বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮২ / ৩০৬ · ৮,১০১৮,২০০ / ৩০,৮৩২

৮,১০১.
বাংলায় ‘ছিয়াত্তরের মনন্তর’ এর সময় কাল -
  1. ক) ১৭৭০ খ্রিঃ
  2. খ) ১৭৬০ খ্রিঃ
  3. গ) ১৭৬৫ খ্রিঃ
  4. ঘ) ১৭৫৬ খ্রিঃ
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর
• ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে
• খাদ্যের অভাবে মােট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ ( ১ কোটি ) মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
• তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
• জন কার্টিয়ার ১৭৬৯ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত বাংলার ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিলের গভর্নর ছিলেন।
• বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ১৭৬৯-৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষের দ্বারা জন কার্টিয়ারের শাসনকাল সমালোচনার মুখে পড়ে।
• নায়েব দীউয়ান ও নায়েব নাজিম সৈয়দ মুহম্মদ রেজা খান আসন্ন দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে বারবার জন কার্টিয়ারকে অবহিত করা সত্ত্বেও তিনি তার সতর্কবাণীকে তেমন গুরুত্ব দেন নি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,১০২.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' কোন তফসিলে অর্ন্তভূক্ত করা হয়েছে?
  1. ক) চতুর্থ তফসিল
  2. খ) সপ্তম তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল রয়েছে। এগুলো হলো - 
⇨ প্রথম তফসিল
• অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
⇨ দ্বিতীয় তফসিল
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।

⇨ তৃতীয় তফসিল (শপথ ও ঘোষণা)
• ১৪৮ অনুচ্ছেদের দাবি অনুযায়ী এই  তৃতীয় তফসিলটি প্রণয়ন করা হয়রছে। রাষ্ট্রে সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব পালনকারী বিভিন্ন ব্যক্তি যেসব শপথ ঘোষণার মধ্য দিয়ে তাদের দায়িত্ব পালন শুরু করেন সেগুলোই  এই তৃতীয় তফসিলে উল্লেখিত হয়েছ ।

⇨ চতুর্থ তফসিল
• ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
⇨ পঞ্চম তফসিল
• ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
⇨ ষষ্ঠ তফসিল
• স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,১০৩.
মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ছিল-
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. গ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।

মুজিবনগর সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
(তার অতিরিক্ত দায়িত্ব ছিলো - প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী)
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়ত
৮,১০৪.
‘Art of Triumph’ সংকলন কোন আন্দোলনের সময়ের প্রতিফলন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মুক্তিযুদ্ধ
  3. নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
  4. বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা

Art of Triumph:
- জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের সময় ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা গ্রাফিতি চিত্র নিয়ে সংকলিত গ্রন্থের নাম Art of Triumph।

⇒ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ তারিখে কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' উপহার প্রদান করেন।
- এছাড়াও, মুহাম্মদ ইউনূস প্রখ্যাত প্রাণিবিজ্ঞানী, প্রাইমেটোলজিস্ট ও নৃতত্ত্ববিদ জেন গুডঅলকে 'দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ' আর্টবুক উপহার দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জুলাইয়ে শুরু হওয়া ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটে ৫ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে।
- ৮ আগস্ট, ২০২৪ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- জুলাই-আগস্টে অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর বিভিন্ন দেয়ালে নানা ধরনের গ্রাফিতি আঁকা হয়।
- তরুণ বিপ্লবীদের আঁকা এমন গ্রাফিতি সশরীরে গিয়ে দেখলেন প্রধান উপদেষ্টা।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলা ট্রিবিউন।

৮,১০৫.
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নৃগোষ্ঠী হলো -
  1. ক) বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী
  2. খ) ত্রিপুরা
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
হাজং, ত্রিপুরা, বিষ্ণুপ্রিয়া (মণিপুরী) সম্প্রদায় হলো সনাতন বা হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এছাড়া বর্মন, রাজবংশী, ওরাও, কোচ ও পাহান সম্প্রদায়ের ভেতরেও হিন্দু অনুসারী বৃদ্ধি পাচ্ছে। একমাত্র মুসলিম উপজাতি হলো পাঙন যারা সিলেটে বসবাস করে৷ (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
৮,১০৬.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত নয় কোনটি?
  1. কাঞ্চন
  2. আকবর
  3. সৌরভ
  4. চমক
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৮,১০৭.
ভারত কখন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়?
  1. ক) ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
  2. খ) ৮ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
  3. গ) ৯ ডিসেম্বর, ১৯৯১
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। একইদিন দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।
অন্যদিকে,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
৮,১০৮.
লাহোর প্রস্তাবে কতটি মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছিলো?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) একাধিক
ব্যাখ্যা
১৯৪০ সালের ২৩শে মার্চ পাকিস্তানে লাহোরে নিখিল ভারত মুসলিম লীগের সাধারণ সভায় শেরে বাংলা একে ফজলুল হক ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

তার প্রস্তাবে বলা হয়,

ভারতের উত্তর-পশ্চিম ও পূর্ব এলাকাসমূহের মতো যে সকল অঞ্চলে মুসলমানগণ সংখ্যাগরিষ্ঠ, সে সব অঞ্চলে স্বাধীন রাষ্ট্রসমূহ’ (স্টেটস) গঠন করতে হবে যার মধ্যে গঠনকারী এককগুলি হবে স্বায়ত্তশাসিত ও সার্বভৌম।

২৪শে মার্চ লাহোর প্রস্তাব গৃহীত হয়। এই প্রস্তাবে ভারতে একাধিক মুসলিম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়। ১৯৪৬ সালের এপ্রিলে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনে লাহোর প্রস্তাব সংশোধন করে একাধিক রাষ্ট্রের (স্টেটস) পরিবর্তে কেবল একটি রাষ্ট্র (স্টেট) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,১০৯.
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগের সূচনা করলেও সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
- দুইবাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়। তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়। এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
 
উল্লেখ্য,
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন। লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি।
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ ইলিয়াস শাহকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।
 
উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১১০.
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১৯০৯ ডলার
  2. খ) ১৮২৮ ডলার
  3. গ) ১৯৭০ ডলার
  4. ঘ) ২০৬৪ ডলার
ব্যাখ্যা
বিবিএসের সাময়িক হিসাবে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP ১৯৭০ মার্কিন ডলার। মাথাপিছু জাতীয় আয় ২০৬৪ মার্কিন ডলার।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় এবং জিডিপি ছিলো যথাক্রমে ১৯০৯ ও ১৮২৮ মার্কিন ডলার।
(সূত্র: বিবিএস)
৮,১১১.
'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন কে?
  1. মিশুক মুনীর
  2. তারেক মাসুদ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. এনামুল কবির
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না:

- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- ছবিটি প্রযোজনা করেছেন ক্যাথরিন মাসুদ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,১১২.
ধর্মপাল কোন ধর্মাবলম্বী ছিলেন?
  1. হিন্দু
  2. বৌদ্ধ
  3. জৈন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন এবং বৌদ্ধ ধর্মের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

ধর্মপাল:
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা ছিলেন ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বাংলার পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা।
- পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের পুত্র ও উত্তরাধিকারী ধর্মপাল পালদের উদীয়মান প্রতিপত্তির যুগের সূচনা করেন।
- পাল শাসন প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল গোপালের হাত ধরে।
- গোপাল রাজ্য প্রতিষ্ঠার সূচনা করলেও পাল সাম্রাজ্যকে সুসংহত করেন গোপালের পুত্র ধর্মপাল।
- ধর্মপাল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- বিক্রমশীল বৌদ্ধ বিহার নির্মাণের কৃতিত্ব তাঁর।
- নয় শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত সমগ্র ভারতে এটি ছিল বৌদ্ধদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাকেন্দ্র।
- এছাড়া পাহাড়পুরের সোমপুর বিহারও ধর্মপালের আরেক কীর্তি।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC Programme, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৮,১১৩.
'ফাগুয়া' কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব?
  1. সাঁওতাল
  2. মারমা
  3. ওরাওঁ
  4. গারো
ব্যাখ্যা
বর্ষবরণ উৎসব:
- 'ফাগুয়া' ওরাওঁ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব।
- বসন্তে ওরাওঁ উপজাতি বর্ষবরণ উৎসব করে ।
- ফাগুয়া অর্থাৎ ফাল্গুন মাস থেকে ওরাওঁদের বর্ষ গণনা শুরু হয়।
- ওরাওঁ যুবক-যুবতীরা অগ্নিখেলার মধ্য দিয়ে বছরের প্রথম রাতটি উৎযাপন করে।
- এসব উৎসবে  বাদ্যযন্ত্র হিসেবে থাকে ঢোল, মাদল, করতাল ও বাঁশি।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

অন্যদিকে, 
চাকমা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব- বিজু।
মারমা ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব- সাংগ্রাই।
সাঁওতালদের প্রধান উৎসব -  সোহরাই।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৮,১১৪.
'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচি
  4. রাওয়ালপিন্ডি
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:

- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,১১৫.
বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. ড. ফজলে আবেদ
  4. ড. এম এ বারী
ব্যাখ্যা

বার্ড: 
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ড. আখতার হামিদ খান।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বার্ড প্রতিষ্ঠা করেন,
- এটি পল্লী উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠানটি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা।
- বার্ড পরিচালিত ‘কুমিল্লা মডেল’ পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে দেশে-বিদেশে ব্যাপক স্বীকৃতি পেয়েছে।
- ২১ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হয়, এর সভাপতি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী।
- পল্লী উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

উৎস: বার্ড ওয়েবসাইট। 

৮,১১৬.
নিম্নোক্ত কোন অঞ্চলের লোক সঙ্গীত গম্ভীরা?
  1. দিনাজপুর
  2. সিলেট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,১১৭.
বাংলাদেশের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, অতি দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ৫.৬%
  2. ৭.৬%
  3. ৫.৯%
  4. ৩.৬৫
ব্যাখ্যা
• দারিদ্র্য পরিস্থিতি :
- সরকার অর্থনীতির কাঠামোগত 'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ
- এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।
- বর্তমান সরকার কর্তৃক ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে,
- ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান
- এবং ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৮,১১৮.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক লাভ করে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. বাংলাদেশ আর্মি নারী কন্টিনজেন্ট
  2. রেড ক্রস বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট
  4. বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক:
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে (এমওএনইউএসসিও) কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় দায়িত্বরত বাংলাদেশ পুলিশের নারী কন্টিনজেন্ট বিএএনএফপিইউ-১ এর সদস্যদেরকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়েছে। 
- অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে গত ৭ আগস্ট এ পদক প্রদান করা হয়।
- অনুষ্ঠানে এমওএনইউএসসিও কিনশাসার বিভিন্ন সেকশনে কর্মরত ২৩ জন ইন্ডিভিজুয়াল পুলিশ অফিসার্স (আইপিও)-কে বিএএনএফপিইউ-১ এর সঙ্গে যৌথভাবে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা পদক প্রদান করা হয়।
- বিএএনএফপিইউ-১, রোটেশন-১৭ এর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার পুলিশ সুপার কাজী রুবাইয়াত রুমীর নেতৃত্বে মোট ১৭৮ জন শান্তিরক্ষী এ সময় উপস্থিত ছিলেন। 
- তাদের মধ্যে ৬৮ জন নারী জাতিসংঘ পদকে ভূষিত হন। 

উল্লেখ্য,
- কন্টিনজেন্টটি গত বছরের ২৭ মে থেকে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সাথে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [Link]

৮,১১৯.
লালবাগ শাহী মসজিদটি কে নিমার্ণ করেন?
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) যুবরাজ মোহাম্মদ আযম
  3. গ) ইসলাম খান
  4. ঘ) মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
সুবাদার শাহজাদা আজম বেশ কিছু ইমারত তৈরি করেছিলেন। বুড়িগঙ্গার তীরঘেঁষে তিনি এক বিশাল কাটারা তৈরি করেছিলেন।
তাঁর আমলেই 'লালবাগের শাহি মসজিদ' তৈরি হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,১২০.
বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে অগ্রদূত কে ছিলেন?
  1. ক) আবদুল লতিফ
  2. খ) হাজী শরিয়তুল্লাহ
  3. গ) সৈয়দ আমীর আলী
  4. ঘ) দুদু মিয়া
ব্যাখ্যা
- সৈয়দ আমীর আলী উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন। 
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- বাংলা তথা ভারতে তিনিই প্রথম মুসলমান  নেতা, যিনি বিশ্বাস করতেন মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন। 
- আকর্ষণের জন্য নিজস্ব রাজনৈতিক সংগঠন থাকা প্রয়োজন।
- তিনি ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাকে স্বাগত জানান।
- ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে তিনি মুসলিম লীগের  সভাপতি নির্বাচিত হন।
- সৈয়দ আমীর আলী নারী অধিকারের বিষয়েও সচেতন ছিলেন। 
- বাঙালি মুসলিম রেনেসাঁসের অগ্রদূত সৈয়দ আমীর আলী ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দে লন্ডনে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যলয়।
৮,১২১.
সিপাহী বিদ্রোহ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৭৫৭ সালে
  2. ১৮৫৭ সালে
  3. ১৭৮৯ সালে
  4. ১৮৭৯ সালে
ব্যাখ্যা

সিপাহী বিদ্রোহ ১৮৫৭ সালে সংঘটিত হয়। 

সিপাহী বিদ্রোহ:
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসন অবসানকল্পে ভারতীয়দের প্রথম জাতীয় সংগ্রাম বা ‘স্বাধীনতা লড়াই'।
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে ‘মঙ্গল পান্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহীরা জেলখানা ভেঙ্গে কয়েদিদের মুক্তি, খাজাঞ্চিখানা লুঠ এবং সর্বত্র ব্রিটিশদের আক্রমণ করে।
- এ লড়াই শুধু সিপাহীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না, ভারতের হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে ব্যাপক গণমানুষ এর প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি প্রকাশ করে।

⇒ এ সংগ্রামের কারণকে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ এ দু শ্রেণীতে ভাগ করা যায়।
পরোক্ষ কারণ:
- রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় ও সামরিক অসন্তোষ।

প্রত্যক্ষ কারণ:
- ১৮৫৬ সালে সেনাবাহিনীতে ‘এনফিল্ড রাইফেল' প্রচলন করা হয়।
- এতে ব্যবহৃত কার্তুজ দাঁতে কেটে ভরতে হতো।
- গুজব রটে যে, এ কার্তুজে শুকর ও গরুর চর্বি মেশানো আছে।
- এটি ধর্মনাশের একটি পরিকল্পিত ও সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র বলে ভারতের হিন্দু-মুসলমান সিপাহীদের মধ্যে দারুন বিক্ষোভের সূচনা করে। 

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১২২.
বাংলাদেশকে মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ -
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত
ব্যাখ্যা
মধ্যপ্রাচ্যের দেশের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি: 
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। 
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ।

অন্যদিকে -
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।
- জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ অক্টোবর ১৯৭৩। 
- কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫।

উৎস: i) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
         ii) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।
৮,১২৩.
মুঘল আমলে প্রদেশকে কী বলা হতো?
  1. সুবাহ 
  2. পরগনা
  3. সরকার
  4. মহল
ব্যাখ্যা

মুঘল আমলে প্রদেশ:
- মুঘল আমলে প্রদেশকে সুবাহ বলা হতো। 

• সুবিশাল ভারতকে শাসন করার জন্য আকবর তার সাম্রাজ্যকে ১৫৮২ খ্রি. ১৫টি সুবা বা প্রদেশে বিভক্ত করেন এবং সুবার শাসক হিসেবে ১ (এক) জন সুবাদার নিয়োগ করেন। 
- সুবাদার ছাড়াও প্রদেশের এ শাসনকার্যে একজন দিওয়ান, আমিল, ফৌজদার, কাজি ইত্যাদি পদের রাজকর্মচারি ছিলেন।
- শাসনকার্যের সুবিধার জন্য প্রত্যেক সুবাকে কতগুলো সরকার ও প্রত্যেক সরকারকে কতগুলো পরগনায় বিভক্ত করেছিলেন।

উল্লেখ্য
- ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহৎ ও জৌলুশময় সাম্রাজ্যের একটি হচ্ছে মুঘল আমল। এর বিস্তৃতি ছিল বর্তমান আফগানিস্তান থেকে শুরু করে পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশে।
- ভারতীয় উপমহাদেশে মুঘল রাজত্বের সূচনা হয়েছিল জহিরুদ্দিন মুহম্মদ বাবরের হাত ধরে, যিনি মূলত বর্তমান উজবেকিস্তান থেকে আফগানিস্তান, এরপর ভারতবর্ষে আসেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) BBC.

৮,১২৪.
মুজিবনগর সরকারের শিল্পমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এম. মনসুর আলী
  3. গ) এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে।
• এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ:

- রাষ্ট্রপতি: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান; 
- উপরাষ্ট্রপতি: সৈয়দ নজরুল ইসলাম; 
- প্রধানমন্ত্রী: তাজউদ্দীন আহমদ; 
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী: এম মনসুর আলী; 
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী: এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান;
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী: খন্দকার মোশতাক আহমেদ; 

- প্রধান সেনাপতি: কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী; 
- চিফ অব স্টাফ: কর্নেল (অব.) আব্দুর রব;
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ও বিমান বাহিনীর প্রধান: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
৮,১২৫.
রাখাইন নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে -
  1. ক) বান্দরবান জেলায়
  2. খ) বরগুনা জেলায়
  3. গ) সিলেট জেলায়
  4. ঘ) ময়মনসিংহ জেলায়
ব্যাখ্যা
• রাখাইন:
- রাখাইন জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলায় বসবাস করে।
- এদের আদিনিবাস মায়ানমারের আরাকান রাজ্য। এরা নিজেদের ‘রাক্ষাইন’ নামে পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- রাখাইনরা এক সময় ‘মগ’ নামে পরিচিত ছিলো।
- অনেক গবেষকের মতে রাখাইন এবং মারমারা একই সম্প্রদায়ভুক্ত।
- রাখাইনরা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৮,১২৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফার বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  3. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,১২৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯ অনুসারে, বাংলাদেশি পণ্যের দ্বিতীয় প্রধান আমদানীকারক দেশ -
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  4. ঘ) সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
৮,১২৮.
মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার-২০২৩ পেয়েছেন কোন বাংলাদেশি?
  1. অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক
  2. মনিরুল ইসলাম
  3. রিয়াজ উদ্দিন
  4. অধ্যাপক সোহরাব হোসেন
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার:
- চিত্রশিল্পে ভূমিকা, বিশেষ করে চিত্রাঙ্কনে শিশুদের আগ্রহ তৈরি ও তাদের সৃজনশীল মনোবিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতি হিসেবে মহাত্মা গান্ধী আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার-২০২৩ পেলেন বাংলাদেশের চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক।
- কলকাতায় রথীন্দ্র মঞ্চ, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উৎসবে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের সাবেক মন্ত্রী রেখা গোস্বামীর হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করেন মোস্তাফিজুল হক।

সূত্র- প্রথম আলো। 
৮,১২৯.
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রটি অবস্থিত-
  1. সারদায়
  2. বাইতুল ইজ্জতে
  3. সুজানগরে
  4. ডুলাহাজরায়
ব্যাখ্যা
বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার এন্ড স্কুল চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত।
উৎসঃ বিজিবি ওয়েবসাইট।
৮,১৩০.
বিগত অর্থ বছরের তুলনায় বর্তমান অর্থবছরে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ?
  1. ক) ৬.৫%
  2. খ) ৮.১৩%
  3. গ) ১৩.০২%
  4. ঘ) ১৫.৭৬%
ব্যাখ্যা

২০১৮ - ১৯ অর্থবছরে অর্থনীতির ৩টি বড় খাতের প্রবৃদ্ধির হার -
শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%
সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫%
কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
সার্বিকভাবে জিডিপিতে খাতগুলোর অবদান -
কৃষি খাতের অবদান- ১৩.৬০%
শিল্প খাতের অবদান- ৩৫.১৪%
সেবা খাতের অবদান- ৫১.২৬%
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৮,১৩১.
Bangladesh will soon receive around 5 million AstraZeneca Covid-19 vaccine doses from -
  1. ক) France and U.A.E
  2. খ) Poland and Saudi Arabia
  3. গ) Netherlands and Sweden
  4. ঘ) Italy and Switzerland
ব্যাখ্যা
Foreign Minister AK Abdul Momen has said Bangladesh will soon receive around 5 million AstraZeneca Covid-19 vaccine doses from Poland and Saudi Arabia as gift.
Bangladesh will get around 1.5 million doses of the vaccine from Saudi Arabia.
Poland will provide 3.3 million AstraZeneca vaccine doses to Bangladesh free of cost, he said, adding that these are being shipped. Poland donated these vaccine doses through the European Union.

Source: The Daily Star
৮,১৩২.
খেলাঘর চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) খান আতাউর রহমান
  2. খ) তারেক মাসুদ
  3. গ) তৌকির আহমেদ
  4. ঘ) মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

খেলাঘর এটি ২০০৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র।
- খ্যাতিমান চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি
- এটি মূলত মাহমুদুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাহিনির খেলাঘর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত চিরন্তন প্রেমের এই ছবি।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৮,১৩৩.
মৎস্য শিল্পে ‘সাদা সোনা’ বলা হয় কোনটিকে?
  1. ইলিশ
  2. চিংড়ি
  3. কাকড়া
  4. রূপচাঁদা
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উৎপাদিত হচ্ছে.
- তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- চিংড়ি খাত বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রপ্তানি খাতে পরিণত হয়েছে।

উৎস: ১৬ আগস্ট ২০২৩, প্রথম আলো।
৮,১৩৪.
'যারা কাজ করে তাদেরই ভুল হতে পারে, যারা কাজ করে না তাদের ভুলও হয় না'- উক্তিটি কে করেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• 'যারা কাজ করে তাদেরই ভুল হতে পারে, যারা কাজ করে না তাদের ভুলও হয় না।" - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

• অসমাপ্ত আত্মজীবনী:
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও।
- আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।
-------------------
• অসমাপ্ত আত্মজীবনী থেকে উদ্ধার করা বঙ্গবন্ধুর কিছু অমর বাণী:
- 'অন্ধ কুসংস্কার ও অলৌকিক বিশ্বাসও বাঙালির দুঃখের আর একটি কারণ' (পৃ: ৪৮)।
- 'নেতারা যদি নেতৃত্ব দিতে ভুল করে, জনগণকে তার খেসারত দিতে হয়' (পৃ: ৭৯)।
- 'আমার যদি কোনো ভুল হয় বা অন্যায় করে ফেলি, তা স্বীকার করতে আমার কোনোদিন কষ্ট হয় নাই' (পৃ: ৮০)।
- 'যে দেশের বিচার ও ইনসাফ মিথ্যার উপর নির্ভরশীল সেদেশের মানুষ সত্যিকারের ইনসাফ পেতে পারে কি না সন্দেহ!' (পৃ: ১৯০)।
- 'আমি মানুষকে মানুষ হিসাবেই দেখি। রাজনীতিতে আমার কাছে মুসলমান, হিন্দু ও খ্রিষ্টান বলে কিছু নাই। সকলেই মানুষ' (পৃ: ১৯১)।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
৮,১৩৫.
নীল বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল কোন সালে?
  1. ১৮৫৯
  2. ১৮৫৬
  3. ১৮৫৮
  4. ১৮৬৮
ব্যাখ্যা

• নীল বিদ্রোহ:

- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ নীলকরদের সীমাহীন অত্যাচার শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে নীল চাষিরা যে শক্তিশালী প্রতিরোধ গড়ে তোলে তাই ইতিহাসে নীল বিদ্রোহ নামে খ্যাত।
- এর নেতৃত্ব দিয়েছিল স্থানীয় পর্যায়ের সাধারণ কৃষকরা।
- বিভিন্ন স্থানে ভিন্ন ভিন্ন নেতা স্থানীয়ভাবে প্রতিরোধ সংগ্রাম পরিচালিত করে। এ আন্দোলনে যশোর অঞ্চলের কৃষকদের নেতৃত্ব দেন নবীন মাধব ও বেণী মাধব নামে দুই ভাই। হুগলিতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার এবং নদীয়ায় মেঘনা সর্দার।
- এই নেতৃত্ব এতটাই শক্তিশালী এবং সুসংহত ছিল যে শেষ পর্যন্ত ইংরেজরা নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৩৬.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক?
  1. কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড
  3. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  4. পূবালী ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ হলো:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা্ ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অন্যদিকে,
পূবালী ব্যাংক লিমিটেড, উত্তরা ব্যাংক লিমিটেড এবং কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮,১৩৭.
সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. সংগঠনের স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. চলাফেরার স্বাধীনতা
  4. বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৩৩ - গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৫ - বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৬ - চলাফেরার স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৭ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৮ - সংগঠনের স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৩৯ - চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪০ - পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪১ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,১৩৮.
বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  2. বিচারপতি জাহেদ রহমান চৌধুরী
  3. বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  4. বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ জিয়াউল করিম
ব্যাখ্যা

২৬তম প্রধান বিচারপতি:
- দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের উত্তরসূরি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে ২৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ প্রজ্ঞাপন জারি হয়।
- ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।

উল্লেখ্য,
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত বছরের ১১ আগস্ট দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। 
- সংবিধান অনুযায়ী ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় গত ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫ তিনি  অবসরে যান।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৮,১৩৯.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাসের লেখক কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:

- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮,১৪০.
বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের কততম কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন?
  1. তৃতীয় কাউন্সিল
  2. চতুর্থ কাউন্সিল
  3. ষষ্ঠ কাউন্সিল
  4. দ্বিতীয় কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
এর প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামী লীগের ষষ্ঠ কাউন্সিলে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৫ সালের আওয়ামী মুসলিম লীগের তৃতীয় সম্মেলনে দলটির নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট)
৮,১৪১.
Which port city in ancient Bengal has been discovered in Ptolemy's world map?
  1. ক) Satgaon
  2. খ) Tamralipi
  3. গ) Chittagong
  4. ঘ) Sonargaon
ব্যাখ্যা
• গ্রিক পন্ডিত টলেমির মানচিত্রে বাংলায় তমলিটিস নামে একটি বন্দরনগরীর উল্লেখ পাওয়া যায়, যেটি প্রাচীন বাংলার তাম্রলিপ্তি বা তাম্রলিপ্ত বন্দরেরই অন্য নাম বলে মনে করা হয়।
- বন্দরটির অবস্থান নির্ধারণ নিয়ে বিতর্ক থাকলেও মোটামুটিভাবে বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনিপুর জেলায় বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী রূপনারান নদীর মোহনায় অবস্থিত তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- এছাড়া স্বরস্বতী নদীর মোহনায় অবস্থিত সপ্তগ্রাম বা সাতগাঁও এবং কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত চট্টগ্রাম বন্দর প্রাচীন ও মধ্যযুগেই বহির্বিশ্বে বেশ পরিচিত ছিল।
- সুলতানি আমলে বাংলা ভ্রমণকারী ইবনে বতুতা ও চীনা পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় তাঁরা চট্টগ্রাম বন্দর হয়ে নদীপথে সোনারগাঁও বন্দরে উপস্থিত হয়েছিলেন।
- মুগল আমলে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বাংলার প্রধান অভ্যন্তরীণ নদীবন্দর হিসেবে সোনারগাঁও গুরুত্ব হারায়।

তথ্যউৎস:- বাংলাপিডিয়া।
৮,১৪২.
'নর্থবেঙ্গল পেপার মিল' কোথায় অবস্থিত‌?
  1. ক) পাবনা
  2. খ) দর্শনা
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) বগুড়া
ব্যাখ্যা
- পাবনা জেলার পাকশিতে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল পেপার মিল ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- উৎপাদন শুরু করে ১৯৬৯ সালে।
- ক্রমাগত লোকসানের জন্যে ৩০ ডিসেম্বর ২০০২ এটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
- এই পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে উত্তরবঙ্গের চিনিকল সমূহ হতে প্রাপ্ত আখের ছোবড়া ব্যবহার করা হতো।
- কর্ণফুলী পেপার মিলে বাঁশ এবং
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলে সুন্দরবনের গেওয়া কাঠ ব্যবহৃত হয়।
- খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলও বর্তমানে বন্ধ।

উৎসঃ বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৮,১৪৩.
Which township was mentioned in the ''Aitareya Upanishad''?
  1. Harikel
  2. Gour
  3. Samatat
  4. Bango
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৪৪.
PR পদ্ধতিতে আসন বণ্টন হয় কোন ভিত্তিতে?
  1. এলাকা ভিত্তিক
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা ভিত্তিক
  3. ভোটের শতাংশ ভিত্তিক
  4. লটারির মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

PR পদ্ধতিতে একটি দল যত শতাংশ ভোট পায়, তত শতাংশ আসন পায়।

- সংখ্যানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থা বা PR (Proportional Representation) পদ্ধতিতে আসন বণ্টন হয় একটি রাজনৈতিক দল কত শতাংশ ভোট পেয়েছে তার ভিত্তিতে। অর্থাৎ, এখানে ভোটাররা সরাসরি কোনো ব্যক্তিকে নয়, দলীয় প্রতীকে ভোট দেন। একটি দল মোট বৈধ ভোটের যত শতাংশ পায়, সেই অনুপাতে তারা সংসদে আসন পায়।

- উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি ৩০% ভোট পায়, তাহলে সংসদের মোট আসনের ৩০% তারা পাবে। এতে বড় দলগুলোর পাশাপাশি ছোট দলগুলোরও প্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়। ফলে একটি বৈচিত্র্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সংসদ গঠিত হয়। তবে দলই প্রার্থী নির্ধারণ করে, তাই ব্যক্তিগত যোগ্যতা নয়, দলীয় পছন্দই প্রাধান্য পায়।

সূত্র: ডেইলি স্টার রিপোর্ট। 

৮,১৪৫.
বাংলাদেশ কততম ওয়ানডে ক্রিকেট বিশ্বকাপের আয়োজক ছিল?
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. ১০ম
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপ:
- সপ্তম বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সাল): আয়োজক ছিল ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড। এই বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশগ্রহণ করে বাংলাদেশ। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জয় করে অস্ট্রেলিয়া।

- অষ্টম বিশ্বকাপ (২০০৩ সাল): যৌথভাবে অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও কেনিয়ায়। ফাইনালে ভারতকে হারিয়ে তৃতীয়বার শিরোপা জেতে অস্ট্রেলিয়া।

- নবম বিশ্বকাপ (২০০৭ সাল): আয়োজক ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে ৪র্থ বারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের রেকর্ড গড়ে অস্ট্রেলিয়া। 

- দশম বিশ্বকাপ (২০১১ সাল): আয়োজক ছিল ভারত, বাংলাদেশ ও  শ্রীলঙ্কা। এই বিশ্বকাপেই বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো আয়োজক দেশ হওয়ার সুযোগ পায়। ফাইনালে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শিরোপা জেতে ভারত।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।
৮,১৪৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- তিনি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

উল্লেখ্য,
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রেসিডেন্ট অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৭৮ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগা খান অ্যাওয়ার্ড লাভ করে ১৯৮৯ সালে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৮৪ সালে র‍্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
৮,১৪৭.
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযোগ পাওয়া প্রথম নারী উপাচার্য হলেন-
  1. ক) আনোয়ারা বেগম
  2. খ) খালেদা একরাম
  3. গ) ফারজানা ইসলাম
  4. ঘ) ড. শিরীণ আখতার
ব্যাখ্যা
দেশের সরকারি কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে নিযোগ পাওয়া প্রথম নারী উপাচার্য হলেন অধ্যাপিকা ফারজানা ইসলাম। তিনি ২ মার্চ ২০১৪ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। খালেদা একরাম একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর বুযেটের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। ড. শিরীণ আখতার ৩ নভেম্বর ২০১৯ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান। আনোয়ারা বেগম প্রথম নারী উপচার্য যিনি ২০০৪ সালে অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ পান।(সূত্র: ইউজিসি এবং সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইট)
৮,১৪৮.
ছায়ামন্ত্রীসভা (Shadow Cabinet) কারা গঠন করে?
  1. ক) সরকারী দল
  2. খ) বিরোধী দল
  3. গ) সুশীল সমাজ
  4. ঘ) জনগণ
ব্যাখ্যা
ছায়া মন্ত্রিসভা ওয়েস্টমিন্সটার সরকার পদ্ধতির (যুক্তরাজ্য) একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য। এখানে সংসদের প্রধান বিরোধীদলীয় নেতার নেতৃত্বে বিরোধী দল থেকে একদল জ্যৈষ্ঠ সদস্য একটা মন্ত্রিসভা গঠন করেন যেটা সরকারের মন্ত্রিসভার বিকল্প হিসেবে কাজ করে। এখানে, প্রতিটি সরকারী মন্ত্রীদের বিপরীতে একজন ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্য থাকেন যিনি সরকারী মন্ত্রীর কাজকে বিশ্লেষণ করেন এবং প্রয়োজনে বিকল্প পথ তুলে ধরেন। অধিকাংশ দেশে ছায়া মন্ত্রিসভার সদস্যকে ছায়া মন্ত্রী বলা হয়ে থাকে। বাংলাদেশে এখনো এই ধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে উঠে নি।
৮,১৪৯.
ভারত ও  বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোথায়? 
  1. ঢাকা 
  2. নয়া দিল্লি
  3. কলকাতা
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশের গোয়ালন্দের কাছে ব্রহ্মপুত্র নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- গঙ্গা নদী বাংলাদেশে পদ্মা নামে অভিহিত।
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
• ভারত ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণের প্রথম পরিকল্পনা করে ১৯৫১ সালে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- প্রাথমিকভাবে নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭০ সালে।
- তবে ব্যবহার উপযোগী করতে পুরোপুরিভাবে এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালের ডিসেম্বরে।
- ২১ এপ্রিল, ১৯৭৫ থেকে এই বাঁধ চালু হয়।
• ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও  বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ৩০ বছরের চুক্তির মেয়াদ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ হবে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC বাংলা।

৮,১৫০.
রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত ‘দুর্জয়’ ভাস্কর্যের শিল্পী কে?
  1. হামিদুজ্জামান খান
  2. নভেরা আহমেদ
  3. মৃণাল হক 
  4. কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

• রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী — মৃণাল হক।

• তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

উৎস: প্রথম আলো।

৮,১৫১.
'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর' অবস্থিত নয়-
  1. ক) সোনাগাজী
  2. খ) মিরসরাই
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) গজারিয়া
ব্যাখ্যা

- চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুণ্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলা জুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে দেশের বৃহত্তম শিল্পাঞ্চল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর'।
- এর আয়তন প্রায় ৩০ হাজার একর।
- এখানে প্রায় ১৫ লক্ষ লোকের কর্মসংস্থান হবে।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা বেজা এটি বাস্তবায়ন করছে।

উৎসঃ বেজা ওয়েবসাইট।

৮,১৫২.
কয়টি দলের সমন্বয়ে ১৯৬৯ সালে 'গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
ব্যাখ্যা
১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে:
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের মূল কারণ ছিল আগরতলা মামলা দায়ের ও নেতাদের নির্বিচারে গ্রেফতার, ছাত্রদের ওপর পুলিশী নির্যাতন।
- আর এ অভ্যুত্থানের পেছনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল পূর্ববাংলার ছাত্র সমাজ।
- আইয়ুব খানের হীন ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষে ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ ও ছাত্র ইউনিয়নের দুই গ্রুপ মিলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমদকে সভাপতি করে একটি সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে এগার দফাভিত্তিক এক দাবিনামা প্রস্তুত করা হয়। এরমধ্যে ছয় দফাকেও সংযুক্ত করা হয়। এর সাথে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার ও রাজবন্দিদের মুক্তিদানসহ সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া এবং বন্দি ছাত্রদের মুক্তি প্রদান এবং ছাত্রদের শিক্ষা সংক্রান্ত কতগুলো দাবি উত্থাপিত হয়।
- একই সময়ে ৮ জানুয়ারি তৎকালীন সমগ্র পাকিস্তানের ৮টি রাজনৈতিক দল মিলে 'গণতান্ত্রিক সংগ্রাম পরিষদ' (ডাক) নামক মোর্চা গঠন করে এবং ৮ দফা দাবি উত্থাপন করে যাতে ৬ দফা ও ১১ দফার সমর্থন পাওয়া যায়।
- এরপর থেকে 'ডাক' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ প্রচেষ্টায় পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- 'ডাক'-এর আহ্বানে ১৪ জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে পূর্ণ হরতাল পালিত হয়।
- ১৭ জানুয়ারি 'ডাক' ও 'ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে সারা দেশে দাবি দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৫৩.
১ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয় কোন ব্রিগেড ফোর্স?
  1. এস ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. জেড ফোর্স
  4. এন ফোর্স
ব্যাখ্যা

ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
• জেড ফোর্স,
• কে ফোর্স,
• এস ফোর্স।

⇒ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

⇒ কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

⇒ খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৫৪.
রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ৫০ অনুচ্ছেদ
  2. ৫১ অনুচ্ছেদ
  3. ৫২ অনুচ্ছেদ
  4. ৫৩ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কোনো আইনি দায়বদ্ধতার সম্মুখীন হবেন না।
•  সংবিধানের ৫১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি:
১) ফৌজদারি মামলা করা যাবে না:
- রাষ্ট্রপতির কার্যভারকালে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আদালতে ফৌজদারি মামলা দায়ের বা চালু রাখা যাবে না।
- কোনো আদালত রাষ্ট্রপতির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করতে পারবে না।
২) রাষ্ট্রপতি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে দায়মুক্ত থাকবেন:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের সময় কোনো কাজ করলে বা না করলে, সে জন্য তাঁকে কোনো আদালতে জবাবদিহি করতে হবে না।
- তবে এই দায়মুক্তির বিধান সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যক্তি মামলা দায়েরের অধিকার বাতিল করে না।

• রাষ্ট্রপতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫২নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,১৫৫.
কততম কান চলচ্চিত্র উৎসবে মাটির ময়না চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়?
  1. ৫৪তম
  2. ৫৫তম
  3. ৫৬তম
  4. ৫৭তম
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না:

- মাটির ময়না বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশী ফিচার চলচ্চিত্র।
- এটি ২০০২ সালে বাংলাদেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে মুক্তি পায়।
- 'মাটির ময়না' চলচ্চিত্রের কাহিনী ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা করেছেন তারেক মাসুদ।
- চলচ্চিত্রে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের প্রাক্কালে গণঅভ্যুত্থানের পটভূমিতে মাসুদের ছেলেবেলার অভিজ্ঞতা ফুটে উঠেছে।
- এই চলচ্চিত্রের মূল ভূমিকায় অভিনয় করেছেন নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম এবং লামিসা আর রিমঝিম।
- ২০০২ সালের ১৫ মে ৫৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক প্রদর্শনী হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সময় নিউজ, ১৩ এপ্রিল ২০২২।
৮,১৫৬.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  2. বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
  4. বিচারপতি লতিফুর রহমান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্বপ্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- এর চারদিন পর সংবিধান অনুযায়ী ১০ জন উপদেষ্টাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- তারা হলেন ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৫৭.
কোন সম্রাট ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মানের অনুমতি দেয়?
  1. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  2. সম্রাট আওরঙ্গজেব
  3. সম্রাট আকবর
  4. সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:
- মুগল সম্রাট শাহজাহান।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র শাহজাহান ১৫৯২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি জাহাঙ্গীরের উত্তরাধিকারী হিসেবে ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন ।
- দাদা আকবরের মতো তিনিও তার সাম্রাজ্য প্রসারিত করতে আগ্রহী ছিলেন।
- ১৬৫৮ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে বন্দী করেন এবং বন্দী অবস্থায় ১৬৬৬ সালে আগ্রা দূর্গে তার মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তার রাজত্বের সময়কালের মুঘল স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ ছিল।
- তিনি পৃথিবীর স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সমাধিসৌধ 'আগ্রার তাজমহল' নির্মাণ করেন।
- তিনি কেবল তাজমহলই নয়, আগ্রায় মতি মসজিদ, দিল্লিতে লাল কেল্লা ও জামে মসজিদও নির্মাণ করেন; শাহজাহানাবাদ নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- তিনি ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,১৫৮.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের আন্তর্জাতিক সব ফরম্যাট মিলিয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক কে?(সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

- মুশফিকুর রহিম আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব ফরম্যাট মিলিয়ে (টেস্ট(৬৩২৮), ওয়ানডে(৭৭৯৫) ও টি-টোয়েন্টি মিলিয়ে(১৫০০)) বাংলাদেশের হয়ে সর্বাধিক রান সংগ্রাহক।
- তাছাড়া, ওয়ানডে ক্রিকেটে যদিও শীর্ষ রান সংগ্রাহক হিসেবে তামিম ইকবালের নাম উঠে (8,357 রান) এবং টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটেও শীর্ষে আছেন সাকিব আল হাসান।
-  তবে সমস্ত ফরম্যাট মিলিয়ে মুশফিকুর রহিমের মোট রানই সর্বোচ্চ।
 
সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক:
- আন্তর্জাতিক সব ফরম্যাট - মুশফিকুর রহিম
- ওয়ানডে (ODI) - তামিম ইকবাল (8,357 রান)
- টি-টোয়েন্টি (T20I) - সাকিব আল হাসান (2,551 রান)।

উৎস: Cricinfo.com.

৮,১৫৯.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. জেনারেল আইয়ুব খান
  2. মালিক ফিরোজ খান
  3. ইস্কান্দার মির্জা
  4. জুলফিকার আলী ভূট্টো
ব্যাখ্যা

• সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্ব প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮,১৬০.
বাংলাদেশ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায় কোন দেশের বিপক্ষে?
  1. জিম্বাবুয়ে
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. কেনিয়া
ব্যাখ্যা

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- ১৭ মে, ১৯৯৮ সালে কেনিয়ার বিপক্ষে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

৮,১৬১.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করবে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) স্পেসএক্স
  2. খ) কেনেডি স্পেস সেন্টার
  3. গ) গ্লাভকসমস
  4. ঘ) জেনেক্স স্পেস সেন্টার
ব্যাখ্যা

- রাশিয়া সরকারের সহযোগিতায় ২০২৬ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় কৃত্রিম উপগ্রহ ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
- আর্থ অবজারভেটরি ক্যাটাগরির স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করতে ব্যবহৃত হবে।
- এতে অপটিক্যাল ভিএইচআর-সার (Synthetic Aperture Radar-SAR) ব্যবহার করে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের ভূমি ও সমুদ্র এলাকার ছবি তোলা যাবে।
- 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’ প্রস্তুত ও উৎক্ষেপণ করবে - Glavkosmos, রাশিয়া।
- এটি রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত মহাকাশ সংস্থা Roscosmos এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এ সংক্রান্ত চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি (BSCL)।
- ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

তথ্যসূত্র- বিডি নিউজ ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।

৮,১৬২.
'নজরুল পুরস্কার-২০২৫' লাভ করেন -
  1. রাজিয়া সুলতানা
  2. শবনম মুশতারী
  3. ইরশাদ আহমেদ শাহীন
  4. আবদুল হাই শিকদার
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার-২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা। 

অন্যদিকে,
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

৮,১৬৩.
সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
যে যাকে  শপথ বাক্য পাঠ করান
১। রাষ্ট্রপতি কর্তৃক : প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রি, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, প্রধান বিচারপতি।
২। স্পিকার কর্তৃক : রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্য।
৩। প্রধান বিচারপতি কর্তৃক : সুপ্রিম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
৪। প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক : সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
৫। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী কর্তৃক : সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলর, জেলা পরিষদের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যগণ ।
৬। বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক : পৌর মেয়র এবং কাউন্সিলর, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ভাইস চেয়ারম্যান।
৭। জেলা প্রশাসক কর্তৃক : ইউনিয়নের চেয়ারম্যানগণ।
৮। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কর্তৃক : ইউনিয়নের নির্বাচিত সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্যগণ।  

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ও স্থানীয় সরকারের ওয়েবসাইট।
৮,১৬৪.
বিজিএমইএ কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৪ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ:
- বিজিএমইএ এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন।
- দেশের অন্যতম বৃহৎ ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন যা তৈরি পোশাক শিল্পের প্রতিনিধিত্ব করে।
- সংগঠনটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে, বিজিএমইএ সরকারের কাছে নীতি সমর্থন, সদস্যদের সেবা, শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং কারখানায় সামাজিক সম্মতির মাধ্যমে পোশাক শিল্পের প্রচার ও সুবিধার জন্য নিবেদিত।
- বিজিএমইএ বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের বিকাশের পথ প্রশস্ত করতে ব্র্যান্ড এবং উন্নয়ন অংশীদার সহ স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক স্টেকহোল্ডারদের সাথে সহযোগিতা করে।
- বর্তমানে বিজিএমইএর নিবন্ধিত পোশাক কারখানা রয়েছে প্রায় চার হাজার।

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,১৬৫.
জাতীয় সংসদের সভাপতি কে?
  1. ক) প্রধানমন্ত্রী
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) সংসদ উপনেতা
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের সভাপতি হলেন স্পিকার। তিনি জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন। সংসদ অধিবেশনে তিনি সভাপতিত্ব করেন।
তবে সংসদ নেতা হলেন প্রধানমন্ত্রী।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেনী)
৮,১৬৬.
মুক্তিবাহিনীর 'চিফ অব স্টাফ' কে ছিলেন?
  1. এ কে খন্দকার
  2. এম এ জি ওসমানী
  3. খালেদ মোশাররফ
  4. লে. কর্নেল (অব.) আব্দুর রব
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।

কর্নেল এম এ রব:
- মুক্তিযুদ্ধে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রব ছিলেন নেতৃস্থানীয় ভূমিকায়।
- তার খেতাবের সনদ নম্বর ০১। মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অবিস্মরণীয়।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রব যুদ্ধে যোগ দেন।
- সিলেট অঞ্চলে ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার মেজর চিত্তরঞ্জন দাশের নেতৃত্বে দুর্ধর্ষ সব যুদ্ধের অন্যতম পরিকল্পনাকারী ছিলেন এম এ রব।
- মুজিবনগর সরকার তাকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ স্টাফ ও সেকেন্ড-ইন-কমান্ড হিসেবে  নিয়োগ দেয়।
- মুক্তিযুদ্ধের পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুর রবকে মেজর জেনারেল পদ দেওয়া হয় এবং বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তৎকালীন সিলেট-২০ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আবদুর রব।
- ১৯৭৫ সালের ১৪ নভেম্বর শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।

অন্যদিকে,
- মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন জেনারেল এম এ জি ওসমানী।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।
- ২নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন খালেদ মোশারফ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি, জানুয়ারি ১, ২০২২ ডেইলি স্টার।
৮,১৬৭.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
  3. গ) ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৫০ সালের ৩১ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৫০ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

অন্যদিকে, 
⇨ ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঞা।
⇨ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে। এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।
⇨ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
⇨ কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
⇨ এই সভায় ২১ ফেব্রুয়ারি পূর্ববাংলা ব্যবস্থাপক পরিষদের বাজেট অধিবেশনের দিন দেশব্যাপী সাধারণ ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,১৬৮.
মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ মুক্তিযুদ্ধের কোন ফোর্সের নেতৃত্বে ছিলেন?
  1. কে ফোর্স
  2. জেড ফোর্স
  3. এস ফোর্স
  4. এম ফোর্স
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের বিগ্রেড ফোর্স 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রথম ব্রিগেড গঠন করা হয় ৭ই জুলাই ১৯৭১।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিগ্রেড ফোর্স ছিল তিনটি - জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।
- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩টি ব্যাটালিয়নের সমন্বয়ে গঠন করা হয় এই ব্রিগেড।

কে এম সফিউল্লাহ:
- কে এম সফিউল্লাহর জন্ম ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে।
- সফিউল্লাহ ছিলেন জয়দেবপুরে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টের দ্বিতীয় প্রধান।
- ১৯৭১ সালে  তাঁর নেতৃত্বেই ওই রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যরা বিদ্রোহ করে।
- মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে সফিউল্লাহ ছিলেন ৩ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন।  
- পরে তিনটি নিয়মিত আর্মি ব্রিগেড গঠিত হলে ‘এস’ ফোর্সের নেতৃত্বে আসেন সফিউল্লাহ।
- মেজর কে এম সফিউল্লাহর নামানুসারে অক্টোম্বর ৭১ সনে গঠিত হয় এই বিগ্রেড যার নাম করা হয় এস ফোর্স।
- এই ফোর্সের অন্তর্ভুক্ত ছিল ২ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট, ১১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
- এস ফোর্সের উল্লেখযোগ্য যুদ্ধ সমূহ ছিল ধর্মগড় আক্রমন, মনোহরদী অবরোধ, কলাছড়া অপারেশন, বামুটিয়া অপারেশন, আশুগঞ্জ অপারেশন, মুকুন্দপুর যুদ্ধ, আখাউড়া যুদ্ধ ইত্যাদি।
- মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি ‘বীর উত্তম’ খেতাব পান।

উল্লেখ্য,
- ১৯৩৪ সালের ২ সেপ্টেম্বর নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে জন্ম নেওয়া কে এম সফিউল্লাহ দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে মালয়েশিয়া, কানাডা, সুইডেন, ইংল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) কে এম সফিউল্লাহ (বীর উত্তম) ২৬ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
৮,১৬৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৭৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. ৬৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. ৬৫.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ৮০.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার 
ব্যাখ্যা

- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বিশ্ববাজারে পণ্য ও সেবা রপ্তানি করে ৬৩.৫ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- এর মধ্যে পণ্য থেকে ৫৫ বিলিয়ন ডলার আর সেবা থেকে ৮.৫ বিলিয়ন ডলার আয় হবে ।
- ১২ আগস্ট ২০২৫ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবর রহমান  এ তথ্য জানিয়েছেন।
- চলতি অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রা ২০২৪-২৫ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের তুলনায় ১৬.৫ শতাংশ বেশি । 

এছাড়াও,
- পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাকের ওভেন খাত থেকে ২০.৭৯ বিলিয়ন ডলার।
-  নিট পোশাক থেকে ২৩.৭০ বিলিয়ন ডলার,
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে ১.২৫ বিলিয়ন ডলার,
- পাট ও পাটপণ্য থেকে ৯০০ মিলিয়ন ডলার এবং কৃষিপণ্য থেকে ১.২১ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি আয়।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। এবং বিজনেস স্টান্ডার্ড।[লিঙ্ক]

৮,১৭০.
কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?
  1. পৌরসভা
  2. পল্লী বিদ্যুৎ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
• 'পল্লী বিদ্যুৎ' - স্থানীয় সরকার নয়। 

• সরকার ব্যবস্থা:

- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

• পল্লী স্থানীয় সরকার:
- জেলা পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- ইউনিয়ন পরিষদ।
- জেলা পরিষদ এ তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর।

• শহরভিত্তিক স্থানীয় সরকার:
- সিটি কর্পোরেশন।
- পৌরসভা। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭১.
বলাকা ও দোয়েল কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) সরিষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা
- দোয়েল
- কাঞ্চন
- আকবর
- সোনালিকা
- সৌরভ
- গৌরব
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ড বই এবং কৃষি তথ্য সার্ভিস)
৮,১৭২.
রাজনৈতিক দলের মূল ভিত্তি কী?
  1. ক) নীতি ও কর্মসূচি
  2. খ) ব্যক্তিস্বার্থ
  3. গ) সাম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) ভ্রাতৃত্ববোধ
ব্যাখ্যা
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে একটি দেশের জনগোষ্ঠীর সেই অংশ যারা নির্দিষ্ট আদর্শ বা কর্মসূচির ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় সমস্যা সমাধানে সংগঠিত হয়।
- নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি। রাজনৈতিক দলকে প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের ‍মূল ভিত্তি বলা হয়।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হলো নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
৮,১৭৩.
'আলকাপ গান' বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
• আলকাপ গান:
- আলকাপ গান পালাগানের একটি শাখা।
- সাধারণত পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও মালদহ এবং বাংলাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে এ গানের প্রচলন বেশি।
- আলকাপ একটি দলীয় ও মিশ্র প্রকৃতির সঙ্গীত প্রদর্শন। এতে নাচ, গান, কথা, ছড়া, অভিনয় ইত্যাদির মিশ্রণ আছে। 
 - আলকাপ গানের প্রধান দুটি অংশ- গান গাওয়া ও বোল বা ছড়া কাটা।
- গানের বিষয়বস্ত্ত সাধারণত রাধাকৃষ্ণলীলা ও অন্যান্য পৌরাণিক কথা, আর ছড়ার বিষয়বস্ত্ত সমকালের সামাজিক ঘটনা। 
- সারি গান  এক প্রকার  লোকসঙ্গীত, যা শ্রমসঙ্গীত বা কর্মসঙ্গীত নামেও পরিচিত।
- নৌকার মাঝি-মাল্লাদের গান হিসেবেই এর প্রধান পরিচয়।
- মাঝিরা সারিবদ্ধভাবে বসে বৈঠা টানার তালে তালে এ গান গায় বলেই এর নাম হয়েছে সারি গান।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
৮,১৭৪.
২০২০-২০২১ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে স্থিলমূল্যে জিডিপিতে কোন খাতে সর্বাধিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে?
  1. ক) কৃষিখাত
  2. খ) শিল্পখাত
  3. গ) মৎসখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
- ২০২০-২০২১ অর্থবছরে সাময়িক হিসাবে স্থিরমূল্যে জিডিপির বিভিন্ন খাতসূহের প্রবৃদ্ধি:
- শিল্পখাত : ৬.১২ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫.৬১ শতাংশ
- কৃষিখাত : ৩.৪৫ শতাংশ
- মৎস্যখাত : ৫.৭৪ শতাংশ
- খনিজ ও খনন : ০.২৯ শতাংশ (সর্বনিম্ন)
- স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা : ৯.৯৪ শতাংশ (সর্বোচ্চ)।
(তথ্যসূত্র: বিবিএস ওয়েবসাইট)
৮,১৭৫.
আনুষ্ঠানিকভাবে কত তারিখে ৬ দফা ঘোষণা করা হয়?
  1. ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা ঘোষণা:

• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
• এটাই ইতিহাসে 'ছয় দফা কর্মসূচি' নামে পরিচিত।
• ৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার। 
• প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
• দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
• তৃতীয়বার ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
• ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন সি এস পি কর্মকর্তা ছিলেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 
৮,১৭৬.
সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. সুসুনিয়া লিপি
  2. এলাহাবাদ প্রশস্তি লিপি
  3. গয়ালিপি
  4. এরণ লিপি
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত সম্ভাব্য ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে তাঁর মৃত্যু হয়।
- প্রাচীন ভারতের ইতিহাসে রাজ্য বিজেতারূপে যে সকল সম্রাট খ্যাতি লাভ করেছেন, সমুদ্রগুপ্ত তাঁদের মধ্যে প্রথম সারিতে স্থান পেয়েছেন।
- উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত গাঙ্গেয় উপত্যকার স্থানীয় একটি রাজ্যকে তিনি সর্বভারতীয় এক সাম্রাজ্যে পরিণত করেন।
- প্রাচীন ভারতের তৃতীয় সাম্রাজ্যবাদী পুরুষ হিসাবে সমুদ্রগুপ্ত বিখ্যাত।
- সমুদ্রগুপ্তের রাজ্যজয় সম্পর্কে হরিষেণ রচিত এলাহাবাদ প্রশস্তিতে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।
- এলাহাবাদ প্রশস্তি লিপি সমুদ্রগুপ্তের ইতিহাসের প্রধান উৎস।
- আর্যাবর্তের সকল রাজাকে পরাজিত করে তিনি 'সর্বরাজোচ্ছেত্তা' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সমুদ্রগুপ্তের সাম্রাজ্য ছিল প্রভুত্ব ও স্বায়ত্ত্বশাসনের এক অপূর্ব সমন্বয়।
- দিগ্বিজয় সম্পন্ন করে তিনি 'অশ্বমেধযজ্ঞ' অনুষ্ঠান করেন এবং এই যজ্ঞের স্মৃতিরক্ষায় স্বর্ণমুদ্রা প্রচলন করেন।
- তিনি ছিলেন প্রচন্ড সাম্রাজ্যবাদী।
- ড. স্মিথ সম্ভবত এ কারণেই সমুদ্রগুপ্তকে 'ভারতীয় নেপোলিয়ন' আখ্যা দিয়েছেন।
- ভারতের জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকগণ মনে করেন, আসমুদ্রহিমাচল বিস্তৃত ভারতভূমিকে এক শাসনে আবদ্ধ করাই ছিল সমুদ্রগুপ্তের লক্ষ।
- কুষাণ সাম্রাজ্যের পতনের পর ভারতের রাজনীতিতে যে শক্তিশূন্যতা দেখা দেয় গুপ্ত সাম্রাজ্য তা দূর করে।
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন সাধুব্যক্তিদের আশাস্বরূপ, আর অসাধুদের জন্য প্রলয়। হরিষেণ সমুদ্রগুপ্তকে মানুষের আকৃতিতে দেবতা তুল্য 'অচিন্ত্যপুরুষ' বলে আখ্যায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭৭.
ছয় দফা আন্দোলনের ৫ম দফাটি কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগ এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা ‘ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকাটা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। 
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৭৮.
টি-২০ ক্রিকেটের ১০০০তম ম্যাচটি জয় লাভ করে-
  1. ক) ভারত
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) শ্রীলঙ্কা
  4. ঘ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর-২০১৯।
৮,১৭৯.
বিবিএস-এর সর্বশেষ ২০২৩ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় শীর্ষে কোন বিভাগ রয়েছে?
  1. সিলেট বিভাগ
  2. বরিশাল বিভাগ
  3. ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় শীর্ষ বিভাগ:
- ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) করা 'ফুড সিকিউরিটি স্ট্যাটিসটিকস ২০২৩' শীর্ষক এক জরিপ অনুযায়ী -
- তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ০.৮৩ শতাংশ মানুষ।
- মাঝারি ধরনের খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে ২১.৯১ শতাংশ।
- মাঝারি বা তীব্র খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায় শীর্ষে রয়েছে রংপুর বিভাগ (২৯.৯৮ শতাংশ)।
 
অন্যদিকে খাদ্য নিরাপত্তাহীনতায়,
- ২য় স্থানে রয়েছে সিলেট বিভাগ (২৬.৪৮ শতাংশ),
- ৩য় স্থানে রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগ (২৬ শতাংশ),
- ৪র্থ স্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ (২৫.০১ শতাংশ),
- ৫ম স্থানে রয়েছে বরিশাল বিভাগ (২২.৮৩ শতাংশ),
- ৬ষ্ঠ স্থানে রয়েছে খুলনা বিভাগ (২২.০৭ শতাংশ),
- ৭ম স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগ(১৯.৬৬ শতাংশ),
- ৮ম স্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ (১৬.৪০ শতাংশ)।
 
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৮,১৮০.
NNP এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Net National Production
  2. Net National Product
  3. National Net Production
  4. Net National Price
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৮১.
'বাংলাদেশে গ্রাম আদালত আইন' প্রণীত হয় কবে?
  1. ২০০১ সালে
  2. ২০০৪ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৯ সালে
ব্যাখ্যা

• গ্রাম আদালত আইন:
- বাংলাদেশে ২০০৬ সালে গ্রাম আদালত আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রামের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ন্যায়বিচার সহজলভ্য করা এবং আদালতের চাপ কমানো।
- প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের অধীনে গ্রাম আদালত গঠিত হয়, যা ইউনিয়নের এখতিয়ারভুক্ত এলাকায় কার্যকর।
- আদালত গঠিত হয় চেয়ারম্যান (সভাপতি), প্রতিপক্ষের মনোনীত ২ জন সদস্য, ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মধ্য থেকে নির্ধারিত সদস্য দিয়ে।
- বিচারযোগ্য মামলায় দেওয়ানি ক্ষতিপূরণ সর্বোচ্চ ২৫,০০০ টাকা।
- আদালতের রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতায় (৩ বা ২ ভোটে) গৃহীত হয় এবং আপিলের সুযোগ রয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট বা সহকারী জজ আদালতে।
- আইনটি গ্রামীণ ন্যায়বিচারকে শক্তিশালী করে এবং স্থানীয় পর্যায়ে দ্রুত নিষ্পত্তি নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র: গ্রাম আদালত আইন।

৮,১৮২.
বঙ্গভঙ্গের ফলে নতুন প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. ক) কলকাতা
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) আসাম
  4. ঘ) দিল্লী
ব্যাখ্যা
- বঙ্গভঙ্গ বিশ শতকের গোড়ার দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ায় ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের জন্য বৃটিশ সরকারী মহলে অনেক প্রস্তাব আসে।
- শেষ পর্যন্ত মূলত প্রশাসনিক কারণে লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দের অক্টোবরে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে নতুন একটা প্রদেশ সৃষ্টি করেন।
- পূর্ববঙ্গ ও আসাম নতুন প্রদেশের রাজধানী ছিল ঢাকা। 
- পূর্ববঙ্গের মুসলমানরা এতে খুশী হলেও বাংলার বর্ণ হিন্দুরা এর বিরুদ্ধে প্রবল আন্দোলন গড়ে তোলে।
- তাদের চাপে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ বাতিল ঘোষণা করতে বাধ্য হয়।


উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,১৮৩.
বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল কোনটি?
  1. আপিল বিভাগ
  2. হাইকোর্ট বিভাগ
  3. জজ কোর্ট
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

আপিল বিভাগ:
- বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ এবং সর্বশেষ আশ্রয়স্থল হল আপিল বিভাগ।
- হাইকোর্ট বিভাগের আদেশের প্রেক্ষিতেই কেবল এখানে আপিল করা যায়।
- এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।

আপিল বিভাগের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির ও তা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৮৪.
'কানাইবাঁশী' কী ফলের নাম?
  1. পেঁপে
  2. জাম
  3. কলা
  4. পেয়ারা
ব্যাখ্যা

কলার উন্নত জাত:
- অগ্নিশ্বর
- অমৃতসাগর
- মোহনবাঁশী
- কানাইবাঁশী
- কবরি।

অন্যদিকে,
উন্নত জাতের আমঃ
- গোপালভোগ,
- মহানন্দা,
- মোহনভোগ,
- হাড়িয়াভাঙ্গা,
- ল্যাংড়া,
- গৌড়মতি,
- ক্ষীরষাপাতি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৮,১৮৫.
সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম লালু কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ক) ৫ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ৯ নং
  4. ঘ) ১১ নং
ব্যাখ্যা

সর্বকনিষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা শহীদুল ইসলাম লালু ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন ।

-লালু নামে পরিচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। স্বাধীনতা যুদ্ধে তার সাহসিকতার জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করে। 

-তিনি বাংলাদেশে বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত সর্বকনিষ্ঠ মুক্তিযোদ্ধা।

-তিনি ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস:molwa.gov.bd( মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)

৮,১৮৬.
কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে কোন বাঙালি গবেষণা করেন?
  1. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল
  3. ড. ফেরদৌসী কাদরী
  4. মুহম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
- কৃষ্ণগহ্বর নিয়ে গবেষণা করেছেন বাঙালি বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম। 

বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
৮,১৮৭.
শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের পথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাধা কোনটি?
  1. শিল্পাঞ্চলের অভাব
  2. রাজনৈতিক অস্থিরতা
  3. দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষার সঙ্গে কর্মক্ষেত্রের অসামঞ্জস্য
  4. ক্ষুদ্রঋণের স্বল্পতা
ব্যাখ্যা

♦ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি:
- শ্রমনির্ভর অর্থনীতি হলো এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে পণ্য ও সেবা উৎপাদনের প্রক্রিয়ায় মানুষের শ্রম মূলধন বা যন্ত্রপাতি এর তুলনায় অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়।
- উৎপাদন প্রক্রিয়ায় শ্রমের অনুপাত খুব বেশি থাকে।
- যন্ত্রপাতি বা অটোমেশনের পরিবর্তে বেশি সংখ্যক শ্রমিক নিয়োগ করে কাজ করানো হয়।
- এ ধরনের অর্থনীতিতে সস্তা ও প্রচুর শ্রমশক্তি থাকলে সুবিধা হয়, কারণ উৎপাদন খরচ কমে।

♦ উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতি:
- উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতি হল এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করে।
- উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে সস্তা শ্রমের পরিবর্তে মূল ভিত্তি হল দক্ষতা, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতা।

♦ শ্রমনির্ভর অর্থনীতি থেকে উৎপাদন ভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর:
- বাংলাদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমনির্ভর মডেলে (বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে সস্তা শ্রমের সুবিধা নিয়ে) চলছে।
- বর্তমানে উৎপাদনভিত্তিক বা জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তর জরুরি, যাতে উচ্চমূল্যের পণ্য, প্রযুক্তি ও উৎপাদনশীলতা বাড়ে।
- এই রূপান্তরের পথে সবচেয়ে বড় বাধা হলো দক্ষ মানবসম্পদের ঘাটতি এবং শিক্ষা-কর্মক্ষেত্রের গভীর অসামঞ্জস্য।
- শিক্ষা ব্যবস্থা সার্টিফিকেট-কেন্দ্রিক, প্র্যাকটিক্যাল ও ইন্ডাস্ট্রি-রিলেটেড স্কিল তৈরিতে ব্যর্থ।
- ফলে শিল্পপতিরা দক্ষ কর্মী না পেয়ে উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারছেন না।
- উচ্চমূল্যের খাতে (আইটি, ফার্মা, ইলেকট্রনিক্স) প্রবেশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড পত্রিকার রিপোর্ট।

৮,১৮৮.
’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির প্রথম সুরকার কে? 
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আবদুল লতিফ
  3. প্রিন্স মাহমুদ
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ।
- সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে।
- 'রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার।

৮,১৮৯.
'ধান' নিচের কোন রোগে সংক্রমিত হয়?
  1. ব্লাস্ট রোগ
  2. উফরা রোগ
  3. বাদামি দাগ রোগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
ধানের রোগ:
১. বাদামি দাগ রোগ:
- ধানের বাদামি দাগ রোগের কারণ বাইপোলারিস ওরাইজি (Bipolaris oryzae) নামক ছত্রাক।

২. ব্লাস্ট রোগ (Blast):
- ধানের ব্লাস্ট রোগের কারণ পাইরিকুলারিয়াগ্রিসিয়া (Pyricularia grisea) নামক ছত্রাক।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট বলছে ধানের ব্লাস্ট একটি ছত্রাক-জনিত মারাত্মক ক্ষতিকারক রোগ।
- বোরো এবং আমন মৌসুমে সাধারণত ব্লাস্ট রোগ হয়।

৩. খোল পচা রোগ (Sheath rot):
- ধানের খোল পচা রোগের কারণ স্যারোক্লেডিয়াম ওরাইজি (Sarocladium oryzae) নামক ছত্রাক।

৪. ব্যাকটেরিয়াজনিত পোড়া রোগ (Bacterial Blight):
- জ্যানথোমোনাস অরাইজি পিভি অরাইজি (Xanthomonas oryzae pv.oryzae) এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া।

৫. টুংরো (Tungro):
- টুংরো রোগের কারণ রাইস টুংরো ভাইরাস (Rice Tungro Virus) নামক এক ধরনের অতি সূক্ষ্ম জীবাণু বা ভাইরাস।

৬. উফরা রোগ (ডাক পোড়া) (Ufra):
- উফরা রোগ (ডাক পোড়া) রোগের কারণ ডাইটিলেংকাস এ্যাংগাসটাস (Ditylenchus angustus) নামক এক ধরনের কৃমি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস (AIS) ওয়েবসাইট।
৮,১৯০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র -
  1. মাইক
  2. তর্জনী
  3. দ্য স্পিচ
  4. ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
মাইক:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে উপজীব্য করে বাংলাদেশ সরকারের অনুদানে নির্মিত হয়েছে পূর্ণদৈর্ঘ্য শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘মাইক’।
- চলচ্চিত্র ‘মাইক’ তরুণ লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক এফ এম শাহীনের প্রযোজনায় চলচ্চিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন এফ এম শাহীন ও হাসান জাফরুল (বিপুল)।
- এর মাধ্যমে তরুণ প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণসহ স্বাধীনতার ইতিহাস জানতে পারবে।
- মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরতে মাইক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
- পঁচাত্তরে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ৭ মার্চের ভাষণ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল এবং রাজাকারদের যেভাবে উত্থান ঘটেছিল, সেই ইতিহাস এ সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে।
- সিনেমায় দাইয়ান, সানজিদ, মেঘসহ চার শিশুশিল্পী অভিনয় করে।

অন্যদিকে -
- চাষী নজরুল ইসলামের 'ওরা ১১ জন' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ চলচ্চিত্র।
- ৭ই মার্চের ভাষণে অনুপ্রাণিত সোহেল রানা বয়াতি নির্মিত চলচ্চিত্র ‘তর্জনী’।
- ১৯৭১ এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ’।

উৎস: ২৮ মার্চ, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৮,১৯১.
বাঙালি মুসলমানদের মাঝে ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারে কোন মনীষী অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?
  1. ক) নওয়াব খাজা সলিমুল্লাহ
  2. খ) হাজী মুহাম্মাদ মুহসীন
  3. গ) নওয়াব আবদুল লতিফ
  4. ঘ) মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা
বাংলার মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ও ইংরেজি শিক্ষা বিস্তারে নওয়াব আব্দুল লতিফ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
এ বিষয়ে তিনি সরকারের নিকট মুসলমানদের পক্ষে বিভিন্ন দাবী দাওয়া পেশ করেন। তার প্রচেষ্টায় মুহসিন ফান্ডের অর্থ কেবল মুসলমান ছাত্রদের জন্যে ব্যয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
তিনি ১৮৬৩ সালে মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি গঠন করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,১৯২.
দেশে বর্তমানে কয়টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর:
- দেশে বর্তমানে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে।
• এগুলো হলো:
১. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা।
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রাম।
৩. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সিলেট।

উল্লেখ্য,
- ১২ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে 'আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' ঘোষণা করেছে।
- ২৪ শে অক্টোবর ২০২৫ কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ঘোষণার দুই সপ্তাহ পর সরকার পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক ফ্লাইট কার্যক্রম স্থগিত করে একটি অফিস আদেশ জারি করেছে।

উৎস: i) বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বিএসস। 

৮,১৯৩.
ই-টিআইএন বলতে বুঝায়-
  1. ক) নাবিকদের পরিচিতি নাম্বার
  2. খ) বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিচিতি নাম্বার
  3. গ) পুলিসের পরিচিতি নাম্বার
  4. ঘ) করদাতাদের পরিচিতি নাম্বার
ব্যাখ্যা

- টিআইএন (TIN এর পূর্ণরূপ Taxpayers Identification Number) হচ্ছে করদাতা সনাক্তকরণ নাম্বার।
- এটি ১৯৯৩ সালে থেকে প্রবর্তন করা হয়।

উৎস: এন.বি.এর ওয়েবসাইট

৮,১৯৪.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
  2. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
- এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
- এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
- তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৮,১৯৫.
কোন মুঘল সুবেদার লালবাগ কেল্লা নির্মাণ করেন?
  1. মীর মানস
  2. শাহ সুজা
  3. শায়েস্তা খান
  4. ইসমাইল খান
ব্যাখ্যা

লালবাগ কেল্লা:
- লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত।
- সতের শতকে ১৬৭৮ সালে সুবাদার আজম শাহ এটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন। মাঝে এর কাজ বন্ধ হয়ে গেলে ১৬৮০ সালে শায়েস্তা খান পুনরায় এর কাজ শুরু করে এটি নির্মাণ করেন।
- লালবাগ কেল্লার অভ্যন্তরে শায়েস্তা খানের কন্যা 'ইরান দুখত রহমত বানুর' সমাধি অবস্থিত। 
- ইরান দুখত 'পরীবিবি' নামে পরিচিত।
- ১৯১০ সালে লালবাগ কেল্লা প্রত্নতত্ত্ব নির্দশন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এর আদি নাম কেল্লা আওরঙ্গবাদ। লালবাগে অবস্থিত হওয়ায় পরে এর নামকরণ করা হয় লালবাগ কেল্লা।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

৮,১৯৬.
সংবিধানের কততম অনুচ্ছেদ ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত?
  1. ৯৭
  2. ৯৫
  3. ৯৬
  4. ৯৪
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদ ’সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা’ সম্পর্কিত

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৯৫- ’বিচারক-নিয়োগ’ সম্পর্কিত
অনুচ্ছেদ ৯৬- ’বিচারকদের পদের মেয়াদ’ সম্পর্কিত
অনুচ্ছেদ ৯৭- ’অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি’ নিয়োগ সম্পর্কিত

• সুপ্রিম কোর্ট :
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- এর রয়েছে দুটি বিভাগ, যথা: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়। রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিযুক্ত করেন।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে অথবা বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন।

উৎস: বাংলাদেশে ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি এবং সংবিধান।

৮,১৯৭.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুসা ইব্রাহিম এভারেস্ট জয় করেন কত তারিখ?
  1. ১৯ মে, ২০১০
  2. ২১ মে, ২০১০
  3. ২৩ মে, ২০১০
  4. ২৬ মে, ২০১০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে
প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- এখন পর্যন্ত ৫ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ আগস্ট ২০২২, দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
৮,১৯৮.
পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৫১ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭১ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা

পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
- পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে।
- মুঘল সম্রাট আকবর এবং দিল্লির হিন্দু রাজা হেমচন্দ্র বিক্রমাদিত্য (হেমু)-র মধ্যে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- বৈরাম খানের নেতৃত্বে মুঘল বাহিনী হেমুর বিশাল বাহিনীকে পরাজিত করে ভারতে মুঘল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা ও সুদৃঢ় করে। 

উল্লেক্য,
- ১৫২৬ সালে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদিকে পরাজিত করার মধ্য দিয়ে সম্রাট বাবর ভারতবর্ষে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেন। সম্রাট বাবরের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র হুমায়ুন সিংহাসনে বসেন। সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসেন তাঁর ১৩ বছর বয়সী পুত্র আকবর। সম্রাট আকবর সিংহাসনে আরোহণের সময় মোগল সাম্রাজ্য ছোট হয়ে কেবল কাবুল, কান্দাহার ও পাঞ্জাবের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। সম্রাট আকবর তাঁর অভিভাবক বৈরাম খাঁর পরামর্শে রাজ্য শাসন করছিলেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,১৯৯.
রাষ্ট্রপতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী দেশে জরুরী অবস্থার ঘোষণা করতে পারেন?
  1. ক) ১৪১
  2. খ) ১৪১ (ক)
  3. গ) ১৪১ (খ)
  4. ঘ) ১৪১ (গ)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪১ (ক) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দেশে জরুরী অবস্থার ঘোষণা করতে পারেন। 

১৪১। (১) প্রত্যেক কমিশন প্রতি বৎসর মার্চ মাসের প্রথম দিবসে বা তাহার পূর্বে পূর্ববর্তী একত্রিশে ডিসেম্বরে সমাপ্ত এক বৎসরে স্বীয় কার্যাবলী সম্বন্ধে রিপোর্ট প্রস্তুত করিবেন এবং তাহা রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করিবেন। 
 
(২) রিপোর্টের সহিত একটি স্মারকলিপি থাকিবে, যাহাতে 
 
(ক) কোন ক্ষেত্রে কমিশনের কোন পরামর্শ গৃহীত না হইয়া থাকিলে সেই ক্ষেত্র এবং পরামর্শ গৃহীত না হইবার কারণ; এবং 
 
(খ) যে সকল ক্ষেত্রে কমিশনের সহিত পরামর্শ করা উচিত ছিল অথচ পরামর্শ করা হয় নাই, সেই সকল ক্ষেত্র এবং পরামর্শ না করিবার কারণ; 
 
সম্বন্ধে কমিশন যতদূর অবগত, ততদূর লিপিবদ্ধ করিবেন। 
 
(৩) যে বৎসর রিপোর্ট পেশ করা হইয়াছে, সেই বৎসর একত্রিশে মার্চের পর অনুষ্ঠিত সংসদের প্রথম বৈঠকে রাষ্ট্রপতি উক্ত রিপোর্ট ও স্মারকলিপি সংসদে উপস্থাপনের ব্যবস্থা করিবেন।
--------------------------------------------------------
১৪১ক। (১) রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, এমন জরুরী-অবস্থা বিদ্যমান রহিয়াছে, যাহাতে যুদ্ধ বা বহিরাক্রমণ বা অভ্যন্তরীণ গোলযোগের দ্বারা বাংলাদেশ বা উহার যে কোন অংশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবন বিপদের সম্মুখীন, তাহা হইলে তিনি2[অনধিক একশত কুড়ি দিনের জন্য] জরুরী-অবস্থা ঘোষণা করিতে পারিবে 3[: 
 
সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান। 
৮,২০০.
২০২১ সাল থেকে চালু হওয়া বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব পদক প্রতি বছর কত তারিখে দেয়া হবে?
  1. ক) ৮ অগাস্ট
  2. খ) ১৫ ডিসেম্বর
  3. গ) ১৭ মার্চ
  4. ঘ) ১৮ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিব পদক:
বাঙালির মুক্তিসংগ্রামে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদান চিরস্মরণীয় করার লক্ষ্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এই পদক প্রবর্তন করেছে সরকার।
প্রতিবছর ৮ অগাস্ট বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর জাতীয় অনুষ্ঠানে মনোনীতদের এই পদক দেওয়া হবে।
রাজনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ও ক্রীড়া, সমাজসেবা, স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ, গবেষণা, কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার জন্য ২০২১ সালে পাঁচজন বাংলাদেশি নারীকে এই পদক দেওয়া হয়।
 
সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২