সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের সাথে ভারতের কোন জেলা সংযুক্ত?
ক
ক) নদিয়া
খ
খ) মুর্শিদাবাদ
গ
গ) মালদা
ঘ
ঘ) হুগলি
ব্যাখ্যা
• সোনা মসজিদ স্থল বন্দর: - সোনা মসজিদ স্থল বন্দরটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপেজলার সোনা মসজিদ সীমান্তে অবস্থিত। - সোনা মসজিদ স্থল বন্দরের বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ জেলার ইংলিংশ থানার মহাদীপুর ইউনিয়ন অবস্থিত। -স্থলপথে আমদানি- রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে ১২/০১/২০০২ খ্রি: তারিখে সোনা মসজিদ শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮,৫০২.
কোন জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে?
ক
বাঁকুড়া
খ
বীরভূম
গ
হুগলি
ঘ
বর্ধমান
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ: - ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)। - ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়। - বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে। - ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন। - ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে। - এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে। - ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি। - তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির। - ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫০৩.
'ড্রামহেড' কোন ফসলের একটি উন্নত জাত?
ক
ক) বেগুন
খ
খ) কলা
গ
গ) আলু
ঘ
ঘ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:- - গ্রীন এক্সপ্রেস, - ড্রামহেড, - গোল্ডেন ক্রস, - প্রভাতী, - অগ্রদূত ইত্যাদি
উচ্চ ফলনশীল আলুর কয়েকটি জাত:- - হীরা, - আইলসা, - ডায়মন্ড, - কার্ডিনাল, - চমক, - সুন্দরী, - কুফরী ইত্যাদি।
স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কৃষিশুমারি হয় কতটি?
ক
ক) ৫টি
খ
খ) ৬টি
গ
গ) ৪টি
ঘ
ঘ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• কৃষিশুমারিতে কৃষি অন্তভুর্ক্ত বিষয় ৩টি যথাঃ শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ। • স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এগুলো - ১৯৭৭ সালে প্রথম, - ১৯৮৩-৮৪ সালে দ্বিতীয়, - ১৯৯৬ সালে তৃতীয়, - ২০০৮ সালে চতুর্থ এবং - ২০১৯ সালে পঞ্চম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮,৫০৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী কোনটি?
ক
সাওতাল
খ
ত্রিপুরা
গ
চাকমা
ঘ
মারমা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী: - জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯। - বিভাগ অনুযায়ী, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০ জন বাস করে। - পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি, ৪ লাখ ৮৩ হাজার ২৯৯। - সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামের মারমা জাতিগোষ্ঠী। মারমাদের সংখ্যা ২ লাখ ২৪ হাজার ২৬২। - আর তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই ত্রিপুরা। ত্রিপুরাদের সংখ্যা ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৭৮। - চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। তাঁদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন। - জেলার নিরিখে দেশে, রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪ জন। - রাঙামাটিতে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক বাস করে- চাকমা। - এরপরই আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
৮,৫০৬.
মুক্তিযুদ্ধের ঠিক পূর্ববর্তী ঘটনা কোনটি?
ক
এগারো দফা দাবি
খ
গণঅভ্যুত্থান
গ
সত্তরের নির্বাচন
ঘ
অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন ১৯৭১: - শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন। - ৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন। - সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। - শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন। - আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জনগণ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য পূর্ব পাকিস্তানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করে। - নির্বাচনের ফলাফলের ভিত্তিতে ক্ষমতা হস্তান্তরে সামরিক সরকারের গড়িমসি এবং পশ্চিম পাকিস্তানের প্রধান রাজনৈতিক দল পাকিস্তান পিপল্স পার্টির সরাসরি অসহযোগিতার ফলে শেখ মুজিবুর রহমান অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন। - অসহযোগ আন্দোলনের পরিণতিতে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয় এবং নয়মাস যুদ্ধের পর স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
অন্যদিকে, - এগারো দফা দাবি ১৯৬৯ সালে ঘোষণা হয়। - গণঅভ্যুত্থান হয় ১৯৬৯ সালে। - সত্তরের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫০৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জরুরী-অবস্থা ঘোষণার উল্লেখ রয়েছে?
মুজিবনগর দিবস: - মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। - ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। - ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। - ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।
এছাড়াও, - মুজিবনগর স্মৃতিসৌধ মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। - ১৯৭৩ সালের ৩১ আগস্ট সরকার মুজিবনগরে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণের নির্দেশ দেয়। - ১৯৭৪ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর দিবসে মুক্তিযুদ্ধকালীন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এ প্রকল্পের কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মেহেরপুর জেলা ওয়েবসাইট।
৮,৫০৯.
মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
ক
জীবন থেকে নেয়া
খ
আগুনের পরশমণি
গ
ওরা এগারো জন
ঘ
গেরিলা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধপূর্ব যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র জীবন থেকে নেয়া।
জীবন থেকে নেয়া: - পরিচালক: জহির রায়হান। - মুক্তি: ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল (পাকিস্তান)। - সময়: ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট (প্রায়)। - সংগীত পরিচালক: খান আতাউর রহমান। - জহির রায়হান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি সরাসরি যুদ্ধভিত্তিক না হলেও এটি তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে, যা যুদ্ধের প্রেক্ষাপট তৈরিতে সহায়ক ছিল। - ১৯৫২ থেকে ১৯৭০- এ সময়ের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।
⇒ চলচ্চিত্রটির মধ্যে আগামী দিনের উত্তাল বিদ্রোহের অনুপ্রেরণা ছিল। - এটি সম্পূর্ণভাবেই রাজনৈতিক চেতনাসম্পন্ন চলচ্চিত্র। - চলচ্চিত্র নির্মাতা আলমগীর কবির তাই এ চলচ্চিত্রকে 'বাংলাদেশের প্রথম জাতীয়তাবাদী বিপ্লবী চলচ্চিত্র' বলে অভিহিত করেছেন। ১৯৬৯ খ্রিষ্টাব্দের গণ-অভ্যুত্থান যখন তুঙ্গে, তখন জহির রায়হান জীবন থেকে নেয়া চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন।
অন্যদিকে, - ওরা এগারো জন (১৯৭২): এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র, যা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরপরই নির্মিত হয়েছিল। - আগুনের পরশমণি (১৯৯৫): হুমায়ূন আহমেদ পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ের একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। - গেরিলা (২০১১): নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র।
উৎস: i) প্রথম আলো। ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৮,৫১০.
শিমের গ্রীষ্মকালীন জাতের বীজ কখন বপন করা হয়?
ক
গ্রীষ্মকালে
খ
বর্ষাকালে
গ
শীতকালে
ঘ
সারাবছর
ব্যাখ্যা
শিম চাষ: - শিম আমিষ সমৃদ্ধ একটি সবজি। - শিম এবং এর বীজ উভয়ই জনপ্রিয় শীতকালীন সবজি। - এটি উচ্চ আঁশযুক্ত, ভিটামিন এবং খনিজ সমৃদ্ধ যা মানুষের জন্য খুবই উপকারী। - এর মূলে নডিউল জাত আছে তা বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন সংবদ্ধ করে নাইট্রোজেন মাটিতে যুক্ত করতে পারে।
⇒ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি শিম-১, বারি শিম-২, বারি শিম-৩, বারি শিম-৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত ইপসা শিম, এছাড়া কার্তিকা, বারমাসি জনপ্রিয় জাতের মধ্যে অন্যতম। - এছাড়াও বিভিন্ন বীজ কোম্পানি থেকে নিত্য নতুন জাত বাজারজাত করছে।
⇒ জলবায়ু ও মাটি: - শিম শীতকালীন এবং খরা সহিষ্ণু সবজি। - দোআঁশ মাটি শিমের জন্য ভালো তবে সার ও পানি ব্যবস্থাপার মাধ্যমে যেকোন মাটিতে ভালো জন্মে। - মাটির pH ৬.৫-৮.৫ হলে ভালো। - ফসলের অঙ্গজবৃদ্ধি ও পুষ্পায়ন জন্য তাপমাত্রা ও দিবস দৈর্ঘ্য যথেষ্ট প্রভাব ফেলে। - এ সবজি গাছের অঙ্গজ বৃদ্ধির জন্য উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ু এবং দীর্ঘ দিবস প্রয়োজন। - কিন্তু প্রজননের জন্য নিম্ন তাপমাত্রা ও কম দিবস দৈর্ঘ্য প্রয়োজন। - শীতকালীন জাতগুলোতে কেবল শীতের প্রভাবেই পুষ্পায়ন ঘটে. - গ্রীষ্মকালীন জাতগুলো দিবস নিরপেক্ষ হওয়ায় বছরের যে কোনো সময় বীজ বপন বা চারা রোপন করা হউক না কেন যথাসময়ে পুষ্পায়ন ঘটে থাকে।
উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫১১.
ছোট কাটরা কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
ক
তুরাগ
খ
শীতলক্ষ্যা
গ
বুড়িগঙ্গা
ঘ
মেঘনা
ব্যাখ্যা
• ছোট কাটরা: - ছোট কাটরা শায়েস্তা খানের আমলে তৈরি একটি স্থাপনা বা ইমারত। - আনুমানিক ১৬৬৩ থেকে ১৬৬৪ সালের দিকে এ ইমারতটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। - এবং ১৬৭১ সালে শেষ হয়েছিল। - এটির অবস্থান বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে। - ইমারতটি দেখতে অনেকটা বড় কাটরার মত হলেও এটি আকৃতিতে বড় কাটরার চেয়ে ছোট। - এবং এ কারণেই এর নাম হয়েছিল ছোট কাটরা। - ১৮১৬ সালে মিশনারি লিওনার্দ ঢাকার প্রথম ইংরেজি স্কুল। - ছোট কাটরার সাথে বিবি চম্পার স্মৃতিসৌধ অবস্থিত ছিল।
উল্লেখ্য, - ঢাকার বড় কাটরা নির্মাণ করেন শাহ সুজা। - সুবেদার ইসলাম খান বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন। - নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন বাংলার শেষ নবাব।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৫১২.
তিন বিঘা করিডোর কোন জেলায় অবস্থিত?
ক
লালমনিরহাট
খ
কুড়িগ্রাম
গ
গাইবান্ধা
ঘ
নীলফামারী
ব্যাখ্যা
তিনবিঘা করিডোর: - লালমনিরহাট জেলায় তিনবিঘা করিডোর অবস্থিত। - লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। - এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি 'প্যাসেজ ডোর' এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে 'তিন বিঘা ২ করিডোর' নামে পরিচিত।
উল্লেখ্য, - পাকিস্তান আমল পেরিয়ে বাংলাদেশ আমল পর্যন্ত তিন বিঘা হস্তান্তর প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের অনেক বৈঠক এবং চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। - ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন 'দহগ্রাম ইউনিয়ন' হিসেবে পরিগণিত হয় এবং ১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৯ আগস্ট এখানে ইউনিয়ন পরিষদের শুভ উদ্বোধন ঘটে। - ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়। - ২০১১ খ্রি. তারিখে ঢাকাতে অনুষ্ঠিত হাসিনা-মনমোহন বৈঠকে স্বাক্ষরিত লা চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশীদের যাতায়াতের জন্য তিনবিঘা করিডোর বর্তমানে ২৪ ঘন্টা খোলা রাখা হচ্ছে।
উৎস: লালমনিরহাট জেলা ওয়েবসাইট।
৮,৫১৩.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন কে?
ক
প্রধান বিচারপতি
খ
স্পিকার
গ
প্রধানমন্ত্রী
ঘ
উপরাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- “রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হইলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হইলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করিবেন।” (তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৮,৫১৪.
হোসেনী দালান কে নির্মাণ করেন?
ক
মীর মুরাদ
খ
ইসলাম খান
গ
মীর জুমলা
ঘ
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
হোসেনী দালান: - হোসেনী দালান পুরানো ঢাকায় অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ইমারত। - এটি মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল। - শাহ সুজার শাসনকালে জনৈক মীর মুরাদ প্রথম এ ইমারত নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়।
⇒ ৬১ হিজরির ১০ মুহররম তারিখে ইরাকের কারবালার যুদ্ধে আল-হোসেনের শহীদত্বকে স্মরণ করার জন্য ইমারত নির্মাণ করা ছিল শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত একটি সাধারণ রীতি। - শাহ সুজার শাসনকালে জনৈক মীর মুরাদ প্রথম এ ইমারত নির্মাণ করেন বলে মনে করা হয়। - শাহ সুজা নিজে সুন্নি মুসলমান হলেও শিয়াদের মধ্যে প্রচলিত রীতিনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী ছিলেন। - সৈয়দ মুরাদ একদা স্বপ্নে আল হোসেনকে একটি ‘তাজিয়াখানা’ নির্মাণ করতে দেখে এই ইমারত নির্মাণে উৎসাহিত হন। - তিনিই এই ইমারতের নাম রাখেন হোসেনী দালান। - ইমারতটি সম্ভবত একটি ছোট্ট স্থাপনা ছিল। - পরবর্তীকালে ১৮০৭ ও ১৮১০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে ইমারতটির সংস্কার করা হয় এবং ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর এর কিছু অংশ নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫১৫.
জনসংখ্যার দিক থেকে মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
ক
ক) প্রথম
খ
খ) দ্বিতীয়
গ
গ) তৃতীয়
ঘ
ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান- অষ্টম, • জনসংখ্যায় মুসলিম বিশ্বে অবস্থান - চতুর্থ। • জনসংখ্যার সার্কভুক্ত দেশসমূহে অবস্থান - তৃতীয়।
উৎস:- বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট- ২০২২ ও বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৫১৬.
'রাজবংশী' নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
ক
রংপুর
খ
দিনাজপুর
গ
রাজশাহী
ঘ
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
রাজবংশী: - রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী। - তাদেরকে ক্ষত্রিয় নামক এক কোচ শাখার সঙ্গেও অভিন্ন বলে অনেকে মনে করেন। - দূরাতীত কালে হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ। এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। - বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান। - বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়। - ১৯৪১ ও পরবর্তী আদমশুমারিতে রাজবংশীদের হিন্দু জনগোষ্ঠীর অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। - ১৯৯১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এদের মোট জনসংখ্যা পাঁচ হাজারের একটু বেশি। - রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫১৭.
কররানিদের বাংলার রাজধানী ছিল -
ক
ক) তাণ্ডায়
খ
খ) সোনারগাঁও
গ
গ) কর্ণসুবর্ণ
ঘ
ঘ) পাটালিপুত্র
ব্যাখ্যা
- কররারিদের বাংলার রাজধানী ছিল তাণ্ডায়। - সর্দার তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন (১৫৬৪ খ্রি.)। - তাজ খান কররাণী ও সুলায়মান খান কররাণী শের শাহের সেনাপতি ছিলেন। - দাউদ কররাণী ছিলেন বাংলায় শেষ আফগান শাসক। - কর্ণসুবর্ণ বাংলার গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন শাসক শশাঙ্ক-এর রাজধানী। - সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)। - পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)। - সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫১৮.
অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ ফোরাম কোনটি?
ক
ক) NICAR
খ
খ) ERD
গ
গ) ECNEC
ঘ
ঘ) NIEM
ব্যাখ্যা
• দেশের বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ কাউন্সিল হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। • এই কাউন্সিলে সরকারি খাতে ৫০ কোটি টাকার উর্ধ্বের প্রকল্প অনুমোদন, বিনিয়োগ প্রস্তাব পর্যালোচনা, উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রপতি পর্যালোচনা প্রভৃতি কার্যাবলি সম্পন্ন হয়। • এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয় । • এর প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী। • NICAR হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি। উৎসঃ মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
৮,৫১৯.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের নাম কী?
ক
ফরায়েজি আন্দোলন
খ
সিপাহী বিদ্রোহ
গ
নীল বিদ্রোহ
ঘ
তাহরিক-ই মুহম্মদীয়া
ব্যাখ্যা
তিতুমীর: - তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলনের নাম তাহরিক-ই মুহম্মদীয়া। - তিতুমীরের প্রকৃত নাম মীর নিসার আলী। - তিনি চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। - উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ওয়াহাবি আন্দোলনের প্রভাবে পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের আন্দোলন শক্তিশালী রূপ লাভ করে। - ওয়াহাবি আন্দোলন সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত ছিল। - তিতুমীর হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা শরিফে যান। - তিনি ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে হজ শেষে দেশে ফিরে আসেন। - ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাঁটি স্থাপন করেন। - তিনি ইতিহাসখ্যাত বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন। - ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ সরকার তিতুমীর দমনে এক বিশাল ও সুশিক্ষিত সেনাবাহিনী প্রেরণ করে। - মেজর স্কটের নেতৃত্বে ইংরেজ বাহিনী নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে। এই যুদ্ধে তিতুমীর নিহত হন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২০.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মোট সদস্য ছিল -
ক
৩১ জন
খ
৩২ জন
গ
৩৩ জন
ঘ
৩৪ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য: - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়। - এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন। - আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। - এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। - সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,৫২১.
সুবাদার ইসলাম খান ‘বারোভূঁইয়া’দের দমন করে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন কোন সম্রাটের রাজত্বকালে?
ক
ক) সম্রাট আকবর
খ
খ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
গ
গ) সম্রাট হুমায়ুন
ঘ
ঘ) সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর বাংলায় কররানি (আফগান) শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুঘল শাসনের সূত্রপাত করলেও ‘বারোভূঁইয়া’দের বাধার মুখে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করতে পারেননি। সম্রাট জাহাঙ্গীরের রাজত্বকালে সুবাদার ইসলাম খান ‘বারোভূঁইয়া’দের দমন করে সমগ্র বাংলায় মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৬০৮ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’। [সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি]
৮,৫২২.
আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ কোনটি?
ক
পুরাণ
খ
মহাভারত
গ
বেদ
ঘ
রামায়ণ
ব্যাখ্যা
- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ হলো বেদ।
আর্য: - আর্যদের আদিনিবাস ছিল ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে বর্তমান মধ্য এশিয়া - ইরানে। - ভারতবর্ষে আর্যদের আগমন ঘটেছিল খ্রিষ্টপূর্ব ২০০ অব্দে। - আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম বেদ। আর্য পুরোহিতগণ বেদের রচয়িতা। - বেদের রচনাকাল নিয়ে মতভেদ রয়েছে। অনেকের মতে খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ থেকে খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দের মধ্যে বেদের শ্লোকসমূহ রচিত হয়। - ব্রাহ্মণদের মুখ থেকে বেদের শ্লোক শুনে অনুসারীরা পূণ্য লাভ করতো বিধায় বেদ শ্রুতি নামেও পরিচিত। পরবর্তীতে এগুলো লিখিত রূপ লাভ করে। - বেদ রচিত হয় সংস্কৃত ভাষায়। - ধর্মগ্রন্থের পাশাপাশি বেদের সাহিত্যগুণও ছিলো। এটিকে আর্য সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন বিবেচনা করা হয়।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস : প্রথমপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৫২৩.
বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা কে ঘোষণা করেন?
ক
প্রধানমন্ত্রী
খ
রাষ্ট্রপতি
গ
মন্ত্রিসভা
ঘ
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
জরুরি অবস্থা (Emergency): - বাংলাদেশে জরুরি অবস্থা (Emergency) ঘোষণা সংবিধান দ্বারা নির্ধারিত একটি বিশেষ ব্যবস্থা, যা সাধারণত দেশের নিরাপত্তা বা স্থিতিশীলতার জন্য জরুরি পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়। - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১(ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। - বাংলাদেশের নিরাপত্তা, যুদ্ধ বা বাহ্যিক আক্রমণ, বা অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলা (যা রাষ্ট্রের নিরাপত্তার জন্য হুমকি বলে বিবেচিত) সংক্রান্ত পরিস্থিতিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারেন। - তবে এরূপ ঘোষণার পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হয়। - জরুরি অবস্থার সময়কালে রাষ্ট্রপতি কিছু সাংবিধানিক অধিকার স্থগিত করতে পারেন।
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৫২৪.
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন একজন খ্যাতিমান-
ক
ক) সাহিত্যিক
খ
খ) সাংবাদিক
গ
গ) প্রকৌশলী
ঘ
ঘ) চিকিৎসক
ব্যাখ্যা
অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতিমান প্রকৌশলী, গবেষক, তথ্যপ্রযুক্তিবিদ ও বিজ্ঞানী। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ছিলেন। তিনি বাংলাদেশের সকল বৃহৎ ভৌত অবকাঠামো প্রকল্পে বিশেষজ্ঞ প্যানেলের নেতৃত্ব দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ১৯৯৬ সালে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারেরও উপদেষ্টা ছিলেন। বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০১৭ সালে একুশে পদক প্রদান এবং ২০১৮ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে মনোনীত করে। তিনি ১৯৪৩ সালে সিলেটে জন্ম গ্রহণ করেন এবং ২০২০ সালের ২৮ এপ্রিল ইন্তেকাল করেন। (সূত্রঃ প্রথম আলো)
৮,৫২৫.
প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে কোন জনপদটি পরিচিত ছিল?
ক
চন্দ্রদ্বীপ
খ
বঙ্গ
গ
তাম্রলিপ্ত
ঘ
গৌড়
ব্যাখ্যা
• জনপদ: - তাম্রলিপ্ত জনপদ প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য কেন্দ্র হিসেবে খুবই খ্যাতি অর্জন করেছিল। - তাম্রলিপ্ত (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার তমলুক), - চন্দ্রদ্বীপ (বর্তমান বরিশাল জেলার অন্তর্গত), - বঙ্গাল (বাখেরগঞ্জ ও খুলনা জেলার সমুদ্র লাগোয়া অঞ্চল) উল্লেখযোগ্য। - ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। - সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। - এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। - বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান। - বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
- হাতে নগদ, ব্যাংক জমা, দেনাদার, পাওনাদার প্রভৃতি চলতি সম্পদ ও চলতি দায়ের প্রারম্ভিক উদ্বৃত্ত রেওয়ামিলে আসবে না কারণ এগুলো সংশ্লিষ্ট হিসাবের সমাপনী উদ্বৃত্তের সাথে সমন্বিত থাকে।
উৎস: হিসাববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি,২০১৮।
৮,৫২৭.
বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
ক
ক) ভারত
খ
খ) রাশিয়া
গ
গ) চীন
ঘ
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০ তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
Source: rooppurnpp.gov.bd
৮,৫২৮.
‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ কত সাল পাস হয়?
ক
১৯০৭ সালে
খ
১৯০৯ সালে
গ
১৯১১ সালে
ঘ
১৯১৩ সালে
ব্যাখ্যা
• ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’: - ভারতে প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রবর্তনের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার ১৯০৯ সালে ‘ইন্ডিয়া অ্যাক্ট’ পাস করে যা ‘মর্লি-মিন্টো সংস্কার আইন’ নামেই অধিক পরিচিত। - এই আইনে প্রথম মুসলমানদের জন্যে পৃথক নির্বাচনের বিধান রাখা হয়। - সাম্প্রদায়িক প্রতিনিধিত্বের দাবি স্বীকার করে এ আইনে মুসলিম সম্প্রদায়কে পৃথকভাবে নিজেদের প্রতিনিধি নির্বাচনের (পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা) অধিকার দেয়া হয়। - এর মাধ্যমে আইন সভার সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি করা হলেও প্রতিনিধিদের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল না। - তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা চালু করায় স্বভাবতই তারা খুশী হয়, যদিও কংগ্রেস এতে ক্ষুব্ধ ছিল কংগ্রেসের নরমপন্থীরাও সন্তুষ্ট ছিল না । - ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দের সংস্কার আইন ভারতে দায়িত্বশীল সরকার প্রতিষ্ঠায় ব্যর্থ হয়। - আইন সভার নির্বাচিত সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন না। তাছাড়া তাদেরকে কোন ক্ষমতাও দেয়া হয়নি। - কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন সভাগুলোতে তারা সব সময়ই সংখ্যালঘু ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে এ সংস্কার আইনের মাধ্যমে ভারতে প্রতিনিধিমূলক শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তনের কোন ইচ্ছাই ইংরেজদের ছিল না।
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫২৯.
বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা -
ক
৮টি
খ
৯টি
গ
১০টি
ঘ
১১টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড: - BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে। - প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়। - যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে। - বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি। - সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি। - একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম।
সরকারি ইপিজেডগুলো হলো: • চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩, • ঢাকা: ১৯৯৩, • মংলা, খুলনা: ১৯৯৮, • কুমিল্লা: ২০০০, • উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১, • ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১, • আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬, • কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬। - এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।
উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৮,৫৩০.
হরিকেল জনপদের বিস্তার কোন এলাকায় ছিল?
ক
ময়নামতি থেকে কর্ণসুবর্ণ
খ
সিলেট থেকে চট্টগ্রাম
গ
রাজশাহী থেকে খুলনা
ঘ
কুমিল্লা থেকে বরিশাল
ব্যাখ্যা
হরিকেল: - সপ্তম শতকের লেখকরা হরিকেল নামে অপর একটি জনপদের বর্ণনা করেছেন। - এ জনপদের অবস্থান ছিল বাংলার পূর্ব প্রান্তে। - আধুনিক সিলেট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এই জনপদ বিস্তৃত ছিল।
অন্যদিকে, - হরিকেলের দক্ষিণে অবস্থিত ছিল তাম্রলিপ্ত জনপদ। - বর্তমান মেদিনীপুর জেলার তমলুকই ছিল তাম্রলিপ্তের প্রাণকেন্দ্র। - সপ্তম শতক থেকে এটি দণ্ডভুক্তি নামে পরিচিত হতে থাকে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৩১.
আলু চাষের জন্য কোন মাটি সবচেয়ে উপযোগী?
ক
বেলে মাটি
খ
দো-আঁশ মাটি
গ
বেলে দো-আঁশ মাটি
ঘ
এটেল মাটি
ব্যাখ্যা
আলু: - আলু বিশ্বের অন্যতম প্রধান ফসল। - উৎপাদনের দিক থেকে ধান, গম ও ভুট্টার পরেই চতুর্থ স্থানে আছে আলু। - আলু একটি স্টার্চ প্রধান খাদ্য এবং ভাতের বিকল্প হিসেবে খাওয়া যেতে পারে। - আলু চাষের জন্য বেলে দো-আঁশ মাটি সবচেয়ে উপযোগী।
উল্লেখ্য, - বর্তমানে আলু চাষের মোট জমির শতকরা ৬৫ ভাগ জমিতে উন্নত জাতের আলু এবং ৩৫ ভাগ জমিতে দেশি জাতের আলুর চাষ হয়ে থাকে। - ১৯৬০ সাল থেকে এ পর্যন্ত যেসব উন্নত জাতের আলুর চাষ হচ্ছে তার মধ্যে হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা জাতটি সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে। - এগুলো সবই উচ্চফলনশীল জাত।
উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৮,৫৩২.
এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধে কোন পদে দায়িত্ব পালন করেছেন?
ক
সেক্টর কমান্ডার
খ
চিফ অব এয়ার স্টাফ
গ
স্কোয়াড্রন লীডার
ঘ
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ
ব্যাখ্যা
এ কে খন্দকার: - এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আবদুল করিম খন্দকার যিনি এ. কে. খন্দকার নামে পরিচিত - তারঁ জন্ম: জানুয়ারি ১, ১৯৩০ সাল। - তিনি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন। - মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ হিসেবে তিনি কঠোর মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে বিজয়ের দিকে পরিচালিত প্রচেষ্টাগুলোর সমন্বয়সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। - স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমান বাহিনী প্রধান নিযুক্ত হন এবং তাঁর যোগ্যতম পরিচালনায় যুদ্ধ বিধ্বস্ত বিমান বাহিনী পুনর্গঠনে সক্ষম হন। - বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশাত্মবোধ ও সাহসিকতাপূর্ণ অবদানের জন্য এয়ার ভাইস মার্শাল এ কে খন্দকারকে ‘বীর উত্তম’খেতাবে ভূষিত করা হয়।
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৫৩৩.
'বাংলামতি' কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত?
ক
ধান
খ
গম
গ
ভুট্টা
ঘ
আম
ব্যাখ্যা
বাংলামতি: - 'বাংলামতি' কৃষিতে ধানের উন্নত জাত। - ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বেশি? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪]
ক
মৎস্য খাত
খ
শিল্প খাত
গ
সেবা খাত
ঘ
কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
⇔ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে শিল্প খাতে কর্মসংস্থান বেশি।
খাতভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে - • জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৩.২১ শতাংশ। • জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬ শতাংশ। • জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০ শতাংশ।
উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮,৫৩৫.
দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে -
ক
ঢাকায়
খ
কুমিল্লায়
গ
রাজশাহীতে
ঘ
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা
প্রথম মনোরেল প্রকল্প: - দেশের প্রথম মনোরেল নির্মিত হতে যাচ্ছে চট্টগ্রামে। - নগরের যানজট নিরসনে মনোরেল প্রকল্প বাস্তবায়নে উদ্যোগ নিয়েছে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন।
⇒ ১ জুন, ২০২৫ চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সঙ্গে জার্মানি প্রতিষ্ঠান ওরাসকম ও মিশরের প্রতিষ্ঠান আরব কন্ট্রাক্টর গ্রুপের এ সংক্রান্ত সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়। - প্রস্তাবিত মনোরেল প্রকল্পটির মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৫৪ কিলোমিটার। - এতে বিনিয়োগ হবে প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার কোটি টাকা।
উল্লেখ্য, - মনোরেল হলো এমন একটি রেলওয়ে, যেখানে ট্র্যাকটি একটি একক রেল বা বিম দিয়ে তৈরি। - মনোরেল এক চাকার ট্রেন। এক চাকার ওপরই চলে। দুই থেকে আড়াই বছরের মধ্যে মনোরেল স্থাপন ও চালু করা সম্ভব।
উৎস: The Daily Star Bangla.
৮,৫৩৬.
আশ্রয়ণ কী?
ক
ক) একটি সরকারি প্রকল্প
খ
খ) একটি বেসরকারি প্রকল্প
গ
গ) একটি এনজিও প্রকল্প
ঘ
ঘ) একটি বিদেশী প্রকল্প
ব্যাখ্যা
• আশ্রয়ণ প্রকল্প (আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প নামেও পরিচিত), বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি সরকারি প্রকল্প যার মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন এবং যার জমি আছে ঘর নেই এমন পরিবারের জন্য বাসস্থান নির্মাণ করা হয়।
প্রকল্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য: ১. ভূমিহীন, গৃহহীন, ছিন্নমূল অসহায় দরিদ্র জনগোষ্ঠীর পুনর্বাসন। ২. প্রশিক্ষণ ও ঋণ প্রদানের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহে সক্ষম করে তোলা। ৩. আয়বর্ধক কার্যক্রম সৃষ্টির মাধ্যমে দারিদ্র দূরীকরণ।
সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৫৩৭.
কাকে মহীশূরের বাঘ বলা হয়?
ক
ক) টিপু সুলতান
খ
খ) বাল গঙ্গাধর তিলক
গ
গ) দাদাভাই নওরোজী
ঘ
ঘ) আবদুল গাফফার খান
ব্যাখ্যা
টিপু সুলতান ভারতের মহীশূর অঞ্চলের (বর্তমান কর্নাটক) শাসক ছিলেন। তাকে মহীশূরের বাঘ বলা হয়।
তিনি ১৭৮২ সাল থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত মহীশূরের শাসক ছিলেন। ১৭৯৯ সালে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি লর্ড ওয়েলেসলি নেতৃত্বাধীন ইংরেজ বাহিনীর নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ও বিবিসি বাংলা)
৮,৫৩৮.
Who is the director of the documentary 'A State is Born'?
ক
ক) Jahir Raihan
খ
খ) Tanvir Mokammel
গ
গ) Chashi Najrul Islam
ঘ
ঘ) Alamgir Kabir
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রামাণয চিত্র:
- জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র, • স্টপ জেনোসাইড। • এ স্টেট ইজ বর্ন।
অন্যদিকে, - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল। - মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র, • আগামী ও - সূচনা। - তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র, • মুক্তির গান ও মুক্তির কথা।
বিবিএস রিপোর্ট ২০২২-২৩: - কৃষি, শিল্প ও সেব - এ তিনটি প্রধান খাত ধরে গণনা করা হয় GDP। - জিডিপি এর প্রধান খাত - সেবা খাত। - GDP এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ি, - কৃষি খাতের অবদান - ১১.৩৮ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ২.৬১ শতাংশ। - শিল্প খাতের অবদান - ৩৫.৫৫ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৮.১৮ শতাংশ। - সেবা খাতের অবদান - ৫৩.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার - ৫.৮৪ শতাংশ।
→ তথ্যসূত্র: বিবিএস রিপোর্ট ২০২২-২৩
৮,৫৪০.
একনেক কত সালে গঠিত হয়?
ক
১৯৮০ সালে
খ
১৯৮১ সালে
গ
১৯৮২ সালে
ঘ
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ECNEC: - ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council. - একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়। - এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী। - বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী। - সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।
তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৫৪১.
১৯৫৮ সালে প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন কে?
ক
ইয়াহিয়া খান
খ
ফিরোজ খান
গ
টিক্কা খান
ঘ
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন → ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করেন। → তিনি দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। → তিনি দেশের সংবিধান বাতিল করেন। → কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক আইন পরিষদ ভেঙে দেন। → মন্ত্রিসভা বাতিল করেন। → রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। → প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক নিয়োগ করা হয় সেনাপ্রধান জেনারেল আইয়ুব খানকে। → মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন। → এর কিছুদিনের মধ্যে ২৭শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান ইস্কান্দার মির্জাকে অপসারণ করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮,৫৪২.
Who won the 'FOSWAL Literature Award 2023'?
ক
Fazle Hasan Abed
খ
Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman
গ
Anishul Haq
ঘ
Selina Hossain
ব্যাখ্যা
• FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার: → ২৬-২৮ মার্চ ২০২৩ ভারতের নয়াদিল্লীতে Foundation of SAARC Writers and Literature (FOSWAL) এর সাহিত্য উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। → এই উৎসব থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার রচিত ৩টি বইয়ের জন্য বিশেষ সাহত্যি পুরস্কারে (FOSWAL) ভূষিত করে।
বইগুলো হলো; → কারাগারের রোজনামচা, → অসমাপ্ত আত্মজীবনী, → আমার দেখা নয়াচীন। → ২০০১ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা শুরু হয়েছে।
তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: The Business Standard (Mar 26, 2023)
৮,৫৪৩.
কোন জেলায় হিন্দু জনসংখ্যার হার সবচেয়ে বেশী?
ক
খুলনা
খ
গোপালগঞ্জ
গ
মৌলভীবাজার
ঘ
ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২ অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ৯১.০৪ শতাংশ মুসলিম, ৭.৯৫ শতাংশ হিন্দু, ০.৬১ শতাংশ, ০.৩০ শতাংশ খ্রিস্টান এবং ০.১২ শতাংশ অন্যান্য ধর্মাবলম্বী। - এর মধ্যে গোপালগঞ্জ সর্বাধিক হিন্দু অধ্যুষিত জেলা। - গোপালগঞ্জ জেলার ২৬.৯৪ শতাংশ হিন্দু। এছাড়া, - ঠাকুরগাঁও, মৌলভীবাজার ও খুলনা জেলার হিন্দু জনসংখ্যা যথাক্রমে ২২.১১, ২৪.৪৪ এবং ২০.৭৫ শতাংশ। - সবচেয়ে কম হিন্দু জনগোষ্ঠী মেহেরপুরে (১.২০ শতাংশ)।
উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা- ২০২২। লিঙ্ক
৮,৫৪৪.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ভবন' কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত?
ক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
খ
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
গ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ঘ
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
• জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন: - জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের আবাসনের জন্য নবনির্মিত ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ শনিবার উদ্বোধন করা হয়েছে। - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে এই ভবনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। - উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ১১- তলা বিশিষ্ট ‘জুলাই শহিদ স্মৃতি ভবন’-এর ২৫২ টি কক্ষে ১ হাজার ৮জন শিক্ষার্থীর আবাসনের ব্যবস্থা রয়েছে।
উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও পত্রিকা প্রতিবেদন।
৮,৫৪৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফা কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
ক
বিল অব রাইটস
খ
ম্যাগনাকার্টা
গ
পিটিশন অব রাইটস
ঘ
মূখ্য আইন
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: - ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। - ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত। - ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন। - ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত। - ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। - ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস। - ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।
উল্লেখ্য, - প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়। - ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়। - এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন।
উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ii) ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
৮,৫৪৬.
What type of research institution NIPORT is?
ক
ক) Population Research
খ
খ) River Research
গ
গ) Salinity Research
ঘ
ঘ) Jute Research
ব্যাখ্যা
NIPORT (নিপোর্ট):
- National Institute of Population Research and Training বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান। - এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত। - নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা- কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।
তথ্যসূত্র - NIPORT অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৫৪৭.
রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব কোন বাহিনীর উপর ন্যস্ত?
ক
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
খ
স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স
গ
বাংলাদেশ পুলিশ
ঘ
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স বাহিনীর ওপর ন্যস্ত?
• স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)। - রাষ্ট্রের উচ্চপদে আসীন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতি নির্ধারণ ও প্রশাসনিক কাজে জড়িত ব্যক্তিদের সরকারের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়। - বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইন, ২০২১ অনুযায়ী, অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা বিধান করা এসএসএফের দায়িত্ব। - তার নিরাপত্তাজনিত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং দৈহিক নিরাপত্তা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এসএসএফ।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]
৮,৫৪৮.
বাংলাদেশকে মোট কতটি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে?
ক
৩৫০টি
খ
৩১০টি
গ
৩০০টি
ঘ
২৫০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আইনসভা: - সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম। - বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। - এটি এক কক্ষবিশিষ্ট। জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০। - এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন । - এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত। - বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে। - এ সকল নির্বাচনী এলাকা থেকে নাগরিকদের প্রত্যক্ষ ভোটে একজন করে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন। - নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রাপ্ত আসন সংখ্যার আনুপাতিক হারে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যরা সাধারণ আসনে নির্বাচিত সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। - তবে মহিলা সদস্যগণ ইচ্ছা করলে ৩০০ আসনের যে কোনোটিতে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাধ্যমেও নির্বাচিত হতে পারেন।
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৬৫ পৃষ্ঠা।
৮,৫৪৯.
স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কতবার আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
ক
৬টি
খ
৫টি
গ
৪টি
ঘ
৭টি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। - ২০২২ সালে ৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
আদমশুমারি: - স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। - তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি। - প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়। - এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। - যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে - ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়। - যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়। - জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
৮,৫৫০.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা কোনটি?
ক
ক) ঢাকা নিউজ
খ
খ) ঢাকা প্রকাশ
গ
গ) জ্যোতি
ঘ
ঘ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
ব্যাখ্যা
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা হলো ঢাকা নিউজ। এটি ছিলো ইংরেজি ভাষার একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৫৬ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম প্রকাশিত হয়। এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আলেকজান্ডার ফর্বেস। ১৮৬৯ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়। ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত ঢাকা প্রকাশ যা ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ প্রথম প্রকাশিত হয়। রঙ্গপুর বার্তাবহ (১৮৪৭ সালের আগস্টে প্রকাশিত) বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা। জ্যোতি (১৯২১ সালের ৫ আগস্ট চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত) বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম দৈনিক পত্রিকা। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৮,৫৫১.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন কে?
ক
খাজা নাজিমুদ্দিন
খ
ফিরোজ খান নুন
গ
মোঃ নূরুল আমীন
ঘ
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন: - ভাষা আন্দোলন সময় পূর্ব বাংলার গভর্ণর ছিলেন ফিরোজ খান নুন। - ১৯৫২ সালের জানুয়ারি মাসের শেষ দিকে খাজা নাজিমুদ্দিনের একটি উক্তি থেকে নতুন করে ভাষা আন্দোলন শুরু হয়। - ২৭ জানুয়ারি নাজিমুদ্দিন ঘোষণা দেন, 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু'। - পূর্ববাংলা আইন পরিষদের অধিবেশনে ২২ ফেব্রুয়ারি পুনরায় ভাষা প্রশ্নে তুমুল বিতর্কের সৃষ্টি হয়। - এই অধিবেশনের সরকারি কর্মকান্ডের কঠোর সমালোচনা করা হয়। - পরিস্থিতির লক্ষ করে সরকারি দল রাষ্ট্রভাষা বাংলা সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব উত্থাপন করে। - কিন্তু এই বিলের ওপর এক সংশোধনী প্রস্তাবে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য কেন্দ্রের নিকট সুপারিশ করা হয়। - এরপর বিধান সভা ২৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবী করা হয়। - কিন্তু গভর্নর ফিরোজ খান নুনের এক ঘোষণায় ২৪ ফেব্রুয়ারি অধিবেশনের অবসান ঘটে। - দৈনিক আজাদ সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন এসব ঘটনার প্রতিবাদে আইনসভা থেকে পদত্যাগ করেন। - অনুরূপভাবে 'নওবেলাল' সম্পাদক মাহমুদ আলী মুসলিম লীগ থেকে পদত্যাগ করেন। - আন্দোলনের কেন্দ্রভূমি ঢাকার ছাত্র-জনতা এসব ঘটনায় অনুপ্রাণিত হয়।
উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫২.
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ লাভ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
ক
ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল
খ
খ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
গ
গ) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
ঘ
ঘ) বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবােজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ। - গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২ লাভ করে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)। - গবেষণা ও প্রশিক্ষণে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২১ পায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল। - ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করে সরকার।
তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।
৮,৫৫৩.
বাংলার নববর্ষ পহেলা বৈশাখ কে চালু করেছিলেন?
ক
সম্রাট বাবর
খ
শায়েস্তা খান
গ
সম্রাট আকবর
ঘ
ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর: - তৃতীয় মুঘল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর। - পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর। তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর। - তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়। - সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
উল্লেখ্য, - কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য তাঁর আদেশে প্রাচীন বর্ষপঞ্জি সংস্কার করে বাংলা সনের প্রবর্তন করা হয়। - মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
এছাড়াও, - আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন। আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল। বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন। - আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড। ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন। - ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৫৪.
বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় -
ক
ক) ইউনিসেফ
খ
খ) আইএমএফ
গ
গ) বিশ্বব্যাংক
ঘ
ঘ) জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
• ২০১৫ সালের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
• যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখা হয়। - আগে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৪৫ ডলার বা তার নিচে ছিল, তাদের বলা হয় নিম্ন আয়ের দেশ। - বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে এ তালিকাতেই ছিল। - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ১ হাজার ৩১৪ ডলার। - বিশ্বব্যাংকের পদ্ধতি অনুযায়ী তা এখন ১ হাজার ৪৫ ডলারকে ছাড়িয়ে গেছে। - এ কারণেই নতুন তালিকায় নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হতে পেরেছে বাংলাদেশ।
• উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক মধ্যম আয়ের দেশগুলোকে দুটি শ্রেণিতে ভাগ করেছে। - একটি হচ্ছে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ, - অন্যটি উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশ।
সূত্র: বিশ্বব্যাংক, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
৮,৫৫৫.
বাংলাদেশ পুলিশের যে ইউনিট মেট্রোরেলের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করে -
ক
এমআরটি পুলিশ
খ
মেট্রোপলিটন পুুলিশ
গ
রেলওয়ে পুলিশ
ঘ
মেট্রোট্রেন পুলিশ
ব্যাখ্যা
• মেট্রোরেলের জন্য গঠিত পুলিশ: - মেট্রোরেলের (মাস র্যাপিড ট্রানজিট–এমআরটি) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষায়িত মেট্রোরেল পুলিশ গঠনের করেছে সরকার। - মেট্রোরেলের জন্য গঠিত পুলিশের বিশেষ ইউনিটের নাম - এমআরটি পুলিশ। - পুলিশের একজন উপমহাপরিদর্শকের (ডিআইজি) নেতৃত্বে ২৩১ জনবল থাকবে এই ইউনিটে। - এ ছাড়া মেট্রোরেল পুলিশের জন্য ১০টি মোটরসাইকেল, চারটি পিকআপ ও একটি জিপ থাকবে।
উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৫৫৬.
ঢাকা (কমলাপুর) রেল স্টেশনের স্থপতি কে?
ক
এফ আর খান
খ
লুই আইকান
গ
বব বুই
ঘ
মাজহারুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
কমলাপুর রেলস্টেশন: - কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় রেলস্টেশন। - এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেলস্টেশনও। - এর অবস্থান ঢাকার মতিঝিলে। - এটি ঢাকার সঙ্গে দেশের অন্য জায়গার মধ্যে যোগাযোগের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল। - এ স্টেশনের স্থাপত্যশৈলী অনন্য। - কমলাপুর রেলস্টেশনের স্থপতি ছিলেন দুই মার্কিন নাগরিক। - তারা ছিলেন ড্যানিয়েল বার্নহ্যাম এবং বব বুই।
উৎস: i) ২২ ডিসেম্বর ২০২০, প্রথম আলো। ii) ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১, প্রথম আলো।
৮,৫৫৭.
'কুসুম্বা মসজিদ' কোন শাসনামলের স্থাপত্য নিদর্শন?
ক
সেন
খ
মুঘল
গ
সুলতানি
ঘ
ইংরেজ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ: - নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান। - মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন। - এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা। - ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত। - এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।
উৎস: প্রথম আলো।
৮,৫৫৮.
মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?
ক
১৯০৯ সালে
খ
১৯০৭ সালে
গ
১৯০৫ সালে
ঘ
১৯০৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুসলিম লীগ: - মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ঢাকায়। - এর পেছনের মূল প্রেক্ষাপট ছিল ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ এবং তৎকালীন রাজনৈতিক পরিস্থিতি। - মুসলিম সমাজের স্বতন্ত্র রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্বের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ এ উদ্যোগ গ্রহণ করেন। - ঢাকার শাহবাগে সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনের অধিবেশনে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দলের প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়, এটি মুসলমানদের স্বার্থ সংরক্ষণে নিবেদিত থাকবে। - সভার সভাপতি নওয়াব ভিকার-উল-মুলক প্রস্তাবটি সমর্থন করেন এবং এর মাধ্যমে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। - দলটি প্রতিষ্ঠার অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল মুসলমানদের শিক্ষা, প্রতিনিধি অধিকার এবং রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা। - পরবর্তীকালেই এই দলটি পাকিস্তান সৃষ্টির মূল শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫৫৯.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন?
ক
১৯৭৪ সালে
খ
১৯৭৫ সালে
গ
১৯৭৬ সালে
ঘ
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস: - বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। - ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন। - তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত। - তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। - তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। - এছাড়াও র্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।
উল্লেখ্য, - ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৪ সালে তেভাগা খামার প্রতিষ্ঠা করেন। - প্রকল্পটিকে আরও কার্যকর করতে ইউনূস এবং তার সহযোগীরা 'গ্রাম সরকার' কর্মসূচি প্রস্তাব করেন। যেটি ১৯৭০-এর দশকের শেষের দিকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রবর্তন করেন। এই কর্মসূচির অধীনে ২০০৩ সালে ৪০,৩৯২টি গ্রাম সরকার গঠিত হয়। - মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৭৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন গরিব বাংলাদেশীদের মধ্যে ঋণ দেবার জন্য।
উৎস: i) Yunus Centre ওয়েবসাইট। ii) প্রথম আলো।
৮,৫৬০.
ক্রয় ক্ষমতার ভিত্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় আয় কত?
ক
ক) $১,৮২৭
খ
খ) $১,৯০৯
গ
গ) $২,৭৫৬
ঘ
ঘ) $৩,৫২৪
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচী (UNDP) - এর মানব উন্নয়ন প্রতিবেদন-২০১৮ অনুসারে, ক্রয় ক্ষমতা বা Purchasing Power Parity (PPP) - এর ভিত্তিতে বাংলাদেশের মাথাপিছু জাতীয় আয় ৩,৫২৪ মার্কিন ডলার। অন্যদিকে, স্থিরমূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ১৯০৯ মার্কিন ডলার। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৮,৫৬১.
বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয় কবে?
ক
১৮৫৩ সালে
খ
১৮৫৭ সালে
গ
১৯০৩ সালে
ঘ
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ: - বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ গুরুত্বপূর্ণ। ইংরেজদের ভাগ কর ও শাসন কর (Divide and Rule)-এর আকাঙ্ক্ষা বরাবরই ছিল। এখানে অভিজাত হিন্দুদের প্রতি বঞ্চিত মুসলমানের মধ্যে যে অবিশ্বাস ছিল সেটাকে কাজে লাগিয়ে বঙ্গভঙ্গ উদ্যোগ নেয় ইংরেজ শাসকেরা। হিন্দুদের বড়ো অংশ বঙ্গভঙ্গের বিরোধিতা করে এবং মুসলমানদের বড়ো অংশ বঙ্গভঙ্গকে সমর্থন করে। এই প্রচেষ্টা বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক অস্বস্তি ও অবিশ্বাসকে রাজনৈতিকভাবে সামনে নিয়ে আসে।
⇒ ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত। - ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি। - বঙ্গভঙ্গের এই পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল। - বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ার কারণে ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের অনেক প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকারি মহলে উপস্থাপন করা হয়। - প্রকৃতপক্ষে ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়। - ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। সে বছর অক্টোবরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়। - এই পরিকল্পনায় বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী এবং ভারতের আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। - অপরপক্ষে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী হয় কোলকাতা।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম- ১০ম শ্রেণি।
৮,৫৬২.
বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার কে?
ক
সেলিনা হোসেন
খ
শাহেদা মুস্তাফিজ
গ
ফারজানা ইসলাম
ঘ
তাহমিনা আক্তার
ব্যাখ্যা
প্রথম নারী প্রোগ্রামার: - বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রোগ্রামার শাহেদা মুস্তাফিজ। - ১৯৪৯ সালে জন্ম নেওয়া এ প্রতিভাবান নারী প্রোগ্রামার অর্থনীতিতে পড়াশোনা করেও প্রযুক্তির জগতে নিজের স্থান করে নিয়েছেন। শাহেদা মুস্তাফিজ যুক্তরাষ্ট্রের এনসিআর করপোরেশনে সফটওয়্যার আর্কিটেকচারে এক বছরের প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। - ১৯৭৬ সালে এনসিআর বাংলাদেশের সিস্টেমস ম্যানেজার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু হয়। - এরপর তিনি লিডস করপোরেশনে ২২ বছর কাজ করেন, যেখানে তিনি ব্যাংকিং সফটওয়্যার ‘এনসিআর ব্যাংক’ (পরে ‘পিসি ব্যাংক’) তৈরি করেন, যা দেশের ব্যাংকিং খাতের অটোমেশনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। - ১৯৯৮ সালে গড়ে তোলেন নিজের প্রতিষ্ঠান প্রবিতি সিস্টেমস। - এ ছাড়া তিনি কানাডার ‘টোয়েন্টি-টোয়েন্টি টেকনোলজিস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘ই-টেকনোলজিকস ইনকরপোরেটেড’-এর বাংলাদেশ শাখার নির্বাহী সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। - কাজের বাইরে তিনি শিশুদের জন্য এবং বিশেষ করে নারীদের জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র পরিচালনা করেছেন।
তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮,৫৬৩.
ওলন্দাজরা কোন দেশের নাগরিক?
ক
ক) পর্তুগাল
খ
খ) হল্যান্ড
গ
গ) ফ্রান্স
ঘ
ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ - হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়। - ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে। - প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক ‘ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে। - তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। - প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি করত। - ইংরেজদের সাথে তাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয় তা দু'বছরের মধ্যে ভেঙ্গে গিয়ে বিরোধ দেখা দেয়। - ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে। - এভাবে ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়।
উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৬৪.
কোন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে 'জোবেরা রহমান লিনু' গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস গড়েছেন?
ক
দাবা
খ
সাঁতার
গ
ফুটবল
ঘ
টেবিল টেনিস
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু: - জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়। - ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক রেকর্ডসে’। - ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু।
উল্লেখ্য, - বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি। - মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। - ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন। - ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।
উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৮,৫৬৫.
পদ্মা সেতুর নকশা প্রনয়ণ করে কোন প্রতিষ্ঠান?
ক
AOECM
খ
AEOCN
গ
ACEOM
ঘ
AECOM
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু: - পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু। - এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু। - এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
⇒ মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার, প্রস্থ ১৮.১০ মিটার। - পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি। - পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি। - ২৫ জুন, ২০২২ তারিখে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করা হয়। - পদ্মা সেতু ঢাকার সাথে দক্ষিণাঞ্চলের ২১টি জেলার সংযোগ স্থাপন করেছে।
উল্লেখ্য, - পদ্মা সেতুর নকশা প্রনয়ণ করে নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এইসিওম (AECOM)।
উৎস: i) বিবিসি। ii) সেতু বিভাগ ওয়েবসাইট।
৮,৫৬৬.
কৈবর্ত বিদ্রোহের নায়ক কে ছিলেন?
ক
ভারিয়ানকুন্নাথু
খ
জাতবর্মা
গ
আরাম শাহ
ঘ
দিব্যোক
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় মহীপালের সময় বাংলার উত্তরাংশের বরেন্দ্র এলাকার সামন্তবর্গ প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। - ইতিহাসে এ বিদ্রোহ 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' নামে পরিচিত। - এ বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কৈবর্ত বা মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের নেতা দিব্যোক বা দিব্য। - বাংলার ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত এ বিদ্রোহে দ্বিতীয় মহীপালকে হত্যা করে বরেন্দ্র দখল করে নেয়া হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৮,৫৬৭.
২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে -
ক
ক) ৭.৫০ শতাংশ
খ
খ) ৭.২৫ শতাংশ
গ
গ) ৮.২৫ শতাংশ
ঘ
ঘ) ৭.৭৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৭ দশমিক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করেছে সরকার। • ২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৭ দশমিক ২৫ শতাংশ।
তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট - ২০২২-২০২৩।
৮,৫৬৮.
বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল -
ক
সিলেটের মালনীছড়া
খ
চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
গ
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে
ঘ
চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে
ব্যাখ্যা
চট্রগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে ।
বাংলাদেশের চা শিল্প: - বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্যিক চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া চা বাগান । - সিলেটের বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত এই চা বাগান ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । - ১৮৫৭ সালে প্রথম বানিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয় । - বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১৬৮ টি চা বাগান আছে । - সর্বাধিক ৯২ টিচা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজারে । - এছাড়াও, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান । - বাংলাদেশে চা চাষ এবং বিক্রয় সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ, চা চাষ নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চট্রগ্রামের নাসিরাবাদে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চা বোর্ড । - ১৯৫৭ সালে স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট , জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।
৮,৫৬৯.
চিত্রকর্ম 'নাইওর' এর চিত্রকর কে?
ক
এস. এম. সুলতান
খ
কামরুল হাসান
গ
জয়নুল আবেদীন
ঘ
রফিকুন্নবী
ব্যাখ্যা
শিল্পী কামরুল হাসান:
- তাঁর প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান। - ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন। - তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে। - কামরুল হাসানের শিক্ষাজীবন কাটে কলকাতায়। - তিনি কলকাতার মডেল এম ই স্কুল (১৯৩০-৩৫) এবং কলকাতা মাদ্রাসায় (১৯৩৬-৩৭) প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন। - ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতার গভর্নমেন্ট স্কুল অব আর্টস-এ ভর্তি হন এবং ১৯৪৭ সালে চিত্রকলায় স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন। - ‘তিনকন্যা’ ও ‘নাইওর’ তাঁর বিখ্যাত চিত্রকর্ম। - ১৯৮৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,৫৭১.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
ক
দলীয় সংগঠনবিহীন
খ
দলীয় কর্মসূচিবিহীন
গ
সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত
ঘ
বেসরকারি সংগঠন
ব্যাখ্যা
অ্যালান বলের মতে, “চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ ‘অংশীদারী মনোভাবের’ দ্বারা আবদ্ধ।
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য: - দলীয় সংগঠনবিহীন, - দলীয় কর্মসূচিবিহীন, - বেসরকারি সংগঠন, - নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া, - সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা, - সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়, - সমজাতীয় মনোভাব।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৭২.
২০২৬ সালে একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন কতজন ব্যক্তি?
ক
৮ জন
খ
৯ জন
গ
১০ জন
ঘ
৭ জন
ব্যাখ্যা
একুশে পদক: - ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিদের নাম ঘোষণা করেন। - ২০২৬ সালে একুশে পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন ৯ জন ব্যক্তি এবং ১টি প্রতিষ্ঠান। - বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ৯ জন ব্যক্তি এবং ১টি প্রতিষ্ঠানকে একুশে পদক ২০২৬ প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। - স্বীকৃতি প্রদানের ক্ষেত্রে একুশে পদকের জন্য মনোনীত ব্যক্তিরা হলেন: - অভিনয়ে ফরিদা আক্তার ববিতা, - চারুকলায় প্রফেসর ড. মো. আব্দুস সাত্তার, - স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, - সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), - নৃত্যে অর্থী আহমেদ, - পালাগানে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, - সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, - শিক্ষায় প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং, - ভাস্কর্যে তেজস হালদার জস। - এছাড়া সংগীতে ওয়ারফেজকে এ পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।
উৎস: প্রথম আলো নিউজ।লিঙ্ক
৮,৫৭৩.
বর্তমানে দেশে মােট বীমা কোম্পানির সংখ্যা কতটি?
ক
ক) ৭৭টি
খ
খ) ৭৯টি
গ
গ) ৮১টি
ঘ
ঘ) ৮৩টি
ব্যাখ্যা
৬ মে ২০২১ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (IDRA) নতুন দুটি জীবন বীমা কোম্পানিকে লাইসেন্স প্রদান করে। এ নিয়ে দেশে মােট বীমা কোম্পানির সংখ্যা ৮১টি। - এর মধ্যে ৩৫টি জীবন বীমা কোম্পানি এবং ৪৬টি সাধারণ বীমা কোম্পানি। - সর্বশেষ লাইসেন্স প্রাপ্ত বীমা কোম্পানি হলােঃ এনআরবি ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড এবং বীচল্যান্ড ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স লিমিটেড। উৎসঃ বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ এবং লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মে-জুন, ২০২১।
৮,৫৭৪.
”গম্ভীরা নাচ” বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
ক
রংপুর
খ
সিলেট
গ
রাজশাহী
ঘ
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- গম্ভীরানাচ: - গম্ভীরা পূজা ও উৎসব এবং গম্ভীরা গানএ পরিবেশিত হয়। - অবিভক্ত বাংলার মালদহ জেলায় এ নাচের ব্যাপক প্রচলন ছিল। - বর্তমানে এর প্রভাব হ্রাস পেয়েছে। রাজশাহী জেলায় মুসলিম সমাজের পৃষ্ঠপোষকতায় গম্ভীরা নাচগানের বিস্তর রূপান্তর ঘটেছে। - দুজন নট নানা-নাতির ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সমকালীন সমাজ, রাজনীতি, অর্থনীতি, নৈতিকতা ইত্যাদি সংক্রান্ত সমস্যা নৃত্যগীতের মাধ্যমে তুলে ধরে। - এতে গদ্যেপদ্যে সংলাপও থাকে। আসরে দোহাররা ধুয়া গায়, বাদ্যকাররা বাদ্য বাজায়। - হারমোনিয়াম, বাঁশি, ঢোল, জুড়ি এর প্রধান বাদ্যযন্ত্র। - সংলাপ, নাচ-গান ও বাদ্য সহযোগে গম্ভীরানাচ লোকনাট্যের বৈশিষ্ট্য বহন করে। - দোহাররা যখন ধুয়া গায় তখন নানা-নাতি উভয়ে সরল ভঙ্গিতে হাত-পা নেড়ে ও কোমর দুলিয়ে নাচে। - নাতির পায়ে থাকে ঘুঙুর। এ নাচে তেমন কোনো বৈচিত্র্য নেই, তবে মালদহের গম্ভীরানাচে মুখোশের ব্যবহার আছ।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫৭৫.
Which of the following is not a function of commercial bank?
ক
ক) Receiving deposit
খ
খ) Disbursing loans and advances
গ
গ) Transferring money
ঘ
ঘ) Controlling the money supply
ঙ
ঙ) Dealing in foreign exchange
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হল:
- কেন্দ্রীয় ব্যাংক ছাড়া অন্য কোন ব্যাংক মুদ্রা সরবরাহ করতে পারে না। - মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা। - বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা। - মুদ্রা নীতি ঘোষণা, বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া। - নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন। - তবে এই কাজ গুলোর করার মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য হলো মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮,৫৭৬.
সত্তরের নির্বাচনে কার নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়?
ক
বিচারপতি শাহাবুদ্দীন
খ
বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
গ
বিচারপতি আবু সায়েম
ঘ
এম এন হুদা
ব্যাখ্যা
সত্তরের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা: - ১৯৬৯ সালের ২রা জুলাই ইয়াহিয়া খানের ঘোষণা অনুযায়ী পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের বিচারক বিচারপতি আব্দুস সাত্তারের নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়। - এ নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক কাজ ছিল একটি সর্বজনীন ভোটার তালিকা প্রস্তুত করা। - এ তালিকার মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩,১২,১৪,৯৩৫ জন এবং পশ্চিম পাকিস্তানের ২,৫২,০৬,২৬৩ জন। - এ ভোটার তালিকায় ভিন্ন জাতিসত্তার নৃগোষ্ঠী অধিবাসীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,৫৭৭.
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা কে?
ক
হাছন রাজা
খ
লালন শাহ
গ
শাহ আবদুল করিম
ঘ
আবদুর রহমান বয়াতি
ব্যাখ্যা
লালন শাহ: - ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ। তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে: - ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’ - ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’ - ‘মিলন হবে কত দিনে’ - ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ - ‘তিন পাগলের মেলা’ - ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।
তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৮,৫৭৮.
বাংলাদেশ নারী পুলিশের কোন কন্টিনজেন্ট জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করেছে?
ক
ব্যানএফপিইউ-৪
খ
ব্যানএফপিইউ-৩
গ
ব্যানএফপিইউ-২
ঘ
ব্যানএফপিইউ-১
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনী: - প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৮ - প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট: প্রথম আরব-ইসয়ায়েল সংঘাতের সময় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক পর্যবেক্ষক মোতায়েনের অনুমোদন দেয়। - প্রথম মিশন প্রেরণ: ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে। - প্রথম মিশনের নাম: United Nations Truce Supervision Organization - UNTSO - বাংলাদেশ যোগদান: ১৯৮৮ সালে ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক দল (UNIMOG) প্রেরণের মাধ্যমে। - বাংলাদেশ নারী পুলিশ: বাংলাদেশ নারী পুলিশ ২০১০ সালে প্রথমবার 'ফর্মেড পুলিশ ইউনিট' নামে পূর্ণাঙ্গ পুলিশ ইউনিট শান্তিরক্ষী মিশনে কঙ্গো যাত্রা করে। - গত ৭ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (মনুস্ক) দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট ব্যানএফপিইউ-১ সদস্যদের অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক দেওয়া হয়েছে।
তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ পুলিশের ওয়েবসাইট।
৮,৫৭৯.
বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
ক
৩০টি
খ
৩১টি
গ
৩২টি
ঘ
৩৩টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত: - বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা: • ভারত ও • মিয়ানমার। - বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি। - ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি। - বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে। - মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি। - বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৫৮০.
দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় কবে?
ক
২০১০ সালের মার্চে
খ
২০১১ সালের মার্চে
গ
২০১৪ সালের মার্চে
ঘ
২০২৪ সালের মার্চে
ব্যাখ্যা
মোবাইল আর্থিক সেবা (এমএফএস): - হাতে থাকা মুঠোফোন এখন আর্থিক লেনদেনের বড় মাধ্যম হয়ে উঠেছে। - যোগাযোগের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় আর্থিক লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে মুঠোফোন। - বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো মোবাইলে আর্থিক সেবায় (এমএফএস) এক মাসে ১ লাখ ৭১ হাজার ৬৬৪ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে, অর্থাৎ দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে প্রতিদিন লেনদেন হয়েছে ৫ হাজার ৫৩৭ কোটি টাকা। - জানুয়ারি ২০২৫ তে এমএফএস-সেবায় সব মিলিয়ে গ্রাহকের সংখ্যা ছিল ২৩ কোটি ৯৩ লাখ ২৯৯। - এর মধ্যে সক্রিয় হিসাব ৮ কোটি ৮৫ লাখ। - গ্রাহকসেবা দিতে সারা দেশে এজেন্ট রয়েছে ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৯৭৯টি। - এমএফএস-সেবার শীর্ষে রয়েছে বিকাশ। - তাদের নিবন্ধিত গ্রাহকসংখ্যা প্রায় আট কোটি। - বিকাশে দিনে লেনদেন হয় প্রায় চার হাজার কোটি টাকা। - বাংলাদেশ ব্যাংক অনুমোদিত ও ডাক বিভাগের সেবা নগদসহ দেশে এখন এমএফএস প্রতিষ্ঠান রয়েছে ১৩টি। - এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায়, এমক্যাশ, মাইক্যাশ, ট্যাপ প্রভৃতি। - দেশে মুঠোফোনের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চে। - বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করে। - পরে সেবাটির নাম বদলে রাখা হয় রকেট। - এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমএফএস-সেবা চালু করে বিকাশ।
উৎস: প্রথম আলো (২৩ মার্চ ২০২৫)
৮,৫৮১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামি সংখ্যা-
ক
৩৪ জন
খ
৩৫ জন
গ
৩৬ জন
ঘ
৩৩ জন
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মোট আসামি ছিল ৩৫ জন এবং প্রধান আসামি ছিল শেখ মুজিবুর রহমান। • আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা: - ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের সামরিক সরকার পূর্ব পাকিস্তানের আওয়ামী লীগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমান এবং আরও ৩৪ জনকে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে অভিযুক্ত করে একটি ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। - এ মামলার শিরোনাম ছিল ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য’। - পাকিস্তান সরকার দাবি করে, শেখ মুজিবুর রহমানসহ অভিযুক্তরা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা শহরে বসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছেন এবং পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতা অর্জনের পরিকল্পনা করেছেন। - মামলাটি পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক ক্ষোভ এবং উত্তেজনার জন্ম দেয়। - জনগণের ব্যাপক আন্দোলনের ফলে ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আইয়ুব খান সরকার মামলাটি প্রত্যাহার করতে বাধ্য হয়।
উৎস: বাংলাপিডিয়া
৮,৫৮২.
’স্টপ জেনোসাইড’ কোন ধরনের চলচ্চিত্র?
ক
স্বল্পদৈর্ঘ্য
খ
পূর্ণদৈর্ঘ্য
গ
প্রামাণ্যচিত্র
ঘ
শিশুতোষ
ব্যাখ্যা
স্টপ জেনোসাইড: - এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র। - নির্মাতা জহির রায়হান। - মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়। - মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। - একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। - বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি। - ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া। ii) প্রথম আলো।
৮,৫৮৩.
প্রতিকূল পরিবেশে উদ্ভিদের খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশলকে কি বলে?
ক
অতিযোজন
খ
অভিস্রবন
গ
অভিবিয়োজন
ঘ
অভিযোজন
ব্যাখ্যা
অভিযোজন: - উদ্ভিদ বেঁচে থাকার জন্য বিভিন্ন ধরনের শরীরবৃত্তীয় ও জৈবরাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে খাপ খাইয়ে নেওয়ার কৌশলকে অভিযোজন বলে। - জীবের অভিযোজন পরিবেশের তাপমাত্রা, আদ্রতা, বায়ুপ্রবাহ ও বায়ুর উপাদান, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ঐ স্থানের উচ্চতা এবং জীবের শারীরিক গঠন ও দৈহিক অবস্থা ইত্যাদির উপর নির্ভর করে। - হঠাৎ জলবায়ুর ব্যাপক পরিবর্তন হলে উদ্ভিদ সেই পরিবেশে নিজেকে অভিযোজন করতে পারে না। - ফসলের অভিযোজন কৌশলের জ্ঞানকে কাজে লাগি কৃষি বিজ্ঞানীরা প্রতিকূল পরিবেশে চাষযোগ্য বিভিন্ন ধরনের ফসলের জাত উদ্ভাবন করেন।
তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৫৮৪.
নিচের কোন জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে?
ক
রাঙামাটি
খ
খাগড়াছড়ি
গ
বান্দরবান
ঘ
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
সীমান্ত জেলা: - বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি। - জেলার সংখ্যা ৬৪টি। - যার ৬ বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই। - কিন্তু ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। - ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি। - রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।
৮,৫৮৫.
বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি সাধারণত জিডিপির কত শতাংশের মধ্যে থাকে?
ক
৫%
খ
৬%
গ
৭%
ঘ
৮%
ব্যাখ্যা
ঘাটতি বাজেট: - কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে। - বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে। - ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়। - সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।
⇒ বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি সাধারণত জিডিপির ৫ শতাংশের মধ্যে থাকে। - ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট ঘাটতি ২,২৬,০০০ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৬২ শতাংশ)। - ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট ঘাটতির পরিমাণ জিডিপির ৪ শতাংশের নিচে থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট। ii) The Daily Star Bangla.
৮,৫৮৬.
যুক্তফ্রন্ট সরকার কত দিন ক্ষমতায় ছিল?
ক
৫৪ দিন
খ
৫৬ দিন
গ
৬২ দিন
ঘ
৬৫ দিন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট সরকার: - পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মুসলিম লীগের শোচনীয় পরাজয় ঘটানোর লক্ষ্যে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। - ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। - এ নির্বাচনে জনগণ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফাকে তাদের স্বার্থরক্ষার সনদ বলে বিবেচনা করে। - পূর্ববাংলার প্রাদেশিক পরিষদের ২৩৭টি মুসসিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আর মুসলিম লীগ মাত্র ১টি আসন লাভ করে। বাকি আসন অন্যরা পায়। - যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক সরকার গঠনের রায় লাভ করে। - জনগণই যে 'সকল ক্ষমতার উৎস'-এই নির্বাচন তা প্রমাণ করে। - জনগণ এ নির্বাচনে মুসলিম লীগকে প্রত্যাখ্যান করে এবং পূর্ববাংলায় এর শাসনের অবসান ঘটায়।
⇒ ১৯৫৪ সালের ৩রা এপ্রিল যুক্তফ্রন্টভুক্ত কৃষক শ্রমিক পার্টির নেতা এ.কে. ফজলুল হক মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। - কেন্দ্রীয় সরকার '৫৪ সালের ৩০মে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের ৯২(ক) ধারা বলে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বরখাস্ত এবং পূর্ববাংলায় গভর্নরের শাসন ঘোষণা করেন। - যুক্তফ্রন্ট সরকার মাত্র ৫৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। - উল্লেখ্য, পাকিস্তান সরকারের ইন্ধনে ঐ দাঙ্গা হয়েছিল। - শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে গৃহবন্দি করা হয়। বহু নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। - এর মাধ্যমে পূর্ববাংলার প্রতি পাকিস্তান শাসকগোষ্ঠীর চরম বৈরী মনোভাব প্রকাশ পায়। - পূর্ববাংলায় পাকিস্তানের অরাজক শাসন পর্ব শুরু হয়। কেন্দ্র এবং প্রদেশে ঘন ঘন সরকার পরিবর্তন হতে থাকে। দেশ সামরিক শাসনের বেড়াজালে আবদ্ধ হয়।
উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৮৭.
Which of the following is not a concept of 'Three Zero' theory?
ক
Zero Net Carbon Emissions
খ
Zero Unemployment
গ
Zero Poverty
ঘ
Zero Hunger
ঙ
None of these
ব্যাখ্যা
Three Zero Theory বা "তিন শূন্য তত্ত্ব" হলো নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রদত্ত একটি বৈশ্বিক উন্নয়ন ধারণা, যেখানে তিনি তিনটি বড় সামাজিক লক্ষ্যকে সামনে নিয়ে এসেছেন: - Zero Poverty (শূন্য দারিদ্র্য) - Zero Unemployment (শূন্য বেকারত্ব) - Zero Net Carbon Emissions (শূন্য নিট কার্বন নির্গমন)
এই তিনটি লক্ষ্য অর্জনের মাধ্যমে পৃথিবীতে টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং পরিবেশ রক্ষা সম্ভব বলে তিনি বিশ্বাস করেন। Zero Hunger এই শব্দটি 'Three Zero' তত্ত্বের অংশ নয়।
উৎস: Yunus Centre ও দ্য ডেইলি স্টার।
৮,৫৮৮.
সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নাম কী?
ক
ক) ফ্রিডম পার্টি
খ
খ) প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি
গ
গ) জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি
ঘ
ঘ) তৃণমূল বিএনপি
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত দলের ইতিহাস: - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে ৪০ টি দলের নিবন্ধন রয়েছে। - ২০০৮ সালে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়। - দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি। ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর নিবন্ধন পায় দলটি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক ‘ছাতা’। - বাংলাদেশের প্রাচীনতম রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। ১৯৪৮ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত এ রাজনৈতিক দলের প্রতীক ‘নৌকা’। - সর্বশেষ নিবন্ধিত দল হচ্ছে তৃণমূল বিএনপি ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ সালে নিবন্ধিত হয়। দলটি প্রতীক হিসেবে পাচ্ছে ‘সোনালি আঁশ’। - ফ্রিডম পার্টির নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০০৯ সালে - ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল হয় - ২০১৮ সালে - জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল হয়- ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর - প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক পার্টি-পিডিপিনিবন্ধন বাতিল হয় - ২০২০ সালে - জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপার নিবন্ধন বাতিল করে - ২০২১ সালে
উৎস: নির্বাচন কমিশন ও দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৫৮৯.
বর্তমানে হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স - ২০২৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
ক
১০০ তম
খ
৯৫ তম
গ
১০২ তম
ঘ
৯২ তম
ব্যাখ্যা
হেনলি পাসপোর্ট ইনডেক্স - ২০২৬: - শক্তিশালী পাসপোর্ট সূচকে (Global Passport Ranking) ৫ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। - আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হেনলি অ্যান্ড পার্টনারসের (Henley & Partners) সর্বশেষ ২০২৬ সালের জানুয়ারি সংস্করণের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের অবস্থান এখন ৯৫তম। - এর আগে ২০২৫ সালের অক্টোবর সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। - প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে একজন বাংলাদেশি নাগরিক অগ্রিম ভিসা ছাড়াই (No Prior Visa) বিশ্বের ৩৭টি দেশ ও অঞ্চলে ভ্রমণ করতে পারেন। এই তালিকার মধ্যে রয়েছে সরাসরি ভিসামুক্ত প্রবেশ (Visa-Free), অন-অ্যারাইভাল ভিসা (Visa on Arrival) এবং ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (ETA)।
উৎস: Global Passport Ranking ২০২৬।
৮,৫৯০.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হবে কবে?
ক
ক) ১-৫ জানুয়ারি, ২০২১
খ
খ) ২-৮ জানুয়ারি, ২০২১
গ
গ) ১০-১৬ জানুয়ারি, ২০২১
ঘ
ঘ) ২৫-৩১ জানুয়ারি, ২০২১
ব্যাখ্যা
দেশে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হবে ২-৮ জানুয়ারি, ২০২১। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর- ২০১৯]
৮,৫৯১.
উপমহাদেশে সর্বশেষে আগত ইউরোপীয় বণিক কারা?
ক
ডাচরা
খ
দিনেমার
গ
ফরাসিরা
ঘ
ইংরেজরা
ব্যাখ্যা
• ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি: - উপমহাদেশে সর্বশেষে আগত ইউরোপীয় বণিকদের কোম্পানি হচ্ছে ফরাসি ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। - ১৬৬৪ সালে এই বাণিজ্যিক কোম্পানি গঠিত হয়। - ১৬৬৮ সালে কোম্পানি সর্বপ্রথম সুরাট এবং পরের বছর মসলিপট্টমে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। - ১৬৭৩ সালে পন্ডিচেরিতে ফরাসি উপনিবেশ গড়ে ওঠে। - ১৬৭৪ সালের পর থেকে তারা তাদের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বাংলায় সম্প্রসারিত করে। - কোম্পানি বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খানের কাছ থেকে গঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত চন্দননগর নামক স্থানটি কিনে নেয়। - ১৬৯০ থেকে ১৬৯২ সালের মধ্যে চন্দননগর একটি শক্তিশালী সুরক্ষিত ফরাসি বাণিজ্য কুঠিতে পরিণত হয়। - ১৬৯৬ সালে কোম্পানি এখানে একটি শক্তিশালী দুর্গ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
উল্লেখ্য, - সর্বপ্রথম এদেশে পর্তুগিজ বনিকরা বানিজ্য করার জন্য আসে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৫৯২.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সর্ববৃহৎ সংগঠন কোনটি?
ক
BEZA
খ
BEPZA
গ
BGMEA
ঘ
BKMEA
ব্যাখ্যা
BGMEA: - BGMEA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association. - বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের সর্ববৃহৎ সংগঠন বিজিএমইএ। - বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি। - এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। - BGMEA বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের উন্নয়নের পথ প্রশস্ত করার জন্য ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে। - বর্তমানে BGMEA-তে প্রায় চার হাজার নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে।
⇒ বিজিএমইএ পরিচালিত হচ্ছে ৩৫ সদস্যের নির্বাচিত পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা। - পরিচালনা পর্ষদ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।
উল্লেখ্য, - ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে। - বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি। - বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলির প্রায় ৪০% নিটওয়্যার এবং সোয়েটার প্রস্তুতকারক এবং বাকি ৬০% বোনা পোশাক প্রস্তুতকারক। - বিজিএমইএ সদস্য কারখানাগুলি দেশের ১০০% বোনা পোশাক রপ্তানি এবং ৯৫% এরও বেশি সোয়েটার রপ্তানি করে, যেখানে হালকা নিটওয়্যার রপ্তানির প্রায় অর্ধেকই তাদের দ্বারা তৈরি করা হয়।
উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
৮,৫৯৩.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কে?
ক
গোলাম মাহবুব
খ
অলি আহাদ
গ
গাজীউল হক
ঘ
আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি: - ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ। - পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে। - সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে। - বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। - এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক। - বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন। - সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন। - পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন। - মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত। - আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন। - ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। - এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৮,৫৯৪.
এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ -এ সেরা বিজ্ঞানীদের তালিকায় স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের কোন বিজ্ঞানী?
ক
অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান
খ
অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান
গ
অধ্যাপক ড. কামরুল ইসলাম
ঘ
অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন
ব্যাখ্যা
• এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স, ২০২৬: - গবেষণা ও অ্যাকাডেমিক উৎকর্ষের স্বীকৃতিস্বরূপ এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স র্যাঙ্কিং ২০২৬-এ মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং শাখায় মালয়েশিয়ায় প্রথম, এশিয়ায় দ্বিতীয় এবং বিশ্বে সপ্তম অবস্থান অর্জন করেছেন বাংলাদেশি বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান।
- সম্প্রতি প্রকাশিত এডি সায়েন্টিফিক ইনডেক্স ২০২৬ অনুযায়ী, ইঞ্জিনিয়ারিং ও টেকনোলজি/মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে তালিকাভুক্ত বিশ্বের ৩৩ হাজার ৩৭১ জন বিজ্ঞানীর মধ্যে এই মর্যাদাপূর্ণ অবস্থানে উঠে আসেন অধ্যাপক ড. সাইদুর রহমান। - ২০২৫ সালেও একই র্যাঙ্কিংয়ে তিনি বিশ্বে সপ্তম ছিলেন। - স্কলারজিপিএস ২০২৫ অনুযায়ী টেকসই জ্বালানি ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি গবেষণায় তিনি বিশ্বসেরা বিজ্ঞানী হিসেবে প্রথম স্থান অর্জন করেন। - ২০২৫ সালের ওবাদা পুরস্কারে ‘বিশিষ্ট বিজ্ঞানী’ ক্যাটাগরিতে তিনি সম্মানিত হন। - বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে এই আন্তর্জাতিক পুরস্কারে ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী মাত্র আটজন বিজ্ঞানী নির্বাচিত হন, যাদের একজন ড. সাইদুর রহমান।
তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক। (Link)
৮,৫৯৫.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
ক
ক) বান্দরবান
খ
খ) সিলেট
গ
গ) সুন্দরবন
ঘ
ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় অবস্থিত। উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চট্টগ্রাম জেলা।
৮,৫৯৬.
২০২২ সালে দক্ষ প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা কত শতাংশ?
ক
৭৩.৬৯%
খ
২২.২২%
গ
৩.৭৭%
ঘ
০.৩২%
ব্যাখ্যা
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বাধিক রেমিটেন্স (১৭.৮%) এসেছে। - সৌদি আরব থেকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পরিমাণ রেমিটেন্স এসেছে যা প্রায় ১৭.৭%।
- ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২১৩,৫৭২ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়। - তার মধ্যে সৌদি আরব গিয়েছে সবচেয়ে বেশি ৮৫,৩১৯ জন।
- ২০২২ সালে শ্রেণিভিত্তিক প্রবাসী বাংলাদেশীর সংখ্যা:
• স্বল্প-দক্ষ ৭৩.৬৯%
• দক্ষ ২২.২২%
• আধা-দক্ষ ৩.৭৭%
• পেশাজীবী- ০.৩২%
- পূর্বের বছরগুলোতে দেখা গিয়েছে, স্বল্প-দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি দক্ষ কর্মী প্রেরণের হার বৃদ্ধি পেয়েছে।
- বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে নগদ সহায়তা প্রদান: 'বৈধ উপায়ে রেমিট্যান্স প্রেরণের বিপরীতে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদানের নীতিমালা' রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে প্রণোদনা/নগদ সহায়তা প্রদান করা হবে ২.৫ শতাংশ। - এক্ষেত্রে রেমিটারের কাগজপত্রাদি বিদেশস্থ এক্সচেঞ্জ হাউজ হতে প্রেরণের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। - এজন্য, কাগজপত্রাদি দাখিল/যাচাই পদ্ধতি সহজীকরণ করা হয়েছে।
সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।
৮,৫৯৭.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত আছে?
ক
ক) কুমিল্লা
খ
খ) শেরপুর
গ
গ) রাঙামাটি
ঘ
ঘ) কিশোরগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জুষ চাষ হলো একপ্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি যা সাধারণত পাহাড়ী এলাকায় করা হয়। এ পদ্ধতিতে ঢালু পাহাড়ে জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করা হয়। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা এখনো জুষ চাষ করে। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,৫৯৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় তফসিল বিলুপ্ত করা হয়?
ক
ক) ষষ্ঠ সংশোধনী
খ
খ) সপ্তম সংশোধনী
গ
গ) চতুর্থ সংশোধনী
ঘ
ঘ) পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• তফসিল ও সংশোধনী: - বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে। - এর মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলের বিষয়বস্তু হলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যা ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী আইনের ৩০ নং ধারা বলে বিলুপ্ত করা হয়। - ১৯৭২ সালে প্রণীত মূল সংবিধানে চারটি তফসিল ছিলো। - ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে ৫ম, ৬ষ্ঠ এবং ৭ম তফসিল সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
উৎস:বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৫৯৯.
রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তাকে কি বলে?
ক
Poliology
খ
Stasiology
গ
Political party
ঘ
Soteriology
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের ধারণা: - বর্তমান যুগে রাজনৈতিক দলের সাহায্যেই শাসনকার্য পরিচালিত হয়। - আধুনিক অর্থে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয় সপ্তদশ শতাব্দীতে ইংল্যান্ডে। - রাণী প্রথম এলিজাবেথের রাজত্বকালে হুইগ (Whig) ও টোরি (Tory) নামক দুইটি দলের সৃষ্টি হয়। - রাজনৈতিক দল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মতভাবে আলোচনা মূলত: শুরু হয়েছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে। - রাজনৈতিক দল নিয়ে যে শাস্ত্র আলোচনা করে তা "Stasiology” বা (স্টাসিউলজি) নামে পরিচিত। - ‘Stasis’ শব্দের অর্থ বিরোধীতার মনোভাব। - এই শব্দটি গ্রিক থেকে ইংরেজি ভাষায় এসেছে। - যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৬০০.
২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো -
ক
১ জানুয়ারি
খ
২১ জানুয়ারি
গ
১১ মার্চ
ঘ
১৩ মার্চ
ব্যাখ্যা
প্রথম রাষ্ট্রভাষা দিবস: - ১৯৪৯ সাল থেকে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত সময়কে ভাষা আন্দোলনের প্রস্তুতি পর্ব বলা যায়। - ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় দখল করে আছে ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ। - ২১ ফেব্রুয়ারির পূর্বে ১১ মার্চ রাষ্ট্রভাষা দিবস হিসেবে পালিত হতো। - ১৯৪৯, ১৯৫০ ও ১৯৫১ সালে ১১ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে পালিত হয়েছিল ‘রাষ্ট্রভাষা দিবস’ হিসেবে।
⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদে ইংরেজি ও উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় বক্তব্য প্রদান ও সরকারি কাজে বাংলা ভাষা ব্যবহারের জন্য একটি সংশোধনী প্রস্তাব দাখিল করেন গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত। - ২৫ ফেব্রুয়ারি এটি গণপরিষদে আলোচিত হয়। - এদিন তমিজুদ্দিন খানের নেতৃত্বে গণপরিষদের মুসলিম লীগের সব মুসলিম সদস্য একযোগে এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন। - ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ছাত্র ধর্মঘট ও হরতাল পালিত হয় পূর্ব বাংলার প্রায় সবগুলো জেলা শহরেই। - ১১ মার্চের বিক্ষোভ কর্মসূচি, ছাত্র ধর্মঘটের মধ্য দিয়েই পাকিস্তানের মৃত্যুঘণ্টা বেজে গিয়েছিল। - তীব্র আন্দোলনের মুখে খাজা নাজিমুদ্দীন মুহাম্মদ আলী জিন্নাহর আসন্ন ঢাকা সফরকে কেন্দ্র করে সংগ্রাম পরিষদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ৮টি বিষয়ে সমঝোতা চুক্তি সই করতে বাধ্য হন।
উৎস: i) প্রথম আলো। ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।