বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪৩ / ৮২ · ৪,২০১৪,৩০০ / ৮,১৪১

৪,২০১.
কোনটি কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগ মাধ্যম?
  1. মোবাইল ফোন
  2. রেডিও
  3. টেলিভিশন
  4. ইমেইল
ব্যাখ্যা

◉ ইমেইল হল একটি কম্পিউটারভিত্তিক যোগাযোগ পদ্ধতি যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কাজ করে।

ইমেইল: 
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়৷
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

অন্যদিকে, মোবাইল ফোন (হার্ডওয়্যার ডিভাইস), রেডিও ও টেলিভিশন (ব্রডকাস্ট মিডিয়া) কম্পিউটারনির্ভর যোগাযোগ মাধ্যম নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,২০২.
নিম্নের কোনটি হার্ডওয়ার নয়?
  1. মনিটর
  2. মাউস
  3. সিপিইউ
  4. পাওয়ার পয়েন্ট
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ। 

হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৩.
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ কোনটি?
  1. হার্ড ড্রাইভ
  2. এসএসডি
  3. ডিভিডি ডিস্ক
  4. পেন ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।
- মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস এর উদাহরণ: হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট ইত্যাদি।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস: সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক ইত্যাদি।
- ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইস: মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,২০৪.
আমাজনের ই-বুক রিডার কোনটি?
  1. Nook
  2. Kindle
  3. Kobo
  4. Sony Reader
ব্যাখ্যা
• ই-বুক:
- ই-বুক হচ্ছে প্রচলিত মুদ্রিত বইয়ের ইলেকট্রনিক সংস্করণ যা কম্পিউটার অথবা ই-বুক রিডার দিয়ে পড়া যায়।
- প্রচলিত বইয়ের মতই ই-বুক টেক্সট ও ছবির সমন্বয়ে তৈরি হয় যা আসলে মূল বইয়ের ডিজিটাল সংস্করণ।
- আমাজনের ই-বুক রিডার Kindle।
- দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-

১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
- Amazon এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে।
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়।
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে। 
- রিফ্লোয়েবল ই-বুক দুই ধরণের ফরম্যাটে হয়ে থাকে। যথা- মবি (mobi) এবং ইপাব (epub)।
- Kindle ডিভাইসে মবি ফরম্যাট ব্যবহৃত হয় এবং ইপাব সাধারণত Apple, Android ও অন্যান্য যে কোন ডিভাইসে ব্যবহৃত হয়।

২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book):
- এই ধরণের ই-বুকের সমস্ত কন্টেন্ট অপরিবর্তনশীল ও স্থায়ী।
- স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী এই ধরণের ই-বুক সমন্বিত হয় না এবং এর অক্ষর কিংবা অক্ষরের আকারও পরিবর্তন করা সম্ভব নয়।
- এই ফরম্যাটের ই-বুক Kindle ডিভাইসে পড়া সম্ভব নয়।

অপশন আলোচনা:
- Nook: ই-বুক রিডারটি Barnes & Noble দ্বারা উদ্ভাবিত।
- Kobo: ই-বুক রিডারটি কানাডিয়ান কোম্পানি Rakuten Kobo দ্বারা উদ্ভাবিত।
- Sony Reader: ই-বুক রিডারটি Sony দ্বারা উদ্ভাবিত।

উৎস : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৫.
নিচের কোনটিকে ইন্টারনাল বাস (Internal Bus) বলা হয়?
  1. লোকাল বাস
  2. সিস্টেম বাস
  3. এজিপি
  4. আইএসএ বাস
ব্যাখ্যা

• 'সিস্টেম বাসকে' ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

• কম্পিউটার বাস:
- কম্পিউটার বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।

• কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম বাস (System Bus):
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।

- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
• ডেটা বাস (Data Bus),
• অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
• কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus):
- Expansion Bus যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস যে প্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন প্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আইএসএ বাস, লোকাল বাস এবং এজিপি ইত্যাদি হচ্ছে এক্সপানশন বাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২০৬.
Who is responsible for maintaining data confidentiality in a database system?
  1. Network user
  2. Programmer
  3. System analyst
  4. Database administrator
ব্যাখ্যা

• Database Administrator (DBA) ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডাটার গোপনীয়তা, নিরাপত্তা ও সঠিক ব্যবহারের দায়িত্ব পালন করেন—তাই ডাটা কনফিডেনশিয়ালিটি রক্ষার মূল দায়িত্ব তাঁর।

• ডাটা সিকিউরিটি (Data Security):
- ডাটা সিকিউরিটি হলো এমন একটি পদ্ধতি, যার মাধ্যমে অননুমোদিত (unauthorized) ব্যক্তির হাত থেকে ডাটা সুরক্ষিত রাখা হয়।
- ডাটার গোপনীয়তা, অখণ্ডতা (integrity) ও প্রাপ্যতা (availability) নিশ্চিত করাই ডাটা সিকিউরিটির মূল উদ্দেশ্য।
 
• ডাটা সিকিউরিটির ধরন:
- System Security → ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড যাচাই, সিস্টেমে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ।
- Data Security → ব্যবহারকারী কোন কোন ডাটা বা অবজেক্ট ব্যবহার করতে পারবে, তা নিয়ন্ত্রণ।
 
• ডাটা সিকিউরিটির গুরুত্ব:
- অনলাইন ব্যাংকিং ও ই-কমার্সে গ্রাহকের তথ্য সুরক্ষায় অপরিহার্য।
- সংবেদনশীল ও রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ডাটা রক্ষায় প্রয়োজনীয়।
- Distributed database পরিবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
 
• অন্যান্য অপশন:
- Network user → সাধারণ ব্যবহারকারী, নিরাপত্তার দায়িত্বপ্রাপ্ত নয়।
- Programmer → সফটওয়্যার তৈরি করেন, ডাটাবেজ সিকিউরিটি পরিচালনা করেন না।
- System analyst → সিস্টেম বিশ্লেষণ করেন, ডাটা কনফিডেনশিয়ালিটি রক্ষা করেন না।

৪,২০৭.
সার্বজনীন গেইট কোনটি?
  1. OR Gate
  2. XOR Gate
  3. AND Gate
  4. NOR Gate
ব্যাখ্যা

• NOR Gate হলো একটি সার্বজনীন গেইট (Universal Gate), কারণ এই গেইট ব্যবহার করে অন্য সকল মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) তৈরি করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,২০৮.
অ্যাবাকাসকে সরোবান বলা হয় কোন দেশে?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. জাপান
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস হলো প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।
- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া (Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২০৯.
'bps' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) bit per second
  2. খ) bite per second
  3. গ) byte per second
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
bps এর পূর্ণরূপ হলো bit per second.
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
৪,২১০.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. Python
  2. Java
  3. C#
  4. Markdown
ব্যাখ্যা
• Markdown প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:

- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,২১১.
ডিস্ক ত্রুটি নির্ণয় ও সমাধানে কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. Msconfig
  2. PC Tools
  3. Microsoft Word
  4. SSD
ব্যাখ্যা
ডিস্ক ত্রুটি নির্ণয় ও সমাধানে PC Tools সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত
কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২১২.
ডাইন্যামিক র‍্যাম তৈরিতে কোন ধরণের অর্ধপরিবাহী ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) মেটাল সিলিকেট
  2. খ) মেটাল অক্সাইড
  3. গ) নন-মেটাল অক্সাইড
  4. ঘ) নন-মেটাল সিলিকেট
ব্যাখ্যা
ডাইনামিক RAM বা DRAM MOSFET-Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor ও ক্যাপাসিটর ব্যবহার করে এ ধরনের র‍্যাম তৈরি করা হয়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
৪,২১৩.
Scanner কোন ধরনের যন্ত্র?
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. ক ও খ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পেরিফেরালস:
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।

⇒ ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন-
• কীবোর্ড,
• মাউস,
• স্ক্যানার,
• OMR,
• OCR ইত্যাদি।

⇒ আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন-
• মনিটর,
• প্রিন্টার,
• প্রজেক্টর,
• স্পিকার,
• প্লটার ইত্যাদি।

⇒ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
যেমন-
• হেডফোন,
• ডিজিটাল ক্যামেরা,
• মডেম,
• টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: i) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
ii) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২১৪.
মডেমের কোন অংশটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মডুলেটর
  2. খ) ডিমডুলেটর
  3. গ) ট্রান্সলেটর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস। কম্পিউটার নেটওয়ার্কিংয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে। মডেমের দুটি অংশ। যথা:
- মডুলেটর ও
- ডি-মডুলেটর
 
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন। 
- ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন। 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

 
৪,২১৫.
সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয় নিচের কোনটি?
  1. ক) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  2. খ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  3. গ) ডিভাইস ড্রাইভার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত কতিপয় নির্দেশের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
- সফটওয়্যার কম্পিউটারকে কার্যক্ষম রাখে।
- সফটওয়্যারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলোঃ
১। সিস্টেম সফটওয়্যার (অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার ও ইউটিলিটি প্রোগ্রাম) এবং
২। অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (প্যাকেজ প্রোগ্রাম, কাস্টমাইজ প্রোগ্রাম)।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২১৬.
Floppy disk- এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. 1.44 MB
  2. 3 MB
  3. 4.46 MB
  4. 6 MB
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি করে ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।

- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২১৭.
Which database component represents the smallest unit of a record?
  1. Data
  2. Field
  3. Record
  4. Table
ব্যাখ্যা

• Field (ফিল্ড) হলো একটি Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশ, যেখানে একটি নির্দিষ্ট Attribute বা তথ্য সংরক্ষিত থাকে।

• ডাটাবেজের উপাদানসমূহ:
- ডাটাবেজ (Database) হলো সম্পর্কযুক্ত ডেটার সংগঠিত সংগ্রহ, যা সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারের জন্য সংগঠিত করা হয়।
- ডাটাবেজে সংরক্ষিত ডেটাগুলো সাধারণত Table আকারে থাকে এবং প্রতিটি Table-এ অনেক Record ও Field থাকে।

• Data (ডাটা):
- Data শব্দটি ল্যাটিন Datum শব্দের বহুবচন।
- তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদানকে Data বলা হয়।
- একটি Table-এর বিভিন্ন Field-এ যে তথ্যগুলো Input করা হয় সেগুলোই Data।
- উদাহরণ: Name field-এ “Tareq”, Address field-এ “Dhaka”, Job Title field-এ “Officer” — এগুলো প্রত্যেকটি Data।

• Record (রেকর্ড):
- অনেকগুলো Field একত্রে একটি Record গঠন করে।
- সাধারণত একটি Table-এর সম্পূর্ণ একটি Row-কে Record বলা হয়।
- যেমন কোনো Table-এ যদি একজন ব্যক্তির Name, Address, Phone Number ইত্যাদি থাকে, তবে এগুলো মিলেই একটি Record।

• Field (ফিল্ড):
- Record-এর ক্ষুদ্রতম অংশকে Field বলা হয়।
- Record-এর প্রতিটি উপাদান যেমন Name, Address, Telephone Number ইত্যাদি একটি করে Field।
- Table-এ সাধারণত Column আকারে Field থাকে এবং প্রতিটি Field একই ধরনের Data ধারণ করে।

• Data Table:
- একই ধরনের বা সমজাতীয় Data একটি Table-এ সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন বিভাগের তথ্য আলাদা Table-এ রাখা হতে পারে।
- যেমন: প্রশাসন, হিসাব, বিক্রয় বিভাগ—প্রতিটির জন্য আলাদা Table থাকতে পারে।
- এই Table-গুলো মিলেই একটি Database গঠিত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Data → তথ্যের ক্ষুদ্রতম উপাদান বা মান।
- Record → একাধিক Field নিয়ে গঠিত একটি সম্পূর্ণ Row।
- Table → সমজাতীয় Record-এর সংগঠিত সংগ্রহ যেখানে Row ও Column থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২১৮.
১১০০১ (বাইনারি) কে দশমিক সিস্টেমে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ২৬
  2. ২৪
  3. ২৩
  4. ২৫
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৪,২১৯.
অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. bKash
  2. PayPal
  3. Nagad
  4. ATM
ব্যাখ্যা

• ATM হলো ফিজিক্যাল ডিভাইস, অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ নয়। অনলাইন ব্যাংকিং সাধারণত ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

- ATM (Automated Teller Machine) মূলত ফিজিক্যাল লেনদেনের ডিভাইস, যেখানে ব্যবহারকারী ব্যাংকের কার্ড ব্যবহার করে নগদ টাকা উত্তোলন, বালেন্স চেক বা সীমিত লেনদেন করতে পারে।
- এটি ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অনলাইন ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে না।

• অনলাইন ব্যাংকিং:
- অনলাইন ব্যাংকিং হলো এমন একটি সেবা যা ইন্টারনেট বা মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করতে দেয়।
- ব্যবহারকারী বাড়ি বা যেকোনো স্থান থেকে টাকা স্থানান্তর, বিল পেমেন্ট, ব্যালেন্স চেক ইত্যাদি করতে পারে।

• অনলাইন ব্যাংকিং এর উদাহরণ:
- bKash: মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, টাকা পাঠানো ও গ্রহণের সুবিধা।
- PayPal: আন্তর্জাতিক লেনদেন ও অনলাইন পেমেন্ট প্ল্যাটফর্ম।
- Nagad: বাংলাদেশে জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।

উৎস: 
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৪,২২০.
সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে বুঝায় - 
  1. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা
  2. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার বিতরণ করা
  3. বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার আংশিক পরিবর্তন করা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার পাইরেসি (Software Piracy): 
- সফটওয়্যার পাইরেসি বলতে প্রস্তুতকারীর বিনা অনুমতিতে কোনো সফটওয়্যার কপি করা, বিতরণ করা, আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কার্যক্রমকে বুঝায়। 
- অন্যের জিনিস চুরি করার মতো সফটওয়্যার পাইরেসি করাও একটি অপরাধ। 
- সফটওয়্যার পাইরেসির কারণে সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,২২১.
ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. টেলিমেডিসিন
  2. ইলেকট্রোমেডিসিন
  3. টেলিপ্রেজেন্স
  4. ইলেকট্রিক মেডিকেল
ব্যাখ্যা
ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।

টেলিমেডিসিন: 
-ভৌগোলিকভাবে ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে। 
-এই সেবার মাধ্যমে রোগী এবং চিকিৎসক সরাসরি সাক্ষাৎ না করে, মোবাইল ফোন, ভিডিও কল, ইমেইল বা অনলাইন অ্যাপের মাধ্যমে যোগাযোগ করে রোগ নির্ণয়, পরামর্শ ও চিকিৎসা গ্রহণ করতে পারেন।
-ইলেকট্রোমেডিসিন: ইলেকট্রোমেডিসিন হলো চিকিৎসাবিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যেখানে বিদ্যুৎ বা বৈদ্যুতিক তরঙ্গ ব্যবহার করে রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা ও ব্যথা উপশম করা হয়। এটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার ছাড়াই চিকিৎসার সুযোগ করে দেয়।

টেলিপ্রেজেন্স:
-টেলিপ্রেজেন্স বলতে একগুচ্ছ প্রযুক্তিকে বুঝায় যার ব্যবহারের ফলে একজন মানুষকে টেলিরোবটিক্স এর মাধ্যমে তার বাস্তব অবস্থানের বদলে অন্য কোনো জায়গায় উপস্থিত থাকার বাস্তব অনুভূতি জাগায়। 

ইলেকট্রিক মেডিকেল বলতে কিছু নেই।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৪,২২২.
ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ওয়ার্ড প্যাড
  2. ওয়ার্ডস্টার
  3. ভিসিক্যাল
  4. ম্যাকরাইট
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্ড প্রসেসিং:
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।

- ভিসিক্যাল (Visicalc) হলো প্রথম বাণিজ্যিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, যা ১৯৭৮ সালে বাজারে আসে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২৩.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. EPROM
  4. SRAM
ব্যাখ্যা
• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়। যথা-
১. ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

২. বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২৪.
নিচের কোনটি ভিন্ন?
  1. Linux
  2. CP/M
  3. Android
  4. C
ব্যাখ্যা
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

এখানে, Linux, CP/M এবং Android- তিনটিই Operating system.
আর C হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২২৫.
Apple Macintoch - কোন ধরণের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
Apple Macintoch এক ধরণের মাইক্রোকম্পিউটার। 

- ছোট আকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলে।
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে যে কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি তাকেই মাইক্রো কম্পিউটার বলে।
- একে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা বিজনেস কম্পিউটারও বলা হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র, তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমরি, সহায়ক মেমরি এবং ইনপুট আউটপুট যন্ত্রপাতি নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
- এ ধরনের কম্পিউটার দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ বিধায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীর কাছে খুবই জনপ্রিয় ।
- অফিসের কাজ ও বাণিজ্যিক প্রয়োজন ছাড়াও শিল্পক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণে, স্বয়ংক্রিয় অফিস ব্যবস্থাপনায়, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গৃহস্থালির কাজে, খেলাধুলায়, চিত্র-বিনোদন, এমনকি ব্যক্তিগত কাজেও আজকাল জনপ্রিয়তার সাথে মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে।
- IBM PC, Apple Macintoch, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC, ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

সূত্র: ২২ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,২২৬.
(1011101)2 = (P)10
  1. 62
  2. 65
  3. 88
  4. 93
ব্যাখ্যা

• (1011101)2 = (P)10
P এর মান 93

• বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।

• এখানে, বাইনারি সংখ্যাটি হলো 1011101।
- এর ডেসিমেল রূপান্তর হলো:
(1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 93

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২২৭.
"1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মান কত?
  1. 484
  2. 496
  3. 500
  4. 512
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "1F4" হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির দশমিক মান কত?

ব্যাখ্যা:
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০-৯ এবং A থেকে F (যা ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মান বোঝায়)।

"1F4"16 কে দশমিক মানে রূপান্তর করলে,
= (1 × 162) + (15 × 161) + (4 × 160)
= (1 × 256) + (15 × 16) + (4 × 1)
= 256 + 240 + 4 = 500

অর্থাৎ, (1F4)16 = (500)10

৪,২২৮.
ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশান ব্যবহৃত হয় -
  1. ভাইরাস ধ্বংসের জন্য
  2. খারাপ সেক্টরসমূহ পরীক্ষা করতে
  3. ডিস্কের ফাইলগুলোকে পুনর্বিন্যস্ত করতে
  4. ডিস্ক ফরমেট করতে
ব্যাখ্যা
ব্যবহারজনিত কারণে হার্ডডিস্কের ফাইলগুলো বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পরে, একে হার্ডডিস্কের অসজ্জিত অবস্থা বা ডিফ্রাগ বলে।
এ অবস্থায় কোন তথ্য পড়তে অপেক্ষাকৃত বেশি সময়ের প্রয়োজন পড়ে।
এ ক্ষেত্রে ডিস্কের সর্বোচ্চ কার্যকারিতা নিশ্চিত করার জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন কমান্ড ব্যবহার করে ফাইলগুলো পুনর্বিন্যস্ত করা হয়।
৪,২২৯.
নিচের কোন প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) Virtual Reality
  2. খ) Artificial Intelligence
  3. গ) Internet of Things
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
Artificial Intelligence প্রযুক্তি Face Recognition System-এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
- এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কীভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

Artificial Intelligence-এর ব্যবহার:
- Face Recognition System, Speech Recognition System, Natural Language Processing ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৩০.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) প্রিন্টার
  2. খ) নোটবুক
  3. গ) স্মার্টফোন
  4. ঘ) মাইক্রোওয়েভ
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলোঃ গাড়ি, সেলফোন ও স্মার্টফোন, প্রিন্টার, কপিয়ার, মাইক্রোওয়েভ, ওয়াশিং মেশিন, এয়ার কন্ডিশন, ঘড়ি, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
৪,২৩১.
ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরিতে কোন ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. Python
  2. Java
  3. C++
  4. HTML
ব্যাখ্যা

HTML (HyperText Markup Language) হলো ওয়েব পেজের মৌলিক কাঠামো তৈরির ভাষা।

HTML:
- Hyper Text Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো HTML যা World Wide Web (www) ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- এটি সত্যিকার অর্থে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা নয়।
- তবে প্রোগ্রামারগণ ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।
- HTML ফাইল সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ (Web Page) নামে পরিচিত।
- জেনেভায় অবস্থিত CERN-এ কাজ করার সময় টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) ১৯৯০ সালে সর্বপ্রথম HTML আবিষ্কার করেন।

অন্যদিকে, 
- Python ও Java application development ও backend-এ ব্যবহৃত হয়, ওয়েব পেজের মৌলিক কাঠামো তৈরিতে নয়। 
- C++ ভাষা System software ও high-performance applications-এ ব্যবহৃত হয়। 

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,২৩২.
কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) কম্পাইলার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে
  2. খ) কম্পাইলার দ্রুত প্রোগ্রাম নির্বাহ করে
  3. গ) ইন্টারপ্রেটার এর প্রধান মেমোরিতে বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়
  4. ঘ) ইন্টারপ্রেটার এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে
ব্যাখ্যা
কম্পাইলার: 
এটি সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণ্রুপে মেশিন ভাষায় রুপান্তর করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে। এতে এক্সিকিউশন ফাইল তৈরি হয়। এই ফাইল দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয় । ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততার সাথে হয় । ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতর ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন ভাষা ব্যবহার করা হয়। একটি নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি নির্দিষ্ট উচ্চতর ভাষাকে কম্পাইল করতে পারে। কাজ করতে মেমোরিতে বেশী জায়গার প্রয়োজন হয়। 


ইন্টারপ্রেটার: 
ইন্টারপ্রেটার কম্পাইলার এর মত উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রুপান্তর করে। তবে ইন্টারপ্রেটার কম্পাইলার এর মত একসাথে এক্সিকিউট করে না। ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে। এতে ভুল শনাক্ত ও সংশোধন এ কম সময় লাগে। তবে এক লাইন করে কাজ করায় এর অনুবাদ ধীরগতিসম্পন্ন। মেমোরিতে কম জায়গার প্রয়োজন হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪,২৩৩.
কোন সংখ্যার ২ এর পরিপূরক '001001' ?
  1. ক) 111011
  2. খ) 110111
  3. গ) 100111
  4. ঘ) 111111
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক করার নিয়ম: 
step 1: প্রথমে ১ এর পরিপূরক করতে হবে।
step 2: ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

বিপরীত করতে হলে,
step 1: প্রথমে ১ বিয়োগ করতে হবে।
step 2: বিয়োগফলকে ১ এর পরিপূরক করতে হবে।

001001
-        1
001000

001000 এর ১ এর পরিপূরক 110111

∴ সংখ্যাটি 110111
৪,২৩৪.
কোন অপারেটিং সিস্টেম একাধিক ব্যবহারকারীকে একই সময়ে ব্যবহারের সুযোগ দেয়?
  1. Unix
  2. Android
  3. MS-DOS
  4. Windows 95
ব্যাখ্যা

- Unix একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম তাই এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে একই সময়ে ব্যবহারের সুযোগ দেয়। 

অপারেটিং সিস্টেম: 

- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। 
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি। 

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম: 
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
যেমন- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি। 

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৩৫.
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ব্যবহৃত POST এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Program Operating Software Test
  2. Peripheral Online Speed Test
  3. Power On Self Test
  4. Pre-Operating System Trace
ব্যাখ্যা

• POST (Power On Self Test) হলো একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া, যা প্রতিবার কম্পিউটার চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়।

বুটিং (Booting):
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র‍্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।

Booting-এর ধাপগুলো:
1) Power On → কম্পিউটার চালু হলে BIOS/UEFI লোড হয়।
2) POST (Power-On Self Test) → হার্ডওয়্যার ঠিকমতো কাজ করছে কিনা চেক করা হয়।
3) Boot Loader Execution → অপারেটিং সিস্টেমের boot manager (যেমন Windows Boot Manager বা GRUB) চালু হয়।
4) OS Loading → Windows, Linux বা অন্য OS মেমোরিতে লোড হয়।
5) User Interface Ready → ইউজার login করতে পারে এবং সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Lenovo Website.

৪,২৩৬.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতাভুক্ত ক্ষেত্র কোনটি?
  1. মেশিন লার্নিং
  2. ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং
  3. রোবটিক্স
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
৪,২৩৭.
বর্তমান বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার কোনটি?
  1. Summit
  2. Sierra
  3. Frontier
  4. Fugaku
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আমেরিকার Frontier কম্পিউটারটি বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুততম সুপার কম্পিউটার।
- প্রায় 270 টন ওজনের, Frontier-এ 40,000 এরও বেশি প্রসেসর রয়েছে যা এটিকে একটি সাধারণ ডেস্কটপ কম্পিউটারের চেয়ে প্রায় 1 মিলিয়ন গুণ বেশি শক্তিশালী।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [science.org]
৪,২৩৮.
কোনটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়? 
  1. মাইএসকিউএল
  2. ওরাকল
  3. নোটপ্যাড
  4. মাইক্রোসফট এক্সেস
ব্যাখ্যা
DBMS: 
- DBMS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System. 
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি। 
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়। 
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে। 

DBMS এর প্রধান ৩টি কাজ: 
- ডেটাবেজ তৈরি, 
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন এবং 
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS: 
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL. 

অন্যদিকে,
- নোটপ্যাড হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,২৩৯.
নিচের কোনটির ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম?
  1. Register
  2. Cache Memory
  3. RAM
  4. HDD
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে Register-এর ধারনক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।


- চিত্রে পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৪০.
কী ধরণের ডেটা ট্রান্সমিশন মেথডে কম্পিউটারের সাথে প্রিন্টারের সংযোগ হয়?
  1. প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন
  2. এসিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
  3. সিনক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
  4. আইসোক্রোনাস ডেটা ট্রান্সমিশন
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো — ক) প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন।

• কম্পিউটার ও প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সাধারণত Parallel Data Transmission পদ্ধতিতে হয় (বিশেষত পুরনো প্রিন্টারগুলিতে, যেমন Centronics parallel port)।

Parallel Transmission-এ:
- একসাথে একাধিক বিট (সাধারণত ৮ বিট বা ১ বাইট) পাঠানো হয়।
- তাই এটি দ্রুতগতি সম্পন্ন হয়।
- উদাহরণ: প্রিন্টার, স্ক্যানার, কিছু হার্ডওয়্যার ইন্টারফেস।

• অপশন আলোচনা:
- Asynchronous Transmission: সিরিয়াল যোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, যেমন মডেম বা সিরিয়াল পোর্ট।
- Synchronous Transmission: নির্দিষ্ট ক্লক সিগন্যালের সাথে সিরিয়াল ডেটা ট্রান্সফার হয় (যেমন নেটওয়ার্ক যোগাযোগে)।
- Isochronous Transmission: অডিও-ভিডিওর মতো সময়-সংবেদনশীল ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত হয় (যেমন USB অডিও)।
- তাই প্রিন্টারের সাথে কম্পিউটারের সংযোগ হয় প্যারালাল ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে।

সূত্র: geeksforgeeks [link]

৪,২৪১.
একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ ইউনিটে হার্ডওয়্যারগুলোর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা তা যাচাই করার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. POST
  2. Booting
  3. FIFO
  4. LIFO
ব্যাখ্যা
- 'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হল একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- অর্থাৎ একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে। 

• হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,২৪২.
একজন ব্যবহারকারী বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরেও ডেটা সংরক্ষণ রাখতে চান। এ উদ্দেশ্যে কোন ধরনের হার্ডওয়্যার ব্যবহার উপযোগী?
  1. RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ
  2. ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ
  3. VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ
  4. হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা

• হার্ডডিস্ক বা সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার — কারণ সেকেন্ডারি স্টোরেজে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলেও তা মুছে যায় না।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটারের বিভিন্ন ডেটা, তথ্য, নির্দেশাবলি, ইমেজ, অডিও, ভিডিও ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্রাংশকে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার বলা হয়।
- ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটা প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল সংরক্ষণে স্টোরেজ হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার্থে স্টোরেজ ডিভাইসে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা পুনরায় ব্যবহার করা যায়।

• স্টোরেজ হার্ডওয়্যারের প্রকারভেদ:
- প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage),
- মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage).

• প্রাথমিক স্টোরেজ (Primary Storage):
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
- অ্যাক্সেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায়।

• মাধ্যমিক স্টোরেজ (Secondary Storage):
- বিপুল পরিমাণ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- CPU-এর সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে না।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে বেশি।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম।
- অ্যাক্সেস সময় প্রাথমিক স্টোরেজের তুলনায় বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না।
- উদাহরণ: হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, সলিড স্টেট ডিভাইস, পেনড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ, জিপ ড্রাইভ।

• অন্যান্য অপশন:
- RAM ব্যবহার করে অস্থায়ী সংরক্ষণ → RAM হলো Volatile memory. বিদ্যুৎ বন্ধ হলেই সব ডেটা মুছে যায়। অস্থায়ী কাজের জন্য ব্যবহার হয়, স্থায়ী সংরক্ষণের জন্য নয়।
- ROM ব্যবহার করে নির্দেশ সংরক্ষণ → ROM (Read-Only Memory) বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও ডেটা থাকে, কিন্তু এটি শুধুমাত্র ফার্মওয়্যার/নির্দেশ (যেমন BIOS) সংরক্ষণের জন্য। ব্যবহারকারীর ডেটা (ফাইল, ছবি, ডকুমেন্ট) সংরক্ষণ করা যায় না।
- VRAM ব্যবহার করে গ্রাফিক্স সংরক্ষণ → VRAM হলো গ্রাফিক্স কার্ডের RAM। এটিও Volatile. বিদ্যুৎ বন্ধ হলে গ্রাফিক্স ডেটা হারিয়ে যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৪৩.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি কী দিয়ে তৈরি করা হয়?  
  1. প্লাস্টিক
  2. গ্যালিয়াম
  3. অ্যালুমিনিয়াম
  4. সিলিকন
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের মেমোরি:
- কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি বা মূল মেমোরি 'সিলিকন' নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে। 
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি। 
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে। 
- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিত ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
৪,২৪৪.
Windows NT সার্ভারের মূল কাজ কী?
  1. গ্রাফিক ডিজাইন তৈরি করা
  2. মোবাইল অ্যাপ তৈরি 
  3. পার্সোনাল কম্পিউটিং
  4. সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• Windows NT সার্ভার একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি বড় বা ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা, ব্যবহারকারীর প্রমাণীকরণ, ফাইল ও প্রিন্ট শেয়ারিং, এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিংয়ের মতো কার্যক্রম সহজ ও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। Windows NT সার্ভার ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী একই নেটওয়ার্কে একসাথে কাজ করতে পারে এবং তথ্য সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং রিমোট অ্যাক্সেসের সুবিধাও পাওয়া যায়। এটি গ্রাফিক ডিজাইন বা মোবাইল অ্যাপ তৈরির জন্য নয়, বরং নেটওয়ার্কের স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

উত্তর: ঘ) সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা।


• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৪৫.
কোন ডিভাইসটি সফট কপি আউটপুটের উদাহরণ?
  1. মনিটর
  2. প্রিন্টার
  3. প্লটার
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

• সফট কপি আউটপুট হলো এমন আউটপুট যা সরাসরি কম্পিউটার বা অন্য কোনো ডিভাইসে দেখা যায়, কিন্তু কাগজে মুদ্রিত হয় না। এটি সাধারণত স্ক্রিন বা মনিটরের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়। মনিটর হলো একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারের তথ্যকে ভিজ্যুয়াল আকারে ব্যবহারকারীর সামনে দেখায়। এখানে তথ্য কেবলই দৃশ্যমান থাকে এবং তা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয় না। অন্যদিকে, প্রিন্টার বা প্লটার ব্যবহার করলে আউটপুট কাগজে আসে, যা হার্ড কপি হিসেবে পরিচিত।
- তাই সফট কপির উদাহরণ হিসেবে মনিটর সঠিক উত্তর। এটি ব্যবহারকারীকে ইলেকট্রনিকভাবে তথ্য দেখার সুবিধা প্রদান করে।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৪,২৪৬.
UPS-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Universal Power System
  2. Ultra Power Saver
  3. United Power Source
  4. Uninterruptible Power Supply
ব্যাখ্যা

• ইউপিএস (UPS):
- ইউপিএস (UPS)-এর পূর্ণরূপ হলো Uninterruptible Power Supply। এটি এমন একটি বৈদ্যুতিক ডিভাইস যা বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে তাৎক্ষণিকভাবে সংযুক্ত যন্ত্রপাতিতে (যেমন: কম্পিউটার বা সার্ভার) বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখে। 
- বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার মাত্র কয়েক মিলিসেকেন্ডের মধ্যে এটি ব্যাটারি থেকে পাওয়ার সরবরাহ শুরু করে, ফলে কম্পিউটার বা ডিভাইস বন্ধ হয় না।
- এটি বিদ্যুৎ লাইনের ভোল্টেজের ওঠানামা (Surge বা Spike) নিয়ন্ত্রণ করে আপনার দামী ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
- ইউপিএস সাধারণত একটি ব্যাটারি, চার্জার এবং ইনভার্টার (যা ডিসি কারেন্টকে এসিতে রূপান্তর করে) নিয়ে গঠিত। 
 
• ইউপিএস-এর প্রকারভেদ:
১. অফলাইন/স্ট্যান্ডবাই ইউপিএস: এটি সাধারণ ব্যবহারের জন্য। বিদ্যুৎ চলে গেলেই কেবল এটি সক্রিয় হয়।
২. অনলাইন ইউপিএস: এটি সব সময়ই চালু থাকে এবং সবথেকে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত সার্ভার বা বড় শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
৩. লাইন ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইউপিএস: এটি অফলাইনের মতো কাজ করলেও ভোল্টেজ রেগুলেশনের জন্য এতে বিশেষ প্রযুক্তি থাকে।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Solent-Power [Link]

৪,২৪৭.
MPEG কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. ক) Audio
  2. খ) Video
  3. গ) Image
  4. ঘ) Document
ব্যাখ্যা
ভিডিও:
- একই সাথে সাউন্ড ও চলমান চিত্র সমৃদ্ধ কন্টেন্টই ভিডিও।
- ভিডিওর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে চলমান চিত্র ফুটে ওঠে।
- যে কোনো মুভি, অ্যানিমেশন, কার্টুন কিংবা ডুকমেন্টারি ভিডিও কন্টেন্টের অন্তর্ভুক্ত।
- ভিডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .mp4, .mpeg, .avi, .flv, .3gp, .vob, .mov, .wmv, .srt, .swf ইত্যাদি।

অডিও:
- যে কন্টেন্ট থেকে কেবল শব্দ বা সাউন্ড শোনা যায়, তাকে অডিও কন্টেন্ট বলা যায়।
- অডিও কন্টেন্টের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে: .mp3, .wma, .wav, .aif, .iff, .m3u, .m4a, .mid, .mpa ইত্যাদি।

ইমেজ:
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র। কোন একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে। আবার কোন ব্যক্তি বা বস্তুর ছবিও ইমেজের মাধ্যমে প্রকাশ করা যায়।
- ইমেজের পরিচিত ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- .jpg, .png, .gif, .psd, .bmp, .dds, .pspimage ইত্যাদি।

ডকুমেন্ট:
- মাইক্রোসফ্‌ট ওয়ার্ডের মাধ্যমে তৈরি বা ব্যবহারকৃত সব ফাইলই ডকুমেন্ট। তাছাড়া, Portable Document Format (PDF) বা পিডিএফ, নোটপ্যাডে সকল অ্যাপ্লিকেশনে তৈরি বা ব্যবহৃত সকল ফাইলই ডকুমেন্ট।
- একটি ডকুমেন্ট ফাইলের এক্সটেনশন কয়েক ধরনের হতে পারে। যথা: .doc, .docx, .rtf, .txt, .pdf ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৪৮.
10101 এর 1's complement কোনটি?
  1. 01010
  2. 01100
  3. 00000
  4. 11111
ব্যাখ্যা
⚪ ১'s complement মানে হলো একটি বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি বিট (bit) উল্টে ফেলা — অর্থাৎ,

যেখানে 1 আছে, সেখানে 0 বসবে

যেখানে 0 আছে, সেখানে 1 বসবে।

১০১০১ সংখ্যাটির ১'s complement হবে:
⇒ প্রতিটি বিট উল্টালে হয়:
⇒ ০১০১০

এখানে,
10101 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,২৪৯.
ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে কোন সুবিধা ব্যবহার করা হয়?
  1. ডাটা ভ্যালিডেশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. রিপোর্ট ডিজাইন
  4. চার্ট টুল
ব্যাখ্যা

• ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

• মাইক্রোসফ্ট এক্সেসের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেস একটি জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত ডাটাবেজ প্রোগ্রাম।
- এক্সেসের মাধ্যমে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যায়।
- ডাটাবেজে সঠিক ও নির্ভুল তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

• ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা:
- মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা এন্ট্রি নিয়ন্ত্রণের জন্য ডাটা ভ্যালিডেশন ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ভ্যালিডেশনের মাধ্যমে নির্ধারিত শর্ত অনুযায়ী ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- এর ফলে ভুল বা অনাকাঙ্ক্ষিত ডাটা এন্ট্রি প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়।

• ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব:
- সঠিক ডাটা এন্ট্রি নিশ্চিত হলে ডাটাবেজ নির্ভরযোগ্য হয়।
- হিসাবরক্ষণ, রিপোর্ট ও বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়।
- তাই মাইক্রোসফ্ট এক্সেসে ডাটা ভ্যালিডেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- ইনডেক্সিং: বিপুল ডাটা থেকে দ্রুত ডাটা অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রিপোর্ট ডিজাইন: সংরক্ষিত ডাটা নির্দিষ্ট ফরম্যাটে উপস্থাপনের কাজে ব্যবহৃত হয়।
- চার্ট টুল: ডাটাকে গ্রাফিক্যালভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৫০.
কোনো ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইনকে ঐ ডাটাবেজের কী বলে?
  1. ইন্সট্যান্স
  2. এনটিটি
  3. এট্রিবিউট
  4. স্কিমা
ব্যাখ্যা
♦ স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,২৫১.
মৌলিক লজিক গেইট কোনটি?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)। 

সার্বজনীন গেইট:

- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,২৫২.
কোথায় এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না?
  1. গাড়ি
  2. প্রিন্টার
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. ঘড়ি
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
৪,২৫৩.
কোন ইলেকট্রনিক কম্পিউটারটি প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদিত হয়েছিল?
  1. UNIVAC
  2. EDSAC
  3. ENIAC
  4. MARK 1
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)। এটি ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, যা ১৯৫১ সালে তৈরি হয়েছিল।

• UNIVAC:
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- UNIVAC কম্পিউটারে সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
- ১৯৫২ সালে টমাস ওয়াটসন IBM-701 এবং ১৯৫৩ সালে IBM-650 কম্পিউটার বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি করেন।

- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- EDSAC হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- মার্ক-১ হলো পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৫৪.
নিচের কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে ডায়োড ও ট্রায়োড ভাল্ব ব্যবহৃত হতো
  2. এটি সীমিত তথ্য ধারণ করতে পারত
  3. প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করত
  4. সহজে বহনযোগ্য
ব্যাখ্যা
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য—
১) প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার দশমিক পদ্ধতিতে কাজ করত ।
২) এটি বৃহদাকার ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ছিল ।
৩) এটিতে ডায়োড ও ট্রায়োড ভাল্ব ব্যবহৃত হতো ।
৪) এটি দ্বারা প্রতি সেকেন্ড ৫০০০ যোগ বা ৩৫০ টি গুণ করা যেতো ।
৫) এটিতে প্রতি ঘণ্টায় ১৫০ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ শক্তি ব্যয়িত হতো ।
৬) এটি বসাতে দৈর্ঘ্যে ৯ মিটার এবং প্রস্থে ১৫ মিটারের জায়গার প্রয়োজন হতো ।
৭) এটি কাজের সময় খুব গরম হতো ।
৮) মাঝে মাঝে পানি ঢেলে এটিকে ঠান্ডা করার প্রয়োজন হতো ।
৯) এটি সীমিত তথ্য ধারণ করতে পারত ।
১০) এটি কম নির্ভর যোগ্যতাসম্পন্ন একটি যন্ত্র ।
১১) পাগ বোর্ড দিয়ে প্রোগ্রাম চালনা করা হতো ।
১২) এটি নাড়াচাড়া ও রক্ষণাবেক্ষণ করা বড় সমস্যার বিষয় ছিল ।
উদাহরণ: UNIVAC - 1, IBM-701, IBM - 650, IBM-704, IBM-709

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি, এস এস সি ও দাখিল(ভোকেশনাল)।
৪,২৫৫.
এনক্যাপসুলেশন কোন ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের বৈশিষ্ট্য?
  1. ইভেন্ট ড্রাইভেন প্রোগ্রামিং
  2. স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং
  3. অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
  4. ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়।

যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৫৬.
যে ডিভাইস ব্যবহারকারীকে স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করতে সাহায্য করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. মাইক্রোফোন
  2. জয়স্টিক
  3. মাউস
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ব্যবহারে বিভিন্ন ইনপুট ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই ডিভাইসগুলো ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ করতে এবং নির্দেশনা দিতে সাহায্য করে। তাদের মধ্যে মাউস এমন একটি ডিভাইস যা স্ক্রিনে কার্সরের অবস্থান নির্ধারণ এবং বিভিন্ন আইকন বা ফাংশনে ক্লিক করার মাধ্যমে কাজ সম্পাদনে সাহায্য করে। মাউস সাধারণত হাতে ধরে ব্যবহার করা হয় এবং এটি বাম ও ডান বাটন এবং মাঝে হুইলসহ আসে। বাম বাটন সাধারণভাবে নির্বাচন বা ক্লিক করার কাজে ব্যবহৃত হয়, ডান বাটন অতিরিক্ত অপশন দেখায়, এবং হুইল স্ক্রল করার সুবিধা দেয়। তাই স্ক্রিনে পয়েন্ট ও ক্লিক করার জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস হলো মাউস।
- উত্তর: গ) মাউস।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- পেরিফেরাল ডিভাইস হচ্ছে এমন ডিভাইস যা কম্পিউটারের প্রধান ইউনিট (CPU) এর সাথে সংযুক্ত হয়ে ইনপুট বা আউটপুট প্রদান করে। এটি তিন ধরনের হতে পারে:

• ইনপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটারকে তথ্য দেয়।
- উদাহরণ: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার।

• আউটপুট ডিভাইস: 
- যা কম্পিউটার থেকে তথ্য নিয়ে ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
- উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, হেডফোন।

• ইনপুট-আউটপুট (I/O) উভয় ডিভাইস: 
- যা ইনপুট ও আউটপুট দুই কাজই করতে পারে।
- উদাহরণ: টাচস্ক্রিন, পেন ড্রাইভ।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণী।
- Britannica.

৪,২৫৭.
Which of the following is a storage device?
  1. Joystick
  2. Mouse
  3. Pen drive
  4. Scanner
ব্যাখ্যা
Pen drive is a storage device. 

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device) ।

ক) ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন-
- হার্ডডিস্ক,
- ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি,
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,২৫৮.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. Cassandra
ব্যাখ্যা

• Cassandra হলো একটি ওপেন-সোর্স, ডিস্ট্রিবিউটেড NoSQL ডাটাবেস।
- এটি মূলত বিশাল পরিমাণ ডেটা (Big Data) অনেকগুলো সার্ভারে ছড়িয়ে ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে এবং এটি প্রথাগত রিলেশনাল মডেল অনুসরণ করে না।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

৪,২৫৯.
স্মার্ট ওয়াচের প্রধান ব্যবহার নয় কোনটি?
  1. ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন
  2. মেসেজিং এবং কলিং ফিচার
  3. ডকুমেন্ট এডিটিং
  4. জিপিএস ট্র্যাকিং
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট ওয়াচ:
- স্মার্ট ওয়াচ হলো সাধারণ হাত ঘড়ির মত হাতে পরিধান করার উপযোগী এক ধরণের কম্পিউটিং ডিভাইস।
- বর্তমানের স্মার্ট ওয়াচগুলো ব্লুটুথ ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- প্রতিটি স্মার্ট ওয়াচ ব্লুটুথ অ্যাডাপ্টার হিসেবে কাজ করে যার মাধ্যমে ইউজার তাঁর স্মার্টফোনের বিভিন্ন কার্য সম্পাদন বা নিয়ন্ত্রণ পারে।
- যেমন ব্যবহারকারী স্মার্ট ওয়াচ ব্যবহার করে ফোনের কল রিসিভ করতে পারে এবং কল দিতে পারে।
- তাছাড়াও, ইমেইল পড়তে, আবহাওয়ার প্রতিবেদন পেতে, সঙ্গীত শুনতে, ডিজিটাল এসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করতে ঘড়ির ইন্টারফেস ব্যবহার করতে পারেন।
- স্মার্ট ওয়াচগুলি ১৯৭০ এর দশকের গোড়ার দিকে আবিষ্কৃত হতে থাকে।
- 'হ্যামিল্টন পালসার' ছিল প্রথম ডিজিটাল ঘড়িগুলির মধ্যে একটি, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।

- স্মার্ট ওয়াচের ব্যবহার:
- বিভিন্ন স্বাস্থ্য তথ্য যেমন হৃদস্পন্দন, রক্তের অক্সিজেনের মাত্রা, রক্তচাপ এবং তাপমাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে পারে।
- ডিজিটাল ওয়ালেট অ্যাপ্লিকেশন সুবিধা প্রদান করেন।
- স্মার্টফোনের মতোই মেসেজিং এবং কলিং ফিচার।
- ব্যবহারকারী কোন বিপদে পড়লে জরুরি বার্তা প্রদান করতে পারে।
- মানচিত্র, কম্পাস, altimeter এবং জিপিএস ট্র্যাকিং এর সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে অবস্থান শনাক্তকরনে ব্যবহৃত হয়।

[কিছু স্মার্ট ওয়াচে নোট নেওয়া, ক্যালেন্ডার ম্যানেজ করা বা কিছু ছোটখাটো কাজ করা সম্ভব, তবে বড় ডকুমেন্ট এডিট করা, স্প্রেডশিট তৈরি করা  ইত্যাদি কাজগুলো করার জন্য বড় স্ক্রিন বা কম্পিউটার বা ট্যাবলেট বা মোবাইল প্রয়োজন। তাই এটি স্মার্ট ওয়াচের প্রধান সুবিধা বা ব্যবহার নয়।]

উৎস: Techtarget website.
৪,২৬০.
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তৈরি করা যায়
i. জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ
ii. পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ
iii. স্কুল কলেজের ফলাফল
  1. iii
  2. i ও ii
  3. i ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার। 
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্পেডশিট বলা হয়। 
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ইত্যাদি করা যায়। 
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়। 
যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যালক ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬১.
নিম্নের কোন কোম্পানি সর্বপ্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেন?
  1. ক) মাইক্রোসফট
  2. খ) IBM
  3. গ) অ্যাপল
  4. ঘ) এপসন
ব্যাখ্যা
এপসন কোম্পানি ১৯৮১ সালে সর্বপ্রথম ল্যাপটপ ধরনের কম্পিউটার তৈরি করেন। 

-প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটারটির মডেলের নাম হচ্ছে- Epson HX-20। 
-জুলাই, ১৯৮০ সালে Yukio Yokozawa প্রথম ল্যাপটপ তৈরি করেন।

সূত্র- Google Arts & Culture Website [লিঙ্ক]
৪,২৬২.
নিচের কোনটি ক্ষতিকর কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Norton
  2. ILOVEYOU
  3. Panda
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা

ILOVEYOU বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাসগুলোর একটি।
- এটি একটি ইমেইল ওয়ার্ম ছিল। ইমেইলে “ILOVEYOU” লেখা সাবজেক্ট ও “LOVE-LETTER-FOR-YOU.txt.vbs” নামে একটি অ্যাটাচমেন্ট থাকত।
- কেউ অ্যাটাচমেন্ট খুললেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ত এবং আউটলুক থেকে সব কন্টাক্টে নিজে নিজে মেইল পাঠাত। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছিল।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ILOVEYOU,
- Mydoom,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৪,২৬৩.
নিচের কোনটি ইউনিপোলার মেমরি নয়?
  1. EAPROM
  2. DRAM
  3. PROM
  4. খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• "PROM" ইউনিপোলার মেমরি নয়।

• অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর মেমরি প্রধানত দুটি উপায়ে তৈরি করা হয়।
যথা:
১. বাইপোলার মেমরি ও
২. ইউনিপোলার মেমরি।

• ইউনিপোলার মেমরি:
- ইউনিপোলার মেমরি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ফিল্ড ইফেক্ট ট্রানজিস্টর (Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor : MOSFET) বা কমপ্লিমেন্টারি মেটাল অক্সাইড সেমিকন্ডাক্টর ( Complementory Metal Oxide Semiconductor : CMOS) দিয়ে তৈরি করা হয়।
- DRAM, EPROM, EAPROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

• বাইপোলার মেমরি:
- ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর লজিক (Transistor Transistor Logic : TTL ) দিয়ে বাইপোলার মেমরি তৈরি করা হয়।
- SRAM, PROM ইত্যাদি এ জাতীয় মেমরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৬৪.
A step-by-step procedure or set of rules used to solve a specific problem is known as
  1. Loop
  2. Variable
  3. Algorithm 
  4. Constant 
ব্যাখ্যা

• যেকোনো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা সমাধানের জন্য ধাপে ধাপে সাজানো নির্দেশনাবলি বা নিয়মকে অ্যালগরিদম (Algorithm) বলা হয়।
- এটি মূলত একটি পরিকল্পনার মতো, যা অনুসরণ করলে একটি নির্দিষ্ট ফলাফল পাওয়া যায়। কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে কোড লেখার আগে সাধারণত অ্যালগরিদম তৈরি করে নেওয়া হয় যাতে যৌক্তিক ভুল হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। 

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  
- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

সূত্র:
- ব্রিটানিকা। [link]

৪,২৬৫.
PDA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Personal Data Access
  2. Personal Digital Assistant
  3. Personal Device Adapter
  4. Portable Digital Application
ব্যাখ্যা

PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.

• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৬৬.
ASCII-7 কোডের মাধ্যমে কতটি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়?
  1. ৬৪
  2. ১২৮
  3. ২৫৬
  4. ৫১২
ব্যাখ্যা
• ASCII কোড:
- American Standard Code for Information Interchange এর সংক্ষিপ্ত রূপ ASCII বা অ্যাসকি।
- অ্যাসকি একটি বহুল প্রচলিত কোড।
- এটি একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং স্কিম যা কম্পিউটারে বর্ণ, সংখ্যা ও প্রতীক সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ASCII-7
- ১৯৬৫ সালে রবার্ট বিমার সাত বিটের অ্যাসকি কোড উদ্ভাবন করেন। 
- ASCII-7 ৭টি বিট নিয়ে গঠিত হয়। যার বাম দিকের ৩টি বিটকে জোন এবং ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট হিসেবে ধরা হয়।
- এ কোডের মাধ্যমে ২ বা ১২৮ টি অক্ষরকে নির্দিষ্ট করা যায়। 
- প্রতিটি অক্ষর এনকোড করতে প্রয়োজন হয় 7 বিট।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
৪,২৬৭.
সব ধরনের গেইট তৈরি করা যায় -
  1. AND গেইট দিয়ে।
  2. OR গেইট দিয়ে।
  3. NOT গেইট দিয়ে।
  4. NOR গেইট দিয়ে।
ব্যাখ্যা
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0. 
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়। 

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,২৬৮.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = 0
  2. A + 1 = 1
  3. A ⋅ 1 = A
  4. A ⋅ 0 = 0
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্যগুলো নিম্নরূপ:

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,২৬৯.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Bad boy
  2. খ) Symantec
  3. গ) Cinderella
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা

• কতিপয় ভাইরাসঃ
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cinderella,
- CIH,
- I love you,
- স্টোন,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
• কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

৪,২৭০.
ব্যাংকের চেক বই আইডেন্টিফিকেশনে ব্যবহৃত হয় -
  1. ক) OMR
  2. খ) OCR
  3. গ) MICR
  4. ঘ) Barcode Reader
ব্যাখ্যা
MICR code is a code printed on cheques using MICR (Magnetic Ink Character Recognition technology).
This enables identification of the cheques and which in turns means faster processing.

An MICR code is a 9-digit code that uniquely identifies the bank and branch participating in an Electronic Clearing System (ECS).
Source: economictimes.indiatimes.com
৪,২৭১.
'কম্পিউটার ভিশন' তথ্য প্রযুক্তির কোন শাখায় অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) Internet of Things
  2. খ) Robotics
  3. গ) Artificial Intelligence
  4. ঘ) Virtual Reality
ব্যাখ্যা
Artificial Intelligence বা কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার একটি ক্ষেত্র হলো কম্পিউটার ভিশন (Computer vision) .
ইহা হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যার সাহায্যে ক্যামেরার ধারণকৃত ডিজিটাল ইমেজের অবজেক্টকে সনাক্ত করা যায়। 

Computer Vision, field of artificial intelligence in which programs attempt to identify objects represented in digitized images provided by cameras, thus enabling computers to “see.”
Much work has been done on using deep learning and neural networks to help computers process visual information.
Computers can be given a large data set of visual images and identify features and patterns within those images that the computers can then apply to other images.
Such processes as facial recognition and augmented reality rely on computer vision.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৪,২৭২.
দশমিক সংখ্যা 726 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান কত?
  1. 2C3
  2. 3A5
  3. 3B7
  4. 2D6
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।
৪,২৭৩.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহার করার উদ্দেশ্য কী?
  1. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  2. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
  3. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  4. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,২৭৪.
ভাইরাসের সঠিক পূর্ণনাম কোনটি?
  1. ক) Viral information resources under seize.
  2. খ) Vital information resources under seize.
  3. গ) Vital integrated resources utility size.
  4. ঘ) Viral integrated repetitive under seize.
ব্যাখ্যা

ভাইরাসের পূর্ণরূপ- Vital information resources under seize. 

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমন করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস এমন এক ধরনের ফাইল বা প্রোগ্রাম যেগুলো কম্পিউটারের স্বাভাবিক ফাইল বা প্রোগ্রামকে নষ্ট করে দিতে পারে।
- ইহা ব্যবহারকারীর অনুমতি ব্যতীত নিজেরা নিজেদের কপি তৈরি করতে পারে।
- সাধারণত সিডি, পেনড্রাইভ ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভাইরাস এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৪,২৭৫.
সার্বজনীন কোড বলা হয় কোনটিকে?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড (Unicode):
- Unicode এর পূর্ণনাম হলো Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড। 
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়। 

• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। 
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়। 

• ইবিসিডিক কোড (EBCDIC Code):
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৭৬.
হেডার কী?
  1. ক) পৃষ্ঠার মাঝের অংশ
  2. খ) পৃষ্ঠার উপরের অংশের টাইটেল
  3. গ) পৃষ্ঠার নিচের অংশের টাইটেল
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের পৃষ্ঠার উপরের অংশের মার্জিনকে হেডার বলে যেখানে পৃষ্ঠা সংখ্যা, শিরোনাম, তারিখ ব্যবহার করা যায়।
৪,২৭৭.
যে রেজিস্টারটি গাণিতিক ও লজিক্যাল গণনার মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করে, তাকে বলে:
  1. অ্যাকুমুলেটর
  2. স্ট্যাটাস রেজিস্টার
  3. প্রোগ্রাম কাউন্টার
  4. ডেটা রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

• অ্যাকুমুলেটর রেজিস্টার হলো CPU-এর একটি বিশেষ ধরনের রেজিস্টার যা গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের মধ্যবর্তী ফলাফল সংরক্ষণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন CPU কোনো গণনা বা লজিক্যাল কমান্ড সম্পাদন করে, তখন ফলাফল সরাসরি অ্যাকুমুলেটরে রাখা হয়। এটি পরবর্তী ধাপের অপারেশনে ব্যবহার করা যায় এবং প্রসেসরের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। অন্য রেজিস্টার যেমন স্ট্যাটাস রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার বা ডেটা রেজিস্টার ভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ বা নির্দেশনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই CPU-এর মধ্যে দ্রুত এবং ধারাবাহিক গণনার জন্য অ্যাকুমুলেটর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। 

উত্তর: ক) অ্যাকুমুলেটর। 




• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [link]

৪,২৭৮.
কোনটি কী ফিল্ড নয়-
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) নিউমেরিক কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কম্পোজিট প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ টেবিলের কলামকে বলা হয় ফিল্ড। যে সকল ফিল্ড অদ্বিতীয় তাদের কী ফিল্ড বলা হয়। সাধারণত কী ফিল্ডের সাহায্যে ডেটাবেজ থেকে রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়৷ কী ফিল্ড তিন প্রকারঃ প্রাইমারি কী, কম্পোজিট প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী। (সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)
৪,২৭৯.
মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে (ইউনিকভাবে) শনাক্ত করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ক) জেনেটিক্স
  2. খ) বায়োইনফরমেটিক্স
  3. গ) রোবটিক্স
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
- মানুষকে অদ্বিতীয়ভাবে (ইউনিকভাবে) শনাক্ত করার পদ্ধতিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।
- বায়োমেট্রিক্স হচ্ছে এক ধরনের কৌশল বা প্রযুক্তি যার মাধ্যমে মানুষের শারীরিক কাঠামো, আচার-আচরণ, বৈশিষ্ট্য, গুণাগুণ, ব্যক্তিত্ব প্রভৃতি দ্বারা নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে চিহ্নিত বা শনাক্ত করা যায়।
- বায়োমেট্রিক্স সিস্টেমে ব্যক্তি সনাক্তকরণে যেসব বায়োলজিক্যাল ডেটা ব্যবহৃত হয় তা হলো- মুখমন্ডল, হাতের আঙ্গুল, হাতের রেখা, রেটিনা ও আইরিস, স্বাক্ষর, শিরা এবং কণ্ঠস্বর।

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়।

- টেকনোলজির যে শাখায় রোবটের নকশা গঠন ও কাজ সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলে।
- বায়োইনফরমেটিক্স বিজ্ঞানের এমন একটি আন্তঃশাস্ত্রীয় ক্ষেত্র, যেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পরিসংখ্যান, গণিত এবং ইঞ্জিনিয়ারিং জ্ঞানকে ব্যবহার করে বিভিন্ন বায়োলজিক্যাল (জৈবিক) ডেটাসমূহ বিশ্লেষণ এবং ব্যাখ্যা করা হয়।
- জীবের বংশগতি নিয়ে যে শাখায় আলোচনা করা হয় তাকে বলা হয় জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,২৮০.
মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. রিড টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. সিক টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৪,২৮১.
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক কী?
  1. কিলোবাইট
  2. বাইট
  3. মেগাবাইট
  4. বিট
ব্যাখ্যা
ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক হচ্ছে বিট।

• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,২৮২.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit) এর কাজ নয় কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা
  4. কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৪,২৮৩.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ওসিআর
  2. স্ক্যানার
  3. ওএমআর
  4. এমআইসিআর
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

• এমআইসিআর (MICR): 
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,২৮৪.
নিচের কোন উপাদানটি মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত থাকে না?
  1. SATA সংযোগকারী
  2. মনিটর
  3. BIOS/UEFI চিপ
  4. নর্থব্রিজ
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডে সাধারণত SATA সংযোগকারী, BIOS/UEFI চিপ, এবং নর্থব্রিজ বিল্ট ইন হিসেবে থাকে। SATA সংযোগকারী ব্যবহার করা হয় হার্ডডিস্ক, SSD ইত্যাদি ডিভাইস সংযোগের জন্য। BIOS/UEFI চিপ মাদারবোর্ডের বুটিং ও হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। নর্থব্রিজ চিপ প্রসেসর, RAM, এবং গ্রাফিক্স কার্ডের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান সহজতর করে। তবে মনিটর মাদারবোর্ডে বিল্ট ইন থাকে না; এটি একটি বাহ্যিক আউটপুট ডিভাইস যা আলাদাভাবে সংযুক্ত করতে হয়। তাই, মনিটর মাদারবোর্ডে অন্তর্ভুক্ত হয় না।

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৮৫.
কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়?
  1. BIOS
  2. Melissa
  3. ILoveYou
  4. Blaster
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার এমন একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারে অনধিকার প্রবেশ করে তা ক্ষতিগ্রস্ত করে। প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে BIOS কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। BIOS (Basic Input/Output System) হলো একটি ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার চালু করার সময় মূল প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণ প্রদান করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে। অপরদিকে, Melissa, ILoveYou এবং Blaster - এই তিনটি হলো কম্পিউটার ভাইরাস বা ওয়ার্ম, যা ব্যবহারকারীর ডেটা নষ্ট করতে বা ছড়িয়ে পড়তে পারে। তাই BIOS কোনো ক্ষতিকর সফটওয়্যার নয়; এটি কম্পিউটারের একটি অপরিহার্য অংশ।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

• কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
৪,২৮৬.
আইফোনে চালিত অ্যাপল নির্মিত অপারেটিং সিস্টেমের নাম কী?
  1. Windows Mobile
  2. iOS
  3. HarmonyOS
  4. Android
ব্যাখ্যা

• আইফোনে যে অপারেটিং সিস্টেম চালিত হয়, তার নাম হলো iOS। এটি অ্যাপল কোম্পানি নিজস্বভাবে তৈরি করেছে এবং শুধু আইফোন, আইপ্যাড ও আইপড টাচের মতো অ্যাপল ডিভাইসগুলোতেই ব্যবহৃত হয়। iOS মূলত সহজ ব্যবহারযোগ্যতা, নিরাপত্তা ও দ্রুত কর্মক্ষমতার জন্য পরিচিত। এতে অ্যাপ স্টোর থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করা যায়, যা ব্যবহারকারীদের জন্য বিভিন্ন ধরণের সেবা ও সুবিধা প্রদান করে। Windows Mobile, HarmonyOS বা Android হলো অন্য নির্মাতাদের অপারেটিং সিস্টেম, যা আইফোনে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে খ) iOS, যা অ্যাপলের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সফল মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৮৭.
চিহ্ন বিট (Signed Number) '0' হলে সংখ্যাটি কী হিসেবে ধরা হয়?
  1. ক) ধনাত্মক
  2. খ) ঋণাত্মক
  3. গ) নিরপেক্ষ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সাইনড নম্বর (Signed Number)
- দশমিক সংখ্যায় ঋণাত্মক কোন মান বোঝাতে সংখ্যাটির পার্শ্বে ‘-’ চিহ্ন দেওয়া হয়। কম্পিউটারে ঋণাত্মক সংখ্যা বোঝানোর কোন অবকাশ নাই।
- বাইনারি পদ্ধতিতে সাইন বা চিহ্ন বোঝানোর জন্য সাধারণত একটি অতিরিক্ত বিট ব্যবহার করা হয়। একে চিহ্ন বিট বলে।
- এই চিহ্ন বিট 0 হলে সংখ্যাটিকে ধনাত্মক এবং 1 হলে সংখ্যাটিকে ঋণাত্মক ধরা হয়।
- ১ বাইটে বা ৮ বিট রেজিস্টারে যে সকল চিহ্নযুক্ত বা সাইন্ড সংখ্যা উপস্থাপন করা যায় তার ব্যাপ্তি  হবে  - ১২৮ থেকে +১২৭ এর মধ্যে; মোট ২৫৬ টি বা শূন্য সহ ২ পৃথক মান উপস্থাপন করা যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৪,২৮৮.
কোনটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে?
  1. Assembler
  2. Compiler
  3. Interpreter
  4. Converter
ব্যাখ্যা

যে অনুবাদক পুরো প্রোগ্রাম একবারে পরীক্ষা করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে তাকে Compiler বলা হয়। 
- Compiler একটি সফটওয়্যার টুল যা উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার কোডকে সম্পূর্ণভাবে পরীক্ষা করে, তারপর তা মেশিন লেভেলের কোডে রূপান্তর করে।
- এটি পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে নিয়ে কাজ করে এবং একবার রূপান্তর সম্পন্ন হলে একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে।
- এর ফলে প্রোগ্রামটি দ্রুত চলে কারণ প্রতিটি লাইনের কোড আলাদাভাবে অনুবাদ করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, Interpreter কোডকে লাইনে লাইনে পরীক্ষা ও চালায়, যা তুলনামূলক ধীর।
- Assembler উচ্চ স্তরের ভাষার বদলে অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program):
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়।
- কম্পিউটারের প্রসেসর কেবল বাইনারি ভাষা অর্থাৎ 0 ও 1-এর সংকেত বুঝে।
- তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়।
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।

• নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো:
১। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

২। কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে ভাষার গঠনগত নিয়ম (Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,২৮৯.
Smart Card contains -
  1. SIM Card
  2. Barcode
  3. Microchip
  4. Password
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Microchip

Smart Card (স্মার্ট কার্ড)
- Smart Card হলো ক্রিপ্টোগ্রাফির (Cryptography) একটি আধুনিক ব্যবহার, যেখানে একটি মাইক্রোপ্রসেসর (microprocessor) যুক্ত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যুক্ত – স্মার্ট কার্ডে একটি ছোট কম্পিউটার চিপ (microchip) থাকে।
- প্রত্যেকবার লেনদেনের সময় ব্যবহারকারীকে তার পরিচয় নিশ্চিত করতে হয়।
- ঠিক যেমন ATM-এ PIN প্রবেশ করানো হয়, তেমনি স্মার্ট কার্ড ব্যবহারেও PIN দিতে হয়।
- কার্ড ও কার্ড রিডার একে অপরের সাথে এনক্রিপ্টেড (গোপন কোডেড) তথ্য বিনিময় করে।
- ব্যবহারকারী শুধু PIN প্রদান করলেই বাকি কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হয়।
- স্মার্ট কার্ডে Microprocessor থাকে, যা প্রতিবার লেনদেনে ব্যবহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত করে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৪,২৯০.
নিচের কোনটি ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড?
  1. Cypher Code
  2. DES
  3. NIC
  4. TCP
ব্যাখ্যা
• ডেটা এনক্রিপশন:
- ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডেটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডেটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডেটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডেটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-
 
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
 
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
 
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 
 
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯১.
Spyware কী ধরনের সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত?
  1. ইউটিলিটি সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

Spyware হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার (Malicious Software)। এর মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে সংগ্রহ করা — যেমন পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট কার্ড নাম্বার, ব্রাউজিং হিস্ট্রি, কী-বোর্ডে টাইপ করা তথ্য ইত্যাদি।

​ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।

​বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার:
ভাইরাস (Virus): ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে।
ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজেই ছড়ায়, অন্য ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware): ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চায়।
স্পাইওয়্যার (Spyware): ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে।
ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): সাধারণ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশে ক্ষতিকর কোড চালায়।
অ্যাডওয়্যার (Adware): বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

৪,২৯২.
নিচের কোনটি মনিটরের ধরণ নয়?
  1. ক) LED
  2. খ) LDC
  3. গ) CRT
  4. ঘ) AMOLED
ব্যাখ্যা
মনিটরের প্রকারভেদ (Types of Monitor)
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor)
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor)
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor)
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor)
উৎসঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৪,২৯৩.
ভিডিও কনফারেন্সিং এর জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার কোনটি?
  1. Twitter
  2. Tik Tok
  3. Zoom
  4. Likee
ব্যাখ্যা

Zoom is a cloud-based video communications app that allows you to set up virtual video and audio conferencing, webinars, live chats, screen-sharing, and other collaborative capabilities.
Source: businessinsider.com

৪,২৯৪.
What is the full form of ISA?
  1. Integrated System Architecture
  2. Industry Standard Architecture
  3. Internal Software Application
  4. Intelligent System Analysis
ব্যাখ্যা
• আইএসএ বাস (ISA BUS):
- ISA-এর পুরো নাম Industry Standard Architecture.
- এটি একটি ধীরগতিসম্পন্ন বাস।
- ১৯৮১ সালে আইবিএম ইন্টেলের 8088 প্রসেসরে ISA বাস ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
- তখন এটি ছিল ৪ বিট ডেটা বাস। এর কাজের গতি ছিল ৪ মেগাহার্টজ।
- 16 বিট ISA বাস প্লটের পয়েন্টগুলো 2 ভাগে বিভক্ত থাকে।
- এর প্রথম ভাগে 62টি পয়েন্ট এবং দ্বিতীয় ভাগে 36 পয়েন্ট থাকে। নিম্নের ছবিতে এই ভাগ দ্বয়ের ডায়াগ্রাম দেখানো হলো।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৫.
পারাসোনাল কম্পিউটার যুক্ত করে নিচের কোনটি তৈরি করা হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. নেটওয়ার্ক
  3. সার্ভার
  4. এন্টারপ্রাইজ
ব্যাখ্যা
- দুই বা ততোধিক পারসোনাল কম্পিউটার একসাথে যুক্ত করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়।
- এতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যবহারকারীর ফাইল, প্রিন্টার ও অন্যান্য তথ্যাদি নিজেদের মধ্যে শেয়ার করা যায়।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা। 
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে। 
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৪,২৯৬.
(375)8 এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) 011 111 101
  2. খ) 011 111 111
  3. গ) 101 111 101
  4. ঘ) 111 111 111
৪,২৯৭.
Database System-এ Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডাটা দ্রুত সার্চ করা
  2. ডুপ্লিকেট রেকর্ড রোধ করা
  3. নতুন টেবিল তৈরি করা
  4. ইনডেক্সিং নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
◉ Primary Key হলো একটি টেবিলের এমন একটি ফিল্ড বা অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি রেকর্ডকে অন্যদের থেকে আলাদা (Unique) করে। এর মাধ্যমে একই ধরনের ডুপ্লিকেট ডেটা প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয় এবং প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদা করে শনাক্ত করা যায়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
• কী ৩ ধরনের হয়। যথা:

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৪,২৯৮.
নিচের কোনটি ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ?
  1. কম্পিউটার ধীরগতিতে কাজ করা
  2. ফাইল বা ডেটা মুছে যাওয়া
  3. ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে যাওয়া
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
অপশনে উল্লিখিত সবগুলোই ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ।

• ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটারের লক্ষণ:
- কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে কম্পিউটারের লক্ষণ বিভিন্নভাবে প্রকাশ পায়।
- নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে বোঝা যাবে কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছে:
• কম্পিউটার চালু হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগে।
• কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়।
• প্রোগ্রাম লোড হতে বেশি সময় লাগে।
• হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে ফলে সকল ডেটা হারিয়ে যায়।
• Disk-এর Volume-এর নাম পরিবর্তন হয়ে গেলে।
• ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়ে গেলে।
• তারিখ ও সময় অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেলে।
• অপ্রত্যাশিত কিছু Message কাজের সময় প্রদর্শিত হলে।
• কাজের সময় অপ্রত্যাশিত শব্দ হলে।
• কম্পিউটারের Free memory-এর পরিমাণ কমে গেলে।
• অনেক সময় কম্পিউটারের বায়োসের ডাটা মুছে ফেলে কম্পিউটারকে অচল করে ফেলে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,২৯৯.
স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Sheet 2, Cell A
  2. Sheet 1, Cell A
  3. Column A, Row 1 
  4. Column 1, Row A
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশিটে A1 সেল রেফারেন্স হলো একটি নির্দিষ্ট সেল চিহ্নিত করার পদ্ধতি। এখানে A নির্দেশ করছে কলাম A এবং 1 নির্দেশ করছে রো 1, অর্থাৎ কলাম এবং রো মিলিয়ে যে সেলটি তৈরি হয়েছে সেটিই A1. এটি সাধারণত এক্সেল বা গুগল শীটের মতো সফটওয়্যারে ব্যবহার করা হয়, যেখানে প্রতিটি সেলকে সহজেই চিহ্নিত করতে হয়। সেল রেফারেন্স ব্যবহার করে ব্যবহারকারী সূত্র, ডাটা অথবা ফর্মুলা প্রয়োগ করতে পারে নির্দিষ্ট সেলের উপর। A1 রেফারেন্স দ্বারা বোঝানো হয় Column A এবং Row 1-এর সেল, যা স্প্রেডশিটের বাম উপরের কোণে অবস্থিত।

উত্তর: গ) Column A, Row 1

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।

যেমন-
• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩০০.
পাের্টেবল কম্পিউটার কত ধরনের?
ব্যাখ্যা
- সাধারণত দুই ধরনের পার্সোনাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। একটির নাম ডেস্কটপ (Desktop) এবং অন্যটি পাের্টেবল (Portable)।
- পাের্টেবল (Portable) কম্পিউটার ৩ ধরনের হয়। যেমন-
১। ল্যাপটপ (Laptop): Attach কেসের মত দেখতে এবং ১-২ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে। এটা ডেস্কটপের মতই কাজ করে।
২। নােটবুক (Notebook): এটা দেখতে নােটবুকের মত এবং ১-৩ কিলােগ্রাম ওজন হয়ে থাকে।
৩। পামটপ (Palmtop): এটি দেখতে পকেট ক্যালকুলেটরের মত।

উৎস- কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।