যা

◉ ROM (Read-Only Memory) একটি Non-Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও এর ডেটা অক্ষত থাকে।

ভোলাটাইল মেমোরি (Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
- যেমন: RAM.

নন-ভোলাটাইল মেমরি (Non-Volatile Memory):
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমোরির তথ্য মুছে যায় না তাকে নন-ভোলাটাইল মেমোরি বলে।
- যেমন- ROM.

রম (ROM):
- ROM-এর পূর্ণ অর্থ হলো Read Only Memory.
- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমরি (Non-Volatile Memory)।
- অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) RAM (Random Access Memory): এটি Volatile Memory, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা মুছে যায়।
খ) Cache Memory: বিদ্যুৎ চলে গেলে এর ডেটা হারিয়ে যায় (Volatile Memory)।
ঘ) Virtual Memory: এটি একটি সফটওয়্যার-ভিত্তিক মেমোরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা হার্ড ডিস্কের কিছু অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করে। এটি  RAM এর মতো ডেটা হারাতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৪৭.
দুটি সিপিইউ-এর আর্কিটেকচার একই, কিন্তু CPU A এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B এর গতি ২.৫ GHz. সাধারণত কোনটি দ্রুত?
  1. CPU A
  2. CPU B
  3. উভয়ই সমানভাবে দ্রুত
  4. RAM এর ওপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• দুটি CPU-এর আর্কিটেকচার একই হলেও তাদের ক্লক স্পিড ভিন্ন। CPU-এর গতি মূলত GHz (গিগাহার্টজ) দ্বারা প্রকাশিত হয়, যা নির্দেশ করে CPU প্রতি সেকেন্ডে কত কোটি চক্র সম্পন্ন করতে পারে। CPU A-এর গতি ৩.০ GHz এবং CPU B-এর গতি ২.৫ GHz। যেহেতু CPU A প্রতি সেকেন্ডে বেশি চক্র সম্পন্ন করতে সক্ষম, তাই এটি CPU B-এর তুলনায় সাধারণত দ্রুত। অবশ্য, বাস্তব পারফরম্যান্স RAM, ক্যাশে মেমরি এবং সফটওয়্যারের কার্যকর ব্যবহারের ওপরও কিছুটা নির্ভর করে, কিন্তু শুধুমাত্র ঘড়ির গতি বিবেচনা করলে CPU A দ্রুত।

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel [link]

৪,৫৪৮.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্গত নয়?
  1. Backup Software
  2. Disk Defragmenter
  3. Compression tools
  4. Rename statement
ব্যাখ্যা

• “Rename statement” ইউটিলিটি সফটওয়্যারের অন্তর্গত নয়। Rename statement ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের কার্যকারিতা উন্নত করতে, রক্ষণাবেক্ষণ করতে এবং সিস্টেম অপ্টিমাইজ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ হিসেবে Backup Software, Disk Defragmenter এবং Compression tools অন্তর্ভুক্ত।
Backup Software ডেটা সুরক্ষার জন্য ব্যাকআপ তৈরি করে, Disk Defragmenter হার্ডডিস্কের ফাইলকে পুনর্বিন্যস্ত করে দ্রুততা বাড়ায়, আর Compression tools ফাইলের আকার কমায়। তবে Rename statement একটি প্রোগ্রামিং কমান্ড, যা কেবল ফাইল বা ভেরিয়েবলের নাম পরিবর্তনের কাজ করে, এটি সিস্টেম অপ্টিমাইজেশন বা রক্ষণাবেক্ষণের কাজে ব্যবহৃত হয় না।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও
- অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৪৯.
ALU দ্বারা পরিচালিত লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো:
  1. Fetch, Decode, Execute
  2. AND, OR, NOT
  3. Read, Write, Store
  4. Boot, Load, Shutdown
ব্যাখ্যা

• ALU (Arithmetic Logic Unit) মূলত কম্পিউটারের Arithmetic ও Logic অপারেশন সম্পাদন করে। এর মধ্যে লজিক্যাল অপারেশন হলো AND, OR, NOT ইত্যাদি, যা বিভিন্ন বিট বা ডেটার মধ্যে তুলনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ব্যবহৃত হয়। ALU এর মাধ্যমে প্রোগ্রাম বিভিন্ন শর্ত পরীক্ষা করতে পারে, যেমন দুটি বিট সমান কি না বা কোন শর্ত সত্য কি মিথ্যা। অন্য অপশনগুলো যেমন Fetch, Decode, Execute বা Read, Write, Store, এগুলো ALU এর কাজ নয়, বরং CPU বা মেমরির অন্যান্য অংশের কাজ।
- তাই লজিক্যাল অপারেশন ALU দ্বারা শুধুমাত্র AND, OR, NOT দ্বারা পরিচালিত হয়।

 
 অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,৫৫০.
ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য কী?
  1. একক প্রসেসর ব্যবহার করে এবং মেমোরি শেয়ার করে
  2. একাধিক প্রসেসর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত থাকে
  3. একই মেশিনে একাধিক প্রসেসর মেমোরি শেয়ার করে কাজ করে
  4. প্রসেসরগুলো একই ক্লক সিগন্যাল ব্যবহার করে কাজ করে
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) একাধিক প্রসেসর নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত থাকে।

• ডিস্ট্রিবিউটেড অপারেটিং সিস্টেম (Distributed Operating System)
- ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম হচেছ কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে পরস্পর সংযুক্ত কতকগুলো প্রসেসর যা মেমোরি বা ক্লক কোনোটিই শেয়ার করে না।
- প্রতিটি প্রসেসরের নিজস্ব লোকাল মেমোরি থাকে যা হাই-স্পিড বাস বা অন্য কোনো কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে।
- কম্পিউটিং এর আধুনিক ধারা হলো ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং।
- ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেমে প্রসেসর এর সাইজ ও কাজ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,৫৫১.
এক পিকো সেকেন্ড = কত?
  1. ১০-৩ সেকেন্ড
  2. ১০-৬ সেকেন্ড
  3. ১০-৯ সেকেন্ড
  4. ১০-১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• ১ মিলি সেকেন্ড = ১০-৩ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের এক হাজার ভাগের এক ভাগ]
• ১ মাইক্রো সেকেন্ড = ১০-৬ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের দশ লক্ষ ভাগের এক ভাগ]
• ১ ন্যানো সেকেন্ড = ১০-৯ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ]
১ পিকো সেকেন্ড = ১০-১২ সেকেন্ড [১ সেকেন্ডের এক লক্ষ কোটি ভাগের এক ভাগ] 

উৎস: Britannica.com.
৪,৫৫২.
এমবেডেড কম্পিউটারের প্রয়োগ ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মাইক্রোওয়েভ
  2. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ওয়েব ব্রাউজিং
ব্যাখ্যা

•  এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্যের জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার সিস্টেম, যা সাধারণত বড় কম্পিউটার বা ডেস্কটপের মতো মাল্টি-ফাংশনাল নয়। এগুলি যন্ত্র বা ডিভাইসের ভেতরে স্থাপিত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনে দক্ষ। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, মাইক্রোওয়েভ ও অন্যান্য গৃহস্থালীর যন্ত্রের মধ্যে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়, যা সময়, তাপমাত্রা ও রান্নার প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং হলো সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের কাজ, যা বহুমুখী প্রসেসিং সক্ষমতা প্রয়োজন। সুতরাং, এমবেডেড কম্পিউটারের প্রয়োগ ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।

উৎস:
-. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৫৩.
Spacefiller বলা হয় কোন ভাইরাসকে?
  1. ভিবিএস
  2. ট্রোজান হর্স
  3. সিআইএইচ
  4. বুট সেক্টর
ব্যাখ্যা
♦ কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৫৪.
(654)8 = (?)2
  1. 110101110
  2. 110101101
  3. 110101100
  4. 111101100
ব্যাখ্যা
• 1 বিট অক্টাল সংখ্যাকে প্রকাশ করতে সর্বোচ্চ 3 বিট বাইনারি লাগে।

অক্টাল 6 এর সমতুল্য বাইনারি = 110
অক্টাল 5 এর সমতুল্য বাইনারি = 101
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
∴ (654)8 = (110101100)2
৪,৫৫৫.
CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত কোন ইউনিভার্সাল গেট দ্রুত কাজ করে?
  1. NOR
  2. OR
  3. AND
  4. NAND 
ব্যাখ্যা

• CMOS প্রযুক্তিতে সাধারণত NAND গেট সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে। এর প্রধান কারণ হলো CMOS সার্কিটে NAND গেটের ট্রানজিস্টর বিন্যাস তুলনামূলকভাবে কার্যকর। NAND গেটে পুল-ডাউন নেটওয়ার্কে NMOS ট্রানজিস্টরগুলো সিরিজে থাকলেও পুল-আপ নেটওয়ার্কে PMOS ট্রানজিস্টরগুলো প্যারালালে থাকে, ফলে আউটপুট দ্রুত হাই লেভেলে যেতে পারে। যেহেতু ইলেকট্রনের গতিশীলতা হোলের চেয়ে বেশি, NMOS দ্রুত কাজ করে এবং সামগ্রিক ডিলে কম হয়। অন্যদিকে NOR গেটে PMOS ট্রানজিস্টর সিরিজে থাকায় গতি কমে যায়। তাই CMOS প্রযুক্তিতে NAND গেটকে বেশি দ্রুত ও কার্যকর ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যেসব গেইট ব্যবহার করে AND, OR ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়, সেগুলোকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- OR, AND এবং NOT - এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সব ধরনের লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- শুধুমাত্র NAND গেইট ব্যবহার করেই যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- এর কারণ, NAND গেইট দিয়েই OR, AND ও NOT গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।
- একইভাবে শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়েও OR, AND ও NOT গেইট তথা যেকোনো লজিক সার্কিট তৈরি করা সম্ভব।
- তাই NAND এবং NOR গেইট - এই দুইটি গেইটকেই সার্বজনীন গেইট বলা হয়।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- sciencedirect. [link]

৪,৫৫৬.
কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি নয় কোনটি?
  1. ক) হার্ড ডিস্ক
  2. খ) চার্জ কাপলড স্মৃতি
  3. গ) চৌম্বক ড্রাম
  4. ঘ) কম্প্যাক্ট ডিস্ক
ব্যাখ্যা

রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (উন্মুক্ত)
৪,৫৫৭.
Internet Protocol Address কত বিটের হয়ে থাকে?
  1. ক) ৩০
  2. খ) ৩১
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৩৩
  5. ঙ) ৩৪
ব্যাখ্যা
Internet Protocol Address ৩২ বিটের হয়ে থাকে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
৪,৫৫৮.
(১৫)10 কে বাইনারিতে প্রকাশ করুন-
  1. 1100
  2. 1000
  3. 1011
  4. 1111
ব্যাখ্যা

ভাগ

ভাগফল

ভাগশেষ

১৫÷২

৭÷২

৩÷২

সর্বশেষ ভাগশেষ ১ থাকে

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান)

৪,৫৫৯.
payoneer.com হলো একটি-
  1. কম্পিউটার ভাইরাস তৈরিকারক প্রতিষ্ঠান
  2. আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠান
  3. ই-লার্নিং ওয়েবসাইট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
payoneer.com হচ্ছে Financial service company. এটা আউটসোর্সিং মার্কেট প্লেস নয়।

• আউটসোর্সিং:

- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬০.
ডেটাবেজ সিস্টেমে কোন কী'র সাহায্যে দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়?
  1. Super Key
  2. Composite Primary Key
  3. Foreign Key
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ কী ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
যেমন- ক্লাসে ছাত্রদের রোল নম্বরের ভিত্তিতে শনাক্তকরণ, ফলাফল ঘোষণা ও স্কলারশীপ বিতরণ করা হয়, তাই রোল নম্বরকে কী ফিল্ড বলা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে।
যথা: 
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key) ।

• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন: একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী। 

• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোনো ডেটাবেজ ফাইলে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড। 

• ফরেন কী:
- অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬১.
নিচের কোনটি "System Software" নয়?
  1. Windows Xp
  2. Linux
  3. Maxthon
  4. Android
ব্যাখ্যা
• "Maxthon" System Software নয়.
- এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার।

• কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software)
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- DOS,
- Windows Xp,
- Linux,
- Unix,
- Mac OS (Apple IOS)
- Android
- Solaries
আবার Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।

• সিস্টেম সফট্ওয়‍্যারের কাজ:
- কম্পিউটারের সূইচ অন করার পর অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় কম্পিউটারের র‍্যামে কি পরিমাণ জায়গা আছে।
- এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক (Startup Disc) খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয় অংশ RAM-এ নিয়ে আসে। এর ফলে কী-বোর্ড, ডেস্ক এক্সেসরিজ ইত্যাদির প্রয়োজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় চলে আসে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য আবারও স্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসোর্সগুলো নিয়ে আসে। 
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এসএসসি প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৪,৫৬২.
কোন কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে?
  1. অ্যাপল
  2. এপসন
  3. আইবিএম
  4. মাইক্রোসফট 
ব্যাখ্যা

ল্যাপটপ কম্পিউটার: 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়। 
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। 
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়। 
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)। 
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং উৎস: dw.com 

৪,৫৬৩.
মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. পামটপ কম্পিউটার
  2. নোটবুক কম্পিউটার
  3. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোকম্পিউটার:
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত। - একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।

• মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-
১. পামটপ কম্পিউটার
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার
৩. নোটবুক কম্পিউটার
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার
- এছাড়াও ট্যাবলেট পিসি, ফ্যাবলেট, স্মার্টফোন ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৬৪.
সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) Mark-1
  2. খ) ইউনিভ্যাক
  3. গ) এনিয়াক
  4. ঘ) এবিসি
ব্যাখ্যা
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার- এডস্যাক (EDSAC),
- প্রথম বৈদ্যুতিক কম্পিউটার মার্ক- ১ (Mark-1),
- প্রথম পূর্ণাঙ্গ বৈদ্যুতিক কম্পিউটার এনিয়াক-১ (ENIAC-1) এবং
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ও ডিজিটাল কম্পিউটার - ইউনিভ্যাক-১ (UNIVAC-1)।
৪,৫৬৫.
Ransomware সর্বপ্রথম কত সালে কম্পিউটারকে আক্রমণ করে?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০১৩
  3. গ) ২০১৪
  4. ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
Ransomware সর্বপ্রথম ২০১৬ সালে কম্পিউটারকে আক্রমণ করে। 

Ransomware হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার (Malware) অর্থাৎ বলা যেতে পারে এক ধরনের ক্ষতিকারক ভাইরাস যেটি কিনা যেকোন কম্পিউটার ডিভাইস কে হ্যাক করতে পারে এবং যার কম্পিউটার ডিভাইস  তাকে কম্পিউটারে প্রবেশ করতে দেয় না অর্থাৎ যার কম্পিউটার সে নিজে অ্যাক্সেস করতে পারে না। 

সূত্রঃ ক্যাসপারস্কি ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]
৪,৫৬৬.
IC-7432 দ্বারা কোন গেইটকে বুঝানো হয়?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) NOT
  4. ঘ) XOR
ব্যাখ্যা
IC এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Circuit. আই.সি. কে সিলিকন চিপ বা চিপ বলা হয়। এটি এক ধরনের মাইক্রো ইলেকট্রনিকস ডিভাইস, যাতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, ডায়োড, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি কম্পোনেন্ট সিলিকন চিপের উপর নির্মান করে জোড়া লাগানো হয়। আই.সি. ব্যাবহারের ফলে সার্কিট অনেক ছোট এবং অধিক কর্মক্ষমতা সম্পন্ন হয়। 

লজিক গেইট গুলোকেও এমন IC আকারে বাজারে পাওয়া যায়। যেমন:

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,৫৬৭.
কোন অক্ষরটি হেক্সাডেসিমাল গণনা পদ্ধতির একটি মান নির্দেশ করে?
  1. F
  2. G
  3. H
  4. K
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামিং -এ চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। 
যেমন- 
১। ডেসিম্যাল (Decimal) বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি, 
২। বাইনারি (Binary) সংখ্যা পদ্ধতি, 
৩। অকটাল নাম্বার সিস্টেম পদ্ধতি এবং 
৪। হেক্সাডেসিম্যাল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতি। 

হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি: 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি হল ১৬-ভিত্তিক একটি সংখ্যা পদ্ধতি। 
অর্থাৎ, শুধুমাত্র প্রতিটি সংখার জন্য ১৬টি সম্ভাব্য মান নিয়ে ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতি গঠিত হয়। 
- ষোড়শিক সংখ্যা পদ্ধতির অঙ্কগুলো হল 0-9 এবং A, B, C, D, E, F পর্যন্ত মোট ১৬টি বর্ণ। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
৪,৫৬৮.
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কম্পোনেন্টগুলোতে শক্তি বা বিদ্যুৎ সরবরাহ করে কোন ডিভাইসটি?
  1. প্রসেসর
  2. মাদারবোর্ড
  3. হার্ডডিস্ক
  4. পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট
ব্যাখ্যা

• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU):
- পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট এমন একটি ডিভাইজ যা কম্পিউটারের শক্তি জোগায়।
- কম্পিউটারের সাথে সংশ্লিষ্ট কম্পোনেটগুলো যথাযথভাবে কাজ করছে কি না তা নিশ্চিত করার জন্য সরবরাহ করা ভোল্টেজকে রেগুলেট করে।
- এটি কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় ২৩০ ভোল্ট বিদ্যুৎ সাপ্লাইকে রূপান্তর রেগুলেটেড ডিসি ভোল্টেজে রূপান্তরিত করে।
- পাওয়ার সাপ্লাই একটি ধাতব বক্স, যা কম্পিউটারের কেসিংয়ের ওপরের কোনায় থাকে।
- সাধারণত কেসিংয়ের সাথে পাওয়ার সাপ্লাই ইনস্টল করা থাকে। যদি ইনস্টল করা না থাকে তাহলে পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিটকে কেসিংয়ের যথাস্থানে স্থাপন করে স্ক্রু-গুলি সংযুক্ত করতে হবে। অতঃপর বিভিন্ন ক্যাবলসমূহ নির্ধারিত স্থানে সংযোজন করার পদক্ষেপ নিতে হবে।
- কাজের ধরন ও ক্যাবল ম্যানেজমেন্টের ওপর ভিত্তি করে এটি মডুলার, সেমি-মডুলার এবং নন-মডুলার -এই তিন ধরনের হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৬৯.
বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে কতটি বাইনারি বিট একসাথে ব্যবহৃত হয়?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৩টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৭০.
(1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক) (10)10
  2. খ) (14)8
  3. গ) (A)16
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1010)2 এর সমতুল্য মানের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?

সমাধান:
৪,৫৭১.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. AND এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. OR এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৫৭২.
VRM কী ধরণের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট-আউটপুট
  2. খ) ইনপুট
  3. গ) আউটপুট
  4. ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- আউটপুট ইউনিট কম্পিউটারে তথ্য প্রদানের পর কম্পিউটার সেই তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর যে ফল প্রদান করে তাহলো আউটপুট।
- প্রক্রিয়াকরণের পর যে সব যন্ত্রের মাধ্যমে ফলাফল প্রদর্শিত হয় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস (Output Device)।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, ভয়েস রিকগনিশন মেশিন (VRM), টেপ, ডিস্ক ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস। নিম্নে কিছু আউটপুট ডিভাইসের বর্ণনা করা হল ।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৩.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. CentOS
  2. Ubuntu
  3. Opera
  4. Fedora
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) হলো কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার পরিচালনা করার সুযোগ দেয়। CentOS, Ubuntu, এবং Fedora তিনটি আলাদা ধরনের অপারেটিং সিস্টেম, যা লিনাক্স ভিত্তিক এবং বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য উপযোগী।
- তবে Opera একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ব্রাউজিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়।


• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন - CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৪.
কুকিজ ও টেম্পোরারি ফাইল জমা হয় কোথায়?
  1. হার্ডডিস্কে
  2. ডি-ড্রাইভে
  3. রমে
  4. ক্যাশ মেমোরিতে
ব্যাখ্যা
ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে।
ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৫৭৫.
NAND গেটকে কেন "Universal Gate" বলা হয়?
  1. এটি সবচেয়ে সাধারণভাবে ব্যবহৃত গেট
  2. এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়
  3. এটি কম বিদ্যুৎ খরচ করে
  4. এটি তৈরি করা সহজ
ব্যাখ্যা
• NAND গেটকে "Universal Gate" বলা হয় কারণ এটি ব্যবহার করে সব ধরনের অন্যান্য লজিক গেট তৈরি করা যায়। অর্থাৎ, NAND গেটের সাহায্যে AND, OR, NOT, NOR, XOR প্রভৃতি সকল লজিক গেট ডিজাইন করা সম্ভব। এই গেটটি এতই কার্যকরী যে, শুধুমাত্র NAND গেট দিয়েই একটি পূর্ণ লজিক সার্কিট নির্মাণ করা যায়। তাই, এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুল ব্যবহৃত। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

অন্যদিকে, 
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৫৭৬.
নিচের কোনটি Utility Software নয়?
  1. System Cleanup
  2. Disk Defragmenter
  3. Antivirus
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

ইউটিলিটি সফটওয়্যার- এর উদাহরণ হচ্ছে - 
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- File Compression Tools,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities.

অন্যদিকে,
• COBOL - প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুইয়েজ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৭৭.
বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপনের সময়কাল কখন?
  1. ১৯৬৮ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে) প্রথম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন-এর তত্ত্বাবধানে।
- কম্পিউটারটি ছিল IBM 1620 মডেলের। এটি একটি প্রাথমিক কম্পিউটার সিস্টেম ছিল, যা মূলত গবেষণা ও তথ্য বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহার করা হতো।
- এর আগে, পাকিস্তান ও বাংলাদেশে কম্পিউটার প্রযুক্তি ছিল খুবই সীমিত, কিন্তু ১৯৬৪ সালে এই কম্পিউটারটির প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ছিল। এর মাধ্যমে দেশের গবেষণা কার্যক্রমে গতি আসে এবং পরবর্তীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়তে থাকে।

- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার ব্যবহারের জন্য একটি কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বিভিন্ন শস্য গবেষণা ও বিজ্ঞানমূলক কাজে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়। ১৯৭০ ও ১৯৭৪ সালের মধ্যে আরও অনেক কম্পিউটার প্রতিষ্ঠিত হয়, তবে ১৯৬৪ সালের ঘটনাটি বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে চিহ্নিত।
- এটি ছিল বাংলাদেশের কম্পিউটার বিজ্ঞানের প্রথম পদক্ষেপ, এবং পরবর্তীতে এর ব্যবহার শিক্ষা, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে বিস্তৃত হতে থাকে।

• বাংলাদেশে প্রথম কম্পিউটার স্থাপন:
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।

- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

৪,৫৭৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের সহায়ক মেমরি হিসেবে কাজ করে?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমরি:
- কম্পিউতার মেমরি প্রধানত ২ প্রকার। যথা:
১) প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory) ও 
২) গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory)।

 • প্রাথমিক/ প্রধান মেমরি (Main Memory):
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile Memory বলে।
- RAM( Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়।
- RAM কে Volatile Memory বলে।
- ROM কে Non - Volatile Memory বলে।

• গৌণ/ সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেনী।
৪,৫৭৯.
Which of the following is not an output hardware?
  1. ক) Flim Recoder
  2. খ) Multimedia Projector
  3. গ) VRAM
  4. ঘ) Image Setter
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট হার্ডওয়্যার নামে পরিচিত।
অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট যন্ত্রাংশ বা আউটপট হার্ডওয়্যার বলা হয়।

উল্লেখযোগ্য আউটপট হার্ডওয়্যারসমূহ হলো:
- মনিটর (Monitor)
- প্রিন্টার (Printer)
- প্লটার (Ploter)
- স্পিকার (Speaker)
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
-  ইমেজ সেটার (Image Setter)
- ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
- হেড ফোন (Headphone) ইত্যাদি।

অপরদিকে, VRAM হলো প্রসেসিং হার্ডওয়্যার। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮০.
‘ট্যাব’ Key ব্যবহার করা যায়-
  1. স্ক্রিন জুড়ে কার্সর মুভ করতে
  2. একটি অনুচ্ছেদ ইন্ডেন্ট করতে
  3. স্ক্রিনের নিচে কার্সর মুভ করতে
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
স্ক্রিন জুড়ে কার্সর মুভ করা ও অনুচ্ছেদ ইন্ডেন্ট করার কাজে ‘ট্যাব’ Key ব্যবহার করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৫৮১.
মূলত কোনটিকে কম্পিউটারের প্রসেসর বলা হয়ে থাকে?
  1. ALU
  2. CPU
  3. UPS
  4. RAM
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Processor):
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়‍্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ। একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ (CPU) হিসেবে কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32-বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64-বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে। এটি ছিল Intel 4000 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।  - বিভিন্ন বৈশিষ্ট্যের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে বিশ্বের বিভিন্ন ধরনের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation), মটোরোলা (Motorola), আইবিএম (IBM International Business Machine), এএমডি (AMD Advanced Micro Devices), কোয়ালকম (Qualcomm) ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৫৮২.
এমএস ওয়ার্ড এ কোনাে কিছু কপি করতে হলে কি-বোর্ডে কমান্ড বাটন হচ্ছে-
  1. ক) Shift + Copy
  2. খ) Shift + Alter + C
  3. গ) Alt + G
  4. ঘ) Ctrl + C
ব্যাখ্যা
এমএস ওয়ার্ডে
- কোনো কিছু খুজে বের করতে Ctrl + F
- কোন কিছু কপি করতে Ctrl + C,
- পেস্ট করতে Ctrl + V,
- কোন ফাইল কর্তনে Ctrl + X,
- কোনো ফাইল Undo করতে Ctrl + Z,
- Undo-কৃত ফাইলকে Redo করতে Ctrl + Y ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট
৪,৫৮৩.
ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম কী?
  1. ক) NPSB
  2. খ) Pathao
  3. গ) BEFTN
  4. ঘ) Binimoy
ব্যাখ্যা
বিনিময়
- ব্যাংক, মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (এমএফএস) ও  পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসপি) এর মধ্যে আন্তঃলেনদেন সেবার নাম ‘বিনিময়’।
- তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন একাডেমি প্রতিষ্ঠাকরণ (আইডিয়া) প্রকল্প ও বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে তৈরি করা হয়েছে বিনিময়।
- এ সেবার মাধ্যমে বিকাশ থেকে রকেটে অথবা উপায় থেকে এমক্যাশে বা বিকাশে কিংবা ব্যাংকে তাৎক্ষণিক লেনদেন করা যাবে একটি অ্যাকাউন্ট দিয়ে।
- ভারতের ইউপিআই (Unified Payments Interface - UPI) এর আদলে তৈরি হয়েছে দেশের Interoperable Digital Transaction Platform (IDTP), যা বিনিময় নামে পরিচিত হবে।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়েছে ১৩ নভেম্বর ২০২২ এ।
৪,৫৮৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. AVG
  2. AVAST
  3. Norton
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৪,৫৮৫.
AIX অপারেটিং সিস্টেম এর স্বত্বাধিকারী-
  1. ক) IBM
  2. খ) IBS
  3. গ) HP
  4. ঘ) Microsoft Corporation
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ব্রান্ডের কম্পিউটারের জন্য ইউনিক্স এর কয়েকটি ভার্সন আছে। ম্যাকিনটোশ পিসির জন্য A/UX, আইবিএম পিসির জন্য AIX, সান মাইক্রোওয়ার্ক স্টেশনের জন্য Solaris।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৪,৫৮৬.
অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে কত বিট বিশিষ্ট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়-
  1. ৮ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৩ বিট
  4. ২ বিট
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-

১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৮৭.
In cybersecurity, a Zero-Day vulnerability means-
  1. A virus that spreads within 24 hours
  2. A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited 
  3. A malware that deletes files every day
  4. A hacking tool that lasts for one day 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) A flaw unknown to the vendor, to be fixed before it can be exploited.

জিরো-ডে ভানারেবিলিটি (Zero-Day Vulnerability):
- জিরো-ডে ভানারেবিলিটি হলো সেই নিরাপত্তা দুর্বলতা যা সফটওয়্যার নির্মাতার কাছে অজানা থাকে।
- এটি একটি ত্রুটি বা দুর্বলতা যা এখনও প্রকাশ করা হয়নি বা কোনো প্যাচ (patch) দ্বারা সমাধান করা হয়নি।
হ্যাকাররা এই দুর্বলতাটি ব্যবহার করে সফটওয়্যার বা সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ করতে পারে।
- "Zero-Day" নামটি এসেছে কারণ, সফটওয়্যার নির্মাতাকে সমস্যার সমাধান করার জন্য এক দিনও সময় নেই।
- এটি ব্যবহারকারীদের জন্য সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ধরনের সাইবার হুমকি, কারণ কোনো নিরাপত্তা সমাধান আগেই প্রস্তুত থাকে না।
- সাধারণ অ্যান্টিভাইরাস বা নিরাপত্তা সিস্টেম প্রায়ই এটি চিনতে পারে না, তাই এটি খুবই বিপজ্জনক।
উদাহরণ এবং বিভ্রান্তিকর ধারণা:
কোনো জানা দুর্বলতা যার জন্য প্যাচ ইতিমধ্যেই রয়েছে, সেটি জিরো-ডে নয়।
- পুরোনো হার্ডওয়‍্যারের ত্রুটি বা নির্দিষ্ট সময় পরে সক্রিয় হওয়া ম্যালওয়্যার জিরো-ডে ভানারেবিলিটি নয়।
- মূল বৈশিষ্ট্য: এটি সফটওয়্যার নির্মাতার অজানায় থাকে এবং একেবারে নতুন আক্রমণের সুযোগ দেয়।
- সুতরাং, সফটওয়্যার নির্মাতার অজানা দুর্বলতাকেই জিরো-ডে ভানারেবিলিটি বলা হয়।

উৎস: IBM [link]

৪,৫৮৮.
RAM-কে কেন 'ভোলাটাইল' বা অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি খুব দ্রুত কাজ করে
  2. এতে ডেটা পড়া ও লেখা যায়
  3. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়
  4. এটি সিলিকন দিয়ে তৈরি
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়।

• প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main/Primary Memory):
- প্রধান মেমোরি কম্পিউটারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা মাইক্রোপ্রসেসরের কাজের জায়গা বা ওয়ার্কপ্লেস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে প্রয়োজনীয় তথ্য ও ফলাফল অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- আধুনিক কম্পিউটারে প্রধান মেমোরি অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি হয়। সেমিকন্ডাক্টরের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ আংশিকভাবে চলাচল করতে পারে। এর প্রধান কাঁচামাল হলো সিলিকন।
- প্রধান মেমোরির মূল ভিত্তি হলো ফ্লিপ-ফ্লপ নামক ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা ০ বা ১ বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- কম্পিউটারে ব্যবহৃত প্রধান মেমোরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: ক. র‍্যাম (RAM) ও খ. রম (ROM)।

ক. RAM (Random Access Memory):
- র‍্যাম কম্পিউটারের একটি অস্থায়ী মেমোরি যা ডেটা সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণে ব্যবহৃত হয়।
- সংরক্ষিত ডেটা যে কোনো ক্রমে অ্যাক্সেস করা যায় বিধায় একে র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (RAM) বলে। এছাড়াও ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই সম্ভব হওয়ায় একে রিড/রাইট মেমোরিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে অপারেটিং সিস্টেম এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম র‍্যামে লোড হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়, তাই একে ভোলাটাইল বা অস্থায়ী মেমোরি বলে
- এটি চলমান প্রোগ্রাম এবং বারবার পরিবর্তনশীল ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সিপিইউ (CPU)-এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের (ALU) সাথে প্রধানত রেজিস্টার (Register) এবং প্রাথমিক মেমরি বা মেইন মেমরি (RAM - Random Access Memory)-এর প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে। ALU-এর কাজের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী সরাসরি এই মেমোরি থেকে গ্রহণ করে এবং প্রসেসিংয়ের পর ফলাফল আবার রেজিস্টার বা র‍্যাম-এ জমা রাখে।

খ. রম (ROM):
- কম্পিউটার ROM হচ্ছে Read-Only Memory যা কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটার এর স্মৃতিতে কিছু প্রোগ্রাম এবং ডকুমেন্ট এমন ভাবে দেওয়া থাকে যা আমরা কোনভাবেই রিরাইট, ডিলিট বা কিচ্ছু করতে পারি না। কম্পিউটারের সেই স্মৃতিকেই মুলত বলা হয় ROM বা রিড অনলি মেমোরি।

রেজিস্টার (Register):
- এটি সিপিইউ-এর ভেতরে থাকা সবচেয়ে দ্রুতগতির ক্ষুদ্র মেমোরি, যা ALU-কে সরাসরি ডেটা সরবরাহ করে।

তথ্যসূত্র: 
- Geeksforgeeks [Link]
- Computer & ICT Cloud

৪,৫৮৯.
জিপিএস কোন উৎস থেকে তথ্য গ্রহণ করে?
  1. মোবাইল টাওয়ার
  2. রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি
  3. স্যাটেলাইট থেকে
  4. ওয়েব সার্ভার থেকে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ) স্যাটেলাইট থেকে 

জিপিএস (Global Positioning System – GPS)
- জিপিএস হলো একটি স্যাটেলাইট-নির্ভর একমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা, যা পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান নিখুঁতভাবে নির্ণয় করতে সক্ষম।
- আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির কারণে, মোবাইল ও অন্যান্য ডিভাইসের মাধ্যমে যেকোনো ব্যক্তি বা বস্তু ট্র্যাক করা এবং অবস্থান সঠিকভাবে নির্ণয় করা সম্ভব।
- জিপিএস নিরন্তর স্যাটেলাইট থেকে তথ্য গ্রহণ করে এবং তা পৃথিবীর বিভিন্ন সার্ভারে প্রেরণ করে।
- বর্তমানে, জিপিএস রিসিভারগুলো উচ্চ নির্ভুলতা (high accuracy) প্রদান করে।
- গাড়ি, জাহাজ, বিমান, ল্যাপটপ, স্মার্টফোনসহ আধুনিক অধিকাংশ ডিভাইসে জিপিএস রিসিভার সংযুক্ত থাকে।
- বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় জিপিএস ভিত্তিক সেবা হলো ট্রেনের অবস্থান সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়া।
- নির্দিষ্ট মোবাইল অপারেটরের মাধ্যমে মেসেজ পাঠিয়ে যাত্রীরা বাংলাদেশ রেলের যে কোনো ট্রেনের সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানতে পারে।
- এর ফলে যাত্রীরা স্টেশনে সময়মতো পৌঁছাতে পারে।
- বাংলাদেশের এই সেবাটি গ্রামীণফোন ও রেলের যৌথ উদ্যোগে জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রদান করা হয়।

Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান। 

৪,৫৯০.
একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য কোন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ভার্চুয়ালাইজেশন
  2. সিনক্রোনাইজেশন
  3. ইনক্রিপশন
  4. কম্প্রেশন
ব্যাখ্যা
একাধিক প্রসেসর যেন একই প্রোগ্রাম একসাথে প্রসেস না করে, সেটির জন্য সিঙ্ক্রোনাইজেশন কৌশলটি ব্যবহৃত হয়।

• মাল্টিপ্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprocessing Operating System)
- মাল্টিপ্রসেসিং বলতে দুই বা ততোধিক নির্দেশনা সমান্তরালভাবে দুই বা ততোধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর বা সিপিইউ কর্তৃক পরিচালিত হওয়া বুঝায়।
- এসব সিপিইউ একই সময়ে কোনো প্রোগ্রামের আলাদা নির্দেশ পালন করে কিংবা সম্পূর্ণভাবে আলাদা আলাদা প্রোগ্রামও নির্বাহ করতে পারে।
- মাল্টিপ্রসেসিং পদ্ধতিতে কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত হয়।
- এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর ব্যবহৃত হয় বলে এর উপর বেশি নির্ভরশীল হওয়া যায়, কারণ একটি প্রসেসর খারাপ হয়ে গেলেও কাজ একেবারে বন্ধ হয়ে যায় না।
- মহাকাশযান, বিদ্যুৎ উৎপাদনকেন্দ্র ও বড় কলকারখানা এসব ক্ষেত্রে মাল্টিপ্রসেসিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- যেহেতু এ পদ্ধতিতে একাধিক প্রসেসর থাকে তাই একাধিক প্রসেসর যাতে একসাথে একই প্রোগ্রাম প্রসেস করতে না পারে সে জন্য একটা ব্যবস্থা থাকে যাকে সিনক্রোনাইজেশন (Synchronization) বলে।
- মাল্টিপ্রসেসিং-এ প্রতিটি প্রোগ্রামের সাথে একটি ফ্ল্যাগ বিট (Flag bit) যুক্ত থাকে।
- কোনো প্রোগ্রামের ফ্ল্যাগ বিট শূন্য (০) হলেই কোনো প্রসেসর সেই প্রোগ্রাম প্রসেস করে এবং ফ্ল্যাগ বিট এক (১) করে রাখে।
- সুতরাং যে প্রোগ্রামের ফ্ল‍্যাগ বিট এক (১) ঐ প্রোগ্রাম কোনো প্রোসেসর প্রসেস করবে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,৫৯১.
Which of the following is the world’s first electronic computer?
  1. ENIAC
  2. MARK-1
  3. EDVAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
ENIAC হচ্ছে প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে আমেরিকার পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের জন মশলি ও প্রেসলার একাট যৌথভাবে বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার তৈরি করেন।
- তাঁরা কম্পিউলিরটির নাম দেন 'এনিয়াক' (ENIAC)।
- এনিয়াক হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

• EDVAC:
- EDVAC তৈরি হয়েছিল ১৯৪৬ সালে।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল।

• UNIVAC:
-জন মশলি ও প্রেসপার একাটি ১৯৪৬ সালে একটি কোম্পানি গঠন করে ১৯৫১ সালে প্রথম ইউনিভ্যাক-(UNIVAC-1) কম্পিউটার তৈরি করেন।
- এই ইউনিভ্যাকই ছিল প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।
-১৯০২ সালে IBM কোম্পানি IBM-650, 701 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ও বাজারজাত করে।

• MARK-1:
- মার্ক-১ একটি ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার যেটি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ইন্‌টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন (International Business Machine) কোম্পানীর যৌথ উদ্যোগে নির্মিত হয়।
- হাওয়ার্ড এইকিনের তত্ত্বাবধানে ১৯৪৪ সালে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক-১ ছিল পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় হিসাবকারী যন্ত্র।
- এটি দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, এমনকি ত্রিকোণমিতিক হিসাবও করা যেত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউদির শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
৪,৫৯২.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. Guido Van Rossum
  3. Tim Berners-Lee
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা

• পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক হলেন Guido Van Rossum।
- ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে নেদারল্যান্ডের সিডব্লিউআই (CWI)-তে কর্মরত থাকাকালীন Guido Van Rossum পাইথন ভাষাটি তৈরি করেন।
- তিনি চেয়েছিলেন এমন একটি ভাষা তৈরি করতে যার কোড হবে পরিষ্কার এবং যা সহজে অন্য প্রোগ্রামাররা পড়তে পারবে। ১৯৯১ সালে এটি জনসমক্ষে প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে এর জনপ্রিয়তা ক্রমাগত বাড়ছে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য, 
- Bjarne Stroustrup: C++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Tim Berners-Lee: HTML এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW)-এর জনক।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৪,৫৯৩.
চিহ্নটি প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে কী নির্দেশ করে? 
  1. লুপ
  2. গাণিতিক কাজ
  3. সিদ্ধান্ত
  4. প্রোগ্রামের গতি
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট:
- কম্পিউটার প্রোগ্রাম লেখার জন্য এই ফ্লোচার্ট ব্যবহার করা হয়।
- এই ফ্লোচার্টের মাধ্যমে প্রক্রিয়াকরণের ধাপসমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়।
- মূলত সিস্টেম ফ্লোচার্টের চেয়ে প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টই বেশি ব্যবহৃত হয়।
- প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে কতকগুলো জ্যামিতিক চিত্র ব্যবহার করা হয়। 
- প্রোগ্রাম ফ্লোচার্টে ব্যবহৃত প্রতীকগুলো হলো:

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৪.
বিদ্যুৎ এর সিস্টেম লস কমানোর জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) রেকটিফায়ার
  2. খ) স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মার
  3. গ) স্টেপ-ডাউন ট্রান্সফর্মার
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
একটা নির্দিষ্ট বিদ্যুৎ শক্তির জন্য যদি উচ্চ ভোল্টেজ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয় তাহলে রোধজনিত তাপশক্তি হিসেবে লস কমে যায়। সে জন্য বিদ্যুৎকেন্দ্রে যে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপাদন করা হয় সেটিকে স্টেপ-আপ ট্রান্সফর্মারের সাহায্যে উচ্চতর ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয়।

[সূত্রঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি]
৪,৫৯৫.
কোনটি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে?
  1. RAM
  2. Hard Disk
  3. Cache
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে ক্যাশ মেমরি সবচেয়ে দ্রুত কাজ করে।

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়। 

• মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:

 
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৬.
কোনটি নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে?
  1. Compiler
  2. Assembler
  3. Interpreter
  4. Linker
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অ্যাসেম্বলি বা উচ্চতর ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে সোর্স প্রোগ্রাম এবং মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রাম বলা হয়।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করার জন্য যে প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- সোর্স প্রোগ্রামকে অনুবাদ করার জন্য তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম আছে। যেমন:
১. কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।

৩. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৫৯৭.
কোনটি আইসির একটি ধরন?
  1. TTL
  2. CR2032
  3. LED
  4. Resistor
ব্যাখ্যা
• আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated Circuit) হলো একটি ছোট চিপ যা অনেক ধরনের ইলেকট্রনিক উপাদান যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর একত্রিত করে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন প্লেটে স্থাপন করে। এটি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রের মূল কাজ সম্পাদন করে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে TTL (Transistor-Transistor Logic) হলো আইসির একটি ধরন। TTL আইসি প্রধানত লজিক সার্কিট তৈরিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে লজিক ফাংশন সম্পাদন করে। অন্যদিকে CR2032 হলো ব্যাটারি, LED হলো আলো উৎপন্ন উপাদান, এবং Resistor হলো বৈদ্যুতিক প্রবাহ নিয়ন্ত্রণকারী উপাদান। সুতরাং, আইসির ধরন হিসেবে সঠিক উত্তর হলো TTL।

• Integrated Circuit:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন। 
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে। 
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। 
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। 
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে। 

উৎস: 
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. ব্রিটানিকা।
৪,৫৯৮.
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য কোন মেমরি ব্যবহার করা হয়?
  1. র‍্যাম
  2. ম্যাগনেটিক কোর মেমরি
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. রম
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache-ে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।
- Cache ২ ধরনের হয়ে থাকে। যথা
- অভ্যন্তরীণ ক্যাশে বা লেভেল 1 যা প্রসেসর এর অভ্যন্তরে থাকে।
- বহিঃস্থ ক্যাশে বা লেভেল 2 যা রেম এবং প্রসেসর এর মাঝখানে থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৫৯৯.
কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ (Internal) হার্ডওয়্যারের উদাহরণ কোনটি?
  1. Network card
  2. Game pad
  3. Flat-panel
  4. USB thumb drive
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ক) Network card 

• হার্ডওয়্যার (Hardware):
- কম্পিউটার সিস্টেম পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন ধরনের উপাদান নিয়ে গঠিত, যা ব্যবহারকারী প্রদত্ত কোনো প্রোগ্রামের নির্দেশাবলি পালন করে এবং ফলাফল প্রদান করে।
- কম্পিউটারব্যবস্থায় হার্ডওয়‍্যার অন্যতম উপাদান। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড প্রভৃতি যন্ত্রপাতি নিয়ে সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন ও সহায়তা করার জন্য রয়েছে অন্য ডিভাইসসমূহ যেমন-ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি যন্ত্রপাতি। উল্লিখিত সকল যন্ত্রপাতিই কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার।

• কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ:
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card 

• কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ: 
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive 


তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৬০০.
নিম্নলিখিত কোনটি ALU দ্বারা সম্পাদিত হয় না?
  1. গুণ
  2. বিয়োগ
  3. ইন্টারনেট রাউটিং
  4. যোগ
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit একটি কম্পিউটার প্রসেসরের অংশ যা মূলত অঙ্ক এবং লজিকাল অপারেশন সম্পাদন করে। এটি সংখ্যাগত ক্রিয়াকলাপ যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ, এছাড়াও তুলনা বা লজিক অপারেশন যেমন AND, OR, NOT প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। তবে, ইন্টারনেট রাউটিং ALU-এর কাজের মধ্যে পড়ে না। রাউটিং মূলত নেটওয়ার্ক প্রোটোকল এবং রাউটার বা নেটওয়ার্ক ডিভাইস দ্বারা পরিচালিত হয়। ALU শুধুমাত্র প্রসেসরের অভ্যন্তরীণ গণনা ও লজিকাল সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু নেটওয়ার্ক ডেটা প্রেরণ বা প্যাকেটের পথ নির্ধারণ করা তার ক্ষমতার বাইরে। সুতরাং, ALU দ্বারা সম্পাদিত নয়।

উত্তর: গ) ইন্টারনেট রাউটিং।

• গাণিতিক যুক্তি অংশ:

- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit।
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- ALU রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও করে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষণ করে রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।