ব্যাখ্যা
অক্টাল 3 এর সমতুল্য বাইনারি= 011
অক্টাল 4 এর সমতুল্য বাইনারি = 100
অক্টাল 2 এর সমতুল্য বাইনারি = 010
∴ (342)8 = (011100010)2
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩৩ / ৮২ · ৩,২০১–৩,৩০০ / ৮,১৪১
• প্রোগ্রামিং-এর প্রবর্তক হিসেবে ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নাম হলো অ্যাডা লাভলেস। তিনি বিখ্যাত গণিতজ্ঞ চার্লস ব্যাবেজের ডিজাইনকৃত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম প্রোগ্রামটি তৈরি করেছিলেন। ১৮৪০-এর দশকে, অ্যাডা লাভলেস গণিত ও লজিকের জটিল ধারণাকে কোডের মাধ্যমে মেশানোর কাজ করেছিলেন, যা আজকের আধুনিক প্রোগ্রামিং-এর ভিত্তি স্থাপন করে। তিনি শুধু যান্ত্রিক হিসাবের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন না, বরং লুপ এবং কন্ডিশনাল লজিকের ধারণা প্রবর্তন করেছিলেন। এজন্য তাঁকে প্রোগ্রামিং-এর প্রথম ব্যক্তি বা “প্রোগ্রামিং-এর প্রবর্তক” হিসেবে গণ্য করা হয়। অন্যদের মধ্যে স্যামুয়েল টমলিনসন ও স্টিভ জবস প্রযুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ হলেও প্রোগ্রামিং-এর জন্মসূত্রের সাথে সরাসরি যুক্ত নন।
- সঠিক উত্তর: গ) অ্যাডা লাভলেস।
অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace):
- এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনে গণনার কাজটি আরও কার্যকর করতে ভেবেছেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)।
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন। এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
• Text-based interface এমন একটি ব্যবহারকারীর ইন্টারফেস যেখানে কম্পিউটার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ শুধুমাত্র লেখা বা টেক্সটের মাধ্যমে হয়। এই ধরনের ইন্টারফেসে কমান্ড লিখে কম্পিউটারকে নির্দেশ দিতে হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে MS-DOS হলো এমন একটি সিস্টেম যা সম্পূর্ণভাবে text-based interface ব্যবহার করে। ব্যবহারকারী স্ক্রিনে কমান্ড টাইপ করে ফাইল ম্যানেজ করা, প্রোগ্রাম চালানো বা সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করতে পারে।
- অন্যদিকে, Android, Windows 95 এবং Mac OS মূলত গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) ভিত্তিক, যেখানে আইকন, উইন্ডো এবং মেনু ব্যবহার করে কাজ করা যায়। সুতরাং শুধু MS-DOS text-based interface এর মাধ্যমে কাজ করে।
• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।
১। বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।
২। চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম:
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
• রেজিস্টার এবং মেমরি ইউনিটে D flip-flop সাধারণত ব্যবহৃত হয়। কারণ D flip-flop-এ ইনপুট ডেটা সরাসরি আউটপুটে সংরক্ষিত হয় ক্লক সিগন্যালের উপর নির্ভর করে, যা ডেটার নির্ভরযোগ্য স্টোরেজ নিশ্চিত করে। অন্য ফ্লিপ-ফ্লপ যেমন SR, JK বা T-তে আউটপুট নিয়ন্ত্রণে জটিলতা থাকে এবং কখনও কখনও অনির্ধারিত অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে, যা মেমরি বা রেজিস্টারের জন্য সুবিধাজনক নয়। D flip-flop একক ইনপুট “D” দ্বারা সহজভাবে কাজ করে, তাই এটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে ডেটা সংরক্ষণ এবং ট্রান্সফার করার জন্য আদর্শ। রেজিস্টার, শিফট রেজিস্টার এবং কাউন্টার ডিজাইনে D flip-flop এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়।
- সঠিক উত্তর: ক) D flip-flop.
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
• ব্রাউজিং বলতে সাধারণত ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। ব্রাউজার হলো সেই সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীদের ওয়েব পেজে প্রবেশ করতে, তথ্য অনুসন্ধান করতে এবং ওয়েব কনটেন্ট দেখতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, Google Chrome, Opera, এবং UC Browser হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Notepad++ একটি টেক্সট এডিটর সফটওয়্যার, যা কোড লেখা বা সাধারণ টেক্সট ফাইল সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখার বা ব্রাউজিং করার জন্য তৈরি হয়নি। তাই, ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয় এমন সফটওয়্যারের মধ্যে Notepad++ সঠিক উত্তর।
• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।
• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon,
- Brave,
- UC Browser.
উৎস: ব্রিটানিকা।
সিডি-রমঃ
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম। সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা ৬৫০ মেগাবাইট থেকে ৭৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
মডেমঃ এই যন্ত্রের মাধ্যমে টেলিফোন লাইনের মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদান করে। Modulator/Demodulator এর সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে মডেম। মডেম কম্পিউটারের ভাষাকে টেলিফোনের ভাষায় রূপান্তর এবং টেলিফোন ভাষাকে কম্পিউটারের ভাষায় রূপান্তর করে তথ্য আদান প্রদান করে।
টেলিফোন লাইনের তারটি সংযুক্ত করতে হয় মডেমের সাহায্যে এবং মডেমের তারটি সংযুক্ত করতে হয় কম্পিউটারের সাথে। তথ্য গ্রহণ এবং প্রদানকারী উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত করতে হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• Many-to-many রিলেশন তৈরি করতে জাংশন টেবিল ব্যবহার করা হয়। ডাটাবেসে যখন একাধিক রেকর্ড একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কযুক্ত হয়, তখন সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করা সম্ভব হয় না। তাই দুইটি টেবিলের প্রাইমারি কী নিয়ে একটি আলাদা মধ্যবর্তী টেবিল তৈরি করা হয়, যেটিকে জাংশন বা ব্রিজ টেবিল বলা হয়। এই টেবিল প্রতিটি সম্পর্ককে আলাদা রো হিসেবে সংরক্ষণ করে এবং ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায়। ইমেজ ফরম্যাট, পাসওয়ার্ড ফাইল বা এক্সটেনশন ফাইলের সাথে এই সম্পর্কের কোনো যোগ নেই।
- তাই many-to-many রিলেশন তৈরির সঠিক উপায় হলো জাংশন টেবিল।
• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Data capacity of floppy disk - 800 KB to 2.8 MB
- compact disk - 680 megabytes
- Blue-Ray DVD (digital video disc or digital versatile disc), সাধারণ ডিভিডি এর মত ১২ মি.মি প্লাস্টিক ডিস্কের সাহায্যে তৈরি এবং এর প্রতিটি লেয়ারের ধারনক্ষমতা 25 GB.
◉ অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশকে "কার্নেল" বলা হয়।
অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।
কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
উৎস: Techtarget website.
• ডেটাবেজে ইনডেক্সিং করার মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা অনুসন্ধানকে দ্রুত করা, যা ডেটাবেজের সামগ্রিক পারফরম্যান্স উন্নত করে।
• ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়।
• ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ:
- ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
- ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।
• ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ:
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
- ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• বুলিয়ান অ্যাডিশনের জন্য OR গেইট ব্যবহার করা হয়। বুলিয়ান অ্যাডিশন হলো দুটি বাইনারি মান (0 বা 1) যোগ করার প্রক্রিয়া। OR গেইট এমন একটি লজিক গেইট যা দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটি 1 হলে আউটপুট 1 দেয়। উদাহরণস্বরূপ, দুটি ইনপুট A এবং B থাকলে, OR গেইট আউটপুট হবে 1 যদি A = 1 অথবা B = 1 হয়; আর শুধুমাত্র দুটোই 0 হলে আউটপুট হবে 0। বুলিয়ান অ্যাডিশনে এটি মূলত সাম আউটপুট (Sum) নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, NOR বা NAND গেইট মূলত নেগেশন বা কমপ্লিমেন্টারি লজিকের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা সরাসরি অ্যাডিশনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো OR গেইট।
• লজিক্যাল OR অপারেশন:
- বুলিয়ান অ্যালজেব্রায়, যোগ অপারেশন (A + B) হলো লজিক্যাল OR অপারেশন।
- অর্থাৎ, বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগ (Addition) অপারেশনে OR গেইট ব্যবহৃত হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় যোগ মানে হলো দুটি ইনপুটের মধ্যে যেকোনো একটিতে যদি ১ থাকে, তাহলে ফলাফল হবে ১।
- এটি ঠিক OR গেইটের কার্যপ্রণালীর মতো, যেখানে A অথবা B ইনপুটে যেকোনো একটি বা উভয়ই ১ হলে আউটপুট ১ হয়।
- যেমন, A = 0 এবং B = 1 হলে A + B = 1 ঠিক যেমন OR গেইটে ইনপুট দিলে ফলাফল 1 হয়।
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0.
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- OR gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর
লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- AND gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- NOT gate: বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Keylogger টাইপ করা প্রতিটি কীস্ট্রোক রেকর্ড করে পাসওয়ার্ড বা গোপন তথ্য চুরি করে।
Key loggers হচ্ছে এক ধরনের স্পাইওয়্যার (Spyware), যেটা সাধারণত keystroke logger নামেও পরিচিত।
- এটি কম্পিউটারের কীবোর্ডে টাইপিং ডাটা ট্র্যাক এবং রেকর্ড করে।
Malware (ম্যালওয়ার):
Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে। যেমন:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits,
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
Zoom is very popular in modern enterprise video communications, with an easy, reliable cloud platform for video and audio conferencing, chat, webinars etc. No matter where education takes place, Zoom can help engage students, faculty, and staff for learning, collaboration, and administration.
Source: zoom.us
◉ কম্পিউটারের প্রসেসিং স্পিড (Processing Speed) মূলত প্রসেসরের ক্লক স্পিড, কোর সংখ্যা এবং ক্যাশ মেমোরি ইত্যাদির উপর নির্ভর করে।
প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।
সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক]
• বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নির্মিত প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম ছিল UNIVAC (Universal Automatic Computer)।
- এটি ১৯৫১ সালে জন মক্লি ও প্রেসপার একার্টের নেতৃত্বে নির্মিত হয়।
- UNIVAC ছিল প্রথম কম্পিউটার যা সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয়।
- এটি জনসাধারণের মধ্যে কম্পিউটার প্রযুক্তির বাণিজ্যিক ব্যবহার শুরু করে এবং তথ্য প্রক্রিয়াকরণে বিপ্লব ঘটায়।
- UNIVAC নির্বাচন পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠে, যা গণমাধ্যমে কম্পিউটারের শক্তি তুলে ধরে।
• UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণ কম্পিউটার থেকে প্রধানত নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা। এটি কোনো সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটারের মতো বহুমুখী কাজ করতে পারে না, বরং বিশেষ কোনো যন্ত্র বা সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ এবং কাজ পরিচালনার জন্য তৈরি। উদাহরণস্বরূপ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, washing machine বা কারের এয়ারব্যাগ নিয়ন্ত্রণে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার হয়। এগুলো ছোট, কম শক্তি ব্যবহার করে এবং প্রায়ই কোনো পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কাজ করে। এমবেডেড কম্পিউটার আকারে ছোট এবং ব্যয়ও তুলনামূলকভাবে কম। তাই এটি সাধারণ কম্পিউটারের মতো সব কাজ করতে না পারলেও নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে অত্যন্ত দক্ষ।
- উত্তর: ক) নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা।
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.
উৎস:
১। Indian Institute of Embedded Systems.
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট।
(Y + X)( Y + X̄) = YY + YX̄ + XY + XX̄
= Y ++ YX̄ + XY + 0
= Y(1 + X̄ + X)
= Y(1 + 1)
= Y.1
= Y
[উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি , পৃষ্ঠা নং -২৩১ ]
• কম্পিউটার ওয়ার্ম (Computer Worm) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার (Malware) যা নিজে থেকেই কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ছড়াতে পারে, সাধারণত কোনো ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই।
• কম্পিউটার ওয়ার্ম (Computer Worm):
- কম্পিউটার ওয়ার্ম (Computer Worm) হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার (Malware) যা নিজে থেকেই কম্পিউটার নেটওয়ার্কে ছড়াতে পারে, সাধারণত কোনো ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই।
- এটি মূলত সিস্টেম বা নেটওয়ার্ককে ক্ষতি করা বা তথ্য চুরি করার জন্য ডিজাইন করা হয়।
• কম্পিউটার ওয়ার্মের বৈশিষ্ট্য:
- স্বয়ংক্রিয় ছড়ানো: Worm নিজেই নেটওয়ার্কে অন্য কম্পিউটারে ছড়াতে পারে।
- ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ প্রায় লাগে না।
- নেটওয়ার্ক এবং সিস্টেমে ক্ষতি করতে পারে।
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে অনুলিপি তৈরি করে।
উদাহরণ:
ILOVEYOU Worm – ২০০০ সালে ইমেইল মাধ্যমে ছড়িয়ে বিশ্বব্যাপী ক্ষতি করেছিল।
Code Red Worm – Microsoft IIS সার্ভারে আক্রমণ করে ছড়িয়েছিল।
Morris Worm – ১৯৮৮ সালে ইন্টারনেটে প্রথম পরিচিত Worm।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• লিনাক্সের একটি মূল ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর ওপেন-সোর্স প্রকৃতি। এর অর্থ হচ্ছে, লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যে কেউ এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যের কারণে লিনাক্স বিশ্বজুড়ে ডেভেলপার ও ব্যবহারকারীদের মধ্যে জনপ্রিয়। এটি শুধু প্রোপ্রাইটারি সফটওয়্যারের ওপর নির্ভরশীল নয় এবং এর জন্য ব্যয়বহুল লাইসেন্স ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি, লিনাক্স বিস্তৃত হার্ডওয়্যার সমর্থন দেয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) ওপেন-সোর্স প্রকৃতি।
লিনাক্স (LINUX) অপারেটিং সিস্টেম:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
১। লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
২। লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
৩। ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
৪। নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
৫। এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
৬। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IBM [link]
• সব ধরনের লজিক গেট সাধারণত কম্বিনেশনাল সার্কিটের মাধ্যমে তৈরি করা যায়। কিন্তু বিশেষভাবে, কিছু গেটকে ব্যবহার করে অন্য সব গেট তৈরি করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, AND, OR, NOT হল বেসিক গেট, কিন্তু এককভাবে NAND বা NOR দিয়ে সব ধরনের লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়। কারণ NAND এবং NOR উভয়ই “সার্বজনীন” গেট। অর্থাৎ, শুধু NAND ব্যবহার করেও AND, OR, NOT, XOR সহ সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা সম্ভব। একইভাবে, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও সব গেট তৈরি করা যায়। তাই যদি প্রশ্নে বলা হয় কোন দুটি গেট ব্যবহার করে সব ধরনের লজিক গেট তৈরি করা যায়, সেক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে ঘ) NAND এবং NOR, কারণ এগুলো সার্বজনীন এবং যেকোনো লজিক গেটের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার, ল্যাপটপ বা মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার শনাক্ত ও নির্মূল করতে ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নে চারটি নাম দেওয়া হয়েছে- Mozilla Firefox, Kaspersky, AVG এবং Avast। এর মধ্যে Kaspersky, AVG এবং Avast সবই পরিচিত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইসকে ভাইরাস থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। কিন্তু Mozilla Firefox হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, এটি ভাইরাস সনাক্ত বা নির্মূল করার কাজ করে না। তাই Mozilla Firefox অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় BIOS (Basic Input Output System) বা UEFI সিস্টেম একটি “boot device” খুঁজে বের করে, যেখান থেকে অপারেটিং সিস্টেম (যেমন: Windows, Linux ইত্যাদি) লোড হয়।
- যখন কম্পিউটার Boot Disk Failure বার্তা দেখায়, তখন এর অর্থ হচ্ছে-
- সিস্টেম নির্ধারিত হার্ড ডিস্ক বা বুট ড্রাইভ খুঁজে পাচ্ছে না, অথবা
- সেই ডিস্কে থাকা অপারেটিং সিস্টেম নষ্ট বা অনুপস্থিত।
এটি সাধারণত নিচের কারণে হতে পারে:
- হার্ড ডিস্ক সংযোগ বিচ্ছিন্ন বা ঢিলা হয়ে যাওয়া।
- হার্ড ডিস্ক সম্পূর্ণভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া (corrupted বা damaged)।
- BIOS-এ ভুল বুট অর্ডার সেট থাকা (যেমন: CD/DVD বা USB প্রথমে সেট করা আছে)।
- সিস্টেম ফাইল বা বুট সেক্টর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
• ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত যন্ত্র হলো সেই যন্ত্র যা ব্যবহারকারী থেকে কম্পিউটারে তথ্য পাঠায়। প্রশ্নে চারটি অপশনের মধ্যে Trackball, Lightpen, Digitizer- এই তিনটি ডিভাইস মূলত ইনপুট ডিভাইস, যা মাউস বা পেনের মতো কম্পিউটারে নির্দেশনা, আঁকা বা ডেটা পাঠাতে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে Headphone একটি আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সাউন্ড বা তথ্য ব্যবহারকারীর কানে পৌঁছে দেয়, ইনপুট দেয় না। তাই, ডেটা ইনপুটের জন্য ব্যবহৃত হয় না এমন যন্ত্র হলো Headphone. এটি ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে কোনো তথ্য পাঠায় না, বরং কম্পিউটার থেকে আসা তথ্য শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সনাক্ত ও অপসারণ করে। তবে এটি হার্ডওয়্যার রিপেয়ার (Hardware Repair) করতে পারে না।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
১. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন,
২. ভাইরাস স্ক্যানিং,
৩. সিগনেচার-ভিত্তিক ডিটেকশন,
৪. হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিস,
৫. অটোমেটিক আপডেট,
৬. ফায়ারওয়াল ইন্টিগ্রেশন, ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• ডেটাবেজে টেবিলগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য ফরেন কী (Foreign Key) ব্যবহৃত হয়। ফরেন কী হলো একটি টেবিলের একটি কলাম বা কলামের সেট যা অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী বা ইউনিক কীকে রেফার করে। এটি টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক বা রিলেশন তৈরি করে এবং ডেটার অখণ্ডতা (data integrity) বজায় রাখতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Orders টেবিলে CustomerID কলাম যদি Customers টেবিলের CustomerID প্রাইমারি কীকে রেফার করে, তবে Orders এবং Customers টেবিলের মধ্যে ফরেন কী সম্পর্ক তৈরি হয়। ফরেন কী নিশ্চিত করে যে কোনো অজানা বা অমান্য মান ডেটাবেজে রাখা যাবে না। তাই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপনের মূল হাতিয়ার হলো ফরেন কী।
- উত্তর: ঘ) ফরেন কী।
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
- কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।
• কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।
• ফরেন কী (Foreign Key):
- রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা
সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় বাণিজ্যিক, কূটনৈতিক এবং সামরিক যোগাযোগ রক্ষায় কৌশলগত বার্তাগুলি এনকোড করতে জার্মান সামরিক বাহিনীর সমস্ত শাখায় Enigma Machine টি ব্যবহৃত হত।
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী (volatile) মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী (volatile) মেমোরিও বলা হয়।
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা বড় পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ, পরিচালনা এবং সহজে অনুসন্ধান করতে সাহায্য করে। এটি শুধুমাত্র তথ্য সংরক্ষণই নয়, তথ্যের নিরাপত্তা, অভিগম্যতা এবং সামঞ্জস্য বজায় রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। টেলিকমিউনিকেশন ক্ষেত্রে গ্রাহকের তথ্য, কল লগ এবং বিলিং ব্যবস্থাপনা করতে DBMS ব্যবহার করা হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীর রেকর্ড, উপস্থিতি, ফলাফল ও কোর্স তথ্য সংরক্ষণে এটি অপরিহার্য। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে গ্রাহকের হিসাব, লেনদেন ও ঋণ সম্পর্কিত তথ্য সুরক্ষিতভাবে পরিচালনার জন্য DBMS অপরিহার্য। সুতরাং, উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রেই DBMS প্রয়োগ করা হয়।
উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে।
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে DBMS ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হচ্ছে-
১. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- ব্যাপক তথ্য নিয়ে কাজ করতে হয় এমন সব সরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন- নির্বাচন কমিশন, পরিসংখ্যান ব্যুরো, শিক্ষা ব্যুরো, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, পর্যটন কর্পোরেশন, কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহে।
২. ব্যাংকিং:
- ব্যাংকিং সেক্টরের সব ধরনের কার্যক্রম যেমন- ব্যাংকিং লেনদেন, গ্রাহকের বিবরণ, ব্যালেন্স, একাউন্ট স্টেটমেন্ট, ঋণ সংক্রান্ত হিসাব-নিকাশ, ক্রেডিট কার্ড, ডেবিট কার্ড প্রভৃতি কাজে।
৩. বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান:
- বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে যেমন- বড় শপিং মলে প্রডাক্ট মজুদ, বিক্রয় এবং গ্রাহকদের তথ্য সংরক্ষণ ও বিল তৈরিকরণে, অনলাইন শপিং সার্ভিসে।
৪. এয়ারলাইন্স:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত টার্মিনালের সাথে টেলিফোন ও অন্যান্য নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিমানের রিজার্ভেশন ও সিডিউল তৈরিতে।
৫. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের বিবিধ তথ্য যেমন রেজিস্ট্রেশন্স, ও কালেকশন, ভর্তি ফরম পূরণ, রুটিন, পরীক্ষার ফলাফলের গ্রেডিং প্রভৃতি কাজে।
৬. টেলিকমিউনিকেশন:
- টেলিফোন কলের রেকর্ড, মাসিক বিল, প্রি-প্রেইড কলিং গ্রাহকের হিসাব, গ্রাহকের তথ্যাবলি সংরক্ষণে DBMS এর ব্যাপক প্রয়োগ রয়েছে।
৭. তথ্য ব্যবস্থাপনা:
- বিভিন্ন অর্থলগ্নীকারক ও ব্যবস্থাপনা যেমন-হোল্ডিং, ক্রয়-বিক্রয়, স্টক, শেয়ার বা বার্ষিক আর্থিক বিশ্লেষণ প্রভৃতি কাজে।
৮. উৎপাদন:
- বিভিন্ন কলকারখানায় উৎপাদন, মজুদ পরিমাণ, চাহিদা, অর্ডার প্রভৃতি হিসাব বিশ্লেষণে।
৯. মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা:
- কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যক্তিগত নথিপত্র, বেতন-ভাতাদি, ওভারটাইম, আয়কর, বোনাস প্রভৃতি হিসাব প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে।
১০. ওয়েববেজড সার্ভিস:
- ওয়েব ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক নেয়া, উত্তর দেয়া এবং রিসোর্স শেয়ারিং করা।
১১. স্বাস্থ্য সেবায়:
- বড় বড় হাসপাতাল বা ক্লিনিকে রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ, ডায়াগনসিস রিপোর্ট, অনলাইন স্বাস্থ্য সেবায়, বায়োমেডিক্যাল গবেষণায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
◉ Ransomware হলো এক ধরনের Malware যা ভুক্তভোগীর ফাইল বা সিস্টেমকে এনক্রিপ্ট করে ফেলে। এরপর আক্রমণকারী ভুক্তভোগীর কাছ থেকে Ransom (মুক্তিপণ/টাকা) দাবি করে ফাইল আনলক করার জন্য।
ম্যালওয়্যার (Malware):
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.
তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট।
পাইরেসি বা তাস্কর্য
পাইরেসি স্পষ্টত মেধাস্বত্ব লঙ্ঘন। এর উদাহরণ বিভিন্ন ক্ষেত্র থেকে দেওয়া যায়।
যেমন, বৈধ চুক্তিবিহীন গ্রন্থপ্রকাশ থেকে শুরু করে পুরো গ্রন্থের অননুমোদিত ফটোকপিকরণ, নকল সিডি, নকল সফটওয়ার কিংবা মোবাইল ফোনের রিংটোনে সঙ্গীতের যথেচ্ছ ব্যবহার ইত্যাদি।
অবৈধ নকল বলতে হুবহু, পুরোপরি বা আংশিক নকল বোঝায়। আংশিক নকল বলতে যে কর্মে কপিরাইট বিদ্যমান আছে তেমন কোনো কর্মের অনুমতিহীন ব্যবহার বোঝায়।
সুত্রঃ বাংলাদেশে কপিরাইট আইন : সংজ্ঞা ও সমীক্ষা, মুহম্মদ নূরুল হুদা এবং কপিরাইট পকেটবুক।
কপিরাইট আইনঃ
যেকোনো ধরণের প্রকাশনার মেধাসত্ব ভোগের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনঃ
তথ্য ও যোগাযোগ "প্রযুক্তির" আইনগত বৈধতা ও নিরাপত্তা প্রদান এবং আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনঃ
ডিজিটাল নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং ডিজিটাল মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধ শনাক্তকরণ, প্রতিরোধ, দমন, বিচার ও আনুষঙ্গিক বিষয়াদি সম্পর্কে বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত আইন।
• macOS হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম (খ) যা অ্যাপল কোম্পানি তৈরি করেছে। এটি মূলত ম্যাক কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহৃত হয় এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে একটি সেতুবন্ধনের কাজ করে। macOS ব্যবহারকারীদের ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো, ইন্টারনেটে ব্রাউজ করা এবং বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করার সুবিধা দেয়। এটি একটি গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) প্রদান করে, যা ব্যবহারকারীকে সহজে কমান্ড এবং অ্যাপ্লিকেশন নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ দেয়। তাই macOS কোনো নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন বা এন্টিভাইরাস নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম যা কম্পিউটারের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।
macOS:
- macOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System, ১৯৮০ সালে অ্যাপল (Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য macOS তৈরি করেন।
- যেকোনো ব্যবহারকারী এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন।
- কারণ এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে সহজে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে রান করা যায়।
- আবার পরিচালনা পদ্ধতি খুব সহজ এবং গ্রাফিক্স ও রঙের ব্যবহার অত্যন্ত চমৎকার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সেলসফোর্স (Salesforce) মূলত একটি কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (CRM) প্ল্যাটফর্ম। এটি ব্যবসায়ীদের জন্য গ্রাহকের তথ্য সংগঠিত করা, বিক্রয় প্রক্রিয়া সহজ করা, মার্কেটিং ক্যাম্পেইন পরিচালনা করা এবং গ্রাহক পরিষেবা উন্নত করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সেলসফোর্স ব্যবহার করে সংস্থা তাদের গ্রাহকদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থায়ী করতে পারে, বিক্রয় সম্ভাবনা ট্র্যাক করতে পারে এবং ডেটা বিশ্লেষণের মাধ্যমে ব্যবসায়িক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। এটি ক্লাউড ভিত্তিক হওয়ায় যে কোনো সময়, যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়। সেলসফোর্স ব্যবহারকারীদের জন্য আরও স্বয়ংক্রিয় কার্যপ্রবাহ এবং রিপোর্টিং সুবিধা প্রদান করে। তাই এটি অপারেটিং সিস্টেম, ভিডিও এডিটিং বা গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য নয়, বরং গ্রাহক সম্পর্ক ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।
- সঠিক উত্তর: গ) কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট।
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮-বিট বিসিডি কোড Extended Binary Coded Decimal Interchange Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
২৫৬ টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে কোড করে কম্পিউটার ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
এটি শুধু IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.
আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা সীমিতমাত্রায় চালু হয় 2G মোবাইল নেটওয়ার্ক থেকে।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের GSM ও CDMA - মোবাইল প্রযুক্তিতে রোমিং সুবিধা বিদ্যমান ছিলো।
- 3G মোবাইল প্রযুক্তি থেকে ব্যাপক মাত্রায় আন্তর্জাতিক রোমিং সুবিধা শুরু হয়।
- 3G হচ্ছে মোবাইল যোগাযোগের একটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।
- সহজ কথায়, এটা একটি নেটওয়ার্ক যাতে আপনি আপনার ফোনে দ্রুত গতি সম্পন্ন ডাটা ব্যবহারের সুবিধা পাবেন, ফলে আপনি শুধু কথা বলা ছাড়াও আরো অনেক কিছু করতে পারেন।
- এতে থাকছে উচ্চ গতির ইন্টারনেট এক্সেস, ভিডিও কলিং এবং উন্নত মাল্টিমিডিয়া ।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান
প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সঠিক উত্তর - 2G.