বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ১৯ / ৮২ · ১,৮০১১,৯০০ / ৮,১৪১

১,৮০১.
হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮০২.
Which company developed the Windows operating system?
  1. IBM
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Apple
ব্যাখ্যা

Microsoft developed the Windows operating system.

উইন্ডোজ 
- পার্সোনাল কম্পিউটার এবং প্রতিষ্ঠানের ব্যবহারকারীদের মধ্যে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম প্রথম পছন্দ।
- ১৯৮৫ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন প্রথম Windows 1.0 চিত্রভিত্তিক ইন্টারফেস হিসেবে বাজারে প্রকাশ করে।
- পরে ১৯৯৫ সালে Windows 95 সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আনা হয়।
- দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং এর বিভিন্ন নতুন ভার্সন বাজারে আসে, যেমন Windows 2007, 2010, 2013।
- মাইক্রোসফট প্রতিটি নতুন ভার্সনে নতুন ফিচার সংযুক্ত করে, যেমন:
  ১. ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা
  ২. ইউএসবি এবং ডিভিডি সাপোর্ট
  ৩. FAT32 ও NTFS ফাইল সিস্টেম ব্যবহার
  ৪. ইন্টারঅ্যাকটিভ ও অনলাইন গেম খেলার সুবিধা

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৮০৩.
সিপিইউ কোন অ্যাড্রেস জেনারেট করে?
  1. লজিক্যাল অ্যাড্রেস
  2. ফিজিক্যাল অ্যাড্রেস
  3. ক ও খ উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- CPU Logical অ্যাড্রেস জেনারেট করে এবং মেমরি ইউনিট Physical অ্যাড্রেস প্রদর্শন করে।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউ নিম্নলিখিত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
১. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit) ও
৩. স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৪.
বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান কত?
  1. 68
  2. 84
  3. 91
  4. 99
ব্যাখ্যা

বাইনারি সংখ্যা (1011011)2 এর দশমিক মান হলো 91.

• বাইনারি থেকে দশমিকে রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য, প্রত্যেক বাইনারি অংককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2 এর ঘাত (power) দিয়ে গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময়, বাইনারি সংখ্যার সবচেয়ে ডানদিকের অংকটির স্থানীয় মান 20 থেকে শুরু করে বাম দিকে ক্রমান্বয়ে ঘাত বাড়াতে হয়।
- এরপর, প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক মান পাওয়া যাবে।

এখানে,
1011011
= (1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= (1 × 64) + (0 × 32) + (1 × 16) + (1 × 8) + (0 × 4) + (1 × 2) + (1 × 1)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 0 + 2 + 1
= 91

সুতরাং, বাইনারি সংখ্যা 1011011 এর দশমিক মান হলো 91.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৮০৫.
১৯৮৩ সালে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস প্রকাশ্যে আনেন কে?
  1. রবার্ট মোরিস
  2. ফ্রেড কোহেন
  3. স্টিভ জবস
  4. জন ফন ন্যুম্যান
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার ভাইরাস:
- যুক্তরাষ্ট্রের সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শ্রেণির ছাত্র ফ্রেড কোহেন পেনসিলভেনিয়ার লেহিগ বিশ্ববিদ্যালয়ে নিরাপত্তাবিষয়ক এক সেমিনারে প্রথম কম্পিউটার ভাইরাস দেখান।
- ১৯৮৩ সালের ১০ নভেম্বর কম্পিউটার ভাইরাস এর জন্ম হয়।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো "Vital Information Resources Under Seize." যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
- ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে।

উৎস:
১. শিক্ষায় আইসিটি, বিএড প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮০৬.
নিচের কোনটি চলমান গ্রাফিক্স?
  1. সিনেমা
  2. শব্দ বা অডিও
  3. এনিমেশন
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
অ্যানিমেশন
অ্যানিমেশন হল একটি ভিজ্যুয়াল কৌশল যা স্থির চিত্র, ফ্রেম বা বস্তুর দ্রুত ক্রম দ্বারা গতি বা পরিবর্তনের বিভ্রম তৈরি করে। এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম যা চলচ্চিত্র, টেলিভিশন, ভিডিও গেমস, ওয়েব ডিজাইন, বিজ্ঞাপন এবং আরও অনেক কিছু সহ বিভিন্ন ধরনের মিডিয়াতে ব্যবহৃত হয়। অ্যানিমেশন শিল্পী এবং নির্মাতাদের একটি গতিশীল এবং আকর্ষক উপায়ে গল্প, ধারণা এবং তথ্য জানাতে দেয়। এখানে অ্যানিমেশনের কিছু মূল দিক রয়েছে:

ফ্রেম:
অ্যানিমেশন সাধারণত ফ্রেমগুলির একটি সিরিজ সাজিয়ে তৈরি করা হয়, যা পৃথক ছবি বা অঙ্কন। গতির বিভ্রম তৈরি করতে এই ফ্রেমগুলিকে দ্রুত ধারাবাহিকভাবে দেখানো হয়।

ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন:
ঐতিহ্যগত অ্যানিমেশন, যা হাতে আঁকা বা 2D অ্যানিমেশন নামেও পরিচিত, প্রতিটি ফ্রেম হাতে তৈরি করা জড়িত। ক্লাসিক উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে ওয়াল্ট ডিজনির প্রাথমিক অ্যানিমেশন যেমন "স্নো হোয়াইট" এবং "সিন্ডারেলা।"

কম্পিউটার অ্যানিমেশন:
কম্পিউটারের আবির্ভাবের সাথে, ডিজিটাল অ্যানিমেশন আদর্শ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে Adobe Animate-এর মতো সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে তৈরি 2D অ্যানিমেশন এবং Autodesk বা ব্লেন্ডারের মতো সফ্টওয়্যার দিয়ে তৈরি 3D অ্যানিমেশন।

3D অ্যানিমেশন:
3D অ্যানিমেশন একটি 3D স্পেসে চলমান ত্রিমাত্রিক বস্তুর বিভ্রম তৈরি করে। এটি সাধারণত অ্যানিমেটেড সিনেমা, ভিডিও গেম এবং লাইভ-অ্যাকশন ফিল্মে বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১,৮০৭.
কোনটি ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়?
  1. মাদারবোর্ডের BIOS
  2. পিসির অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. অ্যাডোবি ফটোশপ
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মূল উদাহরণ হলো মাদারবোর্ডের BIOS, যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার শনাক্ত এবং ইনিশিয়ালাইজ করে, এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করে। অন্যদিকে, পিসির অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অ্যাডোবি ফটোশপ সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয়, যা হার্ডওয়্যারের উপরে চলে এবং ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। তাই, শুধুমাত্র মাদারবোর্ডের BIOS-কে ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়।

উত্তর: ক) মাদারবোর্ডের BIOS.

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

১,৮০৮.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Symantec
  2. খ) McAfee
  3. গ) Adobe
  4. ঘ) AGV
ব্যাখ্যা
McAfee, AGV, Norton Antivirus, AVIRA, Kaspersky Antivirus, Symantec, ESET NOD32, PANDA, AVAST, Cobra Antivirus, PC Tools Antivirus ইত্যাদি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৮০৯.
Amazon Kindle Oasis কি?
  1. ক) একধরণের ট্যাবলেট পিসি
  2. খ) মোবাইল ফোন
  3. গ) ই-বুক রিডার
  4. ঘ) অনলাইন প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
Amazon Kindle is a series of e-readers designed and marketed by Amazon.
একটা পার্সোনাল নোটঃ
Live MCQ টিমের সদস্যদের পছন্দের এবং সম্ভবত আমাদের কেনা সেরা ডিভাইস Amazon Kindle Paperwhite। আসল বইয়ের জন্য ভালবাসা থাকবেই।
তবে, একটা ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস বাস্তব বইয়ের কতোটা কাছাকাছি যেতে পারে এটা হাতে নিয়ে না দেখলে বুঝা সম্ভব না। আর হাজারটা সুবিধাতো আছেই। আপনাদের সুবিধামতো সময়ে সম্ভব হলে একটা কিনবেন। আশা করি আপনার বই পড়াকে আরও সহজ এবং স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে এটা।
প্রফেশনাল স্কোপের বাইরে কিছুটা বলাতে আশা করি কিছু মনে করবেন না। ধন্যবাদ।
১,৮১০.
কম্পাইলারের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ কোনটি?
  1. প্রোগ্রামে ত্রুটি শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়া
  4. প্রিন্টিং নিয়ন্ত্রণ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পাইলার সোর্স প্রোগ্রাম বিশ্লেষণ করে সিনট্যাক্স ও অন্যান্য ত্রুটি শনাক্ত করে।

• কম্পাইলার(Compiler):
- কম্পাইলার হলো একটি অনুবাদক প্রোগ্রাম, যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে।
- কম্পাইলার অনুবাদের মাধ্যমে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম(Object Program) তৈরি করে।
- অনুবাদ শেষে এটি একটি এক্সিকিউশন ফাইল(.exe) তৈরি করে।
- এই এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুত গতিতে চলতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের বৈশিষ্ট্য:
- কম্পাইলার ব্যবহারের ফলে প্রোগ্রাম দ্রুত নির্বাহ করা যায়।
- প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে অনুবাদ করার প্রয়োজন হয় না।
- ভিন্ন ভিন্ন উচ্চস্তরের ভাষার জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার ব্যবহৃত হয়।
- একটি নির্দিষ্ট কম্পাইলার শুধু একটি উচ্চস্তরের ভাষার প্রোগ্রাম কম্পাইল করতে পারে।
- উদাহরণস্বরূপ, COBOL কম্পাইলার দিয়ে BASIC প্রোগ্রাম কম্পাইল করা যায় না।
 
• কম্পাইলারের অতিরিক্ত ভূমিকা:
- সোর্স প্রোগ্রামের গুণাগুণ ও গঠন বিশ্লেষণ করতে পারে।
- প্রোগ্রামে থাকা ত্রুটি শনাক্ত ও প্রদর্শন করতে সক্ষম।
 
• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- সোর্স প্রোগ্রাম অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- প্রোগ্রামের সাথে প্রয়োজনীয় রুটিন(Routine) সংযুক্ত করা।
- প্রোগ্রামে বিদ্যমান ভুল বা ত্রুটি শনাক্ত করা।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সংশোধনের তথ্য প্রদান করা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮১১.
Firmware কী ধরনের প্রোগ্রাম?
  1. RAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  2. ROM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  3. Hard drive ভিত্তিক প্রোগ্রাম
  4. mRAM ভিত্তিক প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা
ROM - Read only memory.
রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
১,৮১২.
ক্রিপ্টোলকার ম্যালওয়্যারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. কম্পিউটারকে ধীর করে দেওয়া
  2. পাসওয়ার্ড চুরি করা
  3. ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করা
  4. ফাইল এনক্রিপ্ট করে মুক্তিপণ চাওয়া
ব্যাখ্যা

ক্রিপ্টোলকার (Cryptolocker) হলো এক ধরনের রানসমওয়্যার (Ransomware) ম্যালওয়্যার, যা ব্যবহারকারীর ফাইলগুলিকে এনক্রিপ্ট করে এবং সেই ফাইলগুলি পুনরুদ্ধারের জন্য মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- এটি সাধারণত ক্রিপ্টোগ্রাফিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ফাইলগুলিকে লক করে এবং ব্যবহারকারীকে অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দেয়।

• ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১,৮১৩.
নট গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট কত?
  1. - ১
  2. ১১
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

নট গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১৪.
ভিডিও কার্যত এক ধরনের-
  1. ক) বর্ণ
  2. খ) টেক্সট
  3. গ) অডিও
  4. ঘ) গ্রাফিক্স
ব্যাখ্যা
মাল্টিমিডিয়ার প্রয়োগ:
• বর্ণ বা টেক্সট-
- সারা বিশ্বে টেক্সটের যাবতীয় কাজ এখন কম্পিউটারে হয়ে থাকে।
- টাইপরাইটার ও ফটোটাইপ সেটার দিয়ে যেসব কাজ করা হত, বর্তমানে অফিস আদালত থেকে পেশাদারি মুদ্রণ পর্যন্ত সবখানেই এখন কম্পিউটার ব্যবহার করা হচ্ছে।

• চিত্র বা গ্রাফিক্স-
- গ্রাফিক্স ডিজাইন, ড্রয়িং বা কমার্শিয়াল কাজে গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হয়।
- বিজ্ঞাপন, সাইনবোর্ড, স্থাপত্য সকল ক্ষেত্রেই গ্রাফিক্স ব্যবহার করা হচ্ছে।

• ভিডিও বা টিভি-
- ভিডিও কার্যত ভিডিও এক ধরনের গ্রাফিক্স। একে চলমান গ্রাফিক্সও বলা যায়।
- টিভি, হোম ভিডিও, মাল্টিমিডিয়া সফ্টওয়্যার, ওয়েব ইত্যাদি সকল ক্ষেত্রেই ভিডিওর ব্যবহার ব্যাপক বেড়েছে।

• এনিমেশন-
- এনিমেশন এখন এক ধরনের গ্রাফিক্স।
- এটি চলমান বা স্থির হতে পারে আবার দ্বিমাত্রিক, ত্রিমাত্রিক হতে পারে।
- এনিমেশন কখনই কেবল একক মিডিয়া হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এর সাথে অডিও, ভিডিও, টেক্সট, গ্রাফিক্স ইত্যাদির সম্পর্ক রয়েছে।

• শব্দ বা অডিও-
- শব্দ বা অডিও রেকর্ড, সম্পাদনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সারা বিশ্বে এখন কম্পিউটারের উপর নির্ভর করে।
- সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এ এনালগ পদ্ধতি এখন কার্যত সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।
- যে কেউ ইচ্ছে করলেই একটি ভালো কম্পিউটার দিয়ে উন্নতমানের সাউন্ড রেকর্ডিং করতে পারে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮১৫.
নিচের কোনটি প্রধান মেমোরি?
  1. ক) প্রসেসর
  2. খ) রম
  3. গ) অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. ঘ) চৌম্বক ডিস্ক
ব্যাখ্যা
RAM একটি প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি, কারণ ইহা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সংযুক্ত থাকে।
এছাড়াও ROM প্রধান মেমোরি হিসেবে কাজ করে। মাদারবোর্ডে মাইক্রোপ্রসেসরের পাশাপাশি এ মেমোরি অবস্থান করে।

যে সকল মেমোরির সাথে মাইক্রোপ্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, সেগুলোকে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। এ ধরণের মেমোরিকে আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের সাহায্যে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করা হয়। ইউজারকারীরা তাদের ভবিষ্যৎ প্রয়োজনে উপাত্ত বা, প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমোরি বলে। যেমন- চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, ইত্যাদি সহায়ক মেমোরির উদাহরণ।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৮১৬.
নিচের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস নয়?
  1. ক) নরটন
  2. খ) হপার.আর
  3. গ) কোবরা
  4. ঘ) এভিজি
ব্যাখ্যা
কতিপয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসঃ
- AVG,
- AVIRA,
- AVAST,
- McAfee,
- Norton Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Symantec,
- ESET NOD32,
- PANDA,
- Cobra Antivirus,
- PC Tools Antivirus ইত্যাদি।

অন্যদিকে, এক্স ৯৭এম/হপার.আর হলো একটি ভাইরাস।
১,৮১৭.
বিভিন্ন অফিস আদালতে কোন ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) সুপার কম্পিউটার।
  2. খ) হাইব্রিড কম্পিউটার।
  3. গ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
  4. ঘ) মিনি কম্পিউটার।
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন অফিস আদালতে, বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠানে, ব্যাংক-বীমা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

- মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe computer) হচ্ছে এমন একটি বড় কম্পিউটার যার সাথে টার্মিনাল যুক্ত করে একসাথে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে। - বৃহদাকার মেইনফ্রেম কম্পিউটারের সঙ্গে সহস্রাধিক ডাম্ব টার্মিনাল (Dumb Terminal) ব্যবহার করা হয়।
- এ কম্পিউটারে একাধিক প্রক্রিয়াকরণ অংশ থাকে।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারগুলোর শব্দদৈর্ঘ্য ৩২ থেকে ১৩২ বিট পর্যন্ত।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান এ ধরনের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকে।
- ব্যাংক, বীমা, অর্থ লেনদেন প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক কর্মতৎপরতার পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ ও বিশ্লেষণ এবং মূল্যায়নের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটারের প্রয়োজন হয়ে থাকে।

যেমন- IBM-4300, Cyber- 170 ইত্যাদি।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১,৮১৮.
একটি কম্পিউটার সিস্টেমে (১১০০১০১১) বাইনারি সংখ্যাটির মান ডেসিমেল এ কত হবে?
  1. - ৫২
  2. - ৫৩
  3. ২০৩
  4. উপরের সবকটি হতে পারে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি কম্পিউটার সিস্টেমে (11001011)2 বাইনারি সংখ্যাটির মান ডেসিমেল এ কত হবে?

একটি কম্পিউটার সিস্টেমে ৮-বিট বাইনারি সংখ্যা (11001011)2 এর মান নির্ভর করে আমরা কীভাবে তা ইন্টারপ্রেট করি তার ওপর। যদি এটি Unsigned সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়, তাহলে সব বিটই ধনাত্মক অবদান রাখে এবং দশমিক মান হবে 128 + 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1 = 203, অর্থাৎ অপশন (গ)।
- তবে, যদি আমরা এটিকে Signed Two’s Complement হিসেবে ধরি, তাহলে প্রথম বিট (MSB) = 1 হওয়ায় সংখ্যা ঋণাত্মক। Two’s complement বের করতে প্রথমে বিটগুলো উল্টে 00110100 পাই এবং ১ যোগ করলে 00110101 হয়, যার দশমিক মান = 53, সুতরাং Signed হিসেবে মান = - 53, অর্থাৎ অপশন (খ)।
- অন্যদিকে, One’s Complement অনুযায়ী, MSB = 1 → ঋণাত্মক, এবং বিটগুলো উল্টে 00110100 পাওয়া যায়, যার দশমিক মান = 52, অর্থাৎ মান = - 52, অর্থাৎ অপশন (ক)।
- তাই প্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গে, একই বাইনারি সংখ্যা Unsigned, Signed Two’s Complement, বা One’s Complement হিসেবে ভিন্ন ভিন্ন মান দিতে পারে, এবং প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী সবকটি মান সম্ভব।

- একই ৮-বিট সংখ্যা (11001011)2 এর জন্য Unsigned = 203, Two’s Complement Signed = -53, One’s Complement Signed = - 52

[উল্লেখ্য, PSC অপশন (ঘ) তে সচরারচর - "উপরের সবকটি" দিয়ে থাকে, কিন্তু ৪৭ তম বিসিএসে এবার অপশন (ঘ) - "উপরের সবকটি হতে পারে" দিয়েছে। সব ছোট বিষয়ও খেয়াল রেখে উত্তর করতে হবে।] 

• বিস্তারিত সমাধান:
১. যদি Unsigned সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়:

(11001011)2 = (1 × 27) + (1 × 26) + (0 × 25) + (0 × 24) + (1 × 23) + (0 × 22) + (1 × 21) + (1 × 20)
= 128 + 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1 = 203
অতএব, Unsigned হলে মান = 203

২. যদি Signed (Two’s Complement, 8-bit) সংখ্যা হিসেবে ধরা হয়:
- প্রথম বিট = 1 → সংখ্যা নেগেটিভ।
- Two’s complement বের করতে: প্রথমে বিট ইনভার্ট → 00110100
- তারপর 1 যোগ করলে → 00110101 = 53
অতএব, Signed হলে মান = - 53

- Unsigned interpretation: 203
- Signed interpretation: - 53

(৩) One’s Complement নিয়ম (8-bit):

MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক। 
Magnitude = Bitwise complement (বিটের উল্টো)

⇒ 8-bit সংখ্যা 110010112

⇒ MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক। 

⇒ Bitwise complement: 
11001011 → 001101002

⇒ 001101002 এর দশমিক মান = 52

⇒  অতএব, One’s Complement অনুযায়ী এই সংখ্যার মান = -52 (অপশন ক)

উল্লেখ্য,
- MSB এর পূর্ণরূপ হলো: Most Significant Bit.
- এটি একটি বাইনারি সংখ্যার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিট।
- সাধারণত, MSB সংখ্যা নির্ধারণ করে যে সংখ্যা ধনাত্মক না ঋণাত্মক (Signed Binary Number) বা বাইনারি সংখ্যার সর্বোচ্চ মানের অংশ।
(11001011)2
এখানে, প্রথম 1 = MSB

Signed 8-bit Two’s Complement এ MSB = 1 → সংখ্যা ঋণাত্মক
MSB = 0 → সংখ্যা ধনাত্মক। 

সূত্র: 
- “Digital Design” by M. Morris Mano.
- “Digital Electronics: Principles and Applications” by Roger L. Tokheim.
- rapidtables [link]

১,৮১৯.
চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. স্ক্যানার
  2. এমআইসিআর
  3. ওয়েবক্যাম
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।
- MICR হলো চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি, MICR রিডার এই চুম্বকীয় কালি দিয়ে লেখা অক্ষর বা সংখ্যা পড়তে ব্যবহৃত হয়।

• অন্য যন্ত্রগুলির ব্যবহার:
- স্ক্যানার: কাগজের ডকুমেন্ট ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য।
- ওয়েবক্যাম: ভিডিও ক্যাপচার করার জন্য।
- প্রিন্টার: ডিজিটাল ডকুমেন্ট প্রিন্ট করার জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৮২০.
লোকাল কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় -
  1. ক) ডাউন লোডিং
  2. খ) আপলোডিং
  3. গ) প্রিলোডিং
  4. ঘ) নেটলোডিং
ব্যাখ্যা
FTP এমন একটি সার্ভিস, যা ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ফাইল কপি করা যায়।
- এটি টিসিপি/আইপি প্রোটোকল সুট ফ্যামিলির অন্যতম সদস্য।
- ফাইল কপি করার জন্য এফটিপি ব্যবহার করা হবে যখন দুটো কম্পিউটারেই নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকবে।
- লোকাল কম্পিউটার থেকে কোনো ডেটা বা ফাইল রিমোট কম্পিউটারে কপি করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় আপলোডিং এবং
- রিমোট কম্পিউটার থেকে কোনো ফাইল বা ডেটা লোকাল কম্পিউটারে কপি করাকে বলা হয় ডাউন লোডিং।
১,৮২১.
প্রোগ্রাম ও ডেটা অস্থায়ীভাবে রাখার কাজ করে কম্পিউটারের কোন অংশটি?
  1. ROM
  2. RAM
  3. হার্ড ড্রাইভ
  4. ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারে প্রোগ্রাম এবং ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষণ করার জন্য RAM (Random Access Memory) ব্যবহার করা হয়। 

• RAM: 
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. 
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়। 
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি, যা কেবল তখনই তথ্য ধরে রাখে যখন কম্পিউটার চালু থাকে। 
- RAM যতো বাড়বে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা ততো বাড়বে, অর্থাৎ ততো বেশি ফাইলকে একসাথে স্মৃতি কেন্দ্রে উঠিয়ে কাজ করতে পারবে। 
- কম্পিউটার যখন কোনো প্রোগ্রাম চালায় বা ডেটা প্রসেস করে, তখন সেই তথ্য RAM-এ লোড হয়, যাতে CPU দ্রুত অ্যাক্সেস করতে পারে।
- RAM এ লেখাপড়া উভয়ই করা যায়। 
- কিন্তু বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়. তাই RAM কে ভোলাটাইল বলে। 
- RAM দুই ধরনের। DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)। 
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে ১০-১০০ গুণ দ্রুত)।

উল্লেখ্য,
-  Hard Disk স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে,

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৮২২.
নীচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে না?
  1. ক) Modem
  2. খ) Microphone
  3. গ) Touch Screen
  4. ঘ) Digital Camera
ব্যাখ্যা
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করেঃ টাচস্ক্রিন, মডেম, ডিজিটাল ক্যামেরা ইত্যাদি।
১,৮২৩.
নিচের কোন কাজের জন্য কম্পিউটার বেশি সুবিধাজনক?
  1. ক) পুনরাবৃত্তিমূলক 
  2. খ) গাণিতিক
  3. গ) হিসাব রক্ষক 
  4. ঘ) প্রতিবেদন প্রণয়ন 
ব্যাখ্যা
পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের ক্ষেত্রে কম্পিউটার বেশি সুবিধাজনক ।  
১,৮২৪.
কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো-
  1. ক) BIOS
  2. খ) DVD
  3. গ) ROM
  4. ঘ) RAM
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো BIOS (Basic Input Output System)
- ফার্মওয়ার হচ্ছে একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়ার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৮২৫.
একটি বারকোড রিডার থেকে কি নির্গত হয় ?
  1. ক) সাউন্ড
  2. খ) কমান্ড
  3. গ) ম্যাগনেটিক ফিল্ড
  4. ঘ) আলো
ব্যাখ্যা

বারকোড হল তথ্য সংগ্রহের একটি ভিজুয়াল পদ্ধতি যা মেশিনযোগে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি সাধারণত এর ধারণকারী জিনিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে ।
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন। এটি ১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা হয়।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)

১,৮২৬.
সিস্টেম সফটওয়্যার হলো-
  1. ক) বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনের প্রোগ্রাম
  2. খ) সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ প্রোগ্রাম
  3. গ) কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে।
- DOS, Windows XP, Linux, Unix, Mac OS ইত্যাদি হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
- আবার Compiler, Interpreter, Assembler প্রোগ্রামসমূহও সিস্টেম সফটওয়্যারের অন্তর্গত। 

• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো এক ধরনের সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার সিস্টেম এর কার্যকারিতা পরিচালনা, কম্পিউটার কনফিগার অপটিমাইজ (optimize) এবং বিভিন্ন রকম সমস্যার সমাধান এবং রক্ষণাবেক্ষণ করতে অপারেটিং সিস্টেমকে সাহায্য করে। 
- উদাহরণ: Antivirus Programs, Disk Defragmenter, File Manage ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৭.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (2A6)16 এর দশমিক সংখ্যা কত? 
  1. ক) 512
  2. খ) 678
  3. গ) 726
  4. ঘ) 778
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A,B,C,D,E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে, 
(2A6)16 
= 2 × 162 + A × 161 + 6 × 160 
= 2 × 256 + 10 × 16 + 6 × 1
= 512 + 160 + 6
= (678)10

সুতরাং, (2A6)16 = (678)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৮২৮.
যে ইন্টারফেসটি ব্যবহারকারীদের অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে দেয় তাকে বলা হয়:
  1. Scheduler
  2. API
  3. Shell
  4. Command Prompt
ব্যাখ্যা
• Shell হলো অপারেটিং সিস্টেমের সেই অংশ যা ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটারের মধ্যে ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করে, সেই কমান্ডগুলি প্রসেস করে এবং কমান্ডের ফলাফল ব্যবহারকারীকে দেখায়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Scheduler
- Scheduler হলো অপারেটিং সিস্টেমের একটি অংশ, যা প্রসেসগুলির মধ্যে CPU-র সময় ভাগ করে। এটি ব্যবহারকারীর সাথে সরাসরি যোগাযোগের জন্য নয়। এটি কাজ করে ব্যাকগ্রাউন্ডে।

- API (Application Programming Interface)
- API হলো এক ধরনের ইন্টারফেস যা সফটওয়্যার প্রোগ্রামগুলি অন্য সফটওয়্যার বা সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যবহার করে। এটি প্রোগ্রামারদের জন্য, ব্যবহারকারীর জন্য সরাসরি নয়।

- Shell
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

- Command Prompt
- Command Prompt হলো উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের একটি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড গ্রহণ করে। যদিও এটি Shell-এর একটি উদাহরণ, প্রশ্নে নির্দিষ্টভাবে "ইন্টারফেস" সম্পর্কে বলা হয়েছে, এবং Shell একটি জেনেরিক শব্দ যা সব অপারেটিং সিস্টেমে প্রযোজ্য।

∴ সঠিক উত্তর: গ) Shell
- Shell হলো সেই ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারী এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৮২৯.
ASCII কোডের বিটের সংখ্যা?
  1. ১৬
  2. ১০
ব্যাখ্যা
ASCII কোড ৭ বিটের হয়ে থাকে।

আলফানিউমেরিক কোড: বর্ণমালা (A–Z, a–z), সংখ্যা (0–9) এবং বিশেষ চিহ্ন (+, -, *, /, &, @, %, ইত্যাদি) জন্য ব্যবহৃত কোডকে আলফানিউমেরিক কোড বলে
সাধারণত নিচের কোডিং পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করা হয়
- ASCII (American Standard Code for Information Interchange)
- EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code)
- Unicode

• ASCII (American Standard Code for Information Interchange) কোড ৭ বিট নিয়ে গঠিত।
• EBCDIC কোড ৮ বিট নিয়ে গঠিত।
• Unicode কোড  ২ বাইট বা ১৬ বিটের  নিয়ে গঠিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৮৩০.
কোনটি MICR-এর প্রধান সুবিধা?
  1. শুধু ডিজিটাল ডকুমেন্টের জন্য কার্যকর
  2. বিশেষ কালির প্রয়োজন নেই
  3. প্রক্রিয়াকরণ ধীর
  4. উচ্চ ত্রুটি শনাক্তকরণ হার 
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition)-এর প্রধান সুবিধা হলো এর উচ্চ ত্রুটি শনাক্তকরণ হার, যা অপশন ঘ-এর সঙ্গে সঠিকভাবে মিলে যায়। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় চেক প্রক্রিয়াকরণের সময় MICR প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি খুব নির্ভুলভাবে তথ্য পড়তে সক্ষম। বিশেষ চৌম্বকীয় কালি ব্যবহারের ফলে যন্ত্র সহজেই অক্ষর শনাক্ত করতে পারে এবং ভুলের সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। এর ফলে দ্রুত ও নিরাপদ লেনদেন সম্ভব হয়। অন্য বিকল্পগুলো MICR-এর প্রকৃত সুবিধা নয়, কারণ এটি শুধু ডিজিটাল ডকুমেন্টের জন্য নয়, প্রক্রিয়াকরণ ধীরও নয় এবং বিশেষ কালি অবশ্যই প্রয়োজন।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৮৩১.
ডি মরগ্যানের উপপাদ্য,=?
    ব্যাখ্যা
    - ডি মরগ্যানের উপপাদ্য:
     

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
    ১,৮৩২.
    সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত পোর্টেবল কম্পিউটারটির নাম কী?
    1. ক) Dynabook
    2. খ) IBM 5100
    3. গ) Osborne I
    4. ঘ) Epson HX-20
    ব্যাখ্যা
    সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত পোর্টেবল কম্পিউটার- IBM 5100. 

    - IBM ১৯৭৫ সালে এটি বাজারে আনে, যা পরবর্তীতে ল্যাপটপ নামক ছোট কম্পিউটারে রূপ নেয়। 
    - Alan Kay ১৯৭৬ সালে Dynabook নামক পোর্টেবল কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। 
    - Adam Osborne এপ্রিল, ১৯৮১ সালে Osborne-I নামক পোর্টেবল কম্পিউটার আবিষ্কার করেন। 
    - এপসণ কোম্পানি ১৯৮১ সালে Epson HX-20 নামক ল্যাপটপ বাজারে নিয়ে আসেন, যেইটার সাথে প্রিন্টারের সুবিধাও ছিল। 

    সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
    ১,৮৩৩.
    নিচের কোনটি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার নয়?
    1. UNIVAC
    2. PDP II
    3. ENIAC
    4. Mark I
    ব্যাখ্যা
    ♦ কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম:
    - ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
    - এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
    - অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো
    বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
    - প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে বিদ্যুৎ খরচ বেশি হতো এবং প্রচুর তাপ উৎপন্ন হতো।
    - চালু অবস্থায় কম্পিউটার ঠাণ্ডা রাখতে মাঝে মাঝে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করা হতো।
    - আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
    - প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল।
    - এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
    - UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ।

    • IBM 360, IBM 370, PDP II, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৩৪.
    নিচের কোনটি ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়?
    1. NTFS
    2. ANTP
    3. FAT16
    4. HPFS
    ব্যাখ্যা
    • ANTP ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম নয়।

    • ফাইল ম্যানেজমেন্ট:
    - ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে কম্পিউটার ফাইল এবং ফাইলের ডেটাসমূহের সংগঠন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি।
    - অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
    - অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা ও কাজ করানোর ব্যবস্থা করা এবং ফাইল ও নথির ব্যবস্থাপনা করা।
    - বর্তমানে কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেম চার প্রকার ফাইল সিস্টেমের যেকোনো একটি অবলম্বন করতে পারে।

    - ফাইল সিস্টেমগুলো হলো,
    FAT16.
    • FAT32.
    HPFS.
    NTFS.

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৩৫.
    VIRUS এর পূর্ণরূপ কী?
    1. Virtual Information Resource Utilized Safely
    2. Vital Information Resource Under Siege
    3. Very Important Resource for Universal Security
    4. Variable Integrated Resource for Unifying Security
    ব্যাখ্যা
    • কম্পিউটার ভাইরাস:
    - VIRUS -এর পূর্ণরূপ Vital Information Resources Under Seize.
    - কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
    - ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল Vital Information Resources Under Seize.
    - যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
    - ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৩৬.
    প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন কে?
    1. মুলার
    2. উইলিয়াম অডরেট
    3. জন নেপিয়ার
    4. ব্লেইজ প্যাসকেল
    ব্যাখ্যা
    ♦ যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর: 
    - ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascalene)।
    - প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।
    - ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন।
    - তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
    - এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
    - মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
    - তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

    • ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine):
    - ১৭৮৬ সালে জার্মানির মুলার ‘ডিফারেন্স ইঞ্জিন' নামে পরিচিত একটি ক্যালকুলেটর বা গণনা যন্ত্র তৈরির পরিকল্পনা করেন।
    - এর প্রায় দুই যুগ পর ১৮১২ সালে ইংল্যান্ডের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ (Charls Babbage) আরো উন্নত ডিফারেন্স ইঞ্জিন (Difference Engine) বা বিয়োগ ফলভিত্তিক গণনার যন্ত্র উদ্ভাবনের পরিকল্পনা করেন।
    - চার্লস ব্যাবেজ ছিলেন একাধারে গণিতবিদ, দার্শনিক, আবিষ্কারক এবং যন্ত্র প্রকৌশলী। তাঁকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

    • নেপিয়ারের অস্থি বা হাড় (Napier's bone):
    - ১৬১৪ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার (John Napier) লগারিদমের সারণি আবিষ্কার করেন যার ফলে অনেক জটিল গাণিতিক হিসাব সহজ হয়।
    - এর তিন বছর পর তিনিই ১৬১৭ সালে দাগকাটা এবং সংখ্যা বসানো দণ্ড ব্যবহার করে সংখ্যাভিত্তিক গণনাযন্ত্র আবিষ্কার করেন। এসব দণ্ড নেপিয়ারের অস্থি নামে পরিচিত। 

    • স্লাইড রুল (Slide Rule):
    - ১৬৩২ সালে উইলিয়াম অডরেট (William Oughtred) নামের একজন ইংরেজ গণিতবিদ নেপিয়ারের লগারিদম ব্যবহার করে স্লাইড রুল আবিষ্কার করেন।
    - পরবর্তীতে আইজ্যাক নিউটন ও অ্যামিদি মেন হেইম এর উন্নতি সাধন করেন।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৩৭.
    কোন গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হয়?
    1. XOR
    2. XNOR
    3. NOT
    4. AND
    ব্যাখ্যা
    • এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
    - Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
    - মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে। 
    - এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়। 
    - এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 
    - মৌলিক গেইট (অ্যান্ড, অর, নট) দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা যায়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৩৮.
    কোনটি সহায়ক মেমোরি?
    1. ক) RAM
    2. খ) PROM
    3. গ) Floppy Disk
    4. ঘ) ROM
    ব্যাখ্যা
    সাহায্যকারী বা সেকেন্ডারি মেমোরি:
    প্রোগ্রাম এবং ডেটা স্থায়ীভাবে ধারণ করতে এই স্মৃতি ব্যবহৃত হয়।
    এটা অপেক্ষাকৃত বড় স্মৃতি অংশ ।
    RAM বা মূল স্মৃতিতে কোনো তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে না।
    কম্পিউটার বন্ধ করলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM এর সমস্ত তথ্য মুছে যায়। শুধুমাত্র ROM এ তথ্য স্থায়ী ভাবে থাকে।
    সেজন্য মূল স্মৃতি বা RAM কে সাহায্য করার জন্য কতকগুলো স্মৃতি স্থায়ীভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে যাতে প্রয়োজন অনুসারে RAM সেসব স্মৃতি থেকে তথ্য নিতে পারে। আর এই সব স্মৃতিকে সাহায্যকারী স্মৃতি বলে।
    যেমন: হার্ডডিস্ক, ফ্লপিডিস্ক, চুম্বকীয় টেপ CD, DVD ইত্যাদি সাহায্যকারী স্মৃতি হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।

    উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল),
    ১,৮৩৯.
    এক গিগাবাইট সমান-
    1. ক) ১০২৪ বাইট
    2. খ) ১০২৪ কিলোবাইট
    3. গ) ১০২৪ মেগাবাইট
    4. ঘ) ১০২৪ টেরাবাইট
    ব্যাখ্যা
    - ১ গিগাবাইট সমান ১০২৪ মেগাবাইট।

    তাছাড়া, 
    - ১ নিবল সমান অর্ধ বাইট বা ৪ বিট।
    - ১ বাইট সমান ১ ক্যারেক্টার বা ৮ বিট।
    - ১ কিলোবাইট সমান ১০২৪ বাইট।
    - ১ মেগাবাইট সমান ১০২৪ কিলোবাইট।
    - ১ টেরাবাইট সমান ১০২৪ গিগাবাইট।

    উৎস: তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
    ১,৮৪০.
    সাধারণ কীবোর্ড বিন্যাস -
    1. ক) QYTRWR
    2. খ) QYWERT
    3. গ) QWERTY
    4. ঘ) QEWTYR
    ব্যাখ্যা
    কিবোর্ড এর প্রথম ৬ টি কী যেভাবে সজ্জিত থাকে তার উপর ভিত্তি করে কিবোর্ড লেআউট হয়।
    বাজারে সাধারনত যে সব কিবোর্ড থাকে এটি QWERTY এভাবে সজ্জিত থাকে।
    ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলস ছিলেন আমেরিকান উদ্ভাবক যিনি QWERTY কীবোর্ড আবিষ্কার করেছিলেন।

    স্ট্যান্ডার্ড (101/102-key) পিসি কীবোর্ড লেআউটটি 1982 সালে কী ট্রোনিক কর্পোরেশনের (Key Tronic Corporation) মার্ক টিডেন্স (Mark Tiddens) আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে 1987 সালে আইবিএম পিএস/2 (PS/2)- তে এই লেআউটটি গ্রহণ করেছিল। (পূর্বে একটি 84-key বিশিষ্ট কীবোর্ডে আলাদা কোনো পৃথক কার্সর প্যাড এবং নিউম্যারিক কী প্যাড ছিল না। আধুনিক কীবোর্ডের ল্যাটিন স্ক্রিপ্ট, কেন্দ্র, আলফানিউম্যারিক অংশ ইত্যাদির নকশা তৈরি করেন Christopher Sholes। স্ট্যান্ডার্ড কি-বোর্ডে সাধারণত অক্ষর, সংখ্যা, প্রতীক, বা ফাংশন ইনপুট দেওয়ার জন্য ১০১, ১০৪, কিংবা ১০৫ টি key থাকে।
    ১,৮৪১.
    নিচের কোনটি হার্ডডিস্ক ড্রাইভ?
    1. HDMI
    2. SCSI
    3. USB
    4. CMOS
    ব্যাখ্যা
    SCSI (Small Computer System Interface) হচ্ছে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ।

    হার্ডডিস্ক:

    - হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
    - হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
    - ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
    - যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
    - হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

    - হার্ডডিস্ক ব্যবহারের জন্যে আলাদা ড্রাইভের প্রয়োজন হয় না।
    - ডিস্ক এবং ড্রাইভ একসাথেই সংযোজিত থাকে।
    - এক্ষেত্রে একাধিক ডিস্ক একসঙ্গে পর পর রেখে লিখন ও পঠনের কার্যাবলি সম্পাদন করা হয়।
    - কেসিং-এর মধ্যে কয়েকটি ক্রু দ্বারা এটি স্থাপন করা হয় বিধায় ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় এটিকে সহজে এক স্থান থেকে অন্যত্র স্থানান্তর করা যায় না।
    - অন্যান্য ডিস্কের তুলনায় হার্ডডিস্ক অনেক দ্রুতগতিতে কার্যাবলি সম্পাদন করে।

    হার্ডডিস্কের সাধারণ বৈশিষ্ট্য:
    - ধারণক্ষমতা অন্য যে কোনো স্টোরেজ মিডিয়ার চেয়ে বেশি।
    - এ্যালুমিনিয়ামের পাতের উপরে ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে হার্ডডিস্কে ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।
    - হার্ডডিস্ক দীর্ঘস্থায়ী এবং প্রোগ্রাম ও ডাটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অধিক নির্ভরশীল।
    - ডেটা রিড এবং রাইট করার গতি অনেক বেশি।

    বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
    কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
    ১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
    ২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
    ৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
    ৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

    • বাকি অপশনগুলো:
    HDMI (High-Definition Multimedia Interface)- এটি একটি ভিজ্যুয়াল ও অডিও সংযোগ মাধ্যম।
    USB (Universal Serial Bus) - এটি ডেটা স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত একটি পোর্ট ও সংযোগ পদ্ধতি।
    CMOS (Complementary Metal Oxide Semiconductor)- এটি হলো একটি ছোট ধরনের মেমোরি চিপ যা BIOS এর সেটিংস সংরক্ষণ করে।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
    ১,৮৪২.
    কোনটির সাহায্যে কম্পিউটারে ম্যাপ ইনপুট দেওয়া হয়?
    1. এম আই সি আর
    2. স্ক্যানার
    3. বার কোড রিডার
    4. ডিজিটাইজার
    ব্যাখ্যা
    • ডিজিটাইজার:
    - ডিজিটাইজার হচ্ছে এক ধরনের ইনপুট ডিভাইস। অনেক ক্ষেত্রে একে গ্রাফিক্স ট্যাবলেটও বলা হয়।
    - ডিজিটাইজার বোর্ডের সাথে একটি বিশেষ ধরনের কলম বা স্টাইলাস ব্যবহার করা হয়।
    - স্টাইলাস দিয়ে যদি ডিজিটাইজার বোর্ডে কোনো কিছু লেখা বা আঁকা হয়, তবে তা মনিটরে দেখা যায়। 
    - ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদির প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
    - বাংলাদেশের ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাইজার ব্যবহার করে তাদের মৌজা ম্যাপ সংরক্ষণ ও সম্পাদনা করেছে।

    • বার কোড রিডার:
    - বার কোড রিডার হলো একটি ইনপুট ডিভাইস।
    - বার কোড বলতে লম্বা আকারের সরু, মোটা এবং তার সাথে নম্বর সংযুক্ত পর্যায়ক্রমে কতকগুলো বার বা রেখার সমষ্টিকে বোঝায়।
    - সাধারণত বিভিন্ন পণ্য বা প্রোডাক্টের প্যাকেটের ওপর বার কোডের সাহায্যে পণ্যের নাম, পণ্যের ধরন, কোম্পানির বা নির্মাণকারীর নাম, পরিমাণ, মূল্য ইত্যাদি তথ্য লেখা থাকে।

    • স্ক্যানার:

    - স্ক্যানার একটি আধুনিকতম ইনপুট ডিভাইস যার সাহায্যে যেকোনো ধরনের ইমেজ বা ছবি, টেক্সট ইত্যাদি কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
    - এটির সাহায্যে যেকোনো ধরনের লেখা বা ইমেজ কম্পিউটারে ইনপুট করে প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন, পরিবর্ধন, সংশোধন, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার, একাধিক ইমেজের সংযোগ ইত্যাদি কার্যাবলি সম্পাদন করা যায়।
    - এইসব কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য মূলত ব্যবহারিক সফটওয়্যার (অ্যাডোব ফটোশপ) ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
    - অফিসের কাজে পেজ স্ক্যানার বা হেন্ডহ্যান্ড স্ক্যানার ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
    - ইমেজ স্ক্যানারের সাহায্যে অপটিক্যালি ছবি, মুদ্রিত পাঠ্য, হস্তাক্ষর বা একটি বস্তু স্ক্যান করে এবং এটিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তর করে।

    • MICR:
    - MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
    - চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
    - এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।

    উৎস:
    ১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
    ১,৮৪৩.
    নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস?
    1. র‍্যাম
    2. হার্ডডিস্ক
    3. পেনড্রাইভ
    4. ফ্লপি ডিস্ক
    ব্যাখ্যা

    র‍্যাম (RAM) হলো প্রাইমারি স্টোরেজের প্রধান উদাহরণ।

    স্টোরেজ ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের সুবিধার জন্য স্টোরেজ মিডিয়াতে ডেটা ও নির্দেশাবলি জমা রাখা যায় এবং প্রয়োজনে তা সহজে কাজে লাগানো যায়।
    - স্টোরেজ ডিভাইসকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
    ১। প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ও
    ২। সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।

    প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস:
    - প্রাইমারি স্টোরেজ হলো মাইক্রোপ্রসেসরের কর্মক্ষেত্র বা ওয়ার্কপ্লেস।
    - প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারে প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে সংগ্রহের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইসসমূহকে প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস বলা হয়। যেমন- র‍্যাম

    প্রাইমারি স্টোরেজের বৈশিষ্ট্য:
    ১। এ ধরনের স্টোরেজ সাধারণত সিপিইউয়ের সাথে সরাসরি সংযোগ থাকে।
    ২। প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা এবং কম্পিউটারের নিজস্ব নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত কিছু প্রোগ্রাম প্রাইমারি স্টোরেজ ডিভাইস ধারণ করে।
    ৩। অ্যাকসেস সময় কম।
    ৪। ধারণক্ষমতা তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
    ৫। ডেটা স্থানান্তরের গতি বেশি।
    ৬। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে এ ধরনের স্টোরেজে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় ইত্যাদি।

    সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি বা সেকেন্ডারি মেমোরির উদাহরণ হলো হার্ডডিস্ক, ফ্লপি ডিস্ক, পেনড্রাইভ, সিডি, ডিভিডি, ব্লু রে ডিভিডি, মেমোরি কার্ড, স্মার্ট কার্ড ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৪৪.
    কোন ধরনের প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
    1. ক) লেজার প্রিন্টার
    2. খ) ডট প্রিন্টার
    3. গ) ইংকজেট প্রিন্টার
    4. ঘ) ইমপেক্ট প্রিন্টার
    ব্যাখ্যা
    লেজার প্রিন্টার
    - লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী।
    - লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়।
    - লেজার প্রিন্টার উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
    - লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়।
    - লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়।
    - লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি।
    - প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
    - বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন ১২০০ DPI এবং গতি ২৪ PPM।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
    ১,৮৪৫.
    কোন উপায়ে ট্রোজান হর্স সাধারণত একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে সংক্রমিত হয়?
    1. ইউজার পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের মাধ্যমে
    2. সফটওয়্যার আপডেট করে
    3. স্বয়ংক্রিয় প্রতিলিপি তৈরির মাধ্যমে
    4. ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে
    ব্যাখ্যা

    • ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়।
    - ট্রোজান হর্স (Trojan Horse) বা ট্রোজান ভাইরাস নিজে নিজে ছড়াতে পারে না (যা ওয়ার্ম পারে)। হ্যাকাররা সাধারণত লোভনীয় কোনো অফার বা জরুরি ফাইলের ছদ্মবেশে এটি ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট হিসেবে পাঠায়। ব্যবহারকারী সেই ফাইলটি ডাউনলোড বা ওপেন করলেই ট্রোজানটি সক্রিয় হয়ে কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

    • এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
    - কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
    - এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

    • উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
    - এভিজি,
    - অ্যাভাস্ট,
    - নরটন,
    - এভিরা,
    - পান্ডা, ইত্যাদি।

    • কম্পিউটার ভাইরাস:
    - প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
    - মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

    • উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
    - ভিবিএস/হেল্পার,
    - ওয়ার্ম,
    - ভিবিএস/আকুই,
    - ট্রোজান হর্স,
    - এক্স ৯৭এম/হপার,
    - বুট সেক্টর ভাইরাস,
    - জেরুজালেম,
    - স্টোন,
    - ঢাকা ভাইরাস,
    - ভিয়েনা,
    - সিআইএইচ, ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৪৬.
    এমএস এক্সেলে নিচের কোন কাজটি করতে Alt+H প্রেস করা হয়?
    1. Choose a fill color
    2. Add borders
    3. Remove cell contents
    4. Go to the View tab
    ব্যাখ্যা
    • This table lists the most frequently used shortcuts in Excel:
    • Close a workbook - Ctrl+W
    • Open a workbook - Ctrl+O
    • Go to the Home tab - Alt+H
    • Save a workbook - Ctrl+S
    • Copy selection - Ctrl+C
    • Paste selection - Ctrl+V
    • Undo recent action - Ctrl+Z
    • Remove cell contents - Delete
    • Choose a fill color - Alt+H
    • Cut selection - Ctrl+X
    • Go to the Insert tab - Alt+N
    • Apply bold formatting - Ctrl+B
    • Center align cell contents - Alt+H, A, C
    • Go to the Page Layout tab - Alt+P
    • Go to the Data tab - Alt+A
    • Go to the View tab - Alt+W
    • Open the context menu - Shift+F10 or Windows Menu key 
    • Add borders - Alt+H, B
    • Delete column - Alt+H, D, C
    • Go to the Formula tab - Alt+M
    • Hide the selected rows - Ctrl+9
    • Hide the selected columns - Ctrl+0
     
    উৎস: Microsoft
    ১,৮৪৭.
    কোন সফটওয়্যারটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়?
    1. Mozilla Firefox
    2. Safari
    3. Microsoft Excel
    4. Brave
    ব্যাখ্যা
    • Microsoft Excel - একটি স্প্র্যাডশীট সফটওয়্যার।

    • ওয়েব ব্রাউজার:
    - ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
    - ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
    - যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

    কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
    - Google Chrome,
    - Mozilla Firefox,
    - Safari,
    - Opera,
    - Microsoft Edge,
    - Maxthon,
    - Brave,
    - UC Browser.

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ১,৮৪৮.
    কম্পিউটারে একটি ASCII ক্যারেক্টারের জন্য কতটুকু মেমোরি প্রয়োজন?
    1. ক) ১ কিলোবাইট
    2. খ) ১ বাইট
    3. গ) ১ বিট
    4. ঘ) ৪ বাইট
    ব্যাখ্যা

    অ্যাস্কি বা ASCII এর পূর্ণরূপ হল American Standard Code for Information Interchange। কম্পিউটার ও বিভিন্ন ধরনের টেলিযোগাযোগের যন্ত্র সহ অন্যান যেসব যন্ত্রে বর্ণভিত্তিক (Text Based) ইন্টারফেস দরকার হয় তাতে ব্যবহারের জন্য ইংরেজি ভাষার উপর ভিত্তি করে তৈরি করা একধরনের character encoding এই অ্যাস্কি। ইংরেজি ছাড়াও অন্যান ভাষার সুবিধা দিতে পারে যেসব আধুনিক character encoding তাদেরও অনেকে ঐতিহাসিক দিক থেকে অ্যাস্কির সাথে কোনভাবে সম্পর্কিত। সর্বশেষ প্রকাশিত সংষ্করণ অনুযায়ী অ্যাস্কি কোডের ধারণক্ষমতা ১২৮ টি বর্ণ, তার মধ্যে ৯৫টি ছাপারযোগ্য বর্ণ এবং ৩৩টি নিয়ন্ত্রণ সংকেত (control characters) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

    ১,৮৪৯.
    What type of memory is a hard disk?
    1. Volatile storage
    2. Secondary memory
    3. Cache memory
    4. Primary storage
    ব্যাখ্যা
    হার্ড ডিস্ক একটি সহায়ক স্মৃতি।

    হার্ড ডিস্ক:
    - অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
    - হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা যায়।
    - সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
    - আবার কম্পিউটারের বইরেও হার্ড ডিস্ক রেখে কাজ করা যায়।
    - হার্ডডিস্ক স্থানান্তরযোগ্য।
    - ফ্লপি ডিস্কের ন্যায় একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে হার্ডডিস্ক ঢুকিয়ে কাজ করে তা অন্য একটি কম্পিউটারের হার্ডডিস্ক ড্রাইভে ঢুকিয়ে অবশিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।

    সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৫০.
    নিম্নলিখিত কোন বিবরণ EEPROM-এর সাথে সবচেয়ে উপযুক্ত?
    1. ভোলাটাইল মেমরি, যা পাওয়ার বন্ধ হলে ডেটা হারায়
    2. নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়
    3. মেমরি যা কেবল একবার প্রোগ্রাম করা যায়
    4. সিপিইউ দ্বারা ব্যবহৃত ক্যাশ মেমরি
    ব্যাখ্যা

    • EEPROM-এর সাথে সবচেয়ে উপযুক্ত বিবরণ হলো খ) নন-ভোলাটাইল মেমরি, যা বৈদ্যুতিকভাবে মুছে ফেলা ও পুনঃপ্রোগ্রাম করা যায়। EEPROM (Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory) একটি বিশেষ ধরনের মেমরি, যা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী বৈদ্যুতিক সংকেতের মাধ্যমে ডেটা মুছে ফেলা এবং পুনরায় প্রোগ্রাম করার সুবিধা দেয়, যা ফ্ল্যাশ মেমরির মতো প্রয়োজনীয়। EEPROM সাধারণত ছোট আকারের ডেটা সংরক্ষণ, কনফিগারেশন সেটিংস, বা ফার্মওয়্যার আপডেটের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি একবার প্রোগ্রাম করা রোম বা সিপিইউ ক্যাশ মেমরির সাথে মিলিত নয়, কারণ সেগুলি ভিন্ন উদ্দেশ্যে কাজ করে।

    EEPROM:
    - EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো "Electrically Erasable Programmable Read-Only Memory"।
    - EEPROM-এ তথ্য মুছতে EPROM-এর তুলনায় অনেক কম সময় লাগে।
    - EPROM-এর একটি অসুবিধা ছিল যে এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে অনেক সময় লাগতো, প্রায় আধা ঘণ্টা। এছাড়া, আংশিকভাবে তথ্য মুছা সম্ভব ছিল না। এই অসুবিধা দূর করার জন্য EEPROM ব্যবহার করা হয়।
    - EEPROM-এ আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মুছে ফেলা সম্ভব। তবে, এটি করার জন্য EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না। প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
    - ফ্ল্যাশ মেমরি হলো এক ধরণের EEPROM (Electronically Erasable Programmable Read-Only Memory).

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

    ১,৮৫১.
    কম্পিউটারের 'প্রধান মেমোরি' বা 'প্রধান স্মৃতি' হিসেবে কোনটি পরিচিত?
    1. USB
    2. Hard Disk
    3. RAM
    4. Flash Drive
    ব্যাখ্যা

    - কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি হিসেবে RAM (Random Access Memory) স্বীকৃত। 

    • RAM:
    - RAM হলো অস্থায়ী মেমোরি যেখানে কম্পিউটার চলাকালীন প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
    - প্রসেসর খুব দ্রুত RAM থেকে তথ্য সংগ্রহ করে, তাই এটি কাজের গতি বাড়ায়। 
    - তবে কম্পিউটার বন্ধ হলে RAM-এর সব ডেটা মুছে যায়। 
    - অন্যদিকে CD-ROM, Pen Drive বা Hard Disk হলো সহায়ক বা গৌণ মেমোরি, যেখানে ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
    - তাই কার্যক্ষমতার জন্য এবং প্রসেসরের সাথে সরাসরি যোগাযোগের কারণে RAM-ই প্রধান স্মৃতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

    » কম্পিউটারের স্মৃতি:
    - কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
    ১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
    ২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

    • প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
    - প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
    - প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
    - যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
    - যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন।
    - প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

    • কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
    - কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না।
    - সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি।
    - স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
    - কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

    • কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
    - ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
    - হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
    - সিডি (CD- Compact Disc),
    - চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
    - চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).
    - ডিভিডি,
    - পেনড্রাইভ,
    - জিপ ড্রাইভ,
    - ম্যাগনেটিক টেপ

    তথ্যসূত্র: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৫২.
    What type of storage device is a USB Drive?
    1. Primary device
    2. Secondary device
    3. Cache device
    4. Register device
    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর - খ) Secondary device

    USB Drive
    - USB Drive হলো একটি ছোট, বহনযোগ্য ডেটা স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে এবং ইউনিভার্সাল সিরিয়াল বাস (USB) ইন্টারফেস যুক্ত থাকে।
    - বেশিরভাগ ফ্ল্যাশ ড্রাইভের মেমোরি ২–৬৪ গিগাবাইট (GB), তবে কিছু ড্রাইভে ২ টেরাবাইট (TB) পর্যন্ত তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
    - এগুলোকে সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে ধরা হয়, কারণ এগুলো মূলত সেই ডেটা ও প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে।
    - USB Drive ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট প্রযুক্তি ব্যবহার করে, যা সলিড-স্টেট প্রযুক্তি হিসেবে পরিচিত, তাই এতে কোনো মুভিং পার্টস নেই।
    - USB Drive নন-ভলাটাইল, অর্থাৎ ব্যাটারি ব্যাকআপের প্রয়োজন হয় না, কারণ বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা অক্ষুণ্ণ থাকে।

    সূত্র: ব্রিটানিকা।

    ১,৮৫৩.
    npn ট্রানজিস্টরে মাঝখানের অংশটিকে কী বলে?
    1. Phase
    2. Base
    3. Collector
    4. Emitter
    ব্যাখ্যা

    ট্রানজিস্টর p এবং n ধরনের সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিভাইস, যেটি তার ভেতর দিয়ে বিদ্যুতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। npn এবং pnp দুই ধরনের ট্রানজিস্টর।
    npn ট্রানজিস্টরের যে দিক দিয়ে কারেন্ট ঢােকে তার নাম Collector এবং যেদিক দিয়ে কারেন্ট বের হয় তার নাম Emitter।
    মাঝখানে রয়েছে বেস, এই বেসটি পানির ট্যাপের মতাে। এই বেসে অল্প একটু কারেন্ট দিলেই যেন ট্যাপটি খুলে যায় অর্থাৎ অনেক বিদ্যুতের প্রবাহ হতে থাকে।
    আবার এই অল্প কারেন্ট বন্ধ করে দিলেই বিদ্যুতের প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়
    উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি পদার্থ বিজ্ঞান

    ১,৮৫৪.
    Delete ও insert কোন ধরণের 'কী'?
    1. মডিফায়ার কী
    2. নিউমেরিক কী
    3. নেভিগেশন কী
    4. ফাংশন কী
    ব্যাখ্যা
    • নিউমেরিক কী:
    - (0 -9) এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নিত কী গুলোকে নিউমেরিক কী বলে।
    - QWERTY কী-বোর্ডে ১৭ টি নিউম্যারিক কী থাকে।

    • মডিফায়ার কী:
    - কীবোর্ডগুলোর মধ্যে Shift, Option, Command, Control, Alt প্রভৃতি কীগুলোকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifier Key)।

    • নেভিগেশন কী:
    - এগুলোর সাহায্যে যেকোনো ডকুমেন্টে ঘুরে বেড়ানো যায়, কার্সারকে পরিচালনা করা যায়। যেমন- Arrow keys, Home key, Delete, insert ইত্যাদি।

    • ফাংশন কী:
    - কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে বা বামদিকে F1 থেকে F12 চিহ্নিত ১২টি কী'কে ফাংশন কী বলা হয়।
    - তথ্য সংযোজন বা ইনসার্ট করা, অপ্রয়োজনীয় তথ্য মুছে ফেলা এবং বিশেষ ধরনের নির্ধারিত নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাওশন কী ব্যবহৃত হয়।

    উৎস:
    ১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
    ২. ব্রিটানিকা।
    ১,৮৫৫.
    Which data structure stores data in a Last-in, First-Out (LIFO) order?
    1. Queue
    2. Linked List
    3. Tree
    4. Stack 
    ব্যাখ্যা

    Stack বা স্ট্যাক হলো সেই ডেটা কাঠামো যা ডেটা সঞ্চয় করে Last-in, First-Out (LIFO) নীতিতে। এর মানে হলো, যে উপাদানটি সবশেষে স্ট্যাকে প্রবেশ করে, সেটিই সবার প্রথমে স্ট্যাক থেকে বের হয়।

    Stack:
    - Stack কে বলা হয় LIFO (Last In First Out) ডেটা স্ট্রাকচার।
    - এ যে ডেটা শেষে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় LIFO I
    প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে, স্ট্যাকের (Stack) দুটি অপারেশন বা প্রক্রিয়া রয়েছে। যথা Push এবং Pop.
    - স্ট্যাকের উপরে একটি আইটেম রাখাকে পুশ (Push) বলা হয়।
    - স্ট্যাকের উপর থেকে একটি আইটেম অপসারণ করাকে পপ (Pop) বলা হয়।
    - Queue এ যে ডেটা প্রথমে প্রবেশ করবে সেই ডেটাটি প্রথমে বের হবে, একে বলা হয় FIFO (First In First Out) I

    উৎস: Computerhope Website.

    ১,৮৫৬.
    রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার কোনটি?
    1. Microsoft Access
    2. Internet Explorer
    3. Opera
    4. Google Chrome
    ব্যাখ্যা
    • Microsoft Acces হলো রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।

    • রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
    - রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
    - আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
    - ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
    - হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

    • কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
    - Oracle,
    - MySQL,
    - Microsoft Access ইত্যাদি।

    • রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
    - সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
    - ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
    - অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
    - সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
    - সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
    - সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
    - প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
    - এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
    - বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
    - অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
    - সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

    • অন্যান্য অপশন আলোচনা:
    Internet Explorer, Opera, Google Chrome হলো ওয়েব ব্রাউজার।

    উৎস:
    ১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ১,৮৫৭.
    ইন্টেল কর্পোরেশনের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
    1. টোকিও
    2. ভার্জিনিয়া
    3. ক্যালিফোর্নিয়া 
    4. ওয়াশিংটন ডি.সি.
    ব্যাখ্যা

    • ইন্টেল কর্পোরেশন:
    - ইন্টেল কর্পোরেশন (Intel Corporation) হলো ১৯৬৮ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি শীর্ষস্থানীয় আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি, যার সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা ক্লারায় অবস্থিত
    - এটি বিশ্বের বৃহত্তম এবং সবচেয়ে মূল্যবান সেমিকন্ডাক্টর চিপ প্রস্তুতকারক কোম্পানি, যা প্রধানত মাইক্রোপ্রসেসর, চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং এআই (AI) প্রযুক্তির উপাদান তৈরি করে।
    - ইন্টেল তাদের উদ্ভাবনী ডিজাইন দিয়ে কম্পিউটার এবং বিভিন্ন শিল্পখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

    • ইন্টেল কোম্পানির মূল তথ্য:
    প্রতিষ্ঠা: ১৮ জুলাই, ১৯৬৮।
    প্রতিষ্ঠাতা: গর্ডন মুর এবং রবার্ট নয়েস।
    সদর দপ্তর: সান্তা ক্লারা, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
    প্রধান পণ্য: মাইক্রোপ্রসেসর (Core, Xeon, Pentium, Celeron, Atom), চিপসেট, মাদারবোর্ড এবং নেটওয়ার্কিং উপাদান।

    উৎস: 
    ১। Britannica [Link]
    ২। Intel [Link]

    ১,৮৫৮.
    নিচের কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয়?
    1. ক) ডেটাবেজ তৈরী করা
    2. খ) নতুন ডেটা/ রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা
    3. গ) ডেটা সংরক্ষণ করা
    4. ঘ) কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা
    ব্যাখ্যা
    কম্পিউটারের সিকিউরিটি প্রদান করা ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ নয়। কম্পিউটারের সিকিউরিটি সাধারনত অ্যান্টিভাইরাস প্রদান করে থাকে।
    ১,৮৫৯.
    ফার্মওয়্যার সম্পর্কে কোন বিবৃতি সঠিক?
    1. এটি কম্পিউটার ব্যবহারের সময় প্রায়ই পরিবর্তিত হয়
    2. এটি বিদ্যুৎ বন্ধ হলে মুছে যায়
    3. এটি শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে ব্যবহৃত হয়
    4. এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে
    ব্যাখ্যা

    • ফার্মওয়্যার হলো একটি বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে।

    - সঠিক উত্তর:  এটি স্থায়ীভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। 

    ফার্মওয়্যার:
    - ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
    - সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
    - কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
    - ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
    - কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
    - এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

    ১,৮৬০.
    কোনটি তথ্যপ্রযুক্তি সম্পর্কিত শব্দ নয়?
    1. Branching
    2. AMOLED
    3. SAMR
    4. Blue Chip
    ব্যাখ্যা
    • ‘Blue Chip’ কথাটি শেয়ার বাজারে ব্যবহৃত হয়। 
    - বাজারে এমন অনেক কোম্পানি আছে যাদের আর্থিক অবস্থা ভালো, সুসংহত, ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার মান ভালো। আর এসব কোম্পানিকেই শেয়ারবাজারে ব্লু চিপ কোম্পানি বলে, আর তাদের শেয়ার ব্লু চিপ শেয়ার।

    অন্যদিকে, 
    - Branching: প্রোগ্রামিং এবং লজিক্যাল নির্ণয়ে ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি। 
    - AMOLED: Active Matrix Organic Light Emitting Diode, একটি প্রযুক্তি যা ডিসপ্লে নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। 
    - SAMR: Situation Awareness, Analysis and Measurement of Risk, একটি সম্পূর্ণ প্রযুক্তি রাইট-ম্যানেজমেন্ট মডেল।
    ১,৮৬১.
    রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী কেন গুরুত্বপূর্ণ?
    1. এটি প্রাইমারি কী-এর প্রয়োজনীয়তা দূর করে
    2. এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব কুয়েরি দ্রুত করে
    3. এটি স্টোরেজ স্পেস বাড়ায়
    4. টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে
    ব্যাখ্যা

    • রিলেশনাল ডাটাবেসে ফরেন কী অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি টেবিলগুলোর মধ্যে রেফারেনশিয়াল ইন্টেগ্রিটি বজায় রাখে। ফরেন কী একটি টেবিলের কলামকে অন্য টেবিলের প্রাইমারি কী-এর সাথে যুক্ত করে, ফলে ডাটার মধ্যে যৌক্তিক সম্পর্ক নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে ভুল বা অসঙ্গত ডাটা প্রবেশ করা রোধ করা যায়, যেমন—যে রেকর্ডের সাথে সম্পর্কিত কোনো ডাটা নেই, তা ইনসার্ট হতে পারে না। এছাড়া, ডিলিট বা আপডেটের সময় সম্পর্কিত ডাটার উপর নিয়ন্ত্রণ রাখা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ), কারণ ফরেন কী ডাটাবেসকে নির্ভরযোগ্য ও সুশৃঙ্খল রাখতে সহায়তা করে।
     
    • কী (Key) ফিল্ড:
    - সাধারণত কোনো একটি ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে ফাইলের রেকর্ড শনাক্তকরণ, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজগুলো করা হয়। এই ফিল্ডকে কী ফিল্ড বলে।
    - কী ফিল্ডের সাহায্যে ডাটাবেজ থেকে রেকর্ড অনুসন্ধান করা, দুই বা ততোধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা, ডাটাবেজের রেকর্ড শনাক্ত করা ইত্যাদি কাজ করা যায়।
    - কী ফিল্ড প্রধানত তিন ধরনের হতে পারে, যথা:
    ১. প্রাইমারি কী (Primary Key),
    ২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key),
    ৩. ফরেন কী (Foreign Key).

    • প্রাইমারি কী:
    - যে ফিল্ড কোনো একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়ভাবে (Unique) শনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী বলে।
    - কোনো ফাইলে সাধারণত এক বা একাধিক ফিল্ড থাকে।
    - এই ফিল্ডগুলোর মধ্যে- একটি শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের রোল নম্বর একটিই থাকে।
    - কোনো ফাইলে যে সকল ফিল্ডের ডাটাগুলো অদ্বিতীয় হয় সে সকল ফিল্ডই প্রাইমারি কী হওয়ার যোগ্য।

    • কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
    - কোন ডেটাবেজ ফাইলে সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী অনুপস্থিত থাকলে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যাবহার করা হয়, এই ধরনের কী ফিল্ডকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

    • ফরেন কী (Foreign Key):
    - রিলেশনাল টেবিলের ক্ষেত্রে, কোনো একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যখন অন্য টেবিলে ব্যবহার হয়, তখন ঐ কীকে ফরেন কী বলে।
    - ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।

    উৎস:
    ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
    ২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৬২.
    IC (ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট) ব্যবহার কোন প্রজন্মে শুরু হয়?
    1. প্রথম
    2. দ্বিতীয়
    3. তৃতীয়
    4. পঞ্চম
    ব্যাখ্যা

    - তৃতীয় প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়।

    • কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
    - প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
    - দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
    - তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
    - চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
    - পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

    • তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
    - একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
    - মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
    - উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
    - উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
    - উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
    - ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
    - যেমন: IBM 360.

    উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৬৩.
    ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি কোন ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত?
    1. জেনেটিক অ্যালগরিদম
    2. বায়োইনফরমেটিক্স
    3. ক্রায়োসার্জারি
    4. ন্যানোটেকনোলজি
    ব্যাখ্যা
    ডিএনএ ম্যাপিং, ড্রাগ ডিজাইন ইত্যাদি বায়োইনফরমেটিক্স এর অন্তর্ভুক্ত।

    • বায়োইনফরমেটিক্স:
    বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

    • বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার
    - প্যার্টান রিকোগনিশন,
    - ডেটা মাইনিং,
    - মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
    - ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।

    • বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে।
    উল্লেখযোগ্য গবেষণাগুলির মধ্যে রয়েছে
    - সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
    - ডিএনএ ম্যাপিং,
    - ডিএনএ এনালাইসিস,
    - জিন ফাইন্ডিং,
    - জিনোম সমাগম,
    - ড্রাগ নকশা,
    - ড্রাগ আবিষ্কার,
    - প্রোটিনের গঠন,
    - প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
    - জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
    - প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
    - জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং ইত্যাদি।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ১,৮৬৪.
    কোনটি কনজিউমার টু কনজিউমার ই-কমার্সের উদাহরণ?
    1. amazon.com
    2. monster.com
    3. ebay.com
    4. rokomary.com
    ব্যাখ্যা
    এ জাতীয় ব্যবসায়ে কোনো ব্যবহারকারি থেকে অন্য কোনো ব্যবহারকারীর মধ্যে লেনদেন সম্পাদিত হয়।
    অর্থাৎ অন্য কোনো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগ ছাড়াই ভোক্তা থেকে
    ভোক্তার লেনদেনকে ভোক্তা থেকে ভোক্তা বা কনজিউমার টু কনজিউমার (C2C) বলা হয়। এ জাতীয় ব্যবসায়ে কোনো
    বিজনেস মিডলম্যান থাকে না।
    উদাহরণ : ebay.com
    সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
    ১,৮৬৫.
    সাধারণত ডিজিটাল ক্যামেরার মান হিসাব করা হয় কোন এককে?
    1. মেগা পিক্সেল
    2. গিগাবাইট
    3. টেরাবাইট
    4. নিবল
    ব্যাখ্যা
    • ডিজিটাল ক্যামেরার মান পরিমাপের একক মেগাপিক্সেল।

    • ডিজিটাল ক্যামেরা:
    - সনাতনী ফিল্মের পরিবর্তে মেমোরি চিপে ছবি সংরক্ষণ করা হয়।
    - ডিজিটাল ক্যামেরার মান মেগাপিক্সেল দিয়ে পরিমাপ করা হয়।
    - ১৯৭২ সালে টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ইনকর্পোরেটেড প্রথমবারের মতো ফিল্মবিহীন ইলেকট্রনিক ক্যামেরা উন্মোচন করে।
    - ১৯৮১ সালে সনি কর্পোরেশন একটি বাণিজ্যিক ইলেকট্রনিক মডেল বাজারে আনে, যা একটি ভিডিও ক্যামেরা থেকে সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণের জন্য "মিনি" কম্পিউটার ডিস্ক ড্রাইভ ব্যবহার করত।
    - ১৯৯১ সালে ইস্টম্যান কোডাক কোম্পানি পেশাদার ডিজিটাল ক্যামেরার বিক্রি শুরু করে।

    উৎস: ব্রিটানিকা।
    ১,৮৬৬.
    Operating System হলো এক ধরণের -
    1. System Software
    2. Generalized package
    3. Application Software
    4. Utility tool
    ব্যাখ্যা
    সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    ১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
    ২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
    ৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।

    সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
    সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
    ১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
    ২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
    ৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।

    সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
    সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
    ১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
    ২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
    ৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।

    সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
    ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
    ১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
    ২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস

    (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল))
    ১,৮৬৭.
    নিম্নের কোনটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস?
    1. ক) Malwarebytes
    2. খ) Companion
    3. গ) Command Purpose
    4. ঘ) Perrin
    ব্যাখ্যা
    Malwarebytes হচ্ছে একটি কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাস। 

    - অ্যান্টিভাইরাস হচ্ছে একধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা আমাদের কম্পিউটার সিস্টেমের ভাইরাস রোধ করতে সাহায্য করে থাকে। 

    আরও কিছু জনপ্রিয় কম্পিউটার অ্যান্টিভাইরাসের নামসমূহ-
    - বিটডিফেন্ডার(Bitdefender)
    - নর্টন(Norton Antivirus)
    - এভিরা ফ্রি এন্টিভাইরাস (Avira Free Antivirus)
    - এভিজি এন্টিভাইরাস ফ্রি(AVG Free Antivirus)
    -এভাস্ট ফ্রি এন্টিভাইরাস (Avast Free Antivirus)
    - ম্যাকফি(McAfee)
    - ক্যাসপারাস্কি (Kaspersky)
    - থ্রি সিক্সটি সিকিউরিটি (360 Security)  

    সূত্র- Malwarebytes Website [লিঙ্ক]

    ১,৮৬৮.
    'MS Excel' এ মোট কলামের সংখ্যা কয়টি?
    1. ক) ৬৪
    2. খ) ১২৮
    3. গ) ২৫৬
    4. ঘ) ৫১২
    ব্যাখ্যা
    'MS Excel' এ মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
    ১,৮৬৯.
    কোন কী-বোর্ড কমান্ড ব্যবহার করে ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করা যায়?
    1. Ctrl + Shift + Del
    2. Ctrl + Alt + Tab
    3. Ctrl + C
    4. Ctrl + X
    ব্যাখ্যা
    - Ctrl + Shift + Del: ব্রাউজারের হিস্টোরি ক্লিয়ার করতে ব্যবহার করা হয়।
    - Ctrl + Alt + Del: কম্পিউটার সিস্টেম রিবুট করতে এই কমান্ড ব্যবহার করা হয়।
    - Ctrl + Alt + Tab: কম্পিউটারে একসাথে রানিং সকল উইন্ডো দেখার জন্য ব্যবহার করা হয় ৷
    - Ctrl + Alt + Shift এর মাধ্যমে অনেকগুলো কমান্ড দেয়া হয়। যেমন:
    C - Copy relative path,
    N - Go to symbol,
    H - Pop up Hector,
    V - paste simple,
    L - Format file,
    X - Cut selected text or files from a document or folder, 
    I - Run inspection by name.

    উৎস: Microsoft.
    ১,৮৭০.
    NTFS এর পূর্ণরূপ কী?
    1. ক) Non Transferable File System
    2. খ) New Technology File System
    3. গ) New Technology Folder System
    4. ঘ) New Technology File Storage
    ব্যাখ্যা
    NTFS
    - NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
    - এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
    - এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
    - তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
    - DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
    - NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
    - NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB

    সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
    ১,৮৭১.
    What is the main characteristic of ROM?
    1. It retains data permanently
    2. It can be rewritten frequently
    3. It is erased when power is off
    4. It is volatile
    ব্যাখ্যা

    প্রধান মেমোরি (Main Memory):
     Read Only Memory (ROM)
    - যে স্মৃতিতে তথ্য শুধু পাঠ করা যায় কিন্তু কোনো নতুন তথ্য সংযোজন করা যায় না তাকে Read Only Memory (ROM) বলে।
    - ROM এ তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
    - যখন বিদ্যুৎ চলে যায় অথবা কম্পিউটার বন্ধ করা হয় তখন যে সমস্ত তথ্য ROM এর মধ্যে থাকে তা মুছে যায় না, এটা ROM এর প্রধান বৈশিষ্ট্য।
    - ROM এর একটি ধরন PROM।
    - যে সমস্ত ROM চিপে ব্যবহারকারী নিজেদের ইচ্ছামতো প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করতে পারে তাকে PROM চিপ বলে।
    - PROM এ একবার প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করার পর সংরক্ষিত তথ্য আর পরিবর্তন করা যায় না।
    - ROM এর আরেকটি ধরন হচ্ছে EPROM যা PROM এর উপর্যুক্ত সমস্যা সমাধান করতে পারে।
    - এখানে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং চিপকে পুনরায় প্রোগ্রাম করে নতুন তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এস এস সি ও দাখিল ভোকেশনাল।

    ১,৮৭২.
    ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কী ধরনের ইমেজ তৈরি হয়?
    1. একমাত্রিক
    2. দ্বি-মাত্রিক
    3. ত্রিমাত্রিক
    4. সবগুলোই
    ব্যাখ্যা
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
    - অর্থাৎ প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্তিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
    - ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
    - ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (HDM), হাতে একটি ডাটা গ্লোভ (Data Glove) বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট (Body Suit) পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৭৩.
    আইবিএম ৩৬০ কোন প্রজন্মের অন্তর্গত?
    1. ক) প্রথম
    2. খ) দ্বিতীয়
    3. গ) তৃতীয়
    4. ঘ) চতুর্থ
    ব্যাখ্যা
    • আইবিএম ৩৬০ ও ৩৭০ ও পিডিপি-৮ ও ১১ এবং জিই-৬০০ ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
    • কম্পিউটার আবিষ্কার হওয়ার পর থেকে এর প্রযুক্তিগত উন্নতি,কাজের গতি এবং আকৃতিগত পরিবর্তন বা বিবর্তন ঘটতে থাকে।
    • কম্পিউটারের বিবর্তন ও বিকাশের এক একটি ধাপকে প্রজন্ম বলে।
    • কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়েছে।যথাঃ
    - ১৯৫১ - ৫৯ =১ম প্রজন্ম
    - ১৯৫৯-৬৫=২য় প্রজন্ম
    - ১৯৬৫-৭১ = ৩য় প্রজন্ম
    - ১৯৭১-বর্তমান=৪র্থ প্রজন্ম
    - ভবিষ্যৎ প্রজন্ম=৫ম প্রজন্ম
    • তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলাের বৈশিষ্ট্যগুলাে হচ্ছে (Features 3rd generation computer)
    - আইসি বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের ব্যবহার।
    - সেমিকন্ডাক্টর মেমােরির ব্যবহার।
    - হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজের ব্যবহার।
    - আউটপুটের জন্য ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (VDU) এবং লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এস এসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল )।
    ১,৮৭৪.
    কোনটি ইউনিভার্সাল গেইট?
    1. NOR
    2. NOT
    3. AND
    4. OR
    ব্যাখ্যা
    ⚪ NOR গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেইট, কারণ এর মাধ্যমে আমরা অন্য সব লজিক গেইট (যেমন AND, OR, NOT) তৈরি করতে পারি।
    - NOT গেইট একটি মৌলিক গেইট, কিন্তু এটি অন্য গেইট তৈরির জন্য পর্যাপ্ত নয়।
    - AND এবং OR গেইট ইউনিভার্সাল গেইট নয়, কারণ এগুলোর সাহায্যে সব গেইট তৈরি করা সম্ভব নয়।

    ⚪ সার্বজনীন গেইট:

    - যে সকল গেইটের মাধ্যমে অ্যান্ড, অর ও নট গেইটের ফাংশনকে প্রতিস্থাপন করা যায় তাদেরকে সার্বজনীন গেইট বা ইউনিভার্সাল গেইট বলা হয়।
    - অর, অ্যান্ড এবং নট এই তিনটি মৌলিক গেইটের সমন্বয়ে সকল প্রকার লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
    - আবার শুধুমাত্র ন্যান্ড গেইট ব্যবহার করেই যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা যায়।
    - এর কারণ ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট বাস্তবায়ন সম্ভব।
    - একইভাবে শুধু নর গেইট দিয়েই অর, অ্যান্ড এবং নট গেইট তথা যে কোন লজিক সার্কিট বা যুক্তি বর্তনী তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য এই গেইট দুটিকে বলা হয় সার্বজনীন গেইট।

    ⚪নর গেইট:
    নর (NOR) গেইট হচ্ছে অর গেইট ও নট গেইটের সমষ্টি। অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে নর গেইট তৈরি হয়। অর গেইট যে কাজ করে নর গেইট তার বিপরীত কাজ করে। 


     
    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৭৫.
    নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যারের নয়?
    1. Safari
    2. Solaris
    3. Unix
    4. Windows Xp
    ব্যাখ্যা

    Safari একটি ওয়েব ব্রাউজার।

    • সিস্টেম সফটওয়্যার:
    - সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
    - এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
    - কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
    - সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।

    • সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
    - DOS,
    - Windows Xp,
    - Linux,
    - Unix,
    - Mac OS,
    - Solaris, ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৭৬.
    ‘বঙ্গবন্ধু’-অ্যাপের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
    1. তর্জনী
    2. দুর্বার
    3. টেশিস
    4. বাসস
    ব্যাখ্যা
    বঙ্গবন্ধু অ্যাপ:
    - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘বঙ্গবন্ধু অ্যাপ’ উদ্বোধন করেছেন।
    - এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী এবং বাংলাদেশ সৃষ্টির ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে।
    - একই সাথে আমাদের মহান স্বাধীনতার সঠিক ইতিহাস জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে।
    - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অ্যাপটি তৈরির মহতী উদ্যোগের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।
    - অ্যাপটি তৈরী করে দুর্বার টেকনোলজিস লিমিটেড।
    - বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় মোবাইল ব্রাউজার ‘তর্জনী’।

    উৎস: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
    ১,৮৭৭.
    নিচের কোনটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়?
    1. BIOS
    2. Blaster
    3. ILoveYou
    4. Melissa
    ব্যাখ্যা

    • BIOS কোনো ভাইরাস বা ম্যালওয়্যার নয়। BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফার্মওয়্যার যা হার্ডওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। এটি কম্পিউটার চালু হলে প্রথমে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে Blaster, ILoveYou, এবং Melissa সবই বিভিন্ন ধরনের ম্যালওয়্যার বা কম্পিউটার ভাইরাস, যেগুলো সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, ডেটা নষ্ট করতে পারে বা ব্যবহারকারীর অজান্তে কাজ সম্পাদন করে। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায়, BIOS হলো সিস্টেম সফটওয়্যার, ভাইরাস নয়।

    • কম্পিউটার ভাইরাস: 
    - কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে। 
    - ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
    - ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে। 
    - ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”. 
    - কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
    - কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
    যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।  

    • কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস: 
    - অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়। 
    - বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার। 
    - বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত। 
    - এন্টি-ভাইরাস সফটওয়‍্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।

    ১,৮৭৮.
    কোন সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল নির্ধারণ করা যায়?
    1. FAT12
    2. HPFS
    3. Ext2
    4. NTFS
    ব্যাখ্যা

    • NTFS সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল নির্ধারণ করা যায়।

    • NTFS:
     -NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
    - এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
    - NTFS ফাইল সিস্টেম উইন্ডোজ NT এর সাথে চালু হয়েছিল এবং উইন্ডোজ ২০০০ সহ পরবর্তী সকল উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে এটি প্রধান ফাইল সিস্টেম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
     - NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
    - NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো ২৫৬ টেরাবাইট।

    অন্যান্য অপশনসমূহ:
    • FAT12(File Allocation Table 12): MS-DOS এবং প্রাথমিক ফ্লপি ডিস্কে ব্যবহৃত হতো। ব্যবহারকারী ভিত্তিক ফাইল অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ নেই।
    • HPFS (High Performance File System): প্রাথমিকভাবে OS/2 অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহৃত হতো। সীমিত অ্যাকসেস কন্ট্রোল সুবিধা থাকলেও NTFS-এর মতো সূক্ষ্ম নয়।
    • Ext2 (Second Extended Filesystem): সিস্টেমে ফাইল এবং ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল নির্ধারণ করা যায়, তবে এটি মূলত লিনাক্স পারমিশন মডেল (Linux Permission Model) এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে। কিন্তু NTFS-এর অ্যাকসেস কন্ট্রোল সিস্টেমটি এর চেয়ে অনেক বেশি ব্যাপক।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

    ১,৮৭৯.
    কোনটি সর্বাধিক তথ্য ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করে?
    1. পেটাবাইট
    2. ইট্রাবাইট
    3. এক্সাবাইট
    4. জেটাবাইট
    ব্যাখ্যা
    (ক) ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর।
    (খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
    (গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
    (ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
    (ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
    (চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
    (ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
    (জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
    (ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

    ইট্টাবাইট(YB)> জেটাবাইট(ZB)> এক্সাবাইট(EB)> পেটাবাইট(PB)> টেরাবাইট(TB)> গিগাবাইট(GB)> মেগাবাইট(MB)> কিলোবাইট(KB> বাইট(B)
    বিট(B): বিট এখানে সবচেয়ে ছোট এবং ৮ বিট মিলে হয় এক বাইট।


    কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
    বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

    উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
    ১,৮৮০.
    নিচের কোনটি প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া নয়?
    1. ক) RAM
    2. খ) ROM
    3. গ) Hard Disk
    4. ঘ) PROM
    ব্যাখ্যা
    - উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত ভৌত মাধ্যমকে স্টোরেজ মিডিয়া বলে। যেমন: সিডি, ডিভিডি, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি।
    - স্টোরেজ মিডিয়া প্রধানত দুই প্রকার। যথা: 
    ক। প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়া এবং
    খ। সেকেন্ডারি স্টোরেজ মিডিয়া।

    উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
    ১,৮৮১.
    একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না -
    1. CD
    2. Joystick
    3. Pen Drive
    4. Modem
    ব্যাখ্যা
    • ইনপুট ডিভাইস:
    - যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
    - কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
    Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

    • আউটপুট ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
    - কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
    Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

    • ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
    - কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে  তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
    - কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
    Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৮২.
    চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার-এর কাজ কোনটি?
    1. তথ্য সংরক্ষণ
    2. রোগী পর্যবেক্ষণ
    3. ইমেজ বিশ্লেষণ
    4. উপরের সবগুলো
    ব্যাখ্যা
    চিকিৎসা ক্ষেত্রে কম্পিউটার: 
    - বর্তমানে প্রায় সকল দেশে রোগ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিনির্ভর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং কম্পিউটার প্রযুক্তি যথাযথ প্রয়োগ দ্বারা সূক্ষ্মভাবে রোগ নির্ণয় করা সম্ভব হচ্ছে। 
    - EHR (Electronic Health Record) এর মাধ্যমে ডেটাবেজে রোগীর সকল তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং রোগী তার EHR ব্যবহার করে যে কোন স্থান হতে তার রোগ সম্পর্কিত তথ্য, রিপোর্ট, চিকিৎসা ব্যবস্থাপত্র ইত্যাদি যেকোন স্থানে বসে পেতে পারেন। 
    - সিটিস্ক্যান এর অর্থ (Computed Tomography Scan), চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি প্রতিবিম্ব তৈরির একটি প্রক্রিয়া। আলোর প্রতিসরণের সাথে জ্যামিতিক হিসেবের মাধ্যমে দ্বিমাত্রিক ছবিগুলোকে ত্রিমাত্রিক করা হয়, এতে কোনো বস্তুর অবস্থান নিঁখুতভাবে নির্ণয় করা যায়। 
    - রোগীর অস্বাভাবিক লক্ষণগুলো পরীক্ষা এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য কম্পিউটার (যেমন: ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম) ব্যবহার করা হয়  ইত্যাদি।

    অর্থাৎ, চিকিৎসাক্ষেত্রে তথ্য সংরক্ষণ, ইমেজ বিশ্লেষণ এবং রোগী পর্যবেক্ষণ প্রভৃতি সকল ক্ষেত্রেই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
    ১,৮৮৩.
    কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
    1. ক) এভিরা
    2. খ) ভিয়েনা
    3. গ) ম্যাকফি
    4. ঘ) সিমেন্টেক
    ব্যাখ্যা
    - কম্পিউটার  ভাইরাস
    • স্টোন
    ভিয়েনা
    • সিআইএইচ ইত্যাদি।

    - কম্পিউটার অ্যান্টি-ভাইরাস
    • অভিজি
    এভিরা
    • এভাস্ট
    McAfee
    • Norton Antivirus
    • Kaspersky Antivirus
    Symantec
    • ESET NOD32
    • PANDA
    • Cobra Antivirus ইত্যাদি। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
    ১,৮৮৪.
    নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
    1. Mydoom
    2. Conficker
    3. Code Red
    4. Bitdefender
    ব্যাখ্যা
    • কম্পিউটার ভাইরাস:
    - কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয় তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
    - ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হলো 'Vital Information Resources Under Seize' যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা।
    - ভাইরাস কম্পিউটার এর ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বা কম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে।
    - যেমন: Melissa, Trojan horse, Code Red, Worm, Mydoom, Conficker ইত্যাদি। 

    • অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
    - কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রের প্রতিষেধক হলো অ্যান্টিভাইরাস।
    - সাধারণত একটি ভাল মানের অ্যান্টিভাইরাস কয়েকশ ভাইরাস নির্মূল করতে পারে।
    - যেমন: AVG, Avira, Norton, Avast, Bitdefender ইত্যাদি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার। 

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৮৫.
    সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত বাণিজ্যিক সফটওয়্যারকে বলে-
    1. ক) সিস্টেম সফটওয়্যার
    2. খ) অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
    3. গ) ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
    4. ঘ) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম
    ব্যাখ্যা
    সুনির্দিষ্ট কাজের সম্পাদনের প্রয়োজনে সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম বলা হয়। অর্থাৎ ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের জন্য বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান যে সমস্ত বাণিজ্যিক সফটওয়্যার তৈরী করে তাদেরকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলে।
    ১,৮৮৬.
    একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে কোন গেইটে?
    1. নট গেইটে
    2. বাফার গেইটে
    3. অ্যান্ড গেইটে
    4. ক ও খ উভয়ই
    ব্যাখ্যা
    নট গেইট:
    এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
    যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
    এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।

    বাফার গেইট:
    - বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে।
    - এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে। এই গেইটে ইনপুট ০ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।
    উল্লেখ্য,

    উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ১,৮৮৭.
    কোনটি মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয়?
    1. মিনি কম্পিউটার
    2. ট্যাবলেট
    3. ডেস্কটপ পিসি
    4. ল্যাপটপ
    ব্যাখ্যা
    • 'মিনি কম্পিউটার' মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয়।

    • মিনি কম্পিউটার:
    - মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয় ৷
    - মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
    - মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।

    • মাইক্রো কম্পিউটার:
    - ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
    - মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
    - ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।

    • মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
    ১. পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
    ২. ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
    ৩. নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং
    ৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি।
    - এ ছাড়াও ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৮৮.
    Maximum number of rows in an excel sheet are
    1. 65536
    2. 65535
    3. 256
    4. 65532
    ব্যাখ্যা
    - 'MS Excel' শিটে সর্বোচ্চ ৬৫,৫৩৬ টি সারি থাকতে পারে।
    - মোট কলামের সংখ্যা ২৫৬ টি।
    - আর মোট সেলের সংখ্যা ১,৬৭,৭৭,২১৬টি।

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণী), প্রকৌশলী মজিবুর রহমান।
    ১,৮৮৯.
    নিচের কোনটি স্ট্যাটাস রেজিস্টার?
    1. মেমরি ডাটা রেজিস্টার
    2. ইন্সট্রাকশন রেজিস্টার
    3. অ্যাকিউমুলেটর
    4. ফ্ল্যাগ রেজিস্টার
    ব্যাখ্যা
    ফ্ল্যাগ রেজিস্টার (Flag Register / Status Register):
     - ফ্ল্যাগ রেজিস্টারকে কন্ডিশন কোড বা স্ট্যাটাস রেজিস্টারও বলা হয়। মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের সময় বিভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত রেজিস্টারকে ফ্ল্যাগ রেজিস্টার বলা হয়।
    - এ ধরনের রেজিস্টারে অনেক কয়টি Flag রেজিস্টার থাকে। যেমন- শূন্য Flag ।
    - গাণিতিক বা যুক্তিমূলক অংশের কোনো অপারেশনের ফলাফল শূন্য হলে শূন্য Flag-এ ‘এক’ হয়। আর তা না হলে '০' হয়।
    - অন্যান্য Flag bit গুলো হলো Carry Flag, Parity Flag, Sign Flag, Overflow Flag ইত্যাদি।

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৯০.
    কম্পিউটার তার কার্যাবলী কোন ধরনের গাণিতিক প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করে?
    1. ক) Decimal
    2. খ) Boolean
    3. গ) Binary
    4. ঘ) Hexadecimal
    ব্যাখ্যা
    কম্পিউটার তার কার্যাবলী Boolean Algebra প্রক্রিয়ায় সম্পাদন করে. আধুনিক যুগে, বুলিয়ান বীজগণিত এবং বুলিয়ান ফাংশন কম্পিউটার চিপস এবং integrated circuits গুলির নকশায় অপরিহার্য।
    ১,৮৯১.
    নিচের কোনটি Operating system নয়? 
    1. MS Word
    2. LINUX
    3. MS DOS
    4. Windows 98
    ব্যাখ্যা
    - 'MS Word' Operating system নয়, এটি একটি ডকুমেন্ট এবং রাইটিং সফটওয়্যার। 

    অপারেটিং সিস্টেম: 
    - কম্পিউটার পরিচালনার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। 
    যথা- 
    ১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System): 
    Linux, 
    • Unix, 
    MS-DOS, 
    • PC DOS, 
    • CP/M ইত্যাদি। 

    ২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating Sysatem): 
    Windows 95/98/Xp/2000/7
    • Mac OS ইত্যাদি। 

    উৎস: Microsoft, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৯২.
    টিকেট বুকিং সিস্টেম কোন ধরণের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ?
    1. ক) টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম
    2. খ) রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম
    3. গ) মেশিন অপারেটিং সিস্টেম
    4. ঘ) ডিস্ট্রিবিটেড অপারেটিং সিস্টেম
    ব্যাখ্যা
    রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System )
    - রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
    - এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
    - তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
    - কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
    - উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।

    টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম (Time Sharing Operating System)
     
    - টাইম শেয়ারিং পদ্ধতিতে অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে নিজ নিজ টারমিনালের সাহায্যে মূল কম্পিউটারে কাজ করে ।
    - মূল কম্পিউটারের প্রসেসর পর্যায়ক্রমিক ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাজ সম্পাদন করে।
    - অর্থাৎ এ জাতীয় অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসিং সময়কে বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর মধ্যে বণ্টন করে।
    - উদাহরণ: অনলাইন ফাইল শেয়ার করার অপারেটিং সিস্টেম।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)
    ১,৮৯৩.
    বাইনারি কোড 'EBCDIC' উদ্ভাবন করে নিম্নের কোন প্রতিষ্ঠান?
    1. ক) মাইক্রোসফট
    2. খ) বেল ল্যাবরেটরি
    3. গ) জেরক্স
    4. ঘ) আইবিএম
    ব্যাখ্যা
    - EBCDIC এর পূর্ণরূপ Binary-Coded Decimal Interchange Code.
    - ইহা একটি ৮বিট বিশিষ্ট বাইনারি কোড। 
    - বিখ্যাত কম্পিউটার প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান IBM এই কোডের উদ্ভাবক। 
     
     
    EBCDIC, in full extended binary-coded decimal interchange code, data-encoding system, developed by IBM and used mostly on its computers, that uses a unique eight-bit binary code for each number and alphabetic character as well as punctuation marks and accented letters and nonalphabetic characters. 
    EBCDIC differs in several respects from Unicode and ASCII, the most widely used systems of encoding text, dividing the eight bits for each character into two four-bit zones, with one zone indicating the type of character, digit, punctuation mark, lowercase letter, capital letter, and so on, and the other zone indicating the value—that is, the specific character within this type.
     
    Source: Britannica
    ১,৮৯৪.
    73 এর বিসিডি কোড কত?
    1. 01110011
    2. 01111011
    3. 11110011
    4. 01110001
    ব্যাখ্যা
    • বিসিডি কোড:
    - বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
    - দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
    - এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
    - 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
    - এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

    7 এর বিসিডি 0111
    3 এর বিসিডি 0011
    ∴ 73 এর বিসিডি 01110011

    উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ১,৮৯৫.
    কোনটি বাংলাদেশের সার্চ ইঞ্জিন নামে পরিচিত?
    1. ক) Bijoy
    2. খ) Pipra
    3. গ) Avro
    4. ঘ) Pipilika
    ব্যাখ্যা
    পিপীলিকা বাংলাদেশের একটি সার্চ ইঞ্জিন। 

    - সার্চ ইন্জিন হলো এমন একটি সফটওয়ার সিস্টেম যা ডিজাইন করা হয়েছে  World Wide Web থেকে সকল ধরনের information খোজার কাজে ব্যবহার করা হয়। 
    - পিপীলিকা বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র সার্চ ইঞ্জিন যা বাংলা ও ইংরেজী দুই ভাষাতেই কাজ করতে সক্ষম।
    - এই উন্মুক্ত ওয়েব সার্ভিসটি সারা দেশের সাম্প্রতিক গ্রহণসাধ্য তথ্য অনুসন্ধান করতে সহায়তা করে।
    - এটি দেশের প্রধান বাংলা ও ইংরেজী পত্রিকার সংবাদ, বাংলা ব্লগ, বাংলা উইকিপিডিয়া ও সরকারি তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিশ্লেষণ ও সংরক্ষণ করে।

    সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 
    ১,৮৯৬.
    Who is commonly credited as the inventor of the C programming language?
    1. Ken Thompson
    2. Alan Turing
    3. Dennis Ritchie
    4. John McCarthy
    ব্যাখ্যা
    • সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
    - যুক্তরাষ্ট্রের বেল ল্যাবরেটরিতে ১৯৭০ সালে ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
    - Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
    - তিনি সর্বপ্রথম Unix অপারেটিং সিস্টেমে DEC PDP-11 মেশিনে 'সি' প্রয়োগ করেন।
    - ‘সি’ এসেছে BCPL নামের একটি কম্পিউটার ভাষা থেকে, যা থেকে ‘বি’ নামে অপর একটি ভাষার উদ্ভব ঘটে এবং 'বি' এর পরের উন্নয়ন হলো ‘সি’ ভাষার উদ্ভবের মধ্য দিয়ে।
    - প্রথমে ‘সি’ সরবরাহ হতো Unix অপারেটিং সিস্টেমে। পরে ‘সি' এর প্রয়োগ ঘটে আরো বহুভাবে।
    - বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

    বেল ল্যাবরেটরি:
    → সদর দপ্তর: নিউ জার্সি, আমেরিকা।
    → প্রতিষ্ঠাকাল: জানুয়ারি, ১৯২৫।
    → প্রতিষ্ঠাতা: আলেক্সান্ডার গ্রাহাম বেল।

    উৎস:
    ১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
    ২) bell-labs.com
    ১,৮৯৭.
    CIH- ভাইরাসের রচয়িতা কে?
    1. ক) ফ্রেড কোহেন।
    2. খ) চেন ইং হাও।
    3. গ) ড. সলেমন।
    4. ঘ) চার্লি।
    ব্যাখ্যা

    CIH ভাইরাসের রচয়িতা হলেন চেন ইং হাও।

    - ১৯৯৯ সালের ২৬শে এপ্রিল, বাংলাদেশসহ অন্যান্য দেশের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার CIH ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়।
    - ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরন করেন।

    সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

    ১,৮৯৮.
    নিম্নলিখিত কোনটি বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার শনাক্ত করতে সক্ষম?
    1. বারকোড স্ক্যানার
    2. OMR
    3. ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ রিডার
    4. OCR
    ব্যাখ্যা

    Optical Character Recognition (OCR) ডিভাইস বা সফটওয়্যার বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক (অক্ষরমালা এবং সংখ্যা) ক্যারেক্টার শনাক্ত করতে পারে।

    • OCR:
    - OCR-এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader/Recognition.
    - এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
    - সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
    - এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে হাতের লেখা অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং প্রয়োজনীয় গঠন অনুসারে লিখিত হওয়া দরকার।
    - OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
    - এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে। অতঃপর OCR সফটওয়্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

    OCR এর ব্যবহার:
    - ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
    - চিঠির পিনকোড,
    - ক্যাশ রেজিস্টার,
    - ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি।

    অন্যদিকে,
    • বারকোড রিডার: কেবল বারকোড (প্যাটার্ন) পড়ে, অক্ষর বা সংখ্যা চিনতে পারে না।
    • OMR: কেবল নির্দিষ্ট দাগ বা চিহ্ন (যেমন বৃত্ত ভরাট) পড়তে পারে, অক্ষর বা সংখ্যা নয়।
    • ম্যাগনেটিক স্ট্রাইপ রিডার: ক্রেডিট, ডেবিট, আইডি কার্ডের চৌম্বকীয় স্ট্রাইপের ডেটা পড়তে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু মুদ্রিত বা হাতে লেখা অক্ষর পড়তে পারে না।

    উৎস:
    ১।মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
    ২। ব্রিটানিকা।

    ১,৮৯৯.
    কম্পিউটার সচল হলে সবার আগে কোন প্রোগ্রামটি সচল হয়?
    1. ক) BIOS
    2. খ) ICON
    3. গ) PDA
    4. ঘ) Booting
    ব্যাখ্যা
    কম্পিউটার সচল হলে সবার আগে ROM এ রক্ষিত ফার্মওয়ার BIOS (Basic Input Output System) সচল হয় যেটা দ্বারা কম্পিউটার সচল এবং বন্ধ হয়।
    Source: Britannica
    ১,৯০০.
    1 পেটাবাইট = কত?
    1. 215
    2. 230
    3. 240
    4. 250
    ব্যাখ্যা

    • মেমোরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি (Capacity):
    - কম্পিউটারের মেমোরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
    - মেমোরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
    - মেমোরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
    - মেমোরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ: 

    ৪ বিট = 1 বাইট = 1 অক্ষর
    - 210 বাইট বা 1024 বাইট = 1 কিলোবাইট (1 KB)
    - 220 বাইট বা 1024 কিলোবাইট = 1 মেগাবাইট (1 MB)
    - 230 বাইট বা 1024 মেগাবাইট = 1 গিগাবাইট (1 GB)
    - 240 বাইট বা 1024 গিগাবাইট = 1 টেরাবাইট (1 TB)
    - 250 বাইট বা 1024 টেরাবাইট = 1 পেটাবাইট (1 PB)

    উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।