বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৩৬ / ৮২ · ৩,৫০১৩,৬০০ / ৮,১৪১

৩,৫০১.
MAN (Metropolitan Area Network)-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা কী?
  1. একটি শহর বা নগর
  2. একটি একক ভবন
  3. একটি সম্পূর্ণ দেশ
  4. একটি মহাদেশ
ব্যাখ্যা

• MAN (Metropolitan Area Network) হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যা বড় এলাকা কভার করতে সক্ষম, কিন্তু এটি WAN-এর চেয়ে ছোট এবং LAN-এর চেয়ে বড়। সাধারণত MAN একটি শহর বা নগর এলাকার মধ্যে বিভিন্ন ল্যানকে সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি অফিস, বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল বা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান নিশ্চিত করে। MAN কেবলমাত্র একটি একক ভবন নয়, কারণ এটি বহু ভবন ও স্থানের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। এটি সম্পূর্ণ দেশ বা মহাদেশ কভার করতে পারে না; সেই ক্ষেত্রে WAN ব্যবহার করা হয়। তাই MAN-এর সাধারণ কভারেজ এলাকা একটি শহর বা নগর। সঠিক উত্তর: ক) একটি শহর বা নগর।

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (MAN):
- MAN এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- সাধারণত কোন ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া কোনো শহরের ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্ক MAN এর উদাহরণ।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫০২.
'Device driver' হলো একটি -
  1. Program
  2. Controller
  3. DMA
  4. Interrupt handler
ব্যাখ্যা
- Device driver is a program that is used to control each device.
- All hardware components of the computer is called devices.
- Each controller has one/ more device register used to give it commands.
- The device drivers issue these commands and check that they are carried out properly.

Source:  Diploma in Computer Science & Application, Bangladesh Open University
৩,৫০৩.
1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশন এর মান -
  1. ক) 0111
  2. খ) 0110
  3. গ) 0101
  4. ঘ) 1010
ব্যাখ্যা
- কোন ধনাত্মক সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় কিংবা কোন ঋণাত্মক সংখ্যাকে ধনাত্মক সংখ্যায় পরিবর্তন করাকে বিপরীতকরণ বা নিগেশন বলে।
- বাইনারি চিহ্নযুক্ত সংখ্যাকে ২ এর পরিপূরকে পরিবর্তন করে বিপরীতকরণ বা নিগেশন করা হয়।
- বিপরীতকরণ বা নিগেশনের ফলে কোন সংখ্যার মানের পরিবর্তন হয় না কিন্তু চিহ্নের পরিবর্তন হয়।

» 1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশন এর মান:
» 1001 এর 1 এর  পরিপূরক হচ্ছে 0110
» 1001 এর 2 এর  পরিপূরক হচ্ছে = 0110 + 1 = 0111
» অর্থাৎ 1001 এর বিপরীতকরণ বা নিগেশনের মান হচ্ছে = 0111


সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৫০৪.
প্রিন্টারের গতি পরিমাপ করা হয় কোন এককে?
  1. Hrtz
  2. DPI
  3. PPM
  4. Pixel
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৫০৫.
মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. এটি একসাথে শুধুমাত্র একটি টাস্ক পরিচালনা করতে পারে।
  2. এটি একাধিক ব্যবহারকারীকে সাপোর্ট করে না।
  3. এটি একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে।
  4. এটি শুধুমাত্র মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা

◉ মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এমন একটি সিস্টেম যা একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা টাস্ক পরিচালনা করতে পারে। এটি CPU টাইম শেয়ারিং এবং মেমরি ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে একাধিক প্রক্রিয়া (Process) সমান্তরালভাবে চালানোর সুযোগ দেয়।
উদাহরণস্বরূপ, একটি ওয়েব ব্রাউজার ব্যবহার করার পাশাপাশি মিউজিক প্লেয়ার চালানো এবং ফাইল ডাউনলোড করা।

মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking): 
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র‍্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

৩,৫০৬.
কোন ধরনের প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলাের ক্ষতি করে?
  1. ফায়ারওয়াল
  2. ভাইরাস
  3. সিস্টেম হ্যাক
  4. ফিশিং
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলাের ক্ষতি করে।
ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Siege.'' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে। এবং এক পর্যায়ে এটি কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- এছাড়াও এটি সিস্টেমের সেটিং, মনিটরের রেজুলেশন পরিবর্তন করতে পারে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৫০৭.
ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার কোনটি?
  1. হার্ড ডিস্ক
  2. GPU
  3. নেটওয়ার্ক কার্ড
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা

•  ভার্চুয়াল মেমরি হলো একটি প্রযুক্তি যা কম্পিউটারকে তার মূল মেমরি (RAM) এর সীমা ছাড়িয়ে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা দেয়। যখন RAM পর্যাপ্ত থাকে না, তখন অপারেটিং সিস্টেম অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ করে, যা “পেজ ফাইল” বা “সাপারফ্লো স্পেস” হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার RAM-এর চেয়ে বড় প্রোগ্রামও চালাতে সক্ষম হয়। তাই ভার্চুয়াল মেমরির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার হলো হার্ড ডিস্ক, কারণ এটি RAM-এর অতিরিক্ত স্থান সরবরাহ করে এবং ডেটা আয়ত্তে রাখে।
- অন্য হার্ডওয়্যার যেমন GPU, নেটওয়ার্ক কার্ড বা পাওয়ার সাপ্লাই সরাসরি ভার্চুয়াল মেমরির কাজের সঙ্গে জড়িত নয়।

 
ভার্চুয়াল মেমরি: 
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট। 

৩,৫০৮.
ব্লগ শব্দের প্রবর্তক কে?
  1. মার্শাল ম্যাকলুহান
  2. মার্ক জুকার বার্গ
  3. টিম বার্নারস লি
  4. পিটার মারহোলজ
ব্যাখ্যা

Blog শব্দটির আবির্ভাব We Blog থেকে।
- ১৯৯৭ সালের ১৭ ডিসেম্বর মার্কিন নাগরিক জর্ন বার্জার সর্বপ্রথম শব্দটি ব্যবহার করেন।
- এর ঠিক দু বছর পর ১৯৯৯ সালের এপ্রিল এবং মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে পিটার মারহোলজ নাম এক ব্যাক্তি শব্দটিকে ভেঙে দুই ভাগ করেন।
- We Blog এর পরই সারা বিশ্বে ব্লগ জনপ্রিয় হতে শুরু করে। তাই পিটার মারহোলজকে ব্লগ শব্দের প্রবর্তক বলা হয়।

[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -২৭]

৩,৫০৯.
Boolean Algebra-এর নিচের কোনটি সঠিক?
  1. A. A = 1
  2. A + A = 2A
  3. উপরের কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা: বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
• বুলিয়ান উপপাদ্য: সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫১০.
বিকাশ একটি-
  1. ক) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. খ) তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা
  3. গ) মোবাইল ব্যাংকিং
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
বিকাশ (bKash) বাংলাদেশে মোবাইল ফোন ভিত্তিক অর্থ আদান-প্রদানের একটি পরিষেবা।
৩,৫১১.
ENIAC-কে কীভাবে প্রোগ্রাম করা হয়েছিল?
  1. কেবল পাঞ্চ কার্ড দিয়ে
  2. আধুনিক কম্পিউটারের মতো সঞ্চিত প্রোগ্রাম ব্যবহার করে
  3. ম্যানুয়ালি তার বদলানো ও সুইচ ঘোরানোর মাধ্যমে
  4. ভয়েস কমান্ডের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) প্রোগ্রাম করার পদ্ধতি আধুনিক কম্পিউটারের মতো ছিল না। এটি মূলত একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র, যেখানে প্রোগ্রাম চালানোর জন্য সরাসরি যন্ত্রটির সার্কিট পরিবর্তন করতে হতো। অর্থাৎ, প্রতিটি গণনার জন্য তার অবস্থান, রাউটিং এবং লজিকাল অপারেশন ম্যানুয়ালি সুইচ ও তার বদলানোর মাধ্যমে সেট করা হতো। পাঞ্চ কার্ড বা ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করা হতো না। এটি সঞ্চিত প্রোগ্রামের ধারণা অনুসরণ করত না, বরং প্রতিটি নতুন কাজের জন্য তার ভেতরের তার, রিলে ও সুইচ পুনরায় সংযোগ করতে হতো। তাই ENIAC-কে প্রোগ্রাম করা হতো ম্যানুয়ালি তার বদলানো ও সুইচ ঘোরানোর মাধ্যমে।

• ENIAC:
- ENIAC-এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫১২.
সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য সাধারণত কোন ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়?
  1. সিরিয়াল পোর্ট
  2. ল্যান পোর্ট
  3. প্যারালাল পোর্ট
  4. ভিজিএ পোর্ট
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগ মুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যারের সাথে যুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে। এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট।

• সিরিয়াল পোর্ট:
- মাদারবোর্ডে ব্যবহৃত সিরিয়াল পোর্টে ৯টি পিন থাকে।
- COM পোর্টকে সিরিয়াল পোর্ট বা RS-232 পোর্টও বলা যায়।
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কী-বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়্যারে এই ধরনের পোর্টের সাথে যুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ডে ৯ পিনবিশিষ্ট COM1 এবং COM2 নামে দুটি সিরিয়াল পোর্ট থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট:
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫১৩.
কম্পিউটারে চলমান একাধিক অ্যাপসমূহের মধ্যে একটি থেকে আরেকটিতে যেতে কীবোর্ডের কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + C
  2. খ) Ctrl + X
  3. গ) Alt + Tab
  4. ঘ) Ctrl + V
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারে চলমান একাধিক অ্যাপসমূহের মধ্যে একটি থেকে আরেকটিতে যেতে কীবোর্ডের Alt + Tab ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়। 

কীবোর্ডের সবার উপরের দিকে এই Function Keys গুলোকে দেখা যায়।
তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

ফাংশন কী ১২ টি। (F1 – F12) এগুলোর ব্যবহারসমূহ- 
F1: এটি সাহায্য বা হেল্প কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেকোনো প্রোগ্রামের হেল্প মেনু দেখতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F3: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। উইন্ডোজ কমান্ডে এটি চাপ দিলে আগের কমান্ডটির পুনরাবৃত্তি ঘটে।
F4: এই কী দিয়ে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর Last Action Preformed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায় এবং Ctrl +F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা যায়।
F5: এটা চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Find, Replace, go to উইন্ডো খুলা হয়। তাছাড়া যেকোনো পেইজ রিফ্রেশ, পাওয়ার পয়েন্টে স্লাইড শো শুরু এবং বন্ধ করার জন্য এ বাটনটি ব্যবহার করা হয়।
F6: মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে চায়লে এ কী ব্যবহার করা হয়।
F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে বানান ও ব্যাকরণ জনিত ভুল-ভ্রান্তির চেকিং চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
F8: অপারেটিং সিস্টেম Safe Mood এ চালু করার জন্য ব্যবহৃত হয়। F8 দুবার চাপলে একটি ওয়ার্ড, তিনবার চাপলে একটি Sentence এবং চারবার চাপলে একটি Paragraph এবং পাঁচবার চাপলে পুরো Document সিলেক্ট হয়।
F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য এটি ব্যবহৃত হয়।
F10: এটি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।
F11: যেকোন সক্রিয় উইন্ডো ফুলস্ক্রিন জুড়ে দেখতে এবং স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে এটি ব্যবহার করা হয়।
F12: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো চালু করা হয়। কম্পিউটার শুধু F12 চেপে বাংলা থেকে ইংরেজি এবং ইংরেজি থেকে বাংলা মুডে যাওয়া যাবে। ল্যাপটপে fn+f12 চাপতে হবে।

সূত্র: Microsoft Website. [লিঙ্ক]
৩,৫১৪.
11011 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ২৫
  2. ২৭
  3. ২৯
  4. ৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 11011 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?

সমাধান:
11011 = (1 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= 27
৩,৫১৫.
কোন কোম্পানির রোবট "আসিমো" নামে পরিচিত? 
  1. সনি কর্পোরেশন
  2. মাইক্রোসফট কোম্পানি
  3. মুরাতা কোম্পানি
  4. হোন্ডা কোম্পানি
ব্যাখ্যা
রোবটিক্স: 
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে মেশিন মানুষের মতো কাজ করে তাকে বলা হয় রোবট। 
- আর প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা, গঠন ও কাজ নিয়ে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়। 
- এই প্রযুক্তির মাধ্যমে রোবটের দর্শন ক্ষমতা, স্পর্শ ক্ষমতা, হাত ও পায়ের যথাযথ পরিচালন, চলাচলের ক্ষমতা, শারীরিক মুভমেন্ট ইত্যাদি উদ্ভব হয়েছে। 
- রোবট অত্যন্ত দ্রুত, ক্লান্তিহীন ও নিখুঁত কর্মক্ষম একটি যন্ত্র। 
- রোবটের সাহায্যে যে কোন প্রতিকূল পরিবেশে কাজ করা যায়। তবে রোবট তৈরি করা ব্যয়বহুল ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির "মুরাতা বয়", হোন্ডা কোম্পানির "আসিমো”, সনি কর্পোরেশনের "আইবো” ইত্যাদি রোবট প্রায় মানুষের মতই বিশেষ কোন কাজ করতে পারে। 

রোবটের ব্যবহার: 
- বর্তমান বিশ্বে বিভিন্ন ক্ষেত্রে রোবটকে ব্যবহার করা হচ্ছে। 
যেমন- 
• শিল্পের বিপজ্জনক ও কঠিন কাজ করা। 
• বৃহৎ মেশিনের কষ্টদায়ক যন্ত্রপাতির সংযোজন। 
• খনি হতে বিভিন্ন বিষাক্ত পদার্থ উত্তোলন। 
• মহাকাশ গবেষণায় রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। 
• মহাশূন্যের ছবি সংগ্রহ। 
• ক্ষতিকর বিস্ফোরক সনাক্তকরণে। 
• গৃহস্থালীর কাজে রোবট ব্যবহৃত হচ্ছে। 
• গভীর অরণ্য কিংবা বহুদূরত্বে শত্রুর উপস্থিতির প্রমাণে। 
• শিল্প কারখানায় দ্রুত উৎপাদন কার্য হাসিলে রোবটের ব্যবহার হচ্ছে ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫১৬.
ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার কোনটি -
  1. TX-O
  2. IBM-1600
  3. Altair-880
  4. CDC-6600
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম কম্পিউটার- TX-O (Transistor Experimental Computer)।
- ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন ১৯৬৫ সালে উপস্থাপন করে PDP-8 নামক ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক প্রথম- Altair-8800
- বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম সুপার কম্পিউটার CDC-6600।
৩,৫১৭.
OCR সফটওয়্যার বিটম্যাপ ইমেজকে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করে?
  1. JPG file
  2. DOC
  3. ASCII text
  4. PDF
ব্যাখ্যা
OCR সফটওয়্যার বিটম্যাপ ইমেজকে কোন ফরম্যাটে রূপান্তর করে

OCR:

- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রনালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিট্র্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেস্কটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বাক বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা
৩,৫১৮.
কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Waterfox
  2. Pale Moon
  3. Opera GX
  4. Adobe Reader
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ব্রাউজ বা দেখা যায়। প্রশ্নে দেওয়া চারটি অপশনের মধ্যে Waterfox, Pale Moon এবং Opera GX তিনটি ওয়েব ব্রাউজার। Waterfox এবং Pale Moon হলো ফায়ারফক্স ভিত্তিক ব্রাউজার, যা দ্রুত ও নিরাপদ ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। Opera GX হলো গেমারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি একটি ব্রাউজার, যেখানে গেম খেলার সময় ব্রাউজার সিস্টেম রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, Adobe Reader হলো একটি পিডিএফ ফাইল পড়ার সফটওয়্যার, যা ওয়েব ব্রাউজার নয়। তাই, Adobe Reader ওয়েব ব্রাউজার নয়।

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
 
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৫১৯.
প্রশ্নবোধক চিহ্নের স্থানে কী বসবে?
  1. xy
  2. x + y
  3. (x + y) এর পরিপূরক
  4. x ⊕ y 
ব্যাখ্যা

চিত্রটিতে NAND গেইট দিয়ে OR গেইটের বাস্তবায়ন দেখানো হয়েছে।
৩,৫২০.
হ্যাকাররা কোন ভাইরাসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করে?
  1. ক) Worms
  2. খ) Trojans
  3. গ) Malware
  4. ঘ) Spyware
ব্যাখ্যা
Worms: সেলফ- রেপ্লিকেটিং ভাইরাস বলা হয়। নিজেদের কোড পরিবর্তনের মাধ্যমে এম্ন ভাবে ছড়িয়ে পরে যে তাদের খুজে বের করা অনেক কঠিন হয়ে যায়।
Trojans: হ্যাকাররা এইসব ভাইরাস ব্যবহার করে কম্পিউট্রের এক্সেস নেয়। ইন্টারনেট, আইপি দ্বারা প্রবেশ করে তাতে থাকা গুপ্ত তথ্য চুরি করতে পারে।
Malware: এই ধরনের ভাইরাস বানানো হয় কম্পিউটারকে ড্যামেজ করার জন্য। ফাইল কপি করার সময় বা ইউ এস বি ডিভাইস ব্যবহারের সময় এইগুলো কম্পিউটারে প্রবেশ করে।
Spyware: এই ভাইরাস ব্যবহার করে ইউজারের কম্পিউটার এবং ব্রাউজারের ব্যবহারের উপর নজর রাখতে পারে। এইগুলো ইন্টারনেট থকে সরাসরি প্রবেশ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই BBA program.
৩,৫২১.
ফিনটেক (FinTech) কোন ক্ষেত্রে কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ব্যবহার নির্দেশ করে?
  1. কৃষি
  2. চিকিৎসা
  3. আর্থিক পরিষেবা
  4. পর্যটন
ব্যাখ্যা

◉ ফিনটেক (FinTech) হলো Financial Technology-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা আর্থিক পরিষেবা (financial services) খাতে কম্পিউটার ও প্রযুক্তির ব্যবহারকে নির্দেশ করে।

ফিনটেক (FinTech): 
- আর্থিক (ফাইন্যান্সিয়াল) খাতে প্রযুক্তির (টেকনোলজি) ব্যবহারকে সংক্ষেপে ফিনটেক বলে।
- ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি বোর্ডের (এফএসবি) মতে, ফিনটেক হলো প্রযুক্তিগতভাবে সক্ষম আর্থিক উদ্ভাবন। যেমন নতুন ব্যবসায়িক মডেল, মডেলের প্রয়োগ, প্রসেসিং, পণ্য উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা ইত্যাদি, যা আর্থিক পরিষেবা খাতকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে।
- ফিনটেক এরই মধ্যে পি-টু-পি, চেক জমা, অর্থের লেনদেন, বিল পরিশোধ, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, ক্রাউড ফান্ডিং ইত্যাদি কর্মকাণ্ডে ব্যাপক সাড়া পেয়েছে। 

ফিনটেকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে: 
- ডিজিটাল ব্যাংকিং, 
- মোবাইল পেমেন্ট (যেমন: bKash, Nagad), 
- ব্লকচেইন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি (যেমন: Bitcoin), 
- অনলাইন লেনদেন ও ইনভেস্টমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, 
- ইন্সুরেন্স টেকনোলজি (InsurTech)। 

উৎস: 
১। আইবিএম ওয়েবসাইট। 
২। বণিক বার্তা পত্রিকার রিপোর্ট। 

৩,৫২২.
CD-ROM এ নিচের কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Optical fibers
  2. Laser beams
  3. Magnetic beads
  4. Electronic guns
ব্যাখ্যা
CD-ROM একটি অপটিক্যাল মিডিয়া বা ডিস্ক যা একটি বিশেষ ধরনের সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। এতে লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
Optical storage, electronic storage medium that uses low-power laser beams to record and retrieve digital (binary) data.
In optical-storage technology, a laser beam encodes digital data onto an optical, or laser, disk in the form of tiny pits arranged in a spiral track on the disk’s surface. 

Source: Britannica, নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বই।
৩,৫২৩.
অ্যানালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে গঠিত হয়-
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. সংকর কম্পিউটার
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
♦ হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- হাইব্রিড কম্পিউটারকে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি হওয়ায় কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। যেমন - মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫২৪.
Which shortcuts are used in MS Excel to Open the context menu?
  1. Alt+M
  2. Alt+P
  3. Shift+F10
  4. Ctrl+9
ব্যাখ্যা
• This table lists the most frequently used shortcuts in Excel:
• Close a workbook - Ctrl+W
• Open a workbook - Ctrl+O
• Go to the Home tab - Alt+H
• Save a workbook - Ctrl+S
• Copy selection - Ctrl+C
• Paste selection - Ctrl+V
• Undo recent action - Ctrl+Z
• Remove cell contents - Delete
• Choose a fill color - Alt+H, H
• Cut selection - Ctrl+X
• Go to the Insert tab - Alt+N
• Apply bold formatting - Ctrl+B
• Center align cell contents - Alt+H, A, C
• Go to the Page Layout tab - Alt+P
• Go to the Data tab - Alt+A
• Go to the View tab - Alt+W
• Open the context menu - Shift+F10 or Windows Menu key
• Add borders - Alt+H, B
• Delete column - Alt+H, D, C
• Go to the Formula tab - Alt+M
• Hide the selected rows - Ctrl+9
• Hide the selected columns - Ctrl+0

উৎস: Microsoft. [Link]
৩,৫২৫.
কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে-
  1. প্রোগ্রাম উন্নয়ন
  2. প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
  3. প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ
  4. প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির সর্বশেষ ধাপ হচ্ছে- প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ। 

কম্পিউটার প্রোগ্রাম: 
কম্পিউটার ব্যবহার করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সমস্যা সমাধান করা। কোন সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় নির্দেশ বা কোড লেখা হয়। এরূপ সারিবদ্ধ সুশৃঙ্খল একগুচ্ছ নির্দেশমালার সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে।

প্রোগ্রাম তৈরির ধাপসমূহ: 
১। সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
২। সমস্যা বিশ্লেষণ
৩। প্রোগ্রাম ডিজাইন
৪। প্রোগ্রাম উন্নয়ন
৫। প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
৬। প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন ও
৭। প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ। 

প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ: 
বিভিন্ন প্রয়োজনে ও প্রোগ্রামের উন্নতিকল্পে প্রোগ্রামের আধুনিকীকরণ, পরিবর্তন, পরিবর্ধন, প্রোগ্রামের ভুল সংশোধন ইত্যাদি প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ কাজের অন্তর্ভুক্ত। ব্যবহারিক সুবিধা এবং আর্থিক বিষয় বিবেচনা করে অনেক সময় নতুন প্রোগ্রাম তৈরি না করে বিদ্যমান প্রোগ্রামকে আধুনিকীকরণ করা অধিক সুবিধাজনক।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৫২৬.
নিচের কোনটি 42(16) এর বাইনারী রূপ?
  1. 01010010(2)
  2. 101010(2)
  3. 01000010(2)
  4. 01001101(2)
ব্যাখ্যা
Convert each hex digit to 4 binary digits (see conversion table below):
42
= 4 2
= 0100 0010
= 01000010
Convert every hex digit (start lowest digit) to 4 binary digits, with this table:

Hexa -- Binary
------------------
0 -- 0000
1 -- 0001
2 -- 0010
3 -- 0011
4 -- 0100
5 -- 0101
6 -- 0110
7 -- 0111
8 -- 1000
9 -- 1001
A -- 1010
B -- 1011
C -- 1100
D -- 1101
E -- 1110
F -- 1111

৩,৫২৭.
(0.1101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রুপান্তর করলে পাওয়া যায়-
  1. 0.8125
  2. 0.4125
  3. 0.2325
  4. 0.1125
ব্যাখ্যা
⇒ (0.1101)2 = 0 × 20 + 1 × 2-1 + 1 × 2-2 + 0 × 2-3 + 1 × 2-4
= (1/2) + (1/4) + (1/16)
= 0.5 + 0.25 + 0.0625
= 0.8125

∴ (0.1101)2 = (0.8125)10
৩,৫২৮.
এগুলোর মধ্যে কোনটির সর্বোচ্চ ভ্যালু?
  1. ক) Giga-byte
  2. খ) Mega-byte
  3. গ) Tera-byte
  4. ঘ) Exa-byte
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩,৫২৯.
একটি কম্পিউটারের প্রোসেসর ক্লক স্পিড ৪.০০ গিগা হার্জ হলে এর ক্লক মাইকেল টাইম কত?
  1. ২.৫ ন্যানো সেকেন্ড (ns)
  2. ২.৫ মাইক্রো সেকেন্ড (ms)
  3. ৪ (ms)
  4. ৪ (ns)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কম্পিউটারের প্রসেসর ক্লক স্পিড 4.00 GHz হলে তার ক্লক সাইকেল টাইম কত?
(মূল প্রশ্নে কিছু বানান ভুল ছিল, মাইকেল ⇒ সাইকেল)। 

প্রদত্ত ক্লক স্পিড: 
f = 4.00 GHz = 4.00 × 109 Hz

ক্লক পিরিয়ড (Clock Cycle Time) = 1 / ফ্রিকোয়েন্সি 
T = 1 / f = 1 / (4.00 × 109) seconds

হিসাব করি: 
T = 0.25 × 10-9 s = 0.25 ns

লক্ষ্যযোগ্য বিষয়:
প্রকৃত ক্লক টাইম = 0.25 ns, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে কাছাকাছি হলো ২.৫ ns। সম্ভবত প্রশ্নে টাইপো বা স্পিড 400 MHz ধরে নেওয়া হয়েছে।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel [link]
- sciencedirect [link]

৩,৫৩০.
What is the decimal equivalent of (1101011)2?
  1. 85
  2. 97
  3. 102
  4. 107
ব্যাখ্যা

Question:  What is the decimal equivalent of (1101011)2?

Solution:
• (1101011)2 কে দশমিক সংখ্যায় প্রকাশ করলে 107 হয়।
(1101011)2 হলো একটি বাইনারি সংখ্যা। বাইনারি সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে, আমরা প্রতিটি বিটকে তার স্থানের মান দিয়ে গুণ করি এবং সবগুলো যোগ করি।

1101011 = (1 × 26) (1 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (64 + 32 + 8 + 2 + 1)
= 107

৩,৫৩১.
JSON এর পূর্ণরূপ কী?
  1. JavaScript Oriented Notation
  2. JavaScript Object Notation
  3. Java Source Oriented Notation
  4. Java Source Object Notation
ব্যাখ্যা
  • JSON এর পূর্ণরূপ হলো খ) JavaScript Object Notation।
  • JSON কি?
    • JSON (JavaScript Object Notation) হলো একটি হালকা-ওজনের ডাটা বিনিময় ফরম্যাট যা মানুষ ও মেশিন দ্বারা সহজে পড়া এবং লেখা যায়। এটি সাধারণত ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং সার্ভারের মধ্যে ডাটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়।
  • JSON এর বৈশিষ্ট্য:
    1. সহজ পাঠযোগ্য: JSON ফরম্যাটটি সহজে পাঠযোগ্য এবং লেখার জন্য মানুষের পক্ষে সহজ।
    2. টেক্সট বেসড: JSON কাঁচা টেক্সট হিসেবে থাকে, যা যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষায় ব্যবহার করা যায়।
    3. ডাটা স্ট্রাকচার: JSON ডাটা স্ট্রাকচার সাধারণত কী: মান এর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।
    • JSON এর সাধারণ উদাহরণ:
{ "নাম": "আলম", "বয়স": ২৫, "শখ": ["গান শোনা", "ভ্রমণ"] }
  • এখানে "নাম", "বয়স", এবং "শখ" হল কী, এবং তাদের মান (value) হলো যথাক্রমে "আলম", ২৫ এবং একটি অ্যারে ["গান শোনা", "ভ্রমণ"]।
  • এভাবে, JSON বিভিন্ন ধরনের ডাটা একত্রিত করতে এবং ওয়েব সার্ভিসের সাথে তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৫৩২.
নিচের কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশনের উদাহরণ?
  1. ক্যালকুলেটর
  2. স্মার্টফোন
  3. আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা
  4. ডিজিটাল ঘড়ি
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা ডিজিটাল এবং অ্যানালগ দু’ ধরনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। এটি এমন কাজের জন্য ব্যবহার হয় যেখানে সংবেদনশীল এবং পরিমাণগত (analog) ডেটা সঙ্গে জটিল হিসাব (digital) একসাথে প্রয়োজন। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে, ক্যালকুলেটর, স্মার্টফোন, এবং ডিজিটাল ঘড়ি মূলত ডিজিটাল কম্পিউটার, কারণ এগুলো শুধুমাত্র সংখ্যাগত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করে। তবে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা একটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ, কারণ এটি তাপমাত্রা, চাপ, বাতাসের গতি ইত্যাদির মতো অ্যানালগ সিগন্যাল সংগ্রহ করে, এবং তারপর সেই তথ্যকে ডিজিটাল আকারে বিশ্লেষণ করে রিপোর্ট তৈরি করে। তাই আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা হাইব্রিড কম্পিউটারের সঠিক উদাহরণ।

​• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৩৩.
নিচের কোনটি সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার?
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. ওয়ার্কস্টেশন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

পার্সোনাল কম্পিউটার (PC): সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার যার মাইক্রোপ্রসেসরের ক্ষমতা মধ্যমানের।

ওয়ার্কস্টেশন: এটিও সিঙ্গেল ইউজার কম্পিউটার তবে এর মাইক্রোপ্রসেসর পার্সোনাল কম্পিউটারের তুলনায় শক্তিশালী।

মিনি কম্পিউটার: এটি একটি মাল্টি ইউজার কম্পিউটার সিস্টেম যা শত শত ইউজার সাপোর্ট করতে পারে।

মেইনফ্রেম কম্পিউটার: এটিও মাল্টি ইউজার কম্পিউটার তবে এর সফটওয়্যার টেকনোলজি মিনি কম্পিউটার থেকে ভিন্ন।

সুপার কম্পিউটার: বর্তমান বিশ্বে সবথেকে শক্তিশালী কম্পিউটার যা অনেকগুলো মাইক্রোপ্রসেসরের সাহায্যে তৈরি এবং একসাথে লক্ষ লক্ষ ইন্সট্রাকশন এক্সিকিউট করতে পারে।

৩,৫৩৪.
মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা হিসেবে বিবেচনা করা যায় কোনটিকে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ভাষার উপর নির্ভর করে, ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটরগুলিকে তিনটি প্রধান বিভাগে বিভক্ত করা হয়। যথা-
১. কম্পাইলার:
- যে প্রোগ্রামগুলি কোনো হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা হয় তাদের একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত করার জন্য কম্পাইলার ব্যবহার করা হয়।
- সিস্টেম প্রোগ্রাম হিসাবে, কম্পাইলার সোর্স কোর্ডে (ব্যবহারকারী-লিখিত প্রোগ্রাম) লেখা প্রোগ্রামকে অবজেক্ট কোডে (বাইনারি ফর্ম) অনুবাদ করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরিত না করে সোর্স কোর্ডটির একটি করে লাইন বিশ্লেষণ করে এবং কার্যকর করে।
- ইন্টারপ্রেটারের সুবিধা হলো এটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে কোনো প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে পারে।
- কম্পাইলার কোনো প্রোগ্রামকে সম্পাদন করার আগে পুরো সোর্স কোডটিকে পড়ে নেয় ফলে ইন্টারপ্রেটারের তুলনায় প্রোগ্রাম সম্পাদন করতে এর সময় বেশি লাগে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- সমস্ত ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের তুলনায় অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ অনেকটাই মেশিন কোডের নিকটবর্তী।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত মেশিন কোডের প্রতীকী উপস্থাপনা।
- অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ প্রোগ্রামটি মেশিন কোডে অনুবাদ করার জন্য একটি পৃথক প্রোগ্রাম আবশ্যক যাকে অ্যাসেম্বলার বলে। 

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৩৫.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন মূল ধারণার ওপর নির্মিত?
  1. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
  2. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
  3. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানো প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৩,৫৩৬.
রেজিস্টার-এর ব্যবহার কোনটি?
  1. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
  2. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
  3. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসরের অভ্যন্তরে থাকা একটি উচ্চগতির বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- এটি ডেটা প্রসেসিংয়ের আগে অস্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা প্রসেসরের কার্যক্ষমতাকে দ্রুততর করে।
- রেজিস্টার একগুচ্ছ ফ্লিপ-ফ্লপ এবং লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত একটি সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- একটি n-বিট রেজিস্টার-এ n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে এবং এটি n-বিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম।
- রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে থাকা প্রথম মেমোরি ডিভাইস, যা প্রসেসিং-এর সময় দ্রুত ডেটা সঞ্চয় ও পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করে।
- সরল এবং সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ-ফ্লপ সার্কিট দ্বারা তৈরি হয় এবং ক্লক পালস দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

• গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং
২. শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার:
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৩৭.
আইবিএম পিসির জন্য ইউনিক্স এর ভার্সন কোনটি?
  1. ক) Solaris
  2. খ) A/UX
  3. গ) AIX
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ব্রান্ডের কম্পিউটারের জন্য ইউনিক্স এর কয়েকটি ভার্সন আছে। ম্যাকিনটোশ পিসির জন্য A/UX, আইবিএম পিসির জন্য AIX, সান মাইক্রোওয়ার্ক স্টেশনের জন্য Solaris।
উৎসঃ কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৩,৫৩৮.
Which function key is used to open the Help menu?
  1. F1
  2. F2
  3. F3
  4. F4
  5. F5
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩,৫৩৯.
দুই বা ততোধিক ইনপুট এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফলের সমান কোন গেইটে?
  1. AND
  2. OR
  3. NOT
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অর গেইট যৌক্তিক যোগ পদ্ধতিতে কাজ করে। যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
৩,৫৪০.
কম্পিউটার লজিকে '1' দ্বারা কোনটি বুঝানো হয় না?
  1. ক) High
  2. খ) False
  3. গ) Positive
  4. ঘ) True
ব্যাখ্যা
লজিক্যাল অপারেশনে,
0 দ্বারা low, false, negative বুঝানো হয়।
ট্রানজিস্টর লজিক সার্কিটের ক্ষেত্রে ০ থেকে + ০.৮ ভোল্ট পর্যন্ত লেবেলকে লজিক ০ ধরা হয়।

1 দ্বারা High, True, Positive বুঝানো হয়।
ট্রানজিস্টর লজিক সার্কিটের ক্ষেত্রে + ২ থেকে + ৫ ভোল্ট পর্যন্ত লেবেলকে লজিক ১ ধরা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৫৪১.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি মূলত একটি ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে?
  1. Microsoft Excel
  2. Antivirus software
  3. Notepad
  4. Spider Software
ব্যাখ্যা

◉ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হলো এমন সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেমের রক্ষণাবেক্ষণ, সুরক্ষা, এবং কার্যকারিতা উন্নত করার কাজ করে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ইত্যাদি থেকে রক্ষা করে। এটি একেবারে ইউটিলিটি প্রোগ্রামের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।

​ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools-এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উদাহরণ:
- CCleaner,
- WinRAR,
- Disk Defragmenter,
- Antivirus Software (e.g., Avast, Norton, McAfee),
- Backup Software (e.g., Acronis True Image, Macrium Reflect),
- File Compression Tools (e.g., 7-Zip, WinZip),
- Disk Management Tools (e.g., EaseUS Partition Master),
- System Monitor Tools (e.g., Task Manager, HWMonitor),
- System Information Tools (e.g., Speccy),
- File Recovery Software (e.g., Recuva, Disk Drill),
- Driver Updater Tools (e.g., Driver Booster),
- Virtual Private Network (VPN) Software (e.g., ExpressVPN, NordVPN),
- Clipboard Manager (e.g., ClipClip),
- Uninstaller Tools (e.g., Revo Uninstaller),
- Password Managers (e.g., LastPass, Dashlane).

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৫৪২.
when you start your computer then which component works first?
  1. BIOS
  2. Hard Disk
  3. Processor
  4. RAM
ব্যাখ্যা
BIOS: 
- Basic Input/Output System. 
- BIOS হচ্ছে একটি program, যা Processor এর মধ্যে থাকে। 

• কম্পিউটার চালু করা হলে সর্বপ্রথম যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS. 
- কিন্তু, প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন component আগে কাজ শুরু করে। সেক্ষেত্রে Processor আগে কাজ শুরু করে। 
- কেননা BIOS যেহেতু Processor এর একটি অংশ, তাই BIOS চালু হতে হলে অবশ্যই Processor চালু হতে হবে। 
- কম্পিউটার চালু করা হলে Processor (CPU) আগে BIOS কে নির্দেশ দেয় সব কানেকশন ঠিক আছে কিনা চেক করার জন্য। [Link]
৩,৫৪৩.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক -
  1. ক) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. গ) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট সমান ৮ বিট
- ১ কিলোবিট = ১০২৪ বিট
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।

তথ্যসূত্র: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(মাহবুবুর রহমান)।
৩,৫৪৪.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড বলা হয় কোনটিকে?
  1. হার্ড ডিস্কড্রাইভ
  2. সিস্টেম বোর্ড
  3. মনিটর
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড: 
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৪৫.
কোন কম্পিউটারের মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা সর্বোচ্চ?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার প্রযুক্তিতে বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার বিভিন্ন ক্ষমতার জন্য ব্যবহৃত হয়। এর মধ্যে সুপার কম্পিউটার হলো সবচেয়ে শক্তিশালী, যা অত্যন্ত উচ্চ মেমোরি এবং প্রসেসিং ক্ষমতা রাখে। এই ধরনের কম্পিউটার জটিল বৈজ্ঞানিক হিসাব, আবহাওয়া পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা ও অণু গবেষণার মতো বড় বড় ডেটা প্রসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার বা ট্যাবলেট কম্পিউটার তুলনামূলকভাবে কম ক্ষমতার হয় এবং সাধারণ অফিস, শিক্ষা বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। তাই মেমোরি ও প্রসেসিং ক্ষমতা সর্বোচ্চ হলো সুপার কম্পিউটার।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205 ইত্যাদি।

আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580 ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400 ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486. IBM Pentium ইত্যাদি।

- ক্ষুদ্র বা মাইক্রো কম্পিউটারের জগতে সর্বাধুনিক সংযোজন হচ্ছে ডেস্কটপ কম্পিউটার, ল্যাপটপ কম্পিউটার, নোটবুক কম্পিউটার।

উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৪৬.
একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে কোন কী?
  1. ফরেন কী
  2. কম্পোজিট প্রাইমারি কী
  3. প্রাইমারি কী
  4. অল্টারনেট কী
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজে একাধিক ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত এবং প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে এমন কী-কে কম্পোজিট কী বা কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলা হয়।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।

• ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার। যথা -
- প্রাইমারি কী,
- কম্পোজিট কী এবং
- ফরেন কী।

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।

২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৪৭.
যে স্ক্রিন বা চিত্রের মাধ্যমে ডাটাবেজ রেকর্ড ইনপুট দেওয়া হয় বা আউটপুট পাওয়া যায় তাকে বলে-
  1. টাচস্ক্রিন
  2. লে আউট
  3. সর্টিং
  4. ইনডেক্স
ব্যাখ্যা
লে আউটঃযে স্ক্রীণ বা চিত্রের মাধ্যমে আমরা ইনপুট দেই বা আউটপুট পাই তাকে লে আউট বলে।
ডাটাবেজে তথ্যকে উপস্থাপনের জন্য যে পরিবেশ তৈরী করা হয়, তাকে লে আউট বলে।
লে আউট-এর মাধ্যমে তথ্যকে ইনপুট হিসাবে নিতে পারি বা আউটপুট হিসাবে পেতে পারি। প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য বের করতে সর্টিং-সার্চিং ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৩,৫৪৮.
সিরিয়াল পোর্ট কানেক্টরে কয়টি পিন থাকে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ১৬টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ১৮টি
ব্যাখ্যা
সিরিয়াল কমিউনিকেশনে ডিভাইস সংযোগ দেওয়ার পোর্টকে বলা হয় সিরিয়াল পোর্ট। এতে মোট ৯টি পিন থাকে। মডেম এবং মাউস সিরিয়াল কমিউনিকেশন ডিভাইস এর উদাহরণ।
৩,৫৪৯.
কোনটি DBMS এর কাজ নয়?
  1. ক) ডেটাবেজ তৈরি
  2. খ) ডেটাবেজ লিকিং
  3. গ) ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন
  4. ঘ) ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
- ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৫৫০.
বিজয় কী-বোর্ডে ‘Shift+L’ চাপলে কম্পিউটারের স্ক্রিনে বাংলা কোন অক্ষরটি উঠবে?
  1. ক) ধ
  2. খ) ল
  3. গ) থ
  4. ঘ) শ
ব্যাখ্যা
বিজয় কী-বোর্ডে ‘Shift+L’ চাপলে কম্পিউটারের স্ক্রিনে বাংলা ‘ধ’ অক্ষরটি উঠবে।
৩,৫৫১.
​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেমে DC কে AC-তে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় –
  1. Rectification
  2. Inversion
  3. Amplification
  4. Modulation
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) ইনভার্শন (Inversion)

​​কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম
- কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কম্পিউটারকে স্থিতিশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
- এটি AC কে DC তে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।

UPS (Uninterruptible Power Source)
- UPS হলো পাওয়ার সিস্টেমের উন্নত রূপ।
- এতে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি, rectifier, inverter ও control circuits।
- বিদ্যুৎ লাইনে ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ব্যাটারি থেকে AC বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।

​ব্যাটারির ভূমিকা
- ব্যাটারি কম ভোল্টেজের DC উৎস।
- DC কে AC তে রূপান্তর (Inversion) করে transformer দ্বারা ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।

Inversion ও ট্রানজিস্টরের ব্যবহার
- Inversion করা হয় high-power transistor দিয়ে।
- ট্রানজিস্টর switch-এর মতো কাজ করে এবং ৫০/৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে AC তৈরি করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৫৫২.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. AND গেট
  2. OR গেট
  3. XOR গেট
  4. NAND গেট
ব্যাখ্যা

• NAND গেট হলো একটি সার্বজনীন গেট।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। যেমন-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৫৫৩.
নিম্নের কোন গেট ব্যবহার করে যেকোনো অন্য গেট গঠন করা যায়?
  1. NAND এবং NOR
  2. AND এবং OR
  3. XOR এবং XNOR
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা
• যেকোনো অন্য গেট গঠন করার জন্য NAND এবং NOR গেট ব্যবহার করা যায়। কারণ, NAND ও NOR গেটকে Universal Gate বলা হয়। এই দুটি গেটের মাধ্যমে ডিজিটাল লজিকের সকল মৌলিক গেট (AND, OR, NOT, XOR, XNOR ইত্যাদি) তৈরি করা সম্ভব। বিশেষ করে, NAND গেট একাধিকবার সংযুক্ত করে NOT, AND, OR সহ সব ধরনের গেট তৈরি করা যায়। তেমনি NOR গেট দিয়েও একই কাজ করা সম্ভব। এর ফলে ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন আরও সহজ ও খরচসাশ্রয়ী হয়। তাই বিকল্প কোনো গেট ছাড়াই NAND বা NOR দিয়ে পূর্ণাঙ্গ লজিক সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৫৫৪.
ইন্টারনেট ব্রাউজার বা উইন্ডোজ রিফ্রেশ (Refresh) করার জন্য কোন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F5
  2. F2
  3. F10
  4. F3
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) F5

- কীবোর্ডের ফাংশন কী হচ্ছে ১২টি।
• কীবোর্ডের ফাংশন কী এর কাজসমূহ: 
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। 
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে। 
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী। 
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায় ।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।

তথ্যসূত্র:
- Computer Hope Website [Link]
- Computer & ICT Cloud

৩,৫৫৫.
(525)8 কে বাইনারিতে রূপান্তর করলে হয় - 
  1. 101010100
  2. 101010101
  3. 101010111
  4. 010100100
ব্যাখ্যা

 (525)8 কে বাইনারিতে রূপান্তর করলে হয় - (101010101)2

• অক্ট্যাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর: 
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্ট্যাল অংককে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।
- ১ থেকে ৭ পর্যন্ত সকল অক্টাল সংখ্যার বাইনারি মান: 

• (525)এর বাইনারি মান হবে - 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৫৬.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফট্ওয়্যার নয়?
  1. ক) Apple iOS
  2. খ) Linux
  3. গ) Mozilla Firefox
  4. ঘ) Android
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। 
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে। 
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। 
- কম্পিউটারের আভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফট্ওয়্যার। 
 
- বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো DOS, WINDOWS, UNIX, LINUX, Mac OS,Apple iOS, Android  ইত্যাদি। 
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা এবং কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা। 
 
- অন্যদিকে Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।  
 
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৫৫৭.
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ব্যবহৃত হয়-
  1. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  2. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ
  3. ডাটাবেজ কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।
- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Create statement
• Drop statement
• Alter statement
•  Rename statement

২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হলো:
• Insert statement
• Delete statement
• Update statement

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৫৮.
নিচের কোনটি পয়েন্টিক ডিভাইস নয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) টাচ স্ক্রিন
  3. গ) OMR
  4. ঘ) লাইট পেন
ব্যাখ্যা
যে সব ডিভাইস পয়েন্টারকে মনিটরের যেকোন জায়গায় move করানো যায় তাদেরকে পয়েন্টিং ডিভাইস বলে। যেমনঃ মাউস, টাচ স্ক্রিন, লাইট পেন।
৩,৫৫৯.
1 জেটাবাইট = কত?
  1. ক) 1024 পেটাবাইট
  2. খ) 1024 টেরাবাইট
  3. গ) 1024 এক্সাবাইট
  4. ঘ) 1024 মেটাবাইট
ব্যাখ্যা

সূত্রঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, নবম-দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৩,৫৬০.
নিম্নের কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম থাকে।
- ডিবিএমএস ডাটাবেজ তৈরি, এ্যাকসেস করা এবং তা রক্ষণাবেক্ষণের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে।
- ডিবিএমএস ব্যবহারকারী এবং ডাটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- বর্তমানে বিভিন্ন ধরুনের ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হয়।
যেমন- ওরাকল (Oracle), মাইএসকিউএল (MySQL), মাইক্রোসফ্ট এ্যাকসেস (Microsoft Access) ইত্যাদি।

ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের প্রাথমিক কাজগুলো হলো—
১. প্রয়োজন অনুযায়ী ডাটাবেজ তৈরি করা
২. নতুন ডাটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
৩. ডাটার বানান ও সংখ্যার ভুল অনুসন্ধান ও সংশোধন করা
৪. নির্দিষ্ট রেকর্ড অনুসন্ধান ও সংশোধন করা এবং অপ্রয়োজনীয় ডাটা/ রেকর্ড বাদ দেয়া
৫.  ডাটা কুয়েরি করা
৬. রিপোর্ট তৈরি ও প্রিন্ট করা
৭. প্রয়োজন অনুযায়ী সম্পূর্ণ ডাটাবেজকে যে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে সাজানো (sorting
৮. প্রয়োজনে সম্পূর্ণ ডাটাবেজ বা ডাটাবেজের অংশবিশেষ প্রিন্ট করা
৯. ডাটাবেজ হালনাগাদ (update) করা ও যথাসম্ভব ডাটা ডুপ্লিকেশন কমানো ।
১০. ডাটা সংরক্ষণ করা; ইত্যাদি ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৬১.
ট্রানজিস্টর কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথমবার ব্যবহৃত হয়েছিল?
  1. 2G
  2. 3G
  3. 4G
  4. 5G
ব্যাখ্যা

• ট্রানজিস্টর প্রথমবার কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) কম্পিউটারে। এটি ১৯৫০-এর দশকে তৈরি কম্পিউটারগুলিতে দেখা যায়। ট্রানজিস্টর ভ্যাকুয়াম টিউবের বিকল্প হিসেবে এসেছে, যা অনেক বড়, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং তাপ উৎপন্ন করত। ট্রানজিস্টর ব্যবহার কম্পিউটারকে ছোট, দ্রুত এবং আরো নির্ভরযোগ্য করে তুলেছিল। দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলি মূলত ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সালের মধ্যে তৈরি হয় এবং এতে ট্রানজিস্টরের সাহায্যে প্রোগ্রাম এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণ অনেক দ্রুত হয়েছিল। ফলে, এটি কম্পিউটার প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল, যা আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশের ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

- সঠিক উত্তর: ক) 2G.

• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।

- দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।

কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়:
- প্রথম প্রজন্ম (1940-1956): ভ্যাকুয়াম টিউব।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (1956-1963): ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্ম (1964-1971): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC)।
- চতুর্থ প্রজন্ম (1971-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।

৩,৫৬২.
কম্পিউটারের তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে -
  1. ক) মডেম
  2. খ) হার্ডডিস্ক
  3. গ) লজিক ইউনিট
  4. ঘ) গাণিতিক যুক্তি ইউনিট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে হার্ডডিস্কে। 

- হার্ডডিক্স যা মূলত হার্ড ড্রাইভ বা ফিক্স ড্রাইভ নামেও পরিচিত।
- যার প্রধান কাজ হল ডাটা বা তথ্য সংরক্ষণ করা ও প্রয়োজনে সংরক্ষিত ডাটা গুলো পুনরুদ্ধার করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে প্রায় অনেক ধরনের ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রপাতিতে হার্ডডিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- হার্ডডিক্স এর প্রধান কাজ হল বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষন করা।
- হার্ডডিক্স একটি Non-Valotile Electro Megnetic Data Storage Device.
- এটি সাধারণত কম্পিউটারের অভ্যান্তরে ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৭ পৃষ্ঠা, ডিজিটাল কম্পিউটার হার্ডওয়্যার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৬৩.
“Code Red” দ্বারা কম্পিউটার জগতে কী বোঝানো হয়?
  1. সাইবার নিরাপত্তা সতর্কবার্তা
  2. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট
  3. সার্ভার ম্যানেজমেন্ট কোড
  4. কম্পিউটার ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

◉ Code Red ছিল ২০০১ সালের একটি কুখ্যাত কম্পিউটার ওয়ার্ম, যা Microsoft IIS ওয়েব সার্ভার আক্রমণ করত। এটি Denial of Service (DoS) আক্রমণ চালিয়ে সার্ভার ডাউন করে দিত।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- কোড রেড,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. kaspersky.com

৩,৫৬৪.
নিচের কোনটি সিপিইউ এর অংশ নয়?
  1. ক) গাণিতিক যুক্তি অংশ
  2. খ) নিয়ন্ত্রণ অংশ
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) এক্সিকিউশন অংশ
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
- সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, নিয়ন্ত্রণ ইউনিট, রেজিস্টার স্মৃতি।

_________________________
- এক্সিকিউশন অংশ সিপিইউ এর অংশ নয়।
৩,৫৬৫.
ফার্মওয়্যার সম্পর্কে কোনটি সঠিক?
  1. এটি শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়
  2. এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলে মুছে যায়
  3. এটি কম্পিউটার ব্যবহারের সময় প্রায়ই পরিবর্তিত হয়
  4. এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এটি সাধারণ সফটওয়্যারের মতো নিয়মিত পরিবর্তিত হয় না এবং হার্ডওয়্যারের ভিতরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এটি মুছে যায় না এবং শুধুমাত্র মোবাইল ফোনেই ব্যবহৃত হয় না; কম্পিউটার, রাউটার, প্রিন্টার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসেও এটি ব্যবহৃত হয়। ফার্মওয়্যার ডিজাইন করা হয় এমনভাবে যাতে এটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের কাজের নিয়ম এবং কার্যক্রম স্থায়ীভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, তাই এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে।

সঠিক উত্তর: ঘ) এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। 

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৩,৫৬৬.
নিচের কোন মৌলটি কম্পিউটার চিপ তৈরির জন্য সর্বাধিক ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সিলিকন
  2. খ) প্লাস্টিক  
  3. গ) এলুমিনিয়াম 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
চিপ তৈরি করা হয় অর্ধপরিবাহী (সেমিকন্ডাক্টর) দিয়ে।
চিপ তৈরিতে সেমিকন্ডাক্টরের মধ্যে সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় সিলিকন।
৩,৫৬৭.
MS-DOS এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Microsoft Direct Operating Software
  2. Mainframe Disk Operating System
  3. Micro Software Disk Operating System
  4. Microsoft Disk Operating System 
ব্যাখ্যা

• MS-DOS-এর পূর্ণরূপ হলো Microsoft Disk Operating System। এটি মাইক্রোসফট কর্তৃক তৈরি একটি কমান্ড-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, যা মূলত IBM-পিসি এবং অন্যান্য কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহৃত হত। MS-DOS ব্যবহারকারীদের কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি ইন্টারঅ্যাকশন করার সুযোগ প্রদান করে, যেমন ফাইল ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম চালানো এবং ডিরেক্টরি তৈরি করা। এটি গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ছাড়া কমান্ড লাইন ইন্টারফেসে কাজ করে। ১৯৮০-এর দশকে এটি অনেক জনপ্রিয়তা পায় এবং বিভিন্ন সফটওয়্যারের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। MS-DOS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ এবং কাস্টমাইজ করতে পারতেন, যা আধুনিক উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের পূর্বসূরী হিসেবে বিবেচিত হয়।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Microsoft Disk Operating System.
 
• মাইক্রোসফট:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৭৫ সালের ৪ এপ্রিল।
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম MS DOS.
- মাইক্রোসফটের বর্তমান CEO সত্য নাদেলা।
- মাইক্রোসফটের ক্লাউড ফ্লাটফর্ম Azure.
- মাইক্রোসফট সার্চ ইঞ্জিনের নাম Bing.

• MS DOS:
- MS DOS এর পূর্ণরূপ Microsoft Disk Operating System.
- মাইক্রোসফটের প্রথম প্রোগ্রাম হচ্ছে MS DOS.
- এটি 1980 এর দশক জুড়ে ব্যক্তিগত কম্পিউটারের (পিসি) জন্য জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৫৬৮.
ROM কোন ধরনের মেমোরি
  1. ভোলাটাইল মেমোরি
  2. নন-ভোলাটাইল মেমোরি
  3. প্রসেসিং মেমোরি
  4. কন্ট্রোল মেমোরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) প্রসেসিং মেমোরি

ROM (Read-Only Memory)
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read-Only Memory।
- এটি সাধারণত একটি ছোট কম্পিউটার মেমোরি, যা বিশেষ উদ্দেশ্যের তথ্য সংরক্ষণ করে, যেমন কোনো প্রোগ্রাম, যা পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলেও এর তথ্য হারায় না।
- ROM প্রোগ্রামগুলো কম্পিউটারের জন্য অত্যাবশ্যকীয়, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করে, অথবা BIOS (Basic Input/Output System) যা ব্যক্তিগত কম্পিউটারের বাহ্যিক ডিভাইসগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করে।
- PROM, EPROM, এবং EEPROM হলো ROM-এর (Read-Only Memory) বিভিন্ন ধরন।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,৫৬৯.
গুগল কোন AI প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে?
  1. জেমিনি
  2. ডিপসিক
  3. অ্যালেক্সা
  4. সিরি
ব্যাখ্যা

• গুগল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন করেছে যার নাম জেমিনি। জেমিনি হলো গুগলের উন্নত AI মডেল যা বিভিন্ন ধরনের তথ্য বিশ্লেষণ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম। এটি মূলত ভাষা বোঝা, লেখা তৈরি করা, ছবি ও ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়। গুগল AI-কে আরও মানবসদৃশ এবং কার্যকর করার জন্য জেমিনির মাধ্যমে গবেষণা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ডিপসিক হলো মাইক্রোসফট সম্পর্কিত প্রযুক্তি, অ্যালেক্সা অ্যামাজনের ভার্চুয়াল সহকারী, এবং সিরি হলো অ্যাপলের AI-ভিত্তিক ব্যক্তিগত সহকারী।
- তাই, গুগলের উদ্ভাবিত AI প্রযুক্তি হল জেমিনি।

 
 • কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫।নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

- গুগলের তৈরিকৃত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নাম জেমিনি।
- জেমিনি নামের এই এআই একই সঙ্গে ছবি, ভিডিও, অডিও ও টেক্সটের মতো বিভিন্ন ধরনের মাল্টিমিডিয়া বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী উত্তর দিতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৭০.
কম্পিউটারে মাল্টিটাস্কিং এর জন্য দায়ী কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. মাউস
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারে মাল্টিটাস্কিং বলতে বোঝায় একই সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ চালানোর ক্ষমতা। এটি মূলত অপারেটিং সিস্টেম (OS) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।

অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

অপারেটিং সিস্টেমে মাল্টিটাস্কিং পরিচালনা: 
প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: OS বিভিন্ন কাজ বা প্রোগ্রামকে সিডিউল করে এবং প্রসেসরকে সেগুলো একসঙ্গে চালাতে সহায়তা করে।
মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: OS র‌্যামের মধ্যে বিভিন্ন প্রোগ্রামের জন্য মেমোরি বরাদ্দ করে।
CPU শিডিউলিং: OS নির্ধারণ করে কোন প্রোগ্রাম কতটুকু CPU সময় পাবে।

উৎস: 
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট। [লিংক] 

৩,৫৭১.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ?
  1. ক) Control Unit
  2. খ) Arithmetic Logic Unit
  3. গ) Register Set
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসরের সংগঠন(Organization of Microprocessor)
মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত।
যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৭২.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত অক্ষমতা।
  2. ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
  3. সিদ্ধান্ত গ্রহেণর ক্ষমতা।
  4. সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাযর বৈশিষ্ট্য সমূহ:
- কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
- সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
- সিদ্ধান্ত গ্রহেণর ক্ষমতা
- সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
- নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন ।
- ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
- অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
- মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
- পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
- ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা
- জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
- নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৭৩.
নিচের এককগুলোর মধ্যে কোনটির তথ্য ধারণ ক্ষমতা সর্বাধিক?
  1. এক্সাবাইট
  2. পেটাবাইট
  3. গিগাবাইট
  4. টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত অপশন সমূহের মধ্যে এক্সাবাইটের ধারণ ক্ষমতা সর্বাধিক।

• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:

1 Bit = Binary Digit
8 Bits = 1 Byte
1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
1024 TB = 1 PB (Petabyte)
1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৭৪.
VR (Virtual Reality) পরিবেশে ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভূতি প্রদান করার প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়?
  1. Simulation
  2. Tracking
  3. Immersion
  4. Programming
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) Immersion. 

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality): 

- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality বা VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন ব্যবহার করে তৈরি করা একটি কৃত্রিম ত্রিমাত্রিক (3D) জগত, যা ব্যবহারকারীকে বাস্তব জগতের মতো অনুভব করায়।
- এটি হেডসেট বা গ্লাভস ব্যবহার করে দৃশ্যমান ও শ্রবণযোগ্য সংবেদনশীল পরিবেশের সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম করে। 
- এটি পুরোপুরি কম্পিউটার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কাল্পনিক জগৎ।
- এটি ব্যবহারকারীকে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করে দেয় যা বাস্তবের কাছাকাছি (Immersion)
- এতে হেড-মাউন্টেড ডিসপ্লে (HMD) এবং পোজ ট্র্যাকিং ব্যবহার করা হয়।
- বিনোদন (ভিডিও গেম), শিক্ষা, চিকিৎসাবিদ্যা (সার্জারি প্রশিক্ষণ), সামরিক প্রশিক্ষণ এবং গবেষণায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র:
- Britannica [Link] 

৩,৫৭৫.
(.1101)2 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন -
  1. ক) (.3125)10
  2. খ) (.6125)10
  3. গ) (.8125)12
  4. ঘ) (.8125)10
ব্যাখ্যা
(.1101)2 = 1 × 2-1  + 1 × 2-2  + 0 × 2-3 + 1 × 2-4

                 = 1/2 + 1/4 + 0 + 1/16
                  = .5 + .25 + 0.0625
                  = .8125 

(.1101) = (.8125)10
৩,৫৭৬.
অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়:
  1. 165
  2. 167
  3. 171
  4. 175
ব্যাখ্যা

• অক্টাল 245 কে ডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে পাওয়া যায়: 165

• অক্টাল কে ডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- অক্টাল সংখ্যাকে (ভিত্তি 8) ডেসিমেল সংখ্যায় (ভিত্তি 10) রূপান্তর করতে হলে, অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান এবং ভিত্তি (8) দিয়ে গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলগুলো যোগ করতে হয়।
- উদাহরণ: (124)8, (731)8 ইত্যাদি।

এখানে, (245)8 কে ডেসিমেল সংখ্যা হিসেবে রূপান্তর করি:
(245)8 = 2 × 82 + 4 × 81 + 5 × 80
= 2 × 64 + 4 × 8 + 5 × 1
= 128 + 32 + 5
= 165
∴ (245)8 = 165

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৫৭৭.
ATM stands for-
  1. ক) Automated Teller Machine
  2. খ) Automatic Teller Machine
  3. গ) Automated tailler machine
  4. ঘ) Both a and b
ব্যাখ্যা
Automated/automatic teller machine (= a machine from which you can get money by using a special card).
Source: Cambridge
৩,৫৭৮.
অপারেটিং সিস্টেমের কোন অংশটি মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেস শিডিউলিং এবং ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. প্রসেসর
  2. কার্নেল
  3. সিপিইউ
  4. কোর
ব্যাখ্যা
• "কার্নেল" মেমোরি ব্যবস্থাপনা, প্রসেস শিডিউলিং এবং ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করে।

• কার্নেল (Kernel):

- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল
২. মাইক্রোকার্নেল
৩. হাইব্রিডকার্নেল
৪. এক্সোকার্নেল
৫. ন্যানোকার্নেল।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস:
1. Techtarget website.
2. geeksforgeeks website.
৩,৫৭৯.
নিচের কোনটি Multi-User Operating System?
  1. CP/M
  2. MS-DOS
  3. Windows 95
  4. Android
ব্যাখ্যা
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- উদাহরণ: Android, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৮০.
Creeper ভাইরাস কোন নেটওয়ার্কে তৈরি হয়েছিল?
  1. ARPANET
  2. Internet Explorer
  3. LAN Network
  4. Google Server
ব্যাখ্যা

- Creeper Virus হলো বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস, যা ১৯৭১ সালে Bob Thomas তৈরি করেছিলেন।
- এটি ARPANET (Advanced Research Projects Agency Network)-এ চলত।
- ARPANET-ই পরে পরিণত হয় বর্তমানের ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে।

Creeper ভাইরাস কীভাবে কাজ করত:
- এটি Tenex operating system-এ চলত।
- Creeper এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ARPANET-এর মাধ্যমে স্থানান্তরিত হতো।
- কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর এটি একটি বার্তা দেখাত:
- “I’m the creeper, catch me if you can!”
- ভাইরাসটি ক্ষতিকর কিছু করত না; বরং এটি একটি পরীক্ষামূলক প্রোগ্রাম ছিল, যাতে দেখা যায় একটি প্রোগ্রাম কি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজে নিজে ছড়াতে পারে কি না।

- Creeper ভাইরাসের পরে একই প্রতিষ্ঠানে Reaper নামক আরেকটি প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যা Creeper ভাইরাসকে খুঁজে বের করে মুছে ফেলত।
- তাই Reaper-কে বিশ্বের প্রথম অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

৩,৫৮১.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Cubrid
  2. MsOutlook
  3. MongoDB
  4. PostgreSQL
ব্যাখ্যা
• Microsoft Outlook is a personal information manager software system by Microsoft.

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
 
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
 
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,৫৮২.
সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  2. খ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি
  4. ঘ) ন্যানাে-প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার: 
-  সানস্ক্রিন এ ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে, বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে, পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে।
- খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
-  ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।
- ব্যাটারী শিল্পে সৌর কোষ তৈরিতে : প্রচলিত সৌর কোষের চাইতে আরও অধিক সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যানোটেক সৌর কোষ তৈরিতে 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, 
৩,৫৮৩.
নিচের কোনটি পয়েন্টিং ডিভাইস?
  1. ক) প্রজেক্টর
  2. খ) ট্র্যাকবল
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) হেডফোন
ব্যাখ্যা
- ট্র্যাকবল হলো পয়েন্টিং ডিভাইস। 
- পয়েন্টিং ডিভাইসকে হলো একটি হার্ডওয়্যার ইনপুট ডিভাইস যা ব্যবহারকারীকে একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা GUI অপারেটিং সিস্টেমে মাউস কার্সার সরাতে ব্যবহৃত হয়।

পয়েন্টিং ডিভাইসের উদাহরণ:
- Computer mouse
- Joystick
- Leap Motion
- Light pen (pen)
- Trackball
- TrackPoint
- Touchpad
- Touchscreen 
- Keyboard
 
 
৩,৫৮৪.
নিম্নলিখিত কোনটি ফ্রিল্যান্সিং কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ডেটা এন্ট্রি
  2. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
  3. অফিসে বসে দৈনিক রিপোর্ট তৈরি করা
  4. থ্রিডি এনিমেশন তৈরি করা
ব্যাখ্যা
- ফ্রিল্যান্সার হচ্ছেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে দীর্ঘস্থায়ী চুক্তি ছাড়া কাজ করেন।
- একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা।
- ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়।
- কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যেকোন জায়গাতে বসেই ফ্রিল্যান্স ও আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন।
- ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
- বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, odesk.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৫৮৫.
Email service এর সাথে কোনটি সম্পর্কিত?
  1. ক) Java
  2. খ) SMTP
  3. গ) Cymera
  4. ঘ) PDA
ব্যাখ্যা
SMTP এর পূর্ণরূপ হলো- Simple Mail Transfer Protocol। যেসব মেইল বাইরে পাঠানো হয় সেগুলো কে বহির্মুখী বা আউটগোয়িং মেইল বলা হয়। আউটগোয়িং মেইল পাঠানোর জন্য এই প্রটোকল ব্যবহার করা হয়।
উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
৩,৫৮৬.
টেবিলের শেষ ফিল্ড এর ডেটা টাইপ কোন ধরনের?
  1. ক) Text
  2. খ) Date/Time
  3. গ) Number
  4. ঘ) Memo
ব্যাখ্যা

টেবিলের শেষ ফিল্ড Number ডেটা টাইপ ধরনের হয়।

- Number: যে ফিল্ডে গাণিতিক ডেটা ব্যবহার করা হয়, সেই ফিল্ডকে প্রকাশ করার জন্য নাম্বার ব্যবহৃত হয়। নাম্বার ফিল্ডে যোগ বা বিয়োগ চিহ্নসহ/ছাড়া পূর্ণসংখ্যা ও ভগ্নাংশ মিলিয়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যা ব্যবহার করা যায়।
- এ ফিল্ডের ডেটার উপর গাণিতিক অপারেশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ) করা যায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৩,৫৮৭.
'CIH' কী?
  1. একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম
  2. একটি ছবি এডিটিং টুল
  3. একটি এআই মডেল
  4. একটি এন্টিভাইরাস
ব্যাখ্যা

• 'CIH' হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম (A malicious program), যা এক ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৮৮.
RAM-এর মধ্যে তথ্য কতক্ষণ সংরক্ষিত থাকে- 
  1. সবসময়
  2. হার্ড ডিস্কে সংরক্ষণ পর্যন্ত 
  3. শুধুমাত্র বন্ধ থাকা অবস্থায়
  4. কম্পিউটার চালু থাকা পর্যন্ত
ব্যাখ্যা

RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি। 
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে। 
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে। 
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়। 
 
ROM: 
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম। 
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়। 
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা। 

৩,৫৮৯.
উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. Machine Language
  2. Assembly Language
  3. BASIC
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- নিম্নস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: মেশিন ভাষা ও অ্যাসেম্বলি ভাষা।
- মধ্যমস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: C
- উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা: BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)। 
৩,৫৯০.
AGP-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Advanced Graphics Por
  2. Access Graphics Port
  3. Active Graphics Port
  4. Accelerated Graphics Port
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) Accelerated Graphics Port.

• AGP:
 
- AGP-এর পূর্ণরূপ হলো Accelerated Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য AGP পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ। কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৫৯১.
ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. মাউস
  2. নেটওয়ার্ক কার্ড
  3. VGA
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
- একটি নেটওয়ার্ক কার্ড (একটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা NIC নামেও পরিচিত) প্রাথমিকভাবে নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য একটি ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসাবে কাজ করে, এটি একটি দ্বিমুখী উপাদান তৈরি করে। 
- এটি একটি কম্পিউটারকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে সক্ষম করে। 
- নেটওয়ার্ক কার্ড ইনপুট-আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে কারণ এটি ডেটা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে সক্ষম। 
৩,৫৯২.
প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম কি ?
  1. ক) Mark - 1
  2. খ) ENIAC
  3. গ) EDVAC
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম - Mark - 1.
• বিশ্বের সর্বপ্রথম ইলেট্রনিক কম্পিউটারের নাম - ENIAC.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
৩,৫৯৩.
ডেটাবেজ সিস্টেমে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করে -
  1. ক) প্রাইমারি কী
  2. খ) কম্পােজিট প্রাইমারি কী
  3. গ) ফরেন কী
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
প্রাইমারি কীঃ যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয় ।
কম্পােজিট প্রাইমারি কীঃ যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পােজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
ফরেন কীঃ কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে। ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
[উৎসঃ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রােগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩,৫৯৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Creeper
  2. Spider
  3. Panda
  4. Penguin
ব্যাখ্যা
- ক্রিপার হল একটি কম্পিউটার ভাইরাস।
- ১৯৭১ সালে, BBN-এ কর্মরত বব থমাস ক্রিপারকে একটি পরীক্ষামূলকভাবে নিজে নিজে ডুপ্লিকেট হয় এমন একটি প্রোগ্রাম হিসাবে করেছিলেন যেটির উদ্দেশ্য ছিল ক্ষতি করা নয় বরং একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন চিত্রিত করা। 
৩,৫৯৫.
কোন পদ্ধতি ব্যবহার করলে ডেটা টেবিলের বিপুলসংখ্যক ডেটার মধ্যে নির্দিষ্ট ডেটা দ্রুত আলাদা করে প্রদর্শন করা যাবে?
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফি
  2. কুয়েরি
  3. এলগরিদম
  4. XML
ব্যাখ্যা

ডেটা টেবিলের বিপুলসংখ্যক ডেটার মধ্যে নির্দিষ্ট ডেটা আলাদা করে প্রদর্শন করা, ছাপানো ইত্যাদির প্রয়োজন হতে পারে৷ এজন্য ডেটা কুয়েরির সাহায্য নিলে দ্রুত করা যায়৷
বিভিন্ন ধরনের কুয়েরির মধ্যে আছে সিলেক্ট কুয়েরি, প্যারামিটার কুয়েরি, ক্রসট্যাব কুয়েরি, একশন কুয়েরি।
এরমধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো সিলেক্ট কুয়েরি৷
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান

৩,৫৯৬.
সফটওয়্যার হচ্ছে-
  1. ডিজিটাল কনটেন্ট-এর আদান-প্রদান
  2. কম্পিউটার পরিচালনার একটি মাধ্যম
  3. ওয়েবসাইট
  4. কম্পিউটার নির্দেশনামালা
ব্যাখ্যা
ভিডিও:
- ভিডিও কন্টেন্টের মধ্যে ব্যক্তিগত ভিডিও, মিউজিক ভিডিও, টিভি শো এবং চলচ্চিত্র উল্লেখযোগ্য।
- বিভিন্ন ওয়েবসাইট ভিডিও কন্টেন্ট সেবা দিয়ে যাচ্ছে, যেমন- ইউটিউব (YouTube), ভিমিও (Vimew), ডেইলি মোশন (Daily Motion) ইত্যাদি।
- এই ওয়েবসাইটগুলোতে ব্যবহারকারী তার নিজস্ব কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক ভিডিও কন্টেন্ট পোস্ট করতে পারে এবং অন্যরা সেই ভিডিওগুলো বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে দেখতে পারে। 

সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার/এ্যাপ্লিকেশন হচ্ছে কম্পিউটার সিস্টেমের একটি অংশ যা ডাটা বা কম্পিউটার-নির্দেশাবলী নিয়ে গঠিত।
- ইন্টারনেটে বিনামূল্যে কন্টেন্ট পোস্ট ও শেয়ার করার জন্য অনেক এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বিদ্যমান রয়েছে। যেমন- ফেইসবুক, ইউটিউব, টুইটার ইত্যাদি।

অডিও:
- অডিও কনটেন্টের ক্ষেত্রে মিউজিক ফাইল সবচেয়ে বেশী প্রচলিত ও ব্যবহৃত একটি কনটেন্ট।
- ইন্টারনেট কিংবা ডেস্কটপ কম্পিউটার থেকে মিউজিক শোনার জন্য স্পটিফাই (Spotify) একটি জনপ্রিয় মাধ্যম হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে। এছাড়া Pandora এবং last.fm অনলাইনে শ্রোতাদের বিনামূল্যে মিউজিক কন্টেন্ট ব্যবহার করার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে।
- এছাড়াও অনেক ওয়েবসাইট বিভিন্ন ধরণের অডিও ফাইল অন্যদের সাথে শেয়ার করার সুযোগ দিচ্ছে।

ইমেজ:
- ইমেজ আদান-প্রদান ডিজিটাল কন্টেন্টের আরেকটি উদাহরণ।
- বহু জনপ্রিয় ওয়েবসাইট রয়েছে যারা ইমেজ কন্টেন্ট নিয়ে কাজ করছে। যেমন- Imagur, এখানে ব্যবহারকারী তার নিজের তৈরিকৃত ইমেজ অন্যদের সাথে শেয়ার করে, Flickr- এ ব্যবহারকারী তার ছবির এ্যালবাম অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৯৭.
What is the primary function of a motherboard in a computer system?
  1. Store data
  2. Process information
  3. Display graphics
  4. Connect various components
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড: 
→ মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
→ সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
→ এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইন বোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
→ কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
→ কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
→ বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়ার যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫৯৮.
নিচের কোনটি রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার (RDBMS)?
  1. ক) মাইএসকিউএল (MySQL)
  2. খ) ওরাকল (Oracle)
  3. গ) ইনফরমিক্স (Informix)
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডেটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য অনেক সফটওয়্যার প্রচলিত আছে। যথা-
- মাইক্রোসফট এক্সেস (Microsoft Access),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- এসকিউএল সার্ভার (SQL Server),
- ইনফরমিক্স (Informix) ইত্যাদি।
[উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)]
৩,৫৯৯.
ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্নের মোট সংখ্যা কত?
  1. 128 টি
  2. 256 টি
  3. 512 টি
  4. 1024 টি
ব্যাখ্যা
• ASCII-8 (বা Extended ASCII) দ্বারা সর্বমোট 256টি অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। মূলত, স্ট্যান্ডার্ড ASCII 7-বিট হয় এবং এতে 128টি (0-127) ক্যারেক্টার থাকে। কিন্তু ASCII-8 হলো 8-বিট সংস্করণ, যা 0 থেকে 255 পর্যন্ত মোট 256টি ইউনিক কোড সমর্থন করে। এতে স্ট্যান্ডার্ড ASCII এর পাশাপাশি অতিরিক্ত গ্রাফিক চিহ্ন, বিশেষ অক্ষর ও আন্তর্জাতিক ভাষার প্রতীক যুক্ত করা হয়। এটি কম্পিউটারের তথ্য বিনিময়ে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অতএব, ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য মোট ক্যারেক্টার সংখ্যা হলো 256টি।
- সঠিক উত্তর: খ) 256 টি।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৬০০.
নিম্নলিখিত তালিকা থেকে কোনটি শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির উদাহরণ?
  1. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  2. টাইপিং গতি যাচাইকরণ
  3. স্বাক্ষর শনাক্তকরণ
  4. মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
ব্যাখ্যা

• শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি হলো সেই প্রযুক্তি যা মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে পরিচয় নির্ধারণ করে। এটি এমন বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে যা সাধারণত পরিবর্তন হয় না এবং অনন্য হয়, যেমন চোখের রঙ, আঙুলের ছাপ, মুখমণ্ডলের অবয়ব ইত্যাদি। তালিকায় দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ, টাইপিং গতি যাচাইকরণ বা স্বাক্ষর শনাক্তকরণ মূলত আচরণগত বায়োমেট্রিক প্রযুক্তি, কারণ এগুলো মানুষের আচরণ বা শৈলীর উপর নির্ভর করে। অন্যদিকে, মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ সরাসরি শারীরিক বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে। তাই, শারীরিক বায়োমেট্রিক প্রযুক্তির উদাহরণ হিসেবে ঘ) মুখমণ্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ সঠিক উত্তর।
 
• বায়োমেট্রিক্স:
বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে বাক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন।