PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ৪ / ৮২ · ৩০১–৪০০ / ৮,১৪১
ব্যাখ্যা
- F1 থেকে F12 পর্যন্ত কী গুলোকে Functional Key বলে। ০-৯, যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এদের Numeric Key বলে।
- কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বিন্যাসের কাজ করা হয় তা Modifier Key।
যেমন - Shift, Alt, Ctrl, Space.
- Arrow Key গুলো মূলত Cursor Movement Key।
ব্যাখ্যা
• QR কোড (Quick Response Code) হলো একটি দ্বি-মাত্রিক বারকোড, যা দ্রুত স্ক্যান করে ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ এবং আদান-প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়।
• QR Code:
- QR Code এর পূর্ণরূপ Quick Response Code.
- QR কোডকে বারকোড এর একটি সম্প্রসারণ হিসাবে ভাবা যায় যেখানে কালো বিন্দুগুলির উল্লম্ব এবং অনুভূমিক অবস্থান উভয়কে একটি অপটিক্যাল স্ক্যানার দ্বারা পড়া যায়৷
- বারকোড যেখানে অনুভূমিকভাবে তথ্য ধারণ করে, QR কোড অনুভূমিকভাবে ও উল্লম্বভাবে তথ্য ধারণ করতে পারে। ফলে QR কোড বারকোডের তুলনায় শত গুণ বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে।
- QR Code এর মধ্যে সঞ্চিত তথ্য প্রেরণ করতে অপটিক্যাল স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়।
- QR কোডে তথ্য কেবল পড়া যায়।
- এর তথ্য ধারণ ক্ষমতা: ৭,০৮৯টি ক্যারেক্টার।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য তৈরি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসরটি হল Intel 4004। এটি ১৯৭১ সালে ইন্টেল কোম্পানি তৈরি করে, যা পুরোপুরি একক চিপে কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে কাজ করতে সক্ষম ছিল। Intel 4004 মূলত হিসাবসংক্রান্ত কাজ এবং ছোট কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল। এর আগেও অন্যান্য প্রসেসর বা চিপ তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সেগুলো সম্পূর্ণ বাণিজ্যিকভাবে উপলব্ধ বা একক চিপ হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি। পরবর্তীতে Intel 8080 এবং AMD K6-এর মতো প্রসেসর বাজারে আসে, কিন্তু এগুলো Intel 4004-এর পরে উদ্ভাবিত। সুতরাং বাণিজ্যিকভাবে তৈরি প্রথম মাইক্রোপ্রসেসরটি হলো Intel 4004.
উত্তর: খ) Intel 4004.
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004।
সূত্র: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ফিজিক্যালি কোনো চলমান অংশ ছাড়া কাজ করে এমন স্টোরেজ ডিভাইস হলো SSD (Solid State Drive)। SSD তে তথ্য সংরক্ষণ করা হয় মেমোরি চিপে, যা ইলেকট্রনিক্যালি তথ্য পড়া এবং লেখা সম্ভব করে। এতে কোনো ঘূর্ণমান ডিস্ক বা মেকানিক্যাল আর্ম নেই, যা HDD বা Floppy Disk-এ থাকে। HDD তে তথ্য হার্ড ডিস্কে ঘূর্ণনশীল প্ল্যাটারের উপর সংরক্ষিত হয় এবং ডেটা পড়ার জন্য অ্যাকচুয়েটর আর্ম ব্যবহার করা হয়। CD-ROM ও DVD-ও ঘূর্ণনশীল ডিস্কের মাধ্যমে কাজ করে। SSD-এর ফলে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস, কম শক্তি ব্যবহার এবং দীর্ঘস্থায়ী স্থায়ীত্ব পাওয়া যায়, কারণ কোনো মেকানিক্যাল অংশ থাকায় এটি নড়াচড়া বা ধ্বংসের জন্য কম সংবেদনশীল।
- সঠিক উত্তর: ঘ) SSD.
• SSD:
- SSD (Solid State Drive) হলো একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা কোনো যান্ত্রিক বা চলমান অংশ ছাড়াই তথ্য সংরক্ষণ করে।
এটি সম্পূর্ণভাবে ইলেকট্রনিক চিপ (Flash Memory) দ্বারা তৈরি, যার কারণে এতে ডিস্ক ঘোরা বা হেড মুভ করার প্রয়োজন নেই, যেমনটা দেখা যায় HDD বা CD-ROM-এ।
• SSD এর বৈশিষ্ট্য-
- দ্রুত ডেটা প্রসেস করে,
- বিদ্যুৎ খরচ কম করে,
- নীরবভাবে কাজ করে, এবং
- ধাক্কা বা কম্পনের প্রতি অনেক বেশি সহনশীল।
অন্যদিকে,
CD-ROM, HDD, Floppy Disk এগুলোতে ডিস্ক থাকে যা ঘুরে এবং ডাটা প্রসেস করে।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী।
- Intel – Solid State Drive Basics.
- Samsung – SSD vs HDD.
ব্যাখ্যা
শূন্য সহ ১ থেকে F পর্যন্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে ৪ (চার) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রতিটি অংককে ৪ (চার) বিতের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলেই বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
- হেক্সাডেসিমেলে A এর সমুতল্য বাইনারি মান ১০১০
- হেক্সাডেসিমেলে C এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০০
- হেক্সাডেসিমেলে D এর সমুতল্য বাইনারি মান ১১০১
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্কে ডেটা লেখা (input) ও পড়া (output)—উভয়ই করা যায়।
• ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল (Input and Output Peripheral):
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট উভয় যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হলো—
১। হার্ডডিস্ক,
২। সিডি বা ডিভিডি,
৩। পেনড্রাইভ,
৪। টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
ব্যাখ্যা
- Stone, Trojan Horse এগুলো কম্পিউটার ভাইরাস। ভাইরাস কম্পিউটারের তথ্য উপাত্তের ক্ষতি করে।
- Avast, Norton, AVG এগুলো এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এগুলো ব্যবহারে কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা যায়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়ার হল কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর ভাইরাস। ম্যালওয়ার হল এমন একটা সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর অজান্তে কম্পিউটারের ঢুকে তার কম্পিউটার সিস্টেমকে ক্ষতিসাধন করে থাকে । এজন্য এন্টিভাইরাস ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ নবম দশম (ভোকেশনাল) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (NCTB বোর্ড বই)
ব্যাখ্যা
- F6 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় mouse এর cursor কে internet browser এর address bar এ নিয়ে যেতে চাইলে।
- F7 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় microsoft word এ লেখা বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করার জন্য।
- F8 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় অপারেটিং সিস্টেম safe mood এ চালু করার জন্য।
- F9 ফাংশনাল কি ব্যাবহার করা হয় কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য।
Link - 1
Link - 2
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ:
- ডেটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডেটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
• ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো:
১. ডাটা (Data)
২. রেকর্ড (Record)
৩. ফিল্ড (Field) ও
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- ফোর্থ ডাইমেনশন,
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- ফক্সপ্রো,
- ডিবেজ,
- ফক্সবেইজ,
- ওরাকল,
- প্যারাডক্স,
- MySQL ইত্যাদি।
• ডাটাবেজ এর ব্যবহার:
- অতি দ্রুত ডাটা উপস্থাপন করা যায়।
- অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ডাটা পরিচালনা করা যায়।
- সংরক্ষিত ডাটাকে পরবর্তীতে আপডেট করা যায়।
- ডাটাবেজের তথ্যসমূহকে প্রয়োজনে অ্যাসেন্ডিং (Ascending) ও ডিসেন্ডিং (Descending) অর্ডারে সাজানো যায়।
- অল্প সময়ে ডাটার বিন্যাস ঘটানো যায়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় পণ্যের উৎপাদন, চাহিদা, পরিমান, মজুদ, লেনদেনের হিসাব ইত্যাদি বিশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংরক্ষণে ডাটাবেজ ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত নির্মিত কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে, পঞ্চম প্রজন্ম বলতে ভবিষ্যতের উন্নততর প্রযুক্তির কম্পিউটারকেও নির্দেশ করে।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় যোগাযোগ করতে ও কথার অর্থ বুঝতে সক্ষম হবে। অর্থাৎ, এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি VLSI থেকে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) পর্যায়ে উন্নীত হয়েছে।
• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. একীভূত বর্তনীর (Integrated Circuit) মাধ্যমে বহু মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence বা AI) প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি ও ব্যাপক ব্যবহার।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দের মাধ্যমে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণের সুবিধা।
৪. উন্নত প্রোগ্রামিং প্রযুক্তি ও সফটওয়্যার ব্যবস্থাপনা।
৫. তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের ক্ষমতায় অসাধারণ অগ্রগতি।
৬. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য উন্নতি।
৭. উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবস্থার সহজলভ্যতা।
৮. শক্তিশালী সুপার কম্পিউটারের উদ্ভাবন ও ক্রমোন্নয়ন।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে।
মেমোরি দুই প্রকার। যথা–
১. প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
২. সহায়ক মেমোরি।
প্রধান মেমোরি-
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট বা সিপিইউ যখন তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তখন প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো বা সফটওয়্যার যেখানে অবস্থান করে সেটাই হলো প্রধান মেমোরি। প্রধান মেমোরির গতি অনেক বেশি হয়ে থাকে, প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি দুই প্রকার।
যথা : i. র্যাম (RAM) ও ii. রম (ROM)
সহায়ক মেমোরি-
প্রসেসকৃত তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষনের জন্য প্রধান মেমোরির বাইরে যে অতিরিক্ত মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
যথা-হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, চুম্বকীয় ডিস্ক, ডিভিডি ডিস্ক, সিডিরম প্রভৃতি সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• হক-আই (Hawk-Eye) প্রযুক্তি একটি কম্পিউটারভিত্তিক ভিশন সিস্টেম যা বলের গতিপথ (trajectory) বিশ্লেষণ করে; ক্রিকেটে LBW সিদ্ধান্ত যাচাই করতে এটি ব্যবহৃত হয়।
• খেলাধুলায় কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার:
- আধুনিক খেলাধুলায় কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স বিশ্লেষণ, ম্যাচ পরিচালনা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বিভিন্ন প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলার তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ এবং প্রদর্শন করা সম্ভব হয়।
• ভিডিও বিশ্লেষণ (Video Analysis):
- ভিডিও বিশ্লেষণ প্রযুক্তি ব্যবহার করে খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন করা হয়।
- কোচ ও বিশ্লেষকরা খেলোয়াড়ের চলন, কৌশল এবং ভুলগুলো বিশ্লেষণের জন্য ভিডিও বিশ্লেষণ সফটওয়্যার ব্যবহার করেন।
• Hawk-Eye প্রযুক্তি:
- Hawk-Eye একটি কম্পিউটারভিত্তিক ভিশন সিস্টেম যা বলের গতিপথ ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্রিকেট, টেনিস এবং ফুটবলে ব্যবহৃত হয়।
- ক্রিকেটে LBW সিদ্ধান্ত যাচাই করতে এবং টেনিসে বল লাইনের ভেতরে নাকি বাইরে পড়েছে তা নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
• Goal-Line Technology:
- Goal-line technology ফুটবলে ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি।
- এর মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয় বলটি সম্পূর্ণভাবে গোললাইন অতিক্রম করেছে কিনা।
- এটি রেফারিকে দ্রুত ও নির্ভুল সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে।
• Wearable Technology:
- Wearable device যেমন smartwatch ও GPS tracker খেলোয়াড়ের বিভিন্ন শারীরিক তথ্য সংগ্রহ করে।
- এগুলোর মাধ্যমে heart rate, speed এবং distance ইত্যাদি তথ্য বিশ্লেষণ করা যায়।
• Sports Analytics:
- Sports analytics হলো খেলাধুলার ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের পদ্ধতি।
- এটি খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স মূল্যায়ন, দল নির্বাচন এবং কৌশল নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
• Electronic Scoreboard:
- Electronic scoreboard কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলার স্কোর এবং অন্যান্য তথ্য প্রদর্শন করে।
- এটি দর্শক ও খেলোয়াড়দের দ্রুত তথ্য জানাতে সাহায্য করে।
• অন্যান্য অপশন:
- গোল-লাইন প্রযুক্তি → ফুটবলে বলটি সম্পূর্ণভাবে গোললাইন অতিক্রম করেছে কিনা তা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- ভিডিও অ্যানালাইসিস → খেলোয়াড়ের পারফরম্যান্স ও কৌশল বিশ্লেষণের জন্য ভিডিওভিত্তিক প্রযুক্তি।
- ওয়্যারেবল প্রযুক্তি → খেলোয়াড়ের শারীরিক তথ্য যেমন হার্ট রেট, গতি ও দূরত্ব পরিমাপে ব্যবহৃত প্রযুক্তি।
উৎস: Encyclopaedia Britannica (Hawk-Eye, Sports Technology); IBM Sports Analytics; FIFA Goal-Line Technology.
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অপারেটরগুলাের নামঃ
১. অ্যান্ড অপারেটর (AND Operator)
২. অর অপারেটর (OR Operator) এবং
৩. নট অপারেটর (NOT Operator) বা ইনভার্টার
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
ব্যাখ্যা
[উৎস - SSC Program, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পৃষ্ঠা - ৩]
ব্যাখ্যা
- অন্য অপশনগুলো যেমন ইন্টারপ্রেটার, স্ক্রিপ্ট, এবং সোর্স কোড, কম্পাইলারের ফলাফল নয়। ইন্টারপ্রেটার সোর্স কোড লাইন বাই লাইন পড়ে চালায়, স্ক্রিপ্ট হলো প্রোগ্রামিং ভাষার লেখা কোড, আর সোর্স কোড হলো প্রাথমিক প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা কোড। তাই কম্পাইলারের ফলাফল হলো এক্সিকিউটেবল ফাইল।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার।
• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা।
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে।
- একটি কম্পিউটারকে চালু করা হলে তা সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে নেয় যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ এর সঙ্গে সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা। এই যাচাই করার প্রক্রিয়াকে বলে পোস্ট Power on self test (POST)।
- যদি এই যন্ত্রাংশগুলো সঠিক ভাবে যুক্ত থাকে, তা হলে সিপিইউ কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে র্যামের মধ্যে তুলে নেয় এবং কম্পিউটারকে ব্যবহারকরীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত করে। এই সামগ্রিক প্রক্রিয়াকে বলা হয় বুটিং (Booting)।
- অর্থাৎ বুটিং একটি স্বয়ক্রয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই কম্পিউটারকে ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
• নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
• পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১. প্রধান স্মৃতি (Primary Memory) : RAM ও ROM নিয়ে এই মেমরি গঠিত।
কম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory)
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory)
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory)
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory)
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory)
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxilary Memory): কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না। তাছাড়া প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম। এজন্য তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়। কয়েকটি সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
- ফ্লপি ডিস্ক
- হার্ড ডিস্ক
- কম্প্যাক্ট ডিস্ক
- চৌম্বক ফিতা
- চৌম্বক ড্রাম
উৎসঃ নবম - দশম শ্রেণীর কম্পিউটার বই (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।
• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Utility Software হলো এমন ধরনের System Software, যা কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ, সুরক্ষা এবং পারফরম্যান্স উন্নত করার কাজ করে।
- Antivirus একটি Utility Software কারণ এটি কম্পিউটারে থাকা ভাইরাস, ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত করে, মুছে ফেলে এবং সিস্টেমকে সুরক্ষিত রাখে।
- এটি কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ঠিক রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল।
- Antivirus, Disk Cleanup, File Compression Tool, Backup Software, Disk Defragmenter ইত্যাদি Utility Software এর উদাহরন।
- PowerPoint একটি Application Software, যা প্রেজেন্টেশন তৈরি ও প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Paint একটি Application Software, যা ছবি আঁকা বা সম্পাদনা করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Browser (যেমন Chrome, Edge, Firefox) একটি Application Software, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]
ব্যাখ্যা
মেমোরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity):
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
• মেমোরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ:
- ৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
- 210 বাইট বা 1024 বাইট 1 কিলোবাইট (1 KB)
- 220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
- 230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট 1 গিগাবাইট (1 GB)
- 240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট 1 টেরাবাইট (1 TB)
- 250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
• কম্পিউটার বাসের প্রকারভেদ: কম্পিউটার বাসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম বাস (System Bus): যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে। সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
- ডাটা বাস
- আড্রেস বাস
- কন্ট্রোল বাস
২. এক্সপানশন বাস (Expansion Bus): যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে এক্সপানশন বাস বলে।
• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাস গুলো হচ্ছে-
- আইএসএ বাস
- ইআইএসএ বাস
- লোকাল বাস
- ইউএসবি
- ফায়ারয়্যার বাস
- এজিপি
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Alt + Tab শর্টকাট কী ব্যবহার করে কম্পিউটারে খোলা থাকা বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা উইন্ডোর মধ্যে দ্রুত পরিবর্তন করা যায়।
• Keyboard Shortcut:
- Keyboard shortcut হলো এক বা একাধিক কী-এর সমন্বয় যা দ্রুত কোনো কমান্ড সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি মাউস ব্যবহার না করেও কম্পিউটারে দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।
• সাধারণ Keyboard Shortcut:
- Ctrl + C → নির্বাচিত লেখা বা ফাইল কপি করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + V → কপি বা কাট করা তথ্য পেস্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + X → নির্বাচিত লেখা বা ফাইল কাট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Z → সর্বশেষ কাজ বাতিল (Undo) করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + A → একটি ডকুমেন্ট বা ফোল্ডারের সবকিছু নির্বাচন করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + S → ফাইল বা ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + P → কোনো ডকুমেন্ট প্রিন্ট করতে ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + F → কোনো ডকুমেন্ট বা ওয়েবপেজে নির্দিষ্ট শব্দ বা তথ্য খুঁজে বের করতে ব্যবহৃত হয়।
• Alt + Tab:
- Alt + Tab শর্টকাট কী ব্যবহার করে খোলা থাকা বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা উইন্ডোর মধ্যে পরিবর্তন করা যায়।
- এটি মাল্টিটাস্কিংয়ের সময় দ্রুত একটি প্রোগ্রাম থেকে অন্য প্রোগ্রামে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Ctrl + Tab → একই সফটওয়্যারের বিভিন্ন ট্যাবের মধ্যে পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Esc → সাধারণত স্টার্ট মেনু খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Alt + Enter → কোনো ফাইল বা অবজেক্টের বৈশিষ্ট্য (Properties) দেখার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
উৎস: Encyclopaedia Britannica (Keyboard); Microsoft Windows Keyboard Shortcuts; IBM Documentation.
ব্যাখ্যা
- ডিস্ক ডিফ্রেগমেন্টার শুধুমাত্র হার্ডডিস্কের ডেটাসমূহ বা তথ্যসমূহ সাজিয়ে রাখে।
- ফলে প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তাড়াতাড়ি প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ খুঁজে পায়।
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার প্রোগ্রামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হবে -
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স,
- হাজার হাজার মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার,
- ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামিং,
- সকল ভাষায় কম্পিউটিং,
- Super VLSI (Very Large Scale Integration) চিপ অবতারণা করা হয়েছে।
- KIPS (Knowledge Information Processing System) ব্যবহার করা হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, মাহবুবুর রহমান ও প্রথম আলো প্রযুক্তি বিষয়ক রিপোর্ট।
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উপাদানসমূহ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display HMD),
- ডেটা গ্লোভ (Data Glove),
- একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit),
- উচ্চ মানের অডিও ব্যবস্থা,
- রিয়েলিটি ইঞ্জিন,
- বিভিন্ন ধরনের সেন্সর,
- বিভিন্ন সিমুলেশন, মডেলিং ও গ্রাফিক্স সফটওয়্যার ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা প্রাধান্য পায় কারণ এগুলো বাইনারি অ্যাড্রেসের আরও সংক্ষিপ্ত রূপ দেয়। কম্পিউটার মেমরির প্রতিটি অবস্থানকে বাইনারি সংখ্যা দিয়ে চিহ্নিত করা হয়, যা দীর্ঘ হলে পড়া এবং বোঝা কঠিন হয়ে যায়। হেক্সাডেসিমাল (১৬ ভিত্তিক) সংখ্যা ব্যবহার করলে প্রতি চারটি বাইনারি বিটকে একটি হেক্সাডেসিমাল ডিজিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। এর ফলে বড় বড় বাইনারি অ্যাড্রেসগুলো সংক্ষিপ্তভাবে লেখা যায় এবং মানুষের জন্য বোঝা সহজ হয়। এটি প্রোগ্রামিং এবং ডিবাগিং-এ সুবিধা দেয়, কারণ মেমরি লোকেশন দ্রুত চিনতে এবং লিখতে সাহায্য করে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা মেমরি অ্যাড্রেসিং-এ কার্যকর।
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে দুই বা ততোধিক ভৌগোলিক অবস্থানে অডিও এবং ভিডিও এর যুগপৎ উভমুখী স্থানান্তর করার প্রক্রিয়াকে ভিডিও কনফারেন্সিং বলে।
কয়েকটি ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যম:
- Zoom
- Google Meet
- Skype
- Microsoft Teams
- Viber
_______________________________
- Microsoft Azure হচ্ছে ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা
১. পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩. নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer),
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি ( Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
• পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer):
- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants. ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিলো অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে NAND গেইটটি মৌলিক লজিক গেইট নয়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথে মাদারবোর্ডের রম (ROM)-এ থাকা বায়োস (BIOS) সক্রিয় হয় এবং POST (Power-On Self Test) নামক একটি বিশেষ ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা চালায়।
- এর মাধ্যমে র্যাম, প্রসেসর, কিবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভসহ অন্যান্য হার্ডওয়্যার ডিভাইসগুলো ব্যবহারের উপযোগী বা সচল আছে কি না তা নিশ্চিত করা হয়। যদি কোনো হার্ডওয়্যারে সমস্যা থাকে, তবে সিস্টেম বিপ (Beep) কোডের মাধ্যমে সতর্কবার্তা দেয়।
• POST এবং বুটিং প্রক্রিয়ার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- POST (Power-On Self Test): এটি একটি প্রি-বুট প্রক্রিয়া যা হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক সুস্থতা যাচাই করে।
- বিপ কোড (Beep Code): হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে বায়োস বিভিন্ন প্যাটার্নের শব্দের মাধ্যমে তা নির্দেশ করে।
- অর্ডার: পাওয়ার অন → পোস্ট (POST) → বুট লোডার লোডিং → অপারেটিং সিস্টেম রান।
- স্বয়ংক্রিয়তা: এটি একটি অটোমেটিক প্রক্রিয়া যা ব্যবহারকারীর কোনো ইনপুট ছাড়াই কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় ঘটে থাকে।
অন্যান্য অপশন:
- Bootloading: এটি মূলত সেকেন্ডারি স্টোরেজ থেকে অপারেটিং সিস্টেমকে র্যামে লোড করার পদ্ধতিকে বোঝায়।
- CMOS: একটি ব্যাটারি চালিত মেমরি চিপ যা সিস্টেমের সময়, তারিখ এবং বায়োস সেটিংস সংরক্ষণ করে।
- System Configuration Test: এটি কোনো স্বীকৃত স্ট্যান্ডার্ড বুটিং টার্ম নয়, সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম চালুর পর সেটিংস চেক করাকে বোঝায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট প্রযুক্তির উত্তরোত্তর উন্নতির সঙ্গে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ বা প্রসেসরের সকল উপাদানকে একটি মাত্র সিলিকন চিপের মধ্যে একীভূত করা সম্ভব হয়।
- এই চিপকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ড. টেড হফের তত্ত্বাবধানে ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে।
- প্রথম উদ্ভাবিত মাইক্রোপ্রসেসরের নাম নাম ইনটেল-৪০০৪।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার Altair-880।
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস (Primary Storage Device) ও
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস (Secondary Storage Device)।
• প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র্যাম।
• প্রাইমারি স্টোরেজের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
- এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
- অ্যাকসেস সময় কম।
- ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে ।
- ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
◉ EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) ছিল প্রথম দিকের কম্পিউটারগুলোর একটি, যেখানে Stored Program Concept ব্যবহার করা হয়। এটি John von Neumann এর আর্কিটেকচার ধারণার ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।
EDVAC:
- EDVAC এর পূর্ণরূপ Electronic Discrete Variable Automatic Computer।
- এ কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।
- ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে EDVAC কম্পিউটার নির্মাণ করেন।
উল্লেখ্য,
ENIAC: প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার।
UNIVAC: এটি প্রথম বাণিজ্যিক কম্পিউটার, যা 1951 সালে তৈরি করা হয়।
EDVAC: এটি ENIAC এর পরবর্তী সংস্করণ, যা 1949 সালে তৈরি করা হয়।
ABC: এটি Atanasoff-Berry Computer, যা 1942 সালে তৈরি করা হয়, কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার হিসেবে বিবেচিত হয় না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• কুকিজ (Cookies):
- Internet Information File Cookies এর কাজ হলো ব্রাউজিং তথ্য ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে জমা রাখা।
- Internet Information File Cookies হলো এক ধরনের টেক্সট ফাইল যেগুলো কোনো ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীর ব্রাউজার ডাইরেক্টরীতে সংরক্ষণ করা হয় যখন কোনো ব্যবহারকারী সেই ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে।
- এটি একটি ওয়েবসাইটকে তাদের নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারকারী সম্পর্কে নিজস্ব তথ্য সংরক্ষণ করতে দেয় যাতে যখনই আবার সেই সাইটে যাওয়া হয় তখন ব্যবহারকারীকে সহজেই সনাক্ত করা যায় এবং এটি ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- যখন একজন ব্যবহারকারী একটি ওয়েবসাইট পরিদর্শন করেন, ওয়েবসাইটটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কে ভিজিট সম্পর্কে কিছু প্রাথমিক তথ্য সংরক্ষণ করে।
- ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
Hard Drive মাদারবোর্ডের অংশ নয়।
• মাদারবোর্ড
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে।
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি।
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।
• গঠন ও উপাদান
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
CPU (Central Processing Unit),
RAM (Random Access Memory),
Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।
উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে সাহায্য করে (যেমন: ডকুমেন্ট তৈরি, গেম খেলা, ইন্টারনেট ব্রাউজিং ইত্যাদি)। MS Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, যা ডকুমেন্ট তৈরি ও এডিট করতে ব্যবহৃত হয়।
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।
সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার সামগ্রিক সিস্টেমকে পরিচালনা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- উদাহরণ: Unix, Linux, Windows, Solaris ইত্যাদি।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
ক) ডিভাইস ড্রাইভার: এটি সিস্টেম সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
খ) BIOS: এটি ফার্মওয়্যার, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ইনিশিয়ালাইজ করে এবং অপারেটিং সিস্টেম বুট করতে সাহায্য করে।
ঘ) অপারেটিং সিস্টেম: এটি সিস্টেম সফটওয়্যার (যেমন: Windows, Linux), যা কম্পিউটার রিসোর্স ম্যানেজ করে এবং অ্যাপ্লিকেশন চালানোর পরিবেশ তৈরি করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর যখন সিস্টেম বন্ধ থাকবে তখন ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
• যদি কখনো কম্পিউটারে অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্মুখীন হয় তবে নিম্নোক্ত সমস্যাসমূহ হতে পারে-
১. সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে যে চিপস রয়েছে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সকেটের বাইরে কাজ করতে শুরু করবে। পাশাপাশি চিপ কানেক্টর দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে হার্ডডিস্কের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
- উক্ত সমস্যাগুলো সাধারণত হয়ে থাকে যান্ত্রিক সরঞ্জামের দ্রুত ঠাণ্ডা অথবা গরম হয়ে উঠার জন্য। মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য এ ধরনের তাপমাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত বিপদজনক। তাই কম্পিউটার কখনো কোনো উত্তপ্ত বা অধিক ঠাণ্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম (ইউনিট ১০), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- যে সফটওয়্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি পরিপূর্ণ সফটওয়্যার।
- একে অনেক সময় মাস্টার কন্ট্রোল প্রোগ্রামও বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- MS DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System):
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp / 2000 / 7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ক হলো কম্পিউটারের জন্য একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- আবার কম্পিউটারের বাইরেও হার্ড ডিস্ক রেখে কাজ করা যায়।
- হার্ডডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য।
- ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে হার্ডডিস্ক ঢুকিয়ে কাজ করে তা অন্য একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
সূত্র: ১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
EHR এর পূর্ণরূপ Electronic Health Record.
বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে।
EHR অথবা, Electronic Health Record এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- AGP-এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক প্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/ সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডে ল্যান পোর্ট বিল্ড-ইন অবস্থায় থাকে।
- মাদারবোর্ডের ল্যান পোর্টে RJ-45 কানেক্টরের সাহায্যে ক্যাবল লাগিয়ে সরাসরি কিংবা সুইচের মাধ্যমে নেটওয়ার্ক স্থাপন করা যায় বা ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া যায়।
- এছাড়া মাইক্রোকম্পিউটারে গেইম পোর্ট, টেলিফোন লাইন পোর্ট, FM রেডিও, ক্যাবল টিভি পোর্ট, MIDI পোর্ট HDMI পোর্ট প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়।
- ইথারনেট, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে (LAN) ব্যবহৃত কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং প্রযুক্তি।
- ইথারনেট 1973 সালে ক্যালিফোর্নিয়ার জেরোক্স কর্পোরেশনের পালো অল্টো রিসার্চ সেন্টার (জেরক্স পিএআরসি) এর একটি দল দ্বারা তৈরি করা হয়েছিল।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ডিবাগ করার প্রধান কারণ হলো প্রোগ্রামে ত্রুটি সংশোধন করা। প্রোগ্রামিং করার সময় কোডে বিভিন্ন ধরনের ভুল বা বাগ থাকা স্বাভাবিক। এগুলো থাকলে প্রোগ্রাম ঠিকমতো কাজ করে না বা অপ্রত্যাশিত ফলাফল দেয়। ডিবাগিং হলো সেই প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে কোড পরীক্ষা করা হয়, ত্রুটি খুঁজে বের করা হয় এবং সেগুলো ঠিক করা হয়। এতে প্রোগ্রাম স্থিতিশীল এবং নির্ভরযোগ্য হয়। কোড নথিভুক্ত করা, নতুন ফিচার যুক্ত করা বা প্রোগ্রামের গতি বৃদ্ধি করা গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলো ডিবাগিংয়ের মূল উদ্দেশ্য নয়। ডিবাগিং মূলত প্রোগ্রামের কার্যকারিতা এবং সঠিকতা নিশ্চিত করার জন্য করা হয়।
• Bug and Debug:
• Bug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।
• Debug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।
এছাড়াও,
• কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
• কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS।
উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
ব্যাখ্যা
প্লটার, প্রজেক্টর, ভয়েস রিকগনিশন মেশিন (VCM), মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার ইত্যাদি বহুল ব্যবহৃত আউটপুট ডিভাইস।
কিবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, ওয়েবক্যাম, জয়স্টিক, সেন্সর, ওএমআর, ওসিআর, ডিজিটাইজার, বারকোড রিডার, পাঞ্চকার্ড রিডার, চৌম্বক ড্রাইভ, এমআইসিআর রিডার ইত্যাদি ইনপুট ডিভাইস।
সোর্সঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম।
ব্যাখ্যা
SQL:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করার জন্য SQL উইন্ডো ওপেন করে নিতে হয়।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।
SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ডসেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাংগুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কিভাবে কুয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন প্রান্তিক ব্যবহারকারী (End User) ইউজারগণ।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।
যেমন-
• ডাটা কুয়েরি করা।
• ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
• ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
• ডাটাবেজ অবজেক্ট এ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
• ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অক্টাল সংখ্যা ১০ = বাইনারি ১০০০
অক্টাল সংখ্যা ১১ = বাইনারি সংখ্যা ১০০১
উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই -প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ।
- মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC - Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
- অনুরূপভাবে ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (ADC - Analog to Digital Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।
অর্থাৎ মডেম ডিজিটাল সিগন্যাল ও অ্যানালগ সিগন্যালের মধ্যে রূপান্তর ঘটায়।
হাব:
- হাবের মাধ্যমে কম্পিউটারসমূহ পরস্পরের সাথে যুক্ত থাকে।
- হাবের ক্ষমতার উপর নির্ভর করে কম্পিউটারের সংযোগের সংখ্যা।
- স্টার টপোলজিতে হাব একটি কেন্দ্রিয় ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- হাবে মাল্টিপল পোর্ট থাকে।
- যখন একটি প্যাকেট কোন একটি পোর্টে পৌঁছায়, এটি সেই প্যাকেটকে কপি করে হাবের সকল পোর্টে পাঠায়।
রাউটার:
- রাউটার একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস এবং একে WAN ডিভাইসও বলা হয় ।
- রাউটার রাউটিং টেবিল ব্যবহার করে উৎস থেকে গন্তব্যে ডেটা স্থানান্তরের জন্য সহজ, নিরাপদ ও কম দূরত্বের পথটি বেছে নেয়।
- রাউটার ডেটা আদান-প্রদানের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাউটিং টেবিল তৈরি করে, যেখানে নেটওয়ার্কের সকল নোডের অ্যাড্রেস এবং পাথ থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো-
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড
• অ্যালগরিদম (Algorithm):
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য সমস্যাটিকে ছোট ছোট ধাপে বিভক্ত করে যুক্তিসম্মতভাবে পর্যায়ক্রমে লিপিবদ্ধ করাকে অ্যালগরিদম বলে।
- অর্থাৎ, অ্যালগরিদম হচ্ছে প্রোগ্রাম রচনা ও নির্বাহের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধাপগুলো পর্যায়ক্রমিকভাবে লিপিবদ্ধ করা।
- কম্পিউটারের সাহায্যে কোনো সমস্যা সমাধানে প্রোগ্রামিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যালগরিদমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র (Flowchart):
- প্রোগ্রাম বা কোনো উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পদ্ধতিকে সহজে চিত্রের সাহায্যে তুলে ধরার জন্য সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণনাভিত্তিক এবং পর্যায়ক্রমিক রূপরেখাকে ফ্লোচার্ট বা প্রবাহ চিত্র বলা হয়।
- ফ্লোচার্ট হচ্ছে অ্যালগরিদমের চিত্ররূপ।
- অর্থাৎ, অ্যালগরিদমের ধাপসমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করাকে ফ্লোচার্ট বলে।
• সুডো কোড (Pseudo Code):
- সুডো অর্থ হলো অবাস্তব, অর্থাৎ যা সত্য নয়।
- প্রোগ্রাম রচনার ধারাবাহিক বিন্যাসকে কথায় লেখাই হলো সুডো কোড। এটি অনেক প্রোগ্রাম লেখার মতোই।
- সুডো কোডকে অনেকে অ্যালগরিদমের বিকল্প বলে থাকেন।
- ইংরেজিতে সাধারণত এটি রচনা করা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Data শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং Base শব্দের অর্থ হচ্ছে সমাবেশ। শাব্দিক অর্থে ডেটাবেজ হচ্ছে কোনো সম্পর্কিত বিষয়ের ওপর ব্যাপক উপাত্তের সমাবেশ।
- অন্যভাবে বলা যায়, পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ফাইল বা টেবিল নিয়ে গঠিত হয় ডেটাবেজ।
ডেটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো-
১. ডেটা (Data)
২. রেকর্ড (Record)
৩. ফিল্ড (Field)
৪. ডাটা টেবিল (Data Table)
• রোম (ROM) হলো স্টোরেজ ডিভাইস।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজির মূল কার্যক্ষেত্র হলো অতি ক্ষুদ্র আণবিক স্তরে বস্তুর নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার, যেখানে বস্তুকে ১ থেকে ১০০ ন্যানোমিটার স্কেলে (আণবিক বা পারমাণবিক স্তরে) নিয়ন্ত্রণ করে নতুন বৈশিষ্ট্য তৈরি করা হয়।
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে উপাদানগুলোকে আণবিক স্তরে বিন্যস্ত করে উন্নত ঔষধ সরবরাহকারী ন্যানোবট বা অত্যন্ত শক্তিশালী ও হালকা নির্মাণ উপাদান তৈরি করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) হলো এমন একটি কম্পিউটার বিজ্ঞান শাখা যেখানে কম্পিউটারকে মানুষের মত চিন্তা ও সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম করা হয়।
- AI সিস্টেম বা এজেন্ট তার পরিবেশ বুঝে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- AI-এর জনক বৃটিশ বিজ্ঞানী অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং।
- ১৯৫০ সালে তিনি টুরিং টেস্ট আবিষ্কার করেন, যা মেশিনের বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি পদ্ধতি।
- ১৯৫৫ সালে জন ম্যাককার্থি “Artificial Intelligence” শব্দটি প্রবর্তন করেন।
- AI প্রয়োগের জন্য LISP প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন।
• AI-এর গবেষণার মূল বিষয়সমূহ:
- মানুষের মতো চিন্তা করা।
- অসম্পূর্ণ তথ্য থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া।
- সমস্যা সমাধান।
- পরিকল্পনা করা।
- খেলাধুলায় সফলতা অর্জন।
• AI-এর বিশেষ প্রয়োগ:
- রোবটিক্স (রোবট উপলব্ধি),
- প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ,
- এক্সপার্ট সিস্টেম,
- নিউরাল নেটওয়ার্ক,
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি,
- ফাজি লজিক।
• প্রোগ্রামিং ভাষা:
LISP, CLISP, PROLOG, C/C++, Java ইত্যাদি।
• AI-এর প্রধান শাখাসমূহ:
- সূত্রের প্রতিপাদন ও সমস্যা সমাধান,
- জ্ঞানের উপস্থাপন,
- পরিকল্পনা,
- যন্ত্রের শিক্ষা,
- স্পিচ ও প্যাটার্ন সনাক্তকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- কোনো সমস্যা সমাধান করার জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলি ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয় তা কম্পিউটারের স্মৃতি অংশে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান ও সহায়ক স্মৃতি অংশ বিদ্যমান।
- প্রধান স্মৃতি একটি পঠন/লিখন অর্ধপরিবাহী স্মৃতি।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রোগ্রাম ও উপাত্তকে এ অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- এছাড়া প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অন্তর্বতীকালীন ফলাফলকে এ ধরনের স্মৃতি অংশে সংরক্ষণ করা হয়।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতির প্রয়োজন হয়।
- র্যাম হচ্ছে প্রধান স্মৃতি, হার্ডডিস্ক ও ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে সহায়ক স্মৃতি।
উৎস:মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
ব্যাখ্যা
• HTML মূলত ওয়েব পেজ তৈরি এবং ডিজাইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি “HyperText Markup Language” এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা ওয়েব পেজে বিভিন্ন উপাদান যেমন শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি প্রদর্শন করতে সাহায্য করে। HTML একটি মার্কআপ ভাষা, যা ওয়েব ব্রাউজারকে বলে দেয় কিভাবে কনটেন্ট সাজানো ও প্রদর্শন করতে হবে। এটি নিজে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, তাই এতে লজিক বা স্ক্রিপ্ট লেখা যায় না। HTML ব্যবহার করে ওয়েব পেজের কাঠামো তৈরি করা হয়, এবং CSS ও JavaScript এর সঙ্গে মিলিয়ে সুন্দর ও ইন্টারঅ্যাকটিভ ওয়েবসাইট তৈরি করা সম্ভব। তাই HTML মূলত ওয়েব পেজ ডিজাইন করা কাজে ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক উত্তর: খ) ওয়েব পেজ ডিজাইন করা।
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language.
- HTML হলো ওয়েব পেজ তৈরি করার জন্য স্ট্যান্ডার্ড মার্কআপ ভাষা।
- টিম বার্নার্স-লি ১৯৯১ সালে HTML উদ্ভাবন করেন।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
তথ্যসূত্র: W3C অফিসিয়াল ডকুমেন্টেশন।
ব্যাখ্যা
- ওয়াইম্যাক্স এর পুরো অর্থ হলো ওয়ার্ল্ডওয়াইড ইন্টারঅপেরিবিলিটি ফর মাইক্রোওয়েভ অ্যাকসেস (WiMAX- Worldwide Interoperability for Microwave Access)
- এর IEEE নাম হলো ৮০২.১৬।
- ওয়াইম্যাক্স নামটি দিয়েছে ওয়াইম্যাক্স ফোরাম যা গঠিত হয়েছিল ২০০১ সালের জুনে।
- ওয়াইম্যাক্স এর মাধ্যমে আপনি উচ্চ গতির ব্রডব্যান্ড সেবা, তারবিহীন ব্যবস্থা বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ইন্টারনেট অ্যাকসেস করার সুযোগ পাবেন ।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য হাসপাতালগুলোতে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় (গ)। কারণ হৃদযন্ত্রের বৈদ্যুতিক সংকেত মূলত এনালগ প্রকৃতির, যা ধারাবাহিকভাবে পরিবর্তিত হয়। এই এনালগ সংকেত প্রথমে এনালগ কম্পিউটারের মাধ্যমে গ্রহণ করা হয় এবং পরে তা ডিজিটাল রূপে রূপান্তরিত করে বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার এনালগ ও ডিজিটাল- উভয় কম্পিউটারের সুবিধা একসাথে ব্যবহার করতে পারে। ফলে এটি দ্রুত, নির্ভুল ও কার্যকরভাবে হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে, যা চিকিৎসা ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর আবিষ্কার ইলেকট্রনিক্স জগতে বিপ্লব এনেছে।
• আবিষ্কারক - John Bardeen, Walter H. Brattain ও William B. Shockley।
• তারা সকলেই বেল ল্যাব্রেটরির গবেষক।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল ) ও ব্যাল ল্যাবের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যাগত পদ্ধতি যেখানে মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- কম্পিউটারের বিভিন্ন লো-লেভেল অপারেশনে অক্টাল সংখ্যা ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বাইনারি ও হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
• উদাহরণ:
(২০৪)৮, (৫১৫)৮ ইত্যাদি।
এখানে,
(145)8
= (1 × 82) + (4 × 81) + (5× 80)
= 64 + 32 + 5
= 101
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফট্ওয়্যারের কাজ:
- কম্পিউটারের সূইচ অন করার পর অপারেটিং সিস্টেম দেখে নেয় কম্পিউটারের র্যামে কি পরিমাণ জায়গা আছে।
- এরপর স্টার্টআপ ডিস্ক (Startup Disc) খুঁজে বের করে এবং ডিস্ক থেকে সিস্টেম ফাইলের প্রয়োজনীয় অংশ RAM-এ নিয়ে আসে।
- কী-বোর্ড, ডেস্ক এক্সেসরিজ ইত্যাদির প্রয়োজনীয় নির্দেশমালা অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় চলে আসে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের যাবতীয় কাজ পরিচালনার জন্য আবারও স্টার্টআপ ডিস্ক থেকে প্রিন্টার ও অন্যান্য যন্ত্রাদির সাথে তথ্য বিনিময়ের জন্য রিসোর্সগুলো নিয়ে আসে।
- সমস্ত প্রস্তুতি শেষ হলে অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীর নির্দেশের অপেক্ষাতে থাকে।
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- হার্ডডিস্কই কম্পিউটারের স্টার্টআপ ডিস্ক হিসাবে কাজ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল মেমরির প্রধান সুবিধা হলো এটি RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে। কারণ, ভার্চুয়াল মেমরি RAM এবং হার্ড ডিস্ককে মিলিয়ে একটি বড় লজিক্যাল মেমরি তৈরি করে। যখন RAM পূর্ণ থাকে, তখন কিছু অংশের ডেটা সাময়িকভাবে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আবার RAM-এ আনা হয়। ফলে, ব্যবহারকারী মনে করে তার সিস্টেমে অনেক বেশি মেমরি আছে। এভাবে বড় আকারের সফটওয়্যার বা একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে চালানো সম্ভব হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো- ক) RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব।
• ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমরি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট কৌশল, যেখানে হার্ড ডিস্কের একটি অংশকে RAM-এর বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এটি মূলত RAM-এর সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহৃত ডেটা হার্ড ডিস্কে সংরক্ষিত হয় এবং প্রয়োজনে আবার RAM-এ আনা হয়।
- এর ফলে আসল RAM এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল মেমরি ক্যাশ মেমরির প্রয়োজন দূর করে না এবং হার্ড ডিস্কের গতিও বাড়ায় না।
- CPU এর ক্লক স্পিড এর সাথে ভার্চুয়াল মেমরির কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
সুতরাং, ভার্চুয়াল মেমরির আসল সুবিধা হলো:
ক) RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রাম চালানো সম্ভব।
তথ্যসূত্র: geeksforgeeks [link]
ব্যাখ্যা
• IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টারনেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IoT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেকট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।
- তবে কখনো এমন হতে পারে যে, সর্ব বামের গ্রুপ তৈরির জন্য ৪ বিট নেই। সেক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুসারে বাম দিকে একটি বা দু'টি, শূন্য (০) বসিয়ে ৪ বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
- এভাবে গ্রুপ সম্পন্ন হওয়ার পরে প্রতিটি গ্রুপকে এর সমতুল্য মান বসিয়ে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
ব্যাখ্যা
- ডেটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডেটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোনো ফাইলের ডেটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডেটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডেটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডেটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- পরবর্তীতে ডেটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল সার্কিটে রেজিস্টার গঠনের জন্য ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। রেজিস্টার হলো একটি স্টোরেজ ইউনিট যা ডেটা সাময়িকভাবে ধারণ করতে সক্ষম। এটি সাধারণত একাধিক ফ্লিপ-ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত, যেখানে প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট ডেটা ধারণ করে। লজিক গেট শুধু লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, ক্যাপাসিটার অস্থায়ীভাবে চার্জ ধরে রাখে কিন্তু ডিজিটাল ডেটা স্টোরেজের জন্য স্থায়ী নয়, আর রেজিস্টর শুধুমাত্র কারেন্ট সীমিত করতে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, রেজিস্টার তৈরির মূল উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ। এটি ক্লক সংকেতের সাহায্যে ডেটা সংরক্ষণ ও প্রেরণ করতে পারে।
• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে তৈরি হয়।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সমাধান:
ব্যাখ্যা
1 + 1 = 0 এবং ক্যারি 1
বুলিয়ানে,
1 + 1 = 1
সাধারণ বা দশমিক পদ্ধতিতে,
1 + 1 = 2
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেমের একটি মূল বৈশিষ্ট্য হলো রিয়েল-টাইম অপারেশন। এমবেডেড সিস্টেম সাধারণত নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয় এবং এটি নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে সক্ষম হতে হয়। উদাহরণস্বরূপ, অটোমোবাইলের এয়ারব্যাগ সিস্টেম বা মেডিকেল ডিভাইসের মনিটরিং সিস্টেমে সময়মতো প্রতিক্রিয়া দেখানো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ধরনের সিস্টেমে সাধারণত উচ্চ মেমরি ক্ষমতা বা পিসির মতো মাল্টিটাস্কিং সুবিধা প্রধান লক্ষ্য নয়। বরং নির্দিষ্ট কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করা এবং নির্ভরযোগ্যভাবে কাজ করা এমবেডেড সিস্টেমের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) রিয়েল-টাইম অপারেশন।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. geeksforgeeks [link]
ব্যাখ্যা
- PDA এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিসটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক সংস্করণ ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে MacOS, Informix, Oracle এবং MySQL—তাদের মধ্যে শুধুমাত্র MacOS একটি RDBMS (Relational Database Management System) সফটওয়্যার নয়। RDBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাকে টেবিল আকারে সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং পুনঃপ্রাপ্তি করার সুবিধা প্রদান করে। Informix, Oracle এবং MySQL তিনটি সফটওয়্যারই RDBMS হিসেবে পরিচিত এবং তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অ্যাপ্লিকেশনে ডেটা ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে, MacOS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার চালনা ও বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন রান করানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ডেটাবেস ম্যানেজ করার জন্য ডিজাইন করা হয়নি। তাই, RDBMS সফটওয়্যার নয় এমনটি হলো MacOS।
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence - AI):
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) বলে।
- ১৯৫৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের MIT এর John McCarthy সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- তবে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের জনক হিসেবে কম্পিউটার বিজ্ঞানী অ্যালান টুরিং-কেও ধরে নেয়া হয়। কারন ১৯৫০ সালে তাঁর করা টুরিং টেস্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের ভিত্তি স্থাপন করে।
- তবে অনন্য প্রতিভাবান অ্যালান টুরিং পদার্থবিজ্ঞানের জনক হিসেবেই বেশি সমাদৃত। আর কম্পিউটার বিজ্ঞানী জন ম্যাকার্থীকেই অধিকাংশের মতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে ধরে নেয়া হয়।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, আলিম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
First generation of computers : started in 1946 with ENIAC, the first 'computer' to use electronic valves (ie. Vacuum tubes).
Second Generation (1956-1963) : Transistors replace vacuum tubes and ushered in the second generation of computers.
Third generation (1965-1971) : used integrated circuits (IC's) in place of transistors. A single IC has many transistors, resistors and capacitors along with the associated circuitry.
The fourth generation computers : uses microprocessor, microprocessor is a silicon chip contains millions of transistors. These computers uses LSI (Large Scale Integration) and VLSI (Very Large Scale Integration) technology. That was designed using LSI and VLSI technology.
Fifth generation computing devices : based on artificial intelligence, some applications, such as voice recognition, that are being used today.
The use of parallel processing and superconductors is helping to make artificial intelligence a reality.
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
মাইক্রো কম্পিউটার:
- এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- এতে একটিমাত্র চিপের ওপর CPU (সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট) থাকে এবং সাধারণত এক সময়ে একজন ব্যবহারকারী এটি ব্যবহার করতে পারেন।
- উদাহরণ হিসেবে ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, ট্যাবলেট এবং স্মার্টফোন মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
মিনি কম্পিউটার:
- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই।
সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- সুপার কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।
- এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
Add মানে যোগ করা
Adder মানে যে যোগ করে।
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্যঃ
A + 0 = A
A + A′ = 1
A + A′ B = A + B
A + 1 = 1
A.1 = A
A + A = A
A.0 = 0
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।
ব্যাখ্যা
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- সিডি-রম একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যা সহায়ক স্মৃতি।
- একটি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেনড্রাইভ) একটি ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস যা একটি সমন্বিত USB ইন্টারফেসের সাথে ফ্ল্যাশ মেমরি অন্তর্ভুক্ত করে।
উৎস :
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাল কম্পিউটার মেকানিক্যাল কম্পিউটার থেকে ২০০ গুণ গতিসম্পন্ন হয়ে থাকে।
- ডিজিটাল কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার সিস্টেম যা বাইনারি নম্বর সিস্টেম ব্যবহার করে গণনামূলক কাজ সম্পাদান করে।
- এই কম্পিউটারের তিনটি প্রধান উপাদান হল ইনপুট, প্রসেসিং এবং আউটপুট।
- মেকানিক্যাল কম্পিউটার হল একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার একটি কম্পিউটার যা ইলেকট্রনিক উপাদানগুলির পরিবর্তে লিভার এবং গিয়ারের মতো যান্ত্রিক উপাদানগুলি থেকে তৈরি করা হয়।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
• 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা:
- সি একটি বহুল ব্যবহৃত উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরির ডেনিস রিচি ১৯৭০ সালে এ ভাষার উদ্ভাবন করেন।
- ১৯৮৩ সালে কম্পাইলার এবং সফ্টওয়্যার প্রস্তুতকারকদের একটি গ্রুপ আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউট (ANSI)-কে C এর জন্য একটি নীতি নির্ধারণের আবেদন জানান। অতঃপর ১৯৮৯ সালের শেষের দিকে নির্ধারিত কমিটি C এর জন্য ANSI নীতি নির্ধারণ করে।
- C ভাষাকে কম্পিউটার ভাষার জনক বলা হয়ে থাকে। এ ভাষারও অনেক সংস্করণ রয়েছে। যেমন- C, ANSI C, Visual C, Turbo C প্রভৃতি।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচারড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main () ফাংশন (Function) থাকে।
- প্রতিটি প্রোগ্রামিং স্টেটমেন্ট শেষ হয় সেমিকোলন দ্বারা।
- প্রতিটি চলক ব্যবহারের পূর্বেই তাদের ডাটা টাইপ উল্লেখ থাকে।
- Header ফাইলগুলো #include দ্বারা যুক্ত করা হয়।
- সি ভাষায় অনেক লাইব্রেরী ফাংশন, কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট ইত্যাদির সুবিধা আছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• সিনক্রোনাইজেশনের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১. অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Asynchronous Transmission) ও
২. সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন (Synchronous Transmission).
• অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন:
- যে ট্রান্সমিশন সিস্টেম ক্যারেক্টার বাই-ক্যারেক্টার-ডাটা ট্রান্সমিট করে তাকে অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন সিস্টেম বলে।
- প্রেরক স্টেশনের প্রাইমারি স্টোরেজের প্রয়োজন হয় না।
- এখানে ক্যারেক্টারের মাঝে টাইম ইন্টারভেল বা বিরতি সমান হয় না।
- ট্রান্সমিশনের দক্ষতা তুলনামূলক কম।
- ট্রান্সমিশনের গতি কম।
- এই ট্রান্সমিশনে স্টার্ট বিট বা স্টপ বিট এর প্রয়োজন হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ৪ নিবল কত বিটের সমান তা বোঝার জন্য প্রথমে “নিবল” এবং “বিট” সম্পর্কটি জানা দরকার। একটি নিবল (Nibble) হলো ৪ বিট (Bit) এর সমান। এখানে বিট হলো সবচেয়ে ছোট তথ্যের একক যা ০ বা ১ হতে পারে। সুতরাং, যদি ৪টি নিবল থাকে, তাহলে মোট বিটের সংখ্যা হবে ৪ × ৪ = ১৬। তাই চারটি নিবল ১৬ বিটের সমান। অতএব সঠিক উত্তর হলো ঘ) ১৬। এটি কম্পিউটার এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের মৌলিক ধারণা বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
• নিবল (Nibble):
- এক বাইটের অর্ধেক বা ৪ বিটকে নিবল বলা হয়।
- নিবল মূলত হেক্সাডেসিমাল সংখ্যাকে কম্পিউটারের অভ্যন্তরে ব্যবহারে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।
- এর কারণ হলো বাইনারির চারটি বিটকে একত্রে গ্রুপ করলে সেই গ্রুপটিকে একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দ্বারা উপস্থাপন করা সম্ভব।
- হেক্সাডেসিমালের এই চার বিটের কোডকে প্রকাশের জন্য মূলত নিবল উপস্থাপন করা হয়ে থাকে।
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• প্ল্যানিমিটার হল একটি অ্যানালগ কম্পিউটার। এটি মূলত জ্যামিতিক আকারের পৃষ্ঠফল নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যানালগ কম্পিউটারগুলোর কাজ ভৌত পরিমাণ বা ক্রমাগত সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে, যেখানে সংখ্যাগত বা ডিজিটাল মান নয়। প্ল্যানিমিটারের হ্যান্ডেল বা পেন সরিয়ে কোনো বন্ধ আকারের রেখাচিত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয় করা হয়, যা সরাসরি যান্ত্রিক গণনার মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এটি ডিজিটাল বা হাইব্রিড কম্পিউটারের মতো প্রোগ্রামযোগ্য নয়, বরং নির্দিষ্ট ভৌত সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি। তাই প্ল্যানিমিটার স্পষ্টভাবে অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সঠিক উত্তর: গ) অ্যানালগ কম্পিউটার।
• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারঃ
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রােগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- উদাহারণঃ Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop ইত্যাদি।
• সিস্টেম সফটওয়্যারঃ
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুটআউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রােগ্রাম চালনার জন্য
কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Computer - Input Devices
Keyboard.
Mouse.
Joy Stick.
Light pen.
Track Ball.
Scanner.
Graphic Tablet.
Microphone.
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডই হলো একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
(সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : অষ্টম শ্রেণী)
ব্যাখ্যা
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Find - Ctrl + F
- Copy: Ctrl + C
- Paste: Ctrl + V
- Cut: Ctrl + X
উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
বুটিং: কম্পিউটার চালু হওয়ার পর যে প্রক্রিয়ায় অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) লোড হয় এবং কম্পিউটার কাজ করার উপযুক্ত হয়, সেই প্রক্রিয়াকে বুটিং (Booting Process) বলা হয়।
কম্পিউটার যখন চালু হয়, সর্বপ্রথম CPU সক্রিয় হয় এবং এটি ROM-এ সংরক্ষিত BIOS প্রোগ্রাম রান করতে শুরু করে। CPU-ই প্রকৃতপক্ষে বুটিং প্রসেস শুরু করে এবং সমস্ত নির্দেশ প্রসেস করে যা পরবর্তীতে অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজন হয়।
প্রশ্নে ডিভাইস জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই হিসেবে সঠিক উত্তর CPU.
• BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের একটি ফার্মওয়্যার যা মাদারবোর্ডে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
যখন কম্পিউটার অন করা হয়, তখন প্রথমেই BIOS সক্রিয় হয় এবং বুটিং প্রক্রিয়া শুরু করে।
• BIOS এর কাজ:
- হার্ডওয়্যারের কাজ যাচাই করে (যেমন RAM, কীবোর্ড, ডিস্ক ইত্যাদি)।
- বুট ডিভাইস সনাক্ত করে (যেমন: হার্ডডিস্ক বা SSD)।
- তারপর অপারেটিং সিস্টেম লোড করার নির্দেশ দেয়।
অন্যদিকে,
• RAM তথ্য ধারণ করে, BIOS কাজ শুরু করার পরে ব্যবহৃত হয়।
• Cache হলো দ্রুত মেমোরি, কিন্তু বুটিং শুরু BIOS থেকেই হয়।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।