বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮১ / ৩০৬ · ৮,০০১৮,১০০ / ৩০,৮৩২

৮,০০১.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন কোন সিটি কর্পোরেশনে? [মে, ২০২৫]
  1. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  3. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
  4. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে মোট জনসংখ্যা - ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.১২% ।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১ কোটি ৬০ লাখ ৬৫ হাজার ৮০৪ জন।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে - ঢাকা বিভাগে (৪৫৬৪৪৫৮৬ জন)।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে কোন - বরিশাল বিভাগে (৯৩২৫৮২০ জন)।
- সিটি কর্পোরেশনগুলোর মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৪৩,০৫,০৬৩ এবং বরিশালে সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জনসংখ্যা বসবাস করে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব বিবেচনায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩৯,৪০৬ জন বসবাস করে।
- অন্যদিকে জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বনিম্ন রংপুর সিটি কর্পোরেশনে যেখানে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ৩,৪৪৫ জন বসবাস করে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
৮,০০২.
'একুশে পদক' প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সাল
  2. খ) ১৯৭৬ সাল
  3. গ) ১৯৭৮ সাল
  4. ঘ) ১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
- জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
- একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
- একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।
- একুশে পদক দেয়া হয় ১১ টি বিভাগে। 
- ২০২২ সালে একুশে পদক লাভ করেন ২৪ জন ব্যক্তি।
- এ বছরের একুশে পদক ঘোষণা করা হয় - ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৮,০০৩.
‘দ্য বাংলাদেশ কোড’ বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি অফিস ভবনের নাম
  2. বাংলাদেশ ব্যাংকের কোড
  3. বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক কোড
  4. বাংলাদেশে প্রচলিত সব আইন সম্বলিত বই
ব্যাখ্যা
দ্য বাংলাদেশ কোড:
- বাংলাদেশ লজ (রিভিশন অ্যান্ড ডিক্লারেশন) অ্যাক্ট-১৯৭৩ অনুযায়ী দেশে প্রচলিত সব আইন একত্র করে বই আকারে প্রকাশের বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- এই বই-ই ‘বাংলাদেশ কোড’।
- আইন মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদবিষয়ক বিভাগের উদ্যোগে মোট ৪৭ খণ্ডে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কোডের মোড়ক উন্মোচন করেন।
-  লাল-সবুজের প্রচ্ছদে ‘বাংলাদেশ কোড’।

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রচলিত সব আইন নিয়ে সর্বশেষ ২০১৬ সালে ৪২ খণ্ডে বাংলাদেশ কোড প্রকাশ করা হয়েছিল।
- এবার প্রকাশিত বাংলাদেশ কোডে ২০২৩ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত প্রণয়ন হওয়া ১ হাজার ১৭৭টি আইন যুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: ২৩ অক্টোবর ২০২৩, প্রথম আলো।
৮,০০৪.
২ নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর খালেদ মোশাররফ
  2. মেজর এ.টি.এম হায়দার
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
২ নং সেক্টর:   
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল। 
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের অন্যতম প্রধান সাফল্য হলো বেলোনিয়া সূচিবুূ্যহ প্রতিরক্ষা।
- ১ নং ও ২ নং সেক্টরের বাহিনীর যৌথ অভিযানের ফলে ২১ জুন পর্যন্ত বেলোনিয়া সূচিব্যুহের প্রবেশপথ সম্পূর্ণ মুক্ত ছিল।
- ২ নম্বর সেক্টরের কয়েকটি নিয়মিত কোম্পানি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অভিযান পরিচালনা করে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,০০৫.
ডিরোজিও কত বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) একুশ
  2. খ) বাইশ
  3. গ) তেইশ
  4. ঘ) চব্বিশ
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা।
- দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে।
- যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।

- ‘রেনেসাঁস যুগে বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ‘ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- তরুণ সমাজের পুরোনো ধ্যান-ধারণা পাল্টে দিতে ডিরোজিও কর্তৃক ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ‘একাডেমি এ্যাসোসিয়েশন' গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- একাডেমির তরুণদের এই শিক্ষা দেয়া হয় যে যুক্তিহীন বিশ্বাস হলো মৃত্যুর সমান।
- নতুন চিন্তাধারায় প্রভাবিত তরুণরা সনাতনপন্থী হিন্দু এবং গোঁড়াপন্থী খ্রিস্টানদের ধর্মবিশ্বাস ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সমালোচনা মুখর হয়ে উঠে।

- ডিরোজিও এবং তার ছাত্রদের প্রকাশিত সাপ্তাহিক এবং দৈনিক পত্রিকাতেও সমাজ, ধর্মের বিভিন্ন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে নিন্দাসূচক লেখা প্রকাশিত হয়।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর ছাত্র না হলেও তাঁর আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- ডিরোজিওর অনুসারীদের আন্দোলন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকেও প্রভাবিত করেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০০৬.
বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন কে?
  1. রাহা খন্দকার
  2. নিশাত মজুমদার
  3. তানিয়া মামুন
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
• ওয়াসফিয়া নাজরীন:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ওই বছরের ২৬ মে সকাল পৌনে ৭টায় বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ এভারেস্টের চূড়ায় আরোহণ করেন তিনি।
- ওয়াসফিয়া নাজরীন বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয় (সেভেন সামিট) করেছেন।

• নিশাত মজুমদার:
- ২০১২ সালের ১৯ মে বেলা সাড়ে ১১টায় প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে পৃথিবীর শীর্ষচূড়া এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার।
- তার এ বিজয়ের মাধ্যমে নারীদের শক্তি ও অর্জন হিমালয় উচ্চতায় স্থান পায় বলে প্রতীয়মান হয়।
- এর আগে ২০০৩ সালে এভারেস্ট বিজয়ের ৫০ বছর পূর্তিতে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ চূড়া কেওক্রাডং জয় করেন নিশাত।

- ষষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করলেন বাবর আলী।

উৎস: প্রথম আলো।
৮,০০৭.
গঙ্গা কপোতাক্ষ প্রকল্পের উদ্দেশ্য-
  1. ক) বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  2. খ) সেচ
  3. গ) নদীর ভাঙন রোধ
  4. ঘ) লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের প্রথম সেচ প্রকল্প। এটি কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারায় অবস্থিত। ১৯৫৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬৯ সালে শেষ হয়।

কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ ও মাগুড়া জেলার ১৩টি উপজেলার প্রায় ৪ লাখ ৮৮ হাজার একর জমি সেচের বন্দোবস্ত করা এই প্রকল্পের মুখ্য উদ্দেশ্য।
বর্তমানে দেশে সেচের আওতাধীন জমির পরিমাণ প্রায় ৫৬ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কুষ্টিয়া জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া)
৮,০০৮.
খাসিয়া পুঞ্জি প্রধানকে কী বলা হয়?
  1. সিয়েম
  2. রোয়াজা
  3. মৌজা প্রধান
  4. মাতবর
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:

- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,০০৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) আট
  2. খ) দশ
  3. গ) এগার
  4. ঘ) পনের
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে নৌ সেক্টর ছিলো ১০নং সেক্টর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টর এবং মুজিবনগর ৮নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- সেক্টর প্রধানরা সেক্টর কমান্ডার নামে পরিচিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৮,০১০.
নিচের কোন শাসক 'শকারি' উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  3. প্রথম কুমারগুপ্ত
  4. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্তের উত্তরাধিকারী হিসাবে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত এক বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করেন।
- পশ্চিম ভারত থেকে শকদের বিতাড়ন তার মুখ্য সামরিক কৃতিত্ব।
- এ কারণে তিনি 'শকারি' উপাধি গ্রহণ করেন।
- অন্যান্য দিকে তিনি সাম্রাজ্য সম্প্রসারণ এবং দৃঢ় শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তিনি নাগ ও বাকাটক বংশীয় রাজাদের সাথে বন্ধুত্ব স্থাপন করেন।
- মহাকবি কালিদাসসহ অনেক জ্ঞানী-গুণী ব্যক্তি তাঁর সভা অলঙ্কৃত করেছিলেন।
- শৌর্য-বীর্য, শিক্ষা-সংস্কৃতি ও অর্থনৈতিক উন্নতির পরিচয় বহন করে তাঁর রাজত্বকাল।
- দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তই সম্ভবত কিংবদন্তীর বিক্রমাদিত্য। তাঁর রাজত্বকালে চৈনিক পর্যটক ফা-হিয়েন ভারত সফর করেন।
- ফা-হিয়েনের বিবরণে দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের সময়কার আর্থ-সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় জীবনচিত্রের অনেকটাই বিধৃত হয়ে আছে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,০১১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. জার্মানিতে
  2. ফ্রান্সে
  3. জাপানে
  4. যুক্তরাষ্ট্রে
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসাবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।

⇒ অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে জাপানে।

উল্লেখ্য,
⇒ দেশভিত্তিক রপ্তানি আয়ের পরিমাণ ⎯
১. শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১৫.৮৭%।

২. দ্বিতীয় দেশ: জার্মানি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১১.২১%।

৩. তৃতীয় দেশ: যুক্তরাজ্য,
- রপ্তানির পরিমাণ: ৪,০৪৫.৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ১০.৫২%।

৪. চতুর্থ দেশ: ফ্রান্স,
- রপ্তানির পরিমাণ: ২,১৯২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৫.৭০%।

৫. পঞ্চম দেশ: ইতালি,
- রপ্তানির পরিমাণ: ১,৬২৭.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,
- রপ্তানির হার: ৪.২৩%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৮,০১২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি কে ছিলেন?
  1. ক) সমর সেন
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) সুখবিন্দর সিং
  4. ঘ) অজয় কর
ব্যাখ্যা
সমর সেন (জন্ম: ১০ অক্টোবর, ১৯১৬ — মৃত্যু: ২৩ আগস্ট, ১৯৮৭)
- ছিলেন একজন উল্লেখযোগ্য বাংলাভাষী স্বাধীনতা - উত্তর কালের ভারতীয় কবি এবং সাংবাদিক।
- তিনি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ দীনেশচন্দ্র সেনের পৌত্র।
- আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধ ছিলেন সমর সেন।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,০১৩.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোথায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. রংপুর 
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

নেপ:
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
- মহান স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি)গুলো রূপান্তরিত হয়ে কলেজ অব এডুকেশন নামে যাত্রা শুরু করে ।
- ১৯৭৮ সালে ময়মনসিংহস্থ কলেজ অব এডুকেশনটি "মৌলিক শিক্ষা একাডেমি" (Academy for Fundamental Education) নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)" ।
- ২০০৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে একাডেমি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে।

সূত্র: নেপ ওয়েবসাইট

৮,০১৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন ৮নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন-
  1. মেজর শওকত আলী
  2. কে এম শফিউল্লাহ
  3. আবু ওসমান চৌধুরী
  4. মেজর সি আর দত্ত
ব্যাখ্যা

- গতবছর বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের দুইজন সেক্টর কমান্ডার মৃত্যুবরণ করেন। উনাদের একজন আবু ওসমান চৌধুরী এবং অপরজন মেজর সি আর দত্ত।
- ২৫ আগস্ট ২০২০ সালে ৪ নং সেক্টর কমান্ডার মেজর সি আর দত্ত এবং
- ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০ সালে ৮ নং সেক্টর কমান্ডার আবু ওসমান চৌধুরী মৃত্যুবরণ করেন।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

৮,০১৫.
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম -
  1. মুক্তির গান
  2. রানওয়ে
  3. যাত্রা
  4. মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম - রানওয়ে

• চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার হিসেবে সমাদৃত তারেক মাসুদ।
- শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আশফাক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।
- সবার কাছে মিশুক মুনীর নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি।
- তিনি চেয়েছিলেন তার ‘রানওয়ে’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের দর্শকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে।
- জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ বিরোধী একটি রাজনৈতিক ছবি ‘রানওয়ে’ নিয়ে ভেবেছিলেন অন্য ভাবনা।
- ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তাচেতনাকে অগ্রাহ্য করে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকা পরও অবলীলায় নিজের তৈরি ছবি ‘রানওয়ে’কে বন্দরনগরীতে ২০১০ সালের ৪ অক্টোবরে মুক্তি দিয়েছিলেন।
- ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ মুক্তি পায়।
- ২০১১ সালের ১৩ অগস্ট মাসে কাগজের ফুল লোকেশন দেখতে গিয়ে ফিরে আসার সময় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মারা যান। 

সূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,০১৬.
কার উদ্যোগে ব্রাহ্মসমাজ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) হেনরি লুই ডি রোজিও
  2. খ) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. গ) রাজা রামমোহন রায়
  4. ঘ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা
বাংলার নবজাগরণের অগ্রদূত রাজা রামমোহন রায়ের উদ্যোগে ১৮২৮ সালের ২০ আগস্ট ব্রাহ্মসমাজ বা ব্রাহ্মসভা প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্রাহ্মসমাজ মানে হলো ঈশ্বরের সমাজ। ব্রাহ্মসমাজের সভ্যরা একে সর্বজনীন ধর্ম হিসেবে বিবেচনা করতো। দ্বারকানাথ ঠাকুর ও দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্রাহ্মসমাজের অনুসারী ছিলেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,০১৭.
পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কতটি আসন লাভ করে?
  1. ২৮৮টি
  2. ৩০০টি
  3. ২২৮টি
  4. ১৬৭টি
ব্যাখ্যা
সত্তরের নির্বাচনের ফলাফল:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে দুটি রাজনৈতিক দল প্রধান হয়ে দেখা দেয়।
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে।
- বাকি ২টি আসনের ১টি পায় পিডিপি (পাকিস্তান ডেমোক্রাটিক পার্টির নূরুল আমিন।
- তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
- অপরটি পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা রাজা ত্রিদিব রায় (স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে)।
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- অপরপক্ষে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০১৮.
কোন মুসলিম চিন্তাবিদ প্রথম 'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন?
  1. আল্লামা ইকবাল
  2. সৈয়দ আহমদ খান
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. মওলানা আকরম খাঁ
ব্যাখ্যা

⇒ মুসলিম চিন্তাবিদদের মধ্যে সৈয়দ আহমদ খান প্রথম 'দ্বি-জাতি তত্ত্ব' সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেন।

♦ দ্বি-জাতি তত্ত্ব:
→ দ্বি-জাতি তত্ত্ব হলো একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক দর্শন, যার মতে হিন্দু ও মুসলমানরা ভিন্ন ধর্ম, ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন জীবনাচার ও ভিন্ন ঐতিহ্যের কারণে একই জাতি নয়; তারা দুটি স্বতন্ত্র জাতি। তাই তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র থাকা আবশ্যক।

♦ দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও সৈয়দ আহমদ খান এর ভূমিকা:
→ সৈয়দ সায়্যদ আহমদ খান মীরাটে ১৬ মার্চ ১৮৮৮ সালের এক বক্তৃতায় হিন্দু ও মুসলিমকে আলাদা করে ‘two nations’ উল্লেখ করেন; এই মীরাট-বক্তৃতাই আধুনিক 'দ্বি-জাতি' ধারণার সবচেয়ে প্রাথমিক স্পষ্ট রূপগুলোর একটি হিসেবে বিবেচিত।
→ মীরাটে দেওয়া বক্তৃতায় সৈয়দ আহমদ খান স্পষ্টভাবে বলেন: 'হিন্দু এবং মুসলমান দুটি পৃথক সম্প্রদায়, যাদের ধর্ম, ঐতিহ্য এবং জীবনধারা ভিন্ন। একটি যৌথ রাষ্ট্রে তাদের একসঙ্গে শাসন করা কঠিন হবে।'
→ মীরাট বক্তব্যে সৈয়দ সরাসরি আলাদা রাষ্ট্র দাবি করেননি; তিনি ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্যের ওপর জোর দিয়ে সম্ভাব্য ক্ষমতা-অসাম্য তুলে ধরেছিলেন।
→ তিনি মনে করতেন যে হিন্দু ও মুসলমানদের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পার্থক্যের কারণে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ আলাদা।
→ এই বক্তৃতা এবং তাঁর অন্যান্য লেখনীতে তিনি মুসলমানদের জন্য পৃথক রাজনৈতিক পরিচয় ও প্রতিনিধিত্বের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। তাঁর এই ধারণা দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রাথমিক ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।



♦ দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও আল্লামা ইকবাল এর ভূমিকা:

→ ১৯৩০ সালে আল্লামা ইকবাল এলাহাবাদে All India Muslim Legue-এর বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতির ভাষণে দ্বি-জাতি তত্ত্বের বিষয়টি উল্লেখ করেন এবং এতে সমর্থন ব্যক্ত করেন।
→ এই ভাষণে তিনি উত্তর-পশ্চিম ভারতের মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশগুলোকে একত্র করে স্বশাসিত মুসলিম রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব দেন।
→ তাঁর কবিতা ও রচনা মুসলমানদের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আত্মপরিচয় জাগ্রত করতে শক্তিশালী ভূমিকা রাখে।
→ ইতিহাসবিদদের মতে, স্যার সাইয়্যদের বপন করা বীজকে ইকবাল দার্শনিক ভিত্তি ও রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা দেন, যা পরবর্তীতে জিন্নাহর নেতৃত্বে পাকিস্তান আন্দোলনের রূপ নেয়।

♦ দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর ভূমিকা:
→ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ দ্বি-জাতি তত্ত্বকে রাজনৈতিক বাস্তবতায় রূপ দেন; তিনি মুসলিম লীগের নেতৃত্বে মুসলিমদের জন্য স্বশাসিত রাষ্ট্র দাবির নেতৃত্ব দেন।
→ তিনি ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে ভারতীয় মুসলিমদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে পাকিস্তান গঠনের প্রস্তাব দেন। এটি ছিল আনুষ্ঠানিক পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাব।
→ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ-এর রাজনৈতিক নেতৃত্বই দ্বি-জাতি তত্ত্বকে কার্যকর বাস্তবতায় রূপান্তরিত করে স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

♦ দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও মাওলানা আকরম খাঁ এর ভূমিকা:
→ মাওলানা আকরম খাঁ ১৯৩৬ সালে মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য হিসেবে যোগদান করেন এবং পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
→ ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠনের প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে তিনি মুসলিম লীগের অবস্থানকে দৃঢ় করেন।
→ মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য হিসেবে পাকিস্তান আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা ও কয়েকটি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
- ব্রিটানিকা: [লিঙ্ক]
- Banglapedia: [লিঙ্ক]
- আল্লামা ইকবালের অফিসিয়াল সাইট: [লিঙ্ক] 
- দ্বিজাতি তত্ত্ব নিয়ে গবেষণাপত্র: [লিঙ্ক]
- Dwan ওয়েবসাইট: [লিঙ্ক]
- Thesis Paper Link: [লিঙ্ক]

৮,০১৯.
বিদেশী নাগরিকদের জন্য বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ৬
  2. খ) ৭
  3. গ) ১৭
  4. ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ অনুচ্ছেদ থেকে ৪৭ অনুচ্ছেদ পর্যিন্ত মৌলিক অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে।

- সংবিধানে মোট ১৮ টি মৌলিক অধিকারের কথা উল্লেখ রয়েছে। এদেশের নাগরিকদের জন্য সবকটি (১৮টি) মৌলিক অধিকার প্রযোজ্য এবং বিদেশীদের জন্য প্রযোজ্য ৬ টি মৌলিক অধিকার। 

- যে ৬ টি মৌলিক অধিকার উভয়ই ভোগ করতে পারে। সেগুলো হলোঃ

- জীবন ও ব্যাক্তি স্বাধীনতার অধিকার (৩২ নং অনুচ্ছেদ)

- ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ ছাড়া কাউকে গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না।

- জবরদস্তি শ্রমের কাজ থাকবে নিষিদ্ধ (৩৪ নং অনুচ্ছেদ)

- অপরাধ সংগঠন কালে আইনের লংঘন ও বিচার, নিজের কাজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য, প্রকাশ্য বিচার লাভ করার অধিকার।

- ধর্মীয় স্বাধীনতা।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র
৮,০২০.
স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে কয়জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন?
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
ব্যাখ্যা

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫-এর বিজয়ীদের মধ্যে ৬ জন মরণোত্তর পুরস্কার পেয়েছেন।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রি পরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৮,০২১.
পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৯৫০ সালে
  2. খ) ১৯৪৮ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৩৯ সালে ফ্রান্সিস ফ্লাউড-কে চেয়ারম্যান করে ভূমি রাজস্ব কমিশন নিয়োগ দেওয়া হয়। রাজস্ব আয়কারী সকল সম্পত্তি সরকার কর্তৃক হুকুমদখলের সুপারিশসহ এই কমিশন ১৯৪০ সালে তার প্রতিবেদন পেশ করে। এই কমিশনের সুপারিশমালার ওপর ভিত্তি করেই পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন ১৯৫০ পাশ হয়। এভাবেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আইনের ১৬৩ বছর পর সকল রাজস্ব আয়কারী বিষয়াদিসহ জমিদারি প্রথা বাতিলপূর্বক ভূমি ব্যবস্থা সরাসরি সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন চলে যায়।
Source: Banglapedia
৮,০২২.
সোনালী ও অগ্রণী কোন ফসলের জাত?
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) সরিষা
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গম
ব্যাখ্যা
- সোনালী ও অগ্রণী হলো দুটি উন্নত জাতের সরিষার জাত।
সরিষার অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- সফল
- কল্যাণীয়া
- টরি-৭
- দৌলত
- বিনা সরিষা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ও বিনা ওয়েবসাইট)
৮,০২৩.
In which amendment of the constitution of Bangladesh the English spelling of Dhaka was changed from Dacca to Dhaka?
  1. 6th Amendment
  2. 7th Amendment
  3. 8th Amendment
  4. 9th Amendment
  5. 10th Amendment
ব্যাখ্যা
সংবিধান সংশোধন:
- সময়ের চাহিদা ও প্রয়োজনে জনগণের কল্যাণার্থে সংবিধানের সংশোধন, পরিবর্তন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের দশম ভাগে ১৪২ নং অনুচ্ছেদে এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতির কথা উল্লেখ রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত ১৭ বার সংশোধিত হয়েছে। 
 
উল্লেখ্য,
- অষ্টম সংশোধনীর শিরোনাম ছিল সংবিধান [অষ্টম সংশোধন] আইন, ১৯৮৮]   
- বিলটি সংসদে পাশ হয় ৭ জুন, ১৯৮৮। 
- অষ্টম সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা। 
- এছাড়া ঢাকার ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka এবং Bengali এর নাম Bangla করা হয়।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২৪.
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা কে?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. আবদুল কুদ্দুস
  3. আবুল মনসুর আহম্মেদ
  4. রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা - রুহুল কুদ্দুস। তিনি একজন পাকিস্তান সিএসপি কর্মকর্তা ছিলেন।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও মূলধারা ’৭১।
৮,০২৫.
বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে-
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) ডেনমার্কে
  3. গ) নরওয়েতে
  4. ঘ) সুইডেনে
ব্যাখ্যা
আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- তবে এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে। এটির শিপইয়ার্ডের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার বর্গমিটার।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিজ নামে জাহাজ রপ্তানি করে।
- বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড। 

[সূত্র: আনন্দ শিপইয়ার্ড ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া]
৮,০২৬.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের উদ্দেশ্য?
  1. জাতীয় স্বার্থ সাধন
  2. স্বীয় সমর্থকদের স্বার্থসিদ্ধি
  3. নির্বাচনে অংশগ্রহণ
  4. স্বীয় কর্মসূচি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০২৭.
'শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস' পালন করা হয় কবে?
  1. ২৬ মার্চ
  2. ১৭ মার্চ
  3. ১২ ডিসেম্বর
  4. ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
- ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

- ১৯৭১ সালের এ দিনে দখলদার পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসর রাজাকার আল-বদর, আল-শামসরা বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।
- বুদ্ধিজীবী হত্যার ঠিক দুই দিন পর ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বাধীন বর্বর পাকিস্তানী বাহিনী আত্মসমর্পণ করে এবং স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানের এ দেশীয় দোসর আল-বদরের সাহায্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, সংস্কৃতি কর্মীসহ বিভিন্ন পেশার বরেণ্য ব্যক্তিদের অপহরণ করা হয়।
- পরে নিদারুণ যন্ত্রণা দিয়ে রায়েরবাজার ও মিরপুরে তাদের হত্যা করা হয়। এ দু'টি স্থান এখন বধ্যভূমি হিসেবে সংরক্ষিত।
- মুক্তিযুদ্ধের শেষ লগ্নে ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে আল-বদর বাহিনী আরও অনেক বুদ্ধিজীবীকে ধরে নিয়ে মোহাম্মদপুর ফিজিক্যাল ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে স্থাপিত আল-বদর ঘাঁটিতে নির্যাতনের পর রায়েরবাজার বধ্যভূমি ও মিরপুর কবরস্থানে নিয়ে হত্যা করে।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে রয়েছেন অধ্যাপক মুনির চৌধুরী, ডা.আলিম চৌধুরী, অধ্যাপক মুনিরুজ্জামান, ড. ফজলে রাব্বী, সিরাজ উদ্দিন হোসেন, শহীদুল্লাহ কায়সার, অধ্যাপক জিসি দেব, জ্যোতির্ময় গুহ ঠাকুরতা, অধ্যাপক সন্তোষ ভট্টাচার্য, মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, অধ্যাপক গিয়াস উদ্দিন, অধ্যাপক আনোয়ার পাশা, অধ্যাপক রশীদুল হাসান, ড. আবুল খায়ের, ড.মুর্তজা, সাংবাদিক খন্দকার আবু তাহের, নিজামউদ্দিন আহমেদ, এসএ মান্নান (লাডু ভাই), এ এন এম গোলাম মোস্তফা, সৈয়দ নাজমুল হক, সেলিনা পারভিনসহ আরও অনেকে।

উৎস: বিবিসি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রানালয়ের ওয়েবসাইট।  
৮,০২৮.
শালবন কী ধরনের বনভূমি?
  1. ক) সরলবর্গীয়
  2. খ) পর্ণমোচী
  3. গ) চিরহরিৎ
  4. ঘ) স্রোতজ
ব্যাখ্যা
- শালবন একটি পর্ণমোচী বা পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। অর্থাৎ শীতকালে এই বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝড়ে যায়।
- শাল বা গজারি এই বনের প্রধান বৃক্ষ।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকা জুড়ে শালবন বিস্তৃত।
(তথ্যসূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৮,০২৯.
জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,০৩০.
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০১৯ অনুসারে বাংলাদেশের নারীদের গড় প্রজনন হার কত?
  1. ক) ২.০
  2. খ) ২.২
  3. গ) ২.৩
  4. ঘ) ২.৫
ব্যাখ্যা
১৭ এপ্রিল ২০১৯ জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল ৪২তম বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করে। রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৮১ কোটি। জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১%। গড় আয়ু ৭৭ বছর এবং নারী প্রতি প্রজনন হার ২.০। জনসংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে ৮ম। (সূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট-২০১৯)।
৮,০৩১.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা প্রায় -
  1. ১২ কোটি ৯০ লাখ
  2. ১২ কোটি ৭৭ লাখ
  3. ১২ কোটি ৮০ লাখ
  4. ১২ কোটি ৫০ লাখ
ব্যাখ্যা

⇒ ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসনভিত্তিক ভোটার সংখ্যার তথ্য প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন ভোটার।

- মোট ভোটারের মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৪৮ লাখ ২৫ হাজার ১৫১ জন।
- নারী ভোটার সংখ্যা ৬ কোটি ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৫২৪ জন।
- এছাড়া, হিজড়া ভোটার রয়েছে ১ হাজার ১২০ জন।

- ৩০০ আসনে মধ্যে সর্বনিম্ন ভোটার ঝালকাঠি-১ আসনে; ২ লাখ ২৮ হাজার ৪৩১ জন।
- আর সর্বোচ্চ ভোটার রয়েছে গাজীপুর-২ আসনে ৮ লাখ ৪ হাজার ৩৩৩ জন।

উৎস: বাসস ও নির্বাচন কমিশন।

৮,০৩২.
পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন কে?
  1. ক) এম এ জি ওসমানি
  2. খ) এ কে খোন্দকার
  3. গ) আব্দুর রব
  4. ঘ) কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে। এদিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। এই অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,০৩৩.
বাংলায় স্বাধীন নবাবী আমল-
  1. ক) ১৭০৭-১৭৫৭ সাল
  2. খ) ১৭১৭-১৭৬৭ সাল
  3. গ) ১৭১৯-১৭৬০ সাল
  4. ঘ) ১৭২১-১৭৫৪ সাল
ব্যাখ্যা
নবাবী আমল:

- বাংলায় স্বাধীন নবাবী আমল ১৭০৭-১৭৫৭ সাল।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- ১৭৬০ - ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়

তথ্যসূত্র - ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,০৩৪.
নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত? 
  1. BIMSTEC
  2. CICA
  3. IORA
  4. SAARC
ব্যাখ্যা
• বিমসটেক (BIMSTEC):
- BIMSTEC একটি অর্থনৈতিক সংগঠন।
- BIMSTEC এর পূর্ণরূপ ‘Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation’।
- এর পূর্ব নাম ছিলো BISTEC (Bangladesh, India, Sri Lanka, Thailand Economic Cooperation)।
- পরবর্তীতে মায়ানমার যোগদান করলে 'M' যুক্ত হয়ে BIMSTEC হয় এবং নেপাল ও ভুটান যোগদানের পর বর্তমান নাম ধারন করে।  

এক নজরে BIMSTEC - 
▪ প্রতিষ্ঠাকাল: ৬ জুন, ১৯৯৭ সাল।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
▪ সদস্য সংখ্যা: ৭টি দেশ।
▪ সদরদপ্তর: ঢাকা, বাংলাদেশ।

বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে, 
- CICA (Conference on Interaction and Confidence-Building Measures in Asia) এর সদরদপ্তর কাজাখস্তানের রাজধানী নুরসুলতান।
- IORA (Indian Ocean Rim Association) এর সদর দপ্তর মরিশাসের এবেনে।
- SAARC (South Asian Associatiion for Regional Co-operation) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
৮,০৩৫.
১৯৭১ সালে কোনটি দলটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে?
  1. ক) বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি
  2. খ) বাংলাদেশ ন্যাশনাল কংগ্রেস
  3. গ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
  4. ঘ) ন্যাপ (মোজাফফর)
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানপন্থী ইসলামী দল যেমন: জামায়াতে ইসলামি, কাউন্সিল মুসলিমলীগ, জামায়াতে উলামায়ে ইসলাম, মুসলিমলীগ প্রভৃতি এবং পিকিংপন্থী মো. তোয়াহার নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি ও পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন-আলাউদ্দিন) মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে।(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৮,০৩৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার-এর সচিবালয় পরিচালিত হতো কোন স্থান হতে?
  1. ক) থিয়েটার রোড, কলকাতা
  2. খ) ডালহৌসি স্ট্রিট, কলকাতা
  3. গ) পার্ক স্ট্রিট, কলকাতা
  4. ঘ) কলেজ স্ট্রিট, কলকাতা
ব্যাখ্যা

আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের (মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত) সদস্যদের শপথ পাঠ করান।
শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আল স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
উল্লেখ্য, শপথ গ্রহন অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন - আব্দুল মান্নান এম.এন.এ।
এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।
উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস দ্বিতীয় পত্র বই (উন্মুক্ত)।

৮,০৩৭.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এর সমাধি রয়েছে -
  1. নড়াইলে
  2. সিলেটে
  3. যশোরে
  4. চট্রগ্রামে
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ:
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্ম ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬, যশোর জেলার অর্ন্তঃগত নড়াইল মহকুমার মহিষখোলা গ্রামে।
- ২৬শে ফেব্রুয়ারি ১৯৫৯, তদানিন্তন ইপিআর-এ সৈনিক হিসেবে যোগদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর গঠন হলে তাঁর উপর ন্যস্ত হয় ৮নং সেক্টরের দায়িত্ব।
- তিনি নিয়োগ পান বয়রা সাব-সেক্টরে।
- এই সাব-সেক্টরের অধীনে গোয়ালহাটি, ছুটিপুর ঘাট, ছুটিপুর সেনাক্যাম্প, বরনী আক্রমণে অংশ নেন এবং বীরত্ব প্রদর্শন করেন।
- বরনীতে নিজের জীবনের ঝুকি নিয়ে সাব-সেক্টর কমান্ডার ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার জীবন রক্ষা করেন।
- ৫ই সেপ্টেম্বর ১৯৭১, সুতিপুর প্রতিরক্ষা অবস্থানের সামনে ষ্ট্যান্ডিং পেট্রোলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালনের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর আক্রমণ নস্যাৎ করে দেন প্রায় একাই।
- আহত অবস্থায় অধীনস্থ সৈনিকদের নিরাপদে পিছনে পাঠিয়ে দেন এবং শত্রুর মোকাবেলা অব্যাহত রাখার সময় শাহাদাত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে সীমান্তবর্তী যুদ্ধক্ষেত্র যশোরের কাশীপুরে সমাহিত করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।

উৎস:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,০৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন?
  1. ক) ৮
  2. খ) ৭ (১)
  3. গ) ৬ (২)
  4. ঘ) ৬ (১)
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র -(১-৭খ)।
- অনুচ্ছেদ ৬(১) অনুযায়ী -  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- অনুচ্ছেদ ৬(২)  অনুযায়ী - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।
- অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী - সংবিধানের প্রাধান্য।
 - অনুচ্ছেদ ৮-  রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।

উৎস : বাংলাদেশের সংবিধান ।
৮,০৩৯.
সবজি উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) তৃতীয়
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) অষ্টম
  4. ঘ) চতুর্থ
ব্যাখ্যা

নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে।
দেশে সবজির উৎপাদন ১ কোটি ৭২ লাখ ৪৭ হাজার মেট্রিক টন।
উৎসঃ কৃষি মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত কৃষির সালতামামি ২০১৯

৮,০৪০.
'বেদ' নিম্নের কোন জাতির প্রধান ধর্মগ্রন্থ ছিল?
  1. ক) নেগ্রিটো
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) আর্য
  4. ঘ) দ্রাবিড়
ব্যাখ্যা
- সিন্ধু সভ্যতার পতনের পর একটি জাতি ভারতে প্রবেশ করতে থাকে। 
- ইতিহাসে এরা আর্য নামে পরিচিত। 
- আর্যদের প্রধান ধর্মগ্রন্থের নাম বেদ। 
- বেদের ধর্ম খুব নিষ্ঠার সাথে পালন করতো আর্যরা। 
- বেদের অনুসারী এই আর্যরা ভারতে গড়ে তোলে এক সভ্যতা। 
- ইতিহাসে তা আর্য সভ্যতা বা বৈদিক সভ্যতা নামে পরিচিত। 
- বেদ শুধু ধর্ম গ্রন্থই ছিল না। এতে সাহিত্যের গুণও ছিল। 
- এভাবে আর্য সভ্যতা ভারতবর্ষে এক উন্নত সাহিত্যের জন্ম দেয় যা বৈদিক সাহিত্য নামে পরিচিত। আর্য সভ্যতা সামাজিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় জীবনে একটি নতুন ধারণার জন্ম দিয়েছিল। 
- এই সভ্যতাই ধাতু যুগের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় ভারতকে।
- বেদের এর অপরনাম শ্রুতি। এর কারণ, লিপিবদ্ধ হওয়ার আগে দীর্ঘকাল বেদ ছিল মানুষের স্মৃতিতে বিধৃত। 
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
 
৮,০৪১.
সর্বপ্রথম ‘বঙ্গ’ শব্দটির উল্লেখ পাওয়া যায়?
  1. ক) রামচরিত
  2. খ) চণ্ডীমঙ্গল
  3. গ) করতোয়া মহাত্যম
  4. ঘ) ঐতরেয় আরণ্যক
ব্যাখ্যা

বঙ্গ - একটি প্রাচীন জনপদ।
জাতি বা উপজাতি অর্থে 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায় প্রথম ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে।
- নীহাররঞ্জন রায় ‘বাঙ্গালীর ইতিহাস আদি পর্ব’তে এই সংক্রান্ত প্রমাণ পাওয়া যায়।

আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের শেষ খন্ড "আইন-ই-আকবরী"তে দেশবাচক শব্দ হিসাবে প্রথম 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও আনন্দবাজার পত্রিকা আর্কাইভ।

৮,০৪২.
থ্রি - জিরো তত্ত্বে কোনটি নেই?
  1. জিরো দারিদ্র্য
  2. জিরো বেকারত্ব
  3. জিরো ক্ষুধা
  4. জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ
ব্যাখ্যা
জিরো ক্ষুধা থ্রি - জিরো তত্ত্বে নেই।

থ্রি - জিরো তত্ত্বে:
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের টেকসই উন্নয়নের 'থ্রি-জিরো' তত্ত্ব ।
- থ্রি-জিরো তত্ত্ব' আর্থিক স্বাধীনতা, কর্মঠ জনশক্তি তৈরি এবং পরিবেশ উন্নয়নে বর্তমান পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও কার্যকর একটি মডেল।
- এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি, যা তিনটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য অর্জনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। 

⇒ সেগুলো হচ্ছে-
• জিরো দারিদ্র্য,
• জিরো বেকারত্ব,
• জিরো নেট কার্বন নিঃসরণ। 

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে বাসযোগ্য নিরাপদ পৃথিবী ও নতুন সভ্যতা গড়ে তুলতে ‘থ্রি জিরো’ তত্ত্বকে বৃহৎ পরিসরে তুলে ধরেছেন অধ্যাপক ইউনূস।

উৎস: The Bussiness Stundard.
৮,০৪৩.
বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে কত সালে? 
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি হচ্ছে বাংলাদেশের ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
- সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৬ সালে।
- এএফসির সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৭৩ সালে।
- এর বর্তমান সভাপতি তাবিথ আউয়াল। (জানুয়ারি,২০২৬)

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন ও সাফ ফেডারেশন ওয়েবসাইট।

৮,০৪৪.
‘শতাব্দী’ ও ‘প্রদীপ’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) পাট
  2. খ) কলা
  3. গ) গম
  4. ঘ) ভুট্টা
ব্যাখ্যা
কয়েকটি উন্নত জাতের গম – অগ্রনী, শতাব্দী, প্রদীপ, সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিবাদ, ইনিয়া ৬৬। বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত’বিডব্লিউএমআরআই গম ১’ একটি আগাম এবং উচ্চ ফলনশীল গমের জাত। এটি শতাব্দী এবং প্রদীপ জাতের মধ্যে বাংলাদেশে সংকরায়ন করে উদ্ভাবন করা হয়েছে। সূত্র- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,০৪৫.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয়? (ফেব্রুয়ারি-২০২৬)
  1. রংপুর 
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. বগুড়া 
  4. ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি আলুর  উৎপাদন -  রংপুর জেলা (১৩,২৬,৩৪৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে: বগুড়া জেলা (১১,৮৭,০২৩ মে. টন)।

এছাড়াও
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৮,০৪৬.
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কোন পরিষদের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত?
  1. ক) NIPORT
  2. খ) NAEM
  3. গ) NEC
  4. ঘ) NICAR
ব্যাখ্যা

এনইসি (NEC) হচ্ছে - National Economic Council বা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ।
পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি এনইসি কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত। দেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কর্মসূচি অনুমোদনের জন্য সর্বোচ্চ রাজনৈতিক কর্তৃপক্ষ- এনইসি।
জাতীয় অর্থনীতির নীতি নির্ধারণের সর্বোচ্চ ফোরাম- একনেক।
প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৮,০৪৭.
বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১০ সালে
  2. খ) ২০১৩ সালে
  3. গ) ২০১৫ সালে
  4. ঘ) ২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে,
নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। 
এই স্তরের শিক্ষাশেষে শিক্ষার্থীরা সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ধারায় যাবে, নয়তো অর্জিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যাবে।
 
মাধ্যমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ :
- শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত মেধা ও সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা ।
- কর্মজগতে অংশগ্রহণের জন্য, বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি পর্যায়ের প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিরূপে শিক্ষার্থীকে তৈরি করা ।
- মানসম্পন্ন শিক্ষাদান করে প্রাথমিক স্তরে প্রাপ্ত মৌলিক জ্ঞান সম্প্রসারিত ও সুসংহত করা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ভিত শক্ত হবে।
- বিভিন্নরকমের মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, নৃতাত্ত্বিক ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালানো। 
- পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর জন্যও যতদিন প্রয়োজন বিশেষ পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার অগ্রগতি সমর্থন করা ।
- নির্ধারিত বিষয়ে সকল ধারায় অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা।
 
তথ্যসূত্র; ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি
৮,০৪৮.
ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম কী?
  1. স্বাধীনতা সোপান
  2. রক্ত সোপান
  3. বিজয় চেতন
  4. বিজয় কেতন
ব্যাখ্যা
বিজয় কেতন:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।

- বিজয় কেতন জাদুঘরের মূলমন্ত্র 'অতীতকে শ্রদ্ধা কর, ভবিষ্যতকে আলোকিত কর'।
- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের স্মরণে নির্মিত এ জাদুঘর চালু হয় ২০০০ সালের ২১ নভেম্বর।
- ছয়টি গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত বাংলাদেশের সামরিক যোদ্ধাদের নানা কীর্তি, স্মৃতিস্মারক, সেক্টর কমান্ডারদের আলোকচিত্র ও পরিচিতি, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত রাইফেল, কামান, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের মরদেহ বহনের কফিন ইত্যাদিসহ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আরো অনেক সামগ্রী রয়েছে।

অন্যদিকে,
- ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘বিজয় চেতন’। 
- ২৬ মার্চ আর ১৬ ডিসেম্বর, এই দৈর্ঘ্য প্রস্থেই নির্মাণ করা হয়েছে পাবনার সাঁথিয়া উপজেলা চত্বরে 'স্বাধীনতা সোপান'।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,০৪৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোনটি?
  1. ত্রিপুরা
  2. মারমা
  3. চাকমা
  4. গারো
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- সংখ্যার দিক দিয়ে - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

৮,০৫০.
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সৈয়দ শামসুল হক
  3. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র:
প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
প্রতিষ্ঠিত: ১৯৭৮ সাল।
প্রধান কার্যালয়: ঢাকার কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ।
স্লোগান: "আলোকিত মানুষ চাই"।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লক্ষ্য:
- মানুষের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা। 
- বিভিন্ন বিষয়ের জ্ঞান ও রুচিশীল সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে প্রগতিশীল চিন্তাচেতনার বিকাশ ঘটানো।
- সারা দেশের সবখানে আলোকিত, কার্যকর এবং উচ্চমূল্যবোধ সম্পন্ন মানুষ গড়ে তোলা।
- দেশের মানুষের চিত্তের আলোকায়ন ঘটানো।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের কাজ:
- বর্তমানে একটি দেশব্যাপী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
- মানবজ্ঞানের সামগ্রিক চর্চা এবং অনুশীলনের পাশাপাশি হৃদয়ের উৎকর্ষ ও জীবনের বহুবিচিত্র কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষের উচ্চতর শক্তি ও মনুষ্যত্বে বিকশিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করা।

উল্লেখ্য, 
-  ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের 'ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি'। 
- উদ্দেশ্য ছিলো পাঠককে বই পৌঁছে দেওয়া এবং পাঠাভ্যাস বাড়ানো। 
- ২০২৫ সালের প্রথম দিন থেকে বন্ধ হয়ে যাবে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির সব কার্যক্রম। 

তথ্যসূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দৈনিক ইত্তেফাক নিউজ। [লিঙ্ক]
৮,০৫১.
Who among the following martyrs was a student of Dhaka University?
  1. Abdul Jabbar
  2. Rafiq Uddin Ahmed
  3. Abul Barkat 
  4. Shafiur Rahman 
ব্যাখ্যা

আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের শহিদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে। 
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।

অন্যদিকে,
- শফিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ক্লাসের প্রাইভেট ছাত্র ও ঢাকা হাইকোর্টের কর্মচারী।
- আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।
- রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয়  বর্ষের ছাত্র।
- আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।
- আবদুল আউয়াল ছিলেন রিকশাচালক।
- মো. অহিউল্লাহ ছিলেন শিশু শ্রমিক।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,০৫২.
Who was the founder of 'Tomuddin Mojlish'?
  1. Abul kashem
  2. Titumir
  3. A.K. Fazlul Haque
  4. Hazi Shariwatullah
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৮,০৫৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা কোনটি?
  1. ক) ঘাটাইল
  2. খ) কোম্পানীগঞ্জ
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) বাঘাইছড়ি
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইটে বাগাইছড়ি ও শ্যামনগর উভয়কে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা হিসেবে দেখানো হয়েছে। 
 
রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের পূর্ব দক্ষিণাংশের সর্ব উত্তরে সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। 
- রাঙামাটি জেলা সদর হতে এর দূরত্ব ১৪৬কি.মি.। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা, যার আয়তন ৭০৩ বর্গমাইল। 
- এ উপজেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম রাজ্য, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা।
 
========================== 
 
অপরদিকে, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- শ্যামনগর উপজেলাটি বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার অধীন একটি উপজেলা। 
- এর আয়তন ৪৮৩.১১ বর্গ কিঃমিঃ বা ১৮৬.৫২ বর্গমাইল (সুন্দরবন সহ ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিঃমিঃ বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল )।
- আবার সুন্দরবনকে যুক্ত করলে শ্যামনগর উপজেলাটি ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট, যার মূল ভূখন্ড ৪৮৩.১১ বর্গ কিলোমিটার এবং সুন্দরবন ১৪৮৫.১৩ বর্গ কিলোমিটার।
 
অর্থাৎ, মূল ভূখণ্ডের ভিত্তিতে বাঘাইছড়ি হলো সর্ববৃহৎ উপজেলা। 
অপশনে যদি বাঘাইছড়ি ও শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে বাঘাইছড়ি। আর যদি অপশনে শুধু শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে শ্যামনগর। 
 
উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইট
৮,০৫৪.
’একলাখি মসজিদ’ কার শাসনামলে আমলে নির্মিত হয়?
  1. সুলতান জালালউদ্দীন মুহম্মদ শাহ
  2. সুলতান ইলিয়াস শাহ 
  3. সুলতান নাসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহ
  4. সুলতান গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা

- সুলতান জালালউদ্দিন মুহম্মদ শাহ-এর শাসনকালে নির্মিত হয় 'এক লাখি মসজিদ'। 
- এর নির্মাণকাল ১৪১৮-১৪২৩ সাল।
- পশ্চিমবঙ্গের মালদা জেলার পান্ডুয়ায় অবস্থিত। 
- প্রবাদ আছে যে, তখনকার দিনে এক লাখ টাকা ব্যয়ে এটি নির্মাণ করা হয়েছিল।তাই এটি 'এক লাখি মসজিদ' নামে পরিচিত হয়েছে।
- এ মসজিদ আসলে একটি কবর। এ সমাধিসৌধে সুলতান এবং তাঁর স্ত্রী-পুত্রদের সমাহিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বড় সোনা মসজিদের আর এক নাম 'বারোদুয়ারী মসজিদ'।
- এতে বৃহৎ বারোটি দরজা ছিল। এ মসজিদে সোনালি রঙের গিলটি করা কারুকার্য ছিল। সম্ভবত এজন্যই এটি সোনা মসজিদ নামে অভিহিত হতো। এ মসজিদটি গৌড়ের বৃহত্তম মসজিদ।
- আসাম বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য হুসেন শাহ এ মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন। ১৫২৭ সালে নসরত শাহ এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,০৫৫.
তমুদ্দিন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ আগস্ট ১৯৪৭
  2. ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭
  3. ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৮
  4. ১ জানুয়ারি ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
তমদ্দুন মজলিশ  ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা - ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৮,০৫৬.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন চট্টগ্রাম অঞ্চল কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ক) ১নং
  2. খ) ২নং
  3. গ) ১১নং
  4. ঘ) ১০নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র ব্যতিক্রমধর্মী সেক্টর হল ১০নং সেক্টর।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- মুজিব নগর কত ৮নং সেক্টরের অধিনে ছিল।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,০৫৭.
বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’ এই মর্মে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় কবে?
  1. ক) ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
  2. খ) ২ মার্চ, ২০২২
  3. গ) ২০ মার্চ, ২০২২ ২০২২
  4. ঘ) ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২২
ব্যাখ্যা
- 'জয়বাংলা'কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ২ মার্চ, ২০২২ প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার।
- রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' এই প্রজ্ঞাপন জারি করে।

- তার আগে ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ তারিখে 'জয়বাংলা'কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয় -
- ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান হবে।
- সাংবিধানিক পদাধিকারীরা, দেশে ও দেশের বাইরে কর্মরত সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তা/কর্মচারীরা সব জাতীয় দিবস উদযাপন এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় ও সরকারি অনুষ্ঠানে বক্তব্যের শেষে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।
- সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রাত্যহিক সমাবেশ সমাপ্তির পর এবং সভা-সেমিনারে বক্তব্যের শেষে শিক্ষকরা ও ছাত্র-ছাত্রীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান উচ্চারণ করবেন।

- ২০১৭ সালে আইনজীবী বশির আহমেদ জয় বাংলাকে জাতীয় শ্লোগান করার বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯ বাংলাদেশের হাইকোর্ট ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে ঘোষণা করে।
- ১০ মার্চ ২০২০ তারিখে বাংলাদেশের জাতীয় স্লোগান ‘জয় বাংলা’ হবে বলে রায় ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

তথ্যসূত্র:- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২।
৮,০৫৮.
’প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ’- এ ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লিখিত হয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ৭(২)
  2. অনুচ্ছেদ-৭(১)
  3. অনুচ্ছেদ-৫(১)
  4. অনুচ্ছেদ-৫(২)
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ ০৭: সংবিধানের প্রাধান্য।
- ৭(১) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।
- ৭(২) নং অনুচ্ছেদে বলা আছে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

অন্যদিকে,
- ৫(১) প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা৷ 
- ৫(২) রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮,০৫৯.
৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণকে সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. সপ্তম তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের তফসিল:
- বাংলাদেশ সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল সংযোজন করা হয়েছে।

৭টি তফসিল:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৮,০৬০.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক কে ছিলেন?
  1. আব্দুর রউফ
  2. ড. কামাল হোসেন
  3. জয়নাল আবেদিন
  4. আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
হস্তলিখিত সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্বাবধায়ক ছিলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদের সদস্যগণ হস্তলিখিত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন।
- হস্তলিখিত সংবিধানে ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ হতে বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান গৃহীত হওয়ার সময় বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন আবু সাঈদ চৌধুরী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,০৬১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি আমন ধান উৎপাদিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. মানিকগঞ্জ
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- বাংলাদেশের প্রায় ৮০-৮৫ ভাগ জমিতে ধান চাষ করা হয়।
- ময়মনসিংহ জেলায় সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।
- রংপুর বিভাগে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপন্ন হয়।

⇒ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৮,০৬২.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
  1. ক) ৮ : ৫
  2. খ) ৯ : ৫
  3. গ) ১০ : ৬
  4. ঘ) ১২ : ৭
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার অনুপাত- ১০ : ৬।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে সিরাজুল আলম খানের নির্দেশে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন।
- মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা'র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্ৰেণি।
৮,০৬৩.
১৯৭১ সালে মুক্তিবাহিনীর "এস ফোর্স" এর দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. কর্নেল জিয়াউর রহমান
  2. কর্নেল খালেদ মোশাররফ
  3. কর্নেল কে. এম সফিউল্লাহ
  4. উপরের কেউ নন
ব্যাখ্যা
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

বাংলাদেশ মুক্তিবাহিনী:
- যে জনযুদ্ধ এনেছে বাংলাদেশের পতাকা, সেই জনযুদ্ধের দাবিদার এদেশের সাত কোটি বাঙালি।
- এই সশস্ত্র যুদ্ধ একটি নির্বাচিত সরকারের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়।
- পরিকল্পিত এই যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১০ই এপ্রিল ১৯৭১ বাংলাদেশ সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ৪টি যুদ্ধঅঞ্চলে বিভক্ত করেন।

- এই ৪টি অঞ্চলের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধিনায়ক ছিলেন:
ক) চট্টগ্রাম অঞ্চল: মেজর জিয়াউর রহমান,
খ) কুমিল্লা অঞ্চল: মেজর খালেদ মোশাররফ,
গ) সিলেট অঞ্চল: মেজর কে এম সফিউল্লাহ,
ঘ) দক্ষিণ পশ্চিম: অঞ্চল মেজর আবু ওসমান চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে বিভক্ত করে রাজশাহী অঞ্চলে মেজর নাজমুল হক,
- দিনাজপুর অঞ্চলে মেজর নওয়াজেস উদ্দিন এবং,
- খুলনা অঞ্চলে মেজর জলিলকে দায়িত্ব দেয়া হয়।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন লেঃ কর্নেল জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়।
- কে ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল খালেদ মোশাররফ।
- এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,০৬৪.
অ্যাটর্নি জেনারেল পদাধিকারবলে কোন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি?
  1. সুপ্রিম কোর্ট বার
  2. বাংলাদেশ বার কাউন্সিল
  3. আইন কমিশন
  4. বিচার বিভাগীয় পরিষদ
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক ও প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- সাধারণত জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের মধ্য থেকে সরকার তাকে নিয়োগ দেয়।
- পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি হন।
- তাকে যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলরা সহায়তা করেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে এই পদে নিয়োগ দিয়েছেন। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৮,০৬৫.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন কে?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মণি সিংহ
  3. আব্দুল হামিদ
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর বঙ্গবন্ধুর:
- বাংলাদেশের সংবিধান স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
- এটি একটি লিখিত দলিল।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। 
- ১৪ ও ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭২ সংবিধানে গণপরিষদ সদস্যদের স্বাক্ষর দান উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৪ তারিখ স্পিকারের আমন্ত্রণে সংবিধানে সর্ব প্রথম স্বাক্ষর দেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- প্রথমে সংবিধানের বাংলা এবং পরে ইংরেজি পাঠে।
- তারপর স্বাক্ষর করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমদ।

অন্যদিকে,
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। 
- ১৫ তারিখ অনুষ্ঠানের শেষ সময় পর্যন্ত ৪ জন মাননীয় সদস্য- শ্রীমানবেন্দ্র নারায়ন লারমা, শ্রী সুরঞ্জিৎ সেন গুপ্ত, মোহাম্মদ আজিজার রহমান এবং মোহাম্মদ ইব্রাহীম সংবিধানে স্বাক্ষর করেননি। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
        ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,০৬৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুর এবং নোয়াখালি কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২ নং সেক্টর
  2. ৩ নং সেক্টর
  3. ৪ নং সেক্টর
  4. ৬ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- এই সেক্টরের অধীনে প্রায় ৩৫ হাজারের মতো গেরিলা যুদ্ধ করেছে।
- নিয়মিত বাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ হাজার।
- এই সেক্টরে ছয়টি সাব-সেক্টর ছিল।
- এই সেক্টরের বাহিনীর অভিযানের ফলে কুমিল্লা ও ফেনীর মধ্যবর্তী ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে পাক-বাহিনী সম্পূর্ণ বিতাড়িত হয় এবং মুক্তিযুদ্ধের সামগ্রিককালে এই এলাকা মুক্তিযোদ্ধাদের অধিকারে থাকে।

অন্যদিকে,
- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর।
- ঢাকা-২ নং সেক্টর।
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর।
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর।
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট।
৮,০৬৭.
দেশে বর্তমানে (২০২৪) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৪০টি
  2. ১৪২টি
  3. ১৪৪টি
  4. ১৪৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি: 

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ১৪৫ টি। 
অবসরকৃত/মেয়াদ উত্তীর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ০৯(২০২৩-২০২৪ অর্থবছর) (এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত)। 
সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন (মে: ও:) - ১৬,৪৭৭ (৩০ এপ্রিল ২০২৪)। 
বিদ্যুৎ আমদানি (মে: ও:) - ২,৬৫৬। 
মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন (কি.ও.ঘন্টা) - ৬০২(ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ) (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 
বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা - ৪ কোটি ৭০ লক্ষ। 
সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ (কোটি টাকায়)  - ৩০,০৬৩.৬৬ (২০২৩-২০২৪ অর্থবছর)। 
বিতরণ সিস্টেম লস (%) - ৭.৬৫ (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বিদ্যুৎ বিভাগের ওয়েবসাইট।
৮,০৬৮.
কতটি বিষয়ের উপর ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে গণভোটের প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৮টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

গণভোটে হ্যাঁ অথবা না:
- ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটে মূলত ৪টি প্রধান বিষয়ের ওপর প্রশ্ন নির্ধারণ করা হয়েছে।
- যা জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশের সাথে সম্পর্কিত এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এটি ঘোষণা করেছেন: 

১. নির্বাচনকালীন সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হবে।

২. আগামী সংসদ হবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট। জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ জন সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হবে এবং সংবিধান সংশোধন করতে হলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হবে।

৩. সংসদে নারীর প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিতকরণ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধি, মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও স্থানীয় সরকার-সহ বিভিন্ন বিষয়ে যে ৩০টি প্রস্তাবে জুলাই জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্যমত হয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলো বাধ্য থাকবে।

৪. জুলাই সনদে বর্ণিত অন্যান্য সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হবে।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫।[লিঙ্ক]

৮,০৬৯.
স্থানীয় সরকার এমেন্ডমেন্ট বিল অনুসারে কোন সিটি কর্পোরেশন বিলুপ্ত করা হয়?
  1. ঢাকা সিটি কর্পোরেশন
  2. গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন
  3. কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশন
  4. রংপুর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
২০১১ সালের ২৯ নভেম্বর স্থানীয় সরকার সংশোধনী বিল ২০১১ অনুসারে সরকার পূর্ববর্তী ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে বিলুপ্ত ঘোষণা করে। এ আইন অনুযায়ী ৪ ডিসেম্বর ২০১১ থেকে ঢাকা সিটি করপোরেশনকে দুইটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০১২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন যাত্রা শুরু করে।

ঢাকা সিটির ইতিহাস 
৪০০ বছর আগের ‘বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলির’ আটপৌরে ঢাকা এখন মেগাসিটি। পরিণত হয়েছে বিশ্বের সপ্তম জনবহুল মহানগরীতে। ১৬১০ সালে মোঘল সুবেদার ইসলাম খাঁর হাত ধরে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকার যাত্রা শুরুর পর সুদীর্ঘ পথপরিক্রমায় ঢাকাকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। সোনারগাঁও, বিক্রমপুরসহ বাংলা অঞ্চলের অনেক নগরীরই পতন হয়েছে, কিন্তু সগৌরবে টিকে আছে ঢাকা। 
- ১৮৬৪ সালের ১ আগস্ট ঢাকা পৌরসভা (মিউনিসিপ্যালিটি) প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ১৮৮৫ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন রায় বাহাদুর আনন্দ চন্দ্র রায়। 
- ১৯৭৭ সালে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত। 
- ১৯৯০ সালে  ঢাকা সিটি করপোরেশনে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত সিটি কর্পোরেশণের প্রথম মেয়র (মনোনীত) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৯৪ সালে ভোটারদের প্রত্যক্ষ ভোটে ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হন  মোহাম্মদ হানিফ । 

তথ্যসূত্র - ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ।
৮,০৭০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কতটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৭১.
একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা-
  1. জীবন থেকে নেয়া
  2. আরেক ফাল্গুন
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. প্রভাত ফেরী
ব্যাখ্যা

• প্রথম চলচ্চিত্র:
- একুশের চেতনা নিয়ে নির্মিত প্রথম সিনেমা ‘জীবন থেকে নেয়া’।
- সিনেমাটি পরিচালনা করেন জহির রায়হান।
- এতে অভিনয় করেন রাজ্জাক, সুচন্দা, আনোয়ার হোসেন, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান ও রওশন জামিল।
- এ ছবির চিত্রগ্রাহক আফজাল চৌধুরী।
- চলচ্চিত্রের গানগুলোয় সুরারোপ করেন খান আতাউর রহমান।

⇒ ‘জীবন থেকে নেয়া’ সিনেমার পরিবেশক আনিস ফিল্ম। মুক্তি পায় ১৯৭০ সালের ১০ এপ্রিল। এই চলচ্চিত্রে এক গৃহকর্ত্রীর স্বেচ্ছাচারী ভূমিকার মাধ্যমে পাকিস্তানি স্বৈরতন্ত্রকে তুলে ধরা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

৮,০৭২.
অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ গভর্নর ছিলেন-
  1. ক) স্যার জন হাবার্ট
  2. খ) লর্ড মাউন্ট ব্যাটন
  3. গ) স্যার এফ বারোজ
  4. ঘ) ব্যামফিল্ড ফুলার
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার সর্বশেষ গভর্নর ছিলেন স্যার ফ্রেডেরিক জন বারোজ।
তিনি ১৯৪৬-১৯৪৭ মেয়াদে বাংলার শেষ গভর্নর ছিলেন।
অন্যদিকে ব্যামফিল্ড ফুলার ছিলেন পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের প্রথম লেফটেন্যান্ট গভর্নর।

(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস বই)

৮,০৭৩.
শিক্ষার জন্য সংবিধানিক অঙ্গীকার বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় বর্ণিত করেছে?
  1. ক) ১৩
  2. খ) ১৭
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৯
ব্যাখ্যা
- শিক্ষার জন্য সাংবিধানিক অঙ্গিকার বাংলাদেশের সংবিধান ( ১৭ )অনুচ্ছেদ ধারায় বর্ণিত করেছে।
- একটি অভিন্ন, গণ মুখী এবং সর্বজনীন শিক্ষা ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা এবং সমস্ত শিশুর জন্য বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার প্রসার ঘটানো যা আইন দ্বারা নির্ধারিত হবে।
- সমাজের চাহিদার সাথে শিক্ষা সম্পর্কিত এবং সেই চাহিদা পূরণের জন্য যথাযথভাবে প্রশিক্ষিত ও অনুপ্রাণিত নাগরিক তৈরি করা
- আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিরক্ষরতা দূর করা।

 (উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান)
৮,০৭৪.
সংবিধান সংস্কার কমিশন এর সুপারিশ অনুসারে, সংসদের উচ্চকক্ষের আসন সংখ্যা হবে-
  1. ১০০টি
  2. ৪০০টি
  3. ১০৫টি
  4. ৫০৫টি
ব্যাখ্যা

 সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- সাংবিধানিক নাম: জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ (People's Republic of Bangladesh),
- নাগরিকত্ব: বাংলাদেশি,
- মূলনীতি: ৪টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র),
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন),
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন

৮,০৭৫.
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তাকারী দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. জাপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা:
- ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ হলো ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রণীত একটি ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং বর্ধিত জলবায়ু স্থিতিস্থাপকতার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- বন্যা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হিসেবে ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের অনুমোদন পায়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।

উল্লেখ্য,
- এ মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপ ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়ন করা হবে।
- এ সময়ে ৮০টি প্রকল্পের আওতায় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে বিনিয়োগের লক্ষ্য ধরা হয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
৮,০৭৬.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’-এর অধিনায়ক কে ছিলেন?
  1. প্রতাপ শঙ্কর হাজরা
  2. আলী ইমাম
  3. শাহজাহান আলম
  4. জাকারিয়া পিন্টু
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের একটি ফুটবল দল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত অর্জন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যার্থে অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে ভারতের বিভিন্ন স্থানে প্রদর্শনী ফুটবল খেলায় অংশ নেয়।
- এই দলটি ‘স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল’ নামে পরিচিত ছিল।
- পৃথিবীর ইতিহাসে যুদ্ধকালীন প্রথম ফুটবল দল এটি।
- মূল পরিকল্পনাটা ছিলো শামসুল হকের।
- জুন মাসে কলকাতায় তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ ক্রীড়া সমিতি এবং যারা সারা ভারতজুড়ে খেলে সমর্থন আদায় করবে আমাদের স্বাধীন বাংলার স্বীকৃতির জন্য।
- তার সাহায্যে এগিয়ে এলেন সমিতির প্রথম সেক্রেটারি লুতফর রহমান, কোচ আলী ইমাম ও ইস্ট এন্ড ক্লাবের সাবেক ফুটবলার সাঈদুর রহমান প্যাটেল।
- স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক ছিলেন জাকারিয়া পিন্টু।
- আর সহ-অধিনায়ক ছিলেন প্রতাপ শংকর হাজরা।
- কোচ ও ম্যানেজার ছিলেন যথাক্রমে ননি বসাক ও তানভীর মাজহারুল তান্না। 
- ম্যাচ খেলা থেকে অর্জিত পাঁচ লাখ ভারতীয় রুপি ক্রীড়া সমিতি জমা দিয়েছে মুক্তিযুদ্ধের ফান্ডে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলে যারা ছিলেন: 
- জাকারিয়া পিন্টু (অধিনায়ক), প্রতাপ শঙ্কর হাজরা (সহ-অধিনায়ক), আলী ইমাম, মোহাম্মদ কায়কোবাদ, অমলেশ সেন, আইনুল হক, নিহার কান্তি দাস, শেখ আশরাফ আলী, বিমল কর, শাহজাহান আলম, মনসুর আলী লালু, কাজী সালাউদ্দিন, এনায়েতুর রহমান, সুভাষ সাহা, কে এম নওশেরুজ্জামান, ফজলে সাদাইন খোকন, আবুল হাকিম, তসলিমউদ্দিন শেখ, আমিনুল ইসলাম, আবদুল মমিন জোয়ারদার, মনিরুজ্জামান পেয়ারা, সাত্তার, প্রাণ গোবিন্দ কুন্ডু, মুজিবর রহমান, মেজর জেনারেল (অব.) খন্দকার নুরুন্নবী, লুৎফর রহমান, সাইদুর রহমান প্যাটেল, অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি, সনজিব কুমার দে, মাহমাদুর রশিদ, দেওয়ান মোহাম্মদ সিরাজউদ্দিন, নিহার কান্তি দাস।

উৎস: ২৬ মার্চ ২০২২, সময় নিউজ।
৮,০৭৭.
মুজিববর্ষ উপলক্ষে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বরগুনা
  2. বরিশাল
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
নৌকা জাদুঘর:

- সাগর উপকূলীয় জেলা বরগুনায় উদ্বোধন করা হয়েছে দেশের প্রথম নৌকা জাদুঘর।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে নির্মিত এ জাদুঘরের নাম রাখা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর’।
- দেশ বিদেশের বাহারি নকশার একশ’টি নৌকার অনুকৃতি নিয়ে এ জাদুঘরের যাত্রা শুরু। 
- শহরের প্রাণকেন্দ্রে বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন ৭৮ শতাংশ জমি জুড়ে স্থাপন করা হয়েছে বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘর।
- বিশাল নৌকার আদলে তৈরি এ জাদুঘরটির দৈর্ঘ্য ১৬৫ ফুট এবং প্রস্থ ৩০ ফুট।
- এ জাদুঘরে থাকবে নৌকা গবেষণা কেন্দ্র, আধুনিক পাঠাগার, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশু বিনোদন কেন্দ্র এবং ফুট কোটসহ নানা আয়োজন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ৩১ ডিসেম্বর ২০২০।
৮,০৭৮.
বাংলার মধ্যযুগের ইতিহাসে কার শাসনকালকে ‘স্বর্ণযুগ’ বলা হয়?
  1. ইলিয়াস শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. শেরশাহ সূরি
ব্যাখ্যা

• হুসেন শাহিবংশ:
- হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে বাংলার সিংহাসনে বসেন সৈয়দ হুসেন।
- সুলতান হয়ে তিনি 'আলাউদ্দিন হুসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বাংলায় 'হুসেন শাহি বংশ' নামে এক নতুন বংশের শাসনপর্ব শুরু হয়।
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি আমল (১৪৯৩-১৫৩৮ খ্রিষ্টাব্দ) ছিল নানা কারণেতাৎপর্যপূর্ণ।
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের প্রধান সুলতান।
-  একজন শাসক হিসেবে হোসেন শাহ নানামুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা ছাড়াও শাসন ব্যবস্থার পুনর্গঠন এবং জনকল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে তিনি উদ্যম, নিষ্ঠা ও বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়েছেন।
- হুসেন শাহের হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতি স্থাপনের প্রচেষ্টা তৎকালীন সমাজ জীবনকেও প্রভাবিত করেছিল। তারশাসনকালেই আবির্ভাব ঘটে বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক, ভক্তি আন্দোলনের নেতা, মানবতাবাদী শ্রীচৈতন্য দেবের। 
-  এ যুগের প্রখ্যাত কবি ও লেখকদের মধ্যে রূপ গোস্বামী, সনাতন গোস্বামী, মালাধর বসু, বিজয় গুপ্ত, বিপ্রদাস, পরাগল খান ও যশোরাজ খান উল্লেখযোগ্য ছিলেন। 
- আলাউদ্দিন হুসেন শাহ আরবি ও ফার্সি ভাষারও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- সকল ধর্মের মানুষের প্রতি অপরিসীম শ্রদ্ধা ও ভক্তিছিল আলাউদ্দিন হুসেন শাহের। তাঁর রাজত্বকালে বাংলার বিভিন্ন স্থানে বেশ কিছু মসজিদ নির্মিত হয়েছিল।
- তাঁর ২৬ বছরের শাসনকালে বাংলায় জ্ঞান-বিজ্ঞান ও শিল্পকলার বিশেষ উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এজন্য তাঁর শাসনকালকে অনেকেই বাংলার মধ্যযুগের ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' বলে আখ্যাত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম, শ্রেণি। 

৮,০৭৯.
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ড. মির্জা আব্দুল জলিল
  2. প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
  3. অজয় দাশগুপ্ত
  4. মাহফুজা খানম
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
ভাষা আন্দোলনে:
- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)
- শামছুল হক (মরণোত্তর)
- আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
শিল্পকলায়:
- পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়)
- সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়)
- আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক)
- সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র)
- ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি)
- পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
মুক্তিযুদ্ধে:
- গোলাম হাসনায়েন
- ফজলুর রহমান খান ফারুক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
সাংবাদিকতায়:
- অজয় দাশগুপ্ত
গবেষণায়:
- ড. সমীর কুমার সাহা
শিক্ষায়:
- মাহফুজা খানম
অর্থনীতিতে:
- ড. মির্জা আব্দুল জলিল
সমাজসেবায়:
- প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
ভাষা ও সাহিত্যে:
- কবি কাজী রোজী
- বুলবুল চৌধুরী
- গোলাম মুরশিদ।
(সূত্র: ডেইলি স্টার)
৮,০৮০.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. নওয়াব খাজা আহসানউল্লাহ
  2. নওয়াব খাজা আব্দুল গণি
  3. নওয়াব খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. নওয়াব আলীবর্দী খান
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গণি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ'র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

৮,০৮১.
২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে বাজেট বাংলাদেশের কততম বাজেট?
  1. ৫১তম
  2. ৫২তম
  3. ৫০তম
  4. ৫৪তম
ব্যাখ্যা
• জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে প্রথম বাজেট।
- প্রস্তাবিত বাজেট পেশ: ১ জুন,২০২৩।
- প্রস্তাবিত বাজেট পাস: ২৬ জুন,২০২৩।
- বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী আহম মুস্তফা কামাল।
- বাজেট কার্যকর: ১ জুলাই, ২০২৩।
- বাংলাদেশের অর্থবছর: ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন।
- এ বছরের বাজেট: ৫২তম ( অন্তর্বর্তীকালীন সহ ৫৩তম)। 
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা। 

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
৮,০৮২.
বাংলাদেশে গত ৫০ বছরে ধানের উৎপাদন কত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. দ্বিগুন
  2. তিনগুণের বেশি
  3. দ্বিগুনের কম
  4. তিনগুন
ব্যাখ্যা

• উচ্চফলনশীল ধানের অবদান: 
- ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে উচ্চফলনশীল ধানের জাত এবং ধান উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করছে ব্রি।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১২১টি (১১৩টি ইনব্রিড ও ৮টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে।
- কালিজিরা এবং কাটারিভোগ ধানের বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পন্য হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছে।​ 
- গত ৫০ বছরে ধান উৎপাদন তিনগুণের বেশি বেড়েছে। ফলে ধান গবেষণায় ব্রি সারা বিশ্বে খ্যাতি অর্জন করেছে।

এছাড়াও, 
• বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, 
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- ঢাকা থেকে উত্তরে গাজীপুরের জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট,
- যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, 

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। [লিঙ্ক]

৮,০৮৩.
'ঢাকা গেইট' নির্মাণ করেন কে?
  1. মীর কাশেম
  2. লর্ড কার্জন
  3. মীর জুমলা
  4. ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
ঢাকা গেইট:
- ঢাকা গেইট ঐতিহাসিক মোগল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দোয়েল চত্বর এলাকায় অবস্থিত।
- 'ঢাকা গেইট' এর নির্মাতা হলেন 'মীর জুমলা'।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের সময়ে বাংলার গভর্নর হয়ে আসেন মীর জুমলা।
- জানা যায়, ১৬৬০ থেকে ১৬৬৩ সালের মধ্যে তিনি ঢাকা গেইট নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- সীমানা চিহ্নিত করতে এবং স্থলপথে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি মীর জুমলা গেইট, ময়মনসিংহ গেইট বা রমনা গেইট নামেও পরিচিত ছিল।

তথ্যসূত্র: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
৮,০৮৪.
বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [এপ্রিল, ২০২৫] 
  1. ময়মনসিংহ
  2. ফরিদপুর 
  3. বগুড়া 
  4. লক্ষ্মীপুর
ব্যাখ্যা
সয়াবিন:
- বর্তমানে 'সয়াবিন' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা লক্ষ্মীপুর।
- দেশে মোট উৎপাদিত সয়াবিনের ৮০ শতাংশই মিলছে লক্ষ্মীপুর থেকে।
- দেশের খ্যাতনামা ভোজ্যতেল ও পোলট্রি খাদ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এসব সয়াবিন সংগ্রহ করেন।
- জেলার কমলনগর, রামগতি, রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি সয়াবিন আবাদ হয়।

উল্লেখ্য,
- এ অঞ্চলের উর্বর মাটি সয়াবিন চাষের জন্য উপযোগী।
- এখানকার মাটি দোআঁশজাতীয়।
- এ মাটিতে একবার লাঙল চালালেই তা সয়াবিন চাষের উপযোগী হয়।
- লক্ষ্মীপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার ৪২ হাজার হেক্টর জমিতে সয়াবিন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
- তবে এর চেয়ে আরও ১ হাজার ৬৬০ হেক্টর বেশি জমিতে সয়াবিনের আবাদ করা হয়েছে।
- কৃষি কর্মকর্তারা বলেন, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে এ বছরে জেলায় অন্তত ৮৪ হাজার মেট্রিক টন সয়াবিন উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে, যার বাজারমূল্য ৩২০–৩৫০ কোটি টাকা। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৬ মার্চ ২০২৫, প্রথম আলো। 
৮,০৮৫.
বাংলাদেশে প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০ কিলোমিটার
  2. খ) ৩৫ কিলোমিটার
  3. গ) ৫৫ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৭৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে হলো ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে।
গত ১৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী এটির উদ্বোধন করেন। এটির দৈর্ঘ্য ৫৫ কিলোমিটার। মহাসড়কটিতে চারটি লেন এবং দুটি সার্ভিস লেন রয়েছে।
এই এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ঢাকা থেকে মাওয়া যেতে সময় লাগবে ২৭ মিনিট এবং ভাঙ্গা যেতে ৫৫ মিনিট।
(সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট)

৮,০৮৬.
কোন ঘটনা নিয়ে 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল?
  1. দেশ বিভাগ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. শিক্ষা আন্দোলন
  4. গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
'কবর' নাটক: 
- বাংলাদেশের নাটকের ইতিহাসে মুনীর চৌধুরীর লেখা ‘কবর’ নাটকটি স্মরণীয় নাম।
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল। 
- কারাগারের ভেতরে বসে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে এই নাটকটি লেখা এবং মঞ্চস্থ করা হয়েছিল।
- 'কবর' নাটকটি লেখা হয়েছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে, কারারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে।
- রাতে কারাগারের বাতি নিভিয়ে দেয়া হলে লণ্ঠনের আলোয় সেই নাটকের প্রথম মঞ্চায়ন হয়েছিল ঢাকা কারাগারে।
- নাটকটি মুনীর চৌধুরী লেখা শেষ করেছিলেন ১৯৫৩ সালের ১৭ জানুয়ারি আর জেলখানায় অভিনীত হয়েছিল ২১ ফেব্রুয়ারি।

উৎস: বিবিসি বাংলা (১৭ জানুয়ারি ২০২৩)
৮,০৮৭.
জামাল নজরুল ইসলাম কে ছিলেন?
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. রাজনৈতিকবিদ
  3. পদার্থবিজ্ঞানী
  4. খ্যাতিমান কবি
ব্যাখ্যা
• জামাল নজরুল ইসলাম:
- জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী, প্রফেসর ইমেরিটাস, বাংলাদেশী গাণিতিক পদার্থবিজ্ঞানী এবং সৃষ্টিতত্ত্ববিদ।
- তিনি ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা খান বাহাদুর সিরাজুল ইসলাম ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের একজন সাব-জজ এবং তাঁর মা রাহাত আরা বেগম ছিলেন লেখক ও গায়িকা।
- জামাল নজরুল ইসলাম কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ থেকে বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি লাভ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে ফাঙ্কশনাল গণিত এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিদ্যায় দ্বিতীয় বি.এস.সি (স্নাতক) ডিগ্রি পান।
- তিনি ১৯৬০ সালে এম.এস.সি (স্নাতকোত্তর) ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।

- পেশাগতভাবে ড. ইসলাম ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- তিনি ৫০টিরও বেশি বৈজ্ঞানিক নিবন্ধ এবং বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় বই প্রকাশ করেছেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভাস’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,০৮৮.
একুশে পদক ঘোষণা করে কোন মন্ত্রণালয়?
  1. তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়
  2. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষামন্ত্রণালয়
  4. সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৫:
- একুশে পদক ২০২৫এ ১৭ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান পায়।
- একুশে পদক ঘোষণা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়।
- ক্রীড়ায় একুশে পদক পাচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।
- গবেষণায়: মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১ এর রচয়িতা)।
- ভাষা ও সাহিত্যে: শহীদুল জহির (মরণোত্তর) ও হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর)।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায়: ড. শহীদুল আলম।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে: মেহেদী হাসান খান, রিফাত নবী, মো. তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সাংবাদিকতায় :মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর) এবং
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার: মাহমুদুর রহমান।
- শিল্পকলার চলচ্চিত্রে: আজিজুর রহমান।
- সংগীতে :উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া ও ফেরদৌস আরা, 
- আলোকচিত্রে: নাসির আলী মামুন।
-  চিত্রকলায়: রোকেয়া সুলতানা।
- শিক্ষায়: ড. নিয়াজ জামান।
- সমাজসেবায় :মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরি।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।[লিঙ্ক]
৮,০৮৯.
সংবিধানের-১৮(ক) অনুচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য
  2.  সম্পত্তির অধিকার।
  3. অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা
  4. গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- অনুচ্ছেদ - ১৮ নং: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- ১৮(১): জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলে গণ্য করা হবে।
-  বিশেষত আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
 - ১৮(২):  গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
- ১৮(ক): রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণীর সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করবে।

⇒ অপরদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা কথা বলা হয়েছে।
- ১৬নং গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি-বিপ্লব কথা বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৮,০৯০.
নিচের কোনটি 'হোয়াইট গোল্ড' নামে পরিচিত?
  1. ইলিশ
  2. রূপচাঁদা
  3. পাট
  4. চিংড়ি
ব্যাখ্যা
হোয়াইট গোল্ড:
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে 'সাদা সোনা' বা 'হোয়াইট গোল্ড' বলা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে বিশ্বের মোট চিংড়ির একটা উল্লেখযোগ্য অংশ উত্পাদিত হচ্ছে, তবে বছরভেদে এর পরিমান ওঠানামা করে।
- ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪১ কোটি ডলারের চিংড়ি রপ্তানি হয়।
- প্রবৃদ্ধি দাড়ায় ২৩.৮৪ শতাংশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, দৈনিক প্রথম আলো, ১৬ আগস্ট ২০২৩ ও ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
৮,০৯১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোথায়?
  1. লাহোর সুপ্রিম কোর্ট
  2. করাচি সুপ্রিম কোর্ট
  3. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  4. চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম 'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য'।
- তবে এটি 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবেই বেশি পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,০৯২.
বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে কি পরিমাণ মৎস আহরণ করা হয়?
  1. ক) ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মৎস সম্পদ-
- অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয় - ১২.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ চাষকৃত - ২৪.৮৮ লক্ষ মেট্রিক টন
- অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে আহরিত মোট মাছের পরিমাণ - ৩৭.১৭ লক্ষ মেট্রিক টন।
এছাড়া সামুদ্রিক উৎস থেকে আহরিত মাছের পরিমাণ - ৬.৬৪ লক্ষ মেট্রিক টন
অর্থ্যাৎ, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে আহরিত মোট মাছের পরিমান = ৪৩.৮১ লক্ষ মেট্রিক টন।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

৮,০৯৩.
’বলাকা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. তুলা
  3. ভুট্টা
  4. তামাক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের উন্নতমানের ফসলের জাত:
• ধান- ইরাটম, ব্রিশাইল, সোনার বাংলা-১, ময়না, হরিধান, চান্দিনাম, নারিকা-১, মালাইরি।
• গম - অগ্রণী-সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত।
• ভুট্টা- উত্তরণ, বর্ণালী, শুভ্রা;
• তুলা- রূপালী ও ডেলফোজ।
• টমেটো- মিন্টু, বাহার, মানিক, রতন, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• তামাক - সুমাত্রা ও ম্যানিলা;
• বেগুন- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী।
• কলা - অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশী, মোহনবাঁশী, বীট জবা, অমৃতসাগর, সিংগাপুরী।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।

৮,০৯৪.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে আত্মসমর্পণকারী পাকিস্তানি সেনার সংখ্যা—
  1. ক) ৯০ হাজার
  2. খ) ৮১ হাজার
  3. গ) ৮৩ হাজার
  4. ঘ) ৯৩ হাজার
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিঃশর্তভাবে আত্মসমর্পণ করে।
- তাদের এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে ২৬ মার্চ শুরু হওয়া মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার জন্য চূড়ান্ত যুদ্ধে অংশ নিতে ধাপে ধাপে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে তোলেন।
- একাত্তরের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে লাখো জনতার সামনে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণে শত্রুদের মোকাবিলা করার জন্য যার যা আছে, তা-ই নিয়ে সবাইকে প্রস্তুত থাকতে বলেন তিনি।
- বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
- তাঁর এই ভাষণের পর সারা দেশ উত্তাল হয়ে ওঠে।
- ২৫ মার্চ রাতে বাংলাদেশের নিরস্ত্র মানুষের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।
- ওই রাতেই গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধু।
- শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।
- ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান পূর্বাঞ্চলের কমান্ডার জেনারেল এ এ কে নিয়াজিকে অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের জীবন রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।
- ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে অস্ত্র সংবরণ করে আত্মসমর্পণের আহ্বান জানান। 
- ১৬ ডিসেম্বর সকাল সোয়া নয়টার সময় মানেকশ ভারতের পূর্বাঞ্চল বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ মেজর জেনারেল জে এফ আর জেকবকে আত্মসমর্পণের দলিল ও আনুষ্ঠানিকতা চূড়ান্ত করার জন্য ঢাকায় পাঠান।
- অবশেষে মুক্তিযুদ্ধের জয়ী ও পরাজিত দুই পক্ষের মধ্যে ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়। 
- শেষপর্যন্ত জেনারেল আবদুল্লাহ নিয়াজী ১৬ ডিসেম্বর রেসকোর্সের যে স্থানে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ দিয়েছিলেন সেখানে ৯৩ হাজার সৈন্য ও অফিসারসহ আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- যৌথবাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা, জিওসি এবং পূর্বাঞ্চলীয় ভারতীয় বাহিনী ও বাংলাদেশ বাহিনীর সর্বাধিনায়ক। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
          ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০১৯, প্রথম আলো।
৮,০৯৫.
বাংলাদেশ সংবিধানে কয়টি মৌলিক অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ১৮টি
  3. ১৫টি
  4. ১০টি
ব্যাখ্যা

সংবিধানে মৌলিক অধিকার:
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৬ নয় ৪৭ নং অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মৌলিক অধিকারসমূহ সন্নিবেশিত রয়েছে।
= বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ থেকে ৪৪ অনুচ্ছেদে  ১৮টি অধিকারের নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে, সেগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে মৌলিক অধিকার।
- সংবিধানের ৪৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এগুলো আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য। এই অধিকারগুলো ভঙ্গ করলে রাষ্ট্র প্রতিকার প্রদানে বাধা থাকে।
- সংবিধানের ২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই অধিকারগুলোর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ যেকোনো আইন বাতিল বলে গণ্য হবে।

উল্লেখ্য,
- মৌলিক অধিকারগুলো হলো: 
- আইনের দৃষ্টিতে সমতা, ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য, সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা, বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ, আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার, জীবন ও বাক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ, গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ, জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ, বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ, চলাফেরার স্বাধীনতা, সমাবেশের স্বাধীনতা, সংগঠনের স্বাধীনতা, চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা, পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা, ধর্মীয় স্বাধীনতা, সম্পত্তির অধিকার, গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ, দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।

৮,০৯৬.
বঙ্গবন্ধু কত সালে ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন?
  1. ক) ১৯৬৪ সালে
  2. খ) ১৯৬৫ সালে
  3. গ) ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়। ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,০৯৭.
সম্প্রতি, বাংলাদেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে- [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. নাটোরের কাঁচাগোল্লা
  2. কুষ্টিয়ার তিলের খাজা
  3. নরসিংদীর অমৃতসাগর কলা
  4. নেত্রকোনার বালিশ মিষ্টি
ব্যাখ্যা

৫৮তম জিআই পণ্য:
- সম্প্রতি, নেত্রকোনার শতবর্ষের ঐতিহ্যের ধারক ‘বালিশ মিষ্টি’ কে দেশের ৫৮তম জিআই পণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
- পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি) বালিশ মিষ্টিকে এই স্বীকৃতি দিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ২০২৩ সালে ডিপিডিটিতে বালিশ মিষ্টির জিআই স্বীকৃতির জন্য আবেদন করা হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে নেত্রকোনার দুর্গাপুরের বিজয়পুরের সাদামাটি জিআই স্বীকৃতি পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- ছোট বালিশের মতো লম্বাটে ও তুলতুলে আকারের জন্যই এর নাম ‘বালিশ মিষ্টি’।
- বালিশ মিষ্টির উৎপত্তি নেত্রকোনা শহরের বারহাট্টা রোড এলাকায়।
- আনুমানিক ১২০ বছর আগে স্থানীয় মিষ্টান্ন প্রস্তুতকারক গয়ানাথ ঘোষ প্রথম এই মিষ্টি তৈরি করেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮,০৯৮.
কতজন সদস্য নিয়ে গনপরিষদ গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৬৯ জন
  2. ৪০০ জন
  3. ৩০০ জন
  4. ৪০৩ জন
ব্যাখ্যা
গণপরিষদ আদেশ:
- ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গনপরিষদ গঠিত হয়েছিল?
- ১৯৭২ সালে ২৩ মার্চ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ জারি করেন।
- এই আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর হয়।
- এই আদেশ অনুসারে ১৯৭০ সালের ডিসেম্বর ও ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদ সদস্যগণ গণপরিষদের সদস্য বলে পরিগণিত হয়।
- মৃত্যু এবং অন্য কোন কারণে বা আইনে অযোগ্য বলে ঘোষিত হওয়ার ফলে সর্বমোট (১৬৯+৩০০) ৪৬৯ জন সদস্যের স্থলে ৪০৩ জন সদস্য নিয়ে গণপরিষদ গঠিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জন্য একটি স্থায়ী সংবিধান প্রণয়নের গুরুদায়িত্ব গণপরিষদের ওপর ন্যস্ত করা হয়।
- পরিষদের কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একজন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করতে পারবে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,০৯৯.
২০২৬ সালে চলচ্চিত্রে ‘একুশে পদক’ লাভ করেছেন কে?
  1.  ফরিদা আক্তার ববিতা
  2. আফরোজা সুলতানা রত্না
  3. রোজিনা আক্তার 
  4. সারাহ বেগম কবরী
ব্যাখ্যা

• একুশে পদক ২০২৬:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গৌরববোজ্জ্বল অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘একুশে পদক ২০২৬’ তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। 
- প্রতিষ্ঠান হিসেবে- ব্যান্ড সংগীতের দল ওয়ারফেজ মনোনীত হয়েছে।

• একুশে পদক ২০২৬ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
- চলচ্চিত্রে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ফরিদা আক্তার ববিতা,
- চারুকলায় অধ্যাপক মো. আব্দুস সাত্তার,
- স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম,
- সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু,
- নৃত্যে অর্থি আহমেদ,
- নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার,
- সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান,
- শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মাহবুবুল আলম মজুমদার ও
- ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা ও প্রথম আলো।

৮,১০০.
বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
  2. খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  3. গ) ৩ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর
  4. ঘ) ২ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর
ব্যাখ্যা
‘কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১-২০২২ অনুযায়ী - 
- মোট আবাদযোগ্য জমি- ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।

- মোট আবাদী জমি- ২ কোটি ৮১ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ৩০৯ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫২ লক্ষ ১৬ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ১ লক্ষ ৯৪ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৬ লক্ষ ১৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি    ৫৬ হাজার একর।

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২১ (বিবিএস)