বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ১৭ / ৮২ · ১,৬০১১,৭০০ / ৮,১৪১

১,৬০১.
ALU-তে কোন ধরনের সার্কিট থাকে লজিক অপারেশনের জন্য?
  1. JMP ও CALL
  2. PUSH ও POP
  3. AND ও OR
  4. MUL ও DIV
ব্যাখ্যা

ALU-তে লজিক অপারেশনের জন্য AND ও OR সার্কিট থাকে।

ALU
- ALU হল অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট। 
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি। 
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট। 
- ALU এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা। 
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে। 
- ALU -তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে। 
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR এর মতো সার্কিটও রয়েছে। 
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬০২.
অক্টাল সংখ্যা (255)8 এর বাইনারি মান কোনটি?  
  1. 010101100
  2. 010101111
  3. 010101101
  4. 110101101
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা (255)8 এর বাইনারি রূপান্তর:
- অক্টাল সংখ্যার প্রতিটি অংককে (অর্থাৎ 0 থেকে 7 পর্যন্ত) 3 বিট বাইনারি সমকক্ষ মান বসিয়ে অক্টাল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা যায়।
এখানে,
2 = 010,
5 = 101,
5 = 101.

অর্থাৎ, (255)8 = (010101101)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৩.
নিচের কোনটি সিস্টেম সফটওয়্যারের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করা
  2. কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করা
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ওয়েব ব্রাউজার পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

ওয়েব ব্রাউজার পরিচালনা করা সিস্টেম সফটওয়্যারের কাজের অন্তর্ভুক্ত নয়।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।

• সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
- DOS,
- Windows Xp,
- Linux,
- Unix,
- Mac OS,
- Solaris ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬০৪.
কোনটি ডাটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. MS-Word
  2. Lotus 1-2-3
  3. Oracle
  4. Word Perfect
ব্যাখ্যা
Oracle একটি ডাটাবেস প্যাকেজ প্রোগ্রাম।

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-
১। Word Processing Package Program : WordStar, Word Perfect, MS Word, Word Note.
২। Spreadsheet Package Program : Lotus 1-2-3, MS Excel, Quattro Pro.
৩। Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৫.
The Operating System acts as a bridge between-
  1. Hardware and software
  2. CPU and memory
  3. Printer and monitor
  4. User and application software
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে।

• অপারেটিং সিস্টেম:
অপারেটিং সিস্টেম হলো ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের মধ্যে কাজের সমন্বয় সাধন করে সমগ্র কার্যপ্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামসামন্ত্রী।

বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হলো-
- DOS,
- WINDOWS,
- UNIX.
- LINUX,
- Mac OS, ইত্যাদি।

অপারেটিং সিস্টেমের কাজ-
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত ফাইল তৈরি, অ্যাকসেস, কপি, ডিলিট ইত্যাদি কাজ করে থাকে।
- অপারেটিং সিস্টেমের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে প্রধান স্মৃতিতে ফাইল ও অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম নিয়ে আসা।

উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা।
১,৬০৬.
Translator software is used to
  1. Manage files and folders on a computer
  2. Perform arithmetic calculations automatically
  3. Convert source program into object program
  4. Connect a computer to the internet securely
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) Convert source program into object program

অনুবাদক সফ্টওয়্যার (Translator software)
- উৎস (Source) প্রোগ্রামকে বস্তু (Object) প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন তাকে বলে অনুবাদক সফ্টওয়্যার। 
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে না।

অনুবাদক সফট্ওয়‍্যার আছে তিন ধরনের, যথা-
১। কমপাইলার,
২। ইন্টারপ্রেটার,
৩। অ্যাসেম্বলার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)। 

১,৬০৭.
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয় -
  1. Bitdefender
  2. Kaspersky
  3. CCleaner
  4. AVG
ব্যাখ্যা
• CCleaner is a system optimization tool, not an antivirus.

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Norton Antivirus,
- McAfee Antivirus,
- Kaspersky Antivirus,
- Bitdefender Antivirus,
- Avast Antivirus,
- Trend Micro Antivirus,
- Sophos Home,
- Windows Defender,
- ESET NOD32 Antivirus,
- Avira Antivirus,

- Panda Security,
- Malwarebytes Anti-Malware,
- F-Secure Antivirus,
- Webroot SecureAnywhere,
- Comodo Antivirus,
- BullGuard Antivirus,
- ZoneAlarm Antivirus,
- Intego Antivirus (Popular on Mac),
- ClamAV (Open-source antivirus),
- AhnLab V3 Antivirus.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬০৮.
নিচের কোনটি একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. ক) লোটাস
  2. খ) ফায়ারফক্স
  3. গ) ম্যাকফী
  4. ঘ) ভিসি কেল্ক
ব্যাখ্যা
কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার- Symantec, McAfee, AVG Anti-Virus, AVIRA, AVAST Anti-Virus, TREND micro, ESET NOD32, Kaspersky Anti-Virus, Microsoft Security Essential, ZoneAlarm Anti-Virus, Cobra Anti-Virus, Bitdefender, Norton Anti-Virus, Panda Anti-Virus, PC Tools Anti-Virus etc.
১,৬০৯.
ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার কোনটি?
  1. WinZip
  2. Excel
  3. Chrome
  4. Notepad
ব্যাখ্যা
• ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ফাইলের আকার ছোট করে সংরক্ষণ বা পাঠানোর সুবিধা দেয়। এর মাধ্যমে বড় ফাইলগুলোকে কম জায়গায় রাখা যায় এবং দ্রুত ইমেইল বা অনলাইন শেয়ার করা যায়। প্রশ্নে উল্লিখিত অপশনে, WinZip একটি জনপ্রিয় ফাইল কমপ্রেশন সফটওয়্যার। এটি বিভিন্ন ধরনের ফাইলকে জিপ (ZIP) ফরম্যাটে সংকুচিত করতে সক্ষম। অন্যদিকে, Excel হলো একটি স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম, Chrome হলো ওয়েব ব্রাউজার, আর Notepad হলো একটি সাধারণ টেক্সট এডিটর, যা ফাইল কমপ্রেশন কাজ করে না। তাই ফাইল কমপ্রেশনের জন্য WinZip সবচেয়ে উপযুক্ত সফটওয়্যার।

• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১,৬১০.
বাহিরের আক্রমণ থেকে প্রাইভেট নেটওয়ার্ক রক্ষার্থে কোনটি ব্যবহৃত হয়ে থাকে?
  1. Access Point
  2. Malware
  3. Firewall
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (ইন্ট্রানেট) এবং ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল সাধারণত কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়।
- একটি ফায়ারওয়ালের সাথে সাধারণত রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) যুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল একটি প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে, যা প্রবেশ পথকে নিরাপদ রাখে এবং ডেটার ফিল্টারিং করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং প্রতিরোধে সহায়ক হলেও সবসময় সফলভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
১,৬১১.
দশমিক সংখ্যা ২৩.১২৫ -এর অকটাল মান কত?
  1. ক) ২২.০১
  2. খ) ২৫.১২
  3. গ) ২৭.১
  4. ঘ) ২৮.১৫
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে পর্যায়ক্রমে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষগুলোকে একত্র করে দশমিক সংখ্যাটির অকট্যাল সমকক্ষ সংখ্যা পাওয়া যায়। আর দশমিক ভগ্ন্যাংশ অকটালে রূপান্তর করার জন্য গুণফল ০ না হওয়া পর্যন্ত সংখ্যাটিকে অনবরত ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬১২.
মাদারবোর্ডে কোন ধরণের পোর্ট পাওয়ার যায়?
  1. USB ports
  2. HDMI ports
  3. Audio jacks
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⚪ মাদারবোর্ডে বিভিন্ন ধরণের পোর্ট থাকে যা কম্পিউটার এর বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযোগ করতে সাহায্য করে। এই পোর্টগুলো হলো:

- USB Ports (ক): মাদারবোর্ডে সাধারণত বেশ কয়েকটি USB পোর্ট থাকে যা ইউএসবি ডিভাইস যেমন কীবোর্ড, মাউস, ফ্ল্যাশ ড্রাইভ, প্রিন্টার ইত্যাদি সংযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

- HDMI Ports (খ): কিছু মাদারবোর্ডে HDMI পোর্টও থাকে, যা ডিসপ্লে (মনিটর) বা টেলিভিশনে ভিডিও এবং অডিও সিগন্যাল পাঠাতে ব্যবহৃত হয়।

- Audio Jacks (গ): মাদারবোর্ডে অডিও জ্যাক থাকে, যা স্পিকার, মাইক্রোফোন বা হেডফোন সংযোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

তাই, উত্তর হবে - উপরের সবগুলো।

⚪ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত।
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

⚪ মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস:
- কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৩.
কম্পিউটার মডেম এ থাকে-
  1. ক) একটি মডুলেটর
  2. খ) একটি ডিমডুলেটর
  3. গ) একটি মডুলেটর ও একটি ডিমডুলেটর
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

Modem is short for ''Modulator-Demodulator.''

It is a hardware component that allows a computer or another device, such as a router or switch, to connect to the Internet.

It converts or ''modulates'' an analog signal from a telephone or cable wire to digital data (1s and 0s) that a computer can recognize.

Similarly, it converts digital data from a computer or other device into an analog signal that can be sent over standard telephone lines.

১,৬১৪.
Which of the following is NOT a valid shortcut key in MS PowerPoint?
  1. F5 (Start slideshow)
  2. Ctrl + R (Refresh slide)
  3. Ctrl + P (Print presentation)
  4. Ctrl + Z (Undo the last action)
ব্যাখ্যা
MS Powerpoint Shortcut Keys:
• Create a new presentation - Ctrl+N
• Add a new slide - Ctrl+M
• Apply bold formatting to the selected text - Ctrl+B
• Open the Font dialog box - Ctrl+T
• Cut selected text, object, or slide - Ctrl+X
• Copy selected text, object, or slide - Ctrl+C
• Paste cut or copied text, object, or slide - Ctrl+V
• Insert a hyperlink - Ctrl+K
• Insert a new comment - Ctrl+Alt+M
• Undo the last action - Ctrl+Z
• Redo the last action - Ctrl+Y
• Shortcut key to start a presentation from the beginning - F5
• End the slide show - Esc
• Print a presentation - Ctrl+P
• Save the presentation - Ctrl+S
• Close PowerPoint - Ctrl+Q
• Open a presentation- Ctrl+O
• Close a presentation - Ctrl+D
• Start slideshow - F5

Source: Microsoft website.
১,৬১৫.
কোন সার্কিটে সর্বোচ্চ ষোলটি ইনপুট থেকে চারটি আউটপুট পাওয়া যায়?
  1. ক) কাউন্টার
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ডিকোডার
  4. ঘ) এনকোডার
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।

ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে। 
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলেন। একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৬.
ডাটাবেজে তথ্য যোগ করা, পরিবর্তন করা বা মুছে ফেলা এই কাজগুলো কোন পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়?
  1. এনক্রিপশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা মাইগ্রেশন
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে তথ্য যোগ করা (Insert), পরিবর্তন করা (Update) বা মুছে ফেলার (Delete) মতো কাজগুলো কুয়েরি (Query) পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ - করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন:
• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Parameter Query:
প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Crosstab Query:
-ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Action Query:
-কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। - ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। -

• সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

• এনক্রিপশন:
- এনক্রিপশন ডেটাকে নিরাপদ করার একটি প্রক্রিয়া যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে পারে।

• ডাটা মাইগ্রেশন:
- ডাটা মাইগ্রেশন হলো একটি ডাটাবেস বা সিস্টেম থেকে অন্য ডাটাবেস/সিস্টেমে বিদ্যমান তথ্যকে নিরাপদে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া।
- এটি সাধারণত সফটওয়্যার আপগ্রেড, সার্ভার পরিবর্তন, ক্লাউডে যাওয়া বা পুরোনো সিস্টেম থেকে নতুন সিস্টেমে ডাটা নেওয়ার সময় করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬১৭.
110001 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) 27
  2. খ) 46
  3. গ) 49
  4. ঘ) 54
ব্যাখ্যা
• 110001 বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমেল নাম্বার 49.

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।

এখানে,
110001
= 1×25 + 1×24 + 0×23 + 0×22 + 0×21 + 1×20 
= 32+16+0+0+0+1
= 49

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৬১৮.
স্টিফেন হকিং কোন দেশের বিজ্ঞানী?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
• স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং ছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন।
- সম্মান: রয়্যাল সোসাইটির ফেলো, প্রেসিডেন্টিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, কপলি মেডেল
- ১৪ মার্চ ২০১৮ স্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬১৯.
সিপিইউ-এর গতি সাধারণত কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Kilograms
  2. Gigahertz
  3. Megapixels
  4. Gigabytes
ব্যাখ্যা

• সিপিইউ এর গতি সাধারণত Gigahertz (GHz) এককে মাপা হয়। 

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬২০.
ফায়ারওয়াল কি ধরনের সমস্যা থেকে নিরাপত্তা দেয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Software crashes
  2. Data-driven access
  3. Unauthorized access
  4. Fire attacks
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।

• কম্পিউটার ফায়ারওয়ালের কাজ:
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- ফায়ারওয়াল- অবাঞ্ছিত ব্যবহারকারীর (Unauthorized access) হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধু বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৬২১.
'ANSI' এর সঠিক পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. American National code of Standard Institute
  2. American Nation Super Institute
  3. American National Standard Institution
  4. American National Standard Institute
ব্যাখ্যা

- সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে ANSI (American National Standard Institute) কর্তৃক আসকি কোড উদ্ভাবিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৫ সালে রবার্ট উইলিয়াম বীমার ৭ বিটের আসকি কোড উদ্ভাবন করেন।
- এ কোডের মাধ্যমে ২ বা ১২৮ টি চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,৬২২.
Which unit holds temporary data or results inside the CPU during operations?
  1. Control Unit
  2. Arithmetic Logic Unit
  3. Register
  4. None of them
ব্যাখ্যা
Register holds temporary data or results inside the CPU during operations.

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ)
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে।
- কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাছাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৬২৩.
গ্রাফিক্স কার্ড কী ধরনের ছবি দেখাতে সক্ষম?
  1. ক) এক মাত্রিক
  2. খ) দ্বিমাত্রিক
  3. গ) ত্রিমাত্রিক
  4. ঘ) দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক
ব্যাখ্যা

সকল গ্রাফিক্স কার্ড আমাদের দ্বিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম তবে বর্তমানে ত্রিমাত্রিক ছবি দেখাতে সক্ষম গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায়।
তথ্য সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, সপ্তম শ্রেণি, পৃষ্ঠা- ৩১।

১,৬২৪.
বাইনারি সংখ্যা (1101001.1101)2 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর -
  1. 150.74
  2. 152.65
  3. 151.64
  4. 153.66
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 151.64

ভগ্নাংশ বাইনারি সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১। বাইনারি সংখ্যাটির অংকগুলোকে বাম দিক থেকে ক্রমান্বয়ে ডান দিকে 3 বিটবিশিষ্ট একেকটি গ্রুপে ভাগ করতে হবে।
২। যদি সর্ব ডানের গ্রুপ তৈরিতে 3 বিট না থাকে তাহলে প্রয়োজন অনুসারে ডান দিকে একটি বা দুটি, শূন্য (0) বসিয়ে 3 বিটের গ্রুপ সম্পন্ন করতে হবে।
৩। প্রতিটি গ্রুপের সমতুল্য অক্টাল সংখ্যার মান বসালে বাইনারি সংখ্যাটি অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত হবে।



সুতরাং, (1101001.1101)2 = (151.64)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬২৫.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) সিম্বিয়ান
  2. খ) আইওএস
  3. গ) ওরাকল
  4. ঘ) ইউনিক্স
ব্যাখ্যা
সিম্বিয়ান, আইওএস এবং ইউনিক্স হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম। ওরাকল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার।
১,৬২৬.
123 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 0100 0100 0100
  2. 0001 0011 0010
  3. 0001 0010 0011
  4. 0101 0101 0101
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24
অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত। 

1 এর বিসিডি 0001
2 এর বিসিডি 0010
3 এর বিসিডি 0011

∴ 123 এর বিসিডি কোড 0001 0010 0011

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬২৭.
Windows কোন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত?
  1. ক্লোজড সোর্স
  2. মোবাইল ওএস
  3. ফ্রি সফটওয়্যার
  4. ওপেন সোর্স
ব্যাখ্যা

• Windows মূলত ক্লোজড সোর্স (Closed Source) অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে পরিচিত। এটি Microsoft কর্তৃক তৈরি এবং উন্নত করা হয়েছে, যেখানে সফটওয়্যারের সোর্স কোড ব্যবহারকারীর জন্য প্রকাশ করা হয় না। অর্থাৎ ব্যবহারকারীরা কোড পরিবর্তন বা নতুনভাবে কাস্টমাইজ করতে পারে না। Windows সাধারণত ডেস্কটপ এবং ল্যাপটপ কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়, যদিও এর বিভিন্ন সংস্করণ মোবাইলেও পাওয়া যায়। এটি ফ্রি বা ওপেন সোর্স নয়, কারণ এর জন্য লাইসেন্স ক্রয় করতে হয় এবং নিয়মিত আপডেট ও সাপোর্ট প্রদান করা হয় Microsoft-এর মাধ্যমে। তাই Windows ক্লোজড সোর্স হিসেবে সবচেয়ে বেশি পরিচিত।

• Windows:
- Windows হলো Microsoft Corporation দ্বারা তৈরি একটি ক্লোজড সোর্স (Closed Source) অপারেটিং সিস্টেম।
- Windows তৈরি করেছে Microsoft, এবং এটি একটি প্রোপ্রাইটারি পণ্য।
- Microsoft তাদের সোর্স কোড গোপন রাখে, যাতে অন্য কেউ এটি কপি বা পরিবর্তন করতে না পারে।
- এটি তাদের ব্যবসায়িক নিরাপত্তা ও বাণিজ্যিক লাভ রক্ষা করার জন্য করা হয়।

ক্লোজড সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows (10, 11) - Microsoft Corporation
- macOS - Apple Inc.
- iOS - Apple Inc.
- Solaris - Oracle Corporation
- HarmonyOS - Huawei Technologies.

- ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হলো সেই সফটওয়্যার যার সোর্স কোড উন্মুক্ত, অর্থাৎ সবাই এটি দেখতে, পরিবর্তন করতে এবং বিতরণ করতে পারে।
- এটি সাধারণত ফ্রি লাইসেন্স (GPL, MIT, Apache ইত্যাদি)-এর আওতায় প্রকাশিত হয়।

ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Linux - Linus Torvalds ও কমিউনিটি।
- Ubuntu - Canonical Ltd.
- Fedora - Red Hat.
- Android  - Google.

উৎস: Britannica. 

১,৬২৮.
প্লটার কোন ধরনের ডিভাইস?
  1. আউটপুট ডিভাইস
  2. ইনপুট ডিভাইস
  3. ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, নবম দশম শ্রেণি।
১,৬২৯.
Which of the following is the first full-size stored-program computer?
  1. ক) UNIVAC
  2. খ) ENIAC
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) EDVAC
ব্যাখ্যা
সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট প্রথম কম্পিউটার হলো EDSAC.

এনিয়াক কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হত।
প্রোগ্রামিংয়ের জন্য তারের সংযোগ বদলানোর প্রয়োজন হতো এবং শত শত সংযোগ বদলানোর জন্য কয়েকদিন পর্যন্ত সময় লেগে যেত।

এই অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৪৯ সালে যুক্তরাজ্যের ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মরিস উইলথিম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট প্রথম কম্পিউটার EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Computer) তৈরি করেন।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৩০.
যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট কোন গেইটের মত কাজ করবে?
  1. অ্যান্ড গেইট
  2. অর গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট (NAND Gate):
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।

যদি দুটি ইনপুট 1 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 0 (যেমন নট গেইটের আউটপুট)।
যদি দুটি ইনপুট 0 হয়, তাহলে ন্যান্ড গেইটের আউটপুট হবে 1, যা নট গেইটের আচরণের সাথে মেলে।

• নট গেইটের ক্ষেত্রে:

- যদি ন্যান্ড গেইটের ইনপুটসমূহ একই ধরনের হয় সেক্ষেত্রে ন্যান্ড গেইট নট গেইটের মত কাজ করবে


• অ্যান্ড গেইটের ক্ষেত্রে:
- চিত্রে দুটি ন্যান্ড গেইটের ইনপুট A ও B এমনভাবে ব্যবহার করা হয়েছে যাতে আউটপুট AB হয়।
- অর্থাৎ, ন্যান্ড গেইট দিয়ে অ্যান্ড গেইটের কাজ করা হয়েছে।


• অর গেইট:
- তিনটি ন্যান্ড গেইট দিয়ে অর গেইটের বাস্তবায়ন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৩১.
নিচের কোনটিকে বিশেষ লজিক গেইট বলা হয়?
  1. XOR Gate
  2. NOR Gate
  3. NOT Gate
  4. NAND Gate
ব্যাখ্যা

- XOR Gate হচ্ছে এক ধরনের বিশেষ লজিক গেইট

মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা:
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) এবং
৩. নট গেইট (NOT Gate)।

সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১,৬৩২.
প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের নাম কী?
  1. Mark -1
  2. ENIAC
  3. UNIVAC
  4. EDSAC
ব্যাখ্যা

ENIAC: ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।

UNIVAC: ১৯৫১ সালে ENIAC এর নির্মাতারা UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
ইউনিভাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব ̈বহার করা হয়েছিল।

EDVAC: EDVAC কম্পিউটারে সংরক্ষিত প্রোগ্রাম নির্বাহের কিছু সুবিধা ছিল।

EDSAC: EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
অনেকেই একে প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬৩৩.
নিচের কোনটি এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) Avira
  2. খ) Avast
  3. গ) Norton
  4. ঘ) Cindrella
ব্যাখ্যা
কতিপয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার- Symantec, McAfee, AVG Anti-Virus, AVIRA, AVAST Anti-Virus, TREND micro, ESET NOD32, Kaspersky Anti-Virus, Microsoft Security Essential, ZoneAlarm Anti-Virus, Cobra Anti-Virus, Bitdefender, Norton Anti-Virus, Panda Anti-Virus, PC Tool Anti-Virus ইত্যাদি। অপরদিকে, AIDS, Bye Bye, Bad boy, Cindrella, CIH, I love you ইত্যাদি কতিপয় ভাইরাস।
[সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই এবং লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ]
১,৬৩৪.
সি++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক কে ছিলেন?
  1. Bill Gates
  2. Bjarne Stroustrup
  3. Dennis Ritchie
  4. Guido van Rossum
ব্যাখ্যা

• সি++ প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক হলেন Bjarne Stroustrup। ১৯৮০-এর দশকে তিনি Bell Labs-এ কাজ করার সময় C ভাষার ভিত্তিতে একটি নতুন ভাষা তৈরি করেছিলেন, যা মূলত বড় এবং জটিল সফটওয়্যার সিস্টেম তৈরি করতে সাহায্য করার জন্য OOP (Object-Oriented Programming) ধারণা সংযুক্ত করে। C++ ভাষা C ভাষার গতি এবং ক্ষমতা বজায় রেখে ক্লাস, অবজেক্ট, ইনহেরিট্যান্স, পলিমরফিজম ইত্যাদি বৈশিষ্ট্য প্রদান করে। এটি সিস্টেম প্রোগ্রামিং, গেম ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক্স, এন্ড এম্বেডেড সিস্টেমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। Bjarne Stroustrup-এর কাজ আধুনিক প্রোগ্রামিং বিশ্বে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে গণ্য হয়।

উত্তর: খ) Bjarne Stroustrup.

• সি++:
- সি++ এক ধরনের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৮০ সালে বিয়ার্নে স্ট্রোট্রুপ (Biarne Stroustrup) যুক্তরাষ্ট্রের এটিএন্ডটি বেল ল্যাবরোটরিতে (AT&T Bell Laboratary) এটি ডেভেলপ করেন।
- মূলত সিমলা ৬৭ এবং সি প্রোগ্রামিং ভাষার সুবিধাজনক বৈশিষ্ট্যগুলোর সমন্বয় সাধন করে সি++ তৈরি হয়।
- সি++ একটি মধ্যম শ্রেণীর প্রোগ্রামিং ভাষা যাতে উচ্চ স্তর এবং নিম্ন স্তর ভাষাগুলোর সুবিধা সংযুক্ত আছে।
- এটি সর্বকালের অন্যতম জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা এবং সফ্টওয়্যার শিল্পে এটি বহুল ব্যবহৃত হয়। যেমন-সিস্টেম সফ্টওয়‍্যার, এপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার, ডিভাইস ড্রাইভার, এম্বেডেড সফ্টওয়্যার, উচ্চ মানের সার্ভার ও ক্লায়েন্ট এপ্লিকেশন, বিনোদন সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
- সি++ পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ভাষাকে প্রভাবিত করেছে যার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হচ্ছে জাভা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩৫.
4 KB মেমোরি address করার জন্য কতটি address line প্রয়োজন?
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 13
ব্যাখ্যা
◉ 4 KB মেমোরি address করার জন্য 12টি address line প্রয়োজন।  

অ্যাড্রেস বাস/লাইন: 
- Address line হচ্ছে একটি binary line যার মাধ্যমে কম্পিউটার বা প্রসেসর মেমোরির প্রতিটি বাইট (byte) লোকেশন নির্ধারণ করে।
- অ্যাড্রেস বাসে যদি n সংখ্যক লাইন থাকে, তাহলে লাইন দিয়ে ২n টি অ্যাড্রেস থেকে ডেটা পড়া ও লেখা যায়।

১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট = ২১০ বাইট
৪ কিলোবাইট = ৪ × ২১০ = ২ × ২১০ বাইট = ২১২ বাইট
⇒ অর্থাৎ ৪ কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য ১২টি address লাইন দরকার।
উৎস: 
১। ISO/IEC Information technology — Vocabulary.
২। "Computer System Architecture" by M. Morris Mano.
১,৬৩৬.
তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য কোন ধরণের মেমোরি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ক্যাশ মেমরি
  2. খ) রেজিস্টার
  3. গ) ভোলাটাইল মেমোরি
  4. ঘ) ফ্লপি ডিস্ক
ব্যাখ্যা
তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য সহায়ক স্মৃতি যেমন- হার্ডডিস্ক ও ফ্লপি ডিস্ক ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।
১,৬৩৭.
ডেসিমেল সংখ্যা 930 এর সমতুল্য অক্টাল মান কোনটি?
  1. 1420
  2. 1576
  3. 1642
  4. 1780
১,৬৩৮.
নিচের কোনটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) MS DOS
  2. খ) PC DOS
  3. গ) UNIX
  4. ঘ) উপরের সবগুলোই
ব্যাখ্যা
বর্ণভিত্তিক অপারেটিং:

- বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কী-বোর্ডের সাহায্যে বিভিন্ন বর্ণ টাইপ করে এবং কি-বোর্ডের বিভিন্ন বোতাম ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- টেক্সট ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করতে গেলে ব্যবহারকারীকে আগে থেকে কমান্ড জানা থাকতে হয়।
- একে বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম বা কমান্ড বেজড অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- উদাহরণ- MS DOS, PC DOS, UNIX, LINUX ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৩৯.
কোনটি প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না?
  1. Excel
  2. Rust
  3. Fortran
  4. Kotlin
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে Excel প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। Excel মূলত একটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার, যা তথ্য সংরক্ষণ, হিসাব-নিকাশ, চার্ট তৈরি এবং ডেটা বিশ্লেষণের কাজে ব্যবহৃত হয়। যদিও Excel-এ কিছু ফাংশন ও ফর্মুলা ব্যবহার করা যায় এবং VBA নামে একটি স্ক্রিপ্টিং সুবিধা আছে, তবুও Excel নিজে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রোগ্রামিং ভাষা নয়। অন্যদিকে Rust, Fortran এবং Kotlin সবই প্রকৃত প্রোগ্রামিং ভাষা, যেগুলো সফটওয়্যার, অ্যাপ্লিকেশন ও সিস্টেম ডেভেলপমেন্টে ব্যবহৃত হয়।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Excel.

 
 • প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language.

উল্লেখযোগ্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১,৬৪০.
ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে কোন মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করে?
  1. ইন্টেল ৪০০০৪
  2. ইন্টেল ৪০০৪
  3. ইন্টেল ৪০৪০
  4. ইন্টেল ৪৪০০
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে ইনটেল কোম্পানি অনেক আইসির সমন্বয়ে মাইক্রোপ্রসেসর তৈরি করেন যা ইনটেল ৪০০৪ নামে পরিচিত।
এই মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়৷
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬৪১.
হার্ড ডিস্ক কী?
  1. একটি অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস
  2. একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস
  3. একটি প্রসেসিং ইউনিট
  4. একটি নেটওয়ার্ক ডিভাইস
ব্যাখ্যা

হার্ড ডিস্ক একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk) 
- ​হার্ড ডিস্ক হলো একটি ম্যাগনেটিক স্টোরেজ মিডিয়াম, যা কম্পিউটারের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- ​এটি সাধারণত অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের ফ্ল্যাট গোলাকার প্লেট দিয়ে তৈরি, যা ম্যাগনেটিক পদার্থ দিয়ে কোট করা থাকে। 
​- পার্সোনাল কম্পিউটারের হার্ড ডিস্ক টেরাবাইট পর্যায়ের তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। 
​- ডেটা হার্ড ডিস্কের সারফেসে concentric tracks আকারে সংরক্ষিত থাকে। 
- ​একটি ম্যাগনেটিক হেড বিট (0 বা 1) লিখে, ছোট ছোট স্পটগুলোকে বিভিন্ন দিকের সাথে ম্যাগনেটাইজ করে, এবং পড়ার সময় স্পটের ম্যাগনেটাইজেশন দিক শনাক্ত করে তথ্য পড়ে। 

​​কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের অংশ 
​- একাধিক হার্ড ডিস্ক (প্ল্যাটার) 
- ​Read/Write হেড 
- ​ডিস্ক ঘোরানোর জন্য ড্রাইভ মোটর 
- ​কিছু পরিমাণ সার্কিট 
- ​হেডের গতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসর 
- ​ডেটা ট্রান্সফারের জন্য RAM 
- ​সমস্ত অংশ মেটাল কেসে সীল করা, যাতে ডিস্ককে ধূলিকণা থেকে রক্ষা করা যায়। 

​উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৪২.
কুকিজ (Cookies) কোথায় জমা হয়?
  1. ক) সেকেন্ডারি মেমোরি
  2. খ) ক্যাশ মেমোরি
  3. গ) রিড অনলি মেমোরি
  4. ঘ) রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
- ইন্টারনেট ব্যবহার এখন অনেক সহজলভ্য এবং এটি অনেক উপকারে আসে ।
- ইন্টারনেট ব্যবহার করলে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমোরিতে অনেক টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ জমতে থাকে।
- এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়।
- প্রতিদিন সম্ভব না হলে কিছুদিন পর পর ক্যাশ মেমোরি পরিষ্কার করতে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬৪৩.
কোনটি BIOS করতে পারে যা UEFI-ও করতে পারে?
  1. গ্রাফিকাল ইন্টারফেস প্রদান করা
  2. GUID পার্টিশন টেবিল (GPT) সমর্থন করা
  3. অপারেটিং সিস্টেম বুট করা
  4. সিকিউর বুট সক্রিয় করা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) অপারেটিং সিস্টেম বুট করা।

BIOS এবং UEFI উভয়ই মূলত সিস্টেমের ফার্মওয়্যার যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করার কাজ করে। যদিও UEFI আধুনিক সুবিধা যেমন গ্রাফিকাল ইন্টারফেস, GUID পার্টিশন টেবিল (GPT) সমর্থন এবং সিকিউর বুট অফার করে, BIOS এই ফিচারগুলো দেয় না। তবে BIOS ও UEFI উভয়ই হার্ডডিস্ক থেকে অপারেটিং সিস্টেম বুট করতে পারে। 

• BIOS:
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৪৪.
সিআরটি মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে কোনটির ওপর?
  1. স্ক্রিনের আকার
  2. ইলেকট্রন বিমের শক্তি
  3. ফসফরাস আবরণের গুণমান
  4. পিক্সেলের সংখ্যা
ব্যাখ্যা
• মনিটর:
- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।
- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।
- প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube - CRT) ও
২. ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor)।

• ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT- Cathode Ray Tube Monitor):
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৪৫.
কি বাের্ডের কোন দুটি কি এর সমন্বয়ে সেন্টার এলাইনমেন্ট করা যাবে?
  1. ক) CTRL+E
  2. খ) CTRL+L
  3. গ) CTRL+J
  4. ঘ) CTRL+R
ব্যাখ্যা
কোন ডকুমেন্টের মাঝখানে বা সেন্ট্রাল এলাইন করার জন্যে Ctrl + E শর্টকার্ট কী ব্যবহার করতে হয়।
বাম ও ডান দিকে এলাইন করার জন্যে যথাক্রমে Ctrl + L ও Ctrl + R চাপতে হয়।
জাস্টিফাইড এলাইনের জন্যে Ctrl + J চাপতে হয়।
Ctrl + C দ্বারা কোন ডকুমেন্ট কপি করা বুঝায়।

(সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি : সপ্তম শ্রেণী)
১,৬৪৬.
বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম কী?
  1. MARK-I
  2. ENIAC
  3. EDSAC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের নাম হলো ENIAC

ENIAC :
- এর পূর্ণরূপ: Electronic Numerical Integrator and Computer।
- ১৯৪৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে জন মাউচলি এবং জে. প্রেসপার একার্ট এটি তৈরি করেন।
- এটি ছিল প্রথম সাধারণ-উদ্দেশ্য সম্পন্ন এবং প্রোগ্রামযোগ্য ডিজিটাল কম্পিউটার।
- এটি তৈরিতে প্রায় ১৮,০০০ ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মূলত সামরিক কাজের জন্য এটি ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

অপশন আলোচনা:
MARK-I: এটি ছিল প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল (Electro-mechanical) কম্পিউটার।
EDSAC: এটি প্রথম প্রোগ্রাম সংরক্ষিত (Stored-program) কম্পিউটারগুলোর একটি।
UNIVAC: এটি ছিল বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার।

উৎস : ব্রিটানিকা।

১,৬৪৭.
ক্রায়োসার্জারিতে মূল কার্যকারী উপাদান কোনটি?
  1. হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড
  2. তরল নাইট্রোজেন
  3. মিথেন
  4. ইথানল
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারিতে মূল কার্যকারী উপাদান হলো তরল নাইট্রোজেন। এটি অত্যন্ত কম তাপমাত্রায় থাকে, প্রায় −১৯৬°C, যা জীবিত টিস্যুতে দ্রুত জমাট বাঁধার মাধ্যমে কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। চিকিৎসা ক্ষেত্রে এর ব্যবহার প্রধানত ছোট ক্ষত, তিল বা অস্বাভাবিক কোষ অপসারণের জন্য করা হয়। তরল নাইট্রোজেনের প্রয়োগে আক্রান্ত স্থানের পানি বরফে রূপান্তরিত হয়ে কোষ ফেটে যায়, ফলে টিস্যু নষ্ট হয় এবং দাগ কমে। অন্যান্য পদার্থ যেমন হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড, মিথেন বা ইথানল ক্রায়োসার্জারির জন্য প্রাথমিক কার্যকরী পদার্থ নয়। তাই তরল নাইট্রোজেনই ক্রায়োসার্জারির মূল উপাদান।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি বিভিন্ন রোগ যেমন ক্যান্সার, ছানি, হাড়ের সমস্যাসমূহ, যকৃতের সমস্যা এবং প্রোস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

• ব্যবহৃত উপাদানসমূহ:
- তরল নাইট্রোজেন, তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড, তরল নাইট্রাস অক্সাইড, তরল আর্গন, ইথাইল ক্লোরাইড, ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৪৮.
কোন সার্কিটের সাহায্যে ডেটাকে কম্পিউটারের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করা হয়?
  1. এনকোডার
  2. ডিকোডার
  3. অ্যাডার
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা
• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে। 
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 24 = 16টি ইনপুট হয় তাহলে 4টি আউটপুট হবে।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি

• অ্যাডার:

- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-
১. হাফ-অ্যাডার:
-  যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।
২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৪৯.
কোন গেইটে দুটি ইনপুট একই মানের জন্য আউটপুট 1 এবং ভিন্ন মানের জন্য আউটপুট 0 হবে?
  1. ক) OR
  2. খ) AND
  3. গ) XOR
  4. ঘ) XNOR
ব্যাখ্যা
এক্স নর গেইট:
- Exclusive NOR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স নর (XNOR) গেইট বলে।
- এক্স অর গেইটের আউটপুটকে নট গেইট দিয়ে প্রবাহিত করলে অর্থাৎ এক্স অর গেইট এবং নট গেইটের সমন্বয়ে এক্স নর গেইট গঠিত হয়।
- এক্স অর গেইট যে কাজ করে এই গেইট তার বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ দুইটি ইনপুট সমান হলেই কেবলমাত্র আউটপুট 1 হবে, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে। 


 উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫০.
অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিং - এর ধারণা দেন কে?
  1. ক) চার্লস্‌ ব্যাবেজ
  2. খ) অ্যাডা লাভলেস বায়রন
  3. গ) জন ভন নিউম্যান
  4. ঘ) হাওয়ার্ড আইকেন
ব্যাখ্যা

চার্লস্‌ ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য ইংরেজ কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস বায়রন ''প্রোগ্রামিং'' - এর ধারনা সামনে নিয়ে আসেন।
একারনে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসাবে সম্মানিত করা হয়।
১৮৪২ সালে চার্লস্‌ ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তার ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তৃতা করেন। সে সময় অ্যাডা ব্যাবেজের সহায়তায় পুরো বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি বর্ণনা করেন।
কাজের ধারা বর্ণনা করার সময় তিনি এটিকে ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
অ্যাডার মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবার প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেসই অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিং - এর ধারনা প্রকাশ করেছিলেন।

উৎসঃ তথ্য ও প্রযুক্তি বই (নবম-দশম শ্রেণি)।

১,৬৫১.
কোনটি মৌলিক লজিক গেইট নয়?
  1. OR Gate
  2. XOR Gate
  3. NOT Gate
  4. AND Gate
ব্যাখ্যা
সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate, 
- AND Gate, 
- NOT Gate. 

সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate, 
- NOR Gate.

বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate. 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৫২.
কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে কী বলা হয়?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. মাদারবোর্ড
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. সিপিইউ
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ (CPU - Central Processing Unit):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

• CPU এর তিনটি প্রধান অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
1. ALU (Arithmetic Logic Unit),
2. Control Unit,
3. Memory/Register.

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৬৫৩.
২৩ অক্টাল নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?
  1. ক) ৬৬
  2. খ) ৫২
  3. গ) ১৯
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
23
= (2 × 8¹) + (3 × 8⁰)
= 19
১,৬৫৪.
(5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 1392
  2. 1394
  3. 1492
  4. 14A2
ব্যাখ্যা
◉ (5012)10 সংখ্যাটিকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় - 1394.

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
- এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
- সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
- ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ → A, ১১ → B, ১২→ C, ১৩→D, ১৪ → E ও ১৫ → F সংখ্যা লিখতে হবে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৫.
SQL-এর পূর্ণরূপ কোনটি? 
  1. Structured Query Language
  2. Systematic Question Logic
  3. Simple Query List
  4. Standard Question Language
ব্যাখ্যা

• SQL-এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language। এটি একটি বিশেষ ধরনের প্রোগ্রামিং ভাষা যা ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডেটা সংরক্ষণ, পরিবর্তন এবং পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। SQL ব্যবহার করে ব্যবহারকারীরা ডেটা কোয়েরি করতে, নতুন টেবিল তৈরি করতে, বিদ্যমান টেবিলের তথ্য আপডেট বা মুছে ফেলতে পারেন। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা, যা প্রায় সব রিলেশনাল ডেটাবেস যেমন MySQL, PostgreSQL, Oracle ইত্যাদিতে প্রযোজ্য। SQL-এর মাধ্যমে ডেটা হ্যান্ডলিং করা সহজ এবং কার্যকর হয়, কারণ এটি মানব-বোধগম্য সিনট্যাক্সে লেখা হয় এবং জটিল ডেটা অপারেশনও সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Structured Query Language.

• SQL Query:
- SQL এর পুরো অর্থ হচ্ছে Structured Query Language।
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ অ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার।
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো।
- বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্রয়োগ করা যায়।
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে।
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center SQL তৈরি করা হয়েছে।

• SQL ফিচার সুবিধা:
- SQL ইংরেজি ভাষার কাছাকাছি একটি কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ। এতে SELECT, INSERT, DELETE এ রকম শব্দ দ্বারা কমান্ড সেট তৈরি করা হয়েছে।
- SQL একটি non-procedural ল্যাঙ্গুয়েজ। যে তথ্যাবলি দরকার কেবল তা বলে দিলেই হয়, কীভাবে কোয়েরি করা যাবে তা বলার দরকার হয় না।
- SQL একই সময়ে এক একটি রেকর্ডকে প্রসেস না করে বরং এক সেট রেকর্ড প্রসেস করে।
- SQL বিভিন্ন শ্রেণির ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে। যেমন- ডাটাবেজ এডমিনিস্ট্রেটর, প্রোগ্রামার, ম্যানেজমেন্ট বা বিভিন্ন এ্যান্ড ইউজারগণ।

• SQL বিভিন্ন শ্রেণির কার্যসম্পাদনের জন্য ব্যবহার করা যায়।যেমন-
- ডাটা কোয়েরি করা।
- ডাটা সন্নিবেশ, আপডেট বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট তৈরি, সংশোধন বা মুছে ফেলা।
- ডাটাবেজ অবজেক্ট অ্যাকসেস নিয়ন্ত্রণ।
- ডাটাবেজ Consistency-এর নিশ্চয়তা প্রদান।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।

১,৬৫৬.
An encoder with how many input lines will produce output of n lines?
  1. ক) 2n
  2. খ) n/2
  3. গ) n
  4. ঘ) 2n
ব্যাখ্যা
এনকোডার:
- এনকোডার হলো এক ধরনের সমবায় সার্কিট যা কোন ডেটা, সিগন্যাল বা সংকেতকে ডিজিটাল সিস্টেমে বোধগম্য কাংঙ্খিত কোন কোডে পরিবর্তন করে।
- এনকোডারে কোন মুহুর্তে একটি মাত্র ইনপুট ১ ও বাকি সব ইনপুট ০ থাকে।
- একই সময়ে সকল ইনপুট ০ হয় না।
- সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে আউটপুট পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৫৭.
নিচের কোনটি ১ পেটাবাইটের সমতূল্য?
  1. 1024 টেরাবাইট
  2. 1024 ইয়োট্রাবাইট
  3. 1024 গিগাবাইট
  4. 1024 মেগাবাইট
ব্যাখ্যা
• মেমরির ধারণক্ষমতা বা ক্যাপাসিটি:
- কম্পিউটারের মেমরির ধারণক্ষমতা বলতে কম্পিউটার তার স্মৃতি স্থানে কতকগুলো বিট বা বাইট সংরক্ষণ করতে পারে তা বোঝায়।
- মেমরির ধারণক্ষমতা পরিমাপের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে বিট।
- B বিটবিশিষ্ট Wটি শব্দ ধারণে সক্ষম কোনো মেমরির ধারণক্ষমতা W X B বিট। যেমন- ৪ বিটের 1024টি শব্দ ধারণে সক্ষম মেমরির ধারণক্ষমতা হলো (1024 × ৪)টি বিট = 8192 বিট।
- মেমরির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয় বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট, টেরাবাইট, পেটাবাইট ইত্যাদি দ্বারা।
- মেমরি পরিমাপের এককগুলোর মধ্যে সম্পর্ক নিম্নরূপ-

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার সংখ্যা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৫৮.
ROM-এ কী সংরক্ষিত থাকে?
  1. ব্যবহারকারীর ডকুমেন্ট
  2. BIOS এবং ফার্মওয়্যার
  3. অস্থায়ী ফাইল
  4. ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ROM-এ সাধারণত BIOS এবং ফার্মওয়্যার সংরক্ষিত থাকে। ROM অর্থাৎ Read-Only Memory একটি স্থায়ী মেমোরি, যা ডেটা কম্পিউটার বন্ধ থাকা অবস্থাতেও সংরক্ষণ করতে পারে। এটি ব্যবহারকারীর ডকুমেন্ট, অস্থায়ী ফাইল বা ক্যাশ মেমোরির মতো তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য নয়। ROM-এ সংরক্ষিত BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে, এবং ফার্মওয়্যার ডিভাইসের কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। যেহেতু এটি রিড-ওনলি, তাই ব্যবহারকারী সাধারণভাবে এটি পরিবর্তন বা মুছতে পারে না। তাই ROM মূলত সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশাবলী এবং নিয়ন্ত্রণ প্রোগ্রাম সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: খ) BIOS এবং ফার্মওয়্যার।

ROM:
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম Firmware.
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তা কে ফার্মওয়্যার বলে।
- এ জাতীয় প্রোগ্রাম কেবলমাত্র কম্পিউটারের পর্দায় দেখা যায়।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারী কর্তৃক এ জাতীয় প্রোগ্রামকে কোন পরিবর্তন বা সংশোধনের সুযোগ থাকে না।
যেমন: কম্পিউটার রান করালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটারের মনিটরে বেশ কিছু তথ্য দেখা যায়। এগুলো ফার্মওয়্যারের আউটপুট।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১সংস্করণ)।

১,৬৫৯.
Mark-I কম্পিউটার নির্মাণে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. ড. হাওয়ার্ড আইকেন
  3. অ্যালান টিউরিং
  4. জন ভন নিউম্যান
ব্যাখ্যা

• ড. হাওয়ার্ড আইকেন—তিনি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে Mark-I ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার নির্মাণে নেতৃত্ব দেন।

• ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার(Electro-Mechanical Computer):
- ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো এমন কম্পিউটার, যা যান্ত্রিক অংশ ও বৈদ্যুতিক উপাদানের সমন্বয়ে কাজ করে।
- এটি যান্ত্রিক কম্পিউটার ও সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটারের মধ্যবর্তী ধাপ হিসেবে বিবেচিত।
 
• মার্ক–১(Mark-I) কম্পিউটার:
- বিশ্বের প্রথম বৃহৎ ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার হলো মার্ক–১(Mark-I)।
- ড. হাওয়ার্ড আইকেন(Dr. Howard Aiken)–এর নেতৃত্বে এটি নির্মিত হয়।
- মার্ক–১ কম্পিউটার ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হয়।
- এটি IBM–এর সহায়তায় নির্মিত হয়।
 
• মার্ক–১ কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
- এতে প্রায় ৩ হাজার ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল রিলে ব্যবহৃত হয়েছিল।
- দৈর্ঘ্য প্রায় ৫১ ফুট এবং উচ্চতা প্রায় ৮ ফুট ছিল।
- এটি অত্যন্ত ধীরগতির হলেও নির্ভুল গণনা করতে পারত।
- এতে যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করা সম্ভব ছিল।
- বৈজ্ঞানিক ও সামরিক গবেষণায় এটি ব্যবহৃত হতো।
 
• ইলেক্ট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটারের গুরুত্ব:
- আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
- স্বয়ংক্রিয় গণনার ধারণাকে আরও উন্নত করে।
- পরবর্তীতে সম্পূর্ণ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার উদ্ভাবনের পথ সুগম করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৬৬০.
ভোল্টেজের উঠানামা রোধ করার জন্য কী ব্যবহার করা উচিত?
  1. ক) আ্যামিটার
  2. খ) গ্যালভানোমিটার
  3. গ) স্ট্যাবিলাইজার
  4. ঘ) অ্যাডাপটার
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১,৬৬১.
কম্পিউটারের মস্তিষ্ক (Brain) হিসেবে কোন অংশটি পরিচিত?
  1. মেমোরি
  2. CPU
  3. ALU
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

• CPU কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ, যা ডেটা প্রক্রিয়াজাত করে এবং পুরো সিস্টেমের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। এজন্য CPU-কে কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।

• সিপিইউ (কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ) -
CPU (Central Processing Unit):

- কম্পিউটারের ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- এ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরও কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে। কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইনস্বরূপ।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৬৬২.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির উপর নির্ভরশীল?
  1. হার্ডডিস্ক
  2. সিপিইউ
  3. অপারেটিং সিস্টেম
  4. মনিটর
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ (CPU):
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- CPU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Central Processing Unit.
- সিপিইউ বলতে আগের দিনে বোঝাত কম্পিউটারের মধ্যবর্তী কেন্দ্রীয় অংশটিকে।
- এখন সিপিইউ বলতে শুধু মাইক্রোপ্রসেসরকে বোঝানো হয়।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।
- সিপিইউকে কম্পিউটারের ব্রেইন বা মস্তিষ্ক বলা হয়। মূলত সিপিইউ'র গাণিতিক যুক্তি ইউনিটকে (ALU) কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।

• সিপিইউকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
- গাণিতিক যুক্তি ইউনিট,
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট ও
- রেজিস্টার স্মৃতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৩.
নিচের কোনটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট নয়?
  1. www.alibaba.com
  2. www.amazon.com
  3. www.wikipedia.org
  4. www.daraz.com
ব্যাখ্যা
www.wikipedia.org ই-কমার্স ওয়েবসাইট নয়। 
এটি একটি অনলাইন বিশ্বকোষ যেখানে তথ্য পাওয়া যায়।

ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,৬৬৪.
FORTRAN কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম
  2. স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  3. প্রোগ্রামিং ভাষা
  4. কম্পিউটার ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• ফোরট্রান (FORTRAN):
-  FORTRAN এর পূর্ণরূপ Formula Translation.
- ফোরট্রান আদিতম উচ্চস্তরের নির্দেশমূলক প্রোগ্রামিং ভাষা।
- জন বাকাস ও তাঁর সহযোগীরা আইবিএম-এ কর্মরত থাকা অবস্থায় ১৯৫৭ সালেএটি তৈরি করেন।
- ফোরট্রানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলো হচ্ছে ফোরট্রান I, ফোরট্রান II, ফোরট্রান iv, ফোরট্রান ৭৭, এবং ফোরট্রান ৯০। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
১,৬৬৫.
অপারেটিং সিস্টেমে সাধারণত কয় ধরনের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়?
  1. ২ ধরনের
  2. ৩ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম ইউজার ইন্টারফেসের মাধ্যমে বিভিন্ন সফটওয়্যারের সংযোগ, সমন্বয় সাধন, পরিচালনা ও নির্দেশ গ্রহণে সাহায্যে করে।
- অপারেটিং সিস্টেমে সাধারণত তিন ধরনের ইউজার ইন্টারফেস ব্যবহৃত হয়। যথা:
- কমান্ডচালিত,
- মেনুচালিত ও
- গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৬.
বুলিয়ান যোগের জন্য কোনটি সত্য নয়?
  1. 0 + 0 = 0
  2. 1 + 1 = 1
  3. 1 + 0 = 1
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান যোগঃ
0 + 0 = 0,
0 + 1 = 1,
1 + 0 = 1,
1 + 1 = 1.
১,৬৬৭.
ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে প্রোগ্রামের .exe ফাইলকে কোনটি করা জরুরি?
  1. ক) Zipped
  2. খ) Hide
  3. গ) Read Only
  4. ঘ) Compress
ব্যাখ্যা
ভাইরাস থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়:
- অধিকাংশ ভাইরাস সাধারণত .com এবং.exe ফাইলকে আক্রান্ত করে থাকে। তাই সব প্রোগ্রামের com এবং exe ফাইলসমূহকে Read Only করে রাখা।
- একান্ত প্রয়োজন না হলে বাহিরের কোনো ডিস্ক বা পেনড্রাইভ (ফ্লাশডিস্ক) ব্যবহার না করা। ডিস্কের মাধ্যমেই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায়।
- বিশেষ প্রয়োজনে বাহিরের ডিস্কেট ব্যবহার করার আগে অবশ্যই আপডেটেড ভাইরাস স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করে নেওয়া ।
- সব সময় এন্টিভাইরাস সফটওয়্যারের আপডেটেড ভার্সন ব্যবহার করা।
-  প্রতিদিন কাজের শেষে প্রয়োজনীয় ডেটার ব্যাকআপ রাখা ।
-  মাঝে মাঝে এন্টিভাইরাস দিয়ে স্ক্যান করা ।
- ইন্টারনেট, বিবিএস ব্যবহারে সতর্ক হওয়া। ভাইরাস স্ক্যানিং করে ইন্টারনেট থেকে ফাইল ডাউন-লোড করা ।
-  ই-মেইলের অপরিচিত এটাচমেন্ট ফাইল খোলার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া।
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি। 
১,৬৬৮.
ই-মেইল এড্রেসের ডোমেন অংশ কী নির্দেশ করে?
  1. ব্যবহারকারীর লোকেশন
  2. ব্যবহারকারীর নাম
  3. ই-মেইল পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান
  4. মেসেজের বিষয়বস্তু
ব্যাখ্যা
ই-মেইলে ডোমেন অংশটি ব্যবহারকারীর মেইল সার্ভার বা পরিষেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের নাম নির্দেশ করে।

• E-mail
- E-mail এর পূর্ণরূপ Electronic Mail.
- E-mail হল  ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি সংবাদ আদান-প্রদান ব্যবস্থা।
- এ ব্যবস্থায় একজন ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর চিঠি (মেইল), ডকুমেন্ট বা অন্য যে কোন প্রকার তথ্য পৃথিবীর যে কোন স্থানে অবস্থিত অপর এক বা একাধিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীকে তড়িৎ গতিতে পাঠানো যায়।

• ই-মেইল এ্যাড্রেস-
- মেইল পাঠানোর জন্য প্রাপকের নাম বা পরিচিতিমূলক অন্য কোন শব্দ সম্বলিত ঠিকানাকে ই-মেইল এ্যাড্রেস বলা হয়।
- এরূপ কতগুলো ই-মেইল এ্যাড্রেস হলোঃ
xyz@yahoo.com,
abc@gmail.com ইত্যাদি।
-ই-মেইল এ্যাড্রেসের প্রত্যেকটি অক্ষর ইংরেজি ছোট হাতের হয়।

ই-মেইল এ্যাড্রেস তিনটি অংশে বিভক্ত:
প্রথম অংশ প্রাপকের নিজ নাম বা প্রতিষ্ঠান বা তার সংক্ষিপ্ত রূপ,
দ্বিতীয় অংশ ডোমেইন বা ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী সার্ভার কম্পিউটারের নাম নির্দেশ করে।
প্রথম অংশ এবং দ্বিতীয় অংশের মধ্যে @ (এ্যটদিরেট) এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় অংশের মধ্যে ডট (.) চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। 
উদাহরণ: rahim123@gmail.com
rahim123 → এটি ব্যবহারকারীর নাম (Username)
gmail.com → এটি ডোমেন অংশ (Domain part)

উৎস:  মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৬৯.
কাউন্টার কী?
  1. গাণিতিক অপারেশন করার সার্কিট
  2. ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. ডেটা স্টোর করার ডিভাইস
  4. আউটপুট ডিভাইস
ব্যাখ্যা

উত্তর: খ) ইনপুট পালস গণনা করা সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট

​​• কাউন্টার (Counter)
- কাউন্টার হলো একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, যা ইনপুট পাল্সের সংখ্যা গণনা করতে পারে। 
- ​এটি রেজিস্টার হিসেবে ব্যবহৃত হয় বিশেষ কাজের জন্য।
​- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ ০ থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n।
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

• কাউন্টারের ব্যবহার:
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনা,
- টাইমিং সিগনাল প্রদান,
- ডিজিটাল ঘড়ি,
- ডিজিটাল কম্পিউটার,
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৭০.
MS-DOS মূলত কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্ভাবন?
  1. Microsoft
  2. Google
  3. IBM
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• MS-DOS (Microsoft Disk Operating System) মূলত Microsoft কোম্পানির উদ্ভাবন। এটি ১৯৮১ সালে তৈরি হয় যখন IBM তাদের প্রথম ব্যক্তিগত কম্পিউটার (IBM PC) তৈরি করে এবং একটি অপারেটিং সিস্টেমের প্রয়োজন হয়। Microsoft তখন ৮৬-DOS নামে পরিচিত একটি অপারেটিং সিস্টেম কিনে সেটিকে উন্নত করে MS-DOS নামে বাজারে আনে। যদিও IBM তাদের কম্পিউটারে এটিকে PC-DOS নামে ব্যবহার করে, এর প্রকৃত নির্মাতা ছিল Microsoft। MS-DOS ছিল একটি কমান্ড-লাইন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার পরিচালনার মৌলিক নিয়ন্ত্রণ দিত। এটি ১৯৮০ ও ৯০-এর দশকে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) Microsoft.

• MS DOS:
- MS DOS-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Microsoft Disk Operating System.
- যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন আইবিএম কম্পিউটারের জন্য ১৯৮১ সালে প্রথম ডস অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করেন।
- ডস আইবিএম এবং আইবিএম উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ডস একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭১.
কোন ডিজিটাল সার্কিটের ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান?
  1. কাউন্টার
  2. হাফ অ্যাডার
  3. ফুল অ্যাডার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• অ্যাডার:
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বা যোগের বর্তনী বলে।
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে দু ধরনের অ্যাডার আছে। যথা:
১. হাফ অ্যাডার ও
২. ফুল অ্যাডার

• হাফ অ্যাডার:
- দুইটি বাইনারি বিট যোগ করার জন্য যে বর্তনী ব্যবহার করা হয় তাকে হাফ অ্যাডার বা অর্ধযোগের বর্তনী বলা হয়।
- হাফ অ্যাডারের ইনপুট এবং আউটপুট সংখ্যা সমান।

• ফুল অ্যাডার:
- যে বর্তনীতে ক্যারিসহ দুইটি বিট যোগ করার মত ব্যবস্থা থাকে, তাকে ফুল অ্যাডার বা পূর্ণ যোগের বর্তনী বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,৬৭২.
নিচের কোনটি ডাটাবেজ কুয়েরি ভাষার উদাহরণ?
  1. SQL
  2. Microsoft Excel
  3. Python
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা

•  SQL (Structured Query Language) হলো একটি স্ট্যান্ডার্ড ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ যা রিলেশনাল ডাটাবেজ থেকে ডেটা কুয়েরি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ:
- ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ (Database Query Language) হলো এক ধরনের বিশেষায়িত কম্পিউটার ভাষা যা ডাটাবেজের সাথে যোগাযোগ এবং তথ্য পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই ভাষা ব্যবহার করে একজন ব্যবহারকারী ডাটাবেজ থেকে নির্দিষ্ট ডেটা খুঁজে বের করতে, নতুন ডেটা যোগ করতে, বিদ্যমান ডেটা পরিবর্তন করতে অথবা ডেটা মুছে ফেলতে পারেন। 
- এটি ডাটাবেজের কাঠামো বা স্কিমা (Schema) তৈরি ও পরিবর্তন করতে সাহায্য করে, যেমন নতুন টেবিল তৈরি করা বা কলাম যুক্ত করা।
- এটি অত্যন্ত শক্তিশালী অনুসন্ধান ফাংশন প্রদান করে, যার মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে নির্দিষ্ট শর্ত অনুযায়ী তথ্য খুঁজে বের করা যায়।

বিভিন্ন ডাটাবেজ কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ:
- SQL (Structured Query Language): হলো রিলেশনাল ডাটাবেজের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ও স্ট্যান্ডার্ড কুয়েরি ভাষা। উদাহরণ: MySQL, Oracle, PostgreSQL, Microsoft SQL Server।
- XPath: XML (eXtensible Markup Language) ডকুমেন্টের মধ্যে তথ্য খোঁজার জন্য ব্যবহৃত ভাষা।
- Cypher Query Language: গ্রাফ ডাটাবেজ (Graph Database) যেমন Neo4j-এর জন্য ব্যবহৃত কুয়েরি ভাষা।
- XQuery,
- GraphQL,
- QUEL, QBE, OQL ইত্যাদি।

অপশন সমূহ:
- Microsoft Excel: এটি একটি স্প্রেডশিট অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার, কোনো কুয়েরি ভাষা নয়।
- Python: এটি একটি সাধারণ প্রোগ্রামিং ভাষা, ডাটাবেজ কুয়েরি ভাষা নয়।

উৎস: 
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

১,৬৭৩.
র‍্যাম কী ধরনের স্মৃতি?
  1. স্থায়ী স্মৃতি
  2. অস্থায়ী স্মৃতি
  3. সহায়ক স্মৃতি
  4. বাহ্যিক স্মৃতি
ব্যাখ্যা
র‍্যাম অস্থায়ী স্মৃতি হিসেবে কম্পিউটারে থাকে।

• র‍্যাম (RAM):

- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ সমন্বয়ে র‍্যাম এলাকা গঠিত।
- র‍্যামে সব ধরনের তথ্য লেখা ও পড়া যায়। র‍্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেক্ট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‍্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভবে থাকে।
- এজন্য র‍্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি বলা হয়।
- কোন কারণে বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটারের সুইচ বন্ধ করলে র‍্যাম থেকে সব তথ্যই মুছে যায়। তাই র‍্যামকে ভোলাটাইল বলা হয়।
- র‍্যামের ধারণ ক্ষমতা বেশি হলে কম্পিউটারের কাজ করার ক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- কাজের গতি বাড়ানোর জন্য র‍্যাম ক্যাশ (RAM Cash) ব্যবহার করা হয়।
- র‍্যাম ক্যাশ র‍্যামের অংশ বিশেষ।

• র‍্যাম দুই ধরনের:
- DRAM (Dynamic RAM),
- SRAM (Static RAM).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৪.
নিচের Job Scheduling Policy সমূহের মধ্যে কোনটি Starvation থেকে মুক্ত?
  1. Priority Scheduling
  2. Shortest Job First
  3. Youngest Job First
  4. Round-robin
ব্যাখ্যা
[Round-robin পলিসি Starvation থেকে মুক্ত থাকে, কারণ এটি সমস্ত প্রক্রিয়াকে সমান সময় বরাদ্দ করে এবং কোনো প্রক্রিয়াকেই অবহেলা করা হয় না।  Priority Scheduling ও Shortest Job First (SJF) পলিসিতে, উচ্চ priority বা ছোট কাজ আগে সম্পন্ন হলে, দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করা প্রক্রিয়াগুলি Starvation এর শিকার হতে পারে। Youngest Job First (YJF) পলিসিতে, কাজের শুরু সময়ের ভিত্তিতে প্রক্রিয়াগুলি প্রাধান্য পেলে Starvation হতে পারে।]

• Round Robin scheduling policy:
- Round Robin scheduling policy হলো অনেকগুলো সংযোগের সমন্বয়ে গঠিত, যা তথ্য বিতরণ করে এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইস।
- যেমন: একটি কোম্পানির মাল্টিপল সার্ভার আছে। যখন কোনো ১ম ইউজার সার্ভার থেকে তথ্য পেতে চেষ্টা করে তখন তাকে রেফার করা হয় সার্ভার ১ এ।
- আবার ২য় ইউজার তথ্য সংগ্রহ করে সার্ভার ২ থেকে।

উৎস: Computerhope website ও University of Liverpool website.
১,৬৭৫.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা আছে
  2. সিদ্ধান্ত গ্রহেণর ক্ষমতা নেই
  3. জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা আছে
  4. ভাষা বুঝার ক্ষমতা আছে
ব্যাখ্যা
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা Artificial Intelligence (AI) হচ্ছে বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির সমন্বয়।
- মানুষ যেভাবে চিন্তা করে তেমনি কৃত্রিম উপায়ে কম্পিউটারে সেভাবে চিন্তা ভাবনার রূপদান করাকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বলে।
- AI এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো কম্পিউটারকে উন্নত করা যাতে কম্পিউটার চিন্তা করার ক্ষমতা, পাশাপাশি দেখতে পারা, শুনতে পারা, হাঁটা এবং অনুভব করার ক্ষমতা পায়।
- কম্পিউটার কীভাবে মানুষের মতো চিন্তা করবে, কিভাবে অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্তে পৌঁছবে, কিভাবে সমস্যা সমাধান করবে, কিভাবে পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে ইত্যাদি বিষয়গুলোর জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপর আরো গবেষণা করা হচ্ছে।

- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় যেসব স্বতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্য পরিলক্ষিত হয় তা নিম্নরূপ:
১। কোন বিষয় সম্পর্কে ধারণা গ্রহণ।
২। সমস্যার কারণ নির্ণয়পূর্বক সমাধানের পথ নির্দেশ।
৩। সিদ্ধান্ত গ্রহেণর ক্ষমতা।
৪। সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।
৫। নতুন নতুন জ্ঞান অর্জন ।
৬। ভাষা বুঝার ক্ষমতা।
৭। অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগাবার মত সক্ষমতা।
৮। মানুষের মত অভিজ্ঞতা কাজে লাগানো।
৯। পরস্পর সম্পর্কিত বিভিন্ন বিষয় অনুধাবন এবং সাড়া দেয়ার ক্ষমতা।
১০। ভুল, অপ্রাসঙ্গিক এবং অসম্পূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পরিচালনা।
১১। জটিল অবস্থা অনুধাবন ও পরিচালনার ক্ষমতা।
১২। নতুন পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৬.
কোনটি নন-ভোলাটাইল স্টোরেজ ডিভাইস?
  1. RAM
  2. ক্যাশ মেমোরি
  3. SSD
  4. রেজিস্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) SSD

• নন-ভোলাটাইল মেমোরি:
নন-ভোলাটাইল মেমোরি সেই মেমোরি যা বিদ্যুৎ বন্ধ থাকলেও সংরক্ষিত তথ্য বজায় রাখে।
SSD হলো এক ধরনের সহায়ক মেমোরি, যা নন-ভোলাটাইল, তাই এটি অ-সক্রিয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ এবং ডেটা আর্কাইভ করার জন্য উপযুক্ত।

• SSD:
- SSD-এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive। এটি একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা ডেটা সংরক্ষণের জন্য নন-ভোলাটাইল ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে।
- প্রথাগত হার্ড ডিস্কের (HDD) মতো এতে কোনো চলন্ত বা ঘূর্ণায়মান অংশ নেই, তাই এটি অনেক বেশি টেকসই। 
- মেকানিক্যাল ডিস্ক না থাকায় এটি দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে। 
- হার্ড ডিস্কের তুলনায় এটি বহুগুণ দ্রুত কম্পিউটার স্টার্ট করতে এবং সফটওয়্যার লোড করতে পারে।
- কোনো মুভিং পার্টস না থাকায় হাত থেকে পড়লেও ডেটা হারানোর ঝুঁকি কম থাকে।
- এটি কাজ করার সময় কোনো শব্দ উৎপন্ন করে না।
- এটি হার্ড ডিস্কের চেয়ে কম বিদ্যুৎ খরচ করে। 

অন্যদিকে,
- RAM (Random Access Memory): এটি ভোলাটাইল মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ বন্ধ হলে এর ডেটা হারিয়ে যায়।
- ক্যাশ মেমোরি: এটি CPU চিপে থাকা একটি ছোট, দ্রুত SRAM যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য সংরক্ষণ করে। RAM-এর মতোই ক্যাশ মেমোরি ভোলাটাইল।
- রেজিস্টার: এগুলো ছোট, অত্যন্ত দ্রুত SRAM যা CPU বর্তমান নির্দেশাবলী এবং ডেটা ধারণ করার জন্য ব্যবহার করে। রেজিস্টারও ভোলাটাইল।

উৎস: 
১। কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা।
৩। HP [Link]

১,৬৭৭.
কোনটি B2C ই-কমার্স মডেলের উদাহরণ?
  1. আলিবাবা ওয়ালমার্টের কাছে বিক্রি করা
  2. একটি নির্মাতা কারখানায় পার্টস বিক্রি করা
  3. একজন গ্রাহক অ্যামাজন থেকে পোশাক কেনা
  4. সরকার অতিরিক্ত মাল নিলামে দেওয়া
ব্যাখ্যা
• B2C (ব্যবসা থেকে গ্রাহক) ই-কমার্স মডেলে ব্যবসা সরাসরি শেষ গ্রাহকের কাছে পণ্য বা সেবা বিক্রি করে। এই মডেলের একটি উদাহরণ হলো একজন গ্রাহক অ্যামাজন থেকে পোশাক কেনা, যেখানে অ্যামাজন একটি ব্যবসা এবং গ্রাহক সাধারণ ব্যবহারকারী। অন্যদিকে, আলিবাবা ওয়ালমার্টের কাছে বিক্রি করা হলো B2B (ব্যবসা থেকে ব্যবসা) মডেল, কারণ এখানে ব্যবসাগুলো একে অপরের কাছে পণ্য বিক্রি করছে। নির্মাতা কারখানায় পার্টস বিক্রিও B2B মডেলের অন্তর্ভুক্ত। সরকার অতিরিক্ত মাল নিলামে দেওয়া একটি সরকারি কার্যক্রম এবং সরাসরি গ্রাহক ভিত্তিক নয়। তাই গ) অপশনটি B2C ই-কমার্স মডেলের সঠিক উদাহরণ।

• ই-কমার্স:
- ইলেকট্রনিক কমার্সকে সংক্ষেপে ই-কমার্স বলা হয়।
- ই-বাণিজ্য একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেম এর মাধ্যমে পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয় হয়ে থাকে।
- আধুনিক ইলেকট্রনিক কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্য কাজ পরিচালনা করে।
- ই-কমার্সের কল্যাণে ঘরে বসেই কম্পিউটারের সাহায্যে ক্রেতারা সারা বিশ্বের বাজারজাতকারীদের পণ্য ও সেবা সার্চ করতে পারে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অর্ডার দিতে পারে।
- অর্ডার প্রদান ও পণ্য ডেলিভারী গ্রহণে স্বল্পতম সময় ব্যয় হয়।
- ইলেকট্রনিক কমার্স হচ্ছে ডিজিটাল ডাটা প্রসেসিং।

- সেবা ও পণ্য লেনদেনের ভিত্তিতে ই-কমার্সকে সাধারণত চারটি ক্যাটাগরিতে বিভক্ত করা যায়। যথা-
১। ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business B2B),
২। ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer B2C),
৩। ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business C2B) ও
৪। ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer C2C)।

উৎস: ইলেকট্রনিক কমার্স, এমবিএ প্রোগ্রাম।
১,৬৭৮.
নিচের কোনটি প্রাইমারি মেমোরি?
  1. ক) হার্ডডিস্ক
  2. খ) সিডি ও ডিভিডি
  3. গ) র‍্যাম ও রম
  4. ঘ) ম্যাগনেটিক ডিস্ক ও DRAM
ব্যাখ্যা
RAM ও ROM এর সমন্বয়ে কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি গঠিত।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
১,৬৭৯.
HTML এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) HyperTask Markup language
  2. খ) HyperTask Made up language
  3. গ) HyperText Markup language
  4. ঘ) HyperText Made up language
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সার্ভারে রক্ষিত ফাইলকে ওয়েবপেজ বলে।
• এটি সাধারণত HTML (HyperText Markup language) দিয়ে লেখা হলেও , বর্তমানে XML, DHTML, STML ইত্যাদি ব্যবহার হচ্ছে ।
• প্রতিটি পেজে ওয়েব অ্যাড্রেস থাকে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৬৮০.
ডাটাবেজ টেবিলের "প্রাইমারি কী" কী কাজ করে?
  1. টেবিলের সকল তথ্য নিরাপদ রাখতে এনক্রিপশন ব্যবহার করে
  2. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
  3. টেবিলের সকল ডাটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলে
  4. টেবিলের সাইজ ছোট করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কমিয়ে ফেলে
ব্যাখ্যা

◉ ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।

কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

১,৬৮১.
নিচের কোনটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. MySQL
  2. IBM Db2
  3. MongoDB
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• MongoDB হলো একটি NoSQL ডেটাবেজ যা ডকুমেন্ট-ভিত্তিক কাঠামো ব্যবহার করে। এটি প্রচলিত রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS)-এর মতো টেবিল, সারি বা কলামের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়নি।
-  
NoSQL ডেটাবেজগুলো ভিন্ন কাঠামোতে (যেমন ডকুমেন্ট, গ্রাফ বা কী-ভ্যালু পেয়ার) ডেটা সংরক্ষণ করে, যা কিছু বিশেষ ধরনের অ্যাপ্লিকেশনের জন্য বেশি উপযোগী।

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- IBM Db2,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৮২.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. NAND
  2. NOR
  3. AND
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৬৮৩.
কম্পিউটারের সংগঠনিক অংশ নয় কোনটি?
  1. ক) ইনপুট ইউনিট
  2. খ) মেমরি ইউনিট
  3. গ) প্রসেসিং ইউনিট
  4. ঘ) রিপেয়ারিং ইউনিট
ব্যাখ্যা

কম্পিউটার সংগঠনের প্রধান অংশগুলো হচ্ছে-
১. ইনপুট ইউনিট - যেখান দিয়ে তথ্য, উপাত্ত বা ডাটা প্রদান করা হয়।
২. আউটপুট ইউনিট - যেটা ফলাফল প্রদর্শন করে।
৩. গাণিতিক ও যুক্তি নির্ণয় কেন্দ্র - যেখানে গাণিতিক ও যুক্তি নির্দেশাবলী সম্পাদিত হয়।
৪. স্মৃতি কেন্দ্র - যেখানে তথ্য বা ডাটা সংরক্ষিত থাকে।

১,৬৮৪.
Blockchain-এর প্রতিটি block কী তথ্য বহন করে?
  1. A hash pointer to the previous block
  2. Timestamp
  3. List of transactions
  4. উপরের সবগুলাে
ব্যাখ্যা
• ব্লকচেইন:
- এই সিস্টেমে প্রতিটি ব্লক এক একটি একাউন্ট যার প্রতিটি লেনদেন ব্যবস্থাপনা চেইন আকারে পরিচালিত হয়।
- প্রত্যেকটি ব্লক হ্যাশিং (Hashing) এর মাধ্যমে উচ্চ মানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে যার ফলে কেউই এখানে হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
- এটি তথ্য সংরক্ষণ করার একটি নিরাপদ এবং উন্মুক্ত পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে তথ্য বিভিন্ন ব্লকে একটির পর একটি চেইন আকারে সংরক্ষণ করা হয়।
- একটি সাধারণ Block এ ৩টি অংশ থাকে। যথা-
১. A hash pointer to the previous block,
২. Timestamp এবং
৩. List of transactions.
- একমাত্র জেনেসিস ব্লক ছাড়া সব ব্লকেই A hash pointer to the previous block থাকে।
- ব্লকচেইনের প্রথম ব্লকটিকে জেনেসিস ব্লক বলা হয় এবং এটি 2009 সালে তৈরি করা হয়েছিল।

উৎস: Unlocking Digital Cryptocurrencies 1st Edition by Andreas M. Antonopoulos. [Chapter 7. The Blockchain]
১,৬৮৫.
কী-বোর্ডে Home এবং End কীগুলিকে কী নামে পরিচিত?
  1. ফাংশন কী
  2. কন্ট্রোল কী
  3. নিউম্যারিক কী
  4. নেভিগেশন কী
ব্যাখ্যা

◉ Home এবং End কী নেভিগেশন কী (Navigation Keys) নামে পরিচিত, কারণ এগুলো লেখার কার্সর বা স্ক্রোলিং নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
Home কী – কার্সরকে লাইন বা পেজের শুরুতে নিয়ে যায়।
End কী – কার্সরকে লাইন বা পেজের শেষে নিয়ে যায়।

কী-বোর্ড (Keyboard):
- কম্পিউটারে বিভিন্ন তথ্য বা নির্দেশনা প্রদান, প্রচলিত ভাষায় বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্ন প্রদান করার অন্যতম মাধ্যম হিসেবে কী-বোর্ড ব্যবহৃত হয়।
- বর্তমানে কী-বোর্ডের মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব কী-গুলো ব্যবহার করে কম্পিউটারকে সরাসরি মাল্টিমিডিয়া, উইন্ডোজ ও ওয়েব ব্রাউজিং সম্পর্কে নির্দেশ প্রদান করা যায়।
- সাধারণত দুই ধরনের কী-বোর্ড পাওয়া যায়। যথা: ১. স্ট্যান্ডার্ড কী-বোর্ড ও ২. এনহ্যান্সড কী-বোর্ড।
- কী-বোর্ডে ৯৪-১০০টি কী থাকে।

• নেভিগেশন কী:
- কী বোর্ডের Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত।
- নেভিগেশন কী ১০টি রয়েছে।

• কন্ট্রোল কী:
- Ctrl, Alt, Windows logo key.

• নিউম্যারিক কী:
- নাম্বার 0 থেকে 9, Arithmetic operators: + (addition), - (subtraction), * (multiplication), and / (division) ইত্যাদি।

• ফাংশন কী:
- কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2, .... F12 নম্বরযুক্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) Microsoft website.

১,৬৮৬.
"2E7" এর সমতুল্য ডেসিমেল কত?
  1. 735
  2. 743
  3. 713
  4. 537
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি বলে, যেমন- (১২০৯A)১৬
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে মোট ১৬ টি প্রতীক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় বলে এর বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ১৬।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিকে চার বিট সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত ১৬ টি (০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, A, B, C, D, E, F) প্রতীক বা চিহ্নকে চার বিটের মাধ্যমেই প্রকাশ করা যায়।  
- A, B, C, D, E, F প্রতীক গুলোকে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ দ্বারা প্রকাশ করা যায়।
- ডিজিটাল সিস্টেমে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাইনারি সংখ্যাকে নির্ভুল ও সহজে উপস্থাপন করার জন্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- এছাড়া বিভিন্ন মেমোরি অ্যাড্রেস ও রং এর কোড হিসেবে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
 
∴ (2E7)16 = (2 × 162) + (14 × 161) + (7 × 160
= 512+ 224 + 7
= (743)10
 
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৭.
"Pen Drive" কোন ধরনের মেমরি?
  1. সহায়ক মেমরি
  2. প্রাইমারি মেমরি
  3. ইন্টারনাল মেমরি
  4. ক্যাশ মেমরি
ব্যাখ্যা
• "Pen Drive" হলো একটি বহনযোগ্য স্টোরেজ ডিভাইস, যা সাধারণত ফ্ল্যাশ মেমরি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করে। এটি কম্পিউটারের প্রধান বা প্রাইমারি মেমরি নয়, কারণ এটি সরাসরি প্রসেসরের সাথে কাজ করে না। এটি ইন্টারনাল মেমরির অংশও নয়, কারণ এটি কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে সংযুক্ত থাকে না। ক্যাশ মেমরির তুলনায় এটি অনেক ধীর এবং বড় আকারের ডেটা সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয়। তাই, Pen Drive হলো একটি সহায়ক মেমরি, যা ডেটা সংরক্ষণ এবং স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হয়, যা প্রধান মেমরি ছাড়াও কম্পিউটারের সাথে তথ্য বিনিময় সম্ভব করে।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়। 
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরির উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
- ম্যাগনেটিক টেপ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৮.
ভাইরাস ছড়ানোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদ্ধতি কোনটি?
  1. ক্লাউড
  2. ফায়ারওয়াল
  3. ওয়ার্ম
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ম হচ্ছে ভাইরাস ছড়ানোর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ পদ্ধতি।

সাইবার অপরাধ (Different cyber crimes):
কোন অপরাধমূলক কাজ যেখানে কম্পিউটারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয় কিংবা অপরাধের জন্য কম্পিউটারকে টার্গেট করা হয় অথবা কম্পিউটারের দ্বারা অপরাধ করার পরবর্তীতে তার সাপেক্ষে অন্য কোনো অপরাধ করা হয়, এ সকল অপরাধই সাইবার ক্রাইমের অন্তর্ভুক্ত।

নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা
- বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা
- ই-মেইল বম্বিং
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা
- Data didling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
- Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)
- Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)
- ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা)
- লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)
- ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ
- ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
- ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২ এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
১,৬৮৯.
কত ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে?
  1. -৪১°
  2. -৩২°
  3. -৬৭°
  4. - ২১°
ব্যাখ্যা
• ক্রায়োসার্জারি:
- ক্রায়োসার্জারি হচ্ছে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা ব্যবহার প্রক্রিয়া যার সাহায্যে শরীরের অস্বাভাবিক টিস্যু ধ্বংস করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। 
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- মাইনাস ৪১ ডিগ্রী তাপমাত্রায় ক্রায়োসার্জারি সেলগুলোকে ধ্বংস করার কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯০.
কোনটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার? 
  1. MS Access
  2. MS Word
  3. Notepad
  4. WinZip
ব্যাখ্যা

- MS Access (Microsoft Access) হলো একটি Database Management System (DBMS), যা Microsoft Corporation তৈরি করেছে।
- এটি ব্যবহার করে তথ্য (Data) সংরক্ষণ, সম্পাদনা, অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণ করা যায়।
- এটি একটি Relational Database Management System (RDBMS), অর্থাৎ তথ্যগুলো টেবিল আকারে (Rows ও Columns) সংরক্ষণ করা হয়, এবং একাধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক (Relationship) তৈরি করা যায়।
- MS Access সাধারণত ছোট ও মাঝারি আকারের ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তিগত প্রকল্পে ব্যবহৃত হয়।

- MS Word হলো একটি Word Processing Software, যা লেখালেখি ও ডকুমেন্ট তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়।
- Notepad একটি Text Editor, যা সাধারণ লেখা বা কোড লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- WinZip হলো একটি File Compression Utility Software, যা ফাইল কমপ্রেস ও আনজিপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: Microsoft. [লিংক]

১,৬৯১.
What is a Record composed of?
  1. Field
  2. Data table
  3. Data
  4. None
ব্যাখ্যা

- অনেকগুলো ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড

- ডাটা: 
Data শব্দটি ল্যাটিন শব্দ Datum-এর বহুবচন। Datum অর্থ হচ্ছে তথ্যের উপাদান। তথ্যের অন্তর্ভুক্ত ক্ষুদ্রতর অংশসমূহ হচ্ছে ডাটা বা উপাত্ত। ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডে আমরা যা কিছু ইনপুট করি তাই ডাটা। উদাহরণস্বরূপ নিচের টেবিলের Tareq একটি ডাটা যা Name ফিল্ডের অধীনে আছে। Dhaka অন্য একটি ডাটা যা Address ফিল্ডের অধীনে আছে এবং Officer আরেকটি ডাটা যা Job Title ফিল্ডের অধীনে আছে। ডাটা টেবিলের বিভিন্ন ফিল্ডের অধীনে এন্ট্রিকৃত সব তথ্যই হলো ডাটা।

- রেকর্ড: অনেকগুলো ফিল্ডের সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড। সাধারণভাবে পুরো একটি সারিকেই আমরা রেকর্ড হিসেবে বিবেচনা করি। যদি কোন টেবিলে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা লিপিবদ্ধ থাকে তবে সে গ্রাহকের নাম ও ঠিকানা মিলে হবে একটি রেকর্ড। এরকম যতজন গ্রাহকের নাম-ঠিকানা একটি টেবিলে লিপিবদ্ধ থাকবে সে টেবিলে ততগুলো রেকর্ড আছে বলে ধরা হবে।
- ফিল্ড: রেকর্ডের ক্ষুদ্রতম অংশ হলো ফিল্ড। রেকর্ডের প্রতিটি উপাদান যেমন- নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর ইত্যাদিকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়। প্রতিটি ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে। কলামের একটি সেলের (Cell) ডাটাকে আমরা একটি ফিল্ড হিসেবে ধরি এবং পুরো কলামটিতে থাকে একই ধরনের ডাটা।
- ডাটা টেবিল: সমজাতীয় সকল ডাটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। ধরা যাক, একটি অফিসের তিনটি শাখা আছে, যথা- প্রশাসন শাখা, হিসাব শাখা ও বিক্রয় শাখা। প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডের জন্য একটি টেবিল নির্দিষ্ট করা আছে যেখানে ঐ শাখার সকল উপাত্ত সংরক্ষিত আছে। হিসাব শাখার জন্য আবার আলাদা একটি টেবিলে অফিসের আয়-ব্যয় বা কর্মচারীদের বেতন-ভাতার হিসাব সংরক্ষিত আছে এবং বিক্রয় শাখার জন্য আর একটি টেবিলে দৈনন্দিন বিক্রয় সংক্রান্ত নথিপত্র লিপিবদ্ধ আছে। তিনটি টেবিলই থাকবে একটি মল ফাইল বা ডাটাবেজের অধীনে।

উৎস: এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উম্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৯২.
কোন পদ্ধতিতে CPU এবং Keyboard এর মধ্যে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়?
  1. ক) Triplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half Duplex
  4. ঘ) Simplex
ব্যাখ্যা
Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন পদ্ধতিতে CPU এবং Keyboard এর মধ্যে ডেটা ট্রান্সফার হয়ে থাকে। 

- Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে, যোগাযোগটি একমুখী হয়, অর্থাত্‍ এক দিকে ডেটা প্রবাহিত হয়।
-একটি ডিভাইস কেবলমাত্র ডেটা প্রেরণ করতে পারে তবে তা গ্রহণ করতে পারে না অথবা এটি ডেটা গ্রহণ করতে পারে তবে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না।

সুবিধা-
সিমপ্লেক্স মোডে, স্টেশনটি কমিউনিকেশন চ্যানেলের পুরো ব্যান্ডউইথকে ব্যবহার করতে পারে, ফলে এক সাথে অধিক ডেটা প্রেরণ করা যায়।

অসুবিধা-
Simplex ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে যোগাযোগ একমুখী, তাই এটি ডিভাইসসমূহের মধ্যে আন্তঃযোগাযোগ নেই।

সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক] 
১,৬৯৩.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)–এর জনক কে?
  1. ডেনিস রিচি
  2. জন ম্যাকার্থি
  3. ভিন্ট সার্ফ
  4. টিম বার্নার্সলি
ব্যাখ্যা

• জন ম্যাকার্থি: তিনি প্রথম Artificial Intelligence শব্দটি ব্যবহার করেন এবং AI গবেষণার ভিত্তি স্থাপন করেন।

• কম্পিউটার ও আইসিটিতে বিভিন্ন বিষয়ের জনক:

• আধুনিক কম্পিউটারের জনক:
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage)–কে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
- তিনি Analytical Engine–এর ধারণা প্রদান করেন।
 
• কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক:
- অ্যালান টুরিং (Alan Turing)–কে কম্পিউটার বিজ্ঞানের জনক বলা হয়।
- তিনি Turing Machine ধারণা প্রদান করেন।
 
• কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক(AI):
- জন ম্যাকার্থি (John McCarthy)–কে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক বলা হয়।
- তিনিই প্রথম Artificial Intelligence শব্দটি ব্যবহার করেন।
 
• ইন্টারনেটের জনক:
- ভিন্ট সার্ফ (Vint Cerf) ও রবার্ট কান (Robert Kahn)–কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- তারা TCP/IP প্রোটোকল উন্নয়ন করেন।
 
• World Wide Web-এর জনক:
- টিম বার্নার্স-লি (Tim Berners-Lee)–কে WWW–এর জনক বলা হয়।
- তিনি HTTP, HTML ও URL উদ্ভাবন করেন।
 
• ই-মেইলের জনক:
- রে টমলিনসন (Ray Tomlinson)–কে ই-মেইলের জনক বলা হয়।
- তিনি প্রথম ই-মেইলে @ (at) চিহ্ন ব্যবহার করেন।
 
• প্রোগ্রামিং ভাষার জনক (C Language):
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie)–কে C প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।
 
• অপারেটিং সিস্টেমের জনক (UNIX):
- ডেনিস রিচি ও কেন থম্পসন (Ken Thompson)–কে UNIX অপারেটিং সিস্টেমের জনক বলা হয়।
 
• কম্পিউটার মাউসের জনক:
- ডগলাস এঙ্গেলবার্ট (Douglas Engelbart)–কে কম্পিউটার মাউসের জনক বলা হয়।
 
• কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক:
- ইভান সাদারল্যান্ড (Ivan Sutherland)–কে কম্পিউটার গ্রাফিক্সের জনক বলা হয়।
 
• ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের জনক:
- চার্লস সিমনি (Charles Simonyi)–কে আধুনিক ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যারের পথিকৃৎ বলা হয়।
  
উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৬৯৪.
Windows NT Server কী ধরনের অপারেটিং সিস্টেম?
  1. গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম
  2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম
  3. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে। একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়। তাই বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে অনেক ̧লো কমান্ড মুখস্থ করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মতো কমান্ড মুখস্থ ̄ করতে হয় না।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৫.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক?
  1. ক) A + 1 = A
  2. খ) A + A' = 0
  3. গ) A + A = 1
  4. ঘ) A + 0 = A
ব্যাখ্যা

বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৬৯৬.
হার্ডডিস্ক সাধারণত কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক হিসেবে
  2. ইউজারের নির্দেশনা গ্রহণ এবং কার্যকর করা
  3. তথ্য সংরক্ষণের জন্য
  4. অস্থায়ী ডেটা প্রসেসিং ও চালনা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - গ) তথ্য সংরক্ষণের জন্য

• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক পার্সোনাল কম্পিউটারের জনপ্রিয় ও বহুল ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্কে রক্ষিত তথ্যসমূহ সহজে নষ্ট হয় না বলে প্রয়োজনীয় সকল প্যাকেজ এবং গুরুত্বপূর্ণ তথাসমূহ হার্ডডিস্কে সংরক্ষণ করা হয়।
- ডিস্কটি অধিক ধারণক্ষম বিধায় এখানে অনেক তথ্য সংরক্ষণ করা যায়।
- যে ডিভাইসের সাহায্যে হার্ডডিস্ক চালনা করা হয় তাকে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ (Hard disk drive) বা সংক্ষেপে এইচডিডি (HDD) বলে।
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ এর কাজ হলো তথ্য লিখন ও পঠন এবং এর পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করা।

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ রয়েছে:
কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ।

• অন্যান্য অপশন:
ক) কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রক:
এ কাজটি করে CPU (Central Processing Unit), যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে কাজ করে।

খ) ইউজারের নির্দেশনা গ্রহণ এবং কার্যকর করা:
এ কাজটি মূলত ইনপুট ডিভাইস ও CPU এর মধ্যে পড়ে।

ঘ) অস্থায়ী ডেটা প্রসেসিং ও চালনা:
এ কাজের জন্য ব্যবহৃত হয় RAM (Random Access Memory), যা অস্থায়ী মেমোরি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১,৬৯৭.
'1010101' কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত?
  1. ক) বাইনারি
  2. খ) অক্টাল
  3. গ) হেক্সাডেসিমেল
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
1010101 সংখ্যাটিতে  0 এবং 1 এই দুইটি ডিজিট আছে।
এই ডিজিট দুটি বাইনারি, অক্টাল, দশমিক এবং হেক্সাডেসিমেল সব সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত।

তাই, সংখ্যাটি সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত।
১,৬৯৮.
ফ্লিপ-ফ্লপ কয়টি বিট ধারণ করে রাখতে পারে?
  1. ১ বিট
  2. ২ বিট
  3. ৪ বিট
  4. ৮ বিট
ব্যাখ্যা
• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৯.
পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কে তৈরি করেন?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. হাওয়ার্ড আইকেন
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. আলান টুরিং
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার কে তৈরি করেন- হাওয়ার্ড আইকেন। 

কম্পিউটার ইতিহাস: 
- কম্পিউটার আবিষ্কার করেন হাওয়ার্ড এইকিন। 
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে। 
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন। 
- মার্ক-১ ছিল হার্ভাড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৭০০.
Which one is a non-volatile memory?
  1. RAM
  2. Cache
  3. ROM
  4. Register
ব্যাখ্যা

ROM হলো একটি ধরনের নন-ভলাটাইল সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি। 

ROM (Read Only Memory)
- ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory।
- ROM হলো একটি ধরনের নন-ভলাটাইল সেমিকন্ডাক্টর মেমোরি, যার অর্থ হলো পাওয়ার বন্ধ থাকলেও এটি তার তথ্য সংরক্ষণ করে।
- একবার তৈরি বা লেখা হলে, ROM এ সাধারণত পুনরায় লেখা যায় না।
- ROM চিপের প্রতিটি মেমোরি সেলে একটি ট্রানজিস্টর ১ বিটের জন্য থাকে, আর ০ বিটের জন্য কোনো ট্রানজিস্টর থাকে না।
- কম্পিউটারের কার্যক্রমের অপরিহার্য অংশ হিসেবে ROM ব্যবহার করা হয়। 

উদাহরণস্বরূপ:
- বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার চালু করে এবং তার অপারেটিং সিস্টেম লোড করে।
- BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) যা পার্সোনাল কম্পিউটারের বাইরের ডিভাইসগুলোর সাথে সংযোগ স্থাপন করে।
- কিছু পুনঃলিখনযোগ্য নন-ভলাটাইল মেমোরিও আছে, যেমন:

১। EPROM (ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল ROM)
২। EAROM (ইলেকট্রিক্যালি অ্যালটারেবল ROM)
৩। ফ্ল্যাশ মেমোরি

- তবে, এই ধরনের মেমোরি পুনরায় লেখা পড়ার তুলনায় অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ।
- সুতরাং, এগুলো সাধারণত বিশেষ উদ্দেশ্যের মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যেখানে লেখা খুব কম প্রয়োজন হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি এগুলো BIOS-এর জন্য ব্যবহার করা হয়, তবে ত্রুটি সংশোধন বা ফিচার আপডেটের জন্য পরিবর্তন করা যেতে পারে।

সূত্র: ব্রিটানিকা।