বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৪০ / ৮২ · ৩,৯০১৪,০০০ / ৮,১৪১

৩,৯০১.
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট কয়টি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
ব্যাখ্যা
• CPU:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- CPU কে কম্পিউটারের ব্রেইন বলা হয়।
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট গঠিত। যথা-
১. Arithmatic Logic Unit
২. Control Unit
৩. Register

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯০২.
কোন সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন সমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে?
  1. ক) Web Crawler
  2. খ) Index Software
  3. গ) Query Software
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিনের কাজ করার নিজস্ব ধরন রয়েছে।
তবে প্রায় সব সার্চ ইঞ্জিনই তাদের কর্মপদ্ধতির জন্য একই উপকরণ ব্যবহার করে।
মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যার এর মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন সমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে।
সফটওয়্যারগুলো হলো
১। ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software)
২। ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software)
৩। কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৯০৩.
কম্পিউটারের Heart বলা হয় কোনটিকে?
  1. Memory
  2. Monitor
  3. CPU
  4. Disc
ব্যাখ্যা
CPU: 
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit. 
- কম্পিউটার ব্রেইন বা হার্ট বলতে CPU কে বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলকে বুঝায়। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- এটিই কম্পিউটারের সবকিছুর নিয়ন্ত্রক। 
- তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে CPU গঠিত। 
• ALU (Arithmetic Logic Unit), 
• Control Unit এবং 
• Memory/Register. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৯০৪.
কিউয়ার্টি কীবোর্ডে 'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি আছে?
  1. Y
  2. U
  3. R
  4. S
ব্যাখ্যা
• কিউয়ার্টি (QWERTY) কীবোর্ড হলো ইংরেজি টাইপিং কীবোর্ডের একটি প্রচলিত বিন্যাস, যার নামকরণ হয়েছে উপরের সারির প্রথম ছয়টি বর্ণ (Q, W, E, R, T, Y) অনুসারে। এই বিন্যাসে প্রতিটি বর্ণ একটি নির্দিষ্ট স্থানে সাজানো থাকে যেন টাইপ করার সময় আঙুলের গতি দ্রুত হয় ও হাতের অবস্থান স্বাভাবিক থাকে। এখন, প্রশ্ন অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে—'T' বর্ণের ঠিক ডান পাশে কোন বর্ণটি অবস্থান করে? যদি কীবোর্ডের উপরের সারি পর্যবেক্ষণ করি, তাহলে দেখতে পাই যে ‘T’-এর ঠিক ডান পাশে আছে 'Y' বর্ণটি। অর্থাৎ, বাম থেকে ডানে সাজানো বর্ণগুলোর ক্রম হলো: Q, W, E, R, T, Y, U, I, O, P। অতএব, সঠিক উত্তর: ক) Y.

• QWERTY:
- সবচেয়ে প্রচলিত লে-আউট।
- যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারত, বাংলাদেশ সহ অনেক দেশে ব্যবহৃত হয়।
- নাম এসেছে প্রথম ছয়টি অক্ষর থেকে: Q-W-E-R-T-Y

• AZERTY:
- এই লেআউট টি ফ্রান্স, বেলজিয়ামে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে A এবং Z দিয়ে শুরু হয়।

• QWERTZ:
- এই লেআউট টি জার্মানি ও মধ্য ইউরোপে ব্যবহৃত হয়।
- এখানে কীবোর্ডে  Y ও Z এর অবস্থান অদলবদল হয়।

তথ্যসূত্র: 
- KeyBoard layout, Microsoft.
- Introduction to Computers by Peter Norton.
৩,৯০৫.
CIH ভাইরাসটি এই উপনাম পেয়েছিল কারণ এটি:
  1. একটি ওয়ার্ম ছিল যা সার্ভারগুলোকে সংক্রমিত করেছিল
  2. ইমেইল সংযুক্তির মাধ্যমে ছড়িয়েছিল
  3. উইন্ডোজ রেজিস্ট্রি ক্ষতিগ্রস্ত করেছিল
  4. চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্যোগের তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল
ব্যাখ্যা
• CIH ভাইরাসটি "চেরনোবিল ভাইরাস" নামেও পরিচিত, কারণ এটি ২৬ এপ্রিল তারিখে সক্রিয় হতো - যে দিনটি ১৯৮৬ সালের চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্ঘটনার বার্ষিকী। এই কারণেই ভাইরাসটি এই উপনাম পেয়েছিল। এটি ছিল একটি ধ্বংসাত্মক ভাইরাস যা উইন্ডোজ-ভিত্তিক কম্পিউটারে আক্রমণ করে BIOS মুছে দিতে পারত, যার ফলে সিস্টেম চালু হতো না। ভাইরাসটি ইমেইলের মাধ্যমে ছড়ায়নি এবং এটি কোনো ওয়ার্ম ছিল না, বরং এটি মূলত এক্সিকিউটেবল ফাইলের মাধ্যমে ছড়াত।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো: ঘ) চেরনোবিল পারমাণবিক দুর্যোগের তারিখের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল।


• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম, যা বাইরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে। এটি মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে এবং মূল্যবান প্রোগ্রাম ও তথ্য নষ্ট করার পাশাপাশি অনেক সময় কম্পিউটারকে সম্পূর্ণ অচল করে দিতে পারে।
- CIH ভাইরাস-এর রচয়িতা হলেন Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও), যিনি তাইওয়ানের Tatung University-এর ছাত্র ছিলেন। তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে Chen Ing-hau (CIH)।
- এই ভাইরাসটি চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত। এটিকে Chernobyl বা Spacefiller নামেও ডাকা হয়।
- ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল, CIH বা চেরনোবিল ভাইরাসের আক্রমণে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯০৬.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে স্থানীয় মান (Place Value) কোন ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায়?
  1. ২ এর ঘাত
  2. ৮ এর ঘাত
  3. ১০ এর ঘাত
  4. ১৬ এর ঘাত
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যায় স্থানীয় মান হয় 20 , 21, 22, 23… অর্থাৎ দুই এর ঘাতের ভিত্তিতে বৃদ্ধি পায় ।

• বাইনারি সংখ্যাঃ

- বাইনারি সংখ্যাতেও প্রত্যেকটি অঙ্কের একটি স্থানীয় মান রয়েছে।
- দশমিক সংখ্যায় স্থানীয় মান 100, 101, 102 … এভাবে বেড়ে যায়।
- বাইনারি সংখ্যায় 20, 21, 22, 23 … এভাবে বেড়ে যায়।
- ভগ্নাংশ প্রকাশ করার জন্য দশমিক বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 10-1, 10-2, 10-3 … এভাবে কমে।
- ঠিক সেরকম বাইনারি সংখ্যায় বাইনারি বিন্দুর পর অঙ্কগুলো 2-1, 2-2, 2-3 … এভাবে কমে।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৩,৯০৭.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Sun Solaries
  2. খ) XENIX
  3. গ) MAC OS
  4. ঘ) COBOL
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেমসমূহ হলাে-
- MS-DOS or PC-DOS,
- WINDOWS 95 / 98 / 2000 / XP / 7 /10 ,
- OS/2,
- UNIX,
- LINUX,
- MAC OS,
- Sun Solaries,
- XENIX,
- WINDOWS NT ইত্যাদি।
- COBOL কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)]
৩,৯০৮.
কম্পিউটারে গণনার একক কোনটি?
  1. ক) সেন্টিমিটার
  2. খ) বাইট
  3. গ) ডেসিবল
  4. ঘ) মিটার
ব্যাখ্যা
বাইনারি পদ্ধতিতে কম্পিউটার গণনার একক বাইট। উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৩,৯০৯.
What is the correct definition of BUG?
  1. A type of computer virus
  2. A logical error in a program
  3. Documenting programs
  4. All of the above
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে কোনো ভুল বা ত্রুটিকে 'Bug' (বাগ) বলা হয়।
- এটি মূলত প্রোগ্রামের এমন একটি ত্রুটি যার ফলে প্রোগ্রামটি ভুল ফলাফল দেয় বা অপ্রত্যাশিতভাবে আচরণ করে। সহজভাবে বলতে গেলে, প্রোগ্রামের যুক্তিতে (Logic) ভুল থাকাই হলো বাগ।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- লজিক্যাল এরর (Logical Error): প্রোগ্রামের যুক্তিতে ভুল, যা ডিটেক্ট করা সবচেয়ে কঠিন।
- সিনট্যাক্স এরর (Syntax Error): প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- রান-টাইম এরর (Run-time Error) ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল: মেমোরি বা অন্য কোনো সীমাবদ্ধতার কারণে প্রোগ্রাম চলাকালীন ত্রুটি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৯১০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয় কোনটি?
  1. C#
  2. Python
  3. COBOL
  4. C++
ব্যাখ্যা
• COBOL অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১১.
অ্যানড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণের নাম কি?
  1. ক) অ্যানড্রয়েড কিউ
  2. খ) অ্যানড্রয়েড পাই
  3. গ) অ্যানড্রয়েড ওরিও
  4. ঘ) অ্যানড্রয়েড ১১
ব্যাখ্যা
অ্যানড্রয়েড কিউ হল অ্যানড্রয়েডের দশম প্রধান সংস্করণ।
৩,৯১২.
প্রোগ্রাম রচনার প্রথম ধাপ কোনটি?
  1. ক) সমস্যা বিশ্লেষণ
  2. খ) প্রোগ্রাম উন্নয়ন
  3. গ) সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
  4. ঘ) প্রোগ্রাম ডিজাইন
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ:
- কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সময় পরিকল্পিত কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। এই ধাপসমূহ হলো: 

১. সমস্যা নির্দিষ্টকরণ:
- এটি প্রোগ্রাম রচনার প্রথম ধাপ।
- কোন সমস্যা সমাধানের জন্য প্রোগ্রামটি রচনা করা হবে তা পরিষ্কারভাবে বর্ণনা ও চিহ্নিত করা প্রয়োজন। এজন্য সব রকম তথ্যানুসন্ধান করতে হয়।

২. সমস্যা বিশ্লেষণ:
- সমস্যা নির্দিষ্ট করার পর সমস্যা সংশ্লিষ্ট সকল ডাটা বিশ্লেষণ করতে হবে।
- ডাটা বিশ্লেষণ করার জন্য চার্ট, গ্রাফ, তালিকা ইত্যাদির সাহায্য নিয়ে সমস্যাকে ছোট ছোট ভাগে বিভক্ত করে নিতে হয়। 

৩. প্রোগ্রাম ডিজাইন:
- প্রোগ্রাম ডিজাইন হলো সমস্যা সমাধানের জন্য বর্তমান সিস্টেমের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নতুন সিস্টেমের মূল রূপরেখা প্রণয়ন।

৪. প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন:
- প্রোগ্রাম রচনার পর প্রথমে প্রোগ্রামের প্রতিটি অংশ এবং পরে সম্পূর্ণ প্রোগ্রাম পরীক্ষা করে দেখতে হয়।
- এ সময় প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে প্রোগ্রামকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য উপযুক্ত করে সম্পূর্ণভাবে তৈরি করে নেয়া হয়। 

৫. প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন:
- ভুল সংশোধনের পর প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কাজ করলে তাকে Run programme বলা হয় এবং এ প্রোগ্রামকে ভবিষ্যতে সংরক্ষণের জন্য লিপিবদ্ধ করতে হয়। এ লিপিবদ্ধ প্রোগ্রামকে ডকুমেন্টেশন বলে। 

৬. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ:
- বিভিন্ন প্রয়োজনে ও প্রোগ্রামের উন্নতিকল্পে প্রোগ্রামের আধুনিকীকরণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ইত্যাদি প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৩.
নিচের কোনটি ভাইরাস নয়?
  1. সিআইএইচ
  2. স্টোন
  3. এভিজি
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা

• সিআইএইচ, স্টোন, এবং ট্রোজান হর্স—সবই কম্পিউটার ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার হিসেবে পরিচিত। সিআইইচ ভাইরাস মূলত ফাইল এবং হার্ড ড্রাইভের ডেটা ক্ষতি করতে পারে, আর স্টোন একটি বুট ভাইরাস যা সিস্টেম বুটের সময় সক্রিয় হয়। ট্রোজান হর্স ভাইরাসের মতো আচরণ করে, তবে এটি ব্যবহারকারীকে বিশ্বাস করতে সাহায্য করে এবং তারপর ক্ষতি বা তথ্য চুরি করে। অন্যদিকে, এভিজি (AVG) হলো একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস সনাক্ত এবং নির্মূল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এভিজি ভাইরাস নয়, বরং ভাইরাস প্রতিরোধের সফটওয়্যার।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯১৪.
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৫
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
যথা—
১। ডেটা বাস (Data Bus)
২। অ্যাড্রেস বাস ( Address Bus )
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৫.
CT scan দ্বারা কী বুঝায়?
  1. ক) Computed Thermography Scan
  2. খ) Computed Tomography Scan
  3. গ) Computed Transmit Scan
  4. ঘ) Computerized Transformed Scan
ব্যাখ্যা
চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার:
• বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 

• EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন।

• সিটি স্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়।
- সিটি স্ক্যান হল একটি ইমেজিং পরীক্ষা যা স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীদের রোগ এবং আঘাত সনাক্ত করতে সহায়তা করে।
- এটি হাড় এবং নরম টিস্যুগুলির বিশদ চিত্র তৈরি করতে এক্স-রে এবং কম্পিউটার ব্যবহার করে।
- সিটি স্ক্যান ব্যথাহীন।

• রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি।


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, Cleveland clinic.
৩,৯১৬.
নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?
  1. Router
  2. Switch
  3. Modem
  4. HUB
ব্যাখ্যা
• Modem ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়।

• মডেম:
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিৎয়ের ক্ষেত্রে মডেম গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- মডেম এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সহায়তা করে।
- মডেমের দুটি অংশ। যথা:
১. মডুলেটর ও
২. ডি-মডুলেটর।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের ক্রিয়াকে বলা হয় মডুলেশন।
- ডিমডুলেটর আ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডিমডুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৭.
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম নিচের কোনটি? 
  1. Norton
  2. Safari
  3. Informix
  4. Opera
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা-
- মাইক্রোসফ্‌ট অ্যাক্সেস,
- ওরাকল,
- মাইএসকিউএল,
- এসকিউএল সার্ভার,
- ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

অন্যদিকে,
- Norton - এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম।
- Safari ও Opera - ব্রাউজিং প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯১৮.
সাধারণভাবে কোন ক্যাশ লেভেলটি আকারে সবচেয়ে ছোট ও গতিতে সবচেয়ে দ্রুত?
  1. L1 Cache
  2. L2 Cache
  3. L3 Cache
  4. Main Memory
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে L1 ক্যাশ আকারে সবচেয়ে ছোট এবং গতিতে সবচেয়ে দ্রুত। এটি প্রসেসরের ভেতরে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং প্রসেসরের যেকোনো রেজিস্টারের সাথে খুব দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানে সক্ষম। L1 ক্যাশ সাধারণত কয়েক দশক কিলোবাইট (KB) সীমার মধ্যে থাকে, তাই এটি সীমিত কিন্তু অত্যন্ত দ্রুত। L2 এবং L3 ক্যাশ তুলনায় বড় হলেও ধীরগতির হয়, আর মেইন মেমরি (RAM) অনেক বড় হলেও তার এক্সেস টাইম অনেক বেশি। তাই CPU দ্রুততর প্রসেসিংয়ের জন্য L1 ক্যাশকে প্রথম স্তরের (Level 1) ডেটা স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহার করে, যা প্রোগ্রামের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। L1 ক্যাশের দ্রুততা এবং সরাসরি অ্যাক্সেস ক্ষমতার কারণে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৯১৯.
CPU-এর প্রধান কাজ নয় কোনটি?
  1. গাণিতিক যুক্তি সমাধান
  2. যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া
  3. স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা
  4. নির্দেশনা কার্যকর করা
ব্যাখ্যা
• স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা CPU-এর প্রধান কাজ নয়। 

• সিপিইউ:
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সিপিইউ (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

• সিপিইউ এর বৈশিষ্ট্য:
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। 
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর সংগঠন:
সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit)। 
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)। 
- স্মৃতি অংশ (Memory Unit)। 

• CPU-এর প্রধান কাজ:
→ গাণিতিক যুক্তি সমাধান:
- ALU (Arithmetic Logic Unit) দ্বারা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশন (AND, OR, NOT) সম্পাদন করে।
→ যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নেওয়া:
- ALU ও Control Unit যৌক্তিক অপারেশনের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয় (যেমন: IF...THEN শর্ত)।
→ নির্দেশনা কার্যকর করা:
- Control Unit প্রোগ্রামের প্রতিটি নির্দেশনা পড়ে এবং ALU, রেজিস্টার ইত্যাদিকে পরিচালনা করে।
→ ডেটা স্থানান্তর:
- রেজিস্টার, RAM, এবং I/O ডিভাইসের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে।

• ডেটা সংরক্ষণের জন্য RAM, ROM, হার্ড ডিস্ক, বা SSD ব্যবহৃত হয়।
- CPU শুধু অস্থায়ী ডেটা রেজিস্টারে রাখে (যেমন: Cache), যা পাওয়ার অফ করলে মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।
৩,৯২০.
Ethernet uses-
  1. ক) Bus topology
  2. খ) Ring topology
  3. গ) Star topology
  4. ঘ) Tree topology
ব্যাখ্যা
Bus topology : A bus topology is a topology for a Local Area Network (LAN) in which all the nodes are connected to a single cable. The cable to which the nodes connect is called a ''backbone''. If the backbone is broken, the entire segment fails. Bus topologies are relatively easy to install and don't require much cabling compared to the alternatives.
The bus topology is e.g. used by Ethernet networks.
Source: Networking Fundamentals
৩,৯২১.
আধুনিক স্মার্টফোনে চার্জিং ও ডেটা আদান-প্রদানের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. USB
  2. VGA
  3. HDMI
  4. LAN Port
ব্যাখ্যা

- USB-এর পূর্ণরূপ হলো Universal Serial Bus (ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস)।
- এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তি যা কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসের (যেমন: মাউস, কীবোর্ড, প্রিন্টার, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি) মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়
- এটি প্লাগ-এন্ড-প্লে প্রযুক্তির মাধ্যমে সহজে সংযুক্ত করা যায় এবং বর্তমানে স্মার্টফোন চার্জিংয়েও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়। সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে। 
- USB ধরন: USB 2.0, USB 3.0, এবং আধুনিক USB Type-C ।
- আগের প্রযুক্তির তুলনায় ডেটা ট্রান্সফার দ্রুততর এবং এটি সার্বজনীন অর্থাৎ, একটিমাত্র পোর্টের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ডিভাইস ব্যবহার করা সম্ভব।

উৎস:
১। Lenovo [Link]
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২২.
১০২৪ পেটাবাইট = ?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1 টেরাবাইট
  3. 1 এক্সাবাইট
  4. 1024 ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯২৩.
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য কী?
  1. এটি শুধু গেমিং এর জন্য ডিজাইন করা
  2. এটি শুধু মাইক্রোসফট দ্বারা ব্যবহার করা যায়
  3. এটি শুধু Apple কম্পিউটারে চলে
  4. বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা

◉ লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি একটি ওপেন সোর্স (Open Source) সফটওয়্যার। 

লিনাক্স:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯২৪.
হাফ-অ্যাডারের সম আউটপুটের লজিক সার্কিট কোন গেটের উপর নির্ভর করে?
  1. NAND
  2. AND
  3. XOR
  4. OR
ব্যাখ্যা

• হাফ-অ্যাডার হলো একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা দুটি একবিট ইনপুটকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয়। হাফ-অ্যাডারের দুটি আউটপুট থাকে—Sum এবং Carry। এখানে Sum আউটপুটটি নির্ধারিত হয় ইনপুট দুটির XOR (Exclusive OR) অপারেশনের মাধ্যমে, কারণ XOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন ইনপুটের মধ্যে ঠিক একটি ‘1’ থাকে। অন্যদিকে, Carry আউটপুটের জন্য AND গেট ব্যবহৃত হয়, কারণ Carry তখনই ‘1’ হয় যখন উভয় ইনপুটই ‘1’ হয়। তাই হাফ-অ্যাডারের মূলত Sum আউটপুটের লজিক সার্কিট নির্ভর করে XOR গেটের উপর, যা ইনপুটের পার্থক্য সঠিকভাবে প্রকাশ করে।

উত্তর: গ) XOR.

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৯২৫.
কম্পিউটারের জাস্টিফাইড কমান্ড দিলে এলাইনমেন্ট কোন দিকে যাবে?
  1. বাম দিকে
  2. ডান দিকে
  3. মাঝ বরাবর
  4. সবদিকে সমান
ব্যাখ্যা
ডকুমেন্টের এলাইনমেন্ট: 
- কোন ডকুমেন্টের প্যারাগ্রাফ মার্জিনের কোন দিকে মিশে থাকবে তা এলাইনমেন্টের দ্বারা নির্ধারণ করা হয়। 
- সাধারণত প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট বামদিকে থাকে। 
- প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট চার ধরনের হতে পারে। 
- বামদিক থেকে, ডানদিক থেকে, মাবা বরাবর অথবা সবদিকে সমান (জাস্টিফাইভ) প্যারাগ্রাক এলাইন করা যায়। 
- কোন প্যারাগ্রাফের এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে তা নির্বাচন করতে হয়, তারপর এলাইনমেন্ট করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
৩,৯২৬.
উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা COBOL কী উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়?
  1. Business data processing applications
  2. Application Programming Interface
  3. Mathematical data processing applications
  4. Scientific data processing applications
ব্যাখ্যা
- COBOL এর পূর্ণরূপ Common Business Oriented Language. 
- COBOL হলো একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। 
- ১৯৬০ সালে Dr. Grass Hopper আবিস্কার করেন COBOL. 
- ইহা একটি বিজনেস এপ্লিকেশন ল্যাঙ্গুয়েজ। 
৩,৯২৭.
Xenix কোন কোম্পানির জন্য তৈরি করা হয়?
  1. IBM
  2. Microsoft
  3. Intel
  4. Google
ব্যাখ্যা

- Xenix হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি UNIX-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি মূলত মাইক্রোপ্রসেসর-ভিত্তিক কম্পিউটারগুলোর জন্য তৈরি করা হয়েছিল।
- এটি তৈরি করা হয়েছিল ১৯৭৯ সালে।
- Xenix ছিল মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং সিস্টেম, যা UNIX-এর মতোই কাজ করত।

- প্রাথমিকভাবে Intel 8086, PDP-11, Zilog Z8000 ইত্যাদি 16-bit কম্পিউটারের জন্য অভিযোজিত।
- পরবর্তীতে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে Santa Cruz Operation (SCO) Xenix-এর উন্নয়ন চালায়।

- Xenix ছিল প্রথম UNIX-ভিত্তিক OS যা পিসি এবং ছোট কম্পিউটার বাজারে ব্যবহার করা হয়।
- এটি UNIX-এর ধারণাকে ছোট ও কম ব্যয়বহুল সিস্টেমে আনতে সাহায্য করেছিল।
- SCO Xenix পরবর্তীতে SCO UNIX হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: Microsoft. [লিংক]

৩,৯২৮.
'ল্যাপটপ' হলো এক ধরনের-
  1. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  2. ছোট কুকুর
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিটার
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ হলো এক ধরনের ছোট কম্পিউটার।

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ওজনে হালকা, আকারে ছোট এবং সহজে বহনযোগ্য।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL)।
- দোয়েল ল্যাপটপ তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড (টেশিস)।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. dw.com
৩,৯২৯.
নিচের কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) Excel
  3. গ) MySQL
  4. ঘ) Access
ব্যাখ্যা
MS Excel একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার।
৩,৯৩০.
Which device is used as both an input and output device?
  1. Modem
  2. Printer
  3. OMR
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
→ যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
→ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩১.
সর্বপ্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে কোন কোম্পানি?
  1. মাইক্রোসফট
  2. ইন্টেল
  3. এপসন
  4. ইয়াহু
ব্যাখ্যা
• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সারে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা এবং Live MCQ লেকচার শীট।
৩,৯৩২.
কোন কম্পিউটার অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়ে তৈরি করা হয়েছে?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. হাইব্রিড কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মাইক্রোকম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্ৰদান করে।
- এটি বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন: মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৩.
1F এর সমতুল্য বাইনারি কত? 
  1. 00011110
  2. 00011111
  3. 00101101
  4. 00101111
ব্যাখ্যা
- 1F হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারিতে প্রকাশ করার জন্য প্রতি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে সমতুল্য ৪ বিট বাইনারিতে প্রকাশ করতে হবে। 
- 1 এর সমতুল্য বাইনারি = 0001 
- F এর সমতুল্য বাইনারি = 1111 
1F এর সমতুল্য বাইনারি = 00011111.
৩,৯৩৪.
যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে কোন কম্পোনেন্টটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. RAM
  2. Hard Drive
  3. Registers
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• যদি সিপিইউকে খুব দ্রুত অল্প পরিমাণ তথ্য অ্যাক্সেস করতে হয়, তাহলে রেজিস্টার (গ) Registers সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউর ভেতরে থাকা অতি দ্রুতগতি সম্পন্ন মেমোরি ইউনিট যা খুব ছোট পরিমাণ তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। এটি RAM বা অন্য মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত কাজ করে। যখন সিপিইউ কোনো ডেটা বা নির্দেশনা (instruction) প্রক্রিয়া করে, তখন সেই তথ্য সাময়িকভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত হয়। রেজিস্টারের এই উচ্চগতি এবং সিপিইউর সরাসরি নিয়ন্ত্রণাধীন থাকার কারণে এটি অল্প পরিমাণ তথ্য দ্রুত অ্যাক্সেস করার জন্য সবচেয়ে কার্যকর উপাদান। RAM, ROM এবং হার্ড ড্রাইভ তুলনামূলকভাবে ধীর এবং সিপিইউ থেকে দূরে অবস্থান করে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৯৩৫.
১০২৪ টেরাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১ গিগাবাইট
  2. ১ টেরাবাইট
  3. ১ পেটাবাইট
  4. ১ এক্সাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit,
8 Bits = 1 Byte.

1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte),
1024 KB = 1 MB (Mega Byte),
1024 MB = 1 GB (Giga Byte),
1024 GB = 1 TB (Terra Byte),
1024 TB = 1 PB (Petabyte),
1024 PB = 1 EB (Exa Byte).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৬.
ROM BIOS-এ সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী কী নামে পরিচিত?
  1. সফটওয়্যার
  2. হার্ডওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. হিউম্যানওয়্যার
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হলো কম্পিউটার বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বা কোডের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রণ করে এবং সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে।
- উদাহরণস্বরূপ, ROM BIOS বা UEFI-তে সংরক্ষিত ডেটা এবং নির্দেশাবলী হলো ফার্মওয়্যার।

হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের ভৌত অংশ, যা দেখা যায়, স্পর্শ করা যায় এবং যন্ত্রাংশগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, হার্ড ডিস্ক, SSD, RAM, কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো প্রোগ্রাম বা নির্দেশাবলীর সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে নির্দেশনা দিয়ে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় কাজ সম্পাদন করে।
- এটি দুই ধরনের হতে পারে: সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন: অপারেটিং সিস্টেম, ডিভাইস ড্রাইভার) এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (যেমন: MS Office, Adobe Photoshop, ভিডিও প্লেয়ার)।

হিউম্যানওয়্যার:
- হিউম্যানওয়্যার হলো কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে জড়িত মানুষ, যারা ডেটা সংগ্রহ, প্রোগ্রামিং, সিস্টেম ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সাধন, এবং কম্পিউটার পরিচালনার মতো কাজ করে।
- এর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামার, সিস্টেম অ্যানালিস্ট, নেটওয়ার্ক ইঞ্জিনিয়ার, টেকনিশিয়ান, এবং সাধারণ ব্যবহারকারী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৩৭.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. 1010
  2. 0100
  3. 0011
  4. 1100
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান: 
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011  ।

৩,৯৩৮.
Trojan Horse কীভাবে অন্য ভাইরাস থেকে আলাদা?
  1. এটি কেবল RAM এ থাকে
  2. এটি Boot Sector আক্রমণ করে
  3. এটি সবসময় কোড পরিবর্তন করে
  4. এটি নিজেকে বৈধ সফটওয়্যারের মতো ছদ্মবেশে রাখে
ব্যাখ্যা

◉ Trojan Horse (ট্রোজান হর্স) হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার, যা নিজেকে বৈধ বা উপকারী সফটওয়্যারের মতো ছদ্মবেশে উপস্থাপন করে। ব্যবহারকারী যখন এটিকে বিশ্বাস করে ইনস্টল বা রান করে, তখন এটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং ক্ষতিকর কাজ শুরু করে (যেমন—ডেটা চুরি, ব্যাকডোর তৈরি, সিস্টেম ক্র্যাশ ইত্যাদি)।

​Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: অ্যাডওয়্যার (Adware), স্পাইওয়্যার (Spyware), ট্রোজান হর্স (Trojan Horse), র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware), ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

​উল্লেখ্য, 
​ভাইরাস (Virus): এটি এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা নিজেকে অন্য ফাইল বা প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত করে কপি হয় এবং এক ফাইল থেকে অন্য ফাইলে ছড়ায়।

​ওয়ার্ম (Worm): ভাইরাসের মতো ফাইলের প্রয়োজন হয় না। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সিস্টেমকে ধীর বা অকেজো করে দিতে পারে।

​স্পাইওয়্যার (Spyware): এটি ব্যবহারকারীর কার্যকলাপ গোপনে নজরদারি করে এবং ব্যক্তিগত তথ্য (যেমন পাসওয়ার্ড, ব্রাউজিং হিস্ট্রি বা ব্যাংক তথ্য) সংগ্রহ করে আক্রমণকারীর কাছে পাঠায়।

​উৎস: 
​১। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৩৯.
মূল তথ্যকে গোপন করার পদ্ধতিকে কি বলা হয়?
  1. ক) Data Syncronization
  2. খ) Data Modulation
  3. গ) Data Hidden
  4. ঘ) Data Encryption
ব্যাখ্যা
Data Encryption: ডাটাবেজে ব্যবহৃত ডাটা কে গোপন করার পদ্ধতিকে ডাটা এনক্রিপশন বলা হয়।
Data Modulation: মডেম এর মাধ্যমে ডিজিটাল সিগনালকে এনালগ সিগনালে রুপান্তরিত করার পদ্ধতিকেই ডাটা মডুলেশন বলা হয়।
Data Syncronization: ব্যবহৃত ডাটা কে সুনির্দিষ্ট প্যাটার্নে সাজানোর প্রক্রিয়াকে ডাটা সিনক্রোনাইজেশন বলে।
৩,৯৪০.
নিচের কোনটি একই সাথে ট্রান্সমিটার ও রিসিভার?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) ক্যামেরা
  3. গ) রাউটার
  4. ঘ) কম্পিউটার কী-বাের্ড
ব্যাখ্যা
১. সাের্স : ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, কম্পিউটার কী-বাের্ড ইত্যাদি
২. ট্রান্সমিটার : মডেম, রাউটার, টিভি স্টেশন, রেডিও স্টেশন, টেলিফোন ও মােবাইল ফোন কোম্পানির এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৩. মিডিয়াম : টেলিফোন লাইন, ফাইবার অপটিক ক্যাবল, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি
৪. রিসিভার : মডেম, রাউটার, টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি।
৫, ডেসটিনেশন : কম্পিউটার, সার্ভার, টেলিফোন বা মােবাইল ফোন ইত্যাদি।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি
৩,৯৪১.
ডাটা ট্রান্সফার গতি সবচেয়ে বেশি-
  1. ন্যারো ব্যান্ডের
  2. ভয়েস ব্যান্ডের
  3. ব্রডব্যান্ডের
  4. সবগুলোর গতি সমান
ব্যাখ্যা
ডাটা ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইডথকে তিনভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২। ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩। ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)
ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা ঝঁনঠড়রপব ইধহফ বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকেব্যবহার করা হয়।
ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি ৯৬০০ bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয়।তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকেকম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।
ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রডব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৪২.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) Harmony OS
  2. খ) SUN SOLARIS
  3. গ) UNIX
  4. ঘ) Linux
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- harmony OS,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu, Mint, Debian, Red Hat, Cent OS, Fedora, Kali, Linux, Arch Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৯৪৩.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ট্রানজিস্টর ব্যবহার
  2. প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে প্রক্রিয়াকরণ
  3. বায়ুশূন্য ভালব ব্যবহার
  4. বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী বা Very Large Scale Integration (VLSI) সার্কিট ব্যবহার, যা মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিতে সহায়তা করেছিল। 

চতুর্থ প্রজন্ম (Fourth Generation 1971-): 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল হল ১৯৭১ সাল হতে বর্তমান সময় পর্যন্ত। এই সময়ে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পায় এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতাও অধিক বৃদ্ধি পায়। 
- ১৯৭১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইনটেল কোম্পানি এমএসসি-৪ (MSC-4) নামে একটি মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে, এই মাইক্রোপ্রসেসরে মোট ২২০০ টি ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহার করা হয়েছিল। 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে (Chip) ধারণ করা সম্ভব হয়। বর্তমানে প্রায় ১ বর্গ ইঞ্চির একটিমাত্র চিপে ৩০ লাখ পর্যন্ত ট্রনজিস্ট্রর সন্নিবেশিত করে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। 
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার, অধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা, উন্নত কার্যকারিতা ও নির্ভলশীলতা। 
- এই সময়ই প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রচলন শুরু হয় এবং মাইক্রোকম্পিউটারের আবির্ভাব ও বিকাশ ঘটে। 
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য কম্প্যাক্ট ডিস্ক (Compact Disc) বা সিডি (CD) তৈরি হয়। 
যেমন- IBM PS/2, Apple Macintosh ইত্যাদি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৪.
একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য কোন ধরনের সম্পর্ক ব্যবহৃত হয়?
  1. One-to-one
  2. One-to-many
  3. Self-referencing
  4. Many-to-many
ব্যাখ্যা

• একাধিক চাইল্ডকে একটি প্যারেন্টের সাথে যুক্ত করার জন্য One-to-many (এক-থেকে-অনেক) সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি প্যারেন্ট এককভাবে থাকে, কিন্তু তার সাথে অনেকগুলো চাইল্ড সম্পর্কিত থাকতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলে একটি শিক্ষক থাকতে পারে, কিন্তু তার অধীনে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে। ডাটাবেসে এই সম্পর্ক সাধারণত প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী এবং চাইল্ড টেবিলের ফরেন কী ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠিত হয়। One-to-one সম্পর্ক একে এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many সম্পর্ক দুই দিকেই একাধিক যুক্তি দেয়, আর Self-referencing সম্পর্ক নিজেই নিজেকে রেফার করে।
- তাই একাধিক চাইল্ডের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো One-to-many.

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে। 

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৫.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কী বলে?
  1. কার্নেল
  2. ইউজার ইন্টারফেস
  3. ফাইল ম্যানেজার
  4. ফাইল সিস্টেম
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামসমষ্টি ব্যবহৃত হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• কার্নেল:
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে কার্নেল বলে।
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৪৬.
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
৩,৯৪৭.
Which of the following is a modifier key?
  1. F2
  2. Home
  3. Backspace
  4. Ctrl
ব্যাখ্যা

• Ctrl (Control) হলো একটি মডিফায়ার কী কারণ এটি অন্য কোনো কী-এর সাথে সমন্বিত হয়ে বিশেষ কমান্ড বা শর্টকাট (যেমন: Ctrl+C) হিসেবে কাজ করে। মডিফায়ার কী মূলত কোনো কী-এর সাধারণ আউটপুটকে পরিবর্তন বা মডিফাই করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Shift এবং Alt-ও মডিফায়ার কী-এর অন্তর্ভুক্ত।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, End key, Page Up, Page Down, Insert, Delete ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Ctrl (Control), Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা।

৩,৯৪৮.
নিচের কোনটি মডিফায়ার কী?
  1. Home
  2. Insert
  3. Alt
  4. F1
ব্যাখ্যা
• কী-বোর্ড:
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• ফাংশন কী:
- কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- কী-বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arrow Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- Ctrl, Alt, the Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
৩,৯৪৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর নয়?
  1. Spyware
  2. Firmware
  3. Ransomware
  4. Malware
ব্যাখ্যা
Firmware (ফার্মওয়্যার):
- Firmware (ফার্মওয়্যার) হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি ।
- কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে।
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার।
- BIOS- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Basic input/output system."
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।

কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রামসমূহ নিম্নরূপ:
- Trojan Horse,
- Malware,
- Spyware,
- Worms,
- Ransomware,
- Adware,
- Spam.

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৯৫০.
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. PASCAL
  2. COBOL
  3. Python
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়। 
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা- 
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language), 
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language), 
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language), 
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language) এবং 
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)  । 

তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা: 
- যে প্রোগ্রামিং ভাষার প্রতীক এবং শব্দসমূহ সাধারণত গাণিতিক ও ইংরেজি ভাষার মতো এবং যা মযনুষের জন্য সহজে বোধগম্য, সেই প্রোগ্রামিং ভাষাকে উচ্চস্তরের (3G) প্রোগ্রামিং ভাষা বলে। 
- কয়েকটি জনপ্রিয় উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা হলো- C, C++, Python, FORTRAN, ALGOL, COBOL, BASIC, PASCAL, Visual Basic, PHP, Java, Javascript ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৯৫১.
মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. Optical Character Recognition
  2. Scanner
  3. Optical Mark Reader
  4. Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা
• ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

• স্ক্যানার (Scanner):
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

• ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।

• এমআইসিআর (MICR):
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫২.
কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. HTML
  2. Python
  3. SQL
  4. BASIS
ব্যাখ্যা
• Python অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:

- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৩.
কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি কোনটি?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) Hard disc
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি RAM.
 
র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন স্মৃতিও বলা হয়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল সৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৫৪.
প্রোগ্রামের ব্যাকরণগত ভুল বলতে কী বোঝায়?
  1. সিনট্যাক্স ভুল
  2. লজিক ভুল
  3. রান টাইম ভুল
  4. এক্সিকিউশন টাইম ভুল
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামের ভুল:
- প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bug)।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা-
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।

- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল।
- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৯৫৫.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
বিট (Bit) :
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।

বাইট (Byte) :
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট।
- বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।

মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ বাইট = ১ কিলোবাইট (1 KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (1 MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (1 GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (1 TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৫৬.
পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয় কোন অংশ?
  1. ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার
  2. সার্জ সাপ্রেসর
  3. প্রধান বিদ্যুৎ উৎস
  4. ব্যাটারি চার্জার
ব্যাখ্যা

• সার্জ সাপ্রেসর পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমে হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে যন্ত্রপাতিকে সুরক্ষা দেয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ (Power Backup):
- মেইন পাওয়ার সাপ্লাই বন্ধ হয়ে গেলে গুরুত্বপূর্ণ বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যেন নিরবিচ্ছিন্নভাবে চালু থাকে, সেই উদ্দেশ্যে পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
- এতে সাধারণত একটি ব্যাটারি ব্যাংক থাকে।
- মেইন পাওয়ার থাকাকালে ব্যাটারি চার্জ হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে সংরক্ষিত শক্তি ব্যবহার করে যন্ত্রপাতি চালু রাখা হয়।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রধান অংশগুলো:
- Utility → প্রধান বিদ্যুৎ উৎস।
- EMI/RFI Filter → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমায়।
- Surge Suppressor → হঠাৎ ভোল্টেজ বেড়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা দেয়।
- Transfer Switch → মেইন পাওয়ার ও ব্যাকআপ পাওয়ারের মধ্যে পরিবর্তন ঘটায়।
- AVR (Automatic Voltage Regulator) → ভোল্টেজ স্থিতিশীল রাখে।
- Battery Charger → ব্যাটারি চার্জ করে রাখে।
- Inverter → ডিসি বিদ্যুৎকে এসি বিদ্যুতে রূপান্তর করে।

• পাওয়ার ব্যাকআপ সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- IPS (Instant Power Supply)।
- UPS (Uninterrupted Power Supply)।
- EPS (Emergency Power Supply)।
- QPS (Quick Power Supply)।

• অন্যান্য অপশন:
- ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ফিল্টার → ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ও রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি নয়েজ কমাতে ব্যবহৃত হয়।
- প্রধান বিদ্যুৎ উৎস → এটি বিদ্যুতের মূল সরবরাহ উৎস।
- ব্যাটারি চার্জার → ব্যাটারি চার্জ করে শক্তি সংরক্ষণ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), মোঃ মাহবুবুর রহমান।

৩,৯৫৭.
10110 + 11111 বাইনারি সংখ্যার যোগফল কত?
  1. ক) 11001
  2. খ) 11011
  3. গ) 110111
  4. ঘ) 110101
ব্যাখ্যা
0 + 0 = 0
0 + 1 = 1
1 + 0 = 0
1 + 1 = 10

বাইনারি দুইটি ১ যোগ করলে যোগফল শূন্য, হাতে থাকবে ১
বাইনারি তিনটি ১ যোগ করলে যোগফল ১, হাতে থাকবে ১ 

10110 + 11111
= 110101
৩,৯৫৮.
কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Hard Disk
  4. ঘ) Compact Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ প্রকার; যথা - RAM ও ROM।
RAM - কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
ROM - রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব স্মৃতি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে। রমের স্মৃতিতে সংরক্ষিত কোন তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি বলা হয়। কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কার্যপ্রক্রিয়া অতি দ্রুত সম্পাদন করতে পারবে।
উল্লেখ্য, হার্ড ডিস্ক ও সিডি - কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর কম্পিউটার শিক্ষা বই (উন্মুক্ত)।

৩,৯৫৯.
অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থায় কোন অঙ্ক ব্যবহার করা যায়?
  1. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7 
  2. 0, 1, 3, 5, 7, 9, 11
  3. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 9
  4. 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা ব্যবস্থা হল একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ভিত্তি ৮ ব্যবহার করে। অর্থাৎ, এই ব্যবস্থায় ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়। অন্য কোনো সংখ্যা যেমন ৮ বা ৯ এখানে থাকতে পারে না। প্রতিটি অঙ্কের মান ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, এবং ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ বাইনারি সংখ্যাকে সহজে অক্টালে রূপান্তর করা যায়। এই পদ্ধতি ব্যবহার করলে বড় বাইনারি সংখ্যাকে ছোট এবং সহজ রূপে লেখা যায়। তাই অক্টাল সংখ্যায় শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়।

সঠিক উত্তর: ক) 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

৩,৯৬০.
32-বিট অপারেটিং সিস্টেম প্রবেশ করতে পারে-
  1. ক) 232 memory addresses
  2. খ) 264 memory addresses
  3. গ) 286 memory addresses
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

একটি 32-বিট অপারেটিং সিস্টেম 232 বা 4,294,967,296টি মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।
অর্থাৎ, 4গিগাবাইট র‍্যাম বা Physical Memory আদর্শভাবে 4 গিগাবাইটেরও বেশি র‍্যাম অ্যাক্সেস করতে পারে।

একটি 64-বিট অপারেটিং সিস্টেম 264 বা 18,446,744,073,709,551,616 (18 ট্রিলিয়ন) মেমরি অ্যাড্রেসে অ্যাক্সেস করতে পারে।

৩,৯৬১.
MS Office এর কোন সফটওয়্যার ডেটাবেজ নিয়ে কাজ করে?
  1. MS Groove
  2. MS Access
  3. MS Infopath
  4. MS Powerpoint
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সেস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৬২.
সিরিয়াল পোর্টে কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৯
  3. গ) ১৫
  4. ঘ) ২৫
ব্যাখ্যা
পোর্ট (Port)
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port)
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৬৩.
কোনটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. ক) ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. খ) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. গ) অনুবাদক প্রোগ্রাম
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
•  কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যার প্রধানত দুইপ্রকার।
   i) সিস্টেম সফটওয়্যার ও
   ii) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• অ্যাপ্লিকেশন বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার আবার দু প্রকার। যথা:
    i) প্যাকেজ প্রোগ্রাম ও
    ii) কাস্টোমাইজড সফটওয়্যার।

• প্যাকেজ প্রোগ্রাম ব্যবহারকারীদের কাজের ধরন ও চাহিদার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।
ডেটাবেজ, ওয়ার্ড প্রসেসিং, স্প্রেডশীট, গ্রাফিক্স ইত্যাদি প্যাকেজ প্রোগ্রামের উদাহরণ।

• অন্যদিকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম, অনুবাদক প্রোগ্রাম ও অপারেটিং সিস্টেম হলো সিস্টেম সফটওয়্যার।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা : এসএসসি প্রোগ্রাম – উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৬৪.
POST means
  1. Proper Operating Service Terminal
  2. Post Office Sale Terminal
  3. Point of Sale Terminal
  4. None of the Above
ব্যাখ্যা
'POST' এর পূর্ণরূপ- Power-On Self Test.
- Power-On Self Test হল একটি ডায়াগনস্টিক প্রক্রিয়া,  যখন কম্পিউটারটি প্রথম চালু বা রিবুট করা হয় তখন কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি এই প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায়।
- এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হল অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার উপাদানগুলি সঠিকভাবে কাজ করছে কিনা তা পরীক্ষা করা এবং যাচাই করা। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৩,৯৬৫.
বিশ্বের প্রথম গণনাকারী যন্ত্র কোনটি?
  1. ক) নেপিয়ারের অস্থি
  2. খ) এবাকাস
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনিয়াক
ব্যাখ্যা
ধারণা করা হয় ব্যাবিলনে ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বে এবাকাস নামক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করা হয়৷ এবাকাসকেই প্রথম গণনাযন্ত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়৷ অপশনগুলোর মধ্যে বাকিগুলো কম্পিউটারের ইতিহাসের সাম্প্রতিকতম আবিষ্কার৷
৩,৯৬৬.
PC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Private Computer
  2. খ) Prime Computer
  3. গ) Personal Computer
  4. ঘ) Professional Computer
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
৩,৯৬৭.
EBCDIC কোডটি কত বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ?
  1. 4-বিট
  2. 6-বিট
  3. 7-বিট
  4. 8-বিট
ব্যাখ্যা
• EBCDIC কোডটি আট বিটের বিসিডি কোডের সম্প্রসারিত সংস্করণ।

• ইবিসিডিক কোড:
- ৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১, A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০ এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩,৯৬৮.
(A1D.FC)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান-
  1. 1557.385
  2. 5035.770
  3. 5345.71
  4. 5103.70
ব্যাখ্যা
(A1D.FC)16=(5035.770)

হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতলা 4 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটি ৩বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্টাল মান বসালে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্টাল মান পাওয়া যায়।




সুতরাং, (A1D.FC)16=(5035.770)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৬৯.
(10110110)2 = (?)16
  1. B6
  2. A7
  3. C5
  4. D2
ব্যাখ্যা
(10110110)2 = (?)16
৩,৯৭০.
ট্রানজিস্টরের ব্যবহার কম্পিউটারের কোন জেনারেশনের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ১ম 
  2. ২য় 
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা

◉ ট্রানজিস্টর ভিত্তিক কম্পিউটার কম্পিউটার জেনারেশনের ইতিহাসে দ্বিতীয় প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত। এই যুগের মূল বৈশিষ্ট্য ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার। 

দ্বিতীয় প্রজন্ম: 
- ১৯৫২ থেকে ১৯৬৪ এ সময়কালকে দ্বিতীয় প্রজন্মের সময়কাল ধরা হয়।
- ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর (Transistor) আবিষ্কার করেন।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের চেয়ে ট্রানজিস্টর আকারে অনেকগুণ ছোট।
- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় প্রজন্মের (Second generation) কম্পিউটার।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়াতে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে আকারে ছোট হয়ে আসে।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য-
১) এটি আকারে ছোট।
২) ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
৩) এতে বিদ্যুৎ খরচ কম হয় এবং সময়ও কম লাগে ৷
৪) প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটরের তুলনায় এটি দামে সস্তা।
৫) এটি প্রথম প্রজন্মেব কম্পিউটবের তলনাষ দ্রুত গতি সম্পন্ন।
৬) তাপ সমস্যার অবসান, গতি ও নির্ভরযোগ্যতার উন্নতি।
৭) অভ্যন্তরীণ স্মৃতি হিসাবে চুম্বকীয় কোরের ব্যবহার।
৮) FORTRAN, CÖBOL ভাষার প্রচলন শুরু। উদাহারণ: IBM-1400 1401, IBM-1600, 1620, RCA 501, NCR-300, GE-200 ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, কম্পিউটার ও এর বির্বতন, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৯৭১.
মেমোরি ভাগ করা হয়েছে ___
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

প্রধান মেমোরি:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- প্রধান মেমরির অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ড বা তার কম সময় হয়ে থাকে। র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

সহায়ক মেমোরি:
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

ইন্টারনাল মেমরি
বিভিন্ন ধরণের কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭২.
কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার প্রধানত ব্যবহৃত হয়:
  1. স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম রাখতে
  2. অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. পর্দায় আউটপুট প্রদর্শন করতে
  4. হার্ডওয়্যার ডিভাইস যুক্ত করতে
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের একটি রেজিস্টার মূলত অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। রেজিস্টার হলো সিপিইউ’র ভেতরে অবস্থিত অতিদ্রুত গতির মেমোরি লোকেশন, যা প্রসেসরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও ডেটা মুহূর্তের মধ্যে প্রক্রিয়া করার সুযোগ দেয়। যখন কোনো প্রোগ্রাম চালানো হয়, তখন মূল মেমোরি (RAM) থেকে প্রয়োজনীয় ডেটা রেজিস্টারে আনা হয় এবং এখান থেকেই সিপিইউ তা প্রক্রিয়াকরণ করে। রেজিস্টার সাধারণত খুব ছোট আকারের হলেও এর কাজের গতি অত্যন্ত দ্রুত। স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম সংরক্ষণ, আউটপুট প্রদর্শন বা হার্ডওয়্যার যুক্ত করার জন্য এটি নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৭৩.
সার্ভারের সাথে যুক্ত থাকা কম্পিউটারকে কি বলে?
  1. ক) প্লে স্টেশন
  2. খ) ওয়ার্ক স্টেশন
  3. গ) সার্ভার স্টেশন
  4. ঘ) আলট্রা স্টেশন
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ক স্টেশন:

- মাইক্রো কম্পিউটারের চেয়ে অধিক দ্রুত কম্পিউটার হলো ওয়ার্ক স্টেশন।
- সার্ভারের সাথে সংযুক্ত কম্পিউটারকেই ওয়ার্ক স্টেশন বলে।
- ভিডিও সম্পাদনা, এনিমেশন, সিমুলেশন প্রভৃতি কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সান Ultra-60 হলো জনপ্রিয় একটি ওয়ার্ক স্টেশন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৪.
জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ নিচের কোনটির প্রতিষ্ঠাতা?
  1. উইকিপিডিয়া
  2. ফ্যান্সিবিয়ার
  3. উইকিলিকস
  4. লকবিট
ব্যাখ্যা
WikiLeaks:
- জুলিয়ান পল অ্যাসাঞ্জ অস্ট্রেলীয় কম্পিউটার প্রোগ্রামার এবং হ্যাকার।
- উইকিলিকস হলো একটি আন্তর্জাতিক মিডিয়া সংস্থা যা বিভিন্ন গোপন নথিপত্র ফাঁসের জন্যে আলোচিত।
- কিশোর বয়সে, তিনি কম্পিউটারের সাথে একটি অদ্ভুত দক্ষতা প্রদর্শন করেছিলেন, এবং হ্যাকিং ডাকনাম "মেন্ডাক্স" ব্যবহার করে তিনি NASA এবং পেন্টাগন সহ বেশ কয়েকটি সুরক্ষিত সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করেছিলেন।
- ১৯৯১ সালে অস্ট্রেলিয়ান কর্তৃপক্ষ তাকে ৩১ টি সাইবার অপরাধের অভিযোগে অভিযুক্ত করে
- ২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ উইকিলিকস প্রতিষ্ঠা করেন।
- ২০০৭ সালে এটি অফিসিয়ালি চালু হয়।
- ২০১২ সালের জুনে অ্যাসাঞ্জ লন্ডনের ইকুয়েডর দূতাবাসে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন।
- সম্প্রতি তিনি কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]
২. সিএনএ পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৯৭৫.
বিটম্যাপ প্রযুক্তির বাংলা লেখার সফটওয়্যার নিচের কোনটি?
  1. শহীদবর্ণ
  2. লিপিকার
  3. শহীদলিপি
  4. শহীদফন্ট
ব্যাখ্যা
- তথ্যপ্রযুক্তির উন্মেষকালে লন্ডনে বসে সাইফুদ্দাহার শহীদ নিজে প্রোগ্রামিং করে কম্পিউটারে বাংলা লেখার সফটওয়্যার ‘শহীদলিপি’ তৈরি করেন।
-১৯৮৫ সালে তিনি এটি বাজারজাত করেন। এটি ছিল অ্যাপল ম্যাকিন্টশ কম্পিউটারে বাংলা লেখার সফটওয়্যার। প্রথমে শহীদলিপির ফন্ট ছিল বিটম্যাপ প্রযুক্তির, যা দিয়ে প্রকাশনার কাজ করা যেত না।
- পরবর্তী সময়ে শহীদলিপির জন্য ‘লেজার’ প্রযুক্তির ফন্ট তৈরি করেন সাইফুদ্দাহার শহীদ। গত ৯ জানুয়ারি, তিনি পরলোকগমন করেন।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,৯৭৬.
Which term is not used to describe the memory component of a computer?
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) SAM
ব্যাখ্যা

Sequential access memory (SAM) : is data storage devices that read stored data in a sequence. This is in contrast to RAM where data can be accessed in any order. SAM devices are usually a form of magnetic storage.
So it is not a memory component of a PC, it is a secondary storage devices.

৩,৯৭৭.
ইনপুট ডিভাইস হিসেবে মাইক্রোফোন কী কাজ করে?
  1. ফাইল সংরক্ষণ করে
  2. ডকুমেন্ট প্রিন্ট করে
  3. টেক্সট দেখায়
  4. শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোফোন একটি ইনপুট ডিভাইস, যা শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে। এটি ব্যবহারকারীর কণ্ঠ বা আশেপাশের শব্দ গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ইলেকট্রনিক সিগনালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এই প্রক্রিয়ায় অ্যানালগ শব্দ তরঙ্গগুলোকে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করা হয়, যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষিত হতে পারে। মাইক্রোফোন সাধারণত ভয়েস রেকর্ডিং, অনলাইন মিটিং, গেম খেলার সময় যোগাযোগ এবং ভয়েস কমান্ড গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) শব্দকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তর করে।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৭৮.
What is the shortcut-key for manual line break?
  1. Alt + Enter
  2. Space + Enter
  3. Dlt+ Enter
  4. Shift + Enter
ব্যাখ্যা
Shift + Enter is the shortcut-key for manual line break.

MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
• Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• Shortcut key to start a presentation from the beginning?- F5
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৩,৯৭৯.
প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করেন কে?
  1. ক) উইলিয়াম শেকলে
  2. খ) জন বারডিন
  3. গ) এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট
  4. ঘ) প্রেসপার একার্ট
ব্যাখ্যা
এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট ১৯৭৪ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার এবং প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার অ্যালটেয়ার ৮৮০০ তৈরি করেন। এর মাধ্যমেই বর্তমান সময়ে পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি'র পথ সুগম হয়। এইচ এডওয়ার্ড রবার্ট কে মাইক্রোকম্পিউটারের জনক বলা হয়।
(সূত্রঃ ieee.org)
৩,৯৮০.
দশমিক সংখ্যা 18 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 21
  2. 22
  3. 23
  4. 24
ব্যাখ্যা
- আমরা দৈনন্দিন জীবনে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করি কিন্তু কম্পিউটারে বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের বিষয় ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের জন্যে এক ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিকে অন্য সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরের প্রয়োজন হয়।
- নিচের সারণীতে ০ থেকে ২০ পর্যন্ত দশমিক সংখ্যার সমতুল্য বাইনারি, অক্টাল ও হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দেখানো হলো:

 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮১.
কম্পিউটার সিস্টেমে কয়টি অংশ থাকে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে চারটি অংশ থাকে। যথা: 
- A control unit,
- An arithmetic logic unit (ALU),
- A memory unit,
-  input/output (I/O) controllers.

উৎস: ব্রিটানিকা
৩,৯৮২.
একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করতে মূলত কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ইনফ্রারেড লাইট বা LED
  2. আল্ট্রাসনিক ওয়েভ
  3. রেডিও ওয়েভ
  4. মেকানিক্যাল বল
ব্যাখ্যা

• একটি অপটিক্যাল মাউসের মুভমেন্ট শনাক্ত করার জন্য মূলত ইনফ্রারেড লাইট বা LED প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়। অপটিক্যাল মাউসের তলার দিকে ছোট একটি LED থাকে যা কাজের পৃষ্ঠের ওপর আলো ফেলে। সেই আলো থেকে প্রতিফলিত আলো একটি সেন্সর ক্যাপচার করে। মাউসের গতি অনুযায়ী পৃষ্ঠের বীট বা প্যাটার্ন পরিবর্তিত হয়, এবং সেন্সর সেই পরিবর্তনগুলোকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করে। এই সিগনাল কম্পিউটার প্রসেসর মাউসের কার্সরের অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহার করে। তাই অপটিক্যাল মাউস মেকানিক্যাল বলের বদলে লাইট বেসড সেন্সর ব্যবহার করে, যা দ্রুত, নির্ভুল এবং ময়লা-প্লে সম্বন্ধে কম সংবেদনশীল। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ইনফ্রারেড লাইট বা LED.
 
• মাউস:
- মাউস হলো হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত ইঁদুর সদৃশ একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- মাউস পয়েন্টারকে মনিটর স্ক্রীনের যে কোন জায়গায় মুভ করানোকে পয়েন্টিং বলা হয়।
- মাউস কী বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
- আমেরিকান উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউস হল এক ধরনের ছোট হার্ডওয়ার ইনপুট ডিভাইস (input device) যা হাত দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
-  এটিকে hand operated input device ও বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের কার্সারের গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে এবং ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের বিভিন্ন ফাইল, ফোল্ডার, টেক্সট আইকন সারাতে এবং নির্বাচন করতে ব্যবহার করা হয়।

• মাউস দুই ধরণের হয়ে থাকে। যথা:
১. Mechanical এবং
২. Optical Mouse.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৯৮৩.
কোনটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. রোমান সংখ্যা
  2. হায়ারোগ্লিফিক্স
  3. দশমিক সংখ্যা
  4. ট্যালি সংখ্যা
ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যা একটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত।
- যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

• নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৮৪.
কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধিতে RAM বাড়ানো হয় কী কারণে?
  1. কারণ এতে ডেটা লোড ধীরে হয়
  2. কারণ এতে ভাইরাস কমে
  3. কারণ এতে ডেটা লোড দ্রুত হয়
  4. কারণ এতে হার্ডড্রাইভ কাজ করে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর অন্যতম সহজ উপায় হলো RAM বাড়ানো। এতে ডেটা প্রসেসিং দ্রুত হয় এবং কম্পিউটার দ্রুত সাড়া দেয়।

কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
-উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থানে কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বাড়াতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়।
- তথ্য ব্যাকআপ রাখা: প্রয়োজনীয় ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৮৫.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবনের সাথে সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bell Labs
  2. MIT Lincoln Laboratory
  3. CERN
  4. JPL
ব্যাখ্যা
• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।

- ‘সি’ এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে ‘বি’ নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো ‘সি’ ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে ‘সি’ সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে ‘সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৮৬.
ওয়েবসাইটে ব্যবহারের জন্য ইউনিকোডের স্ট্যান্ডার্ড পদ্ধতি হলো-
  1. UTF-4
  2. UTF-64
  3. UTF-8
  4. UTF-32
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হয় ইউনিকোডের মাধ্যমে।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উদাহরণ: A U+0041, ক = U+0995.
- ইউনিকোডের বাইটগুলো প্রক্রিয়া করার পদ্ধতিগুলোর মধ্যে UTF-8 ও UTF-19 হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি।
- ওয়েবসাইটের জন্য UTF-8 হলো স্ট্যান্ডার্ড, কারণ ব্যবহার করার সময় UTF-8 শুধু যে কয়টি বিটের প্রয়োজন ততোগুলোই ব্যবহার করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৮৭.
এমবেডেড কম্পিউটারের উদাহরণ কোনটি?
  1. ডেস্কটপ কম্পিউটার
  2. ল্যাপটপ
  3. স্মার্টফোন
  4. সার্ভার
ব্যাখ্যা

◉ Embedded Computer হলো এমন একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য অন্য কোনো ডিভাইসের ভেতরে স্থাপন করা থাকে। স্মার্টফোন এর একটি উদাহরণ, কারণ এর ভেতরে এমবেডেড প্রসেসর/চিপ থাকে যা নির্দিষ্ট কাজ (ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট, সেন্সর কন্ট্রোল ইত্যাদি) সম্পাদন করে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৯৮৮.
A number of letters that appears little below the normal text is called -
  1. ক) Subscript
  2. খ) Superscript
  3. গ) Supertext
  4. ঘ) Toptext
ব্যাখ্যা
• কোন লেখা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক আকারে অন্যান্য লেখার একটু নিচে প্রদর্শিত হলে তাকে Subscript বলে।
• আর যখন অর্ধেক আকারে অন্যান্য লেখার একটু উপরে প্রদর্শিত হয় তাকে Superscript বলে।

Source: www.support.microsoft.com
৩,৯৮৯.
ডেটাকে Ascending Order এবং Descending Order- এ সাজানোকে বলা হয় -
  1. সর্টিং
  2. কুয়েরি
  3. ইনডেক্সিং
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
সর্টিং: 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট (Descending Order). 

ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৯৯০.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়?
  1. ক) ফিল্ড
  2. খ) ওরাকল
  3. গ) রেকর্ড
  4. ঘ) ডাটা টেবিল
ব্যাখ্যা
'ওরাকল' ডাটাবেজের উপাদান নয়।
- 'ওরাকল' জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার।

• ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান:
ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল।
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে।
- প্রত্যেটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত।
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯১.
নিচের কোনটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. ক) মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  2. খ) কম্পাইলর
  3. গ) ইন্টারপ্রেটার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- তার মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, MS Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯২.
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 11 এর পরের সংখ্যা কত?
  1. ক) 12
  2. খ) 10
  3. গ) 100
  4. ঘ) 011
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৯৯৩.
(234)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে হবে-
  1. ক) 426
  2. খ) 480
  3. গ) 564
  4. ঘ) 530
ব্যাখ্যা
(234)16 = 2 × 162 +3 × 161 + 4× 160
           = 2 × 256 + 3× 16 + 4 × 1
           =512 + 48 + 4
           = 564
৩,৯৯৪.
BIOS হলো এক ধরনের -
  1. ক) হার্ডওয়্যার
  2. খ) সফটওয়্যার
  3. গ) ফার্মওয়্যার
  4. ঘ) ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।

কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS.
BIOS-এর পূর্ণরূপ হলো -Basic Input/Output System.
 
এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২ (ভোকেশনাল)
৩,৯৯৫.
কোন ACID বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে লেনদেনগুলি একে অপরকে প্রভাবিত করে না এবং স্বতন্ত্রভাবে চলে?
  1. Atomicity
  2. Consistency
  3. Durability
  4. Isolation
ব্যাখ্যা
• ACID বৈশিষ্ট্যের মধ্যে Isolation নিশ্চিত করে যে একাধিক লেনদেন একসাথে চললেও তারা একে অপরকে প্রভাবিত করতে পারে না এবং প্রতিটি লেনদেন স্বতন্ত্রভাবে সম্পন্ন হয়। ডেটাবেজ ব্যবস্থায় যখন একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে লেনদেন করে, তখন একটি লেনদেনের অপূর্ণ বা আংশিক পরিবর্তন অন্য লেনদেন দেখতে পায় না। Isolation-এর ফলে প্রতিটি লেনদেন এমনভাবে সম্পাদিত হয় যেন এটি একা একবারেই সম্পন্ন হয়েছে, অন্য কোনো লেনদেন চলমান নেই। এটি ডেটার অখণ্ডতা রক্ষা করে এবং প্রতিযোগিতামূলক অ্যাক্সেসের সময়ও ভুল বা দ্বৈত ফলাফল এড়াতে সাহায্য করে। তাই Isolation ডেটাবেজের নির্ভরযোগ্যতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করে।

• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: geeksforgeeks [লিংক]
৩,৯৯৬.
উল্লেখিত কোন ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে?
  1. বুট সেক্টর ভাইরাস
  2. জেরুজালেম
  3. ট্রোজান হর্স
  4. ভিবিএস/হেল্পার
ব্যাখ্যা
• ভিবিএস/হেল্পার:
- ভিবিএস/হেল্পার ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো।
- ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাস, যা চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত, এর রচয়িতা হলেন চেন ইং-হাও (Chen Ing-hau), যিনি তাইওয়ানের টাটুং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে তার নামের আদ্যাক্ষর "CIH" থেকে।
- CIH ভাইরাস বা চেরনোবিল ভাইরাস ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
এই ভাইরাসকে "Chernobyl" বা "Spacefiller" নামেও ডাকা হয়।
- সত্তর দশকে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক রূপ ARPANET-এ "Creeper" নামক প্রথম ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছিল।
- Creeper ভাইরাসের মোকাবেলায় "Reaper" নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল, যা ভাইরাসটি মুছে ফেলতে সক্ষম ছিল। তবে তখন ভাইরাসটি সাধারণত শুধুমাত্র তার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকত।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৭.
The recipient in a Bitcoin transaction provides - 
  1. Public key
  2. Private key
  3. Transaction ID
  4. Passcode
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Public key
একটি বিটকয়েন লেনদেনে, প্রাপক তার পাবলিক কী প্রদান করে প্রেরককে। প্রেরক তার প্রাইভেট কী ব্যবহার করে লেনদেনটিতে স্বাক্ষর করে এবং তারপর এটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়।

বিটকয়েন (Bitcoin)
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- এটি একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা ২০০৯ সালে একজন নামহীন কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল তৈরি করেন।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।
- বিটকয়েন পাবলিক-কী ক্রিপ্টোগ্রাফি-র ওপর নির্ভরশীল, যেখানে ব্যবহারকারীদের একটি পাবলিক কী থাকে যা সবাই দেখতে পারে এবং একটি প্রাইভেট কী থাকে যা কেবল তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে থাকে।
- বিটকয়েন লেনদেনে, বিটকয়েন গ্রহণকারীরা তাদের পাবলিক কী প্রেরণ করে প্রেরণকারীদের কাছে।
- প্রেরণকারীরা তাদের প্রাইভেট কী দিয়ে লেনদেনে সাইন করে এবং তারপর লেনদেনটি বিটকয়েন নেটওয়ার্কে প্রেরণ করা হয়।
- যাতে একই বিটকয়েন একাধিকবার খরচ না করা যায়, প্রতিটি লেনদেনের সময় ও পরিমাণ একটি লেজার ফাইলে সংরক্ষিত থাকে যা নেটওয়ার্কের প্রতিটি নোডে থাকে।
- ব্যবহারকারীদের পরিচয় আপেক্ষিকভাবে গোপন থাকে, তবে সবাই দেখতে পারে যে কোন বিটকয়েন কোথায় স্থানান্তরিত হয়েছে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৯৯৮.
সিপিইউ প্রধান কয়টি অংশ নিয়ে গঠিত?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট। 
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিস্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত প্রধান তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmatic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৯৯৯.
Pentium Series পিসি কোন প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
Pentium Series পিসি চতুর্থ  প্রজন্মের কম্পিউটারের  উদাহরণ। 

চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. আকারে ছোট বিধায় সহজে বহনযোগ্য।
২. বিদ্যুৎশক্তি কম খরচ হয়।
৩. এটি ব্যাটারি দিয়েও চালানো যায়।
৪. উন্নত ধরনের স্মৃতি ব্যবস্থার উদ্ভব।
৫. বৃহৎ ও অতি বৃহৎ মানের আইসির (LSI, VLSI) ব্যবহার।
৬. ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি।
৭. মাইক্রোপ্রসেসরের প্রচলন।
৮. উন্নত ধরনের High Level প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদ্ভব। 

উদাহরণ- IBM 4341, TRS-40, Pentium Series ইত্যাদি।

সূত্র: ১৫ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,০০০.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Quick heal
  2. AVG
  3. Cobra
  4. Conficker
ব্যাখ্যা
• Conficker একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:

- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Quick heal,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।