বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ২৯ / ৮২ · ২,৮০১২,৯০০ / ৮,১৪১

২,৮০১.
Cache Memory কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. ডেটা স্থায়ীভাবে রাখার জন্য।
  2. CPU ধীর করার জন্য।
  3. ইন্টারনেট দ্রুত করার জন্য।
  4. CPU কে দ্রুত ডেটা দেওয়ার জন্য।
ব্যাখ্যা

• Cache Memory ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির গতি পার্থক্য দূর করে CPU-কে দ্রুত ডেটা সরবরাহ করা। ফলে কম্পিউটারের সামগ্রিক গতি, পারফরম্যান্স এবং দক্ষতা বেড়ে যায়।

• Cache Memory:
- Cache Memory হলো একটি অত্যন্ত দ্রুতগতির বিশেষ ধরণের স্মৃতি, যা CPU বা প্রসেসরের খুব কাছে অবস্থান করে।
- এটি প্রধানত সেই ডেটা ও নির্দেশনা সংরক্ষণ করে, যেগুলো প্রসেসর বারবার ব্যবহার করে বা অতি দ্রুত অ্যাক্সেসের প্রয়োজন হয়।

• Cache Memory কেন প্রয়োজনতা:
- প্রসেসরের কাজের গতি অনেক বেশি, কিন্তু RAM বা Main Memory তুলনামূলক ধীর।
- প্রসেসর যখন RAM থেকে ডেটা আনতে চায়, তখন সময় বেশি লাগে। এই ব্যবধান কমাতে Cache Memory ব্যবহার করা হয়।
- Cache Memory প্রসেসর ও মূল স্মৃতির মধ্যে একটি উচ্চ গতির সেতু (Buffer Layer) হিসেবে কাজ করে। ফলে প্রয়োজনীয় ডেটা প্রসেসর খুব দ্রুত পায় এবং সিস্টেমের সামগ্রিক কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পায়।

• Cache Memory ব্যবহারের উদ্দেশ্য ও সুবিধা:
- প্রসেসর অপেক্ষার সময় কমানো: RAM থেকে ডেটা আনতে যে বিলম্ব হয়, Cache সেই বিলম্ব দূর করে।
- গতি বৃদ্ধি: Cache থেকে ডেটা অ্যাক্সেস করা RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুত, ফলে CPU-এর কার্যক্ষমতা বাড়ে।
- প্রায়শই ব্যবহৃত ডেটা সংরক্ষণ: CPU যে নির্দেশ বা ডেটা বারবার ব্যবহার করে, তা Cache Memory-তে রাখা হয়।
- Latency কমানো: ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে, যা সিস্টেমের Response Time উন্নত করে।
 
• Cache Memory এর স্তরসমূহ (L1, L2, L3):
- L1 Cache: সবচেয়ে ছোট কিন্তু সবচেয়ে দ্রুত, সরাসরি CPU কোরের সাথে সংযুক্ত।
- L2 Cache: L1-এর তুলনায় বড়, গতি কিছুটা কম, কিন্তু এখনো RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- L3 Cache: বহু কোরের জন্য শেয়ারড, বড় এবং অপেক্ষাকৃত ধীর কিন্তু RAM এর চেয়ে দ্রুত।
- এই স্তরগুলো মিলে CPU-এর প্রয়োজনীয় ডেটা দ্রুত পৌঁছে দেয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- ব্রিটানিকা [লিংক]।

২,৮০২.
কোনটি ভাইরাস নয়-
  1. ক) ক্রিপ্টোলকার
  2. খ) লোটাস-১
  3. গ) স্টর্মওয়ার্ম
  4. ঘ) আই লাভ ইউ
ব্যাখ্যা
লোটাস-১ হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। অন্যদিকে ক্রিপ্টোলকার, স্টর্মওয়ার্ম এবং আই লাভ ইউ হলো তিনটি ভাইরাস। এর মধ্যে আই লাভ ইউ ভাইরাস ২০০০ সালের দিকে বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার সিস্টেমে বিপর্যয় নামিয়ে আনে। ক্রিপ্টোলকার ২০১৩ সালের দিকে আক্রমণ চালায়। অন্যান্য ভাইরাসের মধ্যে সিআইএইচ, ট্রজেন হর্স ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। (সূত্রঃ নরটন এবং আইবিএম ওয়েবসাইট )
২,৮০৩.
নিচের কোনটিকে বিশেষ লজিক গেইট বলা হয়?
  1. XOR Gate
  2. NOR Gate
  3. NAND Gate
  4. NOT Gate
ব্যাখ্যা
• XOR Gate হচ্ছে বিশেষ লজিক গেইট।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৮০৪.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ?
  1. C
  2. C++
  3. SQL
  4. Cobol
ব্যাখ্যা
• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

• C, Cobol এবং C++ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮০৫.
এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি কোনটি?
  1. Magnetic tape
  2. Flash storage
  3. ROM (Read-Only Memory)
  4. Hard Disk Drive (HDD)
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমে প্রাথমিক মেমরি হিসেবে সাধারণত ROM (Read-Only Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি এমন একটি স্থায়ী মেমরি যা সিস্টেমের প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এম্বেডেড ডিভাইসে ROM ব্যবহার করার মূল কারণ হলো এটি পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য হারায় না এবং সিস্টেম বুট করার সময় তা সরাসরি প্রয়োজনীয় নির্দেশাবলী প্রদান করতে পারে। অন্যদিকে, Magnetic tape, Flash storage বা HDD প্রাথমিক মেমরির জন্য সাধারণত ব্যবহার করা হয় না, কারণ এগুলো ধীরে কাজ করে বা পরিবর্তনযোগ্য তথ্য সংরক্ষণে বেশি ব্যবহৃত হয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের জন্য প্রাথমিক মেমরি হিসেবে ROM সবচেয়ে উপযুক্ত।

- সঠিক উত্তর: গ) ROM (Read-Only Memory).

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবলে সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, করে।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮০৬.
কোনটি সত্য?
  1. ক) a+b+c+1=1
  2. খ) a+0=1
  3. গ) aa’=1
  4. ঘ) কোনটি নয়।
ব্যাখ্যা
১ এর সাথে যাই যোগ করা হউক না কেন, ফলাফল ১ হবে।
a+b+c +1=1
২,৮০৭.
MFLOPS এককে নিম্নের কোন কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয়?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।
- কিন্তু মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
- আবার সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৮০৮.
What is the basic unit of data communication?
  1. Byte
  2. Megabit
  3. Kilobyte
  4. Bit
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ঘ) Bit

• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮০৯.
প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপের একক কোনটি?
  1. ক) Pixel
  2. খ) Dots Per Inch
  3. গ) Lines Per Minute
  4. ঘ) Lines Per sq. Inch
ব্যাখ্যা
The term Dots Per Inch (DPI) is commonly used to describe the resolution of an image.
DPI refers to the number of printed dots contained within one inch of an image printed by a printer.
Source: sony.com
২,৮১০.
A = 1 এবং B =1 হলে, XOR গেইটের ক্ষেত্রে আউটপুট কী হবে?
  1. 0
  2. 1
  3. 11
  4. 10
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮১১.
মেমোরি বাস কোন দুটির মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করে?
  1. ক) প্রসেসর এবং আই/ও ডিভাইস
  2. খ) আই/ও ডিভাইস এবং মেমোরি
  3. গ) ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস
  4. ঘ) প্রসেসর এবং মেমোরি
ব্যাখ্যা
The memory bus is the computer bus which connects the main memory to the memory controller in computer systems.
২,৮১২.
ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত পদ্ধতি নয় কোনটি?
  1. Caesar Code
  2. Cipher code
  3. DES
  4. IDEA
ব্যাখ্যা
♦ ডেটা এনক্রিপশন:
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো
◊ সিজার কোড (Caesar Code),
◊ ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
◊ ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।

• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।

২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।

৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়। 

৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮১৩.
নিচের কোনটি এক্সপানশনস বাস?
  1. ক) অ্যাড্রেস বাস
  2. খ) কন্ট্রোল বাস
  3. গ) ডাটা বাস
  4. ঘ) লোকাল বাস
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার বাস
- বাস হচ্ছে কিছু তারের সমাহার যেগুলোর মধ্য দিয়ে ডিজিটলি সংকেত তথা ০ বা ১ চলাচল করে।
- বাস দুই প্রকার। যথা:
১. সিস্টেম বাস ও
২. এক্সপানশনস বাস।

সিস্টেম বাস 
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
- সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা: অ্যাড্রেস বাস, কন্ট্রোল বাস ও ডাটা বাস।

এক্সপানশনস বাস
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA-Industry Standards Architecture)
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture)
৩. লোকাল বাস – 
- ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture)
- পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect)
৪. ইউএসবি (USB- Universal Serial Bus)
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Firewire Bus) ev IEEE 1394
৬. এজিপি (AGP – Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৮১৪.
অ্যান্টিভাইরাস কোন শ্রেণির সফটওয়্যার?
  1. Application Software
  2. System Software
  3. Middleware
  4. Utility Software
ব্যাখ্যা

◉ অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো এক ধরনের Utility Software. এটি এক ধরনের প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের পারফরম্যান্স, সুরক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণে সহায়তা করে।

​অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য নিচে দেওয়া হলো:
১. রিয়েল-টাইম প্রোটেকশন,
২. ভাইরাস স্ক্যানিং,
৩. সিগনেচার-ভিত্তিক ডিটেকশন,
৪. হিউরিস্টিক অ্যানালাইসিস,
৫. অটোমেটিক আপডেট,
৬. ফায়ারওয়াল ইন্টিগ্রেশন, ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২,৮১৫.
রেখার সাহায্যে নকশা বা ডিজাইনের কাজ করার জন্য সফটওয়্যার প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) Accpak
  2. খ) Photoshop
  3. গ) SPSS
  4. ঘ) CAD
ব্যাখ্যা
• রেখা বা লাইনের সাহায্যে নকশা বা ডিজাইনের কাজ করার জন্য সফটওয়্যার প্রোগ্রাম হল ক্যাড (CAD)
- CAD দ্বারা Computer Aided Design/Drafting বুঝায়।
- এই সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে বাড়ির নকশা, ব্রীজ-কালভার্টের নকশাসহ প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যার যে কোন জটিল নকশা খুব সহজে, কম সময়ে এবং নিখুঁতভাবে তৈরি করা যায়।
- ক্যাডের সাহায্যে নকশা অঙ্কনের ক্ষেত্রে মাইক্রোমিলিমিটার পর্যন্ত মাপ নিখুঁতভাবে করা যায় যা হাতে অঙ্কনের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
- মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য অটোক্যাড (Auto CAD), ফাস্টক্যাড (Fast CAD), টার্বোক্যাড (Turbo CAD), মেগাক্যাড (Mega CAD) ইত্যাদি ব্যবহারিক প্রোগ্রাম আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮১৬.
হার্ডডিস্ক হল-
  1. ক) প্রধান স্মৃতি
  2. খ) সহায়ক স্মৃতি
  3. গ) RAM
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না। তাছাড়া প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম। এজন্য তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়। এটি এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তরযোগ্য। সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি। শুধুমাত্র ব্যবহারকারীই সহায়ক স্মৃতিতে নতুন তথ্য লিখতে ও পুরাতন তথ্য মুছে দিতে পারে। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না। কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়। ফ্লপি ডিস্ক, হার্ড ডিস্ক, সিডি, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য সহায়ক স্মৃতি।

২,৮১৭.
BCD কোডে কোন সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংককে বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. দশমিক 
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
BCD কোডে দশমিক  সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংককে বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।

• বিসিডি (BCD) কোড 
- BCD শব্দ সংক্ষেপটির পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal। 
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। 
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ০ থেকে ৯ এ দশটি অংকের প্রতিটিকে নির্দেশের জন্য ৪টি বাইনারি অংক প্রয়োজন। 
- ৪টি বিট দ্বারা ২ অর্থাৎ ১৬টি ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। 
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব। 

• যেমন-
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।
- ৭৪২১ বিসিডি কোড
- ৫৪২১ বিসিডি কোড
- ২৪২১ বিসিডি কোড
- Excess-3 কোড ইত্যাদি।
- এ সকল বিসিডি কোডের মধ্যে BCD 8421 কোড বা NBCD কোড বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮১৮.
Computer শব্দের উৎপত্তি হয়েছে কোন ভাষা থেকে?
  1. ক) ল্যাটিন
  2. খ) গ্রীক
  3. গ) স্ল্যাভিক
  4. ঘ) সুইডিশ
ব্যাখ্যা
Computer শব্দটি গ্রীক শব্দ থেকে উৎপত্তি। Compute শব্দ থেকে Computer শব্দের উৎপত্তি। যার আভিধানিক অর্থ হলো গণনাকারী যন্ত্র। কম্পিউটার হলো বিভিন্ন গাণিতিক ও যুক্তিমূলক সমস্যা সমাধানের জন্য তৈরি একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৮১৯.
PDP-8 হলো একটি
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. গ) পার্সোনার কম্পিউটার
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
PDP-8 হলো ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার। এটি ১২ বিটের। ১৯৬৫ সালে ডিজিটাল ইকুইপমেন্ট কর্পোরেশন এই কম্পিউটারটি তৈরি করে। এটি ১৯৭৩ সালের দিকে সর্বাধিক বিক্রিত কম্পিউটারগুলোর একটি।
(সূত্র: PDP-8 ডটনেট)
২,৮২০.
নিম্নের কোন সফটওয়্যারটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়?
  1. Microsoft
  2. Chrome
  3. Vizard
  4. Skype
ব্যাখ্যা
Vizard সফটওয়্যারটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
২,৮২১.
কোন বৈশিষ্ট্যের কারণে USB ডিভাইস সংযোগ করার সাথে সাথেই কাজ শুরু করতে পারে?
  1. Store and Forward
  2. Plug and Play
  3. Read and Write
  4. Copy and Paste
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: খ) Plug and Play

• USB:
- যে পেরিফেরাল ডিভাইসগুলি ইনস্টলেশনের সময় অতিরিক্ত কনফিগারেশন ছাড়া কাজ করে, সেগুলো হলো USB Devices (ইউএসবি ডিভাইস)।
- USB মানে হলো Universal Serial Bus, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিস্টেমের সাথে সংযোগ স্থাপন করে এবং ড্রাইভার ইনস্টলেশন প্রক্রিয়া সহজ করে।
- এটি মূলত 'Plug and Play' বৈশিষ্ট্য বহন করে।
- নতুন USB ডিভাইস সংযুক্ত করলে, অপারেটিং সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে ডিভাইস চিহ্নিত করে এবং প্রয়োজনীয় ড্রাইভার লোড করে, ফলে ব্যবহারকারীর কাছে কোনো জটিল কনফিগারেশন বা IRQ, I/O পোর্ট ঠিক করার প্রয়োজন পড়ে না।
- অন্যদিকে, SCSI, Parallel এবং Serial Port ডিভাইস সাধারণত ম্যানুয়ালি কনফিগারেশন প্রয়োজন হয়, যেমন ডিভাইস আইডি, পোর্ট ঠিক করা বা IRQ সেট করা। তাই স্বয়ংক্রিয় Plug-and-Play সুবিধার জন্য USB ডিভাইসকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ধরা হয়।
 
• কয়েকটি USB ডিভাইস হলো: 
- Pendrive.
- USB Keyboard / Mouse.
- USB Printer.
- External Hard Drive.
 
তথ্যসূত্র: 
- Computer Fundamentals – P.K. Sinha.

২,৮২২.
কম্পিউটার ভাইরাসের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা কে স্থাপন করেছেন?
  1. ফ্রেড কোহেন
  2. জন ম্যাক্যাফি
  3. অ্যালান টুরিং
  4. জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার ভাইরাসের নির্দিষ্ট সংজ্ঞা প্রথমে স্থাপন করেছেন ফ্রেড কোহেন। তার গবেষণায় তিনি কম্পিউটার প্রোগ্রামের মধ্যে এমন একটি কোডের ধারণা দেন যা নিজে নিজে অনুলিপি করতে পারে এবং অন্যান্য প্রোগ্রামে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। ফ্রেড কোহেন তার পিএইচডি থিসিসে দেখিয়েছিলেন যে, এমন প্রোগ্রামগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বর্ধিত হতে পারে এবং কম্পিউটার সিস্টেমের কার্যকারিতা প্রভাবিত করতে পারে। তার সংজ্ঞা অনুযায়ী, ভাইরাস হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারার জানামতে বা অজান্তে কম্পিউটার সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য প্রোগ্রামে সংক্রমণ ঘটায়। এটি কম্পিউটার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস গবেষণার ভিত্তি তৈরি করেছে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) ফ্রেড কোহেন।

• ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।

• কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভার রাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস ,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮২৩.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি উদাহরণ নয়?
  1. হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ
  2. কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ
  3. মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ
  4. কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ
ব্যাখ্যা
• বারোমেট্রিক্স (Biometrics):
- মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে। 
- একজন মানুষের সাথে অন্য মানুষের আচরণ বা গাঠনিক বৈশিষ্ট্য কখনোই একরকম হবে না। 
- বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা- 

১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ 
• হাতের রেখা শনাক্তকরণ 
• আইরিশ শনাক্তকরণ 
মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ 
• ডিএনএ পর্যবেক্ষণ (DNA test) ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
• কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ  
• হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ 
• কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮২৪.
সর্বপ্রথম উদ্ভাবিত স্প্রেডশিট সফটওয়্যার কোনটি?
  1. কেস্প্রেড
  2. ভিসিক্যালক
  3. ওপেন অফিস ক্যাল্ক
  4. মাইক্রোসফট এক্সেল
ব্যাখ্যা
স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
- সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২,৮২৫.
MICR প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. বারকোড স্ক্যানিং
  2. ক্রেডিট কার্ড এনকোডিং
  3. ব্যাংকে চেক প্রক্রিয়াকরণ
  4. পাসপোর্ট মুদ্রণ
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তি প্রধানত ব্যাংকিং খাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে চেক প্রক্রিয়াকরণের জন্য।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮২৬.
কোনটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত নয়?
  1. AVG
  2. Kaspersky
  3. Chrome
  4. Bitdefender
ব্যাখ্যা

• উক্ত চারটি অপশনের মধ্যে Chrome (গ) একটি এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম হিসেবে পরিচিত নয়। AVG, Kaspersky এবং Bitdefender সবাই শক্তিশালী এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য অনলাইন হুমকির থেকে সুরক্ষা দেয়। অন্যদিকে, Google Chrome একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে পেজ ব্রাউজিং, ভিডিও দেখা, ইমেইল চেক করা ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত সিকিউরিটি ফিচার যেমন সেফ ব্রাউজিং অফার করে, কিন্তু কোনো স্বতন্ত্র এন্টিভাইরাস ফাংশন নেই। তাই, এদের মধ্যে Chrome সঠিক উত্তর।
 
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮২৭.
Which of the following was the world's first electronic computer?
  1. ABACUS
  2. ENIAC
  3. EDVAC
  4. EDSAC
ব্যাখ্যা

• ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) হলো বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্যসম্পন্ন (General Purpose) পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। এটি ১৯৪৬ সালে জে. প্রেসপার একার্ট (J. Presper Eckert) এবং জন মকলি (John Mauchly) কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়। এটি ভ্যাকুয়াম টিউব প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল এবং এর মাধ্যমেই কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম (First Generation of Computers)-এর সূচনা হয়।

• ENIAC:
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- বিশ্বের সর্বপ্রথম ইলেট্রনিক কম্পিউটার ENIAC.

• UNIVAC:
- ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক- ফিতা ব'বহার করা হয়েছিল।

• EDVAC:
- EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।

• EDSAC:
- EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।

• ABACUS:
- এটি মূলত একটি প্রাচীন যান্ত্রিক গণনাকারী যন্ত্র, কোনো ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার নয়।

সূত্র:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা [link].

২,৮২৮.
The computer code for the interchange of information between terminals is
  1. ক) ASCII
  2. খ) BCD
  3. গ) EBCDIC
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা

The full form of ASCII is American standard code for information interchange which has nearly 0-256 codes.
Example: A has 65 ASCII code.

২,৮২৯.
নিম্নের কোনটি Compiler এর কাজ নয়?
  1. Source Code কে Machine Code এ রূপান্তর
  2. Syntax Error খুঁজে বের করা
  3. Program Runtime এ Execute করা
  4. Code Optimization করা
ব্যাখ্যা

Compiler হলো একটি সফটওয়্যার, যা উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা (High-level Language) কে Machine Code/Executable File-এ রূপান্তর করে। এর প্রধান কাজগুলো হলো—
• Source Code কে Machine Code এ রূপান্তর – Compiler-এর মূল কাজ।
• Syntax Error খুঁজে বের করা – কোডে ভাষাগত ভুল (syntax errors) থাকলে Compiler তা শনাক্ত করে।
• Code Optimization করা – Compiler প্রোগ্রামের কর্মদক্ষতা বাড়াতে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দেয় বা অপ্টিমাইজ করে।

​কিন্তু, Program Runtime এ Execute করা → এটি Compiler-এর কাজ নয়। Runtime এ execution করার কাজ হলো Interpreter-এর।

​কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

​কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা।
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

২,৮৩০.
অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার কোথায় শুরু হয়েছিল?
  1. India
  2. Egypt
  3. Greece
  4. China
ব্যাখ্যা
• অ্যাবাকাস:
- অ্যাবাকাস প্রাচীনতম গণনা যন্ত্র, যা একটি ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গণনা করার কাজ পরিচালিত করে।
- গুটি গুলো সঞ্চালন করে অ্যাবাকাসের সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা যেত।
- অ্যাবাকাস শব্দটির অর্থ গণনাকারী বোর্ড।
- খ্রীস্টপূর্ব পঞ্চম শতাব্দীতে অ্যাবাকাসের প্রথম ব্যবহার শুরু হয়েছিল চীনে।

- দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত ইউরোপ ও এশিয়ায় অ্যাবাকাস ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- পঞ্চদশ শতাব্দীতে অ্যাবাকাস জাপানে প্রবর্তিত হয়।
- চীনে অ্যাবাবাসকে বলা হয় সুয়ানপান (Suanpan), জাপানে সরোবান (Soroban) এবং রাশিয়াতে বলা হয় স্কেটিয়া ( Sketia)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩১.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Headphone
  2. Speaker
  3. Monitor
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা

• ইনপুট ডিভাইস হলো এমন ডিভাইস যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটারে তথ্য প্রেরণ করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Keyboard একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত। কারণ কীবোর্ডের সাহায্যে ব্যবহারকারী অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ও বিভিন্ন কমান্ড টাইপ করে কম্পিউটারে পাঠাতে পারে। অন্যদিকে হেডফোন, স্পিকার এবং মনিটর ইনপুট ডিভাইস নয়; এগুলো আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটার থেকে তথ্য গ্রহণ করে ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে। যেমন মনিটরে ছবি ও লেখা দেখা যায়, স্পিকারে শব্দ শোনা যায় এবং হেডফোনও একইভাবে কাজ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো Keyboard, যা ব্যবহারকারীর ইনপুট কম্পিউটারে পাঠায়।

• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৩২.
ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগিতায় সংঘটিত অপরাধ -
  1. ক) হ্যাকিং
  2. খ) স্পুফিং
  3. গ) সাইবার অপরাধ
  4. ঘ) ফিশিং
ব্যাখ্যা

- ইন্টারনেটকে কেন্দ্র করে এবং এর সহযোগীতায় সংঘটিত অপরাধকে সাইবার ক্রাইম বা সাইবার অপরাধ বলে।
- সাইবার অপরাধ এমন অপরাধ যা কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সাথে সম্পর্কিত।
- এ ধরনের অপরাধ জাতির নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে।
- আইনগত বা আইনবহির্ভূতভেবে বিশেষ তথ্যসমূহ প্রকাশিত হলে গোপনীয়তার লঙ্ঘন ঘটে।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান

২,৮৩৩.
ডেসিমেল 130 দ্বারা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মান কত?
  1. ক) 10000011
  2. খ) 01000010
  3. গ) 10000010
  4. ঘ) 11000010
ব্যাখ্যা
• ডেসিমেল 130 দ্বারা বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির মান 10000010.

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুটি সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে 2.
- যেমন- (১০১), (১০০০.১১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

এখানে, 
10000010
= 1×2+ 0×2+ 0×2+ 0×2+ 0×2+ 0×22 + 1×2+ 0×2
= 128+0+0+0+0+0+2+0
= 130

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৪.
ডাটাবেজে রেকর্ড শনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যে ফিল্ড ব্যবহৃত হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. কী ফিল্ড
  2. ডাটা ফিল্ড
  3. রিলেশন ফিল্ড
  4. টেবিল ফিল্ড
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজে রেকর্ড শনাক্তকরণ ও সম্পর্ক স্থাপনের জন্য যে ফিল্ড ব্যবহৃত হয় তাকে কী ফিল্ড বলা হয়।

• কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

• কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key)।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৩৫.
Which type of computer processes continuously changing electrical signals?
  1. Digital Computer
  2. Hybrid Computer
  3. Mainframe Computer
  4. Analog Computer 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) Analog Computer 

• এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer)
- এনালগ কম্পিউটার ক্রম পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সংকেত গ্রহণ করে।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল সাধারণত প্রদশর্নের কাঁটা (Indicator) দিয়ে দেখানো হয় বা প্লটারের (Plotter) সাহায্যে কাগজে অঙ্কন করা হয়।
- বিভিন্ন শিল্প কারখানায় উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ ও মান নিয়ন্ত্রণে এনালগ কম্পিউটারের ব্যবহার হয়ে থাকে।

• গাণিতিক ভিত্তিতে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। এনালগ কম্পিউটার (Analog Computer),
২। ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer),
৩। হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer)।

• ডিজিটাল কম্পিউটার (Digital Computer)
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মূল ভিত্তি হলো বাইনারী ডিজিট (০ এবং ১)।
- এ কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ বাইনারী ডিজিট এর মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল লিখিত আকারে দেয়া হয়।
- ইনপুট ও আউটপুট অংশ আমাদের বোধগম্যতার জন্য বর্ণ, অক্ষর ও অংক দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
- এ কম্পিউটারের গতি বেশ দ্রুত ও নির্ভরশীলতা বেশি। উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য এতে বৃহৎ মেমোরি থাকে। আজকাল আমাদের ব্যবহৃত সকল কম্পিউটারই ডিজিটাল কম্পিউটার।

• হাইব্রিড কম্পিউটার (Hybrid Computer):
- এনালগ ও ডিজিটাল কম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি হয় সংকর বা হাইব্রিড কম্পিউটার।
- অনেক বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধানের জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৮৩৬.
RAM সম্পর্কে নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. RAM SSD থেকে দ্রুত
  2. RAM মাল্টিটাস্কিং উন্নত করে
  3. RAM ভোলাটাইল
  4. RAM স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

◉ RAM কখনোই স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে না। এটি কেবল চলমান প্রোগ্রাম ও তথ্য সাময়িকভাবে ধারণ করে। বিদ্যুৎ চলে গেলে সব ডেটা হারিয়ে যায়।

• র‍্যাম (RAM):
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৩৭.
বিজয় লে আউটে বাংলা লেখার সময় ‘ন’ বর্ণটি লিখতে কীবোর্ডে ইংরেজি কোন বর্ণটি চাপতে হয়?
  1. ক) N
  2. খ) G
  3. গ) K
  4. ঘ) B
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
২,৮৩৮.
OMR এর ক্ষেত্রে নিচের কোনটি প্রযোজ্য?
  1. ক) হাতের লেখা বা টাইপ করা বর্ণকে পড়তে পারে।
  2. খ) হার্ড টেক্সট হতে যে কোন বর্ণকে শনাক্ত করতে পারে।
  3. গ) কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা পড়তে পারে।
  4. ঘ) হাতের লেখাকে এনকোডেড টেক্সটে রূপান্তরিত করতে পারে।
ব্যাখ্যা
OMR কেবলমাত্র দাগকে শনাক্ত বা, পড়তে পারে।  

ওএমআর (OMR)-এর পুরো অর্থ হলো অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader)।

অপটিক্যাল মার্ক রিডার এমন একটি যন্ত্র যা পেন্সিল বা কালির দাগ (Mark) বুঝতে পারে। পেন্সিলের দাগ বোঝা যায় পেন্সিলের সীসের উপাদান গ্রাফাইটের বিদ্যুৎ-পরিবাহিতা বিচার করে। কালির দাগ বোঝা যায় কালির দাগের আলোর প্রতিফলন বিচার করে। অপটিক্যাল মার্ক রিডার বিশেষ ব্যবস্থার সাহায্যে এই দাগগুলোর অস্তিত্ব বুঝতে পারে এবং সঠিক দাগ গণনা করতে পারে।

প্রশ্নের উত্তরপত্র পরীক্ষা, বাজার সমীক্ষা, জনগণনা ইত্যাদি কাজে OMR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,৮৩৯.
বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক কে?
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. গুগলিয়েলমো মার্কনি
  3. জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল
  4. চার্লস ব্যাবেজ
ব্যাখ্যা
- বিজ্ঞানী জেমস ক্লার্ক ম্যাক্সওয়েল তড়িৎ চৌম্বক বলকে একত্র করে তড়িৎ চৌম্বকীয় বলের ধারণা প্রকাশ করেন, যা কিনা বিনা তারে বার্তা প্রেরণের একটি সম্ভাবনা উন্মোচন করে।
- ১৮৯৫ সালে জগদীশ চন্দ্র বসু অতিক্ষুদ্র তরঙ্গ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তথ্য প্রেরণে সফল হন।
- ইনস্টিটিউট অব ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার্স তাকে রেডিও বিজ্ঞানের জনক বলে অভিহিত করেন।
- একই সময়ে বেতার তরঙ্গ ব্যবহার করে একই কাজে প্রথম সফলতা লাভ করে ইতালির বিজ্ঞানী গুগলিয়েলমো মার্কনি।
- এজন্য তাকে বেতার যন্ত্রের আবিষ্কারক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন। 
- ১৯৯১ সালে তাঁর ডিজাইন থেকেই সফলভাবে কর্মক্ষম একটি যন্ত্র তৈরি করা হয়।
- তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪০.
হায়ারার্কিকাল টপোলজি নামে পরিচিত কোনটি?
  1. রিং টপোলজি
  2. স্টার টপোলজি
  3. ট্রি টপোলজি
  4. বাস টপোলজি
ব্যাখ্যা

• ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়।

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি;
২. বাস টপোলজি;
৩. রিং টপোলজি;
৪. ট্রি টপোলজি;

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।
- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।
- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৪১.
একটি অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটারের ভূমিকা কী?
  1. সিগন্যাল বৃদ্ধি করা
  2. বাইনারি ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যাল হিসেবে রূপান্তর করা
  4. ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করা
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটার মূলত ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি পরিবর্তনশীল রেজিস্টর যা ব্যবহারকারীর ইচ্ছামতো প্রবাহমান কারেন্ট বা ভোল্টেজের মান নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। পটেনশিওমিটার ঘুরিয়ে ভোল্টেজের আউটপুট পরিবর্তন করা যায়, যা কম্পিউটারের বিভিন্ন অপারেশনে নির্দিষ্ট মান ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই, অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটার ভোল্টেজ বা কারেন্ট সমন্বয় করে নির্দিষ্ট মান সেট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ঘ)।

• অ্যানালগ কম্পিউটার (Analog Computer):
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
 - মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৪২.
বিশ্বে প্রথম ইন্টারনেট ওয়ার্ম কোনটি?
  1. ক) হুকওয়ার্ম
  2. খ) লকওয়ার্ম
  3. গ) মরিসওয়ার্ম
  4. ঘ) রুটওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
মরিস ওয়ার্ম ১৯৮৮ সালের ২ নভেম্বর প্রকাশিত হয় এটি প্রথম ইন্টারনেট ওয়ার্ম।
২,৮৪৩.
সুপার কম্পিউটারের প্রসেসিং এর গতি পরিমাপক 'FLOPS' এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Floating Line Operations Per Second
  2. Fast Logical Operations Per Second
  3. Fixed Point Operations Per Second
  4. Floating Point Operations Per Second
ব্যাখ্যা

FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

২,৮৪৪.
কোন সার্কিট কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে?
  1. ক) এনকোডার
  2. খ) ডিকোডার
  3. গ) এডার
  4. ঘ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে বলে এডার।

এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

অন্যদিকে ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

২,৮৪৫.
২ এর পরিপূরক নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?
  1. ক) ১ এর পরিপূরক + ১
  2. খ) ১ এর পরিপূরক - ১
  3. গ) ১ এর পরিপূরক + ১০
  4. ঘ) ১ এর পরিপূরক + সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি
ব্যাখ্যা
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement): 
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে। 
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়। 
- ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান EDSAC কম্পিউটারের ২ এর পরিপূরক ব্যবহারের প্রস্তাব করেন। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৪৬.
Which of the following is used as an input device?
  1. Speaker
  2. Joystick
  3. Printer
  4. Projector
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Joystick

ইনপুট ডিভাইস:
যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস।
এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।
উদাহরণ:
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- মাইক্রোফোন,
- জয়স্টিক।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।
আউটপুট ডিভাইসের উদাহরণ:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্রজেক্টর।

ইনপুট আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এখন এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ভুক্ত করা যায়। যেমন:
- টাচস্ক্রিন,
- পেনড্রাইভ,
- মডেম,
- প্রিন্টার- স্ক্যানার,
- ডিজিটাল ক্যামেরা,
- সিডি বা ডিভিডি, ইত্যাদি।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৪৭.
The blinking point which shows your position in the text is called -
  1. Blinker
  2. Causer
  3. Cursor
  4. Pointer
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনে যখন আপনি কিছু টাইপ করেন বা টেক্সট এডিটিং করেন, সেখানে থাকে একটি ব্লিঙ্কিং বা চমকানো পয়েন্ট যা আপনার মুভিং অবস্থান দেখায়। এই পয়েন্টটিকেই 'কার্সর' বলে। 
- কার্সর হলো একটি কম্পিউটার স্ক্রিনে একটি চলমান সূচক যা ব্যবহারকারীর ইনপুট দ্বারা প্রভাবিত হবে এমন বিন্দু চিহ্নিত করে। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে কার্সরটি একটি উল্লম্ব বারে পরিবর্তিত হয় যা আপনি নথিতে কোথায় আছেন তা নির্দেশ করতে জ্বলজ্বল করে। 

- Cursor is a movable indicator on a computer screen identifying the point that will be affected by input from the user.
- In applications such as Microsoft Word, the cursor changes to a vertical bar that blinks to indicate where you are in the document. 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৮৪৮.
"One to Many Relation" তৈরি করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. একটি ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• One to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অপর টেবিলের মধ্যে ফরেন কী হিসেবে থাকতে হয়। এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে যেখানে একটি রেকর্ড অনেক রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ, “One” পাশের টেবিলের প্রাইমারি কী “Many” পাশের টেবিলের ফরেন কী দ্বারা রেফারেন্স করা হয়। তাই, One to Many রিলেশন তৈরির জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী উভয়ই প্রয়োজন হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৮৪৯.
16(8) = ?(2)
  1. ১১১০
  2. ১০১০
  3. ১০১১
  4. ১০০১
ব্যাখ্যা
অক্টাল থেকে বাইনারিঃ
অক্টাল সংখ্যার অঙ্কগুলাে হচ্ছে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এবং এই প্রত্যেকটি সংখ্যাকে তিন বিট বাইনারি সংখ্যা হিসেবে প্রকাশ করা যায়।
Octal → Binary
0 → 000
1 → 001
2 → 010
3 → 011
4 → 100
5 → 101
6 → 110
7 → 111
এই রূপান্তরটি ব্যবহার করে যে কোনাে অক্টাল সংখ্যাকে তার জন্য প্রযােজ্য তিনটি বাইনারি সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করলেই পুরাে অক্টাল সংখ্যার বাইনারি রূপ বের হয়ে যাবে। যেমন:
(16)8 = (001 110)2 = (1110)2
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি(২০২১ সংস্করণ)
২,৮৫০.
নিয়ন্ত্রণ অংশের (Control Unit)-এর মূল কাজ হলো-
  1. ক) কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা
  2. খ) কম্পিউটারের গাণিতিক অপারেশনের সম্পাদনা করা
  3. গ) কম্পিউটারে ডেটা বা তথ্য মজুদ রাখা
  4. ঘ) উপরের কোনটিই না
ব্যাখ্যা

কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার মাধ্যমে মূলত বিভিন্ন অংশের মধ্যে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
এটি মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণের জন্য কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।

২,৮৫১.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল রূপ কত?
  1. A
  2. 8
  3. 9
  4. B
ব্যাখ্যা

• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি হলো আমাদের প্রচলিত গণনার পদ্ধতি, যেখানে ভিত্তি (Base) ১০। অন্যদিকে হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হলো ১৬ এবং এখানে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা ও A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহার করা হয়, যেখানে A মানে ১০, B মানে ১১, এভাবে F মানে ১৫ বোঝায়। এখন দশমিক ১০ সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমালে রূপান্তর করলে দেখা যায় যে ১০ এর মান সরাসরি হেক্সাডেসিমালে A দ্বারা প্রকাশ করা হয়। অর্থাৎ, দশমিক ১০ = হেক্সাডেসিমাল A.

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৫২.
GNU সংস্থা কীভাবে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমকে একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত করেছে?
  1. লিনাক্সে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষা যোগ করে
  2. বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট এবং ইউটিলিটি যোগ করে
  3. ইন্টারনেট সাপোর্ট সার্ভিস প্রদান করে
  4. বিভিন্ন গেম এবং মাল্টিমিডিয়া ফিচার যোগ করে
ব্যাখ্যা
• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম.
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৩.
Integrated Circuit (IC) তৈরিতে কোন দ্রব্যটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তামা
  2. খ) লোহা
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) সিলিকন
ব্যাখ্যা
Integrated Circuit (IC) বা কম্পিউটার চিপ তৈরিতে সিলিকন ব্যবহার করা হয়। মূলত IC অর্থ-পরিবাহী উপাদানের ওপরে নির্মিত অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক বর্তনী।
Source: Britannica
২,৮৫৪.
সিডি, ডিভিডি বা পেনড্রাইভ থেকে কোনো সফটওয়্যার ইন্সটলের সময় নিচের কোন প্রোগ্রামটি প্রথম চালু হয়?
  1. ক) Setup
  2. খ) Auto run
  3. গ) Read me
  4. ঘ) Restart
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার ইনস্টল:
- সিডি, ডিভিডি বা পেন ড্রাইভ থেকে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল করতে গেলে প্রথমে Autorun চালু হয় ।
- তারপর Setup করার অনুমতি দিতে হয়।
- অনুমতি প্রদান করা হলে পরবর্তী ধাপসমমূহ ক্রমান্বয়ে অনুসরণ করা হলে সফটওয়্যার ইন্সটল হয়।
- সব শেষে কম্পিউটার  Restart করলে ইন্সটলকৃত প্রোগ্রামটি ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : নবম-দশম শ্রেণি।
২,৮৫৫.
মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার কোনটি?
  1. BIOS
  2. GPU
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ডের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার হলো BIOS। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে একটি মধ্যবর্তী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে। BIOS (Basic Input/Output System) মাদারবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে এবং কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেমন প্রসেসর, র‍্যাম, হার্ডড্রাইভ, কীবোর্ড ইত্যাদিকে পরীক্ষা ও সঠিকভাবে শনাক্ত করে। এছাড়া এটি অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক নির্দেশনা প্রদান করে। অন্যদিকে GPU, SSD বা HDD হার্ডওয়্যার ডিভাইস হলেও এগুলো ফার্মওয়্যার নয়। তাই মাদারবোর্ডের জন্য ফার্মওয়্যারের মূল অংশ হিসেবে BIOS সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

- উত্তর: ক) BIOS.

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ড এ থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়‍্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে। 
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। ব্রিটানিকা

২,৮৫৬.
(CPU)-এর কার্যক্ষমতা বা ক্লক স্পিড কোন পরিমাপের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়?
  1.  Volt (V)
  2.  Hertz (Hz)
  3. Joule (J)
  4. Byte (B)
ব্যাখ্যা

একটি CPU-এর ক্লক স্পিড হার্টজ (Hertz) এককের মাধ্যমে পরিমাপ করা হয়, যা প্রতি সেকেন্ডে CPU কতগুলো সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তা নির্দেশ করে।
- এটি মূলত প্রসেসরের কাজের গতি নির্ধারণ করে।
- এক গিগাহার্টজ (GHz) মানে হলো CPU প্রতি সেকেন্ডে 1 বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- হার্টজ (Hz) হলো ফ্রিকোয়েন্সির আন্তর্জাতিক একক, এবং CPU-এর ক্লক স্পিড একটি ফ্রিকোয়েন্সি।

ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৫৭.
ক্রিপ্টোলকার ম্যালওয়্যারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. পাসওয়ার্ড চুরি করা
  2. কম্পিউটারকে ধীর করে দেওয়া
  3. ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
  4. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
ব্যাখ্যা

◉ ক্রিপ্টোলকার (Cryptolocker) হলো এক ধরনের রানসমওয়্যার (Ransomware) ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে এবং সেই ফাইলগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফাইলগুলিকে লক করে এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দেয়।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

২,৮৫৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটার সফটওয়্যার নয়?
  1. Adobe Photoshop
  2. Disk Drive
  3. Pagemaker
  4. Video Player
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যার (Software):
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সফটওয়্যারের উদাহরণ হলো:
• DOS,
• Windows,
• MS Office,
• Adobe Photoshop,
• Video Player,
• Pagemaker ইত্যাদি

• Disk Drive একটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৫৯.
BIOS কম্পিউটারে কোন কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে?
  1. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  2. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
  3. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  4. ভাইরাস স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেম লোড করার কাজটি নিয়ন্ত্রণ করে। কম্পিউটার অন করলে BIOS প্রথমে হার্ডওয়্যারগুলো ঠিকভাবে কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে (POST), তারপর হার্ডডিস্ক, SSD বা অন্য বুট ডিভাইস থেকে অপারেটিং সিস্টেম মেমোরিতে লোড করে। ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট, হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স বা ভাইরাস স্ক্যানিং BIOS-এর প্রধান কাজ নয়; এসব কাজ অপারেটিং সিস্টেম বা আলাদা সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

 
BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটারে BIOS সংরক্ষিত থাকে - মাদারবোর্ডের ROM চিপে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৮৬০.
নিচের কোন ভাষা সাধারণত Interpreter ব্যবহার করে?
  1. C
  2. C ++
  3. Python
  4. Assembly
ব্যাখ্যা

- Compiler হলো এমন একটি প্রোগ্রাম, যা পুরো প্রোগ্রাম একসাথে অনুবাদ করে machine code-এ রূপান্তর করে।
- অনুবাদ শেষ হলে একটি object code / executable file (.exe) তৈরি হয়, যেটি পরে চালানো হয়।

- Interpreter হলো এমন প্রোগ্রাম যা প্রতি লাইন (line-by-line) পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে execute করে।
- এটি object code তৈরি করে না, বরং source code সরাসরি run করে।
- Python একটি interpreted language, যেখানে কোড line-by-line execute হয়।
- Interpreter কোডকে প্রথমে bytecode-এ রূপান্তর করে এবং তারপর Python Virtual Machine (PVM) সেটি চালায়।

- C এবং C++  সাধারণত Compiler ব্যবহার করে।
- প্রোগ্রাম পুরোটা কম্পাইল করা হয় এবং এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি হয়।
- এক লাইনের পরিবর্তন করলে পুরো প্রোগ্রাম পুনরায় কম্পাইল করতে হয়।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]

২,৮৬১.
প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করেন কে?
  1. স্যামুয়েল হার্স্ট
  2. মার্টিন কুপার
  3. স্টিভ জবস
  4. ক্লাউডি শ্যানন
ব্যাখ্যা
- টাচস্ক্রিন প্রযুক্তির আবিষ্কারক ড. স্যামুয়েল হার্স্ট।
- ১৯৬৫ সালে E.A. Johnson সর্বপ্রথম টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি বর্ণনা করেন।
- ১৯৬০ এর দশকে টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি নিয়ে কাজ শুরু হলেও ১৯৭১ সালে ড. স্যামুয়েল হার্স্ট প্রথম সফল Touch Sensor আবিষ্কার করতে সক্ষম হন।
- পরবর্তীতে তিনি ১৯৭৫ সালে সফল ও কার্যকর টাচস্ক্রিন প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন যা ১৯৮২ সালে প্রকাশ্যে আসে।
- টাচস্ক্রিন মোবাইল ফোনের জনক স্টিভ জবস্‌।
- তিনি ১৯৭৬ সালে অ্যাপল কোম্পানি প্রতিষ্ঠা করেন।
- অ্যাপল পরবর্তীতে টাচস্ক্রীন প্রযুক্তি, স্মার্ট ফোন ও ইলেক্ট্রনিক্স পণ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন নিয়ে আসে।
- বিশ্বের প্রথম স্মার্ট ফোন মোবাইল - Simon যা ১৯৯৪ সালে IBM বাজারজাত করে।

উৎস: WEF ওয়েবসাইট ও elprocus ওয়েবসাইট।
২,৮৬২.
ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের মূল কাজ কোনটি?
  1. শুধু বর্ণমালা সাজানো
  2. ডকুমেন্ট তৈরি ও সম্পাদনা করা
  3. ইন্টারনেটে তথ্য খোঁজা
  4. ভিডিও এডিটিং করা
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।

ওয়ার্ড প্রসেসিং (Word Processing):
- ওয়ার্ড শব্দের অর্থ শব্দ আর প্রসেসিং শব্দের অর্থ প্রক্রিয়াকরণ।
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনাই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে অনেক দক্ষতার সাথে চমৎকারভাবে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটারের বহুবিদ ব্যবহারের মধ্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংও একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার।
- আর ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়।
- মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে
- আধুনিক ডকুমেন্ট তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের প্যাকেজ প্রোগ্রাম হচ্ছে।
- উল্লেখযোগ্য ওয়ার্ড প্রসেসর প্রোগ্রামসমূহ হলো- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word), ওয়ার্ডস্টার (Wordstar), ওয়ার্ডপারফেক্ট (Wordperfect), ল্যাটেক্স (Latex), নোড প্যাড (Note Pad), ম্যাকরাইট (Mac Write), ওয়ার্ড প্যাড (Word Pad), অপেন অফিস রাইটার ইত্যাদি।
- তবে বর্তমানে পিসিতে গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস পরিবেশে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড (Microsoft word) হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত এবং ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৬৩.
কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. Headphone
  2. Image setter
  3. Plotter
  4. Lightpen
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।

• কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।

• কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:

- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive ইত্যাদি।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৪.
একটি কম্পিউটারের ব্যবহৃত ধীরগতির মেমোরি কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক ড্রাইভ
  2. খ) কী -বোর্ড
  3. গ) ক্যাশ
  4. ঘ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
নিচের ছবিতে দেখুন - (University Book)
২,৮৬৫.
কম্পিউটারের কোন 'ফাংশন কী' চাপলে সাধারণত ফুলস্ক্রিন মোডে পরিবর্তিত হয়?
  1. F5
  2. F7
  3. F9
  4. F11
ব্যাখ্যা

◉ বেশিরভাগ ওয়েব ব্রাউজার (Chrome, Firefox, Edge, ইত্যাদি) এবং অনেক অ্যাপ্লিকেশনে F11 কী চাপলে ফুলস্ক্রিন মোড চালু/বন্ধ হয়।

​ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

​কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা

২,৮৬৬.
কোন কোডের দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায়?
  1. ক) ASCII
  2. খ) BCD
  3. গ) EBCDIC
  4. ঘ) Unicode
ব্যাখ্যা
বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুল্ভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Code Decimal.

অ্যাসকি কোড (ASCII Code): 
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 

ইবিসিডিক কোড (EBCDIC):
 -ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। 

ইউনিকোড (Unicode): 
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৬৭.
কোন সার্কিট একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে?
  1. হাফ-অ্যাডার
  2. ফুল-অ্যাডার
  3. এনকোডার
  4. ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৮৬৮.
অ্যাডা লাভলেস কোন গণনা যন্ত্রের সাহায্যে কাজ করেছিলেন?
  1. UNIVAC
  2. Analytical Engine 
  3. Z3
  4. ENIAC
ব্যাখ্যা
• অ্যাডা লাভলেস ছিলেন ইতিহাসের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার, যিনি চার্লস ব্যাবেজের উদ্ভাবিত Analytical Engine নামক প্রস্তাবিত গণনা যন্ত্রের জন্য অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন। যদিও এই যন্ত্রটি তার জীবদ্দশায় সম্পূর্ণ তৈরি হয়নি, তবুও অ্যাডা লাভলেস তার বিশ্লেষণাত্মক চিন্তা ও গণনামূলক ধারণা দিয়ে এটি কীভাবে কাজ করতে পারে, তা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করেন। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন যে এই যন্ত্রটি শুধু সংখ্যা নয়, বরং যেকোনো ধরনের প্রতীকগত ডেটা প্রক্রিয়াকরণে সক্ষম। তার এই দূরদর্শিতাই তাকে আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের পথিকৃৎ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। সুতরাং সঠিক উত্তর: খ) Analytical Engine.

• প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার:
- ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার 'ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
- চার্লস ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- ১৮৩৩ সালে ব্যাবেজ 'অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিন' নামে অপর একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন এবং নকশা তৈরি করেন।
- ব্যাবেজ আধুনিক কম্পিউটারের মতোই তাঁর মেশিনে নিয়ন্ত্রণ অংশ, গাণিতিক অংশ, স্মৃতি অংশ, গ্রহণ মুখ, নির্গমন মুখ চিহ্নিত করেন।
- অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনা ও উন্নয়নে ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অগাস্টা অ্যাডা বায়রনের (Augusta Ada Byron) অবদান অনস্বীকার্য।
- এ যন্ত্রে সাধারণ অ্যাসেম্বলি ভাষার মতোই প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হতো।
- অ্যাডা লাভলেস অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রোগ্রাম রচনা করেন।
- প্রকৃতপক্ষে অ্যাডা লাভলেস অগাস্টাই (Ada Lovelace) পৃথিবীর সর্বপ্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার।
- আধুনিক প্রোগ্রামিং ভাষা অ্যাডা তাঁর নামানুসারেই রাখা হয়।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,৮৬৯.
নিচের কোনটি ম্যালওয়্যার?
  1. এবিজি
  2. নরটন
  3. লোকিবট
  4. পান্ডা
ব্যাখ্যা
ডার্কগেট, ইমোটেট ও লোকিবট রাশিয়ান বহুজাতিক সাইবার নিরাপত্তা ও অ্যান্টিভাইরাস সেবাদাতা ক্যাসপারস্কি প্রকাশিত রিপোর্টে বিশেষ তিনটি সুপার ম্যালওয়্যারের কথা বলেছে, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য (ডেটা) চুরি করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে কম্পিউটারজনিত ভাইরাসের আগমন ঘটে।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- VIRUS এর পূর্ণরূপ হলো Vital Information Resources under Seize.
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়‍্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭০.
কোন ডিভাইসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য?
  1. ভিআর হেডসেট
  2. স্মার্টওয়াচ
  3. ট্যাবলেট
  4. ই-রিডার
ব্যাখ্যা

• ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো ভিআর হেডসেট। এটি এমন একটি ডিভাইস যা সরাসরি ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধান করা হয় এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি দৃশ্য প্রদর্শন করে। ভিআর হেডসেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী এমন একটি পরিবেশে প্রবেশ করতে পারে যেখানে তারা গেম খেলা, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, বা ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট বা ই-রিডার ভিআর অভিজ্ঞতা সরবরাহ করতে পারে না, কারণ এগুলি মূলত ঘড়ি, কম্পিউটিং বা পাঠযোগ্য সামগ্রী দেখানোর জন্য ডিজাইন করা। তাই ভিআর হেডসেটই ভিআর অভিজ্ঞতার প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

২,৮৭১.
কোনটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian OS
  3. Windows NT Server
  4. Palm OS
ব্যাখ্যা
• Windows NT Server সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, কারণ এটি মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং ক্ষমতাসম্পন্ন। CP/M, Symbian OS, এবং Palm OS মূলত সিঙ্গেল ইউজার পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক সময়ে একটি ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। Windows NT Server মূলত সার্ভার পরিবেশে ব্যবহৃত হয় এবং একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করতে পারে। তাই, এটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। এর ফলে একাধিক ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে একই সময়ে কাজ করতে সক্ষম হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা নয়?
  1. ক) Hypertalk
  2. খ) COBOL
  3. গ) Windows 2000
  4. ঘ) Ada
ব্যাখ্যা
Hypertalk, COBOL, Ada হলো কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা। 
অপরদিকে, Windows 2000 হলো অপারেটিং সিস্টেম।
২,৮৭৩.
সবচেয়ে প্রথম নির্মিত ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের নাম কোনটি?
  1. EDVAC
  2. IBM 701
  3. ENIAC
  4. Harvard Mark-I
ব্যাখ্যা

◉ ইতিহাসে প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো Harvard Mark-I, যাকে Automatic Sequence Controlled Calculator (ASCC) নামেও ডাকা হতো। এটি ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Howard Aiken এবং IBM-এর সহযোগিতায় তৈরি করা হয়।

​ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

​অন্যান্য অপশনসমূহ, 
​ক) EDVAC → এটি প্রথম ইলেকট্রনিক স্টোরড-প্রোগ্রাম কম্পিউটার, ১৯৪৯ সালে তৈরি হয়।

খ) IBM 701 → IBM-এর তৈরি প্রথম বাণিজ্যিক বৈজ্ঞানিক কম্পিউটার, ১৯৫২ সালে প্রকাশিত।

গ) ENIAC → বিশ্বের প্রথম সাধারণ উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার, ১৯৪৫ সালে সম্পন্ন।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৪.
ALU যে যৌক্তিক ক্রিয়াগুলো সম্পন্ন করে, তার মধ্যে রয়েছে -
  1. AND, OR, NOT 
  2. ADD, SUB, MUL 
  3. MOVE, COPY, PASTE
  4. FETCH, DECODE, EXECUTE
ব্যাখ্যা

• ALU বা Arithmetic Logic Unit হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রধানত গণিত ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পন্ন করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের সময় AND, OR, NOT মত যৌক্তিক অপারেশনগুলো সম্পন্ন করতে সক্ষম। উদাহরণস্বরূপ, দুইটি বিটের মধ্যে AND অপারেশন করলে শুধুমাত্র উভয়ই ১ হলে ফল ১ হবে, অন্যথায় ০ হবে। একইভাবে, OR এবং NOT অপারেশনগুলো বিভিন্ন যৌক্তিক হিসাব করতে ব্যবহার হয়। ALU সাধারণত ADD, SUB মতো গাণিতিক কাজও করে, কিন্তু যৌক্তিক কাজের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়। অন্য অপশন যেমন MOVE, COPY, PASTE বা FETCH, DECODE, EXECUTE মূলত মেমোরি বা CPU-এর অন্যান্য অংশের কাজ, তাই ALU-এর সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।

সঠিক উত্তর: ক) AND, OR, NOT.

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৫.
নোটপ্যাড (Notepad) কোন ধরণের প্রোগ্রাম?
  1. ক) Spreadsheet Program
  2. খ) Word Processing Program
  3. গ) Database Program
  4. ঘ) Network Program
ব্যাখ্যা
WordPerfect, Wordpad, and MS Word are word processing software. These are used to manipulate a text document, such as a resume or a report. We typically enter text by typing, and the software provides tools for copying, deleting, and various types of formatting.
২,৮৭৬.
পৃথিবীতে কত সালে ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তিত হয়?
  1. ক) ১৯৮৫
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮৩
  4. ঘ) ১৯৭৭
ব্যাখ্যা
এপসন কোম্পানি ১৯৮১ সালে প্রথম ল্যাপটপ প্রবর্তন করে। 
২,৮৭৭.
বৃহৎ আর্কিটেকচারাল ডিজাইন প্রিন্ট করতে নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Electrostatic Printer
  2. খ) Ink-Jet Printer
  3. গ) Laser Printer
  4. ঘ) Plotter
ব্যাখ্যা
প্লটার (Plotter):
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড (Flatbed) প্লটার ও
২. ড্রাম (Drum) প্লটার। 

স্থির বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer):
- ইলেট্রোস্ট্যাটিক প্রিন্টার কম্পিউটারের ফলাফলকে বৈদ্যুতিক চার্জের সাহায্যে প্রিন্ট করে।
- এটির কার্যপ্রণালী ফটোস্ট্যাট মেশিনের অনুরূপ। 

ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer):
- যে প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে কম্পিউটারের ফলাফলকে প্রিন্ট করে তাকে ইংকজেট প্রিন্টার বলা হয়।
- প্রিন্টের গুণগতমান ও দামের দিক দিয়ে এটি তুলনামূলকভাবে সস্তা এবং ভালো প্রিন্টার। 

লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৭৮.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রক্ষা করে কোনটি?
  1. অ্যান্টিভাইরাস
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. এমএস অফিস
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক। এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার ছাড়া কম্পিউটার অচল। তাই কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়‍্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- DOS, Windows Xp, Linux, Unix, Mac OS, Solaries ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়‍্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়‍্যারের অন্তর্গত।
- সিস্টেম সফটওয়‍্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট বা সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম (System Management or Control Program)
২। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (System Development Program) এবং
৩। সিস্টেম সাপোর্ট প্রোগ্রাম (System Support Program)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৭৯.
Which command is used to center text?
  1. Ctrl + L
  2. Ctrl + E
  3. Ctrl + R
  4. Ctrl + C
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Ctrl + E।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড: 
- Ctrl + O : Open a document. 
- Ctrl + N : Create a new document. 
- Ctrl + S : Save the document. 
- Ctrl + W : Close the document. 
- Ctrl + C : Copy the selected content to the Clipboard. 
- Ctrl + V : Paste the contents of the Clipboard. 
- Ctrl + B : Apply bold formatting to text. 
- Ctrl + I : Apply italic formatting to text. 
- Ctrl + U : Apply underline formatting to text. 
- Ctrl + Left bracket ( [ ) : Decrease the font size by 1 point. 
- Ctrl + Right bracket ( ] ) : Increase the font size by 1 point. 
 - Ctrl + E : Center the text. 
- Ctrl + L : Align the text to the left. 
- Ctrl + R : Align the text to the right. 
- Esc : Cancel a command. 
- Ctrl + Z : Undo the previous action. 
- Ctrl + Y : Redo the previous action, if possible. 
- Alt + W : Adjust the zoom magnification. 

 উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

২,৮৮০.
IC এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Integrated Circuit
  2. Intelligent Computer
  3. Intel Corporation
  4. Intelligence of Computer
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের পূর্ণরূপ- Integrated Circuit.

- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটকে মাইক্রোইলেক্ট্রনিক সার্কিট, মাইক্রোচিপ নামেও অভিহিত করা হয়।
- এটি ১৯৫৮ সালে আবিষ্কার করেন জ্যাক কেলবি
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহক চিপে সাধারণত থাকে- রোধক, ধারক, ডায়োড, ট্রানজিস্টর ইত্যাদি।

ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সুবিধা সমূহ- 
১. এটি আকারে বেশ ছোট্ট। 
২. অনেক জটিল সার্কিট একটি একক চিপে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং তাই এটি একটি জটিল বৈদ্যুতিক সার্কিটের নকশাকে সহজতর করে। এছাড়াও এটি সার্কিটের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
৩. আইসিগুলোর নির্ভরযোগ্যতা বেশি।
৪. অধিক উৎপাদনের কারণে এগুলো কম খরচে পাওয়া যায়।
৫. আইসিগুলো খুব অল্প শক্তি গ্রহণ করে।
৬. প্যারাসাইটিক ক্যাপাসিট্যান্স প্রভাব না থাকায় এদের অপারেটিং গতি অনেক উচ্চ হয়।
৭. মূল সার্কিট থেকে খুব সহজেই প্রতিস্থাপন করা যায়।
৮. আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
 
২,৮৮১.
Which data type is used to store whole numbers?
  1. float
  2. int
  3. char
  4. string
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামিং ভাষায় পূর্ণসংখ্যা (যেমন: ৫, -১০, ১০০) সংরক্ষণের জন্য 'int' (Integer-এর সংক্ষিপ্ত রূপ) ডেটা টাইপ ব্যবহার করা হয়। এতে কোনো দশমিক অংশ থাকে না। অন্যদিকে দশমিক যুক্ত সংখ্যার জন্য float ব্যবহার করা হয়।

• Integer Data:
- Integer হচ্ছে পূর্ণ সংখ্যা।
- এ ডাটার ব্যাপ্তি মেশিনের উপর নির্ভর করে।
- সাধারণত Integer মেমোরিতে একটি শব্দ ধারণ করে মেশিন ভেদে যা ১৬ বিট বা ৩২ বিট জায়গা দখল করে। 
- এটি ধনাত্মক, ঋণাত্মক এবং শূন্য—সব ধরণের পূর্ণসংখ্যা ধারণ করতে পারে। 
- গাণিতিক লুপ বা গণনার ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ডেটা টাইপ।

• Floating Point Data:
- দশমিকযুক্ত সংখ্যাকে অর্থাৎ Decimal Number-কে Floating Point বা প্রকৃত সংখ্যা বলা হয়।
- এই ধরনের সংখ্যা মেমোরিতে ৩২ বিট (১৬ বিট বা ৩২ বিট মেশিনের) জায়গা দখল করে যার মধ্যে দশমিকের পরের অংশের জন্য ৬ বিট।
- এই ধরনের সংখ্যা float এর মাধ্যমে ঘোষণা করতে হয়।
- যেমন: float a, float b, float sum ইত্যাদি।
 
• Character Data:
- Character Type ডাটার মাধ্যমে কোনো চিহ্ন (গাণিতিক বর্ণ, বর্ণ বা কোনো বিশেষ বর্ণ) প্রকাশ করা হয়।
- এই ধরনের ডাটা বোঝানোর জন্য চলকের নামের আগে char ব্যবহার করা হয়। যেমন- char p. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৮২.
গোলক ভরাট করা খাতা পড়তে পারে কোন ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) বারকোড রিডার
  2. খ) স্ক্যানার
  3. গ) ও এম আর
  4. ঘ) ওয়েব ক্যাম
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। - কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো: কী-বোর্ড, মাউস, ট্যাকবল, জয়স্টিক, বার কোড রিডার, পয়েন্ট অফ সেল, ও এম আর, স্ক্যানার ইত্যাদি।

ওএমআর (OMR):
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader.
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। কম্পিউটার উক্ত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ফলাফল তৈরি করে।
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৩.
প্রথম মাউস তৈরি করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৬৪ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• মাউস:
- ১৯৬৪ সালে প্রথম মাউস তৈরি করা হয় সহজে এবং দ্রুত বিভিন্ন প্রোগ্রাম নিয়ন্ত্রণ করার জন্য।
- বর্তমানে মাউস হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত ইনপুট যন্ত্র।
- মাউস হাত দিয়ে নিয়ন্ত্রিত একটি পয়েন্টিং ডিভাইস।
- সাধারণত কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেবার জন্য দুই অথবা তিনটি বোতামে সমন্বিত ইনপুট ডিভাইসটিকে মাউস নামে অভিহিত করা হয়।
- মাউস বিভিন্ন পোর্টের মাধ্যমে কম্পিউটারে সরাসরি যুক্ত।
- এটি কি-বোর্ডের নির্দেশ প্রদান ছাড়াই একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
- সাধারণত Graphical User Interface অপারেটিং সিস্টেমে ফাইল ব্যবস্থা থেকে শুরু করে সকল কাজেই মাউসের সাহায্যে করা হয়।
- এছাড়া ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ একই কার্সর কি দিয়ে করা গেলেও মাউসের সাহায্যে দ্রুত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৪.
নিচের কোনটি রিলেশনাল অপারেটরের উদাহরণ?
  1. ক) (+) অপারেটর
  2. খ) (-) অপারেটর
  3. গ) (And) অপারেটর
  4. ঘ) (>) অপারেটর
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল অপারেটররা সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমাদেরকে সংখ্যা সূচক এবং ক্যারেক্টার এর মধ্যে তুলনা করতে ব্যবহার করা হয়। এটি নির্ধারণ করতে পারে যে কোনটি অন্যটির চেয়ে বড়, কম, সমান বা সমান নয়।
২,৮৮৫.
ডেটা গ্রহণ ও নির্গমন বাসের নাম কী?
  1. ক) আউটপুট বাস
  2. খ) ইনপুট বাস
  3. গ) ডেটা বাস
  4. ঘ) পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
ডেটা বাস (Data Bus):
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরের বিভিন্ন উপাদান যেমন, মাইক্রোপ্রসেসর, হার্ডডিস্ক, র‍্যাম, ইনপুট/আউটপুট পোর্ট ইত্যাদির মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানে যে বাস ব্যবহৃত বাসকে ডেটা বাস বলা হয়।
- ডেটা বাসের মাধ্যমে কম্পিউটার ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস থেকে প্রসেসর এবং প্রসেসর থেকে মেমোরি অথবা মেমোরি থেকে প্রসেসর এবং মেমোরি থেকে ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- এ ধরনের বাসের মধ্যে উভয় দিকেই ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তাই ডেটা বাসকে দ্বিমুখী বা Bi-directional বাস বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৮৬.
উৎস প্রোগ্রাম → ? → বস্তু প্রোগ্রাম। (?) প্রশ্নবোধক স্থানে কি হবে?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. কম্পাইলার
  4. লিংকার
ব্যাখ্যা

উৎস প্রোগ্রাম → কম্পাইলার → বস্তু প্রোগ্রাম

অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-
১. কম্পাইলার
২. ইন্টারপ্রেটার
৩. অ্যাসেম্বলার

কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম যা হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে।
- অর্থাৎ, উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তর করে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।

উল্লেখ্য,
ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রামকে এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলারের কাজ হলো অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।(মাহবুবুর রহমান)

২,৮৮৭.
যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো -
  1. এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে
  2. এতে বেশি স্টোরেজ ক্ষমতা থাকে
  3. এটি কম বিদ্যুৎ ব্যবহার করে
  4. এটি কম তাপ উৎপন্ন করে
ব্যাখ্যা

• যখন একটি CPU-র ক্লক স্পিড বাড়ানো হয়, তখন এর মানে হলো এটি দ্রুত নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে। ক্লক স্পিড হলো CPU-এর প্রতি সেকেন্ডে কতটি সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে তার পরিমাপ। ক্লক স্পিড বেশি হলে CPU দ্রুততরভাবে নির্দেশনা পড়া, গণনা এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম হয়। তবে এটি সরাসরি স্টোরেজ ক্ষমতা, বিদ্যুৎ ব্যবহার বা তাপ উৎপাদনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই ক্লক স্পিড বাড়ানোর মূল প্রভাব হলো প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি।

ক্লক স্পিড (Clock Speed):
- ক্লক স্পিড হলো কম্পিউটারের প্রসেসর কত দ্রুত কাজ করতে পারে তার পরিমাপ।
- এটি সাধারণত GHz (Gigahertz) বা MHz (Megahertz) এককে প্রকাশ করা হয়।
- ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, প্রসেসর তত দ্রুত নির্দেশনা (Instruction) সম্পাদন করতে পারবে।
- এটি নির্ধারণ করে প্রতি সেকেন্ডে কতগুলো সাইকেল (Cycle) সম্পন্ন হচ্ছে।
- তবে শুধু ক্লক স্পিড বেশি হওয়াই কম্পিউটারকে দ্রুতগতির করে না, প্রসেসরের আর্কিটেকচার এবং কোর সংখ্যাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

ক্লক সাইকেল টাইম (Clock Cycle Time):
- ক্লক সাইকেল টাইম হলো একটি ক্লক সাইকেল সম্পন্ন করতে যে সময় লাগে।
- এটি সাধারণত ন্যানোসেকেন্ড (ns) এ পরিমাপ করা হয়।
- ক্লক সাইকেল টাইম এবং ক্লক স্পিড একে অপরের বিপরীত অনুপাতিক। অর্থাৎ, ক্লক স্পিড যত বেশি হবে, ক্লক সাইকেল টাইম তত কম হবে।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি ক্লক স্পিড হয় 2 GHz, তবে ক্লক সাইকেল টাইম হবে প্রায় 0.5 ns।
- প্রসেসরের পারফরম্যান্স বুঝতে ক্লক স্পিড এবং ক্লক সাইকেল টাইম—দুটোই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: 
- Intel. [link]

২,৮৮৮.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ব্যবহৃত সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Matlab
  2. VRToolkit
  3. Maya
  4. Vizard
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৮৮৯.
কোনটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা?
  1. ক) QBE
  2. খ) COBOL
  3. গ) SQL
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ, ভেরি হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ, নন-প্রসিডিউরাল ল্যাংগুয়েজ এবং একেট্রাল ল্যাংগুয়েজ এর সমন্বয়ে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা গঠিত। এই ভাষার স্বপ্নদ্রষ্টা হলো বিল গেটস। এই ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তর করবে ইন্টেলিজেন্ট কম্পাইলার। বর্তমানে এই ভাষা উন্নয়নাধীন রয়েছে। QBE, SQL, ADF, CSP ইত্যাদি কিছু চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা। ADA, C এবং COBOL তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাহজাহান সজীব
২,৮৯০.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে প্রধানত ইউনিকোড স্ট্যান্ডার্ড কেন ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৯১.
আঙ্গুলের ছাপ নেওয়া হয় কোন পদ্ধতিতে?
  1. ক) জেনেটিক টেকনোলজী
  2. খ) ইনফরমেট্রিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেট্রিক্স
  4. ঘ) বায়োমেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোনো ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়।
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোনো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

• দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint),
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry),
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan),
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition),
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA test)। 

• আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি:
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition),
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification),
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯২.
পেনড্রাইভে কোন ধরনের রম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) SRAM
  2. খ) DRAM
  3. গ) MROM
  4. ঘ) EEPROM
ব্যাখ্যা
EEPROM:
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Techopedia website.
২,৮৯৩.
কম্পিউটার পাওয়ার বাটন চাপ দেওয়ার পর প্রথম কোন নির্দেশগুলো পালিত হয়?
  1. অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশ
  2. মাউস ও কিবোর্ডের নির্দেশ
  3. ইন্টারনেটের নির্দেশ
  4. BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ

• BIOS (Basic Input Output System):
- BIOS হল কম্পিউটারের ফার্মওয়‍্যার, বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার।
- BIOS সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে।
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে অর্থাৎ BIOS চিপে সংরক্ষিত নির্দেশ হিসেবে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং মাউস, কীবোর্ডের মতো বাহ্যিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে তথ্য পরিচালনাও করে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।


উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২,৮৯৪.
কম্পিউটারের বাস নয় কোনটি?
  1. অ্যাড্রেস বাস
  2. ফায়ারওয়্যার বাস
  3. এজিপি বাস
  4. ইআইপি বাস
ব্যাখ্যা

ইআইপি বাস কম্পিউটারের বাস নয়।

• কম্পিউটার বাস (Computer Bus):
- কম্পিউটারের বাস হলো এমন একগুচ্ছ তার, যার মধ্যে দিয়ে ডিজিটাল সংকেত ০ বা ১ চলাচল করতে পারে।
- বাসের সাহায্যেই কম্পিউটারের বিভিন্ন হার্ডওয়‍্যার একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদান করে।
- কম্পিউটারের বাস কতকগুলো বিদ্যুৎ পরিবাহী লাইনের সাহায্যে গঠিত, যার মাধ্যমে কম্পিউটারের এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে ডেটা, তথ্য, সিগন্যাল, নির্দেশ বা প্রোগ্রাম আদান-প্রদানের কাজ সম্পন্ন হয়।

• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।

→ সিস্টেম বাসের প্রকারভেদ:
- ডেটা বাস (Data Bus), 
- অ্যাড্রেস বাস (Address Bus), 
- কন্ট্রোল বাস (Control Bus)। 

• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে সেগুলোকে এক্সপানশন বাস (Expansion Bus) বলা হয়। 

→ এক্সপানশন বাসের প্রকারভেদ:
- আইএসএ বাস (ISA Bus), 
-  ইআইএসএ বাস (EISA Bus), 
-  ইউএসবি (USB)
 - ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus)
-  এজিপি বাস (AGP Bus),
-  লোকাল বাস (Local Bus): লোকাল বাস দুই প্রকার হয়ে থাকে। যথা- 
ⅰ. ভেসা বাস (VESA Bus), 
ii. পিসিআই বাস (PCI Bus)। 

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৮৯৫.
নিচের কোনটি হার্ডওয়্যার নয়?
  1. ক) কীবোর্ড
  2. খ) মনিটর
  3. গ) এক্সেল
  4. ঘ) সিপিইউ
ব্যাখ্যা
এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বিশেষ ধরনের কাজ বা ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি সফট্ওয়্যার। আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য স্প্রেডসিট এ্যানালাইসিস প্যাকেজ যেমন- লোটাস, মাইক্রোসফট এক্সেল ইত্যাদি এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে হার্ডওয়্যার বলে। ছোট, বড়, অতি গুরুত্বপূর্ণ, কম গুরুত্বপূর্ণ যেমন যন্ত্রই হোক না কেন, যন্ত্র মানেই হার্ডওয়্যার। হার্ডওয়্যার হাত দিয়ে স্পর্শ করা যায় এবং এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বহন করা যায়। কী-বোর্ড, মনিটর, প্রিন্টার, মাউস, সিলিকন চিপ ইত্যাদি হার্ডওয়্যারের অংশ। হার্ডওয়্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।
[সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
২,৮৯৬.
How many bits are there in 1 byte?
  1. 4
  2. 8
  3. 16
  4. 32
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 8

• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৮৯৭.
কোনটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. Plotter
  3. Joystick
  4. Pen Drive
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pen Drive, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৮৯৮.
পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র Mark-1 কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) Hewlett Packard Enterprise
  2. খ) IBM
  3. গ) Cisco Systems
  4. ঘ) Intel
ব্যাখ্যা

১৯৪৪ সালে আইবিএম মার্ক-১ (Harvard Mark I) যা বিশ্বের প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র বাজারজাত বা বিক্রয় করতে শুরু করে। মার্ক-১ যন্ত্রের সাহায্যে জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধান করা যেত।
মার্ক-১ কম্পিউটারের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল -
- এটি পৃথিবীর প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্র এবং
- এটির সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

২,৮৯৯.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস নয়?
  1. জয়স্টিক
  2. ট্যাকবল
  3. প্রজেক্টর
  4. লাইটপেন
ব্যাখ্যা
♦ ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়ারণে বিভিন্ন ধরনের ডাটা গ্রহন করে। কম্পিউটার প্রক্রিয়ারণের কাজে ডাটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
• উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইসসমূহ হলো:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- ট্যাকবল,
- জয়স্টিক,
- বার কোড রিডার,
- পয়েন্ট অফ সেল,
- ওএমআর,
- স্ক্যানার,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন ইত্যাদি।

• প্রজেক্টর একটি আউটপুট ডিভাইস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯০০.
(27)10 এর অক্টাল রূপ কত?
  1. 11011
  2. 33
  3. 23
  4. 30
ব্যাখ্যা

8 | 27
8 | 3 - 3
8 | 0 - 3

∴ (27)10 = (33)8