বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৩৮ / ৮২ · ৩,৭০১৩,৮০০ / ৮,১৪১

৩,৭০১.
'ভিয়েনা' এক ধরণের-
  1. ক) ফায়ারওয়াল
  2. খ) বায়োস
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে। কম্পিউটার ভাইরাস 
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS পুরো নাম হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি। 

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭০২.
“QWERTY” শব্দটি কী বোঝায়?
  1. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  2. এক ধরনের প্রিন্টার
  3. একটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. একটি কীবোর্ডের বিন্যাস
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) একটি কীবোর্ডের বিন্যাস।

QWERTY হল কীবোর্ডের একটি জনপ্রিয় বিন্যাস যা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এর নাম আসে কীবোর্ডের প্রথম ছয়টি অক্ষর “Q-W-E-R-T-Y” থেকে। এটি মূলত টাইপরাইটারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল, যাতে সাধারণভাবে ব্যবহৃত অক্ষরগুলো একে অপরের কাছাকাছি না থাকে এবং টাইপিং চলাকালীন কীগুলোর জ্যাম কমানো যায়। আজকের সময়ে কম্পিউটার কীবোর্ডেও এই বিন্যাসটি প্রায়শই ব্যবহৃত হয়। QWERTY বিন্যাস শিক্ষার জন্য সহজ এবং দ্রুত টাইপিং করার জন্য মানক ধরা হয়েছে, এবং এটি বিভিন্ন ভাষায় সামান্য পরিবর্তনসহ প্রয়োগ করা হয়।

• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।

- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৭০৩.
CP/M, MS-DOS এবং PC-DOS কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) ডেডিকেটেড অপারেটিং সিস্টেম
  2. খ) ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম
  3. গ) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
যে অপারেটিং সিস্টেম একটির পর আরেকটি প্রোগ্রাম পর্যায়ক্রমে পরিচালনা করে তাকে ব্যাচ প্রসেসিং সিস্টেম বলে। ব্যাচ প্রসেসিং-এর বৈশিষ্ট্য হলাে একটি নির্দিষ্ট সময়ে এটি শুধু একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এখানে মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা টাইমশেয়ারিং-এর কোনাে সুযােগ নেই। এর আরেকটি বৈশিষ্ট্য হলো একটি প্রােগ্রাম যখন পরিচালনা করা শুরু হয়, তখন সেটা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অন্য প্রােগ্রাম তার কার্যক্রম শুরু করতে পারে না। এই অপারেটিং সিস্টেমটি মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে প্রাথমিক অপারেটিং সিস্টেম ছিল। মাইক্রোকম্পিটারে ব্যবহৃত CP/M, MS-DOS এবং PC-DOS গুলোও ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৩,৭০৪.
১ ন্যানো মিটার বলতে বোঝায়-
  1. ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগ
  2. ১ মিটারের ১০ লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  3. ১০০ মিটারের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. ১০ মিটারের ১ কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ১ মিটারের ১০০ কোটি ভাগের এক ভাগকে বলা হয় ১ ন্যানো মিটার।
অর্থাৎ 1nm = 10-9m.
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- ন্যানো (Nano) শব্দটি  গ্রিক nanos শব্দ থেকে এসেছে যার আভিধানিক অর্থ dwarft (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানুষ)।
- ন্যানো হলো একটি পরিমাপের একক। এটি কতটা ছোট তা কল্পনা করা কঠিন।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩,৭০৫.
মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ কী?
  1. বড়
  2. মাঝারি
  3. ক্ষুদ্র
  4. দ্রুত
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হলো ক্ষুদ্র।
- মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি।
- মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- ডেক্সটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, পামটপ কম্পিউটার এবং নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৭০৬.
নিচের কোনটি ইমেজ ফাইল এক্সটেনশন নয়?
  1. .bmp
  2. .png
  3. .vcf
  4. .webp
ব্যাখ্যা
♦ ছবির ফাইল এক্সটেনসমূহ-

.vcf - E-mail contact file.

উৎস: Computerhope website.
৩,৭০৭.
অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি কোনটি?
  1. NOR Gate
  2. AND Gate
  3. NAND Gate
  4. XNOR Gate
ব্যাখ্যা
• নর (NOR) গেইট:
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি।
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়।
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট নর গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো :

                   চিত্র: নর গেইট


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭০৮.
কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ৫ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ২ ভাগে
  4. ৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- কাজ করার প্রক্রিয়া অনুযায়ী কম্পিউটারকে সাধারণত তিনভাগে ভাগ করা যায়। যথা
১. এনালগ কম্পিউটার,
২. ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩. হাইব্রিড কম্পিউটার।

- আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা
১. অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer), 
২. বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer), 
৩. ছােট কম্পিউটার (Mini Computer) ও
৪. ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)।
- মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়। যথা: সুপার মাইক্রো, ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, নােটবুক ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭০৯.
Which of the following is not a type of hard disk drive?
  1. PATA
  2. SATA
  3. SCSI
  4. LCD
ব্যাখ্যা
LCD is not a type of hard disk drive.
LCD (Liquid Crystal Display) হলো একটি স্ক্রিন বা মনিটর প্রযুক্তি, এটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

- হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
- ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
- এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
- কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
- অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
- ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
- এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
- ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৭১০.
ইন্টারনেটের জনক কে?
  1. Vint Cerf
  2. Larry Page
  3. Sergey Brin
  4. Jeff Bezos
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের জনক সাধারণত ভিন্ট সার্ফ (Vint Cerf) কে বলা হয়। তিনি “ইন্টারনেট প্রোটোকল” বা TCP/IP বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন, যা ইন্টারনেটের মূল ভিত্তি। ভিন্ট সার্ফ ও তার সহযোগী বব কান (Bob Kahn) ১৯৭০-এর দশকে এই প্রোটোকল তৈরি করেন, যা বিভিন্ন কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে তথ্য আদান-প্রদান সহজতর করে। এর মাধ্যমে ইন্টারনেট আজকের মত বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ ব্যবস্থায় পরিণত হয়। অন্যদিকে, ল্যারি পেজ ও সের্গেই ব্রিন গুগল প্রতিষ্ঠা করেন এবং জেফ বেজোস অ্যামাজন-এর প্রতিষ্ঠাতা, তবে তারা ইন্টারনেটের জনক নয়। তাই ইন্টারনেটের জনক হিসেবে ভিন্ট সার্ফকে গণ্য করা হয়।

• ইন্টারনেট এবং ইন্টারনেটের জনক:
- ইন্টারনেটের জনক Vinton Gray Cerf.
- তিনি একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
 - তিনি ইন্টারনেট এবং TCP/IP প্রোটোকল তৈরির সহ-পরিকল্পনা করেছিলেন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী রবার্ট কানের সাথে।
- ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৭১১.
১৯৯৯ সালের ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার কোন ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়?
  1. বুট সেক্টর
  2. ট্রোজান হর্স
  3. ভিবিএস
  4. চেরননোবিল
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- কম্পিউটার ভাইরাসের আবির্ভাব হওয়ার পর থেকেই একের পর এক ভাইরাস তৈরি করে যাচ্ছে প্রোগ্রামাররা।
- এসব ভাইরাসের অনেকগুলোই এতটাই ক্ষতিকর যে বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃস্টি করেছে।
- ১৯৯৯ সালের ২৬শে এপ্রিল বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH বা চেরননোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
- টাইম বোমার মতো নির্দিষ্ট সময়ে এ ভাইরাসটি কম্পিউটারকে আক্রমণ করে।
- ঘড়ির কাটায় ২৬শে এপ্রিল, ১৯৯৯ হওয়ার সাথে সাথে কম্পিউটারে লুকায়িত সিআইএইচ ভাইরাস বিপর্যয়ের সৃষ্টি করে।
- পিটার্স বুর্গের মেলোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার ইমারজেন্সি রেসপন্স টিমের মুখপাত্র বিল পোলক বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রে কমপক্ষে ২৩৮২টি কম্পিউটার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে”।
- সারা চীনে ১ লাখেরও বেশি কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণের শিকার হয।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৩,৭১২.
ডিজিটাল সার্কিটে Addition করার জন্য কোন Combinational Circuit কাজ করে?
  1. এনকোডার 
  2. ডিকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. অ্যাডার
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল সার্কিটে সংখ্যাগুলো যোগ করার জন্য অ্যাডার (Adder) নামক কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করা হয়। অ্যাডার দুটি বাইনারি সংখ্যা নিয়ে তাদের যোগফল তৈরি করে। এটি একটি মৌলিক কম্বিনেশনাল লজিক সার্কিট যা বিট ভিত্তিক গণনা করতে সক্ষম। এক বিট যোগফলের জন্য হাফ অ্যাডার (Half Adder) এবং একাধিক বিট যোগফলের জন্য ফুল অ্যাডার (Full Adder) ব্যবহার করা হয়। হাফ অ্যাডার শুধু দুটি ইনপুট বিটের যোগফল এবং ক্যারি বের করতে পারে, যেখানে ফুল অ্যাডার অতিরিক্ত ইনপুট ক্যারিও যোগ করতে পারে। অন্যদিকে, এনকোডার ইনপুট সিগন্যালকে কোডে রূপান্তর করে, ডিকোডার কোডকে আউটপুটে ভাঙে, আর রেজিস্টার ডেটা সংরক্ষণ করে। তাই যোগফলের জন্য সঠিক উত্তর: অ্যাডার।

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

এছাড়াও, 
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৭১৩.
কোনটি কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. পান্ডা
  3. অ্যাভাস্ট
  4. এভিজি
ব্যাখ্যা
ট্রোজান হর্স একটি কম্পিউটার ভাইরাস। 

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭১৪.
কীবোর্ডে মোট কয়টি ফাংশন কী থাকে?
  1. ১২০
  2. ১২
  3. ১৫
  4. ১০৫
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ডে মোট ১২ টি ফাংশন কী থাকে।

- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭১৫.
ন্যানোটেকনোলজি কোন স্কেলে কাজ করে?
  1. পারমাণবিক স্কেল
  2. মিটার স্কেল
  3. আণবিক স্কেল
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
ন্যানোটেকনোলজি পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে কাজ করে।

ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৭১৬.
বাইনারি পদ্বতিতে ১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ কর।
  1. ক) ১০০১১১০
  2. খ) ১০০১১০১০
  3. গ) ১০১১১০১০
  4. ঘ) ১০১০১০১১
ব্যাখ্যা
দশমিক পদ্ধতির মত একই উপায়ে বাইনারি যোগ করা হয়। দুটি বাইনারি অংক যোগের চারটি নিম্নরূপ অবস্থা হয়
0+0=0
0+1=1
১+০=১
১+১ = ০ এবং এর সাথে হাতে ১ থাকবে। (হাতে থাকাকে ক্যারি বলে)
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির যোগ হচেছ খুবই গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক প্রক্রিয়া। কম্পিউটারসহ প্রায় সব ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রেই যোগের সাহায্যে বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা হয়। যেমন পর্যায়ক্রমে যোগের মাধ্যমে গুণ করা যায়। আবার ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যার সাথে যোগের মাধ্যমে বিয়োগ করা হয়। আর ভাগ হলো বিয়োগেরই সংক্ষিপ্ত রূপ।
কাজেই শুধুমাত্র যোগের সার্কিট ব্যবহার করে অন্যান্য গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যায়। ফলে সার্কিটের সরলতা বৃদ্ধিতে ইহা খুবই সহায়ক।
 
উদাহরণ:
১১০০১০১ এর সাথে ১০১০১০১ যোগ:
   ১১০০১০১
+ ১০১০১০১
-------------
  ১০১১১০১০
 
৩,৭১৭.
নিচের কোনটি দেখতে বুলেটিন বোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ?
  1. স্কুল-কলেজের নোটিশ বোর্ড
  2. কম্পিউটারের মাদারবোর্ড
  3. মাইক্রোচিপ
  4. কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
• বুলেটিন বোর্ড:
- ইলেকট্রনিক বুলেটিন বোর্ড ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন প্রদানের জন্য ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা যেখানে কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে অন্যান্য কম ক্ষমতাসম্পন্ন টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
- এটির ব্যবহার অনেকটা অফিস-আদালত, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কিংবা সুপার মার্কেটে ব্যবহৃত বুলেটিন বোর্ডের মতো যেখানে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য, নোটিশ, ক্রয় বিক্রয়ের বিজ্ঞাপন, ব্যক্তিগত সংবাদ ইত্যাদি ডিজিটাল উপায়ে প্রদর্শিত হয়।
- বুলেটিন বোর্ড পরিচালনায় বিশেষ সফটওয়্যার প্রয়োজন যা অন্যান্য কম্পিউটার থেকে আসা কলের জবাব প্রদান, অন্যান্য কম্পিউটার কর্তৃক প্রদত্ত সংবাদ সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং ব্যবহারকারীদের জন্য বুলেটিন বোর্ডের ফাইলপত্র ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- এছাড়াও বিমানবন্দর, রেলওয়ে স্টেশন বা বিভিন্ন পাবলিক প্লেসে সংশ্লিষ্ট সেবা সম্পর্কিত তথ্য প্রদর্শ্ন ও প্রচারে বুলেটিন বোর্ডের ব্যাপক ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৭১৮.
আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স-এ ব্যবহৃত হয়না কোন প্রোগ্রামিং ভাষাটি?
  1. JAVA
  2. Python
  3. Perl
  4. LISP
ব্যাখ্যা
• Perl একটি উচ্চস্তরের ডাইনামিক প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তবে এটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত হয়না।

• আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো মানুষের চিন্তাভাবনা গুলোকে কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটার বা কম্পিউটার প্রযুক্তি নির্ভর যন্ত্রের মধ্যে রূপ দেয়ার ব্যবস্থা।
- ১৯৫৬ সালে জন ম্যাকার্থী সর্বপ্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স শব্দটি উল্লেখ করেন।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা: LISP, PROLOG, C/C++, CLISP, JAVA, MATLAB, Python, SHRDLU ইত্যাদি।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বাস্তব প্রোয়োগ হলো রোবট।
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের আওতায় বেশ কিছু ক্ষেত্র রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: মেশিন লার্নিং, রোবটিক্স, কম্পিউটার ভিশন, ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (NLP), স্পিচ প্রসেসিং ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩,৭১৯.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. Operating system
  2. CPU
  3. Keyboard
  4. Hard disk
ব্যাখ্যা
সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফটওয়্যার। 
- আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট অ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়। 
- Power Point একটি মাইক্রোসফটের অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারের সফটওয়্যারের অংশ।
- Operating System ও সফটওয়্যার এর অন্তর্ভূক্ত।

হার্ডওয়্যার: 
- কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। 
- ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। 
- হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। 
- কী-বোর্ড, হার্ড ডিক্স, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ, সিপিইউ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। 
- হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭২০.
MS Excel কোন ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Spreadsheet Software
  2. Word Processor
  3. Presentation Software
  4. Database Management System
ব্যাখ্যা

• MS Excel একটি Spreadsheet Software। এটি মূলত টেবিল আকারে তথ্য সংরক্ষণ, গণনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্ন ধরণের রিপোর্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্সেলে সারি (Row) এবং কলামের (Column) মাধ্যমে সেল (Cell) গঠিত হয় যেখানে তথ্য প্রবেশ করানো যায়। ব্যবহারকারীরা সহজেই যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগসহ জটিল গাণিতিক ও পরিসংখ্যানগত কাজ করতে পারেন। এছাড়াও চার্ট, গ্রাফ এবং ডেটা ভিজুয়ালাইজেশনের মাধ্যমে তথ্যকে সহজভাবে উপস্থাপন করা যায়। এক্সেল ডেটা বিশ্লেষণ, বাজেট তৈরি, হিসাবরক্ষণ এবং বিভিন্ন অফিস কার্যক্রমে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই এটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হিসেবেই পরিচিত।

• মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel):
- মাইক্রোসফট এক্সেল (MS Excel) একটি শক্তিশালী স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন, যা মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরি।
- এটি ডেটা ম্যানেজমেন্ট, বিশ্লেষণ এবং উপস্থাপনার জন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সফটওয়্যার।
- MS Excel অফিস প্যাকেজের অংশ এবং ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত ও পেশাগত কাজের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়।

• প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- স্প্রেডশিট গঠন:
- MS Excel টেবিল আকারে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহার করা হয়। এটি সারি ও কলাম দ্বারা গঠিত।

- ফর্মুলা ও ফাংশন:
- এক্সেলে অনেক বিল্ট-ইন ফাংশন যেমন SUM, AVERAGE, VLOOKUP, IF ইত্যাদি রয়েছে, যা জটিল গণনার কাজকে সহজ করে।

- ডেটা বিশ্লেষণ:
- MS Excel ডেটা ফিল্টারিং, সাজানো এবং বিশ্লেষণের জন্য অত্যন্ত কার্যকর।

- চার্ট ও গ্রাফ:
- ব্যবহারকারীরা সহজেই চার্ট ও গ্রাফ তৈরি করে ডেটার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা করতে পারেন।

- ডেটা সুরক্ষা:
- পাসওয়ার্ড দিয়ে ফাইল সুরক্ষিত করার সুবিধা রয়েছে।

- পিভট টেবিল:
- ডেটা বিশ্লেষণের জন্য পিভট টেবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল, যা ডেটাকে সহজে উপস্থাপন করে।

• ব্যবহারক্ষেত্র:
- ব্যবসায়িক পরিকল্পনা: বিক্রয় বিশ্লেষণ, বাজেট তৈরি ইত্যাদির জন্য।
- শিক্ষা: ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ডেটা বিশ্লেষণ ও অ্যাসাইনমেন্ট তৈরিতে।
- গবেষণা: ডেটা সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণে।
- প্রতিদিনের কাজ: ব্যক্তিগত বাজেট এবং টাস্ক ম্যানেজমেন্টের জন্য।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:

1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.

2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.

3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭২১.
কোনটি কন্ট্রোল ইউনিট সম্পর্কে সত্য?
  1. মেমরি, CPU এবং I/O ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে
  2. লজিক্যাল ক্যালকুলেশন করে
  3. প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে
  4. ALU এর সমতুল্য
ব্যাখ্যা

• কন্ট্রোল ইউনিট (CU) কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা CPU-এর অন্যান্য উপাদানগুলোকে পরিচালনা এবং সমন্বয় করে। এটি মূলত মেমরি, ইনপুট/আউটপুট (I/O) ডিভাইস এবং Arithmetic Logic Unit (ALU)-এর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কম্পিউটার প্রোগ্রাম অনুযায়ী ঠিকমতো কাজ করতে পারে। CU নিজে কোনো লজিক্যাল ক্যালকুলেশন বা গণনা করে না; এটি শুধু নির্দেশাবলী পড়ে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য সিগন্যাল পাঠায়। এটি প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না, বরং প্রোগ্রামকে নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করে। ALU-এর সমতুল্য নয়, কারণ ALU গণনা ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদন করে, যেখানে CU প্রধানত নির্দেশনামূলক নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। 

​কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

​নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৭২২.
সিপিইউ-এর কোন অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে?
  1. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  2. স্মৃতি অংশ
  3. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) হচ্ছে কম্পিউটারের ক্যালকুলেটর স্বরূপ। এই অংশ সকল গাণিতিক এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে থাকে।

• সিপিইউ (CPU):

- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• সিপিইউ-এর গঠন:
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit)
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭২৩.
ডিজিটাল কম্পিউটার কয় ধরনের?
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে প্রকারভেদ:
কম্পিউটার প্রধানত ৩ প্রকার। যথা-
১) এনালগ কম্পিউটার,
২) ডিজিটাল কম্পিউটার ও
৩) হাইব্রিড কম্পিউটার।

ডিজিটাল কম্পিউটার ৪ ধরনের। যথা-
১) সুপার কম্পিউটার,
২) মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
৩) মিনি কম্পিউটার ও
৪) মাইক্রো কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭২৪.
ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় কোন কুয়েরির মাধ্যমে?
  1. ক) Select
  2. খ) Crosstab
  3. গ) Parameter
  4. ঘ) Action
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজের কুয়েরিকৃত ডেটাকে সামারি আকারে উপস্থাপন করা হয় Crosstab কুয়েরির মাধ্যমে।

কুয়েরি (Query): ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।
- সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query): কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।
- প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query): ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যরামিটার কুয়েরি বলে।
- ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query): শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।
- অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query): কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং Microsoft Support Website.
৩,৭২৫.
নিচের কোনটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) GE-200
  2. খ) IBM-650
  3. গ) UNIVAC-1
  4. ঘ) IBM-709
ব্যাখ্যা

GE-200 একটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

- অপরদিকে, IBM-650, IBM-709 এবং UNIVAC-1 ছিল প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার।

দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য-
১.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে ভ্যাকুয়াম টিউব এর পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার এর ফলে কম্পিউটার গুলি আকারে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার থেকে কিছুটা ছোট ছিল
২.পূর্বের কম্পিউটার গুলি থেকে এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক বেশি ছিল
৩.পূর্বের কম্পিউটার গুলির থেকে এই কম্পিউটারের গতি ছিল অনেক বেশি
৪.এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলিতে অনেক কম বিদ্যুৎ খরচ হতো হতো

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৩,৭২৬.
ATM এ কোন ধরণের কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. সার্ভার কম্পিউটার
  2. এমবেডেড কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ATM এ এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• এম্বেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- এম্বেডেড কম্পিউটারে মনিটর থাকে না।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি ক্যাবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এম্বেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৭২৭.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ডিজিটাল ক্যামেরা
  2. স্ক্যানার
  3. OMR
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল ক্যামেরা, স্ক্যানার, OMR, ওয়েবক্যাম প্রভৃতি ইনপুট ডিভাইস।
টাচ স্ক্রিন হচ্ছে ইনপুট - আউট পুট ডিভাইস।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা - ২০ ও ২১।
৩,৭২৮.
নিচের কোনটি non-volatile স্টোরেজ প্রযুক্তি?
  1. RAM
  2. NAND flash memory
  3. Cache Memory
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
NAND flash memory is a type of non-volatile storage technology that does not require power to retain data. An important goal of NAND flash development has been to reduce the cost per bit and to increase maximum chip capacity so that flash memory can compete with magnetic storage devices, such as hard disks. NAND flash has found a market in devices to which large files are frequently uploaded and replaced. MP3 players, digital cameras and USB flash drives use NAND technology.

source - TechTarget website
৩,৭২৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. ক) Microsoft Edge
  2. খ) Ubuntu
  3. গ) Avast
  4. ঘ) Google drive
ব্যাখ্যা
System সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের জন্য আবশ্যক। 
যেমন, Microsoft Edge, internet ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত্ত হয়, কিন্তু এটি না থাকলে যে কোন কম্পিউটার  চালাতে অসুবিধা হয় না। 
কিন্তু কোন কম্পিউটারের যদি অপারেটিং সিস্টেম (সিস্টেম সফটওয়্যার ) না থাকে ,তাহলে এটি ব্যবহার করা সম্ভব হয় না। 
যেহেতু Ubuntu একটি অপারেটিং সিস্টেম, তাই এটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
৩,৭৩০.
যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে কি বলে?
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) CD
  4. ঘ) DVD
ব্যাখ্যা

ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়। এতে কোন তথ্য যুক্ত করা যায় না। RAM এ তথ্য মুছে ফেলে নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মাহবুবুর রহমান)

৩,৭৩১.
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কোন ধরনের কম্পিউটার তৈরি শুরু হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. অ্যানালগ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• পার্সোনাল কম্পিউটার—মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার ছোট, সাশ্রয়ী ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে।

• মাইক্রোপ্রসেসর ও কম্পিউটারের অগ্রগতি:
- ইলেকট্রনিকসের দ্রুত উন্নতির সাথে সাথে কম্পিউটারের অগ্রগতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
- ১৯৭১ সালে IC (Integrated Circuit) এবং LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির ভিত্তিতে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটার তৈরিতে এক যুগান্তকারী বিপ্লব ঘটে।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার শুরু হয় এবং পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) নির্মাণের পথ উন্মুক্ত হয়।
 
• মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের প্রভাব:
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে—
- কম্পিউটারের আকার ছোট হয়,
- দাম কমে যায়,
- বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এর ফলে কম্পিউটারের—
- কাজ করার ক্ষমতা,
- কাজের গতি,
- নির্ভরযোগ্যতা,
- বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।
 
• মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার:
- যুক্তরাষ্ট্রের Intel কোম্পানি সর্বপ্রথম ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কার করে।
- এই আবিষ্কার আধুনিক কম্পিউটার যুগের সূচনা করে এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৭৩২.
(12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?
  1. ক) 1100
  2. খ) 0100
  3. গ) 0011
  4. ঘ) 1010
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (12)10 এর 1 এর পরিপূরক কত?

সমাধান:
(12)10 = (1100)2

1100 এর 1 এর পরিপূরক = 0011
৩,৭৩৩.
OS-এর মূল কম্পোনেন্ট কী নামে পরিচিত?
  1. কার্নেল
  2. চিপ
  3. বায়োস
  4. শেল
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের (OS) মূল কম্পোনেন্টকে কার্নেল (Kernel) নামে পরিচিত। কার্নেল হলো OS-এর অন্তর্নিহিত অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে এবং সিস্টেমের বিভিন্ন রিসোর্স যেমন CPU, মেমরি, ডিভাইস ইত্যাদিকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে। এটি প্রোগ্রাম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারীর প্রোগ্রাম নিরাপদ ও কার্যকরভাবে চলতে পারে। কার্নেল ছাড়া OS কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে না, কারণ এটি সিস্টেমের মূল ফাংশন যেমন প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ইনপুট-আউটপুট নিয়ন্ত্রণ সামলায়।
- সুতরাং, OS-এর মূল কম্পোনেন্ট হল কার্নেল।

 
 • কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ শিডিউলিংয়ের দায়িত্ব পালন করা হয়।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ এবং টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট এবং ডিভাইস ম্যানেজমেন্টের কাজ পরিচালনা করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সংযোগ স্থাপন করা হয়।

উৎস:
- sciencedirect [link]

৩,৭৩৪.
কৃষিপণ্য বেচাকেনায় সরকারি অ্যাপ এর নাম কী?
  1. সদাই
  2. কৃষকের জানালা
  3. কৃষি বাতায়ন
  4. কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
ব্যাখ্যা
কৃষিপণ্যের বেচাকেনায় সরকারি অ্যাপ 'সদাই' চালু হয়।

বাংলাদেশ সরকার দেশব্যাপী কৃষকদের ই-কৃষি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে নিম্নোক্ত ব্যবস্থা গ্রহন করেছে -
- কৃষকের জানালা
- কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
- কৃষি বাতায়ন
- বন্ধু ফোন
- Online Fertilizer Recommendation Software
- Bangladesh Rice Knowledge Bank ইত্যাদি

উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯ ও লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,৭৩৫.
এবিসি কম্পিউটার আবিষ্কার করেন-
  1. ক) এডা অগাস্টা
  2. খ) এটানসফ
  3. গ) হাওয়ার্ড
  4. ঘ) শেলডন কুপার
ব্যাখ্যা
এটানসফ-বেরি কম্পিউটার কে সংক্ষেপে এবিসি কম্পিউটার বলে৷ এবিসি কম্পিউটার একদম প্রথম দিকের ডিজিটাল কম্পিউটার৷ জন ভিনসেন্ট এটানসফ ১৯৩৯ সালে এটার একটা প্রোটোটাইপ তৈরী করেন।
Source: Britannica
৩,৭৩৬.
ন্যানো সেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের -
  1. ক) এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ
  2. খ) এক কোটি ভাগের এক ভাগ
  3. গ) একশ কোটি ভাগের এক ভাগ
  4. ঘ) এক হাজার কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
Nanosecond is one billionth of a second. অর্থাৎ এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ। [source: dictionary.com]
৩,৭৩৭.
UNIVAC এর পূর্ণ অর্থ কী?
  1. Universal Automatic Computer
  2. Universal Automatic Calculator
  3. Universal Analytical Computer
  4. Universal Analytical Calculator
ব্যাখ্যা
UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৩৮.
শিফ্ট রেজিস্টার কোনটি?
  1. শিফ্ট লেফট
  2. শিফট রাইট
  3. কন্ট্রোলড শিফ্ট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• শিফ্ট রেজিস্টার:
- যে রেজিস্টার বাইনারি ডাটাকে ডানদিক বা বাম দিকে বা উভয় দিকে সরাতে পারে তাকে শিফ্ট রেজিস্টার বলে।
- শিফ্ট রেজিস্টারে একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ চেইন আকারে একটির সাথে অপরটি যুক্ত থাকে যাতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফিল্প-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ পায় যা একটি স্টেজ থেকে অপর স্টেজে শিফ্ট সূচনা করে।
- একটি সরলতম শিফ্ট রেজিস্টারের চিত্র নিচে দেওয়া হলো যেখানে শুধুমাত্র D টাইপ ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়েছে এবং একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট পরবর্তী ফ্লিপ-ফ্লপের ইনপুটের সাথে সংযুক্ত।
- সকল ফ্লিপ-ফ্লপে একটি কমন ক্লক পালস্ দেওয়া হয়। এক একটি পালসে এক একটি বিট সরানো হয়।

• শিফ্ট রেজিস্টার কয়েক ধরনের হয়।
যথা-
(i) শিফ্ট লেফট,
(ii) শিফ্ট রাইট এবং
(iii) কন্ট্রোলড শিফ্ট।

• কন্ট্রোলড শিফ্ট রেজিস্টার আবার দু'ধরনের হতে পারে।
• যথা-
(i) সিরিয়াল লোডিং ও
(ii) প্যারালাল লোডিং।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৩৯.
Which programming language is known as a 'low-level' language?
  1. Python
  2. Java
  3. Assembly language
  4. Ruby
ব্যাখ্যা
• Assembly Language is the Low-Level Language.

• প্রোগ্রামের ভাষা:
- প্রোগ্রাম রচনার সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য এসকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লো-লেভেল ভাষা বা নিম্ন স্তরের ভাষা ও
২. হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা।

• নিম্ন স্তরের ভাষা:
- নিম্ন স্তরের ভাষাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. মেশিন ভাষা ও
২. অ্যাসেম্বলি ভাষা।

• অ্যাসেম্বলি ভাষা:
 -অ্যাসেম্বলি ভাষা হচ্ছে মেশিন ভাষার পরবর্তী প্রোগ্রামের ভাষা।
- মেশিন ভাষার সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য পঞ্চাশের দশকে অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন শুরু হয়।
- এই ভাষা দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো যা মেশিনের ভাষা থেকে উন্নত, সংক্ষিপ্ত এবং ব্যবহারকারীর জন্য সহজবোধ্য।

• Visual Basic, Java, C++ হচ্ছে High level language.

• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪০.
নিচের কোনটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম?
  1. অনুবাদক সফটওয়্যার
  2. ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার
  3. ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপটিমাইজ বা কম্পিউটার এর সাথে সমন্বয় রাখার জন্য যে সফটওয়্যার ডিজাইন করা হয়েছে তাকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা এবং রুটিন কাজের জন্য।
- নিন্মোক্ত ধরনের সফটওয়্যারসমুহ ইউটিলিটি সফটওয়্যার;
১। এন্টিভাইরাস,
২। অনুবাদক সফটওয়্যার,
৩। ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
৪। ব্যাক আপ/ ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যা্‌
৫। ক্লিপবোর্ড ম্যানেজ সফটওয়্যার,
৬। ডিস্ক ডিফ্রাগমেনটেশন,
৭। সর্ট মার্জ প্রোগ্রাম,
৮। লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪১.
কাশ্মীর ইস্যুতে উত্তেজনা বৃদ্ধির সময় দুই দেশই পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চালিয়েছে।
এ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
  3. মাইক্রোকম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

⚪ সুপার কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং দ্রুতগতির কম্পিউটার যা জটিল গাণিতিক গণনা, সিমুলেশন, এবং রিয়েল-টাইম ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, টার্গেটিং সিস্টেম এবং ট্র্যাকিংয়ের মতো কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়, কারণ এতে অতি দ্রুত এবং নির্ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা প্রয়োজন।

⚪ সুপার কম্পিউটার কীভাবে ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে তা নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।

১. রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং:
- ক্ষেপণাস্ত্র যখন উৎক্ষেপণ করা হয়, তখন এটি নিজ অবস্থান, গতি, লক্ষ্যবস্তুর গতি ইত্যাদি অনেক সেন্সরের তথ্য পাঠায়। সুপার কম্পিউটার এই সব তথ্য খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয় - কোথায় গেলে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানবে।

২. টার্গেটিং এবং ট্র্যাকিং সিস্টেম:
- লক্ষ্যবস্তু চলমান থাকলে (যেমন যুদ্ধবিমান), সুপার কম্পিউটার তা ট্র্যাক করে ও হিসাব করে কোথায় ক্ষেপণাস্ত্রটি যেতে হবে। এটি করার জন্য জটিল অ্যালগরিদম ও তীব্র গতির গণনার প্রয়োজন হয়।

৩. সিমুলেশন ও পরীক্ষা:- 
সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্রের কার্যকারিতা আগে থেকেই ভার্চুয়াল সিমুলেশনের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয়। এর ফলে যুদ্ধের আগেই বোঝা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রটি কেমন কাজ করবে।

৪. প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (Missile Defense):
- বিপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র এলে সেটি শনাক্ত করা ও ধ্বংস করার জন্যও সুপার কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এটি ক্ষণিকের মধ্যে সিদ্ধান্ত নেয়—কোন ক্ষেপণাস্ত্র পাঠালে সেটি প্রতিহত করা যাবে।

সংক্ষেপে বলা যায় - ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে দ্রুত, নির্ভুল ও বিশ্লেষণাত্মক সিদ্ধান্ত নিতে সুপার কম্পিউটার অপরিহার্য।

⚪ আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার 
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার 
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

⚪ সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস:
১) IEEE [লিংক]
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪২.
প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম যেখানে সংরক্ষণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) Cache Memory
  2. খ) RAM
  3. গ) ROM
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
র‍্যাম (RAM)
RAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন / পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়। কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে। কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

র‍্যামের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory)।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।
৭. প্রক্রিয়াকরণের সময় কম্পিউটার তার যাবতীয় তথ্যাবলি ও প্রোগ্রাম র‍্যাম সংরক্ষণ করে।

র‍্যামের প্রকারভেদ: সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২. ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)

উৎস:
১. বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২. কম্পিউটার হোপ ওয়েবসাইট।
৩,৭৪৩.
n-সংখ্যক চলকের জন্য সত্যক সারণিতে ইনপুটের বিন্যাস কী হবে?
  1. 2n
  2. 3n
  3. 22n
  4. 32n
ব্যাখ্যা


উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৭৪৪.
কম্পিউটার এন্টিভাইরাস নিচের কোনটি?
  1. ক) ফায়ারফক্স
  2. খ) ফুচশিয়া
  3. গ) Windows Defender
  4. ঘ) ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার এন্টিভাইরা Macafee Antivirus, Norton Antivirus, IBM antivirus, Thunderbyte antivirus, Windows defender Red alert antivirus etc.
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
৩,৭৪৫.
নিচের কোনটি ইউজার ইন্টারফেসের ধরণ হিসেবে বিবেচিত নয়?
  1. কমান্ডচালিত
  2. ডেটাচালিত
  3. মেনুচালিত
  4. গ্রাফিক্যাল
ব্যাখ্যা
• ইউজার ইন্টারফেস:
- অপারেটিং সিস্টেম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়‍্যারের সংযোগ, সমন্বয় সাধন, পরিচালনা ও নির্দেশ গ্রহণে সাহায্যে করে।
- অপারেটিং সিস্টেমে সাধারণত তিন ধরনের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়। যথা-
১. কমান্ডচালিত,
২. মেনুচালিত ও
৩. গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪৬.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিকে কী বলে?
  1. ই-জার্নাল
  2. ই-স্টাডি
  3. ই-লার্নিং
  4. ই-কমার্স
ব্যাখ্যা
ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৪৭.
নিচের কোন ডিভাইসটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রজেক্টর
  2. পেনড্রাইভ
  3. স্ক্যানার
  4. ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা

পেনড্রাইভ (USB Flash Drive) একটি বিশেষ ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যা একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Scanner, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,Multimedia Projector, Film Recorder, Printer, Plotter, Speaker, Image setter, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Pendrive, Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৪৮.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ নয়?
  1. ক) Oracle
  2. খ) HBase
  3. গ) Spanner
  4. ঘ) MySQL
ব্যাখ্যা
[HBase হচ্ছে নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ। Oracle, Spanner, MySQL রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ।]

ক্লাউড ডাটাবেজ:
ক্লাউড ডাটাবেজ হচ্ছে এমন একটি পরিষেবা যা ডাটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ক্লাউড ডাটাবেজের প্রকারভেদ: দুই ধরনের ক্লাউড ডাটাবেজ রয়েছে। যথা -

রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ হলো এক বা একাধক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত মডেল, যা ডাটা ও ডাটার মধ্যকার সম্পর্ক প্রকাশ করে। প্রতিটি টেবিলে এক বা একাধিক কলাম ও সারি থাকে।
উদাহরণ: SQL Server, Oracle, MySQL, PostgreSQL, Spanner, and Cloud SQL.

নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ: নন-রিলেশনাল ক্লাউড ডাটাবেজ অসংগঠিত ডাটা সঞ্চয় করে এবং পরিচালনা করে (যেমন- ইমেল এবং মোবাইল বার্তা পাঠ্য, নথি, সমীক্ষা, সমৃদ্ধ মিডিয়া ফাইল এবং সেন্সর ডেটা ইত্যাদি)।
উদাহরণ: MongoDB, Redis, Cassandra, HBase, and Cloud Bigtable.

উৎস: https://cloud.google.com
৩,৭৪৯.
Which of the following is not anti virus software?
  1. AVG
  2. AVAST
  3. Norton
  4. McAfee
  5. Informix
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৩,৭৫০.
এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সাধারণত কোথায় রাখা হয়?
  1. CPU register
  2. ROM
  3. SSD
  4. RAM
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সাধারণত ROM-এ রাখা হয়। ROM (Read-Only Memory) একটি অস্থায়ী নয় এমন মেমরি যেখানে ফার্মওয়্যার স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। ফার্মওয়্যার হল সেই বিশেষ সফটওয়্যার যা সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করে এবং সিস্টেমের বুটিং ও কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে। CPU register শুধুমাত্র অস্থায়ী ডাটা বা কমান্ড ধরে রাখে, SSD সাধারণত বড় ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং RAM (Random Access Memory) অস্থায়ী মেমরি যা পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারিয়ে যায়। তাই, স্থায়ী ও নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য ফার্মওয়্যার ROM-এ রাখা হয়।

• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
৩,৭৫১.
কোন কোডটি Excess-3 কোডের সাথে সম্পর্কিত নয়?
  1. Binary
  2. Decimal
  3. BCD
  4. Hexadecimal
ব্যাখ্যা
• Excess-3 কোড একটি  self-complementary বাইনারি কোড, যা মূলত BCD (Binary Coded Decimal) কোডের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়। এই কোড ব্যবহৃত হয় ডিজিটাল সিস্টেমে দশমিক সংখ্যাকে কোড করতে।

-  Excess-3 কোড = BCD কোড + 3 (প্রতিটি ডিজিটে ৩ যোগ করা হয়)
-  এই কোডে Decimal সংখ্যা যেমন 0 থেকে 9 কে বিশেষভাবে বাইনারি রূপে উপস্থাপন করা হয়।

 উদাহরণ:
- Decimal 2 = BCD → 0010
- Excess-3 → 0010 + 0011 = 0101

অন্যদিকে,
Hexadecimal হলো  একটি ভিন্ন কোডিং পদ্ধতি যা 16টি চিহ্ন (0–9, A–F) ব্যবহার করে। এটি Excess-3 এর সাথে সম্পর্কিত নয় এবং কোনোভাবে তার বেস বা রূপান্তরের উপর নির্ভর করে না।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি,  ৯ম ও ১০ম শ্রেণী ।
- M. Morris Mano, "Digital Logic and Computer Design", Chapter: Number Systems.
৩,৭৫২.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ককে নিরাপত্তা প্রদান করে?
  1. রাউটার
  2. সুইচ
  3. ফায়ারওয়াল
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ফায়ারওয়াল কম্পিউটারে সুরক্ষা প্রদান করে। 

• ফায়ারওয়াল:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে সম্ভাব্য সব আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ফায়ারওয়াল প্রযুক্তি একটি উত্তম ব্যবস্থা।
- ফায়ারওয়ালকে সঠিকভাবে কনফিগার করার মাধ্যমে কম্পিউটারকে হ্যাকারদের আক্রমণ থেকে বাঁচানো সম্ভব। 
- ফায়ারওয়াল কম্পিউটারকে আক্রমণাত্মক সফ্টওয়্যার থেকে রক্ষা করে। 
 
• রাউটার:
- রাউটার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- ছোট ছোট নেটওয়ার্ক রাউটারের মাধ্যমে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে একাধিক পথ সৃষ্টি করে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ক যেমন ইথারনেট, টোকেন, রিং কে সংযুক্ত করতে পারে।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।

• সুইচ:
- নেটওয়ার্কিং করার জন্য বর্তমানে হারের পরিবর্তে ব্যাপকভাবে সুইচ ব্যবহৃত হয়।
- কার্যক্রমের দিক থেকে হাব এর সাথে সুইচের তেমন কোনো পার্থক্য নেই তবে সুইচের বুদ্ধিমত্তা রয়েছে।
- সুইচ কোনো সংকেতকে ব্রডকাস্ট করে না, সংঘর্ষ এড়ানোর জন্য প্রতিটি কম্পিউটারের MAC (Media Access Control) অ্যাড্রেস ব্যবহার করে শুধু নির্দিষ্ট পোর্টে সিগন্যালটি পাঠায়।
- শুধু তাই নয় দুর্বল হয়ে পড়া সংকেতটিকে অ্যামপ্লিফাই (বর্ধিত) করে গন্তব্য কম্পিউটারের পোর্টে প্রেরণ করে। 
- সুইচে পোর্টের সংখ্যা ৪, 16, 24 থেকে 48 পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে ডেটা ফিল্টারিং (প্রকৃত সিগনাল থেকে নয়েজ সিগনাল বাদ দেয়া) করা সম্ভব তবে ব্যবহারের দিক থেকে একটু জটিল।
- একটি সুইচ দিয়ে একটি LAN তৈরি করা যায়, একাধিক LAN তৈরি সম্ভব নয়। 

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস:
১. Kaspersky Website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৫৩.
কোনটি বায়োমেট্রিক্সের দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের পদ্ধতি?
  1. ফিংগার প্রিন্ট
  2. ভয়েস রিকগনিশন
  3. টাইপিং কীস্ট্রোক
  4. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স: 
- গ্রীক শব্দ metron অর্থ পরিমাপ এবং "bio" অর্থ জীবন, এ দু'টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি। 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 
- দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 
যথা- 
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry), 
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan), 
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition) এবং 
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test) । 

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি: 
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition), 
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification) এবং 
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification) । 

- একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস কোন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বৈশিষ্ট্যগুলোকে ডিজিটাল কোডে রূপান্তর করে এবং এই কোডকে কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে তুলনা করে। 
- যদি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত কোড কম্পিউটারে সংরক্ষিত কোডের সাথে মিলে যায় তবে তাকে ডিভাইস ব্যবহারের অনুমতি দেয় বা তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। 
- আইন শৃঙ্খলা এবং বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণে এ প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে। 
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন বিভাগেও বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৫৪.
ডাটাবেজে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক নির্ধারণ ও উপস্থাপনের জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়? 
  1. রিলেশন শিট
  2. ডেটা চার্ট
  3. ই.আর. ডায়াগ্রাম
  4. ডেটা লগ
ব্যাখ্যা

- ই.আর. (Entity Relationship) ডায়াগ্রাম হলো একটি গ্রাফিক্যাল উপস্থাপন যা দেখায় কিভাবে ডাটাবেজের বিভিন্ন এন্টিটি একে অপরের সাথে সম্পর্কিত।

ই.আর. ডায়াগ্রামের মূল উপাদানসমূহ
- এন্টিটি (Entity):
- ডাটাবেজে কোনো বাস্তব জগতের বস্তু বা ঘটনা।
- প্রতিটি এন্টিটি সাধারণত একটি টেবিল হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।
- উদাহরণ: Student, Teacher, Course, Department

- অ্যাট্রিবিউট (Attribute)
- এন্টিটির বৈশিষ্ট্য বা তথ্য।
- উদাহরণ: Student এন্টিটির জন্য: Student_ID, Name, DOB
- Course এন্টিটির জন্য: Course_ID, Course_Name
- Primary Key: একটি অ্যাট্রিবিউট যা প্রতিটি এন্টিটিকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে, যেমন Student_ID

- রিলেশনশিপ (Relationship)
- দুই বা ততোধিক এন্টিটির মধ্যে সম্পর্ক।
- One-to-One (১:১): একজন শিক্ষক একটি কোর্স পরিচালনা করে।
- One-to-Many (১:অনেক): একটি বিভাগে অনেক শিক্ষক থাকতে পারে।
- Many-to-Many (অনেক:অনেক): একজন শিক্ষার্থী অনেক কোর্সে ভর্তি হতে পারে এবং একটি কোর্সে অনেক শিক্ষার্থী থাকতে পারে।

ই.আর. ডায়াগ্রামের গুরুত্ব
- ডাটাবেজ ডিজাইন: ডাটাবেজের কাঠামো আগে থেকেই পরিকল্পনা করতে সাহায্য করে।
- ডাটা অখণ্ডতা (Data Integrity): ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটা সঠিক রাখে।
- কমিউনিকেশন টুল: ডেভেলপার, ডিজাইনার ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে বোঝাপড়া সহজ করে।
- ডাটাবেজ মডেলিং: SQL টেবিল ও সম্পর্ক তৈরিতে সহায়ক।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

৩,৭৫৫.
সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নকশায় নির্মিত প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. ABC
  2. ENIAC
  3. EDSAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট কম্পিউটার হিসেবে EDSAC কে গণ্য করা হয়।

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- EDSAC নির্মিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৭৫৬.
মাইক্রোসফট এক্সেল ওয়ার্কশিটে ডাটা রিপ্লেস করতে কোন শর্টকাট কমান্ড ব্যবহৃত হয়?
  1. Ctrl R
  2. Shift R
  3. Ctrl H
  4. Ctrl F
ব্যাখ্যা
To replace text or numbers, press Ctrl+H, or go to Home > Editing Find & Select > Replace.
Source: support.microsoft.com
৩,৭৫৭.
(253)10 এর সমতুল্য অক্টাল কত?
  1. 373
  2. 375
  3. 357
  4. 351
ব্যাখ্যা

(253)10 র সমতুল্য অক্টাল হলো (375)8
৩,৭৫৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ধীরগতির কারণ?
  1. নিয়মিত রিস্টার্ট করা
  2. SSD ব্যবহার
  3. অতিরিক্ত তাপমাত্রা ও ধুলিকণার সংস্পর্শ
  4. উইন্ডোজ ব্যবহার
ব্যাখ্যা
অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসলে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়।

• আমাদের যেসব অবহেলা বা অজ্ঞতার কারণে কম্পিউটার প্রায়শই ধীরগতিতে কাজ করে বা হ্যাং হয়ে যায়
সেগুলো নিম্নরূপ:
১. অতিরিক্ত তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, ধুলিকণা, চৌম্বকক্ষেত্র, তরল ও দাহ্য পদার্থ ইত্যাদি ক্ষতিকারক পরিবেশগত ও কৃত্রিম উপাদানের সংস্পর্শে আসা।
২. বেখেয়ালিভাবে কম্পিউটারের তার ধরে অযথা টানাহেঁচড়া করা এবং তাড়াহুড়ো করে ও বলপূর্বক কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ, সিডি ইত্যাদি ব্যবহার করা।
৩. অপ্রয়োজনীয় সফ্টওয়্যার, ফাইল, ই-মেইল ইত্যাদি দ্বারা সিস্টেম ওভারলোড করে ফেলা।
৪. ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু অবস্থায় একই সাথে অনেকগুলো ট্যাব বা টুল বার।
৫. রিসাইকেল বিনে জমা হওয়া আইটেম, জাঙ্ক ই-মেইল ইত্যাদি পুরোপুরিভাবে।

সোর্স: স্কুল অব এডুকেশন, এম এড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৫৯.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের অংশ নয়? 
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. ডেটা বাস
  4. এক্সপ্যানশন বাস
ব্যাখ্যা

• এক্সপ্যানশন বাস সিস্টেম বাসের অন্তর্ভুক্ত নয়; সিস্টেম বাসের অংশ হলো ডেটা, অ্যাড্রেস ও কন্ট্রোল বাস।

• সিস্টেম বাস (System Bus):

- যে সকল বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট–আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান–প্রদান করে, তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাস বলা হয়।

• ব্যবহারিক দিক থেকে সিস্টেম বাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়, যথা—
- ডেটা বাস (Data Bus),
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus),
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus).

• এক্সপ্যানশন বাস (Expansion Bus):

- যে সকল বাস প্রধান বাসের সহায়ক বাস হিসেবে কাজ করে, সেগুলোকে এক্সপ্যানশন বাস বলা হয়।
- এক্সপ্যানশন বাস কম্পিউটারের সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিভিন্ন এক্সপ্যানশন ডিভাইস সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
 
• এক্সপ্যানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus),
- ইআইএসএ বাস (EISA Bus),
- ইউএসবি (USB),
- ফায়ারওয়ার বাস (FireWire Bus),
- এজিপি বাস (AGP Bus),
- লোকাল বাস (Local Bus):

• লোকাল বাস সাধারণত দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা—
i. ভেসা বাস (VESA Bus),
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৬০.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য চাপতে হয় -
  1. Ctrl + B
  2. Ctrl + I
  3. Ctrl + U
  4. Ctrl + J
ব্যাখ্যা

মাইক্রোসফট ওয়ার্ড একটি প্যাকেজ প্রোগ্রাম সফটওয়্যার যার সাহায্যে নতুন ডকুমেন্ট তৈরি, পূর্বে তৈরিকৃত ডকুমেন্টে পরিবর্তন করা যায়।
ডকুমেন্টে কোনো শব্দকে বোল্ড করার জন্য সেটিকে মার্ক করে Ctrl + B চাপতে হয়।
ইটালিক করার জন্য Ctrl + I, আন্ডারলাইন করার জন্য Ctrl + U চাপতে হয়।
ডকুমেন্টে জাস্টিফাই এলাইনমেন্টের জন্য Ctrl + J চাপতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৭৬১.
কোনটি ট্রানজিস্টর এর অংশ নয়?
  1. ক) Emitter
  2. খ) Base
  3. গ) Connector
  4. ঘ) Collector
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
- সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী একটি ডিভাইস যেটি দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী সংকেতে রূপান্তরিত করে।
- ১৯৪৮ সালে প্রথম ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
- ট্রানজিস্টর সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরী। যেমন- সিলিকন, জার্মেনিয়াম।

প্রতিটি সেমিকন্ডাক্টর ট্রানজিস্ট্ররে ৩ টি অংশ থাকে।
E - Emitter
B - Base
C - Collector

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৭৬২.
Which software is specifically designed to scan, detect, and remove malicious software from a computer system?
  1. Video editing software
  2. Antivirus software
  3. Web browser
  4. Spreadsheet program
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
৩,৭৬৩.
একাধিক ফাইলকে এক জায়গায় সংকুচিত করে রাখাকে কী বলে?
  1. বার্নিং
  2. রিপিং
  3. জিপিং
  4. ডিজিটাইজিং
ব্যাখ্যা
ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
- একাধিক ফাইলকে এক জায়গায় সংকুচিত করে রাখা জিপিং- এর কাজ

ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

বার্নিং:
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)।
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয় ।
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

ডিজিটাইজিং:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে, "ডিজিটাইজিং" বলতে এনালগ তথ্য বা ভৌত বস্তুকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ এবং ম্যানিপুলেট করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বাস্তব জগৎ থেকে ডেটা ক্যাপচার করা এবং বিচ্ছিন্ন মান ব্যবহার করে এটিকে উপস্থাপন করা বোঝায়, সাধারণত বাইনারি আকারে (0 এবং 1), যা কম্পিউটার বুঝতে এবং কাজ করতে পারে।

রিপিং:
- কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে, "রিপিং" একটি মাধ্যম বা ফরম্যাট থেকে অন্য মাধ্যমে ডেটা আহরণ বা অনুলিপি করার প্রক্রিয়াকে বোঝায় ।
- শব্দটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও সামগ্রীর মতো মাল্টিমিডিয়ার প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,৭৬৪.
A bit can be -
  1. ক) 1 or 0
  2. খ) 1
  3. গ) 0
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
বিট (Bit):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে।
- ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)।
- এক্ষেত্রে (০) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte):
- ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়।
- ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
৩,৭৬৫.
নিচের কোনটি হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন?
  1. ক) I
  2. খ) M
  3. গ) L
  4. ঘ) F
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি অঙ্ক/চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক/চিহ্নগুলো হলো 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E ও F। প্রশ্নের I, M ও L হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির চিহ্ন নয়।
৩,৭৬৬.
পার্সোনাল কম্পিউটারে মাইক্রোপ্রসেসর এর গতি পরিমাপ করা হয়-
  1. ক) GB এককে
  2. খ) GHz এককে
  3. গ) BIPS এককে
  4. ঘ) TBS এককে
ব্যাখ্যা

সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ। কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৭৬৭.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Google Docs
  2. Postgre SQL
  3. SQLite
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও পুনরুদ্ধার সহজ করে। দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Google Docs ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট টুল নয়। এটি মূলত একটি অনলাইন ডকুমেন্ট এডিটিং এবং শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে PostgreSQL, SQLite, এবং Oracle হলো জনপ্রিয় DBMS যা বিভিন্ন ধরণের ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- তাই ডেটা ম্যানেজমেন্টের ক্ষেত্রে Google Docs এর কোনো ভূমিকা নেই।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।

৩,৭৬৮.
Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান কত?
  1. 2450
  2. 2550
  3. 2650
  4. 2850
ব্যাখ্যা
◉ Hexadecimal সংখ্যা A5A এর Decimal মান হচ্ছে - 2650.

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A, B, C, D, E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে, 
A5A = (A × 162) + (5 × 161) + (A × 160)
= (10 × 256) + (5 × 16) + (10 × 1)
= 2560 + 80 + 10
= 2650

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৬৯.
VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Paint
  3. Blender
  4. Vuforia
ব্যাখ্যা
• VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরি করতে গ) Blender ব্যবহৃত হয়। Blender একটি ওপেন-সোর্স থ্রিডি মডেলিং এবং অ্যানিমেশন সফটওয়্যার, যা ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কনটেন্ট তৈরি করতে অত্যন্ত কার্যকর। এতে থ্রিডি অবজেক্ট তৈরি, রিগিং, টেক্সচারিং, রেন্ডারিং এবং অ্যানিমেশন করার সুবিধা রয়েছে, যা VR পরিবেশের জন্য বাস্তবসম্মত দৃশ্য তৈরি করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, PowerPoint এবং Paint মূলত 2D কনটেন্ট তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, এবং Vuforia একটি AR (Augmented Reality) প্ল্যাটফর্ম, যা বাস্তব জগতের উপরে ভার্চুয়াল উপাদান যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। তাই VR-এর 3D কনটেন্ট তৈরির জন্য Blender-ই উপযুক্ত।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
৩,৭৭০.
নিচের কোনটি নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. নোবেল নেটওয়ার্ক
  2. ইউনিক্স
  3. উইন্ডোজ এনটি
  4. উইন্ডোজ এক্সপি
ব্যাখ্যা
- উইন্ডোজ এনটি একটি  নেটওয়ার্ক অপারেটিং সিস্টেম ।
- মাইক্রোসফট নির্মিত অপারেটিং সিস্টেম [ওএস] উইন্ডোজ পরিবারের সদস্য উইন্ডোজ এনটি। 
- এনটি শব্দটির পূর্ণরূপ 'নিউ টেকনোলজি' [নতুন প্রযুক্তি]। নতুন প্রযুক্তি সমৃদ্ধ উইন্ডোজ এনটি বিশেষভাবে কর্মক্ষেত্র এবং সার্ভার পিসির জন্য নির্মিত হয়।
 - ১৯৯৩ সালের জুলাই মাসে সর্বপ্রথম এই অপারেটিং সিস্টেম অবমুক্ত করে মাইক্রোসফট। অপারেটিং সিস্টেমটি বিশেষায়িত উইন্ডোজ সংস্করণ।
- স্বাধীন প্রসেসর নির্ভর উইন্ডোজটি একই সঙ্গে একাধিক পিসিতে ব্যবহার করা যেত।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ (মাহবুবুর রহমান) ও মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট।
৩,৭৭১.
নিচের কোনটি Spreadsheet Package Program নয়?
  1. Lotus 1-2-3
  2. MS Excel
  3. Quattro Pro
  4. Foxpro
ব্যাখ্যা
Foxpro হচ্ছে Database Package Program.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
• Database Package Program: 
- dBase, 
- Foxpro, 
- Oracle, 
- Informix, 
- Access.

অন্যদিকে,
Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro হচ্ছে Spreadsheet Package Program।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭২.
নিচের কোনটিকে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য করা যায়?
  1. Mozilla Firefox
  2. Microsoft Excel
  3. Adobe Photoshop
  4. Microsoft Word
ব্যাখ্যা

• স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীদের ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ, গণনা, বিশ্লেষণ এবং চিত্রায়িত করার সুবিধা দেয়। এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের হিসাব, চার্ট, গ্রাফ তৈরি করা যায় এবং সূত্র ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফলাফল নির্ণয় করা যায়। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে, Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার। এটি সারি ও কলামে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে, ফর্মুলা ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় হিসাব করতে সক্ষম এবং ব্যবহারকারীর জন্য বিশ্লেষণাত্মক চার্ট ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, Mozilla Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক্স এডিটিং সফটওয়্যার এবং Microsoft Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Microsoft Excel.

 
• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, WordPerfect, MS Word.

২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.

৩। Database Package Program : dBase, FoxPro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৭৩.
সিক টাইম ও ল্যাটেন্সি টাইমের সমষ্টিকে কী বলে?
  1. এক্সিকিউট টাইম
  2. প্রোসেসিং টাইম
  3. রান টাইম
  4. অ্যাকসেস টাইম
ব্যাখ্যা
সিক টাইম (Seek Time) ও ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে।
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।

অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭৪.
প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেছিল কোন প্রতিষ্ঠান এবং কত সালে?
  1. IBM, 1969
  2. Microsoft, 1970
  3. Intel, 1971
  4. Apple, 1973
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্ট্রর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো।
- ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭৫.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন?
  1. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  2. অ্যানালিটিক ইঞ্জিন
  3. পাস্কেলাইন
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

• চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

• চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৭৬.
কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Firefox
  3. Kaspersky
  4. iTunes
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য Kaspersky ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যারসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়। PowerPoint হলো একটি প্রেজেন্টেশন তৈরির সফটওয়্যার, Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং iTunes মূলত গান, ভিডিও শোনার বা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলোর কোনোটিই সরাসরি ম্যালওয়্যার প্রতিরোধে কার্যকর নয়। কিন্তু Kaspersky নিয়মিত সিস্টেম স্ক্যান করে এবং সন্দেহজনক ফাইল বা প্রোগ্রাম চিহ্নিত করে কম্পিউটারকে নিরাপদ রাখে। তাই সাইবার নিরাপত্তার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার অপরিহার্য।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৭৭৭.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) ওসিআর
  3. গ) মাউস
  4. ঘ) কিবোর্ড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট প্রাপ্ত ইনপুটকে ব্যবহারকারীর দেওয়া নির্দেশ অনুযায়ী প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন করে। প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হলে তার ফল পাওয়া যায়। একে বলে আউটপুট। প্রক্রিয়াকরণের পর যে সকল যন্ত্রের সাহায্যে ফল পাওয়া যায় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ মনিটর, প্রিন্টার, স্পিকার, প্রোজেক্টর, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি।
৩,৭৭৮.
VLSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Very Long System Integration
  2. Very Large System Integration
  3. Very Large Scale Integration
  4. Very Large Scale Input
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের চতুৰ্থ প্ৰজন্মের বৈশিষ্ট্য:
- মাইক্রোপ্রসেসর এর ব্যবহার শুরু, কম্পিউটারের আকার হ্রাস, তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি ৷
- প্যাকেজ প্রোগ্রাম এর ব্যবহার ।
- প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ইনটেল-৪০০৪
- মাইক্রো কম্পিউটার এর জনক এডওয়ার্ড রবার্ট।
- বহুমুখি ইনপুট আউটপুট যন্ত্রের ব্যবহার।
- VLSI (Very Large Scale Integration), LSI টেকনোলজির ব্যবহার শুরু।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৭৯.
লজিক্যাল ভুলের উদাহরণ কোনটি?
  1. PRINT কে PRIMT লেখা
  2. সেমিকোলন না দেওয়া
  3. 82 এর স্থলে 28 লেখা
  4. X = A + B এর স্থানে X = A - B লেখা
ব্যাখ্যা
• Syntax Error:
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• Data Error:

- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৭৮০.
কম্পিউটারে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলোর কাজ করে থাকে -
  1. ক) Control Unit
  2. খ) CPU
  3. গ) ALU
  4. ঘ) Memory Unit
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা (ALU) বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
আবার কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৭৮১.
নিচের কোনটি 1 পেটাবাইটের সমতূল্য?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1024 গিগাবাইট
  3. 1024 মেগাবাইট
  4. 1024 কিলোবাইট
ব্যাখ্যা


উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮২.
ROM- এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার
  2. ক্লাউডে চলা সফটওয়্যার
  3. RAM-এ সংরক্ষিত অস্থায়ী ডেটা
  4. অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
• ROM-এ অবস্থিত ফার্মওয়্যারের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হলো: ক) হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার। ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি কাজ করে এবং এটি সাধারণত ROM (Read-Only Memory)-এ সংরক্ষিত থাকে। এটি মূলত কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া এবং হার্ডওয়্যারের প্রাথমিক নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার স্থায়ী বা সেমি-স্থায়ী হয় এবং ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন করতে পারে না। এর উদাহরণ হলো BIOS বা UEFI, যা কম্পিউটার চালুর সময় হার্ডওয়্যারের কাজ শুরু করে। তাই ফার্মওয়্যারকে হার্ডওয়্যারে প্রোগ্রাম করা স্থায়ী সফটওয়্যার হিসেবে ধরা হয়।

• ROM (রম):
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ]।
৩,৭৮৩.
ডেস্কটপ হলো -
  1. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার: 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে কম্পিউটার গঠিত হয় তাকে মাইক্রো কম্পিউটার বলে। 
- মাইক্রো কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার বা সংক্ষেপে PC বলা হয়। 
- মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন রকমের মাইক্রো কম্পিউটার বাজারে এসেছে।
যেমন -
১. পামটপ কম্পিউটার, 
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার, 
৩. নোটবুক কম্পিউটার, 
৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার। 
- Tablet PC, Phablet, Smartphone ইত্যাদি ও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত। 
-  ১৯৮১ সালে IBM কোম্পানি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে প্রথম মাইক্রোকম্পিউটার তৈরি করে। 
- অতিমাত্রায় তাপমাত্রা ওঠানামা করলে মাইক্রোকম্পিউটারের কিছু সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। তাই কম্পিউটার সূর্যালোক, উত্তপ্ত বা খুব বেশি ঠান্ডা স্থানে রাখা বিপদজনক। 
- সক্রিয় একটি মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য আদর্শ রুম টেম্পারেচার ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রী ফারেনহাইট, এবং বন্ধ থাকা অবস্থায় ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রী ফারেনহাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮৪.
CPU-এর গতি বোঝাতে কোন এককের ব্যবহার হয়?
  1. Watt
  2. Hertz
  3. Volt
  4. Byte
ব্যাখ্যা
• CPU-এর গতি বোঝাতে Hertz (Hz) এককের ব্যবহার করা হয়। এটি এক সেকেন্ডে কত বার কোনো কাজ বা অপারেশন সম্পন্ন হচ্ছে তা মাপার একক। উদাহরণস্বরূপ, ৩ গিগাহার্টজ (GHz) CPU মানে সে প্রতি সেকেন্ডে ৩০০০ মিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- Watt শক্তি মাপার একক, Volt বিদ্যুৎ এর ভোল্টেজ মাপার একক এবং Byte ডেটার মাপের একক। তাই CPU-এর গতি মাপার জন্য Hertz সঠিক একক।

- সঠিক উত্তর: খ) Hertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৮৫.
অনুবাদক সফটওয়্যার কত প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক সফটওয়্যার।
- অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার। যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার।
- অ্যাসেম্বলার এবং কম্পাইলার উভয়ই গৌণ মেমোরিতে (সেকেন্ডারি স্টোরেজ) সংরক্ষিত থাকে।
- প্রয়োজনের সময় তাদেরকে র‍্যামে (প্রাইমারি মেমোরি) লোড করা হয়।
- কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে, অন্যদিকে ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামটিকে এক লাইন করে পড়ে এবং অনুবাদ করে।
- অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার বস্তু প্রোগ্রামে (অবজেক্ট কোড) রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৭৮৬.
যে মাল্টিমিডিয়াতে Text, Graphics, Sound পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কিন্তু ব্যবহারকারীর কোন নিয়ন্ত্রণ নেই তাকে বলে-
  1. ক) ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
  2. খ) নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
  3. গ) ডিজিট্যাল মাল্টিমিডিয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

মাল্টিমিডিয়ার প্রকারভেদ
তথ্য পরিবেশনের প্রকৃতি অনুসারে মাল্টিমিডিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
১. ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া ((Interactive Multimedia) ও
২. নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া (Non-Interactive Multimedia).

ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া হল পরস্পর ক্রিয়াশীল মাল্টিমিডিয়া। এই ধরনের মাল্টিমিডিয়াতে শব্দ, বর্ণ ও চিত্র সবই থাকে এবং এগুলো ব্যবহারকারী দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকে এবং একটির সাথে অপরটির সম্পর্কযুক্ত থাকে। ধরা যাক জীব বৈচিত্রের উপর একটি প্যাকেজ তৈরী করা হয়েছে। এই প্যাকেজে বিভিন্ন প্রাণীর তালিকা আছে। এখন হরিণ নামক প্রাণীটির উপর ক্লিক করলে হরিণের বিবরণ ও ছবি দেখা যাবে। যদি হরিণের ডাক শুনতে ইচ্ছা হয় তাহলে শব্দের জন্য নির্ধারিত স্থানে ক্লিক করলে তা শোনা যাবে। যদি হরিণের চলাফেরা ও আচরণ দেখতে চান তাহলে মুভি নামক স্থানে ক্লিক করলে তার চলাচল এবং আচরণ দেখা যাবে। এক্ষেত্রে একটি প্যাকেজের মধ্যে পরস্পর আন্তঃক্রিয়াশীল বিভিন্ন ধরনের সুবিধা রয়েছে। সুতরাং এই প্যাকেজটিকে বলা হয় ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া।

নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া
কিছু কিছু মাল্টিমিডিয়াতে উপরোক্ত সুবিধা নেই। সেখানে শব্দ, স্থির ছবি, সচল ছবি, বর্ণ সবই আছে, কিন্তু নিয়ন্ত্রণ আপনার হাতে নেই। এই ধরনের মাল্টিমিডিয়াকে নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া বলে। সাধারণত বিভিন্ন বাণিজ্যিক কোম্পানি ও সফটওয়্যার নির্মাতারা তাদের নির্মাণকৃত সামগ্রীকে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের জন্য বা ডেমো দেখানোর জন্য নন-ইন্টারএক্টিভ মাল্টিমিডিয়া প্যাকেজ তৈরী করে থাকেন।

সুত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৮৭.
Excess - 3 কয় বিট বিসিডি কোড?
  1. 3 - বিট
  2. 4 - বিট
  3. 5 - বিট
  4. 6 - বিট
ব্যাখ্যা
4-বিট বিসিডি কোড (4-Bit BCD Code) :
- 4-বিট বিসিডি কোডের সাহায্যে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে আলাদা আলাদাভাবে সমতুল্য 4 বিটের বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করে প্রকাশ করা হয়।
- এ ধরনের কোডের সাহায্যে 24 বা 16টি ভিন্ন ভিন্ন কোড তৈরি করা সম্ভব। এর মধ্যে শুধুমাত্র 0000 থেকে 1001 পর্যন্ত ব্যবহৃত হয়। বাকি 1010, 1011,1100, 1101, 1110 এবং 1111 এই ছয়টি সংখ্যা BCD কোডে ব্যবহৃত হয় না।

4-বিট বিসিডি কোডের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি কোড হলো—
১. ওয়েটেড 4-বিট বিসিডি কোড (Weighted 4 Bit BCD Code) ও
২. Excess - 3 বিসিডি কোড (Excess - 3 BCD Code)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।
৩,৭৮৮.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) 1024 Bytes = 1MB
  2. খ) 1024 KB = 1GB
  3. গ) 1024 GB = 1TB
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
1 Bit = Binary Digit
8 Bits = 1 Byte
1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
1024 TB = 1 PB (Petabyte)
1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: Computerhope website.
৩,৭৮৯.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা FFFF এর সমতুল্য বাইনারি মান কত?
  1. 1101110111011101
  2. 1011101110111011
  3. 1111111111111111
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা FFFF এর সমতুল্য বাইনারি মান হচ্ছে: 1111111111111111




সূত্র: Malvino, A.P. and Leach, D.P.; Digital Principles and Applications, Tata McGraw-Hill Publishing Company (Book pdf)
৩,৭৯০.
অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হল -
  1. এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা
  2. ভিত্তিহীন অনুমান
  3. নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান
  4. অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা
ব্যাখ্যা

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান। অর্থাৎ কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য একটি অ্যালগরিদমে সব ধাপ সুস্পষ্টভাবে লেখা থাকে, যাতে অনুসরণকারী ব্যক্তি বা কম্পিউটার সহজে নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করতে পারে। এতে কোনো ধাপই এলোমেলো বা অস্পষ্ট হয় না এবং ভিত্তিহীন অনুমানের জায়গা থাকে না। প্রতিটি ধাপ যুক্তিসঙ্গত ও নির্দিষ্টভাবে সাজানো থাকে, যা অনুসরণ করলে নির্দিষ্ট সময়ে সঠিক ফলাফল পাওয়া যায়। এজন্য বলা যায়, অ্যালগরিদম হলো একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া যা ধাপে ধাপে কাজ করে সমস্যার কার্যকর সমাধান নিশ্চিত করে।

• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।  

- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।  
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।  
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।  

- তাই অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য হলো - নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

- সঠিক উত্তর: গ) নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।  

সূত্র:
- geeksforgeeks [link]

৩,৭৯১.
বাংলা ভাষায় প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক মাসিক পত্রিকা কম্পিউটার জগৎ প্রথম প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০১ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ১৯৯১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এ কম্পিউটারের ইতিহাস:
- ১৯৬৪ সালে প্রথম IBM-1620 মডেলের মেইনফ্রেম কম্পিউটার স্থাপন করা হয় পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে।
- ১৯৯১ সালে বাংলা ভাষায় প্রথম কম্পিউটার বিষয়ক মাসিক পত্রিকা কম্পিউটার জগৎ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে প্রথম ইন্টারনেট চালু হয়।
- বাংলাদেশ এ একমাত্র সুপার কম্পিউটার আছে কম্পিউটার কাউন্সিল ল্যাবে। যার মডেল IBM RS/6000 SP.
- বাংলাদেশে ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রথম নিউজ এজেন্সি - বিডি নিউজ।

উৎস: কম্পিউটার জগৎ বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
৩,৭৯২.
(২৫)১০ কে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করলে হবে-
  1. ক) ১১০০১
  2. খ) ০১১০১
  3. গ) ১০১০১
  4. ঘ) ১০০১১
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর: দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ২ দিয়ে ভাগ করলে ভাগশেষ কে সংরক্ষণ করতে হবে। তারপর ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে। তারপরে পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়। এবং সংরক্ষিত পাক সেগুলো কি শেষ থেকে প্রথমদিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থপূর্ণ করে সাজিয়ে লিখলে ১ ও ০ এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৭৯৩.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে -
  1. ক) পাঞ্চ কার্ড 
  2. খ) ইন্ট্রিগ্রেটেড সার্কিট 
  3. গ) বায়ু শূণ্য টিউব 
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর 
ব্যাখ্যা
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্ট্রিগ্রেটেড সার্কিট (IC) .
IC ব্যবহার করেই VLSI, LSI, ULSI ইত্যাদি তৈরি করা হয়। 
ট্রানজিস্টর আবিষকারের ফলে ইলেক্ট্রনিক জগতে সূচনা ঘটে।
৩,৭৯৪.
নিচের কোনটি সফটওয়্যার নয়?
  1. Mac OS
  2. Adobe Photoshop
  3. MS Office
  4. Disk drive
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player, Pagemaker, Mac OS  ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ ।

• হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন। কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৯৫.
ইউনিক্সের প্রথম সংস্করণ কোন কম্পিউটারের জন্য তৈরি করা হয়েছিল?
  1. IBM-PC
  2. PDP-7
  3. Apple Macintosh
  4. DEC Alpha
ব্যাখ্যা
• ইউনিক্স:
- ১৯৬৯ সালে কেন থমসন AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরিতে PDP-7 মিনি কম্পিউটারের জন্য একটি সহজ, কার্যকর, এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন, যার নাম দেওয়া হয় ইউনিক্স (UNIX)।
- আইনগত সীমাবদ্ধতার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত AT&T কেবলমাত্র অভ্যন্তরীণভাবে ইউনিক্স ব্যবহার করত।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স-এর প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৮ সালে আরও উন্নত সংস্করণ Unix-7 প্রকাশিত হয়।
- ইউনিক্স একটি মাল্টি-ইউজার অপারেটিং সিস্টেম, কারণ একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী এতে কাজ করতে পারে।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন, মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন সংস্করণ Xenix প্রকাশ করে।
- এই Xenix ভার্সনটি IBM-PC/AT কম্পিউটারের জন্য বাজারজাত করা হয়।
- এটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৭৯৬.
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  3. ট্রানজিস্টার
  4. ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ১৯৭০-এর দশকে উদ্ভাবিত হয় এবং পূর্ববর্তী প্রজন্মের তুলনায় অনেক দ্রুত, কম জায়গা নেয় এবং শক্তি খরচ কম। এই প্রজন্মের কম্পিউটারে একক চিপে কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) রাখা হয়, যা সমস্ত হিসাব ও নিয়ন্ত্রণ কাজ সম্পন্ন করে। ভ্যাকুয়াম টিউব ও ট্রানজিস্টারের পরিবর্তে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের কারণে কম্পিউটারগুলো ছোট, দ্রুত এবং আরও কার্যকর হয়েছে। এছাড়াও, এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সূচনা করেছে, তবে মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে মাইক্রোপ্রসেসরই প্রথম স্থানে আসে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) মাইক্রোপ্রসেসর।

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান):
- তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI- Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কন্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৯৭.
কম্পিউটার সম্পর্কে কোন তথ্যটি সত্য নয়?
  1. ক) কম্পিউট শব্দ থেকে কম্পিউটার কথাটির উৎপত্তি
  2. খ) কম্পিউটার শব্দের অর্থ গণনাকারী
  3. গ) আধুনিক কম্পিউটার ভ্রমশূন্য ফলাফল প্রদর্শন করে
  4. ঘ) এক ন্যানো সেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের এক কোটি ভাগের এক ভাগ
ব্যাখ্যা
এক ন্যানো সেকেন্ড হলো এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ।
৩,৭৯৮.
A webcam that transmits live images over the internet is a -
  1. Output device
  2. Storage device
  3. Input device
  4. Processing device
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Input device।
- Webcam হলো একটি ক্যামেরা যা লাইভ চিত্র ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রেরণ করে এবং এটি একটি ইনপুট ডিভাইস।
- ওয়েবক্যাম চলমান দৃশ্যকে ধাপে ধাপে স্থির চিত্র বা ফ্রেম হিসেবে ধারণ করে। এই ফ্রেমগুলো যত দ্রুত প্রদর্শিত হয়, চলমান দৃশ্যের অভিজ্ঞতা তত মসৃণ মনে হয়।

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- ওএমআর (OMR),
- মাউস (Mouse),
- ওয়েবক্যাম (Webcam),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

স্টোরেজ ডিভাইস:
- Hard Disk, 
- USB Flash Drive, 
- Magnetic Tape, 
- Optical Storage Devices (CD-ROMs and DVD-ROMs), 
- Solid-State Drives (SSDs), 
- RAM (Random-Access Memory), 
- ROM (Read-Only Memory).

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৭৯৯.
স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম দিয়ে কী কাজ করা হয়?
  1. ডিজাইন
  2. হিসাব নিকাশ
  3. তথ্য ব্যবস্থাপনা
  4. ওয়ার্ড প্রসেসিং
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে স্প্রেডশিট সফটওয়্যার একটি অন্যতম সফটওয়্যার। 
- গ্রাফ কাগজের ন্যায় X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপখোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সম্বলিত বড় শিটকে স্পেডশিট বলা হয়। 
- যে প্যাকেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে রো এবং কলাম ব্যবহার করে হিসাব-নিকাশের কাজ করা হয় তাকে স্প্রেডশিট বিশ্লেষণ প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলে। 
- উইন্ডোজভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের সাহায্যে জটিল গাণিতিক হিসাব-নিকাশ, অর্থনৈতিক ও পরিসংখ্যানিক হিসাবনিকাশ এবং যুক্তিমূলক কার্যক্রমসহ তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজও করা যায়। 
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যারকে ইলেকট্রনিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রামও বলা হয়। 
যেমন- মাইক্রোসফট এক্সেল, লোটাস ১-২-৩, কোয়াট্রোপ্রো, মাল্টিপ্ল্যান, সুপারক্যাল্ক ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৮০০.
CPU এর গতি বর্তমানে পরিমাপ করা হয় -
  1. Picohertz
  2. Gigahertz
  3. Gigabyte
  4. Terabytes
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়