PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ২১ / ৮২ · ২,০০১–২,১০০ / ৮,১৪১
ব্যাখ্যা
সুতরাং, (97)10 = (1100001)2
ব্যাখ্যা
ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।
যেমন ২৫ এর ক্ষেত্রে,
২৫ / ২ = ১২ ভাগশেষ - ১
১২ / ২ = ৬ ভাগশেষ - ০
৬ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ০
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১
অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ২৫-এর বাইনারি রূপ = ১১০০১
ব্যাখ্যা
• অ্যামাজন ডাইনামোডিবি (Amazon DynamoDB) হলো একটি পুরোপুরি ম্যানেজড NoSQL ডাটাবেজ সার্ভিস, যা মূলত কী-ভ্যালু (Key-value) এবং ডকুমেন্ট ডাটা মডেল সমর্থন করে।
- এটি প্রথাগত রিলেশনাল ডাটাবেজের মতো টেবিল রিলেশন বা ফিক্সড স্কিমা অনুসরণ করে না। এটি অত্যন্ত দ্রুতগতিসম্পন্ন এবং যেকোনো পরিমাণ ডাটা স্কেল করতে সক্ষম, যা বড় বড় অ্যাপ্লিকেশন বা গেমিং প্ল্যাটফর্মের জন্য আদর্শ।
• ডাটাবেজ প্রোগ্রাম:
- ডাটা বা তথ্য ব্যবস্থপনার জন্য সর্বোকৃষ্ট প্রোগ্রাম হল ডাটাবেজ। বড় বড় কোম্পানি, শিল্প-কারখানা, অফিস আদালত ইত্যাদিতে কর্মচারীদের নাম, ঠিকানা, পদবী, বেতন ইত্যাদি বিস্তারিত বিবরণ, আমদানী, রপ্তানী ইত্যাদি তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে করা হয়।
- অর্থাৎ যে কোন বড় ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজ ডাটাবেজ প্রোগ্রামের সাহায্যে অতি সহজে, সুষ্ঠুভাবে এবং নির্ভুলভাবে করা যায়।
- ডিবেজ থ্রি (Debase III), ডিবেজ থ্রি প্লাস (Debase III+), ডিবেজ ফোর (Debase IV), ফক্সবেজ (Foxbase), ফক্সপ্রো (Fox Pro) ইত্যাদি ডাটাবেজ সংক্রান্ত বহুল ব্যবহুত প্যাকেজ সফট্ওয়্যার।
- মাইক্রোসফট ভিত্তিক ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হল মাইক্রোসফট একসিস (Microsoft Access)।
• NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, Amazon DynamoDB, Couchbase ইত্যাদি।
উৎস:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Amazon ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
প্রযুক্তির যে শাখা রোবটের ডিজাইন, নির্মাণ এবং এর প্রয়োগ বিধি নিয়ে আলোচনা করে তাকেই রোবটিক্স বলে। অন্যভাবে বলা যায়, রোবটিক্স হল বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে রোবট তৈরি এবং এর ডিজাইন সহ আমরা কিভাবে রোবটকে আমাদের কাজে ব্যবহার করতে পারি তাই নিয়ে আলোচনা এবং গবেষণা করা হয়।
রোবটিক্স (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ 'robota' থেকে যার অর্থ হলো শ্রমিক, দাস বা কর্মী। চেক(Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzalni Roboti নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম 'robota' শব্দের পরিচয় করেন।
ব্যাখ্যা
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার।
২. আকারে অনেক বড়।
৩. সীমিত তথ্য ধারণক্ষমতা।
৪. মেশিন ভাষার (0/1) মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান ৷
৫. ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার জন্য পাঞ্চ কার্ডের ব্যবহার।
৬. সহজে স্থানান্তর যোগ্য ছিল না।
৭. অত্যধিক বিদ্যুৎ শক্তির প্রয়োজন।
৮. অনুন্নত রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থা, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১. মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)
২. NLP (অনুবাদ/তথ্য সমন্বয়)
৩. স্পিচ (স্পিচ টু টেক্সট/স্পিচ টু স্পিচ)
৪. রোবটিক্স
৫. ভিশন (ইমেজ প্রসেসিং)
ব্যাখ্যা
পেরিফেরালস:
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়।
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি।
ইনপুট ডিভাইস (Input Device):
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
যেমন- কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR ও OCR ইত্যাদি।
আউটপুট ডিভাইস (Output Device):
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
যেমন- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার ও প্লটার ইত্যাদি।
ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device):
- কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
যেমন- হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম ও টাচস্ক্রিন ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার।
যথা-
১। কম্পাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার এবং
৩। অ্যাসেম্বলার।
১) কম্পাইলার:
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটর:
- লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার:
- শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার করা হয়েছিল।
- টিউবের তুলনায় ট্রানজিস্টর আকারে ছোট, বিদ্যুৎ খরচ কম, দামে সস্তা এবং দ্রুত গতিসম্পন্ন হওয়ায় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকৃতিতে ছোট, দ্রুতগতি ও অধিক নির্ভরযোগ্য ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো অত্যন্ত দ্রুতগতিতে কাজ করলেও স্থায়িত্ব ছিল অনেক বেশি।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে সর্বপ্রথম হাইলেভেল ভাষার ব্যবহার শুরু হয়।
- আবার চুম্বকীয় কোর মেমরি এবং উচ্চগতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থাও এ প্রজন্মের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১। ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২। ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩। আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪। উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫। অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬। উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭। টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা; ইত্যাদি।
• ম্যাগনেটিক কোর মেমরি:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরি হলো কম্পিউটারের ইতিহাসের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন, যা মূলত ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত কম্পিউটারের প্রধান মেমরি বা RAM হিসেবে ব্যবহৃত হতো। এটি দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- এটি দেখতে অনেকটা ক্ষুদ্রাকার ডোনাট বা রিংয়ের মতো, যেগুলোকে 'ফেরাইট কোর' (Ferrite Cores) বলা হয়। এই রিংগুলো অত্যন্ত ছোট (প্রায় ১ মিমি ব্যাস) এবং এগুলো সিরামিক ও আয়রন অক্সাইডের মিশ্রণে তৈরি।এই কোরগুলোকে জালের মতো সাজানো তারের গ্রিডে গেঁথে রাখা হতো।
- প্রতিটি কোর ১-বিট ডেটা ধারণ করতে পারে। তারের ভেতর দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত করে এই কোরগুলোকে চুম্বকীয় করা হয়। কোরটি ঘড়ির কাঁটার দিকে (Clockwise) চুম্বকীয় হলে তাকে '১' এবং বিপরীত দিকে হলে '০' ধরা হয়।
- এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো, বিদ্যুৎ চলে গেলেও এতে থাকা তথ্য মুছে যায় না। কারণ চুম্বকত্ব একবার সেট হয়ে গেলে তা স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- তথ্য পড়ার সময় মেমরি থেকে তা মুছে যেত (Destructive Read), তাই পড়ার পরপরই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্যটি আবার সেখানে লিখতে হতো।
উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Benchmark-software [Link]
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে বাইনারি সংখ্যার বেজ 2 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে 20 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 21 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 22,..... দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে দশমিকের সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।
সুতরাং, (111011)2 = (59)10
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করেন
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
-বাংলাদেশ ডাক বিভাগে ২৮১১ টি পোস্ট অফিসে এ সার্ভিস চালু রয়েছে।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।
- এই ই-সেবটির মাধ্যমে ১ মিনিটে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা পাঠানো যায়।
- এক হাজার টাকা পাঠানোর খরচ ১০ টাকা। পরবর্তী ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতি হাজারে খরচ ৫ টাকা।
উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ ডাটাবেজে ইন্ডেক্স এর মূল উদ্দেশ্য হলো ডাটা রিট্রিভাল (Data Retrieval) এর গতি বৃদ্ধি করা, অর্থাৎ কোয়েরি দ্রুত সম্পাদন করতে সাহায্য করে।
ইনডেক্সিং:
- ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত ডাটাকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর পদ্ধতিকে বলা হয় ইনডেক্সিং।
- কোন ফাইলের ডাটা ইনডেক্স করার অর্থ হচ্ছে সেই ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) অনুসারে সাজানো।
- ডাটা ফাইল থেকে কোন নির্দিষ্ট ডাটাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার জন্য ফাইলের রেকর্ডসমূহকে ইনডেক্স করে রাখতে হয়।
- সর্ট করে ডাটাবেজের রেকর্ডসমূহকে কোন ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চক্রমানুসারে অথবা নিম্নক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- এটি মূলত B-Tree, B+ Tree, Hash Indexing ইত্যাদি ব্যবহার করে কার্যক্রম সম্পন্ন করে।
ইনডেক্সিং-এর মাধ্যমে রেকর্ড সাজানোর সুবিধাগুলো হলো:
১। ডাটা সাজানোর জন্য সময় কম লাগে।
২। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর নতুন রেকর্ড যুক্ত করা হলে তা নিজে থেকেই সাজানো হয়ে যায়।
৩। ডাটা ফাইলকে ইনডেক্স করার পর একটি ইনডেক্স ফাইল তৈরি হয় এবং মূল টেবিল ফাইল অপরিবর্তিত থাকে।
৪। একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক তৈরি সহজ হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- PDF এর পূর্ণরূপ Portable Document Format.
- একটি পিডিএফ-ভিউয়ার প্রোগ্রামের সাহায্যে যেকোনো অপারেটিং সিস্টেমে পিডিএফ দেখা যায়।
- পিডিএফ হল Camelot Project এর ফলাফল, Adobe Inc, দ্বারা শুরু করা একটি উদ্যোগ।
- Cofounder: John Warnock,
- PDF এর মাধ্যমে বিভিন্ন টেক্সট ডকুমেন্ট, ইমেজ সহ অন্যান্য কনটেন্ট সহজেই কমপ্রেস করে একই জায়গায় সংরক্ষিত রাখা যায়।
- PDF ডকুমেন্ট গুলা বর্তমানে পাসওয়ার্ড-প্রটেক্টেড করে অতিরিক্ত সিকিউরিটি দেওয়া যায়।
- 15 জুন, 1993 সালে ক্যামেলট প্রোডাকশন টিম আনুষ্ঠানিকভাবে পিডিএফ এবং এর সংশ্লিষ্ট স্যুট অফ প্রোগ্রাম প্রকাশ করে, যা সম্মিলিতভাবে অ্যাডোব অ্যাক্রোব্যাট নামে পরিচিত।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা টেক্সট, চিহ্ন, এবং আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টারকে পড়তে এবং ডিজিটাল ফরম্যাটে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
OCR এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি ছবি থেকে টেক্সট আলাদা করতে এবং সেই টেক্সটকে ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করতে পারে।
- OCR প্রযুক্তি এমনভাবে তৈরি যে, ছাপার লেখা ছাড়াও পরিষ্কার ও সুনির্দিষ্ট হাতের লেখা পড়তে পারে।
- হাতের লেখা সঠিকভাবে চিনতে হলে তা পরিষ্কার এবং নির্দিষ্ট গঠনে লেখা থাকা প্রয়োজন।
- OCR ডিভাইসটি প্রথমে একটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- এরপর, OCR সফটওয়্যার সেই বিটম্যাপ ইমেজকে ASCII টেক্সটে রূপান্তর করে।
- ফলে, কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্ন চিনতে এবং প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিস্তৃত।যেমন:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড চিনতে,
- ক্যাশ রেজিস্টারের তথ্য,
- ইলেকট্রিক বিলের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Windows হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা Microsoft-এর তৈরি।
• অপারেটিং সিস্টেম:
-অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android,
- Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
-Ms-Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়।
- Firmware একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারে স্থায়ীভাবে এমবেড করা থাকে।
- Oracle একটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে ডিস্কে সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে সেই ডিস্ককেই স্টার্টআপ ডিস্ক বলে।
- বর্তমানে কম্পিউটারের হার্ডডিস্কে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফট্ওয়্যার থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ও এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের মাঝখানে অবস্থান করে এবং এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের কাজগুলো করার ব্যাপারে সমন্বয়কারীর ভূমিকা পালন করে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
প্লটার এক ধরনের প্রিন্টার। এর প্রিন্ট করার পদ্ধতি ডট ম্যাট্রিক্সের মত। এখানে প্রিন্ট হয় পেনের সাহায্যে। চিকন, মোটা বিভিন্ন ধরনের পেন ব্যবহার করা যায়।
প্লটারের সাহায্যে বিভিন্ন ধরনের নকশা, মানচিত্র ইত্যাদি রেখার মাধ্যমে সুক্ষ্ম ও সঠিকভাবে অঙ্কন করা যায়। প্লটারে অনেক চওড়া কাগজে প্রিন্ট নেয়া যায়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
ব্যাখ্যা
- ব্যবহারকারী দ্বারা সর্বাধিক ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি কম্পিউটার সিস্টেম পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয় না।
- এটি শুধুমাত্র ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট কাজগুলি সম্পাদন করতে ব্যবহৃত হয়।
- যে কোনও ব্যবহারকারী শুধুমাত্র কম্পিউটার সিস্টেমের অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারই ব্যবহার করে থাকেন।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, সিস্টেম সফটওয়্যারের (অপারেটিং সিস্টেম)ওপর নির্ভরশীল।
- একটি সিস্টেম সফটওয়্যার একজন ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে একটি ইন্টারফেস হিসাবে কাজ করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট করা কাজগুলি সম্পাদন করে।
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার সিস্টেম সফটওয়্যার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা:
ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- সফটওয়্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
• সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
- DOS,
- Windows Xp,
- Windows 10,
- Linux Kernel,
- Unix,
- macOS,
- Solaris ইত্যাদি।
• Microsoft PowerPoint একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• তথ্যপ্রযুক্তিতে বা ডাটাবেস ডিজাইন পরিপ্রেক্ষিতে, একটি এনটিটি হলো কোনো বাস্তব বা ধারণাগত বস্তুর প্রতিনিধিত্ব। প্রতিটি এনটিটির ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এট্রিবিউট হলো সেই বৈশিষ্ট্য বা গুণ যা এনটিটির তথ্য প্রকাশ করে, যেমন “নাম”, “ঠিকানা” বা “বয়স” ইত্যাদি। অন্য বিকল্পগুলো যেমন এনটিটি সেট হলো একই ধরনের এনটিটিগুলোর সমষ্টি, ভ্যালু হলো ফিল্ডের নির্দিষ্ট মান এবং রেকর্ড হলো একটি সম্পূর্ণ এনটিটির তথ্যের সারি। তাই প্রতিটি ফিল্ডের সঠিক সংজ্ঞা হলো এট্রিবিউট, যা এনটিটির তথ্যের নির্দিষ্ট দিক বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়।
বিস্তারিত আলোকপাত:
- কোন ডাটা টেবিলকে চিহ্নিত করার জন্য টেবিলের যে নাম দেওয়া হয় তাকে ডাটার এনটিটি বলে।
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- এনটিটির অন্তর্ভূক্ত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে এট্রিবিউট বলে।
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউটের যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামের ভুলকে বলে বাগ (Bug)।
- প্রোগ্রামে তিন ধরনের ভুল হতে পারে। যথা-
১। সিনট্যাক্স ভুল,
২। লজিক ভুল ও
৩। রান টাইম ও এক্সিকিউশন টাইম ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক ভুল।
- কম্পিউটারকে ভুল ডেটা জানালে বা ডেটার ফরমেট ঠিক না থাকলে রান টাইম এরোর ছাপায়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটার – Reimei:
- সম্প্রতি জাপানে বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটার চালু করা হয়েছে যার নাম Reimei।
- এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটার এবং ক্লাসিক্যাল সুপারকম্পিউটারের সমন্বয়ে তৈরি একটি হাইব্রিড সিস্টেম।
- জাপানের গবেষণা প্রতিষ্ঠান RIKEN এই সুপারকম্পিউটারটি উন্নয়ন করেছে।
- এটি বিখ্যাত সুপারকম্পিউটার Fugaku-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- জটিল বৈজ্ঞানিক গবেষণা, কোয়ান্টাম কেমিস্ট্রি, এবং নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে এই কম্পিউটার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- তাই জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম Reimei।
• El Capitan:
- El Capitan হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যাধুনিক সুপারকম্পিউটার।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের Lawrence Livermore National Laboratory-এ তৈরি করা হয়েছে।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো পারমাণবিক গবেষণা এবং জাতীয় নিরাপত্তা সম্পর্কিত জটিল গণনা সম্পন্ন করা।
- এটি একটি এক্সাস্কেল (Exascale) সুপারকম্পিউটার হিসেবে ডিজাইন করা হয়েছে।
- তবে এটি হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার নয় এবং জাপানে চালু হয়নি।
• Tong Tong:
- Tong Tong চীনের তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (AI) ডিজিটাল শিশু সিস্টেম।
- এটি মানুষের শিশুর মতো আচরণ অনুকরণ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে।
- গবেষণার উদ্দেশ্যে এর মাধ্যমে AI-এর সামাজিক আচরণ ও শেখার ক্ষমতা পরীক্ষা করা হয়।
- এটি সুপারকম্পিউটার বা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
- তাই এটি জাপানের হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটারের নাম নয়।
• Al-Munther:
- Al-Munther নামটি মূলত মধ্যপ্রাচ্যের একটি প্রযুক্তি বা সামরিক প্রকল্পের সাথে সম্পর্কিত।
- এটি কোনো কোয়ান্টাম সুপারকম্পিউটার প্রকল্প নয়।
- জাপানে চালু হওয়া হাইব্রিড কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবস্থার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
- তাই এটি সঠিক উত্তর নয়।
সুতরাং, সম্প্রতি জাপানে চালু হওয়া বিশ্বের প্রথম হাইব্রিড কোয়ান্টাম সুপার কম্পিউটারের নাম হলো Reimei।
সঠিক উত্তর: ক) Reimei
সূত্র: livescience. [link]
ব্যাখ্যা
- এতে ডেটা সংরক্ষণের জন্য প্রথম Mercury Delay Lines মেমোরি ব্যবহৃত হয় ।
- EDSAC প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
উৎস: ব্রিটানিকা
ব্যাখ্যা
◉ 1980 সালে, ফ্রেড কোহেন তার গবেষণায় কম্পিউটার ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা প্রদান করেন। তিনি ভাইরাসকে এমন একটি প্রোগ্রাম হিসেবে সংজ্ঞায়িত করেন যা অন্যান্য প্রোগ্রামকে সংক্রমিত করে এবং নিজেকে অনুলিপি করতে পারে। তিনি প্রথমবারের মতো একটি ভাইরাস তৈরি করে প্রদর্শন করেন এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে কীভাবে ছড়িয়ে পড়তে পারে তা দেখান।
ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
• কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়। যেমন:
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- ট্রোজান হর্স ভাইরাস,
- ফাইল সংক্রামক ভাইরাস,
- ম্যাক্রো ভাইরাস,
- ওভার রাইটিং ভাইরাস,
- মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস ,
- মিউটেটিং ভাইরাস,
- স্টোন ভাইরাস,
- ভিয়েনা ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
• অ্যাডওয়্যার (Adware),
• স্পাইওয়্যার (Spyware),
• ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
• র্যানসমওয়্যার (Ransomware),
• Rootkits এবং
• ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।
- Key loggers হচ্ছে এক ধরনের স্পাইওয়্যার (Spyware), যেটা সাধারণত keystroke logger নামেও পরিচিত। এটি কম্পিউটারের কীবোর্ডে টাইপিং ডাটা ট্র্যাক এবং রেকর্ড করে।
- র্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
- বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়্যার (Adware)।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২. মাইক্রোসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ সফটওয়্যার:
যে সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো ডেটা সংরক্ষণ করে প্রয়োজন অনুসারে ঐগুলো সাজানো বা অন্য কাজে লাগানো যায়, তাকে ডেটাবেজ সফটওয়্যার বলা হয়।
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যার ব্যবহার হয় সংখ্যা বিশ্লেষণ, হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি, ও ফর্মুলা ব্যবহারে।
- অপারেটিং সিস্টেম (OS) হলো কম্পিউটারের সমস্ত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় করা।
- উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার হলো মাল্টিমিডিয়া প্লেয়ার সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• Multiplexer (MUX) হলো একটি ডিজিটাল সুইচিং ডিভাইস, যা একাধিক ইনপুটের মধ্যে থেকে শুধুমাত্র একটি ইনপুট নির্বাচন করে আউটপুটে প্রেরণ করে।
কর্মপ্রক্রিয়া:
- Multiplexer এ থাকে n সংখ্যক ইনপুট, একটি আউটপুট, এবং k সংখ্যক সিলেকশন লাইনের মাধ্যমে ইনপুট নির্ধারণ করা হয়।
- যেমন 4 to 1 MUX এ 4টি ইনপুট থাকে, কিন্তু কেবল একটি ইনপুট সিলেকশন বিটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয় এবং আউটপুটে প্রেরণ করা হয়।
প্রয়োগ:
- ডেটা রাউটিং: একাধিক সেন্সর বা ডিভাইসের ডেটা শুধুমাত্র প্রয়োজনীয় সময়ে নির্বাচিত করে প্রেরণ করা।
- ডিজিটাল কমিউনিকেশন: একাধিক ডেটা লাইনকে একটি চ্যানেলের মাধ্যমে প্রেরণ করা।
- ডেটা সিলেকশন সার্কিট: CPU এবং মেমোরি ইন্টারফেসে তথ্য নির্বাচন করতে ব্যবহৃত।
গুরুত্ব:
- Multiplexer ডিজিটাল সার্কিটে ডেটা ব্যবস্থাপনা এবং রাউটিং সহজ করার জন্য অপরিহার্য।
- এটি কমপ্লেক্স লজিক সার্কিট এবং ডিজিটাল সিস্টেমে সিগন্যাল লাইন এবং হার্ডওয়্যার সংরক্ষণে সাহায্য করে।
তথ্যসূত্র:
- NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজে যখন একটি প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে একাধিক চাইল্ড রেকর্ড যুক্ত থাকে, তখন এটি One-to-many (এক থেকে বহু) সম্পর্ক হিসেবে পরিচিত। এই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে প্যারেন্ট টেবিলের প্রতিটি রেকর্ড একাধিক চাইল্ড টেবিলের রেকর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকতে পারে, কিন্তু চাইল্ড রেকর্ড শুধুমাত্র এক প্যারেন্ট রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত থাকে। উদাহরণস্বরূপ, একটি “বিভাগ” টেবিলের প্রতিটি বিভাগে অনেক “কর্মচারী” থাকতে পারে, কিন্তু প্রতিটি কর্মচারী শুধুমাত্র একটি বিভাগে থাকে। এই সম্পর্ক তৈরি করতে সাধারণত চাইল্ড টেবিলে প্যারেন্ট টেবিলের প্রাইমারি কী ব্যবহার করে ফরেন কী কলাম সংযুক্ত করা হয়। তাই, প্যারেন্ট-চাইল্ড সম্পর্ক বোঝাতে One-to-many সবচেয়ে উপযুক্ত।
• ডাটাবেজ রিলেশন:
- বিভিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য এরূপ সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- একাধিক ডাটা ফাইলের মধ্যে উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের প্রয়োজনে প্রাইমারি কী ফিল্ডের ভিত্তিতে রিলেশন স্থাপন করা যায়।
- ডাটাবেজের অন্তর্গত ডাটা ফাইলের মধ্যকার রিলেশনকে চার ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
• Many to One রিলেশন:
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়।
- যেমন- Home ডাটাবেজের Child ফাইলের একাধিক রেকর্ড Parent ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। ফলে Child এবং Parent ফাইলের মধ্যে প্রয়োজনে Many to One রিলেশন তৈরি।
• One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।
- যেমন: কলেজ ডাটাবেজের Exam ফাইলের একটি রেকর্ড Personal ফাইলের কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত হতে পারে।
• One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।
- যেমন- Business Center নামক ডাটাবেজের বিক্রেতাদের তথ্যের জন্য Sales ফাইলের একটি রেকর্ড, ক্রেতাদের তথ্যের জন্য ব্যবহৃত Customer ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
• Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- Many to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।
- এই তৃতীয় টেবিলটিকে জাংশন টেবিল বলা যায়।
- জাংশন টেবিলটি One to Many এর মতো কাজ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়; Bit শব্দটি Binary এবং Digit শব্দের সমন্বয়ে গঠিত।
• সংখ্যা পদ্ধতির প্রকারভেদ:
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধির প্রচলন রয়েছে।
- প্রধান চারটি সংখ্যা পদ্ধতি হলো: দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System), বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System), অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System), হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।
• দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি:
- মানুষ দৈনন্দিন জীবনে গণনা ও হিসাব-নিকাশের জন্য যে সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করে তাকে দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়।
- এ পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 10।
- কারণ এতে মোট 10টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9।
- উদাহরণ: (101)10, 12310, (98.73)10।
- সাধারণ হিসাব-নিকাশে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হলেও কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ প্রসেসিংয়ে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে মাত্র দুটি অংক 0 এবং 1 ব্যবহৃত হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- এই পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 2।
- 0 এবং 1 এই দুটি অংককে সংক্ষেপে বিট (Bit) বলা হয়।
- Bit শব্দটি Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে t নিয়ে গঠিত।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোনো সংখ্যাকে বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশ করা যায়।
- উদাহরণ: (101)2, 100012, (1000.111)2।
- উদাহরণ: দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি পদ্ধতিতে 10000011।
• অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 8।
- এতে মোট 8টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7।
- উদাহরণ: (101)8, (731)8, (645.103)8।
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি 16।
- এতে মোট 16টি মৌলিক অংক ব্যবহৃত হয়।
- ব্যবহৃত অংকসমূহ: 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F।
- A, B, C, D, E, F এর দশমিক মান যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, 15।
- বর্ণ ও সংখ্যা উভয়ের ব্যবহার থাকার কারণে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- উদাহরণ: (151)16, (1B)16, (ABC.B)16।
• অন্যান্য অপশন:
- নিবল (Nibble) → 4 বিটের সমষ্টিকে নিবল বলা হয়।
- বাইট (Byte) → 8 বিটের সমষ্টিকে বাইট বলা হয়।
- ওয়ার্ড (Word) → কম্পিউটারের স্থাপত্যভেদে নির্দিষ্ট সংখ্যক বিটের সমষ্টিকে ওয়ার্ড বলা হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• Android একটি Open Source অপারেটিং সিস্টেম।
• Open Source:
- Open Source সফটওয়্যারের সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকে।
- যে কেউ প্রয়োজন অনুযায়ী কোড দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং উন্নয়ন করতে পারে।
• Android কেন Open Source:
- Android অপারেটিং সিস্টেম Linux Kernel–এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- Linux নিজেই একটি Open Source অপারেটিং সিস্টেম হওয়ায় Android–ও Open Source হিসেবে বিকশিত হয়েছে।
• Open Source হওয়ার সুবিধা:
- বিভিন্ন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী Android কাস্টমাইজ করতে পারে।
- বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন ও স্মার্ট ডিভাইসে Android ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ডেভেলপাররা সহজে অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও উন্নয়ন করতে পারে।
• ব্যবহারকারীর জন্য সুবিধা:
- Open Source হওয়ার কারণে Android–এ বিভিন্ন ধরনের অ্যাপ ও ফিচার পাওয়া যায়।
- নতুন প্রযুক্তি দ্রুত যুক্ত করা সম্ভব হয়।
• অন্যান্য অপশন:
- Closed source সফটওয়্যারের সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকে না।
- Proprietary software নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- Hardware-based অপারেটিং সিস্টেম নয়, Android একটি সফটওয়্যারভিত্তিক সিস্টেম।
উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৩. অ্যান্ড্রয়েড ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• চারটি সফটওয়্যার থেকে “Informix” এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়। Norton, AVAST এবং AVG তিনটি সফটওয়্যারই কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।
• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।
তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন কম্পিউটার যা এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য প্রদর্শন করে। এর ডিজিটাল উপাদানটি সাধারণত নিয়ন্ত্রণকারী হিসাবে কাজ করে এবং যৌক্তিক ও সংখ্যাসূচক ক্রিয়াকলাপের ফলাফল প্রদান করে। অ্যানালগ উপাদানটি প্রায়শই পার্থক্যমূলক সমীকরণ এবং অন্যান্য গাণিতিক জটিল সমীকরণগুলোর সমাধানে কাজ করে।
হাইব্রিড কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ-
১. অ্যানালগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তির সমন্বয়ে মিশ্র প্রযুক্তিতে তৈরি।
২. ইনপুট অ্যানালগ প্রকৃতির এবং আউটপুট ডিজিটাল পদ্ধতির।
৩. বিশেষ বিশেষ কাজে ব্যবহার করা হয়।
৪. গঠন জটিল প্রকৃতির।
৫. তুলনামূলকভাবে দাম বেশি।
হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহার-
১. পেট্রোল পাম্পে জ্বালানীর পরিমানকে মুদ্রার হারে রূপান্তর করতে।
২. রোগীর হার্টবিট পরিমাপে
৩. বৈজ্ঞানিক পরীক্ষাগারে
৪. শিল্প প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ ইউনিটে।
৫. প্রতিরক্ষা খাতে।
৬. এয়ারলাইন্স সেক্টরে চাপ, তাপ, গতি ইত্যাদির ফলাফল প্রকাশ করতে।
৭. জাহাজে দিক নির্ণয় ও নিয়ন্ত্রণে।
৮. সিমেন্ট প্ল্যান্ট।
৯. গ্যাস পাম্প স্টেশনে।
১০. রাডার সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে।
১১. বৈজ্ঞানিক গণনায়
১২. আবহাওয়া সিস্টেম গণনায়
১৩. পারমাণবিক চুল্লি পর্যবেক্ষণ এবং নিয়ন্ত্রণে।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার। কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বুঝে। সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
> অনুবাদক সফটওয়্যার তিন প্রকার। যথা- কম্পাইলার, ইন্টারপ্রেটার এবং অ্যাসেম্বলার।
• কম্পাইলার - পুরো প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে।
• ইন্টারপ্রেটার - প্রোগ্রামের লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং ফলাফল দেখায়।
• অ্যাসেম্বলার - অ্যাসেম্বলি ভাষায় রচিত প্রোগ্রাম অনুবাদ করতে ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, শাহ্ শাজাহান সজীব।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• উচ্চ স্তরের ভাষা:
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- মেশিন বা অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রধান অসুবিধা হলো, এক ধরনের কম্পিউটারের জন্য প্রোগ্রাম অন্য ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায় না।
- তাছাড়া মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম লিখা অনেক কষ্টকর ও শ্রমসাধ্য ব্যাপার।
- এছাড়া মানুষের পক্ষে লো-লেভেল ভাষা বোঝা সহজসাধ্য নয়।
- এই অসুবিধা দুর করার জন্য উচ্চ স্তরের ভাষার উদ্ভব হয়।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়।
- ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে:
- BASIC,
- COBOL,
- FORTRAN,
- PASCAL,
- C++,
- JAVA,
- PROLOG ইত্যাদি।
• উচ্চ স্তরের ভাষার সুবিধা:
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম যে কোনো কম্পিউটারে ব্যবহার করা যায়।
- এ ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা সহজ ও যুক্তিনির্ভর।
- প্রোগ্রামের ভুল নির্ণয় ও সংশোধন অপেক্ষাকৃত সহজ।
- উচ্চ স্তরের ভাষায় অসংখ্য লাইব্রেরি ফাংশনের সুবিধা আছে।
- প্রোগ্রাম লেখার সময় কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ গঠন সম্পর্কে ধারণার প্রয়োজন নেই।
• অপশন আলোচনা:
- Oracle হলো ডাটাবেজ মেনেজমেন্ট সিস্টেম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- বাইনারি সংখ্যা ০ এবং ১ কে বলা হয় বিট।
- মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
• বাইট (Byte):
- ৮ বিটের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি বাইট। বিট বা বাইটের সমন্বয়ে তৈরি হয় শব্দ।
• ৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• একটি CPU-র ক্লক স্পিড বলতে বোঝায়, প্রতি সেকেন্ডে প্রসেসর কতবার সিগন্যাল বা সাইকেল সম্পন্ন করে। যদি একটি CPU-র ক্লক স্পিড ৩ GHz হয়, তবে এখানে "GHz" মানে হলো "গিগাহার্টজ"। ১ হার্টজ মানে প্রতি সেকেন্ডে ১ সাইকেল। ১ GHz সমান ১ বিলিয়ন (১০৯) সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। সুতরাং, ৩ GHz মানে ৩ × ১০৯ সাইকেল, অর্থাৎ ৩ বিলিয়ন সাইকেল প্রতি সেকেন্ডে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ৩ বিলিয়ন, যা CPU-র গতির মানকে নির্দেশ করে।
- প্রসেসরের স্পিড (Clock Speed - GHz): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার ডাটা প্রসেস করতে পারে।
- কোর সংখ্যা (Cores): একাধিক কোর থাকলে প্রসেসিং ক্ষমতা বাড়ে (যেমন: Dual-core, Quad-core, Octa-core)।
- ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory): দ্রুত ডাটা অ্যাক্সেস করতে সাহায্য করে।
সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। Intel [link]
ব্যাখ্যা
Operating system, Compiler, Utilities - এই তিনটিই সিস্টেম সফটওয়্যার।
- Operating system হলো সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
- Utilities হলো সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার।
- Compiler হলো সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার।
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।
সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস
______________________________
- স্প্রেডশিট সফটওয়্যার হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- এটি কম্পিউটারে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আলফানিউমেরিক কোড।
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-8 কোড তৈরি হয়। ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
• ইংরেজি ছোট হাতের অক্ষরগুলোর ডেসিমাল মান 97 থেকে 122 পর্যন্ত।
- উদাহরণস্বরূপ: a = 97, b = 98, c = 99, d = 100 … z = 122।
• ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরগুলোর ডেসিমাল মান 65 থেকে 90 পর্যন্ত।
উদাহরণস্বরূপ: A = 65, B = 66, C = 67 … Z = 90।
'A' এর ASCII code = 65
'B' এর ASCII code = 66
'C' এর ASCII code = 67
'a' এর ASCII code = 97
'b' এর ASCII code = 98
'c' এর ASCII code = 99
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রোগ্রামড কন্ট্রোল ইউনিট কন্ট্রোল সিগন্যালের মান মেমরিতে সংরক্ষণ করে থাকে।
• কন্ট্রোল ইউনিট (CU)
- কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ অংশ হল কন্ট্রোল ইউনিট (CU)।
- এটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের (CPU) একটি সাবকম্পোনেন্ট, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
• কাজের ধরণ:
- কন্ট্রোল ইউনিট CPU-এর মেমরি থেকে নির্দেশাবলী গ্রহণ করে, যেগুলোকে বাইনারি (বিটস) আকারে প্রকাশ করা হয়।
- এরপর সেই নির্দেশাবলীকে কন্ট্রোল সিগনালে অনুবাদ করা হয়, যা কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ অনুসরণ করে।
- এটি নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে সঠিক ক্রমে ব্যাখ্যা করে, যাতে সিস্টেমের অন্যান্য উপাদান সঠিক সময়ে তাদের কার্যক্রম সম্পাদন করতে পারে।
- ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসের বিভিন্ন অপারেটিং স্পিডকে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট (ALU) এর সাথে সিঙ্ক্রোনাইজ করে, যাতে ডেটা সঠিকভাবে পুরো সিস্টেমে প্রবাহিত হয়।
• কন্ট্রোল ইউনিটের ধরন:
১। হার্ডওয়্যার্ড কন্ট্রোল ইউনিট:
- মেমরি থেকে প্রাপ্ত নির্দেশাবলীকে লজিক সার্কিট ব্যবহার করে কন্ট্রোল সিগনালে রূপান্তর করে।
২। মাইক্রোপ্রোগ্রামড কন্ট্রোল ইউনিট:
- কন্ট্রোল সিগন্যালের মান মেমরিতে সংরক্ষণ করে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
-কি-বোর্ডে মোট ১০৫ টি কী রয়েছে।
ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।
F1 – F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইঙ্গরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, পান্ডা এন্টিভাইরাস, কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।
উৎস:
১. cobraantivirus website.
২. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।
এখানে,
(1011011)2
= (1 × 2⁶) + (0 × 2⁵) + (1 × 2⁴) + (1 × 2³) + (0 × 2²) + (1 × 2¹) + (1 × 2⁰)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= (91)₁₀
ব্যাখ্যা
• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
উৎস: w3.org
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত সফটওয়্যারকে ফার্মওয়্যার (Firmware) বলা হয়।
- ফার্মওয়্যার হলো এক ধরনের বিশেষায়িত সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ডিভাইসের ROM (Read-Only Memory) বা Flash Memory-তে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে এবং ডিভাইসের মৌলিক কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে। উদাহরণস্বরূপ, ওয়াশিং মেশিন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, রাউটার, স্মার্টফোন ইত্যাদি ডিভাইসে ফার্মওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Auburn University Samuel Ginn College of Engineering [link]
ব্যাখ্যা
• CPU-এর ক্লক স্পিডই কম্পিউটারের কাজ করার গতি নির্ধারণ করে।
• সিপিইউ / মাইক্রোকম্পিউটারের গতি:
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি নির্ধারণ করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse বা Tick) সম্পন্ন হয় তার উপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজ (Hz) এককে।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার ক্ষমতাকে ১ মেগাহার্টজ (MHz) হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন— কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ নির্দেশনা আদান–প্রদান করতে পারবে।
এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ (kHz), মেগাহার্টজ (MHz) বা গিগাহার্টজ (GHz)-এর তা বোঝায়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC.
- যেমন, PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ৷
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল মেমরি ব্যবস্থাপনার তথ্যের মৌলিক একক হলো Page। ভার্চুয়াল মেমরি একটি প্রক্রিয়াকে তার প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিক্যাল মেমরিতে লোড করতে সাহায্য করে, যাতে পুরো প্রোগ্রাম একসাথে মেমরিতে না থাকলেও এটি চলতে পারে। প্রক্রিয়ার ভেতরের মেমরিকে ছোট ছোট সমান আকারের অংশে ভাগ করা হয়, যাকে Page বলা হয়। আর ফিজিক্যাল মেমরিতেও সমান আকারের অংশ থাকে, যাকে Frame বলা হয়। ভার্চুয়াল মেমরির পেজগুলো ফিজিক্যাল ফ্রেমে লোড হয় প্রয়োজন অনুযায়ী। Page ভিত্তিক ব্যবস্থাপনা প্রোগ্রামের স্থানীয়তা বজায় রাখে এবং মেমরির কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে, ফলে বড় প্রোগ্রামও সীমিত মেমরিতে নির্বিঘ্নে চলতে পারে।
- এই কারণে, ভার্চুয়াল মেমরির মৌলিক একক হলো Page.
• ভার্চুয়াল মেমোরি (Virtual Memory):
- ভার্চুয়াল মেমোরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন হার্ড ডিস্ক) একত্রে ব্যবহার করে।
- এটি প্রোগ্রামকে তার বাস্তব RAM এর চেয়ে বেশি মেমোরি ব্যবহার করতে সক্ষম করে।
- ভার্চুয়াল মেমোরি সিস্টেম RAM পূর্ণ হলে, অপ্রয়োজনীয় ডেটা বা প্রোগ্রাম অংশকে সেকেন্ডারি স্টোরেজে স্থানান্তরিত করে।
- অপারেটিং সিস্টেম এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করে, ফলে ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রামারকে মেমোরি সীমা নিয়ে চিন্তা করতে হয় না।
- মূল উদ্দেশ্য: সেকেন্ডারি স্টোরেজ ব্যবহার করে RAM বাড়ানো।
সূত্র:
- geeksforgeeks [link]
ব্যাখ্যা
- CSS এর পূর্ণরূপ হলো Cascading Style Sheets.
- CSS, HTML এর ডকুমেন্টের স্টাইল বর্ণনা করে।
- কীভাবে HTML উপাদানগুলি স্ক্রিন, বা অন্য মিডিয়ায় প্রদর্শিত হবে তা CSS দ্বারা নির্ধারণ করা যায়।
• CSS এর মূল কাজ নিম্নলিখিত:
- ওয়েব পেজটিকে আকর্ষিত করা বা ডিজাইন বা Layout তৈরি করাই হল CSS এর কাজ।
- একটি সুন্দর ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে হলে CSS-এর প্রয়োজন।
- CSS এর সাহায্যে HTML পেজ এর টেক্সট গুলিকে নতুন নতুন রং দেয়া যায়।
- এছাড়াও, CSS এর সাহায্যে কোনো টেক্সট এর ব্যাকগ্রাউন্ড কালার চেঞ্জ করা বা পুরো ওয়েবপেজ এর কালার চেঞ্জ করা যায়।
- টেক্সট সাইজ বড় ছোট করা ও আকার বদলানো যায় CSS এর দ্বারা।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ কম্পিউটারহোপ ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
- Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
- Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Quarter Pro ইত্যাদি।
- Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।
• অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
• উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
- এমএস অফিস,
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
- নেটস্কেপ নেভিগেটর,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
- ইলেকট্রনিক মেইল,
- পেজ মেকার,
- ফটোশপ,
- ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো:
- ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
- ইলেকট্রনিস কমার্স,
- পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১৯৮৮ সালের ১৬ ডিসেম্বর কম্পিউটারে বাংলা লেখালেখির জন্য প্রথমবারের মতো বিজয় ব্যবহার করা হয়। কারিগরি দিক থেকে বিজয় ছিল একটি ইন্টারফেস।
- লেখালেখির অন্য সফটওয়্যারকে ব্যবহার করে বাংলা লেখার কাজটি করে দেয় এ প্রোগ্রাম।
- বিজয় বাংলা লেখার সফটওয়্যার ব্যবহারে মাইক্রোসফ্ট অফিস ওয়ার্ড, পাওয়ারপয়েন্ট, ইন্টারনেট ব্রাউজার এবং আরও অনেকগুলি সহ বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ্লিকেশনে ব্যবহার করা যায়।
- Mustafa Jabbar এর তৈরি ২০০৯ সালে রিলিজ হওয়া Bijoy Bayanno একটি unicode ভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার।
উৎস: প্রথম আলো [লিঙ্ক]।
ব্যাখ্যা
- উৎস প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়, তাকে বলা হয় অনুবাদক সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার কেবল মেশিনের ভাষা বোঝে।
- সেজন্যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম যন্ত্র ভাষা ভিন্ন অন্য কোন ভাষায় রচিত হলে তা যান্ত্রিক ভাষা রূপান্তর করতে হয়। এজন্যে অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
• অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন প্রকার।
যথা-
১। কম্পাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার এবং
৩। অ্যাসেম্বলার।
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটর: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুঁজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায়। ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুরু হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।
উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
১। কেউ যদি তার কম্পিউটারে মাইক্রোসফট কোম্পানি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে তবে তা
সব সময় হালনাগাদ করতে হবে। ইন্টারনেট যুক্ত থাকলে সাধারণত এর আপডেটগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে হয়ে থাকে।
অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেম একই ধরনের সুবিধা দিয়ে থাকে।
২। কম্পিউটারকে সচল ও গতিশীল রাখার জন্য মাঝে মাঝে রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে।
যদি কেউ রেজিস্ট্রি ক্লিন আপ ব্যবহার না করে তবে কম্পিউটার যন্ত্রটি ঠিকভাবে কাজ করবে না এবং অনেক সময়
বিরক্তির কারণ হতে পারে।
৩। কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় অনেক টেম্পোরারি ফাইল তৈরি হয়। অনেক দিন এ ফাইলগুলো না মুছে দিলে
হার্ডডিস্কের অনেক জায়গা দখল করে থাকে এবং এই অস্থায়ী ফাইলগুলো কাজের গতি কমিয়ে দেয়। সেজন্য
আমাদের উচিত, সফ্টওয়্যারের সাহায্য নিয়ে এই অস্থায়ী ফাইলগুলো ডিলিট করা বা মুছে দেয়া। এতে হার্ডডিস্কের
বেশ খানিকটা জায়গা খালি হবে আবার কম্পিউটার এর কাজের গতিও অনেক বেড়ে যাবে।
৪। ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে। ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট
ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে। এতেও কম্পিউটারের কাজের গতি
হ্রাস পায়। প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পরপর ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করতে হয়। এ কাজটি করতে
সফ্টওয়্যার সাহায্য করতে পারে।
৫। এন্টিভাইরাস, এন্টিপাইওয়্যার ছাড়া আইসিটি ডিভাইস ব্যবহার করা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ
রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি যার মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ তাদের যন্ত্রে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে
পারে। এদের মধ্যে অনেক এন্টিভাইরাস, এন্টি পাইওয়্যার ইন্টারনেট হতে বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যায়।
উৎস: কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণের ক্ষেত্রে সফ্টওয়্যারের গুরুত্ব, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা/তথ্য/রেকর্ড একসেস, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ, নিরাপত্তা ও আধুনিকীকরণের কাজ করা হয়।
- তথ্য ব্যবস্থাপনাকে সুন্দর ও কার্যোপযোগী করে তুলতে পারে DBMS।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজের মধ্যে সমন্বয়কারী হিসেবে কাজ করে।
- DBMS-এর প্রধান তিনটি কাজ হচ্ছে-
১. ডেটাবেজ তৈরি,
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
• অন্য অপশনগুলো:
- Windows 10 হচ্ছে একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- MS Excel হচ্ছে একটি স্প্রেডশীট সফটওয়্যার।
- MS PowerPoint হচ্ছে একটিপ্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার এক ধরনের ইমপেক্ট প্রিন্টার যা ছোট পিন ব্যবহার করে কালিকে কাগজে ছাপায়।
- আয়তকার সাজানো কতগুলো বিন্দুকে ডট ম্যাট্রিক্স বলে।
- এ বিন্দু গুলোর মাধ্যমে যে কোন বর্ণ ফুটিয়ে তোলা হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারে রিবন কার্টিজ ব্যবহৃত হয়।
- এর গতি পরিমাপক একক CPS (Character per second).
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল। [২০২১ সংস্করণ]
ব্যাখ্যা
• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।
• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ ভার্চুয়াল মেমরি হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি মেমরি ম্যানেজমেন্ট টেকনিক, যা সেকেন্ডারি স্টোরেজ (যেমন: হার্ড ডিস্ক বা SSD) এর একটি অংশকে প্রাইমারি মেমরি (RAM) এর সম্প্রসারণ হিসেবে ব্যবহার করে।
এটি প্রোগ্রামগুলিকে মনে করতে দেয় যে তাদের কাছে পর্যাপ্ত RAM আছে, এমনকি যখন ফিজিক্যাল RAM এর পরিমাণ সীমিত থাকে। ভার্চুয়াল মেমরি পেজিং (Paging) বা সোয়াপিং (Swapping) পদ্ধতির মাধ্যমে কাজ করে, যেখানে প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটা RAM এবং সেকেন্ডারি স্টোরেজের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়।
ভার্চুয়াল মেমরি:
- ভার্চুয়াল মেমরি (Virtual Memory) হলো কম্পিউটার সিস্টেমের একটি প্রযুক্তি যা প্রধান মেমরির (RAM) সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে হার্ড ড্রাইভের একটি অংশকে অস্থায়ীভাবে RAM হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যাতে একসাথে আরও বেশি প্রোগ্রাম চালানো যায়।
- অপারেটিং সিস্টেম নিজেই ঠিক করে কোন অংশ RAM-এ থাকবে আর কোন অংশ হার্ড ড্রাইভে যাবে।
- যখন RAM পূর্ণ হয়ে যায়, তখন কম ব্যবহার হওয়া ডেটাগুলো হার্ড ড্রাইভের একটি নির্দিষ্ট অংশে (page file/swap space) পাঠানো হয়।
- প্রয়োজনে আবার সেই ডেটা RAM-এ ফিরিয়ে আনা হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি ব্যবহারকারীর অজান্তেই ঘটে।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা (২৪)৮ এর বাইনারি রূপ হচ্ছে: (০১০ ১০০)২
অক্টাল থেকে বাইনারিতে রূপান্তর:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ৮টি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয়, তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংক কে তিন বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়। যেমন-
১ = ০০১
২ = ০১০
৩ = ১০১
৪ = ১০০
∴ (২৪)৮ = (০১০ ১০০)২
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।
• OMR একটি ইনপুট ডিভাইস।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত যে যন্ত্র বা মেশিন মানুষের মত কিছু কাজ করতে পারে তাকে রোবট বলা হয়।
- প্রযুক্তির যে শাখায় রোবটের নকশা বা ডিজাইন, গঠন, পরিচালন প্রক্রিয়া, কাজ ও প্রয়োগক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচনা করা হয় সেই শাখাকে রোবটিক্স বলা হয়।
- এছাড়াও এই শাখায় রোবট নিয়ন্ত্রণে কম্পিউটার সিস্টেম, রোবটের সেনসরি ফিডব্যাক এবং ইনফরমেশন প্রসেসিং সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
- ‘রোবটিক্স' (Robotics) শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে স্লাভিক শব্দ ‘robota' (রোবটা) থেকে যার ইংরেজি হলো robot (রোবট) এবং আভিধানিক অর্থ হল শ্রমিক, দাস বা কর্মী।
- চেক (Czech) লেখক ক্যারেল ক্যাপেক (Karel Capek) ১৯২১ সালে Rossumovi Univerzální Roboti (ইংরেজিতে Rossum's Universal Robots) নামে একটি সাইন্স ফিকশন গল্প লিখেন যাতে তিনি শ্রমিক বা কর্মী অর্থে সর্বপ্রথম ‘robota' শব্দের পরিচয় করেন।
- ১৯৫০ সালে আমেরিকান প্রকৌশলী, গণিতবিদ ও উদ্যোক্তা যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার (Joseph Frederick Engelberger) এবং ঐ একই দেশের উদ্যোক্তা ও উদ্ভাবক জর্জ চার্লস ডেভল ( George Charles Devol) মিলে সর্বপ্রথম ইউনিমেট (Unimate) নামে শিল্পে ব্যবহার উপযোগী রোবট উদ্ভাবন করেন।
- পরবর্তীতে এঙ্গেলবার্গার ইউনিমেশন (Unimation) নামে বিশ্বের প্রথম রোবট কোম্পানী প্রতিষ্ঠা করেন এবং এই প্রযুক্তি বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
- এই জন্য যোসেফ ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গারকে রোবটিক্সের জনক বলা হয়।
- তবে জর্জ চার্লস ডেভলকেও রোবটিক্সের জনক হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
◉ একটি 4-বিট সিনক্রোনাস আপ কাউন্টার তৈরি করতে সর্বনিম্ন 4টি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার।
একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার তৈরি করতে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, কারণ প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট সংরক্ষণ করে এবং কাউন্টের মান পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজন হয়।
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।
• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা।
- পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- অতএব, যোগের মাধ্যমে গুণ, বিয়োগ, ভাগ ইত্যাদি কাজ করা সম্ভব।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে অ্যাডারের দুই ধরনের প্রকারভেদ রয়েছে:
১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে হাফ-অ্যাডার বলা হয়।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে, যোগফল এবং হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে, তাকে ফুল-অ্যাডার বলা হয়।
- এভাবে, অ্যাডারগুলি গাণিতিক কাজের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা সিস্টেমের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- BLOB একটি ডেটা টাইপ।
- BLOB এর পূর্ণরূপ হলো Binary Large Object.
- যেকোনো ধরনের ডেটাকে এই ডেটা টাইপের মধ্যে রাখা যায়।
- ছবি যেহেতু বাইনারিতে রূপান্তরিত হয়েই কম্পিউটারে রক্ষিত হয়, তাই ছবির ক্ষেত্রে BLOB ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
• মেমরির ধারণক্ষমতা, দাম ও গতির ক্রম:
- পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি।
- আবার পিরামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
এছাড়াও,
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হলো হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
৩. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• মার্ক-১ (Mark-I):
- ১৯৪৪ সালে ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
মার্ক-১ (Mark-1)-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. মার্ক-১ দৈর্ঘ্য ছিল ৫১ ফুট এবং প্রন্থ ছিল ৮ ফুট।
২. ওজন ছিল প্রায় ৫ টন।
৩. সাত লক্ষেরও অধিক যন্ত্র সংযোগের জন্য প্রায় ৫০০ মাইল লম্বা তার ব্যবহার করা হয়েছিল।
৪. গিয়ার ও চাকার পরিবর্তে চৌম্বক রিলে ব্যবহৃত হয়।
৫. মার্ক-১-এর সাহায্যে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং ত্রিকোণমিতিক ফাংশন ছাড়াও অনেক জটিল গাণিতিক কাজ করা যেত।
৬. মার্ক-১ দ্বারা দু'টি সংখ্যার যোগ ও গুণ করতে যথাক্রমে ০.৩ ও ৪.৫ সেকেন্ড সময় প্রয়োজন হতো।
মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল। প্রদর্শনের জন্য এটি বর্তমানে হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম)- উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পূর্বে কম্পিউটার তৈরি করতে অসংখ্য ট্রানজিস্টর, রেজিষ্ট্যান্স, ডায়োড ইত্যাদি ব্যবহার করা হতো।
- কিন্ত ১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল নামক একটি প্রতিষ্ঠান ইনটেল-৪০০৪ (Intel 4004) নামক প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারক (Microprocessor) তৈরি করে।
- এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।
- ক্ষুদ্র প্রক্রিয়াকারকের সাথে স্মৃতি অংশ এবং ইনপুট-আউটপুট অংশের সংযোগ সাধন করা হয়।
- এই কম্পিউটার সহজেই এক স্থান থেকে অন্য স্থানে স্থানান্তর করা যায় এবং একজন ব্যবহারকারী একাই একটি কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন।
- এজন্য এই কম্পিউটারকে পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা সংক্ষেপে পিসি (PC) বলা হয়।
- IBM 486, IBM Pentium প্রভৃতি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং স্পিড নির্ভর করে মূলত-
প্রসেসর স্পিড (ক): যত বেশি GHz, তত দ্রুত কম্পিউটার তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।
ক্যাশ মেমরি (খ): প্রসেসরের কাছে থাকা এই মেমরি দ্রুত তথ্য আহরণে সহায়তা করে।
RAM (গ): তথ্য অস্থায়ীভাবে ধারণ করে ও দ্রুত অ্যাকসেসে সাহায্য করে।
কোর সংখ্যা: বেশি কোর মানে একসাথে বেশি কাজ (মাল্টিটাস্কিং)।
সিপিইউ:
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় অংশ হলো সিপিইউ বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট।
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়।
সূত্র:
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। এইচপি ওয়েবসাইট। [লিংক]
ব্যাখ্যা
১. "Noise" বা সিগন্যাল গোলমাল:
- কেবল বা তারের মধ্যে "Noise" মানে হচ্ছে অপ্রত্যাশিত বা অনাকাঙ্ক্ষিত ইলেকট্রোম্যাগনেটিক সিগন্যাল যা সাধারণত অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রাংশ থেকে ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সিগন্যাল সাধারণত কম্পিউটার বা অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলির কার্যকারিতাকে প্রভাবিত করে, এবং ডিভাইসের মধ্যে তথ্য ট্রান্সমিশন বা প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি করতে পারে।
২. Ferrite Beads কী করে Noise প্রতিরোধ করে?
- ফেরাইট বিডস হল একটি ছোট এবং শক্ত কঠিন পদার্থ যা সাধারণত ফেরাইট নামক উপকরণ দিয়ে তৈরি হয়।
- এই উপকরণটি ইলেকট্রোম্যাগনেটিক তরঙ্গ বা হাই-ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল শোষণ করতে সক্ষম, যা কেবল বা তারের মাধ্যমে যেতে চায়।
- যখন ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে নির্গত Noise কেবল বা তারের মাধ্যমে চলে, ফেরাইট বিডস এই সিগনালগুলিকে শোষণ করে এবং সেগুলোকে নিরপেক্ষ (নির্বিঘ্ন) করে তোলে।
- এর ফলে, Noise কেবল বা তারের মধ্যে প্রবাহিত হতে পারে না এবং ডিভাইসের কার্যকারিতা অপরিবর্তিত থাকে।
তাহলে, সঠিক উত্তর হবে: ঘ) Noise
- অর্থাৎ, ফেরাইট বিডস মূলত কেবল বা তারে প্রবাহিত Noise বা বৈদ্যুতিন গোলমাল শোষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- এইভাবে, ফেরাইট বিডস কেবল বা তারের মাধ্যমে সিগনাল পরিষ্কার এবং নিখুঁত রাখে।
সূত্র: researchgate [লিংক]
ব্যাখ্যা
• উক্ত অপশন গুলোর মধ্যে, ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (DBMS) ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য হয় না। ইউটিলিটি প্রোগ্রামগুলি মূলত কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা, নিরাপত্তা ও ডেটা ব্যবস্থাপনাকে সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়। যেমন, ফাইল কম্প্রেশন টুল ফাইলের আকার ছোট করতে সাহায্য করে, অ্যান্টিভাইরাস ভাইরাস সনাক্ত ও দূর করতে কাজ করে, এবং ব্যাকআপ সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ডেটা সংরক্ষণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, DBMS হলো একটি পূর্ণাঙ্গ সফটওয়্যার যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠন এবং পুনরুদ্ধারে ব্যবহৃত হয় এবং এটি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম হিসেবে কাজ করে। তাই DBMSকে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম হিসেবে ধরা হয় না।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).
- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).
- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• নিবল (Nibble) হলো কম্পিউটার বিজ্ঞানে একটি তথ্যের একক যা ৪টি বিট নিয়ে গঠিত। এক বিট হলো দুটি মানের মধ্যে একটি মান ধারণ করতে সক্ষম (০ বা ১), তাই ৪টি বিট একত্রিত হলে মোট ১৬টি ভিন্ন মান প্রকাশ করা যায়। যেহেতু একটি নিবল = ৪ বিট, তাই ২ নিবল = ৪ × ২ = ৮ বিট।
- তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮ বিট, যা দুইটি নিবলকে বিটে রূপান্তরিত করার সঠিক মান।
• বিট ও বাইট:
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: ১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো Excel। Python, Java এবং Ruby হলো জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা যেগুলো দিয়ে সফটওয়্যার, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন এবং বিভিন্ন সিস্টেম ডেভেলপ করা যায়। এদের নিজস্ব সিনট্যাক্স, নিয়ম এবং লজিক আছে যা প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে নির্দেশ দেয়। অপরদিকে, Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার যা তথ্য সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও গণনার কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও Excel-এ কিছু ফর্মুলা ও ফাংশন ব্যবহার করা যায়, সেটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। তাই সঠিক উত্তর হবে ঘ) Excel.
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• HTML প্রধানত ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একটি মার্কআপ ভাষা যা ওয়েব পেজে টেক্সট, ছবি, লিংক, তালিকা, টেবিল এবং অন্যান্য উপাদানগুলো সঠিকভাবে প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়। HTML-এর মাধ্যমে ব্রাউজার জানে কোন অংশ শিরোনাম, অনুচ্ছেদ, ছবি বা বাটন হিসেবে দেখাতে হবে। এটি ডেটাবেস ডিজাইন, গেম তৈরি বা সার্ভার ম্যানেজমেন্টের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, তবে ওয়েব ডেভেলপমেন্টে অন্যান্য প্রযুক্তির সাথে মিলিয়ে HTML প্রয়োজনীয় ভিত্তি প্রদান করে। তাই HTML-এর মূল কাজ হলো ওয়েব পেজের স্ট্রাকচার তৈরি করা এবং কনটেন্ট সঠিকভাবে উপস্থাপন করা। সঠিক উত্তর হলো: খ) ওয়েব পেজ স্ট্রাকচার তৈরি।
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
উৎস: w3.org
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে
সাধারণত নিচের মত হয়।
LDA(লোড) : প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
STA(স্টোর) : STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
CLR(ক্লিয়ার) : CLeaR accumulator
ADD(যোগ) : ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ ।
SUB(বিয়োগ) : SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
MUL(গুণ): MULtiple
DIV (ভাগ) : DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
JMU(নিশর্ত জাম্প) : পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাও ।
JAZ(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে
যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
JAL(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ঋণাত্মক হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়। কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।
মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate এবং
- NOT Gate.
সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate এবং
- NOR Gate.
বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate এবং
- XNOR Gate.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি এবং জ্যাক কিলবি IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করেন।
• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- IC এর ব্যবহার।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির (সেমি কন্ডাক্টর মেমোরি) উদ্ভব ও বিকাশ (RAM, ROM এর ব্যবহার শুরু)।
- আকৃতি ছোট, কম দাম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রণের জন্য লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে মনিটরের ব্যবহার।
- অপারেটিং সিস্টেম ব্যবস্থার উন্নয়ন।
- সহজে স্থানান্তরযোগ্য।
- রিয়েল টাইম অপারেটিং সিস্টেম, মাল্টিপ্রোগ্রামিং পদ্ধতি, টাইম শেয়ারিং, ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের ব্যবহার।
- যান্ত্রিক গোলযোগ কম বলে রক্ষণাবেক্ষণ খরচ কম ইত্যাদি।
- উচ্চতর ভাষার ব্যাপক ব্যবহার।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• এক্সপানশন বাস:
- যে সকল বাস প্রধান বাসের সাহায্যকারী বাস হিসেবে কাজ করে তাকে সম্প্রসারিত বাস বা এক্সপানশন বাস বলে।
- CPU এক্সপানশন বাসের সাহায্যে কম্পিউটারের ইনপুট/আউটপুট ও অন্যান্য পেরিফেরিয়াল ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ করে।
- কম্পিউটারে বর্ধিত সুবিধা পাবার জন্য মাদারবোর্ডে কোনো ডিভাইস (যেমন- নেটওয়াক কার্ড, সাউন্ড কার্ড, এজিপি কার্ড, টিভি কার্ড ইত্যাদি) যে স্লটে স্থাপন করা হয় তাকে এক্সপানশন স্লট বলে।
- মাইক্রোপ্রসেসর যে গতিতে ডেটা সঞ্চালন করতে পারে অধিকাংশ এক্সপানশন বাস তার চেয়ে অনেক কম গতির হয়ে থাকে।
• উল্লেখযোগ্য এক্সপানশন বাসগুলো হচ্ছে-
১. আইএসএ বাস (ISA - Industry Standards Architecture),
২. ইআইএসএ বাস (EISA - Extended Industry Standards Architecture),
৩. লোকাল বাস (Local Bus):
i. ভেসা (VESA-Video Electronic Standard Architecture),
ii. পিসিআই (PCI- Peripheral Component Interconnect),
৪. ইউএসবি (USB - Universal Serial Bus),
৫. ফায়ারওয়্যার বাস (Fireware Bus) বা IEEE
৬. এজিপি (AGP - Accelerated Graphics Port); ইত্যাদি।
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। ডেটা বাস (Data Bus),
২। অ্যাড্রেস বাস (Address Bus) ও
৩। কন্ট্রোল বাস (Control Bus)।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• অ্যালগরিদমের মূল উদ্দেশ্য হলো একটি নির্দিষ্ট সমস্যা ধাপে ধাপে সমাধান করা। এটি একটি সুসংগঠিত ধারা যেখানে সমস্যার সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ধাপগুলি ক্রমবদ্ধভাবে নির্ধারণ করা হয়। অ্যালগরিদম কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এবং তথ্য প্রযুক্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি কার্যকরী ও সঠিক সমাধান নিশ্চিত করে। তথ্য সংরক্ষণ, গ্রাফিক্যাল বিষয়বস্তু প্রদর্শন বা নেটওয়ার্ক ট্রাফিক পরিচালনা অ্যালগরিদমের সীমিত অংশ হতে পারে, কিন্তু মূল লক্ষ্য সবসময় সমস্যার সমাধান প্রক্রিয়াকে সহজ, নির্ভুল এবং কার্যকর করা। তাই ধাপে ধাপে সমাধান করাই অ্যালগরিদমের কেন্দ্রীয় উদ্দেশ্য।
• অ্যালগরিদমের মূল বৈশিষ্ট্য (Characteristics of Algorithm):
- অ্যালগরিদম হলো একটি স্পষ্ট ধাপে ধাপে নির্দেশনার সেট, যা কোনো সমস্যার সমাধান প্রদান করে।
- এলোমেলো প্রক্রিয়ার ধারা নয়; অ্যালগরিদম সর্বদা নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে কাজ করে।
- ভিত্তিহীন অনুমান নয়; অ্যালগরিদমের প্রতিটি ধাপ নির্ভর করে পূর্বের ধাপের ফলাফলের উপর।
- অস্পষ্ট যৌক্তিক ধারা নয়; অ্যালগরিদমে প্রতিটি ধাপ সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট।
- সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট ধাপে ধাপে সমাধান।
সূত্র:
- ব্রিটানিকা। [link]
ব্যাখ্যা
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (১১শ - ১২শ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে 'মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)।
• ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা:
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
বিজয়:
- বাংলা সফটওয়্যার বাংলাদেশে কম্পিউটার ব্যবহারের সূচনা হয় আশির দশকের গোঁড়ার দিকে।
- এই প্রযুক্তিতে বাংলা ব্যবহারের চেষ্টা শুরু হয় তার কয়েক বছর পর।
- কম্পিউটারে বাংলা লেখার জন্যে দুটি উপাদান দরকার- তার একটি হলো বাংলা ফন্ট, আর অপরটি হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার।
অভ্র:
- উচ্চারণভিত্তিক বাংলা লেখার সফটওয়্যার হলো অভ্র।
- এটি ২০০৭ সালে বাজারে আসে এবং দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।
- অভ্র ইউনিকোডভিত্তিক সফটওয়্যার।
- বাংলা কী বোর্ডের লে আউট ১৯৬৫ সালে প্রথম মুনীর চৌধূরী তৈরি করেন।
- পরবর্তী সময়ে আসে বর্তমানে সর্বাধিক প্রচলিত বিজয় সফটওয়্যার।
অন্যদিকে,
- বাংলায় অত্যন্ত জনপ্রিয় ফন্টগুলাের মধ্যে রয়েছে আদর্শলিপি, সুলেখা, সারদা, আনন্দ, সুশ্রী, মেঘনা, চন্দ্রবর্তী, সুতনী, যমুনা ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• অপটিক্যাল স্টোরেজ সিস্টেম (Optical Storage System):
- যে সমস্ত ডিস্কে Optical Storage Technology-এর মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ করা হয়, তাকে Optical Disk বলা হয়।
- যেমন: CD-ROM Disk বা CD Disk, DVD ইত্যাদি।
• সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory):
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড়, ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) হলো এমন সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ পূরণের জন্য ডিজাইন করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word (ডকুমেন্ট তৈরি), Photoshop (ইমেজ এডিটিং), এবং Google Chrome (ওয়েব ব্রাউজিং) হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।
অন্যান্য অপশনসমূহ,
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি সফটওয়্যার (Utility Software): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অ্যাডভান্সড অ্যাকসেস কনটেন্ট সিস্টেম ব্লু-রে ডিস্কে ব্যবহৃত কপিরাইট সুরক্ষা ব্যবস্থা যা ডিস্কে সঞ্চিত অননুমোদিত অনুলিপি এবং বিতরণ রোধ করে।
- এটি Blu-ray ছাড়াও HD-DVD এর হাই ডেফিনিশন ভিডিও কন্টেন্টের সুরক্ষা প্রদান করে থাকে।
উৎস : Centre for Applied Cryptographic Research (CACR) at the University of Waterloo Website
ব্যাখ্যা
• Windows:
- উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
- উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণ ব্যবহারকারীন সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে।
- ১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়।
- ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।
- ১৯৯৪ সালে WIN 95/97 Operating System স্বতন্ত্র Operating System হিসেবে চালু হয়।
- Windows 95 চালনার জন্য ডসের প্রয়োজন হয় না।
- তবে ১৯৯৫ সালে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ ৯৫ সবচেয়ে বেশি আলোড়ন সৃষ্টি করে। এরপর চালু হয় উইন্ডোজ ৯৮।
- বর্তমানে উইন্ডোজ এক্সপি (XP), ভিস্তা, Windows 7, Windows 10, Windows 11 বিপুলভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. geeksforgeeks.
ব্যাখ্যা
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের সময়কাল ছিল ১৯৪০ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো ইলেকট্রনিক সিগন্যালের পরিবর্ধন ও সুইচিং এর জন্য।
- ভ্যাকুয়াম টিউবগুলো বড় আকারের, বেশি বিদ্যুৎ খরচকারী এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন করত।
- ফলে কম্পিউটারগুলো অনেক বড় এবং ভারী হতো।
- মেমোরি ও স্টোরেজের জন্য ব্যবহৃত হতো ম্যাগনেটিক ড্রাম।
- ইনপুট ও আউটপুট মাধ্যম হিসেবে পাঞ্চ কার্ড এবং পাঞ্চ টেপ ব্যবহৃত হতো।
- প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহৃত হতো শুধুমাত্র মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ (0 ও 1)।
• প্রথম প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটারসমূহ:
- ENIAC (Electronic Numerical Integrator and Computer) - ১৯৪৬.
- EDVAC (Electronic Discrete Variable Automatic Computer) - ১৯৪৯.
- UNIVAC-I (Universal Automatic Computer) - ১৯৫১.
- EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calculator) - ১৯৪৯.
উৎস: Britannica. [লিংক]
ব্যাখ্যা
ভিয়েনা একটি কম্পিউটার ভাইরাস।
কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।
অন্যদিকে, এভিরা, পান্ডা, অ্যাভাস্ট হচ্ছে এন্টিভাইরাস।
সোর্স: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Source: Google
ব্যাখ্যা
- তাই উইন্ডোজের জন্য C Drive প্রধান ড্রাইভ।
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- একজন ফ্রিল্যান্সারের যেরকম রয়েছে কাজের ধরণ নির্ধারণের স্বাধীনতা, তেমনি রয়েছে যখন ইচ্ছা তখন কাজ করার স্বাধীনতা।
- ইন্টারনেটের কল্যাণে ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) এখন একটি নির্দিষ্ট স্থানের সাথেও সম্পর্কযুক্ত নয়।
- কারো কাছে যদি ইন্টারনেট সংযোগসহ একটি কম্পিউটার থাকে তাহলে সে যেকোন জায়গাতে বসেই ফ্রিল্যান্স ও আউটসোর্সিং এর কাজগুলো করতে পারেন।
- ওয়েবসাইট তৈরি, থ্রিডি এনিমেশন, গ্রাফিক্স ডিজাইন বা ছবি সম্পাদনা, ডেটা এন্ট্রি, লেখালেখি করা, কোন পণ্যের বাজার খুঁজে দেওয়া, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করা, ডেটা বিশ্লেষণ করা ইত্যাদিসহ আরো অসংখ্য কাজ এই পদ্ধতিতে করা সম্ভব।
- বিশ্বব্যাপী আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, odesk.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।
• ebay.com একটি কেনা-বেচার সাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান