বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ২২ / ৮২ · ২,১০১২,২০০ / ৮,১৪১

২,১০১.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. Cache Memory
  2. ROM
  3. RAM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমরি।
- যেসব নির্দেশ ও ডেটা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদেরকে ক্যাশ মেমরিতে রাখা হয়।
- এর ধারণক্ষমতা ২৫৬ কিলোবাইট হতে কয়েক মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে ক্যাশ মেমরিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। অভ্যন্তরীণ ক্যাশ বা লেভেল-১ ক্যাশ (LI / Internal Cache) ও
২। বহিঃস্থ ক্যাশ বা লেভেল-২ ক্যাশ (L2 / External Cache)।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অভ্যন্তরে যে ক্যাশ স্মৃতি কাজ করে সেটিকে অভ্যন্তরীণ ক্যাশ স্মৃতি বলা হয়।
- যে স্মৃতি কম্পিউটারের প্রধান বোর্ড বা মাদারবোর্ডের ওপর অবস্থান করে তাকে বহিঃস্থ ক্যাশ স্মৃতি বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় তাকে ক্যাশ হিট বলে।
- প্রসেসর যখন ক্যাশ স্মৃতিতে কোনো ডেটা খুঁজে পায় না তাকে ক্যাশ মিস বলে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১০২.
অনলাইনে গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হলে তাকে কি বলে?
  1. ই-পেপার
  2. পেটেন্ট
  3. ই-কন্টেন্ট
  4. ই-জার্নাল
ব্যাখ্যা
• ই-জার্নাল:
- ই-জার্নাল হলো গবেষণা নথি বা প্রবন্ধের একটি ডিজিটাল সংস্করণ, যা ইন্টারনেটে প্রকাশ করা হয়।
- এর সুবিধাগুলো হলো, এটি যেকোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে অ্যাক্সেস করা যায়, ডাউনলোড বা ই-মেইল করা যায় এবং এর কোনো নির্দিষ্ট অংশ বা পুরো জার্নালটি ইন্টারনেটে সার্চ করে বের করা যায় কিংবা পাঠ করা যায়।

• পেটেন্ট:
- পেটেন্ট হচ্ছে একচেটিয়া অধিকার, কোনো কিছু উদ্ভাবনের জন্য এটা অনুমোদন করা হয়।
- উদ্ভাবনটি হতে পারে একটি পণ্য বা একটি প্রক্রিয়া, যা কোনো কিছু সম্পাদনের নতুন পদ্ধতি প্রদান করে বা কোনো সমস্যার নতুন কারিগরি সমাধান প্রস্তাব করে।
- একটি পেটেন্ট তার মালিককে তার উদ্ভাবনের সুরক্ষা প্রদান করে।
- সীমিত সময়ের জন্য এই সুরক্ষা সাধারণত ২০ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১০৩.
নিচের কোনটি ১৬ বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮০৮০
  2. খ) ৮০৮৬
  3. গ) ৮০৩৮৬
  4. ঘ) ৪০৪০
ব্যাখ্যা
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।

১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।

উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি
২,১০৪.
এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যা সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন করে, শুধু যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে, তাকে বলা হয়:
  1. Explicit allow rule
  2. Implicit deny rule
  3. Deny-all rule
  4. Permit-all rule
ব্যাখ্যা

• এমন একটি ফায়ারওয়াল নীতি যেখানে ডিফল্টভাবে সব ধরনের নেটওয়ার্ক ট্রাফিক অনুমোদিত থাকে এবং কেবল নির্দিষ্টভাবে যেসব ট্রাফিককে নিষিদ্ধ (deny) করা হয়েছে, সেগুলোই ব্লক করা হয়- তাকে Permit-all rule বলা হয়। এই নীতিতে ফায়ারওয়াল প্রথমে ধরে নেয় যে সব ট্রাফিক নিরাপদ, যতক্ষণ না কোনো স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থাকে। ফলে আলাদা করে প্রতিটি অনুমোদনের নিয়ম লিখতে হয় না, বরং শুধু ঝুঁকিপূর্ণ বা অপ্রয়োজনীয় ট্রাফিকের জন্য deny rule প্রয়োগ করা হয়। এই পদ্ধতি ব্যবহারে নেটওয়ার্ক সহজে প্রবেশযোগ্য হলেও নিরাপত্তার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। সঠিক উত্তর হলো ঘ) Permit-all rule.
 
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

• অপশন আলোচনা:
- Explicit allow rule:
-  নির্দিষ্ট ট্রাফিককে অনুমোদন দেওয়া হয়।
- এটি পুরো নেটওয়ার্ককে অনুমোদন দেয় না, বরং কেবল নির্দিষ্ট ট্রাফিকের জন্য।

- Implicit deny rule:

- যা স্পষ্টভাবে অনুমোদিত নয়, তা অটোমেটিকভাবে ব্লক করা হয়।
- এটি সাধারণত "ডিফল্ট deny" নীতি, যা ট্রাফিকের অনুমোদন সীমিত করে।

- Deny-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে ব্লক করে।
- এটি পূর্বনির্ধারিত ব্লক পলিসি।

- Permit-all rule:

- সমস্ত ট্রাফিককে অনুমোদন দেয়, শুধুমাত্র যে ট্রাফিককে নিষিদ্ধ করা হয়েছে তা বাদ দিয়ে।
- এটি পুরোপুরি মিলে যায় আপনার প্রশ্নের বর্ণনার সাথে।
-  সঠিক উত্তর: Permit-all rule.

উৎস:
- ব্রিটানিকা।
- Microsoft. [link]

২,১০৫.
নিচের কোন ডিভাইসটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে পরিচিত?
  1. Film Recorder
  2. Graphics Pad
  3. Image Setter
  4. Plotter
ব্যাখ্যা

◉ Graphics Pad (Digitizer/Graphics Tablet): এটি একটি ইনপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী হাতে আঁকা ছবি, ডিজাইন বা লেখাকে সরাসরি কম্পিউটারে ইনপুট দিতে পারে। ডিজাইনার ও ইলাস্ট্রেটররা এটি বেশি ব্যবহার করে।

​পেরিফেরাল ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে কম্পিউটার পেরিফেরালস বলে।
- কম্পিউটার পেরিফেরাল ডিভাইসগুলোকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ:
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera, ইত্যাদি।

২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone, ইত্যাদি।

৩. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ:
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১০৬.
নিম্নলিখিত ডিভাইসগুলোর মধ্যে কোনটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় কাজ করে? 
  1. মাইক্রোফোন
  2. কিবোর্ড
  3. স্পিকার
  4. মডেম
ব্যাখ্যা

• নির্দিষ্ট ডিভাইসগুলোর মধ্যে মডেম (ঘ) হলো এমন একটি ডিভাইস যা ইনপুট এবং আউটপুট উভয় কাজ করতে সক্ষম। মাইক্রোফোন কেবল ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি শব্দকে সিগন্যাল বা ডেটায় রূপান্তরিত করে কম্পিউটারে পাঠায়। কিবোর্ডও কেবল ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীর কমান্ড বা তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। স্পিকার কেবল আউটপুট ডিভাইস, যা কম্পিউটারের সিগন্যালকে শব্দে রূপান্তরিত করে আমাদের শোনায়। অন্যদিকে মডেম ডেটাকে ডিজিটাল থেকে অ্যানালগ এবং অ্যানালগ থেকে ডিজিটালে রূপান্তর করে, ফলে এটি কম্পিউটার থেকে ডেটা পাঠাতে (ইনপুট) এবং গ্রহণ করতে (আউটপুট) ব্যবহৃত হয়। তাই মডেমই একমাত্র ডিভাইস যা উভয় কাজ করতে পারে।

• মডেম:
- মডেম হলো একটি কমিউনিকেশন ডিভাইস যা তথ্যকে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে টেলিফোন নেটওয়ার্ক ব্যবস্থার মাধ্যমে পৌঁছে দেয়।

• মডেম একটি ইনপুট ও আউটপুট উভয় ধরনের ডিভাইস।
- মডেম শব্দটি এসেছে Modulator-Demodulator থেকে।
- এটি এমন একটি যন্ত্র যা কম্পিউটারের ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগে রূপান্তর করে (Modulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে। 
- আবার অ্যানালগকে ডিজিটালে রূপান্তর করে (Demodulation)।
- এ কাজের জন্য এতে একটি ADC নামক চিপ থাকে। 
- ফলে এটি তথ্য প্রেরণ ও গ্রহণ-উভয় কাজই করতে পারে।
- তথ্য প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী উভয় কম্পিউটারে মডেম সংযুক্ত থাকতে হয়।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১০৭.
(4CF)16 কে দশমিকে রূপান্তর করুন।
  1. 1024
  2. 1231
  3. 1216
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

(4CF)16 
= 4 × 162 + 12 × 161 + 15 × 160 
= 4 × 256 + 12 × 16 + 15 × 1
= 1024 + 192 +15
= 1231

∴ (4CF)16 = (1231)10

২,১০৮.
A one-bit signal that indicates the start of data transmission by an asynchronous device is
  1. ক) Parity bit
  2. খ) Status bit
  3. গ) Zero bit
  4. ঘ) Start bit
ব্যাখ্যা
A one-bit signal that indicates the start of data transmission by an asynchronous device is Start bit.
২,১০৯.
অক্টাল সংখ্যা 164 এর ডেসিমেল মান কত?
  1. 108
  2. 116
  3. 124
  4. 104
ব্যাখ্যা
• (164)8 এর ডেসিমেল নাম্বার 116.

• অক্টাল সংখ্যা (Octal Number):
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- এই পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7 এই ৮টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: (১০১)৮, (৭৩১)৮ ইত্যাদি।

এখানে,
(164)8
= (1 × 8²) + (6 × 8¹) + (4 × 8⁰)
= 64 + 48 + 4
= 116

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১১০.
এমবেডেড সিস্টেম জনপ্রিয়তার কারণ?
  1. ক) দামে সস্তা
  2. খ) আকার ছোট
  3. গ) বিদ্যুৎ খরচ কম
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
এমবেডেড সিস্টেম জনপ্রিয় হবার কারণ- দামে সস্তা, আকারে ছোট, ওজন কম, বিদ্যুৎ খরচ কম ও কর্মদক্ষতা বেশি।
২,১১১.
Which of the following is not a common application program?
  1. MS Word
  2. MS Excel
  3. Linux
  4. Photoshop
ব্যাখ্যা

Linux is not a common application program.
- এটি একটি অপারেটিং সিস্টেম। 

সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম
- যেসব সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম বাণিজ্যিকভাবে কোনো নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়, সেগুলোকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক দৈনন্দিন বা ব্যবহারিক সমস্যার সমাধানের জন্য তৈরি এবং বাজারে সরবরাহিত সফটওয়্যারগুলোর সবকটিকেই সাধারণ ব্যবহারিক বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ:
   - MS Word ব্যবহার করে ওয়ার্ড প্রসেসিং করা যায়।
   - MS Excel দিয়ে হিসাব-নিকাশ এবং ডাটা বিশ্লেষণ করা যায়।
   - MS Access দিয়ে ডেটাবেজ পরিচালনা করা যায়।
- মূলত, কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা দৈনন্দিন সমস্যার সমাধান করতে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্য নেন।

উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম:
- MS Office,
- Internet Explorer,
- Netscape Navigator,
- Netscape Communicator,
- ইলেকট্রনিক মেইল (Email),
- PageMaker,
- Photoshop,
- Illustrator, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,১১২.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?  
  1. MacOS
  2. iOS
  3. Ubuntu
  4. Microsoft Windows
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম: 
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি OS যা শুধুমাত্র একটি মোবাইল ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয় যেমন একটি স্মার্টফোন, ব্যক্তিগত ডিজিটাল সহকারী (PDA), ট্যাবলেট বা অন্যান্য এমবেডেড মোবাইল OS. 
- মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: iOS, Symbian, Windows Phone OS, Android, Blackberry OS ইত্যাদি। 

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম: 
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়। 
- কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: Microsoft Windows, Linux, UNIX, MacOS, Ubuntu ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা এবং Techopedia website.
২,১১৩.
কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি প্রধান কাজের অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. Input
  2. Output
  3. Structure
  4. Processing
ব্যাখ্যা
• IPOS Cycle:
- কম্পিউটার IPOS cycle অনুসারে কাজ করে।
- কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইস যা চারটি মৌলিক কাজ করে।
- এই ফাংশনগুলি আইপিওএস চক্র বা তথ্য প্রক্রিয়াকরণ চক্র তৈরি করে। চারটি ফাংশন নিম্নরূপ:
• Input - কম্পিউটারে ডেটা প্রবেশ করার প্রক্রিয়া।
• Processing - ডেটা ইনপুট নির্দেশের একটি ক্রম। এটি ডাটাকে তথ্যে রূপান্তর করে।
• Output - তথ্য প্রদর্শনের প্রক্রিয়া।
• Storage - পরবর্তী ব্যবহারের জন্য তথ্য সংরক্ষণের প্রক্রিয়া।


উৎস:
১. Fundamentals of Computer Book.
২. Computerhope website.
২,১১৪.
সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম কোন অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. Unix
  2. Linux
  3. Windows
  4. MS-DOS
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা প্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়েছিল। ডেনিস রিচি এবং কেন থমসন বেল ল্যাবস-এ Unix অপারেটিং সিস্টেমের উন্নয়নের সময় C ভাষার বিকাশ করেন। তখনকার সময় Unix মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষায় তৈরি হয়েছিল, কিন্তু সিস্টেমের কার্যকারিতা এবং পোর্টেবিলিটি বাড়ানোর জন্য C ভাষা উদ্ভাবন করা হয়। C-এর মাধ্যমে Unix অপারেটিং সিস্টেমকে হাই-লেভেল ভাষায় পুনঃলিখন করা সম্ভব হয়, যা সিস্টেমকে বিভিন্ন হার্ডওয়্যারে সহজেই চালানোর সুযোগ দেয়। এই কারণে C ভাষা দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য একটি ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

- উত্তর: ক) Unix.

• সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
- তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
- 'সি' এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে 'বি' নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো 'সি' ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
- প্রথমে 'সি' সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে 'সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১১৫.
Which of the following peripheral devices displays information to a user?
  1. ক) Keyboard
  2. খ) Monitor
  3. গ) Both A and B
  4. ঘ) None
ব্যাখ্যা
• Peripheral devices are the external hardware components that are connected to a modern computer.
• There are many types of peripheral devices that are connected to a typical modern computer.
• And among those components, the monitor is one of the most important components which is mainly used to get the visual output from the computer.

Source: Fundamentals of Computer.
২,১১৬.
কোন ধরনের সফটওয়্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বলা হয়? 
  1. ম্যালওয়্যার
  2. লিগ্যাল সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম সফটওয়্যার
  4. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
ক্ষতিকারক সফটওয়্যার: 
- কম্পিউটারে কোনো কাজ করতে হলে সেটি প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হয়, সাধারণভাবে কম্পিউটারে দুই ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামগুচ্ছ থাকে। 
যেমন- সিস্টেম সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার। 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারসমূহকে যথাযথভাবে ব্যবহারের পরিবেশ নিশ্চিত রাখে, অন্যদিকে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কোনো বিশেষ কাজ সম্পন্ন করে। 
- যখনই কোনো সফটওয়‍্যার কাজ করে, তখনই এর কিছু অংশ কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে অবস্থান নেয় এবং বাকি অংশগুলো অপারেটিং সিস্টেমের সহায়তায় অন্য কার্যাবলি সম্পন্ন করে।
- আবার কিছু প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর, এ ধরনের সফটওয়‍্যারকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার বলা হয়। আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়‍্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার। 
যেমন- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত। 
- ইন্টারনেটের বিকাশের আগে ম্যালওয়‍্যারের সংখ্যা খুবই কম ছিল। যখন থেকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ম্যালওয়‍্যারকে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, তখন থেকেই ম্যালওয়্যারের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। 
- প্রচলিত ও শনাক্তকৃত ম্যালওয়্যারসমূহের মধ্যে নিম্নোক্ত তিন ধরনের ম্যালওয়্যার সবচেয়ে বেশি দেখা যায়- 
ক. কম্পিউটার ভাইরাস, 
খ. কম্পিউটার ওয়ার্ম এবং 
গ. ট্রোজান হর্স । 

- কম্পিউটার ভাইরাস ও ওয়ার্মের মধ্যে আচরণগত পার্থক্যের চেয়ে সংক্রমণের পার্থক্যকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন ধরনের ম্যালওয়্যার, যা কোনো কার্যকরী ফাইলের (executable file) সঙ্গে যুক্ত হয়।
- যখন ওই প্রোগ্রামটি (এক্সিকিউটিবল ফাইল) চালানো হয়, তখন ভাইরাসটি অন্যান্য কার্যকরী ফাইলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংক্রমিত হয়।

- কম্পিউটার ওয়ার্ম সেই প্রোগ্রাম, যা কোনো নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। অর্থাৎ কম্পিউটার ভাইরাস ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়া (অজান্তে হলেও) ছড়িয়ে পড়তে পারে না।
যেমন- কোনো পেনড্রাইভে কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কোন ফাইল থাকলেই তা ছড়িয়ে পড়তে পারে না। যদি কোনো কম্পিউটারে সেই পেনড্রাইভ যুক্ত করে ব্যবহার করা হয় তাহলেই কেবল পেনড্রাইভের ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। অন্যদিকে, ওয়ার্ম নিজে থেকেই নেটওয়ার্ক থেকে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং নেটওয়ার্কের কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।

- ক্ষতিকর সফটওয়্যারের উদ্দেশ্য তখনই সফল হয়, যখন কিনা সেটিকে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। এজন্য অনেক ক্ষতিকারক সফটওয়‍্যার ভালো সফটওয়‍্যারের ছদ্মাবরণে নিজেকে আড়াল করে রাখে। ব্যবহারকারী সরল বিশ্বাসে সেটিকে ব্যবহার করে। এটি হলো ট্রোজান হর্স বা ট্রোজানের কার্যপদ্ধতি।
- যখনই ছদ্মবেশী সফটওয়্যারটি চালু হয় তখনই ট্রোজানটি কার্যকর হয়ে ব্যবহারকারীর ফাইল ধ্বংস করে বা নতুন নতুন ট্রোজান আমদানি করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
২,১১৭.
Personal computers are also known as -
  1. Microcomputers
  2. Mainframes
  3. Supercomputers
  4. Minicomputers
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Microcomputers। 

ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট ডিজিটাল কম্পিউটার, যার কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে একটি মাইক্রোপ্রসেসর থাকে।
- মাইক্রোকম্পিউটার শব্দটি প্রায়শই ব্যক্তিগত কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হতো, বিশেষ করে সেই কম্পিউটারগুলোর ক্ষেত্রে যার CPU একটি একক ইন্টিগ্রেটেড সেমিকন্ডাক্টর চিপে থাকে।
- আকার, কার্যক্ষমতা এবং খরচের দিক থেকে এটি সবচেয়ে ছোট কম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসরের মাধ্যমে একীভূত সার্কিট ব্যবহার করা হয়।
- এটি স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পার্সোনাল কম্পিউটার (PC) হিসেবে কাজ করে।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহারের পাশাপাশি বিনোদনের জন্য এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১১৮.
Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে কী বলা হয়?
  1. ক) System Unit
  2. খ) Central Processing Unit
  3. গ) Memory Unit
  4. ঘ) Processing Unit
ব্যাখ্যা

সিস্টেম ইউনিট :
একটা Personal Computer-এর সবচেয়ে বড় অংশকে System Unit বলে।
এ Unit-এর ভিতরেই সি পি ইউ (Central Processing Unit), স্মৃতিকেন্দ্ৰ (Memory Unit), সমস্ত যন্ত্রাংশ, ফ্লপি, সিডি, ডিস্ক ড্রাইভ ও হার্ডডিস্ক অবস্থিত। |

এখানে রিসেট (Reset) বোতাম থাকে এবং সিস্টেম ইউনিটকে তালা চাবি লাগানোর ব্যবস্থাও থাকে ।
আমরা হার্ডডিস্ককে বাইরে থেকে দেখতে পারি না। মনিটরের নিচে অথবা পাশে দাঁড় করানো থাকে। এ বাক্সটির ভিতরেই কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশ সংযোজিত থাকে। এ সিষ্টেম ইউনিট এর ভিতরেই কম্পিউটারের মাদার বোর্ডসহ অন্যান্য অংশসমূহ বিদ্যমান।

উৎস : মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ – বি এড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২,১১৯.

প্রদত্ত চিত্রে, A = 1, B = 0 এবং C = 1 হলে X এর মান কত?
  1. 1
  2. 0
  3. 1, 0 দুইটিই হতে পারে
  4. AC
২,১২০.
মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. Unix
  2. MS-DOS
  3. CP/M
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে। 
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ: 
সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। 
যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি। 

মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম: 
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি। 
- XENIX হলো UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ। 

বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম: 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। 
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। 
যেমন- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম: 
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। 
যেমন- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২১.
চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন কবে?
  1. ক) ১৮২২
  2. খ) ১৮২৩
  3. গ) ১৮৩২
  4. ঘ) ১৮৩৩
ব্যাখ্যা
ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় গণিতবিদ অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ ১৮২২ সালে ডিফারেন্স ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন। ১৮৩৩ সালে এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামক একটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরীর পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং নকশা করেন। এজন্য তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২,১২২.
সাধারণত '.JPG' এক্সটেনশনযুক্ত একটি ফাইল কোন ধরনের কনটেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Executable program
  2. Document
  3. Spreadsheet
  4. Image
ব্যাখ্যা
• '.JPG' ফাইল এক্সটেনশন:
- '.JPG' ফাইল এক্সটেনশনটি মূলত ছবি বা ইমেজ ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- JPG (বা JPEG) হলো একটি জনপ্রিয় ইমেজ ফরম্যাট যা উচ্চ গুণগত মানের ছবি কম আকারে সংরক্ষণ করতে সহায়তা করে।
- এটি ফটোগ্রাফ, ডিজিটাল ছবি বা গ্রাফিক্স ফাইলের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত, আপনি যখন ছবি অথবা ছবি সম্পর্কিত কোনো কনটেন্ট দেখতে পান, তখন তার এক্সটেনশন '.JPG' হতে পারে।

অপশন আলোচনা:
• Executable program:
- এক্সিকিউটেবল প্রোগ্রাম ফাইলের জন্য সাধারণত '.EXE', '.APP', '.BAT' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলি একটি প্রোগ্রাম চালানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যা কম্পিউটার বা ডিভাইসে সরাসরি কার্যকর হয়।

• Spreadsheet:
- স্প্রেডশিট ফাইলের জন্য সাধারণত '.XLS', '.XLSX' বা '.ODS' এক্সটেনশন ব্যবহৃত হয়।
- এই ধরনের ফাইলগুলোর মধ্যে টেবিল, সেল, সূত্র, গ্রাফ ইত্যাদি থাকে, যা ডেটা বিশ্লেষণ বা হিসাব-নিকাশের কাজে ব্যবহৃত হয়।

• Document:
- ডকুমেন্ট ফাইলের জন্য সাধারণত '.DOC', '.DOCX', '.PDF' ইত্যাদি এক্সটেনশন ব্যবহার করা হয়।
- এসব ফাইল মূলত লেখা, তথ্য, এবং অন্যান্য টেক্সট কনটেন্ট ধারণ করে থাকে।

সূত্র- Computer Hope Website.
২,১২৩.
র‌্যামে নিম্নোক্ত কোন প্রোগ্রাম সংরক্ষিত থাকে?
  1. Operating system
  2. Application
  3. Graphical User Interface (GUI)
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত।
- র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- র‌্যামে সংরক্ষিত প্রোগ্রামসমূহের উদাহরণ:
  - The operating system
  - Applications
  - The graphical user interface (GUI)
 
উৎস: bbc.co.uk
২,১২৪.
What is the method of data transmission between the keyboard and the CPU?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
২,১২৫.
তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে
  1. ফিল্ড
  2. রেকর্ড
  3. সেল
  4. ডাটা
ব্যাখ্যা
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum-এর বহুবচন। তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতম অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত।
প্রক্রিয়াকরণ করে তথ্যে পরিণত করার জন্য ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি টাই ডাটা।
২,১২৬.
কোনটি আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ নয়?
  1. ক) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  2. খ) মাইক্রো কম্পিউটার
  3. গ) মেক্সফ্রেম কম্পিউটার
  4. ঘ) সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন ও কার্যকারিতা অনুসারে কম্পিউটারের শ্রেণীবিভাগ:
- আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সুপার কম্পিউটার (Super Computer),
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩. মিনি কম্পিউটার (Minicomputer) এবং 
৪. মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer)। 

• সুপার কম্পিউটার (Super Computer): 
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। 

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার। 

• মিনি কম্পিউটার (Mini Computer):
- সাধারণত মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু মাইক্রোকম্পিউটারের চেয়ে কিছুটা বড় আকারের কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটারের গতি, মেমোরি এবং কাজ করার ক্ষমতা মাইক্রোকম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৭.
নর গেইট কোন কোন গেইটের সমন্বিত রুপ?
  1. অ্যান্ড গেইট ও নট গেইট
  2. অর গেইট ও নট গেইট
  3. অ্যান্ড গেইট ও অর গেইট
  4. দুটি নট গেইট
ব্যাখ্যা
নর গেইট
- নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। 
- অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। 
- অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

এক্স অর গেইট
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর (XOR) গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

এক্স নর গেইট
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR)গেইট বলে।
- এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইটর বিপরীত কাজ করে।
- দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
২,১২৮.
IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার কোনটি?
  1. মার্ক-১
  2. আইবিএম-৩৬০
  3. ইন্টেল-৪০০৪
  4. পিডিপি
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- একীভূত বর্তনী বা IC এর ব্যবহার শুরু হয়।
- IC সিলিকন দিয়ে তৈরী।
- IC চিপ দিয়ে তৈরী প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM 360.
- RAM, ROM এর ব্যবহার।
- RAM, ROM ও অর্ধপরিবাহী দিয়ে তৈরী।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১২৯.
মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ কী?
  1. সার্কিটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা
  2. RAM-এর ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
  3. নির্দেশাবলী কার্যকর করা
  4. ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজ হলো নির্দেশাবলী কার্যকর করা। এটি একটি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (CPU) যা কম্পিউটারের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে। মাইক্রোপ্রসেসর বিভিন্ন ধরনের ইনপুট নেয়, যেমন প্রোগ্রামের কোড বা ব্যবহারকারীর নির্দেশ, এবং এগুলিকে প্রসেস করে আউটপুট তৈরি করে। 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ যা CPU-এর গাণিতিক, যুক্তিগত ও নিয়ন্ত্রণ কার্য সম্পাদন করে।
- এটি একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) যা প্রোগ্রামের নির্দেশনা ব্যাখ্যা ও সম্পাদন করতে পারে।

• উদ্ভব ও বিকাশ:
- LSI (Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৭০-এর দশকে হাজার হাজার যন্ত্রাংশ একত্রে একটি সিলিকন চিপে বসানো সম্ভব হয়।
- বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর ছিল Intel 4004, যা ১৯৭১ সালে বাজারে আসে।
- VLSI (Very Large Scale Integration) প্রযুক্তির মাধ্যমে ১৯৮০-এর দশকে মাইক্রোপ্রসেসরের ঘনত্ব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।
- ২০১০-এর দশকে একটি ছোট চিপেই বিলিয়ন সংখ্যক যন্ত্রাংশ বসানো সম্ভব হয়েছে।

• মাইক্রোপ্রসেসরের প্রধান কাজগুলো হলো-
- ইনপুট ও আউটপুট অংশগুলোর সংগে কাজের সমন্বয় সাধন করা।
- গাণিতিক/যুক্তির কাজ করা।
- কম্পিউটারের স্মৃতিতে সঞ্চিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা।
- স্মৃতি ও গাণিতিক/যুক্তি অংশের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের কাজ এবং অন্যান্য অংশের সাথে তথ্য বিনিময়ের কাজ নিয়ন্ত্রণ করা।

উৎস: ১। এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।

২,১৩০.
অনুবাদক প্রোগ্রাম কয় ধরনের?
  1. তিন
  2. পাঁচ
  3. দুই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১৩১.
'100' এর ১ এর পরিপূরক (1’s complement) কত?
  1. ক) 001
  2. খ) 011
  3. গ) 101
  4. ঘ) 100
ব্যাখ্যা
100 এর ১ এর পরিপূরক হচ্ছে  011

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ( একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
২,১৩২.
Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভে সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম কী 
  1. EXT4
  2. FAT32
  3. FAT16
  4. NTFS
ব্যাখ্যা

• Windows-এর আধুনিক সংস্করণে C: ড্রাইভের জন্য সবচেয়ে প্রচলিত ফাইল সিস্টেম হলো NTFS। NTFS বা New Technology File System মাইক্রোসফট দ্বারা তৈরি একটি উন্নত ফাইল সিস্টেম যা উচ্চ নিরাপত্তা, ফাইল অনুমতি নিয়ন্ত্রণ, বড় ফাইল এবং ড্রাইভ সাইজ সমর্থন, এবং ফাইল সিস্টেম জার্নালিং সুবিধা প্রদান করে। এটি Windows XP, Windows 7, 8, 10 এবং সর্বশেষ Windows 11-এ ডিফল্টভাবে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে FAT16 এবং FAT32 পুরোনো ফাইল সিস্টেম যা ছোট ড্রাইভ এবং কম ক্ষমতার স্টোরেজের জন্য উপযুক্ত, কিন্তু আধুনিক নিরাপত্তা এবং পারফরম্যান্সের জন্য যথেষ্ট নয়। EXT4 মূলত Linux-এ ব্যবহৃত হয়, Windows-এ নয়। তাই আধুনিক Windows-এর জন্য NTFS প্রধান।
 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২,১৩৩.
35 দশমিক সংখ্যার বাইনারি সংখ্যা কত?
  1. ক) 100110
  2. খ) 100101
  3. গ) 100011
  4. ঘ) 100101
ব্যাখ্যা

ডান পাশ থেকে শুরু, 1 থেকে দ্বিগুণ করে যতটা বাইনারি সংখ্যা থাকবে ততটা দশমিক সংখ্যার দ্বিগুণ লিখতে হবে। তারপর বাইনারি সংখ্যার যেগুলোতে 1 থাকবে তত তম দশমিক সংখ্যার সাথে 1 গুণ করতে হবে। যেমন এখানে 6টি বাইনারি সংখ্যা আছে। তাহলে 32-16-8-4-2-1 ছয়টি সংখ্যা লেখা হলো। এখন কোন কোন সংখ্যার যোগফল 35 হবে সেই সংখ্যার জায়গায় 1 বসিয়ে বাকী গুলোতে 0 বসিয়ে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যাবে।
(32×1) + (16×0) + (8×0) + (4×0) + (2×1) + (1×1)
= 32+0+0+0+2+1
= 35

২,১৩৪.
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ডিবাগিং
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট একে একে মেশিন কোডে রূপান্তর করে ইন্টারপ্রেটার।

• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটার পুরো প্রোগ্রাম পরীক্ষা না করে প্রোগ্রামের প্রতিটি স্টেটমেন্ট (statement বা নির্দেশ) মেশিন কোডে রূপান্তর করে সেটিকে এক্সিকিউট করে।
- অর্থাৎ, কোনো প্রোগ্রামে যদি দশটি স্টেটমেন্ট থাকে, তাহলে প্রথম স্টেটমেন্ট আগে মেশিন কোডে রূপান্তর হয়ে চলবে, তারপর দ্বিতীয় স্টেটমেন্ট, তারপর তৃতীয় স্টেটমেন্ট, একে একে সব স্টেটমেন্ট এক্সিকিউট হবে। এ কারণে ভুল শুদ্ধ করা অনেক সহজ।
- কিন্তু একটি একটি করে স্টেটমেন্ট মেশিন কোডে রূপান্তর হয় বলে সময় তুলনামূলকভাবে বেশি লাগে।

অন্যান্য অপশন:
• কম্পাইলার (Compiler):
- কম্পাইলার প্রথমে পুরো প্রোগ্রামটি পরীক্ষা করে দেখে যে এর ভাষার নিয়মকানুন (যাকে ইংরেজিতে বলে সিনট্যাক্স Syntax) ঠিক আছে কি না। যদি ঠিক থাকে, তখন সে পুরো প্রোগ্রামটি
কম্পাইল করে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করা হয় তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে সব একসাথে দেখানো হয়। সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল।
তবে কম্পাইল করার পর এই প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
অ্যাসেম্বলি ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে মেশিন কোডে অনুবাদ করে অ্যাসেম্বলার নামক একটি প্রোগ্রাম।
- উচ্চ স্তরের যেসব প্রোগ্রামিং ভাষা সেগুলোকে মেশিন কোডে অনুবাদ করার কাজটি করার জন্য দু ধরনের প্রোগ্রাম রয়েছে- কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)।
প্রতিটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষারই পৃথক কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রেটার রয়েছে।
এই দুই ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য এক হলেও কাজের ধরনে কিছুটা ভিন্নতা রয়েছে।

• প্রোগ্রাম ডিবাগিং:
- প্রোগ্রাম তৈরির সময় বিভিন্ন কারণে প্রোগ্রামে ভুল হতে পারে।
প্রোগ্রামের ভুলকে বাগ (Bug) বলে।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করা এবং সংশোধন করাকে ডিবাগিং (Debugging) বলা হয়।
- সব ভুল-ত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোনো প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা: ডেটা ভুল, যুক্তিগত ভুল এবং সিনট্যাক্স ভুল।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৩৫.
USB এর পূর্ণরূপ কী?
  1. United Serial Bus
  2. Universal Strategic Bus
  3. Universal Serial Bus
  4. Uninterrupted Strategic Bus
ব্যাখ্যা
• ইউএসবি পোর্ট (USB Port):
- USB Port এর পূর্ণরূপ Universal Serial Bus.
- USB সমর্থিত ডিভাইসসমূহ এ জাতীয় পোর্টে সংযুক্ত করা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম ইউনিটের সামনে বা পেছনে ২ থেকে ৪টি USB পোর্ট থাকে।
- এ ধরনের পোর্টে বিভিন্ন ধরনের USB পোর্টের ডিভাইস যেমন, মাউস, কী-বোর্ড, স্ক্যানার, পেনড্রাইভ, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
২,১৩৬.
ওয়েব ডিজাইনের জন্য ব্যবহৃত ভাষা নয় কোনটি?
  1. HTML
  2. CSS
  3. JavaScript
  4. Python
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ডিজাইনের মূল ভাষাগুলো হলো HTML, CSS, এবং JavaScript। এগুলো ফ্রন্ট-এন্ড ডেভেলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• HTML (HyperText Markup Language)
- ওয়েব পৃষ্ঠার মূল কাঠামো গঠন করে
- সমস্ত ওয়েবসাইটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

• CSS (Cascading Style Sheets)
- ওয়েব পৃষ্ঠার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে
- রেস্পন্সিভ ডিজাইনের জন্য অপরিহার্য

• JavaScript
- ক্লায়েন্ট-সাইড ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি প্রদান করে
- আধুনিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকাশক্তি

অন্যদিকে,
পাইথন একটা General Purpose High Level প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এটি ওয়েব জিজাইনিং এর মূল ভাষা নয়।

• এটির ব্যবহার:
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে,
- ডেটা সায়েন্সে,
- মেশিন লার্নিং,
- অটোমেশন ইত্যাদিতে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান।
- "Web Design with HTML, CSS, JavaScript and jQuery" by Jon Duckett. 
২,১৩৭.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ কোনটির মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে?
  1. Parallel ইন্টারফেস
  2. WAN ইন্টারফেস
  3. SCSI ইন্টারফেস
  4. USB ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI হল প্রোটোকলের একটি গ্রুপ যা কম্পিউটার এবং বাহ্যিক ডিভাইসগুলির মধ্যে একটি শারীরিক পদ্ধতিতে ডেটা পাঠায়।
-  SCSI মূলত একটি প্রোটোকল এবং একটি সমান্তরাল পিজিক্যাল ইন্টারফেস হিসাবে বিকশিত হয়েছিল।
- SCSI প্রোটোকল একটি সিরিয়াল সংযুক্ত SCSI বাসে (SAS এবং SPL ব্যবহার করে), ফাইবার চ্যানেল পরিবেশে (FCP ব্যবহার করে), এবং IP ভিত্তিক নেটওয়ার্কে (LAN/WAN, iSCSI ব্যবহার করে) পরিবহন করা হয়।
- ACSI (Atari Computer Systems Interface) পেরিফেরাল বাসটি ইন্ডাস্ট্রি স্ট্যান্ডার্ড SCSI (Small Computer Systems Interface) বাসের মতোই।

উৎস: ব্রিটানিকা।
২,১৩৮.
Which of the following is wrong about 'Text editing keyboard shortcuts'?
  1. Ctrl + Shift + V: Paste as plain text.
  2. Ctrl + U: Apply the underline format to the selected text.
  3. Ctrl + Z: Undo the last typing.
  4. Shift + Ctrl + End: Move the cursor forward to the end of the line.
ব্যাখ্যা
The statement about Shift + Ctrl + End is incorrect, as it should move to the end of the document, not just the line.

• Shift + Ctrl + End: Select text between the current cursor position and the end of the document.
• End: Move the cursor forward to the end of the line.

উৎস: Microsoft support.
২,১৩৯.
What is the main function of a compiler in programming?
  1. To find errors in code line by line
  2. To convert source code into machine code
  3. To connect computers in a network
  4. To debug and test the program
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।  

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:

১. কম্পাইলার (Compiler):  
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে। 
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার  COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪০.
বাইনারি সংখ্যা .1101 এর সমতুল্য ডেসিমেল মান কোনটি?
  1. .8125
  2. .7578
  3. .2385
  4. .2560
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত -১ হতে শুরু করে ডান দিকে বাড়াতে হবে।
- যেমন- প্রথম অংকটিকে ২-১ দ্বারা, দ্বিতীয় অংকটিকে ২-২ দ্বারা, তৃতীয় অংকটিকে ২-৩ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
২,১৪১.
নিচের কোন ইলেক্ট্রনিক ফরমেট কাগজভিত্তিক নথি বা চালানকে প্রতিস্থাপন করে?
  1. EFT
  2. EDI
  3. SWIFT
  4. CHIPS
ব্যাখ্যা
EDI, which stands for electronic data interchange, is the intercompany communication of business documents in a standard format. The simple definition of EDI is a standard electronic format that replaces paper-based documents such as purchase orders or invoices.

Source: IBM Website
২,১৪২.
NVMe এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Non-Volatile Memory Express
  2. New Virtual Memory Exchange
  3. Network Virtual Machine Environment
  4. Non-Volatile Module Extension
ব্যাখ্যা
• NVMe এর পূর্ণরূপ হলো Non-Volatile Memory Express. এটি একটি উচ্চ-গতির স্টোরেজ প্রোটোকল যা SSD (Solid State Drive)-এর সাথে ব্যবহৃত হয়। NVMe বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে ফ্ল্যাশ স্টোরেজের জন্য, যা প্রচলিত SATA বা AHCI প্রটোকলের তুলনায় অনেক দ্রুত। এটি কম লেটেন্সি, অধিক ব্যান্ডউইথ এবং অধিকতর দক্ষতা প্রদান করে। NVMe সরাসরি প্রসেসরের সাথে PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) ইন্টারফেস ব্যবহার করে সংযুক্ত থাকে, ফলে ডেটা ট্রান্সফার স্পিড অনেক বেশি হয়। আধুনিক কম্পিউটিং, গেমিং এবং সার্ভার ব্যবস্থায় NVMe প্রযুক্তি দ্রুত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক) Non-Volatile Memory Express.

• NVMe:
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: ibm [লিংক]
২,১৪৩.
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
  1. ক) ইন্টারকম
  2. খ) ইন্টারনেট
  3. গ) ই-মেইল
  4. ঘ) ইন্টারস্পিড
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৪.
LASER এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. ক) Light Amplified by Steam Emission of Radiation.
  2. খ) Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation.
  3. গ) Light Amplify by Steam Emission of Radiation.
  4. ঘ) Light Amplified by Streaming Eradication of Radiation.
ব্যাখ্যা
LASER এর পূর্ণরূপ হচ্ছে  Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation

- লেজার এমন একটি ডিভাইস যা একটি অপটিক্যাল পরিবর্ধন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সুসঙ্গত আলোর কিরণ নির্গত করে।
- গ্যাস লেজার, ফাইবার লেজার, সলিড-স্টেট লেজার, ডাই লেজার, ডায়োড লেজার এবং এক্সাইমার লেজার সহ অনেক ধরণের লেজার রয়েছে।
- থিওডোর মাইম্যান ১৯৬০ সালে হিউজ রিসার্চ ল্যাবে প্রথম কার্যকরী লেজার আবিষ্কার করেন।

লেজার রশ্মির ব্যবহার- 
1. নিখুঁত জরিপ কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 
2. লেজার রশ্মির সাহায্যে পৃথিবী এবং চাদের দূরত্ব সঠিকভাবে নির্ণয় সম্ভব হয়েছে।
3. অতি সূক্ষ্ম ঝালাইয়ের কাজে এবং কঠিন বস্তুতে সুক্ষ্ম ছিদ্র করার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
4. টেলিভিশনে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
5. বর্ণালী মাপন যন্ত্রে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
6. শল্য চিকিত্সকরা চক্ষু ও চিকিৎসার কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহার করেন ।
7. জীবকোষ ও ক্রোমােজমের ওপর কোন সূক্ষ্ম গবেষণামূলক কাজে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।
8. রকেট এবং কৃত্রিম উপগ্রহ নিয়ন্ত্রণে লেজার রশ্মি ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২,১৪৫.
নিচের কোনটি একটি ওপেন সোর্স (Open Source) ভিত্তিক সফটওয়্যার ফায়্যারওয়াল?
  1. Sophos XG
  2. pfSense
  3. FortiGate
  4. Juniper SRX
ব্যাখ্যা

• pfSense হলো FreeBSD অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার। এটি রাউটার এবং ফায়ারওয়াল হিসেবে যেকোনো ব্যক্তিগত কম্পিউটার বা সার্ভারে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যায়। 
- অন্যদিকে Sophos XG, FortiGate এবং Juniper SRX মূলত বাণিজ্যিক (Commercial) এবং হার্ডওয়্যার ভিত্তিক ফায়ারওয়াল সলিউশন যা নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মালিকানাধীন।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৪৬.
নিচের কোনটি সঠিক নয়?
  1. ক)
  2. খ)
  3. গ)
  4. ঘ)
ব্যাখ্যা
ডি মরগানের সূত্রানুসারে,




খ) তে প্রদত্ত অপশনটি সঠিক নয়।
∴ উত্তরঃ খ।
২,১৪৭.
নিম্নের কোনটি মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. IBM System/360
  2. Cray-1
  3. Apple Macintosh
  4. IBM z15
ব্যাখ্যা

◉ Apple Macintosh → এটি একটি Microcomputer (১৯৮৪ সালে প্রকাশিত প্রথম গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস সমৃদ্ধ পার্সোনাল কম্পিউটার), ব্যক্তিগত ও অফিস ব্যবহারের জন্য তৈরি।

মাইক্রো কম্পিউটার:
- মাইক্রো (micro) শব্দটির অর্থ হল ক্ষুদ্র।
- মূলত মাইক্রো কম্পিউটার বলতে কম্পিউটারের ছোট বা ক্ষুদ্রাকৃতির কম্পিউটারগুলোকেই বোঝায়।
- এই কম্পিউটারগুলো ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রো প্রসেসর চিপ দিয়ে তৈরি বলে একে মাইক্রো কম্পিউটার বলা হয়।
- একটি প্রধান মাইক্রো প্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি, এবং ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে একটি মাইক্রো কম্পিউটার গঠিত হয়।
- মাইক্রো কম্পিউটারগুলো সাধারণত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যক্তিগত ব্যবহার, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- মাইক্রো কম্পিউটারের কিছু উদাহরণ হল IBM PC, APPLE POWER ইত্যাদি।

মাইক্রো কম্পিউটারকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা-
১. ডেক্সটপ কম্পিউটার,
২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
৩. পামটপ কম্পিউটার এবং
৪. নোটবুক কম্পিউটার।

অন্যান্য অপশনসমূহ,  
IBM System/360 → এটি একটি Mainframe computer (১৯৬৪ সালে প্রকাশিত), বড় প্রতিষ্ঠানের ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত।
Cray-1 → এটি একটি Supercomputer (১৯৭৬ সালে প্রকাশিত), জটিল বৈজ্ঞানিক গণনার জন্য তৈরি।
IBM z15 → এটি আধুনিক Mainframe computer (২০১৯ সালে প্রকাশিত)।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

২,১৪৮.
কম্পিউটারের মেমরি পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক কোনটি?
  1. বাইট
  2. বিট
  3. কিলোবাইট
  4. মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
• মেমরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity):
- কম্পিউটারের মেমরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট
- B বিটবিশিষ্ট W টি শব্দ ধারণে সক্ষম কোনো মেমরির ধারণক্ষমতা W × B বিট। যেমন- ৪ বিটের 1024টি শব্দ ধারণে সক্ষম মেমরির ধারণক্ষমতা হলো (1024 × 8)টি বিট = 8192 বিট।
- মেমরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
- মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ-

- মেমরি ধারণক্ষমতা প্রকাশের সময় 1024 = 210 কে ‘1k' দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
- একটি মেমরি যদি ৪ বিটের 4096টি 8 ওয়ার্ড ধারণে সক্ষম হয় তাহলে 4096 X 8 ধারণক্ষমতা সম্পন্ন মেমরিকে 4k x 8 হিসেবেও প্রকাশ করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৪৯.
হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে কী বলে?
  1. Operating System
  2. Embedded Computer
  3. M/S
  4. Mainframe Computer
ব্যাখ্যা
- হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর সংমিশ্রণ যা একটি নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য নিবেদিত তাকে Embedded Computer বলে।
 
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না।
 
উৎস:
১. Computer Hope website.
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫০.
একটি বারকোডে সর্বমোট কয়টি ব্লক থাকে?
  1. ৩ টি
  2. ১৭ টি
  3. ৪৫ টি
  4. ৯৫টি
ব্যাখ্যা
• বারকোড: 
- বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
- একটি বারকোডে সর্বমোট ৯৫টি ব্লক থাকে।
- ৯৫টি ব্লককে ৩ ভাগে ভাগ করা হয়। লেফট গার্ড, সেন্টার গার্ড এবং রাইট গার্ড। এদের মধ্যে ১২টি ব্লকে বারকোড লিখা হয়।
- তথ্যগুলো বারকোডের প্রতিটি সাদাকালো বার এবং এদের মধ্যকার ফাঁকা জায়গার মধ্যে এনকোড করে রাখা হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা পোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে। 
- বার কোড সাধারণত যেকোনো ধরনের পণ্য, বই, পোস্টাল প্যাকেট ইত্যাদির পরিচিতি শনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এ ধরনের বার কোডসমূহ পড়ার জন্য একটি বিশেষায়িত যন্ত্র ব্যবহৃত হয়, যা বার কোড রিডার নামে পরিচিত।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫১.
নিচের কোনটি আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারের ভাগ নয়?
  1. ক) অতিবৃহৎ কম্পিউটার
  2. খ) ছোট কম্পিউটার
  3. গ) ক্ষুদ্র কম্পিউটার
  4. ঘ) হাইব্রিড কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। সেগুলো হলো-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer)
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer)
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer)
৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer)

২,১৫২.
কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিসোর্সের মধ্যে সম্পর্কস্থাপন করে এদের ব্যবস্থাপনা করে-
  1. ক) কম্পাইলার
  2. খ) সিস্টেম ম্যানেজার
  3. গ) অপারেটিং সিস্টেম
  4. ঘ) প্যাকেজ প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার ও সফটওয়্যার এবং কম্পিউটার প্রোগ্রামের জন্যে সাধারণ সেবা সরবরাহ করে। এটি কম্পিউটার বা স্মার্টফোনের হার্ডওয়্যার ও এপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মধ্যে কাজের যোগসূত্র রচনা করে। বহুল প্রচলিত কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম হলো উইন্ডোজ, উবুন্টু, আইওএস, ক্রোম ওএস, ম্যাক ওএস ও অ্যানড্রয়েড।
২,১৫৩.
কোনটি SQL (Structured Query Language) এর একটি বৈধ কমান্ড নয়?
  1. SELECT
  2. INSERT
  3. MODIFY
  4. DELETE
ব্যাখ্যা

◉ SQL (Structured Query Language) হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা ম্যানিপুলেশন, কুয়েরি, এবং ডাটাবেজ কন্ট্রোল করার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা। MODIFY SQL এর কোনো বৈধ কমান্ড নয়। ডাটাবেজে ডেটা পরিবর্তন করার জন্য UPDATE কমান্ড ব্যবহৃত হয়।

SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।

নিচে SQL এর কিছু সাধারণ কমান্ডের বর্ণনা দেওয়া হলো:
SELECT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা রিট্রিভ (পুনরুদ্ধার) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: SELECT * FROM users;
INSERT: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে নতুন ডেটা যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: INSERT INTO users (name, age) VALUES ('John', 25);
DELETE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজ থেকে ডেটা মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: DELETE FROM users WHERE id = 1;
UPDATE: এই কমান্ডটি ডাটাবেজে বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন (মডিফাই) করার জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: UPDATE users SET age = 30 WHERE id = 1;

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৫৪.
'Code Red' কী?
  1. হ্যাকার গ্রুপ
  2. কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস
  3. কম্পিউটার ভাইরাস
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm ইত্যাদি।

• অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
- সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
- যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৫৫.
কোন তথ্যটি রিলেশনাল ডাটাবেজের Primary key সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি ডুপ্লিকেট ভ্যালু গ্রহণ করতে পারে
  2. এটি ডাটাবেজের প্রতিটি টেবিলে একই হতে হবে
  3. এটি একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে
  4. এটি NULL ভ্যালু রাখতে পারে
ব্যাখ্যা

◉ রিলেশনাল ডাটাবেজে Primary Key একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করে। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।

কী (Key): 
- সাধারণত কোন একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড সনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা-
১. প্রাইমারি কী (Primary Key)
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) ও
৩. ফরেন কী (Foreign Key)

প্রাইমারি কী:
যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে। কোন ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে। এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে কমপক্ষে একটি ফিল্ড থাকবে যার ডাটাগুলো অদ্বিতীয় অর্থাৎ ঐ ফিল্ডের প্রতিটি ডাটা ভিন্ন ভিন্ন হবে।
যেমন- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে। তাই রোল নম্বরটিই হলো প্রাইমারি কী।

প্রাইমারি কী'র কিছু বৈশিষ্ট্য: 
- Primary Key-তে ডুপ্লিকেট মান থাকতে পারে না। প্রতিটি রেকর্ডকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করার জন্য এটি Unique হতে হয়।
- প্রতিটি টেবিলে আলাদা আলাদা Primary Key থাকতে পারে এবং প্রতিটি টেবিলে এটি ভিন্ন হতে পারে।
- Primary Key কখনো NULL হতে পারে না, কারণ এটি প্রতিটি রেকর্ডকে চিহ্নিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

এছাড়াও, 
কম্পোজিট প্রাইমারি কী: 
যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, তখন একটি ফিল্ডকে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসাবে ব্যবহার করা যায় না। সে সব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়। এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।

ফরেন কী: 
অনেক সময় দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি করতে হয়। কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২। Database System Concepts - Silberschatz, Korth, Sudarshan.

২,১৫৬.
কোন সম্পর্কের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়?
  1. One-to-many
  2. Self-referencing
  3. Many-to-many
  4. One-to-one
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজে One-to-many (এক-থেকে-বহু) সম্পর্কের মাধ্যমে একটি প্যারেন্ট রেকর্ড একাধিক চাইল্ড রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হয়। এই ধরনের সম্পর্কে একটি টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড অন্য টেবিলের এক বা একাধিক রেকর্ডকে নির্দেশ করতে পারে, কিন্তু চাইল্ড টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড শুধুমাত্র একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি স্কুলের ডাটাবেজে শিক্ষক টেবিলের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্র টেবিলের রেকর্ডের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে। এটি ডাটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং ডাটার সংহতি বজায় রাখে। অন্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, One-to-one এক-এক সম্পর্ক তৈরি করে, Many-to-many অনেক-থেকে-অনেক এবং Self-referencing টেবিল নিজেই নিজের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: ক) One-to-many.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-

• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।

• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।

• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।

• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৫৭.
কোনটি সবচেয়ে বড় ডাটার একক?
  1. ক) মেগাবাইট
  2. খ) কিলোবাইট
  3. গ) গিগাবাইট
  4. ঘ) টেরাবাইট
ব্যাখ্যা
টেরাবাইট হচ্ছে সবচেয়ে বড় ডাটার একক। 

- টেরাবাইট হলো ডিজিটাল তথ্য স্টোরেজের একটি প্রতীক।
- টেরাবাইটকে TB দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এটি বাইটের ১,০৯৯,৫১১,৬২৭,৭৭৬ গুণ।
- কম্পিউটারে ডাটা স্টোরেজের পরিমাপের একক হিসেবে বাইট ব্যবহার করা হয়। 
- একটি সিঙ্গেল ‘ক্যারেক্টার অব টেক্সট’কে স্টোর করতে যে পরিমাণ জায়গা লাগে, তাকে বাইট বলে।
- বাইট আবার বিটের আট গুণ।
- প্রতিটি বাইনারি অঙ্ককে বিট বলা হয়।
- টেরাবাইট গিগাবাইটের তুলনায় ১০২৪ গুণ বড়।

সূত্র- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি।
২,১৫৮.
কর্মচারী তথ্যের টেবিলে, কোনটি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত? 
  1. নাম 
  2. আইডি 
  3. বিভাগ 
  4. ঠিকানা
ব্যাখ্যা

• কর্মচারী তথ্যের টেবিলে প্রাইমারি কী হিসেবে এমন একটি ফিল্ড বেছে নেওয়া উচিত যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে চিহ্নিত করতে পারে এবং কখনোই পুনরাবৃত্তি হবে না। এখানে নাম, বিভাগ বা ঠিকানা অনন্য নাও হতে পারে, কারণ একাধিক কর্মচারীর একই নাম, একই বিভাগ বা একই ঠিকানা থাকতে পারে। তাই এগুলো প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহার করা নিরাপদ নয়। অন্যদিকে, আইডি সাধারণত প্রতিটি কর্মচারীর জন্য আলাদা এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রদান করা হয়। এটি সব রেকর্ডকে এককভাবে চিহ্নিত করতে সক্ষম।
- তাই আইডি প্রাইমারি কী হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত, কারণ এটি ডেটা ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে এবং রিলেশনাল ডাটাবেসে দ্রুত অনুসন্ধান ও রেফারেন্স করার সুবিধা দেয়।

 
কী (Key) ফিল্ড:
- সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
- কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।

কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
৩. ফরেন কী (Foreign Key).

প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
- এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
- কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

উৎস:
১) কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৫৯.
(৪৩.৩৭৫)১০ সংখ্যাটির সমকক্ষ বাইনারি মান কত?
  1. 110100.101
  2. 101011.011
  3. 111000.100
  4. 1010010.11
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ বা দশমিক পয়েন্টযুক্ত (.) ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর:3
- ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি বাইনারি সংখ্যার বেজ ২ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের ভগ্নাংশ ও পূর্ণ অংশটি আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
- এভাবে গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ পর্যায়ক্রমে ২ দিয়ে গুণ করে পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ পৃথক করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে। কমপক্ষে পাঁচবার গুণ করার পর ভগ্নাংশ ০ না হলে কার্যক্রম এই অবস্থায় শেষ করতে হবে।
- অতঃপর পূর্ণ অংশের মানগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSB থেকে LSB) পর্যায়ক্রমে সাজালেই কাঙ্ক্ষিত বাইনারি সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।
২,১৬০.
ক্রায়োসার্জারিতে সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজে ডাইমিথাইল ইথার ও প্রোপেন কত তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়?
  1. - 18° C
  2. 24° C
  3. - 41° C
  4. - 68° C
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।

• ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজে ডাইমিথাইল ইথার ও প্রোপেন (-৪১° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- তরল নাইট্রোজেন (-১৯৬° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- নাইট্রান অক্সাইড (-৮৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- তরল অক্সিজেন (-১৮২.৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।
- সলিড কার্বন-ডাই-অক্সাইড (-৭৯° C) তাপমাত্রায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬১.
LLM মডেল প্রশিক্ষণে কোন GPU ব্র্যান্ডটি সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়?
  1. NVIDIA
  2. AMD
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা

• LLM বা বড় ভাষার মডেল প্রশিক্ষণে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA. NVIDIA-এর GPU-গুলি উচ্চ-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং এবং ডিপ লার্নিং কাজের জন্য বিশেষভাবে উপযুক্ত, কারণ এদের আর্কিটেকচার যেমন CUDA, Tensor Cores এবং Ampere বা Hopper সিরিজের GPU মডেলগুলো মেশিন লার্নিং অপারেশন যেমন ম্যাট্রিক্স মাল্টিপ্লিকেশন অত্যন্ত দ্রুত করতে পারে।
- অন্যান্য ব্র্যান্ড যেমন AMD, Intel বা Apple GPU-ও রয়েছে, কিন্তু এদের সফটওয়্যার ইকোসিস্টেম এবং ডিপ লার্নিং ফ্রেমওয়ার্কের সাথে সমন্বয় NVIDIA-র তুলনায় সীমিত। তাই আধুনিক LLM মডেল যেমন GPT, BERT বা LLaMA প্রশিক্ষণে প্রধানত NVIDIA GPU ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: ক) NVIDIA.

• LLM মডেল প্রশিক্ষণে GPU ব্র্যান্ড:
- LLM মডেল ট্রেনিংয়ে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত GPU ব্র্যান্ড হলো NVIDIA.
- NVIDIA এর CUDA এবং Tensor Core প্রযুক্তি deep learning কাজের জন্য অত্যন্ত অপ্টিমাইজড।  
- এই প্রযুক্তি মডেল ট্রেনিংয়ের সময় দ্রুত ম্যাট্রিক্স ও টেনসর অপারেশন সম্পাদন করতে সাহায্য করে।  
- AMD ও Intel GPU কিছু ক্ষেত্রে ব্যবহারযোগ্য হলেও NVIDIA এর ecosystem এবং সফটওয়্যার সাপোর্ট সবচেয়ে বড়।  
- Apple এর GPU মূলত মোবাইল বা ডেস্কটপ গ্রাফিক্সের জন্য, বড় LLM ট্রেনিংয়ে ব্যবহার সীমিত।  
- তাই LLM মডেল প্রশিক্ষণে NVIDIA GPU এর ব্যবহার সর্বাধিক।  
- সঠিক উত্তর: ক) NVIDIA.

সূত্র: 
- IBM [link]
- OpenAI [link]
- Reuters [link]

২,১৬২.
157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান কত হয়?
  1. 111
  2. 119
  3. 113
  4. 105
ব্যাখ্যা

• 157 (অক্টাল) কে ডেসিমেলে কনভার্ট করলে মান 111 হয়।

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৬৩.
সুপার মাইক্রোকম্পিউটার কী নামে পরিচিত?
  1. ক) সার্ভার
  2. খ) ডোমেইন
  3. গ) হোস্ট
  4. ঘ) ওয়ার্কস্টেশন
ব্যাখ্যা
মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারকে কয়েকটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়।
যেমন- সুপার মাইক্রো, ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, নোটবুক ইত্যাদি।
সুপার মাইক্রোকম্পিউটার সবচেয়ে শক্তিশালী মাইক্রোকম্পিউটার। এটি ওয়ার্কস্টেশন নামে পরিচিত। ওয়ার্কস্টেশন মাইক্রোকম্পিউটার ও মিনি কম্পিউটারের মাঝে একটি সেতু বন্ধন স্বরূপ।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
২,১৬৪.
Which shortcut is used to "Move up a level in the folder path"?
  1. Alt + Up arrow
  2. Alt + Enter
  3. Alt + Page down
  4. Alt + P
ব্যাখ্যা
• Alt + Up arrow: Move up a level in the folder path.
• Alt + Page down: Move one screen to the right in a worksheet
• Alt + P: Show or hide the preview pane.
• Alt + Enter: Display properties for the selected item.

উৎস: Microsoft support.
২,১৬৫.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার কোনটি?
  1. এনিয়াক-১
  2. এডস্যাক
  3. পিডিপি-৮
  4. ইউনিভ্যাক-১
ব্যাখ্যা
• প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হলো ENIAC-1.

• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Numerical Integrator And Computer.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার ইউনিভ্যাক-১।
- প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এডস্যাক।
- ট্রানজিস্টর ভিত্তিক প্রথম মিনি কম্পিউটার পিডিপি-৮।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৬৬.
অটোক্যাড কি ধরনের কাজে ব্যবহার করা হয়?
  1. ফটো সম্পাদনা
  2. লেখালেখি করা
  3. নকশা ও ডিজাইন তৈরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
রেখা বা লাইনের সাহায্যে নকশা বা ডিজাইনের কাজ করার জন্য ব্যবহারিক প্রোগ্রাম হল ক্যাড। CAD দ্বারা Copmuter Aided Design/Drafting বুঝায়। এই সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে বাড়ির নকশা, ব্রীজ-কালভার্টের নকশাসহ প্রকৌশল ও স্থাপত্যবিদ্যার যে কোন জটিল নকশা খুব সহজে , কম সময়ে এবং নিখুতভাবে তৈরি করা যায়। ক্যাডের সাহায্যে নকশা অঙ্কনের ক্ষেত্রে মাইক্রোমিলিমিটার পর্যন্ত মাপ নিখুতভাবে করা যায় যা হাতে অঙ্কনের ক্ষেত্রে সম্ভব নয়।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
২,১৬৭.
কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হচ্ছে -
  1. জাভা
  2. মেশিন ভাষা
  3. আসেম্বলি ভাষা
  4. উচ্চ স্তরের ভাষা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হলো মেশিন ভাষা। এটি কম্পিউটারের জন্য সরাসরি বোঝার যোগ্য ভাষা, যা বাইনারি কোড বা ০ এবং ১ দিয়ে প্রকাশ করা হয়। কম্পিউটার কোনো উচ্চ স্তরের ভাষা যেমন জাভা বা পাইথন সরাসরি বুঝতে পারে না; এগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয় কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে। মেশিন ভাষা খুবই সহজ এবং নির্দিষ্ট নির্দেশাবলী দিয়ে কাজ করে, যেমন ডেটা স্থানান্তর, গণনা করা বা শর্ত যাচাই। আসেম্বলি ভাষা হলো মেশিন ভাষার তুলনামূলক সহজ রূপ, যা মানুষের জন্য কিছুটা বোধ্য হলেও কম্পিউটার সেটিও মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়। তাই কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষা হল মেশিন ভাষা।

- উত্তর: খ) মেশিন ভাষা।

• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
-  এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
-  এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,১৬৮.
প্রোগ্রামিং ভাষা -
  1. ক) Ruby
  2. খ) CSS
  3. গ) jQuery
  4. ঘ) ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

CSS - Cascading Style Sheets
jQuery - Is a Javascript Library.
Ruby - Programming Language

২,১৬৯.
কম্পিউটারের প্রধান প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডকে বলা হয়-
  1. ক) মাদারবোর্ড
  2. খ) রোম বোর্ড
  3. গ) র‍্যাম বোর্ড
  4. ঘ) সিস্টেম ইউনিট
ব্যাখ্যা
মাদারবোর্ড হল ব্যক্তিগত কম্পিউটারের মত জটিল ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মূল সার্কিট বোর্ড(পিসিবি)। মাদরবোর্ডকে কখনও কখনও মেইনবোর্ড বা সিস্টেম বোর্ড-ও বলা হয়।
২,১৭০.
কোন কম্পিউটার সফটওয়্যার কোম্পানি স্প্রেডশিট, ওয়ার্ড, এবং পাওয়ার পয়েন্টের মতো প্রোগ্রামগুলোকে তৈরি করেছে?
  1. ক) IBM
  2. খ) Apple
  3. গ) Dell
  4. ঘ) Microsoft
ব্যাখ্যা
A service of Microsoft Corporation, Microsoft office Includes Word, Excel(Spreadsheet), PowerPoint, Outlook, and OneNote.
Source: Microsoft
২,১৭১.
একটি RDBMS-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সাধারণত কোন ভাষা ব্যবহার করা হয়?
  1. SQL
  2. CSS
  3. XML
  4. HTML
ব্যাখ্যা

• একটি RDBMS (Relational Database Management System)-এর সঙ্গে যোগাযোগ করার জন্য সাধারণত SQL ভাষা ব্যবহার করা হয়। SQL-এর পূর্ণরূপ Structured Query Language, যা ডেটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, হালনাগাদ ও মুছে ফেলার কাজে ব্যবহৃত হয়। RDBMS যেমন MySQL, Oracle, PostgreSQL ইত্যাদি ডেটাবেসে টেবিল আকারে তথ্য থাকে এবং সেই তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে উপযোগী। অন্যদিকে CSS ও HTML ওয়েবপেজের নকশা ও কাঠামোর জন্য ব্যবহৃত হয়, আর XML মূলত ডেটা আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) SQL.
 
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
- আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

• SQL:
- SQL এর পূর্ণরূপ Structured Query Language.
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে।
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়।

উৎস: 
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২,১৭২.
মেশিন লার্নিং (ML) অ্যালগরিদমে কোন প্রোগ্রামিং ভাষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) R
  2. খ) C++
  3. গ) Python
  4. ঘ) Java
ব্যাখ্যা

- মেশিন লার্নিং (ML) অ্যালগরিদমে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। 

- পাইথন হল একটি উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ।
- পাইথনের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে Guido van Rossum, এই উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা আবিষ্কার করেন।

উৎস : স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট, পাইথন ওয়েবসাইট

২,১৭৩.
নিচের কোনটি রমের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) অস্থায়ীভাবে ডাটা পঠন ও লিখন সম্ভব।
  2. খ) উদ্বায়ী মেমােরি নয়
  3. গ) চলমান প্রােগ্রাম এব পুনঃ পুনঃ পরিবর্তনশীল ডাটা সংরক্ষণ করা হয়
  4. ঘ) কোনাে ধরনের প্রােগ্রাম দেয়া থাকে না।
ব্যাখ্যা

রম (ROM) এর বৈশিষ্ট্যঃ
১। সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডাটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়ােজনে যে কোনাে সময় সংরক্ষিত ডাটা পঠন সম্ভব।
২। রম উদ্বায়ী মেমােরি নয়; অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও রমে সংরক্ষিত ডাটা মুছে যায় না।
৩। সহজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না এমন ডাটা ও প্রােগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
৪। রমে সাধারণত তৈরির সময় প্রােগ্রাম করা হয়ে থাকে যা ফার্মওয়্যার নামে পরিচিত।
৫। রমের আকারের উপর কম্পিউটারের কাজের ক্ষমতা নির্ভরশীল নয় এবং অতিরিক্ত রম চিপ করা যায় না।

(অপশনে 'খ' নং বাদে বাকিগুলো RAM এর বৈশিষ্ট্য)
(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))

২,১৭৪.
Cyber Monday কোন বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. ক) অনলাইন কেনাকাটা
  2. খ) সাইবার ক্রাইম
  3. গ) সাইবার পেনাল্টি
  4. ঘ) অনলাইন শিক্ষা
ব্যাখ্যা
Cyber Monday - the Monday following the US holiday of Thanksgiving, promoted by online retailers as a day for exceptional bargains. [Source: Oxford]
২,১৭৫.
বিভিন্ন ধরণের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) স্ক্যানার
  2. খ) প্লটার
  3. গ) লাইটপেন
  4. ঘ) ওসিআর
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ধরণের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে OCR ব্যবহৃত হয়।

- OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
- OCR এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ, চিঠির পিনকোড, ক্যাশ রেজিস্টার, ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ১০৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,১৭৬.
প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা কোনটি?
  1. C
  2. FORTRAN
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
- FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- FORTRAN হলো বিশ্বের প্রথম সফল কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫০-এর দশকের মাঝামাঝি এটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান I, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগা
২,১৭৭.
What is the purpose of a window manager in a GUI environment?
  1. To manage the hardware resources of the computer.
  2. To provide security for user data.
  3. To optimize network connections.
  4. To control the appearance and placement of windows on the screen.
ব্যাখ্যা
• GUI:
→ GUI এর পূর্ণরূপ হলো Graphical User Interface.
→ GUI হলো অপারেটিং সিস্টেমের কমান্ড প্রদানের একটি ধরন বা পদ্ধতি যেখানে কমান্ড প্রদানের জন্যে চিত্র ব্যবহার করা হয়।
→ এটি একটি ব্যবহারকারীর চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস।
→ GUI হল এমন এক ধরনের পদ্ধতি যা ব্যবহারকারীকে ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের সাথে পারস্পরিক ক্রিয়া বা মিথস্ক্রিয়া করার সুযোগ দেয় চিত্রের মাধ্যমে।
→ চিত্রগুলো আইকন এবং দৃশ্যমান নির্দেশক যেমন গৌণ সংকেত হতে পারে, যা লেখা ভিত্তিক পদ্ধতির ঠিক উলটো।
→ এটির প্রচলন করা হয় কমান্ড লাইন পদ্ধতির বিপুল কমান্ড মুখস্থ রাখার কষ্টের কথা বিবেচনা করে, যেখানে কিবোর্ডের মাধ্যমে নির্দেশগুলো লিখে দিতে হত।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,১৭৮.
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. ক) পরিচালনার জন্য Root Prompt ব্যবহৃত হয়
  2. খ) সকল কাজের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়
  3. গ) মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর
  4. ঘ) কম মেমোরির প্রয়োজন হয়
ব্যাখ্যা
• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System): 
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেকগুলো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়।
- Linux, Unix, MS DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনার জন্য Root Prompt বা Command Prompt (C:/>) ব্যবহৃত হয়।
২. ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম, নতুন ডিভাইস শনাক্তকরণ সকল পর্যায়ের কাজই কমান্ড দিয়ে করতে হয় ।
৩. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে সকল কাজের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয়।
৪. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটারকে বলে দিতে হয় কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৫. নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর নয়। তবে ইউনিক্স বা লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমে নেটওয়ার্কিং বা ইন্টারনেটব্যবস্থা কার্যকর হয়।
৬. অল্প কিছু কমান্ড মুখস্থ করেই কম্পিউটার পরিচালনা করা যায়।
৭. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম খুব দ্রুত কাজ করতে পারে।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর নয়।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে কম মেমোরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৭৯.
কমপ্যাক্ট ডিস্কে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. লেজার
  2. মেকানিক্যাল
  3. ম্যাগনেটিক
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- সিডি-রমে ডিজিটাল ডাটা রিড করার জন্য লেজার বিম প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory )। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উৎস :
১. ব্রিটানিকা।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮০.
নিচের কোনটি QWERTY লেআউট সম্পর্কে সত্য নয়?
  1. এটি টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল
  2. এটি সারা বিশ্বে ব্যবহৃত হয়
  3. এটি ১৯শ শতকে তৈরি করা হয়েছিল
  4. এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো
ব্যাখ্যা

• QWERTY লেআউট হলো একটি কীবোর্ড বিন্যাস যা মূলত টাইপরাইটারের জন্য নকশা করা হয়েছিল এবং এটি ১৯শ শতকে তৈরি হয়। বর্তমানে এটি সারা বিশ্বে কম্পিউটার ও মোবাইল কীবোর্ডে বহুল ব্যবহৃত। তবে এর অক্ষর বিন্যাস বর্ণানুক্রমে সাজানো নয়; বরং এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে টাইপ করার সময় যান্ত্রিক টাইপরাইটারের চাবি আটকে না যায়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে "এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো" কথাটি সত্য নয়। অর্থাৎ সঠিক উত্তর হলো ঘ) এটি বর্ণানুক্রমে সাজানো।
 
• নিউমারিক কী:
- (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
- QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

• মডিফায়ার কী:
- কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

• নেভিগেশন কী:
- এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
- ফাংশন কী (F1 থেকে F12)-এর প্রধান কাজ হলো বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিশেষ ধরনের বা পূর্বনির্ধারিত নির্দেশ দেওয়া। যেমন, F1 কী সাধারণত যেকোনো প্রোগ্রামের 'Help' মেনু চালু করে, F5 কী ব্রাউজার রিফ্রেশ করতে ব্যবহৃত হয় এবং Alt+F4 উইন্ডো বন্ধ করে। এদের কাজ প্রোগ্রামভেদে পরিবর্তিত হতে পারে।

উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২. ব্রিটানিকা।

২,১৮১.
ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ডেটা ট্রান্সফারে
  2. রেজিস্টার হিসেবে
  3. মেমোরি উপাদান হিসেবে
  4. উল্লেখিত সকল ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ (Flip-Flop):
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপের কার্যাবলী - মেমরি ডিভাইস, কাউন্টার এবং রেজিস্টার, ডেটা ট্রান্সফার।
- প্রতিটা ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে তৈরি হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।

• ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার:
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,১৮২.
কোন কার্ডের বিপরীতে ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায়?
  1. ক) ডেবিট কার্ড
  2. খ) স্মার্ট কার্ড
  3. গ) ক্রেডিট কার্ড
  4. ঘ) এটিএম কার্ড
ব্যাখ্যা
ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ডের জনপ্রিয়তা সবচেয়ে বেশি। এটি ব্যাংক কর্তৃক সরবরাহকৃত এক ধরণের প্লাস্টিক কার্ড। ক্রেডিট কার্ডের গ্রাহক তার লেনদেন পরিশোধের জন্য এটি ব্যবহার করে থাকে। সাধারণত ব্যাংক কোন মূল্যবান গ্রাহককে কোন নির্দিষ্ট কিছু জমার বিপরীতে(যেমন সঞ্চয়পত্র , এফটিআর) একটি নির্দিষ্ট পরিমান অর্থের লিমিট এ কার্ড সরবরাহ করে থাকে। কার্ডে গ্রাহকের ছবি, নমুনা স্বাক্ষর ইত্যাদি সংযোজিত থাকে। সাধারণত ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে দোকানী/ব্যবসায়ী কার্ড সম্পর্কে পরিপূর্ণ নিশ্চিত হবার পর কার্ডধারীর নাম, কার্ড প্রতিষ্ঠানের নাম, কার্ড নম্বর এবং অন্যান্য তথ্য সম্বলিত বিল তৈরি করে কার্ডধারীর কাছ থেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং পরে দোকানী বিলের কপি তার ব্যাংকে জমা দিয়ে টাকা সংগ্রহ করে নেয়। এই প্রক্রিয়ায় লেনদেন সহজতর ও জনপ্রিয় হলেও বর্তমানে এই কার্ডের নকল বের হওয়ায় অনেকেই বিব্রত বোধ করছে।
২,১৮৩.
বুলিয়ান অ্যালজেবরার ক্ষেত্রে সঠিক যোগের নিয়ম কোনটি?
  1. 1 + 1 = 0
  2. 1 + 0 = 0
  3. 0 + 0 = 1
  4. 0 + 1 = 1
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান অ্যালজেবরা যোগের ক্ষেত্রে যে সব নিয়ম মেনে চলে সেগুলো নিম্নরূপ -
0 + 0 = 0
1 + 0 = 1
0 + 1 = 1
1 + 1 = 1 (1 carry)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

২,১৮৪.
ইন্টারপ্রেটার ও কম্পাইলারের মধ্যে প্রধান পার্থক্য কী?
  1. ইন্টারপ্রেটার দ্রুত কাজ করে
  2. ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না
  3. ইন্টারপ্রেটার কেবল নিচু স্তরের ভাষায় কাজ করে
  4. ইন্টারপ্রেটার সব লাইন একসাথে অনুবাদ করে
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর : খ) ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:

- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. কম্পাইলার,
২. ইন্টারপ্রেটার ও
৩. অ্যাসেম্বলার। 

• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।

• ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- ইন্টারপ্রেটারও কম্পাইলারের মতো উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন করার ক্ষেত্রে সময় কম লাগে।
- তবে ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হচ্ছে অনুবাদের ক্ষেত্রে এটি ধীর গতি সম্পন্ন এবং প্রতিবার প্রোগ্রাম নির্বাহের ক্ষেত্রে প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।

• অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- এ ভাষার অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান মেমোরিতে রক্ষিত অ্যাসেম্বলি ভাষার সব নির্দেশ ঠিক আছে কিনা তা ব্যবহারকারীকে জানানো।
- এ ভাষার প্রত্যেকটি নির্দেশকে অ্যাসেম্বলার মেশিন ভাষার একটি নির্দেশে পরিণত করে। ভুল সংশোধনের পর এ ভাষা পুনরায় প্রথম নির্দেশ থেকে অনুবাদের কাজ শুরু করে।


উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

২,১৮৫.
FLOPS সাধারণত কোনটির কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়?
  1. সিপিইউ ও জিপিইউ
  2. হার্ডড্রাইভ
  3. গ্রাফিক্স ডিসপ্লে
  4. নেটওয়ার্ক রাউটার
ব্যাখ্যা

• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের গাণিতিক কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে ভাসমান বিন্দু সংখ্যার গণনার ক্ষেত্রে। এটি মূলত CPU এবং GPU-এর ক্ষমতা নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়, কারণ এই দুটি ডিভাইস প্রধানত সংখ্যা প্রক্রিয়াকরণ ও জটিল হিসাব করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, এবং গ্রাফিক্স প্রসেসিংয়ে FLOPS খুব গুরুত্বপূর্ণ। অন্যদিকে, হার্ডড্রাইভ, গ্রাফিক্স ডিসপ্লে বা নেটওয়ার্ক রাউটার তাদের কাজের ধরন অনুযায়ী FLOPS দিয়ে মাপা হয় না। সুতরাং, FLOPS মূলত CPU এবং GPU-এর কার্যক্ষমতা নির্দেশ করে।

- সঠিক উত্তর: ক) সিপিইউ ও জিপিইউ।

• FLOPS কী?:
- FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

• Floating Point Operations কী?:

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

• FLOPS কী পরিমাপ করে?:

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

উৎস: Lenovo. [link]

২,১৮৬.
কোন ভাইরাসকে Chernobyl বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. সিআইএইচ
  3. ট্রোজান হর্স
  4. স্টোন
ব্যাখ্যা
• 'সিআইএইচ' ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম।
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)।
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়।
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৭.
নিচের কোনটি স্ক্যান করা টেক্সটকে এডিটেবল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে?
  1. Image Scanner
  2. OCR
  3. OMR
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ওসিআর (OCR): 
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। 
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition. 
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে। 
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়। 
- OCR স্ক্যান করা ছবির মধ্যে থাকা অক্ষরগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে, এমনকি শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। 

স্ক্যানার (Scanner): 
- স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। 
- এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়। তবে এ কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে। 

ওএমআর (OMR): 
- OMR হলো বিশেষ এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস যার পুরো নাম হচ্ছে Optical Mark Reader. 
- এটি এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগাঙ্কিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৮৮.
দশমিক সংখ্যা 49 এর বাইনারি মান কত?
  1. 110101
  2. 100011
  3. 110001
  4. 110011
ব্যাখ্যা

2 | 49
2 | 24 - 1
2 | 12 - 0
2 | 6 - 0
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1
   | 0 - 1 ⇑

∴ (49)10 = (110001)2

২,১৮৯.
মাল্টিপ্রোগ্রামিংয়ে একই জায়গায় একাধিক প্রোগ্রাম না লেখার জন্য কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়?
  1. ফাইল সিস্টেম
  2. মেমোরি প্রোটেকশন
  3. ডাটা এনক্রিপশন
  4. কুলিং সিস্টেম
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) মেমোরি প্রোটেকশন।

• মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এ একই সময়ে এবং একসঙ্গে চার-পাঁচটি প্রোগ্রাম কম্পিউটারের প্রধান মেমোরিতে থাকে।
- যার ফলে মেমোরি অনেক বড় হতে হয়। মেমোরিকে কয়েকটি অংশে ভাগ করা হয়। এই ভাগকে পার্টিশন বলে।
- প্রধান মেমোরির এই সব পার্টিশনের ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় নির্দিষ্টভাবে ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম থাকে যাতে একই জায়গায় একাধিক প্রোগ্রাম না লেখা হয়।
- এইভাবে মেমোরি প্রোটেকশনের ব্যবস্থা করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে অগ্রাধিকার বা প্রাধান্য (Priority) ভিত্তিতে প্রোগ্রাম প্রসেস হয়।
- উচ্চ প্রাইয়রিটির প্রোগ্রামগুলো প্রধান মেমোরির ফোরগ্রাউন্ড (Foreground) পার্টিশনে থাকে এবং এই প্রোগ্রামগুলোকে ফোরগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম বলে।
- কম প্রাইয়রিটির প্রোগ্রামগুলোকে ব্যাকগ্রাউন্ড (Background) প্রোগ্রাম বলে।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল, ভোকেশনাল।
২,১৯০.
মোবাইল সিম কেনার সময় গ্রাহককে ভেরিফাই করতে সহযোগিতা করে কোন প্রযুক্তি?
  1. ক) ন্যানোটেকনোলজি
  2. খ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  3. গ) বায়োমেট্রিক্স
  4. ঘ) ক্রায়োসার্জারি
ব্যাখ্যা

গ্রিক শব্দ 'metron' অর্থ পরিমাপ এবং 'bio' অর্থ জীবন, এ দু’টি শব্দ থেকে Biometrics শব্দের উৎপত্তি।
বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। দেহের গঠন এবং আচরণগহত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যথাঃ
ক. দেহের গঠন ও শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ফিংগার প্রিন্ট (Fingerprint)
২. হ্যান্ড জিওমিট্রি (Hand geometry)
৩. আইরিস এবং রেটিনা স্ক্যান (Iris and retina scan)
৪. ফেইস রিকোগনিশন (Face recognition)
৫. ডিএনএ টেস্ট (DNA Test)

খ. আচরণগত বৈশিষ্ট্যের বায়োমেট্রিক পদ্ধতি
১. ভয়েস রিকগনিশন (Voice recognition)
২. সিগনেচার ভেরিফিকেশন (Signature verification)
৩. টাইপিং কীস্ট্রোক (Keystroke verification)
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)

২,১৯১.
ভাইরাস শব্দের পূর্ণরূপ কী?
  1. Virtual Internal Resource User System
  2. Vital Information Resources Under Siege
  3. Very Important Resource Utility Software
  4. Visual Internal Resource Update System
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটার ভাইরাস হলো একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম বা কোড যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের ফাইল, সফটওয়্যার, বা অপারেটিং সিস্টেমে প্রবেশ করে।
- ভাইরাস শব্দের পূর্ণরূপ: Vital Information Resources Under Siege.

উদ্দেশ্য:
- তথ্য চুরি করা: ব্যাংক তথ্য, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত ডেটা।
- ফাইল ধ্বংস করা বা পরিবর্তন করা: গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্ট বা সফটওয়্যার ক্ষতি করা।
- সিস্টেম অকার্যকর করা: কম্পিউটার ধীর বা ক্র্যাশ করা।
- নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়া: ভাইরাসটি অন্যান্য কম্পিউটারেও সংক্রমণ ঘটায়।

ভাইরাসের প্রকারভেদ:
- ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস (File Infector Virus): এক্সিকিউটেবল ফাইলে সংক্রমণ ঘটায়।
- ওয়ার্ম (Worm): নিজে নিজে নেটওয়ার্কে ছড়ায়, মূল ফাইলের প্রয়োজন হয় না।
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse): ক্ষতিকর কার্যক্রম লুকিয়ে রাখে, ব্যবহারকারীকে প্রতারণা করে।
- ম্যালওয়্যার (Malware): ভাইরাস, ওয়ার্ম ও ট্রোজান সহ অন্যান্য ক্ষতিকর প্রোগ্রামের সমষ্টি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

২,১৯২.
প্রথম এনালগ কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) John Napier
  2. খ) Charles Babbage
  3. গ) Ada Lovelace
  4. ঘ) Howard H. Aiken
ব্যাখ্যা

চার্লস ব্যবেজ একজন ইংরেজ গণিতবিদ ১৮০ সালে প্রথম এনালগ কম্পিউটার আবিষ্কার করেন।

- ব্যাবেজ ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ, মৌলিক ও উদ্ভাবনী চিন্তাবিদ। তবে কম্পিউটারের জনক হিসাবে তিনি সমধিক পরিচিত।
- ১৮২০ এর দশকে ব্যাবেজ তার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন’ নিয়ে কাজ করা শুরু করেন।
- এটি ছিল এমন একটি যন্ত্র, যা গাণিতিক গণনা করতে পারে।
- শুরুতে ইঞ্জিনটির ছয় চাকার একটি মডেল নির্মাণ করা হয় এবং প্রদর্শনীর জন্য জনসম্মুখে রাখা হয়। এরপর তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন-২ এর জন্য একটি বড় ও উন্নত মেশিন তৈরির পরিকল্পনা করেন।
- পাশাপাশি জটিল বিশ্লেষণাত্মক ইঞ্জিন নামে আরও একটি উদ্ভাবন কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন। যার কাজ ছিল পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করে যে কোনো গাণিতিক গণনা সম্পাদন করা।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

২,১৯৩.
(11010110.0101111)2 = (?)8
  1. 231.524
  2. 472.325
  3. 249.322
  4. 326.274
২,১৯৪.
NAND গেইট হলো একটি-
  1. মৌলিক গেইট
  2. বিশেষ লজিক গেইট
  3. সার্বজনীন গেইট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২,১৯৫.
অডিও ফাইল এক্সটেনশন কোনটি?
  1. .bmp
  2. .mpa
  3. .gif
  4. .jpeg
ব্যাখ্যা
.jpeg, .gif, .bmp এরা ছবি বা ইমেজের এক্সটেনশন ফাইল।

.mpa - অডিও ফাইল এক্সটেনশন।
.jpeg means - Joint Photographic Experts Group Image.
.gif means - Graphical Interchange Format File.
.bmp means - Bitmap Image File .

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২,১৯৬.
তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোডকে বলা হয়-
  1. ক) হেক্সা ডেসিমেল কোড
  2. খ) অকট্যাল কোড
  3. গ) আসকি কোড
  4. ঘ) বাইনারি কোড
ব্যাখ্যা
অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ হলো ৮(আট) ।
শূন্য (০) সহ ১ থেকে ৭ পর্যন্ত অকট্যাল সংখ্যাকে ৩(তিন) বিট বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
কাজেই অকট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি ও বাইনারি পদ্ধতির পারস্পরিক রূপান্তরের জন্য ৩ (তিন) বিটের বাইনারি সংখ্যা বিবেচনা করতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
২,১৯৭.
(48)10 এর BCD কোড কোনটি? 
  1. ক) 01011000
  2. খ) 11001000
  3. গ) 01001001
  4. ঘ) 01001000
ব্যাখ্যা
বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal.
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার বাইনারি রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়।
- তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 



সুতরাং, (48)10 এর BCD কোড = 01001000.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৮.
নিচের কোনটি 'অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার'?
  1. MS DOS
  2. MS Word
  3. UNIX
  4. MS Windows 98
ব্যাখ্যা
• MS Word 'অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার'।

• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:

- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

• সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software):
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- MS DOS, LINUX, UNIX, MS WINDOWS 98, MS WINDOWS, MAC OS, SYMBIAN, ANDROID, PC DOS, XENIX, AIX, ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software):
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন:
- ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার: Word Pad, Note Pad, MS Word, Latet.
- ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার: Oracle, Ms Access, Poxpro.
- প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার: Microsoft Powerpoint, Macromedia Flash.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,১৯৯.
নিচের কোনটি মাদারবোর্ডের স্লট নয়?
  1. AGP slot
  2. RAM slot
  3. SATA slot
  4. PCI slot
ব্যাখ্যা

◉ SATA পোর্ট একটি কানেক্টর যা হার্ড ড্রাইভ, SSD বা অপটিক্যাল ড্রাইভের সাথে ডেটা ট্রান্সফারের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি স্লট নয়, বরং একটি পোর্ট।

মাদারবোর্ড (Motherboard):
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।

মাদারবোর্ডের স্লট:
- AGP slot,
- RAM slot,
- PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২০০.
ইন্টেল ৮০৮৬ কত বিটের মাইক্রোপ্রসেসর?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১৬
  3. গ) ৩২
  4. ঘ) ৬৪
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
উৎস: আইসিটি নবম-দশম শ্রেণি