বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৩৫ / ৮২ · ৩,৪০১৩,৫০০ / ৮,১৪১

৩,৪০১.
কোনটি CPU রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. অ্যাকিউমুলেটর
  4. প্রোগ্রাম কাউন্টার
ব্যাখ্যা

• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের রেজিস্টার হল ছোট, দ্রুত মেমোরি এলাকা যা অস্থায়ীভাবে ডেটা, নির্দেশনা এবং ঠিকানা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার -ই CPU রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার বর্তমান ইনস্ট্রাকশন সংরক্ষণ করে, অ্যাকিউমুলেটর গণনার সময় অস্থায়ী ফলাফল রাখে, এবং প্রোগ্রাম কাউন্টার পরবর্তী নির্দেশনার ঠিকানা নির্দেশ করে। তবে হার্ড ডিস্ক হল একটি স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা CPU রেজিস্টার নয়। এটি বৃহৎ ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি দ্রুত লেনদেন করতে পারে না। তাই সঠিক উত্তর হল খ) হার্ড ডিস্ক।
 
• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪০২.
বাফার গেইটের ইনপুট ০ হলে আউটপুট কত হবে?
  1. ১১
  2. ১০
ব্যাখ্যা
বাফার গেইট:
- বাফার গেইটের সিগন্যাল কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই আউটপুটে যায়।
- এতে একটি ইনপুট এবং একটি আউটপুট রয়েছে।
- বাফার গেইটের আচরণ নট গেইটের বিপরীত।
- উদাহরণ: বাফার গেইটে ইনপুট ০ হলে, আউটপুট ০ হবে এবং ইনপুট ১ হলে, আউটপুট ১ হবে।

বাফার গেইটের সত্যক সারণি


সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪০৩.
Which one is a super computer?
  1. ক) IBM S/34
  2. খ) SuperSXII
  3. গ) UNIVAC 1100
  4. ঘ) CYBER 170
ব্যাখ্যা
ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা- মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার, সুপার কম্পিউটার, এবং মেইনফ্রেম কম্পিউটার। 

মাইক্রো কম্পিউটার-  এ ধরনের কম্পিউটার বলতে ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির  কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়। এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়। একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি,সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়। 
উদাহরণ: IBM386, IBM pentium ইত্যাদি। 

মিনি কম্পিউটার- মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম। মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরণ ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোন পার্থক্য নাই। 
উদাহরণ: IBM S/34, IBM S / 36, PDP 11, NCR S/9290 ইত্যাদি।

সুপার কম্পিউটার- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার। সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
আমেরিকায় CYBER-205, জাপানের নিপ্পন কোম্পানির SuperSXII.

মেইনফ্রেম কম্পিউটার- যে কম্পিউটার মিনি ও মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে বড় এবং সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট তাকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে। এতে অনেকগুলো কম্পিউটার যুক্ত থাকে এবং এক সঙ্গে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে।
IBM 4341, UNIVAC 1100, CYBER 170 ইত্যাদি

সূত্র- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৪০৪.
কোডে থাকা ত্রুটিগুলি শনাক্ত ও সমাধান করার প্রক্রিয়ার নাম কী?
  1. Installation
  2. Compiling
  3. Programming
  4. Debugging
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪০৫.
নিচের কোনটি সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ নয়?
  1. কন্ট্রোল বাস
  2. অ্যাড্রেস বাস
  3. পাওয়ার বাস
  4. ডেটা বাস
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস এবং
৩. কন্ট্রোল বাস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪০৬.
নিচের কোনটি ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট নয়?
  1. ক) Flickr
  2. খ) Instagram
  3. গ) Pinterest
  4. ঘ) সবগুলোই ছবি ও ভিডিও শেয়ারিং সাইট
ব্যাখ্যা

- Flickr = Flickr is an image hosting service and video hosting service. It was created by Ludicorp in 2004.
- Instagram = Instagram is an American photo and video-sharing social networking service owned by Facebook, Inc. It was created by Kevin Systrom and Mike Krieger, and launched in October 2010 on iOS.
- Pinterest = Pinterest, Inc. is an American social media web and mobile application company. It operates a software system designed to enable saving and discovery of information on the World Wide Web using images and, on a smaller scale, GIFs and videos.

৩,৪০৭.
তথ্য স্থানান্তরের অসুবিধা দূর করতে তথ্য কোডের বিটগুলোর সঙ্গে যে অতিরিক্ত ১টি বিট যোগ করা হয়, তাকে কী বলে?
  1. প্যারিটি বিট
  2. আলফা বিট
  3. নিউমেরিক বিট
  4. আসকি বিট
ব্যাখ্যা
প্যারিটি বিট:
- প্যারিটি বিট বলতে বাইনারি পদ্ধতিতে তথ্য আদান প্রদান করার সময় তথ্যের নির্ভুলতা বাড়াতে যে অতিরিক্ত ১টি বিট যুক্ত করা হয় তাকে বুঝায়।
- বাইনারি পদ্ধতিতে ডেটা আদান প্রদান করার সময় বিট গণনায় ভুল হতে পারে কোন কারণে ১ এর বদলে ০ আসতে পারে অথবা ০ বদলে ১ আসতে পারে; এরকমটি হলে গণনায় ত্রুটি হতে পারে।
- এই সমস্যা সমাধানের জন্য বাইনারি সংখ্যার বিটের বাম পাশে ১টি অতিরিক্ত বিট যোগ করা হয়।

উৎস: IBM ওয়েবসাইট।
৩,৪০৮.
কোন কোডটি "Error Detection" এর জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ASCII
  2. Parity Bit
  3. Unicode
  4. EBCDIC
ব্যাখ্যা
• Parity Bit হলো এমন একটি error detection code, যা কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ বা সংরক্ষণের সময় ত্রুটি সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এটি যেভাবে কাজ করে- 
Even Parity (জোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা জোড় রাখতে একটি Parity Bit যোগ করা হয়।
-  যদি 1-এর সংখ্যা বিজোড় হয়, তাহলে 1 যোগ করে জোড় করা হয়।

Odd Parity (বিজোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা বিজোড় রাখতে Parity Bit যোগ করা হয়।
 
সীমাবদ্ধতা
-  Parity Bit কেবলমাত্র একটি বিট পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
-  একাধিক বিট পরিবর্তন ঘটলে এটি নির্ণয় করতে পারে না।

অন্যদিকে, 

ASCII: ASCII হলো এমন একটি Character Encoding Standard, যা কম্পিউটারে টেক্সট (Text) ডেটা সংরক্ষণ ও বিনিময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি বাইনারি কোড ব্যবহার করে অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে প্রতিনিধিত্ব করে। এটি error detection এর জন্য  ব্যবহৃত হয় না।

Unicode: Unicode একটি স্ট্যান্ডার্ড ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষা, প্রতীক, স্ক্রিপ্ট ও চিহ্ন ডিজিটালভাবে উপস্থাপন করতে সক্ষম।

EBCDIC: এটি IBM-এর তৈরি character encoding পদ্ধতি।

তথ্যসূত্র:
-  IBM Docs.
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.
৩,৪০৯.
ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. এট্রিবিউট
  2. এনটিটি
  3. ভ্যালু
  4. প্রাইমারি কী
ব্যাখ্যা
এনটিটি
এনটিটি হচ্ছে সত্তা যা দিয়ে অবজেক্টকে চিহ্নিত করা যায়। কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাই হচ্ছে ডাটার এনটিটি। যেমন- একজন কর্মচারীর নাম, পদবী, বয়স, ঠিকানা ইত্যাদির সমন্বয়ে এনটিটি গঠিত হয়।

এট্রিবিউট
প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে। অর্থাৎ এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।

ভ্যালু
প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।

প্রাইমারি কী
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪১০.
দুই ইনপুট বিশিষ্ট OR গেইটে A = 0, B = 1 হলে আউটপুট কত?
  1. 0
  2. 1
  3. অপরিবর্তিত
  4. নির্ধারিত নয়
ব্যাখ্যা

• যেকোনো একটি ইনপুট 1 হলে OR গেইটের আউটপুট 1 হয়।

• মৌলিক লজিক গেইট:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সার্কিট বাস্তবায়নের জন্য যে গেইটগুলো মৌলিক কাজ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে মৌলিক লজিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার ও অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির ভিত্তি হিসেবে প্রধানত তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহৃত হয়। যথা—

• মৌলিক লজিক গেইটসমূহ:

- অর গেইট (OR Gate),
- এন্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).
 
• অর গেইট (OR Gate):

- অর গেইট যৌক্তিক যোগ (Logical Addition) পদ্ধতিতে কাজ করে।
- অর্থাৎ, এই গেইটের যেকোনো একটি ইনপুট 1 (High) হলে আউটপুট 1 (High) হয়।
- সব ইনপুট 0 (Low) হলে তবেই আউটপুট 0 (Low) হয়।

 
• অর গেইটের গাণিতিক সমীকরণ:

X = A OR B,
অথবা,
X = A + B.

• তিন ইনপুট বিশিষ্ট অর গেইট:

যখন অর গেইটে তিনটি ইনপুট থাকে, তখন আউটপুট হবে ইনপুটগুলোর যৌক্তিক যোগফল।

• গাণিতিক সমীকরণ:

X = A + B + C.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪১১.
Which of the following is a type of malware that design for surveillance?
  1. Trojan
  2. Virus
  3. Worm
  4. Spyware
ব্যাখ্যা

• স্পাইওয়্যার (Spyware) হলো এমন এক ধরনের ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অজান্তেই তার কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং তার সমস্ত কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি (Surveillance) চালায়। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য, ব্রাউজিং ইতিহাস, পাসওয়ার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড নম্বর সংগ্রহ করে আক্রমণকারীর কাছে পাঠিয়ে দেয়। যেহেতু এর মূল লক্ষ্যই হলো গোয়েন্দাগিরি করা, তাই একে নজরদারির জন্য ডিজাইন করা ম্যালওয়্যার বলা হয়।
- বিভিন্ন স্পাইওয়্যারের উদাহরণ: Pegasus, FinFisher, CoolWebSearch, Gator (GAIN) ইত্যাদি।

• স্প্যাইওয়ারের কাজ:
- ব্যবহারকারীর ব্রাউজিং ডেটা চুরি করা: যেমন লগইন তথ্য, পাসওয়ার্ড, ক্রেডিট/ডেবিট কার্ড ডিটেইলস।
- কীস্ট্রোক লগিং (Keystroke Logging): ব্যবহারকারী কোন কী চাপছে তা রেকর্ড করে।
- পরিচিতি চুরি (Identity Theft): ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে অনলাইন প্রতারণা বা ব্যাংক লেনদেন করা।
- অ্যাড ইনস্টলেশন ও বিজ্ঞাপন দেখানো: কিছু স্প্যাইওয়্যার ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া অ্যাডওয়্যারও ইনস্টল করে।

• স্প্যাইওয়ারের উপসর্গ / লক্ষণ:
- কম্পিউটার হঠাৎ ধীরগতিতে কাজ করা।
- ব্রাউজারে অজানা টুলবার বা অ্যাডস দেখা।
- লগইন তথ্য অননুমোদিতভাবে চুরি হওয়া বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ।
- মাঝে মাঝে অপ্রত্যাশিত রিডাইরেকশন ও পপ-আপ বিজ্ঞাপন।

• স্প্যাইওয়ারের প্রতিকার:
- অ্যান্টি-ম্যালওয়্যার / অ্যান্টি-স্পাইওয়্যার সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ইমেইল ক্লিক না করা।
- সফটওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করা।
- শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও দুই-ধাপ যাচাই ব্যবহার করা।

অন্যান্য অপশন:
- Trojan: এটি নিজেকে একটি বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে প্রকাশ করে ব্যবহারকারীকে ধোঁকা দেয় এবং সিস্টেমে হ্যাকারদের প্রবেশের পথ তৈরি করে দেয়।
- Virus: এটি একটি প্রোগ্রাম যা ফাইলের সাথে সংযুক্ত হয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং সিস্টেমের ফাইলগুলোকে নষ্ট বা ডিলিট করে দেয়।
- Worm: এটি একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিজে নিজেই অসংখ্য কপি তৈরি করে এবং দ্রুত এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

৩,৪১২.
কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি কোনটি?
  1. DRAM
  2. Cache memory
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো রেজিস্টার। 

কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রম (Memory Hierarchy):
কম্পিউটারের মেমোরি একটি স্তরক্রমে (Hierarchy) বিন্যস্ত।

স্তরক্রমের ধাপসমূহ:
- স্তরক্রমের শুরু হয় CPU-এর রেজিস্টার থেকে, যা খুব ছোট, অত্যন্ত দ্রুত এবং ব্যয়বহুল।
- এরপর আসে ছোট, দ্রুত ক্যাশ মেমোরি।
- এর পরের স্তর হলো বড় DRAM (প্রাইমারি মেমোরি)।
- এরপর আছে খুব বড় হার্ড ডিস্ক।
- স্তরক্রমের শেষ ধাপ হলো ধীর ও সস্তা ননভোলাটাইল ব্যাকআপ স্টোরেজ।

ভার্চুয়াল মেমোরি:
- আধুনিক কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম মেমোরি ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেমের মাধ্যমে, যা প্রোগ্রামগুলোকে বড় অ্যাড্রেস স্পেস সরবরাহ করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি ব্যবহার করলে প্রোগ্রামের প্রয়োজনীয় মেমোরি CPU-এর প্রকৃত RAM-এর চেয়ে বেশি হতে পারে।

সংক্ষেপে, কম্পিউটারের মেমোরি স্তরক্রমে সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুত মেমোরি হলো CPU-এর রেজিস্টার।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩,৪১৩.
কোনটি র‍্যানসমওয়্যার এর উদাহরণ? 
  1. WannaCry
  2. Avast
  3. Norton
  4. Avira
ব্যাখ্যা

• WannaCry হলো র‍্যানসমওয়্যারের উদাহরণ।
- র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ম্যালওয়্যার, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসের ডেটা এনক্রিপ্ট করে বা লক করে দেয়।
- এরপর হ্যাকাররা পুনঃপ্রাপ্তির জন্য অর্থ (ransom) দাবি করে। 

• ইতিহাস:
- WannaCry প্রথম পরিচিত হয় মে ২০১৭ সালে।
- এটি বিশ্বব্যাপী হঠাৎ বিস্তার লাভ করে ১৫০টির বেশি দেশে, হাসপাতাল, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারী সংস্থাকে প্রভাবিত করে।

• সংক্রমণের পদ্ধতি:
- WannaCry মূলত Microsoft Windows-এ উপস্থিত SMB (Server Message Block) প্রোটোকলের দুর্বলতা ব্যবহার করে সংক্রমণ ঘটায়।
- এটি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়াতে পারে, যার ফলে খুব দ্রুত নেটওয়ার্কে বিস্তার লাভ করে।

• প্রভাব:
- ফাইল বা ডকুমেন্ট লক হয়ে যায় এবং .WNCRY বা অনুরূপ এক্সটেনশন যুক্ত হয়।
- ব্যবহারকারীদের একটি র‍্যানসম নোট দেখানো হয়, যেখানে ফাইল পুনরায় আনলক করার জন্য বিটকয়েন অর্থপ্রদান চাওয়া হয়।
- ২০১৭ সালের আক্রমণে NHS (UK-এর স্বাস্থ্য সেবা), স্পেনের টেলিকম কোম্পানি, ফেডেক্স সহ অনেক বড় প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

• প্রতিরোধ ও সমাধান:
- অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা।
- সফটওয়্যার আপডেট ও প্যাচ ইনস্টল করা, বিশেষ করে Windows-এর নিরাপত্তা আপডেট।
- নিয়মিত ব্যাকআপ রাখা, যাতে র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের পর ডেটা পুনরুদ্ধার করা যায়।
- অজানা ইমেইল বা লিংক ক্লিক করা থেকে বিরত থাকা।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

৩,৪১৪.
নিচের কোনটি Programming language?
  1. ক) AVG
  2. খ) Kaspersky
  3. গ) PHP
  4. ঘ) Avast
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিভাইরাস এক ধরনের সফটওয়্যার যা কোন কম্পিউটারের ভাইরাস সনাক্ত করতে পারে এবং তা দূর করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারে। অপশন গুলোতে বিদ্যমান AVG, Kaspersky, Avast সবগুলিই Antivirus Program. তবে PHP একটি Programming language। আপনারা ইন্টারনেটে সার্চ দিলে PHP Antivirus নামে কিছু ফলাফল পেতে পারেন। তবে, সেগুলো কোন প্রতিষ্ঠিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। সেগুলোকে লিমিটেড স্ক্রিপ্ট বলা যায়।
৩,৪১৫.
কোনটি প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ?
  1. অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা
  2. সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা
  3. নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা
  4. অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা
ব্যাখ্যা

• প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) হল এমন ধরনের রক্ষণাবেক্ষণ যা কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের সমস্যা দেখা দেওয়ার আগেই তা প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে করা হয়। এর মূল লক্ষ্য হলো যন্ত্রপাতি বা সিস্টেমের কার্যকারিতা বজায় রাখা এবং বড় ধরনের ক্ষতি বা ব্যর্থতা এড়ানো। প্রদত্ত উদাহরণগুলোর মধ্যে, অপারেটিং সিস্টেম পুনঃস্থাপন করা, সংক্রমণের পর ভাইরাস অপসারণ করা বা নষ্ট হার্ড ড্রাইভ পরিবর্তন করা সবই ঘটার পরে করা রক্ষণাবেক্ষণ, যা সমস্যা সমাধানের জন্য করা হয়।
- অন্যদিকে, অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা একটি প্রতিরোধমূলক কাজ, কারণ এটি হার্ডওয়্যার সঠিকভাবে চলতে সাহায্য করে এবং ভবিষ্যতে সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কমায়। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে “ঘ) অভ্যন্তরীণ অংশ থেকে ধুলো পরিষ্কার করা” প্রতিরোধমূলক রক্ষণাবেক্ষণের উদাহরণ।

 
• কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ:
- কম্পিউটার অনেক দিন কার্যক্ষম রাখতে এর রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন।
- পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফ্টওয়্যার ও হার্ডওয়‍্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়।
- কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়।
- অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়।
- অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করে দিলে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হয় এবং কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যায়।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IBM. [link]

৩,৪১৬.
2's Complement সিস্টেমে ৮-বিটে সবচেয়ে ছোট সংখ্যা কত?
  1. - 127
  2. - 128
  3. - 255
  4. - 256
ব্যাখ্যা

◉ 2’s Complement সিস্টেমে n-bit এর ক্ষেত্রে সংখ্যার পরিসীমা হয় —

−2 n−1  থেকে    2 n−1−1
এখানে n = 8
সবচেয়ে ছোট সংখ্যা = − 27 = − 128
সবচেয়ে বড় সংখ্যা = 27−1 = 127

২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,৪১৭.
১ এক্সাবাইট (EB) সমান -
  1. ক) ১০২৪ জেটাবাইট
  2. খ) ১০২৪ গিগাবাইট
  3. গ) ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ঘ) ১০২৪ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ইট্রাবাইট (YB) 


উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৩,৪১৮.
কোনটি আলফানিউমেরিক কোড?
  1. ক) হেক্সাডেসিমেল
  2. খ) বিসিডি
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) আসকি
ব্যাখ্যা

আলফানিউমেরিক কোড: কম্পিউটার সিস্টেমে সংখ্যাসূচক(০-৯) চিহ্নের পাশাপাশি বিভিন্ন বর্ণ (a-z,A-Z) ও বিভিন্ন গাণিতিক এবং বিশেষ চিহ্ন (+,$,⋆,#,% ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়। এসকল সংখ্যা, বর্ণ ও চিহ্নের জন্য যে কোড ব্যবহৃত হয় তাকে আলফানিউমেরিক কোড বলে।
বিভিন্ন আলফানিউমেরিক কোড-
1. ইবিসিডিক (EBCDIC)
2. অ্যাসকি (ASCII)
3. ইউনিকোড (Unicode)
(রেফারেন্সঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেনীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি)

৩,৪১৯.
কোন মেমরি সিপিইউ এর সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে?
  1. ক) ম্যাগনেটিক মেমরি
  2. খ) প্রধান মেমরি
  3. গ) সহায়ক মেমরি
  4. ঘ) কোর মেমরি
ব্যাখ্যা
প্রধান/ প্রাইমারি মেমরি: 
- প্রোসেসরের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকে।
- RAM প্রধান মেমরি হিসাবে কাজ করে।
- তথ্য় স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায় না।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,৪২০.
What is the role of registers in a CPU?
  1. To perform arithmetic operations
  2. To store instructions and data temporarily
  3. To manage input/output operations
  4. To connect to external devices
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) To store instructions and data temporarily

প্রসেসর বা CPU-এর সংগঠন

CPU-এর প্রধান অংশ:
CPU প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত:
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
- অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) / গাণিতিক যুক্তি অংশ
- রেজিস্টার বা মেমোরি (Registers/Memory)

নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করে।
- CPU, মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডেটার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সংরক্ষিত নির্দেশ অনুসারে কম্পিউটারের অন্যান্য অংশকে আদেশ দেয়।
- বাইনারি কোডের নির্দেশনা স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে ডিকোড করে।

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU) / গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি সম্পন্ন হয়।
- একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার থাকে, যা পূর্ববর্তী নির্দেশনার ঠিকানা ধারণ করে।
- কোন নির্দেশনা কখন সম্পাদিত হবে তা এই ঠিকানা থেকে জানা যায়।

রেজিস্টার বা মেমোরি / স্মৃতি:
- রেজিস্টার CPU-এর অংশ, যা দ্রুত লেখা ও পড়া সম্ভব।
- ALU-তে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় রেজিস্টার সহায়তা করে।
- কোনো কাজ সম্পাদনের সময় সাময়িকভাবে ডেটা সংরক্ষণের জন্য রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফলাফলও সাময়িকভাবে এখানে সংরক্ষিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৪২১.
কোনটি নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার?
  1. ক) Line Printer
  2. খ) Laser Printer
  3. গ) Serial Printer
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Non-Impact Printer): 
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে। 
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer), 
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার। কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুততিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer):
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে। 
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লাইন প্রিন্টার (Line Printer) ও
২. অক্ষর প্রিন্টার বা সিরিয়াল (Serial Printer)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২২.
কত সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি উদ্ভাবিত হয়?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৮৪
  3. ১৯৯৬
  4. ২০০০
ব্যাখ্যা

তথ্য প্রযুক্তির সত্যিকার বিকাশ ঘটে মূলত ১৯৭০-৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসরের আবিষ্কার ও সফলভাবে কম্পিউটারের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে। তাই তথ্য প্রযুক্তির যুগকে মাইক্রোপ্রসেসরের যুগ বললেও খুব বেশি বলা হবে না। মাইক্রোপ্রসরের কল্যাণে,
- ১৯৭৬ সালে মাইক্রোকম্পিউটার,
- ১৯৮১ সালে পার্সোনাল কম্পিউটার,
- ১৯৮৪ সালে মেকিনটোশ এবং
- ১৯৯৬ সালে ভার্চুয়্যাল রিয়েলিটি, ইন্টারনেট ইত্যাদি প্রতিটি মুহূর্তই তথ্য প্রযুক্তির ক্রমবিকাশের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।

৩,৪২৩.
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল কত?
  1. ক) ১৯৭৯-১৯৯০
  2. খ) ১৯৯১-২০০০
  3. গ) ২০০১-২০০৮
  4. ঘ) ১৯৯০-২০০০
ব্যাখ্যা
মোবাইল ফোনের প্রথম প্রজন্মের সময়কাল হলো ১৯৭৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান
৩,৪২৪.
এক্সেলের কলাম ও সারির প্রত্যেকটি উপাদানকে বলে ______।
  1. ক) রো কলাম
  2. খ) স্প্রেডশিট
  3. গ) সেল
  4. ঘ) খ ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
Microsoft Excel একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার। স্প্রেডশীট প্রােগ্রামের রাে ও কলামের সাহায্যে গঠিত পেইজ বা শীটকে ওয়ার্কশীট বলে। আর ওয়ার্কশীটের প্রতিটি আয়তাকার অংশকে সেল (Cell) বলা হয়।
৩,৪২৫.
কোনটি কম্পিউটারের অতি উচ্চতর বা চতুর্থ প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা?
  1. ক) C
  2. খ) C++
  3. গ) Fortran
  4. ঘ) FOCUS
ব্যাখ্যা
উচ্চতর বা হাই লেভেল (High level) ভাষা:
কম্পিউটারের পক্ষে লো লেভেল ভাষা বোঝা সহজ হলেও মানুষের পক্ষে লো লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয় । এই সকল অসুবিধা থেকে অব্যাহতির প্রচেষ্টার ফলে উচ্চতর ভাষার উদ্ভব হয় । উচ্চতর ভাষা বা হাই লেবেল ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন ইংরেজি) সাথে মিল আছে। এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব। অর্থাৎ এই প্রোগ্রাম ভাষা কম্পিউটার সংগঠনের নিয়ন্ত্রণের উর্ধ্বে, এই জন্য এসব ভাষাকে উচ্চতর ভাষা বলা হয়।

কিছু উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো-
- C
- C++
- Basic
- Java
- ALGOL
- Fortran
- Python

অতি উচ্চতর (Very high level) ভাষা:
কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়। 4GL এর সাহায্যে সহজেই অ্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়। ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষা সমূহ(যেমন SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এসব ভাষায় ইংরেজি ভাষার মত নির্দেশ দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ডেটাবেসের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ডেটা আদান- প্রদান করতে পারেন। পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয় ।

কিছু অতি উচ্চতর ভাষার উদাহরণ হলো-
- SQL
- NOMAD
- RPG III
- FOCUS
- Intellect BPM

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৪২৬.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2D6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 520
  3. গ) 720
  4. ঘ) 726
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2D6)16 
= 2 × 16+ D × 16+ 6 × 16
= 2 × 256 + 13 × 16 + 6 × 1
= 512 + 208 + 6
= (726)10
সুতরাং, (2D6)16 = (726)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪২৭.
কোনটি দ্বারা নিউমেরিক কীপ্যাড এর অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়?
  1. ক) Tab
  2. খ) Num Lock
  3. গ) ctrl + shift
  4. ঘ) Caps Lock
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ডের ডান দিকে অবস্থিত ক্যালকুলেটরের মতো ১৭ থেকে ১৮ টি  কীসম্বলিত অংশকে নিউমেরিক কী প্যাড বলা হয়।
- পরিসংখ্যান ও গণিত বিষয়ক কাজের জন্য নিউমেরিক কী প্যাড ব্যবহার সুবিধাজনক।
- নিউমেরিক কী প্যাডের উপরের বাম পাশে অবস্থিত Num Lock লেখাযুক্ত কী-টি অফ ও অন করে নিউমেরিক কীপ্যাড অধিকাংশ কী দ্বৈত কাজে ব্যবহার করা যায়।
- অর্থাৎ Num Lock কী অন করে রাখলে গাণিতিক ফাংশনগুলো কাজ করে, আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে নিউমেরিক কীসমূহের নিচে যা লেখা রয়েছে সেগুলো কাজ করবে।
- যেমন, 7 লেখা কী-টির নিচে Home লেখা রয়েছে। Num Lock কী চালু থাকলে এটি চাপলে 7 লেখা হবে। আবার Num Lock কী বন্ধ থাকলে এটি চাপলে কার্সর লাইনের শেষে স্থানান্তরিত হবে।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,৪২৮.
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে কোন ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা হতো?
  1. উচ্চস্তরের ভাষা
  2. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  3. মেশিন ভাষা
  4. C ভাষা
ব্যাখ্যা

• মেশিন ভাষা—প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার সরাসরি বাইনারি (০ ও ১) নির্দেশনা বুঝত।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার(First Generation Computer):
- ১৯৪০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলা হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটার তৈরিতে প্রধানত ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- এগুলো আকারে অত্যন্ত বড়, ওজনে ভারী এবং স্থাপন ব্যয়বহুল ছিল।
 
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- ভ্যাকুয়াম টিউবের উপর নির্ভরশীল।
- বিদ্যুৎ খরচ ছিল অত্যধিক।
- প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো, ফলে শীতলীকরণ ব্যবস্থা প্রয়োজন ছিল।
- নির্ভরযোগ্যতা কম ছিল এবং ঘন ঘন নষ্ট হতো।
- প্রোগ্রাম লেখার জন্য মেশিন ভাষা (0 ও 1) ব্যবহার করা হতো।
- ডেটা ইনপুট ও আউটপুটের জন্য পাঞ্চ কার্ড ব্যবহৃত হতো।
 
• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের ব্যবহার:
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা।
- সামরিক ও প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত কাজ।
- জটিল গাণিতিক হিসাব।
 
• প্রথম প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার:
- ENIAC
- EDVAC
- UNIVAC
- IBM 650
- IBM 704
- Mark-I, Mark-II, Mark-III, Mark-IV
 
• প্রথম প্রজন্মের সীমাবদ্ধতা:
- আকার বড় ও বহন অযোগ্য।
- রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় বেশি।
- প্রোগ্রাম পরিবর্তন করা কঠিন।
- সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য উপযোগী ছিল না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)। 

৩,৪২৯.
কাউন্টার কোন ধরনের সার্কিট?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. বাইনারি সার্কিট
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।
- কাউন্টারের ব্যবহার

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩০.
নিচের কোনটি একটি কম্পিউটারকে হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে?
  1. ক) Antivirus
  2. খ) Backup
  3. গ) Firewall
  4. ঘ) Applet
ব্যাখ্যা
অনাদিষ্ট বা অবাঞ্ছিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়। ফায়ারওয়ালকি বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,৪৩১.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করেনা?
  1. টাচস্ক্রিন
  2. পেনড্রাইভ
  3. ডিভিডি
  4. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ, টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৩২.
PDA বলতে কী বোঝায়?
  1. Personal Digital Assistant
  2. Portable Data Analyzer
  3. Public Digital Access
  4. Programmed Device Architecture
ব্যাখ্যা

◉ PDA (Personal Digital Assistant) হল একটি হ্যান্ডহেল্ড ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা ১৯৯০-২০০০ দশকে ব্যক্তিগত ও পেশাদার কাজের জন্য ব্যবহৃত হতো। 

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
মানুষের ব্যবহারিক সুবিধার প্রতি লক্ষ রেখে বিভিন্ন আকৃতির মাইক্রোকম্পিউটার বাজারে এসেছে। যেমন-

১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA).
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer).
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer).
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer); ইত্যাদি।
এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

PDA:
- PDA-এর পূর্ণরূপ Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের নিউটন।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায় ।
- PDA হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল); মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৪৩৩.
ডাটাবেজ তৈরি করার যাবতীয় নিয়মগুলোকে কী বলে?
  1. ইন্সটেন্স
  2. স্কিমা
  3. রেকর্ড
  4. কুয়েরি
ব্যাখ্যা
স্কিমা:
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।
- ডাটাবেজের স্কিমা নিয়মিত পরিবর্তনশীল।
- কোনো ডাটাবেজের স্কিমা মূলত চলকের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য ডিক্লারেশনের সাথে জড়িত।
- ডাটাবেজের স্কিমা সাধারণত তিন ধরনের। যথা-
- physical schema,
- logical schema,
- subschemas.
- physical schema হলো ডাটাবেজের ফিজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা আর logical schema হলো ডাটাবেজের লজিক্যাল লেভেল ডিজাইন সংক্রান্ত বর্ণনা।
- প্রোগ্রামারগণ logical schema তৈরির মাধ্যমে প্রোগ্রাম ডিজাইন করেন।
- অন্যদিকে, subschemas ডাটাবেজের বিভিন্ন ধরনের ভিউ সংক্রান্ত বর্ণনা প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪৩৪.
A + AB = কত?
  1. ক) A + B
  2. খ) B
  3. গ) A
  4. ঘ) 1
ব্যাখ্যা
A + AB
= A(1 + B)
=A . 1  [1 + A = 1]
=A    [A .1 = A]
৩,৪৩৫.
ট্রোজান হর্স মালওয়্যার কীভাবে কাজ করে?
  1. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ধ্বংস করে
  2. সব ফাইল মুছে ফেলে
  3. বৈধ সফটওয়্যার হিসেবে ছদ্মবেশ ধারণ করে
  4. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেয়
ব্যাখ্যা

◉ ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) মালওয়্যার একটি প্রতারণামূলক প্রোগ্রাম যা নিজেকে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার (যেমন গেম, অ্যাপ, বা ইউটিলিটি টুল) হিসেবে উপস্থাপন করে। ব্যবহারকারী এটি ইনস্টল করার পর এটি গোপনে ক্ষতিকারক কাজ করে। 

ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- যদিও কম্পিউটার ভাইরাসও একই উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়ে থাকে তথাপি ম্যালওয়্যার এবং কম্পিউটার ভাইরাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ম্যালওয়্যার সম্পর্কে ভালোভাবে জানার জন্য কম্পিউটার ভাইরাসের সাথে ম্যালওয়্যারের পার্থক্য বোঝাটা অত্যন্ত জরুরী।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা। এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,৪৩৬.
কোনো ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানোকে কি বলে?
  1. ক) সর্টিং
  2. খ) কুয়েরি
  3. গ) ইনডেক্স
  4. ঘ) কী
ব্যাখ্যা
- কোনো ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানোকে ইনডেক্স বলে।

• ইনডেক্স: 
- এটির কাজ হচ্ছে সুসজ্জিতভাবে বা সুবিন্যস্তভাবে ডেটা ও তথ্যাবলীর সূচী প্রণয়ন করা। 
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

অন্যান্য অপশন:
• সর্টিং: 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট ( Descending Order). 

• কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশল মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,৪৩৭.
নিচের কোনটি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ENIAC
  2. Raspberry Pi
  3. Dell Inspiron
  4. IBM 4300
ব্যাখ্যা

• IBM 4300 হলো মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার এমন একটি কম্পিউটার, যার সঙ্গে অনেকগুলো ছোট কম্পিউটার সংযুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারীর কাজ করা যায়। এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে, ফলে এটি খুব দ্রুত এবং তথ্য সংরক্ষণের ক্ষমতা অনেক বেশি।
- মাইক্রো এবং মিনি কম্পিউটারের তুলনায় মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকারে বড়, কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- উন্নয়ন ব্যুরো, ব্যাংক, বিমা, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং গবেষণা প্রতিষ্ঠানে প্রচুর তথ্য আদান-প্রদান, সংরক্ষণ এবং জটিল ও সূক্ষ্ম তথ্য বিশ্লেষণ, বৈজ্ঞানিক কার্যক্রম, নিয়ন্ত্রণ, বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।
- IBM-এর তৈরি 213 বর্তমানে সবচেয়ে শক্তিশালী মেইনফ্রেম কম্পিউটার। এটি প্রতিদিন ২৫০ শতাংশ তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৪৩৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি?
  1. ক) রম
  2. খ) ফ্লপি ডিস্ক
  3. গ) হার্ড ডিস্ক
  4. ঘ) চৌম্বক ড্রাম
ব্যাখ্যা
চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory):
- কম্পিউটার উদ্ভাবনের প্রথম দিকে চুম্বকীয় কোর স্মৃতিই ছিল একমাত্র প্রধান স্মৃতি।
- কম্পিউটারের প্রধান মেমরি ২ ভাগে বিভক্ত - র‍্যাম ও রম।
- প্রধান মেমরি গুলো হচ্ছে - চুম্বকীয় কোর স্মৃতি, চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, পাতলা পর্দা স্মৃতি, চার্জ কাপল স্মৃতি ইত্যাদি।

- অন্যদিকে, কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতিগুলো হচ্ছে - ফ্লপি ডিস্ক, হার্ড ডিস্ক, কম্প্যাক্ট ডিস্ক, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
৩,৪৩৯.
কম্পিউটারের ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় কোন একক দ্বারা?
  1. বাইট
  2. গিগাহার্জ
  3. গিগাবাইট
  4. মেগাপিক্সেল
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ক্লক স্পিড (Clock Speed) হলো প্রসেসরের (CPU) কার্যক্ষমতা পরিমাপের একক, যা প্রতি সেকেন্ডে কতবার নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে। এটি গিগাহার্জ (GHz) বা মেগাহার্টজ (MHz) এককে পরিমাপ করা হয়। 

মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,৪৪০.
CPU-র রেজিস্টার বলতে কী বোঝায়?
  1. মেমোরি কার্ডের একটি ধরন
  2. CPU-এর বাইরে একটি তথ্য সংরক্ষণের জায়গা
  3. CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ
  4. সফটওয়্যার প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

• উত্তর: গ) CPU-এর ভেতরে দ্রুত কাজ করা ছোট স্টোরেজ।

CPU-এর রেজিস্টার হলো মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা অত্যন্ত দ্রুত এবং ছোট আকারের ডেটা স্টোরেজ ইউনিট। এগুলো প্রধানত তথ্য ও নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়, যাতে CPU দ্রুত গণনা ও প্রসেসিং করতে পারে। রেজিস্টার মেমোরির তুলনায় অনেক দ্রুত, কারণ এগুলো সরাসরি প্রসেসরের অংশ। বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার থাকে, যেমন সাধারণ উদ্দেশ্যের রেজিস্টার, অ্যাকিউমুলেটর, স্ট্যাক পয়েন্টার, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার ইত্যাদি। রেজিস্টার ডেটা লোড, সংরক্ষণ এবং অংক কষার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এর ব্যবহার CPU-কে কার্যকর ও দ্রুতগতিতে কাজ করতে সহায়তা করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৪১.
Flash Memory কোন প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. Punch Card
  2. Magnetic
  3. Optical
  4. EEPROM
ব্যাখ্যা

• Flash memory মূলত EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) প্রযুক্তির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি একটি ধরনের অস্থায়ী না হওয়া মেমরি যা বৈদ্যুতিক সংকেত ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ এবং মুছে ফেলার কাজ করতে পারে। অন্য প্রযুক্তিগুলোর সাথে তুলনা করলে, যেমন পাঞ্চ কার্ড, ম্যাগনেটিক বা অপটিক্যাল মিডিয়া, এগুলোতে তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া স্বয়ংক্রিয় বা বৈদ্যুতিকভাবে মুছা সম্ভব নয়। Flash memory এর সুবিধা হলো দ্রুত পড়া এবং লেখা সম্ভব এবং এটি বহুল ব্যবহৃত হয় USB drives, SSD এবং স্মার্টফোনের স্টোরেজে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) EEPROM.

EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
- EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
- EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৩,৪৪২.
কোন ক্লাউড-ভিত্তিক টুলটি ডেটাবেস টেবিল সর্টিং ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়?
  1. Google Sheets
  2. Paint 3D
  3. iTunes
  4. Skype
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড-ভিত্তিক টুলের মধ্যে Google Sheets হল সেই টুল যা ডেটাবেস টেবিল সর্টিং ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অনলাইন স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন যা গুগল দ্বারা সরবরাহিত এবং ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে যেকোনো স্থান থেকে ব্যবহার করা যায়। Google Sheets-এ ব্যবহারকারী সহজেই ডেটা সংগ্রহ, ফিল্টার, সর্টিং, ফর্মুলা প্রয়োগ, চার্ট তৈরি এবং বিভিন্ন ধরনের বিশ্লেষণ করতে পারে। বিশেষ করে ডেটা বিশ্লেষণের জন্য এতে অনেক অ্যাডভান্সড ফাংশন ও টুলস আছে। অন্যদিকে, Paint 3D, iTunes, ও Skype ডেটা বিশ্লেষণ বা টেবিল সর্টিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয় না।

• ডাটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ভাটার ডাটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়।

• রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১। Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে)- ছোট থেকে বড় আকারে,
২। Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে)- বড় থেকে ছোট আকারে।

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৩,৪৪৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) ESET NOD32
  2. খ) Symantec
  3. গ) কোনটিই নয়
  4. ঘ) McAfee
ব্যাখ্যা

অপশনে "কোনটিই নয়" এর বদলে "সবগুলোই এন্টিভাইরাস" লেখা হলে ভাষাটা পরিপূর্ণ ও সুন্দর হয়।

তবে, যারা জানেন যে, ESET NOD32 একটি এন্টিভাইরাস তাদের উত্তর করতে সমস্যা হবে না।
তাই, উত্তর বাতিল করার সুযোগ নেই।

কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়।

কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus, ESET NOD32, Panda ইত্যাদি।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

 
৩,৪৪৪.
কম্পিউটারকে হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে-
  1. ক) ভিপিএন
  2. খ) ফায়ারওয়াল
  3. গ) ভাইরাস
  4. ঘ) ইলাস্ট্রেটর
ব্যাখ্যা
একটি কম্পিউটারকে হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে ফায়ারওয়াল। ফায়ারওয়াল বাইরের আক্রমণ থেকে এক বা একাধিক কম্পিউটারকে রক্ষা করার জন্য হার্ডওয়্যার আর সফটওয়্যার এর মিলিত প্রয়াস। ফায়ারওয়াল এর সবচেয়ে বহুল ব্যবহার লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক এর ক্ষেত্রে।
৩,৪৪৫.
তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে কী বলে?
  1. আইসি
  2. ট্রানজিস্টর
  3. ট্রান্সফর্মার
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডব্লিউ ব্রাটেন ও ডব্লিউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৬.
কোন সফটওয়্যারটি ভাইরাস চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. MS Excel
  2. Adobe Reader
  3. VLC Player
  4. Norton
ব্যাখ্যা

◉ Norton Antivirus একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম থেকে ম্যালওয়্যার, ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম শনাক্ত ও সরাতে ব্যবহৃত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ভাইরাস শনাক্তকরণ ও প্রতিরোধ। 

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- অ্যান্টিভাইরাসের কাজ হচ্ছে যে কোনো ম্যালওয়্যার সংক্রমণকে নির্মূল করা। পাশাপাশি এটি ইনস্টলের আগে থেকেই আক্রান্ত ডিভাইসকে সুরক্ষিত করা এবং আক্রমণ প্রতিরোধে সতর্কতা বজায় রাখা।
- অ্যান্টিভাইরাস শুধু ভাইরাস প্রতিরোধের জন্যই নয়, বরং ডিভাইস নিরাপত্তায় এর রয়েছে কার্যকর নানা বৈশিষ্ট্য। ফলে এ সময় কম্পিউটার সুরক্ষায় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- Symantec,
- McAfee,
- AVG Anti-Virus,
- Avira,
- AVAST Anti-Virus,
- TREND micro,
- ESET NOD32,
- Kaspersky Anti-Virus,
- Microsoft Security Essentials,
- ZoneAlarm Anti-Virus,
- Cobra Anti-Virus,
- Bitdefender,
- Norton Anti-Virus,
- Panda Anti-Virus,
- PC Tools Anti-Virus, etc.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,৪৪৭.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ড-এর অংশ নয়?
  1. রেজিস্টার
  2. পাওয়ার সাপ্লাই
  3. মেমরি
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট (PSU) একটি কম্পিউটার সিস্টেমে একটি পৃথক উপাদান। এর প্রাথমিক কাজ হল একটি আউটলেট থেকে বৈদ্যুতিক শক্তিকে কম্পিউটারের উপাদানগুলির জন্য প্রয়োজনীয় উপযুক্ত ভোল্টেজে রূপান্তর করা। সিপিইউ, মেমোরি, রেজিস্টার এই সবগুলোই মাদারবোর্ড-এর অংশ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৪৮.
ডেটাবেজের ফাইল হলো-
  1. রেকর্ডের সমষ্টি
  2. কলামের সমষ্টি
  3. ফিল্ডের সমষ্টি
  4. তথ্যের সমষ্টি
ব্যাখ্যা
• রেকর্ড (Record):
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি।
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড।

• ফিল্ড (Field):
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলাে ফিল্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা।

• ফাইল (File):
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়।
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়।
- ডেটাবেজ ফাইলে রেকর্ড সংযোজন করা যায়। এতে ফাইলের আকার বৃদ্ধি পায়।
- ফাইল থেকে রেকর্ড মুছা যায়, এতে ফাইলের আকার হ্রাস পায়। কখনো কখনো রেকর্ডকে টাপল (Tuple) বা সারি (Row) বলা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
৩,৪৪৯.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন
  2. সহজে স্থানান্তরযোগ্য
  3. RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারে।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫০.
ক্রায়োসার্জারি প্রায়ই কোন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়?
  1. হাড় ভাঙা
  2. উচ্চ রক্তচাপ
  3. ত্বকের ক্ষত
  4. ডায়াবেটিস
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারি মূলত ত্বকের ক্ষত বা ত্বকের অসাধারণ কোষ বৃদ্ধি, যেমন মোল, ওয়ার্ট বা ক্যান্সারযুক্ত ক্ষত নিরাময়ে ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় খুব কম তাপমাত্রায় এক ধরনের তরল নাইট্রোজেন ব্যবহার করে ক্ষত বা অস্বাভাবিক কোষকে জমিয়ে ধ্বংস করা হয়। এতে চারপাশের সুস্থ টিস্যুর ওপর প্রভাব খুব কম পড়ে এবং ক্ষতের পুনরাবৃত্তি কম হয়। হাড় ভাঙা, উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি সাধারণত প্রয়োগ করা হয় না, কারণ এসব অবস্থার জন্য অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি বেশি কার্যকর। তাই ক্রায়োসার্জারি প্রায়শই ত্বকের ক্ষতের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) ত্বকের ক্ষত।

• ক্রায়োসার্জারি:
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• ব্যবহৃত রাসায়নিক পদার্থ:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

• ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার:
- ওয়ার্টস অপসারণ,
- চোখের লেন্স বা ছানি অপসারণ,
- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের টিউমার নির্মূল,
- কিছু হৃদরোগজনিত সমস্যা নির্মূল,
- হেমোরয়েড নির্মূল,
- স্ত্রীরোগ ও ইউরোলজিক টিউমারের নিয়ন্ত্রণ।

উৎস:.১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৩,৪৫১.
"INF" কোন ধরনের ফাইল?
  1. সিস্টেম ফাইল
  2. ইমেজ ফাইল
  3. হাইপারটেক্সট ফাইল
  4. ডকুমেন্ট ফাইল
ব্যাখ্যা

সিস্টেম অ্যাট্রিবিউট যুক্ত ফাইল বা ফোল্ডার বোঝায় যে উইন্ডোজ বা অন্য কোন প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয় অপারেটিং সিস্টেমের সামগ্রিক কার্যক্রমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। 
- সিস্টেম অ্যাট্রিবিউট থাকা ফাইল এবং ফোল্ডারগুলি সাধারণত একা থাকে।
- বেশিরভাগ জনপ্রিয় সিস্টেম ফাইল: kernel32.dll, msdos.sys, io.sys, pagefile.sys, ntdll.dll, ntdetect.com, hal.dll, এবং ntldr অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ।

Source: Britannica.com

৩,৪৫২.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি বর্তমানে অনলাইন ভিডিও ক্লাসের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে?
  1. ক) Zoom
  2. খ) Xoom
  3. গ) Google Hangout
  4. ঘ) ফেসবুক
ব্যাখ্যা
করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে Zoom and Google Meet সহ অন্যান্য ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যারগুলোর ব্যবহার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে, ই-লার্নিং পেয়েছে এক নতুন মাত্রা।
৩,৪৫৩.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. Scanner
  2. Keyboard
  3. Printer
  4. Mouse
ব্যাখ্যা

পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ:
• ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো - 
- Keyboard,
- Mouse,
- Trackball,
- Joystick,
- Touch Screen,
- Barcode Reader,
- Point-of-sale,
- OMR,
- OCR,
- Scanner,
- Digitizer,
- Lightpen,
- Graphics pad,
- Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,
- Printer,
- Plotter,
- Speaker,
- Multimedia
- Projector,
- Image setter,
- Film Recorder,
- Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Hard Disk,
- CD/DVD, 
- Touch screen,
- Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৫৪.
কম্পিউটারের কোন অংশটি arithmetic ও logical operations সম্পাদন করে?
  1. HDD
  2. CU
  3. ALU
  4. RAM
ব্যাখ্যা

◉ কম্পিউটারের ALU (Arithmetic Logic Unit) অংশটি arithmetic (গাণিতিক) এবং logical (যৌক্তিক) operations সম্পাদন করে। এটি CPU (Central Processing Unit)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (ALU):
- ALU এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
RAM (Random Access Memory): এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। 
CU (Control Unit): এটি CPU-এর আরেকটি অংশ, যা নির্দেশাবলী নিয়ন্ত্রণ করে এবং ALU-কে নির্দেশ দেয় কী করতে হবে। 
HDD (Hard Disk Drive): এটি কম্পিউটারের স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা ডেটা এবং প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,৪৫৫.
"বার কোড রিডার" - কী ধরনের ডিভাইস?
  1. আউটপুট ডিভাইস
  2. ইনপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৬.
একটি সিস্টেম যেখানে আইটেমগুলো এক প্রান্তে সংযোজিত হয় কিন্তু অন্য প্রান্ত থেকে সরানো হয় তার নাম -
  1. ক) Array
  2. খ) Linked list
  3. গ) Stack
  4. ঘ) Queue
ব্যাখ্যা
- Queue এর বাংলা লাইনে দাঁড়ানো।
- Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে।
- একে বলা হয় First In First Out (FIFO)।
- Queue এর একপ্রান্ত দিয়ে Insert /Enqueue হলে অন্যপ্রান্ত দিয়ে Delete/Dequeue হয়।

অন্যদিকে, Stack এ ডাটা ইন্সার্ট এবং ডিলিটের জন্য একটি প্রান্ত থাকে।
৩,৪৫৭.
কোন এককের মাধ্যমে প্রিন্টারের রেজোলিউশন মাপা হয়?
  1. বাইট
  2. ডিপিআই
  3. হার্জ
  4. বিট
ব্যাখ্যা
• প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপ করা হয় ডিপিআই (DPI) এককের মাধ্যমে। 

• প্রিন্টার:
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটার হতে কোনো লেখা, ছবি ইত্যাদি কাগজের ওপরে ছেপে বের করা হয়, তাকে প্রিন্টার (Printer) বলা হয়।

• প্রিন্টারের রেজোলিউশন বোঝায়, প্রিন্টারের প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলো ডট (বিন্দু) ছাপাতে পারে- অর্থাৎ এটি প্রিন্টের সূক্ষ্মতা ও মান নির্ধারণ করে।

• DPI (Dots Per Inch):
- DPI হলো প্রিন্টারের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
- উদাহরণ: একটি প্রিন্টারের রেজোলিউশন যদি 600 DPI হয়, তাহলে প্রিন্টারটি প্রতি ইঞ্চিতে 600 ডট প্রিন্ট করতে পারে।
- উচ্চ DPI এর মান যত বেশী হবে প্রিন্টারের প্রিন্টের মান তত ভালো হবে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- লিংক
৩,৪৫৮.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
• দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ৮ দ্বারা (যেহেতু অক্টাল সংখ্যার ভিত্তি ৮) উপর্যুপরি ভাগ করতে হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল ০ (শূন্য) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের অংক (Most Significant Digit -MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বের অংক (Least Significant Digit-LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে সাজিয়ে সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান নির্ণয় করা হয়।

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য • হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৫৯.
ইউজার ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেমকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
ইউজার ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম ও
২. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

- অপারেটিং সিস্টেম বা ওএস একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার অন হওয়ার সাথে সাথেই অপারেটিং সিস্টেম কাজ শুরু করে দেয়। আর এই অপারেটিং সিস্টেম একটি কম্পিউটারকে সচল ও ব্যবহার উপযোগী করে রাখে।
- উইন্ডোজ, ম্যাক ইত্যাদি হলো অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,৪৬০.
নিচের কোনটি DBMS- এর উদাহরণ?
  1. PHP
  2. Python
  3. Sorcim
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরষ্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সেই তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সফটওয়্যার হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস,
- মাই এসকিউএল,
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার,
- কোরেল প্যারাডক্স
- ওরাকল ইত্যাদি।
----------------
- একটি ডাটাবেজে চলকের মানসমূহ (values) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম পরিবর্ধন, সংরক্ষণ, পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায়ই পরিবর্তিত হয়।
- একটি সুনির্দিষ্ট মুহুর্তে ডাটাবেজে সংরক্ষিত তথ্যের সমষ্টিকে ঐ ডাটাবেজের ইন্সট্যান্স (Instance) বলে।
- ডাটাবেজ তৈরি সংক্রান্ত সামগ্রিক ডিজাইন বা Overall logical structure-কে ঐ ডাটাবেজের স্কিমা (Schema) বলে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬১.
VCR কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) ইনপুট-আউটপুট উভয়ই
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

VCR: Short for a video cassette recorder, the VCR was first released by Philips in 1970.
It is a recording and playback device used with TV. It allows someone to play a VHS tape or record a TV show to a VHS tape. Today, although VCRs are still around, most consumers have replaced their VCRs with DVD and DVR players.
Source: Computerhope

যেহেতু, রেকর্ড করা এবং টিভিতে দেখানো দুইটার জন্যই ব্যবহৃত হতো তাই এটা ইনপুট এবং আউটপুট দুইটাই করে।

৩,৪৬২.
প্রিন্টারের DPI কী নির্দেশ করে?
  1. রঙের গভীরতা
  2. প্রিন্টারের গতি
  3. প্রতি ইঞ্চিতে ডট বা বিন্দুর সংখ্যা
  4. প্রিন্টারের পেপার সাইজ
ব্যাখ্যা

প্রিন্টারের DPI হলো ডটস পার ইঞ্চ (Dots Per Inch)। অর্থাৎ, প্রতি ইঞ্চিতে প্রিন্টারের ডট বা বিন্দুর সংখ্যা।

• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- DPI দ্বারা নির্দেশ করা হয় প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বিন্দু) প্রিন্ট করা যায়।
- যত বেশি DPI, তত বেশি শার্প এবং ডিটেইলযুক্ত প্রিন্ট আউটপুট পাওয়া যায়।
- উদাহরণস্বরূপ, 300 DPI মানে প্রতি ইঞ্চিতে 300টি ডট প্রিন্ট করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৬৩.
(107.26)8 এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 92.67314
  2. 65.18356
  3. 71.34375
  4. 67.27461
ব্যাখ্যা
(107.26)8 = (1 × 8²) + (0 × 8¹) + (7 × 8⁰) + (2 × 8⁻¹) + (6 × 8-2)
= 64 + 0 + 7 + 0.25 + 0.09375
= (71.34375)10
৩,৪৬৪.
নিচের কোনটি ডোমেন অংশ?
  1. gmail.com
  2. @
  3. rahim123
  4. mitu123@
ব্যাখ্যা
gmail.com হচ্ছে ই-মেইলের একটি ডোমেন অংশ।

E-mail
- ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো Electronic Mail.
- E-mail বা Electronic Mail হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডিজিটাল বার্তা পাঠানোর একটি মাধ্যম।
- এটি ব্যবহার করে টেক্সট, ছবি, ফাইল, ভিডিও ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে এক ব্যক্তি থেকে আরেক ব্যক্তির কাছে পাঠানো যায়।
- নিরাপত্তার জন্য গোপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়।

একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে:
- যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং
- শেষ অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে পরিচিত।
- ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।
যেমন: mitu123@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার mitu123@ অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং
এর পরে gmail.com অংশটি ডোমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,৪৬৫.
সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. Unix
  2. Safari
  3. Solaris
  4. Ubuntu
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরনের। যথা-
১. সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software) এবং
২. অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার (Application Software).

• সিস্টেম সফট্ওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার হল কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- তার মধ্যে Dos, Windows এবং Xenix/Unix বহুলভাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- Safari হলো একটি ব্রাউজিং প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৬৬.
Which component is primarily responsible for a computer's boot time?
  1. GPU
  2. SSD 
  3. RAM
  4. Power Supply
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) SSD 
SSD (Solid State Drive) হলো সেই উপাদান যা বুট সময়কে সবচেয়ে বেশি প্রভাবিত করে, কারণ এর ডেটা অ্যাক্সেসের গতি দ্রুত।

Solid-State Device (SSD):
- SSD হলো একটি ধরনের সলিড-স্টেট ডিভাইস, যা হার্ড ডিস্কের মতো যান্ত্রিক অংশ ব্যবহার না করে তথ্য ইলেকট্রনিকভাবে সংরক্ষণ করে।
- সলিড-স্টেট ডিভাইস এমন একটি যন্ত্র, যেখানে শক্ত সেমিকন্ডাক্টরের মাধ্যমে বিদ্যুৎ পরিবাহিত হয়; ট্রানজিস্টর হলো এর প্রধান উপাদান। এটি আধুনিক ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি।
- SSD-তে ব্যবহৃত ফ্ল্যাশ মেমোরি চিপ ডেটা দ্রুত পড়তে ও লিখতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার দ্রুত অন এবং অফ করা যায়।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় এবং কার্যক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়।
- ২১শ শতকের শুরু থেকেই পারফরম্যান্স বাড়ানোর উদ্দেশ্যে অনেক ল্যাপটপ ও কম্পিউটারে SSD ব্যবহার শুরু হয়েছে।

উৎস: ১। শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

৩,৪৬৭.
চার্লস ব্যাবেজ কোন যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন?
  1. অ্যানালিটিক ইঞ্জিন
  2. পাস্কেলাইন
  3. ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

◉ চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) কম্পিউটিং ইতিহাসের একজন অগ্রগামী, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি দুটি যন্ত্রের ডিজাইন তৈরি করেছিলেন:
i) ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine): এটি একটি যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর, যা গাণিতিক সারণী তৈরি করতে ব্যবহৃত হতো।
ii) অ্যানালিটিক ইঞ্জিন (Analytical Engine): এটি একটি প্রোগ্রামযোগ্য যন্ত্র, যা আধুনিক কম্পিউটারের ধারণার ভিত্তি তৈরি করে। এটি লজিক্যাল অপারেশন এবং ডেটা প্রসেসিং করতে সক্ষম ছিল।

চার্লস ব্যাবেজ:
- প্রযুক্তির ইতিহাসের অন্যতম এক স্মরণীয় ব্যক্তিত্বের নাম চার্লস ব্যাবেজ।
- তিনি ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁর উদ্ভাবিত যন্ত্র সেই সময় সাফল্যের সাথে কাজ করতে পারেনি।
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- চার্লসের দুটি ইঞ্জিনই গণনার কাজ করতে পারত।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৬৮.
১ পেটাবাইট =?
  1. ৫০ জেটাবাইট
  2. ১০ এক্সাবাইট
  3. ১০ টেরাবাইট
  4. ৫০ টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪৬৯.
কোনটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম?
  1. Microsoft Word
  2. CorelDRAW
  3. Notepad
  4. Microsoft Excel
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম হলো Microsoft Excel. এটি একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার যা সংখ্যার হিসাব, ডেটা বিশ্লেষণ, চার্ট তৈরি, এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থিক বা তথ্যভিত্তিক কাজ সহজভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারীরা সহজেই সারি ও কলামের আকারে তথ্য সন্নিবেশ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয় সূত্র (formulas) ব্যবহার করে জটিল হিসাবও দ্রুত করতে পারে। এছাড়াও, Excel-এ পিভট টেবিল, গ্রাফ এবং বিভিন্ন ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন টুলস থাকায় তথ্য বিশ্লেষণ আরও কার্যকর হয়। অন্যদিকে, Microsoft Word হলো ডকুমেন্ট তৈরির জন্য, CorelDRAW গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য, এবং Notepad শুধুমাত্র সাধারণ টেক্সট এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই স্প্রেডশীটের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর Microsoft Excel.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-

• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,৪৭০.
'PDP-11' কোন ধরনের কম্পিউটার?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মিনি কম্পিউটার
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার। 
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে মিনি কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা ও কাজের গতি অপেক্ষাকৃত কম।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মধ্যে কাজের ধরন ও প্রক্রিয়াগত দিক থেকে কোনো পার্থক্য নেই।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি। 
- উদাহরণ: IBM S/34, IBM S/36, PDP-11, NCR S/9290 ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭১.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. ক) ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ
  2. খ) ফিল্ড → টেবিল → রেকর্ড → ডাটাবেজ
  3. গ) ফিল্ড → রেকর্ড → ডাটাবেজ → টেবিল
  4. ঘ) ফিল্ড → ডাটাবেজ → টেবিল → রেকর্ড
ব্যাখ্যা
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম - ফিল্ড → রেকর্ড → টেবিল → ডাটাবেজ।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিঃএকাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
৩,৪৭২.
এমবেডেড কম্পিউটার প্রথম কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ২য় বিশ্বযুদ্ধে
  2. খ) মঙ্গল গ্রহ অভিযানে
  3. গ) অন্তঃসাগরীয় অভিযানে
  4. ঘ) চন্দ্র অভিযানে
ব্যাখ্যা

এমবেডেড কম্পিউটার ১ম ব্যবহৃত হয় এপোলো-৭ ও এপোলো ১১ এর লুনার মডিউলে।

The Apollo Guidance Computer (AGC) is a digital computer produced for the Apollo program that was installed on board each Apollo command module (CM) and Apollo Lunar Module (LM). The AGC provided computation and electronic interfaces for guidance, navigation, and control of the spacecraft.

- NASA.gov

৩,৪৭৩.
সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. অতি উচ্চ গতি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা
  2. বিশাল মেমরি ও স্টোরেজ ক্ষমতা
  3. মহাকাশ গবেষণা, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণে ব্যবহার
  4. সহজে বহনযোগ্য ও সাশ্রয়ী
ব্যাখ্যা

সুপার কম্পিউটার আকারে অনেক বড় ও অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- আবার এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY - XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।
- যুক্তরাষ্ট্র নির্মিত সামিট (Summit) অন্যতম একটি শক্তিশালী সুপার কম্পিউটার। এই কম্পিউটারে ৯,২১৬টি ২২ কোরের IBM মাইক্রোপ্রসেসর আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৪৭৪.
বর্তমান সময়ে পণ্য ডিজাইন তৈরি করার জন্য কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. CAD
  2. TQM
  3. ERP
  4. BIM
ব্যাখ্যা
কর্মসংস্থান: 
- বিশ্বব্যাপী কর্মসংস্থানের বাজার উন্মুক্ত করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- কর্মসংস্থানের জন্য কম্পিউটার অত্যাবশ্যকীয় যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। 
- পণ্য ডিজাইন থেকে শুরু করে ঝুঁকিপূর্ণ কার্যাদি সম্পাদনের জন্য কল-কারখানায় দক্ষতা ও সফলতার সাথে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- আজকের পৃথিবীতে শিল্পোৎপাদনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। 

- বর্তমানকালে CAD (Computer Aided Design) ব্যবহার করে অল্প সময়ে পণ্যের চমৎকার সব ডিজাইন তৈরি করা যায়। 
- আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা এবং বাজার ঠিক রাখা ও বাজার বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা উৎপাদন ক্ষেত্রে Total Quality Management (TQM) প্রয়োগ করছে। 
- TQM প্রয়োগের বড় সহায়ক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। 
- যন্ত্রপাতির সঠিক কার্যক্রম ও প্রয়োগেই কেবল মানসম্পন্ন পণ্য উৎপাদন করতে সক্ষম। 
- কারখানায় কিছু কাজ থাকে যেগুলো খুবই সূক্ষ্ম, আবার কিছু কাজ আছে যেগুলো ঝুঁকিপূর্ণ ও শ্রমসাধ্য। 
যেমন- কম্পিউটার কিংবা ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রাংশ তৈরি, খনিতে উত্তোলনের কাজ অথবা ভারী শিল্পের বড় বড় স্থানান্তর করার কাজ রোবটের মাধ্যমে করানো হয়। তাছাড়া প্রতিকূল পরিবেশ যেখানে মানুষের পক্ষে কাজ করা দুষ্কর সেখানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়ন্ত্রিত রোবট দিয়ে কাজ করাতে দেখা যায়। 
- এছাড়াও শ্রমিক-কর্মচারীদের মাসিক বেতনের হিসাব, বার্ষিক রিপোর্ট ও বার্ষিক বাজেট তৈরির কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে করা সম্ভব হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৫.
ARPANET- কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে তৈরি নেটওয়ার্ক?
  1. NASA
  2. IEEE
  3. DARPA
  4. ISO
ব্যাখ্যা
• ARPANET হলো একটি নেটওয়ার্ক যা তৈরি করা হয় DARPA এর উদ্যোগে। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা সংস্থা। ১৯৬০-এর দশকে তারা প্রথম ARPANET তৈরির পরিকল্পনা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ARPANET মূলত গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। NASA, IEEE, এবং ISO বিভিন্ন প্রযুক্তি ও গবেষণার সাথে যুক্ত থাকলেও ARPANET তৈরির পেছনে DARPA’র অবদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) DARPA.

ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৬.
নিচের কোনটি মোবাইল ফোনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) MAC OS 
  2. খ) Safari
  3. গ) Ubuntu
  4. ঘ) iOS
ব্যাখ্যা
অ্যাপল কোম্পানির মোবাইল ফোনের নাম আইফোন। এটির অপারেটিং সিস্টেম হলো - iOS-iphone Operating System.
৩,৪৭৭.
নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. ক) ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. খ) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. গ) ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ঘ) ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট সমান ৮ বিট
- ১ কিলোবিট = ১০২৪ বিট
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট বা ১০,৪৮,৫৭৬ বাইট বা ১০২৪×১০২৪ বাইট।
সুত্রঃ আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(মাহবুবুর রহমান)।
৩,৪৭৮.
LASER এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Light Analysis by Stimulated Emission of Radiation
  2. Light Amplification Standard Emission of Reduction
  3. Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation
  4. Light Analysis by Single Emission of Radiation
ব্যাখ্যা
• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation.
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুত গতিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
- লেজার প্রিন্টারের প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট ও টোনার কার্টিজ।
- ড্রাম ইউনিট আলোক সংবেদনশীল উপাদান দ্বারা তৈরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৭৯.
নিচের কোনটি ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. Broad network access
  2. On-demand self service
  3. Physical ownership of servers
  4. Limited customization
ব্যাখ্যা
ক্লাউড কম্পিউটিং: 
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিং এর ব্যবহার শুরু করে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- On-demand self service,
- Broad network access,
- Limited customization,
- resource pooling,
- rapid elasticity, 
- measured service.

- ক্লাউড কম্পিউটিং এর ক্ষেত্রে 'Physical ownership of servers' বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪৮০.
নিচের কোনটি রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book) এর উদাহরণ?
  1. ক) iPad
  2. খ) Kindle
  3. গ) B&N Nook
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

দুই ধরণের ই-বুক বাজারে বিদ্যমান রয়েছে। যথা-
১. রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book)
২. ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক (Fixed Format E-Book)
রিফ্লোয়েবল ই-বুক (Reflowable E-Book):
Amozon- এর Kindle প্রথম রিফ্লোয়েবল ই-বুক বাজারে সহজলভ্য ও বাণিজ্যিককরণ করে। এই ধরণের ই-বুকে ছবির ব্যবহার সাধারণত কম হয় এবং লেখার পরিমাণ থাকে বেশি। রিফ্লোয়েবল ই-বুক ডিভাইসের স্ক্রীন সাইজ অনুযায়ী ট্যাক্সট ও ছবিকে সমন্বিত করে নেয়। এর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ব্যবহারকারী তার প্রয়োজন অনুযায়ী অক্ষরের আকার ছোট-বড়, লাইন স্পেস, মার্জিন ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারে এবং পরিবর্তনের পর কন্টেন্ট তা ধারণ করে স্ক্রীনের সাইজ অনুযায়ী সমন্বয় করে নেয়।
ফিক্সড ফরম্যাট ই-বুক এর উদাহরণ হচ্ছে - B&N Nook, Apple -এর ipad।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

৩,৪৮১.
SSD এবং HDD এর মধ্যে মূল পার্থক্য কী?
  1. SSD-তে মুভিং পার্ট নেই, কিন্তু HDD-তে আছে
  2. SSD শুধু বুট ড্রাইভ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
  3. HDD-র ডাটা ট্রান্সফার রেট SSD-র চেয়ে বেশি
  4. SSD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক বেশি থাকে
ব্যাখ্যা

◉ SSD (Solid State Drive) এবং HDD (Hard Disk Drive) এর মধ্যে প্রধান পার্থক্য হল যে SSD-এর কোনো মুভিং পার্ট নেই, এটি ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে, ফলে এটি দ্রুত এবং টেকসই হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
- HDD-তে ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও স্পিনিং প্ল্যাটার থাকে, যা মেকানিক্যাল মুভমেন্টের মাধ্যমে ডাটা read ও write করে, ফলে এটি তুলনামূলকভাবে ধীরগতি সম্পন্ন।
- SSD-এর ডাটা ট্রান্সফার স্পিড HDD-এর চেয়ে অনেক বেশি, তাই অপারেটিং সিস্টেম চালানোর জন্য এটি অধিক কার্যকর।

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon Web Services (AWS) ওয়েবসাইট। 

৩,৪৮২.
ডিজিটাল ঘড়ি বা ক্যালকুলেটরে কালচে অনুজ্জ্বল যে লেখা ফুটে উঠে তা কিসের ভিত্তিতে তৈরি?
  1. ক) এলইডি
  2. খ) আইসি
  3. গ) এলসিডি
  4. ঘ) সিলিকন চিপ
ব্যাখ্যা
আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতিগুলি সব সূক্ষ্ম সিলিকন চিপ-এর ওপর ভিত্তি করে দাঁড়িয়ে আছে। সিলিকন চিপ এক প্রকার অতি পাতলা বিস্কুটের মতো ক্রিস্টালের ফালি/স্লাইস যা অন্তত ১০ হাজার ইলেকট্রনিক কম্পোনেন্ট ধারণ করে। বর্তমানে জীবনের প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, যেমন কম্পিউটার, টেলিফোন, গাড়ি, রুটি সেঁকার যন্ত্র বা টোস্টার, বাসাবাড়ির বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ও বিপুল সংখ্যায় সমন্বিত বর্তনী ব্যবহৃত হয়।

তবে, প্রশ্নে ঝামেলা আছে,
সিলিকন চিপের উপর resistors, capacitors, transistors etc বসিয়ে IC তৈরি হয়। এবং আইসি এর কাজ শুধু ডিসপ্লের সাথে সম্পর্কিত নয়। ক্যল্কুলেটরের ডিসপ্লেতে সিলিকন চিপ নেই এবং সেটা থাকার কোন সুযোগও নেই। সহজ কথায়, যে ডিজিট দেখা যায় সেটা LCD display এর মাধ্যমে আর LCD Display তে যা দেখাচ্ছে তা আসছে অনেকগুলো কম্পোনেন্টের Combined Effort থেকে।
৩,৪৮৩.
ফলাফলের সুক্ষতা নির্ধারণে এ যাবৎ উদ্ভাবিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো-
  1. ক) চোখের আইরিশ
  2. খ) ফিঙ্গারপ্রিন্ট
  3. গ) ভয়েস রেকগনিশন
  4. ঘ) কোনটিই না
ব্যাখ্যা
ফলাফলের সুক্ষতা নির্ধারণে চোখের চোখের আইরিশ এ যাবৎ উদ্ভাবিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো। আইরিশ ও রেটিনা স্ক্যান পদ্ধতি এক নয়। আইরিশ সনাক্তকরণ সবচেয়ে সুবিধাজনক।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪৮৪.
পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. ক) C++
  2. খ) Prolog
  3. গ) SQL
  4. ঘ) Java
ব্যাখ্যা
পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (Fifth Generation Programming Language - 5GL) (১৯৮০)
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে আগের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- ফিথ জেনারেশন ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
৩,৪৮৫.
HTML-এ কোন ট্যাগ ব্যবহার করে হাইপারলিংক তৈরি করা হয়?
  1. < hyperlink >
  2. < href >
  3. < link >
  4. < a >
ব্যাখ্যা

HTML-এ হাইপারলিংক তৈরির জন্য <a> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়।
- এই ট্যাগটি Anchor ট্যাগ নামেও পরিচিত এবং এটি ওয়েবপৃষ্ঠায় এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সংযোগ (লিংক) তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- <a> ট্যাগের মধ্যে href অ্যাট্রিবিউট থাকে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট লিংকের গন্তব্য নির্ধারণ করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: <a href="https://www.example.com">Visit Example</a> কোডে ক্লিক করলে ব্যবহারকারী example.com সাইটে পৌঁছাবে।
- এটি ওয়েব নেভিগেশনের একটি প্রধান উপাদান এবং ইন্টারনেটের মৌলিক কাঠামোর অংশ।

• এইচটিএমএল (HTML):
- HTML-এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Markup Language। এটি World Wide Web-এ তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- HTML ফাইল সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ (Web Page) নামে পরিচিত।
- জেনেভায় অবস্থিত CERN এ কাজ করার সময় টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) ১৯৯০ সালে সর্বপ্রথম HTML আবিষ্কার করেন।
- উল্লেখ্য যে, HTML ফাইলের এক্সটেনশন হলো ".html বা.htm" ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,৪৮৬.
কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি কোনটি?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. পেনড্রাইভ
  3. ফ্লপি ডিস্ক
  4. র‍্যাম
ব্যাখ্যা

RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।

• মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র‍্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ হলো সহায়ক বা সেকেন্ডারি মেমোরি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,৪৮৭.
কোন স্লটের মাধ্যমে মাদারবোর্ডে গ্রাফিক্স কার্ড ইনস্টল করা হয়?
  1. PCIe
  2. USB
  3. SATA
  4. DIMM
ব্যাখ্যা

• গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডে ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয় PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) স্লট। এটি একটি উচ্চগতির এক্সপ্যানশন স্লট যা বিশেষভাবে গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড বা অন্যান্য এক্সপ্যানশন কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। PCIe স্লটের গতি ও ব্যান্ডউইথ অন্যান্য সংযোগ পোর্টের তুলনায় অনেক বেশি, যা গ্রাফিক্স কার্ডকে দ্রুত ডেটা প্রসেস করতে সহায়তা করে। অন্যদিকে USB সাধারণত বাহ্যিক ডিভাইস সংযোগের জন্য, SATA স্টোরেজ ড্রাইভ যুক্ত করার জন্য এবং DIMM র‍্যাম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) PCIe.

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড বা মেইনবোর্ড হলো কম্পিউটারের ভেতরে অবস্থিত সার্কিট বোর্ড যাতে সিস্টেম এর প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ডিভাইস পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং নতুন ডিভাইস সংযুক্ত করার ব্যাবস্থা থাকে। 
- মাদারবোর্ড এর জন্য ভালো ব্র্যান্ডগুলো হলো: Gigabyte, Intel, Foxcon, Asus ইত্যাদি। 
- মাদারবোর্ডকে প্রায়ই কম্পিউটার এর “মেরুদণ্ড” বা “ব্যাকবোন” বলা হয়, কারণ এটি সবকিছুকে একত্রে ধরে রাখে ও সংযোগ দেয়।

• অবস্থান ও আকার:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেসের (casing) ভেতরে সবচেয়ে বড় বোর্ড।
- একটি টাওয়ার কম্পিউটারে এটি উল্লম্বভাবে বাম বা ডান পাশে বসানো থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মাদারবোর্ড বিভিন্ন কম্পিউটার ও প্রসেসরের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ থাকে।

• গঠন ও উপাদান:
- ভিত্তি (Base): শক্ত, non-conductive (বিদ্যুৎ না পরিবাহিত) প্লাস্টিকের শীট।
- ট্রেস (Traces): পাতলা কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের রেখা, যা সার্কিট গঠন করে।
- স্লট ও সকেট:
  • CPU (Central Processing Unit),
  • RAM (Random Access Memory),
  • Expansion Cards (যেমন: গ্রাফিক্স কার্ড)।
- পোর্ট ও সংযোগ: হার্ডড্রাইভ, ডিস্কড্রাইভ, ফ্রন্ট প্যানেল, মনিটর, কীবোর্ড, মাউসের সঙ্গে সংযোগ।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, ভোকেশনাল।
২। ব্রিটানিকা।

৩,৪৮৮.
A microcontroller is primarily used in -
  1. Cloud servers
  2. Washing machines
  3. Supercomputers
  4. Data centers
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Washing machines
- মাইক্রোকন্ট্রোলার হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট, যা একটি মাইক্রোপ্রসেসর, মেমোরি এবং সম্পর্কিত সার্কিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি কোনো ইলেকট্রনিক যন্ত্রের কিছু বা সমস্ত কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি।
- ওয়াশিং মেশিন এমন এক ধরনের ভোক্তা পণ্য, যা এমবেডেড প্রসেসরের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
- এই প্রসেসরগুলো এক ধরনের কম্পিউটার চিপ, যা বিভিন্ন যন্ত্রে স্থাপন করা হয় বৈদ্যুতিক ও যান্ত্রিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো এক ধরনের বিশেষ কম্পিউটার সিস্টেম, যা সাধারণত একটি বড় সিস্টেম বা যন্ত্রের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি মূলত মাইক্রোপ্রসেসর, নির্দিষ্ট নির্দেশনা সংবলিত মেমরি (যেমন ROM) এবং ইনপুট-আউটপুট ইউনিটের সমন্বয়ে গঠিত।
- সাধারণত এমবেডেড সিস্টেমে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড ও নির্দিষ্ট কিছু প্রোগ্রামযুক্ত ROM থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার দেখা যায়।
- এই ধরনের কম্পিউটারে সাধারণ মনিটর বা অন্যান্য হার্ডওয়্যার যুক্ত থাকে না।
- এটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্যই তৈরি করা হয়।

উদাহরণ:
- সেল ফোন,
- এসি,
- প্রিন্টার,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ATM,
- ওয়াশিং মেশিন। 

বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার:
- “The Apollo Guidance Computer”.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি; মো. মাহবুবুর রহমান; ব্রিটানিকা। 

৩,৪৮৯.
4004 কত বিটের প্রসেসর?
  1. ক) 4
  2. খ) 6
  3. গ) 8
  4. ঘ) 16
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
৩,৪৯০.
The process of copying files to a CD - ROM is known as
  1. ক) Burning
  2. খ) Zipping
  3. গ) Digitizing
  4. ঘ) Ripping
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত। 

- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

Zipping: 
কম্পিউটার বিজ্ঞানে, "জিপিং" বলতে সাধারণত ফাইল এবং ডেটা সঞ্চয় বা ট্রান্সমিশনের জন্য তাদের আকার কমানোর জন্য সংকুচিত বা প্যাকেজ করার একটি প্রক্রিয়া বোঝায়।
- এটি সাধারণত স্থান বাঁচাতে, ডেটা স্থানান্তরের গতি বাড়াতে এবং একাধিক ফাইলকে একক জায়গায় সংগঠিত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ফাইল কম্প্রেশন ও ডাটা প্রসেসিং এ ব্যবহৃত হয়। 

Digitizing:
কম্পিউটার বিজ্ঞানে, "ডিজিটাইজিং" বলতে এনালগ তথ্য বা ভৌত বস্তুকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করার প্রক্রিয়াকে বোঝায় যা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত, সংরক্ষণ এবং ম্যানিপুলেট করা যায়।
- এই প্রক্রিয়ার মধ্যে বাস্তব জগত থেকে ডেটা ক্যাপচার করা এবং বিচ্ছিন্ন মান ব্যবহার করে এটিকে উপস্থাপন করা বোঝায়, সাধারণত বাইনারি আকারে (0 এবং 1), যা কম্পিউটার বুঝতে এবং কাজ করতে পারে।

Ripping: 
- কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তিতে, "রিপিং" একটি মাধ্যম বা ফর্ম্যাট থেকে অন্য মাধ্যমে ডেটা আহরণ বা অনুলিপি করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- শব্দটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও সামগ্রীর মতো মাল্টিমিডিয়ার প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট; মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩,৪৯১.
ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে কোন পদ্ধতিতে ক্রমানুসারে সাজানো যায়?
  1. ফিল্টারিং
  2. মার্জিং
  3. ইনডেক্সিং
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ডাটাবেজের রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করে যেভাবে ক্রমানুসারে সাজানো যায় তা হলো ইনডেক্সিং। ইনডেক্সিং পদ্ধতিতে ডাটাবেজের মূল রেকর্ডগুলোর অবস্থান অনুযায়ী একটি আলাদা ইনডেক্স টেবিল তৈরি করা হয়, যা নির্দিষ্ট একটি ফিল্ডের ভিত্তিতে (যেমন আইডি, নাম বা তারিখ) রেকর্ডগুলোকে সাজিয়ে রাখে। এতে ডাটাগুলোর ফিজিক্যাল অর্ডার পরিবর্তন না করেই ইউজার নির্ধারিত ক্রমে তথ্য অনুসন্ধান করা বা দেখানো যায়। এই পদ্ধতিতে অনুসন্ধান অনেক দ্রুত হয় এবং বড় ডাটাবেজেও কার্যকারিতা বজায় থাকে। তাই, ইনডেক্সিং হলো এমন একটি কার্যকরী পদ্ধতি যার মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সর্ট না করেও কার্যকরভাবে সাজানো যায়।

• ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।

- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৯২.
কম্পাইলার কিভাবে কাজ করে? 
  1. শুধু প্রোগ্রামের ভুলগুলো পরীক্ষা করে
  2. প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্টকে এক এক করে পরীক্ষা করে
  3. একটি স্টেটমেন্ট একবারে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  4. পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
ব্যাখ্যা
অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program): 
- বর্তমানে হাজার খানেক প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত, যদিও সব ভাষা সমানভাবে জনপ্রিয় নয়। 
- কম্পিউটারের প্রসেসর 1 আর 0 ছাড়া কিছু বোঝে না। তাই বিভিন্ন ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে রূপান্তর করতে হয়। 
- এই কাজটি করার জন্য বিশেষ প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়, যাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম। 
- নিচে তিন ধরনের অনুবাদকের বর্ণনা দেওয়া হলো: 
১। কম্পাইলার (Compiler): 
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে। 
- যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। 
- তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে। 

২। অ্যাসেম্বলার (Assembler): 
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম। 
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)। 
- প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে। 
- এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে। 

৩। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter): 
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে। 
অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ। 
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩,৪৯৩.
কম্পিউটার ব্রেইন হলো-
  1. মেমোরি
  2. হার্ডডিস্ক
  3. উইন্ডোজ
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৪৯৪.
What technology is used for flat panel displays?
  1. ক) Solid state
  2. খ) RBG monitor
  3. গ) VLSI
  4. ঘ) Direct view storage tube
ব্যাখ্যা

Solid-state display technology : refers to electronic components, devices, and systems based entirely on the semiconductor.
Integrated circuit (IC), the light-emitting diode (LED), and liquid-crystal display (LCD) are examples of solid-state devices.

৩,৪৯৫.
মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করার প্রক্রিয়াটি নিচের কোনটির উদাহরণ?
  1. ন্যানো টেকনোলজি
  2. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. ক্রায়োসার্জারি
  4. বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,৪৯৬.
বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর-
  1. Intel 8008
  2. Intel Itanium
  3. Intel 4004
  4. Intel 8080
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004।
৩,৪৯৭.
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা
  2. খ) সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা
  3. গ) জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়। মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে। AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়। কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:

১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন ।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,৪৯৮.
Recycle Bin-এ না পাঠিয়ে কোনো ফাইল সরাসরি Delete করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Delete
  2. খ) Alt+Delete+Enter
  3. গ) Delete+Enter
  4. ঘ) Shift+Delete
ব্যাখ্যা
Basically, we use SHIFT + DELETE to permanently delete the file or folder from the system so that it won’t move to the Recycle Bin or no one can restore that particular file or folder from the trash or recycle bin. (রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)
৩,৪৯৯.
Extended ASCII কোড কত বিট বিশিষ্ট?
  1. ৩ বিট
  2. ৮ বিট
  3. ১৬ বিট
  4. ৩২ বিট
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাসকি কোড ৭টি বিট নিয়ে গঠিত। যেমন, A অক্ষরটির অ্যাসকি কোড 1000001.
- ASCII কোড দ্বারা 27 অর্থাৎ 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষর ও চিহ্ন নির্দিষ্ট করা যায়।
- ASCII কোডের ডান দিকের চারটি বিটকে সংখ্যাসূচক বিট এবং বামদিকের তিনটি বিটকে জোন বলা হয়।
- তবে একেবারে বামে একটি প্যারিটি বিট (Parity Bit) যোগ করে অ্যাসকিকে ৮ বিট (ASCII-8)-এ রূপান্তর করা হয়।
- একে Extended ASCII Code বলা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,৫০০.
নিচের কোনটি L1 ক্যাশ (L1 Cache) মেমোরির বৈশিষ্ট্য? 
  1. প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর
  2. এটি মাদারবোর্ডে প্রসেসর থেকে দূরে অবস্থান করে
  3. এর ধারণক্ষমতা L3 ক্যাশ অপেক্ষা অনেক বেশি
  4. এটি একটি স্থায়ী বা নন-ভোলাটাইল মেমরি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) প্রসেসরের সবচেয়ে নিকটবর্তী এবং দ্রুততম ক্যাশ মেমরি স্তর।
• L1 Cache বা লেভেল ১ ক্যাশ সরাসরি প্রসেসর চিপের ভেতরে প্রতিটি কোরের সাথে সংযুক্ত থাকে। এটি প্রসেসরের ক্লক স্পিডের সমান গতিতে কাজ করতে পারে, যা একে কম্পিউটারের দ্রুততম মেমরি স্তরে (রেজিস্টারের পরেই) পরিণত করেছে। প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকায় এটি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ডাটা সরবরাহ করে।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- ব্রিটানিকা।