বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪১ / ৮২ · ৪,০০১৪,১০০ / ৮,১৪১

৪,০০১.
ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. Quattro Pro
  2. dBase
  3. Oracle
  4. Informix
ব্যাখ্যা
♦ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার, 
• ইলেকট্রনিস কমার্স, 
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০০২.
ফ্লপি ডিস্ক এর ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ক) 3.44 KB
  2. খ) 1.44 MB
  3. গ) 1.44 KB
  4. ঘ) 3.44 GB
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিস্কেট নামেও পরিচিত। 
- ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী ফ্লপি ডিস্ক দুই ধরনের। 
- সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৪,০০৩.
বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের কম্পিউটার বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. পামটপ কম্পিউটার
  4. ন্যানো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০০৪.
IBM-PC is an example of-
  1. ক) A main frame
  2. খ) Machine-in-built
  3. গ) Micro computer
  4. ঘ) Special purpose computer
ব্যাখ্যা
Microcomputer, an electronic device with a microprocessor as its central processing unit (CPU). Microcomputer was formerly a commonly used term for personal computers, particularly any of a class of small digital computers whose CPU is contained on a single integrated semiconductor chip.
Source: britannica.com/technology
৪,০০৫.
কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও সমন্বয় সাধন করে কোন অংশ?
  1. অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট
  2. কন্ট্রোল ইউনিট
  3. সেকেন্ডারি মেমোরি
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) কন্ট্রোল ইউনিট

• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।

• কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।

• মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।

• রেজিস্টার:
এটি অস্থায়ী মেমোরির মতো কাজ করে। ডেটা ধরে রাখে, তবে CPU এর মতো decode করে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,০০৬.
What type of software is MS Access?
  1. Spreadsheet
  2. Database 
  3. Word Processor
  4. Graphics
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Database 

সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- যেসব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম বাণিজ্যিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়, সেগুলোকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দৈনন্দিন বা ব্যবহারিক সমস্যার সমাধানের জন্য তৈরি এবং বাজারে সরবরাহিত সফটওয়্যারগুলোর সবকটিকেই সাধারণ ব্যবহারিক বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
   - MS Word ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসিং করা যায়।
   - MS Excel দিয়ে হিসাব-নিকাশ এবং ডাটা বিশ্লেষণ করা যায়।
   - MS Access দিয়ে ডেটাবেজ পরিচালনা করা যায়।
- মূলত, কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করতে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্য নেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৪,০০৭.
মানুষের চিন্তাভাবনাকে যন্ত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
  3. বায়োইনফরমেট্রিক্স
  4. আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স
ব্যাখ্যা
• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স:
- চিন্তাশক্তি, বুদ্ধি কিংবা বিশ্লেষণ ক্ষমতা মানুষের সহজাত, একটি যন্ত্রকে মানুষের মতো বুদ্ধিমত্তা দিয়ে, সেটিকে চিন্তা করানো কিংবা বিশ্লেষণ করানোর ক্ষমতা দেওয়ার ধারণাটিকে সাধারণভাবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলা হয়।
- কিছুদিন আগেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ছিল দূর ভবিষ্যতের একটি কাল্পনিক বিষয়।
- পৃথিবীর মানুষ ডিজিটাল বিশ্বে এমনভাবে সম্পৃক্ত হয়েছে যে, হঠাৎ করে অচিন্তনীয় পরিমাণ ডেটা সৃষ্টি হয়েছে এবং সেই ডেটাকে প্রক্রিয়া করার মতো ক্ষমতাশালী কম্পিউটার আমাদের হাতে চলে এসেছে।
- এই ডেটা বা তথ্যকে প্রক্রিয়া করার জন্য অনেক সময় সাধারণ কম্পিউটার প্রোগ্রাম যথেষ্ট নয়, এমন অ্যালগরিদম বা পদ্ধতি প্রয়োজন যার মাধ্যমে কম্পিউটার চিন্তা করে কোনো সমাধান বের করতে পারে এবং পরিবর্তিত পরিস্থিতির সাথে নিজেকে খাপ খাইয়ে নিতে পারে ঠিক যেমনটা মানুষ বা অন্যান্য বুদ্ধিমান প্রাণী করে থাকে।
- এ ধরণের পদ্ধতি এবং অ্যালগরিদম নিয়েই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কাজ করে থাকে।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৪,০০৮.
বাংলাদেশে প্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটার কোথায় স্থাপন করা হয়েছিল?
  1. বুয়েট
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. পরমাণু শক্তি কেন্দ্র
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় ১৯৬৪ সালে।
- এটি স্থাপন করা হয় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কেন্দ্র (Bangladesh Atomic Energy Commission – BAEC), ঢাকা-তে।

- ব্যবহৃত মেইনফ্রেমটি ছিল IBM 1620, যা ছিল একটি scientific computer।
- এই কম্পিউটারটি মূলত ব্যবহৃত হতো বৈজ্ঞানিক গবেষণা, গণিত ভিত্তিক বিশ্লেষণ এবং পারমাণবিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে।
- এই কম্পিউটার স্থাপনকেই বাংলাদেশের কম্পিউটার যুগের সূচনা হিসেবে ধরা হয়।

- পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে স্থাপিত কম্পিউটারটির মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম প্রোগ্রামিং ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু হয়।
- পরবর্তীতে বুয়েট (BUET), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার শিক্ষা শুরু করে এবং গবেষণায় কম্পিউটার ব্যবহারের প্রসার ঘটে।

- IBM 1620 ছিল একটি Transistor-based কম্পিউটার।
- এটি punch card system ব্যবহার করত এবং assembly language programming চালানো যেত।

উৎস: Banglapedia. [লিংক]

৪,০০৯.
সাধারণত কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় - 
  1. মিলিসেকেন্ডে
  2. ম্যাক্রোসেকেন্ডে
  3. ন্যানোসেকেন্ডে
  4. মাইক্রোসেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার: 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো। 
- কিন্তু বর্তমান অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ব্যবহারকারী ডাটা বা উপাত্ত সরবরাহ করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার প্রক্রিয়াকরণ (প্রসেসিং) করে কাজের ফলাফল প্রদান করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. Java
  2. Python
  3. C++
  4. C
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১১.
USB বাসের মাধ্যমে ডেটা কীভাবে চলাচল করে?
  1. হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে
  2. প্যারালাল পদ্ধতিতে
  3. ওয়্যারলেস সিগন্যালের মাধ্যমে
  4. সিরিয়াল পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা

USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।

• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০১২.
Oracle Corporation প্রতিষ্ঠা করেন-
  1. ক) ল্যারি এলিসন
  2. খ) জন বার্ডিন
  3. গ) হেনরি এডওয়ার্ডস
  4. ঘ) মার্টিন কুপার
ব্যাখ্যা
• Oracle Corporation প্রতিষ্ঠা করেন ল্যারি এলিসন।
- ওরাকল কর্পোরেশন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান।
- সফটওয়্যার নির্মাণে মাইক্রোসফট ও আইবিএম এর পরেই এর অবস্থান। 
- ১৯৭৭ সালে ল্যারি এলিসন ,বব মিনার ও এড ওয়টিস যৌথভাবে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৪,০১৩.
(10010111)2 = (কত)16?
  1. ক) 67
  2. খ) 98
  3. গ) 96
  4. ঘ) 97
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৪,০১৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. ক) VX2000
  2. খ) Red Alert
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Macro
ব্যাখ্যা

Macro একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

ম্যাক্রো ভাইরাস এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস, যা ডেটা ফাইলসমূহকে আক্রান্ত করে। ম্যাক্রো ভাইরাস ম্যাক্রো বা ওএলই অবজেক্ট থেকে তৈরি হয় এবং যা অন্যান্য ভাইরাস থেকে লেখা সহজ হয়। অনেক অ্যাপ্লিকেশনে ম্যাক্রো ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে এবং তা থেকেই ম্যাক্রো ভাইরাসের উৎপত্তি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং ক্যাসপারস্কি এন্টিভাইরাস ওয়েবসাইট (ব্যাখ্যা)

৪,০১৫.
বাফার কি?
  1. ক) সাময়িকভাবে উপাত্ত ধারণের স্থান
  2. খ) সাময়িকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার
  3. গ) সাময়িকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহারে বিঘ্ন ঘটা
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাফার হচ্ছে ইনপুট বা আউটপুট ডিভাইস এবং প্রক্রিয়াকরণ অংশের মধ্যবর্তী সময়ে সাময়িকভাবে উপাত্ত বা তথ্য ধারণের স্থান। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০১৬.
IPS এবং UPS-এর মধ্যে কোনটি দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে সক্ষম?
  1. IPS
  2. UPS
  3. উভয়ই সমান সময় ব্যাকআপ দেয়
  4. কোনোটিই দীর্ঘ সময় ব্যাকআপ দিতে পারে না
ব্যাখ্যা
• আইপিএস:
- IPS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Instant Power Supply.
- এটি মূলত পাওয়ার স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- IPS বিদ্যুৎ সরবরাহের মেইন লাইন হতে পাওয়ার রিজার্ভ করে সঞ্চিত রাখে এবং বিদ্যুৎ বন্ধ হয়ে গেলে ব্যাকআপ প্রদান করে। এটি অনেকটা ইউপিএসের মতো। তবে UPS বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ সরবরাহ দিতে পারে, সেখানে IPS 0.1 সেকেন্ড পরে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে থাকে।
- UPS এর তুলনায় IPS বেশি সময় ব্যাকআপ দিয়ে থাকে।

• ইউপিএস:
- UPS -এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Uninterrupted Power Supply.
- এটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা কিছু সময়ের জন্য বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় করে রাখতে পারে।
- সাধারণত কোনো কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে কিছু সময় এর জন্য কম্পিউটারকে সচল রাখার জন্য কম্পিউটারে ইউপিএস (UPS) ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার, প্রিন্টার, প্লটার, রেফ্রিজারেটর, টিভি ইত্যাদিতে UPS ব্যবহার করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৭.
এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে তৈরি হয়-
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ফাইল
  3. গ) টেবিল
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
ডেটা হায়ারার্কি বিট, বাইট, ফিল্ড, রেকর্ড এবং ফাইল নিয়ে গঠিত যা ডেটাবেসের উপাদান। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় একটি ফিল্ড। পরস্পর সম্পর্ক যুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। আর এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।
৪,০১৮.
জন নেপিয়ার লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন কত সালে?
  1. ১৬১৪
  2. ১৬১৭
  3. ১৬২১
  4. ১৬৬৯
ব্যাখ্যা
- ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন।
- ১৬১৭ সালে জন নেপিয়ার দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
- আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম পরবর্তীতে স্লাইড রুলের উন্নতি সাধন করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০১৯.
Ruby কোন প্রজন্মের ভাষা?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রজন্মের ভাষা:
১) প্রথম প্রজন্মের ভাষা(১৯৪৫ - ১৯৫০)- machine Language বা, যান্ত্রিক ভাষা।
২) দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৫০ - ১৯৬০)- assembly language বা, অ্যাসেম্বলি ভাষা।
৩) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা(১৯৬০ - ১৯৭০)- high level language বা, উচ্চস্তরের ভাষা। C++, BASIC, PASCAL, FORTRAN, Java, C, Ruby, Perl.
৪) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা(১৯৭০ - ১৯৮০)- very high level language বা, অতি উচ্চস্তরের ভাষা। SQL, NOMAD, FOCUS.
৫) পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০ - বর্তমান)- natural language বা, স্বাভাবিক ভাষা। Prolog, OPSS, Mercury.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৪,০২০.
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় কোনটিতে?
  1. ক) ওয়াশিং মেশিন
  2. খ) মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  3. গ) এটিএম
  4. ঘ) উপরের সবগুলোতে
ব্যাখ্যা
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
৪,০২১.
ULSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Ultra Logic System Integration
  2. Ultra Large Scale Integration
  3. Unified Logical System Interface
  4. Ultimate Linear Signal Integration
ব্যাখ্যা

- ULSI (Ultra Large Scale Integration) হলো এক ধরনের ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) প্রযুক্তি, যেখানে লক্ষ লক্ষ (বা তারও বেশি) ট্রানজিস্টর একটি মাত্র চিপে সংযোজিত থাকে।
- এটি VLSI (Very Large Scale Integration) এর পরবর্তী ধাপ, যা আরও উন্নত এবং ঘন প্রযুক্তি নির্দেশ করে।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহারে চিপগুলো ছোট আকারের, দ্রুতগতির, এবং কম বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী হয়।
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ULSI প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।

• ব্যবহার:
- মাইক্রোপ্রসেসর (CPU)।
- গ্রাফিক্স প্রসেসর (GPU)।
- মেমোরি চিপ (RAM, Flash memory)।
- নেটওয়ার্কিং এবং টেলিকম চিপস।
- AI এবং Deep Learning Hardware.

- ULSI চিপগুলো তৈরি হয় অত্যাধুনিক লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে, যেমন 5nm, 3nm বা তারও ছোট ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি।
- লিথোগ্রাফি প্রক্রিয়া হল এক ধরণের আলোক বা ইলেকট্রন বীম ব্যবহার করে চিপের সিলিকন ওয়েফারে ন্যানো স্কেল লজিক প্যাটার্ন তৈরি করা হয়।
- ULSI চিপের ট্রানজিস্টরগুলো GHz (গিগাহার্টজ) গতি পর্যন্ত সুইচ করতে পারে।
- ULSI চিপে একাধিক ফাংশনাল লজিক ও ইউনিট এক চিপে সংযুক্ত থাকে:
- ALU (Arithmetic Logic Unit).
- CU (Control Unit).
- Registers ও Cache Memory.
- I/O Interfaces.

উৎস: Geeksforgeeks. [লিংক]

৪,০২২.
দুই ইনপুট বিশিষ্ট অর (OR) গেইট-এর আউটপুট এক হয় যখন ____ হয়।
  1. উভয় ইনপুট 1
  2. যেকোন একটি ইনপুট 1
  3. উপরের সবগুলো
  4. উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর গেইট এর ইনপুট আউটপুট নিম্মরূপঃ
A B => output
0 0 => 0
0 1 => 1
1 0 => 1
1 1 => 1
৪,০২৩.
কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. Arithmetic Logic Unit
  2. Control Unit
  3. CPU
  4. Register
ব্যাখ্যা
• CPU:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা  কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০২৪.
ডেসিমেল 75-এর সমতুল্য অক্টাল সংখ্যা কী?
  1. 119
  2. 122
  3. 113
  4. 107
ব্যাখ্যা
• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়। 
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়। 

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। 
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। 
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা। 


অর্থাৎ, (75)10 = (113)8

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০২৫.
যদি একটি প্রসেসর 1 সেকেন্ডে 20 লাখ নির্দেশনা সম্পন্ন করে, তাহলে এর MIPS রেটিং কত হবে?
  1. 2 MIPS
  2. 1 MIPS
  3. 4 MIPS
  4. 0.5 MIPS
ব্যাখ্যা

• একটি প্রসেসর যদি ১ সেকেন্ডে ২০ লাখ (২,০০,০০০০) নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে, তবে তার MIPS রেটিং নির্ণয় করা যায়। MIPS অর্থ “Million Instructions Per Second”, যা বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা প্রসেসরটি সম্পাদন করতে সক্ষম। এখানে নির্দেশনাগুলোর সংখ্যা ২ মিলিয়ন এবং সময় ১ সেকেন্ড। MIPS হিসাব করার সূত্র হলো:

MIPS = (Number of Instructions Executed) / (Execution Time in Seconds × 106)

যদি আমরা সংখ্যা বসাই: MIPS = 2,000,000 / (1 × 106) = 2

অতএব, এই প্রসেসরের MIPS রেটিং হলো 2 MIPS. এটি নির্দেশ করে যে প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ২ মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে সক্ষম।

• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশাবলী কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়। 
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল। যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৪,০২৬.
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ পাইথন-এর উদ্ভাবক কে?
  1. EF Codd
  2. Van Rossum
  3. BAL Laboratory
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
♦ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৪,০২৭.
অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেম-
  1. ক) সিমবিয়ান
  2. খ) ব্ল্যাকবেরি
  3. গ) আইওএস
  4. ঘ) উইন্ডোজ
ব্যাখ্যা

• স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেম পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে:
- অ্যাপলের আইওএস (iOS),
- রিমের ব্ল্যাকবেরি,
- গুগলের অ্যান্ড্রয়েড,
- মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ,
- নকিয়ার সিমবিয়ান,
- স্যামসাংয়ের বাডা উল্লেখযোগ্য।

৪,০২৮.
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে কত দ্বারা গুণ দিতে হয়?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রত্যেক অংককে আট দ্বারা  গুণ দিতে হয়। 

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি (০,১,২,৩,৪,৫,৬,৭) প্রতিক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অকটাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। যেমন- (১২০)
- অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্ন নিয়ে যাবতীয় গাণিতিক কর্মকান্ড সম্পাদন করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হলো ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিকে তিন বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়। কারণ অকটাল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮ টি প্রতিক বা চিহ্নকে তিন বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভূল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: ৯৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৪,০২৯.
স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর গঠন কয় ধরনের হয়ে থাকে?
  1. দুই ধরনের
  2. তিন ধরনের
  3. চার ধরনের
  4. পাঁচ ধরনের
ব্যাখ্যা
♦স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এমন এক ধরনের প্রোগ্রামিং যেখানে প্রোগ্রামের স্টেটমেন্টগুলো ভিন্ন ভিন্ন শ্রেণিতে বিভক্ত করে লেখা হয়।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এ টপ-ডাউন-অ্যাপ্রোচের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে কতকগুলো অংশ বা মডিউলে ভাগ করা হয়।
- C, Pascal, QBASIC, ALGOL, PL/I, Ada ইত্যাদি হলো স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের গঠন তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১। পর্যায়ক্রমিক গঠন (Sequential Structure),
২। চক্র বা লুপ (Loop) ও
৩। ডিশিসন স্টেটমেন্ট (Desicion Statement)

• স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য:
- এটা সহজে অনুধাবনযোগ্য।
- ডিবাগিং করা সহজ।
- সহজে রক্ষণাবেক্ষণ করা যায়।
- সহজে রচনা করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩০.
যেকোনো নাম কোন ধরনের ডেটা টাইপ?
  1. ক) লজিক্যাল
  2. খ) নাম্বার
  3. গ) টেক্সট
  4. ঘ) কারেন্সি
ব্যাখ্যা
ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি ও ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট। কয়েকটি অক্ষর নিয়ে গঠিত হয় এক একটি ফিল্ড৷ নাম, পদবি, চাকুরিতে যোগদানের তারিখ, বেতন ভাতা ইত্যাদি হচ্ছে এক একটি ফিল্ডের উদাহরণ৷ প্রতিটি ফিল্ডের একটি নির্দিষ্ট ডেটা টাইপ থাকে। যেমনঃ নাম হলো টেক্সট ফিল্ড, বেতন হলো সংখ্যা ফিল্ড ইত্যাদি৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি৷
৪,০৩১.
53-এর BCD (Binary Coded Decimal) কোড কী?
  1. 01010101
  2. 11010001
  3. 10001100
  4. 01010011
ব্যাখ্যা

বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- BCD হলো একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক (ডেসিমেল) অঙ্ককে ৪-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।
উদাহরণ:
দশমিক 5 → BCD 0101
দশমিক 3 → BCD 0011

- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

5 এর বিসিডি 0101
3 এর বিসিডি 001

∴ 53 এর বিসিডি 01010011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৩২.
Which of the following is not an example of an operating system?
  1. Android
  2. Windows 11
  3. MS Excel
  4. MacOS
ব্যাখ্যা
MS Excel একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম এর উদাহরণ:
- Microsoft windows,
- Linux,
- Ubuntu,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- Blackberry,
- MacOS,
- IOS,
- Windows Phone OS,
- Symbian,
- Android, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৩.
PROM stands for -
  1. ক) Programmable Read Only Memory
  2. খ) Primary Read Only Memory
  3. গ) Programmable Only Memory
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
- PROM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Programmable Read Only Memory.

রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্য:
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।
৪,০৩৪.
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার-
  1. Bitdefender
  2. Informix
  3. Foxpro
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• Bitdefender অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

• কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- Avira,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essential,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus etc.

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Oracle, Foxpro, Informix হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৪,০৩৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) Maya
  2. খ) AVG
  3. গ) Outllok
  4. ঘ) Google
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বুঝায়, যা কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে।
- কয়েকটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নাম দেয়া হল: রিভ অ্যান্টিভাইরাস, কাসপারস্কি, ম্যাকফি, নরটন, পিসিসিলিন, এভিজি, অ্যাভাস্ট।
- Outlook হচ্ছে মাইক্রোসফটের ইমেইল সেবা।
- Google একটি সার্চ ইঞ্জিন।
৪,০৩৬.
Which operating system was a predecessor to MS-DOS and influenced its design?
  1. Linux
  2. Mac OS
  3. UNIX
  4. CP/M
ব্যাখ্যা
• MS-DOS-এর ডিজাইনে প্রভাব ফেলেছিল CP/M অপারেটিং সিস্টেম, যা MS-DOS-এর পূর্বসূরি হিসেবে বিবেচিত হয়। CP/M (Control Program for Microcomputers) ছিল ১৯৭০-এর দশকে জনপ্রিয় একটি অপারেটিং সিস্টেম, যেটি মূলত Intel 8080 এবং Zilog Z80 মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য তৈরি হয়েছিল। যখন IBM তাদের পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরির কাজ শুরু করে, তখন তারা একটি অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন বোধ করে, এবং সেই প্রেক্ষিতে Microsoft তাদেরকে MS-DOS সরবরাহ করে। MS-DOS-এর অনেক কমান্ড, ফাইল স্ট্রাকচার এবং মৌলিক নকশা CP/M থেকে প্রভাবিত। যদিও UNIX আরও শক্তিশালী এবং মাল্টিটাস্কিং-সক্ষম ছিল, MS-DOS সরলতা এবং CP/M-এর সাদৃশ্য থাকার কারণে ব্যবহারকারীদের জন্য সহজতর হয়ে উঠেছিল।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ঘ) CP/M.


• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System): 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়। 
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধন রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে। 
অর্থাৎ, অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে। 
- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব সময় নির্বাহ হয় এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের নির্বাহের পরিবেশ তৈরি করে। 
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়, এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। 
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M । 
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহৃত হয়ে থাকে। 
যেমন- MS-DOS or PC-DOS, WINDOWS 95/98/2000/XP/7, OS/2, UNIX, LINUX, MAC OS, Solaries, XENIX, WINDOWS NT ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৭.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) উদ্ভাবিত হয়-
  1. ক) ১৯৪৮ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা সমন্বিত বর্তনী।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী Transistor, Resistor এবং Capacitor সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা Integrated Circuit বা IC নামে পরিচিতি লাভ করে।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।

৪,০৩৮.
প্যারালাল পোর্ট সাধারণত কত পিনবিশিষ্ট হয়?
  1. ৩০
  2. ২৮
  3. ২৫
ব্যাখ্যা
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
-এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৩৯.
বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র এবং আর্কিটেকচারাল ডিজাইনের কাজে কোনটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. প্লটার
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• Ploter:
- প্লটার এক ধরনের আউটপুট ডিভাইস যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।

• প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪০.
BIOS-এর কার্যক্রম কখন শুরু হয়?
  1. কোনো সফটওয়্যার চালু করলে
  2. সিস্টেমে প্রবেশ করার পর
  3. কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার পরে
ব্যাখ্যা

• BIOS-এর কার্যক্রম শুরু হয় কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে (গ)। যখন পিসির পাওয়ার বোতাম চাপা হয়, তখন মাদারবোর্ডে থাকা BIOS (Basic Input/Output System) সক্রিয় হয়। এটি প্রথম প্রোগ্রাম যা রান হয় এবং হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে। BIOS হার্ডওয়্যার ঠিকঠাক কাজ করছে কি না তা চেক করতে POST (Power-On Self Test) সম্পাদন করে। এছাড়াও, এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য বুট ডিভাইস খুঁজে বের করে এবং সিস্টেমকে প্রস্তুত করে। তাই, BIOS-এর কার্যক্রম শুরু হয় সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেমের আগে, সরাসরি কম্পিউটার চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে।

BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা। এটি কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যার initialize করে।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪,০৪১.
কম্পিউটারে গাণিতিক/যুক্তি অংশের কাজ নয় কোনটি?
  1. ক) গাণিতিক কাজ
  2. খ) যুক্তিমূলক কাজ
  3. গ) তথ্য সংরক্ষণ
  4. ঘ) তথ্য পরিচালনা
ব্যাখ্যা
গাণিতিক/যুক্তি অংশে তিন প্রকারের কাজ সম্পাদিত হয়।
১. গাণিতিক কাজঃ যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি এ কাজের অন্তর্ভূক্ত। আবার সংখ্যার মধ্যে কোনটি ছোট, কোনটি বড়, না সমান ইত্যদি যাচাই করে দেখার জন্য বিয়োগের সাহায্যে দুইটি সংখ্যার তুলনাও গাণিতিক কাজের অন্তর্ভূক্ত।
২. যুক্তিমূলক কাজঃ যুক্তির ভিত্তিতে প্রাপ্ত নির্দেশ অনুযায়ী কাজ সম্পাদন করা এবং সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া এ অংশের কাজ। এ অংশে কাজ সম্পাদিত হওয়ার মূল ভিত্তি হল এবং, অথবা, না, নতুবা ইত্যাদি যুক্তিমূলক নির্দেশ।
৩. তথ্য পরিচালনাঃ তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য স্থানান্তর করে কোন কোন রেজিস্টার শূন্য করে দেওয়াই এ অংশের প্রধান কাজ। রেজিস্টারে সংরক্ষিত বাইনারী সংখ্যাকে স্থানান্তর করে ডানে বা বামে শুধুমাত্র ১ বিট স্থান পর্যন্ত সরানো যায়।
৪,০৪২.
SUB, ADD, DIV, MUL সাংকেতিক কোড কোন ভাষায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Machine Language
  2. খ) Assembly Language
  3. গ) Natural Language
  4. ঘ) High Level Language
ব্যাখ্যা
• অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language):
- অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা। মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।
- অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরিত করার জন্য অ্যাসেম্বলার নামক এক ধরনের ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাসেম্বলি ভাষা বিভিন্ন সংকেতের সমন্বয়ে লেখা হয়ে থাকে। এজন্য অ্যাসেম্বলি ভাষাকে সাংকেতিক ভাষাও (Symbolic Language) বলা হয়।
- কারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার ক্ষেত্রে নির্দেশ ও ডাটার অ্যাড্রেস বাইনারি বা হেক্সাডেসিম্যাল সংখ্যার সাহায্যে না দিয়ে বিভিন্ন সংকেতের সাহায্যে দেয়া হয়।
- যথা: ADD, SUB, MUL, DIV, JMP, INP, OUT ইত্যাদি। এগুলোকে অপকোড বা অপারেশন কোড বলে। 
- আবার এই সংকেতগুলোকে সাংকেতিক কোড (Symbolic Code) বা নেমোনিক (mnemonic) বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৩.
Operating System- এ কার্নেলের প্রাথমিক কাজ কী?
  1. অ্যাপ্লিকেশন ইন্সটল করা
  2. GUI পরিচালনা করা
  3. সোর্স কোডকে মেশিন কোডে রূপান্তর
  4. হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন
ব্যাখ্যা
• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ: 
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.
৪,০৪৪.
ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় HMD পরতে হয়। HMD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Head Mounted Device
  2. Head Mind Display
  3. Head Mounted Display
  4. High Mounted Device
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয় ।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথায় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display- HMD), হাতে একটা ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পরতে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৫.
কোন সফটওয়্যার ক্ষতিকারক প্রোগ্রামগুলি চিহ্নিত ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Quick Heal
  2. Chrome
  3. Blender
  4. WinRAR
ব্যাখ্যা
• ক্ষতিকারক প্রোগ্রামগুলি চিহ্নিত ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Quick Heal। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার ও মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান, স্পাইওয়্যারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম শনাক্ত করে এবং সেগুলো দূর করে। Quick Heal ব্যবহার করলে সিস্টেম সুরক্ষিত থাকে এবং ডেটা হারানোর ঝুঁকি কমে। অন্যদিকে, Chrome হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, Blender একটি 3D গ্রাফিক্স সফটওয়্যার এবং WinRAR একটি ফাইল কমপ্রেস করার সফটওয়্যার, যেগুলো ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম শনাক্ত বা মুছে ফেলার কাজ করে না। তাই ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য Quick Heal সবচেয়ে উপযুক্ত।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
৪,০৪৬.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. ক) মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন
  2. খ) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার শুরু হয়
  3. গ) FORTRAN ভাষার প্রচলন শুরু হয়
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার থেকেই মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন শুরু হয়। 

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. প্রধান সুইচিং উপাদান হিসাবে মাইক্রো প্রসেসর ব্যবহার।
২. এগুলোকে মাইক্রো কম্পিউটার বা ব্যক্তিগত কম্পিউটারও বলা হয়।
৩. এর আকার ডেস্কটপ থেকে ল্যাপটপ বা পামটপে পরিবর্তিত হয়।
৪. উচ্চ গতির প্রক্রিয়াকরণ, নির্ভুলতা, নির্ভরযোগ্য, এবং বহুমুখী ব্যবহার।
৫. খুব বড় স্টোরেজ ক্ষমতা সম্পন্ন।

উদাহরণ- IBM-3033, HP-3000 ইত্যাদি। 

সূত্র- ১৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,০৪৭.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. এভিজি
  2. নরটন
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাভাস্ট
ব্যাখ্যা
ট্রোজান হর্স একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৪৮.
AGP প্রধানত কোন প্রযুক্তিকে প্রতিস্থাপন করেছে?
  1. PCI
  2. USB
  3. SATA
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• AGP (Accelerated Graphics Port) প্রধানত PCI (Peripheral Component Interconnect) প্রযুক্তিকে প্রতিস্থাপন করেছে। ১৯৯৭ সালে ইন্টেল AGP চালু করে, যা গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল। PCI বাসে গ্রাফিক্স কার্ড যুক্ত করা হলে ব্যান্ডউইথ এবং পারফরম্যান্স সীমিত ছিল, কারণ অন্যান্য ডিভাইসও একই বাস শেয়ার করত। AGP আলাদা চ্যানেল ব্যবহার করে কেবল গ্রাফিক্স ডেটা ট্রান্সফার করত, ফলে দ্রুত এবং উন্নত পারফরম্যান্স পাওয়া যেত, বিশেষ করে থ্রিডি গ্রাফিক্স এবং গেমিংয়ে। তাই, AGP মূলত PCI প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উন্নত গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- সঠিক উত্তর: ক) PCI.

• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
২) lenovo [লিংক]
৪,০৪৯.
কোনটি Backup And Recovery Tool নয়?
  1. ক) Google Drive
  2. খ) Dropbox
  3. গ) Microsoft one drive
  4. ঘ) Opera mini
ব্যাখ্যা
যে টুলস বা সফটওয়্যার স্টোরেজে ডেটা রাখার পাশাপাশি অন্য কোন লোকেশনে ব্যাকআপ রাখে। স্টোরেজের কোন ডেটা মুছে গেলে বা হারিয়ে গেলে পুনরায় ডেটা রিকভার করতে পারে তাদেরকে ব্যাকআপ  এন্ড রিকভারি টুল (Backup And Recovery Tool) বলে।

কয়েকটি ডেটা ব্যাকআপ রাখার টুল হলো-
Google Drive
Dropbox
Microsoft one drive ইত্যাদি।
৪,০৫০.
OMR কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে?
  1. ইনফ্রারেড সিগন্যাল
  2. শব্দ শনাক্তকরণ
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. অপটিক্যাল স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• OMR বা Optical Mark Recognition একটি প্রযুক্তি যা ঘনিষ্ঠ বা চিহ্নিত মার্কগুলি শনাক্ত করতে অপটিক্যাল স্ক্যানিং ব্যবহার করে। পরীক্ষার উত্তরপত্র, ভোটার ব্যালট বা সার্ভে ফর্মে যে স্থানে চিহ্নিত করা হয় তা OMR ডিভাইস বা সফটওয়্যার দ্বারা পড়া হয়। এটি পেপারের উপর থাকা কালো বা গাঢ় চিহ্নগুলিকে আলোর প্রতিফলন বা শোষণের মাধ্যমে শনাক্ত করে, ফলে কোন অপশনটি নির্বাচিত হয়েছে তা সঠিকভাবে নির্ধারণ করা যায়। OMR প্রযুক্তি কোনো রেডিও তরঙ্গ, শব্দ শনাক্তকরণ বা ইনফ্রারেড সিগন্যালের উপর নির্ভর করে না, বরং এটি প্রদত্ত মার্কের অপটিক্যাল বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অপটিক্যাল স্ক্যানিং।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস।  
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে। 
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে। 
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪,০৫১.
(1011)2 + (0101)2 = ?
  1. (1100)2
  2. (11000)2
  3. 01100)2
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
1011
0101
___________
10000
∴ (1011)2 + (0101)2 = (10000)2
৪,০৫২.
বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করা যায় কোনটির সাহায্যে?
  1. আসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. বিসিডি কোড
  4. আলফানিউমেরিক কোড
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪,০৫৩.
বিশ্বগ্রাম শব্দটি সর্বপ্রথম কে ব্যবহার করেন? 
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. ই এফ কড
  3. জন অটোহ্যান
  4. টিম বার্ণারস লী
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম: 
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে। 
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক “মার্শাল ম্যাকলুহান” সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- তিনি “দি মিডিয়াম ইজ দি মেসেজ” (the medium is the message) এবং “গ্লোবাল ভিলেজ” (Global village) এর প্রবক্তা বা উদ্ভাবক হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন। 
- তিনি ১৯৬২ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “The Gutenberg: The Making of Typographic Man” এবং ১৯৬৪ সালে তার প্রকাশিত গ্রন্থ “Understanding Media” এ গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম এর ধারণা দেন। 
- তাঁর সময়ে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার লাভ করেছিল। 
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তারের ফলে সময় ও দূরত্ব সংকুচিত হয়ে পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। 
- তিনি এ প্রযুক্তির বিস্তৃতিকে “ইলেকট্রনিক নার্ভাস সিস্টেম” (Electronic Nervous System) নামে আখ্যায়িত করেছেন। 
- পৃথিবী এ সিস্টেমের সাহায্যে সংযুক্ত হয়ে বিশ্বগ্রাম (Global village) এ রূপান্তরিত হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
৪,০৫৪.
ডিএনএ ম্যাপিং এর জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়?
  1. টেলিমেডিসিন 
  2. বায়োইনফরমেটিক্স 
  3. জেনোমিক সফটওয়্যার
  4. মেডিকেল ইমেজিং
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) বায়োইনফরমেটিক্স 

• বায়োইনফরমেটিক্স:
বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার
- প্যার্টান রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

• বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে -
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,০৫৫.
একটি বারকোড রিডার থেকে বের হয়-
  1. ক) কম্পাঙ্ক
  2. খ) তরঙ্গ
  3. গ) আলো
  4. ঘ) শব্দ
ব্যাখ্যা

- বারকোড রিডার একটি অপটিক্যাল ইনপুট ডিভাইস।
- বারকোড বলতে কম বেশি চওড়াবিশিষ্ট পর্যায়ক্রমে কতগুলো বার বা রেখার সমাহারকে বুঝায়।
- একে ইউনিভার্সাল প্রোডাক্ট কোডও বলা হয়।
- এই লেখাগুলোকে চিহ্নিত করার জন্য বারকোড রিডার থেকে আলো বের হয়।

৪,০৫৬.
নিচের কোনটি ইনপুট ইউনিট?
  1. ক) মনিটর
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
এক ধরনের বিশেষ যন্ত্র যা গেম কার্ডের সাথে যুক্ত করে বিভিন্ন সংকেত বা নির্দেশ কম্পিউটারে প্রবেশ করানো হয়। সাধারণত খেলা সংক্রান্ত সফট্ওয়্যারের ক্ষেত্রে জয়স্টিক ব্যবহৃত হয়।
৪,০৫৭.
কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার নয়?
  1. Apache Hadoop
  2. MariaDB
  3. Redis
  4. PowerPoint
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis, MariaDB, Apache Hadoop ইত্যাদি।

• PowerPoint - হলো প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৫৮.
নিচের কোনটি প্যাকেজ সফটওয়্যার?
  1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম
  2. খ) স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  3. গ) ইমেজ এডিটিং প্রোগ্রাম
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কাজের ধরন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী প্যাকেজ সফটওয়্যার গুলো বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। নৈমিত্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি প্যাকেজ সফটওয়্যার হচ্ছে- লেখালেখির কাজের জন্য ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম, হিসাব নিকাশের জন্য স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম, পৃষ্ঠা সজ্জার জন্য পেইজ মেকআপ প্রোগ্রাম, ছবি সম্পাদনার জন্য ইমেজ ইউটিউব প্রোগ্রাম ইত্যাদি। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৫৯.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) ক্যালক (Calc)
  2. খ) ইনফরমিক্স (Informix)
  3. গ) ভিসিক্যালক (VisiCalc)
  4. ঘ) কোয়াট্রোপ্রো (Quattro Pro)
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম ডাটা তৈরি, অ্যাকসেস এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। বর্তমানে অনেক ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়। এদের মধ্যে উল্লেখযােগ্য কয়েকটি হলাে-
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Microsoft Access),
- ইনফরমিক্স (Informix),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- ফাইল মেকার (File Maker),
- ওরাকল (Oracle),
- ফায়ারবার্ড (Firebird),
- মাই এসকিইএল (My SQL),
- এসকিউএল সার্ভার এক্সপ্রেস (SQL Server Express),
- সাইবেজ (Sybase),
- ইন্টারবেজ (InterBase),
- ডিবেজ(dBase),
- ফক্সপ্রাে (FoxPro) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- ক্যালক (Calc), ভিসিক্যালক (VisiCalc), কোয়াট্রোপ্রো (Quattro Pro), মাল্টিপ্লান (Multiplan), মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel) ইত্যাদি স্প্রেডশীট প্রােগ্রাম।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ) ও ব্রিটানিকা.কম।

৪,০৬০.
কোন কম্পিউটার পরিমাপের ভিত্তিতে কাজ করে?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. ডিজিটাল কম্পিউটার
  3. হাইব্রিড কম্পিউটার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- এনালগ কম্পিউটার পরিমাপন পদ্ধতিতে কাজ করে থাকে।
- এনালগ কম্পিউটার বিদ্যুতের তারের ভোল্টেজের উঠা-নামা, কোনো পাইপের ভেতরের বাতাস বা তরল পদার্থের চাপ কম বেশি হওয়া, বাতাসের প্রবাহ ও চাপ পরিবর্তিত হওয়া ইত্যাদি পরিমাপনের ভিত্তিতে এনালগ কম্পিউটার কাজ করে।
- ডিজিটাল কম্পিউটার কাজ করে প্রতীকী সংখ্যার মাধ্যমে প্রাপ্ত ইনসট্রাকশনের মাধ্যমে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত ডিজিটাল এবং এনালগ কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়।
- এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ায় এবং প্রসেসরের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদিতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,০৬১.
'Bootstrap Program' সাধারণত কোথায় সংরক্ষিত থাকে?
  1. ROM Chip
  2. Cache
  3. Hard Disk
  4. Register
ব্যাখ্যা
• বুটস্ট্র্যাপ লোডার:
- বুটস্ট্র্যাপ লোডার হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের EPROM, ROM বা অন্য Non-volatile মেমরিতে থাকে।
- কম্পিউটার চালু করার সময় এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রসেসর দ্বারা কার্যকর হয়।
- কম্পিউটার চালু করার পর, সাধারণত এর রমে বা র‍্যামে কোনো অপারেটিং সিস্টেম লোড করা থাকে না।
- ফলে কম্পিউটারকে অবশ্যই তুলনামূলক ছোট একটি প্রোগ্রাম চালনা করতে হয় যা হার্ডড্রাইভ বা অন্য তথ্য সংরক্ষণ করার ডিভাইস থেকে ন্যূনতম তথ্য ব্যবহার করে অপারেটিং সিস্টমটিকে র‍্যামে লোড করে থাকে।
- যে ছোট প্রোগ্রামটি উক্ত প্রক্রিয়া চালু করে থাকে তাকেই bootstrapping, bootloader, boot program বা bootstrap loader বলে।

উৎস: Computerhope website.
৪,০৬২.
CIH ভাইরাসকে কেন Spacefiller ভাইরাস নামেও ডাকা হয়?
  1. এটি ইউএসবি ডিভাইসে ডামি ডেটা দিয়ে দেয়
  2. এটি মেমোরি স্প্যাম প্রসেস দিয়ে দিয়ে পূর্ণ করে দেয়
  3. এটি ডিস্ক স্পেস জাঙ্ক ফাইল দিয়ে পূর্ণ করে দেয়
  4. এটি কোডের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে যেন ধরা না পড়ে
ব্যাখ্যা
• CIH ভাইরাসকে Spacefiller ভাইরাস বলা হয় কারণ এটি কোডের ফাঁকা জায়গাগুলো পূরণ করে যাতে ভাইরাস ধরা না পড়ে। সাধারণত প্রোগ্রাম বা ফাইলের মধ্যে কিছু ফাঁকা বা আনইউজড স্পেস থাকে, যেখানে এই ভাইরাস নিজের কোড লুকিয়ে রাখে। এর ফলে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার সহজে এই ভাইরাসটি চিনতে পারে না, কারণ ভাইরাসটি ফাইলের আকার বা সামগ্রিক কাঠামো পরিবর্তন করে না। তাই CIH ভাইরাসকে Spacefiller ভাইরাস বলা হয়, কারণ এটি স্পেস বা ফাঁকা জায়গা পূরণ করার মাধ্যমে নিজেদের লুকিয়ে রাখে এবং শনাক্ত হওয়া কঠিন করে তোলে। 

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- CIH ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৬৩.
What is the total bit length of an IPv4 address?
  1. 16 bits
  2. 32 bits
  3. 64 bits
  4. 128 bits
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 32 bits

আইপি এড্রেস (IP Address):
- আইপি হলো প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত স্বতন্ত্র আইডেন্টিটি।
- 'IP' এর পূর্ণরূপ হলো Internet Protocol।
- একটি আইপি অ্যাড্রেস (IPv4) চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত: (1st Octet), (2nd Octet), (3rd Octet), (4th Octet)।

IPv4 (IP Version 4):
- IPv4 হলো IP-এর চতুর্থ সংস্করণ।
- এটি 4 × 8 বা 32 বিটের।
- 232 বা 4,294,967,296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করতে পারে।

IPv6 (IP Version 6):
- IPv6 হলো ইন্টারনেট প্রটোকলের ষষ্ঠ সংস্করণ।
- IPv4-এর সংখ্যা অপ্রতুল হওয়ায় IPv6 চালু করা হয়।
- IPv6 অ্যাড্রেস 128 বিটের হয়, অর্থাৎ ৮টি ভাগ থাকে এবং প্রতিটি ভাগ 16 বিটের।
- 2128 সংখ্যক ডিভাইসকে সনাক্ত করতে সক্ষম।
- সাধারণত Hexadecimal ফরম্যাটে লেখা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪,০৬৪.
নিচের কোনটি টাইপিং কী নয়?
  1. ক) Enter Key
  2. খ) Tab Key
  3. গ) Space bar
  4. ঘ) Insert Key
ব্যাখ্যা

টাইপিং কী

  • Enter Key
  • Tab Key
  • Space bar
  • Shift key 
  • Caps Lock

কার্সর মুভমেন্ট কী

  • Arrow Key 
  • Page up 
  • Page Down
  • Home/End
  • Delete Key
  • Back space key
  • Insert Key
  • Home Key

রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

৪,০৬৫.
প্রোগ্রামিং এ ‘JMP’ অপ-কোডের নির্দেশ কী?
  1. নির্দিষ্ট মেমোরি লোকেশনে যাওয়া
  2. কোড কম্পাইল করা
  3. আউটপুট ডিভাইস বন্ধ করা
  4. রেজিস্টার রিসেট করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) নির্দিষ্ট মেমোরি লোকেশনে যাওয়া।

অপ-কোড বা অপারেশন কোড অপারেশন কোডে ইনস্ট্রাকশন বা কমান্ডের নেমোনিক থাকে।
এ নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হয়ে থাকে। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নেমোনিকগুলো নিচের মতো হয়-

STO -  সংরক্ষণ করার কমান্ড।
STA - স্টোর: Store Accumulator (মেশিন ভাষায় অনুরূপ), অর্থাৎ অ্যাকুমুলেটরের ডাটাকে অন্য চলকে সংরক্ষণ।
CLR - ক্লিয়ার: Clear Accumulator, অ্যাকুমুলেটর পরিষ্কারকরণ কমান্ড।
ADD - যোগ: ADD প্রধান মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকুমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকুমুলেটরে রাখার কমান্ড।
SUB - বিয়োগ: SUB প্রধান মেমোরি নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকুমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকুমুলেটরে রাখার কমান্ড।
MUL - গুণ: MUL, গুণ করার নির্দেশ।
DIV - ভাগ: DIV, প্রধান মেমোরি নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকুমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকুমুলেটরে রাখার কমান্ড।
JMP - নিশর্ত জাম্প: পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাও।
INP - ইনপুট: Input, পড় অর্থাৎ ইনপুটের ডাটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থানে রাখ।
OUT - আউটপুট: Output, প্রধান মেমোরির নির্দিষ্ট অবস্থানের বিষয় আউটপুটের সাহায্যে প্রকাশ কর।
STP - থাম: STP প্রোগ্রামকে থামানোর নির্দেশ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৪,০৬৬.
In flowchart what does below symbol represent?
  1. Document
  2. Database
  3. Terminal
  4. Process
ব্যাখ্যা
• The given symbol represents the Database in the flowchart.

• Flowchart:
- প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র বলা হয়।
- ফ্লোচার্ট হচ্ছে অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- অর্থাৎ অ্যালগরিদমের ধাপসমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে। ফ্লোচার্ট ২ ধরনের যথা সিস্টেম ফ্লোচার্ট ও প্রোগ্রাম ফ্লোচার্ট।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Zenoflowchart [Link]
৪,০৬৭.
নিচের কোন ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত কমপ্রেস্ড ফাইলের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. .bak
  2. .tar
  3. .rar
  4. .7z
ব্যাখ্যা
• ".bak" - ফাইল এক্সটেনশন সাধারণত কমপ্রেস্ড ফাইলের সাথে সম্পর্কিত নয়।

(1) Document File Extensions:

.docx – Microsoft Word document
.xlsx – Microsoft Excel spreadsheet
.pptx – Microsoft PowerPoint presentation
.pdf – Portable Document Format
.txt – Plain text file
.rtf – Rich Text Format
.odt – OpenDocument Text document
.md – Markdown text file

(2) Image File Extensions:
.jpg / .jpeg – JPEG image
.png – Portable Network Graphics image
.gif – Graphics Interchange Format image
.bmp – Bitmap image
.tiff – Tagged Image File Format
.svg – Scalable Vector Graphics image
.webp – WebP image format
.ico – Icon file

(3) Audio File Extensions:
.mp3 – MPEG Audio Layer 3
.wav – Waveform Audio File Format
.ogg – Ogg Vorbis audio file
.flac – Free Lossless Audio Codec
.aac – Advanced Audio Codec
.m4a – MPEG-4 Audio
.wma – Windows Media Audio

(4) Video File Extensions:
.mp4 – MPEG-4 video file
.avi – Audio Video Interleave file
.mkv – Matroska video file
.mov – QuickTime movie file
.wmv – Windows Media Video file
.flv – Flash Video file
.webm – WebM video file

(5) Archive/Compressed File Extensions:
.zip – ZIP archive
.rar – RAR archive
.tar – Tape Archive file
.7z – 7-Zip compressed archive
.gz – Gzip compressed file
.iso – Disk image file (ISO format)
.tar – Tarball archive with Gzip compression

(6) Web File Extensions:
.html – HyperText Markup Language file
.css – Cascading Style Sheets
.js – JavaScript file
.json – JavaScript Object Notation file
.php – PHP script file
.xml – Extensible Markup Language file
.asp – Active Server Page
.cgi – Common Gateway Interface script

(7) Database File Extensions:
.sql – SQL database file
.db – Database file (e.g., SQLite)
.mdb – Microsoft Access database file
.accdb – Microsoft Access 2007+ database file
.bak – Backup file (often for databases)
.frm – MySQL database format file

(8) System File Extensions:
.dll – Dynamic Link Library (Windows)
.sys – System file (Windows)
.ini – Initialization file
.log – Log file
.cfg – Configuration file
.dat – Data file (various programs)

(9) Font File Extensions:
.ttf – TrueType font
.otf – OpenType font
.woff – Web Open Font Format
.eot – Embedded OpenType font
.fnt – Font file

(10) Backup File Extensions:
.bak – Backup file
.backup – Backup file (generic)
.bkp – Backup file
.dmg – Mac disk image (also used for backup)
.vhd – Virtual Hard Disk file

Source: Microsoft Support
৪,০৬৮.
DOCSIS এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Data Over Cable Service Interface Specification
  2. খ) Data Over able Security Internet Std
  3. গ) Data over cable Secure International Stds
  4. ঘ) Data Over Cable Service internet Standard
ব্যাখ্যা
Data Over Cable Service Interface Specification is an international telecommunications standard that permits the addition of high-bandwidth data transfer to an existing cable television system.
৪,০৬৯.
Which device transforms digital data signals into modulated analog signals?
  1. Hub
  2. Switch
  3. Bridge
  4. Modem
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Modem

মডেম (Modem)
- মডেমের পূর্ণরূপ হলো “মডুলেটর/ডিমডুলেটর” (Modulator/Demodulator)।
- এটি একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যা ডিজিটাল ডেটা সিগন্যালকে মডুলেটেড অ্যানালগ সিগন্যালে রূপান্তর করে, যাতে তা অ্যানালগ টেলিকমিউনিকেশন সার্কিটে প্রেরণ করা যায়।
- মডেম একইভাবে মডুলেটেড সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং ডিমডুলেট করে, যাতে ডিজিটাল সিগন্যাল পুনরায় ডেটা যন্ত্রের ব্যবহারযোগ্য হয়।
- মডেম বিভিন্ন ডেটা যোগাযোগ সহজতর করে, যেমন: ইমেইল, ফ্যাক্স, ফাইল ডাউনলোড।
- প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ মডেম ছিল Bell 103, যা ১৯৬২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে চালু হয়।
- পরবর্তীতে, Bell 212 মডেম ফেজ-শিফট কিিং (PSK) ব্যবহার করে ১,২০০ বিট প্রতি সেকেন্ড ডেটা প্রেরণ করত।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

৪,০৭০.
VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তি কম্পিউটারের কোন প্রজন্মে প্রথম ব্যবহৃত হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম 
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মে (১৯৭১ থেকে বর্তমান) মাইক্রোপ্রসেসর প্রযুক্তির বিপ্লব ঘটে। এই সময়ে VLSI (Very Large Scale Integration) কৌশলের মাধ্যমে একটি ছোট চিপের মধ্যে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর স্থাপন করা সম্ভব হয়। এর ফলে কম্পিউটারের আকার অনেক ছোট হয়ে আসে এবং কর্মক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।

- VLSI (Very Large Scale Integration) ব্যবহার আশির দশকে (1980) শুরু হয়েছিল। 
- LSI এবং VLSI প্রযুক্তি ব্যবহার করে 1980 এবং 1990-এর দশকের digital computer গুলোকে প্রায়শই চতুর্থ প্রজন্মের system বলা হয়। 
- 1980-এর দশকে উৎপাদিত অনেক microcomputer-এ একটি single chip ছিল যার processor, memory এবং interface function এর circuit integrated ছিল।

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
-সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

উৎস:
১। কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা। 

৪,০৭১.
MS Word এ কিছু রিপ্লেস করার জন্য কোন কী-বোর্ড শর্টকাট ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Ctrl + R
  2. খ) Ctrl + F
  3. গ) Ctrl + H
  4. ঘ) Ctrl + L
ব্যাখ্যা
Ctrl + R - Right Alignment
Ctrl + F - Find for a word
Ctrl + H - Replace
Ctrl + L - Left Alignment.
৪,০৭২.
কম্পিউটার পারফরম্যান্স পরিমাপের ক্ষেত্রে MIPS-এর অর্থ কী?
  1. Manipulation of Information Per Session
  2. Multiple Instruction Processing System
  3. Microprocessor Integrated Program System
  4. Million Instructions Per Second
ব্যাখ্যা

• MIPS এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Million Instructions Per Second. 

MIPS: 
- MIPS (Million Instructions Per Second) হল কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা প্রতি সেকেন্ডে সম্পাদিত মিলিয়ন সংখ্যক নির্দেশনার সংখ্যা বোঝায়।
- এটি সাধারণত CPU পারফরম্যান্স নির্ধারণের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computing) প্রসেসরগুলোর ক্ষেত্রে।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি, ও সফটওয়্যার অপ্টিমাইজেশনের ওপর।

উৎস: IEEE & ACM Digital Library.

৪,০৭৩.
নিচের কোনটি "Graphics Based Operating System" এর বৈশিষ্ট্য?
  1. কম্পিউটার পরিচালনার জন্য Root Prompt ব্যবহার করা হয়
  2. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়
  3. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর নয়
  4. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে কম মেমরির প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• Operating System:
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার।
- একে অনেক সময় মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামও বলা হয়। কম্পিউটার

• পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System) ও
২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem)

• Graphics Based Operating System:

- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 

• চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ
করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ?
  1. Data Definition Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Query Language
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হচ্ছে তথ্যভান্ডার।
- কম্পিউটার আবিষ্কারের আগ পর্যন্ত ফাইলের স্তুপে জমা থাকতো তথ্য, এখন তথ্য সংরক্ষণ করা হয় ডাটাবেজে। 
কয়েকটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ হচ্ছে- 
Data Definition Language- এটি এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যেটি ডেটার প্রকার ও উহাদের মাঝে সম্পর্ক নির্ণয় করে। 
Data Manipulation Language- ইহা এক ধরণের ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ যার সাহায্যে ডেটা হালনাগাদ করা হয়। 
• Query Language- ইহা এমন এক ধরণের ল্যাংগুয়েজ যেটি তথ্য খোঁজা, তথ্য গণনায় ব্যবহৃত হয়। 
• QUEL, QBE, SQL ইত্যাদিও ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজের উদাহরণ। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,০৭৫.
শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক্রসট্যাব কুয়েরি
  2. সিলেক্ট কুয়েরি
  3. অ্যাকশন কুয়েরি
  4. প্যারামিটার কুয়েরি
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি:
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query):
- কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।

২. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query):
- ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।

৩. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query):
- শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।

৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query):
- কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২. Microsoft Support Website.
৪,০৭৬.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার
  2. খ) আকারে ছোট
  3. গ) সহজে স্থানান্তরের যোগ্য ছিলো
  4. ঘ) ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

• এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।
২. আকারে অনেক বড়।
৩. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা।
৪. মেশিন ভাষার (0/1) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান ৷
৫. ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার
৬. সহজে স্থানান্তরের যোগ্য ছিল না।
৭. অত্যধিক বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন।
৮. অনুন্নত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা; ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৭৭.
নিচের কোনটি Operating system নয়? 
  1. Linux
  2. Mac OS
  3. Unix
  4. Sheets
ব্যাখ্যা

• Sheets বা Google Sheets- Operating system নয়, এটি একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার। 

অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 

১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System): 
• Linux, 
• Unix, 
• MS-DOS, 
• PC DOS, 
• CP/M ইত্যাদি। 

২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem): 
• Windows 95/98/Xp/2000/7, 
• Mac OS ইত্যাদি। 

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি
২) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ইয়াহু
  2. ফ্ল্যাশ
  3. জিমেইল
  4. ম্যাকাফি
ব্যাখ্যা

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Norton Antivirus,
- McAfee Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Bitdefender Antivirus,
- Avast Antivirus,
- Trend Micro Antivirus,
- Sophos Home,
- Windows Defender,
- ESET NOD32 Antivirus,
- Avira Antivirus,

- Panda Security,
- Malwarebytes Anti-Malware,
- F-Secure Antivirus,
- Webroot SecureAnywhere,
- Comodo Antivirus,
- BullGuard Antivirus,
- ZoneAlarm Antivirus,
- Intego Antivirus (Popular on Mac),
- ClamAV (Open-source antivirus),
- AhnLab V3 Antivirus.

অন্যদিকে,
- ফ্ল্যাশ হল একটি মাল্টিমিডিয়া সফ্টওয়্যার প্ল্যাটফর্ম যা অ্যানিমেশন, ইন্টারেক্টিভ কন্টেন্ট এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় ।
- জিমেইল হলো গুগলের একটি মেলবক্স সরবরাহকারী । 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৭৯.
কোনটি ইনপুট ও আউটপুট ফাংশন দুইই করতে সক্ষম?
  1. Printer
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Mouse
ব্যাখ্যা

• যে ডিভাইসটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম, তা হলো Touch Screen। একটি টাচ স্ক্রিন ব্যবহারকারীকে ডিভাইসে সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে তথ্য প্রদান করার সুযোগ দেয়, যেমন লেখা বা কমান্ড দেওয়া, যা ইনপুটের কাজ। পাশাপাশি, এটি ব্যবহারকারীকে ভিজ্যুয়াল বা গ্রাফিকাল আউটপুট দেখায়, যেমন অ্যাপ্লিকেশন ইন্টারফেস বা ছবি প্রদর্শন করা। অন্যদিকে, প্রিন্টার শুধুমাত্র আউটপুট দেয়, মাইক্রোফোন শুধুমাত্র ইনপুট নেয়, এবং মাউস মূলত ইনপুট ডিভাইস। তাই, টাচ স্ক্রিনই একমাত্র ডিভাইস যা একই সঙ্গে তথ্য গ্রহণ এবং প্রদর্শনের কাজ করতে পারে। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক ডিভাইসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারফেস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৮০.
কম্পিউটারের কাজের গতি প্রকাশ করা হয় -
  1. ন্যানোসেকেন্ডে
  2. মাইক্রোসেকেন্ডে
  3. মিলিসেকেন্ডে
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে।
কম্পিউটারের এই দ্রুতগতিসম্পন্ন হিসাবের কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড এবং পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
---------------
ন্যানোসেকেন্ড (Nanosecond): ১ সেকেন্ডের এক বিলিয়ন ভাগের সমান (10-9) হচ্ছে ১ ন্যানোসেকেন্ড। এটি র‍্যামের কাজের গতি (access time) প্রকাশের সবচেয়ে সাধারণ (common) একক।
মিলিসেকেন্ড (Millisecond): ১ মিলিসেকেন্ড হলো ১ সেকেন্ডের ১ হাজার ভাগের ১ ভাগ - এর সমান (10−3)। এর মাধ্যমে হার্ড ডিস্ক, সিডি-রম বা ইন্টারনেটে packet travel সময় পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত একক।
মাইক্রোসেকেন্ড (Microsecond): ১ মাইক্রোসেকেন্ড হলো ১ সেকেন্ডের ১ মিলিয়ন ভাগের ১ ভাগের সমান (10-6)।
এই সবগুলোই কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের কাজের গতি প্রকাশ করে।

উৎস: টেকপিডিয়া ও ব্রিটানিকা ডিকশনারি।
৪,০৮১.
কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে কী বলে?
  1. টেবিল
  2. এনটিটি
  3. ফিল্ড
  4. এট্রিবিউট
ব্যাখ্যা
• ফিল্ড: ফিল্ড হচ্ছে ডাটাবেজের ভিত্তি। ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন।

• রেকর্ড: পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় এক একটি রেকর্ড।

• টেবিল: এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়।

• এনটিটি: কোন ডেটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।

• এট্রিবিউট: এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪,০৮২.
MS Word এ লাইন-ব্রেক করতে কোন শর্টকাট কী ব্যবহৃত হয়?
  1. Shift + Enter
  2. Ctrl + F
  3. Alt + Enter
  4. Ctrl + Enter
ব্যাখ্যা
• Shift + Enter লাইন ব্রেক (অনুচ্ছেদের মাঝে বিরতি) এর জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Ctrl + F হল একটি কীবোর্ড শর্টকাট যা সাধারণত একটি নথি বা ওয়েব পৃষ্ঠায় একটি নির্দিষ্ট অক্ষর, শব্দ বা বাক্যাংশ সনাক্ত করতে একটি অনুসন্ধান বক্স খুলতে ব্যবহৃত হয়।
• Alt + Enter হল একটি কীবোর্ড শর্টকাট যা সাধারণত মাইক্রোসফট এক্সেল সেলে একটি নতুন লাইন তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
• Ctrl + Enter হল একটি কীবোর্ড শর্টকাট যা সাধারণত একটি পৃষ্ঠা বিরতি তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Computerhope.
৪,০৮৩.
ইউনিকোডের প্রথম কতটি কোড আসকি কোডের অনুরূপ?
  1. ১২৮
  2. ২৫৬
  3. ৬৪
  4. ৬৫৫৩৬
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৪,০৮৪.
বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে কত ধরনের সংখ্যা পদ্ধতি আছে?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৫.
প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে আধুনিক পিসিতে সাধারণত কোন ধরনের BIOS ব্যবহার করা হচ্ছে?
  1. GPT
  2. DOS
  3. CMOS
  4. UEFI
ব্যাখ্যা

• আধুনিক পিসিতে প্রচলিত BIOS-এর পরিবর্তে সাধারণত UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার করা হচ্ছে। এটি পুরোনো Legacy BIOS-এর তুলনায় অনেক উন্নত এবং নিরাপদ। UEFI দ্রুত বুটিং করতে সাহায্য করে, বড় স্টোরেজ ডিভাইসকে সমর্থন করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করতে সক্ষম। এছাড়াও, UEFI Secure Boot ফিচারের মাধ্যমে সিস্টেমে অযাচিত বা ম্যালওয়্যার বুট হওয়া প্রতিরোধ করা যায়। এটি আরও মডুলার এবং কনফিগারেশন সুবিধাজনক, যা পিসি নির্মাতাদের জন্য কাস্টমাইজেশন সহজ করে। ফলে, আধুনিক কম্পিউটারগুলোতে Legacy BIOS-এর পরিবর্তে UEFI ব্যবহার করা হচ্ছে।

সঠিক উত্তর: ঘ) UEFI.

BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা সাধারণত EPROM (Erasable Programmable Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
- BIOS-এর কারণে অপারেটিং সিস্টেম বা অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে ডিভাইসগুলোর হার্ডওয়্যার ডিটেইল জানার প্রয়োজন হয় না (যেমন হার্ডওয়্যার অ্যাড্রেস)।
- ২১শ শতকের শুরুতে BIOS-এর জায়গায় আধুনিক ও দ্রুতগতির UEFI (Unified Extensible Firmware Interface) ব্যবহার শুরু হয়, যা বড় সাইজের ড্রাইভ সাপোর্ট করে এবং বুটিং দ্রুত করে।

BIOS-এর দুটি প্রধান কাজ:
- কোন কোন পারিফেরাল ডিভাইস (যেমন: কীবোর্ড, মাউস, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রিন্টার, ভিডিও কার্ড ইত্যাদি) সংযুক্ত আছে তা নির্ধারণ করা।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) কে মেইন মেমোরি (RAM)-তে লোড করা।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৪,০৮৬.
অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত নেমোনিক কোডকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে কোনটি?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ডিবাগার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) অ্যাসেম্বলার

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:

- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। 
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,০৮৭.
Oracle is an example of -
  1. Graphics software
  2. Spreadsheet software
  3. Database software
  4. Word processing software
  5. None of them
ব্যাখ্যা
Oracle হচ্ছে কর্পোরেট পর্যায়ের জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যার।

• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ।
- বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।

• কর্পোরেট ডাটাবেজ:
- কর্পোরেট ডাটাবেজ হচ্ছে কোনো শিল্প/প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল ধরনের উদ্যোগ ও তা সম্পর্কিত তথ্য।
- এতে কোনো ব্যবসায়ের সমস্ত কার্যকলাপের তথ্য থাকে। এখানে প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সম্পর্কিত তথ্যও থাকে।

• কর্পোরেট পর্যায়ের ডাটাবেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত জনপ্রিয় ডাটাবেজ সফ্টওয়‍্যারগুলো মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হলো:
- Informix,
- Oracle,
- SQL Server,
- MySQL,
- Teradata,
- FileMaker,
- MS-Access, ইত্যাদি।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৮.
What is the purpose of a compiler in programming?
  1. To convert source code into machine code
  2. To debug code
  3. To creats graphics
  4. To manage memory
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলার (Compiler):
কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৮৯.
মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে কোনটি?
  1. অ্যাসেম্বলার
  2. কম্পাইলার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. অনুবাদের প্রয়োজন হয় না
ব্যাখ্যা
যে প্রোগ্রাম সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।

- অ্যাসেম্বলার শুধুমাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- অন্যদিকে কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তরিত করে।
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামের জন্য কোনো অনুবাদকের প্রয়োজন পড়ে না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
৪,০৯০.
ডট পিচ (Dot Pitch) কে নিচের কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. মিলিমিটার
  2. সেন্টিমিটার
  3. হার্টজ
  4. পিক্সেল
ব্যাখ্যা
ডট পিচের গণনা: 
- ডট পিচকে সাধারণত মিলিমিটারে (mm) প্রকাশ করা হয়, যা দুটি পিক্সেলের মাঝের দূরত্বকে নির্দেশ করে। 
উদাহরণস্বরূপ, একটি মনিটরের ডট পিচ যদি 0.28 মিমি হয়, তাহলে এর মানে হলো, দুটি পিক্সেলের মধ্যে 0.28 মিলিমিটার দূরত্ব রয়েছে। 

- ডট পিচ এবং রেজোলিউশনের মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে। 
- রেজোলিউশন যদি উচ্চ হয়, তাহলে পিক্সেলগুলির সংখ্যা বেশি হবে, এবং সাধারণত ডট পিচ কম হবে, যা চিত্রের সূক্ষ্মতা এবং তীক্ষ্ণতা বাড়ায়। 
- একটি উচ্চ রেজোলিউশনের মনিটরের ছোট ডট পিচও আপনাকে আরও ভালো গ্রাফিক্স এবং ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা প্রদান করবে। 
৪,০৯১.
ওয়েবসাইটের ডিজাইন বা Layout তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. SQL
  2. HTML
  3. CSS
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• CSS:
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।

• CSS এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
- ওয়েব পেজটিকে আকর্ষিত করা বা ডিজাইন বা Layout তৈরি করাই হল CSS এর কাজ।
- একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হলে CSS-এর প্রয়োজন।
- CSS এর সাহায্যে HTML পেজ এর টেক্সট গুলিকে নতুন নতুন রং দেয়া যায়।
- এছাড়াও, CSS এর সাহায্যে কোনো টেক্সট এর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার চেঞ্জ করা বা পুরো ওয়েবপেজ এর কালার চেঞ্জ করতে পারা যায়।
- টেক্সট সাইজ বড় ছোট করা ও আকার বদলানো যায় CSS এর দ্বারা।

উৎস: 
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
৪,০৯২.
সর্বপ্রথম কম্পিউটার এবং ভিডিও কনফারেন্সিংকে সমন্বিত করে পূর্নাঙ্গভাবে উভমূখী যোগাযোগ প্রক্রিয়া হিসাবে ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত করেন কে?
  1. ক) লজি বেয়ার্ড
  2. খ) ডগ এঙ্গেলবার্ট
  3. গ) মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. ঘ) পিটার মারহোলজ
ব্যাখ্যা
ভিডিও কনফারেন্সিং
- কমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
- টেলিকনফারেন্সিং এর মতোই ভিডিও কনফারেন্সিং ব্যবস্থায় অংশগ্রহণকারীরা কথোপকথন করতে পারে। 
- সর্বপ্রথম  ১৯২০ সালে ভিডিও কনফারেন্সিং সিস্টেম উন্নয়ন করেন লজি বেয়ার্ড ও টি এন্ড টি এর বেল ল্যাব।
- ১৯২৭ সালে পরীক্ষামূলক ব্যবহারের পর থেকে অদ্যবদি এর উন্নয়ন প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
- ১৯৬৮ সালে সর্বপ্রথম ডগ এঙ্গেলবার্ট কম্পিউটার এবং ভিডিও কনফারেন্সিংকে সমন্বিত করে পূর্নাঙ্গভাবে উভমূখী যোগাযোগ প্রক্রিয়া হিসাবে ইন্টারনেটের সাথে সম্পৃক্ত করেন। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৪,০৯৩.
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোনো একটি সংখ্যার মান বের করার জন্য নিচের কোনটি প্রয়োজন?
  1. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর নিজস্ব মান
  2. সংখ্যা পদ্ধতির বেইস বা ভিত
  3. সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে কোন একটি সংখ্যার মান বের করার জন্য ৩ টি ডেটার প্রয়োজন হয়।
যেমন - 
- সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর নিজস্ব মান
- সংখ্যা পদ্ধতির বেইস বা ভিত
- সংখ্যাটিতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলোর অবস্থান বা স্থানীয় মান
[তথ্যসূত্র - তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রজুক্তি(প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ১৯১]
৪,০৯৪.
বর্তমান বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) সামিট
  2. খ) পরম
  3. গ) ফুগাকো
  4. ঘ) জেনিথ
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি জাপানের ফুগাকো সুপার কম্পিউটার বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটারের মর্যাদা লাভ করেছে। এই কম্পিউটারটি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় ব্যবহার হচ্ছে।
Source: BBC
৪,০৯৫.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে না?
  1. Bitdefender
  2. AVG
  3. Spotify
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা
• Spotify:
- Spotify একটি মিউজিক স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম, যা অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।
- এটি ব্যবহারকারীদের গান শোনা এবং প্লেলিস্ট তৈরি করার সুযোগ দেয়, কিন্তু এটি কম্পিউটার সুরক্ষার জন্য কোনও ফিচার বা সেবা প্রদান করে না।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার এন্টিভাইরাসের নাম:
- Norton Antivirus,
- McAfee Total Protection,
- Avast Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Bitdefender Antivirus,
- Windows Defender (Microsoft Defender Antivirus),
- ESET NOD32 Antivirus,
- Trend Micro Antivirus+ Security,
- Sophos Home,
- AVG Antivirus, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,০৯৬.
কম্পিউটার র‍্যাম প্রধানত কয় ধরনের?
  1. অসংখ্য
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত। র‍্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভােলাটাইল বলা হয়।
র‍্যাম দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
প্রথম দিকে পিসিতে DRAM ব্যবহৃত হতাে, বর্তমানে উভয় প্রকার RAM-ই ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৪,০৯৭.
কম্পিউটার নিচের কোন ভাষাটি ব্যবহার করে?
  1. ক) প্রসেসিং
  2. খ) বাইনারি
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) প্রতিনিধিত্বমূলক
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির লজিক গেটে এই সংখ্যাপদ্ধতির ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে। তাছাড়া প্রায় সকল আধুনিক কম্পিউটারে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে প্রতিটি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
৪,০৯৮.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া?
  1. ম্যাগনেটিক ড্রাম
  2. ম্যাগনেটিক টেপ
  3. ম্যাগনেটিক কোর মেমোরি
  4. কম্প্যাক্ট ডিস্ক
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )
৪,০৯৯.
ফাংশন কী গুলো সাধারণত কত পর্যন্ত থাকে?
  1. F1 থেকে F6
  2. F1 থেকে F12
  3. F1 থেকে F24
  4. F1 থেকে F10
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী গুলো সাধারণত F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,১০০.
ইথেরিয়াম মূলত কী হিসেবে পরিচিত?
  1. সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
  2. ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট প্ল্যাটফর্ম 
  3. ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং সার্ভিস
ব্যাখ্যা

• ইথেরিয়াম মূলত একটি ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত। এটি ২০১৫ সালে ভিটালিক বুটারিন কর্তৃক তৈরি করা হয়। ইথেরিয়ামের নিজস্ব ক্রিপ্টোকারেন্সিকে “ইথার” (ETH) বলা হয়, যা লেনদেন ও বিভিন্ন ব্লকচেইন ভিত্তিক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। ইথেরিয়ামের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চুক্তি সম্পন্ন করে এবং মধ্যস্বত্বভোগীর প্রয়োজন নেই। এটি ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাপ্লিকেশন (DApps) তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, ইথেরিয়াম শুধুমাত্র একটি ডিজিটাল মুদ্রা নয়, এটি একটি বহুমুখী ব্লকচেইন প্ল্যাটফর্ম যা আর্থিক লেনদেন, চুক্তি ও বিভিন্ন ডিজিটাল সেবার জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত হচ্ছে।

- সঠিক উত্তর: খ) ক্রিপ্টোকারেন্সি এবং স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট প্ল্যাটফর্ম।
 
• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে। 
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়। 
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল। 
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়। 
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়। 
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

এছাড়াও,
• বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।