বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ২৫ / ৮২ · ২,৪০১২,৫০০ / ৮,১৪১

২,৪০১.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের আকার অনুসারে শ্রেণিবিভাগের অংশ নয়?
  1. মাইক্রোকম্পিউটার
  2. মিনি কম্পিউটার
  3. ডিজিটাল কম্পিউটার
  4. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

◉ ডিজিটাল কম্পিউটার হলো কম্পিউটারের ধরন বা কার্যপ্রণালী অনুসারে শ্রেণিবিভাগ, যা বাইনারি সিস্টেম (0 এবং 1) ব্যবহার করে ডেটা প্রসেস করে। এটি আকার বা ক্ষমতা অনুসারে শ্রেণিবিভাগ নয়।

আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪০২.
নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ? 
  1. র‍্যাম
  2. সিডি
  3. হার্ডডিস্ক
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
স্টোরেজ ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়। 
- স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও 
২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। 

প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস: 
- প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস। 
- প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। 
যেমন- র‍্যাম। 

প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য: 
১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে। 
২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে। 
৩। অ্যাকসেস সময় কম। 
8। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে। 
৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি। 
৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি। 

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস: 
- কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ডিভিডি, মেমোরি কার্ড, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০৩.
SSD কী?
  1. Solid State Drive
  2. System Storage Device
  3. Standard Storage Drive
  4. System Software Directory
ব্যাখ্যা

◉ SSD-এর পূর্ণরূপ Solid State Drive, যা একটি non-volatile স্টোরেজ ডিভাইস। এটি flash memory ব্যবহার করে ডাটা সংরক্ষণ করে এবং হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ (HDD)-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪০৪.
সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে কি বলা হয়?
  1. ক) ক্যারেকটার
  2. খ) ইন্টিজার
  3. গ) রিয়েল
  4. ঘ) ডাবল
ব্যাখ্যা
• সকল ধনাত্মক পূর্ণসংখ্যাকে ইন্টিজার বলা হয়।

ইন্টিজার (Integer Type) টাইপ:
- প্রোগ্রামে পূর্ণসংখ্যা (যেমন- 23, 1456, 2345 ইত্যাদি) নিয়ে কাজ করার জন্য Integer ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টিজার টাইপের ভেরিয়েবল ঘোষোণার জন্য int কীওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়।
- যেমন- int x;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪০৫.
বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি বর্তমানে কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
  4. বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৪ সালে দ্বিতীয় প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
- এটি ছিল আইবিএম কোম্পানির একটি মেইনফ্রেইম কম্পিউটার
- IBM 1620 সিরিজের কম্পিউটারটি স্থাপিত হয় তৎকালীন পাকিস্থান পরমাণু গবেষণা কেন্দ্রে যার বর্তমান নাম বাংলাদেশ পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র।
- যন্ত্রটির প্রধান ব্যবহার ছিল জটিল গবেষণা কাজে গাণিতিক হিসাব সম্পন্ন-করণ।
- কম্পিউটারটি বর্তমানে ঢাকার আগারগাঁও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘরে সংরক্ষিত আছে।
- ষাটের দশকের শেষ দিকে হাবিব ব্যাংক ও ইউনাইটেড ব্যাংক কম্পিউটার স্থাপন করে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো 1969 সালের দিকে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার শুরু করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
২,৪০৬.
ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য কী? 
  1. ডাটাবেজ ফাইলকে সংরক্ষণ করা 
  2. ডাটাবেজের রেকর্ডের সংখ্যা বৃদ্ধি করা 
  3. ডাটাবেজের রেকর্ড মুছে ফেলা 
  4. ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া
ব্যাখ্যা

- ইনডেক্সিং-এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ডাটাবেজের রেকর্ড দ্রুত খুঁজে পাওয়া। 

ইনডেক্সিং: 
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং। 
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো। 
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। তবে- 
• সর্ট করা ফাইলকে অন্য নামে ডাটাবেজ ফাইল হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। 
• সাধারণ কী ফিল্ডের উপর ইনডেক্স করা হয়। 
• পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে সর্ট করা ফাইলে তা আপডেট হয় না। 
- সর্ট করার ন্যায় ইনডেক্স করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়। 
- পরবর্তীতে ডাটাবেজের কোন রেকর্ড সংশোধন বা সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলেও তা আপডেট হয়। 
- তাছাড়া ইনডেক্স সর্টের চেয়ে দ্রুততর, সেজন্য বর্তমানে সর্ট না করে ইনডেক্স করেই ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহ উচ্চ বা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো হয়। 

ইনডেক্সিং-এর সুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো- 
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে। 
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়। 
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
8। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়। 

ইনডেক্সিং-এর অসুবিধাসমূহ: 
- ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধার পাশাপাশি কিছু অসুবিধাও আছে- 
১। ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ডগুলোকে সাজানো হলে মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে। 
২। সর্টেড ডাটাগুলো নিয়ে ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয়। 
৩। ইনডেক্স ফাইলকে সংরক্ষণ করার জন্য কম্পিউটারের স্মৃতিতে অতিরিক্ত জায়গা লাগে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪০৭.
NTFS এর পূর্ণরূপ -
  1. Nano-Tech File System.
  2. New Technology File System.
  3. New High Technology File Allocation System.
  4. Network Transfer File System.
ব্যাখ্যা
NTFS: 
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০৮.
ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট -
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) অ্যাডার
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
কাউন্টার
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- এটি ফ্লিপ-ফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্ট নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে বা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে। কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ ০ থেকে ২n - 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলে। কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস ২n.
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪০৯.
‘Marshmallow’ অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি তৈরি করেছে?
  1. Google
  2. Apple
  3. IBM
  4. BlackBerry
ব্যাখ্যা
• ‘Marshmallow’ হলো Android অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা গুগল (Google) তৈরি করেছে। এটি Android 6.0 নামেও পরিচিত এবং ২০১৫ সালে বাজারে আসে। এই সংস্করণে ব্যবহারকারীদের জন্য নতুন ফিচার যেমন পারমিশন ম্যানেজমেন্ট, Google Now on Tap, এবং উন্নত ব্যাটারি লাইফ সুবিধা যোগ করা হয়েছে। Marshmallow অপারেটিং সিস্টেমটি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেটের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের ডিভাইস আরও নিরাপদ ও সুবিধাজনকভাবে ব্যবহার করতে সাহায্য করে। তাই এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরির জন্য সঠিক উত্তর হলো Google।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- ‘Marshmallow' অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছে গুগল।
- এটি একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- ২০২১ সালের মে মাসে এই অপারেটিং সিস্টেমটি ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস:
১. গুগলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
২,৪১০.
Access time in a computer memory is the time required to
  1. ক) Locate the stored data
  2. খ) Retrieve the stored data
  3. গ) Both locate and retrieve the data
  4. ঘ) None of the above
ব্যাখ্যা
No explanation added
২,৪১১.
ল্যান তৈরী করার জন্য নিচের কোন যন্ত্রাংশটি প্রয়োজন?
  1. ক) স্পিকার
  2. খ) নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড
  3. গ) রম
  4. ঘ) গ্রাফিক্স কার্ড
ব্যাখ্যা
সাধারণত কম্পিউটারকে কোনো নেটওয়ার্ক মিডিয়ার সাথে সংযোগ দেয়ার জন্য একটি বিশেষ ইন্টারফেসের দরকার পড়ে। নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস কার্ড বা ল্যান কার্ড এই ইন্টারফেসের কাজ করে। এই নেটওয়ার্ক এডাপ্টার যেকোন মিডিয়ার জন্য কম্পিউটারকে কানেক্ট করার সুযোগ দিতে পারে।
২,৪১২.
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
ব্যাখ্যা
বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে। 
যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ২ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ২দ্বারা গুণ করতে হবে। 
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(1101)2 এর দশমিক সংখ্যা হলো- 
= 1 × 23 + 1 × 22 + 0 × 21 + 1 × 2
= 8 + 4 + 0 + 1 
= 13 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪১৩.
ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরির উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ডিস্ক মেমোরি
  2. খ) চৌম্বক টেপ মেমোরি
  3. গ) চৌম্বক ড্রাম মেমোরি
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

ডিস্ক মেমোরি হচ্ছে ডাইরেক্ট এক্সসেস মেমোরির উদাহরণ। 

- যে ধরনের মেমোরিতে তথ্যকে পঠন/লিখনের জন্য সিকুয়েন্স, একসেস বা, সংযোগ উভয়েই ব্যবহৃত হয়, তাকে ডাইরেক্ট এক্সেস মেমোরি বলে।
যেমন- ডিস্ক মেমোরি।

- চৌম্বক টেপ মেমোরি হল সিকুয়েন্সিয়াল মেমোরি। 

- চৌম্বক ড্রাম মেমোরি হল সাইক্লিক এক্সেস মেমোরি।  

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

২,৪১৪.
পরপর সংলগ্ন কতকগুলো ______ এর সমষ্টিকে কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে।
  1. ক) টেরাবাইট
  2. খ) মেগাবাইট
  3. গ) কিলোবাইট
  4. ঘ) বাইট
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word)
- পর পর সংলগ্ন কতকগুলো বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। 
- সাধারণত ১৬ বা ৩২ বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক-
(ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
(খ) ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB) (গ) ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪১৫.
কম্পিউটারের প্রোগ্রামে X = A + B এর স্থলে X = A - B লেখা হলে তা কোন ধরণের ভুল?
  1. ক) Syntax Error
  2. খ) Logical Error
  3. গ) Execution Error
  4. ঘ) Debugging Error
ব্যাখ্যা
সিনট্যাক্স ভুল (Syntax Error)
সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল। যেমন: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি। এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

লজিক ভুল (Logical Error)
প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল । সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয় । সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল। কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল (Run time & Execution time Error)
কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়। যে সব গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পাদন করা যায় না (অন্তত বাস্তব রাশির ক্ষেত্রে) তা করতে গেলেও সিনট্যাক্স ভুল হয়। যেমন শূন্য দিয়ে ভাগ করা কিংবা ঋণ সংখ্যার বর্গমূল বা লগারিদম বের করা। এসব ক্ষেত্রেও ভুলের বার্তা ছাপা হয় ।

ডিবাগিং (Debugging)
প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং, এর আক্ষরিক অর্থ পোকা বাছা। ১৯৪৫ সালে মার্ক-১ কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি। ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়। প্রয়োজন হলে কোন প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়। প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়। এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা হয়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৪১৬.
এনক্রিপ্ট করার পর যে মেসেজ মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না তাকে কী বলে?
  1. ক) Key
  2. খ) Algotext
  3. গ) Plaintext
  4. ঘ) Ciphertext
ব্যাখ্যা
এনক্রিপশন (Encryption)
- এনক্রিপশন হলো মেসেজ, ডাটা বা তথ্য কে এনকোড করার এমন একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা অনুমোদনহীন কেউ পড়তে বা বুঝতে পারে না । 

• এনক্রিপশনের চারটি মূল অংশ রয়েছে। যথা -
- Plaintext, Ciphertext, Encryption Algorithm এবং Key.

- Plaintext: Plaintext হলো এনক্রিপ্ট করার পূর্বের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে।
- Ciphertext: Ciphertext হলো এনক্রিপ্ট করার পরের মেসেজ যা মানুষের পাঠযোগ্য রূপে থাকে না।
- Encryption Algorithm: Encryption Algorithm হলো গাণিতিক ফর্মূলা যা Plaintext থেকে Ciphertext করার জন্য বা Ciphertext থেকে Plaintext প্রিন্ট করার জন্য প্রয়োজন।
- Key: Key হলো গোপন কোড যা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার জন্য প্রয়োজন।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪১৭.
নিচের কোনটি একটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Safari
  2. Foxpro
  3. Quattro Pro
  4. Access
ব্যাখ্যা
• Quattro Pro হলো একটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Photo Editing Program: Adobe Photoshop.
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quattro Pro.
- Browsing Program: Internet Explorer, Edge, Mozilla Firefox, Netscape Communicator, Safari, Opera, Google Chrome.
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪১৮.
Which of the following is used to store and manage user data?
  1. WordStar
  2. Quattro Pro
  3. Lotus 1-2-3
  4. FoxPro
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) FoxPro 

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software)
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারে নির্দিষ্ট ব্যবহারিক কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি প্রোগ্রাম।
- এটি ব্যবহারকারীকে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, সমস্যা সমাধান, টেক্সট, সংখ্যা বা ছবি নিয়ে কাজ করার সুবিধা দেয়।
- কাজের ধরন অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ: অফিস সফটওয়্যার, একাউন্টিং সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও ও অডিও) ইত্যাদি।

Database Package Program :
- dBase,
- FoxPro,
- Oracle,
- Informix,
- Access.
 
অন্যদিকে, 
- WordStar হচ্ছে Word Processing Package Program.
- Lotus 1-2-3, Quattro Pro. হচ্ছে  Spreadsheet Package Program.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪১৯.
কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. McAfee
  2. Symantec
  3. Cinderella
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা

• কতিপয় ভাইরাসঃ
- AIDS,
- Bye Bye,
- Bad boy,
- Cinderella,
- CIH,
- I love you,
- স্টোন,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
• কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- অভিজি,
- এভিরা,
- এভাস্ট,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

২,৪২০.
​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ৭৭
  2. ৪৩
  3. ৩০
  4. ৫৯
ব্যাখ্যা

​​​(১১১০১১) এর সমকক্ষ দশমিক সংখ্যা ৫৯।

​​পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর
​১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
​২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22 ....... দ্বারা গুণ করতে হবে।
​৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।

​(১১১০১১) = ১x২ + ১x২ + ১x২ + ০x২ + ১x২ + ১x২
​ = ৩২ + ১৬ + ৮ + ০ + ২ + ১
​ = ৫৯

​​​(১১১০১১) = (৫৯)১০

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪২১.
নিচের কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ফিল্ম রেকর্ডার
  2. ওসিআর
  3. লাইটপ্যান
  4. সিডি
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.
২,৪২২.
What is the name of the computer which was first used for programming and playing of music?
  1. ক) ELLIAC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) UNIVAC
  4. ঘ) All of the above
ব্যাখ্যা
But, ENIAC, an acronym for Electronic Numerical Integrator And Computer is considered to be the first operational electronic digital computer in the United States.
২,৪২৩.
প্যারালাল পোর্টকে আর কী নামে চেনা যায়?
  1. HDMI port
  2. Ethernet port
  3. USB port
  4. Printer port
ব্যাখ্যা

• প্যারালাল পোর্টকে সাধারণত প্রিন্টার পোর্ট (Printer Port) হিসেবেও চেনে। এটি মূলত কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পোর্টটি একসাথে একাধিক বিট পাঠাতে সক্ষম, তাই একে “প্যারালাল” বলা হয়। পূর্বে প্রিন্টার সংযোগের জন্য এটি সবচেয়ে প্রচলিত পোর্ট ছিল। USB পোর্ট, HDMI পোর্ট বা Ethernet পোর্টের সাথে এটি ভিন্ন, কারণ USB ও HDMI সিরিয়াল পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়, আর Ethernet মূলত নেটওয়ার্ক সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। সুতরাং, প্যারালাল পোর্টকে সবচেয়ে সঠিকভাবে Printer Port হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
 
• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিন বিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪২৪.
ক্যাশ মেমরি কোন ধরণের মেমরি হিসেবে পরিচিত?
  1. Static Memory
  2. Optical Memory
  3. Magnetic Memory
  4. Dynamic Memory
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে SRAM-এ।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২,৪২৫.
কোন ধরনের কোডকে EBCDIC কোড বলা হয়?
  1. ৭-বিট ASCII কোড
  2. ১৬-বিট ইউনিকোড কোড
  3. ১৬-বিট ASCII কোড
  4. ৮-বিট BCD কোড
ব্যাখ্যা

EBCDIC কোড হলো এক ধরনের ৮-বিট BCD কোড।

ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড:
- ৮ - বিট বিসিডি কোড, Extended Binary Coded Decimal Information Code বা ইবিসিডিক কোড নামে পরিচিত।
- ইবিসিডিক (EBCDIC) কোডে ০ থেকে ৯ সংখ্যার জন্য ১১১১,
- A থেকে Z বর্ণের জন্য ১১০০, ১১০১ ও ১১১০,
- বিশেষ চিহ্নের জন্য ০১০০, ০১০১, ০১১০ ও ০১১১ জোন বিট হিসাবে ব্যবহার করা হয়।
- ২৫৬টি বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নকে এ পদ্ধতিতে ফোড করে কম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী করা আছে।
- এটি মূলত BCD (Binary Coded Decimal) পদ্ধতির একটি বর্ধিত রূপ।
- এ কোডটি সাধারণত IBM এবং IBM সমকক্ষ কম্পিউটারেই শুধু ব্যবহৃত হয়।
- যেমন IBM মেইনফ্রেম ও মিনি কম্পিউটারে EBCDIC কোড ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- ৭-বিট ASCII কোড: ASCII (American Standard Code for Information Interchange) একটি ৭-বিট কোড এবং এটি EBCDIC থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। এটি সাধারণত IBM মেইনফ্রেমের বাইরে ব্যবহৃত হয়।
- ১৬-বিট ইউনিকোড কোড: ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ড যা বিশ্বের প্রায় সব ভাষার অক্ষরকে সমর্থন করে। এটি ১৬-বিট বা ৩২-বিট হতে পারে, যা EBCDIC-এর ধারণার সাথে মেলে না।
- ১৬-বিট ASCII কোড: সাধারণত ASCII কোড ৭-বিট বা ৮-বিট হয়। ১৬-বিট ASCII কোড প্রচলিত নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৪২৬.
Which shortcut key is used to cut selected text?
  1. Ctrl + C
  2. Ctrl + X
  3. Ctrl + V
  4. Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

• Ctrl + X শর্টকাট কী ব্যবহার করে MS Word–এ সিলেক্ট করা টেক্সট Cut করা হয়।
 
• এমএস ওয়ার্ডে কীবোর্ড শর্টকাট কী:
- কীবোর্ড শর্টকাট কী ব্যবহার করে দ্রুত ও সহজে এমএস ওয়ার্ডে কাজ করা যায়।
- শর্টকাট কী সময় সাশ্রয় করে এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে।
 
• সাধারণত ব্যবহৃত শর্টকাট কী:
- Ctrl + A: ডকুমেন্টের সব টেক্সট একসাথে সিলেক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + B: সিলেক্ট করা টেক্সট Bold করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট Copy করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + V: কপি করা টেক্সট Paste করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + X: সিলেক্ট করা টেক্সট Cut করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + Z: কোনো ভুল হলে আগের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয় (Undo)।
 
• টেক্সট ফরম্যাটিং–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + I: সিলেক্ট করা টেক্সট Italic করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + U: টেক্সটে Underline দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• অ্যালাইনমেন্ট–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + L: টেক্সটকে Left alignment–এ আনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + E: টেক্সটকে Center alignment–এ আনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• ডকুমেন্ট ও ফাইল ব্যবস্থাপনা–সংক্রান্ত শর্টকাট কী:
- Ctrl + N: নতুন একটি Word document খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + O: আগে থেকে সংরক্ষিত Word file খোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + S: তৈরি করা Word document Save করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
• অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শর্টকাট কী:
- Ctrl + F: ডকুমেন্টের ভেতরে কোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার (Find) জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Ctrl + K: সিলেক্ট করা টেক্সটে Hyperlink (ওয়েব অ্যাড্রেস) যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
উৎস: Microsoft Official Website.

২,৪২৭.
What is the process of starting a computer called?
  1. Logging
  2. Booting 
  3. Scanning
  4. Loading
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Booting 

কম্পিউটার বুটিং:
- কম্পিউটার চালুর প্রক্রিয়াকে বুট বা বুটিং বলে।
- কম্পিউটার চালু হলে CPU বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট প্রথমেই যাচাই করে যে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর ইত্যাদি যন্ত্রাংশ সঠিকভাবে যুক্ত আছে কিনা।
- এই যাচাই প্রক্রিয়াকে POST (Power On Self Test) বলে।
- যন্ত্রাংশগুলো সঠিকভাবে যুক্ত থাকলে CPU কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমকে হার্ডডিস্ক থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে র‍্যামে তুলে নেয়।
- এরপর কম্পিউটার ব্যবহারকারীর নির্দেশ গ্রহণের জন্য প্রস্তুত হয়।
- এটি একটি স্বয়ক্রিয় প্রক্রিয়া, যা সম্পূর্ণ হওয়ার পর কম্পিউটার ব্যবহার করা যায়।
- বুটিং থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করার সব কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া বুটিং সম্ভব নয়।
- প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম ছিল না।
- এটি একবারে একটি প্রোগ্রাম চালাত, যার সমস্ত কাজের কমান্ড এবং প্রয়োজনীয় রিসোর্সগুলো মানব অপারেটরের দ্বারা সরবরাহ করতে হতো।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; ব্রিটানিকা।

২,৪২৮.
নিচের কোনটি প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়?
  1. Laser
  2. Dot Matrix
  3. Ink-Jet
  4. Duel core
ব্যাখ্যা
- Duel core প্রিন্টারের প্রকারভেদ নয়।

• প্রিন্টার:
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস।
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার ও অক্ষর প্রিন্টার।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪২৯.
কোন ডিভাইসটি ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা দেয়?
  1. মাউস
  2. স্পিকার
  3. স্ক্যানার
  4. টাচস্ক্রিন
ব্যাখ্যা
• টাচস্ক্রিন হলো এমন একটি ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর ডাটা ইনপুট এবং একই ডিভাইসে সরাসরি ফলাফল দেখার সুবিধা প্রদান করে। এটি একটি ইন্টারেক্টিভ পর্দা যেখানে ব্যবহারকারী আঙুল বা স্টাইলাস দিয়ে স্পর্শ করে কমান্ড দিতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই তার প্রতিক্রিয়া বা ফলাফল দেখতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন মাউস শুধুমাত্র ইনপুট দেয়, কিন্তু ফলাফল মনিটরে দেখা হয়। স্পিকার শব্দ আউটপুট করে, ইনপুট নয়। স্ক্যানার কাগজের ডকুমেন্টকে ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করে, কিন্তু সরাসরি ফলাফল দেখায় না। তাই, টাচস্ক্রিন একক ডিভাইস হিসেবে ইনপুট ও আউটপুট উভয়ই সরবরাহ করে।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
২,৪৩০.
What is the purpose of data encryption?
  1. To make data transfer faster
  2. To ensure data privacy
  3. To store data in memory
  4. To expand computer RAM
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) To ensure data privacy

ডেটা এনক্রিপশন (Data Encryption)

- হার্ড ডিস্ক বা অন্য কোন মেমোরি ডিভাইসে ডেটা সংরক্ষণ করা কিংবা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদানের সময় সেই ডেটার গোপনীয়তা বজায় রাখতে ডেটা এনক্রিপ্ট করতে হয়।
​- ডেটা এনক্রিপশন হলো একটি প্রক্রিয়া, যেখানে প্লেইন টেক্সট (Plain text) ডেটাগুলো সাইফার টেক্সট (Cipher text) ডেটাতে রূপান্তরিত হয়, যাতে করে এটি সর্বসাধারণের পড়ার ক্ষেত্রে দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে।
- অননুমোদিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ব্যবহার থেকে ডেটাকে নিরাপদ রাখার জন্য যে পদ্ধতিতে ডেটা ভেঙে এলোমেলো করা হয়, তাকে ডেটা এনক্রিপশন বলা হয়।
- তথ্য সঞ্চালনের ক্ষেত্রে এনক্রিপশন বিশেষভাবে প্রয়োগ করা হয়। এতে এক ধরনের ডেটা সিকুয়েন্স রাখা হয়। এই ডেটা সিকুয়েন্সকে বলা হয় এনক্রিপশন কী। ডেটাবেজে ডেটার নিরাপত্তা বিধান করার জন্য ডেটা এনক্রিপ্ট করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়।
- উপযুক্ত ডিসাইফার কোড বা ডিক্রিপ্ট পদ্ধতি জানা না থাকলে ঐ ডেটা কেউ অ্যাকসেস করতে পারলেও ব্যবহার করতে পারবে না।
- এনক্রিপ্ট করা ডেটা ব্যবহারের পূর্বে তা ডিসাইফার কোড দিয়ে ডিক্রিপ্ট করে নিতে হবে।
- কম্পিউটার বিজ্ঞাদের যে শাখায় ডেটার এনক্রিপ্ট ও ডিক্রিপ্ট করার বিষয় নিয়ে গবেষণা ও কাজ করা হয়, তাকে ক্রিপ্টোগ্রাফি (Crypography) বলা হয়।
- এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রথমে প্রকৃত বা মূল ডেটাকে এনক্রিপ্ট করা হয়। প্রকৃত বা মূল ডেটাকে প্লেইন টেক্সট (Plain text) বলা হয়।
- এনক্রিপ্ট করার পর যে ডেটা পাওয়া যায়, তাকে বলা হয় সাইফার টেক্সট (Cipher text)। এটি প্রেরকের সিস্টেম। অন্যদিকে প্রাপকের সিস্টেম সাইফার টেক্সট হতে মূল বা প্রকৃত ডেটাকে উদ্ধার করে।

​Source: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২,৪৩১.
What is the binary equivalent of decimal number 95?
  1. 1001101
  2. 1011111
  3. 1111011
  4. 1101111
ব্যাখ্যা
(95)10 = (1011111)2

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:

১। দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২। ভাগফলকে পুনরায় ২ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩। এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাগফল ০ হয়।
৪। সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে শুরু বা সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSB-Most Significant Bit) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণের অংক (LSB-Least Significant Bit) পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে লিখলে সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান পাওয়া যাবে।


সুতরাং, (95)10 = (1011111)2

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩২.
নিচের কোনটি ডাটাবেজের উপাদান নয়? 
  1. রেকর্ড
  2. ফিল্ড
  3. প্রসেসর
  4. ডাটা টেবিল
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- ডাটা শব্দের অর্থ হচ্ছে উপাত্ত এবং বেজ শব্দের অর্থ সমাবেশ। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত এক বা একাধিক ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টি হলো ডাটাবেজ। 
- একটি ডাটাবেজের এক বা একাধিক টেবিল, কুয়েরি, ফর্ম, রিপোর্ট মডিউল ইত্যাদি ফাইল থাকতে পারে। 
- ডাটাবেজকে তথ্যভাণ্ডার বলা হয়, চারপাশে অজস্র তথ্য ও উপাত্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- তবে এ সমস্ত তথ্যের সমাবেশকে ডাটাবেজ বলা যাবে না, কারণ ডাটাবেজ হল সেই সকল ডাটা বা তথ্যের সমষ্টি যাদের পরস্পরের মধ্যে সম্পর্ক আছে।
যেমন- ভোটার তালিকায় সংরক্ষিত ভোটারদের তথ্যসমূহ, কোন কোম্পানির কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ফাইলের রেকর্ডসমূহ ইত্যাদি। 

ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদান: 
- ডাটাবেজের অনেকগুলো উপাদান আছে। 
যেমন- ডাটা, রেকর্ড, ফিল্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি। 
- সমজাতীয় অনেকগুলো ডাটাকে একটি টেবিলে রাখা হয়। 
- একটি টেবিলে অনেকগুলো কলাম ও সারি থাকে। 
- প্রত্যেকটি কলামের একটি করে শিরোনাম থাকে। 
- শিরোনামগুলো ফিল্ড নামে পরিচিত। 
- আর পাশাপাশি কয়েকটি কলামের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সারি। 
- প্রতিটি সারিকে বলা হয় রেকর্ড। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৩.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কোন কম্বিনেশনাল সার্কিট ব্যবহার করে সংখ্যা যোগ করা যায়?
  1. অ্যাডার
  2. এনকোডার
  3. রেজিস্টার
  4. ডিকোডার
ব্যাখ্যা

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে সংখ্যা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত কম্বিনেশনাল সার্কিটটি হলো অ্যাডার (Adder)। 

অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কাজেই যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদির কাজ করা যায়।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
- রেজিস্টার: রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- এনকোডার: এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
- ডিকোডার: ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৪৩৪.
চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল পড়ার জন্য কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. OCR
  2. OMR
  3. Printer
  4. Bar Code Reader
ব্যাখ্যা
• চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

• OCR (Optical Character Recognition):

- OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা টেক্সট, চিহ্ন, এবং আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টারকে পড়তে এবং ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে, তারপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

• OCR এর ব্যবহার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।
যথা:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড চিনতে,
- ক্যাশ রেজিস্টারের তথ্য,
- ইলেকট্রিক বিলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৫.
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Ctrl + home কী বোর্ড কমান্ড দিলে কার্সর (cursor) কোথায় যাবে?
  1. বর্তমান পৃষ্ঠার শুরুতে
  2. পূর্ববর্তী পৃষ্ঠার শুরুতে
  3. পূর্ববর্তী লাইনে
  4. ডকুমেন্টের শুরুতে
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারে কোন ডকুমেন্টের প্রথমে বা শুরুতে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে Ctrl Home চাপতে হয়। 
- ডকুমেন্টের শেষে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে Ctrl End চাপতে হয়। 
- আর লাইনের শুরুতে এবং শেষে কার্সর নিয়ে যাওয়ার জন্যে যথাক্রমে Home এবং End চাপতে হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২,৪৩৬.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক নয়?
  1. ক) A + 1 = 1
  2. খ) A + A' = 1
  3. গ) A + A = A
  4. ঘ) A + 0 = 0
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,৪৩৭.
নিম্নের কোনটি Super Computer এর উদাহরণ?
  1. IBM 486
  2. NOVA 3
  3. IBM 4341
  4. CRAY-1
ব্যাখ্যা
CRAY-1 হচ্ছে একটি Super Computer। 

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৩৮.
এম এস এক্সিস একটি -
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং প্যাকেজ
  2. স্প্রেডশিট প্যাকেজ
  3. ডাটাবেজ প্যাকেজ
  4. গ্রাফিক্স প্যাকেজ
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সিস হচ্ছে মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম। ১৯৯৩ সলের গোড়ার দিকে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশন এই সফটওয়্যারটি বাজারজাত করে।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
২,৪৩৯.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. অক্টাল
  2. বাইনারি
  3. ডেসিমেল
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বাইনারি: বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

অক্টাল: বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

ডেসিমেল: বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

হেক্সাডেসিমেল: বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 
২,৪৪০.
কোন ট্যাগ দিয়ে HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট কিভাবে তৈরি করবেন?
  1. <ol>
  2. <dl>
  3. <list>
  4. <ul>
ব্যাখ্যা

• HTML:
- 'HTML' এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।

- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।


• HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট তৈরি করতে আমরা <ol> ট্যাগ ব্যবহার করি।

নিচে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

HTML লিস্টের প্রকার:

(1)সংখ্যাযুক্ত লিস্ট (Ordered List):

এটি একটি তালিকা যেখানে প্রতিটি আইটেম একটি নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো থাকে, সাধারণত সংখ্যা বা অক্ষরের মাধ্যমে।

ট্যাগ: <ol>

উদাহরণ:

<ol>
<li>প্রথম আইটেম</li>
<li>দ্বিতীয় আইটেম</li>
<li>তৃতীয় আইটেম</li>
</ol>
এখানে <li> (list item) ট্যাগ ব্যবহার করে তালিকার আইটেমগুলি প্রদর্শন করা হয়।

(2) অনির্দিষ্ট লিস্ট (Unordered List):

এটি একটি তালিকা যেখানে আইটেমগুলির মধ্যে কোনো নির্দিষ্ট ক্রম নেই, প্রতিটি আইটেম একটি বুলেট পয়েন্ট দ্বারা চিহ্নিত হয়।

ট্যাগ: <ul>

(3) ডেস্ক্রিপশন লিস্ট (Description List):

এটি সাধারণত টার্ম এবং তার বর্ণনা বা সংজ্ঞা প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ট্যাগ: <dl>

প্রশ্নের উত্তর:
কোন ট্যাগ দিয়ে HTML-এ একটি সংখ্যাযুক্ত লিস্ট তৈরি করবেন?

সঠিক উত্তর: ক) <ol>

সূত্র: w3schools.com

২,৪৪১.
কোন সংস্থা জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করেছে?
  1. Intel
  2. Google
  3. Oracle
  4. Microsoft
ব্যাখ্যা

• জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা উদ্ভাবন করা হয়েছিল Sun Microsystems সংস্থার দ্বারা, যা পরে Oracle Corporation দ্বারা অধিগ্রহণ করা হয়। এটি মূলত ওবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের সুবিধা দেয়। জাভা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ (platform-independent) হওয়ায় “Write Once, Run Anywhere” নীতি অনুসরণ করে, অর্থাৎ একবার কোড লেখা হলে তা যেকোনো কম্পিউটারে চালানো যায়। এটি ইন্টারনেট ভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন, মোবাইল অ্যাপ, এবং বড় সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। জাভার স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা, এবং বড় কমিউনিটি সমর্থনের কারণে এটি আজও সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোর মধ্যে একটি। 
- সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গ) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• Microsoft:
- কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে নামকরা প্রতিষ্টান হচ্ছে মাইক্রোসফট।
- মাইক্রোসফটের সদরদপ্তর অবস্তিত যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে।
- মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা Bill Gates এবং Paul Allen.

• Intel:
- এটি পৃথিবীর প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

• Google:
- ল্যারি পেইজ এবং সার্জে ব্রেইন ১৯৯৮ সালে গুগল প্রতিষ্ঠা করেন।
- গুগলের প্রকৃত নাম বা পুরাতন নাম ব্যাকরাব (BackRub)।
- Google + হলো একটি সামাজিক নেটওয়ার্কিং সেবা।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৪৪২.
RAID 1 কী ধরনের স্টোরেজ সিস্টেম নির্দেশ করে? 
  1. Striping
  2. Mirroring
  3. Parity
  4. Backup
ব্যাখ্যা

• RAID 1 হলো একটি স্টোরেজ সিস্টেম কনফিগারেশন যা মিররিং (Mirroring) পদ্ধতি ব্যবহার করে।

- মিররিং অর্থ হলো একই ডাটা একাধিক ড্রাইভে সংরক্ষণ করা।
- এতে প্রধান উদ্দেশ্য হলো ডাটার নিরাপত্তা এবং হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে রিকভারি সহজ করা।

• কাজের পদ্ধতি:
- যখন একটি ফাইল সিস্টেমে লেখা হয়, তখন RAID 1 সেটআপে প্রতিটি ডাটা একসাথে দুটি বা ততোধিক ড্রাইভে লিখিত হয়। প্রতিটি ড্রাইভে ডাটার একই কপি থাকে।
- কোনো একটি ড্রাইভ ব্যর্থ হলে, সিস্টেম অন্য ড্রাইভ থেকে ডাটা পড়তে পারে, ফলে ডাটা লস হয় না।

• উপকারিতা:
- ডাটা নিরাপত্তা বৃদ্ধি পায়।
- হার্ডওয়্যার ব্যর্থতার ক্ষেত্রে দ্রুত রিকভারি সম্ভব।
- সিস্টেম ডাউনটাইম কমে।

• সীমাবদ্ধতা:
- স্টোরেজের কার্যকর ক্ষমতা মাত্র ৫০% হয় (যদি দুইটি ড্রাইভ ব্যবহার হয়, একটি ড্রাইভ ব্যাকআপ হিসেবে থাকে)।
- খরচ বেশি, কারণ প্রতিটি ডাটার জন্য অতিরিক্ত ড্রাইভ প্রয়োজন।

• RAID 1 এবং অন্যান্য RAID টাইপের পার্থক্য:
- RAID 0 (Striping): ডাটাকে ভাগ করে একাধিক ড্রাইভে লেখা হয়, কোনো ব্যাকআপ নেই।
- RAID 5/6 (Parity): ডাটা এবং parity তথ্য ভাগ করে লিখিত হয়, ব্যর্থতা সহ্য করতে পারে কিন্তু মিররিং নয়।

তথ্যসূত্র:
- Oracle এর অফিশিয়াল ওয়েব সাইট।
- Geeksforgeeks ওয়েব সাইট।

২,৪৪৩.
ডকুমেন্টের জন্য কোন OCR ফরম্যাটটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. GIF
  2. MP3
  3. JPEG
  4. PDF
ব্যাখ্যা

• ডকুমেন্টের জন্য OCR (Optical Character Recognition) ফরম্যাট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় PDF। কারণ PDF ফরম্যাটে লেখা, ছবি ও লেআউট একসাথে সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা যায়। OCR করা হলে স্ক্যান করা ডকুমেন্টের ছবি থেকে লেখা শনাক্ত করে সেটিকে সার্চযোগ্য ও এডিটযোগ্য করা সম্ভব হয়, যা PDF ফাইলে খুব কার্যকরভাবে কাজ করে। অফিসিয়াল নথি, বই, রিপোর্ট ও একাডেমিক ডকুমেন্ট সংরক্ষণে PDF সবচেয়ে জনপ্রিয়। অন্যদিকে GIF ও JPEG মূলত ছবি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং MP3 অডিও ফরম্যাট, যা OCR-এর সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) PDF.


• অপশন আলোচনা: 
​ক) GIF – সাধারণত ছবি বা অ্যানিমেশন ফাইলের জন্য ব্যবহৃত।
খ) MP3 – অডিও ফাইল ফরম্যাট।
গ) JPEG – ছবির ফরম্যাট।
ঘ) PDF – সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত OCR ফরম্যাট, কারণ এটি স্ক্যান করা ডকুমেন্ট এবং টেক্সট উভয়কে সাপোর্ট করে।

​OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধু ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

​OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৪৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. Sybase
  2. Informix
  3. Norton
  4. MySQL
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস:
 
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল এন্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রামগুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে। অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- সাধারণত একটি ভাল মানের এন্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- বর্তমান সময়ের এন্টিভাইরাসগুলো ভাইরাস আক্রমণ করার পূর্বেই তা ধ্বংস করে কিংবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়। ফলে এগুলো ভাইরাস প্রতিকারে অনেক বেশি কার্যকর।
- এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সবসময় হালনাগাদ বা আপডেট করে নিতে হয়।
- ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলোঃ
• এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
• নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার।
 
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৫.
নিচের কোনটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর উদাহরণ নয়?
  1. MySQL
  2. Oracle
  3. Microsoft Access
  4. HBase 
ব্যাখ্যা

• HBase হলো একটি NoSQL ডাটাবেস।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান ও ব্রিটানিকা।

২,৪৪৬.
যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য কোন কোড ব্যবহার করা হয়?
  1. অ্যাসকি কোড
  2. ইউনিকোড
  3. ইবিসিডিক কোড
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• যেসব দেশের ভাষা প্রকাশে ৮ বিটের অধিক কোড দরকার হয়, সেগুলোর জন্য ইউনিকোড (Unicode) ব্যবহার করা হয়। অ্যাসকি (ASCII) এবং ইবিসিডিক (EBCDIC) কোড ৭ বা ৮ বিটের সীমার মধ্যে সীমাবদ্ধ, যা কেবল ইংরেজি বর্ণমালা ও কিছু নির্দিষ্ট চিহ্ন প্রকাশ করতে সক্ষম। কিন্তু চীনা, জাপানি, বাংলা, হিন্দি, আরবি ইত্যাদি ভাষার অক্ষর ও চিহ্নগুলো প্রকাশের জন্য হাজার হাজার ভিন্ন কোড দরকার হয়। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড, যা ১৬, ২৪ বা ৩২ বিট পর্যন্ত সমর্থন করে এবং প্রায় সব ভাষার অক্ষর, সংকেত ও প্রতীক সমর্থন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: খ) ইউনিকোড।

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড ১৬ বিট বিশিষ্ট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,536 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- ফলে যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে 8 বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয়, সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় নিজস্ব সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ক) পিপীলিকা
  2. খ) চরকি
  3. গ) খোঁজো
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
নিজের ভাষায় তথ্য খোঁজার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আছে নিজেদের সার্চ ইঞ্জিন। বাংলায় তথ্য ও বাংলাদেশি বিষয় খোঁজার সুবিধা নিয়ে বাংলাদেশি দুটি সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে ইন্টারনেটে। ‘বাংলাদেশকে খোঁজো’ স্লোগান নিয়ে এপ্রিলে চালু হয়েছে বাংলাদেশি সার্চ ইঞ্জিন চরকি (www.chorki.com) । এর আগে ২০১৩ সালে চালু হয় পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিন। অন্যদিকে বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগলেও আছে বাংলা ভাষায় তথ্য খোঁজার সুবিধা। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো
২,৪৪৮.
সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টে কোড ব্যবস্থাপনা এবং একাধিক ডেভেলপারের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম কোনটি?
  1. গিটহাব
  2. ওরাকল ডাটাবেজ
  3. লিনাক্স ওএস
  4. ওয়ার্ডপ্রেস
ব্যাখ্যা

• গিটহাব (GitHub) হলো একটি ক্লাউড-ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম যা কোড সংরক্ষণ ও ভার্সন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত 'Git' প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একাধিক ডেভেলপারকে একই প্রজেক্টে কাজ করার সুবিধা প্রদান করে। এর ফলে কোডের পরিবর্তনগুলো সহজেই ট্র্যাক করা এবং অন্যদের সাথে শেয়ার করা সম্ভব হয়। 
- সঠিক উত্তর: ক) গিটহাব।

• GitHub:
- GitHub হলো একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট প্ল্যাটফর্ম, যা ব্যবহারকারীদের তাদের প্রোগ্রামিং কোড অনলাইনে শেয়ার, এডিট এবং সংরক্ষণ করার সুযোগ দেয়।
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিং-এর মাধ্যমে একাধিক ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাক্সেসযোগ্য।
- GitHub-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে রয়েছে ভার্সন কন্ট্রোল, সোর্স কোড ম্যানেজমেন্ট, এবং রিভিশন কন্ট্রোল।
- মাইক্রোসফট জুন ২০১৮-এ GitHub $7.5 বিলিয়ন স্টক অপশন দিয়ে কিনে। কোম্পানিটির  নতুন ফাংশন যোগ, নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং ডেভেলপারদের প্ল্যাটফর্মে যোগ দিতে উৎসাহিত করে GitHub-কে আরও জনপ্রিয় করেছে।
- GitHub সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের জন্য প্রধান ভার্সন কন্ট্রোল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ব্যক্তিগত ও কোম্পানির উভয় ব্যবহারকারীর দ্বারা ব্যবহৃত হয়, যেমন Microsoft, Netflix, এবং Google।
- Fortune 100 কোম্পানির প্রায় ৯০% এই প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,৪৪৯.
প্রশ্নবোধক চিহ্নিত স্থানে কোন ধরণের 'কী' নির্দেশ করা হয়েছে?
  1. প্রাইমারি কী
  2. ফরেন কী
  3. কম্পোজিট কী
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• কী ফিল্ড:
- যে ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড অনুসন্ধান, সনাক্তকরণ, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয় তাকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ড ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
- যে ফিল্ড কোন রেকর্ডকে ইউনিকভাবে (অদ্বিতীয়) সনাক্ত করতে পারে তাকে প্রাইমারি কী বলে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key)
- কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। 

৩. ফরেন কী (Foreign Key)
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য টেবিলে ব্যবহার করা হয় তবে তাকে ফরেন কী বলে।
- ফরেন  কী এর সাহায্যে একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫০.
সফটওয়‍্যারে ভুল সংশোধনের প্রক্রিয়াকে কি বলে?
  1. Refactoring
  2. Compiling
  3. Debugging
  4. Encrypting
ব্যাখ্যা
• ডিবাগিং: 
- প্রোগ্রামের ভুল ত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়।

- প্রয়োজন হলে কোনো প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়।
- প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়।
- এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,৪৫১.
'Safari' এক ধরনের -
  1. ক) প্রোটোকল
  2. খ) ওয়েব ব্রাউজার
  3. গ) ওয়েব সার্ভার
  4. ঘ) অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• Safari একটি ওয়েব ব্রাউজার।

- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।   
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- সাফারি হল অ্যাপলের মালিকানাধীন ওয়েব ব্রাউজার। 

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম- 
- Google Chrome 
- Mozilla Firefox
- Safari 
- Opera 
- Microsoft Edge 
- Maxthon 
- Brave
- UC Browser 
 
সূত্র: Apple Website
২,৪৫২.
'অ্যাকিউমুলেটর' এক ধরনের -
  1. ক) বায়োস
  2. খ) বাস
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) ইনপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়। 

কম্পিউটারে ব্যবহৃত রেজিস্টারকে প্রধানত ২ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। সাধারণ রেজিস্টার 
২। বিশেষ রেজিস্টার 

সাধারণ রেজিস্টার
সাধারণত প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় ডেটা এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল সাধারণ রেজিস্টারে জমা থাকে। সাধারণ রেজিস্টারে ডেটা বিনিময়ের গতি প্রধান মেমরির চেয়ে অনেক বেশি। তাই সাধারণ রেজিস্টারের সংখ্যা বেশি থাকলে প্রক্রিয়াকরণের কাজ দ্রুততর হয়। সা

বিশেষ রেজিস্টার
কিছু কিছু রেজিস্টারকে মাইক্রোপ্রসেসর নিজে ব্যবহার করে এবং নিয়ন্ত্রণ করে। অর্থাৎ শুধুমাত্র প্রসেসরের নির্দেশিত কাজ ব্যতীত অন্য কোনো কাজ সম্পাদন করতে পারে না। এ জাতীয় রেজিস্টারসমূকে বিশেষ রেজিস্টার বলা হয়। যেমন :
১। অ্যাকিউমুলেটর
২। প্রোগ্রাম কাউন্টার রেজিস্টার
৩। স্ট্যাক পয়েন্টার রেজিস্টার
৪। সিগমেন্ট রেজিস্টার
৫। ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
৬। ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার
৭। ইনডেক্স রেজিস্টার
৮। মেমরি অ্যাড্রেস রেজিস্টার
৯। মেমরি ডেটা রেজিস্টার ইত্যাদি।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২,৪৫৩.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Oracle
  2. Foxpro
  3. Ubuntu
  4. Ms Excel
ব্যাখ্যা
সিস্টেম সফটওয়্যার -
সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুটআউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রােগ্রাম চালনার জন্য
কম্পিউটারকে তৈরি রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার -
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রােগ্রাম তৈরি করা হয়।
তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রােগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
উদাহারণঃ Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop ইত্যাদি।


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫৪.
সাধারণত SATA কেবল কোন ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগের জন্য ব্যবহার করা হয়?
  1. সিপিইউ এবং র‍্যাম
  2. মাদারবোর্ড এবং জিপিইউ
  3. হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে
  4. পাওয়ার সাপ্লাই থেকে মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা
• সাধারণত SATA (Serial ATA) কেবল ব্যবহার করা হয় হার্ড ড্রাইভ এবং এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডের মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার করার জন্য। SATA কেবল একটি দ্রুত এবং দক্ষ ইন্টারফেস প্রদান করে, যা স্টোরেজ ডিভাইসগুলোর তথ্য মাদারবোর্ডে পাঠাতে সাহায্য করে, ফলে কম্পিউটারের ডেটা রিড এবং রাইট স্পিড বৃদ্ধি পায়। এটি সিপিইউ, র‍্যাম বা পাওয়ার সাপ্লাইয়ের সঙ্গে সংযোগের কাজে ব্যবহৃত হয় না। SATA কেবল মূলত স্টোরেজ ডিভাইসের জন্য বিশেষায়িত, যা কম্পিউটারের পারফরম্যান্স উন্নত করে এবং সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বজায় রাখে। তাই সঠিক উত্তর হলো: হার্ড ড্রাইভ ও এসএসডি থেকে মাদারবোর্ডে।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
২,৪৫৫.
ATM ব্যাংকিং কার্যক্রমের জন্য কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) এমবেডেড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ বিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
তবে, আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্‌, ATM প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
২,৪৫৬.
The first microprocessor built by the Intel Corpn. was called
  1. ক) 8008
  2. খ) 8080
  3. গ) 4004
  4. ঘ) 8800
ব্যাখ্যা
The Intel 4004 is a 4-bit central processing unit (CPU) released by Intel Corporation in 1971. It was the first commercially available microprocessor by Intel, and the first in a long line of Intel CPUs.
Source: www.intel.com/content/
২,৪৫৭.
নিচের কোনটি CPU এর অংশ নয়?
  1. HDMI
  2. Register
  3. ALU
  4. Control Unit
ব্যাখ্যা
CPU:
- CPU এর পূর্বরূপ Central Processing Unit. 
- কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয় CPU কে। 
- কম্পিউটারের প্রদত্ত সব কমান্ড প্রক্রিয়াকরণ হয় CPU তে। 
- CPU ই সব কিছুর নিয়ন্ত্রক। 
 CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। 
যথা:-
  1. ALU (Arithmetic Logic Unit), 
  2. Control Unit, 
  3. Memory/Register. 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২,৪৫৮.
What layout is used to organize a PowerPoint presentation?
  1. Page
  2. Tab
  3. Slide
  4. Chart
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Slide

মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট
- মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্ট হলো একটি ভার্চুয়াল প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার, যা রবার্ট গ্যাসকিনস এবং ডেনিস অস্টিন ফোরথট ইনক.-এর জন্য তৈরি করেছিলেন।
- ১৯৮৭ সালের জুলাই মাসে, মাইক্রোসফট কর্পোরেশন ১৪ মিলিয়ন ডলারে পাওয়ারপয়েন্টের স্বত্ব কিনে নেয়।
- পাওয়ারপয়েন্ট মূলত ব্যবসায়িক পরিবেশে দলীয় উপস্থাপনা সহজতর করার জন্য দৃশ্যমান প্রদর্শনী তৈরির উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা হয়।
- উপস্থাপনাগুলো সাজানো হয় একাধিক স্লাইড দিয়ে, যেখানে ছবি, লেখা বা অন্যান্য অবজেক্ট থাকতে পারে।
- ভার্সন ১.০ ব্যবহারকারীদের টেক্সট ও গ্রাফিক্স পেজ তৈরি করার সুযোগ দেয়, যা সাদা-কালো হ্যান্ডআউট, নোট এবং ওভারহেড ট্রান্সপারেন্সি আকারে ব্যবহৃত হত।
- ১৯৯২ সালে প্রকাশিত ভার্সন ৩.০-তে প্রথমবার চালু হয় আজকের মানসম্মত ভার্চুয়াল স্লাইডশো।
- প্রথমে পাওয়ারপয়েন্ট কেবল ব্যবসায়িক কাজে ব্যবহারের জন্য তৈরি হলেও, পরবর্তীতে এটি বিদ্যালয়, কমিউনিটি সংগঠনসহ নানা ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

২,৪৫৯.
চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটার ও প্রযুক্তি ব্যবহারের উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. ক) Diagnostics
  2. খ) EHR
  3. গ) Telemedicine
  4. ঘ) VR
ব্যাখ্যা
চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের কিছু উদাহরণ নিম্নরুপ:

রোগ নির্ণয় (Diagnostics): সঠিক চিকিৎসার পূর্ব শর্ত হল যথাযথভাবে রোগীর রোগ নির্ণয়। রোগীর রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন মেশিন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত। প্রতিনিয়ত গবেষণা ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে রোগ নির্ণয়ের এই সকল যন্ত্রপাতির উন্নয়ন সাধন করা হয়েছে। ফলে এই সকল যন্ত্রপাতি নির্ভুলভাবে সুক্ষ্ণ ফলাফল দিতে সক্ষম।

ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড (Electronic Health Records-EHR): ইলেকট্রনিক হেলথ রেকর্ড বা EHR হল কোন রোগী বা জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়মমাফিক সংগ্রহের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্যের সমাবেশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন রোগীর বিভিন্ন সময়ে প্রাপ্ত তার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যাবলী ডেটাবেজে সংরক্ষণ করা যায়। ডেটাবেজে সংরক্ষিত রোগীর তথ্যাবলী বিশ্লেষণ করে রোগীর রোগ নির্ণয় সহজতর হয়। আধুনিক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাধারণত তাদের রোগীদের তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে। যেমন অ্যাপোলো হসপিটাল ও স্কয়ার হসপিটাল কর্তৃপক্ষ রোগীদের একটি আইডি কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে থাকে। রোগীদের আইডি নম্বরের বিপরীতে তার সকল তথ্য ডিজিটাল মাধ্যমে সংরক্ষণ করে। ইন্টারনেটে মাধ্যমে রোগী যে কোন জায়গা থেকে তার তথ্যাদির সত্যতা ও বৈধতা যাচাইপূর্বক আপডেট ও ব্যবহার করতে পারেন।

টেলিমেডিসিন (Telemedicine): তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তির সাহায্যে কোন ভৌগলিক ভিন্ন দূরত্বে অবস্থানরত রোগীকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, বিশেষায়িত নেটওয়ার্ক ইত্যাদির সমন্বয়ে স্বাস্থ্যসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলা হয়।

--------------------------------
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR)
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ। অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,৪৬০.
নিচের কোনটি ডেটাবেজ সফটওয়্যার?
  1. ক) Norton
  2. খ) Microsoft Defender
  3. গ) McAfee
  4. ঘ) Redis
ব্যাখ্যা
Redis হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
- Norton, Microsoft Defender, McAfee হচ্ছে অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। 
- উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server, MongoDB, Redis ইত্যাদি।

অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হল অ্যান্টিভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- এই প্রোগ্রাম গুলো প্রথমে আক্রান্ত কম্পিউটারে ভাইরাসের চিহ্নের সাথে পরিচিত ভাইরাসের চিহ্নগুলোর মিলকরণ করে।
- অতঃপর এটি সংক্রমিত অবস্থান থেকে আসল প্রোগ্রামকে ঠিক করে।
- উদাহরণ: Norton, Microsoft Defender, McAfee ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬১.
কোন হার্ডওয়্যার ডিভাইসটি দ্বারা ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard Drive
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী স্ক্রিনে গ্রাফিক্সে ক্লিক, নির্দেশ প্রদান এবং ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে মাউস (Mouse) দ্বারা। মাউস একটি ইনপুট হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের সাথে যোগাযোগ সহজ করে। এটি সাধারণত স্ক্রিনে কার্সরের গতি নিয়ন্ত্রণ করে এবং গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেসে (GUI) বিভিন্ন আইকন, বাটন, মেনু ইত্যাদিতে ক্লিক করে বিভিন্ন কমান্ড প্রদান করতে ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী ডান বা বাম বোতাম চেপে, ডাবল ক্লিক বা ড্র্যাগ করে নানা রকম নির্দেশ পাঠাতে পারে। RAM, CPU এবং Hard Drive মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও সংরক্ষণে ব্যবহৃত হলেও, মাউস সরাসরি ব্যবহারকারীর ইনপুট প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ঘ) Mouse.

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যার:
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়‍্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- হার্ডওয়‍্যারকে কম্পিউটারের দেহ বলা যেতে পারে।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ:
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- মাইক্রোপ্রসেসর,
- মাদারবোর্ড,
- ডিস্ক,
- ডিস্ক ড্রাইভ,
- মনিটর,
- প্রিন্টার ইত্যাদি।

• কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে থাকে ৫টি অংশ। যথা:
১. ইনপুট হার্ডওয়্যার (Input Hardware),
২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার (Processing Hardware),
৩. স্টোরেজ হার্ডওয়‍্যার (Storage Hardware),
৪. আউটপুট হার্ডওয়্যার (Output Hardware),
৫. কমিউনিকেশন হার্ডওয়্যার (Communication Hardware) ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ পোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬২.
Firewall ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. হার্ডডিস্ক রক্ষণাবেক্ষণ
  2. ভাইরাস তৈরিতে সহায়তা
  3. অবাঞ্ছিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ
  4. ডেটা কমপ্রেশন
ব্যাখ্যা

◉ ফায়ারওয়াল একটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সিস্টেম যা অননুমোদিত অ্যাক্সেস এবং সাইবার হুমকি থেকে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ককে রক্ষা করে।

ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৬৩.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. পলিমারফিজম
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. এনক্যাপসুলেশন
  4. অ্যাসিনক্রোনাস
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডাটা ও ইনস্ট্রকাশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট।
- মেসেজে আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।
- এই প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে প্রোগ্রামের ইনস্ট্রাকশনগুলো ডাটা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- C++, Java, C#, Python ইত্যাদি হলো অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর উদাহরণ।

• মূলত ৬টি প্রাথমিক ধারণার দ্বারা অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যথা:
১. অবজেক্ট (Object),
২. ক্লাস (Class),
৩. মেসেজ (Message),
৪. পলিমারফিজম (Polymorphism),
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance) এবং
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৪.
একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?
  1. 2 ন্যানো সেকেন্ড
  2. 1 ন্যানো সেকেন্ড
  3. 0.5 ন্যানো সেকেন্ড
  4. 1.50 ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?

সমাধান:
109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1 সেকেন্ড
∴ 1 ট নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1/109 সেকেন্ড
= 10-9 সেকেন্ড
= 1 ন্যানো সেকেন্ড।
২,৪৬৫.
What is the main function of OCR technology?
  1. Recognizing printed text
  2. Compressing multimedia files
  3. Enhancing computer graphics
  4. Managing database records
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ক) Recognizing printed text।

OCR:
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং ও তুলনামূলক প্রযুক্তি, যা প্রিন্ট করা লেখা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত করতে পারে।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্ট বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রুপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বিশেষ ক্যারেকটার চিনতে পারে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
২,৪৬৬.
কোন প্রোগ্রামটি লাইন-বাই-লাইন কোড রূপান্তর করে তাত্ক্ষণিক আউটপুট দেয়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. ডিবাগার
  3. কম্পাইলার
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা

• যে প্রোগ্রামটি লাইন-বাই-লাইন কোড রূপান্তর করে এবং তাৎক্ষণিক আউটপুট প্রদান করে তাকে ইন্টারপ্রেটার বলা হয়। ইন্টারপ্রেটার সোর্স কোডকে একবারে সম্পূর্ণভাবে কম্পাইল না করে, প্রতিটি লাইন পড়ে বুঝে সরাসরি কার্যকর করে। এর ফলে প্রোগ্রাম চলাকালীন ত্রুটি দ্রুত ধরা যায় এবং ফলাফল অবিলম্বে দেখা যায়। এটি শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই উপযোগী, কারণ কোড লেখা এবং পরীক্ষা করা সহজ হয়। অন্যদিকে, কম্পাইলার পুরো প্রোগ্রামকে একবারে যন্ত্রভাষায় রূপান্তর করে, ফলে আউটপুট পেতে অপেক্ষা করতে হয়। ডিবাগার এবং অ্যাসেম্বলার এই ধরনের কাজ করে না, তাই সরাসরি আউটপুট দেয় না। তাই লাইভ বা তাত্ক্ষণিক ফলাফলের জন্য ইন্টারপ্রেটার ব্যবহৃত হয়।
 
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা-

১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৬৭.
কোন গেইটের ক্ষেত্রে ইনপুট 0 হলে আউটপুট 1 হবে এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1 হবে?
  1. NAND
  2. NOT
  3. OR
  4. AND
ব্যাখ্যা
মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

• অর গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটসমূহের যৌক্তিক যোগফলের সমান তাকে অর গেইট বলে।
- কমপক্ষে একটি ইনপুট 1 হলে অর গেইটের আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।

• অ্যান্ড গেইট:
- যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
- সবগুলো ইনপুট 1 হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট 1 হবে; অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

• নট গেইট:
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৮.
AGP পোর্ট কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. নেটওয়ার্ক সংযোগ
  2. অডিও আউটপুট
  3. উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন
  4. পাওয়ার সাপ্লাই
ব্যাখ্যা
• AGP (Accelerated Graphics Port) পোর্ট ব্যবহৃত হয় উচ্চমানের চিত্র প্রদর্শন (গ) এর জন্য। এটি একটি বিশেষ ধরনের পোর্ট যা মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে এবং গ্রাফিক্স কার্ড সংযুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। AGP পোর্ট মূলত এমন সব কাজের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে দ্রুত গতির গ্রাফিক্স প্রক্রিয়াকরণ প্রয়োজন, যেমন ৩ডি গেম, গ্রাফিক ডিজাইন ও ভিডিও এডিটিং। এই পোর্ট PCI পোর্টের তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে পারে, ফলে ছবির গুণমান উন্নত হয় এবং গ্রাফিক্স বেশি স্বচ্ছ ও মসৃণভাবে প্রদর্শিত হয়। যদিও বর্তমানে PCI Express (PCIe) এর জনপ্রিয়তার কারণে AGP পোর্টের ব্যবহার অনেক কমে গেছে, তবুও এটি গ্রাফিক্স ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

• AGP:
- AGP এর পূর্ণ অর্থ হলো Accelerted Graphics Port.
- উন্নতমানের ছবি দৃশ্যমান করার জন্য ব্যবহৃত পোর্ট বিশেষ।
- আধুনিককালের সকল মাদারবোর্ড ও এজিপির ব্যবহার করার জন্য পৃথক স্লট রয়েছে।
- উচ্চমানের গ্রাফিক্সকে দ্রুত ও নিখুঁতভাবে প্রদর্শনযোগ্য করার জন্য ইন্টেল AGP কার্ডের উন্নয়ন করে।
- বিশেষ করে ত্রিমাত্রিক ছবি প্রদর্শনের জন্য কম্পিউটারের গেমস ও কম্পিউটারের এইডেড ডিজাইনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ছবির মান উন্নয়নের জন্য এ ধরনের পোর্টের উন্নতি ঘটেছিল।
- এটি গ্রাফিক্সের জন্য পিসিআই বাসের উন্নত সংস্করণ।
- কিন্তু পিসিতে এটি স্বাধীনভাবে গ্রাফিক্সের জন্য কাজ করে।
- 133.2 মেগাহার্টজ গতিতে এজন্য সঞ্চালন হার সর্বোচ্চ দাঁড়ায় 533 মেগাবিট/সেকেন্ড।
- মাদারবোর্ডে এজিপি কার্ড স্থাপনের জন্য একটিমাত্র এজিপি স্লট থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৬৯.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে কী বলে?
  1. এনক্যাপসুলেশন
  2. ইনহেরিটেন্স
  3. অ্যাবস্ট্রাকশন
  4. পলিমারফিজম
ব্যাখ্যা
• ইনহেরিটেন্স:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে একটা ক্লাসকে বর্ধিত করে নতুন আরেকটি ক্লাস সৃষ্টি করাকে ইনহেরিটেন্স বলে।
- এর ফলে নতুন ক্লাস এ পূর্বের ক্লাস এর গুণাবলি বজায় রেখে নতুন নতুন গুণাবলির সমন্বয় ঘটতে পারে।
- এখানে যে ক্লাসকে inherit করা হয় তাকে বলে base class এবং যে ক্লাস অন্য ক্লাসকে inherit করে তাকে বলে derived class ।

• পলিমারফিজম:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংয়ের এই ফিচারের মাধ্যমে প্রোগ্রামে পলিমরফিক অবজেক্ট তৈরি করে।
- পলিমরফিক অবজেক্ট হলো এমন ধরনের অবজেক্ট যার মাধ্যমে ভিন্ন ভিন্ন গঠন পাওয়া সম্ভব।

• এনক্যাপসুলেশন:
- অবজেক্ট এর attributes এবং behaviours কে একত্রিত করে ক্লাস তৈরি করাকে বলে এনক্যাপসুলেশন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৭০.
কত সালে জর্জ বুল গণিত ও যুক্তির মধ্যে সুস্পষ্ট সম্পর্ক বের করেন?
  1. ক) ১৯৪৫
  2. খ) ১৮৩৩
  3. গ) ১৯৪৪
  4. ঘ) ১৮৫৪
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ হয় নি। 
২,৪৭১.
মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয় কোনটিকে?
  1. মাইক্রোপ্রসেসর
  2. হার্ড ডিস্ক
  3. মনিটর
  4. অপারেটিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

• মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৭২.
The fastest type of memory from the following list is-
  1. ক) tape
  2. খ) semiconductor memory
  3. গ) disk
  4. ঘ) bubble memory
ব্যাখ্যা
Semiconductor memory is a digital electronic data storage device, often used as computer memory, implemented with semiconductor electronic devices on an integrated circuit (IC).
Source: britannica.com
২,৪৭৩.
ডাটা প্রসেসর পূর্বে কোথায় অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়?
  1. ক) কন্ট্রোল ইউনিটে
  2. খ) কিবোর্ডে
  3. গ) মনিটরে
  4. ঘ) রেজিস্টারে
ব্যাখ্যা
রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ। এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব। গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে। কোনাে একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়। বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
২,৪৭৪.
HDMI-এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. High-Definition Multipurpose Interface
  2. High-Definition Multimedia Interface
  3.  High-Digital Media Interface
  4. Hyper-Definition Multimedia Instrument
ব্যাখ্যা

- HDMI-এর পূর্ণরূপ হলো High-Definition Multimedia Interface
- এটি একটি ডিজিটাল ইন্টারফেস যা টেলিভিশন, কম্পিউটার, প্রজেক্টর এবং গেমিং কনসোলসহ বিভিন্ন ডিভাইসের মধ্যে উচ্চ-মানের অডিও এবং ভিডিও সংকেত স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- মূল বিষয়সমূহ:
কাজ: একটি মাত্র কেবলের মাধ্যমে অডিও এবং ভিডিও (অডিও-ভিডিও) সংকেত প্রেরণ করা।
উন্নয়ন: এটি হিটাচি, প্যানাসনিক, সনি, তোশিবা সহ বেশ কয়েকটি কোম্পানি দ্বারা তৈরি।
ব্যবহার: LED(TV), ল্যাপটপ, মনিটর, গেম কনসোল, এবং Blu-ray প্লেয়ারে ব্যবহৃত হয়।
সুবিধা: এটি এনালগ সংকেতের তুলনায় অনেক বেশি পরিষ্কার এবং উন্নতমানের ডিজিটাল সংকেত প্রদান করে। 

উৎস: 
১। Cambridge Dictionary [Link]
২। TCL website [Link]

২,৪৭৫.
Who is known as the father of the C programming language?
  1. Dennis Ritchie
  2. Bjarne Stroustrup
  3. James Gosling
  4. Guido van Rossum
ব্যাখ্যা

• Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে UNIX অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- ১৯৭০ সালে PDP-11 কম্পিউটারে প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছিলো।
- ১৯৭২ সালে এই ভাষার প্রথম রিলিজ হয়।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main() ফাংশন থাকে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) এবং কেন থম্পসন (Ken Thompson) একত্রে ইউনিক্স (Unix) অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেছিলেন।

অন্যান্য অপশন:
- Bjarne Stroustrup: সি++ (C++) ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করেন, যা মূলত সি-এর একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড সংস্করণ।
- James Gosling: জাভা (Java) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের জনক।
- Guido van Rossum: পাইথন (Python) প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন, যা বর্তমানে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। ব্রিটানিকা।

২,৪৭৬.
কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে কী বোঝায়?
  1. CPU একটি নির্দেশ সম্পন্ন করতে কার্যকর সময়
  2. মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়
  3. হার্ডড্রাইভ চালু হতে সময়
  4. প্রোগ্রাম ইন্সটল করার সময়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার মেমরির ক্ষেত্রে “access time” বলতে সেই সময়কে বোঝায় যা মেমরি থেকে কোনো তথ্য রিড (read) বা রাইট (write) করতে লাগে। যখন CPU কোনো ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন প্রসেস করতে চায়, তখন এটি মেমরিতে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট তথ্যটি পড়ে বা লিখে। এই পুরো প্রক্রিয়ার সময়কে access time বলা হয়। এটি মেমরির কর্মক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক, কারণ কম access time মানে তথ্য দ্রুত পাওয়া যাচ্ছে, যা সিস্টেমের সামগ্রিক গতি বৃদ্ধি করে। সাধারণভাবে RAM-এর access time হার্ডড্রাইভের তুলনায় অনেক কম।
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) মেমরি থেকে তথ্য রিড বা রাইটের সময়।


• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটার রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বোঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- সিক ও ল্যাটেন্সি সময় যোগ করলে অ্যাকসেস সময় পাওয়া যায়।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।

এছাড়াও,
• সিক টাইম (Seek Time): 
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time): 
- রিড-রাইট হেড থেকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়ার পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

• লিখন অপারেশন (Write Operation): 
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৭৭.
নিচের কোনটি পয়েন্টিং ডিভাইস (Pointing Device) নয়?
  1. ক) Mouse
  2. খ) OMR
  3. গ) Touch Screen
  4. ঘ) Light Pen
ব্যাখ্যা

যে সব ডিভাইস পয়েন্টারকে মনিটরের যেকোন জায়গায় move করানো যায় তাদেরকে পয়েন্টিং ডিভাইস বলে। যেমনঃ মাউস, টাচ স্ক্রিন, লাইট পেন।
OMR এর পূর্ণরূপ হলো Optical Mark Reader. এটি একটি ইনপুট ডিভাইস যা আলোর প্রতিফলনের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের তথ্য বুঝতে পারে। বহুনির্বাচনি প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণী

২,৪৭৮.
A powerful data manipulation and definition language is -
  1. Python
  2. HTML
  3. SQL
  4. Java
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SQL

SQL (Structured Query Language)
- SQL-এর পুরো অর্থ Structured Query Language।
- এটি একটি শক্তিশালী ডাটা ম্যানিপুলেশন (DML) ও ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ (DDL)।
- রিলেশনাল ডাটাবেসে অ্যাক্সেস এবং পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহৃত হয়।
- SQL মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- SQL এক বা একাধিক ডাটাবেস, টেবিল, কলাম, ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্ট ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- SQL কুয়েরি প্রয়োগ করতে SQL উইন্ডো ওপেন করতে হয়।
- SQL তৈরি হয় ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machines) Research Center-এ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।

২,৪৭৯.
ফাইল ট্রান্সফারের জন্য নিচের কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) HTTP
  2. খ) HTML
  3. গ) FTP
  4. ঘ) SMTP
ব্যাখ্যা
FTP- File Transfer Protocol নেটওয়ার্কে ফাইল আদান প্রদানের একটি জনপ্রিয় ও বহুল প্রচলিত পদ্ধতি।
২,৪৮০.
কম্পিউটারের ক্ষতিকারক প্রোগ্রামের নামকরণ VIRUS করেন কে?
  1. ক) মার্ক হেনরি
  2. খ) মিশেল নিয়ন
  3. গ) ফ্রেড কোহেন
  4. ঘ) হেনরি রবার্টস
ব্যাখ্যা
VIRUS বা Vital Information Resources Under Siege ভাইরাস হল এক ধরনের সফটওয়্যার যা তথ্য-উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং যার সংখ্যা বৃদ্ধির ক্ষমতা রয়েছে। ১৯৮০ সালে নিউ হ্যাভেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন সর্বপ্রথম এরূপ সফটওয়্যারের নামকরণ VIRUS করেন। স্টোন, ভিয়েনা, সিআইএইচ, ফোল্ডার প্রভৃতি কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণী
২,৪৮১.
লেজার প্রিন্টার কোন ধরনের মুদ্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করে?
  1. তরল কালি স্প্রে
  2. তাপীয় মুদ্রণ
  3. আলোক-স্থির চিত্রায়ন
  4. বিন্দু বিন্যাস
ব্যাখ্যা

◉ লেজার প্রিন্টার মূলত Electrophotographic (Photostatic) বা আলোক-স্থির চিত্রায়ন পদ্ধতি ব্যবহার করে।
- এই প্রক্রিয়ায় লেজার বিমের মাধ্যমে একটি photosensitive drum-এ চিত্র আঁকা হয়, এরপর টোনার (powder ink) এর মাধ্যমে সেটি কাগজে স্থানান্তর করা হয় এবং তাপ ও চাপের সাহায্যে সেটিকে স্থায়ী করে তোলা হয়।

লেজার প্রিন্টার:
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার।
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
- এ প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
- লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে।
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM (Pages per minute) এ পরিমাপ করা হয়।
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM.

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৮২.
যে কোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়, কোন লজিক গেইটে?
  1. ক) AND
  2. খ) OR
  3. গ) X-OR
  4. ঘ) NAND
ব্যাখ্যা
OR Gate এর সত্যক সারণি থেকে পাই,

সবগুলো ইনপুট ০ হলে আউটপুট ০ হয়।
যেকোন একটি ইনপুট ১ হলেই আউটপুট ১ হয়।
২,৪৮৩.
কোনটি এন্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) McAfee
  2. খ) AVG
  3. গ) Avast
  4. ঘ) ফায়ারওয়াল
ব্যাখ্যা

Antivirus software গুলো হল Avira, Bitdefender, Avast, Norton ইত্যাদি।
ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্ককে অনাদিষ্ট প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে। ফায়ারওয়াল হিসেবে বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার (যেমনঃ উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল), রাউটার, কম্পিউটার, প্রক্সি সার্ভার ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।
সূত্রঃ কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট

২,৪৮৪.
ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে কী বলে?
  1. ক) কুয়েরি
  2. খ) রিপোর্ট
  3. গ) সর্টিং
  4. ঘ) ইনডেক্সিং
ব্যাখ্যা
রিপোর্ট
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,৪৮৫.
কোনটিকে রোবটের হাত পায়ের পেশী বলে অভিহিত করা হয়?
  1. অ্যাকচুয়েটর
  2. পাওয়ার সিস্টেম
  3. ম্যানিপুলেশন
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
একটি সাধারণ রোবটে নিচের উপাদানগুলো বা অংশ থাকে। যথা:

পাওয়ার সিস্টেম:
সাধারণত লেড এসিড ব্যাটারী দিয়ে রোবটের পাওয়ার দেয়া হয়। এই ব্যাটারী রিচার্জেবল বা পুনরায় রিচার্জ করা যায়।

অ্যাকচুয়েটর:
রোবটের হাত পা অথবা বিশেষভাবে তৈরি কোন অঙ্গ নড়াচড়া করার জন্য কতগুলো বৈদ্যুতিক মটরের সমন্বয়ে তৈরি বিশেষ ব্যবস্থা হলো  অ্যাকচুয়েটর।
একে রোবটের হাত বা পেশী বলেও অভিহিত করা হয়।

অনুভূতি(sensing):
সেন্সরের মাধ্যমে রোবটের অনুভূতি তৈরি করা হয়। 

ম্যানিপুলেশন বা পরিবর্তন করা:
রোবটের আশেপাশে বস্তুগুলোর অবস্থান পরিবর্তন বা বস্তুটি পরিবর্তন করাকে বলা হয় ম্যানিপুলেশন। সাধারণত রোবটের হাত-পা এই পরিবর্তনের যাবতীয় কাজ করে থাকে। 

 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৮৬.
নিম্নোক্ত গেইটে ইনপুট 1 হলে আউটপুট কত হবে?
  1. 1
  2. 0
  3. 1010
  4. 10
ব্যাখ্যা
• নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।


- এই গেইটের ইনপুট 1 হলে আউটপুট হবে 0 এবং ইনপুট 0 হলে আউটপুট হবে 1.


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৮৭.
(1111011)2 এর অক্টাল প্রকাশ হলো -
  1. ক) (153)8
  2. খ) (125)8
  3. গ) (176)8
  4. ঘ) (173)8
ব্যাখ্যা
001 111 011
  1    7     3

(1111011)2 = (173)8
২,৪৮৮.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে উন্নত চিকিৎসা পদ্ধতিকে কী বলা হয়?
  1. মেডিক্যাল সার্ভিস
  2. টেলিমেডিসিন
  3. ই-হেলথ
  4. ই-মেডিসিন
ব্যাখ্যা
• টেলিমেডিসিন:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির মাধ্যমে দূরবর্তী স্থানের রোগীদেরকে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা চিকিৎসাসেবা দেওয়াকে টেলিমেডিসিন বলে।
- মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেটের ব্যাপক প্রচলনের ফলে এ প্রযুক্তি ব্যবহার করে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ সেবার মাধ্যমে বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থানরত ডাক্তারদের মধ্যে মতবিনিময়, চিকিৎসা শিক্ষা আদান-প্রদান, রোগীর চিকিৎসাসেবার তথ্য সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- টেলিমেডিসিনের সাহায্যে ডাক্তার রোগীকে চাক্ষুষভাবে দেখার জন্য তাকে সশরীরে উপস্থিত করার পরিবর্তে ভিডিও কনফারেন্সিং প্রযুক্তির সহায়তা পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে এবং রোগীর বিভিন্ন রিপোর্ট বা ডাক্তারের পরামর্শপত্রগুলো ই-মেইলের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,৪৮৯.
Hexadecimal পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক কতটি?
  1. ক) ৬ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১৬ টি
  4. ঘ) ৯ টি
ব্যাখ্যা
Hexadecimal পদ্ধতিতে ব্যবহৃত প্রতীক সংখ্যা ১৬ টি। সেগুলো হলো - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
এর মধ্যে অঙ্ক ১০টি এবং অক্ষর ৬টি।
২,৪৯০.
কম্পিউটার নির্মাণের সময় যেসব প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় এবং যেগুলো ডিভাইস চালুর সময় নিজে থেকে কাজ শুরু করে, সেগুলোকে কী বলা হয়?
  1. হার্ডওয়্যার
  2. হিউম্যানওয়্যার
  3. ফার্মওয়্যার
  4. সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার, যা ROM বা ফ্ল্যাশ মেমরিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে প্রাথমিকভাবে চালু ও নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। উদাহরণ: BIOS, মাইক্রোকন্ট্রোলার কোড ইত্যাদি।

ফার্মওয়্যার: 
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৯১.
দশমিক সংখ্যা 15.8125 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
  1. 24.56
  2. 19.43
  3. 21.56
  4. 17.64
২,৪৯২.
ফায়ারওয়ালের প্রধান কাজ কী?
  1. অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করা
  2. ব্যাকআপ তৈরি করা
  3. কম্পিউটারে ভাইরাস খুঁজে বের করা
  4. সিস্টেম স্পিড বাড়ানো
ব্যাখ্যা

ফায়ারওয়াল (Firewall) হলো একটি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ডিভাইস বা সফটওয়্যার, যা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক মনিটর করে এবং পূর্বনির্ধারিত নিরাপত্তা নিয়ম অনুযায়ী অননুমোদিত অ্যাক্সেস প্রতিরোধ করে। 

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৯৩.
Shift, Control, Alt কীগুলোকে বলা হয়-
  1. ফাংশন কী
  2. নেভিগেশন কী
  3. মডিফায়ার কী
  4. নিউমারিক কী
ব্যাখ্যা
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
-  QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি। 

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
২,৪৯৪.
কোন কমান্ডটি সচল উইন্ডো ক্লোজ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Ctrl + F4
  2. খ) Ctrl + D
  3. গ) Ctrl + X
  4. ঘ) Ctrl + Z
ব্যাখ্যা

সচল উইন্ডো ক্লোজ করতে ব্যবহৃত হয়-
1. Click the X at the top-right corner of a window to close it.
2. Press Alt+F4 to close a window.
3. Press Ctrl+F4 to close an active document
4. Click Ctrl+W to close a web browser tab
(রেফারেন্সঃ Fundamentals of Computer)

২,৪৯৫.
নিচের কোনটি পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি?
  1. ক) Tally
  2. খ) Binary
  3. গ) Mayan
  4. ঘ) Hieroglyphics
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতি (Number System): 
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি। 
- সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System) ও
২. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non-Positional Number System)। 

পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Positional Number System):
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি। 

নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি (Non- positional Number System):
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৯৬.
Ctrl + Z কী কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. নতুন উইন্ডো খোলা
  2. ফাইল সংরক্ষণ করা
  3. শেষ কাজটি পুনরায় করা
  4. শেষ কাজটি বাতিল করা
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z একটি কম্পিউটার শর্টকাট যা মূলত “Undo” বা শেষ করা কাজটি বাতিল করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারী যে কাজটি সর্বশেষ সম্পন্ন করেছেন, যেমন লেখা মুছে ফেলা, ফাইল এডিট করা বা কোন অপশন পরিবর্তন করা, তা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা যায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনি কোনো ডকুমেন্টে ভুলে কিছু লেখা মুছে ফেলেন, Ctrl + Z চাপলে সেই লেখা পুনরায় আসবে। এটি কাজের নিরাপত্তা এবং সময় সাশ্রয়ে অত্যন্ত সহায়ক। এই শর্টকাটটি নতুন উইন্ডো খোলা, ফাইল সংরক্ষণ বা শেষ কাজ পুনরায় করার জন্য নয়; এটি বিশেষভাবে শেষ কাজটি বাতিল করার জন্যই ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: ঘ) শেষ কাজটি বাতিল করা।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু কমান্ড:
Ctrl + O Open a document.
Ctrl + N Create a new document.
Ctrl + S Save the document.
Ctrl + W Close the document.
Ctrl + C Copy the selected content to the Clipboard.

Ctrl + V Paste the contents of the Clipboard.
Ctrl + B Apply bold formatting to text.
Ctrl + I Apply italic formatting to text.
Ctrl + U Apply underline formatting to text.
Ctrl + Left bracket (1) Decrease the font size by 1 point.
Ctrl + Right bracket (1) - Increase the font size by 1 point.

Ctrl + E Center the text.
Ctrl + L Align the text to the left.
Ctrl + R Align the text to the right.
Esc - Cancel a command.
Ctrl + Z Undo the previous action.
Ctrl + Y Redo the previous action, if possible.
Alt + W Adjust the zoom magnification.

Source: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

২,৪৯৭.
'Kernel' অপারেটিং সিস্টেমের কোন অংশ?
  1. ইউজার ইন্টারফেস
  2. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  3. কোর
  4. ড্রাইভার
ব্যাখ্যা

◉ Kernel হলো অপারেটিং সিস্টেমের কোর (Core) বা মূল অংশ।

কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট। 

২,৪৯৮.
কম্পিউটারের GUI শব্দটির পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Graphical User Interface
  2. Graphical Unified Instrument
  3. Graphical Unified Interface 
  4. Graphical User Instrument
ব্যাখ্যা

 *** কম্পিউটারের GUI শব্দটির পূর্ণরূপ হচ্ছে Graphical User Interface

• Graphical User Interface (GUI):

- Graphical User Interface (GUI) ইউজারদের আইকন এবং বাটনের মতো গ্রাফিক্যাল উপাদানের মাধ্যমে ডিজিটাল ডিভাইসের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে সহায়তা করে।
- জটিল টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড প্রতিস্থাপন করে, কাজগুলিকে সহজ করে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করে।
- অ্যাপল ইনকর্পোরেটেডের ম্যাকিন্টশ এবং মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য এটি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

• GUI এর উপাদান, বৈশিষ্ট্য এবং সুবিধা:

ফাংশন: ব্যবহারকারীর ক্রিয়াকলাপ এবং তথ্যের জন্য ইন্টারেক্টিভ গ্রাফিক্স প্রদর্শন করে।

অ্যাক্সেসযোগ্যতা: অপারেটিং সিস্টেম (যেমন, উইন্ডোজ, ম্যাকওএস) এবং অ্যাপগুলোতে গুণগত মান বজায় রাখে।

লক্ষ্য: কম্পিউটিংকে সহজ, দক্ষ এবং দৃশ্যত আকর্ষণীয় করে তোলে।

উৎস: ১) Britannica
২) Virtual learning academy

২,৪৯৯.
অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. ক) Modulation
  2. খ) Demodulation
  3. গ) Transformation
  4. ঘ) Translation
ব্যাখ্যা
ইংরেজি Modem শব্দটি Modulator ও Demodulator শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি মূলতঃ এমন একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান প্রদানে সাহায্য করে। ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে বলে মডুলেশন এবং অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে বলে ডিমডুলেশন।
২,৫০০.
SQL এর কোন কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. INSERT
  2. UPDATE
  3. SELECT
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

SELECT কমান্ড ব্যবহার করে ডাটাবেজ থেকে ডাটা পুনরুদ্ধার (Retrieve) করা হয়।

SQL-এ SELECT কমান্ড:
- ডাটাবেজের নির্দিষ্ট বা সমস্ত তথ্য পুনরুদ্ধার করা যায়। 
- WHERE ক্লজ ব্যবহার করে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী ডাটা ফিল্টার করা যায়। 
- ORDER BY ব্যবহার করে ডাটা সাজানো যায়। 
- JOIN ব্যবহার করে একাধিক টেবিল থেকে তথ্য আনা যায়। 

উদাহরণ: SELECT * FROM employees;
উপরের SQL কমান্ডটি employees টেবিল থেকে সব ডাটা পুনরুদ্ধার করবে।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ক) INSERT কমান্ড নতুন ডাটা ডাটাবেজে যোগ (Insert) করতে ব্যবহৃত হয়।
খ) UPDATE কমান্ড বিদ্যমান ডাটাকে পরিবর্তন করতে (Modify) ব্যবহৃত হয়।
ঘ) DELETE কমান্ড ডাটাবেজ থেকে ডাটা মুছতে (Delete) ব্যবহৃত হয়।

উৎস: 
১। Learn Microsoft website. 
২। W3Schools.