বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৪ / ৩০৬ · ৮,৩০১৮,৪০০ / ৩০,৮৩২

৮,৩০১.
বর্তমানে ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডি ফুটবল এসোসিয়েশন' র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ১৯০তম
  2. খ) ১৯১তম
  3. গ) ১৯৩তম
  4. ঘ) ১৯২তম
ব্যাখ্যা
ফুটবল
- আধুনিক ফুটবল খেলার উৎপত্তি হচ্ছে ইংল্যান্ডে। 
- সব দেশে একই নিয়মে খেলার জন্য ১৯০৪ সালে আন্তর্জাতিক ফুটবল সংস্থা ‘ফেডারেশন ইন্টারন্যাশনাল ডি ফুটবল এসোসিয়েশন' বা ফিফা (FIFA) গঠিত হয়।
- এই সংগঠনের মাধ্যমে ফুটবল খেলা বিশ্বের প্রায় সব দেশে প্রসার লাভ করেছে।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) গঠিত হয়। এটি বাংলাদেশের ফুটবল খেলার নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ২০ ডিসেম্বর ২০২২ ফিফা র‍্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়।
- ২১১ সদস্যের মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশ আগের অবস্থান ১৯২ তেই অবস্থান করেছে
- নতুন ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচটি দল:
১। ব্রাজিল
২। আর্জেন্টিনা
৩। ফ্রান্স
৪। বেলজিয়াম
৫। ইংল্যান্ড।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট।
৮,৩০২.
পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধানের চেয়ার অলংকিত করেন না?
  1. ক) রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি
  2. খ) সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর
  3. গ) সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক
  4. ঘ) এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ,
- স্কাউট
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
- ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
৮,৩০৩.
“আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।”-গানটির রচয়িতা কে?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  4. আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

 “আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী, আমি কি ভুলিতে পারি।”
- এই কবিতাটি রচনা করেছিলেন ঢাকা কলেজের ছাত্র আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ভাষার দাবিতে ছাত্রমিছিলে গুলি চালানোর প্রেক্ষাপটেই রচিত হয়েছিল কবিতাটি।
- এটি হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ও মোহাম্মদ সুলতান কর্তৃক প্রকাশিত “একুশে ফেব্রুয়ারি” সংকলনে 'একুশের গান' হিসেবে ছাপা হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে।
- এটি প্রথমে সুর করেন - আবদুল লতিফ এবং বর্তমানে যে সুরে গাওয়া হয়, তা করেছেন - আলতাফ মাহমুদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৩০৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. অ্যালেক্সি কেসিগিনি
  2. নিকোলাই পদগর্নি
  3. এনলাই কিসিন
  4. আন্দ্রে গোমিসিন
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিত্ব:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন রিচার্ড নিক্সন,
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন এডওয়ার্ড হিথ,
- ভারতের রাষ্ট্রপ্রধান ছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও রাষ্ট্রপতি ছিলেন ভিভি গিরি।
- রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন  আলেক্সি কোসিগিন,
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও সংগ্রামের নোটবুক।
৮,৩০৫.
বাংলাদেশে খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯৩ সাল
  2. ১৯৯০ সাল
  3. ১৯৯১ সাল
  4. ১৯৯৪ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচি চালু হয়-  ১৯৯৩ সালে ।

খাদ্যের বিনিময়ে শিক্ষা কর্মসূচির সূচনা

- ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশের শিক্ষা খাত গভীর সংকটে ছিল।
- দারিদ্র্য, সামাজিক কুসংস্কার এবং লিঙ্গবৈষম্যের কারণে লাখ লাখ শিশু, বিশেষ করে মেয়েরা, স্কুলের বাইরে থেকে যেত।
- এ বঞ্চনা বাল্যবিবাহ, উচ্চ জন্মহার এবং নারীর অশিক্ষার এক দুষ্টচক্রকে স্থায়ী করে তোলে, যা জাতীয় উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।

- ১৯৯৩ সালে বিএনপি সরকার ‘ফুড ফর এডুকেশন’ কর্মসূচি চালু করে, যা পরে নগদ সহায়তা পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়। 
- এই কর্মসূচির মূলনীতি ছিল দরিদ্র পরিবারগুলোকে খাদ্যশস্য বা নগদ অর্থ দেওয়ার শর্তে তাদের মেয়েসন্তানদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে পাঠানো। এ উদ্যোগ দরিদ্র পরিবারের জন্য শিক্ষার খরচ কমিয়ে দেয় এবং মেয়েসন্তানদের শিক্ষা গ্রহণে শক্তিশালী উৎসাহ সৃষ্টি করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

৮,৩০৬.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কত তারিখে গঠিত হয়?
  1. ১ অক্টোবর, ১৯৪৭
  2. ২ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা

• ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’:
- ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে ২৮ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

- ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আবুল হাশিমের সভাপতিত্বে আওয়ামী মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের বৈঠক বসে।
- এই বৈঠকে আবদুল মতিন, অলি আহাদ, গোলাম মাহবুব প্রমুখ নেতা ১৪৪ ধারা অমান্য করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে জোরালো মত দেন।
- অবশেষে সভায় ১৪৪ ধারা ভঙ্গের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় (বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের চত্বর) ছাত্রদের সভা জনসমুদ্রে পরিণত হয়।
------------------
অন্যদিকে,
- রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়– ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। এর আহ্বায়ক ছিলেন নুরুল হক ভূঁইয়া।
- দ্বিতীয় বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় - ২ মার্চ, ১৯৪৮ সালে যার আহ্বায়ক ছিলেন শামছুল আলম।

উৎস: সংগ্রামের নোটবুক, স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (১ম খন্ড), ইতিহাস প্রথম পত্র, HSC Programme, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩০৭.
কমনওয়েলথে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় কোন দেশটি কমনওয়েলথ ত্যাগ করে?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ফিজি
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (জুন, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয় ।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৩০৮.
বাংলাদেশ ব্যাংক কবে প্রথম এক হাজার টাকার নোট প্রচলন করে?
  1. ক) ২০০৫ সালে
  2. খ) ২০০৭ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০০৮ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম ১০০০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে ৫০ টাকা,
- ১৯৭৭ সালে ৫০০ টাকা,
- ১৯৮০ সালে ২০ টাকা এবং
- ১৯৮৯ সালে ২ টাকার নোটের প্রচলন হয়।

৮,৩০৯.
'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানটি প্রথম উঠে আসে কখন?
  1. ১৯ মার্চ ১৯৫০
  2. ১১ মার্চ ১৯৪৮
  3. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন:
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহ্বানে ১১ই মার্চ ১৯৪৮ ধর্মঘট পালিত হয়।
- আন্দোলনকারীদের দাবি ছিল বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা ।
- ১১ই মার্চ ১৯৪৮ 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' স্লোগানসহ মিছিল করার সময় পুলিশের লাঠিচার্জে করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল হক, অলি আহাদ, কাজী গোলাম মাহবুবসহ অনেকেই গ্রেফতার হন।
- ফলে ১৩-১৫ই মার্চ আবার ধর্মঘট পালিত হয়।
- ১৫ই মার্চ মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন আন্দোলনকারীদের সাথে আলোচনায় বসে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হয়।
- কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- এবং বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩১০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুযোগের সমতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ২১ নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ১৯ নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৮ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদে সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা সৃষ্টির কথা বলা হয়েছে।
• ১৯(৩) নং দফায় জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে।
অন্যদিকে,
• ২১ নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারিদের কর্তব্য।
• ২৭ নং অনুচ্ছেদ : আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• ২৮ নং অনুচ্ছেদ : ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৮,৩১১.
অধ্যাদেশ জারি করতে পারে কোন বিভাগ?
  1. বিচার বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. আইন বিভাগ
  4. আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- অধ্যাদেশ জারি করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশ সংবিধানে মােট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে পঞ্চম ভাগে আইনসভা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- পঞ্চম ভাগের ৩য় পরিচ্ছেদের ৯৩ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।

⇒ বাংলাদেশের শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ পদাধিকারী ব্যক্তি হলেন রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সকল সন্মানের উৎস।
- সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকার রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আইন অনুসারে সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হবেন।

• সুতরাং অধ্যাদেশ জারি করতে পারে শাসন বিভাগ। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩১২.
'আলোকিত মানুষ চাই' কোন প্রতিষ্ঠানের স্লোগান?
  1. জাতীয় গ্রন্থ কেন্দ্র
  2. বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র
  3. কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি
  4. শিল্পকলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র
- আলোকিত মানুষ চাই" এটি বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠানের স্লোগান।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র শিক্ষা ও সংস্কৃতিমূলক একটি প্রতিষ্ঠান।
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং বিভিন্নবিষয়ক জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো এর উদ্দেশ্য।
- ঢাকার ১৪ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে এর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা হয় ১৯৭৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর এবং এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় ১৯৮০ সালের ৬ মার্চ।
- এটি একটি জনকল্যাণধর্মী ট্রাস্ট হিসেবে নিবন্ধীকৃত। কেন্দ্রের নয় সদস্যবিশিষ্ট ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি হচ্ছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 
- কেন্দ্রের নিজস্ব আয়, বিভিন্ন সমাজহিতৈষী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক অনুদানে এর কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- নয় তলা বিশিষ্ট বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ভবনটিতে ১টি আর্ট গ্যালারী, ১টি নাট্যমঞ্চ, ১টি শিশু কেন্দ্র, ৩টি অডিটোরিয়াম, বিশ্ব সাহিত্যের একটি শাখা, বিশ্ববিখ্যাত সিনেমা ও ছবির ২টি আর্কাইভ, অতিথি ভবন এবং ১টি ক্যাফেটেরিয়া।

উৎস: উইকিপিডিয়া। 
৮,৩১৩.
চা চাষের জন্যে কত সে.মি. বৃষ্টিপাতের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ১২০ সে.মি.
  2. খ) ১৫০ সে.মি.
  3. গ) ২৫০ সে.মি.
  4. ঘ) ৩৫০ সে.মি.
ব্যাখ্যা
চা চাষের জন্যে পানি নিষ্কাশন সুবিধাযুক্ত ঢালু জমি, ২৫০ সেন্টিমিটার বৃষ্টিপাত, ১৬° থেকে ১৭° সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং লৌহ ও জৈব পদার্থমিশ্রিত দোআঁশ মাটি সর্বাধিক উপযোগী।
উপযোগী পরিবেশের জন্যে বাংলাদেশের উত্তর, উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী এলাকায় চায়ের বাগান গড়ে উঠেছে।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,৩১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'-কে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কোথায়?
  1. ক) মুজিবনগরে
  2. খ) ঢাকার পল্টনে
  3. গ) আগরতলায়
  4. ঘ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে ব্রিটিশ সরকার বাংলাকে বিভক্ত করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করে যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘ আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি’- সঙ্গীতটি রচনা করেন।
- বিশ শতকের প্রথম দুই দশকে স্বদেশী আন্দোলনের সময় এটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।
- এ গানটি ১৯৭১ সালের ৩রা জানুয়ারি ঢাকায় এক বিশাল জনসভায় এবং পরে ৩রা মার্চ ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত জনসভায় পুনরায় গাওয়া হয়।
- মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত প্রচার হতো। 
- স্বাধীনতার পরে সাংবিধানিকভাবে ( অনুচ্ছেদ ৪.১)-এ ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতরূপে ঘোষিত হয়। 
- এই গানের প্রথম ১০ লাইন কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ লাইন যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩১৫.
বাংলাদেশ ২০৪১ সালের মধ্যে মোট জ্বালানির শতকরা কতভাগ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে পেতে চায়?
  1. ৪১%
  2. ৪২%
  3. ৪০%
  4. ৫০%
ব্যাখ্যা
- ২০৪১ সালের মধ্যে ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানির লক্ষ্য বাংলাদেশের। 
- সরকারের লক্ষ্য ২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার। 
- এ উচ্চাভিলাষী লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহায়তা। 
- পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যান অনুযায়ী ফুয়েল মিক্সে নবায়নযোগ্য জ্বালানির অংশ ক্রমশ বাড়ছে। 
- ২০৪১ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ৪০ শতাংশ বিদ্যুৎ আসবে। 

উৎস: দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকা (২০ ‍জুন, ২০২১)।
৮,৩১৬.
মেজর জিয়াউর রহমান কোন বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন?
  1. স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র
  2. কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র
  3. চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র
  4. রেডিও পাকিস্তান, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা ঘোষণা:
- ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর প্রথম প্রহরেই মেজর জিয়াউর রহমান নিজেকে প্রভিশননাল প্রেসিডেন্ট হিসেবে উল্লেখ করে কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের স্বৈরশাসক ইয়াহিয়ার নির্দেশে তার সামরিক বাহিনী তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ২৫ মার্চ কালরাতে।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে আক্রমণ শুরু হয় গভীর রাতে। জহুরুল হক হল, জগন্নাথ হল, রোকেয়া হলে চালানো হয় হত্যা ও পাশবিক নির্যাতন। এছাড়া পিলখানা, ইপিআর সদর দপ্তর, রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে আক্রমণ করে নির্বিচার হত্যা চালানো হয়। একইভাবে গণহত্যা চলেছিল পুরনো ঢাকায়, কচুক্ষেত, তেজগাঁও, ইন্দিরা রোড, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ঢাকা বিমানবন্দরের অভ্যন্তরে, রায়েরবাজার, গণকটুলি, ধানমণ্ডি, কলাবাগান, কাঁঠালবাগান প্রভৃতি স্থানে।
- ঢাকার ন্যায় দেশের অন্যান্য শহরেও পাকিস্তানি বাহিনী ব্যাপক গণহত্যা শুরু করে।
- এ পরিস্থিতিতে ২৬শে মার্চ তারিখে মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপর তিনি ২৭শে মার্চ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবারও স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
- তাঁর স্বাধীনতা ঘোষণা এবং এর প্রতি বাঙালি সামরিক, আধাসামরিক ও বেসামরিক বাহিনীর সমর্থন ও অংশগ্রহণের খবরে স্বাধীনতাকামী জনগণ উজ্জীবিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩১৭.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী?
  1. নারী আসন বৃদ্ধি
  2. রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার প্রবর্তন
  3. পররাষ্ট্র নীতি সম্প্রসারণ
  4. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের প্রথম সংশোধনী:
-  ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- এটি উত্থাপন করেন তৎকালীন আইনমন্ত্রী শ্রী মনোরঞ্জন ধর।

- এর বিষয়বস্তু ছিলো যুদ্ধাপরাধীসহ গণবিরোধীদের বিচারের বিধান সন্নিবেশন করা।
- এতে সংবিধানের ৪৭ নং অনুচ্ছেদে সংশোধন আনা হয় যেখানে ৪৭-ক নামে নতুন একটি অনুচ্ছেদ নতুন দফা যুক্ত করা হয়।

• সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের সংশোধন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (অতঃপর "সংবিধান” বলিয়া অভিহিত)-এর ৪৭ অনুচ্ছেদে (২) দফার পর নিম্নরূপ নূতন দফা যুক্ত হইবে:

- “(৩) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দন্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয় গণ্য হইবে না।"।

• ৪৭(ক) অনুচ্ছেদ সংযোজন।
- সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ৪৭৩। সংবিধানে নূতন অনুচ্ছেদের পর নিম্নরূপ নূতন ৪৭ক অনুচ্ছেদ সংযোজিত হইবে:
"৪৭(ক)। সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।-(১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।
(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।"।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান ।

৮,৩১৮.
ছয় দফার কতটি দফা অর্থনীতি সংশ্লিষ্ট নয়?
  1. ৪টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।

ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৮,৩১৯.
নিচের কোনটি কলা গাছের রোগ?
  1. ক) সিগাটোকা
  2. খ) পানামা
  3. গ) বানচিটপ ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কলা বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ফল যা সারা বছর পাওয়া যায়। 
- কলা গাছের প্রধানতম রোগগুলো হচ্ছে
- পানামা,
- বানচিটপ ভাইরাস,
- সিগাটোকা ও
- কলার দাগ রোগ।

কলার জাতের মধ্যে রয়েছে:
- অমৃতসাগর
- বীটজবা
- মোহনবাশী
- কানাইবাশী
- চাম্পা
- চিনি চাম্পা
- সবরি
- বারি কলা-১
- বারি কলা-৪

[উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট]
 
৮,৩২০.
'বিটিভি ওয়ার্ল্ড' চালু হয় কখন?
  1. ৭ মার্চ, ২০০৪
  2. ৯ মার্চ, ২০০৪
  3. ৩ এপ্রিল, ২০০৪
  4. ১১ এপ্রিল, ২০০৪
ব্যাখ্যা
বিটিভি 
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি  দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায়  ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।
- উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ‌‘রূপকল্প ২০৪১‍’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছ।
- বিটিভি টেরিস্ট্রিয়াল সম্প্রচারের মাধ্যমে প্রতিদিন ১৭ ঘন্টা ৩০ মিনিট আর স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা দর্শকদের কাছে নানা বৈচিত্র্যময় অনুষ্ঠান ও সংবাদ পৌঁ‌ছে দিচ্ছে।
- দু’টি পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন কেন্দ্র ও ১৪টি রিলে স্টেশনের মাধ্যমে  দেশব্যাপী সম্প্রচারিত হয়।
- ঢাকায় এর সদর দফতর ও প্রধান কেন্দ্র অবস্থিত।
- বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে স্থানীয়ভাবে নির্মিত পৃথক অনুষ্ঠানমালা প্রতিদিন ২৪ ঘন্টা সম্প্রচারিত হচ্ছে।
- ২০০৪ সালের ১১ এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার শুরু করে।
- ফলে বিটিভির সম্প্রচার এখন দেশের সীমানা ছাড়িয়ে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে দর্শকদের কাছে পৌঁ‌ছে যাচ্ছে।  
- বিটিভি ওয়ার্ল্ড ২৪ ঘন্টা বিরতিহীন স্যাটেলাইট সম্প্রচার করে যাচ্ছে।
- দেশের শতকরা ৯৫ ভাগ এলাকা এবং ৯৭ ভাগ জনগণ বিটিভির সম্প্রচার কাভারেজের  আওতাভুক্ত।
- অনুষ্ঠানমালার শতকরা ৯৩.২ ভাগই নিজস্বভাবে নির্মাণ করে থাকে বিটিভি, বাকিটা বাইরের নির্মাতাদের কাছ থেকে নেয়া হয়।
- জনস্বার্থে অনুষ্ঠানমালার শতকরা ০৯.৪২ ভাগ জুড়ে থাকে কৃষি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা, নারী ও শিশু, শিক্ষা ও মানবাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াবলী।
- অনুষ্ঠানের শতকরা ১৪ ভাগ খবর, ১৪.১৩ ভাগ উন্নয়ন ও শিক্ষা, ১৯.৯১ ভাগ বিনোদন ও সংস্কৃতি এবং বাকি ১১.০৬ ভাগ অন্যান্য বিষয়ের উপর নির্মিত হয়।
- জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানমালা সরাসরি সম্প্রচার ছাড়াও ক্রিকেট, ফুটবল এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্রীড়া মাঠ থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে বিটিভি। 

উৎস- বিটিভির ওয়েবসাইট লিংক।
৮,৩২১.
How many tea auction centers are there in Bangladesh?
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5
ব্যাখ্যা
• চা নিলাম কেন্দ্র:
-  দেশে বর্তমানে চা নিলাম কেন্দ্র আছে ৩টি।
- চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের পর পঞ্চগড়ে হলো দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র।
- ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন কর হয়।
-  চাষীদের কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হলো। 
- উৎপাদনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল পঞ্চগড়।
-  দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড়ে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: বাসস (২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩)।
৮,৩২২.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কত সালে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিক আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ হারের পর। 
- ১৯৯৮ সালে মোহাম্মদ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩ উইকেট) কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে জয় পায় বাংলাদেশ। 
- প্রথম বিশ্বকাপ আসরে খেলার সুযোগ পায় ১৯৯৯ সালে। 
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে। 

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট, ২০২০।
৮,৩২৩.
নিচের কোথায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনাঞ্চল রয়েছে?
  1. ক) মধুপুর ও ভাওয়াল গড়
  2. খ) বরেন্দ্র্রভূমি
  3. গ) খুলনা অঞ্চল
  4. ঘ) পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বনভূমি রয়েছে। এ বনাঞ্চলের বৃক্ষের পাতা শীতকালে ঝড়ে যায় না। এ বনাঞ্চলের আয়তন প্রায় ১৩.৭৭ লক্ষ হেক্টর যা দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৯.৩৩ শতাংশ। এ বনের প্রধান বৃক্ষের মধ্যে গর্জন, চাপালিশ ও তেলসুর উল্লেখযোগ্য।
(সূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৮,৩২৪.
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি:
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত।
- গারো, হাজং, কোচ, বানাই, হদি, মান্দাই প্রভৃতি নৃগোষ্ঠী অনাদিকাল থেকে নিজস্ব জীবন ও সমাজ তথা ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি লালন করে বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলীয় জেলাগুলিতে বসবাস করে আসছে।
- এই সকল নৃগোষ্ঠীর জীবন ও সংস্কৃতির চর্চা, সংরক্ষণ ও উন্নয়নের জন্য ১৯৭৭ সালে উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর চারটি শাখা রয়েছে: ক) সংস্কৃতি খ) গবেষণা গ) লাইব্রেরি ও ঘ) জাদুঘর।
- এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৮,৩২৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মার্কিন নীতির বিরুদ্ধে প্রেরিত ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’-এর বিষয় কী ছিল?
  1. Crisis in South Asia
  2. Human Rights in East Pakistan
  3. Dissent From U.S. Policy Toward East Pakistan
  4. U.S. Foreign Policy Review
ব্যাখ্যা

• 'ব্লাড টেলিগ্রাম'/The Blood Telegram:
- আর্চার কেন্ট ব্লাড (Archer Kent Blood) ছিলেন একজন মার্কিন কূটনীতিক, যিনি ১৯৭১ সালে ঢাকায় পূর্ব পাকিস্তানের মার্কিন কনস্যুলেট জেনারেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ২৫ মার্চের ভয়ংকর গণহত্যার সাক্ষী ছিলেন ঢাকায় অবস্থানরত মার্কিন কনসাল জেনারেল আরচার ব্লাড ও তার সহকর্মীরা।
- তারা মার্চ মাসজুড়ে বারবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরে ক্যাবল পাঠান, জানান এই ভয়াবহ গণহত্যার খবর।
- ব্লাড ও তার সহকর্মীরা যুক্তরাষ্ট্রের নীতির বিরুদ্ধে তাদের নৈতিক ও কূটনৈতিক প্রতিবাদ জানিয়ে ৬ এপ্রিল একটি টেলিগ্রাম করেন, যা ইতিহাসে ‘ব্লাড টেলিগ্রাম’ নামে পরিচিত। 
- এই টেলিগ্রাম ছিল একটি প্রতিবাদ, যা এখনো আমেরিকান ফরেন সার্ভিস একাডেমীতে নবীশদের পড়ানো হয়। 
- এটির শিরোনাম বা বিষয় ছিল "Dissent From U.S. Policy Toward East Pakistan" / ''পূর্ব পাকিস্তান সম্পর্কিত মার্কিন নীতির বিরোধিতা'' । 
- এই তারবার্তাটি ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর দমনমূলক অভিযানের বিরুদ্ধে মার্কিন নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিল।
 - এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন সরকারের নৈতিক দেউলিয়াত্বের (moral bankruptcy) অভিযোগ তুলেছিল এবং পূর্ব পাকিস্তানে সংঘটিত নৃশংসতাকে 'জেনোসাইড' বা 'গণহত্যা' হিসেবে বর্ণনা করেছিল।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে আমেরিকান অধ্যাপক গ্যারি জে বাসের  'দ্য ব্লাড টেলিগ্রাম: নিক্সন, কিসিঞ্জার অ্যান্ড আ ফরগটেন জেনোসাইড' নামে একটি বই রয়েছে। 

তথ্যসূত্র:
i) Department of State, United States of America. (Link) (Link) 
ii) Daily Star. (Link) (Link) 
iii) Washington Post. (Link)
iv) Prothom Alo. (Link) 

৮,৩২৬.
বাংলাদেশের প্রথম টেস্টে কোন ক্রিকেটার শতরানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন?
  1. ক) আশরাফুল
  2. খ) আকরাম খান
  3. গ) বুলবুল
  4. ঘ) নানু
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।

- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

তথ্যসূত্র - bangladesh.gov.bd
৮,৩২৭.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে কে নিয়োগ পেয়েছেন?
  1. মো. নাজমুল আমিন মজুমদার
  2. মো. সুজায়েত উল্লাহ
  3. মোবাশ্বের মোনেম
  4. ড. নূরুল কাদির
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
------------------- 
পিএসসির নতুন চেয়ারম্যান:

নতুন চেয়ারম্যান: মোবাশ্বের মোনেম।

নতুন সদস্যদের নাম:

- মো. নাজমুল আমিন মজুমদার, 
- মো. সুজায়েত উল্লাহ,
- ডা. মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম, 
- ড. নুরুল কাদির।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,৩২৮.
'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  2. দ্য সানডে টাইমস
  3. রয়টার
  4. নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড (September on Jessore Road):
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড- বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা। 

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা এদেশে হামলা করলে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী জনগণ অস্থায়ী শরণার্থী হিসেবে ভারতে গমন করে। সে সময় নিরাপদে ভারতের ভূখণ্ডে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের পথ হিসেবে শরণার্থীরা বেছে নেয় এই যশোর রোডকে।
- ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ভারতের কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌছান।
- সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। 
- দেশে ফিরে গিন্সবার্গ একটি কবিতা লেখেন: 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি।
- এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। 
- ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর কবিতাটি নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৮,৩২৯.
১৯৬৯ সালে ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে কে নিহত হন?
  1. আসাদুজ্জামান
  2. মতিউর রহমান
  3. ড. শামসুজ্জোহা
  4. সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ -এর আন্দোলন বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যন্ত পৌঁছেছিল।
- সেজন্য এ আন্দোলন গণআন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থান নামে অভিহিত হয়েছে।
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্ব বাংলা/পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত ১১ দফা দাবির মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হল।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে। আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধ’ উপাধিতে ভূষিত হন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩০.
বাংলার আদি ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীর মধ্যে কাদের সংখ্যায় বেশি ছিল?  
  1. আর্য
  2. অষ্ট্রিক 
  3. মঙ্গোলীয়
  4. ককেশীয়
ব্যাখ্যা

• বাঙালি জাতি:
- বাঙালি জাতি একটি মিশ্রিত জাতি, যা নানা যুগে বিভিন্ন নরগোষ্ঠীর মেলবন্ধনের ফলে গঠিত হয়েছে। 
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, বাংলায় পৃথিবীর চারটি প্রধান নরগোষ্ঠীর (নিগ্রীয়, মঙ্গোলীয়, ককেশীয় ও অষ্ট্রেলীয়) শাখার আগমন ঘটেছে।
- বাংলার প্রাচীন জনগুলির মধ্যে অষ্ট্রিক ভাষীরাই সবচেয়ে বেশি। 
- প্রাচীন সময়ে আদি অষ্ট্রেলীয় জনগোষ্ঠী—যেমন সাঁওতাল, বাঁশফোড়, রাজবংশী—এ অঞ্চলে বাস করত। 
- পরবর্তীতে আর্য, পারস্য-তুর্কিস্তান, গুপ্ত, সেন, বর্মণ, তুর্কি, আফগান, মুগল, ইংরেজ, আর্মেনীয় প্রভৃতি বহু জাতির আগমন বাঙালি রক্তে নতুন মিশ্রণ ঘটায়।
- এমনকি পাকিস্তান যুগ ও বর্তমান বিশ্বায়নের সময়েও এই শংকর প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।
- সুতরাং, বাঙালি জাতি ইতিহাসভিত্তিক ও বৈচিত্র্যময় রক্তের মিশ্রণের ফলশ্রুতিতে একটি শংকর জাতি হিসেবে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৮,৩৩১.
ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ময়মনসিংহ
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী: 
- ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ মনসুর আলী সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর থানার কুড়িপাড়া গ্রামে ১৯১৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জন্মস্থান সিরাজগঞ্জ জেলা বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত।
- তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত আইনজীবী, রাজনীতিক এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক।
- মোহাম্মদ মনসুর আলী দীর্ঘ সময় পাবনা জেলায় রাজনীতি এবং আইনব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তার রাজনৈতিক জীবন ছিল অত্যন্ত সক্রিয় এবং তিনি ১৯৫০-এর দশকে আওয়ামী মুসলিম লীগের সদস্য হিসেবে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন।
- এর পর তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এবং ১৯৬৬ সালে ছয়দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তার অবদান বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ছিল অসীম।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে তিনি অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৮,৩৩২.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন-
  1. ক) আতাউর রহমান
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) শাহ আব্দুল হামিদ
  4. ঘ) আবদুল হামিদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের প্রথম স্পিকার ছিলেন মোহাম্মদ উল্লাহ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের বর্তমান স্পীকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী।

উৎসঃ জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৩৩৩.
সংবিধানের ২য় সংশোধনী কবে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:

- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩৪.
ভিশন-২০২১ এর কয়টি লক্ষ্যমাত্রা ছিল?
  1. ৫টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা
কয়েকটি স্বল্প ও মধ্য মেয়াদী উদ্যোগ গ্রহণ এবং বাস্তবায়নের মাধ্যমে ২০২১ সালের মধ্যে আটটি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য একটি পদক্ষেপ প্রস্তাব করা হয়। এই আটটি লক্ষ্য ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সিভিল সোসাইটির এক বছরের কর্মকান্ড থেকে বেরিয়ে এসেছিল (সিপিডি)। এটি ছিল ২০১০-২০২১ সালের মধ্যে একটি প্রেক্ষিত পরিকল্পনা। 

ভিশন ২০২১ এর লক্ষ্যসমূহ:
১। অংশগ্রহণমূলক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা;
২। একটি কার্যকর, জবাবদিহিমূলক, স্বচ্ছ ও বিকেন্দ্রীভূত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা;
৩। দারিদ্র্যমুক্ত মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হওয়া;
৪। সুস্থ্য নাগরিকদের একটি জাতি গঠন করা;
৫। একটি দক্ষ ও সৃজনশীল মানব সম্পদের বিকাশ করা;
৬। একটি বিশ্বব্যাপী সমন্বিত আঞ্চলিক, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক হাব তৈরি করা;
৭। পরিবেশগতভাবে টেকসই হওয়া;
৮। একটি সমবায়ী ও ন্যায়বান সমাজ গড়া।

অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৩৫.
২০২৫ সালে বাংলাদেশ সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে কোন দেশে? 
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৌদি আরব
  3. কাতার
  4. ওমান
ব্যাখ্যা

- ২০২৫ সালে সৌদি আরবে সর্বাধিক জনশক্তি রপ্তানি করে বাংলাদেশ।
- প্রায় সাড়ে ৭ লাখ কর্মী পাঠায় বাংলাদেশ।

• বিএমইটি-র তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বাংলাদেশ থেকে মোট ১১ লাখেরও বেশি মানুষ কাজের উদ্দেশ্যে বিদেশে গেছেন,
- যার মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ সৌদি আরবকে বেছে নিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে একটি নতুন কর্মসংস্থান চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- এই চুক্তির ফলে কর্মীদের সুরক্ষা, বেতন পরিশোধ, কল্যাণ এবং স্বাস্থ্যসেবার মান আরও উন্নত হবে।
- এছাড়া সৌদি আরবের উচ্চাভিলাষী 'ভিশন ২০৩০' প্রকল্পের অধীনে নির্মাণ ও বড় বড় প্রকল্পগুলোতে বাংলাদেশের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- ধারণা করা হচ্ছে, ২০২৬ সালে এই প্রকল্পের আওতায় আরও ৩ লাখ বাংলাদেশির কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।

উৎস: বিএমইটি ওয়েবসাইট। এবং বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

৮,৩৩৬.
মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষিখাতের অবদান-
  1. ক্রমহ্রাসমান
  2. অপরিবর্তিত
  3. ক্রমবর্ধমান
  4. দ্রুতবর্ধনশীল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান।
২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান ছিলো যথাক্রমে ১৪.২৩ শতাংশ, ১৩.৬৫ শতাংশ এবং ১৩.৩৫ শতাংশ।
অন্যদিকে ২০১৭-২০১৮, ২০১৮-২০১৯ এবং ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি ছিলো যথাক্রমে ৪.১৯ শতাংশ, ৩.৯২ শতাংশ এবং ৩.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৮,৩৩৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন খেতাব গ্রহণ করতে পারবে না?
  1. ২১ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২২ নং অনুচ্ছেদ
  3. ২৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩০ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

অন্যদিকে,
- ২১নং অনুচ্ছেদ : নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
- ২২নং অনুচ্ছেদ : নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ।
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৩৩৮.
বর্তমানে গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা কত? (এপ্রিল, ২০২৫)
  1. ৪৭৫০০০ টাকা
  2. ৫০০০০০ টাকা
  3. ৫৫০০০০ টাকা
  4. ৫৭৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৪-২৫ অর্থবছর।
৮,৩৩৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদটি নাগরিকদের বাক্-স্বাধীনতা সম্পর্কিত?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৩৬
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৩৯
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৩৭
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৩৮
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের,
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান
৮,৩৪০.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের থানা কোনটি?
  1. শিবগঞ্জ
  2. থানচি
  3. তেঁতুলিয়া
  4. টেকনাফ
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের থানা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৮,৩৪১.
From which country does Bangladesh import the most in terms of money?
  1. ক) United States
  2. খ) India
  3. গ) China
  4. ঘ) Japan
ব্যাখ্যা
আমদানিকৃত দেশ:

- টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সর্বাধিক পণ্য আমদানি করে চীন থেকে। 
- উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে চীন বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে।
- পণ্যের হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে ভারত থেকে।
- বাংলাদেশের সাথে বাণিজ্যিক ঘাটতি সবচেয়ে বেশি চীনের এবং দ্বিতীয় ভারত।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে। তাই বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- বাংলাদেশের জন্য সর্ববৃহৎ দ্বিপাক্ষিক দাতা জাপান।
- জাপান থেকে বাংলাদেশ দেশ হিসেবে বেশি সাহায্য পায়।

তথ্যসূত্র - রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।
৮,৩৪২.
হিন্দু লেখকগণ কোন শাসককে 'কৃষ্ণাবতার' উপাধিতে ভূষিত করেন?
  1. চন্দ্রগুপ্ত
  2. বিক্রমাদিত্য
  3. আলাউদ্দীন হোসেন শাহ
  4. বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৪৩.
বাংলাদেশে প্রতি অর্থ বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. ৪ বার
ব্যাখ্যা
মুদ্রানীতি:
- একটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে যে নীতি গ্রহণ করা হয়, তাকে মুদ্রানীতি বলে।
- মুদ্রানীতি প্রণয়ন করে ওই দেশের সর্বোচ্চ আর্থিক কর্তৃপক্ষ।
- সাধারণত কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই মুদ্রানীতি ঘোষণা করে।
- ২০০৬ সালে বাংলাদেশ প্রথম মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশে প্রতি ছয় মাস পরপর প্রতি অর্থ বছরে দুই বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- সাধারণত জানুয়ারি-জুন ও জুলাই-ডিসেম্বর—এই সময়সীমা ধরে বাংলাদেশে মুদ্রানীতি দেওয়া হয়।

মুদ্রানীতির মূল লক্ষ্য হলো-
- মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা ও মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করা।
- এ জন্য দেশের আর্থিক খাতের চিত্র কেমন হবে—এ নিয়ে পরবর্তী ছয় মাসের জন্য নীতি ঠিক করা হয়।
- বাজারে মুদ্রার সরবরাহ পরিস্থিতি দিয়েই মূলত এটি ঠিক করে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৮,৩৪৪.
১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে উল্লেখ রয়েছে?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল – অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল – শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী।
- পঞ্চম তফসিল – ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল -১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস:-  বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৩৪৫.
১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট কতটি দল অংশগ্রহণ করে?
  1. ৪টি দল
  2. ৮টি দল
  3. ১৬টি দল
  4. ২৪টি দল
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচন:
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিভিন্ন দলের প্রার্থীদের ব্যালট বাক্সে ব্যবহারের জন্য সরকার চূড়ান্তরূপে মোট ২৪টি প্রতীক নির্দিষ্ট করেন।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগ 'হারিকেন' প্রতীক এবং যুক্তফ্রন্ট 'নৌকা' প্রতীক গ্রহণ করে। 
- ভোটগ্রহণ ৮ মার্চ থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৫ দিনে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- নির্বাচন কমিশনার ছিলেন মো. আজফার। 

নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দল ও জোট:
- ১৯৫৪ সালের পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ১৬টি দল অংশগ্রহণ করে।
- মুসলমান আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে মুসলিম লীগ, পূর্বপাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলামী, যুবলীগ, গণতন্ত্রী দল, খেলাফতে রব্বানী পার্টি প্রভৃতি।
- অমুসলমান আসনে অংশগ্রহণ করে পাকিস্তান জাতীয় কংগ্রেস, তফশিলি ফেডারেশন, গণসমিতি, অভয় আশ্রম (কুমিল্লা), পূর্ব পাকিস্তান সমাজতন্ত্রী দল প্রভৃতি।
- কমিউনিস্ট পার্টির মুসলমান সদস্যগণ মুসলমান আসনে এবং হিন্দু সদস্যগণ হিন্দু আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- মুসলমান আসনে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি এবং নেজামে ইসলামী 'যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে সম্মিলিতভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।
- হিন্দু আসনে গণসমিতি, অভয় আশ্রম ও পূর্ব পাকিস্তান সমাজতান্ত্রিক দল 'সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট' গঠন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৪৬.
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে কত সালে?
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা
নারী ক্রিকেট দল:

- ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।
- ২০১৮ সালে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল এশিয়া কাপের শিরোপা জয় করে।
- ২০১৮ সালে মালয়েশিয়ায় টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে অনুষ্ঠিত হয়েছিল এশিয়া কাপ।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ২০২১ সালে টেস্ট মর্যাদা পায়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা টাইমস, ০২ এপ্রিল ২০২১।
৮,৩৪৭.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে-
  1. আওয়ামী লীগ
  2. ছাত্র ইউনিয়ন
  3. ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ
  4. সর্বদলীয় সংগ্রাম কমিটি
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৮,৩৪৮.
'কপোতাক্ষ' কোন নদীর শাখানদী?
  1. যমুনা নদী
  2. গড়াই নদী
  3. ভৈরব নদী
  4. মেঘনা নদী
ব্যাখ্যা

• ভৈরব নদী:
 - ভৈরব অর্থ ভয়াবহ। একসময় গঙ্গা ও পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ এই নদকে প্রমত্তা রূপ দিয়েছিল।
- সেই থেকেই নামটির উৎপত্তি।
- খুলনা ও যশোর শহর এই নদীর তীরে অবস্থিত।
- ভৈরব নদী যশোর-খুলনা এলাকার দীর্ঘতম নদী। 
- মালদহের যেস্থানে শ্রুতকীর্তি গঙ্গায় পড়েছে, তারই অপর পাড়ে ভৈরবের উৎপত্তি।
- ভৈরব নদের দৈর্ঘ্য ২৫০ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৬০ মিটার এবং এর প্রকৃতি সর্পিলাকার।

- চলার পথে ভৈরব বহু নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। 
- নদীটির উল্লেখযোগ্য দুটি শাখা হচ্ছে ইছামতি ও কপোতাক্ষ।
- কালিগংগার পর বৈখালী পর্যন্ত কালিন্দী নদী নামে পরিচিত। 
- তারপর মোহনার নিকট এই নদী রায়মংগল নামে পরিচিত। 
- পূর্বে রায়মংগল এবং পশ্চিমে হাড়িয়াভাংগা মোহনা দিয়ে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

- এই নদের তীরে খুলনা, যশোর শহর ছাড়াও রয়েছে মুজিবনগর, মেহেরপুর, গাড়াবাড়িয়া, চুয়াডাঙা, বড়বাজার, কোটচাঁদপুর, চৌগাছা, দৌলতপুর ও বাগেরহাট। 
- সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে নদটি পবিত্র। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও কালের কণ্ঠ।  (Link1) (Link2) (Link3)

৮,৩৪৯.
সম্রাট হুমায়ুন কে ছিলেন?
  1. আকবরের পিতা
  2. বাবরের পিতা
  3. জাহাঙ্গীরের পিতা
  4. শাহজাহানের পিতা
ব্যাখ্যা
- হুমায়ুন ছিলেন বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র ও আকবরের পিতা। তিনি বাবরের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন।

সম্রাট হুমায়ুন:
- মুঘল বংশের প্রতিষ্ঠাতা জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ুন।
- বাবরের শাসনামলে হুমায়ুন বাদাখশান, হিসার ফিরোজা এবং সম্বলের শাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- পিতা বাবরের মৃত্যুর পর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দের ৩০শে ডিসেম্বর মাত্র ২৩ বছর বয়সে পিতৃ মনোনয়ন অনুসারে হুমায়ুন ‘নাসির উদ্দিন মুহম্মদ হুমায়ুন' নাম ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।

উল্লেখ্য,
- ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট জহিরউদ্দিন বাবর কর্তৃক ভারতবর্ষে মোগল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট আকবর এর প্রথম পুত্র জাহাঙ্গীর তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরুদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। তাঁর সময়ে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।

সূত্র: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৫০.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত হয় কত নং সেক্টর?
  1. ক) ২নং সেক্টর
  2. খ) ৩ নং সেক্টর
  3. গ) ৬ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

২ নং সেক্টরঃ
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে। নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।

সোর্সঃ বাংলাপিডিয়া।

৮,৩৫১.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি কোনটি?  
  1. NICAR
  2. NIRPOT 
  3. ECNEC 
  4. NBR 
ব্যাখ্যা

• NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

অন্যদিকে, 
- NIRPOT হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষন ইনস্টিটিউট। 
- ECNEC হলো  জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি
- NBR হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। 

 তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৮,৩৫২.
বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় কোন গবেষণা কেন্দ্রটি অবস্থিত?
  1. ক) মসলা গবেষণা কেন্দ্র
  2. খ) তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র
  3. গ) ডাল গবেষণা কেন্দ্র
  4. ঘ) কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
মসলা গবেষণা কেন্দ্র
• মসলা গবেষণা কেন্দ্র ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রতিষ্ঠিত এই গবেষণা কেন্দ্রটি দেশের একমাত্র মসলা গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• বাংলাদেশে মশলার চাহিদা বছরে প্রায় বত্রিশ লাখ মেট্রিক টন।
• এই কেন্দ্রের আয়তন প্রায় ২৮ হেক্টর যার মধ্যে ১৮ হেক্টর জমিতে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
• ৩টি আঞ্চলিক কেন্দ্র এবং ৭টি উপকেন্দ্র নিয়ে ৩০ টিরও বেশি দেশি বিদেশি মসলার উপর গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে,
• ডাল গবেষণা কেন্দ্র - ঈশ্বরদী, পাবনা।
• কন্দাল ফসল গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।
• তৈল বীজ গবেষণা কেন্দ্র - জয়দেবপুর, গাজীপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট। 
৮,৩৫৩.
ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় কার শাসনামলে?
  1. ক) জন ক্যানিং
  2. খ) লর্ড মেয়ো
  3. গ) লর্ড রিপন
  4. ঘ) লর্ড ডাফরিন
ব্যাখ্যা
লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে।
• লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
• ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৫৪.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
iii) বাংলাপিডিয়া। 

৮,৩৫৫.
বাংলাদেশ কোন অলিম্পিক গেমসে- এ প্রথম অংশগ্রহন করে? 
  1. প্যারিস
  2. টোকিও
  3. লস অ্যাঞ্জেলেস
  4. সিউল 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ প্রথম অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করে ১৯৮৪ লস অ্যাঞ্জেলেস।
- প্রতিযোগী ছিল: ১ জন।
- সাইদুর রহমান ডন অ্যাথলেটিকস।
- ২০২৪ সালে সর্বশেষ প্যারিসে অলিম্পিক গেমসের ৩০তম আসর বসে।
- ২০২৪ সালের পূর্বে বাংলাদেশ অলিম্পিকের ১১টি আসরে অংশ নিয়েছে।
- পরবর্তী ২০২৮ লস অ্যাঞ্জেলেসে অলিম্পিকের ৩১ তম আসর বসবে।

উৎস: প্রথম আলো এবং যুগান্তর।[লিঙ্ক]

৮,৩৫৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী 'বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৯৪ নং
  2. ৯৫ নং
  3. ১২২ নং
  4. ১২৩ নং
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

অন্যদিকে -
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

৮,৩৫৭.
মাথাপিছু আয়ার দিক হতে বাংলাদেশ কী ধরনের দেশ?
  1. ক) উন্নত আয়ের
  2. খ) উচ্চমধ্যম আয়ের
  3. গ) নিম্নমধ্যম আয়ের
  4. ঘ) নিম্ন আয়ের
ব্যাখ্যা
Worldbank, UN হতে প্রাপ্ত তথ্যমতে বাংলাদেশ নিম্ন আয়ের দেশ থেকে উত্তরণের সকল শর্ত পূরণ করে ২০১৫ সালে এবং নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা (lower middle-income country status) লাভ করে। কিন্তু উন্নয়নশীল দেশ এখনই হয়ে যায়নি। ‘বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ’—এ ঘোষণা আসার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২০২৪ সাল পর্যন্ত। ঘোষণাটি দেবে জাতিসংঘ।
উৎসঃ Worldbank, UN, দৈনিক প্রথম আলো
৮,৩৫৮.
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব কোনটি?
  1. উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে দ্বৈত প্রশাসনিক কর্তৃত্ব
  2. সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত
  3. পৌরসভা পর্যায়ে সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের অভাব
  4. দাতা সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা
ব্যাখ্যা

♦ বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য ২ স্তর বিশিষ্ট।
- পল্লীর জন্য ৩ স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

→ বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা দুর্বল হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বড় প্রাতিষ্ঠানিক দ্বন্দ্ব সংবিধানে আর্থিক ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের বিধান থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে অতিকেন্দ্রীভূত।

♦ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার দুর্বলতা:
- সংবিধানের ৫৯নং ও ৬০নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী স্থানীয় সরকারকে কর আরোপ, তহবিল সংগ্রহ ও ব্যয়ের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- কিন্তু বাস্তবে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর (ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা, পৌরসভা) নিজস্ব রাজস্বের পরিমাণ খুব সীমিত।
- বেশিরভাগ উন্নয়ন বাজেট কেন্দ্র থেকে আসে এবং মন্ত্রণালয়, আমলাতন্ত্র ও এমপিদের নিয়ন্ত্রণে থাকে।
- এতে নির্বাচিত প্রতিনিধিরা স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন না, ফলে দায়বদ্ধতা ও কার্যকারিতা কমে যায়।
- এই অতিকেন্দ্রীকরণ সরাসরি সাংবিধানিক লক্ষ্যের সাথে সাংঘর্ষিক।
- দুর্নীতি, দ্বৈত কর্তৃত্ব, রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ এর থেকেই উদ্ভূত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৫৯.
চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) পঞ্চম
  3. গ) সপ্তম
  4. ঘ) নবম
ব্যাখ্যা
FAO এর তথ্যানুসারে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে পঞ্চম।
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে তৃতীয়।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে প্রথম।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে মোট মাছ উৎপাদনের পরিমাণ প্রায় ৪৩.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে চাষকৃত মাছের পরিমাণ প্রায় ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
৮,৩৬০.
নিচের কোন জেলায় খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৬১.
‘বঙ্গবন্ধু’ সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪ কিমি
  2. ৪.৩ কিমি
  3. ৪.৬ কিমি
  4. ৪.৮ কিমি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু বহুমূখী সেতু:
- বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ার দীর্ঘতম এবং বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু এটি।
- ১৯৯৮ সালের ২৩ জুন তারিখে এটি উদ্বোধন করা হয়।
- বাংলাদেশের ৩টি বড় নদীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম এবং পানি নির্গমনের দিক থেকে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম নদী যমুনার উপর এটি নির্মিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান এর নামানুসারে সেতুটির নামকরণ করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে দুই অংশকে একত্রিত করেছে।
- টাঙ্গাইল থেকে সিরাজগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত এই সেতু এশীয় মহাসড়ক ও আন্তঃএশীয় রেলপথের উপর অবস্থিত।
- সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয় ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আইডিএ, জাপানের ওইসিএফ প্রত্যেকে ২২ শতাংশ পরিমাণ তহবিল সরবরাহ করে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় বহন করে বাংলাদেশ।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি. মি. এবং প্রস্থ ১৮.৫ মি.।
- সেতুটিকে ৮০-৮৫ মিটার লম্বা এবং ২.৫ ও ৩.১৫ মিটার ব্যাসের ১২১টি ইস্পাতের খুঁটির উপর বসানো হয়েছে।
- সেতুটিতে স্প্যানের সংখ্যা ৪৯।
- সেতুটির উপর দিয়ে ৪ লেনের সড়ক এবং ২টি রেলট্র্যাক নেওয়া হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২০ ডিসেম্বর ২০১৭, প্রথম আলো।
৮,৩৬২.
বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে দুইটি দেশের সীমান্ত রয়েছে?
  1. রাঙামাটি
  2. কক্সবাজার
  3. খাগড়াছড়ি 
  4. বান্দরবান
ব্যাখ্যা

সীমান্ত জেলা:
- বাংলাদেশে বিভাগ রয়েছে ৮টি এবং জেলা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা ৩২টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা ৩টি।
- রাঙামাটি জেলার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমানা রয়েছে।
- এছাড়াও, ৬টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ওয়েবসাইট।

৮,৩৬৩.
'Law of the Sea Convention' অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে গণ্য?
  1. ক) ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  2. খ) ৩৭০ নটিক্যাল মাইল
  3. গ) ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ঘ) ২২ নটিক্যাল মাইল
ব্যাখ্যা
সমুদ্রসীমা:

- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- মহীসোপানের দৈর্ঘ্য ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল।
- সমুদ্র অঞ্চলের আয়তন ১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৩৬৪.
'চাপচারকূত' লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোন ধরনের উৎসব?
  1. শস্য কাটার উৎসব
  2. বিয়ের উৎসব
  3. বসন্ত উৎসব
  4. মৃত আত্মাদের স্মরণে
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৮,৩৬৫.
ছবিসহ ভোটার তালিকা ও আইডি কার্ড প্রথম ব্যবহার করা হয়-
  1. সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
  2. অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
  3. নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
  4. দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ছবিসহ ভোটার তালিকা ও আইডি কার্ড প্রথম ব্যবহার করা হয় নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে।
- এই নির্বাচনে 'না' ভোটও যুক্ত করা হয়েছিল।
উৎসঃ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
৮,৩৬৬.
মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ৯.৫৫%
  2. ১০.৩২%
  3. ৮.৩৪%
  4. ১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন প্রজাতির মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ ও শতকরা পরিমাণ:

• ইলিশ=  ৫,২৯,৪৮৭ (১০.৫৫%)।
• চিংড়ি= ২,৬০,৪৮৬ (৫.১৯%)।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল)= ১১,৩৬,০৯৫ (২২.৬৪%)।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি)= ৫,৬৭,২৪২ (১১.৩০%)।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) = ১,৫৬,৯৯৮ (৩.১৩%)।
• তেলাপিয়া= ৪,৩৯,৬৭৮ (৮.৭৬%)।
• পাঙ্গাস = ৪,১৮,৬২৯ (৮.৩৪%)।

উৎস: বিবিএস (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)।

৮,৩৬৭.
সংবিধান অনুযায়ী কোনটির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণে বাধ্য নয়?
  1. জরুরি অবস্থা জারি
  2. সংসদ ভেঙ্গে দেওয়া
  3. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা সীমিত। তিনি প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কর্ম সম্পাদন করে থাকেন।
- জরুরি অবস্থা জারি, সংসদ অধিবেশন আহবান, স্থগিত বা ভঙ্গ করা, প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত মন্ত্রীসভার অন্যান্য সদস্যের নিয়োগ সকল ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ গ্রহণ করে থাকেন।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সুপারিশ অনুসরণে বাধ্য নয়।

(সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া)

৮,৩৬৮.
ম্রৌ সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব কোনটি?
  1. ক) বৈসু
  2. খ) চিয়াসৎপয়
  3. গ) সানামাহি
  4. ঘ) সাংগ্রাই
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী ম্রৌ সম্প্রদায়ের প্রধান সামাজিক উৎসব চিয়াসৎপয়। এটি একটি গো-হত্যা উৎসব। পরিবারের রোগ মুক্তি, সসুখ-সমৃদ্ধি কামনা ও সৃষ্টিকর্তা থুরাইয়ের সন্তুষ্টির জন্যে এই উৎসব পালন করা হয়।
অন্যদিকে সাংগ্রাই হলো মারমা ও রাখাইনদের এবং বৈসু ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসব। সানামাহি মেইতেই মণিপুরীদের আদি ধর্মের নাম।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
৮,৩৬৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার -
  1. ৭২.৮২%
  2. ৭৪.৬৬%
  3. ৭২.২২%
  4. ৭৬.৫৬%
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি। 
- চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- গণনা পদ্ধতি: Modified Defacto। 
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।    
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.২২%। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।  
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৫৬%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৮,৩৭০.
বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম কত সালে বহির্বিশ্বে শহীদ মিনার তৈরি করা হয়?
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম শহীদ মিনার তৈরি করা হয়।

বহির্বিশ্বে শহীদ মিনার:

- বাংলাদেশের বাইরে প্রথম শহীদ মিনার স্থাপিত হয় ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডনে। 
- গ্রেট মেনচেস্টারের ওল্ডহ্যামের ওয়েস্টহুড নেবারহুডে তৈরি হয়েছে এ মিনার।
-  ১৯৯৭ সালের ৫ অক্টোবর সেখানকার ‘বাংলাদেশি কালচারাল অ্যান্ড হিস্ট্রি ইন ওল্ডহ্যাম’ সে দেশে শহীদ মিনার নির্মাণ করে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে। 
- তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 
- জাপান বাংলাদেশ সোসাইটির যৌথ উদ্যোগে প্রতিবছর বৈশাখি মেলা অনুষ্ঠিত হওয়ার সূত্র ধরে বাংলাদেশ সরকার এই শহীদ মিনারটি নির্মাণ করে।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৭১.
কোন জেলায় জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. বরিশাল
  2. রাঙামাটি
  3. ঢাকা
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম:
- বিভাগ: বরিশাল বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ৬৮৮ জন।
- জেলা: রাঙামাটি জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০৬ জন।

• জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি:
- বিভাগ: ঢাকা বিভাগ; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ২১৫৬ জন।
- জেলা: ঢাকা জেলা; প্রতি কিলোমিটারে বসবাস - ১০,০৬৭ জন।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।

৮,৩৭২.
বাংলাদেশে আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত দায়িত্ব কোন সংস্থার ওপর নির্ধারিত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইন মন্ত্রণালয় 
  4. সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা

• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

৮,৩৭৩.
বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় -
  1. ১৯৩৯ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বেতার:
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তর ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে একটি ভাড়া করা বাড়িতে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম নামকরণ করা হয় “ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র”।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- কালের পরিক্রমায় বেতার ভবন স্থানান্তরিত হয় শাহবাগে ১৯৬০ সালের ৮ই ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।
- এছাড়া বাংলাদেশ বেতারের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ বেতার অ্যাপস্ এর মাধ্যমে ১৪টি কেন্দ্রের ৩০টি চ্যানেলের অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ বেতার ওয়েবসাইট।
৮,৩৭৪.
UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা কত কোটি?
  1. ক) ১৪.৯৭ কোটি
  2. খ) ১৫.৫১ কোটি
  3. গ) ১৬.৪৭ কোটি
  4. ঘ) ১৭.৩৮ কোটি
ব্যাখ্যা
UNFPA প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন-২০২০ অনুসারে বাংলাদেশের বর্তমান মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি। জসনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১ শতাংশ। জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার- আগস্ট)
৮,৩৭৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়-
  1. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৭২ সালের ৮ নভেম্বর 
  3. ১৯৭২ সালের ৪ অক্টোবর
  4. ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান প্রবর্তিত হয় — ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।

- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৮,৩৭৬.
ভারতীয় উপমহাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তক-
  1. ক) ক্যানিং
  2. খ) লিটন
  3. গ) কার্জন
  4. ঘ) রিপন
ব্যাখ্যা
- ভারতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তক লর্ড রিপন।
- লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন। তার শাসনকাল ১৮৮০ থেকে ‌১৮৮৪ সাল।
- তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উদারনীতি অবলম্বন করেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্কার কাজ হচ্ছে-
- আফগান সীমান্ত সমস্যার সমাধান,
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
- শিক্ষা কমিশন গঠন (হান্টার কমিশন),
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনমূলক আইন, রাজ্বস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন,
- ফ্যাক্টরি আইন (দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের নিয়ম) ইত্যাদি।

উৎস: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর ইতিহাস বই, অধ্যাপক মো: গোলাম মোস্তফা।
৮,৩৭৭.
The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. রেহমান সোবহান
  2. আনিসুর রহমান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. হারুন-অর-রশিদ
ব্যাখ্যা
The Foreshadowing of Bangladesh:
- The Foreshadowing of Bangladesh গবেষণা গ্রন্থটির লেখক হারুন-অর-রশিদ।
- এটি '১৯৪৭ সালের আগে বাংলার মুসলমানদের অবহেলিত ইতিহাস'।

উল্লেখ্য,
• হারুন-অর-রশিদ:
- হারুন-আর-রশিদ একজন জনপ্রিয় প্রাবন্ধিক, গবেষক, কলাম লেখক এবং বহু গ্রন্থের প্রণেতা।
- ১৯৪৭-পূর্ব ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনাধীন অবিভক্ত বাংলা, পাকিস্তানি শাসনকাল, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, সমসাময়িক ভারত ও বাংলাদেশের রাজনীতি, এর গতিধারা ও রাজনৈতিক উন্নয়ন’ তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র।
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন জাতি-রাষ্ট্র গঠন সব সময় তাঁর গবেষণার কেন্দ্রীয় বিষয়।

⇒ তাঁর গবেষণা-গ্রন্থের মধ্যে -
- The Foreshadowing of Bangladesh 1906-1947 (fourth edition, UPL 2015),
- Inside Bengal Politics 1936-1947 : Unpublished Correspondence of Partition Leaders (second edition, UPL 2012),
- বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পুনর্পাঠ (ইউপিএল ২০১৩),
- বাঙালির রাষ্ট্রচিন্তা ও স্বাধীন বাংলাদেশের . অভ্যুদয় (আগামী প্রকাশনী ২০০৩),
- বাংলাদেশ : রাজনীতি সরকার ও শাসনতান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০ (নিউ এজ পাবলিকেশন্স ২০০১),
- “আমাদের বাঁচার দাবী’ : ৬ দফার ৫০ বছর (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- মূলধারার রাজনীতি : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, কাউন্সিল ১৯৪৯-২০১৬ (বাংলা একাডেমি ২০১৬),
- ৭ই মার্চের ভাষণ কেন বিশ্ব ঐতিহ্য-সম্পদ : বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশ, (বাংলা একাডেমি ও অন্যপ্রকাশ ২০১৮) বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

⇒ প্রফেসর হারুন-অর-রশিদ বর্তমানে বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিতে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের এনসাইক্লোপিডিয়া’ (২০ খণ্ড) রচনা প্রকল্পের প্রধান হিসেবে গবেষণাকর্মে নিয়োজিত।
- বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় অবদান রাখার জন্য ২০২১ সালে তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হন।

উৎস: i) Amazon.com
ii) Rokomari.com
৮,৩৭৮.
বাংলাদেশ কত সালে স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৯৭১ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries):
- এলডিসি দেশগুলো একধরনের উন্নয়নশীল দেশ।
- যেসব দেশের সক্ষমতা তুলনামূলক কম, তাদের এই তালিকায় রাখা হয়।
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে। 
- তিনটি সূচককে মানদন্ড হিসেবে নিয়ে LDC কর্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। সেগুলো হলো:
১. আয় সূচক;
২. মানব সম্পদ সূচক;
৩. অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত দুর্বলতা সূচক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ২০১৮ ও ২০২১ সালের ত্রিবার্ষিক মানদণ্ডের তিনটিতেই উত্তীর্ণ হয়।
- ২০২১ সালেই বাংলাদেশ চূড়ান্ত সুপারিশ পায় যে ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে উত্তরণ হতে পারে বাংলাদেশ।
- ২০২৪ সালে এলডিসি থেকে বের হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে প্রস্তুতির জন্য আরও দুই বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়।
- সেই অনুযায়ী, বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট।

৮,৩৭৯.
গণ পরিষদ বিলুপ্ত করা হয় কবে?
  1. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ এবং অস্থায়ী সংবিধান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ:
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে। ঐদিন গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কমিটি গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- শাসনতন্ত্র  কমিটির প্রথম বৈঠক হয়েছিলো - ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- কমিটির শেষ বৈঠক এবং খসড়া সংবিধান অনুমোদন - ১১ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানে খসড়া সংবিধান গৃহীত - ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- খসড়া সংবিধানে স্বাক্ষর - ১৪, ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান কার্যকর, গণপরিষদ বিলুপ্ত - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৩৮০.
কোন নরগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে?
  1. নেগ্রিটো
  2. ভোটচীনীয়
  3. দ্রাবিড়
  4. অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
• বাঙালি জাতির প্রধান অংশ — অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 

• বাঙালির আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।

- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।

- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

উৎস:
i) সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
iii)বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
৮,৩৮১.
বাংলাদেশের মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের নিয়োগ দান করেন -
  1. ক) জাতীয় সংসদ
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

১২৭ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠিত সম্পর্কে বলা হয়েছে।
১২৭(১) অনুযায়ী বাংলাদেশে একজন মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক( অত:পর ''মহা হিসাব নিরীক্ষক'' নামে অভিহিত) থাকিবেন এবং তাহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন

১২৮ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষকের দায়িত্বের বর্ণনা করা হয়েছে।
১২৯ নং অনুচ্ছেদে মহা হিসাব নিরীক্ষকের কর্মের মেয়াদ পাঁচ বছর বা তাহার ৬৫বছর বয়স পূর্ণ হওয়া ইহার মধ্যে ঝগড়া ঘটে, সেই কাল পর্যন্ত স্বপদে বহাল থাকিবেন।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

৮,৩৮২.
কোন জেলায় বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. নীলফামারী
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড: 
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল এবং এখানেই দেশের প্রথম ইপিজেডের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইপিজেডগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিদেশী বিনিয়োগ আকর্ষণ করা এবং রপ্তানির জন্য পণ্য উৎপাদন বৃদ্ধি করা।

ইপিজেড:
- পূর্ণরূপ Export Processing Zone. 
- EPZ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- বর্তমানে দেশে মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি,
- এর মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড সাভারে অবস্থিত।
- উত্তরা ইপিজেড বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড,
- এটি নীলফামারীতে অবস্থিত। 

সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট।
৮,৩৮৩.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমেদ
  2. খ) এইচ এম কামারুজ্জামান
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।

 • কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
→ অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
→ মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
→ মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
→ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
→ এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
→ খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৮৪.
বিবিএসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৫৪.৬০ শতাংশ
  2. খ) ৫৮.৫০ শতাংশ
  3. গ) ৬৩.৩০ শতাংশ
  4. ঘ) ৬৭.৪০ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে বিভিন্ন বয়সী জনসংখ্যার হার:
- ১৫-৫৯ বয়সী : ৬৩.৩ শতাংশ
- ১৫-৪৯ বয়সী : ৫৪.৬ শতাংশ।
- ০-১৪ বয়সী : ২৮.৫ শতাংশ
- ৬০ বছর ও উর্ধ্বে : ৮.২ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019)
৮,৩৮৫.
কালিজিরা ধান কী ধরনের জাত?
  1. উচ্চ ফলনশীল
  2. স্থানীয় জাত
  3. স্থানীয় অনুমোদিত জাত
  4. উফশী
ব্যাখ্যা
ধান:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান দানা জাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য।
- ব্যাপক ও বিস্তৃত জলবায়ুতে ধান চাষ করা যায়।
- ধান চাষের জন্য উপযোগি তাপমাত্রা হলো ২০-২৫° সে.।
- বৃষ্টিপাত কম হলে সেচ দিতে হবে। আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৪০% এর কম ও ৯৫% এর বেশি হলে পুষ্পায়ন ব্যাহত হয়।

⇒ চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• আউশ ধান। (মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)
• আমন ধান। (জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)
• বোরো ধান। (নভেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত চাষ করা যায়)

⇒ বাংলাদেশে তিন জাতের ধান আছে।
• স্থানীয় জাত: টেপি, গিরবি, দুধসর, লতিশাইল ইত্যাদি।
• স্থানীয় অনুমোদিত জাত: হবিগঞ্জ, কটকতারা, পাজাম, কালিজিরা, হাসিকলমি, নাইজার শাইল, লতিশাইল, বিনাশাইল ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল জাত: মুক্তা, ময়না, শাহজালাল, মঙ্গল, নিজামী ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৮৬.
দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. ফেনি সেচ প্রকল্প
  2. তিস্তা সেচ প্রকল্প
  3. কাপ্তাই সেচ প্রকল্প
  4. গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প:
- গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি. কে. সেচ প্রকল্প) বাংলাদেশের একটি অন্যতম বৃহৎ সেচ প্রকল্প।
- এটি দেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। 
- গঙ্গা নদীর দক্ষিণ তীরের বিস্তৃত অঞ্চল জুড়ে (বাংলাদেশের ভূখন্ডে) সেচের জন্য বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক গৃহীত একটি প্রকল্প।
- ১৯৫৪ সালে সেচ প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয় এবং ১৯৬৯ সালে এই প্রকল্পের কাজ শেষ হয়।
- জি.কে প্রকল্পের আওতাভূক্ত অঞ্চল: কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা (উল্লিখিত চারটি জেলার সর্বমোট ১৩টি উপজেলায় এ কার্যক্রম বিস্তৃত)।

অন্যদিকে -
- মুহুরী প্রকল্প বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। ১৯৭৭-৭৮ অর্থ বছরে মুহুরী সেচ প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫-৮৬ অর্থ বছরে এই সেচ প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নয়নে ২০০৬ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত সময়ে ‘ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-ডেমরা (ডিএনডি) এলাকার নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ের কাজ বাস্তবায়িত হয়।
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প। এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।
- মেঘনা ধনাগোঙ্গা সেচ প্রকল্প : চাঁদপুরের মতলবে অবস্থিত।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

৮,৩৮৭.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের পাইলট প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,৩৮৮.
জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক ২০২৫ -এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১২৯তম
  2. ১৩০তম
  3. ১৩১তম
  4. ১৩২তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন সূচক (HDI):
- এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) ।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড।
- আর সর্বনিম্নে রয়েছে সিয়েরা লিওন।
- এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান: ১৩০তম।

• মানব উন্নয়ন সূচকে শীর্ষ দেশগুলো:
১. আইসল্যান্ড,
২. নরওয়ে,
৩. সুইজারল্যান্ড,
৪. ডেনমার্ক,
৫. জার্মানি।

উৎস: Human Development Report 2025.

৮,৩৮৯.
রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের নাম কী?
  1. ক) ট্রাক টু রিকভারি
  2. খ) ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি
  3. গ) ট্রাক টু পুশ ব্যাক
  4. ঘ) ট্রাক টু পুশ আপ
ব্যাখ্যা
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি  গ্রহন করেছে।

• ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি:

- ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি বলতে এমন একটি কূটনীতিক অবস্থা কে বুঝায় যেখানে কোন রাস্ট্র একই সাথে দুই ধরনের  কূটনীতি গ্রহন করলে তখন তাকে দ্বৈত ট্রাক কূটনীতি বলে।
- রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন দেশের সাথে সরাসরি আলোচনা করে ফাস্ট ট্রাক গ্রহন করে কিন্তু পাশাপাশি  জাতিসংঘের মাধ্যমে অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করে সেকেন্ড ট্রাক গ্রহন করে।
- মানবাধিকার পরিষদের চলমান অধিবেশনে বাংলাদেশের উদ্যোগে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থা’র (ওআইসি) সব সদস্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ‘রোহিঙ্গা মুসলিম ও মিয়ানমারের অন্যান্য সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক প্রস্তাবটি পেশ করা হয়।

উৎস: দ্য ডেইলি স্টার।
৮,৩৯০.
মুক্তিযুদ্দের সময় যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে বিভক্ত করেছিলো?
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ১২টি
  4. ঘ) ১৩টি
  5. ঙ) ১১টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান
- মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ
- মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
- ক্যাপ্টেন এ রব
৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুর ও
- মেজর জয়নাল আবেদীন
১০ নং সেক্টর:
কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)

৮,৩৯১.
কোন সম্রাট ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেয়?
  1. সম্রাট শাহজাহান
  2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  4. সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
- পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
- ১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।

• সম্রাট শাহজাহান:

- মুগল সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র সম্রাট শাহজাহান।
- তিনি জাহাঙ্গীরের উত্তরাধিকারী হিসেবে ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- দাদা আকবরের মতো তিনিও তার সাম্রাজ্য প্রসারিত করতে আগ্রহী ছিলেন।
- ১৬৫৮ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে বন্দী করেন এবং বন্দী অবস্থায় ১৬৬৬ সালে আগ্রা দূর্গে তার মৃত্যু হয়।
- তিনি পৃথিবীর স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সমাধিসৌধ 'আগ্রার তাজমহল' নির্মাণ করেন।
- তিনি আগ্রায় মতি মসজিদ, দিল্লিতে লাল কেল্লা ও জামে মসজিদও নির্মাণ করেন; শাহজাহানাবাদ নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- তিনি ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৩৯২.
'পলকূত' লুসাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কী ধরনের উৎসব?
  1. বসন্ত উৎসব
  2. শস্য কাটার উৎসব
  3. বর্ষবরণ উৎসব
  4. মৃত আত্মাদের স্মরণে উৎসব
ব্যাখ্যা
লুসাই:
- লুসাই নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৩৯৩.
'বুড়িমারী স্থলবন্দর' কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. গোয়াইনঘাট
  2. পাটগ্রাম
  3. আখাউড়া
  4. দামুরহুদা
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তে এ স্থল বন্দর অবস্থিত।
- ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, ভূটান ও নেপাল হতে কয়লা, কাঠ, টিম্বার, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, বল ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, কসমেটিক সামগ্রী, পশু খাদ্য, বিভিন্ন ধরণের ফলমূল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, গম, বিভিন্ন ধরণের বীজ, তামাক ডাটা প্রভৃতি মালামাল আমদানী করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হয় ইলিশ মাছ, মেলামাইনের তৈরী বাসনপত্র এবং ঔষধ সহ কতিপয় মালামাল।

বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮,৩৯৪.
আমন ধান কাটা হয় কখন?
  1. ক) বৈশাখ-জ্যেষ্ঠ
  2. খ) ভাদ্র-আশ্বিন
  3. গ) অগ্রহায়ণ-পৌষ
  4. ঘ) ফাল্গুন-চৈত্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আমন ধান কাটা হয় সাধারণত অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে। আমন ধান ঘরে তোলাকে কেন্দ্র করে তখন গ্রাম বাংলায় নবান্ন উৎসব পালিত হয়।

- বোনা আমন চৈত্র-বৈশাখ মাসে বপন এবং রোপা আমন শ্রাবণ ভাদ্র মাসে রোপণ করা হয়। বাংলাদেশে ২০২০-২০২১ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৫৫.৪৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে ১.৪৪ কোটি মে. টন আমন ধান উৎপাদিত হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)
৮,৩৯৫.
নিচের কোনটি বিরোধী দলের কাজ?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. প্রার্থী মনোনয়ন
  3. রাজনৈতিক সংযোগ সাধন
  4. সবগুলো 
ব্যাখ্যা
বিরোধী দলের কাজ:
গঠনমূলক সমালোচনা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে সরকারকে নিয়ন্ত্রণে রাখে।
- সরকার বিরোধী দলের সমালোচনার চাপে একক কোন সিদ্ধান্ত জনগণের উপর চাপিয়ে দিতে পারে না।
- বিরোধী দল সুপরিকল্পিতভাবে সরকারের সমালোচনা করে সরকারের ত্রুটি-বিচ্যুতি জনসাধারণের সামনে তুলে ধরে।

প্রার্থী মনোনয়ন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তর হয়ে থাকে।
- এ ক্ষমতা হস্তান্তরের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য মাধ্যম হল সাধারণ নির্বাচন।
- তাই নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজ-আদর্শ সংশ্লিষ্ট প্রার্থী মনোনয়ন করে এবং প্রার্থীর সমর্থনে প্রচারকার্য চালায়।

• গণতন্ত্র রক্ষা:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না।
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ।
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়।
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে।

রাজনৈতিক সংযোগ সাধন:
- আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় বিরোধী দলের অন্যতম কাজ হল রাজনৈতিক সংযোগ সাধন।
- বিরোধী দল জনগনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া বা মতামতকে সরকারের নিকট পেশ করে থাকে।
- এভাবে বিরোধী দলের সাথে জনগণের সংযোগ সাধন হয়ে থাকে।

• জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে সাধারণ নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মন্ত্রিসভা তাদের কার্যের জন্য ব্যক্তিগত ও যৌথভাবে আইনসভার নিকট দায়ী থাকে।
- মন্ত্রিসভার যেকোন সিদ্ধান্ত বা নীতি সম্পর্কে বিরোধীদলের সদস্যরা জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন। মন্ত্রীগণ তার জবাব দিতে বাধ্য থাকেন।

• রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ:
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণের ক্ষেত্রে বিরোধী দল তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রীকরণ, মূল্যবান ভোট সম্পর্কে সচেতন করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে বিরোধী দল কাজ করে থাকে।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৯৬.
দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস কোন দেশে তৈরি করা হয়েছে?
  1. ভারত
  2. বাংলাদেশ
  3. থাইল্যান্ড
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

এলিফ্যান্ট ওভারপাস:
- দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম এলিফ্যান্ট ওভারপাস বাংলাদেশের চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যে নির্মিত।
- এটি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেললাইনের উপর তৈরি করা হয়েছে। 
- এলিফ্যান্ট ওভারপাস তৈরির মূল উদ্দেশ্য- হাতিসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী যাতে নিরাপদে চলাচল করতে পারে।
- ওভারপাসটি মাটির সেতুর আকারে প্রাকৃতিক পরিবেশ সংবলিতভাবে তৈরি করা হয়েছে।
- এতে হাতিদের পছন্দের গাছপালা রোপণ করা হয়েছে।
- ওভারপাসের নিচ দিয়ে ট্রেন চলাচল করে। 
- চুনতি অভয়ারণ্যের ১০ কিলোমিটার অংশে নির্মিত এই ওভারপাস বন্য হাতির চলাচলের পথে রেললাইন সংলগ্ন দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

উৎস:প্রথম আলো ও সময় নিউজ। 

৮,৩৯৭.
সৈয়দ আমীর আলী কোন প্রতিষ্ঠান থেকে ব্যারিস্টারি পাস করেন?
  1. লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন
  2. ঢাকা ল কলেজ
  3. কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. প্রেসিডেন্সি কলেজ 
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
→ সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।

→ উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
→ তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
→ তিনি কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ ও বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে ফেরেন। 
→ তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
→ ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৩৯৮.
২০২৫ সালে ক্রীড়া ক্ষেত্রে একুশে পদক প্রাপ্ত হয়েছে-
  1. বাংলাদেশ অনুর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
  3. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  4. বাংলাদেশ জাতীয় হকি দল
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক- ২০২৫:
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার। 
- বাংলাদেশ সরকারের 'সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়' এই পুরস্কার প্রদান করে। 
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। 
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।
- দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে একুশে পদক- ২০২৫ প্রদান করা হয়েছে।

» পদকপ্রাপ্তরা হলেন-
- শিল্পকলায় (চলচ্চিত্র): আজিজুর রহমান (মরণোত্তর),
- সংগীতে: উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা,
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন, 
- চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা,
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান,
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহদী হাসান খান (দলনেতা), রিফাত নবী (দলগত), মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম (দলগত) ও শাবাব মুস্তাফা (দলগত);
- সাংবাদিকতায়: মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে: মাহমুদুর রহমান, 
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান, 
- সমাজসেবায়: মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর),
- ক্রীড়ায়: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

তথ্যসূত্র: সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

৮,৩৯৯.
বাংলাদেশের ক্রিকেটে প্রথম টেস্ট অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. হাবিবুল বাশার
  2. মোহাম্মদ আশরাফুল
  3. নাইমুর রহমান
  4. খালেদ মাসুদ
ব্যাখ্যা
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।

টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ তার শততম টেস্ট খেলে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৭ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয়।
- শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন বাংলাদেশের সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।

সূত্র: ESPNcricinfo ও প্রথম আলো।
৮,৪০০.
আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিল - 
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা দাবি পেশ করা হয়: ১৯৬৬ সালে। 
----------------- 
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ:
• প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
• দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)
• তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
• চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
• পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
• ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।