বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ২৩ / ৮২ · ২,২০১২,৩০০ / ৮,১৪১

২,২০১.
নিচের কোনটি ব্যাকআপ এন্ড রিকভারি টুল?
  1. Play Store
  2. Dropbox
  3. MS Excel
  4. Google Chrome
ব্যাখ্যা
- যে টুলস বা সফটওয়্যার স্টোরেজে ডেটা রাখার পাশাপাশি অন্য কোন লোকেশনে ব্যাকআপ রাখে।
- স্টোরেজের কোন ডেটা মুছে গেলে বা হারিয়ে গেলে পুনরায় ডেটা রিকভার করতে পারে তাদেরকে ব্যাকআপ  এন্ড রিকভারি টুল (Backup And Recovery Tool) বলে। 

কয়েকটি ডেটা ব্যাকআপ রাখার টুল হলো-
- Google Drive, 
- Dropbox, 
- Microsoft one drive ইত্যাদি। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,২০২.
উইন্ডোজ “টাস্ক ম্যানেজার” ব্যবহার করে কী করা হয়?
  1. প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা
  2. ডকুমেন্ট এডিট করা
  3. গান বা ভিডিও চালানো
  4. উইন্ডোজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট করা
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজের “টাস্ক ম্যানেজার” একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে চলমান প্রোগ্রাম, প্রসেস এবং সিস্টেমের কর্মক্ষমতা মনিটর করতে সাহায্য করে। এটি ব্যবহার করে আপনি কোন প্রোগ্রাম হ্যাং বা ধীরগতির হলে সেটি বন্ধ করতে পারেন, নতুন প্রসেস শুরু করতে পারেন, এবং সিপিইউ, র‌্যাম ও নেটওয়ার্ক ব্যবহারের তথ্য দেখতে পারেন। এছাড়াও, এটি স্টার্টআপে কোন অ্যাপ্লিকেশন চালু হবে তা নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা দেয়। সরলভাবে বলতে গেলে, টাস্ক ম্যানেজার মূলত প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, ডকুমেন্ট এডিট করা, গান বা ভিডিও চালানো বা উইন্ডোজ আপডেট করার কাজ এর মাধ্যমে হয় না।

- সঠিক উত্তর: ক) প্রোগ্রাম ও প্রসেস নিয়ন্ত্রণ করা।

Windows: 
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। 
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। 
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। 
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। 
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। 
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়। 
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়। 
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না। 
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮। 
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২০৩.
Which of the following is a text-based (CUI) OS?
  1. Windows 7
  2. Mac OS
  3. Linux GUI
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) MS-DOS

• বর্ণ-ভিত্তিক (Text based/Character User Interface-CUI) অপারেটিং সিস্টেম
- বর্ণ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কী-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- MS-DOS,
- PC DOS,
- CP/M, ইত্যাদি।

• অপারেটিং সিস্টেম
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।

• ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ-
- অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে কাজ করার পরিবেশ এবং ইন্টারফেসের উপর ভিত্তি করে এদেরকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়।

• চিত্র-ভিত্তিক (Graphical User Interface-GUI) অপারেটিং সিস্টেম
- চিত্র-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারের সকল পর্যায়ের কাজই করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন (Icon) এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে।
- আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড নির্বাচন, ব্যবহার এবং কার্যকর করা হয় মাউসের সাহায্যে।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর পর্দার উপরে বা ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতিকী চিত্র থাকে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের উপর মাউস পয়েন্টার দিয়ে ডাবল-ক্লিক করলেই প্রোগ্রামটি চালু হয়ে যায়।
- চিত্র ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কোনো কমান্ড মুখস্থ করে রাখার প্রয়োজন হয় না।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- Windows 95/98/Xp/2000/7,
- Mac OS, ইত্যাদি।

উৎস: ১। বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
২। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।

২,২০৪.
প্লটার কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
• Ploter:
- প্লটার এক ধরনের বিশেষ ধরনের আউটপুট ডিভাইজ যা প্রিন্টারের মতোই কাজ করে।
- মূলত বৃহৎ আকারের ছবি, প্রতীক, মানচিত্র, আর্কিটেকচারাল ডিজাইন ইত্যাদির কাজে প্লটার ব্যবহৃত হয়।
- তাছাড়া ভবনের নকশা, বিশাল ও সূক্ষ্ণ যন্ত্রপাতির নকশা, মানচিত্র ইত্যাদির মুদ্রণ নেওয়ার জন্যও প্লটার ব্যবহৃত হয়।

• প্লটার সাধারণত ২ প্রকার। যথা:
১. ফ্ল্যাটবেড প্লটার ও
২. ড্রাম প্লটার।
২,২০৫.
নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর অংশ?
  1. FAT16
  2. HPFS
  3. NTFS
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ফাইল সিস্টেম:
- ফাইল সিস্টেম হলো কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।

• কিছু ফাইল সিস্টেমগুলো হলো:
• FAT16 (File Allocation Table 16) -
- এটি MS DOS ওপর ভিত্তি করে FAT16-এর ফাইল সিস্টেম উন্নয়ন করা হয়েছিল।
-সর্বোচ্চ 2 GB পর্যন্ত এর স্টোরেজ ক্ষমতা।

• FAT32 (File Allocation Table 32) -
-এটি বর্তমানের সবচেয়ে জনপ্রিয় পার্টিশন সেক্টর।
- Windows 9, Windows 98, Windows ME, এবং Windows XP-তে ব্যবহৃত হয়।
- প্রায় 2TB বা 2048GB পর্যন্ত ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

• HPFS (High Performance File System)
- মূলত OS/2 অপারেটিং সিস্টেম-এর জন্য তৈরি।
- Windows NT এর প্রাথমিক ভার্সনগুলোতেও ব্যবহৃত হতো
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে.

• NTFS (New Technology File System)
- Windows NT, 2000, XP এবং পরবর্তী Windows ভার্সনে ব্যবহৃত হয়।
- উন্নত নিরাপত্তা, ফাইল কন্ট্রোল, এবং বড় ফাইল ব্যবস্থাপনার জন্য উপযোগী।
- প্রায় ৮GB পর্যন্ত বেশি ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২০৬.
ফ্লপি ডিস্ক হলো-
  1. Cache memory
  2. Register
  3. Secondary memory
  4. Main memory
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk):
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমোরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায় ।

• সেকেন্ডারি মেমোরি:

- কম্পিউটারে অধিক পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে বলা সেকেন্ডারি মেমোরি।
- ফ্লপি ডিস্ক, হার্ডডিস্ক, অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম, সিডি-রম, বাবল মেমোরি, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০৭.
বর্তমানে মাউস ও কি-বোর্ড কম্পিউটারের সাথে যুক্ত করতে সবচেয়ে বেশি কোন পোর্ট ব্যবহৃত হয়?
  1. USB পোর্ট
  2. IMAP পোর্ট
  3. RS-232 পোর্ট
  4. PN/2 পোর্ট
ব্যাখ্যা
• পোর্ট:
- কম্পিউটারের পোর্ট হলো এক ধরনের পয়েন্ট বা সংযোগমুখ।
- কম্পিউটারের সিস্টেম ইউনিটের মাদারবোর্ডের সাথে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট, আউটপুট কিংবা কমিউনিকেশন হার্ডওয়‍্যার সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সংযোগ পয়েন্ট থাকে।
- এ ধরনের সংযোগ পয়েন্টকে বলা হয় পোর্ট। কম্পিউটারে বিভিন্ন পোর্ট ব্যবহৃত হয়। যেমন-

• সিরিয়াল পোর্ট (Serial Port):
- RS-232 বা সিরিয়াল পোর্টের মাধ্যমে ডেটা পর্যায়ক্রমে এক বিট করে স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত সিস্টেম ইউনিট থেকে দূরবর্তী ডিভাইসসমূহ সংযোগের জন্য এ ধরনের পোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- মডেম, মাউস, কি- বোর্ড ইত্যাদি হার্ডওয়‍্যার এ ধরনের পোর্টের সঙ্গে যুক্ত থাকে।

• প্যারালাল পোর্ট (Parallel Port):
- প্যারালাল পোর্টের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক বিট স্থানান্তরিত হয়।
- সাধারণত প্যারালাল পোর্ট ২৫ পিনবিশিষ্ট হয়।
- এ ধরনের পোর্টে তথ্য সমান্তরালভাবে আদান-প্রদান করা হয়।
- প্রিন্টার, স্ক্যানার, অপটিক্যাল ড্রাইভ ইত্যাদি ডিভাইস এ ধরনের পোর্টে যুক্ত করা যায়।

• পিএসটু পোর্ট (PS/2):
- সাধারণত PS/2 পোর্টে কি-বোর্ড ও মাউস পোর্ট সংযুক্ত করা হয়।
- পোর্ট ৬ পিনবিশিষ্ট হয়।
- পূর্বে মাউস ও কি-বোর্ড PS/2 পোর্টে সংযুক্ত হতো। 
- বর্তমানে ইউএসবি পোর্টের মাধ্যমে মাউস ও কি-বোর্ড সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০৮.
অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাংশন কোনটি?
  1. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা
  2. কেবলমাত্র ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন করা
  3. অ্যাপ্লিকেশন ডিবাগ করা
  4. প্রোগ্রাম কম্পাইল করা
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল ফাংশন হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা। এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার উপাদানের মধ্যে মধ্যস্থতা করে এবং ব্যবহারকারীর জন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করে। অপারেটিং সিস্টেম প্রক্রিয়া পরিচালনা, মেমরি ব্যবস্থাপনা, ফাইল সিস্টেম পরিচালনা এবং ডিভাইস ড্রাইভার নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। এছাড়াও, এটি বিভিন্ন প্রোগ্রাম একসাথে চলার সময় সংস্থানগুলি সুষ্ঠুভাবে বরাদ্দ করে এবং ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী হার্ডওয়্যার সম্পদ ব্যবহার করে। অন্য অপশনগুলো যেমন ইউজার ইন্টারফেস ডিজাইন, অ্যাপ্লিকেশন ডিবাগ বা প্রোগ্রাম কম্পাইল করা, অপারেটিং সিস্টেমের মূল কাজের মধ্যে পড়ে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার নিয়ন্ত্রণ করা।

• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System):
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়‍্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়‍্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়‍্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২০৯.
বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে কী ঘটে?
  1. সংরক্ষিত সকল তথ্য পরিবর্তিত হয়
  2. সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়
  3. সংরক্ষিত সকল তথ্য অপরিবর্তিত অবস্থায় থাকে
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• র‍্যাম (RAM):
- RAMএর পুরো অর্থ হচ্ছে Random Access Memory.
- র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায় বলে র‍্যামকে লিখন/পঠন (Read/Write Memory) স্মৃতিও বলা হয়।

• এ ধরনের মেমরির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১ . র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory)।
২. তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
৩. র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
৪. কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
৫. বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।
৬. র‍্যামের প্রতিটি মেমরি সেলের জন্য অ্যাকসেস সময় সমান।

• সাধারণত RAM দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ও
২. ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১০.
CPU তে রেজিস্টার অংশের কাজ কী?
  1. স্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ
  2. কম্পিউটারের সব কাজ নিয়ন্ত্রণ করা
  3. ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ
  4. সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ
ব্যাখ্যা
CPU তে রেজিস্টার অংশের কাজ হচ্ছে সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,২১১.
চেরনোবিল ভাইরাস কত সালে আক্রমণ করে?
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,২১২.
নিচের কোনটি volatile memory?
  1. ক) RAM
  2. খ) BIOS
  3. গ) PROM
  4. ঘ) ROM
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী (volatile) মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী (volatile) মেমোরিও বলা হয়।
২,২১৩.
Which of the following is an open-source DBMS?
  1. Oracle
  2. PostgreSQL
  3. Microsoft Access
  4. Microsoft SQL Server
ব্যাখ্যা

• PostgreSQL হলো একটি ওপেন-সোর্স ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS)। ওপেন-সোর্স (Open-source) হওয়ার অর্থ হলো এর সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত এবং এটি ব্যবহারের জন্য কোনো লাইসেন্স ফি দিতে হয় না। এটি তার উচ্চতর ডেটা ইন্টিগ্রিটি এবং স্কেলেবিলিটির জন্য ব্যাংক এবং বড় আইটি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- MySQL
- PostgreSQL
- Maria DB
- MongoDB
- Cassandra
- SQLite
- Cubrid

অন্যান্য অপশন:
- Oracle: ক্লোজড-সোর্স বা প্রোপাইটারি ডাটাবেস সফটওয়্যার যার লাইসেন্স ফি অনেক বেশি।
- Microsoft Access: মাইক্রোসফটের একটি বাণিজ্যিক ডাটাবেস টুল যা মূলত ছোট আকারের ডেটাবেস তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
- Microsoft SQL Server: মাইক্রোসফটের একটি এন্টারপ্রাইজ লেভেল RDBMS, যা সম্পূর্ণ বাণিজ্যিক এবং ক্লোজড-সোর্স।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,২১৪.
(10011)2 এর দশমিক মান কত?
  1. ক) 17
  2. খ) 19
  3. গ) 18
  4. ঘ) 15
ব্যাখ্যা
(10011)₂ 
= (1 × 2⁴) + (0 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰) 
= (19)₁₀
২,২১৫.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. NAND এবং NOR
  2. OR এবং NOT
  3. OR এবং AND
  4. AND এবং NOT
ব্যাখ্যা

• NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,২১৬.
The foundation of IoT is based on which protocols?
  1. DNS and DHCP
  2. IP and TCP 
  3. SMTP and FTP
  4. HTML and CSS
ব্যাখ্যা

The foundation of IoT is based on IP and TCP protocols.

IoT (Internet of Things):
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things-IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- IoT-এর ভিত্তি হলো IP (Internet Protocol) এবং TCP (Transmission Control Protocol)।
- ডিভাইসগুলো তারযুক্ত ও তারবিহীন নেটওয়ার্ক (Ethernet, Wi-Fi, Bluetooth, 5G, LTE, RFID, NFC) ব্যবহার করে যোগাযোগ করে।
- সাধারণত IoT ডিভাইসগুলো গেটওয়ে বা এজ ডিভাইসের সাথে যুক্ত হয়, সেখান থেকে ডেটা ক্লাউডে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করা হয়।
- IoT-এর মাধ্যমে ভৌত জগত (ডিভাইস/বস্তু) এবং ডিজিটাল জগত একে অপরের সাথে যুক্ত হয়।

IoT ডিভাইসের ধরন
1. Digital-first devices - শুরু থেকেই কানেক্টিভিটি যুক্ত থাকে (যেমন: স্মার্টফোন, মিডিয়া প্লেয়ার, মোবাইল পেমেন্ট টার্মিনাল, কৃষি যন্ত্র, জেট ইঞ্জিন)। এগুলো M2M (machine-to-machine) communication ব্যবহার করে।
2. Physical-first devices - তৈরি হওয়ার পর সেন্সর বা মাইক্রোচিপ যুক্ত করা হয় (যেমন: গাড়ি, হাসপাতালের মেডিকেল ডিভাইস, চাবির রিং)।

IoT-এর ব্যবহার
- ডেটা ও কন্টেন্ট শেয়ার করা (সোশ্যাল মিডিয়া/অনলাইন প্ল্যাটফর্মে)।
- দূর থেকে মনিটর ও কন্ট্রোল করা।
- মোবাইল ডিভাইস ও গেমিং ডিভাইসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাকশন করা।
- উদাহরণ: মহামারির সময় স্মার্ট থার্মোমিটার ব্যবহার করে COVID-19-এর সংক্রমণ ট্র্যাক করা।

উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা। 

২,২১৭.
কোন সফটওয়্যারটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Canva
  2. Slack
  3. Visual Studio
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• অপশন আলোচনা:
ক) Canva – এটি একটি গ্রাফিক ডিজাইন টুল, যার সাহায্যে পোস্টার, প্রেজেন্টেশন, সোশ্যাল মিডিয়া গ্রাফিক্স ইত্যাদি ডিজাইন করা যায়। এটি ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

খ) Slack – এটি একটি টিম কমিউনিকেশন টুল, যেখানে টিম মেম্বাররা চ্যাট করতে পারে, ফাইল শেয়ার করতে পারে। এটি মূলত যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ডেটাবেস ব্যবস্থাপনার জন্য নয়।

গ) Visual Studio – এটি একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (IDE), যা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও আপনি ডেটাবেসের সাথে কাজ করতে পারেন এতে, এটি মূলত ডেটাবেস ম্যানেজমেন্টের জন্য তৈরি নয়।

ঘ) Oracle – এটি একটি শক্তিশালী এবং পেশাদার ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS), যা বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণ, পরিচালনা ও বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- DBMS-এর পূর্ণ অর্থ হলো Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত তথ্য এবং সে তথ্য পর্যালোচনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- অর্থাৎ ডেটাবেজ তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত সফটওয়্যারই হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ডেটাবেজ ও ডেটাবেজ ব্যবহারকারীর মধ্যে সমন্বয়কারী সফটওয়্যার হিসেবে কাজ করে।
- যেমন: FoxPro, Oracle, Informix, MySQL, Redis ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১৮.
নিচের কোনটি অপটিক্যাল ডিস্ক?
  1. ক) মেমোরি ডিস্ক
  2. খ) ম্যাগনেটিক ডিস্ক
  3. গ) বহুমুখী ডিজিটাল ডিস্ক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অপটিক্যাল ডিস্ক - সিডি, ডিভিডি।
২,২১৯.
ফ্লিপ-ফ্লপের এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় পরিবর্তন করার জন্য বাইরে থেকে যে তড়িৎপ্রবাহ দেওয়া হয় তাকে কী বলে?
  1. ইনপুট (Input)
  2. ট্রিগার (Trigger)
  3. আউটপুট (Output)
  4. লোডার (Loader)
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) ট্রিগার (Trigger) 

• ফ্লিপ ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0, 1) আছে এবং এটি দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। ধরা যাক, এটি প্রথম অবস্থায় আছে, তাহলে - এটি প্রথম অবস্থাতেই থাকবে যতক্ষণ না এতে বাইরে থেকে একটি তড়িৎপ্রবাহ (যাকে ট্রিগার (Trigger) বলা হয়) দেওয়া হচ্ছে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের একটি আউটপুট অপর আউটপুটের বিপরীত হয়। 

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
- বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ:
ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকারের হয়ে থাকে। যথা:
- SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
- D ফ্লিপ-ফ্লপ,
- JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
- T ফ্লিপ-ফ্লপ,
- মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২২০.
কোন কাজে বারকোড রিডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. পণ্যের পরিচিতি শনাক্তকরণে
  2. বিভিন্ন গ্রাফ তৈরি করতে
  3. বিভিন্ন ব্যাংকে
  4. ইলেকট্রিক বিল প্রদানে
ব্যাখ্যা
• পণ্যের পরিচিতি শনাক্তকরণে বারকোড রিডার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বার কোড রিডার:

- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা প্রোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২১.
LINUX অপারেটিং সিস্টেম কোন ধরণের ইন্টারফেস প্রদান করে?
  1. বর্ণভিত্তিক
  2. চিত্রভিত্তিক
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• LINUX:
- লিনাক্স একটি মাল্টি-টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা ব্যবহারকারীদের জন্য ফ্রি এবং কাস্টমাইজেবল।
- এটি মূলত UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডস (Linus Torvalds) এই অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরি করেন।
- GNU প্রকল্পের সহায়তায় বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং ইউটিলিটি যুক্ত করে এটিকে একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেমে রূপান্তরিত করা হয়।
- এটি বর্ণভিত্তিক (CLI) এবং চিত্রভিত্তিক (GUI) উভয় ধরণের ইন্টারফেস প্রদান করে।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সেবা উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় আরও শক্তিশালী।
- লিনাক্সের সিকিউরিটি এবং গ্রাফিক্স ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত উন্নত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২২.
নিম্নের কোনটি সিস্টেম ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত ডিভাইস?
  1. ক) মাউস
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) প্লটার
  4. ঘ) এজিপি কার্ড
ব্যাখ্যা
এজিপি কার্ড হচ্ছে সিস্টেমের ইউনিটের অন্তর্ভুক্ত ডিভাইস। 

কম্পিউটারের যে ইউনিট যাবতীয় তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে তাকে সিস্টেম ইউনিট বলে। 
যেমন- মাদারবোর্ড, মাইক্রপ্রসেসর, RAM & ROM, এজিপি কার্ড, ল্যান কার্ড, ইত্যাদি। 

আউটপুট ডিভাইসসমূহ- মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, মাইক্রোচিপ ইত্যাদি। 
ইনপুট ডিভাইসসমূহ- কীবোর্ড, মাউস, মাইক্রোফোন ইত্যাদি। 

সূত্র- ২৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২,২২৩.
তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. SQL
  2. NOMAD
  3. Mercury
  4. FORTRAN
ব্যাখ্যা
• FORTRAN তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:

- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫): মেশিন ভাষা (Machine Language),
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০): অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০): উচ্চতর ভাষা (High Level Language),
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০): অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language),
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০): স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language).

• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে- BASIC, COBOL, FORTRAN, PASCAL, C++, JAVA, PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।

• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।

• উচ্চ স্তরের ভাষার অসুবিধা:
- কম্পিউটার সরাসরি এ ভাষা বুঝতে পারে না।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে কম্পিউটারে চালাতে হলে অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয়।
- প্রোগ্রাম রান করতে বেশি সময় প্রয়োজন হয়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- NOMAD, SQL চতুর্থ প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২৪.
মার্ক-১ কম্পিউটারটি চালু ছিল _________।
  1. ৫ বছর
  2. ৮ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২৫.
নিচের কোনটি নেভিগেশন কী নয়?
  1. Insert
  2. Control
  3. Home key
  4. Arrow keys
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের অন্যতম একটি ইনপুট ডিভাইস যার মধ্যে বর্ণ, সংখ্যা ও বিশেষ চিহ্নের বিভিন্ন কীগুলো সারিবদ্ধভাবে সাজানো থাকে।
- কম্পিউটারের কীবোর্ডের কীগুলোর সাহায্যে টাইপ করা ছাড়াও কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের নির্দেশ প্রদান করা হয়।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। নেভিগেশন কী এর মধ্যে রয়েছে: Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• আলফানিউমেরিক কী:
- (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি, ব্রিটানিকা
২,২২৬.
ইউনিকোডে 'ক' বর্ণটি কোন কোডের মাধ্যমে সনাক্ত করা যায়?
  1. ক) 0041
  2. খ) 0061
  3. গ) 0065
  4. ঘ) 0995
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড (Unicode)
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে। 
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়। উদাহরণ: A = U+0041, ক = U+0995.

সূত্র:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,২২৭.
নিরাপত্তা আরও বৃদ্ধির লক্ষ্যে যখন ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ফেস রিকগনিশন উভয়ই ব্যবহার করা হয়, তখন তাকে কী বলে?
  1. ইউনিমোডাল সিস্টেম
  2. মাল্টিমোডাল সিস্টেম
  3. সিঙ্গেল সাইন-অন
  4. অটোমেটেড সিস্টেম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) মাল্টিমোডাল সিস্টেম 

• ​বায়োমেট্রিক্স (Biometrics): 
​বায়োমেট্রিক্স হলো মানুষের অনন্য শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে স্বয়ংক্রিয় স্বীকৃতি প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যক্তির পরিচয় যাচাই করার পদ্ধতি।

বায়োমেট্রিক সিস্টেমের ধরণ-
• Unimodal system: 
​- একটি ইউনিমোডাল বায়োমেট্রিক সিস্টেম একটি একক বায়োমেট্রিক মার্কার থেকে বায়োমেট্রিক ডেটা ক্যাপচার এবং বিশ্লেষণ করে। 
- ​উদাহরণস্বরূপ, একটি রেটিনা স্ক্যান। 
- এই সিস্টেমগুলি কোনো ব্যক্তির পরিচয় নিশ্চিত করতে বা কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তিকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হতে পারে।

• Multimodal system: 
​- একাধিক বৈশিষ্ট্য ব্যবহার করে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয় (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট + ফেস রিকগনিশন)।
​​
​উৎস: ব্রিটানিকা।

২,২২৮.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের একটি সহায়ক মেমোরি?
  1. ROM
  2. RAM
  3. Pen drive
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণীবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory),
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) এবং 
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)। 

• প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে। এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। 
- প্রধান মেমরির অ্যাক্সেস সময় ন্যানোসেকেন্ড বা তার কম সময় হয়ে থাকে। র‍্যাম (RAM) ও রম (ROM) হলো এ ধরনের মেমোরির উদাহরণ। 

• সহায়ক মেমোরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও তথ্য বা প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
- হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি এ ধরনের সহায়ক মেমোরির উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২২৯.
বর্তমান সময়ে কিসের ব্যবহারের উপর পারদর্শীতা চাকুরি নিয়োগের একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. আউটসোর্সিং
  2. সোশ্যাল মিডিয়া
  3. আইসিটি
  4. টরেন্ট ডাউনলোডিং
ব্যাখ্যা

কর্মসংস্থানের উপর আইসিটির প্রভাব নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং কর্মক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তা আনয়নে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। এ বিষয়ে সন্দেহ নেই যে, তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তির ব্যবহার নতুন নতুন কর্মক্ষেত্র তৈরিতে অগ্রণি ভূমিকা পালন করছে। অর্থাৎ আইসিটির ধারণা কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রচুর সুযোেগ সৃষ্টি করে দিয়েছে।
বর্তমান সময়ে আইসিটি ব্যবহারের উপর পারদর্শীতা চাকুরি নিয়োগের একটি প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

২,২৩০.
কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়?
  1. LibreOffice Calc
  2. Google Sheets
  3. Microsoft Excel
  4. Adobe Photoshop
ব্যাখ্যা
• কোনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয় তা বোঝার জন্য প্রথমে স্প্রেডশীট সফটওয়্যার কী তা বুঝতে হবে। স্প্রেডশীট সফটওয়্যার হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা ডাটা টেবিল আকারে সাজিয়ে বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ এবং চার্ট তৈরি করতে সাহায্য করে। LibreOffice Calc, Google Sheets এবং Microsoft Excel এই তিনটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার, যা ডাটা ম্যানেজমেন্ট এবং হিসাবের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- অন্যদিকে, Adobe Photoshop একটি গ্রাফিক ডিজাইন এবং ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার, যা স্প্রেডশীটের কাজ করে না। তাই, অপশন গুলোর মধ্যে Adobe Photoshop স্প্রেডশীট সফটওয়্যার নয়।


• স্প্রেডশিট: 
- স্প্রেডশিটের আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো বড় মাপের কাগজ, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের আর্থিক হিসাব সংরক্ষণের জন্য এ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- বর্তমানে কাগজের স্প্রেডশিটের স্থান দখল করেছে সফটওয়্যার নির্ভর স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম। 
- সত্তর দশকের শেষের দিকে অ্যাপল কোম্পানি সর্বপ্রথম ভিসিক্যালক (VisiCalc) স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবন করে। 
- পরবর্তীকালে মাইক্রোসফট এক্সেল (Microsoft Excel), ওপেন অফিস ক্যাল্ক (Open office Calc) কেস্প্রেড (Kspread) নামের স্প্রেডশিট সফটওয়্যার উদ্ভাবিত হয়। 
- বর্তমানে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হলো মাইক্রোসফট কোম্পানির এক্সেল (Excel)। 

• স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম: 
- স্প্রেডশিট হলো এক ধরনের অ্যাপ্লিকেশন কম্পিউটার প্রোগ্রাম। 
- এটিকে কখনো কখনো ওয়ার্কবুক বলা হয়। 
- একটি রেজিস্টার খাতায় যেমন অনেকগুলো পৃষ্ঠা থাকে, তেমনি একটি ওয়ার্কবুকে অনেকগুলো ওয়ার্কশিট থাকে। 
- একেকটা ওয়ার্কশিটে বহুসংখ্যক সারি (row) ও কলাম (column) থাকে। 
- স্প্রেডশিট প্রোগ্রামে একটা ওয়ার্কশিটে সবধরনের উপাত্ত প্রবেশ করানো যায়। 
- ফলে যেকোনো ধরনের, যেকোনো সংখ্যক উপাত্ত অল্প সময়ে সম্পাদনা করা, হিসাব করা, বিশ্লেষণ করা এবং প্রতিবেদন তৈরি করার কাজ স্প্রেডশিট প্রোগ্রামের মাধ্যমে করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২,২৩১.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. ট্রোজান হর্স
  2. ভিয়েনা
  3. অ্যাভাস্ট
  4. সিআইএইচ
ব্যাখ্যা

• অ্যাভাস্ট (Avast) একটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়; এটি একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস (Antivirus) সফটওয়্যার যা কম্পিউটারকে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৩২.
মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় কোন এককে?
  1. ক) Millions of Floating Point Operations per Second
  2. খ) Billions of Instructions per Second
  3. গ) Giga of Floating Operations per Second
  4. ঘ) Giga Hertz per second
ব্যাখ্যা
- মিনি ও মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MIPS (Millions of Instructions per Second) বা BIPS (Billions of Instructions per Second) এ।
- সুপার কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MFLOPS (Millions of Floating Point Operations per Second), GFLOPS (Giga of Floating Point Operations per Second), TFLOPS (Tera of Floating Point Operations per Second) ইত্যাদিতে।
- সাধারণত মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারের প্রসেসরের গতি পরিমাপ করা হয় MHz বা GHz এ।

সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৩.
অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের প্রধান কাজ কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা
  2. শুধুমাত্র ফাইল ম্যানেজ করা
  3.  এন্টিভাইরাস সুরক্ষা প্রদান 
  4. ওয়েব ব্রাউজার চালানো
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ হলো কার্নেল, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সিস্টেমের সকল গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পরিচালনা করে। এটি প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ ও ইনপুট-আউটপুট অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন যখন কোনো নির্দেশ দেয়, তখন কার্নেল সেই নির্দেশকে হার্ডওয়্যারে পাঠিয়ে কার্যকর করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন একটি প্রোগ্রাম ডেটা মেমোরিতে সংরক্ষণ করতে চায় বা প্রসেসর ব্যবহার করতে চায়, তখন কার্নেল সেই অনুরোধকে সঠিকভাবে বরাদ্দ করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – ক) হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল
২. মাইক্রোকার্নেল
৩. হাইব্রিডকার্নেল
৪. এক্সোকার্নেল
৫. ন্যানোকার্নেল।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: geeksforgeeks website.

২,২৩৪.
১ ট্যারা বাইট = কত মেগা বাইট?
  1. ক) ১ লক্ষ মেগা বাইট
  2. খ) ১০ লক্ষ মেগা বাইট
  3. গ) ১০ কোটি মেগা বাইট
  4. ঘ) ১০০০০ মেগা বাইট
ব্যাখ্যা
মেমোরির ধারণক্ষমতা:
- কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।

১ ট্যারা বাইট = ১০ লক্ষ মেগা বাইট।

৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৫.
নিচের কোনটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. ক) পেনড্রাইভ
  2. খ) ওসিআর
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মডেম
ব্যাখ্যা
যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস। যেমনঃ কি-বোর্ড, মাউস ইত্যাদি। আর যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস। যেমনঃ প্রিন্টার, মনিটর, প্লটার ইত্যাদি। আবার এমনও কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে।
২,২৩৬.
নিচের কোনটি ৮ বিট বিশিষ্ট কোড?
  1. ক) ASCII
  2. খ) Unicode
  3. গ) Extended ASCII
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
• 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
• ASCII বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• ASCII কোড শুধু ইংরেজি ভাষায় ব্যবহৃত হয়।
Extended ASCII হলো ৮ বিট বিশিষ্ট কোড, যার সাহায্যে 256টি বিভিন্ন ক্যারেক্টার বা চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
• Extended ASCII ইউরোপীয় ভাষার জন্য উপযোগী।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং বিবিসি।
২,২৩৭.
"QWERTY কী"-বোর্ডে নিউম্যারিক কী-এর সংখ্যা কত?
  1. ১১
  2. ১৭
  3. ১৯
ব্যাখ্যা
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়।
- যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।
২,২৩৮.
মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা কত?
  1. ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  2. ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  3. ৩০ থেকে ৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
  4. ৭০ থেকে ১৫০ ডিগ্রি ফারেনহাইট
ব্যাখ্যা
- একটি কম্পিউটারের হার্ডওয়‍্যারসমূহকে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য নিম্নলিখিত বিষয়গুলো বা নিয়ামকগুলোর প্রতি বিশেষভাবে লক্ষ রাখতে হবে-
১। তাপমাত্রা (Temperature),
২। কম্পিউটার চালু ও বন্ধ করা (Turning the Computer On and Off),
৩। বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবস্থা (Plugging in the System),
৪। ময়লা ও দূষণ (Dust and Pollution),
৫। নিয়মিত প্রতিরক্ষামূলক রক্ষণাবেক্ষণ (Preventive Maintenance) ইত্যাদি।

• তাপমাত্রা:
- কম্পিউটার সিস্টেমকে অবশ্যই সার্বক্ষণিক একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার রাখতে হবে।
- কম্পিউটারের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত গরম বা ঠাণ্ডা উভয়েই ক্ষতিকর।
- মাইক্রোকম্পিউটারের ক্ষেত্রে যখন সিস্টেম চালু থাকবে তখন আদর্শ রুম তাপমাত্রা ৬০ থেকে ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইট আর যখন সিস্টেম বন্ধ থাকবে তখন ৫০ থেকে ১১০ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
- যদি কখনো কম্পিউটারে অল্প সময়ের ব্যবধানে ব্যাপক তাপমাত্রা পরিবর্তনের সম্মুখীন হয় তবে নিম্নোক্ত সমস্যাসমূহ হতে পারে-
১. সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে যে চিপস রয়েছে সেগুলো তাদের নির্দিষ্ট সকেটের বাইরে কাজ করতে শুরু করবে। পাশাপাশি চিপ কানেক্টর দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
২. তাপমাত্রার হঠাৎ পরিবর্তনের কারণে হার্ডডিস্কের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।
- উক্ত সমস্যাগুলো সাধারণত হয়ে থাকে যান্ত্রিক সরঞ্জামের দ্রুত ঠাণ্ডা অথবা গরম হয়ে উঠার জন্য।
- মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য এ ধরনের তাপমাত্রার পরিবর্তন অত্যন্ত বিপদজনক।
- তাই কম্পিউটার কখনো কোনো উত্তপ্ত বা অধিক ঠাণ্ডা স্থানে রাখা উচিত নয় বা সরাসরি সূর্যালোকেও রাখা উচিত নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৯.
MS Word এ table of contents তৈরি করার অপশন নিচের কোন ট্যাব এ পাওয়া যায়?
  1. ক) Insert
  2. খ) Reference
  3. গ) Review
  4. ঘ) View
ব্যাখ্যা
In Word 2007 and Word 2010: References > Table of Contents > choose an option from the menu.
২,২৪০.
পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) এর যুগ কখন শুরু হয়?
  1. ১৯৪০ এর দশকে
  2. ১৯৬০ এর দশকে
  3. ১৯৭০ এর দশকে
  4. ২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

◉ পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের সূচনা হয় ১৯৭০-এর দশকে। 

পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।

২,২৪১.
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে কী বলা হয়?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) রেজুল্যশন
  3. গ) পিকচার টিউব
  4. ঘ) পিক্সেল
ব্যাখ্যা
পিক্সেল :
কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

রেজুল্যশন:
ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
একটি মনিটরের রেজুল্যুশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে। 

[উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়]
২,২৪২.
লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (লেক্সার) কী কাজ করে?
  1. সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে 
  2. টোকেনগুলোকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে
  3. সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে
  4. কোডকে অপ্টিমাইজ করে
ব্যাখ্যা

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার বা লেক্সার কম্পাইলারের প্রথম ধাপ হিসেবে কাজ করে। এটি সোর্স কোডকে পড়ে এবং কোডের ছোট ছোট ইউনিট বা টোকেন এ ভাগ করে। টোকেন হলো প্রোগ্রামিং ভাষার মৌলিক উপাদান যেমন কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর, সংখ্যা বা সিম্বল। লেক্সারের মূল কাজ হলো কোডকে সহজ ও সুসংগঠিত আকারে ভাগ করা, যাতে পরবর্তী ধাপ যেমন সিনট্যাক্স অ্যানালাইসিস সহজ হয়। লেক্সার সোর্স কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না, সিনট্যাক্স ত্রুটি পরীক্ষা করে না এবং কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না। তাই, লেক্সারের সঠিক কাজ হলো সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা, যা কম্পাইলেশনের জন্য ভিত্তি প্রস্তুত করে।

• লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার (Lexical Analyzer / Lexer):
- লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজার হলো একটি প্রোগ্রামিং কম্পাইলারের প্রথম ধাপের অংশ যা সোর্স কোডকে প্রক্রিয়াকরণ করে।
- এটি সোর্স কোডকে ছোট ছোট একক অর্থপূর্ণ অংশে ভাগ করে, যেগুলোকে টোকেন (Token) বলা হয়।
- প্রতিটি টোকেন সাধারণত একটি কীওয়ার্ড, আইডেন্টিফায়ার, অপারেটর বা প্রতীক হতে পারে।
- লেক্সার মূলত সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করার কাজ করে, যাতে পরবর্তী ধাপে সিনট্যাক্স বিশ্লেষণ সহজ হয়।
- এটি কোডকে সরাসরি মেশিন কোডে রূপান্তর করে না।
- লেক্সার সাধারণত সিনট্যাক্স ত্রুটি বা কোড অপ্টিমাইজেশনও করে না; শুধুমাত্র টোকেন তৈরির কাজ সম্পন্ন করে।

সুতরাং, লেক্সিক্যাল অ্যানালাইজারের কাজ হল সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করা।  
সঠিক উত্তর: ক) সোর্স কোডকে টোকেনে ভাগ করে। 

উৎস: geeksforgeeks [link]

২,২৪৩.
প্রথম Web browser কোনটি?
  1. ক) Netscape Navigator
  2. খ) Worldwideweb
  3. গ) Internet Explorer
  4. ঘ) Safari
ব্যাখ্যা
WorldWideWeb পৃথিবীর প্রথম ব্রাউজার। ১৯৯০ সালে এটা তৈরি করা হয়। WWW তথা World Wide Web এর সাথে নামের মিল আছে যা দুর্বোধ্যতার সৃষ্টি করতে পারে, তাই, পরবর্তীতে এটার নাম পরিবর্তন করে Nexus রাখা হয়। সুত্রঃ স্যার টিমোথি জন বার্নার্স-লি (টিম বার্নার্স-লি)
২,২৪৪.
(68)10 এর বাইনারি মান -
  1. 1000110
  2. 1000100
  3. 1100100
  4. 10100100
ব্যাখ্যা
68/2 = 34, remainder is 0
34/2 = 17, remainder is 0
17/2 = 8, remainder is 1
8/2 = 4, remainder is 0
4/2 = 2, remainder is 0
2/2 = 1, remainder is 0
1/2 = 0, remainder is 1
So, (68)10  = (1000100)2
২,২৪৫.
কোনটি পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামের ভাষা?
  1. ক) বাইনারি ভাষা
  2. খ) ন্যাচারাল ভাষা
  3. গ) মেশিন ভাষা
  4. ঘ) আসেম্বলী ভাষা
ব্যাখ্যা
স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল (Natural) ভাষা পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামের ভাষা হিসাবে মানুষের স্বাভাবিক ভাষা বা ন্যাচারার ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে।  ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ দু প্রকার।
একটি হল মানুষের ভাষা যেমন বাংলা, ইংরেজি, আরবি, স্প্যানিস ইত্যদি এবং অন্যটি হল প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ যা মানুষের ভাষা ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করে।
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ সাধারণত অনেকটা ইংরেজি অথবা মানুষের ভাষার মত।
মানুষের ভাষার মত স্বাভাবিক ভাষা কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য এখনও অনেক পরীক্ষা- নিরীক্ষা চলছে।
এ ধরনের ভাষাকে মেশিনের ভাষায় রূপান্তরের জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে বুদ্ধিমান বা ইনটেলিজেন্ট কম্পাইলার বলা হয় ।
এটি মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের একটি ক্ষেত্র। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,২৪৬.
কোন সম্পর্ক ব্যবহার করে রিলেশনাল ডাটাবেজে অনেক চাইল্ড এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে যুক্ত হতে পারে?
  1. Many-to-many
  2. Self-referencing
  3. One-to-one
  4. One-to-many
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে “একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে অনেক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত হওয়া” বোঝাতে One-to-many সম্পর্ক ব্যবহার করা হয়। এতে একটি টেবিলের এক রেকর্ড (Parent) অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডের (Child) সাথে সংযুক্ত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি Teacher টেবিলের এক শিক্ষকের সাথে অনেক Student রেকর্ড যুক্ত থাকতে পারে। এখানে Teacher হলো Parent এবং Student হলো Child। One-to-many সম্পর্ক বাস্তবায়নের জন্য সাধারণত চাইল্ড টেবিলে Parent এর প্রাইমারি কী কে ফরেন কী হিসেবে রাখা হয়। এটি ডাটার অখণ্ডতা নিশ্চিত করে এবং ডাটাবেজে লজিকাল সম্পর্ক সহজে অনুসরণ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) One-to-many।

• বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৪৭.
CPU মূলত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  2. তথ্য সংরক্ষণ
  3. প্রদর্শন
  4. ঠান্ডা রাখা
ব্যাখ্যা

• CPU বা Central Processing Unit মূলত কম্পিউটারের “মস্তিষ্ক” হিসেবে কাজ করে। এটি তথ্য প্রক্রিয়াকরণের প্রধান কেন্দ্র, যেখানে ইনপুট থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ, গণনা এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। CPU বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল তুলনা সম্পন্ন করতে পারে। প্রোগ্রাম বা সফটওয়্যারের নির্দেশনা অনুযায়ী এটি ডেটাকে প্রক্রিয়াকরণ করে এবং ফলাফল আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছে পৌঁছে দেয়। তথ্য সংরক্ষণ, প্রদর্শন বা কম্পিউটার ঠান্ডা রাখা CPU-এর কাজের অংশ নয়; এগুলো আলাদা হার্ডওয়্যার যেমন RAM, মনিটর বা কুলিং সিস্টেমের দায়িত্ব। সুতরাং, CPU মূলত তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
 
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ। 
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত। 
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে। 
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।

- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে। 
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে। 
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়। 
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,২৪৮.
নিচের কোনটিকে তথ্যভান্ডার বলা হয়?
  1. ক) মেমরি
  2. খ) ডাটাবেজ
  3. গ) সি পি ইউ
  4. ঘ) হার্ড ডিস্ক
ব্যাখ্যা
- ডাটাবেজ হলো কম্পিউটারভিত্তিক একটি পদ্ধতি, যার সাহায্যে সংগৃহীত উপাত্ত সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুযায়ী পুনরুদ্ধার করা যায়।
- অন্যকথায়, ডেটাবেজ হচ্ছে সংগৃহীত উপাত্তের ভান্ডার, যা থেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য বিভিন্ন উপায়ে এবং আকারে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।

- ডাটাবেজকে বলা হয় তথ্যভান্ডার।

- সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমাবেশই হচ্ছে ডাটাবেজ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই ( নবম - দশম শ্রেণি )
২,২৪৯.
সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইস কোনটি?
  1. ক) মাউস
  2. খ) মাইক্রোচিপ
  3. গ) প্রিন্টার
  4. ঘ) মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

সিস্টেম ইউনিটের মধ্যে অবস্থিত ডিভাইসসমূহ হল- মাদারবোর্ড, মাইক্রোপ্রসেসর, রেম ও রম, হার্ডডিস্ক, এজিপি কার্ড, লেনকার্ড, ইত্যাদি।
অপরদিকে, মাউস হল ইনপুট ডিভাইস।
প্রিন্টার, এবং মাইক্রোচিপ হল আউটপুট ডিভাইস।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

২,২৫০.
Universal Code বলা হয় কোন কোডকে?
  1. ইউনিকোড
  2. অ্যাসকি কোড
  3. বিসিডি কোড
  4. ইবিসিডিক কোড
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড 16 বিটের আলফানিউমেরিক কোড, যার পূর্ণনাম Universal Code (সর্বজনীন কোড)।
- পৃথিবীর সকল ভাষার বর্ণ, সংখ্যা ও চিহ্নসমূহ ডিজিটাল ডিভাইসে ব্যবহার করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে 216 = 65536টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- Unicode Consortium নামে একটি সংগঠন ইউনিকোডের রক্ষণাবেক্ষণ করে, যার সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
- 1991 সালে 24টি ভাষা নিয়ে ইউনিকোডের প্রথম সংস্করণ 1.0.0 প্রকাশিত হয়, যার মধ্যে বাংলা ভাষাও অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 2020 সালে ইউনিকোডের 13 সংস্করণে 154টি ভাষা স্থান পেয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
২,২৫১.
10000010101 এর সমতুল্য দশমিক সংখ্যা কত?
  1. ক) 1055
  2. খ) 1047
  3. গ) 1058
  4. ঘ) 1045
২,২৫২.
Which of the following is not a physiological biometrics?
  1. Hand geometry
  2. Iris recognition
  3. Facial recognition
  4. Voice verification
ব্যাখ্যা
Voice verification is an example of behavioral biometrics.

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

• দেহের গঠন ও আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
২,২৫৩.
নিচের কোনটি ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজের (DDL) এর উদাহরণ নয়?
  1. Create
  2. Drop
  3. Insert
  4. Rename
ব্যাখ্যা

• SQL-এ DDL (Data Definition Language) মূলত ডাটাবেস বা টেবিলের কাঠামো (Structure) তৈরি, পরিবর্তন বা মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। Insert কমান্ডটি টেবিলের কাঠামো পরিবর্তন করে না, বরং টেবিলের ভেতরে নতুন ডেটা বা তথ্য যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়, তাই এটি DML (Data Manipulation Language)-এর অন্তর্ভুক্ত।

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DDL):
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (DML): 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Computer & ICT Cloud (Live Publications)।

২,২৫৪.
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. ক) MARK-1
  2. খ) UNIVAC
  3. গ) IBM-650
  4. ঘ) IBM-704
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম হচ্ছে IBM-650.

-MARK-1 হচ্ছে যৌথভাবে আবিষ্কৃত প্রথম ইলেক্ট্রিক্যাল কম্পিউটার। Howard Aiken এবং IBM যৌথভাবে এই কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। 
-MARK-1 থেকেই মূলত প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার শুরু হয়। 
-UNIVAC হচ্ছে বাণিজ্যিক ইলেকট্রিক ডিজিটাল কম্পিউটার।  
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সূত্র- ১৫ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
২,২৫৫.
Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ কী?
  1. গণনা করা
  2. সংরক্ষণ করা
  3. শ্রেষ্ঠতর হওয়া
  4. সমাধান করা
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোসফট এক্সেল:
- Excel শব্দের আভিধানিক অর্থ শ্রেষ্ঠতর হওয়া। গুণ, কৃতিত্ব প্রভৃতি বিবেচনায় শ্রেষ্ঠতর বা উৎকৃষ্টতর হওয়া।
- বিশ্বখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশন কর্তৃক তৈরী ও বাজারজাতকৃত এ প্রোগ্রামটি এক সাথে অনেক সমস্যা সামাধানে অন্যান্য অনেক প্রোগ্রাম থেকে শ্রেষ্ঠতর।
- উইন্ডোজ ভিত্তিক এ Application প্রোগ্রামটির সাহায্যে জটিল গাণিতিক পরিগণনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং তথ্যকে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনায় নিখুঁতভাবে চার্ট বা গ্রাফ তৈরী করা ইত্যাদি ছাড়াও আরও অনেক জটিল কাজকে সহজে সমাপন করা যায়।
- এক্সেলের সুবিশাল পৃষ্ঠাটি কলাম ও সারিভিত্তিক সেলে বিভক্ত হওয়ায় এতে বিভিন্ন তথ্য সন্নিবেশ করে তথ্য বিশ্লেষণ করা যায় বলে একে স্প্রেডশীট এ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম বলা হয়।
- Spread Sheet শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ছড়ানো পাতা।
- Spread অর্থ ছড়ানো এবং Sheet অর্থ পাতা।
- গ্রাফ কাগজের X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর খোপ খোপ ঘরের ন্যায় অনেক ঘর সংবলিত বড় শীটকে স্প্রেডশীট বলা হয়।
- এক্সেলের সম্পূর্ণ পর্দাটি X অক্ষ এবং Y অক্ষ বরাবর সেলের সমন্বয়ে গঠিত।
- এক্সেলের সুবিশাল স্প্রেডশীটটিতে বিভিন্ন তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং গাণিতিক পরিগণনা করা যায়।

উৎস: শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫৬.
WMA কোন ধরনের ফাইল এক্সটেনশন?
  1. Video
  2. Audio
  3. Flash
  4. Image
ব্যাখ্যা
WMA হচ্ছে Audio ধরনের ফাইল এক্সটেনশন। 
- The WMA file extension is short for Windows Media Audio, which is an audio file container.
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে ফাইলের ফরম্যাট নির্দেশকারী একটি সুচক যা ফাইলের নামের শেষে যুক্ত থাকে।

- আরও কিছু ফাইল এক্সটেনশন এর উদাহরণসমূহ- 
Picture files- 
.bmp
.gif
.jpg
.png

Music and sound files- 
.mp3
.wav
Operating system files
.dll
.exe

Text and word processing documents- 
.doc
.docx
.rtf
.txt

Spreadsheet files- 
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

Web Page files- 
.htm
.html

উৎস: Computer Hope Website.
২,২৫৭.
Push এবং Pop নিচের কার সাথে সম্পর্কিত?
  1. Union
  2. Stack
  3. Array
  4. Queue
ব্যাখ্যা
♦ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা- Push এবং Pop.
• Push:
- স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।

• Pop:
- স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।

উৎস: Computerhope Website.
২,২৫৮.
নিচের কোন সংখ্যাটি অক্টাল পদ্ধতিতে সঠিক নয়?
  1. 1243
  2. 7412
  3. 2841
  4. 1241
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যাপদ্ধতিতে বেস বা ভিত্তি হলো ৮ টি। যথা-
০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭ 

উল্লেখিত সংখ্যাসমূহের মধ্যে 2841 সংখ্যাটির 8 অক্টালের অন্তর্ভুক্ত নয়।
২,২৫৯.
Artificial Intelligence (AI) এর সাথে কার নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে?
  1. ক) আইজ্যাক অসিমভ
  2. খ) এল্যান টিউরিং
  3. গ) স্টিভ ওজনিয়াক
  4. ঘ) স্টিভ জবস
ব্যাখ্যা
মানুষ যেভাবে চিন্তাভাবনা করে, কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তাভাবনা করার সক্ষমতার রূপদানকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence বলে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ও গণিতবিদ এলান টুরিং।
১৯৫০ সালে তার আবিষ্কৃত 'টুরিং টেস্ট' কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ধারনার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করে।

- তবে অনেক জায়গায় জন ম্যাকার্থিকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়। 

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান, স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি 
২,২৬০.
127 এর বাইনারি -
  1. ক) 11111111
  2. খ) 111111
  3. গ) 111111111
  4. ঘ) 1111111
২,২৬১.
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. ক) 10111
  2. খ) 10011
  3. গ) 11101
  4. ঘ) 10101
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যা 23 কে দ্বিমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হবে 10111।
[সূত্রঃ convertbinary.com]
২,২৬২.
নিচের কোন উক্তিটি সত্য নয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমােরির চেয়ে রেজিস্টারের আকার ছোট।
  2. খ) রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির গতি বেশি।
  3. গ) রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যে যুক্ত থাকে।
  4. ঘ) উপরের সবগুলো সত্য।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস  সবচেয়ে কম।
- কম্পিউটারের প্রসেসরের মধ্যেও কিন্তু মেমােরি আছে, প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।
- আর তার পরেই থাকে ক্যাশ মেমােরি। রেজিস্টারের চেয়ে ক্যাশ মেমােরির আকার বড়, মানে বেশি তথ্য ধারণ করতে পারে, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) একটু কম।
- রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমােরি প্রসেসরের মধ্যেই যুক্ত করা থাকে।
- তারপরে আসে র‍্যাম। র‍্যাম প্রসেসরের বাইরে মাদারবাের্ডে সংযুক্ত থাকে। ক্যাশের তুলনায় র‍্যামের আকার বেশ বড়, তবে গতি (ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড) কম।


উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)
 
২,২৬৩.
FORTRAN কোন প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. তৃতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. পঞ্চম প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান:
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান Ⅰ, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০।
- FORTRAN হলো তৃতীয় প্রজন্ম বা হাই লেভেলের প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,২৬৪.
নীচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 18
  2. খ) 77
  3. গ) 15
  4. ঘ) 101
ব্যাখ্যা
Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়। যথা- ০,১,২,৩,৪,৫,৬ এবং ৭। তাই ১৮ Octal number নয়।
২,২৬৫.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. অ্যাভাস্ট
  2. এভিরা
  3. নরটন
  4. মেলওয়্যার
ব্যাখ্যা
• "মেলওয়্যার" কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম।

• মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম।
- কাজ: কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে মেমোরিতে গোপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রোগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা কম্পিউটার ভাইরাস:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms,
- Trojan Horse ইত্যাদি।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- নরটন, এভিরা, অ্যাভাস্ট হচ্ছে কম্পিউটার এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
২,২৬৬.
কম্পিউটারের মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী গতির উচ্চক্রম থেকে নিম্নক্রমের সঠিক বিন্যাস কোনটি?
  1. Cache > Register > RAM
  2. Register > Cache > RAM
  3. Register > RAM > Cache
  4. RAM > Cache > Register
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরি হায়ারার্কি অনুযায়ী যে মেমোরি প্রসেসরের যত কাছে থাকে তার গতি তত বেশি হয়। সেই হিসেবে সঠিক ক্রমটি হলো: Register > Cache > RAM

• রেজিস্টার:

- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

• ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

• RAM:
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়‍্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।


উৎস:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৬৭.
(BC46)16 এর সমতূল্য অক্টাল মান কত?
  1. 570151
  2. 560107
  3. 136106
  4. 154201
২,২৬৮.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম জিআইএস প্রযুক্তি চালু হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৫
  3. গ) ১৯৯৭
  4. ঘ) ২০০১
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।

• GIS:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Geographic information systems.
- সাধারণ অর্থে জিআইএস বলতে স্থানিক ও অস্থানিক উপাত্ত সংগ্রহ করে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সমন্বয় করে তা মানচিত্রে উপস্থাপন করাকে বুঝায়।
- অর্থাৎ জিআইএস হলো কম্পিউটারের মাধ্যমে কোনো তথ্য ধারণ করে ভূ‚-পৃষ্ঠের কোনো অবস্থানের চিত্র বর্ণনা করা।
- সুতরাং বলা যায় যে, কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফর্টওয়্যারের মাধ্যমে ভৌগোলিক তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, পরিবর্তন, বিশ্লেষণ ও প্রদর্শন করাই জিআইএস।

• ১৯৬৪ সালে কানাডায় সর্বপ্রথম জিআইএস এর ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৮০ সালের পর থেকে জিআইএস এর ব্যাপক প্রসার ঘটে।
- ১৯৮০ এবং ১৯৯০ সালের মধ্যে জিআইএস উন্নত প্রযুক্তির পূর্ণাঙ্গরূপ লাভ করে।
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালে প্রথম জিআইএস এর ব্যবহার চালু হয়।
- ২০০০ সালের পর থেকে আমাদের দেশে জিআইএস প্রযুক্তি প্রসার লাভ করতে থাকে এবং বর্তমানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জিআইএসের ওপর শিক্ষাদান করা হচ্ছে। অর্থাৎ জিআইএসকে বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৬৯.
কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড কোনটি?
  1. মাদারবোর্ড
  2. সিপিইউ
  3. হার্ডডিস্ক
  4. ফ্লোপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৭০.
Intel Core i3 কত বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ১৬
  2. ৩২
  3. ৬৪
ব্যাখ্যা

- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

২,২৭১.
কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম নয় কোনটি?
  1. ক) Malware
  2. খ) Spyware
  3. গ) Worms
  4. ঘ) Avira
ব্যাখ্যা
• মেলওয়্যার (Malware):
- Malware-এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও আ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। 

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms, 
- Trojan Horse ইত্যাদি। 

• Avira হলো অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রাম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
২,২৭২.
ডিজিটাল মুদ্রার উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ডলার
  2. খ) বিটকয়েন
  3. গ) ক্রেডিট কার্ড
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টো-কারেন্সি বা ভার্চুয়াল মুদ্রা। ইন্টারনেটের মাধ্যমেই এই মুদ্রার লেনদেন হয়ে থাকে।
- ২০০৮ সালের শেষের দিকে জাপানের একজন নাগরিক সাতোশি নাকামোতো নামের কেউ বা একদল সফটওয়্যার বিজ্ঞানী এই ‘ক্রিপ্টোকারেন্সির’ উদ্ভাবন করেন। যদিও এই ব্যক্তির আসল নাম বা পরিচয় এখনো জানা যায়নি।

উৎস: বিবিসি ওয়েবসাইট
২,২৭৩.
দশমিক সংখ্যা 726.48 এর সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা কত?
  1. 2B5.7AC...
  2. 2D6.7AE...
  3. 2B4.7EA...
  4. 2C4.7AC...
২,২৭৪.
What is the main function of OCR technology?
  1. Enhancing computer graphics
  2. Managing database records
  3. Recognizing printed text
  4. Compressing multimedia files
ব্যাখ্যা

ওসিআর:
- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো (Optical Character Reader).
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৭৫.
67 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 110111
  2. 01110011
  3. 10110101
  4. 01100111
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৭৬.
JAVA প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ কত সালে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯৫
  4. ঘ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
১৯৯৫ সালে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করেন জেমস গসলিং। এটি একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
[সূত্রঃ প্রথম আলো পত্রিকা]
২,২৭৭.
আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমের প্রধান কম্পোনেন্ট কোনটাকে বলা যায়?
  1. ক) মডিফায়ার
  2. খ) মাইক্রোপ্রসেসর
  3. গ) স্টেপার
  4. ঘ) ক্যাপাসিটর
ব্যাখ্যা
সাধারণত এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণ প্রসেসরের বদলে কম্পিউটারের দায়িত্ব পালন করে থাকে মাইক্রোপ্রসেসর।
২,২৭৮.
একসাথে অনেক পরীক্ষার্থীর ফলাফল প্রস্তুতে সবচেয়ে কার্যকরী মাধ্যম কোনট?
  1. MS Power Point
  2. MS Excel
  3. MS Word
  4. MS DOS
ব্যাখ্যা
পরীক্ষার ফলাফলের ডেটা পরিচালনার জন্য MS Excel হল সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যাপ্লিকেশন। কারণ এখানে নিম্নোক্ত সুবিধা পাওয়া যায় :

- Data Organization,

- Calculations,

- Data Validation,

- Sorting and Filtering,

- Data Export and Import.

 পাওয়ারপয়েন্ট হল একটি প্রেজেন্টেশন সফ্টওয়্যার, যা প্রাথমিকভাবে স্লাইডশো তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়, অন্যদিকে ওয়ার্ড হল একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম যা নথি তৈরি এবং ফর্ম্যাট করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এই অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে  ডেটা ম্যানিপুলেশন এবং বিশ্লেষণ ক্ষমতার অভাব রয়েছে।

MS-DOS, অন্যদিকে, একটি অপারেটিং সিস্টেম এবং ডেটা পরিচালনার জন্য একটি অ্যাপ্লিকেশন নয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,২৭৯.
Microsoft acess দ্বারা কতজন ব্যবহারকারী এক সাথে update করা যায়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ১৫০
  3. গ) ২০০০০
  4. ঘ) ১০
  5. ঙ) ২৫৫
২,২৮০.
কম্পোজিট প্রাইমারি কী তে প্রাইমারি কী এর সাথে অতিরিক্ত যে ফিল্ডগুলো থাকে তাদেরকে কী বলে?
  1. Support key
  2. Attribute key
  3. Alternate key
  4. Additional key
ব্যাখ্যা
কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- দুই বা ততোধিক ফিল্ড বা Attribute সমষ্টি সম্মিলিতভাবে কোনো Entity সেটকে শণাক্ত করতে পারলে তাদেরকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে। কম্পোজিট প্রাইমারি কী এর ক্ষেত্রে একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করে বাকিগুলোকে Alternate key বলে।
- ধরি, একটি টেবিলে রোল, মোবাইল নং একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী গঠন করল। এই ক্ষেত্রে যদি রোল নং কে প্রাইমারি কী হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাহলে মোবাইল নং হলো Alternate key.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, geeksforgeeks।
২,২৮১.
ক্রায়োসার্জারিতে কোনটি সাধারণত ব্যবহৃত হয়?
  1. তরল নাইট্রোজেন 
  2. তরল ক্লোরাইড 
  3. তরল হাইড্রোজেন
  4. তরল অক্সিজেন
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) তরল নাইট্রোজেন 

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,২৮২.
ফ্রেড কোহেন কোন ক্ষেত্রে তার কাজের জন্য বিখ্যাত?
  1. কম্পিউটার ভাইরাস
  2. টিকা
  3. জ্যোতির্বিজ্ঞান
  4. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
ব্যাখ্যা
• ফ্রেড কোহেন মূলত কম্পিউটার ভাইরাসের ক্ষেত্রেই তার কাজের জন্য বিখ্যাত। তিনি প্রথমবার কম্পিউটার ভাইরাসের ধারণাটি প্রণয়ন করেন এবং কম্পিউটার ভাইরাস নিয়ে তার গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। তার কাজ কম্পিউটার সিকিউরিটি ও ভাইরাসের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করে। কোহেন ভাইরাসের সংজ্ঞা প্রদান করে এবং ভাইরাস কীভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ে তা ব্যাখ্যা করেন। তার গবেষণার ফলে কম্পিউটার ভাইরাস সংক্রান্ত সাইবার নিরাপত্তার নীতিমালা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়া হয়। তাই ফ্রেড কোহেনকে কম্পিউটার ভাইরাস গবেষণার জনক বলা হয়।

• ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো 'Vital Information Resources Under Seize'.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন: বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস , মিউটেটিং ভাইরাস, স্টোন ভাইরাস, ভিয়েনা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৮৩.
(345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে কত হবে?
  1. (229.8125)10
  2. (235.6875)10
  3. (219.8125)10
  4. (232.756)10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (345.64)8 কে দশমিকে রূপান্তর করলে (229.8125)10 হবে।

• অক্টাল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, প্রতিটি অক্টাল অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 8-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়। দশমিক বিন্দুর পরের অঙ্কগুলোর জন্য 8-এর ঋণাত্মক ঘাত ব্যবহার করা হয়।
• এখানে, অক্টাল সংখ্যাটি হলো (345.64)8
• এর দশমিক রূপান্তর হলো:
 = (3 × 82) + (4 × 81) + (5 × 80) + (6 × 8- 1) + (4 × 8- 2)
 = (3 × 64) + (4 × 8) + (5 × 1) + (6/8) + (4/64)
 = 192 + 32 + 5 + 0.75 + 0.0625
 = 229.8125

∴ (345.64)8 = (229.8125)10 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৮৪.
একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ কোনটি?
  1. শুধু সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ বিট উল্টানো
  2. শুধু ১ যোগ করা
  3. সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা
  4. সব বিট উল্টিয়ে ১ বিয়োগ করা
ব্যাখ্যা

• একটি বাইনারি সংখ্যার ২-এর পরিপূরক বের করার সঠিক ধাপ হলো প্রথমে সংখ্যাটির সব বিট উল্টানো (যেখানে ০ হবে ১ এবং ১ হবে ০), তারপর এই উল্টানো সংখ্যার সাথে ১ যোগ করা। কারণ ২-এর পরিপূরক হলো মূল সংখ্যা এবং এর ২-এর পরিপূরক সংখ্যার যোগফল বাইনারি সংখ্যা সীমার সর্বাধিক মানের এক কমে পৌঁছায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাইনারি সংখ্যা হয় 0101 (দশমিক ৫), সব বিট উল্টালে পাওয়া যাবে 1010 এবং এতে ১ যোগ করলে হবে 1011 (দশমিক ১১)। তাই সঠিক পদ্ধতি হলো সব বিট উল্টিয়ে তার পরে ১ যোগ করা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) সব বিট উল্টিয়ে ১ যোগ করা।
 
• ২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।

উদাহরণ: 
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100

সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

২,২৮৫.
কমিউনিকেশন সিস্টেমে গেটওয়ে কি কাজে ব্যবহার হয়?
  1. ক) বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইস সংযুক্ত করার কাজে
  2. খ) দুই বা তার অধিক ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করার কাজে
  3. গ) এটি নেটওয়ার্ক হাব কিংবা সুইচের মতই কাজ করে
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রটোকল ব্যবহার করে বিভিন্ন এপ্লিকেশনের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করে একটি প্রটোকলের সাথে অন্য একটি প্রটোকল যুক্ত করতে গেটওয়ে ব্যবহার করা হয়। গেটওয়ে এর কাজ হচ্ছে একটি নেটওয়ার্কের সাথে আরেকটি নেটওয়ার্ক যুক্ত করা।
২,২৮৬.
কোন সংখ্যা পদ্ধতিতে বর্ণের ব্যবহার রয়েছে?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) ডেসিমেল
  3. গ) অক্টাল
  4. ঘ) হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি
- এই পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16।
- অর্থাৎ এই পদ্ধতিতে 16 টি মৌলিক অংক রয়েছে।
- সংখ্যাসমূহ 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9 এবং অতঃপর A, B, C, D, E ও F।
- বর্ণ (Alphabet) এবং সংখ্যা (Number) উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির আরেক নাম আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক হচ্ছে যথাক্রম 10, 11, 12, 13, 14 এবং 15।
- (151)16 , (1B7)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,২৮৭.
একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 2 × 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?
  1. 1 ন্যানো সেকেন্ড
  2. 0.5 ন্যানো সেকেন্ড
  3. 2 ন্যানো সেকেন্ড
  4. 0.25 ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সেকেন্ডে 2 × 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে পারলে একটি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে কত সময় লাগে?

সমাধান: 
2 × 109 টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1 সেকেন্ড
∴ 1টি নির্দেশনা সম্পন্ন করতে সময় লাগে = 1/2 × 109 সেকেন্ড
= 0.5 × 10-9 সেকেন্ড 
= 0.5 ন্যানো সেকেন্ড।
২,২৮৮.
নিচের কোন ডিভাইসে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় না?
  1. স্মার্টফোন
  2. মাইক্রোওয়েভ ওভেন
  3. ডেস্কটপ
  4. স্মার্ট টিভি
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা কম্পিউটিং সিস্টেম, যা একটি বৃহত্তর সিস্টেমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। ডেস্কটপ কম্পিউটার হলো জেনারেল-পারপাস কম্পিউটিং ডিভাইস, যা এমবেডেড সিস্টেম নয়। এটি বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- স্মার্ট টিভি, 
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.

২,২৮৯.
কোন flip-flop কে 'Basic' flip-flop বলা হয়?
  1. T Flip-Flop
  2. D Flip-Flop
  3. SR Flip-Flop
  4. JK Flip-Flop
ব্যাখ্যা
⚪ SR (Set-Reset) ফ্লিপ-ফ্লপকে সবচেয়ে মৌলিক ফ্লিপ-ফ্লপ হিসেবে ধরা হয়, কারণ এটি থেকে অন্যান্য ফ্লিপ-ফ্লপগুলোর ডিজাইন উদ্ভূত হয়। এটি দুটি ইনপুট (S এবং R) এবং দুটি আউটপুট (Q এবং Q̅) নিয়ে গঠিত এবং এটি বাইনারি তথ্য ধারণ করতে ব্যবহৃত হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

⚪ ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

⚪ ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
২,২৯০.
কম্পিউটার সায়েন্সে Trojan Horse একটি-
  1. ছবি এডিট করার সফটওয়্যার
  2. অপারেটিং সিস্টেম 
  3. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ 
  4. ম্যালওয়্যার
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সায়েন্সে Trojan Horse হলো একটি ম্যালওয়্যার যা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা জ্ঞানের বাইরে কম্পিউটারে ক্ষতিকর কাজ করে। নামটি গ্রিক পুরাণের “Trojan Horse” থেকে এসেছে, যেখানে একটি বৃহৎ ঘোড়ার ভিতরে গোপনে সৈন্য লুকানো ছিল। একইভাবে, এই ধরনের সফটওয়্যার প্রথমে নির্দোষ বা কার্যকরী প্রোগ্রাম হিসেবে দেখা দেয়, কিন্তু একবার চালানো হলে এটি ভাইরাস, স্পাইওয়্যার বা অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রাম ইনস্টল করতে পারে। Trojan Horse সাধারণত ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, সিস্টেম ধ্বংস বা দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ছবি এডিট করার সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম বা প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) ম্যালওয়্যার।
 
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse):
- Malicious Software Malware অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার গুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স প্রভৃতি।
- ট্রোজান হর্স হলো এক ধরনের মেলওয়্যার যা দেখতে বৈধ মনে হলেও ব্যবহারকারীর কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। ব্যবহারকারীর নেটওয়ার্কের ক্ষতি, তথ্য চুরি বা সাধারণভাবে অন্য কিছু ক্ষতিকারক পদক্ষেপের উদ্দেশ্যে ট্রোজান হর্স ডিজাইন করা হয়ে থাকে।

• কম্পিউটারের ক্ষতিকর প্রোগ্রামসমূহ:
- Malware,
- Spyware,
- Ransomware,
- Worms, 
- Trojan Horse ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল) এবং Norton website.

২,২৯১.
শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য কোন কুয়েরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Cross tab Query
  2. Select Query
  3. Parameter Query
  4. Action Query
ব্যাখ্যা
• কুয়েরি (Query):
- ডেটাবেজে এক বা একাধিক টেবিলে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণ ডেটা থেকে প্রয়োজনীয় যেকোন সংখ্যক ডেটাকে দ্রুত বা খুব সহজে খুঁজে বের করা, প্রদর্শন করা বা ছাপানোর পদ্ধতিকে কুয়েরি বলা হয়।

• ডেটাবেজে ব্যবহৃত বিভিন্ন কুয়েরি গুলো হলো:
১. ক্রসট্যাব কুয়েরি (Cross tab Query):
- শর্তারোপ করে কুয়েরিকৃত ফলাফল সামারি আকারে প্রদর্শনের জন্য যে কুয়েরি করা হয় তাকে, ক্রসট্যাব কুয়েরি বলে।


২. সিলেক্ট কুয়েরি (Select Query):

- কোনো ডেটাবেজ টেবিলের ফিল্ড বা কলাম নির্বাচন করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে সিলেক্ট কুয়েরি বলা হয়।

৩. প্যারামিটার কুয়েরি (Parameter Query):
- ডায়লগ বক্সের তথ্য পূরণ করে যে কুয়েরি করা হয় তাকে প্যারামিটার কুয়েরি বলে।

৪. অ্যাকশন কুয়েরি (Action Query):
- কোনো কুয়েরি যখন ডেটাবেজের ডেটার মানের পরিবর্তন করে তাকে অ্যাকশন কুয়েরি বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,২৯২.
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় কী দিয়ে?
  1. ক) এলুমিনিয়াম
  2. খ) প্লাস্টিক
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরি হয় সিলিকন দিয়ে।
২,২৯৩.
ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোন মেমরি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়?
  1. ফ্ল্যাশ মেমরি
  2. ডায়নামিক র‍্যাম (DRAM)
  3. ম্যাগনেটিক স্টোরেজ
  4. স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) 
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি সাধারণত স্ট্যাটিক র‍্যাম (SRAM) ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। SRAM দ্রুততর মেমরি, কারণ এটি ডায়নামিক র‍্যামের মতো নিয়মিত রিফ্রেশ করার প্রয়োজন পড়ে না। এটি ট্রানজিস্টরের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করে, যা দ্রুত অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়। ক্যাশ মেমরি প্রসেসরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং প্রায়ই ব্যবহৃত ডেটা বা নির্দেশাবলী দ্রুত সরবরাহ করে, যার ফলে প্রসেসরের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ডায়নামিক র‍্যাম (DRAM) তুলনায় সস্তা না হলেও, SRAM এর উচ্চগতির কারণে এটি ক্যাশে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। অন্য মেমরি যেমন ফ্ল্যাশ বা ম্যাগনেটিক স্টোরেজ এই ধরনের দ্রুত অ্যাক্সেস প্রদান করতে সক্ষম নয়।
 
 • ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- ক্যাশ মেমোরি থাকে EPROM-এ।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়। 
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

২,২৯৪.
একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা কতটি বিট উপস্থাপন করতে পারে?
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো ১৬ ভিত্তির সংখ্যা, যেখানে প্রতিটি অঙ্ক ০ থেকে ৯ এবং A থেকে F পর্যন্ত হতে পারে। প্রতিটি হেক্সাডেসিমাল অঙ্ককে বাইনারি (বিট) হিসেবে প্রকাশ করা যায়। যেহেতু ২ এর ঘাতের সংখ্যা দ্বারা বাইনারি প্রকাশ করা হয়, তাই ১৬ ভিত্তির প্রতিটি অঙ্ককে ৪টি বিট দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমাল অঙ্ক F কে বাইনারিতে লিখলে হয় 1111, যা মোট ৪টি বিট। সুতরাং, একটি হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা ৪টি বিট উপস্থাপন করতে পারে। সঠিক উত্তর হলো গ) ৪।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৯৫.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক হলো-
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ডেটাবেজ প্যাকেজ প্রোগ্রাম
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
♦ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।যেমন:
- Word Processing Package Program - Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note.
- Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro.
- Database Package Program : dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

• সিস্টেম সফটওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম:
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার বা অপারেটিং সিস্টেম হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার ছাড়া কম্পিউটার চালু করা যায় না। কম্পিউটারের অভ্যন্তরীন কাজগুলো পরিচালনা করে সিস্টেম সফটওয়্যার।
- সিস্টেম সফট্ওয়্যার বিভিন্ন রকমের হতে পারে।
- DOS, Windows, Xenix/Unix বহুলবাবে ব্যবহৃত।
- Compiler, Interpretor, Assembler প্রোগ্রাম সমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৯৬.
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে কি বলে?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্স
  2. খ) জেনেটিক্স
  3. গ) বায়োইনফরমেটিক্স
  4. ঘ) বায়োলজিস্টিক্স
ব্যাখ্যা
জীব সংক্রান্ত ডেটা বিশ্লেষণ করে বুঝার জন্য উপযুক্ত পদ্ধতি এবং সফটওয়্যার টুলস উন্নয়ন করাকে বায়োইনফরমেটিক্স বলে।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,২৯৭.
4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে কতগুলো আউটপুট লাইন থাকে?
  1. ১৬টি 
  2. ৩২টি 
  3. ৬৪টি 
  4. ৪টি 
ব্যাখ্যা

◉ 4-লাইন ডিকোডারের আউটপুট লাইন সংখ্যা ১৬ টি। এর কারণ হলো ডিকোডারের মূলনীতি অনুযায়ী, যদি ডিকোডারে ইনপুট লাইনের সংখ্যা n হয়, তাহলে আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 2ⁿ টি। যেহেতু এখানে ইনপুট লাইনের সংখ্যা 4, তাই আউটপুট লাইনের সংখ্যা হবে 24 = 16 টি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকিগুলোতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

∴ 4 লাইন ডিকোডারের ক্ষেত্রে আউটপুট লাইন = 24
= 16 টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৯৮.
কোন প্রিন্টারে ছাপানোর খরচ কম?
  1. ক) ডট ম্যাট্রিক্স
  2. খ) ইঙ্কজেট
  3. গ) লেজার
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা


 সূত্র - Computer & ICT - 2, SSC Vocational, Board Book
২,২৯৯.
ওপেন সোর্স ডেটাবেইজের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ওরাকল
  2. খ) এসকিউএল সার্ভার
  3. গ) আইআইএস
  4. ঘ) পোষ্টগ্রেস
ব্যাখ্যা

- যে ডেটাবেজ একাধিক টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত হয় এবং যে ডেটাবেজে বিভিন্ন টেবিলের মধ্যে লজিক্যাল সম্পর্ক বিদ্যমান থাকে তাকে বলা হয় রিলেশনাল ডাটাবেজ।
- ডেটার প্রকৃতি অনুযায়ী আলাদা-আলাদা টেবিল তৈরি করা হয়। পরে টেবিলসমূহের মধ্যে রিলেশন তৈরি করে রেকর্ডসমূহ সামগ্রিকভাবে ব্যবহার করা যায়।
- ফ্রি এবং ওপেন সোর্স ডেটাবেইজগুলো হল- মাইসিকুয়েল, পোষ্টগ্রেস, এসকিউলাইট।

সুত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।

২,৩০০.
ইনফোগ্রাফি কী?
  1. একটি সাইবার অপরাধ।
  2. একটি কম্পিউটার মেমরি।
  3. কোনো একটি বিবৃতির ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।
  4. গ্রাফিক্স কার্ডের একটি পোর্ট।
ব্যাখ্যা
• ইনফোগ্রাফি:
- ইনফোগ্রাফি হলো বিভিন্ন তথ্যের বা কোনো একটি বিবৃতির ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা।
- এটি কোনো গল্প বলতে, কোনো আইডিয়া উপস্থাপন করতে বিভিন্ন ছবি অথবা কালারফুল টেক্সট-এর মাধ্যমে আকর্ষণীয় করে উপস্থাপনাকে বোঝানো হয়।
- এটি বিভিন্ন সংবাদপত্র, ম্যাগাজিন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনের বা তথ্যের উপস্থাপনার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন গবেষণার সামারি উপস্থাপনার কাজেও ইনফোগ্রাফের ব্যবহার হয়ে থাকে। 

- একটি ইনফোগ্রাফ তৈরি করার সময় যে বিষয়গুলোর দিকে লক্ষ রাখতে হবে সেগুলো হচ্ছে-
◊ একটি কাগজে শুরুতেই একটি ডিজাইন করে নিতে হবে।
◊ আকর্ষণীয় টাইটেল ও লেখাগুলো নির্ধারণ করতে হবে।
◊ সফটওয়্যারের একটি আকর্ষণীয় টেমপ্লেট ব্যবহার করতে হবে।
◊ রংয়ের ব্যবহার এবং লেখার ফন্ট যেন খুব বেশি পরিবর্তন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
◊ খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো অবশ্যই আনতে হবে।
◊ আইডিয়া সম্পর্কিত খুবই সাধারণ কিছু ছবি ও আইকন ব্যবহার করা যেতে পারে।
◊ প্রয়োজনে একাধিক পেইজে তৈরি করা যেতে পারে।

- একটি ইনফোগ্রাফ তৈরি করার জন্য আমরা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করা যায়। যেমন: Piktochart; Snappa; Infogram; Freepik; Canva; Venngage; Visme; Adobe Spark; Easel.ly ইত্যাদি।
- Piktochart সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়।

উৎস: ডিজিটাল প্রযুক্তি, নবম শ্রেণি।[২০২৩ সংস্করণ]