বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৮ / ৩০৬ · ৯,৭০১৯,৮০০ / ৩০,৮৩২

৯,৭০১.
নিম্নোক্ত কোন অনুচ্ছেদে 'জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের স্থগিতের কথা বলা হয়েছে? 
  1. ৩৭
  2. ২৭
  3. ৪১
  4. ১৪১
ব্যাখ্যা

সংবিধান - 
সংবিধানের ১৪১(খ) উপ দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানে উল্লিখিত কিছু মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা
- ৩৯ নং স্বাধীনতা : চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ : সম্পত্তির অধিকার।

সূত্র -  বাংলাদেশ সংবিধান।

৯,৭০২.
দুদকের প্রথম নারী মহাপরিচালক কে?
  1. রাজিয়া খাতুন
  2. শিরীন পারভীন
  3. জেবুন্নেসা খাতুন
  4. মর্জিনা আক্তার
ব্যাখ্যা
দুদক
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে, দুদক একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- ২০০৪ সালের ৯ই মে থেকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন কার্যকর হয়।
- ২০০৪ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি মহামাণ্য রাষ্ট্রপতি এ আইনে সম্মতি প্রদান করেন।
- দুর্নীতি দমন কমিশন ২০০৭ সালের ২৯শে মার্চ উক্ত আইনের ৩৪- এ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদনক্রমে দুর্নীতি দমন
কমিশন বিধিমালা ২০০৭ এর প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) মহাপরিচালক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন শিরীন পারভীন।
- দুদকের ইতিহাসে তিনিই প্রথম নারী মহাপরিচালক।

উৎস: দুদক ওয়েবসাইট, ti-bangladesh.org.
৯,৭০৩.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কত?
  1. ১৯৭২-৭৭
  2. ১৯৭৩-৭৮
  3. ১৯৭৫-৮০
  4. ১৯৭০-৭৫
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন।

৯,৭০৪.
কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয় কোন বংশের শাসনামলে?
  1. সেন বংশ
  2. পাল বংশ
  3. গুপ্ত বংশ
  4. চন্দ্র বংশ
ব্যাখ্যা

কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহে যুক্ত হয়েছিল তৎকালীন সামন্তদের একটি বড় অংশ। 
- একে বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- পাল বংশের শাসনামলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।

⇒ এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য।
- তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন।
- দিব্য-এর নেতৃত্বে কৈবর্ত নামে জেলে সম্প্রদায়ের মানুষ একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- এই বিদ্রোহের মাধ্যমে কৈবর্তরা সামন্ত রাজা দিব্যের নেতৃত্বে বরেন্দ্র ভূমিতে পুনরায় নিজেদের সার্বভৌম রাজ্য গড়তে সক্ষম হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৯,৭০৫.
বাংলাদেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা কবে থেকে প্রবর্তিত হয়েছে?
  1. ১৯৮৩ সাল
  2. ১৯৮০ সাল
  3. ১৯৭৯ সাল
  4. ১৯৮২ সাল
ব্যাখ্যা

- সর্বজনীন শব্দের অর্থ সকলের জন্য।
- কাজেই সকলের জন্য যে কল্যাণকর শিক্ষা তা-ই সর্বজনীন শিক্ষা।
- কোন শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা তখনই সর্বজনীন বলব, যখন কোন সমাজ বা দেশের ধর্ম, বর্ণ, ধনী, দরিদ্র নির্বিশেষে যা সকল নাগরিকের জন্য তা হবে সমভাবে গ্রহণযোগ্য ও কল্যাণকর।
- সর্বজনীন শিক্ষার বৈশিষ্ট্য মোটামুটি তিনটি: সমান সুযোগ সুবিধা, বিদ্যালয়ে ভর্তির সমান অধিকার এবং ন্যূনতম স্তর পর্যন্ত অভিন্ন শিক্ষাক্রম।
- বাংলাদেশের ৬-১০ বছর বয়সী সকল শিশুর জন্য সারা দেশে সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা ১৯৮০ সাল থেকে প্রবর্তিত হয়েছে।

উৎস: স্কুল অব এডুকেশন, সিএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭০৬.
মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি কোন শতাব্দীতে বাংলা জয় করেন?
  1. ১২ শতকের প্রথম দিকে
  2. ১৩ শতকের প্রথম দিকে
  3. ১৩ শতকের শেষ দিকে
  4. ১৪ শতকের প্রথম দিকে
ব্যাখ্যা
মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি

- তের শতকের প্রথম দিকে, ১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 
- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৭০৭.
বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপন্ন হয়?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৬০%
  3. গ) ৮৬%
  4. ঘ) ৯০%
ব্যাখ্যা
বর্তমানে ইলিশ মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম।
ওয়ার্ল্ড ফিশ প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে,
বাংলাদেশ এককভাবে বিশ্বের ৮৬ শতাংশ ইলিশ মাছ উৎপাদন করছে।
২০১৯-২০ অর্থবছরে দেশে ইলিশ উৎপাদনের পরিমাণ ৫.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট)
৯,৭০৮.
ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা কত?
  1. ২০-২৫° সে
  2. ২২-২৮° সে
  3. ২৩-২৮° সে
  4. ২৫-৩০° সে
ব্যাখ্যা
ধান চাষ: 
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়া দেশ গুলোতে উৎপন্ন হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:
১। আউশ ধান: মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
২। আমন ধান: জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।
৩। বোরো ধান: নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়।

⇒ জলবায়ু:
- ব্যাপক ও বিস্তৃত জলবায়ুতে ধান চাষ করা যায়।
- ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা হলো ২০-২৫° সে.।
- বৃষ্টিপাত কম হলে সেচ দিতে হবে।
- আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪০% এর কম ও ৯৫% এর বেশি হলে পুষ্পায়ন ব্যাহত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭০৯.
নিচের শস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়?
  1. ক) পাট
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বাংলাদেশে বার্ষিক গমের চাহিদা ৭০ লক্ষ টনের অধিক। কিন্তু দেশে বার্ষিক গম উৎপাদন হয় ১০-১২ লক্ষ টন। গমের চাহিদার বাকি অংশ বহির্বিশ্ব থেকে আমদানি করতে হয়।

গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ পাট, ধান ও আলু উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।

(তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
৯,৭১০.
লক্ষ্মৌ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯১৮ সালে
  3. ১৯১৭ সালে
  4. ১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মৌ চুক্তি:
- ১৯১৬ সালে কংগ্রেস ও মুসলিম লীগ ভারতের শাসনতান্ত্রিক সরকারের নীতির প্রশ্নে লক্ষ্মৌ শহরে যে চুক্তি সম্পাদন করেন সেটি ইতিহাসে লক্ষ্মৌ চুক্তি নামে খ্যাত।
- এ চুক্তির উদ্দেশ্য হচ্ছে - জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা, বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে সহযোগীতা বৃদ্ধি, স্বরাজ অর্জন ইত্যাদি।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।
৯,৭১১.
বাংলাদেশ ''মিলিটারি একাডেমি'' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রামের জলদিয়াতে
  2. খ) চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে
  3. গ) ঢাকার কুর্মিটোলায়
  4. ঘ) রাজশাহীর সারদায়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি
- বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অফিসার-ক্যাডেটদের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। 
- এটি বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস এর অধিভূক্ত। 
- এটি চট্টগ্রাম শহরের নিকটবর্তী ভাটিয়ারী নামক স্থানে, যা দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরে ১৯৭৪ সালের ১১ই জানুয়ারি প্রথমে কুমিল্লায় বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- ১৯৭৬ সালের মার্চ মাসে এটি একাডেমীর বর্তমান স্থান চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭৮ সালে নিয়মিত কোর্স চালুর মাধ্যমে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমীর নতুন অধ্যায়ের সূচনা। 
- ১৯৭৯ সালে প্রথম বিএমএ দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের সময় একাডেমীকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডস বা সম্মানসূচক জাতীয় পতাকা প্রদান করা হয়। 
- ১৯৮৩ সাল থেকে নিয়মিত কোর্সের সঙ্গে নৌ ও বিমান বাহিনীর জেন্টলম্যান ক্যাডেটদের প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণ প্রদান শুরু হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭১২.
গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম কোন দেশে চালু হয়?
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীন ব্যাংকের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা বাংলাদেশের বাইরে প্রথম মালয়েশিয়ায় চালু করে।
- গ্রামীণ ব্যাংক মূলত ভূমিহীন এবং দরিদ্র নারীদের পাঁচ জনের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল গঠনের মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রদান করে এবং এ ঋণের মাধ্যমে তাদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ১৩ জন পরিচালক নিয়ে গঠিত।

উল্লেখ্য,
- ইউনূস তার গবেষণা ও অভিজ্ঞতা থেকে গ্রামীণ ব্যাংকের নীতিমালা তৈরি করেছেন।
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।
- এর ৯৮% ঋণগ্রহীতা নারী।
- এই নারীদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি দারিদ্র্য বিমোচনের মাধ্যমে উন্নত জীবনে এগিয়ে গেছে।
- গ্রামীণ ব্যাংকের সবচেয়ে মানবিক ও ব্যতিক্রমী কর্মসূচি হল সংগ্রাম (ভিক্ষুক) সদস্যদের কর্মসূচি।
- গ্রামীণ ব্যাংক ভিক্ষুকদের আর্থিক সক্ষমতা তৈরিতে সাহায্য করার জন্য সুদ-মুক্ত ঋণ দেয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯,৭১৩.
উয়ারি-বটেশ্বর প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন কোন জেলায় পাওয়া গিয়েছে?
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) নরসিংদী
  3. গ) শেরপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
 নরসিংদী জেলায় অবস্থিত উয়ারি-বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন। 
 
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- নির্মানকাল- ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
- গ্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে ২৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ।
- স্কুল শিক্ষক মুহাম্মদ হানিফ পাঠান উয়ারী বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রথম জনসম্মুখে তুলে ধরেন ১৯৩০ সালে।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে।

তথ্যসূত্র : বাংলাদেশে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
৯,৭১৪.
১৯৪৭ সালের দেশভাগ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. চিত্রা নদীর পারে
  2. নদীর নাম মধুমতি
  3. বাঙলা
  4. শ্যামল ছায়া
ব্যাখ্যা

চিত্রা নদীর পারে:
- 'চিত্রা নদীর পারে' চলচ্চিত্রটির পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ১৯৯৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ চলচ্চিত্রটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের মানদণ্ডে সাতটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিল।
- ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাজন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের হিন্দুদের জীবনে যে প্রভাব ফেলেছিল, সেসব কাহিনি নিয়ে নির্মাতা তানভীর মোকাম্মেলের অন্যতম চলচ্চিত্র 'চিত্রা নদীর পারে'।
- কাহিনির শুরু ১৯৪৭ দিয়ে এবং শেষ হয় ১৯৬০-এর দশকে।

⇒ ভারতবর্ষ বিভাজন বৃহত্তর স্বার্থে হলেও এই বিভাজনকে পুঁজি করে তৎকালীন সরকারের শোষণের বলি হয়েছিল এ দেশেরই মানুষ।
- নিজস্ব ভিটেমাটি থাকা সত্ত্বেও অনেককে পাড়ি জমাতে হয়েছিল পার্শ্ববর্তী দেশে। বেদখল হয়ে যায় অনেকের নিজস্ব সম্পদ।
- এ রকম কিছু স্পর্শকাতর ব্যাপারই স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তানভীর মোকাম্মেল তার 'চিত্রা নদীর পারে' চলচ্চিত্রে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৯ সালে চলচ্চিত্রটি ৭টি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- নদীর নাম মধুমতী ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। 
- শহীদুল ইসলাম খোকনের 'বাঙলা' ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে তৈরি একটি আধুনিক চলচ্চিত্র।

উৎস: i) সময় নিউজ।
ii) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৯,৭১৫.
বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা কোন কারখানার মাধ্যমে হয়?
  1. হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. মোস্তফা হাকিম সিমেন্ট লিমিটেড
  4. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা হয় 'ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড' এর যাত্রার মাধ্যমে।

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৯,৭১৬.
বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪৫
  3. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  4. অনুচ্ছেদ-১৪৮
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ-১৪৫: চুক্তি ও দলিল, 
- অনুচ্ছেদ-১৪৮: পদের শপথ, 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী, 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৭১৭.
’বাংলাদেশের নামে মামলা’ কথাটি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ১৪৩ নং
  2. ১৪৬ নং
  3. ১৫০ নং
  4. ১৩৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
 - সংবিধানের ১৪৬ নং অনুচ্ছেদে ’বাংলাদেশের নামে মামলা’ কথাটি বর্ণিত রয়েছে।
- "বাংলাদেশ"- এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।
-  এটি  একাদশ ভাগে বিবিধ রয়েছে। 

অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদে ১৩৭: সরকারী কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদে ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদে ১৪৪: সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব,
- অনুচ্ছেদে ১৪৫:  চুক্তি ও দলিল,
- অনুচ্ছেদে ১৪৫ক: আন্তর্জাতিক চুক্তি,
- অনুচ্ছেদে১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা,
- অনুচ্ছেদে ১৪৮: পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদে১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯,৭১৮.
সমগ্র বাংলায় নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করার পর কোন শাসক 'গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. রাজা শশাংক
  2. রাজা হেমন্ত সেন
  3. রাজা বিজয় সেন
  4. রাজা লক্ষ্মণ সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষ্মণ সেন:
- লক্ষ্মণসেন (আনু. ১১৭৮-১২০৬ খ্রি)  সেন বংশের তৃতীয় শাসক।
- লক্ষ্মণসেন প্রায় ২৮ বছর রাজত্ব করেন।
- বল্লাল সেন ও রমাদেবীর পুত্র লক্ষ্মণ সেন ১১৭৯ সালে প্রায় ৬০ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেন গৌড়, কলিঙ্গ, কামরূপ ও কাশীতে বিজয় অভিযান পরিচালনা করেছিলেন।
- গৌড় লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালেই পুরোপুরি সেন সাম্রাজ্যভুক্ত হয়েছিল।
- তিনিই সেনদের মধ্যে প্রথম রাজা যিনি ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি ধারণ করেন।
- ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন।
- লক্ষ্মণ সেনের নদীয়া ত্যাগের মাধ্যমেই বাংলায় হিন্দুশাসনের পতন হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- লক্ষ্মণ সেন একজন বিদ্বান ও কবি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত অদ্ভুতসাগর সমাপ্ত করেছিলেন।
- ভারত প্রসিদ্ধ পণ্ডিত হলায়ূধ তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৭১৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের 'তিন শূন্য' তত্ত্ব অর্জনে নিম্নের কোনটি প্রয়োজন?
  1. সামাজিক ব্যবসা
  2. তারুণ্য
  3. সুশাসন
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

⇒ গ্রামীণ ব্যাংক ও ক্ষুদ্রঋণ ধারণার প্রবর্তক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- আর এই অবদানের জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পান ২০০৬ সালে।
- এই ক্ষুদ্রঋণ ধারণার মূল লক্ষ্যই ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়া।

⇒ বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।
- এই তত্ত্বের ব্যাপারে নোবেলজয়ী এই অর্থনীতিবিদের ভাষ্য, ‘বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থা নিজেই দারিদ্র্য সৃষ্টি করে এবং এই ব্যবস্থার অধীনে দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব নয়।
- এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গুরুত্ব দিচ্ছেন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসায়। তার মতে, ভালো চাকরি না খোঁজে উদ্যোক্তা তৈরিতে জোর দিতে হবে।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
৯,৭২০.
অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনার সার্বিক দায়িত্বে কে ছিলেন
  1. রাও ফরমান আলীর
  2. বিগ্রেডিয়ার আরবাব
  3. জেনারেল টিক্কা খান
  4. ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্স লাইট:
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে বাঙালিদের উপর অপারেশন চালানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট নামক ঐ পরিকল্পনা অনুযায়ী দুটি সদর দপ্তর স্থাপন করা হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর তত্ত্বাবধানে প্রথম সদর দপ্তরটি গঠিত হয়।
- ৫৭ তম বিগ্রেডের বিগ্রেডিয়ার আরবাবকে ঢাকা নগরী ও পার্শ্ববর্তী এলাকায়।
- এবং মেজর জেনারেল খাদিম রাজাকে প্রদেশের অবশিষ্টাংশে অপারেশনের দায়িত্ব দেয়া হয়।
- অপারেশনের সার্বিক দায়িত্বে থাকেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান।
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যরা ওয়ারলেস বসানো জিপ ও ট্রাকে করে ঢাকার রাস্তায় নেমে পড়ে।
- তাদের প্রথম সাঁজোয়া বহরটি ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেরিয়ে এক কিলোমিটারের মধ্যে ফার্মগেট এলাকায় ব্যারিকেডের মুখে পড়ে। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭২১.
কলকাতা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
ওয়ারেন হেস্টিংস:
- বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনালের হিসেবে।
- তিনি বাংলায় দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান এবং বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জমিদারদের সাথে 'পাঁচসালা ভূমি বন্দোবস্ত' করেন।
- তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- গভর্নর পদে নিযুক্ত হয়ে হেস্টিংস সর্ব প্রথমেই সীমান্ত নীতি বিষয়ে পরিবর্তন সাধন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সূচনা করেন।

⇒ কলকাতা মাদ্রাসা:
- কলকাতা মাদ্রাসা (পরবর্তীকালে আলিয়া মাদ্রাসা)  ব্রিটিশ শাসনাধীনে ভারতে রাষ্ট্রীয়-ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত সর্বপ্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- ১৭৮০ সালে অক্টোবরে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংসএটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৭৮০ সালের এপ্রিলে বেঙ্গল প্রেসীডেন্সী সরকার এর পরিচালনা দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- শুরুতে কলকাতা নগরীর শিয়ালদার নিকটে, একটি বাড়ীর বৈঠকখানায় স্থাপিত হলেও ১৮২৭ সালে এর বর্তমান অবস্থান ওয়েলেসলী স্কোয়ারে এটিকে স্থানান্তরিত করা হয়। 
- এর প্রথম প্রধান শিক্ষক ছিলেন ইসলামি শিক্ষায় বড় পন্ডিত মোল্লা মাজদুদ্দিন। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭২২.
রাষ্ট্রের মুখ্য কার্যাবলির অন্তর্গত-
  1. মহাসড়ক নির্মাণ
  2. আইন প্রণয়ন
  3. শিক্ষানীতি প্রণয়ন
  4. রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রের অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি :
- অপরিহার্য বা মুখ্য কার্যাবলি রাষ্ট্রের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রে বসবাসরত জনগণের অধিকার সংরক্ষণের জন্য রাষ্ট্র যে সমস্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করে, সেগুলোকে অপরিহার্য বা মুখ্য কাজ বলা হয়। রাষ্ট্রের অপরিহার্য
• কাজগুলো নিম্নরূপ:
- দেশ রক্ষার জন্য প্রতিরক্ষা বাহিনী গঠন ও পরিচালনা ।
-  রাষ্ট্র আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে পুলিশ ও অন্যান্য আধা-সামরিক বাহিনী গড়ে তোলা।
- জাতীয় নিরাপত্তা, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা।
- বিদেশে অবস্থানরত দেশের নাগরিকদের নিরাপত্তা ও সেবা প্রদান করা ইত্যাদি হচ্ছে রাষ্ট্রের পররাষ্ট্র বিষয়ক অপরিহার্য কাজ।
- আইন প্রণয়ন, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা রাষ্ট্রের মৌলিক কাজ।
- অর্থ ও সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় অর্থ সংগ্রহ ও বণ্টন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
 - রাষ্ট্র বাজেট প্রণয়ন,
- মুদ্রা প্রবর্তন ও মুদ্রা বিনিয়োগের ব্যবস্থা,
- গণনা ও পরিমাপের একক নির্ধারণ
- মুদ্রাস্ফীতি রোধ,
- নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম নিয়ন্ত্রণে।

• রাষ্ট্রের ঐচ্ছিক কার্যাবলি :
- মহাসড়ক নির্মাণ,
- শিক্ষানীতি প্রণয়ন,
- রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৯,৭২৩.
বাংলাদেশের কয়টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আছে?
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
- দেশে বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
• এগুলো হলো:
১. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা।
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম।
৩. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট।

উল্লেখ্য,
- ১২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে 'আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' ঘোষণা করেছে।
- ২৪ শে অক্টোবর ২০২৫ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার দুই সপ্তাহ পর সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করে একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।

উৎস: i) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বিএসস। [লিঙ্ক]

৯,৭২৪.
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক):
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৭ সালে তৎকালীন যুক্তফ্রন্ট সরকারের শ্রম, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী থাকাকালীন একটি বিলের মাধ্যমে ‘ইপসিক’ তথা বর্তমান ‘বিসিক’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) দেশের ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি খাতের মুখ্য প্রতিষ্ঠান।
- বিসিক সরকারি সিদ্ধান্তের আলোকে উন্নয়নমুখী ও জনকল্যাণমুখী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
- ফলে বেসরকারি উদ্যোগে সারা দেশে নতুন নতুন শিল্প গড়ে উঠেছে এবং জাতীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উদ্দেশ্য:
- উৎপাদন বৃদ্ধি (ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প খাতে স্থাপিত উৎপাদন ক্ষমতার সদ্ধব্যবহার ও নতুন উৎপাদন ক্ষমতা সৃষ্টি),
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি,
- দারিদ্র্য বিমোচন,
- ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন,
- অর্থ ও মানব সম্পদের সর্ব্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ,
- দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,৭২৫.
ইসলাম খান চিশতীকে কে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. সম্রাট অওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতী:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মুঘল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- তিনি এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭২৬.
কোন প্রকল্পের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে বসবাসের উপযোগী করে তোলা হয়?
  1. ক) আশ্রয়ন-১
  2. খ) আশ্রয়ন-২
  3. গ) আশ্রয়ন-৩
  4. ঘ) আশ্রয়ন-৪
ব্যাখ্যা
- ভাসানচর মেঘনা নদী ও বঙ্গোপসাগরের মোহনায় জেগে ওঠা বাংলাদেশের একটি ছোট্ট দ্বীপ।
- এটি নোয়াখালী জেলার হাতিয়া উপজেলার চর ঈশ্বর ইউনিয়ন এর অন্তর্গত।
- ভাসানচরকে রোহিঙ্গা বাস্তুচ্যুতদের আবাসনের স্থান হিসেবে গড়ে তোলার উদ্দেশ্যে ‘আশ্রায়ণ-৩’ নামে একটি প্রকল্প বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে রোহিঙ্গাদের আবাসনসহ জীবন-জীবিকার জন্য আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়।

- রোহিঙ্গা শরণার্থীদের কথা মাথায় রেখে এই আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্পের কাজ হাতে নেয় সরকার।
-প্রকল্পটিকে আশ্রয়ণ-৩ নামকরণের কারণ, পরবর্তী সময়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার পর এই চর বাংলাদেশের ভূমিহীন মানুষের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক পত্রিকা নিউজ।
৯,৭২৭.
কার মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. খ) আতাউর রহমান খান
  3. গ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. ঘ) আবু হোসেন সরকার
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ এই মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- কিন্তু ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় কাজে মনোনিবেশের জন্যে স্বেচ্ছায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৯,৭২৮.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. বরিশাল
  3. পিরোজপুর
  4. নারায়নগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

 উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯,৭২৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বনাঞ্চল রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা (৫টি)। 
রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৫৫ একর
বান্দরবান = ৭,৯৭,৫১৬ একর
বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২ একর
খাগড়াছড়ি = ৫,৫৪,১১৬ একর
খুলনা = ৫,৪৬,০৮১ একর

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২২।
৯,৭৩০.
বাংলাদেশে বর্তমানে মোট আবাদী জমির পরিমাণ -
  1. ৮০.২৮ লক্ষ হেক্টর
  2. ৮০.৮২ লক্ষ হেক্টর
  3. ৮২.৪৯ লক্ষ হেক্টর
  4. ৮২.৯৪ লক্ষ হেক্টর
ব্যাখ্যা
এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৯,৭৩১.
বিশ্বব্যাংক হলো এক ধরনের-
  1. ক) সমন্বিত গোষ্ঠী
  2. খ) রাজনৈতিক গোষ্ঠী
  3. গ) ধর্মীয় গোষ্ঠী
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ, ডব্লিউটিও, জাতিসংঘ, ডব্লিওএইচও ইত্যাদি আন্তর্জাতিক চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী।
৯,৭৩২.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনা কয়টি?
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

সংবিধানের প্রস্তাবনা:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।

এগুলো হলো:
→ ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
→ ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
→ ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
→ ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
→ ৫ম- গনপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান
৯,৭৩৩.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি শালগাছ রয়েছে?
  1. ভাওয়াল
  2. সিলেট
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. সুন্দরবন
ব্যাখ্যা
শালগাছ: 
- শাল একটি বহুবর্ষজীবী পর্ণমোচীজাতীয় উদ্ভিদ।
- বনের শ্রেণীবিন্যাসে শালবনকে গ্রীষ্মমন্ডলীয় আর্দ্র পত্রঝরা বনাঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- শালগাছের উচ্চতা হয় ২৫ মিটার পর্যন্ত এবং পর্ণমোচীজাতীয় উদ্ভিদ হওয়ায় শীতকালে বেশির ভাগ গাছের পাতা ঝরে যায়, বসন্তে পাতা ও ফুলের সমারোহে ভরে ওঠে শালবন।

⇒ বাংলাদেশে মোট শালবন এলাকা প্রায় ১,২১,০০০ হেক্টর অর্থাৎ দেশের বনভূমির শতকরা প্রায় ৩২ ভাগ।
- শালবন দেশের মাত্র কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো।
- বেশির ভাগ বনাঞ্চল রয়েছে গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- এ ছাড়া কুমিল্লা জেলায় এবং দেশের উত্তরাঞ্চলের দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, রংপুর ও রাজশাহী জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে শালবন দেখা যায়।
- এ বনাঞ্চল ভাওয়ালের গড় ও মধুপুরের গড় নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ভাল জাতের শালকাঠ বাড়িঘর তৈরি, বিদ্যুৎ ও টেলিফোনের খুঁটি, নৌকা ও রেলের স্লিপার তৈরি এবং অন্যান্য নির্মাণ কাজে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
- শালগাছের কাণ্ড ‘শাল দামার’, ‘রাল’ বা ‘ধুম’ নামে পরিচিত এক ধরনের সুগন্ধি আঠার উৎস।
- এই আঠা নৌকার ছিদ্র বন্ধ করতে, কার্বন পেপার, টাইপ করার যন্ত্রের ফিতা, বার্নিশ এবং রং তৈরির উপাদান হিসেবে কাজে লাগে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৩৪.
কোন দেশ বাংলা ভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
  1. ক) কঙ্গো
  2. খ) সিয়েরা লিওন
  3. গ) লাইবেরিয়া
  4. ঘ) ভারত
ব্যাখ্যা
২০০২ সালে আমাদের ভাষা আন্দোলনের সুবর্ণজয়ন্তী পালিত হয়, ঠিক ওই বছরই পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়। [সূত্র: প্রথম আলো]
৯,৭৩৫.
সম্মিলিত বিরোধী জোটের (কপ) প্রধান ছিলেন-
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. ফাতেমা জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. সিরাজুল আলম
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৬ জুলাই, ১৯৬৪ সালে খাজা নাজিমুদ্দিনের বাসভবনে বিরোধীদলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে গঠন করে সম্মিলিত বিরোধী জোট (COP - Combined Opposition Party) নামে একটি রাজনৈতিক জোট। এই জোটের প্রধান ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছোট বোন ফাতেমা জিন্নাহ।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৭৩৬.
নিচের কোন বনভূমিকে গজারি বন বলা হয়?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  2. মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি
  3. সিলেটের বনভূমি
  4. উপকূলীয় বনভূমি
ব্যাখ্যা
ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্রপতনশীল অরণ্য:
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, দিনাজপুর ও রংপুর জেলা পাতাঝরা অরণ্যের অঞ্চল।
- এ বনভূমিতে বছরের শীতকালে একবার গাছের পাতা সম্পূর্ণরূপে ঝরে যায়।
- শাল বা গজারি ছাড়াও এ অঞ্চলে কড়ই, বহেড়া, হিজল, শিরীষ, হরীতকী, কাঁঠাল, নিম ইত্যাদি গাছ জন্মে।
- এ বনভূমিতে প্রধানত শালগাছ প্রধান বৃক্ষ তাই এ বনকে শালবন হিসেবেও অভিহিত করা হয়।
- শাল গাছ কাটার পর গোড়া থেকে অসংখ্য কুশি বাহির হয় বলে স্থানীয় ভাষায় একে গজারি বনও বলা হয়।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুরে এ বনভূমি মধুপুর ভাওয়াল বনভূমি নামে পরিচিত।
- দিনাজপুর অঞ্চলে এটিকে বরেন্দ্র অঞ্চলের বনভূমি বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই। 
কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৩৭.
বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) দুই
  4. ঘ) পাঁচ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ায় এদেশ প্রধানত শিল্পের কাঁচামাল ও কৃষিদ্রব্য রপ্তানি করে থাকে। তবে সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিতে বেশ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রপ্তানি দ্রব্যকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা :
(ক) প্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Traditional Export Goods) ও
(খ) অপ্রচলিত রপ্তানি দ্রব্যসমূহ (Non-Traditional Export Goods)

বর্তমান বিশ্ববাজারে বিভিন্নমুখী চাহিদার প্রেক্ষিতে উৎপাদন বা সরবরাহ খাতেও এর পরিমাণগত এবং মাত্রাগত পরিবর্তন ঘটেছে। এ প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের রপ্তানি দ্রব্যসমূহকে দুভাগে ভাগ করা হয়। যথা—(i) প্রাথমিক পণ্য এবং (ii) শিল্পজাত পণ্য। 
প্রাথমিক পণ্যের মধ্যে—হিমায়িত খাদ্য, চা, কৃষিজাত পণ্য, কাঁচা পাট এবং অন্যান্য। 
শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে—ওভেন পোশাক, নিটওয়্যার, চামড়া, পাটজাত পণ্য, সার ও রাসায়নিক দ্রব্য, জুতা, সিরামিক সামগ্রী, প্রকৌশল দ্রব্যাদি, পেট্রোলিয়াম উপজাত, হস্তশিল্পজাত দ্রব্য এবং অন্যান্য।

উৎস: এইচএসসি প্রোগ্রাম, অর্থনীতি ২য় পত্র; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৩৮.
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী নির্বাচনী জামানত কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২৫ হাজার টাকা
  2. ৩০ হাজার টাকা
  3. ৪০ হাজার টাকা
  4. ৫০ হাজার টাকা
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধন অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর গেজেট জারি করেছে সরকার।
- এতে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের জোটগতভাবে নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিজ দলের প্রতীকে নির্বাচন করার বিধান যুক্ত করাসহ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হয়েছে।
- নভেম্বর ৪, ২০২৫ তারিখে আইন মন্ত্রণালয় এ অধ্যাদেশের গেজেট জারি করেছে।
- এর আগে গত ২৩ অক্টোবর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে আরপিও সংশোধন অধ্যাদেশের খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

⇒ সংশোধনের গেজেট প্রকাশের পর এবারের জাতীয় নির্বাচনে যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন বিধান।
- সংশোধিত অধ্যাদেশে ‘না ভোট’ পুনরায় চালু হওয়া থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) অপব্যবহারকে নির্বাচনী অপরাধ হিসেবে গণ্য করার মতো নানা বিধান অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- সংশোধিত আরপিও অনুযায়ী মূল পরিবর্তনগুলো হল-আদালত ঘোষিত ফেরারি আসামি প্রার্থী হতে পারবেন না।
- আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সংজ্ঞায় সশস্ত্র বাহিনী (সেনা, নৌ, বিমান ও কোস্ট গার্ড) যুক্ত হয়েছে।
- একক প্রার্থীর আসনে ‘না ভোট’ ফিরছে। সমান ভোট পেলে লটারির বদলে হবে পুনঃভোট।
- জোটগত নির্বাচনে নিজ দলের প্রতীকে ভোট বাধ্যতামূলক।
- এছাড়াও নির্বাচনী জামানত ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হযেছে।
- আচরণবিধি লঙ্ঘনে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা জরিমানা ও ছয় মাসের কারাদণ্ডের বিধান থাকবে।
- আইটি সাপোর্টে পোস্টাল ভোটিং পদ্ধতি যুক্ত হয়েছে।
- অনিয়ম প্রমাণিত হলে পুরো আসনের ভোট বাতিলের ক্ষমতা ইসিকে দেওয়া হয়েছে।
- হলফনামায় অসত্য তথ্য দিলে নির্বাচিত হওয়ার পরও ইসি ব্যবস্থা নিতে পারবে-এমন বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।

৯,৭৩৯.
কোস্ট গার্ড (Coast Guard) প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের কোন মন্ত্রণালয়ের অধিনে?
  1. নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়
  2. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  3. যোগাযোগ মন্ত্রণালয়
  4.  প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড:
-‘কোস্ট গার্ড এ্যাক্ট ১৯৯৪’ মহান জাতীয় সংসদে পাশ করার মাধ্যমে বাংলাদেশে কোস্ট গার্ড গঠন করা হয়।
- এবং ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারিতে "GUARDIAN AT SEA" মূলমন্ত্রে  একটি আধাসামরিক স্বতন্ত্র বাহিনী হিসাবে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড তার যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বাংলাদেশের সমুদ্র সীমানা,
- তৎসংলগ্ন উপকূলীয় অঞ্চল এবং বিভিন্ন নদ-নদীতে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।
- বর্তমান সরকারের দূরদর্শিতা এবং সময়োপযোগী পদক্ষেপে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডে সংযুক্ত হয়েছে ৯৮ টি আধুনিক ও দ্রুততর জলযান,
- এ বাহিনীর কার্যাবলীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- বাংলাদেশের জাতীয় জলসীমা ও উপকূলীয় অঞ্চলে জলদস্যুতা দমন,
- মাদকদ্রব্য পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধ,
- মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ,
- সমুদ্রবন্দরের নিরাপত্তা প্রদান,
- প্রাকৃতিক দূর্যোগকালে উপকূলীয় এলাকায় ত্রাণ ও উদ্ধার কাজ পরিচালনা
- এবং তেল, গ্যাস ও বনজ সম্পদ রক্ষাসহ উপকূলীয় পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ।
- কোস্ট গার্ডের প্রধানকে মহাপরিচালক বলা হয়।
- বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত প্রতিষ্ঠান।

উৎস: কোস্ট গার্ড ওয়েবসাইট।

৯,৭৪০.
কোন শাসকের মৃত্যুতে মাৎস্যন্যায়ের সৃষ্টি হয়েছিল?
  1. গোপাল
  2. সমুদ্রগুপ্ত
  3. শশাঙ্ক
  4. অশোক
ব্যাখ্যা

মাৎস্যন্যায় ও গোপালের উত্থান:
- শশাঙ্কের পর সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতক পর্যন্ত বাংলায় বিরাজ করছিল এক অন্ধকার যুগ। বাংলার ইতিহাসে এই সময়টি ‘মাৎস্যন্যায়' নামে খ্যাত।
- মাৎস্যন্যায় একটি সংস্কৃত শব্দ যার অর্থ হল অরাজক পরিস্থিতি।
- অরাজকতা এবং রাষ্ট্রহীনতার অবসান ঘটিয়ে বাংলায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল শত বছরের হানাহানির অবসান ঘটে যখন গোপাল রাজা হলেন। 
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলা যেন পরিণত হয়েছিল মাছের রাজ্যে।
- শাসকের অভাবে সবল অত্যাচার করে দুর্বলের ওপর।
- মানুষের সাথে মানুষের সম্পর্কে মায়া, মমতা, সৌহার্দ্যের যে স্থান তা দখল করে নেয় হিংসা ও দ্বেষ। লামা তারানাথ লিখেছেন, সমগ্র দেশের কোনো রাজা ছিল না।
- এক চরম অরাজক পরিস্থিতিতে বাংলার ইতিহাসে অনেকটা ধূমকেতুর মতো গোপালের আবির্ভাব হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের অবসান ঘটান গোপাল।
- খালিমপুর তাম্রশাসনের বলা হয়েছে যে, মাৎস্যন্যায় দূর করার অভিপ্রায়ে প্রকৃতিগণ গোপালকে রাজা নির্বাচন করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭৪১.
নিচের কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?
  1. ক) মতিউর রহমান
  2. খ) মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. গ) মোহাম্মদ আব্দুর রব
  4. ঘ) মুন্সি আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী ''বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মতিউর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৭৪২.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য?
  1. নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ
  2. সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভ
  3. স্থানীয় ও জাতীয় অবস্থান
  4. উপরোক্ত সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- রাজনৈতিক দল হলো গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।

• রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
i) সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি: সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি রাজনৈতিক দলের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। রাজনৈতিক দলে বিভিন্ন জাতি ধর্ম বর্ণ,লিঙ্গের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দলও লক্ষ্য করা যায়।

ii) নির্দিষ্ট নীতি ও আর্দশ: প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দলেরই নির্দিষ্ট কিছু নীতি ও আদর্শ থাকে। এ নীতি ও আর্দশের ভিত্তিতেই জনগণ সংঘবদ্ধ হয়ে থাকে। সাংবিধানিক পন্থায় ক্ষমতা লাভ করলে দলটি তাদের আদর্শ বাস্তবায়ন করতে চায়। যেমন: জার্মানির গ্রীন পার্টি, পরিবেশ সংরক্ষণই এ রাজনৈতিক দলের মূল উদ্দেশ্য।

iii) সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভ: বর্তমানে সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভের কোন বিকল্প নেই। রাজনৈতিক দলগুলোও সেভাবে তাদের কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করে থাকে। কোন একটি দলের পক্ষে এককভাবে ক্ষমতা লাভ সম্ভব না হলে জোটগতভাবে ক্ষমতা লাভের চেষ্টা করে।

iv) সাংগঠনিক কাঠামো: রাজনৈতিক দল একটি সংগঠন। তাই এটি পরিচালনার জন্য লিখিত নিয়মকানুন (গঠনতন্ত্র) থাকে। যার ভিত্তিতে একটি সাংগঠনিক কাঠামো গড়ে তোলা হয়। আদর্শ রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক কাঠামো গণতান্ত্রিকভাবে পরিচালিত হয়।

v) স্থানীয় ও জাতীয় অবস্থান: রাজনৈতিক দল স্থানীয়, জাতীয় বা ঊভয় অবস্থানেই কার্যক্রম পরিচালনা করে। পৃথিবীর বৃহৎ রাষ্ট্রগুলোতে অনেক স্থানীয় রাজনৈতিক দল দেখা যায়। যেমন ভারতের সমাজবাদী দল কেবল দক্ষিণ ভারতে সক্রিয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৪৩.
বাংলাদেশে ব্যাংকিং কোম্পানি আইন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে 
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে 
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-কোম্পানী আইন:
- বাংলাদেশে ব্যাংক-কোম্পানী আইন ১৯৯১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি ১৯৯১ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।
- এই আইনটি ব্যাংকিং কোম্পানি সম্পর্কিত বিধান প্রণয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

⇒ ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১ বাংলাদেশে ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা এবং কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত একটি আইন।
- এটি ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম, শেয়ার, পরিচালনা পর্ষদ, লাইসেন্স, নিরীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ক্ষমতার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- উদ্দেশ্য: ব্যাংক-কোম্পানীগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা এবং জনস্বার্থ রক্ষা এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে এই আইনের অধিকতর সংশোধন করা হয়েছে, যাতে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও স্বচ্ছ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯,৭৪৪.
বাংলার 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' সময় কাল- 
  1. ১১৭৮ বঙ্গাব্দ
  2. ১১৭৪ বঙ্গাব্দ
  3. ১১৭৬ বঙ্গাব্দ
  4. ১১৭৭ বঙ্গাব্দ
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। -
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৪৫.
খিলাফত আন্দোলন প্রেক্ষাপট -
  1. বঙ্গভঙ্গ
  2. অটোমান সাম্রাজ্যের পতন
  3. হিন্দু-মুসলিম বিরোধ
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন
- ১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।
- ১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে খিলাফত বিলুপ্ত করলে খিলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৭৪৬.
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. ক) তানভীর কবির
  2. খ) সৈয়দ মাইনুল হোসেন
  3. গ) হুমায়ুন কবির
  4. ঘ) হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ

১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য পরবর্তী সময়ে সেখানে নির্মিত হয় মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ। এর স্থপতি তানভীর কবির। 

- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭৪ মুজিবনগর দিবসে সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই স্মৃতিসৌধ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
- ২৩টি কংক্রিটের ত্রিকোণাকার স্তম্ভ সমন্বয়ে এই স্মৃতিসৌধ নির্মিত। ২৩টি স্তম্ভ পাকিস্তানের ২৩ বছর শাসনের প্রতীক।
- গোলাকার বেদী ভূতল থেকে ভিন্ন ভিন্ন উচ্চতায় তিনটি ভাগে বিভক্ত। 
- বেদীর একটি অংশ অসংখ্য গোলাকার বৃত্ত দ্বারা স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লক্ষ শহিদকে বোঝানো হয়েছে।
- বেদীর অপরাংশ অসংখ্য নুড়ি পাথরে আবৃত। এটি মুক্তিযোদ্ধা সাত কোটি বাঙালির ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের প্রতীক।
- মুজিবনগর সরকারের শপথগ্রহণের স্থানটি লাল সিরামিকের ইট দ্বারা আয়তক্ষেত্রে চিহ্নিত করা হয়েছে।
- বেদীতে আরোহণের সোপান নয়টি ধাপে বিভক্ত। সোপানের এই নয়টি ধাপ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতির প্রতীক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৪৭.
বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন - (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম
  2. আবুল কাসেম ফজলুল হক
  3. সেলিনা হোসেন
  4. আলী ইমাম মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম ছিল বর্ধমান হাউস।
- বাংলা একাডেমী বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম- অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি হিসেবে দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন আবুল কাসেম ফজলুল হক। (ডিসেম্বর, ২০২৪)
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- প্রথম মহাপরিচালক প্রফেসর মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৯,৭৪৮.
এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. বিআর ৫
  3. ব্রি ধান ৪৬
  4. বিআর ১৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯,৭৪৯.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিমকোর্ট প্রতিষ্ঠিত হয়।

- এটি দুটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত। যথা- হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগ।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪(১) ধারায় সুপ্রিম কোর্ট এর গঠন সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রতি বছর ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

তথ্যসূত্র: সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
৯,৭৫০.
বাংলাদেশে কত বছর মেয়াদে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশনের কার্যক্রম চালু হয়েছে? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ১০ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার মিশন:
- ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনের মিশন চালু হতে যাচ্ছে।
- তিন বছর মেয়াদি মিশন চালুর জন্য সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে দুই পক্ষ।
- গত ১৮ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ২৮ ধারা সংবলিত সমঝোতা স্মারকটি সই করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এবং জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের পক্ষে হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক।
- সমঝোতা স্মারকের শর্ত অনুযায়ী সইয়ের পর থেকে তিন বছর মেয়াদি মিশন চালু বলে গণ্য হবে।
- ভবিষ্যতে এর মেয়াদ বাড়াতে হলে সময়সীমা শেষ হওয়ার ৯০ দিন আগে জানাতে হবে।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশন (OHCHR) এমন একটি সংস্থা যার মূল কাজ হলো বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা, এ সংক্রান্ত প্রচার ও বাস্তবায়নে সহায়তা করা।
- এই দপ্তরটি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির তথ্য সংগ্রহ করে, পর্যালোচনা করে এবং প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে সবার সামনে তা তুলে ধরে।
- এই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অনেক সময় উন্নত দেশগুলোর সম্পর্ক, বিনিয়োগ ও অনুদানের বিষয় নির্ভর করে।
- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট থেকে জানা গেছে, বর্তমানে ১৬টি দেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের এমন মিশন রয়েছে।
- দেশগুলো হচ্ছে বুরকিনা ফাসো, কম্বোডিয়া, চাদ, কলম্বিয়া, গুয়াতেমালা, গিনি, হন্ডুরাস, লাইবেরিয়া, মৌরিতানিয়া, মেক্সিকো, নাইজার, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান, তিউনিসিয়া ও ইয়েমেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৯,৭৫১.
ছয় দফা অনুযায়ী কর ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা কার হাতে ছিল?
  1. ক) প্রাদেশিক সরকারের হাতে
  2. খ) কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে
  3. গ) উভয় সরকারের হাতে
  4. ঘ) আয়কর প্রতিষ্ঠানের হাতে
ব্যাখ্যা
 ঐতিহাসিক ছয় দফা 
- ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের নেতৃবৃন্দের এক কনভেনশনে শেখ মুজিবুর রহমান যে ছয়দফা দাবিনামা উত্থাপন করেছিলেন তা আদায়ের জন্য তাঁর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে। 
ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা ও অর্থ ব্যবস্থা।
৪. রাজস্ব, কর, শুল্ক ব্যবস্থা।
৫. বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্রতিরক্ষা।

• ৪র্থ দফা:
- সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে।
- তবে কেন্দ্রিয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আদায় কৃত অর্থের একটি অংশ কেন্দ্রিয় সরকার পাবে ।

উৎস: ইতিহাস, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৯,৭৫২.
কোন জেলা আক্রমনের মাধ্যমে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন?
  1. ক) নদীয়া
  2. খ) বর্ধমান
  3. গ) পলাশী
  4. ঘ) আসানশোল
ব্যাখ্যা
বাংলায় মুসলিম শাসন:

- নদীয়া আক্রমন করে বখতিয়ার খলজি বাংলা দখল করেন।
- বখতিয়ার খলজি লক্ষন সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- তিনি ১২০৪-০৫ সালে শীতকালীন সময়ে নদীয়া আক্রমণ করেছিলেন।
- নদীয়া দখলের পর বখতিয়ার খলজি গৌড় বা লক্ষ্মণাবতীর দিকে যাত্রা করেন। তিনি লক্ষ্মণাবতী অধিকার করে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- এটি মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- বাংলাদেশে বখতিয়ার খলজি রাজ্য পূর্বে তিস্তা ও করতোয়া নদী, দক্ষিণে পদ্মা নদী ও উত্তরে দিনাজপুর জেলার দেবকোট হয়ে রংপুর শহর অবধি ছিল।
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকেই তিনি অল্প সময়ের মধ্যে নিজ প্রতিভাবলে লখনৌতিতে মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- এ মুসলিম রাজ্যের প্রতিষ্ঠাই ছিল তাঁর জীবনের বড় কৃতিত্ব।
- বখতিয়ার খলজি  বিজিত এলাকায় খুতবা পাঠ ও মুদ্রা প্রচলনের ব্যবস্থা করেন এবং সমগ্র এলাকাকে তাঁর সহকর্মী তুর্কি খলজি আমীরদের মধ্যে ভাগ করে দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৫৩.
প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের কোন বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়?
  1. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  2. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ
  3. অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
  4. অর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৭৫৪.
_______ এর প্রধান ক্ষেত্র উৎপাদন ও বিতরণ ব্যয় নিয়ন্ত্রণ।
  1. ক) ফিন্যান্সিয়াল একাউন্টিং
  2. খ) কস্ট একাউন্টিং
  3. গ) মার্কেটিং
  4. ঘ) অর্থনীতি
ব্যাখ্যা
Cost Accounting:
এইচ. জে. ওয়েলডন (H.J. Whelder) এর ভাষায়, “ঊৎপাদন ব্যয় হিসাব বিজ্ঞান বলতে উৎপাদন ও সেবার ব্যয় নির্ণয়  এবং ব্যবস্থাপনার নিয়ন্ত্রণ ও নির্দেশনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহকল্পে ব্যয়ের বিভক্তিকরণ, লিপিবদ্ধকরণ ও সুষ্ঠু বন্টন ও নিয়ন্ত্রণকে বুঝায়।”

ICMA, London এর দেয়া সংজ্ঞাটিই একটি পূর্ণ সংজ্ঞা বলে মনে হয়। এসব আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা বলতে পারি, পণ্য বা সেবার ব্যয় ও মূল্য নির্ধারণের লক্ষ্যে উৎপাদন ব্যয় লিপিবদ্ধকরণ, শ্রেণীবদ্ধকরণ, নিয়ন্ত্রণ এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য উৎপাদন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করার কলা-কৌশল হিসাববিজ্ঞানের যে শাখার মাধ্যমে জানা যায় তাকে উৎপাদন ব্যয় হিসাব বিজ্ঞান বলা হয়।

উৎস: হিসাব বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৫৫.
মাওলানা ভাসানী সেতুতে কয়টি পিলার রয়েছে?
  1. ২৮টি
  2. ২৯টি
  3. ৩০টি
  4. ৩১টি
ব্যাখ্যা

মাওলানা ভাসানী সেতু:
- গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’। 
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার ও প্রস্থ ৯.৬০ মিটার।
- মোট ৩০টি পিলার ও ৩১টি স্প্যান।
- সেতুটির লেন সংখ্যা ২টি। 
- এটি একটি প্রি-স্ট্রেসড কংক্রিট গার্ডার সেতু।
- সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে সেতুটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া “মওলানা ভাসানী সেতু” উদ্বোধন করেন।

⇒ বাংলাদেশ সরকার (জিওবি), সৌদি ফান্ড ফর ডেভেলপমেন্ট (এসএফডি) এবং ওপেক ফান্ড ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্টের (ওফিড) অর্থায়নে সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ৯২৫ কোটি টাকা।
- সেতুটির মাধ্যমে গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সঙ্গে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে। 

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৭৫৬.
কাগমারী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. টাঙ্গাইল
  2. কুড়িগ্রাম
  3. রংপুর
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

 কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।

উল্লেখ্য যে,
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৫৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর হার কত শতাংশ?
  1. ৪৮.৪ শতাংশ
  2. ৫১.২ শতাংশ
  3. ৫৮.৭ শতাংশ
  4. ৬০.৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে দেশে কর্মক্ষম মানুষের পরিমাণ মোট জনসংখ্যার ৫৮.৭ শতাংশ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-১৭১)
৯,৭৫৮.
১৩ তম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) আকবর আলী
  2. খ) শরিফুল ইসলাম
  3. গ) পারভেজ হোসাইন
  4. ঘ) তানজিম হাসান সাকিব
ব্যাখ্যা
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ দক্ষিণ আফ্রিকার পচেফস্ট্রুমে অনুষ্ঠিত ১৩ তম অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতকে পরাজিত করে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যে কোন পর্যায়ের বৈশ্বিক ক্রীড়া আসরে বাংলাদেশের এটাই প্রথম কোন শিরোপা জয়। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ ৩ উইকেটে জয়ী হয় (বৃষ্টি আইনে)। প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল নির্বাচিত হন আকবর আলী। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মার্চ- ২০২০]
৯,৭৫৯.
'বীর প্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একজন মহিলা মুক্তিযােদ্ধা হলেন?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) কাঁকন বিবি
  3. গ) ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী
  4. ঘ) তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
৯,৭৬০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. দিনাজপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯,৭৬১.
মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতিতে 'স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৫' পেয়েছেন -
  1. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. আবরার ফাহাদ
  4. স্যার ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৭৬২.
কত সালে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়?
  1. ক) ২০২০ সাল
  2. খ) ২০২১ সাল
  3. গ) ২০২২ সাল
  4. ঘ) ২০২৩ সাল
ব্যাখ্যা
রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:

- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট (রামপাল) তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বাগেরহাটে অবস্থিত।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র বাংলাদেশ-ভারত যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান।
- প্রকল্পের ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- প্রকল্প ব্যয় ১৬০০০ কোটি টাকা।
- অর্থের যোগান : ECA অর্থায়ন- ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১২,৮০০ কোটি টাকা (এক্সচেঞ্জ রেট ভেরিয়েশন ব্যতিরেকে),বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (ইক্যুইটি)- ১,৬০০ কোটি টাকা এবং এনটিপিসি লি., ভারত (ইক্যুইটি) -১,৬০০ কোটি টাকা।
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে প্রথম বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়  ১৭ই ডিসেম্বর ২০২২ সালে।প্রথম উৎপাদিত ৬৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়।


তথ্যসূত্র - বিদ্যুৎ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৭৬৩.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. ক) বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
জনতা ব্যাংক লিমিটেড
অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯,৭৬৪.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় কয়টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১৫টি
ব্যাখ্যা
অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা

- 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে' ইংরেজিতে 'Promoting Prosperity and Fostering Inclusiveness'
স্লোগানকে সামনে রেখে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিভিন্ন অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সূচকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল ও জনগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করে লক্ষ্যভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহন করা হয়েছে।
- গত ৩০জুন ২০২০ সপ্তম পঞ্চম বার্ষিকী পরিকল্পনা শেষ হয়েছে।
- এর পর থেকে অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা শুরু হয়েছে; যার মেয়াদকাল : জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫।
- কোভিট- ১৯ মহামারীর প্রভাব মূল্যায়নে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন একটি স্টাডি সম্পূর্ণ করেছে; ওই স্টাডির ফলগুলো ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় প্রতিফলিত হবে।
- সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের 'আমার গ্রাম, আমার শহর' অঙ্গিকার অনুযায়ী ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় বিশেষভাবে গুরুত্ব পাচ্ছে গ্রামীণ রূপান্তর। 

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় তিনটি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেয়া হয় : - 
১। কর্মসংস্থান তৈরিতে প্রবৃদ্ধি বা জিডিপি গ্রোথ।
২। সবার সমান সুবিধা নিশ্চিত করতে সাম্য ও সমতা।
৩। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা করা।

• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যসমূহ: 
১. নতুন করে ১ কোটি ১৩লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টি।(৮০ লাখ ৫০ হাজার দেশে, ৩২ লাখ ৫০ হাজার বিদেশে)
২. দেশের অগ্রগতি সাধনে ৬৪.৯৫ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ। 
৩. ডেল্টা ২১০০ প্ল্যানের কার্যক্রম শুরু। 
৪. ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৮.৫১% অর্জন।
৫. বিনিয়োগের লক্ষ্য মোট জিডিপির ৩৭.৪%
৬. কর-জিডিপি অনুপার হবে ১২.৩০% 
৭. মূল্যস্ফীতি হবে ৪.৮%
৮. দারিদ্রতার হার ১৫.৬% এ নামিয়ে আনা, চরম দারিদ্র্যের হার ৭.৪% এ নামিয়ে আনা। 
৯. বিদ্যুৎ উতপাদন ৩০ হাজার মেগাওয়াটে উন্নীতকরন। 
১০.প্রত্যাশিত গড় আয়ু হবে ৭৪ বছর। 
 
- ভিশন-২০৪১ বাস্তবায়নে ৫টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার প্রথমটি হচ্ছে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ ইতেমধ্যে নিম্ম মধ্যম আয়ের মর্যাদা অর্জন করেছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মাধ্যমে ২০২৪ সালের মধ্যে এলডিসি থেকে উত্তরন ও এসডিজি বাস্তবায়নের জন্য সহায়ক হবে।
- বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিকি পরিকল্পনা জুলাই ১৯৭৩ থেকে জুন ১৯৭৮, গ্রহন করা হয়েছিল ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা রিপোর্ট।
৯,৭৬৫.
সুন্দরবনের কত অংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় অবস্থিত?
  1. ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. ৬,০০০ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৫,৫০০ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৬,৪০০ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
•সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম। 
- প্রায় ১০,০০০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের পৃথিবীর বৃহত্তম নিরবিচ্ছিন্ন জোয়ারধৌত ম্যানগ্রোভ বন ।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা
- এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত। 
- সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার বাংলাদেশের অংশে পড়েছে।
- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৭৬৬.
লালবাগ দুর্গ কোন আমল এর নিদর্শন?
  1. সুলতানি আমল
  2. আফগান আমল
  3. মোঘল আমল
  4. নবাবি আমল
ব্যাখ্যা
লালবাগ দুর্গ: 
- লালবাগ দুর্গ মোঘল আমল এর একটি চমৎকার নিদর্শন।
- প্রথমে এই কেল্লার নাম ছিল কেল্লা আওরঙ্গবাদ।
- এই কেল্লার নকশা করেন শাহ আজম।
- মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব-এর ৩য় পুত্র আজম শাহ ১৬৭৮ খ্রিস্টাব্দে ঢাকার সুবেদারের বাসস্থান হিসেবে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- মাত্র এক বছর পরেই দুর্গের নির্মাণকাজ শেষ হবার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য সম্রাট আওরঙগজেব তাকে দিল্লি ডেকে পাঠান। - এসময় একটি মসজিদ ও দরবার হল নির্মাণের পর দুর্গ নির্মাণের কাজ থেমে যায়।
- নবাব শায়েস্তা খাঁ ১৬৮০ সালে ঢাকায় এসে পুনরায় দুর্গের নির্মাণকাজ শুরু করেন।
- তবে শায়েস্তা খানের কন্যা পরী বিবির মৃত্যুর পর এ দুর্গ অপয়া মনে করা হয় এবং শায়েস্তা খান ১৬৮৪ খ্রিস্টাব্দে এর নির্মাণ বন্ধ করে দেন। 
- ১৯১০ সালে লালবাগ দুর্গের প্রাচীর সংরক্ষিত স্থাপত্য হিসেবে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধীনে আনা হয়।
- অবশেষে নির্মাণের ৩০০ বছর পর গত শতকের আশির দশকে লালবাগ দুর্গের যথাসম্ভব সংস্কার করে এর আগের রূপ ফিরিয়ে আনা হয় এবং দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন। 
৯,৭৬৭.
কত তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়েছিল?
  1. ২০ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৭৬৮.
ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত প্রতিষ্ঠান ‘তমদ্দুন মজলিস‘ কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) কামরুদ্দিন আহমেদ
  2. খ) অধ্যাপক আবুল কাসেম
  3. গ) আবদুল মতিন
  4. ঘ) আবদুস সালাম
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিস:
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ‘তমদ্দুন মজলিস’ নামে একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে।
- তমদ্দুন মজলিস স্বাধীনতা লাভের এক মাস পর ৬ থেকে ৭ সেপ্টেম্বর গঠন করে ‘পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ’।

- ১৫ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিস ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ নামে একটি পুস্তিকাও প্রকাশ করে।
- ১৯৪৭ সালের ৫ ডিসেম্বর করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকেই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব গৃহীত হয়।
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে নূরুল হক ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে তমদ্দুন মজলিস ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৬৯.
ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ কোথায় অবস্থিত?
  1. কলকাতা
  2. হুগলি
  3. মুর্শিদাবাদ
  4. দিল্লি
ব্যাখ্যা

• ইংরেজ :
- ইংল্যান্ড রানি এলিজাবেথের অনুমতি নিয়ে সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে ১৬০০ সালে ভারত বর্ষে আসে ইংরেজরা ।
- তারা সুরাটে প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ১৬১২ সালে।
- সম্রাট শাজাহানের সময় বাংলায় প্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন।
-  কলকাতায় রাজা তৃতীয় উইলিয়ামের নাম অনুসারে, ফোর্ট উলিয়াম দুর্গা নির্মাণ করে হয় ১৭০০ সালে।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,৭৭০.
২৬ মার্চ কে স্বাধীনতা দিবস ঘোষনা করা হয় -
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- ১৯৮০ সালের ৩ অক্টোবর ২৬ শে মার্চকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সেজন্যে একে স্বাধীনতা দিবস বলা হয়।
- ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস এবং ২১ শে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৭৭১.
'বিজু' কোন নৃগোষ্ঠীর প্রধান উৎসবের নাম?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) গারো
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) মুরং
ব্যাখ্যা
চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।
অন্যদিকে,
- সোহরাই হলো সাঁওতালদের প্রধান উৎসব।
- মুরংদের প্রধান উৎসব চিয়াৎসপয় 
- গারো জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব ওয়ানগালা 

তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি , ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি।
৯,৭৭২.
ভাষা আন্দোলনের সময়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) নূরুল আমীন
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. ঘ) খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন
- কেন্দ্রীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি ঢাকা সফরে আসেন।
- ২৭ জানুয়ারি পল্টন ময়দানের জনসভায় তিনিও জিন্নাহর মতো ঘোষণা করেন, 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।'
- এর প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন নতুন করে শুরু হয়ে যায়। এবার প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ছাত্র জনতা।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ৩০ জানুয়ারি সভা ও ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- সংগ্রাম পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ধর্মঘট আহ্বান করে।
- ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৭৩.
বোরো ধান উত্তোলনের সময় কখন?
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারি
  2. এপ্রিল – মে
  3. জুলাই – আগস্ট
  4. জুন – সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ - মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ  -সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই - আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: বিবিএস ( কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪)।

৯,৭৭৪.
বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রাথমিক নাম কী ছিল?
  1. ফসলি সন
  2. তারিখ-ই-এলাহী
  3. হিজরি সন
  4. বাংলা-ই-এলাহি
ব্যাখ্যা

বাংলা বর্ষপঞ্জি:
- বাংলা বর্ষপঞ্জি বা বঙ্গাব্দ প্রবর্তন করেন মুঘল সম্রাট আকবর।
- বঙ্গাব্দ প্রবর্তিত হয় ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে।
- প্রবর্তনের সময় আকবরের রাজত্বের ২৯তম বর্ষ চলছিল।
- বাংলা বর্ষপঞ্জির প্রাথমিক নাম ছিল তারিখ-ই-এলাহী।
- ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০ বা ১১ মার্চ ‘তারিখ-ই-এলাহী’ বঙ্গাব্দ নামে প্রচলিত হয়।
- নতুন সন প্রবর্তিত হলেও এর গণনা ধরা হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ৫ নভেম্বর থেকে।
- ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রি.-এই দিনে আকবর দ্বিতীয় পানিপথের যুদ্ধে হিমুকে পরাজিত করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- বঙ্গাব্দ মূলত রাজস্ব আদায় ও প্রশাসনিক সুবিধার উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়।
- বাংলা বর্ষপঞ্জি বাংলা অঞ্চলকেন্দ্রিক একটি সৌর-চান্দ্র মিশ্র বর্ষপঞ্জি হিসেবে ব্যবহৃত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৭৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৯নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য তৎকালীন অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এটি ছিলো যুদ্ধ পরিচালনার একটি সামরিক কৌশল।
- ১৯৭১ সালের জুন মাসে প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে এই সেক্টর গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

⇒ সেক্টরগুলো:
- ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পাবর্ত্য চট্টগ্রাম,
- ২নং সেক্টর: ঢাকা, নোয়াখালী, ফরিদপুর ও কুমিল্লার অংশবিশেষ,
- ৩নং সেক্টর: কুমিল্লা, কিশোরগঞ্জ ও হবিগঞ্জ,
- ৪ নং সেক্টর: মৌলভীবাজার ও সিলেটের পূর্বাংশ,
- ৫নং সেক্টর: সিলেট ও সুনামগঞ্জ,
- ৬নং সেক্টর: রংপুর, দিনাজপুর,
- ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা,
- ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর, ফরিদপুর,
- ৯নং সেক্টর: খুলনা, বরিশাল,
- ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল,
- ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৭৬.
উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?
  1. বিন্দুসারের
  2. সম্রাট অশোকের
  3. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের
ব্যাখ্যা
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে।
- মৌর্য রাজবংশ চন্দ্রগুপ্তের হাত দিয়ে শুরু হলেও তার পুত্র বিন্দুসার এবং
- বিন্দুসারের পুত্র অশোকের (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩-২৩২ অব্দে) শাসনামলে সাম্রাজ্য চূড়ান্তভাবে বিকশিত হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৩২ অব্দে অশোকের মৃত্যু পর্যন্ত ৪০ বছর তিনি ভারতবর্ষে রাজত্ব করেন।   
- সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম-দশম শ্রেণি ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৭৭.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. ৭নং
  2. ৬নং
  3. ১০নং
  4. ১১নং
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন ছিলেন ১০নং সেক্টরের সঙ্গে সম্পৃক্ত। 

বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- তাঁর পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।
- নোয়াখালীতে তাঁর জন্মস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর রয়েছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৭৮.
'শতাব্দী' ও 'সোনালিকা' হচ্ছে উন্নত জাতের -
  1. ক) আলু
  2. খ) টমেটো
  3. গ) মরিচ
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
• গম:
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

এছাড়াও - 
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- আলুর উন্নত জাত: ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, সিন্দুরী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
৯,৭৭৯.
১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানের নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন ছিল -
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর।

⇒ ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- আওয়ামী লীগ প্রধান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'নৌকা' প্রতীক নিয়ে ঐতিহাসিক ছয় দফার পক্ষে প্রচারাভিযানে নামেন।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

উল্লেখ্য
⇒ ১৯৭০ সালের জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে আসন বন্টন:
- আইনগত কাঠামো আদেশ অনুযায়ী জাতীয় পরিষদের আসন সংখ্যা ৩১৩টি নির্ধারণ করা হয়।
- সাধারণ আসন সংখ্যা ৩০০টি এবং নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ১৩টি।
- পূর্ব পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৬৯টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৬২টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৭টি।

অন্যদিকে,
- পশ্চিম পাকিস্তানে মোট আসন সংখ্যা ১৪৪টি।
• সাধারণ আসন সংখ্যা ১৩৮টি।
• নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৬টি।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৭৮০.
ভারতীয় উপমহাদেশে ’অধীনতামূলক নীতির প্রবর্তক’ কে?
  1. লর্ড বেন্টিংক 
  2. লর্ড ওয়েলেসলী
  3. লর্ড ডালহৌসী
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা

•  লর্ড ওয়েলেসলী: 
- ওয়েলেসলী, ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল।
- ১৭৯৮ সালের ১৮ মে ৩৭ বছর বয়সে তাঁকে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত করা হয়।
- ওয়েলেসলীর সাত বছর শাসনভার ভারতে ব্রিটিশ শক্তি সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সময়।
- তাঁর নীতি ছিল ভারত থেকে সর্বপ্রকার ফরাসি প্রভাব দূর করা এবং ব্রিটিশদেরকে উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা।- 
- তিনি হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে পরিবর্তন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি গ্রহণ করেন।

• অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি: 
- এ নীতি অনুসারে ভারতীয় রাজ্যসমূহ ব্রিটিশ নয় এমন ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের সাময়িকভাবে বরখাস্ত,
- তাদের রাজ্যে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর একটি অংশকে ভরণপোষণ ও ব্রিটিশদের নিকট বৈদেশিক বিষয়াবলি সমর্পণ করার মাধ্যমে ব্রিটিশদের নিরাপত্তার অধীনে আসতে বাধ্য হয়। 

অন্যদিকে,
- লর্ড ক্যানিং কাগজি মুদ্রার প্রচলন করেন।
- লর্ড ডালহৌসী বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন করেন।
- লর্ড ডালহৌসী স্বত্ব বিলোপ নীতির প্রবর্তন করেন। রেললাইনের প্রচলন করেন।
- লর্ড বেন্টিংক সতীদাহ প্রথা বিলোপ করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলী অধীনতা মুলক নীতির প্রবর্তক।

উৎস: ¡) পৌরনীতি ও সুশাসন এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
          ¡¡) বাংলাপিডিয়া।

৯,৭৮১.
সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. সমবায় মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের শপথ বাক্য পাঠ করান- প্রধানমন্ত্রী
• ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে শপথ বাক্য পড়ান - জেলা প্রশাসক।

এছাড়াও,

স্পিকার যাদের শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ
- পিএসসির সদস্যবৃন্দ
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।

রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ
- স্পিকার
- ডেপুটি স্পিকার
- প্রধান বিচারপতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯,৭৮২.
মাৎসন্যায় কী?
  1. ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা
  2. মাছ বাজার
  3. মাছ ধরার নৌকা
  4. আইন শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা
ব্যাখ্যা
মাৎস্যন্যায়:
- রাজা শশাঙ্ক এর মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- ছোট ছোট রাজ্যে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে এবং তাদের পারস্পরিক যুদ্ধবিগ্রহের ফলে অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়। 
- মাৎস্যন্যায় শব্দের অর্থ: আইন শৃঙ্খলাহীন অরাজক অবস্থা।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের অব্যবহিত পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্য অবস্থাকে মাৎস্যন্যায় বলে উল্লেখ করা হয়।
- মাৎস্যন্যায় সময়কাল: আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৭৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত ।
- মাৎস্যন্যায় সময়: গুপ্ত ও পাল আমলের মধ্যবর্তী তাম্রশাসন যুগ।
- পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এ বিশৃঙ্খল অবস্থায় রাজ ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং মাৎস্যন্যায় অবসান ঘটান।

উৎস: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম - দশম শ্রেণি।
         ¡¡) বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৮৩.
রাজনৈতিক দল সাধারণত কোন ভিত্তিতে গঠিত হয়?
  1. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  2. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  3. নীতি ও মতের ভিত্তিতে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৭৮৪.
কত সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান
- সহ সভাপতি : আব্দুস সালাম খান
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট)
৯,৭৮৫.
পদ্মা সেতুর মোট পিলারের সংখ্যা কত?
  1. ৪০টি
  2. ৪১টি
  3. ৪২টি
  4. ৪৩টি
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
৯,৭৮৬.
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার নিচের কোন আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ
  3. ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন
  4. সত্যাগ্রহ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার: 
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার ব্রিটিশবিরোধী সশস্ত্র স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত ছিলেন।
- তিনি মাস্টারদা সূর্যসেন-এর নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের প্রথম নারী সদস্য ছিলেন।
- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অভিযানে অংশ নেন, যেমন—টেলিফোন ও টেলিগ্রাফ অফিস ধ্বংস, রিজার্ভ পুলিশ লাইনে আক্রমণ এবং পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ।
- ইউরোপিয়ান ক্লাবটি ‘কুকুর ও ভারতীয়দের প্রবেশ নিষিদ্ধ’ বলায় এটি ছিল জাতিগত অবমাননার প্রতীক।
- এই ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতা নেতৃত্ব দেন এবং অভিযানের শেষে গুলিবিদ্ধ হয়ে ধরা পড়ার আগে আত্মহত্যা করেন।  

অন্যদিকে: 
- তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৯,৭৮৭.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন?
  1. ২০০২ সালে
  2. ২০০৩ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor)।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৭৮৮.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা- ৪৩' এর চিত্রকর কে?
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদীন
  3. এম. আর আখতার মুকুল
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
চিত্রকর্ম:
- ‘ম্যাডোনা-৪৩’ হলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।

• তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- সংগ্রাম
- মনপুরা-৭০
- মইটানা
- পইন্যার মা
- নবান্ন
- দুর্ভিক্ষ
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৮৯.
‘Comparative Politics and Government’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) ম্যাকাইভার
  2. খ) হ্যারল্ড লাসওয়েল
  3. গ) আর্নেস্ট বার্কার
  4. ঘ) অধ্যাপক অ্যালান বল
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball)
• Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন , “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilizing the political process”.
•রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়। 

এছাড়াও বিভিন্ন গ্রন্থের লেখক:
• সমাজবিজ্ঞানী ম্যাকাইভার ও পেজ :
- ‘Society’নামক গ্রন্থে বলেছেন,"Society is a system of social relationships in and through which we live."
- অর্থাৎ সমাজ হচ্ছে এমন সব সামাজিক সম্পর্কের একটি ব্যবস্থা যার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করি। তিনি সমাজ বলতে সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালকে বুঝিয়েছেন।

• অধ্যাপক আর্নেস্ট বার্কার :
“বিভিন্ন মতবাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্ভদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দ্বারা নির্বাচকমন্ডলীর সমর্থন পেতে সচেষ্ট হয়।”

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম),উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৯০.
হিমছড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
হিমছড়ি:

- হিমছড়ি কক্সবাজার জেলায় অবস্থিত।
- জেলা সদর হতে ৯ কিঃমিঃ দূরে হিমছড়ি অবস্থিত।
- এখানে কয়েকটি প্রাকৃতিক ঝর্ণা রয়েছে।
- ২৯ এপ্রিল, ১৯৯১ সালে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে হিমছড়িসহ আশে পাশে অনেক পর্যটন স্পর্ট দারুণভাবে ক্ষতিসাধন হয়।
- সিঁড়ি বেয়ে উঁচু পাহাড়ে উঠে সাগর, পাহাড় ও কক্সবাজারের নৈসর্গিক সৌন্দর্য অতিসহজে উপভোগ করা যায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও কক্সবাজার জেলার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৭৯১.
বাংলার প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. বখতিয়ার খলজি
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ: 
- ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দে ফিরোজাবাদের সিংহাসন অধিকারের মাধ্যমে ইলিয়াস শাহ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলার অধিপতি হন।
- সোনারগাঁ ও সাতগাঁও তখনও তাঁর শাসনের বাইরে ছিল।
- ইলিয়াস শাহের স্বপ্ন ছিল সমগ্র বাংলার অধিপতি হওয়া। 
- ১৩৪৬ খ্রিষ্টাব্দের পূর্বে সাতগাঁও তাঁর অধিকারে আসে।
- ১৩৫০ খ্রিষ্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করে বহু ধনরত্ন হস্তগত করেন। 
- ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে সোনারগাঁয়ে ইলিয়াস শাহের হাতে পরাজিত হন।
- সোনারগাঁ দখলের মাধ্যমে সমগ্র বাংলার অধিকার সম্পন্ন হয়।
- ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সূচনা করলেও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিষ্টাব্দে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯,৭৯২.
বলাকা ও দোয়েল পাখি ব্যতীত অন্য কিসের নাম?
  1. ক) তামাক
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) গম
  4. ঘ) ধান
ব্যাখ্যা
বলাকা ও দোয়েল হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গমের দুটি জাত।

গমের অন্যান্য জাতসমূহ হলো:
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস
৯,৭৯৩.
১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন?
  1. শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম
  2. কৃষি, বন, সমবায় ও পল্লী
  3. আইন, বিচার ও সংসদ
  4. শিক্ষা ও স্বাস্থ্য
ব্যাখ্যা
কোয়ালিশন সরকার:
- ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার গঠন করে।
- এই সরকারের নেতৃত্বে ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী।
- আওয়ামী লীগের উদ্যোগেই রাষ্ট্রভাষা হিসাবে বাংলা আনুষ্ঠানিক মর্যাদা লাভ করে, ২১শে ফেব্রুয়ারি ‘শহিদ দিবস’ ঘোষিত হয় জাতীয় ছুটির দিন, প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলা একাডেমি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৪ জুন, ২০২১।
৯,৭৯৪.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয় কত ছিল?
  1. ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  2. ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  3. ৬৩.২৪ বিলিয়ন ইউএস ডলার
  4. ৫২.১৯ বিলিয়ন ইউএস ডলার
ব্যাখ্যা
আমদানি: 
- গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৭৫.০৬ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ১৫.৮১ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৪.১১ বিলিয়ন ইউএস ডলার। 
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ৫২,১৯০.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে আমদানি ব্যয় ১০ দশমিক ৬১ শতাংশ কমে ৬ হাজার ৩২৪ কোটি ডলারে নেমে যায়।
- বিলাস জাতীয় দ্রব্য ও অপ্রয়োজনীয় পণ্যের আমদানি নিরুৎসাহিত করার লক্ষ্যে এলসি মার্জিন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধির ফলে আমদানি ব্যয় হ্রাস পেয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৯,৭৯৫.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয়?
  1. ক) ফরিদপুর
  2. খ) পাবনা
  3. গ) দিনাজপুর
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ঢাকা বিভাগে ((২৫,৯৫,৭৮১ মে.টন)। দ্বিতীয় – খুলনা (২৪,৪৩,৫২৩ মে.টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন হয় ফরিদপুর জেলায় (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)। দ্বিতীয় – পাবনা (৫,১২,৬১৮ মে.টন)।
- পাটের মোট উৎপাদন ৭৭,২৫,০৮৩ মে.টন  যা ১৬,৮৫,৭১১ একর জমিতে চাষ হয়।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১।
৯,৭৯৬.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর 'চিফ অফ স্টাফ' হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন-
  1. এম এ রব
  2. এ কে খন্দকার
  3. খালেদ মোশারফ
  4. এম এ জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
• কর্নেল এম এ রব:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রব যুদ্ধে যোগ দেন।
- সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব।
- মুজিবনগর সরকার তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে নিয়োগ দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধের পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রবকে মেজর জেনারেল পদ দেওয়া হয় এবং বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

অন্যদিকে,
- এম এ জি ওসমানী মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।
- ২নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন খালেদ মোশারফ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৭৯৭.
‘মহামুনি বিহার’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বগুড়া
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
মহামুনি বিহারঃ
চট্টগ্রাম জেলার রাউজান থানাধীন পাহাড়তলী ইউনিয়নের পাহাড়তলী গ্রামের ঠিক মধ্যস্থলে একটি অনুচ্চ টিলার উপর বিহারটি অবস্থিত। এ বিহারটি প্রতিষ্ঠাকাল নিয়ে মতবিরোধ আছে।কারও ধারণা, ১৮১৩ সালে পুণ্যাত্মা ভিক্ষু চাইংগা ঠাকুর স্বগ্রামবাসীর সামগ্রিক সহায়তায় এ বিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু ড। রামচন্দ্র বড়ুয়ার মতে, মহামুনি মূর্তি ও মন্দির ১৮০৫ সালে নির্মাণ করা হয়েছে।
সূত্রঃ raozan.chittagong.gov.bd
৯,৭৯৮.
বাংলাদেশে বসবাসরত সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা
চাকমাদের আবাস ও ভাষা:
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা সর্ববৃহৎ।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, চাকমারা পূর্বে টিবেটো বার্মা ভাষা পরিবারভুক্ত আরাকানি ভাষায় কথা বলত।
- চাকমাদের লিপিতে আরাকানি অক্ষরের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- বর্তমানে তারা ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষায় কথা বলে।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিখিত লিপি রয়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে চাকমা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছে।
- এছাড়াও সংগীত ও চলচিত্রেও চাকমা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭৯৯.
বর্তমানে চামড়া শিল্পনগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জে
  2. খ) সাভারে
  3. গ) হাজারীবাগে
  4. ঘ) গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
- সাভারের হেমায়েতপুরে চামড়া শিল্পনগরী অবস্থিত। 
- পুরাতন ঢাকার হাজারীবাগে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে উঠা ট্যানারি সমূহকে সাভারে স্থানান্তরের লক্ষ্যে ২০০৩ সালে সরকার এই শিল্পনগরী প্রকল্পের অনুমোদন দেয় যা ২০০৫ সালে সমাপ্ত হওয়ার কথা। 
- মোট ২০০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত এই শিল্পনগরীতে ২০৫ টি প্লট রয়েছে। 

উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,৮০০.
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীহাট অবস্থিত -
  1. ক) গাজীপুর
  2. খ) সিরাজগঞ্জ
  3. গ) পাবনা
  4. ঘ) সাভার
ব্যাখ্যা
দুগ্ধজাত সামগ্রীর জন্য বিখ্যাত লাহিড়ীমোহন হাট অবস্থিত - পাবনায়।

• দুগ্ধজাত পণ্য:
- বাংলাদেশ ভূ-খন্ডে কারখানাভিত্তিক দুগ্ধ শিল্প গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ১৯৪৬ সালে।
- গবাদি পশু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া এবং উটের মতো সহজলভ্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর দুধ থেকে উৎপাদিত খাদ্যসামগ্রী অথবা এই প্রাণিগুলির দুধ সহযোগে বানানো হয়েছে এমন খাদ্য সামগ্রীই দুগ্ধজাত পণ্য বা ডেইরি প্রোডাক্ট।
- ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি সমবায় ব্যবস্থাপনায় এনে সমবায় ভিত্তিক প্রাথমিক দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমিতি গড়ে তোলার উদ্যোগ গ্রহণ করা  হয় এবং পুরানো নাম সংশোধন করে প্রতিষ্ঠানটির নাম রাখা হয় “ইষ্টার্ন মিল্ক প্রডিউসার্স কো-অপারেটিভ ইউনিয়ন লি” প্রাথমিকভাবে সমবায় ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি ফলপ্রসূ না হওয়ায় ১৯৬৮ সালে সমবায় মার্কেটিং সোসাইটি কর্তৃক উক্ত কারখানাটির দায়িত্বভার গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৭৭ সালে “বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় ইউনিয়ন লিমিটেড” নামকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
 কুষ্টিয়া গ্রেড - বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার নাম।
- বাংলাদেশের প্রথম গবাদি পশুর ভ্রুণ বদল করা হয় - ৫ মে, ১৯৯৫।
- বাংলাদেশ গবাদি পশু গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত - ঢাকার সাভারে।
- বন্য প্রাণী প্রজনন কেন্দ্র (সরকারি) অবস্থিত - করমজল, সুন্দরবন।

উৎস:কৃষি শিক্ষা-একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।