বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৬ / ৩০৬ · ৯,৫০১৯,৬০০ / ৩০,৮৩২

৯,৫০১.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয়? [মে, ২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদিত হয় ফরিদপুর জেলায় (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)। 

এছাড়া,
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)। 
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)। 

- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)। 
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)। 

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
৯,৫০২.
গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে -
  1. ক) নির্বাচন
  2. খ) সংসদ
  3. গ) রাজনৈতিক দল
  4. ঘ) সংবিধান
ব্যাখ্যা
- গণতন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাজনৈতিক দল। 
- গণতন্ত্র সুসংহতকরণে এটি অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। 
- রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য গণতান্ত্রিক উপায়ে সরকার গঠন করা। 
- জনগণের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করা এবং কোন বিষয়ের পক্ষে-বিপক্ষে জনমত গঠন করা রাজনৈতিক দলের কাজ। - - জনগণের প্রতিনিধিত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করে এবং শাসন পরিচালনায় অংশগ্রহণ করে। 
- সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল বিকল্প সরকার ও ছায়া মন্ত্রিসভা হিসেবে ভূমিকা পালন করে। 
- রাজনৈতিক দল তাদের কার্যাবলির মাধ্যমে সুযোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
 
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়; এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,৫০৩.
বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বানিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. বিএসইসি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি ):
- বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ৮ জুন ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• বিএসইসির কার্যাবলি:
- শেয়ার বাজারের নিয়ন্ত্রণ: 
- বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা: 
- তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিয়ম-নীতি নিশ্চিতকরণ: 
- নতুন কোম্পানি তালিকাভুক্তি

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) ১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে একটি পাবলিক কোম্পানিতে রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (CSE) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৫ সালে।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শেয়ার বাজার।

উৎস: বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ।
৯,৫০৪.
বঙ্গভঙ্গের ফলে গঠিত নতুন প্রদেশের নাম কী ছিল? 
  1. বাংলা ও উড়িষ্যা 
  2. পূর্বভঙ্গ ও আসাম 
  3. পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম 
  4. ঢাকা ও চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা: 
- ১৯০৫ সালের ২০ জুলাই সরকারিভাবে বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা দেওয়া হয়।
- কিন্তু ঘোষণায় মালদহ জেলা, আসাম, ঢাকা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিভাগ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও রাজশাহী বিভাগকে একত্রিত করে 'পূর্বভঙ্গ ও আসাম' নামে একটি নতুন প্রদেশ করার সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
- এর আয়তন ছিল ১,৬৫,৬৪০ বর্গমাইল এবং তখন এখানে জনসংখ্যা ছিল ৩ কোটির বেশী।
- উক্ত ঘোষণায় নতুন প্রদেশের শাসনভার একজন লেফটেনেন্ট গভর্নর (সহকারী গভর্নর)-এর ওপর ন্যস্ত করা হবে,
- ঢাকা নতুন প্রদেশের রাজধানী হবে, প্রদেশটি কলিকাতা হাইকোর্টের এখতিয়ারভুক্ত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়।
- অপরদিকে পশ্চিমবঙ্গ, কুচবিহার ও উড়িষ্যাকে নিয়ে গঠিত হবে বাংলার আর একটি আলাদা প্রদেশ।
- প্রদেশের রাজধানী কলিকাতা হবে বলে উল্লেখ করা হয়।
- ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।
- স্যার ব্যামফিল্ড ফুলারকে নবগঠিত 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ'-এর লেফটেনেন্ট গভর্নর নিযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫০৫.
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভায় বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার বিভাগের দায়িত্ব পান কে? 
  1. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সৈয়দ আজিজুল হক 
  4. আবু হোসেন সরকার
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠন:

• ৩ এপ্রিল, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
• ৩০ মে, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেওয়া হয়।
• যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রীসভা ক্ষমতায় ছিল মাত্র ৫৬ দিন।
• উল্লেখ্য, যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ৪ ডিসেম্বর, ১৯৫৩ সালে।
• যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয় শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে 
• যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে। 

দায়িত্ব: 
- প্রাদেশিক প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন;
- বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার বিভাগ: আবু হোসেন সরকার; 
- শিক্ষা বিভাগ: সৈয়দ আজিজুল হক;
- কৃষি, সমবায় ও পল্লি উন্নয়ন বিভাগ; বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৫০৬.
'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি কে উদ্ভাবন করেন?
  1. আইয়ুব খান
  2. ইস্কান্দার মির্জা
  3. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র' ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য যে,
[শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫০৭.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন পেতে হলে কমপক্ষে কয়টি উপজেলা কমিটি থাকতে হবে?
  1. ২১টি
  2. ৩০টি
  3. ৫০টি
  4. ১০০টি
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন প্রথা চালু হয় ২০০৮ সালে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে। 

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ২১টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ১০০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৯,৫০৮.
নিচের কে ফকির আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন?
  1. ক) ভবানী পাঠক
  2. খ) দুদু মিয়া
  3. গ) মজনু শাহ
  4. ঘ) মীর নিসার আলী
ব্যাখ্যা
বক্সারের যুদ্ধের পর বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
আঠারো শতকে ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত এই আন্দোলনের ব্যাপ্তি ছিলো।
এই আন্দোলনে ফকিরদের নেতৃত্ব দেন মজনু শাহ। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন মুসা শাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বকস প্রমুখ।
অন্যদিকে, সন্ন্যাসীদের পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৫০৯.
চা বোর্ডের তথ্যানুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ কত?
  1. ১০২.৯২ মিলিয়ন কেজি
  2. ৯৯.১২ মিলিয়ন কেজি
  3. ১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি
  4. ১০৫.৭৮ মিলিয়ন কেজি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

চা শিল্প:

- চা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি, আমদানি বিকল্প পণ্য উ‌‌ৎপাদন এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাসকরণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে চা খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।

⇒ বাংলাদেশ চা বোর্ড থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চা উৎপাদনের অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করে ২০২৩ সালে মোট ১০২ দশমিক ৯২ মিলিয়ন কেজি (১ লক্ষ টনের কিছু বেশি) চা উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদিত চা থেকে এক মিলিয়ন কেজির কিছুটা বেশি পরিমাণ চা রপ্তানি করা হয়েছে। রপ্তানিকৃত চায়ের মূল্য ২৭২ মিলিয়ন টাকার চেয়ে সামান্য বেশি।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ১০০.৬৬ মিলিয়ন কেজি।

এছাড়াও,
- ২০২৫ সালে চা'য়ের সম্ভাব্য উৎপাদনের পরিমাণ ১৪০.০ মি. কেজি এবং অভ্যন্তরীণ ভোগের পরিমাণ হবে ১২৯.৪৩ মি. কেজি। ফলে অভ্যন্তরীণ ভোগ মিটিয়েও অবশিষ্ট প্রায় ১০.৫৭ মি. কেজি চা বিদেশে রপ্তানি করা সম্ভব হবে। 

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। [link]
৯,৫১০.
যুক্তফ্রন্টের প্রথম দফা ছিল কী ছিল?
  1. বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা
  2. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  3. পূর্ববাংলার অর্থনৈতিক বৈষম্য দূরীকরণ
  4. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের দফা:
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমেদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
দফাগুলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্‌বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা।
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা।
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা।
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহিদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫১১.
সংবিধানের ৭২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

• সংসদ অধিবেশন:
- ৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে, সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন করবেন।
- এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময়  স্থান নির্ধারণ করবেন।
- (২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হবে।
- (৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৯,৫১২.
২০২৪ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কার পেয়েছেন কত জন নাগরিক?
  1. ৮ জন
  2. ৯ জন
  3. ১০ জন
  4. ১১ জন
ব্যাখ্যা
 স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২৪
- 'স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং "সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার"। 
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা। 
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তি পাচ্ছেন 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' পাচ্ছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন—

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে
• কাজী আব্দুস সাত্তার
• বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক (মরণোত্তর)
• ও বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মো. নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর)।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে
• ড. মোবারক আহমদ খান।

চিকিৎসাবিদ্যায়
• ডা. হরিশংকর দাশ।

সংস্কৃতিতে
• মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান।

ক্রীড়ায়
• ফিরোজা খাতুন

সমাজ বা জনসেবায়
• অরন্য চিরান
• বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডা. মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী 
• এসএম আব্রাহাম লিংকন। 

উৎস:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।  
৯,৫১৩.
আগরতলা মামলার সরকারি নাম কী ছিল?
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  3. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  4. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৫১৪.
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১০
  2. খ) ১৯১২
  3. গ) ১৯১৫
  4. ঘ) ১৯০৫
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন। 
 - অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্নস্থল আবিষ্কারের লক্ষ্যে শরৎকুমার ১৯১০ সালের এপ্রিলে দেওপাড়া, পালপাড়া, মালঞ্চ, জগপুর, ইটাহার, চবিবশনগর, মান্দইল, কুমারপুর, খেতুর ও বিজয়নগর পরিদর্শন করেন।
- তাঁরা মান্দইল থেকে চন্ডীর কয়েকটি প্রমাণসাইজ মূর্তিসহ প্রায় ৩২টি ভাস্কর্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
- রাজশাহীতে ফিরে আসার পর শহরের গণ্যমান্য নাগরিকগণ শরৎকুমার ও তাঁর সহকর্মীদের সংবর্ধনা জ্ঞাপন করেন এবং রাজশাহীতে প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সুতরাং প্রয়োজনের তাগিদে রাজশাহী জাদুঘর (পরবর্তীকালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর) গড়ে ওঠে এবং প্রত্নসামগ্রী সংরক্ষণের জন্য শরৎকুমার মাসে ২০০ টাকা প্রদানের ব্যবস্থা করেন।
- ১৯১১ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংগৃহীত সকল দুষ্প্রাপ্য ও অনন্য নমুনা কলকাতার ভারতীয় জাতীয় জাদুঘর দাবি করলে বরেন্দ্র জাদুঘরের অস্তিত্ব বিপন্ন হওয়ার উপক্রম হয়।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে পাথর ও ধাতুনির্মিত ভাস্কর্য, খোদিত লিপি, মুদ্রা, মৃৎপাত্র ও পোড়ামাটির ফলক, অস্ত্রশস্ত্র, আরবি ও ফারসি দলিলপত্র, চিত্র, বইপত্র ও সাময়িকী এবং সংস্কৃত ও বাংলা পান্ডুলিপিসমূহ।
৯,৫১৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) মৌলবী বাজার
  2. খ) রাঙামাটি
  3. গ) বান্দারবান
  4. ঘ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

• ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নারীর সংখ্যা ৮ লাখ ২৫ হাজার ৪০৮। আর পুরুষের সংখ্যা ৮ লাখ ২৪ হাজার ৭৫১ জন৷
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে মারমা ও ত্রিপুরা।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর
মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে ৷
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০০ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৩ জন।
- রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ২য় পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯,৫১৬.
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়?
  1. আহমদ শাহ আবদালি ও মারাঠা
  2. বৈরাম খাঁ ও হিমু
  3. হুমায়ুন ও শেরশাহ
  4. বাবর ও ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
• পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা:

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ- বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী
- ফলাফল- ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।
- এই যুদ্ধের ফলে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং দিল্লি সালতানাতের পতন হয়।

• পানিপথের ‍দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
 - সময়কাল-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ 
- পক্ষ - আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল - হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল - ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল - মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৫১৭.
সংবিধানের ৩৪নং অনুচ্ছেদের সাথে সম্পর্ক রয়েছে কোনটির? 
  1. সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা
  2. আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
  3. জবরদস্তি শ্রম
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- অনুচ্ছেদ ৩৪ (১), ৩৪ (২ ক) অনুযায়ী সকল প্রকার জবরদস্তি শ্রম নিষিদ্ধ।
- এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হলে তা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলে গণ্য হবে।
- তবে ফৌজদারি অপরাধের জন্য দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

এছাড়াও,
- ২৯ নং অনুচ্ছেদে সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা,
- ৩১ নং অনুচ্ছেদে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৫১৮.
সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয় কবে?
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়: ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়: ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন: ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেনঃ ১৪ ডিসেম্বর ও ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৯,৫১৯.
২০২০ সাল নাগাদ বাংলাদেশের প্রাথমিকে ঝরে পড়ার হার ছিল -
  1. ২১.৫%
  2. ১৭.২%
  3. ১২.৯%
  4. ৭.৫%
ব্যাখ্যা
২০২০ সাল নাগাদ, 
প্রাথমিকে ভর্তির হার - ৯৭.৮১%  এবং ঝরে পড়ার হার - ১৭.২% .
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
৯,৫২০.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় সরকার প্রধান-
  1. বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী 
  3. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ শাসক (Chief Executive) হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

৯,৫২১.
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপিতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. তৃতীয়
  2. পঞ্চম
  3. সপ্তম
  4. দশম
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু জিডিপি:
- মাথাপিছু জিডিপি হলো একটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদনকে (জিডিপি) তার মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করে প্রাপ্ত মান।
- এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নতি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- সম্প্রতি, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর প্রধান অর্থনৈতিক সূচক নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- এই প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার আটটি দেশের মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে বাংলাদেশ পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে।
- ২০২৪ সালের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি বর্তমানে ২,৬২৫ মার্কিন ডলার।
- এডিবির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত দেড় দশকে বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি প্রায় তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

⇒ এডিবির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মাথাপিছু জিডিপির দিক থেকে নিম্নলিখিত অবস্থান রয়েছে:
- মালদ্বীপ: মাথাপিছু জিডিপি ১১,০০০ মার্কিন ডলারের বেশি, যা দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- শ্রীলঙ্কা: মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪,৫১৬ মার্কিন ডলার, দ্বিতীয় অবস্থানে।
- ভুটান: মাথাপিছু জিডিপি প্রায় ৪,০০০ মার্কিন ডলার, তৃতীয় অবস্থানে।
- আফগানিস্তান: মাথাপিছু জিডিপি ৪০০ মার্কিন ডলারের সামান্য বেশি, যা তালিকার সর্বনিম্ন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৯,৫২২.
পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. পদ্মা
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

- সাম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পানগাঁও নৌ টার্মিনাল আগামী ২২ বছরের জন্য পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রধান করে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগকে। 
-  চুক্তির আওতায় সরকার বছরে ১ কোটি ১ লাখ টাকা ফি পাবে। পাশাপাশি প্রতি একক কনটেইনার থেকে ২৫০ টাকা মাশুল পাবে সরকার।
- এ টার্মিনালে মোট ৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে মেডলগ।
- তৈরি করা হবে কটন ওয়্যারহাউস। নিজস্ব বার্থ জাহাজ এবং ট্রাক ও ফ্রিজিং ট্রাক ক্রয় করা হবে টার্মিনালটির জন্য।
- এত দিন ধরে বছরে ২২ কোটি টাকা লোকসানে ছিল পানগাঁও নৌ টার্মিনালটি।

উৎস: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।

৯,৫২৩.
বিখ্যাত চিত্রকর্ম 'তিনকন্যা’ অঙ্কন করেন কে?
  1. নভেরা আহমেদ
  2. কামরুল হাসান
  3. এসএম সুলতান
  4. জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে।
- কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়।
- তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।
- 'তিনকন্যা' ও 'নাইওর' তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

অপরদিকে,
- জয়নুল আবেদিন চিত্রকর্ম: ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ চিত্রমালা, 'নবান্ন', 'মনপুরা ৭০', 'মই দেয়া', 'সাঁওতাল রমণী', 'বিদ্রোহী' এবং 'কাক'।
- এসএম সুলতানের বিখ্যাত চিত্রকর্ম:  'প্রথম বৃক্ষরোপণ', 'চরদখল', 'জমি চাষ', 'হত্যাযজ্ঞ', এবং 'মাছ ধরা-৩। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৫২৪.
ওরাওঁদের ভাষার নাম -
  1. ক) খিয়াং
  2. খ) কুরুক
  3. গ) বাগানী
  4. ঘ) মান্দি
ব্যাখ্যা
• ওরাওঁ উপজাতি:
- ওরাওঁ  বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক
- এ ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই। 
- ওরাওঁ সমাজের পার্বণিক উৎসব মূলত চারটি- ১. সারহুল, ২. কারাম, ৩. পশু উৎসব, ৪. খারিয়ানি, ৫. ফাগুয়া, ৭. সোহরায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫২৫.
লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলগুলো বন্ধ ঘোষণা করে-
  1. ক) ১ জুন, ২০২০
  2. খ) ২ জুন, ২০২০
  3. গ) ১ জুলাই, ২০২০
  4. ঘ) ৩ জুলাই, ২০২০
ব্যাখ্যা
ধারাবাহিক লোকসানের কারণে এবং পাটখাতে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সরকার বিজেএমসি এর নিয়ন্ত্রণাধীন ২৫টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলসমূহ ১ জুলাই ২০২০ থেকে বন্ধ ঘোষণা করে। এর মধ্যে ২২টি পুরোদমে পাটকল ও ৩টি নন-জুট ইন্ডাস্ট্রি ছিল।
[সূত্রঃ বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়]
৯,৫২৬.
অপারেশন সার্চ লাইট-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে কে ছিলেন?
  1. লে. জে. টিক্কা খান
  2. রাও ফরমান আলী
  3. খাদিম হোসেন রাজা
  4. ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চ লাইট:
- সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন: গভর্নর লে. জে. টিক্কা খান।
- ঢাকা শহরের দায়িত্বে: মেজর রাও ফরমান আলী।
- ঢাকার বাইরে দায়িত্বে: মেজর খাদিম হোসেন রাজা।
- ১৯৭১ সালের ১৫ মার্চ ইয়াহিয়া খান শেখ মুজিবের সাথে সমঝোতার উদ্দেশ্যে কয়েকজন জেনারেলসহ ঢাকায় আসেন। 
- ১৯৭১ সালের  ১৬ - ২৪ মার্চ পর্যন্ত মুজিব-ইয়াহিয়া বৈঠক চলে। 
- ২৫ মার্চ মধ্যরাতে ৩ ব্যাটেলিয়ান পাকিস্তানী সৈন্য 'অপারেশন সার্চলাইট-এ' অংশগ্রহণ করে।
- তারা ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা সংগঠিত করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫২৭.
বাংলাদেশে প্রথম 'ভ্যাট' চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৯
  2. ১৯৯০
  3. ১৯৯১
  4. ১৯৯২
ব্যাখ্যা

• ভ্যাট:
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

তথ্যসূত্র: NBR ওয়েবসাইট।

৯,৫২৮.
'ঝুমকা' কিসের উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের ফুলকপি
  2. খ) উন্নত জাতের টমেটো
  3. গ) উন্নত জাতের কলা
  4. ঘ) উন্নত জাতের বেগুন
ব্যাখ্যা

- উন্নত জাতের টমেটো হল - মিন্টু , বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর ইত্যাদি উন্নত জাতের টমেটো।
- অগ্নিশ্বর, কানাইবাশি, মোহনবাঁশি, বীটজবা ইত্যাদি উন্নত জাতের কলার নাম।
- শুকতারা হলো উন্নত জাতের বেগুন।
- গোল্ডেন ক্রস উন্নত জাতের বাঁধাকপি।

তথ্যসূত্র:- ais.gov.bd।

৯,৫২৯.
কোথায় জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত আছে?
  1. দিনাজপুর
  2. যশোর
  3. খাগড়াছড়ি
  4. টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

জুম চাষ হলো একপ্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়।
বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(উৎসঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

৯,৫৩০.
স্পারসো কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) মহাখালী
ব্যাখ্যা
• স্পারসো:
- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
৯,৫৩১.
নিচের কোন জেলাটি হরিকেল জনপদের অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. চট্টগ্রাম
  2. কুমিল্লা
  3. নোয়াখালী
  4. বগুড়া
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৩২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকা দায়রা জজ আদালত
  2. খ) ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  3. গ) আগারগাঁও
  4. ঘ) পিলখানা
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
• ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
• ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
• বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
• মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
• এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
• গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৩৩.
'চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত'- প্রবর্তন করেন -
  1. ক) লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  3. গ) লর্ড ওয়েলেসলি
  4. ঘ) লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
- এটি ছিল ইংরেজদের একটি সাম্রাজ্যবাদী বিধিব্যবস্থা।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৩৪.
বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা কত? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ৬২ বছর
  2. ৬৫ বছর
  3. ৬৭ বছর
  4. বয়সসীমা নেই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

⇒ ব্যাংকটি পরিচালনার জন্য ৮ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: ড. আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উল্লেখ্য,
- পূর্বে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বয়সসীমা ছিল সর্বোচ্চ ৬৭ বছর।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের জন্য নির্ধারিত বয়সসীমা নেই। 

⇒ সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগে বয়সসীমা তুলে দিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ সংশোধন করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- এ পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হয়।
- এ কারণে বিধানটি বাতিল করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে, যেটি বাংলাদেশ ব্যাংক ট্রেনিং একাডেমি নামে পরিচিত।
- প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত।

উৎস: i) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৯,৫৩৫.
'সেই চল্লিশটি রত্ন যেখানে প্রাণ দিয়েছে
আমরা সেখানে কাঁদতে আসিনি।' চরণটির রচয়িতা কে?
  1. ক) আলাউদ্দিন আল আজাদ
  2. খ) আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. ঘ) এম. আর. আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী গুলি চালিয়ে হত্যা করে মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে মিছিলরত তরুণদের। সেই খবর ছড়িয়ে পড়ে সারা দেশে।
মাহবুব উল আলম চৌধুরী তখন অসুস্থ; তাঁর শরীরে জলবসন্তের চিহ্ন। রাত জেগে তিনি লিখলেন আগুনঝরা কবিতা: ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’।

২৩ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে প্রতিবাদ সভায় সে কবিতা পড়লেন তাঁরই সতীর্থ চৌধুরী হারুণ-উর-রশীদ।
পাকিস্তান সরকার সে কবিতা বাজেয়াপ্ত করে। হুলিয়া জারি করে মাহবুব উল আলম চৌধুরীর ওপর। তিনি এবং তাঁর কবিতা হয়ে গেল ইতিহাসের অংশ।
‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’—একুশের প্রথম কবিতা।

কয়েকটি চরণ দেয়া হল -
সেই চল্লিশটি রত্ন যেখানে প্রাণ দিয়েছে
আমরা সেখানে কাঁদতে আসিনি।
যারা গুলি ভরতি রাইফেল নিয়ে এসেছিল ওখানে
যারা এসেছিল নির্দয়ভাবে হত্যা করার আদেশ নিয়ে
আমরা তাদের কাছে
ভাষার জন্য আবেদন জানাতেও আসিনি আজ।
আমরা এসেছি খুনি জালিমের ফাঁসির দাবি নিয়ে।

সুত্রঃ দৈনিক প্রথম আলোর বিশেষ ফিচার - একুশের প্রথম কবিতা

৯,৫৩৬.
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন?
  1. শিল্প, বাণিজ্য ও শ্রম
  2. স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়
  3. কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ
  4. আইন বিচার ও সংসদ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা। 
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা। 
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ। 
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চের নির্বাচন ছিল পূর্ব বাংলায় প্রথম অবাধ ও সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচন। 
- ২ এপ্রিল নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশিত হয়। 
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়, বিশাল ব্যবধানে জয়লাভ করে যুক্তফ্রন্ট।

যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা:
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভা গঠন করে।
• মুখ্যমন্ত্রী, অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগ: শেরেবাংলা এ কে ফজলুল।
• বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার: আবু হোসেন সরকার।
• শিক্ষা: সৈয়দ আজিজুল হক।
• কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগ: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৩৭.
‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৫১ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়। ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
- ১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।

অন্যদিকে,
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -৩১ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
৯,৫৩৮.
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) এর প্রতিষ্ঠা -
  1. ক) কে এম আলি আজম
  2. খ) অমর্ত্য সেন
  3. গ) রেহমান সোবহান
  4. ঘ) দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
- ড. রেহমান সোবহান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) প্রতিষ্ঠা করেন। 
- এখন পর্যন্ত এই নাগরিক থিংক ট্যাংকের গুরুত্ব অমোচনীয়।
- ১৯৭৮ সালে তিনি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (বিআইডিএস) যোগ দেন। 
- তিনি এর মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেন।
- ১৯৬১ সালে আইয়ুব খানের সামরিক শাসনের শুরুতে যার একাডেমিক আলোচনা “এক দেশ দুই অর্থনীতি” তত্ত্ব ব্যাপক সাড়া ফেলে এ জনপদে। 
- ১৯৬১ থেকে ১৯৭১ এই ১০ বছরে লেখা অধ্যাপক রেহমান সোবহানের নিবন্ধ, কলাম ও সম্পাদকীয় ইত্যাদি নিয়ে গ্রন্থিত বই “ফ্রম টু ইকোনমিস টু টু নেশনস: মাই জার্নি টু বাংলাদেশ”। 
 
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট 
৯,৫৩৯.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. রাজশাহী
  3. নাটোর
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৪০.
পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন কে?
  1. ইস্কান্দার মির্জা
  2. মালিক ফিরোজ খান
  3. আইয়ুব খান
  4. লিয়াকত আলী খান
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন জারি:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
- সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রিসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দার মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪১.
'Society is a system of social relationships in and through which we live.' কে বলেছেন?
  1. অ্যালান বল ও ম্যাকাইভার
  2. আর্নেস্ট বার্কার ও পেজ
  3. অ্যালান বল ও হ্যারল্ড লাসওয়েল
  4. ম্যাকাইভার ও পেজ
ব্যাখ্যা
• ম্যাকাইভার ও পেজ :
- ‘Society’ নামক গ্রন্থে বলেছেন,"Society is a system of social relationships in and through which we live." অর্থাৎ সমাজ হচ্ছে এমন সব সামাজিক সম্পর্কের একটি ব্যবস্থা যার মধ্যে আমরা জীবন যাপন করি। তিনি সমাজ বলতে সামাজিক সম্পর্কের জটিল জালকে বুঝিয়েছেন।

অন্যদিকে,
• অধ্যাপক আর্নেস্ট বার্কার - “বিভিন্ন মতবাদের দ্বারা পরিচালিত হলেও সকল রাজনৈতিক দলই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্ভদ্ধ হয়ে সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সম্পর্কিত বিষয়ে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণের দ্বারা নির্বাচকমন্ডলীর সমর্থন পেতে সচেষ্ট হয়।”

• অধ্যাপক অ্যালান বল (Alan Ball) - Comparative Politics and Government নামক গ্রন্থে উল্লেখ করেন, “One of the most important functions of political parties is that of uniting, simplifying and stabilizing the political process”-  অর্থাৎ রাজনৈতিক দলের কার্যপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাষ্ট্র তথা রাজনৈতিক ব্যবস্থার সংহতি ও স্থায়িত্ব সংরক্ষিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪২.
কোন শাসককে উৎখাত করে পাকিস্তানে প্রথম সামরিক শাসন জারি করা হয়?
  1. মালিক ফিরোজ খান
  2. ইস্কান্দার মির্জা
  3. আইয়ুব খান
  4. টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:

- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৪৩.
Who Received Independence Award-2022 in the category of Freedom and Liberation War?
  1. ক) Md. Kamrul Islam
  2. খ) Kanak Kanti Barua
  3. গ) Khandkar Nazmul Huda
  4. ঘ) Syed Mainul Hossain
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার - ২০২২
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২’ প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলেন: 
• প্রতিষ্ঠান হিসেবে পান: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বিদ্যুৎ বিভাগ

• স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে পান:
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- জনাব আব্দুল জলিল
- জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
- মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
- মরহুম সিরাজুল হক

• চিকিৎসাবিদ্যায় পান:
- অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম

• স্থাপত্যে পান:
মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন

• গবেষণা ও প্রশিক্ষণে পান:
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI)
• শতভাগ বিদ্যুতায়নে সাফল্যর জন্য পান:
- বিদ্যুৎ বিভাগ

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
৯,৫৪৪.
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি কাকে নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৫৪৫.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে কত তারিখে? 
  1. ১২ মার্চ, ২০২৬
  2. ১৫ মার্চ, ২০২৬
  3. ১৬ মার্চ, ২০২৬
  4. ১৪ মার্চ, ২০২৬
ব্যাখ্যা

- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মার্চ ২০২৬।
- সকাল ১১টায় রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ অধিবেশন বসবে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ অধিবেশন আহ্বান করেছেন বলে সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সংসদ সচিবালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
- ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দের ২৭ ফাল্গুন মোতাবেক ২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ১২ মার্চ রোজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম (২০২৬ খ্রিস্টাব্দের ১ম) অধিবেশন আহ্বান করেছেন।
- ’ এ সংসদের পাঁচ বছরের মেয়াদ শুরু হবে ওইদিন থেকে, যা শেষ হবে ২০৩১ সালের ১১ মার্চ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা। লিঙ্ক

৯,৫৪৬.
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় সিরিজে কোন দলকে হোয়াইটওয়াশ করে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. কেনিয়া
  4. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ও ওয়ানডে উভয় সিরিজে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলকে হোয়াইটওয়াশ করে।
উৎসঃ বিসিবির ওয়েবসাইট।
৯,৫৪৭.
১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রধান কারণ কোনটি?
  1. ক) অর্থনৈতিক
  2. খ) ধর্মীয়
  3. গ) প্রশাসনিক
  4. ঘ) রাজনৈতিক
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:

- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রধান কারণ প্রশাসনিক।
- ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এ বিভক্তির মাধ্যমে সমগ্র বাংলাকে 'পূর্ববাংলা ও আসাম' এবং 'পশ্চিমবঙ্গ' নামে দুটি প্রদেশে পরিণত করা হয়।
- ১৯০৫ সালের পূর্বে ব্রিটিশ ভারতে অবিভক্ত বঙ্গ প্রদেশই ছিল আয়তনে এবং জনসংখ্যায় সর্বাপেক্ষা বড় প্রদেশ।
- একজন গভর্নরের পক্ষে এতবড় প্রদেশ শাসন করা ছিল খুবই কষ্টকর।
- লর্ড কার্জন ভারত সচিবকে লিখেছিলেন, 'একটিমাত্র কেন্দ্র থেকে এত বড় ও বিশাল জনবহুল এলাকা শাসন করা সম্ভব নয়। এর আলোকেই ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ হয়।
- কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতা এবং সহিংস আন্দোলনের কারণে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে ব্রিটেনের রাজা পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৯,৫৪৮.
নবম সরকারি 'রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল' কোথায় গড়ে তোলা হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. গাজীপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. পটুয়াখালী
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• দেশের নবম সরকারি ইপিজেড:
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

তথ্যসূত্র: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। (Link)

৯,৫৪৯.
বাংলাদেশে জনসাধারণের প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) শাসন বিভাগ
  2. খ) নির্বাহী বিভাগ
  3. গ) আইন বিভাগ
  4. ঘ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
সরকারের এ বহুবিধ কার্য মূলত তিনটি বিভাগের মাধ্যমে সম্পাদন করে ।
- আইন বিভাগ 
- শাসন বিভাগ এবং 
- বিচার বিভাগ 
 
আইনসভা জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা হিসেবে জনগণের আশা আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে কাজ করে। 
জনপ্রতিনিধিরা আইনসভায় জনগণের অভাব অভিযোগ তুলে ধরে।
 
- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ (House of the Nation)। 
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।

 
উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক। 
৯,৫৫০.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র ’জীবন থেকে নেয়া’এর পরিচালক কে? 
  1. চাষী নজরুল
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. জহির রায়হান
  4. তৌকির আহমেদ
ব্যাখ্যা

- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- ফাগুন হাওয়া পরিচালক তৌকির আহমেদ।
- জীবন থেকে নেয়া: জহির রায়হান।
- Let there be light: জহির রায়হান।

অন্যদিকে মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- আগুনের পরশমণি হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৪ সালে মুক্তি পায়।
- শ্যামল ছায়া: এটি হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত চলচ্চিত্র।
- চাষী নজরুল 'হাঙ্গর নদী গ্রেনেড' উপন্যাস থেকে সিনেমা পরিচালনা করেন।

উৎস: প্রথম আলো। 

৯,৫৫১.
২০২৫ সালে কতজনকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ১১ জন
  4. ১৭ জন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন -
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

⇒ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৯,৫৫২.
২০২২ সালে বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) চতুর্থ
  2. খ) সপ্তম
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম।
• প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২:

- বিশ্বব্যাংক প্রতিষ্ঠিত বহুপক্ষীয় ট্রাস্ট ফান্ড 'The Global Knowledge Partnership on Migration and Development (KNOMAD)’ মে, ২০২২ তারিখে প্রবাসী আয় সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

• এই প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে - বিশ্বের দরিদ্র ও মধ্য আয়ের দেশগুলো ২০২২ সালে মোট ৬৩০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিটেন্স গ্রহণ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে,

২০২১ সালে প্রবাসী আয়ে শীর্ষ ৫ দেশ হলো:
- প্ৰথম- ভারত
- দ্বিতীয়- মেক্সিকো
- তৃতীয়- চীন
- চতুর্থ- ফিলিপাইন
- পঞ্চম- মিশর

তথ্যসূত্র: প্রবাসী আয় সংক্রান্ত রিপোর্ট – ২০২২
৯,৫৫৩.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ২ জন
  4. ৬ জন
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

• তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য — ২ জন নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম ও
- তারামন বিবি।

• মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডয়েচভেলে রিপোর্ট।
৯,৫৫৪.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' এর সভাপতি কে?
  1. জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান
  2. মীর স্নিগ্ধ
  3. আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
- আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে।
- একইসঙ্গে আন্দোলনে আহত চিকিৎসধীন ছাত্র জনতার চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহিদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠন করা হয়েছে 'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন'।
- প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফাউন্ডেশনের সভাপতি।
- ফাউন্ডেশনের সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কাজী ওয়াকার আহমদ (কোষাধ্যক্ষ), তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক) এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা - আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ (কার্যনির্বাহী সদস্য)।
- এ ফাউন্ডেশনে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর।
৯,৫৫৫.
কত সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
সুপ্রিম কোর্ট:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৭ সাল থেকে সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়ে আসছে।
- ১৮ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালিত হয়। 

উৎস:  সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৯,৫৫৬.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভুমিকা পালন করে সাংস্কৃতিক সংগঠন 'তমুদ্দুন মজলিস'। তমুদ্দুন মজলিস-এর প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন?
  1. রসায়ন
  2. পদার্থ বিজ্ঞান
  3. অর্থনীতি
  4. ইসলামী শিক্ষা
ব্যাখ্যা

⇒ 'তমদ্দুন মজলিস'-এর নেতা জনাব আবুল কাশেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

♦ তমদ্দুন মজলিশ:
→ তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
→ তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
→ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
→ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।
→ মদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল
→ অধ্যাপক আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ তমদ্দুন মজলিশের সভাপতি নির্বাচিত হন।
→ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে বস্তুত তমদ্দুন মজলিশই প্রথম প্রতিবাদ উত্থাপন করে।
→ এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
→ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
→ তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
→ ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
→ পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
→ এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৯,৫৫৭.
Which Institution owns Threads?
  1. Starlink
  2. Meta
  3. Amazon
  4. Apple
ব্যাখ্যা
থ্রেডস এপ (Threads App):
- থ্রেডস এপ হলো একটি মাইক্রোব্লগিং অ্যাপ।
- এর মালিকানা প্রতিষ্ঠান হলো মেটা।
- থ্রেডস (Threads) এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত রুশো কাজী।
- এটি ব্যবহারকারীদের টেক্স, ভিডিও, অডিও ও সাম্প্রতিক ঘটনার আপডেটগুলি ভাগ করতে এবং সর্বজনীন আলোচনায় জড়িত হতে দেয়।
- এটি একটি পাঠ্য ভিত্তিক অ্যাপ এবং এটির একটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস রয়েছে যা টুইটারের ডিজাইনের মতো।
- থ্রেডস এপ ৬ই জুলাই ২০২৩- এ লঞ্চ করা হয়েছে।
- থ্রেডস এপ ১০০টি দেশে উপলব্ধ।

উৎস: ৬ জুলাই ২০২৩, বিবিসি।
৯,৫৫৮.
সম্প্রতি হাইকোর্ট মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছে কোনটিকে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. নিরাপদ স্যানিটেশন
  2. নিরাপদ পানি
  3. নিরাপদ ভ্রমন
  4. নিরাপদ কর্মস্থাল
ব্যাখ্যা

⇒ নিরাপদ সুপেয় পানি পাওয়াকে নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট। 
- আদালত বলেছেন, সংবিধানের ৩২ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানযোগ্য পানি পাওয়া একটি মৌলিক অধিকার। এই অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।

⇒ বিচারপতি মো. আশরাফুল কামাল ও বিচারপতি কাজী ওয়ালিউল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।
- দেশের সব মানুষকে নিরাপদ পানযোগ্য পানি বিনা মূল্যে সরবরাহ প্রশ্নে পাঁচ বছর আগে দেওয়া স্বতঃপ্রণোদিত রুলের ওপর শুনানি শেষে এ রায় দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,৫৫৯.
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ কৃষি মন্ত্রণালয় কোন পণ্যকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করে?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
• পাটজাত পণ্য:
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হলো।

- ‘রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪’ এর ৯.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা অব্যাহত রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৯,৫৬০.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. পটুয়াখালী
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা
চাকমাদের আবাস ও ভাষা:
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
- সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়।
- বাংলাদেশে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা সর্ববৃহৎ।
- ভাষাতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে প্রতীয়মান হয় যে, চাকমারা পূর্বে টিবেটো বার্মা ভাষা পরিবারভুক্ত আরাকানি ভাষায় কথা বলত।
- চাকমাদের লিপিতে আরাকানি অক্ষরের প্রাধান্যই বেশি পরিলক্ষিত হয়।
- বর্তমানে তারা ইন্দো-ইউরোপিয়ান ভাষায় কথা বলে।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিখিত লিপি রয়েছে।
- সাম্প্রতিক সময়ে চাকমা ভাষায় পাঠ্যপুস্তক রচিত হয়েছে।
- এছাড়াও সংগীত ও চলচিত্রেও চাকমা ভাষার ব্যবহার হচ্ছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৬১.
‘পাইন্যার মা’ কোন চিত্র শিল্পীর বিখ্যাত চিত্রকর্ম? 
  1. এস এম সুলতান
  2. সফিউদ্দিন আহমেদ
  3. জয়নুল আবেদিন
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বেড়ে উঠেছেন ব্রহ্মপুত্রের লালিত্যে গড়ে ওঠা সবুজ শ্যামলিমায়।
- জয়নুল তাঁর প্রথম জীবনেই নদী ও অবারিত প্রকৃতির মাঝে রোমান্টিকতার অনুপ্রেরণা পান।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ / ইউরোপীয় স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- জয়নুল আবেদিন ও তাঁর কয়েকজন সহযোগী, যারা দেশ ভাগের পর ঢাকায় অভিবাসী হয়েছিলেন, আর্ট ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার পার্ক রোডে অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
- শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত যা ১৯৯৬ সালে উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৯,৫৬২.
'বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. পাবনা
  3. দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা):
- বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বাংলাদেশের পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান।
- ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একটি অন্যতম ও একক প্রতিষ্ঠান বিনা।
- যার প্রধান কাজ হলো পরমাণু শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষি খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাৎপর্যপূর্ণ অবদান রাখা।
- প্রধান কার্যালয়ের মোট ১১ টি বিভাগের সমন্বয়ে বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বিনা'র মোট ১৩ (তেরো)টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- দশটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনা'র গবেষণা কাজ পরিচালিত হয়।

উৎস: BINA ওয়েবসাইট।
৯,৫৬৩.
মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. বীর বিক্রম
  2. বীর উত্তম
  3. বীর প্রতীক
  4. বীর শ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত।

• ১ম উপাধি: বীরশ্রেষ্ঠ, ৭ জন,
• ২য় উপাধি: বীর উত্তম, ৬৮ জন,
• ৩য় উপাধি: বীর বিক্রম, ১৭৫ জন এবং
• ৪র্থ উপাধি: বীর প্রতীক, ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে।
- যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
      
৯,৫৬৪.
একটি ইউনিয়ন কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৬৫.
বাংলাদেশ সংবিধানকে বঙ্গবন্ধু কী নামে আখ্যায়িত করেন?
  1. ক) গণ-মানুষের সংবিধান
  2. খ) উত্তম সংবিধান
  3. গ) বিপ্লবী সংবিধান
  4. ঘ) শহীদের রক্তে লেখা সংবিধান
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ (Spirit and Ideology of Liberation War)

- বাংলাদেশ এক সুদীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সশস্ত্র যুদ্ধের মধ্য দিয়ে স্বাধীনতা লাভ করেছে। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্ত এবং চার লাখ নির্যাতিত নারীর ত্যাগের মহিমায় বাংলাদেশের জনগণ লাভ করে স্বাধীনতা।

- বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে তা এক অনন্য ঘটনা। যেসব মহান আদর্শ বাংলাদেশের জনগণকে দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ করেছিল এবং যে সব স্বপ্ন (সাম্য, গণতন্ত্র, বাঙালি জাতীয়তাবাদ, আর ধর্মনিরপেক্ষতা) বাস্তবায়নে ১৯৭১ সালে বাঙালি কৃষক-শ্রমিক-জনতা অকাতরে প্রাণ দিয়েছে সেগুলোই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শ। বাংলাদেশ সংবিধানের প্রস্তাবনায় তা স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়।

- বস্তুত বাঙালির চেতনায় ভাষা ভিত্তিক জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা সমুজ্জ্বল থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের সংবিধানে রাষ্ট্রপরিচালনার মূলনীতি হিসেবে এ চারটি আদর্শকে সংযুক্ত করেন। বাংলাদেশ সংবিধানকে এ কারণেই তিনি ‘শহীদের রক্তে লেখা সংবিধান' হিসাবে আখ্যায়িত করেন।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৬৬.
Bangladesh Bank was established on-
  1. ক) December 16,1971
  2. খ) December 16,1972
  3. গ) March 26,1971
  4. ঘ) March 26,1972
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:

- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
-  ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধন ৩ কোটি টাকা এবং তা প্রতিটি ১০০ টাকা মূল্যমানের ৩ লক্ষ শেয়ারে বিভক্ত।
- প্রথম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আ.ন.ম হামিদুল্লাহ। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৬৭.
বাংলাদেশে বৃহত্তম স্থল বন্দর কোনটি?
  1. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  2. বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. আখাউড়া স্থলবন্দর
  4. বুড়িমারী স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৯,৫৬৮.
অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য কোন যোগ্যতা থাকা প্রয়োজন?
  1. সংসদ সদস্য হওয়া
  2. মন্ত্রী পরিষদের সদস্য হওয়া
  3. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতা
  4. নির্বাচন কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগ পাওয়ার জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি-জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেন।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৯,৫৬৯.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার কোথায় অবস্থিত?
  1. আগারগাঁও
  2. সেগুনবাগিচা
  3. শাহবাগ
  4. ধানমন্ডি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:
- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ।
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৯,৫৭০.
বিশ্বব্যাংকের অর্থনৈতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বাংলাদেশ কোন শ্রেণির দেশ হিসেবে পরিচিত?
  1. মধ্যম আয়ের দেশ
  2. নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ
  3. নিম্ন আয়ের দেশ
  4. উচ্চ আয়ের দেশ
ব্যাখ্যা
• নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ:
- বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে।
- একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
- প্রতিবছর ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক আনুষ্ঠানিকভাবে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় অনুসারে দেশগুলোকে চারটি আয় গ্রুপে ভাগ করে।
- যাদের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ।
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল।
- ১ জুলাই, ২০১৫ তারিখে বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসাবে ঘোষণা করেছে। 

উৎস: প্রথম আলো (২ জুলাই, ২০১৫) রিপোর্ট।
৯,৫৭১.
নিম্নের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা লক্ষ্য করা যায়?
  1. ত্রিপুরা
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. রাখাইন
ব্যাখ্যা

মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
- মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
- মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
- বাংলাদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের খাসিয়া ও গারো নৃগোষ্ঠী মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

অন্যদিকে,
- ত্রিপুরাদের পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থায় পিতাই পরিবারের প্রধান।
- সাঁওতালদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত। পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাখাইনদের পরিবারব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৫৭২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে কতটি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার কর্তৃক মুক্তিবাহিনী গঠন:

- শক্তিশালী পাকিস্তানী বাহিনীকে মোকাবিলা করে পরাস্ত করার জন্য সুশৃঙ্খল সামরিক কাঠামোর অধীনে একটি শক্তিশালী মুক্তিবাহিনী গঠনের প্রতি তাজউদ্দীন আহমেদ প্রথমেই নজর দেন।
- প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সারা দেশকে ৮টি রণাঙ্গনে বিভক্ত করেছিলেন। সেগুলো হলো:
১. মেজর খালেদ মোশাররফ - সিলেট ও কুমিল্লা অঞ্চল।
২. মেজর জিয়াউর রহমান - চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী অঞ্চল।
৩. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, কুষ্টিয়া ও যশোর অঞ্চল।
৪. মেজর কে এম সফিউল্লাহ - ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চল।
৫. মেজর গিয়াস উদ্দিন আহমেদ - রাজশাহী অঞ্চল।
৬. মেজর নাজমুল হক - সৈয়দপুর অঞ্চল।
৭. মেজর নওয়াজেশ - রংপুর অঞ্চল।
৮. মেজর জলিল - ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী অঞ্চল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭৩.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. অশোক
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৭৪.
আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয় -
  1. ক) ২৩ জুন, ১৯৩৯
  2. খ) ২৩ জুন, ১৯৪৯
  3. গ) ২৩ জুন, ১৯৩৭
  4. ঘ) ২৩ জুন, ১৯৪৭
ব্যাখ্যা
আওয়ামী মুসলিম লীগ 
- মুসলিম লীগে নিজেদের উপদলীয় কোন্দলে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা আদুল হামিদ খান ভাসানী কোণঠাসা হয়ে পড়েন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকায় এক রাজনৈতিক কর্মী সম্মেলনে গঠিত হয় আওয়ামী মুসলিম লীগ।
- নতুন দলের সভপতি নির্বাচিত হন মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- সাধারণ সম্পাদক হন টাঙ্গাইলের শামসুল হক।
- তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে দলটির অন্যতম যুগ্ম সম্পাদক এবং ইয়ার মোহাম্মদ খানকে কোষাধ্যক্ষ করা হয়।
- ১৯৫৫ সালে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ' নিজের ভাবমূর্তি অসাম্প্রদায়িক করতে নাম থেকে'মুসলিম' শব্দটি বাদ দেয়।
- এ সময় দলটির মূলনেতা নির্বাচিত হন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয়ে দলটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৭৫.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপিত হবে কোন সালে?
  1. ক) ২০২১
  2. খ) ২০৪৬
  3. গ) ২০৭১
  4. ঘ) ২০৯১
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পূর্তি অর্থাৎ, সুবর্ণজয়ন্তী হবে ২০২১ সালে।
উৎসঃ দৈনিক যুগান্তর
৯,৫৭৬.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৭ নং
  2. খ) ৮ নং
  3. গ) ৯ নং
  4. ঘ) ১০ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৭৭.
বাংলাদেশ কমনওয়েলথ-এর কততম সদস্য?
  1. ২৯তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- কমনওয়েলথ মূলত ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশিক দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট।
- এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- এর প্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

⇒ বাংলাদেশ-এর ৩২তম সদস্য দেশ হিসেবে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে যোগ দেয়।


উৎস: Commonwealth ওয়েবসাইট।
৯,৫৭৮.
সম্প্রতি পালিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ এর সময়সীমা ছিলো-
  1. ক) ২-৮ জুলাই
  2. খ) ৯-১৫ জুলাই
  3. গ) ১৬-২২ জুলাই
  4. ঘ) ২৩-২৯ জুলাই
ব্যাখ্যা
সম্প্রতি পালিত জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ এর সময়সীমা ছিলো-   ২৩-২৯ জুলাই
এবছর এর প্রতিপাদ্য ছিলো - নিরাপদ মাছে ভরব দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
৯,৫৭৯.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ কোনটি?
  1. ক) ঢাকা - চট্টগ্রাম
  2. খ) ঢাকা - রাজশাহী
  3. গ) ঢাকা - পঞ্চগড়
  4. ঘ) ঢাকা - খুলনা
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে ঢাকা থেকে পঞ্চগড় পর্যন্ত ট্রেন।
- ৫০৭ কিলোমিটার পথ মাড়িয়ে ২৩টি স্টেশন ঘুরে এটি পৌঁছাবে পঞ্চগড়।
- দূরত্বের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলপথ।
৯,৫৮০.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইনজীবী কে?
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) আইন সচিব
  3. গ) আইনমন্ত্রী
  4. ঘ) অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইনজীবী।
সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিমকোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করে থাকেন।
তার পদের মেয়াদ রাষ্ট্রপতির ইচ্ছাধীন। তিনি পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলেরও সভাপতি।
বাংলাদেশের বর্তমান ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৯,৫৮১.
'সান্দ্রে' কোন উপজাতি গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. মনিপুরী
  2. সাঁওতাল 
  3. রাখাইন
  4. তঞ্চঙ্গ্যা 
ব্যাখ্যা
রাখাইন:
- রাখাইন বাংলাদেশে বসবাসরত একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- আরাকান থেকে বাংলাদেশে এসে উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার ও পটুয়াখালীতে বসতি স্থাপন করে।
- বর্তমানে বেশির ভাগ রাখাইনের বসবাস কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায়, এ ছাড়া রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়ও কিছু রাখাইন বাস করে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলায়ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বসতি রয়েছে।

⇒ রাখাইদের সামাজিক ও ধর্মীয় উৎসবগুলো হচ্ছে: প্রবারণা পূর্ণিমা, মাঘী পূর্ণিমা, জলকেলি (লেই খেখু), নববর্ষ প্রভৃতি।
- রাখাইন উপজাতির বর্ষবরণ উৎসবের নাম সান্দ্রে।
- প্রতি বছর রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব 'সাংগ্রাং পোয়ে' বা 'জলকেলি উৎসব'। উদযাপন করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৮২.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৮১২ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রকাশ করেছে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুযায়ী -
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৫১%।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

অন্যদিকে,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

৯,৫৮৩.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ক) ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৫ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা বাঙালি সাহিত্যিক, সাংবাদিক, ডাক্তার, শিক্ষক প্রমুখ পেশার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা ও গুম করে।
এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিলো বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করা। তাই এ দিনটিকে স্বাধীন বাংলাদেশে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৯,৫৮৪.
প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পিকার
  3. ডেপুটি স্পিকার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  5. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
• পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
• মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

⇒ রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
• প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধান বিচারপতি।
• মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
• স্পিকার।
• ডেপুটি স্পিকার।

⇒ স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
• রাষ্ট্রপতি।
• সংসদ সদস্যবৃন্দ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
৯,৫৮৫.
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিলো?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ৯ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মুজিবনগর সরকার ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার ৬৪টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ সেক্টর যেখানে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী। 
৯,৫৮৬.
‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' এর আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. ক) আবুল কাসেম
  2. খ) মহিউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আবদুল মতিন
  4. ঘ) গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন :
- ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্র সমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে। আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
- ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
- ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘট এবং ঐদিন রাষ্ট্রভাষা দিবস পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- কারাবন্দি নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ২১শে ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি পালনে ছাত্র ও আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতা-কর্মীদের ডেকে পরামর্শ দেন। ভাষা আন্দোলনে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও সহবন্দি মহিউদ্দিন আহমেদকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ফরিদপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- সেখানে মহিউদ্দিন আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রাজবন্দিদের মুক্তি ও রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আমরণ অনশন শুরু করলে আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। ২০শে ফেব্রুয়ারি সরকারি এক ঘোষণায় ২১শে ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪৪ ধারা - জারি করা হয়। আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- ২১শে ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজের জরুরি বিভাগের পাশে) একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- একপর্যায়ে পুলিশ গুলি বর্ষণ করলে আবুল বরকত, জব্বার, রফিক, সালামসহ আরও অনেকে শহিদ হন।
- ২২শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় বিশাল শোক র‍্যালি বের হয়। সেখানে পুলিশের হামলায় শফিউর রহমান শহিদ হন।
- শহিদদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকায় ২৩শে ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতা মেডিকেল কলেজের সামনে একটি শহিদ মিনার নির্মাণ করে এবং শফিউরের পিতাকে দিয়ে ঐ দিনই তা উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: মাধ্যমিকের ইতিহাস বই, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৫৮৭.
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তৈরি দেশের প্রথম রকেটের নাম-
  1. ক) জ্ঞানেন্বাষা
  2. খ) ধূমকেতু
  3. গ) সুপারসনিক
  4. ঘ) বৃহস্পতি
ব্যাখ্যা
ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের তৈরি দেশের প্রথম রকেটের নাম ধূমকেতু।

প্রাথমিকভাবে ৬ ফুট ও ১০ ফুট উচ্চতার দুটি করে প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়েছে।
- এর মধ্যে একটির নাম ধূমকেতু-ওয়ান। এর ফোর্স প্রায় দেড়শ নিউটন। ধূমকেতু-ওয়ানের রেঞ্জ প্রায় ২০ কিলোমিটার।
- অপরটির নাম ধূমকেতু-টু’। এর ফোর্স ৪০০ নিউটন।  এটির রেঞ্জ প্রায় ৫০ কিলোমিটার।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,৫৮৮.
পোড়ামাটি নীতি'র মাধ্যমে জেনারেল টিক্কা খান কোন অপারেশন পরিচালনা করেছিলেন?
  1. অপারেশন ফ্রি বাংলাদেশ
  2. অপারেশন সার্চলাইট
  3. অপারেশন ব্লিৎজ
  4. অপারেশন ব্ল্যাক হক
ব্যাখ্যা

পোড়ামাটি নীতির মাধ্যমে জেনারেল টিক্কা খান অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনা করেছিলেন।

পোড়ামাটি নীতি (Scorched Earth Policy):

- ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'পোড়ামাটি নীতি' প্রয়োগ করেছিল।
- পোড়ামাটি নীতি এমন একটি সামরিক কৌশল যা দ্বারা সেনাবাহিনীরা এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যাওয়ার সময় প্রতিপক্ষের সামরিক বেসামরিক নির্বিশেষে সবাইকে হত্যার পাশাপাশি সবকিছু পুড়িয়ে দেয়। শত্রুর পক্ষে ব্যবহার করা সম্ভব এমন স্থাপনা ও অবকাঠামো পুড়িয়ে দেয়। এ থেকে পরিত্রাণ পায় না খাদ্যের উৎস, পানি সরবরাহ, পরিবহন, যোগাযোগ, শিল্পকারখানা। অর্থাৎ প্রতিপক্ষের সবকিছু জ্বালিয়ে পুড়িয়ে একেবারে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ায় হলো পোড়ামাটি নীতি।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বেলা ১১টায় মেজর জেনারেল খাদিম হুসেইন রাজাকে ফোনে চার শব্দের এক বার্তা দেন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান। প্রায় এক মাস আগে থেকে তৈরি হতে থাকা একটা সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা এভাবেই বাস্তবায়নের চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে। অভিযানটির নাম ‘অপারেশন সার্চলাইট’।
- নির্ধারিত সময়ের দেড় ঘণ্টা আগেই সেনাবহর রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা সেনানিবাস থেকে বেরিয়ে পড়ে। ফার্মগেটে মিছিলের ওপর গুলি চালিয়ে অপারেশন সার্চলাইটের সূচনা করে তারা। তারপর রাতভর চলে হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ। পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পুরান ঢাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় চলে নির্বিচার মানবনিধন। 
- জেনারেল টিক্কা, তাঁর ওপর অর্পিত দায়িত্ব অর্থাৎ সশস্ত্র বাঙালি ইউনিট ও ব্যক্তিদের নিরস্ত্রীকরণ এবং বাঙালি নেতাদের আটক করার পরিবর্তে বেসামরিক নাগরিকদের হত্যা এবং পোড়ামাটি নীতি অবলম্বন করেন। সৈন্যদের প্রতি তাঁর নির্দেশ ছিল: “মানুষ না, মাটি চাই।” 

এছাড়াও,
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকেই ‘অপারেশন ব্লিৎজ’ নামে এই অভিযানের কথা প্রথম ভেবেছিলেন পাকিস্তানের সামরিক শাসক ইয়াহিয়া খান। এর আওতায় সামরিক শাসন জারি করে সামরিক বাহিনীকে ‘বিদ্রোহী’ রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে হেফাজতে নেওয়ার কথা ভাবা হয়েছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৯,৫৮৯.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে স্বীকৃত কোনটি?
  1. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  2. এবি ব্যাংক পিএলসি
  3. এক্সিম ব্যাংক পিএলসি
  4. সাউথইস্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।

এবি ব্যাংক পিএলসি:
- এবি ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক।
- এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর। 
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
৯,৫৯০.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার কত তারিখে শপথ নেয়?
  1. ৩ আগস্ট-২০২৪
  2. ৮ আগস্ট-২০২৪
  3. ৫ আগস্ট-২০২৪
  4. ৭ আগস্ট-২০২৪
ব্যাখ্যা

• ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার।
​• বৃহস্পতিবার রাতে (৮ আগস্ট-২০২৪) বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কাছে শপথ নিয়েছেন উপদেষ্টারা।
​• বঙ্গভবনে উপদেষ্টাদের শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি।

​উল্লেখ্য,
​- শেখ হাসিনা সরকার পদত্যাগের পরে সংসদ ভেঙে দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।
​- ফলে দেশ পরিচালনার জন্য সাংবিধানিক সরকার কাঠামো দরকার হয়।
​- বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানে ‘অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’ নামে কোন ব্যবস্থার উল্লেখ নেই। 
- সংবিধানের ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের ব্যাপারে মতামত দেয় সুপ্রিমকোর্ট।
- সর্বোচ্চ আদালত 'সুপ্রিম কোর্ট' সংবিধানের আলোকে এই সরকারের বৈধতা দিয়েছেন।

​উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো.

৯,৫৯১.
When did the Battle of Palashi take place?
  1. ক) 23 June, 1757
  2. খ) 24 June, 1757
  3. গ) 23 June, 1857
  4. ঘ) 24 June, 1857
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ :
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
- ১৭৫৭ সালরে ২৩ জুন এই যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল।
- সিরাজ-উদ-দৌলা হল আগের বছর বাংলার নবাব হয়েছিলেন, এবং তিনি ইংরেজদের তাদের দূর্গের সম্প্রসারণ বন্ধ করার আদেশ দিয়েছিলেন।
- রবার্ট ক্লাইভ নবাবের সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে ঘুষ দেন এবং তাকে বাংলার নবাব করার প্রতিশ্রুতিও দেন। 
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে প্লাসিতে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ্দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতবর্ষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়েছিল।
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব এবং ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির রবার্ট ক্লাইভ নবাবের সেনাবাহিনীর প্রধান সেনাপতি মীর জাফরকে ঘুষ দেন এবং তাকে বাংলার নবাব করার প্রতিশ্রুতি দেন।
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজতি করনে এবং কলকাতা দখল করনে।

 উৎস : বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৯২.
৬ দফার পঞ্চম দফা কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা,
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৯৩.
৫১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতির ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার
  2. খ) রাষ্ট্রপতির অভিসংশন
  3. গ) রাষ্ট্রপতির পদের মেয়াদ
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৫১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদ মতে কোন আদালত রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তার বিরুদ্ধে কোন কার্যধারা বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে পারবে না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৯,৫৯৪.
বাংলার ' ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' - এর সময় কাল:
  1. ক) ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
  2. খ) ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
  3. গ) ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ
  4. ঘ) ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (বাংলা সন ১১৭৬)। তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,৫৯৫.
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে কোন খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?
  1. কৃষি ও বনজ
  2. মৎস্য
  3. শিল্প
  4. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ, কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০%।
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ, শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১%। 
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ, সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯%।

উল্লেখ্য,
- ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাবের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

⇒ চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে,
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৩০% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.২১%)।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৫১% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৬.৬৬%)।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৫.০৯% (সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮০%)।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯,৫৯৬.
ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলা জয় করেন কত সালে?
  1.  ১২০১ খ্রিস্টাব্দে
  2.  ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে
  3.  ১২০৯ খ্রিস্টাব্দে
  4.  ১২০৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

• বাংলার ইতিহাস: স্বাধীন সুলতানি আমল (১৩৩৮-১৫৩৮ খ্রি.):
- ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজির মাধ্যমে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়।
- এরপর থেকে রাজা গণেশের স্বল্পকালীন শাসনামল ব্যতীত ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনাধীনে ছিল।
- বখতিয়ারের বাংলা বিজয়ের পর থেকে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যেসব খলজি মালিক, তুর্কি শাসক ও বলবনী শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন তাদের অনেকেই পুরোপুরি স্বাধীন ছিলেন না, বরং তাঁরা দিল্লির সুলতানদের দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হতেন।
 - দিল্লি থেকে বাংলা দূরবর্তী স্থানে হওয়ায় তাঁদের অনেকেই সুযোগ পেলেই স্বাধীনতার জন্য দিল্লির সুলতানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন। - এজন্য বাংলাকে বুলঘাকপুর বা বিদ্রোহের নগরীও বলা হত।
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করেন।
- তখন থেকে ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় দু'শ বছর ধরে বাংলাদেশ অবিচ্ছিন্নভাবে স্বাধীনতা ভোগ করেছিল।
- বাংলার এই স্বাধীন সুলতানি যুগে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ, ইলিয়াস শাহী বংশ, রাজা গণেশের বংশ, হাবশি সুলতান এবং পরবর্তীতে হোসেন শাহী বংশের শাসকগণ বাংলা শাসন করেছেন।
- তাই দু'শ বছরের এ স্বাধীন যুগটিকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯৭.
The 'Family Courts Ordinance' was issued in -
  1. 1983
  2. 1985
  3. 1987
  4. 1989
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স:
- পারিবারিক আদালত অর্ডিন্যান্স হলো পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ।
- ১৯৮৫ সালে এ অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- ইসলামী আইন, হিন্দু আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন, অভিভাবক ও প্রতিপাল্য আইন, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ প্রভৃতি সমন্বয়ে পারিবারিক আদালতের বিচার্য বিষয়ের আইন সংকলিত হয়েছে।
- এ আইন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও পার্বত্য এলাকার জেলাসমূহ ছাড়া সারা দেশে প্রযোজ্য।
- এ আইন বলে দেশের সকল মুন্সেফ আদালত পারিবারিক আদালত হিসেবে গণ্য হবে এবং মুন্সেফগণ এ আদালতের বিচারক হবেন।
- পারিবারিক আদালত মূলত পাঁচটি বিষয়ে বিচারকার্য নিষ্পন্ন করে থাকে।
- এগুলি হচ্ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ ও অভিভাবকত্ব।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৫৯৮.
আদিনা মসজিদ কোন শাসকের সময় নির্মিত?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ
  4. সিকান্দর শাহ
ব্যাখ্যা

সিকান্দর শাহ:
- ইলিয়াস শাহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র সিকান্দর শাহ ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি প্রায় ৩৪ বছর রাজত্ব করেন।
- তাঁর এ সুদীর্ঘ রাজত্বকালে বাংলাদেশে মুসলিম শাসন সুদৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সিকান্দর শাহ সুশাসক ও বিদ্যানুরাগী ছিলেন। 
- সুফি শেখ আলাউল হক ও শেখ শরফউদ্দীন ইয়াহিয়ার সাথে সিকান্দর শাহের সৌহার্দ্য ও পত্রালাপ ছিল।
- তাঁর রাজত্বকালে স্থাপত্যশিল্পের যথেষ্ট উন্নতি হয়।
- তাঁর সময় তৈরি আদিনা মসজিদ মধ্যযুগের বাংলার স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৫৯৯.
নিম্নোক্ত কোন ব্যক্তি ২০২৫ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আজম খান
  3. হেলাল হাফিজ
  4. ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
হেলাল হাফিজ ২০২৫ সালে মরণোত্তর একুশে পদক লাভ করেন। 

একুশে পদক:

- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

• একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন।
- তারা হলেন: চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর), সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর), ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৬০০.
'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. ওয়াশিংটন
  3. টাইমস স্কয়ার
  4. শিকাগো
ব্যাখ্যা
দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের পাশে এসে দাঁড়ানোর অসাধারণ একটি উদ্যোগের নাম 'দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'।
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট রোববার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছিল সেই ঐতিহাসিক কনসার্টটি।
- ম্যনহাটনের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে হওয়া সেই কনসার্টের অন্যতম দুই উদ্যোক্তা ছিলেন ইংল্যান্ডের সাড়া জাগানো ব্যান্ড দল দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত পশ্চিমা সঙ্গীতের অগ্রগণ্য শিল্পী জর্জ হ্যারিসন ও ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- মুক্তিযুদ্ধের অনবদ্য অংশ সেই কনসার্টের ৫০ বছর পূর্তিতে নিউইয়র্কে আয়োজন করা হয়েছে একটি উৎসবের।
- ৩১ জুলাই শনিবার বিকালে জ্যাকসন হাইটসের জুইশ সেন্টারে 'ফ্রেন্ডস অব ফ্রিডম' নামে একটি সংগঠন এই উৎসবের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ১৬ জুলাই ২০২১।