বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪৫ / ৮২ · ৪,৪০১৪,৫০০ / ৮,১৪১

৪,৪০১.
(110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।
  1. 49
  2. 40
  3. 51
  4. 64
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (110011)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর কর।

সমাধান:
(110011)2 = (1 × 25) + (1 × 24) + (0 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 32 + 16 + 0 + 0 + 2 + 1
= 51

∴ (110011)2 = (51)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪০২.
প্রথম সফল পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারজাত করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) এপল
  4. ঘ) ইনটেল
ব্যাখ্যা

মাইক্রোকম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে পিসি বলা হয়। মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে কারিগরি নাম এবং পিসি হচ্ছে চলতি নাম।

প্রথম সফল মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে ছেড়েছিল ১৯৭৬ সালে এপল নামে একটি আমেরিকান কোম্পানি। এই কম্পিউটারকে বলা হয় এপল গোত্রের ডেস্কটপ বা এপল পিসি।

উৎসঃ এসএসসি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

 
৪,৪০৩.
'MICR' কোডে নিচের কোনটি থাকে?
  1. ব্যাংক রাউটিং নাম্বার
  2. একাউন্ট নাম্বার
  3. চেক নাম্বার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- MICR কোডের পূর্ণরূপ Magnetic Ink Character Recognition. 
- MICR হল এমন একধরণের প্রযুক্তি যা প্রাথমিকভাবে চেক সনাক্তকরণ ও  প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- MICR কোডের সংখ্যাগুলো নিম্নলিখিত ৩টি গ্ৰুপে বিভক্ত।যথা:
     - ব্যাংক রাউটিং নাম্বার 
     - একাউন্ট নাম্বার 
     - চেক নাম্বার 
 
Source: investopedia.com
৪,৪০৪.
কোন মেমরিটি অধিক গতি সম্পন্ন?
  1. Optical Disk
  2. Cache Memory
  3. Magnetic Disk
  4. Register
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ হায়ারর্কিস বা মেমরির ধারণক্ষমতার ক্রম:
Storage Hierarchies
কম্পিউটারে বিভিন্ন রকমের মেমরি ব্যবহার করা হয়। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রযুক্তির মেমরি ব্যবহার করা হলেও মেমরি তৈরির সময় তিনটি বিষয় লক্ষ রাখা হয়। যথা-
১. মূল্য (Cost )
২. ধারণক্ষমতা (Capacity) 
৩. অ্যাকসেস টাইম (Access Time)

উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করলে নিম্নোক্ত সম্পর্কগুলো পাওয়া যায়—
১. অ্যাকসেস টাইম কম হলে প্রতি বিট তৈরিতে খরচ বেশি লাগবে এবং ধারণক্ষমতা কম হবে।
২. ধারণক্ষমতা বেশি হলে প্রতি বিট তৈরিতে খরচ কম হয়।
৩. ধারণক্ষমতা বেশি হলে অ্যাকসেস টাইম বেশি হবে।

মেমরি তৈরির লক্ষণীয় বিষয়গুলোর ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমরি রেজিস্টার থেকে শুরু করে অপটিক্যাল ডিস্ক পর্যন্ত স্মৃতিগুলোকে বিভিন্ন ক্রমে বা পর্যায়ে ভাগ করা যেতে পারে, যা নিম্নরূপ-


- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৫.
প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম কী?
  1. মাইক্রোসফট
  2. এপসন
  3. টেশিস
  4. আই.বি.এম
ব্যাখ্যা

• প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার উৎপাদনকারী কোম্পানির নাম হলো এপসন। ১৯৮০ সালের দিকে, প্রযুক্তি ক্ষেত্রের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটারকে বহনযোগ্য করার ধারণা এসেছে। এই ধারার প্রথম বাস্তব উদাহরণ হলো এপসনের ‘HX-20’ ল্যাপটপ, যা বিশ্বের প্রথম কম্প্যাক্ট এবং পোর্টেবল কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত। এটি ছোট আকারের হলেও প্রিন্টার, ডিসপ্লে এবং ব্যাটারি সমন্বিত ছিল, যা ব্যবহারকারীদের সহজে যেকোনো স্থানে কাজ করার সুবিধা প্রদান করত। অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান যেমন মাইক্রোসফট বা আই.বি.এম পরবর্তীতে ল্যাপটপ বা পোর্টেবল কম্পিউটার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে, কিন্তু প্রথম ল্যাপটপের কৃতিত্ব এপসনের।

- উত্তর: খ) এপসন।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে। 
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়। 
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল  ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪০৬.
সিরিয়াল পোর্টে সাধারণত কয়টি পিন থাকে?
  1. ৯টি
  2. ২৫টি
  3. ৬টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
পোর্টঃ কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ। কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়ারের সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্নধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট : RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়। মডেম, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়ার এ ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে। মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪০৭.
ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ক্লক পালস জেনারেট করা
  2. অ্যানালগ থেকে ডিজিটাল সিগন্যাল পরিবর্তন করা
  3. সিগন্যাল অ্যাম্প্লিফাই করা
  4. এক বিট ডেটা স্টোর করা
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে ফ্লিপ-ফ্লপের প্রধান কাজ হলো এক বিট ডেটা সংরক্ষণ করা। ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বাইস্টেবল মাল্টিভাইব্রেটর, যার দুটি স্থায়ী অবস্থা থাকে: ০ ও ১। 

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৪,৪০৮.
চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প পরিচিত নাম কী?
  1. CHI
  2. ILOVEYOU
  3. Melissa
  4. CIH
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ঘ) CIH.
- উল্লেখ্য, অপশন (ক) CHI - the twenty-second letter of the Greek alphabet.
- Computer-Human Interaction (CHI): কম্পিউটার বিজ্ঞানে মানুষের ও কম্পিউটারের ইন্টারঅ্যাকশন নিয়ে গবেষণার ক্ষেত্র।
- অপশন দাগানোর পূর্বে চারটি অপশন অবশ্যই ভালোভাবে পড়বেন, প্রশ্ন এবং অপশনে কোনো প্রকার ট্র্যাপ আছে কিনা - তা মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করতে হবে। 

• চেরনোবিল ভাইরাসের বিকল্প নাম হলো CIH. এটি ১৯৯৮ সালে প্রথম সনাক্ত হয়েছিল এবং মূলত উইন্ডোজ ৯৫ এবং উইন্ডোজ ৯৮ অপারেটিং সিস্টেমে প্রভাব ফেলে। ভাইরাসটি কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেমকে ক্ষতি করার পাশাপাশি হার্ডওয়্যার, বিশেষ করে মাদারবোর্ডের BIOS-ও নষ্ট করতে পারে। CIH ভাইরাসের নামকরণ চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার কারণে করা হয়েছে, কারণ এটি সিস্টেমের জন্য তেমন ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলে, যেমন চেরনোবিল দুর্ঘটনা পৃথিবীর জন্য ধ্বংসাত্মক ছিল। ILOVEYOU এবং Melissa ভাইরাসের সাথে এটি সম্পর্কিত নয়; সেগুলো আলাদা ধরনের ভাইরাস যা প্রধানত ইমেইল বা মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ফাইলের মাধ্যমে ছড়ায়। তাই সঠিক বিকল্প নাম হলো CIH.

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে পারে।
- এটি কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এই ধরনের প্রোগ্রামের মূল উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা বা ক্ষতি সাধন করা।
- ১৯৫০ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণা উদ্ভাবিত হয়।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকেন।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources Under Seize।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ সিস্টেমকে সংক্রমিত করে অচল করে দিতে পারে।
- ইন্টারনেট, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ভাইরাস ছড়াতে পারে।
- ১৯৮৬ সালের ২৬ এপ্রিল চেরনোবিলে আঘাত হানা CIH ভাইরাসকে মাদার অব অল ভাইরাস বলা হয়। এটি ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল বিশ্বব্যাপী কম্পিউটারে আক্রমণ চালায়।

- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪০৯.
হার্ডডিস্ককে কী হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়?
  1. Internal Memory
  2. Secondary Memory
  3. Main Memory
  4. Primary Memory
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক একটি কম্পিউটার স্টোরেজ ডিভাইস যা বড় পরিমাণের তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি প্রধানত তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা পাওয়ার বন্ধ থাকা সত্ত্বেও হারায় না। কম্পিউটারে হার্ডডিস্ককে Secondary Memory হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়, কারণ এটি প্রধান বা প্রাথমিক মেমরির চেয়ে ধীর গতিতে কাজ করে এবং র‌্যাম-এর মতো তাত্ক্ষণিক প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার হয় না। হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার এবং ব্যক্তিগত ডেটা সংরক্ষণ করা হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) Secondary Memory.


• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস ।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় হার্ডডিস্ক নষ্ট হওয়া বা মোছনীয় কোনো কমা ব্যতীত এখানকার তথ্যসমূহ নষ্ট হয় না।
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে কম্পিউটারের স্টোরেজ মিডিয়াগুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্টোরেজ মিডিয়া।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্রাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪১০.
উচ্চ স্তরের ভাষা সাধারণত কিসের সাথে সাদৃশ্য রেখে তৈরি করা হয়?
  1. মানুষের ভাষা
  2. বৈদ্যুতিক সংকেত
  3. হার্ডওয়্যার নকশা
  4. মেশিন কোড
ব্যাখ্যা

• উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।

• উচ্চ স্তরের ভাষা(High Level Language):
- উচ্চ স্তরের ভাষা সংকেত বা সাংকেতিক কোডনির্ভর নয়।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহারযোগ্য, অর্থাৎ এটি মেশিন-স্বাধীন।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে (যেমন—ইংরেজি) তৈরি করা হয়েছে।
- মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষার তুলনায় প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও কম শ্রমসাধ্য।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার দ্বারা মেশিন ভাষায় অনুবাদ করতে হয়।
- অনুবাদের পর কম্পিউটার প্রোগ্রামটি নির্বিঘ্নে বুঝতে ও চালাতে পারে।
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার উদাহরণ:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG.
 
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এক ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- প্রোগ্রাম লেখা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন তুলনামূলকভাবে সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় বিপুল সংখ্যক লাইব্রেরি ফাংশন বিদ্যমান।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মুজিবুর রহমান।

৪,৪১১.
কোন কোম্পানির জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়?
  1. মাইক্রোসফট
  2. সনি কর্পোরেশন
  3. আইবিএম কর্পোরেশন
  4. ইন্টেল কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
- অপারেটিং সিস্টেম বলতে কোনো কিছুকে পরিচালনার পদ্ধতিকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম বা পরিচালনা পদ্ধতি হচ্ছে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের অভ্যন্তরে হার্ডওয়্যার বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য তৈরি প্রোগ্রাম বা সফটওয়‍্যার।
- অপারেটিং সিস্টেমকে সিস্টেম সফটওয়‍্যারও বলা হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম অনেক রকম জটিল সূক্ষ্ম প্রোগ্রামের সমন্বয়ে গঠিত একটি সমন্বিত প্রোগ্রাম।
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়।
- এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত।
- ১৯৭১ সাল হতে পিসিতে অপারেটিং সিস্টেমের ব্যবহার শুরু হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪১২.
Windows অপারেটিং সিস্টেমে কোন শর্টকাট দিয়ে টাস্ক ম্যানেজার খোলা যায়?
  1. Windows key + Ctrl + C
  2. Ctrl + Shift + Esc
  3. Alt + F4
  4. Ctrl + Tab
ব্যাখ্যা

Windows অপারেটিং সিস্টেমে টাস্ক ম্যানেজার (Task Manager) খুলতে Ctrl + Shift + Esc শর্টকাট ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি Task Manager চালু করে, যেখানে প্রোগ্রাম মনিটরিং, প্রসেস কন্ট্রোল, ও মেমোরি ব্যবস্থাপনা করা যায়।
আবার, Ctrl + Alt + Del প্রেস করেও Task Manager চালু করা যায়। 

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) Windows key + Ctrl + C – এটি সাধারণত Color Filter টগল করার জন্য ব্যবহৃত হয়, টাস্ক ম্যানেজারের জন্য নয়।
গ) Alt + F4 – এটি বর্তমান উইন্ডো বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ঘ) Ctrl + Tab – এটি ব্রাউজার বা অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনে ট্যাব পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৪,৪১৩.
কার্সরের পরের অক্ষর মুছে ফেলতে কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Esc
  2. খ) Delete
  3. গ) End
  4. ঘ) Alt + Backspace
ব্যাখ্যা

কী-বোর্ড থেকে Delete - কী চাপলে কার্সরের পরের অক্ষর মুছে যায়।

Esc কী ব্যবহৃত হয় - Current task cancel করতে।
End কী ব্যবহৃত হয় - কার্সর  লাইনের শেষে নিয়ে যেতে অথবা কোন webpage এর শেষে যাওয়ার জন্য।

সোর্স: মাইক্রোসফট এর ওয়েবসাইট।

৪,৪১৪.
কম্পিউটার সংগঠনের অংশ নয় কোনটি?
  1. ইনপুট ইউনিট
  2. নিয়ন্ত্রণ ইউনিট
  3. পাওয়ার সাপ্লাইয়ার ইউনিট
  4. মেমরি ইউনিট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বিভিন্ন প্রকার যন্ত্র বা যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে গঠিত। বিভিন্ন ধরনের কাজের প্রয়োজনে কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী পরস্পরের সথে সংযুক্ত থাকে। কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র ও যন্ত্রাংশকে পারস্পরিক সংযোগ দ্বারা সংযুক্ত করা অবস্থাকেই কম্পিউটার সংগঠন বলা হয়।

কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশ পাঁচটি। যথা-
১। ইনপুট অংশ (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
৪। স্মৃতি অংশ (Memory Unit)
৫। আউটপুট অংশ (Output Unit)

- অবশ্য স্মৃতি, গাণিতিক যুক্তি অংশ ও নিয়ন্ত্রণ অংশকে একত্রে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা সিপিইউ (CPU) বলা হয়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ৩), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৪১৫.
ক্রায়োসার্জারির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. ইথানল
  2. ফ্রেয়ন
  3. মিথেন
  4. নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো নাইট্রোজেন (ঘ)। ক্রায়োসার্জারি হলো এমন একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অসুস্থ বা অস্বাভাবিক টিস্যুকে অত্যন্ত কম তাপমাত্রায়বা ধ্বংস করা হয়। এতে প্রায়শই তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি −১৯৬°C তাপমাত্রায় পৌঁছাতে পারে, যা কোষের পানি তৎক্ষণাৎ করে দেয় এবং কোষ ধ্বংস করে। নাইট্রোজেনের এই চরম ঠান্ডা ক্ষমতার কারণে এটি অন্যান্য তাপমাত্রা হ্রাসকারী পদার্থের তুলনায় বেশি কার্যকর। অন্য বিকল্প যেমন ইথানল, ফ্রেয়ন বা মিথেন এই তাপমাত্রা পৌঁছাতে পারে না এবং তাই ক্রায়োসার্জারিতে সাধারণভাবে ব্যবহার হয় না। তাই, সঠিক এবং নিরাপদ ক্রায়োসার্জারির জন্য নাইট্রোজেনই মূল উপাদান।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- পাইলস, চর্মরোগ, লিভার ক্যান্সার ইত্যাদি চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪১৬.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) র‍্যাম
  2. খ) রম
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

সহায়ক বা অভ্যন্তরীণ মেমােরি: যে মেমােরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযােগ রক্ষা করে তাকে অভ্যন্তরীণ মেমােরি বলা হয়। এ মেমােরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
ব্যবহারকারী ভবিষ্যৎ প্রয়ােজনে উপাত্ত বা প্রােগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমােরি বলা হয়। সাধারণ চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক ইত্যাদি সহায়ক মেমােরির উদাহরণ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৪,৪১৭.
কাকে Soul of the computer system বলা হয়?
  1. Operating System
  2. Keyboard
  3. Hardware
  4. Memory
ব্যাখ্যা
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়ার এবং ব্যবহারকারীর মধ্যে ইন্টারফেস (interface) হিসেবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম পুরো কম্পিউটার সিস্টেমকে পরিচালনা করে অর্থাৎ operate করে। এর জন্য অপারেটিং সিস্টেমকে কম্পিউটারের আত্মা বলা হয় ইংরেজিতে soul of the computer system বলা হয়।

উৎস: www.bartleby.com.
৪,৪১৮.
কোনটি ই-কমার্সে প্রধান চ্যালেঞ্জ?
  1. ডিজিটাল মার্কেটিং বিকল্প
  2. ২৪/৭ উপলব্ধতা
  3. সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি
  4. অগণিত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো
ব্যাখ্যা

• ই-কমার্সের ক্ষেত্রে সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ। ডিজিটাল লেনদেন এবং গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্য অনলাইনে সংরক্ষণ করা হয়। তাই হ্যাকার বা অননুমোদিত প্রবেশকারীরা তথ্য চুরি বা ক্ষতি করতে পারে। এই ঝুঁকি না মোকাবেলা করলে গ্রাহকের আস্থা হারিয়ে যায় এবং ব্যবসার ক্ষতি হয়। অন্যান্য বিষয় যেমন ২৪/৭ উপলব্ধতা, ডিজিটাল মার্কেটিং বা অনেক গ্রাহকের কাছে পৌঁছানো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সাইবার নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে সমগ্র ই-কমার্স কার্যক্রম বিপন্ন হয়ে পড়ে। তাই এটি সর্বদা অগ্রাধিকার দিতে হয়।

উত্তর: গ) সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি।

• ই-কমার্স (E-Commerce): 
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়। 
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে। 
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে। 

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো- 
- www.alibaba.com, 
- www.amazon.com, 
- www.daraz.com, 
- www.bikroy.com, 
- www.ebay.com. 

• ই-কমার্স এর ধরণঃ পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। 
১। Business to Consumer (B2C), 
২। Business to Business (B2B), 
৩। Consumer to Business (C2B), 
 8। Consumer to Consumer (C2C). 

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান। 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪১৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ম্যালওয়ার নয়?
  1. ক) Trojan
  2. খ) Spyware
  3. গ) Plug-in
  4. ঘ) Computer worm
ব্যাখ্যা
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), ওয়ার্ম(worms) প্রভৃতি।
- সকল Malware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস Malware।
 
অন্যদিকে,
Plug in হলো এক ধরণের অ্যাডঅন বা এক্সটেনশন বা কম্পিউটার সফটওয়্যার, যা হোস্ট প্রোগ্রামের নতুন ফাংশনালিটি যোগ করে থাকে। 


৪,৪২০.
কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে কোনটি ব্যবহার করতে হবে? 
  1. স্টোন ভাইরাস
  2. ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. মিউটেটিং ভাইরাস
  4. ইউটিলিটি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন। 
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে। 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। 
যেমন- 
১। বুট সেক্টর ভাইরাস, 
২। ট্রোজান হর্স ভাইরাস, 
৩। ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, 
৪। ম্যাক্রো ভাইরাস, 
৫। ওভার রাইটিং ভাইরাস, 
৬। মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, 
৭। মিউটেটিং ভাইরাস এবং 
৮। স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪২১.
কত সালে UNIX অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৮
  2. খ) ১৯৬২
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

UNIX অপারেটিং সিস্টেম ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরীতে Kin Tomson Denis Ritche প্রথম উদ্ভাবন করেন।
Unix - একটি Open Source Operating System।

৪,৪২২.
32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর কোনটি?
  1. 80386
  2. 80186
  3. 8008
  4. Core i5
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Larege Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- 4-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 4004, 4040.
- 8-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8008, 8080.
-16-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 8086, 8088, 80186.
- 32-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: 80386, 80486.
- 64-bit বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৪২৩.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. কন্ট্রোল বাস
  3. ফায়ারওয়্যার বাস
  4. ডাটা বাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস:
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার।
যথা:
১. সিস্টেম বাস,
২. এক্সপানশনস বাস।

সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস

এক্সপানশনস বাস: 
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – 
- ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
- পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪২৪.
ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায় ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য রূপে রূপান্তরিত করতে কোন উপাদানটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ডিপ্লেইনটেক্সট
  2. ফায়ারওয়াল
  3. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম
  4. প্লেইনটেক্সট
ব্যাখ্যা

ডেটা এনক্রিপশন প্রক্রিয়ায়, ডেটাকে পাঠ-অযোগ্য (unreadable) ফর্মে রূপান্তর করার জন্য একটি এনক্রিপশন অ্যালগরিদম বা সাইফার ব্যবহৃত হয়।
- এটি একটি গাণিতিক পদ্ধতি, যা ইনপুট (প্লেইনটেক্সট) এবং একটি কী (Key) ব্যবহার করে এনক্রিপটেড ডেটা (সাইফারটেক্সট) তৈরি করে।

ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস থেকে গন্তব্যে পাঠানোর আগে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে পাঠকের পাঠানো ডেটা অন্য কোনো অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা পাঠক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য সেই এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের আগে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।

• ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম নিচে দেওয়া হলো:
১. সিজার কোড (Caesar Code)
২. ডেটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard-DES)

ডেটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- প্লেইনটেক্সট হলো এনক্রিপশন প্রক্রিয়ার আগে থাকা আসল বা মূল ডেটা। 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজকে এনক্রিপ্ট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট। এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটি দুর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন অ্যালগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মুলা যা মেসেজ এনক্রিপ্ট করার সময় ব্যবহার করা হয়। এনক্রিপশন অ্যালগরিদম এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট উভয় প্রক্রিয়াতেই ব্যবহৃত হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪২৫.
ক্রায়োসার্জারি ব্যবহারের প্রধান কারণ কী?
  1. টিস্যু সরানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা
  2. ক্যান্সার কোষে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা 
  3. অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
  4. টিস্যু গরম করে পুড়ানো 
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অত্যন্ত কম তাপমাত্রা ব্যবহার করে অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর টিস্যু ধ্বংস করা হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলোকে নিরাপদভাবে অপসারণ বা ধ্বংস করা, বিশেষ করে ক্যান্সার বা অন্যান্য অসামান্য কোষের ক্ষেত্রে। এই প্রক্রিয়ায় তরল নাইট্রোজেন বা অন্যান্য ঠান্ডা পদার্থ ব্যবহার করে লক্ষ্যভিত্তিক টিস্যুকে দ্রুত জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এটি একটি কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি যা সাধারণত রোগীর দ্রুত সুস্থতার সুযোগ দেয় এবং চারপাশের সুস্থ টিস্যুকে প্রায় ক্ষতিমুক্ত রাখে। সুতরাং, ক্রায়োসার্জারির মূল কারণ হলো অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।
- সঠিক উত্তর হলো গ) অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪২৬.
WiMAX প্রযুক্তি কী নামে IEEE-এর অধীনে নিবন্ধিত?
  1. 802.17
  2. 802.15
  3. 802.11
  4. 802.16
ব্যাখ্যা
• WiMAX প্রযুক্তি IEEE-এর অধীনে ৮০২.১৬ (802.16) নামে নিবন্ধিত। WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) একটি ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড প্রযুক্তি, যা উচ্চ গতির ইন্টারনেট এবং ডেটা সার্ভিস প্রদান করে। এটি মূলত শহুরে ও গ্রামীণ এলাকার মধ্যে দ্রুত এবং বিস্তৃত ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়। WiMAX ৩০ মাইল বা তার বেশি দূরত্ব পর্যন্ত কভারেজ দিতে পারে, যা অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির তুলনায় অনেক বেশি। এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা পেতে পারে মোবাইল অথবা স্ট্যাটিক ডিভাইসের মাধ্যমে। তাই, WiMAX-এর IEEE স্ট্যান্ডার্ড হলো 802.16

• WiMAX:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হলো Worldwide Interoperability for Microwave Access
- ওয়াই ম্যাক্স শব্দটি ২০০১ সালের জুন মাসে ওয়াই ম্যাক্স ফোরাম কর্তৃক গৃহীত হয়।
- WiMAX তারবিহীন উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড সেবা প্রদান করে থাকে যার IEEE নাম 802.16.
- ডেটা ট্রান্সমিশনে ফুল ডুপ্লেক্স মুড ব্যবহার করে।
- WiMAX এর কাভারেজ প্রায় ৫০ কিলোমিটার জুড়ে হয়ে থাকে।
- WiMAX এর প্রধান অংশ ২টি। যথা-

১. বেস স্টেশন:
- ইনডোর ডিভাইস এবং আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত।
- প্রতিটি বেস স্টেশনের কাভারেজ এরিয়া 50 থেকে 80 km পর্যন্ত হয়ে থাকে।

২. অ্যান্টেনা যুক্ত WiMAX রিসিভার:
- এটি কম্পিউটারে সংযুক্ত করা হয় এবং ওয়্যারলেস নির্ভর হওয়ায় পরিবহনযোগ্য।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,৪২৭.
পাইথন কোন ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন
  2. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড
  3. স্ট্রাকচার্ড
  4. ভিজুয়াল
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৪,৪২৮.
কোন শর্টকাট দিয়ে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি করা হয়?
  1. Ctrl + O
  2. Ctrl + N 
  3. Ctrl + S
  4. Ctrl + W
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + N 

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৪,৪২৯.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়-
  1. ক) এভাস্ট
  2. খ) অভিজি
  3. গ) স্টোন
  4. ঘ) পান্ডা
ব্যাখ্যা
অতি পরিচিত কিছু ভাইরাসঃ
- স্টোন,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
. অভিজি
এভিরা, এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
• Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি। 
৪,৪৩০.
টেলিরোবোটিক্স এর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোন জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব যে অনুভূতি জাগায় তাকে কি বলে?
  1. টেলেক্সিং
  2. টেলিপ্রেজেন্স
  3. ভার্চুয়ালপ্রেজেন্স
  4. সিমুলেশন
ব্যাখ্যা
টেলিপ্রেজেন্স বলতে একগুচ্ছ প্রযুক্তিকে বুঝায় যার মাধ্যমে একজন মানুষকে টেলিরোবোটিক্স এর মাধ্যমে কোন ব্যক্তির বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোন জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব অনুভূতি জাগায়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৪৩১.
কোন কম্পিউটার বাসটি একমুখী তথ্য আদান-প্রদান করে থাকে?
  1. ক) কন্ট্রোল বাস
  2. খ) ডেটা বাস
  3. গ) অ্যাড্রেস বাস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
অ্যাড্রেস বাস (Address Bus): মূলত কম্পিউটারের মেমরিতে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
কিন্তু মেমরিতে কোনো তথ্য সংরক্ষণের জন্য অথবা মেমরি হতে তথ্য আহরণের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের প্রয়োজন নির্দিষ্ট মেমরি অ্যাড্রেস।
কম্পিউটার সিস্টেমে মাইক্রোপ্রসেসর ও মেমরি উভয়ের মধ্যে একগুচ্ছ লাইন বা তার সংযুক্ত থাকে, যার মাধ্যমে মাইক্রোপ্রসেসর মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে যোগাযোগ করে তথ্য আহরণ করে বা সংরক্ষণ করে।
এই গুচ্ছ লাইন বা তারগুলোই হলো অ্যাড্রেস বাস।
অর্থাৎ‍ মাইক্রোপ্রসেসর অ্যাড্রেস বাসের মাধ্যমে RAM/ ROM স্মৃতির বিভিন্ন স্থানের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করে সে স্থানে সংরক্ষিত তথ্য ডেটা বাসের মাধ্যমে পড়ে নেয় কিংবা নতুন তথ্য লিখে রাখতে পারে।
অ্যাড্রেস বাস এক ধরনের একমুখী, অর্থাৎ অ্যাড্রেস বাসের মাইক্রোপ্রসেসর থেকে তথ্য সর্বদা অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় 
৪,৪৩২.
কোনটি শারীরিক বৈশিষ্ট্য নয়, আচরণিক বৈশিষ্ট্য?
  1. স্বাক্ষর
  2. আঙুলের ছাপ
  3. চোখের আইরিস
  4. মুখমন্ডলের অবয়ব
ব্যাখ্যা

• আচরণিক বৈশিষ্ট্য হলো ক) স্বাক্ষর। কারণ স্বাক্ষর মানুষ দ্বারা শেখা এবং অভ্যাসের মাধ্যমে গঠিত, এটি জন্মগত বা শারীরিকভাবে নির্ধারিত নয়। অন্যদিকে আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস এবং মুখমন্ডলের অবয়ব সবাই শারীরিক বৈশিষ্ট্য, যা জেনেটিক এবং শারীরিক গঠনের উপর নির্ভরশীল। আঙুলের ছাপ এবং আইরিসের প্যাটার্ন অপরিবর্তনীয় এবং ব্যক্তিগত স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। মুখমন্ডলের অবয়বও শারীরিক গঠন দ্বারা নির্ধারিত। তাই স্বাক্ষরই হলো এমন একটি বৈশিষ্ট্য যা শারীরিক নয়, বরং আচরণ ও অভ্যাসের উপর নির্ভরশীল।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৪,৪৩৩.
বহুল ব্যবহৃত ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) মাইক্রোসফট এক্সেল
  2. খ) মাইক্রোসফট একসেস
  3. গ) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. ঘ) মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেমেন্ট বা তথ্য/উপাত্ত ব্যবস্থাপনার বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট একসেস। এটির নির্মাতা মাইক্রোসফট।
তথ্য ব্যবস্থাপনার অন্যান্য সফটওয়্যারগুলো হলো- ডিবেইজ, ফক্সপ্রো, ওরাকল, ফোর্থ ডাইমেনশন, প্যারাডক্স ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট এক্সেল হিসাবের কাজে এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ড লেখালেখির কাজে এবং মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন বা উপস্থাপনার কাজে ব্যবহৃত হয়।
(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৪,৪৩৪.
ই-মেইল ঠিকানায় @ এর পরের অংশকে কী বলে?
  1. ক) User name
  2. খ) Host name
  3. গ) Domain name
  4. ঘ) Protocol
ব্যাখ্যা
ই-মেইল (E-mail):
- ই-মেইলের পূর্ণ অর্থ হলো ইলেকট্রনিক মেইল।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস এর মধ্যে নির্ভরযোগ্যভাবে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে।
- ই-মেইল তথ্য আদান-প্রদানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রোটোকল ব্যবহার করে থাকে এবং এতে টেক্সট বার্তার সাথে অ্যাটাচমেন্ট আকারে নানা ফাইলও (ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও সহ যে কোনো ডিজিটাল ফাইল) পাঠানো যায়।
- ই-মেইলের জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য ইউনিক হয়ে থাকে।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।
- একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে; যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। যেমন: mrahman@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mrahman অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং @ এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৪,৪৩৫.
প্লাস্টিক মানি নয় কোনটি?
  1. ক) ক্রেডিট কার্ড
  2. খ) ডেবিট কার্ড
  3. গ) বিকাশ
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
যেসকল এমবেডেড সিস্টেমের অন্তর্গত টাকা লেনদেন সুবিধা প্রদানকারী প্লাস্টিক কার্ড আছে এদেরকে প্লাস্টিক মানি বলে। যেমনঃ ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড। বিকাশ হলো মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস।
Source: Britannica
৪,৪৩৬.
কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানে ক্রমান্বয়ে যেই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়, তা কী নামে পরিচিত?
  1. কোডিং
  2. অ্যালগরিদম
  3. কম্পাইলিং
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• কোনো নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানে ক্রমান্বয়ে যেই প্রক্রিয়াটি অনুসরণ করা হয়, তা "অ্যালগরিদম" নামে পরিচিত। অ্যালগরিদম হলো একধরনের ধাপে ধাপে নির্দেশনা, যার মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট কাজ বা সমস্যা খুব নির্ভুলভাবে সমাধান করা যায়। এটি মূলত সমস্যা সমাধানের একটি পরিকল্পিত পদ্ধতি, যেখানে প্রতিটি ধাপ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে এবং সুনির্দিষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে কীভাবে কাজটি সম্পন্ন হবে। উদাহরণস্বরূপ, রান্নার রেসিপি, অঙ্কের গাণিতিক নিয়ম বা প্রোগ্রামিংয়ে কোনো নির্দিষ্ট ফাংশন- সবকিছুতেই অ্যালগরিদমের প্রয়োগ দেখা যায়। তাই, উপরের প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো: খ) অ্যালগরিদম।

• অ্যালগরিদম:
- কোন একটি সমস্যা সমাধানের জন্য কতকগুলো ধাপ অনুসরণ করতে হয়।
- অ্যালগরিদম অর্থ ধাপে ধাপে সমস্যা সমাধান।
- যে পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে অগ্রসর হয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যার সমাধান করা হয় তাকে অ্যালগরিদম বলা হয়।
- অ্যালগরিদম হচ্ছে একটি প্রোগ্রামের পরিকল্পনা ও যৌক্তিক বিন্যাসের লিখিত বর্ণনা।

• অ্যালগরিদমের বৈশিষ্ট্য:
১. অ্যালগরিদমে শূন্য, এক বা একাধিক ইনপুট থাকে।
২. কমপক্ষে একটি আউটপুট থাকে।
৩. প্রত্যেকটি ধাপ স্পষ্ট থাকে।
৪. অ্যালগরিদম সহজবোধ্য।
৫. নির্দিষ্ট সংখ্যক ধাপে সমস্যার সমাধান হয়।
৬. একে ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা সম্ভব।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৩৭.
বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত ‘IBM 1620’ মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটারটি ছিল-
  1. ক) প্রথম প্রজন্মের
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্মের
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্মের
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্মের
ব্যাখ্যা
১৯৬৪ সালে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনে স্থাপিত হয় ‘আইবিএম-১৬২০ (IBM 1620)’ মডেলের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-এটি ছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
-ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্ম তৎপরতা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
[উৎসঃ মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি]
৪,৪৩৮.
দুটি R-S Flip-Flop দ্বারা তৈরী হয়-
  1. J-K
  2. Master Slave
  3. T
  4. D
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ বা Latch:
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে । 
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। যথা-
১. SR ফ্লিপ ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
8. T ফ্লিপফ্লপ ও
৫. মাস্টার স্লেভ ফ্লিপ ফ্লপ

• একটি মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত দুটি ফ্লিপ-ফ্লপ থেকে তৈরি করা হয়: একটি হল মাস্টার ফ্লিপ-ফ্লপ এবং অন্যটি স্লেভ। এই দুটি ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও, সার্কিটে একটি ইনভার্টার থাকে। 

একটি মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ ফ্লপ যে কোনও ধরণের ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে তৈরি করা যেতে পারে।

দুটি R-S Flip-Flop দ্বারা তৈরী হয় একটি RS master-slave flip-flop.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, www.brighthubengineering.com.
৪,৪৩৯.
OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য-
  1. ছবিকে টেক্সটে রূপান্তর করা
  2. নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন
  3. অডিওকে টেক্সটে রূপান্তর করা
  4. পণ্যের বাজার জরিপ
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সট সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪০.
হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেমে কত ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়?
  1. ১০
  2. ১৬ 
  3. ৮ 
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল নম্বর সিস্টেম হল একটি সংখ্যার প্রকাশের পদ্ধতি যেখানে মোট ১৬টি ইউনিক ডিজিট ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে ডিজিটগুলো ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং তারপর A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান প্রকাশ করে। তাই হেক্সাডেসিমেল সিস্টেমে মোট ১৬ ধরনের ইউনিক ডিজিট পাওয়া যায়। এটি কম্পিউটার বিজ্ঞানে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট আকারে প্রকাশ করতে সাহায্য করে।
- অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬।

• হেক্সাডেসিমেল (Hexadecimal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬.
এতে অঙ্কগুলো হলো: 0,1,2,3,4,5,6,7,8,9,A(10),B(11),C(12),D(13),E(14),F(15)।

• বিভিন্ন সংখ্যা পদ্ধতি:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪১.
BIOS কখন Run হয়?
  1. কোনো ড্রাইভার ইনস্টল করার সময়
  2. অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময়
  3. কম্পিউটার বুট হওয়ার পরপরই
  4. কম্পিউটার বন্ধ করার সময়
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হলো BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হলো BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৪৪২.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ফায়ারফক্স
  2. খ) গুগল
  3. গ) উবুন্টু
  4. ঘ) ইনস্টাগ্রাম
ব্যাখ্যা
উবুন্টু হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যার যা ২০০৪ সালের অক্টোবরে প্রথম রিলিজ করা হয়। অন্যদিকে ফায়ারফক্স, গুগল ও ইনস্টাগ্রাম হলো যথাক্রমে ওয়েব ব্রাউজার, সার্চ ইঞ্জিন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
(সূত্র: সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওয়েবসাইট)
৪,৪৪৩.
সম্প্রতি, কোন দেশ বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার চালু করেছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. রাশিয়া
  2. জাপান
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার বর্তমান প্রযুক্তির এক বিস্ময়কর চ্যালেঞ্জ।
- সাধারণ কম্পিউটার যেখানে ১ অথবা ০ নিয়ে কাজ করে, সেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটারে একসঙ্গে একাধিক সম্ভাবনা যাচাই করে দেখা সম্ভব।
- সম্প্রতি জাপানের প্রকৌশলীরা বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার চালু করেছেন।
- ২০-কিউবিটের এই কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নাম ‘রেইমেই’।
- দ্রুতগতির দিক থেকে পৃথিবীর ৬ষ্ঠ সুপারকম্পিউটার ‘ফুগাকু’র সঙ্গে একে জুড়ে দেওয়া হয়েছে।
- নতুন এ হাইব্রিড সুপারকম্পিউটার প্রচলিত সুপারকম্পিউটারের চেয়ে জটিল হিসেবে করতে পারবে দ্রুততম সময়ে।

উল্লেখ্য,
- রেইমেই-ফুগাকু বিশ্বের প্রথম পুরোপুরি কার্যক্ষম হাইব্রিড সুপার কম্পিউটার।
- এর আগে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরনের প্রযুক্তি চালু করেছে। যেমন, গত বছরের মাঝামাঝি সময় জার্মানির গার্চিং শহরে ‘SuperMUC-NG’ নামের একটু সুপারকম্পিউটারে ২০-কিউবিট কোয়ান্টাম প্রসেসর জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে সেটি এখনও পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৪,৪৪৪.
নিচের কোনটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ক) টাচ স্ক্রিন
  2. খ) পেনড্রাইভ
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) মনিটর
ব্যাখ্যা
যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। যেমনঃ কি-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ প্রিন্টার, মনিটর, প্লটার ইত্যাদি। আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। যেমনঃ পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম।
৪,৪৪৫.
নিচের কোনটি রমের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) অস্থায়ীভাবে ডাটা পঠন ও লিখন সম্ভব।
  2. খ) উদ্বায়ী মেমােরি নয়
  3. গ) চলমান প্রােগ্রাম এব পুনঃ পুনঃ পরিবর্তনশীল ডাটা সংরক্ষণ করা হয়
  4. ঘ) কোনাে ধরনের প্রােগ্রাম দেয়া থাকে না।
ব্যাখ্যা

রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্যঃ
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়ােজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।

(অপশনে 'খ' নং বাদে বাকিগুলো র‍্যামের বৈশিষ্ট্য)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

৪,৪৪৬.
“ট্যালি” কোন ধরনের সংখ্যার পদ্ধতির উদাহরণ? 
  1. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  2. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি
  3. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• “ট্যালি” হলো নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। এতে সংখ্যাগুলো সাধারণত লাঠি বা চিহ্নের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়, যেমন | || ||| ইত্যাদি। এখানে প্রতিটি চিহ্ন একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা বোঝায়, কিন্তু চিহ্নের অবস্থান সংখ্যা মান পরিবর্তন করে না। অর্থাৎ, সংখ্যার মান নির্ভর করে শুধুমাত্র চিহ্নের সংখ্যা বা গণনার উপর, অবস্থানের উপর নয়। এটি পজিশনাল পদ্ধতির মতো নয়, যেখানে স্থান বা অবস্থান সংখ্যা মান নির্ধারণ করে। ট্যালি পদ্ধতি প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়েছে গণনা এবং হিসাবের জন্য। তাই এটি স্পষ্টভাবে নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির একটি উদাহরণ।

সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৪৭.
প্রযুক্তির কল্যাণে কোন নিউজ চ্যানেল সারা বিশ্বের তথ্য আমাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে?
  1. ক) এপি
  2. খ) রয়টার্স
  3. গ) সি এন এন
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

  
৪,৪৪৮.
কোন ভাষাকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়?
  1. C++
  2. C
  3. Python
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• ‘সি’ প্রোগ্রামিং ভাষা:
- 'সি' একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। 
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষার বৈশিষ্ট্য:
১। এটি একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
২। C ভাষা একটি স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং ভাষা।
৩। প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main () ফাংশন (Function) থাকে।
81 প্রতিটি প্রোগ্রামিং স্টেটমেন্ট শেষ হয় সেমিকোলন দ্বারা।
৫। প্রতিটি চলক ব্যবহারের পূর্বেই তাদের ডাটা টাইপ উল্লেখ থাকে।
৬। Header ফাইলগুলো #include দ্বারা যুক্ত করা হয়।
৭। সি ভাষায় অনেক লাইব্রেরী ফাংশন, কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ইত্যাদির সুবিধা আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৪৯.
কোনটি 'অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার'?
  1. LINUX
  2. MS-DOS
  3. Power point
  4. MS Windows 98
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: 
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):

- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে। 
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):

- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
- ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫০.
ভার্চুয়াল মেমরি পরিচালনার জন্য তথ্যের মূল একক হলো:
  1. Page
  2. Frame
  3. Segment
  4. Block
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে তথ্যের মূল একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবহার করে একটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব মেমরির চেয়ে বড় মনে হতে পারে। এখানে মেমরি ছোট ছোট সমান আকারের ইউনিটে ভাগ করা হয় যেগুলোকে Page বলা হয়। এই পেজগুলোকে ফিজিক্যাল মেমরির ছোট ইউনিট Frame-এর সাথে মিলিয়ে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে, পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে থাকতে হয় না, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পেজ লোড বা আনলোড করা যায়। এই পদ্ধতি মেমরির ব্যবহার দক্ষ ও কার্যকর করে।

• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।  
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।  
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।  
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।  
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।  

সূত্র: 
- University of Illinois Chicago [link]

৪,৪৫১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ক) ক্যাসপারস্কি
  2. খ) ভিয়েনা
  3. গ) সিআইএইচ
  4. ঘ) ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
- ক্যাসপারস্কি হচ্ছে এক ধরনের এন্টিভাইরাস।

কম্পিউটার ভাইরাস

- কম্পিউটার ভাইরাস হল এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই নিজে নিজেই কপি হতে পারে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫২.
কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিটকে কী বলা হয়?
  1. রম বোর্ড
  2. র‍্যাম বোর্ড
  3. সিস্টেম বোর্ড
  4. মাদার বোর্ড
ব্যাখ্যা

মাদার বোর্ডে হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিট এর অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদার বোর্ড।
মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
প্রসেসর মাদারবোর্ড এর মধ্যেই থাকে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি( মাহবুবুর রহমান) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

৪,৪৫৩.
বিজনেস কম্পিউটার (BC) বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. খ) ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. গ) এনালগ কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার হচ্ছে ছােট আকারের কম্পিউটার। একজন ব্যক্তি একটি মাত্র কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন। অফিস-আদালত, ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ব্যক্তিগত প্রয়োজন ইত্যাদি সব ধরনের কাজে মাইক্রো কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। অর্থাৎ, আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করছি সেগুলোকেই Microcomputer বা পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বা বিজনেস কম্পিউটার (BC) বলা হয়।

উৎস: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৪,৪৫৪.
ডেটাবেজ - এ Field Name এর আকার নির্ধারণের জন্য কোনটি ব্যবহার করতে হবে?
  1. ক) Datasheet View
  2. খ) Field Name
  3. গ) Field Size
  4. ঘ) Design View
ব্যাখ্যা

Create = নতুন ডেটাবেজ খোলা
File Name = ডাটাবেজের নাম
Design View = ডেটাবেজ সেভ এজ ডায়ালগ বক্স
Field Size = ফিল্ডের আকার কি ধরণের হবে তা এটা দ্বারা নির্ধারণ করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।

৪,৪৫৫.
ই-পূর্জি কী?
  1. ক) ইক্ষু সরবরাহের অনুমতি পত্র
  2. খ) গম সরবরাহের অনুমতি পত্র
  3. গ) ধান সরবরাহের অনুমতি পত্র
  4. ঘ) ইলেক্ট্রনিক মানি সার্ভিস
ব্যাখ্যা
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবাঃ কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন ইত্যাদি।
- আঁখ চাষীদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবার নাম "ই-পূর্জি"।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা।
৪,৪৫৬.
কম্পিউটার একটি -
  1. ক) সমস্যা সমাধানের যন্ত্র
  2. খ) হিসাবকারী যন্ত্র
  3. গ) সিদ্ধান্ত গ্রহণের যন্ত্র
  4. ঘ) হিসাব পরীক্ষার যন্ত্র
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার একটি হিসাবকারী যন্ত্র
- কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র।
- এটি যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি গাণিতিক কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ও নির্ভুলভাবে করতে পারে।
- গাণিতিক যুক্তি ও সিদ্ধান্ত মূলক কাজও কম্পিউটার নির্ভরতার সাথে করতে পারে।
- প্রকৃতপক্ষে, কম্পিউটারের নিজস্ব কোন চিন্তা-চেতনা, শক্তি বা বুদ্ধি নেই। মানুষের দেয়া নির্দেশ অনুযায়ী এই যন্ত্র কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৫৭.
IPv- 6 এর সাহায্যে কত সংখ্যক যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে?
  1. ক) ২১২৮
  2. খ) ২৩২
  3. গ) ২৬৪
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্যে ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ৬ষ্ঠ ভার্সন।
- IPv4 এর সংখ্যা অপ্রতুল হয়ে যায় তা সমাধানের জন্যে IPv6 ভার্সন চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যান্ড্রেস ১২৮ বিটে হয়। অর্থাৎ আইপি অ্যাড্রেসের এই ভার্সনে ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিভাগ 16 bit এর হয়ে থাকে।
- এক্ষেত্রে ১২৮ বিটের সাহায্যে ২১২৮ বা ৩.৪×১০৩৮ সংখ্যক অর্থাৎঅসংখ্য যন্ত্রপাতি ইন্টারনেটে সংযোগ করা যেতে পারে।
- IPV6 এর অ্যাড্রেস সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাট এ লিখা হয় । 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,৪৫৮.
ক্যালকুলেটরে কোন প্রকারের ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) CRT
  2. খ) LED
  3. গ) LCD
  4. ঘ) OLED
ব্যাখ্যা
CRT : Cathode Ray Tube 
LCD: Liquid Crystal Display 
LED: Light Emitting Diode
OLED: Organic Light-Emitting Diode

ডিজিটাল ক্যলকুলেটরে সাধারনত LCD মনিটর ব্যবহার করা হয়।

LCD মনিটর এর কিছু বৈশিষ্ট:
- এটির পর্দা সমতল।
- ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর বলা হয়।
- বিশেষ ধরনের তরল ব্যবহার করা হয় যা স্বাভাবিক অবস্থায় স্বচ্ছ কিন্তু বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে ছবি ফুটিয়ে তোলে।
- ক্যালকুলেটর, ঘড়ি, লেপটপ নোটবুকে এই ধরনের মনিটর ব্যবহার করা হয়।
- এই ধরনের মনিটর হালকা, বিদ্যুত খরচ কম।


উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,৪৫৯.
একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় সর্বোচ্চ মান কী?
  1. 15
  2. 16
  3. 14
  4. 8
ব্যাখ্যা
• একটি 4-bit বাইনারি সংখ্যায় ৪টি বিট থাকে। প্রতিটি বিটের মান হতে পারে 0 অথবা 1।
তাই, সর্বোচ্চ মান পাওয়ার জন্য সবগুলো বিটকে 1 ধরা হয়:
1111 (binary)

এটিকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে: 
= (1 × 2³) + (1 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)  
= 8 + 4 + 2 + 1  
= 15 (decimal)

অন্যদিকে,
16: এটি 5-bit সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় (10000)।

14: এটি 4-bit হলেও সর্বোচ্চ নয় (1110)।

8: এটি 1000, কিন্তু সর্বোচ্চ নয়। 

• 4-bit দিয়ে মোট সংখ্যা প্রকাশ করা যায় = 2⁴ = 16টি (0 থেকে 15 পর্যন্ত) 
যেখানে,
সর্বনিম্ন মান = 0000 (Binary) = 0 (Decimal)
সর্বোচ্চ মান = 1111 (Binary) = 15 (Decimal)

তথ্যসূত্র:  
-  HSC ICT, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনী , ২০২৩। 
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
-  Khan Academy - Binary number system .
৪,৪৬০.
Which shortcut key is used in MS PowerPoint to add link?
  1. Ctrl+Alt+M
  2. Ctrl+M
  3. Ctrl+V
  4. Ctrl+K
ব্যাখ্যা
MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• Shortcut key to start a presentation from the beginning - F5
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D

Resource: Microsoft website.
৪,৪৬১.
GPU কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. গ্রাফিক্স প্রসেসিং
  2. ডাটাবেজ প্রসেসিং
  3. ফাইল কমপ্রেশন
  4. নেটওয়ার্ক প্রসেসিং
ব্যাখ্যা

GPU (Graphics Processing Unit) হলো বিশেষায়িত প্রসেসর, যা ছবি, ভিডিও, 3D গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

Graphics Processing Unit (GPU): 
- GPU কম্পিউটারের একটি বিশেষ প্রসেসর যা মূলত গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ এবং ডেটা প্রসেসিং দ্রুততর করতে ব্যবহৃত হয়।
- GPU-এর পূর্ণরূপ: Graphics Processing Unit.
- এটি গ্রাফিক্স, ইফেক্ট, ভিডিও প্রসেসিং, মেশিন লার্নিং এবং গেমিং অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

GPU-এর কার্যপ্রণালী:
- একাধিক ডেটা একইসাথে প্রক্রিয়া করতে পারে, যা CPU-এর তুলনায় সমান্তরাল গণনার জন্য অধিক কার্যকর।
- 2D এবং 3D গ্রাফিক্স রেন্ডারিং-এ দক্ষ।
- গেমিং, ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR), 4K স্ক্রিন এবং উচ্চ রিফ্রেশ রেট সমর্থন করে।

GPU-এর গঠন ও ধরন:
- ইন্টিগ্রেটেড GPU: এটি কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং CPU-এর সাথে একত্রিত থাকতে পারে।
- ডেডিকেটেড GPU: এটি একটি আলাদা হার্ডওয়্যার ইউনিট, যা উচ্চ গ্রাফিক্স ও গেমিং পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।

GPU ও তাপ উৎপাদন:
- গেমিং এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ে বেশি অপারেশন সম্পাদন করায়, এটি CPU-এর তুলনায় অধিক তাপ উৎপন্ন করে।
- উন্নত কুলিং সিস্টেম এবং এয়ার ফ্লো মেকানিজম GPU-এর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

GPU-এর বর্তমান চাহিদা:
- গেমিং, ভিডিও এডিটিং, 3D মডেলিং, ডাটা সায়েন্স, AI এবং মেশিন লার্নিং-এ GPU-এর গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- উন্নত ডিসপ্লে প্রযুক্তি যেমন 4K রেজোলিউশন এবং VR গেমিং-এর কারণে GPU-এর ক্ষমতা উন্নত করা হচ্ছে।

উৎস:
১। মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২। School of Science and Technology, Open University.

৪,৪৬২.
মাইক্রোসফট এক্সেলে সূত্র লেখার শুরুতে কোন চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়?
  1. +
  2. =
  3. //
  4. #
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট এক্সেলে (Microsoft Excel) গুণ করাঃ
দুই বা ততােধিক সেলের ভ্যালু গুণ করে গুণফল দেখানাে যায়। এক্ষেত্রে যে সেলে ফলাফল দেখতে চাই, সেই সেলে সূত্র লিখতে হয়। এক্সেলে সূত্র লেখার শুরুতে ''='' সমান চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। যে সমস্ত সেলের গুণফল বের করতে হবে তাদের নাম দিয়ে গুণন চিহ্ন দিলে ফলাফল সেলে গুণফল পাওয়া যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৪৬৩.
Which of the following is a popular e-commerce site?
  1. Google
  2. Spotify
  3. Walmart 
  4. Reddit
ব্যাখ্যা

Walmart is a popular e-commerce site.
- Walmart-এর অনলাইন উপস্থিতি (online presence) রয়েছে।
- অনলাইনে মুদিখানা, ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, এবং অন্যান্য পণ্য তারা বিক্রি করে। 
- এছাড়াও Walmart মূলত ফিজিক্যাল দোকানের (brick-and-mortar) জন্য পরিচিত।

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

অন্যদিকে,
ক) Google – A search engine and tech company.
খ) Spotify – A music streaming service, not an e-commerce site.
ঘ) Reddit – A social news aggregation and discussion platform, not for e-commerce.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪৬৪.
ফায়ারওয়্যার এক ধরণের -
  1. ক) বাস
  2. খ) ভাইরাস
  3. গ) ম্যালওয়্যার
  4. ঘ) কম্পিউটার সুরক্ষা ব্যবস্থা
ব্যাখ্যা
ফায়ারওয়্যার (FIREWARE)
- ফায়ারওয়্যার হচ্ছে এ যাবৎকালের সর্বাপেক্ষা দ্রুতগতির বাস।
- এ বাসের আরেকটি নাম হচ্ছে IEEE 1394।

এ ধরনের বাসের বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
১। অত্যন্ত দ্রুতগতির বাস। প্রতি সেকেন্ডে 100, 200 বা 400 মেগাবাইট ডেটা স্থানান্তর সম্ভব।
২। প্রখ্যাত ডিজিটাল ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল যন্ত্রের নির্মাতারা একে সমর্থন করায় ফায়ারওয়্যার একটি আদর্শ উচ্চগতির বাসের আদর্শ হয়ে পড়েছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,৪৬৫.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. উইন্ডোজ
  2. সিপিইউ
  3. মনিটর
  4. মাউস
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬৬.
গণনাকারী যন্ত্র অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. রাশিয়াতে
  3. জাপানে
  4. চীনে
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস (Abacus):
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাকাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ হলো গণনাকারী বোর্ড।
- এটি কাঠের তৈরি আয়তাকার কাঠামো যাতে ফ্রেমের ভেতরে সুতা বা তার বেঁধে বিভিন্ন রঙের গুটি বা বল সাজানো থাকে।
- সাধারণত প্রত্যেক তারের ওপরের দিকে দুটি এবং নিচের দিকে পাঁচটি বল বা গুটি লাগনো থাকে।
- সবার ওপরের তারকে ধরা হতো এককের ঘর, দ্বিতীয় তারটি ছিল দশকের এবং তৃতীয় তারটি ছিল শতকের।
- গুটিগুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ প্রভৃতি কাজ করা যেত।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬৭.
DOS অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার শুরু হয়েছিলো কোন প্রজন্ম থেকে?
  1. ক) ২য় প্রজন্ম
  2. খ) ৩য় প্রজন্ম
  3. গ) ৪র্থ প্রজন্ম
  4. ঘ) ১ম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• চতুর্থ প্রজন্ম কম্পিউটার: 
- ১৯৭১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চতুর্থ প্রজন্ম শুরু হয়েছে বলে ধরা হয়।
- কম্পিউটার তৈরিতে বড় ধরনের বিপ্লব পরিলক্ষিত হয় ১৯৭১ সালে IC এবং VLSI বর্তনীর সাহায্যে নির্মিত মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে।
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। 
- Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করা শুরু করে।
- IBM 3033, IBM 4341, TRS 40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৬৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. রোবটিক্স
  4. ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD)
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove)
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit)
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি
৪,৪৬৯.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়?
  1. MS Word
  2. MS Excel
  3. Oracle
  4. Windows
ব্যাখ্যা
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়- Windows.
- Windows হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার এবং এটি মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭০.
ডাটাবেজে ডাটা ইনসার্ট করার জন্য কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. HTML
  2. CSS
  3. DML
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ডাটা ইনসার্ট করার জন্য ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML) ভাষা ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

•ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ দুই ধরনের-

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ ও
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে। এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়। 

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭১.
হট মেইল কী?
  1. ক) তাজা মেইল
  2. খ) গরম মেইল
  3. গ) ই-মেইল ঠিকানা
  4. ঘ) ওয়েব ভিত্তিক ই-মেইল সেবা
ব্যাখ্যা
হট-মেইল এক ধরনের ই-মেইল প্রযুক্তি যা ওয়েভ ভিত্তিক ই-মেইল সেবা প্রদান করে।
৪,৪৭২.
নিচের কোনটি ই-ব্যাংকিং এর পণ্য নয়?
  1. ক) ATM
  2. খ) SMS banking
  3. গ) Plastic money
  4. ঘ) School banking
ব্যাখ্যা
‘School banking’- ই-ব্যাংকিং এর কোন পন্য নয়। বাকিগুলো ই-ব্যাংকিং এর পণ্য।
৪,৪৭৩.
দশমিক সংখ্যা (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. 101111
  2. 101100
  3. 101101
  4. 101001
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ২ দ্বারা (বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Bit- MSB) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Bit- LSB) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান নির্ণয় করা যায়। 

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। 


সুতরাং, (45)10 এর সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা = 101101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৪.
টেলিফোনে কোন পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. Half-Duplex
  2. Full-Duplex
  3. Simplex
  4. Full-Simplex
ব্যাখ্যা
• টেলিফোনে ফুল-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:

- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex):
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি।

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex):
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না।
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। যেমন-ওয়াকিটকি।

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex):
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে।
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,৪৭৫.
ড. ভিনসেন্ট অ্যাটানোসফ ও তাঁর ছাত্র ক্লিফ কোন ইলেক্ট্রনিক উপাদান ব্যবহার করে ABC কম্পিউটার তৈরি করেন?
  1. ট্রানজিস্টর 
  2. ভ্যাকুয়াম টিউব
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ABC (Atanasoff Berry Computer):
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ (Dr. John Vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Berry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasoff Berry Computer)।
- ABC ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ABC গাণিতিক/যুক্তিমূলক কাজের জন্য ৪৫টি ভ্যাকুয়াম টিউব এবং তথ্য সংরক্ষণের জন্য মেমোরি হিসেবে ক্যাপাসিটর ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৬.
C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম কোন প্রতিষ্ঠানে তৈরি হয়?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Bell Laboratories
  4. Google
ব্যাখ্যা

• Bell Laboratories: এখানেই Dennis Ritchie ১৯৭০ সালে C ভাষা তৈরি করেন।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা(C Programming Language):

- ১৯৭০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের Bell Laboratories–এ ডেনিস রিচি(Dennis Ritchie) প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie–কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক(Father of C Programming Language) বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে C ভাষার প্রয়োগ করেন।
- C ভাষার উৎপত্তি হয়েছে BCPL নামক প্রোগ্রামিং ভাষা থেকে।
- BCPL থেকে B ভাষার উদ্ভব হয় এবং B ভাষার উন্নত সংস্করণ হিসেবেই C ভাষার সৃষ্টি।
- প্রাথমিকভাবে C ভাষা Unix অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সরবরাহ করা হতো।
- পরবর্তীতে C ভাষার ব্যবহার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্ম ও কাজে ব্যাপকভাবে বিস্তৃত হয়।
- বহুমুখী ব্যবহার, দক্ষতা ও কার্যকারিতার কারণে C প্রোগ্রামিং ভাষা আজও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত ও জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ–দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪৭৭.
'ভিবিএস' কী?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. ক্লাইড সেবা
  3. কম্পিউটার এন্টিভাইরাস
  4. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৭৮.
প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি ছিল?
  1. FORTRAN
  2. ASSEMBLY
  3. COBOL
  4. BASIC
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ASSEMBLY

প্রোগ্রামিং ভাষা ও ইতিহাস
- প্রোগ্রামিং ভাষা হলো সেই ভাষা, যা ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারে সফটওয়্যারের অংশ তৈরি করতে ব্যবহার করে।
- প্রথম প্রোগ্রামিং ভাষা ছিল Assembly, যা সরাসরি কম্পিউটার দ্বারা চালিত হতো।
- ১৯৫০-এর দশকে উচ্চ-স্তরের ভাষা ব্যবহার শুরু হয়, যেমন FORTRAN (বীজগণিতিক সমস্যা সমাধান) এবং ALGOL।
- পরে ১৯৬০ সালে শিক্ষার্থীদের জন্য BASIC তৈরি হয়। একই সময়ে COBOL ব্যবসায়িক অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনার জন্য তৈরি হয়।
- প্রথম ভাষাগুলো imperative এবং procedural ছিল, যেমন COBOL, FORTRAN, Pascal, এবং C।
- পরবর্তীতে functional ভাষা তৈরি হয়, যেখানে প্রোগ্রামকে ফাংশনের সংগ্রহ হিসেবে দেখা হয়, যেমন LISP, Scheme, Prolog।
- অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং (OOP) প্রথমে Smalltalk-এ এসেছে, যেখানে অবজেক্ট হলো ডেটা এবং সেই ডেটার উপর কাজ করা ফাংশনের সংমিশ্রণ।
- পরবর্তীতে OOP ভাষার মধ্যে এসেছে C++, Java, Visual BASIC।
- জাভা একটি বিশেষ ভাষা, যা যেকোনো প্ল্যাটফর্মে Java Virtual Machine (JVM)-এর মাধ্যমে চালানো যায়। এটি ডিস্ট্রিবিউটেড এবং ওয়েব-ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে উপযুক্ত।
- এছাড়া ডিক্লারেটিভ ও স্ক্রিপ্টিং ভাষাও রয়েছে, যেমন SQL, HTML, PHP, যা ডাটাবেস পরিচালনা, ওয়েব পেজ ডিজাইন এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

Source: ব্রিটানিকা। 

৪,৪৭৯.
কোনটি আউটপুট ডিভাইস নয়?
  1. ক) Monitor
  2. খ) Plotter
  3. গ) Trackpad
  4. ঘ) Image Setter
ব্যাখ্যা

কয়েকটি ইনপুট ডিভাইসের নামঃ
১. কীবাের্ড (Keyboard)
২. মাউস (Mouse)
৩, মাইক্রোফোন (Microphone)
৪. স্ক্যানার (Scanner)
৫, মডেম (Modem)
৬. গ্রাফিক্স ট্যাবলেট (Graphics Tablet)
৭, ওএমআর (OMR)
৮, ওসিআর (OCR)
৯, লাইটপেন (Light Pen)
১০. টাচস্ক্রিন (Touch Screen) (আউটপুট হিসেবেও ব্যবহার হয়)
১১. ট্র্যাকবল (Trackball)
১২. ট্র্যাকপ্যাড (Trackpad) ইত্যাদি।

কয়েকটি আউটপুট ডিভাইসের নামঃ
১. মনিটর (Monitor)
২. প্রজেক্টর (Projector)
৩. স্পিকার (Speaker)
৪, প্রিন্টার (Printer)
৫. প্লটার (Plotter)
৬. ইমেজ সেটার (Image Setter) ইত্যাদি।

৪,৪৮০.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, এর সমান কত হবে?
  1. ক) 0
  2. খ) 1
  3. গ) A
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা


সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮১.
Mac OS-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Microsoft Operating System
  2. Mobile Operating System
  3. Macintosh Operating System
  4. Mainframe Operating System
ব্যাখ্যা
Mac OS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System।

• Mac OS
- Mac OS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System, ১৯৮০ সালে অ্যাপল (Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করেন। 
- যেকোনো ব্যবহারকারী এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। 
- কারণ এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম। 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে সহজে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে রান করা যায়। 
- আবার পরিচালনা পদ্ধতি খুব সহজ এবং গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮২.
উইন্ডোজে প্রতিটি ব্যবহারকারীর জন্য আলাদা ডিস্ক স্পেস সীমা নির্ধারণ করতে কোন ফাইল সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. FAT32
  2. exFAT
  3. ReFS
  4. NTFS
ব্যাখ্যা

◉ NTFS (New Technology File System) এর গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হলো Disk Quota Management—এর মাধ্যমে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর নির্ধারণ করতে পারেন প্রতিটি ব্যবহারকারী সর্বোচ্চ কতটুকু ডিস্ক স্পেস ব্যবহার করতে পারবে।

NTFS:
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB.

অন্যান্য অপশনসমূহ,
FAT32: এটি একটি সাধারণ ফাইল সিস্টেম, কিন্তু ডিস্ক কোটা সাপোর্ট করে না।
exFAT: এটি বড় ফাইল এবং বড় ভলিউম সাপোর্ট করে। 
ReFS: এটি ডেটা করাপশন প্রতিরোধ, বড় ভলিউম সাপোর্ট, এবং অটোমেটিক রিপেয়ার সুবিধা দেয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৮৩.
macOS কোন ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম?
  1. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. নেটওয়ার্ক ভিত্তিক
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• macOS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম। এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। 

macOS:
- macOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System, ১৯৮০ সালে অ্যাপল (Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য macOS তৈরি করেন। 
- যেকোনো ব্যবহারকারী এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। 
- কারণ এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম। 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে সহজে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে রান করা যায়। 
- আবার পরিচালনা পদ্ধতি খুব সহজ এবং গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৮৪.
নিচের কোন ডেসিমাল যোগটি ভুল?
  1. ০ + ০ = ০
  2. ০ + ১ = ১
  3. ১ + ০ = ১
  4. ১ + ১ = ০
ব্যাখ্যা

কয়েকটি ডেসিমাল যোগঃ
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ২

কয়েকটি বাইনারি যোগ
০ + ০ = ০
০ + ১ = ১
১ + ০ = ১
১ + ১ = ০ এবং এর সাথে হাতে ১ থাকবে (হাতে থাকাকে ক্যারি বলে)৷

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান

৪,৪৮৫.
Solid-State Drive (SSD)-এর প্রধান কাজ কী?
  1. সফটওয়্যার চালানো
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. নেটওয়ার্ক সংযোগ প্রদান করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid-State Drive) একটি স্টোরেজ ডিভাইস, যা NAND Flash মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে। এটি প্রচলিত হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, টেকসই এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

​SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

SSD ও HDD:
SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, দ্রুতগতি, কম বিদ্যুৎ খরচ, কম তাপ উৎপাদন।
HDD: চৌম্বকীয় ডিস্ক ব্যবহার করে, তুলনামূলক ধীরগতি, যান্ত্রিক অংশ রয়েছে।

উৎস: Avast website.

৪,৪৮৬.
প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-
  1. ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ
  2. অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

এ যাবত বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে।

যথা -
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা (Machine Language)
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language)
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০) : উচ্চতর ভাষা (High Level Language)
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০) : অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language)
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)  

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,৪৮৭.
প্রোগ্রামিং এর সময় বানান ভুল হলে তা কোন ধরণের ভুল?
  1. ক) Syntax Error
  2. খ) Logical Error
  3. গ) Run time Error
  4. ঘ) Execution time Error
ব্যাখ্যা
সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error)
সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি। এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

লজিক ভুল (Logical Error)
প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল । সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় । সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল। কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল (Run time & Execution time Error)
কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়। যে সব গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পাদন করা যায় না (অন্তত বাস্তব রাশির ক্ষেত্রে) তা করতে গেলেও সিনট্যাক্স ভুল হয়। যেমন শূন্য দিয়ে ভাগ করা কিংবা ঋণ সংখ্যার বর্গমূল বা লগারিদম বের করা। এসব ক্ষেত্রেও ভুলের বার্তা ছাপা হয় ।

ডিবাগিং (Debugging)
প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং, এর আক্ষরিক অর্থ পোকা বাছা। ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি। ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রয়োজন হলে কোন প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়। প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়। এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,৪৮৮.
মাইক্রোপ্রসেসর মূলত একটি-
  1. CPU
  2. RAM
  3. BIOS
  4. ROM
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর বলতে মূলত সিপিইউ-কে বুঝায়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একক VLSI (Very large Scale Integration) সিলিকন চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর তৈরী হয় অসংখ্য ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট দিয়ে। আইসি তৈরী হয় ট্র্যানজিস্টর দিয়ে। একটি প্রসেসরে যত বেশী হবে প্রসেসরের গতি তত বেশী হবে।
- বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে।
- ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর
- বর্তমানে পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোতে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট অর্থাৎ নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং গাণিতিক/যুক্তি ইউনিটগুলো একই সংগে মাইক্রোপ্রসেসরে থাকে।
- ফলে আধুনিক কম্পিউটারে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বলতে মাইক্রোপ্রসেসরকেই বুঝায়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্যের উপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও বৈশিষ্ট্য নির্ভর করে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
১. ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
২. গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
৩. কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
৪. স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

• উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে তিনভাগে ভাগ করা হয়:
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ,
৩। স্মৃতি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৮৯.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. AVG
  2. Informix
  3. AVAST
  4. Norton
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো: 
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

উল্লেখ্য:
- Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

৪,৪৯০.
MODULA is a-
  1. ক) Programming language
  2. খ) Low-level language
  3. গ) Assembly language
  4. ঘ) Machine language
ব্যাখ্যা
The Modula programming language is a descendant of the Pascal programming language. It was developed in Switzerland in the 1970s by Niklaus Wirth, the same person who designed Pascal.
Source: modula.us
৪,৪৯১.
What is the shortcut key to open the Open dialog box?
  1. ক) F12
  2. খ) Alt + F12
  3. গ) Shift F12
  4. ঘ) Ctrl + F12
ব্যাখ্যা
• CTRL + F12 helps to open dialogue box. 

- F1 function key is used for opening help.
- A function key is a key on a computer keyboard to perform certain actions.
- The function keys are arranged on the top of the computer keyboard numbered across from F1 to F12.
- The keys are frequently used in combination with other keys such as the CTRL key, the ALT key, and the SHIFT key.
- The function keys provide some interesting shortcuts for common computer functions that can be useful tools in everyday computing.

- F2 - To rename a selected file or folder.
- F3 - To search for a file or folder.
- F4 - To close the active window with the Alt key
- F5 - To refresh or reload the current page.
- F6 - To move the cursor to the address bar in most web browsers.
- F7 - To spell-check and grammar check
- F8 - To access the boot menu in Windows
- F9 - Refresh a document in MS word F10 Activate the menu bar of the application
- F11 - Enter and exit full screen in web browsers
- F12 - Open the Save as dialog box in MS word

• অপশন অনুযায়ী সঠিক উত্তর (ঘ) হবে ।
৪,৪৯২.
ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম কী?
  1. NOR
  2. NOT
  3. XOR
  4. NAND
ব্যাখ্যা

• ইনভার্টার একটি ডিজিটাল সার্কিট যা ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি ইনপুট “১” হয়, আউটপুট হবে “০”, এবং যদি ইনপুট “০” হয়, আউটপুট হবে “১”। এটি মূলত একটি NOT গেটের কাজ। তাই ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত লজিক গেটের বিকল্প নাম হলো NOT গেট। অন্য অপশনগুলো যেমন NOR, XOR বা NAND বিভিন্ন লজিক ফাংশন সম্পাদন করে এবং সরাসরি ইনভার্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, যদিও NAND বা NOR দিয়ে কনফিগার করে ইনভার্টার তৈরি করা সম্ভব। সরলভাবে বলতে গেলে, ইনভার্টার এবং NOT গেট একই কাজ করে।

- সঠিক উত্তর: খ) NOT.

NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯৩.
মানুষ কম্পিউটারে কোন সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে?
  1. ক) দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
  2. খ) বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
  3. গ) অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- কারণ এই পদ্ধতিতে মোট 10 টি মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। যথা: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8 এবং 9.
- (101)10, (123)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ।
- সাধারণ হিসাব নিকাশের জন্য দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন থাকলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহার করা যায় না।
- মানুষ কম্পিউটারে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহারে ইনপুট প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৪৯৪.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য কোন লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. নর গেইট
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।

• মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা:
১. অর গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

২. অ্যান্ড গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

৩. নট গেইট:
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,৪৯৫.
নিচের কোনটি ROM-এর বৈশিষ্ট্য?
  1. অস্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. ডেটা সহজে পরিবর্তন করা যায়
  3. নন-ভোলাটাইল মেমরি
  4. ভোলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

• ROM বা Read-Only Memory হলো কম্পিউটারের এমন একটি মেমরি যা নন-ভোলাটাইল, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা হারায় না। এটি মূলত স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ROM-এ রাখা তথ্য সাধারণত প্রস্তুতকারকের দ্বারা লিখিত হয় এবং ব্যবহারকারী সহজে তা পরিবর্তন করতে পারে না। তাই এটি অস্থায়ী নয় এবং এতে থাকা ডেটা সহজে পরিবর্তনযোগ্য নয়। এটি ভোলাটাইল মেমরির মতো নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে সব তথ্য মুছে যায়। সুতরাং, দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে “নন-ভোলাটাইল মেমরি” ROM-এর বৈশিষ্ট্য।

ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

RAM:

- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৪৯৬.
ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ডাটা রেকর্ড সংরক্ষণ করা
  2. ডাটা কম্প্রেস করা
  3. ডাটাবেজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
  4. নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্দিষ্ট ডাটা দ্রুত খুঁজে পাওয়া।

• ইনডেক্সিং:
- ইন্ডেক্সিং হল ডেটা টেবিলের রেকর্ড গুলোকে কোন নির্ধারিত এক বা একাধিক ফিল্ড অনুসারে সাজানোর উদ্দেশ্যে মূল টেবিল অপরিবর্তিত রেখে রেকর্ডগুলোর অ্যাড্রেসকে সাজানো। 
- ইন্ডেক্স পদ্ধতিতে ডেটা ফাইলকে সর্ট করা হলে মূল ডেটা ফাইলে রেকর্ডের ক্রমিক নং পরিবর্তন হয় না।
- ইন্ডেক্সিং পদ্ধতিতে ডেটাবেজ ফাইলের এলোমেলো রেকর্ডগুলো তুলনামূলকভাবে দ্রুত সাজানো যায়।
- ডেটাবেজ ফাইলকে ইন্ডেক্স করা হলে নতুন ইন্ডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল ডেটাবেজ ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ডেটাবেজে কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইন্ডেক্স করা ফাইলে তা আপডেট হয়।

• ইন্ডেক্সিংয়ের সুবিধাসমূহ
- ইনডেক্স করার পরে ফাইলে সহজে ডেটা খুঁজে বের করা যায়।
- ইনডেক্স করার পরে ডেটাবেজ ফাইলে নতুন কোন রেকর্ড ইনপুট করা হলেও ইনডেক্স ফাইলগুলো স্বয়ংক্রীয়ভাবে আপডেট হয়ে যায়।
- ডেটাটেবিলের রেকর্ডসমূহের উপর বিভিন্ন অপারেশন যেমন- Searching, Sorting, Reporting এবং Queries ইত্যাদি খুব তাড়াতাড়ি সম্পন্ন করার জন্য ইনডেক্স করা হয়। অর্থাৎ ডেটা সমূহ ইনডেক্স করলে Speedy পারফরমেন্স পাওয়া যায়।
- ইনডেক্স ফাইল মূল ডেটাবেজ ফাইলের কোনরূপ পরিবর্তন না করে বিভিন্নভাবে সাজাতে পারে।

• ইন্ডেক্সিংয়ের অসুবিধাসমূহ
- একাধিক ফিল্ডের উপর ইনডেক্সিং করা থাকে তাহলে কোন ডেটা এডিট করলে ইনডেক্স আপডেট হতে সময় বেশি লাগে যা প্রোগ্রামকে Slow করে, ফলে ব্যবহারকারীকে ডাটা এন্ট্রি কিংবা আপডেট করার জন্য অনেকক্ষণ সময় ধরে অপেক্ষা করতে হয়।
- একাধিক ফিল্ডের উপর এবং অনেক রেকর্ডের জন্য ইন্ডেক্স করা হলে অপেক্ষাকৃত বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়। তাছাড়া ইনডেক্স সংরক্ষণের জন্যও কিছু বেশি জায়গা লাগে।
- ডেটা এন্ট্রির ক্ষেত্রে ইনডেক্স ফাইলের রেফারেন্সসমূহ আপডেট হতে বেশ সময়ের প্রয়োজন হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,৪৯৭.
ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করতে কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাকশন কুয়েরি
  2. ক্রসটেব কুয়েরি
  3. প্যারামিটার কুয়েরি
  4. সিলেক্ট কুয়েরি
ব্যাখ্যা
কুয়েরি (Query): ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।
২. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query): ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।
৩. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query): শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।
৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query): কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Microsoft Support Website.
৪,৪৯৮.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ক) ডাকডাকগো
  2. খ) বিং
  3. গ) উলফ্রাম আলফা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আজকাল কোনাে কিছু সার্চ করতে গেলেই সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে হয়। যে সার্চ ইঞ্জিন যত দ্রুত ও যত ধরনে ব্যবহারকারীদের কাছে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল হাজির করতে পারে সে সার্চ ইঞ্জিনটি তত বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
এ দিক থেকে এখন পর্যন্ত প্রতিযােগিতায় এগিয়ে রয়েছে গুগল। নিচে উল্লেখযােগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেওয়া হলাে :

১. গুগল (https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. চাচা ডট কম (http://www.chacha.com/)
১১. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/)

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪,৪৯৯.
নিচের কোনটি ক্রেডিট কার্ড কোম্পানি নয়?
  1. ক) ভিসা
  2. খ) মাস্টার কার্ড
  3. গ) আমেরিকান এক্সপ্রেস
  4. ঘ) ডিনার'স কার্ড
ব্যাখ্যা
ক্রেডিট কার্ড এমন এক ধরনের কার্ড যার দ্বারা ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ধারে পণ্য কেনাবেচা থেকে শুরু করে যেকোনো ধরনের লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। সাধারণত ঋণ গ্রহণের মাধ্যমে ব্যাংক গ্রাহককে এ ধরনের কার্ড সরবরাহ করে। এই ঋণ গ্রহণের জন্য ব্যাংককে বাৎসরিক একটি নির্দিষ্ট হারে চার্জ প্রদান করতে হয়। বিশ্বে বর্তমানে ভিসা, মাস্টার কার্ড, আমেরিকান এক্সপ্রেস প্রভৃতি ক্রেডিট কার্ড প্রচলিত আছে।
৪,৫০০.
DDL এর কাজ হচ্ছে -
  1. ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা
  2. ডাটাবেজ থেকে রিপোর্ট তৈরি করা
  3. ডাটাবেজ থেকে ডাটা প্রিন্ট করা
  4. ডাটাবেজে তথ্য অনুসন্ধান করা
ব্যাখ্যা
DDL এর কাজ হচ্ছে ডাটাবেজের গঠন সংজ্ঞায়িত করা।

• ডাটাবেজ ভাষা:
যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।