বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ২৬ / ৮২ · ২,৫০১২,৬০০ / ৮,১৪১

২,৫০১.
বাংলা অক্ষর কোন কোডের আওতাভুক্ত?
  1. BCD
  2. ASCII
  3. EBCDIC
  4. UNICODE
ব্যাখ্যা
• বাংলা অক্ষর মূলত UNICODE কোডিং সিস্টেমের আওতাভুক্ত। UNICODE হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সব ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন ইত্যাদিকে ডিজিটাল ফরম্যাটে উপস্থাপন করতে সক্ষম। BCD, ASCII, এবং EBCDIC কোডগুলি সাধারণত ইংরেজি বা অন্যান্য সীমিত অক্ষরের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং বাংলা অক্ষরকে সম্পূর্ণরূপে সমর্থন করে না। UNICODE এর মাধ্যমে বাংলা ভাষার সকল অক্ষর, ব্যঞ্জনবর্ণ, স্বরবর্ণসহ বিশেষ চিহ্ন ডিজিটাল ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শন এবং ব্যবহার করা সম্ভব হয়। তাই বাংলা ভাষার ডিজিটাল প্রক্রিয়াকরণের জন্য UNICODE কোডিং সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• ইউনিকোড (Unicode):
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২,৫০২.
কম্পিউটারের কার্সরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে কোন ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?
  1. কীবোর্ড
  2. মনিটর
  3. মাউস
  4. প্রজেক্টর
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের কার্সরের নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করতে মাউস ব্যবহার করা হয়।

মাউস
- মাউস হল একটি হাতে-নিয়ন্ত্রিত ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল ডিভাইস। 
- এটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস (GUI) কম্পিউটারকে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। 
- মার্কিন উদ্ভাবক ডগলাস এঙ্গেলবার্ট ১৯৬৩-৬৪ সালে মাউস আবিষ্কার করেন।
- মাউসকে একটি সমতল পৃষ্ঠের উপর সরানো হলে, কম্পিউটারের স্ক্রিনে কার্সরের (cursor) নড়াচড়া নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 

মাউসের ব্যবহার: 
- মাউসের বোতাম ব্যবহার করে টেক্সট নির্বাচন, প্রোগ্রাম চালু বা স্ক্রিনে কোনো আইটেম সরানো যায়। 
- দ্রুত বোতাম চেপে ("ক্লিক") অথবা বোতাম চেপে ধরে ডিভাইসটিকে সরানোর মাধ্যমে ("ক্লিক এবং ড্র্যাগ") কাজ করা যায়। 

প্রকারভেদ: 
- মেকানিক্যাল মাউস: একটি বলের ঘূর্ণন থেকে কার্সরের মুভমেন্টে পরিবর্তন করে। 
- অপটিক্যাল মাউস: আলো-নির্গত ডায়োড (light-emitting diode) বা লেজার থেকে নির্গত রশ্মি ব্যবহার করে কাজ করে। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫০৩.
নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডে (NIC) ব্যবহৃত ঠিকানাটি কী নামে পরিচিত?
  1. IP address
  2. MAC address
  3. DNS address
  4. HTTP address
ব্যাখ্যা
• নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড:
- NIC এর পূর্ণরূপ হলো Network Interface Card।
- এটি একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ক্লায়েন্ট, সার্ভার এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশগুলিকে একটি পোর্টের মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করে।
- বেশিরভাগ নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসগুলি ছোটো সার্কিট বোর্ড হিসাবে আসে যা কম্পিউটার মাদারবোর্ডের স্লটগুলির মধ্যে একটিতে ঢোকানো যেতে পারে। বিকল্পভাবে, আধুনিক কম্পিউটারগুলি কখনও কখনও তাদের প্রধান সার্কিট বোর্ডের (মাদারবোর্ড) অংশ হিসাবে নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস অন্তর্ভুক্ত করে।
- প্রতিটি নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস একটি স্বতন্ত্র (Individual) ঠিকানা দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যা ম্যাক ঠিকানা (MAC address) নামে পরিচিত।
- ম্যাকের ঠিকানাটি নির্দিষ্ট গন্তব্যে তথ্য প্রেরণে সহায়তা করে।
- নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ডগুলি হলো কোনো নেটওয়ার্কের গতি এবং কার্যকারিতা নির্ধারণের প্রধান উপাদান।

উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৪.
A computer that is built into a larger device to manage its operations is called a -
  1. Personal computer
  2. Embedded computer
  3. Supercomputer
  4. Mainframe computer
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Embedded computer

এমবেডেড কম্পিউটার (Embedded Computer):
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
​- সাধারণত এতে একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে। 
- ​আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহৃত হয়। 

​• ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- এয়ার কন্ডিশন (এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনার,
- ATM,
​- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫০৫.
যদি আপনি 'c' অক্ষরটি ASCII কোডে রূপান্তর করেন, তবে কোন সংখ্যা পাবেন?
  1. 100
  2. 101
  3. 98
  4. 99
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫০৬.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কি দিয়ে? 
  1. ক) সিলিকন 
  2. খ) প্লাস্টিক 
  3. গ) এলুমিনিয়াম 
  4. ঘ) কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের অর্ধপরিবাহী দিয়ে মেমোরি তৈরি হলেও প্রধানত সিলিকন ব্যবহার করা হয়। 
২,৫০৭.
RAM কী?
  1. Extra memory
  2. Secret information store
  3. Hard disk device
  4. Fast memory used for data
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক/প্রধান মেমরি (Main Memory):
RAM (Random Access Memory) এবং ROM (Read Only Memory) কে প্রাথমিক মেমরি বলা হয়। RAM কে Volatile Memory বলে। ROM কে নন- Volatile Memory বলে।

গৌণ/সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
প্রধান মেমরি ব্যতিত সকল ধরনের মেমরিকে সহায়ক মেমরি বলে। যেমন: Hard Disk, Pen Drive.

- "RAM" শব্দটির পূর্ণরূপ "Random Access Memory"
- RAM হল এক ধরনের কম্পিউটার মেমরি যা ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- যা CPU (কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট) দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। 
- এটি উদ্বায়ী মেমরি, যার অর্থ কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলে এটি তার ডেটা হারায় এবং এটি অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়  যা সক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের প্রোগ্রাম এবং প্রক্রিয়া দ্বারা ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- র‍্যাম, বা র‍্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি হল এক ধরনের কম্পিউটার মেমরি যা ব্যবহৃত ডেটা এবং মেশিন কোড সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি দ্রুত মেমরি হিসাবে বিবেচিত হয় কারণ এটি কম্পিউটারের প্রসেসরকে দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস এবং পুনরুদ্ধার করতে দেয়।


উৎস: নবম-দশম শ্রেণির ICT বই ও ব্রিটানিকা।
২,৫০৮.
নিচের কোন গেইটের দুটি ইনপুট ১ হলে আউটপুট ০ পাওয়া যাবে?
  1. ক) অর গেইট
  2. খ) অ্যান্ড গেইট
  3. গ) নর গেইট
  4. ঘ) নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

নর গেইটের সত্যক সারণি


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৫০৯.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের এন্টিভাইরাস নয়?
  1. এভিজি
  2. অ্যাভাস্ট
  3. নরটন
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
• 'ট্রোজান হর্স' একটি কম্পিউটারে ভাইরাস।

এন্টিভাইরাস:

- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫১০.
বর্তমানে পেনড্রাইভ যার জায়গা দখল করে নিয়েছে?
  1. ক) হার্ড ডিস্ক
  2. খ) প্রিন্টার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
একটি ফ্লপি ডিস্ক কম্পিউটার সিস্টেমের জন্য একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম। ফ্লপি ডিস্কটি একটি বর্গাকার প্লাস্টিকের ক্যারিয়ারে সিল করা একটি পাতলা, নমনীয় চৌম্বকীয় ডিস্কের সমন্বয়ে গঠিত। ফ্লপি ডিস্ক থেকে ডেটা পড়তে এবং লেখার জন্য, একটি কম্পিউটার সিস্টেমে অবশ্যই একটি ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ (এফডিডি) থাকতে হবে। একটি ফ্লপি ডিস্ককে কেবল ফ্লপি হিসাবেও উল্লেখ করা হয়। ব্যক্তিগত কম্পিউটিংয়ের প্রথম দিন থেকেই, ফ্লপি ডিস্কগুলি সফ্টওয়্যার বিতরণ, ফাইল স্থানান্তর এবং ডেটার ব্যাক-আপ কপি তৈরি করতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
২,৫১১.
What is the primary purpose of the F1 key?
  1. Rename a file
  2. Open Help menu
  3. Refresh the browser
  4. Close the current window
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Open Help menu

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
- কি-বোর্ডে ১২টি ফাংশন কী রয়েছে।
- কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও
২। ব্রিটানিকা।

২,৫১২.
অ্যালান টুরিং কে কিসের জনক বলা হয়?
  1. ক) টেলিমেডিসিন
  2. খ) বায়োমেট্রিক্স
  3. গ) তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল
  4. ঘ) ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানের একটি শাখা, যেখানে মানুষের বুদ্ধিমত্তা ও চিন্তা শক্তিকে কম্পিউটার দ্বারা অনুকৃত করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে।

এলান টুরিংয়ের ১৯৫০ সালের একটি গবেষণাপত্রের আলোকে করে কোন যন্ত্রে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরীক্ষা করার জন্য  তিনি 'টুরিং পরীক্ষা' নামের একটি প্রক্রিয়া উদ্ভাবন করেন। টুরিং পরীক্ষা হলো এক ধরনের ইমিটেশন গেম। এই পরীক্ষাটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি তৈরি করে।

অ্যালান টুরিং কে তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৫১৩.
কোন কাজে রোবটিক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় না?
  1. নিরাপত্তার কাজে
  2. পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে
  3. পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
  4. মেইল ডেলিভারির কাজে
ব্যাখ্যা
[চিকিৎসা ক্ষেত্রে জটিল অপারেশনে সার্জনদের নানা ধরণের কাজে রোবট সহায়তা করে তবে পিতৃত্ব বা মাতৃত্ব শনাক্তকরণে রোবট ব্যবহৃত হয়না।]

• রোবটিক্স (Robotics):
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয়, সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- রোবট হচ্ছে কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত এক ধরনের ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল যান্ত্রিক ব্যবস্থা, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষের অনুরূপ কর্মকাণ্ড করতে পারে।
- রোবটিক্স শব্দটি এসেছে 'রোবট' শব্দ হতে, যা প্রবর্তিত হয় চেক লেখক ও নাট্যকার কারেল কাপেক এর একটি নাটক থেকে, যা ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- রোবট হলো কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যন্ত্র বা যন্ত্রমানব, যা মানুষের অনেক দুঃসাধ্য ও কঠিন কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারে।
- Robot শব্দটি এসেছে স্লাভিক শব্দ Robota থেকে, যার অর্থ হলো 'শ্রমিক'।
- অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি অনুযায়ী 'রোবটিক্স' শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করা হয় ১৯৪১ সালে প্রকাশিত 'আইজাক অসিমভ' এর সায়েন্স ফিকশন 'লায়ার'-এ।
- প্রথম রোবট তৈরি করেন আমেরিকান উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল।
- ১৯৫০ সালে তার তৈরি প্রথম ইন্ডাস্ট্রিয়াল রোবটের নাম ছিল ইউনিমেট।
- ইউনিমেট রোবট তৈরির প্রজেক্টের উদ্যোক্তা ছিলেন আমেরিকান জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ।
- জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গকে রোবোটিক্সের জনক বলা হয়।

• রোবটিক্সের ব্যবহার:
- ম্যানুফ্যাকচারিং-এ
- বিপজ্জনক কাজে
- ভারী শিল্প কারখানায়
- মেইল ডেলিভারির কাজে
- নিরাপত্তার কাজে
- পুলিশের সাহায্যকারী হিসেবে
- সামরিক ক্ষেত্রে
- ঘরোয়া কাজে
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে, ইত্যাদি

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৫১৪.
(১১১১) বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা হবে -
  1. ক) (১৮)১০
  2. খ) (১৪)১০
  3. গ) (১২)১০
  4. ঘ) (১৫)১০
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরঃ
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২ ,------- দ্বারা গুণ করতে হবে।
প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

যেমনঃ (১১১১)
= (১ × ২৩) + (১ × ২২) + (১ × ২১) + (১ × ২০)
= (১৫)১০
২,৫১৫.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে কী বলে?
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. ল্যাটেন্সি টাইম
  3. রিড টাইম
  4. সিক টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

• পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
২,৫১৬.
কম্পিটারের কোন মেমরী কখনো স্মৃতিভ্রংশ হয় না?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) CD-ROM
  4. ঘ) Processor
ব্যাখ্যা


সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৫১৭.
বিশ্বগ্রাম (Global Village)- প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান নয় কোনটি?
  1. ক) কানেকটিভিটি
  2. খ) মানুষের সক্ষমতা
  3. গ) রাজনৈতিক প্রভাব
  4. ঘ) ডাটা
ব্যাখ্যা
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধান উপাদান গুলো হচ্ছে - হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, কানেকটিভিটি, ডাটা, মানুষের সক্ষমতা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৫১৮.
নিচের কোনটি আউটপুট যন্ত্র নয়?
  1. মনিটর
  2. প্লটার
  3. হেডফোন
  4. লাইট পেন
ব্যাখ্যা

একটি লাইট পেন হল একটি কম্পিউটার ইনপুট যন্ত্র যা দেখতে লম্বা সরু লাঠির মতন।
ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ গুলোর মধ্যে রয়েছে
- কীবোর্ড,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- ক্যামেরা,
- জয়স্টিক এবং
- মাইক্রোফোন ইত্যাদি। 

কম্পিউটারের আরো কয়েকটি আউটপুট ডিভাইস:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- প্রজেক্টর,
- হেডফোন ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

২,৫১৯.
বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদান কোনটি?
  1. কানেকটিভিটি
  2. ডেটা
  3. মানুষের সক্ষমতা
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• বিশ্বগ্রাম:
- গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রাম হচ্ছে এমন একটি পরিবেশ যেখানে পৃথিবীর সকল মানুষই একটি একক সমাজে বসবাস করে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়া ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে একে অপরকে সেবা প্রদান করে থাকে।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হচ্ছে।
• নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা-
- কানেকটিভিটি,
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়্যার,
- ডেটা,
- মানুষের সক্ষমতা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৫২০.
এমবেডেড সিস্টেমের উদাহরণ-
  1. ক) রাউটার
  2. খ) ডিজিটাল ক্যামেরা
  3. গ) ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এমবেডেড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেমের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে কেবল পূর্বনির্দিষ্ট কর্ম সম্পাদন করে। এতে কেবল মাইক্রোপ্রসেসর, রম এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস সংযোজন সিস্টেম থাকে। আজকের প্রযুক্তি নির্ভর আধুনিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম এর প্রভাব রয়েছে। যেমনঃ
ভিসিআর, সেল ফোন, এয়ার কন্ডিশনার, প্রিন্টার, ভিডিও গেম, এটিএম, ডিজিটাল ক্যামেরা, রাউটার, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ওয়াশিং মেশিন, গান শুনবার এম.পি.থ্রি. প্লেয়ার, গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম, টেলিফোন, রোবটিক্স, ট্রাফিক কন্ট্রোল সিস্টেম, ফটোকপি মেশিন, ডিজিটাল ঘড়ি, মোটর গাড়ি ইত্যাদি।
২,৫২১.
বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় পরিবর্তন করতে সাধারণত কয়টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৮টি
  3. ১৬টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

• বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় সাধারণত ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে নেওয়া হয়। কারণ একটি অক্টাল সংখ্যা ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মান নিতে পারে, যা বাইনারিতে ৩টি বিট দ্বারা প্রকাশ করা যায়। উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি ০০০ মানে অক্টাল ০, ১১১ মানে অক্টাল ৭। তাই বড় কোনো বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সেটি তিনটি করে বিট ভাগ করে অক্টাল মান বের করা হয়। এটি রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সহজ করে এবং কোনো মান হারানোর ঝুঁকি কমায়। অতএব, সঠিক উত্তর হলো (ক) ৩টি।

• একটি অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারিতে রূপান্তর করলে প্রতি অঙ্কের জন্য ৩টি বাইনারি বিট লাগে।
উদাহরণস্বরূপ:
অক্টাল 7 = বাইনারি 111
অক্টাল 5 = বাইনারি 101

সুতরাং, বাইনারি থেকে অক্টাল রূপান্তরের সময় প্রতি ৩টি বাইনারি বিট = ১টি অক্টাল ডিজিট। এজন্য ৩টি বাইনারি ডিজিট একসাথে গ্রুপ করা হয়।

বাইনারি থেকে অক্ট্যাল রূপান্তর: 
- একটি অক্ট্যাল সংখ্যা তিন বিট বাইনারি দ্বারা প্রকাশ করা যায়। 
- আমরা জানি, বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি ২ এবং অক্ট্যাল সংখ্যার ভিত্তি ৮। 
- বাইনারি সংখ্যাকে অক্টালে রূপান্তর করতে সংখ্যাটির অংকগুলোকে তিন বিট বিশিষ্ট ছোট ছোট ভাগে ভাগ করা হয়। 
- এরপর প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে তা বাইনারি থেকে অক্টালে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫২২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. ক) Laser
  2. খ) Dot Matrix
  3. গ) Duel Core
  4. ঘ) Ink jet
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টারঃ চেইন প্রিন্টার, ড্রাম প্রিন্টার,ডেইজি হুইল প্রিন্টার, ডট মেট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইঙ্কজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থিরবিদ্যুৎ প্রিন্টার।
২,৫২৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে E-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে
  1. ক) ১০
  2. খ) ১৩
  3. গ) ১৬
  4. ঘ) ১৪
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি: এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ১৬। অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে ১৬ টি মৌলিক অংক রয়েছে। এই সংখ্যাসমূহ ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯ এবং অতঃপর A, B, C, D, E, F।

বর্ণ এবং সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 এবং ১৫।
২,৫২৪.
কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস কোনটি?
  1. স্পিকার
  2. স্ক্যানার
  3. মাউস
  4. জয়স্টিক
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস: 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: কী-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইস: 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। 
উদাহরণ: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার, হেডফোন ইত্যাদি। 

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
উদাহরণ: পেনড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫২৫.
কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. পার্সোনাল কম্পিউটার
  2. ইসিজি মেশিন
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫২৬.
Antivirus সফটওয়্যার কোনটি ব্যবহার করে ভাইরাস শনাক্ত করতে?
  1. Signature-based detection
  2. Behavior-based detection
  3. Heuristic analysis
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

- Antivirus সফটওয়্যার ভাইরাস শনাক্ত করার জন্য Signature-based, Behavior-based, এবং Heuristic analysis- এই তিনটি পদ্ধতিই ব্যবহার করে।

- Signature-based detection:
-এই পদ্ধতিতে পরিচিত ভাইরাসগুলোর একটি signature database রাখা হয়।
- সফটওয়্যার প্রতিটি ফাইল বা প্রোগ্রামের কোড এই ডাটাবেসের সাথে তুলনা করে দেখে কোনো পরিচিত ভাইরাসের কোডের সাথে মেলে কিনা।
- এটি সবচেয়ে প্রচলিত ও দ্রুততম পদ্ধতি, তবে নতুন (unknown) ভাইরাস শনাক্ত করতে পারে না।

Behavior-based detection:
- এখানে প্রোগ্রামের আচরণ বা কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ করা হয়।
- যেমন— ফাইল ডিলিট করা, সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করা বা অন্য ফাইল সংক্রমিত করার চেষ্টা ইত্যাদি।
- কোনো সন্দেহজনক আচরণ দেখা গেলে সফটওয়্যার সতর্ক করে বা ব্লক করে।

Heuristic analysis:
- এটি একটি অ্যালগরিদমিক ও বিশ্লেষণমূলক পদ্ধতি, যা প্রোগ্রামের কোডের ধরন ও গঠন বিশ্লেষণ করে নতুন বা পরিবর্তিত ভাইরাস শনাক্ত করে।
- এটি unknown বা modified ভাইরাস সনাক্ত করতে সক্ষম।

উৎস: Britannica. [লিংক]।

২,৫২৭.
প্রথম মেকানিক্যাল কম্পিউটার কে তৈরি করেন?
  1. ক) Charles Babbage
  2. খ) Howard H. Aiken
  3. গ) Lady Ada Byron
  4. ঘ) Hermam Hollerith
ব্যাখ্যা

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির Howard H. Aiken, একটি মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।

- ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ছিলেন।
- হাওয়ার্ড আইকেন কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে বিরাট ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি অটোমেটিক সিক্যুয়েন্স কন্ট্রোল ক্যালকুলেটর (Automatic Sequence Control Calculator) বা ASCC নামে একটি ইলেকট্রোমেকানিক্যাল যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

২,৫২৮.
অফিসের যাবতীয় কার্যক্রমকে স্বয়ংক্রিয় করাকে বলা হয় - 
  1. স্মার্ট অফিস
  2. ডিজিটালাইজেশন
  3. অটোমেশন
  4. টেলিকমিউনিকেশন
ব্যাখ্যা
অফিস অটোমেশন: 
- অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির একটি প্রায়োগিক টুল হলো অফিস অটোমেশন সিস্টেম।
- অফিস অটোমেশন হলো এমন এক ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর কার্যক্রম, যার মাধ্যমে কমপিউটার, নেটওয়ার্কিংসহ তথ্য প্রযুক্তির আরও অন্যান্য ডিভাইস ও সিস্টেম দ্বারা অফিসের সকল পেপার ওয়ার্ক ও যোগাযোগের কাজ পরিচালনা করা যায়। 
- অফিস অটোমেশনে ব্যবহৃত সফটওয়‍্যারগুলো হলো মাইক্রোসফট অফিস, ওপেন অফিস অর্গ, অ্যাক্রোবেট রিডার ইত্যাদি। 
- এছাড়াও অফিস পরিচালনার ক্ষেত্রে যে সমস্ত তথ্য ও প্রযুক্তিনির্ভর ডিভাইস ব্যবহৃত হয়, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে কমপিউটার, মোবাইল ফোন, ফ্যাক্স, স্ক্যানার, প্রিন্টার, ফটোকপিয়ার, প্রজেক্টর, সিসিটিভি, আইপি, পিএবিএক্স, কর্মীদের হাজিরার জন্য বায়োমেট্রিক্স ডিভাইস ইত্যাদি। 
- বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক উৎকর্ষতার কারণে ঘরে বসেও অফিসের সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ এবং অফিস পরিচালনার সব ধরনের নির্দেশ ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে প্রদান করা সম্ভব। 
- চব্বিশ ঘণ্টা চালু থাকে এ ধরনের অফিসকে ভার্চুয়াল অফিস এবং প্রদত্ত সার্ভিসকে 24/7 সার্ভিস বলা হয়ে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (মাহবুবুর রহমান)।
২,৫২৯.
253-এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর-
  1. BC
  2. ED
  3. FD
  4. 7D
ব্যাখ্যা

অর্থাৎ, 253 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল নম্বর হলো (FD)16
২,৫৩০.
সিস্টেম সফটওয়্যার নয় -
  1. Windows Xp
  2. Solaris
  3. Tor
  4. DOS
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- সফটওয়্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
• DOS,
• Windows Xp,
• Linux,
• Unix,
• Mac OS,
• Solaris ইত্যাদি।

• Tor একটি ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩১.
In programming, what is the term for an error in the logic or syntax of a program that prevents it from running correctly?
  1. Bug
  2. Patch
  3. Malware
  4. Script
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামিংয়ের ভাষায় সফটওয়্যার বা কোডের মধ্যে থাকা ভুলকে Bug (বাগ) বলা হয়। এই ভুলটি সিনট্যাক্সগত (Syntax) হতে পারে, যার ফলে প্রোগ্রামটি রানই হবে না, অথবা এটি লজিক্যাল (Logic) হতে পারে, যার ফলে প্রোগ্রামটি ভুল ফলাফল দেবে। 
- বাগ সাধারণত প্রোগ্রামারের অসাবধানতা বা যুক্তিতে ভুলের কারণে তৈরি হয়।
- এটি সফটওয়্যারের স্থায়িত্ব নষ্ট করে এবং অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণ তৈরি করে।
- এই বাগ খুঁজে বের করে তা ঠিক করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'Debugging' (ডিবাগিং)।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে, প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।

• প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা:
- ডেটা ভুল,
- যুক্তিগত ভুল এবং
- সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,৫৩২.
অক্টাল সংখ্যা 122 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 74
  2. 82
  3. 90
  4. 96
ব্যাখ্যা
 • (122)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 82.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১), (৭৩১) ইত্যাদি।

এখানে,
(124)8
= 1 × 82 + 2 × 81 + 2 × 80
= 1 × 64 + 2 × 8 + 2 × 1
= 64 + 16 + 2
= 82

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৩৩.
কম্পিউটার চালু করার পর BIOS প্রথম কোন কাজটি সম্পন্ন করে?
  1. অপারেটিং সিস্টেম আপডেট করা
  2.  ইন্টারনেট ব্রাউজার চালু করা
  3. হার্ডডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্ট করা
  4. POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: ঘ) POST (Power-On Self-Test) পরিচালনা করা
• কম্পিউটারের পাওয়ার সুইচ অন করার পর BIOS (Basic Input/Output System) সর্বপ্রথম যে কাজটি করে তা হলো POST বা Power-On Self-Test। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কম্পিউটার তার সাথে যুক্ত সকল হার্ডওয়্যার (যেমন: র‍্যাম, কীবোর্ড, ডিস্ক ড্রাইভ, প্রসেসর) ঠিকমতো কাজ করছে কি না তা পরীক্ষা করে নেয়। যদি সব হার্ডওয়্যার ঠিক থাকে, তবেই সে অপারেটিং সিস্টেম লোড করার পরবর্তী ধাপে যায়।

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- এটি কম্পিউটারের রম (ROM) চিপে সংরক্ষিত থাকে।
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

POST এবং BIOS-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- BIOS হলো একটি ফার্মওয়‍্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে প্রাথমিক সংযোগ স্থাপন করে।
- POST নিশ্চিত করে যে মেমোরি, প্রসেসর এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলো কাজ করার জন্য প্রস্তুত।
- POST প্রক্রিয়ার সময় কোনো ত্রুটি ধরা পড়লে কম্পিউটার বিভিন্ন ধরণের শব্দ বা 'Beep Code' প্রদান করে। এটি কম্পিউটারের পাওয়ার অন হওয়ার ঠিক পরের এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার আগের ধাপ।
- আধুনিক কম্পিউটারে BIOS-এর পরিবর্তে আরও উন্নত UEFI ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৫৩৪.
ফার্মওয়্যার সংরক্ষিত থাকে কোথায়?
  1. প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া
  2. সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া
  3. টারশিয়ারি স্টোরেজ মিডিয়া
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )
২,৫৩৫.
HTTP 504 কী ধরনের সতর্কবার্তা?
  1. Too Many Requests
  2. Gateway Timeout
  3. Internal Server Error
  4. Upgrade Required
ব্যাখ্যা
• HTTP response status codes:
100 - Continue
101 - Switching Protocols
102 - Processing
103 - Early Hints
200 - OK
201 - Created
202 - Accepted
203 - Non-Authoritative Information
204 - No Content
205 - Reset Content
206 - Partial Content
207 - Multi-Status
208 - Already Reported
226 - IM Used
300 - Multiple Choices
301 - Moved Permanently
302 - Found
303 - See Other
304 - Not Modified
307 - Temporary Redirect
308 - Permanent Redirect
400 - Bad Request
401 - Unauthorized
402 - Payment Required
403 - Forbidden
404 - Not Found
405 - Method Not Allowed
406 - Not Acceptable
407 - Proxy Authentication Required
408 - Request Timeout
409 - Conflict
410 - Gone
411 - Length Required
412 - Precondition Failed
413 - Content Too Large
414 - URI Too Long
415 - Unsupported Media Type
416 - Range Not Satisfiable
417 - Expectation Failed
418 - I'm a teapot
421 - Misdirected Request
422 - Unprocessable Content
423 - Locked
424 - Failed Dependency
425 - Too Early
426 - Upgrade Required
428 Precondition Required
429 - Too Many Requests
431 - Request Header Fields Too Large
451 - Unavailable For Legal Reasons
500 - Internal Server Error
501 - Not Implemented
502 - Bad Gateway
503 - Service Unavailable
504 - Gateway Timeout
505 - HTTP Version Not Supported
506 - Variant Also Negotiates
507 - Insufficient Storage
508 - Loop Detected
510 - Not Extended
511 - Network Authentication Required

Source: [Developer.mozilla.org]
২,৫৩৬.
One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য কোন উপাদানগুলো প্রয়োজন?
  1. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. একটি ফরেন কী
ব্যাখ্যা

• One to Many রিলেশন তৈরি করার জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী প্রয়োজন, অর্থাৎ সঠিক উত্তর ক)। ডাটাবেসে One টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড Many টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে। এজন্য One টেবিলের প্রাইমারি কী Many টেবিলে ফরেন কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রাইমারি কী প্রতিটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে শনাক্ত করে, আর ফরেন কী দুইটি টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। দুটি প্রাইমারি কী বা দুটি ফরেন কী ব্যবহার করে সরাসরি One to Many রিলেশন তৈরি করা যায় না।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,৫৩৭.
IBM PS/2 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) প্রথম প্রজন্ম
  2. খ) দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. গ) তৃতীয় প্রজন্ম
  4. ঘ) চতুর্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের মাধ্যমে কম্পিউটারের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হয় এবং তখন থেকেই কম্পিউটারের চতুর্থ প্রজন্মের যাত্রা শুরু। এই প্রজন্মের কম্পিউটারে প্যাকেজ প্রোগ্রাম, কম্প্যাক্ট ডিস্ক ইত্যাদির প্রচলন শুরু হয়। IBM PS/2, Apple Macintosh প্রভৃতি চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৫৩৮.
লিনাক্স কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ওপেন সোর্স 
  2. ক্লোজ সোর্স 
  3. প্রাইভেট সোর্স
  4. রিয়েল-টাইম সোর্স
ব্যাখ্যা
লিনাক্স ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৩৯.
নিচের কোনটি সঠিক?
  1. A . 0 = A
  2. A + A = 1
  3. A + 1 = 1
  4. A + 0 = 0
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্যগুলো নিম্নরূপ: 
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪০.
উচ্চ CPU ক্লক স্পিড কী নির্দেশ করে?
  1. উন্নত গ্রাফিক্স
  2. বেশি স্টোরেজ
  3. ধীর প্রক্রিয়াকরণ
  4. দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ
ব্যাখ্যা

• উচ্চ CPU ক্লক স্পিড মূলত প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে কতটি নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তা নির্দেশ করে। ক্লক স্পিড যত বেশি হয়, CPU তত দ্রুত ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ও গণনা সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়। এর ফলে সফটওয়্যার চালানো, মাল্টিটাস্কিং, গেমিং কিংবা ভারী অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহারে সিস্টেমের সাড়া দ্রুত পাওয়া যায়। উচ্চ ক্লক স্পিড গ্রাফিক্সের মান বা স্টোরেজের পরিমাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয় এবং এটি ধীর প্রক্রিয়াকরণকেও বোঝায় না। তাই উচ্চ CPU ক্লক স্পিডের সঠিক অর্থ হলো দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ, যা কম্পিউটারের সামগ্রিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৫৪১.
কম্পিউটারে টেম্পোরারি ফাইল বেশি হলে কী ঘটে?
  1. হার্ডড্রাইভ দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়
  2. ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়
  3. কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়
  4. কম্পিউটারের কাজের গতি বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ: 
- পার্সোনাল কম্পিউটার বা ডেস্কটপ, ল্যাপটপসহ সকল ধরনের কম্পিউটার এর সঠিক ব্যবহার, পরিচর্যা এবং ট্রাবলশুটিং করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ইন্সটল এবং আন-ইন্সটল করাকে কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ বলা হয়। 
- কম্পিউটারকে দীর্ঘ দিন কর্মক্ষম রাখতে এবং নতুন নতুন কাজে ব্যবহার উপযোগী করতে কম্পিউটারের রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজন। 
- নতুন নতুন সফটওয়্যার ইন্সটল করে কম্পিউটারের উপযোগিতা বাড়ানো যায়। 
- কিন্তু কিছুদিন ব্যবহার করার পরে এগুলোর কাজের গতি কমে যায়, তাই কম্পিউটারের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ অত্যন্ত জরুরী। 

- কম্পিউটার যেহেতু সফটওয়্যার চালিত যন্ত্র তাই সফটওয়্যার হালনাগাদ ও আপডেটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে সংরক্ষণ ও কাজের গতি ঠিক রাখা যায়।
যেমন-
১। অপারেটিং সিস্টেম আপডেট: উইন্ডোজসহ অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম নিয়মিত আপডেট করলে পারফরম্যান্স ভালো থাকে।
২। রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ: মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ করলে কম্পিউটার সচল ও ত্রুটিমুক্ত থাকে।
৩। টেম্পোরারি ফাইল মুছে ফেলা: কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন টেম্পোরারি ফাইলগুলো না মুছে দিলে হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য উচিত, সফটওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে। 
৪। ব্রাউজার ক্যাশ পরিষ্কার: ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে জমে থাকা ক্যাশ ও কুকিজ কম্পিউটারের গতি কমাতে পারে, তাই নিয়মিত পরিষ্কার করা দরকার।
৫। এন্টিভাইরাস ব্যবহার: ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস ও এন্টিস্পাইওয়্যার ব্যবহার করা গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪২.
গ্লোবাল ভিলেজ ধারণার উদ্ভাবক -
  1. মারশেল ম্যাকলুহান
  2. বিল গেটস
  3. এডওয়ার্ডস রবার্ট
  4. এডুইন হাবল
ব্যাখ্যা
- কানাডার টরেন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ও বিখ্যাত দার্শনিক মারশেল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) সর্বপ্রথম গ্লোবাল ভিলেজ বা বৈশ্বিক গ্রাম কথাটি ব্যবহার করেন।
- মারশেল ম্যাকলুহান ১৯১১ সালের ২১ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৮০ সালের ৩১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনি সর্বপ্রথম ১৯৬২ সালে তাঁর রচিত ‘The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic' গ্রন্থে বিশ্বগ্রামের ধারণা দেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে ‘Understanding Media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন। তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে সারা বিশ্বকে একটি গ্রামে পরিণত করাই হল বিশ্বগ্রাম।

বিশ্বগ্রামের সুবিধাসমূহ- 
- তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে মানুষ বর্তমানে সারা বিশ্বের সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারছে।
- মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে।
- মানুষের কাজের দক্ষতা ও গতি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- অনলাইনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে ই-কমার্সের মাধ্যমে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারছে।
- টেলিমেডিসিন সেবার মাধ্যমে ঘরে বসেই দক্ষ চিকিৎসকের সেবা নিতে পারছে।
- ই-লার্নিং এর মাধ্যমে ঘরে বসেই বিশ্বের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষসেবা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে।
- বিশ্ব ভাতৃত্ববোধ জাগ্রত হচ্ছে; ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৩.
কোনটি ফাইল সিস্টেম নয়?
  1. HTTP
  2. FAT16
  3. FAT32
  4. HPFS
ব্যাখ্যা
HTTP ফাইল সিস্টেম নয়, এটি হলো একটি প্রোটোকল, যা ওয়েব ব্রাউজার ও ওয়েব সার্ভার এর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের নিয়ম নির্ধারণ করে।
HTTP এর পূর্ণরূপ হলো: HyperText Transfer Protocol.

ফাইল সিস্টেম:
ফাইল সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি। 

কিছু ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16 (File Allocation Table 16)
-এটি MS DOS ওপর ভিত্তি করে FAT16-এর ফাইল সিস্টেম উন্নয়ন করা হয়েছিল।
-সর্বোচ্চ 2 GB পর্যন্ত এর স্টোরেজ ক্ষমতা।

• FAT32 (File Allocation Table 32)
- এটি বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর।
- Windows 9, Windows 98, Windows ME, এবং Windows XP-তে ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় 2 TB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

• HPFS (High Performance File System)
- মূলত OS/2 অপারেটিং সিস্টেম-এর জন্য তৈরি।
- Windows NT এর প্রাথমিক ভার্সনগুলোতেও ব্যবহৃত হতো।
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

•NTFS (New Technology File System)
- Windows NT, 2000, XP এবং পরবর্তী Windows ভার্সনে ব্যবহৃত হয়।
- উন্নত নিরাপত্তা, ফাইল কন্ট্রোল, এবং বড় ফাইল ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২,৫৪৪.
ফায়ারওয়াল এর কাজ নয় কোনটি?
  1. বিনা অনুমতিতে কোনো নেটওয়ার্কে প্রবেশের সুবিধা প্রদান করা
  2. অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করা
  3. ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করা
  4. সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করা
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৪৫.
একটি SWIFT কোডে কয়টি অক্ষর থাকে?
  1. ৭-৮
  2. ৮-১১
  3. ৯-১৩
  4. ১০-১৫
ব্যাখ্যা
SWIFT codes can be from 8 to 11 characters in length.
It's structured as follows:
- The first four characters identify the particular institution or bank to which the transfer will be made
- The next two characters specify the country
- The following two identify the location - usually the city
- The final three characters are usually numerical and indicate a particular branch or office
- When the final three characters are not included, the transfer goes to the head office or branch.

Source: sumup.co.uk
২,৫৪৬.
26 সংখ্যাটির 1 এর পরিপূরক (1's complement) কত?
  1. 00011101
  2. 11100101
  3. 00110101
  4. 00100101
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে বা সংখ্যার বিটগুলো উল্টানোকে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বলে।
- ২৬ এর বাইনারি সংখ্যা ১১০১০ সংখ্যাটির ৮ বিট রেজিস্টারের জন্য এ সংখ্যা দাঁড়ায় - ০০০১১০১০।
- এই সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হবে ১১১০০১০১। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৪৭.
কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে কি বলে?
  1. Read-out
  2. Read from
  3. Read
  4. উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
মেমরি: 
- মেমরি হচ্ছে কম্পিউটারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। 
- মেমরি লক্ষ লক্ষ স্মৃতি কোষ নিয়ে গঠিত, যেখানে একটি বিট ০ বা ১ সংরক্ষণ করা যায়। 
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরে যে অংশে তথ্যসমূহ স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে জমা থাকে তাকে কম্পিউটারের মেমরি বা মেমরি বলা হয়। 
- প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য মেমরিতে তথ্য জমা রাখা হয় এবং প্রয়োজনে কাজে লাগানো যায়। 
- কম্পিউটার মেমোরি থেকে সংরক্ষিত ডাটা উত্তোলনের পদ্ধতিকে Read বলে। 
- কম্পিউটারে আমরা যখন কোন তথ্য রাখি, তা কম্পিউটার মেমোরিতে জমা থাকে এবং পরবর্তীতে আমাদের চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটার তা মেমোরি থেকে read করে আমাদের প্রদান করে থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৪৮.
SQL কোন ধরনের ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য?
  1. ফ্ল্যাট ফাইল
  2. রিলেশনাল ডাটাবেজ 
  3. শুধু XML ফাইল
  4. ইমেজ ডাটাবেজ
ব্যাখ্যা

• SQL (Structured Query Language) মূলত রিলেশনাল ডাটাবেজে ব্যবহারযোগ্য। এটি ডাটাবেজে তথ্য সংরক্ষণ, পুনঃপ্রাপ্তি, আপডেট এবং মুছে ফেলার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। রিলেশনাল ডাটাবেজে তথ্য টেবিল আকারে সংরক্ষিত থাকে, যেখানে সারি এবং কলাম থাকে এবং টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (relationship) থাকে। SQL এই টেবিলগুলোর মধ্যে কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, যেমন ডাটা যোগ করা, অনুসন্ধান করা, সাজানো বা ফিল্টার করা। অন্যদিকে ফ্ল্যাট ফাইল, XML ফাইল বা ইমেজ ডাটাবেজে SQL সরাসরি ব্যবহার করা যায় না, কারণ সেগুলো টেবিল-ভিত্তিক কাঠামো সমর্থন করে না।
- তাই সঠিক উত্তর হলো খ) রিলেশনাল ডাটাবেজ।

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
-বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৪৯.
HTML এ < a > tag ব্যবহার হয় -
  1. Paragraph তৈরিতে
  2. Image প্রদর্শনে
  3. Link তৈরি করতে
  4. Table বানাতে
ব্যাখ্যা

HTML এ  tag Link তৈরি করতে ব্যবহার হয় ।  

HTML (Hypertext Markup Language)
- HTML (Hypertext Markup Language) ব্যবহার করা হয় ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রদর্শিত বিষয়বস্তু যেমন টেক্সট, গ্রাফিক্স এবং অডিও ফরম্যাট করার জন্য।
- HTML মার্কআপ ট্যাগগুলি ডকুমেন্টের বিভিন্ন উপাদান যেমন হেডিং, প্যারাগ্রাফ এবং টেবিল নির্দিষ্ট করে।
- একটি ওয়েব ব্রাউজার এই ট্যাগগুলোকে ব্যাখ্যা করে এবং স্ক্রিনের আকার এবং ফন্টের সাথে সামঞ্জস্য রেখে হেডিং, প্যারাগ্রাফ ও টেবিল প্রদর্শন করে।
- HTML-এ ট্যাগ ব্যবহার করা হয় অন্য ওয়েবপেজের সাথে সংযোগ স্থাপন করার জন্য, অর্থাৎ এটি একটি লিঙ্ক তৈরি করে। এই ট্যাগের মাধ্যমে একটি হাইপারলিঙ্ক তৈরি করা হয়, যেখানে ক্লিক করে অন্য কোনো ওয়েবসাইটে বা ওয়েবপেজের নির্দিষ্ট অংশে যাওয়া যায়।
- ট্যাগের মধ্যে href অ্যাট্রিবিউট ব্যবহার করে লিংকের URL নির্দিষ্ট করা হয়।

 উৎস: ব্রিটানিকা। 

২,৫৫০.
একাধিক কম্পিউটারকে একত্রিভূতভাবে কাজ করলে তাকে কী বলে?
  1. PC
  2. LAN
  3. RISC
  4. System Unit
ব্যাখ্যা
♦ সিস্টেম ইউনিট:
- সিষ্টেম ইউনিটের ভিতরে কম্পিউটারের অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান। যেমন-
• মাদার বোর্ড,
• ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ,
• হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
• ফ্যাক্স মডেম কার্ড,
• ল্যান (LAN - Local Area Network) কার্ড:
- এটি এক ধরনের মডেম কার্ড, এই কার্ড ব্যবহার করে একাধিক কম্পিউটারকে তারের মাধ্যমে একত্রিভূত করে তথ্য আদান প্রদান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা করা যায়।
• পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট,
• স্পীকার।

উৎস: [www.ebookbou.edu.bd]
২,৫৫১.
কোনটি রাইড শেয়ারিং সেবা নয়?
  1. ক) Uber
  2. খ) Lyft
  3. গ) Airbnb
  4. ঘ) Pathao
ব্যাখ্যা
Airbnb যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আবাসন শেয়ারিং কোম্পানি।
২,৫৫২.
সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে কোন মেমোরির?
  1. ক) কোর মেমোরি
  2. খ) সহায়ক মেমোরি
  3. গ) প্রধান মেমোরি
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক মেমোরি
ব্যাখ্যা
সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে প্রধান মেমোরির। 


উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি -২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
২,৫৫৩.
কম্পিউটার দ্রুত চালু ও কাজের গতি বাড়াতে কোন ড্রাইভ ব্যবহার করা উচিত?
  1. ROM
  2. HDD
  3. SSD
  4. CD-ROM
ব্যাখ্যা
SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত কাজ করে।

• কম্পিউটার ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ:
- উপযুক্ত স্থান নির্বাচন: ধুলাবালি ও স্যাঁতসেঁতে মুক্ত, আলো-বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় কম্পিউটার রাখতে হবে।
- অপ্রয়োজনীয় ফাইল ও সফটওয়্যার অপসারণ: Cleaner সফটওয়্যার ব্যবহার করে ফাইল ও অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার মুছে ফেলতে হবে।
- আপডেটেড অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার: সর্বশেষ ভার্সনের অ্যান্টিভাইরাস ইন্সটল ও নিয়মিত স্ক্যান
চালাতে হবে।
- বাড়তি RAM সংযোজন: কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করতে অতিরিক্ত RAM লাগানো উচিত।
- সলিড স্টেট হার্ড ড্রাইভ (SSD) ব্যবহার: SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার দ্রুত চালু হয় ও দ্রুত
কাজ করে।
- স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমানো: msconfig দিয়ে স্টার্টআপ সফটওয়্যার কমিয়ে গতি বাড়ানো যায়। তথ্য ব্যাকআপ রাখা: দরকারি ফাইল সিডি/ড্রাইভে ব্যাকআপ রাখতে হবে।।
- ডায়াগনস্টিক সফটওয়্যার ব্যবহার: Norton Disk, MakeApp, PC Tools দিয়ে ডিস্ক ত্রুটি শনাক্ত ও সমাধান করতে হবে।
- ক্লিন উইন্ডোজ ইনস্টল: ভাইরাস ও সফটওয়্যার বেশি থাকলে নতুনভাবে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে হবে।
- ব্রাউজারের ক্যাশ পরিষ্কার: Regular ক্লিয়ার হিস্টরি অপশনে গিয়ে ক্যাশ মুছে ফেলতে হবে।
- সার্চ ইনডেক্স রিফ্রেশ: দ্রুত ফাইল খুঁজতে ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার চালু রাখতে হবে (সপ্তাহে ১ বার)।
- রিস্টার্ট করা: দীর্ঘ সময় ব্যবহারের পর রিস্টার্ট করলে গতি ঠিক থাকে।
- রাউটারের যত্ন: নিয়মিত পরিচর্যা ও সংযোগ সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনায় রাখতে হবে।

সোর্স: শিক্ষায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৪.
কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন কে?
  1. এলেন টুরিং
  2. ফ্রেড কোহেন
  3. গ্রেস হপার
  4. জন মশলি
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন ফ্রেড কোহেন।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে।
- এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।
- সাধারণত অভিজ্ঞ প্রোগ্রামাররাই কম্পিউটার ভাইরাস তৈরি করে থাকে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।
                                                                                                                                        
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৫৫.
কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে, তাকে কী বলা হয়?
  1. প্রসেসর
  2. র‍্যাম
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা

• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৫৬.
ওয়ার্ড প্রসেসরে কোনও ডকুমেন্ট প্রথমবার সংরক্ষণ করতে কোন কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়?
  1. নিউ
  2. ওপেন
  3. সেভ
  4. সেভ এ্যাজ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড: 
- মাইক্রোসফট অফিস হলো পৃথিবীর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত সফটওয়‍্যার। 
- এছাড়াও বিভিন্ন ধরণের অফিস সফটওয়্যার রয়েছে। 
- বর্তমানে অনেকেই এগুলোর সর্বশেষ সংস্করণ ব্যবহার করছে, তবে যেকোন একটি সংস্করণে অভিজ্ঞ হলে অন্যটি ব্যবহার করতে কোনো অসুবিধা হয় না। 
- বাংলাদেশে মাইক্রোসফট অফিস সফটওয়্যারটি বেশি ব্যবহৃত হয় তাই এখানে মাইক্রোসফট অফিস ২০০৭ এর মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এবং মাইক্রোসফট এক্সেল অফিস বাটন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং এর অপশনসমূহ ওয়ার্ড ২০০৭ চালু করার পরে একটি উইন্ডো খুলবে। 
- এ উইন্ডোর উপরের বাম দিকের কোনায় আইকনটি হলো অফিস বাটন, এ বাটনটি ক্লিক করলে যে অপশনগুলো পাওয়া যায় সেগুলো চিত্রে দেখানো হলো- 

- এ অপশনগুলোর মধ্যে বেশি প্রয়োজনীয়গুলো হলো- 
নিউ: 
- নতুন ডকুমেন্ট খুলতে এটা ক্লিক করতে হয়। 

ওপেন: 
- পূর্বে সংরক্ষণ করা কোনো ডকুমেন্ট খুলতে এটা ক্লিক করতে হয়। 

সেইভ: 
- ডকুমেন্টকে সংরক্ষণ করতে এখানে ক্লিক করতে হয়। 

সেইভ এজ: 
- ওয়ার্ড প্রসেসরে কোনো ডকুমেন্ট প্রথমবার সংরক্ষণ করতে 'সেইভ এজ' কমান্ডটি ব্যবহার করা হয়
। 
- একই ডকুমেন্টকে ভিন্ন নামে সংরক্ষণ করতে এখানে ক্লিক করতে হয়, এর মাধ্যমে কোনো ডকুমেন্টকে অপরিবর্তিত রেখে নতুন নামে সংরক্ষণ করে তার ওপর কাজ করা যায়। 

ক্লোজ: 
- খোলা ডকুমেন্ট বন্ধ করার জন্য এখানে ক্লিক করতে হয়। 

লেখালেখির সাজসজ্জা: 
- ফন্ট স্টাইল নির্বাচন এবং এর সাইজ ও রঙ নির্ধারণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৫৭.
What type of storage is RAM?
  1. Secondary storage
  2. Primary storage
  3. Tertiary storage
  4. Cache storage
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) Primary storage।

• Random Access Memory (RAM)
- যে স্মৃতিতে কোনো একটি তথ্য মুছে ফেলে ঐ জায়গায় নতুন তথ্য লেখা যায় এবং সেই তথ্য প্রয়োজন অনুসারে ব্যবহার করা যায় তাকে Random Access Memory বলে।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার অফ/বন্ধ করলে এর তথ্য মুছে যায়।
- প্রাইমারি স্টোরেজকে সাধারণত র‍্যাম বলে কারণ সরাসরি ডেটা এবং ইন্সট্রাকশন সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করতে এই মেমোরির যে কোনো লোকেশন সিলেক্ট ও ব্যবহার করা সম্ভব।
- মেমোরির প্রত্যেকটি আলাদা আলাদা লোকেশন অন্য লোকেশনের মতোই এক্সেস করা সহজ এবং একই পরিমাণ সময়ের প্রয়োজন হয়।
- এটাকে রিড/রাইট মেমোরি তথ্য লেখাও যায় আবার এ থেকে তথ্য পড়াও যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,৫৫৮.
উইন্ডোজ ফাইল এক্সপ্লোরার উইন্ডোর কনটেন্ট পুনরায় লোড করতে কোন কী প্রেস করতে হবে?
  1. F5
  2. F3
  3. Esc
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• যখন আপনি ফাইল এক্সপ্লোরারে নতুন কোনো ফাইল তৈরি করেন, মুছে ফেলেন, বা কোনো পরিবর্তন করেন — তখন সেই পরিবর্তন সঙ্গে সঙ্গে না-ও দেখা যেতে পারে। এই অবস্থায় F5 চাপলে উইন্ডোটি রিফ্রেশ হয় এবং সবশেষ আপডেট দেখা যায়।

• অপশন আলোচনা:
- F3 – এটি সার্চ অপশন চালু করতে ব্যবহৃত হয়।
- Esc – এটি সাধারণত চলমান কাজ বা লোডিং বন্ধ করতে ব্যবহৃত হয়, রিফ্রেশ করতে নয়।

• সাধারণ কীবোর্ডে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ১২টি ফাংশন কী থাকে।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৫৯.
কোন অংশটি কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে?
  1. Hard disk
  2. ALU
  3. RAM
  4. ROM
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য RAM (Random Access Memory) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কেবল তখনই তথ্য ধরে রাখে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায় বা ডেটা প্রসেস করে, তখন সেই তথ্য RAM-এ লোড হয়, যাতে CPU দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে। RAM-এর সাহায্যে কম্পিউটার দ্রুত হিসাব করতে এবং প্রোগ্রাম চালাতে সক্ষম হয়, কারণ এটি Hard Disk-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। Hard Disk স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে, ALU গণনা ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে, আর ROM-এ স্থায়ী তথ্য থাকে, যা পরিবর্তন করা যায় না। তাই সাময়িক সংরক্ষণের জন্য RAM অপরিহার্য।
 
RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়। 
- RAM যতো বাড়বে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ততো বাড়বে, অর্থাৎ ততো বেশি ফাইলকে একসাথে স্মৃতি কেন্দ্রে উঠিয়ে কাজ করতে পারবে। 
- RAM এ লেখাপড়া উভয়ই করা যায়। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়. তাই RAM কে ভোলাটাইল বলে। 
- RAM দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)। 
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় প্রকারের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়। CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে ১০-১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬০.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতির ডিজিট নয়?
  1. ক) B
  2. খ) 6
  3. গ) G
  4. ঘ) 9
ব্যাখ্যা
যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ডিজিটগুলো হলো- 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E এবং F। G হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ডিজিট নয়। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৫৬১.
ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয়-
  1. ক) রোবট আবিষ্কারের মাধ্যমে
  2. খ) আইসি আবিষ্কারের সময় থেকে
  3. গ) কম্পিউটার আবিষ্কারের মাধ্যমে
  4. ঘ) ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

ইলেক্ট্রনিক্সের শুরু হয় ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের সময় থেকে। আমেরিকার বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৪৭ সালে জন বারডিন, উইলিয়াম শকলে এবং ওয়াল্টার ব্রাটেইন ট্রানজিস্টর উদ্ভাবন করেন।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৫৬২.
চার লাইনের ডিকোডার ব্যবহার করলে কতটি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়?
  1. ৪টি 
  2. ৬৪টি 
  3. ১৬টি 
  4. ৩২টি 
ব্যাখ্যা

• চার লাইনের ডিকোডার বলতে এমন একটি ডিজিটাল সার্কিটকে বোঝায় যেখানে ৪টি ইনপুট লাইন থাকে। ডিকোডারের মূল নিয়ম হলো, ইনপুট লাইনের সংখ্যা যদি n হয়, তবে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 2n , এখানে n = 4 হওয়ায় আউটপুট লাইনের সংখ্যা হয় 24 = ১৬। অর্থাৎ ৪টি ইনপুট লাইনের বিভিন্ন বাইনারি সমন্বয়ের জন্য মোট ১৬টি আলাদা আউটপুট লাইন সক্রিয় হতে পারে। তাই চার লাইনের ডিকোডার ব্যবহার করলে ১৬টি আউটপুট লাইন পাওয়া যায়। সঠিক উত্তর হলো গ) ১৬টি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 24
= 16 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৬৩.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. AVG
  2. Norton
  3. McAfee
  4. Kaspersky
  5. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার: 
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে। 
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন। 
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। 
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো - 
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

২,৫৬৪.
বর্তমানে কোন সেবা ব্যবহার করে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি সংগ্রহ করা যায়?
  1. ই-ভূমি
  2. ই-পর্চা
  3. ই-পুর্জি
  4. ই-রেকর্ড
ব্যাখ্যা
• ই-সার্ভিস:
- ই-সার্ভিস এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Service।
- এটি এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ইলেকট্রনিক মাধ্যমের মাধ্যমে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, কুইক-উইন, ই-পর্চা, ইএমটিএস, ই-পুর্জি, ই-স্বাস্থ্যসেবা এবং ই-টিকেটিং এর মতো সেবা ই-সার্ভিসের অন্তর্ভুক্ত।

• ই-কমার্স:
- সারা বিশ্বে অনলাইন লেনদেনের বৃদ্ধি ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ই-কমার্স এর গতি এবং আকার বড় হচ্ছে।
- ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র, যেখানে পণ্য বা সেবার লেনদেন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

• ই-কৃষি সেবা:
- বাংলাদেশ সরকার কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে প্রবর্তন করেছে কিছু ডিজিটাল সেবা যেমন, কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, এবং কৃষি বাতায়ন।
- এসব সেবা কৃষকদের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য ও সেবা সহজলভ্য করে তোলে।

• ই-পর্চা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা সম্ভব।
- এই সেবা ই-পর্চা নামে পরিচিত, যা জমি সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধান সহজ এবং দ্রুত করার সুবিধা প্রদান করে।

• ই-পুর্জি:
- আঁখ চাষীদের জন্য প্রবর্তিত একটি বিশেষ ই-সেবা হল ই-পুর্জি, যা চাষীদের জন্য নানা ধরনের সরকারি সেবা ও সাহায্য প্রদান করে।

• অতিরিক্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ই-সার্ভিসের মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সেবা প্রদানে স্বচ্ছতা ও গতি আনছে।
- ডিজিটাল পদ্ধতিতে বিভিন্ন সেবা প্রদান করা হলে, নাগরিকদের সময় এবং খরচ বাঁচে এবং সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া সহজ হয়ে ওঠে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৫৬৫.
কোন HTML ট্যাগ ছবি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. < image >
  2. < pic >
  3. < img >
  4. < src >
ব্যাখ্যা
• HTML-এ ছবি প্রদর্শনের জন্য <img> ট্যাগ ব্যবহার করা হয়। এটি একটি সেলফ-ক্লোজিং ট্যাগ, অর্থাৎ এর জন্য বন্ধ ট্যাগের প্রয়োজন হয় না। <img> ট্যাগের মধ্যে src অ্যাট্রিবিউট দিয়ে ছবির উৎস বা ফাইলের লিঙ্ক দেওয়া হয়, যা ব্রাউজারকে ছবিটি কোথা থেকে আনতে হবে তা নির্দেশ করে। উদাহরণস্বরূপ, <img src="image.jpg" alt="Description"> এর মাধ্যমে একটি ছবি ওয়েবপেজে দেখানো যায়। অন্যদিকে, <image>, <pic>, বা <src> ট্যাগগুলো HTML-এ ছবি প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। তাই ছবি দেখাতে হলে অবশ্যই <img> ট্যাগই ব্যবহার করতে হবে।

• এইচটিএমএল (HTML):
- Hyper Text Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ হলো HTML যা World Wide Web (www) তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- HTML ফাইল সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ (Web Page) নামে পরিচিত।
- জেনেভায় অবস্থিত CERN এ কাজ করার সময় টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee) ১৯৯০ সালে সর্বপ্রথম HTML আবিষ্কার করেন। 
- উল্লেখ্য যে, HTML ফাইলের এক্সটেনশন হলো .html বা .htm।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৫৬৬.
ওয়েব পেজ তৈরিতে কোন কোন প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়?
  1. HTTPS
  2. WWW
  3. XML
  4. URL
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের দেখার জন্য বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা ফাইলকে Web page বলে।
- ওয়েব পেজ তৈরিতে XML, HTML প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হয়। 
- XML এর পূর্ণরূপ Extensible Markup Language.
- HTML এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language
 
২,৫৬৭.
বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট নয় কোনটি?
  1. Belancer
  2. Upwork
  3. WebEx
  4. Fiverr
ব্যাখ্যা
• WebEx হলো একটি জনপ্রিয় ওয়েব কনফারেন্সিং এবং ভিডিও কনফারেন্সিং প্ল্যাটফর্ম।

• কর্মসংস্থান:

- তথ্য প্রযুক্তি ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি বিরাট অংশ ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই দেশে এবং দেশের বাইরে চাকুরির বাজারে আবেদন করে নিজেদের বেকারত্ব দূর করতে পারছে।
- আমাদের দেশেও বিগত প্ৰায় দু দশক ধরে বিভিন্ন দেশের চাকুরি ও নিয়োগ সংক্রান্ত খবরাখবর নিয়ে কয়েকটি জব-পোর্টাল চালু আছে।
- এগুলোর মধ্যে www.bdjobs.com, www.chakri.com, www.everjobs.com ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
- বিশ্বব্যাপী কয়েকটি জনপ্রিয় মার্কেটপ্লেস বা জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট যেমন - Upwork, Freelancer, Belancer, Fiverr ইত্যাদিতে ডেটা অ্যানালাইসিস, কপি রাইটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইনিং, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, এফিলিয়েট মার্কেটিং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও), গুগল অ্যাডসেন্স, ভার্চুয়াল অ্যাসিসটেন্স, রিসার্চ এন্ড সার্ভে, আর্টিক্যাল-ব্লগ রাইটিং ইত্যাদি নানাধরনের বৈচিত্র্যময় কাজ করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৫৬৮.
LCD এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Laser Emitting Diode
  2. Liquid Crystal Display
  3. Light Emitting Diode
  4. Light Crystal Display
ব্যাখ্যা
• ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর: 
- এ ধরনের মনিটরগুলোতে ইলেকট্রন গান বা পিকচার টিউব থাকে না। সাধারণত ক্যাথোড রশ্মি টিউবের পরিবর্তে এলসিডি (Liquid Crystal Display-LCD) বা এলইডি (Light Emitting Diode-LED) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- বর্তমানে ডেস্কটপ থেকে শুরু করে নোটবুক, ল্যাপটপ ইত্যাদিতে ক্যাথোড রশ্মি টিউবের পরিবর্তে এলসিডি বা এলইডি প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়।
- ক্যাথোড রশ্মি মনিটর বেশি জায়গা দখল করে এবং প্রচুর বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ করে। 

• মনিটরের বৈশিষ্ট্য:
১. পিক্সেল:
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল। 

২. রেজুল্যশন:
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্মতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে। 
- একটি CRT তে 640টি কলাম এবং 480টি পিক্সেল সারি থাকলে CRT এর রেজুল্যশন হবে 640 X 480

৩. নন-ইন্টারলেস্ক:
- টেলিভিশনের ছবি চোখে দৃশ্যমান এবং গতিমান রাখার জন্যে একটা ছবিকে ফ্রেম হিসেবে পাঠানো হয়। একটা ফ্রেমে ২৫টি লাইন থাকে এবং পরবর্তী ফ্রেমের ২৫টি লাইন থাকে। এখন গতিময়তা দেবার জন্যে এক ফ্রেমকে অন্য ফ্রেমের ওপর ১, ৩, ৫, ৭, ৩২, ৪, ৬. ৮ পদ্ধতিতে উপস্থাপন করা হয়।

৪. লো-রেডিয়েশন:
- বর্তমানে ব্লাক ট্রিনিট্রিন পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে মনিটরের পর্দাকে এমনভাবে তৈরি করা হয় যাতে ভেতরের ইলেকট্রনসমূহ বাইরে যথাসম্ভব না বেরিয়ে পর্দায় লেখার উজ্জ্বলতা বাড়াবে আর সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে মানুষের চোখ রক্ষা পাবে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৬৯.
PDA-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Personal Digital Access
  2. Private Digital Assistant
  3. Personal Digital Assistant
  4. Portable Digital Assistant
ব্যাখ্যা

• PDA-এর পূর্ণরূপ হলো Personal Digital Assistant.

পামটপ কম্পিউটার:
- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistant. 
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- অন্য মাইক্রোকম্পিউটারগুলোর তুলনায় এটি সবচেয়ে ছোট এবং কম কর্মক্ষম কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কোনো প্রকার ডিস্ক ড্রাইভ থাকে না।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো মূলত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭০.
'dBase' কী?
  1. Word Processing Package Program
  2. Spreadsheet Package Program
  3. Database Package Program
  4. Both B and C
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭১.
যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে তাদের কী বলা হয়?
  1. অপারেটিং সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সফটওয়্যার
  3. ফাইল ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার
  4. ডিভাইস ড্রাইভার
ব্যাখ্যা
ডিভাইস ড্রাইভার (Device Driver):
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭২.
গ্রাফিক্স নির্ভর চলচ্চিত্র নির্মাণে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যানালগ কম্পিউটার
  2. মাইক্রো কম্পিউটার
  3. ট্যাবলেট কম্পিউটার
  4. শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার:
একটি শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "উচ্চ-ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটার" বা "সুপার কম্পিউটার" হিসাবে উল্লেখ করা হয়, এটি উল্লেখযোগ্য কম্পিউটিং ক্ষমতা এবং প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা সহ ডিজাইন করা একটি কম্পিউটার সিস্টেম। এই কম্পিউটারগুলি চাহিদাপূর্ণ এবং গণনামূলকভাবে নিবিড় কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় যার জন্য ব্যাপক ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, জটিল সিমুলেশন এবং দ্রুত গণনার প্রয়োজন হয়।  শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারের কিছু বৈশিষ্ট্য:
- প্রক্রিয়াকরণ শক্তি: শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারগুলি তাদের ব্যতিক্রমী উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ শক্তি দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। সমান্তরাল প্রক্রিয়াকরণের জন্য তারা সাধারণত একাধিক প্রসেসর বা কোর (প্রায়শই CPU ক্লাস্টার আকারে) ব্যবহার করে, যার ফলে তারা একই সাথে বিপুল সংখ্যক গণনা পরিচালনা করতে পারে।

- গতি: এই কম্পিউটারগুলি বিশ্বের দ্রুততম, প্রতি সেকেন্ডে ট্রিলিয়ন গণনা সম্পাদন করতে সক্ষম। 

- মেমরি: সুপারকম্পিউটারগুলিতে জটিল সিমুলেশন এবং ডেটা বিশ্লেষণের কাজগুলির প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনীয়তা মিটমাট করার জন্য প্রচুর পরিমাণে RAM  থাকে।

বিশেষায়িত আর্কিটেকচার: অনেক শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটার নির্দিষ্ট ধরণের গণনার জন্য অপ্টিমাইজ করা বিশেষ হার্ডওয়্যার এবং আর্কিটেকচার ব্যবহার করে। এর মধ্যে থাকতে পারে GPUs (গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট), TPUs (টেনসর প্রসেসিং ইউনিট), অথবা বৈজ্ঞানিক বা প্রকৌশল সিমুলেশনের জন্য তৈরি কাস্টম-ডিজাইন করা প্রসেসর।

শক্তি খরচ: সুপারকম্পিউটারগুলি কাজ করার জন্য যথেষ্ট পরিমাণে বিদ্যুৎ খরচ করে, যা উচ্চ পরিচালন খরচ হতে পারে।

অ্যাপ্লিকেশন: শক্তিশালী ডিজিটাল কম্পিউটারগুলি বৈজ্ঞানিক গবেষণা (যেমন, জলবায়ু মডেলিং, অ্যাস্ট্রোফিজিক্স সিমুলেশন), প্রকৌশল (যেমন, এরোডাইনামিকস, কাঠামোগত বিশ্লেষণ), ফার্মাসিউটিক্যাল গবেষণা (যেমন, ওষুধ আবিষ্কার), আর্থিক মডেলিং এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। যেমন, ক্রিপ্টোগ্রাফি, পারমাণবিক সিমুলেশন।

অ্যানালগ  কম্পিউটার
একটি অ্যানালগ কম্পিউটার হল এক ধরনের কম্পিউটিং ডিভাইস যা ডেটা উপস্থাপন এবং পরিবর্তন করার জন্য বৈদ্যুতিক ভোল্টেজ, তরল চাপ বা যান্ত্রিক গতির মতো  ঘটনা ব্যবহার করে।
- এনালগ কম্পিউটারগুলি অবিচ্ছিন্ন সংকেতগুলির সাথে কাজ করে এবং বিশেষ ধরনের গাণিতিক সমস্যা এবং সিমুলেশনগুলি সমাধানের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত। 

মাইক্রোকম্পিউটার
- একটি মাইক্রোকম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "মাইক্রো" বলা হয় একটি ছোট এবং তুলনামূলকভাবে সস্তা কম্পিউটার যা সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর (CPU), মেমরি, স্টোরেজ এবং ইনপুট/আউটপুট পেরিফেরিয়াল নিয়ে গঠিত।
- মাইক্রোকম্পিউটারগুলি ব্যক্তিগত কম্পিউটার (পিসি) নামেও পরিচিত এবং পৃথক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। 

ট্যাবলেট কম্পিউটার
একটি ট্যাবলেট কম্পিউটার, যাকে প্রায়ই "ট্যাবলেট" বলা হয়, এটি একটি টাচস্ক্রিন ইন্টারফেস সহ একটি বহনযোগ্য কম্পিউটিং ডিভাইস। ট্যাবলেটগুলি ওয়েব ব্রাউজিং, বিনোদন, উত্পাদনশীলতা এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে৷ 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,৫৭৩.
How is firmware different from software?
  1. Firmware is only found in embedded systems.
  2. Firmware is exclusively used in computer peripherals.
  3. Firmware doesn't perform any computational tasks.
  4. Firmware is stored permanently and cannot be easily modified.
ব্যাখ্যা
• ফার্মওয়্যার:
→ কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
→ এ সকল প্রোগ্রাম কম্পিউটার ব্যবহারকারী পরিবর্তন করতে পারে না।
→ ROM, BIOS- এর মধ্যে যে ডেটা এবং নির্দেশগুলো থাকে তা হলো ফার্মওয়্যার।

• সফটওয়্যার:
→ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
→ DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker ইত্যাদি সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭৪.
কোরেল কোয়াট্রো-প্রো একটি-
  1. ক) স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম
  2. খ) গ্রাফিকস ডিজাইন প্রোগ্রাম
  3. গ) ডাটাবেজ প্রোগ্রাম
  4. ঘ) প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা
কোরেল কোয়াট্রো-প্রো হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম। এটি প্রথমে ডেভেলাপ করে বোরল্যান্ড যা পরবর্তীতে কোরেল ক্রয় করে তাদের ওয়ার্ডপারফেক্ট প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত করে। এটি ২০১৮ সালে রিলিজ করা হয়। (সূত্রঃ ওয়ার্ডপারফেক্ট ওয়েবসাইট)
২,৫৭৫.
ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার হয় কোনটিতে?
  1. রেজিস্টার তৈরিতে
  2. ডিজিটাল ঘড়িতে
  3. মোবাইল ফোনে
  4. উপরের সবগুলোতেই
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,৫৭৬.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড (Object Oriented) প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Python
  2. C
  3. FORTRAN
  4. COBOL
ব্যাখ্যা

• পাইথন (Python) একটি উচ্চস্তরের ইন্টারপ্রিটেড প্রোগ্রামিং ভাষা যা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের পাশাপাশি স্ট্রাকচারড এবং ফাংশনাল প্রোগ্রামিংও সমর্থন করে। তবে এর মূল কাঠামো অবজেক্ট এবং ক্লাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- অন্যদিকে C, FORTRAN এবং COBOL মূলত স্ট্রাকচারড বা প্রসিডিউরাল ভাষা হিসেবে পরিচিত।

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation) I

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭৭.
নিম্নে উল্লিখিত বিভিন্ন ধরনের মেমোরির মধ্যে কোনটি সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস সম্ভব?
  1. Virtual Memory
  2. Cache Memory
  3. Main Memory (RAM)
  4. Register
ব্যাখ্যা

• Register মেমোরি হলো সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেসযোগ্য মেমোরি। এটি প্রসেসরের মধ্যে অবস্থিত ছোট এবং খুব দ্রুত মেমোরি যা তথ্য সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করে। Register গুলোর মাধ্যমে প্রসেসর সরাসরি ডাটা এবং ইনস্ট্রাকশন অ্যাক্সেস করে কাজ করে, যার ফলে প্রসেসিং দ্রুত হয়।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
 
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।

এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৭৮.
একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার কতটি সংখ্যা গুণতে পারে?
  1. 2n
  2. 2n - 1
  3. 2n - 1
  4. 2n
ব্যাখ্যা
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত অর্থাৎ  2n সংখ্যক গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।
- কাউন্টারের ব্যবহার
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
১। ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
২। টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
৩। ডিজিটাল ঘড়িতে
8। ডিজিটাল কম্পিউটারে
৫। অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৭৯.
ডাটাবেজে টেবিলের কলামকে কী বলা হয়?
  1. Tuple
  2. Attribute
  3. Row
  4. Instance
ব্যাখ্যা

- একটি রিলেশনাল ডাটাবেজের টেবিলে সাধারণত সারি (rows) ও কলাম (columns) থাকে।
- একটি সারি একটি রেকর্ড বা রেকর্ডসেট (tuple) কে প্রতিনিধিত্ব করে। 
- আর একটি কলাম হলো একটি নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য বা প্রপার্টি যা প্রতিটি সারিতে তথ্য ধরে রাখে-  উদাহরণস্বরূপ, রোল, নাম, বিভাগ ইত্যাদি।
- এই কলামকে Attribute বলা হয়। 
তাই “টেবিলের কলাম” = “অ্যাট্রিবিউট (Attribute)” কারণ এটি সারির প্রতিটি রেকর্ডে সেই নির্দিষ্ট তথ্য রাখে।

Tuple:
- একটি সারি বা রেকর্ড বোঝায়, যা টেবিলের একক ডেটাসেট নির্দেশ করে।

Row:
- এটি ডাটাবেজে এক ব্যক্তির বা এক রেকর্ডের সম্পূর্ণ তথ্য প্রকাশ করে।
- উদাহরণ: ছাত্র টেবিলে প্রতিটি Row একজন ছাত্রের তথ্য প্রকাশ করে।

Instance:
- Instance বলতে বোঝায় কোনো টেবিলের একটি নির্দিষ্ট সময়ের ডেটার অবস্থা।
- প্রতিটি কলামের একটি মান (যেমন “রাফি”)-ও একটি Data Instance হিসেবে ধরা যায়।
- উদাহরণ: “Name” Attribute-এর একটি Instance হতে পারে “রাফি”।

উৎস: GeeksforGeeks. [লিংক]।

২,৫৮০.
কম্পিউটার বা সফটওয়্যার প্রোগ্রামের পূর্ববর্তী অবস্থায় ফিরে যেতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. সিস্টেম কনফিগারেশন
  2. ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার
  3. টাস্ক ম্যানেজার
  4. সিস্টেম রিস্টোর
ব্যাখ্যা

• সিস্টেম রিস্টোর প্রোগ্রাম, কম্পিউটারের আগের অবস্থা বা প্রোগ্রামে ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়।

সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা, বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্থ হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।

উল্লেখ্য,
- সিস্টেম কনফিগারেশন: এটি একটি টুল যা উইন্ডোজ স্টার্টআপ, সার্ভিস এবং অন্যান্য সিস্টেম সেটিংস পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়, তবে এটি সিস্টেমকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে আনার জন্য নয়।
- ডিস্ক ডিফ্র্যাগমেন্টার: এটি হার্ড ডিস্কে ছড়িয়ে থাকা ফাইলগুলোকে একত্রিত করে ডিস্কের পারফরম্যান্স বাড়ায়। এটি সিস্টেমের অবস্থায় কোনো পরিবর্তন আনে না।
- টাস্ক ম্যানেজার: এটি একটি মনিটরিং টুল যা কম্পিউটারের চলমান প্রোগ্রাম, প্রসেস এবং পারফরম্যান্স দেখতে ব্যবহৃত হয়। এটি সিস্টেমের পূর্বাবস্থা ফিরিয়ে আনতে পারে না।

উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।

২,৫৮১.
নিম্নের কোনটি DML কমান্ড নয়?
  1. Create
  2. Insert
  3. Delete
  4. Update
ব্যাখ্যা
'Create' DML কমান্ড নয়।

• ডাটাবেজ ভাষা:

যে ভাষার সাহায্যে ডাটাবেজ তৈরি, ডাটা অনুসন্ধান (Query), এবং ডাটা মডিফিকেশন (পরিবর্তন) করা যায়, তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।

• প্রধান দুই ধরনের ডাটাবেজ ভাষা হচ্ছে:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL),
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML).

• ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
- এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Create statement,
- Drop statement,
- Alter statement,
- Rename statement.

• ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
- Insert statement,
- Delete statement,
- Update statement.

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৮২.
Edge Computing বলতে কী বোঝায়?
  1. তথ্যের উৎসের কাছে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ
  2. কেন্দ্রীভূত ক্লাউড সার্ভারে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করা
  3. অত্যন্ত দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা
  4. কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মাধ্যমে জটিল সমস্যা সমাধান করা
ব্যাখ্যা

◉ Edge Computing হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ (Processing) ক্লাউড সার্ভারের বদলে ডেটার উৎসের কাছাকাছি (যেমন: IoT ডিভাইস, সেন্সর, লোকাল গেটওয়ে) সম্পন্ন হয়।

Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা।
- এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। 

এর ফলে, 
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।

সূত্র: IBM ওয়েবসাইট। 

২,৫৮৩.
Android কী ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. সিঙ্গেল ইউজার
  2. মাল্টি ইউজার
  3. রিয়েল-টাইম
  4. নেটওয়ার্ক
ব্যাখ্যা
Android মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।

• Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android হলো একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
২,৫৮৪.
'Pixel' দ্বারা কী বুঝায়?
  1. Pixie land 
  2. Person length
  3. Pixure length
  4. Picture element
ব্যাখ্যা

• ‘Pixel’ শব্দটি Picture Element-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ডিজিটাল ছবি বা স্ক্রিনে প্রদর্শিত সবচেয়ে ছোট একক। একটি ছবি অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পিক্সেল দিয়ে গঠিত হয় এবং প্রতিটি পিক্সেল নির্দিষ্ট রঙ ও উজ্জ্বলতার তথ্য বহন করে। স্ক্রিনে যত বেশি পিক্সেল থাকে, ছবি তত বেশি স্পষ্ট ও বিস্তারিত দেখা যায়। টিভি, মোবাইল, কম্পিউটার মনিটর- সব ডিজিটাল ডিসপ্লের ছবির মান নির্ভর করে পিক্সেলের সংখ্যার উপর।
- তাই Pixel বলতে Picture Element-কেই বোঝানো হয়। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Picture element.

 
• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
-  মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৮৫.
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় A = 1 হলে, A′ = কত?
  1. ক) 1
  2. খ) 0
  3. গ) -1
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান পূরকঃ
বুলিয়ান অ্যালজেবরায় দুটি সম্ভাব্য মান ০ এবং ১ কে একটি অপরটির পূরক বলা হয়। পূরককে ‘¯’ অথবা ‘′’ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণস্বরূপ ১ এর পূরক ০ এবং ০ এর পূরক ১।
উক্ত কথাটিকে গণিতের ভাষায় লেখা হয়, A এর পূরক হলো A′। অর্থাৎ

যদি A এর মান ০ হয় তবে A′ = ১ এবং
যদি A এর মান ১ হয় তবে A′ = ০ ।

সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,৫৮৬.
কোন ডিভাইস ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে?
  1. USB flash drive
  2. Hard disk
  3. CD-ROM
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

◉ হার্ড ডিস্ক (Hard disk) ডেটা সংরক্ষণের জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে। ডিস্কের পৃষ্ঠতলে চৌম্বকীয় কণাগুলো ডেটা স্টোর করে।

হার্ড ডিস্ক: 
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- সিডি-রম একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যা সহায়ক স্মৃতি।
- একটি ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ (পেনড্রাইভ) একটি ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস যা একটি সমন্বিত USB ইন্টারফেসের সাথে ফ্ল্যাশ মেমরি অন্তর্ভুক্ত করে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
USB ফ্ল্যাশ ড্রাইভ: সলিড-স্টেট মেমরি (ফ্ল্যাশ মেমরি) ব্যবহার করে, ম্যাগনেটিক মিডিয়া নয়।
CD-ROM: অপটিক্যাল মিডিয়া ব্যবহার করে, যেখানে ডেটা লেজার দ্বারা পড়া ও লেখা হয়।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৮৭.
প্রথম উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. COBOL
  2. BASIC
  3. Pascal
  4. FORTRAN
ব্যাখ্যা

◉ প্রথম উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা ছিল FORTRAN (Formula Translation), যা ১৯৫৭ সালে IBM দ্বারা উন্নত করা হয়। 
এটি মূলত বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল গণনার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এবং মানুষের পড়া ও বোঝার উপযোগী সিনট্যাক্স ব্যবহার করত, যা মেশিন ভাষা বা অ্যাসেম্বলি ভাষার তুলনায় অনেক সহজ ছিল।

উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার। এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়। এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
১। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
২। এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
৩। প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
৪ । উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
৫। প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।
উচ্চ স্তরের ভাষার অসুবিধা:
১। কম্পিউটার সরাসরি এ ভাষা বুঝতে পারে না।
২। এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে কম্পিউটারে চালাতে হলে অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয়।
৩। প্রোগ্রাম রান করতে বেশি সময় প্রয়োজন হয়।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM ওয়েবসাইট। 

২,৫৮৮.
LAN এর টপোলজি কোন মেথডে হয়ে থাকে?
  1. ক) স্টার
  2. খ) হাইব্রিড
  3. গ) রিং
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
ল্যান এর টপোলজি সাধারণত স্টার, রিং কিংবা ব্রডকাস্ট চ্যানেল মেথডে হয়ে থাকে। এর ট্রান্সমিশন মিডিয়া হিসেবে কো এক্সিয়াল ক্যাবল, ইউটিপি ক্যাবল বাঃ অপটিকাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী - মোঃ মজিবুর রহমান
২,৫৮৯.
কম্পিউটার যেসব ডেটা বারবার ব্যবহার করে তা কোথায় জমা থাকে?
  1. Cache Memory
  2. Hard Disk
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : ক) Cache Memory

• RAM:

- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।
 
• ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

• Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache Memory তে অবস্থান করে
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।

• Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

• Hard Disk:
- হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা-গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি।
- গোলাকার পাতগুলোর উভয় পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থ ফেরিক অক্সাইডের প্রলেপ থাকে এবং একটির ওপরে একটি স্তূপ আকারে বসানো থাকে। পাতগুলোর মাঝখানে থাকে একটি দণ্ড। উক্ত দণ্ডের সাহায্যেই পাতগুলো একটির ওপরে একটি করে বসানো থাকে। কাজের সময় পাতগুলো প্রতি মিনিটে ৭২০০ বা আরো বেশিবার আবর্তিত হয়।
- হার্ডডিস্ক সাধারণত মটর, স্পিন্ডল, রিড-রাইট হেড, অ্যাকিউটর, ফ্রেম, এয়ার ফিল্টার, গ্লাস অথবা সিরামিক এবং ইলেকট্রনিক্সের সমন্বয়ে গঠিত, যা চুম্বকীয় মাধ্যম দ্বারা আবৃত্ত থাকে।
- একেবারে ওপরের ডিস্কের ওপরের পৃষ্ঠ এবং নিচের ডিস্কের নিচের পৃষ্ঠ ছাড়া অন্য ডিস্কগুলোর উভয় পৃষ্ঠ এবং ওপরের ও নিচের ডিস্কের ভেতরের দিকের পৃষ্ঠে উপাত্ত, তথ্য, প্রোগ্রাম ইত্যাদি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
 
উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯০.
A computer program that converts assembly language to machine language is
  1. ক) Compiler
  2. খ) Interpreter
  3. গ) Assembler
  4. ঘ) Comparator
ব্যাখ্যা
A computer program that converts assembly language to machine language is Assembler.
Assembler : An assembler is a type of computer program that interprets software programs written in assembly language into machine language, code and instructions that can be executed by a computer.
An assembler enables software and application developers to access, operate and manage a computer's hardware architecture and components.
Source: techterms.com
২,৫৯১.
(1101.1101)2 + (1001.0011)2 = ?
  1. (10110.0000)2
  2. (10111.0000)2
  3. (11011.0100)2
  4. (10101.1000)2
ব্যাখ্যা

(1101.1101)2 + (1001.0011)2 = (10111.0000)2

• বাইনারি যোগের নিয়ম অনুযায়ী, ডানদিক থেকে প্রতিটি অঙ্ক যোগ করতে হয়।
• 0 + 0 = 0
• 1 + 0 = 1
• 1 + 1 = 10 (0 লিখে 1 হাতে থাকে)
• 1 + 1 + 1 = 11 (1 লিখে 1 হাতে থাকে)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৫৯২.
ASCII-7 এর আবিষ্কারক কে?
  1. ফ্রাংক গ্রে
  2. মার্ক ডেভিস
  3. জো বেকার
  4. রবার্ট বিমার
ব্যাখ্যা
- রবার্ট উইলিয়াম বিমার ১৯৬৫ সালে ASCII-7 আবিষ্কার করেন।
- ASCII Code বিভিন্ন ধরণের বর্ণ প্রকাশে ব্যবহৃত হয়।
- ফ্রাংক গ্রে ১৯৪৭ সালে 'গ্রে কোড' আবিষ্কার করেন।
- মার্ক ডেভিস এবং জো বেকার 'ইউনিকোড' এর আবিষ্কারক।
- 'ইউনিকোড' আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৭ সালে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,৫৯৩.
নিচের কোন বুলিয়ান উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. A + 0 = A
  2. A . 1 = A
  3. A + A = 2A
  4. A . 0 = 0
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- সাধারণত বুলিয়ান উপপাদ্যের সাহায্যে বুলিয়ান অ্যালজেবরার সকল জটিল সমীকরণসমূহের সরল করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার মৌলিক উপপাদ্যগুলো নিম্নরূপ:



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৪.
সাধারণ ফাইল সিস্টেমের তুলনায় ডাটাবেজে মেমোরী খরচ-
  1. বেশী
  2. কম
  3. সমান
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
একটি সাধারণ ফাইলে তথ্য অগুছালো অবস্থায় থাকে। কারণ, এসব ফাইলে তথ্য কোন সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেওয়া হয় না।
তাই, একই তথ্য বিভিন্ন ফাইলে থাকতে পারে। পক্ষান্তরে ডাটাবেজে তথ্য সাজানো অবস্থায় থাকে।
তাই ডাটাবেজের নিম্নলিখিত সুবিধাসমূহ উল্লেখযোগ্য-
(ক) প্রয়োজনীয় সকল তথ্য বিচার-বিশ্লেষণ করে ডাটাবেজ ফাইল তৈরী করা হয়। তাই এতে তথ্যের পুনরাবৃত্তি অর্থাৎ
একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম।
(খ) ডাটাবেজে তথ্য সুরক্ষিত থাকে। তাই তথ্য নির্ভেজাল হয়, অর্থাৎ পরিবর্তিত বা ধ্বংস হয় না। এ বৈশিষ্ট্যটুকু ধরে
রাখতে হলে- রেকর্ডসমূহকে সুপরিকল্পিতভাবে সংরক্ষণ করে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হয়, তথ্যের মান
ঠিক আছে কিনা খেয়াল রাখতে হয়, সর্বোপরি ডাটাবেজের গোপনীয়তা রক্ষা করতে হয়।
(গ) ডাটাবেজে মেমোরী অপচয় কম হয়। যেহেতু একই তথ্য একাধিকবার থাকার সম্ভাবনা কম, সেহেতু
অতিরিক্ত মেমোরী নষ্ট হয় না।
(ঘ) কোয়েরী প্রোগ্রাম দ্বারা তথ্য উদ্ধার করা যায়।এতে ব্যবহারকারীর কোন কোন তথ্য দরকার তা উল্লেখ করলেই
চলে, কিভাবে তথ্যউদ্ধার করতে হবে তা উল্লেখ করার প্রয়োজন হয় না। 
উৎস: এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৫.
সি ল্যাংগুয়েজ কয় ধরণের ডেটা টাইপ সমর্থন করে?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
সি ল্যাংগুয়েজ ৪  ধরণের ডেটা টাইপ সমর্থন করে
১। মৌলিক বা প্রাথমিক বা বিল্ট ইন ডেটা টাইপ: মৌলিক ডেটা টাইপ আবার ৩ ধরণের।
যথা: ক্যারেক্টার , পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যা 
২। ব্যবহার কর্তৃক সংজ্ঞায়িত বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ
৩। ডিরাইভড ডেটা টাইপ
৪। ফাঁকা বা এম্পটি ডেটা সেট 

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি
২,৫৯৬.
উদ্বায়ী মেমরির উদাহরণ কোনটি?
  1. র‍্যাম
  2. রম
  3. চৌম্বক কোর মেমরি
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা
• ভোলাটাইল বা উদ্বায়ী মেমরি:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- RAM

• নন-ভোলাটাইল মেমরি বা অনুদ্বায়ী:
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় না তাকে অনুদ্বায়ী স্মৃতি বা নন-ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন- ROM।

• ধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি কোনো মেমরি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় তাহলে তাকে ধ্বংসাত্মক মেমরি বলা হয়। যেমন- চৌম্বক কোর মেমরি।

• অধ্বংসাত্মক মেমরি:
- যদি পঠনের পর সংরক্ষিত তথ্য মুছে না যায় তাহলে তাকে অধ্বংসাত্মক মেমরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৭.
ALU কোন কাজটি সম্পাদন করে না?
  1. যোগ এবং বিয়োগ
  2. তুলনা করা 
  3. সত্য-মিথ্যা যাচাই
  4. ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা 
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ঘ) ডেটা নিয়ন্ত্রণ করা 

Arithmetic and Logic Unit (ALU):
- ALU নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক এবং লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- সাধারণত, গাণিতিক অপারেশনগুলো যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো যেমন তুলনা, সত্য- মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি সম্পাদন করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেক্ট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলির সম্পাদন করে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ী রেজিস্টারে সংরক্ষন করে রাখে।
- বর্তমানে মাইক্রপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর জন্য একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,৫৯৮.
নিচের কোনটি Image ফাইলের Extension হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) docx
  2. খ) xls
  3. গ) jpg
  4. ঘ) কোনোটিই নয়।
ব্যাখ্যা
ইমেজ:
- ইমেজ বা ছবির আরেক নাম স্থিরচিত্র।
- কোনো একটি নির্দিষ্ট সময় বা মুহূর্তের ছবি ধরে রাখা হয় ইমেজের মাধ্যমে। 
- শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষ করে পাঠ পরিচালনার নানান ক্ষেত্রে ইমেজ ব্যবহার করা যায়।
- ইমেজের ফরম্যাটগুলো হচ্ছে- jpg, png, gif, psd, bmp, dds, pspimage, tga, thm, tif, tiff, zuv ইত্যাদি।

উৎস: শিক্ষা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৫৯৯.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. ক) ৫৩৭৮
  2. খ) ১০১০
  3. গ) ৪৩২১
  4. ঘ) ২২২২
ব্যাখ্যা
অক্ট্যাল সংখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে। 
- এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭। 
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮। যেমন: ৭১৪, ৭৬৫, ৫৬৭ কিন্তু ৪৮৫ অকটাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

_____________________
- এখানে, ৫৩৭৮ অক্ট্যাল সংখ্যা নয়, কারণ ৮ অক্ট্যাল সংখ্যার অঙ্ক বা চিহ্ন না।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
২,৬০০.
RDBMS-এর ধারণা উপস্থাপন করেন কে?
  1. ফ্রেড কোহেন
  2. রে টমলিনসন
  3. ই এফ কড
  4. জোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গ
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে ই এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- মাইক্রোসফট এক্সিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায় ।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায় ।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায় ।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায় ।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।