বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৩২ / ৮২ · ৩,১০১৩,২০০ / ৮,১৪১

৩,১০১.
কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ কী?
  1. কম্পিউটার পারফরম্যান্স এর গতি বৃদ্ধিতে।
  2. সহায়ক মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
  3. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
  4. প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১০২.
ডাটাবেজে Yes/No ডাটার সাইজ কত বিট?
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান (Yes/No) ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,১০৩.
ANSI এর standard definition অনুসারে রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ কোনটি?
  1. QUEL
  2. MySQL
  3. SQL
  4. QBE
ব্যাখ্যা
কয়েকটি সর্বাধিক ব্যবহৃত ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের নাম হচ্ছে - QUEL, QBE, SQL, OQL, XQUERY ইত্যাদি।
ANSI (American National Standard Institute) এর standard definition অনুসারে SQL রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
৩,১০৪.
কোনটি স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. ক) CD
  2. খ) Light Pen
  3. গ) Touch Screen
  4. ঘ) OMR
ব্যাখ্যা


সূত্র - Computer & ICT - 2, SSC Vocational, Board Book
৩,১০৫.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. জয়স্টিক
  2. কীবোর্ড
  3. প্রজেক্টর
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
প্রজেক্টর একটি আউটপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

• আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

• ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৬.
চেরনোবিল ভাইরাসের অপর নাম -
  1. CHI
  2. Creeper
  3. Spacefiller
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

অন্যদিকে,
- CHI হচ্ছে গ্রিক বর্ণমালার ২২তম বর্ণ।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১০৭.
হেক্সাডেসিমেল 10 এর পূর্ববর্তী সংখ্যা কত?
  1. ক) 9
  2. খ) F
  3. গ) E
  4. ঘ) 1F
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F.
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15.

• হেক্সাডেসিমেল 9 এর পরবর্তি সংখ্যা A, B, C, D, E, F, 10.
- অর্থাৎ, হেক্সাডেসিমেল 10 এর পূর্ববর্তী সংখ্যা F.



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১০৮.
কোনটি CPU-এর অংশ হিসেবে গণ্য হয় না?
  1. Motherboard
  2. Memory
  3. Control Unit
  4. ALU
ব্যাখ্যা

• Motherboard সিপিইউ এর অংশ নয়।

CPU: 
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit. 
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক। 
- CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। 

যথা- 
  1. ALU (Arithmetic Logic Unit), 
  2. Control Unit, 
  3. Memory/Register. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৩,১০৯.
SCSI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Small Computer System Interface
  2. Smart Communication Signal Interface.
  3. Simple Code Software Integration.
  4. Standard Computer Software Interface.
ব্যাখ্যা
 SCSI (স্কাজি) এর পূর্ণরূপ হলো Small Computer System Interface.
- এটি হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড ইনপুট/আউটপুট ইন্টারফেস,
- এটি কম্পিউটারকে বিভিন্ন ডিভাইস যেমনঃ হার্ডডিস্ক, স্ক্যানার, প্রিন্টার ইত্যাদির সাথে দ্রুত ও কার্যকরভাবে সংযুক্ত করতে সাহায্য করে।
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং একই সাথে একাধিক ডিভাইস সংযোগ করার সুবিধা দেয়।

• এখন SCSI এর ব্যবহার অনেকটাই কমে গেছে এবং SATA বা USB বেশি জনপ্রিয়। 
- তবে অনেক সার্ভার বা বিশেষ হার্ডওয়্যার এখনো SCSI ব্যবহার করে।

তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha
- এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৩,১১০.
অপারেটিং সিস্টেমে শেল কী?
  1. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  2. সিপিইউ-এর একটি হার্ডওয়্যার উপাদান
  3.  একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে 
  4. ফাইল সিস্টেমের একটি ধরন
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) হলো একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে এবং সেই অনুযায়ী সিস্টেমকে নির্দেশ দেয়। এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করে। ব্যবহারকারী যখন কোনো কমান্ড ইনপুট দেয়, শেল তা পড়ে, ব্যাখ্যা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে। শেল কমান্ড-লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে কাজ করতে পারে। এটি কোনো নেটওয়ার্ক প্রোটোকল নয়, সিপিইউ-এর হার্ডওয়্যার নয় বা ফাইল সিস্টেমের ধরন নয়। সংক্ষেপে, শেল হল ব্যবহারকারীর কমান্ডকে বোঝার এবং কার্যকর করার জন্য অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম।

উত্তর: গ) একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে।

অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৩,১১১.
(531.24)8 কে হেক্সে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 159.50
  2. 169.50
  3. 180.30
  4. 120.70
ব্যাখ্যা

• (531.24)8 কে হেক্সাডেসিমেলে প্রকাশ করলে 159.50 হবে। 
- হেক্স বা হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যা ১৬ ভিত্তি (base-16) ব্যবহার করে। এটি দশমিক (decimal) বা বাইনারি (binary) এর মতোই সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি, তবে এখানে ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা থাকে:

0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 → সাধারণ সংখ্যা
A, B, C, D, E, F → দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত মানের জন্য

- বৈশিষ্ট্য:
- সংক্ষিপ্ত: বড় বাইনারি সংখ্যাকে সহজে ছোট হেক্স সংখ্যায় প্রকাশ করা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহার: কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রোগ্রামিংয়ে, যেমন রঙের কোড, মেমোরি এড্রেস ইত্যাদিতে হেক্স বহুল ব্যবহৃত।
- সহজ রূপান্তর: প্রতিটি হেক্স সংখ্যা ঠিক ৪ বিট বাইনারির সমান, তাই বাইনারি ↔ হেক্স রূপান্তর খুব সহজ।

- উদাহরণ:
বাইনারি: 1010 → হেক্স: A
বাইনারি: 1111 → হেক্স: F
- হেক্স ব্যবহার করে কম্পিউটার ডেটা আরও পড়তে সহজ ও সংক্ষিপ্ত হয়।

 • অক্ট্যাল থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর:
- অক্ট্যাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে অক্ট্যাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৩ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৪ বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে উক্ত অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যাবে।


উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১১২.
নিচের কোনটির মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়?
  1. CPU
  2. RAM
  3. Motherboard
  4. BIOS
ব্যাখ্যা
• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি প্রথম Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১১৩.
ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ কয়টি?
  1. দুইটি
  2. তিনটি
  3. চারটি
  4. পাঁচটি
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ব্রাটেন ও সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন,  ব্রাটেন ও সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৪.
নিচের কোনটি আউটপুট ডিভাইস?
  1. বার কোড রিডার
  2. লাইটপেন
  3. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর
  4. স্ক্যানার
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১৫.
কোনটি মিডরেঞ্জ কম্পিউটার?
  1. ক) মিনি কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) সুপার কম্পিউটার
  4. ঘ) মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
মিনি কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।

মেইনফ্রেম কম্পিউটার,
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

সুপার কম্পিউটার,
- এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।

মাইক্রো কম্পিউটার,
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র। মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১১৬.
EFT stands for –
  1. Electronic Fund Transfer
  2. Easy Fund Transfer
  3. Electronic Financial Token
  4. Exchange Fund Transfer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Electronic Fund Transfer

EFT
- EFT এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Funds Transfer।
- এটি ইলেকট্রনিক ব্যাংকিংয়ের একটি পদ্ধতি, যেখানে কম্পিউটার ও অন্যান্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করা হয়, এখানে সরাসরি মানুষের উপস্থিতি প্রয়োজন হয় না।
- ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং EFT ও অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংকিং লেনদেন সম্পন্ন করে।
- এর মাধ্যমে টাকা উত্তোলন, জমা, বিল পরিশোধসহ নানা ধরনের লেনদেন করা যায়।

EFT-এর প্রধান চার ধরনের ব্যবস্থা:
- ATM (Automated Teller Machines): গ্রাহকরা তাদের অ্যাকাউন্ট থেকে নগদ টাকা উত্তোলন করতে পারে।
- Smart Cards: কার্ডে একটি কম্পিউটার চিপ থাকে, যা টাকা পাঠাতে ও গ্রহণ করতে পারে এবং প্রতিবার লেনদেনের পর নতুন ব্যালান্স কার্ডে রেকর্ড হয়।
- ACH Networks (Automated Clearing House): বিদ্যমান জমার টাকা একাউন্টের মধ্যে ট্রান্সফার করে, চেক ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা দূর করে, এবং দ্রুত লেনদেন ও নিষ্পত্তি (settlement) সম্পন্ন করে।
- Bill Payments: ব্যাংক গ্রাহকদের সুবিধা দেয় যাতে তারা নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে সরাসরি পাওনাদারের (creditor) অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর করে বিল পরিশোধ করতে পারে।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩,১১৭.
A webcam is considered as which type of device?
  1. Output
  2. System
  3. Input
  4. Analogue
ব্যাখ্যা

• Webcam বা ওয়েবক্যামেরা হলো একটি ইনপুট ডিভাইস কারণ এটি বাইরের দৃশ্য বা স্থির চিত্র ধারণ করে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে। এটি মূলত ভিডিও চ্যাটিং বা লাইভ স্ট্রিমিংয়ের সময় ব্যবহারকারীর ভিডিও ইনপুট হিসেবে গ্রহণ করে প্রসেসরের কাছে পাঠায়।

ইনপুট ডিভাইস: যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- কি-বোর্ড, 
- মাউস, 
- অপটিকাল রিডার, 
- জয়স্টিক, 
- মাইক্রোফোন, 
- স্ক্যানার, 
- গ্রাফিক্স প্যাড, 
- লাইট পেন, 
- ওয়েবক্যাম, 
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস: যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। উদাহরণ:
- মনিটর, 
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। উদাহরণ:
- পেনড্রাইভ, 
- টাচ স্ক্রিন, 
- মডেম, 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১১৮.
কোন ধরনের মেমোরি সবচেয়ে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে?
  1. SSD
  2. Registers
  3. RAM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের মেমরি হায়ারার্কি অনুসারে, রেজিস্টার হলো CPU-এর মধ্যে থাকা সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি।
- এটি সরাসরি CPU-এর কার্যনির্বাহক ইউনিটের অংশ হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেস করতে সবচেয়ে কম সময় লাগে।

রেজিস্টার:
-
রেজিস্টার হলো সিপিইউ-এর মধ্যে অবস্থিত সবচেয়ে ছোট এবং দ্রুততম মেমরি যা প্রোগ্রাম কার্যকর করার জন্য ডেটা ও নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
- এর অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ডে পরিমাপ করা হয়।
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১১৯.
OMR এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Optical Mark Recorder
  2. Optimum Mark Reader
  3. Optimum Mark Recognition
  4. Optical Mark Reader
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader):
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে।

বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছেঃ
(1) Optical Mark Reader (OMR),
(2) Optical Character Recognotion (OCR),
(3) Bar Code Reader/Recognition (BCR).

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১২০.
ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সাথে জড়িত নন কে?
  1. ক) বেল বার্ডিন
  2. খ) ওয়াল্টার ব্রাটেইন
  3. গ) উইলিয়াম শকলি
  4. ঘ) জ্যাক কেলবি
ব্যাখ্যা
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের জন্য ১৯৪৭ সালে বেল বার্ডিন, ওয়াল্টার ব্রাটেইন এবং উইলিয়াম শকলিকে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- জ্যাক কেলবি আইসি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই এবং ব্রিটানিকা।
৩,১২১.
পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য কী?
  1. ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রসেসের গতি বৃদ্ধি করা
  2. কোয়ান্টাম কম্পিউটারের আক্রমণ থেকে তথ্য সুরক্ষিত রাখা
  3. সকল প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করা
  4. এনক্রিপশন অ্যালগরিদমগুলিকে সরলীকৃত করা
ব্যাখ্যা

• পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ক্ষমতা থেকে তথ্যকে সুরক্ষিত রাখা। কোয়ান্টাম কম্পিউটার প্রচলিত ক্রিপ্টোগ্রাফি, যেমন RSA বা ECC, সহজেই ভেঙে দিতে পারে কারণ এগুলো বড় সংখ্যা গুণফল বা লগারিদমিক সমস্যা সমাধান করার উপর নির্ভর করে। পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি এমন অ্যালগরিদম তৈরি করে যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারও ভাঙতে পারবে না। এটি ডেটা নিরাপত্তা এবং গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, বিশেষ করে ভবিষ্যতে যখন কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহারযোগ্য হবে। অন্য কোনো উদ্দেশ্য যেমন গতি বৃদ্ধি বা প্রচলিত অ্যালগরিদম সরলীকরণ এই প্রযুক্তির প্রধান লক্ষ্য নয়।

 • পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি (Post-Quantum Cryptography):
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফির মূল লক্ষ্য হলো এমন এনক্রিপশন অ্যালগরিদম তৈরি করা যা ভবিষ্যতের কোয়ান্টাম কম্পিউটার দ্বারা ভাঙা সম্ভব নয়।
- বর্তমান ক্রিপ্টোগ্রাফিক অ্যালগরিদম যেমন RSA, ECC ইত্যাদি কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে খুব দ্রুত ভাঙা যেতে পারে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি নিশ্চিত করে যে তথ্য এবং যোগাযোগ সুরক্ষিত থাকবে এমন ভবিষ্যতে, যেখানে কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হবে।
- এটি প্রচলিত অ্যালগরিদমগুলিকে অবিলম্বে প্রতিস্থাপন করার জন্য নয়, বরং ধাপে ধাপে নতুন নিরাপদ অ্যালগরিদমে রূপান্তর ঘটানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- পোস্ট-কোয়ান্টাম ক্রিপ্টোগ্রাফি মূলত তথ্য নিরাপত্তা বাড়াতে এবং এনক্রিপশন অ্যালগরিদম সরলীকরণের জন্য নয়।

সূত্র: cloudflare. [link]

৩,১২২.
কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের মূল সংযোগস্থল বা কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডকে কী বলা হয়?
  1. সাউন্ড কার্ড
  2. গ্রাফিক্স কার্ড
  3. মাদারবোর্ড
  4. হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) মাদারবোর্ড

• মাদারবোর্ড (Motherboard):

- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত। - - কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন-কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

• মাদারবোর্ডের প্রধান উপাদান:
- CPU সকেট (Socket): প্রসেসর বসানোর জায়গা।
- RAM স্লট: মেমরি (RAM) লাগানোর জায়গা।
- এক্সপ্যানশন স্লট: গ্রাফিক্স কার্ড, সাউন্ড কার্ড ইত্যাদির জন্য।
- চিপসেট: বিভিন্ন উপাদানের মধ্যে ডেটা চলাচলের সমন্বয় সাধন করে।
- পাওয়ার কানেক্টর: পাওয়ার সাপ্লাই থেকে বিদ্যুৎ গ্রহণের জন্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১২৩.
ডাটা এনক্রিপশন করার পর যে ফরম্যাটে রুপান্তরিত হয় তাকে কী বলে?
  1. ক) প্লেইন টেক্সট
  2. খ) সাইফার টেক্সট
  3. গ) সিকিউরড টেক্সট
  4. ঘ) ব্লক টেক্সট
ব্যাখ্যা
ডাটা এনক্রিপশন: ডাটাবেজ এ সংরক্ষিত ডাটা যাতে নির্দিষ্ট কিছু ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কেও ব্যবহার করতে না পারে সেইজন্য ডাটাকে গোপনীয়তা বজায় রাখার যেই প্রক্রিয়া তাকে ডাটা এনক্রিপশন বলে। এই প্রক্রিয়ার ডাটাকে এনক্রিপ্ট করার পর যে ব্যবহারকারীর নিকট ডিক্রিপশন কোড থাকবে শুধুই সে খুজে বের করতে পারবে। 
-এই পদ্ধতিতে ডাটাকে এনক্রিপ্ট করার পর ডাটাকে সাইফার টেক্সট বলে। এই সাইফার টেক্সট কে পুনরায় প্লেইন টেক্সট এ রুপান্তরিত করার প্রক্রিয়াকে ডাটা ডিক্রিপশন বলা হয়।
-কম্পিউতার বিজ্ঞানের যে শাখায় এই ডাটা এনক্রিপশন ও ডিক্রিপশন নিয়ে গবেষণা করা হয় সেই শাখাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি বলে

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১২৪.
১০১০১১ বাইনারি সংখ্যাটির সমমান দশমিক সংখ্যা কোনটি?
  1. ক) ৫৫
  2. খ) ৪৩
  3. গ) ৪৫
  4. ঘ) ৩৭
ব্যাখ্যা

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরঃ
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা,
- দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা,
- শতক স্থানীয় অংকটিকে ২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে।
প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

(১০১০১১)
= (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (০ × ২) + (১ × ২) + (১ × ২)
= ৩২ + ০ + ৮ + ০ + ২ + ১
= ৪৩
∴ (১০১০১১) = (৪৩)১০

৩,১২৫.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ______ প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
  1. পঞ্চম
  2. চতুর্থ
  3. তৃতীয়
  4. দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম প্রজন্ম (Fifth Generation): 
- সাধারণত ২০০১ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান সময়ের কম্পিউটারগুলোকে পঞ্চম প্রজন্মে কম্পিউটার বিবেচনা করা হয়।
- মূলত পঞ্চম প্রজন্ম বলতে প্রকৃত অর্থে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকেই বোঝায়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মানুষের ভাষায় কথা বলা ও মানুষের কথা বুঝতে পারার ক্ষমতাও থাকবে। অর্থাৎ এগুলো হবে বুদ্ধিমান কম্পিউটার।
- পঞ্চম প্রজন্ম VLSI প্রযুক্তিকে অতিক্রম করে UVLSI (Ultra Very Large Scale Integration) প্রযুক্তিতে অবস্থান করবে।

- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ:
১. বহু মাইক্রোপ্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনীর ব্যবহার।
২. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন।
৩. স্বয়ংক্রিয় অনুবাদক ও শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ ও পরিচালনা।
৪. প্রোগ্রামসামগ্রীর ব্যাপক উন্নতি।
৫. তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।ইত্যাদি।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার শুরু হয় চতুর্থ প্রজন্মে এবং পঞ্চম প্রজন্মের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও ভিত্তি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১২৬.
নিচের কোনটি অক্ট্যাল সংখ্যা নয়?
  1. ৫৬৭
  2. ৭৬৫
  3. ৪৮৫
  4. ৭১৪
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮ । 
- ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ অক্ট্যাল সংখ্যা কিন্তু ৪৮৫ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না। 

অন্যদিকে, 
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২। 
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১০। 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি ১৬। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১২৭.
ডেটাবেজের Design view কোন মেনুতে পাওয়া যায় ?
  1. ক) Edit
  2. খ) Table
  3. গ) Home
  4. ঘ) View
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজের Design view পাওয়া যায় View মেনুতে।
Design view তে ফিল্ড নেম, ডাটা টাইপ, এবং ডেসক্রিপশন লেখার টেবিল ওপেন হয়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি

৩,১২৮.
Which of the following is considered a storage device?
  1. Projector
  2. Magnetic Tape
  3. Speaker
  4. Scanner
ব্যাখ্যা

• ম্যাগনেটিক টেপ হলো একটি স্টোরেজ ডিভাইস।

কম্পিউটার পেরিফেরালসমূহকে কাজের উপর ভিত্তি করে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা-
১. ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
২. আউটপুট ডিভাইস (Output Device) ও
৩. স্টোরেজ ডিভাইস (Storage Device)

ক) ইনপুট ডিভাইস:
- যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
- এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে। উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

খ) আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
- আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

গ) স্টোরেজ ডিভাইস:
- উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে।যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
-ম্যাগনেটিক টেপ,
- রি-রাইটেবল সিডি, -
- ফ্লপিডিস্ক,
- কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সিডি,
- ডিভিডি,
- ফ্লাশ মেমোরি বা পেন ড্রাইভ,
- মেমোরি কার্ড।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,১২৯.
কোন অপারেটিং সিস্টেমটি লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি?
  1. Windows
  2. macOS
  3. Ubuntu
  4. iOS
ব্যাখ্যা

Ubuntu হলো একটি ওপেন-সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা Linux কার্নেলের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি Debian ভিত্তিক একটি জনপ্রিয় Linux ডিস্ট্রিবিউশন, যা ডেস্কটপ, সার্ভার এবং ক্লাউড পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৩০.
কোনটির ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড সবচেয়ে কম?
  1. ক) Optical Disk
  2. খ) Register
  3. গ) Cache Memory
  4. ঘ) Magnetic Disk
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম:
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।

সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 

 

- চিত্রের পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- মাঝামাঝিতে অবস্থান করা অপরাপর স্মৃতির ধারণক্ষমতা, গতি ও দাম সম্পর্কে সমানুপাতিক মন্তব্য করা যায়।
- অর্থাৎ পিরামিডের উপর থেকে নিচের দিকের ক্রম অনুসারে খরচ কম হয়, ধারণক্ষমতা বাড়ে এবং অ্যাকসেস টাইম বৃদ্ধি পায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩১.
'হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)' কোন প্রযুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) Machine learning
  2. খ) Biometrics
  3. গ) Virtual Reality
  4. ঘ) Data mining
ব্যাখ্যা
গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।

দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। 

যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৩২.
(5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর কোনটি? 
  1. (139C)16
  2. (1384)16
  3. (A394)16
  4. (1394)16
ব্যাখ্যা

• (5012)10 সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর হলো (1394)16 

- দশমিক (Decimal) সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করতে হলে সংখ্যাটিকে ১৬ দিয়ে পর্যায়ক্রমিক ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে ওপরের দিকে (MSB to LSB) সাজাতে হয়।

৩,১৩৩.
(212) কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করুন - 
  1. ক) (183)10
  2. খ) (143)10
  3. গ) (138)10
  4. ঘ) (153)10
ব্যাখ্যা
(212) = 2 × 82 + 1 × 8× 2 × 8°
            = 2 × 64 + 1 × 8 + 2 × 1
            = 128 + 8 + 2
            = 138

(212)8   = (138)10

৩,১৩৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ ?
  1. সহায়ক মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
  2. কম্পিউটার পারফর্মেন্স এর গতি বৃদ্ধিতে।
  3. ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
  4. প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। 
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না।
- শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৩৫.
Phishing আক্রমণের ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ?
  1. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার
  2. সন্দেহজনক লিংকে ক্লিক না করা
  3. ফায়ারওয়াল চালু রাখা
  4. নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট করা 
ব্যাখ্যা

◉ Phishing Attack হলো এক ধরনের সাইবার আক্রমণ যেখানে ভুয়া ই-মেইল, মেসেজ বা ওয়েবসাইট ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (পাসওয়ার্ড, ব্যাংক ডিটেইলস) হাতিয়ে নেওয়া হয়। তাই এর বিরুদ্ধে সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধ হলো → সন্দেহজনক লিংক, ই-মেইল বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক না করা।

ফিশিং (Phishing):
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে কারো কাছ থেকে প্রতরণার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্যাদি যেমন- নাম, পাসওয়ার্ড, ডেভিড বা ক্রেডিট কার্ডের তথ্য ইত্যাদি সংগ্রহ করাকে বা হ্যাক করাকে বলা হয় ফিশিং।
- সাধারণত ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ফিশিং করা হয়ে থাকে। এ পদ্ধতিতে ফিশার হ্যাকাররা ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইটে সংযুক্ত ব্যবহারকারীর কাছে ব্যক্তিগত তথ্য ভেরিফিকেশন বা যাচাইয়ের জন্য চায়।
- যদি কেউ এ ফাঁদে পা দেয় তাহলে ফিশার হ্যাকাররা তথ্য সংগ্রহ করে তাকে বিভিন্ন ধরনের বিপদে ফেলে দেয়।

সূত্র: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৩৬.
ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. স্টোরেজ স্পেস কমানো
  2. কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা
  3. ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা
  4. ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কুয়েরি রিটার্ভালকে দ্রুত করা। যখন কোনো টেবিল বড় হয় এবং এতে লাখ লাখ রেকর্ড থাকে, তখন নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে পাওয়া সময়সাপেক্ষ হতে পারে। ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার, যা ডাটার অবস্থানকে সূচক হিসেবে সংরক্ষণ করে, ফলে সার্চ অপারেশন অনেক দ্রুত হয়। এটি ঠিক কিতাবের সূচকের মতো কাজ করে, যেখানে পুরো বই পড়ার বদলে সরাসরি প্রয়োজনীয় পাতায় যাওয়া যায়। ইনডেক্সিং স্টোরেজ স্পেস কমায় না, ডেটা নকল প্রতিরোধ করে না এবং ডেটার অখণ্ডতা সরাসরি নিশ্চিত করে না; বরং এটি প্রধানত ডেটা রিটার্ভালের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করতে ব্যবহৃত হয়।

• ডাটাবেসে ইনডেক্সিং (Indexing):
- ডাটাবেসে ইনডেক্সিং এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো - "কুয়েরি রিটার্ভাল দ্রুত করা"।  
- ইনডেক্স একটি বিশেষ ডেটা স্ট্রাকচার যা সার্চ করার সময় দ্রুত ফলাফল প্রদান করে।  
- এটি ডেটাকে একটি সংগঠিত উপায়ে সংরক্ষণ করে, ফলে নির্দিষ্ট ডেটা খুব কম সময়ে খুঁজে পাওয়া যায়।  
- স্টোরেজ স্পেস কিছুটা বাড়লেও, ডেটা অনুসন্ধানের গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।  
- ডেটা নকল হওয়া প্রতিরোধ করা বা ডেটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করা ইনডেক্সের উদ্দেশ্য নয়।  
- সাধারণত B-Tree, Hashing ইত্যাদি টেকনিক ব্যবহার করে ইনডেক্স তৈরি করা হয়।  

সূত্র:
১) কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) geeksforgeeks [link]

৩,১৩৭.
আধুনিক কম্পিউটার প্রযুক্তির বিকাশে কোনটি প্রধান ভূমিকা পালন করেছে?
  1. আইসি
  2. পাঞ্চ কার্ড
  3. এনআইসি কার্ড
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা
• ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি):
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি ও রবার্ট নইসি আইসি (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন, যা ইলেকট্রনিক্সে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন।
- আইসিতে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ও অন্যান্য উপকরণ একত্রে একটি সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা হয়।
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, এবং কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আইসি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল, যেমন IBM 360, 370, PDP 8, PDP II।
- আইসি ব্যবহার কম্পিউটার মেমরিব্যবস্থার উন্নতিতে সাহায্য করে এবং হিসাব নিকাশের সময় কমিয়ে আনে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৩৮.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 054
  2. 765
  3. 849
  4. 127
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা হলো এমন একটি সংখ্যা পদ্ধতি যেখানে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত অঙ্ক ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 8 বা 9 এর মতো সংখ্যা ব্যবহার করা যায় না। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে ক) 054, খ) 765, ঘ) 127 - এই তিনটিতে শুধুমাত্র 0-7 এর মধ্যকার অঙ্ক রয়েছে, তাই এগুলো অক্টাল সংখ্যা হতে পারে। কিন্তু গ) 849 সংখ্যাটিতে ‘8’ এবং ‘9’ রয়েছে, যেগুলো অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে বৈধ নয়। তাই গ) 849 কখনই অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) 849.

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের(.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন- ৫১২, ১৬২০, ৬৪ কিন্তু ২৮১ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
৩,১৩৯.
হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে কোনটি?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. সিপিইউ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন যা মূলত একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। 
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়। 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে। 
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের। 
- ব্যবহারকারীর পরিবর্তে হার্ডওয়্যার দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্বও অপারেটিং সিস্টেম পালন করে। 
- শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমের উপস্থিতিতেই কম্পিউটারের অন্যান্য সফটওয়্যার কাজ করতে পারে। 
- কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট কার্যক্রম পরিচালনা, সিস্টেম বণ্টন এবং প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় কার্যাবলি অপারেটিং সিস্টেম সম্পন্ন করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪০.
কোন প্রজন্মের ভাষাকে মেশিন ভাষা বলা হয়?
  1. ১ম প্রজন্ম
  2. ২য় প্রজন্ম
  3. ৩য় প্রজন্ম
  4. ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বিভিন্ন ধরণের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- C++,
- Algol,
- Fortran,
- Java,
- Oracle ইত্যাদি।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language),
২. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
৩. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language),
৪. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language),
৫. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,১৪১.
নিচের কোন সফটওয়্যারটি গ্রাফিক ডিজাইনে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Adobe Illustrator
  2. Canva
  3. Adobe Photoshop
  4. Dbase
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্স ডিজাইন প্রোগ্রাম:
- গ্রাফিক্স হলো দৃশ্যমান ইমেজ বা ছবি, যা বিভিন্ন মাধ্যম ব্যবহার করে দৃশ্যমান করে তোলা হয়। 
- গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে যেকোনো তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়।
- বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে কম্পিউটারের মাধ্যম গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করা হয়।
- উদাহরণ: Canva, Adobe Photoshop, Adobe Illustrator ইত্যাদি।
- গ্রাফিক্স ডিজাইনের মাধ্যমে ফটো এডিটিং, পোস্টার তৈরি, বিভিন্ন ধরনের ছবি তৈরি করা, ছবি পরিবর্তন করা, পরিবর্ধন করা, ছবি সংযোজন করা ইত্যাদি যাবতীয় কাজ করা যায়। 

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। 
- উদাহরণ: Microsoft Access, Microsoft Visual Basic, SQL, dbase, Informix, Oracle ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪২.
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে সাধারণত কী ব্যবহার করা হয়?
  1. এক্সটেনশন ফাইল
  2. পাসওয়ার্ড ফাইল
  3. জাংশন টেবিল
  4. ইমেজ ফরম্যাট
ব্যাখ্যা
Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয় যাকে জাংশন টেবিল বলা হয়।

• ডাটাবেজ রিলেশন:

বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

• Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৩.
CYBER-205 ও Super SX II কোন ধরণের কম্পিউটার?
  1. সুপার কম্পিউটার
  2. বিশেষ কম্পিউটার
  3. মাইক্রো কম্পিউটার
  4. পার্সোনাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER-205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা,  এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৪.
Which shortcut undoes the previous action?
  1. Ctrl + Y
  2. Ctrl + Z
  3. Ctrl + W
  4. Ctrl + O
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + Z

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
- Ctrl + E : Center the text.
- Ctrl + L : Align the text to the left.
- Ctrl + R : Align the text to the right.
- Ctrl + Z : Undo the previous action.
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible.
- Alt + W : Adjust the zoom magnification.
- Ctrl + O : Open a document.
- Ctrl + N : Create a new document.
- Ctrl + S : Save the document.
- Ctrl + W : Close the document.
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard.
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard.
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text.
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text.
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text.
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point.
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point.
- Esc : Cancel a command.

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৩,১৪৫.
An input device that is able to interpret pencil marks on paper media is known as-
  1. ক) Magnetic disk
  2. খ) Optical Mark Reader
  3. গ) Card Puncher
  4. ঘ) Magnetic tape
ব্যাখ্যা
Optical mark recognition is the process of capturing human-marked data from document forms such as surveys and tests. They are used to read questionnaires, multiple choice examination paper in the form of lines or shaded areas.
Source: techopedia.com
৩,১৪৬.
বাইনারিতে 11001110 এবং 11001100 এর যোগফল কত?
  1. 110011010
  2. 001100101
  3. 110001010
  4. 101011010
৩,১৪৭.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় পেরিফেরাল হিসেবেই ব্যবহৃত হয়?
  1. ট্যাকবল
  2. লাইটপেন
  3. ইমেজ সেটার
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হচ্ছে:
হার্ডডিস্ক
সিডি বা ডিভিডি
পেনড্রাইভ
টাচ স্ক্রিন

ইনপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট পেরিফেরাল ব্যবহৃত হয়। 
- উল্লেখযোগ্য ইনপুট পেরিফেরালসমূহ হলো:
কি-বোর্ড (Keyboard)
ওএমআর (OMR)
মাউস (Mouse)
ওসিআর (OCR)
ট্যাকবল (Trackball)
স্ক্যানার (Scanner)
জয়স্টিক (Joystick)
ডিজিটাইজার (Digitizer)
টাচ স্ক্রিন (Touch Screen)
লাইটপেন (Lightpen)
গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad)
বার কোড রিডার (Bar Code Reader)
ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera)
পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale)

আউটপুট পেরিফেরাল:
কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেরাল নামে পরিচিত। অর্থাৎ কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট পেরিফেরালমূহ নিম্নরূপ-
মনিটর (Monitor)
প্রিন্টার (Printer)
প্লটার (Ploter)
স্পিকার (Speaker)
মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector)
ইমেজ সেটার (Image Setter)
ফিল্ম রেকর্ডার (Flim Recoder)
হেডফোন (Headphone)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৮.
কম্পিউটার সফটওয়্যার সম্পর্কে কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) কম্পিউটারের প্রােগ্রাম বা প্রােগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে
  2. খ) এটা কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পােনেন্ট
  3. গ) এটা কম্পিউটারের ফিজিক্যাল কম্পােনেন্ট
  4. ঘ) সফওয়্যার মুছা যায় বা Delete করা যায়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সফটওয়্যার

১। কম্পিউটারের প্রােগ্রাম বা প্রােগ্রামের সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলে।
২। এটা কম্পিউটারের লজিক্যাল কম্পােনেন্ট।
৩। সফটওয়্যার তৈরির সময় হার্ডওয়্যার সম্পর্কে ধারণা না থাকলেও চলে।
৪। সফওয়্যার মুছা যায় বা Delete করা যায়।
৫। উদাহরণ: উইন্ডােজ, এমএস ওয়ার্ড, এমএস এক্সেল, ফটোশপ ইত্যাদি।

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

৩,১৪৯.
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো—
  1. BASIC
  2. COBOL
  3. ADA
  4. FORTRAN
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক প্রয়োগের জন্য ব্যবহৃত ভাষা হলো COBOL.

উচ্চতর ভাষা (High Level Language):

- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে। 

উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫০.
ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে কী বলা হয়?
  1. ডিবাগিং
  2. সর্টিং
  3. ফাইন্ডিং
  4. সার্চিং
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজে বর্ণ ও সংখ্যার অনুক্রম হিসেবে তথ্য বাছাই বিন্যাসকে সর্টিং বলা হয়। 

• ডেটাবেজ সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়। ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না। 
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫১.
কোনটি ব্যাতিক্রম?
  1. ক) Adobe Premiere Pro
  2. খ) Adobe Photoshop
  3. গ) Adobe Illustrator
  4. ঘ) Adobe InDesign
ব্যাখ্যা
Adobe Premiere Pro ভিডিও এডিটিং এর জন্য এবং বাকিগুলো Graphics তৈরি, এডিট ও পাবলিশের জন্য ব্যবহৃত হয়।
৩,১৫২.
100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 46
  2. খ) 54
  3. গ) 37
  4. ঘ) 27
ব্যাখ্যা
• 100101 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 37.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
100101
= 1×25 + 0×24 + 0×23 + 1×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+0+0+4+0+1
= 37

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৫৩.
কোনটি ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ?
  1. XQuery
  2. OQL
  3. LINQ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
XQuery
XQuery is a database language that allows you to extract and manipulate data in XML formats, which is a way to share data on the internet. You can use XQuery to access and retrieve any data source in an XML format. With XQuery, you can generate reports on data within an XML database, search text documents on the web for data and extract data for use online.

OQL
OQL, which stands for Object Query Language, is the standard language for object-oriented databases, which represent data as variables, functions or data structures. These databases are popular with companies that want to store large amounts of complex data. Much like SQL does in relational databases, OQL gives you the option to perform queries and retrieve data in object databases.

LINQ
LINQ, or Language Integrated Query, is a language that extracts and processes data from XML documents, relational databases and other third-party sources. With LINQ, you can access data through various sources without having to use a separate database language for each one. This ensures consistency among queries for objects, relational databases and XML, allowing you to filter, order and group operations.

source - indeed website
৩,১৫৪.
সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার ইউনিট নয় কোনটি?
  1. নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
  2. সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম
  3. ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট সিস্টেম
  4. অপারেটিং সিস্টেম প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার:
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত।
যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার:
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে।
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত।
যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
৩,১৫৫.
নিচের কোনটি বাংলা লেখার সফটওয়্যার?
  1. ক) বিজয়
  2. খ) সুলেখা
  3. গ) সুতনী
  4. ঘ) রুপসা
ব্যাখ্যা
- বিজয় হচ্ছে বাংলা লেখার সফটওয়্যার।
- বিজয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার ব্যবহারে মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং আরও অনেকগুলি সহ বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করা যায়।
- Mustafa Jabbar এর তৈরি ২০০৯ সালে রিলিজ হওয়া Bijoy Bayanno একটি unicode ভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি [লিংক]
৩,১৫৬.
5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?
  1. 5y + 1
  2. 52y + 3
  3. 5y
  4. 125
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 5y + 5y + 5y + 5y + 5y এর মান কত?

সমাধান:
5y + 5y + 5y + 5y + 5y
= 5y(1 + 1 + 1 + 1 + 1)
= 5y . 51
= 5y + 1

৩,১৫৭.
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সাধারণত কী কাজ করে?
  1. কম্পিউটারের মূল নিয়ন্ত্রণ পরিচালনা করা
  2. কম্পিউটার সংক্রান্ত ত্রুটি বের করা
  3. মাইক্রোপ্রসেসর ডিজাইন করা
  4. ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা করা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়। কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়‍্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, FoxPro, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৮.
নিচের কোনটি উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. COBOL
  2. ORACLE
  3. HTML
  4. SQL
ব্যাখ্যা
COBOL একটি উচ্চতর ভাষা।

• উচ্চতর ভাষা (High Level Language):
- উচ্চতর ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চতর ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- এরপর কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• উচ্চস্তরের ভাষাকে দুভাগে ভাগ করা যায়:
(১) সাধারণ কাজের (General purpose) ভাষা ও
(২) বিশেষ কাজের (Special purpose) ভাষা।

- যে ভাষা সব ধরনের কাজের জন্য ব্যবহার হয় তাকে সাধারণ কাজের ভাষা বলে। যেমন- বেসিক, সি, প্যাসকল ইত্যাদি।
- যে ভাষা শুধু বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার হয় তাকে বিশেষ কাজের ভাষা বলে। যেমন- কোবল, ফোরট্রান।

• বিশেষ কাজের ভাষাকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়:
- বাণিজ্যিক প্রয়োগের ভাষা কোবল।
- বৈজ্ঞানিক প্রয়োগের ভাষা ফরট্রান।
- বহুপ্রয়োগের ভাষা বেসিক, ফরট্রান, এ্যাডা ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
খ) ORACLE - ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ সফটওয়্যার এবং ভাষা।
গ) HTML - ওয়েব পেজ তৈরির জন্য মার্কআপ ভাষা,
ঘ) SQL - ডাটাবেজ ব্যবস্থাপনার জন্য বিশেষ ভাষা।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৯.
কোন এক্সেল ফিচার ব্যবহার করে বড় ডেটা দ্রুত সারসংক্ষেপ করা যায়?
  1. Conditional Formatting
  2. AutoFill
  3. Pivot Table
  4. Chart Wizard
ব্যাখ্যা

• বড় ডেটা দ্রুত সারসংক্ষেপ করার জন্য এক্সেলে সবচেয়ে কার্যকর ফিচার হলো Pivot Table। Pivot Table ব্যবহার করে আমরা বিভিন্ন কালের, বিভাগের বা মানের ভিত্তিতে ডেটাকে সংক্ষিপ্তভাবে উপস্থাপন করতে পারি। এটি আমাদের সংখ্যা, যোগফল, গড়, কাউন্ট ইত্যাদি সহজভাবে বিশ্লেষণ করতে সাহায্য করে। এছাড়া Pivot Table ব্যবহার করে একাধিক স্তরে ডেটা সাজানো, ফিল্টার করা এবং গ্রুপ করা যায়, যা বড় ডেটাসেটের মধ্যে প্যাটার্ন বা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দ্রুত চিহ্নিত করতে সহায়ক। অন্য ফিচার যেমন Conditional Formatting, AutoFill বা Chart Wizard মূলত ভিজ্যুয়ালাইজেশন বা ডেটা পূরণের কাজে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ডেটার সারসংক্ষেপ বা বিশ্লেষণে Pivot Table সবচেয়ে কার্যকর।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-

• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৬০.
কোন কম্পিউটার মেমোরি Volatile?
  1. SSD
  2. HDD
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা
• RAM হচ্ছে Volatile Memory.
- বিদ্যুৎ চলে গেলে যে মেমরি এর তথ্য মুছে যায় তাকে ভোলাটাইল মেমোরি বলে।

• র‍্যাম (RAM):
- RAM-এর পুরো অর্থ Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• র‍্যাম (RAM) মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায়না তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।
যেমন- ROM, SSD, HHD ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬১.
কোনো ডাটাবেজের রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশকে কী বলে? 
  1. ফাইল
  2. ফিল্ড
  3. রেকর্ড
  4. টেবিল
ব্যাখ্যা
ফিল্ড: 
রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডেটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডেটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। 
- প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।
- কলামের একটি সেলের (Cell) ডেটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরাে কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডেটা। 

রেকর্ড: 
- অনেকগুলাে ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। 
- সাধারণভাবে পুরাে একটি রাে বা সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। 
- যদি কোনাে টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। 

ফাইল: 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে একটি ডেটাবেজ ফাইল তৈরী করা যায়। 
- একটি ফাইলে অসংখ্য রেকর্ড রাখা যায়। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬২.
কম্পিউটারের কাজের গতি কী দ্বারা প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) ঘণ্টা
  2. খ) সেকেন্ড
  3. গ) ন্যানোসেকেন্ড
  4. ঘ) মিনিট
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার অবিশ্বাস্য দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- কম্পিউটারের এই দ্রুতগতিসম্পন্ন হিসাবের কাজকে মিলিসেকেন্ড, মাইক্রোসেকেন্ড, ন্যানোসেকেন্ড এবং পিকোসেকেন্ড ইত্যাদি সময়ের একক হিসেবে ভাগ করা যায়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম
৩,১৬৩.
নিচের কোনটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. Joomla
  2. Kaspersky
  3. McAfee
  4. Avira
ব্যাখ্যা
• Joomla হচ্ছে Content Management System (CMS).

• অ্যান্টিভাইরাস (Anti Virus) সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস। 
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। 
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে। 

• কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- Symantec, 
- McAfee, 
- AVG Anti-Virus, 
- Avira, 
- AVAST Anti-Virus, 
- TREND micro, 
- ESET NOD32, 
- Kaspersky Anti-Virus, 
- Microsoft Security Essential, 
- ZoneAlarm Anti-Virus, 
- Cobra Anti-Virus, 
- Bitdefender, 
- Norton Anti-Virus, 
- Panda Anti-Virus, 
- PC Tools Anti-Virus etc. 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩,১৬৪.
নিম্নের কোন হার্ডডিস্ক ড্রাইভের ডেটা ট্রান্সফার রেট সর্বাধিক?
  1. PATA
  2. IDE
  3. SCSI
  4. SATA
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলাে হলাে :
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
২. সাটা (SATA)হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ

IDE/PATA ড্রাইভগুলো 133 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640 MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল ২০২১ সংস্করণ)
৩,১৬৫.
কম্পিউটার বুট করতে হলে কোনটির প্রয়োজন অপরিহার্য?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. ক্যাশ মেমরি
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বুট করা মানে হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার পর ধাপে ধাপে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার লোড করে কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়া। এই প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)।

- কম্পিউটার চালু হলে BIOS বা UEFI প্রথমে কাজ শুরু করে এবং তারপরে অপারেটিং সিস্টেম খুঁজে নিয়ে RAM-এ লোড করে। অপারেটিং সিস্টেম না থাকলে কম্পিউটার চালু হলেও ব্যবহারযোগ্য অবস্থায় আসবে না — মানে, আপনি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবেন না।

- হার্ডডিস্ক: সাধারণত অপারেটিং সিস্টেম হার্ডডিস্কে থাকে, তবে এটা অপরিহার্য নয় কারণ অপারেটিং সিস্টেম পেনড্রাইভ বা নেটওয়ার্ক থেকেও লোড করা যেতে পারে।
- ক্যাশ মেমরি: এটি বুটিংয়ের জন্য আবশ্যক নয়, এটি পারফরম্যান্স বাড়ায়।
- অপারেটিং সিস্টেম: এটাই অপরিহার্য, কারণ এটা ছাড়া কম্পিউটার কার্যকরভাবে চলতে পারে না।

• অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্ব:
- অপারেটিং সিস্টেম হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধনকারী সফটওয়্যার।
- এটি অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের মতোই একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার বুট করতে পারে না, তাই এটি কম্পিউটার পরিচালনার জন্য অপরিহার্য।
- কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা ও জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার চালু করা (বুটিং) থেকে বন্ধ করা পর্যন্ত প্রতিটি কার্যক্রম অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- এটি কম্পিউটারের ব্যবহার সহজ ও দক্ষ করে তোলে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও হার্ডওয়্যার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- হার্ডওয়্যার থাকা সত্ত্বেও অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যকর হয় না।
- এটি ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থাপনা, এবং প্রোগ্রাম পরিচালনার মাধ্যমে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৬.
সংখ্যা পদ্ধতি মোট কত প্রকার?
  1. ক) ২ প্রকার
  2. খ) ৩ প্রকার
  3. গ) ৪ প্রকার
  4. ঘ) ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) এবং 
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা কিংবা হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাই দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 10.
- (101)10, (98.73)10 ইত্যাদি হলো দশমিক সংখ্যার উদাহরণ। 

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- (110)2, (1101)ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- (101)8, (731)8 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যার উদাহরণ।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16.
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F। 
- (151)16, (1B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৬৭.
BIOS হলো-
  1. ক) হার্ডওয়ার
  2. খ) সফটওয়ার
  3. গ) ফার্মওয়ার
  4. ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা

ফার্মওয়ার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়ার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS ( Basic Input Output System)।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৩,১৬৮.
বর্তমানে সবচেয়ে প্রচলিত কীবোর্ড কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) জেমস গসলিং
  2. খ) স্টিভ জব
  3. গ) মারটিন কুপার
  4. ঘ) ক্রিস্টোফার ল্যাথাম সলস
ব্যাখ্যা
Christopher Latham Sholes was an American inventor who invented the QWERTY keyboard.
Christopher Latham Sholes has been called the "Father of the Typewriter." Although he did not invent it, he did develop the first practical commercial machine. Sholes also developed the Qwerty keyboard that is still in use today.
Source: Taken from Wiki and Verified from MIT and Britannica.
৩,১৬৯.
ইউনিকোড ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. শুধু ইংরেজি ভাষা প্রদর্শন করার জন্য
  2. সংখ্যার জন্য কোড তৈরি করা
  3. মেমোরিতে স্পেস কমানোর জন্য 
  4. বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর ও চিহ্ন উপস্থাপন করা
ব্যাখ্যা

ইউনিকোড (Unicode) হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা বিশ্বের সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা ও প্রতীককে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে।

ইউনিকোড উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩,১৭০.
What does the "Ctrl + Z" keyboard shortcut typically do?
  1. Copy the selected text
  2. Redo the last undone action
  3. Save the current file
  4. Undo the last action
ব্যাখ্যা
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কীবোর্ডের বিভিন্ন কী এর কাজসমূহ-
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl+ B : টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C : সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য (center alignment)।

Ctrl + F : যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L : Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।

Ctrl + O : আগের থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S : বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট (paste) করার জন্য।
Ctrl + X : যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট (shortcut) ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
৩,১৭১.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. মেমরি কার্ড
  2. ডিভিডি ডিস্ক
  3. হার্ড ডিস্ক
  4. ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার তার পেরিফেরাল ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত যে সকল ডিভাইসকে উপাত্ত তথ্য ও নির্দেশমালা সংরক্ষনের কাজে ব্যবহার করে সে সকল ডিভাইসকে স্টোরেজ ডিভাইস বা স্টোরেজ পেরিফেরালস বলে।

- হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট—এগুলো মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
- অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইসের মধ্যে আছে সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক
- মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি)—এগুলো ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইসের মধ্যে পড়ে।

[সূত্র: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই এবং কালের কন্ঠ পত্রিকা]
৩,১৭২.
ইউএসবি বাসের মাধ্যমে ডাটা কীভাবে স্থানান্তরিত হয়?
  1. সিরিয়াল ট্রান্সমিশনে
  2. প্যারালাল ট্রান্সমিশনে
  3. ওয়্যারলেস সিগন্যালের মাধ্যমে
  4. হাফ-ডুপ্লেক্স কমিউনিকেশন
ব্যাখ্যা

USB বাসের মাধ্যমে ডেটা সিরিয়াল পদ্ধতিতে চলাচল করে।

• USB বাস:
- USB-এর পূর্ণ অর্থ হলো Universal Serial Bus.
- ১৯৯৮ সাল থেকে ইন্টেল মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি কম্পিউটারগুলোতে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হচ্ছে।
- এই বাস দিয়ে সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা চলাচল করে।
- USB বাস অন্যান্য বাসের তুলনায় কম গতিতে তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে কিন্তু এটি প্রচলিত সিরিয়াল বাসের তুলনায় অনেকটা উন্নত।

• এ ধরনের বাসের সুবিধাগুলো নিম্নরূপ:
১। বাসের মধ্য দিয়ে একই গতিতে ডেটা চলাচল করে। ফলে যেসব ডিভাইসের মধ্যে একই গতিতে ডেটা চলাচলের প্রয়োজন হয় সেসব ক্ষেত্রে এ ধরনের বাস ব্যবহার করা হয়।
২। এ ধরনের বাসে একসাথে অনেকগুলো যন্ত্রের সংযোগ প্রদান করা যায়।
৩। USB বাস পেরিফেরাল যন্ত্রগুলো হতে সিপিইউতে দ্রুতগতিতে ডেটা আদান-প্রদানে সহায়তা করে ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৭৩.
110011001 এর 1's Complement-
  1. 110011001
  2. 001100110
  3. 001100000
  4. 110011111
ব্যাখ্যা
আমরা জানি,
1 এর পরিপূরক মানে 0 এর স্থলে 1 এবং 1 এর স্থলে 0 হবে।
'110011001' এর ১ এর পরিপূরক হবে 001100110
৩,১৭৪.
ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়-
  1. F5
  2. F3
  3. F7
  4. F11
ব্যাখ্যা
ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়। 

♦কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,১৭৫.
ফায়ারওয়াল ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য কি?
  1. ভাইরাস ধ্বংস করা
  2. ডাটা এনক্রিপ্ট করা
  3. পাসওয়ার্ড সংরক্ষণ করা
  4. নেটওয়ার্ক ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

◉ ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও প্রস্থানকারী ট্রাফিক পর্যবেক্ষণ ও নিয়ন্ত্রণ করে। এটি অননুমোদিত অ্যাক্সেস ব্লক করে এবং নির্দিষ্ট নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী ডেটা প্রবাহ পরিচালনা করে।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৭৬.
একটি ফাইল কোনো Drive এ save করার জন্য-
  1. ক) Save
  2. খ) Save as
  3. গ) Close
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• একটি ফাইল কোন Drive এ save করার জন্য Save as নির্বাচন করতে হয়।
- ডকুমেন্টে লিখিত অনুচ্ছেদটি সংরক্ষণের জন্য Ctrl + S কী, কিংবা File মেনু থেকে Save as সাবমেনু নির্বাচন করতে হয়।
- প্রাপ্ত Save as ডায়ালগ বক্সের Save in বক্সে My Documents ফোল্ডার নির্বাচন পূর্বক File name টেক্সট বক্সে ফাইলের নাম লিখে Save বাটনে ক্লিক করতে হবে।
- ফলে ডকুমেন্টটি C ড্রাইভের অধীনে My Documents ফোল্ডারে সংরক্ষিত হবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৭.
কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোনটি?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. কোবরা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস: 
- এন্টিভাইরাস বলতে সাধারণভাবে কম্পিউটারের ভাইরাস রোধ করার জন্য ব্যবহৃত একধরনের প্রোগ্রামকে বোঝায়। 
- এটি কম্পিউটারের সংরক্ষণ এলাকা বা হার্ডডিস্ক বা যে কোন রিমুভেবল ডিস্ক হতে ভাইরাস সনাক্তকরণ, প্রতিরোধ ও প্রতিকার করতে পারে। 
- এন্টিভাইরাস হলো সেই সফটওয়্যার যা ম্যালওয়‍্যারের সাথে সম্পৃক্ত সফটওয়‍্যারকে কম্পিউটারে অনুপ্রবেশে বাধা প্রদান করে। 
- ব্রাউজারের দুর্বলতা, প্লাগইনস, বিভিন্ন প্রকার লেনদেনে এবং অপারেটিং সিস্টেম প্রভৃতির জন্য এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার থাকা প্রয়োজন। 
- আবার ব্যবহারকারী যদি অনলাইনে লেনদেন করেন তাহলে তার পিসিতে এন্টিভাইরাস থাকা অবশ্যই প্রয়োজন, এখন অনেক এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার লেনদেনের সিকিউরিটি দিয়ে থাকে। 
- কয়েকটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রামের নিচে দেয়া হলো- 
• কাসপারস্কি, 
• ম্যাকফি, 
• নরটন, 
• পিসিসিলিন, 
এভিজি
অ্যাভাস্ট
• ই-সেট, 
• ই-স্ক্যান, 
কোবরা ইত্যাদি। 

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
৩,১৭৮.
SR ফ্লিপ-ফ্লপ-এ SR বলতে কী বোঝায়?
  1. Set and Reset
  2. Set and Run
  3. Shift and Reset
  4. Switch and Reset
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

SR ফ্লিপ-ফ্লপ:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ সবচেয়ে সরলতম ফ্লিপ-ফ্লপ হলো SR ল্যাচ বা SET-RESET বা SR ফ্লিপ-ফ্লপ।
- দুটি ন্যান্ড (NAND) গেইট অথবা নর গেইট (NOR) এমনভাবে যুক্ত থাকে যে একটির ইনপুট অন্যটির আউটপুটের সাথে সংযুক্ত অর্থাৎ ক্রস কাপলড (Cross Coupled) ভাবে সংযুক্ত থাকে।
- ন্যান্ড (NAND) বা নর (NOR) গেইট ব্যবহার করে SR ল্যাচ তৈরি করা যেতে পারে।
- SR ল্যাচে আউটপুট অবস্থাকে 1 বা HIGH করাকে সেট এবং ০ বা LOW করাকে রিসেট বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৯.
কোন প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. তৃতীয় প্রজন্ম
  4. চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্ট্রর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য ভালবের পরিবর্তে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্ট্রর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।
- IBM-1400, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, NCR 300, GE 200 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৮০.
7-Zip মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ফাইল কম্প্রেশন
  2. ফটো এডিটিং
  3. ওয়েব ব্রাউজিং
  4. ভিডিও স্ট্রিমিং
ব্যাখ্যা
• 7-Zip মূলত ফাইল কম্প্রেশন বা ফাইল সংকোচনের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার, যা ব্যবহারকারীদের বড় আকারের ফাইল ছোট আকারে রূপান্তর করার সুবিধা দেয়, যাতে সংরক্ষণ এবং স্থানান্তর সহজ হয়। 7-Zip বিভিন্ন ফাইল ফরম্যাট যেমন ZIP, RAR, TAR এবং নিজস্ব 7z ফরম্যাটে ফাইল কম্প্রেস করতে পারে। এছাড়া এটি পাসওয়ার্ড প্রটেকশন ও এনক্রিপশন সাপোর্ট করে, যা ব্যবহারকারীদের ডেটা সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করে। ফটো এডিটিং, ওয়েব ব্রাউজিং বা ভিডিও স্ট্রিমিংয়ের সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) ফাইল কম্প্রেশন।


• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৩,১৮১.
কোন দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে?
  1. 84
  2. 88
  3. 86
  4. 82
ব্যাখ্যা

• "84" দশমিক সংখ্যা BCD 1000 0100 দিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে।

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হল একটি ৪-বিট বাইনারি সিস্টেম যা প্রতিটি দশমিক সংখ্যাকে আলাদা করে প্রকাশ করে। প্রতিটি ৪-বিটের গ্রুপ একটি দশমিক অঙ্ক নির্দেশ করে।
- BCD কোডের সুবিধা হলো এটি সরাসরি মানুষের পড়ার জন্য সহজ এবং ডিজিটাল সিস্টেমে অঙ্কগুলোর প্রতিফলন সহজ করে।
- BCD কোড 1000 0100 "84" দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৮২.
কোন এককের মাধ্যমে CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয়?
  1. বাইট
  2. হার্টজ
  3. বিট
  4. ভোল্ট
ব্যাখ্যা
• CPU-এর ক্লক স্পিড পরিমাপের একক হলো হার্টজ। 

• ক্লক স্পিড:
- একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার পরিমাণকে কম্পিউটারের ক্লক স্পিড বলা হয়। 

• মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Intel website. 
৩,১৮৩.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. অপটিক্যাল রিডার
  2. প্রিন্টার
  3. মনিটর
  4. CRT
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল রিডার (Optical Reader):
এই ধরনের যন্ত্র কোন পাঠ্য বিষয়কে আলোর সাহায্যে পড়ে থাকে।
বিশেষ ধরনের লিখিত চিঠিপত্র, ডকুমেন্টের উপর অপটিক্যাল রিডার ধরলে কম্পিউটার সেটা পড়ে মনিটরে ফলাফল প্রদর্শন করে।

বিভিন্ন ধরনের অপটিক্যাল রিডার হচ্ছেঃ
(1) Optical Mark Reader (OMR),
(2) Optical Character Recognition (OCR),
(3) Bar Code Reader/Recognition (BCR).

অপটিক্যাল রিডার হলো কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস।

সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

---------------------------------------
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম


• CRT হলো Cathode Ray Tube এর acronym। এর বাংলা ক্যাথোড রশ্মি নল। কম্পিউটার বা টিভির মনিটর হিসেবে পূর্বে এর বহুল প্রচলন ছিল। বর্তমানে CRT মনিটরের স্থান দখল করেছে LCD ও LED মনিটর।


সূত্রঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৩,১৮৪.
1100101 সংখ্যাটিকে ২এর পরিপূরক করলে নিচের কোন সংখ্যাটি আসবে?
  1. ক) 0011011
  2. খ) 1101001
  3. গ) 0011010
  4. ঘ) 0011001
ব্যাখ্যা
২ এর পরিপূরক করতে হলে একটি বাইনারি সংখ্যাকে প্রথমে ১এর পরিপূরক করতে হবে তারপর এই ১এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করতে হবে।

1100101
0011010 - ১এর পরিপূরক
+         1
0011011
৩,১৮৫.
75E কোন ধরনের সংখ্যা?
  1. ক) ডেসিমাল
  2. খ) অকটাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমাল
  4. ঘ) বাইনারি
ব্যাখ্যা

- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলোঃ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- তাই 75E সংখ্যাটি হেক্সাডেসিমাল।

৩,১৮৬.
নিচের কোনটি কোনটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ক) RAM
  2. খ) PROM
  3. গ) Floppy Disk
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা
সাহায্যকারী বা সেকেন্ডারি মেমোরি:
প্রোগ্রাম এবং ডেটা স্থায়ীভাবে ধারণ করতে এই স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
এটা অপেক্ষাকৃত বড় স্মৃতি অংশ ।
RAM বা মূল স্মৃতিতে কোনো তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে না।
কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। শুধুমাত্র ROM এ তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে।
সেজন্য মূল স্মৃতি বা RAM কে সাহায্য করার জন্য কতকগুলো স্মৃতি স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে যাতে প্রয়োজন অনুসারে RAM সেসব স্মৃতি থেকে তথ্য নিতে পারে। আর এই সব স্মৃতিকে সাহায্যকারী স্মৃতি বলে।
যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, চুম্বকীয় টেপ CD, DVD ইত্যাদি সাহায্যকারী স্মৃতি হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
৩,১৮৭.
CPU তে রেজিস্টারের কাজ কী?
  1. ডাটা দীর্ঘসময় সংরক্ষণ করা
  2. কম্পিউটারের পাওয়ার সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করা
  3. অপারেশনের ফল সাময়িকভাবে জমা রাখা
  4. ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা
CPU তে রেজিস্টার অপারেশনের ফল সাময়িকভাবে জমা রাখে।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে -
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রণ করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল ইউনিট ROM ও RAM-এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করে এবং কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৩,১৮৮.
কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে কী বলে?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. ডিকোডার
  4. অ্যান্ড গেইট
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে অ্যাডার।
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

• ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দুই ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ-অ্যাডার ও
২. ফুল-অ্যাডার।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডকে মানুষের বোধগম্য ফরম্যাটে রূপান্তরিত করে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৮৯.
কোন কোম্পানি সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করে?
  1. মাইক্রোসফট
  2. অ্যাপল
  3. আইবিএম
  4. ইন্টেল
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,১৯০.
Embedded System এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কী?
  1. High Processing Power
  2. Real-time Response
  3. Large Storage
  4. User Interface
ব্যাখ্যা
◉ Embedded System হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো Real-time Response – অর্থাৎ ইনপুট বা ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত সঠিক আউটপুট দেওয়া। যেমন: গাড়ির ব্রেক কন্ট্রোল সিস্টেম, পেসমেকার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর Real-time Response বা রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া, যেখানে এটি দ্রুত ইনপুট গ্রহণ করে এবং সময়মতো সঠিক আউটপুট প্রদান করে।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 
৩,১৯১.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে কী বলা হয়?
  1. ক) Pull
  2. খ) Pop
  3. গ) Push
  4. ঘ) Array
ব্যাখ্যা
স্ট্যাকের দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
স্ট্যাকে ডেটা রাখাকে বলা হয় Push এবং স্ট্যাক হতে ডেটা তুলে নেয়াকে বলা হয় Pop.
৩,১৯২.
নিচের কোনটি ডেটাবেইজ সফটওয়্যার?
  1. MS outlook
  2. Corel DRAW
  3. ORACLE
  4. MS word
ব্যাখ্যা
DBMS
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা  করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

DBMS এর প্রধান ৩ টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন,
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

কয়েকটি DBMS:
- MICROSOFT Access,
ORACLE,
- MySQL,
- Microsoft SQL Server,
- SQLite,
- Postgre SQL.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,১৯৩.
ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করতে কোন ফাংশন কী ব্যবহার হয়?
  1. F9
  2. F10
  3. F11
  4. F12
ব্যাখ্যা
F11 ফাংশন কী ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।

- কী-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
- এর মধ্যে কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।

• ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
৩,১৯৪.
Which keyboard command can be used to reboot a computer in Windows?
  1. Ctrl + Alt + Shift
  2. Ctrl + Shift + Del
  3. Ctrl + Alt + Tab
  4. Ctrl + Alt + Del
ব্যাখ্যা
• Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।

- Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
- Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়। 
- Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
C - Copy relative path,
N - Go to symbol,
H - Pop up Hector,
V - paste simple,
L - Format file,
I - Run inspection by name.

উৎস: Microsoft website.
৩,১৯৫.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. FreeBSD
  2. Notepad++
  3. Debian
  4. CentOS
ব্যাখ্যা
• উত্তর: খ) Notepad++
অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং কম্পিউটারের সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। FreeBSD, Debian এবং CentOS - এই তিনটি হলো ভিন্ন ভিন্ন ধরনের ইউনিক্স-ভিত্তিক বা লিনাক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, যা সার্ভার ও ডেস্কটপে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু Notepad++ একটি টেক্সট এডিটর, যা শুধুমাত্র উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়। এটি কোড লেখার জন্য একটি ইউজার-লেভেল সফটওয়্যার। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: Notepad++ কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৬.
নিচের কোনটি বিশেষ গেইট?
  1. XOR
  2. XNOR
  3. NAND
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• বিশেষ গেইট:
- XOR গেইট এবং XNOR গেইটকে বিশেষ গেইট বলা হয়।

• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
- মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়।

• এক্স নর গেইট বা Exclusive NOR (XNOR) Gate:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৭.
ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায় - 
  1. ১০-৯ সেকেন্ড
  2. ১০-৬ সেকেন্ড
  3. ১০-১৩ সেকেন্ড
  4. ১০-১২ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা


কম্পিউটার: 

- কম্পিউটার এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট হার্ডওয়্যারের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ কেন্দ্রিয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাহায্যে প্রক্রিয়াকরণ করে আউটপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে ফলাফল প্রদান করে থাকে। 
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র। 
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়। 
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে। 
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়। 
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে। 
- ন্যানোসেকেন্ড বলতে বোঝায় এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ বা ১০-৯ সেকেন্ড। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৮.
কোনটি সম্পর্কযুক্ত?
  1. ক) ১৯৪৭: ট্রানজিস্ট্রর
  2. খ) ১৯৫৮: ইন্টিগ্র্যাটেড সার্কিট
  3. গ) ১৯৭১: মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ট্রানজিস্টর আবিষ্কৃত হয় ১৯৪৭ সালে।
ইন্টিগ্র্যাটেড সার্কিট আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৮ সালে।
মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কৃত হয় ১৯৭১ সালে।

৩,১৯৯.
হাইপারলিংক (Hyperlink) কী?
  1. ক) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত ছবি।
  2. খ) ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক।
  3. গ) ডাটা এনক্রিপ্টিং মেথড।
  4. ঘ) ওয়েবপেজের তথ্য সাজানোর টুল
ব্যাখ্যা
হাইপারলিংক (Hyperlink)
কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করা হলে সেটাকে হাইপার লিংক বলে।
- এর মাধ্যমে ওয়েবপেজে প্রদর্শিত টেক্সট বা ছবির লিংক করা হয়,
- লিংক এ ক্লিক করলে অন্য আরেকটি ওয়েবপেজে নিয়ে যায়।
৩,২০০.
ব্যবহারকারী ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে কী বলা হয়?
  1. Command Prompt
  2. API
  3. Scheduler
  4. Shell
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে যে ইন্টারফেস কাজ করে তাকে Shell বলা হয়। Shell হলো একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণ করে এবং সেই ইনপুট অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেমের কোর বা কERNEL-কে নির্দেশ পাঠায়। এটি ব্যবহারকারীর জন্য একটি ইন্টারফেস সরবরাহ করে যার মাধ্যমে কমান্ড দিয়ে বিভিন্ন কাজ যেমন ফাইল তৈরি, মুছে ফেলা, প্রোগ্রাম চালানো ইত্যাদি করা যায়। Shell দুটি রূপে থাকতে পারে: কমান্ড-লাইন ইন্টারফেস (CLI) যেমন Bash বা Graphical User Interface (GUI)। এটি মূলত ব্যবহারকারী ও সিস্টেমের মধ্যে একটি অনুবাদক হিসেবে কাজ করে। সঠিক উত্তর: ঘ) Shell.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Command Prompt:
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

- API (Application Programming Interface):
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Scheduler:

- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।