PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ২০ / ৮২ · ১,৯০১–২,০০০ / ৮,১৪১
ব্যাখ্যা
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইঙ্কজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer),
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।
• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার।
- কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুতগতিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।
• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার (Impact Printer):
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুলেশন ও গতি কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. লাইন প্রিন্টার (Line Printer) ও
২. অক্ষর প্রিন্টার বা সিরিয়াল প্রিন্টার(Serial Printer).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
Source: britannica.com/technology
ব্যাখ্যা
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয় হাইব্রিড কম্পিউটার। এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড সিস্টেমে সীমিত মেমরি ও নির্দিষ্ট কাজের জন্য মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করা হয়।
• এম্বেডেড সিস্টেম:
- এম্বেডেড সিস্টেম হলো একটি কম্পিউটেশনাল সিস্টেম যা নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়।
- এম্বেডেড সিস্টেমগুলো হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কাজ করে, যা নির্দিষ্ট কাজগুলোর উপর কেন্দ্রীভূত থাকে।
- একটি এম্বেডেড সিস্টেমের মূল অংশে থাকে মাইক্রোকন্ট্রোলার বা মাইক্রোপ্রসেসর হার্ডওয়্যার, যার উপর ব্যবহারকারী সফটওয়্যারের আকারে কোড লিখে সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ করে।
- এটিকে বলা যায় একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ডেডিকেটেড কম্পিউটার সিস্টেম।
- এটি আমাদের প্রচলিত কম্পিউটার বা সাধারণ উদ্দেশ্যের কম্পিউটার নয়।
- এম্বেডেড সিস্টেম স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে বা বড় কোনো সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত হয়ে কিছু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন করতে পারে। - এই সিস্টেমগুলো মানুষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই বা খুব সামান্য হস্তক্ষেপে কাজ করতে পারে।
• এম্বেডেড সিস্টেমের উদাহরণ:
ডিজিটাল ঘড়ি
ওয়াশিং মেশিন
খেলনা
টেলিভিশন
ডিজিটাল ফোন
লেজার প্রিন্টার
ক্যামেরা
শিল্পযন্ত্র
ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর
অটোমোবাইল
চিকিৎসা সরঞ্জাম ইত্যাদি।
• এম্বেডেড সিস্টেমের ব্যবহার:
গৃহস্থালির যন্ত্রপাতি
পরিবহন
স্বাস্থ্যসেবা
ব্যবসা ও অফিস
প্রতিরক্ষা খাত
মহাকাশশিল্প
কৃষি খাত
উৎস: geeksforgeeks.
ব্যাখ্যা
• প্রোস্টেট ক্যান্সার রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয়।
- ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি যেখানে অতিরিক্ত ঠাণ্ডা ব্যবহার করে অসুস্থ টিস্যু বা কোষ ধ্বংস করা হয়। এটি প্রধানত ক্যান্সার ও কিছু ক্ষত সৃষ্টি রোগে ব্যবহৃত হয়। বিশেষ করে প্রোস্টেট ক্যান্সারের ক্ষেত্রে ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করে ক্যান্সারগ্রস্ত টিস্যু সংলগ্ন কোষ নষ্ট করা হয়, যা রোগের উন্নতি ঘটাতে সাহায্য করে। তবে উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসের মতো সিস্টেমিক রোগের চিকিৎসায় এই পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় না। তাই প্রদত্ত বিকল্পের মধ্যে শুধুমাত্র প্রোস্টেট ক্যান্সার (খ) এর চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি প্রযোজ্য। এটি একটি লক্ষ্যভিত্তিক, ক্ষুদ্র আক্রমণাত্মক চিকিৎসা পদ্ধতি।
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়। ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, চর্ম রোগ ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে একটি কার্যকর ও নিরাপদ চিকিৎসা বিবেচনা করা হয়।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে।
- সার্জারির কারণে ব্যাথা, রক্তক্ষরণ ও অন্যান্য যে অসুবিধা হয়, তা ক্রায়োসার্জারিতে হয় না।
- ক্রায়োসার্জারি পদ্ধতিতে চিকিৎসা খরচ অনেক কম হয় ও হাসপাতালেও অনেক কম সময় থাকা লাগে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বা ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয়।
- অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
- এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
- একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য এই গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।
• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
→ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
→ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
→ কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে-
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন,
- মডেম।
সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা।
ব্যাখ্যা
- প্রিন্টার (Printer) হল একটি পেরিফেরাল ডিভাইস যা গ্রাফিক্স, ইমেজ এবং টেক্সট ডকুমেন্ট কাগজে প্রিন্ট করে।
- প্রিন্টারকে আউটপুট ডিভাইসও বলা হয়।
- অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজ্যুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (DPI)।
প্রিন্টারের ব্যবহার-
১. ব্যক্তিগত বা অফিসিয়াল চিঠিপত্র, বড়সড় ডকুমেন্টের স্বল্পসংখ্যক কপি তৈরি করার জন্য প্রিন্টার অত্যন্ত উপযোগী।
২. কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত প্রিন্টারের সাহায্যে অতি ক্ষুদ্র মাপের কাগজ থেকে বিশাল আকারের ম্যাপ ছাপানোর মতো কাজ করা যায়।
৩. দ্রুতগতিতে অল্প সময়ে একই ডকুমেন্টের বহু কপি তৈরি করা যায়।
৪. ট্রেসিং পেপারে ডকুমেন্টকে মুদ্রিত করে তা ব্যাপক মুদ্রণের জন্য প্রিন্টিং প্রেসের উপযোগী করা যায়।
৫. কম্পোজ করার পর সহজেই ডকুমেন্টের প্রুফ দেখার উপযোগী প্রুফশিট বের করা যায়।
সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার: সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভূক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• CPU বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট মূলত কম্পিউটারের মস্তিষ্ক হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড অনুযায়ী তথ্য গ্রহণ করে এবং তা প্রক্রিয়াকরণ করে ফলাফল তৈরি করে। অন্য কথায়, CPU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পাদন করে, যেমন গণনা করা, ডেটা তুলনা করা এবং নির্দেশনা কার্যকর করা। এটি কম্পিউটারের অন্যান্য অংশ যেমন মেমোরি এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে। তাই, CPU-এর প্রধান কাজ হলো তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
- সঠিক উত্তর: গ) তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।
সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU):
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হলো যেকোনো ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান অংশ।
- এটি সাধারণত প্রধান মেমরি, কন্ট্রোল ইউনিট এবং অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট নিয়ে গঠিত।
- এটি একটি কম্পিউটার সিস্টেমের ফিজিক্যাল হার্ট বা মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
- এর সাথে বিভিন্ন পেরিফেরাল সরঞ্জাম যেমন ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং সহায়ক স্টোরেজ ইউনিট যুক্ত থাকে।
- আধুনিক কম্পিউটারে, CPU একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট চিপের মধ্যে থাকে, যাকে মাইক্রোপ্রসেসর বলা হয়।
- সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিটের কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের কার্যক্রমগুলো নিয়ন্ত্রণ করে এবং একত্রিত করে।
- এটি প্রধান মেমরি থেকে সঠিক ক্রমে নির্দেশাবলী নির্বাচন ও পুনরুদ্ধার করে এবং সেগুলোকে ব্যাখ্যা করে সিস্টেমের অন্যান্য কার্যকরী উপাদানগুলোকে সক্রিয় করে, যাতে তারা তাদের নিজ নিজ কাজগুলো সঠিক সময়ে করতে পারে।
- সমস্ত ইনপুট ডেটা প্রধান মেমরির মাধ্যমে অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিটে স্থানান্তরিত হয়।
- অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট চারটি মৌলিক গাণিতিক ফাংশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ এবং ভাগ) এবং ডেটা তুলনা ও সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রয়োজনীয় পদ্ধতি নির্বাচন করার মতো কিছু লজিক অপারেশন করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -
১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।
২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- একটি টেবিলের প্রাইমারী কী-এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী-এর সম্পর্ক হলে One to Many রিলেশন তৈরি হয়।
৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, বাংলাদেশ।
ব্যাখ্যা
- অফিস-আদালত, বড় বড় শিল্প ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানের বিপুল পরিমাণ ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170 ইত্যাদি।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).
• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।
• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।
• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3. PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।
• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
=sum(C9,C12) and =sum (C9:C12) দুইটাই sum এর সঠিক ফর্মুলা।
=sum(C9,C12) -- এটা শুধু C9 এবং C12 সেল দুটির যোগ করবে।
=sum(C9:C12) -- এভাবে লিখলে C9 থেকে C12 পর্যন্ত সকল সেলকে যোগ করবে।
ব্যাখ্যা
- এর নাম Computer History Museum (CHM) যেটি ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত এবং ১৯৯৬ সালে স্থাপিত।
- বাংলাদেশের প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৬৪ সালে।
- পাকিস্তান পরমাণু শক্তি কমিশনের পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, ঢাকাতে ১৯৬৪ সালে স্থাপিত হয় বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রথম কম্পিউটার।
- বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটারটি ছিলো আইবিএম কোম্পানির ১৬২০ সিরিজের একটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয় ১৯৭৯ সালে।
- সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ১৯৮১ সালে প্রথম কম্পিউটার স্থাপিত হয়।
উৎস:
১. বাংলাপিডিয়া।
২. computermuseumofamerica.
ব্যাখ্যা
◉ DPI হল মাউসের সংবেদনশীলতার একটি পরিমাপ, যা নির্দেশ করে মাউস প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) সনাক্ত করতে পারে। উচ্চ DPI মানে মাউসের কার্সর স্ক্রিনে দ্রুত চলাচল করতে পারে, যা গেমিং বা উচ্চ-নির্ভুলতার কাজের জন্য উপযোগী।
DPI:
- DPI এর পূর্ণরূপ dots per inch.
- ডিপিআই (প্রতি ইঞ্চি বিন্দু) একটি প্রিন্টার বা ইমেজসেটারের আউটপুট রেজোলিউশনকে বোঝায় এবং পিপিআই (পিক্সেল প্রতি ইঞ্চি) একটি ফটোগ্রাফ বা ছবির ইনপুট রেজোলিউশনকে বোঝায়।
- DPI একটি চিত্রের ভৌত ডট ঘনত্বকে বোঝায় যখন এটি একটি বাস্তব ভৌত সত্তা হিসাবে পুনরুত্থান করা হয়, উদাহরণস্বরূপ কাগজে মুদ্রিত।
- DPI সাধারণত প্রিন্টার, স্ক্যানার বা মাউসের মতো ডিভাইসের সাথে সম্পর্কিত, যেখানে এটি প্রতি ইঞ্চিতে কতগুলি ডট (বা পিক্সেল) প্রিন্ট, স্ক্যান বা সনাক্ত করা যায় তা নির্দেশ করে।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। Logitech Official Blog.
ব্যাখ্যা
আপনার ফোনে হোয়্যাটসঅ্যাপ, সিগন্যাল, টেলিগ্রাম, ফেসবুক মেসেঞ্জার ইত্যাদি অ্যাপের সাহায্যে যেসব টেক্সট মেসেজ আদান প্রদান করা হবে তার সবই হ্যাকাররা দেখতে ও পড়তে পারে।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে যখন আমরা কোনো ফাইল বা টেক্সট কপি করি, এটি ক্লিপবোর্ডে তার একটি অনুলিপি রাখে, কিন্তু মূল ফাইল বা টেক্সট অপরিবর্তিত থাকে। অন্যদিকে, কাট ব্যবহার করলে ফাইল বা টেক্সট ক্লিপবোর্ডে নেওয়া হয় এবং মূল অবস্থান থেকে এটি মুছে যায়। অর্থাৎ, কপি মূলটি ধরে রাখে, কাঁটলে মূলটি সরানো হয়। কপি সাধারণত ডুপ্লিকেট তৈরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়, আর কাট স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই কাজের ধরন অনুযায়ী ব্যবহারকারীরা এগুলো নির্বাচন করে, যাতে তথ্য সংরক্ষণ বা স্থানান্তর করা যায়।
সঠিক উত্তর: গ) কাট মূল ফাইল মুছে ফেলে, কপি মুছে না।
• ক্লিপবোর্ড কমান্ড:
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে।
- ক্লিপবোর্ড র্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেটা ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।
উৎস: Microsoft Support. [link]
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- স্টোরেজ ডিভাইস মানে হচ্ছে কোন কিছু স্টোর কোরে রাখা।
- স্টোরেজ ডিভাইস হলো এক ধরনের হার্ডওয়ার কম্পনেন্টস যেখানে সমস্ত ডেটা গুলো আমরা সেভ করতে পারি temporary অথবা permanently.
- স্টোরেজ ডিভাইস কম্পিউটারের হার্ডওয়ার এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- স্টোরেজ ডিভাইস মূলত দুই প্রকার।
১. primary storage device
২. Secondary storage device
# মনিটর, প্লটার, প্রিন্টার হচ্ছে আউটপুট ডিভাইস।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• ১ এর সম্পূরক (1’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ১ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দেওয়া হয়। 0 ⇒ 1, 1 ⇒ 0.
• ২ এর সম্পূরক (2’s Complement): কোনো বাইনারি সংখ্যার ২ এর সম্পূরক পাওয়ার জন্য সব বিট উল্টিয়ে দিয়ে সাথে 1 যোগ করতে হয়।
5 কে ৮ বিট বাইনারি আকারে লিখলে,
5 = 000001012
১ এর সম্পূরক (One’s Complement): করতে বিট গুলোকে উল্টিয়ে দিলে,
00000101 ⇒ 11111010
এখন,
২ এর সম্পূরক (Two’s Complement): উল্টানো বিটের সাথে ১ যোগ করি,
11111010 + 1 = 111110112
অতএব,
(- 5)10 = 111110112
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।
এখানে,
10101
= (1 ×24) + (0 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 16 + 0 + 4 + 0 + 1
=21
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬ ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯ এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F.
- এখানে A, B, C, D, E এবং F এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
- (851)16, (21B)16 ইত্যাদি হলো হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার উদাহরণ।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পাইথনের ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, মেশিন লার্নিং, ডেটা সায়েন্স, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং বিগ ডেটার মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- ১৯৮০ সালে Guido van Rossum, এই উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা আবিষ্কার করেন।
সূত্র: Python Website
ব্যাখ্যা
◉ Ted Hoff ১৯৭১ সালে ইন্টেল (Intel)-এ কাজ করার সময় তিনি প্রথম বাণিজ্যিক মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004 ডিজাইন করেন। এজন্য তাকেই মাইক্রোপ্রসেসরের জনক (Father of Microprocessor) বলা হয়।
মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য ব্যবহৃত প্রধান হার্ডওয়্যার অংশ।
- এটি কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- মাইক্রোপ্রসেসর সিলিকনের তৈরি একটি VLSI - Very Large Scale Integration চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে, যা ছিল Intel 4004 নামের ৪ বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
- মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ বিটের সংখ্যা এর ওপর ভিত্তি করে করা হয়, যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
এছাড়াও,
Charles Babbage: তাঁকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক (Father of Computer), কারণ তিনি ১৯শ শতকে Analytical Engine-এর নকশা করেন।
Alan Turing: তিনি ছিলেন আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞানের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রণেতা, এবং টিউরিং মেশিন ধারণা দেন।
Wilhelm Leibniz: তিনি একজন গণিতবিদ ও দার্শনিক, যিনি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (binary system)-এর ভিত্তি তৈরি করেন।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Stanford University.
ব্যাখ্যা
• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ভিডিও স্ট্রিমিং - হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না।
ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- দশমিক সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য সংখ্যাটিকে ক্রমাগত ২ দ্বারা ভাগ করতে হয় এবং ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হয়।
- এভাবে চলতে থাকে যতক্ষন না ভাগশেষ ০ আসে।
∴ দশমিক (105)10 = বাইনারি (1101001)2 হবে।
ব্যাখ্যা
• স্ক্যানার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস, কারণ এটি কোনো ছবি বা ডকুমেন্টের ডিজিটাল তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে।
• ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড,
- মাউস,
- অপটিকাল রিডার,
- জয়স্টিক,
- মাইক্রোফোন,
- স্ক্যানার,
- গ্রাফিক্স প্যাড,
- লাইট পেন,
- ওয়েবক্যাম,
- ওসিআর ইত্যাদি।
• আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন
• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন,
- মডেম,
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) মূলত IBM তৈরি করা একটি ক্যারেক্টার এনকোডিং সিস্টেম, যা অক্ষর ও সংখ্যা কম্পিউটারে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত IBM-এর মূলফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, যা বড় বড় সংস্থা ও ব্যাংকিং সেক্টরে ডেটা প্রসেসিংয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। EBCDIC-এর ডিজাইন মূলত বৃহৎ এবং জটিল ডেটা প্রসেসিং সিস্টেমকে সমর্থন করার জন্য করা হয়েছে। অন্য কম্পিউটার প্ল্যাটফর্ম যেমন মোবাইল ডিভাইস, পার্সোনাল কম্পিউটার বা UNIX সার্ভারে ASCII বা Unicode এনকোডিং বেশি প্রচলিত। সুতরাং, EBCDIC-এর প্রধান ব্যবহার ক্ষেত্র হলো IBM mainframes.
- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM mainframes.
• ইবিসিডিক কোড:
- EBCDIC এর পূর্ণরূপ হলো Extended Binary Coded Decimal Interchange Code.
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- এই কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।
- যেমন: 5 কে EBCDIC এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101 এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5 এর EBCDIC হবে 11110101.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- 80186 মাইক্রোপ্রসেসর হল একটি 16-বিট মাইক্রোপ্রসেসর যা ইন্টেল কোম্পানি দ্বারা ডিজাইন এবং নির্মিত হয়।
- এটি ইন্টেলের 8086 মাইক্রোপ্রসেসরের উন্নত সংস্করণ হিসেবে পরিচিত, তবে কিছু অতিরিক্ত বৈশিষ্ট্য যেমন অন্তর্নির্মিত পেরিফেরাল (যেমন টাইমার, ডিরেক্ট ম্যামরি অ্যাক্সেস - DMA) এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রসেসর আর্কিটেকচার: 80186 16-বিট আর্কিটেকচারের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এর ফলে এটি 16-বিট ইনস্ট্রাকশন এবং ডেটা প্রসেস করতে সক্ষম।
- 80186 মাইক্রোপ্রসেসরটি একটি শক্তিশালী এবং দক্ষ প্রসেসর ছিল, তবে এটি কম্পিউটার এবং ডেটা প্রসেসিংয়ের মূলধারায় বেশিরভাগ ব্যবহৃত হয়নি।
- তবে, এটি শিল্প এবং এমবেডেড সিস্টেমে বিশেষভাবে ব্যবহারিত হয়েছে।
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- চিত্রে, পিরামিডের শীর্ষে অবস্থান করা রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা কম হলেও এর গতি যেমন সবচেয়ে বেশি, খরচও তেমনি সবচেয়ে বেশি। আবার পিড়ামিডের একদম পাদদেশে অবস্থিত অপটিক্যাল ডিস্কের ধারণক্ষমতা বেশি হলেও গতি কম এবং দামও তুলনামূলক কম।
- CD, RAM এর চেয়ে Cach Memory তে সবচেয়ে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়।
• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
A (10) = 1010
2 = 0010
5 = 0101
B (11) = 1011
3 = 0011
∴ (A25.B3)16 = 1010 0010 0101.1011 0011
= (101000100101.10110011)2
ব্যাখ্যা
• মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করলে এক সময়ে একাধিক প্রোগ্রাম বা কাজ চালানো সম্ভব হয়। এটি ব্যবহারকারীকে একই কম্পিউটার বা ডিভাইসে একসাথে বিভিন্ন সফটওয়্যার পরিচালনা করার সুযোগ দেয়, যেমন একটি সময়ে ওয়েব ব্রাউজার, মিউজিক প্লেয়ার এবং ডকুমেন্ট এডিটর চালানো। এর ফলে সময়ের অপচয় কমে যায় এবং কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম প্রসেসর ও মেমোরি সম্পদগুলো কার্যকরভাবে ভাগ করে নেয়, ফলে একাধিক প্রোগ্রাম একই সাথে সুষ্ঠুভাবে চলতে পারে। তাই এর মূল সুবিধা হলো একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো, যা ব্যবহারকারীর কাজের সুবিধা ও উৎপাদনশীলতা বাড়ায়।
- সঠিক উত্তর: গ) একসাথে একাধিক প্রোগ্রাম চালানো।
মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেম (Multiprogramming or Multitasking):
- মাল্টিপ্রোগ্রামিং বা মাল্টিটাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি কম্পিউটার একসাথে অনেকগুলো প্রোগ্রাম চালাতে পারে বা ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
- ব্যাচ প্রসেসিং অপারেটিং সিস্টেমে একটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং-এর পর আরেকটি প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে। এ ক্ষেত্রে দেখা যায়, কম গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ যখন ডেটা আদান-প্রদানে ব্যস্ত থাকে তখন অপেক্ষাকৃত উচ্চতর গতিসম্পন্ন সিপিইউ অলস হয়ে বসে থাকে।
- কিন্তু মাল্টিপ্রোগ্রামিং-এর ক্ষেত্রে র্যাম (RAM)-এ একাধিক প্রোগ্রাম সঞ্চিত থাকে।
- সিপিইউ যখন কোনো একটা প্রোগ্রাম প্রসেসিং করে তখন ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ডিভাইসসমূহ একই প্রোগ্রাম বা অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের ইনপুট নেওয়া কিংবা আউটপুট দেওয়ার কাজে হাত দেয়।
- আর এই সময়ে সিপিইউ অন্য আরেকটি প্রোগ্রামের প্রসেসিং শুরু করে। সুতরাং সিপিইউ এমনকি ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরাল ব্যবস্থাও কখনও অলস অবস্থায় থাকে না।
- মাল্টিটাস্কিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যেমন ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, মোবাইল ডিভাইস ইত্যাদি।
- IBM/VM, VM/SPCMS, Mac OS, UNIX, LINUX ইত্যাদি মাল্টিপ্রোগ্রামিং অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• ন্যানো প্রযুক্তির ব্যবহার:
- রাসায়নিক শিল্প: সানস্ক্রিনে ব্যবহৃত টিটানিয়াম ডাই-অক্সাইড তৈরির কাজে, বিভিন্ন জিনিসের প্রলেপ তৈরির কাজে, পানি বিশুদ্ধকরণের কাজে এবং পরিস্রাবণ পদ্ধতিতেও এই টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
- খাদ্যশিল্প: খাদ্যজাত দ্রব্য প্যাকেজিং এর সিলভার তৈরির কাজে, খাদ্যে স্বাদ তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ন্যানোম্যাটেরিয়াল তৈরিতে।
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে: ঔষধ তৈরির আণবিক গঠনে যাতে রোগাক্রান্ত সেলে সরাসরি ঔষধ প্রয়োগ করা যায়।
- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে: ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতিতে বিদ্যুৎ খরচ, ওজন এবং আকৃতি কমিয়ে কার্যক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে।
- জ্বালানী তৈরিতে: হাইড্রোজেন আয়ন এর জন্য ফুয়েল সেল তৈরিতে।
- নবায়নযোগ্য শক্তি শিল্পে: প্রচলিত সৌর কোষের চাইতে আরও অধিক সাশ্রয়ী মূল্যের ন্যানোটেক সৌর কোষ তৈরিতে এবং বিভিন্ন প্রকার ব্যাটারী তৈরিতে।
- খেলাধুলা ও ক্রিয়া সরঞ্জাম তৈরিতে: খেলাধূলার সামগ্রী যেমন টেনিস বলের স্থায়ীত্ব বৃদ্ধির জন্য, বাতাসে গলফ বলের পজিশন ঠিক রাখার জন্য।
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার তৈরিতে: ভিডিও গেমস কনসোল এবং পার্সোনাল কম্পিউটারের মেমরি, গতি, দক্ষতা ইত্যাদি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন হার্ডওয়্যার তৈরিতে।
- রেফ্রিজারেটর: ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহারের ফলে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষিত খাদ্যদ্রব্য দীর্ঘ দিন ধরে টাটকা রাখা যায়।
- ভারি শিল্পে: বিমান, শোধনাগার ও মোটর গাড়ি প্রস্তুত করতে ন্যানো টেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
120 এর প্রত্যেকটি digit হলো:
1
2
0
এখন প্রতিটি digit কে 4-bit binary তে রূপান্তর করি:
1 → 0001
2 → 0010
0 → 0000
এখন একসাথে বসালে:
0001 0010 0000
অথবা, একটানা লিখলে: 000100100000
এটাই হলো BCD রূপ।
∴ সঠিক উত্তর: 000100100000
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৮৬, ৮০৮৮, ৮০১৮৬ হল ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০৩৮৬, ৮০৪৮৬ হল ৩২ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium হল ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
১৯৭৮ সালে তৈরিকৃত ইন্টেল ৮০৮৬ মাইক্রোপ্রসেসর টি ১৬ বিটের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর।
ব্যাখ্যা
- উইন্ডোজ মূলত ডসের একটি গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
- ডসের অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক কিন্তু উইন্ডোজের অপারেটিং সিস্টেম চিত্রভিত্তিক।
- ডসের এ্যাপ্লিকেশন চালানোর সময় কমান্ড দিতে হয় কী- বোর্ডে সাহায্যে বিভিন্ন অক্ষরের মাধ্যমে। কিন্তু উইন্ডোজের এ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম চালানোর সময় কমান্ড দিতে হয় বিভিন্ন আইকোন ও মেনুর বিভিন্ন কমান্ডের মাধ্যমে।
- এ পর্যন্ত উইন্ডোজের অনেকগুলো ভার্সন বের হয়েছে। তারমধ্যে উইন্ডোজ ৩.১, উইন্ডোজ ৯৫, উইন্ডোজ ৯৮, উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ এন টি ও উইন্ডোজ এক্সপি উল্লেখযোগ্য।
তথ্যসূত্র - কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
•ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Siege.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা। ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বাকম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।
•১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন। ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য
আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো:
১. এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২. এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩. অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪. নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা
Open Source Operating System
যে সকল অপারেটিং সিস্টেমের সোর্স কোড সবার জন্য উন্মুক্ত, যা বিনামূল্যে সংগ্রহ করা যায় এবং যে কেউ এই সকল কোড তার খুশিমত পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন ইত্যাদি করে নিজে ব্যবহার করে ও অন্যকে ব্যবহারের জন্য বিতরণ করতে পারে, তাকে ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম (Open Source Operating System) বলে।
উদাহরণ:
- Linux (Ubuntu, Debian, Redhat, Fedora, SUSE etc.),
- Open Solaries,
- FreeBSD,
- NetBSD,
-OpenBSD,
- eactOS,
- Haiku,
- GNU,
- HURD,
- eCos,
- Darwin,
- Oberon,
- Plan 9, ইত্যাদি।
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক মেমোরি।
ধাতব পাতের উভয়পৃষ্ঠে চুম্বকীয় পদার্থের প্রলেপ থাকে।
এজন্য এ ডিস্ককে চুম্বকীয় ডিস্কও বলা হয়।
হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা নির্ণয় করা হয় সাধারণত গিগাবাইট, টেরাবাইট ইত্যাদি এককে। তবে, 'গিগাবাইট' এককটি হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা মাপার বহুল প্রচলিত একক।
ব্যাখ্যা
- হাই-লেভেল বা উচ্চ স্তরের ভাষা কোন সংকেত বা সাংকেতিক কোড নির্ভর নয়।
- এটি ইংরেজি ভাষার মতোই।
- এই স্তরের ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম বিভিন্ন ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা সম্ভব।
- উচ্চ স্তরের ভাষা মানুষের ভাষার (যেমন- ইংরেজি ভাষা) সাথে মিল রেখে তৈরি করা হয়েছে।
- উচ্চ স্তরের ভাষার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ভাষা হচ্ছে-
• BASIC,
• COBOL,
• FORTRAN,
• PASCAL,
• C++,
• JAVA,
• PROLOG ইত্যাদি।
- কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার নামক প্রোগ্রাম ব্যবহার করে এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করা হয়। ফলে কম্পিউটার এ জাতীয় প্রোগ্রাম বুঝতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• System Restore সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যারের প্রভাবে সিস্টেম অস্থিতিশীল হলে ব্যবহৃত হয়; এটি ব্যাকআপ বা ডিস্ক অপটিমাইজেশনের কাজ করে না।
• সিস্টেম রিস্টোর:
- System Restore হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম।
- এর মাধ্যমে কম্পিউটারের পূর্বের স্থিতিশীল অবস্থায় ফিরে যাওয়া যায়।
- এটি সফটওয়্যার, ড্রাইভার বা সিস্টেম সেটিংসে সমস্যা হলে আগের অবস্থায় রিস্টোর করে।
- এটি সফটওয়্যার ত্রুটি, ড্রাইভার সমস্যা বা ম্যালওয়্যার আক্রমণের কারণে সিস্টেম বাধাগ্রস্ত হলে ব্যবহৃত হয়।
- ব্যক্তিগত ফাইল (যেমন: ছবি, ডকুমেন্ট) এটি প্রভাবিত করে না।
উৎস: মাইক্রোসফট অফিসিয়াল সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- গেটওয়ে ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের কাজ করা হয়।
- গেটওয়ে এবং রাউটার ব্যবহার করে ছোট ছোট নেটওয়ার্ককে সংযুক্ত করে বড় ধরনের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হয়।
- রাউটার একই প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
- অন্যদিকে, গেটওয়ে বিভিন্ন প্রোটোকল বিশিষ্ট নেটওয়ার্ক সংযুক্ত করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
ব্যাখ্যা
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
[ সূত্র - বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েব সাইট ]
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার স্মৃতি ২ প্রকার। যথা-
১. প্রধান স্মৃতি (Primary Memory) :
- RAM ও ROM নিয়ে এই মেমরি গঠিত।
• কম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসাবে ব্যবহৃত হয় -
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory):
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
- প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা কম।
- তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
• কয়েকটি সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে -
- ফ্লপি ডিস্ক,
- হার্ড ডিস্ক,
- কম্প্যাক্ট ডিস্ক,
- চৌম্বক ফিতা,
- চৌম্বক ড্রাম।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মেমোরি ডিভাইসের ক্ষুদ্রতম একক হলো ফ্লিপ-ফ্লপ গেইট।
- অসংখ্য ফ্লিপ-ফ্লপ এর সমন্বয়ে গঠিত হয় ইলেক্ট্রনিক মেমোরি ডিভাইস।
• ফ্লিপ-ফ্লপ এর ব্যবহার-
১. মেমোরি উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
২. কাউন্টার, রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. ডেটা ট্রান্সফারে ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- আমরা বর্তমানে যে ডস ব্যবহার করি তার উদ্ভব সত্তর দশকের একবারে শেষের দিকে।
- সেই সময়ে টিম প্যাটার্সন কিউ ডস (Q DOS) নমে একটি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাণ করেন।
- Q DOS-ই আধুনিক এম এস ডসের ভিত্তি।
- সিপি/এম (CP/M) নামে আর একটি অপারেটিং সিস্টেম কিউ এস ডসের ভিত্তি।
- আইবিএম কোম্পানি ১৯৮০ সালে একটি চুক্তির মাধ্যমে ঠিক করেন তাদের মাইক্রোকম্পিউটারগুলোর অপারেটিং সিস্টেম হবে ডস।
- আইবিএম এই অপারেটিং সিস্টেম তৈরির দায়িত্ব দেয় মাইক্রোসফট কর্পোরেশনকে।
- মাইক্রোসফট তখন সিপি/এম অপারেটিং সিস্টেমকে ভিত্তি করে এমএস ডসের উন্নয়নের কাজ করে।
- ১৯৮১ সালে ডসের প্রথম ভার্সন বাজারে আসে।
- এমএস ডস খুব কম স্মৃতি সম্পন্ন কম্পিউটারে চলানোর উপযোগি করে তৈরি করা হয়।
- বর্তমানে এমএস ডস সর্বাধিক ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম।
- ১৯৮১ সাল হতে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এমএস ডসের বারটি ভার্সন বরে হয়েছে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- এতে প্রোগ্রাম লোড হতে কম সময় লাগে এবং প্রোগ্রাম দ্রুত রান হয় বিধায় কম্পিউটারের স্পিড ঠিক থাকে।
[উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
ব্যাখ্যা
- তবে BIOS firewall আসলে কোনো প্রচলিত ফায়ারওয়াল নয়। BIOS হলো কম্পিউটারের বুটিং সিস্টেমের একটি অংশ, এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তৈরি নয়। তাই BIOS firewall ফায়ারওয়ালের একটি ধরন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) BIOS firewall.
• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
(১২৭)৮
১ ২ ২৭
০০১ ০১০ ১১১
= ১০১০১১১
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের যে মেমোরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমোরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।
• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক
- সিডি
- ডিভিডি
- পেনড্রাইভ
- জিপ ড্রাইভ
- ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেজ, যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক ডাটা মডেল ব্যবহার করে।
NoSQL ডাটাবেজ:
- NoSQL ডাটাবেজগুলি নন-রিলেশনাল ডাটাবেজ, যা রিলেশনাল ডাটাবেজ (যেমন: MySQL, Oracle, SQL Server) থেকে ভিন্ন।
- এগুলি স্কিমা-লেস ডিজাইন এবং স্কেলেবিলিটির জন্য উপযোগী।
- NoSQL ডাটাবেজের উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে MongoDB, Cassandra, Redis, এবং Couchbase.
অন্যান্য অপশনসমূহ,
MySQL, Oracle, এবং SQL Server হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS), যা SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে ডেটা ম্যানিপুলেশন করে।
উৎস: ওরাকল ওয়েবসাইট। [লিংক]
ব্যাখ্যা
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ড ডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- হার্ডডিস্ক কতগুলো ট্র্যাক এবং ট্র্যাকগুলোর কয়েকটি সেক্টরের সমন্বয়ে গঠিত।
- ডিস্কের অপর পৃষ্ঠায় ডেটা রিড/রাইট করা সম্ভব।
===================
- হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, কম্পাক্ট ডিস্ক, চৌম্বক ফিতা, চৌম্বক ড্রাম ইত্যাদি সহায়ক স্মৃতির উদাহরণ।
সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।
• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.
• ই-কমার্স এর ধরণঃ
পণ্য বিক্রয়ক্ষেত্র ও লেনদেনের প্রকৃতি অনুযায়ী ই-কমার্সকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। -
১। Business to Consumer (B2C),
- Apple to you.
২। Business to Business (B2B),
- BATA to Super Shop.
৩। Consumer to Business (C2B),
- Farmer to Swapno.
8। Consumer to Consumer (C2C),
- Farmer to you.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান অ্যালজেব্রার মৌলিক উপপাদ্য (OR logic) অনুযায়ী, কোনো চলক এবং তার বিপরীত (Complement) চলকের যোগফল সর্বদা 1 হয়।
যদি A = 0 হয়, তবে Ā = 1।
অতএব, 0 + 1 = 1
যদি A = 1 হয়, তবে Ā = 0।
অতএব, 1 + 0 = 1
সুতরাং, উভয় ক্ষেত্রেই A + Ā = 1।
• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের সাথে সাধারণত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস যেমন: কি-বোর্ড, মাউস, প্রিন্টার, মনিটর, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি রম বা ডিভিডি রম ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে।
- কিন্তু শুধু সিপিইউয়ের সাথে এ ধরনে ডিভাইসগুলো সংযুক্ত করলেই এগুলো কাজ করে না।
- এর জন্য প্রয়োজন নির্দিষ্ট ড্রাইভার সফটওয়্যার ইনস্টলেশন।
- যে সকল সফটওয়্যারের সাহায্যে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইসকে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করার পর চালনা করা হয় বা যে সকল সফটওয়্যারে কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস চালনা করার প্রয়োজনীয় ইনফরমেশন থাকে, যা সহজেই অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে উক্ত ডিভাইসটি পরিচালনা করতে সক্ষম হয় তাদেরকে বলা হয় ডিভাইস ড্রাইভার।
- সাধারণত কোনো পেরিফেরাল ডিভাইস ক্রয়ের সময় বিক্রেতারা উক্ত ডিভাইসের সাথে একটি ডিভাইস ড্রাইভারের সিডি বা ডিভিডি দিয়ে দেয়।
- তবে আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ধরনের ডিভাইস ড্রাইভার সফটওয়্যার অন্তর্ভুক্ত করা থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- .bmp ফরম্যাট হল একটি আনকমপ্রেসড রাস্টার ফাইল যা উইন্ডোজে উচ্চ-মানের ছবি প্রদর্শন করতে এবং মুদ্রণযোগ্য ফটো সংরক্ষণ করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- .ppt হলো মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট-এর ডিফল্ট ফাইল ফরম্যাট।
- গুরুত্বপূর্ণ কিছু ফাইল ফরম্যাট
উৎস: মাইক্রোসফট।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার বুট প্রক্রিয়ার সময় বারবার বিপ (Repeated Beeps) দেওয়ার অর্থ হলো POST (Power-On Self-Test) প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ব্যর্থতা (major hardware failure) ঘটেছে।
- কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় POST (Power-On Self-Test) হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে।
- যদি স্ক্রিনে কিছু না দেখিয়ে বারবার বিপ কোড (beep codes) শোনা যায়, তবে এটি সাধারণত মাদারবোর্ড, RAM, বা ভিডিও কার্ডের মতো বড় হার্ডওয়্যার সমস্যা নির্দেশ করে।
- প্রতিটি beep pattern BIOS অনুযায়ী নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার ত্রুটি বোঝায়।
- একটানা বা বারবার বিপ প্রায়শই নির্দেশ করে যে, সিস্টেমের মেমরি (RAM) বা ভিডিও সাবসিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করছে না বা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
অন্যান্য অপশন:
- A hard drive failure (ক): হার্ড ড্রাইভের ব্যর্থতা সাধারণত POST সফল হওয়ার পরে অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার সময় সমস্যা তৈরি করে এবং বিপ কোড তৈরি করে না।
- A problem with the network card (খ): নেটওয়ার্ক কার্ডের ত্রুটি একটি গৌণ হার্ডওয়্যার সমস্যা, যা সাধারণত বুট প্রক্রিয়া চলাকালীন বিপ কোড তৈরি করে না।
- An issue with the user's startup application configuration (ঘ): স্টার্টআপ অ্যাপ্লিকেশনের কনফিগারেশনের সমস্যা অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়ার পরে ঘটে এবং POST বিপ কোড দ্বারা এটি নির্দেশিত হয় না।
উৎস: ব্রিটানিকা, Computerhope Website.
ব্যাখ্যা
- Concurrency Control হলো DBMS-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া যা নিশ্চিত করে যে একাধিক ব্যবহারকারী বা প্রোগ্রাম একসাথে ডাটাবেসে কাজ করলেও ডেটা সঠিক এবং consistent থাকে।
- উদাহরণ: দুই ব্যবহারকারী একই সময়ে একই ছাত্রের তথ্য আপডেট করতে চাচ্ছে। Concurrency Control ছাড়া একে অপরের পরিবর্তন overwrite হতে পারে।
মূল উদ্দেশ্য:
- ডেটার Integrity বজায় রাখা: একাধিক ব্যবহারকারী যখন একই ডেটা পড়ে বা পরিবর্তন করে, তখন ডেটা consistency এবং সঠিকতা বজায় থাকে।
- Deadlock এবং Race Condition প্রতিরোধ: এটি নিশ্চিত করে যে ডাটাবেসে দুই বা ততোধিক ট্রানজেকশন একই রিসোর্সের জন্য একসাথে আটকে না যায়।
Concurrency Control-এর ধরন:
- Pessimistic Concurrency Control: যখন একজন ব্যবহারকারী ডেটা পরিবর্তন করছে, অন্যরা তা পরিবর্তন করতে পারে না।
Lock mechanism ব্যবহার করে।
- Optimistic Concurrency Control: প্রথমে সব ব্যবহারকারী ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে। Commit করার সময় যদি কোনো conflict হয়, DBMS সেই conflict handle করে।
- উদাহরণ:
- Banking System: একজন ব্যবহারকারী একই অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা transfer করছে এবং অন্যজন একই সময়ে balance check করছে।
- Concurrency Control নিশ্চিত করে যে, একই সময়ে একাধিক ট্রানজাকশন চললেও ডেটাবেসে কোনো আপডেট হারিয়ে যাবে না, সব আপডেট সঠিকভাবে প্রতিফলিত হবে এবং ডেটা করাপশন বা অসামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা সৃষ্টি হবে না।
উৎস: Britannica. [লিংক]।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• যে সাইবার আক্রমণে টার্গেটকে প্রতারিত করার জন্য পরিচয়কে মিথ্যা বা ছদ্মবেশিত করা হয়, তাকে স্পুফিং (Spoofing) বলে।
• সাইবার ক্রাইম:
ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধসমূহ সংঘটিত হয় তাকে সাইবার অপরাধ বা সাইবার ক্রাইম বলে।
- ইংল্যান্ড বিশ্বে প্রথম সাইবার আইন প্রণেতা হিসেবে তৈরি করে "কম্পিউটার মিসইউজ অ্যাক্ট ১৯৯০"।
- ইংল্যান্ডে জাতীয় ই-অপরাধ ইউনিট গঠন করা হয় ২০০৮ সালে।
• বিভিন্ন ধরনের সাইবার ক্রাইম:
• স্পুফিং (Spoofing):
- নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্ফুফিং আক্রমণ হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা কোন একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।
• ফিশিং (Phishing):
- ই-মেইল বা টেক্সট ম্যাসেজ পাঠানোর মাধ্যমে লগ ইন বা অ্যাক্সেস ডেটা চুরি করার প্রক্রিয়াটিকে ফিশিং বলে।
- ই-কমার্স বা ই-ব্যাংকিং সাইটগুলোতে অ্যাক্সেস বা ডেটা চুরি ফিশারদের প্রধান লক্ষ্য থাকে।
• স্প্যামিং (Spamming):
- যখন কোন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ট একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসে অসংখ্য মেইল প্রেরণের মাধ্যমে মেমোরি দখল করে, এই পদ্ধতিকে স্প্যামিং বলে।
• স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুতবপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্নিকিং বলে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে- Random Access Memory.
- RAM মূলত একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যেটি সাধারণভাবে কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত থাকে।
- RAM কম্পিউটার এর টেম্পোরারি মেমোরি হিসেবে কাজ করে এটি একটি Read/Write মেমরি।
- সমস্ত কিছুকে পড়তে এবং রাইট করতে পারে।
- RAM কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:
১. কম্পাইলার (Compiler):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter):
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler):
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.
অন্যদিকে,
→ Debugger: কম্পিউটারে প্রোগ্রাম লেখার সময় কোনো ভুল হলে তাকে bug বলে। এই ভুল গুলো সংশোধন করাকে debug বলে আর যে tool- এর দ্বারা debug করা হয়, তাকে Debugger বলে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• “কার্নেল” হলো অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করে। এটি সরাসরি মেমোরি, প্রসেসর, ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস এবং অন্যান্য হার্ডওয়্যার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে প্রোগ্রামগুলো সঠিকভাবে কার্যকর হতে পারে। কার্নেল প্রসেস শিডিউলিং, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ড্রাইভার পরিচালনা এবং সিস্টেম কল পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবহারকারী ও অ্যাপ্লিকেশনদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্থিতিশীল পরিবেশ নিশ্চিত করে। সংক্ষেপে, কার্নেল সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যাতে ব্যবহারকারী সরাসরি হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ না করেও সিস্টেমের সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ঘ) হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে ইন্টারফেস প্রদান করা।
কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।
কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।
উৎস: আইবিএম ও টেকটার্গেট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
A GUI displays objects that convey information, and represent actions that can be taken by the user.
The objects change color, size, or visibility when the user interacts with them.
- GUI objects include icons, cursors, buttons. These graphical elements are sometimes enhanced with sounds or visual effects like transparency and drop shadows.
- A GUI is considered to be more user-friendly than a text-based common line interface, such as MS-DOS, or the shell of Unix-like operating systems.
Source: Computerhope
ব্যাখ্যা
একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।
মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। যেমন- Windows NT Server, Windows 2003 / 2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক, লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়। Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে। এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেনু ব্যবহার করে। প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়। তবে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ করতে হয় না। Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে।
- ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।
- কারণ কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। যেমন- যে কম্পাইলার COBOL প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে
সেই কম্পাইলার বেসিক প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে না।
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে।
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
১. উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
২. প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
৩. প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।
৪. প্রোগ্রামের যেকোনো ভুল-ত্রুটি সংশোধন করা।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন সফট্ওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
- MS WORD, MS EXCEL, ORACLE ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম।
২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম।
• সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম:
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক তৈরি যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়্যার পাওয়া যায় তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়।
- যেমন- এমএসওয়ার্ড প্রোগ্রামের সাহায্যে ওয়ার্ড প্রসেসিংয়ের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেল প্রোগ্রামের সাহায্যে হিসাব-নিকাশের কাজ করা যায়; এমএস এক্সেস প্রোগ্রামের সাহায্যে ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করা যায় ইত্যাদি।
- মূলত কম্পিউটার ব্যবহারকারীগণ সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রামের সাহায্যে প্রাত্যহিক সমস্যার সমাধান করে থাকেন।
- এমএস অফিস, ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, নেটস্কেপ নেভিগেটর, নেটস্কেপ কমিউনিকেটর, ইলেকট্রনিক মেইল, পেজ মেকার, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি হচ্ছে উল্লেখযোগ্য সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম।
• অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম:
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম। সমস্যার ধরন ও প্রকৃতি অনুসারে ব্যবহারকারী অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরি হয়ে থাকে।
- যেমন: ব্যাংকিং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ব্যাংকিং সফটওয়্যার, ইলেকট্রনিস কমার্স, পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তাই, Word Processor ইউটিলিটি সফটওয়্যার নয়, বরং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।
• ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ:
- Antivirus Software – Protects against viruses and malware (e.g., Norton Antivirus, McAfee, Avast).
- File Management Tools – Helps organize, manage, and search files (e.g., Windows File Explorer, Total Commander).
- Disk Cleanup and Defragmentation Tools – Frees up space and improves performance (e.g., Windows Disk Cleanup, Defraggler).
- Backup Software – Creates copies of data for recovery (e.g., Acronis True Image, Google Drive Backup).
- Compression Tools – Reduces file sizes for storage and transfer (e.g., WinRAR, 7-Zip).
- Firewall Software – Monitors and controls network traffic for security (e.g., Windows Defender Firewall, ZoneAlarm).
- System Monitoring Tools – Tracks system performance and resources (e.g., Task Manager, CPU-Z).
- Driver Update Tools – Ensures hardware drivers are up to date (e.g., Driver Booster, Snappy Driver Installer).
- Registry Cleaners – Optimizes and repairs the Windows registry (e.g., CCleaner, Wise Registry Cleaner).
- Clipboard Managers – Enhances clipboard functionality (e.g., Ditto, ClipMate).
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
অন্যান্য অপশনসমূহ সম্পর্কে আলোচনা:
- LOAD বলতে একটি সিস্টেম বা ডিভাইস যে কোনো সময়ে যে পরিমাণ কাজ পরিচালনা করছে তা বোঝায়।
ব্যাখ্যা
- বায়োইনফরমেটিক্স জীববিজ্ঞান, কম্পিউটার সায়েন্স, ইনফরমেশন ইঞ্জিনিয়ারিং, গণিত ও পরিসংখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত একটি বিষয়।
- মূলত এই বিষয়টির জন্ম হয়েছে জীববিজ্ঞানের বিশাল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়া করে সেগুলো ব্যাখ্যা করার জন্য।
- অর্থাৎ জীববিজ্ঞানে তথ্য প্রযুক্তির প্রয়োগ হলো বায়োইনফরমেটিক্স।
- জীববিজ্ঞানের সমস্যাগুলো যখন কম্পিউটার প্রযুক্তি কৌশল ব্যবহার করে সমাধান করা হয়, তখন সেটাকে বলা হয় বায়োইনফরমেটিক্স।
- জিন ফাইন্ডিং গবেষণায় বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন ইত্যাদি।
• কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস:
- স্ক্যানার,
- পাঞ্চকার্ড,
- বারকোড রিডার,
- ওয়েবক্যাম,
- মাউস,
- ওএমআর,
- ওসিআর,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ট্র্যাকবল,
- লাইটপেন,
- ডিজিটাইজার ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা
- Computer শব্দটির আভিধানিক অর্থ গণনাযন্ত্র বা হিসাবকারী যন্ত্র।
- পূর্বে কম্পিউটার দিয়ে শুধুমাত্র হিসাব-নিকাশের কাজই করা হতো।
- কিন্তু বর্তমানে অত্যাধুনিক কম্পিউটার দিয়ে অত্যন্ত দ্রুতগতিতে জটিল হিসাব-নিকাশের কাজ নির্ভুলভাবে করা ছাড়াও বহু রকমের কাজ করা যায়।
- কম্পিউটার সেকেন্ডের মধ্যে কোটি কোটি হিসাব-নিকাশ করতে পারে।
- কম্পিউটারে কাজ করার গতি হিসাব করা হয় সাধারণত ন্যানোসেকেন্ডে।
- ন্যানোসেকেন্ড হচ্ছে এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের একভাগ সময় মাত্র।
- ইলেকট্রন প্রবাহের মাধ্যমে কম্পিউটারের যাবতীয় কাজকর্ম পরিচালিত হয়।
- মূলত কম্পিউটার একটি অত্যাধুনিক ইলেকট্রনিকস যন্ত্র, যা নিজস্ব স্মৃতিভাণ্ডারে সুনির্দিষ্ট এক বা একাধিক কাজের নিদের্শাবলি সংরক্ষণ করে রাখে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাস, যা চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত, এর রচয়িতা হলেন চেন ইং-হাও (Chen Ing-hau), যিনি তাইওয়ানের টাটুং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে তার নামের আদ্যাক্ষর "CIH" থেকে।
- CIH ভাইরাস বা চেরনোবিল ভাইরাস ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
এই ভাইরাসকে "Chernobyl" বা "Spacefiller" নামেও ডাকা হয়।
- সত্তর দশকে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক রূপ ARPANET-এ "Creeper" নামক প্রথম ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছিল।
- Creeper ভাইরাসের মোকাবেলায় "Reaper" নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল, যা ভাইরাসটি মুছে ফেলতে সক্ষম ছিল। তবে তখন ভাইরাসটি সাধারণত শুধুমাত্র তার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকত।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- সঠিক উত্তর: ঘ) বাইনারি সংখ্যা বা হেক্সাডেসিম্যাল।
• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।
• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।
• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।
তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
The keys on your keyboard can be divided into several groups based on function:
• Typing (alphanumeric) keys. These keys include the same letter, number, punctuation, and symbol keys found on a traditional typewriter.
• Control keys. These keys are used alone or in combination with other keys to perform certain actions. The most frequently used control keys are Ctrl, Alt, the Windows logo key , and Esc.
• Function keys. The function keys are used to perform specific tasks. They are labeled as F1, F2, F3, and so on, up to F12. The functionality of these keys differs from program to program.
• Navigation keys. These keys are used for moving around in documents or webpages and editing text. They include the arrow keys, Home, End, Page Up, Page Down, Delete, and Insert.
• Numeric keypad. The numeric keypad is handy for entering numbers quickly. The keys are grouped together in a block like a conventional calculator or adding machine.
Source: support.microsoft.com
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
১ পেটাবাইট = ১০৩ টেরাবাইট
১ টেরাবাইট = ১০৩ গিগাবাইট
১ গিগাবাইট = ১০৩ কিলোবাইট
১ কিলোবাইট = ১০৩ বাইট
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত Linux (Embedded/RTOS) ব্যবহার করা হয়। এমবেডেড সিস্টেম হলো একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার সিস্টেম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। এই ধরনের সিস্টেমে সম্পূর্ণ ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম যেমন Windows 11 বা macOS ব্যবহার করা অকার্যকর ও ভারী হয়ে যায়। DOS 6.0 অনেক পুরনো এবং সীমিত ফিচারের কারণে আধুনিক এমবেডেড ডিভাইসে কার্যকর নয়। অন্যদিকে, Linux ভিত্তিক এমবেডেড বা রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) হালকা, স্থিতিশীল এবং বিভিন্ন হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে অভিযোজিত করা যায়। এছাড়া RTOS নির্ভুল সময়ে কাজ সম্পাদনের সুবিধা দেয়, যা সেন্সর বা নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, এমবেডেড সিস্টেমে Linux বা RTOS সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- eBay এর প্রতিষ্ঠাতা Pierre Omidyar
- eBay প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে।
ব্যাখ্যা
1) CISC Processor : Complex Instruction Set Computing. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।
2) RISC Processor : Reduced Instruction Set Computing. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC - 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।
3) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) ASCII টেক্সট-এ
• OCR (Optical Character Reader):
- OCR হলো Optical Character Reader এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস।
- OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে সক্ষম।
- এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যে, শুধু মুদ্রিত লেখা নয়, হাতের লেখাও পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- প্রথমে OCR যন্ত্রটি ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। এরপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সট-এ রূপান্তরিত করে, ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, সংখ্যা ও বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।
• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ পড়া,
- চিঠির পিনকোড শনাক্তকরণ,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল প্রক্রিয়াকরণ, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- কী বোর্ডের যে সকল বোতাম চেপে কোন অক্ষর বা বর্ণ টাইপ করা হয় না কিন্তু অক্ষর বা বর্ণ বিন্যাসের কাজ এবং অন্যান্য ধরনের কাজ করা হয় সে সব বোতামকে বলা হয় মডিফাইয়ার কী। যেমন:
- Shift,
- Ctrl,
- Alt,
- Option,
- Command ইত্যাদি।
====================
- ফাংশন কী: (F1 - F12) ১২টি ফাংশন কী রয়েছে। যেগুলো দিয়ে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- আলফানিউমেরিক কী: (A - Z) এবং (0 -9) এগুলো টাইপ রাইটারের মতো সাজানো থাকে। এগুলোকে আলফানিউমেরিক কী বলে।
- নিউমেরিক কী: (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে। ১৭ টি নিউমেরিক কী রয়েছে।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।
• মাদারবোর্ডের স্লট:
১. AGP slot,
২. RAM slot,
২. PCI slot ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।
সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারে কাজের গতি হ্রাস পায়।
- সফ্টওয়্যারের সাহায্যে ক্যাশ মেমোরি পরিস্কার করা যায়।
উৎস: বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, এসএসসি প্রোগ্রাম।