বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৫ / ৩০৬ · ৮,৪০১৮,৫০০ / ৩০,৮৩২

৮,৪০১.
বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের মধ্যে দ্বিতীয় প্রাচীনতম -
  1. ক) নেগ্রিটো
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) মোঙ্গলীয়
  4. ঘ) দ্রাবিড়
ব্যাখ্যা
• আদি অধিবাসী:
- পৃথিবীর বহু জাতি বাংলায় অনুপ্রবেশ করেছে, অনেকে আবার বেরিয়েও গেছে, তবে পেছনে রেখে গেছে তাদের আগমনের অকাট্য প্রমাণ।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা বাংলায় বাস করতো তারা হলো:
- অস্ট্রিক,
- দ্রাবিড়,
- নেগ্রিটো ও
- ভোটচীনীয়।

• সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয় অনুসারে -
এ অঞ্চলে প্রথম অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর লোকরা আসে এবং সেটি সম্ভবত পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে।

• সরকারি সাইট শিক্ষক বাতায়ন (teachers.gov.bd) অনুসারে -
এ অঞ্চলে প্রথম আসে নিগ্রপ্রতিম খর্বাকায় মানুষ, যাদেরকে নেগ্রিটো বলা হয়।

• বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে - 
বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তী নেগ্রিটো জনগোষ্ঠীর পরে  বাংলায় অস্ট্রোলয়েডদের আগমন ঘটে বলে অনুমিত হয়।

*** বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে আমরা প্রাচীন জনগোষ্ঠীর হিসেবে প্রথমে নেগ্রিটো এবং দ্বিতীয় হিসেবে অস্ট্রিক বা অস্ট্রলয়েড গ্রহণ করছি।
সে অনুসারে সঠিক উত্তর হবে - অস্ট্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৪০২.
সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকগণ কী নামে পরিচিত হবেন?
  1. বাংলাদেশী
  2. বাংলাদেশী নাগরিক
  3. বাঙ্গালী
  4. নাগরিক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নাগরিকতা:
- বাংলাদেশে জন্ম নেয়া সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকত্ব আইনের ৬নং ধারা, ১৯৫১ সালে আইন এবং ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকতা অর্জন ও বিলোপ নির্ধারিত হয়।

⇒ সংবিধানের ১ম ভাগের প্রজাতন্ত্র ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব
- ৬ (১) নং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ৬ (২) নং বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী হিসেবে পরিচিত হবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৪০৩.
বাংলাদেশ IDA-এর কততম সদস্য?
  1. ১০৮তম
  2. ১০৯তম
  3. ১১৭তম
  4. ১১৮তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ:
- IBRD সাধারণত বিশ্বব্যাংক নামে পরিচিত।
- IBRD এর পূর্ণরূপ হলো: International Bank for Reconstruction and Development.
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের মাধ্যমে IBRD এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- বিশ্বব্যাংক ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত।
- প্রতিষ্ঠানগুলো হলো:
1. International Bank for Reconstruction and Development (IBRD).
2. International Finance Corporation (IFC).
3. Multilateral Investment Guarantee Agency (MIGA).
4 International Center for Settlement of Investment Disputes (ICSID).
5.International Development Association (IDA).

⇒ IDA:
- IDA-এর পূর্ণরূপ: International Development Association.
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, IDA তাদের সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- এজন্যে এটি Soft Loan Window নামে পরিচিত।
- IDA ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৪টি।
- সর্বশেষ সদস্য বুলগেরিয়া।
- IDA সদস্য দেশগুলোর যথাক্রমে বেসরকারি খাতের উন্নয়নে এবং বহুপাক্ষিক বিনিয়োগে গ্যারান্টি প্রদান করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ IDA থেকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য পায়।
- বাংলাদেশ IDA-১০৯তম এবং World Bank-এর ১১৮তম সদস্য।

উৎস: World Bank ওয়েবসাইট।
৮,৪০৪.
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের দিক বিবেচনায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান -
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা
• প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
• দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
• ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
• ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
• সবচেয়ে বেশি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৮,৪০৫.
শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় -
  1. ক) সুতা
  2. খ) তুলা
  3. গ) আইসিটি পণ্যসামগ্রী
  4. ঘ) পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা
• শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
• প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা, দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

• একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – সুতা।
তৃতীয় সর্বোচ্চ - সার। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৮,৪০৬.
'গ্রীন ড্রাগন' কিসের একটি উন্নত জাতের নাম?
  1. ক) মরিচ
  2. খ) টমেটো
  3. গ) তরমুজ
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
তরমুজ:
- উন্নত জাত: ভিক্টর সুপার, ওশেন সুগার, বঙ্গ লিঙ্ক, গ্রীন ড্রাগন, সুগার এম্পেরর, ভিক্টরী (FI), এম এস সি বাংলালিংক।

চাষপদ্ধতি:
- সাধারণত মাদায় সরাসরি বীজ বপনের পদ্ধতি প্রচলিত থাকলেও পলিথিন ব্যাগে চারা তৈরি করে মাদায় রোপণ করাই উত্তম। এতে বীজের পরিমাণ কম লাগে এবং জমিতে ফাঁকা জায়গা থাকার কোনো সম্ভাবনা থাকে না।
- সাধারণত প্রতি মাদায় ৩-৪টি বীজ বপন করা হয়। বপনের ১০ দিন আগে মাদা তৈরি করে মাদার মাটিতে সার মেশাতে হবে।
- দুই মিটার দূরে দূরে সারি করে প্রতি সারিতে দুই মিটার অন্তর মাদা তৈরি করতে হবে।
- মাদার সাইজ হবে ২০×২০×২০ ইঞ্চি।

- বীজ গজানোর পর প্রতি মাদায় দুটি করে চারা রেখে বাকি চারাগুলো তুলে ফেলতে হবে।
- বীজ বপনের চেয়ে তরমুজ চাষে চারা রোপণ করাই উত্তম। চারা তৈরি করার জন্য ৪×৫ ইঞ্চি মাপের পলিথিনের ব্যাগে ৫০:৫০ অনুপাতে বালু ও পচা গোবর সার ভর্তি করে প্রতি ব্যাগে একটি করে বীজ বপন করতে হবে।
- ৩০-৩৫ দিন বয়সের ৫-৬ পাতা বিশিষ্ট একটি চারা মাদায় রোপণ করতে হবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি আবহাওয়া তথ্য সেবা।
৮,৪০৭.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. ঢাকা
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর:

- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ-ভিত্তিক একটি জাদুঘর।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- এটি ঢাকার এফ-১১/এ-বি, সিভিক সেক্টর, আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এই জাদুঘরের উদ্বোধন হয় ১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ।
- মুক্তিযুদ্ধের অনেক দুর্লভ বস্তু আছে এই জাদুঘরে।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।
৮,৪০৮.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সংখ্যা কত? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৪৫টি
  4. ৩০টি
ব্যাখ্যা
সংরক্ষিত সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
- সংরক্ষিত নারী আসনের সাংসদ নির্বাচিত হন জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে বিজয়ী হয়ে সাংসদ হিসেবে শপথ গ্রহণ করা প্রতিনিধিদের ভোটের মাধ্যমে।
- অর্থাৎ পরোক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে সংরক্ষিত আসনের নারী সদস্যগণ নির্বাচিত হন।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৪০৯.
মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর প্রথম কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) মুজিবনগর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার

- মুজিবনগর সরকার গঠন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি ছিল অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত।
- দেশী-বিদেশী ১২৭ জন সাংবাদিক ও কিছু গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করেছিল।
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।

- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- কারণ, মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণের মাত্র ২ ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমা বর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪১০.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর ধার্য করা হয় - 
  1. অ্যান্টি- ডাম্পিং শুল্ক
  2. আয়কর 
  3. আবগারি শুল্ক
  4. সম্পূরক শুল্ক 
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,৪১১.
DAP এর পূর্ণাঙ্গ রূপ কোনটি?
  1. Dhaka Area Plan
  2. Detailed Area Plan
  3. Development Area Plan
  4. Dhanmondi Area Plan
ব্যাখ্যা
ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান:

- DAP এর পূর্ণাঙ্গ রূপ Detailed Area Plan.
- পরিকল্পনা শাখা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অন্যতম গুরূত্বপূর্ণ শাখা যা রাজউকের অন্যতম প্রধান একটি কার্যাবলী তথা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সাথে জড়িত।
- ১৫২৮ বর্গ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে বিস্তৃত ঢাকা মহানগরীর ভবিষ্যত উন্নয়নে পরিকল্পনা শাখা পরিকল্পনা প্রণয়নের পাশাপাশি নীতি নির্ধারণী কাজের সাথে জড়িত।
- ১৯৫৯ সালে প্রণীত ঢাকার প্রথম মাস্টার প্ল্যান থেকে শুরু করে বর্তমান খসড়া ডিটেইল্ড এরিয়া প্ল্যান (২০১৬-২০৩৫) সমূহ স্বাধীনতা উত্তর ঢাকার উপর চাপ মোকাবেলাসহ রাজধানীবাসীর জন্য উন্নত, বাসযোগ্য নগরী গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়েছে।
- ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নতুন করে ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
- যার মেয়াদ হবে ২০১৬-২০৩৫ সাল পর্যন্ত।

তথ্যসূত্র - রাজউক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৪১২.
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার মূল লক্ষ্য কী?
  1. গ্রামীণ পর্যায়ের জন্য আইন প্রণয়ন করা
  2. গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ ও জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  3.  কর আদায় প্রক্রিয়াকে সুসংহত করা
  4. দুর্নীতি কমিয়ে আনা
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা:
- গণতন্ত্রকে শক্তিশালীকরণ এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তা ব্যাপক।
- বর্তমান রাষ্ট্রগুলোর আয়তন ও জনসংখ্যা উভয়ই বেশি।
- অন্যদিকে রাষ্ট্রগুলো কল্যাণমূলক ভাবধারার দিকে ধাবিত হচ্ছে।যার ফলে সরকার জনগণের দোর গোড়ায় সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। 
- গ্রামীণ এই উন্নয়ন কেন্দ্রীয় সরকারের একার পক্ষে সম্পন্ন করা কঠিন।আর তাই বাংলাদেশের সমগ্র প্রশাসনিক ব্যবস্থাকে গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্যে গঠন করা হয়েছে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।যার দ্বারা তৃণমূল পর্যায়ের সকল কর্মকাণ্ড পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- অর্থাৎ শাসন ও সেবা প্রদান দু কারণেই সরকারকে তৃণমূলে হচ্ছে।
নিম্নরূপ কারণে স্থানীয় সরকারের প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম-
(ক) গ্রামীণ এলাকার প্রতি সরকারের দৃষ্টিদান: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গঠনের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রামীন জনগণের অবস্থা উন্নয়নে কেন্দ্রীয় সরকারের দৃষ্টিদান। যেমন- স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স স্থাপন, কৃষির উন্নয়নে সেচ ব্যবস্থা গ্রহণ ইত্যাদি।

(খ) দ্রুত ও সহজ বিচার ব্যবস্থা: বিচার ব্যবস্থাকে জনগণের দারপ্রান্তে পৌঁছে দেবার জন্যে উপজেলা পর্যায়ে ফৌজদারী কোর্ট স্থাপন করা, ছোট খাট অপরাধের বিচারের জন্যে সালিশীর ব্যবস্থা করা যাতে গ্রামীণ জনগণ সহজেই আইনের আশ্রয় গ্রহণ করতে পারে। বর্তমানে গ্রাম আদালত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

(গ) গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন: সামাজিক সমস্যা নিরসনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক সমস্যা সমাধানের পথ সুগম করে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পল্লী এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন, সরকারি অফিসের শাখা সম্প্রসারণ, রাস্তাঘাট, কালভার্ট, স্কুল, কলেজ স্থাপন ও তদারকি করে থাকে। শক্তিশালী স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তৃণমূল পর্যায়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করে। সচ্ছতা ও জবাবদিহিতার চর্চা এবং সকল কার্যক্রমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করতে সাহায্য করে। জনগণের সাথে নিবিড় সম্পর্ক স্থাপনের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গঠন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪১৩.
বাংলাদেশে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ১১ জুন, ২০২০
  2. ১১ জুন, ২০২১
  3. ১১ মে, ২০২০
  4. ১১ মে, ২০২১
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল আদালত:
- ২০২০ সালের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে “আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ২০২০ সালের ৯ মে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশটি জারি করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ।
- ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে ১১ মে ২০২০ সালে থেকে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয় ।
- প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়তে সরকারের যে অঙ্গীকার, তা পূরণে বিচার বিভাগীয় সফলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ভার্চুয়াল আদালত।
- ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৬ হজার ৭৯ জন ব্যক্তি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস: channelionline.com
৮,৪১৪.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা-
  1. ২৬
  2. ২৭
  3. ২৮
  4. ৩১
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা — ২৬ টি। 

- বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ী,
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।
- বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি।
----------------- 
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (bpsc.gov.bd)।
৮,৪১৫.
মুসলমান নারীদের লেখা প্রথম বাংলা সাহিত্যকর্ম 'রূপজালাল' এর লেখক ছিলেন -
  1. বেগম রোকেয়া
  2. সেলিনা হোসেন
  3. সুফিয়া কামাল
  4. নওয়াব ফয়জুন্নেসা
ব্যাখ্যা
নওয়াব ফয়জুন্নেসা:
- অবিভক্ত ভারতীয় রক্ষণশীল মুসলিম নারীদের মধ্যে এক উজ্জল নক্ষত্র নওয়াব ফয়জুন্নেসা।
- সততা, মহানুভবতা, সাহিত্য সাধনা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রেখে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- জনকল্যাণে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইংল্যান্ডের তৎকালীন মহারানী ভিক্টেরিয়া তাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৮৩৪ সালে ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানে কুমিল্লা) লাকসাম থানায় জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বীয় প্রতিভা বলে দ্রুত বিদুষী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- দানবীর হাজী মোঃ মুহসীনের জনহিতকর কার্যবলীর সাথে তাঁর দানশীলতাকে তুলনা করা যেতে পারে।

উল্লেখ্য,
- তিনিই এক মাত্র ভারতীয় মহিলা যিনি ব্রিটিশ কর্তৃক ভারতীয়দের জন্য দেওয়া শ্রেষ্ঠতম সম্মান নওয়াব উপাধি লাভ করেন।
 
তাঁকে নারী শিক্ষার অগ্রদূত বলা যায়:
- নারী শিক্ষার জন্য নিজ গ্রামে এম. ই. স্কুল, কুমিল্লায় ফয়জুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল ও একটি পাঠশালা, পশ্চিমগাঁও এ স্বীয় কন্যার নামে বদরুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় তাঁর অমর কীর্তি।পশ্চিমগাঁও এ স্বীয় কন্যার নামে বদরুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় তাঁর অমর কীর্তি।
- কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ স্থাপনেও তিনি সাহায্যের হাত বাড়ায়। 

সহিত্য সাধনা:
- তাঁর সাহিত্য কর্মের অন্যতম নিদর্শণ রূপজালাল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোন মুসলমান মহিলা প্রকাশিত ১৮৭৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪১৬.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী 
  3. গ) খন্দকার মোস্তাক
  4. ঘ) এএইচএম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। 
• মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার কাঠামো ছিলঃ
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান; 
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম; 
- প্রধানমন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থমন্ত্রীঃ ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ; 
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী; 
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং 
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৮,৪১৭.
বিশ্বের কোন দেশ প্রথম ভাষা জাদুঘর করেছে?
  1. ভারত
  2. সৌদি আরব
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন জাদুঘর:
- বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের দ্বিতীয় তলায় পূর্ব পাশে ৪টি কক্ষ নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ভাষা আন্দোলন জাদুঘর।
- এটি বিশ্বের প্রথম ভাষা জাদুঘর।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১০ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলন জাদুঘর উদ্বোধন করেন।
- জাদুঘরের নিদর্শনগুলোর মধ্যে আছে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, প্রেক্ষাপট, ঘটনাবলি সম্পর্কে বিভিন্ন লেখকের বইয়ের প্রচ্ছদ, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শীর্ষক পুস্তিকার প্রচ্ছদ, ভাষা আন্দোলন বিষয়ক বিভিন্ন রচনার অংশবিশেষ, ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক আলোকচিত্র, তৎকালীন প্রকাশিত বিভিন্ন পত্রিকার ভাষা আন্দোলন বিষয়ক প্রতিবেদন।

এছাড়াও রয়েছে -
- মধ্যযুগের কবি আবদুল হাকিম রচিত ‘নূরনামা’র পঙ্ক্তিমালা, বাংলা ভাষার ওপর ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, মাইকেল মধুসূদন দত্ত ও অতুল প্রসাদ সেনের কবিতা, ১৯৫৬ সালে হামিদুর রহমান প্রণীত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের আদি নকশা, বর্তমান শহিদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের দৃশ্য, মাতৃভাষার সপক্ষে প্রথম প্রস্তাবক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত, ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আলোকচিত্র, তৎকালীন প্রকাশিত পত্রিকার বিশেষ সংখ্যা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবন চত্বরে সংগ্রামী ছাত্রছাত্রীদের ১৪৪ ধারা ভাঙার প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের মিছিল, ধর্মঘট চলাকালে পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত ছাত্রনেতা শওকত আলীকে শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রিকশায় করে হাসপাতালে নিয়ে যাবার ছবি, ইডেন কলেজের মেয়েদের তৈরি শহিদ মিনারসহ আরও নানা দুর্লভ আলোকচিত্র।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,৪১৮.
রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোনটি?
  1. জনসমষ্টি
  2. ভূ-খন্ড
  3. সরকার
  4. সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রের উপাদান:
রাষ্ট্রের চারটি উপাদান থাকে। যথা -
• জনসমষ্টি,
• ভূ-খন্ড,
• সরকার,
• সার্বভৌমত্ব।

→ জনসমষ্টি:
- রাষ্ট্র গঠনের প্রথম উপাদান জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি ব্যতীত রাষ্ট্র হতে পারে না।
- তবে একটি রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসংখ্যা কত হতে হবে তার কোন ধরা বাঁধা নিয়ম নেই।

→ ভূখন্ড:
- রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় উপাদান হল ভূখন্ড।
- জনসমষ্টিকে স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য ভূখন্ড আবশ্যক।
- ভূখন্ড বলতে রাষ্ট্রের ভূমি, নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, সামুদ্রিক জলসীমা বোঝায়।

→ সরকার:
- রাষ্ট্রের তৃতীয় উপাদান সরকার।
- সরকারের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকার তিন ধরনের কাজ করে। যথা- আইন সংক্রান্ত, শাসন সংক্রান্ত ও বিচার সংক্রান্ত।
- এ তিন ধরনের কাজের জন্য সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে। যথা- আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ।
- তবে বিশ্বের প্রায় সব সরকার ৩টি বিভাগ নিয়ে গঠিত হলেও সরকারের রূপ ও প্রকৃতি এক নয়।
- যেমন- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা, আবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।

→ সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল সার্বভৌমত্ব৷
- এটি রাষ্ট্রের চরম, পরম ও সর্বোচ্চ ক্ষমতা।
- সার্বভৌমত্ব ব্যতীত কোন দেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে না।
- যেমন- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের পূর্বে বাংলাদেশের অন্যান্য উপাদান থাকা সত্ত্বেও সার্বভৌম ক্ষমতা না থাকায় বাংলাদেশ রাষ্ট্র বলে পরিগণিত হতে পারে নি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪১৯.
জাতীয় চা দিবস কোনটি?
  1. ২৪মে 
  2. ২৩মে 
  3. ২১মে 
  4. ২০মে  
ব্যাখ্যা

জাতীয় চা দিবস পরিবর্তন: 
- জাতীয় চা দিবস এত দিন ৪ জুন পালিত হতো।
- এখন থেকে আন্তর্জাতিক চা দিবসের সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে জাতীয় দিবসটি ২১ মে পালন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় চা পুরস্কার নীতিমালা, ২০২২ সংশোধনের মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত নেয়।

উল্লেখ্য,
- ৪ জুনকে দিবস হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছিল, কারণ ওই দিনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশ চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৮,৪২০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন সেক্টরটির সদরদপ্তর বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ছিল?
  1. ২ নং
  2. ৬ নং
  3. ৮ নং
  4. ১১ নং
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
⇒ ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর রফিকুল ইসলাম। 

⇒ ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এটিএম হায়দার।

⇒ ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এএনএম নুরুজ্জামান। 

⇒ ৪ নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর চিত্তরাজন দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।

⇒ ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী। 

⇒ ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়িমাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার। 

⇒ ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর নজরুল হক, সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামান। 

⇒ ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এম এ মঞ্জুর।

⇒ ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম জলিল, মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীন।

⇒ ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল।

⇒ ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,৪২১.
সার্কের প্রথম মহাসচিব কে ছিলেন?
  1. ইব্রাহীম হুসাইন
  2. আবুল আহসান
  3. আব্দুর রউফ
  4. হারুনুর রশীদ
ব্যাখ্যা
সার্ক:
- সার্ক হলো দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর একটি বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক সহযোগিতা ফোরাম।
- ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন বাংলাদেশের আবুল আহসান।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব বাংলাদেশের মোঃ গোলাম সারোয়ার। (জুলাই, ২০২৫)
- প্রথম সার্ক সম্মেলন ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডু শহরে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৮টি।
- এগুলো হলো:
• বাংলাদেশ।
• ভারত
• পাকিস্তান
• নেপাল
• শ্রীলংকা
• ভুটান
• মালদ্বীপ
• আফগানিস্তান।

তথ্যসূত্র - সার্ক ওয়েবসাইট।
৮,৪২২.
চলতি অর্থবছরে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ক) ৪,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ৪,২৫,০০০ টাকা
  3. গ) ৪,৬০,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৪,৭৫,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা‌।
• নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা

তথ্যসূত্র:- জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩। 
৮,৪২৩.
মুক্তিবাহিনী কয় ভাগে বিভক্ত ছিল?
  1. দুই ভাগে
  2. তিন ভাগে
  3. চার ভাগে
  4. এগার ভাগে
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।
- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল। ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
-নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা। এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র- বিবিসি নিউজ।
৮,৪২৪.
নিম্নের কার বিরুদ্ধে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে অভিশংসন আনা হয়েছিল?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা

ওয়ারেন হেস্টিংস:
- ব্রিটিশ আমলে বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনারেল হিসেবে।
- ১৭৭৩ সালে রেগুলেটিং অ্যাক্ট পাস হলে বাংলার গভর্নরকে গভর্নর জেনারেল হিসেবে আখ্যা দেওয়া হয়। সেই হিসেবে বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস।

⇒ গভর্নর পদে নিযুক্ত হয়ে হেস্টিংস সর্ব প্রথমেই সীমান্ত নীতি বিষয়ে পরিবর্তন সাধন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতা নীতির সূচনা করেন।
-  ওয়ারেন হেস্টিংস ইংরেজদের শত্রু মারাঠাদের আশ্রয়ে বাস করার অজুহাতে সম্রাট শাহ আলমকে দেয় বার্ষিক ছাব্বিশ লক্ষ টাকা বন্ধ করে দেন এবং সম্রাটের নিকট হতে 'বারানসীর সন্ধি' দ্বারা এলাহাবাদ ও কারা জেলা দু'টি অযোধ্যার নবাবকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকার বিনিময়ে প্রদান করেন।
- তিনি বাংলায় দ্বৈত শাসনের অবসান ঘটান এবং বিধ্বস্ত অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য জমিদারদের সাথে 'পাঁচসালা ভূমি বন্দোবস্ত' করেন। তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- তিনি বিচার বিভাগকে রাজস্ব বিভাগ হতে পৃথক করে প্রত্যেক জেলায় একটি করে দিওয়ানী ও ফৌজদারী আদালত স্থাপন করেন। 
- গবেষণার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়াটিক সোসাইটি অব বেঙ্গল। 

⇒ পদত্যাগ ও ইমপীচমেন্ট:
- হেস্টিংসের কার্যকালের শেষ দিকে ইংল্যান্ডে তাঁর বিরুদ্ধে নানা প্রকার অভিযোগ ও অপবাদ প্রকাশ পেতে থাকে। ১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দে হেস্টিংস পদত্যাগ করে দেশে ফিরে যান। উইলিয়াম পিট ও লর্ড জান্ডাসের চেষ্টার ফলে হেস্টিংসকে বিভিন্ন অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়। বিশেষ করে চৈৎ সিংহ, অযোধ্যার বেগমদের প্রতি অসদাচারণ ও অত্যাচারের অভিযোগ ছিল গুরুতর। সাত বৎসর ধরে বিচারের পর হেস্টিংস অভিযোগ হতে মুক্ত হলেন বটে, কিন্তু আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যয় সংকুলান করতে গিয়ে তিনি একেবারে সর্বস্বান্ত হলেন। পিট ও ডান্ডাসের বিরোধিতার ফলে তাঁর ভাতাও বন্ধ করে দেয়া হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

৮,৪২৫.
ছয় দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ম্যাগনাকার্টা
  2. পিটিশন অব রাইটস
  3. মুখ্য আইন
  4. মুক্তির প্রথা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।

- ৬ দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য-পাকিস্তান হবে একটি ফেডারেল রাষ্ট্র।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনা কার্টা’ বা বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ'ও বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- ম্যাগনা কার্টা হল ইংরেজদের রাজনৈতিক স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদানকারী একটি দলিল যা রাজা জন তার বিদ্রোহী ব্যারন বা অভিজাতদের চাপে ১৫ জুন, ১২১৫ সালে স্বাক্ষর করেছিলেন।
- এটিকে বলা হয় ব্রিটিশ গঠনতন্ত্রের বাইবেল।
- এর শর্ত গুলোর মধ্যে প্রধান হচ্ছে, রাজা প্রতিনিধি স্থানীয় লোকদের অনুমোদন ছাড়া কারো স্বাধীনতায় এবং সম্পত্তিতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না।

উৎস:  অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।।
৮,৪২৬.
মুজিবনগর সরকারের অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  2. এএইচএম কামরুজ্জামান
  3. এম মনসুর আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

• মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
→ রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
→ উপরাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
→ প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ
→ অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী
→ স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান
→ পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
৮,৪২৭.
স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে স্বাধীনতার ইশতেহার কোথায় পাঠ করা হয়?
  1. পল্টন ময়দান
  2. রেসকোর্স ময়দান
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলা
  4. বৈদ্যনাথতলা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এই পরিষদের উদ্যোগেই ২রা মার্চ ১৯৭১ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বতলায় বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ৩রা ১৯৭১ মার্চ ঢাকার পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ পাঁচদফা স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন।
- একই সমাবেশ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে "জাতির জনক" অভিধায় ভূষিত করা হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : দ্বিতীয় খণ্ড এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,৪২৮.
Insurance companies of Bangladesh operate under the -
  1. Insurance Corporation Act 1973
  2. Insurance Corporation Act 2000
  3. Insurance Corporation Act 2010
  4. Insurance Corporation Act 2016
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বীমা হচ্ছে একজনের ঝুঁকিকে অনেকের কাঁধে বিস্তৃত করার একটি বৈধ ব্যবস্থা।
- ১৯৪৭-১৯৭১ সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে বীমা ব্যবসা ভাল অবস্থায় ছিল।
- এ সময় ৪৯টি জীবন ও সাধারণ বীমা কোম্পানি ব্যবসায় পরিচালনা করত।

⇒ বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ৯৫ দ্বারা বীমা শিল্পকে জাতীয়করণ করে।
- এই আদেশবলে প্রতিরক্ষা, ডাক জীবন বীমা এবং বিদেশি জীবন বীমা কোম্পানিসমূহ ব্যতীত এদেশে ব্যবসারত সকল বীমা কোম্পানি ও সংস্থাকে সরকারি খাতের ৫টি কর্পোরেশনের অধীনে ন্যস্ত করা হয়।
- এগুলি হচ্ছে জাতীয় বীমা কর্পোরেশন, তিস্তা বীমা কর্পোরেশন, কর্ণফুলি বীমা কর্পোরেশন, রূপসা জীবন বীমা কর্পোরেশন এবং সুরমা জীবন বীমা কর্পোরেশন।

⇒ বাংলাদেশের বীমা কোম্পানিগুলি বীমা আইন-১৯৭৩ এর অধীনে কাজ করে।
- ১৯৭৩ সালের ১৪ মে বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩-এর আওতায় বীমা শিল্পে অবকাঠামোগত পরিবর্তন আনা হয়।
- এই আইনের আওতায় ৫টি কর্পোরেশনের স্থলে ২টি কর্পোরেশন স্থাপন করা হয়।
- একটি হচ্ছে সাধারণ বীমা ব্যবসায়ের জন্য সাধারণ বীমা কর্পোরেশন, এবং অন্যটি জীবন বীমা ব্যবসায়ের জন্য জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।

⇒ বাংলাদেশ ইন্সুরেন্স একাডেমী বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালে এটি বীমা বিষয়ে পেশাগত শিক্ষার উন্নয়ন, আয়োজন ও শিক্ষা প্রদান এবং বীমা বিষয়ে গবেষণা করার উদ্দেশ্যে স্থাপন করে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮,৪২৯.
'মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ' বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪১
  2. অনুচ্ছেদ ৪২
  3. অনুচ্ছেদ ৪৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪৪
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৪৩০.
বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ঘোষণাটি যে ভাষায় দিয়েছিলেন-
  1. বাংলা
  2. হিন্দু
  3. ইংরেজি
  4. উর্দু
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ দিবাগত রাত ১টা ৩০ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গ্রেফতার হওয়ার আগে ইপিআর ওয়্যারলেসে চট্টগ্রামে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রেরণ করেন। ঘোষণাটি ছিল ইংরেজিতে যাতে বিশ্ববাসী শুনতে পারে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৪৩১.
‘বল নৃত্য’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) সিলেট
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
যশোর অঞ্চলের বিখ্যাত নাচ বল নৃত্য এবং ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যান নাচ হলো জারি।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের লোকজ সংস্কৃতি - বাংলা একাডেমি)
৮,৪৩২.
পাখি ছাড়া 'বলাকা' ও 'দোয়েল' কিসের নাম?
  1. ক) দুইটি উন্নত জাতের গম শস্য
  2. খ) দুইটি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. গ) দুইটি উন্নত জাতের ভূট্টা শস্য
  4. ঘ) দুইটি উন্নত জাতের ইক্ষু
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।

সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস
৮,৪৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান কোথায় প্রতিষ্ঠা করা হয়? 
  1. মানিলছড়া
  2. হালদা ভ্যালি
  3. মালনিছড়া
  4. জাফলং
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

সূত্র - বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
৮,৪৩৪.
বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয়-
  1. ক) ২০ জানুয়ারি
  2. খ) ২২ জানুয়ারি
  3. গ) ২৪ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১৮ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত হয় ২৪ জানুয়ারি। ১৯৬৯ সালের এই দিনে নিহত ঢাকার বকশীবাজারের নবকুমার ইনস্টিটিউটের দশম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর, রুস্তম ও খুলনায় আরও ৩ জন। এই দিনটি কে স্মরণ করে রাখার জন্য ২৪ জানুয়ারি গণঅভ্যুত্থান দিবস হিসেবে পালিত হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৮,৪৩৫.
ক্রিকেট পিচের প্রস্থ-
  1. ১২ ফুট
  2. ১০ ফুট
  3. ১৫ ফুট
  4. ২০ ফুট 
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট:
- ক্রিকেট খেলার জন্ম ইংল্যান্ডে।
- প্রায় ১৭০০ সাল থেকে ক্রিকেট খেলা শুরু হয়।
- সেই সময় একটি উইকেট বসিয়ে কয়েকটি নিয়ম মেনে ক্রিকেট খেলা হত।
- পরে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (MCC) প্রতিষ্ঠার পর ক্রিকেট খেলার জন্য প্রথম আইনকানুন তৈরি করা হয়।
- ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ম-কানুন দেখাশোনা করে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC)।
- ICC ১৯০৯ সালে গঠিত হয়।
- এই সংস্থা খেলার সব নিয়ম, প্রচার এবং পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।
- ক্রিকেট খেলার মোট ৪২টি আইন আছে।
- খেলার জন্য যে অংশ ব্যবহার করা হয় তাকে পিচ (pitch) বলা হয়।
- পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ (২০.১২ মিটার) এবং প্রস্থ ১০ ফুট (৩.০৫ মিটার)।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত 

৮,৪৩৬.
নিচের কোনটি সংরক্ষিত শিল্প?
  1. ক) বৈদেশিক কর্মসংস্থান
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) নবায়নযোগ্য শক্তি
  4. ঘ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে চারটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- পারমাণবিক শক্তি
- অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক শিল্প
- সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
- বনায়ন ও সংরক্ষিত বনভূমিতে যান্ত্রিক আহরণ।
অন্যদিকে,
- বৈদেশিক কর্মসংস্থান, জাহাজ নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য শক্তি হলো অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
৮,৪৩৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক গুরু কে ছিলেন?
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  3. হাজী মোহাম্মদ দানেশ
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- ১৯৪৭ সালে ভারত এবং পাকিস্তানের পাশাপাশি তৃতীয় রাষ্ট্র হিসেবে স্বতন্ত্র, স্বাধীন বাংলা প্রতিষ্ঠার জন্য শেখ মুজিবুর রহমান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে আন্দোলনে যোগ দেন।
- যদিও এই উদ্যোগ বাতিল হয় কিন্তু পরবর্তীতে এটিই একজন জাতির পিতার স্বপ্নের রাষ্ট্র গড়ার ভিত্তি হয়ে ওঠে। 
- অন্যান্যদের মত ভারত ভাগের পরপরই শেখ মুজিবুর রহমান তড়িঘড়ি করে পূর্ববঙ্গে (পূর্ব পাকিস্তানে) আসেন নি, বরং কয়েক সপ্তাহ তিনি কলকাতায় অবস্থান করেন।
- বঙ্গবন্ধু তার রাজনৈতিক গুরু হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর সাথে মহাত্মা গান্ধীর শান্তি মিশনে যোগ দেন।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র’ বলা হয়। তিনি অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। 
- পরে পাকিস্তান সৃষ্টি হলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনে যাদের প্রত্যক্ষ প্রভাব ছিল, তাদের মধ্যে একজন  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
এছাড়া,
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী।
- মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী ছিলেন আওয়ামীলীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- হাজী মোহাম্মদ দানেশ ছিলেন বামপন্থী রাজনীতিবিদ।

উৎস: মুজিব জন্মশতবর্ষ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
৮,৪৩৮.
শিশু কীসের মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে পারে?
  1. পরিবার
  2. প্রতিবেশী
  3. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  4. খেলা ও পড়ার সাথি
ব্যাখ্যা

শিশুর সামাজিকীকরণের কতিপয় মাধ্যম ও এর গুরুত্ব বর্ণনা:-

• খেলা ও পড়ার সাথি: 
⇒ শিশুর সামাজিকীকরণে খেলা ও পড়ার সাথির ভূমিকা কম নয়।
- শিশু খেলা ও পড়ার সাথির সাথে মেলামেশা করে নেতৃত্বের গুণাবলি অর্জন করতে পারে।
- ভালো-মন্দ গুণাবলির সমালোচনা শুনে সমাজের কাঙ্ক্ষিত আচরণ শিখতে পারে।
- তবে মন্দ খেলা ও পড়ার সাথি অনেক সময় শিশুকে বিপথগামী করতে পারে।
- তাই খেলা ও পড়ার সাথি নির্বাচনে আমরা সচেতন হব।

এছাড়াও,
• শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: 
⇒ শিশু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জ্ঞানার্জনের পাশাপাশি কতগুলো সামাজিক আদর্শও শিখে থাকে। এসব আদর্শ হচ্ছে-শৃঙ্খলাবোধ, দায়িত্ববোধ, নিয়মানুবর্তিতা, শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা, সহমর্মিতা, পারস্পরিক ভালোবাসা ইত্যাদি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে শিশু বৃহত্তর সমাজের

• প্রতিবেশী: 
⇒ আমাদের বাড়ির আশপাশে যারা বসবাস করেন তারা হলো আমাদের প্রতিবেশী। পাশাপাশি বাড়িগুলোর সমবয়সী শিশুদের নিয়ে একটি প্রতিবেশী দল গড়ে উঠতে পারে, যার মাধ্যমে আমরা পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা, সমতা, ঐক্য প্রভৃতি বিষয়ে শিক্ষার্জন করতে পারি।

• পরিবার: 
⇒ শিশুর সামাজিকীকরণ শুরু হয় পরিবার থেকে। শিশুর চারিত্রিক গুণাবলি পারিবারিক পরিবেশে বিকশিত হয়। সহযোগিতা, সহিষ্ণুতা, সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ, আত্মত্যাগ, ভালোবাসা প্রভৃতি সামাজিক গুণাবলি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, বোর্ড বই।

৮,৪৩৯.
বাংলাদেশে সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জাফরগঞ্জ
  2. খ) জাকেরহাট
  3. গ) জাফলং
  4. ঘ) জকিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি।
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র – জকিগঞ্জ, সিলেট।
- বর্তমানে উৎপাদনরত আছে - ২০টি।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৮,৪৪০.
ভারত ছাড় আন্দোলন শুরু হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৩৫ সালে
  2. ১৯৪২ সালে
  3. ১৯৪০ সালে
  4. ১৯৩২ সালে
ব্যাখ্যা

- ভারত ছাড় আন্দোলন ১৯৪২ সালে হয়।

ভারত ছাড় আন্দোলন:

- ১৯৪২ খ্রিস্টাব্দে ক্রিপস মিশন প্রস্তাব সব মহল প্রত্যাখ্যান করলে সমগ্র ভারত ব্যাপী তীব্র গণঅসন্তোষ দেখা দেয়।
- উপমহাদেশের বাইরে এ সময় পৃথিবী ব্যাপী চলছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ।
- জার্মানির মিত্র রাষ্ট্র জাপানের ভারত আক্রমণের আশঙ্কায় ভারতীয়দের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়।
- গান্ধীজি ভারতে ব্রিটিশ সরকারের উপস্থিতিকে এই আক্রমণের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- সুতরাং ব্রিটিশ সরকার ভারত ছাড়লে জাপানের ভারত আক্রমণের পরিকল্পনার পরিবর্তন হতে পারে।
- এই চিন্তা করে তিনি ইংরেজদের ভারত ছেড়ে যেতে বলেন।
- শুরু হয় কংগ্রেসের 'ভারত ছাড়' আন্দোলন।
- ভারত ছাড় আন্দোলন ১৯৪২ সালে হয়।
- মহাত্মা গান্ধীর ডাকে এই আন্দোলনে জনগণ ঝাঁপিয়ে পড়ে।
- নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির এক অধিবেশনে তিনি তাঁর দৃঢ় ঘোষণায় উল্লেখ করেন 'আমি অবিলম্বে স্বাধনিতা চাই।
- ঐ দিনই মধ্য রাতে কংগ্রেসের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ গান্ধীজি, আবুল কালাম আজাদ, জওহরলাল নেহরুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচ এসসি প্রোগ্রাম, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৪১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের মূল্যস্ফীতির পরিমাণ কত?
  1. ৮.৪৩%
  2. ৮.৪৮%
  3. ৮.৬৩%
  4. ৮.৪৫%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭২.২৮ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.।
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- পুরুষের গড় আয়ু: ৭০.৮ বছর।
- নারীর গড় আয়ু: ৭৩.৮ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৮.৪৮%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৮,৪৪২.
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে নির্মিতব্য চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) দয়াল নিহালানি
  2. খ) রাজকুমার হিরানী
  3. গ) শ্যাম বেনেগাল
  4. ঘ) শ্যামা জায়েদী
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের যৌথ প্রযোজনায় ‘বঙ্গবন্ধু’ নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হচ্ছে।
গত ২১ জানুয়ারি ২০২১ ভারতের মুম্বাইয়ে এই সিনেমার ‍শুটিং শুরু হয়।
- পরিচালক ভারতের শ্যাম বেনেগাল
- সহযোগী পরিচালক দয়াল নিহালানি
- চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন অতুল তিওয়ারি এবং শ্যামা জায়েদী।
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন আরিফিন শুভ। এছাড়া অন্যান্য চরিত্রে আরও ৪৯ জন বাংলাদেশি তারকা অভিনয় করবেন।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
৮,৪৪৩.
 অপারেশন সার্চলাইট এর বর্বরতা বিশ্ববাসীর নিকট তুলে ধরেন কে?
  1. লিওন ব্রোরা
  2. সাইমন কিং
  3.  ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
  4. সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট -
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে ইতিহাসের বর্বরতম গণহত্যা চালায়।
- ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল এ গোপনে অবস্থান করে এই ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
- পরে ৩০ মার্চ, ১৯৭১ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্রাশ রিভোল্ড ইন পাকিস্তান' শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে পাকবাহিনীর এর বর্বরতা বহির্বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- ২০২১ সালের ১৬ জুলাই তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

অন্যদিকে,
অপারেশন জ্যাকপট
- ১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট ১০ নং সেক্টরে নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- এই রাতে নৌ-কমান্ডোরা পাকবাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ও গানবোট ডুবিয়ে দিয়েছিলেন।

উৎস- দৈনিক প্রথম আলো ও বাংলাপিডিয়া।
৮,৪৪৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. মুন্সিগঞ্জ
  2. বগুড়া
  3. নওগাঁ
  4. রংপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, 
আলু (মিষ্টি আলু বাদে) মোট উৎপাদন: ১০,৬০,১১,৮২ মে. টন
আবাদকৃত জমির পরিমাণ: ১১,৩৩,০০৫ একর

বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪৩,৪৪,৫৪৬ মে. টন)
দ্বিতীয় – রাজশাহী বিভাগ (৩,৫৭৬,৮৯৬ মে. টন)

জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন:
প্রথম: রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)
দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)
রংপুর জেলা-১,২৯,৬৭৫ একর

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮,৪৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ ন্যায়পাল সম্পর্কিত?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭৭
  3. অনুচ্ছেদ ৮৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯৭
ব্যাখ্যা
ন্যায়পাল:
৭৭। (১) সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করিতে পারিবেন।

ন্যায়পাল পদের মূল উদ্দেশ্য:
- সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে কাজের সমতা, সততা ও স্বচ্ছতা বিধান এবং
- সুনির্দিষ্টভাবে প্রশাসনের যে কোনো ক্ষেত্রে সরকারি কর্মকর্তাদের গতিবিধির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ।

• Ombudsman শব্দের বাংলা ন্যায়পাল করা হয়েছে।
• ন্যায়পাল এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের ক্ষমতাশালী ব্যক্তিদের ক্ষমতার রাশ টেনে ধরা সম্ভব হয় অর্থাৎ তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা যায়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৪৪৬.
সম্প্রতি কোন বাংলাদেশি ভারতে রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হন?
  1. ড. মো. মশিউর রহমান
  2. রতন চৌধুরী
  3. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  4. স্বপ্না আক্তার
ব্যাখ্যা
পদ্মশ্রী পুরস্কার পাচ্ছেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- দেশের পাশাপাশি ওপার বাংলাতেও দারুণ শ্রোতাপ্রিয় রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হলেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা। 
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।
- ১৯৫৫ সালে এটি ‘পদ্মবিভূষণ’, ‘পদ্মভূষণ’ এবং ‘পদ্মশ্রী-এ তিনটি বিভাগে দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- এর আগে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের ‘বঙ্গভূষণ’ পেয়েছিলেন তিনি।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক স্বাধীনতা পুরস্কার পান বন্যা।
- এছাড়া ফিরোজা বেগম স্মৃতি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন এ শিল্পী।

 উৎস: ২৭ জানুয়ারি ২০২৪, যুগান্তর।
৮,৪৪৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোন পণ্য?
  1. তৈলবীজ
  2. ভোজ্য তেল
  3. সুতা
  4. তুলা
ব্যাখ্যা

একক পণ্য আমদানি:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়- তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- সার।
- শিল্পজাত পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় - সুতা।

প্রাথমিক পণ্য আমদানি:
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় তুলা।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়- গম।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে তৃতীয় সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তৈলবীজ।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৮,৪৪৮.
অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?
  1. ক) অশােক
  2. খ) শশাঙ্ক
  3. গ) মেগদা
  4. ঘ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা

সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪-৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

খেয়াল করুন, অশোক একজন সম্রাট ছিলেন, রাজা নন। একটি সাম্রাজ্যে অনেকগুলো রাজ্য থাকে। তেমনি, একজন সম্রাটের অধীনে কয়েকজন রাজা থাকতে পারেন।
৮,৪৪৯.
একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে কী ধরনের আয় পাওয়া যায়?
  1. ব্যয়যোগ্য আয়
  2. জাতীয় আয়
  3. মাথাপিছু আয়
  4. মোট দেশজ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 
৮,৪৫০.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন গঠিত হয়?
  1. ১৩৭ অনুচ্ছেদ 
  2. ১৩৮ অনুচ্ছেদ 
  3. ১১১ অনুচ্ছেদ
  4. ১৩৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

 • বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।
- সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।

• বাংলাদেশের সংবিধানের পাঁচটি অনুচ্ছেদ সংবলিত একটি অধ্যায়ে কমিশনের গঠনপ্রণালী ও কার্যাবলি নির্দেশিত হয়েছে:
- ১৩৭ নং: সরকারি কর্ম কমিশন-প্রতিষ্ঠা।
- ১৩৮ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্য-নিয়োগ।
- ১৩৯ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের সদস্যপদের মেয়াদ।
- ১৪০ নং: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব।
- ১৪১ নং: সরকারি কর্ম কমিশন বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অন্যদিকে,
১১১ অনুচ্ছেদ হলো:  সুপ্রীম কোর্টের রায়ের বাধ্যতামূলক কার্যকরতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।

৮,৪৫১.
বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ছয় দফা আন্দোলন
  4. গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।

• বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের পর্যায় গুলো হলো-
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

উৎস- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৪৫২.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. শরীয়তপুর
  3. নড়াইল
  4. গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আকিজ জুট মিল:
- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা আছে। 
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে। 

উৎস: ১২ আগস্ট, ২০২৩, The Business Standard।
৮,৪৫৩.
“ঘেটুপুত্র কমলা” চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোর্শেদুল আলম
  2. খ) সুভাষ দত্ত
  3. গ) হুমায়ুন আহমেদ
  4. ঘ) চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল। তাঁর নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্র- আগুনের পরশমনি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া, আমার আছে জল।
এছাড়াও তিনি নিজে পরিচালনা করেননি কিন্তু তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্রঃ শঙ্খনীল কারাগার, দারুচিনি দ্বীপ, নন্দিত নরকে।

৮,৪৫৪.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. ড. আলমগীর মাহমুদ
  2. ড. মনিরুজ্জামান মিঞা
  3. ড. কুদরাত-ই-খুদা
  4. ড. আনিসুজ্জামান
ব্যাখ্যা

 - ড. কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন গঠিত হয়।

কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন:

⇒ সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মানবসম্পদের উন্নয়নে শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
- দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে স্বাধীন দেশের উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।
- এই লক্ষ্যে বিশিষ্ট বিজ্ঞানী ড. মুহাম্মদ কুদরাত-ই-খুদার নেতৃত্বে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়।

এছাড়াও,
- শিক্ষা ক্ষেত্রে জরুরি ভিত্তিতে ৯০০ কলেজ ভবন ও ৪০০ হাইস্কুল পুননির্মাণ করা হয়।
- প্রথমবারের মতো সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়কে সরকারিকরণ করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় শিক্ষকদের পাওনা ৯ মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করা হয়।
- সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে স্বায়ত্তশাসন প্রদানের জন্য জাতীয় সংসদে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪৫৫.
সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে কোন দেশের জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে নিয়োজিত করা রয়েছে? [জুন, ২০২৫]
  1. কঙ্গো প্রজাতন্ত্র
  2. মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্র
  3. দক্ষিণ সুদান
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘের উদ্যোগে গঠিত শান্তিরক্ষা বাহিনী এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হয়।
- জাতিসংঘের নিজস্ব কোন শান্তিরক্ষা বাহিনী নেই।
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ দুটি অপারেশনে অংশগ্রহণ করে, একটি ইরাক-ইরান (UNIIMOG) এবং অন্যটি নামিবিয়া (UNTAG)।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি [জুন, ২০২৫] বাংলাদেশ বিমানবাহিনী মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে নিয়োজিত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কন্টিনজেন্টের ১২৫ জন সদস্য প্রতিস্থাপন করেছে। 
- বিমানবাহিনী প্রধান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সততা, পেশাদারি ও আন্তরিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী তথা দেশের সুনাম বয়ে আনতে কন্টিনজেন্ট সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানান।
- বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সমরাস্ত্র ব্যবহারে সক্ষম এবং নাইট ভিশন প্রযুক্তিসমৃদ্ধ তিনটি এমআই-১৭১ হেলিকপ্টার ও বিভিন্ন গ্রাউন্ড সাপোর্ট ইকুইপমেন্ট মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নিযুক্ত রয়েছে।
- সেখানে বানামুহু-৬ কন্টিনজেন্টের নেতৃত্বে থাকবেন এয়ার কমোডর ইমরানুর রহমান।
- ১৯ জুন, ২০২৫ তারিখে কন্টিনজেন্টের সদস্যরা ঢাকায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রের উদ্দেশে যাত্রা করেন।

উৎস: i) United Nations in Bangladesh ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮,৪৫৬.
বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ ২০২০ মোট কয়টি দল অংশ নিয়েছিল?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
- পাঁচদল নিয়ে ২৪ নভেম্বর ২০২০ থেকে শুরু হয় বঙ্গবন্ধু টি-২০ টুর্নামেন্ট।
- প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয় বেক্সিমকো ঢাকা এবং মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহী।
- ১৮ ডিসেম্বর ফাইনালে চট্টগ্রামকে ৫ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতে জেমকন খুলনা।

উৎস: দৈনিক সমকাল। [লিঙ্ক]
৮,৪৫৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. ক) প্রেসিডেন্সি কলেজ
  2. খ) ইসলামিয়া কলেজ
  3. গ) ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
  4. ঘ) রিপন কলেজ
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:

- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি দলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৪৫৮.
ট্যাক্স হলিডে বলতে কী বুঝায়?
  1. ট্যাক্স মেলার আয়োজন করা
  2. নতুন শিল্পে ট্যাক্স ছাড়
  3. সাময়িক ভাবে ট্যাক্স স্থগিত করা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ট্যাক্স হলিডে:
- ট্যাক্স হলিডে হলো শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে কর স্থগিত করার একটি ব্যবস্থা। এটি মূলত অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা হিসেবে কাজ করে। সাধারণভাবে, কোনো প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আয়কর প্রদান থেকে অব্যাহতি দেওয়াকে কর অবকাশ বলা হয়। বিশেষ করে, কোনো নির্দিষ্ট বা বিশেষ শিল্পখাতকে নির্দিষ্ট শর্ত পালন সাপেক্ষে কর প্রদান হতে মুক্তি দেওয়াই কর অবকাশের মূল উদ্দেশ্য। সাধারণত নতুন প্রতিষ্ঠিত শিল্প প্রতিষ্ঠান এ ধরনের সুবিধা লাভ করে। আঞ্চলিক সুষম উন্নয়ন নিশ্চিত করাই কর অবকাশ নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। নতুন শিল্প উদ্যোক্তারা বিশেষত অনগ্রসর অঞ্চলে শিল্প স্থাপনের জন্য এ সুবিধা গ্রহণে আগ্রহী হয়ে থাকেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।

সূত্র - এনবিআর ওয়েবসাইট ও কর ব্যবস্থা ও নিরীক্ষা শাস্ত্র, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৫৯.
নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) নার্কিড
  2. খ) মঙ্গোলীয়
  3. গ) অ্যালপাইন
  4. ঘ) আদি-অস্ট্রেলীয়
ব্যাখ্যা
• নরগোষ্ঠী:
- অস্ট্রোলয়েড প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী।
- নৃতত্ত্ববিদগণ বাংলাদেশের মানুষদের আদি অস্ট্রেলীয় বলে মনে করেন।
- এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত।

- বাংলাদেশের প্রাচীন জাতি হলো দ্রাবিড়।
- বাংলার আদি জনগণের অধিবাসিরা নিষাদ জাতির অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলা আদি অধিবাসীগণ অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেনি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৬০.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ সংঘটিত হয় কবে?
  1. ১৫২০ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৩২ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৬১.
মানচিত্র খচিত প্রথম পতাকা কবে উত্তোলন করা হয়??
  1. ক) ২৩ জানুয়ারি, ১৯৭১
  2. খ) ৩ মার্চ, ১৯৭০
  3. গ) ৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ঘ) ২ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ হঠাৎ করেই জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলে প্রতিবাদে ফেটে পড়ে গোটা দেশ।
- ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসমাবেশে প্রথম বাংলাদেশের মানচিত্র খচিত পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- সেদিন পতাকা উত্তোলন করেন ছাত্রনেতা আ স ম আবদুর রব। 
- সঙ্গে ছিলেন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা তোফায়েল আহমদ, আবদুল কুদ্দুস মাখন এবং নূরে আলম সিদ্দিকী। 
- স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য যে কোনো ত্যাগ স্বীকার এবং শেষ পর্যন্ত সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার সংকল্প ঘোষণা করা হয় সেই সভা থেকে। 
 
উৎস: বিডিনিউজ 
৮,৪৬২.
পূর্ব পাকিস্তানে মৌলিক গণতন্ত্রের সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ৩০,০০০
  2. খ) ৮০,০০০
  3. গ) ৪০,০০০
  4. ঘ) ৬০,০০০
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্র:
১৯৫৯ সালের অক্টোবরের ঘোষণা অনুসারে পাকিস্তানে মৌলিক গণতন্ত্র আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। এর মাধ্যমে দেশে একটি চার স্তর বিশিষ্ট পিরামিড আকৃতির কাঠামো সৃষ্টি করা হয়।
স্তরগুলো হচ্ছে
১. ইউনিয়ন কাউন্সিল,
২. থানা কাউন্সিল,
৩. জেলা কাউন্সিল
৪. বিভাগীয় কাউন্সিল।

» ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
»  এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর  ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল। এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
» মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তর যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
»  এদের সংখ্যা ছিল পূর্ব পাকিস্তানে ৪০ হাজার এবং পশ্চিম  পাকিস্তানে ৪০,০০০ করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
»  এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন। ফলাফলকে বানচাল করা যায়। 

SOURCE: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় , সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৮,৪৬৩.
সংবিধানের প্রস্তাবনা অনুসারে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে বলা হয়েছে -
  1. ক) স্বাধীনতা যুদ্ধ
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ
  3. গ) জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম
  4. ঘ) স্বাধীনতার সংগ্রাম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের প্রস্তাবনার শুরুতেই বলা হয়েছে -
''আমরা, বাংলাদেশের জনগণ, ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসের ২৬ তারিখে স্বাধীনতা ঘোষনা করিয়া জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীন ও সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত করিয়াছি;''।
- উল্লেখ্য, সামরিক শাসনকালে (১৯৭৫ - ১৯৯১) সংবিধানের এই অংশটুকু পরিবর্তন করা হয়েছিলো।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ''জাতীয় স্বাধীনতার ঐতিহাসিক যুদ্ধ'' এর পরিবর্তে বাহাত্তরের সংবিধানের সাথে মিল রেখে ''জাতীয় মুক্তির জন্য ঐতিহাসিক সংগ্রাম'' প্রতিস্থাপিত হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৪৬৪.
Which land port in Bangladesh handles the highest volume of trade? 
  1. Tamabil Land Port
  2. Benapole Land Port
  3. Burimari Land Port
  4. Akhaura Land Port
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম বেনাপোলে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ভারত-বাংলাদেশ বাণিজ্যের সিংহভাগ এর মাধ্যমে সংঘটিত হয়। 
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

• বিভিন্ন স্থলবন্দর:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।

৮,৪৬৫.
১৯৪৮ সালে রেসকোর্স ময়দানে এবং কার্জন হলে 'উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা' একথা বলেন কে? 
  1. খাজা নাজিমুদ্দিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন (১৯৪৮-১৯৫২):

• ১৯৪৭ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব করা হয়।
• ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সমগ্র পাকিস্তানে উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও সমগ্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মর্যাদা দানের দাবি তোলা হয়। 
• প্রবল দাবির মুখে পূর্ব বাংলার প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ভাষার দাবি মেনে নেন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের সঙ্গে এক চুক্তি করেন।
• ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্সে এবং ২৪ মার্চ কার্জন হলের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব ঘোষণা করেন। 
• ১৯৫০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান কর্তৃক গণপরিষদে পেশকৃত 'মূলনীতি কমিটির' রিপোর্টে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উল্লেখ করা হয়। 
• ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকার পল্টন ময়দানে এক জনসভায় উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা প্রদান করেন। 
• খাজা নাজিমুদ্দিনের ঘোষণার প্রতিক্রিয়ায় ৩০ জানুয়ারি ঢাকায় প্রতিবাদ দিবস পালিত হয়। 
• ৩১ জানুয়ারি সর্বদলীয় কর্মী সমাবেশে 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা কার্যকরী পরিষদ' গঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র: পাকিস্তানি শাসন, শোষণ এবং পূর্ব বাংলার স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলন, পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৬৬.
বাংলাদেশের 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন-
  1. আ. স. ম. আব্দুর রব
  2. মোঃ ইউসুফ আলী
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
♣ স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে। 

- ১ মার্চ বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকী, ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ, ডাকসু সহ-সভাপতি আ. স. ম. আব্দুর রব এবং ডাকসু সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কুদ্দুস মাখন এক বৈঠকে বসে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন। 

- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়। 

- ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে 'স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ' ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- এদিনের এ ছাত্র-গণ জমায়েতে প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন। 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৪৬৭.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরে ভাতার পরিমাণ কত? [আগস্ট, ২০২৪]
  1. ৯৫০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ১০৫০ টাকা
  4. ১১০০ টাকা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা:

- বর্তমান সরকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমঅধিকার ও সমমর্যাদা প্রদানে বদ্ধপরিকর।
- ২০০১ সালে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন ২০০১ প্রণয়ন করা হয়।
- এ আইন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সংরক্ষণে অনন্য দলিল।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৫, ১৭, ২০ এবং ২৯ অনুচ্ছেদে অন্যান্য নাগরিকদের সাথে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমসুযোগ ও অধিকার প্রদান করা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৫(ঘ) অনুচ্ছেদ দায়-দায়িত্বের অংশ হিসেবে ২০০৫-০৬ অর্থ বছর হতে অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- শুরুতে ১,০৪,১৬৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ২০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাস্তবায়নকারী দফতর: সমাজসেবা অধিদফতর।
- কার্যক্রম শুরুর বছর: ২০০৫-০৬ অর্থবছর।

⇒ কর্মসূচির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ১. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রতি প্রদত্ত সাংবিধানিক ও আইনগত প্রতিশ্রতি পূরণ;
- ২. অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন;
- ৩. দুঃস্থ প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনয়ন;
- ৪. সুনির্দিষ্ট নীতিমালা অনুসরণপূর্বক উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাছাইকৃত প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান;
- ৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়টি জাতীয় কর্মপরিকল্পনায় অমত্মর্ভুক্তকরণ।

⇒ ২০২৪-২৫ বাজেটে, ভাতাভোগীর মাসিক ভাতার হার:
- বয়স্ক ভাতা: ৬০০ টাকা।
- বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা: ৫৫০ টাকা।
- অসচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা: ৮৫০ টাকা।
- অতিদরিদ্রদের জন্য কর্মসংস্থান কার্যক্রমে উপকারভোগীর ভাতার হার: ৪০০ টাকা।
- মাতৃত্বকালীন ভাতা (৩৬ মাস পর্যন্ত): ৮০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের উচ্চমাধ্যমিক স্তরে ভাতার হার: ১০৫০ টাকা।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ভাতার হার: ২০০০০ টাকা।

উৎস: i) ২০২৪-২৫ জাতীয় বাজেট।
ii) সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৮,৪৬৮.
গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক পরস্পর -
  1. পরিপূরক
  2. বিপরীত
  3. সম্পূরক
  4. নিবিড়
ব্যাখ্যা
⇒ গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক পরস্পর পরিপূরক।

গণতন্ত্র:
- গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক দল অপরিহার্য।
- রাজনৈতিক দল মূলত জনগণের দাবি দাওয়া প্রকাশের প্লাটফর্ম।।
- এটি মূলত এক দল জনসমষ্টি যারা নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ এবং লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ।

রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক দল অন্যতম।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত
হওয়া।
- তবে যে সব রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই সে সব রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলও নেই। যেমন: সৌদি আরব, বাহরাইন, ওমান, কাতার এ রাজতন্ত্র বিদ্যমান। ।
- রাজপরিবার ও পরিষদই রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে
- তাছাড়া সামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ থাকে। তবে শিক্ষা, জ্ঞান- বিজ্ঞানের বিকাশের ফলে রাজনৈতিক দল সৃষ্টির প্রবণতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ সুগম হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৬৯.
বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানে ড্রীমলাইনারের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৬ টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশ বিমানে অত্যাধুনিক সুবিধা সম্বলিত মার্কিন বোয়িং ৭৮৭ ড্রীমলাইনারের সংখ্যা ৬ টি। সর্বশেষ ২৪ ডিসেম্বর ৬ষ্ঠ ড্রিমলাইনার অচিনপাখি বাংলাদেশে পৌছে। অন্য ড্রিমলাইনারগুলো হলো আকাশবীণা, হংস বলাকা, গাঙচিল, রাজহংস ও সোনার তরী। ৬ টি ড্রিমলাইনার সহ বাংলাদেশ বিমানে বর্তমানে মোট ১৮ টি বিমান রয়েছে। (সূত্রঃ বাংলাদেশ বিমান)
৮,৪৭০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ক) বেলজিয়াম
  2. খ) ইতালি
  3. গ) অস্ট্রেলিয়া
  4. ঘ) হল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড ৬ ডিসেম্বর, ১৯১৭ সালে হল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর জাতীয়তা ছিল অস্ট্রেলিয়।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নং সেক্টরে কাজ করেন।
- ১৯৭০ সালে তিনি বাটা সু কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে আসে।
- ১৮ মে, ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৮,৪৭১.
পাকিস্তান গণপরিষদে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দানের বিল উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) আতাউর রহমান খান
  2. খ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ
  4. ঘ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান সৃষ্টির পর উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা তার প্রতিবাদ করে। এরই অংশ হিসেবে ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারীর রক্তাক্ত ঘটনা ঘটে।
এর ফলে ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। আওয়ামীলীগ দলীয় জাতীয় পরিষদ সদস্য ‘আদেলউদ্দিন আহমেদ’ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয় এবং ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, ১৯৪৮সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান প্রথমগণপরিষদ অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যদের ভোটে তা অগ্রাহ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৪৭২.
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) -এর অধীনে কয়টি সার কারখানা পরিচালিত হয়?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৮টি
  4. ঘ) ৯টি
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতি ২৭ নম্বর অধ্যাদেশের ১৯৭৬ সনের ২৫ নম্বর সংশোধনী বলে ৩টি কর্পেোরেশন যথা- বাংলাদেশ সার, রসায়ন ও ভেষজ শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কাগজ ও বোর্ড কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যানারীজ কর্পোরেশন একীভূত করে ১লা জুলাই, ১৯৭৬ইং তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিসিআইসি - এর অধীনে ১৩টি শিল্প কারখানা পরিচালিত হয় যার মধ্যে ৮টি সার কারখানা রয়েছে।
১. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোং লিমিটেড
২. চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড
৩. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
৪. আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
৫. ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
৬. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ
৭. ডিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ ও
৮. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ

Source: BCIC website.
৮,৪৭৩.
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে বিকল্প সরকার বলা হয়-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাবাহিনী
  3. বিরোধী দল
  4. নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- তবে বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

উল্লেখ্য, 
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- সেনাবাহিনী বাংলাদেশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৪৭৪.
বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার আগে কতটি অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান ছিল?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
 - ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
- ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ' জারি করেন।
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান।
- তাই বলা যায় যে, বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার আগে দুইটি অন্তর্বর্তীকালীন সংবিধান ছিল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৪৭৫.
৬-দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ঢাকা
  2. লাহোর
  3. দিল্লি
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে। 
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৭৬.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ -
  1. জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
  2. জুলাই, ২০২১ - জুন, ২০২৬
  3. জুলাই, ২০২২ - জুন, ২০২৭
  4. জুলাই, ২০২৩ - জুন, ২০২৮
ব্যাখ্যা
• পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন।
৮,৪৭৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণঅভ্যুত্থানে কার ক্ষমতাচ্যুত ঘটে?
  1. খন্দকার মোশতাক
  2. হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. বেগম খালেদা জিয়া
  4. শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা

• ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম ছাত্র গণ-অভ্যুত্থানে ৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ ক্ষমতাচ্যুত হন।

- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ বাংলাদেশের দ্বিতীয়বার সামরিক শাসন শুরু করেন।
- এরশাদের শাসনকালে দেশ আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিকভাবে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থার মধ্যে থাকে।
- এরশাদের সামরিক শাসনের অবসানের জন্য দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রাম চলতে থাকে।
- বহু মানুষ গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে প্রাণ দেন।
- ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনের সফল গণঅভ্যুত্থানে সামরিক শাসন অবসান ঘটে।
- গণঅভ্যুত্থান হঠাৎ ঘটে নি; এরশাদের শাসনের প্রথম থেকেই বিরোধী কার্যক্রম চলতে থাকে।
- ১৯৮২ সালের শেষ থেকে ছাত্র সমাজ সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ শুরু করে।
- শিক্ষানীতি বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে বুদ্ধিজীবীরা সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- ১৯৮৩ সালে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৫ দলীয় জোট ও বিএনপির নেতৃত্বে ৭ দলীয় জোট গঠিত হয়।
- বিভিন্ন পেশাজীবী ও সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনও আন্দোলনে অংশ নেন।
- ১৯৮৭ সালে সরকারের পদত্যাগ ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন প্রবল হলেও এরশাদ ক্ষমতায় থাকেন।
- ১৯৯০ সালের শুরু থেকে রাজনৈতিক দলগুলো মিছিল, মিটিং ও হরতাল চালায়।
- সারাদেশের ছাত্র, বুদ্ধিজীবী, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন আন্দোলনে সক্রিয় থাকে।
- ছাত্র সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কারণে সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্য আন্দোলনকে শক্তিশালী করে।
- ১৯ নভেম্বর ১৯৯০ সালে সরকার পতনের লক্ষ্যে ৮, ৭ ও ৫ দলীয় জোট যৌথ ঘোষণা প্রদান করে।
- ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর এরশাদ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে বাধ্য হন। এরশাদের ক্ষমতা ত্যাগের মধ্যে দিয়ে ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থানের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয় ।
ii) দ্যা বিজন্যাস স্ট্যান্ডার্ড  বাংলা।

৮,৪৭৮.
সৈয়দ আমীর আলী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন?
  1. লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন
  2. ঢাকা ল কলেজ
  3. কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. প্রেসিডেন্সি কলেজ
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমীর আলী:

- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন।
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ও বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে ফেরেন।
- কর্মজীবনে তিনি বিভিন্ন দায়িত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। 
- সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৭৯.
কোন মোগল সম্রাট ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন?
  1. বাবর
  2. হুমায়ূন
  3. আকবর
  4. জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
ইসলাম খান চিশতী:
- মোগল সম্রাট জাহাঙ্গীর ইসলাম খান চিশতীকে বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন।
- ইসলাম খান চিশতীর মূল কৃতিত্ব হচ্ছে তিনি সমগ্র বাংলাদেশে এবং প্রতিবেশী কামরূপ এবং কাছাড়ে মোগল অধিকার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি বার ভূঁইয়াদের দমন করেন এবং সকল ভূঁইয়া বা জমিদারকে পরাজিত করলে বাংলা মোগল সাম্রাজ্যের একটি সুবা বা প্রদেশে পরিণত হয়।
- তিনি ছিলেন ফতেহপুর সিক্রির শয়খ সলীম চিশতীর পৌত্র, তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের সমবয়সী এবং ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন।
- ইসলাম খান রাজমহল থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন।
- ১৬১০ সালে তিনি ঢাকায় বাংলার রাজধানী স্থাপন করেন।
- এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর।
- ইসলাম খান বাংলার জমিদারদেরকে দমন করে বাংলাদেশকে সম্পূর্ণরূপে মোগল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৪৮০.
NCTB-এর পূর্ণরূপ -
  1. National Curriculum & Textbook Board
  2. National Curriculum & Text Book
  3. National Communication & Textbook Board
  4. National Curriculum & Training Board
ব্যাখ্যা
NCTB:
- জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড, যা এনসিটিবি নামে পরিচিত।
- NCTB-এর পূর্ণরূপ: National Curriculum & Textbook Board.
- এনসিটিবি বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনার জন্যে গঠিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জনের জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান এবং যা জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণের উন্নয়ন ও পরিমার্জনের কাজ করে থাকে।

উৎস: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড ওয়েবসাইট। 
৮,৪৮১.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী গারোদের আদি ধর্মের নাম কী?
  1. আচিক
  2. সাংসারেক
  3. ওয়ানগালা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়।
- তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে।
- গারোদের আদি ধর্মের নাম সাংসারেক।
- তবে বর্তমানে গারোরা খ্রিস্টধর্মের অনুসারী হচ্ছে।
- তাদের নিজস্ব ভাষার নাম আচিক বা গারো ভাষা।
- এদের সমাজব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক। অর্থাৎ পরিবারের প্রধান মাতা।
- গারো নারীদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকের নাম 'দকবান্দা ও দকসারি' এবং পুরুষরা শার্ট, লুঙ্গি, ধুতি ইত্যাদি পরিধান করে।
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৪৮২.
ICSC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) The Intergovernmental Civil Service Commission
  2. খ) The International Civil Service Commission
  3. গ) The Indian Cabinet Service Commission
  4. ঘ) The International Civil Service Congress
ব্যাখ্যা
ICSC এর পূর্ণরূপ হলো The Internatioanl Civil Service Commission.
এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ১৯৭৪ সালে গঠিত একটি স্বাধীন বিশেষজ্ঞ সিভিল সার্ভিস ফোরাম।
এটির সদরদপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ জন।
(সূত্র: ICSC ওয়েবসাইট)
৮,৪৮৩.
বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক কোন জেলায়?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. পিরোজপুর
  4. বরগুনা
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উল্লেখ্য, 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৮,৪৮৪.
'ছেঁড়াদ্বীপ' কোন উপজেলার অন্তর্গত?
  1. উখিয়া
  2. টেকনাফ
  3. কুতুবদিয়া
  4. রামু
ব্যাখ্যা

১. সবচেয়ে পূর্বের স্থান-
- স্থান: আখাইনঠং।
- উপজেলা: থানচি।
- জেলা: বান্দরবান।
 
২. সবচেয়ে পশ্চিমের স্থান-
- স্থান: মনাকষা।
- উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।
 
৩. সবচেয়ে দক্ষিণের স্থান-
- স্থান: ছেঁড়া দ্বীপ।
- উপজেলা: টেকনাফ।
- জেলা: কক্সবাজার।
 
৪. সবচেয়ে উত্তরের স্থান-
- স্থান: বাংলাবান্দা।
- উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- জেলা: পঞ্চগড়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৮,৪৮৫.
‘পাহাড়কাঞ্চনপুর’ বিমান ঘাঁটির পরিবর্তিত নাম কী?
  1. বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ বিমান ঘাঁটি
  2. বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান বিমান ঘাঁটি
  3. খাদেমুল বাশার বিমান ঘাঁটি
  4. মৌলভীবাজার রাডার ইউনিট
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনীর ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিয়োগ করে।
- তিনি ছিলেন বিমান বাহিনীর সিনিয়র কর্মকর্তা।
- তিনি প্রবাসি সরকারের নির্দেশনায় ১৯৭১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর 'বাংলাদেশ বিমান বাহিনী' গঠন করে।
- ১৮ জন পাইলট এবং ৭০ জন বৈমানিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
- সম্প্রতি বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর ঘাঁটি পাহাড়কাঞ্চনপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘বীর উত্তম সুলতান মাহমুদ’ ঘাঁটি নামকরণ করা হয়েছে। 

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এয়ার ভাইস মার্শাল সুলতান মাহমুদ বীর উত্তমকে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় তাঁর অনন্য সাধারণ ভূমিকা, স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে একটি সুসংগঠিত ও কার্যকরী বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলা এবং পরবর্তীকালে দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকে দেশ গঠনে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৮ এ ভূষিত করে। 

সূত্র- আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) ।
৮,৪৮৬.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত চুক্তির অনুমোদন করা হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. তৃতীয়
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় সংশোধনী:
- সংবিধানের এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৪ সালের ২৩ নভেম্বর।
- এ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ–ভারত সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন করা হয়।
- ভারতের কিছু অংশ বাংলাদেশে আসবে এবং বাংলাদেশের কিছু অংশ ভারতে আসবে- এ চুক্তি বাস্তবায়নের জন্যই তৃতীয় সংশোধনী আনা হয়।

এছাড়াও,
⇒ দ্বিতীয় সংশোধনী: এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়। ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়। এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটকের বিধান করা হয়। মূলত এ সংশোধনীর মাধ্যমে শাসন বিভাগ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। এ সশোধনীর মূল কথা হলো "যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ অথবা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ দ্বারা বাংলাদেশ বা এর যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপন্ন হবার আশঙ্কা দেখা দিলে রাষ্ট্রপতি জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে পারবেন। এ ধরনের ঘোষণার বৈধতার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতি-স্বাক্ষর প্রয়োজন হবে। জরুরি অবস্থা ঘোষণা পরবর্তী কোন ঘোষণার দ্বারা প্রত্যাহার করা হবে অথবা জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত হবে কিংবা ১২০ দিন অতিবাহিত হবার পূর্বে সংসদের প্রস্তাব দ্বারা অনুমোদিত না হলে তা কার্যকর হবে না। জরুরি অবস্থা চলাকালীন নাগরিকদের মৌলিক অধিকার স্থগিত থাকবে। এ সংবিধানে আরো উল্লেখ করা হয়, এ জরুরি অবিস্থায় গ্রেফতার ও আটকাদেশ সম্পর্কিত বিধানের অবসান ঘটবে।

⇒ চতুর্থ সংশোধনী: ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়। চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা; একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা; রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি অপসারণ পদ্ধতি জটিল করা; সংসদকে একটি ক্ষমতাহীন বিভাগে পরিণত করা; মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার বাতিল করা; বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করা ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাতিল হয়ে যায়।

⇒ পঞ্চম সংশোধনী: জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। পঞ্চম সংশোধনী সংবিধানে কোনো বিধান সংশোধন করেনি। এ সংশোধনী ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্টে সামরিক শাসন জারির পর থেকে ৯ এপ্রিল ১৯৭৯ পর্যন্ত সামরিক শাসনামলের সব আদেশ, ঘোষণা ও দণ্ডাদেশ বৈধ বলে অনুমোদন করে। এ সংশোধনীটি উচ্চ আদালতের রায়ে বাতিল হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
৮,৪৮৭.
ফা হিয়েনের আগমনকালে ভারতের রাজা ছিলেন -
  1. ক) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. খ) হর্ষবর্ধন
  3. গ) দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  4. ঘ) গিয়াস উদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা
• ফা-হিয়েন দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত (৩৮০-৪১৩খ্রি.) এর সময় বাংলায় আসেন।
• ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে ফা-হিয়েন ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
• গোবি, খোটান, পামির মালভূমি এবং গান্ধারন দেশ অতিক্রম করে তিনি ৪০১ খ্রিস্টাব্দে ভারতে প্রবেশ করেন।
• তিনি টানা ১০ বছর ভারতের বিভিন্ন স্থানে ভ্রমণ করেছিলেন।
• ফা-হিয়েনের ভ্রমন বৃত্তান্ত ‘ফো-কুয়ো-কিং’ নামে পরিচিত।
• এটি ভারতের ইতিহাসের একটি বিশিষ্ট ও প্রামাণ্য দলিল।

অন্যদিকে,
▪ বিখ্যাত চৈনিক পর্যটক হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন।
▪ মা হুয়ান চীনা পরিব্রাজক। গিয়াস উদ্দীন আজম শাহের সময় বাংলায় আসেন।
▪ মেগাস্থিনিস (গ্রিস) রাজকীয় দূত হিসেবে ভারতীয় রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের (স্যান্ড্রাকোটাস) রাজদরবারে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,৪৮৮.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ১৭ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি হলো বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তিচুক্তি পাহাড়ি জনগণের বিশেষ অবস্থান ও মর্যাদার স্বীকৃতি দিয়েছে।
- এই শান্তিচুক্তির আওতায় তিন পার্বত্য জেলার স্থানীয় সরকার পরিষদ সমন্বয়ে একটি আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়েছে।

⇒ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭।
- চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন: বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা)।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,৪৮৯.
What is diversification of crops?
  1. Growing only one type of crop repeatedly in the same field.
  2. Cultivating multiple types of crops in the same area during a specific period.
  3. Using chemical fertilizers to increase crop yield.
  4. Replacing traditional farming methods with modern machinery.
ব্যাখ্যা
ফসল বহুমুখীকরণ: 
- ফসল বহুমুখীকরণ হলো কৃষি প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রকার ফসল চাষের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়ানো, মাটির গুণগত মান উন্নত করা, এবং কৃষকের আয় ও জলবায়ু সহনশীলতা নিশ্চিত করার একটি টেকসই পদ্ধতি।
- এতে একই সময়ে বা পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন ফসলের চাষ অন্তর্ভুক্ত থাকে, যেমন ফসল পরিবর্তন (ক্রপ রোটেশন), আন্তঃফসল চাষ (ইন্টারক্রপিং) এবং উচ্চমূল্যের ফসল চাষ।

ফসল বহুমুখীকরণ এর সুবিধা: 
- আয় ও উৎপাদন বৃদ্ধি: ফসল বহুমুখীকরণে কৃষকের আয় বাড়ে এবং উৎপাদনশীলতা স্থিতিশীল থাকে।
- ঝুঁকি হ্রাস: বিভিন্ন ফসল চাষে আবহাওয়া ও বাজার সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি কমে।
- জলবায়ু সহনশীলতা: এটি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় ছোট কৃষকদের সহনশীল করে।
- মাটির গুণগত মান উন্নয়ন: মাটির উর্বরতা বাড়ে এবং পোকামাকড়ের সমস্যা কমে।
- উচ্চমূল্যের ফসল চাষ: ধান চাষের বাইরে সবজি ও ফলসহ উচ্চমূল্যের ফসল চাষে কৃষকের আয় বাড়ে।
- বিশ্বজুড়ে প্রয়োগযোগ্যতা: আফ্রিকা থেকে বাংলাদেশ—সবখানেই এটি খাদ্য নিরাপত্তা ও কৃষির টেকসই উন্নয়নে কার্যকর।

উৎস: i) IUCN ওয়েবসাইট। 
ii) United Nations Bangladesh ওয়েবসাইট। 
iii) Food and Agriculture Organization ওয়েবসাইট।
৮,৪৯০.
দেশের সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জকিগঞ্জ, সিলেট
  2. খ) ছাতক, সুনামগঞ্জ
  3. গ) সদর, ভোলা
  4. ঘ) রশিদপুর, হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• দেশের সর্বশেষ অর্থাৎ ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র ইলিশা-১:  
- রাষ্ট্রায়ত্ত গ্যাস অনুসন্ধান সংস্থা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি (বাপেক্স) ভোলা সদর উপজেলায় নতুন একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করেছে।
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- এটি ভোলা জেলার তৃতীয় গ্যাসক্ষেত্র।
- সেখানকার অন্য দুটি হলো শাহবাজপুর ও ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্র।
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন গ্যাসক্ষেত্রটিতে প্রায় ২০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে বলে আশা করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশি মুদ্রায় এই গ্যাসের বাজারমূল্য ৬ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। কূপ থেকে দৈনিক ২০-২২ মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলন করা যাবে।
- সম্প্রতি রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গাজপ্রম বাপেক্সের হয়ে কূপটি খনন করে। 

• উল্লেখ্য, ১৯৯৫ সালে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলায় শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে বাপেক্স।
- একই সংস্থা ২০১৮ সালে আবিষ্কার করে ভোলার দ্বিতীয় গ্যাসক্ষেত্র—ভোলা নর্থ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- ২২ মে, ২০২৩,  লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।
৮,৪৯১.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম কোনটি?
  1. বুড়িচং
  2. বানিয়াচং
  3. বুড়িমারি
  4. কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্রাম হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং।

⇒ বানিয়াচং গ্রামের আয়তন প্রায়  ৪৮২.৪৬ বর্গ কিলোমিটার এবং এখানে ১৫টি ইউনিয়ন রয়েছে।  
- বানিয়াচং গ্রাম এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম গ্রাম হিসেবে পরিচিত।
- প্রশাসন থানা গঠিত হয় ১৭৯০ সালে। বর্তমানে এটি উপজেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৪৯২.
মুজিবনগর সরকার শপথ নিয়েছিলো-
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২৬ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ঘ) ৩০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
৮,৪৯৩.
'কেরু এন্ড কোং লিমিটেড' চিনিকল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নশিপুর
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) খালিশপুর
  4. ঘ) ঈশ্বরদী
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং লিমিটেড।
- এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫ টি চিনিকল রয়েছে৷
- এর মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

উৎসঃ বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

৮,৪৯৪.
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. গাজীউল হক
  2. শামসুল আলম
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. আবদুল মতিন
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:

- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।
- বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, মোহাম্মদ তোয়াহা, কাজী গোলাম মাহবুব, খালেক নেওয়াজ ও আবদুল মতিন।
- সভাপতি ১০ জন করে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের নির্দেশ দেন।
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।
- ছাত্ররা দলবদ্ধ হয়ে শ্লোগান দিতে থাকলে পুলিশ বাহিনী এসে তাদের তাড়া করে এবং ছাত্রদের উপর কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে। প্রতিবাদে ছাত্ররা ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে।
- এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের লক্ষ্য করে গুলিবর্ষণ করে। ঘটনাস্থলেই আব্দুল জব্বার ও রফিকউদ্দিন আহমদ শহীদ হন। ১৭ জনের মত গুরুতর আহত হয়। তাদের মধ্যে রাত আটটায় আবুল বরকত শহীদ হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১।
৮,৪৯৫.
'গিরিকন্যা' চলচ্চিত্রটি কোন ভাষায় নির্মিত?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ম্রো
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা
গিরিকন্যা:
- মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র ‘তংস্মাসে বা গিরিকন্যা’।
- চলচ্চিত্রের নির্মাতা প্রদীপ ঘোষ।
- মারমা জনগোষ্ঠীর প্রাণ-প্রকৃতি রক্ষার অঙ্গীকার নিয়ে মারমা ভাষায় প্রথম চলচ্চিত্র “গিরিকন্যা”।

উল্লেখ্য,
- বান্দরবানের মারমা জনগোষ্ঠীর প্রবীণ চিকিৎসক ডা. মং উষা থোয়াই-এর গল্প অবলম্বনে ‘গিরিকন্যা’ নির্মিত হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
৮,৪৯৬.
মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত বিলকে কোন ধরনের বিল বলা হয়?
  1. ক) বেসরকারি বিল
  2. খ) আর্থিক বিল
  3. গ) জাতীয় বিল
  4. ঘ) সরকারি বিল
ব্যাখ্যা

• আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
• আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।
• জাতীয় সংসদে উত্থাপিত আইনের খসড়াকে বিল বলে।
• বিল দুই প্রকার। যথা- সরকারি বিল ও বেসরকারি বিল।

সরকারি বিল
• সরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ৭ দিন সময়।
• যে বিল মন্ত্রীদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে সরকারি বিল বলে

বেসরকারি বিল

• যে বিল সাধারণ সংসদ সদস্যদের দ্বারা উত্থাপিত হয় তাকে বেসরকারি বিল বলে।
• বেসরকারি বিল উত্থাপনের জন্য ১৫ দিনের নোটিশ প্রয়োজন হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয়।

৮,৪৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং সেক্টর
  2. ৫নং সেক্টর
  3. ৬নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর:
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে.
- ১৯৫৩ সালে পাতারচর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তার শিক্ষা জীবনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৪ সালে মুলাদি মাহমুদ জান পাইলট হাইস্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এসএসসি এবং ১৯৬৬ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগে অধ্যয়নরত অবস্থায় ১৯৬৭ সালের ৩রা অক্টোবর ১৫তম শর্ট সার্ভিস কোর্সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
- ১৯৬৮ সালের ২রা জুন তিনি ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন লাভ করেন।
- তিনি ৭নং সেক্টর-এর মহোদিপুর সাব-সেক্টরের অধীনে যুদ্ধে অংশ নেন।
- তিনি অসামান্য বীরত্বের সাথে আরগরারহাট, কানসাট, শাহপুর এলাকায় যুদ্ধ পরিচালনা করেন এবং মুক্তাঞ্চল গঠন করেন।
- ১২ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনী তার নেতৃত্বে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করে।
- যুদ্ধে অপরিসীম বীরত্ব প্রদর্শন করে ১৪ ডিসেম্বর সকালে পাকিস্তানী বাহিনীর স্নাইপার বুলেটের আঘাতে তিনি শহীদ হন।
- পরদিন সহযোদ্ধারা লাশ উদ্ধার করে তার শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ চত্বরে সমাহিত করে।

তথ্যসূত্র -  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

৮,৪৯৮.
প্রাচীন 'চন্দ্রদ্বীপ' এর বর্তমান নাম কী?
  1. নোয়াখালী
  2. বরিশাল
  3. ভোলা
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

অন্যদিকে,
• সমতট জনপদ বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী ও কুমিল্লা অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিলো।
• হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
• বরেন্দ্র জনপদ বর্তমান রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিরাজমান ছিলো

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৪৯৯.
বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ অনুসারে, কোম্পানির কত শতাংশ পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে?
  1. ২০%
  2. ৩০%
  3. ৪৫%
  4. ৫০%
  5. ৬০%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮,৫০০.
১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে কোন যুদ্ধে আকবর আফগান শাসক আদিল শাহ সুরের সেনাপতি হিমুকে পরাস্ত করেন?
  1. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
  2. পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  3. হলদিঘাটের যুদ্ধ
  4. চৌসার যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধে আকবর আফগান শাসক আদিল শাহ সুরের সেনাপতি হিমুকে পরাস্ত করেন।
- মুঘল শাসনের ইতিহাসে পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ ছিল চূড়ান্ত মীমাংসাত্মক যুদ্ধ।
- এই যুদ্ধে জয়ের ফলে ভারতে মুঘল শক্তি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ভারতে আফগানদের আধিপত্যের অবসান হয়।
- এর ফলে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত ভিত্তি দৃঢ়ভাবে স্থাপিত হয় এবং মুঘল সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ প্রশস্ত হয়।

আকবরের মেবার আক্রমণ: 
- ১৫৬৭ খ্রিস্টাব্দে আকবর মেবারের রাজধানী চিতোর আক্রমণ করেন।
- উদয়সিংহের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র প্রতাপসিংহ ও পৌত্র অমরসিংহ মোগলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালান।
- প্রতাপসিংহ ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে হলদিঘাটের যুদ্ধে এবং ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে অমরসিংহ মানসিংহের নিকট পরাজয় বরণ করেন।
- আকবর তাঁর জীবদ্দশায় সমগ্র মেবার মুঘল সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন নি।

- চৌসা ও বিলগ্রামের যুদ্ধে শেরশাহ মোগল সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।