বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৯ / ৩০৬ · ৮,৮০১৮,৯০০ / ৩০,৮৩২

৮,৮০১.
বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশের অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গত ৬ ডিসেম্বর ২০২০ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটানের সাথে দ্বিপাক্ষিক অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (PTA) স্বাক্ষর করেছে।
- এর ফলে বাংলাদেশের ১০০টি ও ভুটানের ৩৪টি পণ্য পরস্পরের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
৮,৮০২.
নীল বিদ্রোহ অবসানের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার কোন কমিশন গঠন করেছিল?
  1. র‍্যাডক্লিফ কমিশন
  2. ইন্ডিগো কমিশন
  3. মর্লি-মিন্টো কমিশন
  4. স্যাডলার কমিশন
ব্যাখ্যা
• নীল বিদ্রোহ:
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনী চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮০৩.
'বরেন্দ্র রিসার্চ সােসাইটি' কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়? 
  1. ক) দিনাজপুর জেলায় ১৯৩৫ সালে
  2. খ) রংপুর জেলায় ১৮৭২ সালে
  3. গ) রাজশাহী জেলায় ১৯১০ সালে
  4. ঘ) রাজশাহী জেলায় ১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ এর প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- এটি ১৯১০ সালে রাজশাহী তে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৬০ সালের ভারতীয় সমিতি আইন অনুযায়ী ১৯১৪ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর নিবন্ধন লাভ করে।

উৎসঃ রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
 
৮,৮০৪.
পাট থেকে স্যানিটারি প্যাড তৈরি করে এএসটিএমএইচ প্রতিযোগিতায় পুরস্কার জিতেছেন কোন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী?
  1. মেরিনা তাবাসসুম
  2. রোজিনা ইসলাম
  3. ফারহানা সুলতানা
  4. নুসরাত জাহান চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- নারী ও মেয়েদের মাসিক ব্যবস্থাপনাকে পরিবেশবান্ধব করার ক্ষেত্রে পাট থেকে প্রাপ্ত সেলুলোজ দিয়ে স্যানিটারি প্যাড তৈরির মেশিন বানিয়ে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআরবি) বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার জিতেছেন।
- আইসিডিডিআরবি’র সহকারী বিজ্ঞানী ফারহানা সুলতানা আমেরিকান সোসাইটি ফর ট্রপিক্যাল মেডিসিন অ্যান্ড হাইজিন (এএসটিএমএইচ) আয়োজিত ‘মহামারি ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় স্বাস্থ্য সম্মত বিশ্ব সম্প্রদায়’ শীর্ষক চতুর্থ ইনোভেশন পিস প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড পুরস্কার জিতেছেন।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৮০৫.
শিশুর কোন আচরণটি সামাজিক বিকাশের উদাহরণ?
  1. পড়াশোনায় ভালো ফল করা
  2. ছবি আঁকায় পারদর্শীতা
  3. বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা
  4. শ্রেণিকক্ষে নির্দেশ মেনে চলা
ব্যাখ্যা

সামাজিক বিকাশ:
- বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা সামাজিক বিকাশের উদাহরণ।
- সামাজিক বিকাশ বলতে শিশুর অন্যদের সাথে সম্পর্ক গড়া, সহযোগিতা ও নিয়ম মেনে চলার দক্ষতা বোঝায়।
- বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা এর সবচেয়ে স্বাভাবিক ও কার্যকর উদাহরণ, কারণ এতে শিশু পালা মেনে চলা, ভাগাভাগি ও দলগত কাজ শেখে।
- খেলার মাধ্যমে সহানুভূতি, যোগাযোগ ও মনমালিন্য সমাধানের ক্ষমতা বিকশিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্ররহম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৮,৮০৬.
পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ-
  1. সেন্ট মার্টিন দ্বীপ
  2. বাংলাদেশ
  3. ইতালি
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম ব-দ্বীপ সুন্দরবন।
- বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিন।
- এর স্থানীয় নাম নারিকেল জিঞ্জিরা।
- ছেঁড়া দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা দ্বীপ।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে রাতে নৌ চলাচলের সুবিধার জন্য ব্রিটিশ আমলে নির্মিত বাতিঘর আছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৮০৭.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) এর প্রধান কে?
  1. ক) অর্থ মন্ত্রী
  2. খ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরষিদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ যার প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো
৮,৮০৮.
বাংলাদেশে বর্তমানে কত প্রকারের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আছে?
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আছে- ৬টি।

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।
 • বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ, 
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ, 
- পৌরসভা, 
- সিটি কর্পোরেশন, 
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮,৮০৯.
সম্রাট আকবর কত বছর বয়সে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন?
  1. ১২
  2. ১৩
  3. ১৪
  4. ১৬
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:

• সম্রাট আকবর ১৩ বছর বয়সে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
• ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর তিনি জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর নাম ধারণ করে দিল্লির মোগল সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
• সম্রাট আকবর ১৫৬১ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৬০১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তাঁর রাজ্য জয় ও সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
• এ সময়ের মধ্যে তিনি উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে কৃষ্ণা নদী এবং পশ্চিমে হিন্দুকুশ থেকে পূর্বে ব্রহ্মপুত্র পর্যন্ত এক বিশাল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
• ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে আকবর আফগান শাসক আদিল শাহ সুরের সেনাপতি হিমুকে পরাস্ত করেন।
• ১৫৬৭ খ্রিস্টাব্দে আকবর মেবারের রাজধানী চিতোর আক্রমণ করেন। 
• সম্রাট আকবর ১৫৮১ খ্রিস্টাব্দে কাবুল আক্রমণ করেন। 
• ১৬০১ খ্রিস্টাব্দে আকবর দুর্ভেদ্য দুর্গ আসিরগড় অধিকার করেন এটিই ছিল তাঁর সর্বশেষ রাজ্য জয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮১০.
বাংলাদেশে ভােটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ১৮
  2. ১৯
  3. ২০
  4. ২১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগে বর্ণিত "নির্বাচন" অধ্যায়ে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভূক্তি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা - 
(১) প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকার ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হোন;
(খ) তাহার বয়স আঠারো (১৮) বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী সর্বনিম্ন বয়স - ২৫ বছর,
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স - ৩৫ বছর।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৮১১.
মুসলিম যুগে 'লক্ষ্মণাবতী' নামে পরিচিত ছিল কোন জনপদ?
  1. বঙ্গ
  2. সমতট
  3. গৌড়
  4. হরিকেল
ব্যাখ্যা
⇒ মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষ্মণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

গৌড়:
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলো যে যুগে যুগে সীমানা সম্প্রসারণ করেছে তার বড় উদাহরণ হলো গৌড়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- পূর্ব ভারতীয় দেশসমূহের সামগ্রিক নাম হিসেবে এমনকি উত্তর ভারতের আর্যাবর্তের নাম হিসেবেও কখনো কখনো গৌড়ের ব্যবহার দেখা যায়।
- সর্বপ্রথম পাণিনির গ্রন্থে গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- ব্যাপক অর্থে ‘গৌড়' বলতে অনেক সময় বাংলা ভাষাভাষী সমগ্র অঞ্চলকে বুঝাত।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮১২.
নিচের কোনটি সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হিসেবে পরিচিত?
  1. ক) গজারি
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) গরান
ব্যাখ্যা

- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ , নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮১৩.
প্রোটেস্টান্টানিজমের সূচনা করেন কে?
  1. ক) সেন্ট অগাস্টিন
  2. খ) মার্টিন লুথার
  3. গ) থমাস একুইনাস
  4. ঘ) সেন্ট পিটার লোম্বার্ড
ব্যাখ্যা
ষোড়শ শতকে জার্মান ধর্মযাজক মার্টিন লুথার প্রচলিত পোপ নিয়ন্ত্রিত চার্চতন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠেন। তার এই প্রতিবাদে মাধ্যমে প্রতিবাদী খ্রিস্টধর্ম বা প্রোটেস্টানিজমের সূচনা ঘটে।
এর অংশ হিসেবে ১৫৪৩-১৫৫৫ সময়ে জার্মানিতে ক্যাথলিক ও প্রোটেস্টান্টদের মধ্যে গৃহযুদ্ধ সংঘটিত হয়। পরবর্তীতে অগসবার্গের সন্ধির মাধ্যমে এই সংঘাত অবসান হয় এবং খ্রিস্টান প্রোটেস্টেন্ট সম্প্রদায়ের উদ্ভব ঘটে।
(সূত্রঃ আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৮,৮১৪.
জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করা হয় কোন স্থানে?
  1. ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
  2. কাসিমপুর কারাগারে
  3. কেরানিগঞ্জ কারাগারে
  4. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
জেল হত্যা:

- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগের চারজন সিনিয়র নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছিল।
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে এ দিবস পালন করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর আওয়ামী লীগ নেতৃত্ব যখন অনেকটা দিশেহারা, সে সময় দলের গুরুত্বপূর্ণ এই চার নেতাসহ অনেককে বন্দি করা হয়েছিল।
- শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীরা দেশ থেকে নির্বাসিত হওয়ার পূর্বে পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আটকরত চার জাতীয় নেতাকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- কতিপয় সেনা কর্মকর্তা পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আটক এই চার নেতাকে গুলি করে এবং বেয়নেট দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮১৫.
ড. স্মিথ কোন শাসককে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন?
  1. কুমার গুপ্ত
  2. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  3. সমুদ্রগুপ্ত
  4. শ্রীগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮১৬.
বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার কয়টি?
  1. ২৩টি
  2. ২৪টি
  3. ২৬টি
  4. ২৭টি
ব্যাখ্যা
সিভিল সার্ভিস ক্যাডার:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের - মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার - মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।
- বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সঙ্গে বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডার একীভূত করার ব্যবস্থা নেওয়ায় এ দুটি ক্যাডারের কর্মকর্তাদের আগ্রহেই সিভিল সার্ভিসে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।
- ফলে ১৯৮০ সালে অন্যান্য ক্যাডারের সঙ্গে সৃষ্ট ইকোনমিক ক্যাডার এখন বিলুপ্ত।
- Services (Reorganization and Conditions) Act, 1975,এর ধারা ৪-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ পুনর্গঠন কাজ সুসম্পন্ন করেছে। 

তথ্যসূত্র - কর্ম কমিশনের ওয়েবসাইট।
৮,৮১৭.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন প্রকার বনাঞ্চল?
  1. ক্রান্তীয় পাতাঝরা বনাঞ্চল
  2. শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল
  3. মিঠাপানির জলাভূমির বনাঞ্চল
  4. চিরহরিৎ বনাঞ্চল
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৮১৮.
নিচের কোন ক্ষুদ্র জাতিসত্তা সিলেট জেলায় বাস করে না?
  1. তঞ্চঙ্গা
  2. খাসিয়া
  3. মনিপুরি
  4. পাঙন
ব্যাখ্যা
তঞ্চঙ্গা:
- পার্বত্য চট্টগ্রামের কতিপয় পাহাড়ি জাতির মতো তনচংগ্যাদের আবাসভূমিও গড়ে ওঠে নদী সংলগ্ন উপত্যকায়।
- পার্বত্য চটগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার রইস্যাবিলি ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশেপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তনচংগা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।

অন্যদিকে:
- মণিপুরি, পাত্র, খাসিয়া, চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, পাঙন সিলেট জেলায় বাস করে।

তথ্যসূত্র - সিলেট জেলা ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট।
৮,৮১৯.
লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৬৭৮ সালে
  2. ১৬৭৯ সালে
  3. ১৬৭৩ সালে
  4. ১৬৭২ সালে
ব্যাখ্যা

• লালবাগ কেল্লার ইতিহাসঃ
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে। 
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন। 
- যদিও আজম শাহ খুব কম সময়ের জন্যেই মুঘল সম্রাট হিসেবে ছিলেন। 
- তবুও তার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তার এই অসাধারণ কাজটি শুরু করেন।
- উল্লেখ্য আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি, 
- এই দুর্গ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় এক বছরের মাথায় তার বাবার ডাকে তাকে দিল্লিতে চলে যেতে হয় ।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। 
- তখন এই দুর্গ নির্মাণের কাজ আদৌ সম্পূর্ণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
- তৎকালীন নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে। 
- পুরো উদ্যমে আবার কাজ চলতে থাকে দুর্গ নির্মাণের।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৮২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৫.৮২%
  2. ৫.৬%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৬.৮২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- ২য় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
- মোট জনসংখ্যা ১৭১ মিলিয়ন (২০২৩ শুমারি)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩%
- সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৭.৯% (পুরুষ ৮০.১ মহিলা ৭৫.৮ শতাংশ)
- দারিদ্রের হার ১৮.৭ %,চরম দারিদ্র্যের হার ৫.৬%
- জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%।
- মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট ব্যাংক ৬১ টি
- রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি
- বেসরকারি ব্যাংক ৪৩ টি
- বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি,নন ব্যাংক ফিনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান ৩৫টি।
- মুদ্রাস্ফীতি ৯.৭৪%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮,৮২১.
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মনোগ্রামে কতটি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ৪
  2. খ) ৫
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম হচ্ছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপর দিকে লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের দু'পাশে দু'টি করে মোট চারটি তারকা চিহ্ন আছে।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার এ. এন. সাহা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৮২২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে একমাত্র মুসলমান জনগোষ্ঠী কোনটি?
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. চাকমা 
  4. পাঙাল
ব্যাখ্যা

মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে। 
- পাঙাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তারা মুসলিম মণিপুরি নামেও পরিচিত।
- তারা পারিবারিকভাবে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিশ্বাসী।
- বাংলাদেশে তাদের প্রধান বসতি সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে হলেও, বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মণিপুর, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যেও পাঙাল জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা বসবাস করে।
- জাতিগতভাবে তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু ধর্মীয় দিক থেকে তারা সুন্নি মুসলিম এবং ইসলামই তাদের প্রধান ধর্ম।
- ভাষাগতভাবে তারা মণিপুরি (মেীতৈ) ভাষার একটি স্বতন্ত্র উপভাষা ব্যবহার করে, যা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে স্পষ্ট করে।
- ধর্মবিশ্বাস ও কিছু সামাজিক রীতিনীতিতে তারা মূলধারার বাঙালি মুসলমানদের থেকে কিছুটা ভিন্ন হলেও, তারা প্রথাগত মুসলিম আচার-অনুশীলন মেনে চলে।
----------------------
অন্যদিকে,
- গারো জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী ও আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- সাঁওতালরা প্রধানত সারি ধর্ম বা সারনা ধর্ম অনুসরণ করে।
- চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষ থেরবাদী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। 

উৎস: BBC News, বনিক বার্তা ও বাংলাপিডিয়া। 

৮,৮২৩.
“হার্ডিঞ্জ ব্রিজ” - কোন দুটি জেলাকে সংযুক্ত করে?
  1. ক) সিরাজগঞ্জ - পাবনা
  2. খ) পাবনা - বগুড়া
  3. গ) সিরাজগঞ্জ - কুষ্টিয়া
  4. ঘ) কুষ্টিয়া - পাবনা
  5. ঙ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
হার্ডিঞ্জ ব্রিজ বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারা উপজেলা থেকে পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পাকশী রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন একটি রেলসেতু। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘ রেলসেতু হিসেবে পরিচিত। পাবনা জেলার পাকশি রেলস্টেশনের দক্ষিণে পদ্মা নদীর উপর এই সেতুটি অবস্থিত। এই সেতুর নির্মাণকাল ১৯০৯-১৯১৫।
৮,৮২৪.
বর্তমানে (২০২৪) বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর কে?
  1. আদ্রে আজুলে
  2. ডেভিড ম্যালপাস
  3. আবদৌলায়ে সেক
  4. ট্রেডস আধানম
ব্যাখ্যা
কান্ট্রি ডিরেক্টর:
 
- বাংলাদেশ ও ভুটানে বিশ্বব্যাংকের কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আবদৌলায়ে সেক।
- এর আগে সেক ক্যামেরুন, মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র, গিনি, গ্যাবন ও কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে কান্ট্রি ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- এ ছাড়া তিনি বিশ্বব্যাংকের আফগানিস্তানে অপারেশন ম্যানেজার, মিয়ানমার এবং মলদোভাতে কান্ট্রি ম্যানেজার ছিলেন।
- অর্থনৈতিক সংস্কার, প্রবৃদ্ধি কৌশল ও উন্নয়ন নীতি ঋণ দেওয়ার জন্য সিনিয়র অর্থনীতিবিদসহ কয়েকটি পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩ জানুয়ারি, ২০২৩।
৮,৮২৫.
নিচের কোনটি শেরশাহের রাজস্ব সংস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়?
  1. পাট্টা
  2. কবুলিয়ত
  3. দাম
  4. ক ও খ উভয়ই
ব্যাখ্যা
রাজস্ব সংস্কার:
- রাজস্ব সংস্কার শেরশাহের অন্যতম সফলতা।
- তার আগে রাজস্ব নির্ধারণের জন্য কোনো ভূমি জরিপের ব্যবস্থা ছিল না।
- প্রথমবারের মতো শেরশাহই ভূমি জরিপের ব্যবস্থা করেছিলেন।
- তিনি জমির উর্বরা শক্তির তারতম্য অনুসারে রাজস্ব নির্ধারণ করেছিলেন।
- এক্ষেত্রে শস্য কিংবা নগদ অর্থে রাজস্ব আদায় করা যেত।
- শেরশাহ প্রথম 'পাট্টা' ও 'কবুলিয়ত' প্রথা চালু করেন।
- সরকারের পক্ষ থেকে জমির উপর কৃষকের সত্ত্ব স্বীকার করে পাট্টা দেয়া হতো।
- কৃষকরা তাদের অধিকার, দায়িত্ব ও দাবি বর্ণনা করে কবুলিয়ত নামক দলিল সম্পাদন করে দিত। 

মুদ্রা নীতি:
- ভারতবর্ষের মুদ্রানীতিতে প্রথম উপযুক্ত সংস্কার সাধিত হয় শেরশাহের শাসনকালে।
- তিনি বিশেষ ধরনের রৌপ্য মুদ্রার প্রচলন করেছিলেন। এর পাশাপাশি তিনি স্বর্ণ মুদ্রারও প্রবর্তন করেছিলেন।
- তিনি 'দাম' নামে নতুন তাম্র মুদ্রার বহুল প্রচলন করেন।
- সিকি, আধুলি, দুয়ানি প্রভৃতি শেরশাহের প্রবর্তিত মুদ্রার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল।
- শেরশাহের মুদ্রাগুলো উপাদানে নির্ভেজাল, ওজনে নির্ভেজাল ও গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে অনন্য ছিল।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
৮,৮২৬.
১৯৭০ এর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরাসরি কয়টি আসনে জয়লাভ করে?
  1. ক) ২৯৮টি
  2. খ) ১৬০টি
  3. গ) ১৬৮টি
  4. ঘ) ২৮৮টি
ব্যাখ্যা
• ১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
• জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
• আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসন নিয়ে মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি। 

অন্যদিকে, 
• প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
• সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি,  পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,৮২৭.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (আরডিএ): 
- স্বাধীনতাত্তোর ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রাথমিক পর্যায়ে যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছিলেন তার মধ্যে দেশের দারিদ্রপীড়িত উত্তরাঞ্চলে পল্লী উন্নয়ন ভিত্তিক প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা অন্যতম।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ২.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদানের মাধ্যমে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- পরবর্তীতে ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- অবস্থান: শেরপুর, বগুড়া। 
- একাডেমির মূল দায়িত্ব প্রশিক্ষণ, গবেষণা, প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনা ও পরামর্শ সেবা প্রদান করা।
- একাডেমি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে উল্লিখিত দায়িত্ব সফলভাবে পালন করে আসছে।
- বর্তমানে আরডিএ সুনির্দিষ্ট ভিশন ও মিশনকে সামনে রেখে কর্মকান্ড পরিচালনা করে  যাচ্ছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৮২৮.
স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে যে আন্দোলন সংঘটিত হয়েছিল, তার নাম কী?
  1. খিলাফত আন্দোলন
  2. আলীগড় আন্দোলন
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. ফকির বিদ্রোহ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
স্যার সৈয়দ আহমদ খান:
- ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সৈয়দ আহমদ খানের জন্ম হয়।
- কোম্পানির অধীনে ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেরেস্তাদারের চাকুরী গ্রহণ করেন এবং পরে সাব জজ পদে উন্নীত হন।
- তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বৃটিশ সরকার ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- সৈয়দ আহমদ খান ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে আলীগড়ে ‘মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- দু’বছর পরে এটি কলেজে উন্নীত হয়।

• আলীগড় আন্দোলন:
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন সংঘটিত হয়।

⇒ ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- এ কলেজ প্রতিষ্ঠার পর আলীগড় ভারতীয় মুসলমানদের ধর্মীয়, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে।
- পরবর্তীকালে আলীগড় কলেজ ভারতীয় মুসলমানদের রাজনৈতিক জীবনকেও প্রভাবিত করেছিল।

অন্যদিকে -
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- মজনু শাহ ফকির বিদ্রোহের নেতা ছিলেন।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮২৯.
রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স -
  1. ১৮ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩৫ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৮৩০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২, অনুসারে দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত? (সেপ্টেম্বর-২০২৫)
  1. ৭২.০০%
  2. ৭৪.৮০%
  3. ৭৫.২৫%
  4. ৭৬.৫০%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৮,৮৩১.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সার কারখানা কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৬২ সালে
  2. ১৯৭১ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা
• সার শিল্প (Fertilizer Industry) :
- ১৯৬১ সালে বাংলাদেশে প্রথম সার কারখানা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ স্থাপিত হয়।
- বর্তমানে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
- সার কারখানাগুলো হচ্ছে ঘোড়াশাল ইউরিয়া সার কারখানা,
- আশুগঞ্জ জিয়া সার কারখানা,
- পলাশ ইফরিয়া সার কারখানা,
- চট্টগ্রাম ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানা,
- চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা,
- যমুনা সার কারখানা ও ফেঞ্চুগঞ্জ ন্যাচারাল গ্যাস সার কারখানা।
-  সবকয়টি সার কারখানা থেকে ৫.৯১ লক্ষ টন সার উৎপাদিত হয়।

উৎস: এইচ এস সি  প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৩২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫১
  2. অনুচ্ছেদ ৫২
  3. অনুচ্ছেদ ৫৩
  4. অনুচ্ছেদ ৫৪
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮,৮৩৩.
হোসেনি দালান নির্মান করেন কে ?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) মীর মুরাদ
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) মীর জুমলা
ব্যাখ্যা

- ১৭শ শতকে সম্রাট শাহজাহানের আমলে নির্মাণ করা হয় হোসেনি দালান।
- এটি পুরান ঢাকার চাঁনখারপুল হোসেনি দালান রোডে অবস্থিত।
- প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই হোসেনি দালান ইমামবাড়া নামেও পরিচিত।
- হোসেনি দালান বা ইমামবাড়ার প্রাচীরের শিলালিপি থেকে জানা যায়, শাহ সুজার সুবেদারির সময় তার এক নৌ-সেনাপতি মীর মুরাদ এটি নির্মাণ করেন।
- হিজরি ১০৫২ সনে অর্থাৎ ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দের প্রথমে তাজিয়া কোনা নির্মাণ করেন তিনি ।

- ১৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে শায়েস্তা খান হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও নবম-দশম শ্রেণি (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা -৭ম অধ্যায়)।

৮,৮৩৪.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. মালা
  2. ময়না
  3. প্রগতি
  4. প্রভাতী
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৮,৮৩৫.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  3. গ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

৮,৮৩৬.
২০০০ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে মোট কয়টি দেশ?
  1. ১৭৮টি
  2. ১৮১টি
  3. ১৮৮টি
  4. ১৯০টি
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কো বাংলাদেশের বাঙালি জনগোষ্ঠীর ভাষার জন্য আত্মত্যাগকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষনা করে।
- প্রতিবছর ২১ শে ফেব্রুয়ারি ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ২০০০ সালের ২১ শে ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেস্কোর পর জাতিসংঘও ২১ শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে এ স্বীকৃতি দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭।
৮,৮৩৭.
কত সালে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।

⇒ প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে। শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলেন জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), ডিজাইন করেছিলেন বদরুল আলম। সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরেরপিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

⇒ বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৮৩৮.
দেশে প্রথমবারের মতো লোহার খনি কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৮৩৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিধান রয়েছে কতটি পদের জন্য?
  1. ৭টি 
  2. ৮টি 
  3. ৯টি 
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে। 

বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। (Link) 

৮,৮৪০.
বাংলাদেশের সংবিধানে অনুচ্ছেদ কতটি?
  1. ১৫১ ‍টি
  2. ১৫৩ ‍টি
  3. ১৪৭ ‍টি
  4. ১৫২ ‍টি
ব্যাখ্যা

• সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফুল ইসলাম।

৮,৮৪১.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সংখ্যা কত জন ছিল?
  1. ক) ৩২জন
  2. খ) ৩৩জন
  3. গ) ৩৪জন
  4. ঘ) ৩৫জন
ব্যাখ্যা
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ‘একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' (Draft Constitution Committee) গঠিত হয়
- এ কমিটিতে সংসদে নারী আসন থেকে বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন একমাত্র মহিলা সদস্য।
- কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠক মিলিত হয়।
- কমিটি ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- খসড়া সংবিধান নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা শেষে ১১ অক্টোবর কমিটির শেষ সভায় সংবিধানের পূর্ণাঙ্গ খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।
- বঙ্গবন্ধুর সরকার মাত্র দশ মাসে বাংলাদেশকে একটি সংবিধান উপহার দিতে সক্ষম হয়।
- এটি বঙ্গবন্ধু সরকারের সবচেয়ে বড় সফলতাগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৪২.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র নিচের কোনটি?
  1. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  2. শ্যামল ছায়া
  3. জয়যাত্রা
  4. ওরা এগারো জন
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
৮,৮৪৩.
উইং কমান্ডার এম.কে. বাশার মুক্তিযুদ্ধের কততম সেক্টর প্রধান ছিলেন?
ব্যাখ্যা
৬ নং সেক্টর:

- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
- এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়। 
- সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল পাটগ্রামের নিকটবর্তী বুড়িমারিতে।
- এটিই ছিল একমাত্র সেক্টর যার হেড কোয়ার্টার ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৮৪৪.
খরা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৫৬
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

৮,৮৪৫.
কোন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. '৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন
  3. ছয় দফা
  4. গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাবলি: 
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ফলে এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে। 
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- ড. জোহার মৃত্যুসংবাদে সারাদেশে এমন ব্যাপক গণবিক্ষোভ সৃষ্টি হয় যে, সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৪৬.
ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনের শহীদ নন-
  1. শহীদ রুস্তম
  2. মতিউর রহমান
  3. রফিক উদ্দিন
  4. আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা

- রফিক উদ্দিন ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ।
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম উনারা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৪৭.
সংবিধানের কততম সংশোধনীতে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানে সংযোজন করা হয়?
  1. ক) চতুর্দশ
  2. খ) পঞ্চদশ
  3. গ) ষোড়শ
  4. ঘ) সপ্তদশ
ব্যাখ্যা
সংবিধান আইন ২০১১ (পঞ্চদশ সংশোধনী) পাস হয় ২০১১ সালের ২৫ জুন
এই সংশোধনীতে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ও ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানে সংযোজন করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৮৪৮.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় কয়টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. একটি
  2. তিনটি
  3. দুইটি
  4. চারটি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স: 

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।

১/  জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে 'জেড' ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

২/ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে 'এস' ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

৩/ খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে 'কে' ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৮,৮৪৯.
মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর ছিল -
  1. মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায়
  2. ঢাকায়
  3. গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়
  4. কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। 
- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। 
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান। 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
মুজিবনগর সরকার:
- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান,
- উপ-রাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়: খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থ মন্ত্রণালয়: এম. মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়: এ এইচ এম কামরুজ্জামান,
- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী,
- চিফ অব স্টাফ: লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব, 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৫০.
দুই টাকার নোটে কার স্বাক্ষর থাকে?
  1. অর্থ সচিব
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
 - বর্তমানে দুই টাকা ও পাঁচ টাকা এই দুটি মুদ্রা সরকারি নোট বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের নামে ইস্যু করা হয়।
- এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- দশ থেকে এক হাজার টাকার নোট ব্যাংক নোট হিসেবে পরিচিত।
- এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর। [লিঙ্ক]
৮,৮৫১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৬.১%
  3. ৭.৭%
  4. ৮.৩%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৮,৮৫২.
বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়-
  1. ২ মার্চ, ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
জাতীয় পতাকা:

- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- প্রথম অবস্থায় পতাকার কেন্দ্রস্থলে বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত ছিল।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে পতাকা উত্তোলন করেন। সে পতাকার আদলে মুজিবনগর সরকার জাতীয় পতাকার নমুনা নির্ধারণ করেন।
- শিবনারায়ণ দাস বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার অন্যতম এবং মূল নকশাকার।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২।
৮,৮৫৩.
সার্বিকভাবে বাংলাদেশের জিডিপি কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি 
  2. ১৯টি 
  3. ২১টি
  4. ২৩টি
ব্যাখ্যা

→  সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব: 
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%। 

- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮,৮৫৪.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটের আকার কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা
  2.  ৭ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৭ লাখ ৭৯ হাজার কোটি টাকা
  4. ৭ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

 • বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

৮,৮৫৫.
বাংলাদেশের সংবিধান কয়টি ভাষায় লিখিত?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- অর্থাৎ বাংলাদেশের বিজয় দিবসের প্রথম বার্ষিকী হতে এটি কার্যকর হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান দুইটি ভাষায় লিখিত।
- এগুলো হলো বাংলা ও ইংরেজি।
- তবে ইংরেজি ও বাংলার মধ্যে অর্থগত বিরোধ দৃশ্যমান হলে বাংলা রূপ অনুসরণীয় হবে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৮৫৬.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় কখন?
  1. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে
  3. ০২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন।
- ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ গেজেট আকারে প্রকাশ করা হয়।
- তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৭ই এপ্রিল তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,৮৫৭.
শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট কত সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে?
  1. ১৫ সদস্যবিশিষ্ট
  2. ১৪ সদস্যবিশিষ্ট
  3. ১০ সদস্যবিশিষ্ট
  4. ১২ সদস্যবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

নির্বাচন-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ: 
- শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ জয় শুরু থেকেই মুসলিম লীগ সুনজরে দেখেনি।
- তারা যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আরম্ভ করে।
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২১শে ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটি ও বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিলে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- কেন্দ্রীয় সরকার সুযোগ খুঁজতে থাকে যেকোনো অজুহাতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করতে।
- ১৯৫৪ সালের ৩০শে মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন জারি করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।

৮,৮৫৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয়?
  1. নবম সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

⇒ দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
• রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
• প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
• প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,৮৫৯.
চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব কোনটি?
  1. ক) ওয়ানগালা
  2. খ) বৈশাখী পূর্ণিমা
  3. গ) মাঘী পূর্ণিমা
  4. ঘ) বিজু
ব্যাখ্যা
চাকমা

- চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী। তাদের অধিকাংশ গ্রামে ‘কিয়াং’ বা বৌদ্ধ মন্দির রয়েছে। 
- চাকমাদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বৈশাখী পূর্ণিমা। গৌতম বুদ্ধের জন্ম, মৃত্যু ও বুদ্ধত্ব প্রাপ্তির দিন এটি।
- তাছাড়া ‘মাঘী পূর্ণিমার' রাতে কিয়াং বা প্যাগোডার প্রাঙ্গণে গৌতম বুদ্ধের সম্মানে ফানুস উড়ায়। 

তথ্যসূত্র:- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
৮,৮৬০.
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন -
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) বগুড়া
  4. ঘ) পাবনা
ব্যাখ্যা
• বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন – ঢাকা বিভাগ - (৬২,৩৭৩.৬৫ মে.টন)। 
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন - ফরিদপুর জেলা (৭,৩৮,৫৮০ মে.টন)।

অন্যদিকে,
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন - বগুড়া জেলা (১২,৩০,৫০১ মে.টন)।
• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ উৎপাদন - পাবনা জেলা (৫,০৯,২২৬ মে.টন)।

তথ্যসূত্র:- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২১।
৮,৮৬১.
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. ঢাকা
  3. গাজীপুর
  4. মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।

৮,৮৬২.
বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়?
  1. ক) শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
  2. খ) আলাউদ্দিন হােসেন শাহ
  3. গ) গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  4. ঘ) নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
• বাংলার আলাউদ্দিন হুসেন শাহ এর শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়। 

• হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে ১৪৯৩ সালে বাংলার সিংহাসনে বসেন - সৈয়দ হোসেন। সুলতান হয়ে তিনি ''আলাউদ্দিন হুসেন শাহ'' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় ''হুসেন শাহী বংশ'' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়। রাজধানী ছিল - গৌড়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহী আমল (১৪৯৩ - ১৫৩৮) ছিল সবচেয়ে গৌরবময়।
- তিনি বাংলার শ্রেষ্ঠ শাসক হিসাবে পরিগণিত হন।

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ: 
• কৃতিত্ব:
- মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসে হোসেন শাহের রাজত্বকাল একটি অত্যুজ্জ্বল অধ্যায়। তার রাজত্বকালে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- তিনি কামরূপ ও কামতা জয় করেন। ঊড়িষ্যা ও ত্রিপুরা  রাজ্যের কিছু অংশ তার শাসনভুক্ত হয়। তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতারিত করেন।
- বাংলার রাজনীতি হাবসি দাসদের প্রভাবমুক্ত করেন। প্রশাসন ব্যবস্থা সুদৃঢ় করেন।
- ক্ষমতা গ্রহনের অল্প সময়ের মধ্যে রাজ্যের অরাজকতা ও বিশৃঙ্খলা দূর করে শান্তি ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনেন।
- দিল্লীর লোদী আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য রাজ্যের সবরকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন।
- হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি তৈরিতে তার প্রচেষ্টা তৎকালীন সমাজ জীবনকে প্রভাভিত করেছিল।
- তিনি ছিলেন সাহিত্যানুরাগী। তার পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা সাহিত্যের ব্যাপক উন্নতি ও বিকাশ লাভ করে। তার সময়ের বিখ্যাত কবিরা ছিলেন - রূপ গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয়গুপ্ত, বিপ্রদাস পিপিলাই, পরাগল খান প্রমুখ।

সূত্র: মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৮৬৩.
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারপারসন কে?
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নর
  3. গ) পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারপারসন হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারপারসন অর্থমন্ত্রী।
- ভাইস চেয়ারপারসন পরিকল্পনামন্ত্রী।
- পরিকল্পনা বিভাগের সচিব কমিশনের সদস্য সচিবের দায়িত্ব পালন করেন।
- এছাড়া আরও ছয়জন সদস্য সহ সর্বমোট ১০ জনের সমন্বয়ে পরিকল্পনা কমিশন গঠিত।

(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট)
৮,৮৬৪.
Which Article of Bangladesh Constitution mentions 'Annual Financial Statement'?
  1. ক) 87
  2. খ) 103
  3. গ) 99
  4. ঘ) 91
ব্যাখ্যা
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ  আইন।  
- গ্ণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের এগারোটি ভাগ ও চারটি সিডিউলে বিন্যস্ত মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- ভাগগুলো হচ্ছে: প্রজাতন্ত্র, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি, মৌলিক অধিকার, নির্বাহী, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা, আইনসভা, আইন প্রণয়ন ও আর্থিক পদ্ধতি, অধ্যাদেশ জারির ক্ষমতা, বিচার বিভাগ, নির্বাচন, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশের কর্মবিভাগ, পাবলিক সার্ভিস কমিশন, জরুরি বিধানাবলি, সংবিধান সংশোধন।
বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৭অনুযায়ী বার্ষিক আর্থিক বিবৃতির কথা বলা হয়েছে। 
অন্যদিকে, 
অনুচ্ছেদ ১০৩ - আপিল বিভাগের এখতিয়ার।
অনুচ্ছেদ ৯৯ - বিচারকগ্ণের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত ক্ষমতার মঞ্জুরি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৮৬৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ৮নং
  2. ৯নং
  3. ১০নং
  4. ১১নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিল ১০ নং সেক্টরের অধীনে।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৮৬৬.
বরিশাল বিভাগে জেলা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
ব্যাখ্যা

• বরিশাল বিভাগের জেলা সংখ্যা ছয়টি।
• জেলাগুলো হলোঃ
- বরিশাল,
- পটুয়াখালী,
- ঝালকাঠি,
- পিরোজপুর,
- ভোলা ও
- বরগুনা।
উৎসঃ বরিশাল বিভাগের ওয়েবসাইট।

৮,৮৬৭.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  2. রাষ্ট্রপ্রতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. এটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রীর :
- রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিকাংশ সদস্যের আস্থাভাজন সাংসদকেই (সংসদ সদস্য) প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করেন।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারপ্রধান।
- তিনি সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- প্রধানমন্ত্রী সংসদ নেতা ও মন্ত্রিসভার প্রধান।
- তিনিই মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে বা সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন ঘটে।
- প্রধানমন্ত্রীকে কেন্দ্র করে দেশের সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে আসছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮,৮৬৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, দেশের কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. খুলনা
  2. বরিশাল
  3. রংপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর মূল শুমারির তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ১৫ হতে ২১ জুন ২০২২ সময়ে দেশব্যাপী পরিচালিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।

⇒ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।

⇒ ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
⇒ রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।

⇒ শহর (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) -৪১.৩০%।
- গ্রাম (ইন্টারনেট ব্যবহারকারী) - ২৫.৭৩%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
৮,৮৬৯.
কোন সুবাদারের সময় থেকে বাংলার নবাবী শাসন শুরু হয়?
  1.  ইসলাম খান
  2.  শায়েস্তা খান
  3. আলীবর্দী খান
  4. মুর্শিদকুলী খাঁন
ব্যাখ্যা

মুর্শিদকুলী খান ও নবাবী আমলের সূচনা:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়। বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- মুর্শিদকুলী খানের প্রাথমিক জীবন খুবই চমকপ্রদ।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- পরে তিনি সুবেদার হন।
- মুর্শিদকুলী খানের রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল যুগোপযোগী।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। 
- মুর্শিদকুলী খানের কোনো পুত্র সন্তান ছিল না।
- তাঁর উত্তরাধিকার হিসেবে কন্যা জিনাত-উন-নেসার স্বামী সুজাউদ্দীন খান (১৭২৭-১৭৩৯ খ্রি.) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সিংহাসনে বসেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৮৭০.
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. ধামরাই
  3. আশুলিয়া
  4. যাত্রাবাড়ি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরায় অবস্থিত।
- ২০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এ শিল্প নগরী।
- রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্পকে ২০১৭ সালে স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরের চামড়া শিল্প নগরীতে। 
- ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজধানীর হাজারীবাগ ছিল ট্যানারি শিল্পের বৃহৎ ঠিকানা।
=  হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে ২০০৩ সালে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প হাতে নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। মোট ১২ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় এ নগরী।

উৎস: বণিক বার্তা।

৮,৮৭১.
বাংলাদেশের জাতীয় নাট্যশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ধানমন্ডি
  2. খ) মিরপুর
  3. গ) বেইলি রোড
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
• শিল্পকলা একাডেমি:
- বাংলাদেশের 'জাতীয় নাট্যশালা' সেগুনবাগিচায় শিল্পকলা একাডেমীতে অবস্থিত।
- রূপকল্প - শিল্প সংস্কৃতি ঋদ্ধ সৃজনশীল মানবিক বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- জাতীয় সংস্কৃতির গৌরবময় বিকাশকে অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বাংলাদেশের সকল জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে শিল্পকলার চর্চা ও বিকাশের উদ্দেশে ১৯৭৪ সালে ১৯ ফেব্রুয়ারি একটি বিশেষ আইন দ্বারা এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ছয়টি বিভাগ নিয়ে গঠিত।
- বিভাগগুলো হলো: চারুকলা বিভাগ, নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ, সংগীত নৃত্য ও আবৃত্তি বিভাগ, গবেষনা ও প্রকাশনা বিভাগ, প্রশিক্ষণ বিভাগ, প্রযোজনা বিভাগ।
- ছয়টি বিভাগ পরিচালিত হয় ছয় জন পরিচালকের দায়িত্বে।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- সরকার কর্তৃক নিযুক্ত এই মহাপরিচালকই সার্বিক প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমান মহাপরিচালক জনাব লিয়াকত আলী লাকী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৮,৮৭২.
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
  2. স্বাধীনতার ঘোষণা
  3. শপথ ও ঘোষণা
  4. ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল:  শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা (বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত)।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (মুজিবনগর সরকার জারিকৃত)।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৮৭৩.
‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি বাস্তবায়নকারী অধিদপ্তর কোনটি?
  1. খাদ্য অধিদপ্তর
  2. সমাজসেবা অধিদপ্তর
  3. তথ্য অধিদপ্তর
  4. সমবায় অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা

বয়স্ক ভাতা: 
- ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প অথবা অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে উপার্জনক্ষম বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আংশিক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।


উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে-
- উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন,
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং
- বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।

৮,৮৭৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামালের সমাধি কোথায় অবস্থিত?
  1. মৌলভীবাজার
  2. রাঙামাটি
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. যশোর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- তাঁর জন্ম ১৯৪৯ সালে বরিশালের দৌলতখান থানার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে তিনি পাকিস্তানের চতুর্থ ইস্ট-বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েকদিন পূর্বে বক্সার হিসাবে সিপাহি মোহাম্মদ মোস্তফা অবৈতনিক ল্যান্স নায়েক হিসাবে পদোন্নতি পান।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ ৪ ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টকে সিলেট ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোতায়েন করে।
- বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ কেরন।
- তিনি মেজর খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে আশুগঞ্জ, উজানিস্বর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৮ এপ্রিল অসীম সাহসের সাথে যুদ্ধ করতে করতে শহীদ হন।
- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দরুইন গ্রামের জনগণ মোস্তফা কামালকে তাঁর শাহাদাতের স্থানের পাশেই সমাহিত করে।
- মুক্তিযুদ্ধে সাহসিকতা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশ সরকার তাঁকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,৮৭৫.
কল মানি রেট কী?
  1. আন্তঃব্যাংক সুদের হার
  2. কেন্দ্রিয় ব্যাংকের সুদের হার
  3. চলতি হিসাবের সুদের হার
  4. নির্দিষ্ট অপারেটরে কল করার ভাতা
ব্যাখ্যা
কল মানি:
- কল মানি হল ন্যূনতম স্বল্পমেয়াদী ফিনান্স যা চাহিদা অনুযায়ী পরিশোধযোগ্য।
- এটি আন্তঃব্যাংক লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- ব্যাংকের সাময়িক তারল্য সংকট নিরসনে যে হারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলো একে অন্যের থেকে স্বল্পমেয়াদে ঋণ গ্রহন করে তাকে কল মানি রেট বলে।

উল্লেখ্য,
- কলমানির সুদের হার ১১ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে উঠেছে।
- এক দিনের জন্য টাকা ধার দেওয়ার ক্ষেত্রে গড় সুদের হার ৯ দশমিক ১৪ শতাংশে উঠেছে।
- ২০১২ সালের পর এটিই কল মানির সর্বোচ্চ সুদহার।

উৎস: ২২ ডিসেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো। 
৮,৮৭৬.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী, দেশে ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে -
  1. ৪৯৫টি
  2. ৪৯৬টি
  3. ৪৫৯৪টি
  4. ৪৫৯৬টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্থানীয় সরকার বিভাগ:
- সিটি কর্পোরেশন রয়েছে ১২ টি।
- জেলা রয়েছে ৬৪টি।
- পৌরসভা রয়েছে ৩৩০টি।
- উপজেলা রয়েছে ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন পরিষদ ৪৫৯৬টি।
- গ্রাম ৯০০৪৯টি।
 
উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা।
৮,৮৭৭.
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. শামসুল আলম
  3. আবদুল মতিন 
  4. নূরুল হক ভূইয়া
ব্যাখ্যা

• ’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

এছাড়াও
• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে   ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৮৭৮.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর হিসাব মতে, ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ চীন।
- চীন ১৪ কোটি ২৮ লাখ টন ধান উৎপাদন করে।

উল্লেখ্য,
- ধান উৎপাদনে ২য় স্থানে রয়েছে ভারত।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

অন্যদিকে -
- ধান আমদানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- ধান রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ ভারত।

উৎস: FAO ওয়েবসাইট।
৮,৮৭৯.
শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিং এর শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. নায়েম
  2. ইউ.জি.সি
  3. কে.টি.সি
  4. বিয়াম
ব্যাখ্যা
নায়েম:
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান - নায়েম।
-পূর্ণরুপ - National Academy for Educational Management (NAEM)
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- এটির অবস্থান ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - নায়েম ওয়েবসাইট।
৮,৮৮০.
বাংলাদেশ কত সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহন করছে?
  1. ১৯৮০ সাল
  2. ১৯৮৪ সাল
  3. ১৯৮৮ সাল
  4. ১৯৯০ সাল
ব্যাখ্যা
 • গ্র্যান্ড মাস্টার:
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন 'ফিদে'র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৭ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে বাংলাদেশের নিয়াজ মোর্শেদ প্রথম গ্র্যান্ড মাস্টার খেতাব জয় করেন।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।
- নিয়াজ মোর্শেদ, জিয়াউর রহমান, রিফাত বিন সাত্তার, আব্দুল্লাহ আল রাকিব, এনামুল হোসেন রাজীব এখন
- পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে এই পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৮,৮৮১.
মেট্রোরেলের স্টেশন কতটি?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৭টি
  3. গ) ১৮টি
  4. ঘ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
- মেট্রোরেলের স্টেশন স্টেশন সংখ্যা- ১৭ টি।

• মেট্রোরেল:
- অনুমোদন পায়- ১৮ ডিসেম্বর, ২০১২। 
- নির্মাণ কাজ শুরু করে- ২৬ জুন, ২০১৬।
- উদ্বোধন হয়- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর উদ্বোধন করেন।
- উত্তরা-কমলা মোট দৈর্ঘ্য- ২১.২৬ কিলোমিটার।
- মেট্রো ট্রেনের সংখ্যা- ৬ কোচ বিশিষ্ট ২৪ টি।
- মালিকানা- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লি.
- মেট্রোরেল এর স্লোগান- বাঁচবে সময়, বাঁচবে পরিবেশ, যানজট কমাবে মেট্রোরেল।
- মেট্রোরেলের প্রথম নারী চালক- মরিয়ম আফিজা এবং যাত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সর্বোচ্চ পরিকল্পিত গতি- ১০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা।
- যাত্রী পরিবহন- ক্ষমতা: ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক ৫ লাখ।
- মেট্রোরেল প্রকল্পের কাজ পুরপুরি শেষ হওয়ার কথা- ২০২৬ সালে।

উৎস: DMTCL এবং দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৮৮২.
’ম্যাডোনা-৪৩’ চিত্রকর্মটি কোন ঘটনার ভিত্তি করে আঁকা হয়েছে?
  1. মুক্তিযুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে
  2. দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে
  3. ম্যাডোনা চলচ্চিত্রের পরিপ্রেক্ষিতে
  4. ভাষা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে
ব্যাখ্যা

ম্যাডোনা-৪৩:
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিরে সময় যেসব ছবি এঁকেছেন, তার বেশিরভাগেরই মূল বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু।
- মূলত এই দু'টি চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি এঁকেছেন একের পর এক কালজয়ী ছবি।
- এই চিত্রমালা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও মানবিক দুর্দশা ফুটিয়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূল সাজসজ্জার পরিকল্পনাকারী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- 'মুক্তিযোদ্ধা' জয়নুল আবেদিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি 'দুই মহিলা' (গোয়াশ, ১৯৫৩), 'পাইন্যার মা' (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও 'মহিলা' (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,৮৮৩.
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. চট্টগ্রাম 
  2. চাঁদপুর 
  3. কুমিল্লা 
  4. ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪,২৮,৬২৩ মে.টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮,৮৮৪.
বিখ্যাত ’তারা মসজিদ’ কে নির্মাণ করেন?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান চিশতী
  3. মির্জা আহমদ জান
  4. নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।

⇒ সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।

⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৮,৮৮৫.
ঢাকায় সর্বপ্রথম কবে বাংলার রাজধানী স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১২০৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৩১০ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- ১৬১০ সালের ১৬ জুলাই সুবাদার ইসলাম খান চিশতী সর্বপ্রথম ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করেন এবং নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। এই নাম সম্রাট জীবিত থাকা পর্যন্ত বহাল ছিল।
- এরপর ১৬৫০ সালে সুবাদার শাহ সুজা পুনরায় বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহলে নিয়ে যান।
- কিন্তু ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন যা ১৭১৭ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল।
- ১৭১৭ সালে মুর্শিদকুলি খান বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- পরবর্তী ১৯০৫ থেকে ১৯১১ এবং ১৯৪৭ সাল থেকে ঢাকা বাংলার রাজধানী হিসেবে ছিলো।
- ১৯৭১ সাল থেকে ঢাকা স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী।
(সূত্রঃ ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট)
৮,৮৮৬.
'বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট' এর প্রতিষ্ঠা সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অনুচ্ছেদ ৯৬
  2. খ) অনুচ্ছেদ  ৯৫
  3. গ) অনুচ্ছেদ ৯৪
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ  ৯৩
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৪ : সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে তা গঠিত হবে। 
(২) প্রধান বিচারপতি যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন এবং প্রত্যেক বিভাগে রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক নিয়ে সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
(৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন।
(৪) প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারক বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে, 
• অনুচ্ছেদ  ৯৩ :  অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।
• অনুচ্ছেদ  ৯৫ :  বিচারক-নিয়োগ।
• অনুচ্ছেদ ৯৬ : বিচারকের পদের মেয়াদ।  

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান। 
৮,৮৮৭.
'লিটল বাংলাদেশ' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) ওয়াশিংটন ডিসি
  3. গ) ক্যালিফর্নিয়া
  4. ঘ) নিউ জার্সি
ব্যাখ্যা
নিউইয়র্কে ম্যাকডোনাল্ড অ্যাভিনিউর নতুন নাম লিটল বাংলাদেশ
• নিউইয়র্ক সিটির ব্রুকলিনে প্রবাসী বাংলাদেশি অধ্যুষিত ম্যাকডোনাল্ড অ্যাভিনিউর নতুন নামকরণ হয়েছে 'লিটল বাংলাদেশ'। • নামফলকটি উন্মোচন করেন নিউইয়র্কের প্রথম বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কাউন্সিল মেম্বার শাহানা হানিফ।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং সমকাল। 
৮,৮৮৮.
বাংলাদেশে সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রথম কে বিজয়ী হয়েছিলেন?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. বিচারপতি সাহাবুদ্দীন
  3. এম এ জি ওসমানী
  4. আতাউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- তবে এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সেই নির্বাচনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন। 
- তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন।

এছাড়াও,
⇒ আতাউর রহমানের নেতৃত্বে দলগুলোর একটি দল নির্বাচন বর্জন করে যার মধ্যে রয়েছে ডেমোক্রেটিক লীগ, ইসলামিক ডেমোক্রেটিক লীগ, জাতীয় দল, জাতীয় লীগ ও কৃষক শ্রমিক পার্টি।

উৎস: i) Britannica.
ii) যুগান্তর।
৮,৮৮৯.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  2. এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এম.এ.জি ওসমানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- রাষ্ট্রপতি- শেখ মুজিবুর রহমান
- উপ-রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
- প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দীন আহমদ
- অর্থমন্ত্রী- ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী- এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- খন্দকার মোশতাক আহমদ
- প্রধান সেনাপতি- কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী
- চিফ অব স্টাফ- লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ- গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৯০.
বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) প্যারিসে
  2. খ) মিউনিখে
  3. গ) টোকিওতে
  4. ঘ) লন্ডনে
ব্যাখ্যা
- জাপানের টোকিও শহরে অবস্থিত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উচ্চতা ৯৭১ ফুট।
- বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার ৭০ তলা বিশিষ্ট।

উৎস:- ব্রিটানিকা। 
৮,৮৯১.
ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন-
  1. ক) ১৬° থেকে ২৬° সেলসিয়াস
  2. খ) ৩০° থেকে ৪৫ ° সেলসিয়াস
  3. গ) ২৬° থেকে ৪৬° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
- ধান চাষের জন্য তাপমাত্রা প্রয়োজন  ১৬° থেকে ৩০° সেলসিয়াস।
- ধান চাষের জন্য ১০০ থেকে ২০০ সেন্টিমিটার বৃষ্টি প্রবণ এলাকা ধানের ফলন ভালো হয়।
- নদী অববাহিকায় পলিমাটি ধান চাষের জন্য বিশেষ উপযোগী। এ জন্য বাংলাদেশের সর্বত্র ধান জন্মে।
- বাংলাদেশের খাদ্য-শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান।
- এ দেশে আইশ, আমন, বোরো প্রভৃতি ধান চাষ হয়।

  উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৮৯২.
‘এপিকালচার’ কোন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে?
  1. গুটিপোকা এবং রেশম
  2. মৌমাছি এবং মধু
  3. মৎস চাষ
  4. তামাক চাষ
ব্যাখ্যা

♦ কালচার:
- কালচার মানে হল চাষ, পালন, লালন-পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি।

♦ এপিকালচার:
- এপিকালচারে মৌমাছি এবং মধু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- মৌমাছি পালন প্রাণি পালনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতিগুলোর একটি।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।
- প্রথমদিকে মধু সংগ্রহ করতে হলে মৌমাছির বাসা ধ্বংস করতে হতো।
- কিন্তু আধুনিক মৌমাছি পালকরা এক্সট্র্যাক্টর ব্যবহার করেন, যা মধুমাখা কোষগুলো থেকে মধু বের করে, কিন্তু কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।

♣ মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালকদের প্রয়োজন হয়:
• নেট বা পর্দাযুক্ত হেলমেট, যা কামড় থেকে রক্ষা করে।
• কোষ কাটা যন্ত্র।
• স্মোকার, যা মৌমাছিকে শান্ত করে।

♦ উল্লেখ্য:
- সেরিকালচার: রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- পিসিকালচার: মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- প্রণকালচার: চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- হর্টিকালচার: উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা।
- এভিকালচার: পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা।
- মেরিকালচার: সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৮,৮৯৩.
অধ্যাদেশ জারি করেন কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থা কিংবা সংসদ অধিবেশনের বিরতিকালে বিশেষ প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন যা আইনের মতোই প্রযোজ্য।
- এই অধ্যাদেশ জারির পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তা সংসদের অনুমোদনের জন্যে উত্থাপন করতে হয়।
- উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করতে হয়। অন্যথায় ৩০ দিন পর অধ্যাদেশটি আপনাআপনি অকার্যকর হয়ে যায়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান।
৮,৮৯৪.
১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. রফিক
  2. তোফায়েল
  3. আসাদ
  4. সালাম
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান

- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এ সময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা গণঅভ্যুত্থানে নিহতের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৮৯৫.
বাংলাদেশ ও মিয়ানমার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি মামলার রায় হয় কত সালে?
  1. ২০১০
  2. ২০১১
  3. ২০১২
  4. ২০১৩
ব্যাখ্যা

সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি: 
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।
অন্যদিকে, 
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই PCA এর রায়ের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।

৮,৮৯৬.
২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে কৃষি খাতে ভুর্তকির পরিমাণ কত টাকা?
  1. ক) ৭,০০০ কোটি টাকা
  2. খ) ৯,০০০ কোটি টাকা
  3. গ) ১১,০০০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ১২,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সার্বিক কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমান ছিলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৯,৯৩৩ কোটি টাকা এবং কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমের ভুর্তকি বাবদ ৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৮,৮৯৭.
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. তুলা
  3. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  4. গম
ব্যাখ্যা
আমদানি ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে)  : 
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।

উল্লেখ্য,
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি;
- সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: অর্থনীতিক সমীক্ষা-২০২৪।
৮,৮৯৮.
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনীমূলক বইটির নাম কী?
  1. তিন শূন্যের পৃথিবী
  2. সামাজিক ব্যবসা
  3. দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে
  4. বাংলাদেশ ২০১০
ব্যাখ্যা

• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন। 
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন। 
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।

তার লেখা অন্যান্য বই: 
- তিন শূন্যের পৃথিবী
- বাংলাদেশ ২০১০
- সামাজিক ব্যবসা
- বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি
- যোগ্য প্রার্থীর আন্দোলন 

তথ্যসূত্র: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।

৮,৮৯৯.
বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস টীকার বুস্টার ডোজ প্রদানের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়-
  1. ক) ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  2. খ) ১৯ নভেম্বর, ২০২১
  3. গ) ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  4. ঘ) ১৯ অক্টোবর, ২০২১
ব্যাখ্যা

• করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) নতুন তথ্য:
- ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস টিকার বুস্টার ডোজ প্রদানের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট 

৮,৯০০.
কোন নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) গারো
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
গারো নৃ-গোষ্ঠী নিজেদের ‘মান্দি’ হিসেবে পরিচয় দিতে ভালোবাসে। এরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর, টাঙ্গাইলের মধুপুর এবং গাজীপুরের শ্রীপুরে বসবাস করে। এছাড়া বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলেও কিছু সংখ্যক গারো বসবাস করে। বাংলাদেশ ব্যতীত ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যে গারোদের বসবাস রয়েছে। তবে এদের আদি নিবাস ছিল তিব্বতে। গারো উপজাতিদের ভাষার নাম আচিক খুসিক। তাদের প্রধান উৎসব ওয়ানগালা। এরা মাতৃতান্ত্রিক। গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক। তবে বর্তমানে অধিকাংশ গারো খ্রিস্টান ধর্মের অনুসারি। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)