বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ১৪ / ৮২ · ১,৩০১১,৪০০ / ৮,১৪১

১,৩০১.
কম্পিউটার এবং প্রিন্টারের-এর মধ্যে কোন পদ্ধতিতে data transmission হয়?
  1. ক) Simplex
  2. খ) Duplex
  3. গ) Half duplex
  4. ঘ) Triplex
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex)

সিমপ্লেক্স: শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। যেমন - রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স: হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না। যেমন- ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স: ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে। যেমনঃ টেলিফোন।

উৎসঃ একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
১,৩০২.
হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি কোন এককে পরিমাপ করা হয়?
  1. Hz
  2. Mbps
  3. RPM 
  4. GB
ব্যাখ্যা

হার্ডডিস্কের ঘূর্ণন গতি সাধারণত RPM (Revolutions Per Minute) এককে পরিমাপ করা হয়। RPM মানে হলো প্রতি মিনিটে কতবার ডিস্কটি ঘুরছে।

হার্ড ডিস্ক (Hard Disk)
- হার্ড ডিস্ক হলো একটি চৌম্বকীয় সংরক্ষণ মাধ্যম, যা কম্পিউটারে বৃহৎ পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- হার্ড ডিস্ক সমতল, বৃত্তাকার প্লেট নিয়ে গঠিত, যা অ্যালুমিনিয়াম বা কাঁচের তৈরি এবং চৌম্বকীয় পদার্থে আচ্ছাদিত।
- ডেটা ডিস্কগুলির পৃষ্ঠে আবর্তাকার ট্র্যাক আকারে সংরক্ষিত থাকে।
- একটি ম্যাগনেটিক হেড ডিস্কের ঘূর্ণনশীল পৃষ্ঠে ক্ষুদ্র বিন্দুগুলো চৌম্বকীয় করার মাধ্যমে বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) লিখে এবং সেই বিন্দুগুলোর চৌম্বকীয় দিকনির্দেশনা সনাক্ত করে সংখ্যা পড়ে।
- একটি কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে কয়েকটি হার্ড ডিস্ক, রিড/রাইট হেড, ডিস্ক ঘূর্ণন করার জন্য একটি মোটর এবং সার্কিট থাকে, যা সবই একটি ধাতব কেসে সিল করা থাকে।
- যেখানে হার্ড ডিস্ক অভ্যন্তরীণ ডেটা সংরক্ষণের মানক ছিল, কিছু পার্সোনাল কম্পিউটার এবং ল্যাপটপ এখন SSD ব্যবহার করে, যা ফ্ল্যাশ মেমরি চিপের উপর নির্ভর করে।
- অতিরিক্ত সংরক্ষণের জন্য চৌম্বকীয় টেপ এবং অপটিক্যাল ডিস্কও ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা।

১,৩০৩.
ROM ভিত্তিক প্রোগ্রামের নাম কি?
  1. ক) ভাইরাস
  2. খ) ম্যালওয়্যার
  3. গ) রিমওয়্যার
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ROM (রম)
- ROM এর পূর্ণরূপ Read only memory.
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।
- সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেম তৈরি করার সময় কম্পিউটারের মেমরিতে যে সকল প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে দেয়া হয় তাকে ফার্মওয়্যার বলে।
- যেমন: PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)
১,৩০৪.
নিচের কোনটি তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. Machine Language
  2. Assembly Language
  3. Java
  4. Prolog
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষার উদাহরণ হলো Java, যা উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষার অন্তর্ভুক্ত।

• প্রোগ্রামিং ভাষার প্রজন্ম:
- প্রোগ্রামিং ভাষাকে সাধারণত বিভিন্ন প্রজন্মে ভাগ করা হয়।
- প্রতিটি প্রজন্মের ভাষা পূর্ববর্তী ভাষার তুলনায় বেশি সহজ ও উন্নত বৈশিষ্ট্যযুক্ত।

• প্রথম প্রজন্মের ভাষা (1GL):
- এটি মেশিন ভাষা।
- এতে শুধুমাত্র ০ এবং ১ ব্যবহার করে নির্দেশ লেখা হয়।
- কম্পিউটার সরাসরি এই ভাষা বুঝতে পারে।
- মানুষের জন্য এটি বোঝা অত্যন্ত কঠিন।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (2GL):
- এটি অ্যাসেম্বলি ভাষা।
- এতে নেমোনিক কোড ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণ: ADD, SUB, MUL ইত্যাদি।
- অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তরের জন্য অ্যাসেম্বলার ব্যবহৃত হয়।

• তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (3GL):
- এটি উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- মানুষের জন্য সহজবোধ্য ও ব্যবহারযোগ্য।
- উদাহরণ: Java, C, C++, FORTRAN ইত্যাদি।
- এই ভাষায় লেখা প্রোগ্রাম কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে মেশিন ভাষায় রূপান্তরিত হয়।

• অন্যান্য অপশন:
- Machine Language → প্রথম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- Assembly Language → দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা।
- Prolog → পঞ্চম প্রজন্মের (5GL) ভাষার উদাহরণ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১,৩০৫.
ফায়ারওয়ালের মূল কাজ কোনটি? 
  1. ডেটা ব্যাকআপ তৈরি করা
  2. কম্পিউটারের র‍্যাম বৃদ্ধি করা
  3. নেটওয়ার্কে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করা
  4. সফটওয়্যার ইনস্টলেশন সহজ করা 
ব্যাখ্যা

• ফায়ারওয়াল (Firewall): 
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে। 
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়। 
- সাধারণত, ফায়ারওয়াল রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভারের (Dedicated Server) সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়ালের কার্যকারিতা পরিচালনা করে। 
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে। 
- হ্যাকিং প্রতিরোধে ফায়ারওয়াল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, তবে এটি সব ধরনের সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে সর্বদা সক্ষম নয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩০৬.
নিম্নের কোনটি বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সাধারণত সম্পাদিত হয় না?
  1. ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণ
  2. সার্কিট বোর্ড নকশা
  3. ডিএনএ সিকোয়েন্সিং
  4. জিনোম ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• বায়োইনফরমেটিক্স হলো জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ে গঠিত একটি শাখা, যা জীববৈজ্ঞানিক তথ্য সংগ্রহ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যার জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এই প্রযুক্তি ডিএনএ সিকোয়েন্সিং, জিনোম ব্যাখ্যা এবং ওষুধের লক্ষ্য নির্ধারণের মতো জৈব-তথ্যভিত্তিক কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। এসব প্রক্রিয়ায় কম্পিউটার অ্যালগরিদম, ডেটাবেস এবং জৈব উপাত্ত বিশ্লেষণের সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- তবে "সার্কিট বোর্ড নকশা" একটি ইলেকট্রনিক প্রকৌশল-ভিত্তিক কাজ, যা বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তির অন্তর্গত নয়। তাই এটি বায়োইনফরমেটিক্স প্রযুক্তি দ্বারা সাধারণত সম্পাদিত হয় না।


• বায়োইনফরমেটিক্স:
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা।

• বায়োইনফরমেটিক্স-এর ব্যবহার:
- DNA সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ,
-প্রোটিন গঠন ও কার্যাবলি বিশ্লেষণ,
-নতুন ওষুধ উদ্ভাবন,
-জিনোম প্রজেক্টে গবেষণা,
-রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা,
-প্রাণী ও উদ্ভিদের উন্নত প্রজাতি তৈরিতে।

• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
-এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।

দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন:
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ,
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ,
- মুখমন্ডলের অবয়ব,
- চোখের আইরিস শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ শনাক্তকরণ।

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কন্ঠস্বর যাচাইকরণ,
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ,
- কীবোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৩০৭.
(27.5)16 সংখ্যাটির অক্ট্যাল সংখ্যা কত?
  1. 37.24
  2. 39.31
  3. 47.24
  4. 49.31
ব্যাখ্যা

১,৩০৮.
বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে কী বলা হয়?
  1. অফিস ডিজাইন
  2. অফিস নেটওয়ার্কিং
  3. অফিস অটোমেশন
  4. অফিস ম্যানেজমেন্ট
ব্যাখ্যা

• বিভিন্ন সফটওয়্যার ব্যবহার করে অফিসের কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাকে অফিস অটোমেশন বলা হয়।

• অফিস অটোমেশন (Office Automation):
- অফিসের সার্বিক কার্যক্রম সফটওয়্যার ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনাই অফিস অটোমেশন।
- অফিস অটোমেশনের ফলে কাজের গতি বৃদ্ধি পায় এবং সময় ও শ্রম সাশ্রয় হয়।
- আধুনিক অফিসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যাপক ব্যবহারের ফলে অফিস অটোমেশন জনপ্রিয় হয়েছে।

• অফিস অটোমেশনের ব্যবহার ক্ষেত্র:
- সরকারি ও বেসরকারি অফিস।
- বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
- হাসপাতাল, গবেষণাগার ও শিল্পকারখানা।

• ডিজিটাল ও ক্লাউডভিত্তিক অফিস ব্যবস্থা:
- ইন্টারনেট ও ক্লাউড প্রযুক্তির মাধ্যমে অফিস কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- Google Drive, Office 365, Google Docs ইত্যাদি ব্যবহার করে ফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়।
- বিশ্বের যেকোনো স্থান থেকে অফিসের কাজ সম্পাদন সম্ভব।

• অফিস অটোমেশনের সীমাবদ্ধতা:
- সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সামাজিক মেলামেশা কমে যেতে পারে।
- তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারে ডাটা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

• অন্যান্য অপশনসমূহ:
- অফিস নেটওয়ার্কিং: এটি নেটওয়ার্ক সংযোগ ব্যবস্থা।
- অফিস ডিজাইন: অফিসের কাঠামো ও বিন্যাস সম্পর্কিত বিষয়।
- অফিস ম্যানেজমেন্ট: অফিস পরিচালনার প্রশাসনিক প্রক্রিয়া।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

১,৩০৯.
ফ্লপি ডিস্ক-এর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা কত?
  1. ১.৪৪ মেগাবাইট
  2. ২.৫০ মেগাবাইট
  3. ১ টেরাবাইট
  4. ২.৬৬ মেগাবাইটের বেশি
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক:
- ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে এমন এক ধরনের সহায়ক মেমরি, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়।
- এটি ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট বলে সহজে বহনযোগ্য।
- এ ধরনের ডিস্কের সাহায্যে সহজেই এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- আকৃতি ও ধারণক্ষমতার ওপর ভিত্তি ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
- ৮ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মিনি কম্পিউটারে এবং ৫.২৫ ইঞ্চি ও ৩.৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্ক মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- ৫.২৫ ইঞ্চি মাপের ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৩৬০ কিলোবাইট হতে ১.২ মেগাবাইট এবং ৩.৫ ইঞ্চি মাপের পর ফ্লপি ডিস্কের ধারণক্ষমতা ৭২০ কিলোবাইট থেকে ১.৪৪ মেগাবাইট পর্যন্ত।
- ফ্লপি ডিস্ক চালু অবস্থায় অনবরত ঘুরতে থাকে এবং ঘূর্ণনের গতি সাধারণত মিনিটে ৩০০ থেকে ৪৫০ বার।
- ফ্লপি ডিস্কের  প্রতিটি সেক্টরের ডেটা সংরক্ষণের ক্ষমতা সমান।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১০.
নিচের কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজে Unix অপারেটিং সিস্টেমের বেশীর ভাগ অংশ রচিত?
  1. C
  2. C++
  3. Python
  4. Java
ব্যাখ্যা
ইউনিক্স (UNIX):
- মাল্টি টাস্কিং, টাইম শেয়ারিং ও মাল্টি ইউজার অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ইউনিক্স একটি শক্তিশালী ও কার্যকরী অপারেটিং সিস্টেম।
- UNIX অপারেটিং সিস্টেমটি ১৯৭০ সালের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন থমসম (Ken Thompson) ও ডেনিস রিসি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে হাই লেভেল ল্যাংগুয়েজ সি (C) ভাষার মাধ্যমে তৈরি করেন।
- ইউনিক্সের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বহু ব্যবহারকারী একই সাথে অনেক কী-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করতে পারেন, যা শুধুমাত্র একটি সিপিইউয়ে সংযুক্ত।
- ইউনিক্সের আরেকটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো একটি সিপিইউ মাল্টি প্রসেসর সিস্টেমকে সাপোর্ট দিতে পারে।
- তবে ইউনিক্স মূলত সার্ভার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• বর্তমানে UNIX এবং UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ LINUX অপারেটিং সিস্টেমে C++, Pyhton ব্যবহৃত হলেও প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ
সি (C) ভাষাতেই UNIX এবং LINUX এর বেশীরভাগ অংশ রচিত। 

লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।

কয়েকটি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজের নাম:
- Python,
- Java,
- JavaScript,
- C++,
- C#,
- Ruby,
- PHP.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১১.
Which of the following is not considered auxiliary memory?
  1. CD
  2. Floppy Disk
  3. Magnetic Tape
  4. RAM
ব্যাখ্যা
RAM হচ্ছে প্রাথমিক স্মৃতির উদাহরণ।

• কম্পিউটারের স্মৃতি
কম্পিউটারের স্মৃতি প্রধানত দুই প্রকার।
১. প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি (Main Memory),
২. সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory)।

• প্রধান স্মৃতি (Main Memory):
- প্রধান স্মৃতির সংগে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের সরাসরি সংযোগ থাকে। এজন্য প্রধান স্মৃতিকে প্রাথমিক স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতিও বলা হয়।
- প্রক্রিয়াকরণের জন্য তথ্য সমূহকে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে রাখা হয়।
- যতক্ষন প্রক্রিয়াকরণের কাজ চলে ততক্ষণ তথ্যগুলো কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে অবস্থান করে।
- যেহেতু নির্বাহের জন্য সমস্যা সমাধানের প্রোগ্রাম ও তথ্য প্রধান স্মৃতিতে থাকতে হয়, এজন্য প্রধান স্মৃতি যথেষ্ট বড় হওয়া প্রয়োজন। 
- প্রধান স্মৃতির প্রতিটি স্থান চিহ্নিত হয় সংখ্যা দ্বারা এবং এই সংখ্যাকে বলা হয় স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা Address.

• কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য কয়েক ধরনের প্রধান স্মৃতি বা প্রাথমিক স্মৃতি আছে। সেগুলো নিম্নরূপ-
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি (Magnetic Core Memory),
- চুম্বকীয় বুদবুদ স্মৃতি (Magnetic Bubble Memory),
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতি (Semiconductor Memory),
- পাতলা পর্দা স্মৃতি (Thin Film Memory),
- চার্জ কাপল স্মৃতি (Charge Couple Memory).

• কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতি:
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতি বা অভ্যন্তরীণ স্মৃতি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না। 
- সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রধান স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অপেক্ষা বহুগুণ বেশি। 
- স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই স্মৃতি হতে কোন তথ্য মুছে যায় না।
- কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিতে প্রক্রিয়াকরণকৃত তথ্য সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয়।

• কয়েক ধরনের সহায়ক স্মৃতি হচ্ছে:
- ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disc),
- হার্ড ডিস্ক (Hard Disc),
- সিডি (CD- Compact Disc),
- চৌম্বক ফিতা (Magnetic Disc),
- চৌম্বক ড্রাম (Magnetic Drum).

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১২.
র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে তথ্য চুরি
  2. কম্পিউটারের পারফরম্যান্স নষ্ট করা
  3. ফাইল এনক্রিপ্ট করে অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দেওয়া
  4. ওয়েব ব্রাউজিং বন্ধ করে দেওয়া
ব্যাখ্যা

◉ Ransomware একটি বিশেষ ধরণের ম্যালওয়্যার (Malware), যার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে:
- ব্যবহারকারীর ফাইল, সিস্টেম বা ডেটা এনক্রিপ্ট করে ফেলা,
- এবং তারপর সেগুলোর লক খুলতে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করা।

ম্যালওয়্যার (Malware): 
- ম্যালওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software। সাধারণভাবে ম্যালওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর অনুমতি বা ধারণা ছাড়াই স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজে নিজেই কপি হতে পারে এবং এটি কম্পিউটার সিস্টেমে থাকা বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে আক্রান্ত করে থাকে। অপরপক্ষে ম্যালওয়্যার আরও অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়াও ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- প্রত্যেকটি ম্যালওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের ম্যালওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যেমন: Ransomware.

তথ্যসূত্র:
১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
২। Avast ওয়েবসাইট। [লিংক] 

১,৩১৩.
Touchscreen is-
  1. an input device
  2. an output device
  3. both input and output device 
  4. none of the above 
ব্যাখ্যা

টাচস্ক্রিন একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
- এটি ডিসপ্লেতে তথ্য প্রদর্শন করে (আউটপুট) এবং ব্যবহারকারীর স্পর্শের মাধ্যমে নির্দেশ গ্রহণ করে (ইনপুট)।

ইনপুট ডিভাইস:
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড, মাউস, অপটিকাল রিডার, জয়স্টিক, মাইক্রোফোন, স্ক্যানার, গ্রাফিক্স প্যাড, লাইট পেন, ওয়েবক্যাম, ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোই হিসেবে কাজ করে।
- পেন ড্রাইভ, টাচ স্ক্রিন, মডেম ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩১৪.
নিচের কোনটি সফটওয়্যার দ্বারা ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে?
  1. Bar Code Reader
  2. Optical Character Reader
  3. Optical Mark Recognition
  4. Magnetic Ink Character Recognition
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩১৫.
কাউন্টার সার্কিট সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. কম্বিনেশনাল সার্কিট
  2. সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট
  3. এনালগ সার্কিট
  4. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

◉ কাউন্টার একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট, কারণ এটি বর্তমান স্টেট এবং ক্লক সিগন্যালের উপর ভিত্তি করে আউটপুট নির্ধারণ করে।

কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস্ (যাকে কাউন্ট পালস্ও বলে) ক্লক পালস্ বা অন্য কোন পালস্ হতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে তবে সবচেয়ে সরল ও সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n ফ্লিপ-ফ্লপ বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n -1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গুণতে পারে তাকে তার মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার বলে।
- কোন কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস 2n
- কোন কাউন্টারের ফ্লিপ ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করে মোড নাম্বার বা মডিউলাস বৃদ্ধি করা যায়।

ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। যেমন-
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে
- ডিজিটাল ঘড়িতে
- ডিজিটাল কম্পিউটারে
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তর করার কাজে; ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩১৬.
The basic input/output system (BIOS) is storage in-
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) The CPU
  4. ঘ) The hard drive
ব্যাখ্যা
BIOS software is stored on a non-volatile ROM chip on the motherboard. In modern computer systems, the BIOS contents are stored on a flash memory chip so that the contents can be rewritten without removing the chip from the motherboard.
Source: Fundamental of Computer
১,৩১৭.
কোন গেইটকে NOR গেইট ব্যবহার করে বাস্তবায়ন করা যেতে পারে?
  1. OR Gate
  2. AND Gate
  3. NOT Gate
  4. উল্লিখিত সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট মূলত কাজ করে, তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে, যথা:
- অর গেইট (OR Gate),
- অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
- নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইটের সাহায্যে মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT)সহ যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়, তাকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- NAND গেইট,
- NOR গেইট।

- এই দুটি গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয় কারণ শুধুমাত্র NAND গেইট অথবা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,৩১৮.
কোন ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller বলা হয়?
  1. ক) CIH
  2. খ) Folder
  3. গ) Trojan Horse
  4. ঘ) Vienna
ব্যাখ্যা
CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন।
তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৩১৯.
রক্তচাপ ও শরীরের তাপ নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) এনালগ সিস্টেম
  2. খ) ডিজিটাল সিস্টেম
  3. গ) হাইব্রিড সিস্টেম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড সিস্টেম বা হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এনালগ সিস্টেম এবং ডিজিটাল সিস্টেমের সমন্বিত রূপ। এতে ইনপুট অ্যানালগ পদ্ধতিতে দেওয়া হয় এবং আউটপুট ডিজিটাল পদ্ধতিতে হয়ে থাকে। রক্তচাপ নির্ণয়, শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয় ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব ক্ষেত্রে ইনপুট ম্যানুয়ালি দেওয়া হলেও ফলাফল ডিজিটাল সংকেতে আসে।
১,৩২০.
When was the world's first laptop computer introduced in the market and by whom?
  1. ক) Hewlett-Packard, 1980
  2. খ) Epson, 1981
  3. গ) Laplink Travelling Software Inc, 1982.
  4. ঘ) Tandy Model-200, 1985
ব্যাখ্যা
The Epson HX-20 (also known as the HC-20) was the first laptop computer. It was invented in July 1980 by Yukio Yokozawa, who worked for Suwa Seikosha, a branch of Japanese company Seiko (now Seiko Epson), receiving a patent for the invention. It was announced in 1981 as the HC-20 in Japan, and was introduced by Epson in North America as the HX-20 in 1981, at the COMDEX computer show in Las Vegas, where it drew significant attention for its portability.
Source: epson.com
১,৩২১.
নিচের কোনটি ওপেনসোর্স কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার কোম্পানি?
  1. ক) অরড্যুইনো
  2. খ) অ্যালফাবেট
  3. গ) আসুস
  4. ঘ) আইবিএম
ব্যাখ্যা

অরড্যুইনো, একটি মুক্ত সোর্স কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার কোম্পানি, প্রজেক্ট এবং ব্যবহারকারী সম্প্রদায়; যা বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ডিভাইস এবং ইন্টারেক্টিভ ডিভাইস নির্মাণের জন্য ক্ষুদ্র যন্ত্রাংশ নকশা এবং নির্মাণ করে থাকে যা ভৌত বিশ্বের নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
প্রকল্পটি ইতালিতে প্রাথমিকভাবে স্মার্ট প্রজেক্ট কর্তৃক মাইক্রোকন্ট্রোলার বোর্ডের পরিবারের উপর ভিত্তি করে নকশাকৃত এবং নির্মিত।

১,৩২২.
কোন অনুবাদক প্রোগ্রাম কম্পিউটার প্রোগ্রামের সকল ভুল একসাথে প্রদর্শন করে?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টারপ্রেটার
  3. ইনভার্টার
  4. অ্যাসেম্বলার
ব্যাখ্যা
• কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে, ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না।

• কম্পাইলারের প্রধান কাজ:
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা।
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা।
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে।
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২৩.
প্রোগ্রাম ডিজাইনে ব্যবহৃত প্রধান টুলস কোনটি?
  1. অ্যালগরিদম
  2. সুডো কোড
  3. ফ্লোচার্ট
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম ডিজাইনে বিবেচ্য বিষয়সমূহ হলো-
১. ইনপুট ডিজাইন
২. আউটপুট ডিজাইন ও
৩. ইনপুট ও আউটপুটের মধ্যে সম্পর্ক ডিজাইন

প্রোগ্রাম ডিজাইনের ব্যবহৃত প্রধান টুলসসমূহ হলো-
১। অ্যালগরিদম
২। ফ্লোচার্ট ও
৩। সুডো কোড

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২৪.
মাইক্রোপ্রসেসরের কোন ইউনিট নির্দেশাবলী ডিকোড করে?
  1. Arithmetic Logic Unit
  2. Control Unit
  3. Memory Unit
  4. Register
ব্যাখ্যা

◉ মাইক্রোপ্রসেসরের কন্ট্রোল ইউনিট নির্দেশাবলী (Instructions) ডিকোড করে এবং সেগুলো কার্যকর করার জন্য প্রসেসরের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ করে।

মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা-
নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট কম্পিউটারের সকল অংশকে নিয়ন্ত্রণের ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে— সহায়ক মেমরি হতে কখন প্রধান মেমরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট হতে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে এসব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের প্রধান কাজই হলো মেমরি হতে ইনস্টাকশন কোড পড়া ও ডিকোড করা এবং মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশসমূহকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় কন্ট্রোল সিগন্যাল তৈরি করা। যেমন- গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে কন্ট্রোল সিগন্যালের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা ।

গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদান করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি। আবার রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এসব কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

রেজিস্টারসমূহ (Register Set):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে। রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে। এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্টাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি। 
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩২৫.
নিচের কোনটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না?
  1. 1234
  2. 7667
  3. 3181
  4. 6276
ব্যাখ্যা

3181 অক্টাল সংখ্যা নয়।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি বা বেস হলো 8।
- এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র 0 থেকে 7 পর্যন্ত মোট আটটি অঙ্ক ব্যবহার করা হয়।
- অর্থাৎ, কোনো সংখ্যায় যদি 8 বা 9 অঙ্ক দুটি থাকে, তাহলে সেটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
- 3181 সংখ্যাটিতে 8 অঙ্কটি রয়েছে, যা অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মের পরিপন্থী। তাই এটি একটি অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে আটটি অঙ্ক বা চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তাকে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
এ পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক গুলো হলো- ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে দশমিকের (.) আগের অঙ্কগুলোকে MSD (বেশি গুরুত্বের অঙ্ক) এবং পরের অঙ্কগুলোকে LSD (কম গুরুত্বের অঙ্ক) বলে।
- অক্টাল সংখ্যার আবিষ্কারক সুইডেনের রাজা ৭ম চার্লস।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে ৮।
- বাইনারি সংখ্যার ভিত্তি - ২।
- দশমিক বা ডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি- ১০
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার ভিত্তি - ১৬

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণী, মাহবুবুর রহমান।

১,৩২৬.
বড় বড় শিল্প, ব্যাংক-বীমা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে কোন কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাইক্রোকম্পিউটার
  2. খ) মিনি কম্পিউটার
  3. গ) ল্যাপটপ
  4. ঘ) মেইনফ্রেম কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
ব্যাংক, বীমা, অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান ও জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে মেইনফ্রেম কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়। 

মেইনফ্রেম কম্পিউটার:
- এটি সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- এখানে অনেকগুলো কম্পিউটার বা ডাম্ব টার্মিনাল যুক্ত করে একসাথে অনেক মানুষ কাজ করতে পারে। 
- সুপার কম্পিউটারের চেয়ে তুলনামূলক কম শক্তিশালী মেইনফ্রেম কম্পিউটার।
- অফিস-আদালত, ব্যাংক-বীমা, শিল্প প্রতিষ্ঠানসহ জটিল তথ্য ব্যবস্থাপনার কাজে এই কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: IBM 1620, IBM 4300, UNIVAC 1100, CYBER 170. 

সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি - ১, এসএসসি ও দাখিল ( ভোকেশনাল)
১,৩২৭.
র‍্যাম (RAM) কী ধরণের স্মৃতি?
  1. ক) চুম্বকীয় কোর
  2. খ) অর্ধপরিবাহী
  3. গ) চার্জ কাপল
  4. ঘ) পাতলা পর্দা
ব্যাখ্যা
-  বর্তমানে মাইক্রোকম্পিউটার বা পার্সোনাল কম্পিউটারে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- চুম্বকীয় কোরের তুলনায় অর্ধপরিবাহী স্মৃতি অনেক ছোট ও সস্তা।
- অর্ধপরিবাহী পদার্থ দিয়ে তৈরি বলেই একে অর্ধপরিবাহী স্মৃতি বলে।
- বহুল ব্যবহৃত দুই ধরনের অর্ধপরিবাহী স্মৃতির একটি হল অস্থায়ী স্মৃতি বা র‍্যাম (RAM - Random Access Memory) এবং অপরটি হল স্থায়ী স্মৃতি বা রম (ROM - Read Only Memory)।

উৎস : কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,৩২৮.
সুপার কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  2. মহাকাশ গবেষণা
  3. পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• আকার, আয়তন, কাজ করার ক্ষমতা, স্মৃতি ও কার্যকারিতার ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে বা ডিজিটাল কম্পিউটারকে চারটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা -
১. সুপার কম্পিউটার
২. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
৩. মিনি কম্পিউটার
৪. মাইক্রোকম্পিউটার

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- বাংলাদেশে কম্পিউটার কাউন্সিলে একটি সুপার কম্পিউটার আছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩২৯.
একটি অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে। নিচের কোনটি এ শ্রেণির কাজকে নির্দেশ করে?
  1. Command-Line Interface
  2. Graphical User Interface
  3. Block User Interface
  4. Tap User Interface
ব্যাখ্যা
◉ গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম একজন ব্যক্তিকে বিভিন্ন symbols, icon অথবা visual metaphor এর মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপনে ভূমিকা পালন করে।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩০.
(5535)8 = ('?')16
  1. C5E
  2. A6D
  3. B5D
  4. D2A
ব্যাখ্যা
• অক্টাল থেকে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে অক্টাল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেলে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (5535)8 কে বাইনারি রূপান্তর: অক্টাল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি অক্টাল অংককে ৩ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

এখানে,
অক্টাল 5 = বাইনারি 101
অক্টাল 3 = বাইনারি 11 

• (101101011101)2 হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৪ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।

এখানে,
বাইনারি 1011 = হেক্সাডেসিমেল B
বাইনারি 0101 = হেক্সাডেসিমেলে 5
বাইনারি 1101 = হেক্সাডেসিমেলে D

∴ (5535)8 = (B5D)16
১,৩৩১.
ওয়ার্কশীটে ছবি সংযুক্ত করতে কোন ধরনের কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Table Command Group
  2. খ) Illustration Command Group
  3. গ) Filter Command Group
  4. ঘ) Link Command Group
ব্যাখ্যা
ওয়ার্কশীটে Illustration Command Group ব্যবহার করে ছবি সংযুক্ত করা যায়। 
Table Command Group ব্যবহার করে Pivot Table & Pivot Chart তৈরি করে তথ্য উপস্থাপন করা যায়। 

Filter Command Group- এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের Data Sorting Ges Advanced Filtermn বিভিন্ন ধরনের Filtering করা যায়। 

Insert রিবনে Links গ্রুপ থেকে যে কোন ধরনের Hyperlink তৈরি করা যায়। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,৩৩২.
হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহার করা হয় কোন ক্ষেত্রে?
  1. ক) ক্ষেপণাস্ত্র
  2. খ) নভোযান
  3. গ) আবহাওয়া
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হাইব্রিড কম্পিউটার
- এটা মূলত Digital ও Analog কম্পিউটারের কাজের প্রক্রিয়ার সাথে সমন্বয় করে তৈরি করা হয়।
- এতে ডেটা গ্রহণ করে এনালগ প্রক্রিয়ার এবং প্রসেসের জন্য সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- হাসপাতাল, ক্ষেপণাস্ত্র, নভোযান, আবহাওয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

সূত্র:  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল
১,৩৩৩.
কোন ফন্টটি MICR-এ সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. Times New Roman
  2. Arial
  3. OCR-A
  4. E-13B
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফন্ট হলো E-13B। এই ফন্টটি বিশেষভাবে ব্যাংকিং চেক এবং অন্যান্য আর্থিক নথিতে ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। E-13B ফন্টের অক্ষরগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যাতে তা চৌম্বকীয় কালি দিয়ে প্রিন্ট করলে ম্যাশিন সহজে পড়তে পারে। অন্য ফন্ট যেমন Times New Roman, Arial বা OCR-A সাধারণ লেখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলো চেক বা ব্যাংকিং ডকুমেন্টের ম্যাশিন-পঠনযোগ্যতার জন্য যথেষ্ট নির্ভুল নয়। E-13B ফন্টের সংখ্যা ও প্রতীকগুলো আন্তর্জাতিক মান অনুসারে নির্ধারিত, যা ব্যাংকিং সিস্টেমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য প্রক্রিয়াকরণকে সহজ ও দ্রুত করে। সুতরাং, MICR-এ প্রধান ফন্ট হিসেবে E-13B ব্যবহার করা হয়।

• MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- IBM [link]

১,৩৩৪.
Mainframe Computer-এর উদাহরণ নয় কোনটি?
  1. IBM 4341
  2. NCR N8370
  3. IBM-AS/400
  4. IBM Amdah 1580
ব্যাখ্যা
IBM-AS/400 হচ্ছে একটি Mini Computer।

• আকার ও ক্ষমতা বিচারে কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer),
২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer),
৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer),
8। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer).

• বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট, কিন্তু মিনি ও মাইক্রো কম্পিউটারের তুলনায় অনেক বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন।
- অনেক ইনপুট-আউটপুট যন্ত্র সংযুক্ত করা যায়।
- বৃহৎ মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ শক্তি।
- বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারী ও বেসরকারী প্রতিষ্ঠান, গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই ধরনের কম্পিউটারের ব্যবহার আছে।
- উদাহরণ: IBM 4341, NCR N8370, IBM Amdah 1580, ইত্যাদি।

• অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer):
- পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ও দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার।
- বিশাল মেমোরি ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা রয়েছে।
- অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও অনেক যন্ত্রাংশ থাকার কারণে মূল্য অনেক বেশি।
- যে সকল ক্ষেত্রে খুব জটিল ও সুক্ষ গাণিতিক হিসাব প্রয়োজনে ব্যবহৃত হয়।
- বৈজ্ঞানিক গবেষণা, প্রশাসনিক কাজ-কর্ম এবং বৃহৎ প্রতিষ্ঠানে সুপার কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CRAY-1, CYBER 205, ইত্যাদি।

• ছোট কম্পিউটার (Mini Computer):
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট এবং কম ক্ষমতাসম্পন্ন।
- সীমিত সংখ্যক ব্যবহারকারীর জন্য উপযুক্ত।
- উদাহরণ: NOVA 3, PDP 11, IBM-AS/400, ইত্যাদি।

• ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer):
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৩৫.
হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ হিসেবে কোনটি উল্লেখযোগ্য?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি
  2. অ্যাবাকাস
  3. পার্সোনাল কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল রিস্টওয়াচ
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হল এমন একটি কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম। এটি অ্যানালগ ইনপুট থেকে তথ্য গ্রহণ করে তা ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরিত করে প্রক্রিয়াজাত করে এবং ফলাফল আবার অ্যানালগ আউটপুট হিসেবে প্রদান করতে পারে। এই ধরনের কম্পিউটার সাধারণত এমন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় যেখানে দ্রুত ও সঠিক হিসাবের পাশাপাশি রিয়েল টাইম সেন্সর ডেটা প্রয়োজন। উদাহরণ হিসেবে উল্লেখযোগ্য হলো চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি (ECG)। ইসিজি রোগীর হার্টের অ্যানালগ সিগনাল নেয় এবং তা ডিজিটাল ফর্মে বিশ্লেষণ করে ফলাফল দেখায়। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) চিকিৎসা যন্ত্র, যেমন ইসিজি।

​• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার তৈরি হয়, তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলে।
- এটি এমন একটি সিস্টেম যা অ্যানালগ কম্পিউটার (যেমন সিগন্যাল প্রসেসিং, অবিচ্ছিন্ন ডেটা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ডিজিটাল কম্পিউটার (যেমন লজিক্যাল অপারেশন, ডেটা স্টোরেজ)-এর সক্ষমতাকে একত্রিত করে।
- এটি বিশেষভাবে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন এবং রিয়েল-টাইম কন্ট্রোল সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটারের ব্যবহারসমূহ:
১। মিসাইল, সমরাস্ত্র ক্ষেত্রে।
২। বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান তৈরিতে।
৩। রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
৪। হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৩৬.
একটি "Edge Computing" ডিভাইসের উদাহরণ কী?
  1. ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ
  2. মেইনফ্রেম সার্ভার
  3. স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট
  4. অফিসের প্রচলিত ডেস্কটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: গ) স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট।

একটি Edge Computing ডিভাইস হল এমন ডিভাইস যা ডেটা সংগ্রহ করে তাৎক্ষণিকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করতে সক্ষম, যাতে বড় সার্ভারে সব ডেটা পাঠানোর প্রয়োজন না থাকে। স্মার্ট থার্মোস্ট্যাট যেমন Nest বা Honeywell, ব্যবহারকারীর বাড়ির তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং ব্যবহার প্যাটার্ন বিশ্লেষণ করে স্থানীয়ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়- উদাহরণস্বরূপ, ঘরের তাপমাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমন্বয় করা। এটি ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর আগে স্থানেই প্রক্রিয়াকরণ করে, যা দ্রুততা বাড়ায়, ব্যান্ডউইথ কমায় এবং ব্যক্তিগত ডেটার নিরাপত্তা উন্নত করে। অন্যান্য অপশন যেমন ইউএসবি ড্রাইভ বা ডেস্কটপ কম্পিউটার সাধারণ প্রক্রিয়াকরণ বা স্টোরেজের জন্য, কিন্তু এডজ কম্পিউটিংয়ের মতো স্থানীয় সিদ্ধান্ত নেয় না। মেইনফ্রেম সার্ভার সম্পূর্ণরূপে কেন্দ্রীভূত, তাই এটি Edge Computing নয়।

• Edge computing:
- Edge computing-এর মূল লক্ষ্য হলো ডেটা উৎস (যেমন সেন্সর, IoT ডিভাইস, স্মার্টফোন) এর কাছাকাছি কম্পিউটিং প্রসেসিং করা। এতে করে ডেটা ক্লাউড বা সেন্ট্রাল সার্ভারে পাঠানোর পূর্বেই প্রাথমিক প্রসেসিং সম্পন্ন করা যায়। এর ফলে:
- Latency কমে: ডেটা দ্রুত প্রসেস হওয়ায় রিয়েল-টাইম রেসপন্স সম্ভব হয়।
- Bandwidth খরচ কমে: সব ডেটা ক্লাউডে পাঠানোর দরকার হয় না, ফলে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কম ব্যবহার হয়।
- Security বাড়ে: লোকালি ডেটা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ডেটা ট্রান্সমিশনের সময় ঝুঁকি কমে।
- Cloud storage খরচ কমলেও, এটা প্রাথমিক উদ্দেশ্য নয়, বরং একটি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সূত্র: IBM. [link]

১,৩৩৭.
NAND গেইট কোন দুটি গেইটের সমন্বিত রূপ?
  1. AND Gate, NOT Gate
  2. OR Gate, NOT Gate
  3. NOR Gate, OR Gate
  4. OR Gate, AND Gate
ব্যাখ্যা
• ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে নিচে ২ ইনপুট বিশিষ্ট ন্যান্ড গেইটের সত্যক সারণি ও চিত্র দেখানো হলো-



                   চিত্র: ন্যান্ড গেইট

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,৩৩৮.
Microsoft Office is an example of a
  1. ক) Closed source software
  2. খ) Open source software
  3. গ) Horizontal market software
  4. ঘ) Vertical market software
ব্যাখ্যা
1. Open Source Software :
Open source software refers to the computer software which source is open means the general public can access and use. In short it is referred as OSS. The source code of open source software is public. It uses the code freely available on the Internet.

Some examples of open source software are: Firefox, OpenOffice, Gimp, Alfresco, Android, Zimbra, Thunderbird, MySQL, Mailman, Moodle, TeX, Samba, Perl, PHP, KDE etc.


2. Closed Source Software :
Closed source software refers to the computer software which source code is closes means public is not given access to the source code. In short it is referred as CSS. Closed source software is software for which the source code is not freely available. It is developed and provided to the user as a fully compiled, executable set of files. The developer often provides support to users after purchase and ensures that the software works as expected.

Some examples of closed source software are Skype, Google earth, Java, Adobe Flash, Virtual Box, Adobe Reader, Microsoft office, Microsoft Windows, WinRAR, mac OS, Adobe Flash Player etc.
১,৩৩৯.
অনুবাদক প্রোগ্রামকে কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ৪ ধরণের
  2. ৩ ধরণের
  3. ৫ ধরণের
  4. ২ ধরণের
ব্যাখ্যা

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করতে যে সফট্ওয়্যারের প্রয়োজন হয় তাকে বলে অনুবাদক প্রোগ্রাম।
- কম্পিউটার একমাত্র মেশিনভাষা বুঝতে পারে বলে অন্য ভাষায় লেখা উৎস প্রোগ্রামকে মেশিনভাষায় অনুবাদ না করে নিলে কম্পিউটার তা কার্যকরী করতে পারে
না।

- অনুবাদক প্রোগ্রাম ৩ ধরণের। যথা-
১. কম্পাইলার: হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।
২. ইন্টারপ্রেটার: হাই লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।
৩. অ্যাসেম্বলার: অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৩৪০.
10101011 এর 1's complement কোনটি?
  1. ক) 01100111
  2. খ) 01010100
  3. গ) 00000000
  4. ঘ) 11111111
ব্যাখ্যা
• 10101011 এর 1's complement 01010100.

১ এর পরিপূরক গঠন (1's complement form):
- বাইনারি সংখ্যায়, ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক (1's complement form) করা হয়।
- অর্থাৎ সংখ্যার বিট গুলোকে উল্টিয়ে দেয়া হয়।

এখানে,
10101011 এর স্থানে বিট গুলোকে উল্টিয়ে 01010100 হলো ১ এর পরিপূরক (1's complement).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১,৩৪১.
OMR ব্যবহৃত হয়-
i) ছবিকে টেক্সটে সনাক্ত করতে 
ii) নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে 
iii) পণ্যের বাজার জরিপ করতে
  1. ii
  2. i ও ii
  3. ii ও iii
  4. i, ii ও iii
ব্যাখ্যা
• OMR: 
- OMR এমন এক ধরনের আলোক সংবেদনশীল স্ক্যানার যন্ত্র, যা কলম বা পেনসিল দিয়ে বিশেষ কাগজে দাগান্বিত কোনো পূর্বে নির্ধারিত চিহ্নকে (যেমন- গোলাকার বা বর্গাকার) রিড করে সংশ্লিষ্ট চিহ্ন দ্বারা নির্ধারিত তথ্য কম্পিউটারে প্রেরণ করে। 
- সাধারণত নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র, পণ্যের বাজার জরিপ, জনমত জরিপ, পরিচিতিমূলক তথ্যাবলি ইত্যাদি ক্ষেত্রে OMR ব্যবহৃত হয়।

• OCR:
- OCR এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Recognition.
- OCR প্রযুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ছবিকে টেক্সটে সনাক্ত করা।  
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৪২.
নিচের কোন ডিভাইসটির মাধ্যমে গ্রাফ, ম্যাপ বা বাড়ির ডিজাইন সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়?
  1. ক) Touch Screen
  2. খ) Scanners
  3. গ) Digitizer
  4. ঘ) Digital Camera
ব্যাখ্যা
ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস যা দিয়ে গ্রাফিক্স, ড্রয়িং, ম্যাপিং এর কাজ করা যায়। বাংলাদেশ ভূমি জরিপ অধিদপ্তর ডিজিটাইজার ব্যবহার করে মৌজাম্যাপগুলো সংরক্ষণ করে থাকে।

ডিজিটাইজার (Digitizer) : এটিকে ড্রয়িং বাের্ডও বলা হয়, এর মাধ্যমে বড় বড় Drawing, Mapping, Drafting ইত্যাদির কাজ করা হয়। এখানে একটি আয়তাকার চ্যাপ্টা ব্লক (Block) থাকে যাকে বলে ডিজিটাইজার বাের্ড (Board ), ডিজিটাইজিং টেবিল (Digitizing table) বা গ্রাফিক টেবিল (Graphic table) এর আকার ৯"x ১২" থেকে ৪৮ x ৭২" পর্যন্ত হতে পারে। বাের্ডের ভিতরে উপযুক্ত বৈদ্যুতিক ব্যবস্থা থাকে। একটি স্টাইলাসের (Stylus কলমের মতাে) সাহায্যে বাের্ডে যা কিছু লেখা বা আঁকা যায় তাই মনিটরের পর্দায় ভেসে ওঠে। সেই সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে স্টাইলাসের অবস্থানের x ও y স্থানাঙ্ক (Co- ordinates) কম্পিউটার মেমােরিতে চলে যায়। কাগজে কোনাে গ্রাফ বা ছবি এঁকে তা ডিজিটাইজার বাের্ডে রেখে সেই গ্রাফ বা ছবির উপর স্টাইলাস বুলিয়ে তাকে VDU এর পদায় দেখানাে যায় এবং তার স্থানাঙ্ক কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়। এভাবে ডিজিটাইজারের সাহায্যে বিভিন্ন গ্রাফ, ম্যাপ, বাড়ি ইত্যাদি প্ল্যান সহজেই কম্পিউটারে ইনপুট করা যায়।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)

১,৩৪৩.
হেক্সাডেসিমেলকে বলা হয়:
  1. Base-2
  2. Base-8
  3. Base-10
  4. Base-16 
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমেল হলো সংখ্যা প্রকাশের একটি পদ্ধতি যা Base-16 হিসেবে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে মোট ১৬টি ভিন্ন সংখ্যা বা অক্ষর ব্যবহার করা হয়। সাধারণ সংখ্যাগুলি ০ থেকে ৯ পর্যন্ত এবং দশমিকের পরবর্তী অঙ্কগুলির জন্য অক্ষর A, B, C, D, E, F ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 1A5 এর মান দশমিক পদ্ধতিতে ৪২১। কম্পিউটার বিজ্ঞানে হেক্সাডেসিমেল ব্যবহার করা হয় কারণ এটি বাইনারি (Base-2) সংখ্যার সঙ্গে সহজভাবে সম্পর্কিত। প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অঙ্ক ঠিক ৪টি বাইনারি অঙ্কের সমান, যা কম্পিউটারের মেমরি এবং প্রোগ্রামিংয়ের জন্য সুবিধাজনক। তাই, হেক্সাডেসিমেল হলো Base-16, যা সংখ্যা সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের একটি কার্যকর পদ্ধতি।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Base-16
 
• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।

যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৪৪.
Windows অপারেটিং সিস্টেম প্রথম কত সালে তৈরি হয়?
  1. ক) ১৯৭৭
  2. খ) ১৯৭৫
  3. গ) ১৯৮৮
  4. ঘ) ১৯৮৫
ব্যাখ্যা

উইন্ডোজ হচ্ছে আমেরিকার বিখ্যাত মাইক্রোসফট কর্পোরেশনের তৈরি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম।
উইন্ডোজের জনপ্রিয়তার প্রধান কারণ হলো গ্র্যাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস। এটি আইবিএম বা আইবিএম কম্পাটিবল কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়। সাধারণ ব্যবহারকারীগণ সহজেই এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম অপারেট করতে পারে। এর মূল কারণ হলো মাউসের মাধ্যমে বিভিন্ন চিত্র বা আইকনে ক্লিক করে যাবতীয় কার্যাদি সম্পাদন করা।
১৯৮৫ সালে সর্বপ্রথম উইন্ডোজ তৈরি হয়। এরপর ১৯৯০ সালে ভার্সন ৩.০ এবং ১৯৯২ সালে ৩.১ ও ৩.১১ ভার্সনের প্রচলন হয়।

১,৩৪৫.
কোনটি ই-কমার্সের ওয়েবসাইট নয়?
  1. www.daraz.com
  2. www.amazon.com
  3. www.chakri.com
  4. www.alibaba.com
ব্যাখ্যা
ব্যবসা-বাণিজ্য: 
- আধুনিক ডেটা প্রসেসিং এবং কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বিশেষত ইন্টারনেটের মাধ্যমে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পণ্য বা সেবা বিপণন, বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসা সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ইলেকট্রনিক কমার্স বা ই-কমার্স বলে। 
- ই-কমার্স ওয়েব সাইটে পণ্যের গুণগত মান, বর্ণনা, ছবি ও মূল্য সম্পর্কিত তথ্য উল্লেখ থাকে। 
- ই-কমার্সের পরিচিত কতকগুলো ওয়েব সাইট হলো - www.bikroy.com, www.daraz.com, www.alibaba.com, www.amazon.com ইত্যাদি। 
- বিশ্বমানের ব্যবস্থায় উৎপাদিত পণ্য হবে আন্তর্জাতিক মানের। ফলে সম্প্রসারিত হবে বৈশ্বিক ব্যবসা- বাণিজ্যের। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনে ব্যবহৃত হয় ইএফটি (EFT: Electronic fund transfer) যেটি এক ধরনের ইলেকট্রনিক লেনদেন যা সংঘটিত হয় কম্পিউটার ও নেটওয়ার্কের সাহায্যে। 
- একই ব্যাংকের বিভিন্ন শাখার অ্যাকাউন্টের মধ্যে অথবা বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের মধ্যে, কিংবা বৈদেশিক ব্যাংকের মধ্যেও এ ধরনের লেনদেন করা যায়। 
- এছাড়া ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের আর্থিক লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। 
- অনলাইন ব্যাংকিং নামে পরিচিত এই পদ্ধতিটিকে বর্তমান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির অন্যতম পরিসেবা হিসেবে গণ্য করা যায়। 
- এ ধরনের পদ্ধতিতে লেনদেনকে ইন্টারনেট ব্যাংকিংও বলা হয়। 
- এই ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনায় গ্রাহকগণকে লেনদেন সম্পন্নের জন্য সশরীরে কোনো ব্যাংক শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হয় না; বাড়িতে বা কর্মস্থলে কিংবা ভ্রমণরত অবস্থাতেও এই কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। 
- এজন্য শুধু কম্পিউটার বা স্মার্ট ফোন, ইন্টারনেট সংযোগ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড প্রয়োজন হয়। 

অন্যদিকে, 
- www.chakri.com হচ্ছে জব শেয়ারিং ওয়েবসাইট। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
১,৩৪৬.
বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে নিচের কোনটি মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উদাহরণ?
  1. মুখমণ্ডল
  2. আইরিস
  3. স্বাক্ষর
  4. আঙুলের ছাপ
ব্যাখ্যা

• বায়োমেট্রিক প্রযুক্তিতে স্বাক্ষর মানুষের আচরণগত বৈশিষ্ট্যের একটি উদাহরণ, যা ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

• বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি প্রযুক্তি যেখানে মানুষের শারীরবৃত্তীয় ও আচরণগত বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করে ব্যক্তিকে শনাক্ত বা যাচাই করা হয়।
- প্রতিটি মানুষের বৈশিষ্ট্য ভিন্ন হওয়ায় এই পদ্ধতি নিরাপত্তা ব্যবস্থায় অত্যন্ত কার্যকর।
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে এই বৈশিষ্ট্যগুলো সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণ করা হয়।

• বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যের প্রকারভেদ:
- শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্য → মানুষের শরীরের গঠনগত বৈশিষ্ট্য।
- আচরণগত বৈশিষ্ট্য → মানুষের আচরণ বা কাজের ধরণভিত্তিক বৈশিষ্ট্য।

• শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক উদাহরণ:
- আঙুলের ছাপ (Fingerprint)।
- আইরিস শনাক্তকরণ (Iris Recognition)।
- মুখমণ্ডল শনাক্তকরণ (Face Recognition)।
- হাতের তালুর গঠন (Palm Recognition)।

• আচরণগত বায়োমেট্রিক উদাহরণ:
- স্বাক্ষর শনাক্তকরণ (Signature Recognition)।
- কণ্ঠস্বর শনাক্তকরণ (Voice Recognition)।
- টাইপিং ধরণ বিশ্লেষণ (Keystroke Dynamics)।

• অন্যান্য অপশন:
- আঙুলের ছাপ → মানুষের শারীরবৃত্তীয় বৈশিষ্ট্যের একটি উদাহরণ।
- আইরিস → চোখের গঠনের উপর ভিত্তি করে শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্য।
- মুখমণ্ডল → মুখের গঠন বিশ্লেষণের মাধ্যমে শনাক্তকরণ পদ্ধতি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়,
- Encyclopaedia Britannica,
- Computer & ICT CLOUD, Live Publications.

১,৩৪৭.
নিচের কোনটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ?
  1. Linux
  2. CP/M
  3. Windows 98
  4. Palm OS
ব্যাখ্যা

• Linux: Multi User Operating System.
- Windows 98: Single User Operating System.
- CP/M: Single User Operating System.
- Palm OS: Single User Operating System.

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Single User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে মাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে, তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95,
- Windows 98,
- Symbian OS,
- Palm OS.

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম(Multi User Operating System):
- যে অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে একাধিক ব্যবহারকারী একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তাকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত সার্ভার ও বড় কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়।
- মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Windows Server 2003,
- Windows Server 2008,
- UNIX,
- Linux,
- Android.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,৩৪৮.
কোনটি মোবাইল আপারেটিং সিস্টেম?
  1. ক) Harmony OS
  2. খ) MacOS
  3. গ) Windows
  4. ঘ) UNIX
ব্যাখ্যা
মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Harmony OS,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu, Mint, Debian, Red Hat, Cent OS, Fedora, Kali, Linux, Arch Linux,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৪৯.
বাইনারি সংখ্যা 10112 এবং 11012 যোগ করলে ফলাফল কত হবে?
  1. 110002
  2. 101012
  3. 111002
  4. 100112
ব্যাখ্যা

• বাইনারি যোগ (Binary Addition) হলো ২-এর ঘাত ব্যবস্থায় সংখ্যা যোগ করার পদ্ধতি। এখানে ১ + ১ হলে বাইনারি ক্যারি তৈরি হয়।

ডানদিকের বিট থেকে (LSB):
1 + 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
দ্বিতীয় বিট যোগ:
1 + 0 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
তৃতীয় বিট যোগ:
0 + 1 + ক্যারি 1 = 102 → 0, ক্যারি 1।
চতুর্থ বিট যোগ (MSB):
1 + 1 + ক্যারি 1 = 112 → 1, নতুন ক্যারি 1।

ফলাফলের সাথে শেষ ক্যারি যুক্ত করে পাই,
110002

১,৩৫০.
The code for a Web page is written using _____
  1. ক) A fifth generation language
  2. খ) Win Zip
  3. গ) Peripherals
  4. ঘ) Hypertext Markup Language
ব্যাখ্যা
Hypertext Markup Language (HTML) is the standard markup language for creating web pages and web applications. With Cascading Style Sheets (CSS) and JavaScript.
Source: techopedia.com/definition
১,৩৫১.
দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান কত?
  1. 8
  2. 9
  3. A
  4. B
ব্যাখ্যা

দশমিক ১০ এর হেক্সাডেসিমাল মান হচ্ছে A।

দশমিক ---- বাইনারি ---- অকট্যাল ---- হেক্সাডেসিমাল
৮ ------------ ১০০০ ---------- ১০ ------------ ৮
৯ ------------ ১০০১ ----------- ১১ ------------ ৯
১০ -----------১০১০ ----------- ১২------------- A
১১ ----------- ১০১১ ----------- ১৩ ------------ B

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,৩৫২.
নিচের কোনটি একটি ইনপুট ডিভাইস?
  1. পাঞ্চকার্ড
  2. প্লটার
  3. মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্ট
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ইউনিট:
- ইনপুট ইউনিট ব্যবহারকারী প্রদত্ত উপাত্ত বা বিভিন্ন উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে।
- অর্থাৎ ইনপুট অংশের কাজ হলো ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রেরণ করা।
- বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ইনপুট ইউনিট কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদানের কাজটি সম্পাদন করে।
- ইনপুট ডিভাইসের কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), জয়স্টিক, পাঞ্চকার্ড, লাইটপেন ইত্যাদি।
 
• আউটপুট ইউনিট:
- আউটপুট ইউনিট কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল ব্যবহারকারীর কাছে উপস্থাপন করে।
- আউটপুট ডিভাইসের কিছু উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হলো মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
 
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১,৩৫৩.
The memory which is ultraviolet light erasable and electrically programmable is
  1. ক) ROM
  2. খ) PROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) EPROM
ব্যাখ্যা
An EPROM or erasable programmable read-only memory, is a type of memory chip that retains its data when its power supply is switched off. Computer memory that can retrieve stored data after a power supply has been turned off and back on is called non-volatile. It is an array of floating-gate transistors individually programmed by an electronic device that supplies higher voltages than those normally used in digital circuits. Once programmed, an EPROM can be erased by exposing it to strong ultraviolet light source (such as from a mercury-vapor light).
Source: merriam-webster.com
১,৩৫৪.
স্মার্ট হোম প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত "হোম অটোমেশন সিস্টেম" কী?
  1. বাড়ির বিভিন্ন ডিভাইস স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা
  2. বাড়ির জন্য নতুন আসবাবপত্র তৈরির প্রক্রিয়া
  3. শুধু বাড়ির লাইটিং সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তি
  4. শুধু ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট হোম প্রযুক্তি:
- স্মার্ট হোম হলো এমন একটি বাসস্থান, যেখানে রিমোট কন্ট্রোলিং বা প্রোগ্রামিং ডিভাইসের সাহায্যে বাড়ির হিটিং সিস্টেম, কুলিং সিস্টেম, লাইটিং সিস্টেম, সিকিউরিটি কন্ট্রোল সিস্টেম ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্ট হোমের পদ্ধতিকে হোম অটোমেশন সিস্টেম (Home Automation System) বলা হয়।
- একটি স্মার্ট হোমে ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- টেলিভিশন, এসি, লাইটিং, ফ্যান, সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি পরিচালনার জন্য আধুনিক প্রযুক্তির মোবাইল বা রিমোট কন্ট্রোলিং ডিভাইস ব্যবহার করে সেগুলোকে কোনো কেন্দ্রীয় অবস্থানে থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- বর্তমানে বিভিন্ন শিল্পোন্নত দেশ যেমন-চীন, সিঙ্গাপুর, কোরিয়া ইত্যাদি দেশে গ্লোবাল রেসিডেন্স বা বৈশ্বিক বাসস্থান তৈরি করা হচ্ছে।
- বাসস্থানের নিরাপত্তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে আইপি ক্যামেরা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান
১,৩৫৫.
Which of the following is also known as SOROBAN
  1. ক) ENIAC
  2. খ) Abacus
  3. গ) EDSAC
  4. ঘ) UNIVAC
ব্যাখ্যা
The Soroban, or Japanese abacus. It consists of a wooden frame, which holds columns of beads.For hundreds of years, this tool was used by bankers and merchants as the original calculator.
১,৩৫৬.
(13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু কত হবে?
  1. 520
  2. 444
  3. 372
  4. 472
ব্যাখ্যা
• (13A)16 এর সমতুল্য অক্টাল ভ্যালু 472 হবে।

• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৭.
একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করেনা কোনটি?
  1. টাচ স্ক্রিন
  2. মডেম
  3. ডিজিটাইজার
  4. পেনড্রাইভ
ব্যাখ্যা
- ডিজিটাইজার একটি ইনপুট ডিভাইস।

♦ ইনপুট ডিভাইস:

- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

♦ আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো- 
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

♦ ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস: 
- কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Pendrive, Modem, Touch screen ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৫৮.
নিচের কোনটি একটি Many-to-Many (M:N) সম্পর্ককে সঠিকভাবে বর্ণনা করে?
  1. টেবিল A-এর প্রতিটি রেকর্ড ঠিক একটি টেবিল B-এর রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
  2. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড টেবিল B-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে না
  3. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড শুধুমাত্র টেবিল B-এর একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
  4. টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

• Many-to-Many (M:N) সম্পর্ক এমন একটি সম্পর্ক যেখানে একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড একই সময়ে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “ছাত্র” এবং “কোর্স” টেবিলের ক্ষেত্রে, একটি ছাত্র একাধিক কোর্সে ভর্তি হতে পারে, এবং একটি কোর্সেও অনেক ছাত্র থাকতে পারে। তাই, Many-to-Many সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো রেকর্ড কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, (ঘ) সঠিক। এখানে বলা হয়েছে যে টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা Many-to-Many সম্পর্কের মূল সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। অন্যগুলো শুধুমাত্র One-to-One বা One-to-Many সম্পর্ক নির্দেশ করে।

ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৫৯.
নিচের কোনটি কন্ট্রোল কী?
  1. Home
  2. Alt
  3. Insert
  4. F12
ব্যাখ্যা
♦ নেভিগেশন কী:
- নেভিগেশন কী ১০টি। যথা- Delete, Insert, Home, End, Page Up, Page Down, Arros Keys সমূহ নেভিগেশন কী নামে পরিচিত। 

কন্ট্রোল কী:
- কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের নির্দেশ প্রদানের জন্য কন্ট্রোল কীসমূহ ব্যবহৃত হয়। যেমন- Ctrl, Alt, the Windows logo key ইত্যাদি।

• নিউম্যারিক কী:
- কীবোর্ডের ডান অংশে ক্যালকুলেটরের মতো ০-৯ এবং যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি চিহ্নতি কীগুলোকে নিউমারিক কী বলে। 

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং Microsoft website.
১,৩৬০.
RAM-কে কেন ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়?
  1. এটি স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে
  2. বিদ্যুৎ চলে গেলে ডেটা মুছে যায়
  3. এটি শুধু পড়া যায়
  4. এটি ধীরগতির
ব্যাখ্যা

• বিদ্যুৎ না থাকলে RAM-এর সব তথ্য হারিয়ে যায়।

• RAM:

- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory।
- RAM কে কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র বলা হয়।
- RAM যত বেশি হবে কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা তত বাড়বে; অর্থাৎ, তত বেশি প্রোগ্রাম একসাথে দ্রুত কাজ করতে পারবে।
- RAM কে লেখাপড়া উভয়ই করা যায়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM থেকে সমস্ত তথ্য মুছে যায়; তাই RAM কে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয়।
- RAM দুই ধরনের— DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)।
- প্রথম দিকে পিসিতে শুধু DRAM ব্যবহৃত হতো, বর্তমানে উভয় ধরনের RAM-ই পিসিতে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায় (যেমন: Chrome, Word), সেটি RAM-এ লোড হয়।
- CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং প্রসেস করে।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের জন্য RAM অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ (হার্ড ডিস্কের চেয়ে প্রায় ১০–১০০ গুণ দ্রুত)।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬১.
"Boston Dynamics" কী?
  1. গুগলের পূর্বনাম
  2. রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান
  3. একটি ভবনের নাম
  4. প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ
ব্যাখ্যা
• Boston Dynamics:
- এটি একটি প্রখ্যাত রোবটিক্স কোম্পানি যা যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসে অবস্থিত।
- এই প্রতিষ্ঠানটি 1992 সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং প্রথমে এটি MIT -র একটি গবেষণা ল্যাবরেটরি হিসেবে কাজ করতো।
- Boston Dynamics বিশেষ করে অগ্রগামী রোবট প্রযুক্তির জন্য পরিচিত, যা স্বয়ংক্রিয়তা, ম্যানিপুলেশন, এবং চলাচলের ক্ষেত্রে অসাধারণ সক্ষমতা প্রদর্শন করে।

রোবটগুলোর বৈশিষ্ট্য
Boston Dynamics-এর কিছু উল্লেখযোগ্য রোবটের মধ্যে রয়েছে:
• Spot:
- Spot একটি চতুর্ভুজ রোবট, যা বিভিন্ন ভূ-প্রকৃতিতে চলাচল করতে সক্ষম।
- এটি ছবি তোলা, ভিডিও করা, এবং সেন্সর ব্যবহার করে পরিবেশের তথ্য সংগ্রহ করতে পারে।
- Spot বিভিন্ন শিল্প এবং নির্মাণ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

• Atlas:
- Atlas হলো একটি মানব আকৃতির রোবট, যা চলাফেরা, লাফানো এবং অন্যান্য জটিল শারীরিক কার্যকলাপ করতে পারে।
- এটি গবেষণা এবং উন্নয়নের জন্য উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং এর চলাচল ক্ষমতা অত্যন্ত উন্নত।

• Stretch:
- Stretch একটি লজিস্টিকস রোবট যা প্যালেট এবং পণ্য স্থানান্তরের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
- এটি বিশেষ করে গুদামে কাজ করার জন্য ব্যবহার করা হয় এবং স্বায়ত্তশাসিতভাবে পণ্য ম্যানিপুলেট করতে পারে।

• উদ্ভাবনী প্রকল্প:
- Boston Dynamics-এর রোবটগুলো তাদের দুর্দান্ত গতিশীলতা এবং ফ্লেক্সিবিলিটির জন্য বিশ্বজুড়ে প্রশংসা অর্জন করেছে।
- তারা রোবটের সাহায্যে বিপদের সম্মুখীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং মানুষের কাজকে সহজ করার জন্য বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করছে।
- Boston Dynamics-এর উদ্ভাবনগুলি ভবিষ্যতের রোবট প্রযুক্তির দিগন্ত উন্মোচন করতে সাহায্য করবে, যেখানে রোবটগুলি মানুষের সাথে সহযোগিতায় কাজ করবে।

• সামগ্রিক প্রভাব:
- Boston Dynamics এর উদ্ভাবনী প্রযুক্তি শুধুমাত্র রোবটিক্সের ক্ষেত্রে নয়, বরং শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা এবং অটোমেশন সেক্টরেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে এবং তাদের প্রযুক্তি উন্নতির জন্য গবেষণা ও উন্নয়ন অব্যাহত রেখেছে।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি রোবট নির্মাতাকারী প্রতিষ্ঠান হলো -
- FANUC (ফানুক),
- Yaskawa (ইয়াসকাওয়া),
- iRobot (আইরোবট),
- Boston Dynamics (বোস্টন ডাইনামিকস) ইত্যাদি।

• মানব-সদৃশ রোবট বা হিউমেনওয়েড (Humanoid) প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান হলো–
- জাপানের মুরাতা কোম্পানির 'মুরাতা বয় (Murata),
- সনি কর্পোরেশনের কিউরিও (QRIO) এবং আইব,
- হোন্ডা কোম্পানির আসিমো (ASIMO),
- স্যামসাংয়ের রোবোরে (Roboray),
- হংকং ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান হ্যানসন রোবটিক্সের সোফিয়া।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানত, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
২) MIT/boston-dynamics [লিংক]
১,৩৬২.
কোনটি ডাটাবেজ ল্যাংগুয়েজ? 
  1. C
  2. C++
  3. SQL
  4. Cobol
ব্যাখ্যা
SQL: 
- SQL এর পূর্ণরূপ হলো Structured Query Language. 
- এটি একটি অনন্য শক্তিশালী ডাটা মেনিপুলেশন ও ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ এ্যাকসেস করার জন্য SQL হচ্ছে একটি হাতিয়ার। 
- অতীতে SQL কেবল মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হতো। বর্তমানে ডেস্কটপ কম্পিউটারেও রিলেশনাল ডাটাবেজ প্লাটফর্ম ব্যবহৃত হওয়ার ফলে SQL ব্যবহার শুরু হয়েছে। 
- এগুলো এক বা একাধিক ডাটাবেজ, টেবিল, কলাম ইনডেক্স ইত্যাদিতে প্ৰয়োগ করা যায়। 
- অধিকাংশ SQL স্টেটমেন্টই ফলাফল হিসেবে এক সেট রেকর্ড প্রদান করে। 
- ১৯৭৪ সালে IBM (International Business Machine) এর Research Center এ SQL তৈরি করা হয়। 

অন্যদিকে, 
- C, Cobol এবং C++ প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উদাহরণ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৩.
নিচের কোন মাইক্রোপ্রসেসরটি 16-bit বিশিষ্ট?
  1. Intel - 4004
  2. Intel - 8080
  3. Intel - 80186
  4. Intel Core i3
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর (Microprocessor or Processor):
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:  ৪০০৪, ৪০৪০।
• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০০৮, ৮০৮০।
১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: ৮০৮৬, ৮০৮৮,৮০১৮৬।
• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর: Intel Core i3, Core i5, Core i7, Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৪.
ফ্লিপ-ফ্লপের কতটি স্থায়ী অবস্থা থাকে?
  1. ১ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ৪ টি
ব্যাখ্যা
ফ্লিপ ফ্লপ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ লজিক গেইট দ্বারা তৈরি এক ধরনের মেমরি উপাদান যা একটি বাইনারি বিট সংরক্ষণ করতে পারে। 
- ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থায়ী অবস্থা (0,1) আছে এবং ফ্লিপ-ফ্লপ দুটি স্থায়ী অবস্থার যে কোন একটিতে থাকতে পারে। 

ফ্লিপ-ফ্লপের ব্যবহার: 
১। বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
২। সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। 
৩। ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়। 

ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ: 
- ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার। 
যথা- 
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ, 
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ, 
৪. T ফ্লিপ-ফ্লপ ও 
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফ্লপ। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৫.
কোন ধরনের টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে?
  1. ট্রি টপোলজি
  2. বাস টপোলজি
  3. স্টার টপোলজি
  4. রিং টপোলজি
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারগুলো যদি এমনভাবে সংযুক্ত থাকে যে তারা মিলিত হয়ে একটি বৃত্ত তৈরি করে, তাহলে তা রিং টপোলজি বলা হয়। রিং টপোলজিতে প্রতিটি কম্পিউটার বা নোডের সাথে ঠিক দুইটি কম্পিউটার সংযুক্ত থাকে, ফলে একটি পূর্ণাঙ্গ বৃত্ত গঠন হয়। তথ্য একটি নির্দিষ্ট দিক দিয়ে এক নোড থেকে অন্য নোডে প্রবাহিত হয়, যতক্ষণ না তা গন্তব্যে পৌঁছায়। এই টপোলজির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ডেটার সংঘর্ষ কম হওয়া এবং সহজে ট্রাবলশুটিং করা যায়। তবে কোনো একটি নোড বা সংযোগে সমস্যা হলে পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হতে পারে। তাই রিং টপোলজি বিশেষ করে ছোট এবং মাঝারি মাপের নেটওয়ার্কে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• নেটওয়ার্ক টপোলজি:
- যে ব্যবস্থায় কম্পিউটারগুলো বা নোডগুলো পরস্পরের সাথে সংযুক্ত থাকে, তাকে নেটওয়ার্ক টপোলজি বলে।
- ব্যবহারের ক্ষেত্র, তথ্য আদান-প্রদানের গতি এবং নেটওয়ার্ক রক্ষণাবেক্ষণের ভিত্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্কে কম্পিউটারগুলো বিভিন্নভাবে সংযুক্ত থাকে।

• নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য টপোলজি হলো:
১. বাস টপোলজি
২. রিং টপোলজি
৩. স্টার টপোলজি 
৪. ট্রি টপোলজি 
৫. মেশ টপোলজি
৬. হাইব্রিড টপোলজি

• রিং টপোলজি:
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৬৬.
১ টেরাবাইট সমান কত বাইট?
  1. ক) ২৫০ বাইট
  2. খ) ২৬০ বাইট
  3. গ) ২৪০ বাইট
  4. ঘ) ২৩০ বাইট
ব্যাখ্যা

- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

১,৩৬৭.
নিচের কোনটি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ডিজিটাল ঘড়ি
  2. ক্যালকুলেটর
  3. ল্যাপটপ
  4. অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ কম্পিউটার(Analog Computer):
-যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের উপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন করে, সেগুলোকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য বর্ণ বা অঙ্কের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহৃত হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ডায়াল বা ওসিলোস্কোপে প্রদর্শিত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের ব্যবহার:
- সাধারণত চাপ, তাপমাত্রা, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির ওঠানামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপে ব্যবহৃত হয়।
- গাড়ি, উড়োজাহাজ ও মহাকাশযানের গতিবেগ, বায়ু ও তরলের চাপ পরিমাপে অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপ করার ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহৃত হয়।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ:
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার,
- স্লাইড রুল,
- অপারেশনাল অ্যাম্প্লিফায়ার।
 
• অ্যানালগ কম্পিউটারের সীমাবদ্ধতা:
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা ও নির্ভুলতা তুলনামূলকভাবে কম।
- জটিল ও নির্ভুল গণনার ক্ষেত্রে এটি কম কার্যকর।

মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৬৮.
আইওএস (iOS) মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. ক) আইবিএম
  2. খ) মাইক্রোসফট
  3. গ) গুগল
  4. ঘ) অ্যাপল
ব্যাখ্যা
অ্যাপল আইওএস:
- অ্যাপল আইওএস হলো একটি মাল্টিপ্ল্যাটফর্ম অপারেটিং সিস্টেম যা অ্যাপল 2007 সালে তৈরি করেছিল।
- এটি অ্যাপল পণ্য আইফোন, আইপড এবং আইপ্যাড দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- সফটওয়্যারটি Mac OS X এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা অ্যাপল 2001 সাল থেকে তার Macintosh কম্পিউটারগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছিলো।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৬৯.
উইন্ডোজ OS ইনস্টল করার সময় কোন ড্রাইভকে প্রধান হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং এ ড্রাইভে OS টি দ্রুত কাজ করে?
  1. C Drive
  2. E Drive
  3. F Drive
  4. D Drive
ব্যাখ্যা

• উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় সাধারণত C Drive-কে প্রধান (Primary) ড্রাইভ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- কারণ উইন্ডোজ ডিফল্টভাবে C Drive-এ ইনস্টল হয় এবং এই ড্রাইভে সিস্টেম ফাইল, প্রোগ্রাম ফাইল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ফাইল সংরক্ষণ করা হয়।
- C Drive-এ OS ইনস্টল করার ফলে সেটি দ্রুত এবং দক্ষতার সাথে কাজ করে কারণ এটি হার্ডড্রাইভের প্রথম পার্টিশন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং অপারেটিং সিস্টেমের জন্য সর্বোত্তম পারফরম্যান্স দেয়।
- অন্য ড্রাইভ যেমন F, E, বা D সাধারণত ডেটা সংরক্ষণ বা অন্যান্য ফাইল রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু সেগুলোতে OS ইনস্টল করা হয় না।
- তাই উইন্ডোজের জন্য C Drive প্রধান ড্রাইভ।
 
• অপারেটিং সিস্টেম এবং C ড্রাইভ:
- অপারেটিং সিস্টেম সাধারণত C ড্রাইভে সংরক্ষিত থাকে, যা কম্পিউটারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর মধ্যে একটি।
- সর্বোত্তম পারফরম্যান্স নিশ্চিত করার জন্য C ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা হয়।
- C ড্রাইভ মূলত কম্পিউটারের প্রাথমিক মেমোরির অংশ, যেখানে অপারেটিং সিস্টেমসহ কম্পিউটার চালনার জন্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংরক্ষিত থাকে।
- ফার্মওয়্যার ও অপারেটিং সিস্টেম হলো এমন অপরিহার্য সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারের কার্যক্রম সচল রাখতে সহায়তা করে।
- একটি হার্ডডিস্ক বা SSD সাধারণত পার্টিশনের মাধ্যমে C, D, E ড্রাইভ ইত্যাদিতে বিভক্ত করা হয়, যা ব্যবহারকারীদের ফাইল এবং সফটওয়্যার সংরক্ষণের জন্য বিভিন্ন ভাগ তৈরি করতে সহায়তা করে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ● কম্পিউটার iv) কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম

১,৩৭০.
নিচের কোনটি 11001.1102 এর দশমিক রূপ?
  1. 20.2510
  2. 15.4510
  3. 24.5710
  4. 25.7510
ব্যাখ্যা

11001.1102
= 1×24 + 1×23 + 0×22 + 0×21 + 1×20 + 1×2-1 + 1×2-2 + 0×2-3
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1 + 0.5 + 0.25 + 0
= 25.7510

১,৩৭১.
কাকে প্রোগ্রামিং এর ধারণা প্রবর্তক হিসেবে গণনা করা হয়?
  1. চার্লস ব্যাবেজ
  2. অ্যাডা লাভলেস
  3. স্টিভ জজনিয়াক
  4. টিমোথি জন বার্নাস লি
ব্যাখ্যা

• প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সাধারণত Ada Lovelace-কে গণ্য করা হয়। তিনি ১৯ শতকের মাঝামাঝি সময়ে Charles Babbage-এর Analytical Engine-এর জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন, যা আজকের প্রোগ্রামিং-এর মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। Ada Lovelace এই যন্ত্রটি কিভাবে কাজ করবে তা বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছিলেন এবং প্রথমবারের মতো একটি যান্ত্রিক কম্পিউটারের মাধ্যমে গণনা সম্পাদনের ধারণা দিয়েছিলেন।

অন্যদিকে,

- চার্লস ব্যাবেজ: চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ছিলেন একজন ব্রিটিশ গণিতবিদ ও কম্পিউটিং পথিকৃৎ, যাকে "কম্পিউটারের জনক" বলা হয়। তিনি ১৮৩৭ সালে অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন ডিজাইন করেছিলেন, যা ছিল একটি যান্ত্রিক জেনারেল-পারপাস কম্পিউটার। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামের দুইটি গণনা যন্ত্র তৈরি করেন।
- স্টিভ জজনিয়াক: অ্যাপল কম্পিউটারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- টিমোথি জন বার্নাস লি: ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের আবিষ্কারক।

• Ada Lovelace:
- Ada Lovelace সাধারণত প্রোগ্রামিং ধারণার প্রথম প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি আধুনিক কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর ভিত্তি তৈরি করেছিলেন।
- Ada Lovelace ছিল প্রথম ব্যক্তি যিনি চার্লস ব্যাবেজের 'অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন' (Analytical Engine) এর জন্য একটি আলগোরিদম ডিজাইন করেছিলেন, যা পরবর্তীকালে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং এর সূচনা হিসাবে গণ্য হয়।
- তাঁর ডিজাইন করা এই অ্যালগরিদমকে প্রথম প্রোগ্রাম হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি আধুনিক গণনা এবং কম্পিউটিং এর ধারণাগুলি তৈরি করতে সহায়ক হয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে প্রোগ্রামিং ভাষার উত্থানকে প্রভাবিত করেছে।
- প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace)-কে গণ্য করা হয়।
- তিনি বিখ্যাত গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজের প্রস্তাবিত অ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম লিখেছিলেন, যা তাকে বিশ্বের প্রথম প্রোগ্রামার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
- ১৮৪০-এর দশকে তিনি এমন একটি অ্যালগরিদম তৈরি করেছিলেন যা মেশিন দ্বারা সম্পাদন করা যেতে পারে, যা আধুনিক প্রোগ্রামিংয়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অ্যাডা লাভলেস ছিলেন চার্লস ব্যাবেজের অন্যতম একজন সহযোগী।
- অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য প্রোগ্রামিং এর ধারণা দেন।
- অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক বলা হয়।
- ১৮৪২ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন। অ্যাডা লাভলেস সে সময় ব্যাবেজের সহায়তায় পুরো বক্তব্যে ইঞ্জিনের কাজের ধারাণাটি বর্ণনা করেন।
- অ্যাডা লাভলেসের মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্রি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭২.
নিচের কোনটি অনলাইন অনুবাদের জন্য বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Facebook
  2. খ) AWS Translator
  3. গ) Google Translator
  4. ঘ) Gmail
ব্যাখ্যা

Google Translate -
সাইটঃ translate.google.com
Google's free service instantly translates words, phrases, and web pages between English and over 100 other languages.

১,৩৭৩.
এমবেডেড সিস্টেমে কোন মেমরি স্টোরেজ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ROM
  2. DRAM
  3. EEPROM
  4. Hard Disk
ব্যাখ্যা
• Low Cost এর কারনে পিসি এবং এমবেডেড সিস্টেমে DRAM ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

♦ ডাইনামিক র‍্যাম (DRAM):
- DRAM-এর পুরো অর্থ হচ্ছে Dynamic Random Access Memory.
- এটি সাধারণত মসফেট ট্রানজিস্টর (MOSFET - Metal Oxide Semiconductor Field Effect Transistor) ও ক্যাপাসিটরের সাহায্যে তৈরি।
- সাধারণ SRAM-এর তুলনায় এ ধরনের মেমরির স্মৃতি কোষ আকারে ছোট এবং দামেও সস্তা।
- DRAM-এর আরো সুবিধা হলো প্রতি আইসিতে বিটের সংখ্যা বেশি, বিট প্রতি খরচও কম এবং বিদ্যুৎ শক্তি কম লাগে।
- এসব কারণে DRAM- এর ব্যবহার দিন দিন বেড়েই চলেছে।
- মেইনফ্রেম, মিনিফ্রেম এবং মাইক্রোকম্পিউটারের প্রধান মেমরি হিসেবে সাধারণত DRAM ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- DRAM-এর ক্যাপাসিটরের চার্জ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে হয়ে যায় বলে প্রায় 72ns পর পর প্রত্যেক স্মৃতি কোষে লেখা তথ্য নতুন করে লিখতে হয়।একে Refreshing বলে।
- DRAM দুই ধরনের হয়। যথা-
(১) SDRAM (Synchronous DRAM) ও
(2) ASDRAM (Asynchronous DRAM)।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [Link]
১,৩৭৪.
In an n-bit binary counter, the maximum number of states that can be represented is—
  1. n!
  2. n2
  3. 2n
  4. 2n
ব্যাখ্যা

• n-bit বাইনারি কাউন্টার 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনা করতে পারে, তাই এর মোট স্টেট সংখ্যা 2n

• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যার মধ্যে প্রদত্ত ইনপুট পালসের সংখ্যা গণনা করা যায়।
- কাউন্টারের ইনপুট পালস (কাউন্ট পালস) ক্লক পালস বা অন্য কোনো পালস হতে পারে।
- কাউন্ট পালস নির্দিষ্ট সময় পরপর আসতে পারে অথবা অনিয়মিতভাবেও আসতে পারে।
- কাউন্টার বিভিন্ন সিকুয়েন্স (Sequence) বা ক্রম অনুসরণ করতে পারে, তবে সবচেয়ে সহজ সিকুয়েন্স হলো বাইনারি সিকুয়েন্স।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n-বিট বাইনারি কাউন্টার n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট দ্বারা গঠিত।
- এটি 0 থেকে 2n − 1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্স অনুসরণ করতে পারে।

• মডিউলাস (Modulus) বা মোড নাম্বার:
- কাউন্টার সর্বাধিক যতটি সংখ্যা গণনা করতে পারে তাকে তার মডিউলাস বা মোড নাম্বার বলা হয়।
- কোনো কাউন্টারে n টি ফ্লিপ-ফ্লপ থাকলে তার মডিউলাস হয় 2n
- ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা বৃদ্ধি করলে মোড নাম্বার বা মডিউলাসও বৃদ্ধি পায়।

• কাউন্টারের ব্যবহার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে কাউন্টারের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়।
- ক্লক পালসের সংখ্যা গণনার কাজে।
- টাইমিং সিগনাল প্রদানের কাজে।
- ডিজিটাল ঘড়িতে।
- ডিজিটাল কম্পিউটারে।
- অ্যানালগ সিগনালকে ডিজিটাল সিগনালে রূপান্তরের কাজে ব্যবহার করা হয়।

• কাউন্টারের প্রকারভেদ:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে বিভিন্ন ধরনের কাউন্টার ব্যবহৃত হয়।

• সিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Synchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি মাত্র ক্লক পালস দিয়ে সব ফ্লিপ-ফ্লপের অবস্থা পরিবর্তন ঘটে। উদাহরণ: রিং কাউন্টার, মড-১০ কাউন্টার।

• অ্যাসিঙ্ক্রোনাস কাউন্টার (Asynchronous counter):
- এ ধরনের কাউন্টারে একটি ফ্লিপ-ফ্লপের আউটপুট অন্য ফ্লিপ-ফ্লপের ক্লক পালস হিসেবে কাজ করে। উদাহরণ: রিপল কাউন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৭৫.
প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুলকে কী বলা হয়?
  1. ক) এরর
  2. খ) ডিবাগিং
  3. গ) বাগ
  4. ঘ) মিসটেইক
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রামে সংঘটিত যাবতীয় ভুল-ত্রুটিকে বাগ বলা হয়।

প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল-ত্রুটিগুলো সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে ডিবাগিং বলা হয়।

উৎস: BBA( মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৭৬.
সার্চ ইঞ্জিনের কোন সফটওয়্যারটি ওয়েবে ভেসে বেড়ায় ও নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে? 
  1. স্পাইডার সফটওয়্যার
  2. কুয়েরি সফটওয়্যার
  3. ডাটাবেজ সফটওয়্যার
  4. ইনডেক্স সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন: 
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে। 
যেমন- Google, সার্চ Yahoo, Bing, MSN, পিপীলিকা ইত্যাদি। 
- মূলত ৩ টি প্রধান সফটওয়্যারের মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনসমূহ তাদের কর্মকান্ড সম্পন্ন করে থাকে। 
যেমন- 
১। ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software), 
২। ইনডেক্স সফটওয়্যার (Index Software) এবং 
৩। কুয়েরি সফটওয়্যার (Query Software)। 

ওয়েব ক্রোলার (Web Crawler) বা স্পাইডার সফটওয়্যার (Spider Software): 
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যার এক ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্টারনেট ব্রাউজ করে এবং নতুন নতুন তথ্য তার ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে এবং সাজিয়ে (Indexing) রাখে। 
- গুগলের ক্রোলার (Crawler) সফটওয়্যারটি “Google Bot” নামে পরিচিত। 
- Google Bot নির্বিচ্ছিন্ন ভাবে ইন্টারনেটে বিচরণ করে বেড়ায় এবং যখনই নতুন কোন ওয়বেসাইট বা নতুন তথ্যের সন্ধান পায়, এটি গুগলের সার্ভারে সংরক্ষণ করে রাখে। 
- ওয়েব ক্রোলার বা স্পাইডার সফটওয়্যারকে অনেকে “সার্চ বট” বা “ইন্টারনেট বট”ও বলে থাকে। 
- স্পাইডার সফটওয়্যার ওয়েবে ভেসে বেড়ায় এবং নতুন নতুন ওয়েব পেইজের সন্ধান করে এবং তা তার নির্দিষ্ট ডেটাবেজে সংরক্ষণ করে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।
১,৩৭৭.
80286 কত বিটের প্রসেসর?
  1. ক) 8
  2. খ) 16
  3. গ) 24
  4. ঘ) 32
ব্যাখ্যা
8086, 8088, 80186, 80286 হলো ১৬ বিটের প্রসেসর।
অপরদিকে, 
- ৪০০৪, ৪০৪০ হল ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
- ৮০০৮, ৮০৮০ হল ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রো প্রসেসর।
১,৩৭৮.
মেমোরি ব্যবস্থার উন্নতির জন্য নিচের কোনটির অবদান সর্বাধিক?
  1. ট্রানজিস্টর
  2. ভ্যাকুয়াম টিউব
  3. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  4. মাইক্রো কন্ট্রোলার
ব্যাখ্যা
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট:
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) হচ্ছে বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক উপাদানগুলির সমাবেশ, যেখানে ক্ষুদ্রাকৃতির সক্রিয় ডিভাইস (যেমন, ট্রানজিস্টর এবং ডায়োড) এবং প্যাসিভ ডিভাইস (যেমন, ক্যাপাসিটর এবং র‍্যাসিস্টোর বা রোধ) এবং তাদের আন্তঃসংযোগগুলি একটি পাতলা স্তরের উপর নির্মিত হয়।
- পাতলা স্তরটি অর্ধপরিবাহী উপাদানের (সাধারণত সিলিকন) গঠিত হয়ে থাকে।
- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট মাইক্রোইলেক্ট্রনিক চিপ, মাইক্রোচিপ এবং চিপ নামেও পরিচিত।

• তৃতীয় প্ৰজন্ম কম্পিউটার:

- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে

একটি IC একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের উপর নিম্নলিখিত উপাদান গুলো দিয়ে গঠিত হয়:   
- ট্রানজিস্টর,
- রেজিস্টার,
- ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ।

উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
১,৩৭৯.
ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট এর কাজ কী?
  1. ক) ডেটা ইমেইল।
  2. খ) ডেটাবেজ তৈরি করা।
  3. গ) ডেটার নিরাপত্তা বিধান করা।
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা

ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার যা ডেটাবেজ তৈরি, পরিবর্তন, সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনার কাজে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণঃ MySQL, PostgreSQL, Microsoft Access, SQL Server, FileMaker, Oracle, dBASE, Clipper, and FoxPro. ইত্যাদি।

DBMS এর কাজসমূহঃ
১। প্রয়োজন অনুযায়ী ডেটাবেজ তৈরি করা (Create)।
২। নতুন ডেটা/রেকর্ড অন্তর্ভুক্ত করা (Append)।
৩। ডেটার ভূল অনুসন্ধান করা ও সংশোধন করা (Debug)।
৪। অপ্রয়োজনীয় ডেটা/রেকর্ড বাদ দেওয়া(Delete)।
৫। সম্পাদনার কাজ সম্পন্ন করা (Edit)।
৬। প্রয়োজনীয় ডেটা অনুসন্ধান করা (Search)।
৭। প্রয়োজন অনুয়ায়ী সম্পুর্ন ডেটাবেজকে যেকোন ফিল্ডের ভিত্তিতে বিন্যস্ত করা (Sort)।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

১,৩৮০.
Which technology was introduced in the third generation of computers?
  1. Artificial Intelligence
  2. Vacuum tubes
  3. Transistors
  4. Integrated Circuits (IC)
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার হয়।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম বা জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান)।

• প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২-১৯৫৯):
- আকারে বড় ও ভারী।
- উচ্চ শব্দ ও উত্তাপ সমস্যা।
- সীমিত তথ্য ধারণ ক্ষমতা।
- ধীর গতিসম্পন্ন।
- প্রথমে মেশিন ভাষা, তারপর এসেম্বলি ভাষার ব্যবহার।
- যেমন: ABC, ENIAC, UNIVAC.

• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯-১৯৬৫):
- ট্রানজিস্টার ব্যবহার।
- আকার ছোট ও হালকা।
- দ্রুত গতি।
- কম উত্তাপ।
- চুম্বকীয় কোর মেমোরি ব্যবহৃত।
- অ্যাসেম্বলি ভাষার প্রচলন।
- যেমন: IBM 1600, CDC 1604, NCR 300 সিরিজ।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360, PDP 11.

• চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- বর্তমান):
- মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনী ব্যবহার।
- আরও ছোট ও শক্তিশালী।
- মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব।
- সফটওয়্যার ও প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যবহার।
- CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ।
- মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের আবির্ভাব।
- উদাহরণ: IBM PS/2, Apple Macintosh.

• পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২-বর্তমান):
-তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- উন্নত মানের operating system.
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI- Artificial Intelligence) এর ব্যবহার।
- নিজস্ব বিচার-বুদ্ধি থাকবে।
- মানুষের কন্ঠস্বর বুঝতে পারবে।
- পরামর্শক হিসেবে কাজ করবে (ডাক্তার, শিক্ষক ইত্যাদি)।
- বিশাল তথ্য ধারণ ও প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট।
১,৩৮১.
ক্যাশ মেমরি সাধারণত কোথায় অবস্থিত?
  1. হার্ড ডিস্কের ভিতরে
  2. CPU-এর ভিতরে বা এর খুব কাছাকাছি
  3. বাহ্যিক স্টোরেজ ড্রাইভে
  4. CPU থেকে দূরে মাদারবোর্ডে
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মেমরি সাধারণত CPU-এর ভিতরে বা CPU-এর খুব কাছাকাছি অবস্থিত, তাই সঠিক উত্তর হলো খ)। ক্যাশ মেমরির মূল কাজ হলো প্রসেসরের কাজের গতি বৃদ্ধি করা। CPU যখন বারবার কোনো ডেটা বা নির্দেশনা ব্যবহার করে, তখন সেটি ক্যাশ মেমরিতে সংরক্ষণ করা হয় যাতে দ্রুত অ্যাক্সেস করা যায়। যেহেতু ক্যাশ মেমরি অত্যন্ত দ্রুতগতির, তাই এটি CPU-এর কাছেই রাখা হয়, অনেক সময় CPU চিপের ভেতরেই (L1, L2, L3 ক্যাশ)। হার্ড ডিস্ক বা বাহ্যিক স্টোরেজ অনেক ধীর হওয়ায় সেখানে ক্যাশ মেমরি থাকে না।
 
ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

১,৩৮২.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন?
  1. ক) Archie
  2. খ) Apache
  3. গ) Microsoft
  4. ঘ) WWW
ব্যাখ্যা
সার্চ ইঞ্জিন
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন হলো Archie.
- Archie ১৯৯০ সালের ১০ সেপ্টেম্বর চালু করা হয়। 
- কানাডা McGill University এর তিনজন তরুণ Alan Emtage, Bill Heelan and Peter Deutsch এই সার্চ ইন্জিন তৈরি করে। 

উল্লেখযোগ্য কিছু সার্চ ইঞ্জিনের নাম:
১. গুগল ( https://www.google.com/)
২. বিং (https://www.bing.com/)
৩. ইয়াহু (https://www.yahoo.com/)
৪. আসক ডট কম (http://www.ask.com/)
৫. এওএল ডট কম (www.aol.com)
৬. ব্লেকো ডট কম (http://blekko.com/)
৭. উলফ্রাম আলফা(http://www.wolframalpha.com/)
৮. ডাকডাকগো (https://duckduckgo.com/)
৯. ওয়েব্যাক মেশিন (www.waybackmachine.org) [archive.org]
১০. পিপীলিকা ডট কম [বাংলা সার্চ ইঞ্জিন] (www.pipilika.com/) [বর্তমানে অপ্রচলিত]

====================
• Apache এক ধরনের ওয়েব ব্রাউজার।
• মাইক্রোসফট (www.microsoft.com) একটি বৃহৎ টেক প্রতিষ্ঠান, যাদের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে বিং (https://www.bing.com/)
• অপরদিকে,
টিম বার্নাস লি - সর্বপ্রথম ১৯৯০ সালে ওয়েব ব্রাউজার উদ্ভাবন করেন।
- তাঁর উদ্ভাবিত প্রথম ব্রাউজারের নাম - WorldWideWeb. এটি ১৯৯৪ সালে এই নামে চালু থাকে।
- পরবর্তীতে ১৯৯৪ সালে WorldWideWeb এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় - Nexus.

Source: captechu.edu, Britannica
১,৩৮৩.
In which language are WWW documents written?
  1. IMAP
  2. HTTP
  3. JavaScript
  4. HTML
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ঘ) HTML

World Wide Web (WWW)
- World Wide Web হলো একটি সিস্টেম যা কম্পিউটারে ইন্টারনেট থেকে আনা টেক্সট, গ্রাফিক্স এবং অডিও প্রদর্শন করে।
- 1989 সালে টিম বার্নার্স-লি এবং তাঁর সহকর্মীরা CERN-এ WWW তৈরি করেন। 
- প্রতিটি একক retrieval হলো একটি ওয়েব পেজ, যা প্রায়শই সম্পর্কিত অন্যান্য পেজের লিঙ্ক ধারণ করে।
- WWW ব্যবহারকারীদের ডিপ ওয়েব, ডার্ক ওয়েব এবং সারফেস ওয়েবের মাধ্যমে গণমাধ্যম ও কনটেন্টে প্রবেশাধিকার দেয়।
- এটি হাইপারটেক্সট বা হাইপারমিডিয়া লিঙ্ক (হাইপারলিঙ্ক) ব্যবহার করে সম্পর্কিত তথ্য সংযুক্ত করে, যা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করে।
- হাইপারটেক্সট ব্যবহারকারীকে একটি শব্দ বা বাক্যাংশ নির্বাচন করে অতিরিক্ত তথ্যযুক্ত অন্যান্য ডকুমেন্টে পৌঁছানোর সুযোগ দেয়।
- হাইপারমিডিয়া ডকুমেন্টে ছবি, সাউন্ড, অ্যানিমেশন এবং ভিডিও লিঙ্ক করা থাকে।
- WWW ইন্টারনেটের ক্লায়েন্ট-সার্ভার ফরম্যাটে কাজ করে, যেখানে সার্ভার ডকুমেন্ট সংরক্ষণ করে এবং ক্লায়েন্ট প্রোগ্রাম (ব্রাউজার) অনুরোধ করলে তা প্রেরণ করে।
- ডকুমেন্টগুলি HTML (HyperText Markup Language)-এ লেখা হয় এবং URL (Uniform Resource Locator) দ্বারা অনলাইন ঠিকানা পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১,৩৮৪.
বাংলাদেশে স্থাপিত একমাত্র সুপার কম্পিউটার বর্তমানে কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরে
  2. বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলে
ব্যাখ্যা
♦ সুপার কম্পিউটার (Super Computer):
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে। 
- ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER-205, ETA-D2P ইত্যাদি সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ। 
- বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ল্যাবে IBM RS/6000 SP মডেলের একমাত্র সুপার কম্পিউটারটি রয়েছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৫.
"Amazon Aurora" কোন ধরনের সার্ভিস?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং
  2. ডেটাবেজ
  3. প্রোগামিং
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• "Amazon Aurora" - ডেটাবেজ প্রোগ্রাম।

• ডেটাবেজ:
- ডাটাবেজ হলো সংগৃহীত ডাটা যা একই সময়ে ডাটা সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অনেক এ্যাপ্লিকেশন কিংবা নির্দিষ্ট কোন এ্যাপ্লিকেশনকে সেবা প্রদানের জন্য সংগঠিত হয়।
- ডাটাবেজ হচ্ছে ডাটাসমৃদ্ধ এক বা একাধিক ফাইলের সমষ্টি।
- ডাটাবেজের বিভিন্ন উপাদানসমূহ হলো- ১. ডাটা (Data) ২. রেকর্ড (Record) ৩. ফিল্ড (Field) ও ৪. ডাটা টেবিল (Data Table)।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হলো:
- মাইক্রোসফট এক্সেস
- ফক্সপ্রো
- ডিবেজ
- ফক্সবেইজ
- ওরাকল
- প্যারাডক্স
- ফোর্থ ডাইমেনশন
- MySQL ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৮৬.
যে কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিজে নিজেই অন্য কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে কপি হয় তাকে ____বলে।
  1. Program Virus
  2. Worms
  3. Trojan Horse
  4. Boot Virus
ব্যাখ্যা
Computer Worm:
A self-replicating program that propagates itself through a network onto other computer systems without requiring a host program or any user intervention to replicate.

কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে পড়ে এবং অন্যান্য কম্পিউটারকেও সংক্রমিত করে। নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

তথ্যসুত্রঃ https://csrc.nist.gov/glossary/term/worm


বাকী ৩টির মধ্যে Program and Boot Virus হচ্ছে Computer Virus এর উদাহরণ। এবং Trojan Horse একটি Malware.
১,৩৮৭.
Which of the following is an antivirus software?
  1. MySQL
  2. Avira
  3. Informix
  4. Sybase
  5. All of the above
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
১,৩৮৮.
Which of the following is not computer hardware?
  1. Monitor
  2. RAM
  3. MS Paint
  4. Keyboard
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস, 
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং 
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস। 

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত।
অর্থাৎ, কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

সফটওয়্যার:
- সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। - কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, MS paint, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.

অন্যদিকে,
- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৮৯.
বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়‍্যারকে কী বলে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ম্যালওয়্যারকে অ্যাডওয়্যার বলা হয়।

• Malware:

- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- Malware এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলো:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ওয়ার্ম (Worms) ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
১,৩৯০.
ইউনিকোড উদ্ভাবনে নিচের কোন কোম্পানির প্রকৌশলীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) Microsoft Corporation
  2. খ) Apple Computer Corporation
  3. গ) Xerox Corporation
  4. ঘ) খ ও গ
ব্যাখ্যা
ইউনিকোড (UNICODE) বিশ্বের সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোড ভুক্ত করার জন্য বড় বড় কোম্পানিগুলাে একটি মান তৈরি করেছেন যাকে ইউনিকোড বলা হয়।
- ইউনিকোড-এর পূর্ণ অর্থ Universal Code বা সার্বজনীন কোড।
- বর্তমানে বিশ্বব্যাপী প্রচলিত আসকি কোডের পাশাপাশি ইউনিকোড সিস্টেম চালু হয়েছে।
- ইউনিকোড হচ্ছে ১৬ বিট কোড। বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার ও টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের মাধ্যমে ৬৫৫৩৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- পৃথিবীর সব ভাষাভাষীর জন্য তাদের ভাষায় কম্পিউটিং করা সহজ করার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে অ্যাপল কম্পিউটার কর্পোরেশন এবং Xerox Corporation-এর একদল কম্পিউটার প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- Unicode Consortium-এর সদস্য হয়ে বাংলা ভাষাও ইউনিকোডভুক্ত হয়েছে।
রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
১,৩৯১.
১ গিগাবাইট = ?
  1. ক) ২১০ বাইট
  2. খ) ২২০ বাইট
  3. গ) ২৩০ বাইট
  4. ঘ) ২৪০ বাইট
ব্যাখ্যা
- ১ নিবল সমান ৪ বিট।
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
১,৩৯২.
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটভিত্তিক প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো-
  1. ক) আইবিএম সিস্টেম ৩৬০
  2. খ) পিডিবি-৮
  3. গ) অ্যালটেয়ার ৮৮০০
  4. ঘ) টিএক্সও
ব্যাখ্যা
১৯৫৮ সালে ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে জ্যাক কেলবি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি তৈরি করেন। এর ফলে কম্পিউটারের আকার হ্রাস পায়, ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, মূল্যও অনেক কমে আসে। আইসি দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হল আইবিএম সিস্টেম ৩৬০। এটি ১৯৬৪ সালের তৈরি করা হয়। (সূত্রঃ আইবিএম এবং কম্পিউটার হিস্টোরি ওয়েবসাইট)
১,৩৯৩.
অভ্র কিবোর্ডে বাংলা থেকে ইংরেজি কিংবা ইংরেজি থেকে বাংলায় সুইচ করার জন্য কোন 'ফাংশন কী' ব্যবহার করা হয়?
  1. F5
  2. F7
  3. F11
  4. F12
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,৩৯৪.
কোন মেশিনটিকে 'Tebulating Machine' নামেও ডাকা হয়?
  1. ক) MARK-1
  2. খ) HOLLERITH Machine
  3. গ) Analytical Engine
  4. ঘ) Different Engine
ব্যাখ্যা

HOLLERITH Machine এর অপর নাম Tebulating Machine.

- Tebulating Machine হল বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন।
- মেশিনটি আবিষ্কার করেন Hermam Hollerith.
- এই মেশিনটিতেই প্রথম PuncheDcard ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

১,৩৯৫.
নিচের কোনটি একটি RDBMS সফটওয়্যার নয়?
  1. Microsoft Access
  2. MySQL
  3. Linux
  4. Informix
ব্যাখ্যা

• Linux হলো একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার পরিচালনা করে। এটি ডাটাবেস পরিচালনা করার জন্য কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যার নয়।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

• জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৯৬.
কোনটি EMTS-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য?
  1. কাগজের নোট তৈরি করা
  2. ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর
  3. বীমা সেবা দেওয়া
  4. ঋণ প্রদান
ব্যাখ্যা

• EMTS-এর অর্থ হলো Electronic Money Transfer System বা ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম। এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়াকে ডিজিটাল মাধ্যমে সরল ও দ্রুত করা। অর্থাৎ, এটি সরাসরি কাগজের নোট ব্যবহার না করে ব্যাংক বা অন্যান্য ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অর্থ পাঠানো ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে। EMTS-এর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা অনলাইনে নিরাপদভাবে টাকা পাঠাতে, গ্রহণ করতে এবং লেনদেনের হিসাব রাখতে পারেন। এটি বীমা সেবা দেওয়া বা ঋণ প্রদান করার জন্য নয়, বরং শুধু ডিজিটাল আর্থিক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে EMTS-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো “ডিজিটাল মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর”।

ইএমটিএস: 
- EMTS এর পূর্ণরূপ Electronic Money Transfer Service.
- ইএমটিএস বাংলাদেশ ডাক বিভাগের অন্তর্ভুক্ত একটি সেবা।
- ২৬ মার্চ ২০১০ তারিখে দেশব্যাপী ইলেকট্রনিক মানি ট্রন্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) এর উদ্বোধন করা হয়। 
- বর্তমানে এ সার্ভিসের মাধ্যমে খুবই স্বল্প কমিশনের (০.৫০%) বিনিময়ে লেনদেন করা যায়।
- ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সার্ভিস (ইএমটিএস) National Digital Innovation Award ২০১১ তে অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইএমটিএস e-Finance ক্যাটাগরীতে Champion হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে কম খরচে ও দ্রুত সময়ে টাকা পাঠানোর একটি মাধ্যম হলো ইএমটিএস।

উৎস:
১. ডাক অধিদপ্তর।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৩৯৭.
পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন কে?
  1. জন ভন নিউম্যান
  2. হাওয়ার্ড আইকেন
  3. চার্লস ব্যাবেজ
  4. ড. জন মউসলি ও প্রেসপার
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড আইকেন মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিল হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল।
- মার্ক-১ কম্পিউটারটি ১৫ বছর চালু ছিল।
- বর্তমানে এটি প্রদর্শনের জন্য হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে সংরক্ষিত আছে।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৩৯৮.
What is the function of a cell in MS Excel?
  1. ক) A formula or equation
  2. খ) A container for data
  3. গ) A chart or graph
  4. ঘ) A table or pivot table
ব্যাখ্যা
-  A cell in MS Excel is a container for data, typically represented as text or numbers. Each cell is identified by its unique address, such as "A1," "B3," etc. Cells can be formatted and can include data validation, comments and formulas.

Reference: support.microsoft.com
১,৩৯৯.
কত সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারণার সৃষ্টি হয়?
  1. ক) ১৯০০
  2. খ) ১৯১০
  3. গ) ১৯২৯
  4. ঘ) ১৯৩৩
  5. ঙ) ১৯৩০
ব্যাখ্যা
১৯৩০ সালে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ধারণার সৃষ্টি হয়।
উৎসঃতথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি- মোঃ মজিবুর রহমান।
১,৪০০.
কুকিজ (Cookies) কোথায় জমা থাকে?
  1. ক) হার্ডডিস্কে
  2. খ) ক্যাশে মেমোরিতে
  3. গ) র‍্যামে
  4. ঘ) রমে
ব্যাখ্যা
টেম্পোরারি ফাইল ও কুকিজ  ইন্টারনেট ব্রাউজারের ক্যাশ মেমরিতে জমা হয়। 
এতে কম্পিউটারের কাজের গতি হ্রাস পায়। 

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।