বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ১১ / ৮২ · ১,০০১১,১০০ / ৮,১৪১

১,০০১.
​ROM কোন ধরনের মেমোরি? 
  1. ক্যাশ মেমোরি 
  2. র‌্যান্ডম মেমোরি 
  3. ভোলাইটল মেমোরি 
  4. নন-ভোলাইটল মেমোরি
ব্যাখ্যা

ROM: 
- ROM এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory. 
​- এটি মূলত এক ধরনের নন-ভোলাইটল মেমোরি (Non-Volatile Memory), অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলেও রমে সংরক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। 
- কম্পিউটারের মাইক্রোপ্রসেসর ও হার্ডওয়্যারের অভ্যন্তরীণ কার্যাবলি সম্পাদনের প্রোগ্রাম রমে স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। 
- কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে ROM বলে। 
- সাধারণত রমে নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। 
- রমে ম্যানুফেকচাররার কর্তৃক প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে। 
- সাধারণত রমে সংরক্ষিত তথ্য শুধু পড়া যায়, লেখা যায় না। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০০২.
কোন ক্ষেত্রে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না?
  1. মুদ্রিত বই ডিজিটাল আকারে রূপান্তর
  2. গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া
  3. ভিডিও স্ট্রিমিং
  4. রসিদ স্ক্যান করা
ব্যাখ্যা

• OCR বা Optical Character Recognition হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা মূলত মুদ্রিত বা হাতে লেখা লেখা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত বইকে ডিজিটাল আকারে রূপান্তর, গাড়ির নম্বরপ্লেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে পড়া, রসিদ স্ক্যান করা ইত্যাদিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তবে ভিডিও স্ট্রিমিং ক্ষেত্রে OCR-এর ব্যবহার হয় না, কারণ ভিডিও স্ট্রিমিং মূলত ভিজ্যুয়াল ও অডিও কনটেন্ট রিয়েল-টাইমে পরিবেশন করে, যেখানে টেক্সট শনাক্তকরণের প্রয়োজনীয়তা থাকে না। তাই দেওয়া অপশন গুলির মধ্যে ভিডিও স্ট্রিমিং (গ) হলো সেই ক্ষেত্র যেখানে সাধারণত OCR ব্যবহৃত হয় না। 

ওসিআর (OCR):
- OCR মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- OCR-এর পূর্ণরূপ Optical Character Reader/Recognition.
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০০৩.
এসএসডি কী ধরণের মেমোরি?
  1. প্রাইমারি মেমরি
  2. ইন্টারনাল মেমরি
  3. সেকেন্ডারি মেমরি
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ হলো Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ। 

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০০৪.
কোনটি ইউটিলিটি সফটওয়্যার এর উদাহরণ?
  1. MS-Word
  2. FORTRAN
  3. McAfee
  4. COBOL
ব্যাখ্যা
♦ ইউটিলিটি প্রোগ্রাম:
- সাধারণত সার্বিকভাবে কম্পিউটারকে দেখাশোনা করা, কম্পিউটারের স্পিড যাতে না কমে যায় সেজন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম কাজ করে থাকে।
- ইউটিলিটিস প্রোগ্রাম এর কাজ হচ্ছে ফাইল তৈরি করা, সংরক্ষণ করা, কোনো কিছু মোছা, ডিস্ক ফরমেট ও অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা
ইত্যাদি। যেমন: McAfee, Disk Defragmenter, WinRAR, WinZip ইত্যাদি। 
- উইন্ডোজ প্রোগ্রামের আওতায় System Tools -এর সাথে কিছু ইউটিলিটি প্রোগ্রাম সংযোজন করা হয়েছে।
- সিস্টেমসংক্রান্ত বিভিন্ন ত্রুটি শনাক্তকরণ এবং তা সংশোধন, ভাইরাস চেক করা, ডিস্ক পার্টিশন ইত্যাদি করার জন্য এসব ইউটিলিটি প্রোগ্রাম ব্যবহার করা হয়।
- Disk Fragmenter, Scan Disk, Drive Converter, Compression, System Monitor  ইত্যাদি System Tools এর ইউটিলিটি প্রোগ্রামের অন্তর্ভুক্ত।
- এ সমস্ত সফটওয়্যারকে মেইনটেন্যান্স টুলসও বলা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
১,০০৫.
DML এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Data Management Language
  2. Data Manipulation Language
  3. Data Maintenance Language
  4. Database Management Language
ব্যাখ্যা

• DML এর পূর্ণরূপ - Data Manipulation Language.

• ডাটাবেজ ভাষা:
- যে ভাষার দ্বারা ডাটাবেজ সিস্টেমে ডাটাবেজ তৈরি, কুয়েরি, ডাটা মডিফিকেশন করা হয় তাকে ডাটাবেজ ভাষা বলে।
- ডাটাবেজ ভাষা দুই ধরনের। যথা:
১. ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Definition Language - DDL) ও
২. ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ (Data Manipulation Language - DML).

১। ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ:
- একটি ডাটাবেজ পরিকল্পনা করা হয় কতকগুলো বর্ণনার মাধ্যমে।
-  এ বর্ণনাগুলো লেখার জন্য এক ধরনের বিশেষ ভাষা ব্যবহার করা হয়, যাকে ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ বলা হয়।
- ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে ডাটা সংরক্ষণ ও ডাটা এ্যাকসেস করার জন্য ডাটা ডেফিনেশন ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়।

- ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Create statement,
• Drop statement,
• Alter statement,
• Rename statement.

২। ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ: 
- যে ডাটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যমে রিলেশনাল ডাটাবেজ টেবিলে ডাটা ইনসার্ট, ডিলিট, আপডেট, মডিফাই করা যায় তাকে ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।

- ডাটা ম্যানিপুলেশন ল্যাঙ্গুয়েজ এর কমান্ডগুলো হল-
• Insert statement,
• Delete statement,
• Update statement,
• Select statement.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০০৬.
কোনটি ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সিআইএইচ
  2. স্টোন
  3. ওয়ার্ম
  4. নরটন
ব্যাখ্যা

• ভাইরাস এবং ম্যালওয়্যার হলো ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা ডিভাইসকে আক্রান্ত করতে পারে। সিআইএইচ এবং স্টোন হলো পরিচিত কম্পিউটার ভাইরাস, যা ফাইল বা সিস্টেমকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। ওয়ার্মও একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছড়ায় এবং সংক্রমণ সৃষ্টি করে। অন্যদিকে, নরটন হলো একটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার, যা ভাইরাস ও ম্যালওয়্যার সনাক্ত ও প্রতিরোধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই এই তালিকার মধ্যে নরটন ভাইরাস বা ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত নয়, বরং এটি ভাইরাস থেকে রক্ষা করার একটি নিরাপত্তা প্রোগ্রাম।

- উত্তর: ঘ) নরটন।

• কম্পিউটার ভাইরাস: 
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রােগ্রাম। 
- কম্পিউটার ভাইরাস বাহিরের উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমােরিতে প্রবেশ করে মেমােরিতে গােপনে বিস্তার লাভ করে মূল্যবান প্রােগ্রাম, তথ্য নষ্ট করা ছাড়াও অনেক সময় কম্পিউটারকে অচল করে দেয়। 
- CIH ভাইরাসের রচয়িতা Chen Ing-hau (চেন ইং-হাও) যিনি তাইওয়ানের Tatung University এর ছাত্র ছিলেন। 
- তার নামের আদ্যাক্ষর নিয়েই মূলত এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে- Chen Ing-hau (CIH)। 
- চেরনোবিল ভাইরাস কে CIH ভাইরাসও বলা হয়। 
- এই ভাইরাসকে Chernobyl বা Spacefiller-ও বলা হয়। 
- ২৬ এপ্রিল, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ কম্পিউটার 'CIH' বা চেরনোবিল নামক ভাইরাসের আক্রমণে বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয়। 

• কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসের নাম: 
- ভিবিএস/হেল্পার, 
- ওয়ার্ম, 
- ভিবিএস/আকুই, 
- ট্রোজান হর্স, 
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর, 
- মাইক্রো ভাইরাস, 
- বুট সেক্টর ভাইরাস, 
- জেরুজালেম, 
- স্টোন, 
- ঢাকা ভাইরাস, 
- ভিয়েনা, 
- সিআইএইচ ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০০৭.
ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি কোন সংস্থা তৈরি করেছে?
  1. Apple
  2. Microsoft
  3. Google
  4. Meta
ব্যাখ্যা

• ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি মেটা সংস্থা (প্রাক্তন ফেসবুক) তৈরি করেছে। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির অন্যতম জনপ্রিয় ডিভাইস। ব্যবহারকারীরা হেডসেটটি ব্যবহার করে তিন-মাত্রিক পরিবেশে ভ্রমণ করতে, ভিডিও গেম খেলতে, শিক্ষামূলক এবং পেশাদার অনুশীলনে অংশ নিতে পারেন। মেটা সংস্থা ভিআর প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে এবং ওকুলাস রিফট এই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যান্য সংস্থা যেমন অ্যাপল, মাইক্রোসফট বা গুগল ভিআর ডিভাইস তৈরি করলেও ওকুলাস রিফট বিশেষভাবে মেটার অন্তর্গত। এটি ব্যবহারকারীদের ইমারসিভ অভিজ্ঞতা দেয় এবং ডিজিটাল দুনিয়ায় নতুন ধরণের ইন্টারঅ্যাকশন সম্ভব করে।

উত্তর: ঘ) Meta. 

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১,০০৮.
নিম্নের কোন ডিভাইস স্টোরেজ এবং I/O উভয় হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মাউস
  2. খ) মনিটর
  3. গ) হার্ডডিস্ক
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একইসাথে স্টোরেজ ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইস হিসাবে ব্যবহৃত হয়। 

কিছু ডিভাইস ইনপুট এবং আউটপুট উভয়ই হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন :  হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপিডিস্ক এবং একটি মডেম। 

উৎস : Diploma in Computer Science and Application Program, Open University
১,০০৯.
ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ নয়-
  1. Compression tools
  2. Rename statement
  3. Disk Defragmenter
  4. Backup Software
ব্যাখ্যা
• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ নয় "Rename statement"।
- Rename statement ডাটা ডেফিনেশন ল্যাঙ্গুয়েজ।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যার:

- সিস্টেম সফটওয়্যারে ইউটিলিটি প্রোগ্রাম অন্তর্ভুক্ত থাকে মূলত কাজ বের করা (যেমন- অনুলিপি তৈরি, প্রাইমারি স্টোরেজ পরিষ্কার রাখা ইত্যাদি) এবং রুটিন কাজের জন্য।
- কম্পিউটারে নতুন ফাইল তৈরি করা অথবা পুরানো ফাইল মুছে ফেলা অথবা ডিস্ককে ফরম্যাট করা এ ধরনের কাজগুলো ইউটিলিটি প্রোগ্রামের দ্বারা করা হয়ে থাকে।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের উদাহরণ:
- Antivirus Software,
- Disk Cleanup,
- Disk Defragmenter,
- Backup Software,
- System Monitoring Utilities,
- System Cleanup Utilities
- Compression tools ইত্যাদি।

• ইউটিলিটি সফটওয়্যারের কাজ:
- সংরক্ষণ করা,
- কোনো কিছু ডিলিট করা,
- ডিস্ক ফরমেট ও
- অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম লোড করা ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১০.
অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য কোন 'ফাংশন কী' ব্যবহার করা হয়?
  1. F5
  2. F6
  3. F7
  4. F8
ব্যাখ্যা
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• ফাংশন কী:

- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কী-বোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F1, F2......F12 নম্বরযুক্ত কী গুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- কী-বোর্ডে ১২টি ফাংশন থাকে।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কী গুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কী গুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজ সহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।
- বিভিন্ন প্যাকেজে ফাংশন কী গুলোর ব্যবহার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।

• ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয় ।
- F4 last action performed repeat করা যায় এবং কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যাকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা
১,০১১.
নিচের কোন ডিভাইসটি প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়?
  1. মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. হাই-অ্যান্ড সার্ভার
  3. সুপার কম্পিউটার
  4. রাউটার
ব্যাখ্যা

• প্রধানত এম্বেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় মাইক্রোকন্ট্রোলার। 

• এমবেডেড কম্পিউটার:
এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম (ROM) নিয়ে গঠিত। আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার করা হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১২.
ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন কোন দুই প্রতিষ্ঠানের প্রকৌশলীরা?
  1. Microsoft এবং Intel
  2. Apple এবং Xerox
  3. IBM এবং Dell
  4. Google এবং Adobe
ব্যাখ্যা
• ইউনিকোড:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- বিশ্বের ছোট বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- ফলে যে সমস্ত ভাষাকে কোডভুক্ত করার জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন-চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানীজ ইত্যাদি) সে সকল ভাষার সকল চিহ্নকে সহজেই কোডভুক্ত করা সহজতর হলো।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকি ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০১৩.
ফ্লপি ডিস্কের অপর নাম কী?
  1. ডিসকেট
  2. পেন ড্রাইভ
  3. সিডি রম
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• ফ্লপি ডিস্ক (Floppy Disk):
- ফ্লপি ডিস্ক একটি সহায়ক মেমোরি যন্ত্র, যা পাতলা প্লাস্টিকের চাকতির ওপর ম্যাগনেটিক অক্সাইডের প্রলেপ দিয়ে তৈরি।
- এটি ডিসকেট নামেও পরিচিত।
- অ্যালান শুগার্ট ফ্লপি ডিস্কটি আবিষ্কার করেন।
- ফ্লপি ডিস্ক ওজনে হালকা এবং আকারে ছোট হওয়ায় এটি সহজে বহনযোগ্য।
- এই ডিস্কের মাধ্যমে সহজে এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান করা যায়।
- এর ধারণ ক্ষমতা ১.৪৪ মেগাবাইট।
- এটি একটি চৌম্বকীয় স্টোরেজ মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
- ফ্লপি ডিস্কটি প্লাস্টিকের উপর চৌম্বকের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৪.
কম্পিউটার কম্পোজ করার সুবিধা কোনটি?
  1. ক) দ্রুত কম্পোজ করা যায়
  2. খ) অক্ষর ছোট বড় করা যায়
  3. গ) যেকোনো ভাষায় কম্পোজ করা যায়
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা

- কম্পিউটারের কম্পোজ করার সুবিধাগুলো হচ্ছে, দ্রুত কম্পোজ করা যায়, একই কম্পিউটারে বাংলা, ইংরেজী এবং অন্যান্য ভাষায় কম্পোজ করা যায়।
- অক্ষরের আকার ইচ্ছামত বড় এবং ছোট করা যায়। অক্ষর কখনও ভাঙ্গে না এবং লাইন আকা বাঁকা হয় না। লাইনের মাঝখানে ফাঁকা জায়গা প্রয়োজনমত কম বেশি করা যায়।
- ইচ্ছানুযায়ী বিভিন্ন প্যারা সেটিং করা যায় এবং লেখাকে ইচ্ছানুযায়ী সাজানো যায়।
- কম্পোজ করা বিষয় কম্পিউটারের স্মৃতিতে রাখা যায় এবং প্রয়োজন হলে আবার ব্যবহার করা যায়।
- প্রকাশনার ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার করে শুধুমাত্র কম্পোজ নয়, এখন ছবি বা চিত্র সম্পাদনা, কালার সেপারেশন ইত্যাদি কাজ করার সুযোগও কম্পিউটার তৈরী করে দিয়েছে।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

১,০১৫.
কোন রোগের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না?
  1. পাইলস
  2. লিভার ক্যান্সার
  3. হার্ট অ্যাটাক
  4. চর্মরোগ
ব্যাখ্যা
• "হার্ট অ্যাটাকের " চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহৃত হয় না।

• ক্রায়োসার্জারি:
- যে পদ্ধটিতে অত্যন্ত ঠান্ডা তাপমাত্রা প্রয়োগ করে ত্বকের অস্বাভাবিক এবং রোগাক্রান্ত টিস্যু ধ্বংস করা হয় তাকে ক্রায়োসার্জারি বলে।
- ক্রায়োসার্জারিকে ক্রায়োথেরাপিও বলা হয়।
- জেমস আরনট কর্তৃক মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় লবণ পানিকে জমাকৃত করে ব্যবহার করার পদ্ধতি বর্ণিত হওয়ার মাধ্যমে ১৮৪৫ সালে ইংল্যান্ডে প্রথম ক্রায়োসার্জারির ব্যবহার শুরু হয়।
- গ্রিক শব্দ 'ক্রায়ো' (বরফের মতো ঠান্ডা) এবং 'সার্জারি' (হাতের কাজ) শব্দ দু'টি হতে ক্রায়োসার্জারি শব্দটি এসেছে।
- প্রায় বিগত ৪০ বছর ধরে প্রস্টেট ক্যান্সারের চিকিৎসায় ক্রায়োসার্জারি ব্যবহার করা হচ্ছে
- ১৯২০ সালের দিকে ক্রায়োসার্জারিতে তরল অক্সিজেনের ব্যবহার শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালে ড. রে এলিংটন সর্বপ্রথম ক্রায়োসার্জারিতে তরল নাইট্রোজেন প্রয়োগ করেন।
- ক্রায়োসার্জারিতে ব্যবহৃত প্রধান উপাদান নাইট্রোজেন, তরল অবস্থায় প্রয়োগ করা হয়।
- ক্রায়োসার্জারি অশ্বরোগ, ছানি, হাড়, যকৃত, প্রোস্টেট ক্যান্সার, লিভার ক্যান্সার, চর্মরোগ, ইত্যাদি চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০১৬.
অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস কোনটি?
  1. কীবোর্ড
  2. পটেনশিওমিটার
  3. মাউস
  4. হার্ড ড্রাইভ
ব্যাখ্যা
• অ্যানালগ কম্পিউটারে ইনপুট হিসেবে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো পটেনশিওমিটার (খ)। অ্যানালগ কম্পিউটার মূলত অবিচ্ছিন্ন (continuous) তথ্য নিয়ে কাজ করে, যেমন ভোল্টেজ, তাপমাত্রা বা গতি। এই ধরনের ইনপুট সরবরাহ করতে পটেনশিওমিটার খুবই কার্যকর, কারণ এটি ঘূর্ণনের মাধ্যমে ভোল্টেজ পরিবর্তন করে, যা অ্যানালগ সিগনাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কীবোর্ড, মাউস বা হার্ড ড্রাইভ ডিজিটাল কম্পিউটারে বেশি ব্যবহৃত হয় এবং তারা বিযুক্ত (discrete) তথ্য দেয়, যা অ্যানালগ কম্পিউটারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই ইনপুট ডিভাইস হিসেবে অ্যানালগ কম্পিউটারে পটেনশিওমিটারই সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

• অ্যানালগ কম্পিউটার:
- যে সকল কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেতের ওপর নির্ভর করে ইনপুট গ্রহণ করে প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদিত করে, সেসব কম্পিউটারকে অ্যানালগ কম্পিউটার বলা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটারে বর্ণ বা অংকের পরিবর্তে ক্রমাগত পরিবর্তনশীল বা অ্যানালগ বৈদ্যুতিক সিগন্যাল ব্যবহার করা হয়।
- তথ্য প্রক্রিয়াকরণ ও হিসাবের পর প্রাপ্ত ফলাফল সাধারণত মিটার, ওসিলোসকোপ ইত্যাদিতে প্রদর্শিত হয়।
- মোটরগাড়ির স্পিডোমিটার, স্লাইড রুল, অপারেশনাল অ্যামপ্লিফায়ার ইত্যাদি অ্যানালগ কম্পিউটারের উদাহরণ।
- সাধারণত চাপ, তাপ, তরল পদার্থের প্রবাহ ইত্যাদির উঠা-নামা বা হ্রাস-বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
- এছাড়া গাড়ি, উড়োজাহাজ, মহাকাশ যান ইত্যাদির গতিবেগ, বায়ু, তরল ও কঠিন পদার্থের চাপ এবং কোনো বিশেষ স্থানের বা কক্ষের তাপমাত্রা পরিমাপের জন্য অ্যানালগ কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
- অ্যানালগ কম্পিউটারের ফলাফলের সূক্ষ্মতা তুলনামূলকভাবে কম।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০১৭.
Which type of operation can be performed on RAM?
  1. Read only
  2. Write only
  3. Both read and write
  4. Neither read nor write
ব্যাখ্যা

• RAM–এ Read এবং Write—উভয় ধরনের কাজ করা যায়।

• RAM:
- RAM (Random Access Memory) হলো কম্পিউটারের কার্যকরী স্মৃতি কেন্দ্র।
- ব্যবহারকারী যখন কোনো সফটওয়্যার চালায়, সেই প্রোগ্রামটি RAM–এ লোড হয়।

• RAM–এর Read ও Write ক্ষমতা:
- RAM–এ ডেটা পড়া (Read) এবং লেখা (Write)—দুটিই করা সম্ভব।
- CPU সরাসরি RAM থেকে ডেটা পড়ে এবং সেই ডেটার উপর প্রসেসিং করে।
- প্রোগ্রাম চলাকালীন নতুন ডেটা RAM–এ লেখা হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন হয়।

• কার্যক্ষমতায় RAM–এর ভূমিকা:
- RAM যত বেশি হবে, একসাথে তত বেশি প্রোগ্রাম দ্রুত চালানো সম্ভব হয়।
- দ্রুতগতির অ্যাক্সেসের কারণে RAM হার্ড ডিস্কের তুলনায় প্রায় ১০–১০০ গুণ দ্রুত।

• অন্যান্য অপশন:
- Read only মেমোরিতে শুধু ডেটা পড়া যায়, লেখা যায় না, যেমন ROM।
- Write only ধরনের মেমোরি বাস্তবে সাধারণ কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয় না।
- Neither read nor write কোনো কার্যকর মেমোরির বৈশিষ্ট্য নয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০১৮.
Apache এক ধরনের-
  1. Web Browser
  2. Web Server
  3. Protocol
  4. DBMS
ব্যাখ্যা
Apache এক ধরনের Web Server.
• Apache HTTP সার্ভার প্রজেক্ট হল UNIX এবং Windows সহ আধুনিক অপারেটিং সিস্টেমগুলির জন্য একটি ওপেন-সোর্স HTTP সার্ভার, যা ডেভলোপ ও মেইনটেইন করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এই প্রকল্পের লক্ষ্য হল একটি নিরাপদ ও দক্ষ সার্ভার প্রদান করা।
- Apache HTTP সার্ভার ১৯৯৫ সালে চালু হয়েছিল এবং এটি এপ্রিল ১৯৯৬ সাল থেকে ইন্টারনেটে সবচেয়ে জনপ্রিয় ওয়েব সার্ভার।

উৎস: Apache Website.
১,০১৯.
প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার কোনটি?
  1. ইলেকট্রোস্ট্র্যাটিক প্রিন্টার
  2. থার্মাল প্রিন্টার
  3. ইংকজেট প্রিন্টার
  4. লেজার প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন:
১. লেজার প্রিন্টার (Laser Printer),
২. ইংকজেট প্রিন্টার (Ink-Jet Printer),
৩. থার্মাল প্রিন্টার (Thirmal Printer),
৪. স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার (Electrostatic Printer); ইত্যাদি।

• লেজার প্রিন্টার (Laser Printer):
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানের দিক থেকে লেজার প্রিন্টার হচ্ছে সবচেয়ে ভালো প্রিন্টার।
- যদিও নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারের মধ্যে সবচেয়ে দামি প্রিন্টার। কিন্তু এ ধরনের প্রিন্টারের মাধ্যমে দ্রুততিতে ও সবচেয়ে সুন্দরতম লেখা ছাপানো যায়।
- তবে লেজার প্রিন্টার লেজার (LASER - Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ফুটিয়ে তোলে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২০.
কোনটি কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতিশক্তি হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) ROM
  2. খ) RAM
  3. গ) BIOS
  4. ঘ) Hard Disc
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
• এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
• কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
• বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
• এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১,০২১.
একটি এমবেডেড সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. উচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা
  2. রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া
  3. বৃহৎ স্টোরেজ ক্ষমতা
  4. ইউজার ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা

◉ Embedded System হলো বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি কম্পিউটার সিস্টেম, যা নির্দিষ্ট কাজ দক্ষতার সাথে সম্পাদন করে। এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো Real-time Response (তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া) – অর্থাৎ ইনপুট বা ঘটনার সাথে সাথে দ্রুত সঠিক আউটপুট দেওয়া। যেমন: গাড়ির ব্রেক কন্ট্রোল সিস্টেম, পেসমেকার, ওয়াশিং মেশিন ইত্যাদি।

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এর মূল বৈশিষ্ট্য হলো এর Real-time Response বা রিয়েল-টাইম প্রতিক্রিয়া, যেখানে এটি দ্রুত ইনপুট গ্রহণ করে এবং সময়মতো সঠিক আউটপুট প্রদান করে।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হচ্ছে— C, C++, Python, Java, Assembly. 

অন্যান্য অপশনসমূহ,
উচ্চ প্রসেসিং ক্ষমতা (High Processing Power): সব এমবেডেড সিস্টেমে প্রয়োজন হয় না, অনেক ছোট ডিভাইস খুব কম প্রসেসিং পাওয়ারেই চলে।
বৃহৎ স্টোরেজ (Large Storage): সাধারণত এদের বিশাল স্টোরেজ দরকার হয় না।
ব্যবহারকারী ইন্টারফেস (User Interface): সব এমবেডেড সিস্টেমে UI থাকে না, যেমন: মাইক্রোওভেন কন্ট্রোলার বা সেন্সর ডিভাইস।

উৎস: 
১। Indian Institute of Embedded Systems. 
২। Maven Silicon ওয়েবসাইট। 

১,০২২.
The time taken by the computer to retrieve any data from memory is -
  1. ক) 1 terasecond
  2. খ) 1 picosecond
  3. গ) 1 nanosecond
  4. ঘ) 1 microsecond
ব্যাখ্যা
স্মৃতি বা মেমরি (Memory)
- কম্পিউটারের স্মৃতি অতি বিশাল, কোটি কোটি ডেটা ও নির্দেশ তাতে জমা রাখা যায়। 

- কম্পিউটারের সঞ্চয় ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অতি সহজে একই ধরনের কাজ বিভিন্ন সময় দ্রুতগতিতে করা সম্ভব। 
- এর মেমরি অনেক ডেটা অনেক দিন পর্যন্ত অপরিবর্তনীয়ভাবে সংরক্ষণ করে রাখতে পারে। 
- প্রয়োজনের সময় যে কোন ডেটা বা নির্দেশ কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ও নির্ভুলভাবে স্মরণ করতে পারে। 
- মেমরি থেকে কোন ডেটা খুঁজে বের করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ১ ন্যানো সেকেন্ড ।

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার দক্ষতা, বিএড প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১,০২৩.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) MSExcel
  2. খ) Apple Calc
  3. গ) Google Sheets
  4. ঘ) All of them are Spreadsheet software
ব্যাখ্যা
Apple's Spreadsheet Software is called 'Apple Numbers'. On the other hand, OpenOffice Calc is the Spreadsheet software from Oracle Corporation.
১,০২৪.
DPI এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Digit Per Inch
  2. Dots Per Inch
  3. Data Per Inch Unit
  4. Dots per printed unit
ব্যাখ্যা
- যে যন্ত্রের সাহায্যে কম্পিউটারে প্রাপ্ত ফলাফল কাগজে ছাপানো যায় তাকে প্রিন্টার বলা হয়। অন্যান্য আউটপুট ডিভাইসের তুলনায় প্রিন্টার একটি ধীরগতি আউটপুট ব্যবস্থা।
- প্রিন্টারের আউটপুটের মান কী রকম হবে তা নির্ভর করে প্রিন্টারের রেজুলেশনের উপর।
- প্রিন্টারের রেজুলেশন পরিমাপক একক ডিপিআই (DPI)।
- DPI এর পূর্ণরূপ হলো- Dots Per Inch.

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০২৫.
এমএস ওয়ার্ড কি ধরনের সফটওয়্যার?
  1. Application Software
  2. System Software
  3. Database Software
  4. OS
ব্যাখ্যা
অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার: 
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন‍্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। 
উদাহারণ: Ms Word, Ms Excel, Oracle, Foxpro, Informix, Adobe Photoshop ইত্যাদি। 

সিস্টেম সফটওয়্যার: 
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি
রাখে। 
- আবার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে। 
উদাহরণ: Unix, Linux, Ubuntu, Windows, Solaris ইত্যাদি। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৬.
ভিবিএস/হেল্পার কী?
  1. একটি কম্পিউটার ভাইরাস
  2. একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার
  3. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  4. একটি প্রোগ্রামিং ভাষা
ব্যাখ্যা

◉ ভিবিএস/হেল্পার (VBS/Helper) হলো একটি কম্পিউটার ভাইরাস, যা ভিজ্যুয়াল বেসিক স্ক্রিপ্ট (VBS) ফাইল ব্যবহার করে তৈরি হয়। এটি সাধারণত ক্ষতিকর কোড হিসেবে কাজ করে এবং সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে।

ভিবিএস/হেল্পার: 
- এই ভাইরাসটি মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ডকুমেন্টকে ইনফেক্ট করে।
- এই ভাইরাসের মধ্যে আছে অটোক্লোজ নামে একটি ম্যাক্রো। ইনফেক্টেড ডকুমেন্টে অটোম্যাক্রো ব্যবহার করে ভাইরাসটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। এর ফলে ইউজারা ম্যাক্রো কোড ভিউ বা এডিট করতে পারে না।

Computer Virus: 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের ক্ষতিকারক কম্পিউটার প্রোগ্রাম যা, স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্বাহ, সংক্রমণ ও নিজস্ব সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারকে অস্বাভাবিক, অগ্রহণযোগ্য এবং অস্বস্তিদায়ক কাজ করতে বাধ্য করে। এ ধরনের প্রোগ্রামের উদ্দেশ্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীকে বিড়ম্বনায় ফেলা।

কয়েকটি ভাইরাসের নাম হলো- ভিবিএস/হেল্পার, ওয়ার্ম, ভিবিএস/আকুই, ট্রোজান হর্স, এক্স ৯৭এম/হপার.আর, মাইক্রো ভাইরাস, বুট সেক্টর ভাইরাস, জেরুজালেম, স্টোন, ঢাকা ভাইরাস, ভিয়েনা, সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস: ই-কমার্স, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,০২৭.
মাইক্রোপ্রসেসর কোন উপাদান দ্বারা তৈরি করা হয়?
  1. ক) কার্বন
  2. খ) ইউরেনিয়াম
  3. গ) সিলিকন
  4. ঘ) অ্যালুমিনিয়াম
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর হল সিলিকনের তৈরি একধরনের ভিএলএসআই (VLSI- Very Large Scale Integration) চিপ। 

- এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ।
- মাইক্রোপ্রসেসর একক চিপ বা আইসি আকারে মাইক্রোকম্পিউটারের ভেতরে সন্নিবিষ্ট থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজ সমাধান করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রকৃতি ও ক্ষমতার উপর নির্ভর করে মাইক্রোকম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যক্ষমতা। 
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা, ব্রেইন বলা হয়। 

মাইক্রোপ্রসেসরের কাজসমূহ- 
- কম্পিউটারের সকল অংশের নিয়ন্ত্রণ ও সময় নির্ধারণ সংকেত প্রদান করে থাকে।
- এটি মেমোরি থেকে ডাটা ও নির্দেশ নিয়ে থাকে।
- মেমোরি ও ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদান করে।
- এটি নির্দেশ ডিকোড করে থাকে।
- এটি গাণিতিক ও যুক্তিমূলক কাজ করে থাকে।

সূত্র- ৯১ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০২৮.
সোর্স কোডকে অনুবাদ করার পর যে প্রোগ্রাম হয় তাকে কী বলে?
  1. মেশিন কোড
  2. অবজেক্ট কোড
  3. প্রসেসড কোড
  4. মেইন কোড
ব্যাখ্যা
• আনুবাদক প্রোগ্রাম:
- অনুবাদক প্রোগ্রামের কাজ হলো উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১) কম্পাইলার: সম্পূর্ন প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে সব ভুল এক সাথে দেখায় ডিবাগিং করার জন্য।
২) ইন্টারপ্রেটার: লাইন ধরে ধরে অনুবাদ করে এবং কোথাও বাগ খুজে পেলে সাথে সাথে অনুবাদ বন্ধ হয়ে যায় ৷ ডিবাগ করে তারপর পরবর্তী লাইন থেকে অনুবাদ শুর হয়।
৩) অ্যাসেম্বলার: শুধু মাত্র অ্যাসেম্বলি ভাষার জন্য প্রযোজ্য।

• উৎস প্রোগ্রাম (Source Code):
- হিউম্যান লেঙ্গুয়েজে রচিত প্রোগ্রামকে সাধারনত উৎস প্রোগ্রাম বলা হয় ৷
- কম্পিউটার এইসব উৎস প্রোগ্রাম বুঝে না ৷

• বস্তু প্রোগ্রাম (Object Code):
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদক প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটার এর গ্রহন উপযোগী প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়।এই প্রোগ্রামকেই বস্তু প্রোগ্রাম বলা হয় ৷
- বস্তু প্রোগ্রামে রূপান্তরিত না করলে কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেয়া যায় না ৷
- কম্পিউটার শুধুই বস্তু প্রোগ্রাম বুঝে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিকের ICT বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০২৯.
হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম ত্রিমাত্রিক পরিবেশ উপস্থাপনকে কী বলা হয়?
  1. কম্পিউটার গ্রাফিক্স
  2. সিমুলেশন
  3. ডাটা নেটওয়ার্ক
  4. ভার্চুয়াল রিয়েলিটি
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি — হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে বাস্তবসম ত্রিমাত্রিক পরিবেশের কৃত্রিম রূপায়ণই ভার্চুয়াল রিয়েলিটি।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা, পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- এটি প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, তবে ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তবের অনুভূতি সৃষ্টি করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে জটিল বা ঝুঁকিপূর্ণ কাজও নিরাপদভাবে সম্পাদন করা সম্ভব।

• ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের উপকরণ:
- হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে (Head Mounted Display-HMD)।
- ডাটা গ্লোভ (Data Glove)।
- বডি স্যুট (Body Suit)।
- এসব যন্ত্রের মাধ্যমে ব্যবহারকারী ভার্চুয়াল পরিবেশে প্রবেশ করে এবং বাস্তবসম অভিজ্ঞতা লাভ করে।
- এ প্রক্রিয়ায় কোনো শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদের সম্ভাবনা থাকে না।

• প্রাত্যহিক জীবনে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রভাব:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির ব্যবহারের ফলে ভার্চুয়াল রিয়েলিটির প্রয়োগক্ষেত্র বৃদ্ধি পাচ্ছে।

• চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রয়োগ:
- চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রশিক্ষণ ও ঝুঁকি হ্রাসে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহৃত হয়।
- উন্নত বিশ্বে ডাক্তারদের আধুনিক প্রশিক্ষণে এটি কার্যকর।
- শিক্ষানবীশ সার্জনরা মেডিক্যাল ট্রেনিং টুল হিসেবে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি ব্যবহার করে।
- ভার্চুয়াল অপারেটিং কক্ষে অপারেশন পরিচালনার মতো বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জন করা যায়।
- কৌশলগত দক্ষতা, অপারেশন পদ্ধতি, রোগ-সম্পর্কিত তাত্ত্বিক বিষয় অনুশীলন সম্ভব।
- চিকিৎসা সেবার মান উন্নয়ন করা যায়।

• অন্যান্য অপশন:
- কম্পিউটার গ্রাফিক্স → কম্পিউটারের মাধ্যমে চিত্র বা ভিজ্যুয়াল উপস্থাপন প্রযুক্তি।
- সিমুলেশন → বাস্তব প্রক্রিয়া বা পরিবেশের অনুকরণভিত্তিক মডেল।
- ডাটা নেটওয়ার্ক → কম্পিউটারসমূহের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩০.
ব্রাউজিং সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Safari
  2. Brave
  3. Oracle
  4. Maxthon
ব্যাখ্যা
ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো - 
- Google Chrome, 
- Mozilla Firefox, 
- Safari, 
- Opera, 
- Microsoft Edge, 
- Maxthon, 
- Brave, 
- UC Browser. 

উল্লেখ্য, Orcale হলো ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৩১.
কোন সফটওয়্যারটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Brave
  2. Safari 
  3. Mozilla Firefox
  4. Microsoft Access
ব্যাখ্যা

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টের জন্য ব্যবহৃত সফটওয়্যার হলো Microsoft Access। এটি একটি জনপ্রিয় ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যা ডেটা সংরক্ষণ, সংগঠিত করা, অনুসন্ধান এবং বিশ্লেষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। Microsoft Access গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেস এবং সহজ টুলসের মাধ্যমে টেবিল, কোয়েরি, ফর্ম ও রিপোর্ট তৈরি করতে সাহায্য করে, ফলে ব্যবহারকারীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান ছাড়াই ডাটাবেজ পরিচালনা করতে পারে। অন্যদিকে Brave, Safari এবং Mozilla Firefox ব্রাউজার, যা শুধুমাত্র ওয়েব ব্রাউজিংয়ের কাজ করে এবং ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্টে ব্যবহৃত হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো Microsoft Access.

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।
- কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার হলো- Oracle, MySQL, Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

• অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- Safari, Brave এবং Mozilla Firefox হলো ওয়েব ব্রাউজার।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১,০৩২.
XOR গেইটে আউটপুট 1 হবে, যখন ইনপুট-
  1. A = 1, B = 0
  2. A = 0, B = 0
  3. A = 1, B = 1
  4. খ ও গ উভয় ক্ষেত্রেই
ব্যাখ্যা
• এক্স অর গেইট:
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৩৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Norton
  2. Thunder Byte
  3. Macafee
  4. Perrin.exe
ব্যাখ্যা
Virus = Vital Information Resource Under Siege.
কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাসঃ
- Trojan Horse,
- Perrin.exe,
- BUDDY LST.ZIP,
- Boot Sector virus,
- Macro virus,
- Overwriting virus etc.

কয়েকটি এন্টি ভাইরাস:
- Macafee Antivirus,
- Norton Antivirus,
- IBM antivirus,
- Thunder Byte antivirus,
- Red alert antivirus etc.

সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর (উন্মুক্ত বিশ্বঃ) কম্পিউটার ও আইসিটি বোর্ড বই।
১,০৩৪.
চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে _________ বলে।
  1. অ্যাকসেস টাইম
  2. সিক টাইম
  3. ল্যাটেন্সি টাইম
  4. অপারেশনাল টাইম
ব্যাখ্যা
• অ্যাকসেস টাইম (Access Time):
- মেমরি হতে ডেটা রিড বা রাইট অপারেশনে যে সময় লাগে তাকে অ্যাকসেস টাইম বলে।
- প্রধান মেমরির টাইম (সময়) বলতে বুঝায় মেমরির নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অ্যাকসেস করা এবং তা থেকে একটি শব্দ পড়া বা লেখার মোট সময়।
- অ্যাকসেস সময় যত কম হয়, কম্পিউটার তত দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- সাধারণত মানুষের চোখের পলক পড়তে সময় লাগে এক সেকেন্ডের দশ ভাগের এক ভাগ, যা ১০ মিলিয়ন ন্যানোসেকেন্ডের সমান।
- কম্পিউটার উক্ত সময়ে তাহলে ১০ মিলিয়ন নির্দেশ নির্বাহ করতে পারে।

পঠনক্রিয়া (Read Operation):
- মেমরির কোনো নির্দিষ্ট অ্যাড্রেসে অবস্থিত বাইনারি ওয়ার্ডকে খুঁজে নেওয়া হলে তাকে রিড অপারেশন বলে।

• লিখন অপারেশন (Write Operation):
- মেমরির একটি নির্দিষ্ট সেলে নতুন ওয়ার্ড সংরক্ষণ করাকে লিখন বা Write Operation বলা হয়।

• সিক টাইম (Seek Time):
- চৌম্বক ডিস্কের ক্ষেত্রে রিড-রাইট হেডকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে যেতে যে সময় লাগে তাকে সিক টাইম বলে। 

• ল্যাটেন্সি টাইম (Latency time):
- রিড-রাইট হেডকে ট্র্যাকে নিয়ে যাওয়া পরে সঠিক শব্দে পৌঁছতে যে সময় লাগে তাকে ল্যাটেন্সি টাইম বলে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।
১,০৩৫.
ক্রায়োজনিক নয় কোনটি?
  1. তরল নাইট্রোজেন
  2. তরল সোডিয়াম ক্লোরাইড
  3. তরল আর্গন গ্যাস
  4. ইথাইল ক্লোরাইড
ব্যাখ্যা
- ক্রায়োসার্জারি হলো এক ধরণের চিকিৎসা পদ্ধতি যাতে অত্যধিক শীতল তাপমাত্রা প্রয়োগ করে শরীরের অস্বাভাবিক বা রোগাক্রান্ত কোষগুলোকে ধ্বংস করা হয়।
- এই পদ্ধতিতে রোগাক্রান্ত অংশ হিমায়িত করার জন্য কিছু রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ক্রায়োজনিক এজেন্ট বলে।
- কিছু ক্রায়োজনিক এজেন্ট নিচে উল্লেখ করা হলো:
• তরল নাইট্রোজেন
• তরল আর্গন গ্যাস
• তরল নাইট্রাস অক্সাইড
• ইথাইল ক্লোরাইড
• ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন
• তরল কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস
• ডাই মিথাইল ইথাইল প্রোপ্রেন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০৩৬.
কোনটি হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ?
  1. ইসিজি মেশিন
  2. পার্সোনাল কম্পিউটার
  3. স্মার্টফোন
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

ECG মেশিন হাইব্রিড কম্পিউটারের একটি উদাহরণ, কারণ এটি হার্টের ইলেক্ট্রিক্যাল সিগন্যাল (অ্যানালগ ডেটা) সংগ্রহ করে এবং তা ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তর করে বিশ্লেষণ করে।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৩৭.
নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. ৮ বিট = ১ অক্ষর
  2. ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
  3. ১০২৪ টেরাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
  4. ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)
ব্যাখ্যা

বিট (Bit) :
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অঙ্ক ০ (শূন্য) এবং ১ (এক) কে বিট বলে। ইংরেজি Binary শব্দের Bi এবং Digit শব্দের নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলাে বিট (০ ও ১)। এক্ষেত্রে (0) বিট দিয়ে নিম্ন ভােল্টেজ (Low Voltage) এবং (১) বিট দিয়ে উচ্চ ভােল্টেজ (High Voltage) নির্দেশ করা হয়।

বাইট (Byte) : ৮টি বিট মিলে ১ বাইট হয়। এরূপ ৮ বিটের কোড দিয়ে যে কোনাে বর্ণ, অঙ্ক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়। এরূপ ৮ বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়।
কম্পিউটার মেমােরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক।

(ক) ৮ বিট =১ বাইট = ১ অক্ষর।
(খ) ১০২৪ বাইট =১ কিলােবাইট (KB)
(গ) ১০২৪ কিলােবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
(ঘ) ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
(ঙ) ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
(চ) ১০২৪ টেরাবাইট =১ পেটাবাইট (PB)
(ছ) ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
(জ) ১০২৪ এক্সাবাইট =১ জেটাবাইট (ZB)
(ঝ) ১০২৪ জেটাবাইট =১ ইট্রাবাইট (YB)

কম্পিউটার ওয়ার্ড (Computer Word) পর পর সংলগ্ন কতকগুলাে বিট বা বাইটের সমষ্টিকে একটি কম্পিউটার ওয়ার্ড বলে। সাধারণত ১৬ বা ৩২
বিটে ১ ওয়ার্ড ধরা হয়।

উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

১,০৩৮.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. NOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  2. XOR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
  3. NOT Gate - সার্বজনীন লজিক গেইট
  4. OR Gate - মৌলিক লজিক গেইট
ব্যাখ্যা
• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- OR Gate,
- AND Gate,
- NOT Gate.

• সার্বজনীন লজিক গেইট:
- NAND Gate,
- NOR Gate.

• বিশেষ লজিক গেইট:
- XOR Gate,
- XNOR Gate.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০৩৯.
অপারেটিং সিস্টেমের কাজ নয় -
  1. ক) Memory Management
  2. খ) Process Management
  3. গ) Network Management
  4. ঘ) Device Management
ব্যাখ্যা
অপারেটিং সিস্টেম সাধারনত ৫ ধরনের কাজ করে:
- Memory Management: প্রাইমারি মেমোরিকে নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজে কতটুকু মেমোরি লাগবে, কোন ডাটা মেমোরির কোন জায়গায় আছে তা ম্যানেজ করে। 

- Process Management: কতগুলো কাজ করা হচ্ছে তা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন কাজটি করা হচ্ছে, তার জন্য কোন কোন অংশকে কাজে লাগাতে হবে তা নির্ণয় করে। 

- Device Management: কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত ডিভাইসগুলোর কাজকে সমন্ময় করা । কোন আউটপুট কোন ডিভাইসে যাবে তা নির্ধারণ করা।

- File Management: কোন সুনির্দিষ্ট কাজ করার জন্য কোন ফাইলগুলো ব্যবহার করতে হবে তা নির্ধারণ করা।

- Security: কম্পিউটারে সংরক্ষিত ডাটাগুলোকে সিকিউরিটি দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কাজ। যাতে কোনো ডাটা হাড়িয়ে না যায় বা ভাইরাস এর আক্রমনে ডাটার প্রকৃতি পরিবর্তন না হয় এবং ডাটা যাতে ইউজারের অনুমতির বাহিরে অন্যত্র স্থানান্তরিত না হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
১,০৪০.
অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণকে কি বলে?
  1. ক) Class
  2. খ) Object
  3. গ) Attribute
  4. ঘ) Method
ব্যাখ্যা
• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং এর ভাষায় কোন বস্তু কিংবা ঘটনার প্রোগ্রামিং সংস্করণ হলো অব্জেক্ট (Object)
- যেমন: একটি ব্যাংক একাউন্টকে একাউন্ট নাম্বার, একাউন্ট টাইপ এবং ব্যালেন্স দ্বারা নির্দিষ্ট করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ব্যাংক হলো একটা অবজেক্ট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪১.
স্ক্যানার এক ধরনের
  1. ইনপুট ডিভাইস
  2. আউটপুট ডিভাইস
  3. স্মৃতি
  4. মাইক্রোপ্রসেসর
ব্যাখ্যা

• স্ক্যানার এক ধরনের- ইনপুট ডিভাইস (Input Device)।

পেরিফেরালস: 
- পেরিফেরাল হলো কম্পিউটার সংযুক্ত অতিরিক্ত ডিভাইস যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়। 
- পেরিফেরালের সাহায্যে কম্পিউটারে উপাত্ত ও নির্দেশ প্রদান, কম্পিউটার হতে ফলাফল গ্রহণ এবং ফলাফল সংরক্ষণ করা হয়। 
যেমন: প্রিন্টার, প্লটার ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, সিডি-রম ইত্যাদি। 

১। ইনপুট ডিভাইস (Input Device): 
- যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: কীবোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, OMR, OCR ইত্যাদি। 

২। আউটপুট ডিভাইস (Output Device): 
- যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্রজেক্টর, স্পিকার, প্লটার ইত্যাদি। 

৩। ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস (Input-Output Device): 
- এছাড়াও আরও কিছু পেরিফেরাল রয়েছে যা ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
যেমন: হেডফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, টাচ স্ক্রিন ইত্যাদি। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৪২.
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন ভাগে
  2. খ) চার ভাগে
  3. গ) পাঁচ ভাগে
  4. ঘ) ছয় ভাগে
ব্যাখ্যা
বেজের উপর নির্ভর করে সংখ্যা পদ্ধতিকে চার ভাগে  ভাগ করা যায়। 

- যে পদ্ধতিতে সংখ্যা গণনা করা হয় বা প্রকাশ করা হয়, তাকে সংখ্যা পদ্ধতি (Number System) বলে।
- এ সকল সংখ্যাকে বিভিন্ন গাণিতিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় গণনার কাজ করা হয়।

- সংখ্যা পদ্ধতিকে সাধারণত চারভাগে ভাগ করা হয়েছে।
যেমন–
১. ডেসিমাল বা দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি
৪. হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি

সূত্র: ৮৪ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  

১,০৪৩.
মোবাইল ফোনের কোন প্রজন্মে প্রথমবারের মতো মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবা প্রদান শুরু হয়?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  2. চতুর্থ প্রজন্ম
  3. প্রথম প্রজন্ম
  4. তৃতীয় প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৯০-২০০০):
- ১৯৯০ সালে ইউরোপে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।
- ট্রান্সমিশন কোয়ালিটি, সিস্টেম ক্যাপাসিটি এবং বিশাল এলাকা জুড়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেম চালু করা হয়।

• দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১. দ্বিতীয় প্রজন্মে ডিজিটাল মোবাইল নেটওয়ার্ক সিস্টেম চালু হয় ।
২. GSM প্রযুক্তিতে ভয়েস ও ডাটা প্রেরণ করা সম্ভব।
৩. সিগনাল উন্নয়নের জন্য ডিজিটাল সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৪. পেজিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়।
৫. SMS (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
৬. মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ইন্টারনেট সার্ভিস চালু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৪.
এক লাইন করে অনুবাদ করে -
  1. কম্পাইলার
  2. অ্যাসেম্বলার
  3. ইন্টারপ্রেটার
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা

ইন্টারপ্রেটার এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।

• ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার এবং কম্পাইলার উভয়ই উচ্চ-স্তরের ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে। তবে, কম্পাইলার প্রথমে পুরো সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং তারপর ফলাফল দেয়। কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। এটি একটি লাইন করে প্রোগ্রাম চালায় এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল দেয়।
- ইন্টারপ্রেটারের মাধ্যমে প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি খুঁজে বের করতে এবং সংশোধন করতে কম সময় লাগে।
- তবে, ইন্টারপ্রেটারের অসুবিধা হলো এটি অনুবাদের ক্ষেত্রে ধীরগতির হয়।
- প্রতিবার প্রোগ্রাম চালানোর সময় প্রতিটি স্টেটমেন্ট নতুন করে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে হয়।
- এটি সাধারণত প্রোগ্রামটিকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- উদাহরণ: পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট।

সূত্র:
১। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,০৪৫.
মাউসের আবিষ্কার করেন -
  1. Howard H. Aiken
  2. Douglas Engelbart
  3. John Vincent Atanasoff
  4. Bill English
ব্যাখ্যা

- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]

১,০৪৬.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian
  3. kindle
  4. Windows NT Server
ব্যাখ্যা
• kindle- হচ্ছে একটি ই-বুক রিডার।

• অপারেটিং সিস্টেম:
:- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:
• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• বর্ণ বা টেক্সটভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম:
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেম হলো কমান্ড লাইন ইউজার ইন্টারফেস।
- ডিস্ক ফর্মেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ কি-বোর্ডের মাধ্যমে কমান্ডের সাহায্যে করতে হয়।
- Linux, Unix, MS-DOS, PC DOS, CP/M ইত্যাদি এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৭.
কোন ধরণের ওয়েবসাইটে থিম ও কন্টেন্ট নির্দিষ্ট থাকে?
  1. ডাইনামিক ওয়েবসাইট
  2. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
  3. উভয়ই
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
গঠন বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা-
১. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
২. ডাইনামিক ওয়েবসাইট

♦ স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
- যে সকল ওয়েব পেইজ পূর্ব থেকে তৈরীকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে এবং কোড পরিবর্তন না করে কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় না সে সকল ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
- সাধারণত HTML এবং CSS ব্যবহার করে এসব ওয়েবসাইটের পেইজ তৈরী করা হয়।

♦ ডাইনামিক ওয়েবসাইট:
- যে সকল ওয়েব পেইজে সবসময় আপডেটেড তথ্য প্রদর্শন করা হয় এবং কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় সে সকল ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে। যেমন - ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখানোর জন্য যে ওয়েবসাইট আছে সেটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট।
- সাধারণত পিএইচপি (PHP), এএসপি (ASP), জেএসপি(JSP) ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পেইজ তৈরী করা হয়ে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সৃজনশীল), HSC প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৪৮.
LinkedIn এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত
  1. California
  2. San Francisco
  3. Washington
  4. New York
ব্যাখ্যা
• LinkedIn: 
- LinkedIn একটি বিজনেস ওরিয়েন্টেড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম।
- ২০০২ সালে রেইড হফম্যান LinkedIn উদ্ভাবন করেন।
- বর্তমানে ২০০টিরও বেশি দেশে ৯৩০ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ LinkedIn ব্যবহার করে।
- সদর দপ্তর: Sunnyvale, California, United States

উৎস: linkedin.com
১,০৪৯.
101 সংখ্যাটি কোন সংখ্যা পদ্ধতির অন্তর্গত? 
  1. অক্টাল 
  2. বাইনারি 
  3. ডেসিমেল 
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

• বাইনারি: 
- বাইনারি সংখ্যার বেস ২ টি। 
যেমন - 0, 1. 

• অক্টাল: 
- অক্টাল সংখ্যার বেস ৮ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7. 

• ডেসিমেল: 
- ডেসিমেল বা দশমিক সংখ্যার বেস ১০ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9. 

• হেক্সাডেসিমেল: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেস ১৬ টি। 
যেমন - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, A, B, C, D, E, F. 

অর্থাৎ, 0, 1 এই দুই ডিজিট সকল সংখ্যাপদ্ধতির অন্তর্গত। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১,০৫০.
যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের অধীনে কাজ করে (রিপোর্ট করে), তাহলে কর্মী এবং ম্যানেজারের মধ্যে সম্পর্ক কোন ধরনের?
  1. One-to-One
  2. Many-to-One
  3. Many-to-Many
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One
• যদি একাধিক কর্মী একজন ম্যানেজারের কাছে রিপোর্ট করে, এটি একটি Many-to-One সম্পর্ককে নির্দেশ করে। অর্থাৎ অনেক কর্মী (Many) একজন ম্যানেজার (One)-এর অধীনে কাজ করে। এখানে প্রতিটি কর্মীর জন্য একটি নির্দিষ্ট ম্যানেজার থাকে, কিন্তু একজন ম্যানেজারের অধীনে একাধিক কর্মী থাকতে পারে। এটি তথ্যব্যবস্থাপনা বা ডাটাবেস ডিজাইনে সাধারণভাবে ব্যবহৃত সম্পর্কের উদাহরণ। One-to-One সম্পর্কের ক্ষেত্রে একজন কর্মী এবং একজন ম্যানেজারের মধ্যে কেবল একক সম্পর্ক থাকে। One-to-Many হলে একজন কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে থাকতে পারে, আর Many-to-Many হলে একাধিক কর্মী একাধিক ম্যানেজারের অধীনে কাজ করতে পারে। তাই, এখানে সঠিক উত্তর: খ) Many-to-One.

• ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

• রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত। 
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৫১.
কম্পিউটারের কাজের ভুল ফলাফল দেওয়াকে কী বলা হয়?
  1. NOVA
  2. GIGO
  3. GOGI
  4. DECOMPRESSION
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারে যদি ভুল বা অযৌক্তিক ডেটা ইনপুট দেওয়া হয়, তাহলে কম্পিউটার সেই অনুযায়ী ভুল আউটপুট দেয়।
- এটাই হলো GIGO, অর্থাৎ "Garbage In, Garbage Out"।
- উদাহরণ হিসেবে বলা যায়,
  যদি ক্যালকুলেটরে ভুল সংখ্যা দেওয়া হয়, সঠিক গাণিতিক নিয়মেও ফলাফল ভুল হবে।

•  তাই, কম্পিউটারের আউটপুট সবসময় নির্ভর করে ইনপুটের উপর।
 - GIGO বলতে বোঝানো হয় — ভুল ডেটা দিলে, ভুল ফলাফলই পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: 
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
- Computer Fundamentals by P.K. Sinha.
১,০৫২.
নিচের কোনটি অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়?
  1. কম্পাইলার
  2. ইন্টিগ্রেটর
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ইন্টারপ্রেটার
ব্যাখ্যা
- ইন্টিগ্রেটর অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয় তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে।
- তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে। যথা:

১. কম্পাইলার:
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলে।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- যেমন: সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- যেমন: জাভা, পাইথন।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- যেমন: GAS, GNU Assembler.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
১,০৫৩.
পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ-
  1. পিকমেন্ট
  2. আইকন
  3. পিক্সেল
  4. কার্সর
ব্যাখ্যা
• পিকচার ইলিমেন্টের সংক্ষিপ্ত রূপ হলো পিক্সেল (Pixel)।

• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে(DPI)।
- অর্থাৎ সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

• রেজুল্যশন:
- লম্বালম্বিভাবে ও আড়াআড়িভাবে যত সংখ্যক পিক্সেল বিদ্যমান রয়েছে এগুলোকে একত্রে রেজুল্যশন বলে।
- ডিসপ্লে স্ক্রিনে প্রদর্শিত ছবির সূক্ষ্ণতাকে রেজুল্যশন বলে।
- একটি মনিটরের রেজুল্যশন যত বেশি হবে, মনিটরটি তত বেশি ভাল হবে।
- অর্থাৎ মনিটরে অক্ষর বা ইমেজ তত পরিচ্ছন্ন ও স্পষ্ট হবে।

- পিক্সেল রেজুল্যশনের একক।
- একটি CRT তে যতগুলো পিক্সেল কলাম ও সারি থাকে, তার গুণিতক মান হলো উক্ত CRT টির রেজুল্যশন ।
- যেমন একটি CRT তে ৬৪০টি কলাম এবং ৪৮০টি পিক্সেল সারি আছে, তাহলে CRT এর রেজুল্যশন হবে ৬৪০ × ৪৮০।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৫৪.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। 
  1. ক) মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৯৮ 
  2. খ) উইন্ডোজ ভিসতা
  3. গ) মিন্ট 
  4. ঘ) মাইক্রোসফট অফিস 
ব্যাখ্যা
মাইক্রোসফট অফিস হল মাইক্রোসফটের একটি এপ্লিকেশন সফটওয়ার। 
১,০৫৫.
স্ট্যান্ডার্ড কীবোর্ড এ কয়টি কী রয়েছে?
  1. ক) ৮৪
  2. খ) ১০০
  3. গ) ১০২
  4. ঘ) ১১৪
ব্যাখ্যা

কীবোর্ড হল কম্পিউটারের সবচেয়ে প্রধান ইনপুট ডিভাইস, যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইসে পাঠ্য ইনপুট করতে সাহায্য করে।

কীবোর্ড প্রধানত দুই ধরনের হয়ে থাকে- Standard keyboard (84 keys), Enhanced Keyboard (101/102/104 Keys).

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।

১,০৫৬.
কোনটি উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম নয়?  
  1. ক) Ubuntu
  2. খ) Mint 
  3. গ) Sun Solaris 
  4. ঘ) Windows Vista 
ব্যাখ্যা
Windows Vista উন্মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম না। 
১,০৫৭.
ব্রাউজিং সফটওয়্যার নয় কোনটি?
  1. Joomla
  2. Maxthon
  3. Microsoft Edge
  4. Firefox
ব্যাখ্যা
• ওয়েব ব্রাউজার: 
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়। 
- ওয়েব  ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে। 
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার। 

কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো - 
- Google Chrome, 
- Mozilla Firefox, 
- Safari, 
- Opera, 
- Microsoft Edge, 
- Maxthon, 
- Brave, 
- UC Browser. 

উল্লেখ্য, Joomla হচ্ছে Content Management System (CMS)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৫৮.
বিসিডি কোডে বিট কয়টি?
  1. ২টি
  2. ১৬টি
  3. ৪টি
  4. ৩২ টি
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড: 
- BCD এর পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal.
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২৪ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব।
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১,০৫৯.
হেক্সাডেসিমেলে 5C এর সমতুল্য দশমিক মান কত?
  1. 71
  2. 77
  3. 87
  4. 92
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16 এর ঘাত 0 হতে বাড়তে থাকবে।
- যেমন: একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা এভাবে গুণ করতে হবে।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির A, B, C, D, E ও F হলো যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়ার যাবে।

এখানে,
(5C)16
= 12 × 160 + 5 × 161
= 12 × 1 + 5 × 16
= 12 + 80
= 92
সুতরাং, (5C)16 = (92)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৬০.
Face Recognition- এর জন্য কোন অ্যালগরিদমটি প্রায়ই ব্যবহার হয়?
  1. K-Means
  2. SVM
  3. DBSCAN
  4. CNN
ব্যাখ্যা
⚪ Face Recognition (মুখ চেনার) জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যালগরিদম হলো CNN (Convolutional Neural Networks)। এটি একটি ধরনের Deep Learning অ্যালগরিদম, যা চিত্রের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য (features) বের করে, যেমন মুখের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ (eyes, nose, mouth ইত্যাদি) এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে পার্থক্য খুঁজে বের করে।

⚪ অপশন আলোচনা:

ক) K-Means: এটি একটি ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা সাধারণত চিত্র বা ডেটার গ্রুপিং করার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি মুখ চেনার ক্ষেত্রে খুব কার্যকরী নয়।

খ) SVM (Support Vector Machines): এটি একটি ক্লাসিফিকেশন অ্যালগরিদম, তবে SVM সাধারণত মুখ চেনার জন্য ব্যবহৃত হয় না, যদিও কিছু নির্দিষ্ট কেসে ব্যবহার করা যেতে পারে।

গ) DBSCAN: এটি একটি অন্য ধরনের ক্লাস্টারিং অ্যালগরিদম, যা অস্বাভাবিক বা আউটলায়ার ডেটা চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। মুখ চেনার জন্য এটি সাধারণত ব্যবহৃত হয় না।

তাহলে, Face Recognition এর জন্য CNN (Convolutional Neural Networks) সবচেয়ে উপযুক্ত অ্যালগরিদম।

উৎস: 
১) geeksforgeeks [লিংক]
২) sciencedirect.com [লিংক]
১,০৬১.
1MB এর সমতুল্য কত বাইট?
  1. 106
  2. 109
  3. 1010
  4. 108
ব্যাখ্যা
1 মেগাবাইট (MB) = 2 × 20 বাইট যা 10 × 6 এর সমতুল্য।
১,০৬২.
কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের অগ্রগতিতে উইলো কোয়ান্টাম চিপের ভূমিকা নিয়ে কোন সংস্থা কাজ করছে?
  1. Tesla
  2. Meta
  3. NASA
  4. Google
ব্যাখ্যা
• উইলো চিপ:
-গুগলের কোয়ান্টাম এআই টিম সম্প্রতি তাদের সর্বাধুনিক কোয়ান্টাম চিপ 'উইলো' উন্মোচন করেছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি প্রদর্শন করেছে।
- গুগল দীর্ঘদিন ধরে কোয়ান্টাম কম্পিউটিং নিয়ে কাজ করছে।
- তাদের কোয়ান্টাম এআই ল্যাব কোয়ান্টাম চিপ ডিজাইন এবং উদ্ভাবনের জন্য সুপরিচিত।
- "উইলো কোয়ান্টাম চিপ" তাদের একটি নতুন উদ্ভাবন যা কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করছে।

উইলো চিপের প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- ত্রুটি সংশোধনে অগ্রগতি: উইলো চিপটি ত্রুটি সংশোধনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে, যা কোয়ান্টাম কম্পিউটারের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ায়।
- অসাধারণ গণনা ক্ষমতা: উইলো মাত্র পাঁচ মিনিটেরও কম সময়ে এমন একটি গণনা সম্পন্ন করেছে, যা বর্তমানের দ্রুততম সুপারকম্পিউটারের জন্য করতে ১০ সেপটিলিয়ন বছর সময় লাগবে। এটি প্রায় ১০২৫ বছরের (10,000,000,000,000,000,000,000,000 years) সমান যা মহাবিশ্বের বয়সের চেয়েও বেশি।
- স্কেলযোগ্যতা: উইলো চিপটি বৃহৎ পরিসরের কোয়ান্টাম কম্পিউটার তৈরির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা ভবিষ্যতে আরও জটিল এবং কার্যকরী কোয়ান্টাম কম্পিউটার নির্মাণে সহায়তা করবে।

-উইলো চিপের এই সাফল্য কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের ভবিষ্যৎকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে এবং বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে।

উইলো কোয়ান্টাম চিপ সম্পর্কে আরও জানতে, আপনি নিচের লিংকে গিয়ে ভিডিওটি দেখতে পারেন:
Google Quantum AI

সূত্র:
১) BBC [লিংক]
২) blog.google [লিংক]
১,০৬৩.
Who invented QWERTY keyboard?
  1. Steve Jobs
  2. Christoher Latham Sholes
  3. Brain Sams
  4. Anderson Palimar
ব্যাখ্যা
- ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলস ছিলেন একজন আমেরিকান উদ্ভাবক যিনি QWERTY কীবোর্ড আবিষ্কার করেছিলেন। 
- ক্রিস্টোফার ল্যাথাম শোলসকে "টাইপরাইটারের জনক" বলা হয়৷ যদিও তিনি এটি আবিষ্কার করেননি, তবে তিনি প্রথম ব্যবহারিক বাণিজ্যিক মেশিন তৈরি করেছিলেন। 
- শোলস কোয়ার্টি কীবোর্ডও তৈরি করেছে যা আজও ব্যবহৃত হচ্ছে। 
- এটি সবচেয়ে সাধারণ কীবোর্ড বিন্যাস। 

উৎস: MIT and Britannica.
১,০৬৪.
Which translator works line-by-line during program execution?
  1. Compiler
  2. Assembler
  3. Interpreter
  4. Linker
ব্যাখ্যা
ইন্টারপ্রেটার অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে।

অনুবাদক প্রোগ্রাম (Translator Program)
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস (সোর্স) প্রোগ্রামকে বস্তু (অবজেক্ট) প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে রূপান্তরের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়।

তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে।যথা-
১. কম্পাইলার (Compiler),
২. ইন্টারপ্রেটার (Interpreter),
৩. অ্যাসেম্বলার (Assembler)।

১। কম্পাইলার (Compiler)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে পড়ে এবং একসাথে অনুবাদ করে, তাকে কম্পাইলার বলা হয়।
- কম্পাইলার চালনার জন্য বেশি পরিমাণ মেমোরির প্রয়োজন হয়।
- কম্পাইলার যেহেতু পুরো প্রোগ্রামটি একবারে কম্পাইল করে, তাই প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে একসাথে তা জানিয়ে দেয়।
- সে কারণে ভুলগুলো শুদ্ধ করা একটু জটিল। তবে কম্পাইল করার পর প্রোগ্রামগুলো অনেক দ্রুতগতিতে কাজ করে।
- ভিন্ন ভিন্ন ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কম্পাইলার থাকে।
- যেমন- সি ল্যাঙ্গুয়েজের জন্য Turbo C/C++, Codeblocks, Dev C, Borland C++ ইত্যাদি কম্পাইলার রয়েছে।

২। ইন্টারপ্রেটার (Interpreter)
- যে অনুবাদক প্রোগ্রাম হাই-লেভেল ভাষার উৎস প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে মেশিন ভাষার অবজেক্ট প্রোগ্রামে অনুবাদ করে, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলে।
- একটি লাইন নির্বাহ শেষ হলে ইন্টারপ্রেটার একইভাবে সোর্স প্রোগ্রামের পরবর্তী লাইনে গিয়ে মেশিন ভাষায় অনুবাদ করে তা নির্বাহ করে।
- ইন্টারপ্রেটার প্রোগ্রাম নির্বাহ (রান) করার সময় প্রোগ্রামের ভুল দেখা ও সংশোধন করার সুযোগ দেয়। একটি একটি লাইন করে অনুবাদ করে বিধায় এতে তুলনামূলকভাবে সময় বেশি লাগে।
- ইন্টারপ্রেটার ল্যাঙ্গুয়েজ দ্বারা ব্যবহৃত হয়।
- যেমন-জাভা, পাইথন।

৩। অ্যাসেম্বলার (Assembler)
- অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত প্রোগ্রামকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে অনুবাদ করার জন্য ব্যবহৃত অনুবাদককে অ্যাসেম্বলার বলা হয়।
- এটি সব ডেটা ও নির্দেশ প্রধান মেমোরিতে রাখে এবং প্রোগ্রামের কোথাও কোনো ভুল থাকলে এরর মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয়।
- উদাহরণ: GAS, GNU assemblers.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
১,০৬৫.
উচ্চ রেজুল্যশন এবং দ্রুত গতির জন্য নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার বেশি উপযোগী?
  1. ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ক্যারেক্টার প্রিন্টার
  4. লাইন প্রিন্টার
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) লেজার প্রিন্টার

• প্রিন্টার:
- কম্পিউটারের সঙ্গে ব্যবহৃত যত যন্ত্র আছে তাদের মধ্যে প্রিন্টার বহুল ব্যবহৃত ও প্রয়োজনীয় যন্ত্র।
- কম্পিউটারে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফলকে লিখিত আকারে পাওয়ার জন্য প্রিন্টার ব্যবহার করা হয়।
- কার্যপ্রণালী অনুসারে প্রিন্টারকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার ও
২। নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার।

• ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে স্পর্শ করে তাদেরকে সংস্পর্শ বা ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি কম থাকে।
- দাম তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
- ইম্প্যাক্ট প্রিন্টারকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- লাইন প্রিন্টার, অক্ষর প্রিন্টার, ডট ম্যাট্রিক্স।

• নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার:
- যে সকল প্রিন্টারে প্রিন্ট হেড কাগজকে সাধারণত স্পর্শ করে না তাদেরকে নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বলা হয়।
- এ ধরনের প্রিন্টারের রেজুল্যশন ও গতি বেশি থাকে
- দাম তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।
- নন-ইম্প্যাক্ট প্রিন্টার বিভিন্ন প্রকার হয়ে থাকে। যেমন: লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার, স্থির বা স্থিতি বৈদ্যুতিক প্রিন্টার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৬.
নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন করতে কোনটি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) OMR
  2. খ) OICR
  3. গ) OCR
  4. ঘ) MIRC
ব্যাখ্যা
OMR হল Optical Mark Reader. এটি পেন্সিল বা কালির দাগ বোঝাতে পারে। নৈব্যক্তিক পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনমত জরিপ, আদমশুমারীর কাজে ব্যবহৃত হয়।
১,০৬৭.
অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন কোম্পানি দ্বারা বাজারজাত করা হয়?
  1. অ্যাপল
  2. গুগল
  3. মাইক্রোসফট
  4. আইবিএম
ব্যাখ্যা
• Android মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি বাজারজাত করে -গুগল।

- অ্যান্ড্রয়েড হলো সেলুলার টেলিফোন এবং ট্যাবলেট কম্পিউটারের জন্য অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যানড্রয়েড 2003 সালে আমেরিকান প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যান্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেডের একটি প্রকল্প হিসেবে ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করতে শুরু করে।
- 2004 সালে প্রকল্পটি স্মার্টফোনের জন্য একটি অপারেটিং সিস্টেমে পরিণত হয়।
- 2005 সালে আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. 'Android' মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি ক্রয় করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৬৮.
কতটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করে একটি n-bit রেজিস্টার বানানো যায়?
  1. n2 সংখ্যক
  2. 2n সংখ্যক
  3. n সংখ্যক
  4. 1 টি 
ব্যাখ্যা

• একটি n-bit রেজিস্টার তৈরি করতে nটি বিট সংরক্ষণ করার ক্ষমতা থাকা দরকার। প্রতিটি বিটকে স্টোর করতে একটি ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়। তাই n-bit রেজিস্টারের জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ প্রয়োজন। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি বিট ধরে রাখে, তাই রেজিস্টারের আকারের সাথে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা সরাসরি সমানুপাতিক।

- উত্তর: গ) n সংখ্যক।

​রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

​রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৬৯.
হার্ড কপি আউটপুট পেতে নিচের কোন ডিভাইসটি ব্যবহৃত হয়?
  1. মনিটর
  2. প্রজেক্টর
  3. প্লটার
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

- সঠিক উত্তর: গ) প্লটার
 
• আউটপুট ডিভাইস:
- আউটপুট ডিভাইস হল একটি প্যারিফেরাল (peripheral) ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াজাত তথ্য ব্যবহারকারীর কাছে দৃশ্যমান বা অন্য কোনো গ্রহণযোগ্য রূপে উপস্থাপন করে।

• দৃশ্যমান আউটপূট ডিভাইস গুলো হলো-
- Monitor (CRT, LCD, LED).
- Projector.

• অডিও আউটপুট ডিভাইস গুলো হলো-
- Speaker. 
- Headphone / Earphone.

• হার্ড কপি আউটপুট ডিভাইস-
- Printer.
- Plotter (প্লটার).
• অর্থাৎ হেডফোন একটি অডিও আউটপুট ডিভাইস, যার মাধ্যমে ব্যবহারকারী কম্পিউটার বা অন্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে আসা অডিও সিগন্যাল শুনতে পারেন।

অন্যদিকে,
⇒ হেডফোন থেকে কোনো তথ্য কম্পিউটারে পাঠানো হয় না, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস নয়।
⇒ হেডফোন কোনো তথ্য সংরক্ষণ করে না, ফলে এটি মেমোরি বা স্টোরেজ ডিভাইস নয়।

তথ্যসূত্র:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
- Britannica

১,০৭০.
What is the sum of binary numbers 100101 and 110101?
  1. 1001011
  2. 1011010
  3.  1101110
  4. 1110100
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 1011010

বাইনারি যোগ:
- বাইনারি সংখ্যার যোগ প্রক্রিয়া দশমিক সংখ্যার যোগের মতোই, তবে এটি বিট ভিত্তিক।
- যখন দুটি বাইনারি বিট যোগ করা হয়, তখন ফলাফলের সাথে হাতের (Carry) বিট প্রয়োজন অনুযায়ী বামের দিকে স্থানান্তরিত হয়।

চারটি সম্ভব অবস্থা:
- 0 + 0 = 0
- 0 + 1 = 1
- 1 + 0 = 1
- 1 + 1 = 0 (হাতে 1 হয়, যা বাম দিকের পরবর্তী বিটের সাথে যোগ করতে হয়)


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,০৭১.
বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ কী?
  1. ২৩
  2. ২৪
  3. ২৫
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

◉ বাইনারি সংখ্যা ১১০০১ এর দশমিক রূপ হচ্ছে - ২৫

বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ২ দ্বারা গুণ করতে হয়।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ২ এর ঘাত ০ হতে বাড়াতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত বাইনারি সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে। 

এখানে, 
(11001)2 =  1 × 24 + 1 × 23 + 0 × 22 + 0 × 21 + 1 × 20
= 16 + 8 + 0 + 0 + 1
= 25

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৭২.
Data are entered into a computer through :
  1. ক) Software
  2. খ) Output device
  3. গ) Input Device
  4. ঘ) Memory
ব্যাখ্যা
কম্পিউটারের যে সকল ডিভাইস ব্যবহার করে কম্পিউটারকে দিক-নির্দেশনা দেয়া সম্ভব, সেসকল ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলে।

ইনপুট ইউনিট ব্যবহারকারী প্রদত্ত উপাত্ত বা বিভিন্ন উৎস থেকে উপাত্ত সংগ্রহ করে সিপিইউ বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের প্রধান স্মৃতিতে সংরক্ষণ করে। অর্থাৎ ইনপুট অংশের কাজ হলো ব্যবহারকারী বা বিভিন্ন উৎস থেকে ডেটা বা নির্দেশ গ্রহণ করে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রেরণ করা।
বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ইনপুট ইউনিট কম্পিউটারকে ডেটা বা নির্দেশ প্রদানের কাজটি সম্পাদন করে। এ ধরনের কিছু ইনপুট ডিভাইসের উদাহরণ হলো কি-বোর্ড, মাউস, স্ক্যানার, ওএমআর (OMR), ওসিআর (OCR), জয়স্টিক, পাঞ্চকার্ড, লাইটপেন ইত্যাদি ।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,০৭৩.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. ক) গ্রাফিক্স ট্যাবলেট
  2. খ) প্রজেক্টর
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) ফ্লপিডিস্ক
ব্যাখ্যা
গ্রাফিক্স ট্যাবলেট কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 

- অপরদিকে, স্পিকার এবং প্রজেক্টর কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- ফ্লপিডিস্ক কম্পিউটারের স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে। 
- একটি ইনপুট একটি হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা কম্পিউটার সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত থাকে যা কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ করে এবং এটি সংকেত নিয়ন্ত্রণ করে। 

আরও কিছু কম্পিউটার ইনপুট ডিভাইসসমূহের নাম- 
Keyboard
Microphone
Modem
OMR
Mouse
Scanner
Graphics Tablet
OCR
Light Pen
Trackball
Touch screen
Trackpad

সূত্র: ৫৮ পৃষ্ঠা, কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 
১,০৭৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. ক) McAfee Antivirus
  2. খ) Microsoft Defender
  3. গ) CIH Antivirus
  4. ঘ) সবগুলোই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার ভাইরাসের প্রতিষেধক প্রােগ্রামকে এন্টিভাইরাস বলা হয়। কয়েকটি বহুল প্রচলিত এন্টিভাইরাস হলাে McAfee Antivirus, Microsoft Defender, Avira Antivirus, Kaspersky Antivirus, Norton Antivirus, AVG Antivirus, Avast Antivirus ইত্যাদি। অন্যদিকে, ‘CIH’ কম্পিউটার ভাইরাসের নাম।
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
১,০৭৫.
What is the basic symbol of a number system called?
  1. Letter
  2. Code
  3. Symbol
  4. Digit
ব্যাখ্যা
সংখ্যা পদ্ধতির মৌলিক চিহ্ন 'ডিজিট' নামে পরিচিত।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ গণনার কাজের জন্য বিভিন্ন সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক ইত্যাদি ব্যবহার করেছে। এ ধরনের সাংকেতিক চিহ্ন, বর্ণ, সংখ্যা বা অংক পাশাপাশি রেখে তা প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো সংখ্যা পদ্ধতি।

• সংখ্যা পদ্ধতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো এমন এক ধরনের পদ্ধতি, যেখানে সংখ্যাগুলোর কোনো স্থানীয় মান থাকে না। শুধুমাত্র সংখ্যার নিজস্ব মান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
- নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হাতিয়ার, পশুপাখি, জীবজন্তুর ছবি, গাছ, ফুল ফল ইত্যাদি প্রতীক হসেবে ব্যবহার করা হতো।
- তবে এ ধরনের সংখ্যা পদ্ধতিতে গাণিতিক কাজ করা খুবই জটিল।
- প্রাচীনকালে ব্যবহৃত হায়ারোগ্লিফিক্স, মেয়ান, ট্যালি সংখ্যা পদ্ধতি নন-পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।

২. পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোনো সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার জন্য যে সকল সাংকেতিক চিহ্ন বা মৌলিক চিহ্ন ব্যবহার করা হয় তা অংক বা ডিজিট (Digit) নামে পরিচিত। যেমন: বাইনারি সংখ্যাকে প্রকাশ করার জন্য দুটি অংক ০ এবং ১ ব্যবহার করা হয়।
- ডিজিট ব্যবহার করে সংখ্যা পদ্ধতি প্রকাশ করার পদ্ধতিই হলো পজিশনাল সংখ্যা পদ্ধতি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৭৬.
এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয় কোথায়?
  1. সেল ফোন
  2. প্রিন্টার
  3. এসি
  4. সবগুলোই সঠিক
ব্যাখ্যা
• এম্বেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope.com
১,০৭৭.
কোনও ই-মেইলে CC এর অর্থ কী?
  1. Carbon copy
  2. Contact Centre
  3. Close circuit
  4. Close contact
ব্যাখ্যা
ইমেইল ঠিকানায় ব্যবহৃত
- CC এর পূর্ণ রূপ Carbon Copy;
- BCC এর পূর্ণ রূপ Blind Carbon Copy

- Bcc এর মাধ্যমে মেইল একাধিক ব্যাক্তির নিকট পাঠালে সবাই মেইল পাবে, কিন্তু কেউ কারও মেইল এড্রেস দেখতে পাবে না।
- Cc এর মাধ্যমে পাঠালে সবাই মেইল এড্রেস দেখতে পাবে।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই (মুজিবুর রহমান)।
১,০৭৮.
"ACID principle"- এ 'C' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Communication
  2. Creation
  3. Concurrency
  4. Consistency
ব্যাখ্যা
• ACID:
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে ACID নীতি হল কতকগুলো বৈশিষ্ট্যের একটি সেট যা database transactions- এর নির্ভরযোগ্য প্রক্রিয়াকরণের নিশ্চয়তা দেয়।

 ACID এর acronym হল:
- A = Atomicity.
- C = Consistency.
- I = Isolation.
- D = Durability.

- ACID ডেটাবেজ পরিচালনার ক্ষেত্রে মৌলিক ধারণা।
- ডেটাবেজ লেনদেন নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হল ACID। 
- উদাহরণস্বরুপ, একজন ব্যক্তি যখন ATM থেকে টাকা উত্তোলন করেন ACID transaction এর মাধ্যমে একাউন্ট ব্যালেন্স এবং ট্রান্সজেকশনের রেকর্ড আপডেট করা হয়।

সূত্র: techtarget.com
১,০৭৯.
কম্পিউটারের ভৌত সংগঠনই হলো-
  1. প্রসেসর
  2. সফটওয়্যার
  3. হার্ডওয়্যার
  4. মাদারবোর্ড
ব্যাখ্যা
• হার্ডওয়্যার:
- হার্ডওয়্যার হলো কম্পিউটারের ভৌত সংগঠন
- কম্পিউটার তৈরিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের ডিভাইস বা যন্ত্র এবং যন্ত্রাংশসমূহকে বলা হয় কম্পিউটার হার্ডওয়্যার।
- সাধারণত কম্পিউটার হার্ডওয়্যারকে আমরা দেখতে পারি এবং স্পর্শ করতে পারি।
- কি-বোর্ড, মাউস, মাইক্রোপ্রসেসর, মাদারবোর্ড, ডিস্ক, ডিস্ক ড্রাইভ, মনিটর, প্রিন্টার ইত্যাদি হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের উদাহরণ।

• সফটওয়্যার:
- সাধারণত সফটওয়্যার বলতে কম্পিউটারের প্রোগ্রামসমূহের সমষ্টিকে বোঝানো হয়।
অর্থাৎ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে।
- সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।
- DOS, Windows, MS Office, Adobe Photoshop, Vedio Player Pagemaker, Mac OS ইত্যাদি হলো সফটওয়্যারের উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮০.
বিল গেটস এর প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম হল ?
  1. ক) Windows 95
  2. খ) Tic-Tac-Toe
  3. গ) MS DOS
  4. ঘ) BASIC
ব্যাখ্যা
- লেক সাইড স্কুলে পড়ার সময়ই বিল গেটস প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করেন।
- টিক-ট্যাক-টো (Tic-tac-toe) নামক এই প্রোগ্রামটি কম্পিউটারের বিপরীতে গেম খেলার জন্য তৈরি প্রযুক্তি দুনিয়ার প্রথম প্রোগ্রাম।
- তিনি মাত্র ১৩ বছর বয়সে তার প্রথম এই সফটওয়্যার প্রোগ্রামটি আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: Britannica.com
১,০৮১.
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতার ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. পাঁচ ভাগে
ব্যাখ্যা
আকার, আকৃতি, দক্ষতা, ক্ষমতা ও কার্যকারিতা প্রভৃতির ভিত্তিতে ডিজিটাল কম্পিউটারকে সাধারণত চার ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। অতিবৃহৎ কম্পিউটার (Super Computer): এই ধরনের কম্পিউটার আকার ও আকৃতিতে বেশ বড় এবং একই সংগে অসংখ্য কাজ সম্পন্ন করতে পারে। এই কম্পিউটারকে সুপার কম্পিউটার বলে।

২। বৃহৎ কম্পিউটার (Mainframe Computer): সুপার কম্পিউটারের তুলনায় ছোট কম্পিউটারকে বৃহৎ কম্পিউটার বা মেইনফ্রেম কম্পিউটার বলে।

৩। ছোট কম্পিউটার (Mini Computer): মেইনফ্রেম কম্পিউটারের তুলনায় ছোট এবং কম ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটারকে বলা হয় মিনি কম্পিউটার।

৪। ক্ষুদ্র কম্পিউটার (Micro Computer): এই ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রকারের কম্পিউটারকে মাইক্রোকম্পিউটার নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮২.
মাদারবোর্ডের কোন স্লটটি সাধারণত গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. PCI slot
  2. SATA port
  3. RAM slot
  4. AGP slot
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।

• মাদারবোর্ড:

- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান সার্কিট বোর্ড, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থান হিসেবে কাজ করে এবং "সিস্টেম বোর্ড" বা "মেইনবোর্ড" নামেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ একক (CPU), যা কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত, মাদারবোর্ডের মধ্যেই স্থাপিত থাকে।
- কম্পিউটারের যেকোনো হার্ডওয়্যার সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।
- মাদারবোর্ড কম্পিউটারের সমস্ত উপাদানের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান নিশ্চিত করে।
- বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বাজারে পাওয়া যায়।

• মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইসমূহ:
- কী-বোর্ড,
- মাউস,
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- হার্ড ডিস্কড্রাইভ,
- ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ,
- পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
১. AGP slot,
২. RAM slot,
৩. PCI slot ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৩.
Firewall কী Protecation দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. Fire attacks
  2. Unauthorized access
  3. Virus attacks
  4. Data-driven attacks
ব্যাখ্যা
- অনাদিষ্ট বা অবাঞ্ছিত ব্যবহারকারীর হাত থেকে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিক কম্পিউটার শিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,০৮৪.
নিচের কোনটি একটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম?
  1. এমএস ওয়ার্ড
  2. গুগল ক্রোম
  3. অ্যাডোবি ফটোশপ
  4. মাইএসকিউএল
ব্যাখ্যা
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৮৫.
নিম্নের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ(Query Language) নয়?
  1. QUEL
  2. QBE
  3. SQL
  4. HTML
ব্যাখ্যা

HTML একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।

• কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ:
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে। 
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
-  বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে ৩ (তিনটি) কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
১। QUEL - QUEery Language
২। QBE - Query By Example
৩। SQL - Structured Query Language
- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- ANSI (American National Standard Institution) এর Standard ডেফিনেশন অনুসারে SQL রিলেশনাল ডেটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• HTML(Hyper Text Markup Language): 
- এটি একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- এটি ডাটা খোঁজে না বরং উপস্থাপন করে।
-  HTML ফাইলের এক্সটেনশন হলো .html বা.htm

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

১,০৮৬.
জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা কোন সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়?
  1. Netflix
  2. SAP
  3. Amazon
  4. Oracle
ব্যাখ্যা
• জাভা প্রোগ্রামিং ভাষাটি সান মাইক্রোসিস্টেমস সংস্থার পরিচালনায় উদ্ভাবিত হয়েছিল। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে জেমস গোসলিং ও তার দল সান মাইক্রোসিস্টেমস-এ কাজ করতে শুরু করে একটি নতুন প্রোগ্রামিং ভাষা তৈরি করতে, যা সহজ, নিরাপদ এবং প্ল্যাটফর্ম নিরপেক্ষ হবে। এই ভাষার নাম রাখা হয় জাভা। জাভার অন্যতম বড় বৈশিষ্ট্য হলো “Write Once, Run Anywhere” অর্থাৎ একবার কোড লিখলেই যেকোনো প্ল্যাটফর্মে চলবে। পরবর্তীতে সান মাইক্রোসিস্টেমসকে ওরাকল কর্পোরেশন ২০১০ সালে কিনে নেয়। তাই জাভা মূলত সান মাইক্রোসিস্টেমসের উদ্যোগে তৈরি হলেও বর্তমানে ওরাকল এর অধীনে রয়েছে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো ঘ) Oracle.

• জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।
- জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে লেখা প্রোগ্রামগুলোর এক্সটেনশন হিসেবে সাধারণত .java ব্যবহার করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১,০৮৭.
দশমিক সংখ্যা ২৭ এর বাইনারি মান কত?
  1. ক) ১১১০০
  2. খ) ১১০১১
  3. গ) ১১০০১
  4. ঘ) ১১১০১
ব্যাখ্যা

2 | 27
2 | 13 - 1
2 | 6 - 1
2 | 3 - 0
2 | 1 - 1

2 | 0 - 1 ⇑

∴ (27)10 = (11011)2

১,০৮৮.
MS Office এর কোন সফটওয়্যার টি ডাটাবেজ নিয়ে কাজ করে?
  1. ক) MS Word
  2. খ) MS Powerpoint
  3. গ) MS Access
  4. ঘ) MS Excel
ব্যাখ্যা
Microsoft Access is a database management system (DBMS) from Microsoft that combines the relational Microsoft Jet Database Engine with a graphical user interface and software-development tools.
১,০৮৯.
পাসওয়ার্ডের পর প্রায় সময় Captcha লিখতে হয় কেন?
  1. ক) আনন্দের জন্য
  2. খ) নিরাপত্তার জন্য
  3. গ) লেখালেখির জন্য
  4. ঘ) খেলাধুলার জন্য
ব্যাখ্যা

CAPTCHA কয়েকটি ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত, যার সম্পূর্ণ মানে দাঁড়ায় – Completely Automated Public Turing test to tell Computers and Humans Apart। অর্থাৎ, সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মানুষ এবং কম্পিউটার এর মধ্যে পার্থক্য যাচাইকরণের প্রক্রিয়া হল ক্যাপচা।

১,০৯০.
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটিগুলোকে সংশোধন করার প্রক্রিয়াকে কি বলে?
  1. ক) Bug
  2. খ) Debug
  3. গ) Interprate
  4. ঘ) Assamble
ব্যাখ্যা
Bug and Debug:
Bug:
কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।
Debug: কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।
১,০৯১.
FLOPS নিম্নের মধ্যে কোনটি পরিমাপ করে?
  1. CPU-গুলোর মধ্যে ডেটা স্থানান্তরের হার
  2. একটি সিস্টেমের মেমোরি ক্ষমতা
  3. একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে যত গণনা করতে পারে
  4. একটি সুপারকম্পিউটারের বিদ্যুৎ খরচ
ব্যাখ্যা
⚪ FLOPS কী?

FLOPS হলো Floating Point Operations Per Second এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি একটি পরিমাপের একক, যা বোঝায় একটি কম্পিউটার এক সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।

⚪ Floating Point Operations কী?

ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন মানে হলো – দশমিক সংখ্যার উপর ভিত্তি করে করা হিসাব যেমন:

3.14 × 2.71

5.0 ÷ 1.25

- এই ধরণের হিসাবগুলো উচ্চ গণনাশক্তির প্রয়োজন হয়, বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, ইঞ্জিনিয়ারিং সিমুলেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (AI), এবং 3D গ্রাফিক্সে।

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে?

- FLOPS মূলত একটি কম্পিউটার বা প্রসেসরের গণনাগতির দক্ষতা পরিমাপ করে। বিশেষত, এটি বলে দেয় - “একটি সিস্টেম প্রতি সেকেন্ডে কতটি ভাসমান বিন্দুর গাণিতিক অপারেশন করতে পারে।”

⚪ FLOPS কী পরিমাপ করে না? (অপশন আলোচনা):

- মেমোরি ক্যাপাসিটি – এটি RAM বা স্টোরেজ স্পেস বোঝায়, FLOPS নয়।
- ডেটা ট্রান্সফার রেট – CPU বা অন্য যন্ত্রাংশের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান কেমন তা পরিমাপ করে Bandwidth বা Bus Speed।
- বিদ্যুৎ খরচ – এটি Power Consumption দিয়ে পরিমাপ হয়, FLOPS দিয়ে নয়।

উৎস: techtarget [লিংক]
১,০৯২.
কম্পিউটারের সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষাকে কী বলা হয়? 
  1. প্রাকৃতিক ভাষা
  2. উচ্চস্তরের ভাষা
  3. অ্যাসেম্বলি ভাষা
  4. মেশিন ভাষা
ব্যাখ্যা
মেশিন ভাষা (Machine Language): 
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা। 
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্মস্তরের ভাষা বলা হয়। 
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্মস্তরের ভাষা। 
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1 এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়। 
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে। 
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৩.
বাংলাদেশের প্রথম উন্মুক্ত কৃষি মার্কেট অনলাইন প্লাটফর্ম কোনটি?
  1. আমাদের কৃষক
  2. ফুড ফর নেশন
  3. কৃষি কথা
  4. কৃষকের জানালা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার:
- কৃষি কথা: কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত মাসিক ম্যাগাজিন।
- কৃষি কল সেন্টার কোড: ১৬১২৩
- ফুড ফর নেশন: বাংলাদেশের প্রথম উন্মুক্ত কৃষি মার্কেট অনলাইন প্লাটফর্ম
- কৃষক বন্ধু ফোন সেবা: ৩৩৩১ নম্বরে কল করে নিকটস্থ কৃষি অফিস থেকে সকল ধরনের কৃষি সেবা পাওয়া যায়।
- কৃষকের জানালা অ্যাপস: ফসলের সকল সমস্যার দ্রুত ও কার্যকর সমাধান দেয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাইট, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সাইট।
১,০৯৪.
Logic Gate Diagram থেকে আউটপুট F = AB + A’C হলে এটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয়? 
  1. AND + OR + NOT
  2. OR + NAND
  3. XOR + AND
  4. NOR + NOT
ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমীকরণ F = AB + A’C হলো একটি মিশ্র লজিক ফাংশন।

• এখানে তিনটি মৌলিক গেট ব্যবহার করা হয়েছে:
- NOT gate: A’ তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- AND gate: দুটি গুণফল AB এবং (A’C) তৈরি করতে ব্যবহৃত।
- OR gate: AB এবং A’C এর আউটপুট যোগ করতে ব্যবহৃত।

• ধাপগুলো:
- A কে NOT gate এ পাঠিয়ে A’ তৈরি করা।
- AB তৈরি করতে AND gate ব্যবহার করা।
- A’C তৈরি করতে আরেকটি AND gate ব্যবহার করা।
- শেষে OR gate দিয়ে AB + A’C আউটপুট F পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।

১,০৯৫.
মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট কী ধরনের সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার
  2. স্প্রেডশিট সফটওয়্যার
  3. ডেটাবেজ সফটওয়্যার
  4. প্রেজেন্টেশন সফটওয়্যার
ব্যাখ্যা

• মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।

• মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট(MS PowerPoint):
- মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট হলো একটি প্রেজেন্টেশন অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- এটি Microsoft Office প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম।
- পাওয়ার পয়েন্ট একটি গ্রাফিক্যাল প্রেজেন্টেশন টুল, যার মাধ্যমে তথ্য উপস্থাপন সহজ ও আকর্ষণীয়ভাবে করা যায়।
- প্রেজেন্টেশনের প্রতিটি পৃষ্ঠাকে স্লাইড(Slide) বলা হয়।
- প্রেজেন্টেশন প্রদর্শনের সময় এক স্লাইড থেকে অন্য স্লাইডে স্থানান্তর করা যায়।
- লেখার পাশাপাশি ছবি, চার্ট, টেবিল, অডিও ও ভিডিও যুক্ত করা যায়।
 
• পাওয়ার পয়েন্টের ব্যবহার:
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পাঠ উপস্থাপন।
- অফিস মিটিং ও সেমিনার।
- ব্যবসায়িক রিপোর্ট ও পরিকল্পনা উপস্থাপন।
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
 
• পাওয়ার পয়েন্ট ব্যবহারের সুবিধা:
- বড় পর্দায় সহজে প্রেজেন্টেশন দেখানো যায়।
- তথ্যকে গ্রাফিক্যাল ও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
- চার্ট ও ডায়াগ্রামের মাধ্যমে তথ্য সহজে বোঝানো যায়।
- Excel ও MS Word–এর তথ্য সরাসরি যুক্ত করা যায়।
- স্লাইডে অ্যানিমেশন ও ট্রানজিশন ব্যবহার করা যায়।
- প্রেজেন্টেশনে অডিও ও ভিডিও সংযোজন করা যায়।
- টাইমিং নির্ধারণ করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্লাইড প্রদর্শন করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

১,০৯৬.
বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদনের জন্য কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে কোনটি?
  1. সিপিইউ
  2. অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাদারবোর্ড
  4. এএলইউ
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- তেমনি কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।
- এককথায় বলা যায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- ANSI-এর মতে, 'যে সফটওয়‍্যার কম্পিউটার প্রোগ্রামের এক্সিকিউশন নিয়ন্ত্রণ করে এবং শিডিউলিং, ডিবাগিং, ইনপুট/আউটপুট নিয়ন্ত্রণ, অ্যাকাউন্টিং, কম্পাইলেশন, তথ্যাবলি সংরক্ষণ, কার্যক্রম, তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং আনুষঙ্গিক কাজসমূহ করে থাকে তাকে অপারেটিং সিস্টেম বলে।' 
- অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে এমন এক ধরনের প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সব সময় নির্বাহ হয় এবং অন্যান্য প্রোগ্রামের নির্বাহের পরিবেশ তৈরি করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,০৯৭.
নিচের কোন ক্ষেত্রে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়?
  1. ভিডিও গেমস
  2. সেল ফোন
  3. থার্মোস্ট্যাট
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলারের ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কাজই করে।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: computerhope website.
১,০৯৮.
কম্পাইলারের মাধ্যমে তৈরি এক্সিকিউশন ফাইলের বৈশিষ্ট্য কী? 
  1. অত্যন্ত ধীরগতিতে চলে 
  2. দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়
  3. শুধুমাত্র উৎস কোড সংরক্ষণ করে
  4. ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়া চলতে পারে না 
ব্যাখ্যা

অনুবাদক প্রোগ্রাম: 
- যে প্রোগ্রামের মাধ্যমে উৎস প্রোগ্রামকে বস্তু প্রোগ্রামে পরিণত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলে। 
- অনুবাদক প্রোগ্রাম তিন ধরনের হয়ে থাকে। 
যথা: ১. কম্পাইলার, ২. ইন্টারপ্রেটার ও ৩. অ্যাসেম্বলার। 

কম্পাইলার: 
- কম্পাইলার হলো এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রাম একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।
- এখানকার এক্সিকিউশন ফাইল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এক্সিকিউট হয়ে থাকে। ফলে প্রোগ্রামিং প্রক্রিয়া অত্যন্ত দ্রুততর হয় এবং প্রোগ্রামারকে নিজ হাতে কোন অনুবাদকের কাজ করতে হয় না। 
- কোন নির্দিষ্ট কম্পাইলার একটি মাত্র উচ্চতর ভাষার প্রোগ্রামকে কম্পাইল করতে পারে। 
- কম্পাইলার অনুবাদ করা ছাড়াও উৎস প্রোগ্রামের গুণাগুণও বিচার করতে পারে। 

কম্পাইলারের প্রধান কাজ: 
- উৎস প্রোগ্রামকে অনুবাদ করে অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করা। 
- সম্পূর্ণ প্রোগ্রামটিকে একসাথে অনুবাদ করা এবং সবগুলো ভুল একসাথে প্রদর্শন করা। 
- প্রোগ্রামের সঙ্গে প্রয়োজনীয় রুটিন যোগ করা। 
- রুটিন হলো প্রোগ্রামের ছোট অংশ যাতে কোনো নির্দিষ্ট কাজ করার জন্য নির্দেশ দেয়া থাকে। 
- প্রোগ্রামে কোনো ভুল থাকলে তা জানানো। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি, ভোকেশনাল।

১,০৯৯.
______ is the high speed memory used in the computer.
  1. ক) RAM
  2. খ) Hard Disk
  3. গ) Cache
  4. ঘ) BIOS
ব্যাখ্যা
Cache memory, also called CPU memory, is high-speed static random access memory (SRAM) that a computer microprocessor can access more quickly than it can access regular random access memory (RAM).
Source: Fundamentals of Computer
১,১০০.
Global Village ধারণার জনক কে?
  1. এডওয়ার্ড স্নোডেন
  2. টিম বার্নার্স-লি
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. স্যাম অল্টম্যান
ব্যাখ্যা
Global Village ধারণার জনক হচ্ছেন মার্শাল ম্যাকলুহান।

• Global village:
- মার্শাল ম্যাকলুহান (Marshall McLuhan) ইংরেজি সাহিত্যে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক ছিলেন। তাকে 'বিশ্বগ্রাম ধারণার জনক বা প্রবর্তক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তাকে কানাডীয় অধ্যাপক ও দার্শনিক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।
- তার বিখ্যাত বই "The Gutenberg Galaxy: The Making of Typographic Man" (প্রকাশিত ১৯৬২) এই বইতেই প্রথম 'Global Village' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে 'Understanding media' গ্রন্থে বিশ্বগ্রাম সম্পর্কে আরো বিস্তারিত বর্ণনা করেন।
- তাঁর মতে, ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি মানুষকে এমনভাবে সংযুক্ত করছে, যেন পুরো পৃথিবী একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। এই পরিবর্তন সমাজের চিন্তাভাবনা, আচরণ, ও সংস্কৃতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করছে।
- এখানে ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি বলতে ইন্টারনেটসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক যোগাযোগ মাধ্যমকে বুঝানো হয়েছে।

• বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার উপাদানসমূহ:
- হার্ডওয়্যার,
- সফটওয়‍্যার,
- ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি,
- ডেটা,
- মানুষের জ্ঞান বা সক্ষমতা।

উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।