ব্যাখ্যা
- এর ফলে বাংলাদেশের ১০০টি ও ভুটানের ৩৪টি পণ্য পরস্পরের বাজারে শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা পাবে।
(তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন)
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৮৯ / ৩০৬ · ৮,৮০১–৮,৯০০ / ৩০,৮৩২
সামাজিক বিকাশ:
- বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা সামাজিক বিকাশের উদাহরণ।
- সামাজিক বিকাশ বলতে শিশুর অন্যদের সাথে সম্পর্ক গড়া, সহযোগিতা ও নিয়ম মেনে চলার দক্ষতা বোঝায়।
- বন্ধুদের সাথে খেলাধুলা এর সবচেয়ে স্বাভাবিক ও কার্যকর উদাহরণ, কারণ এতে শিশু পালা মেনে চলা, ভাগাভাগি ও দলগত কাজ শেখে।
- খেলার মাধ্যমে সহানুভূতি, যোগাযোগ ও মনমালিন্য সমাধানের ক্ষমতা বিকশিত হয়।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্ররহম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
• বাংলাদেশে বর্তমানে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান আছে- ৬টি।
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ. পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।
এটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা বা সরকার পরিচালনা পদ্ধতির পরিশীলিত রূপ।
• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচিতি, নবম ও দশম শ্রেণি।
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী।
- সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
তথ্যসূত্র- ভূগোল ও পরিবেশ , নবম-দশম শ্রেণি।
• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• লালবাগ কেল্লার ইতিহাসঃ
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- যদিও আজম শাহ খুব কম সময়ের জন্যেই মুঘল সম্রাট হিসেবে ছিলেন।
- তবুও তার অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি তার এই অসাধারণ কাজটি শুরু করেন।
- উল্লেখ্য আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি,
- এই দুর্গ নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ার প্রায় এক বছরের মাথায় তার বাবার ডাকে তাকে দিল্লিতে চলে যেতে হয় ।
- সম্রাট আজম শাহ চলে যাওয়ার পর দুর্গ নির্মাণের কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
- তখন এই দুর্গ নির্মাণের কাজ আদৌ সম্পূর্ণ হবে কিনা তা নিয়ে সংশয় দেখা দেয়।
- তৎকালীন নবাব শায়েস্তা খাঁ পুনরায় লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করে দেন কাজ থেমে যাওয়ার প্রায় এক বছর পরে।
- পুরো উদ্যমে আবার কাজ চলতে থাকে দুর্গ নির্মাণের।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে।
- পাঙাল জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী।
- তারা মুসলিম মণিপুরি নামেও পরিচিত।
- তারা পারিবারিকভাবে পিতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিশ্বাসী।
- বাংলাদেশে তাদের প্রধান বসতি সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে হলেও, বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মণিপুর, আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্যেও পাঙাল জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যা বসবাস করে।
- জাতিগতভাবে তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- কিন্তু ধর্মীয় দিক থেকে তারা সুন্নি মুসলিম এবং ইসলামই তাদের প্রধান ধর্ম।
- ভাষাগতভাবে তারা মণিপুরি (মেীতৈ) ভাষার একটি স্বতন্ত্র উপভাষা ব্যবহার করে, যা তাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয়কে স্পষ্ট করে।
- ধর্মবিশ্বাস ও কিছু সামাজিক রীতিনীতিতে তারা মূলধারার বাঙালি মুসলমানদের থেকে কিছুটা ভিন্ন হলেও, তারা প্রথাগত মুসলিম আচার-অনুশীলন মেনে চলে।
----------------------
অন্যদিকে,
- গারো জনগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী ও আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- সাঁওতালরা প্রধানত সারি ধর্ম বা সারনা ধর্ম অনুসরণ করে।
- চাকমা জনগোষ্ঠীর অধিকাংশ মানুষ থেরবাদী বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী।
উৎস: BBC News, বনিক বার্তা ও বাংলাপিডিয়া।
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
- ১৭শ শতকে সম্রাট শাহজাহানের আমলে নির্মাণ করা হয় হোসেনি দালান।
- এটি পুরান ঢাকার চাঁনখারপুল হোসেনি দালান রোডে অবস্থিত।
- প্রায় ৪০০ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক এই হোসেনি দালান ইমামবাড়া নামেও পরিচিত।
- হোসেনি দালান বা ইমামবাড়ার প্রাচীরের শিলালিপি থেকে জানা যায়, শাহ সুজার সুবেদারির সময় তার এক নৌ-সেনাপতি মীর মুরাদ এটি নির্মাণ করেন।
- হিজরি ১০৫২ সনে অর্থাৎ ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দের প্রথমে তাজিয়া কোনা নির্মাণ করেন তিনি ।
- ১৬৭৬ খ্রিষ্টাব্দে শায়েস্তা খান হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।
সূত্র- বাংলাপিডিয়া ও নবম-দশম শ্রেণি (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা -৭ম অধ্যায়)।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- স্বরাষ্ট্র-ত্রাণ-পুনর্বাসন মন্ত্রী : এ এইচ এম কামরুজ্জামান
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
⇒ প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে। ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে। শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া। মিনার তৈরির তদারকিতে ছিলেন জিএস শরফুদ্দিন (ইঞ্জিনিয়ার শরফুদ্দিন নামে পরিচিত), ডিজাইন করেছিলেন বদরুল আলম। সাথে ছিলেন সাঈদ হায়দার। ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, ২২ ফেব্রুয়ারির শহীদ শফিউরেরপিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দশটার দিকে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন। উদ্বোধনের দিন অর্থাৎ ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
⇒ বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়। এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে। বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন। তাঁরই রূপকল্পনা অনুসারে নভেম্বর, ১৯৫৭ সালে তিনি ও নভেরা আহমেদের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সংশোধিত আকারে শহীদ মিনারের নির্মাণ কাজ কাজ শুরু হয়।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
• বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ]
- শপথ ও ঘোষণা।
⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। (Link)
• সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ টি।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
- রফিক উদ্দিন ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ।
- আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম উনারা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
→ সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এ ১৯টি খাতের মধ্যে ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত। এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
→ বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
যথা- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব:
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৪৯%। সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৩.৯৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার= ২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৩ দশমিক ৭১ শতাংশ।
-অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে প্রবৃদ্ধির হার= ৪ দশমিক ৩৫ শতাংশ।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণাকারী- অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- গত বছরের থেকে আকার কমেছে- প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।
তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২০২৬।
নির্বাচন-পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ:
- শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট ১৪ সদস্যবিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- যুক্তফ্রন্টের নিরঙ্কুশ জয় শুরু থেকেই মুসলিম লীগ সুনজরে দেখেনি।
- তারা যুক্তফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আরম্ভ করে।
- নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ২১শে ফেব্রুয়ারিকে সরকারি ছুটি ও বর্ধমান হাউসকে বাংলা ভাষার গবেষণা প্রতিষ্ঠান ঘোষণা দিলে কেন্দ্রীয় সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।
- কেন্দ্রীয় সরকার সুযোগ খুঁজতে থাকে যেকোনো অজুহাতে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করতে।
- ১৯৫৪ সালের ৩০শে মে যুক্তফ্রন্ট সরকার বাতিল করে পূর্ব বাংলায় গভর্নরের শাসন জারি করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি।
ঔষধ পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- এখানকার কারখানায় উৎপাদিত ওষুধ দিয়েই দেশের বাজারে চাহিদা পূর্ণ করে রপ্তানিও করে ওষুধ শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো।
- এটিই দেশের প্রথম ওষুধ শিল্প পার্ক।
- প্রকল্পটির আয়তন ২০০ একর।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করতে ২০০৮ সালে সরকার এই শিল্প পার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়।
- পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা যায়, ২০০৮ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন দেওয়া হয় এপিআই শিল্প পার্কটির।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ এপ্রিল, ২০১৮।
• বরিশাল বিভাগের জেলা সংখ্যা ছয়টি।
• জেলাগুলো হলোঃ
- বরিশাল,
- পটুয়াখালী,
- ঝালকাঠি,
- পিরোজপুর,
- ভোলা ও
- বরগুনা।
উৎসঃ বরিশাল বিভাগের ওয়েবসাইট।
মুর্শিদকুলী খান ও নবাবী আমলের সূচনা:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়। বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- মুর্শিদকুলী খানের প্রাথমিক জীবন খুবই চমকপ্রদ।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- পরে তিনি সুবেদার হন।
- মুর্শিদকুলী খানের রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল যুগোপযোগী।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- মুর্শিদকুলী খানের কোনো পুত্র সন্তান ছিল না।
- তাঁর উত্তরাধিকার হিসেবে কন্যা জিনাত-উন-নেসার স্বামী সুজাউদ্দীন খান (১৭২৭-১৭৩৯ খ্রি.) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সিংহাসনে বসেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরায় অবস্থিত।
- ২০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এ শিল্প নগরী।
- রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্পকে ২০১৭ সালে স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরের চামড়া শিল্প নগরীতে।
- ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজধানীর হাজারীবাগ ছিল ট্যানারি শিল্পের বৃহৎ ঠিকানা।
= হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে ২০০৩ সালে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প হাতে নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। মোট ১২ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় এ নগরী।
উৎস: বণিক বার্তা।
বয়স্ক ভাতা:
- ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প অথবা অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে উপার্জনক্ষম বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর থেকে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচির আংশিক এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে।
- বর্তমানে সকল উপকারভোগীকে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার নগদ ও বিকাশ এবং এজেন্ট ব্যাংকিং-এর মাধ্যমে জিটুপি পদ্ধতিতে (গভর্মেন্ট টু পারসন) ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদপ্তর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর।
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
উল্লেখ্য, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে-
- উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন,
- জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং
- বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর।
• ’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।
এছাড়াও
• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
⇒ ১৯৪৮ সালে ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ম্যাডোনা-৪৩:
- ১৯৪৩ সালের ভয়াল দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে জয়নুল আবেদিনের আঁকা স্কেচধর্মী চিত্রকর্ম 'ম্যাডোনা'।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন ১৯৪৩ সালের দুর্ভিরে সময় যেসব ছবি এঁকেছেন, তার বেশিরভাগেরই মূল বিষয়বস্তু ছিল মা ও শিশু।
- মূলত এই দু'টি চরিত্রকে প্রাধান্য দিয়েই তিনি এঁকেছেন একের পর এক কালজয়ী ছবি।
- এই চিত্রমালা দুর্ভিক্ষের ভয়াবহতা ও মানবিক দুর্দশা ফুটিয়ে তোলে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সংবিধানের মূল সাজসজ্জার পরিকল্পনাকারী ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- 'মুক্তিযোদ্ধা' জয়নুল আবেদিনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্রকর্ম।
- তাঁর আরো কিছু বিখ্যাত শিল্পকর্ম: দুর্ভিক্ষ, সংগ্রাম, সাঁওতাল রমণী, বিদ্রোহী, মনপুরা, নবান্ন, মহিলা ইত্যাদি 'দুই মহিলা' (গোয়াশ, ১৯৫৩), 'পাইন্যার মা' (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও 'মহিলা' (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪,২৮,৬২৩ মে.টন।
⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।
⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
তারা মসজিদ:
- বাংলাদশের পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা-র আবুল খয়রাত সড়কে অবস্থিত ‘তারা মসজিদ’।
- খ্রিষ্টীয় আঠারো শতকে ঢাকার জমিদার মির্জা গোলাম পীর (মির্জা আহমদ জান) এই মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।
- তারা মসজিদের আরও কিছু প্রচলিত নাম আছে, যেমন, মির্জা গোলাম পীরের মসজিদ বা সিতারা মসজিদ।
- মসজিদের বতর্মান দৈর্ঘ্য ৭০ ফুট (২১.৩৪ মিটার), প্রস্থ ২৬ ফুট (৭.৯৮ মিটার)।
⇒ সতের শতকে দিল্লি, আগ্রা ও লাহোরে নির্মিত মোঘল স্থাপত্য শৈলী অনুসরণে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
- মসজিদের কোথায়ও এর তৈরির সময় উল্লেখ নেই বলে কবে এই মসজিদটি নির্মাণ করা হয়, তার সুস্পষ্ট কোনো নথি পাওয়া যায়নি।
- তবে, মসজিদটি তৈরির পর ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দে মির্জা গোলাম পীর মৃত্যুবরণ করেন।
⇒ ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকার তৎকালীন স্থানীয় ব্যবসায়ী, আলী জান বেপারী মসজিদটির সংস্কার করেন।
- এই সময় মসজিদটির আকার বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটির পুনরায় সংস্কার করা হয়।
- এই সময় পুরনো একটি মেহরাব ভেঙে দুটো গম্বুজ আর তিনটি নতুন মেহরাব বানানো হয়।
- সব মিলিয়ে বর্তমানে এর গম্বুজ সংখ্যা পাঁচটিতে দাঁড়িয়েছে।
- এর ফলে মসজিদের জায়গা সম্প্রসারিত হয়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
♦ কালচার:
- কালচার মানে হল চাষ, পালন, লালন-পালন বা বিজ্ঞানসম্মত উৎপাদন পদ্ধতি।
♦ এপিকালচার:
- এপিকালচারে মৌমাছি এবং মধু নিয়ে আলোচনা করা হয়।
- বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে মৌমাছি প্রতিপালন এবং মৌমাছির মধু সংগ্রহ করাকে এপিকালচার বলে।
- মৌমাছি পালন প্রাণি পালনের সবচেয়ে প্রাচীন পদ্ধতিগুলোর একটি।
- বর্তমানে কৃতিম উপায়ে মৌমাছি পালনের তথা এপিকালচার ব্যবস্থার প্রচলন শুরু হয়।
- প্রথমদিকে মধু সংগ্রহ করতে হলে মৌমাছির বাসা ধ্বংস করতে হতো।
- কিন্তু আধুনিক মৌমাছি পালকরা এক্সট্র্যাক্টর ব্যবহার করেন, যা মধুমাখা কোষগুলো থেকে মধু বের করে, কিন্তু কোষগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয় না।
♣ মধু সংগ্রহের জন্য মৌমাছি পালকদের প্রয়োজন হয়:
• নেট বা পর্দাযুক্ত হেলমেট, যা কামড় থেকে রক্ষা করে।
• কোষ কাটা যন্ত্র।
• স্মোকার, যা মৌমাছিকে শান্ত করে।
♦ উল্লেখ্য:
- সেরিকালচার: রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- পিসিকালচার: মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- প্রণকালচার: চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা।
- হর্টিকালচার: উদ্যান বিষয়ক বিদ্যা।
- এভিকালচার: পাখীপালন বিষয়ক বিদ্যা।
- মেরিকালচার: সামুদ্রিক মৎস পালন বিষয়ক বিদ্যা।
তথ্যসূত্র - Britannica.com
সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।
অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
- ২০১৪ সালের ৭ জুলাই PCA এর রায়ের মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।
উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট, বিভিন্ন পত্রিকার রিপোর্ট।
দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সার্বিক কৃষি খাতে বরাদ্দের পরিমান ছিলো ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ১৯,৯৩৩ কোটি টাকা এবং কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমের ভুর্তকি বাবদ ৯,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
• অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৮ জুন, ১৯৪০ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষা জীবনের শুরুতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার গ্রামের মহাজন ফকিরের স্কুল নামে একটি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন শুরু করেন।
- মাধ্যমিক পর্যায়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ৩৯ হাজার শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ তম স্থান অধিকার করেন।
- ১৯৫৭ সালে মুহাম্মদ ইউনূস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগের সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই বিএ এবং এমএ সম্পন্ন করেন।
- স্নাতকের পর কর্মজীবনের শুরুতেই মুহাম্মদ ইউনূস ব্যুরো অব ইকোনমিক্স -এ গবেষণা সহকারী হিসাবে যোগদান করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৬৫ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে যান এবং পূর্ণ বৃত্তি নিয়ে ভেন্ডারবিল্ট বিশ্ববিদ্যালয়, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৯৬৯ সালে অর্থনীতিতে পিএইচডি ডিগ্রী লাভ করেন।
- ১৯৬৯ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের মিডল টেনেসি স্টেট ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকতা করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে দেশে ফিরে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন এবং বিভাগীয় প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭৬ সালে মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
- তাঁর আত্মজীবনী মূলক বই – দারিদ্র্য হীন বিশ্বের অভিমুখে।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেন - ০৮ আগস্ট ২০২৪।
তার লেখা অন্যান্য বই:
- তিন শূন্যের পৃথিবী
- বাংলাদেশ ২০১০
- সামাজিক ব্যবসা
- বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি
- যোগ্য প্রার্থীর আন্দোলন
তথ্যসূত্র: ইউনুস সেন্টার ঢাকা এবং বাংলাপিডিয়া।
• করোনা ভাইরাসের (কোভিড-১৯) নতুন তথ্য:
- ১৯ ডিসেম্বর, ২০২১ তারিখে বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস টিকার বুস্টার ডোজ প্রদানের কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট