বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৩ / ৩০৬ · ৯,২০১৯,৩০০ / ৩০,৮৩২

৯,২০১.
মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে -
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭১ সালের ১৫ এপ্রিল
  3. গ) ১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনাকারী বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিতি। 
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত মুজিবনগর সরকার ১৭ এপ্রিল কুষ্টিয়ার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
- বৈদ্যনাথতলার পরিবর্তিত নাম মুজিবনগর। 
- ১০ এপ্রিল ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে মুজিবনগর প্রশাসনের সকল কর্মকান্ডের বৈধকরণ করা হয়।
- যুদ্ধকালীন বাংলাদেশের মৌলিক আইনের ভিত্তি ছিল এই স্বাধীনতার সনদ। 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দেশের সংবিধান কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এটিই ছিল দেশের সংবিধান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২০২.
কোন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশের দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে নিয়োজিত?
  1. অর্থ
  2. বাণিজ্য
  3. শিল্প
  4. পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়:
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে ১৯৭২ সালে একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮১ সালে বাণিজ্য বিভাগ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগ নামে দু’টি বিভাগে বিভক্ত করা হয়।
- যা ১৯৮২ সালে শিল্পের সাথে একীভূত হয়ে শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৯৮৫ সাল থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হিসেবে পুনঃকার্যক্রম শুরু হয়।

⇒ অভিলক্ষ্য: ব্যবসা বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি, বাণিজ্য পদ্ধতির সহজীকরণ, রপ্তানি বৃদ্ধিতে সহায়তা প্রদান, রপ্তানি পণ্য ও বাজার বহুমূখীকরণ, বৈদেশিক বাণিজ্যে সক্ষমতা বৃদ্ধি, নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে ভূমিকা রাখা।

• বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন সংস্থা ও দপ্তরসমূহ:
⇒ বর্তমানে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১৩টি সংস্থা বা দপ্তর রয়েছে। যথা:
১. বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন,
২. রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো,
৩. ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ,
৪. জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর,
৫. যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর,
৬. আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস,
৭. বাংলাদেশ চা বোর্ড,
৮. বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন,
৯. বাংলাদেশ ফরেন ট্রেড ইনস্টিটিউট,
১০. বিজনেজ প্রমোশন কাউন্সিল,
১১. দি ইন্সটিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১২. দি ইন্সটিটিউট অব চার্টাড একাউন্টস অব বাংলাদেশ,
১৩. ইন্সটিটিউট অব চার্টাড সেক্রেটারিজ অব বাংলাদেশ।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৯,২০৩.
বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয় কোনটি?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. জাতীয় পার্টি
  3. ওয়ার্কার্স পার্টি
  4. জাসদ
ব্যাখ্যা
⇒ জাতীয় পার্টি বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল নয়।

সমাজতান্ত্রিক দল:

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ):
- ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে পৃথক হয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর যাত্রা শুরু হয়।
- দলটির লক্ষ্য হল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র এবং কৃষক-শ্রমিকদের নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত করার মাধ্যমে একটি শোষণমুক্ত শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি:
- এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল। বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা।
- একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি:
- সমাজতন্ত্রের প্রবর্তক কার্ল মার্কস এর অনুসারী একটি দল।
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নিখিল ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকারী সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট ইউনিট গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দলটি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

জাতীয় পার্টি:
- তৎকালীন সেনাশাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন।
- মূলত সামরিক ক্ষমতার বেসামরিকীকরণের অংশ হিসেবে তিনি দলটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটি দুই বার (১৯৮৬ ও ১৯৮৮) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২০৪.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বভূষণ খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা-
  1. ক) শরিফুল ইসলাম
  2. খ) শহীদুল ইসলাম
  3. গ) চাঁন মিয়া
  4. ঘ) মুন্সী আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বভূষণ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে শহীদুল ইসলাম সর্বকনিষ্ঠ।
- ১৯৭১ সালে তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- শহিদুল ইসলাম লালু ৪২৬ জন গ্যাজেটভূক্ত বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের ৪২৫ নং ব্যক্তি।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মুক্তিবাহিনী ছাড়াও দেশের ভেতরে বিভিন্ন জায়গায় কয়েকটি সশস্ত্র আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে ওঠে। এর মধ্যে কাদেরিয়া বাহিনী অন্যতম। এ বাহিনীর একটি দলের সঙ্গে ছিলেন শহীদুল ইসলাম।
- শহীদুল ইসলামের গ্রামের বাড়ী ছিলো সুখী পলাশপাড়া, গোপালপুর, টাঙ্গাইল।
- শুরুতে তিনি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য- সহযোগিতা, অস্ত্র-গোলাবারুদ বহন ও সংবাদ সংগ্রহের কাজ করতেন।
- পরে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের তুরায় অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ নেন।

উৎস: প্রথম আলো
৯,২০৫.
বৈদেশিক বাণিজ্যে কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক বাণিজ্য উদ্বৃত্ত বিদ্যমান?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) কানাডা
  3. গ) জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সার্বিক বৈদেশিক বাণিজ্যে ঘাটতি বিদ্যমান।
গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাণিজ্য ভারসাম্যে ঘাটতি ছিলো ১৭.৮৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
তবে কয়েকটি দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের উদ্বৃত্ত রয়েছে। এগুলোর মধ্যে:
- প্রথম : জার্মানি (৪.২৩ বি. ড.)
- দ্বিতীয় : যুক্তরাষ্ট্র (৩.৭ বি. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (২.৯ বি. ড.)।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্য ঘাটতি বিদ্যমান চীনের সাথে। দ্বিতীয় সর্বাধিক ভারতের সাথে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
৯,২০৬.
২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিধবা ভাতার পরিমাণ কত টাকা?
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
ব্যাখ্যা

বিধবা ভাতা:
- ১৯৯৮-৯৯ অর্থ বছরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- ঐ অর্থ বছরে ৪ লক্ষ ৩ হাজার ১১০ জনকে এককালীন মাসিক ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হয়।
- বর্তমান সরকারের উদ্যোগে প্রবর্তিত এ কর্মসূচির সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্নমেন্ট টু পারসন) সফলভাবে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- এ কর্মসূচির আওতায় ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ২৯ লক্ষ জনের জন্য জনপ্রতি মাসিক ৬৫০ টাকা হারে মোট ২২৭৭.৮৩ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলাদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান।
২. পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি।
৩. আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদার করা।
৪. চিকিৎসা সহায়তা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান।

তথ্যসূত্র - সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।

৯,২০৭.
কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা কে ছিলেন?
  1. ক) প্রথম মহীপাল
  2. খ) দিব্য
  3. গ) ধর্মপাল
  4. ঘ) দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা
-পাল রাজত্বের সময় উত্তর বঙ্গের বরেন্দ্র অঞ্চলের সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে।
- ইতিহাসে এ বিদ্রোহ ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’ বা ‘বরেন্দ্র বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্য
- তিনি দ্বিতীয় মহীপাল কে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেন এবং নিজ শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- অবশেষে বারো শতকের দ্বিতীয় ভাগে বিজয় সেন পাল সাম্রাজ্যের বিলুপ্তি ঘটিয়ে বাংলায় সেন বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,২০৮.
২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরে, বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের পরিমাণ কত?
  1. ৪৭,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৪৬,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৪৪,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২০২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি কার্যক্রমঃ
- বিগত ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে আমাদের রপ্তানি আয় হয়েছিল ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- চলতি ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা  ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের পণ্য খাতের অর্জিত রপ্তানি আয় ৪৮,২৮৩.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- যা বিগত ২০২৩ -২০২৪ অর্থ বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় ৪৪,৪৬৯.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের তুলনায় ৮.৫৮% বেশী এবং নির্ধারিত রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা ৫০,০০০.০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের ৯৬.৫৭% ।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৯,২০৯.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪] 
  1. হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
  4. সৈয়দ ওবায়দুল হাসান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

প্রধান বিচারপতি:
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ (২৫তম)।
- সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান।
- ২০০৫ সালে তিনি হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ লাভ করেন।
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতিদের বয়স করা হয় ৬৭ বছর।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।

সূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৯,২১০.
অপারেশন ওমেগা কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের জনগণের মাঝে ত্রাণকার্য পরিচালনা
  2. মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডার অপারেশন
  3. মুক্তিযুদ্ধে ক্র্যাক প্লাটুন কর্তৃক অপারেশন
  4. পাকিস্থানি বাহিনী কর্তৃক ২৫ মার্চ অপারেশন
ব্যাখ্যা

অপারেশন ওমেগা:
- বাংলাদেশের মুক্তি-আন্দোলনের পক্ষে ইংল্যান্ডে জন্ম নেয় অনন্য উদ্যোগ ‘অপারেশন ওমেগা’।
- এর সদস্যরা মনে করেন বাংলাদেশের ভেতরে দুর্গত জীবনযাপন করছেন যেসব মানুষ, তাদের কাছে খাবার, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সাহায্য পৌঁছে দেয়া অপর মানুষের দায়িত্ব।
- ব্রিটিশ নাগরিক রজার মুডির যুদ্ধবিরোধী পত্রিকা ‘পিস নিউজ’-এ পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার চিত্র তুলে ধরা হয়। 
- সাহায্য সামগ্রীসহ সাবেক ব্রিটিশ পুলিশ মার্ক ডুরানের নেতৃত্বে ৪ সদস্য বিশিষ্ট টীম ১ জুলাই লন্ডনের ট্রাফেলগার স্কোয়ার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের উদেশ্যে যাত্রা করে।
- মেডিকেল ও খাবার সহায়তা ছাড়াও নানাভাবে তাঁরা তাঁদের কাজ চালান।
- ১৯৭১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এদের কয়েকজন আটক হয় এবং পাকিস্তান সরকার তাঁদের সাজা দেয়।
- বলা হয়, ফ্লাইট এ পাকিস্তান ত্যাগ করা সময়কাল পর্যন্ত তারা সাজা ভোগ করবেন।

উৎস: i) প্রথম আলো
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

৯,২১১.
বাংলাদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পঞ্চগড়
  4. ঘ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
• পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- রাঙামাটি জেলার কাপ্তাইয়ে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- এটি ১৯৬২ সালে চালু হয়।
- ১৯৫৬ থেকে ১৯৬১ সালে কাপ্তাই খালে বাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে তৈরি জলাধারের পানি প্রবাহের মাধ্যমে এই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়।
- এই কেন্দ্রের বর্তমান উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,২১২.
বাংলাদেশে মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-১৯৭৮)।
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-১৯৮৫)।
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-১৯৯০)।
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-১৯৯৫)।
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২)।
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫)।
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০)।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২০-২০২৫)। (বাতিল করা হয়েছে)

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৯,২১৩.
বাংলার ইতিহাসে প্রথমবার সমগ্র বাংলা একত্রিত করেছিলেন কে?
  1. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. আলাউদ্দিন খলজি
  4. নাসিরউদ্দিন নসরত শাহ
ব্যাখ্যা

সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়।
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন।
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন।
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২১৪.
অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচির লক্ষ্যে 'গ্রামীণ ব্যাংক' প্রতিষ্ঠার সময়কাল কত?
  1. ক) ১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৭৫
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
- প্রকল্পটি সফলতা লাভ করায় বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে।
২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)

৯,২১৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ১০ নং সেক্টর
  3. গ) ৭ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৯,২১৬.
OIC-এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন? 
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলনে
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলনে
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলনে
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলনে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত 'OIC' এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য পদ লাভ করে।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

• ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC:
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- OIC এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, এইচ.ই. হিসেইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)।
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-তিন বছর পর পর।
- প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়- রাবাত, মরক্কো (১৯৬৯ সালে)।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ।

উৎস: OIC ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৯,২১৭.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. গ্রামীণ ব্যাংক
  2. রুপালী ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [মে, ২০২৫]

• বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অপরদিকে,
- রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।

• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯,২১৮.
জরুরী সেবা প্রাপ্তির হটলাইন কোনটি?
  1. ক) ১০৬
  2. খ) ৯৯৯
  3. গ) ৩৩৩
  4. ঘ) ১০৯
ব্যাখ্যা
জরুরী সরকারি সেবা প্রাপ্তির হটলাইন হলো ৯৯৯। অন্যদিকে ১০৬ হলো দুদকের হটলাইন। ১০৯ নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচার ঘটনা প্রতিরোধের কল নম্বর। ৩৩৩ হলো সরকারি তথ্য সেবা প্রাপ্তির নম্বর। (সূত্রঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৯,২১৯.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নূরুল হুদা বাংলাদেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার?
  1. ১০ তম
  2. ১১ তম
  3. ১২ তম
  4. ১৩ তম
ব্যাখ্যা
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে. এম. নূরুল হুদাকে ১২তম নির্বাচন কমিশনার হিসেবে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ সালে নিয়োগ দেয়া হয়। তিনি ১১তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের স্থলাভিষিক্ত হন।
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।
৯,২২০.
সম্প্রতি ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক কয়জন বিশিষ্ট নাগরিককে প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক 
- কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা ও অধিকতর উন্নয়নের জন্য বিশেষ অবদান রাখায় তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘দ্য শেখ হাসিনা ইনিশিয়েটিভ’ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়েছে।
- তারা হলেন-
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ইমেরিটাস অধ্যাপক ডা. এবিএম আবদুল্লাহ
• জন হপকিনস ইউনিভার্সিটির গেস্ট লেকচারার বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. আহমদ আল কবির,
• গোপালগঞ্জের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ডা. নাহিদ ফেরদৌস। 

সূত্র- প্রথম আলো। 
৯,২২১.
বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শ্লোগান কী?
  1. সেবাই ধর্ম
  2. সেবাই আদর্শ
  3. সেবাই মানবতা
  4. সেবাই শ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
ডাক বিভাগ:

- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের শ্লোগান 'সেবাই আদর্শ'।
- ডাক অধিদপ্তর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন একটি সেবাধর্মী সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- দেশব্যাপী সুবিস্তৃত নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠান বহুমুখী মৌলিক ডাক সেবা এবং আর্থিক ও তথ্য প্রযুক্তি ভিত্তিক ডিজিটাল ডাক সেবা প্রদানের জন্য নিবেদিত।



তথ্যসূত্র - ডাক বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,২২২.
অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) কুমিল্লা
  4. ঘ) যশোর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ময়মনসিংহ
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা
- তৃতীয় : যশোর।
(সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০১৯)
৯,২২৩.
ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় কত সালে?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ শাসনের অবসান:

- ভারতবর্ষে ব্রিটিশ শাসনের অবসান হয় ১৯৪৭ সালে।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী এ্যাটলি ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারতীয়দের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের ঘোষণা দেন।
- এই ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের বড় লাট ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে 'ভারত স্বাধীনতা আইন' প্রণয়ন করেন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- বিভক্ত হয় ভারতীয় উপমহাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২২৪.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. কাঞ্চন
  2. সৌরভ
  3. ইরাটম
  4. বর্ণালি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৯,২২৫.
মুক্তিযুদ্ধে মেজর এম.এ জলিল কোন সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন?
  1. ৭নং সেক্টর
  2. ৬নং সেক্টর
  3. ৯নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ৯নং সেক্টর: বরিশাল-পটুয়াখালী-খুলনার অংশ; কমান্ডার এম.এ জলিল, মঞ্জুর, জয়নাল আবেদীন।

মুক্তিযুদ্ধে ৯নং সেক্টর:
- বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।
- এই সেক্টরে প্রায় বিশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করে।
- এই সেক্টরকে টাকি, হিঙ্গলগঞ্জ ও শমসেরনগর তিনটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- ডিসেম্বর মাসে চূড়ান্ত আক্রমণের পূর্বে এই সেক্টরকে ৮ নং সেক্টরের সঙ্গে একীভূত করা হয় এবং এর দায়িত্ব অর্পিত হয় মেজর মঞ্জুরের উপর।

এছাড়া,
- ৭ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।
- ৬ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
- ৮ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম এ মঞ্জুর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,২২৬.
’কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ কীসের সাথে সম্পৃক্ত?
  1. গণঅভ্যুত্থান
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
• ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশঙ্কর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য–বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- এতে অংশ নিয়েছিলেন পণ্ডিত রবিশঙ্কর, ওস্তাদ আলী আকবর খান, ওস্তাদ আল্লা রাখা।
- পশ্চিমের তারকাদের মধ্যে জর্জ হ্যারিসন ছাড়া ছিলেন রিঙ্গো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, লিওন রাসেল, বিলি প্রেস্টন প্রমুখ।
- ৪০ থেকে ৫০ হাজার দর্শনার্থীর এ অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত হয়েছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৮ দশমিক ৫০ ডলার।

• অ্যালেন গিন্সবার্গ, ছিলেন একজন মার্কিন কবি ও গীতিকার।
- ১৯৭১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌঁছান।
- তিনি সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা দেখে স্তম্ভিত হয়ে যান
- এবং দেশে ফিরে 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' নামক একটি কবিতা লিখেন, যা নিউইয়র্ক টাইমসে প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,২২৭.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. পাকিস্তান রেডিও
  2. বেতার পাকিস্তান
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. পূর্ব পাকিস্তান বেতার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,২২৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মৃত্যুবরণকারী ইতালির নাগরিকের নাম কী ছিল?
  1. মাদার তেরেসা
  2. উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  3. মাদার মারিও ভেরেনজি
  4. জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা
মাদার মারিও ভেরেনজি:
- মাদার মারিও ভেরেনজি ইতালির নাগরিক ছিলেন।
- ফাদার ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২২৯.
মুক্তিযুদ্ধকালীন 'হেমায়েত বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. পাবনা
  3. বরিশাল
  4. কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন 'হেমায়েত বাহিনী' বরিশাল অঞ্চলে যুদ্ধ করে।

• আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৯,২৩০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. বেলজিয়াম
  2. পূর্ব-জার্মানি
  3. স্পেন
  4. পর্তুগাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৯,২৩১.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি মৌলিক চাহিদার কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫(ক) অনুযায়ী, মৌলিক চাহিদা পাঁচটি।
যথা:
১. অন্ন,
২. বস্ত্র,
৩. বাসস্থান,
৪. শিক্ষা ও
৫. চিকিৎসা।

৯,২৩২.
খাসিয়া উপজাতি বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. ময়মনসিংহ 
  2. নেত্রকোনা
  3. সিলেট 
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

- খাসিয়া উপজাতি বাংলাদেশের সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।

খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,২৩৩.
বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিময় কার্যক্রম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ করে কে?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক বিনিময়:
- অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বৈদেশিক বিনিময় বলতে দেশি ও বিদেশী মুদ্রার বিনিময় হারকেও বুঝায়।
- আমাদের দেশের এক টাকা দিয়ে বিদেশের যে পরিমাণ মুদ্রা ক্রয় করা হয় তাই বিনিময় হার।
- কোন দেশের মুদ্রার অধিকার অন্য দেশের মুদ্রার অধিকারে রূপান্তরিত করার উপায় ও পদ্ধতি বৈদেশিক বিনিময় নামে অভিহিত।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৪৭ সালের "বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিধি" অনুসারে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ কার্যাবলি পরিচালিত হয়।
- বৈদেশিক মুদ্রা ও সিকিউরিটির আদান-প্রদান ও কাজ-কারবার এবং কারেন্সী ও সোনা-রূপার বাঁটের আমদানী-রপ্তানী নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে এ বিধি জারী করা হয়।
- ১৯৭১ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান আমলেও এই আইনে কিছু সংশোধন করা হয়, যদিও সেগুলো খুব বেশি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

⇒ বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিধি অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক বিনিময় নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত দৈনন্দিন প্রশাসনিক কার্য পরিচালনা করে।
- বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি 'বিনিময় নিয়ন্ত্রণ বিভাগ' খোলা হয়েছে।
- এ বিভাগের প্রধান কার্যালয় বাংলাদেশ ব্যাংকের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে অবস্থিত এবং এর প্রশাসনের ভার একজন "বৈদেশিক বিনিময় নিয়ন্ত্রক"-এর উপর ন্যস্ত।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৩৪.
বাংলাদেশে কত বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৭ বছর
  4. ১৪  বছর
ব্যাখ্যা

শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইন: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুদের অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুসহ সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬-এ শিশু ও কিশোরদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে শিশুর ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর ।
- এবং কিশোরের ন্যূনতম বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না।
-  কিশোর শ্রমিকদের স্বাভাবিক কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দৈনিক ৫ ঘণ্টা।
- তবে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত কোনো কিশোর শ্রমিককে দিয়ে কাজ করানো যাবে না।

উল্লেখ্য,
- কিশোর শ্রমিককে দিয়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক কাজ করানো যাবে না। পাশাপাশি এ আইনে আরও বলা হয়েছে যে, ১২ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের কেবল সে ধরনের হালকা কাজই করানো যাবে যে কাজে কোনো ক্ষতি হবে না এবং যা তাদের শিক্ষা গ্রহণের অধিকারকে বিঘ্নিত করবে না।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৯,২৩৫.
বাংলাদেশ কোন্ দুটি দেশ হতে সিংহভাগ সয়াবিন তেল আমদানী করে?
  1. মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া
  2. ভারত ও চীন
  3. জার্মানি ও ভিয়েতনাম
  4. আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল
ব্যাখ্যা

সয়াবিন তেল আমদানি:
- বাংলাদেশ বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ সয়াবিন তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে পরিচিত।
- দেশের সয়াবিন তেলের চাহিদার বড় অংশই আমদানি দ্বারা পূরণ হয়।
- বাংলাদেশ তার সয়াবিন তেলের অধিকাংশ আমদানি করে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- এই তিনটি দেশ প্রধান সয়াবিন উৎপাদক ও সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের বার্ষিক চাহিদার বড় অংশ পূরণ করে।

এছাড়াও,
- জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত বাংলাদেশ সাত দেশের আট প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় সোয়া ১৪ লাখ টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি করে।

সূত্র: মার্কিন কৃষি বিভাগের (USDA) ফরেন এগ্রিকালচারাল সার্ভিস এবং প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট [লিংক] [লিংক]

৯,২৩৬.
‘হলওয়েল মনুমেন্ট’ কোথায় নির্মাণ করা হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) কলকাতা
  3. গ) অযোধ্যা
  4. ঘ) পাটনা
ব্যাখ্যা
১৭৫৬ সালের জুনে নবাব সিরাউদ্দৌলার সৈন্যদের হাতে বন্দি অবস্থায় শতাধিক ইংরেজ সৈন্য মারা যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলকাতার রাইটার্স বিল্ডিং এর পাশে ইংরেজরা হলওয়েল মনুমেন্ট নির্মাণ করে। প্রথমবার এটি নির্মাণের পর ভেঙে ফেলা হলেও ১৯০২ সালে লর্ড কার্জন পুনরায় এটি নির্মাণ করেন। ১৯৪০ সালে শেরে বাংলা সরকার পুনরায় এটি অপসারণ করে। এই ঘটনা অনিচ্ছাকৃত হওয়া সত্ত্বেও ইংরেজরা এই মনুমেন্ট নির্মাণ করে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং দৈনিক সংগ্রাম)
৯,২৩৭.
বাংলাদেশে কোনটি ব্যাংক নােট নয়?
  1. ২ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৯,২৩৮.
Bangladesh's first private commercial bank 'AB Bank' started it's operation in-
  1. 1980
  2. 1981
  3. 1982
  4. 1983
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারী ব্যাংক হিসেবে এবি ব্যাংক লিমিটেড ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর আত্মপ্রকাশ করে।
- আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে ।
- ১২ই এপ্রিল, ১৯৮২ সালে কারওয়ান বাজারে প্রথম শাখা খুলে ব্যাংকটির সফল পদচিহ্ন পড়েছে ১০৫ টি শাখায় যার মধ্যে একটি বৈদেশিক শাখা রয়েছে ভারতের মুম্বাই শহরে এবং সাড়া দেশজুড়ে ছড়িয়ে রয়েছে ২৭০ টির বেশি এটিএম।
- প্রতিষ্ঠার পঁচিশ বছর পর ব্যাংকটির নতুন নাম হয় এবি ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ১৪ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে ব্যাংকটির নতুন নাম অনুমোদন করে।
- ব্যাংকটি এর মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমে মোট ৫টি সহায়ক কোম্পানী, একটি বৈদেশিক ব্যাংকিং ইউনিট এবং কাস্টডিয়াল সেবা সংযুক্ত করেছে।
- ব্যাংকটি এর বৈদেশিক কার্যক্রম বিস্তৃতির লক্ষ্যে মায়ানমারের ইয়াঙ্গুন রিপ্রেসেন্টেটিভ অফিস চালু করেছে।

উৎস: এবি ব্যাংক ও বাংলাপিডিয়া। [লিঙ্ক]
৯,২৩৯.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০০৭
  4. ঘ) ২০১০
  5. ঙ) ২০০৬
ব্যাখ্যা

With the decision of the Government, Bangladesh Development Bank Ltd. (BDBL) was incorporated on 16 November, 2009 as a Public Company Limited by shares under the Companies Act, 1994 by amalgamation of former Bangladesh Shilpa Bank (BSB) and Bangladesh Shilpa Rin Sangstha (BSRS), two Development Financial Institutions (DFIs) in the public sector.

Bangladesh Shilpa Bank (BSB) was established on October 31, 1972 for accelerating the industrial pace of the country through providing loan and equity to the industrial projects as per Bangladesh Shilpa Bank Order, 1972 (President’s Order No. 129 of 1972).

With the same objective, Bangladesh Shilpa Rin Sangstha (BSRS) was also established on October 31, 1972 as per Bangladesh Shilpa Rin Sangstha Order, 1972 (President’s Order No. 128 of 1972).

Source: BDBL

৯,২৪০.
WARPO-এর পূর্ণরূপ-
  1. Water Resource Protection Organization
  2. Water Resource Planning Organization
  3. Water Regulation and Planning Office
  4. Water Resource Production Organization
ব্যাখ্যা

ওয়ারপো (WARPO):
- ওয়ারপো হলো বাংলাদেশের একটি স্বশাসিত সরকারি সংস্থা।
- এর পূর্ণরূপ- Water Resources Planning Organization (পানি সম্পদ পরিকল্পনা সংস্থা)।
- এটি দেশের পানি সম্পদকে সমন্বিতভাবে পরিকল্পনা, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের কাজ করে থাকে।
- এর মূল লক্ষ্য টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায্য ব্যবহার নিশ্চিত করা। 
- এটি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-এর অধীনে কাজ করে।
- সংস্থাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতীয় পানি নীতি ১৯৯৯ ও বাংলাদেশ পানি আইন ২০১৩-এর আওতায় দেশের সর্বোচ্চ পরিকল্পনাকারী সংস্থা হিসেবে কাজ করে।
- এই সংস্থার সদর দপ্তর ৭২ গ্রিন রোড, ঢাকায় অবস্থিত। 

উল্লেখ্য,
• ওয়ারপোর প্রধান কাজগুলো হলো:
- জাতীয় পানি সম্পদ পরিকল্পনা (NWRP) প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা।
- বাংলাদেশ পানি আইন-এর সমন্বয় ও বাস্তবায়ন করা।
- সমন্বিত পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনা (IWRM)-এর জন্য কাজ করা।
- জাতীয় পানি সম্পদ ডেটাবেস ও জ্ঞানভাণ্ডার তৈরি ও রক্ষণাবেক্ষণ করা।
- পানি খাতের বিভিন্ন প্রকল্পের অনুমোদন ও পর্যবেক্ষণ করা।
- বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত নীতি ও প্রবিধান বাস্তবায়ন করা 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,২৪১.
২৪তম আন্তর্জাতিক এইডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোন শহরে?
  1. ক) রোম
  2. খ) লন্ডন
  3. গ) মন্ট্রিল
  4. ঘ) সান ফ্রান্সিসকো
ব্যাখ্যা
২৯ জুলাই - ২ আগস্ট, ২০২২ তারিখে ২৪তম আন্তর্জাতিক এইডস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কানাডার মন্ট্রিল শহরে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৯,২৪২.
দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্প কী নামে পরিচিত?
  1. এমআরটি-১
  2. এমআরটি-২
  3. এমআরটি-৩
  4. এমআরটি-৪
ব্যাখ্যা
এমআরটি-১:
- দেশের দ্বিতীয় মেট্রোরেল প্রকল্পের নাম এমআরটি-১।
- ৩১ দশমিক ২৪১ কিলোমিটার দীর্ঘ নতুন এই মেট্রোরেল দুটি অংশে বিভক্ত।
- অংশ দুটি হলো- বিমানবন্দর রুট (বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর) ও পূর্বাচল রুট (নতুন বাজার থেকে পিতলগঞ্জ ডিপো)।
- এটির (এমআরটি-১) বিমানবন্দর রুট হবে দেশের প্রথম পাতাল বা আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রোরেল, যার মোট দৈর্ঘ্য ১৯ দশমিক ৮৭২ কিলোমিটার এবং মোট পাতাল স্টেশন ১২টি।
- পূর্বাচল রুটের মোট দৈর্ঘ্য ১১ দশমিক ৩৬৯ কিলোমিটার, যার সম্পূর্ণ অংশ উড়াল এবং মোট স্টেশন সংখ্যা ৯টি। এরমধ্যে ৭টি স্টেশন হবে উড়াল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ১৭ এপ্রিল ২০২৪।
৯,২৪৩.
এমভি আবদুল্লাহ জাহাজের জিম্মি হওয়া নাবিকরা কবে মুক্তি পায়?
  1. ১১ এপ্রিল, ২০২৪
  2. ১৩ এপ্রিল, ২০২৪
  3. ১৫ এপ্রিল, ২০২৪
  4. ১৭ এপ্রিল, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে জিম্মি থাকার ৩১ দিন পর অক্ষত অবস্থায় মুক্তি পেয়েছেন বাংলাদেশি ২৩ নাবিক এবং জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ।
- জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ সময় বিকাল ৪টার দিকে মুক্তিপণের ডলারভর্তি তিনটি ব্যাগ জলদস্যুদের হাতে পৌঁছালে নাবিকসহ জাহাজটিকে মুক্ত করা হয়।
- গত ১২ মার্চ সোমালি জলদস্যুরা ভারত মহাসাগরে বাংলাদেশি কয়লাবাহী জাহাজটিকে (বাল্কশিপ) অপহরণ করে। জিম্মি করে জাহাজটির ক্যাপ্টেনসহ ২৩ নাবিককে।
- মোজাম্বিকের মাফুতো বন্দর থেকে জাহাজটি ৫৮ হাজার মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে সংযুক্ত আমিরাতের শারজাহ বন্দরে যাচ্ছিল।
- এর আগে ২০১১ সালে একই মালিকের ‘এমভি জাহান মনি’ নামের আরেকটি জাহাজ সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল।
- সেবারও জিম্মি করা হয় জাহাজটির সব নাবিক ও ক্রুকে। সরকার ও জাহাজটির কর্তৃপক্ষের চেষ্টায় তাদেরও মুক্ত করা সম্ভব হয়েছিল। 

সূত্র- প্রথম আলো। 
৯,২৪৪.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক শহীদ হন?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. মোহাম্মদ সোহরাওয়ার্দী
  3. আনোয়ার হোসেন মঞ্জু
  4. ড. শামসুজ্জোহা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার,
- পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও আয়ুবখানের পদত্যাগ কেন্দ্র করে ছাত্র-জনতা ও সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ হয় যা ১৯৬৯ গণ অভ্যুত্থান নামে পরিচিত।
- ১৯৬৯ সালের ৪ ঠা জানুয়ারি সর্বদলীয় রাষ্ঠভাষা গঠন করা হয়।
- ঐ সময় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করে।
- ১৯৬৯ সালের গণ অভ্যুত্থানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ও ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহিদ হন।
- ফলাফল - আয়ুব সরকার পদত্যাগ করেন ও ৭০ এর নির্বাচন দিতে সরকার বাধ্য হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,২৪৫.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কয়টি স্তরবিশিষ্ট?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট।
- সেগুল হলো: প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর।
- সরকারি-বেসরকারি বিদ্যালয়গুলো পরিচালিত হয় ৫ বছর মেয়াদী প্রাথমিক, ৭ বছর মেয়াদী মাধ্যমিক (এর মধ্যে ২ বছর মেয়াদী উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়)।
- বাংলাদেশে তৃতীয় পর্যায়ে অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের শিক্ষা ৩ থেকে ৫ বছর মেয়াদি।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় হলো শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, bangladesh.gov.bd.

৯,২৪৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. ১৪১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৪২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৪৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৪৪ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের বিধান উল্লেখ রয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, সংসদের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে অনুমোদিত হলে সংবিধানের কোনো অনুচ্ছেদ সংশোধন, সংযোজন বা রহিত করা যেতে পারে।

অনুচ্ছেদ ১৪২: সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- বাংলাদেশের সংবিধানের দশম ভাগের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- ১৪২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও -
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে:

তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরুপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হক]ব বলে স্পষ্টরুপে উল্লেখ না থাকলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না;
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হইলে অনুরুপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন, এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করেছেন বলে গণ্য হবে।

অন্যদিকে, 
- ১৪৩নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি, 
- ১৪১নং অনুচ্ছেদে জরুরী বিধানাবলী,
- ১৪৪নং অনুচ্ছেদে সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব সম্পর্কে উল্লেখ আছে।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,২৪৭.
'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) সেলিনা হোসেন
  2. খ) রশিদ করিম
  3. গ) মযহারুল ইসলাম
  4. ঘ) সৈয়দ শামসুল হক
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বইঃ
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব (১৯৭৪)- ড. মযহারুল ইসলাম,
হু কিলড মুজিব(১৯৮১)- আবদুল লতিফ খতিব,
ল্যান্ড অব টু রিভারস; অ্যা হিস্ট্রি অব বেঙ্গল ফ্রম মহাভারত টু মুজিব(২০১১)- নীতিশ সেনগুপ্ত,
যে রাতে নেতা নিহত হলেন- কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন,
মুজিববাদ- মোহাম্মদ ইলিয়াস,
শেখ মুজিব, ট্রায়াম্ম্ফ অ্যান্ড ট্র্যাজেডি- সাবেক কূটনীতিক এসএ করিম,
জেনেভায় বঙ্গবন্ধু- ড. আবদুল মতিন,
বঙ্গবন্ধু ও রক্তাক্ত বাংলা- লেখক নিরঞ্জন মজুমদার।
উৎসঃ দৈনিক সমকাল।

৯,২৪৮.
কোন মুঘল সুবেদার চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন?
  1. মীর জুমলা
  2. ইসলাম খান চিশতী
  3. মান সিংহ
  4. শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৪৯.
বিধবা বিবাহ আইন কোন সালে পাস হয়?
  1. ১৮৫৬
  2. ১৮৬৫
  3. ১৮৬০
  4. ১৮৫২
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০–১৮৯১) বাংলার নবজাগরণের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব,
- ১৮২০ সালে মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম।
- পিতা ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে তেজস্বিতা ও সত্যনিষ্ঠা, মা ভাগবতী দেবীর কাছ থেকে মমত্ববোধ লাভ করেন। 

• শিক্ষা ও পাণ্ডিত্য:
- অসাধারণ মেধা ও অধ্যবসায়ে মাত্র ২১ বছর বয়সে সংস্কৃত সাহিত্য, ব্যাকরণ, ন্যায়, বেদান্ত, স্মৃতি, অলংকার ইত্যাদিতে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন। ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত ও বিদ্যালয় পরিদর্শকের দায়িত্ব পালন করেন।
• সমাজ-সংস্কার:
- বিধবা বিবাহের পক্ষে আন্দোলন করেন → ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাস হয়।
- কন্যাশিশু হত্যা ও বহুবিবাহ প্রথার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেন।
- হিন্দু সমাজের কুসংস্কার দূরীকরণে নিরলস প্রচেষ্টা চালান।

মানবতা ও দানশীলতা:
- “দয়ার সাগর” নামে খ্যাত।
- ১৮৯১ সালে ৭১ বছর বয়সে পরলোকগমন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলা পিডিয়া। 

৯,২৫০.
সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয় কোন বিভাগে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) রংপুর
  3. গ) চট্রগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন হয়-রাজশাহী বিভাগে (দ্বিতীয় – রংপুর)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন- ঠাকুরগাও জেলায়।
- দ্বিতীয়- চাপাইনবাবগঞ্জ।

অন্যদিকে---
-ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-রংপুর বিভাগ (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- দিনাজপুর জেলা

-পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ- ঢাকা (দ্বিতীয় – খুলনা)।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন- ফরিদপুরে।

তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ-খুলনা।
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন-ঝিনাইদহ।


তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)
৯,২৫১.
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সর্বোচ্চ আইনগত পরামর্শ প্রদান ও প্রধান আইন কর্মকর্তার দায়িত্ব কে পালন করে থাকেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. আইন সচিব
  4. আইন উপদেষ্টা
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়। এ পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন। তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
-মো. আসাদুজ্জামান বর্তমানে বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
-তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, এবং রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতা অনুযায়ী তাকে পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৯,২৫২.
উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. ক) শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  2. খ) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. গ) কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর
  4. ঘ) মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

- উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো 'প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর'- এর আওতাধীন।
- সরকারের পরিবর্তিত সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে ০১লা নভেম্বর ২০০৩ সাল হতে “উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তর’’ অকার্যকর হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে সরকার কর্তৃক অধিদপ্তরের পরিবর্তে ১৭ এপ্রিল ২০০৫ উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরো গঠন করা হয়। 

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন 

 
৯,২৫৩.
বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে -
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ
  4. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
ব্যাখ্যা

BSEC: 
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC)।
- এটি ১৯৯৩ সালের ৮ জুন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩ অনুসারে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিএসইসি পুঁজিবাজারের নিয়ম-কানুন তৈরি ও বাস্তবায়ন করে এবং শেয়ারবাজারের নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়নে কাজ করে।
- বিএসইসি ২০১৩ সাল থেকে International Organization of Securities Commissions (IOSCO) এর সদস্য। এছাড়াও, বিএসইসি ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর পুঁজিবাজার সংস্কারের জন্য একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে।

সূত্র: BSEC.

৯,২৫৪.
দেশের প্রথম ভ্রাম্যমান রেল জাদুঘর উদ্বোধন করা হয় কত তারিখে?
  1. ক) ২৬ মার্চ ২০২২
  2. খ) ৩১ মার্চ ২০২২
  3. গ) ১৪ এপ্রিল ২০২২
  4. ঘ) ২৭ এপ্রিল ২০২২
ব্যাখ্যা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন সংগ্রাম, স্বাধীনতা যুদ্ধ আর ইতিহাস সমন্বয়ে নির্মিত হয়েছে দেশের প্রথম ভ্রাম্যমান রেল জাদুঘর। ২৭ এপ্রিল ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ভ্রাম্যমাণ রেল জাদুঘর” উদ্বোধন করেন। 

একটি ব্রডগেজ ও একটি মিটারগেজ কোচকে সর্বোচ্চ প্রযুক্তিতে সাজানো হয়েছে। জাদুঘরটিতে ১৯২০ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক জীবন, মুক্তিযুদ্ধ, সংগ্রামী ঘটনাট প্রবাহ তুলে ধরা হয়েছে। সাধারণ দর্শনার্থীরা টাচ স্কিনে আঙুল স্পর্শ করতেই ভেসে আসবে বঙ্গবন্ধু ছবি, ভাষণ, তার জীবনের নানা দিক-নির্দেশনা। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের দেওয়ালজুড়ে রয়েছে ১২টি LED মনিটর, যার প্রতিটিতে ভিডিও ও স্থিরচিত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনালেখ্য তুলে ধরা হয়েছে।

সূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, মে ও জুন ২০২২
৯,২৫৫.
মনপুরা একটি-
  1. ক) বিল
  2. খ) প্রদেশ
  3. গ) দ্বীপ
  4. ঘ) চিত্রকর্ম
ব্যাখ্যা
মনপুরা দ্বীপ হচ্ছে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগর এলাকার উত্তরদিকে মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি দ্বীপ। এটি ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলায় কিছুটা অংশ জুড়ে অবস্থিত। এই দ্বীপের আয়তন ৩৭৩ বর্গ কিলোমিটার।
উল্লেখ্য, ১৯৭০ সালে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে সংঘটিত ভয়াবহ বন্যায় প্রেক্ষাপট নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের আঁকা চিত্রকর্ম 'মনপুরা-৭০'।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ।
৯,২৫৬.
দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র কোনটি?
  1. ক) গোমতী নদী
  2. খ) আন্ধারমানিক লেক
  3. গ) শনির হাওর
  4. ঘ) হালদা নদী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী। এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি সরকার ঘোষিত একটি মৎস্য অভয়াশ্রম। সম্প্রতি সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।
(সূত্রঃ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
৯,২৫৭.
সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?
  1. ৬০%
  2. ৬১%
  3. ৬৪%
  4. ৬২%
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- এই বনের ৬২ শতাংশ বাংলাদেশে অবস্থিত।
- সুন্দরবন বাংলাদেশের একক বৃহত্তম বনভূমি।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার।

- সুন্দরবনের বাকি অংশ ভারতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে সুন্দরবন অবস্থিত।
- এই বন বিশ্বের বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বনভূমি।
- এখানকার প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- এই বনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে,
• গরান, গেওয়া, কেওড়া, ধুন্দল, গোলপাতা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বনবিভাগ।

৯,২৫৮.
ইংরেজরা বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্যের অনুমতি কার কাছ থেকে পায়?
  1. সম্রাট ফররুখশিয়ার
  2. সম্রাট শাহজাহান
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. সুবেদার শাহ সুজা
ব্যাখ্যা
ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
- পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
- ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।

⇒ ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
- ১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
- পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম এখানেই নির্মিত হয়।
- ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন আন্তর্জাতিক গায়ক বাংলাদেশের সমর্থনে কনসার্ট আয়োজন করেন?
  1. পল ম্যাককার্টনি
  2. বব ডিলান
  3. জন লেনন
  4. জর্জ হ্যারিসন
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিশ্বখ্যাত সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর।
- বাংলাদেশের জনগণের সাহায্যার্থে কিছু করার জন্য তিনি প্রথম যোগাযোগ করেন জনপ্রিয় বিটলসের অন্যতম সদস্য জর্জ হ্যারিসনের সঙ্গে।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

উল্লেখ্য,
- জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC।

৯,২৬০.
জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে খাতভিত্তিক বিভাজনে কয়টি বৃহৎ খাত রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
৩টি বৃহৎ খাতঃ কৃষি, শিল্প ও সেবা
৯,২৬১.
উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত কোনটি?
  1. কার্ডিনাল
  2. অঘ্রাণী
  3. তাহেরপুরী
  4. কুফরী
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

সূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।

৯,২৬২.
কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয় কত সালে?
  1.  ১৯৭৮ সালে
  2.  ১৯৭২ সালে
  3.  ১৯৭৫ সালে
  4.  ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

•  কাবাডি:
- কাবাডি খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেয়া হয়- ১৯৭২ সালে।

উল্লেখ্য,
- কাবাডি দেশের ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খেলাগুলোর মধ্যে অন্যতম।
- এই খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়।
- খেলাটির উৎপত্তিস্থল ভারতের তামিলনাড়ু।
- আমাদের দেশে এই খেলার নাম ছিল হাডুডু।
- ১৯৭২ সালে খেলাটিকে কাবাডি নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।
- ১৯৭৮ সালে ভারত, বাংলাদেশ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও বার্মার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এশিয়ান কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
- ১৯৮০ সালে সফলভাবে প্রথম এশীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের আয়োজন করা হয়ক এবং এতে ভারত চ্যাম্পিয়ন ও বাংলাদেশ রানার্স আপ হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,২৬৩.
বাংলাদেশে প্রধান শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ঔষধ
  2. ভোজ্যতৈল
  3. সার
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।

আমদানি পরিস্থিতি:

- ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৪৪,১০৮.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ের মোট আমদানি ব্যয়ের (৫২,১১৯.০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) তুলনায় ১৫.৫ শতাংশ কম।

সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৩,২৭১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. সার: ২,০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ২,০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ১,৪১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ৯৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯,২৬৪.
বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য সেতু?
  1. ক) ৪.৬ কিমি
  2. খ) ৪.৭ কিমি
  3. গ) ৪.৮ কিমি
  4. ঘ) ৪.৯ কিমি
ব্যাখ্যা
- যমুনা বহুমুখী সেতু বা বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের যমুনা নদীর উপরে অবস্থিত একটি সড়ক ও রেল সেতু।
- ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ১৮.৫ মিটার প্রস্থ এই সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯৯৮ সালে শেষ হয়।
- এটি যমুনা নদীর পূর্ব তীরে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর (ভুয়াপুর) এবং পশ্চিম তীরের সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,২৬৫.
বাংলােদেশ অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়? 
  1. শিল্প খাতে
  2. সেবা খাতে
  3. কৃষি খাতে
  4. পর্যটন খাতে
ব্যাখ্যা

- বাংলােদেশ অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে বেশি কর্মসংস্থান হয় কৃষি খাতে ।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:

- খাত ভিত্তিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত:
- কৃষি: ৪৪.৬৭%.
- শিল্প: ১৭.৩৭%.
- সেবা: ৩৭.৯৬%.
- কৃষি খাতে শ্রমশক্তি সবচেয়ে বেশি নিয়োজিত।

অপরদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান = ৫১.৬২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৯,২৬৬.
১৯৫২ সালে পল্টন ময়দানে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণা করেন কে?
  1. খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. আবুল হাসিম
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলন:
- বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন;
- ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান বিভক্তির পর পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা নিয়ে বিতর্ক শুরু;
- পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ ও উর্দুভাষী বুদ্ধিজীবীরা উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করতে চান;
- পূর্ব পাকিস্তান থেকে বাংলাকেও রাষ্ট্রভাষা করার দাবি ওঠে;
- ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি খাজা নাজিমুদ্দিন পল্টন ময়দানে ঘোষণা করেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কেবল উর্দু হবে এর তীব্র প্রতিক্রিয়ায় ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগানে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করেন;
- ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট পালিত হয়;
- ৩১ জানুয়ারি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় যার আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব;

- এ সময় সরকার আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব পেশ করে। এর বিরুদ্ধেও তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়। 
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ২১ ফেব্রুয়ারি ( একুশে ফেব্রুয়ারি) সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে  হরতাল, জনসভা ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।
- এসব কর্মসূচির আয়োজন চলার সময় সরকার ঢাকা শহরে ১৪৪ ধারা জারি করে সমাবেশ-শোভাযাত্রা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের (১৯০৫-৭৪) সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের সভা হয়। 
- ১৪৪ ধারা অমান্য করা হবে কিনা এ প্রশ্নে সভায় দ্বিমত দেখা দেয় তবে ছাত্ররা ১৪৪ ধারা ভাঙ্গার সঙ্কল্পে অটুট থাকে।
- ছাত্রনেতা আবদুল মতিন ও গাজীউল হক অবস্থানে অনড় থাকেন;

- ছাত্ররা পাঁচ-সাতজন করে ছোট ছোট দলে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ শ্লোগান দিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে আসলে পুলিশ তাঁদের উপর লাঠিচার্জ করে, ছাত্রীরাও এ আক্রমন থেকে রেহাই পায়নি।
- ছাত্রছাত্রীরা পুলিশের দিকে ইট-পাটকেল ছোড়া শুরু করলে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। 
- বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের সামলাতে ব্যর্থ হয়ে গণপরিষদ ভবনের দিকে অগ্রসররত মিছিলের উপর পুলিশ গুলি চালায়। 
- গুলিতে  রফিক উদ্দিন আহমদ,  আবদুল জববার,  আবুল বরকত (রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ শ্রেণীর ছাত্র) নিহত হয়। 
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের সংবিধানে বাংলা ও উর্দু উভয়কে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়;
- ১৯৫২ সাল থেকে প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি একুশে ফেব্রুয়ারি হিসেবে পালিত হয়;
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করে;

উৎস: আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট।

৯,২৬৭.
ছয় দফার চতুর্থ দফা কী বিষয়ক ছিল?
  1. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  2. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
ব্যাখ্যা
ছয় দফার চতুর্থ দফা: রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
- প্রাদেশিক সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকবে সকল প্রকার কর ধার্য ও কর আদায়ের ক্ষমতা।
- তবে প্রদেশে আদায়কৃত রাজস্বের একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অংশ কেন্দ্রে প্রেরণ করতে হবে যা রিজার্ভ ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
- এভাবে ফেডারেল সরকারের তহবিল সমৃদ্ধ হবে।

অন্যান্য দফার বিষয়বস্তু: 
প্রথম দফা: পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রকৃতি ও শাসনতন্ত্র
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রিয় সরকারের ক্ষমতা
তৃতীয় দফা: মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
ষষ্ঠ দফা: প্রতিরক্ষা বিষয়ক

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯,২৬৮.
কোন শতকে সেন বংশের অবসান ঘটে?
  1. ১২ শতকে
  2. ১৩ শতকে
  3. ১৪ শতকে
  4. ১৫ শতকে
ব্যাখ্যা
বাংলায় সেন বংশের শাসন:
- বাংলার ইতিহাসে সেন রাজাদের উত্থান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায়।
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ১৫০ বছর সেনরা বাংলায় রাজত্ব করে।
- পালদের পতনের পর বাংলায় সেন রাজবংশের উত্থান ঘটে।
- সেন রাজবংশ তাদের শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বেশির ভাগ এলাকা নিজেদের দখলে আনে।
- ১০৭০ থেকে ১২৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত হেমন্ত সেন, বিজয় সেন, বল্লাল সেন, লক্ষ্মণ সেন, বিশ্বরূপ সেন, কেশব সেন রাজ্য পরিচালনা করেন।

⇒ বাংলার সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সামন্ত সেন।
- সামন্ত সেন কোনো রাজ্য প্রতিষ্ঠা না করায় সেন বংশের প্রথম রাজার মর্যাদা দেওয়া হয় সামন্ত সেনের পুত্র হেমন্ত সেনকে।
- এই বংশের শেষ রাজা ছিলেন লক্ষ্মণ সেন।
- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন।
- এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।

⇒ সেনদের রাজধানী ছিল নবদ্বীপে। ১২০২ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজি বাংলা আক্রমণ করেন। সে সময় সেনদের অস্থায়ী রাজধানী ছিল নদীয়ায়। নদীয়ায় আক্রমণ করা হলে লক্ষ্মণ সেন পূর্ববঙ্গে পালিয়ে যান। এরপর লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যু হলে সেনরা দুর্বল হতে শুরু করে। সামন্ত বিদ্রোহের ফলে বাংলায় সেনদের পতন ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,২৬৯.
বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপ পদ্ধতি কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় আয় পরিমাপের পদ্ধতি:
দেশের জাতীয় আয় পরিমাপ করার জন্য প্রধানত তিনটি পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
১. উৎপাদন পদ্ধতি – দেশভিত্তিক সকল উৎপাদনের যোগফল হিসাব করা হয়।
২. আয় পদ্ধতি – উৎপাদনের মাধ্যমে অর্জিত আয়ের যোগফল নির্ণয় করা হয়।
৩. ব্যয় পদ্ধতি – চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মোট ব্যয় হিসাব করা হয়।

জাতীয় আয়
• একটি নির্দিষ্ট সময়ে, সাধারণত এক অর্থবছরে, একটি দেশে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তার বাজার মূল্য এবং বিদেশ থেকে নীট আর্থিক অর্জনের সমষ্টিকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

• অন্যভাবে বলা যায়, একটি দেশের সকল জনগণ তাদের সম্পদ, শ্রম ও মূলধন ব্যবহার করে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার বাজার মূল্যকেই জাতীয় আয় বলা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, এস.এস.সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,২৭০.
কোন জাতীয় সংসদে প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা লক্ষ্য করা যায়?
  1. তৃতীয় জাতীয় সংসদে
  2. দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে
  3. প্রথম জাতীয় সংসদে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বিরোধীদলীয় নেতা:
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- দ্বিতীয় জাতীয় সংসদে প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা লক্ষ্য করা যায় । 
- জাতীয় সংসদের প্রথম বিরোধীদলীয় নেতা আওয়ামী লীগের আসাদুজ্জামান খান (দ্বিতীয় সংসদ)।     
- প্রথম ও ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে কোন বিরোধীদলীয় নেতা ছিলো না।
- ষষ্ঠ সংসদ দেশের সবচেয়ে স্বল্পকালীন সংসদ যার স্থায়িত্ব ছিলো মাত্র ১২ দিন। 

সূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।
৯,২৭১.
২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.৬৮%
  2. ৯.৯৪%
  3. ৭.৬৬%
  4. ৬.৯৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-------------------------- 
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%।
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে এই হার ছিল ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ।
------------------------ 
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯,২৭২.
যেসব জিনিস মানুষ বেশি ভোগ করে, তখন তাদের দাম বেড়ে যায়, এগুলিকে কী বলা হয়?
  1. ক) প্রয়োজনীয় পণ্য
  2. খ) ক্যাপিটাল পণ্য
  3. গ) শপিং পণ্য
  4. ঘ) গিফেন পণ্য
ব্যাখ্যা
• চাহিদার ধারণা (Concept of Demand): 
- সাধারন অর্থে, কোন কিছু পাওয়ার আকাঙ্খা বা ইচ্ছাকে চাহিদা বলে।
- কিন্তু অর্থনীতিতে চাহিদা বলতে ভোক্তার কোন দ্রব্য বা সেবা পাওয়ার আকাঙ্খার সাথে সাথে
তা ক্রয়ের অর্থ, সামর্থ্য এবং ব্যয় করার ইচ্ছা থাকলে তবেই ঐ আকাঙ্খাকে চাহিদা বলে। 

অর্থনীতিতে চাহিদা হতে হলে নিম্নোক্ত তিনটি শর্ত অবশ্যই পূরণীয়। শর্ত তিনটি হলো :
(১) কোন দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খা;
(২) দ্রব্যটি ক্রয় করার প্রয়োজনীয় আর্থিক সামর্থ্য; এবং
(৩) প্রয়োজনীয় অর্থ ব্যয় করে দ্রব্যটি ক্রয় করার ইচ্ছা।

সুতরাং আমরা বলতে পারি, কোন ক্রেতা বা ভোক্তার একটি নির্দিষ্ট দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খা, আর্থিক সামর্থ্য বা ক্রয়ক্ষমতা এবং নির্দিষ্ট দামে ক্রয় করার ইচ্ছা থাকলে তবে তাকেই অর্থনীতিতে চাহিদা (Demand) বলে ।

চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম (Exceptions of the Law of Demand):
সাধারণত: চাহিদা অনুযায়ী দ্রব্যের দাম ও চাহিদার পরিমাণের মধ্যকার সম্পর্ক বিপরীতমুখী। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। চাহিদা বিধির ব্যতিক্রম নিম্নরূপ:

বিলাসবহুল দ্রব্য:
এমন কিছু দ্রব্য আছে যে গুলোর দাম বৃদ্ধি পেলে লোকে সামাজিক মর্যাদা বা গৌরবের আশায় বেশী পরিমাণ ক্রয় করে।
যেমন- ডায়মন্ড, দামী গাড়ী, সৌখিন বাড়ি ইত্যাদি।
এসব দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা বিধি কার্যকর হয় না।

গিফেন দ্রব্য:
এমন কিছু নিকৃষ্ঠ দ্রব্য আছে যেমন- মোটা চাল, মোটা কাপড়, প্রভৃতির ক্ষেত্রে দাম বাড়লে ক্রয়ের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে ক্রয়ের পরিমাণ হ্রাস পায়। অর্থনীতিবিদ স্যার রবার্ট গিফেন এর নামানুসারে এসব ব্যতিক্রমধর্মী দ্রব্যকে গিফেন দ্রব্য বলা হয়।

নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য:
নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম পরিবর্তনের ফলে চাহিদার তেমন কোন পরিবর্তন হয় না।
যেমন- লবন, ঔষধ ইত্যাদি।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ১ম পত্র- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৭৩.
কত জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন?
  1. ১০ জন
  2. ১৫ জন
  3. ২০ জন
  4. ২৫ জন
ব্যাখ্যা
তুর্কি শাসন:
- ১২২৭ থেকে ১২৮১ সাল পর্যন্ত তেমন ১৫ জন তুর্কি শাসক বাংলা শাসন করেছিলেন।
- বাংলায় প্রথম তুর্কি শাসক ছিলেন নাসিরুদ্দিন মাহমুদ।
- এ সময় থেকে বাংলার শাসনকর্তারা দিল্লির সুলতানদের কাছ থেকে নিয়োগ লাভ করে এখানকার শাসক হতেন।
- বাংলায় দিল্লির অনুগত কোনো শাসনই প্রতিষ্ঠিত হয়নি, বরং দিল্লির মনোনীত তুর্কি শাসকরাই একের পর এক বিরোধিতা অব্যাহত রাখেন।
- দিল্লির শাসকরা যেমন, ইলতুতমিশ, বলবন, গিয়াসউদ্দিন তুঘলক ও মুহাম্মদ বিন তুঘলক বাংলার শাসকদেরকে প্রতিহত করতে একের এর এক অভিযান চালিয়ে বিদ্রোহ দমন করেন।
- দিল্লির শাসনকালে বাংলায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ লেগেই ছিল।
- দিল্লির সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন বাংলার তৎকালীন স্বাধীন শাসক তুগ্রিল খানকে দমনের জন্য নিজেই আক্রমণ করেন।যুদ্ধে তুগ্রিল খান নিহত হন। ফলে বাংলা দিল্লির শাসনাধীন হয়।
- ১২৮৭ সালে সুলতান গিয়াসউদ্দিন বলবন মারা গেলে বঘরা খান নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ নাম ধারণ করে ১২৯০ সাল পর্যন্ত বাংলার স্বাধীন সুলতান হিসেবে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৩২৫ সালে দিল্লির শাসক গিয়াসউদ্দিন তুঘলক বাংলা অধিকার করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৭৪.
৭২-এর সংবিধান নিয়ে ভাস্কর্য 'ধ্রুব-৭২' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
ধ্রুব-৭২
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান, অর্থাৎ ১৯৭২ সালের সংবিধানকেন্দ্রিক দেশের প্রথম ভাস্কর্য ‘ধ্রুব ৭২’ স্থাপিত হয়েছে।
-  ‘ধ্রুব ৭২’ ভাস্কর্যটির রূপকার সৌমিত্র শেখর।
- এখানে বাহাত্তরের সংবিধানের চার মূলনীতি জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা চারটি সুউচ্চ স্তম্ভে উৎকীর্ণ আছে।
- ‘জাতীয়তাবাদ’ স্তম্ভে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন পতাকার আদল; ‘সমাজতন্ত্র’ স্তম্ভে চারটি গ্রন্থ আছে, যেখানে অধ্যয়ন ও জ্ঞানের গভীরতা; ‘গণতন্ত্র’ স্তম্ভে কলমের নিব দিয়ে মুক্তমত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’ স্তম্ভে সমাবর্তন ক্যাপ দিয়ে সংস্কারমুক্তিকে বোঝানো হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম সংবিধান বাহাত্তরের সংবিধান নিয়ে দেশে হয়তো এটিই প্রথম স্থাপনা।

উৎস: ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৯,২৭৫.
বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি কে? ( জুন-২০২৫)
  1. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  2. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত
  4. রওশনারা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• বর্তমানে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি- সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী ( জুন-২০২৫)
- তিনি মোহাম্মদ আব্দুল মুহিত এর স্থলাভিষিক্ত হন।

• জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য। 
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং প্রথম আলো (লিংক)
৯,২৭৬.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ কোন দেশের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা

বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI):
- বেল্ট এন্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) হলো চীন প্রবর্তিত একটি মহাপরিকল্পনা।
- ২০১৩ সালে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং প্রথম এই প্রকল্পের বিষয়টি প্রকাশ করেন।
- এ প্রকল্পকে ওয়ান বেল্ট ওয়ান রোড কিংবা নিউ সিল্ক রোড নামেও অভিহিত করা হয়।
- উন্নয়ন এবং বিনিয়োগ উদ্যোগের বিশাল সংগ্রহ মূলত ভৌত অবকাঠামোর মাধ্যমে পূর্ব এশিয়া এবং ইউরোপকে সংযুক্ত করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল এই উদ্যোগ।
- মে ২০১৮ থেকে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ১৯টি ব্যাকগ্রাউন্ড পেপারের একটি সিরিজ তৈরি করেছে (নীচে উপলব্ধ) এবং একটি সারসংক্ষেপ প্রতিবেদন যা বাণিজ্য, বিনিয়োগ, ঋণ, সংগ্রহ, পরিবেশ, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অবকাঠামোর সাথে BRI-এর লিঙ্কগুলির স্বাধীন বিশ্লেষণ প্রদান করে।

⇒ BRI এর মূল লক্ষ্য হলো চীন ও অন্যান্য দেশগুলির মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক শক্তিশালী করা এবং অবকাঠামোগত বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা।
- প্রকল্পের উদ্দেশ্য বিশ্বের ১৫০টির বেশি দেশকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে উন্নতি সাধনের চেষ্টা করা।
- প্রায় ৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয়ে করার পরিকল্পনা আছে।

উল্লেখ্য,
- বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI)-এর আওতায় বাংলাদেশ চীনের সাথে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বিনিয়োগে যুক্ত আছে।
- বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক করিডর (বিসিআইএম) এবং “বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ” (বিআরআই)-এর আওতায় চীন বাংলাদেশের ৩০টিরও বেশি প্রকল্পে বিনিয়োগ করছে। এই বিনিয়োগের মধ্যে রয়েছে শিল্পাঞ্চল, বিদ্যুৎকেন্দ্র, রেলওয়ে, বন্দর সম্প্রসারণ ও টেলিকম অবকাঠামো।
- পদ্মা সেতুর সংযোগ সড়ক থেকে শুরু করে পায়রা বন্দর, কর্ণফুলী টানেল, রূপপুর পারমাণবিক প্রকল্পের আশপাশের উন্নয়ন, কিংবা এক্সপ্রেসওয়ে—সবখানেই রয়েছে চীনা কোম্পানির হাত রয়েছে। 

উৎস: i) Britannica.
ii) প্রথম আলো।

৯,২৭৭.
প্রধানমন্ত্রী কোন বিধি অনুযায়ী 'প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা' নিয়োগ করেন?
  1. রুলস অব প্রসিডিউর
  2. রুলস অব পার্লামেন্ট
  3. রুলস অব বিজনেস
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী 'প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা' পদেও নিয়োগ দিতে পারেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন এবং
- এর মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- জাতীয় সংসদের নেতা ও মন্ত্রিপরিষদের প্রধান হিসেবে আইন প্রণয়ন থেকে শুরু করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সকল ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা সর্বাধিক।
- এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শাসন বিষয়ক, আইন বিষয়ক, নিয়োগ সংক্রান্ত, বাজেট সংক্রান্ত বিবিধ কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকেন।
- সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের কমপক্ষে ৯০ শতাংশ সদস্য জাতীয় সংসদ সদস্যের মধ্য থেকে থেকে নিয়োগ প্রদান করবেন।
- এছাড়া বাইরে থেকে ১০ শতাংশ সদস্য তিনি মন্ত্রিসভায় যোগ করতে পারবেন (টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী)।

সূত্র: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ডেইলি স্টার।
৯,২৭৮.
স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় কোন তারিখে?
  1. ক) ২ মার্চ
  2. খ) ২৩ মার্চ
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
• প্রথম জতীয় পতাকা উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের সামনের পশ্চিম গেটে বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয়।
- সেদিন জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছিলেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব।
- সেই পতাকার মাঝখানে হলুদ বৃত্ত ছিল। আর বৃত্তের মধ্যে ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র।
- সেই থেকে প্রতি বছর ২ মার্চ জাতীয় পতাকা উত্তোলন দিবস পালন করা হয়।

 
উৎস: বিডিনিউজ, প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা। 
৯,২৭৯.
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) কর্নেল এম এ জি ওসমানী
  2. খ) এ কে খন্দকার
  3. গ) কর্নেল এম এ রব
  4. ঘ) কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের-
- মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি/সরকার প্রধান/মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এম.মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি
৯,২৮০.
September on Jessor Road- কবিতাটির রচিয়তা কে?
  1. ক) Juliam Spilsberg
  2. খ) Julian Ginsberg
  3. গ) Allen Spilsberg
  4. ঘ) Allen Ginsberg
ব্যাখ্যা
• সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড (ইংরেজি ভাষায়: September on Jessore Road) বিখ্যাত মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা যা থেকে পরে গান করা হয়েছিল।
- এটি রচিত হয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধ ও শরণার্থীদের নিয়ে। 

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৯,২৮১.
ন্যাপ নামক রাজনৈতিক সংগঠন কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  2. মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী: 
- ১৮৮৭ সালে ১৮ ডিসেম্বর সিরাজগঞ্জের কৃতী পুরুষ মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- নানা ঘাত-প্রতিঘাত ও প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে যৌবনে পদার্পন করেন করার পর তিনি ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী সংগঠন ‘অনুশীলন’ দলের প্রাথমিক সদস্য হন।
- পরবর্তীতে নিরাপত্তার অন্বেষায় তিনি আসামে চলে যান।
- মওলানা ভাসানী সারাজীবন কৃষক-শ্রমিক-মেহনতী মানুষের পক্ষে আপোষহীনভাবে সংগ্রাম করতে গিয়ে বহু জেল, জুলুম ও নির্যাতন ভোগ করেছেন।
- তিনি বাংলাদেশের আওয়ামী লীগের (প্রাথমিকভাবে যে দলের নাম মুসলিম আওয়ামী লীগ ছিল) প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৫৬ সালে ঐতিহাসিক কাগমারী (টাঙ্গাইলের সন্তোষে) সম্মেলনে পররাষ্ট্রনীতির প্রশ্নে মতপার্থক্যের কারণে তিনি আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।  
- এরপর ন্যাপ নামক অপর একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ঊনবিংশ শতাব্দীতে পাক-ভারত উপমহাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে মওলানা ভাসানী মজলুম জননেতা হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।
- ভাসানী প্রগতিশীল, মানবতাবাদী ও মুক্ত চিন্তা-চেতনায় সমৃদ্ধ বিরল ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।
- সিরাজগঞ্জের তেজোদীপ্ত প্রাণপুরুষ জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ১৯৭৬ সালে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৯,২৮২.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ২৭৬৫ মার্কিন ডলার
  2. ২৮২০ মার্কিন ডলার
  3. ২৯০০ মার্কিন ডলার
  4. ২৬৮০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- পুরুষ: মহিলা = ৯৬.৩: ১০০।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- স্থূল জন্মহার (প্রতি ১০০০): ১৯.৪ জন। 
- স্থূল মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০): ৬.১ জন।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৩.৯৭%।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯% (পুরুষ: ৮০.১%, মহিলা: ৭৫.৮%)।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৯,২৮৩.
কোনটি পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের সার্কেল নয়?
  1. ক) চাকমা সার্কেল
  2. খ) ত্রিপুরা সার্কেল
  3. গ) বোমাং সার্কেল
  4. ঘ) মং সার্কেল
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে তিনটি সার্কেল বা প্রথাগত প্রশাসনিক এলাকা বিদ্যমান। এগুলো হলোঃ চাকমা সার্কেল, বোমাং সার্কেল এবং মং সার্কেল। চাকমা সার্কেল রাঙামাটি জেলায়, বোমাং সার্কেল বান্দরবান জেলায় এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মং সার্কেল অবস্থিত। সার্কেল প্রধানরা রাজা নামে পরিচিত। এই প্রথাগত শাসন ব্যবস্থা বাংলাদেশ সরকারের আইন দ্বারা স্বীকৃত। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী, পৃষ্ঠা-৩১)
৯,২৮৪.
সম্প্রতি (২০২৪) বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কয়টি ফৌজদারি কার্যবিধির ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা পেয়েছেন?
  1. ১১টি
  2. ১৩টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা
- ২০২৪ সালের ৭ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১২ (১) অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা পেয়েছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
- কর্মকর্তারা ‘ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮’ এর ১৭টি  ধারা অপরাধগুলো বিবেচনায় নিতে পারবেন।
- ধারা গুলো হলো: ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,২৮৫.
গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় -
  1. ১৫ বিলিয়ন ডলার
  2. ১৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৭ বিলিয়ন ডলার
  4. ১১ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের ৯৮% পণ্যে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেবে চীন। 
- এতে এখন থেকে চীনের বাজারে বাংলাদেশের ৮,৯৩০টি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাওয়া যাবে। 
- ২০২০ সালে বাংলাদেশের ৯৭% পণ্যকে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা দেয় চীন, যা ওই বছরের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়।
- এর আওতায় বাংলাদেশের ৮৫৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পেয়েছে। অর্থাৎ, চীন বাংলাদেশের আরও ৩৮৩টি পণ্যকে নতুন করে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিচ্ছে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবছর চীন থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ প্রায় ১৩ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশের মোট আমদানি ব্যয়ের এক-চতুর্থাংশ।
- একই সময়ে চীনে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৬৮১ মিলিয়ন ডলার। এটি আগের অর্থবছরের চেয়ে ১৩.৪২% বেশি।  

উৎস: www.tbsnews.net
৯,২৮৬.
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ-র জন্মস্থান কোনটি?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. টাঙ্গাইল
  3. কলকাতা
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ:

- তিনি বিশ্ববিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ।
- ১৮৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নবীনগর উপজেলার শিবপুর গ্রামে এক সঙ্গীতপরিবারে তাঁর জন্ম।
- তাঁর পিতা সবদর হোসেন খাঁ ওরফে সদু খাঁও ছিলেন বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ।
- মাতার নাম সুন্দরী বেগম।
- তাঁর সঙ্গীতগুরু ছিলেন আগরতলা রাজদরবারের সভাসঙ্গীতজ্ঞ তানসেনের কন্যাবংশীয় রবাবী ওস্তাদ কাশিম আলী খাঁ।
- তিনি দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের সমন্বয়ে অর্কেস্ট্রার স্টাইলে একটি যন্ত্রীদল গঠন করে নাম দেন ‘রামপুর স্ট্রিং ব্যান্ড’।
- ব্রিটিশ সরকার তাঁকে ‘খাঁ সাহেব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- অতঃপর ভারত সরকার তাঁকে একে একে ‘সঙ্গীত নাটক আকাদেমী সম্মান’ (১৯৫২), ‘পদ্মভূষণ’ (১৯৫৮) ও ‘পদ্মবিভূষণ’ (১৯৭১), বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় ‘দেশিকোত্তম’ (১৯৬১) এবং দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ‘ডক্টর অব ল’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- তিনি ১৯৭২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,২৮৭.
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তর গুলো কয়টি ভাগে বিভক্ত?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তর ২ টি ভাগে বিভক্ত। বাংলাদেশের প্রশাসনিক স্তর গুলো হলো-
১. কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়) ও
২. স্থানীয় প্রশাসন (বিভাগ, জেলা ও উপজেলা)।
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক
৯,২৮৮.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে -
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে ১১টি।

⇒ চলমান শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে:
- ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী - লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
- ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
- টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
- কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
- সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
- গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
- স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

৯,২৮৯.
২০২৬-২৭ করবর্ষের জন্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা কত?
  1. ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার
  2. ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার
  3. ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার
  4. ৪ লক্ষ ৬৫ হাজার
ব্যাখ্যা
• করমুক্ত আয়সীমা:
 - বর্তমানে স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
- ২০২৬-২৭ও ২০২৭-২৮ করবর্ষের জন্য স্বাভাবিক ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়িয়ে ৩ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
- গেজেটভুক্ত জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এ আহত "জুলাই যোদ্ধা” করদাতাদের ক্ষেত্রে করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
------------------------------------------------------------

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- প্রিয় দেশবাসী

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
৯,২৯০.
দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার:
- দেশের সর্বোচ্চ শহীদ মিনার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রতিনিয়ত স্মরণ করিয়ে দেয় সেই আত্মত্যাগী ভাষাশহীদদের কথা, যারা ভাষার জন্য বুকের তাজা রক্তে রঞ্জিত করেছেন রাজপথ।
- শহীদ মিনারের উচ্চতা ৭১ ফুট, যা দেশের শহীদ মিনারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ।
- ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানিয়ে এ শহীদ মিনারের স্তম্ভের উচ্চতা ৭১ ফুট করা হয়েছে।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চের ব্যাস রাখা হয়েছে ৫২ ফুট যা ৫২-এর ভাষা আন্দোলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
- শহীদ মিনারের ভিত্তিমঞ্চে ব্যবহার করা হয়েছে ৮টি সিঁড়ি, যা দেশ বিভাগ থেকে শুরু করে আমাদের জাতীয় জীবনের স্বাধীনতা অভিমুখী নানা তাৎপর্যমন্ডিত ১৯৪৭, ১৯৫২, ১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ ও ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা পর্যন্ত ৮টি ধারাবাহিক আন্দোলনের প্রতীক।
- শহীদ মিনারের মূল স্তম্ভটি তিনটি ভাগে বিভক্ত, যা প্রথমত বাংলা ভাষা-সাহিত্য-সংস্কৃতি, দ্বিতীয়ত মাটি-মানুষ, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ আন্দোলন-সংগ্রাম এবং তৃতীয়ত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, অর্থনৈতিক মুক্তি, গণতান্ত্রিক চেতনা প্রভৃতি বিষয়কে নির্দেশ করে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক খন্দকার মুস্তাহিদুর রহমান শহীদ মিনারটির উদ্বোধন করেন।

তথ্যসূত্র - ২৭ অক্টোবর ২০২১, দৈনিক ইত্তেফাক।
৯,২৯১.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৪টি দল
  2. ১৬টি দল
  3. ১৮টি দল
  4. ২৪টি দল
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে।
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৯২.
'অপারেশন কিলো ফ্লাইট' পরিচালনা করে-
  1. বিমান বাহিনী
  2. গেরিলা
  3. নৌবাহিনী
  4. মিত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
৯,২৯৩.
‘The Spirit of Islam‘ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ক) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. খ) সৈয়দ আমীর আলী
  3. গ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. ঘ) রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং  A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।

• সৈয়দ আমীর আলী:

- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন। 
- ১৯০৮ সালে লন্ডনে মুসলিম লীগের একটি শাখা প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যু ঘটে।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,২৯৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. দিনাজপুর
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. ফরিদপুর
  4. হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
​- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।

​অন্যদিকে, 
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

৯,২৯৫.
'জননী ও গর্বিত বর্ণমালা' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. ঢাকার পরিবাগে
  3. ঢাকা সেনানিবাসে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনের সামনে
ব্যাখ্যা
জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- একুশের ভাস্কর্য জননী ও গর্বিত বর্ণমালা।
- এটি ঢাকার পরিবাগে অবস্থিত।
- এটির নকশা করেছেন শিল্পী মৃণাল হক।

⇒ জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যে দেখা যায় একজন মা তার মৃত সন্তানকে কোলে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন।
- তার সামনে একটি সবুজ বৃত্তে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে কয়েকটি বাংলা বর্ণ।
- পেছনে লাল বৃত্তে রয়েছে ‘২১’ এবং ‘ব ও ‘ক’।

উৎস: i) banglanews24.com 
ii) প্রথম আলো।
৯,২৯৬.
বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. শেরশাহ্
  3. বাবর
  4. হুমায়ূন
ব্যাখ্যা

বাংলায় আফগান শাসন:
- ১৫৩৮ সালে শেরখান গৌড় জয় করে বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- আফগানরা ৩৮ বৎসর বাংলায় শাসন করে, এর মধ্যে মাত্র নয় মাস মুঘল সম্রাট হুমায়ুন গৌড় অধিকার করেন।
- তবে শেরখান (শেরশাহ্) যুদ্ধে হুমায়ুনকে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনও অধিকার করেন।
- অতএব শেরশাহ্ ও তাঁর ছেলের সময়ে বাংলাদেশ দিল্লির একটি প্রদেশে পরিণত হয় ।
- তবে ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহের ছেলে ইসলাম শাহ্ (সলীম শাহ্ নামেও পরিচিত) মৃত্যুর পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়ে যায় এবং সেই থেকে মুঘল বিজয় পর্যন্ত স্বাধীন থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,২৯৭.
প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসাবে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন কে?
  1. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক:
- বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তার পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক। 
- ১৯০৬ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্টেটের চাকরি গ্রহণ করেন।
- লক্ষ্ণৌ শহরে ১৯১৬ সালে যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, সেইটাই ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন ১৯২৭ সালে।
- ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসাবে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
- তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন ১৯৩৭ সালে। 
- ১৯৪০ সালে জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মহাজনী আইন পাসের মাাধ্যমে সুদের হার ও চক্রবৃদ্ধি রহিত করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় গঠিত ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস হয়।
- দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল উপাধিতে ভূষিত করে ১৯৫৫ সালে।
- ১৯৫৯ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজাপুর উপজেলার ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।

৯,২৯৮.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল কত সালে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে?
  1. ২০০০ সালে
  2. ২০০২ সালে
  3. ২০০৪ সালে
  4. ২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা
টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ২০০৬ সালে সর্বপ্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করে
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টি-২০ ম্যাচ খেলে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- খেলাটি হয়েছিল খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ২০০৭ সালে তাদের টি২০ বিশ্বকাপে প্রথম  ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়েছিল।

উৎস: ESPNcricinfo.
৯,২৯৯.
বাংলাদেশে অ-তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
• অ-তফসিলি ব্যাংক হলো সেসব ব্যাংক যেগুলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক অর্থাৎ বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত নয়। এসব ব্যাংক বিশেষ ও সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত। এগুলোকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংকও বলে।
• বাংলাদেশের অ-তফসিলি ব্যাংক হলোটি। যথা:
১. আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
২. কর্মসংস্থান ব্যাংক,
৩. জুবিলি ব্যাংক,
৪. গ্রামীণ ব্যাংক জুবিলি ব্যাংক এবং
৫. পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

• রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি
• বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি
• বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি


(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৯,৩০০.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রহ করেন কে?
  1. এনামুল হক মণি
  2. নাইমুর রহমান
  3. আকরাম খান
  4. হাবিবুল বাশার
ব্যাখ্যা

⇒ টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রহ করেন হাবিবুল বাশার।

টেস্টে প্রথম:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- প্রথম টেস্ট উইকেট শিকার করেছেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম হাফ সেঞ্চুরি করেন হাবিবুল বাশার।
- প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি: মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম ৫ উইকেট শিকার করেন নাইমুর রহমান।
- প্রথম ১০০ উইকেট মোহাম্মদ রফিকের।
- একমাত্র ১০ উইকেট’ শিকার করেন এনামুল হক জুনিয়র।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।