PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
কম্পিউটার
কম্পিউটার
PrepBank · পাতা ১২ / ৮২ · ১,১০১–১,২০০ / ৮,১৪১
ব্যাখ্যা
- সিস্টেম সফটওয়্যার বিশ্লেষণ, কনফিগার, অপ্টিমাইজ বা কম্পিউটারের সাথে সমন্বয় বজায় রাখার জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা সফটওয়্যারকে ইউটিলিটি সফটওয়্যার বলা হয়।
• নিম্নলিখিত ধরনের সফটওয়্যারগুলো ইউটিলিটি সফটওয়্যার হিসেবে পরিচিত:
- এন্টিভাইরাস,
- অনুবাদক সফটওয়্যার,
- ফাইল কম্প্রেসর সফটওয়্যার,
- ব্যাকআপ/ফাইল রিকোভারি সফটওয়্যার,
- ক্লিপবোর্ড ম্যানেজার সফটওয়্যার,
- ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন,
- সর্ট ও মার্জ প্রোগ্রাম,
- লিংকার প্রোগ্রাম ইত্যাদি।
- সাধারণত, কম্পিউটারের সার্বিক রক্ষণাবেক্ষণ এবং এর কার্যক্ষমতা বজায় রাখার জন্য ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের সফটওয়্যার কম্পিউটারের গতি ও দক্ষতা বাড়ায় এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনায় সহায়তা করে।
- ইউটিলিটি সফটওয়্যারের প্রধান কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে: ফাইল তৈরি ও সংরক্ষণ করা, ডেটা মুছে ফেলা, ডিস্ক ফরম্যাট করা, অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।
- উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের আওতায় কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সিস্টেম টুলস হিসেবে সংযোজিত হয়েছে।
- সিস্টেম সংক্রান্ত ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সংশোধন, ভাইরাস স্ক্যানিং, ডিস্ক পার্টিশনিং ইত্যাদি কাজে এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।
- উল্লেখযোগ্য কিছু ইউটিলিটি সফটওয়্যার হলো: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা গুলো হচ্ছে - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F.
এখানে,
A = 10
B = 11
C = 12
D = 13
E = 14
F = 15
সংখ্যা ও অক্ষর উভয়ই থাকার কারনে এটিকে আলফানিউমেরিক সংখ্যা পদ্ধতিও বলা হয়।
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (উন্মুক্ত)।
ব্যাখ্যা
• বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান বা ডেসিমেল নাম্বার পাওয়ার যাবে।
এখানে,
100111
= 1 × 25 + 0 × 24 + 0 × 23 + 1 × 22 + 1 × 21 + 1 × 20
= 32 + 0 + 0 + 4 + 2 + 1
= 39
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• মেশিন ভাষাই কম্পিউটারের সর্বনিম্ন স্তরের ভাষা।
• মেশিন ভাষা:
- মেশিন ভাষা হলো কম্পিউটারের সবচেয়ে নিম্ন স্তরের ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকেই মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এই ভাষা বাইনারি সংখ্যা (১) এবং শূন্য (০) অথবা হেক্সাডেসিমাল সিগন্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু প্রকাশ করে।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলির জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া–প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিন ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।
• মেশিন ভাষার সুবিধা:
১. এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব।
২. সর্বোচ্চ পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
৩. এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
৪. মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষার তুলনায় দ্রুত কাজ করে।
• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
১. এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
২. এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
৩. মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামারের প্রয়োজন।
৪. প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি শনাক্ত ও সংশোধন করা কষ্টসাধ্য।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে যদি ভুল বা অযৌক্তিক ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার সেই অনুযায়ী ভুল আউটপুট দেয়।
- এটাই হলো GIGO, অর্থাৎ "Garbage In, Garbage Out"।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
যদি ক্যালকুলেটরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়, সঠিক গাণিতিক নিয়মেও ফলাফল ভুল হবে।
• তাই, কম্পিউটারের আউটপুট সবসময় নির্ভর করে ইনপুটের উপর।
- GIGO বলতে বোঝানো হয় — ভুল ডেটা দিলে, ভুল ফলাফলই পাওয়া যাবে।
তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
ব্যাখ্যা
- হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক, টেপ ক্যাসেট - মেগনেটিক স্টোরেজ ডিভাইস।
- সিডি রম ও ডিভিডি ডিস্ক - অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস।
- মেমরি কার্ড, মেমরি স্টিক, পেন ড্রাইভ, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) - ফ্ল্যাশ মেমরি ডিভাইস।
সূত্র: মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবর রহমান)।
ব্যাখ্যা
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরাল
২. আউটপুট পেরিফেরাল এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল।
১. ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড , ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার , লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।
২. আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার , স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার সাধারণত এমন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশে ব্যবহৃত হয় যা নির্দিষ্ট কাজ বা ফাংশন সম্পাদনের জন্য ডিজাইন করা। এগুলো সাধারণ কম্পিউটারের মতো সার্বিক প্রোগ্রাম চালাতে পারে না, বরং নির্দিষ্ট কাজের জন্য বিশেষভাবে প্রোগ্রাম করা থাকে। উদাহরণ হিসেবে, মাইক্রোওয়েভে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় ভেতরের তাপমাত্রা, সময় এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য, যাতে খাবার সঠিকভাবে গরম হয়। অন্যদিকে, ওয়ার্ড প্রসেসিং, ভিডিও এডিটিং বা ওয়েব ব্রাউজিং এর মতো জটিল সফটওয়্যার চালানোর জন্য সাধারণ ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রয়োজন। সুতরাং এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের প্রধান ক্ষেত্র হলো মাইক্রোওয়েভ।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।
• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- গাড়ি,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং ইত্যাদি।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- রিপোর্ট শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো প্রতিবেদন।
- ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে।
- সাধারণত কোন তথ্য সরবরাহ বা বিতরণ করার জন্য রিপোর্ট ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি কলাম ও সারি অনুযায়ী সাজিয়ে রিপোর্ট উপস্থাপন করা হয়।
- ডাটাবেজে রিপোর্টের ক্ষেত্রে কেবলমাত্র ডেটা টেবিলের ভিত্তিতে নয়, কুয়েরি থেকে প্রাপ্ত তথ্য দিয়েও রিপোর্ট তৈরি করা যায়।
সূত্র- কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
- ১৯৮০ সালে প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন ভাইরাসের নামকরণ করেছেন।
- ভাইরাস নামক সফটওয়্যার কম্পিউটার এর তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এবং নিজের সংখ্যা বৃদ্ধি করার ক্ষমতা রয়েছে এবং এক পর্যায়ে কম্পিউটারকে অচল করে দিতে পারে।
- ভাইরাস বা VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো “Vital Information Resources Under Seize”.
- কোনোভাবে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্র ভাইরাসে আক্রান্ত হলে তা ক্রমে ক্রমে বিস্তার ঘটে।
- কম্পিউটারে আক্রমণের ধরন অনুযায়ী কম্পিউটার ভাইরাস অনেক ধরনের হয়।
যেমন- বুট সেক্টর ভাইরাস, ট্রোজান হর্স ভাইরাস, ফাইল সংক্রামক ভাইরাস, ম্যাক্রো ভাইরাস, ওভার রাইটিং ভাইরাস, মেমোরি রেসিডেন্ট ভাইরাস, মিউটেটিং ভাইরাস এবং স্টোন ভাইরাস ইত্যাদি।
কম্পিউটার এন্টি-ভাইরাস:
- অবশ্য কম্পিউটার ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে কম্পিউটার বা আইসিটি যন্ত্রসমূহকে রক্ষা করতে এন্টিভাইরাস ইউটিলিটি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হয়।
- বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম ব্যবহার করে ভাইরাস, ওয়ার্ম কিংবা ট্রোজান হর্স ইত্যাদি থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া যায় যেগুলোকে বলা হয় এন্টি-ভাইরাস বা এন্টি-ম্যালওয়্যার সফটওয়্যার।
- বেশিরভাগ এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার বিভিন্ন ম্যালওয়্যারের বিরুদ্ধে কার্যকরী হলেও প্রথম থেকে এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- এন্টি-ভাইরাস সফটওয়্যারের মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো- নরটন, অ্যাভাস্ট, প্যান্ডা, কাসপারেস্কি, মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনসিয়াল ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- অন্যান্য সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামের ন্যায় অপারেটিং সিস্টেমও এক ধরনের সফটওয়্যার।
- কম্পিউটার সিস্টেম জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বণ্টন, তত্ত্বাবধান, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগ্রাম পরিচালনা- সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Select all document content - Ctrl+A
- Bold or Unbold - Ctrl + B
- Delete the selected item - Ctrl + D
- Replace - Ctrl + H
- Save - Ctrl + S
- Copy - Ctrl + C
- Paste - Ctrl + V
- Undo - Ctrl + Z
- Redo - Ctrl + Y
- Print - Ctrl + P
- Find - Ctrl + F
- Cut - Ctrl + X
উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দুইটি মাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- দুটি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 2 ।
- সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তির উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে ভাগ করা হয়:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal number system)
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary number system)
৩. অক্ট্যাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal number system)
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal number system)
উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
ব্যাখ্যা
• এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডগুলোকে ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়াকে Sorting বলা হয়। এটি ডেটাবেস এবং প্রোগ্রামিং উভয় ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। Sorting সাধারণত দুই ধরনের হতে পারে: Ascending (ছোট থেকে বড়) এবং Descending (বড় থেকে ছোট) ক্রম। উদাহরণস্বরূপ, একটি ছাত্রের নাম, রোল নম্বর বা গ্রেড অনুযায়ী তালিকা সাজানো যায়। Sorting ডেটা দ্রুত খুঁজে বের করা, বিশ্লেষণ করা এবং রিপোর্ট তৈরি করা সহজ করে তোলে। অন্য অপশন গুলো- Indexing, Cryptography, Query- তাত্ত্বিকভাবে ভিন্ন কাজ করে। তাই এক বা একাধিক ফিল্ডের সাহায্যে রেকর্ড সাজানোর সঠিক নাম Sorting.
- উত্তর: ঘ) Sorting.
• অপশন আলোচনা:
- কুয়েরি (Query):
- কুয়েরি হলো ডেটাবেস থেকে নির্দিষ্ট তথ্য খোঁজার বা বের করার একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য ফিল্টার বা সার্চ করতে ব্যবহৃত হয়, তবে কুয়েরির মাধ্যমে সর্ট করা গেলেও, নিজে থেকে এটি "Sorting" নয়।
- ক্রিপটোগ্রাফি (Cryptography):
- ক্রিপটোগ্রাফি হলো তথ্য গোপন বা নিরাপদ রাখার বিজ্ঞান। এটি ডেটা এনক্রিপ্ট বা ডিক্রিপ্ট করার কাজে ব্যবহৃত হয়। Sorting-এর সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই।
- সর্টিং (Sorting):
- এটাই সঠিক উত্তর। এটি রেকর্ড বা তথ্যকে নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানোর প্রক্রিয়া বোঝায়।
- ইনডেক্সিং (Indexing):
- ইনডেক্সিং হলো ডেটাবেসে তথ্য খোঁজার গতি বাড়ানোর একটি পদ্ধতি। এটি তথ্য সাজায় না, বরং তথ্য খোঁজা দ্রুত করে। Sorting-এর মতো এটি রেকর্ডের অর্ডার পরিবর্তন করে না।
- ডাটাবেজ টেবিলের রেকর্ডসমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
সুতরাং, রেকর্ডকে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং (Sorting) বলে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সর্টিং।
• সর্টিং:
- ডাটা টেবিল তৈরি করে তাতে অনেক ডাটা এন্ট্রি করে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি করার সময় সাধারণত ধারাবাহিকতা মানা হয় না।
- কিন্তু কম্পিউটার ব্যবস্থাপনায় বিভিন্ন ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এ্যাকসেস) এর সাহায্যে লক্ষ লক্ষ ডেটার ডেটাবেজ তৈরি করে সর্ট বা ইনডেক্স নির্দেশ দিয়ে এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে সর্ট বা ইনডেক্স করা যায়। একে বলা হয় ডেটাবেজ সর্টিং।
- অর্থাৎ, এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।
- রেকর্ডসমূহকে দু'ভাবে সর্ট করা যায়। যেমন:
১. Ascending (উচ্চ ক্রমানুসারে) - ছোট থেকে বড় আকারে।
২. Descending (নিম্ন ক্রমানুসারে) - বড় থেকে ছোট আকারে।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
NAND, NOR, XOR, XNOR
ব্যাখ্যা
বুলিয়ান অ্যালজেবরায়, দুইটি মান থাকে — ০ এবং ১।
কোনো মানের "পূরক" মানে হলো উল্টো মান।
পূরককে সাধারণত ¯ চিহ্ন (বার) বা ' (প্রাইম) চিহ্ন দিয়ে প্রকাশ করা হয়।
উদাহরণ:
১-এর পূরক = ০
০-এর পূরক = ১
যদি A একটি মান হয়, তাহলে:
যদি A = ১ হয় → তাহলে A' = ০
যদি A = ০ হয় → তাহলে A' = ১
উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ লাওরিয়েট রিচার্ড ফাইনম্যান (laureate Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি
রাখে। আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটার সম্পদের সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া। কয়েকটি প্রোগ্রামকে সাধারণকরণের মাধ্যমে এ প্রক্রিয়া ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, central processor, communications links peripheral devices-এর সুষ্ঠ ব্যবস্থা সিস্টেম সফটওয়্যার নিশ্চিত করে।
- Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris হলো সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
Operating system, Compiler, Utilities - এই তিনটিই সিস্টেম সফটওয়্যার।
সিস্টেম সফটওয়্যারকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
২) সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
৩) সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম বা সফটওয়্যার।
সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার, ডেটা এবং নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সিস্টেম ম্যানেজমেন্ট প্রােগ্রাম নিম্মলিখিত ইউনিটগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) অপারেটিং সিস্টেম (Operating System)
২) ডেটাবেস ম্যনেজমেন্ট (Database Management) সিস্টেম ও
৩) নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট (Network Management) প্রােগ্রাম।
সিস্টেম সাপাের্ট সফটওয়্যার
সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী সার্ভিস প্রােগ্রাম, নিরাপত্তা প্রদানের প্রােগ্রাম এবং কাজের হিসাব-নিকাশসহ ইত্যাদি কাজ সম্পাদন করতে পারে। সিস্টেম সাপাের্ট প্রােগ্রাম নিম্নলিখিত প্রােগ্রামগুলাে নিয়ে গঠিত। যথা-
১) সিস্টেম ইউটিলিটি প্রােগ্রাম
২) সিস্টেম পারফরমেন্স (Performance) মনিটর প্রােগ্রাম ও
৩) সিস্টেম সিকিউরিটি মনিটর প্রােগ্রাম।
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
- অনুবাদক প্রোগ্রাম অ্যাসেম্বলার, কম্পাইলার ও ইন্টারপ্রেটার এই তিন ধরনের হয়ে থাকে।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস
উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
- GUI প্রযুক্তির মাধ্যমে কম্পিউটার ব্যবহারে দক্ষতা ও গতি বাড়ে এবং এটি ব্যবহারকারী বান্ধব পরিবেশ তৈরি করে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: খ) গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস।
• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ (175)10 = (257)8
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ৮ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ অক্টাল সংখ্যা।
175 ÷ 8 = 21 ভাগশেষ 7
21 ÷ 8 = 2 ভাগশেষ 5
2 ÷ 8 = 0 ভাগশেষ 2
এখন ভাগশেষগুলো উল্টোদিক থেকে লিখলে পাওয়া যায় → 257
ব্যাখ্যা
• FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।
উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
দশমিক ভগ্নাংশকে ২ দ্বারা গুণ করতে হয় এবং গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষিত রেখে ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দ্বারা গুণ করতে হয়, এরপর পূর্ণ অঙ্ক হিসেবে প্রাপ্ত অঙ্কগুলো প্রাপ্তির ক্রমানুসারে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণসমূহ: Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।
• চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
- বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
- কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
- মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
- নতুন কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
- নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
- এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
- মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit)
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit) ও
৩. রেজিস্টারসমূহ (Register Set)
উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো অ্যালগরিদম ব্যবহার না করে সহজভাবে সমস্যা সমাধান করার ল্যাঙ্গুয়েজ।
- এ ভাষাকে এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যেন পূর্বের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মতো জটিল কোড লিখতে পারে এমন প্রোগ্রামার ছাড়াই কম্পিউটার দিয়ে সমস্যা সমাধান করা যায়।
- ফলে প্রোগ্রামারদেরকে কিভাবে একটি রুটিন অথবা অ্যালগরিদম প্রয়োগ করতে হবে, তা চিন্তা না করে কী সমস্যা সমাধান করতে হবে, কী শর্ত পূরণ করতে হবে, তা নিয়ে ভাবলেই চলে ।
- পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা গবেষণায় ব্যবহৃত হয়।
- Prolog, OPS5 ও Mercury হলো পঞ্চম প্রজন্মের ল্যাঙ্গুয়েজের উদাহরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix.
- এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।
• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.
• এছাড়াও, অডিও ফাইলস:
- .mp3
- .wav
• টেক্সট ও ডকুমেন্ট ফাইলস:
- .doc
- .docx
- .rtf
- .txt
• ভিডিও ফাইলস:
- .flv
- .avi
- .mp4
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেম হলো এমন একটি কম্পিউটার সিস্টেম যা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে বাধ্য, এবং সময়সীমা লঙ্ঘন হলে তা গুরুতর ফলাফল সৃষ্টি করতে পারে। উদাহরণ হিসেবে গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেমকে ধরা যায়। দুর্ঘটনার সময় এয়ারব্যাগ ঠিক সময়ে না খোলায় যাত্রীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে, তাই এটি কঠোরভাবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অন্যদিকে অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট, ওয়ার্ড প্রসেসর, এবং ভিডিও স্ট্রিমিং অ্যাপ্লিকেশন সফট রিয়েল-টাইম বা নন-রিয়েল-টাইম সিস্টেম, যেখানে দেরি হলেও বড় ধরনের ক্ষতি হয় না। তাই গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম হার্ড রিয়েল-টাইম সিস্টেমের স্পষ্ট উদাহরণ।
- উত্তর: ক) গাড়ির এয়ারব্যাগ সিস্টেম।
• রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম (Realtime Operating System):
- রিয়েল টাইম সিস্টেমে কম্পিউটারকে ভালভাবে সংজ্ঞায়িত ও সুর্নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রসেসিং-এর কাজ সমাধান করে ফলাফল দিতে হয় যাতে ব্যবহারকারীর কোনো ক্ষতি না হয়।
- এটি সাধারণত এমন পরিবেশে ব্যবহৃত হয় যেখানে সময়সীমা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেমন এমবেডেড সিস্টেম, রোবোটিক্স, অটোমোটিভ সিস্টেম এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল কন্ট্রোল সিস্টেম।
- এই পদ্ধতিটিও একপ্রকার অনলাইন প্রসেসিং।
- তবে অনলাইন প্রসেসিং-এর ক্ষেত্রে ফলাফল বা আউটপুট দিতে সামান্য দেরি হলেও ব্যবহারকারীর তেমন অসুবিধা হয় না।
- কিন্তু রিয়েল টাইমের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অবশ্যই ফলাফল দিতে হবে নতুবা ব্যবহারকারীর বিরাট ক্ষতি হয়।
- উদাহরণ: টিকেট বুকিং সিস্টেম, প্লেন পরিচালনার অপারেটিং সিস্টেম।
আরো কিছু রিয়েলটাইম অপারেটিং সিস্টেম:
- FreeRTOS,
- QNX,
- ThreadX, ইত্যাদি।
সূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
- IEEE. [link]
ব্যাখ্যা
- UNIX - 1970
- LINUX - 1990
- Windows - 1985
- iOS - 2007
- Symbian - 1977
- Android - 2008
- MacOS - 1990
উৎস: ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে ডিজাইন করা কম্পিউটিং সিস্টেম, যা একটি বৃহত্তর সিস্টেমের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে।
- ডেস্কটপ কম্পিউটার হলো জেনারেল-পারপাস কম্পিউটিং ডিভাইস, যা এমবেডেড সিস্টেম নয়। এটি বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন চালানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- স্মার্ট টিভি,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope Website.
ব্যাখ্যা
• মাউস (Mouse):
- Mouse হচ্ছে কীবোর্ডের পাশাপাশি আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ইনপুট ডিভাইস।
- মাউস দিয়ে কীবোর্ডের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করা যায়।
• মাউস দুই ধরনের হয়:
যেমনঃ Mechanical ও Optical.
- মেকানিক্যাল (Mechanical): মাউসের নিচের দিকে একটি বল থাকে এজন্য মাউস মুক্ত করলে ডেস্কটপে কার্সরও উপর/নিচ/ডান/বাম মুভ করে। এ ধরণের মাউসের ব্যবহার এখন আর নেই।
- অপটিক্যাল (Optical): মাউসের নিচের দিকে বলের পরিবর্তে একটি Ray যারা মুভ হয়। এই মাউস ক্যাবলসহ হতে পারে আবার Wireless ও হতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• এনটিটির (Entity) অন্তর্গত প্রত্যেকটি ফিল্ডকে সাধারণত এট্রিবিউট (Attribute) নামে চিহ্নিত করা হয়। একটি এনটিটি হলো বাস্তব বিশ্বের কোনো বিষয়, যেমন একজন ছাত্র বা একটি বই, যা ডাটাবেসে আলাদাভাবে সংরক্ষিত থাকে। এই এনটিটির প্রতিটি ফিচার বা বৈশিষ্ট্য, যেমন ছাত্রের নাম, বয়স, ঠিকানা বা বইয়ের শিরোনাম, লেখক, প্রকাশন সাল, এগুলোকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করতে এট্রিবিউট ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলো - যেমন ভ্যালু হলো কোনো এট্রিবিউটের নির্দিষ্ট মান, ফরেন কী হলো সম্পর্কিত টেবিলের মূল কী, আর এনটিটি সেট হলো একই ধরনের একাধিক এনটিটির সমষ্টি। সুতরাং, এনটিটির ফিল্ডকে চিহ্নিত করার জন্য সঠিক উত্তর হলো এট্রিবিউট।
• এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন।
• এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।
• ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
এটি এমন একটি ডিভাইস যা পেন্সিলের দাগকে শনাক্ত করতে পারে।
ওএমআর এর জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার টেস্ট ফর্মগুলোকে 'এনসিএস (NCS) কম্পাটিবল ফ্যান ফর্ম বলা হয়ে থাকে।
এই ধরনের ফর্মের উপর যেমন- জরিপ বা উত্তরপত্রের ফর্মের উপর থেকে পেন্সিলের দাগকে পড়ে নেওয়ার জন্য ওএমআর ব্যবহৃত হয়।
নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
এর প্রধান সুবিধা হচ্ছে এটা বিপুল পরিমাণ তথ্য অতিদ্রুত পাঠ করতে পারে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি–২, এসএসসি (ভোকেশনাল)
ব্যাখ্যা
◉ ডাটাবেজ ট্রানজ্যাকশনের ACID প্রপার্টিতে "D" দ্বারা বুঝায় Durability.
ACID বৈশিষ্ট্য:
- ACID হলো ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (DBMS) ট্রানজ্যাকশনের নির্ভরযোগ্যতা নিশ্চিত করার জন্য চারটি মূল বৈশিষ্ট্য:
A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।
উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
Source: amazon.com
ব্যাখ্যা
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ ও
৩. রেজিস্টার সমূহ।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Utility Software কম্পিউটারের রক্ষনাবেক্ষণ, পরিচালনা, অপ্টিমাইজ করতে ব্যবহার করা হয়।
পারফরমেন্স, সিকিউরিটি ইম্প্রুভ করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
এইসকল সফটওয়্যার অপারেটিং সিস্টেম বেইস কাজ করে যাতে কম্পিউটার থেকে সব থেকে ভালো আউটপুট পাওয়া যায়।
বিভিন্ন ধরনের উটিলিটি সফটওয়্যার গুলো:
1. Antivirus:
i) Windows Defender,
ii) AVG,
iii) AVAST,
iv) MACFEE.
2. File Management Tool:
i) macOS Finder,
ii) Directory Opus,
iii) Dolphin in KDE.
3. Compression Tool:
i) Win-Ace,
ii) Win-Zip,
iii) Win-RAR,
iv) 7-Zip
v) PKZIP
4 . Disk management Tool:
i) Mini Tool Partition Wizaed,
ii)Paragon Partition Wizard,
iii) SMART Monitoring Tools.
5. Disk CleanUp Tool:
i) Iolo System mechanic,
ii) IObit Advance SystemCare,
iii) Razer Cortex.
6 .Disk Defragmenter:
i) Auslogics Disk Defrag,
ii) MyDefrag,
iii) perfect Disk,
iv) Defraggler.
উৎস: geeksforgeeks.
ব্যাখ্যা
আনকোডেড মানে মানুষের ভাষা।
কোডেড মানে মেশিনের (কম্পিউটারের) ভাষা।
আমরা জানি, এনকোডার মানুষের ভাষাকে মেশিনের ভাষার রুপান্তর করে।
ব্যাখ্যা
• মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র।
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
• মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA),
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer),
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি।
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।
• মিনি কম্পিউটার:
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয়।
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়।
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়।
• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট সমান ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট সমান ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট সমান ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট সমান ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট সমান ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট সমান ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।
ব্যাখ্যা
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডাটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডাটা এনক্রিপ্ট করার জন্য বহুল ব্যবহৃত দুটি স্ট্যান্ডার্ডের নাম হলো সিজার কোড (Caesar Code) ও ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES)
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি।
যথা-
১. প্লেইন টেক্সট:
- যে ডাটা সাধারণভাবে করা যায়।
২. সাইফার টেক্সট:
- মূল মেসেজ কে এনক্রিপট করার পর প্রাপ্ত টেক্সট।
- এনক্রিপশনের ফলে টেক্সটটা দূর্বোধ্য হয়ে যায়।
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম:
- গাণিতিক ফর্মূলা যা মেসেজ এনক্রিপট করার সময় ব্যবহার করা হয়।
৪. কী:
- গোপন কোড যা এনক্রিপট না ডিক্রিপট করার কাজে ব্যবহার করা হয়।
- সাইফার টেক্সটকে প্লেইন টেক্সটে ফিরিয়ে আনার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Ruby হলো একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯০ সালে ইউকিহিরো ম্যাটসুমোটো নামক একজন জাপানি প্রোগ্রামার রুবি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরি করেন।
- 'রুবি অন রেইলস' ফ্রেমওয়ার্ক এর জন্য খুব অল্প সময়ের মধ্যে এই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজটি জনপ্রিয় হয়ে উঠে।
- রুবি ল্যাঙ্গুয়েজ এর লাইব্রেরি ব্যবহার করে বিভিন্ন রকমের ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করে যায়।
• CSS এর মাধ্যমে ওয়েব পেইজের ডিজাইন করা হয়।
• jQuery হলো একটি Javascript Library.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
- আকার, ক্ষমতা ও মূল্যের দিক দিয়ে সবচেয়ে ছোট।
- একীভূত বর্তনীর মাধ্যমে তৈরি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
- স্মৃতি এবং ইনপুট-আউটপুট সংযোগ করে পিসি (Personal Computer) তৈরি হয়।
- অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত ব্যবহার ও চিত্তবিনোদনে এই কম্পিউটারের প্রচলন দিন দিন বেড়ে চলেছে।
- উদাহরণ: IBM 486, IBM Pentium, ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা
- ডাটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডাটাকে উৎস হতে গন্তব্যে প্রেরণের পূর্বে যে বিশেষ পদ্ধতিতে পরিবর্তন করা হয় তাকে ডেটা এনক্রিপশন পদ্ধতি বলা হয়।
- ডাটা এনক্রিপশনের ফলে প্রেরকের প্রেরিত ডাটা অন্য কোন অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান ব্যবহার করে সুবিধা পায় না।
- উৎস বা প্রেরক ডাটাকে এনক্রিপ্ট করে ‘মাধ্যমের' ভেতর দিয়ে পাঠালে প্রাপক বা গন্তব্য ঐ এনক্রিপ্টেড ডাটা ব্যবহারের পূর্বে ডিক্রিপ্ট করে।
- এনক্রিপ্ট এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহৃত হয়।
- ডেটা এনক্রিপ্ট করার জন্য ব্যবহৃত কয়েকটি পদ্ধতি হলো
◊ সিজার কোড (Caesar Code),
◊ ডাটা এনক্রিপশন স্ট্যান্ডার্ড (Data Encryption Standard - DES),
◊ ইন্টারন্যাশনাল ডেটা এনক্রিপশন অ্যালগরিদম (International Data Encryption Algorithm - IDEA)।
- ডাটা এনক্রিপশনের মূল অংশ চারটি। যথা-
১. প্লেইন টেক্সট,
২. সাইফার টেক্সট,
৩. এনক্রিপশন এলগরিদম ও
৪. কী।
উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• বাফার গেইট
- বাফার গেইট এক ধরনের লজিক গেইট যা নট গেইটের বিপরীত আচরণ করে।
- এতে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট রয়েছে।
- এই গেইটে ইনপুট দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট ১ দিলে আউটপুটও ১ হবে।
উল্লেখ্য,
- নট গেইটে ইনপুট ১ দিলে আউটপুট ০ এবং ইনপুট দিলে আউটপুট ১ হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী)--প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• BIOS (Basic Input Output System):
- কম্পিউটার তাঁর সকল কাজ সম্পন্ন করে একটির পর একটি নির্দেশ পালনের মাধ্যমে।
- পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়ার পর প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার পালন করে সে নির্দেশগুলো সংরক্ষিত থাকে একটি ইলেকট্রনিক চিপ হিসেবে ।
- এই চিপ টির নাম BIOS, এটি মাদারবোর্ড এ থাকে।
- হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের যোগাযোগ ঘটে BIOS এর সাহায্যে।
- BIOS এ থাকা নির্দেশগুলো পালনের মাধ্যমে প্রসেসর কম্পিউটারের সকল যন্ত্রের সথে যোগাযোগ করে এবং এদের নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
∴ (740)10 = (2E4)16 [14 = E]
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - খ) CUI operating system
- DOS হলো একটি CUI (Character User Interface) ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এর মানে হলো, এটি ব্যবহারকারীকে কোনো গ্রাফিকাল আইকন বা উইন্ডো সরবরাহ করে না।
- ব্যবহারকারীকে সিস্টেমের সাথে ইন্টারঅ্যাক্ট করার জন্য কিবোর্ডের মাধ্যমে টেক্সট-ভিত্তিক কমান্ড (যেমন: dir, copy, cd) লিখে কাজ করতে হয়।
DOS (Disk Operating System):
- DOS-এর পূর্ণরূপ হলো Disk Operating System। এটি ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাইক্রোসফট কর্পোরেশন IBM কম্পিউটারের জন্য উদ্ভাবন করে।
- DOS হলো IBM এবং তার উপযুক্ত পার্সোনাল কম্পিউটারের জন্য একটি একক ব্যবহারিক অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি PC-DOS বা MS-DOS নামেও পরিচিত।
- DOS একটি বর্ণভিত্তিক (Text-based/Character-based) অপারেটিং সিস্টেম।
- এর প্রধান অসুবিধা হলো কমান্ড-লাইন ইউজার ইন্টারফেস। ব্যবহারকারীকে DOS-এর কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় এবং কীবোর্ডের মাধ্যমে কম্পিউটারে কমান্ড বা নির্দেশ দিতে হয়।
উৎস: বিবিএ প্রোগ্রাম, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি হলো ভিত্তি-২ সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে ২টি ডিজিট (০ ও ১) ব্যবহার হয়। এটি মূলত কম্পিউটার ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের জন্য উপযোগী।
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়। এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- বাইনারিতে দুটি অংক ব্যবহৃত হয় বিধায় এ পদ্ধতির বেজ ২।
- (110)2, (1101)2 ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যার উদাহরণ।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।
উল্লেখ্য, মানুষের দৈনন্দিন জীবনে দশমিক (Decimal) সংখ্যা পদ্ধতি (০–৯) সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অপশন গুলোতে সঠিক উত্তর না থাকায়: উত্তর - অপশন (ঘ) কোনোটিই নয় হবে।
• বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।
6 এর বিসিডি 0110
7 এর বিসিডি 0111
∴ 67 এর বিসিডি 01100111
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• NoSQL ডাটাবেস হলো এমন একটি ডাটাবেস সিস্টেম যা রিলেশনাল ডাটাবেসের চেয়ে ভিন্নভাবে ডেটা সংরক্ষণ ও পরিচালনা করে। এটি সাধারণত স্কেলেবল এবং অতি দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেসের জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে বড় ডেটা এবং নন-স্ট্রাকচার্ড ডেটার ক্ষেত্রে। উদাহরণ হিসেবে MongoDB একটি জনপ্রিয় NoSQL ডাটাবেস। এটি ডকুমেন্ট-ওরিয়েন্টেড স্টাইল ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে এবং JSON-এর মতো ফরম্যাটে ডেটা স্টোর করে।
- অন্যদিকে PostgreSQL, Oracle, এবং MySQL হলো রিলেশনাল ডাটাবেস যা টেবিল ভিত্তিক এবং SQL ব্যবহার করে ডেটা ম্যানেজ করে।
- তাই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো ঘ) MongoDB.
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ হচ্ছে:
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।
• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
১. মাইএসকিউএল (MySQL),
২. ওরাকল (Oracle),
৩. মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
৪. মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
৫. পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
৬. এসকিউলাইট (SQLite), ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Microprocessors
চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ – বর্তমান)
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার হলো মাইক্রোপ্রসেসর ও বৃহদাকার একীভূত বর্তনীর (Large Scale Integration Circuit) যুগ।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আকারে ছোট হলেও ক্ষমতা ও গতি উভয় দিক থেকেই অনেক উন্নত।
- এই সময়েই মাইক্রো কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- সফটওয়্যার ও বিভিন্ন প্রোগ্রাম প্যাকেজের ব্যাপক ব্যবহার শুরু হয়।
- তথ্য সংরক্ষণের জন্য CD, Pen Drive ইত্যাদি মাধ্যম ব্যবহৃত হতে থাকে।
- একই সঙ্গে মাল্টিপ্রসেসর সিস্টেমের সূচনা ঘটে।
উদাহরণ:
- IBM PS/2,
- Apple Macintosh.
উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
◉ .avi (Audio Video Interleave) একটি ভিডিও ফাইল ফরম্যাট যা মাইক্রোসফ্ট দ্বারা তৈরি করা হয়েছে। এটি সাধারণত ভিডিও এবং অডিও ডেটা একসাথে সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
ফাইল এক্সটেনশন:
- ফাইল এক্সটেনশন হচ্ছে কোনো একটি ফাইলের filename এর সাথে যুক্ত হওয়া suffix.
- এর দ্বারা কম্পিউটার ফাইল কোন ধরণের তা বুঝা যায়।
• বিভিন্ন ধরণের ইমেইজ এক্সটেনশন:
- GIF: Graphics Interchange Format.
- JPG: Joint Photographic Group.
- PNG: Portable Network Graphics.
- BMP: Bitmap Image File.
- JPEG: Joint Photographic Experts Group.
এছাড়াও, অডিও ফাইলস:
- .mp3
- .wav
• টেক্সট ও ডকুমেন্ট ফাইলস:
- .doc
- .docx
- .rtf
- .txt
• ভিডিও ফাইলস:
- .flv
- .avi
- .mp4
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. মাইক্রোসফট সাপোর্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জনক হিসেবে ডেভিড ডয়েচ (David Deutsch)-কে মনে করা হয়। তিনি ১৯৮৫ সালে প্রথম একটি সাধারণ উদ্দেশ্যপূর্ণ কোয়ান্টাম কম্পিউটার মডেল প্রস্তাব করেন, যা "ইউনিভার্সাল কোয়ান্টাম কম্পিউটার" নামে পরিচিত। তার কাজ প্রমাণ করে যে কোয়ান্টাম মেকানিক্সের নীতি ব্যবহার করে এমন কম্পিউটার তৈরি করা সম্ভব, যা ক্লাসিক্যাল কম্পিউটার দিয়ে সমাধান করা প্রায় অসম্ভব কিছু সমস্যার সমাধান করতে পারে। যদিও রিচার্ড ফাইনম্যান, পল বেনিওফ প্রমুখ গবেষকরা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ধারণা ও ভিত্তি তৈরিতে অবদান রাখেন, তবুও পূর্ণাঙ্গ মডেল উপস্থাপনের জন্য ডয়েচ-ই এ ক্ষেত্রে “জনক” হিসেবে স্বীকৃত।
• “Father of quantum computing” উপাধিটি আধুনিক উৎসে সবচেয়ে বেশি David Deutsch -এর নামের সাথে ব্যবহৃত হয়। তিনি ১৯৮৫ সালে universal quantum computer-এর আনুষ্ঠানিক তত্ত্ব (quantum Turing machine, quantum logic gates) প্রস্তাব করেন—যা কেবল ধারণা নয়, একটি সাধারণ ফ্রেমওয়ার্ক দেয় কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম ও কম্পিউটেশনের জন্য। তাই গণমাধ্যম ও রেফারেন্স গ্রন্থে তাঁকে “father of quantum computing” বলা হয়।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষিতে,
- David Deutsch এর পূর্বে Richard Feynman ১৯৮১/৮২ সালে Simulating Physics with Computers-এ কোয়ান্টাম সিস্টেমকে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দিয়ে সিমুলেট করার যুক্তি দেন- যা ক্ষেত্রটির সূচনালগ্নের অনুপ্রেরণা। পরে Deutsch সেই ধারণাকে “universal” মডেলে রূপ দেন। তাই অনেক লেখায় Feynman-কে পথপ্রদর্শক/অগ্রদূত বলা হলেও “জনক” হিসেবে Deutsch-কেই বেশি উল্লেখকরা হয়।
- উল্লেখ্য, রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- Richard Feynman was the first scientist who proposed the idea of a quantum computer.
- কিন্তু, Quantum Computing এর জনক (Father Of Quantum Computing) হচ্ছেন - David Deutsch.
• অপশন আলোচনা:
ক) David Deutsch – কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জনক হিসেবে সর্বাধিক পরিচিত, ১৯৮৫ সালে প্রথম কোয়ান্টাম টুরিং মেশিন প্রস্তাব করেন।
খ) Richard Feynman – ১৯৮১ সালে কোয়ান্টাম সিস্টেম সিমুলেশনের জন্য কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহারের ধারণা দেন।
গ) Paul Benioff – ১৯৮০ সালে প্রথম কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল মডেলে কম্পিউটার বর্ণনা করেন।
ঘ) Alexei Kitaev – টপোলজিক্যাল কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও কিটায়েভ অ্যালগরিদমের জন্য বিখ্যাত।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং- এ অবদান রাখা উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানী:
• ডেভিড ডয়চ (David Deutsch):
- ডেভিড ডয়চ একজন ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী।
- তিনি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর জনক হিসেবে পরিচিত।
- ডয়চ কোয়ান্টাম টিউরিং মেশিন (Quantum Turing Machine) ধারণাটি প্রবর্তন করেন।
- তার গবেষণায় কোয়ান্টাম কম্পিউটিং এর তাত্ত্বিক ভিত্তি তৈরি হয়।
• পিটার শোর (Peter Shor):
- পিটার শোর একজন আমেরিকান গণিতবিদ এবং কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
- শোরের সবচেয়ে প্রসিদ্ধ কাজ হলো শোরের অ্যালগরিদম (Shor's Algorithm)।
- শোরের অ্যালগরিদম কোয়ান্টাম কম্পিউটারে বৃহৎ সংখ্যার ফ্যাক্টরাইজেশনকে কার্যকরীভাবে সমাধান করতে পারে।
- এটি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং-এর নিরাপত্তা এবং ক্রিপ্টোগ্রাফির ক্ষেত্রে বিপ্লব সৃষ্টি করেছে।
• গ্রোভার(Lov Grover):
- লাভ্লস একজন আমেরিকান কম্পিউটার বিজ্ঞানী।
- গ্রোভারের অ্যালগরিদম (Grover's Algorithm) কোয়ান্টাম সার্চিং অ্যালগরিদম হিসেবে পরিচিত।
- এটি ডাটাবেস অনুসন্ধানের কাজকে তাত্ত্বিকভাবে দ্রুততর করে।
- গ্রোভার কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
• রিচার্ড ফেইনম্যান (Richard Feynman):
- রিচার্ড ফেইনম্যান একজন আমেরিকান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী।
- ফেইনম্যান কোয়ান্টাম মেকানিক্স এবং কুইন্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্স (QED) এর ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- তিনি প্রথমে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ধারণার ধারণা দেন এবং ১৯৮১ সালে কোয়ান্টাম কম্পিউটারের সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করেন।
- ফেইনম্যান নোবেল পুরস্কার পান ১৯৬৫ সালে কোয়ান্টাম ইলেকট্রোডাইনামিক্সে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটার:
- এটি এমন একটি কম্পিউটার যা কোয়ান্টাম মেকানিক্সের গুণাবলী (যেমন: সুপারপজিশন ও এনট্যাঙ্গলমেন্ট) ব্যবহার করে জটিল গণনা করে।
- প্রচলিত ডিজিটাল কম্পিউটারের চেয়ে অনেক দ্রুত ও শক্তিশালী হতে পারে।
- রিচার্ড ফেইনম্যান প্রথম কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ধারণা দেন।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটার ব্যবহার করে কিউবিট (Quantum Bit), যা একসাথে 0 এবং 1 হতে পারে – একে বলে Superposition।
- একটি কিউবিট একই সাথে অনেকগুলো সম্ভাব্য অবস্থায় থাকতে পারে। এটি একাধিক গাণিতিক সমস্যার সমাধান একই সাথে করতে সাহায্য করে।
- ডেভিড ডয়চ (১৯৮৫): কোয়ান্টাম লজিক গেটের ধারণা দেন।
- পিটার শোর (১৯৯৪): কোয়ান্টাম অ্যালগরিদম উদ্ভাবন করেন যা বড় সংখ্যা অল্প সময়ে ভেঙে ফেলতে পারে।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটারের ৩টি মূল পদ্ধতি:
- NMR (Nuclear Magnetic Resonance): নিউক্লিয়াস স্পিন ব্যবহার করে।
- Ion Trap: আয়নকে ট্র্যাপ করে এবং লেজার দিয়ে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
- Quantum Dots: অতি ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী অঞ্চলে ইলেকট্রনের স্পিন ব্যবহৃত হয়।
• কোয়ান্টাম কম্পিউটিং:
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিং আধুনিক কম্পিউটার বিজ্ঞান এবং গাণিতিক সমস্যাগুলির সমাধানে একটি বিপ্লবী ধারণা।
- এটি কোয়ান্টাম মেকানিক্স এর ধারণা ব্যবহার করে, যেখানে কোয়ান্টাম বিট (Qubit) একাধিক অবস্থানে থাকতে পারে, এবং তার ফলে এটি নির্দিষ্ট কাজগুলো খুব দ্রুত এবং দক্ষভাবে সম্পাদন করতে সক্ষম হয়।
- কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের জন্য যে অ্যালগরিদমগুলি তৈরি হয়েছে, সেগুলি সাধারণত ক্লাসিক্যাল কম্পিউটারের তুলনায় কিছু সমস্যা সমাধানে অনেক দ্রুত কাজ করে।
- এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ কোয়ান্টাম অ্যালগরিদমের মধ্যে একটি হল Shor’s Algorithm, যা বড় সংখ্যার গুণফল বের করা (Integer Factorization) এর জন্য ব্যবহৃত হয়।
Shor's Algorithm:
- Shor's Algorithm কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের একটি প্রধান অ্যালগরিদম যা বড় সংখ্যাকে দ্রুত গুণফলে বিভক্ত (factorization) করতে পারে।
- এটা বিন্যাসযোগ্য সংখ্যা গুণফল (large number factorization) বের করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, এবং এর মাধ্যমে আধুনিক ক্রিপ্টোগ্রাফি সিস্টেম যেমন RSA সিকিউরিটি ভেঙে ফেলতে পারে।
- Shor’s Algorithm একটি কোয়ান্টাম প্রক্রিয়া ব্যবহার করে গাণিতিক সমস্যাগুলি অনেক দ্রুত সমাধান করতে সক্ষম, যেখানে সাধারণ কম্পিউটারে এসব সমস্যা সমাধান করতে কয়েক হাজার বছর সময় লাগতে পারে।
- Grover's algorithm - কোয়ান্টাম কম্পিউটিং অ্যালগরিদমের আরেকটি উদাহরণ।
উৎস:
1) ব্রিটানিকা।
2) theguardian [link]
3) economist [link]
4) geeksforgeeks [link]
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- একীভূত বর্তনী (Integrated Circuit), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্টর , অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে।
- কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি।
- এই সময়ে মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে।
- এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে।
- IBM 360, IBM 370, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- EEPROM-এর পূর্ণরূপ হলো Electrically Erasable Programmable Read Only Memory.
- EEPROM-এর অসুবিধা হলো এতে সংরক্ষিত তথ্য মুছতে বেশি সময়, অর্থাৎ প্রায় আধা-ঘন্টা সময় লাগে এবং আংশিকভাবে কোনো তথ্য মোছা যায় না। এ ধরনের অসুবিধা দূর করার জন্যই মূলত EEPROM ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের রমের আংশিক বা সম্পূর্ণ ডেটা মোছা যায়। তবে তথ্য মুছতে EEPROM কে সার্কিট থেকে খুলতে হয় না বরং প্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ প্রবাহ চালিয়ে তথ্য মুছে ফেলা যায় এবং নতুন তথ্য সংযোজন করা যায়।
- সাধারণত Pen Drive - এ EEPROM ব্যবহৃত হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে বাইরের অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য Firewall ব্যবহার করা হয়। ফায়ারওয়াল হল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে প্রবেশ ও প্রস্থান করা ডেটা নিয়ন্ত্রণ করে এবং অস্বীকৃত বা ক্ষতিকর সংযোগকে ব্লক করে। এটি নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং হ্যাকার, ম্যালওয়্যার বা অন্যান্য অননুমোদিত প্রচেষ্টার হাত থেকে সুরক্ষা প্রদান করে। অন্যদিকে, Access Point কেবল নেটওয়ার্কে ডিভাইস সংযোগের সুবিধা দেয়, এবং Malware হলো ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা বিপদ সৃষ্টি করে। সুতরাং, শুধুমাত্র Firewall প্রাইভেট নেটওয়ার্ককে নিরাপদ রাখে।
- সঠিক উত্তর: গ) Firewall.
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহৃত হয় নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে অননুমোদিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে রক্ষা করতে এবং সাইবার আক্রমণ প্রতিরোধে।
- অননুমোদিত ফায়ারওয়াল হলো এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা একটি প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব নেটওয়ার্ক (ইন্ট্রানেট) এবং ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ফায়ারওয়াল সাধারণত কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা সুরক্ষিত করতে তৈরি করা হয়।
- একটি ফায়ারওয়ালের সাথে সাধারণত রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) যুক্ত থাকে, যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল একটি প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে, যা প্রবেশ পথকে নিরাপদ রাখে এবং ডেটার ফিল্টারিং করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং প্রতিরোধে সহায়ক হলেও সবসময় সফলভাবে প্রতিরোধ করতে পারে না।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• ন্যানোটেকনোলজি:
- গ্রিক শব্দ "Nanos" অথবা ল্যাটিন শব্দ "nanus' থেকে ন্যানো (Nano) শব্দটি উৎপত্তি হয়েছে যার আভিধানিক অর্থ Dwarf (বামন বা জাদুকরী ক্ষমতাসম্পন্ন ক্ষুদ্রাকৃতির মানব বা পশু)।
- রিচার্ড ফাইনম্যানকে ন্যানোপ্রযুক্তির জনক বলা হয়।
- ন্যানোপ্রযুক্তি হচ্ছে পারমাণবিক বা আণবিকমাত্রার কার্যক্রমের প্রকৌশল শাস্ত্র যা কোন ডিভাইস বা সিস্টেমের কাজ এবং এর আরও অধিক উন্নয়নের সাথে সম্পৃক্ত।
- অর্থাৎ, ন্যানোপ্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
• সিস্টেম বাস:
- যে সমস্ত বাস মাদারবোর্ড ও সিপিইউ বা মাইক্রোপ্রসেসরের সাথে সরাসরি সংযুক্ত থেকে মেমরি, ইনপুট-আউটপুটসহ অন্যান্য ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে তথ্য আদান-প্রদান করে তাদেরকে সিস্টেম বাস বলে।
- সিস্টেম বাসকে ইন্টারনাল বাসও বলা হয়।
• সিস্টেম বাসকে ব্যবহারিক দিক থেকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। যথা -
১. ডেটা বাস,
২. অ্যাড্রেস বাস এবং
৩. কন্ট্রোল বাস।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর প্রথম প্রবর্তিত হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলোতে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হতো, যা আকারে বড়, বেশি বিদ্যুৎখরচী এবং অতিরিক্ত তাপ উৎপন্ন করত। এই সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা আকারে ছোট, বেশি নির্ভরযোগ্য এবং কম বিদ্যুৎ খরচ করত। ট্রানজিস্টরের ফলে কম্পিউটার আরও দ্রুত, স্থিতিশীল ও সাশ্রয়ী হয়। তাই ট্রানজিস্টর ব্যবহারের সূচনা হয় দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) 2G.
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয় এবং ঢাকা পরমাণু শক্তি কেন্দ্রে সুদীর্ঘ কয়েক বছর চালু ছিল।
- দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ-
১. ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
২. ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
৩. আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
৪. উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
৫. অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
৬. উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার (যেমন- COBOL, FORTRAN)।
৭. টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে ডেটা আদান-প্রদানের ব্যবস্থা ইত্যাদি।
কম্পিউটারের প্রজন্মকে ৫ ভাগে ভাগ করা হয়:
- প্রথম প্রজন্ম (1940-1956): ভ্যাকুয়াম টিউব।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম (1956-1963): ট্রানজিস্টর।
- তৃতীয় প্রজন্ম (1964-1971): ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC)।
- চতুর্থ প্রজন্ম (1971-বর্তমান): মাইক্রোপ্রসেসর।
- পঞ্চম প্রজন্ম (বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ): কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা।
উৎস:
১) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২) ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের নিজস্ব বুদ্ধি বিবেচনা শক্তি নেই।
• কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যঃ
- কম্পিউটারের স্মৃতি শক্তি,
- দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা,
- নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা,
- সূক্ষ্মতা,
- বিশ্বাসযোগ্যতা,
- স্বয়ংক্রিয়তা,
- দ্রুত গতিতে কাজ করার ক্ষমতা ইত্যাদি।
ব্যাখ্যা
উৎস: মাধ্যমিক তথ্য প্রযুক্তি - ১ (ভোকেশনাল) বই।
ব্যাখ্যা
• এট্রিবিউট:
- প্রত্যেকটি বৈশিষ্ট্য বা গুণ যখন কোন এনটিটিকে বর্ণনা করে তখন তাকে এট্রিবিউট বলে।
• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
• ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কীর সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন।
• এনটিটি সেট:
- একই জাতীয় এনটিটিকে এনটিটি সেট বলা হয়।
- একটি ডাটাবেজকে এনটিটি সেট বলা যেতে পারে।
• ভ্যালু:
- প্রত্যেকটি এট্রিবিউট এর যে মান থাকে তাকে বলা হয় ভ্যালু।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ইহা হলো এক ধরণের আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটরে দৃশ্যমান ছবির গুণগত মান নির্ভর করে ভিজিএ কার্ডের উপর।
মনিটর সাধারণত চার ধরনের হয়ে থাকে। যথা:
১. সিআরটি মনিটর (CRT Monitor),
২. এলসিডি মনিটর (LCD Monitor),
৩. এলইডি মনিটর (LED Monitor),
৪. এমােলেড মনিটর (AMOLED Monitor).
উৎস: নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)।
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- Kaspersky,
- Norton Antivirus,
- McAfee,
- Bitdefender,
- Avast,
- AVG Antivirus,
- ESET NOD32,
- Trend Micro,
- Sophos,
- Windows Defender (Microsoft Defender),
- F-Secure,
- Panda Security,
- Comodo Antivirus,
- Malwarebytes,
- ZoneAlarm,
- Avira,
- Adaware Antivirus,
- BullGuard,
- Emsisoft Anti-Malware,
- IObit Malware Fighter, ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই তথ্য ও উপাত্ত নষ্ট করে এবং যা নিজে নিজেই কপি হতে পারে।
- গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটারের এ ক্ষতিকারক প্রোগ্রামের নাম দেন VIRUS।
- VIRUS শব্দের পূর্ণরূপ হলো Vital Information and Resources Under Siege।
- কম্পিউটার ভাইরাস এক ধরনের ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা প্রোগ্রাম বা ডেটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে, কম্পিউটারকে বুট হতে বিরত রাখে, ডিস্ককে নষ্ট করে ফেলে।
কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণসমূহ-
১. কোনো প্রোগ্রাম চালু হতে বেশি সময় নেয়।
২. হার্ডডিস্কের পার্টিশন নষ্ট করে ফেলে।
৩. ডিস্কের ভলিউমের নাম পরিবর্তন হয়।
৪. হার্ডডিস্কে Bad sectors দেখায়।
৫. প্রিন্টের গতি কমে যায়।
৬. EXE ফাইলের আকার পরিবর্তন হয়।
৭. হঠাৎ কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায়।
৮. কাজের গতি অস্বাভাবিক কমে যায়।
সূত্র: Computer Hope Website [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
- ফায়ারওয়াল একটি সংস্থার নেটওয়ার্কের ভিতরে এবং বাইরে থাকা কম্পিউটারের মধ্যে সুরক্ষার দেওয়াল তৈরি করে।
- এটি সাধারণত কোনও সংস্থার মধ্যে ইমেল এবং ডেটা ফাইলের মতো তথ্য সুরক্ষার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- মূলত, একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটারকে অনুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে রক্ষা করার জন্য ফায়ারওয়াল ডিজাইন করা হয়েছে।
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরণের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- রাউটার হলো একটি কানেকটিং ডিভাইস যা একই প্রটোকলভুক্ত দুই বা ততােধিক স্বতন্ত্র নেটওয়ার্কের সংযােগ করে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করতে পারে।
উৎস: Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- তাই সঠিক উত্তর: ঘ) Spotify.
• ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়।
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
• জনপ্রিয় কয়েকটি ওয়েব ব্রাউজার হলো-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ,
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- Chrome,
- Firefox,
- Internet Explorer,
- গুগল ক্রোম (Google crome) ইত্যাদি।
• সার্চ ইঞ্জিন (Search Engine):
- সার্চ ইঞ্জিন একটি সফটওয়্যার টুল যা ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব থেকে ইনফরমেশন খুঁজে বের করে।
- যেমন- Google (গুগল), Yahoo, Bing, MSN ইত্যাদি।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
• মানবদেহের ইনসুলিন জিনকে ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন উৎপাদনের প্রক্রিয়াটি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বারা সম্পন্ন হয়। এই প্রক্রিয়ায় প্রথমে মানুষের ইনসুলিন জিন আলাদা করা হয় এবং একটি উপযুক্ত ভেক্টরের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়। এরপর এই ভেক্টরটি ব্যাকটেরিয়ার কোষে প্রবিষ্ট করা হয়। ব্যাকটেরিয়ার কোষ নিজেই মানুষের ইনসুলিনের জিন অনুযায়ী প্রোটিন তৈরি করতে শুরু করে। পরে এই ইনসুলিন প্রোটিন সংগ্রহ, বিশুদ্ধকরণ এবং বাণিজ্যিকভাবে ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা হয়। জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সাহায্যে মানুষের শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী বিশুদ্ধ এবং নিরাপদ ইনসুলিন দ্রুত উৎপাদন করা সম্ভব হয়, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- উত্তর: গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং।
• জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং:
- কোনো জীব থেকে একটি নির্দিষ্ট জিন বহনকারী DNA পৃথক করে ভিন্ন একটি জীবে স্থানান্তরের কৌশলকে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এ গবেষণার মাধ্যমে যখন একটি জিন পরিবর্তন করে সেখানে অন্য জিন লাগানো হয়, তখন তাদেরকে একত্রে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ বা RDNA প্রযুক্তি বলে।
- এ প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে DNA সূত্রের কাঙ্ক্ষিত খণ্ড বা অংশ ক্ষুদ্র এককোষী আবাদি জীব তথা ব্যাকটেরিয়া থেকে মানবদেহে, উদ্ভিদকোষ থেকে প্রাণীদেহে এবং প্রাণীকোষ থেকে উদ্ভিদদেহে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।
- ১৯৭২ সালে Paul Berg বানরের ভাইরাস SV40 ও lambda virus-এর ডিএনএ-এর সংযোগ ঘটিয়ে বিশ্বের প্রথম রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ অণু তৈরি করেন।
- ১৯৭৩ সালে Ecoli ব্যাকটেরিয়ার প্লাসমিডের মধ্যে এন্টিবায়োটিক রেজিস্টেন্ট জিন প্রবেশ করানোর মাধ্যমে Herbert Boyer এবং Stanley Cohen সর্বপ্রথম ট্রান্সজেনিক জীব তৈরী করেন।
- RDNA সমৃদ্ধ জীবকোষকে বলা হয় Genetically Modified Organism (GMO)।
- উন্নত বিশ্বের অনেক দেশেই অসংখ্য বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও ঔষধ কোম্পানি রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তি সফলভাবে প্রয়োগ করে বাণিজ্যিক সুবিধাদি গ্রহণ করছে।
- উদাহরণস্বরূপ মানবদেহের ইনসুলিন তৈরির জিনকে ব্যাকটেরিয়া কোষে প্রবিষ্ট করে বাণিজ্যিকভাবে ইনসুলিন তৈরি করা হচ্ছে।
- তাছাড়া রিকম্বিনেন্ট DNA প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে কৃষিজাত ফসল এবং উদ্ভিদের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করা হচ্ছে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
ব্যাখ্যা
◉ মাইক্রোপ্রসেসর (CPU) হলো কম্পিউটারের সমস্ত গণনা, প্রক্রিয়াকরণ এবং নির্দেশনা কার্যকর করে।
এটি অন্যান্য হার্ডওয়্যার উপাদানগুলির মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং প্রোগ্রাম বা অপারেটিং সিস্টেমের নির্দেশাবলী নির্বাহ করে।
মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- Memory Management: প্রাইমারি মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজে কতটুকু মেমোরি লাগবে, কোন ডাটা মেমোরির কোন জায়গায় আছে তা ম্যানেজ করে।
- Process Management: কতগুলো কাজ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজটি করা হচ্ছে, তার জন্য কোন কোন অংশকে কাজে লাগাতে হবে তা নির্ণয় করে।
- Device Management: কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর কাজকে সমন্ময় করা। কোন আউটপুট কোন ডিভাইসে যাবে তা নির্ধারণ করা।
- File Management: কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্য কোন ফাইলগুলো ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা।
- Security: কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটাগুলোকে সিকিউরিটি দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। যাতে কোনো ডাটা হাড়িয়ে না যায় বা ভাইরাস এর আক্রমনে ডাটার প্রকৃতি পরিবর্তন না হয় এবং ডাটা যাতে ইউজারের অনুমতির বাহিরে অন্যত্র স্থানান্তরিত না হয়।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Android:
- Android হলো স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য লিনাক্স ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- Open Handset Alliance এই অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবন করে এবং পরে গুগল এটি কিনে নেয়।
- এটি ওপেন সোর্স সফটওয়্যার এবং স্মার্টফোনের জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সফটওয়্যার।
- Android বর্তমানে গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android package file এর এক্সটেনশন .apk
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- Android অপারেটিং সিস্টেমটি প্রথম বাজারে আসে ২০০৮ সালে।
উৎস: কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ভোকেশনাল [২০২১ সংস্করণ] এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
• ARPANET মূলত মিলিটারি এবং গবেষণা সংক্রান্ত কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এটি ১৯৬০-এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের অধীনে ARPA (Advanced Research Projects Agency) দ্বারা উদ্ভাবিত হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল একাধিক কম্পিউটারকে এক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত করে তথ্য বিনিময় এবং গবেষণামূলক যোগাযোগকে সহজ করা। তখনকার দিনে আলাদা আলাদা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটারগুলো একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত ছিল না। ARPANET এর মাধ্যমে তথ্য দ্রুত স্থানান্তর করা সম্ভব হয় এবং এটি পরবর্তীতে আধুনিক ইন্টারনেটের ভিত্তি গড়ে তোলে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) মিলিটারি এবং গবেষণা কম্পিউটারগুলোকে সংযুক্ত করা।
• ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
● ১৯৭০ সালে এডগার ফ্র্যাঙ্ক কড (Edgar F. Codd) আইবিএম গবেষণাগারে রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেল প্রস্তাব করেন। তাঁর গবেষণাপত্র "A Relational Model of Data for Large Shared Data Banks" ডাটাবেজ প্রযুক্তিতে বিপ্লব ঘটায়।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশনাল ডাটা মডেল অনুযায়ী সমম্বরিতভাবে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বোঝায়।
- ১৯৭০ সালে এডগার এফ কড রিলেশনাল ডাটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- এডগার এফ কড কে রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবক্তা বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের উদাহরণ— Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটে রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:
• Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.
• Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets. [Google Sheets হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা স্প্রেডশিট তৈরি, সম্পাদনা এবং ডেটা বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি Google-এর ক্লাউড-ভিত্তিক সেবা G-Suite-এর অংশ।],
- Apache OpenOffice Calc.
• Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
Source: www.seagate.com/
ব্যাখ্যা
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।
• এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
• কাউন্টার:
- কাউন্টার হলো এমন একটি সিকুয়েন্সিয়াল সার্কিট যা এর মধ্যে প্রদানকৃত ইনপুট পালসের সংখ্যা গুণতে পারে।
- যে কাউন্টার বাইনারি সিকুয়েন্স অনুসরণ করে তাকে বাইনারি কাউন্টার বলে।
- একটি n বিট বাইনারি কাউন্টার হলো n টি ফ্লিপ-ফ্লপ এবং সংশ্লিষ্ট গেইট যা বাইনারি n বিট অর্থাৎ 0 থেকে 2n-1 পর্যন্ত গণনার সিকুয়েন্সকে অনুসরণ করতে পারে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
- ১ বাইট=৮ বিট।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।
- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ ম্যানেজম্যান্ট সিস্টেমের প্রধান কাজঃ
১. নতুন রেকর্ড সংযোজন করা
২. প্রয়োজনে রেকর্ড আপডেট করা
৩. অপ্রোজনীয় রেকর্ড মুছে ফেলা
৪. ডেটা সংরক্ষণ করা
৫. ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
৬. ডেটার অনুলিপি (ডুপ্লিকেশন) রোধ করা
৭. রিপোর্ট তৈরি করা
৮. নির্দিষ্ট ডেটা অনুসন্ধান করা।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, নবম-দশম শ্রেনি।
ব্যাখ্যা
- এটি একটি Impact Printer বা ধাক্কা প্রিন্টার।
- এ ধরনের প্রিন্টারের প্রিন্টিং হেডের পিনের সাহায্যে কয়েকটি কালির ফোঁটা দিয়ে অক্ষর লেখা হয়। তবে প্রিন্টিং হেড ৯২,৪৪৮ পিন বা আরো বেশি পিনবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- পিনের সংখ্যা যত বেশি হয় হয়, মুদ্রণের মানও তত উন্নত হয়।
- প্রিন্টারে কাগজ ও প্রিন্টার হেডের মাঝে এক ধরনের কালিযুক্ত রিবন থাকে। যখন যে বর্ণ ছাপাতে হয় তখন সেই বর্ণের বিন্দুগুলোর অনুরূপ পিনগুলো প্রিন্ট হেড থেকে বেরিয়ে এসে কালি মাখানো রিবনকে কাগজের ওপর চেপে ধরে। ফলে সেই বর্ণের ডটগুলো, অর্থাৎ সেই বর্ণটি ছাপানো হয়ে যায়।
- একটি পুরো লাইন হয়ে গেলে কাগজ একটু সরে গিয়ে পরের লাইনে চলে আসে আর প্রিন্ট হেডও সেই সাথে বাঁ দিকে শেষ প্রান্তে সরে গিয়ে আবার ছাপাতে শুরু করে। তবে কিছু ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার উভয়মুখী, অর্থাৎ তারা বাম থেকে ডান এবং ডান থেকে বাম উভয় দিকেই ছাপাতে পারে। এতে ছাপানো অপেক্ষাকৃত দ্রুত হয়।
- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টারের সাহায্যে প্রতি সেকেন্ডে 50 থেকে 500টি বর্ণ ছাপানো যায় এবং লেখা ছাড়াও ছবি এবং গ্রাফ ছাপানো যায়।
উল্লেখ্য,
• Non-Impact Printer: যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়। এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে। আবার প্রিন্ট করার সময় সাধারণত শব্দ হয় না। তবে দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন-
১। লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২। ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩। থার্মাল প্রিন্টার (Thermal Printer),
৪। স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি একটি ভিত্তি-১৬ (base-16) পদ্ধতি, যেখানে মোট ১৬টি প্রতীক ব্যবহার করা হয়: ০–৯ এবং A, B, C, D, E, F। এখানে ০–৯ পর্যন্ত সংখ্যা একই থাকে, কিন্তু দশমিক ১০ থেকে ১৫ পর্যন্ত সংখ্যাগুলোকে অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন, দশমিক ১০ = A, ১১ = B, ১২ = C, ১৩ = D, ১৪ = E এবং ১৫ = F। তাই দশমিক সংখ্যা ১৫ হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতিতে F দ্বারা প্রকাশ করা হয়। সুতরাং দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো খ) F। হেক্সাডেসিমেল পদ্ধতি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System):
- হেক্সাডেসিমেল একটি ১৬-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে মোট ১৬টি অংক বা ডিজিট ব্যবহার করা হয়।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় ১৬টি প্রতীকের মধ্যে দশমিক পদ্ধতির দশটি প্রতীক এবং বাকী ৬টি বর্ণ প্রতীক ব্যবহার করা হয়।
- ০ থেকে ৯ পর্যন্ত অংক প্রতীক এবং ৯-এর পরেরগুলো হচ্ছে A, B, C, D, E ও F ।
- এখানে A, B, C, D, E এবং F-এর সমতুল্য দশমিক মান হচ্ছে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ এবং ১৫।
উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- বিস্তারিত জানতে Live MCQ Computer & ICT Cloud বইটি দেখুন।
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট এক্সেলে AVERAGE, MIN, COUNT ফাংশনের ব্যবহারঃ
সাধারণত গড় বের করার জন্য AVERAGE, সবচেয়ে সর্বনিম্ন সংখ্যা বের করার জন্য MIN এবং কোন রেঞ্জের মধ্যে কতটি সংখ্যা আসে তা গণনা করার জন্য COUNT ফাংশন ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
⇒ মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা:
- নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
- গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
- রেজিস্টার সমূহ (Register Set).
⇒ ৪র্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ হতে ২০০০ সাল):
- ১৯৭০ সালের প্রথম দিকে IC (Integrated Circuit)-এর দ্রুত উন্নয়নের ফলে LSI (Large Scale Integration) এবং VLSI (Very Large Scale Integration) চিপের আবির্ভাব ঘটে। একটি একক VLSI সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে। চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো। মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়। ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। সাথে সাথে মেমরিও উন্নতি ঘটে ব্যাপক ফলে শুরু হয়ে যায় কম্পিউটারের বহুমুখী ব্যবহার এবং তৈরি হতে শুরু হয় পার্সোনাল কম্পিউটার। Windows, DOS অপারেটিং সিস্টেম দুটির ব্যবহার এ প্রজন্ম থেকেই শুরু হয়েছিল। IBM -3033, IBM -4341, TRS -40, Pentium Series, IBM পিসি ইত্যাদি এ প্রজন্মের কম্পিউটার।
উৎস: i) মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) GeeksforGeeks.
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার জন্য অপারেটিং সিস্টেম প্রয়োজন, যা একটি সিস্টেম সফটওয়্যার।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা করার জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি ব্যবহার করা হয়, তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সব কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে সম্পন্ন হয়।
- এটি হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব অপারেটিং সিস্টেমের।
- ব্যবহারকারীর পরিবর্তে হার্ডওয়্যার দিয়ে কাজ করানোর দায়িত্বও এটি পালন করে।
- শুধুমাত্র অপারেটিং সিস্টেমের উপস্থিতিতেই কম্পিউটারের অন্যান্য সফটওয়্যার কাজ করতে পারে।
- অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, তথ্য সংরক্ষণ, ত্রুটি নির্ণয়, ইনপুট ও আউটপুট কার্যক্রম পরিচালনা, সিস্টেম বণ্টন এবং প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপনাসহ যাবতীয় কার্যাবলি সম্পন্ন করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
-CPU (central processing unit).
-Drive (e.g., Blu-ray, CD-ROM, DVD, floppy drive, hard drive, and SSD).
-Fan (heat sink)
-Modem
-Motherboard
-Network card
-Power supply
-RAM
-Sound card
-Video card
কম্পিউটারের বাহ্যিক হার্ডওয়্যারের অংশসমূহ-
-Flat-panel, monitor, and LCD
-Game pad
-Joystick
-Keyboard
-Microphone
-Mouse
-Printer
-Projector
-Scanner
-Speakers
-USB thumb drive
সূত্র- Computer Hope Website [লিঙ্ক]
ব্যাখ্যা
• Malware:
- মেলওয়্যার অনেক বিস্তৃত একটি টার্ম হিসেবে ব্যবহৃত হয় যার অন্যতম সাধারণ একটি টাইপ হচ্ছে কম্পিউটার ভাইরাস।
- Malware এর পূর্ণরূপ হলো Malicious Software.
• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলো:
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র্যানসমওয়্যার (Ransomware),
- ওয়ার্ম (Worms) ইত্যাদি।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ভেদে রেজিস্টারের ধারণক্ষমতা ভিন ভিন্ন হতে পারে। যেমন ৪-বিট রেজিস্টার 16-বিট রেজিস্টার, 32 বিট রেজিস্টার, 64-বিট রেজিস্টার ইত্যাদি।
- ইলেকট্রনিক সার্কিট দিয়ে তৈরি বলে রেজিস্টারগুলোর কাজ করার ক্ষমতা খুব দ্রুত হয়।
- গাণিতিক ও যুক্তিমূলক ইউনিটের প্রক্রিয়াকরণের ফলাফল তাৎক্ষণিক অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য অ্যাকিউমুলেটর (রেজিস্টার) ব্যবহৃত হয়।
- অ্যাকিউমুলেটর একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
• চার্লস ব্যাবেজ—তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন এবং আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ভিত্তি স্থাপন করেন।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিন(Difference Engine):
- ডিফারেন্স ইঞ্জিন হলো একটি যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র, যা গাণিতিক হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য পরিকল্পিত।
- চার্লস ব্যাবেজ (Charles Babbage) ডিফারেন্স ইঞ্জিনের ধারণা প্রদান করেন।
- এটি মূলত গাণিতিক সারণি (Mathematical Tables) প্রস্তুতের উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের আবিষ্কার ও উন্নয়ন:
- ১৮২২ সালে চার্লস ব্যাবেজ ডিফারেন্স ইঞ্জিন নির্মাণের পরিকল্পনা করেন।
- যন্ত্রটি সম্পূর্ণভাবে নির্মিত হয়নি, কারণ—
- প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা,
- আর্থিক সংকট,
- যান্ত্রিক জটিলতা।
- তবে এটি আধুনিক কম্পিউটার উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের বৈশিষ্ট্য:
- এটি যোগ ও বিয়োগের নীতি (Method of Differences) ব্যবহার করে কাজ করত।
- গাণিতিক সারণিতে মানুষের ভুল কমানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছিল।
- এটি একটি স্বয়ংক্রিয় গণনাযন্ত্রের প্রাথমিক ধারণা প্রদান করে।
• ডিফারেন্স ইঞ্জিনের গুরুত্ব:
- আধুনিক কম্পিউটার উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রথম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- গণনার ক্ষেত্রে স্বয়ংক্রিয়তার ধারণা প্রতিষ্ঠা করে।
- পরবর্তীতে Analytical Engine উদ্ভাবনের পথ সুগম করে।
উৎস: Computer & ICT Cloud, Live Publications এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
ব্যাখ্যা
Source: techterms.com
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহার শুরু হয়, যা কম্পিউটারকে আকারে ছোট এবং অধিক নির্ভরযোগ্য করে তোলে।
• দ্বিতীয় প্রজন্ম:
- ১৯৬০ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত সময় কালকে কম্পিউটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- ১৯৬৪ সালে এ প্রজন্মের IBM 1620 কম্পিউটার দিয়ে বাংলাদেশে কম্পিউটারের ব্যবহার শুরু হয়।
• দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ:
- IBM 1401, CDC 1604, RCA 301, RCA 501, BCR 300, GE 200, Honey well 200, 1600 IBM 1620 ইত্যাদি।
• দ্বিতীয় প্রজন্মে কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার।
- ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- আকৃতির সংকোচন ও অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট-আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
- অপেক্ষাকৃত বেশি তথ্য ধারণক্ষমতা।
এছাড়াও,
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার:
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার ছিলো সিলিকন চিপ ভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা IC বেজড ৷
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার:
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে তৈরি করা হতো।
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার:
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রো প্রসেসরের ব্যবহার।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
◉ Cartridge সাধারণত মাদারবোর্ডে থাকে না। এটি প্রিন্টারে ব্যবহৃত হয়।
মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড একটি কম্পিউটারের মূল ও কেন্দ্রীয় অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের ভেতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি সিস্টেমের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডেই স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" হিসেবে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি যন্ত্রাংশ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে, যা মাদারবোর্ডকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড জনপ্রিয়।
মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।
CPU Socket → মাদারবোর্ডে থাকে, যেখানে প্রসেসর (CPU) বসানো হয়।
RAM Slot → মাদারবোর্ডে থাকে, যেখানে র্যাম মডিউল বসানো হয়।
Chipset → মাদারবোর্ডের মূল কন্ট্রোল সার্কিট, যা CPU, RAM, Storage, Input/Output ডিভাইসের সাথে যোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।