বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯১ / ৩০৬ · ৯,০০১৯,১০০ / ৩০,৮৩২

৯,০০১.
প্রথম তৈরি 'শহীদ মিনার' উন্মোচন করেন কে?
  1. শামসুল আলম
  2. মাহবুবুর রহমান
  3. আমিনুল ইসলাম
  4. আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
প্রথম শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ- পূর্ব পাশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে শহীদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিকভাবে প্রথম শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন।
- উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- এরপর ঢাকা কলেজেও একটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়, এটিও একসময় সরকারের নির্দেশে ভেঙ্গে ফেলা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৯,০০২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে সঙ্গে কোন ধরনের বাণিজ্যচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে? 
  1. মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি
  2. অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি
  3. অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি
  4. শুল্ক সহযোগিতা চুক্তি
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (Economic Partnership Agreement - EPA): 
- বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে এই প্রথম অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (Economic Partnership Agreement - EPA) স্বাক্ষরিত হয়েছে ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে টোকিওতে।
- এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্য চুক্তি।
- ভুটানের সঙ্গে অগ্রাধিকার বাণিজ্যচুক্তি (পিটিএ) ছাড়া আর কোনো দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় কোনো অর্থনৈতিক বা বাণিজ্যচুক্তি নেই।
- চুক্তিটি বাংলাদেশের স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের পর জাপানের বাজারে শুল্কমুক্ত সুবিধা অব্যাহত রাখা এবং বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ২২ জানুয়ারি, ২০২৬ তারিখে উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের রপ্তানিকারকরা তৈরি পোশাকসহ প্রায় ৭,৩৭৯টি পণ্যে জাপানের বাজারে তাৎক্ষণিক শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবেন, যা মোট রপ্তানি পণ্যের ৯৭ শতাংশ।
- বিনিময়ে জাপান বাংলাদেশের বাজারে ১,০৩৯টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে।
- তবে টয়োটা, হোন্ডা ও সুবারুর মতো গাড়ি ব্র্যান্ডগুলো বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে না।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশ এশিয়ার অন্য যেকোনো দেশের চেয়ে বেশি পণ্য জাপানে রপ্তানি করে।
- বর্তমানে সেখানে বার্ষিক রপ্তানি আয় প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার, যার বেশির ভাগই তৈরি পোশাক।
- অন্যদিকে জাপান থেকে আমদানির পরিমাণ ১ দশমিক ৮ থেকে ২ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ওঠানামা করে।

• একনজরে জাপানের সাথে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি: 
- চুক্তির নাম: অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি/ Economic Partnership Agreement - EPA
- বাংলাদেশের পক্ষে: বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ।
- জাপানের পক্ষে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হোরি ইওয়াও।
- স্থান: জাপানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, টোকিও।
- বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা: ৭,৩৭৯টি পণ্যে। 
- জাপানের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা: ১,০৩৯টি পণ্যে। (পর্যায়ক্রমে)

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো। (Link) 

৯,০০৩.
BARD কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫১ সালে
  2. খ) ১৯৫৫ সালে
  3. গ) ১৯৫৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৬১ সালে
ব্যাখ্যা
BARD (Bangladesh Academy for Rural Development) বা বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি কুমিল্লা জেলার কোটবাড়ীতে অবস্থিত।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ড. আখতার হামিদ খান। বার্ড ১৯৫৯ সালের ২৭ মে প্রতিষ্ঠিত হয়।

- বার্ড বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। এটির প্রতিষ্ঠার মূল উদ্দেশ্য হলো পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রদান।

(তথ্যসূত্র: বার্ড ওয়েবসাইট)
৯,০০৪.
’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত তথ্য’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ-১০২
  2. অনুচ্ছেদ-১০৮
  3. অনুচ্ছেদ-১১৯
  4. অনুচ্ছেদ-১১৭
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ।
- অনুচ্ছেদ-১১৭(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ
- (ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
- (খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
- (গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের 1[(৩)] দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ-১০২। কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা;
- অনুচ্ছেদ-১০৮। "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট;
- অনুচ্ছেদ-১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯,০০৫.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমতলে বসবাস করে?
  1. তঞ্চঙ্গা
  2. পাংখোয়া
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট ৫০টি উপজাতি রয়েছে।
এর মধ্যে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
সাঁওতালরা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে বাংলাদেশে আসে।
অন্যদিকে,
তঞ্চঙ্গা, মারমা ও পাংখোয়া নৃ-গোষ্ঠীসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে ১৪টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে।
এগুলো হলোঃ চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, লুসাই, মুরং, তঞ্চঙ্গা, বম, পাংখোয়া, চাক, খুমি, গুর্খা, বনযোগী, অসমিয়া এবং খ্যাং।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী : পৃষ্ঠা-২১ ও ২৬)
৯,০০৬.
এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয় -
  1. ক) ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ১৪ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
⇨ তাজউদ্দীন আহমদ আওয়ামী লীগের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের একটি অধিবেশন আহ্বান করেন। উক্ত অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে মুক্তিযুদ্ধ ও সরকার পরিচালনার জন্য মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই মন্ত্রিপরিষদ সদস্যরা ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ঘোষণা করেন।
⇨ সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হয়। তাজউদ্দীন আহমদকে
প্রধানমন্ত্রী, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খন্দকার মোশতাক আহমদ ও এএইচএম কামরুজ্জামানকে মন্ত্রিপরিষদের সদস্য নিয়োগ করা হয়।
⇨ ১১ এপ্রিল এম.এ.জি. ওসমানীকে প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
⇨ প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন ১১ এপ্রিল বাংলাদেশ বেতারে মন্ত্রিপরিষদ গঠনের ঘোষণা দিয়ে ভাষণ প্রদান করেন।
⇨ ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ পূর্ব ঘোষণা মোতাবেক কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথ তলার এক আম বাগানে মন্ত্রিপরিষদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
⇨ দেশি—বিদেশি প্রায় ৫০ জন সাংবাদিক উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বেলা ১১ টায় শপথ অনুষ্ঠান শুরু হয়। শুরুতেই বাংলাদেশকে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এরপর অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি একে একে প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর তিন সহকর্মীকে পরিচয় করিয়ে দেন।  

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০০৭.
'বুক বিল্ডিং' কোন বিষয়ের সাথে জড়িত?
  1. ক) পুঁজিবাজার
  2. খ) হাউজিং
  3. গ) প্রকাশনা
  4. ঘ) ব্যাংক
ব্যাখ্যা
- পুঁজিবাজারের সাথে বুক বিল্ডিং জড়িত।

• পুঁজিবাজার:
- পুঁজিবাজারের মন্দা পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রনে নতুন বুক বিল্ডিং সিস্টেম  চালু করেছে ডিএসই।
- ২০১০ সালে পুঁজিবাজারের ধসের অন্যতম কারণ ছিল এই বুক বিল্ডিং সিস্টেম।
- পুঁজিবাজারের লোপাটকারিরা ২০০৯ সালে এই বুক বিল্ডিংকে কাজে লাগিয়ে ফায়দা নিয়েছিল।
- তাই সিদ্ধান্ত নিয়ে সেই সময়ে বুক বিল্ডিয়ের কার্যক্রম বন্ধ করে বিএসইসি।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন কয়েক দফায় নতুন করে বুক বিল্ডিংয়ের সংস্কার করলেও তা বাজারের জন্য বর্তমানে প্রয়োগ উপযোগী নয়।

উৎস: জাগো নিউজ পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,০০৮.
বাংলাদেশে কোন জেলায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) কুড়িগ্রাম
  3. গ) মুন্সিগঞ্জ
  4. ঘ) মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি কুড়িগ্রাম জেলায় (৭০.৮ শতাংশ)। দ্বিতীয় সর্বাধিক দারিদ্র্যপূর্ণ জেলা দিনাজপুর (৬৪.৩ শতাংশ)। তৃতীয় বান্দরবান (৬৩.২ শতাংশ)। দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় (২.৬ শতাংশ)। দ্বিতীয় কম দারিদ্র্যপূর্ণ জেলা ‍মুন্সিগঞ্জ (৩.১ শতাংশ)। তৃতীয় মাদারীপুর (৩.৭ শতাংশ)। (সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
৯,০০৯.
বর্তমানে নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৪৭
  2. খ) ৪৮
  3. গ) ৪৯
  4. ঘ) ৫০
ব্যাখ্যা
১৭ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (WEF) বৈশ্বিক লিঙ্গ সমতা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সার্ক ভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান প্রথম এবং বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫০ তম। ২০১৮ সালে ছিল ৪৮ তম এবং ২০১৭ সালে ছিল ৪৭ তম।
৯,০১০.
ভাষা আন্দোলনের শহীদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কে ছিলেন?
  1. শহিদ আবদুস সালাম
  2. শহিদ আবুল বরকত
  3. শহিদ আবদুল জব্বার
  4. শহিদ রফিক উদ্দীন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

 ভাষা শহিদ আবুল বরকত:
- ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

অন্যদিকে,
- আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।
- রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
- আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,০১১.
বাংলাদেশের সংবিধান কবে কার্যকর হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন: 
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ The Constituent Assembly of Bangladesh Order, 1972 জারি করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের ১ম বৈঠক আহ্বান করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট সংবিধানের খসড়া প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল থেকে ৩ অক্টোবর পর্যন্ত এই কমিটি বিভিন্ন সময়ে বৈঠক করে।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করা হয়।
- সুদীর্ঘ আলোচনার পর ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

উৎস: তথ্য অধিদফতর, জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৯,০১২.
বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান- [আগস্ট,২০২৫]
  1. প্রথম 
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
ব্যাখ্যা

পোশাক রপ্তানি:
- একক দেশ হিসেবে বিশ্ববাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় বাংলাদেশ।
- বাজার হিস্যা দশমিক ৪৮ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।
- বাংলাদেশের পর তৃতীয় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।
- আর শীর্ষ অবস্থানে আছে বরাবরের মতো চীন।
- তাদের বাজার হিস্যা ২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমে গেছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৯,০১৩.
বর্তমান সরকারে প্রতিমন্ত্রী কত জন?
  1. ৭জন
  2. ৯জন
  3. ১১জন
  4. ১৩জন
ব্যাখ্যা
♦দ্বাদশ জাতীয় সংসদ সরকারের ১১ প্রতিমন্ত্রী শপথ গ্রহণ করেন। 
- ১১ প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন যাঁরা:
•বেগম সিমিন হোসেন (রিমি) (গাজীপুর-৪)
•নসরুল হামিদ (ঢাকা-৩)
•জুনাইদ আহমেদ পলক (নাটোর-৩)
•মোহাম্মদ আলী আরাফাত (ঢাকা-১৭)
•মো. মহিবুর রহমান (পটুয়াখালী-৪)
•খালিদ মাহমুদ চৌধুরী (দিনাজপুর-২)
•জাহিদ ফারুক (বরিশাল-৫)
•কুজেন্দ্র লাল ত্রিপুরা (খাগড়াছড়ি)
•বেগম রুমানা আলী (গাজীপুর-৩)
•শফিকুর রহমান চৌধুরী (সিলেট-২)
•আহসানুল ইসলাম টিটু (টাঙ্গাইল-৬)

উৎস- কালেরকন্ঠ পত্রিকা।
৯,০১৪.
অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপি কোথায় সংরক্ষিত আছে?
  1. কলকাতার শিল্প গ্যালারি জাদুঘর
  2. ঢাকা এশিয়াটিক সোসাইটি
  3. পল্লী কবি জসীম উদ্‌দীন সংগ্রহশালা
  4. কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
পাল বংশ:
 - পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপাল এর মৃত্যুর পর ধর্মপাল পাল বংশের সিংহাসনে বসেন এবং সকল পাল রাজাদের মধ্যে ধর্মপাল ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ।
- পাল রাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম।
- তিনি পরমেশ্বর, পরমভট্টারক মহারাজধিরাজ উপাধি ধারন করেছিলেন।
-  তিনি বৌদ্ধধর্মের অনুসারী ছিলেন।

এছাড়াও,
- বিক্রমশীল তার আরেকটি উপাধি এবং ভাগলপুরে তার স্থাপিত একটি বৌদ্ধ বিহার বিক্রমশীল বিহার নামে খ্যাত ছিল।
- পাল চিত্রকলা পাল রাজা প্রথম মহীপালের (খ্রিস্টীয় ৯৮৩) ষষ্ঠ রাজ্যাঙ্কে তালপাতার উপরে চিত্রসম্বলিত বৌদ্ধ গ্রন্থ অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপির বারোটি রঙ্গিন চিত্র বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন। 
- বর্তমানে দুর্লভ এই পান্ডুলিপি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,০১৫.
সুশীল সমাজের কাজ নয় কোনটি?
  1. সমাজসেবা
  2. সরকার গঠন
  3. শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন
  4. মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া
ব্যাখ্যা

সুশীল সমাজ:
- সুশীল সমাজ চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
- বর্তমানে সুশীল সমাজ মানব পুঁজি গঠন, সমাজসেবা এবং স্বাস্থ্য ও শিক্ষার উন্নয়নে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- সুশীল সমাজ সরকারের দায়িত্বশীলতা, জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিতকরণে সচেষ্ট।
- সুশীল সমাজ সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে এবং সরকার সুশীল সমাজের বক্তব্য বা সুপারিশসমূহকে উপেক্ষা করতে পারে না।
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাহায্য করা ও মানবাধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়া সুশীল সমাজের দায়িত্ব।
- সরকার বা কোন কোন নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের মতাদর্শ প্রচার করা সুশীল সমাজের কাজ নয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি ১ম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৯,০১৬.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘The Statue of Speech and Freedom’ কোন জেলায় অবস্থিত-
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য ‘The Statue of Speech and Freedom’ অবস্থিত - কালীগঞ্জ, ঝিনাইদহ; এর উচ্চতা ১২৩ ফুট।
এটির ডিজাইন করেছেন বুয়েটের ইঞ্জিনিয়ার কীর্তিবাস রায় ও আজাদ রানা।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।
৯,০১৭.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' কীসের স্মৃতি বহন করে?
  1. সিপাহী বিদ্রোহ
  2. নীল বিদ্রোহ
  3. তেভাগা আন্দোলন
  4. ভারতছাড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,০১৮.
পুলিশী সাহায্য পাওয়ার শর্টকোড কোনটি?
  1. ১০৬
  2. ৩৩৩
  3. ৯৯৯
  4. ১২১
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। এখানে বিনামূল্যে ফোন করে আপনি জরুরী মুহুর্তে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও এ্যাম্বুলেন্স এর সাহায্য নিতে পারবেন। এছাড়া যে কোন অপরাধের তথ্যও পুলিশকে জানাতে পারবেন।

অন্যদিকে -
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার। বাংলাদেশের যে কোন তথ্য জানতে ও সরকারি কর্মকর্তাদেরর সাথে কথা বলতে কল করুন এই নাম্বারে। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার। যে কোন দুর্নীতি চোখে পড়লে বিনামূল্যে কল করে জানিয়ে দিন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,০১৯.
কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম কী?
  1. ক) Bangabandhu Academy of Diplomacy Award
  2. খ) Bangabandhu Award for Diplomatic Excellence
  3. গ) Bangabandhu Award for Foreign Diplomacy
  4. ঘ) Bangabandhu Award for Exemplary Diplomatic Service
ব্যাখ্যা
কুটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম - বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স।

বঙ্গবন্ধু কূটনৈতিক পুরস্কারঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো প্রবর্তিত হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স”।
কূটনীতিতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে একজন দেশি ও একজন বিদেশি কূটনীতিককে প্রতিবছর পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রথমবারের মতো এ পুরস্কার লাভ করেন-
দেশি কূটনীতিকঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (UNCLOS) রিয়াল এডমিরাল (অব.) এম খোরশেদ আলম। তিনি মিয়ানমার ও ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
বিদেশি কূটনীতিকঃ বাংলাদেশে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাবেক রাষ্ট্রদূত সায়েদ মোহাম্মদ আল মেহেরি। তিনি বাংলাদেশের সাথে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সম্পর্কোন্নয়নে অনন্য ভূমিকা রাখেন।
৯,০২০.
কোন নৃ-গোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব 'কারাম'?
  1. মণিপুরী
  2. ওরাঁও
  3. খাসিয়া
  4. সাওতাঁল
ব্যাখ্যা
- ওরাঁও জনগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় উৎসব হলো কারাম উৎসব। প্রতিবছর ভাদ্র মাসের পূর্ণিমা তিথিতে এই উৎসব পালিত হয়।
অন্যদিকে,
- সংকীর্তন : মণিপুরীদের উৎসব
- সোহরাই : সাওতাঁলদের উৎসব
- সাড সুক মেনসিম : খাসিয়াদের উৎসব।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণী)
৯,০২১.
সিলেটে প্রচুর চা জন্মাবার কারণ কী?
  1. পাহাড় ও অল্প বৃষ্টি
  2. সমতল ভূমি
  3. বনভূমি ও প্রচুর বৃষ্টি
  4. পাহাড় ও প্রচুর বৃষ্টি
ব্যাখ্যা
চা চাষ:

- প্রচুর বৃষ্টিপাত হয় এমন পাহাড়ি বা উচ্চ ঢালু জমি চা চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- প্রচুর বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢালু জমির কারণে সিলেটে প্রচুর চা উৎপাদন হয়।
- বর্ষাকালে চা গাছে নতুন কুঁড়ি ও পাতা জন্মালে খুব সুন্দর ও মসৃণ দেখায়।
- মাঝে মাঝে কিছু কিছু বড় গাছ থাকে যা চা গাছকে রোদের প্রখরতা থেকে রক্ষা করে।
- কড়া রোদ আবার চা গাছের জন্য ক্ষতিকর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২২।
৯,০২২.
'আচিক মান্দি' নামে পরিচিত ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী কারা?
  1. গারো
  2. খাসিয়া
  3. রাখাইন
  4. মারমা
ব্যাখ্যা

'আচিক মান্দি' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী গারোদের নিজেদের দেওয়া নাম বা পরিচয়। গারো ভাষায় 'আচিক' শব্দের অর্থ পাহাড় এবং 'মান্দি' শব্দের অর্থ মানুষ, অর্থাৎ 'আচিক মান্দি' বলতে "পাহাড়ের মানুষ" বোঝায়।

গারো:

- ‘গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ তথা টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় বাস করে।
- গারো জনগোষ্ঠীর আদি আবাসস্থল তিব্বতে।
- গারোরা ভাষা অনুযায়ী বোডো মঙ্গোলীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- সমগ্র গারোসমাজ ১৩টি দলে বিভক্ত। 
- তাদের আদি ধর্মের নাম 'সাংসারেক'।
- তাদের প্রধান ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।
- বর্তমানে গারোদের বেশিরভাগই খ্রিস্টধর্মে বিশ্বাসী।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) নৃ-গোষ্ঠীসনদ বাংলাদেশ।

৯,০২৩.
কোন বাজারে যদি ক্রেতার সংখ্যা অধিক থাকে কিন্তু বিক্রেতার সংখ্যা একজন থাকে তাহলে তাকে কী বাজার বলে?
  1. মনোপলি
  2. ডুয়োপলি
  3. অলিগোপলি
  4. মনোপসনি
ব্যাখ্যা
মনোপলি বাজার:
কচেটিয়া কারবারের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Monopoly. Mono শব্দের অর্থ একক আর Poly শব্দের অর্থ বিক্রেতা। অর্থাৎ একক বিক্রেতার বাজার হলো একচেটিয়া বাজার। একচেটিয়া বাজার হলো এমন এক বাজার ব্যবস্থা যেখানে একজনমাত্র বিক্রেতা দ্রব্যের বাজার নিয়ন্ত্রন করে। অর্থাৎ যে বাজারে একজনমাত্র বিক্রেতা দ্রব্যের উৎপাদন করে, মূল্য নির্ধারণ করে এবং বাজার নিয়ন্ত্রন করে। এ বাজারে দ্রব্যের কোনো নিকট পরিবর্তত দ্রব্য থাকে না এবং অন্য বিক্রেতার জন্য বাজারে প্রবেশে বাধা থাকে।
৯,০২৪.
ভোমরা স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. সিলেট
  3. সাতক্ষীরা
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।

- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- সাতক্ষীরা জেলায় অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং  ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

• স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।

উৎস: স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।

৯,০২৫.
ইস্টার্ন মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেডের পরিবর্তিত নাম কী?
  1. ক) আল বারাকা ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
The Bank was initially emerged in the Banking scenario of the then East Pakistan as Eastern Mercantile Bank Limited at the initiative of some Bangalee entrepreneurs in the year 1959 under Bank Companies Act 1913 for providing credit to the Bangalee entrepreneurs who had limited access to the credit in those days from other financial institutions. After independence of Bangladesh in 1972 this Bank was nationalized as per policy of the Government and renamed as Pubali Bank. Subsequently due to changed circumstances this Bank was denationalized in the year 1983 as a private bank and renamed as Pubali Bank Limited. সূত্র- পূবালী ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৯,০২৬.
বর্তমান বৃহত্তর রংপুর প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের অংশ ছিল?
  1. সমতট
  2. পুন্ড্র
  3. চন্দ্ৰদ্বীপ
  4. তাম্রলিপ্ত
ব্যাখ্যা

পুন্ড্র: 
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম প্রধান জনপদ ছিল পুন্ড্র।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে গঠিত পুন্ড্রদের রাজধানী ছিল পুন্ড্রনগর যা পরবর্তীকালে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত হয়।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের মধ্যে পুন্ড্রই ছিল সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ। 
- পাথরের চাকতিতে খােদাই করা প্রাপ্ত লিপিগুলােকেই মনে করা হয় বাংলাদেশের প্রাচীনতম শিলালিপি।

প্রাচীন বাংলার অন্যান্য জনপদ:
• বঙ্গ:

- বৃহত্তর ফরিদপুর, বিক্রমপুর, বাখেরগঞ্জ, পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি নিয়ে ‘বঙ্গ’ জনপদ গঠিত হয়েছিল।
- এই অঞ্চলে বসবাসকারী ‘বঙ্গ’ জনগোষ্ঠী থেকে ‘বঙ্গ' নামের উৎপত্তি ঘটেছে বলে ধারণা করা হয় ৷

•  রাঢ়:

- রাঢ় জনপদের অবস্থান ছিলো বর্তমান পশ্চিমবঙ্গে।

• সমতট:
- বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

•  বরেন্দ্র:
- বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিল।

•  চন্দ্ৰদ্বীপ:
- বর্তমান বরিশাল অঞ্চলে চন্দ্রদ্বীপ নামক একটি জনপদের সৃষ্টি হয়েছিল। এ জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।

•  তাম্রলিপ্ত:
- বর্তমান ভারতের মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র। সপ্তম শতক থেকে এটি দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৯,০২৭.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রথম বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন কে?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সুভাষচন্দ্র বসু
ব্যাখ্যা
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
এর আগে একই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯,০২৮.
নিচের কোন জেলায় হাজং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা ‘পাথিন’ বলে।
- প্রতিটি হাজং বাড়িতে ছোট করে হলেও সৃষ্টিকর্তাকে প্রণাম জানানোর জন্য আলাদা একটি ঘর নির্মাণ করে। হাজংরা সেটিকে ‘দেওঘর’ বলে।
- নবজাত শিশুর মঙ্গল কামনায় হাজংরা ময়লাদেওয়ের পূজা করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,০২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ২৯ (২)
  2. ২৮ (২)
  3. ৩৯ (১)
  4. ৩৯ (২)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় অধ্যায় হচ্ছে - মৌলিক অধিকার বিষয়ক।
- এই অধ্যায়ের অন্তর্গত ২৮ (২) অনুচ্ছেদটি নারী-পুরুষের সমতা বিষয়ক।

অনুচ্ছেদ - ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য - 
(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না।
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ - ২৯ (২): 
কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (১): 
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

অনুচ্ছেদ - ৩৯ (২): 
রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,০৩০.
‘জয় বাংলা’ ভাস্কর্যটি কোথায়?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় 
  3. গ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় 
ব্যাখ্যা
• ‘জয় বাংলা’ ভাস্কর্য:
- মুক্তিযুদ্ধের স্মারক হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউর রহমান হল চত্বরে স্থাপিত হয়েছে একটি ভাস্কর্য।
- ‘জয় বাংলা’ নামের এ ভাস্কর্যটির শিল্পী অধ্যাপক মো. হামিদুজ্জামান খান ও তাঁর সহধর্মিণী আইভি জামান।
- ভাস্কর্যটি উন্মোচন করেন উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক।
- ‘জয় বাংলা’ স্লোগান সামনে রেখে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল, তার সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যোগসূত্র স্থাপন করতে এই ভাস্কর্য কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।
৯,০৩১.
বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গি
  2. কোনাবাড়ি
  3. যশোর
  4. গাজীপুর
ব্যাখ্যা
শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র (সংশোধন প্রতিষ্ঠান): 
- শিশু আইন ২০১৩ অনুযায়ী আইনের সাথে সংঘর্ষে জড়িত বা সংস্পর্শে আসা শিশু বা অভিবাবক কর্তৃক প্রেরীত শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে একীভূত করার লক্ষ্যে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিচারিত হচ্ছে।
- এই কেন্দ্রগুলির লক্ষ্য হল শিশুদের উন্নয়ন ও স্বাভাবিক জীবনে পুনঃএকীভূত করা।
- কেন্দ্রগুলিতে কেইস ওয়ার্ক, গাইডেন্স, কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে শিশুদের মানসিক উন্নয়ন করা হয়।
- বাংলাদেশের একমাত্র কিশোরী সংশোধন প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের কোনাবাড়িতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশে ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে। 
 
যথা: 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - টংগী, গাজীপুর (বালক) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - কোনাবাড়ী, গাজীপুর (বালিকা) 
- শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র - পুলেরহাট, যশোর (বালক) 

সূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
৯,০৩২.
'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ' গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
  3. ভিকার-উল-মুল্ক
  4. নবাব মহসীন-উল-মুল্ক
ব্যাখ্যা
'নিখিল ভারত মুসলিম লীগ' গঠনের প্রস্তাব পেশ করেন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ।

নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
:
- ১৯০৬ সালে ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক সংগঠন মুসলিম লীগের জন্ম উপমহাদেশের ইতিহাসের অন্যতম তাৎপর্যপূর্ন ঘটনা।
- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উনিশ শতকে স্যার সৈয়দ আহমদ খান সহ বিশিষ্ট মুসলিম নেতৃবৃন্দের স্বাতন্ত্র্যবাদী রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনার ফল হিসেবে একদিকে যেমন মুসলিম সম্প্রদায় নিজেদের মধ্যে ঐক্য প্রতিষ্ঠায় মনোযোগী হয়, তেমনি কংগ্রেসের রাজনীতি হতে দূরে থেকে নিজেদের স্বার্থ রক্ষার্থেও এগিয়ে আসে।
- নিখিল ভারত মুসলিম লীগের প্রতিষ্ঠা এ রূপ স্বাতন্ত্রবাদী রাজনৈতিক ধারারই ফল।

⇒ বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন।
- এর ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দেন ঢাকার নবাব স্যার সলিমুল্লাহ, আগা খান, নবাব ভিকার উল মুলক প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ১৯০৬ সালে ঢাকার শাহবাগে অনুষ্ঠিত হয় 'মোহামেডান এডুকেশনাল কনফারেন্সে'র বার্ষিক সম্মেলন।
- সম্মেলনের শেষ দিনে ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দের ৩০ ডিসেম্বর ভারতের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত মুসলিম প্রতিনিধিগণ 'অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ' নামে মুসলমানদের জন্য একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন।
- নবগঠিত দলের যুগ্ম- আহবায়ক নির্বাচিত হন নবাব মহসীন-উল-মুল্ক ও ভিকার-উল-মুল্ক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৩৩.
সন্ন্যাসী আন্দোলনের নেতা ছিলেন কে?
  1. নবীন সেন
  2. জু্ম্মা খান
  3. মজনু শাহ
  4. ভবানী পাঠক
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন:
- বাংলায় সংঘটিত ব্রিটিশবিরোধী প্রথম আন্দোলন হলো ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন।
- আঠারো শতকে ১৭৬০ সাল থেকে ১৮০০ সালের মধ্যে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।

- ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলনে সন্ন্যাসীদের নেতৃত্ব দেন ভবানী পাঠক
- অন্যদিকে ফকিরদের নেতৃত্বে ছিলেন মজনু শাহ

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,০৩৪.
স্বাধীন গৌড় রাজ্যের রাজধানী কোথায় স্থাপিত ছিল?
  1. পাটালিপুত্র
  2. দন্ডভুক্তি
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. পুন্ড্রনগর
ব্যাখ্যা

স্বাধীন গৌড়রাজ্য:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটলে পরবর্তী গুপ্তবংশ নামে পরিচিত গুপ্ত উপাধি নেয়া রাজাগণ বাংলা, পশ্চিম বাংলার উত্তরাংশ ও মগধে ক্ষমতা বিস্তার করেছিলেন।
- বিভিন্ন কারণে গুপ্ত বংশের রাজারা দুর্বল হয়ে পড়লে এ অবস্থার সুযোগ নিয়ে মগধে শশাঙ্ক নামক এক খ্যাতিমান শাসক গৌড় রাজ্যের ক্ষমতা দখল করেন।
- প্রাথমিক যুগে শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত রাজ মহাসেন গুপ্তের একজন মহাসামন্ত।
- ৬০৬ খ্রিস্টাব্দের আগে কোন এক সময় তিনি গৌড়ের স্বাধীন নরপতি হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
- তিনি কর্ণসুবর্ণে রাজধানী স্থাপন করেন।
- প্রাথমিক সময়ে স্বাধীন গৌড় রাষ্ট্রের রাজা শশাঙ্ক দণ্ডভুক্তি রাজ্য, উড়িষ্যার উৎকল ও কঙ্গোগ রাজ্য এবং বিহারের মগধ রাজ্য জয় করে তার রাজ্যসীমা বৃদ্ধি করেন। পশ্চিমে তার রাজ্য বারানসী পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছিল। কামরূপ রাজারাও শশাঙ্কের হাতে পরাজিত হন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৩৫.
প্রাচীন বাংলার সবগুলো জনপদই একত্রে বাংলা নামে পরিচিতি লাভ করে কার আমল থেকে?
  1. ক) সুলতান সিকান্দার শাহ
  2. খ) সুলতান শাহবুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) নবাব সিরাজউদৌল্লা
  4. ঘ) নবাব আলীবর্দী খাঁ
ব্যাখ্যা
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৩৪২-১৩৫৮ খ্রি.)।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলাকে এক করে বৃহত্তর বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
- তিনি ‘শাহ-ই বাঙালা’ ও ‘শাহ-ই বাঙালিয়ান’ উপাধি ধারণ করেন।
- তিনি `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,০৩৬.
স্থানীয় প্রশাসনে সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. জেলা প্রশাসন
  2. বিভাগীয় প্রশাসন
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
• উপজেলা প্রশাসনের কার্যাবলি:
- উপজেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বশেষ স্তর।
- উপজেলা নির্বাহী অফিসার উপজেলা প্রশাসনের মধ্যমণি এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- ২০০৮ সালের জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী তিনি উপজেলা পরিষদের সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- উপজেলা পরিষদের কার্যাবলি বলতে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যাবলিকেই বুঝিয়ে থাকে। 

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৩৭.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক?
  1. মারমা ও গারো
  2. চাকমা ও খাসিয়া
  3. খাসিয়া ও গারো
  4. সাঁওতাল ও খাসিয়া
ব্যাখ্যা

- গারো এবং খাসিয়া সমাজে পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয় মেয়েরা এবং তাদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। 

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

সূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,০৩৮.
নিচের কোনটি সুন্দরবন সংলগ্ন জেলা?
  1. বাগেরহাট
  2. খুলনা
  3. সাতক্ষীরা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,০৩৯.
রাজনৈতিক দল হচ্ছে -
  1. ধর্মভিত্তিক সংগঠন
  2. বিক্ষিপ্ত জনগোষ্ঠী
  3. ঐক্যবদ্ধ, সচেতন ও ক্ষমতায় আগ্রহী জনগোষ্ঠী
  4. কেবল মাত্র নির্বাচনকালীন সংগঠন
ব্যাখ্যা

- রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি, যারা রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে ঐকমত্য পোষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা অর্জনের মাধ্যমে তাদের নীতি ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে সচেষ্ট হয়।
- এরা জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে সরকার গঠনে প্রতিযোগিতা করে।

রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞা: 
- যখন কোন জনসমষ্টি রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে একমত পোষণ করে, নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় ক্ষমতা আরোহণে আগ্রহী এবং রাজনীতি সচেতন হয়ে সংঘবদ্ধ হয় তখন এই সংঘবদ্ধ একদল লোককে 'রাজনৈতিক দল' বলে।
- বার্ক বলেন, "রাজনৈতিক দল এরূপ একটি জনসমষ্টি যারা কিছু ঐক্যবদ্ধ নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ অর্জনের জন্যে সংঘবদ্ধ হয়েছে।”
- অধ্যাপক গেটেল বলেন, “রাজনৈতিক দল বলতে কম-বেশি সংগঠিত একদল লোককে বোঝায়, যারা রাজনৈতিকভাবে এককরূপে কাজ করে এবং ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে সরকার গঠন ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে চায়।”
- অধ্যাপক ফাইনার বলেন, "আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।”
- ম্যাকাইভার বলেন, রাজনৈতিক দল বলতে সেই জনগোষ্ঠীকে বোঝায় যারা সুনির্দিষ্ট নীতির ভিত্তিতে সম্মিলিত এবং নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় সরকার গঠনে প্রয়াসী।”
অধ্যাপক সুম্পিটার রাজনৈতিক দলের একটি সংক্ষিপ্ত অথচ উত্তম সংজ্ঞা দিয়েছেন। তিনি বলেন, "রাজনৈতিক দল এমন একটি সংস্থা যার সদস্যবৃন্দ রাজনৈতিক ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগিতায় ঐক্যবদ্ধ।”
- বস্তুত রাজনৈতিক দল বলতে এমন এক সংঘবদ্ধ জনসমষ্টিকে বোঝায় যারা রাষ্ট্রের সমস্যা সম্পর্কে ঐকমত্য পোষণ করে এবং নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা দখলের মাধ্যমে গৃহীত কর্মসূচি বাস্তবায়নে এগিয়ে যায়। প্রকৃত রাজনৈতিক দলের কাছে নেতা ও দলের চেয়ে দেশের স্বার্থ বড়।

সূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,০৪০.
বাংলাদেশ রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে কোথায়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ ইউরোপীয়ান ইউনিয়নভুক্ত ২৭টি দেশসহ মোট ৩৮টি দেশে রপ্তানি ক্ষেত্রে জিএসপি সুবিধা পাচ্ছে।
ইইউ বর্হিভূত দেশগুলো হলো অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপান, কানাডা, তুরস্ক, রাশিয়া, বেলারুশ, লিচেনস্টাইন, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্য।
ইউরোপীয়ান ইউনিয়নে ‘Everything But Arms’ স্কিমের আওতায় অস্ত্র ব্যতীত সকল পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত সুবিধা পাচ্ছে।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো)
৯,০৪১.
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে -
  1. ৩ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৪ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৫ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৬ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা
জুলাই অভ্যুত্থান:
- বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা বাতিলের ২০১৮ সালের প্রজ্ঞাপন ৫ জুন, ২০২৪ হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণা করলে তা নিয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে অসন্তোষের শুরু হয়।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে তাদের আন্দোলন শুরু হয়।
- শুরুতে এ আন্দোলন অহিংস ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বেপরোয়া হলে ১৫ জুলাই, ২০২৪ আন্দোলন সহিংস রূপ নেয়, যার শেষ পরিণতি ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে। ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।
- ৫ আগস্ট, ২০২৪ পতন ঘটে দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের কর্তৃত্ববাদী সরকার শেখ হাসিনার।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
৯,০৪২.
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত কতটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ১৪টি
  3. গ) ১০টি
  4. ঘ) ১৩টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত ১৩টি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে বাংলাদেশে৷
- বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল ১৩ তম নির্বাচন কমিশনার ।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস।
- তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই।
- ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এই কমিশনের অধীনে।
- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷।
 
অপরদিকে,
বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত ১১টি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন, dw.com।
৯,০৪৩.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কত তম সদস্য?
  1. ১৩৬
  2. ১৩৭
  3. ১৩৮
  4. ১৩৯
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- সদস্য পদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- চীন বাংলাদেশের সদস্য পদ লাভের বিরুদ্ধে ভেটো দেয়।
- ১৯৭৯-৮০ ও ২০০০-০১ সালে মোট ২বার নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ লাভ করে।
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন উ থান্ট।
-  বাংলাদেশ ১৯৮৮ সালে সর্বপ্রথম ইরাক-ইরান (UNIIMOG) মিশনে অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৯,০৪৪.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম কোন দেশে রপ্তানি হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. জার্মানিতে 
  3. কানাডায়
  4. ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

৯,০৪৫.
জনগণের মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিলের বিষয়ে বলা হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ২৬নং অনুচ্ছেদ
  2. ২৭নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৮নং অনুচ্ছেদ
  4. ২৯নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।

সংবিধানের ২৬ নং অনুচ্ছেদ: মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকরের শুরুতেই ২৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ কোনো আইন করা যাবে না।
- আর যদি করা হয়, তবে তা স্বতঃসিদ্ধভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে, মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী পূর্বেকার সকল আইন সাংবিধানিকভাবে অবৈধ।

অন্যদিকে: 
২৭নং অনুচ্ছেদ - আইনের দৃষ্টিতে সমতা। 
২৮নং অনুচ্ছেদ -  ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।
২৯নং অনুচ্ছেদ - সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৯,০৪৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীটি হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়নি?
  1. ক) ষোড়শ সংশোধনী
  2. খ) সপ্তম সংশোধনী
  3. গ) দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়
• এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে। এগুলো হলো:-
১। পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
২। সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
৩। ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
৪। ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

অন্যদিকে,  
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী
• শিরোনাম - সংবিধান [দ্বাদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯১।
• উত্থাপনকারী - তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
• সংসদে পাশের তারিখ - ৬ আগস্ট, ১৯৯১।

বিষয়বস্তু সমূহ:
• রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন।
• উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রী পদগুলো বাতিল ঘোষণা।

উল্লেখ্য যে,  দ্বাদশ সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,০৪৭.
বাংলা একডেমি কোন সাল থেকে 'সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করছে?
  1. ১৯৭৬ সাল
  2. ১৯৯০ সাল
  3. ১৯৯৬ সাল
  4. ২০১০ সাল
ব্যাখ্যা
সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার:
- সমকালীন বাংলা সাহিত্যের সাহিত্যসেবীদের বিশিষ্ট অবদান ও তাঁদের সৃষ্টিশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৯০ সাল থেকে বাংলা একডেমি এ পুরস্কারটি প্রদান করছে।
- মৌলবী সা’দত আলী আখন্দ-এর পরিজন প্রদত্ত অর্থ দিয়ে বাংলা একাডেমি প্রতিবছর এ পুরস্কারের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- বাংলা একাডেমির বার্ষিক সাধারণ সভায় পুস্কারপ্রাপ্ত লেখককে ৫০,০০০.০০ (পঞ্চাশ হাজার) টাকার চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

উৎস: বাংলা একডেমি ওয়েবসাইট।
৯,০৪৮.
‘উয়ারী বটেশ্বর’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. নরসিংদী
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,০৪৯.
বন্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম সরকারি কোম্পানি কোনটি?
  1. ক) ভোলা পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড
  2. খ) আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড
  3. গ) ফেঞ্চুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড
  4. ঘ) ভেড়ামারা পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বন্ডের মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ সংগ্রহ করার জন্য অনুমোদনপ্রাপ্ত প্রথম সরকারি কোম্পানি আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানি লিমিটেড
৯,০৫০.
মেট্রোরেলের পরিচালনা সংস্থার নাম কী?
  1. জাইকা
  2. এমআরটি-৬
  3. ডিএমটিসিএল
  4. ডিএইচইউটিএস
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল: 
- প্রকল্পের নাম: ম্যাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (এমআরটি) লাইন-৬। 
- উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা: জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) ।
- পরিচালনা সংস্থা: ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। 
- ডিএমটিসিএল গঠনের তারিখ: ৩ জুন ২০১৩ সাল। 
- ডিএমটিসিএলের রূপকল্প: বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল। 

ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল): 
Mass Rapid Transit (MRT) বা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত The Companies Act 1994 অনুযায়ী ০৩ জুন ২০১৩ তারিখ শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL) গঠন করা হয়।

উৎস: ডিএমটিসিএল ওয়েবসাইট। 
৯,০৫১.
অ্যালেন গিন্সবার্গ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর কোন কবিতা রচনা করেছিলেন?
  1. ক) উচ্চারণগুলি শোকের
  2. খ) স্বাধীনতা, উলঙ্গ কিশোর
  3. গ) সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড
  4. ঘ) কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প
ব্যাখ্যা
সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড:
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড - বিখ্যাত মার্কিন কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা যা থেকে পরে গান করা হয়েছিল।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের সাথে যশোর রোডে সীমান্তের ওপারে শরণার্থী শিবির ঘুরে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেন তা নিয়ে তিনি লিখেন বিখ্যাত কবিতা ‘সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড’।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি। এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। এভাবেই বাংলাদেশী শরণার্থীদের জন্য অর্থ সংগ্রহ করেন গিন্সবার্গ।
- এই কবিতার বাংলা ভাষান্তর করেন খান মোহাম্মদ ফারাবি।     

অন্যদিকে -
- গিন্সবার্গের সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা 'আপনার ভিতরের চাঁদের আলো অনুসরণ করুন; পাগলামি লুকাবেন না।'
- 'উচ্চারণগুলি শোকের' আবুল হাসান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা।
- 'স্বাধীনতা, উলঙ্গ কিশোর' নির্মলেন্দু গুণ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা।
- 'কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প' রুদ্র মুহান্মদ শহীদুল্লাহ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কবিতা।

উৎস: প্রথম আলো, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৬।
৯,০৫২.
বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন?
  1. ১নং
  2. ৪ নং
  3. ১০ নং
  4. ১১ নং
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, রুহুল আমিন তাদের অন্যতম।
- তাঁর পদবী ছিল স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিনের জন্ম ১৯৩৫ সালে নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বাঘচাপড়া গ্রামে।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে এপ্রিল মাসে তিনি ২নং সেক্টরে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১০নং নৌ সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার দিকে রূপসা নদীতে খুলনা শীপইয়ার্ডের কাছে সম্মুখ যুদ্ধে বাংলাদেশের যুদ্ধজাহাজ পলাশকে রক্ষা করতে গিয়ে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর নিক্ষিপ্ত গোলায় এ বীর সন্তান শহিদ হন।
- সমাধিস্থল: রূপসা ফেরিঘাটের লুকপুরে।
- নোয়াখালীতে তাঁর জন্মস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ শহিদ রুহুল আমিন স্মৃতি পাঠাগার ও জাদুঘর রয়েছে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৯,০৫৩.
বাংলাদেশের কর সংগ্রহের জন্য কোন সরকারি সংস্থাটি দায়িত্বপ্রাপ্ত?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. পরিকল্পনা কমিশন
ব্যাখ্যা
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড:

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (জারাবো) রাজস্ব প্রশাসনের শীর্ষ সংস্থা।
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নির্দেশনায় ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নং- ৭৬ দ্বারা গঠিত হয়েছে।
- প্রশাসনিকভাবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অর্থ মন্ত্রনালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের অধীন একটি পরিচালিত হয়।
- অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সচিব জারাবো'র এক্স-অফিসিও চেয়ারম্যান ও প্রশাসনিক প্রধান।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে প্রধান দায়িত্ব হলো কাস্টমস, আয়কর ও মূল্য সংযোজন কর সংক্রান্ত বিধি-বিধান তৈরি এবং তার আলোকে যথাযথ কর-রাজস্ব আদায় করা।
- এ ছাড়াও চোরাচালান প্রতিরোধ, শুল্ক-কর সংক্রান্ত আর্ন্তজাতিক চুক্তি সম্পাদন ও সরকারের রাজস্ব নীতি সংক্রান্ত যেকোনো বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করা।
- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড কাস্টমস, মূসক ও আয়কর অনুবিভাগের মাধ্যমে কাজ করে।
- আয়কর অনুবিভাগ বিসিএস (কর) এবং কাস্টমস ও মূসক অনুবিভাগ বিসিএস (কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ) ক্যাডার দ্বারা পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় রাজস্ব বোর্ড অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,০৫৪.
বাংলাদেশে মোট আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র-
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত কয়লাক্ষেত্র ৫টি।
- বড়পুকুরিয়া, দীঘিপাড়া, ফুলবাড়ি, খালাসপীর ও জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
৯,০৫৫.
ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ক) ৫৬ শতাংশ
  2. খ) ৪৫ শতাংশ
  3. গ) ৬৫ শতাংশ
  4. ঘ) ৮৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- মৎস্যবিষয়ক আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডফিশের সর্বশেষ হিসেবে বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬ শতাংশ এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত হচ্ছে।
- অথচ চার বছর আগেও বিশ্বের মোট ইলিশের উৎপাদনের ৬৫ শতাংশ আসত বাংলাদেশ থেকে।
- বাংলাদেশের পরই ইলিশের উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থানে ভারত।
- পাঁচ বছর আগে দেশটিতে বিশ্বের প্রায় ২৫ শতাংশ ইলিশ উৎপাদিত হতো।
- তবে চলতি বছর তাদের উৎপাদন প্রায় সাড়ে ১০ শতাংশে নেমেছে।
- মা ইলিশ রক্ষা অভিযানের অংশ হিসেবে প্রতিবছর ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে এই মাছ ধরা বন্ধ থাকে।

 (উৎস: প্রথম আলো)
৯,০৫৬.
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা করেন কে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ক্লাইভ
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. রাজা পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৫৭.
বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) মালয়শিয়া
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে পাম অয়েলের ৮০ শতাংশ আসে ইন্দোনেশিয়া থেকে ও ২০ শতাংশ আসে মালয়শিয়া থেকে।
এছাড়া, দেশের কুকিং অয়েলের ৪৫ শতাংশ চাহিদাই মেটায় ইন্দোনেশিয়া।

উৎস: www.tbsnews.net/
৯,০৫৮.
সংশোধনের ভিত্তিতে সংবিধান ____ ধরনের।
  1. ক) ৩
  2. খ) ২
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- রাষ্ট্র পরিচালনার হাতিয়ার হলো সংবিধান।
- লেখার ভিত্তিতে সংবিধান দুই ধরনের। 
- যথা:
• লিখিত সংবিধান ও
• অলিখিত সংবিধান।
- সংশোধনের ভিত্তিতে সংবিধান দুই ধরনের।
- যথা:
• সুপরিবর্তনীয় সংবিধান ও
• দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।

১। সুপরিবর্তনীয় সংবিধান:
- এ সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন করা অপেক্ষাকৃত সহজ।
- কোন ধরনের জটিল প্রক্রিয়া অনুসরণ ছাড়াই এই সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায়।
- তবে আইনসভার সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন হয়। 
- ব্রিটিশ সংবিধান সুপরিবর্তনীয় সংবিধান।
২। দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান:
- যে সংবিধানের কোন নিয়ম বা ধারা সহজে পরিবর্তন বা সংশোধন করা যায় না তাই দুষ্পরিবর্তনীয় সংবিধান।
- এটি সংশোধনের জন্য জটিল পদ্ধতি অনুসৃত হয়।
- প্রত্যেক প্রকারের সংবিধানেরই কিছু সুনির্দিষ্ট সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৫৯.
নিচের কোন জেলায় কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. মৌলভীবাজার
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,০৬০.
বর্তমানে দাবা খেলায় বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার কে?
  1. সাকলাইন মোস্তফা সাজিদ
  2. মনন রেজা নীড়
  3. মোহাম্মদ ফাহাদ রহমান
  4. আবু সুফিয়ান শাকিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার:
- বাংলাদেশ দাবা দল দাবা অলিম্পিয়াডে প্রথম অংশ নেয় ১৯৮৪ সালে৷
- বর্তমানে বাংলাদেশের সর্বকনিষ্ঠ আন্তর্জাতিক মাস্টার মনন রেজা নীড়।
- ১৪ বছর তিন মাস বয়সে এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন মনন ।
- অক্টোবর, ২০২৪-এ বিশ্ব দাবা সংস্থার চতুর্থ ফিদে জোন কাউন্সিলের সভায় তার আন্তর্জাতিক মাস্টারের খেতাব অনুমোদন হয় ৷
- তিনি আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছেন গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদের রেকর্ড ভেঙে।
- আন্তর্জাতিক মাস্টার হতে ২৪০০ রেটিং ও তিনটি নর্ম প্রয়োজন

উল্লেখ্য:
- নিয়াজ মোরশেদ আন্তর্জাতিক মাস্টার হয়েছিলেন ১৫ বছর পাঁচ মাস বয়সে।
- মনন রেজা নীড়কে নিয়ে বাংলাদেশে এখন আন্তর্জাতিক মাস্টারের সংখ্যা দাঁড়াল পাঁচ।
- বাকি চারজন জিল্লুর রহমান, আবু সুফিয়ান, মিনহাজ উদ্দিন, ফাহাদ রহমান ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা৷

৯,০৬১.
এ পর্যন্ত মোট কতজন বাঙালি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত মোট ৪ জন বাঙালি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। এর মধ্যে সর্বপ্রথম ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। দ্বিতীয় বাঙালি হিসেবে অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতি, তৃতীয় বাঙালি ও প্রথম-একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে ড. মুহম্মদ ইউনুস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে অর্থনীতিতে অভিজিৎ ব্যানার্জি নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। (সূত্রঃ নোবেল প্রাইজ ওয়েবসাইট)
৯,০৬২.
‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় কোনটির উদ্যোগে? 
  1. ক) সাহিত্য সংসদ
  2. খ) তমদ্দুন মজলিশ
  3. গ) সংস্কৃতি সংসদ
  4. ঘ) রেনেসাঁ সোসাইট
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ: 
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১০ সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কি হবে? বাংলা নাকি উর্দু‌’ প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- সেখানে এর বিরুদ্ধে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। 
- 'তমদ্দুন মজলিশের' উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। 
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) প্রথম আলো ডেস্ক, ১৩ ডিসেম্বর ২০২১।
৯,০৬৩.
সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয় কতবার? [জুন, ২০২৫]
  1. ৪ বার
  2. ৫ বার
  3. ৩ বার
  4. ২ বার
ব্যাখ্যা
সরাসরি ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ বা সরাসরি ভোটে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত ৩ বার।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।
- বাকি দুজন হলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ।
- এই তিনজন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের দ্বিতীয় তফসিল মোতাবেক রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতেন সংসদ সদস্যদের গোপন ভোটে।
- পরবর্তী সময়ে সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনী অনুসারে প্রত্যক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান প্রবর্তিত হয়।
- সংবিধানের ১২তম সংশোধনী আইন ১৯৯১ অনুসারে সংসদীয় পদ্ধতি চালু হলে পরোক্ষ পদ্ধতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।
- বর্তমানে অনুচ্ছেদ ৪৮ অনুসারে সংসদ-সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশে ১৯৯০ সালে প্রবল গণআন্দোলনে সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত সংসদে সংবিধান সংশোধন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার বদলে সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।

উৎস:  BBC ওয়েবসাইট।
৯,০৬৪.
'আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি।' উক্তিটি কার?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) ড. দীনেশচন্দ্র সেন
  3. গ) ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ঘ) সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা
• বহু ভাষাবিদ পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলাভাষা, বাংলা সাহিত্য, বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষায় একটি ভাষণে বলেছিলেন— ‘আমরা হিন্দু বা মুসলিম যেমন সত্য, তার চেয়ে বেশি সত্য আমরা বাঙালি। এটি কোনো আদর্শের কথা নয়, এটি একটি বাস্তব কথা। প্রকৃতি নিজের হাতে আমাদের চেহারায় ও ভাষায় বাঙালিত্বের এমন ছাপ দিয়েছেন যে, তা মালা-তিলক-টিকিতে কিংবা টুপি-লুঙ্গি-দাড়িতে ঢাকবার জো-টি নেই”।

সূত্র: বাংলাদেশে ও বিশ্ব পরিচয়, ৭ম শ্রেণি।
৯,০৬৫.
স্বাধীনতা পদক -২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব হলেন-
  1. তৌহিদুল ইসলাম
  2. আব্দুর রাজ্জাক
  3. জামাল নাদেল চৌধুরি
  4. নভেরা আহমেদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ নিম্নবর্ণিত ৭ (সাত) জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' প্রদান করে।
-------------------------------------------
•অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর) {বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি}।
• মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর) {সাহিত্য}।
• নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর) {সংস্কৃতি}।
• স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর) {সমাজসেবা}।
• মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর) {মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি}।
• জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর {শিক্ষা ও গবেষণা}।
• আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর) {প্রতিবাদী তারুন্য}।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৯,০৬৬.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের দ্বিতীয় প্রধান খাত কোনটি?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আয়কর
  4. আমদানি শুল্ক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২১-২০২২ অর্থবছর):
- প্রথম : মূ্ল্য সংযোজন কর (৩৮.৭ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : আয়কর (৩১.৮ শতাংশ)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (১৬.৫ শতাংশ)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (১১.৫ শতাংশ)
- অন্যান্য : ১.৫ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট)
৯,০৬৭.
জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৮৩ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৪ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার থেকে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন। ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে তিনি ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে প্রথমে জনদল, ১৯৮৫ সালের ১৬ আগস্ট জাতীয় ফ্রন্ট এবং ১৯৮৬ সালের ১ জানুয়ারি জাতীয় পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। জাতীয় পার্টি তৃতীয় ও চতুর্থ জাতীয় সংসদে জয় লাভ করে সরকার গঠন করে। (সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,০৬৮.
'Rules of Business' প্রণয়ন করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
⇒ 'Rules of Business' প্রণয়ন করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,০৬৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, প্রাথমিক পণ্য হিসেবে রপ্তানি খাতে কৃষিজাত পণ্যের অবদান কত শতাংশ?
  1. ০.২৬%
  2. ০.৭১%
  3. ১.৩৯%
  4. ১.৭৮%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৮.৩৫% বা ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তৈরি পোশাক: ৩৭.১০%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে নীটওয়‍্যার ও তৈরি পোশাক পণ্যের রপ্তানি আয় ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

অন্যদিকে,
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৫%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (১.৩৯%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৭১%)।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: কাচাপাট (০.২৬%))।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯,০৭০.
রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৪
  2. অনুচ্ছেদ - ১৮
  3. অনুচ্ছেদ - ১৬
  4. অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র- 

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,০৭১.
উপজেলা পরিষদে কতজন ভাইস চেয়ারম্যান থাকেন? 
  1. ২ জন 
  2. ৩ জন 
  3. ৫ জন 
  4. ১ জন 
ব্যাখ্যা

উপজেলা পরিষদ গঠন: 
- একজন চেয়ারম্যান,
- দুজন ভাইস চেয়ারম্যান (এদের মধ্যে একজন হবেন মহিলা) ।
- এবং উপজেলার আওতাধীন ইউনিয়ন পরিষদসমূহের চেয়ারম্যানবৃন্দ,
- পৌরসভার (যদি থাকে) মেয়র এবং তিনজন মহিলা সদস্যের সমন্বয়ে উপজেলা পরিষদ গঠিত হয়।
- ২০০৯ সালের উপজেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী সংসদ সদস্যদেরকে পরিষদের পরামর্শকের ভূমিকা প্রদান করা হয়েছে।
- চেয়ারম্যান উপজেলার ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৮২ পৃষ্ঠা।

৯,০৭২.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. কার্জন শিক্ষা কমিশন
  2. ভেলসলি কমিশন
  3. হান্টার কমিশন
  4. স্যাডলার শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন:
- হান্টার কমিশন সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন নামে পরিচিত।
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- গঠিত: ১৮৮২ সালে।
- প্রধান: স্যার উইলিয়াম হান্টার।
- অন্যান্য সদস্যগণ ছিলেন  আনন্দমোহন বসু, এ.ডব্লিউ ক্রফট্,  ভূদেব মুখোপাধ্যায়, মহারাজা যতীন্দ্রমোহন ঠাকুর, কাশীনাথ ত্রিম্বক তীলং এবং স্যার সৈয়দ আহমদ খান।

উল্লেখ্য,
- গঠিত হয়েছিল ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে।
- লর্ড রিপনের শাসনকাল: ১৮৮০–১৮৮৪।
- লর্ড রিপন ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং উদারনীতিপ্রিয় ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনির ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।

৯,০৭৩.
গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. সমুদ্রগুপ্ত 
  2. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  3. বিজয়গুপ্ত
  4. সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা

• গুপ্ত সাম্রাজ্য:

- আনুমানিক ৩২০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম চন্দ্রগুপ্ত পাটলীপুত্র এলাকা (বর্তমান পাটনায়) গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। 
- ধারণা করা হয়, গুপ্ত সাম্রাজ্য বর্তমান পাটনা এলাকায়, যার তৎকালীন নাম পাটলীপুত্র। 
- গুপ্ত বংশের আদি পুরুষেরা বাংলার পশ্চিমাংশে একটি ছোট রাজ্যের সামন্ত অধিপতি ছিলেন।
- পরবর্তীকালে সমগ্র বাংলাই গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনস্ত হয়।


- বাংলার উত্তরাংশ 'পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তি' নামে একটি প্রদেশ অথবা প্রশাসনিক বিভাগ হিসেবে সংঘটিত হয়েছিল।
- গুপ্ত সম্রাটের নিযুক্ত একজন শাসনকর্তা দ্বারা এটি শাসিত হতো।
- ৫০৭ খ্রিস্টাব্দে মহারাজ বৈন্যগুপ্ত দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা বা সমতট শাসন করতেন।
- প্রথমে তিনি গুপ্ত সম্রাটের অধীনে একজন সামন্ত শাসনকর্তা ছিলেন। 
- পরে সম্ভবত তিনি গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগে স্বাধীন স্বতন্ত্র রাজা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।

- গুপ্ত যুগের শাসনামলে বাংলা অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ ছিল। 
- সে সময় বাংলাদেশে প্রচুর স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার প্রচলন ছিল। 
- গুপ্ত শাসনাধীন বাংলাদেশ ছিল বেশ সমৃদ্ধ। 
- ঐতিহাসিকদের মতামত বিশ্লেষণ করলে বুঝা যায়, প্রাচীন বাংলা সমৃদ্ধশালী ছিল।

উৎস: ইতিহাস-১ম পত্র , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,০৭৪.
“কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪” অনুযায়ী ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. নওগাঁ
  3. দিনাজপুর
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ বাংলাদেশের কৃষি বিষয়ক সকল রকমের তথ্য নিয়ে পরিসংখ্যানব্যুরো (BBS) প্রতি বছর কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।
•  'কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪' প্রকাশিত হয় ২০২৫ সালের জুন মাসে।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৯,০৭৫.
দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ: 
- দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে ওয়ালটন।
- বাংলাদেশের শিল্পখাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
- নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের জলাশয়ের ওপর স্থাপন করেছে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- সম্প্রতি ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হয়েছে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD.[Link]

৯,০৭৬.
সর্বশেষ সরকারি মেডিকেল কলেজ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কক্সবাজার
  2. সুনামগঞ্জ
  3. হবিগঞ্জ
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দেশে সরকারি MBBS মেডিকেল কলেজ - ৩৭টি।
- দেশের সর্বশেষ সরকারি মেডিকেল কলেজ - বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজ।
- এটি সুনামগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। 
উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,০৭৭.
অবাধ প্রতিযােগিতার মাধ্যমে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালিত হয় কোন ধরনের রাষ্ট্রে?
  1. ক) সাম্রাজ্যবাদী
  2. খ) পুঁজিবাদী
  3. গ) সমাজতান্ত্রিক
  4. ঘ) রাজতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা

পুঁজিবাদী রাষ্ট্র বলতে সেই রাষ্ট্রকে বােঝায়, যেখানে সম্পত্তির উপর নাগরিকদের ব্যক্তিগত মালিকানা স্বীকার করা হয়। এ সরকারব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ (ভূমি, শ্রম, মূলধন ও ব্যবস্থাপনা) ব্যক্তিগত মালিকানায় থাকে। এর উপর সরকারের কোনাে নিয়ন্ত্রণ থাকে না। অবাধ প্রতিযােগিতার মাধ্যমে উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
এ ধরনের রাষ্ট্রে নাগরিকগণ সম্পদের মালিকানা ও ভােগের ক্ষেত্রে স্বাধীন । বর্তমান বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্রই পুঁজিবাদী ।
উৎসঃ পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি

৯,০৭৮.
বাংলার কোন অঞ্চলে টংক আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. ক) বৃহত্তর ফরিদপুর
  2. খ) বৃহত্তর খুলনা
  3. গ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বৃহত্তর রংপুর
ব্যাখ্যা
- টঙ্ক প্রথা হলো টাকার পরিবর্তে ধানের মাধ্যমে খাজনা আদায়৷
- বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই প্রথা প্রচলিত ছিলো। ধানের মাধ্যমে খাজনা পরিশোধে কৃষকদেরকে কয়েকগুণ বেশি খাজনা প্রদান করতে হতো। তাই কৃষকরা এই প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামে।
- কমরেড মনি সিংহ টঙ্ক আন্দোলনে কৃষকদের নেতৃত্ব দেন।
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের হাজং সম্প্রদায় টংক আন্দোলন সংঘটিত করে।
- ১৯৫০ সালে জমিদারি প্রথা উচ্ছেদ হলে টঙ্ক প্রথা উচ্ছেদ হয় এবং টঙ্ক আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং দৈনিক ইত্তেফাক)
৯,০৭৯.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কোথায় উত্তোলিত হয়?
  1. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রে
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,০৮০.
বাংলাদেশ কত সালে জাতিসংঘের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণ করবে?
  1. ক) ২০২০ সালে
  2. খ) ২০২১ সালে
  3. গ) ২০২৪ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের এলডিসি তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত বলবৎ থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে এলডিসি তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন প্রথম ১৯৭১ বিশ্বের সর্বাধিক অনুন্নত দেশসমূহ নিয়ে LDC তালিকা প্রণয়ন করে। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে এলডিসি তালিকায় ৪৭টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯,০৮১.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়?
  1. পঞ্চদশ
  2. চতুর্দশ
  3. ত্রয়োদশ
  4. দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।

⇒ এই সংশোধনী দ্বারা-
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
৯,০৮২.
দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল কোনটি?
  1. ক) চাঁদপুর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) খুলনা
ব্যাখ্যা
• বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে সনদ পায় কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- দেশে বেসরকারিভাবে গড়ে ওঠা কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চলকে লাইসেন্স দিয়েছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- এর মাধ্যমে দেশের ১২তম বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পেল কুমিল্লা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান মেঘনা গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের আওতাধীন কুমিল্লা ইকোনমিক জোনকে চূড়ান্তভাবে এ লাইসেন্স দেওয়া হলো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।
৯,০৮৩.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান তফসিল:  
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।

• তফসিলসমূহ-
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,০৮৪.
কোন মুঘল সম্রাটের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. গ) সম্রাট শাহজাহান
  4. ঘ) সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান

- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে ‘আবুল মুজাফ্ফর শিহাবুদ্দীন মুহম্মদ শাহজাহান’ উপাধি নিয়ে শাহজাহান আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন।(বাংলাপিডিয়া)
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন( ওপেন স্কুল- ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র )।
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল “The Age of Marble” নামে খ্যাত।

- তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তিনি ইতিহাসে ‘The Prince of Builders or Engineer King” নামে পরিচিত ।
- সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল। যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত তাজমহল হচ্ছে সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার এক উজ্জল দৃষ্টান্ত।  

- সম্রাট শাহজাহানের সময়ে ইংরেজরা বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন ওড়িষার পিপলিতে ।
- পুত্র আওরঙ্গজেব কর্তৃক দীর্ঘ আট বছর আগ্রা দুর্গে অন্তরীণ থেকে ১৬৬৬ খ্রি. ২২ জানুয়ারি ৭৪ বছর বয়সে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি এবং বাংলাপিডিয়া।

৯,০৮৫.
দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের অধীনে মামলা গ্রহণের আগে বাধ্যতামূলক কর্তব্য কোনটি?
  1. কমিশনের চেয়ারম্যানের লিখিত অভিযোগ
  2. সাক্ষীর জবানবন্দি
  3. কমিশনের অনুমোদন
  4. আদালতের পূর্বানুমতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ধারা ৩২: মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে
অনুমোদন:
১. ফৌজদারী কার্যবিধি বা অন্য কোনো আইনে কিছুই থাকুক না কেন,
কমিশনের অনুমোদন (Sanction) ছাড়া কোনো আদালত দুর্নীতি আইনের অধীনে কোনো অপরাধের বিচার গ্রহণ (Cognizance) করতে পারবে না।
২. যখন এই আইনের অধীনে মামলা দায়ের করা হবে, তখন কমিশনের (এবং প্রয়োজনে সরকারের) অনুমোদনের কপি মামলার সঙ্গে আদালতে দাখিল করতে হবে।

তথ্যসূত্র - দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

৯,০৮৬.
নিম্নের কোনটির উপর ভিত্তি করে 'এক নগরী দুই শহর' রূপে গড়ে তোলা হচ্ছে?
  1. ক) পদ্মা নদী
  2. খ) মেট্রো রেল
  3. গ) বঙ্গবন্ধু টানেল
  4. ঘ) ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেস হাইওয়ে
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দেশের প্রথম সুরঙ্গপথ বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে।
- এটির দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিলোমিটার।
- চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা উপজেলাকে সংযুক্ত করে এটি নির্মিত হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে চট্টগ্রামকে চীনের সাংহাই নগরীর আদলে ''এক নগরী দুই শহর'' (one city two town) রূপে গড়ে তোলা হচ্ছে।
- দীর্ঘ টানেলটি নির্মাণে মোট ব্যয় প্রায় দশ হাজার চারশ কোটি টাকা।
- এটি নির্মাণে চীনা সরকার আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা করছে। চায়না কমিউনিকেশনস কনস্ট্রাকশন কোম্পানি এটি নির্মাণ করছে।
- ২০২২ সালে ডিসেম্বরে এটি যান চলাচলের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে।

(তথ্যসূত্র: সেতু কর্তৃপক্ষ, ডেইলি স্টার ও প্রথম আলো)
৯,০৮৭.
২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া মন্ত্রণালয় বা বিভাগ কোনটি?
  1. ক) খাদ্য মন্ত্রণালয়
  2. খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. গ) অর্থ বিভাগ
  4. ঘ) কৃষি মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ওয়ারি সর্বোচ্চ বরাদ্দ
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাত হচ্ছে - 
• অর্থ বিভাগ - ১১১,৬৯৩ কোটি টাকা।
• স্থানীয় সরকার বিভাগ - ৪১,৭০৭ কোটি টাকা।
• মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগ - ৩৯,৯৬১ কোটি টাকা।
• স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ - ২৯,২৮১ কোটি টাকা।
• কৃষি মন্ত্রণালয় - ২৪,২২০ কোটি টাকা।
• খাদ্য মন্ত্রণালয় - ৫,৬৭১ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৯,০৮৮.
ভারতের কোন রাজ্যের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা বাংলা?
  1. ত্রিপুরা
  2. আসাম
  3. উড়িষ্যা
  4. বিহার
ব্যাখ্যা
ভারতে ভাষা বাংলা:
- বাংলাকে 'অন্যতম' রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দামাল ছেলেরা রাজপথে বুকের তাজা রক্ত ঝরিয়েছিল। 
- সেই বাংলা এখন বাংলাদেশের বাইরেও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা অর্জন করেছে।
- বাংলা এখন বিশ্বের তিনটি দেশের দাপ্তরিক ভাষা।
- সেগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত ও সিয়েরালিয়ন।

ভারত -
- ভারতে স্বীকৃত যে ২৩টি 'অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ' রয়েছে, বাংলা তার অন্যতম।
- বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী জনসংখ্যার বিবেচনায় এটি দ্বিতীয়, হিন্দির পরই এর স্থান।
- ভারতে রাজ্যগুলো প্রয়োজনে হিন্দির পাশাপাশি নিজস্ব এক বা একাধিক দাপ্তরিক ভাষা গ্রহণ করতে পারে।
- পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা বাংলাকে দাপ্তরিক ভাষার মর্যাদা দিয়েছে।
- এ ছাড়া বাংলা আসাম এবং আন্দামান-নিকোবর রাজ্যের সহ-দাপ্তরিক ভাষা।
- দেশ বিভাগের কারণে পূর্ব বাংলা ছেড়ে যাওয়া জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ 'পুনর্বাসিত' হয়েছিল বর্তমান ঝাড়খন্ড রাজ্য এলাকায়।
- বিপুল বাঙালি-অধ্যুষিত এই রাজ্য ২০১১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাকে দ্বিতীয় দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ঘোষণা করে। 

উৎস: ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪, সমকাল।
৯,০৮৯.
নিম্নে কোন সংস্থার বর্তমান সভাপতি বাংলাদেশ ? (জুলাই-২০২৫)
  1. CIRDAP
  2.  BIMSTEC
  3. D-8
  4. ASEAN
ব্যাখ্যা
BIMSTEC:
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ: Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co- Operation.
-  বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কোঅপারেশন (BIMSTEC) একটি আঞ্চলিক সংস্থা যা 06 জুন 1997 সালে ব্যাংকক ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ৬ জুন, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৭টি।
- এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
- বিমসটেক এর বর্তমান মহাসচিব ইন্দ্রমণি পান্ডে।
-  BIMSTEC-এর বর্তমান সভাপতিত্ব করছে বাংলাদেশ। (জুলাই-২০২৫)

অন্যদিকে, 
- CIRDAP মহাপরিচালক (ডিজি) হলেন ভারতের ড. পি চন্দ্র শেখরা।
- ASEAN মহাসচিব ডাঃ কাও কিম আওয়ার।

উৎস: BIMSTEC ওয়েবসাইট।
৯,০৯০.
বারো ভুঁইয়াদের রাজত্ব ছিল কোন আমলে?
  1. ক) সুলতানী
  2. খ) তুর্কি
  3. গ) আফগান
  4. ঘ) মুঘল
ব্যাখ্যা
বারো ভু্‌ঁইয়া: 
- বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভুঁইয়া' নামে পরিচিত।
- যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য বারো ভুঁইয়াদের মধ্যে সর্বাধিক সম্পদশালী ও প্রভাবশালী ছিলেন। ১৬০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতাপের ক্ষমতা ও খ্যাতি পুরো ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনার গাঁয়ের জমিদার - ঈসা খাঁ। তার মৃত্যুর পর মোগলদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ স্তিমিত হয়ে যায়।


তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৯,০৯১.
বাংলাদেশে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি:
- দেশে দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসরত পরিবারের শিশুদেরকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৯৩-৯৪ অর্থ বছর থেকে শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালে 'শিক্ষার বিনিময়ে খাদ্য' কর্মসূচি চালু হয়।

উল্লেখ্য:
- ১৯৭৪ সালে দেশব্যাপী চরম খাদ্যাভাব দেখা দিলে বিশেষ করে খাদ্যশস্যের উচ্চমূল্য এবং গ্রামীণ এলাকায় বেকারত্বের কারণে বৃহত্তর রংপুর জেলার মানুষ অনাহারের সম্মুখীন হলে সরকার 'ফুড ফর ওয়ার্ক' বা কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি চালু করে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,০৯২.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১০৭৬ সনে
  2. ১১৭৬ সনে
  3. ১৩৭৬ সনে
  4. ১২৭৬ সনে
ব্যাখ্যা
• ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত।
- তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানি খাজনা আদায়ের নামে সীমাহীন শোষণ আর লুণ্ঠন করে।
- পাশাপাশি সেই সময় (১৭৬৮-১৭৬৯) অনাবৃষ্টির কারণে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হয়।ফলে সৃষ্টি হয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ।
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (ইংরেজি ১৭৭০ সাল) এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ বলা হয়। 
- ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ষড়যন্ত্রের শিকার হয়ে ইংরেজদের কাছে পরাজিত হন।
- তখন থেকেই এ দেশে ব্যাপক সম্পদ লুণ্ঠন করতে থাকে ইংরেজরা।
- ১৭৬৫ সালে ইংরেজরা দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের কাছ থেকে বাংলা-বিহার-ওড়িশার দেওয়ানি লাভ করে।
- বাংলার নবাবের হাতে থাকে নামে মাত্র প্রশাসনিক ক্ষমতা। রাজস্ব আদায় ও আয়-ব্যয়ের হিসাব থাকে ইস্ট ইন্ডিয়া কম্পানির কাছে।
- ফলে ইতিহাসে দ্বৈত শাসন নামে শাসনব্যবস্থার সৃষ্টি হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
৯,০৯৩.
The Ekushey Padak award was first introduced in -
  1. 1972
  2. 1974
  3. 1975
  4. 1976
  5. 1977
ব্যাখ্যা
একুশে পদক ১৯৭৬:
- ১৯৭৬ সালে সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- এটি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

একুশে পদক-২০২৪:
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,০৯৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. ঢাকা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- ঢাকা (১০০৬৭ জন)।
- সবচেয়ে কম ঘনবসতিপূর্ণ জেলা- রাঙ্গামাটি (১০৬ জন)।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে। (২১৫৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে। (৬৮৮ জন)।
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বাস করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে (৫৯,৯০,৭২৩ জন)।
- সবচেয়ে কম জনসংখ্যা বাস করে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে (৭,০৮,৫৭০ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রংপুর সিটি কর্পোরেশনে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন)।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে রয়েছে - ঢাকা বিভাগ।
- ভাসমান জনসংখ্যার দিক দিয়ে সর্বনিম্ন অবস্থানে আছে - ময়মনসিংহ বিভাগ।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৯,০৯৫.
বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) কড়ই
  2. খ) শাল
  3. গ) বৈলাম
  4. ঘ) রেইনট্রি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উচ্চতম বৃক্ষ হলো বৈলাম। এই বৃক্ষ ২৪০ ফুট পর্যন্ত লম্বা হয়। বর্তমানে বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলা এবং কক্সবাজার জেলার ডুলাহাজাড়ায় বৈলাম বৃক্ষ দেখা যায়। তবে এ বৃক্ষটি বর্তমানে বিপন্নের পথে।
(সূত্রঃ দৈনিক সমকাল)
৯,০৯৬.
ঘাটু গানের বিষয়বস্তু কী?
  1. রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা
  2. শ্রমসংগীত
  3. মরমীবাদ
  4. মারেফাত
ব্যাখ্যা
ঘাটু গানের বিষয়বস্তু হলো রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা।

ঘাটুগান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
- এ গান প্রধানত ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চল, কুমিল্লা জেলার উত্তরাঞ্চল এবং সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চলে এক সময় ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো।
৯,০৯৭.
গণভোটে উল্লিখিত সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত প্রস্তাবনা কতটি?
  1. ৮৪টি
  2. ৪৭টি
  3. ৩০টি 
  4. ৩৭টি
ব্যাখ্যা

- জুলাই সনদে অনেকগুলো সংস্কার প্রস্তাব থাকলেও, গণভোট হয় কেবল সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত ৩০টি প্রস্তাব নিয়ে।

- বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে সংস্কার আনতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মোট ১১টি কমিশন গঠন করা হয়।
- সেই কমিশনের সুপারিশ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে বৈঠকে বসে ঐকমত্য কমিশন।
- সেখানে মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাব গৃহীত হয়।

- এরমধ্যে কিছু প্রস্তাবে সব দল একমত হয়, কিছু বিষয়ে ভিন্নমতের কারণে 'নোট অব ডিসেন্ট' দেয়া হয়।
- এই প্রস্তাবগুলোকে আবার দুইটি ভাগে ভাগ করে কমিশন।

- প্রথম অর্থাৎ 'ক' অংশে রাখা হয়, সংবিধান সংস্কার সাপেক্ষে ৪৭টি প্রস্তাব আর 'খ' অংশে রাখা হয় আইন বা অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের ৩৭টি প্রস্তাব।
-  এরমধ্যে কেবল সংবিধান সংস্কার বিষয়ক ৩০টি প্রশ্ন নিয়ে হবে এবারের গণভোট।

• যেসব প্রশ্ন থাকবে গণভোটের ব্যালটে:

⇒ ‘জুলাই সনদের আলোকে গণভোটের ব্যালটে উপস্থাপনীয় প্রশ্নে’ উল্লেখ করে বলা হয়, আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবগুলোর প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করছেন?

১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

২. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।

উৎস: নির্বাচন কমিশন এবং বিবিসি

৯,০৯৮.
নিচের কোনটি পৌরনীতি ও নাগরিকতা এর কেন্দ্রবিন্দু?
  1. পৌর বা নগর
  2. রাষ্ট্র
  3. জাতি
  4. নাগরিক
ব্যাখ্যা
- পৌরনীতি ও নাগরিকতা নামের মাঝেই এর বিষয়বস্তু লক্ষ্য করা যায়।
- এ বিষয়ের কেন্দ্রবিন্দু হল নাগরিক।
- রাষ্ট্রে বা প্রাচীন অর্থে পৌরের অধিবাসীর বিষয়বস্তুই পৌরনীতি ও নাগরিকতা'র বিষয়বস্তু।

এর পরিধি হল-
১. নাগরিকতা সম্পর্কিত বিষয়
২. রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানসমূহের আলোচনা
৩. নাগরিকের স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা
৪. নাগরিকের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত
৫. আচার-আচরণ নিয়ন্ত্রণ

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা দ্বিতীয় বর্ষ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,০৯৯.
ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হলে ব্যাংক থেকে আসা SMS-এ কি লিখা থাকে?
  1. Dr.
  2. Cr.
  3. Br.
  4. Lr.
ব্যাখ্যা
যে হিসাবের মাধ্যমে ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ জমা রাখে এবং তা থেকে উত্তোলনের সুযোগ, তাকে ব্যাংক হিসাব বলে। ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত ফরমে আবেদন করে অর্থ জমা দিয়ে হিসাব খুলতে পারে। ব্যক্তিক হিসাব ব্যক্তি নিজে এবং প্রতিষ্ঠানিক হিসাব দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি পরিচালনা করে। ব্যাংকে নগদ টাকা, চেক, ড্রাফট ইত্যাদি জমা দিলে তার হিসাবে যোগ বা ক্রেডিট (Credit) করা হয়। ব্যাংক হিসাবে টাকা জমা হলে ব্যাংক থেকে আসা SMS-এ (Credit, সংক্ষেপে Cr.) লিখা থাকে। আবার কোন চেক লিখে টাকা উত্তোলন করলে তার হিসাব থেকে বিয়োগ বা ডেবিট (Debit) করা হয়।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১০০.
১৯৯৬ সালে জেলা পরিষদের কাঠামোতে নিম্নের কোন পরিবর্তন আনা হয়?
  1. ক) প্রশাসক নিয়োগের বিধান রাখা।
  2. খ) আয়তনের ভিত্তিতে সদস্য সংখ্যা আনুপাতিকহারে নির্ধারণ করা।
  3. গ) সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি বাছাই করা।
  4. ঘ) নির্বাচিত প্রতিনিধি ছাড়া কর আরোপ স্থগিত করা।
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার সর্বোচ্চ স্তর হচ্ছে জেলা পরিষদ।
- মোঘল আমল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল সময়ে জেলা পরিষদ ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি এক আদেশে পূর্বের জেলা কাউন্সিলকে জেলা বোর্ড করেন এবং ১৯৭৬ সালে জেলা বোর্ডকে জেলা পরিষদ নামে অভিহিত করা হয়।
- ১৯৯৬ সালে জেলা পরিষদের কাঠামো পরিবর্তন করে সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিনিধি নির্বাচন করা হয়।
- বর্তমানে ৩ ধরনের সদস্যের সমন্বয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।
(ক) নির্বাচিত সদস্য
(খ) মনোনীত মহিলা সদস্য
(গ) সরকারী সদস্য নিয়ে জেলা পরিষদ গঠিত হয়।

জেলা পরিষদের অন্যতম লক্ষ্য হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ, থানা পরিষদ এবং গ্রাম পরিষদের কার্যাবলীর মধ্যে এবং জেলা শাসন ব্যবস্থার তদারকী করা।
জেলা পরিষদ মূলত ২ ধরনের কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে (ক) মৌল কার্যাবলী (খ) উন্নয়নমূলক কার্যাবলী।

মৌল কার্যাবলীর মধ্যে রয়েছে যেমন, পাঠাগার স্থাপন, হাসপাতাল ও চিকিৎসার উন্নয়ন, রাস্তাঘাট উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, সংক্রামক রোগ ব্যাধি নিরাময়, পানি সরবরাহকরন, বিবাহ রেজিষ্ট্রিকরন এবং খেলাধুলার ব্যবস্থাকরন।
অন্যদিকে, উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে রয়েছে যেমন, শিক্ষামূলক, স্বাস্থ্যমূলক, কৃষিমূলক, সমাজকল্যাণমূলক, গণপূর্ত উন্নয়নমূলক এবং সংস্কারমূলক।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।