ব্যাখ্যা
A,B,C,D ইনপুট যোগ করলে আউটপুট = A+B+C+D
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৩ / ৮২ · ২০১–৩০০ / ৮,১৪১
• Unicode মূলত সব ভাষার অক্ষরের জন্য একটি এঙ্কোডিং স্ট্যান্ডার্ড সরবরাহ করে। এটি এমন একটি আন্তর্জাতিক মান, যা পৃথিবীর প্রায় সব ভাষার বর্ণমালা, প্রতীক, সংখ্যা এবং বিশেষ চিহ্নগুলোকে একটি অভিন্ন কোডে উপস্থাপন করে। Unicode ব্যবহারের মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন প্ল্যাটফর্ম, ডিভাইস এবং সফটওয়্যারে একই অক্ষর একইভাবে প্রদর্শিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, ইংরেজি, বাংলা, আরবি বা চীনা—সব ভাষার জন্য আলাদা আলাদা কোড পয়েন্ট Unicode-এ নির্ধারিত আছে। এর ফলে বহুভাষিক ডকুমেন্ট তৈরি, ওয়েব কনটেন্ট প্রকাশ এবং ডেটা বিনিময় সহজ হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।
ইউনিকোড (Unicode):
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলতঃ ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬ বা ২০ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- ইউনিকোড হল একটি আন্তর্জাতিক অক্ষর-এনকোডিং সিস্টেম। এটি আধুনিক এবং প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার লিখিত পাঠ্যের ইলেকট্রনিক আদান-প্রদান, প্রক্রিয়াকরণ এবং প্রদর্শনে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ ১৯৯১ সালে প্রবর্তিত হয়েছিল। এর সর্বশেষ সংস্করণে ১০০,০০০-এরও বেশি অক্ষর রয়েছে।
- ইউনিকোডের আগে অসংখ্য এনকোডিং সিস্টেম ছিল, যার মধ্যে ASCII অন্যতম।
- ইউনিকোডের বিশেষত্ব হল এর প্রতিটি অক্ষরের জন্য দেওয়া ইউনিক নম্বর যেকোনো সিস্টেমে একই থাকে, যা ইউনিকোড সমর্থন করে।
উৎস: ১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।
• ফায়ারওয়াল প্রধানত একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি নেটওয়ার্কে আসা এবং যাওয়া ডেটা ট্রাফিককে পর্যবেক্ষণ করে এবং নির্ধারিত নিরাপত্তা নীতিমালা অনুযায়ী অনুমোদিত এবং অননুমোদিত সংযোগ পৃথক করে। ফায়ারওয়াল হ্যাকিং, ম্যালওয়্যার আক্রমণ, এবং অন্যান্য সাইবার হুমকি থেকে নেটওয়ার্ককে সুরক্ষা দেয়। এটি ইন্টারনেট এবং অভ্যন্তরীণ নেটওয়ার্কের মধ্যে একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করে, যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যবহারকারীরাই সংযোগ করতে পারে। ফলে, ফায়ারওয়াল নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ।
- সঠিক উত্তর: ক) নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করতে।
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• MIPS বোঝায় প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কত মিলিয়ন নির্দেশনা সম্পাদন করে।
• MIPS:
- MIPS (Million Instructions Per Second) হলো কম্পিউটারের প্রসেসিং গতি পরিমাপের একটি একক, যা দিয়ে একটি কম্পিউটারের প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে কত মিলিয়ন নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে তা নির্ধারণ করা হয়।
- এটি বিশেষ করে RISC (Reduced Instruction Set Computer) প্রসেসরগুলোর কার্যক্ষমতা মূল্যায়নের জন্য জনপ্রিয় ছিল, যদিও বর্তমানে প্রসেসরের গতি MHz বা GHz এককে পরিমাপ করা হয়।
- যদিও MIPS সাধারণ কম্পিউটার পারফরম্যান্স নির্দেশ করে, এটি সবসময় নির্ভুল উপায় নয়, কারণ প্রসেসরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে নির্দেশনার ধরন, ক্যাশ মেমোরি ও সফটওয়্যারের অপটিমাইজেশনের ওপর।
- এটি একটি পুরনো কিন্তু কার্যকর পরিমাপ পদ্ধতি, যা কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি সরাসরি নির্দেশ করে।
- একটি প্রসেসরের MIPS রেটিং যত বেশি, তার ডেটা প্রসেসিং ক্ষমতা তত বেশি।
উৎস: IEEE & ACM Digital Library.
10101
1101
100010
• ব্রাউন আউট হলো বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজ কমে যাওয়ার একটি সমস্যা, যা কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর।
• হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ:
- মাইক্রোকম্পিউটার, ডেস্কটপ, নোটবুক ও ল্যাপটপসহ সকল প্রকার কম্পিউটারের সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা, ট্রাবলশুটিং এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইনস্টল ও আন-ইনস্টল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলে।
- কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ মূলত দুই প্রকার—হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ এবং সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ।
• হার্ডওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণের নিয়ামক:
- তাপমাত্রা।
- কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা।
- বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা।
- ময়লা ও দূষণ।
- নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ।
• বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে সরাসরি লাইনে অথবা ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজার, ইউপিএস বা আইপিএস-এর মাধ্যমে সংযুক্ত করা যায়।
- খুব বেশি বা খুব কম ভোল্টেজের কারণে কম্পিউটারের ইলেকট্রনিক বর্তনী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
- বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
• বিদ্যুৎ সরবরাহ সমস্যা:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইনে সাধারণত চার ধরনের সমস্যা দেখা দেয়—
- ব্রাউন আউট (Brown Out),
- ব্ল্যাক আউট (Black Out),
- ট্রান্সিয়েন্ট (Transient),
- নয়েজ (Noise)।
• ব্রাউন আউট (Brown Out):
- পরিকল্পিত বা অপরিকল্পিত কারণে সরবরাহ লাইনে ভোল্টেজ কমে যাওয়াকে ব্রাউন আউট বলে।
- সাধারণত অতিরিক্ত বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে অক্ষমতার কারণে এ সমস্যা ঘটে।
- এ অবস্থায় কম্পিউটার বন্ধ রাখা উচিত।
• অন্যান্য অপশন:
- কোল্ড বুট → কম্পিউটার সম্পূর্ণ বন্ধ অবস্থা থেকে পুনরায় চালু করার প্রক্রিয়া।
- ডিস্ক ফ্র্যাগমেন্টেশন → হার্ডডিস্কে ডেটা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে সংরক্ষিত হওয়ার অবস্থা।
- ফাইল কমপ্রেশন → ফাইলের আকার কমানোর প্রক্রিয়া।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটার ভাইরাস:
- ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
• কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
• কয়েকটি অ্যান্টি-ভাইরাসের নাম হলো:
- এভিজি,
- এভিরা,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
চীনে ABACUS নামক এক ধরণের গণনাযন্ত্রের ব্যবহার শুরু করা হয়। এরপর কাছাকাছি একটি যন্ত্রের ব্যবহার শুরু হয়, যার নাম SOROBON.
চীনের ABACUS এর উপরের দিকে ২টি সারি এবং SOROBON এর উপরের দিকে একটি সারি বিদ্যমান।
এইসকল যন্ত্র এখনো চীন, রাশিয়া এবং জাপানে ব্যবহার করা হয়।
গাণিতিক যুক্তি সম্পাদনে এইসকল যন্ত্র ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
- ইন্টারনেট হল সারা পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত, পরস্পরের সাথে সংযুক্ত অনেকগুলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সমষ্টি যা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত এবং যেখানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে ড্যাটা আদান-প্রদান করা হয়।
- ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট জন্ম হয়।
- ইন্টারনেটের জনক হিসাবে পরিচিত মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ।
- ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশে প্রথম ইন্টারনেটের জন্য ভিস্যাট (Very Small Aperture Terminal - VSAT) স্থাপন করা হয় এবং আই.এস.এন নামক একটি ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার বা আই.এস.পি (Internet Service Provider - ISP)-এর মাধ্যমে অনলাইন ইন্টারনেট সংযোগের বিস্তৃতি ঘটতে শুরু করে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া
• কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ইউনিট হলো RAM (Random Access Memory)। এটি এমন একটি অস্থায়ী মেমোরি যেখানে কম্পিউটার চালু অবস্থায় চলমান প্রোগ্রাম, ডেটা এবং নির্দেশনা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করা হয়। প্রসেসর খুব দ্রুত এই মেমোরি থেকে ডেটা পড়তে ও লিখতে পারে, তাই কম্পিউটারের গতি অনেকটাই RAM-এর উপর নির্ভর করে। কম্পিউটার বন্ধ করলে RAM-এ থাকা সব তথ্য মুছে যায়, এজন্য একে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়। অন্যদিকে SSD, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ এবং হার্ডডিস্ক স্থায়ী স্টোরেজ ডিভাইস, যা দীর্ঘ সময় ডেটা সংরক্ষণ করে রাখে। তাই কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি ইউনিট হিসেবে RAM-কেই ধরা হয়।
• RAM:
- RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাথমিক মেমোরি।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি (Volatile Memory) – অর্থাৎ, কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে RAM-এর তথ্য মুছে যায়।
- কম্পিউটার চালু থাকা অবস্থায় সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন এবং ডেটা RAM-এ লোড হয় যাতে CPU তা দ্রুত প্রসেস করতে পারে।
- CPU সরাসরি RAM থেকে তথ্য পড়ে এবং লেখে — তাই এটি প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
বিপরীতে,
- হার্ডডিস্ক, SSD, ও ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হল সেকেন্ডারি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Storage)। তারা তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে, কিন্তু CPU সেগুলো থেকে সরাসরি তথ্য সংগ্রহ করে না।
তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি -১ ; ৯ম ও ১০ম শ্রেণী (ভোকেশনাল)।
• ক্যাশ মেমোরির প্রধান ভূমিকা হলো সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা। এটি একটি ছোট, উচ্চ-গতি সম্পন্ন মেমোরি যা প্রসেসরের নিকটে অবস্থান করে এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা ও নির্দেশনাগুলি সংরক্ষণ করে। যখন সিপিইউ কোন কাজ সম্পাদন করতে চায়, তখন এটি প্রথমে ক্যাশে ডেটা খুঁজে দেখে। যদি প্রয়োজনীয় তথ্য ক্যাশে থাকে, তাহলে সিপিইউ তা দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে, যা প্রসেসিং সময় অনেক কমিয়ে দেয়। অন্যদিকে, প্রধান মেমোরি (RAM) থেকে ডেটা আনা তুলনামূলকভাবে ধীর। তাই ক্যাশ মেমোরি সিপিইউ ও র্যামের মধ্যে একটি দ্রুত মধ্যবর্তী স্তরের কাজ করে এবং সিপিইউর কার্যকারিতা বাড়ায়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) সিপিইউর প্রক্রিয়াকরণ গতি বৃদ্ধি করা।
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ডাটাবেজে Primary Key ব্যবহার করা হয়। এটি প্রতিটি টেবিলের জন্য একটি বিশেষ কলাম বা কলামসমষ্টি, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে। Primary Key-এর মাধ্যমে কোনো দুইটি রেকর্ডের মধ্যে একই মান থাকতে পারে না এবং এটি কখনো শূন্য (NULL) হতে পারে না। অন্যদিকে, Composite Key হল একাধিক কলামের সমন্বয়ে গঠিত একটি কী যা রেকর্ডকে অনন্য করে, কিন্তু এটি মূলত Primary Key-এর একটি ধরন। Foreign Key হলো অন্য টেবিলের Primary Key-কে নির্দেশ করে যা টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। Unique Key ও Primary Key দুটোই ইউনিক মান নিশ্চিত করে, তবে Unique Key NULL মান রাখতে পারে।
- তাই, রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত হলো Primary Key.
• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).
• প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।
উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain of the Computer) বলা হয়।
• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
• সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
◉ ডিজিটাল ক্যামেরা, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্টফোন → এগুলো Embedded System এর উদাহরণ। অন্যদিকে, ডেস্কটপ কম্পিউটার একটি General-Purpose Computer.
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly.
উৎস:
১। Indian Institute of Embedded Systems.
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট।
• NAND গেটের পাশাপাশি NOR গেটও ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে পরিচিত। ইউনিভার্সাল গেট বলতে এমন একটি গেট বোঝায় যা একটিমাত্র ধরণের ব্যবহার করে যে কোনো লজিক ফাংশন তৈরি করা যায়, যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদি। NOR গেটও NAND এর মতোই এই ক্ষমতা রাখে, কারণ এটি ব্যবহার করে আমরা NOT, OR এবং AND ফাংশন সহজেই রূপান্তর করতে পারি। উদাহরণস্বরূপ, NOR-এর আউটপুটকে আবার NOR করলে আমরা NOT ফাংশন তৈরি করতে পারি। তাই, শুধুমাত্র NOR ব্যবহার করেও জটিল ডিজিটাল সার্কিট ডিজাইন করা সম্ভব, যা এটিকে ইউনিভার্সাল গেট হিসেবে বৈশিষ্ট্যযুক্ত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ক) NOR.
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
অন্যদিকে,
• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.
• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
পণ্য লেনদেনের প্রকৃতি ও ধরন অনুসারে ই-কমার্সকে ৪ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- ব্যবসা থেকে ভোক্তা (B2C)
- ব্যবসা থেকে ব্যবসা (B2B)
- ভোক্তা থেকে ভোক্তা (C2C)
- ভোক্তা থেকে ব্যবসা (C2B)
• ব্যাকআপ ও রিকভারি টুল হলো সেই সফটওয়্যার বা সিস্টেম যা ডেটা সংরক্ষণ এবং হারিয়ে গেলে পুনরুদ্ধারের জন্য ব্যবহৃত হয়। তালিকায় দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে Windows মূলত একটি অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার পরিচালনা করে। অন্যদিকে Microsoft OneDrive, Dropbox, এবং Google Drive ক্লাউড-ভিত্তিক ব্যাকআপ এবং ফাইল রিকভারি টুল, যেখানে ব্যবহারকারী তার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করতে পারে এবং প্রয়োজনে পুনরায় ফিরে পেতে পারে। সুতরাং, সরাসরি ব্যাকআপ ও রিকভারি টুল হিসাবে Windows বিবেচিত হয় না। এটি শুধুমাত্র প্ল্যাটফর্ম বা পরিবেশ হিসেবে কাজ করে, যা ব্যাকআপ করার জন্য অন্য টুল ব্যবহার করতে সাহায্য করে।
• Backup and Recovery Tool:
পুনরায় dataগুলো রিকভার করতে অর্থাৎ ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর টুল ডাটা ব্যাকআপ রাখার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ডাটা ব্যাকআপ রাখার বিভিন্ন রকম টুল হল:
Google drive, Dropbox, Microsoft one drive ইত্যাদি।
• বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো-
- DOS,
- WINDOWS,
- UNIX,
- LINUX,
- Mac OS, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে তথ্যের মৌলিক ইউনিট হলো Qubit. সাধারণ কম্পিউটারে তথ্য সংরক্ষণের জন্য Bit ব্যবহার করা হয়, যা কেবল ০ বা ১ অবস্থায় থাকতে পারে। কিন্তু Qubit এক ধরনের কণা যা একই সময়ে ০ এবং ১ উভয় অবস্থায় থাকতে পারে, এই বৈশিষ্ট্যকে বলা হয় superposition। এছাড়াও, Qubit গুলি একে অপরের সাথে সংযুক্ত হতে পারে entanglement এর মাধ্যমে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংকে প্রচলিত কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী করে তোলে। এই বৈশিষ্ট্যগুলো কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম এবং জটিল সমস্যার সমাধানে অত্যন্ত কার্যকর। তাই Qubit হলো কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের মূল ভিত্তি।
সঠিক উত্তর: ক) Qubit.
• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।
- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।
উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) geeksforgeeks [link]
- NTT Docomo, Inc. একটি জাপানি মোবাইল ফোন অপারেটর।
- ২০০১ সালে এই প্রতিষ্ঠানটি প্রথমে পরীক্ষামূলকভাবে ৩য় প্রজন্মের মোবাইল ফোনের ব্যবহার শুরু করেন।
- 3G হল থার্ড জেনারেশন বা তৃতীয় প্রজন্ম-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি হল তৃতীয় প্রজন্মের তারবিহীন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি।
- এই প্রযুক্তিতে প্রতি সেকেন্ডে কমপক্ষে ২০০ কিলোবিট হারে তথ্য আদান প্রদান করা সম্ভব।
সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
সবচেয়ে দ্রূতগতির প্রিন্টার হলো লেজার প্রিন্টার। এ ধরণের প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপা হয়। লেজার প্রিন্টারে ছাপার গতি ও মান অত্যন্ত উন্নত এবং নিখুঁত।
[সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি]
• NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।
• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
উৎস: ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
◉ এমবেডেড কম্পিউটার হল বিশেষ ধরনের কম্পিউটিং সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়। IoT ডিভাইসগুলি সাধারণত ছোট, শক্তিশালী এবং কম শক্তি খরচ করে, যা এমবেডেড সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য।
উদাহরণস্বরূপ, স্মার্ট হোম ডিভাইস (যেমন স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট, স্মার্ট লাইট), ওয়্যারেবল ডিভাইস (যেমন ফিটনেস ট্র্যাকার), এবং শিল্প IoT ডিভাইসগুলি এমবেডেড কম্পিউটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।
ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IOT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IOT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।
IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে,
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে,
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়,
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।
• MySQL হচ্ছে জনপ্রিয় ওপেন সোর্স ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যেটি ওরাকল কর্পোরেশন এর দ্বারা ডেভলপ, ডিস্ট্রিবিউশন এবং সাপোর্ট করা হয়।
• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
◉ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হল একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারের ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক সফটওয়্যার সনাক্ত ও অপসারণ করে। তবে এটি হার্ডওয়্যার রিপেয়ার (Hardware Repair) করতে পারে না। হার্ডওয়্যার রিপেয়ার একটি ম্যানুয়াল বা বিশেষায়িত টেকনিক্যাল সার্ভিসের মাধ্যমে করা হয়, সফটওয়্যারের মাধ্যমে নয়।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
১. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন,
২. ভাইরাস স্ক্যানিং,
৩. সিগনেচার-ভিত্তিক ডিটেকশন,
৪. হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিস,
৫. অটোমেটিক আপডেট,
৬. ফায়ারওয়াল ইন্টিগ্রেশন, ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
সঠিক উত্তর : ঘ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
• Windows:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- Windows হলো একটি মাল্টি টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows একটি closed source অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
• মাইক্রোসফট কর্পোরেশন (Microsoft Corporation):
- মাইক্রোসফট কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যা ১৯৭৫ সালে বিল গেটস এবং পল অ্যালেন কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত।
- ওয়াশিংটনের রেডমন্ডে সদর দপ্তর অবস্থিত।
- এটি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ৩৬৫ (অফিস) স্যুট, এবং Azure ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী পরিচিত ।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Geeksforgeeks.
৩. Britannica [Link]
• ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করার ক্ষেত্রে পাইথনের সবচেয়ে জনপ্রিয় ফ্রেমওয়ার্ক হলো Django। এটি একটি উচ্চ-স্তরের ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক যা দ্রুত এবং নিরাপদভাবে ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করতে সাহায্য করে। Django “batteries included” নীতি অনুসরণ করে, যার মানে এটি ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট, ইউজার অথেন্টিকেশন, টেমপ্লেট ইঞ্জিন, এবং অ্যাডমিন ইন্টারফেসসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ফিচার দিয়ে আসে। PyQt এবং Kivy মূলত ডেস্কটপ বা মোবাইল অ্যাপ তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, আর NumPy শুধুমাত্র বৈজ্ঞানিক গণনা ও ডেটা প্রসেসিং লাইব্রেরি। তাই ওয়েব ডেভেলপমেন্টে Django সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত।
• পাইথন:
- পাইথন একটি জনপ্রিয় হাই-লেভেল, অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- এটি ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস, মেশিন লার্নিং, এবং বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী গিডো ভ্যান রসাম (Guido van Rossum) এই ভাষাটি তৈরি করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সহজ ও সংক্ষিপ্ত, তবে এর সমৃদ্ধ স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি রয়েছে যা প্রোগ্রামিংকে আরও সহজ করে তোলে।
- দ্রুত সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য পাইথন বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
- গুগল, নাসা, ফেসবুক, ইন্সটাগ্রামসহ বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠানগুলো পাইথন ব্যবহার করে।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE-এর সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- পাইথন বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে সমানভাবে কার্যকর, যেমন ক্লাউড-ভিত্তিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন, ডেটা সায়েন্স, অটোমেশন, এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI)।
• ডেটা টাইপ:
- int (ইন্টিজার): পূর্ণসংখ্যা বোঝায়, যেমন 5। এটি কোনো দশমিক বা ভগ্নাংশ ছাড়া সংখ্যা ধারণ করে।
- float (ফ্লোট): দশমিক সংখ্যা বোঝায়, যেমন 5.0।
- str (স্ট্রিং): টেক্সট বা অক্ষরের মান ধারণ করে, যেমন '5' বা "Hello"।
- bool (বুলিয়ান): সত্য (True) বা মিথ্যা (False) মান প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
• পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
তথ্যসূত্র: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কীবোর্ডের ফাংশন কী এর কাজসমূহ:
-F1 : সাহায্যকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের ‘হেল্প’ চলে আসবে।
-F2 : সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডারের নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহূত হয়।
-F3: এটি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়।
-F4 : Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়।
-F5 : মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি রিফ্রেশ করা হয় F5 চেপে।
-F6 : এটা দিয়ে মাউস কার্সারকে ওয়েব ব্রাউজারের ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া যায়।
-F7 : ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয় এ কি চেপে।
-F8 : অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী।
-F9 : কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে।
-F10 : ওয়েব ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে।
-F11: ওয়েব ব্রাউজার পর্দাজুড়ে দেখা যায়।
-F12 : ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে।
উৎস:
১। Computer Hope Website [Link]
২। Computer & ICT Cloud
◉ QNX একটি Real-Time Operating System (RTOS), যা বিশেষভাবে embedded systems এবং mission-critical applications (যেমন: গাড়ির কন্ট্রোল সিস্টেম, মেডিকেল ডিভাইস, টেলিকম সিস্টেম) এর জন্য তৈরি।
রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
সঠিক উত্তর - ঘ) Modem
মডেম (Modem)
- মডেম একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র, যা ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস উভয় হিসেবেই কাজ করে।
- শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে, যার সংক্ষিপ্ত রূপ Modem।
- মডুলেটর অংশটি কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তর করে।
- এই রূপান্তরের জন্য এতে থাকে একটি DAC (Digital to Analog Converter) সার্কিট।
- ডিমডুলেটর অংশটি অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তন করে।
- এতে ব্যবহৃত হয় ADC (Analog to Digital Converter) সার্কিট।
- একটি মডেমের মধ্যে মডুলেটর ও ডিমডুলেটর উভয়ই থাকে, যা ডেটা আদান-প্রদান করে।
- তথ্য পাঠানো ও গ্রহণের জন্য উভয় কম্পিউটারের সাথে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।
- সাধারণত টেলিফোন লাইনের তার মডেমে সংযুক্ত করা হয়, এবং মডেমটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
◉ Microsoft Access হলো MS Office-এর একটি Database Management System (DBMS), যা রিলেশনাল ডাটাবেজ তৈরি ও পরিচালনা করতে ব্যবহার করা হয়। এটি SQL ও Graphical Interface ব্যবহার করে tables, queries, forms, reports তৈরি করতে সাহায্য করে।
MS Access:
- MS Access হচ্ছে ডেটাবেজভিত্তিক একটি প্রোগ্রাম।
- Microsoft Access হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরীকৃত মাইক্রোসফট অফিস গ্রুপের মধ্যে একটি বহুল পরিচিত Database প্রোগ্রাম।
- Access উইন্ডোজ ভিত্তিক একটি শক্তিশালী রিলেশনার ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম যা দিয়ে ডেটাবেজের বিভিন্ন টেবিল তৈরি করে ডেটা এন্ট্রির জন্য সহজবোধ্য ও আকর্ষণীয় ফর্ম ডিজাইন করা যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
Excel → Excel Spreadsheet software, যা data calculation ও analysis-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
PowerPoint → PowerPoint presentation তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
Publisher → Publisher হলো desktop publishing software, যা brochures, newsletters, ও business cards ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
Source: Microsoft Support Website.
মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনে .ppt এবং .pptx ফাইল এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।
Microsoft PowerPoint:
- পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
- এটি প্রথম তৈরি করেন রবার্ট গ্যাসকিনস ও ডেনিস অস্টিন (ফোরথট ইনক.-এর জন্য)।
- ১৯৮৭ সালে মাইক্রোসফট প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার দিয়ে সফটওয়্যারটির স্বত্ব কিনে নেয়।
- প্রথমে এটি তৈরি করা হয়েছিল ব্যবসায়িক উপস্থাপনা সহজ করার জন্য।
- প্রেজেন্টেশন তৈরি হয় একাধিক স্লাইড দিয়ে, যেখানে লেখা, ছবি ও অন্যান্য অবজেক্ট যোগ করা যায়।
- ভার্সন ১.০ (প্রথম সংস্করণ) দিয়ে টেক্সট ও গ্রাফিক্সসহ পেজ তৈরি করা যেত, যা সাদা-কালো হ্যান্ডআউট ও ট্রান্সপারেন্সি আকারে ব্যবহৃত হত।
- ১৯৯২ সালের ভার্সন ৩.০-তে প্রথমবার চালু হয় ভার্চুয়াল স্লাইডশো সিস্টেম।
- শুরুতে শুধু ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহৃত হলেও পরে এটি বিদ্যালয়, সংগঠন, শিক্ষামূলক কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে থাকে।
সূত্র: ব্রিটানিকা।